সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি ফুচকা খেতে কতটা ভালোবাসেন? ফুচকা বানানোর রেসিপি কি?
স্ট্রিট ফুডে নানান ভ্যারাইটির মধ্যে ফুচকা অতি লোভনীয় একটি স্ট্রিট ফুড।টক টক,ঝাল ঝাল, মুচ মুচে ফুচকা খেতে কেই না ভালোবাসে। কারোর কাছে এটা ফুচকা, কারও কাছে আবার এটা গোলগাপ্পা, কেউ বা বলেন পানিপুরী। আপামর বাঙালীর কাছে ফুচকা নামটিই অধিক জনপ্রিয়। আসুন আজ তাহলে দেখে নেওয়া যাক বাড়ি বসে চটজলদি ফুচকা বানাবিস্তারিত পড়ুন
স্ট্রিট ফুডে নানান ভ্যারাইটির মধ্যে ফুচকা অতি লোভনীয় একটি স্ট্রিট ফুড।টক টক,ঝাল ঝাল, মুচ মুচে ফুচকা খেতে কেই না ভালোবাসে। কারোর কাছে এটা ফুচকা, কারও কাছে আবার এটা গোলগাপ্পা, কেউ বা বলেন পানিপুরী। আপামর বাঙালীর কাছে ফুচকা নামটিই অধিক জনপ্রিয়।
আসুন আজ তাহলে দেখে নেওয়া যাক বাড়ি বসে চটজলদি ফুচকা বানানোর রেসিপি।
ফুচকা বানানোর পদ্ধতি বেশ সহজ তাই একটু সময় ধৈর্য ও বেসিক কয়েকটি ধাপ মেনে চললেই তৈরি হয়ে যাবে মুচ মুচে, টক টক ঝাল ঝাল ফুচকা।
এখানে আজ ২৫টি ফুচকার মতো আয়োজন করা হল।
উপকরণ:
ফুচকা বানানোর রেসিপির প্রয়োজনীয় উপকরণ দেখে নেওয়া যাক।
ফুচকা বানানোর উপকরণ:
ফুচকার আলুর পুরের /আলু মাখার উপকরণ:
তেঁতুল জল তৈরি র উপকরণ:
এবার দেখে নেওয়া যাক ফুচকা রেসিপি পদ্ধতি —
মন্ড তৈরির পদ্ধতি:
১) একটি পাত্রে ১ কাপ ময়দা ও ১ কাপ সুজি নিতে হবে। তাতে এক চিমটি নুন ও ১/২ চা-চামচ বেকিং সোডা ও ১ চা-চামচ সাদা তেল দিয়ে মিশ্রণটি ভালো করে মাখতে হবে।
২) ওই মিশ্রণটিতে হালকা ইষৎ উষ্ণ জল একটু একটু করে দিয়ে মাখতে হবে বেশ কিছুক্ষন ধরে। মাখার শেষ হলে ৪মিনিট মতো হাতে সামান্য তেল মাখিয়ে নিয়ে হালকা হাতে দোলতে হবে।
৩) তারপর মন্ডটিকে ১ঘন্টার মতো ভিজে কাপড় দিয়ে জড়িয়ে পাত্রটি ঢাকা দিয়ে রাখতে হবে।
ফুচকা বানানোর পদ্ধতি:
৪) একটি বড় লেচি কেটে একটু মোটা ভাবে বেলে নিতে হবে তবে খুব মোটা বা খুব পাতলা হবেনা। খুব মোটা যদি বেলেন তাহলে ফুচকা গুলি ফুলবেনা আর পাতলা হয়ে গেলে সেটি পাপড়ি হয়ে যাবে।তারপর একটি ছোট সাইজের কৌটোর ঢাকনা দিয়ে বড় আকৃতির রুটি থেকে ফুচকা র আকারে কেটে বের করে নিতে হবে।
৫) সেগুলোকে কিছুক্ষন রেখে দিতে হবে তাহলে ফুচকা গুলি ভালো ফুলবে।
৬) ওভেনে কড়াই বসিয়ে (লো-এর থেকে বেশি আর মিডিয়ামের থেকে একটু কম ফ্লেমে) তাতে তেল দিয়ে একটু অপেক্ষা করতে হবে কারণ, ভালো করে তেল গরম করার দরকার হয় না ফুচকা তৈরির সময়। একদম হালকা একটু গরম হলেই একে একে বেলা ফুচকা গুলো তেলে ছেড়ে দিতেতে হবে।
৭) হালকা হাতে নাড়াচাড়া করতে করতে দেখবেন ফুচকা গুলি খুব সুন্দর ভাবে ফুলে উঠবে। তেল ততক্ষণে অনেক গরম হলে গ্যাস বন্ধ করে বাকি ফুচকা গুলি ভেজে নিন একই ভাবে।
৮)একটি ঝুড়ির মধ্যে রেখে দিন বারতি তেল ঝড়ে যাবে। তাহলেই রেডি হয়ে যাবে ফুলকো ফুলকো মুচ মুচে ফুচকা।
পুর বানানোর পদ্ধতি:
৯) এরপর আসা যাক পুর বানানোর পদ্ধতিতে। প্রথমে একটি বেশ বড়ো জায়গায় ৩টি আলুসেদ্ধ নিয়ে খোসা ছাড়িয়ে মেখে নিতে হবে।
১০) মাখা আলুতে একে একে যোগ করতে হবে ১মুঠো ছোলা মটর, ১চা-চামচ লঙ্কাকুচি, ভাজা মশলা ৪চা-চামচ, বিটনুন স্বাদ মতো, চাটমশলা ১চা-চামচ, তেঁতুল জল ২টেবিল চামচ, ধনেপাতা কুচি আন্দাজ মতো দিয়ে ভালো করে মাখতে হবে।
তেঁতুল জল তৈরির পদ্ধতি:
১১) একটি পাত্রে ১লিটার জল নিয়ে তাতে তেঁতুলের পাল্ব ৩ চা-চামচ দিয়ে মেশাতে হবে যতক্ষন না তা জলে সম্পূর্ণ গুলে যায়।
১২) ওই মিশ্রণটিতে একে একে ভাজা মশলা ২চা-চামচ, লঙ্কা গুড়ো ১চা-চামচ, বিট নুন ১চা-চামচ,ধনে পাতা কুঁচি প্রয়োজন মতো দিয়ে ভালো করে মেশাতে হবে।
১৩)এবার ওই জলটিতে চাট মশলা ১ চা-চামচ দিয়ে আরেক একটু মিশিয়ে নিতে হবে এবং সবশেষে সুগন্ধের জন্য ৪টি লেবু পাতা দিতে হবে।
কীভাবে ফুচকাকে আরও মুচমুচে এবং স্বাদে অতুলনীয় করে তুলবেন?
ফুচকাকে আরও মুচমুচে এবং সুস্বাদু করতে কয়েকটি ছোট জিনিস করলেই হবে আসুন দেখেনি :-
১) মন্ড তৈরির পদ্ধতিতে:
মন্ড তৈরি হয়ে যাবার পর সেটিকে ভিজে কাপড় জরিয়ে রাখা আবশ্যক অন্তত ১ঘন্টা তো বটেই।
২) পুর তৈরির পদ্ধতিতে:
পুর তৈরির সময় বাইরে দেখবেন তেঁতুল জল দিয়ে মাখা হয় যা মশলাটিকে আলুর সাথে বোঝা যায় নাহলে মশলা ও আলু ভালো মিশে যায় না।
৩) তেঁতুলজল তৈরির পদ্ধতিতে:
এইজল তৈরির সময় নুন না দিলেও চলে কিন্তু তেঁতুল যদি খুব টক হয় তাহলে তেমন দেখে নুন দিতে হবে।
কোন উপকরণ ফুচকা তৈরিতে দিলে তার স্বাদ দ্বিগুণ করে?
মুখরোচোক খাবারের স্বাদ বারে নির্দিষ্ট কিছু উপকরণের দ্বারা।
১) ধনেপাতা কুচি– ধনেপাতা কুচি তেঁতুলের জলে এবং পুরে দিলে এর নির্যাস খাবারের স্বাদ দ্বিগুণ করে তোলে। এটি অনেক সময় দিতে আমাদের মনেই থাকে না কিন্তু এটি হল সুস্বাদু করে তোলার অন্যতম উপকরণ।
২) ভাজা মশলা– ধনে, জিরে, শুকনো লঙ্কা একসঙ্গে গুড়িয়ে তা চাট মশলার সাথে দিলে তা আরেক স্বাদ বৃদ্ধির অন্যতম উপকরণের ভূমিকা রাখে।
সূত্রঃ ইন্টারনেট
সংক্ষেপে দেখুনআমার বিয়ে কবে হবে? স্বপ্নে বিয়ে দেখলে কি হয়? আমি দেখেছি!
পুরুষ কিংবা নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই বিবাহ জীবনের একটি বিশেষ সন্ধিক্ষণ। কিন্তু কেউই জানতে পারেন না, বিয়ে হবে কবে। কারণ জন্ম - মৃত্যু - বিয়ে তিন বিধাতা নিয়ে। বিয়ে ব্যাপারটা সবটাই ভবিতব্য(Destiny)। কিন্তু জানেন কি আমাদের হাতেই লেখা থাকে বিয়ের বয়স। সেখানে লেখা থাকে ঠিক কোন সময়ে ঘটতে চলেছে আপনার জীববিস্তারিত পড়ুন
পুরুষ কিংবা নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই বিবাহ জীবনের একটি বিশেষ সন্ধিক্ষণ। কিন্তু কেউই জানতে পারেন না, বিয়ে হবে কবে। কারণ জন্ম – মৃত্যু – বিয়ে তিন বিধাতা নিয়ে। বিয়ে ব্যাপারটা সবটাই ভবিতব্য(Destiny)। কিন্তু জানেন কি আমাদের হাতেই লেখা থাকে বিয়ের বয়স। সেখানে লেখা থাকে ঠিক কোন সময়ে ঘটতে চলেছে আপনার জীবনের এই শ্রেষ্ঠতম ঘটনাটি।
কীভাবে বুঝবেন কোন বয়সে বিয়ে হবে? কীভাবেই বা বুঝবেন আপনার বিয়ে সুখের হবে নাকি সমস্যাবহুল ভুল হবে?
তাহলে চিনে নিন আপনার হাতের রেখা ( palm astrology)। যে রেখা সুচিত করবে আপনার বিয়ে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, যে রেখা বিবাহ সূচিত করে তার নাম বিবাহ রেখা।
লেখাটির অবস্থান ঠিক হাতের তালুর উপরিভাগে থাকে না । থাকে হাতের পাশে কনিষ্ঠার নিচে। বিবাহ রেখা একটি নয় একাধিক হতে পারে।
বিবাহ রেখা যদি ছোট মাপের হয় আর তা যদি থাকে কনিষ্ঠার কাছাকাছি, তাহলে বিয়ে দেরিতে হওয়ার সম্ভাবনা। যাদের হাতে এই ধরনের রেখা থাকে তাদের তাদের একটু বেশি বয়সে বিয়ে সম্ভাবনা থাকে। ৪০ বছর পর্যন্ত তাদের অপেক্ষা করতেই হয় । চল্লিশে আশে পাশে গিয়ে এদের বিয়ে হয়।
যাদের ক্ষেত্রে বিবাহ রেখা কনিষ্ঠা থেকে বেশ দূরে হয় তাদের বিয়ে খুব তাড়াতাড়ি হয়ে যায় । মোটামুটি কুড়ি বছরের কাছাকাছি। আর ওই রেখা যদি মাঝামাঝি দূরত্বে থাকে তাহলে বিয়ের সম্ভাবনা ৩০ বছরের কাছাকাছি।
এতো গেল রেখার অবস্থান দেখে বিয়ের বয়স নির্ধারণ। কিন্তু বিবাহিত জীবন সুখের হবে নাকি কণ্টকময় হবে তা কি করে জানবেন? যদি বিবাহ রেখার উপর দিয়ে আরো একটি রেখা সেই সম্পর্কে ভাঙ্গন ধরার সম্ভাবনা থাকে। আর যদি দেখা যায় বিবাহ রেখায় শিকলের মত একটি চিহ্ন, তাহলে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীতে প্রথম কোন ব্যক্তি বিড়ি খেয়েছিলো?
