সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
পড়েছি মোগলের হাতে, খানা খেতে হবে সাথে ‘—এই কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়ে থাকে ?
ইংরেজিতে একটি কথা আছে, "Circumstances compelled me to do this." এর বাংলা অর্থ এটিই। মূল প্রবাদটি হচ্ছে 'পড়েছি মোগলের হাতে, খানা খেতে হবে সাথে'। অর্থাৎ মোগলরা জোর করে হলেও মেহমানদারি করাত। মোগলরা খুব ভোজনরসিক ছিল। উপমহাদেশে বর্তমানে প্রচলিত অনেক জনপ্রিয় খাবার যেমন বিরিয়ানি, মোগলাই পরাটা, কাবাব , বোরহবিস্তারিত পড়ুন
ইংরেজিতে একটি কথা আছে, “Circumstances compelled me to do this.” এর বাংলা অর্থ এটিই।
মূল প্রবাদটি হচ্ছে ‘পড়েছি মোগলের হাতে, খানা খেতে হবে সাথে‘। অর্থাৎ মোগলরা জোর করে হলেও মেহমানদারি করাত। মোগলরা খুব ভোজনরসিক ছিল। উপমহাদেশে বর্তমানে প্রচলিত অনেক জনপ্রিয় খাবার যেমন বিরিয়ানি, মোগলাই পরাটা, কাবাব , বোরহানি ইত্যাদি মোগলরা সাথে করে নিয়ে আসে।
মোগল শাসকদের খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারে খুব সুনাম ছিলো। আজকের বাঙালিদের পলান্নই বলি আর যেকোনো মাংসের পদ, সবই মোগলদের অবদান। কারণ প্রাচীন বঙ্গের সিংহভাগ মানুষই ছিলো নিরামিষভোজী।
প্রবাদটি সেই সময়ের। যেহেতু তখনকার বাঙালিরা এতে অভ্যস্থ ছিলো না কিন্তু শাসকগোষ্ঠীর আদেশও কখনোই পরিহার্য ছিলো না, তাই তখন থেকে এ প্রবাদটি প্রচলিত।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলা ভাষায় “মান্ধাতার আমল” কথাটি ব্যবহৃত হয় কেন? মান্ধাতার আমল: মান্ধাতা আসলে কে ছিলেন? তার আমলে কী হতো?
'মান্ধাতার আমল' বাংলা ভাষায় লিখিত এবং মানুষের মুখে মুখে ফেরা শব্দগুলোর একটি। খুবই প্রাচীন বা পুরনো কিছু বোঝাতে এই শব্দের ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই শব্দ শুনলে প্রথমেই প্রশ্ন মনে জাগে মান্ধাতা আসলে কে? আর উনার আমলে কী এমন বিশেষ হতো যার জন্য এটি এমন হাজার হাজার বছর ধরে চলছে? বাংলা একাডেমী অভিধানে লেখবিস্তারিত পড়ুন
‘মান্ধাতার আমল’ বাংলা ভাষায় লিখিত এবং মানুষের মুখে মুখে ফেরা শব্দগুলোর একটি। খুবই প্রাচীন বা পুরনো কিছু বোঝাতে এই শব্দের ব্যবহার করা হয়।
কিন্তু এই শব্দ শুনলে প্রথমেই প্রশ্ন মনে জাগে মান্ধাতা আসলে কে?
আর উনার আমলে কী এমন বিশেষ হতো যার জন্য এটি এমন হাজার হাজার বছর ধরে চলছে?
বাংলা একাডেমী অভিধানে লেখা হয়েছে, মান্ধাতা শব্দের অর্থ সূর্য বংশীয় প্রাচীন নৃপতি বা রাজাবিশেষ। আর মান্ধাতার আমল অর্থ মান্ধাতার শাসনকাল অর্থাৎ অতি প্রাচীনকাল।
মান্ধাতা এক পৌরাণিক চরিত্র।
ভাষাতত্ত্ববিদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ শাহরিয়ার রহমান বলছেন, মান্ধাতার আমল শব্দটি এসেছে হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মগ্রন্থে উল্লেখিত সত্য যুগের রাজা মান্ধাতার জীবন থেকে।
পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী রাজা মান্ধাতা খুব দ্রুত বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, শৈশব না দেখা রাজা ১২দিনে যুবক হয়েছিলেন।
এর বাইরে আরেকটি গল্প প্রচলিত রয়েছে যে, রাজা মান্ধাতার সময়কাল ছিল সত্য যুগ।
পৌরাণিক কাহিনীতে বর্ণিত ঘটনার বিবরণ থেকে সময়কাল হিসাব করলে দেখা যায়, রাজা মান্ধাতা প্রায় ৩৫ লাখ বছর আগে রাজকার্য পরিচালনা করেছেন। ফলে মান্ধাতার আমল মানে বহু বছর আগের কিছু।
রাজা মান্ধাতার জন্মের ইতিহাসও খুব চমকপ্রদ।
কৃত্তিবাসের ‘রামায়ণ’-এ উল্লেখ আছে, মান্ধাতা হলেন সূর্য বংশের রাজা যুবনাশ্বের পুত্র। মাতৃগর্ভে নয়, পিতৃ-গর্ভে জন্মেছিলেন তিনি।
এখন পিতৃ-গর্ভে জন্মানো শিশুর জন্য দুধ যখন পাওয়া যাচ্ছিল না, তখন দেবরাজ ইন্দ্র তার মুখে নিজের তর্জনী দিয়ে বলেছিলেন, ‘মামধাস্ততি’-সংস্কৃত এই শব্দের মানে ‘আমাকে পান করো।’
মাম এবং ধাতা-এই শব্দবন্ধের মিলনই পরে ফোনলজিক্যাল সূত্রে মান্ধাতা নামে উচ্চারণ করা হতে থাকে।
এখান থেকেই রাজা মান্ধাতার নামকরণ হয়েছিল।
আর দেবরাজ ইন্দ্রের তর্জনী চুষে জীবনের প্রথম খাদ্য-পানীয়ের স্বাদ পাওয়ায় মান্ধাতার শারীরিক বৃদ্ধি হয়েছিল ঐশ্বরিক দ্রুততায়।
এই কারণেই তিনি বৃদ্ধও হয়েছিলেন খুব দ্রুত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক খন্দকার খায়রুন্নাহার বলছিলেন, সংস্কৃত থেকে আসা অনেক শব্দই মূলত পৌরানিক কাহিনী বা সাহিত্যের মাধ্যমে বিবর্তন হয়ে মূল ভাষায় মিশে গেছে।
বাংলা ভাষায় অনেক আগের কোন সময় বোঝাতে বিভিন্ন রাজা বা নবাবদের আমল অনেকেই বলে থাকেন। তবে পৌরাণিক কাহিনী হলেও মান্ধাতার আমলের চেয়ে পুরনো কোন আমল বাংলা ভাষায় খুঁজে পাওয়া যাবে না।
পৌরাণিক এসব বিবরণ বা ঘটনার সত্যতা কতটুকু সেটা নিয়ে অনেকেরই সন্দেহ থাকতে পারে, তবে বাংলা ভাষাভাষীদের আটপৌরে আলাপচারিতায় একেবারে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকা ‘মান্ধাতা আমল’ শব্দদুটির ব্যুৎপত্তির আর কোন উৎস অন্ততঃ ইতিহাসবিদদের ব্যাখ্যায় পাওয়া যায় না।
পান্তা ভাত খাওয়া স্বাস্থ্যকর কেন?
