সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
সৌরজগতের কোন গ্রহের কোন উপগ্রহ নেই?
বুধ গ্রহের কোন প্রাকৃতিক উপগ্রহ নেই।

সংক্ষেপে দেখুনবুধ গ্রহের কোন প্রাকৃতিক উপগ্রহ নেই।
পৃথিবীর সবথেকে বেশী এ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত সংগীত শিল্পীর নাম কি?
পৃথিবীর সবথেকে বেশি অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত সংগীত শিল্পীর নাম বলতে না পারলেও পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি গান গাওয়ার রেকর্ড করেছেন বলিউডের কণ্ঠশিল্পী আশা ভোসলে। গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে তার নামটি এই তালিকায় যুক্ত হয়েছে।
পৃথিবীর সবথেকে বেশি অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত সংগীত শিল্পীর নাম বলতে না পারলেও পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি গান গাওয়ার রেকর্ড করেছেন বলিউডের কণ্ঠশিল্পী আশা ভোসলে।
গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে তার নামটি এই তালিকায় যুক্ত হয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনটুথপেস্টের প্যাকেটের রং ভিন্ন ভিন্ন হওয়ার কারন কি?
আসলে প্যাকেট না বলে টিউব বলাই ঠিক হবে। টুথপেস্টের টিউবের নিচের অংশে বিভিন্ন রং দেখে বলা যায় এতে কি ব্যবহৃত হয়েছে। লাল রং : এই টুথপেস্ট তৈরিতে কিছু প্রাকৃতিক এবং কিছু রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার হয়েছে। সবুজ রং : টুথপেস্ট তৈরিতে ব্যবহৃত সব উপাদানই প্রাকৃতিক। নীল রং : কিছু উপাদান প্রাকৃতিক এবং কিছু ভেষজ (হবিস্তারিত পড়ুন
আসলে প্যাকেট না বলে টিউব বলাই ঠিক হবে। টুথপেস্টের টিউবের নিচের অংশে বিভিন্ন রং দেখে বলা যায় এতে কি ব্যবহৃত হয়েছে।
লাল রং : এই টুথপেস্ট তৈরিতে কিছু প্রাকৃতিক এবং কিছু রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার হয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনসবুজ রং : টুথপেস্ট তৈরিতে ব্যবহৃত সব উপাদানই প্রাকৃতিক।
নীল রং : কিছু উপাদান প্রাকৃতিক এবং কিছু ভেষজ (হারবাল)।
কালো রং : এই টুথপেস্ট তৈরিতে ব্যবহৃত সব উপাদানই রাসায়নিক।
পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী কোনটি এবং এর আবাসস্থল কোথায়?
বাম্বলবি ব্যাট বিশ্বের সবচেয়ে ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণীর নাম বাম্বলবি ব্যাট (Bumblebee Bat)। এরা বাদুর প্রজাতির সবচেয়ে ছোট বাদুর। এদের ওজন সাধারণত ২ গ্রাম হয়ে থাকে। থাইল্যান্ড এবং মিয়ানমারের কয়েকটি গুহায় এদের পাওয়া যায়।
বাম্বলবি ব্যাট
বিশ্বের সবচেয়ে ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণীর নাম বাম্বলবি ব্যাট (Bumblebee Bat)। এরা বাদুর প্রজাতির সবচেয়ে ছোট বাদুর। এদের ওজন সাধারণত ২ গ্রাম হয়ে থাকে। থাইল্যান্ড এবং মিয়ানমারের কয়েকটি গুহায় এদের পাওয়া যায়।
সংক্ষেপে দেখুনমাউন্ট এভারেস্ট বা প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে বিমান উড়ে না কেন?