আকিজ বিড়ি সেলস apps আকিজ বিড়ি সেলস apps মুলত ডাউনলোড করার কোন এপস নয়। এটি আকিজ বিড়ির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য সিকিউর প্যানেল। আমি যেহেতু এখানে জব করিনা তাই এর ভেতর কি আছে সে সম্পর্কে আমার ধারণা নাই। তবে খুব সম্ভবত এর ইউজারদের একটি ড্যাশবোর্ড থাকবে এখানে। হয়তো বেতন ভাতা, উপস্থিতি ইত্যাদি তথ্যবিস্তারিত পড়ুন
আকিজ বিড়ি সেলস apps
আকিজ বিড়ি সেলস apps মুলত ডাউনলোড করার কোন এপস নয়। এটি আকিজ বিড়ির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য সিকিউর প্যানেল। আমি যেহেতু এখানে জব করিনা তাই এর ভেতর কি আছে সে সম্পর্কে আমার ধারণা নাই। তবে খুব সম্ভবত এর ইউজারদের একটি ড্যাশবোর্ড থাকবে এখানে। হয়তো বেতন ভাতা, উপস্থিতি ইত্যাদি তথ্য জমা থাকতে পারে।
আকিজ বিড়ি সেলস apps ভিজিট করুন
সংক্ষেপে দেখুনশাকিব খান এর নতুন ছবি কবে আসছে? নতুন ছবির নাম কি?
তিন মাসের বেশি যুক্তরাষ্ট্রে আছেন শাকিব খান। এবারের জন্মদিনের সময়টাও কেটেছে সেখানে। এই জন্মদিনেই চমক নিয়ে হাজির হলেন তিনি। নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় ২৮ মার্চ (গতকাল) সন্ধ্যায় শাকিব খান তাঁর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের নতুন সিনেমার নাম ঘোষণা করলেন, জানান নতুন নায়িকার খবরটাও। এস কে ফিল্মস প্রযোজিত এই চলচ্চিত্রবিস্তারিত পড়ুন
তিন মাসের বেশি যুক্তরাষ্ট্রে আছেন শাকিব খান। এবারের জন্মদিনের সময়টাও কেটেছে সেখানে। এই জন্মদিনেই চমক নিয়ে হাজির হলেন তিনি। নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় ২৮ মার্চ (গতকাল) সন্ধ্যায় শাকিব খান তাঁর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের নতুন সিনেমার নাম ঘোষণা করলেন, জানান নতুন নায়িকার খবরটাও। এস কে ফিল্মস প্রযোজিত এই চলচ্চিত্রের নাম ‘রাজকুমার’ আর ছবির নায়িকা কোর্টনি কফি।
‘রাজকুমার’ চলচ্চিত্রের পরিচালক হিমেল আশরাফ জানান, কোর্টনি যুক্তরাষ্ট্রে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত। যুক্তরাষ্ট্রে বেশ কয়েকটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও ফিচার ফিল্মে অভিনয় করেছেন। স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র কয়েকটি উৎসবে দেখানো হয়, আর `ডমিনোস’ এবং `প্লিজেন্ট গ্রোভ’ নামের দুটি ফিচার ফিল্ম মুক্তির অপেক্ষায় আছে। ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার কোর্টনি নিউইয়র্কের দ্য নেইবারহুড প্লে হাউস স্কুল অব দ্য থিয়েটার থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। লং আইল্যান্ডের হিকসভিল এ জন্ম কোর্টনির, বেড়ে উঠেছেনও সেখানে।
শাকিব খানের ‘রাজকুমার’ চলচ্চিত্রের মহরত অনুষ্ঠানে কোর্টনি কফি বলেন, ‘এ কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি কৃতজ্ঞ। খুব সুন্দর একটি গল্পে সিনেমাটি হতে যাচ্ছে। শাকিব খানের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে আমি ভাগ্যবান। আধো বাংলায় তিনি আরও বলেন, ‘সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি যেন ভালো করতে পারি। ধন্যবাদ।’
মহরতে শাকিব খান জানান, শুধু বাংলাদেশ নয়, ‘রাজকুমার’ মুক্তি দেওয়া হবে আমেরিকা, লন্ডন, মধ্যপ্রাচ্য, কানাডা, ইন্ডিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। সেভাবে প্রস্তুতি নিয়েই তিনি এই ছবির কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন। শাকিব বলেন, ‘শুধু গ্রিনকার্ড নেওয়ার জন্য আমেরিকায় আসিনি। এখানে এসে দীর্ঘদিন কাজের মধ্যে ছিলাম। যেহেতু এই পরিবেশটা আমার জন্য একেবারে নতুন, তাই সবকিছু গুছিয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগছে। এত দিন যে স্বপ্ন দেখতাম, এখন থেকে সেই স্বপ্নের পথে হাঁটা শুরু করলাম। যত দিন আমার শক্তি সামর্থ্য থাকবে, বাংলা সিনেমাকে এগিয়ে নিতে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাব।’
পরিচালক হিমেল আশরাফ জানান, ‘রাজকুমার’ ছবির শুটিং হবে জুলাইয়ে।
সংক্ষেপে দেখুনiphone 13 pro max, iphone 12 pro max, iphone 11, iphone 14 pro max price in bangladesh
iphone 13 pro max price in bangladesh 128 GB - ৳162,999 256 GB - ৳176,999 iphone 12 pro max price in bangladesh 128 GB - ৳161,999 256 GB- ৳1,75,999 iphone 11 price in bangladesh 64 GB - ৳87,999 128 GB - ৳93,999 256 GB - ৳99,999 iphone x price in bangladesh 64 GB - ৳84,999 256 GB - ৳120,500 iphone 14বিস্তারিত পড়ুন
iphone 13 pro max price in bangladesh
128 GB – ৳162,999
256 GB – ৳176,999
iphone 12 pro max price in bangladesh
128 GB – ৳161,999
256 GB- ৳1,75,999
iphone 11 price in bangladesh
64 GB – ৳87,999
128 GB – ৳93,999
256 GB – ৳99,999
iphone x price in bangladesh
64 GB – ৳84,999
256 GB – ৳120,500
iphone 14 pro max price in bangladesh
Price – Not Announced
iphone 14 pro price in bangladesh
Price – Not Announced
সংক্ষেপে দেখুনহাত পায়ের কড়া খুব জ্বালাচ্ছে, কি করবো?
হাত পায়ের কড়া দূর করুন ঘরোয়া উপায়ে শরীরের যেসব অংশ বেশি ঘর্ষণ ও চাপের মুখে পড়ে; সেসব অংশে কড়া পড়ে থাকে। কালচে বা হলুদ হয়ে ত্বকের উপর শক্ত স্তর তৈরি হয়। দীর্ঘদিনের কড়া আরও বেশি শক্ত ও হলুদ হয়ে থাকে। পায়ে, হাতের আঙুল বা কনুইতে বেশি কড়া পড়ে থাকে। পায়ের তলাসহ অন্যান্য অংশ অনেক সময় শক্ত হয়ে যায়। চলতি ভাষবিস্তারিত পড়ুন
হাত পায়ের কড়া দূর করুন ঘরোয়া উপায়ে
শরীরের যেসব অংশ বেশি ঘর্ষণ ও চাপের মুখে পড়ে; সেসব অংশে কড়া পড়ে থাকে। কালচে বা হলুদ হয়ে ত্বকের উপর শক্ত স্তর তৈরি হয়। দীর্ঘদিনের কড়া আরও বেশি শক্ত ও হলুদ হয়ে থাকে। পায়ে, হাতের আঙুল বা কনুইতে বেশি কড়া পড়ে থাকে।
পায়ের তলাসহ অন্যান্য অংশ অনেক সময় শক্ত হয়ে যায়। চলতি ভাষায় একে কড়া বলা হয়। বিভিন্ন কাঁটায় আঘাত পেলেও পরবর্তী সময়ে এমন কড়া পড়তে পারে। ইংরেজিতে একে বলা হয় কর্ন। পায়ের যেসব অংশে ক্রমাগত চাপ পড়ে বা ঘষা লাগে, দীর্ঘদিন পরে সেসব অংশের ত্বক শক্ত হয়ে যায়। একে বলা হয় ক্যালাস।
যদি কড়া পড়ার কারণে আপনার শারীরিক কোনো সমস্যা হবে না, তবে এটি ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট করে। কড়া পড়ার শুরুর দিকে লক্ষ্য করবেন, সাধারণত আকারে গোলাকার হয়ে থাকে এগুলো। আক্রান্ত স্কানটি শক্ত, ভারি ও কালচে বা হলদে হওয়া শুরু করে।
পায়ে ক্রমাগত চাপ পড়া বন্ধ হলে ধীরে ধীরে ক্যালাস সেরে যায়। তবে জুতা পরিবর্তনের পরেও সমস্যা না কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পায়ের ত্বকে কখনো কোনো কিছু ঢুকে গেলে নিজে থেকে সেটি বের করার চেষ্টা করবেন না, এতে কড়া পড়ার আশঙ্কা বাড়ে।
ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এ বিষয়ে অতিরিক্ত সতর্ক থাকা উচিত। কারণ পায়ে রক্তের প্রবাহ কম থাকায় জটিলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে। কর্ন এবং ক্যালাস ঘরোয়া উপায়েও প্রতিকার এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়। জেনে নিন উপায়-
নিয়মিত আরও যেসব ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহারে কড়া দূর করতে পারেন –
সূত্রঃ টাইমস অব ইন্ডিয়া/জেএমএস/এমকেএইচ এবং জাগো নিউজ ২৪
সংক্ষেপে দেখুনঅভিভাবক হিসেবে শিশুদের বা ছোট বাচ্চাদের কোন শিক্ষা গুলো দেয়া উচিৎ?
শুরু থেকেই শিশুদের বা ছোট বাচ্চাদের কিছু বিষয়ে সচেতন করা জরুরী। আমরা নিজেদের অজান্তেই দৈনন্দিন কিছু কাজ করি যেগুলো অপরাধের পর্যায়ে পড়ে। আর আমাদের বাচ্চারা সেগুলো দেখে বড় হয় এবং ভেবে নেয় এগুলোই ঠিক। তাই তাদের কোনটা ঠিক আর কোনটা অন্যায় তা শিশুকাল থেকেই শিক্ষা দেয়া প্রয়োজন। ওয়েব থেকে পাওয়া তেমনই কিছু শবিস্তারিত পড়ুন
শুরু থেকেই শিশুদের বা ছোট বাচ্চাদের কিছু বিষয়ে সচেতন করা জরুরী। আমরা নিজেদের অজান্তেই দৈনন্দিন কিছু কাজ করি যেগুলো অপরাধের পর্যায়ে পড়ে। আর আমাদের বাচ্চারা সেগুলো দেখে বড় হয় এবং ভেবে নেয় এগুলোই ঠিক। তাই তাদের কোনটা ঠিক আর কোনটা অন্যায় তা শিশুকাল থেকেই শিক্ষা দেয়া প্রয়োজন। ওয়েব থেকে পাওয়া তেমনই কিছু শিক্ষা নিচে তুলে ধরলাম।
সূত্রঃ ইন্টার্নেট
সংক্ষেপে দেখুনবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং জিয়াউর রহমানের একসাথে কোনো ছবি আছে কি?
কি যে বলেন ভাই! নিন চারটি ছবি দিয়ে দিলাম। আমার কাছে এই ছবিগুলো অমূল্য। তখনকার রাজনীতি আর এখানকার রাজনীতির আকাশ পাতাল তফাৎ। আমি যদিও রাজনীতি তেমন বুঝিনা, কিন্তু ছবিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং শহীদ জিয়াউর রহমান কে পাশাপাশি দেখলে মনটা ভরে যায়। এরকম আরও অনেক ছবি গুগল করলে পেয়ে যাবেন। ধন্যববিস্তারিত পড়ুন
কি যে বলেন ভাই! নিন চারটি ছবি দিয়ে দিলাম। আমার কাছে এই ছবিগুলো অমূল্য। তখনকার রাজনীতি আর এখানকার রাজনীতির আকাশ পাতাল তফাৎ। আমি যদিও রাজনীতি তেমন বুঝিনা, কিন্তু ছবিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং শহীদ জিয়াউর রহমান কে পাশাপাশি দেখলে মনটা ভরে যায়। এরকম আরও অনেক ছবি গুগল করলে পেয়ে যাবেন।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনযখন একজন সেলিব্রিটি জানতে পারে যে তার মৃত্যু হতে চলেছে তাহলে সে কি করতে পারে?
সত্যি অসাধারণ একজন সেলিব্রিটি সম্পর্কে জানলাম আজ। জীবনকে নতুন করে ভাবার অনুপ্রেরণা দেয় এমন ঘটনাগুলো। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ!
