সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
ফেসবুক কি বাংলাদেশে ক্ষতিকর কন্টেন্ট বন্ধ করতে ব্যর্থ? Amnesty-র সতর্কবার্তাটি কি ছিল?
হ্যাঁ, বাংলাদেশে ফেসবুকে ক্ষতিকর কন্টেন্ট মডারেশনে Meta গুরুতরভাবে ব্যর্থ হচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা Amnesty International সতর্ক করেছে। ১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে Amnesty International সতর্ক করেছে যে Meta যদি তার Facebook প্ল্যাটফর্মে ক্ষতিকর অনলাইন কন্টেন্টের বিরুদ্ধে সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থবিস্তারিত পড়ুন
হ্যাঁ, বাংলাদেশে ফেসবুকে ক্ষতিকর কন্টেন্ট মডারেশনে Meta গুরুতরভাবে ব্যর্থ হচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা Amnesty International সতর্ক করেছে।
১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে Amnesty International সতর্ক করেছে যে Meta যদি তার Facebook প্ল্যাটফর্মে ক্ষতিকর অনলাইন কন্টেন্টের বিরুদ্ধে সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে বাংলাদেশ আরও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের মুখে পড়তে পারে।
ঘটনার পটভূমি – কী হয়েছিল?
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর সংসদ নির্বাচনের আগে Amnesty International ও অন্যান্য সংস্থা লক্ষ্য করে যে ফেসবুকে ক্ষতিকর কন্টেন্টের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। এর মধ্যে রাজনৈতিক দল ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক কন্টেন্ট ছিল। এই কন্টেন্টের বেশিরভাগই এসেছিল বাংলাদেশের বাইরে থেকে, মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী মূলত ভারত থেকে।
ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোতে হামলা – সরাসরি যোগসূত্র
২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর সোশ্যাল মিডিয়ায় The Daily Star ও Prothom Alo-কে “ভারতীয় এজেন্ট” হিসেবে চিহ্নিত করে ধ্বংস করার আহ্বান জানানো হয়। এরপর দলবদ্ধ লোকজন এই দুটি পত্রিকার অফিসে হামলা চালায়। তদন্তে অনলাইন কন্টেন্ট ও এই সহিংসতার মধ্যে সরাসরি যোগসূত্র পাওয়া যায়। বাংলাদেশ সরকার এই পোস্টগুলো সরাতে Meta-কে সতর্ক করলেও Meta দেরিতে ব্যবস্থা নেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
Meta-র অ্যালগরিদম কীভাবে ক্ষতিকর কন্টেন্ট ছড়াচ্ছে?
যে কন্টেন্ট বেশি সাড়া ফেলে — বিতর্কিত বা উসকানিমূলক — Facebook-এর recommendation system সেই কন্টেন্টই বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়। এভাবে ক্ষতিকর কিন্তু আইনত বৈধ কন্টেন্টও মানবাধিকারের জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। সহজভাবে বললে, Facebook যত বেশি মানুষ ব্যবহার করবে, বিজ্ঞাপন থেকে Meta-র তত বেশি আয় হবে। তাই রাগ, ভয় বা ঘৃণা জাগানো কন্টেন্ট বেশি ছড়ালে Meta-র ব্যবসায়িক সুবিধা হয়।
Amnesty International কী দাবি করেছে?
Amnesty International-এর Big Tech Accountability বিভাগের প্রধান Alia Al Ghussain বলেছেন — “বাংলাদেশ এখনো মানবাধিকার সংকটে পড়েনি, কিন্তু সতর্কতার চিহ্নগুলো স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। সীমান্ত পেরিয়ে আসা ক্ষতিকর কন্টেন্ট, রাজনৈতিক উত্তেজনা, সাম্প্রদায়িক বক্তব্য এবং অ্যালগরিদমিক বিস্তার মিলে এমন একটি বিস্ফোরক পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে যা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকারকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।”
Amnesty International Meta-র কাছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে টার্গেট করা ক্ষতিকর কন্টেন্ট সংক্রান্ত রিপোর্ট, গৃহীত ব্যবস্থা, বাংলা ভাষায় কন্টেন্ট মডারেশনে কর্মীর সংখ্যা এবং নির্বাচনের আগে জরুরি প্রতিকারমূলক ব্যবস্থার তথ্য চেয়েছিল। কিন্তু Meta নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দেয়নি।
মিয়ানমারের রোহিঙ্গা গণহত্যার সাথে মিল
২০১৭ সালে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে Facebook-কে ব্যবহার করে যে ঘৃণামূলক বক্তব্য ছড়ানো হয়েছিল, তা গণহত্যায় পরিণত হয়েছিল। বছরের পর বছর সতর্কবার্তা সত্ত্বেও Meta শুধু ক্ষতিকর কন্টেন্ট সরাতেই ব্যর্থ হয়নি — বরং সক্রিয়ভাবে সেটি ছড়িয়ে দিয়েছিল। Amnesty International মনে করছে, বাংলাদেশ এখন এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে যেখানে Meta-র সময়মতো পদক্ষেপ পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে পারে।
Meta কী করতে পারে — বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ
Amnesty International Meta-কে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে “break the glass” নামে পরিচিত জরুরি সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা চালু করার দাবি জানিয়েছে। -এর পাশাপাশি বাংলা ভাষায় দক্ষ কন্টেন্ট মডারেটরের সংখ্যা বাড়ানো, ক্রস-বর্ডার ক্ষতিকর কন্টেন্ট শনাক্ত করার ব্যবস্থা জোরদার করা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে টার্গেট করা কন্টেন্টের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়াও দাবি করা হয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনকোন হাড় আমাদের শরীরে নেই?
