সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
ভুলে পানি খেলে কি রোজা ভাঙে?
না, ভুলে পানি খেলে রোজা ভাঙে না। রোজা রাখার কথা ভুলে গিয়ে পানি বা খাবার খেয়ে ফেললে রোজা সম্পূর্ণ বহাল থাকে, কোনো কাজা বা কাফফারা দিতে হবে না। স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে খাওয়া বন্ধ করে বাকি রোজা পূর্ণ করতে হবে। হাদিসের দলিল হযরত আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন — "যে ব্যক্তি ভুলবিস্তারিত পড়ুন
না, ভুলে পানি খেলে রোজা ভাঙে না। রোজা রাখার কথা ভুলে গিয়ে পানি বা খাবার খেয়ে ফেললে রোজা সম্পূর্ণ বহাল থাকে, কোনো কাজা বা কাফফারা দিতে হবে না। স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে খাওয়া বন্ধ করে বাকি রোজা পূর্ণ করতে হবে।
হাদিসের দলিল
হযরত আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন — “যে ব্যক্তি ভুলে আহার করল বা পান করল, সে যেন তার রোজা পূর্ণ করে। কারণ আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১/২০২)
আরেকটি হাদিসে এসেছে — “যে রমজান মাসে ভুলে পানাহার করল, তার ওপর কোনো কাজা নেই, কোনো কাফফারাও নেই।” (ইবনে হিব্বান, হাদিস: ০৮/২৮৮)
পরিস্থিতি অনুযায়ী বিস্তারিত বিধান
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে ভুলটি অনেকে করেন
ভুলে পানাহার করার পর যদি কেউ মনে করে তার রোজা ভেঙে গেছে এবং এরপর আবার কিছু খায় বা পান করে — তাহলে তার রোজা ভেঙে যাবে এবং পরবর্তীকালে এই রোজাটি কাজা করতে হবে। তাই এই ভুলটি থেকে সাবধান থাকুন।
অন্যকে রোজাদারকে ভুলে খেতে দেখলে কী করবেন?
রোজা পালনকারীকে কিছু খেতে দেখলে তাকে স্মরণ করিয়ে দিতে হবে। এটি একজন মুসলিমের দায়িত্ব।
সংক্ষেপে মনে রাখার নিয়ম
ভুলে খেয়ে ফেললে → মনে হওয়ামাত্র থামুন → রোজা চালিয়ে যান → কোনো চিন্তা নেই।
সংক্ষেপে দেখুনমনে হওয়ার পরও খেলে → কাজা দিতে হবে।
ইচ্ছে করে খেলে → কাজা + কাফফারা দুটোই দিতে হবে।
ইউটিউব গোল্ডেন প্লে বাটন পেতে কত ভিউ ও সাবস্ক্রাইবার লাগে?
ইউটিউব গোল্ডেন প্লে বাটন (YouTube Golden Play Button) পাওয়ার জন্য আপনার চ্যানেলে ১০ লক্ষ (বা ১ মিলিয়ন) সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে। এটা মনে রাখা জরুরি যে, ইউটিউবের এই প্লে বাটন পুরস্কারগুলো মূলত সাবস্ক্রাইবার সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়, ভিউ এর সংখ্যার ওপর নয়। অবশ্যই, শুধু সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা পূরণবিস্তারিত পড়ুন
ইউটিউব গোল্ডেন প্লে বাটন (YouTube Golden Play Button) পাওয়ার জন্য আপনার চ্যানেলে ১০ লক্ষ (বা ১ মিলিয়ন) সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে।
এটা মনে রাখা জরুরি যে, ইউটিউবের এই প্লে বাটন পুরস্কারগুলো মূলত সাবস্ক্রাইবার সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়, ভিউ এর সংখ্যার ওপর নয়।
অবশ্যই, শুধু সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা পূরণ করলেই হবে না, প্লে বাটন পাওয়ার জন্য আপনার চ্যানেলকে ইউটিউবের কমিউনিটি গাইডলাইন এবং অন্যান্য নিয়মকানুনও (যেমন – কোনো কপিরাইট স্ট্রাইক না থাকা ইত্যাদি) মেনে চলতে হবে।
সংক্ষেপে দেখুনকোন দেশটি হাতিকে পবিত্র পশু বলে মনে করে?
হাতিকে পবিত্র পশু বলে মনে করে এমন দেশ আসলে একাধিক আছে, তবে এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো ২টি দেশ। ১. ভারত (India) 🐘🇮🇳 ভারতে হিন্দু ধর্মে হাতির মর্যাদা অনেক উপরে। কারণ: হাতির মাথাওয়ালা দেবতা গণেশ (Lord Ganesha) হিন্দুদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং পূজনীয় দেবতাদের একজন। গণেশকে সাধারণত সমসবিস্তারিত পড়ুন
হাতিকে পবিত্র পশু বলে মনে করে এমন দেশ আসলে একাধিক আছে, তবে এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো ২টি দেশ।
১. ভারত (India) 🐘🇮🇳
ভারতে হিন্দু ধর্মে হাতির মর্যাদা অনেক উপরে।
২. থাইল্যান্ড (Thailand) 🇹🇭
থাইল্যান্ডেও হাতিকে, বিশেষ করে সাদা হাতিকে (White Elephant), অত্যন্ত পবিত্র এবং রাজকীয় প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।
সুতরাং, মূল উত্তর হলো: ভারত এবং থাইল্যান্ড এই দুটি দেশেই হাতিকে পবিত্র পশু হিসেবে গণ্য করা হয়, যার পেছনে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব রয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনপোশাক শ্রমিকদের খাদ্য সংকট কেন হচ্ছে?
পোশাক শ্রমিকদের খাদ্য সংকটের দায় কোনো একক পক্ষের নয়, বরং এটি একটি সিস্টেমিক বা পদ্ধতিগত সমস্যার ফল। এর দায়ভার মালিক, সরকার এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতা এই তিন প্রধান পক্ষের ওপরই বর্তায়। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে হলে এই তিন পক্ষকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব নিতে হবে। ১. মালিকপক্ষকে 'জীবনধারণের উপযবিস্তারিত পড়ুন
পোশাক শ্রমিকদের খাদ্য সংকটের দায় কোনো একক পক্ষের নয়, বরং এটি একটি সিস্টেমিক বা পদ্ধতিগত সমস্যার ফল।
এর দায়ভার মালিক, সরকার এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতা এই তিন প্রধান পক্ষের ওপরই বর্তায়। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে হলে এই তিন পক্ষকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব নিতে হবে।
১. মালিকপক্ষকে ‘জীবনধারণের উপযোগী মজুরি’ প্রদানের মানসিকতা রাখতে হবে।
২. সরকারকে বাস্তবসম্মত মজুরি নির্ধারণ, তা বাস্তবায়ন এবং বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
৩. আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোকে নৈতিকভাবে ব্যবসা করতে হবে এবং পোশাকের ন্যায্য মূল্য (যা শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধিকে সমর্থন করে) নিশ্চিত করতে হবে।
আর নিরপেক্ষ অডিট হওয়া দরকার প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে।
সংক্ষেপে দেখুনজ্ঞান কি বই পুস্তকের ভিতরে সীমাবদ্ধ?
