সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
primary scholarship result 2026 kothay dekhte pari? PDF Download korbo kivabe?
আপনি যদি খুব সহজে primary scholarship result 2026 দেখতে চান, তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অফিসিয়াল পোর্টাল ব্যবহার করাই সবচেয়ে সুবিধাজনক মাধ্যম। অনলাইনে কিভাবে primary scholarship result 2026 যাচাই করবেন, তার পূর্ণাঙ্গ নিয়ম নিচে উল্লেখ করা হলো। অনলাইনে দেখার মাধ্যম যেকোনো ওয়েব ব্রাউজার খুলে primবিস্তারিত পড়ুন
আপনি যদি খুব সহজে primary scholarship result 2026 দেখতে চান, তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অফিসিয়াল পোর্টাল ব্যবহার করাই সবচেয়ে সুবিধাজনক মাধ্যম।
অনলাইনে দেখার মাধ্যম
ipemis.dpe.gov.bd/scholarship-resultsdpe.gov.bdধাপসমূহ ও PDF ডাউনলোড
মোবাইল মেসেজের মাধ্যমে
DPE <স্পেস> রোল নম্বরলিখে 16222 নম্বরে পাঠালে দ্রুততম সময়ে আপনার primary scholarship result 2026 এসএমএসের মাধ্যমে রিটার্ন মেসেজে জানিয়ে দেওয়া হবে।ফেসবুক কি বাংলাদেশে ক্ষতিকর কন্টেন্ট বন্ধ করতে ব্যর্থ? Amnesty-র সতর্কবার্তাটি কি ছিল?
হ্যাঁ, বাংলাদেশে ফেসবুকে ক্ষতিকর কন্টেন্ট মডারেশনে Meta গুরুতরভাবে ব্যর্থ হচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা Amnesty International সতর্ক করেছে। ১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে Amnesty International সতর্ক করেছে যে Meta যদি তার Facebook প্ল্যাটফর্মে ক্ষতিকর অনলাইন কন্টেন্টের বিরুদ্ধে সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থবিস্তারিত পড়ুন
হ্যাঁ, বাংলাদেশে ফেসবুকে ক্ষতিকর কন্টেন্ট মডারেশনে Meta গুরুতরভাবে ব্যর্থ হচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা Amnesty International সতর্ক করেছে।
১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে Amnesty International সতর্ক করেছে যে Meta যদি তার Facebook প্ল্যাটফর্মে ক্ষতিকর অনলাইন কন্টেন্টের বিরুদ্ধে সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে বাংলাদেশ আরও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের মুখে পড়তে পারে।
ঘটনার পটভূমি – কী হয়েছিল?
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর সংসদ নির্বাচনের আগে Amnesty International ও অন্যান্য সংস্থা লক্ষ্য করে যে ফেসবুকে ক্ষতিকর কন্টেন্টের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। এর মধ্যে রাজনৈতিক দল ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক কন্টেন্ট ছিল। এই কন্টেন্টের বেশিরভাগই এসেছিল বাংলাদেশের বাইরে থেকে, মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী মূলত ভারত থেকে।
ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোতে হামলা – সরাসরি যোগসূত্র
২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর সোশ্যাল মিডিয়ায় The Daily Star ও Prothom Alo-কে “ভারতীয় এজেন্ট” হিসেবে চিহ্নিত করে ধ্বংস করার আহ্বান জানানো হয়। এরপর দলবদ্ধ লোকজন এই দুটি পত্রিকার অফিসে হামলা চালায়। তদন্তে অনলাইন কন্টেন্ট ও এই সহিংসতার মধ্যে সরাসরি যোগসূত্র পাওয়া যায়। বাংলাদেশ সরকার এই পোস্টগুলো সরাতে Meta-কে সতর্ক করলেও Meta দেরিতে ব্যবস্থা নেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
Meta-র অ্যালগরিদম কীভাবে ক্ষতিকর কন্টেন্ট ছড়াচ্ছে?
যে কন্টেন্ট বেশি সাড়া ফেলে — বিতর্কিত বা উসকানিমূলক — Facebook-এর recommendation system সেই কন্টেন্টই বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়। এভাবে ক্ষতিকর কিন্তু আইনত বৈধ কন্টেন্টও মানবাধিকারের জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। সহজভাবে বললে, Facebook যত বেশি মানুষ ব্যবহার করবে, বিজ্ঞাপন থেকে Meta-র তত বেশি আয় হবে। তাই রাগ, ভয় বা ঘৃণা জাগানো কন্টেন্ট বেশি ছড়ালে Meta-র ব্যবসায়িক সুবিধা হয়।
Amnesty International কী দাবি করেছে?
Amnesty International-এর Big Tech Accountability বিভাগের প্রধান Alia Al Ghussain বলেছেন — “বাংলাদেশ এখনো মানবাধিকার সংকটে পড়েনি, কিন্তু সতর্কতার চিহ্নগুলো স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। সীমান্ত পেরিয়ে আসা ক্ষতিকর কন্টেন্ট, রাজনৈতিক উত্তেজনা, সাম্প্রদায়িক বক্তব্য এবং অ্যালগরিদমিক বিস্তার মিলে এমন একটি বিস্ফোরক পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে যা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকারকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।”
Amnesty International Meta-র কাছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে টার্গেট করা ক্ষতিকর কন্টেন্ট সংক্রান্ত রিপোর্ট, গৃহীত ব্যবস্থা, বাংলা ভাষায় কন্টেন্ট মডারেশনে কর্মীর সংখ্যা এবং নির্বাচনের আগে জরুরি প্রতিকারমূলক ব্যবস্থার তথ্য চেয়েছিল। কিন্তু Meta নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দেয়নি।
মিয়ানমারের রোহিঙ্গা গণহত্যার সাথে মিল
২০১৭ সালে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে Facebook-কে ব্যবহার করে যে ঘৃণামূলক বক্তব্য ছড়ানো হয়েছিল, তা গণহত্যায় পরিণত হয়েছিল। বছরের পর বছর সতর্কবার্তা সত্ত্বেও Meta শুধু ক্ষতিকর কন্টেন্ট সরাতেই ব্যর্থ হয়নি — বরং সক্রিয়ভাবে সেটি ছড়িয়ে দিয়েছিল। Amnesty International মনে করছে, বাংলাদেশ এখন এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে যেখানে Meta-র সময়মতো পদক্ষেপ পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে পারে।
Meta কী করতে পারে — বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ
Amnesty International Meta-কে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে “break the glass” নামে পরিচিত জরুরি সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা চালু করার দাবি জানিয়েছে। -এর পাশাপাশি বাংলা ভাষায় দক্ষ কন্টেন্ট মডারেটরের সংখ্যা বাড়ানো, ক্রস-বর্ডার ক্ষতিকর কন্টেন্ট শনাক্ত করার ব্যবস্থা জোরদার করা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে টার্গেট করা কন্টেন্টের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়াও দাবি করা হয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনপাঠাও (Pathao) বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কতটা নিরাপদ?
দূরের যাত্রার জন্য পাঠাও কি নিরাপদ? দূরের যাত্রায় পাঠাও কি কাজে লাগে? সাধারণত, ছোট বা মাঝারিপথের জন্য পাঠাও বেশ ভালো। তবে যখন আপনি অনেক দূরে যাবেন, তখন কিছু জিনিস খেয়াল রাখা দরকার। পাঠাও-এর কিছু সুবিধা আছে যা দূরের যাত্রায়ও কাজে দেবে: অ্যাকসিডেন্টের ক্ষতিপূরণ: ধরেন, যদি অ্যাকসিডেন্ট হয়, তাহলে চিকিৎসবিস্তারিত পড়ুন
দূরের যাত্রার জন্য পাঠাও কি নিরাপদ?
দূরের যাত্রায় পাঠাও কি কাজে লাগে?
সাধারণত, ছোট বা মাঝারিপথের জন্য পাঠাও বেশ ভালো। তবে যখন আপনি অনেক দূরে যাবেন, তখন কিছু জিনিস খেয়াল রাখা দরকার।
পাঠাও-এর কিছু সুবিধা আছে যা দূরের যাত্রায়ও কাজে দেবে:
দূরের যাত্রার জন্য কিছু জরুরি টিপস:
যাইহোক, দূরের যাত্রার জন্য পাঠাও ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে একটু বেশি সতর্ক থাকতে হবে। যদি ‘পাঠাও কার রেন্টাল’ আপনার জন্য সুবিধাজনক হয়, তাহলে সেটাই ভালো হবে। আর সবচেয়ে জরুরি হলো, সবসময় অ্যাপের মাধ্যমে রাইড বুক করবেন এবং নিজের নিরাপত্তার জন্য সব সুবিধা (যেমন লাইভ লোকেশন শেয়ার) ব্যবহার করবেন।
ইয়ারওয়ার্মস কি? এটি কেন হয়? এর থেকে মুক্তির উপায় কি?
মনে গান বাজছে তো? এটা স্বাভাবিক ঘটনা আপনার মনে সারাক্ষণ কোনো গান বাজতে থাকে? হয়তো সুরটি বারবার ফিরে আসে, কিংবা গানের একটি অংশই ঘুরছে মাথার ভেতরে? এই অনুভূতিটি অস্বাভাবিক নয়, বরং দারুণ পরিচিত একটি ঘটনা। চিকিৎসা পরিভাষায় একে বলা হয় ইনভলান্টারি মিউজিক্যাল ইমেজারি (Involuntary Musical Imagery - INMI)। তবিস্তারিত পড়ুন
মনে গান বাজছে তো? এটা স্বাভাবিক ঘটনা
আপনার মনে সারাক্ষণ কোনো গান বাজতে থাকে? হয়তো সুরটি বারবার ফিরে আসে, কিংবা গানের একটি অংশই ঘুরছে মাথার ভেতরে? এই অনুভূতিটি অস্বাভাবিক নয়, বরং দারুণ পরিচিত একটি ঘটনা। চিকিৎসা পরিভাষায় একে বলা হয় ইনভলান্টারি মিউজিক্যাল ইমেজারি (Involuntary Musical Imagery – INMI)। তবে সহজভাবে একে আমরা ইয়ারওয়ার্মস (Earworms) বলি।
কেন এমন হয়?
ঠিক কেন আমাদের মনে এই গানের সুরগুলো আটকে যায়, তার কয়েকটি কারণ আছে:
এটা কি শুধু আমারই হয়?
না, একদমই না। আপনার মনে গান বাজার এই অভিজ্ঞতাটি পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষেরই হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ সপ্তাহে অন্তত একবার এই ধরনের ইয়ারওয়ার্মসের অভিজ্ঞতা পান। কারও কারও ক্ষেত্রে তো প্রতিদিনই এমনটা হতে পারে। তাই আপনার এই অনুভূতিটি বেশ সাধারণ।
বিরক্ত লাগছে? কী করবেন?
ইয়ারওয়ার্মস সাধারণত ক্ষতিকর নয়, তবে মাঝে মাঝে বিরক্তিকর হতে পারে। যদি মুক্তি পেতে চান, কিছু সহজ উপায় আছে:
আপনার কি কোনো নির্দিষ্ট ধরনের গান মনে বেশি বাজে?
bkash reference number কেন দিতে হয় সেন্ড মানি বা বিকাশ পেমেন্ট করার সময়?
Bkash এ সেন্ড মানি করলে bkash Reference এ যেকোন ১ বা ২ সংখ্যা দিলে হবে। আবার Ok, Yes, Success অথবা যেকোনো একটি শব্দ দিতে পারেন । মনে রাখবেন সেখানে কোনো স্পেস দিবেন না । কিছু ক্ষেত্রে bkash reference এ যাকে টাকা পাঠাচ্ছেন সে যদি কিছু লিখে দিতে বলে আপনাকে ভেরিফাই করার জন্য তাহলে সেটা লিখে দিতে হবে।
Bkash এ সেন্ড মানি করলে bkash Reference এ যেকোন ১ বা ২ সংখ্যা দিলে হবে। আবার Ok, Yes, Success অথবা যেকোনো একটি শব্দ দিতে পারেন । মনে রাখবেন সেখানে কোনো স্পেস দিবেন না ।
কিছু ক্ষেত্রে bkash reference এ যাকে টাকা পাঠাচ্ছেন সে যদি কিছু লিখে দিতে বলে আপনাকে ভেরিফাই করার জন্য তাহলে সেটা লিখে দিতে হবে।
সংক্ষেপে দেখুনকাবা শরীফের কিছু অতুলনীয় ছবি দেখাবেন কি?
আমার চোখে কাবা শরীফের সব ছবি ই তুলনাহীন। এরপরও কিছু ছবি দিলাম যেন সবার চোখ জুড়িয়ে যায়। ছবিগুলো ডাউনলোড করে রাখতে পারেন। ধন্যবাদ!
আমার চোখে কাবা শরীফের সব ছবি ই তুলনাহীন। এরপরও কিছু ছবি দিলাম যেন সবার চোখ জুড়িয়ে যায়। ছবিগুলো ডাউনলোড করে রাখতে পারেন।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনটাইটানিক মুভি সম্পর্কে কিছু আকর্ষণীয় তথ্য জনাবেন কি?
৬টা আকর্ষণীয় তথ্য দিতে পারি! ১. মুভিটি তৈরির সময় নামকরণ করা হয়েছিলো "প্লানেট আইস"। ২. লিওনার্দো'র আগে নায়কের জন্য টম ক্রুজ, ব্রাড পিট কে নেয়ার কথা ভাবা হয়েছিলো। ৩. রোজ অর্থাৎ নায়িকা চরিত্রের জন্য ম্যাডোনা কে নেয়ার কথা ভাবা হয়েছিলো। ৪. গ্লোরিয়া স্টুয়ার্ট ছিলেন টাইটানিকে অভিনয় করা এমন শিল্পী যিনি সতবিস্তারিত পড়ুন
৬টা আকর্ষণীয় তথ্য দিতে পারি!
১. মুভিটি তৈরির সময় নামকরণ করা হয়েছিলো “প্লানেট আইস”।
২. লিওনার্দো’র আগে নায়কের জন্য টম ক্রুজ, ব্রাড পিট কে নেয়ার কথা ভাবা হয়েছিলো।
৩. রোজ অর্থাৎ নায়িকা চরিত্রের জন্য ম্যাডোনা কে নেয়ার কথা ভাবা হয়েছিলো।
৪. গ্লোরিয়া স্টুয়ার্ট ছিলেন টাইটানিকে অভিনয় করা এমন শিল্পী যিনি সত্যিকার টাইটানিক থেকে ১৯১২ সালে বেঁচে ফিরেছিলেন।
৫. শুটিং সেটের পানি এতটাই ঠান্ডা রাখা হয়েছিলো যে কেট উইন্সলেটের হাইপোথার্মিয়া হয়ে গিয়েছিল।
৬. সত্যিকারের টাইটানিক রাত ০২:২০ এ ডুবে গেছে এবং মুভিতে, যখন জাহাজটি ডুবছিল, একটি ঘড়িতে ০২.১৫ দেখাচ্ছিল।
সংক্ষেপে দেখুনরেইকি ( Reiki ) কি? এটি কেন করা হয়?
রেইকি ( Reiki ) একধরণের চিকিৎসা পদ্ধতি। একে স্পর্শ চিকিৎসা (touch healing) বলা যেতে পারে। Engery healing ও বলা যেতে পারে। রেইকি চিকিৎসক রা বলেন, আমাদের শরীরে বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন এনার্জি পয়েন্ট রয়েছে এবং নানাবিধ অসুখ, বিসুখের ক্ষেত্রে, তাঁরা তাঁদের হাতের স্পর্শ দ্বারা এনার্জি ট্রান্সফার করে, অসুবিস্তারিত পড়ুন
রেইকি ( Reiki ) একধরণের চিকিৎসা পদ্ধতি। একে স্পর্শ চিকিৎসা (touch healing) বলা যেতে পারে। Engery healing ও বলা যেতে পারে।
রেইকি চিকিৎসক রা বলেন, আমাদের শরীরে বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন এনার্জি পয়েন্ট রয়েছে এবং নানাবিধ অসুখ, বিসুখের ক্ষেত্রে, তাঁরা তাঁদের হাতের স্পর্শ দ্বারা এনার্জি ট্রান্সফার করে, অসুস্থ ব্যক্তির দেহের বিভিন্ন স্থানে এনার্জি সঞ্চার করে, সারিয়ে তোলেন।
নানাবিধ রোগ, ডিপ্রেসন, এসবের ক্ষেত্রে রেইকি চিকিৎসা করতে দেখা যায়।
বেশ কয়েকটি সেশন করা হয়, প্রতিটি সেশনে ত্রিশ মিনিট থেকে এক ঘন্টা, দেড় ঘন্টা এরকম সময় নেয়া হয়।
তবে, রোগ দূরীকরণে এই চিকিৎসা পদ্ধতি কতটুকু কার্যকরী, সেটা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
এই চিকিৎসা পদ্ধতি আমাদের দেশে ও বিদেশেও দেখা যায়।
যেহেতু রেইকি নিয়ে প্রশ্নটি করা হয়েছে, প্রসঙ্গত: রেকি ( Recce ) বলে আমরা একটি শব্দ মাঝে মাঝে শুনি। যেমন সংবাদে শোনা যায়, ডাকাতি করার আগে, ডাকাতরা রেকি করে গিয়েছিল। এই রেকি র অর্থ হচ্ছে কোনো বিশেষ কাজ করার আগে, সেই জায়গার সুবিধা,অসুবিধা, এসব পর্যবেক্ষণ করা। এবং শুধু ডাকাতির ক্ষেত্রে নয়, অন্য ক্ষেত্রেও রেকির প্রয়োগ দেখা যায়। যেমন, তাঁরা ওই পাহাড়ে যোগ শিবির করার আগে জায়গাটা রেকি করে গিয়েছিলেন।
সংক্ষেপে দেখুন২০২০, ২০২১, ২০২২ এই তিন বছরে বাংলাদেশের জনসংখ্যা পার্থক্য কত?
জনসংখ্যাবিদের মতে, দেশে মোট জনসংখ্যার সঙ্গে প্রতিবছর ২৪ থেকে ২৫ লাখ মানুষ যুক্ত হয় [caption id="" align="alignnone" width="600"] বাংলাদেশের জনসংখ্যা[/caption] ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর প্রাথমিক ফলাফল ২৭ জুলাই ২০২২ তারিখে ঘোষণা করা হয়। ফলাফল অনুসারে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজারবিস্তারিত পড়ুন
জনসংখ্যাবিদের মতে, দেশে মোট জনসংখ্যার সঙ্গে প্রতিবছর ২৪ থেকে ২৫ লাখ মানুষ যুক্ত হয়
বাংলাদেশের জনসংখ্যা
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর প্রাথমিক ফলাফল ২৭ জুলাই ২০২২ তারিখে ঘোষণা করা হয়। ফলাফল অনুসারে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। এর মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ৮ কোটি ১৭ লাখ ১২ হাজার ৮২৪ জন, নারীর সংখ্যা ৮ কোটি ৩৩ লাখ ৪৭ হাজার ২০৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী ১২ হাজার ৬২৯ জন।
সূত্রঃ প্রথম আলো এবং উইকিপিডিয়া
সংক্ষেপে দেখুননোনতা বিস্কুটে ছোট ছোট ছিদ্র কেন থাকে?
বিস্কুটের মাঝে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে, যাতে বেকিং প্রসেস এর সময়, প্রয়োজনের অতিরিক্ত তাপে বিস্কুট ফুলে না যায়, নষ্ট না হয়ে যায়। এই ছিদ্রগুলিকে docking holes বলা হয়। বিস্কুট তৈরীর আগেই, মেশিনের সাহায্যে বিস্কুটের গায়ে এই ছিদ্রগুলো করা হয়। এবং, লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, এই ছিদ্রগুলো প্রায় একই রকমের এবিস্তারিত পড়ুন
বিস্কুটের মাঝে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে, যাতে বেকিং প্রসেস এর সময়, প্রয়োজনের অতিরিক্ত তাপে বিস্কুট ফুলে না যায়, নষ্ট না হয়ে যায়।
এই ছিদ্রগুলিকে docking holes বলা হয়। বিস্কুট তৈরীর আগেই, মেশিনের সাহায্যে বিস্কুটের গায়ে এই ছিদ্রগুলো করা হয়।
এবং, লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, এই ছিদ্রগুলো প্রায় একই রকমের এবং সমান দূরত্ব বজায় রাখে। এমনিতে দেখলে মনে হয় যেন এটা একটা ডিজাইন, দেখতে ভালো লাগে।
কিন্তু, আসল কারণটি হচ্ছে, বিস্কুট তৈরীর সময় অতিরিক্ত তাপের জন্য, বিস্কুট ফুলে উঠতে পারে, বিস্কুটের শেইপ নষ্ট হয়ে যেতে পারে, বিস্কুটের গায়ে কুচকানো ভাব আসতে পারে, বিস্কুটের মুচমুচে ভাব নষ্ট হয়ে যেতে পারে, এক একটা বিস্কুট দেখতে এক এক রকম হতে পারে, বিস্কুট পুড়ে যেতে পারে।
তো এসব যাতে না হয়, সেজন্য পুরো বিস্কুটটা থেকে অতিরিক্ত তাপ বেরিয়ে যাওয়ার জন্য সমানভাবে বিস্কুটের গায়ে ছিদ্র করা হয়। যার ফলে, বিস্কুটের ছোট, ছোট, ছিদ্রগুলো সমান দূরত্বে থাকে যাতে পুরো বিস্কুট থেকে সমানভাবেই অতিরিক্ত তাপ বেরিয়ে যেতে পারে।
(প্রসঙ্গত: এই উওরের কৃতিত্ব মোটেও আমার নয়। কারণ, এটা আমি কখনোই জানতে চাই নি, আমার ধারনা ছিলো হয়তো দেখতে সুন্দর লাগে, এইজন্য বিস্কুট কোম্পানি থেকে এরকম করা হয়। কিন্তু, একটা ঘটনাক্রমে এটা জানতে পারি।
আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে একটা বিস্কুট কোম্পানিকে ফাইন্যান্স করা হয়েছিলো। তো, একদিন ওই কোম্পানির ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিট ইন্সপেকশন করতে গেছি।
ইন্সপেকশন শেষ করে যখন চলে আসবো, তখন ওখানকার ইউনিট ম্যানেজার তাঁর বাড়ীতে এক কাপ চায়ের জন্য অনুরোধ করলেন। ইউনিট এর কাছাকাছিই থাকেন তিনি। তাঁর বাড়ীতে গিয়ে বসে যখন চা খেয়ে দুজনে কথা বলছি, তখন দেখলাম, তাঁর তিন চার বছরের ছেলে, একটা বিস্কুটের ছিদ্রের মাঝখান দিয়ে সুতো ঢুকিয়ে, দু’দিক থেকে সুতোকে টেনে ধরে, বিস্কুটটাকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে। এটা দেখে আমি বলেছিলাম, এই ছিদ্রগুলো বিস্কুটে থাকাতে ভালো, বাচ্চারা খেলতে পারে।
তখন ইউনিট ম্যানেজার আমাকে বললেন, in fact, these holes are reasoned. এটাকে docking holes বলে, তারপর এই ছিদ্রের ব্যপারটা আমাকে এক্সপ্লেইন করলেন।
তখনই জানতে পারলাম কেন বিস্কুটের গায়ে ওরকম সমান সাইজের, সমান দূরত্বে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে।)
ধন্যবাদ।
সূত্রঃ ইন্টারনেট
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশে ইলন মাস্কের স্টারলিংক ইন্টারনেট পরিষেবা চালুর সম্ভাবনা আছে কত সালে?
২০২৩ সালে বাংলাদেশে ইলন মাস্কের স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা চালুর সম্ভাবনা আছে ইলন মাস্কের বহুল আলোচিত স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা স্টারলিংক ২০২৩ সালে বাংলাদেশে চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্টারলিংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অনুসারে, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ থেকে প্রি-অর্ডার গ্রহণ করছে। ইলন মাস্কেরবিস্তারিত পড়ুন
২০২৩ সালে বাংলাদেশে ইলন মাস্কের স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা চালুর সম্ভাবনা আছে
ইলন মাস্কের বহুল আলোচিত স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা স্টারলিংক ২০২৩ সালে বাংলাদেশে চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্টারলিংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অনুসারে, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ থেকে প্রি-অর্ডার গ্রহণ করছে।
ইলন মাস্কের মহাকাশ সংস্থা ও স্টারলিংকের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স’র অফিসিয়াল টুইটবার্তায় বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, জার্মানি, ফ্রান্স ও স্পেনের কিছু অংশসহ বিশ্বের ৩২টি দেশে স্টারলিংকের ব্রডব্যান্ড পরিষেবা চালু রয়েছে।
স্টারলিংকের পোস্ট করা মানচিত্রে ‘সেবার আওতাধীন’ চিহ্নিত দেশগুলো অবিলম্বে তাদের স্টারলিংক ইনস্টলেশন প্যাকেজ পাবে। ম্যাপে ‘ওয়েটলিস্ট’ এবং ‘শিগগির আসছে’ চিহ্নিত এলাকাও রয়েছে।
‘শিগগির আসছে’ চিহ্নিত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্রাজিল, সৌদি আরব, পাকিস্তান, ভারত এবং বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ থেকে প্রি-অর্ডার পরিষেবা পেতে স্টারলিংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলে ৯৯ ডলার ফি প্রদানের একটি নির্দেশনা আসে। সেখানে একটি বার্তায় বলা হয়েছে যে, স্টারলিংক ২০২৩ সালে এই এলাকায় তার পরিষেবা প্রসারিত করার আশা করছে।
সেখানে আরও বলা হয়, প্রাপ্যতা নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের ওপর নির্ভরশীল এবং প্রতিটি কভারেজ এলাকায় ‘আগে আসলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে অর্ডার গ্রহণ করা হবে।
সূত্রঃ ইন্টারনেট
সংক্ষেপে দেখুনটিটেনাস (Tetanus) বা ধনুষ্টংকার রোগ কি? টিটেনাস কিভাবে হয় এবং ভ্যাকসিন এর নাম কি?
ধনুষ্টংকার রোগের কারণ মরচে পড়া লোহায় মরিচার সাথে আরও থাকতে পারে ময়লা আবর্জনা এবং বিভিন্ন ধরণের জীবাণু। এই জীবাণু গুলোই আমাদের জন্য বেশি ক্ষতিকর। টিটেনাস বা ধনুষ্টংকার রোগের জীবানুর নাম একপ্রকার ব্যাকটেরিয়া Clostridium tetani যা সাধারণত মাটি, আবর্জনা ও নোংরা স্থানে পাওয়া যায়। এই ব্যাকটেরিয়ার স্পোর যখবিস্তারিত পড়ুন
ধনুষ্টংকার রোগের কারণ
মরচে পড়া লোহায় মরিচার সাথে আরও থাকতে পারে ময়লা আবর্জনা এবং বিভিন্ন ধরণের জীবাণু। এই জীবাণু গুলোই আমাদের জন্য বেশি ক্ষতিকর।
টিটেনাস বা ধনুষ্টংকার রোগের জীবানুর নাম
একপ্রকার ব্যাকটেরিয়া Clostridium tetani যা সাধারণত মাটি, আবর্জনা ও নোংরা স্থানে পাওয়া যায়। এই ব্যাকটেরিয়ার স্পোর যখন তীক্ষ্ণ পেরেক বা ওইজাতীয় জীবাণু বাহিত বস্তু দ্বারা চামড়া ভেদ করে শরীরের মাংসপেশিতে প্রবেশ করে তখন সেগুলো বংশবিস্তারের মাধ্যমে এক প্রকার টক্সিন (tetanospasmin) তৈরি হয়। এ টক্সিন মানবদেহের মোটর নিউরনে আক্রমন করে যা মাংসপেশির সন্ঞ্চালন নিয়ন্ত্রণ করে।
ধনুষ্টংকার বা টিটেনাস এর লক্ষণ
সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে পেশী খিঁচুনি ক্রমশ চোয়ালেও পরিলক্ষিত হয়, ফলে এই রোগের একটি সাধারণ নাম হল দাঁতকপাটি । এই রোগের অন্যান্য লক্ষণগুলি হল পেশীর অনমনীয়তা, গিলে খেতে অসুবিধা এবং দেহের অন্যান্য অংশে খিঁচুনি। শরীরের পেছনের মাংসপেশিগুলো সংকুচিত হয় বলে পুরো শরীর ধনুকের মতো বেঁকে যায়। এই কারণে এই রোগকে (ধনুঃ + টঙ্কার) ধনুষ্টংকার বলে।
Fun Fact :
১৯৩৮ সালের জুতার বিজ্ঞাপন, দাম ছিলো আট আনা।
সংক্ষেপে দেখুন