সত্যি অসাধারণ একজন সেলিব্রিটি সম্পর্কে জানলাম আজ। জীবনকে নতুন করে ভাবার অনুপ্রেরণা দেয় এমন ঘটনাগুলো। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশের সবগুলো জেলার পোস্টাল কোড গুলো কি কি?
নিচে বাংলাদেশের সবগুলো জেলার পোস্টাল কোড গুলো দেখে নিন। District Thana Post Code ঢাকা জেলার সকল পোস্ট কোড তালেকা Dhaka Demra 1360 Dhaka Demra 1362 Dhaka Demra 1361 Dhaka Dhaka Cantt. 1206 Dhaka Dhamrai 1350 Dhaka Dhamrai 1351 Dhaka Dhanmondi 1209 Dhaka Gulshan 1213 Dhaka Gulshan 1212 Dhaka Jatrabariবিস্তারিত পড়ুন
নিচে বাংলাদেশের সবগুলো জেলার পোস্টাল কোড গুলো দেখে নিন।
উপরের ছকে কোন পোস্ট কোড মিসিং থাকলে কমেন্টে জানাবেন।
আপনার এরিয়া কোড এখানে পেয়েছেন কিনা কমেন্ট করে জানিয়ে দিন।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনপোস্ট কোড বা পোস্টাল কোড কি? পোস্টাল কোড কি নির্দেশ করে?
পোস্টাল কোড একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। নিজের ঠিকানার পূর্ণতা দান করতে পোস্টাল কোডের কোন বিকল্প নেই। এছাড়া শেয়ার বাজারের স্টক হোল্ডারদের এনুয়াল রিপোর্ট/প্রসপেক্টাস পোস্টাল কোড অনুসারে ডাক বক্সএ এসে থাকে। আবার অনেক সময় চাকরির ইন্টারভিউর তারিখ/সময়, এপইন্টমেন্ট লেটার ইত্যাদি ডাক যোগে প্রেরন করা হয়। বিভিবিস্তারিত পড়ুন
পোস্টাল কোড একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। নিজের ঠিকানার পূর্ণতা দান করতে পোস্টাল কোডের কোন বিকল্প নেই। এছাড়া শেয়ার বাজারের স্টক হোল্ডারদের এনুয়াল রিপোর্ট/প্রসপেক্টাস পোস্টাল কোড অনুসারে ডাক বক্সএ এসে থাকে। আবার অনেক সময় চাকরির ইন্টারভিউর তারিখ/সময়, এপইন্টমেন্ট লেটার ইত্যাদি ডাক যোগে প্রেরন করা হয়। বিভিন্ন সময়ে আমাদের চিঠি আদান প্রদান ও দাপ্তরিক কাজে পোস্টাল কোড ব্যবহার করতে হয়।
সুতরাং পোস্টাল কোড হচ্ছে ” প্রাপকের এলাকা ” নির্দেশ করে। আমরা যে পোস্ট অফিসে পোস্ট টা পাঠাবো সেই কোড নির্দেশ করে।
পোস্ট কোড চিঠি প্রয়োজন অনুসারে সাজানোর জন্য কিছু অক্ষর বা অঙ্কের ক্রম যা ডাকঘরের ঠিকানার সাথে যোগ করা হয়। ১৯৪১ সালে জার্মানীতে পোস্ট কোডের প্রচলন হয়।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনসত্য এসেছে মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে, কথাটার ব্যাখা দিতে পারবেন কি?
(৮১) আর বল, ‘সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলীন হয়েছে; নিশ্চয় মিথ্যা বিলীয়মান।’ [1] [1] হাদীসে এসেছে যে, মক্কা বিজয়ের পর যখন নবী (সাঃ) কা’বাগৃহে প্রবেশ করেন, তখন সেখানে তিনশ’ ষাটটি মূর্তি রাখা ছিল। নবী (সাঃ)-এর হাতে ছিল একটি কাষ্ঠখন্ড বা লাঠি। তিনি তার ডগা দিয়ে মূর্তিগুলোকে খোঁচা দিচ্ছিলেন আর جَاءَ الْحَقّবিস্তারিত পড়ুন
(৮১) আর বল, ‘সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলীন হয়েছে; নিশ্চয় মিথ্যা বিলীয়মান।’ [1]
[1] হাদীসে এসেছে যে, মক্কা বিজয়ের পর যখন নবী (সাঃ) কা’বাগৃহে প্রবেশ করেন, তখন সেখানে তিনশ’ ষাটটি মূর্তি রাখা ছিল। নবী (সাঃ)-এর হাতে ছিল একটি কাষ্ঠখন্ড বা লাঠি। তিনি তার ডগা দিয়ে মূর্তিগুলোকে খোঁচা দিচ্ছিলেন আর جَاءَ الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ..। এবং جَاءَ الْحَقُّ وَمَا يُبْدِئُ الْبَاطِلُ وَمَا يُعِيدُ পড়ে যাচ্ছিলেন। (বুখারীঃ কিতাবুল মাযালিম, মুসলিমঃ কিতাবুল জিহাদ)
তাফসীরে আহসানুল বায়ান
সংক্ষেপে দেখুনহুমায়ূন আহমেদ কি নাস্তিক ছিলেন?
হুমায়ুন আহমেদকে অনেকেই নাস্তিক বলে থাকেন। আসলেই কি তিনি নাস্তিক ছিলেন? তিনি তাঁর জীবনী ফাউন্টেনপেন,পৃষ্ঠা ৪৬ এ নিচের ঘটনাটি লিখেছেন, অপারেশন হবে ভোর ন’টায়। আগের রাতে আমার কাছে হাসপাতালের একজন কাউন্সিলর এলেন। তিনি বললেন,তুমি কি মুসলিম? হ্যাঁ। কাল ভোরে তোমার অপারেশন। তুমি কি চাও তোমার জন্যে তোমার ধর্বিস্তারিত পড়ুন
হুমায়ুন আহমেদকে অনেকেই নাস্তিক বলে থাকেন। আসলেই কি তিনি নাস্তিক ছিলেন? তিনি তাঁর জীবনী ফাউন্টেনপেন,পৃষ্ঠা ৪৬ এ নিচের ঘটনাটি লিখেছেন,
অপারেশন হবে ভোর ন’টায়। আগের রাতে আমার কাছে হাসপাতালের একজন কাউন্সিলর এলেন। তিনি বললেন,তুমি কি মুসলিম?
হ্যাঁ।
কাল ভোরে তোমার অপারেশন। তুমি কি চাও তোমার জন্যে তোমার ধর্মমতে প্রার্থনা করা হোক?…
আমি প্রার্থনা করাব না।অর্থের বিনিময়ে প্রার্থনায় আমার বিশ্বাস নেই।
তোমার অপারেশনটি জটিল। তুমি যদি চাও আমি ডিসকাউন্টে প্রার্থনার জন্যে সুপারিশ করতে পারি।একজন মুসলমান আলেম প্রার্থনা করবেন।
ডিসকাউন্টের প্রার্থনাতেও আমার বিশ্বাস নেই।
তুমি কি নাস্তিক?
আমি নাস্তিক না বলেই ডিসকাউন্টের প্রার্থনায় বিশ্বাসী না।
-সংগ্রহীত
সংক্ষেপে দেখুনরাতের খাবার
আপনার রাতের খাবারের মেনুতে কিছুটা পরিবর্তন নিয়ে আসা প্রয়োজন আমি মনেকরি। ১ = ডিম মামলেট,পরটা বুট ডাল এখানে বুট ডাল কে বাদ দিয়ে সবজি নিয়ে আসুন। আর পরোটা বাদ দিয়ে রুটি খান। ডিম ওমলেট (মামলেট) ভালো, তাই এটা রাখা যেতে পারে। তারমানে দাঁড়ায় = ডিম ওমলেট + রুটি + সবজি ২ = ভাত ডিম চিকেন কারি মুলত ভাত এবং রুটবিস্তারিত পড়ুন
আপনার রাতের খাবারের মেনুতে কিছুটা পরিবর্তন নিয়ে আসা প্রয়োজন আমি মনেকরি।
১ = ডিম মামলেট,পরটা বুট ডাল
এখানে বুট ডাল কে বাদ দিয়ে সবজি নিয়ে আসুন। আর পরোটা বাদ দিয়ে রুটি খান। ডিম ওমলেট (মামলেট) ভালো, তাই এটা রাখা যেতে পারে।
তারমানে দাঁড়ায় = ডিম ওমলেট + রুটি + সবজি
২ = ভাত ডিম চিকেন কারি
মুলত ভাত এবং রুটির মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নেই। মুল কথা আপনি অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করলে তা আপনার শরীরের জন্য খারাপ। ভাত, রুটি দুটোতেই কার্বোহাইড্রেট আছে কিছুটা কম আর বেশি।
শরীর ভাল রাখতে সারা দিনে ১৫০ গ্রামের মতো ভাত খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত। মানে তিন বেলা বা দু’বেলা মিলে আপনি ১৫০ গ্রাম ভাত খেতে পারেন এতে শরীর তাজা থাকবে। যদি আপনি ৩ বেলা ভাত খান তাহলে রাতে ৫০ গ্রাম আর যদি দু বেলা ভাত খান তাহলে রাতে ৭৫ গ্রাম খেতে পারেন।
এর সাথে ডিম, চিকেন কারি যোগ করলেও সমস্যা নেই।
সব বিবেচনায় ১ নম্বরের খাবার মেনুটাই ঠিক আছে। আপনি চাইলে সেখানে রুটির জায়গায় ভাতও খেতে পারেন পরিমান মতো।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনআপনি আজ কি শিখলেন?
ভারতের কেরালার একটি লাইব্রেরী এটা। বই পড়ার অভ্যাস তৈরির জন্য ও পাঠককে আকর্ষণ করতে কি সুন্দর চিন্তা। ধন্যবাদ!
ভারতের কেরালার একটি লাইব্রেরী এটা।
বই পড়ার অভ্যাস তৈরির জন্য ও পাঠককে আকর্ষণ করতে কি সুন্দর চিন্তা।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনকিভাবে একজন ভাল মানুষ হওয়া যায়?