মানুষের শরীরে Baculum (বাকুলাম), অর্থাৎ লিঙ্গের হাড়, নেই। এই হাড়টি অনেক স্তন্যপায়ী প্রাণীতে থাকে, কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে অনুপস্থিত।
মানুষের শরীরে Baculum (বাকুলাম), অর্থাৎ লিঙ্গের হাড়, নেই। এই হাড়টি অনেক স্তন্যপায়ী প্রাণীতে থাকে, কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে অনুপস্থিত।
সংক্ষেপে দেখুনকখন এবং কেন স্ক্যাভেঞ্জার হান্ট গেম উদ্ভাবিত হয়েছিল?
সাধারণত স্ক্যাভেঞ্জার হান্টের আইডিয়া প্রাচীন লোকবৈঠক ও উৎসবীয় খেলাধুলা থেকে উদ্ভূত। কিছু সূত্র এটি গ্রিক যুগের খেলা বলেও থাকে। আধুনিক পার্টি‑গেম হিসেবে এটি জনপ্রিয় করে তোলেন আমেরিকান সোশ্যালাইট ও হোস্টেস এলসা ম্যাক্সওেল (Elsa Maxwell)। তিনি ১৯২০–৩০ এর দশকে নিউইর্ক ও প্যারিসে ব্যাপকভাবে এই খেলার আয়োবিস্তারিত পড়ুন
সাধারণত স্ক্যাভেঞ্জার হান্টের আইডিয়া প্রাচীন লোকবৈঠক ও উৎসবীয় খেলাধুলা থেকে উদ্ভূত। কিছু সূত্র এটি গ্রিক যুগের খেলা বলেও থাকে। আধুনিক পার্টি‑গেম হিসেবে এটি জনপ্রিয় করে তোলেন আমেরিকান সোশ্যালাইট ও হোস্টেস এলসা ম্যাক্সওেল (Elsa Maxwell)। তিনি ১৯২০–৩০ এর দশকে নিউইর্ক ও প্যারিসে ব্যাপকভাবে এই খেলার আয়োজন করে লোকচক্ষে এনেছিলেন। মোট কথা: মূল ভিত্তি প্রাচীন, কিন্তু আজকের মানে ও জনপ্রিয়তা পাওয়ায় বড় ভূমিকা রেখেছেন এলসা ম্যাক্সওেল।
সংক্ষেপে দেখুনলেবাননের জাতীয় পতাকায় কোন গাছ আছে?
লেবাননের জাতীয় পতাকায় থাকা গাছটি হলো লেবানন সিডার (Cedrus libani)।
লেবাননের জাতীয় পতাকায় থাকা গাছটি হলো লেবানন সিডার (Cedrus libani)।
সংক্ষেপে দেখুনWD-40 কে আবিষ্কার করেন?
WD‑40-এর সূত্র 1953 সালে মার্কিন সংস্থা Rocket Chemical Company‑র জন্য উদ্ভাবন করা হয়। কারিগরিভাবে কৃতিত্ব নিয়ে দ্বিধা আছে: অনেক সূত্র Norman B. Larsen‑কে বলেন, কিন্তু ইতিহাসবিদরা Iver Norman Lawson‑কে মূল সূত্র উদ্ভাবক হিসেবে দেখান। তাই সাধারণত Norman B. Larsen বা Iver Norman Lawson—দুইজনকেই সংশ্লিবিস্তারিত পড়ুন
WD‑40-এর সূত্র 1953 সালে মার্কিন সংস্থা Rocket Chemical Company‑র জন্য উদ্ভাবন করা হয়। কারিগরিভাবে কৃতিত্ব নিয়ে দ্বিধা আছে: অনেক সূত্র Norman B. Larsen‑কে বলেন, কিন্তু ইতিহাসবিদরা Iver Norman Lawson‑কে মূল সূত্র উদ্ভাবক হিসেবে দেখান। তাই সাধারণত Norman B. Larsen বা Iver Norman Lawson—দুইজনকেই সংশ্লিষ্ট হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
সংক্ষেপে দেখুনদ্য শ্যাম্পুয়িং সার্জন নামে কে বিখ্যাত ছিলেন?
"শ্যাম্পুয়িং সার্জন" কে ছিলেন? যিনি "শ্যাম্পুয়িং সার্জন" নামে পরিচিত ছিলেন, তিনি হলেন শেখ দীন মুহাম্মদ। তিনি ছিলেন একজন অসাধারণ বাঙালি উদ্যোগী মানুষ। কেন তিনি এই নামে পরিচিত ছিলেন? তিনি এই নামে পরিচিত হয়েছিলেন কারণ: শ্যাম্পুর প্রচলন: শেখ দীন মুহাম্মদই প্রথম ইউরোপে, বিশেষ করে ইংল্যান্ডে, আমাদের ভাবিস্তারিত পড়ুন
“শ্যাম্পুয়িং সার্জন” কে ছিলেন?
যিনি “শ্যাম্পুয়িং সার্জন” নামে পরিচিত ছিলেন, তিনি হলেন শেখ দীন মুহাম্মদ। তিনি ছিলেন একজন অসাধারণ বাঙালি উদ্যোগী মানুষ।
কেন তিনি এই নামে পরিচিত ছিলেন?
তিনি এই নামে পরিচিত হয়েছিলেন কারণ:
এক কথায়, শেখ দীন মুহাম্মদ ছিলেন একজন দূরদর্শী বাঙালি, যিনি শুধু ব্যবসার জন্যই নয়, ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসার একটা দিককে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরেছিলেন। তাই তিনি “শ্যাম্পুয়িং সার্জন” হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
পাঠাও (Pathao) বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কতটা নিরাপদ?
দূরের যাত্রার জন্য পাঠাও কি নিরাপদ? দূরের যাত্রায় পাঠাও কি কাজে লাগে? সাধারণত, ছোট বা মাঝারিপথের জন্য পাঠাও বেশ ভালো। তবে যখন আপনি অনেক দূরে যাবেন, তখন কিছু জিনিস খেয়াল রাখা দরকার। পাঠাও-এর কিছু সুবিধা আছে যা দূরের যাত্রায়ও কাজে দেবে: অ্যাকসিডেন্টের ক্ষতিপূরণ: ধরেন, যদি অ্যাকসিডেন্ট হয়, তাহলে চিকিৎসবিস্তারিত পড়ুন
দূরের যাত্রার জন্য পাঠাও কি নিরাপদ?
দূরের যাত্রায় পাঠাও কি কাজে লাগে?
সাধারণত, ছোট বা মাঝারিপথের জন্য পাঠাও বেশ ভালো। তবে যখন আপনি অনেক দূরে যাবেন, তখন কিছু জিনিস খেয়াল রাখা দরকার।
পাঠাও-এর কিছু সুবিধা আছে যা দূরের যাত্রায়ও কাজে দেবে:
দূরের যাত্রার জন্য কিছু জরুরি টিপস:
যাইহোক, দূরের যাত্রার জন্য পাঠাও ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে একটু বেশি সতর্ক থাকতে হবে। যদি ‘পাঠাও কার রেন্টাল’ আপনার জন্য সুবিধাজনক হয়, তাহলে সেটাই ভালো হবে। আর সবচেয়ে জরুরি হলো, সবসময় অ্যাপের মাধ্যমে রাইড বুক করবেন এবং নিজের নিরাপত্তার জন্য সব সুবিধা (যেমন লাইভ লোকেশন শেয়ার) ব্যবহার করবেন।
ইয়ারওয়ার্মস কি? এটি কেন হয়? এর থেকে মুক্তির উপায় কি?
মনে গান বাজছে তো? এটা স্বাভাবিক ঘটনা আপনার মনে সারাক্ষণ কোনো গান বাজতে থাকে? হয়তো সুরটি বারবার ফিরে আসে, কিংবা গানের একটি অংশই ঘুরছে মাথার ভেতরে? এই অনুভূতিটি অস্বাভাবিক নয়, বরং দারুণ পরিচিত একটি ঘটনা। চিকিৎসা পরিভাষায় একে বলা হয় ইনভলান্টারি মিউজিক্যাল ইমেজারি (Involuntary Musical Imagery - INMI)। তবিস্তারিত পড়ুন
মনে গান বাজছে তো? এটা স্বাভাবিক ঘটনা
আপনার মনে সারাক্ষণ কোনো গান বাজতে থাকে? হয়তো সুরটি বারবার ফিরে আসে, কিংবা গানের একটি অংশই ঘুরছে মাথার ভেতরে? এই অনুভূতিটি অস্বাভাবিক নয়, বরং দারুণ পরিচিত একটি ঘটনা। চিকিৎসা পরিভাষায় একে বলা হয় ইনভলান্টারি মিউজিক্যাল ইমেজারি (Involuntary Musical Imagery – INMI)। তবে সহজভাবে একে আমরা ইয়ারওয়ার্মস (Earworms) বলি।
কেন এমন হয়?
ঠিক কেন আমাদের মনে এই গানের সুরগুলো আটকে যায়, তার কয়েকটি কারণ আছে:
এটা কি শুধু আমারই হয়?
না, একদমই না। আপনার মনে গান বাজার এই অভিজ্ঞতাটি পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষেরই হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ সপ্তাহে অন্তত একবার এই ধরনের ইয়ারওয়ার্মসের অভিজ্ঞতা পান। কারও কারও ক্ষেত্রে তো প্রতিদিনই এমনটা হতে পারে। তাই আপনার এই অনুভূতিটি বেশ সাধারণ।
বিরক্ত লাগছে? কী করবেন?
ইয়ারওয়ার্মস সাধারণত ক্ষতিকর নয়, তবে মাঝে মাঝে বিরক্তিকর হতে পারে। যদি মুক্তি পেতে চান, কিছু সহজ উপায় আছে:
আপনার কি কোনো নির্দিষ্ট ধরনের গান মনে বেশি বাজে?
প্যাঁচার সবথেকে বিশাল বড় প্রজাতি কোনটি?