না না, বইগুলোই সব শেষ কথা না। বই-পুস্তক তো শুধু একটা গাইড, একটা বেস। সেখানে যত তথ্য থাকে, আমরা সেগুলো ধরে বেস তৈরি করি। কিন্তু আসল শেখা ঘটে বাইরে: নিজে করে দেখলে বোঝা যায়। শুধু রেসিপি দেখে রান্না শেখা যায় না, চুলার পাশে দাঁড়িয়ে আগুনের লেভেল, গ্যাসের ফ্লেম, সবই জানতে হয়। আলাপ-আলোচনা বাড়িয়ে দেয়বিস্তারিত পড়ুন
না না, বইগুলোই সব শেষ কথা না। বই-পুস্তক তো শুধু একটা গাইড, একটা বেস। সেখানে যত তথ্য থাকে, আমরা সেগুলো ধরে বেস তৈরি করি। কিন্তু আসল শেখা ঘটে বাইরে:
সুতরাং জ্ঞান কোথাও আটকে নেই। বই হলো স্টার্টিং পয়েন্ট, পুরো গল্পটা শেখা যায় তোমার চোখ, কান আর মন খোলা রাখলে।
এবার আমাকে বলো, নতুন কিছু শেখার জন্য তুমি কোন পদ্ধতি অবলম্বন করো?
সংক্ষেপে দেখুনকোয়ান্টাম সংখ্যা কাকে বলে, কত প্রকার ও কি কি ব্যাখ্যা দাও।
কোয়ান্টাম সংখ্যা: সহজভাবে বোঝা পরমাণুর ভেতরের জগৎটা খুবই মজার! আর এই জগৎ বুঝতে দরকার কোয়ান্টাম সংখ্যা। এটি এমন কিছু সংখ্যা, যা পরমাণুর ইলেকট্রনের অবস্থান, শক্তি, এবং আচরণ ব্যাখ্যা করে। আজ আমরা এটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানব। কোয়ান্টাম সংখ্যা কাকে বলে? কোয়ান্টাম সংখ্যা হলো এমন একটি পদ্ধতি, যা বলে দেবিস্তারিত পড়ুন
কোয়ান্টাম সংখ্যা: সহজভাবে বোঝা
পরমাণুর ভেতরের জগৎটা খুবই মজার! আর এই জগৎ বুঝতে দরকার কোয়ান্টাম সংখ্যা। এটি এমন কিছু সংখ্যা, যা পরমাণুর ইলেকট্রনের অবস্থান, শক্তি, এবং আচরণ ব্যাখ্যা করে। আজ আমরা এটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানব।
কোয়ান্টাম সংখ্যা কাকে বলে?
কোয়ান্টাম সংখ্যা হলো এমন একটি পদ্ধতি, যা বলে দেয়, একটি ইলেকট্রন কোথায় আছে, কীভাবে ঘুরছে, এবং তার শক্তি কত। এটি মূলত চার ধরনের হয়:
1. প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা
2. সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা
3. চৌম্বক কোয়ান্টাম সংখ্যা
4. স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যা
এগুলো একসঙ্গে কাজ করে ইলেকট্রনের পূর্ণাঙ্গ চিত্র ফুটিয়ে তোলে।
প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা কাকে বলে?
প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে দেয়, ইলেকট্রন কোন শক্তিস্তরে রয়েছে।
এটি একটি সংখ্যা, যা ১, ২, ৩ ইত্যাদির মতো হয়।
উদাহরণ: প্রথম শক্তিস্তরকে বলা হয় কে শেল, দ্বিতীয় শক্তিস্তরকে বলা হয় এল শেল।
যত বড় সংখ্যার শক্তিস্তর, ইলেকট্রন তত দূরে অবস্থান করে।
সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা কাকে বলে?
সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে দেয় শক্তিস্তরের ভেতরে থাকা উপশক্তিস্তরের আকার।
এটি বলে, অরবিটালটি গোলাকার, ডাম্বেল আকৃতির নাকি অন্য কোনো আকারের।
উদাহরণ: গোলাকার হলে একে বলে এস অরবিটাল, আর ডাম্বেল আকৃতির হলে বলে পি অরবিটাল।
এটি আমাদের ইলেকট্রনের ঘোরার ধরণ সম্পর্কে ধারণা দেয়।
চৌম্বক কোয়ান্টাম সংখ্যা
চৌম্বক কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে, ইলেকট্রন যে অরবিটালে আছে, সেটি স্থানিকভাবে কীভাবে সাজানো।
এটি নির্ধারণ করে, ইলেকট্রন কোন দিকে ঘুরছে।
উদাহরণ: পি অরবিটালের তিনটি অবস্থান থাকে: একটি উপরের দিকে, একটি নিচের দিকে, আরেকটি পাশের দিকে।
স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যা কাকে বলে?
