সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
রোজা রেখে ইনজেকশন নিলে কি রোজা ভাঙে?
বেশিরভাগ ইনজেকশনে রোজা ভাঙে না। রোজা অবস্থায় শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি ছাড়া অন্য যেকোনো চিকিৎসাগত কারণে ইনজেকশন নিলে রোজা নষ্ট হবে না — চাই তা মাংসে (ইন্ট্রামাসকুলার) দেওয়া হোক বা রগে/শিরায় (ইন্ট্রাভেনাস)। তবে সব ইনজেকশনের বিধান এক নয় — ধরন অনুযায়ী পার্থক্য আছে। ইনজেকশনের ধরন রোজা ভাঙে? বিধান চিকিৎবিস্তারিত পড়ুন
বেশিরভাগ ইনজেকশনে রোজা ভাঙে না। রোজা অবস্থায় শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি ছাড়া অন্য যেকোনো চিকিৎসাগত কারণে ইনজেকশন নিলে রোজা নষ্ট হবে না — চাই তা মাংসে (ইন্ট্রামাসকুলার) দেওয়া হোক বা রগে/শিরায় (ইন্ট্রাভেনাস)। তবে সব ইনজেকশনের বিধান এক নয় — ধরন অনুযায়ী পার্থক্য আছে।
কেন বেশিরভাগ ইনজেকশনে রোজা ভাঙে না — ইসলামিক ব্যাখ্যা
শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি ছাড়া অন্য যে কোনো কারণে ইনজেকশন নিলে রোজা নষ্ট হবে না। চাই তা মাংসে নেওয়া হোক বা রগে নেওয়া হোক। কারণ, ইনজেকশনের সাহায্যে দেহের অভ্যন্তরে প্রবেশকৃত ওষুধ মাংস বা রগের মাধ্যমেই প্রবেশ করানো হয়ে থাকে, যা অস্বাভাবিক প্রবেশপথ। তাই এটি রোজা ভঙ্গের গ্রহণযোগ্য কারণ নয়।
ইসলামি ফিকহের মূলনীতি হলো — রোজা ভাঙে তখনই, যখন স্বাভাবিক পথে (মুখ, নাক) কিছু শরীরে প্রবেশ করে পাকস্থলীতে পৌঁছায়। ইনজেকশন যেহেতু খাদ্য বা পানীয় হিসেবে গণ্য হয় না এবং স্বাভাবিক খাদ্যগ্রহণের পথ দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে না ও পাকস্থলীতে পৌঁছায় না, ফলে রোজা নষ্ট হওয়ার কোনো কারণ সৃষ্টি হয় না।
ডায়াবেটিস রোগীর ইনসুলিন — বিশেষ মাসআলা
শরিয়তের দৃষ্টিতে ইনসুলিন নিলে রোজা ভঙ্গ হবে না। কারণ, ইনসুলিনও ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে এবং তা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে গণ্য হয় না। তবে ডায়াবেটিস রোগীর রোজা রাখার বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি — কারণ স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকলে ইসলামে রোজা না রাখার অনুমতি আছে।
যে ইনজেকশনে রোজা ভাঙে — কেন?
খাবারের বিকল্প হিসেবে ইনজেকশন পুশ করলে রোজা ভাঙে। কারণ, এমন ইনজেকশন নিলে পানাহারের প্রয়োজন হয় না। অর্থাৎ গ্লুকোজ বা পুষ্টিকর স্যালাইন যেগুলো শরীরে শক্তি ও খাদ্যের কাজ করে, সেগুলো নিলে রোজা ভেঙে যাবে।
সতর্কতামূলক পরামর্শ
বাড়তি সাবধানতা হিসেবে চিকিৎসার ইনজেকশনগুলো রাতে নেওয়াই উত্তম। অর্থাৎ যদি সুযোগ থাকে, ইফতারের পর বা সেহরির আগে ইনজেকশন নিন। তবে জরুরি প্রয়োজনে দিনের বেলাতেও নিলে রোজা নষ্ট হবে না।
সংক্ষেপে মনে রাখার নিয়ম
চিকিৎসার ইনজেকশন → রোজা ভাঙে না, নিশ্চিন্তে নিন।
সংক্ষেপে দেখুনইনসুলিন / টিকা / অ্যান্টিবায়োটিক → রোজা ভাঙে না।
গ্লুকোজ / শক্তিবর্ধক স্যালাইন → রোজা ভাঙে, এড়িয়ে চলুন।
সন্দেহ হলে → স্থানীয় আলেম বা মুফতির কাছ থেকে পরামর্শ নিন।
এয়ার ফ্রায়ার কি সত্যিই স্বাস্থ্যকর? নাকি এটি একটি বিজ্ঞাপনের কথা?
এয়ার ফ্রায়ার সাধারণ ডিপ ফ্রাই করার চেয়ে বেশি স্বাস্থ্যকর। কিন্তু শুধুমাত্র তখনই, যদি আপনি সঠিক মডেল ব্যবহার করেন। এয়ার ফ্রায়ার গরম বাতাস সার্কুলেট করে খাবার রান্না করে, ফলে তেল অনেক কম লাগে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে এয়ার ফ্রায়ারে রান্না করলে ডিপ ফ্রাই-এর তুলনায় ৭০-৮০% কম ক্যালোরি আসে। তবেবিস্তারিত পড়ুন
এয়ার ফ্রায়ার সাধারণ ডিপ ফ্রাই করার চেয়ে বেশি স্বাস্থ্যকর। কিন্তু শুধুমাত্র তখনই, যদি আপনি সঠিক মডেল ব্যবহার করেন। এয়ার ফ্রায়ার গরম বাতাস সার্কুলেট করে খাবার রান্না করে, ফলে তেল অনেক কম লাগে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে এয়ার ফ্রায়ারে রান্না করলে ডিপ ফ্রাই-এর তুলনায় ৭০-৮০% কম ক্যালোরি আসে।
তবে এখানেই আসল প্রশ্ন: এয়ার ফ্রায়ারের ভেতরের কোটিং কি নিরাপদ? অনেক সস্তা মডেলে PTFE (টেফলন) বা PFAS কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়, যা উচ্চতাপে ভেঙে যেতে পারে এবং খাবারে মিশে যেতে পারে। এই কারণে নন-টক্সিক কোটিং সহ এয়ার ফ্রায়ার বেছে নেওয়া জরুরি।
সংক্ষেপে দেখুনবিনা নোটিশে দেশের সকল iptv বন্ধ করে দেয়া হলো কেন?
বাংলাদেশে বিনা নোটিশে iptv বন্ধ করার সিদ্ধান্তের পেছনে বেশ কিছু কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। ১. অনুমোদনহীন কার্যক্রম: বিটিআরসি (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন) জানিয়েছে, বেশিরভাগ আইপিটিভি প্ল্যাটফর্ম সঠিক লাইসেন্স বা অনুমোদন ছাড়াই কাজ করছিল। এসব প্ল্যাটফর্মগুলো আইন অমান্য করে কন্টেন্ট প্রচার করছবিস্তারিত পড়ুন
বাংলাদেশে বিনা নোটিশে iptv বন্ধ করার সিদ্ধান্তের পেছনে বেশ কিছু কারণ উল্লেখ করা হয়েছে।
১. অনুমোদনহীন কার্যক্রম: বিটিআরসি (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন) জানিয়েছে, বেশিরভাগ আইপিটিভি প্ল্যাটফর্ম সঠিক লাইসেন্স বা অনুমোদন ছাড়াই কাজ করছিল। এসব প্ল্যাটফর্মগুলো আইন অমান্য করে কন্টেন্ট প্রচার করছিল, যা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রধান কারণ হয়েছে।
২. কপিরাইট আইন লঙ্ঘন: আইপিটিভি সেবাগুলোতে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের অনুমতি ছাড়াই তাদের সম্প্রচার করা হচ্ছিল। এতে কপিরাইট লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে, যা সরকারের কঠোর পদক্ষেপের আরেকটি কারণ।
৩. নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা: বিটিআরসি লাইসেন্সবিহীন আইপিটিভি পরিচালনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিয়েছে। লাইসেন্সপ্রাপ্ত আইপিটিভি ছাড়া বাকি সেবাগুলো বন্ধ রাখার আদেশ দেওয়া হয়।
এখন লাইসেন্সপ্রাপ্ত আইপিটিভি পুনরায় চালু করতে পারবে, তবে তাদেরকে সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য দেশের মিডিয়া সেক্টরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং কপিরাইট সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
আপনি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে সময় নিউজ ও ভয়েস অফ আমেরিকার প্রতিবেদন দেখতে পারেন।
সংক্ষেপে দেখুন2yxa দিয়ে 2 মিনিটে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করবো কিভাবে?
2yxa দিয়ে ২ মিনিটে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করার উপায়: 1. প্রথমে 2yxa ওয়েবসাইটে যান। এর লিংক হলোঃ video.2yxa.mobi 2. পছন্দের ইউটিউব ভিডিওর লিঙ্ক কপি করে ওয়েবসাইটে থাকা নির্দিষ্ট ফিল্ডে পেস্ট করুন। 3. এবার ক্যাপচা পুরণ করুন। এরপর আপনার পছন্দের ফরম্যাট নির্বাচন করুন, যেমন MP4, 3GP ইত্যাদি। 4. 'ডাউনলোড' বাবিস্তারিত পড়ুন
2yxa দিয়ে ২ মিনিটে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করার উপায়:
1. প্রথমে 2yxa ওয়েবসাইটে যান। এর লিংক হলোঃ video.2yxa.mobi
2. পছন্দের ইউটিউব ভিডিওর লিঙ্ক কপি করে ওয়েবসাইটে থাকা নির্দিষ্ট ফিল্ডে পেস্ট করুন।
3. এবার ক্যাপচা পুরণ করুন।
এরপর আপনার পছন্দের ফরম্যাট নির্বাচন করুন, যেমন MP4, 3GP ইত্যাদি।
4. ‘ডাউনলোড’ বাটনে ক্লিক করুন এবং ফাইলটি সংরক্ষণ করুন।
এরপর, ভিডিওটি আপনার ডিভাইসে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাউনলোড শুরু হবে।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশে ক্রিকেট কতটা জনপ্রিয়? ক্রিকেট খেলার মাধ্যমে বাংলাদেশ কি কি অর্জন করেছে?
বাংলাদেশে ক্রিকেট অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খেলা। এটি জাতীয় খেলার মর্যাদা লাভ করলেও, দেশের সকল বয়সের মানুষের কাছেই এর আকর্ষণ অপরিসীম। গ্রাম থেকে শহর, স্কুল থেকে কলেজ, সকল স্তরের মানুষ ক্রিকেট খেলে এবং উপভোগ করে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দেশের ক্রিকেট পরিচালনা করে। বিসিবি'র অধীনে ঢাকা, চট্টগ্রামবিস্তারিত পড়ুন
বাংলাদেশে ক্রিকেট অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খেলা। এটি জাতীয় খেলার মর্যাদা লাভ করলেও, দেশের সকল বয়সের মানুষের কাছেই এর আকর্ষণ অপরিসীম। গ্রাম থেকে শহর, স্কুল থেকে কলেজ, সকল স্তরের মানুষ ক্রিকেট খেলে এবং উপভোগ করে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দেশের ক্রিকেট পরিচালনা করে। বিসিবি’র অধীনে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা ও সিলেট – এই ছয়টি বিভাগীয় ক্রিকেট কমিটি রয়েছে। এছাড়াও, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ক্রিকেট সংগঠন রয়েছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বিশ্বে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। ২০০৭ সালে ক্রিকেট বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে দেশের অভিষেক ঘটে। এরপর থেকে বাংলাদেশ নিয়মিতভাবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করছে এবং একাধিকবার সুপার সিক্সে পৌঁছেছে। ২০১৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ রানার-আপ হয়।
বাংলাদেশের ক্রিকেটে বেশ কিছু তারকা খেলোয়াড় রয়েছেন যারা দেশ ও বিশ্বব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেছেন। সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ – এরা এর মধ্যে অন্যতম।
বাংলাদেশ ক্রিকেট কেবল একটি খেলা নয়, বরং জাতীয় গর্ব ও ঐক্যের প্রতীক। ক্রিকেটারদের অসাধারণ সাফল্য দেশের মানুষের মনে অনুপ্রেরণা জাগিয়ে তোলে এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট সম্পর্কে আরও জানতে, নিম্নলিখিত ওয়েবসাইটগুলি দেখুন:
আপনার কি ক্রিকেট পছন্দ? কোন খেলোয়াড় আপনার সবচেয়ে বেশি পছন্দ?
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশের মিনি কক্সবাজার কোথায় অবস্থিত?
মিনি কক্সবাজার : ঢাকার দোহার উপজেলার পশ্চিম প্রান্ত ঘেঁষে বয়ে যাওয়া পদ্মা নদীর কোলে মৈনট ঘাট। এই মৈনট ঘাটকে মিনি কক্সবাজার বলা হয়। দোহার থেকে দূরত্ব প্রায় ৮ কিলোমিটার। নদীর ওপারে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন। ঢাকার গুলিস্তান থেকে ঘাট পর্যন্ত সরাসরি পাকা রাস্তা রয়েছে। ঢাকার খুব কাছাকাছি হওয়ায় দুই ঘণ্টারবিস্তারিত পড়ুন
মিনি কক্সবাজার :
ঢাকার দোহার উপজেলার পশ্চিম প্রান্ত ঘেঁষে বয়ে যাওয়া পদ্মা নদীর কোলে মৈনট ঘাট। এই মৈনট ঘাটকে মিনি কক্সবাজার বলা হয়।


দোহার থেকে দূরত্ব প্রায় ৮ কিলোমিটার। নদীর ওপারে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন। ঢাকার গুলিস্তান থেকে ঘাট পর্যন্ত সরাসরি পাকা রাস্তা রয়েছে।
ঢাকার খুব কাছাকাছি হওয়ায় দুই ঘণ্টার মধ্যেই আপনি এই মিনি কক্সবাজার পৌঁছে যেতে পারেন।
কেন যাবেন মিনি কক্সবাজার :
সারি সারি বাহারি রঙের ছাতার তলায় হেলানো চেয়ার সাজানো। দূরে তাকালে সমুদ্রের বেলাভূমির দৃশ্য। পদ্মার উত্তাল ঢেউ আপনার দিকে বারবার এগিয়ে আসবে।

সংক্ষেপে দেখুনসেখানকার সূর্যাস্তের দৃশ্য আপনার সারাজীবন মনে থাকবে।
গোল্ডেন টেকনিক কি?
পৃথিবীর মাদক প্রাচারের জন্য বিখ্যাত এলাকাগুলোকে বলা হয় গোল্ডেন টেকনিক।
পৃথিবীর মাদক প্রাচারের জন্য বিখ্যাত এলাকাগুলোকে বলা হয় গোল্ডেন টেকনিক।
সংক্ষেপে দেখুনগাড়ির এয়ারব্যাগ কিভাবে কাজ করে?
কীভাবে এয়ারব্যাগ কাজ করে ১। যখন গাড়ি কোন কিছুর সাথে ধাক্কা খায় তখন খুব দ্রুত বেগে গাড়ির গতি কমে যায়। ২। অ্যাকসিলরোমিটার গতি পরিবর্তনের ব্যাপারটি নির্দিষ্ট করে ও তথ্য প্রেরণ করে। অ্যাকসিলরোমিটার হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রোনিক চিপ যা গতির ত্বরণ পরিমাপ করে। ৩। যদি গাড়ির গতি ঠিকভাবে কমানো যায়, তাহলে অ্যাকসিবিস্তারিত পড়ুন
কীভাবে এয়ারব্যাগ কাজ করে
১। যখন গাড়ি কোন কিছুর সাথে ধাক্কা খায় তখন খুব দ্রুত বেগে গাড়ির গতি কমে যায়।
২। অ্যাকসিলরোমিটার গতি পরিবর্তনের ব্যাপারটি নির্দিষ্ট করে ও তথ্য প্রেরণ করে। অ্যাকসিলরোমিটার হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রোনিক চিপ যা গতির ত্বরণ পরিমাপ করে।
৩। যদি গাড়ির গতি ঠিকভাবে কমানো যায়, তাহলে অ্যাকসিলরোমিটারের ট্রিগার, এয়ারব্যাগের সার্কিটকে দ্রুত কমায় । যা সাধারণ ব্রেকে অতটা শক্তি উৎপাদন সম্ভব হয়না।
৪। এয়ারব্যাগের সার্কিটটি তাপ উৎপাদনকারী কোন উপাদানের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ করায়। টোস্টারের ভেতরে যেমন তার থাকে ঠিক তেমন তার এই বিদ্যুৎ প্রবাহের জন্য ব্যবহার করা হয়।
৫। তাপ উৎপাদনকারী উপাদানটি একটি রাসায়নিক বিস্ফোরন ঘটায়। পুরানো এয়ারব্যাগগুলোতে বিস্ফোরণের জন্য সোডিয়াম অ্যাজাইড ব্যবহার করা হতো। নতুন এয়ারব্যাগগুলোতে অন্য রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়।
৬। যখন বিস্ফোরণ ঘটে তখন অনেক গ্যাস উৎপাদিত হয়। গ্যাসগুলো ক্ষতিকর নয়। সাধারণত নাইট্রোজেন বা অ্যার্গন গ্যাস উৎপাদিত হয়। আর সেই গ্যাসগুলো স্টিয়ারিং হুইলের পেছনে একটি নাইলনের ব্যাগে জমা হয়।
৭। যখন এয়ারব্যাগটি খুলতে শুরু করে, তখন প্লাস্টিকের কভারের ভেতরে গ্যাস জমা হয় আর ড্রাইভারের ঠিক সামনে যেখানে স্টিয়ারিং হুইল থাকে সেখানে ঢেকে ফেলে। আর এই ব্যাগটি খোলার জন্য এক ধরনের চকের গুড়া জাতীয় পদার্থ ব্যবহার করা হয় , যাতে সহজেই ব্যাগটি খোলে।
৮। সামনের দিকে চলার কারনে (গতির সূত্রানুযায়ী) ড্রাইভার ব্যাগটিকে বিপরীত দিকে ধাক্কা দেয়। এই ধাক্কার মাধ্যমে ব্যাগের ভেতরে থাকা গ্যাসটি ব্যাগটি ফুলে উঠে। তখন ব্যাগের চারপাশে থাকা ছোট ছিদ্র গুলোর মাধ্যমে সম্পূর্ণ ব্যাগটি বের হয়ে যায় । এবং যখন গাড়িটি থামে তখন সম্পূর্ণভাবে ব্যাগটি খুলে যায়।
সংক্ষেপে দেখুনচাঁদের অন্ধকার দিকটি কতটা ঠান্ডা?
চাঁদের অন্ধকার পৃষ্ঠের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে ১৫৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস (-১৫৩ ডিগ্রি সে.) বা -২৪৩ ডিগ্রি ফারেনহাইটে পৌঁছায়।
চাঁদের অন্ধকার পৃষ্ঠের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে ১৫৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস (-১৫৩ ডিগ্রি সে.) বা -২৪৩ ডিগ্রি ফারেনহাইটে পৌঁছায়।
সংক্ষেপে দেখুনচীন কেন তাইওয়ান কে আক্রমণ করতে চায়?
না, চীন তাইওয়ান আক্রমণ করবে না। চীন কেন তাইওয়ান আক্রমণ করবে না ঃ চীন আগে থেকেই হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে সাই ইং-ওয়েন যদি স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থির সঙ্গে বৈঠক করেন, তবে এর প্রতিশোধ হবে কঠোরতম। প্রেসিডেন্ট সাই ইংয়ের সাথে ম্যাকার্থির বৈঠকের পরই চীনের সামরিক বাহিনী তাইওয়ানকে ঘিরে শুরু করে তিন দিনের রণপ্রস্বিস্তারিত পড়ুন
না, চীন তাইওয়ান আক্রমণ করবে না।
চীন কেন তাইওয়ান আক্রমণ করবে না ঃ
চীন আগে থেকেই হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে সাই ইং-ওয়েন যদি স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থির সঙ্গে বৈঠক করেন, তবে এর প্রতিশোধ হবে কঠোরতম। প্রেসিডেন্ট সাই ইংয়ের সাথে ম্যাকার্থির বৈঠকের পরই চীনের সামরিক বাহিনী তাইওয়ানকে ঘিরে শুরু করে তিন দিনের রণপ্রস্তুতি মহড়া। গত বছর আগস্টে যখন মার্কিন হাউজ স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি তাইওয়ান সফর করেন, তখনও চীন তেমনই প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল। এরই জের ধরে শুরু হয় চীন-যুক্তরাষ্ট্র চিপ যুদ্ধ।
চীন কেন তাইওয়ান আক্রমণ করবে না ঃ
বিশ্লেষকরা মনে করছেন- চীনের তাইওয়ান আক্রমণ নিকটবর্তী তা বলা যাবে না। দীর্ঘমেয়াদে হয়তো চীন তাইওয়ানে আক্রমণ করতে পারে, কিন্তু অদূর ভবিষ্যতে চীনের কৌশলগত ও নীতিগত অবস্থান তাইওয়ানে আক্রমণের দিকে নিয়ে যেতে পারে, এমন ধারণার বিপরীত মত বিশ্লেষকদের।
চীন এমন একটি বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে যেখানে শুধু উন্নত দেশের নেতৃত্ব থাকবে না, বরং থাকবে উন্নয়নশীল দেশের নেতৃত্বও। উন্নয়নশীল দেশের উন্নয়নে চীনের বন্ধুরূপে আবির্ভাব, করোনা মহামারীর সময়ে চীনের মাস্ক ডিপ্লোম্যাসির দ্বারা দেশগুলোর পাশে দাঁড়ানো ইত্যাদি চীনের শক্ত সফট পাওয়ার কৌশল নির্দেশ করে।
তাছাড়া চীন বোঝাতে চায় যে তার নেতৃত্বাধীন বিশ্বব্যবস্থায় বন্ধু দেশের সরকারব্যবস্থায় চীন নাক গলাবে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেমন গণতন্ত্র চাপিয়ে দিতে চায়, চীনের ভাষ্যমতে তারা এটি করবে না। রাশিয়া যেমন ইউক্রেনকে ন্যাটোতে যোগ দেয়ায় নিরাপত্তা হুমকি মনে করে আক্রমণ করে, সেদিক থেকে চীন একটু ভিন্ন। বরং চীন মনে করে- তাইওয়ান তাদের অংশ, বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকাণ্ড তারা বন্ধ করবে।
তাইওয়ান পৃথিবীর ৯০ শতাংশ সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন করে। চীনের তাইওয়ান আক্রমণ সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি করলে তা ক্রেতা দেশে চীনের সুনাম নষ্ট করবে। চীনের সাথে তাইওয়ানের বাণিজ্যিক সম্পর্কও রয়েছে। তাইওয়ানের মোট আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ২৬ শতাংশ হয় চীনের সাথে। চীনের পণ্যের একটি বড় ক্রেতা তাইওয়ান। যুক্তরাষ্ট্রের মতো চীনও তাইওয়ানের সেমিকন্ডাক্টরের অন্যতম ক্রেতা রাষ্ট্র। চীনের বর্তমানে সেমিকন্ডাক্টর ক্রয়ের পরিমাণ তেল ক্রয়ের পরিমাণকেও ছাড়িয়ে গেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, চীনা বিশ্বব্যবস্থায় কোনো দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা হবে সুপারপাওয়ারের প্রভাবমুক্ত, অর্থাৎ দেশটি হতে পারে রাজতন্ত্র, সমাজতন্ত্র আবার গণতন্ত্র। আবার চীনের নেতৃত্বের বিশ্বে এশিয়ায় মার্কিন প্রভাব থাকবে না। এখন চীন যদি তাইওয়ান আক্রমণ করে, তাহলে তার জন্য ভুল সিদ্ধান্ত হবে এই কারণে, তাইওয়ান একটি গণতান্ত্রিক দেশ, মার্কিন প্রভাব বলয়ের একটি দেশ।
তাই বলা যায়, অদূর ভবিষ্যতে চীন তাইওয়ান আক্রমণ করবে না। কিন্তু ভবিষ্যতে চীনের তাইওয়ান আক্রমণের সম্ভাব্যতা বাড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা।
সংক্ষেপে দেখুনমেডিকেল -এর লোগো তে সাপ কেন থাকে?
গ্রীক চিকিৎসার দেবতা অ্যাসক্লেপিয়াসের হাতে এই সর্প দণ্ড থাকতো, তাই এটাকে স্বাস্থ্য-পরিষেবার সাথে জড়িত পেশাদারদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সেই কালে Dracunculus medinensis নামক বিশেষ এক ধরনের চর্মভেদী কৃমিকে এইভাবে কাঠি দিয়ে ক্ষত হতে তোলা হত, তাই চিকিৎসার সাথেও এটা সামঞ্জস্যপূর্ণ। ভুল করে অনেবিস্তারিত পড়ুন
গ্রীক চিকিৎসার দেবতা অ্যাসক্লেপিয়াসের হাতে এই সর্প দণ্ড থাকতো, তাই এটাকে স্বাস্থ্য-পরিষেবার সাথে জড়িত পেশাদারদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
সেই কালে Dracunculus medinensis নামক বিশেষ এক ধরনের চর্মভেদী কৃমিকে এইভাবে কাঠি দিয়ে ক্ষত হতে তোলা হত, তাই চিকিৎসার সাথেও এটা সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ভুল করে অনেকে Caduceusকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রতীক বলে মনে করেন। Caduceusএ দুই ডানা-বিশিষ্ট একটি দণ্ডকে বেষ্টিত করে থাকে দুইটি সাপ।
এটি দেবতাদের দূত হার্মেস বা মারকিউরির প্রতীক; তিনি আবার ঠগ-জোচ্চর এবং রাস্তায় খেলা দেখানো যাদুকরদেরও দেবতা, তাই এটা তাদের প্রতীক হতে পারে, চিকিৎসকদের নয়।
সংক্ষেপে দেখুনআঠার বতলে আঠা লেগে যায় না কেন?
সাদা আঠা পলিমার নামক বিভিন্ন রাসায়নিক থেকে তৈরি। এই পলিমারগুলি দীর্ঘ স্ট্র্যান্ড যা স্টিকি বা প্রসারিত হতে পারে। আঠা উত্পাদনকারীদের সেরা আঠা বের করতে স্টিকি এবং স্ট্রেচি পলিমারগুলির কেবলমাত্র সঠিক সংমিশ্রণটি খুঁজে পেতে হবে। সাদা আঠালোতে রয়েছে জল। জল দ্রাবক হিসাবে কাজ করে যা আঠাকে তরল রাখে যতক্ষণ নবিস্তারিত পড়ুন
সাদা আঠালোতে রয়েছে জল। জল দ্রাবক হিসাবে কাজ করে যা আঠাকে তরল রাখে যতক্ষণ না আপনি এটি আটকে রাখতে চান।
আপনি যখন কোন কাগজের টুকরোতে আঠা রাখবেন তখন দ্রাবক – জল – বায়ুতে প্রকাশিত হয়। জল অবশেষে বাষ্পীভবন হয় (তরল থেকে গ্যাসে পরিবর্তিত হয়)। জল বাষ্পীভূত হওয়ার সাথে সাথে আঠালো শুকিয়ে যায় এবং শক্ত হয়। যা বাকি থাকে তা হ’ল স্টিকি পলিমার যা জিনিসকে এক সাথে রাখে।
তাহলে সাদা আঠালো বোতলটির অভ্যন্তরে আটকে থাকে না কেন? সাদা আঠা বোতলটির ভিতরে থাকলে, বোতলটির ভিতরে পর্যাপ্ত বাতাস থাকে না়। মূলত, বোতলটি বাতাস থেকে আঠাকে রক্ষা করে এবং আঠাকে সচল রাখে। আপনি যদি কিছুক্ষণের জন্য আঠা বোতলটির শীর্ষে ছেড়ে যান তবে আপনি লক্ষ্য কবেন যে, দুর্ভাগ্যক্রমে, আঠাটি শুকিয়ে গেছে!
সুপার গ্লু সম্পর্কে কি? আপনি লক্ষ্য কবেন যে সুপার গ্লু সাদা আঠার চেয়ে আরও দ্রুত শুকিয়ে যায়।
সুপার গ্লু সাদা আঠা থেকে আলাদাভাবে কাজ করে। সাদা আঠার পলিমারের পরিবর্তে, সুপার গ্লু Cyanoacrylate নামক রাসায়নিক দ্বারা তৈরি করা হয়। যখন এই বাতাসে জলীয় বাষ্পের সাথে প্রতিক্রিয়া ঘটে তখন এই রাসায়নিকগুলিকে একত্রে বন্ধন করে।
বায়ু যতই শুষ্ক মনে হয় না কেন, বায়ুতে সবসময় কিছু জলীয় বাষ্প থাকে। তাই যেকোনো অবস্থাতেই গ্লু শুকিয়ে যায়। আঠাকে শুকিতে না দেয়ার জন্য তার ধারকটিকে শক্তভাবে সিল করে রাখতে হবে।
সুতরাং আপনি সাদা আঠা বা সুপার গ্লু যার কথাই বলছেন না কেন, জলই মূল।
দাঁত শিরশির এবং ব্যাথায় ভালো কোন ঔষধ অথবা ট্যাবলেট এর নাম বলতে পারেন কি?
দাঁত ব্যথার ঔষধ সাধারণ দাঁত ব্যথার ওষুধের গ্রুপ হলো Etoricoxib বি.দ্রঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত যেকোন ঔষধ আপনার ক্ষতির কারণ হতে পারে এছাড়া আপনি লবঙ্গ খেতে পারেন। পেয়ারা পাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে কুলি করতে পারেন। দাঁত ব্যথায় করণীয় ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ টেবিল চামুচ লবণ মিশিয়ে মুখে নিয়ে ১ মিনিট রাখুন।বিস্তারিত পড়ুন
দাঁত ব্যথার ঔষধ
সাধারণ দাঁত ব্যথার ওষুধের গ্রুপ হলো Etoricoxib
বি.দ্রঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত যেকোন ঔষধ আপনার ক্ষতির কারণ হতে পারে
এছাড়া আপনি লবঙ্গ খেতে পারেন। পেয়ারা পাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে কুলি করতে পারেন।
দাঁত ব্যথায় করণীয়
১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ টেবিল চামুচ লবণ মিশিয়ে মুখে নিয়ে ১ মিনিট রাখুন। এভাবে দিনে ৩ বার করে গুলি করুন ব্যথা কমে যায়।
এ ছাড়াও ১ টেবিল চামুচ লবণ অল্প সরিষার তেলের সঙ্গে অথবা লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মাড়িতে ম্যাসাজ করুন কয়েক মিনিট। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে কুলি করে নিন। এভাবে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হবে।
লবণে অ্যান্টিসেপ্টিক ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে। এটি মুখের ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ব্যাহত করে প্রদাহ কমায়।
দাঁতের ব্যথার জন্য যত শিগগিরই ডেন্টিস্টের কাছে যাওয়া যায় ততই মঙ্গল।
সূত্রঃ দৈনিক যুগান্তর
সংক্ষেপে দেখুনআমার বিয়ে কবে হবে? স্বপ্নে বিয়ে দেখলে কি হয়? আমি দেখেছি!
পুরুষ কিংবা নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই বিবাহ জীবনের একটি বিশেষ সন্ধিক্ষণ। কিন্তু কেউই জানতে পারেন না, বিয়ে হবে কবে। কারণ জন্ম - মৃত্যু - বিয়ে তিন বিধাতা নিয়ে। বিয়ে ব্যাপারটা সবটাই ভবিতব্য(Destiny)। কিন্তু জানেন কি আমাদের হাতেই লেখা থাকে বিয়ের বয়স। সেখানে লেখা থাকে ঠিক কোন সময়ে ঘটতে চলেছে আপনার জীববিস্তারিত পড়ুন
পুরুষ কিংবা নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই বিবাহ জীবনের একটি বিশেষ সন্ধিক্ষণ। কিন্তু কেউই জানতে পারেন না, বিয়ে হবে কবে। কারণ জন্ম – মৃত্যু – বিয়ে তিন বিধাতা নিয়ে। বিয়ে ব্যাপারটা সবটাই ভবিতব্য(Destiny)। কিন্তু জানেন কি আমাদের হাতেই লেখা থাকে বিয়ের বয়স। সেখানে লেখা থাকে ঠিক কোন সময়ে ঘটতে চলেছে আপনার জীবনের এই শ্রেষ্ঠতম ঘটনাটি।
কীভাবে বুঝবেন কোন বয়সে বিয়ে হবে? কীভাবেই বা বুঝবেন আপনার বিয়ে সুখের হবে নাকি সমস্যাবহুল ভুল হবে?
তাহলে চিনে নিন আপনার হাতের রেখা ( palm astrology)। যে রেখা সুচিত করবে আপনার বিয়ে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, যে রেখা বিবাহ সূচিত করে তার নাম বিবাহ রেখা।
লেখাটির অবস্থান ঠিক হাতের তালুর উপরিভাগে থাকে না । থাকে হাতের পাশে কনিষ্ঠার নিচে। বিবাহ রেখা একটি নয় একাধিক হতে পারে।
বিবাহ রেখা যদি ছোট মাপের হয় আর তা যদি থাকে কনিষ্ঠার কাছাকাছি, তাহলে বিয়ে দেরিতে হওয়ার সম্ভাবনা। যাদের হাতে এই ধরনের রেখা থাকে তাদের তাদের একটু বেশি বয়সে বিয়ে সম্ভাবনা থাকে। ৪০ বছর পর্যন্ত তাদের অপেক্ষা করতেই হয় । চল্লিশে আশে পাশে গিয়ে এদের বিয়ে হয়।
যাদের ক্ষেত্রে বিবাহ রেখা কনিষ্ঠা থেকে বেশ দূরে হয় তাদের বিয়ে খুব তাড়াতাড়ি হয়ে যায় । মোটামুটি কুড়ি বছরের কাছাকাছি। আর ওই রেখা যদি মাঝামাঝি দূরত্বে থাকে তাহলে বিয়ের সম্ভাবনা ৩০ বছরের কাছাকাছি।
এতো গেল রেখার অবস্থান দেখে বিয়ের বয়স নির্ধারণ। কিন্তু বিবাহিত জীবন সুখের হবে নাকি কণ্টকময় হবে তা কি করে জানবেন? যদি বিবাহ রেখার উপর দিয়ে আরো একটি রেখা সেই সম্পর্কে ভাঙ্গন ধরার সম্ভাবনা থাকে। আর যদি দেখা যায় বিবাহ রেখায় শিকলের মত একটি চিহ্ন, তাহলে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।
সংক্ষেপে দেখুনকিভাবে একজন ভাল মানুষ হওয়া যায়?
কিভাবে একজন ভাল মানুষ হওয়া যায় মানবজীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন কী হতে পারে? প্রভূত অর্থ-সম্পত্তির মালিক হওয়া? বিশ্বব্যাপী খ্যাতি ছড়িয়ে পড়া? কঠিনতম স্বপ্নগুলোও পূরণ করতে পারা? এগুলোর কোনোটির গুরুত্বই কম নয়। কিন্তু আমরা যেহেতু মানুষ, তাই আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জনটি হলো একজন 'ভালো মানুষ' হয়ে ওঠা। অর্থাৎবিস্তারিত পড়ুন
কিভাবে একজন ভাল মানুষ হওয়া যায়
মানবজীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন কী হতে পারে? প্রভূত অর্থ-সম্পত্তির মালিক হওয়া? বিশ্বব্যাপী খ্যাতি ছড়িয়ে পড়া? কঠিনতম স্বপ্নগুলোও পূরণ করতে পারা? এগুলোর কোনোটির গুরুত্বই কম নয়। কিন্তু আমরা যেহেতু মানুষ, তাই আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জনটি হলো একজন ‘ভালো মানুষ’ হয়ে ওঠা। অর্থাৎ এমন একজন মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলা, যার নিজের ব্যাপারে মনে কোনো খেদ থাকবে না, আবার অন্যরাও নির্দ্বিধায় বলে দেবে, “হ্যাঁ, তুমি একজন ভালো মানুষ।”
কিন্তু কীভাবে হওয়া যায় একজন সত্যিকারের ভালো মানুষ? কিংবা সত্যিকারের ভালো মানুষ হওয়া কি আদৌ সম্ভব? অনেকেরই হয়তো মনে হতে পারে, না, আজকের দিনে আর পরিপূর্ণ ভালো মানুষ হওয়া সম্ভব নয়, ভালো মানুষ হয়ে এই সমাজ সংসারে টিকে থাকা অসম্ভব। কিন্তু না, ভালো মানুষ হওয়া অতটাও কঠিন কিছু নয়। চাইলেই হয়ে ওঠা যায় একজন ভালো মানুষ। কোন কোন বৈশিষ্ট্যগুলো নিজের মধ্যে ধারণ করলে একজন ভালো মানুষ, কিংবা নিদেনপক্ষে পূর্বাপেক্ষা শ্রেয়তর একজন মানুষে পরিণত করা যায় নিজেকে, সেগুলোই তুলে ধরা হবে আজ।
ভালোবাসতে হবে নিজেকে
প্রথম পয়েন্টটি দেখেই হয়তো চমকে উঠছেন অনেকে। ভাবছেন, এ-ও কী সম্ভব! কারণ এতদিন জেনে এসেছেন, ভালো মানুষেরা নিজেকে নিয়ে ভাবে না। তারা নিজেদের জীবনকে উৎসর্গ করে পরের তরে। সে কথা অবশ্যই সত্য। কিন্তু মূল বিষয়টা হলো, সবসময় পরোপকার করতে হবে মানে এই নয় যে নিজেকে অবহেলা করতে হবে। বরং নিজেকে ভালোবাসতে পারাই হলো ভালো মানুষ হয়ে ওঠার প্রথম সোপান।
মানুষ হিসেবে আমরা সবসময়ই চাই, অন্যরা যেন আমাদের ভালোবাসে, আমাদের প্রশংসা করে। কিন্তু অনেক সময় এরকম চাইতে চাইতে আমরা অন্যের অনুমোদনের উপর অনেক বেশি নির্ভরশীল হয়ে উঠি। যখনই আমরা আমাদের কাজের প্রাপ্য সম্মান পাই না, লোকের ভালোবাসা পাই না, তখন আমরা হতোদ্যম হয়ে যাই। ফলে হারিয়ে ফেলি কাজ চালিয়ে যাওয়া কিংবা নিজেদের লক্ষ্যে অবিচল থাকার মতো দৃঢ় মনোভাব।
ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে, অধিকাংশ অপরাধীই অপরাধপ্রবণ হয়ে উঠেছে শৈশবে বা জীবনের কোনো পর্যায়ে অবহেলা কিংবা ভালোবাসাহীনতার শিকার হয়ে। তাই তারা চেয়েছে অন্যদের জীবনও একইভাবে বিষিয়ে দিতে। তারা যেহেতু তাদের জীবনে সুখ-আনন্দের স্বাদ পায়নি, অন্য কেউও যেন তা না পায়।
অথচ ভেবে দেখুন, তারা যদি নিজেরাই নিজেদেরকে সর্বোচ্চ ভালোবাসত, তাহলে অবশ্যই তাদের মধ্যে এই উপলব্ধিটাও জন্মাত যে আশেপাশের মানুষদের ভালোবাসা বা সম্মানও তেমন একটা জরুরি নয়, যদি নিজের কাছে নিজে ভালো থাকা যায়, সবচেয়ে ভালোবাসার পাত্র হিসেবে বিবেচিত হওয়া যায়। তাই আমাদের প্রথম কর্তব্য হলো, নিজেদেরকে ভালোবাসা। যেকোনো ভালো কাজের পর নিজেরাই নিজেদের পিঠ চাপড়ে দেয়া, প্রশংসা করা, এবং ভবিষ্যতেও একই ধরনের ভালো কাজ চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে সংকল্পবদ্ধ হওয়া।
নিজের দুর্বলতাগুলোকে স্বীকার করতে হবে
কথায় আছে, যেকোনো সমস্যা সমাধানের জন্য প্রথম প্রয়োজন সমস্যাটি শনাক্ত করা, এবং সেটি যে আসলেই একটি সমস্যা, তা স্বীকার করে নেয়া। কারণ আমরা যতই কোনো সমস্যার কারণে কষ্ট পাই না কেন, ওই সমস্যার মূলটা যদি খুঁজে না পাই, কিংবা খুঁজে পাওয়ার পরও মন থেকে তা মানতে না চাই, তাহলে তো সমাধানের পথ বের করাও অসম্ভব হয়ে পড়ে।
ঠিক একই কথা প্রযোজ্য কোনো মানুষের ব্যক্তিত্বের ক্ষেত্রেও। এ কথা অনস্বীকার্য যে মানুষ হিসেবে আমরা কেউই শতভাগ পারফেক্ট নই। আমাদের সকলের মাঝেই অনেক দুর্বলতা আছে, খামতি আছে। এখন আমরা যদি চাই সেগুলো কাটিয়ে উঠতে, তাহলে সেগুলোকে অস্বীকার করে বা গোপন করে তো কোনো লাভ নেই। একটি অঙ্কের হিসাব যদি না মেলে, তাহলে খাতা খুলে বারবার হিসাব মেলানোর চেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়। বইখাতা বন্ধ করে ফেলে রাখলে হিসাব জীবনেও মেলে না। সুতরাং আমাদের ব্যক্তিজীবনের দুর্বলতাগুলোকেও আমাদের চিহ্নিত করতে হবে, এবং সেগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা শুরু করতে হবে।
হয়তো আমরা কেউ কথায় কথায় মিথ্যা বলে ফেলি। কোনো কাজে সফল হওয়ার জন্য অসৎ পন্থা অবলম্বন করি। সবসময় নীতি-নৈতিকতার বুলি আওড়ালেও, নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় ঠিকই অনৈতিক কাজে লিপ্ত হই। অন্যের ক্ষতি করে বসতেও দ্বিধা করি না। এরকম আসলে কমবেশি সকলেই করে। এতে অস্বাভাবিকতা কিছু নেই। অস্বাভাবিকতার শুরু তখন, যখন আমরা এগুলো করেও দাবি করতে থাকি যে আমরা এগুলো করি না। এতে করে আমাদের নিজেদেরকে শুধরানো আর হয় না। তাই নিজেদের চারিত্রিক দুর্বলতাগুলোকে অস্বীকার না করে, নিজে নিজে কিংবা আশেপাশের কারো সহায়তায় এগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা শুরু করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।
করতে হবে ইতিবাচকতার চর্চা
মন থেকে ইতিবাচক হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। আমরা যদি মনে মনে সবসময় নেতিবাচকতাকে ধারণ করি, যেকোনো ক্ষেত্রে কেবল নেতিবাচকতাই খুঁজে বেড়াই, অর্থাৎ ছিদ্রান্বেষী হয়ে উঠি, তাতে মনে মনে কষ্ট পাব নিজেরাই।
ধরুন, আমার সাথে এমন কোনো একটি ঘটনা ঘটল, যে কারণে আমার উচিত খুশি হওয়া, সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ হওয়া, সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখা। অথচ তা না করে আমি যদি জোর করে ওই ভালো ঘটনার মাঝেও মন্দ কিছু খোঁজার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাই, এবং কোনো মন্দ একটি দিক অনেক কষ্টে পেয়েও যাই, তাতে ক্ষতিটা আসলে কার হবে? আমারই হবে। কারণ ভালো একটি ঘটনা ঘটায় আমার আনন্দলাভের কথা ছিল। তার বদলে আমাকে এখন কষ্ট পেতে হবে, প্রবল মানসিক যন্ত্রণায় বিদ্ধ হতে হবে।
সুতরাং, অবশ্যই আমাদেরকে ইতিবাচক হতে হবে। তার মানে এই নয় যে খারাপ কাজের মাঝেও ইতিবাচকতা খুঁজতে হবে। যেটি খারাপ, সেটি তো সবসময়ই খারাপ ও নিন্দনীয়। সেরকম কাজকে অবশ্যই ধিক্কার জানাতে হবে, সেগুলোকে বর্জন করতে হবে। এটুকুই শুধু মাথায় রাখতে হবে যে, যেখানে কোনো খারাপের চিহ্ন নেই, জোর করে যেন তার ভিতরেও খারাপ খুঁজতে না যাই।
এবং এই ইতিবাচকতার বহিঃপ্রকাশ দৈনন্দিন জীবনে আমাদের আচার-আচরণেও ঘটাতে হবে। কেউ যদি এমন কাজ করে থাকে যার জন্য সে প্রশংসার দাবিদার, একটু প্রশংসা তার প্রাপ্য, তাহলে অবশ্যই মন খুলে তার প্রশংসা করতে হবে, তাকে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা দিতে হবে। পাশাপাশি গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে যেসব ক্ষেত্রে তার আরো উন্নতির জায়গা আছে, সেগুলোও তাকে ধরিয়ে দিতে হবে।
রাগ দমন করতে হবে
রাগ একটি খুবই বাজে জিনিস, যা একটু একটু করে আমাদেরকে ধ্বংস করে দেয়। যখন আমাদের সাথে খুব খারাপ কিছু ঘটে, যা আমাদের প্রত্যাশা ছিল না, কিংবা যখন আমরা কারো কাছ থেকে খুব বাজে ব্যবহারের সম্মুখীন হই, তখন খুব স্বাভাবিকভাবেই আমরা অনেক রেগে যাই, ক্রোধান্বিত হয়ে পড়ি। রাগের মাথায় এমন কিছু একটা করে বসি, যাতে মানুষ হিসেবে নিজেরাই অনেক ছোট হয়ে যাই, এবং অনেক অনর্থক বিপদও ডেকে আনি। তাই রাগকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।
খুবই নেতিবাচক এই মানসিক অনুভূতি থেকে বাঁচার প্রধান উপায় হলো ক্ষমাশীল হয়ে ওঠা। আমার সাথে কেউ খুব বাজে কাজ করেছে? তাই আমি তার উপর মনে মনে রাগ পুষে রাখব? সুযোগ খুঁজব তার কাজের প্রতিশোধ নেয়ার, তাকে উচিত শিক্ষা দেয়ার? এ ধরনের মানসিকতা যদি আমি পোষণ করি, তাতে আমি নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা করব। কেননা প্রতিহিংসাপরায়ণ মনোভাব আমার রাতের ঘুম কেড়ে নেবে, মনের যাবতীয় ইতিবাচক অনুভূতিগুলোকে অকেজো করে দেবে। তাই আমার জন্য সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত কাজ হবে তার উপর প্রতিশোধ নেয়ার চেষ্টা না করে, তাকে ক্ষমা করে দেয়া, এবং এর মাধ্যমে নিজের মনকে কলুষতার হাত থেকে রক্ষা করা।
তবে এটিও খুবই সত্যি যে এ ধরনের কথা বলা যতটা সহজ, নিজেদের জীবনে তার বাস্তব প্রয়োগ ঘটানো ঠিক ততটাই কঠিন। কিন্তু তাই বলে তো আর আমরা হাল ছেড়ে দিতে পারি না। নিজেদের মনের নিয়ন্ত্রণ অন্য কারো হাতে তুলে দিতে পারি না। সেটি হবে মানুষ হিসেবে আমাদের নিজেদের পরাজয়। তাই যত কষ্টকরই হোক না কেন, আমাদেরকে মনের সাথে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। মনকে ধীর-স্থির-শান্ত করে তুলতে হবে। দরকারে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিতে হবে।
পরমতসহিষ্ণু হতে হবে
আমাদের একটি বড় সমস্যা হলো, আমরা বিপক্ষ মতকে একেবারেই সহ্য করতে পারি না। আমাদের প্রত্যেকের নিজস্ব আদর্শ, মূল্যবোধ, নৈতিকতার জায়গা থাকে, এবং আমরা সবসময় সেগুলোকেই আঁকড়ে ধরে রাখতে চাই। এতে কোনোই সমস্যা ছিল না, যদি না আমরা আমাদের আদর্শ, মূল্যবোধ, নৈতিকতার বিরোধী কারো উপর অকারণে আগ্রাসী হয়ে না উঠতাম।
খুব সহজ একটি উদাহরণই দেয়া যাক। ফুটবল খেলায় আমি এক দলকে পছন্দ করি। অন্য কেউ অন্য কোনো দলকে পছন্দ করে। এটি তো হতেই পারে, তাই না? প্রত্যেকেরই নিজ নিজ ভালো লাগা-মন্দ লাগা, পছন্দ-অপছন্দের জায়গা থাকবে। তার ওই ভীষণ ব্যক্তিগত জায়গাগুলোকে আমাদের অবশ্যই উচিত সম্মান করা। তা না করে আমরা যদি মারমুখী হয়ে যাই যে কেন সে-ও আমার মতো একই দলকে সমর্থন করে না, কেন সে ‘ভুল’ দলকে সমর্থন করে, সেটি হবে আমার তরফ থেকে খুবই অযৌক্তিক আচরণ।
সঠিক-ভুল এগুলো তো খুবই আপেক্ষিক বিষয়। আমার কাছে যা সঠিক, অন্যের কাছে তা ভুল লাগতেই পারে। আবার অন্যের সঠিককেও আমার কাছে ভুল মনে হতে পারে। এর কারণ, তার আর আমার মানসিকতার পার্থক্য। এখন আমি তো চাইলেই তাকে আমার মতো মানসিকতার অধিকারী করে তুলতে পারি না। তাই সেটি নিয়ে আমার বাড়াবাড়িও করাও উচিত না। আমি সর্বোচ্চ যেটি পারি, তা হলো একটি গঠনমূলক বিতর্কের ক্ষেত্র তৈরি করা। অর্থাৎ এমন একটি আবহ তৈরি করা, যেখানে আমিও আমার মতটা তুলে ধরতে পারব, আবার সে-ও তার মতটা তুলে ধরতে পারবে।
নিজেদের অবস্থানকে এভাবে আমরা তুলে ধরতে পারি। কিন্তু কখনো বিষয়টা এমন হওয়া যাবে না যে শুধু আমি একাই কথা বলে যাব, অপর পক্ষকে শুধু শুনে যেতে হবে। নিজের কথা বলার পাশাপাশি আরো বেশি মনোযোগ দিয়ে আমাদেরকে অন্যের কথা শুনতে হবে। আবার এমনটিও নয় যে বিতর্ক শেষে কোনো একটি পক্ষকে হার মানতেই হবে। কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জায়গায় না পৌঁছেও বিতর্ক করা যেতে পারে, যা সবাইকে সমান সুযোগ দেয় নিজ নিজ অবস্থান ব্যাখ্যা করার। এই সুযোগটি আমাদের অবশ্যই সবাইকে দিতে হবে, এবং একটি মত যতই আমাদের অপছন্দ হোক না কেন, সেটিকে প্রকাশ করতে দিতেই হবে।
হতে হবে বিনয়ী ও মার্জিত
আমরা অন্যকে যা বলি বা অন্যের সাথে যা করি, সেগুলো আসলে আমাদের নিজেদের ব্যক্তিত্বেরই প্রতিনিধিত্ব করে। ধরুন কেউ আমার সাথে খুব বাজে ব্যবহার করল। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমি যথাসম্ভব বিনয়ের সাথে তার কথার প্রত্যুত্তর দিলাম। এতে কিন্তু এটা প্রমাণ হয় না যে ওই মানুষটির অবস্থান আমার চেয়ে অনেক উপরে, তাই আমি ভয় পেয়ে তাকে অনেক সম্মান দেখাচ্ছি। ভয় থেকেই যে সবসময় সম্মান উৎসারিত হয়, এ আমাদের খুবই ভুল ধারণা। আমি অন্যের সাথে বিনয়ী আচরণ করতে পারি, বিনয়ী হতে পারি এ কারণেও যে, আমি নিজে একজন ভালো মনের মানুষ, তাই অন্য কেউ আমাকে সম্মান না করলেও আমি তাকে ঠিকই সম্মান করি।
অনেকে আবার এমনটিও মনে করে যে, বিনয় কিংবা মার্জিত আচরণ বোধহয় মানুষের দুর্বলতা। যদি একজন মানুষ সবল হতো, তাহলে তার সবসময় এত বিনয়ী হওয়ার প্রয়োজন পড়ত না। এটিও আসলে একটি ভুল ধারণা। আমি যদি সবসময় কারো প্রতি বিনয়ী থাকি, মার্জিত আচরণ করি, সেটিই বরং আমার সবচেয়ে বড় শক্তিমত্তার জায়গা। শক্তিমত্তা এ কারণে যে, আমার আচরণ অন্যের দ্বারা প্রভাবিত নয়। আমি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।
একজন আমাকে একটি গালি দিলে আমি তাকে উল্টো দুটি গালি যদি দিই, তাতে আমি আসলে জিতব না। বরং এটিই প্রমাণিত হবে যে আমার ব্যক্তিত্ব একদমই ভঙ্গুর ও পলকা, আমাকে খুব সহজেই প্ররোচিত করা যায়। অথচ আমাকে একজন দশটি গালি দিলেও যদি আমি তার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করি, এটি দিনের আলোর মতো প্রমাণ হয়ে যাবে যে আমি আসলেই একজন ভালো মানুষ, আমার ভালোমানুষি কোনো আপেক্ষিক বিষয় নয়।
অন্যের সাহায্য করতে হবে
আমি যদি একা একাই সফলতার সিঁড়ি বেয়ে এগিয়ে যাই, আমার আশেপাশের সবাইকে অনেক পেছনে ফেলে দিই, তাতে কি খুব বেশি লাভ আছে? নেই। কারণ তখন আমি হয়তো অনেক খ্যাতি-সম্মান-প্রতিপত্তির মালিক হবো ঠিকই, কিন্তু আমার আপনজনদের সাথে আমার অনেক বড় একটি দূরত্ব তৈরি হয়ে যাবে। সেই দূরত্ব অতিক্রম করে না আমি পারব তাদের কাছে ফিরে যেতে, না তারা পারবে আমার কাছে পৌঁছাতে। তাই দিনশেষে দেখা যাবে, সাফল্যের শিখরে পৌঁছেও আমি বড্ড একা, নিঃসঙ্গ, নির্বান্ধব। সাফল্যমণ্ডিত ওই জীবনও খুব হতাশার, অবসাদের।
এ কারণেই, শুধু নিজেকে নিয়ে পড়ে থাকা কোনো কাজের কথা নয়। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে আশেপাশের সবার দিকে। এমন নয় যে আমাদের পক্ষে সম্ভব সবার জন্যই কিছু না কিছু করা। কারণ মানুষ হিসেবে অবশ্যই আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কিন্তু আমরা চেষ্টা তো অন্তত করতে পারি। দশজন যদি আমাদের কাছে সাহায্য চায়, এবং তার মধ্যে একজনকেও সাহায্য করতে পারি, সেটি নেহাত কম কিছু নয়। আর যে বাকি নয়জনকে সাহায্য করতে পারলাম না নিজেদের সীমাবদ্ধতা বা অপারগতার কারণে, তাদেরকেও আমরা মুখে অন্তত সান্ত্বনা দিতে পারি, সুন্দর ভবিষ্যতের অনুপ্রেরণা দিতে পারি।
তাছাড়া আরেকটি বিষয়ও মনে রাখা জরুরি যে আমরা কাউকে সাহায্য করছি মানে তার খুব নিঃস্বার্থ উপকার করে ফেলছি তা কিন্তু নয়। আজ আমরা যাকে সাহায্য করছি, সে হয়তো আমাদের সাহায্যের কথা মনে রাখবে। এবং ভবিষ্যতে কোনোদিন যদি আমাদেরও কোনো সাহায্যের প্রয়োজন হয়, সে আমাদের পাশে এসে দাঁড়াবে। এ কথা অবশ্যই সত্য যে ঢালাওভাবে সবাইকে কৃতজ্ঞ বলা যায় না। কেউ কেউ হয়তো আমাদের উপকারের কথা মনে রাখবে না, আমাদেরকে ভুলে যাবে। তবু কিছু মানুষকে তো আমরা নিশ্চিতভাবেই আমাদের প্রয়োজনে পাশে পাব। সেটিই বা কম কী!
কাটিয়ে উঠতে হবে পরশ্রীকাতরতা
অন্যের উন্নতি বা ভালো দেখলে স্বভাবতই আমাদের অনেকের মনে একধরনের হাহাকার জেগে ওঠে। কেউ কেউ আবার সূক্ষ্ম ঈর্ষাবোধও করি। কিংবা ভাবি, “আমি যা করতে পারিনি বা হতে পারিনি, ও কীভাবে তা পারল!” অর্থাৎ নিজেদের সাথে তুলনা করে যখন আমরা উপলব্ধি করি যে কেউ আমাদের চেয়ে এগিয়ে গেছে, তখন আমরা মানসিক যাতনায় ভুগি, অস্থির হয়ে পড়ি।
অথচ এই ধরনের হিংসা কখনোই আমাদের জন্য মঙ্গল বয়ে আনে না। অন্য কারো ভালো দেখলেই যদি আমরা মনে মনে জ্বলেপুড়ে মরতে থাকি, তাতে করে আমাদের শুভবুদ্ধি লোপ পায়। অন্যের ভালো দেখে কষ্ট পাওয়ার পাশাপাশি নিজেরাও হীনম্মন্যতায় ভুগতে থাকি। নিজেদের কাছেই নিজেরা অনেক বেশি ছোট ও তুচ্ছ হয়ে যাই। নিজেদের জীবনকে অনেক অর্থহীন মনে হয়।
কিন্তু ভেবে দেখুন, অন্যের অবস্থা থেকে মনে নেতিবাচক শক্তি উৎপাদনের পরিবর্তে আমরা যদি নিজেদের যা যা ভালো আছে, সেগুলো নিয়ে ভাবতাম, সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতাম, তাহলে কি আমাদের মনে শান্তি ফিরে আসত না? আবার অন্য কেউ অনেক উন্নতি করেছে মানে তো আর এমন নয় যে আমরা কোনোদিন ওই ধরনের উন্নতি করতে পারব না। আমাদের প্রত্যেকের মাঝেই লুকিয়ে রয়েছে অপার সম্ভাবনা। যারা উন্নতি করে, তারা সেই সম্ভাবনাগুলোর সদ্ব্যবহার করে। আমরাও যদি তা করতে পারি, তাহলে আমরাও পারব উন্নতির শীর্ষাসনে আরোহণ করতে। আর যদি আমাদের মনে হয় আমরা যাবতীয় চেষ্টা-চরিত্র করে যাচ্ছি তবু এখনো সফল হতে পারছি না, সেক্ষেত্রে বুঝতে হবে যে কোথাও নিশ্চয়ই কোনো খামতি থেকে যাচ্ছে।
সুতরাং আমাদের উচিত হবে অন্যের ভালো দেখে কষ্ট পাওয়ার বদলে, নিজেদের মূল্যবান সময়কে কাজে লাগানো নিজেদের খামতিগুলোকে খুঁজে বের করার পেছনে। পাশাপাশি কীভাবে, কোন কোন জায়গায় আমাদের আরো বেশি শ্রম দেয়ার অবকাশ রয়েছে, সেগুলোও আমরা ভাবতে পারি। সর্বোপরি, অন্যের উন্নতি দেখে যদি আমরা ঈর্ষান্বিত বা হতাশ না হয়ে বরং নিজেরাও সেগুলো থেকে অনুপ্রেরণা খোঁজার চেষ্টা করি, তাহলে আখেরে লাভটা হবে আমাদেরই।
হতে হবে সহানুভূতিশীল
আমরা অনেকেই হয়তো কেবল নিজেদের দুঃখ-কষ্টগুলোকেই বড় করে দেখি। আমাদের আশেপাশে আরো অনেকেই যে দুঃসহ দিনাতিপাত করছে, তা আমরা ভাবি না। কারণ আমরা মনে করি, “আরে, ও আর এমন কী খারাপ আছে! ওর চেয়ে তো আমি বেশি খারাপ দিন কাটাচ্ছি!”
এখানে দুটি বিষয় খেয়াল করা দরকার। প্রথমত, আপনি-আমি খুব খারাপ আছি বলে কিন্তু অন্য কোনো মানুষের খারাপ থাকাটা মিথ্যা হয়ে যায় না। সব জায়গায় এমন তুলনা করাও উচিত না। হ্যাঁ, হতেই পারে যে আমরা অনেক বেশি খারাপ আছি। তারপরও, অন্য কেউ খারাপ থাকলে, তার খারাপ থাকাটাও সমান স্বীকৃতির দাবিদার। আপনি-আমি বেশি খারাপ আছি বলে অন্য কারো খারাপ থাকাকে উড়িয়ে দেয়া, অস্বীকার করা খুবই বাজে কাজ। এর মাধ্যমে আমরা নিজেদের অজান্তেই অনেককে কষ্ট দিয়ে ফেলি। আর দ্বিতীয় কথাটি হলো, অন্য কারো খারাপ থাকাকে যদি আমরা গুরুত্ব দিই, এতে করে আমাদের নিজেদের খারাপ থাকাটাও মিথ্যা হয়ে যায় না। কিংবা বিষয়টি এমনও দাঁড়ায় না যে আমরা অন্যের খারাপ থাকাকে স্বীকার করে নিচ্ছি বলে আমাদের নিজেদের খারাপ থাকার অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ফলে এরপরও যদি আমরা নিজেদের খারাপ থাকার প্রসঙ্গ কখনো তুলি, সেটি ধোপে টিকবে না!
আসলে বর্তমান সমাজটাই কেমন যেন প্রতিযোগিতানির্ভর হয়ে উঠেছে। প্রতিটি পদে পদেই প্রতিযোগিতা। এমনকি কে কার চেয়ে বেশি খারাপ আছে, এ নিয়েও প্রতিযোগিতা! ভাবখানা এমন যেন সব জায়গায় নিজেদেরকে এগিয়ে রাখতে পারলেই জীবনটা সার্থক হয়ে যাবে। আমাদেরকে এই ধরনের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। অন্যদের আবেগ-অনুভূতির দিকে অবশ্যই যত্নশীল হতে হবে। তাদের আবেগ-অনুভূতিকে তাদের অবস্থা-পরিস্থিতি-পারিপার্শ্বিকতা থেকেই উপলব্ধি করার চেষ্টা হবে। সব জায়গায় শুধু নিজেদের উদাহরণ বা তুলনা টানলে চলবে না। কেবল তাহলেই আমরা সত্যিকারের সহানুভূতিশীল হয়ে উঠতে পারব। অন্য কারো দুঃখ-কষ্টকে তখন আমাদের তুচ্ছ বা সামান্য বলেও মনে হবে না। বরং তাদেরকে সঠিকভাবে সান্ত্বনা দিয়ে তাদের মন কিছুটা হলেও ভালো করতে পারব।
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে
প্রাত্যহিক জীবনে আমরা অনেকের দ্বারাই উপকৃত হই। কিন্তু খুব কম ক্ষেত্রেই আমরা এই কৃতজ্ঞতাটা প্রকাশ করি। যেমন: গ্রীষ্মকালে প্রখর রোদের ভিতরও হয়তো রিকশাওয়ালা আমাদেরকে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছে দিলেন। কিংবা রেস্টুরেন্টে খেতে গেলে ওয়েটার আমাদেরকে একটি ভালো টেবিলে নিয়ে বসালেন। আমরা ভাবি, রিকশাওয়ালা তো এই কাজ করছেন ভাড়ার জন্য। আবার ওয়েটার এমন করছেন কিছু বাড়তি টিপসের জন্য। এভাবেই সব জায়গায় আমরা টাকা-পয়সার প্রসঙ্গ টেনে আনি। অথচ ভেবে দেখি না, কোনো কাজের উদ্দেশ্য কেবল টাকা-পয়সাই নয়। কিংবা তা যদি হয়ও, আমরা নিজেরা যে উপকৃত হচ্ছি, সেটি কখনোই মিথ্যা হয়ে যায় না।
আমাদের উচিত জীবনে চলার পথে সকল ক্ষেত্রে কৃতজ্ঞ হওয়া, এবং সেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। কেউ যদি এমন সামান্যতম কোনো কাজও করে থাকে, যার ফলে আমরা কিছুটা হলেও উপকৃত হয়েছি, তাহলে অবশ্যই আমাদের উচিত তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা, তাকে তার প্রাপ্য সম্মানটুকু দেয়া। আমাদের মনোভাব এমন হওয়া যাবে না যে কারো প্রতি কৃতজ্ঞ হলে বা কাউকে একটু সম্মান দিলে আমাদের নিজেদের কৃতিত্ব হ্রাস পাবে। কৃতজ্ঞতাবশত কাউকে সম্মান দেখালে কখনোই আমাদের নিজেদের কৃতিত্ব খাটো হয়ে যায় না, বরং এটিই প্রমাণ হয় যে আমরা উপকারীর উপকারকে কখনো ভুলি না, তাদের উপকার আমাদের স্মরণে থাকে।
অজুহাত দেয়া যাবে না
কোনো কাজ যদি ভুল হয়ে যায়, আমরা সবার আগে যা করি তা হলো অজুহাত দেয়া। অর্থাৎ কীভাবে অন্য কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা ঘটনার উপর আমাদের ভুলের দায়টা চাপিয়ে দেয়া যায়। এই প্রবণতা বর্জন করতে হবে। অজুহাত দেয়ার পরিবর্তে আমাদেরকে নিজেদের ভুলগুলো স্বীকার করে নিতে হবে, সেগুলো থেকে শিক্ষা নিতে হবে।
আমাদের মনে রাখা প্রয়োজন, ভুলগুলো সবসময়ই দৃশ্যমান, কিন্তু অজুহাত সবসময় বিশ্বাসযোগ্য নয়। অর্থাৎ আমরা যদি কোনো ভুল করে বসি, সেটি সকলের নজরে পড়বে ঠিকই। অথচ আমরা যদি কোনো অজুহাত দিই, তাতে খুব কম মানুষই কর্ণপাত করবে, আরো অনেক কম মানুষ সেটিকে সত্য বলে বিশ্বাস করবে। মাঝখান থেকে আমাদের নিজেদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হবে। লোকে ধরে নেবে, আমরা এমনই দুর্বল ব্যক্তিত্বের অধিকারী যে নিজেদের ভুল স্বীকার করে নেয়ার মতো মানসিক শক্তি আমাদের নেই।
তাই এখন থেকে আমাদের অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে কোনো কাজে যদি ভুল হয়েই যায়, চোখে পড়া মাত্র সেই ভুল স্বীকার করে নেয়া। পাশাপাশি কী কারণে ভুলটি হলো, তা-ও নিজে নিজেই খতিয়ে দেখতে হবে, এবং সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে, যাতে করে ভবিষ্যতে একই ধরনের ভুলের পুনরাবৃত্তি না হয়।
ভালোবাসা ছড়িয়ে দিতে হবে
শুরুটা করেছিলাম ভালোবাসার কথা দিয়ে। শেষটাও করব ভালোবাসা দিয়ে। কিন্তু শুরুর সেই ভালোবাসা নিজের প্রতি হলেও, এবারের ভালোবাসা সকলের প্রতি।
‘ভালোবাসা’ কথাটিকে নেহাত রোমান্টিকতায় সীমাবদ্ধ না রেখে, একে আমাদের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। প্রতিনিয়ত ভালোবাসার অনুশীলন করতে হবে। নিজেকে তো ভালোবাসতে হবেই, পাশাপাশি ভালোবাসতে হবে আশেপাশের প্রতিটি মানুষকে। আর শুধু মানুষই বা কেন, ভালোবাসতে হবে সকল জীবকে। প্রাণ আছে এমন প্রত্যেককে ভালোবাসতে হবে, তাদেরকে ভালো রাখতে হবে।
যখন আমরা আমাদের পরিবার, সমাজ, দেশ বা বিশ্বের সকলকে ভালোবাসব, তখন আশেপাশের সবার প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিরও আমূল পরিবর্তন ঘটবে। আগে হয়তো আমরা সবকিছুতেই কেবল সমস্যা খুঁজে পেতাম। কিন্তু যখন আমরা ভালোবাসার চোখ দিয়ে আমাদের পরিপার্শ্বকে দেখব, তখন তাদের প্রতি আমাদের মমত্ববোধও আরো বেড়ে যাবে, এবং তাদের প্রতি মনের নেতিবাচকতাও দূর হবে। আশেপাশের যারা ভালো, তাদেরকে আগলে রাখতে চাইব, এবং যারা হয়তো আমাদের দৃষ্টিতে খারাপ, তাদেরকেও ঘৃণা করার বদলে, সংশোধনের আপ্রাণ চেষ্টা চালাব, তাদেরকেও একটি সুন্দর জীবন উপহার দিতে চাইব।
সূত্রঃ রোর মিডিয়া
সংক্ষেপে দেখুনকোরবানির গরু ছবি দেখে কিনতে চাই, কিছু গরুর ছবি দিন
কোরবানির গরু ছবি দেখে কিনতে নিচের গরুগুলোর বিস্তারিত দেখে কিনে নিন লাল এবং সাদা হলস্টেইন লাল এবং সাদা হলস্টেইন গরু মূলত আমেরিকা এবং কানাডাতে প্রথম পাওয়া যায়। জাত হিসেবে একেবারেই নতুন, ১৯৬৪ তে একে আলাদা জাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। দুধ এবং মাংস – দুই কারণেই এটি পছন্দের তালিকায় থাকে। গাভীর ওজন ৬০০-৭০০বিস্তারিত পড়ুন
কোরবানির গরু ছবি দেখে কিনতে নিচের গরুগুলোর বিস্তারিত দেখে কিনে নিন
লাল এবং সাদা হলস্টেইন
লাল এবং সাদা হলস্টেইন গরু মূলত আমেরিকা এবং কানাডাতে প্রথম পাওয়া যায়। জাত হিসেবে একেবারেই নতুন, ১৯৬৪ তে একে আলাদা জাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। দুধ এবং মাংস – দুই কারণেই এটি পছন্দের তালিকায় থাকে। গাভীর ওজন ৬০০-৭০০ কেজির মত হয়ে থাকে এবং ষাঁড়ের ওজন গাভী থেকে বেশি। যেকোন পরিবেশের সাথে মানিয়ে চলার দক্ষতার কারণে এই জাত বেশ জনপ্রিয়। দুধ উৎপাদনে এর পারফর্মেন্স ও বেশ সন্তোষজনক।
নওরেজিয়ান রেড
নওরেজিয়ান রেড জাতটি নরওয়ে থেকে উৎপন্ন, জনপ্রিয় ডুয়াল পারপাস (দুধ ও মাংস) ব্রিড। মাঝারি থেকে বৃহৎ সাইজের এই জাতের ষাঁড়ের গড় ওজন ১৩০০ কেজির মত। গরুর ক্ষেত্রে যেটা গড়ে ৬০০ কেজি। লাল, লালা-সাদা, লাল-সাদা-কালো সংকর – যেকোন রঙয়ের ই হতে পারে। এই জাতের গরুর জীবনকাল অন্য জাতের চেয়ে অনেক বেশি। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং যেকোন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা বিবেচনায় এটি অন্যতম সেরা একটি জাত। এটি সাধারণত এক ল্যাকটেশনে ১০,০০০ লিটার এর মত দুধ দিয়ে থাকে। ফলে এক্ষেত্রেও এটি প্রণিধানযোগ্য।
নরম্যান্ডি ক্যাটল
নরম্যান্ডি ক্যাটল জাতটি উৎপন্ন হয়েছে ফ্রান্সের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল হতে। এটি একটি ডুয়াল পারপাস (দুধ ও মাংস) ব্রিড। সাদার মধ্যে বাদামি-কালো ছোপ এই ব্রিডের বৈশিষ্ট্য। বাদামি চুলের আধিক্যের কারণে অনেক সময় বাঘের ছাপের মত দেখায়। মাঝারি থেকে বৃহৎ সাইজের এই জাতের ষাঁড়ের গড় ওজন ১১০০ কেজির মত। গরুর ক্ষেত্রে যেটা গড়ে ৭০০ কেজি। এরা বেশ শান্ত প্রকৃতির গরু হওয়ায় ব্যবস্থাপনা সহজ। এই জাতের গরু থেকে এক ল্যাকটেশনে ৬০০০ লিটার পর্যন্ত দুধ পাওয়া যেতে পারে, দিনপ্রতি ২০ লিটার এর মত। দুধ প্রোটিন এবং বাটারফ্যাট এর পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ।
আমেরিকান মিল্কিং ডেভন
আমেরিকান মিল্কিং ডেভন একটি ট্রিপল পারপাস ব্রিড অর্থাৎ এটিকে দুধ, মাংস এবং ভারী মালামাল বহনের কাজে ব্যবহৃত হয়। এই ব্রিডের উৎপত্তি ইংল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে এবং আমেরিকায় আনা হয় সপ্তদশ শতাব্দীতে। এটি মাংসের জন্য ব্যবহৃত প্রাচীনতম জাতগুলোর একটি। এর গায়ের রঙ মূলত লাল, লাল এর বিভিন্ন শেড দৃশ্যমান এর গায়ের বিভিন্ন অংশে। গাভীর ওজন গড়ে ৫০০ কেজি, ষাঁড়ের ক্ষেত্রে যা ৭০০ কেজির মত হয়। উচ্চ তাপমাত্রায় খুব সহজেই মানিয়ে নিতে পারা, উচ্চ ফলনশীলতা, প্রজননে সহজতা – এসব কারণে এই জাতটি বেশ জনপ্রিয়। মাংসের জন্য এটি বেশ উপযোগী, ভারবহনে সক্ষম এবং দুধের ক্ষেত্রেও বেশ উৎপাদনশীল। এক ল্যাকটেশনে ৫০০০-৫৫০০ লিটার দুধ দেয়, দৈনিক প্রায় ২৩ লিটার এর মত।
মিল্কিং শর্টহর্ন
১৭৮০ সালের দিকে এই জাত প্রবেশ করে যুক্তরাষ্ট্রে। এটি লাল, সাদা হয়ে থাকে। আকারে মূলত মাঝারি হয়। ইংল্যান্ডের উত্তর-পূর্ব দিকের টিস নদীর অববাহিকায় এদের জন্মস্থান। এদের সঙ্গে মিল আছে সুইডিস রেড গরু, ইলাওরা গরু যা অস্ট্রেলিয়ার। এটি একটি ডুয়াল পারপাস (দুধ ও মাংস) ব্রিড কিন্তু প্রধানত দুধের জন্য ব্যবহৃত হয়। রুক্ষ প্রকৃতির সাথে মিলিয়ে নিতে পারা এই মাঝারি আকৃতির গরুর ওজন ৬৪০-৬৮০ কেজির মত হয়। মূলত বাদামি লাল বর্ণের এ গরুর গায়ে সাদা সাদা ছোপ থাকতে পারে। এক ল্যাকটেশনে বছরে প্রায় ৭০০০ লিটার দুধ দিতে পারে এ গরু।
ব্রাউন সুইস
এটিই গৃহপালিত গরুর মধ্যে সবচেয়ে পুরনো জাত। এরা ধূসর বাদামি বর্ণের। এদের আদি নিবাস সুইজারল্যান্ড। ডেইরি গবেষকদের মতে দুধ দেওয়া প্রজাতির মধ্যে এই জাতটিই সবচেয়ে পুরনো। এদের ব্যাপারে মজার তথ্য হলো, গ্রীষ্মের সময় এরা পাহাড়ের উঁচু দিকে চলে যেতে পারে। তাই এদের গলায় ঘণ্টা পরানো হয় যাতে কৃষকেরা তাদের খুঁজে পায়। বিশুদ্ধ বাদামি বর্ণের (অত্যন্ত গাঢ় বা হালকা) হয়ে থাকে। পিছনের অংশ ও নাকের চারপাশের অংশ অন্যান্য অংশের তুলনায় বেশি গাঢ়। এটি একটি বিশাল গরু যার ওজন প্রায় ৬০০-৮০০ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। সদ্য জন্মগ্রহণ করা বাছুরের ওজন ৪৫-৪৮ কেজি। গর্ভকাল দীর্ঘ। শান্ত ও সহজে উত্তেজিত হয়না। দৈনিক দুধ উৎপাদন প্রায় ২১-২৮ কেজি। দুধে ফ্যাটের পরিমাণ ৩.৬-৪.৪% ও প্রোটিন ৩.৫% প্রায়।
গারনেসি
ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্সের দুই দ্বীপের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত, ইংলিশ চ্যানেলের আইল অফ গারনেসি নামক স্থানে এই জাতের উৎপত্তি। মাথা বড়, সামনের দিকে উত্থিত শিং, মাঝারি আকৃতি এই গরুতে সোনালি হলুদ ছোপ থাকে। লোমবিহীন অংশ হালকা গোলাপী রঙয়ের হয়ে থাকে। হলুদাভ দুধে৫% এর মত ফ্যাট থাকে, ৪০০০ লিটার এর মত দুধ দেয় এক ল্যাকটেশনে মানে এই পরিমাণ দুধ এক বাছুর থেকে প্রাপ্ত করা যেতে পারে। এক বছরে হায়েস্ট ১৩,৫০০ লিটার দুধ দেয়ার রেকর্ড আছে এক ল্যাকটেশনে । কিন্তু ডুয়াল পারপাস ব্রিড (দুধ ও মাংস) না হওয়ায় এই জাতটা প্রতিযোগিতায় পিছনে পড়ে যাচ্ছে।
আয়ারশায়ার
সাদা শরীরে লালচে বাদামি ছোপের এই গরুগুলো আকারে মাঝারি। স্কটল্যান্ডের আইর দ্বীপপুঞ্জে তাদের আদি জন্মস্থান। এদের শিং-এর জন্য এরা বিখ্যাত। এরা লম্বায় অনেক সময় কয়েক ফুট হতে পারে। বাহ্যত, এই গরু একটি অনুপাতিক শারীরিক সঙ্গে, বেশ শক্তিশালী গঠিত হয়।এই গরু খুব ভাল ঠান্ডা সহ্য, কিন্তু গরম অবস্থায় তারা ধীরে ধীরে চলন্ত। বয়ঃসন্ধিকালে গরুর ওজন 420-500 কেজি, এবং একটি ষাঁড়, 700-800 কেজি হতে পারে। বাছুর ছোট, 25-30 কেজি প্রতিটি জন্ম হয়। আয়ারশায়ার গরুর পুরো সময়কালে 4-4.3% চর্বিযুক্ত 4000-5000 কেজি দুধ এক বাছুর থেকে প্রাপ্ত করা যেতে পারে।
জার্সি
বড় বড় চোখ আর বাদামি রঙের জন্য জার্সি গরুগুলো বিখ্যাত। এর দুধও ঘন ননিযুক্ত। এটি কয়েক রকমের হয়ে থাকে। কোনোটি হালকা বাদামি হয়, কোনোটি আবার ধূসর থেকে কালো রঙেরও হয়ে থাকে। এগুলো আকারে খুব বড় হয় না। বড় মুখে মাঝারি চোখ, দীর্ঘ চোখের পাপড়িযুক্ত জাতের গরুগুলো সবার কাছেই প্রিয়। এদের আদিনিবাস জার্সির দ্বীপপুঞ্জে যা ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ নামে পরিচিত। বর্তমানে এ জাতটি ইংল্যান্ড, আমেরিকাসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশেই পাওয়া যায়। গায়ের রং লাল বা মেহগনি হয়। পূর্ণবয়স্ক গাভীর ওজন ৪০০-৫০০ কেজির মতো এবং ষাঁড়ের ওজন ৫৪০-৮২০ কেজি হয়ে থাকে। সদ্যোজাত বাছুরের ওজন ২৫-২৭ কেজি।
হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান
গৃহপালিত গরুর জাতের মধ্যে সাদা-কালো ছোপযুক্ত এই গরুটি সবচেয়ে পরিচিত। এরা আকারে বড় হয়। দুটো গরুর ছোপ দাগগুলো কখনো একই রকম হয় না। শীতপ্রধান অঞ্চলের এ জাতের গরুর উৎপত্তিস্থল হল্যান্ডের ফ্রিজল্যান্ড প্রদেশে। এরা দুধের জন্য বেশ বিখ্যাত। দৈনিক ৪০ লিটার পর্যন্ত দুধ দিতে সক্ষম। গায়ের চামড়া ছোট-বড় কালো ছাপযুক্ত। এমনকি পুরোপুরি সাদা ও কালোও হতে পারে। গাভীর ওজন হয় প্রায় ৫৫০-৬৫০ কেজির মত এবং ষাঁড়ের ওজন হয় ৮০০-৯০০ কেজি পর্যন্ত। ১৮-২৪ মাস বয়সে প্রথম গর্ভধারণ করে। সদ্যজাত বাছুরের গড় ওজন হয় ৩০-৩৬ কেজির মতো।
ধন্যবাদ!
সূত্রঃ ইন্টারনেট
সংক্ষেপে দেখুনঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্ন ব্যাংক pdf, বিষয় সমূহ, মানবন্টন, রেজাল্ট এবং ভর্তি নির্দেশিকা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক পিডিএফ । ঢাবি ঘ ইউনিট এর বিগত ১০ বছরের প্রশ্নের সমন্বয়ে আমরা তৈরি করেছি “DU D Unit Question Bank PDF” । আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আপনি প্রতি বছরের প্রশ্ন আলাদা আলাদা এবং সম্পূর্ণ প্রশ্নব্যাংক একসাথে পিডিএফ আাকারে ডাউনলোড করতে পারবেন । তাই আর দেরি না করে ডাউনলোড করেবিস্তারিত পড়ুন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক পিডিএফ । ঢাবি ঘ ইউনিট এর বিগত ১০ বছরের প্রশ্নের সমন্বয়ে আমরা তৈরি করেছি “DU D Unit Question Bank PDF” । আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আপনি প্রতি বছরের প্রশ্ন আলাদা আলাদা এবং সম্পূর্ণ প্রশ্নব্যাংক একসাথে পিডিএফ আাকারে ডাউনলোড করতে পারবেন । তাই আর দেরি না করে ডাউনলোড করে নিন নিন ঢাবি ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক (Dhaka University Gha Unit Question Bank PDF)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক পিডিএফ
ঘ ইউনিট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার সমন্বিত ইউনিট । অর্থ্যাৎ যেকোন বিভাগের শিক্ষার্থীরাই এই এই ইউনিটে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারেন । ঘ ইউনিটে ৫৫ টি বিভাগের অধীনে মোট ১৫৬০ টি আসন রয়েছে । বিভিন্ন বিভাগের জন্য আলাদা আলাদা আসন বরাদ্দ রয়েছে । ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১০০ নম্বরে অনুষ্ঠিত হয় । ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ থেকে এমসিকিউ এর পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষাও যুক্ত করা হয় ।
ঘ ইউনিট এর নতুন মানবন্টন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টনে পরিবর্তন আনা হয়েছে । ঢাবি ঘ ইউনিটে ২০০ নম্বরের পরিবর্তে ১০০ নম্বর করা হয়েছে । যার মধ্যে ৬০ নম্বর এমসিকিউ, ৪০ নম্বর লিখিত এবং ২০ নম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফলের উপর ভিত্তি করে ।
ঢাবি ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক
ঢাকা বিশ্বদ্যিালয় ঘ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহনের পূর্বে অবশ্যই ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীকে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন ও মানবন্টন সম্পর্কে জানতে হবে । কারন প্রশ্নের মান বন্টন ও বিষয়ের উপর প্রস্তুতি নির্ভর করে । তাই ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের মান , ধরন ও বিষয় সম্পর্কে সম্যক ধারণা নিতে হলে আপনাকে অবশ্যই বিগত বছরের প্রশ্নগুলো দেখতে হবে । আর ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখেই আমরা তৈরি করেছি “DU D Unit Question Bank PDF Version” । এতে করে আপনি সহজেই প্রশ্নপত্র গুলো দেখতে পারছেন এবং ডাউনলোড করে নিতে পারছেন । নিচে ঢাবি ঘ ইউনিট এর ১০ বছরের প্রশ্ন পিডিএফ আকারে দেওয়া হল । আপনার চাহিদামত ডাউনলোড করে নিন ।
DU D Unit Question Bank PDF
ধন্যবাদ!
সূত্রঃ admissionwar
বিসিএস ক্যাডার চয়েস লিস্ট, bcs syllabus আর bcs seat plan বের করার প্রকৃয়া
ওয়াও, সত্যি অনেক কষ্ট করে সময় নিয়ে পরিপূর্ণ লেখা! 😍🤩
ওয়াও, সত্যি অনেক কষ্ট করে সময় নিয়ে পরিপূর্ণ লেখা! 😍🤩
সংক্ষেপে দেখুনপিরিয়ডের বা মাসিকের ব্যথা কমানোর ঔষধ এর লিস্ট এবং কার্যকরী ওষুধ কোনটি?
পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর ঔষধ viset ঔষধ খেলে ব্যথা কমবে কিন্তু পরবর্তী মাসে আবার ব্যথা হবে ৷ এটা কেবল ব্যথা কমাবে ৷ রোগ বা সমস্যা দুর করবে না ৷ তাই চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে ঔষধ সেবন করাটাই সবচেয়ে ভালো হবে ৷ নিচে কিছু ঘরোয়া উপায় দিলাম যা ঔষধের বিকল্প হিসেবে মেনে চলতে পারেন। এতে ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিবিস্তারিত পড়ুন
পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর ঔষধ
viset ঔষধ খেলে ব্যথা কমবে কিন্তু পরবর্তী মাসে আবার ব্যথা হবে ৷ এটা কেবল ব্যথা কমাবে ৷ রোগ বা সমস্যা দুর করবে না ৷ তাই চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে ঔষধ সেবন করাটাই সবচেয়ে ভালো হবে ৷
নিচে কিছু ঘরোয়া উপায় দিলাম যা ঔষধের বিকল্প হিসেবে মেনে চলতে পারেন। এতে ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে বেঁচে যাবেন।
পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায়
তালিকা থেকে কিছু খাবার বাদ দিন
পিরিয়ড চলাকালীন খাদ্য তালিকা থেকে কিছু খাবার বাদ দিন। বাড়তি লবণ, চা-কফি বা ক্যাফেইন জাতীয় যে কোনো পানীয়, চিনি ও দুগ্ধ জাতীয় খাবার। এতে পিরিয়ডের সময় স্তন ও তলপেট ব্যথা হতে মুক্তি পাবেন।
ব্যায়াম
অনেক মেয়েরই পিরিয়ডের আগে ও পরে স্তনে ব্যথা হয়। তাই সাবধানে ব্যায়াম করতে করতে হবে। এমন কোনো ব্যায়াম করবেন না যাতে বুকে চাপ পড়ে। এমন ব্যায়াম করুন, যেগুলো শরীরের নিচের অংশে কার্যকর। এক্ষেত্রে সাইকেল চালানো, হাঁটা, ভুল ব্যায়াম পরিস্থিতি আরও খারাপ করে দেবে।
স্তনে ব্যথা কমাবে
কিছু বিশেষ ধরনের ব্যায়াম আছে, যেগুলো এই স্তনে ব্যথা কমায়।ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে সেই ব্যায়ামগুলো করতে পারেন। স্তনকে সাপোর্ট দেয়, এমন ব্রা পরিধান করুন। সঠিক মাপের আরামদায়ক ব্রা ব্যথা কমাতে সহায়তা করবে।
ঠাণ্ডা লাগানো যাবে না
পিরিয়ড চলাকালীন শরীরে ঠাণ্ডা লাগানো যাবে না। এ সময় ঠাণ্ডা লাগলে স্তন, হাত-পা ও কোমরের ব্যথা বেড়ে যাবে। এছাড়া পিরিয়ড চলাকালীন স্তনে কোনো প্রকার চাপ দেবেন না, এতে ব্যথা আরও বাড়বে।
গরম পানির সেক
পিরিয়ড চলাকালীন তলপেট, স্তন, কোমর, হাত ও পায়ের ব্যথা অতিরিক্ত বেড়ে গেলে গরম পানির সেঁকা দিতে পারেন। তবে হালকা গরম তেল দিয়ে ব্যথায় অংশে ম্যাসেজ পারেন। যদি ব্যথা খুব বাড়ে তবে প্যারাসিটামল বা ব্যথা জাতীয় ওষুধ খেতে পারে। তবে অতিরিক্ত ওষুধ খাওয়া যাবে না।
ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার
পিরিয়ডের ব্যথায় কমাতে ভিটামিন ই এবং বি বেশ উপকারী। পিরিয়ডের সময় যাদের তীব্র ব্যথা হয় তারা ভিটামিন ই, বি১, বি৬, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার খেলে উপকার পাবেন। যেমন -চিনা বাদাম, পেস্তা বাদাম, বাঁধাকপি, আম, মাছ, ওটমিল, কলা, ডিম, সবুজ শাকসবজি, গম, ডাল ইত্যাদি খাবারগুলো কেতে পারেন। এই খাবারগুলো পেশির সংকোচনজনিত পিরিয়ডের ব্যথা থেকে স্বস্তি পেতে সহায়তা করবে।
ব্যথা সারাতে মেথি
পিরিয়ডের ব্যথাসহ যে কোনো ব্যথা সারাতে ব্যথা মেথির জুড়ি নেই। মেথি একটি ভেষজ ওষুধ। এক চা চামচ পরিমাণ মেথি ভালো করে ধুয়ে নিন। এবার মেথিটুকু চিবিয়ে খেয়ে ফেলুন। দেখবেন ব্যথা থেকে মুক্তি মিলবে।
তথ্যসূত্রঃ
সংক্ষেপে দেখুনদৈনিক যুগান্তর ( https://www.jugantor.com/lifestyle/656/%E0%A6%93%E0%A6%B7%E0%A7%81%E0%A6%A7-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A7%9F )
রোমান্টিক প্রেমের ছন্দ ও নোটবুক-Premer Chondo 2021
এই এপ কি কাজ করে?
এই এপ কি কাজ করে?
সংক্ষেপে দেখুন