সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনার ফোন বৈধভাবে নিবন্ধিত কি না জানবেন যেভাবে
বিস্তারিততে আপনার উত্তর দেখে ভাল লাগলো। কিন্তু আমার কিছু প্রশ্ন ছিলঃ ১. আমার ফোনটি যদি *১৬১৬১# ডায়াল করার পর 'অবৈধ' বা 'নিবন্ধিত নয়' দেখায়, তাহলে আমার করণীয় কী? আমার ফোনটি কি বন্ধ হয়ে যাবে? ২. আমি যদি বিদেশ থেকে একটি ফোন এনে থাকি বা উপহার পেয়ে থাকি, সেটি নিবন্ধন করার প্রক্রিয়া কী? ৩. neir.btrcবিস্তারিত পড়ুন
বিস্তারিততে আপনার উত্তর দেখে ভাল লাগলো। কিন্তু আমার কিছু প্রশ্ন ছিলঃ
১. আমার ফোনটি যদি *১৬১৬১# ডায়াল করার পর ‘অবৈধ’ বা ‘নিবন্ধিত নয়’ দেখায়, তাহলে আমার করণীয় কী? আমার ফোনটি কি বন্ধ হয়ে যাবে?
২. আমি যদি বিদেশ থেকে একটি ফোন এনে থাকি বা উপহার পেয়ে থাকি, সেটি নিবন্ধন করার প্রক্রিয়া কী?
৩. neir.btrc.gov.bd ওয়েবসাইটের ‘সিটিজেন পোর্টাল’ ব্যবহার করে কীভাবে ফোনের নিবন্ধন অবস্থা যাচাই বা নিবন্ধন করা যায়?
৪. আমার ব্যবহৃত পুরোনো বাটন ফোনটিও কি এই প্রক্রিয়ায় যাচাই করতে হবে?
আশাকরি আপনার কাছ থেকে উত্তর পাবো।
সংক্ষেপে দেখুনবাঙালী জাতি কিভাবে গড়ে উঠেছিলো? কি সেই ইতিহাস?
বাঙালি জাতি গড়ে উঠেছে অস্ট্রিক, দ্রাবিড়, ও আর্য জাতীর সংমিশ্রনে। তবে এর প্রধান অংশটুকু গড়ে উঠে অস্ট্রিক জাতি থেকে। অস্ট্রিক জাতিকে আদি অস্ট্রেলিও বা অস্ট্রালয়েডও বলা হয়। প্রাচীন সাহিত্যে এদের “নিষাদ” নামে উল্লেখ পাওয়া যায়। বাঙালি জাতিকে প্রাক আর্য বা অনার্য জনগোষ্ঠি এবং আর্য জনগোষ্ঠি এই দুই ভাগে ভাগবিস্তারিত পড়ুন
বাঙালি জাতি গড়ে উঠেছে অস্ট্রিক, দ্রাবিড়, ও আর্য জাতীর সংমিশ্রনে। তবে এর প্রধান অংশটুকু গড়ে উঠে অস্ট্রিক জাতি থেকে। অস্ট্রিক জাতিকে আদি অস্ট্রেলিও বা অস্ট্রালয়েডও বলা হয়। প্রাচীন সাহিত্যে এদের “নিষাদ” নামে উল্লেখ পাওয়া যায়।
বাঙালি জাতিকে প্রাক আর্য বা অনার্য জনগোষ্ঠি এবং আর্য জনগোষ্ঠি এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়। আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠি প্রাধানত চার ভাগে বিভক্ত যথাঃ ১. নেগ্রিটো ২. অস্ট্রিক ৩. দ্রাবিড় ৪. মঙ্গোলীয় বা ভোটচীনীয়।
বিভিন্ন জাতি মিলে মিশে হাজার বছরে আমাদের বাঙালি জাতি তৈরি হয়েছে। তাই বাঙালি জাতিকে সংকর জাতি বলা হয়।
সংক্ষেপে দেখুনফ্রি ভার্চুয়াল BIN কার্ড এর সুবিধা এবং ঝুঁকিগুলো কি কি?
ফ্রি ভার্চুয়াল BIN কার্ড: সুবিধা এবং ঝুঁকি বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর যুগে অনলাইনে বিভিন্ন পরিষেবা পাওয়া সহজ হয়েছে। এর মধ্যে একটি হল ফ্রি ভার্চুয়াল BIN (Business Identification Number) কার্ড ব্যবহার করে নির্দিষ্ট সুবিধা নেওয়া। এটি সাধারণত পেইড পরিষেবাগুলোর সাবস্ক্রিপশনে কম খরচে বা বিনামূল্যে অ্যাকবিস্তারিত পড়ুন
ফ্রি ভার্চুয়াল BIN কার্ড: সুবিধা এবং ঝুঁকি
বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর যুগে অনলাইনে বিভিন্ন পরিষেবা পাওয়া সহজ হয়েছে। এর মধ্যে একটি হল ফ্রি ভার্চুয়াল BIN (Business Identification Number) কার্ড ব্যবহার করে নির্দিষ্ট সুবিধা নেওয়া। এটি সাধারণত পেইড পরিষেবাগুলোর সাবস্ক্রিপশনে কম খরচে বা বিনামূল্যে অ্যাক্সেস দেওয়ার দাবি করে। তবে এর সঙ্গে থাকে কিছু গুরুতর ঝুঁকি এবং আইনি জটিলতা।
BIN কার্ড কী?
BIN কার্ড মূলত একটি ভার্চুয়াল পেমেন্ট কার্ড যা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে পেমেন্ট করতে ব্যবহৃত হয়। এটি আসল কার্ড নয়, বরং একটি জেনারেটেড কার্ড নম্বর এবং বিস্তারিত তথ্য যা অনলাইনে নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়।
সুবিধাগুলো
1. কম খরচে সাবস্ক্রিপশন: VPN এবং BIN কার্ড ব্যবহার করে প্ল্যাটফর্মের আঞ্চলিক মূল্যের সুবিধা নেওয়া যায়।
2. সীমিত সময়ের ফ্রি ট্রায়াল: ইউটিউব প্রিমিয়াম বা স্পটিফাইয়ের মতো প্ল্যাটফর্মে সহজেই ট্রায়াল ব্যবহার করা যায়।
3. প্রবেশাধিকারের সুযোগ: আঞ্চলিক সীমাবদ্ধতা থাকা পরিষেবাগুলোতেও অ্যাক্সেস পাওয়া সম্ভব।
ঝুঁকি এবং আইনি জটিলতা
1. আইনি ঝুঁকি: এ ধরনের কার্যক্রম অনেক সময় প্ল্যাটফর্মের টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশন লঙ্ঘন করে। এর ফলে অ্যাকাউন্ট বাতিল বা আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
2. ব্যক্তিগত তথ্যের ঝুঁকি: জেনারেটেড BIN কার্ড ব্যবহার করলে ব্যবহারকারীর ডেটা চুরি বা অপব্যবহারের ঝুঁকি থাকে।
3. প্রতারণার শিকার হওয়া: অনেক সময় অসাধু ওয়েবসাইট বা টুল ব্যবহার করে কার্ড জেনারেট করা হয়, যা প্রতারণার অংশ হতে পারে।
আইনি দিক থেকে সমস্যা
এই পদ্ধতিতে প্ল্যাটফর্মের অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়, যা সাধারণত সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত।
বিভিন্ন দেশে এ ধরনের কার্যক্রমকে ফিনান্সিয়াল ফ্রড বলে গণ্য করা হয়।
প্রস্তাবনা
বৈধ পদ্ধতিতে সাবস্ক্রিপশন গ্রহণ করুন।
বিনামূল্যে পরিষেবা পাওয়ার লোভে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করবেন না।
অনলাইনে কোনো টুল বা সফটওয়্যার ব্যবহারের আগে তার নিরাপত্তা ও বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই করুন।
এই ধরনের ফ্রি BIN কার্ড ব্যবহারে সাময়িক সুবিধা পাওয়া গেলেও এটি দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির কারণ হতে পারে। বৈধ পন্থায় পরিষেবা গ্রহণ করা আপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
সংক্ষেপে দেখুনইতিহাসের সবচেয়ে বুদ্ধিমান অপরাধী কে? তার কি অপরাধ ছিল?