সবচেয়ে বড় প্রজাতির প্যাঁচা প্যাঁচার মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রজাতি হলো ব্লাকিস্তনের মাছখেকো প্যাঁচা (Blakiston's Fish Owl)। এটি বিশ্বের বৃহত্তম প্যাঁচা হিসেবে পরিচিত। এই প্রজাতির প্যাঁচার ওজন প্রায় ৪.৫ থেকে ৪.৬ কিলোগ্রাম পর্যন্ত হতে পারে এবং ডানার বিস্তার প্রায় ১৭৮ থেকে ১৯০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়। Bবিস্তারিত পড়ুন
সবচেয়ে বড় প্রজাতির প্যাঁচা
প্যাঁচার মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রজাতি হলো ব্লাকিস্তনের মাছখেকো প্যাঁচা (Blakiston’s Fish Owl)। এটি বিশ্বের বৃহত্তম প্যাঁচা হিসেবে পরিচিত। এই প্রজাতির প্যাঁচার ওজন প্রায় ৪.৫ থেকে ৪.৬ কিলোগ্রাম পর্যন্ত হতে পারে এবং ডানার বিস্তার প্রায় ১৭৮ থেকে ১৯০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়।
ব্লাকিস্তনের মাছখেকো প্যাঁচা প্রধানত রাশিয়ার পূর্বাঞ্চল, জাপান এবং চীনের কিছু অংশে পাওয়া যায়। এরা প্রধানত মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণী শিকার করে।
সংক্ষেপে দেখুনজল এবং চায়ের পর পৃথিবীতে তৃতীয় জনপ্রিয় পানীয় কোনটি?
এই প্রশ্নের উত্তর কিছুটা বিতর্কিত। অনেকেই মনেকরেন জল এবং চায়ের পরে তৃতীয়-সর্বাধিক জনপ্রিয় পানীয় হলো বিয়ার (উইকিপিডিয়া)। আবার বিভিন্ন সোর্স থেকে তৃতীয় সর্বাধিক জনপ্রিয় পানীয় হিসেবে কফি কে মনে করা হয়। চলুন দুটো ধারণাকে ব্যবচ্ছেদ করা যাক! বিয়ার বিয়ার হল বিশ্বের সর্বাধিক ব্যয়িত অ্যালকোহলযুক্ত পবিস্তারিত পড়ুন
এই প্রশ্নের উত্তর কিছুটা বিতর্কিত। অনেকেই মনেকরেন জল এবং চায়ের পরে তৃতীয়-সর্বাধিক জনপ্রিয় পানীয় হলো বিয়ার (উইকিপিডিয়া)। আবার বিভিন্ন সোর্স থেকে তৃতীয় সর্বাধিক জনপ্রিয় পানীয় হিসেবে কফি কে মনে করা হয়। চলুন দুটো ধারণাকে ব্যবচ্ছেদ করা যাক!
বিয়ার
বিয়ার হল বিশ্বের সর্বাধিক ব্যয়িত অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় এবং জল এবং চায়ের পরে এটি তৃতীয়-সর্বাধিক জনপ্রিয় পানীয়।
বিয়ার হলো একটি জনপ্রিয় অ্যালকোহলযুক্ত পানীয়, যা মূলত গম, যব, ভুট্টা বা চালের মতো শস্য থেকে তৈরি হয়। এটি বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন পানীয়, যার উৎপত্তি প্রায় ৫,০০০ বছর আগে মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে। বিয়ারের মূল উপাদান হলো শস্য, পানি, ইস্ট এবং হপস। এটি স্বাদে হালকা তিক্ত এবং কার্বনেটেড ফোমের জন্য পরিচিত। বিয়ার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, যেমন লেগার, এলে, স্টাউট ইত্যাদি। সামাজিক মিলনমেলায় বা বিনোদনের মুহূর্তে বিয়ার আজকাল খুবই জনপ্রিয়। তবে এটি পরিমিত পরিমাণে পান করাই স্বাস্থ্য এবং সামাজিক দিক থেকে উপযোগী।
বিয়ার কি মদ বা বিয়ার কি হারাম
বিয়ার হারাম কি না এটি মূলত ধর্মীয় বিশ্বাস ও পানীয়টির উপাদানের উপর নির্ভর করে। ইসলাম ধর্মে যে কোনো ধরনের মাদকদ্রব্য বা অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় হারাম হিসেবে গণ্য করা হয়, কারণ এগুলো মানুষের বিচারক্ষমতা ও নৈতিকতা দুর্বল করে।
বিয়ারের বেশিরভাগ প্রকারে অ্যালকোহল থাকে, যা মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত। তাই, অ্যালকোহলযুক্ত বিয়ার ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী হারাম। তবে বর্তমানে বাজারে নন-অ্যালকোহলিক বিয়ার ও পাওয়া যায়, যেগুলোতে অ্যালকোহলের উপস্থিতি নেই বা নগণ্য (০.৫% এর নিচে)। এ ধরনের বিয়ারের ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। কেউ কেউ এটিকে বৈধ মনে করেন, তবে ইসলামি পণ্ডিতদের মধ্যে এ নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে।
সুতরাং, যদি এটি সম্পূর্ণ অ্যালকোহলমুক্ত না হয়, তবে অধিকাংশ ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে এটি হারাম বলে বিবেচিত হবে। আপনার ধর্মীয় বিশ্বাস ও পণ্ডিতদের পরামর্শ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া উত্তম।
কফি
জল এবং চায়ের পর পৃথিবীতে তৃতীয় জনপ্রিয় পানীয় হলো কফি।
কফি তার স্বাদ, গন্ধ এবং ক্যাফেইনের উদ্দীপক গুণাবলীর জন্য বিশ্বজুড়ে অগণিত মানুষের প্রিয়। প্রতি দিন প্রায় ২ বিলিয়ন কাপ কফি পান করা হয়! এর উৎপত্তি ইথিওপিয়ায়, তবে এটি এখন পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি কোণে জনপ্রিয়।
বিশেষত সকালে ক্লান্তি দূর করতে বা কাজের মাঝে উদ্যম বাড়াতে কফি অপ্রতিদ্বন্দ্বী। ক্যাপুচিনো, এসপ্রেসো, লাট্টে, কিংবা আমেরিকানোর মতো নানা বৈচিত্র্য কফিকে আরও জনপ্রিয় করেছে। এটি শুধু একটি পানীয় নয়, বরং অনেকের কাছে এটি একটি জীবনযাত্রার অংশ।
সংক্ষেপে দেখুনআমাদের সংখ্যা তত্ত্বে শূন্যের গুরুত্ব কতটা আমরা সেটি সবাই জানি, কিন্তু জানেন কি এই শূন্য আবিষ্কার করেছিলেন কে?
সংখ্যা তত্ত্বে শূন্যের গুরুত্ব অপরিসীম। এটি শুধু গণিতের ক্ষেত্রেই নয়, বিজ্ঞানের নানান শাখায়ও অপরিহার্য। কিন্তু আপনি জানেন কি, এই শূন্য আবিষ্কার করেছিলেন কে? শূন্য কে আবিষ্কার করেন শূন্যের ধারণা প্রথম বিকশিত হয়েছিল ভারতবর্ষে। ষষ্ঠ বা সপ্তম শতাব্দীতে মহান ভারতীয় গণিতবিদ এবং জ্যোতির্বিদ ব্রহ্মগুপ্ত শূনবিস্তারিত পড়ুন
সংখ্যা তত্ত্বে শূন্যের গুরুত্ব অপরিসীম। এটি শুধু গণিতের ক্ষেত্রেই নয়, বিজ্ঞানের নানান শাখায়ও অপরিহার্য। কিন্তু আপনি জানেন কি, এই শূন্য আবিষ্কার করেছিলেন কে?
শূন্য কে আবিষ্কার করেন
শূন্যের ধারণা প্রথম বিকশিত হয়েছিল ভারতবর্ষে। ষষ্ঠ বা সপ্তম শতাব্দীতে মহান ভারতীয় গণিতবিদ এবং জ্যোতির্বিদ ব্রহ্মগুপ্ত শূন্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ব্যবহারের ধারণা দেন। তিনি তার বিখ্যাত গ্রন্থ ব্রহ্মস্ফুটসিদ্ধান্ত তে শূন্যকে একটি সংখ্যারূপে ব্যবহার করেন এবং এর উপর ভিত্তি করে গণিতের নিয়মাবলী প্রণয়ন করেন।
এর আগেও বিভিন্ন সভ্যতায় শূন্যের আংশিক ধারণা দেখা গেলেও (যেমন: ব্যাবিলনীয় এবং মায়া সভ্যতায় শূন্য চিহ্নের ব্যবহার), ব্রহ্মগুপ্ত প্রথমবার শূন্যের গণিতগত এবং ব্যবহারিক দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। এই শূন্য ছাড়া বর্তমান আধুনিক গণিত এবং প্রযুক্তি অচল হয়ে পড়ত।
তাহলে, আপনি যখন শূন্য নিয়ে ভাবছেন, মনে রাখবেন, এটি শুধুমাত্র একটি সংখ্যা নয়; এটি ভারতের প্রাচীন বিজ্ঞান ও জ্ঞানচর্চার এক অনন্য উপহার।
সংক্ষেপে দেখুনআমি প্রবাসী হতে চাইলে কী কী বিষয় অবশ্যই জানা উচিত?
বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য "আমি প্রবাসী" প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করে আপনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেবা গ্রহণ করতে পারেন। নিচে প্রতিটি সেবার বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হলো: আমি প্রবাসী PDO আবেদন বিদেশে যাওয়ার আগে প্রি-ডিপার্চার ওরিয়েন্টেশন (PDO) প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক। "আমি প্রবাসী" অ্যাপ বা ওয়েবসাবিস্তারিত পড়ুন
বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য “আমি প্রবাসী” প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করে আপনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেবা গ্রহণ করতে পারেন। নিচে প্রতিটি সেবার বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হলো:
আমি প্রবাসী PDO আবেদন
বিদেশে যাওয়ার আগে প্রি-ডিপার্চার ওরিয়েন্টেশন (PDO) প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক। “আমি প্রবাসী” অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে PDO সেশনের জন্য আবেদন করতে পারেন। অ্যাপে লগইন করে “Pre-Departure Orientation” অপশনে গিয়ে সেশন বুক করুন। সেশন সম্পন্ন করার পর আপনি একটি সার্টিফিকেট পাবেন।
আমি প্রবাসী বিএমইটি কার্ড ডাউনলোড
বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন কার্ড ডাউনলোড করতে “আমি প্রবাসী” ওয়েবসাইটে যান। মেন্যু থেকে “Clearance Card” সিলেক্ট করে আপনার পাসপোর্ট নম্বর ও ক্যাপচা কোড দিয়ে সার্চ করুন। এরপর বিএমইটি কার্ডের পিডিএফ ডাউনলোড করতে পারবেন।
আমি প্রবাসী সার্টিফিকেট চেক
PDO সেশন সম্পন্ন করার পর সার্টিফিকেট চেক করতে “আমি প্রবাসী” ওয়েবসাইটে যান। মেন্যু থেকে “PDO” > “Download Certificate” সিলেক্ট করে পাসপোর্ট নম্বর ও ক্যাপচা দিয়ে সার্চ করুন। সার্টিফিকেটের স্ট্যাটাস দেখতে পারবেন।
আমি প্রবাসী ট্রেনিং আবেদন
বিএমইটি বা ব্র্যাক পরিচালিত বিভিন্ন ট্রেনিং কোর্সে আবেদন করতে “আমি প্রবাসী” অ্যাপ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন। অ্যাপে লগইন করে “Training Courses” অপশনে গিয়ে পছন্দের কোর্সে আবেদন করতে পারেন।
আমি প্রবাসী সার্টিফিকেট ডাউনলোড
PDO সেশন বা অন্যান্য ট্রেনিং সম্পন্ন করার পর সার্টিফিকেট ডাউনলোড করতে “আমি প্রবাসী” অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে লগইন করুন। “Pre-Departure Orientation” বা “Training Certificate” অপশনে গিয়ে নির্দিষ্ট সার্টিফিকেট ডাউনলোড করুন।
আমি প্রবাসী বিএমইটি চেক
বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন বা ক্লিয়ারেন্স স্ট্যাটাস চেক করতে “আমি প্রবাসী” ওয়েবসাইটে যান। মেন্যু থেকে “Clearance Card” সিলেক্ট করে পাসপোর্ট নম্বর ও ক্যাপচা দিয়ে সার্চ করুন। এখানে আপনার রেজিস্ট্রেশন ও ক্লিয়ারেন্স স্ট্যাটাস দেখতে পারবেন।
“আমি প্রবাসী” অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে পারেন। অ্যাপটি ব্যবহার করে ঘরে বসেই বিদেশ গমনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।
সংক্ষেপে দেখুনbkash reference number কেন দিতে হয় সেন্ড মানি বা বিকাশ পেমেন্ট করার সময়?
Bkash এ সেন্ড মানি করলে bkash Reference এ যেকোন ১ বা ২ সংখ্যা দিলে হবে। আবার Ok, Yes, Success অথবা যেকোনো একটি শব্দ দিতে পারেন । মনে রাখবেন সেখানে কোনো স্পেস দিবেন না । কিছু ক্ষেত্রে bkash reference এ যাকে টাকা পাঠাচ্ছেন সে যদি কিছু লিখে দিতে বলে আপনাকে ভেরিফাই করার জন্য তাহলে সেটা লিখে দিতে হবে।
Bkash এ সেন্ড মানি করলে bkash Reference এ যেকোন ১ বা ২ সংখ্যা দিলে হবে। আবার Ok, Yes, Success অথবা যেকোনো একটি শব্দ দিতে পারেন । মনে রাখবেন সেখানে কোনো স্পেস দিবেন না ।
কিছু ক্ষেত্রে bkash reference এ যাকে টাকা পাঠাচ্ছেন সে যদি কিছু লিখে দিতে বলে আপনাকে ভেরিফাই করার জন্য তাহলে সেটা লিখে দিতে হবে।
সংক্ষেপে দেখুনswims শব্দটি উপর-নীচ বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে একই রকম দেখায় …… ইংরেজিতে এই পদ্ধতিকে কি বলা হয় ?
শব্দটিকে ক্যাপিটাল লেটারে লেখা হলে একই দেখাবে, কিন্তু আপনি স্মল লেটারে লিখেছেন যেটা উল্টো করে দেখলে sw!ms এরকম দেখাবে।
শব্দটিকে ক্যাপিটাল লেটারে লেখা হলে একই দেখাবে, কিন্তু আপনি স্মল লেটারে লিখেছেন যেটা উল্টো করে দেখলে sw!ms এরকম দেখাবে।
সংক্ষেপে দেখুনকাবা শরীফের কিছু অতুলনীয় ছবি দেখাবেন কি?
আমার চোখে কাবা শরীফের সব ছবি ই তুলনাহীন। এরপরও কিছু ছবি দিলাম যেন সবার চোখ জুড়িয়ে যায়। ছবিগুলো ডাউনলোড করে রাখতে পারেন। ধন্যবাদ!
আমার চোখে কাবা শরীফের সব ছবি ই তুলনাহীন। এরপরও কিছু ছবি দিলাম যেন সবার চোখ জুড়িয়ে যায়। ছবিগুলো ডাউনলোড করে রাখতে পারেন।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনইসরায়েলি ডাকটিকিটে কিসের আঠা ব্যাবহার করে এবং কেন?
ইসরায়েল বিশ্বের একমাত্র দেশ যে তার ডাকটিকিটের জন্য খাঁটি আঠা ব্যবহার করে! যা বিশ্বের অন্য কোন দেশেই করা হয়না।
ইসরায়েল বিশ্বের একমাত্র দেশ যে তার ডাকটিকিটের জন্য খাঁটি আঠা ব্যবহার করে! যা বিশ্বের অন্য কোন দেশেই করা হয়না।
সংক্ষেপে দেখুনটাইটানিক মুভি সম্পর্কে কিছু আকর্ষণীয় তথ্য জনাবেন কি?
৬টা আকর্ষণীয় তথ্য দিতে পারি! ১. মুভিটি তৈরির সময় নামকরণ করা হয়েছিলো "প্লানেট আইস"। ২. লিওনার্দো'র আগে নায়কের জন্য টম ক্রুজ, ব্রাড পিট কে নেয়ার কথা ভাবা হয়েছিলো। ৩. রোজ অর্থাৎ নায়িকা চরিত্রের জন্য ম্যাডোনা কে নেয়ার কথা ভাবা হয়েছিলো। ৪. গ্লোরিয়া স্টুয়ার্ট ছিলেন টাইটানিকে অভিনয় করা এমন শিল্পী যিনি সতবিস্তারিত পড়ুন
৬টা আকর্ষণীয় তথ্য দিতে পারি!
১. মুভিটি তৈরির সময় নামকরণ করা হয়েছিলো “প্লানেট আইস”।
২. লিওনার্দো’র আগে নায়কের জন্য টম ক্রুজ, ব্রাড পিট কে নেয়ার কথা ভাবা হয়েছিলো।
৩. রোজ অর্থাৎ নায়িকা চরিত্রের জন্য ম্যাডোনা কে নেয়ার কথা ভাবা হয়েছিলো।
৪. গ্লোরিয়া স্টুয়ার্ট ছিলেন টাইটানিকে অভিনয় করা এমন শিল্পী যিনি সত্যিকার টাইটানিক থেকে ১৯১২ সালে বেঁচে ফিরেছিলেন।
৫. শুটিং সেটের পানি এতটাই ঠান্ডা রাখা হয়েছিলো যে কেট উইন্সলেটের হাইপোথার্মিয়া হয়ে গিয়েছিল।
৬. সত্যিকারের টাইটানিক রাত ০২:২০ এ ডুবে গেছে এবং মুভিতে, যখন জাহাজটি ডুবছিল, একটি ঘড়িতে ০২.১৫ দেখাচ্ছিল।
সংক্ষেপে দেখুনরেইকি ( Reiki ) কি? এটি কেন করা হয়?
রেইকি ( Reiki ) একধরণের চিকিৎসা পদ্ধতি। একে স্পর্শ চিকিৎসা (touch healing) বলা যেতে পারে। Engery healing ও বলা যেতে পারে। রেইকি চিকিৎসক রা বলেন, আমাদের শরীরে বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন এনার্জি পয়েন্ট রয়েছে এবং নানাবিধ অসুখ, বিসুখের ক্ষেত্রে, তাঁরা তাঁদের হাতের স্পর্শ দ্বারা এনার্জি ট্রান্সফার করে, অসুবিস্তারিত পড়ুন
রেইকি ( Reiki ) একধরণের চিকিৎসা পদ্ধতি। একে স্পর্শ চিকিৎসা (touch healing) বলা যেতে পারে। Engery healing ও বলা যেতে পারে।
রেইকি চিকিৎসক রা বলেন, আমাদের শরীরে বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন এনার্জি পয়েন্ট রয়েছে এবং নানাবিধ অসুখ, বিসুখের ক্ষেত্রে, তাঁরা তাঁদের হাতের স্পর্শ দ্বারা এনার্জি ট্রান্সফার করে, অসুস্থ ব্যক্তির দেহের বিভিন্ন স্থানে এনার্জি সঞ্চার করে, সারিয়ে তোলেন।
নানাবিধ রোগ, ডিপ্রেসন, এসবের ক্ষেত্রে রেইকি চিকিৎসা করতে দেখা যায়।
বেশ কয়েকটি সেশন করা হয়, প্রতিটি সেশনে ত্রিশ মিনিট থেকে এক ঘন্টা, দেড় ঘন্টা এরকম সময় নেয়া হয়।
তবে, রোগ দূরীকরণে এই চিকিৎসা পদ্ধতি কতটুকু কার্যকরী, সেটা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
এই চিকিৎসা পদ্ধতি আমাদের দেশে ও বিদেশেও দেখা যায়।
যেহেতু রেইকি নিয়ে প্রশ্নটি করা হয়েছে, প্রসঙ্গত: রেকি ( Recce ) বলে আমরা একটি শব্দ মাঝে মাঝে শুনি। যেমন সংবাদে শোনা যায়, ডাকাতি করার আগে, ডাকাতরা রেকি করে গিয়েছিল। এই রেকি র অর্থ হচ্ছে কোনো বিশেষ কাজ করার আগে, সেই জায়গার সুবিধা,অসুবিধা, এসব পর্যবেক্ষণ করা। এবং শুধু ডাকাতির ক্ষেত্রে নয়, অন্য ক্ষেত্রেও রেকির প্রয়োগ দেখা যায়। যেমন, তাঁরা ওই পাহাড়ে যোগ শিবির করার আগে জায়গাটা রেকি করে গিয়েছিলেন।
সংক্ষেপে দেখুন২০২০, ২০২১, ২০২২ এই তিন বছরে বাংলাদেশের জনসংখ্যা পার্থক্য কত?
জনসংখ্যাবিদের মতে, দেশে মোট জনসংখ্যার সঙ্গে প্রতিবছর ২৪ থেকে ২৫ লাখ মানুষ যুক্ত হয় [caption id="" align="alignnone" width="600"] বাংলাদেশের জনসংখ্যা[/caption] ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর প্রাথমিক ফলাফল ২৭ জুলাই ২০২২ তারিখে ঘোষণা করা হয়। ফলাফল অনুসারে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজারবিস্তারিত পড়ুন
জনসংখ্যাবিদের মতে, দেশে মোট জনসংখ্যার সঙ্গে প্রতিবছর ২৪ থেকে ২৫ লাখ মানুষ যুক্ত হয়
বাংলাদেশের জনসংখ্যা
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর প্রাথমিক ফলাফল ২৭ জুলাই ২০২২ তারিখে ঘোষণা করা হয়। ফলাফল অনুসারে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। এর মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ৮ কোটি ১৭ লাখ ১২ হাজার ৮২৪ জন, নারীর সংখ্যা ৮ কোটি ৩৩ লাখ ৪৭ হাজার ২০৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী ১২ হাজার ৬২৯ জন।
সূত্রঃ প্রথম আলো এবং উইকিপিডিয়া
সংক্ষেপে দেখুননোনতা বিস্কুটে ছোট ছোট ছিদ্র কেন থাকে?
বিস্কুটের মাঝে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে, যাতে বেকিং প্রসেস এর সময়, প্রয়োজনের অতিরিক্ত তাপে বিস্কুট ফুলে না যায়, নষ্ট না হয়ে যায়। এই ছিদ্রগুলিকে docking holes বলা হয়। বিস্কুট তৈরীর আগেই, মেশিনের সাহায্যে বিস্কুটের গায়ে এই ছিদ্রগুলো করা হয়। এবং, লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, এই ছিদ্রগুলো প্রায় একই রকমের এবিস্তারিত পড়ুন
বিস্কুটের মাঝে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে, যাতে বেকিং প্রসেস এর সময়, প্রয়োজনের অতিরিক্ত তাপে বিস্কুট ফুলে না যায়, নষ্ট না হয়ে যায়।
এই ছিদ্রগুলিকে docking holes বলা হয়। বিস্কুট তৈরীর আগেই, মেশিনের সাহায্যে বিস্কুটের গায়ে এই ছিদ্রগুলো করা হয়।
এবং, লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, এই ছিদ্রগুলো প্রায় একই রকমের এবং সমান দূরত্ব বজায় রাখে। এমনিতে দেখলে মনে হয় যেন এটা একটা ডিজাইন, দেখতে ভালো লাগে।
কিন্তু, আসল কারণটি হচ্ছে, বিস্কুট তৈরীর সময় অতিরিক্ত তাপের জন্য, বিস্কুট ফুলে উঠতে পারে, বিস্কুটের শেইপ নষ্ট হয়ে যেতে পারে, বিস্কুটের গায়ে কুচকানো ভাব আসতে পারে, বিস্কুটের মুচমুচে ভাব নষ্ট হয়ে যেতে পারে, এক একটা বিস্কুট দেখতে এক এক রকম হতে পারে, বিস্কুট পুড়ে যেতে পারে।
তো এসব যাতে না হয়, সেজন্য পুরো বিস্কুটটা থেকে অতিরিক্ত তাপ বেরিয়ে যাওয়ার জন্য সমানভাবে বিস্কুটের গায়ে ছিদ্র করা হয়। যার ফলে, বিস্কুটের ছোট, ছোট, ছিদ্রগুলো সমান দূরত্বে থাকে যাতে পুরো বিস্কুট থেকে সমানভাবেই অতিরিক্ত তাপ বেরিয়ে যেতে পারে।
(প্রসঙ্গত: এই উওরের কৃতিত্ব মোটেও আমার নয়। কারণ, এটা আমি কখনোই জানতে চাই নি, আমার ধারনা ছিলো হয়তো দেখতে সুন্দর লাগে, এইজন্য বিস্কুট কোম্পানি থেকে এরকম করা হয়। কিন্তু, একটা ঘটনাক্রমে এটা জানতে পারি।
আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে একটা বিস্কুট কোম্পানিকে ফাইন্যান্স করা হয়েছিলো। তো, একদিন ওই কোম্পানির ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিট ইন্সপেকশন করতে গেছি।
ইন্সপেকশন শেষ করে যখন চলে আসবো, তখন ওখানকার ইউনিট ম্যানেজার তাঁর বাড়ীতে এক কাপ চায়ের জন্য অনুরোধ করলেন। ইউনিট এর কাছাকাছিই থাকেন তিনি। তাঁর বাড়ীতে গিয়ে বসে যখন চা খেয়ে দুজনে কথা বলছি, তখন দেখলাম, তাঁর তিন চার বছরের ছেলে, একটা বিস্কুটের ছিদ্রের মাঝখান দিয়ে সুতো ঢুকিয়ে, দু’দিক থেকে সুতোকে টেনে ধরে, বিস্কুটটাকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে। এটা দেখে আমি বলেছিলাম, এই ছিদ্রগুলো বিস্কুটে থাকাতে ভালো, বাচ্চারা খেলতে পারে।
তখন ইউনিট ম্যানেজার আমাকে বললেন, in fact, these holes are reasoned. এটাকে docking holes বলে, তারপর এই ছিদ্রের ব্যপারটা আমাকে এক্সপ্লেইন করলেন।
তখনই জানতে পারলাম কেন বিস্কুটের গায়ে ওরকম সমান সাইজের, সমান দূরত্বে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে।)
ধন্যবাদ।
সূত্রঃ ইন্টারনেট
সংক্ষেপে দেখুন