সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

rakib

নতুন
প্রশ্ন করুন rakib
306 বার প্রদর্শিত
3 ফলোয়ার
26 প্রশ্ন
হোমপেজ/ rakib/উত্তর
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পছন্দ তালিকা
  • ফলোকৃত প্রশ্ন
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  • ফলোকৃতদের প্রশ্ন
  • ফলোকৃতদের উত্তর
  • ফলোয়ারদের ব্লগ
  • ফলোকৃত/ফলোয়ারদের ব্লগ মন্তব্য
  1. সময়ঃ 2 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ভুলে পানি খেলে কি রোজা ভাঙে?

    rakib
    সেরা উত্তর
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 2 মাস আগে

    না, ভুলে পানি খেলে রোজা ভাঙে না। রোজা রাখার কথা ভুলে গিয়ে পানি বা খাবার খেয়ে ফেললে রোজা সম্পূর্ণ বহাল থাকে, কোনো কাজা বা কাফফারা দিতে হবে না। স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে খাওয়া বন্ধ করে বাকি রোজা পূর্ণ করতে হবে। হাদিসের দলিল হযরত আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন — "যে ব্যক্তি ভুলবিস্তারিত পড়ুন

    না, ভুলে পানি খেলে রোজা ভাঙে না। রোজা রাখার কথা ভুলে গিয়ে পানি বা খাবার খেয়ে ফেললে রোজা সম্পূর্ণ বহাল থাকে, কোনো কাজা বা কাফফারা দিতে হবে না। স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে খাওয়া বন্ধ করে বাকি রোজা পূর্ণ করতে হবে।

    হাদিসের দলিল

    হযরত আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন — “যে ব্যক্তি ভুলে আহার করল বা পান করল, সে যেন তার রোজা পূর্ণ করে। কারণ আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১/২০২)

    আরেকটি হাদিসে এসেছে — “যে রমজান মাসে ভুলে পানাহার করল, তার ওপর কোনো কাজা নেই, কোনো কাফফারাও নেই।” (ইবনে হিব্বান, হাদিস: ০৮/২৮৮)

    পরিস্থিতি অনুযায়ী বিস্তারিত বিধান

    পরিস্থিতি রোজা ভাঙে? করণীয়
    রোজার কথা ভুলে পানি/খাবার খেলে ❌ ভাঙে না মনে হলেই বন্ধ করুন, রোজা চালিয়ে যান
    কুলি করতে গিয়ে পানি গলায় চলে গেলে ❌ ভাঙে না রোজা চালিয়ে যান, চিন্তা নেই
    ভুলে খেয়ে মনে হওয়ার পরও খাওয়া চালিয়ে গেলে ✅ ভাঙে কাজা আদায় করতে হবে
    ভুলে খেয়ে “রোজা গেছে” ভেবে আবার খেলে ✅ ভাঙে কাজা আদায় করতে হবে
    ইচ্ছাকৃতভাবে খেলে ✅ ভাঙে কাজা + কাফফারা উভয়ই দিতে হবে

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে ভুলটি অনেকে করেন

    ভুলে পানাহার করার পর যদি কেউ মনে করে তার রোজা ভেঙে গেছে এবং এরপর আবার কিছু খায় বা পান করে — তাহলে তার রোজা ভেঙে যাবে এবং পরবর্তীকালে এই রোজাটি কাজা করতে হবে। তাই এই ভুলটি থেকে সাবধান থাকুন।

    অন্যকে রোজাদারকে ভুলে খেতে দেখলে কী করবেন?

    রোজা পালনকারীকে কিছু খেতে দেখলে তাকে স্মরণ করিয়ে দিতে হবে। এটি একজন মুসলিমের দায়িত্ব।

    সংক্ষেপে মনে রাখার নিয়ম

    ভুলে খেয়ে ফেললে → মনে হওয়ামাত্র থামুন → রোজা চালিয়ে যান → কোনো চিন্তা নেই।
    মনে হওয়ার পরও খেলে → কাজা দিতে হবে।
    ইচ্ছে করে খেলে → কাজা + কাফফারা দুটোই দিতে হবে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  2. সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ প্রোগ্রামিং

    ইউটিউব গোল্ডেন প্লে বাটন পেতে কত ভিউ ও সাবস্ক্রাইবার লাগে?

    rakib
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    ইউটিউব গোল্ডেন প্লে বাটন (YouTube Golden Play Button) পাওয়ার জন্য আপনার চ্যানেলে ১০ লক্ষ (বা ১ মিলিয়ন) সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে। এটা মনে রাখা জরুরি যে, ইউটিউবের এই প্লে বাটন পুরস্কারগুলো মূলত সাবস্ক্রাইবার সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়, ভিউ এর সংখ্যার ওপর নয়। অবশ্যই, শুধু সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা পূরণবিস্তারিত পড়ুন

    ইউটিউব গোল্ডেন প্লে বাটন (YouTube Golden Play Button) পাওয়ার জন্য আপনার চ্যানেলে ১০ লক্ষ (বা ১ মিলিয়ন) সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে।

    এটা মনে রাখা জরুরি যে, ইউটিউবের এই প্লে বাটন পুরস্কারগুলো মূলত সাবস্ক্রাইবার সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়, ভিউ এর সংখ্যার ওপর নয়।

    অবশ্যই, শুধু সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা পূরণ করলেই হবে না, প্লে বাটন পাওয়ার জন্য আপনার চ্যানেলকে ইউটিউবের কমিউনিটি গাইডলাইন এবং অন্যান্য নিয়মকানুনও (যেমন – কোনো কপিরাইট স্ট্রাইক না থাকা ইত্যাদি) মেনে চলতে হবে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  3. সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কোন দেশটি হাতিকে পবিত্র পশু বলে মনে করে?

    rakib
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    হাতিকে পবিত্র পশু বলে মনে করে এমন দেশ আসলে একাধিক আছে, তবে এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো ২টি দেশ। ১. ভারত (India) 🐘🇮🇳 ভারতে হিন্দু ধর্মে হাতির মর্যাদা অনেক উপরে। কারণ: হাতির মাথাওয়ালা দেবতা গণেশ (Lord Ganesha) হিন্দুদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং পূজনীয় দেবতাদের একজন। গণেশকে সাধারণত সমসবিস্তারিত পড়ুন

    হাতিকে পবিত্র পশু বলে মনে করে এমন দেশ আসলে একাধিক আছে, তবে এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো ২টি দেশ।

    ১. ভারত (India) 🐘🇮🇳

    ভারতে হিন্দু ধর্মে হাতির মর্যাদা অনেক উপরে।

    • কারণ: হাতির মাথাওয়ালা দেবতা গণেশ (Lord Ganesha) হিন্দুদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং পূজনীয় দেবতাদের একজন। গণেশকে সাধারণত সমস্ত বাধা দূরকারী বা ‘বিঘ্নহর্তা’ হিসেবে পূজা করা হয়।
    • অনেক মন্দিরে (বিশেষ করে দক্ষিণ ভারতে) জীবন্ত হাতি রাখা হয়, যাদেরকে খুব সম্মান করা হয় এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ব্যবহার করা হয়।

    ২. থাইল্যান্ড (Thailand) 🇹🇭

    থাইল্যান্ডেও হাতিকে, বিশেষ করে সাদা হাতিকে (White Elephant), অত্যন্ত পবিত্র এবং রাজকীয় প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।

    • কারণ: বৌদ্ধ ধর্মমতে, গৌতম বুদ্ধের জন্মের আগে তাঁর মা স্বপ্নে একটি সাদা হাতিকে পদ্ম ফুল নিয়ে আসতে দেখেছিলেন। এই কারণে সাদা হাতিকে ক্ষমতা ও ঐশ্বর্যের প্রতীক মনে করা হয়।
    • ঐতিহাসিকভাবে, থাই রাজাদের যত বেশি সাদা হাতি থাকত, তাদের তত বেশি ক্ষমতাশালী ও ধার্মিক মনে করা হতো।