কে আপনাকে এমন নিউজ দিলো জানিনা। তবে এটি সত্য নয়। প্রতিটি প্লেন, যেগুলো ইন্ডিয়া, চায়না, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং বেশিরভাগ এশিয়ান দেশগুলো থেকে অ্যামেরিকা, ক্যানাডা, মেক্সিকো অথবা সাউথ অ্যামেরিকার যেকোন জায়গায় যেতে প্যাসিফিক ওশান (প্রশান্ত মহাসাগর) এর উপর দিয়ে যেতে হয়। কারণ এটাই একমাত্র শর্টকাট রুট! আর হবিস্তারিত পড়ুন
কে আপনাকে এমন নিউজ দিলো জানিনা। তবে এটি সত্য নয়। প্রতিটি প্লেন, যেগুলো ইন্ডিয়া, চায়না, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং বেশিরভাগ এশিয়ান দেশগুলো থেকে অ্যামেরিকা, ক্যানাডা, মেক্সিকো অথবা সাউথ অ্যামেরিকার যেকোন জায়গায় যেতে প্যাসিফিক ওশান (প্রশান্ত মহাসাগর) এর উপর দিয়ে যেতে হয়। কারণ এটাই একমাত্র শর্টকাট রুট!

সংক্ষেপে দেখুনআর হিমালয়ের (মাউন্ট এভারেস্ট) উপর দিয়ে তো হরহামেশাই প্লেন উড়ে চলে। আর আপনি চাইলে একটি টুরিস্ট প্লেনে করেও হিমালয়ের মাথার উপর দিয়ে উড়ে যেতে পারেন। কোন সমস্যা নেই।
লোভ জিনিসটা একজন মানুষের জন্য কতোটা খারাপ হতে পারে?
এক্ষেত্রে একটি উদাহরণ দেয়া যায়। যেমন মরক্কান ফুটবলার আকারাফ হাকিমির (Achraf Hakimi) প্রাক্তন স্পানিস স্ত্রী আবুক (Hiba Abouk) ডিভোর্সের সময় আইনত তার স্বামীর অর্ধেক সম্পদ পেতে ব্যর্থ হয়েছেন। ২০২০ সালে তাদের বিয়ে হয়েছিল। এর কিছুদিন আগে আবুক তার ফুটবলার স্বামী হাকিমির বিরুদ্ধে ডিভোর্স মামলা করেন এববিস্তারিত পড়ুন
এক্ষেত্রে একটি উদাহরণ দেয়া যায়। যেমন মরক্কান ফুটবলার আকারাফ হাকিমির (Achraf Hakimi) প্রাক্তন স্পানিস স্ত্রী আবুক (Hiba Abouk) ডিভোর্সের সময় আইনত তার স্বামীর অর্ধেক সম্পদ পেতে ব্যর্থ হয়েছেন। ২০২০ সালে তাদের বিয়ে হয়েছিল। এর কিছুদিন আগে আবুক তার ফুটবলার স্বামী হাকিমির বিরুদ্ধে ডিভোর্স মামলা করেন এবং আইন অনুযায়ী স্বামীর অর্ধেক সম্পত্তি দাবি করেন। কিন্তু তিনি কিছুই পাননি। কারণ হাকিমির নিজ নামে কোন সম্পদ নেই। হাকিমির আয়ের অর্থে কেনা সব সম্পত্তি তার মায়ের নামে রয়েছে।

এমনকি হাকিমি ষষ্ঠ সর্বোচ্চ আয়কারী আফ্রিকান ফুটবলার হিসেবে সপ্তাহে যে ২ লক্ষ ১৫ হাজার ডলার আয় করেন সেটাও তার মায়ের নামে জমা হয়। এমন ঘটনার সম্মুখীন হয়ে হাকিমির প্রাক্তন স্ত্রী আবুক দারুণ হতাশায় ভেঙে পড়েছেন।
একজন লোভী মানুষের জন্য এর চেয়ে খারাপ আর কি হতে পারে?
সংক্ষেপে দেখুনবিশ্বের দীর্ঘতম ফ্লাইট এর সময় কত ছিলো?