কিভাবে একজন ভাল মানুষ হওয়া যায় মানবজীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন কী হতে পারে? প্রভূত অর্থ-সম্পত্তির মালিক হওয়া? বিশ্বব্যাপী খ্যাতি ছড়িয়ে পড়া? কঠিনতম স্বপ্নগুলোও পূরণ করতে পারা? এগুলোর কোনোটির গুরুত্বই কম নয়। কিন্তু আমরা যেহেতু মানুষ, তাই আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জনটি হলো একজন 'ভালো মানুষ' হয়ে ওঠা। অর্থাৎবিস্তারিত পড়ুন
কিভাবে একজন ভাল মানুষ হওয়া যায়
মানবজীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন কী হতে পারে? প্রভূত অর্থ-সম্পত্তির মালিক হওয়া? বিশ্বব্যাপী খ্যাতি ছড়িয়ে পড়া? কঠিনতম স্বপ্নগুলোও পূরণ করতে পারা? এগুলোর কোনোটির গুরুত্বই কম নয়। কিন্তু আমরা যেহেতু মানুষ, তাই আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জনটি হলো একজন ‘ভালো মানুষ’ হয়ে ওঠা। অর্থাৎ এমন একজন মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলা, যার নিজের ব্যাপারে মনে কোনো খেদ থাকবে না, আবার অন্যরাও নির্দ্বিধায় বলে দেবে, “হ্যাঁ, তুমি একজন ভালো মানুষ।”
কিন্তু কীভাবে হওয়া যায় একজন সত্যিকারের ভালো মানুষ? কিংবা সত্যিকারের ভালো মানুষ হওয়া কি আদৌ সম্ভব? অনেকেরই হয়তো মনে হতে পারে, না, আজকের দিনে আর পরিপূর্ণ ভালো মানুষ হওয়া সম্ভব নয়, ভালো মানুষ হয়ে এই সমাজ সংসারে টিকে থাকা অসম্ভব। কিন্তু না, ভালো মানুষ হওয়া অতটাও কঠিন কিছু নয়। চাইলেই হয়ে ওঠা যায় একজন ভালো মানুষ। কোন কোন বৈশিষ্ট্যগুলো নিজের মধ্যে ধারণ করলে একজন ভালো মানুষ, কিংবা নিদেনপক্ষে পূর্বাপেক্ষা শ্রেয়তর একজন মানুষে পরিণত করা যায় নিজেকে, সেগুলোই তুলে ধরা হবে আজ।
ভালোবাসতে হবে নিজেকে
প্রথম পয়েন্টটি দেখেই হয়তো চমকে উঠছেন অনেকে। ভাবছেন, এ-ও কী সম্ভব! কারণ এতদিন জেনে এসেছেন, ভালো মানুষেরা নিজেকে নিয়ে ভাবে না। তারা নিজেদের জীবনকে উৎসর্গ করে পরের তরে। সে কথা অবশ্যই সত্য। কিন্তু মূল বিষয়টা হলো, সবসময় পরোপকার করতে হবে মানে এই নয় যে নিজেকে অবহেলা করতে হবে। বরং নিজেকে ভালোবাসতে পারাই হলো ভালো মানুষ হয়ে ওঠার প্রথম সোপান।
মানুষ হিসেবে আমরা সবসময়ই চাই, অন্যরা যেন আমাদের ভালোবাসে, আমাদের প্রশংসা করে। কিন্তু অনেক সময় এরকম চাইতে চাইতে আমরা অন্যের অনুমোদনের উপর অনেক বেশি নির্ভরশীল হয়ে উঠি। যখনই আমরা আমাদের কাজের প্রাপ্য সম্মান পাই না, লোকের ভালোবাসা পাই না, তখন আমরা হতোদ্যম হয়ে যাই। ফলে হারিয়ে ফেলি কাজ চালিয়ে যাওয়া কিংবা নিজেদের লক্ষ্যে অবিচল থাকার মতো দৃঢ় মনোভাব।
ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে, অধিকাংশ অপরাধীই অপরাধপ্রবণ হয়ে উঠেছে শৈশবে বা জীবনের কোনো পর্যায়ে অবহেলা কিংবা ভালোবাসাহীনতার শিকার হয়ে। তাই তারা চেয়েছে অন্যদের জীবনও একইভাবে বিষিয়ে দিতে। তারা যেহেতু তাদের জীবনে সুখ-আনন্দের স্বাদ পায়নি, অন্য কেউও যেন তা না পায়।
অথচ ভেবে দেখুন, তারা যদি নিজেরাই নিজেদেরকে সর্বোচ্চ ভালোবাসত, তাহলে অবশ্যই তাদের মধ্যে এই উপলব্ধিটাও জন্মাত যে আশেপাশের মানুষদের ভালোবাসা বা সম্মানও তেমন একটা জরুরি নয়, যদি নিজের কাছে নিজে ভালো থাকা যায়, সবচেয়ে ভালোবাসার পাত্র হিসেবে বিবেচিত হওয়া যায়। তাই আমাদের প্রথম কর্তব্য হলো, নিজেদেরকে ভালোবাসা। যেকোনো ভালো কাজের পর নিজেরাই নিজেদের পিঠ চাপড়ে দেয়া, প্রশংসা করা, এবং ভবিষ্যতেও একই ধরনের ভালো কাজ চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে সংকল্পবদ্ধ হওয়া।
নিজের দুর্বলতাগুলোকে স্বীকার করতে হবে
কথায় আছে, যেকোনো সমস্যা সমাধানের জন্য প্রথম প্রয়োজন সমস্যাটি শনাক্ত করা, এবং সেটি যে আসলেই একটি সমস্যা, তা স্বীকার করে নেয়া। কারণ আমরা যতই কোনো সমস্যার কারণে কষ্ট পাই না কেন, ওই সমস্যার মূলটা যদি খুঁজে না পাই, কিংবা খুঁজে পাওয়ার পরও মন থেকে তা মানতে না চাই, তাহলে তো সমাধানের পথ বের করাও অসম্ভব হয়ে পড়ে।
ঠিক একই কথা প্রযোজ্য কোনো মানুষের ব্যক্তিত্বের ক্ষেত্রেও। এ কথা অনস্বীকার্য যে মানুষ হিসেবে আমরা কেউই শতভাগ পারফেক্ট নই। আমাদের সকলের মাঝেই অনেক দুর্বলতা আছে, খামতি আছে। এখন আমরা যদি চাই সেগুলো কাটিয়ে উঠতে, তাহলে সেগুলোকে অস্বীকার করে বা গোপন করে তো কোনো লাভ নেই। একটি অঙ্কের হিসাব যদি না মেলে, তাহলে খাতা খুলে বারবার হিসাব মেলানোর চেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়। বইখাতা বন্ধ করে ফেলে রাখলে হিসাব জীবনেও মেলে না। সুতরাং আমাদের ব্যক্তিজীবনের দুর্বলতাগুলোকেও আমাদের চিহ্নিত করতে হবে, এবং সেগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা শুরু করতে হবে।
হয়তো আমরা কেউ কথায় কথায় মিথ্যা বলে ফেলি। কোনো কাজে সফল হওয়ার জন্য অসৎ পন্থা অবলম্বন করি। সবসময় নীতি-নৈতিকতার বুলি আওড়ালেও, নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় ঠিকই অনৈতিক কাজে লিপ্ত হই। অন্যের ক্ষতি করে বসতেও দ্বিধা করি না। এরকম আসলে কমবেশি সকলেই করে। এতে অস্বাভাবিকতা কিছু নেই। অস্বাভাবিকতার শুরু তখন, যখন আমরা এগুলো করেও দাবি করতে থাকি যে আমরা এগুলো করি না। এতে করে আমাদের নিজেদেরকে শুধরানো আর হয় না। তাই নিজেদের চারিত্রিক দুর্বলতাগুলোকে অস্বীকার না করে, নিজে নিজে কিংবা আশেপাশের কারো সহায়তায় এগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা শুরু করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।
করতে হবে ইতিবাচকতার চর্চা
মন থেকে ইতিবাচক হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। আমরা যদি মনে মনে সবসময় নেতিবাচকতাকে ধারণ করি, যেকোনো ক্ষেত্রে কেবল নেতিবাচকতাই খুঁজে বেড়াই, অর্থাৎ ছিদ্রান্বেষী হয়ে উঠি, তাতে মনে মনে কষ্ট পাব নিজেরাই।
ধরুন, আমার সাথে এমন কোনো একটি ঘটনা ঘটল, যে কারণে আমার উচিত খুশি হওয়া, সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ হওয়া, সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখা। অথচ তা না করে আমি যদি জোর করে ওই ভালো ঘটনার মাঝেও মন্দ কিছু খোঁজার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাই, এবং কোনো মন্দ একটি দিক অনেক কষ্টে পেয়েও যাই, তাতে ক্ষতিটা আসলে কার হবে? আমারই হবে। কারণ ভালো একটি ঘটনা ঘটায় আমার আনন্দলাভের কথা ছিল। তার বদলে আমাকে এখন কষ্ট পেতে হবে, প্রবল মানসিক যন্ত্রণায় বিদ্ধ হতে হবে।
সুতরাং, অবশ্যই আমাদেরকে ইতিবাচক হতে হবে। তার মানে এই নয় যে খারাপ কাজের মাঝেও ইতিবাচকতা খুঁজতে হবে। যেটি খারাপ, সেটি তো সবসময়ই খারাপ ও নিন্দনীয়। সেরকম কাজকে অবশ্যই ধিক্কার জানাতে হবে, সেগুলোকে বর্জন করতে হবে। এটুকুই শুধু মাথায় রাখতে হবে যে, যেখানে কোনো খারাপের চিহ্ন নেই, জোর করে যেন তার ভিতরেও খারাপ খুঁজতে না যাই।
এবং এই ইতিবাচকতার বহিঃপ্রকাশ দৈনন্দিন জীবনে আমাদের আচার-আচরণেও ঘটাতে হবে। কেউ যদি এমন কাজ করে থাকে যার জন্য সে প্রশংসার দাবিদার, একটু প্রশংসা তার প্রাপ্য, তাহলে অবশ্যই মন খুলে তার প্রশংসা করতে হবে, তাকে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা দিতে হবে। পাশাপাশি গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে যেসব ক্ষেত্রে তার আরো উন্নতির জায়গা আছে, সেগুলোও তাকে ধরিয়ে দিতে হবে।
রাগ দমন করতে হবে
রাগ একটি খুবই বাজে জিনিস, যা একটু একটু করে আমাদেরকে ধ্বংস করে দেয়। যখন আমাদের সাথে খুব খারাপ কিছু ঘটে, যা আমাদের প্রত্যাশা ছিল না, কিংবা যখন আমরা কারো কাছ থেকে খুব বাজে ব্যবহারের সম্মুখীন হই, তখন খুব স্বাভাবিকভাবেই আমরা অনেক রেগে যাই, ক্রোধান্বিত হয়ে পড়ি। রাগের মাথায় এমন কিছু একটা করে বসি, যাতে মানুষ হিসেবে নিজেরাই অনেক ছোট হয়ে যাই, এবং অনেক অনর্থক বিপদও ডেকে আনি। তাই রাগকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।
খুবই নেতিবাচক এই মানসিক অনুভূতি থেকে বাঁচার প্রধান উপায় হলো ক্ষমাশীল হয়ে ওঠা। আমার সাথে কেউ খুব বাজে কাজ করেছে? তাই আমি তার উপর মনে মনে রাগ পুষে রাখব? সুযোগ খুঁজব তার কাজের প্রতিশোধ নেয়ার, তাকে উচিত শিক্ষা দেয়ার? এ ধরনের মানসিকতা যদি আমি পোষণ করি, তাতে আমি নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা করব। কেননা প্রতিহিংসাপরায়ণ মনোভাব আমার রাতের ঘুম কেড়ে নেবে, মনের যাবতীয় ইতিবাচক অনুভূতিগুলোকে অকেজো করে দেবে। তাই আমার জন্য সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত কাজ হবে তার উপর প্রতিশোধ নেয়ার চেষ্টা না করে, তাকে ক্ষমা করে দেয়া, এবং এর মাধ্যমে নিজের মনকে কলুষতার হাত থেকে রক্ষা করা।
তবে এটিও খুবই সত্যি যে এ ধরনের কথা বলা যতটা সহজ, নিজেদের জীবনে তার বাস্তব প্রয়োগ ঘটানো ঠিক ততটাই কঠিন। কিন্তু তাই বলে তো আর আমরা হাল ছেড়ে দিতে পারি না। নিজেদের মনের নিয়ন্ত্রণ অন্য কারো হাতে তুলে দিতে পারি না। সেটি হবে মানুষ হিসেবে আমাদের নিজেদের পরাজয়। তাই যত কষ্টকরই হোক না কেন, আমাদেরকে মনের সাথে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। মনকে ধীর-স্থির-শান্ত করে তুলতে হবে। দরকারে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিতে হবে।
