সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
যদি একটি বানর, একটি কাঠবিড়ালি এবং একটি পাখি একটি নারকেল গাছের শীর্ষে দৌড়ে যায়, তাহলে কে প্রথমে কলা পাবে?
তার আগে আমার প্রশ্নের উত্তর দিন। নারিকেল গাছে কি কলা ধরে?
তার আগে আমার প্রশ্নের উত্তর দিন। নারিকেল গাছে কি কলা ধরে?
সংক্ষেপে দেখুন. মিঃ স্মিথের ময়ূর যদি মিস্টার জোন্সের উঠোনে একটি ডিম পাড়ে তবে ডিমটির মালিক কে?
দুঃক্ষিত, ময়ূর ডিম পারে না। তবে ময়ূরী বা স্ত্রী ময়ূর ডিম পাড়ে। প্রশ্নটিতে যেহেতু ময়ূর বলা হয়েছে তাই তার ডিম পাড়ার প্রশ্নই ওঠেনা। ডিমের মালিক তো পরের কথা!
দুঃক্ষিত, ময়ূর ডিম পারে না। তবে ময়ূরী বা স্ত্রী ময়ূর ডিম পাড়ে। প্রশ্নটিতে যেহেতু ময়ূর বলা হয়েছে তাই তার ডিম পাড়ার প্রশ্নই ওঠেনা। ডিমের মালিক তো পরের কথা!
সংক্ষেপে দেখুনযদি একটি বৈদ্যুতিক ট্রেন 100mph বেগে উত্তর দিকে চলে এবং 10mph বেগে পশ্চিমে বাতাস প্রবাহিত হয়, তবে ধোঁয়া কোন দিকে প্রবাহিত হয়?
সম্ভবত বৈদ্যুতিক ট্রেনে ধোঁয়া থাকে না। তাই ট্রেনের গতি আর বাতাসের বেগ এখানে কোন কাজেই আসবে না।
সম্ভবত বৈদ্যুতিক ট্রেনে ধোঁয়া থাকে না। তাই ট্রেনের গতি আর বাতাসের বেগ এখানে কোন কাজেই আসবে না।
সংক্ষেপে দেখুনসকালের নাস্তায় আপনি কখনই খেতে পারবেন না এমন দুটি জিনিস কী?
সকালের নাস্তার সাথে "দুপুরের খাবার" আর "রাতের খাবার" কখনই খেতে পারবো না! স্যরি 😉
সকালের নাস্তার সাথে “দুপুরের খাবার” আর “রাতের খাবার” কখনই খেতে পারবো না! স্যরি 😉
সংক্ষেপে দেখুনকুকুর কেন ‘গোল’ হয়ে ঘুমায়?
কুকুর ঘুমানোর আগে চারপাশে বৃত্তাকারে চক্কর মারে ও গোল হয়ে ঘুমায়! কুকুর কেন নিয়মিত এমন আচরণ করে? প্রশ্নটির উত্তর খুঁজে পেয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘লাইভসায়েন্স’। তাদের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুনো কুকুরদেরই মূলত এই অভ্যাস। প্রাচীনকাল থেকেই এমন কাজ করে তারা। জিনবাহিত হয়ে কুকুররা এমন আচরণ করে। কলোরবিস্তারিত পড়ুন
কুকুর ঘুমানোর আগে চারপাশে বৃত্তাকারে চক্কর মারে ও গোল হয়ে ঘুমায়!
কুকুর কেন নিয়মিত এমন আচরণ করে?