    সুতরাং, মূল উত্তর হলো: ভারত এবং থাইল্যান্ড এই দুটি দেশেই হাতিকে পবিত্র পশু হিসেবে গণ্য করা হয়, যার পেছনে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব রয়েছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  4. সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পোশাক শ্রমিকদের খাদ্য সংকট কেন হচ্ছে?

    rakib
    সেরা উত্তর
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    পোশাক শ্রমিকদের খাদ্য সংকটের দায় কোনো একক পক্ষের নয়, বরং এটি একটি সিস্টেমিক বা পদ্ধতিগত সমস্যার ফল। এর দায়ভার মালিক, সরকার এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতা এই তিন প্রধান পক্ষের ওপরই বর্তায়। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে হলে এই তিন পক্ষকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব নিতে হবে। ১. মালিকপক্ষকে 'জীবনধারণের উপযবিস্তারিত পড়ুন

    পোশাক শ্রমিকদের খাদ্য সংকটের দায় কোনো একক পক্ষের নয়, বরং এটি একটি সিস্টেমিক বা পদ্ধতিগত সমস্যার ফল।

    এর দায়ভার মালিক, সরকার এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতা এই তিন প্রধান পক্ষের ওপরই বর্তায়। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে হলে এই তিন পক্ষকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব নিতে হবে।

    ১. মালিকপক্ষকে ‘জীবনধারণের উপযোগী মজুরি’ প্রদানের মানসিকতা রাখতে হবে।

    ২. সরকারকে বাস্তবসম্মত মজুরি নির্ধারণ, তা বাস্তবায়ন এবং বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

    ৩. আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোকে নৈতিকভাবে ব্যবসা করতে হবে এবং পোশাকের ন্যায্য মূল্য (যা শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধিকে সমর্থন করে) নিশ্চিত করতে হবে।

    আর নিরপেক্ষ অডিট হওয়া দরকার প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  5. সময়ঃ 12 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    জ্ঞান কি বই পুস্তকের ভিতরে সীমাবদ্ধ?

    rakib
    সেরা উত্তর
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 12 মাস আগে

    না না, বইগুলোই সব শেষ কথা না। বই-পুস্তক তো শুধু একটা গাইড, একটা বেস। সেখানে যত তথ্য থাকে, আমরা সেগুলো ধরে বেস তৈরি করি। কিন্তু আসল শেখা ঘটে বাইরে: নিজে করে দেখলে বোঝা যায়। শুধু রেসিপি দেখে রান্না শেখা যায় না, চুলার পাশে দাঁড়িয়ে আগুনের লেভেল, গ্যাসের ফ্লেম, সবই জানতে হয়। আলাপ-আলোচনা বাড়িয়ে দেয়বিস্তারিত পড়ুন

    না না, বইগুলোই সব শেষ কথা না। বই-পুস্তক তো শুধু একটা গাইড, একটা বেস। সেখানে যত তথ্য থাকে, আমরা সেগুলো ধরে বেস তৈরি করি। কিন্তু আসল শেখা ঘটে বাইরে:

    • নিজে করে দেখলে বোঝা যায়। শুধু রেসিপি দেখে রান্না শেখা যায় না, চুলার পাশে দাঁড়িয়ে আগুনের লেভেল, গ্যাসের ফ্লেম, সবই জানতে হয়।
    • আলাপ-আলোচনা বাড়িয়ে দেয় দৃষ্টি। বন্ধু-বান্ধব, সহকর্মী, মেন্টর, যার সঙ্গে কথা, হোক না কেন তা থেকে নতুন আইডিয়া পাওয়া যায়।
    • পডকাস্ট, ইউটিউব, অনলাইন কোর্সের এই ডিজিটাল দুনিয়ায় শেখার কোন শেষ নেই। রাস্তায় হেঁটে যাচ্ছি, সাইকেল চালাচ্ছি, সবক্ষেত্রে মাইন্ড ফুল থাকা যায়।
    • মনে-টাকে খাটিয়ে ভাবলে বইয়ের কথা মিশে যায় জীবনের সাথে। প্রশ্ন করো, ভুল হওয়ার পর তা থেকে শিক্ষা নাও, সেগুলোই আসল ইনসাইট।

    সুতরাং জ্ঞান কোথাও আটকে নেই। বই হলো স্টার্টিং পয়েন্ট, পুরো গল্পটা শেখা যায় তোমার চোখ, কান আর মন খোলা রাখলে।

    এবার আমাকে বলো, নতুন কিছু শেখার জন্য তুমি কোন পদ্ধতি অবলম্বন করো?

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  6. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    কোয়ান্টাম সংখ্যা কাকে বলে, কত প্রকার ও কি কি ব্যাখ্যা দাও।

    rakib
    সেরা উত্তর
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    কোয়ান্টাম সংখ্যা: সহজভাবে বোঝা পরমাণুর ভেতরের জগৎটা খুবই মজার! আর এই জগৎ বুঝতে দরকার কোয়ান্টাম সংখ্যা। এটি এমন কিছু সংখ্যা, যা পরমাণুর ইলেকট্রনের অবস্থান, শক্তি, এবং আচরণ ব্যাখ্যা করে। আজ আমরা এটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানব। কোয়ান্টাম সংখ্যা কাকে বলে? কোয়ান্টাম সংখ্যা হলো এমন একটি পদ্ধতি, যা বলে দেবিস্তারিত পড়ুন

    কোয়ান্টাম সংখ্যা: সহজভাবে বোঝা

    পরমাণুর ভেতরের জগৎটা খুবই মজার! আর এই জগৎ বুঝতে দরকার কোয়ান্টাম সংখ্যা। এটি এমন কিছু সংখ্যা, যা পরমাণুর ইলেকট্রনের অবস্থান, শক্তি, এবং আচরণ ব্যাখ্যা করে। আজ আমরা এটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানব।

    কোয়ান্টাম সংখ্যা কাকে বলে?

    কোয়ান্টাম সংখ্যা হলো এমন একটি পদ্ধতি, যা বলে দেয়, একটি ইলেকট্রন কোথায় আছে, কীভাবে ঘুরছে, এবং তার শক্তি কত। এটি মূলত চার ধরনের হয়:

    1. প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা

    2. সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা

    3. চৌম্বক কোয়ান্টাম সংখ্যা

    4. স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যা

    এগুলো একসঙ্গে কাজ করে ইলেকট্রনের পূর্ণাঙ্গ চিত্র ফুটিয়ে তোলে।

    প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা কাকে বলে?

    প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে দেয়, ইলেকট্রন কোন শক্তিস্তরে রয়েছে।

    এটি একটি সংখ্যা, যা ১, ২, ৩ ইত্যাদির মতো হয়।

    উদাহরণ: প্রথম শক্তিস্তরকে বলা হয় কে শেল, দ্বিতীয় শক্তিস্তরকে বলা হয় এল শেল।

    যত বড় সংখ্যার শক্তিস্তর, ইলেকট্রন তত দূরে অবস্থান করে।

    সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা কাকে বলে?

    সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে দেয় শক্তিস্তরের ভেতরে থাকা উপশক্তিস্তরের আকার।

    এটি বলে, অরবিটালটি গোলাকার, ডাম্বেল আকৃতির নাকি অন্য কোনো আকারের।

    উদাহরণ: গোলাকার হলে একে বলে এস অরবিটাল, আর ডাম্বেল আকৃতির হলে বলে পি অরবিটাল।

    এটি আমাদের ইলেকট্রনের ঘোরার ধরণ সম্পর্কে ধারণা দেয়।

    চৌম্বক কোয়ান্টাম সংখ্যা

    চৌম্বক কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে, ইলেকট্রন যে অরবিটালে আছে, সেটি স্থানিকভাবে কীভাবে সাজানো।

    এটি নির্ধারণ করে, ইলেকট্রন কোন দিকে ঘুরছে।

    উদাহরণ: পি অরবিটালের তিনটি অবস্থান থাকে: একটি উপরের দিকে, একটি নিচের দিকে, আরেকটি পাশের দিকে।

    স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যা কাকে বলে?