পরমতসহিষ্ণু হতে হবে
আমাদের একটি বড় সমস্যা হলো, আমরা বিপক্ষ মতকে একেবারেই সহ্য করতে পারি না। আমাদের প্রত্যেকের নিজস্ব আদর্শ, মূল্যবোধ, নৈতিকতার জায়গা থাকে, এবং আমরা সবসময় সেগুলোকেই আঁকড়ে ধরে রাখতে চাই। এতে কোনোই সমস্যা ছিল না, যদি না আমরা আমাদের আদর্শ, মূল্যবোধ, নৈতিকতার বিরোধী কারো উপর অকারণে আগ্রাসী হয়ে না উঠতাম।
খুব সহজ একটি উদাহরণই দেয়া যাক। ফুটবল খেলায় আমি এক দলকে পছন্দ করি। অন্য কেউ অন্য কোনো দলকে পছন্দ করে। এটি তো হতেই পারে, তাই না? প্রত্যেকেরই নিজ নিজ ভালো লাগা-মন্দ লাগা, পছন্দ-অপছন্দের জায়গা থাকবে। তার ওই ভীষণ ব্যক্তিগত জায়গাগুলোকে আমাদের অবশ্যই উচিত সম্মান করা। তা না করে আমরা যদি মারমুখী হয়ে যাই যে কেন সে-ও আমার মতো একই দলকে সমর্থন করে না, কেন সে ‘ভুল’ দলকে সমর্থন করে, সেটি হবে আমার তরফ থেকে খুবই অযৌক্তিক আচরণ।
সঠিক-ভুল এগুলো তো খুবই আপেক্ষিক বিষয়। আমার কাছে যা সঠিক, অন্যের কাছে তা ভুল লাগতেই পারে। আবার অন্যের সঠিককেও আমার কাছে ভুল মনে হতে পারে। এর কারণ, তার আর আমার মানসিকতার পার্থক্য। এখন আমি তো চাইলেই তাকে আমার মতো মানসিকতার অধিকারী করে তুলতে পারি না। তাই সেটি নিয়ে আমার বাড়াবাড়িও করাও উচিত না। আমি সর্বোচ্চ যেটি পারি, তা হলো একটি গঠনমূলক বিতর্কের ক্ষেত্র তৈরি করা। অর্থাৎ এমন একটি আবহ তৈরি করা, যেখানে আমিও আমার মতটা তুলে ধরতে পারব, আবার সে-ও তার মতটা তুলে ধরতে পারবে।
নিজেদের অবস্থানকে এভাবে আমরা তুলে ধরতে পারি। কিন্তু কখনো বিষয়টা এমন হওয়া যাবে না যে শুধু আমি একাই কথা বলে যাব, অপর পক্ষকে শুধু শুনে যেতে হবে। নিজের কথা বলার পাশাপাশি আরো বেশি মনোযোগ দিয়ে আমাদেরকে অন্যের কথা শুনতে হবে। আবার এমনটিও নয় যে বিতর্ক শেষে কোনো একটি পক্ষকে হার মানতেই হবে। কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জায়গায় না পৌঁছেও বিতর্ক করা যেতে পারে, যা সবাইকে সমান সুযোগ দেয় নিজ নিজ অবস্থান ব্যাখ্যা করার। এই সুযোগটি আমাদের অবশ্যই সবাইকে দিতে হবে, এবং একটি মত যতই আমাদের অপছন্দ হোক না কেন, সেটিকে প্রকাশ করতে দিতেই হবে।
হতে হবে বিনয়ী ও মার্জিত
আমরা অন্যকে যা বলি বা অন্যের সাথে যা করি, সেগুলো আসলে আমাদের নিজেদের ব্যক্তিত্বেরই প্রতিনিধিত্ব করে। ধরুন কেউ আমার সাথে খুব বাজে ব্যবহার করল। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমি যথাসম্ভব বিনয়ের সাথে তার কথার প্রত্যুত্তর দিলাম। এতে কিন্তু এটা প্রমাণ হয় না যে ওই মানুষটির অবস্থান আমার চেয়ে অনেক উপরে, তাই আমি ভয় পেয়ে তাকে অনেক সম্মান দেখাচ্ছি। ভয় থেকেই যে সবসময় সম্মান উৎসারিত হয়, এ আমাদের খুবই ভুল ধারণা। আমি অন্যের সাথে বিনয়ী আচরণ করতে পারি, বিনয়ী হতে পারি এ কারণেও যে, আমি নিজে একজন ভালো মনের মানুষ, তাই অন্য কেউ আমাকে সম্মান না করলেও আমি তাকে ঠিকই সম্মান করি।
অনেকে আবার এমনটিও মনে করে যে, বিনয় কিংবা মার্জিত আচরণ বোধহয় মানুষের দুর্বলতা। যদি একজন মানুষ সবল হতো, তাহলে তার সবসময় এত বিনয়ী হওয়ার প্রয়োজন পড়ত না। এটিও আসলে একটি ভুল ধারণা। আমি যদি সবসময় কারো প্রতি বিনয়ী থাকি, মার্জিত আচরণ করি, সেটিই বরং আমার সবচেয়ে বড় শক্তিমত্তার জায়গা। শক্তিমত্তা এ কারণে যে, আমার আচরণ অন্যের দ্বারা প্রভাবিত নয়। আমি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।
একজন আমাকে একটি গালি দিলে আমি তাকে উল্টো দুটি গালি যদি দিই, তাতে আমি আসলে জিতব না। বরং এটিই প্রমাণিত হবে যে আমার ব্যক্তিত্ব একদমই ভঙ্গুর ও পলকা, আমাকে খুব সহজেই প্ররোচিত করা যায়। অথচ আমাকে একজন দশটি গালি দিলেও যদি আমি তার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করি, এটি দিনের আলোর মতো প্রমাণ হয়ে যাবে যে আমি আসলেই একজন ভালো মানুষ, আমার ভালোমানুষি কোনো আপেক্ষিক বিষয় নয়।
অন্যের সাহায্য করতে হবে
আমি যদি একা একাই সফলতার সিঁড়ি বেয়ে এগিয়ে যাই, আমার আশেপাশের সবাইকে অনেক পেছনে ফেলে দিই, তাতে কি খুব বেশি লাভ আছে? নেই। কারণ তখন আমি হয়তো অনেক খ্যাতি-সম্মান-প্রতিপত্তির মালিক হবো ঠিকই, কিন্তু আমার আপনজনদের সাথে আমার অনেক বড় একটি দূরত্ব তৈরি হয়ে যাবে। সেই দূরত্ব অতিক্রম করে না আমি পারব তাদের কাছে ফিরে যেতে, না তারা পারবে আমার কাছে পৌঁছাতে। তাই দিনশেষে দেখা যাবে, সাফল্যের শিখরে পৌঁছেও আমি বড্ড একা, নিঃসঙ্গ, নির্বান্ধব। সাফল্যমণ্ডিত ওই জীবনও খুব হতাশার, অবসাদের।
এ কারণেই, শুধু নিজেকে নিয়ে পড়ে থাকা কোনো কাজের কথা নয়। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে আশেপাশের সবার দিকে। এমন নয় যে আমাদের পক্ষে সম্ভব সবার জন্যই কিছু না কিছু করা। কারণ মানুষ হিসেবে অবশ্যই আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কিন্তু আমরা চেষ্টা তো অন্তত করতে পারি। দশজন যদি আমাদের কাছে সাহায্য চায়, এবং তার মধ্যে একজনকেও সাহায্য করতে পারি, সেটি নেহাত কম কিছু নয়। আর যে বাকি নয়জনকে সাহায্য করতে পারলাম না নিজেদের সীমাবদ্ধতা বা অপারগতার কারণে, তাদেরকেও আমরা মুখে অন্তত সান্ত্বনা দিতে পারি, সুন্দর ভবিষ্যতের অনুপ্রেরণা দিতে পারি।
তাছাড়া আরেকটি বিষয়ও মনে রাখা জরুরি যে আমরা কাউকে সাহায্য করছি মানে তার খুব নিঃস্বার্থ উপকার করে ফেলছি তা কিন্তু নয়। আজ আমরা যাকে সাহায্য করছি, সে হয়তো আমাদের সাহায্যের কথা মনে রাখবে। এবং ভবিষ্যতে কোনোদিন যদি আমাদেরও কোনো সাহায্যের প্রয়োজন হয়, সে আমাদের পাশে এসে দাঁড়াবে। এ কথা অবশ্যই সত্য যে ঢালাওভাবে সবাইকে কৃতজ্ঞ বলা যায় না। কেউ কেউ হয়তো আমাদের উপকারের কথা মনে রাখবে না, আমাদেরকে ভুলে যাবে। তবু কিছু মানুষকে তো আমরা নিশ্চিতভাবেই আমাদের প্রয়োজনে পাশে পাব। সেটিই বা কম কী!
কাটিয়ে উঠতে হবে পরশ্রীকাতরতা
অন্যের উন্নতি বা ভালো দেখলে স্বভাবতই আমাদের অনেকের মনে একধরনের হাহাকার জেগে ওঠে। কেউ কেউ আবার সূক্ষ্ম ঈর্ষাবোধও করি। কিংবা ভাবি, “আমি যা করতে পারিনি বা হতে পারিনি, ও কীভাবে তা পারল!” অর্থাৎ নিজেদের সাথে তুলনা করে যখন আমরা উপলব্ধি করি যে কেউ আমাদের চেয়ে এগিয়ে গেছে, তখন আমরা মানসিক যাতনায় ভুগি, অস্থির হয়ে পড়ি।
অথচ এই ধরনের হিংসা কখনোই আমাদের জন্য মঙ্গল বয়ে আনে না। অন্য কারো ভালো দেখলেই যদি আমরা মনে মনে জ্বলেপুড়ে মরতে থাকি, তাতে করে আমাদের শুভবুদ্ধি লোপ পায়। অন্যের ভালো দেখে কষ্ট পাওয়ার পাশাপাশি নিজেরাও হীনম্মন্যতায় ভুগতে থাকি। নিজেদের কাছেই নিজেরা অনেক বেশি ছোট ও তুচ্ছ হয়ে যাই। নিজেদের জীবনকে অনেক অর্থহীন মনে হয়।
কিন্তু ভেবে দেখুন, অন্যের অবস্থা থেকে মনে নেতিবাচক শক্তি উৎপাদনের পরিবর্তে আমরা যদি নিজেদের যা যা ভালো আছে, সেগুলো নিয়ে ভাবতাম, সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতাম, তাহলে কি আমাদের মনে শান্তি ফিরে আসত না? আবার অন্য কেউ অনেক উন্নতি করেছে মানে তো আর এমন নয় যে আমরা কোনোদিন ওই ধরনের উন্নতি করতে পারব না। আমাদের প্রত্যেকের মাঝেই লুকিয়ে রয়েছে অপার সম্ভাবনা। যারা উন্নতি করে, তারা সেই সম্ভাবনাগুলোর সদ্ব্যবহার করে। আমরাও যদি তা করতে পারি, তাহলে আমরাও পারব উন্নতির শীর্ষাসনে আরোহণ করতে। আর যদি আমাদের মনে হয় আমরা যাবতীয় চেষ্টা-চরিত্র করে যাচ্ছি তবু এখনো সফল হতে পারছি না, সেক্ষেত্রে বুঝতে হবে যে কোথাও নিশ্চয়ই কোনো খামতি থেকে যাচ্ছে।
সুতরাং আমাদের উচিত হবে অন্যের ভালো দেখে কষ্ট পাওয়ার বদলে, নিজেদের মূল্যবান সময়কে কাজে লাগানো নিজেদের খামতিগুলোকে খুঁজে বের করার পেছনে। পাশাপাশি কীভাবে, কোন কোন জায়গায় আমাদের আরো বেশি শ্রম দেয়ার অবকাশ রয়েছে, সেগুলোও আমরা ভাবতে পারি। সর্বোপরি, অন্যের উন্নতি দেখে যদি আমরা ঈর্ষান্বিত বা হতাশ না হয়ে বরং নিজেরাও সেগুলো থেকে অনুপ্রেরণা খোঁজার চেষ্টা করি, তাহলে আখেরে লাভটা হবে আমাদেরই।
হতে হবে সহানুভূতিশীল
আমরা অনেকেই হয়তো কেবল নিজেদের দুঃখ-কষ্টগুলোকেই বড় করে দেখি। আমাদের আশেপাশে আরো অনেকেই যে দুঃসহ দিনাতিপাত করছে, তা আমরা ভাবি না। কারণ আমরা মনে করি, “আরে, ও আর এমন কী খারাপ আছে! ওর চেয়ে তো আমি বেশি খারাপ দিন কাটাচ্ছি!”
এখানে দুটি বিষয় খেয়াল করা দরকার। প্রথমত, আপনি-আমি খুব খারাপ আছি বলে কিন্তু অন্য কোনো মানুষের খারাপ থাকাটা মিথ্যা হয়ে যায় না। সব জায়গায় এমন তুলনা করাও উচিত না। হ্যাঁ, হতেই পারে যে আমরা অনেক বেশি খারাপ আছি। তারপরও, অন্য কেউ খারাপ থাকলে, তার খারাপ থাকাটাও সমান স্বীকৃতির দাবিদার। আপনি-আমি বেশি খারাপ আছি বলে অন্য কারো খারাপ থাকাকে উড়িয়ে দেয়া, অস্বীকার করা খুবই বাজে কাজ। এর মাধ্যমে আমরা নিজেদের অজান্তেই অনেককে কষ্ট দিয়ে ফেলি। আর দ্বিতীয় কথাটি হলো, অন্য কারো খারাপ থাকাকে যদি আমরা গুরুত্ব দিই, এতে করে আমাদের নিজেদের খারাপ থাকাটাও মিথ্যা হয়ে যায় না। কিংবা বিষয়টি এমনও দাঁড়ায় না যে আমরা অন্যের খারাপ থাকাকে স্বীকার করে নিচ্ছি বলে আমাদের নিজেদের খারাপ থাকার অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ফলে এরপরও যদি আমরা নিজেদের খারাপ থাকার প্রসঙ্গ কখনো তুলি, সেটি ধোপে টিকবে না!