স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যা হলো কোয়ান্টাম সংখ্যার একটি বিশেষ ধরন, যা ইলেকট্রনের নিজ অক্ষে ঘূর্ণন নির্দেশ করে।
এটি বলে, ইলেকট্রন ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরছে নাকি তার বিপরীত দিকে।
দুটি মান থাকতে পারে: ঘড়ির কাঁটার দিকে হলে এক ধরণের স্পিন, আর বিপরীত হলে অন্য ধরণের স্পিন।
স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যা ইলেকট্রনের চুম্বকীয় গুণাবলী নির্ধারণ করে।
তুমি এটি এমনভাবে ভাবতে পারো, যেন এক ইলেকট্রন একটি ছোট স্পিনিং টপের মতো ঘুরছে।
কোয়ান্টাম সংখ্যার উপযোগিতা
কোয়ান্টাম সংখ্যা ছাড়া আমরা কখনো জানতেই পারতাম না, পরমাণুর ইলেকট্রন ঠিক কোথায় থাকে এবং কীভাবে কাজ করে।
এটি আমাদের বলে, পরমাণুর শক্তি স্তরগুলো কীভাবে সাজানো।
এটি ইলেকট্রনের গতিবিধি ও শক্তি সম্পর্কে বিশদ ধারণা দেয়।
পরমাণুর গঠন বুঝতে বিজ্ঞানীরা এই সংখ্যাগুলোর ওপর নির্ভর করেন।
সহজ উদাহরণ
ধরা যাক, তোমার স্কুলের প্রতিটি ক্লাসের একটি রোল নম্বর রয়েছে।
প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা হলো ক্লাসের নাম।
সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা হলো ক্লাসের বেঞ্চের ধরণ।
চৌম্বক কোয়ান্টাম সংখ্যা হলো, বেঞ্চে ঠিক কোন জায়গায় তুমি বসেছ।
আর স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যা হলো, তুমি ডান দিকে ঝুঁকে আছ নাকি বাঁ দিকে।
এগুলো একত্রে তোমার সঠিক অবস্থান ও আচরণ নির্দেশ করে।
কোয়ান্টাম সংখ্যা আমাদের পরমাণুর অদ্ভুত সুন্দর জগৎকে বুঝতে সাহায্য করে। এর মাধ্যমে আমরা জানতে পারি, ছোট্ট ইলেকট্রন কেমন করে কাজ করে এবং তা কীভাবে পরমাণুর বৈশিষ্ট্য গঠন করে।
বিজ্ঞান জানার মজাই আলাদা, তাই না?
সংক্ষেপে দেখুনইতিহাসের সবচেয়ে বুদ্ধিমান অপরাধী কে? তার কি অপরাধ ছিল?
এত * চিন্হ কেন ভাই?
এত * চিন্হ কেন ভাই?
সংক্ষেপে দেখুনহাইব্রিড কার এবং সাধারণ কারের মধ্যে পার্থক্য কি?
নন হাইব্রিড বা রেগুলার গাড়ি একটি নন হাইব্রিড গাড়িতে শুধুমাত্র একটি ফুয়েল চালিত ইঞ্জিন থাকে, যার শক্তি ইঞ্জিন থেকে গিয়ারবক্স হয়ে চাকায় স্থানান্তরিত হয়। হাইব্রিড গাড়ি একটি হাইব্রিড গাড়িতে একটি ফুয়েল চালিত ইঞ্জিন এবং একটি বৈদ্যুতিক মোটর থাকে। এই দুই ধরনের প্রযুক্তিকে যখন একই গাড়িতে একসাথে ব্যবহার করবিস্তারিত পড়ুন
নন হাইব্রিড বা রেগুলার গাড়ি
একটি নন হাইব্রিড গাড়িতে শুধুমাত্র একটি ফুয়েল চালিত ইঞ্জিন থাকে, যার শক্তি ইঞ্জিন থেকে গিয়ারবক্স হয়ে চাকায় স্থানান্তরিত হয়।
হাইব্রিড গাড়ি
একটি হাইব্রিড গাড়িতে একটি ফুয়েল চালিত ইঞ্জিন এবং একটি বৈদ্যুতিক মোটর থাকে। এই দুই ধরনের প্রযুক্তিকে যখন একই গাড়িতে একসাথে ব্যবহার করা হয় তখন তাকে “হাইব্রিড” গাড়ি বলে।
হাইব্রিড গাড়ির সুবিধা
হাইব্রিড গাড়িতে প্রাথমিকভাবে ইঞ্জিনের শক্তিতে গাড়ি চলে এবং সেই সাথে ব্যাটারিও চার্জ হয়। গাড়ি একটি নির্দিষ্ট গতিতে পৌছে গেলে (সাধারণত ৪০-৬০ কি.মি./ঘন্টা) গতি জড়তার কারণে গাড়িটি চালাতে খুব কম শক্তি দরকার হয়। এই পর্যায়ে এসে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায় এবং ইলেকট্রিক মোটর চালু হয়ে যায়। আবার স্পীড কমে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মোটর থেমে যায় আর ইঞ্জিন চলতে শুরু করে।
হাইব্রিড গাড়িটি কখন ইঞ্জিন আর কখন বৈদ্যুতিক মোটর দ্বারা চালিত হবে সেটি গাড়ির Engine Control Unit (ECU) এ ব্যবহৃত Artificial Intelligence (AI) দ্বারা পরিচালিত হয়।
এভাবে স্পীড ও লোডের ওপর ভিত্তি করে ইঞ্জিন-মোটরের দৈত শক্তিতে চলতে সক্ষম বলেই এদেরকে হাইব্রিড গাড়ি বলা হয়।
সংক্ষেপে দেখুনআমরা মহাবিশ্বের কতদূর পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করতে পারি বা মহাবিশ্বের ব্যাপ্তি সম্পর্কে আমরা কতদূর জানি?
ভালো লাগলো!
ভালো লাগলো!
সংক্ষেপে দেখুনযোহরের নামাজ কয় রাকাত ও পড়ার নিয়ম কি?