বিশ্বের দীর্ঘতম ফ্লাইট : রবার্ট টিম এবং জন কুক নামের দুই আরোহী চার আসনবিশিষ্ট 'সেসনা ১৭২' বিমানে করে লাস ভেগাসের আকাশে উড়ে বেড়িয়েছিলেন টানা ৬৪ দিন ২২ ঘণ্টা ১৯ মিনিট! ঘটনাটি ১৯৫৯ সালের। এটিই এখন পর্যন্ত বিশ্বের দীর্ঘতম ফ্লাইটের রেকর্ড! এবার আপনার মনে প্রশ্ন উঠতে পারে বিমানটিতে এত জ্বালানি এল কিভাবে?বিস্তারিত পড়ুন
বিশ্বের দীর্ঘতম ফ্লাইট :
রবার্ট টিম এবং জন কুক নামের দুই আরোহী চার আসনবিশিষ্ট ‘সেসনা ১৭২‘ বিমানে করে লাস ভেগাসের আকাশে উড়ে বেড়িয়েছিলেন টানা ৬৪ দিন ২২ ঘণ্টা ১৯ মিনিট! ঘটনাটি ১৯৫৯ সালের। এটিই এখন পর্যন্ত বিশ্বের দীর্ঘতম ফ্লাইটের রেকর্ড!


সংক্ষেপে দেখুনএবার আপনার মনে প্রশ্ন উঠতে পারে বিমানটিতে এত জ্বালানি এল কিভাবে? নিচের ছবিটি দেখলেই তা বুঝতে পারবেন।
জ্বালানি ফুরিয়ে যাবার আগেই বিমানটি অনেকটা নিচে নেমে আসতো এবং আকাশে থাকা অবস্থায়ই ট্রাক থেকে একটি পাইপ এবং পাম্পের মাধ্যমে বিমানে জ্বালানি সরবরাহ করা হতো।
বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগামী বুলেট ট্রেন কোনটি?
দ্যা সাংহাই ম্যাগলেভ দ্যা সাংহাই ম্যাগলেভ (The Shanghai Maglev) হলো বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম ট্রেন। ঘণ্টায় ৬০০ কিলোমিটার বা ৩৭৩ মাইল বেগে চলতে পারে। চীনের পূর্ব শ্যাংডং প্রদেশের কিংডাও শহরে এর উদ্বোধন করা হয়।
দ্যা সাংহাই ম্যাগলেভ

সংক্ষেপে দেখুনদ্যা সাংহাই ম্যাগলেভ (The Shanghai Maglev) হলো বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম ট্রেন। ঘণ্টায় ৬০০ কিলোমিটার বা ৩৭৩ মাইল বেগে চলতে পারে। চীনের পূর্ব শ্যাংডং প্রদেশের কিংডাও শহরে এর উদ্বোধন করা হয়।
কোন কোর প্রাণীর কামড়ে ভ্যাকসিন নিতে হয়?
কুকুর, বিড়াল, শিয়াল, বেজি, বানর, বাদুড় ইত্যাদি সহ রেবিস বহনকারী যেকোন প্রাণীর কামড়ে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন নিতে হবে। এবং এর সাথে ৪৮ ঘন্টার ভেতরে Tetanus Antitoxin (ATS) ইনজেকশন দেয়া উচিত যদিও এক্ষেত্রে টিটেনাসে মৃত্যুর হার কম।
কুকুর, বিড়াল, শিয়াল, বেজি, বানর, বাদুড় ইত্যাদি সহ রেবিস বহনকারী যেকোন প্রাণীর কামড়ে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন নিতে হবে। এবং এর সাথে ৪৮ ঘন্টার ভেতরে Tetanus Antitoxin (ATS) ইনজেকশন দেয়া উচিত যদিও এক্ষেত্রে টিটেনাসে মৃত্যুর হার কম।
সংক্ষেপে দেখুনবাঘ আর সিংহের মিলনে কোন প্রাণীর জন্ম হয় ?