আসলে বর্তমান সমাজটাই কেমন যেন প্রতিযোগিতানির্ভর হয়ে উঠেছে। প্রতিটি পদে পদেই প্রতিযোগিতা। এমনকি কে কার চেয়ে বেশি খারাপ আছে, এ নিয়েও প্রতিযোগিতা! ভাবখানা এমন যেন সব জায়গায় নিজেদেরকে এগিয়ে রাখতে পারলেই জীবনটা সার্থক হয়ে যাবে। আমাদেরকে এই ধরনের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। অন্যদের আবেগ-অনুভূতির দিকে অবশ্যই যত্নশীল হতে হবে। তাদের আবেগ-অনুভূতিকে তাদের অবস্থা-পরিস্থিতি-পারিপার্শ্বিকতা থেকেই উপলব্ধি করার চেষ্টা হবে। সব জায়গায় শুধু নিজেদের উদাহরণ বা তুলনা টানলে চলবে না। কেবল তাহলেই আমরা সত্যিকারের সহানুভূতিশীল হয়ে উঠতে পারব। অন্য কারো দুঃখ-কষ্টকে তখন আমাদের তুচ্ছ বা সামান্য বলেও মনে হবে না। বরং তাদেরকে সঠিকভাবে সান্ত্বনা দিয়ে তাদের মন কিছুটা হলেও ভালো করতে পারব।
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে
প্রাত্যহিক জীবনে আমরা অনেকের দ্বারাই উপকৃত হই। কিন্তু খুব কম ক্ষেত্রেই আমরা এই কৃতজ্ঞতাটা প্রকাশ করি। যেমন: গ্রীষ্মকালে প্রখর রোদের ভিতরও হয়তো রিকশাওয়ালা আমাদেরকে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছে দিলেন। কিংবা রেস্টুরেন্টে খেতে গেলে ওয়েটার আমাদেরকে একটি ভালো টেবিলে নিয়ে বসালেন। আমরা ভাবি, রিকশাওয়ালা তো এই কাজ করছেন ভাড়ার জন্য। আবার ওয়েটার এমন করছেন কিছু বাড়তি টিপসের জন্য। এভাবেই সব জায়গায় আমরা টাকা-পয়সার প্রসঙ্গ টেনে আনি। অথচ ভেবে দেখি না, কোনো কাজের উদ্দেশ্য কেবল টাকা-পয়সাই নয়। কিংবা তা যদি হয়ও, আমরা নিজেরা যে উপকৃত হচ্ছি, সেটি কখনোই মিথ্যা হয়ে যায় না।
আমাদের উচিত জীবনে চলার পথে সকল ক্ষেত্রে কৃতজ্ঞ হওয়া, এবং সেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। কেউ যদি এমন সামান্যতম কোনো কাজও করে থাকে, যার ফলে আমরা কিছুটা হলেও উপকৃত হয়েছি, তাহলে অবশ্যই আমাদের উচিত তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা, তাকে তার প্রাপ্য সম্মানটুকু দেয়া। আমাদের মনোভাব এমন হওয়া যাবে না যে কারো প্রতি কৃতজ্ঞ হলে বা কাউকে একটু সম্মান দিলে আমাদের নিজেদের কৃতিত্ব হ্রাস পাবে। কৃতজ্ঞতাবশত কাউকে সম্মান দেখালে কখনোই আমাদের নিজেদের কৃতিত্ব খাটো হয়ে যায় না, বরং এটিই প্রমাণ হয় যে আমরা উপকারীর উপকারকে কখনো ভুলি না, তাদের উপকার আমাদের স্মরণে থাকে।
অজুহাত দেয়া যাবে না
কোনো কাজ যদি ভুল হয়ে যায়, আমরা সবার আগে যা করি তা হলো অজুহাত দেয়া। অর্থাৎ কীভাবে অন্য কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা ঘটনার উপর আমাদের ভুলের দায়টা চাপিয়ে দেয়া যায়। এই প্রবণতা বর্জন করতে হবে। অজুহাত দেয়ার পরিবর্তে আমাদেরকে নিজেদের ভুলগুলো স্বীকার করে নিতে হবে, সেগুলো থেকে শিক্ষা নিতে হবে।
আমাদের মনে রাখা প্রয়োজন, ভুলগুলো সবসময়ই দৃশ্যমান, কিন্তু অজুহাত সবসময় বিশ্বাসযোগ্য নয়। অর্থাৎ আমরা যদি কোনো ভুল করে বসি, সেটি সকলের নজরে পড়বে ঠিকই। অথচ আমরা যদি কোনো অজুহাত দিই, তাতে খুব কম মানুষই কর্ণপাত করবে, আরো অনেক কম মানুষ সেটিকে সত্য বলে বিশ্বাস করবে। মাঝখান থেকে আমাদের নিজেদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হবে। লোকে ধরে নেবে, আমরা এমনই দুর্বল ব্যক্তিত্বের অধিকারী যে নিজেদের ভুল স্বীকার করে নেয়ার মতো মানসিক শক্তি আমাদের নেই।
তাই এখন থেকে আমাদের অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে কোনো কাজে যদি ভুল হয়েই যায়, চোখে পড়া মাত্র সেই ভুল স্বীকার করে নেয়া। পাশাপাশি কী কারণে ভুলটি হলো, তা-ও নিজে নিজেই খতিয়ে দেখতে হবে, এবং সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে, যাতে করে ভবিষ্যতে একই ধরনের ভুলের পুনরাবৃত্তি না হয়।
ভালোবাসা ছড়িয়ে দিতে হবে
শুরুটা করেছিলাম ভালোবাসার কথা দিয়ে। শেষটাও করব ভালোবাসা দিয়ে। কিন্তু শুরুর সেই ভালোবাসা নিজের প্রতি হলেও, এবারের ভালোবাসা সকলের প্রতি।
‘ভালোবাসা’ কথাটিকে নেহাত রোমান্টিকতায় সীমাবদ্ধ না রেখে, একে আমাদের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। প্রতিনিয়ত ভালোবাসার অনুশীলন করতে হবে। নিজেকে তো ভালোবাসতে হবেই, পাশাপাশি ভালোবাসতে হবে আশেপাশের প্রতিটি মানুষকে। আর শুধু মানুষই বা কেন, ভালোবাসতে হবে সকল জীবকে। প্রাণ আছে এমন প্রত্যেককে ভালোবাসতে হবে, তাদেরকে ভালো রাখতে হবে।
যখন আমরা আমাদের পরিবার, সমাজ, দেশ বা বিশ্বের সকলকে ভালোবাসব, তখন আশেপাশের সবার প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিরও আমূল পরিবর্তন ঘটবে। আগে হয়তো আমরা সবকিছুতেই কেবল সমস্যা খুঁজে পেতাম। কিন্তু যখন আমরা ভালোবাসার চোখ দিয়ে আমাদের পরিপার্শ্বকে দেখব, তখন তাদের প্রতি আমাদের মমত্ববোধও আরো বেড়ে যাবে, এবং তাদের প্রতি মনের নেতিবাচকতাও দূর হবে। আশেপাশের যারা ভালো, তাদেরকে আগলে রাখতে চাইব, এবং যারা হয়তো আমাদের দৃষ্টিতে খারাপ, তাদেরকেও ঘৃণা করার বদলে, সংশোধনের আপ্রাণ চেষ্টা চালাব, তাদেরকেও একটি সুন্দর জীবন উপহার দিতে চাইব।
সূত্রঃ রোর মিডিয়া
সংক্ষেপে দেখুনকোরবানির গরু ছবি দেখে কিনতে চাই, কিছু গরুর ছবি দিন
কোরবানির গরু ছবি দেখে কিনতে নিচের গরুগুলোর বিস্তারিত দেখে কিনে নিন লাল এবং সাদা হলস্টেইন লাল এবং সাদা হলস্টেইন গরু মূলত আমেরিকা এবং কানাডাতে প্রথম পাওয়া যায়। জাত হিসেবে একেবারেই নতুন, ১৯৬৪ তে একে আলাদা জাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। দুধ এবং মাংস – দুই কারণেই এটি পছন্দের তালিকায় থাকে। গাভীর ওজন ৬০০-৭০০বিস্তারিত পড়ুন
কোরবানির গরু ছবি দেখে কিনতে নিচের গরুগুলোর বিস্তারিত দেখে কিনে নিন
লাল এবং সাদা হলস্টেইন
লাল এবং সাদা হলস্টেইন গরু মূলত আমেরিকা এবং কানাডাতে প্রথম পাওয়া যায়। জাত হিসেবে একেবারেই নতুন, ১৯৬৪ তে একে আলাদা জাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। দুধ এবং মাংস – দুই কারণেই এটি পছন্দের তালিকায় থাকে। গাভীর ওজন ৬০০-৭০০ কেজির মত হয়ে থাকে এবং ষাঁড়ের ওজন গাভী থেকে বেশি। যেকোন পরিবেশের সাথে মানিয়ে চলার দক্ষতার কারণে এই জাত বেশ জনপ্রিয়। দুধ উৎপাদনে এর পারফর্মেন্স ও বেশ সন্তোষজনক।
নওরেজিয়ান রেড
নওরেজিয়ান রেড জাতটি নরওয়ে থেকে উৎপন্ন, জনপ্রিয় ডুয়াল পারপাস (দুধ ও মাংস) ব্রিড। মাঝারি থেকে বৃহৎ সাইজের এই জাতের ষাঁড়ের গড় ওজন ১৩০০ কেজির মত। গরুর ক্ষেত্রে যেটা গড়ে ৬০০ কেজি। লাল, লালা-সাদা, লাল-সাদা-কালো সংকর – যেকোন রঙয়ের ই হতে পারে। এই জাতের গরুর জীবনকাল অন্য জাতের চেয়ে অনেক বেশি। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং যেকোন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা বিবেচনায় এটি অন্যতম সেরা একটি জাত। এটি সাধারণত এক ল্যাকটেশনে ১০,০০০ লিটার এর মত দুধ দিয়ে থাকে। ফলে এক্ষেত্রেও এটি প্রণিধানযোগ্য।
নরম্যান্ডি ক্যাটল
নরম্যান্ডি ক্যাটল জাতটি উৎপন্ন হয়েছে ফ্রান্সের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল হতে। এটি একটি ডুয়াল পারপাস (দুধ ও মাংস) ব্রিড। সাদার মধ্যে বাদামি-কালো ছোপ এই ব্রিডের বৈশিষ্ট্য। বাদামি চুলের আধিক্যের কারণে অনেক সময় বাঘের ছাপের মত দেখায়। মাঝারি থেকে বৃহৎ সাইজের এই জাতের ষাঁড়ের গড় ওজন ১১০০ কেজির মত। গরুর ক্ষেত্রে যেটা গড়ে ৭০০ কেজি। এরা বেশ শান্ত প্রকৃতির গরু হওয়ায় ব্যবস্থাপনা সহজ। এই জাতের গরু থেকে এক ল্যাকটেশনে ৬০০০ লিটার পর্যন্ত দুধ পাওয়া যেতে পারে, দিনপ্রতি ২০ লিটার এর মত। দুধ প্রোটিন এবং বাটারফ্যাট এর পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ।
আমেরিকান মিল্কিং ডেভন
আমেরিকান মিল্কিং ডেভন একটি ট্রিপল পারপাস ব্রিড অর্থাৎ এটিকে দুধ, মাংস এবং ভারী মালামাল বহনের কাজে ব্যবহৃত হয়। এই ব্রিডের উৎপত্তি ইংল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে এবং আমেরিকায় আনা হয় সপ্তদশ শতাব্দীতে। এটি মাংসের জন্য ব্যবহৃত প্রাচীনতম জাতগুলোর একটি। এর গায়ের রঙ মূলত লাল, লাল এর বিভিন্ন শেড দৃশ্যমান এর গায়ের বিভিন্ন অংশে। গাভীর ওজন গড়ে ৫০০ কেজি, ষাঁড়ের ক্ষেত্রে যা ৭০০ কেজির মত হয়। উচ্চ তাপমাত্রায় খুব সহজেই মানিয়ে নিতে পারা, উচ্চ ফলনশীলতা, প্রজননে সহজতা – এসব কারণে এই জাতটি বেশ জনপ্রিয়। মাংসের জন্য এটি বেশ উপযোগী, ভারবহনে সক্ষম এবং দুধের ক্ষেত্রেও বেশ উৎপাদনশীল। এক ল্যাকটেশনে ৫০০০-৫৫০০ লিটার দুধ দেয়, দৈনিক প্রায় ২৩ লিটার এর মত।
মিল্কিং শর্টহর্ন
১৭৮০ সালের দিকে এই জাত প্রবেশ করে যুক্তরাষ্ট্রে। এটি লাল, সাদা হয়ে থাকে। আকারে মূলত মাঝারি হয়। ইংল্যান্ডের উত্তর-পূর্ব দিকের টিস নদীর অববাহিকায় এদের জন্মস্থান। এদের সঙ্গে মিল আছে সুইডিস রেড গরু, ইলাওরা গরু যা অস্ট্রেলিয়ার। এটি একটি ডুয়াল পারপাস (দুধ ও মাংস) ব্রিড কিন্তু প্রধানত দুধের জন্য ব্যবহৃত হয়। রুক্ষ প্রকৃতির সাথে মিলিয়ে নিতে পারা এই মাঝারি আকৃতির গরুর ওজন ৬৪০-৬৮০ কেজির মত হয়। মূলত বাদামি লাল বর্ণের এ গরুর গায়ে সাদা সাদা ছোপ থাকতে পারে। এক ল্যাকটেশনে বছরে প্রায় ৭০০০ লিটার দুধ দিতে পারে এ গরু।
ব্রাউন সুইস