যোহরের নামাজ কয় রাকাত যোহরের নামাজ সর্বমোট মোট ১০ রাকাত যোহরের নামাজ কয় রাকাত ও কি কি যোহরের নামাজের প্রথমে চার রাকাত সুন্নত এরপর চার রাকাত ফরজ এবং এরপর দুই রাকাত সুন্নত। অনেকে শেষে দুই রাকআত নফল নামাজ আদায় করে। যোহরের নামাজ কয় রাকাত কিভাবে পড়তে হয় সব মিলে যোহরের নামাজ ১০ রাকাত। পড়ার নিয়ম নিচেবিস্তারিত পড়ুন
যোহরের নামাজ কয় রাকাত
যোহরের নামাজ সর্বমোট মোট ১০ রাকাত
যোহরের নামাজ কয় রাকাত ও কি কি
যোহরের নামাজের প্রথমে চার রাকাত সুন্নত এরপর চার রাকাত ফরজ এবং এরপর দুই রাকাত সুন্নত। অনেকে শেষে দুই রাকআত নফল নামাজ আদায় করে।
যোহরের নামাজ কয় রাকাত কিভাবে পড়তে হয়
সব মিলে যোহরের নামাজ ১০ রাকাত। পড়ার নিয়ম নিচে দেখে নিন।
চার রাকাত সুন্নত
প্রথমে জায়নামাজের দোয়া পাঠ করতে হবে। এরপর চার রাকাত সুন্নতের নিয়ত পড়তে হবে। নিয়ত বাংলাতে পাঠ করা যায়। এরপর সানা পাঠ করতে হয়। সানা পাঠ করার পর সূরা ফাতিহা পাঠ করতে হবে। সূরা ফাতিহার সাথে অন্য যে কোন একটি সূরা মিলিয়ে পড়তে হবে। সূরা পড়া শেষ হলে সুবহানা রাব্বিয়াল আজিম যেকোনো বিজোড় সংখ্যক বার পড়তে হবে। এরপর সামিয়া লিমান হামিদা রব্বানা লাকাল হামদ বলে সিজদা দিতে হবে সেজদায় যেকোনো বিজোড় সংখ্যক বার সুবহানা রাব্বিয়াল আলা বলতে হবে।
এরপর আবার আল্লাহু আকবার বলে সিজদা দিতে হবে।প্রথম রাকাত পড়া শেষ হলে দ্বিতীয় রাকাত পড়া শুরু করতে হবে। দ্বিতীয় রাকাতের নিয়ত করতে হবে না। সুরা ফাতেহার সাথে কোন সূরা মিলিয়ে পড়তে হবে।
অতঃপর আবার সুবহানা রাব্বিয়াল আজিম বিজোড় সংখ্যক বার পড়তে হবে। এরপর সামিয়া লিমান হামিদা রাব্বানা লাকাল হামদ পড়তে হবে। এটি পড়া শেষ হলে আবার সিজদা দিতে হবে।সেজদা দেয়া শেষ হলে আল্লাহু আকবার বলে আবার সিজদা দিতে হবে। সেজদায় সুবহানা রাব্বিয়াল আলা বিজোড় সংখ্যকবার বলতে হবে। সেজদা শেষ হলে তাশাহুদ পাঠ করতে হবে।
একইভাবে পরের রাকাত শুরু করতে হবে। তৃতীয় রাকাতে পার্থক্য শুধু এই যে তখন তাশাহুদ পড়া পড়তে হবে না। অতঃপর চতুর্থ রাকাত শুরু করতে হবে। চতুর্থ রাকাত দ্বিতীয় রাকাতের মতই। শুধু তাশাহুদ এর পর দুরুদে ইব্রাহীম, দোয়া মাসুরা পড়ে সালাম ফেরাতে হবে। প্রথমে ডান পাশে এবং পরে বাম পাশে সালাম ফেরাতে হবে। সালাম ফিরানো শেষ হলে মোনাজাত ধরতে হবে। এভাবে জোহরের চার রাকাত সুন্নত নামাজ আদায় করা যায়।
চার রাকাত ফরজ
জোহরের চার রাকাত ফরজ চার রাকাত সুন্নত এর মতই, শুধু নিয়ত ব্যাতিক্রম এবং চার রাকাত সুন্নতের প্রথম দুই রাকাতে সুরা ফাতেহার সাথে অন্য যেকোনো সূরা মিলিয়ে পড়তে হয়।
কিন্তু চার রাকাত ফরজ এর ক্ষেত্রে প্রথম দুই রাকাতে সূরা মিলানোর পর পরের দুই রাকাতে সূরা মিলিয়ে পড়তে হয় না। শুধু সুরা ফাতেহা পড়তে হয়। বাকি নিয়মগুলো চার রাকাত সুন্নত এর মতই। আশাকরি পোষ্টের মাধ্যমে আপনারা জোহরের নামাজ সম্পর্কে অনেক ধারণা পেয়েছেন।
দুই রাকাত সুন্নত
প্রথমে জায়নামাজের দোয়া পাঠ করতে হয়। অতঃপর দুই রাকাত সুন্নতের নিয়ত বাধতে হয়। অতঃপর সানা পাঠ করতে হয়। সানা পাঠ করা শেষ হলে সূরা ফাতিহার সাথে অন্য যেকোনো সূরা মিলিয়ে পড়তে হয়। এরপর সুবহানা রাব্বিয়াল আজিম যেকোনো বিজোড় সংখ্যক বার পড়তে হয়। এরপর সামিয়া লিমান হামিদা রাব্বানা লাকাল হামদ বলেই সিজদা দিতে হয়। সিজদা দেওয়ার সময় সুবহানা রাব্বিয়াল আলা যেকোনো বিজোড় সংখ্যকবার বলতে হয়।
আবার আল্লাহু আকবার বলে সিজদা দিতে হয়। এরপর দ্বিতীয় রাকাত শুরু করতে হয়। দ্বিতীয় রাকাতের বেলায় নিয়ত করতে হয় না। বাকি নিয়ম গুলো একই রকম শুধু সেজদা দেয়ার পর তাশাহুদ, দুরুদে ইব্রাহীম এবং দোয়া মাসুরা পড়ে সালাম ফেরাতে হয়। অতঃপর সব শেষে মোনাজাত ধরতে হয়।
যোহরের নামাজের নিয়ত আরবি বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ
نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلَّهِ تَعَا لَى اَرْبَعَ رَكْعَتِ صَلَوةِ الْظُهْرِسُنَّةُ رَسُوْلِ للَّهِ تَعَا لَى مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِ يْفَةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ
উচ্চারন
নাওয়াইতুয়ান উসালিয়া-লিল্লাহি তা’আলা আরবায়া রাকাআতি ছালাতিল জোহরে সুন্নাতু রাসূলিল্লাহি তা’য়াল মোতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি আকবর।
অর্থ
যোহরের চার রাকাত সুন্নত নামাজ আদায় করার উদ্দেশ্যে কিবলামুখী হয়ে নিয়্যত করলাম, আল্লাহু আকবার।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনহাত পায়ের কড়া খুব জ্বালাচ্ছে, কি করবো?
হাত পায়ের কড়া দূর করুন ঘরোয়া উপায়ে শরীরের যেসব অংশ বেশি ঘর্ষণ ও চাপের মুখে পড়ে; সেসব অংশে কড়া পড়ে থাকে। কালচে বা হলুদ হয়ে ত্বকের উপর শক্ত স্তর তৈরি হয়। দীর্ঘদিনের কড়া আরও বেশি শক্ত ও হলুদ হয়ে থাকে। পায়ে, হাতের আঙুল বা কনুইতে বেশি কড়া পড়ে থাকে। পায়ের তলাসহ অন্যান্য অংশ অনেক সময় শক্ত হয়ে যায়। চলতি ভাষবিস্তারিত পড়ুন
হাত পায়ের কড়া দূর করুন ঘরোয়া উপায়ে
শরীরের যেসব অংশ বেশি ঘর্ষণ ও চাপের মুখে পড়ে; সেসব অংশে কড়া পড়ে থাকে। কালচে বা হলুদ হয়ে ত্বকের উপর শক্ত স্তর তৈরি হয়। দীর্ঘদিনের কড়া আরও বেশি শক্ত ও হলুদ হয়ে থাকে। পায়ে, হাতের আঙুল বা কনুইতে বেশি কড়া পড়ে থাকে।
পায়ের তলাসহ অন্যান্য অংশ অনেক সময় শক্ত হয়ে যায়। চলতি ভাষায় একে কড়া বলা হয়। বিভিন্ন কাঁটায় আঘাত পেলেও পরবর্তী সময়ে এমন কড়া পড়তে পারে। ইংরেজিতে একে বলা হয় কর্ন। পায়ের যেসব অংশে ক্রমাগত চাপ পড়ে বা ঘষা লাগে, দীর্ঘদিন পরে সেসব অংশের ত্বক শক্ত হয়ে যায়। একে বলা হয় ক্যালাস।
যদি কড়া পড়ার কারণে আপনার শারীরিক কোনো সমস্যা হবে না, তবে এটি ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট করে। কড়া পড়ার শুরুর দিকে লক্ষ্য করবেন, সাধারণত আকারে গোলাকার হয়ে থাকে এগুলো। আক্রান্ত স্কানটি শক্ত, ভারি ও কালচে বা হলদে হওয়া শুরু করে।
পায়ে ক্রমাগত চাপ পড়া বন্ধ হলে ধীরে ধীরে ক্যালাস সেরে যায়। তবে জুতা পরিবর্তনের পরেও সমস্যা না কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পায়ের ত্বকে কখনো কোনো কিছু ঢুকে গেলে নিজে থেকে সেটি বের করার চেষ্টা করবেন না, এতে কড়া পড়ার আশঙ্কা বাড়ে।
ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এ বিষয়ে অতিরিক্ত সতর্ক থাকা উচিত। কারণ পায়ে রক্তের প্রবাহ কম থাকায় জটিলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে। কর্ন এবং ক্যালাস ঘরোয়া উপায়েও প্রতিকার এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়। জেনে নিন উপায়-
নিয়মিত আরও যেসব ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহারে কড়া দূর করতে পারেন –
সূত্রঃ টাইমস অব ইন্ডিয়া/জেএমএস/এমকেএইচ এবং জাগো নিউজ ২৪
সংক্ষেপে দেখুনরাতের খাবার
আপনার রাতের খাবারের মেনুতে কিছুটা পরিবর্তন নিয়ে আসা প্রয়োজন আমি মনেকরি। ১ = ডিম মামলেট,পরটা বুট ডাল এখানে বুট ডাল কে বাদ দিয়ে সবজি নিয়ে আসুন। আর পরোটা বাদ দিয়ে রুটি খান। ডিম ওমলেট (মামলেট) ভালো, তাই এটা রাখা যেতে পারে। তারমানে দাঁড়ায় = ডিম ওমলেট + রুটি + সবজি ২ = ভাত ডিম চিকেন কারি মুলত ভাত এবং রুটবিস্তারিত পড়ুন
আপনার রাতের খাবারের মেনুতে কিছুটা পরিবর্তন নিয়ে আসা প্রয়োজন আমি মনেকরি।
১ = ডিম মামলেট,পরটা বুট ডাল
এখানে বুট ডাল কে বাদ দিয়ে সবজি নিয়ে আসুন। আর পরোটা বাদ দিয়ে রুটি খান। ডিম ওমলেট (মামলেট) ভালো, তাই এটা রাখা যেতে পারে।
তারমানে দাঁড়ায় = ডিম ওমলেট + রুটি + সবজি
২ = ভাত ডিম চিকেন কারি
মুলত ভাত এবং রুটির মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নেই। মুল কথা আপনি অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করলে তা আপনার শরীরের জন্য খারাপ। ভাত, রুটি দুটোতেই কার্বোহাইড্রেট আছে কিছুটা কম আর বেশি।
শরীর ভাল রাখতে সারা দিনে ১৫০ গ্রামের মতো ভাত খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত। মানে তিন বেলা বা দু’বেলা মিলে আপনি ১৫০ গ্রাম ভাত খেতে পারেন এতে শরীর তাজা থাকবে। যদি আপনি ৩ বেলা ভাত খান তাহলে রাতে ৫০ গ্রাম আর যদি দু বেলা ভাত খান তাহলে রাতে ৭৫ গ্রাম খেতে পারেন।
এর সাথে ডিম, চিকেন কারি যোগ করলেও সমস্যা নেই।
সব বিবেচনায় ১ নম্বরের খাবার মেনুটাই ঠিক আছে। আপনি চাইলে সেখানে রুটির জায়গায় ভাতও খেতে পারেন পরিমান মতো।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিটের প্রশ্ন ব্যাংক pdf , বিষয়সমূহ, আসন সংখ্যা ও রেজাল্ট
ধন্যবাদ, আপনার উত্তরটি অনেকের কাজে লাগবে। 👍
ধন্যবাদ, আপনার উত্তরটি অনেকের কাজে লাগবে। 👍
সংক্ষেপে দেখুনঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন এবং রেজাল্ট pdf
ধন্যবাদ, উত্তরটি অনেকের জন্য অনেক হেল্পফুল হবে। 👍
ধন্যবাদ, উত্তরটি অনেকের জন্য অনেক হেল্পফুল হবে। 👍
সংক্ষেপে দেখুনমৃগী রোগ বিশেষজ্ঞ এবং এর সেরা চিকিৎসা কোথায় পেতে পারি?
মৃগী স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতাজনিত একটি রোগ। ৪০টিরও বেশি নিউরোলজিক্যাল রোগের মধ্যে সাধারণ একটি লক্ষণ হলো খিঁচুনি। সাধারণত, মস্তিষ্কের কোষগুলো একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সচল রাখে। কোনো কারণে মানবদেহের কার্য পরিচালনাকারী মস্তিষ্কের স্নায়ুতন্ত্রের উদ্দীপক ও নিবৃত্তিকারক অংশদ্বয়েরবিস্তারিত পড়ুন
মৃগী স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতাজনিত একটি রোগ। ৪০টিরও বেশি নিউরোলজিক্যাল রোগের মধ্যে সাধারণ একটি লক্ষণ হলো খিঁচুনি। সাধারণত, মস্তিষ্কের কোষগুলো একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সচল রাখে। কোনো কারণে মানবদেহের কার্য পরিচালনাকারী মস্তিষ্কের স্নায়ুতন্ত্রের উদ্দীপক ও নিবৃত্তিকারক অংশদ্বয়ের কার্যপ্রণালির ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেলে মৃগীরোগের লক্ষণ দেখা দিতে পারে
যখন এ ধরনের হাজার থেকে লক্ষাধিক বৈদ্যুতিক শক্তি একই সময়ে ঘটে এবং যা মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক অবস্থার সৃষ্টি করে, তার ফলাফল হতে পারে খিঁচুনি।
সুস্থ–স্বাভাবিক একজন ব্যক্তি যদি হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে কাঁপুনি বা খিঁচুনির শিকার হন, চোখ-মুখ উল্টে ফেলে কিংবা কোনো শিশুর চোখের পাতা স্থির হয়ে যায়, একদৃষ্টিতে চেয়ে থাকে অথবা মানসিকভাবে সুস্থ কোনো ব্যক্তি যদি অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন, তবে তাঁকে মৃগীরোগী হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। বিশ্বে পাঁচ কোটি মানুষের মৃগী রোগ আছে, যার শতকরা ৮০ ভাগ মানুষই থাকে মধ্যম ও নিম্ন আয়ের দেশে।
মৃগীর প্রধান চ্যালেঞ্জ
মৃগীরোগের ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয় একটি বিষয়। এখানেই এই অবস্থাকে ঘিরে সামাজিক বিষয় বা নিষিদ্ধ, কল্পকাহিনিসহ অনেক ভুল ধারণা রয়েছে। কখনো কখনো এই অবস্থার চিকিৎসা নির্ণয় সঠিক নয়, যা ভুল বা বিলম্বিত চিকিৎসার কারণে সমস্যার কারণ হতে পারে।
অনেক সময় বলা হয়, এটা ভূতপ্রেত বা দুষ্ট আত্মা দ্বারা সৃষ্ট। এটা সত্য নয়। এর সঙ্গে অতীত জীবনের কোনো সম্পর্ক নেই। এটি একটি বৈজ্ঞানিক স্নায়বিক বিষয়, যা সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।
এপিডেমিওলজিক্যাল স্টাডি অব এপিলেপ্সি নির্দেশ করে যে সামগ্রিকভাবে মৃগীরোগের প্রকোপ নারীদের তুলনায় পুরুষদের মধ্যে সামান্য বেশি।
মৃগীরোগ যে কারণে হয়
মৃগীরোগ হওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ নেই এবং শতকরা ৭০ ভাগের ক্ষেত্রে কোনো কারণ বের করা সম্ভব হয়নি। তবে নিম্নোক্ত কারণগুলো থেকে মৃগীরোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে:
• জন্মের আগে বা জন্মের সময় বা পরে মস্তিষ্কে আঘাত।
• আঘাত এবং মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের অভাব।
• সংক্রমণ যা মস্তিষ্কের ক্ষতি করে।
• মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে প্রতিবন্ধকতা (স্ট্রোক বা অন্যান্য সমস্যা)।
• মেহজমের সমস্যা বা পুষ্টির অভাব।
• মস্তিষ্কের টিউমার।
• অধিক মাত্রার জ্বর।
• মস্তিষ্কে প্রদাহ।
• এ ছাড়া অন্যান্য রোগ।
৩০ থেকে ৪০ শতাংশ মৃগীরোগ জেনেটিক প্রবণতা দ্বারা সৃষ্ট। উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত মৃগীরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রথম পর্যায়ের আত্মীয়দের মৃগীরোগের ঝুঁকি দুই থেকে চার গুণ বেড়ে যায়।
মৃগীরোগের লক্ষণ
৪০ ধরনের মৃগীরোগ হতে পারে। মৃগী রোগীর মধ্যে নিম্নলিখিত যেকোনো একটি বা একাধিক লক্ষণ দেখা দিতে পারে:
• হঠাৎ শরীরের কোনো অংশে খিঁচুনি শুরু হওয়া ও পর্যায়ক্রমে তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়া।
• হঠাৎ নমনীয়ভাবে ঢলে পড়া।
• শরীর শক্ত হয়ে গিয়ে হঠাৎ পড়ে যাওয়া।
• হঠাৎ জ্ঞান হারানো।
• ঘন ঘন কাজে অমনোযোগী হয়ে পড়া।
• ছোট বাচ্চাদের শরীর হঠাৎ ঝাঁকি খাওয়া।
• হঠাৎ মাথা বা পিঠ কিংবা পুরো শরীর সামনে ঝুঁকে আসা।
• হাত থেকে হঠাৎ করে কিছু ছিটকে পড়া।
• হঠাৎ অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করা এবং হাত, পা ও মুখের অস্বাভাবিক নড়াচড়া শুরু হওয়া।
• হঠাৎ শরীরের কোনো অংশে ভিন্ন ধরনের অনুভূতি সৃষ্টি হওয়া।
মৃগীরোগের ডায়াগনোসিস
• রোগী এবং প্রত্যক্ষকারীর বিস্তারিত ইতিহাস।
• রক্ত পরীক্ষা।
• ইইজি।
• মস্তিষ্কের এমআরএই এবং সিটি স্ক্যান।
• সিএসএফ পরীক্ষা।
খিঁচুনির সময় যা করা যাবে না
• আতঙ্কিত বা ভীত হওয়া যাবে না।
• খিঁচুনির সময় কোনোরূপ বাধা সৃষ্টি বা রোগীকে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করা যাবে না; এতে রোগী ও সাহায্যকারী উভয়ই আহত হতে পারে।
• রোগীর মুখে চামড়ার জুতো বা চামড়ার তৈরি অন্য কিছু, লোহার শিক ইত্যাদি চেপে ধরা উচিত হবে না। এতে রোগীর উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশি হয়ে থাকে।
• রোগী পুরোপুরি সচেতন না হওয়া পর্যন্ত পানি বা অন্য কোনো পানীয় দেওয়া যাবে না।
• সাধারণত খিঁচুনি দুই মিনিটের বেশি স্থায়ী হয় না এবং এরপর রোগী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।
কখন চিকিৎসার প্রয়োজন
নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখা দিলে রোগীকে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
• খিঁচুনির স্থায়িত্ব পাঁচ মিনিটের বেশি হলে।
• রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা হলে।
• রোগী একনাগাড়ে অনেকক্ষণ ধরে বিভ্রান্ত হয়ে থাকলে কিংবা অচেতন থাকলে।
• খিঁচুনির সময়ে রোগী কোনোভাবে আহত হলে।
• রোগী প্রথমবারের মতো মৃগীতে আক্রান্ত হলে বিস্তারিত জানার জন্য নিকটস্থ হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগ বা কোনো নিউরোলজিস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
মৃগীরোগের চিকিৎসা
মৃগীরোগের চিকিৎসা প্রধানত কয়েকটি বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল; যেমন:
অ্যান্টি-এপিলেপটিক ওষুধ
অ্যান্টি-এপিলেপটিক ওষুধগুলোর সাধারণত পছন্দসই চিকিৎসাব্যবস্থা। প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, ৭০ শতাংশ ঘটনায় ওষুধ দিয়েই উপসর্গগুলো বা খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ বা নিরাময় করা গিয়েছে। মস্তিষ্ক থেকে নিঃসৃত হওয়া রাসায়নিকগুলোর পরিমাণ পরিবর্তন করে এই ওষুধগুলো খিঁচুনির তীব্রতা ও পুনরাবৃত্তির হার হ্রাস করতে সাহায্য করে। যদিও এই ওষুধগুলো মৃগীরোগের নিরাময় করতে পারে না, কিন্তু নিয়মিত চিকিৎসায় খিঁচুনির ঘটনার পুনরাবৃত্তির হার হ্রাস করে। এই ওষুধগুলো বিভিন্ন ধরনের পাওয়া যায়।
চিকিৎসার শুরুতে ওষুধ অল্প মাত্রায় প্রয়োগ করা হয় এবং খিঁচুনির ঘটনা না থামা পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ধীরে ধীরে ওষুধের মাত্রা বৃদ্ধি করা হয়। কোনো অর্থপূর্ণ প্রতিক্রিয়া বা উন্নতি না দেখা গেলে চিকিৎসক ওষুধ পরিবর্তন করতে পারেন। মৃগীরোগের ধরনের ওপরে ওষুধের ধরন নির্ভর করে এবং শুধু একজন চিকিৎসকই এই ওষুধগুলো প্রেসক্রাইব করতে পারেন। রোগী যদি অন্য কোনো ওষুধ নিতে থাকেন, তাহলে ডাক্তারকে তা জানাতে হবে।
কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে তৎক্ষণাৎ তা ডাক্তারকে জানাতে হবে। সুতরাং যেভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, ওষুধগুলো ঠিক সেইভাবেই সেবন করতে হবে। ওষুধের মাত্রা পরিবর্তন করার আগে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে নিতে হবে। ডাক্তারের অনুমতি ছাড়া ওষুধ বন্ধ করা যাবে না। রোগীর মেজাজের কোনো পরিবর্তন লক্ষ করলে ডাক্তারকে তা জানাতে হবে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অধিকাংশ অ্যান্টি-এপিলেপটিক ওষুধই বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং রোগী কোনো উপসর্গ ছাড়াই বাঁচতে পারবেন।
শল্য চিকিৎসা
ওষুধে খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে না এলে অথবা বেশ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে শল্য চিকিৎসা করার পরামর্শ দেওয়া হতে পারে। অস্ত্রোপচারের সময় মস্তিষ্কের প্রভাবিত অংশ বাদ দেওয়া হয়। অস্ত্রোপচার তখনই করা হয়, যখন মস্তিষ্কের খুব ছোট এলাকা প্রভাবিত হয় এবং সেই এলাকা শরীরের কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যেমন: বাক্শক্তি, শ্রবণশক্তি, চলাফেরা, অঙ্গপ্রত্যঙ্গের নড়াচড়া ও সমন্বয় ইত্যাদির কোনো ক্ষতি করে না।
এ ছাড়া কিটো-জেনিক ডায়েট, ইপিলেপসি সার্জারি, ভেগাল নার্ভ স্টিমুলেশন (ভিএনএস), রেসপন্সিভ নার্ভ স্টিমুলেশন (আরএনএস) স্টেরিওট্যাকটিক সার্জারি ইত্যাদির মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। এসব চিকিৎসা সাধারণত উন্নত বিশ্বে হয়ে থাকে।
জীবনধারার ব্যবস্থাপনা
খিঁচুনির নিয়ন্ত্রণ জরুরি কারণ এটি বিপজ্জনক এবং জটিল সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
• নিয়মিত ওষুধ সেবন করা। ডাক্তারের অনুমতি ছাড়া ওষুধ বন্ধ কর যাবে না।
• খিঁচুনি বা মৃগীরোগ শুরুর কারণ খুঁজে বের করুন। খুব সাধারণ কারণগুলো হলো নিয়মিত ওষুধ না খাওয়া, মানসিক চাপ, খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম, মদ্যপান, অনিদ্রা, উজ্জ্বল আলো, জোরে আওয়াজ ইত্যাদি খিঁচুনি সৃষ্টি করে।
• খিঁচুনি কবে ও কখন শুরু হলো, এর তীব্রতা কত, কতক্ষণ ধরে হয়েছে এবং তার সঙ্গে খিঁচুনি শুরুর আগে আপনি কী করছিলেন, তা বিস্তারিত লিখে রাখুন।
• খিঁচুনি শুরুর কারণগুলোকে মোকাবিলা করার চেষ্টা করার নিয়ম—
১. নিয়মিত ওষুধ সেবন করা।
২. খাওয়াদাওয়া সময়মতো করা।
৩. ঘুমানোর জন্য তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ার চেষ্টা করা।
৪. শ্বাসের হালকা ব্যায়াম করা।
৫. মদ্যপান না করা।
৬. নেশাজাতীয় ওষুধ সেবন না করা।
• খিঁচুনি খুব ঘন ঘন হলে গাড়ি চালানো, সাঁতার কাটা এবং রান্না করা যাবে না। কারণ, এগুলো করার সময় খিঁচুনি হলে তা খুবই ক্ষতিকারক হবে।
• বাড়ির আসবাবপত্রগুলোর কোণ মসৃণ হতে হবে।
• স্নান করার সময় স্নানঘরের দরজা বন্ধ করা যাবে না।
• বাথটাবে স্নান করার বদলে শাওয়ার ব্যবহার করতে হবে। এতে খিঁচুনি শুরু হলে বাথটাবে ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না।
• সাঁতার কাটার সময় এমন সঙ্গী সঙ্গে রাখুন, যিনি আপনার খিঁচুনি শুরু হলে আপনাকে উদ্ধার করতে পারবেন।
• ঘরের বাইরে কোনো খেলাধুলার সময় মাথায় হেলমেট ব্যবহার করতে হবে।
খিঁচুনিতে আক্রান্ত রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা
• আক্রান্ত রোগীকে মেঝেতে শুইয়ে দিতে হবে এবং গায়ের কাপড় খুলে দিতে হবে।
• আশপাশের ধারালো জিনিসপত্র সরিয়ে ফেলতে হবে।
• রোগীকে একপাশে করে শোয়াতে হবে যাতে করে লালা বা থুতু মুখ থেকে বেরিয়ে আসতে পারে।
• মাথার নিচে নরম কাপড় ভাঁজ করে দিতে হবে।
• রোগীর মুখে কোনো কিছু দেওয়া যাবে না।
• খিঁচুনির পরে রোগীকে কিছুক্ষণ বিশ্রাম বা ঘুমাতে দিতে হবে।
মৃগীরোগে আক্রান্ত বেশির ভাগ মানুষ সঠিক চিকিৎসা এবং স্বাস্থ্যসেবা নিলে সুস্থ এবং স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবেন।
লেখক: সিনিয়র কনসালট্যান্ট নিউরোলজিস্ট, এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা
সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো
পাকিস্তানের পারমাণবিক বোমা আছে, কিন্তু বাংলাদেশের নাই কেন?