লাইগার পুরুষ সিংহ এবং স্ত্রী বাঘের সংকরায়নে উৎপন্ন প্রাণী লাইগার (Liger)। এরা দেখতে বিশাল আকৃতির সিংহের মতো, যার শরীরে বাঘের গায়ের ডোরাকাটা দাগগুলো হালকাভাবে থাকে। লাইগার হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আকারের বিড়াল প্রজাতির প্রাণী। টাইগন পুরুষ বাঘ ও স্ত্রী সিংহের সংকরায়নে উৎপন্ন প্রজাতি টাইগন (Tigon)বিস্তারিত পড়ুন
লাইগার
পুরুষ সিংহ এবং স্ত্রী বাঘের সংকরায়নে উৎপন্ন প্রাণী লাইগার (Liger)। এরা দেখতে বিশাল আকৃতির সিংহের মতো, যার শরীরে বাঘের গায়ের ডোরাকাটা দাগগুলো হালকাভাবে থাকে। লাইগার হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আকারের বিড়াল প্রজাতির প্রাণী।
টাইগন
পুরুষ বাঘ ও স্ত্রী সিংহের সংকরায়নে উৎপন্ন প্রজাতি টাইগন (Tigon)। মা সিংহীর কাছ থেকে পাওয়া ছোট ছোট স্পট আর বাবা বাঘের কাছ থেকে পাওয়া হালকা ডোরা কাটা দাগ এদের শরীরে দেখতে পাওয়া যায়। এক বিশেষ জিনগত কারণে টাইগন রা বাঘ বা সিংহের তুলনায় ছোট হয়।

সংক্ষেপে দেখুনকোন পাখি জীবনে একবার ডিম পাড়ে?
এই প্রশ্নের উত্তরে অনেকেই বলবে ঈগলের কথা। কিন্তু এটি সত্য নয়। আর এমন কোন প্রমাণ নেই যে একটি সুস্থ ঈগল বয়স বাড়ার সাথে সাথে ডিম পাড়া কম করে দেয়। ঈগল গড়ে ২৫ বছর বাঁচে। এবং প্রতি বছর ২টি করে ডিম দেয়। সাধারণত এরা ৫ বছর বয়সের মধ্যেই বাসা বাঁধতে শেখে এবং ডিম পাড়ে। সুতরাং পরবর্তী ২০ বছরে এরা ৪০টি ডিম দেয়বিস্তারিত পড়ুন
এই প্রশ্নের উত্তরে অনেকেই বলবে ঈগলের কথা। কিন্তু এটি সত্য নয়। আর এমন কোন প্রমাণ নেই যে একটি সুস্থ ঈগল বয়স বাড়ার সাথে সাথে ডিম পাড়া কম করে দেয়।

ঈগল গড়ে ২৫ বছর বাঁচে। এবং প্রতি বছর ২টি করে ডিম দেয়। সাধারণত এরা ৫ বছর বয়সের মধ্যেই বাসা বাঁধতে শেখে এবং ডিম পাড়ে। সুতরাং পরবর্তী ২০ বছরে এরা ৪০টি ডিম দেয় তাদের জীবদ্দশায়।
সত্যি বলতে এমন কোন পাখি নেই যারা জীবদ্দশায় শুধুমাত্র একবার ডিম দেয়।
সংক্ষেপে দেখুনবিশ্বের সবচেয়ে সুখী ভাষা কোনটি?
গবেষকরা সুখের ভাগফল এবং ভাষার মধ্যে একটি সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছেন। ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানীরা খুঁজে পেয়েছেন যে স্প্যানিশ সবচেয়ে সুখী ভাষা।
গবেষকরা সুখের ভাগফল এবং ভাষার মধ্যে একটি সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছেন। ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানীরা খুঁজে পেয়েছেন যে স্প্যানিশ সবচেয়ে সুখী ভাষা।
সংক্ষেপে দেখুনমিনারেল নাকি সিনথেটিক: গাড়িতে কোন ধরণের ইঞ্জিন অয়েল বেশি কার্যকরী?
গাড়ির প্রাণ হচ্ছে ইঞ্জিন। আর ইঞ্জিনকে বাঁচিয়ে রাখে ইঞ্জিন অয়েল। ইঞ্জিন অয়েল আবার কয়েক রকম হতে পারে। যেমন মিনারেল ইঞ্জিন অয়েল, সিনথেটিক ইঞ্জিন অয়েল , সেমি সিনথেটিক ইঞ্জিন অয়েল। কিন্তু কোন ধরনের জ্বালানি ব্যবহার করা গাড়ির জন্য ভাল এবং যুক্তিযুক্ত এই নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় থাকেন। বিভিন্ন ধরণের ইঞ্জিন অয়েলবিস্তারিত পড়ুন
গাড়ির প্রাণ হচ্ছে ইঞ্জিন। আর ইঞ্জিনকে বাঁচিয়ে রাখে ইঞ্জিন অয়েল। ইঞ্জিন অয়েল আবার কয়েক রকম হতে পারে। যেমন মিনারেল ইঞ্জিন অয়েল, সিনথেটিক ইঞ্জিন অয়েল , সেমি সিনথেটিক ইঞ্জিন অয়েল। কিন্তু কোন ধরনের জ্বালানি ব্যবহার করা গাড়ির জন্য ভাল এবং যুক্তিযুক্ত এই নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় থাকেন। বিভিন্ন ধরণের ইঞ্জিন অয়েলের বিভিন্ন রকম সুবিধা অসুবিধা থাকে। সেসব ভালোমন্দ বিবেচনা করেই গাড়িতে ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করা উচিৎ। তার আগে এই বিভিন্ন রকম ইঞ্জিন অয়েল সম্পর্কে ধারণা নেয়া যাক।
মিনারেল অয়েল
প্রকৃতিতে পাওয়া যায় এমন অপরিশোধিত তেলকে পরিশোধনের পর যদি গাড়ির ইঞ্জিন চালনার জন্য ব্যবহার করা হয় তাহলে সেগুলোকে মিনারেল ইঞ্জিন অয়েল বলা হয়। মিনারেল ইঞ্জিন অয়েলে কোনো ধরণের কেমিক্যাল যোগ করা হয় না। প্রাকৃতিক ভাবে যে তেল পাওয়া যায় সেটিই শুধু পরিশোধন করে ব্যবহার করা হয়। সাধারণত ক্রুড অয়েল থেকে মিনারেল ইঞ্জিন অয়েল পাওয়া যায়।
সিনথেটিক অয়েল
গাড়ির ইঞ্জিনের সেরা এবং সর্বোচ্চ পারফর্মেন্স নিশ্চিত করার জন্য যেসব তেল উচ্চমাত্রার পরিশোধিত এবং প্রয়োজনীয় রাসায়নিক কেমিক্যাল যুক্ত করে তৈরি করা হয়ে থাকে সেগুলোকে সিনথেটিক অয়েল বলা হয়ে থাকে। সিনথেটিক ওয়েলে যেসব কেমিক্যাল যুক্ত করা হয় সেগুলো ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে যুক্ত করা হয়ে থাকে।
সেমি সিনথেটিক অয়েল
সেমি সিনথেটিক বলতে সিনথেটিক এবং মিনারেল অয়েলের মিশ্রণকে বুঝানো হয়ে থাকে। অর্থাৎ যেসব ইঞ্জিন অয়েলে একই সাথে প্রাকৃতিক এবং সিনথেটিক ওয়েল দুটোই থাকে সেগুলোকে সেমি সিনথেটিক অয়েল বলা হয়ে থাকে। মূলত মিনারেল অয়েলের কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য তার সাথে সিনথেটিক অয়েল যুক্ত করে সেমি সিনথেটিক অয়েল তৈরি করা হয়ে থাকে। তবে এই দুই ধরণের অয়েলের মিশ্রনের অনুপাতে সিনথেটিক অয়েলের পরিমান সর্বোচ্চ ৩০% । বাকি ৭০ ভাগ মিনারেল অয়েল।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে গাড়ির ইঞ্জিনের জন্য কোন ধনের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করা বেশি ভাল এবং যুক্তিযুক্ত। দাম, ব্যবহার উপযোগিতা, কার্যকরণ বিভিন্ন কারণে একেকজন একেক ধরণের তেল ব্যবহার করে থাকেন। কোন ধরণের তেলের কী কী সুবিধা-অসুবিধা, ভালোমন্দ তা যাচাই করে; তবেই গাড়ির জন্য ইঞ্জিন অয়েল নির্বাচন করা উচিৎ।
মিনারেল ইঞ্জিন অয়েলের সুবিধা অসুবিধা
সুবিধা
অসুবিধা
সিনথেটিক অয়েলের সুবিধা অসুবিধা
সিনথেটিক অয়েল এমন এক ধরণের জ্বালানি যা গাড়ির ইঞ্জিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছিল। ফলে গাড়িতে সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করার বেশ কিছু সুবিধা আছে। এইসকল সুবিধার জন্য অনেক গাড়ি চালকই সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করার দিকে ঝুকছেন।
সুবিধা
সিনথেটিক অয়েল ইঞ্জিন চালু হবার সাথে সাথেই কাজ করা শুরু করে। যেখানে মিনারেল অয়েল ইঞ্জিন চালু হবার পর পুরোপুরি কার্যকর হতে কিছুটা সময় লাগে। এছাড়াও গাড়ির পার্টস ভাল রাখতে এবং ইঞ্জিনের নকিং বন্ধ করতে সিনথেটিক ইঞ্জিন অয়েলের সুনাম রয়েছে। নিচে সিনথেটিক অয়েলের আরো কিছু সুবিধা দেয়া হলো
অসুবিধা
সিনথেটিক অয়েলের যেমন সুবিধা আছে, তেমনি কিছু অসুবিধাও আছে।
কোন ধরণের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করবেন?