    স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যা হলো কোয়ান্টাম সংখ্যার একটি বিশেষ ধরন, যা ইলেকট্রনের নিজ অক্ষে ঘূর্ণন নির্দেশ করে।

    এটি বলে, ইলেকট্রন ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরছে নাকি তার বিপরীত দিকে।

    দুটি মান থাকতে পারে: ঘড়ির কাঁটার দিকে হলে এক ধরণের স্পিন, আর বিপরীত হলে অন্য ধরণের স্পিন।

    স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যা ইলেকট্রনের চুম্বকীয় গুণাবলী নির্ধারণ করে।

    তুমি এটি এমনভাবে ভাবতে পারো, যেন এক ইলেকট্রন একটি ছোট স্পিনিং টপের মতো ঘুরছে।

    কোয়ান্টাম সংখ্যার উপযোগিতা

    কোয়ান্টাম সংখ্যা ছাড়া আমরা কখনো জানতেই পারতাম না, পরমাণুর ইলেকট্রন ঠিক কোথায় থাকে এবং কীভাবে কাজ করে।

    এটি আমাদের বলে, পরমাণুর শক্তি স্তরগুলো কীভাবে সাজানো।

    এটি ইলেকট্রনের গতিবিধি ও শক্তি সম্পর্কে বিশদ ধারণা দেয়।

    পরমাণুর গঠন বুঝতে বিজ্ঞানীরা এই সংখ্যাগুলোর ওপর নির্ভর করেন।

    সহজ উদাহরণ

    ধরা যাক, তোমার স্কুলের প্রতিটি ক্লাসের একটি রোল নম্বর রয়েছে।

    প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা হলো ক্লাসের নাম।

    সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা হলো ক্লাসের বেঞ্চের ধরণ।

    চৌম্বক কোয়ান্টাম সংখ্যা হলো, বেঞ্চে ঠিক কোন জায়গায় তুমি বসেছ।

    আর স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যা হলো, তুমি ডান দিকে ঝুঁকে আছ নাকি বাঁ দিকে।

    এগুলো একত্রে তোমার সঠিক অবস্থান ও আচরণ নির্দেশ করে।

    কোয়ান্টাম সংখ্যা আমাদের পরমাণুর অদ্ভুত সুন্দর জগৎকে বুঝতে সাহায্য করে। এর মাধ্যমে আমরা জানতে পারি, ছোট্ট ইলেকট্রন কেমন করে কাজ করে এবং তা কীভাবে পরমাণুর বৈশিষ্ট্য গঠন করে।

    বিজ্ঞান জানার মজাই আলাদা, তাই না?

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  7. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ ইতিহাস

    ইতিহাসের সবচেয়ে বুদ্ধিমান অপরাধী কে? তার কি অপরাধ ছিল?

    rakib
    rakib নতুন
    রিপ্লাই করেছেন 1 বছর আগে

    এত * চিন্হ কেন ভাই?

    এত * চিন্হ কেন ভাই?

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  8. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    হাইব্রিড কার এবং সাধারণ কারের মধ্যে পার্থক্য কি?

    rakib
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    নন হাইব্রিড বা রেগুলার গাড়ি একটি নন হাইব্রিড গাড়িতে শুধুমাত্র একটি ফুয়েল চালিত ইঞ্জিন থাকে, যার শক্তি ইঞ্জিন থেকে গিয়ারবক্স হয়ে চাকায় স্থানান্তরিত হয়। হাইব্রিড গাড়ি একটি হাইব্রিড গাড়িতে একটি ফুয়েল চালিত ইঞ্জিন এবং একটি বৈদ্যুতিক মোটর থাকে। এই দুই ধরনের প্রযুক্তিকে যখন একই গাড়িতে একসাথে ব্যবহার করবিস্তারিত পড়ুন

    নন হাইব্রিড বা রেগুলার গাড়ি

    একটি নন হাইব্রিড গাড়িতে শুধুমাত্র একটি ফুয়েল চালিত ইঞ্জিন থাকে, যার শক্তি ইঞ্জিন থেকে গিয়ারবক্স হয়ে চাকায় স্থানান্তরিত হয়।

    হাইব্রিড গাড়ি

    Toyota Prius - Hybrid Car

    একটি হাইব্রিড গাড়িতে একটি ফুয়েল চালিত ইঞ্জিন এবং একটি বৈদ্যুতিক মোটর থাকে। এই দুই ধরনের প্রযুক্তিকে যখন একই গাড়িতে একসাথে ব্যবহার করা হয় তখন তাকে “হাইব্রিড” গাড়ি বলে।

    হাইব্রিড গাড়ির সুবিধা

    Hybrid car diagram

    হাইব্রিড গাড়িতে প্রাথমিকভাবে ইঞ্জিনের শক্তিতে গাড়ি চলে এবং সেই সাথে ব্যাটারিও চার্জ হয়। গাড়ি একটি নির্দিষ্ট গতিতে পৌছে গেলে (সাধারণত ৪০-৬০ কি.মি./ঘন্টা) গতি জড়তার কারণে গাড়িটি চালাতে খুব কম শক্তি দরকার হয়। এই পর্যায়ে এসে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায় এবং ইলেকট্রিক মোটর চালু হয়ে যায়। আবার স্পীড কমে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মোটর থেমে যায় আর ইঞ্জিন চলতে শুরু করে।

    হাইব্রিড গাড়িটি কখন ইঞ্জিন আর কখন বৈদ্যুতিক মোটর দ্বারা চালিত হবে সেটি গাড়ির Engine Control Unit (ECU) এ ব্যবহৃত Artificial Intelligence (AI) দ্বারা পরিচালিত হয়।

    এভাবে স্পীড ও লোডের ওপর ভিত্তি করে ইঞ্জিন-মোটরের দৈত শক্তিতে চলতে সক্ষম বলেই এদেরকে হাইব্রিড গাড়ি বলা হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  9. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    আমরা মহাবিশ্বের কতদূর পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করতে পারি বা মহাবিশ্বের ব্যাপ্তি সম্পর্কে আমরা কতদূর জানি?

    rakib
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ভালো লাগলো!

    ভালো লাগলো!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  10. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    যোহরের নামাজ কয় রাকাত ও পড়ার নিয়ম কি?

    rakib
    সেরা উত্তর
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    যোহরের নামাজ কয় রাকাত যোহরের নামাজ সর্বমোট মোট ১০ রাকাত যোহরের নামাজ কয় রাকাত ও কি কি যোহরের নামাজের প্রথমে চার রাকাত সুন্নত এরপর চার রাকাত ফরজ এবং এরপর দুই রাকাত সুন্নত। অনেকে শেষে দুই রাকআত নফল নামাজ আদায় করে। যোহরের নামাজ কয় রাকাত কিভাবে পড়তে হয় সব মিলে যোহরের নামাজ ১০ রাকাত। পড়ার নিয়ম নিচেবিস্তারিত পড়ুন

    যোহরের নামাজ কয় রাকাত

    যোহরের নামাজ সর্বমোট মোট ১০ রাকাত

    যোহরের নামাজ কয় রাকাত ও কি কি

    যোহরের নামাজের প্রথমে চার রাকাত সুন্নত এরপর চার রাকাত ফরজ এবং এরপর দুই রাকাত সুন্নত। অনেকে শেষে দুই রাকআত নফল নামাজ আদায় করে।

    যোহরের নামাজ কয় রাকাত কিভাবে পড়তে হয়

    সব মিলে যোহরের নামাজ ১০ রাকাত। পড়ার নিয়ম নিচে দেখে নিন।

    চার রাকাত সুন্নত

    প্রথমে জায়নামাজের দোয়া পাঠ করতে হবে। এরপর চার রাকাত সুন্নতের নিয়ত পড়তে হবে। নিয়ত বাংলাতে পাঠ করা যায়। এরপর সানা পাঠ করতে হয়। সানা পাঠ করার পর সূরা ফাতিহা পাঠ করতে হবে। সূরা ফাতিহার সাথে অন্য যে কোন একটি সূরা মিলিয়ে পড়তে হবে। সূরা পড়া শেষ হলে সুবহানা রাব্বিয়াল আজিম যেকোনো বিজোড় সংখ্যক বার পড়তে হবে। এরপর সামিয়া লিমান হামিদা রব্বানা লাকাল হামদ বলে সিজদা দিতে হবে সেজদায় যেকোনো বিজোড় সংখ্যক বার সুবহানা রাব্বিয়াল আলা বলতে হবে।

