সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
এয়ার ফ্রায়ারের ভেতরের কোটিং কি বিষাক্ত হতে পারে?
হ্যাঁ, এয়ার ফ্রায়ারের ভেতরের নন-স্টিক কোটিং বিষাক্ত হতে পারে, বিশেষ করে যদি এটি PTFE (টেফলন) বা PFAS-যুক্ত হয় এবং উচ্চ তাপমাত্রায় অতিরিক্ত গরম করা হয় বা কোটিং ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কোটিংয়ের ধরন অধিকাংশ এয়ার ফ্রায়ারে PTFE বা অনুরূপ নন-স্টিক কোটিং ব্যবহৃত হয়, যা সাধারণত PFOA-মুক্ত (যা এখন নিষিদ্ধ)বিস্তারিত পড়ুন
হ্যাঁ, এয়ার ফ্রায়ারের ভেতরের নন-স্টিক কোটিং বিষাক্ত হতে পারে, বিশেষ করে যদি এটি PTFE (টেফলন) বা PFAS-যুক্ত হয় এবং উচ্চ তাপমাত্রায় অতিরিক্ত গরম করা হয় বা কোটিং ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কোটিংয়ের ধরন
অধিকাংশ এয়ার ফ্রায়ারে PTFE বা অনুরূপ নন-স্টিক কোটিং ব্যবহৃত হয়, যা সাধারণত PFOA-মুক্ত (যা এখন নিষিদ্ধ)। এগুলো নিয়মিত ব্যবহারে নিরাপদ বলে বিবেচিত, কারণ এরা খাবারের সাথে মিশে যায় না। তবে ২৬০°সে উপরে গরম হলে বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হতে পারে, যা ফ্লু-জাতীয় উপসর্গ সৃষ্টি করে।
ঝুঁকির কারণ
– অতিরিক্ত গরম করা: খালি অবস্থায় ৩৬০°সে উপরে গরম করলে পলিমার ভেঙে বিষাক্ত পদার্থ নির্গত হয়।
– ক্ষতি বা খসে যাওয়া: স্ক্র্যাচ বা খসে যাওয়া কোটিং খাবারে মিশলে শরীরে শোষিত না হলেও দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকি (লিভার, থাইরয়েড সমস্যা)।
– PFAS (‘ফরএভার কেমিক্যাল’): কিছু কোটিংয়ে থাকে, যা পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
নিরাপদ ব্যবহার
– PTFE/PFOA/PFAS-মুক্ত (সিরামিক বা স্টেইনলেস স্টিল) এয়ার ফ্রায়ার কিনুন।
সংক্ষেপে দেখুন– নরম স্পঞ্জ ব্যবহার করুন, ধাতব নয়; খালি গরম করবেন না; সর্বোচ্চ তাপমাত্রা মেনে চলুন।
– কোটিং খসলে ফেলে দিন।
নন-টক্সিক এয়ার ফ্রায়ার কিনতে কী কী দেখতে হবে?
নন-টক্সিক এয়ার ফ্রায়ার কেনার সময় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখতে হবে। শুধু দাম বা চেহারা দেখে কিনলে ভুল হতে পারে — কিছু নির্দিষ্ট লেবেল ও সার্টিফিকেশন দেখে কিনতে হবে। প্রথমে দেখুন পণ্যটি PTFE-Free এবং PFOA-Free কিনা। দ্বিতীয়ত, কোটিং মেটেরিয়াল দেখুন — সিরামিক কোটিং সবচেয়ে ভালো বিকল্প। তবিস্তারিত পড়ুন
নন-টক্সিক এয়ার ফ্রায়ার কেনার সময় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখতে হবে। শুধু দাম বা চেহারা দেখে কিনলে ভুল হতে পারে — কিছু নির্দিষ্ট লেবেল ও সার্টিফিকেশন দেখে কিনতে হবে।
প্রথমে দেখুন পণ্যটি PTFE-Free এবং PFOA-Free কিনা। দ্বিতীয়ত, কোটিং মেটেরিয়াল দেখুন — সিরামিক কোটিং সবচেয়ে ভালো বিকল্প। তৃতীয়ত, FDA বা EU-approved সার্টিফিকেশন আছে কিনা যাচাই করুন।
রোজা রেখে ইনজেকশন নিলে কি রোজা ভাঙে?
বেশিরভাগ ইনজেকশনে রোজা ভাঙে না। রোজা অবস্থায় শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি ছাড়া অন্য যেকোনো চিকিৎসাগত কারণে ইনজেকশন নিলে রোজা নষ্ট হবে না — চাই তা মাংসে (ইন্ট্রামাসকুলার) দেওয়া হোক বা রগে/শিরায় (ইন্ট্রাভেনাস)। তবে সব ইনজেকশনের বিধান এক নয় — ধরন অনুযায়ী পার্থক্য আছে। ইনজেকশনের ধরন রোজা ভাঙে? বিধান চিকিৎবিস্তারিত পড়ুন
বেশিরভাগ ইনজেকশনে রোজা ভাঙে না। রোজা অবস্থায় শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি ছাড়া অন্য যেকোনো চিকিৎসাগত কারণে ইনজেকশন নিলে রোজা নষ্ট হবে না — চাই তা মাংসে (ইন্ট্রামাসকুলার) দেওয়া হোক বা রগে/শিরায় (ইন্ট্রাভেনাস)। তবে সব ইনজেকশনের বিধান এক নয় — ধরন অনুযায়ী পার্থক্য আছে।
কেন বেশিরভাগ ইনজেকশনে রোজা ভাঙে না — ইসলামিক ব্যাখ্যা
শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি ছাড়া অন্য যে কোনো কারণে ইনজেকশন নিলে রোজা নষ্ট হবে না। চাই তা মাংসে নেওয়া হোক বা রগে নেওয়া হোক। কারণ, ইনজেকশনের সাহায্যে দেহের অভ্যন্তরে প্রবেশকৃত ওষুধ মাংস বা রগের মাধ্যমেই প্রবেশ করানো হয়ে থাকে, যা অস্বাভাবিক প্রবেশপথ। তাই এটি রোজা ভঙ্গের গ্রহণযোগ্য কারণ নয়।
ইসলামি ফিকহের মূলনীতি হলো — রোজা ভাঙে তখনই, যখন স্বাভাবিক পথে (মুখ, নাক) কিছু শরীরে প্রবেশ করে পাকস্থলীতে পৌঁছায়। ইনজেকশন যেহেতু খাদ্য বা পানীয় হিসেবে গণ্য হয় না এবং স্বাভাবিক খাদ্যগ্রহণের পথ দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে না ও পাকস্থলীতে পৌঁছায় না, ফলে রোজা নষ্ট হওয়ার কোনো কারণ সৃষ্টি হয় না।
ডায়াবেটিস রোগীর ইনসুলিন — বিশেষ মাসআলা
শরিয়তের দৃষ্টিতে ইনসুলিন নিলে রোজা ভঙ্গ হবে না। কারণ, ইনসুলিনও ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে এবং তা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে গণ্য হয় না। তবে ডায়াবেটিস রোগীর রোজা রাখার বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি — কারণ স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকলে ইসলামে রোজা না রাখার অনুমতি আছে।
যে ইনজেকশনে রোজা ভাঙে — কেন?