ইতিহাসের সবচেয়ে বুদ্ধিমান অপরাধী ইতিহাসে অনেক বুদ্ধিমান অপরাধী ছিল, তবে তাদের মধ্যে অন্যতম হিসেবে বিবেচনা করা হয় ব্রুস রেনল্ডস কে। তিনি বিখ্যাত "দ্য গ্রেট ট্রেন রবারি"র (1963) মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন। এই চুরিতে তিনি ও তার দল চলন্ত রয়্যাল মেইল ট্রেন থেকে প্রায় £2.6 মিলিয়ন (আজকের দিনে প্রায় £50 মিলবিস্তারিত পড়ুন
ইতিহাসের সবচেয়ে বুদ্ধিমান অপরাধী
ইতিহাসে অনেক বুদ্ধিমান অপরাধী ছিল, তবে তাদের মধ্যে অন্যতম হিসেবে বিবেচনা করা হয় ব্রুস রেনল্ডস কে। তিনি বিখ্যাত “দ্য গ্রেট ট্রেন রবারি“র (1963) মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন। এই চুরিতে তিনি ও তার দল চলন্ত রয়্যাল মেইল ট্রেন থেকে প্রায় £2.6 মিলিয়ন (আজকের দিনে প্রায় £50 মিলিয়ন) ডাকাতি করেছিলেন। রেনল্ডসের বুদ্ধিমত্তার অন্যতম উদাহরণ হলো, কীভাবে তিনি ট্রেনের সিগন্যাল পরিবর্তন করে ট্রেন থামিয়ে তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছিলেন। যদিও চুরির পর তার দল ধরা পড়ে, রেনল্ডস প্রায় ৫ বছর লুকিয়ে ছিলেন, যা তাকে একটি কৌশলী অপরাধী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
আরেকজন বিখ্যাত অপরাধী পাবলো এসকোবার। তিনি কলম্বিয়ার মাদক সম্রাট হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এসকোবারের অপরাধসমূহের মধ্যে ছিল বিশাল মাদক সাম্রাজ্য তৈরি করা, যেখানে তার প্রশিক্ষিত সৈন্য ও বিশাল সম্পত্তির অধিকারী ছিলেন। এসকোবার সাধারণ মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে বিপুল অর্থ খরচ করে গরিবদের সহায়তা করতেন, যার ফলে তিনি “রবিনহুড” উপাধি পান। তার কৌশলী বুদ্ধির মাধ্যমে তিনি অনেকদিন ধরে তার সাম্রাজ্য বজায় রাখতে পেরেছিলেন।
সংক্ষেপে দেখুনজীবনের কোন ভুলটি দ্বিতীয়বার করতে চান না আপনি? কেন চান না?
কেন?
কেন?
সংক্ষেপে দেখুনEBDO এবং PODO এর পূর্ণরূপ কী?
EBDO এর পূর্ণরূপ হলো- Elective Bodies Disqualification Order এবং PODO এর পূর্ণরূপ হলো- Public Office Disqualification Order
EBDO এর পূর্ণরূপ হলো- Elective Bodies Disqualification Order
এবং PODO এর পূর্ণরূপ হলো- Public Office Disqualification Order
সংক্ষেপে দেখুনশীতে রং বদলায় কোন কোন প্রাণী?
১. উত্তর গোলার্ধের বেজিরা ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে রং পাল্টায়। এদের তিনটি প্রজাতি রং পাল্টায়: লিস্ট বেজি (মুস্টেলা নিভালিস), লম্বা লেজের বেজি (মুস্টেলা ফ্রেনেটা) ও ছোট লেজের বেজি (মুস্টেলা এরমিনি)। ২. আর্কটিক শেয়াল (ভালপ্স লাগোপাস) ৩. খরগোশের প্রায় ৪০টি প্রজাতির মধ্যে শুধু ছয়টি প্রজাতিই শীতকালে বর্ণ পরবিস্তারিত পড়ুন
১. উত্তর গোলার্ধের বেজিরা ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে রং পাল্টায়। এদের তিনটি প্রজাতি রং পাল্টায়: লিস্ট বেজি (মুস্টেলা নিভালিস), লম্বা লেজের বেজি (মুস্টেলা ফ্রেনেটা) ও ছোট লেজের বেজি (মুস্টেলা এরমিনি)।
২. আর্কটিক শেয়াল (ভালপ্স লাগোপাস)
৩. খরগোশের প্রায় ৪০টি প্রজাতির মধ্যে শুধু ছয়টি প্রজাতিই শীতকালে বর্ণ পরিবর্তন করে। তাদের মধ্যে রয়েছে: তুষার খরগোশ (লেপুস আমেরিকানাস), আর্কটিক খরগোশ (লেপুস আর্কটিকাস) ও পর্বত খরগোশ (লেপুস টিমিডাস)।
৪. টার্মিগান বুনোহাঁসের তিনটি প্রজাতি শীতকালে রং বদলায়। পাথুরে টার্মিগান (লাগোপাস মুটা), সাদা লেজের টার্মিগান (লাগোপাস লেউকিউরাস) ও উইলো টার্মিগান (লাগোপাস লাগোপাস)।
৫. রাশিয়ার বামন হ্যামস্টার (ফডোপাস সুনগোরাস) এক ধরনের গোলাকার হ্যামস্টার। এরা বাদামি ও ধূসর বর্ণের হয়ে থাকে। কোনো কোনোটির মাথা থেকে লেজ পর্যন্ত লম্বাটে দাগ থাকতে পারে। তাপমাত্রা কমে গেলে ও দিন ছোট হয়ে এলে এদের লোমের বর্ণ সাদা হয়।
৬. পিয়ারি বলগা হরিণের (র্যাঙ্গিফার ট্যারান্ডাস পিয়ারি) লোম দ্বিস্তর বিশিষ্ট: একটি ঘন স্তর বিশিষ্ট অন্যটি লম্বা লোম বিশিষ্ট। এদের লম্বা লোমগুলো শরীরে তাপমাত্রা ধরে রাখতে সাহায্য করে। পিয়ারি বলগা হরিণের লোম মূলত সাদাই এবং এর পিঠ ধূসর বর্ণের। তবে গ্রীষ্মকালে তা হালকা বাদামি বর্ণ ধারণ করে। শীতকালে এদের লোম সম্পূর্ণ সাদা হয়ে যায়।
এই ৬টি প্রাণী শীতকাল বা তাপমাত্রা কমে যাওয়ার ফলে দেহের রঙ বদলায়।
সংক্ষেপে দেখুনকোনো পন্যের বারকোডের শুরুতে 890 থাকলে তা কোনদেশী পন্য?
ভারতের বারকোড ৮৯০। কোনো পণ্যের বারকোড ৮৯০ দিয়ে শুরু হলে পণ্যটি ভারতীয় কোনো প্রতিষ্ঠান বাজারজাত করেছে এতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু পণ্যটি তাদের উৎপাদিত নাও হতে পারে। অর্থাৎ বারকোডের শুরুর অংশ প্রতিষ্ঠানটি কোথায় নিবন্ধিত সে সম্পর্কে তথ্য দেয়। কিন্তু পণ্যটি কোন দেশে উৎপাদিত হয়েছে সে সম্পর্কে কোনো তথ্য দবিস্তারিত পড়ুন
ভারতের বারকোড ৮৯০। কোনো পণ্যের বারকোড ৮৯০ দিয়ে শুরু হলে পণ্যটি ভারতীয় কোনো প্রতিষ্ঠান বাজারজাত করেছে এতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু পণ্যটি তাদের উৎপাদিত নাও হতে পারে। অর্থাৎ বারকোডের শুরুর অংশ প্রতিষ্ঠানটি কোথায় নিবন্ধিত সে সম্পর্কে তথ্য দেয়। কিন্তু পণ্যটি কোন দেশে উৎপাদিত হয়েছে সে সম্পর্কে কোনো তথ্য দেয় না।
সংক্ষেপে দেখুনরবীন্দ্রনাথের লেখা শেষ কবিতা কোনটি?