প্রশ্নটির উত্তর খুঁজে পেয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘লাইভসায়েন্স’। তাদের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুনো কুকুরদেরই মূলত এই অভ্যাস। প্রাচীনকাল থেকেই এমন কাজ করে তারা। জিনবাহিত হয়ে কুকুররা এমন আচরণ করে।
কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লেসলি ইরভিন তার ‘ইফ ইউ টেম মি: আন্ডারস্ট্যান্ডিং আওয়ার কানেকশন উইথ অ্যানিম্যালস’ গ্রন্থে লিখেছেন, কুকুররা মূলত নিরাপদ আশ্রয় তৈরি করার জন্য ঘুমানের আগে অদ্ভুত আচরণ করে। পোকামাকড়, সাপ ইত্যাদির থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য এই কাজ করে তারা। শোওয়ার আগে চারপাশটা সরেজমিনে পরীক্ষা করে নেয়া আর কি! তাছাড়া ঘুমানোর সময়ও গোল হয়ে ঘুমায়।
ঘুমানোর আগে কুকুর একই জায়গা বারবার পরিদর্শন করে। সে বিষয়ে লেসলি ইরভিন বলেন, জঙ্গলে থাকা কুকুরদের জন্য তো আর কেউ সুন্দর বিছানা-বালিশ তৈরি করে দেয় না। তাই ঘুমানোর জন্য তারা চার পা দিয়ে লম্বা ঘাস ও ঝোপকে চাপড়িয়ে ও মাড়িয়ে তাদের বিছানা তৈরি করে ফেলে। এছাড়া কুকুরটি অন্য কুকুরদের কাছে বার্তা পৌঁছে দেয়, সে শোয়ার জন্য এই জায়গাটি বেছে নিয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনকিছু মর্মস্পর্শী ছবি বা ঘটনা জানাবেন কি?
কংকালগুলো ৪০০০ বছরের পুরনো। দুটো ছবির ক্ষেত্রেই একজন মা তার সন্তানকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন ২০০০ খৃষ্টপূর্বাব্দে চায়নায় ঘটে যাওয়া একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের হাত থেকে। এটি এতটাই শক্তিশালী ভূকম্পন ছিলো যে এর ফলে বিশাল বন্যার সৃষ্টি হয়। এমন একটি ঘটনা যাকে কখনও কখনও 'চীনের পম্পেই' হিসাবে উল্লেখ করা হয়।বিস্তারিত পড়ুন
কংকালগুলো ৪০০০ বছরের পুরনো।

দুটো ছবির ক্ষেত্রেই একজন মা তার সন্তানকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন ২০০০ খৃষ্টপূর্বাব্দে চায়নায় ঘটে যাওয়া একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের হাত থেকে। এটি এতটাই শক্তিশালী ভূকম্পন ছিলো যে এর ফলে বিশাল বন্যার সৃষ্টি হয়। এমন একটি ঘটনা যাকে কখনও কখনও ‘চীনের পম্পেই’ হিসাবে উল্লেখ করা হয়।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনমানসিক কষ্ট
আমার মনেহয় বিস্তারিত তথ্যটি আপনার প্রশ্ন হওয়া উচিৎ ছিলো। 🤔
আমার মনেহয় বিস্তারিত তথ্যটি আপনার প্রশ্ন হওয়া উচিৎ ছিলো। 🤔
সংক্ষেপে দেখুনমেডিকেল -এর লোগো তে সাপ কেন থাকে?
গ্রীক চিকিৎসার দেবতা অ্যাসক্লেপিয়াসের হাতে এই সর্প দণ্ড থাকতো, তাই এটাকে স্বাস্থ্য-পরিষেবার সাথে জড়িত পেশাদারদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সেই কালে Dracunculus medinensis নামক বিশেষ এক ধরনের চর্মভেদী কৃমিকে এইভাবে কাঠি দিয়ে ক্ষত হতে তোলা হত, তাই চিকিৎসার সাথেও এটা সামঞ্জস্যপূর্ণ। ভুল করে অনেবিস্তারিত পড়ুন
গ্রীক চিকিৎসার দেবতা অ্যাসক্লেপিয়াসের হাতে এই সর্প দণ্ড থাকতো, তাই এটাকে স্বাস্থ্য-পরিষেবার সাথে জড়িত পেশাদারদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
সেই কালে Dracunculus medinensis নামক বিশেষ এক ধরনের চর্মভেদী কৃমিকে এইভাবে কাঠি দিয়ে ক্ষত হতে তোলা হত, তাই চিকিৎসার সাথেও এটা সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ভুল করে অনেকে Caduceusকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রতীক বলে মনে করেন। Caduceusএ দুই ডানা-বিশিষ্ট একটি দণ্ডকে বেষ্টিত করে থাকে দুইটি সাপ।
এটি দেবতাদের দূত হার্মেস বা মারকিউরির প্রতীক; তিনি আবার ঠগ-জোচ্চর এবং রাস্তায় খেলা দেখানো যাদুকরদেরও দেবতা, তাই এটা তাদের প্রতীক হতে পারে, চিকিৎসকদের নয়।
সংক্ষেপে দেখুনআপনি এমন কী জানেন, যা বেশিরভাগ লোকই জানেন না?
ছবির ছেলেটাকে চেনেন? মাঝখানের জনকে? বলতে গেলে ঢাকার সবচেয়ে বড় লোক পরিবারের ছেলে ছিল। তখনকার দিনে যখন ১ম শ্রেণীর অফিসারের বেতন ছিল খুব বেশি হলে ৫০০-৬০০ টাকা, সে এলভিস প্রিসলির গান শোনার জন্য এক ধাক্কায় ১০০০ টাকার রেকর্ড কিনে আনতো। তাদের বাড়িতে হরিণ ছিল, সরোবরে সাঁতার কাটত ধবল রাজহাঁস, মশলার বাগান থেকবিস্তারিত পড়ুন
ছবির ছেলেটাকে চেনেন? মাঝখানের জনকে?
বলতে গেলে ঢাকার সবচেয়ে বড় লোক পরিবারের ছেলে ছিল। তখনকার দিনে যখন ১ম শ্রেণীর অফিসারের বেতন ছিল খুব বেশি হলে ৫০০-৬০০ টাকা, সে এলভিস প্রিসলির গান শোনার জন্য এক ধাক্কায় ১০০০ টাকার রেকর্ড কিনে আনতো। তাদের বাড়িতে হরিণ ছিল, সরোবরে সাঁতার কাটত ধবল রাজহাঁস, মশলার বাগান থেকে ভেসে আসত দারুচিনির গন্ধ(ডাকে পাখি খোলো আঁখি, এই গানটার শুটিং হয়েছিল তাদের বাড়িতে)।
জ্বী হ্যা, আমি মাগফার উদ্দিন চৌধুরী আজাদ এর কথা বলছি।
আজাদ ক্লাস সিক্সে পড়ে, সেন্ট গ্রেগরি। ১৯৬০ এর দশক। আজাদের বাবা আরেকটা বিয়ে করবেন। আজাদের মা বললেন, তুমি বিয়ে করবে না, যদি করো, আমি একমাত্র ছেলে আজাদকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাব। আজাদের বাবা আরেকটা বিয়ে করলে আজাদের মা সাফিয়া তার বালকপুতের হাত ধরে ওই রাজপ্রাসাদ পরিত্যাগ করেন এবং একটা পর্ণকুটীরে আশ্রয় নেন। ছেলেকে লেখাপড়া শেখান। আজাদ ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্ন্তজাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে মাস্টার্স পাস করে।
তার বন্ধুরা যোগ দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধে, ফিরে এসেছে আগরতলা থেকে, ট্রেনিং নিয়ে। তার ঢাকায় গেরিলা অপারেশন করে। বন্ধুরা আজাদকে বলল, চল, আমাদের সাথে, অপারেশন করবি। তুই তো বন্দুক পিস্তল চালাতে জানিস। তোর আব্বার তো বন্দুক আছে, পিস্তল আছে, তুই সেগুলো দিয়ে অনেকবার শিকার করেছিস।
আজাদ বলল, এই জগতে মা ছাড়া আমার কেউ নেই, আর মায়েরও আমি ছাড়া আর কেউ নেই। মা অনুমতি দিলেই কেবল আমি যুদ্ধে যেতে পারি।
মাকে আজাদ বলল, মা, আমি কি যুদ্ধে যেতে পারি?
মা বললেন, নিশ্চয়ই, তোমাকে আমার প্রয়োজনের জন্য মানুষ করিনি, দেশ ও দশের জন্যই তোমাকে মানুষ করা হয়েছে।
আজাদ যুদ্ধে গেল।
দুটো অপারেশনে অংশ নিল। তাদের বাড়িতে অস্ত্র লুকিয়ে রাখা হলো। গেরিলারা আশ্রয় নিল।
১৯৭১ সালের ৩০ আগস্ট। ধরা পড়ে ক্র্যাক প্লাটুনের একদল সাহসী মুক্তিযোদ্ধা। সেসময় আজাদকেও আটক করা হয়। তাকে ধরে নিয়ে রাখা হলো রমনা থানা সংলগ্ন ড্রাম ফ্যাক্টরি সংলগ্ন এম.পি হোস্টেলের মিলিটারি টর্চার সেলে।
গরাদের ওপারে দাড়িয়ে থাকা আজাদকে তার মা চিনতে পারেন না। প্রচণ্ড মারের চোটে চোখমুখ ফুলে গেছে, ঠোঁট কেটে ঝুলছে, ভুরুর কাছটা কেটে গভীর গর্ত হয়ে গেছে।
–“মা, কি করব? এরা তো খুব মারে। স্বীকার করতে বলে সব। সবার নাম বলতে বলে।“
–“বাবা, তুমি কারোর নাম বলোনি তো?