এটিই গৃহপালিত গরুর মধ্যে সবচেয়ে পুরনো জাত। এরা ধূসর বাদামি বর্ণের। এদের আদি নিবাস সুইজারল্যান্ড। ডেইরি গবেষকদের মতে দুধ দেওয়া প্রজাতির মধ্যে এই জাতটিই সবচেয়ে পুরনো। এদের ব্যাপারে মজার তথ্য হলো, গ্রীষ্মের সময় এরা পাহাড়ের উঁচু দিকে চলে যেতে পারে। তাই এদের গলায় ঘণ্টা পরানো হয় যাতে কৃষকেরা তাদের খুঁজে পায়। বিশুদ্ধ বাদামি বর্ণের (অত্যন্ত গাঢ় বা হালকা) হয়ে থাকে। পিছনের অংশ ও নাকের চারপাশের অংশ অন্যান্য অংশের তুলনায় বেশি গাঢ়। এটি একটি বিশাল গরু যার ওজন প্রায় ৬০০-৮০০ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। সদ্য জন্মগ্রহণ করা বাছুরের ওজন ৪৫-৪৮ কেজি। গর্ভকাল দীর্ঘ। শান্ত ও সহজে উত্তেজিত হয়না। দৈনিক দুধ উৎপাদন প্রায় ২১-২৮ কেজি। দুধে ফ্যাটের পরিমাণ ৩.৬-৪.৪% ও প্রোটিন ৩.৫% প্রায়।
গারনেসি
ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্সের দুই দ্বীপের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত, ইংলিশ চ্যানেলের আইল অফ গারনেসি নামক স্থানে এই জাতের উৎপত্তি। মাথা বড়, সামনের দিকে উত্থিত শিং, মাঝারি আকৃতি এই গরুতে সোনালি হলুদ ছোপ থাকে। লোমবিহীন অংশ হালকা গোলাপী রঙয়ের হয়ে থাকে। হলুদাভ দুধে৫% এর মত ফ্যাট থাকে, ৪০০০ লিটার এর মত দুধ দেয় এক ল্যাকটেশনে মানে এই পরিমাণ দুধ এক বাছুর থেকে প্রাপ্ত করা যেতে পারে। এক বছরে হায়েস্ট ১৩,৫০০ লিটার দুধ দেয়ার রেকর্ড আছে এক ল্যাকটেশনে । কিন্তু ডুয়াল পারপাস ব্রিড (দুধ ও মাংস) না হওয়ায় এই জাতটা প্রতিযোগিতায় পিছনে পড়ে যাচ্ছে।
আয়ারশায়ার
সাদা শরীরে লালচে বাদামি ছোপের এই গরুগুলো আকারে মাঝারি। স্কটল্যান্ডের আইর দ্বীপপুঞ্জে তাদের আদি জন্মস্থান। এদের শিং-এর জন্য এরা বিখ্যাত। এরা লম্বায় অনেক সময় কয়েক ফুট হতে পারে। বাহ্যত, এই গরু একটি অনুপাতিক শারীরিক সঙ্গে, বেশ শক্তিশালী গঠিত হয়।এই গরু খুব ভাল ঠান্ডা সহ্য, কিন্তু গরম অবস্থায় তারা ধীরে ধীরে চলন্ত। বয়ঃসন্ধিকালে গরুর ওজন 420-500 কেজি, এবং একটি ষাঁড়, 700-800 কেজি হতে পারে। বাছুর ছোট, 25-30 কেজি প্রতিটি জন্ম হয়। আয়ারশায়ার গরুর পুরো সময়কালে 4-4.3% চর্বিযুক্ত 4000-5000 কেজি দুধ এক বাছুর থেকে প্রাপ্ত করা যেতে পারে।
জার্সি
বড় বড় চোখ আর বাদামি রঙের জন্য জার্সি গরুগুলো বিখ্যাত। এর দুধও ঘন ননিযুক্ত। এটি কয়েক রকমের হয়ে থাকে। কোনোটি হালকা বাদামি হয়, কোনোটি আবার ধূসর থেকে কালো রঙেরও হয়ে থাকে। এগুলো আকারে খুব বড় হয় না। বড় মুখে মাঝারি চোখ, দীর্ঘ চোখের পাপড়িযুক্ত জাতের গরুগুলো সবার কাছেই প্রিয়। এদের আদিনিবাস জার্সির দ্বীপপুঞ্জে যা ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ নামে পরিচিত। বর্তমানে এ জাতটি ইংল্যান্ড, আমেরিকাসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশেই পাওয়া যায়। গায়ের রং লাল বা মেহগনি হয়। পূর্ণবয়স্ক গাভীর ওজন ৪০০-৫০০ কেজির মতো এবং ষাঁড়ের ওজন ৫৪০-৮২০ কেজি হয়ে থাকে। সদ্যোজাত বাছুরের ওজন ২৫-২৭ কেজি।
হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান
গৃহপালিত গরুর জাতের মধ্যে সাদা-কালো ছোপযুক্ত এই গরুটি সবচেয়ে পরিচিত। এরা আকারে বড় হয়। দুটো গরুর ছোপ দাগগুলো কখনো একই রকম হয় না। শীতপ্রধান অঞ্চলের এ জাতের গরুর উৎপত্তিস্থল হল্যান্ডের ফ্রিজল্যান্ড প্রদেশে। এরা দুধের জন্য বেশ বিখ্যাত। দৈনিক ৪০ লিটার পর্যন্ত দুধ দিতে সক্ষম। গায়ের চামড়া ছোট-বড় কালো ছাপযুক্ত। এমনকি পুরোপুরি সাদা ও কালোও হতে পারে। গাভীর ওজন হয় প্রায় ৫৫০-৬৫০ কেজির মত এবং ষাঁড়ের ওজন হয় ৮০০-৯০০ কেজি পর্যন্ত। ১৮-২৪ মাস বয়সে প্রথম গর্ভধারণ করে। সদ্যজাত বাছুরের গড় ওজন হয় ৩০-৩৬ কেজির মতো।
ধন্যবাদ!
সূত্রঃ ইন্টারনেট
সংক্ষেপে দেখুনবাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ করার ভালো কোন অ্যাপ আছে কি?
আপনি কি সহজেই ইংরেজি থেকে বাংলা অথবা বাংলা থেকে ইংলিশ অনুবাদ করতে চান? হ্যালো বন্ধুরা আজকে আমাদের এই পোস্টটি আমরা ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ apps (angreji theke bangla anubad apps) সম্পর্কে আলোচনা করব। আমরা আমাদের বিভিন্ন প্রয়োজনে ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করি ইংরেজি একটি গ্লোবাল ভাষা। সারা পৃথিবীতে প্রায়বিস্তারিত পড়ুন
আপনি কি সহজেই ইংরেজি থেকে বাংলা অথবা বাংলা থেকে ইংলিশ অনুবাদ করতে চান?
হ্যালো বন্ধুরা আজকে আমাদের এই পোস্টটি আমরা ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ apps (angreji theke bangla anubad apps) সম্পর্কে আলোচনা করব।
আমরা আমাদের বিভিন্ন প্রয়োজনে ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করি ইংরেজি একটি গ্লোবাল ভাষা। সারা পৃথিবীতে প্রায় ১.৫ বিলিয়ন মানুষ ইংরেজিতে কথা বার্তা বলেন কিন্তু আমরা যারা বাংলা ভাষাভাষী তাদের ক্ষেত্রে অনেক সময়ই ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদের দরকার হয়ে পড়ে।
বিশেষ করে যারা আমরা প্রযুক্তি নির্ভর শিল্পে কাজ করি তাদের ক্ষেত্রে অনেক সময় বিভিন্ন বিদেশি ক্লায়েন্ট থাকে যদিও অনেক ক্ষেত্রে ইংরেজি ভাষা কোন অসুবিধা হয় না তবুও কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভাষা অনুবাদের দরকার হয়ে পড়ে। এই মুশকিল আসান করতে বাজারে রয়েছে কিছু খুবই ভালো ভালো ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ apps.
আজকে আমরা এমন-ই ১০ টি ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ অ্যাপ সম্পর্কে বিশদে আলোচনা করব।
তো আসুন শুরু করা যাক ।
English theke bangla translation APP
১. গুগল ট্রান্সলেট
প্রথমেই উল্লেখ করতে হবে গুগল ট্রান্সলেট সম্পর্কে। ইংলিশ থেকে বাংলা ট্রান্সলেশন করার করার জন্য এটি সবচেয়ে প্রচলিত app . গুগল ট্রান্সলেট গুগলের একটি অ্যাপ আপনি সহজেই ১০০ টিরও বেশি বেশি ভাষা অনুবাদ করতে পারেন।গুগল ট্রান্সলেট কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে যেগুলো সেগুলি নিচে উল্লেখ করা হলো:
<img class="i-amphtml-intrinsic-sizer" style="box-sizing: border-box; margin: 0px; padding: 0px; border: 0px; outline: 0px; font-size: 18px; vertical-align: baseline; background: transparent; max-width: 100%; display: block !important;" role="presentation" src="data:;base64,” alt=”” aria-hidden=”true” />
GOOGLE-TRANSLATE
গুগল ট্রান্সলেট অ্যাপ খুবই সহজেই ডাউনলোড করার পর আপনি আপনার পছন্দমত ভাষা নির্বাচন করে সেদিকে ট্রান্সলেট বা অনুবাদ করতে পারবেন।
এরপর আপনি চাইলে আপনার অনুবাদ করা অংশটি সহজেই ব্লুটুথ কিংবা আরো অন্য অ্যাপ এর মধ্যে শেয়ার করতে পারবেন। মেসেজ করতে পারবেন ও আরো অনেক কিছু।
আপনি ইচ্ছে করলে যেকোনো হাতের লেখা কেউ অনুবাদ বা ট্রান্সলেট করতে পারবেন।
তবে হাতের লেখা ট্রান্সলেশন করার ক্ষেত্রে গুগলের নিজস্ব কি সীমাবদ্ধতা রয়েছে তবে আশা করা যায় ভবিষ্যতে গুগল ট্রান্সলেট আরও উন্নত হবে এবং আরও নানান সুযোগ-সুবিধা প্রদান করবে।
২. আই ট্রান্সলেট
ট্রান্সলেট গুগল এপের মত হাই ট্রান্সলেটর আইফোনের জন্য খুবই একটি জনপ্রিয় ট্রান্সলেটর।
<img class="i-amphtml-intrinsic-sizer" style="box-sizing: border-box; margin: 0px; padding: 0px; border: 0px; outline: 0px; font-size: 18px; vertical-align: baseline; background: transparent; max-width: 100%; display: block !important;" role="presentation" src="data:;base64,” alt=”” aria-hidden=”true” />
আই ট্রান্সলেটর প্রায় 100 টিরও বেশি ভাষা অনুবাদ করা যেতে পারে এটিও ক্যামেরা ট্রান্সলেশন ট্রান্সলেশন অফলাইন ট্রান্সলেশন কিবোর্ড ট্রানসলেশন সমর্থন করে। যারা ব্যক্তিগত প্রাইভেসি পছন্দ করেন তাদের জন্য এই ট্রান্সলেট খুবই উপযুক্ত একটি অ্যাপ।
৩. ইয়ান্ডেক্স ট্রান্সলেট
ইয়ান্ডেক্স রাশিয়ার সর্ববৃহৎ সার্চ ইঞ্জিন।
ইয়ান্ডেক্স ট্রান্সলেট আরেকটি জনপ্রিয় ট্রানসলেশন অ্যাপ সহজেই ইংরেজি থেকে বাংলা ছাড়াও আরো 90 টি ভাষায় অনুবাদ করতে পারবেন। ইয়ান্ডেক্স ট্রান্সলেট ব্যবহার করার সময় একটি বিষয় আমাদের চোখে এসেছে যে বড় বাক্য অনুবাদ করার ক্ষেত্রে ইয়ান্ডেক্স ইয়ান্ডেক্স ট্রান্সলেট এ কিছু অসুবিধা হয়। এছাড়া আর কোনো সমস্যা নাই। ভবিষ্যতে ইয়ান্ডেক্স ট্রান্সলেট এই সমস্যা কাটিয়ে উঠবে বলে আমরা আশাবাদী।
<img class="i-amphtml-intrinsic-sizer" style="box-sizing: border-box; margin: 0px; padding: 0px; border: 0px; outline: 0px; font-size: 18px; vertical-align: baseline; background: transparent; max-width: 100%; display: block !important;" role="presentation" src="data:;base64,” alt=”” aria-hidden=”true” />
গুগল প্লে স্টোরে ইয়ান্ডেক্স ট্রান্সলেটর রিভিউ হল ৪.৪।
ইয়ান্ডেক্স ট্রান্সলেট গুগল প্লে স্টোরে এক কোটিরও বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে।
৪.মাইক্রোসফটের বিং ট্রান্সলেটর
মাইক্রোসফটের বিং ট্রান্সলেটর এর একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো আপনি আপনার ব্রাউজার থেকে সরাসরি ব্যবহার করতে পারবেন।
টেক্সট ট্রান্সলেশন এর ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে বেশি ভাষা সমর্থন করে দুটির বেশি ট্রান্সলেশন করা হয়ে গেলে আপনি সেটি সহজেই টেক্সট ইমেইল কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্যে শেয়ার করতে পারবেন।