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা শেষ কবিতা হলো ‘তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি।’
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা শেষ কবিতা হলো ‘তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি।’

সংক্ষেপে দেখুনকোন কাঁকড়ার নীল রক্ত লাখো মানুষের জীবন বাঁচায় ?
রাজকাঁকড়া, যাকে ইংরেজিতে বলে ‘হর্স হো ক্র্যাব’।
রাজকাঁকড়া, যাকে ইংরেজিতে বলে ‘হর্স হো ক্র্যাব’।
সংক্ষেপে দেখুনকুমিরের পরিচয় দুর্ধর্ষ শিকারি হিসেবে। স্বাভাবিকভাবেই যেসব নদী, লেক কিংবা পুকুরে কুমির থাকে, মানুষ সেগুলো এড়িয়ে চলে। তবে কুমিরের সঙ্গে মিলেমিশে বাস করে পৃথিবীর কোনদেশের গ্রামের মানুষ ?
বুরকিনা ফাসো দেশের বাজৌলি গ্রামের মানুষ আর কুমিরে দারুণ সুসম্পর্ক। পুকুরে ২০০ কুমির থাকলেও গ্রামের বাচ্চারা সেখানে সাঁতার কাটে কোনো সমস্যা ছাড়াই।

সংক্ষেপে দেখুনবুরকিনা ফাসো দেশের বাজৌলি গ্রামের মানুষ আর কুমিরে দারুণ সুসম্পর্ক। পুকুরে ২০০ কুমির থাকলেও গ্রামের বাচ্চারা সেখানে সাঁতার কাটে কোনো সমস্যা ছাড়াই।
কত বছরের গড় আবহাওয়াকে কোনো অঞ্চলের জলবায়ু বলে?
যে কোন স্থানের ২০-৩০ বছরের আবহাওয়ার গড়কে জলবায়ু বলে।
যে কোন স্থানের ২০-৩০ বছরের আবহাওয়ার গড়কে জলবায়ু বলে।
সংক্ষেপে দেখুনদেজা ভু কী ?
কিছুদিন আগে যখন আমি ঢাকা অ্যাটাক মুভিটি দেখছিলাম তখন মুভিটির শেষ দৃশ্য যেটিতে জিসান অর্থাৎ খলনায়ককে মারা হয় সেই দৃশ্যে এসে আমার বার বার মনে হচ্ছিল আমি এটি আগেও দেখেছি। আমি নিজেকে যতই বোঝাতে চাচ্ছিলাম যে এটি আগে দেখার কোন প্রশ্নই আসে না, তারপরেও মনে হচ্ছিল আমি এটি দেখেছি। আর এই অনুভূতি একদমই প্রথমবিস্তারিত পড়ুন
কিছুদিন আগে যখন আমি ঢাকা অ্যাটাক মুভিটি দেখছিলাম তখন মুভিটির শেষ দৃশ্য যেটিতে জিসান অর্থাৎ খলনায়ককে মারা হয় সেই দৃশ্যে এসে আমার বার বার মনে হচ্ছিল আমি এটি আগেও দেখেছি।
আমি নিজেকে যতই বোঝাতে চাচ্ছিলাম যে এটি আগে দেখার কোন প্রশ্নই আসে না, তারপরেও মনে হচ্ছিল আমি এটি দেখেছি। আর এই অনুভূতি একদমই প্রথম নয় আমার জন্য, এর আগেও অনেকবার আমি এর সম্মুখীন হয়েছি।
যেমন বালিয়াটি জমিদার বাড়ির পেছনের পুকুরটি দেখার পর ওই পুকুরটি আমার খুব চেনা চেনা লাগছিল। প্রথম যেদিন এই জিনিসটি আমি অনুভব করতে পারি সেদিন অনেকের সাথে কথা বলেও জানতে পারিনি এটি কী বা কেন এটি হয়।
পরে একদিন কোন একটি গল্পের বই পড়তে পড়তে জানতে পারি এই অনুভূতির নাম হচ্ছে ‘দেজা ভ্যু’, ইংরেজীতে যার অর্থ ‘already seen’, বাংলায় আমরা বলতে পারি ‘ইতিপূর্বে দেখা’। সহজ ভাষায় দেজা ভ্যু হচ্ছে কোন কিছুকে প্রথমবার দেখেই পরিচিত বলে মনে হওয়া যদিও সেটি আমাদের পরিচিত হওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না।
এই কোন কিছুটা যে শুধু কোন জিনিস তাই নয়, হতে পারে কোন জায়গা, কোন মানুষ অথবা বন্ধুবান্ধবের সাথে আড্ডা দেয়ার কোন মুহূর্ত।
দেজা ভ্যু কেন হয়?
যেদিন জানতে পারলাম কোন কিছুকে পরিচিত মনে হওয়ার এই অনুভূতির নাম হচ্ছে দেজা ভ্যু সেদিনই বসে পড়লাম নেট ঘাঁটতে। মূল উদ্দেশ্য ছিল দেজা ভ্যু কেন হয় তা জানা। কিন্তু দেজা ভ্যুর আসল কারণ জানতে গিয়ে আরো ধাঁধায় পড়ে গেলাম।
কারণ, দেজা ভ্যু হওয়ার আসল কারণ সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা এখনো একমত হতে পারেন নি। একেকজন একেকরকম কারণ দেখিয়েছেন দেজা ভ্যু সংঘটিত হওয়ার। সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি কারণ তুলে ধরছি তোমাদের জন্য:
১। স্বপ্নের খেলা
দেজা ভ্যু হওয়ার কারণ সম্পর্কে প্রথম যে ধারণার কথা আমি বলবো সেটি স্বপ্ন সম্পর্কিত। কেউ কেউ বিশ্বাস করে যে, মানুষের মনে যে জিনিসটি নিয়ে সন্দেহ জাগে যে সে সেটি আগে দেখেছে অর্থাৎ দেজা ভ্যু হয় যে জিনিসটি নিয়ে সেটি সে আগেই স্বপ্নে দেখে।
কিন্তু মানুষ খুব কম স্বপ্নই মনে রাখতে পারে। আর তাই সকালে উঠে সেই স্বপ্নটি আর তার মনে থাকে না কিন্তু অবচেতন মনে ঠিকই সেই স্বপ্নটি সংরক্ষিত থাকে। পরে যখন সে বাস্তবে সেই ঘটনা বা জিনিসটির সম্মুখীন হয় তখন তার অবচেতন মন সেই স্বপ্নে দেখা স্মৃতিটিকে মনে করিয়ে দেয়। তখনই তার মনে হয় যে ওই জিনিসটি সে আগেই দেখেছে বা ওই ঘটনা আগেও ঘটেছে।
আমার যখন প্রথম দেজা ভ্যু হয় তখনো আমার এমনই মনে হয়েছিল। আমার এমন একটি জায়গা দেখে মনে হয়েছিল যে আমি এখানে আগেও এসেছি যেখানে তার আগে আমার যাওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না। আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম এই ভেবে যে জায়গাটি আমার এত পরিচিত মনে হচ্ছে কেন। পরে আমার বারবার মনে হচ্ছিল যে আমি হয়তো স্বপ্নে দেখেছি জায়গাটি।
২। স্মৃতির অন্তরালে