খাবারের বিকল্প হিসেবে ইনজেকশন পুশ করলে রোজা ভাঙে। কারণ, এমন ইনজেকশন নিলে পানাহারের প্রয়োজন হয় না। অর্থাৎ গ্লুকোজ বা পুষ্টিকর স্যালাইন যেগুলো শরীরে শক্তি ও খাদ্যের কাজ করে, সেগুলো নিলে রোজা ভেঙে যাবে।
সতর্কতামূলক পরামর্শ
বাড়তি সাবধানতা হিসেবে চিকিৎসার ইনজেকশনগুলো রাতে নেওয়াই উত্তম। অর্থাৎ যদি সুযোগ থাকে, ইফতারের পর বা সেহরির আগে ইনজেকশন নিন। তবে জরুরি প্রয়োজনে দিনের বেলাতেও নিলে রোজা নষ্ট হবে না।
সংক্ষেপে মনে রাখার নিয়ম
চিকিৎসার ইনজেকশন → রোজা ভাঙে না, নিশ্চিন্তে নিন।
সংক্ষেপে দেখুনইনসুলিন / টিকা / অ্যান্টিবায়োটিক → রোজা ভাঙে না।
গ্লুকোজ / শক্তিবর্ধক স্যালাইন → রোজা ভাঙে, এড়িয়ে চলুন।
সন্দেহ হলে → স্থানীয় আলেম বা মুফতির কাছ থেকে পরামর্শ নিন।
এয়ার ফ্রায়ার কি সত্যিই স্বাস্থ্যকর? নাকি এটি একটি বিজ্ঞাপনের কথা?
এয়ার ফ্রায়ার সাধারণ ডিপ ফ্রাই করার চেয়ে বেশি স্বাস্থ্যকর। কিন্তু শুধুমাত্র তখনই, যদি আপনি সঠিক মডেল ব্যবহার করেন। এয়ার ফ্রায়ার গরম বাতাস সার্কুলেট করে খাবার রান্না করে, ফলে তেল অনেক কম লাগে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে এয়ার ফ্রায়ারে রান্না করলে ডিপ ফ্রাই-এর তুলনায় ৭০-৮০% কম ক্যালোরি আসে। তবেবিস্তারিত পড়ুন
এয়ার ফ্রায়ার সাধারণ ডিপ ফ্রাই করার চেয়ে বেশি স্বাস্থ্যকর। কিন্তু শুধুমাত্র তখনই, যদি আপনি সঠিক মডেল ব্যবহার করেন। এয়ার ফ্রায়ার গরম বাতাস সার্কুলেট করে খাবার রান্না করে, ফলে তেল অনেক কম লাগে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে এয়ার ফ্রায়ারে রান্না করলে ডিপ ফ্রাই-এর তুলনায় ৭০-৮০% কম ক্যালোরি আসে।
তবে এখানেই আসল প্রশ্ন: এয়ার ফ্রায়ারের ভেতরের কোটিং কি নিরাপদ? অনেক সস্তা মডেলে PTFE (টেফলন) বা PFAS কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়, যা উচ্চতাপে ভেঙে যেতে পারে এবং খাবারে মিশে যেতে পারে। এই কারণে নন-টক্সিক কোটিং সহ এয়ার ফ্রায়ার বেছে নেওয়া জরুরি।
সংক্ষেপে দেখুনভুলে পানি খেলে কি রোজা ভাঙে?
না, ভুলে পানি খেলে রোজা ভাঙে না। রোজা রাখার কথা ভুলে গিয়ে পানি বা খাবার খেয়ে ফেললে রোজা সম্পূর্ণ বহাল থাকে, কোনো কাজা বা কাফফারা দিতে হবে না। স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে খাওয়া বন্ধ করে বাকি রোজা পূর্ণ করতে হবে। হাদিসের দলিল হযরত আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন — "যে ব্যক্তি ভুলবিস্তারিত পড়ুন
না, ভুলে পানি খেলে রোজা ভাঙে না। রোজা রাখার কথা ভুলে গিয়ে পানি বা খাবার খেয়ে ফেললে রোজা সম্পূর্ণ বহাল থাকে, কোনো কাজা বা কাফফারা দিতে হবে না। স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে খাওয়া বন্ধ করে বাকি রোজা পূর্ণ করতে হবে।
হাদিসের দলিল
হযরত আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন — “যে ব্যক্তি ভুলে আহার করল বা পান করল, সে যেন তার রোজা পূর্ণ করে। কারণ আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১/২০২)
আরেকটি হাদিসে এসেছে — “যে রমজান মাসে ভুলে পানাহার করল, তার ওপর কোনো কাজা নেই, কোনো কাফফারাও নেই।” (ইবনে হিব্বান, হাদিস: ০৮/২৮৮)
পরিস্থিতি অনুযায়ী বিস্তারিত বিধান
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে ভুলটি অনেকে করেন
ভুলে পানাহার করার পর যদি কেউ মনে করে তার রোজা ভেঙে গেছে এবং এরপর আবার কিছু খায় বা পান করে — তাহলে তার রোজা ভেঙে যাবে এবং পরবর্তীকালে এই রোজাটি কাজা করতে হবে। তাই এই ভুলটি থেকে সাবধান থাকুন।
অন্যকে রোজাদারকে ভুলে খেতে দেখলে কী করবেন?