<img class="i-amphtml-intrinsic-sizer" style="box-sizing: border-box; margin: 0px; padding: 0px; border: 0px; outline: 0px; font-size: 18px; vertical-align: baseline; background: transparent; max-width: 100%; display: block !important;" role="presentation" src="data:;base64,” alt=”” aria-hidden=”true” />
তাছাড়াও ট্রান্সলেশন এরপর আপনি আপনার ট্রান্সলেশন করা অংশটি তিনটি বিভিন্ন গতিতে শুনতে পারবেন।
মাইক্রোসফটের বিং ট্রান্সলেটর অফ লাইন টেক্সট ট্রানসলেশন সমর্থন করে একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো আপনার উচ্চারণ কি অনেক সঠিকভাবে চিহ্নিত করে ফুল অনুবাদ করে দেয়।
এন্ড্রয়েড এবং আইফোন দুটোর জন্যই মাইক্রোসফটের বিং ট্রান্সলেটর উপলব্ধ রয়েছে।
গুগল প্লে স্টোরে মামাইক্রোসফটের বিং ট্রান্সলেটর প্রায় এক কোটিরও বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে রিভিউ ৪.৬।
৫. ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর
এরপরের অ্যাপটির নাম হল ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর অ্যাপ। এই অ্যাপটির বিশেষত্ব হলো যে এটি ইংরেজি থেকে বাংলা ভাষা ট্রান্সলেশন এর জন্যই তৈরি করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য গুলি হলো শেয়ার এবং সার্চ ,ইডিয়াম , ভয়েস সার্চ ,নিউ ওয়ার্ডস ইত্যাদি।
english to bangla translator
<img class="i-amphtml-intrinsic-sizer" style="box-sizing: border-box; margin: 0px; padding: 0px; border: 0px; outline: 0px; font-size: 18px; vertical-align: baseline; background: transparent; max-width: 100%; display: block !important;" role="presentation" src="data:;base64,” alt=”” aria-hidden=”true” />
কুইক সেন্টেন্স অপশনের মাধ্যমে আপনি 50 টিরও বেশী বহুল ব্যবহার হওয়া বাক্যের বাংলা থেকে ইংরেজিতে ট্রান্সলেশন খুব সহজেই করতে পারবেন। গুগল প্লে স্টোরে এটি রিভিউ 4 এটি ডাউনলোড করা হয়েছে প্রায় ১০ লক্ষ বার।
৬. ইংলিশ বেঙ্গলি ট্রান্সলেটর
এরপরের অ্যাপটির নাম হল ইংলিশ বেঙ্গলি ট্রান্সলেটর। ইংলিশ বেঙ্গলি ট্রান্সলেটর এই অ্যাপটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল যে এটি থেকে বাংলা যেমন করা যায় এমনি বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ ও করা যায়। অন্যান্য অ্যাপগুলির মত এটিও ইনস্ট্যান্ট সার্চ ইঞ্জিন স্টার্ট রিসেন্ট ট্রানসলেশনস ইত্যাদি সমর্থন করে।
<img class="i-amphtml-intrinsic-sizer" style="box-sizing: border-box; margin: 0px; padding: 0px; border: 0px; outline: 0px; font-size: 18px; vertical-align: baseline; background: transparent; max-width: 100%; display: block !important;" role="presentation" src="data:;base64,” alt=”” aria-hidden=”true” />
এখানে আপনি বিভিন্ন ইংরেজি শব্দের ডেফিনেশন সহ তার অর্থ জানতে পারবেন। মূলত একটি ট্রানসলেশন অ্যাপ সাথে একটি ভালো ডিকশেনারী ও কাজ করবে।
গুগল প্লে স্টোরে থাকা এই অ্যাপটি রিভিউ ৩.৯ এবং ডাউনলোড বা সংখ্যা ১ লক্ষ বারেরও বেশি।
৭. ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর ফ্রী
সাত নম্বর সাত নম্বরে বলতে হবেই ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর ফ্রী এই অ্যাপটির নাম। একটি ফ্রি ট্রানসলেশন অ্যাপ এর মাধ্যমে সহজেই বাংলা থেকে ইংলিশ অনুবাদ করতে পারবেন।
এর মধ্যে রয়েছে সার্চ বাংলা থেকে ইংরেজি ডিকশনারি এবং আরও অনেক কিছু। আপনার প্রাইভেসি এবং গোপনীয়তাকে একশভাগ সুরক্ষিত রাখে বাংলা থেকে ইংরেজি করার সাথে সাথে এটি ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ করতে সমর্থ।
ডিজাইনের কথা বলতে গেলে এর ডিজাইন ইন্টারফেস খুবই সুন্দর এবং সাবলীল। সিঙ্গেল ট্যাগ কপি পেস্ট অপশন এটির একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য। গুগোল অ্যাপ স্টোরে প্লে স্টোরে এটি ইনস্টল সংখ্যা ৫ লক্ষের বেশি এবং রিভিউ ৪.৬।
৮. English to Bangla Translator Free
ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর ফ্রি। ইংলিশ টু বাংলা ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেটর উল্লেখযোগ্য নাম মূল বৈশিষ্ট্য গুলি হল দ্রুত কাজ করে এটি ভয়েস কনভারসেশন সাপোর্ট করে। এটি আপনার কনভার্শন করা অংশ সহজেই সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য কোন অ্যাপ শেয়ার করতে সাহায্য করে। গ্রাভিটি টেক্সট স্ক্যান করতেও এটি সমর্থ। গুগল প্লে স্টোরে এটির ডাউনলোড ৫ লক্ষের বেশি এবং রিভিউ ৪.২.
৯. ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর অ্যাপ
এরপর হলো ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর অ্যাপ। ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেটর অ্যাপ এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি ডিজাইন সুন্দর এটি ইংরেজি থেকে বাংলায় খুবই দ্রুত ট্রান্সলেট করে. এটি ফাস্ট ট্রান্সলেশন সাপোর্ট করে। তাছাড়াও এটি ওয়ার্ড কপিতে সমর্থ। যদি আপনি একটি সুন্দর ,লাইটওয়েট এবং সহজ ইংরেজি থেকে বাংলা ট্রান্সলেটার খুঁজেন এটি একটি আদর্শ ট্রান্সলেটর অ্যাপ হতে পারে।
গুগল প্লে স্টোর ইন্সটল সংখ্যা ১ হাজারের উপর এবং সাইজ মাত্র ৪.৪ মেগাবাইট।
১০. ইংলিশ টু বেঙ্গলি ট্রান্সলেটর এন্ড ডিকশেনারী
ইংলিশ টু বেঙ্গলি ট্রান্সলেটর এন্ড ডিকশেনারী এই লিস্টে থাকা ১০ নম্বর ইংলিশ টু বেঙ্গলি ট্রান্সলেটর অ্যাপ। এটি একটি অফলাইন বাংলা ডিকশনারি কাজ করে।
বাংলা ট্রান্সলেট করার সাথে সাথে এটি পুরো অফলাইন মোড এ কাজ করতে পারে আপনার কাছে যদি ইন্টারনেট কানেকশন না থাকে তাহলে আপনি এই অ্যাপটি সহজে ব্যবহার করতে পারবেন। আপনি যদি একটি হালকা অ্যান্ড্রয়েড ইংরেজি টু বাংলা ডিকশনারী খোঁজ করেন তবে এই অ্যাপটি আপনার পক্ষে আদর্শ হতে পারে।
এই অ্যাপটিতে প্রায় পঞ্চাশ হাজারেরও বেশি ইংরেজি শব্দ প্রিলোডেড রয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় 50 টিরও বেশি বহুল ব্যাবহৃত ইংরেজি শব্দের বাংলা অর্থ করা রয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে এটি ইন্সটল এর সংখ্যা ৫০ হাজারেরও বেশি এবং এটি সাইজ মাত্র ৬.৩ মেগাবাইট।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনআনসার ভিডিপি নিয়োগ, ফলাফল, সার্কুলার
সাধারণ আনসার নিয়োগ ২০২২ সার্কুলার (২০২২-২০২৩ অর্থবছরের ১ম ধাপ) প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (আনসার ভিডিপি)। সাধারণ আনসার পদে দেশব্যাপী লোকবল (পুরুষ) নিয়োগ দেবে আনসার ভিডিপি । উল্লেখ্য, অঙ্গীভূত আনসারের চাকরি স্থায়ী সরকারি নয় বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। সাধারণ আনসারবিস্তারিত পড়ুন
সাধারণ আনসার নিয়োগ ২০২২ সার্কুলার (২০২২-২০২৩ অর্থবছরের ১ম ধাপ) প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (আনসার ভিডিপি)।
সাধারণ আনসার পদে দেশব্যাপী লোকবল (পুরুষ) নিয়োগ দেবে আনসার ভিডিপি । উল্লেখ্য, অঙ্গীভূত আনসারের চাকরি স্থায়ী সরকারি নয় বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
সাধারণ আনসার পদে চাকরির জন্য আবেদন করতে হবে অনলাইনের (http://ansarvdp.gov.bd) মাধ্যমে ১৯ জুন থেকে ২৫ জুন ২০২২ তারিখ রাত ১১.৫৯টার মধ্যে।
সাধারণ আনসার পদে চাকরি
প্রতি বছর ৯৭৫০ টাকা করে ২টি উৎসব ভাতা।
সাধারণ আনসার পদে আবেদনের যোগ্যতা
সাধারণ আনসার পদে আবেদনের তারিখ, ফি ও লিংক
সাধারণ আনসার পদের বেতন ও সুযোগ সবিধা
আনসার ভিডিপি নিয়োগ পরীক্ষা
দেশের ৪টি রেঞ্জের (রংপুর, বরিশাল, রাজশাহী, কুমিল্লা) অধীনে ২৮টি জেলার নির্বাচন কেন্দ্রে প্রার্থীদের বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
আনসার ভিডিপি নিয়োগ ২০২২ ৬ষ্ঠ ধাপের সার্কুলার – Ansar VDP job circular 2021
2021
<img class="i-amphtml-intrinsic-sizer" style="max-width: 100%; display: block !important;" role="presentation" src="data:;base64,” alt=”” aria-hidden=”true” />
General ansar job circular 2022 – ansarvdp.gov.bd
Power 30 ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম, কার্যকারিতা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও দাম
এটি হলো লিঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যা সমাধানের ঔষধ যাকে ইরেক্টাইল ডিসফাংশনাল বলে যা মানুসিক আরকি, যাদের লিঙ্গ উত্থান হয় না, তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, সুতারং এসব ঔষধ আপনার প্রয়োজন হলে আপনার ডাক্তারের সাথে আলোচনা করুন ও সঠিক ডোজ গ্রহণ করুন।। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ গ্রহণ করবেন না। এরকম ওষুধ হৃদরোগ এবং জটবিস্তারিত পড়ুন
এটি হলো লিঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যা সমাধানের ঔষধ যাকে ইরেক্টাইল ডিসফাংশনাল বলে যা মানুসিক আরকি, যাদের লিঙ্গ উত্থান হয় না, তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, সুতারং এসব ঔষধ আপনার প্রয়োজন হলে আপনার ডাক্তারের সাথে আলোচনা করুন ও সঠিক ডোজ গ্রহণ করুন।।
ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ গ্রহণ করবেন না। এরকম ওষুধ হৃদরোগ এবং জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করে।
ধন্যবাদ।
সংক্ষেপে দেখুন