এখন যে ব্যাখ্যার কথা বলব সেটি স্মৃতির সাথে সম্পর্কিত। এই ধারণায় বলা হয় যে, যেই জিনিস বা স্থান বা ঘটনা সম্পর্কে দেজা ভ্যু হয় সেই জিনিস বা স্থান বা ঘটনা পূর্বেও মানুষ দেখে। কিন্তু অনেক আগে তা দেখার কারণে তা স্মৃতিতে পুরোপুরিভাবে থাকে না। কিন্তু অবচেতন মনে বা স্মৃতিতে তার একটা ছাপ থাকে।
এর ফলে যখন সে পুনরায় সেই জিনিস বা স্থান বা ঘটনার মুখোমুখি হয় তখন স্মৃতির গভীর থেকে ওই পুরনো স্মৃতিও তার সামনে চলে আসে। তখন তার মনে হয় যে এটি আগেও ঘটেছে বা সে এটি আগেও দেখেছে।
এটি একটি ভালো ব্যাখ্যা হতে পারে কিন্তু খুব বেশি শারীরিক নয়। কারণ দেজা ভ্যুর অভিজ্ঞতা যাদের হয়েছে তাদের মধ্য বেশিরভাগই জোর দিয়ে বলে পূর্বে ওই জিনিস বা জায়গা বা ঘটনার মুখোমুখি হওয়ার কোন সম্ভাবনাই নেই।
৩। সব দোষ মস্তিষ্কের
এবারের ব্যাখ্যাটি মস্তিষ্কের উপর নির্ভর করে দেয়া। আমরা সবাই জানি যে, মস্তিষ্কের এক এক অংশ এক এক কাজ করে থাকে। দেখার কাজটি মস্তিষ্কের যেই অংশটি করে থাকে সেটি মস্তিষ্কের পেছনে অবস্থিত। এটি কোন কিছু দেখে এবং সেটিকে ব্যাখ্যা করে আমাদের সামনে উপস্থাপন করে যার ফলে আমরা বুঝতে পারি আমরা কী দেখছি।
অনেক বিশেষজ্ঞ দেজা ভ্যু কে মানসিক রোগের সাথে মিলিয়ে দিয়েছেন
কোন কিছু দেখে সেটিকে ব্যাখ্যা করতে মস্তিষ্কের এই অংশটির খুব কম সময় লাগে, সেকেন্ডের ভগ্নাংশ সময়ের মধ্যেই এই কাজটি সম্পন্ন হয়ে যায়। কিন্তু যদি কোন কারণে কোন কিছু দেখা আর ব্যাখ্যা করে আমাদের সামনে উপস্থাপন করার এই ক্ষুদ্র সময়ে আমাদের মন সামান্য সময়ের জন্য বিক্ষিপ্ত হয়ে যায় তাহলে দেজা ভ্যু হয়।
এর কারণ হচ্ছে একবার চোখ জিনিসটি বা ঘটনাটি দেখে, তারপর মন বিক্ষিপ্ত হয়ে যায় কিছু সময়ের জন্য। পরে যখন চোখ আবার সেই জিনিসটি বা ঘটনাটি দেখে এবং তা ব্যাখ্যা করে আমাদের সামনে উপস্থাপন করে তখন একটু আগে দেখার ঘটনাটাও মনে পড়ে যায়। তখন মনে হয় এটি আমি আগেও দেখেছি। কিন্তু সে আগে যে একটু আগেই তা মাথায় আসে না। ফলে মনে হয় অনেক আগের ঘটনা এটি।
এই ব্যাখ্যাটি মোটামুটি চলনসই বলা চলে। এগুলো ছাড়াও আরো কিছু ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে দেজা ভ্যু সম্পর্কে। অনেকেই আবার অতিপ্রাকৃত ঘটনার সাথে দেজা ভ্যুর যোগসূত্র আছে বলে মনে করেন।
দেজা ভ্যু হওয়া কি খারাপ?
অনেক বিশেষজ্ঞ দেজা ভ্যু কে মানসিক রোগের সাথে মিলিয়ে দিয়েছেন। তাদের বর্ণনা অনুযায়ী দেজা ভ্যু তাদেরই হয় যাদের কিছুটা মানসিক সমস্যা আছে। কিন্তু এর পক্ষে তারা কোন প্রমাণ দেখাতে পারেন নি। পৃথিবীর প্রায় ৬০%-৭০% মানুষ দেজা ভ্যুর মুখোমুখি হয়। তাদের বেশিরভাগেরই কোন রকম মানসিক সমস্যা নেই।
আর যারা দেজা ভ্যু এর সাথে অতিপ্রাকৃত ঘটনার সম্পর্কে খুঁজে পান তারাও কোন শক্ত প্রমাণ দেখাতে পারেন নি। আর তাই হলপ করে বলা যায় না যে দেজা ভ্যু হওয়াটা খারাপ কিছু।
দেজা ভ্যুর যে সকল কারণ আমরা দেখতে পাই সেগুলো থেকে দেখা যায় যে এগুলো মস্তিষ্কের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই পড়ে। আর তাই এটিকে খারাপ বা ক্ষতিকর কিছু হিসেবে অভিহিত করা যায় না।
দেজা ভ্যু হওয়াটা খারাপ কিছু নয়, এটা আমার জন্য বেশ ভালো সংবাদই বলা চলে। আমার তো মাঝে মাঝে মজাই লাগে। প্রায়ই আমার এমন হয়। আগে খুব বেশি ভাবতাম, ঘাঁটাঘাঁটি করতাম দেজা ভ্যু নিয়ে। এখন এটা বেশ উপভোগ করি।
ক্রেডিটঃ 10minuteschool
সংক্ষেপে দেখুনলুডু খেলায় সাপ এবং মই খেলার জন্ম কোথায়?
ঘরে বসে খেলতে হয় সাপ-লুডু। ছোটবেলায় লুডু খেলা খেলেনি এমন বাঙালি পাওয়া সত্যিই দুষ্কর। বাড়ির বয়স্ক মহিলাদের সাথে ছোটরাও মজে যেতো এই লুডু খেলায়। তবে লুডু বোর্ডের পরের পাতাটিই থাকতো সবচেয়ে আকর্ষণীয়। সাপ আর মইয়ের এই খেলা ছিল দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ। মই দিয়ে উপরের ধাপে উঠে যাওয়া, আবার অমনি সাপের মুখে পড়ে নিচেবিস্তারিত পড়ুন
ঘরে বসে খেলতে হয় সাপ-লুডু। ছোটবেলায় লুডু খেলা খেলেনি এমন বাঙালি পাওয়া সত্যিই দুষ্কর। বাড়ির বয়স্ক মহিলাদের সাথে ছোটরাও মজে যেতো এই লুডু খেলায়। তবে লুডু বোর্ডের পরের পাতাটিই থাকতো সবচেয়ে আকর্ষণীয়। সাপ আর মইয়ের এই খেলা ছিল দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ। মই দিয়ে উপরের ধাপে উঠে যাওয়া, আবার অমনি সাপের মুখে পড়ে নিচে নেমে আসা- এমনই উত্তেজনা থাকতো এই খেলায়, যা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে খেলাটি কিন্তু আজকের নয়, ইতিহাসের অনেক পথ ঘুরে এই খেলাটি আজকের রূপ পেয়েছে। সাপ-লুডুর সেই অজানা ইতিহাস নিয়েই আজকের আয়োজন।
১৯৭৭ সালে দীপক সিংখাদা নামের এক যুবক শিকাগো শহরের ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামে বসে নেপাল এবং তিব্বতের বিভিন্ন ছবির সংগ্রহ তালিকা প্রস্তুত করছিলেন। এ সময় মিউজিয়ামের এক কোনে পড়ে থাকা এক অদ্ভুত ছবির ওপর তার দৃষ্টি চলে যায়। জাদুঘরের রেজিস্টারে ছবিটি নিয়ে শুধু বলা হয়েছে, ‘রিলিজিয়াস ওয়ার্ক’।
ছবিটি এক ভারতীয় আর্ট ডিলারের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে জানা যায়। ছবিটি দেখে দীপক বেশ অবাকই হয়। কারণ ছবির মধ্যে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহাদেবের উপস্থিতি। আর জাদুঘরে এ ধরনের বিষয় নিয়ে আর কোন ছবিই চোখে পড়েনি। নানা পুথিপত্র পড়ে দীপকের কাছে বিষয়টি কেবল ধর্মীয় বিষয় বলে মনে হলো না, কেবলই তার মনে হতে লাগলো এর সাথে অন্য কোনো বিষয় জড়িয়ে আছে। তিনি বুঝতে পারলেন, ছবিটি উত্তর ভারত থেকে সংগ্রহ করা হলেও এর মূল লুকিয়ে আছে নেপালে। তার এক পরিচিত অধ্যাপক দীপককে জানালেন, এ ধরণের একটি ছবি তিনি নেপালের জাদুঘরে দেখেছেন।
এই ছবির রহস্য উন্মোচনের জন্য দীপক রওনা হলেন নেপালে। নেপালে পৌঁছেই উপস্থিত হলেন নেপালের ন্যাশনাল মিউজিয়ামে। মিউজিয়ামের রেজিস্টার ঘাঁটতে শুরু করলেন যদি এই বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়। রেজিস্টারে শিকাগো মিউজিয়ামে দেখা এমনই এক ছবির কথা বলা আছে। জাদুঘর থেকে সে চিত্রকর্মটি বের করা হলো। নেপালের ন্যাশনাল মিউজিয়ামে পাওয়া এই চিত্রপটের নাম ‘নাগপাশ’।
এই চিত্রকর্ম সম্পর্কে পড়াশোনা করতে গিয়ে দীপক দেখেন এটি কোনো ধর্মীয় বিষয় নয়। এটি একটি খেলার ছক। নেপালিরা শুদ্ধ করে এ খেলাকে ‘নাগপাশ’ বললেও মুখে তারা বলেন ‘বৈকুন্ঠ খেল’। আসলে এটি আমাদের অতি পরিচিত এক খেলা ‘সাপ লুডু’।
নেপালে পাওয়া নাগপাশের ছকেও রয়েছে এই সাপ। তবে নাগপাশে দুই ধরনের সাপ দেখতে পাওয়া যায়। লাল সাপ আর কালো সাপ। লাল শুভ-লাভ এবং সৌভাগ্যের প্রতীক। কালো সাপ অশুভ এবং দুর্ভাগ্যের প্রতীক। নেপালি নাগপাশে লাল-সাপের লেজে গুটি পৌঁছতে পারলে খেলোয়াড়কে তা অনেক উঁচু জায়গায় পৌঁছে দেয়। আর কালো সাপের মাথায় গুটি পড়লে একেবারে লেজের শেষে নেমে যেতে হয়।
আমরা যে সাপ-লুডু খেলি, তাতেও সাপের ব্যবহার আছে। এখানেও গুটি সাপের মাথায় পড়লে সাপের লেজের শেষে নেমে যেতে হয়। তবে এখানে উপরে উঠার জন্য লাল সাপের পরিবর্তে মই ব্যবহার করা হয়। আর তাই লাল সাপগুলো এখানে অনুপস্থিত। তবে এখনকার সাপ-লুডুতে কোথাও মই, কোথাও তীর আবার কোথাও রকেটও ব্যবহার করা হচ্ছে।
শুধু মজা পাওয়ার জন্য আমরা যেমন সাপ-লুডু খেলি, নাগপাশ খেলার উদ্দেশ্য ছিল তা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। নাগপাশ খেলার উদ্দেশ্য ছিল অনেক গভীর এবং তার সাথে কিছুটা ধর্মেরও যোগাযোগ আছে। প্রাচীনকালে এই খেলার মাধ্যমে একজন খেলোয়াড় তার কর্মফল পরিমাপ করতেন। ভালো কাজের ফল পুণ্য, মন্দ কাজের ফল পাপ। সেকালের মানুষরা বিশ্বাস করতো, মানুষের এই পাপ-পুণ্য বা শুভাশুভ ফল ভবিষ্যৎ জীবন এবং পরজন্মের জন্য সঞ্চিত হয়ে থাকে। তারা বিশ্বাস করতো, ভালো কাজ করলে স্বর্গ আর খারাপ কাজ করলে নরক ভোগ করতে হয়।
জীবিত অবস্থায় একজন মানুষ ভাল কাজ করছে না মন্দ কাজ করছে, তা নিয়ে একটা সন্দেহ তখনকার দিনের মানুষদের মধ্যে প্রবলভাবে ছিল। এই কর্মফলে বিশ্বাসী মানুষের ভাবনা থেকেই নাগপাশ খেলার জন্ম নেয়। আর সে সময়ের মানুষদের কাছে নাগপাশ হলো কর্মফল পরিমাপ করার এক মজার উপায়।
নেপালি নাগপাশের যে দুটি চিত্রপট পাওয়া যায়, তা দুটিই শক্তপোক্ত কাপড়ের তৈরি ছক। নীচ থেকে ওপর পর্যন্ত খোপ আছে ৭২টি। তাতে লাল-কালো মিলিয়ে সাপ আছে ১৫টি। খোপগুলি নিচ থেকে ওপর পর্যন্ত আটটি সারির বেশিরভাগ সারিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সৃষ্টি থেকে শুরু করে মানুষের আত্মজ্ঞান লাভের অভিব্যক্তি প্রকাশ করা এমন কিছু মানুষের ছবি। নীচের সারিগুলোতে কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহে জর্জরিত মানুষের ছবি তুলে ধরা হয়েছে। একেবারে ওপরের সারিতে জ্ঞান, চেতনা এবং আত্মোপলব্ধি। আর একেবারে ছকের ওপরে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহাদেবের ছবি।
খেলোয়াড়রা ১-২-৩- ইত্যাদি সংখ্যাবিশিষ্ট একটি ঘুঁটি চালিয়ে খেলা শুরু করতেন। যে দান উঠবে, সে অনুযায়ী তত ঘর যাওয়া যাবে। এই যাওয়ার পথে দান কোথাও লাল সাপের পায়ে পড়বে, আবার কোথাও কালো সাপের ফাঁদে পড়বে। কালো সাপের বাধা পড়লে নিচে নামতে হবে আর লাল সাপ তাকে উন্নত জায়গায় উঠিয়ে দেবে। গুটি কালো সাপের মুখে পড়লে বুঝতে হবে পূর্বের বা এই জন্মের কোন পাপের ফলে কালো সাপ আক্রমণ করেছে এবং এর ফলে তা খোলায়াড়কে নিচের কর্মভূমিতে নামিয়ে দেয়। এর মধ্য দিয়ে স্মরণ করিয়ে দেয়া হয় এখন থেকে ভাল কাজ করলেই মুক্তি লাভ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। বার বার কালো ও লাল সাপের এই ওঠা-নামা জন্মান্তরচক্রের কথা বলে।
নাগাপাশ খেলার এই যে বিস্তৃতি, তা কিন্তু শিকাগো মিউজিয়ামে পাওয়া চিত্রপটে নেই। সেটা অনেক সহজ ও সরল। মূলত এই খেলাটি নেপালে পাওয়া গেলেও তা কিন্তু ভারতবর্ষের মূল ভূখন্ডে অনেক আগে থেকেই চালু ছিল বলে বিভিন্ন পণ্ডিতদের অভিমত।
১৯৭৫ সালে হরিশ জোহারি নামের এক পণ্ডিতের লেখা বইতে দেখা যায়, নেপালের নাগপাশ খেলার প্রচলন দশম শতকে হলেও তার বহু আগে থেকেই ভারতেবর্ষে এই খেলার চল ছিল। ভারতের দিকে এর খেলার নাম ছিল ‘জ্ঞান-চৌপার’ বা ‘মোক্ষ-পতমু’, অনেকে সংক্ষেপে বলেন মোক্ষপট। আর তখন ভারত বা নেপাল বলে আলাদা কোনো দেশ ছিল না। তবে কীভাবে এই খেলা ভারত থেকে নেপালে গেল, সে সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যায় না। জ্ঞান-চৌপারের খেলার উদ্দেশ্যও নাগপাশের মতোই। এখানেও ৭২টি খোপ। তবে এখানে লাল সাপের পরিবর্তে তীর বা বাণ ব্যবহার করা হয়। পরবর্তীকালে যা মই বা সিঁড়ির চেহারা নিয়েছে। সাপ-লুডুর মধ্যে যে কর্মফল, আত্মজ্ঞানের কথা রয়েছে, সেসব প্রতীকি বিষয়গুলো হারিয়ে গিয়ে আজ তা নিছক খেলায় পরিণত হয়েছে।
তবে আধুনিক সাপ লুডুতে সে সাপ ও মইয়ের ব্যবহার দেখা যায়, তা এই জ্ঞান-চৌপার থেকেই এসেছে বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু খেলা শুরুর প্রক্রিয়া এসেছে নেপালি নাগপাশ থেকে। কারণ নেপালি নাগপাশ এবং ভারতীয় জ্ঞান-চৌপার দুটিতেই ৭২টি খোপ আছে। জ্ঞান-চৌপারে খেলা শুরু হতো ৬৮ নম্বর ঘর থেকে। খেলোয়াড় বেশিক্ষণ এখানে থাকতে পারতেন না। দান চালার পর এগোতে-এগোতে তাকে সাপের মুখে পড়তে হয়। আর এভাবে খেলতে-খেলতে তাকে আবার ফিরে আসতে হয় ৬৮ নম্বর ঘরেই। উদ্দেশ্যটা এমন যে, পরম আনন্দে তোমার জন্ম আর ফিরেও যেতে হবে সেই আনন্দে।
আর নেপালি নাগপাশ শুরু হতো ১ নম্বর ঘর থেকেই। জীবনের পথচলার মতোই শৈশব, যৌবন, জরার পথ ধরে খেলোয়াড়কে এগোতে হয় যা নিয়ন্ত্রণ করে লাল ও কালো সাপ। ৭২ ঘর অতিক্রম করতে পারলেই মোক্ষলাভ সম্পন্ন।
পরবর্তীকালে এই নাগপাশ ও জ্ঞান-চৌপারে খোপের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ১০০ হয়, যা আজও অনুসরণ করা হচ্ছে। কিন্তু শুরুতে সব খেলায় ৭২টি ঘর ছিল। তার কারণ হচ্ছে সংসার চক্রের যে বিভিন্ন স্তর রয়েছে, তার সংখ্যা ৭২। আর সে কারণেই ৭২ নম্বর ঘরটি পূর্ণ করতে পারলেই জীবনচক্রের পরিসমাপ্তি ঘটে বলে সে সময়ের মানুষেরা মনে করতেন। পরবর্তীকালে বিভিন্ন ধর্মেও সাপ-লুডু খেলার প্রচলন শুরু হতে থাকে। তবে সেখানে নিজ নিজ ধর্মের নীতিকথাই প্রাধান্য পেতে থাকে।
ইংরেজরা ভারতবর্ষ দখল করার পর এ খেলাটির প্রতি তারাও বেশ আকর্ষিত হয়ে পড়ে। এ খেলার চিন্তা-ভাবনা তাদেরকে বেশ মুগ্ধ করে। ১৯ শতকের শেষ দিকে ব্রিটিশরা এই খেলাটিকে তাদের নিজেদের উপযোগী করে তৈরি করে নেয়। সাপ-লুডোর মূল থিম ঠিক রেখে নিজেদের ধর্মীয় আদর্শ এবং নানা উপদেশমূলক বাণী এতে সংযুক্ত হয়। ইংরেজদের তৈরি সাপ-লুডু খেলাটি সে সময় ইউরোপ, আমেরিকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।
বিংশ শতাব্দীতে এসে সাপ-লুডু খেলাটি কোন নির্দিষ্ট ধর্মের অনুসারিদের মধ্যে আবদ্ধ না থেকে তা সার্বজনীনতার রূপ পায়। ফলে খেলাটি বিভিন্ন বয়সী মানুষদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠে। বর্তমান সময়ে এসে ভিডিও গেমসের কল্যাণে এই ঐতিহাসিক ও জনপ্রিয় খেলাটি অনেকের মোবাইল ও কম্পিউটারে স্থান করে নিয়েছে। তাই কালের বিবর্তনে খেলাটিতে নানা পরিবর্তন আসলেও এর জনপ্রিয়তা আজও অমলিন।
তথ্যসূত্র ও ক্রেডিটঃ রোর মিডিয়া
সংক্ষেপে দেখুনপবিত্র কোরআনে এ কমাত্র কোন সূরাহ যার মধ্যে ‘বিসমিল্লাহ’ দু’বার এসেছে
পবিত্র কোরআনে একমাত্র সূরা নমল-এ (পারা নম্বর ১৯) এ বিসমিল্লাহ দুইবার রয়েছে।
পবিত্র কোরআনে একমাত্র সূরা নমল-এ (পারা নম্বর ১৯) এ বিসমিল্লাহ দুইবার রয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনআল কুরআনে কোন কোন মসজিদের নাম উল্লেখ আছে?
আল কুরআনে মসজিদে হারাম, মসজিদে নববী, মসজিদে কুবা, মসজিদে আকসা, মসজিদে জিরার মসজিদ সমূহের নাম উল্লেখ আছে।
আল কুরআনে মসজিদে হারাম, মসজিদে নববী, মসজিদে কুবা, মসজিদে আকসা, মসজিদে জিরার মসজিদ সমূহের নাম উল্লেখ আছে।
সংক্ষেপে দেখুনতাবলীগ জামাতের ব্যাপারে আপনার মনোভাব জানাবেন কি? এর ইতিহাস কি?
সঠিক নামটি হলো তাবলীগি জামাত। তাবলীগ কথাটির অর্থ - প্রচার। তাবলীগি জামাত এর অর্থ - প্রচার এর দল। কি প্রচার করে? তারা ইসলাম প্রচার করে। ইসলাম প্রচার কাজটা ফরজে-কেফায়া। ফরজে-কেফায়া হলো সেই ধরণের ফরজ কাজ যেটা সবার করা লাগে না। সমাজের কিছু মানুষ করলে, সবাই দায়িত্ব মুক্ত হয়। যেমন জানাজা নামাজ, ইতিকাফ, ইতবিস্তারিত পড়ুন
সঠিক নামটি হলো তাবলীগি জামাত। তাবলীগ কথাটির অর্থ – প্রচার। তাবলীগি জামাত এর অর্থ – প্রচার এর দল। কি প্রচার করে? তারা ইসলাম প্রচার করে।
ইসলাম প্রচার কাজটা ফরজে-কেফায়া। ফরজে-কেফায়া হলো সেই ধরণের ফরজ কাজ যেটা সবার করা লাগে না। সমাজের কিছু মানুষ করলে, সবাই দায়িত্ব মুক্ত হয়। যেমন জানাজা নামাজ, ইতিকাফ, ইত্যাদি। ইসলাম প্রচার করা ফরজ। সমাজের কিছু মানুষ অবশ্যই সেটা করতে হবে। যদি কেউই না করে, তবে সবাই পাপী হবে।
সংক্ষেপে দেখুনসিলেটের বন্যা পরিস্থিতির জন্য কোন বিষয়গুলো দায়ী?
গত দুই মাসের মধ্যে তিন দফা বন্যার কবলে পড়েছে সিলেট-সুনামগঞ্জ৷ তবে এবারের বন্যা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে৷ সিলেটে কেন এত ঘন ঘন বন্যা? গবেষকরা বলছেন, অতিবৃষ্টির কারণেই এই বন্যা। তবে এর বাইরেও বেশ কিছু কারণ আছে৷ হাওরে অবকাঠামো নির্মাণ, নদীর তলদেশ পলিমাটিতে ভরে যাওয়া, অপরিকল্পিতভাবে পাথর উত্তোলন, পুকুর-খাল ময়লাবিস্তারিত পড়ুন
গত দুই মাসের মধ্যে তিন দফা বন্যার কবলে পড়েছে সিলেট-সুনামগঞ্জ৷ তবে এবারের বন্যা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে৷ সিলেটে কেন এত ঘন ঘন বন্যা? গবেষকরা বলছেন, অতিবৃষ্টির কারণেই এই বন্যা। তবে এর বাইরেও বেশ কিছু কারণ আছে৷
হাওরে অবকাঠামো নির্মাণ, নদীর তলদেশ পলিমাটিতে ভরে যাওয়া, অপরিকল্পিতভাবে পাথর উত্তোলন, পুকুর-খাল ময়লা আবর্জনায় ভরাট হয়ে যাওয়াকেও দায়ী করছেন তারা৷ তবে কোনো কোনো বিশেষজ্ঞ হাওরের অবকাঠামো এর জন্য দায়ী বলে মনে করেন না৷
এবারের বন্যা এত ভয়াবহ রূপ নিয়েছে যে, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রেল স্টেশন, এয়ারপোর্ট সবই বন্ধ করে দিতে হয়েছে৷ পুরো সিলেট শহর এখন পানির নিচে৷ এখন পর্যন্ত অন্তত ৪০ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন৷ বিদ্যুৎহীন সিলেট-সুনামগঞ্জের মানুষ পুরো নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন৷ সুনামগঞ্জ পুরোপুরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে৷ পরিস্থিতি ভয়াবহতা এতটাই বেশি যে, সামাল দিতে সিভিল প্রশাসনের পাশাপাশি সেনাবাহিনীকে নামাতে হয়েছে৷
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বন্যা ও পানি ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘সিলেট বিভাগে বন্যা এতটা তীব্রতা পাওয়ার কারণ, পানি নামতে বাধা পাচ্ছে৷ হাওরে নানা অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে৷ এটা পানি প্রবাহে বাধার সৃষ্টি করছে৷ কারণ এই অঞ্চলের পানি হাওর হয়ে নদী দিয়ে নেমে যায়। শুধু এই অবকাঠামো নয়, পাশাপাশি নদী নাব্যতা হারিয়েছে। এতে পানি দ্রুত সরতে পারছে না৷’’
তবে ইমেরিটাস অধ্যাপক এবং পানি সম্পদ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত ডয়চে ভেলেকে বলেছেন, ‘‘এটা একেবারেই স্বাভাবিক বন্যা৷ এই বন্যার সঙ্গে হাওরের অবকাঠামোর কোন দায় নেই৷ এখন যে বন্যাটি হয়েছে এটা হয়ত দুই সপ্তাহ আগে হয়েছে। এটা দুই সপ্তাহ পরে হতে পারত। অনেক সময় স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশি বৃষ্টি হলেই বন্যার সৃষ্টি হয়৷ এবারও তাই হয়েছে৷ কয়েক বছর পরপরই এটা হয়ে থাকে৷ এর সঙ্গে অন্য কিছু মেলানো ঠিক না৷ তবে হ্যাঁ, জলবায়ু পরিবর্তনের দায় কিছুটা আছে৷’’
শনিবারের বৃষ্টিতে সিলেট নগরের বিভিন্ন এলাকায় প্রবল বেগে পানি ঢুকে পড়েছে। এতে অনেক উঁচু এলাকাও প্লাবিত হয়ে পড়ছে৷ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ১টার মধ্যে নতুন করে শহরের অন্তত ২৫টি এলাকা প্লাবিত হয়েছে৷ এর ফলে সিলেট শহরের পুরোটা কার্যত প্লাবিত হয়ে পড়ল৷ এ অবস্থায় দুর্ঘটনা এড়াতে এসব স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে৷ গত বুধবার তৃতীয় দফায় বন্যা শুরু হওয়ার পর সুরমা নদীর পানি উপচে নগরের অন্তত ২৫ থেকে ৩০টি এলাকা প্লাবিত হয়েছিল৷ রেল স্টেশনও বন্ধ করা হয়েছে৷
জল গবেষণা ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী ম. ইনামুল হক ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘এবারের এইরকম আকস্মিক বন্যার পিছনে ভারতের আসাম ও মেঘালয়ে অতিবৃষ্টি একটি বড় কারণ৷ হাওরের অবকাঠামোর এক্ষেত্রে কোন ভূমিকা আছে বলে আমার মনে হয় না৷ গত তিনদিন চেরাপুঞ্জিতে যে বৃষ্টিপাত হয়েছে, ২ হাজার ৪৮৭ মিলিমিটার, এখনো সেখানে বৃষ্টি হচ্ছে৷ এরকম ধারাবাহিক বৃষ্টি হয়েছে ১৯৯৫ সালে একবার, তিনদিনে ২ হাজার ৭৯৮ মিলিমিটার আর ১৯৭৪ সালে ২ হাজার ৭৬০ মিলিমিটার৷ এরকম খুব কম দেখা গিয়েছে। হাওরের অবকাঠামো যদি পানি প্রবাহে বাধার সৃষ্টি করত তাহলে ভৈরব ব্রিজটিই হতো মূল কারণ৷ সেটা তো পানি প্রবাহে কোন বাধার সৃষ্টি করছে না, তাহলে হাওরের এগুলো আসবে কেন?’’
অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম মনে করেন, ‘‘হঠাৎ এই বন্যার পেছনে চেরাপুঞ্জির প্রবল বৃষ্টিপাত প্রধান কারণ৷ তবে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে আবহাওয়া-জলবায়ু বা বৃষ্টির ধরন বদলে গিয়েছে৷ এখন বৃষ্টি হলে অনেক বেশি গভীর বৃষ্টি হয়৷ চেরাপুঞ্জিতে যখন বৃষ্টি হয়, সেটা ছয় থেকে আট ঘণ্টার ভেতরে তাহিরপুরে চলে আসে৷ কিন্তু সেখানে এসে পানি তো আর দ্রুত নামতে পারছে না৷ ফলে তখন সেটা আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ে বন্যার তৈরি করছে৷ বিশেষ করে ভারতের উজানে পাথর উত্তোলনের ফলে মাটি আলগা হয়ে নদীতে চলে আসে৷ ফলে নদীর তলদেশ ভরে যায়। সেখানে নাব্যতা সংকট তৈরি হচ্ছে৷ সেখানে গাছও কেটে ফেলা হচ্ছে৷ এর পাশাপাশি নদীগুলো ঠিকমতো ড্রেজিং না হওয়া, ময়লা-আবর্জনায় নদীর তলদেশ ভরে যাওয়া, ঘরবাড়ি বা নগরায়নের ফলে জলাভূমি ভরাট হয়ে যাওয়াও এর জন্য দায়ী৷ হাওরে বিভিন্ন জায়গায় পকেট আমরা রোধ করে ফেলেছি৷ ফলে পানি প্রবাহে বাধার তৈরি হচ্ছে৷”
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘সিলেট বিভাগের বন্যা পরিস্থিতি আরও দু-তিন দিন ধরে অবনতি হতে পারে৷ উত্তরাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতিরও দ্রুত অবনতি হওয়ার আশঙ্কা আছে, কারণ, উজানে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে৷ বাংলাদেশেও বৃষ্টি চলছে৷”
বন্যার পানি নামতে কী কোথাও বাধার সৃষ্টি হচ্ছে? জানতে চাইলে জনাব ভূঁইয়া বলেন, ‘‘পানি স্বাভাবিকভাবে নামছে না, এটা আমাদের মনে হয়েছে৷ কিন্তু কেন নামতে বাধার সৃষ্টি হচ্ছে, সেটা আমি বলতে পারব না৷ এর কারণ নির্ধারণে মন্ত্রণালয় এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটা কমিটি করা হয়েছে৷ ওই কমিটির রিপোর্ট পেলেই জানা যাবে কোথায় এই বাধার সৃষ্টি হচ্ছে৷”
বাংলাদেশের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের মেঘালয় ও আসামে বৃষ্টি হলে বাংলাদেশে উজান থেকে পানি আসা বন্ধ হবে না৷ সিলেট বিভাগের বন্যা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতির আশা নেই৷ দেশের উত্তরাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি আগামী দুই দিনের মধ্যে আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে৷ বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পর্যবেক্ষণ বলছে, সিলেট বিভাগের বন্যা এর আগের সব রেকর্ড ভেঙেছে৷ উজান থেকে আসা ঢলে এই বিভাগের বেশির ভাগ এলাকা এখন পানির নিচে৷ সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎ নেই, সুপেয় পানি নেই, মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক নেই৷ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে৷
সূত্রঃ dw.com
গনোরিয়া রোগের লক্ষণ, ওষুধ, চিকিৎসা ও মুক্তির উপায়
গনোরিয়া একটি রোগের নাম। যা সাধারণত নারী-পুরুষ উভয়ের হতে পারে। এটি কষ্টদায়ক যৌন সংক্রামক রোগ। গনোরিয়া হচ্ছে, একটি যৌনবাহিত রোগ। পুরুষের ক্ষেত্রে এই রোগে প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া ও মূত্রনালি দিয়ে পুজ বের হয়। গনোরিয়া রোগটি ‘নাইসেরিয়া গনোরিয়া’ নামক এক প্রকার ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। আক্রান্ত ব্যক্তিরবিস্তারিত পড়ুন
গনোরিয়া একটি রোগের নাম। যা সাধারণত নারী-পুরুষ উভয়ের হতে পারে। এটি কষ্টদায়ক যৌন সংক্রামক রোগ। গনোরিয়া হচ্ছে, একটি যৌনবাহিত রোগ। পুরুষের ক্ষেত্রে এই রোগে প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া ও মূত্রনালি দিয়ে পুজ বের হয়।
গনোরিয়া রোগটি ‘নাইসেরিয়া গনোরিয়া’ নামক এক প্রকার ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে মেলামেশার ২-১০ দিন পরই এ রোগের লক্ষণ দেখা যায়। গনোরিয়ার জীবাণু ‘নাইসেরিয়া গনোরিয়া’ দীর্ঘদিন শরীরের বাইরে টিকে থাকতে পারে না। এরা বেঁচে থাকে কেবল নিবিড় যৌন মিলনের মাধ্যমে এক দেহ থেকে অন্য দেহে স্থানান্তরিত হয়ে।
পুরুষের যৌনাঙ্গ দিয়ে পুঁজ বের হওয়া, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া এ রোগের উপসর্গ। প্রকৃতপক্ষে এটি একটি ব্যাকটেরিয়া ঘটিত জীবাণুবাহিত রোগ। এটা পুরুষাঙ্গ, সারভিক্স বা জরায়ুর ছিদ্র, রেকটাম মলাশয় বা পায়ু, গলা ও চোখকে আক্রান্ত করতে পারে। এই ইনফেকশনজনিত কারণে বন্ধ্যাত্বও দেখা দিতে পারে।
সাধারণত নারীদের চেয়ে পুরুষরাই এই যৌনরোগে বেশি আক্রান্ত হয়। শুধু নারী ও পুরুষের মেলামেশার কারণেই এ রোগ ছড়ায়।
এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার হার ক্রমশ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) উপাত্তে দেখা যায়, ২০১৬ থেকে ২০১৭ সালে পুরুষদের মধ্যে গনোরিয়ার হার দ্বিগুণ হয়েছে।
ডিসচার্জ
এই রোগের ইনফেকশনের সর্বাধিক কমন লক্ষণ হচ্ছে ডিসচার্জ। ডিসচার্জ পাতলা হতে পারে অথবা ঘন হতে পারে, এটি পুরুষভেদে নির্ভর করে। সিডিসি অনুসারে, কোনো পুরুষ ইনফেক্টেড হওয়ার দুই সপ্তাহের মধ্যে তার ডিসচার্জের অভিজ্ঞতা হবে। ডিসচার্জের বর্ণ কিংবা পরিমাণ যাই হোক না কেন কিংবা ডিসচার্জ প্রতিনিয়ত হোক বা অনিয়মিত হোক, কোনো ডিসচার্জই স্বাভাবিক নয়। যেকোনো ধরনের ডিসচার্জ হলে আপনার চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
নিতম্বে চুলকানি
মায়ো ক্লিনিক অনুসারে, গনোরিয়া মলদ্বারকেও আক্রমণ করতে পারে, যার ফলে মলদ্বারীয় চুলকানি ও ডিসচার্জ বা রক্তপাত হতে পারে। এছাড়া ডায়রিয়া হতে পারে এবং প্রাকৃতিক কর্ম সারার সময় ব্যথা অনুভব হতে পারে।
গলা ব্যথা
ওরাল সেক্স থেকেও গনোরিয়া হতে পারে। গলায় গনোরিয়া ডেভেলপ হওয়া অনেক লোকের উপসর্গ দেখা দেয় না। কারো কারো গলাব্যথা হতে পারে এবং লসিকাগ্রন্থি ফুলে যেতে পারে।
ব্যথা বা ফোলা
গনোরিয়া ইনফেকশন পার্শ্ববর্তী স্থানে, যেমন- অণ্ডথলি ও অণ্ডকোষ, ছড়ানো শুরু করলে এপিডিডাইমিসে প্রদাহ হতে পারে, যার সঙ্গে থাকতে পারে কুঁচকি ব্যথা।
গর্ভাবস্থায়
গনোরিয়ার জীবাণু গর্ভবতী নারীদের জননতন্ত্রের মধ্যে বিচরণ করে ডিম্ববাহী নালিতে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করতে পারে। এ কারণে নারীর বন্ধ্যাত্ব ঘটতে পারে বা জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ হতে পারে। গর্ভাবস্থায় নারীরা গনোরিয়ায় আক্রান্ত হলে শিশু জন্মের সময়ে মায়ের যোনি থেকে তার চোখে সংক্রমণ হতে পারে। শিশুকে চিকিৎসা না করলে তার চোখে প্রদাহ হবে এবং সে অন্ধ হয়ে যেতে পারে।
রোগ নির্ণয় ও পরীক্ষা
এক্ষেত্রে রোগীর বিস্তারিত ইতিহাস শুনতে হবে। তারপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। যদি স্বল্পস্থায়ী আক্রমণ হয়ে থাকে তাহলে পুরুষের ক্ষেত্রে প্রস্রাবের রাস্তা থেকে নিঃসরিত পদার্থ এবং নারীদের মূত্রনালি ও জরায়ু নিঃসরিত পদার্থ পরীক্ষা করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি হলে প্রস্টেটগ্রন্থি ম্যাসাজের পর নিঃসরিত পদার্থ পরীক্ষা করতে হবে। এছাড়াও কালচার ও সেনসিটিভিটি পরীক্ষা করতে হবে।
চিকিৎসা
সাধারণত পেনিসিলিন ব্যবহারে সংক্রমণ সেরে যায়। পেনিসিলিন রেজিস্টেন্ট ব্যক্তিকে সেনসিটিভ ওষুধে চিকিৎসা দেয়া যেতে পারে। জটিলতাহীন গনোরিয়ার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত একক মাত্রায় উপযুক্ত জীবাণুবিরোধী বা অ্যান্ট্রিমাইক্রোবিয়াল ওষুধ বেশ ভালো কাজ দেয়। এছাড়া অবস্থা জটিল হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কাজ করাই উত্তম।
সূত্রঃ দৈনিক যুগান্তর
সংক্ষেপে দেখুনPaytm Spoof APK Mod 13.1 Download for Android | Download Spoof Paytm APK 2022 (Latest Version) 13.4 – Knowledge World
Download direct from here Download
Download direct from here Download
সংক্ষেপে দেখুন