আপনার গাড়ির ব্যবহার এবং পরিবেশের উপর তেলের ব্যবহার অনেকখানি নির্ভর করে থাকে।
যাদের সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করার ইচ্ছা আছে কিন্তু দামের কথা মাথায় রেখে অনেকেই এই তেল কিনতে পারেন না। তারা সেমি সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে কম দামেও তেল ব্যবহার করে ইঞ্জিনের যত্ন নেয়া সম্ভব। সিনথেটিক অয়েল গাড়ির কার্যকারিতা বাড়ায় তাতে কোন সন্দেহ নেই। এছাড়াও গাড়িতে ভেইকেল ট্র্যাকিং ডিভাইস প্রহরী থাকলে এর মাধ্যমে সহজেই আপনি আপনার গাড়ির ফুয়েল মনিটরিং করতে পারবেন মোবাইলের মাধ্যমেই। তাই তেল চুরির ভয় নেই। তেল অপচয় ও ঠেকানো সম্ভব। তাই দাম বেশি হলেও, সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করে তখন খরচ কিছুটা হলেও কমানো যাবে।
সংক্ষেপে দেখুনজিন্স প্যান্টের পকেটের উপর ছোট্ট একটি পকেটে থাকে। জিন্স প্যান্টের এ ছোট্ট পকেটের কী কাজ?
জিন্স প্যান্টের ছোট্ট পকেটের কী কাজ? জিন্স প্যান্টের পকেটের সঙ্গে ছোটখাটো পকেটটা তো নজরে পড়বেই। এই ছোট পকেটে অনেকে ছোট ছোট জিনিস রাখেন। কেউ চাবি বা অন্যকিছু। তবে এই পকেটটার রয়েছে বাড়তি গুরুত্ব। অনেকেই জানেন না সেটা কী। জিন্সের জন্ম ১৮০০ শতকে। শুরুতে জিন্স অবশ্য এখনকার কত আবেদনময় ছিল না। ১৮৭৩ সালে এবিস্তারিত পড়ুন
জিন্স প্যান্টের ছোট্ট পকেটের কী কাজ?
জিন্স প্যান্টের পকেটের সঙ্গে ছোটখাটো পকেটটা তো নজরে পড়বেই। এই ছোট পকেটে অনেকে ছোট ছোট জিনিস রাখেন। কেউ চাবি বা অন্যকিছু। তবে এই পকেটটার রয়েছে বাড়তি গুরুত্ব। অনেকেই জানেন না সেটা কী।
জিন্সের জন্ম ১৮০০ শতকে। শুরুতে জিন্স অবশ্য এখনকার কত আবেদনময় ছিল না। ১৮৭৩ সালে এলো ব্লু জিন্স। জ্যাকব ডেভিস ও লেভি স্ট্রস অ্যান্ড কোং ব্লু জিন্সের অফিশিয়াল পেটেন্ট পেলেন। তারাই মূলত এই ছোট একখানি পকেট রেখে দিলেন।
এই ছোট পকেটটি রাখার পেছনে কারণ কি থাকতে পারে? লেভি স্ট্রস কোং জানায়, চেইন ঘড়ি রাখার জন্য বিশেষায়িত এই পকেট রাখা হয়। তখন ওয়েস্টের কাউবয়রা চেইন ঘড়ি ব্যবহার করতেন। সেটা রাখতে হতো ওয়েস্টকোটে। দৌড়ঝাপে মত্ত কাউবয়দের ঘড়িটাই বেশি নষ্ট হতো। তাদের এই ঘড়ি সুরক্ষিত রাখতেই ১৮৭৯ সালে প্রথম এই পকেট চলে আসে। ব্যাস। আর চেইন ঘড়ি ভাঙে না।
এখন জিন্সের এই ছোট পকেট আছে। তবে কাউবয় নেই। তারপরও ছোট পকেটের কিছু না কিছু কাজ তো হয়।
সংক্ষেপে দেখুনThe Nazca Lines কোথায় এবং কেন বিখ্যাত?
নাজকার রেখাসমূহ (Nazca Lines) হল দক্ষিণ আমেরিকার পেরুর নাজকা মরুভূমিতে অঙ্কিত কিছু বিপুলকায় ভূরেখাচিত্র বা জিওগ্লিফ। এই বিশালাকৃতির রেখা বা নকশাগুলো ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে ইউনেস্কো দ্বারা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়। পেরুর রাজধানী লিমা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত প্রায় ৮বিস্তারিত পড়ুন
নাজকার রেখাসমূহ (Nazca Lines) হল দক্ষিণ আমেরিকার পেরুর নাজকা মরুভূমিতে অঙ্কিত কিছু বিপুলকায় ভূরেখাচিত্র বা জিওগ্লিফ।



সংক্ষেপে দেখুনএই বিশালাকৃতির রেখা বা নকশাগুলো ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে ইউনেস্কো দ্বারা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়। পেরুর রাজধানী লিমা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত প্রায় ৮০ কিলোমিটার লম্বা ও ৫০০ বর্গকিলোমিটার বিস্তৃত শুষ্ক নাজকা মালভূমি অঞ্চলে মাটির উপর টানা বিশাল বিশাল সরলরেখা এবং তার সমন্বয়ে অঙ্কিত এইসব জ্যামিতিক চিত্র ও নানা পশুপাখির ছবি, বিশেষজ্ঞদের অনুমান মোটামুটি খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ থেকে ৫০০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে অঙ্কিত।
এগুলি সৃষ্টির কৃতিত্ব সাধারণত পেরুর প্রাচীন নাজকা সংস্কৃতির মানুষদের দেওয়া হয়ে থাকলেও, বর্তমান গবেষণা ইঙ্গিত করে, এর মধ্যে যেগুলি বেশি পুরনো, সেগুলি নাজকাদের থেকেও বেশি প্রাচীন। সেই হিসেবে অন্তত সেগুলির স্রষ্টা আরও পূর্বতন পারাকাস সংস্কৃতির মানুষ।
কোন প্রাণীর ঘ্রাণশক্তি এতটাই প্রবল যে বারো মাইল দূরে জলের ঘ্রাণ সে নিতে পারে ?
হাতি : নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে বৃহদাকার প্রাণিগুলোর ঘ্রাণ নিয়ে কোনো কিছু নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে আফ্রিকান হাতিরাই শ্রেষ্ঠ। এর আগে আমরা ইঁদুর কে প্রবল ঘ্রাণশক্তি বিশিষ্ট প্রানী বলে জানতাম।
হাতি :
নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে বৃহদাকার প্রাণিগুলোর ঘ্রাণ নিয়ে কোনো কিছু নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে আফ্রিকান হাতিরাই শ্রেষ্ঠ। এর আগে আমরা ইঁদুর কে প্রবল ঘ্রাণশক্তি বিশিষ্ট প্রানী বলে জানতাম।
সংক্ষেপে দেখুনসালফহিমোগ্লোবিনেমিয়া'(Sulfhemoglobinemia) কি?
মানুষের রক্তের স্বাভাবিক রঙ হচ্ছে লাল। রক্তের লোহিত কণিকায় হিমোগ্লোবিনের উপস্থিতির জন্য রক্ত লাল দেখায়। কিন্তু স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দিলে রক্ত ভিন্ন রঙের হয়। যেমন: অতিরিক্ত সালফারযুক্ত ঔষধ খেলে রক্তের বর্ণ সবুজ হয়ে যেতে পারে। একে Sulfhemoglobinemia বলে। মূলত রক্তে উপস্থিত অতিরিক্ত সালফার পরমাণু রবিস্তারিত পড়ুন
মানুষের রক্তের স্বাভাবিক রঙ হচ্ছে লাল। রক্তের লোহিত কণিকায় হিমোগ্লোবিনের উপস্থিতির জন্য রক্ত লাল দেখায়। কিন্তু স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দিলে রক্ত ভিন্ন রঙের হয়। যেমন: অতিরিক্ত সালফারযুক্ত ঔষধ খেলে রক্তের বর্ণ সবুজ হয়ে যেতে পারে। একে Sulfhemoglobinemia বলে। মূলত রক্তে উপস্থিত অতিরিক্ত সালফার পরমাণু রক্তের লোহিত কণিকায় উপস্থিত হিমোগ্লোবিন অণুর সাথে বিক্রিয়া করে তৈরি করে সালফো-হিমোগ্লোবিন নামক একটি সবুজ রঙের রাসায়নিক পদার্থ।

সংক্ষেপে দেখুনরক্তের হিমোগ্লোবিনে আয়রন পরমাণু থাকে যা অক্সিজেনের সাথে সংযুক্ত হয়ে রঙের লাল বর্ণ তৈরি করে। এই সালফো-হিমোগ্লোবিন আয়রনকে অক্সিজেনের সাথে সংযুক্ত হতে বাধা দেয়। এর ফলে রক্ত সবুজ বর্ণ ধারণ করে। সালফহিমোগ্লোবিনেমিয়া এর ফলে মানুষের রক্ত, ত্বক, মিউকাস মেমব্রেন এ সবুজ রঙ দেখা দেয়। এই সমস্যার কোনো প্রথাগত চিকিৎসা নেই। আমরা জানি, প্রতি ১২০ দিন পর পর রক্তের লোহিত কণিকা প্রতিস্থাপন হয়। তখন এই সমস্যা ঠিক হতে পারে। পাশাপাশি এই সমস্যা দেখা দিলে অতিরিক্ত সালফারযুক্ত ঔষধ সেবন বন্ধ করতে হবে।
বিশ্ববিখ্যাত ব্র্যান্ড পিউমা এবং অ্যাডিডাসের আবিষ্কর্তার মধ্যে বিশেস্বত্ব কি?
পুমা (Puma) এবং অ্যাডিডাস (Adidas) এর আবিষ্কর্তার বিশেষত্ব হলো তারা দুই ভাই ছিলেন। অ্যাডলফ এবং রুডলফ। কিন্তু তাদের মধ্যে সম্পর্কের লড়াই শুরু হয় বিধায় দুজন আলাদা দুটি জুতার কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
পুমা (Puma) এবং অ্যাডিডাস (Adidas) এর আবিষ্কর্তার বিশেষত্ব হলো তারা দুই ভাই ছিলেন।
অ্যাডলফ এবং রুডলফ। কিন্তু তাদের মধ্যে সম্পর্কের লড়াই শুরু হয় বিধায় দুজন আলাদা দুটি জুতার কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর মধ্যে সর্বাধিক দীর্ঘজীবী পতঙ্গ কোনটি ?
পৃথিবীর মধ্যে সর্বাধিক দীর্ঘজীবী পতঙ্গটি হলো রানী পিপীলিকা বা "Queen Ant"। তারা গড়ে তিরিশ বছর বাঁচে।
পৃথিবীর মধ্যে সর্বাধিক দীর্ঘজীবী পতঙ্গটি হলো রানী পিপীলিকা বা “Queen Ant”। তারা গড়ে তিরিশ বছর বাঁচে।

সংক্ষেপে দেখুনটিটোনি' পাখি হল এক প্রজাতির পাখি। এ প্রজাতির পাখির বিশেস্বত্ব কি?
এইটা আবার কোন পাখি। এর তো নাম দুনিয়াতে নাই। গুগল কইরাও তো পাইলাম না। ভাই, আপনি কি স্বপ্নে দেখছে এইটারে? 🤣😂
এইটা আবার কোন পাখি। এর তো নাম দুনিয়াতে নাই। গুগল কইরাও তো পাইলাম না। ভাই, আপনি কি স্বপ্নে দেখছে এইটারে? 🤣😂
সংক্ষেপে দেখুন