পান্তা ভাত এর কথা কম বেশি সবাই চিনে।তবে বিশেষ করে বাঙালিরা এর সম্পর্কে অনেক জানে।অনেকই আছে শুধু পান্তা -ভাত খায়।কিন্তু এর উপকার ও অপকারিতা কি এর সম্পর্কে অনেকই জানেন না। তবে এই পান্তা-ভাতের গুণ সম্পর্কে জানলে অভাব হবেন।কয়েকজন বিজ্ঞানী এই পান্তা-ভাত নিয়ে গবেষণা করে তারা কি জানান তা জানতে পুরো পোস্টটিবিস্তারিত পড়ুন
পান্তা ভাত এর কথা কম বেশি সবাই চিনে।তবে বিশেষ করে বাঙালিরা এর সম্পর্কে অনেক জানে।অনেকই আছে শুধু পান্তা -ভাত খায়।কিন্তু এর উপকার ও অপকারিতা কি এর সম্পর্কে অনেকই জানেন না। তবে এই পান্তা-ভাতের গুণ সম্পর্কে জানলে অভাব হবেন।কয়েকজন বিজ্ঞানী এই পান্তা-ভাত নিয়ে গবেষণা করে তারা কি জানান তা জানতে পুরো পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।আশা করি অনেক উপকারে আসবে।দক্ষিণ-পশিমাংশা এই পানি মিশানো বা পান্তা-ভাত বেশি খাওয়া হয়।
পান্তা-ভাতের উপকারীতা:
১.পান্তা-ভাতে থাকা পুষ্টি দেহের রোগ–প্রতিরোধকে শক্তিশালী করে।
২.পান্তা-ভাতে রয়েছে আয়রন যা দেহে রক্তে অক্রিজেনের পরিমান বাড়াতে সাহায্য করে।
৩.শরীরলে হাড় গুলা শক্তিশালী করে ক্যালসিয়াম যা পান্তা-ভাতের মধ্যে রয়েছে।
৪.শরীলে নিঃসৃত অ্যানজাইমকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে ম্যাগনেসিয়াম যা পাওয়া যায় এই পান্তা-ভাত থেকে।
৫.পান্তা ভাতে প্রচুর পরিমানে বিটা-সিটোস্টেরল, কেম্পেস্টেরোলের মতো মেটাবলাইটস রয়েছে যা শরীরকে প্রদাহ বা যন্ত্রণা থেকে রক্ষা করে। এইগুলা কোলেস্টোরেল কমাতেও সাহায্য করে থাকে।
৬.শরীলের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে এই পানি মিশানো বা পান্তা-ভাত।
৭.ক্যান্সার প্রতিরোধ সাহায্য করে এই পান্তা-ভাত। কারণ এই পান্তা-ভাতে রয়েছে গ্লুকোসাইড ফ্ল্যাভোনয়েডের মতো মেটাবলাইটস।
৮.পান্তা-ভাতের রয়েছে ল্যাকটিক এসিড ব্যকটেরিয়া যা একজন মানুষের দেহের জন্য অনেক প্রয়োজন।
পান্তা-ভাতের অপকারীতা
পান্তা-ভাত অপকার কি কি হতে পারে তা নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষণা করছে।পান্তা-ভাত হবে তখনই যখন ভাত আর পানি কয়েক ঘন্টা একসাথে এক পাত্রে রাখা হবে। পান্তা-ভাত একটি সংরক্ষিত পদ্ধতি। কিন্তু সংরক্ষের ক্ষেত্রে ১২ ঘন্টারও বেশি রাখা হলে তখন পান্তা-ভাত এক ধরনের অ্যালকোহলে পরিণত হয়।
১২(বার) ঘন্টাও বেশি সময় রাখার পর সেগুলা গেলে শরীর মেচমেচ করি এবং অনেক ভালো ঘুম আসে। আর এই পান্তা-ভাত তৈরির ক্ষেত্রে বিশুদ্ধ পানি আর বিশুদ্ধ পাত্র রেখে তৈরি করা না হয় তবে ক্ষতিকর ব্যকটেরিয়া জম্ম হয় যা খেলে মানুষ অসুস্থ হতে পারে।কারণ তখন সেই ক্ষতিকর ব্যকটেরিয়া গুলা দেহের ভিতরে বিভিন্ন অঙ্গ–প্রতঙ্গে আক্রান্ত করে।ফলে একেক জনের ক্ষেত্রে একেক ধরনের সমস্যা হতে পারে বলে ধারণা করেছেন বিজ্ঞানীরা।
সঠিক নিয়মে পান্তা-ভাত তৈরি :
পান্তা-ভাত বা পানি মিশানো ভাত এর সাথে বাঙালিরা সবাই পরিচিত। বাংলাদেশ সহ দক্ষিণ পশ্চিমাংশের সবাই এই পান্তা-ভাত বা পানি মিশানো ভাত খেয়ে থাকেন।তবে একেক জায়গায় একেক নামে ডাকে এই পানি মিশানো ভাতকে।কিন্তু আমরা জানি না কিভাবে পান্তা-ভাত খেলে আমাদের উপকার হবে।এই পান্তা-ভাত বা পানি মিশানো ভাত এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হতো খাবার যাতে নষ্ট না হয় তার জন্য।খাবার নষ্টের আগেই পানি দিয়ে ভাত ভিজিয়ে রাখত প্রাচীন কালের মানুষরা।সেখান থেকেই এই পান্তা-ভাত প্রচলিত হতে শুরু করে। এই পান্তা-ভাত খেলে শরীরলে শক্তি পাওয়া যায় ফলে যারা কৃষক তারা দুপুরে এই পান্তা-ভাত খুব পছন্দ করে থাকে। তবে আজকাল গরিব ধনি থেকে শুরু করে সব লোকেরাই এই পুষ্টকর পান্তা-ভাত খেয়ে থাকে।কারণ মানুষ আজকাল সভ্য হচ্ছে এর ভালো দিক সম্পর্কে শিখতে পারছে শিখতে পারছে।কিন্তু অনেকেই শুরু পান্তা-ভাত খান কিন্তু কিভাবে খেলে এর পুষ্টি পাওয়া যায় তা জানেন না। ফলে আমাদের দেহে তেমন উন্নতি হচ্ছে না।