রোজা পালনকারীকে কিছু খেতে দেখলে তাকে স্মরণ করিয়ে দিতে হবে। এটি একজন মুসলিমের দায়িত্ব।
সংক্ষেপে মনে রাখার নিয়ম
ভুলে খেয়ে ফেললে → মনে হওয়ামাত্র থামুন → রোজা চালিয়ে যান → কোনো চিন্তা নেই।
সংক্ষেপে দেখুনমনে হওয়ার পরও খেলে → কাজা দিতে হবে।
ইচ্ছে করে খেলে → কাজা + কাফফারা দুটোই দিতে হবে।
ভালোবাসা কোনো বাধা মানে না কেনো?
"ভালোবাসা কোনো বাধা মানে না"—এই কথাটির পেছনে আসলে গভীর কিছু মনস্তাত্ত্বিক কারণ আছে। "আচ্ছা, কখনো কি ভেবে দেখেছেন—যেখানে মানুষ সামান্য বিপদে পড়লে পিছিয়ে আসে, সেখানে ভালোবাসার টানে মানুষ কেন দুনিয়ার সব নিয়ম ভাঙতে রাজি হয়ে যায়? কেন রক্তচক্ষু আর সামাজিক বাধাগুলো ভালোবাসার কাছে হার মেনে যায়? চলুন আজ মানুবিস্তারিত পড়ুন
“ভালোবাসা কোনো বাধা মানে না”—এই কথাটির পেছনে আসলে গভীর কিছু মনস্তাত্ত্বিক কারণ আছে।
ভালোবাসা কোনো বাধা মানে না কেন?
১. আবেগ যখন যুক্তির চেয়ে শক্তিশালী হয়:
আমাদের মস্তিষ্ক সাধারণত যুক্তি দিয়ে কাজ করে, কিন্তু আমরা যখন কারো প্রেমে পড়ি বা কাউকে ভালোবাসছি, তখন মস্তিষ্কের ‘ইমোশনাল সেন্টার’ বা আবেগীয় অংশটি অনেক বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। তখন মানুষ “লাভ-ক্ষতি” বা “সমাজ কী বলবে” এসব যুক্তির চেয়ে নিজের অনুভূতিকে বেশি প্রাধান্য দেয়।
২. হরমোনের খেলা:
ভালোবাসলে মানুষের শরীরে ‘ডোপামিন’ এবং ‘অক্সিটোসিন’ নামের কিছু হরমোন নিঃসরণ হয়, যা মানুষকে এক ধরণের সুখ বা নেশার মতো অনুভূতি দেয়। এই অনুভূতির কারণে মানুষ এতটাই সাহসী হয়ে ওঠে যে, যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি বা সামাজিক বাধাকে সে তুচ্ছ মনে করতে শুরু করে।
৩. বিদ্রোহী সত্তা (Psychological Reactance):
মানুষের মনস্তত্ত্ব হলো—তাকে যা করতে নিষেধ করা হয়, সে সেটি করার জন্য আরও বেশি আগ্রহী হয়ে ওঠে। যখন সমাজ বা পরিবার ভালোবাসার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তখন সেই ভালোবাসা অর্জনের জেদ আরও বেড়ে যায়। বাধা তখন দেয়াল না হয়ে বরং জেদ হিসেবে কাজ করে।
৪. গভীর বিশ্বাস ও নির্ভরতা:
ভালোবাসার মানুষের ওপর যখন অগাধ বিশ্বাস তৈরি হয়, তখন মানুষ মনে করে—”দুনিয়া একদিকে আর আমরা দুজন একদিকে থাকলে সব জয় করা সম্ভব।” এই মানসিক শক্তিই তাকে সব ধরণের বাধা ডিঙানোর সাহস দেয়।
ভালোবাসা কোনো বাধা মানে না কারণ এটি মানুষের মনের এমন এক আদিম এবং শক্তিশালী অনুভূতি, যা ভয় বা সামাজিক নিয়মের চেয়েও অনেক বড়। যখন মনের টান যুক্তির চেয়ে বড় হয়ে যায়, তখনই মানুষ সব বাধা উপেক্ষা করে সামনে এগিয়ে যায়।
আরেকটি সহজ উদাহরণ দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করছি।
ভালোবাসার শক্তির একটি উদাহরণ
কল্পনা করুন গ্রামের সাধারণ এক ছেলে আর মধ্যবিত্ত পরিবারের এক মেয়ের কথা। তাদের পরিবার, সমাজ আর আর্থিক অবস্থার মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। চারপাশ থেকে সবাই বলছে, “এই সম্পর্ক টিকবে না,” “তোমরা সুখে হবে না।”
কিন্তু তারা যখন একে অপরের হাত ধরে, তখন তারা কোনো বাধা দেখে না। কেন জানেন? কারণ, তাদের কাছে সেই মুহূর্তের ‘মানসিক শান্তি’ বাকি দুনিয়ার সব যুক্তির চেয়ে বড়। সমাজ দেখে তাদের ‘অযোগ্যতা’, কিন্তু তারা একে অপরের মধ্যে খুঁজে পায় ‘পূর্ণতা’।
বিজ্ঞান বলে, যখন আমরা কাউকে গভীরভাবে ভালোবাসি, তখন আমাদের মস্তিষ্ক অন্য সব ভয়কে ছোট করে দেখায়। ঠিক যেমন একজন মা তার সন্তানকে বাঁচাতে নিজের জীবনের তোয়াক্কা না করে আগুনের ভেতর ঝাঁপিয়ে পড়তে পারেন। সেখানে কোনো যুক্তি কাজ করে না, কাজ করে কেবল টান। ভালোবাসা যখন জেদ আর ত্যাগে রূপ নেয়, তখন পাহাড়সম বাধাও বালির বাঁধের মতো ভেঙে যায়।
সংক্ষেপে দেখুনমহাকাশের প্রথম মুসলিম নভোচারী কে?