    এরপর আবার আল্লাহু আকবার বলে সিজদা দিতে হবে।প্রথম রাকাত পড়া শেষ হলে দ্বিতীয় রাকাত পড়া শুরু করতে হবে। দ্বিতীয় রাকাতের নিয়ত করতে হবে না। সুরা ফাতেহার সাথে কোন সূরা মিলিয়ে পড়তে হবে।

    অতঃপর আবার সুবহানা রাব্বিয়াল আজিম বিজোড় সংখ্যক বার পড়তে হবে। এরপর সামিয়া লিমান হামিদা রাব্বানা লাকাল হামদ পড়তে হবে। এটি পড়া শেষ হলে আবার সিজদা দিতে হবে।সেজদা দেয়া শেষ হলে আল্লাহু আকবার বলে আবার সিজদা দিতে হবে। সেজদায় সুবহানা রাব্বিয়াল আলা বিজোড় সংখ্যকবার বলতে হবে। সেজদা শেষ হলে তাশাহুদ পাঠ করতে হবে।

    একইভাবে পরের রাকাত শুরু করতে হবে। তৃতীয় রাকাতে পার্থক্য শুধু এই যে তখন তাশাহুদ পড়া পড়তে হবে না। অতঃপর চতুর্থ রাকাত শুরু করতে হবে। চতুর্থ রাকাত দ্বিতীয় রাকাতের মতই। শুধু তাশাহুদ এর পর দুরুদে ইব্রাহীম, দোয়া মাসুরা পড়ে সালাম ফেরাতে হবে। প্রথমে ডান পাশে এবং পরে বাম পাশে সালাম ফেরাতে হবে। সালাম ফিরানো শেষ হলে মোনাজাত ধরতে হবে। এভাবে জোহরের চার রাকাত সুন্নত নামাজ আদায় করা যায়।

    চার রাকাত ফরজ

    জোহরের চার রাকাত ফরজ চার রাকাত সুন্নত এর মতই, শুধু নিয়ত ব্যাতিক্রম এবং চার রাকাত সুন্নতের প্রথম দুই রাকাতে সুরা ফাতেহার সাথে অন্য যেকোনো সূরা মিলিয়ে পড়তে হয়।

    কিন্তু চার রাকাত ফরজ এর ক্ষেত্রে প্রথম দুই রাকাতে সূরা মিলানোর পর পরের দুই রাকাতে সূরা মিলিয়ে পড়তে হয় না। শুধু সুরা ফাতেহা পড়তে হয়। বাকি নিয়মগুলো চার রাকাত সুন্নত এর মতই। আশাকরি পোষ্টের মাধ্যমে আপনারা জোহরের নামাজ সম্পর্কে অনেক ধারণা পেয়েছেন।

    দুই রাকাত সুন্নত

    প্রথমে জায়নামাজের দোয়া পাঠ করতে হয়। অতঃপর দুই রাকাত সুন্নতের নিয়ত বাধতে হয়। অতঃপর সানা পাঠ করতে হয়। সানা পাঠ করা শেষ হলে সূরা ফাতিহার সাথে অন্য যেকোনো সূরা মিলিয়ে পড়তে হয়। এরপর সুবহানা রাব্বিয়াল আজিম যেকোনো বিজোড় সংখ্যক বার পড়তে হয়। এরপর সামিয়া লিমান হামিদা রাব্বানা লাকাল হামদ বলেই সিজদা দিতে হয়। সিজদা দেওয়ার সময় সুবহানা রাব্বিয়াল আলা যেকোনো বিজোড় সংখ্যকবার বলতে হয়।

    আবার আল্লাহু আকবার বলে সিজদা দিতে হয়। এরপর দ্বিতীয় রাকাত শুরু করতে হয়। দ্বিতীয় রাকাতের বেলায় নিয়ত করতে হয় না। বাকি নিয়ম গুলো একই রকম শুধু সেজদা দেয়ার পর তাশাহুদ, দুরুদে ইব্রাহীম এবং দোয়া মাসুরা পড়ে সালাম ফেরাতে হয়। অতঃপর সব শেষে মোনাজাত ধরতে হয়।

    যোহরের নামাজের নিয়ত আরবি বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ

    نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلَّهِ تَعَا لَى اَرْبَعَ رَكْعَتِ صَلَوةِ الْظُهْرِسُنَّةُ رَسُوْلِ للَّهِ تَعَا لَى مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِ يْفَةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ

    উচ্চারন

    নাওয়াইতুয়ান উসালিয়া-লিল্লাহি তা’আলা আরবায়া রাকাআতি ছালাতিল জোহরে সুন্নাতু রাসূলিল্লাহি তা’য়াল মোতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি আকবর।

    অর্থ

    যোহরের চার রাকাত সুন্নত নামাজ আদায় করার উদ্দেশ্যে কিবলামুখী হয়ে নিয়্যত করলাম, আল্লাহু আকবার।

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  11. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    হাত পায়ের কড়া খুব জ্বালাচ্ছে, কি করবো?

    rakib
    সেরা উত্তর
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    হাত পায়ের কড়া দূর করুন ঘরোয়া উপায়ে শরীরের যেসব অংশ বেশি ঘর্ষণ ও চাপের মুখে পড়ে; সেসব অংশে কড়া পড়ে থাকে। কালচে বা হলুদ হয়ে ত্বকের উপর শক্ত স্তর তৈরি হয়। দীর্ঘদিনের কড়া আরও বেশি শক্ত ও হলুদ হয়ে থাকে। পায়ে, হাতের আঙুল বা কনুইতে বেশি কড়া পড়ে থাকে। পায়ের তলাসহ অন্যান্য অংশ অনেক সময় শক্ত হয়ে যায়। চলতি ভাষবিস্তারিত পড়ুন

    হাত পায়ের কড়া দূর করুন ঘরোয়া উপায়ে

    শরীরের যেসব অংশ বেশি ঘর্ষণ ও চাপের মুখে পড়ে; সেসব অংশে কড়া পড়ে থাকে। কালচে বা হলুদ হয়ে ত্বকের উপর শক্ত স্তর তৈরি হয়। দীর্ঘদিনের কড়া আরও বেশি শক্ত ও হলুদ হয়ে থাকে। পায়ে, হাতের আঙুল বা কনুইতে বেশি কড়া পড়ে থাকে।

    পায়ের তলাসহ অন্যান্য অংশ অনেক সময় শক্ত হয়ে যায়। চলতি ভাষায় একে কড়া বলা হয়। বিভিন্ন কাঁটায় আঘাত পেলেও পরবর্তী সময়ে এমন কড়া পড়তে পারে। ইংরেজিতে একে বলা হয় কর্ন। পায়ের যেসব অংশে ক্রমাগত চাপ পড়ে বা ঘষা লাগে, দীর্ঘদিন পরে সেসব অংশের ত্বক শক্ত হয়ে যায়। একে বলা হয় ক্যালাস।

    যদি কড়া পড়ার কারণে আপনার শারীরিক কোনো সমস্যা হবে না, তবে এটি ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট করে। কড়া পড়ার শুরুর দিকে লক্ষ্য করবেন, সাধারণত আকারে গোলাকার হয়ে থাকে এগুলো। আক্রান্ত স্কানটি শক্ত, ভারি ও কালচে বা হলদে হওয়া শুরু করে।

    পায়ে ক্রমাগত চাপ পড়া বন্ধ হলে ধীরে ধীরে ক্যালাস সেরে যায়। তবে জুতা পরিবর্তনের পরেও সমস্যা না কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পায়ের ত্বকে কখনো কোনো কিছু ঢুকে গেলে নিজে থেকে সেটি বের করার চেষ্টা করবেন না, এতে কড়া পড়ার আশঙ্কা বাড়ে।

    ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এ বিষয়ে অতিরিক্ত সতর্ক থাকা উচিত। কারণ পায়ে রক্তের প্রবাহ কম থাকায় জটিলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে। কর্ন এবং ক্যালাস ঘরোয়া উপায়েও প্রতিকার এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়। জেনে নিন উপায়-