ভাই, পারমানবিক অস্ত্র থাকলেই কি দেশ শক্তিশালী হয়ে যায়? আমাদের পাশাপাশি দেশের বিবেচনায় এই দুই দেশের মধ্যে যে শত্রুতা চলমান তা দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশেই নেই। তাই অনেকের মত বাংলাদেশও পারমাণবিক অস্ত্র রাখার প্রয়োজন মনে করেনা। বরং বাংলাদেশ নিজেকে উন্নত করছে অন্য দিক দিয়ে। যা একটি দেশের জন্য পারমাণবিক অস্ত্বিস্তারিত পড়ুন
ভাই, পারমানবিক অস্ত্র থাকলেই কি দেশ শক্তিশালী হয়ে যায়? আমাদের পাশাপাশি দেশের বিবেচনায় এই দুই দেশের মধ্যে যে শত্রুতা চলমান তা দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশেই নেই। তাই অনেকের মত বাংলাদেশও পারমাণবিক অস্ত্র রাখার প্রয়োজন মনে করেনা। বরং বাংলাদেশ নিজেকে উন্নত করছে অন্য দিক দিয়ে। যা একটি দেশের জন্য পারমাণবিক অস্ত্রের চেয়েও বেশি দরকার। নিচে আমি পাকিস্তান আর বাংলাদেশের একটি সার্বিক তুলনা চিত্র তুলে ধরলাম।দেখুন তো কোন দিক থেকে বাংলাদেশ পাকিস্তানের থেকে পিছিয়ে রয়েছে?
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনসকাল বেলা ছেলে লিঙ্গ দাঁড়িয়ে থাকে কেন?
ভোর ৫টায় পুরুষের দেহে টেস্টোস্টেরন হরমোন সর্বাধিক থাকে। দিনের অন্য সময়ের তুলনায় এর মাত্রা ২৫ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি। এ সময় নারীও টেস্টোস্টেরন হরমোন উৎপাদন করে তবে তা অতি সামান্য মাত্রায়। সকাল ৬টায় পুরুষের টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা কমে না উপরন্তু ঘুম যত লম্বা হয় হরমোনটির প্রভাবও তত বেশি হয়। আমেরিকান মেবিস্তারিত পড়ুন
How to test my wifi speed online or app? কিভাবে অনলাইনে অথবা অ্যাপের মাধ্যমে আমার ওয়াইফাই স্পিড টেস্ট করবো?
অনলাইনে ওয়াইফাই অথবা মোবাইল নেটওয়ার্ক এর ডাউনলোড স্পিড টেস্ট করার জন্য দুইটি সাইট রিকমেন্ড করবো। তবে তার আগে আপনি ইন্টার্নেট সংযোগ চেক করে নিন। সেটা রাউটার বা মোবাইল নেট যেকোন হতে পারে। 1. speedtest.net আপনি speedtest.com ওয়েবসাইটে গিয়ে Go তে ক্লিক করুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। আপনার মোবাইল ফোনের জন্বিস্তারিত পড়ুন
অনলাইনে ওয়াইফাই অথবা মোবাইল নেটওয়ার্ক এর ডাউনলোড স্পিড টেস্ট করার জন্য দুইটি সাইট রিকমেন্ড করবো। তবে তার আগে আপনি ইন্টার্নেট সংযোগ চেক করে নিন। সেটা রাউটার বা মোবাইল নেট যেকোন হতে পারে।
1. speedtest.net
আপনি speedtest.com ওয়েবসাইটে গিয়ে Go তে ক্লিক করুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন।
আপনার মোবাইল ফোনের জন্য এদের app আছে।
2. fast.com
আপনি fast.com ওয়েবসাইটে ভিজিট করলেই সয়ংক্রিয়ভাবে ডাউনলোড স্পিড টেস্ট শুরু হয়ে যাবে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলেই রেজাল্ট পেয়ে যাবেন।
মোবাইলে এদের এপ ডাউনলোড করেও স্পিড টেস্ট করতে পারবেন।
অনলাইনে ওয়াইফাই অথবা মোবাইল নেটওয়ার্ক এর আপলোড স্পিড টেস্ট করার জন্য একটি সাইট রিকমেন্ড করবো। তবে তার আগে আপনি ইন্টার্নেট সংযোগ চেক করে নিন। সেটা রাউটার বা মোবাইল নেট যেকোন হতে পারে।
1. testmy.net
আপনি testmy.net সাইটটি ভিজিট করে Test my upload বাটনে ক্লিক করুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। এরপর রেজাল্ট পেয়ে যাবেন।
খুব সহজেই এটা করা যায়। আশাকরি বুঝিয়ে বলতে পেরেছি। কোন প্রশ্ন থাকলে rakib এ ক্লিক করে সরাসরি আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন। উত্তরটি ভালো লাগলে লাইক দিন!
সংক্ষেপে দেখুনএলএক্স সোয়েট এর গান, সাথে সালমা আক্তার, মমতাজ এর বিচ্ছেদ গান
বাংলা হট গান বলতে যা বুঝি তা নিচের লিংক থেকে দেখে নিন। এর বেশি আমি বুঝিনা! ✌️😂 https://www.dailymotion.com/video/x657qzo
বাংলা হট গান বলতে যা বুঝি তা নিচের লিংক থেকে দেখে নিন। এর বেশি আমি বুঝিনা! ✌️😂
সংক্ষেপে দেখুন