তবে আজকে পড়ে শিখে নেন কিভাবে সঠিক নিয়মে পুষ্টিকর পানি মিশানো বা পান্তা-ভাত বানাতে হয়।প্রথমে একটি পরিস্কার পাত্র নিন। প্রয়োজন হলে ভালো করে পরিস্কার করে নিন।তারপর বিশুদ্ধ পানি নিন যেগুলা ভাতের মধ্যে মিশাবেন। পরিস্কার পাত্রে ভাত রেখে নিন।সেখানে পরিমান মতো (পানি যাতে ভাতের উপরে থাকে অর্থ্যাৎ ভাত পানির মধ্যে ডুবে থাকে) পানি দিন।তবে খেয়াল করবেন পাত্র যেন ফাটা,ছিদ্র না থাকে।কারণ তা না হলে কয়েক ঘন্টা পর পানি সব পড়ে যাবে। আর গরম ভাত দিয়ে পান্তা-ভাত তৈরি না করাই ভালো। তবে প্রয়োজন হলে করতে পারেন।এই পাত্রের মধ্যে ১২(বার) ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে দিন।
পান্তা ভাতে ক্যালরির পরিমাণ:
পান্তা-ভাত আর সাধারণ ভাতের মধ্যে অনেক পুষ্টির পার্থক্য রয়েছে। তবে জেনে নেয় সেই পুষ্টির পাথক্য গুলো। পান্তা-ভাতে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম,ম্যাগনেসিয়াম,জিংক,ফসফরাস, ভিটামিন বি ইত্যাদি। ১০০মিলিগ্রাম সাধারণ ভাতে আয়রনের পরিমাণ ৩.৫ মিলিগ্রাম আর ক্যালসিয়ামে থাকে ২১ মিলিগ্রাম। কিন্তু ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখার পর এর পরিমান সাধারণ ভাতের তুলনায় বেড়ে যায়।যেমন ১০০ মিলিগ্রাম ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখার পর আয়রনের পরিমাণ দাড়ায় ৭৩.৯ মিলিগ্রাম আর ক্যালসিয়াম এর পরিমান হয় ৮৫০ মিলিগ্রাম।এইরকম ভাবে পটাসিয়াম,জিংক,ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম,ভিটামিন বি এর পরিমানও বেড়ে যায়।
সকালে পান্তা ভাত খেলে কি মোটা হয়:
সকালে পান্তা ভাত খেলে কি মোটা হয় এই সম্পর্কে বলতে আগে জানতে হবে আপনি কত সময় বা ঘন্টা পানি মিশানো ভাত বা পান্তা-ভাত রেখেছেন।আর আপনি কি প্রতিদিন সকালে পান্তা-ভাত খাওয়ার অভাস আছে।আর আপনি কি দিনে কোন পরিশ্রম করেন। যদি আপনি কোন কায়িকশ্রমের করেন থাকলে আপনার জন্য পান্তা-ভাত আপনার দেহে মোটা হওয়ার প্রবণতা সৃষ্টি করবে না।কারণ পান্তা-ভাত থেকে উৎপন্ন ক্যালরি তা আপনি খরচ করে ফেলছেন।আর যদি কায়িকশ্রম না করেন থাকলে আপনার দেহে ক্যালরির পরিমান বেড়ে যাবে এবং এক সময় আপনি মোটা হয়ে যাবেন।
প্রতিদিন পান্তা-ভাত খাওয়ার অভাস থাকে এবং কোন কায়িকশ্রমে করেন না তাহলে অনায়াসে বলা যায় আপনার দেহে দিন দিন ক্যালরি বাড়বে এবং আপনি মোটা হয়ে যাবেন।তবে যারা কায়িকশ্রমে বা হাটাঁহাটিঁ বা ব্যায়াম করেন অর্থ্যাৎ শরীলে ক্যলরি ব্যায় বা ফুড়ান তাহলে পান্তা-ভাতের জন্য আপনার শরীল মোটা হবে না।
কত ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে পান্তা-ভাত খান সেদিকেও খেয়াল দিতে হবে।কারণ ১২ ঘন্টারও অনেক সময় পর যদি পানি মিশানো ভাত রেখে দেন তাহলে সেটা অ্যালকোহলে পরিণত হবে এবং সেই পান্তা-ভাত খাওয়ার পর অনেক ঘুম আসবে। আর ঘুমালে শরীলে কোন ক্যলরি ফুরাই না যার ফলে মোটা হয়ে যায় দেহ।আর যারা ১২ ঘন্টা পর যদি পান্তা-ভাত খান তাহলে এটি কোন অ্যালকোহলে পরিনত হয় না ফলে ঘুম আসে না। বরং বিভিন্ন কাজে মন বসে।অনেকের সকালে ঠান্ডা ভাত খেলে ঠান্ডা লেগে যায় তাদের সকালে না খাওয়াই ভালো।
পান্তা ভাতে কি ওজন বাড়ে
পান্তা-ভাতে থাকে প্রচুর পরিমাণ ক্যালরি খনিজ পর্দাথ। এই ক্যালরি ফুড়াই কেবল মাত্র কায়িকশ্রমে বা শরীল থেকে ঘাম বের হয় এমন কাজ করলে।যারা এর রকম কাজ করেন তাদের ক্ষেত্রে ওজন এই পান্তা-ভাতের জন্য বাড়ে না বললেই চলে।তবে যারা পরিশ্রম করেন না তাদের ক্ষেত্রে পান্তা-ভাত খাওয়ার পর অনেকেরই ঘুম আসে। তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক লোক ঘুমের জন্য চলে যায় এবং ক্যালরি ফুরাই না ফলে তারা মোটা হয়ে যায়। আর মোটা হলেই তো ওজন বেড়ে যায়।
এইরকম স্বাস্থ্য বিষয় টিপস পেতে আমাদের ব্লগ চ্যানেল টির সাথেই থাকুন।সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করে আজকের লেখা এই পর্যন্তই শেষ করছি। সকলেই ধন্যবাদ।
আরও পড়ুন
আমলকি এবং আমলকির উপকারিতা ও অপকারিতা
·
গবেষণায় দেখা গেছে যে, ভাত রাতভর পানিতে ভিজিয়ে রাখায় এটি ফারমেন্টেড খাবার হয়ে যায় যার মধ্যে তৈরি হয় ভিটামিন বি-৬, বি-১২ ও অনেক উপকারি ব্যাকটেরিয়া যা খাদ্য হজম করতে সহায়তা করে ও বহু রোগ প্রতিরোধ করে।
১. পান্তা ভাত খেলে শরীর হালকা লাগে, কাজে বেশি শক্তি পাওয়া যায়। শরীরে সজিবতা বিরাজ করে। মেজাজ ভাল থাকে। এখনও যারা গ্রামে মাঠে কৃষি কাজ করেন, সকালে পান্তা ভাত খেয়ে মাঠে যান ও ৮-১০ ঘন্টা কাজ করেন, তাদের রোগ বালাইও কম হয়।
২. যারা নিয়মিত সকালে পান্তাভাত খায় তাদের গাসের সমস্যা ভালো হয়, সব রকম আলসার দূরীভূত হয় ও কোষ্ঠবদ্ধতা ভালো হয়।
৩. মানব দেহের জন্য উপকারি বহু ব্যাকটেরিয়া পান্তা ভাতের মধ্যে বেড়ে উঠে ফলে খাদ্য হজম ভালো হয় ও পেটের পীড়া কম হয়।
৪. গরমের দিনে শরীর ঠান্ডা ও সতেজ রাখে। জলীয় খাবার বলে শরীরে পানির অভাব মেটায় ও তাপের ভারসাম্য বজায় রাখে।
৫. পান্তা ভাতে গরম ভাতের তুলনায় সোডিয়ামের পরিমাণ কম থাকে তাই এটি নিয়মিত খেলে রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে।
খাঁটি ঘি কীভাবে বোঝা সম্ভব?
ভেজাল ঘি শনাক্তকরণ পরীক্ষাঃ ভেজাল ঘি শনাক্তকরণের জন্য ঘরোয়া পদ্ধতি ও ল্যাবরেটরি পদ্ধতি রয়েছে। ঘরোয়া পদ্ধতিতে শুধু ঘি ভেজাল কিনা তা জানা যাবে। তবে কি দ্বারা ভেজাল করা হয়েছে সেটি শনাক্ত করতে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার প্রয়োজন হবে। ঘরোয়া পদ্ধতিঃ হাতে কিছু ঘি নিয়ে রগড়ান। তারপর শুঁকে দেখুন। যদি কিছুক্ষণ পরই গবিস্তারিত পড়ুন
ভেজাল ঘি শনাক্তকরণ পরীক্ষাঃ
ভেজাল ঘি শনাক্তকরণের জন্য ঘরোয়া পদ্ধতি ও ল্যাবরেটরি পদ্ধতি রয়েছে। ঘরোয়া পদ্ধতিতে শুধু ঘি ভেজাল কিনা তা জানা যাবে। তবে কি দ্বারা ভেজাল করা হয়েছে সেটি শনাক্ত করতে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার প্রয়োজন হবে।
ঘরোয়া পদ্ধতিঃ
হাতে কিছু ঘি নিয়ে রগড়ান। তারপর শুঁকে দেখুন। যদি কিছুক্ষণ পরই গন্ধ আসা বন্ধ হয় তবে বুঝবেন এতে ভেজাল মেশানো আছে। তবে এভাবে ঘিতে কি মেশানো আছে তা জানা যাবে না।
হাতের তালুতে এক চামচ ঘি নিন। যদি নিজে নিজে গলতে শুরু করে তবে তা খাঁটি। সাধারণত খাঁটি ঘি শরীরের তাপমাত্রায় গলতে থাকে।
এক চামচ ঘি নিয়ে গরম করতে থাকুন। যদি দ্রুত গলে যায় এবং বাদামী বর্ণ ধারণ করে তবে তা খাঁটি। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই খাঁটি ঘি গলে যায়। যদি ভেজাল মেশানো থাকে তবে তা গলতে দীর্ঘ সময় নেয়।
ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষাঃ
ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার মাধ্যমে ঘিতে মিশ্রিত উপাদানটি সম্পর্কে জানতে পারবেন।
কোলটার ডাই শনাক্তকরণঃ
এক চামচ ঘিয়ের মধ্যে ৫ মিলি. হাইড্রোক্লোরিক এসিড যোগ করুন। যদি ঘি লাল হয় তবে বুঝবেন ঘিতে কোলটার ডাই মেশানো হয়েছে।
সিদ্ধ আলু শনাক্তকরণঃ
এক চামচ ঘিতে ৪-৫ ড্রপ আয়োডিন যোগ করে ফেলুন। যদি ঘিয়ের রং পরিবর্তিত হয়ে নীল হয়, তবে বোঝা যাবে ঘিতে সিদ্ধ আলু মেশানো হয়েছে।
ডালডা শনাক্তকরণঃ
একটি বাটিতে এক চামচ ঘি, হাইড্রোক্লোরিক এসিড এবং সামান্য মেশান। যদি ঘি হালকা লাল বা লালচে বাদামী হয় তবে বোঝা যাবে ঘিতে ডালডা মেশানো হয়েছে।
তিলের তেল শনাক্তকরণঃ
১০০ মিলি. ঘি নিন। তাতে ফারফিউরাল এবং হাইড্রোক্লোরিক এসিড মেশান। এরপর অ্যালকোহল যোগ করুন। ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। যদি লাল রং আসে তবে বুঝবেন তিলের তেল মেশানো হয়েছে।
ভেষজ ও আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে, ঘিয়ের অনেক উপকারীতার কথা বলা হয়। তবে তা অবশ্যই খাঁটি ঘি হতে হবে। এই সকল সহজ পদ্ধতির মাধ্যমে সহজেই খাঁটি ও ভেজাল ঘি শনাক্ত করতে পারবেন।
সংক্ষেপে দেখুনখাঁটি ঘি কীভাবে বোঝা সম্ভব?
ঘি হচ্ছে স্বাস্থ্যকর একটি মাখন জাতীয় তেল। ইংরেজিতে বলে ক্লিয়ারিফাইড বাটার। গরুর দুধের সর থেকে ঘি হয়। ভারতের অবদান হচ্ছে এই ঘি। ভারতের, পাকিস্তানের ও বাংলাদেশের গরুগুলো থেকে যে দুধ পাওয়া যায় সেটা হচ্ছে A2 টাইপের গরুর দুধ। "দেশী" গরুর সব কিছুই ভালো। ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের গরুগুলোকে বলা হয় দেশী গবিস্তারিত পড়ুন
ঘি হচ্ছে স্বাস্থ্যকর একটি মাখন জাতীয় তেল। ইংরেজিতে বলে ক্লিয়ারিফাইড বাটার। গরুর দুধের সর থেকে ঘি হয়।
ভারতের অবদান হচ্ছে এই ঘি। ভারতের, পাকিস্তানের ও বাংলাদেশের গরুগুলো থেকে যে দুধ পাওয়া যায় সেটা হচ্ছে A2 টাইপের গরুর দুধ। “দেশী” গরুর সব কিছুই ভালো। ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের গরুগুলোকে বলা হয় দেশী গরু বা A2 গরু। এই তিন দেশের গরুগুলো থেকে প্রাপ্ত দুধের ঘি সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর।
খাটি ঘি চেনার উপায়ঃ
খাটি ঘি চেনার উপায় হচ্ছে ঘি যখন জমা অবস্থায় থাকে তখন হলুদ বা সোনালী থাকে কিন্তু চুলার তাপে গেলে সাথে সাথে গলে গাড় বাদামী বা লালচে বাদামী হয়ে যায়। ঘি গলতে যদি টাইম নেয় ও রং যদি তেলের মতো সোনালী রংয়েরই থাকে গলার পরেও তবে সেটা ভেজাল ঘি।
বর্তমানে বাজারে প্রিমিয়াম ঘি বলে যা পাওয়া যায় সেটা ভেজাল ঘি। ফ্লেভার দেয়া ঘি। এসব ঘি চুলার তাপে দিলে গলতে একটু সময় নেয় এবং সয়াবিন তেলের মতো সোনালী রং এর হয়ে যায়। খাটি ঘি চুলার তাপে সাথে সাথেই লালচে বাদামী বা গাড় বাদামী হয়ে যাবে। প্রিমিয়াম ফ্লেভার মেশানো ঘি হচ্ছে সয়াবিন তেলে ফ্লেভার ও জমাট বাধা কেমিকেল মিশিয়ে বিক্রি করা তেল।
খাটি গাওয়া ঘি পাওয়া কষ্ট। যা পাওয়া যায় সেখানেও কেমিকেল মেশায়। কেমিকেল মেশানো ‘খাটি’ গাওয়া ঘি।
গরুর খামারের গরুগুলো বেশির ভাগই ক্রস গরু। দেশী গরুকে বিদেশী গরু দিয়ে উর্বর করা গরু। এটা বেশি দুধ পাওয়ার জন্যে করে। তাই ফার্মের গরুর দুধের সরের ঘি A1 (বিদেশি গরু) ও A2 (ভারতীয় দেশি গরু) এর সংকর গাওয়া ঘি যা খুব বেশি খাটি না।
খাটি ঘি বানানোর ঘরোয়া পদ্ধতিঃ
যদি খাটি ঘি করতে হয় গেরস্থের যে খাটি দেশি ভারতীয়, বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি গরুগুলো আছে যেখানে বিদেশি বা অস্ট্রেলিয়ান, ফিজিয়ান জাতের গরু দিয়ে উর্বর করা না হয় সেই সব দেশি গরুর দুধ কিনে এনে সেটা ফুটিয়ে সর বের করে ৫ / ৬ দিনের সর জমিয়ে সেই জমানো দুধের সর চুলায় কড়াইতে ৩০ মিনিট ধরে ঘন ঘন নাড়িয়ে শেষের দিকে দুই তিনটা লেবু পাতা দিয়ে আরো কিছুক্ষন নাড়িয়ে যখন সরের শক্ত অংশ দানা দানা হয়ে যাবে এবং তেল যখন গাড় বাদামী হবে তখন সেই তেল একটা বোতলে ভরে কয়েকদিন রাখলে সেই তেল জমে গিয়ে হলুদ বা গাড় হলুদ হয়ে যাবে। এটাই আসল ঘি। লেবু পাতা দেয়া হয় যাতে ঘি অনেকদিন ভালো থাকে এবং ঘি এর সুগন্ধ অটুট থাকে।
এই ভাবে ঘরে বানানো ঘি অনেকদিন সংরক্ষন করলে বাজার থেকে ভেজাল প্রিমিয়াম ঘি খাওয়ার প্রয়োজন হবে না।
ঘি যদি এক চামচ প্রতিদিন দুধের সাথে মিক্স করে রাতে ঘুমানোর আগে খান তবে সব ধরনের উপকারিতা পাবেন। ওজন কমাতেও সাহায্য করবে খাটি ঘি। স্বাস্থ্যকর খাটি গাওয়া ঘি দিনে এক চামচ এমনিতেই বা দুধের সাথে মিশিয়ে খান বা ভাতের সাথে মিশিয়ে খান তবে সেটা শরীরের জমানো ফ্যাট গলতে সাহায্য করবে। স্বাস্থ্যকর ফ্যাট খারাপ ফ্যাট কাটাবে। তাই প্রতিদিন ১ চা চামচ ঘি খান।
সংক্ষেপে দেখুননোনতা বিস্কুটে ছোট ছোট ছিদ্র কেন থাকে?
বিস্কুটের মাঝে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে, যাতে বেকিং প্রসেস এর সময়, প্রয়োজনের অতিরিক্ত তাপে বিস্কুট ফুলে না যায়, নষ্ট না হয়ে যায়। এই ছিদ্রগুলিকে docking holes বলা হয়। বিস্কুট তৈরীর আগেই, মেশিনের সাহায্যে বিস্কুটের গায়ে এই ছিদ্রগুলো করা হয়। এবং, লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, এই ছিদ্রগুলো প্রায় একই রকমের এবিস্তারিত পড়ুন
বিস্কুটের মাঝে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে, যাতে বেকিং প্রসেস এর সময়, প্রয়োজনের অতিরিক্ত তাপে বিস্কুট ফুলে না যায়, নষ্ট না হয়ে যায়।
এই ছিদ্রগুলিকে docking holes বলা হয়। বিস্কুট তৈরীর আগেই, মেশিনের সাহায্যে বিস্কুটের গায়ে এই ছিদ্রগুলো করা হয়।
এবং, লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, এই ছিদ্রগুলো প্রায় একই রকমের এবং সমান দূরত্ব বজায় রাখে। এমনিতে দেখলে মনে হয় যেন এটা একটা ডিজাইন, দেখতে ভালো লাগে।
কিন্তু, আসল কারণটি হচ্ছে, বিস্কুট তৈরীর সময় অতিরিক্ত তাপের জন্য, বিস্কুট ফুলে উঠতে পারে, বিস্কুটের শেইপ নষ্ট হয়ে যেতে পারে, বিস্কুটের গায়ে কুচকানো ভাব আসতে পারে, বিস্কুটের মুচমুচে ভাব নষ্ট হয়ে যেতে পারে, এক একটা বিস্কুট দেখতে এক এক রকম হতে পারে, বিস্কুট পুড়ে যেতে পারে।
তো এসব যাতে না হয়, সেজন্য পুরো বিস্কুটটা থেকে অতিরিক্ত তাপ বেরিয়ে যাওয়ার জন্য সমানভাবে বিস্কুটের গায়ে ছিদ্র করা হয়। যার ফলে, বিস্কুটের ছোট, ছোট, ছিদ্রগুলো সমান দূরত্বে থাকে যাতে পুরো বিস্কুট থেকে সমানভাবেই অতিরিক্ত তাপ বেরিয়ে যেতে পারে।
(প্রসঙ্গত: এই উওরের কৃতিত্ব মোটেও আমার নয়। কারণ, এটা আমি কখনোই জানতে চাই নি, আমার ধারনা ছিলো হয়তো দেখতে সুন্দর লাগে, এইজন্য বিস্কুট কোম্পানি থেকে এরকম করা হয়। কিন্তু, একটা ঘটনাক্রমে এটা জানতে পারি।
আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে একটা বিস্কুট কোম্পানিকে ফাইন্যান্স করা হয়েছিলো। তো, একদিন ওই কোম্পানির ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিট ইন্সপেকশন করতে গেছি।
ইন্সপেকশন শেষ করে যখন চলে আসবো, তখন ওখানকার ইউনিট ম্যানেজার তাঁর বাড়ীতে এক কাপ চায়ের জন্য অনুরোধ করলেন। ইউনিট এর কাছাকাছিই থাকেন তিনি। তাঁর বাড়ীতে গিয়ে বসে যখন চা খেয়ে দুজনে কথা বলছি, তখন দেখলাম, তাঁর তিন চার বছরের ছেলে, একটা বিস্কুটের ছিদ্রের মাঝখান দিয়ে সুতো ঢুকিয়ে, দু’দিক থেকে সুতোকে টেনে ধরে, বিস্কুটটাকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে। এটা দেখে আমি বলেছিলাম, এই ছিদ্রগুলো বিস্কুটে থাকাতে ভালো, বাচ্চারা খেলতে পারে।
তখন ইউনিট ম্যানেজার আমাকে বললেন, in fact, these holes are reasoned. এটাকে docking holes বলে, তারপর এই ছিদ্রের ব্যপারটা আমাকে এক্সপ্লেইন করলেন।
তখনই জানতে পারলাম কেন বিস্কুটের গায়ে ওরকম সমান সাইজের, সমান দূরত্বে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে।)
ধন্যবাদ।
সংক্ষেপে দেখুনগ্রামের বাড়িকে কেন দেশের বাড়ি বলা হয়?
এটা কখনো, কখনো, শোনা যায়। গ্রাম আর দেশ এর সংজ্ঞা ভিন্ন, ভিন্ন। তথাপি, দেশের মাঝে থেকেই, নিজের গ্রামের বাড়ী কে, দেশের বাড়ী বলার একটা চল দেখা যায়। একটি বড় শহরাঞ্চলের ভৌগলিক আয়তনের তুলনায়, জনবসতির তুলনায়, গ্রামের সীমানা ছোট থাকে। জনজীবনে ও শহরের তুলনায়, গ্রামের ক্ষেত্রে ভিন্নতা রয়েছে। পরিসরগতবিস্তারিত পড়ুন
এটা কখনো, কখনো, শোনা যায়।
গ্রাম আর দেশ এর সংজ্ঞা ভিন্ন, ভিন্ন। তথাপি, দেশের মাঝে থেকেই, নিজের গ্রামের বাড়ী কে, দেশের বাড়ী বলার একটা চল দেখা যায়।
একটি বড় শহরাঞ্চলের ভৌগলিক আয়তনের তুলনায়, জনবসতির তুলনায়, গ্রামের সীমানা ছোট থাকে। জনজীবনে ও শহরের তুলনায়, গ্রামের ক্ষেত্রে ভিন্নতা রয়েছে।
পরিসরগত কারণে, গ্রামের লোকজনের মাঝে যে সম্পর্কের নৈকট্য বা পরিচিতি সৃষ্টি হয়, সেটা খুবই সঙ্গত কারণেই শহরের মাঝে সম্ভব হয় না। কারণ, শহরের জীবনে, সারাদিনের নানাবিধ ব্যস্ততা, একটা প্রধান বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
গ্রামে, প্রত্যেকের সাথে প্রত্যেকের চেনা, জানা, নিজের গ্রামের প্রতিটা রাস্তা, প্রতিটা বাড়ী, ঘর, এমন কী প্রতিটি বাড়ীর খবর জানার সুবাদে, নিজের গ্রাম, নিজের মনের মাঝে একটা বিশাল জায়গা জুড়ে থাকে, তার কাছে, হারিয়েই যায় দেশের সংজ্ঞা, দেশের সীমানা,
ছোটবেলা থেকেই গ্রামের আকাশ, বাতাস, গাছগাছালি, পাখির ডাক, পুকুরঘাট, নাট মন্ডপ, যাত্রা পালা, পালা কীর্তনের আসর, এসবের সাথে শৈশব যে নিবিড় সম্পর্ক রচনা করে দেয়, সে সম্পর্কের ভিত, পাথর, সিমেন্ট, এসবের চাইতেও অনেক বেশী ক্ষমতাশালী।
ফলে, সে সম্পর্ক, দেশ সম্পর্কে আলাদা করে ভাবার সুযোগই দেয় না,
তাই, নিজের গ্রামই হয়ে উঠে, নিজের দেশ।
সংক্ষেপে দেখুনঅনেক ক্রিকেটারকে দেখি মুখে ও ঠোঁটে সাদা পাউডার বা লিপস্টিক টাইপের কিছু ব্যবহার করে। ওইটা কী এবং কেন ব্যবহার করে?
খেলার সময় সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বকরক্ষায় অনেকেই সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন। এটা ব্যবহার করলে মানুষের চামড়ার উপরিভাগ রোদে পোড়া থেকে রক্ষা পায়। ক্রিকেট খেলার সময় অনেক খেলোয়াড়কেই মুখে বা ঠোঁটে সাদা ক্রিম ব্যবহার করতে দেখা যায়। খেলোয়াড়রা মুখে যে সানব্লক ব্যবহার করেন, তাই হলো প্রকৃত সানস্কবিস্তারিত পড়ুন
খেলার সময় সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বকরক্ষায় অনেকেই সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন। এটা ব্যবহার করলে মানুষের চামড়ার উপরিভাগ রোদে পোড়া থেকে রক্ষা পায়। ক্রিকেট খেলার সময় অনেক খেলোয়াড়কেই মুখে বা ঠোঁটে সাদা ক্রিম ব্যবহার করতে দেখা যায়। খেলোয়াড়রা মুখে যে সানব্লক ব্যবহার করেন, তাই হলো প্রকৃত সানস্ক্রিন।
সংক্ষেপে দেখুনঅনেক ক্রিকেটারকে দেখি মুখে ও ঠোঁটে সাদা পাউডার বা লিপস্টিক টাইপের কিছু ব্যবহার করে। ওইটা কী এবং কেন ব্যবহার করে?
খেলার সময় সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বকরক্ষায় অনেকেই সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন। এটা ব্যবহার করলে মানুষের চামড়ার উপরিভাগ রোদে পোড়া থেকে রক্ষা পায়। ক্রিকেট খেলার সময় অনেক খেলোয়াড়কেই মুখে বা ঠোঁটে সাদা ক্রিম ব্যবহার করতে দেখা যায়। খেলোয়াড়রা মুখে যে সানব্লক ব্যবহার করেন, তাই হলো প্রকৃত সানস্কবিস্তারিত পড়ুন
খেলার সময় সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বকরক্ষায় অনেকেই সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন। এটা ব্যবহার করলে মানুষের চামড়ার উপরিভাগ রোদে পোড়া থেকে রক্ষা পায়। ক্রিকেট খেলার সময় অনেক খেলোয়াড়কেই মুখে বা ঠোঁটে সাদা ক্রিম ব্যবহার করতে দেখা যায়। খেলোয়াড়রা মুখে যে সানব্লক ব্যবহার করেন, তাই হলো প্রকৃত সানস্ক্রিন।
সংক্ষেপে দেখুনবিআইডব্লিউটিএ (BIWTA) বলতে কি বুঝায়?
বিআইডব্লিউটিএ (BIWTA)-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (Bangladesh Inland Water Transport Authority)। এটি বাংলাদেশ সরকারের একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, যা দেশের অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। এটি নৌ পরিবহন নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নসহ নৌযান সমূহের জন্য বিভিন্ন আইন ও নীতিমালা পবিস্তারিত পড়ুন
বিআইডব্লিউটিএ (BIWTA)-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (Bangladesh Inland Water Transport Authority)। এটি বাংলাদেশ সরকারের একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, যা দেশের অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। এটি নৌ পরিবহন নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নসহ নৌযান সমূহের জন্য বিভিন্ন আইন ও নীতিমালা প্রণয়ন, অনুমোদন, নিবন্ধন ইত্যাদি কাজের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত। ঢাকার মতিঝিলে এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
জাপানীরা দীর্ঘায়ু হয় কেন এবং কিভাবে?
জাপানি রা যেমন কর্মঠ তেমন তাদের সুশৃঙ্খল জীবন যাপন। তাদের খাদ্য তালিকা বেশ চমৎকার এবং নিয়মতান্ত্রিক। একজন জাপানী সুস্থ শরীর আর মজবুত হাড় নিয়ে বেঁচে থাকে প্রায় ৮৪ বছরের বেশি সময়। এদের শরীরে মেদের চিহ্ন প্রায় নেই বললেই চলে। কিন্তু কেন? পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছে, জাপানীরা স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে শুধু খাবার নিয়বিস্তারিত পড়ুন
জাপানি রা যেমন কর্মঠ তেমন তাদের সুশৃঙ্খল জীবন যাপন। তাদের খাদ্য তালিকা বেশ চমৎকার এবং নিয়মতান্ত্রিক।
একজন জাপানী সুস্থ শরীর আর মজবুত হাড় নিয়ে বেঁচে থাকে প্রায় ৮৪ বছরের বেশি সময়। এদের শরীরে মেদের চিহ্ন প্রায় নেই বললেই চলে। কিন্তু কেন? পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছে, জাপানীরা স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে শুধু খাবার নিয়ন্ত্রণ করে বিষয়টা এমন না। বরং তাদের জীবনযাপনের নিয়ম কানুন, অভ্যাস সব মিলিয়েই তাদের সুস্বাস্থ্য।
মোটা জাপাানী খুঁজে পাওয়া কঠিন;
জাপানের ওকিনোয়া দ্বীপের নাগরিকদের গড় আয়ু ৮৪ নয়, বরং বেশিরভাগ মানুষ এখানে শতবর্ষ পার করেছেন। এই দ্বীপকে বলা হয়ে থাকে ‘দ্য ল্যান্ড অফ ইমমর্টালস’।
জাপানীরা তিনটি আদর্শ মেনে চলে। তারা প্রচুর হাঁটাহাঁটি করে, জীবনযাত্রায় সাইকেলের ব্যবহার লক্ষ্যণীয়। অফিস আদালত, স্কুল কলেজে যাবার ক্ষেত্রে এই দুটি মাধ্যমকেই তারা বেছে নেয়। জেনে অবাক হতে হয়, জাপানে ৭২মিলিয়ন মানুষ বাইসাইকেল ব্যবহার করে নিয়মিত এবং বাইসাইকেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে নেদারল্যান্ড আর ডেনমার্কের পরই জাপানের নাম উঠে আসে। এছাড়া, তারা সবসময় পরিমিত পরিমাণ খাবার খায়। ছুটি উদযাপনেও পাহাড় ডিঙানো বা হাইকিং তাদের মাঝে ভীষণ জনপ্রিয়।
সংক্ষেপে দেখুনবাঘ ও সিংহ কি গাছে উঠতে পারে?
এরা গাছে উঠতে পারে। ওজনঃ এরা দৈর্ঘ্যের দিক থেকে ১.৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। যেহেতু দ্রুত গতিতে এরা দৌড়ায় সেহেতু এদের ওজন অনেক হালকা বেঙ্গল টাইগারের তুলনায়। এখন কত কম হতে পারে চিন্তা করুন।
এরা গাছে উঠতে পারে। ওজনঃ এরা দৈর্ঘ্যের দিক থেকে ১.৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। যেহেতু দ্রুত গতিতে এরা দৌড়ায় সেহেতু এদের ওজন অনেক হালকা বেঙ্গল টাইগারের তুলনায়। এখন কত কম হতে পারে চিন্তা করুন।
সংক্ষেপে দেখুনসাধারণ পানির তুলনায় মানুষের লালার স্ফুটনাংক কতগুণ বেশী ?
সাধারণ পানির তুলনায় মানুষের লালার স্ফুটনাংক কতগুণ বেশী ?
সাধারণ পানির তুলনায় মানুষের লালার স্ফুটনাংক কতগুণ বেশী ?
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর সবথেকে বড় আগ্নেয়গিরিটি কোথায় অবস্থিত? এটি থেকে লাভা নির্গত না হয়ে অন্য কিছু নির্গত হয়? সেটি কি?
পৃথিবীর সবথেকে বড় আগ্নেয়গিরিটি কোথায় অবস্থিত? এটি থেকে লাভা নির্গত না হয়ে অন্য কিছু নির্গত হয়? সেটি কি?
পৃথিবীর সবথেকে বড় আগ্নেয়গিরিটি কোথায় অবস্থিত? এটি থেকে লাভা নির্গত না হয়ে অন্য কিছু নির্গত হয়? সেটি কি?
সংক্ষেপে দেখুনঅ্যান্টার্কটিকাতে সবচেয়ে মোটা (প্রস্থে) বরফের টুকরাটির ব্যাসার্ধ কত?
অ্যান্টার্কটিকাতে সবচেয়ে মোটা (প্রস্থে) বরফের টুকরাটির ব্যাসার্ধ কত?
অ্যান্টার্কটিকাতে সবচেয়ে মোটা (প্রস্থে) বরফের টুকরাটির ব্যাসার্ধ কত?
সংক্ষেপে দেখুনইসরায়েলি ডাকটিকিটে কিসের আঠা ব্যাবহার করে এবং কেন?
কিসের আঠা? নাম কি?
কিসের আঠা? নাম কি?
সংক্ষেপে দেখুনবিশ্বের সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার কোনটি?
সাহিত্য পুরস্কার কোনটি?
সাহিত্য পুরস্কার কোনটি?
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীতে কত টাকা আছে?
75 ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার Well, it’s difficult to figure out the accurate number, but that amount has a special name and divided into four categories i.e., M0, M1, M2, and M3. M0: এটি অর্থ সরবরাহের ক্ষুদ্রতম পরিমাপ যা সমষ্টিগত বিবর্তিত মুদ্রা এবং ব্যাঙ্কনোট অন্তর্ভুক্ত করে। এই পরিমাণ ৫ ট্রিলিয়ন মারবিস্তারিত পড়ুন
75 ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার
Well, it’s difficult to figure out the accurate number, but that amount has a special name and divided into four categories i.e., M0, M1, M2, and M3.
M0: এটি অর্থ সরবরাহের ক্ষুদ্রতম পরিমাপ যা সমষ্টিগত বিবর্তিত মুদ্রা এবং ব্যাঙ্কনোট অন্তর্ভুক্ত করে। এই পরিমাণ ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের সামান্য বেশি। এটি সত্যিই বিশাল, কিন্তু এটি আমাদের মানুষের খরচ করার জন্য মোট অর্থের 10 শতাংশেরও কম।
M1: এর মধ্যে রয়েছে সমস্ত ফিজিক্যাল টাকা, ডিমান্ড ডিপোজিট, চেকিং অ্যাকাউন্ট এবং NOW (উত্তোলনের আলোচনা সাপেক্ষ অর্ডার) অ্যাকাউন্ট। M1 অনুমান করা হয় 25 ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমতুল্য।
M2: এটি একটি বিস্তৃত অর্থ শ্রেণিবিন্যাস যাতে M1 প্লাস সম্পদ রয়েছে যা দ্রুত ক্যাশ করা যায় না, উদাহরণস্বরূপ, সঞ্চয় আমানত, মানি মার্কেট মিউচুয়াল ফান্ড ইত্যাদি। M2 60 ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমতুল্য বলে অনুমান করা হয়।
M3: এতে M2 প্লাস প্রাতিষ্ঠানিক অর্থ বাজার তহবিল, বড় সময়ের আমানত, স্বল্পমেয়াদী পুনঃক্রয় চুক্তি এবং আরও অনেক কিছু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। M3 বিশ্বব্যাপী অর্থ সরবরাহ 75 ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমতুল্য বলে অনুমান করা হয়।
মজার ঘটনা: 23 আগস্ট 1994-এ কে ফাউন্ডেশনের দ্বারা পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি পরিমাণ নগদ পোড়ানো হয়েছে এক মিলিয়ন পাউন্ড।
সংক্ষেপে দেখুনবিখ্যাত পানামা হ্যাট কোন দেশে তৈরি হয়?
কি দিয় তৈরী হয় বলি নাহি
কি দিয় তৈরী হয় বলি নাহি
সংক্ষেপে দেখুনবিখ্যাত পানামা হ্যাট কোন দেশে তৈরি হয়?
বিখ্যাত পানামা হ্যাট কোন দেশে তৈরি হয়? কোন দেশে তৈরী হয়?
বিখ্যাত পানামা হ্যাট কোন দেশে তৈরি হয়? কোন দেশে তৈরী হয়?
সংক্ষেপে দেখুন