সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
জিরাফের জিভের রং কি?
নিচে দুইটি ছবি দিলাম, আপনি নিজেই দেখে নিন! ধন্যবাদ!
নিচে দুইটি ছবি দিলাম, আপনি নিজেই দেখে নিন!
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনবোতলজাত পানির মেয়াদ কেন শেষ হয়?
আসলে পানির বোতলে যে মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ লেখা থাকে তা প্লাস্টিক বোতলটির মেয়াদ। মূলত বিশুদ্ধ পানির কখনো মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়না। তবে দীর্ঘদিন প্লাস্টিকের বোতলে পানি থাকলে প্লাস্টিক নষ্ট হয়ে ভেতরের পানি দূষিত হতে পারে।
আসলে পানির বোতলে যে মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ লেখা থাকে তা প্লাস্টিক বোতলটির মেয়াদ। মূলত বিশুদ্ধ পানির কখনো মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়না। তবে দীর্ঘদিন প্লাস্টিকের বোতলে পানি থাকলে প্লাস্টিক নষ্ট হয়ে ভেতরের পানি দূষিত হতে পারে।
সংক্ষেপে দেখুন“ম্যানহোল” কেন গোলাকার?
ম্যানহোল চতুর্ভূজাকার বা ত্রিভূজাকার গোলাকার হয় কেন? ১. গোলাকার ম্যানহোল কভার হলে তার মুখ দিয়ে ম্যানহোল কভার কে কোন ভাবেই নিচে ফেলে দেয়া যায় না। কিন্তু চারকোনা হলে তাকে চতুর্ভূজের কর্ন বরাবর এবং ত্রিভূজাকার হলে মধ্যমা দিয়ে ম্যানহোলের বাহু বরাবর ফেলে দেয়া সম্ভব। ২. পৃথিবীর ভূমি সংকোচনের জন্য গোলাকারবিস্তারিত পড়ুন
ম্যানহোল চতুর্ভূজাকার বা ত্রিভূজাকার গোলাকার হয় কেন?
১. গোলাকার ম্যানহোল কভার হলে তার মুখ দিয়ে ম্যানহোল কভার কে কোন ভাবেই নিচে ফেলে দেয়া যায় না। কিন্তু চারকোনা হলে তাকে চতুর্ভূজের কর্ন বরাবর এবং ত্রিভূজাকার হলে মধ্যমা দিয়ে ম্যানহোলের বাহু বরাবর ফেলে দেয়া সম্ভব।
সংক্ষেপে দেখুন২. পৃথিবীর ভূমি সংকোচনের জন্য গোলাকার টিউব ম্যানহোলের জন্য সবচেয়ে ঘাতসহিষ্ণু এবং এর তৈরিতে উপাদানও তুলনামূলক কম লাগে।
৩. গোলাকার ম্যানহোল বসানোর সময় কোন নির্দিষ্ট দিকে বসানো লাগে না, একভাবে বসিয়ে দিলেই হয় ।
৪. গোলাকার ম্যানহোলের মত এর কভারও গোলাকার হওয়ার কারনে তৈরিতে তুলনামূলক কম মেটাল লাগে মানে তৈরি খরচ কম।
পশ্চিমে যাওয়ার আগে আপনি কতদূর পূর্বে যেতে পারবেন?
দুঃখিত প্রশ্নটি বুঝতে পারিনি। 🤔
দুঃখিত প্রশ্নটি বুঝতে পারিনি। 🤔
সংক্ষেপে দেখুনবিপরীতের বিপরীত কি একই নাকি বিপরীত?
বিপরীত-এর বিপরীত শব্দ সমার্থক, সমান, সম, এক বাংলা ভাষায় বিপরীতার্থক-এর বিপরীত শব্দ: সমার্থক। ইংরেজি ভাষায়, বিপরীত কথাটির অর্থ অপসীট (opposite)। এই শব্দের বিপরীত শব্দ: সেম (same), সিমিলার (similar), ইকুয়াল (equal), ইকুইভ্যালেন্ট (equivalent), অল ওয়ান (all one), অল দ্য সেম (all the same)। ইংরেজি ভাষায়বিস্তারিত পড়ুন
বিপরীত-এর বিপরীত শব্দ
সমার্থক, সমান, সম, এক
বাংলা ভাষায় বিপরীতার্থক-এর বিপরীত শব্দ: সমার্থক।
ইংরেজি ভাষায়, বিপরীত কথাটির অর্থ অপসীট (opposite)। এই শব্দের বিপরীত শব্দ:
সেম (same), সিমিলার (similar), ইকুয়াল (equal), ইকুইভ্যালেন্ট (equivalent), অল ওয়ান (all one), অল দ্য সেম (all the same)।
ইংরেজি ভাষায় বিপরীতার্থক শব্দের অর্থ অ্যান্টনীম (antonym)। এই শব্দের বিপরীত শব্দ:
সিনোনীম (synonym), পইসিলোনিম (poecilonym)।
সংক্ষেপে দেখুনসময় শুরু হয়েছিল কোন সময়ে?