    পায়ে বা হাতের যে স্থানে কড়া পড়েছে; সেখানে নিয়মিত লেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন। কর্ন যে স্থানে হয়ে থাকে সেখানে মাঝে মাঝে ব্যথা হয় ও ফুলে যায়। এজন্য লেবুর রস কর্নের স্থানে নিয়মিত ব্যবহার করলে ধীরে ধীরে তা দূর হয়ে যাবে।

    রসুনের উপকারিতা সম্পর্কে সবারই কমবেশি ধারণা আছে। রসুন অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ। যা ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাক সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। কড়া দূর করার জন্য কয়েকটি রসুন বেটে তার সঙ্গে লবঙ্গের গুঁড়ো মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করুন। সারারাত ত্বকে রেখে দিন, সকালে ধুয়ে ফেলবেন। নিয়মিত এ মিশ্রণটি ত্বকে ব্যবহার করলে কর্নগুলো উধাও হয়ে যাবে।

    ত্বক ও চুলের জন্য ভিটামিন ই অয়েল অনেক উপকারী। এতে থাকা পুষ্টিগুণ ত্বক আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। শক্ত ত্বক নরম করার ক্ষেত্রে ও কড়ার চিকিৎসায় এ তেলের কোনো বিকল্প নেই। প্রতিদিন রাতে ভিটামিন ই অয়েল কড়ার স্থানে ব্যবহার করুন। ধীরে ধীরে কড়ার স্থানটি পরিষ্কার হয়ে যাবে।

    পেঁয়াজ তো সবার রান্নাঘরেই থাকে। এ উপদানে রয়েছে শক্তিশালী প্রাকৃতিক অ্যাসিড। যা বিভিন্ন সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে। শরীরের যেসব স্থানে কর্ন বা ক্যালাস আছে; সেখানে পেঁয়াজের পেস্ট ব্যবহার করলে মৃত কোষ দূর হবে। পেঁয়াজের রস এতোটাই শক্তিশালী যে, এটি ত্বকের শক্ত স্তরটিকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করে দেয়। পেঁয়াজের রস ব্যবহার করে স্থানটি মোজা বা কাপড় দিয়ে বেঁধে রাখুন।

    বেকিং সোডা ত্বকের জন্য বেশ উপকারী। এটি প্রাকৃতিক স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করে। ত্বকের যেসব স্থানে কর্ন আছে; সেখানে মৃত ত্বকের কোষ দূর করতে ব্যবহার করুন বেকিং সোডা। সামান্য গরম পানিতে বেকিং সোডা মিশিয়ে ১৫ মিনিট ত্বকের কর্নের স্থানে রাখুন। এরপর পিউমিস পাথর দিয়ে এক্সফোলিয়েট করুন। বেকিং সোডায় অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়া এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল এজেন্ট রয়েছে, যা সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

    ক্যাস্টর অয়েল শক্ত ত্বককে নরম করতে সাহায্য করে। ত্বকের যেসব স্থানে কড়া পড়ে থাকে; হোক সে হলুদ বা কালচে সেসব স্থানে ক্যাস্টর অয়েল নিয়মিত ব্যবহার উপকার মেলে।

    আনারস তো সবাই কমবেশি খেয়ে থাকেন। এর খোসাগুলো নিশ্চয়ই ফেলে দেন! অবাক করা বিষয় হলেও সত্যিই, আনারসের খোসা ব্যবহারে কর্ন ও ক্যালাস নিরাময় করা সম্ভব। এতে প্রচুর পরিমাণে ওষুধি গুণ আছে। এজন্য এক টুকরো আনারসের খোসা আপনার কর্নে ব্যবহার করে ব্যান্ডেজ করে রাখুন সারারাত। সকাল হলে ব্যান্ডেজ খুলে স্থানটি ধুয়ে ফেলুন।

    নিয়মিত আরও যেসব ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহারে কড়া দূর করতে পারেন –

    হাত বা পায়ে কড়া পড়লে গরম পানিতে আক্রান্ত স্থান ভিজিয়ে রাখুন ১০-১৫ মিনিট। পরে ত্বক স্ক্রাব করুন।

    যে স্থানে কড়া পড়ে, সেখানে ঘন ঘন লোশন লাগানোর অভ্যাস করুন। শুষ্ক ত্বক ক্যালাস এবং কর্ন আরও শক্ত করে দেয়। এজন্য ত্বককে আর্দ্র রাখুন।

    আক্রান্ত স্থান স্ক্রাব করার জন্য একটি পিউমিস পাথর, ফাইলার বা ওয়াশকোথ ব্যবহার করুন।

    আরামদায়ক জুতা পরুন। এতে কর্ন বাড়বে না। নিয়মিত পায়ে মোজা পড়ার অভ্যাস করুন।

    আপনার পায়ের নখ সবসময় ছোট রাখুন। এসব ছোট ছোট ভুল এড়িয়ে চললেই কর্ন বা ক্যালাসের মতো সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।

    সূত্রঃ টাইমস অব ইন্ডিয়া/জেএমএস/এমকেএইচ এবং জাগো নিউজ ২৪

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  12. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    রাতের খাবার

    rakib
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    আপনার রাতের খাবারের মেনুতে কিছুটা পরিবর্তন নিয়ে আসা প্রয়োজন আমি মনেকরি।  ১ = ডিম মামলেট,পরটা বুট ডাল এখানে বুট ডাল কে বাদ দিয়ে সবজি নিয়ে আসুন। আর পরোটা বাদ দিয়ে রুটি খান। ডিম ওমলেট (মামলেট) ভালো, তাই এটা রাখা যেতে পারে। তারমানে দাঁড়ায় = ডিম ওমলেট + রুটি + সবজি ২ = ভাত ডিম চিকেন কারি মুলত ভাত এবং রুটবিস্তারিত পড়ুন

    আপনার রাতের খাবারের মেনুতে কিছুটা পরিবর্তন নিয়ে আসা প্রয়োজন আমি মনেকরি।

     ১ = ডিম মামলেট,পরটা বুট ডাল

    এখানে বুট ডাল কে বাদ দিয়ে সবজি নিয়ে আসুন। আর পরোটা বাদ দিয়ে রুটি খান। ডিম ওমলেট (মামলেট) ভালো, তাই এটা রাখা যেতে পারে।

    তারমানে দাঁড়ায় = ডিম ওমলেট + রুটি + সবজি

    ২ = ভাত ডিম চিকেন কারি

    মুলত ভাত এবং রুটির মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নেই। মুল কথা আপনি অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করলে তা আপনার শরীরের জন্য খারাপ। ভাত, রুটি দুটোতেই কার্বোহাইড্রেট আছে কিছুটা কম আর বেশি।

    শরীর ভাল রাখতে সারা দিনে ১৫০ গ্রামের মতো ভাত খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত। মানে তিন বেলা বা দু’বেলা মিলে আপনি ১৫০ গ্রাম ভাত খেতে পারেন এতে শরীর তাজা থাকবে। যদি আপনি ৩ বেলা ভাত খান তাহলে রাতে ৫০ গ্রাম আর যদি দু বেলা ভাত খান তাহলে রাতে ৭৫ গ্রাম খেতে পারেন।

    এর সাথে ডিম, চিকেন কারি যোগ করলেও সমস্যা নেই।

    সব বিবেচনায় ১ নম্বরের খাবার মেনুটাই ঠিক আছে। আপনি চাইলে সেখানে রুটির জায়গায় ভাতও খেতে পারেন পরিমান মতো।

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  13. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিটের প্রশ্ন ব্যাংক pdf , বিষয়সমূহ, আসন সংখ্যা ও রেজাল্ট

    rakib
    rakib নতুন
    রিপ্লাই করেছেন 4 বছর আগে

    ধন্যবাদ, আপনার উত্তরটি অনেকের কাজে লাগবে। 👍

    ধন্যবাদ, আপনার উত্তরটি অনেকের কাজে লাগবে। 👍

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  14. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন এবং রেজাল্ট pdf

    rakib
    rakib নতুন
    রিপ্লাই করেছেন 4 বছর আগে

    ধন্যবাদ, উত্তরটি অনেকের জন্য অনেক হেল্পফুল হবে। 👍

    ধন্যবাদ, উত্তরটি অনেকের জন্য অনেক হেল্পফুল হবে। 👍

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  15. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    মৃগী রোগ বিশেষজ্ঞ এবং এর সেরা চিকিৎসা কোথায় পেতে পারি?