–না মা, বলি নাই। কিন্তু ভয় লাগে, যদি আরও মারে, যদি বলে দেই…
–বাবারে, যখন মারবে, তুমি শক্ত হয়ে থেকো। সহ্য করো। কারো নাম বলো না।
–আচ্ছা মা। ভাত খেতে ইচ্ছে করে। দুইদিন ভাত খাই না। কালকে ভাত দিয়েছিল, আমি ভাগে পাই নাই।
–আচ্ছা, কালকে যখন আসব, তোমার জন্য ভাত নিয়ে আসব।
সাফিয়া বেগমের ভেতরটা দুমড়ে-মুচড়ে যায়। গায়ে হাত তোলা তো দূরে থাক, ছেলের গায়ে একটা ফুলের টোকা লাগতে দেননি কোনোদিন। সেই ছেলেকে ওরা এভাবে মেরেছে… এভাবে…
মুরগির মাংস, ভাত, আলুভর্তা আর বেগুনভাজি টিফিন ক্যারিয়ারে ভরে পরদিন সারারাত রমনা থানায় দাড়িয়ে থাকেন সাফিয়া বেগম, কিন্তু আজাদকে আর দেখতে পাননি। তেজগাঁও থানা, এমপি হোস্টেল, ক্যান্টনমেন্ট-সব জায়গায় খুজলেন, হাতে তখন টিফিন ক্যারিয়ার ধরা, কিন্তু আজাদকে আর খুঁজে পেলেন না।
ছেলে একবেলা ভাত খেতে চেয়েছিলেন। মা পারেননি ছেলের মুখে ভাত তুলে দিতে। সেই কষ্ট-যাতনা থেকে পুরো ১৪টি বছর ভাত মুখে তুলেন নি মা! তিনি অপেক্ষায় ছিলেন ১৪ টা বছর ছেলেকে ভাত খাওয়াবেন বলে। বিশ্বাস ছিলো তাঁর আজাদ ফিরবে। ছেলের অপেক্ষায় শুধু ভাতই নয়, ১৪বছর তিনি কোন বিছানায় শোন নি। শানের মেঝেতে শুয়েছেন শীত গ্রীষ্ম কোন কিছুতেই তিনি পাল্টান নি তার এই পাষাণ শয্যা। আর এর মুল কারণ আজাদ রমনা থানায় আটককালে বিছানা পায়নি।
প্রজন্ম কিংবদন্তি আজাদদের চিনেনা, চিনে হলিউডের অ্যাকশন চলচ্চিত্র।
ভালো থাকুক জীবনের প্রেমগুলো। ভালো থেকো কিংবদন্তী।”
[লেখাটি প্রিয় লেখক ‘আনিসুল হক’ এর “মা” বই থেকে নেওয়া হয়েছে।]
সৌজন্যে—লেখক আনিসুল হকের ফেসবুক পেজ
সংক্ষেপে দেখুনসূর্যমুখী ফুল সবসময় সূর্যের দিকে মুখ ঘুরিয়ে থাকে কেন ?
গাছের বৃদ্ধি ও শারীরিক কার্যকলাপের জন্য বিভিন্ন ধরণের হরমোন সাহায্য করে। এমনি একটি হরমোন হল অক্সিন। অক্সিন হরমোনের নানা ধরণের কাজের মধ্য রয়েছে কান্ড ও পাতার বৃদ্ধি। এই অক্সিন হরমোনই আবার ফটোট্রপিক ক্রিয়ার জন্য দায়ী। আলোর সাথে উদ্ভিদের যে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া তাই-ই হল ফটোট্রপিক ক্রিয়া। অক্সিন হরমোনের যবিস্তারিত পড়ুন
গাছের বৃদ্ধি ও শারীরিক কার্যকলাপের জন্য বিভিন্ন ধরণের হরমোন সাহায্য করে। এমনি একটি হরমোন হল অক্সিন। অক্সিন হরমোনের নানা ধরণের কাজের মধ্য রয়েছে কান্ড ও পাতার বৃদ্ধি। এই অক্সিন হরমোনই আবার ফটোট্রপিক ক্রিয়ার জন্য দায়ী। আলোর সাথে উদ্ভিদের যে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া তাই-ই হল ফটোট্রপিক ক্রিয়া।
অক্সিন হরমোনের যে পাশে সূর্যের আলো পড়েনা অর্থাৎ যে পাশে ছায়া থাকে সে পাশে দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এটি উদ্ভিদের যে অংশে থাকে সেখানে pH এর পরিমান কমিয়ে দেয়। ফলে এর সেলুলোজ কোষগুলো ফেটে যায়। ফলে অতিরিক্ত চাপের সৃষ্টি হয়। এই চাপই সূর্যমুখী ফুলকে সূর্যের দিকে ঘুরতে বাধ্য করে। পরিপূর্ণ সূর্যমুখী ফুল কিন্তু ঘুরে না, পূর্বদিকে মুখ করে রাখে।
সংক্ষেপে দেখুনঅরিগ্যামি মানে কি?
অরিগামি (জাপানি: 折り紙) হলো কাগজের এক ধরনের কাজ, যা জাপানি সংস্কৃতির সাথে জড়িত। তবে আধুনিক ব্যবহারে "অরিগামি" শব্দটি কাগজের কাজসহ এরকম সকল কাজকেই বোঝানো হয়। অরিগামির কাজ হলো কাগজকে বিভিন্ন প্রক্রিয়াতে নানান রূপ দেওয়া। অতীতে অরিগামি কাগজ কেটে বানানো হলেও বর্তমানে আঠা, কাঁচি ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা হবিস্তারিত পড়ুন
অরিগামি (জাপানি: 折り紙) হলো কাগজের এক ধরনের কাজ, যা জাপানি সংস্কৃতির সাথে জড়িত।

সংক্ষেপে দেখুনতবে আধুনিক ব্যবহারে “অরিগামি” শব্দটি কাগজের কাজসহ এরকম সকল কাজকেই বোঝানো হয়। অরিগামির কাজ হলো কাগজকে বিভিন্ন প্রক্রিয়াতে নানান রূপ দেওয়া। অতীতে অরিগামি কাগজ কেটে বানানো হলেও বর্তমানে আঠা, কাঁচি ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা হয়।
সূত্রঃ উইকিপিডিয়া
আরও ভালোভাবে বুঝতে চাইলে নিচের ভিডিওটি দেখতে পারেন।
কলাগাছ কে কেনো গাছ বলা যায়না?
কলা গাছ রাইজোম জাতীয় উদ্ভিদ। এর কান্ড আদা বা হলুদের মত মাটির নিচে থাকে। আমরা যেটা দেখি সেটা মূলত পাতা যা জাড়াজড়ি করে উপরে উঠে কান্ডের ন্যায় ধারণ করে। তাই কলা গাছ গাছ না, পাতা। আর বলাই বাহুল্য কলার পাতাই পৃথিবীর সবথেকে লম্বা পাতা।
কলা গাছ রাইজোম জাতীয় উদ্ভিদ। এর কান্ড আদা বা হলুদের মত মাটির নিচে থাকে। আমরা যেটা দেখি সেটা মূলত পাতা যা জাড়াজড়ি করে উপরে উঠে কান্ডের ন্যায় ধারণ করে। তাই কলা গাছ গাছ না, পাতা। আর বলাই বাহুল্য কলার পাতাই পৃথিবীর সবথেকে লম্বা পাতা।
সংক্ষেপে দেখুনএকটা গাছে একটা ফলই ধরে এবং ফল দিয়ে গাছটি মারা যায়? কোন গাছ
একটা গাছে একটা ফল ধরে এমন গাছ সম্ভবত আনারস। কিন্তু আপনি প্রশ্নটিতে সম্ভবত "একবার ফল ধরে" এরকম বলতে চেয়েছিলেন। যদি সেটাই হয় তাহলে এর উত্তর হবে আনারস। প্রশ্ন করার আগে একবার যাচাই করে নিলে ভালো হতো। ধন্যবাদ!
একটা গাছে একটা ফল ধরে এমন গাছ সম্ভবত আনারস। কিন্তু আপনি প্রশ্নটিতে সম্ভবত “একবার ফল ধরে” এরকম বলতে চেয়েছিলেন। যদি সেটাই হয় তাহলে এর উত্তর হবে আনারস। প্রশ্ন করার আগে একবার যাচাই করে নিলে ভালো হতো।
সংক্ষেপে দেখুনধন্যবাদ!
আমাদের দেশে “বাসর রাতে বিড়াল মারা” বলে একটা প্রবাদ প্রচলিত আছে এটি মানে কি?
বাসর রাতে বিড়াল মারা বলতে স্ত্রীকে বশ করা (আরো সোজা কথায় স্ত্রীর সাথে বাসর রাতে শাররীক মিলন করা) বুঝায়। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ছেলেকে তার সমবয়সী বিবাহিত বন্ধুরা বিড়াল মারার নানান বুদ্ধি ফ্রি তে দান করে থাকে। অপর দিকে মেয়ের বড় বোন/ভাবী/দাদী শ্রেনীর আত্মীয়রা বিড়ালনা মেরে বাঘ/স্বামী মহাশয়কে কিবিস্তারিত পড়ুন
বাসর রাতে বিড়াল মারা বলতে স্ত্রীকে বশ করা (আরো সোজা কথায় স্ত্রীর সাথে বাসর রাতে শাররীক মিলন করা) বুঝায়। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ছেলেকে তার সমবয়সী বিবাহিত বন্ধুরা বিড়াল মারার নানান বুদ্ধি ফ্রি তে দান করে থাকে। অপর দিকে মেয়ের বড় বোন/ভাবী/দাদী শ্রেনীর আত্মীয়রা বিড়ালনা মেরে বাঘ/স্বামী মহাশয়কে কি করে ধরাশায়ী করা যায় তার কুট-কৌশল শিক্ষা দিয়ে থাকেন।
কথার ধরনে অবশ্যই অনুমান করতে পারছেন এটি যেন একপ্রকার যুদ্ধ-যুদ্ধ পরিস্থিতি!
সংক্ষেপে দেখুনবাংলা স্বরবর্ণ থেকে ৯-এর মতো দেখতে ‘লি’-কে কেন বাদ দেওয়া হয়েছে? কেনই বা ছিলো?
১৭৬৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হালেদের বইয়ে স্বরবর্ণের সংখ্যা ছিল ১৬। পরবর্তী প্রায় একশত বছর মদনমোহনের শিশুশিক্ষা প্রথম ভাগ পর্যন্ত স্বরবর্ণের সংখ্যা ১৬টিই ছিল। এগুলো হলো অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, ৠ, ঌ, ৡ, এ, ঐ, ও, ঔ, অ০, অঃ। বিদ্যাসাগর এই সংখ্যা কমিয়ে ১২তে নামালেন। তিনি ভূমিকায় লিখলেন: "বহূকালাবধি বর্ণমবিস্তারিত পড়ুন
১৭৬৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হালেদের বইয়ে স্বরবর্ণের সংখ্যা ছিল ১৬। পরবর্তী প্রায় একশত বছর মদনমোহনের শিশুশিক্ষা প্রথম ভাগ পর্যন্ত স্বরবর্ণের সংখ্যা ১৬টিই ছিল। এগুলো হলো অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, ৠ, ঌ, ৡ, এ, ঐ, ও, ঔ, অ০, অঃ। বিদ্যাসাগর এই সংখ্যা কমিয়ে ১২তে নামালেন। তিনি ভূমিকায় লিখলেন:
“বহূকালাবধি বর্ণমালা ষোল স্বর ও চৌত্রিশ ব্যঞ্জন এই পঞ্চাশ অক্ষরে পরিগণিত ছিল। কিন্তু বাঙ্গালা ভাষায় দীর্ঘ ৠ-কার ও দীর্ঘ ৡ-কারের প্রয়োজন নাই। এই নিমিত্ত ঐ দুই বর্ণ পরিত্যক্ত হইয়াছে। আর সবিশেষ অনুধাবন করিয়া দেখিলে অনুস্বার ও বিসর্গ স্বরবর্ণ মধ্যে পরিগণিত হইতে পারে না। এই নিমিত্ত ঐ দুই বর্ণ ব্যঞ্জনবর্ণ মধ্যে পঠিত হইয়াছে। আর চন্দ্রবিন্দুকে ব্যঞ্জনবর্ণস্থলে এক স্বতন্ত্র বর্ণ বলিয়া গণনা করা গিয়াছে। “ড, ঢ, য এই তিন ব্যঞ্জনবর্ণ পদের মধ্যে অথবা পদের অন্তে থাকিলে, ড়, ঢ়, য় হয়।
বিদ্যাসাগরের এই মৌলিক সংস্কারের ১২৫ বছর পর স্বরবর্ণে মাত্র আর একটি সংস্কার ঘটেছে, তাহলো ঌ বর্ণটি বাদ দেওয়া। এখন স্বরবর্ণ ১১টি। ব্যঞ্জনবর্ণ ছিল ৩৪টি। বিদ্যাসাগর তাতে নতুনভাবে ছয়টি বর্ণ যুক্ত করেন। অনুস্বার ও বিসর্গকে স্বরবর্ণ থেকে ব্যঞ্জনবর্ণে নিয়ে এসে চন্দ্রবিন্দুকেও যোগ করে দিলেন। ড, ঢ, য-এর দ্বিবিধ উচ্চারণের ক্ষেত্রে নিচে ফুটকি বা শুন্য দিয়ে নতুন তিনটি ব্যঞ্জন অক্ষর আবিষ্কার করলেন। তা ছাড়া বিদ্যাসাগর দেখলেন, “বাঙ্গালা ভাষায় একারের ত, ত্ এই দ্বিবিধ কলেবর প্রচলিত আছে।” তাই এটিকেও ব্যঞ্জনবর্ণে যুক্ত করেছেন। আর ক্ষ যেহেতু ক ও ষ মিলে হয় “সুতরাং উহা সংযুক্তবর্ণ, এ জন্য অসংযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ গণনাস্থলে পরিত্যক্ত হইয়াছে।” এভাবে তার হাতে ব্যঞ্জনবর্ণ হলো ৪০টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ঌ-এর মতই শুধু অন্তঃস্থ ‘ব’ বর্ণটি বাদ যায়। এখন ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।
সূত্রঃ উইকিপিডিয়া
সংক্ষেপে দেখুনএকজন বিখ্যাত কবি এবং নাট্যকার ইংরেজি ভাষায় ১,০০০ এরও বেশি শব্দ যোগ করেছেন, কে তিনি?
উইলিয়াম শেক্সপিয়র ইংরেজি ভাষায় ১,০০০ এরও বেশি শব্দ যোগ করেছেন। আমাদের মধ্যে প্রায় সবাই উইলিয়াম শেক্সপিয়র সম্পর্কে জানেন। শেক্সপিয়র হলেন ষোড়শ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত কবি এবং নাট্যকার।
উইলিয়াম শেক্সপিয়র ইংরেজি ভাষায় ১,০০০ এরও বেশি শব্দ যোগ করেছেন। আমাদের মধ্যে প্রায় সবাই উইলিয়াম শেক্সপিয়র সম্পর্কে জানেন। শেক্সপিয়র হলেন ষোড়শ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত কবি এবং নাট্যকার।
সংক্ষেপে দেখুননতুন কলম দিয়ে কিছু লিখতে বললে ৮০% লোক প্রথম কি লিখবে?
নিজের নাম লিখবে।
নিজের নাম লিখবে।
সংক্ষেপে দেখুনআল কুরআনের সর্ব প্রথম হাফিজ কে?
প্রথম কুরআনের হাফেজ ছিলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)।
প্রথম কুরআনের হাফেজ ছিলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)।
সংক্ষেপে দেখুনবাইরে থেকে শক্ত। কিন্তু ভিতর থেকে নরম। আমার নাম ইংরেজির “c” অক্ষর দিয়ে শুরু হয়ে শেষ হয় ইংরেজির “t” অক্ষর দিয়ে। কে আমি বলুন দেখি?
এর উত্তর ডাব অর্থাৎ Coconut হবে।
এর উত্তর ডাব অর্থাৎ Coconut হবে।
সংক্ষেপে দেখুনআমি লম্বা এবং শক্ত। ভিতরে কিন্তু নরম। আর গায়ের রং হলকা সবুজ। কে আমি বলতে পারেন? উত্তর: শসা।
উত্তর তো আপনি দিয়েই দিলেন! 🤣🤣😂
উত্তর তো আপনি দিয়েই দিলেন! 🤣🤣😂
সংক্ষেপে দেখুন