সময় গণনার বিষয়টি চলে আসছে প্রায় ১৫৫০ খ্রিস্টপূর্ব থেকে সেই সময়ই প্রাচীন মিশরীয়, পৃথিবীতে অবস্থিত বাকি সভ্যতার থেকে অনেকটাই অ্যাডভান্সড ও ডেভলপড ছিল। তখন পৃথিবী সূর্যের চারদিকে প্রদক্ষিণের বিষয়টি অ্যাস্ট্রোনমাসদের জানা ছিল। তারা প্রথম আবিষ্কার করলেন যে প্রথমে দিন হচ্ছে তারপর রাত আবার পর্যায়ক্রমে দিবিস্তারিত পড়ুন
সময় গণনার বিষয়টি চলে আসছে প্রায় ১৫৫০ খ্রিস্টপূর্ব থেকে
সেই সময়ই প্রাচীন মিশরীয়, পৃথিবীতে অবস্থিত বাকি সভ্যতার থেকে অনেকটাই অ্যাডভান্সড ও ডেভলপড ছিল। তখন পৃথিবী সূর্যের চারদিকে প্রদক্ষিণের বিষয়টি অ্যাস্ট্রোনমাসদের জানা ছিল। তারা প্রথম আবিষ্কার করলেন যে প্রথমে দিন হচ্ছে তারপর রাত আবার পর্যায়ক্রমে দিন হচ্ছে তারপর রাত। যেহেতু একটি নির্দিষ্ট ইন্টারভেলে এই প্রসেসটি হচ্ছে তাই তারা এগুলোকে অনেকগুলো ভাগে ভাগ করে গণনার কথা ভাবে। সেই সময়ে তারা কোনো কিছু গণনা করার সময় হাতের আঙ্গুলের ব্যবহার করতেন। হাতের ১০টি আঙ্গুল গুণে সব কিছু হিসাব করা হতো।
ঘন্টা, মিনিট, সেকেন্ড
প্রাচীন মিশরীয়রা এক দিনকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করে। যেমন ১২ ভাগ দিনের ও ১২ ভাগ রাতের। এই দুই ভাগ মিলিয়ে হয় ২৪ আর এভাবেই আসে ২৪ ঘন্টার কনসেপ্টটি। তারা আঙ্গুলের মাঝে থাকা জয়েন্ট গুলো দিয়ে গণনা করতেন। একটি আঙ্গুলে তিনটি করে জয়েন্ট থাকে। এভাবে বুড়ো আঙুল বাদ দিয়ে ৪টি আঙুলের মোট ১২টি জয়েন্ট থাকে। এই কারণে তারা দিনের ভাগগুলোকে গননা করার জন্য ১২ই বেছে নেয়। আর রাতের ভাগগুলোকে ১২ ভাগে ভাগ করেন।
মিশরীয়রা যেখানে গণনার ক্ষেত্রে ১২ কে বেজ হিসেবে ধরতেন, উল্টো দিকে প্রাচীন মিশরীর অন্য সভ্যতারা ১২র বদলে ১০কে বেজ হিসেবে ধরতেন। আবার অন্যদিকে, আরো একটি প্রাচীন সভ্যতা ছিল যারা ৬০কে গণনার কাজে বেজ হিসেবে ব্যবহার করতেন। যা তারা ম্যাথমেটিক্স ও আস্ট্রোনমিতেও ব্যবহার করতেন। তাদের অনুসারে,৩৬০ ডিগ্রিতে একটি পূর্ণ বৃত্ত সম্পূর্ণ হয়। আর ৬০কে ছয় বার যোগ করলে ৩৬০ হয়। আবার যেহেতু পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে প্রদক্ষিণ করে সেক্ষেত্রে যদি পৃথিবী দিনে ১ ডিগ্রী ঘোরে তবে সূর্যের চারদিকে সম্পূর্ণ এক চক্কর ঘুরতে লাগবে ৩৬০ দিন যা আনুমানিক ৩৬৫ দিনের সমান। ৬০ এমন একটি সংখ্যা যেটি ১, ২, ৩, ৪, সব ধরনের সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায়। মূলত এইসব দিক বিচার করেই তারা গণনার সব ক্ষেত্রেই ১২ আর ১২ ঘণ্টার প্রতিটি ভাগকে ৬০ দ্বারা ভাগ করে।
সময়কে প্রপারলি যখন ডিফাইন করা হয় তখন প্রাচীন যুগের তৈরি করা এই নীতিগুলাকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়। এজন্যই এক দিনে ২৪ ঘণ্টা, এক ঘণ্টায় ৬০ মিনিট এবং ১ মিনিটে ৬০ সেকেন্ড হিসাব করা হয়।
তথ্যসূত্রঃ somoynews.tv
সংক্ষেপে দেখুনবরফ পিচ্ছিল হয় কেন?
বরফ পিচ্ছিল নয় যখন বরফের উপর পাতলা পানির স্তর জমে তখন পিচ্ছিলতা দেখা যায়। কিন্তু কঠিন বরফ পিচ্ছিল নয়।
বরফ পিচ্ছিল নয়
যখন বরফের উপর পাতলা পানির স্তর জমে তখন পিচ্ছিলতা দেখা যায়। কিন্তু কঠিন বরফ পিচ্ছিল নয়।
সংক্ষেপে দেখুনমানুষ কেন রঙ আবিস্কার করেছিল?
রং আসলে কোন বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেননি। তবে সাদা রঙের আলোকে ভেঙ্গে সাত রঙে দেখানোর বৈজ্ঞানিক পরীক্ষাটি নিউটন করেছিলেন। পরীক্ষার নকশা নিউটনের নিজ হাতে নিজের ডায়েরিতে আকা ছবি এই জিনিসটা আসলে প্রাচীন মানবসভ্যতায় আগুন আবিষ্কারের মতোই আবিষ্কৃত হয়েছে। পাচীন যুগে যখন আদিম মানুষেরা গুহার ভেতর বিভিন্ন বিষয়-বস্বিস্তারিত পড়ুন
রং আসলে কোন বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেননি। তবে সাদা রঙের আলোকে ভেঙ্গে সাত রঙে দেখানোর বৈজ্ঞানিক পরীক্ষাটি নিউটন করেছিলেন।
এই জিনিসটা আসলে প্রাচীন মানবসভ্যতায় আগুন আবিষ্কারের মতোই আবিষ্কৃত হয়েছে। পাচীন যুগে যখন আদিম মানুষেরা গুহার ভেতর বিভিন্ন বিষয়-বস্তু আকার সময় মাটির ব্যবহার শুরু করেছিল, তখনি বিভিন্ন রকমের মাটির বিভিন্ন রকমের রং-এর বৈশিষ্ট্যই মানুষকে রং চিনিয়ে ছিল। পরবর্তীতে শিকার করা বিভিন্ন প্রাণির রক্ত-মাংসের রং আর গাছপালার বিভিন্ন অংশের রস, রামধনুর সাত রং ইত্যাদি বিষয়গুলো মানুষকে আরো রং সম্পর্কে আরো ভালো দিয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনদরজা-জানালা সবসময় বন্ধ থাকলেও ঘরে কীভাবে ধুলো আসে?
বাড়ির ধূলিকণার আরেকটি উৎস ব্যক্তি নিজেই। সর্বোপরি, এপিডার্মিসের কোষগুলি ক্রমাগত পুনর্নবীকরণ করা হয় এবং মৃত কণাগুলি ঝরে পড়ে, বাড়ির ধূলিকণার অন্যতম জৈব উপাদান হয়ে ওঠে। তারমানে আপনি নিজের অজান্তেই ঘরের ভেতর ধুলো তৈরি করছেন। যতই দরজা জানালা বন্ধ রাখুন না কেন ঘরের/বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে অথবা আপনারবিস্তারিত পড়ুন
বাড়ির ধূলিকণার আরেকটি উৎস ব্যক্তি নিজেই। সর্বোপরি, এপিডার্মিসের কোষগুলি ক্রমাগত পুনর্নবীকরণ করা হয় এবং মৃত কণাগুলি ঝরে পড়ে, বাড়ির ধূলিকণার অন্যতম জৈব উপাদান হয়ে ওঠে।
তারমানে আপনি নিজের অজান্তেই ঘরের ভেতর ধুলো তৈরি করছেন। যতই দরজা জানালা বন্ধ রাখুন না কেন ঘরের/বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে অথবা আপনার মৃত কোষ থেকে ধুলোবালির সৃষ্টি হচ্ছে।
সংক্ষেপে দেখুনঅ্যান্টিবায়োটিক কীভাবে ভাইরাসকে মেরে ফেলে?
অ্যান্টিবায়োটিক ভাইরাস মারতে পারেনা ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস সম্পূর্ণ ভিন্ন নিজস্ব প্রক্রিয়া ও পদ্ধতিতে কাজ করে। তাদের উভয়েরই প্রধান লক্ষ্য হলো মানুষের দেহে ঢুকে টিকে থাকা ও বংশ বিস্তার করা। এ জন্য ব্যাকটেরিয়া নিজস্ব রাইবোসোম (ribosome) ব্যবহার করে তাদের বংশবিস্তার ও টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাকটেরিয়বিস্তারিত পড়ুন
অ্যান্টিবায়োটিক ভাইরাস মারতে পারেনা
ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস সম্পূর্ণ ভিন্ন নিজস্ব প্রক্রিয়া ও পদ্ধতিতে কাজ করে। তাদের উভয়েরই প্রধান লক্ষ্য হলো মানুষের দেহে ঢুকে টিকে থাকা ও বংশ বিস্তার করা। এ জন্য ব্যাকটেরিয়া নিজস্ব রাইবোসোম (ribosome) ব্যবহার করে তাদের বংশবিস্তার ও টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাকটেরিয়াল প্রোটিন তৈরি করে। তাই একে চিহ্নিত করা সহজ। কিন্তু ভাইরাস প্রথমেই দেহকোষ আক্রমণ করে কোষের কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় এবং আমাদের দেহকোষ ব্যবহার করে ভাইরাল প্রোটিন তৈরি করতে থাকে। এভাবে দ্রুত ভাইরাস আমাদের দেহে নিজের বংশ বিস্তার করে।
এই অবস্থায় গতানুগতিক পদ্ধতিতে ভাইরাস দমন করতে গেলে আমাদের দেহকোষ ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাহলে তো আমাদের জীবনই বিপন্ন হবে। তাই অ্যান্টিবায়োটিক নয়, বরং ভাইরাস দমনের জন্য প্রয়োজনীয় টিকা (ভ্যাকসিন) তৈরি করতে হয়, যেন ভাইরাস আমাদের দেহকোষ দখলের আগেই দেহের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা তাদের চিনতে পারে এবং দ্রুত নির্মূল করে। যেহেতু ভ্যাকসিন আবিষ্কার সময়সাপেক্ষ, তাই ভাইরাসের চিকিৎসা ব্যাকটেরিয়ার তুলনায় কঠিন।
আমরা জানি, ঠান্ডায় গলাব্যথা, কাশি, জ্বরের জন্য সাধারণত তিন দিন দেখতে হয় জ্বর কমে কি না। এরপর ডাক্তার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে নিশ্চিত হলে অ্যান্টিবায়োটিক দেন। নির্দিষ্ট মাত্রায় ওষুধ খেতে হয়। অসুখ ভালো হয়ে যায়। কিন্তু যদি কোনো ভাইরাসের কারণে অসুস্থতা হয়, তাহলে ডাক্তার নিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এখন যেমন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে অ্যান্টিবায়োটিকে কাজ হয় না। অন্য পদ্ধতিতে চিকিৎসা করা হয়। তবে ভাইরাসের কারণে সেকেন্ডারি ইনফেকশন রোধের জন্য হয়তো প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হতে পারে। এতে অবশ্য মূল ভাইরাসের চিকিৎসা হয় না।
সংক্ষেপে দেখুনদিগন্তের কাছাকাছি গেলে চাঁদ কেন বড় হয়?
দিগন্তের কাছে চাঁদকে অনেক বড় দেখায় চাঁদ থেকে আলোক রশ্মি পৃথিবীপৃষ্ঠে আসার সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আলোর প্রতিসরণ ঘটে অর্থাৎ আলোক রশ্মি বেঁকে যায়। চাঁদ যখন দিগন্তের কাছে থাকে তখন আলোক রশ্মি তুলনামূলকভাবে অধিক পরিমাণে বেঁকে যায়। এ কারণে দিগন্তের নিকটে চাঁদ ও সূর্যকে ডিম্বাকৃতি এবং তুলনামূলকভাবে বড়বিস্তারিত পড়ুন
দিগন্তের কাছে চাঁদকে অনেক বড় দেখায়
চাঁদ থেকে আলোক রশ্মি পৃথিবীপৃষ্ঠে আসার সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আলোর প্রতিসরণ ঘটে অর্থাৎ আলোক রশ্মি বেঁকে যায়। চাঁদ যখন দিগন্তের কাছে থাকে তখন আলোক রশ্মি তুলনামূলকভাবে অধিক পরিমাণে বেঁকে যায়। এ কারণে দিগন্তের নিকটে চাঁদ ও সূর্যকে ডিম্বাকৃতি এবং তুলনামূলকভাবে বড় দেখা যায়।
সংক্ষেপে দেখুনলাল রং একটি ষাঁড়কে কেন এত রাগান্বিত করে?
তৃণভোজী প্রাণী (যেমন, গরু, ছাগল) লাল রং দেখতে পায় না অর্থাৎ ওরা বর্ণান্ধ। ষাঁড়ও এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নয়। যেহেতু এরা লাল রং দেখতেই পায় না, তাই তা দেখে রেগে যাওয়ার প্রশ্নও ওঠে না। মার্কিন বিজ্ঞানী টেম্পল গ্র্যান্ডিনের লেখা ‘ইমপ্রুভিং অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার’ বইয়ে বলা হয়েছে, গবাদিপশুদের চোখের রেটিনায় লাল রবিস্তারিত পড়ুন
তৃণভোজী প্রাণী (যেমন, গরু, ছাগল) লাল রং দেখতে পায় না
অর্থাৎ ওরা বর্ণান্ধ। ষাঁড়ও এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নয়। যেহেতু এরা লাল রং দেখতেই পায় না, তাই তা দেখে রেগে যাওয়ার প্রশ্নও ওঠে না। মার্কিন বিজ্ঞানী টেম্পল গ্র্যান্ডিনের লেখা ‘ইমপ্রুভিং অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার’ বইয়ে বলা হয়েছে, গবাদিপশুদের চোখের রেটিনায় লাল রং গ্রহণ করার মতো ‘রিসেপ্টর’ নেই। সোজা বাংলায় বললে লাল রং গ্রহণ করার মতো ক্ষমতা ওদের চোখের রেটিনায় প্রাকৃতিকভাবেই নেই।
এ কারণে ওরা শুধু হলুদ, সবুজ, নীল ও বেগুনি রং দেখতে পায়। সুস্থ মানুষের চোখের পেছনের দিকে রং শনাক্ত করার জন্য তিন ধরনের ‘কোন সেল’ (Cone Cell) রয়েছে। যেগুলো লাল, সবুজ ও নীল রং শনাক্তে সাহায্য করে। ষাঁড়ের ক্ষেত্রে লাল রং শনাক্তের ‘কোন সেল’ না থাকায় এরা রংটি দেখতে পায় না। এ অবস্থাকে বলা হয় প্রোটানোপিয়া। যার ফলে লাল রঙের কাপড়কে ওরা অনেকটা হলুদাভ ধূসর রঙের দেখে।
তাহলে ষাঁড় কেন রেগে যায়
ম্যাটাডোর যখন লাল রঙের কাপড়টা নাড়াচাড়া করে, তখন ষাঁড়ের সামনে আসলে হলুদাভ ধূসর রঙের এক কাপড়ই নড়ে ওঠে। এটা ঠিক যে এতে ষাঁড়ের মনে একধরনের বিভ্রম তৈরি হয়। সবচেয়ে বড় কথা, বুলফাইটিংয়ের জন্য ষাঁড়গুলোকে বিশেষভাবে প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। আর ক্ষিপ্র প্রজাতির ষাঁড়ই বেছে নেওয়া হয় বুলফাইটিংয়ের জন্য। এরা এতটাই চড়া মেজাজের হয় যে চোখের সামনে যা-ই ধরা হোক না কেন, তেড়ে আসবেই। আর ম্যাটাডোররাও ষাঁড়দের রাগিয়ে তোলায় ওস্তাদ।
২০০৭ সালে ডিসকভারি চ্যানেলের ‘মিথবাস্টার্স’ অনুষ্ঠানে ষাঁড়দের ওপর তিন ধরনের পরীক্ষা চালানো হয়েছিল। প্রথম পরীক্ষায় লাল, নীল ও সাদা রঙের তিনটি পতাকা রাখা হয়েছিল। ষাঁড় পর্যায়ক্রমে সব কটিকেই আক্রমণ করে। দ্বিতীয় পরীক্ষায় তিনটি পুতুলকে লাল, নীল ও সাদা রঙের জামা পরিয়ে রেখে দিলে সব কটিকেই আক্রমণ করে। বরং ষাঁড়গুলো লালা জামা পরা পুতুলটিকে আক্রমণ করে সব শেষে! আর তৃতীয় পরীক্ষায় তিন ম্যাটাডোরকে তিন রঙের জামা পরিয়ে ষাঁড়ের সামনে দাঁড় করানো হয়। যাঁদের মধ্যে লাল জামা পরা ব্যক্তিটি স্থির দাঁড়িয়ে ছিলেন আর অন্য দুজন এদিক–সেদিক নড়াচড়া করছিলেন। দেখা যায়, অন্য দুই ম্যাটাডোরকে আক্রমণ করতে ষাঁড় তেড়ে গেলেও লাল জামা পরা ব্যক্তির দিকে ঘুরেও তাকায় না! এ পরীক্ষা থেকেই বোঝা যায়, ষাঁড় আসলে লাল রঙের জন্য রেগে যায় না; বরং কাপড়ের নড়নচড়ন ওদের রাগিয়ে তোলে, সেটা যে রঙের কাপড়ই হোক না কেন।
এটা তো জানা গেল যে ষাঁড় লাল রঙের জন্য রেগে যায় না। তাহলে কি লাল জামা পরে ষাঁড়ের সামনে যাওয়া ঠিক হবে? একদমই না। শিশুদেরও এ ব্যাপারে সতর্ক করে দেওয়া জরুরি। মনে রাখবেন, জামা আপনি যে রঙেরই পরুন না কেন, ষাঁড়ের সামনে এমন আচরণ করা যাবে না, যা ওদের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সাবধানের মার নেই!
সূত্রঃ প্রথম আলো
সংক্ষেপে দেখুনএকটি উট তার কুঁজে কতটুকু পানি সঞ্চয় করতে পারে?
উট তাদের কুঁজে পানি জমা করে রাখে না যখন উট ভালো করে খেতে পায় তখন এর কুঁজ শক্ত টানটান হয়ে ওঠে। আকারে বড় হয়ে উঠা এই কুঁজ পরিপূর্ণ হয় চর্বি দিয়ে। এই চর্বিই দীর্ঘদিন যাবত উটকে শক্তি যোগায়। চর্বির রাসায়নিক বিক্রিয়ার শক্তি উৎপাদনের সময় যে পানি তৈরী হয়, সেই পানিই পানির প্রয়োজনীয়তা মেটাতে থাকে।বিস্তারিত পড়ুন
উট তাদের কুঁজে পানি জমা করে রাখে না
যখন উট ভালো করে খেতে পায় তখন এর কুঁজ শক্ত টানটান হয়ে ওঠে। আকারে বড় হয়ে উঠা এই কুঁজ পরিপূর্ণ হয় চর্বি দিয়ে। এই চর্বিই দীর্ঘদিন যাবত উটকে শক্তি যোগায়। চর্বির রাসায়নিক বিক্রিয়ার শক্তি উৎপাদনের সময় যে পানি তৈরী হয়, সেই পানিই পানির প্রয়োজনীয়তা মেটাতে থাকে। অভূক্ত উটের কুঁজের চর্বি শক্তি উৎপাদনে ক্ষয় হয়, আর ক্রমেই কুঁজ নরম থলথলে হয়ে উঠতে থাকে।
কুঁজে জমিয়ে রাখা পানি ব্যাবহার করায় তা দিন দিন ছোট নরম থলথলে হয়ে যায় এমন ধারণা থেকেই মনে করা হয় যে, উট কুঁজে পানি জমা করে রাখে। প্রকৃতপক্ষে, কুঁজে যা জমানো থাকে তা হচ্ছে চর্বি, পানি নয়। কাজেই বুঝা যাচ্ছে যে, উট তাদের কুঁজে পানি জমা করে রাখে না।
সংক্ষেপে দেখুনগাছ কিভাবে পৃথিবীকে তার সমস্ত অক্সিজেন দেয়?
না, গাছ থেকে পৃথিবীর অধিকাংশ অক্সিজেন পাওয়া যায়না বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন যে সমগ্র পৃথিবীতে অক্সিজেন উৎপাদনের অন্তত অর্ধেক কিংবা অর্ধেকেরও বেশি শতাংশ সমুদ্র থেকে আসে। আবার এই উৎপাদনের বেশিরভাগই সামুদ্রিক প্ল্যাঙ্কটন থেকে আসে; যেমন- প্রবাহিত উদ্ভিদ, শৈবাল এবং কিছু ব্যাকটেরিয়া যারা সালোকসংশ্লেষণ করতেবিস্তারিত পড়ুন
না, গাছ থেকে পৃথিবীর অধিকাংশ অক্সিজেন পাওয়া যায়না
বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন যে সমগ্র পৃথিবীতে অক্সিজেন উৎপাদনের অন্তত অর্ধেক কিংবা অর্ধেকেরও বেশি শতাংশ সমুদ্র থেকে আসে। আবার এই উৎপাদনের বেশিরভাগই সামুদ্রিক প্ল্যাঙ্কটন থেকে আসে; যেমন- প্রবাহিত উদ্ভিদ, শৈবাল এবং কিছু ব্যাকটেরিয়া যারা সালোকসংশ্লেষণ করতে পারে। ”প্রকলোরোক্কাস” নামক একটি বিশেষ প্রজাতি রয়েছে যারা পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম সালোকসংশ্লেষী জীব। কিন্তু এই ছোট্ট ব্যাকটেরিয়া স্থলভাগের সমস্ত গ্রীষ্মমন্ডলীয় রেইনফরেস্টের তুলনায় বেশি অক্সিজেন উৎপন্ন করে।
সমুদ্রে কী পরিমাণ অক্সিজেন উৎপাদিত হয়
সমুদ্রে উৎপন্ন অক্সিজেনের সঠিক শতাংশ গণনা করা কঠিন কারণ পরিমাণ ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা সালোকসংশ্লেষণকারী প্ল্যাঙ্কটন ট্র্যাক করতে এবং সাগরে সালোকসংশ্লেষণের পরিমাণ অনুমান করতে উপগ্রহ চিত্র ব্যবহার করতে পারেন, কিন্তু উপগ্রহ চিত্র পুরো গল্প বলতে পারে না। প্ল্যাঙ্কটনের পরিমাণ ঋতু অনুসারে পরিবর্তিত হয় এবং জলের পুষ্টি, তাপমাত্রা এবং অন্যান্য পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়া হিসাবে। গবেষণায় দেখা গেছে যে নির্দিষ্ট স্থানে অক্সিজেনের পরিমাণ দিনের সময় এবং জোয়ারের সাথে পরিবর্তিত হয়।
আমেরিকার জাতীয় মহাসাগরীয় ও বায়ুমণ্ডলীয় প্রশাসন এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজ্ঞানীরা অনুমান করেন যে সমগ্র পৃথিবীতে অক্সিজেন উৎপাদনের ৫০-৮০% সমুদ্র থেকে আসে। যেমনটা ইতোপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে; এই উৎপাদনের বেশিরভাগই সামুদ্রিক প্ল্যাঙ্কটন থেকে আসে; যেমন- প্রবাহিত উদ্ভিদ, শৈবাল এবং কিছু ব্যাকটেরিয়া যারা সালোকসংশ্লেষণ করতে পারে। ক্ষুদ্রতম সালোকসংশ্লেষী জীব “প্রকলোরোক্কাস” আমাদের সমগ্র জীবজগতের ২০% পর্যন্ত অক্সিজেন তৈরি করে। নিউজ২৪ টিভি’র এক প্রতিবেদন অনুযায়ী যা আমাজন রেইন ফরেস্টের উৎপাদিত অক্সিজেনের তিন গুণ। যদিও আমাজন রেইন ফরেস্টের উৎপাদিত অক্সিজেনের পরিমান নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে।
শৈবালের (প্ল্যাঙ্কটন) অক্সিজেন উৎপাদন
পৃথিবীর প্রায় ৭১ শতাংশ জলভূমি, আর মহাসাগরগুলো পৃথিবীর সমস্ত জলের প্রায় ৯৬.৫ শতাংশ ধারণ করে। তাই এটি যুক্তিসঙ্গত যে সূর্য জমির চেয়ে পানিতে বেশি কিরণ ছড়ায়। সমুদ্রের উপরের ২০০ মিটার বা প্রায় ৬৫০ ফুটকে বলে এপিপিলেজিক অঞ্চল। ‘এপি’ যার অর্থ ‘উপরের’, এবং পেলেজিক, যার অর্থ ‘সমুদ্রের পৃষ্ঠ’। সমুদ্রের এই শীর্ষ অঞ্চলটি বেশিরভাগ সূর্যের আলোকে শোষণ করে- এবং ওই অঞ্চলে থাকা শৈবাল, এককোষী উদ্ভিদকে সালোক সংশ্লেষণে সাহায্য করে।
সমুদ্রের এই শেওলাগুলো প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন উৎপাদন করে, কারণ সমুদ্রের অনেক অংশ জুড়ে এর প্রচুর পরিমাণে এই শৈবাল ছড়িয়ে থাকে। সমুদ্র শৈবাল অবশ্য সমুদ্রের প্রাণীর এক বিরাট অংশের জীবনের প্রাথমিক খাদ্য উৎস হিসেবেও কাজ করে।
আমাজন থেকে কতভাগ অক্সিজেন আসে
ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমাজন বনটি “পৃথিবীর ফুসফুস” উপাধি পেয়েছে – যা অত্যধিক মূল্যায়ন। সাম্প্রতিক দিনগুলিতে বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানী উল্লেখ করেছেন, আমরা যে অক্সিজেন শ্বাস নিই তাতে অ্যামাজনের মোট অবদান শূন্যের কাছাকাছি।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, কার্বন ডাই অক্সাইড অণুর প্রতিটি ব্যাচ গ্রহণের জন্য গাছ তুলনামূলক (সমান) সংখ্যক অক্সিজেন অণু বাতাসে ছাড়ে । বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেশ কম, কিন্তু অক্সিজেন রয়েছে প্রায় ২১ শতাংশ। তাই অ্যামাজনের পক্ষে এত অক্সিজেন তৈরি করা সম্ভব নয়।
অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির এনভায়রনমেন্টাল চেঞ্জ ইনস্টিটিউটের ইকোসিস্টেম ইকোলজিস্ট ইয়াদবিন্দর মালহি ২০১০ সালের একটি গবেষণার উপর ভিত্তি করে তার গণনার ভিত্তি করে যে অনুমান করে যে ক্রান্তীয় বনভূমি পৃথিবীর (স্থলভাগের) প্রায় ৩৪ শতাংশ সালোকসংশ্লেষণের জন্য দায়ী। আকারের উপর ভিত্তি করে, আমাজন কর্তৃক সালোকসংশ্লেষণের পরিমাণ প্রায় অর্ধেক হবে। এর অর্থ হলো আমাজন ভূমি্র ১৬ শতাংশ অক্সিজেন উৎপন্ন করে, মালহি ব্যাখ্যা করেছেন, যিনি একটি সাম্প্রতিক ব্লগ পোস্টে তার গণনার বিশদ বিবরণ দিয়েছেন।
যদিও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এর ভিন্ন এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পৃথিবীর অক্সিজেনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ (২৮%) জন্য রেইনফরেস্ট দায়ী কিন্তু বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেনের বেশিরভাগ (৭০%) সামুদ্রিক উদ্ভিদ দ্বারা উত্পাদিত হয়। পৃথিবীর বাকি ২ শতাংশ অক্সিজেন আসে অন্যান্য উৎস থেকে।
সাগরের ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন দ্বারা উত্পাদিত অক্সিজেনের তুলনায় আমাজন মাত্র ৯ শতাংশে অক্সিজেন উৎপন্ন করে। জলবায়ু বিজ্ঞানী জোনাথন ফোলি; যিনি অলাভজনক প্রকল্প ড্রডাউন পরিচালনা করেন যা জলবায়ু পরিবর্তন সমাধান নিয়ে গবেষণা করেন, তিনি দাবি করেছেন আমাজন মাত্র ৬ শতাংশ অক্সিজেন উৎপন্ন করে।
আমাজনে উৎপাদিত অক্সিজেন কী আমরা ব্যবহার করি
ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাছগুলি কেবল অক্সিজেন ত্যাগ করে না – তারা এটি “সেলুলার শ্বসন” নামে পরিচিত একটি প্রক্রিয়াতে গ্রহণ-ও করে। দিনের বেলা তারা যে শর্করা জমা করে তা পরে শক্তিতে রূপান্তর করে, অক্সিজেন ব্যবহার করে এই প্রক্রিয়াটিতে শক্তি দেয়। তাই রাতের বেলা যখন সালোকসংশ্লেষণের জন্য আশেপাশে কোন সূর্য (আলো) থাকে না, তখন গাছ অক্সিজেনের শোষণ করে। মালহির গবেষণা দল মনে করে যে গাছগুলি এইভাবে উৎপন্ন অক্সিজেনের অর্ধেকের কিছু বেশি গ্রহণ করে। বাকিটা সম্ভবত আমাজনে বসবাসকারী অগণিত জীবাণু দ্বারা ব্যবহৃত হয়, যারা অক্সিজেন শ্বাস গ্রহণ করে বনের মৃত জৈব পদার্থকে ভেঙে দেয়।
সমুদ্রে উৎপাদিত অক্সিজেন থেকেই কি আমরা অক্সিজেন গ্রহণ করি
আমেরিকার জাতীয় মহাসাগরীয় ও বায়ুমণ্ডলীয় প্রশাসন এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে যদিও মহাসাগর পৃথিবীর অন্তত ৫০% অক্সিজেন উৎপন্ন করে, আবার মোটামুটি একই পরিমাণ সামুদ্রিক প্রাণীরা ব্যবহার করে। স্থলভাগের প্রাণীদের মতো, সামুদ্রিক প্রাণীরা শ্বাস নিতে অক্সিজেন ব্যবহার করে এবং উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয়ই কোষীয় শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য অক্সিজেন ব্যবহার করে।
ওয়াশিংটনপোস্ট এর এক প্রতিবেদনে স্মিথসোনিয়ান এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ সেন্টারের একজন সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানী্র বরাতে উল্লেখ করা হয়েছে, “আমরা যে অক্সিজেন শ্বাস নিই তার প্রায় ৫০ শতাংশ ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন থেকে আসে”।
ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, অক্সিজেন উৎপাদন এবং খরচের মধ্যে এই ভারসাম্যের কারণে, আধুনিক বাস্তুতন্ত্রগুলি বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। পরিবর্তে, আমরা যে অক্সিজেন শ্বাস নিই তা হল সমুদ্রের (মৃত) ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটনের উত্তরাধিকার যা কোটি কোটি বছরেরও বেশি সময় ধরে অবিচ্ছিন্নভাবে অক্সিজেন জমা করে যা বায়ুমণ্ডলকে শ্বাস-প্রশ্বাসের উপযোগী করে তুলেছে, ব্যাখ্যা করেছেন কলোরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটির বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞানী স্কট ডেনিং।
এই অক্সিজেনটি কেবল জমা হতে পারে কারণ প্ল্যাঙ্কটন পচে যাওয়ার আগে সমুদ্রের তলদেশে আটকে পড়েছিল – অন্যথায়, অন্যান্য জীবাণু দ্বারা তাদের পচন সেই অক্সিজেনটি ব্যবহার করত।
আমাজন থেকে উৎপাদিত অক্সিজেনের প্রভাব সম্পর্কে ভুল ধারণার উৎপত্তি
আমাজন সম্পর্কে প্রচলিত রয়েছে যে, আমাজন পৃথিবীর অক্সিজেনের ২০ শতাংশ উত্পাদন করে। ইতোপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে যে তথ্যটি সঠিক নয়।
ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক অনুযায়ী, ২০ শতাংশ শীর্ষক পৌরাণিক কাহিনী কয়েক দশক ধরে ঘুরছে, যদিও এটির উৎপত্তি কোথায় তা স্পষ্ট নয়। ইকোসিস্টেম ইকোলজিস্ট মালহি এবং কোই মনে করেন এটি এই তথ্য থেকে উদ্ভূত যে অ্যামাজন ভূমিতে সালোকসংশ্লেষণ দ্বারা উত্পাদিত অক্সিজেনের ক্ষেত্রে প্রায় ২০ শতাংশ অবদান রাখে। যা ভুলবশত জনসাধারণের কাছে “বায়ুমন্ডলের মোট (ভুমিসহ সমুদ্র এবং অন্যান্য) অক্সিজেনের ২০ শতাংশ” হিসেবে প্রচলিত হয়ে গেছে৷
সুতরাং, গাছ থেকে পৃথিবীর অধিকাংশ অক্সিজেন পাওয়া যায়না। বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন যে সমগ্র পৃথিবীতে অক্সিজেন উৎপাদনের অন্তত অর্ধেক কিংবা অর্ধেকেরও বেশি (৫০-৮০%) শতাংশ সমুদ্র থেকে আসে। আবার এই উৎপাদনের বেশিরভাগই সামুদ্রিক প্ল্যাঙ্কটন থেকে আসে। তারা আরও মনে করেন যে অ্যামাজন “ভূমিতে” সালোকসংশ্লেষণ দ্বারা উত্পাদিত অক্সিজেনের ক্ষেত্রে প্রায় ২০ শতাংশ অবদান রাখে। যা ভুলবশত জনসাধারণের কাছে “বায়ুমন্ডলের মোট (ভুমিসহ সমুদ্র এবং অন্যান্য) অক্সিজেনের ২০ শতাংশ” অনুদান হিসেবে প্রচলিত হয়ে গেছে৷
ক্রেডিটঃ রিউমারস্ক্যানার
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনআমি কিভাবে ইগো বা অহংকার কমাতে পারি?
ইগো বা অহংভাবটি ত্যাগ করার জন্য, আমার বিবেচনায়, আপনার আর কোনো পরামর্শের প্রয়োজনই নেই, কারণ, প্রশ্নে আপনি যদি ও সেটা জানতে চেয়েছেন, বাস্তবে আপনি, অহংভাব বা ego কে হারিয়েই দিয়েছেন। তার প্রমাণ ? যদি সত্যি, সত্যি, আপনার অহংভাব বা ego থাকতো, তবে, এ প্রশ্ন, আপনি আমাকে পাঠাতেন না, এবং বলতেন, নিজের ত্রুটি,বিস্তারিত পড়ুন
ইগো বা অহংভাবটি ত্যাগ করার জন্য, আমার বিবেচনায়, আপনার আর কোনো পরামর্শের প্রয়োজনই নেই,
কারণ, প্রশ্নে আপনি যদি ও সেটা জানতে চেয়েছেন, বাস্তবে আপনি, অহংভাব বা ego কে হারিয়েই দিয়েছেন।
তার প্রমাণ ?
যদি সত্যি, সত্যি, আপনার অহংভাব বা ego থাকতো, তবে, এ প্রশ্ন, আপনি আমাকে পাঠাতেন না,
এবং বলতেন,
নিজের ত্রুটি, বিচ্যুতি, যিনি বুঝে ফেলতে সক্ষম হন, উত্তরণের পথটি, নিজে থেকেই তাঁকে স্বাগত জানায়, পরামর্শের অপেক্ষায় থাকে না,
ঘটতেই থাকে, আত্ম-উত্তরণ।
অহংভাবটি ত্যাগ করার ক্ষেত্রে, আত্মউপলব্ধি ভিন্ন, অন্য কোনো পরামর্শ, তেমন কার্যকরী হওয়ার সম্ভাবনা দেখি না।
এবং, সে আত্মউপলব্ধি, আপনার প্রশ্নে, দ্বিধাহীন ভাবেই, স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
“আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার
চরণ-ধূলার তলে।
সকল অহঙ্কার হে আমার
ডুবাও চোখের জলে।
নিজেরে করিতে গৌরব দান,
নিজেরে কেবলি করি অপমান,
আপনারে শুধু ঘেরিয়া ঘেরিয়া
ঘুরে মরি পলে পলে।
সকল অহঙ্কার হে আমার
ডুবাও চোখের জলে”।
ধন্যবাদ।
লেখকঃ শুভেন্দু পুরকায়স্থ
সংক্ষেপে দেখুনপ্লাটফর্মঃ কোরা
আমাদের শরীরে হাসির মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণ এক প্রকার হরমোন তৈরী হয়।যার ফলে আমরা আনন্দবোধ করি। হরমোনটির নাম কি?
হাসির সময় আমাদের শরীরে এন্ডোরফিন নামক হরমোনের ক্ষরণ হয়। যা স্ট্রেস হরমোন নামে পরিচিত কর্টিজল হরমোনের কার্যক্ষমতাকে কমিয়ে ফেলে। এতে মানসিক চাপ দূর হয় এবং আমাদের হারানো আত্মবিশ্বাসও ফিরে আসে। সুতরাং প্রাণ খুলে হাসুন।
হাসির সময় আমাদের শরীরে এন্ডোরফিন নামক হরমোনের ক্ষরণ হয়। যা স্ট্রেস হরমোন নামে পরিচিত কর্টিজল হরমোনের কার্যক্ষমতাকে কমিয়ে ফেলে। এতে মানসিক চাপ দূর হয় এবং আমাদের হারানো আত্মবিশ্বাসও ফিরে আসে। সুতরাং প্রাণ খুলে হাসুন।
সংক্ষেপে দেখুনবিজ্ঞান
আগুন নামের কোন লোককে ট্রেনিং দিয়ে আগুন নেভানো যেতে পারে 🤣😂
আগুন নামের কোন লোককে ট্রেনিং দিয়ে আগুন নেভানো যেতে পারে 🤣😂
সংক্ষেপে দেখুনআপনি 100 থেকে কতবার 10 বিয়োগ করতে পারেন?
১ বার। কারণ এরপর ৯০ হয়ে যাবে।
১ বার। কারণ এরপর ৯০ হয়ে যাবে।
সংক্ষেপে দেখুনকিছু মাসে 31 দিন, অন্যদের 30 দিন, কিন্তু কয়টি 28 দিন আছে?
প্রত্যেক মাসেই ২৮ দিন আছে।
প্রত্যেক মাসেই ২৮ দিন আছে।
সংক্ষেপে দেখুনকিভাবে একটি মেয়ে ঘুম ছাড়া 25 দিন যেতে পারে?
শুধু ২৫ দিন কেন? আজীবন দিনে না ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিতে পারবে। শুধু রাতে ঠিকঠাক ঘুমোতে হবে।
শুধু ২৫ দিন কেন? আজীবন দিনে না ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিতে পারবে। শুধু রাতে ঠিকঠাক ঘুমোতে হবে।
সংক্ষেপে দেখুন