    rakib
    সেরা উত্তর
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    মৃগী স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতাজনিত একটি রোগ। ৪০টিরও বেশি নিউরোলজিক্যাল রোগের মধ্যে সাধারণ একটি লক্ষণ হলো খিঁচুনি। সাধারণত, মস্তিষ্কের কোষগুলো একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সচল রাখে। কোনো কারণে মানবদেহের কার্য পরিচালনাকারী মস্তিষ্কের স্নায়ুতন্ত্রের উদ্দীপক ও নিবৃত্তিকারক অংশদ্বয়েরবিস্তারিত পড়ুন

    মৃগী স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতাজনিত একটি রোগ। ৪০টিরও বেশি নিউরোলজিক্যাল রোগের মধ্যে সাধারণ একটি লক্ষণ হলো খিঁচুনি। সাধারণত, মস্তিষ্কের কোষগুলো একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সচল রাখে। কোনো কারণে মানবদেহের কার্য পরিচালনাকারী মস্তিষ্কের স্নায়ুতন্ত্রের উদ্দীপক ও নিবৃত্তিকারক অংশদ্বয়ের কার্যপ্রণালির ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেলে মৃগীরোগের লক্ষণ দেখা দিতে পারে

    যখন এ ধরনের হাজার থেকে লক্ষাধিক বৈদ্যুতিক শক্তি একই সময়ে ঘটে এবং যা মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক অবস্থার সৃষ্টি করে, তার ফলাফল হতে পারে খিঁচুনি।
    সুস্থ–স্বাভাবিক একজন ব্যক্তি যদি হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে কাঁপুনি বা খিঁচুনির শিকার হন, চোখ-মুখ উল্টে ফেলে কিংবা কোনো শিশুর চোখের পাতা স্থির হয়ে যায়, একদৃষ্টিতে চেয়ে থাকে অথবা মানসিকভাবে সুস্থ কোনো ব্যক্তি যদি অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন, তবে তাঁকে মৃগীরোগী হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। বিশ্বে পাঁচ কোটি মানুষের মৃগী রোগ আছে, যার শতকরা ৮০ ভাগ মানুষই থাকে মধ্যম ও নিম্ন আয়ের দেশে।

    মৃগীর প্রধান চ্যালেঞ্জ

    মৃগীরোগের ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয় একটি বিষয়। এখানেই এই অবস্থাকে ঘিরে সামাজিক বিষয় বা নিষিদ্ধ, কল্পকাহিনিসহ অনেক ভুল ধারণা রয়েছে। কখনো কখনো এই অবস্থার চিকিৎসা নির্ণয় সঠিক নয়, যা ভুল বা বিলম্বিত চিকিৎসার কারণে সমস্যার কারণ হতে পারে।

    অনেক সময় বলা হয়, এটা ভূতপ্রেত বা দুষ্ট আত্মা দ্বারা সৃষ্ট। এটা সত্য নয়। এর সঙ্গে অতীত জীবনের কোনো সম্পর্ক নেই। এটি একটি বৈজ্ঞানিক স্নায়বিক বিষয়, যা সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।

    এপিডেমিওলজিক্যাল স্টাডি অব এপিলেপ্সি নির্দেশ করে যে সামগ্রিকভাবে মৃগীরোগের প্রকোপ নারীদের তুলনায় পুরুষদের মধ্যে সামান্য বেশি।

    মৃগীরোগ যে কারণে হয়

    মৃগীরোগ হওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ নেই এবং শতকরা ৭০ ভাগের ক্ষেত্রে কোনো কারণ বের করা সম্ভব হয়নি। তবে নিম্নোক্ত কারণগুলো থেকে মৃগীরোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে:
    • জন্মের আগে বা জন্মের সময় বা পরে মস্তিষ্কে আঘাত।
    • আঘাত এবং মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের অভাব।
    • সংক্রমণ যা মস্তিষ্কের ক্ষতি করে।
    • মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে প্রতিবন্ধকতা (স্ট্রোক বা অন্যান্য সমস্যা)।
    • মেহজমের সমস্যা বা পুষ্টির অভাব।
    • মস্তিষ্কের টিউমার।
    • অধিক মাত্রার জ্বর।
    • মস্তিষ্কে প্রদাহ।
    • এ ছাড়া অন্যান্য রোগ।

    ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ মৃগীরোগ জেনেটিক প্রবণতা দ্বারা সৃষ্ট। উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত মৃগীরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রথম পর্যায়ের আত্মীয়দের মৃগীরোগের ঝুঁকি দুই থেকে চার গুণ বেড়ে যায়।

    মৃগীরোগের লক্ষণ

    ৪০ ধরনের মৃগীরোগ হতে পারে। মৃগী রোগীর মধ্যে নিম্নলিখিত যেকোনো একটি বা একাধিক লক্ষণ দেখা দিতে পারে:
    • হঠাৎ শরীরের কোনো অংশে খিঁচুনি শুরু হওয়া ও পর্যায়ক্রমে তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়া।
    • হঠাৎ নমনীয়ভাবে ঢলে পড়া।
    • শরীর শক্ত হয়ে গিয়ে হঠাৎ পড়ে যাওয়া।
    • হঠাৎ জ্ঞান হারানো।
    • ঘন ঘন কাজে অমনোযোগী হয়ে পড়া।
    • ছোট বাচ্চাদের শরীর হঠাৎ ঝাঁকি খাওয়া।
    • হঠাৎ মাথা বা পিঠ কিংবা পুরো শরীর সামনে ঝুঁকে আসা।
    • হাত থেকে হঠাৎ করে কিছু ছিটকে পড়া।
    • হঠাৎ অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করা এবং হাত, পা ও মুখের অস্বাভাবিক নড়াচড়া শুরু হওয়া।
    • হঠাৎ শরীরের কোনো অংশে ভিন্ন ধরনের অনুভূতি সৃষ্টি হওয়া।
    মৃগীরোগের ডায়াগনোসিস
    • রোগী এবং প্রত্যক্ষকারীর বিস্তারিত ইতিহাস।
    • রক্ত পরীক্ষা।
    • ইইজি।
    • মস্তিষ্কের এমআরএই এবং সিটি স্ক্যান।
    • সিএসএফ পরীক্ষা।
    খিঁচুনির সময় যা করা যাবে না
    • আতঙ্কিত বা ভীত হওয়া যাবে না।
    • খিঁচুনির সময় কোনোরূপ বাধা সৃষ্টি বা রোগীকে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করা যাবে না; এতে রোগী ও সাহায্যকারী উভয়ই আহত হতে পারে।
    • রোগীর মুখে চামড়ার জুতো বা চামড়ার তৈরি অন্য কিছু, লোহার শিক ইত্যাদি চেপে ধরা উচিত হবে না। এতে রোগীর উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশি হয়ে থাকে।
    • রোগী পুরোপুরি সচেতন না হওয়া পর্যন্ত পানি বা অন্য কোনো পানীয় দেওয়া যাবে না।
    • সাধারণত খিঁচুনি দুই মিনিটের বেশি স্থায়ী হয় না এবং এরপর রোগী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।

    কখন চিকিৎসার প্রয়োজন

    নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখা দিলে রোগীকে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
    • খিঁচুনির স্থায়িত্ব পাঁচ মিনিটের বেশি হলে।
    • রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা হলে।
    • রোগী একনাগাড়ে অনেকক্ষণ ধরে বিভ্রান্ত হয়ে থাকলে কিংবা অচেতন থাকলে।
    • খিঁচুনির সময়ে রোগী কোনোভাবে আহত হলে।
    • রোগী প্রথমবারের মতো মৃগীতে আক্রান্ত হলে বিস্তারিত জানার জন্য নিকটস্থ হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগ বা কোনো নিউরোলজিস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