মহাকাশের প্রথম মুসলিম নভোচারী হলেন প্রিন্স সুলতান বিন সালমান আল সৌদ (Prince Sultan bin Salman Al Saud)। তিনি একজন সৌদি আরবের রাজপুত্র এবং বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৮৫ সালের ১৭ই জুন এসটিএস-৫১-জি (STS-51-G) স্পেস শাটল মিশনে একজন পেলোড বিশেষজ্ঞ হিসেবে মহাকাশে যান।
মহাকাশের প্রথম মুসলিম নভোচারী হলেন প্রিন্স সুলতান বিন সালমান আল সৌদ (Prince Sultan bin Salman Al Saud)।
তিনি একজন সৌদি আরবের রাজপুত্র এবং বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা ছিলেন।
তিনি ১৯৮৫ সালের ১৭ই জুন এসটিএস-৫১-জি (STS-51-G) স্পেস শাটল মিশনে একজন পেলোড বিশেষজ্ঞ হিসেবে মহাকাশে যান।
সংক্ষেপে দেখুনNID server copy download free pdf 2025 tricks
নিচে জাতীয় পরিচয়পত্র বা NID সার্ভার কপি (অনলাইন কপি) সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং নিরাপদে পিডিএফ (PDF) আকারে ডাউনলোড করার উপায় ধাপে ধাপে সহজ ভাষায় বর্ণনা করা হলো। অনেকে মনে করেন সার্ভার কপি পেতে হলে টাকা লাগে বা দোকানে যেতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে আপনি নিজেই আপনার এনআইবিস্তারিত পড়ুন
নিচে জাতীয় পরিচয়পত্র বা NID সার্ভার কপি (অনলাইন কপি) সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং নিরাপদে পিডিএফ (PDF) আকারে ডাউনলোড করার উপায় ধাপে ধাপে সহজ ভাষায় বর্ণনা করা হলো।
অনেকে মনে করেন সার্ভার কপি পেতে হলে টাকা লাগে বা দোকানে যেতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে আপনি নিজেই আপনার এনআইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্রের অনলাইন কপি বিনামূল্যে সংগ্রহ করতে পারেন।
NID সার্ভার কপি বা অনলাইন কপি কী?
সহজ কথায়, নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেসে আপনার যে তথ্য ও ছবি সংরক্ষিত আছে, তার ডিজিটাল রূপই হলো সার্ভার কপি। এটি দেখতে অবিকল অরিজিনাল এনআইডি কার্ডের মতো। ব্যাংক একাউন্ট খোলা, সিম রেজিস্ট্রেশন বা পাসপোর্টের জন্য এটি ব্যবহার করা যায়।
বিনামূল্যে NID কপি ডাউনলোড করার নিয়ম (ধাপে ধাপে)
নিচে নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোডের পদ্ধতি দেওয়া হলো। আপনার হাতে শুধু একটি স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই চলবে।
ধাপ ১: ওয়েবসাইটে প্রবেশ ও রেজিস্ট্রেশন
১. প্রথমে আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে ব্রাউজার ওপেন করুন।
২. ভিজিট করুন: services.nidw.gov.bd
৩. ওয়েবসাইটের হোমপেজে “রেজিস্টার করুন” বা “Register” বাটনে ক্লিক করুন।
ধাপ ২: তথ্য পূরণ
১. একটি ফর্ম আসবে। সেখানে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর অথবা ফর্ম নম্বর (নতুন ভোটার হলে) লিখুন।
২. আপনার জন্ম তারিখ (দিন, মাস, বছর) সঠিকভাবে দিন।
৩. ছবিতে দেখানো ক্যাপচা কোডটি (অক্ষর বা সংখ্যা) পাশের বক্সে লিখুন এবং ‘সাবমিট’ করুন।
ধাপ ৩: ঠিকানা যাচাই
১. এখন আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা নির্বাচন করতে হবে।
২. ড্রপডাউন মেনু থেকে আপনার বিভাগ, জেলা ও উপজেলা সিলেক্ট করুন (এনআইডি করার সময় যা দিয়েছিলেন)।
৩. ‘পরবর্তী’ বাটনে ক্লিক করুন।
ধাপ ৪: মোবাইল ভেরিফিকেশন
১. আপনার এনআইডি ডাটাবেসে দেওয়া মোবাইল নম্বরটি স্ক্রিনে দেখাবে।
২. যদি নম্বরটি আপনার কাছে থাকে তবে “বার্তা পাঠান” এ ক্লিক করুন।
৩. যদি নম্বরটি হারিয়ে গিয়ে থাকে, তবে “মোবাইল পরিবর্তন” অপশন ব্যবহার করে নতুন নম্বর দিতে পারেন।
৪. আপনার মোবাইলে ৬ সংখ্যার একটি কোড (OTP) যাবে। সেটি ওয়েবসাইটে বসিয়ে ‘বহাল’ বাটনে ক্লিক করুন।
ধাপ ৫: ফেস ভেরিফিকেশন (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ)
এই ধাপটি নিরাপত্তার জন্য খুব জরুরি। এর জন্য আপনার স্মার্টফোনে একটি অ্যাপ লাগবে।
১. গুগল প্লে স্টোর থেকে “NID Wallet” নামক অ্যাপটি ইন্সটল করে নিন।
২. ওয়েবসাইটে একটি QR Code দেখাবে।
৩. NID Wallet অ্যাপটি ওপেন করে সেই QR Code টি স্ক্যান করুন।
৪. এরপর ফোনের ক্যামেরা চালু হবে। নিজের মুখের ছবি স্ক্যান করুন:
* প্রথমে সোজাসুজি তাকান।
* একবার মাথা বাম দিকে ঘোরান।
* একবার মাথা ডান দিকে ঘোরান।
৫. ফেস ভেরিফিকেশন সফল হলে ওয়েবসাইটে অটোমেটিক পরবর্তী পেজ চলে আসবে।
ধাপ ৬: পাসওয়ার্ড সেট ও ডাউনলোড
১. ভেরিফিকেশন শেষে আপনি চাইলে একটি পাসওয়ার্ড সেট করতে পারেন (ভবিষ্যতে সহজে লগইন করার জন্য) অথবা ‘এড়িয়ে যান’ বাটনে ক্লিক করতে পারেন।
২. এখন আপনি আপনার প্রোফাইল দেখতে পাবেন।
৩. নিচের দিকে “Download” (ডাউনলোড) নামক একটি বাটন দেখবেন।
৪. সেখানে ক্লিক করলেই আপনার এনআইডি কার্ডের পিডিএফ (PDF) কপি বিনামূল্যে ডাউনলোড হয়ে যাবে।
⚠️ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
ইন্টারনেটে বা ফেসবুকে অনেক চটকদার বিজ্ঞাপন দেখবেন যারা টাকার বিনিময়ে বা “এক ক্লিকে” সার্ভার কপি দেওয়ার দাবি করে। এদের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন:
ব্যক্তিগত তথ্য চুরি: অননুমোদিত ওয়েবসাইটে নিজের এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ দিলে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হতে পারে।
Telegram Bot পরিহার করুন: টেলিগ্রামের মাধ্যমে অনেকে সার্ভার কপি বের করে দেয়, এটি অফিশিয়াল পদ্ধতি নয় এবং অনেক ক্ষেত্রে অনিরাপদ।
সর্বদা অফিশিয়াল সাইট ব্যবহার করুন: একমাত্র
nidw.gov.bdবাservices.nidw.gov.bdহলো নিরাপদ ও সরকারি মাধ্যম।সাধারণ কিছু প্রশ্নের উত্তর
প্রশ্ন: আমার এনআইডি নম্বর নেই, শুধু স্লিপ আছে। আমি কি পারব?
উত্তর: হ্যাঁ, রেজিস্ট্রেশনের সময় ‘জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর’-এর জায়গায় ফর্ম নম্বর (স্লিপ নম্বর) ব্যবহার করে একইভাবে ডাউনলোড করতে পারবেন। তবে ফর্ম নম্বরের আগে NIDFN লেখা লাগতে পারে যদি সরাসরি কাজ না করে।
প্রশ্ন: ফেস ভেরিফিকেশন ফেইল করলে কী করব?
উত্তর: পর্যাপ্ত আলোতে দাঁড়িয়ে আবার চেষ্টা করুন। চশমা থাকলে খুলে ফেলুন। যদি বারবার সমস্যা হয়, তবে ব্রাউজারের ক্যাশ ক্লিয়ার করে আবার চেষ্টা করুন।
এই পদ্ধতির মাধ্যমে আপনি কোনো টাকা খরচ না করেই নিজের জাতীয় পরিচয়পত্রের অনলাইন কপি বা সার্ভার কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।
আপনার কি NID Wallet অ্যাপটি ব্যবহার করতে কোনো সমস্যা হচ্ছে বা নির্দিষ্ট কোনো এরর কোড দেখালে কমেন্টে জানান।
সংক্ষেপে দেখুনফ্রান্সের রাফাল, রাশিয়ার SU-57,চীনের J-20,16,10 ও বিশ্বের অন্যান্য যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে পার্থক্য কি?
যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে পার্থক্য বোঝার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেগুলোকে প্রজন্ম (Generation) অনুযায়ী ভাগ করে নেওয়া। একটি বিমানের প্রজন্ম যত উন্নত হয়, তার প্রযুক্তি, রাডার এবং শত্রুর কাছে অদৃশ্য থাকার ক্ষমতা তত বেশি হয়। এই প্রধান যুদ্ধবিমানগুলোর পার্থক্য নিচে সহজ ভাষায় তুলে ধরা হলো: যুদ্ধবিমানগুলোর মূল পারবিস্তারিত পড়ুন
যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে পার্থক্য বোঝার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেগুলোকে প্রজন্ম (Generation) অনুযায়ী ভাগ করে নেওয়া। একটি বিমানের প্রজন্ম যত উন্নত হয়, তার প্রযুক্তি, রাডার এবং শত্রুর কাছে অদৃশ্য থাকার ক্ষমতা তত বেশি হয়।
এই প্রধান যুদ্ধবিমানগুলোর পার্থক্য নিচে সহজ ভাষায় তুলে ধরা হলো:
যুদ্ধবিমানগুলোর মূল পার্থক্য: প্রজন্মের ভিত্তিতে
আধুনিক যুদ্ধবিমানগুলোকে সাধারণত ৪.৫ প্রজন্ম এবং ৫ প্রজন্ম, এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
১. ৪.৫ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান (Rafale, J-16, J-10)
এই প্রজন্মের বিমানগুলো শক্তিশালী, বহুমুখী এবং এদের রাডার প্রযুক্তি অত্যন্ত উন্নত। এরা সরাসরি ৫ প্রজন্মের বিমানের মতো পুরোপুরি অদৃশ্য না হলেও, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ পরিচালনায় দারুণ দক্ষ।
২. ৫ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান (SU-57, J-20)
৫ প্রজন্মের বিমানগুলো হলো ভবিষ্যতের যুদ্ধাস্ত্র। এদের প্রধান ও সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো ‘অদৃশ্যতা’ বা স্টেপথ (Stealth) প্রযুক্তি।
অন্যান্য বিখ্যাত যুদ্ধবিমানগুলোর সাথে মূল পার্থক্য
বিশ্বের অন্যান্য বিখ্যাত বিমানগুলো (যেমন আমেরিকান F-22 Raptor, F-35 Lightning II, বা ইউরোপীয় Eurofighter Typhoon) এই প্রজন্মগুলোর মধ্যে পড়ে:
সংক্ষেপে প্রধান পার্থক্যগুলো
সুতরাং, যখন আপনি একটি বিমানকে অন্যটির চেয়ে আলাদা করবেন, তখন তার অদৃশ্য থাকার ক্ষমতা এবং এর মধ্যে থাকা সেন্সর ও কম্পিউটার সিস্টেমের দিকে নজর দিতে হবে।
সংক্ষেপে দেখুনইসরায়েলের নেতানিয়াহুকে কেন ক্রাইম মিনিষ্টার বলা হয়?
নিচে নেতানিয়াহুকে কেন "ক্রাইম মিনিষ্টার" বলা হয়, তা দুটি প্রধান কারণে সরল করে দেওয়া হলো: ১. 🚨 আন্তর্জাতিক আদালতের চোখে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ (গাজার ঘটনা) বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় এবং সাম্প্রতিক অভিযোগটি এসেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC) থেকে। অভিযোগ কী? আদালত মনে করছে, ইসরায়েল প্রবিস্তারিত পড়ুন
নিচে নেতানিয়াহুকে কেন “ক্রাইম মিনিষ্টার” বলা হয়, তা দুটি প্রধান কারণে সরল করে দেওয়া হলো:
১. 🚨 আন্তর্জাতিক আদালতের চোখে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ (গাজার ঘটনা)
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় এবং সাম্প্রতিক অভিযোগটি এসেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC) থেকে।
অভিযোগ কী? আদালত মনে করছে, ইসরায়েল প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু গাজায় যুদ্ধ চলার সময় কিছু গুরুতর অপরাধ করেছেন। এটিকে সহজভাবে যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ বলা হচ্ছে।
মূল অপরাধ: নেতানিয়াহু ইচ্ছা করে গাজার সাধারণ মানুষকে তাদের বেঁচে থাকার জন্য অত্যাবশ্যকীয় জিনিসপত্র (খাবার, পানীয় জল, ওষুধ, বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি) থেকে বঞ্চিত করেছেন।
ফল কী? আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, একটি দেশের সাধারণ মানুষকে এভাবে না খাইয়ে বা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বন্ধ করে দেওয়া একটি মারাত্মক অপরাধ। এই অপরাধের জন্য ICC তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।
সহজ কথায়: তিনি যুদ্ধ চলাকালীন গাজার বেসামরিক মানুষকে ইচ্ছাকৃতভাবে কষ্ট দিয়েছেন এবং না খাইয়ে মেরেছেন—আন্তর্জাতিক আদালত এই অভিযোগ এনে তাকে অপরাধী হিসেবে দেখছে।
২. 💰 ইসরায়েলের ভেতরে দুর্নীতির মামলা
নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তার নিজের দেশ ইসরায়েলেও বেশ কয়েকটি দুর্নীতির মামলা চলছে।
প্রধান অভিযোগ:
ঘুষ নেওয়া: অভিযোগ আছে যে, তিনি বিভিন্ন ধনী ব্যবসায়ী এবং মিডিয়া মোগলদের (বড় সংবাদমাধ্যমের মালিক) কাছ থেকে বেআইনিভাবে উপহার ও অর্থের সুবিধা নিয়েছেন।
ক্ষমতার অপব্যবহার: এই সুবিধাগুলোর বিনিময়ে তিনি তাদের বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন বা তাদের নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষা করেছেন।
মিডিয়াতে সুবিধা: তিনি একটি বড় সংবাদমাধ্যমকে সরকারি সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে সেই মিডিয়াতে তার পক্ষে ইতিবাচক খবর প্রকাশ করার জন্য চাপ দিয়েছেন।
সহজ কথায়: প্রধানমন্ত্রী হয়েও তিনি অনেক ধনী লোকের কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছেন এবং নিজের প্রভাব খাটিয়ে তাদের অবৈধ সুযোগ করে দিয়েছেন, যা ইসরায়েলের আইনে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।
এই দুটি বড় কারণেই—একটি আন্তর্জাতিক (যুদ্ধাপরাধ) এবং অন্যটি অভ্যন্তরীণ (দুর্নীতি)—নেতানিয়াহুকে তার সমালোচকরা এবং অনেকে উপহাস করে “ক্রাইম মিনিষ্টার” বা “অপরাধী মন্ত্রী” বলে থাকে।
সংক্ষেপে দেখুনমটর লায়াবিলিটি ইন্সুরেন্স পলিসি কি?
মোটর লায়াবিলিটি ইন্সুরেন্স পলিসি হলো একটি বীমা পলিসি যা যানবাহন চালকদেরকে তৃতীয় পক্ষের ক্ষতির জন্য দায়ী থাকার ক্ষেত্রে আর্থিক রক্ষা প্রদান করে। এই পলিসি সাধারণত তিনটি প্রধান ধরনের কভারেজ অন্তর্ভুক্ত করে: 1. তৃতীয় পক্ষের ক্ষতি (Third-Party Liability): যদি যানবাহন চালক কোনো তৃতীয় পক্ষের (যেমন, অন্বিস্তারিত পড়ুন
মোটর লায়াবিলিটি ইন্সুরেন্স পলিসি হলো একটি বীমা পলিসি যা যানবাহন চালকদেরকে তৃতীয় পক্ষের ক্ষতির জন্য দায়ী থাকার ক্ষেত্রে আর্থিক রক্ষা প্রদান করে। এই পলিসি সাধারণত তিনটি প্রধান ধরনের কভারেজ অন্তর্ভুক্ত করে:
1. তৃতীয় পক্ষের ক্ষতি (Third-Party Liability): যদি যানবাহন চালক কোনো তৃতীয় পক্ষের (যেমন, অন্য যানবাহন চালক, পথচারী, বা সম্পত্তি) ক্ষতি করে, তাহলে এই পলিসি তৃতীয় পক্ষের চিকিৎসা খরচ, ক্ষতিপূরণ, বা অন্যান্য আর্থিক দাবি মেটাতে সাহায্য করে।
2. তৃতীয় পক্ষের মৃত্যু (Third-Party Death): যদি যানবাহন চালকের কারণে কোনো তৃতীয় পক্ষের মৃত্যু হয়, তাহলে এই পলিসি মৃত্যুভাতা, চিকিৎসা খরচ, বা অন্যান্য আর্থিক দাবি মেটাতে সাহায্য করে।
3. তৃতীয় পক্ষের সম্পত্তি ক্ষতি (Third-Party Property Damage): যদি যানবাহন চালকের কারণে কোনো তৃতীয় পক্ষের সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে এই পলিসি ক্ষতিপূরণ বা অন্যান্য আর্থিক দাবি মেটাতে সাহায্য করে।
মোটর লায়াবিলিটি ইন্সুরেন্স পলিসি সাধারণত বাধ্যতামূলক, অর্থাৎ যানবাহন চালকদেরকে আইন দ্বারা এই পলিসি নিতে হয়। এটি যানবাহন চালকদেরকে আর্থিকভাবে রক্ষা করে এবং তৃতীয় পক্ষের ক্ষতির জন্য দায়ী থাকার ঝুঁকি হ্রাস করে।
সংক্ষেপে দেখুনইউটিউব গোল্ডেন প্লে বাটন পেতে কত ভিউ ও সাবস্ক্রাইবার লাগে?
ইউটিউব গোল্ডেন প্লে বাটন (YouTube Golden Play Button) পাওয়ার জন্য আপনার চ্যানেলে ১০ লক্ষ (বা ১ মিলিয়ন) সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে। এটা মনে রাখা জরুরি যে, ইউটিউবের এই প্লে বাটন পুরস্কারগুলো মূলত সাবস্ক্রাইবার সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়, ভিউ এর সংখ্যার ওপর নয়। অবশ্যই, শুধু সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা পূরণবিস্তারিত পড়ুন
ইউটিউব গোল্ডেন প্লে বাটন (YouTube Golden Play Button) পাওয়ার জন্য আপনার চ্যানেলে ১০ লক্ষ (বা ১ মিলিয়ন) সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে।
এটা মনে রাখা জরুরি যে, ইউটিউবের এই প্লে বাটন পুরস্কারগুলো মূলত সাবস্ক্রাইবার সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়, ভিউ এর সংখ্যার ওপর নয়।
অবশ্যই, শুধু সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা পূরণ করলেই হবে না, প্লে বাটন পাওয়ার জন্য আপনার চ্যানেলকে ইউটিউবের কমিউনিটি গাইডলাইন এবং অন্যান্য নিয়মকানুনও (যেমন – কোনো কপিরাইট স্ট্রাইক না থাকা ইত্যাদি) মেনে চলতে হবে।
সংক্ষেপে দেখুনকোন দেশটি হাতিকে পবিত্র পশু বলে মনে করে?
হাতিকে পবিত্র পশু বলে মনে করে এমন দেশ আসলে একাধিক আছে, তবে এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো ২টি দেশ। ১. ভারত (India) 🐘🇮🇳 ভারতে হিন্দু ধর্মে হাতির মর্যাদা অনেক উপরে। কারণ: হাতির মাথাওয়ালা দেবতা গণেশ (Lord Ganesha) হিন্দুদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং পূজনীয় দেবতাদের একজন। গণেশকে সাধারণত সমসবিস্তারিত পড়ুন
হাতিকে পবিত্র পশু বলে মনে করে এমন দেশ আসলে একাধিক আছে, তবে এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো ২টি দেশ।
১. ভারত (India) 🐘🇮🇳
ভারতে হিন্দু ধর্মে হাতির মর্যাদা অনেক উপরে।
২. থাইল্যান্ড (Thailand) 🇹🇭
থাইল্যান্ডেও হাতিকে, বিশেষ করে সাদা হাতিকে (White Elephant), অত্যন্ত পবিত্র এবং রাজকীয় প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।
সুতরাং, মূল উত্তর হলো: ভারত এবং থাইল্যান্ড এই দুটি দেশেই হাতিকে পবিত্র পশু হিসেবে গণ্য করা হয়, যার পেছনে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব রয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনপোশাক শ্রমিকদের খাদ্য সংকট কেন হচ্ছে?
পোশাক শ্রমিকদের খাদ্য সংকটের দায় কোনো একক পক্ষের নয়, বরং এটি একটি সিস্টেমিক বা পদ্ধতিগত সমস্যার ফল। এর দায়ভার মালিক, সরকার এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতা এই তিন প্রধান পক্ষের ওপরই বর্তায়। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে হলে এই তিন পক্ষকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব নিতে হবে। ১. মালিকপক্ষকে 'জীবনধারণের উপযবিস্তারিত পড়ুন
পোশাক শ্রমিকদের খাদ্য সংকটের দায় কোনো একক পক্ষের নয়, বরং এটি একটি সিস্টেমিক বা পদ্ধতিগত সমস্যার ফল।
এর দায়ভার মালিক, সরকার এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতা এই তিন প্রধান পক্ষের ওপরই বর্তায়। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে হলে এই তিন পক্ষকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব নিতে হবে।
১. মালিকপক্ষকে ‘জীবনধারণের উপযোগী মজুরি’ প্রদানের মানসিকতা রাখতে হবে।
২. সরকারকে বাস্তবসম্মত মজুরি নির্ধারণ, তা বাস্তবায়ন এবং বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
৩. আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোকে নৈতিকভাবে ব্যবসা করতে হবে এবং পোশাকের ন্যায্য মূল্য (যা শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধিকে সমর্থন করে) নিশ্চিত করতে হবে।
আর নিরপেক্ষ অডিট হওয়া দরকার প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে।
সংক্ষেপে দেখুনমিঃ ম্যাংগো চকোলেট থাকলেও মিসেস কিংবা মিস ম্যাংগো চকোলেট নেই কেন?
'মিস্টার ম্যাঙ্গো' নামটি মূলত একটি ব্র্যান্ডিং কৌশল। এখানে 'মিস্টার' শব্দটি কোনো পুরুষকে বোঝানোর জন্য ব্যবহার করা হয়নি, বরং এটি চকোলেটটিকে একটি মজাদার এবং আকর্ষণীয় চরিত্র দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। এটি অনেকটা 'ড্যানিশ' বা 'স্কচ' নামের মতো, যেখানে কোনো দেশ বা জায়গার নাম ব্যবহার করা হয় পণ্যটবিস্তারিত পড়ুন
‘মিস্টার ম্যাঙ্গো’ নামটি মূলত একটি ব্র্যান্ডিং কৌশল। এখানে ‘মিস্টার’ শব্দটি কোনো পুরুষকে বোঝানোর জন্য ব্যবহার করা হয়নি, বরং এটি চকোলেটটিকে একটি মজাদার এবং আকর্ষণীয় চরিত্র দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। এটি অনেকটা ‘ড্যানিশ’ বা ‘স্কচ’ নামের মতো, যেখানে কোনো দেশ বা জায়গার নাম ব্যবহার করা হয় পণ্যটিকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করার জন্য।
সুতরাং, এই চকোলেটটির নাম ‘মিস্টার ম্যাঙ্গো’ রাখার পেছনে প্রধান কারণগুলো হলো:
তাই, ‘মিসেস’ বা ‘মিস’ ম্যাঙ্গো চকোলেট নেই, কারণ ‘মিস্টার’ শব্দটি এখানে কোনো লিঙ্গ বোঝানোর জন্য ব্যবহার করা হয়নি, বরং এটি ব্র্যান্ডের একটি অংশ মাত্র।
সংক্ষেপে দেখুনদুই মহাসাগরের দেশ কোনটি?
দুটি মহাসাগরের দেশ হিসেবে সাধারণত কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঞ্চল কে বোঝানো হয়। কানাডার উপকূলরেখা পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগর, পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগর এবং উত্তরে উত্তর মহাসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। অন্যদিকে, আলাস্কা প্রশান্ত মহাসাগর এবং উত্তর মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
দুটি মহাসাগরের দেশ হিসেবে সাধারণত কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঞ্চল কে বোঝানো হয়। কানাডার উপকূলরেখা পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগর, পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগর এবং উত্তরে উত্তর মহাসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। অন্যদিকে, আলাস্কা প্রশান্ত মহাসাগর এবং উত্তর মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
সংক্ষেপে দেখুনকোন দেশের অধিবাসীগণ শিস দিয়ে কথাবার্তার কাজ চালায়?
তুরস্কের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু গ্রামে, বিশেষ করে কুসকয় (Kuskoy) গ্রামের অধিবাসীরা শিস দিয়ে কথা বলে। এই ভাষা "কুস ডিলি" নামে পরিচিত, যার অর্থ "পাখির ভাষা"। এই গ্রামের লোকেরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করার জন্য শিস ব্যবহার করে, অনেকটা পাখির ডাকের মত।
তুরস্কের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু গ্রামে, বিশেষ করে কুসকয় (Kuskoy) গ্রামের অধিবাসীরা শিস দিয়ে কথা বলে। এই ভাষা “কুস ডিলি” নামে পরিচিত, যার অর্থ “পাখির ভাষা”। এই গ্রামের লোকেরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করার জন্য শিস ব্যবহার করে, অনেকটা পাখির ডাকের মত।
সংক্ষেপে দেখুনআমার দুটি বাচ্চা যারা মাইল স্টোন স্কুলের ক্লাস ফোর এবং ক্লাস সেভেনে পড়ে। ছেলেটা ঐ স্থানে বসে ছিল দু মিনিট আগেও। দু মিনিট আগে সে তার মার সাথে কোল্ড ড্রিংকস খেতে উঠে যায় ক্যান্টিনের দিকে। ক্যান্টিনে পৌছাতে না পৌছাতে বিমানটি আছড়ে পড়ে আমার ছেলের ক্লাসরুম বরাবর। আল্লাহর অশেষ রহমতে ছেলেটি বেঁচে ফিরলেও তার অধিকাংশ বন্ধুরা মারা গেছে এবং অগ্নিদগ্ধ। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে চাওয়া আল্লাহ যেন আহত বাচ্চাগুলোকে জীবন ভিক্ষা দিয়ে মা বাবার কাছে ফেরত দেন । আর যারা মারা গেছে তাদের বাবা মা ও পরিবারের অন্যান্যদের শোক সওয়ার তাওফিক দান করেন। হে আল্লাহ আপনি মহান রাব্বুল আলামিন। আপনি আমাদের উপর রহম করেন। আপনি আমাদের সকলকে ক্ষমা করে দিন।
আমিন 🤲
আমিন 🤲
সংক্ষেপে দেখুনফযরের আজানে আছ-ছালাতু খায়রুম মিনান নাউম কিভাবে যুক্ত হয়?
হাদীস অনুযায়ী, একবার হযরত বেলাল (রাঃ) ফজরের নামাজের আজান দিতে এসে দেখলেন যে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তখনো ঘুমিয়ে আছেন। তখন তিনি উচ্চস্বরে বললেন, "আছ-ছালাতু খায়রুম মিনান নাউম"। এই কথাটি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) অনুমোদন করেন। এরপর থেকে ফজরের আজানে এই বাক্যটি যোগ করা সুন্নাত হিসেবে প্রচলিত হয়ে যায়। সুতরাং, এটিবিস্তারিত পড়ুন
হাদীস অনুযায়ী, একবার হযরত বেলাল (রাঃ) ফজরের নামাজের আজান দিতে এসে দেখলেন যে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তখনো ঘুমিয়ে আছেন। তখন তিনি উচ্চস্বরে বললেন, “আছ-ছালাতু খায়রুম মিনান নাউম”। এই কথাটি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) অনুমোদন করেন। এরপর থেকে ফজরের আজানে এই বাক্যটি যোগ করা সুন্নাত হিসেবে প্রচলিত হয়ে যায়।
সুতরাং, এটি আযান প্রবর্তনের শুরু থেকেই ছিল না, বরং পরবর্তীতে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর অনুমোদনক্রমে ফজরের আজানের একটি বিশেষ অংশ হিসেবে যুক্ত হয়েছে। এই বাক্যটি মানুষকে ফজরের সময় ঘুম থেকে উঠে নামাজে আসার জন্য উৎসাহিত করে।
সংক্ষেপে দেখুনচার পা বিশিষ্ট কোন প্রাণী তার নিজের চারটি পা ই দেখতে সক্ষম?
চার-পা বিশিষ্ট প্রাণীদের মধ্যে একমাত্র গাধা (donkey) তার নিজেই চারটি পা একসঙ্গে দেখতে পারে, কারণ তার চোখের অবস্থান এমনভাবে যে সামনের পা আর পিছনের পা—উভয়ই তার দৃষ্টিসীমার মধ্যে পড়ে।
চার-পা বিশিষ্ট প্রাণীদের মধ্যে একমাত্র গাধা (donkey) তার নিজেই চারটি পা একসঙ্গে দেখতে পারে, কারণ তার চোখের অবস্থান এমনভাবে যে সামনের পা আর পিছনের পা—উভয়ই তার দৃষ্টিসীমার মধ্যে পড়ে।
সংক্ষেপে দেখুন