    মৃগীরোগের চিকিৎসা

    মৃগীরোগের চিকিৎসা প্রধানত কয়েকটি বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল; যেমন:
    অ্যান্টি-এপিলেপটিক ওষুধ
    অ্যান্টি-এপিলেপটিক ওষুধগুলোর সাধারণত পছন্দসই চিকিৎসাব্যবস্থা। প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, ৭০ শতাংশ ঘটনায় ওষুধ দিয়েই উপসর্গগুলো বা খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ বা নিরাময় করা গিয়েছে। মস্তিষ্ক থেকে নিঃসৃত হওয়া রাসায়নিকগুলোর পরিমাণ পরিবর্তন করে এই ওষুধগুলো খিঁচুনির তীব্রতা ও পুনরাবৃত্তির হার হ্রাস করতে সাহায্য করে। যদিও এই ওষুধগুলো মৃগীরোগের নিরাময় করতে পারে না, কিন্তু নিয়মিত চিকিৎসায় খিঁচুনির ঘটনার পুনরাবৃত্তির হার হ্রাস করে। এই ওষুধগুলো বিভিন্ন ধরনের পাওয়া যায়।

    চিকিৎসার শুরুতে ওষুধ অল্প মাত্রায় প্রয়োগ করা হয় এবং খিঁচুনির ঘটনা না থামা পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ধীরে ধীরে ওষুধের মাত্রা বৃদ্ধি করা হয়। কোনো অর্থপূর্ণ প্রতিক্রিয়া বা উন্নতি না দেখা গেলে চিকিৎসক ওষুধ পরিবর্তন করতে পারেন। মৃগীরোগের ধরনের ওপরে ওষুধের ধরন নির্ভর করে এবং শুধু একজন চিকিৎসকই এই ওষুধগুলো প্রেসক্রাইব করতে পারেন। রোগী যদি অন্য কোনো ওষুধ নিতে থাকেন, তাহলে ডাক্তারকে তা জানাতে হবে।

    কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে তৎক্ষণাৎ তা ডাক্তারকে জানাতে হবে। সুতরাং যেভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, ওষুধগুলো ঠিক সেইভাবেই সেবন করতে হবে। ওষুধের মাত্রা পরিবর্তন করার আগে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে নিতে হবে। ডাক্তারের অনুমতি ছাড়া ওষুধ বন্ধ করা যাবে না। রোগীর মেজাজের কোনো পরিবর্তন লক্ষ করলে ডাক্তারকে তা জানাতে হবে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অধিকাংশ অ্যান্টি-এপিলেপটিক ওষুধই বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং রোগী কোনো উপসর্গ ছাড়াই বাঁচতে পারবেন।

    শল্য চিকিৎসা

    ওষুধে খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে না এলে অথবা বেশ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে শল্য চিকিৎসা করার পরামর্শ দেওয়া হতে পারে। অস্ত্রোপচারের সময় মস্তিষ্কের প্রভাবিত অংশ বাদ দেওয়া হয়। অস্ত্রোপচার তখনই করা হয়, যখন মস্তিষ্কের খুব ছোট এলাকা প্রভাবিত হয় এবং সেই এলাকা শরীরের কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যেমন: বাক্‌শক্তি, শ্রবণশক্তি, চলাফেরা, অঙ্গপ্রত্যঙ্গের নড়াচড়া ও সমন্বয় ইত্যাদির কোনো ক্ষতি করে না।
    এ ছাড়া কিটো-জেনিক ডায়েট, ইপিলেপসি সার্জারি, ভেগাল নার্ভ স্টিমুলেশন (ভিএনএস), রেসপন্সিভ নার্ভ স্টিমুলেশন (আরএনএস) স্টেরিওট্যাকটিক সার্জারি ইত্যাদির মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। এসব চিকিৎসা সাধারণত উন্নত বিশ্বে হয়ে থাকে।

    জীবনধারার ব্যবস্থাপনা

    খিঁচুনির নিয়ন্ত্রণ জরুরি কারণ এটি বিপজ্জনক এবং জটিল সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
    • নিয়মিত ওষুধ সেবন করা। ডাক্তারের অনুমতি ছাড়া ওষুধ বন্ধ কর যাবে না।
    • খিঁচুনি বা মৃগীরোগ শুরুর কারণ খুঁজে বের করুন। খুব সাধারণ কারণগুলো হলো নিয়মিত ওষুধ না খাওয়া, মানসিক চাপ, খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম, মদ্যপান, অনিদ্রা, উজ্জ্বল আলো, জোরে আওয়াজ ইত্যাদি খিঁচুনি সৃষ্টি করে।
    • খিঁচুনি কবে ও কখন শুরু হলো, এর তীব্রতা কত, কতক্ষণ ধরে হয়েছে এবং তার সঙ্গে খিঁচুনি শুরুর আগে আপনি কী করছিলেন, তা বিস্তারিত লিখে রাখুন।
    • খিঁচুনি শুরুর কারণগুলোকে মোকাবিলা করার চেষ্টা করার নিয়ম—
    ১. নিয়মিত ওষুধ সেবন করা।
    ২. খাওয়াদাওয়া সময়মতো করা।
    ৩. ঘুমানোর জন্য তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ার চেষ্টা করা।
    ৪. শ্বাসের হালকা ব্যায়াম করা।
    ৫. মদ্যপান না করা।
    ৬. নেশাজাতীয় ওষুধ সেবন না করা।

    • খিঁচুনি খুব ঘন ঘন হলে গাড়ি চালানো, সাঁতার কাটা এবং রান্না করা যাবে না। কারণ, এগুলো করার সময় খিঁচুনি হলে তা খুবই ক্ষতিকারক হবে।
    • বাড়ির আসবাবপত্রগুলোর কোণ মসৃণ হতে হবে।
    • স্নান করার সময় স্নানঘরের দরজা বন্ধ করা যাবে না।
    • বাথটাবে স্নান করার বদলে শাওয়ার ব্যবহার করতে হবে। এতে খিঁচুনি শুরু হলে বাথটাবে ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না।
    • সাঁতার কাটার সময় এমন সঙ্গী সঙ্গে রাখুন, যিনি আপনার খিঁচুনি শুরু হলে আপনাকে উদ্ধার করতে পারবেন।
    • ঘরের বাইরে কোনো খেলাধুলার সময় মাথায় হেলমেট ব্যবহার করতে হবে।
    খিঁচুনিতে আক্রান্ত রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা
    • আক্রান্ত রোগীকে মেঝেতে শুইয়ে দিতে হবে এবং গায়ের কাপড় খুলে দিতে হবে।
    • আশপাশের ধারালো জিনিসপত্র সরিয়ে ফেলতে হবে।
    • রোগীকে একপাশে করে শোয়াতে হবে যাতে করে লালা বা থুতু মুখ থেকে বেরিয়ে আসতে পারে।
    • মাথার নিচে নরম কাপড় ভাঁজ করে দিতে হবে।
    • রোগীর মুখে কোনো কিছু দেওয়া যাবে না।
    • খিঁচুনির পরে রোগীকে কিছুক্ষণ বিশ্রাম বা ঘুমাতে দিতে হবে।
    মৃগীরোগে আক্রান্ত বেশির ভাগ মানুষ সঠিক চিকিৎসা এবং স্বাস্থ্যসেবা নিলে সুস্থ এবং স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবেন।

    লেখক: সিনিয়র কনসালট্যান্ট নিউরোলজিস্ট, এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা

    সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  16. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পাকিস্তানের পারমাণবিক বোমা আছে, কিন্তু বাংলাদেশের নাই কেন?

    rakib
    সেরা উত্তর
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    ভাই, পারমানবিক অস্ত্র থাকলেই কি দেশ শক্তিশালী হয়ে যায়? আমাদের পাশাপাশি দেশের বিবেচনায় এই দুই দেশের মধ্যে যে শত্রুতা চলমান তা দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশেই নেই। তাই অনেকের মত বাংলাদেশও পারমাণবিক অস্ত্র রাখার প্রয়োজন মনে করেনা। বরং বাংলাদেশ নিজেকে উন্নত করছে অন্য দিক দিয়ে। যা একটি দেশের জন্য পারমাণবিক অস্ত্বিস্তারিত পড়ুন

    ভাই, পারমানবিক অস্ত্র থাকলেই কি দেশ শক্তিশালী হয়ে যায়? আমাদের পাশাপাশি দেশের বিবেচনায় এই দুই দেশের মধ্যে যে শত্রুতা চলমান তা দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশেই নেই। তাই অনেকের মত বাংলাদেশও পারমাণবিক অস্ত্র রাখার প্রয়োজন মনে করেনা। বরং বাংলাদেশ নিজেকে উন্নত করছে অন্য দিক দিয়ে। যা একটি দেশের জন্য পারমাণবিক অস্ত্রের চেয়েও বেশি দরকার। নিচে আমি পাকিস্তান আর বাংলাদেশের একটি সার্বিক তুলনা চিত্র তুলে ধরলাম।দেখুন তো কোন দিক থেকে বাংলাদেশ পাকিস্তানের থেকে পিছিয়ে রয়েছে?

    পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ তুলনা

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  17. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    সকাল বেলা ছেলে লিঙ্গ দাঁড়িয়ে থাকে কেন?

    rakib
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    ভোর ৫টায় পুরুষের দেহে টেস্টোস্টেরন হরমোন সর্বাধিক থাকে। দিনের অন্য সময়ের তুলনায় এর মাত্রা ২৫ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি। এ সময় নারীও টেস্টোস্টেরন হরমোন উৎপাদন করে তবে তা অতি সামান্য মাত্রায়। সকাল ৬টায় পুরুষের টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা কমে না উপরন্তু ঘুম যত লম্বা হয় হরমোনটির প্রভাবও তত বেশি হয়। আমেরিকান মেবিস্তারিত পড়ুন

    ভোর ৫টায় পুরুষের দেহে টেস্টোস্টেরন হরমোন সর্বাধিক থাকে। দিনের অন্য সময়ের তুলনায় এর মাত্রা ২৫ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি। এ সময় নারীও টেস্টোস্টেরন হরমোন উৎপাদন করে তবে তা অতি সামান্য মাত্রায়। সকাল ৬টায় পুরুষের টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা কমে না উপরন্তু ঘুম যত লম্বা হয় হরমোনটির প্রভাবও তত বেশি হয়।
    আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, পাঁচ ঘণ্টার বেশি ঘুম পুরুষের দেহে টেস্টোস্টেরন হরমোনটির মাত্রা ১৫ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়। সকাল সাতটায় যদি কোনো পুরুষ ঘুম থেকে উঠে তখন তার দেহে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা থাকে সর্বাধিক। কিন্তু একজন নারীর সে সময় সবচেয়ে কম থাকে। অন্যদিকে দিন শেষে পুরুষের এ হরমোনটির মাত্রা সবচেয়ে কমে যায় আর নারীর সবচেয়ে বেশি থাকে।
    আর এ কারণেই সকালে ঘুম ভাঙার পর ছেলেদের লিঙ্গ দাঁড়িয়ে থাকে। এটা কোনো রোগ নয়,পুরুষদের একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। তাই এতে ভয় পাওয়া অপ্রাসঙ্গিক!
    সূত্রঃ Odd Bangla
    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  18. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    How to test my wifi speed online or app? কিভাবে অনলাইনে অথবা অ্যাপের মাধ্যমে আমার ওয়াইফাই স্পিড টেস্ট করবো?

    rakib
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 5 বছর আগে

    অনলাইনে ওয়াইফাই অথবা মোবাইল নেটওয়ার্ক এর ডাউনলোড স্পিড টেস্ট করার জন্য দুইটি সাইট রিকমেন্ড করবো। তবে তার আগে আপনি ইন্টার্নেট সংযোগ চেক করে নিন। সেটা রাউটার বা মোবাইল নেট যেকোন হতে পারে। 1. speedtest.net আপনি speedtest.com ওয়েবসাইটে গিয়ে Go তে ক্লিক করুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। আপনার মোবাইল ফোনের জন্বিস্তারিত পড়ুন

    অনলাইনে ওয়াইফাই অথবা মোবাইল নেটওয়ার্ক এর ডাউনলোড স্পিড টেস্ট করার জন্য দুইটি সাইট রিকমেন্ড করবো। তবে তার আগে আপনি ইন্টার্নেট সংযোগ চেক করে নিন। সেটা রাউটার বা মোবাইল নেট যেকোন হতে পারে।

    1. speedtest.net

    আপনি speedtest.com ওয়েবসাইটে গিয়ে Go তে ক্লিক করুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন।

    আপনার মোবাইল ফোনের জন্য এদের app আছে।

    2. fast.com

    আপনি fast.com ওয়েবসাইটে ভিজিট করলেই সয়ংক্রিয়ভাবে ডাউনলোড স্পিড টেস্ট শুরু হয়ে যাবে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলেই রেজাল্ট পেয়ে যাবেন।

    মোবাইলে এদের এপ ডাউনলোড করেও স্পিড টেস্ট করতে পারবেন।

    অনলাইনে ওয়াইফাই অথবা মোবাইল নেটওয়ার্ক এর আপলোড স্পিড টেস্ট করার জন্য একটি সাইট রিকমেন্ড করবো। তবে তার আগে আপনি ইন্টার্নেট সংযোগ চেক করে নিন। সেটা রাউটার বা মোবাইল নেট যেকোন হতে পারে।

    1. testmy.net

    আপনি testmy.net সাইটটি ভিজিট করে Test my upload বাটনে ক্লিক করুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। এরপর রেজাল্ট পেয়ে যাবেন।

    খুব সহজেই এটা করা যায়। আশাকরি বুঝিয়ে বলতে  পেরেছি। কোন প্রশ্ন থাকলে rakib এ ক্লিক করে সরাসরি আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন। উত্তরটি ভালো লাগলে লাইক দিন!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  19. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিনোদন

    এলএক্স সোয়েট এর গান, সাথে সালমা আক্তার, মমতাজ এর বিচ্ছেদ গান

    rakib
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 5 বছর আগে

    বাংলা হট গান বলতে যা বুঝি তা নিচের লিংক থেকে দেখে নিন। এর বেশি আমি বুঝিনা! ✌️😂 https://www.dailymotion.com/video/x657qzo

    বাংলা হট গান বলতে যা বুঝি তা নিচের লিংক থেকে দেখে নিন। এর বেশি আমি বুঝিনা! ✌️😂

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • Sinclair
    Sinclair একটি উত্তর দিয়েছেন When shopping for best sex dolls, most buyers tend to… এপ্রিল 17, 2026, সময়ঃ 3:10 পূর্বাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন হ্যাঁ, Bestchange.com থেকে নিশ্চিতভাবে আয় করা সম্ভব। এটি মূলত একটি… এপ্রিল 15, 2026, সময়ঃ 2:13 অপরাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন প্রশ্নোত্তর প্রদানের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করার বিষয়টি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 2:11 পূর্বাহ্ন
  • সুমনা
    সুমনা একটি উত্তর দিয়েছেন এসইও (SEO) এর ক্ষেত্রে ব্যাকলিংক একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 1:59 পূর্বাহ্ন
  • SA Samim
    SA Samim একটি উত্তর দিয়েছেন আপনে অনলাইনে ইনকাম করতে চাইলে নিচের সাইটগুলিতে কাজ করতে পারেন।… এপ্রিল 13, 2026, সময়ঃ 6:55 অপরাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 105 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 116 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,024 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 154 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 75 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

SA Samim

SA Samim

  • 13 প্রশ্ন
  • 12 পয়েন্ট
এডিটর
সুমনা

সুমনা

  • 19 প্রশ্ন
  • 4 পয়েন্ট
নতুন
ভবের হাট 🤘

ভবের হাট 🤘

  • 25 প্রশ্ন
  • 3 পয়েন্ট
পণ্ডিত
Sinclair

Sinclair

  • 0 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
sajedul islam

sajedul islam

  • 1 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন