সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

shanto

ভিআইপি
প্রশ্ন করুন shanto
161 বার প্রদর্শিত
1 জন ফলোয়ার
20 প্রশ্ন
হোমপেজ/ shanto/উত্তর
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পছন্দ তালিকা
  • ফলোকৃত প্রশ্ন
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  • ফলোকৃতদের প্রশ্ন
  • ফলোকৃতদের উত্তর
  • ফলোয়ারদের ব্লগ
  • ফলোকৃত/ফলোয়ারদের ব্লগ মন্তব্য
  1. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    সূর্যের ভিতরে কয়টি পৃথিবী বসতে পারে?

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    আয়তনের দিক থেকে বলতে গেলে, সূর্যের অভ্যন্তরে ১৩ লক্ষ পৃথিবী ফিট হয়ে যাবে। পৃথিবী সূর্যের দৈর্ঘ্য জুড়ে ১০৯ বার প্রান্ত থেকে শেষ অবধি লাইন করা যাবে। ভর হিসাবে, সূর্যের ওজন পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ৩৩৩,০০০ গুণ বেশি। পৃথিবীকে পিনের মাথার আকার এবং সূর্যকে বাস্কেটবলের আকার হিসাবে ভাবেন। কিন্তু এখানেই শেষবিস্তারিত পড়ুন

    আয়তনের দিক থেকে বলতে গেলে, সূর্যের অভ্যন্তরে ১৩ লক্ষ পৃথিবী ফিট হয়ে যাবে।

    পৃথিবী সূর্যের দৈর্ঘ্য জুড়ে ১০৯ বার প্রান্ত থেকে শেষ অবধি লাইন করা যাবে।

    ভর হিসাবে, সূর্যের ওজন পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ৩৩৩,০০০ গুণ বেশি।

    পৃথিবীকে পিনের মাথার আকার এবং সূর্যকে বাস্কেটবলের আকার হিসাবে ভাবেন।

    কিন্তু এখানেই শেষ নয়। একটি ভিডিও দেখুন যেখানে মহাবিশ্বের খুবই ছোট একটি অংশের তারাগুলো দেখানো হয়েছে। শুধু এই ভিডিও দেখেই যদি নিজেকে ছোট মনেহয় তাহলে বলে রাখি ভিডিওতে যা দেখানো হয়েছে তা শুধুই মহাবিশ্বের ক্ষুদ্র একটি অংশ। মহাবিশ্ব এর চাইতেও আরও অনেক বড়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  2. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কার্ড খেলার চারজন রাজার মধ্যে, কিং অব হার্ট এর গোঁফ নেই, কেনো?

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    দ্য গার্ডিয়ান-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাসের ৫২টি কার্ডের যখন নকশা করা হচ্ছিল, তখন ভুলবশত কিং অব হার্টস-এর ছবিতে রাজার গোঁফ দিতে ভুলে গিয়েছিলেন শিল্পী। তার পর থেকে কিং অব হার্টস-এর ছবিতে রাজা গোঁফ ছাড়াই রয়ে গিয়েছেন। সেটার পরিবর্তন করা হয়নি। তবে ছবি বদল না করার পিছনেও নাকি একটি কাহিনি আছে। কিং অব স্পেডবিস্তারিত পড়ুন

    দ্য গার্ডিয়ান-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাসের ৫২টি কার্ডের যখন নকশা করা হচ্ছিল, তখন ভুলবশত কিং অব হার্টস-এর ছবিতে রাজার গোঁফ দিতে ভুলে গিয়েছিলেন শিল্পী। তার পর থেকে কিং অব হার্টস-এর ছবিতে রাজা গোঁফ ছাড়াই রয়ে গিয়েছেন। সেটার পরিবর্তন করা হয়নি। তবে ছবি বদল না করার পিছনেও নাকি একটি কাহিনি আছে।

    কিং অব স্পেডস-এ যাঁর ছবি রয়েছে, মনে করা হয় তিনি ইজরায়েলের রাজা ডেভিড। কিং অব ক্লাবস-এ যাঁর ছবি রয়েছে তিনি ম্যাসিডোনিয়ার রাজা সিকন্দর দ্য গ্রেট। কিং অব ডায়মন্ডস কার্ডে যে রাজার ছবি রয়েছে, মনে করা হয় তিনি রোম সম্রাট অগাস্টাস সিজার এবং কিং অব হার্টস-এ যে ছবি রয়েছে, তিনি ফ্যাঙ্ক রাজা শার্লেম্যান। তাসের তিন রাজার গোঁফ আছে। কিন্তু কখনও লক্ষ করছেন ‘কিং অব হার্টস’-এর কেন গোঁফ নেই। জেনে নেওয়া যাক এর পিছনে রহস্যটা কী।

    প্রচলিত, ফ্যাঙ্কদের রাজা শার্লেম্যান নাকি দেখতে খুব সুন্দর ছিলেন। নিজের রূপের আলাদা পরিচিতির জন্য তিনি নাকি গোঁফ কেটে ফেলেছিলেন। ঘটনাচক্রে, সম্রাট শার্লেম্যানকে ‘কিং অব হার্টস’-এর ছবি উৎসর্গ করেই নাকি শিল্পী সেই ছবিতে পরে আর গোঁফ জোড়েননি।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  3. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    মোনালিসা চিত্রকলার কোনো ভ্রু নেই কেনো?

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    পনের শতকের রেঁনেসার যুগে ভ্রু উঠিয়ে মাত্রাতিরিক্ত চিকন করে ফেলা স্টাইলের অংশ ছিল। তাই ভিঞ্চি সেভাবেই এঁকেছিলেন। কোটে তার উঠানো ছবিগুলো থেকে মোনালিসার বাম চোখের উপরের ভ্রুর জায়গায় একটিমাত্র চুল দেখতে পান। এখান থেকে তিনি বুঝতে পারেন যে, মোনালিসার ভ্রু এতটাই সরু ছিল যে তা এত বছরে মিলিয়ে গেছে!

    পনের শতকের রেঁনেসার যুগে ভ্রু উঠিয়ে মাত্রাতিরিক্ত চিকন করে ফেলা স্টাইলের অংশ ছিল। তাই ভিঞ্চি সেভাবেই এঁকেছিলেন। কোটে তার উঠানো ছবিগুলো থেকে মোনালিসার বাম চোখের উপরের ভ্রুর জায়গায় একটিমাত্র চুল দেখতে পান। এখান থেকে তিনি বুঝতে পারেন যে, মোনালিসার ভ্রু এতটাই সরু ছিল যে তা এত বছরে মিলিয়ে গেছে!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  4. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পৃথিবীর নাম কে আর্থ( earth) রেখেছিল ?

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    Earth নামটা এসেছে ইংরেজি ও জার্মান শব্দ থেকে। শব্দ দুটি হল eor(th)e/ertha ও erde। যার প্রত্যেকটির মানেই হল গ্রাউন্ড বা ভূমি। সেটা না হয় বোঝা গেল! কিন্তু মাথা খাটিয়ে কে পৃথিবীর নাম খুঁজে খুঁজে Earth রেখেছিল? তার উত্তর অবশ্য এতদিনেও মেলেনি। তবে এর মধ্যে একটা আশ্চর্যের বিষয় লুকিয়ে আছে। সৌরজগতের অন্য গ্বিস্তারিত পড়ুন

    Earth নামটা এসেছে ইংরেজি ও জার্মান শব্দ থেকে। শব্দ দুটি হল eor(th)e/ertha ও erde। যার প্রত্যেকটির মানেই হল গ্রাউন্ড বা ভূমি। সেটা না হয় বোঝা গেল! কিন্তু মাথা খাটিয়ে কে পৃথিবীর নাম খুঁজে খুঁজে Earth রেখেছিল?

    তার উত্তর অবশ্য এতদিনেও মেলেনি। তবে এর মধ্যে একটা আশ্চর্যের বিষয় লুকিয়ে আছে। সৌরজগতের অন্য গ্রহগুলির নাম গ্রিক বা রোমান দেব-দেবীর নামে হলেও পৃথিবীর বেলা সেটা হয়নি। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, রোমান কৃষি দেবতার নামে Saturn। Jupiter নামটা এসেছে রোমান দেবদেবীদের রাজার নাম থেকে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  5. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কোন দেশের জাতীয় সংগীতে কোনো শব্দ নেই শুধুমাত্র মিউজিক বা বাজনা রয়েছে?

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    পৃথিবীর ৪টি দেশের জাতীয় সঙ্গীতে কোন কথা বা লিরিক্স নেই। দেশগুলো হলো স্পেন, সান মারিনো, কসোভো, বসনিয়া-হার্জেগোভিনা।

    পৃথিবীর ৪টি দেশের জাতীয় সঙ্গীতে কোন কথা বা লিরিক্স নেই। দেশগুলো হলো স্পেন, সান মারিনো, কসোভো, বসনিয়া-হার্জেগোভিনা।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  6. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    টম এন্ড জেরির পূর্বে এই ইঁদুর ও বিড়ালের নাম কি ছিলো?

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    শুরুতে টমের নাম ছিল জাসপার আর জেরির নাম ছিলো জিঙ্কস।

    শুরুতে টমের নাম ছিল জাসপার আর জেরির নাম ছিলো জিঙ্কস।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  7. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মোবাইল (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    ফায়ারফক্স এর লোগোটিতে কোন প্রানীর মুখ?

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    সম্ভবত শেয়ালের 😜👍

    সম্ভবত শেয়ালের 😜👍

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  8. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বাসা এবং বাড়ির মধ্যে পার্থক্য কি ?

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    বাসা (house) হচ্ছে অস্থায়ী আবাস, আর বাড়ি (home) হচ্ছে স্থায়ী আবাস। আপনি যদি কোন বাড়িতে ভাড়া থাকেন তবে এটি আপনার বাসা। কারণ এটি অস্থায়ী। আবার আপনার যদি নিজের বাড়ি থাকে তাহলে সেটা আপনার বাড়ি। কারণ এটা আপনার স্থায়ী ঠিকানা।

    বাসা (house) হচ্ছে অস্থায়ী আবাস, আর বাড়ি (home) হচ্ছে স্থায়ী আবাস। আপনি যদি কোন বাড়িতে ভাড়া থাকেন তবে এটি আপনার বাসা। কারণ এটি অস্থায়ী। আবার আপনার যদি নিজের বাড়ি থাকে তাহলে সেটা আপনার বাড়ি। কারণ এটা আপনার স্থায়ী ঠিকানা।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  9. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    মশার হুল একটি কিন্তু দাঁত কতটি ?

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    মশার ৪৭ টি দাঁত আছে।

    মশার ৪৭ টি দাঁত আছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  10. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কোন প্রাণী আকাশের দিকে তাকাতে পারেনা?

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    শূকররা কখনও মাথা তুলে আকাশের দিকে তাকাতে পারে না।

    শূকররা কখনও মাথা তুলে আকাশের দিকে তাকাতে পারে না।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  11. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    গোলাকার পিজ্জা বর্গাকার বক্সে আসে কেন?

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    পিৎজা ব্যবসায়ীরা প্যাকেজিং শিল্পকে বাড়তি ঝামেলার মধ্যে ফেলতে চাননি। পিৎজার বাক্স মূলত কার্ডবোর্ডে তৈরি। কার্ডবোর্ডের বাক্সগুলো সাধারণত বর্গাকার বা আয়তাকারই হয়। বাক্সের আকার কেমন হবে, সে অনুসারে কেটে নেওয়া হয় কার্ডবোর্ড। কিন্তু বাক্স গোলাকার করতে হলে কাটতে হতো কার্ডবোর্ডের কোনাগুলো। ফলে সময় লাগত অনেকবিস্তারিত পড়ুন

    পিৎজা ব্যবসায়ীরা প্যাকেজিং শিল্পকে বাড়তি ঝামেলার মধ্যে ফেলতে চাননি। পিৎজার বাক্স মূলত কার্ডবোর্ডে তৈরি। কার্ডবোর্ডের বাক্সগুলো সাধারণত বর্গাকার বা আয়তাকারই হয়। বাক্সের আকার কেমন হবে, সে অনুসারে কেটে নেওয়া হয় কার্ডবোর্ড। কিন্তু বাক্স গোলাকার করতে হলে কাটতে হতো কার্ডবোর্ডের কোনাগুলো। ফলে সময় লাগত অনেক; কষ্ট ও খরচও যেত বেড়ে।

    পিৎজার বাক্স গোলাকার হলে কী সুবিধা হতো

    বাক্সটা হয়তো দেখতে আরও সুন্দর লাগত। তবে এখন বর্গাকার বাক্স থেকে পিৎজার টুকরাগুলো হাত দিয়ে তুলে নিতে যতটা সুবিধা, গোলাকার বাক্সে হয়তো ততটা সুবিধা করা যেত না। যেকোনো গোলাকার পাত্রের প্রান্ত বরাবর লেগে থাকা গোলাকার কিছু তোলার চেষ্টা করে দেখুন, কষ্ট বাড়বে বৈ কমবে না!

    তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পিৎজার এবং বাক্সের আকারের যে ঐতিহ্য, তা থেকে সরে আসার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। সিসিলিয়ান পিৎজার আকার চৌকানা। ফলে আয়তাকার বাক্সে পিৎজাগুলো এঁটে যায় খুব ভালোভাবেই।

    কিছু আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পিৎজা ব্র্যান্ডও বাক্সের আকারে পরিবর্তন এনেছে। যেমন ডমিনোজ পিৎজা চারকোনা বাক্সের বদলে ষড়্‌ভূজাকৃতির বাক্স ব্যবহার করছে। ধারণা করা হয়, এর ফলে ডেলিভারির সময় বাক্সের ভেতর পিৎজার নড়াচড়া অনেকটাই কমানো গেছে।

    সব সময় কিন্তু বাক্সে করেই পিৎজা ডেলিভারি দেওয়া হতো না। ১৮০০–এর দশকে গ্রাহকেরা নিজেদের বাক্স বা হটবক্স নিয়ে দোকান থেকে পিৎজা কিনে আনতেন। গৃহযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রে যখন এই খাবারের জনপ্রিয়তা বাড়ছিল, তখন দোকানিরা একটা ছোট কার্ডবোর্ডের শিটে পিৎজা পেঁচিয়ে ব্যাগে ভরে গ্রাহকের হাতে দিতেন। পরবর্তী সময়ে করোগেটেড কার্ডবোর্ড (কাগজের পাতলা শিট একত্র করে তৈরি মোটা শিট, যেগুলোর চাপ ও ভর বহনের ক্ষমতা বেশি) বাজারে এলে এর জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে এবং একপর্যায়ে এটাই স্থায়ী আসন করে নেয়।

    পিৎজার জন্য গতানুগতিক বর্গাকার বাক্সের বাইরে অন্য রকমের বাক্স আনার কথা ভেবেছিল আরও কিছু প্রতিষ্ঠান। ২০১০ সালে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল গোলাকার একধরনের পিৎজা বাক্সের জন্য পেটেন্ট আবেদন করেছিল। ওই বাক্সের মাঝখানে ছিল আর্দ্রতা বের করার একটা ছিদ্র। অ্যাপলের নিজস্ব ফুডকোর্টগুলোতে এ ধরনের বাক্স ব্যবহৃত হয়েছিল বলে জানা যায়।

    প্যাকেজিং পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রিক ২০১৮ সালে একটি গোলাকার পিৎজা বাক্স তৈরি করেছিল। ২০১৯ সালে প্রায় একই রকম একটি বাক্স ব্যবহার করেছিল পিৎজা হাট।

    এসব বাক্সের নকশা করা হয়েছিল এমনভাবে, যাতে সেগুলোতে পিৎজা দীর্ঘক্ষণ গরম ও মুচমুচে থাকে। তবে এখন বাজারের দিকে চোখ রাখলে বোঝা যাবে, গোলাকার বাক্সগুলো আদতে ততটা জনপ্রিয়তা পায়নি।
    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  12. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মহিলাদের মধ্যে থেকে কেন নবী পাঠান নি ?

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    প্রশ্নটি ছিলো মহান আল্লাহ তায়ালা মহিলাদের মধ্যে থেকে কেন নবী পাঠান নি ? কারণ একজন নারীকে যদি নবী হতে হয় তাহলে তাকে সমগ্র মানুষের নেতৃত্ব দিতে হবে। কিন্তু কুরআনে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে পুরুষরা হলো পরিবারের প্রধান। সুতরাং পুরুষ যদি পরিবারের প্রধান হয়ে থাকে তবে কিভাবে নারী সমগ্র মানুষের নেতৃত্ব দেবে? এছাবিস্তারিত পড়ুন

    প্রশ্নটি ছিলো

    মহান আল্লাহ তায়ালা মহিলাদের মধ্যে থেকে কেন নবী পাঠান নি ?

    কারণ একজন নারীকে যদি নবী হতে হয় তাহলে তাকে সমগ্র মানুষের নেতৃত্ব দিতে হবে। কিন্তু কুরআনে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে পুরুষরা হলো পরিবারের প্রধান। সুতরাং পুরুষ যদি পরিবারের প্রধান হয়ে থাকে তবে কিভাবে নারী সমগ্র মানুষের নেতৃত্ব দেবে? এছাড়াও একজন নবীকে নামাজের ইমামতি করতে হয়। আর আপনারা জানেন, নামাজে বেশ কিছু অঙ্গভঙ্গি রয়েছে যেমন- কিয়াম, রুকু, সাজদাহ ইত্যাদি। যদি একজন নারী নবী নামাজের নেতৃত্ব দিত তবে জামাআতের পেছনে যে সকল পুরুষ সলাত আদায় করত এটা তাদের এবং ইমাম উভয়ের জন্যই বেশ বিব্রতকর হত। এখানে আরো অনেক ব্যাপার রয়েছে। যেমন- একজন নবীকে সাধারণ মানুষের সাথে সর্বদা দেখা সাক্ষাৎ করতে হয়। কিন্তু এটা একজন মহিলা নবীর পক্ষে অসম্ভব। কারণ ইসলাম নারী-পুরুষ পরস্পরের মেলামেশার ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে। যদি মহিলা নবী হতো এবং স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সে যদি গর্ভবতী হতো, তবে তার পক্ষে কয়েক মাস নবুওয়াতের স্বাভাবিক দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হতো না। অপরদিকে একজন পুরুষের পক্ষে পিতৃত্ব এবং নবুওয়াতের দায়িত্ব পালন করা একজন মহিলার মাতৃত্ব এবং নবুওয়াতের দায়িত্ব পালন করা থেকে তুলনামূলক সহজ। কিন্তু আপনি যদি নবী বলতে শুধু বোঝেন, এমন একজন ব্যক্তি যিনি আল্লাহ পছন্দের এবং যিনি পবিত্র ও খাঁটি ব্যক্তি, তবে সেখানে কিছু নারীর উদাহরণ রয়েছে- আমি এখানে উত্তম উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করব মারইয়াম আ. এর নাম। তিনি ছিলেন মনোনীত এবং পরিশুদ্ধ। তিনি ছিলেন ঈসা [আ.] -এর মা। সুরা আল ইমরানের ৪২ নং আয়াতে উল্লেখ আছে- ‘যখন ফেরেশতারা বলেছিল, হে মারইয়াম! আল্লাহ আপনাকে মনোনীত করেছেন, পবিত্র করেছেন এবং নির্বাচিত করেছেন বিশ্বজগতের নারীদের ওপর।’ এছাড়াও সুরাহ তাহরিম-এ ফেরাউনের স্ত্রী আছিয়ার কথা উদাহরণ হিসেবে নিতে পারেন- ‘আল্লাহ বিশ্বাসীদের জন্য ফেরাউনের স্ত্রীর (আছিয়া) অবস্থা বর্ণনা করেছেন।’ ফিরাউনের স্ত্রী আল্লাহর কাছে দুআ করেছিলেন- ‘হে আমার রব! আমার জন্য বেহেশতের মধ্যে আপনার সন্নিকটে ঘর নির্মাণ করে দিন, আর আমাকে ফেরাউন থেকে এবং তার (কুফুরি) আচরণ থেকে রক্ষা করুন, আর আমাকে সমস্ত অত্যাচারী লোকজন থেকে হিফাজত করুন। [আত-তাহরিম, আয়াত ১১।] একটু চিন্তা করুন, তিনি ছিলেন তৎকালীন বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী সম্রাট ফারাও-এর স্ত্রী। অথচ তিনি আল্লাহর ভালবাসার জন্য নিজের আরাম-আয়েশ ও বিলাসিতা ত্যাগ করতে চেয়েছেন। সুতরাং আপনি যদি বুঝাতে চান আল্লাহর পছন্দের, পবিত্র ও খাঁটি তাহলে আপনি তাদের উদাহরণ হিসেবে নিতে পারেন।

    — মাওলানা মিরাজ রহমান

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  13. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    হেলথ ইঞ্জিনিয়ার কি?

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    আমরা তো আবর্জনা ক্লিনার দের সুইপার বলি।

    আমরা তো আবর্জনা ক্লিনার দের সুইপার বলি।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  14. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মোবাইল (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    মোবাইল ফোন

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    জাপানে রেস্টুরেন্ট ও ট্রেনে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ। আপনি প্রশ্নের বানান শুদ্ধ করে লিখুন।

    জাপানে রেস্টুরেন্ট ও ট্রেনে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ। আপনি প্রশ্নের বানান শুদ্ধ করে লিখুন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  15. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে কিনা কিভাবে চেক করবো?

    shanto
    shanto ভিআইপি
    রিপ্লাই করেছেন 4 বছর আগে

    @tarikhossan

    TarikHossan

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  16. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে কিনা কিভাবে চেক করবো?

    shanto
    shanto ভিআইপি
    রিপ্লাই করেছেন 4 বছর আগে

    আপনি কি উত্তর জানেন?

    আপনি কি উত্তর জানেন?

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  17. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    ভাত ঘুম বা দুপুরের ঘুমের উপকারিতা কি? ভাত ঘুমের কি কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে?

    shanto
    সেরা উত্তর
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    বাংলাদেশে অনেকেই দুপুরে খাওয়ার পর কিছুটা ঘুমিয়ে নেন। যাকে বাংলায় বলা হয় ভাত-ঘুম। দুপুরে খাওয়ার পর ঘুমানোকে যদিও অনেক সময় আলসেমি মনে করা হয়। কিন্তু দশ থেকে কুড়ি মিনিটের ভাত-ঘুমের অনেক উপকারিতা রয়েছে। সব বয়সের জন্যই ভাত ঘুম উপকারী। নতুন এক গবেষণা বলছে, এটি হয়তো আপনাকে আরও বেশি দিন বাঁচতে সাবিস্তারিত পড়ুন

    বাংলাদেশে অনেকেই দুপুরে খাওয়ার পর কিছুটা ঘুমিয়ে নেন। যাকে বাংলায় বলা হয় ভাত-ঘুম।

    দুপুরে খাওয়ার পর ঘুমানোকে যদিও অনেক সময় আলসেমি মনে করা হয়। কিন্তু দশ থেকে কুড়ি মিনিটের ভাত-ঘুমের অনেক উপকারিতা রয়েছে।

    সব বয়সের জন্যই ভাত ঘুম উপকারী।

    নতুন এক গবেষণা বলছে, এটি হয়তো আপনাকে আরও বেশি দিন বাঁচতে সাহায্য করবে।

    সূত্রঃ বিবিসি বাংলা

    তবে বেশি ঘুমানো উচিৎ হবেনা।

    আর কী কী উপকারিতা রয়েছে – তা জানতে ভিডিওটি দেখুন।

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  18. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ অ্যাপ (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    গুগল ট্রান্সলেট বাংলা টু ইংলিশ টু বাংলা app ফ্রি ডাউনলোড

    shanto
    সেরা উত্তর
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    আমার তো মনেহয় গুগল ট্রান্সলেটর কে চেনেনা এমন লোক পৃথিবীতে শুধু আপনিই আছেন। আপনার প্রশ্নের ধরণ দেখে হাসবো নাকি কাঁদবো বুঝতে পারছি না। ওকে, যেহেতু আপনার ফ্রি তে গুগল ট্রান্সলেটর লাগবে তাহলে নিচের লিংকে ক্লিক করে এখুনি ডাউনলোড করে নিন!  গুগল ট্রান্সলেটর ফ্রি ডাউনলোড ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন!

    আমার তো মনেহয় গুগল ট্রান্সলেটর কে চেনেনা এমন লোক পৃথিবীতে শুধু আপনিই আছেন। আপনার প্রশ্নের ধরণ দেখে হাসবো নাকি কাঁদবো বুঝতে পারছি না। ওকে, যেহেতু আপনার ফ্রি তে গুগল ট্রান্সলেটর লাগবে তাহলে নিচের লিংকে ক্লিক করে এখুনি ডাউনলোড করে নিন!

     গুগল ট্রান্সলেটর ফ্রি ডাউনলোড

    ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  19. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    উচ্চ ক্যালরি যুক্ত খাবার গুলোর নাম সহ ক্যালরি চার্ট pdf

    shanto
    সেরা উত্তর
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    প্রতিটি মানুষের আদর্শ ওজন থাকা জরুরি। অতিরিক্ত ওজন যেমন ভালো নয়, স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজন থাকাও ঠিক নয়। ওজন বাড়াতে স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজনের ব্যক্তিদের প্রয়োজন পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং সঠিক জীবনযাপন পদ্ধতি। ওজন বাড়াতে নিম্নোক্ত কৌশলগুলো বেশ সহায়ক। ১. অতিরিক্ত ক্যালরির খাবার গ্রহণ: শরীরে যবিস্তারিত পড়ুন

    প্রতিটি মানুষের আদর্শ ওজন থাকা জরুরি। অতিরিক্ত ওজন যেমন ভালো নয়, স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজন থাকাও ঠিক নয়। ওজন বাড়াতে স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজনের ব্যক্তিদের প্রয়োজন পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং সঠিক জীবনযাপন পদ্ধতি।

    ওজন বাড়াতে নিম্নোক্ত কৌশলগুলো বেশ সহায়ক।

    ১. অতিরিক্ত ক্যালরির খাবার গ্রহণ: শরীরে যে পরিমাণ ক্যালরি প্রতিদিন ক্ষয় হয়, তার চেয়ে ৫০০–৭০০ ক্যালরি খাবার বেশি খেতে হবে। ভাত, মাছ–মাংস, ডাল, বীজ, শাকসবজি, ফলমূল, ডিম, দুগ্ধজাতীয় খাবার নিয়মিত খেতে হবে।

    ২. উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার গ্রহণ: ওজন বাড়াতে চাইলে অবশ্যই খাদ্যতালিকায় উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার রাখতে হবে। এ ধরনের কিছু খাবার হলো কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, আখরোট, পেস্তাবাদাম, চিনাবাদাম, খেজুর, কিসমিস, আলুবোখারা, ননিযুক্ত দুধ, ফুলক্রিম দই, পনির, ক্রিম, মুরগির মাংস, গরুর মাংস, ভেড়ার মাংস, ছাগলের মাংস ও কলিজা, আলু, মিষ্টি আলু, চকলেট, কলা, আ্যভোকাডো, পিনাট, মাখন ইত্যাদি।

    ৩. দিনে পাঁচ–ছয়বার খাবার গ্রহণ: যাঁদের ওজন কম, তাঁদের তিন–চার ঘণ্টা পরপর খাবার খেতে হবে। দীর্ঘসময় পেট খালি রাখা চলবে না। পুষ্টিকর উচ্চ ক্যালরির খাবার যদি বারবার গ্রহণ করা হয় এবং প্রতিদিনের ক্যালরির চাহিদা যদি পূরণ করা যায়, সে ক্ষেত্রে দ্রুতই ওজন বাড়ানো সম্ভব।

    ৪. শর্করাজাতীয় খাবার: অনেকেই শর্করা একেবারে কম গ্রহণ করেন। এটা মোটেও ঠিক নয়। যাঁদের ওজন কম, তাঁদের অবশ্যই মোট ক্যালরির শতকরা ৫০-৬০ ভাগ শর্করা গ্রহণ করতে হবে। দিনে তিনবার প্রধান খাবার হিসেবে শর্করা গ্রহণ করতে হবে। এ ধরনের খাবারের মধ্যে আলু, আটা, চাল, পাস্তা অন্যতম।

    ৫. আমিষযুক্ত খাবার গ্রহণ: ওজন বাড়াতে আমিষযুক্ত খাবার খাওয়া জরুরি। শরীরের প্রতি কেজি ওজনের জন্য ১ দশমিক ৫ থেকে ২ দশমিক ২ গ্রাম আমিষ নিয়মিত গ্রহণ করতে হবে। ডিম, দুধ, মাছ, মাংস, ডাল, বীজজাতীয় খাবার আমিষের ভালো উৎস।

    ৬. ব্যায়াম: পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। ওজন বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যায়াম ক্ষুধা বাড়াতে, খাবার ভালোমতো হজম করতেও সাহায্য করে।

    ৭. জীবনযাপন: ওজন বাড়াতে চাইলে জীবনযাপন পদ্ধতিও স্বাস্থ্যকর হতে হবে। গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকা চলবে না। প্রতিদিন আট ঘণ্টা ভালো ঘুম হতে হবে। দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে হবে।

    কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ

    ■ প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করতে হবে। তবে খাওয়ার আগে পানি পান করা যাবে না।

    ■ প্রোটিনযুক্ত খাবার আগে এবং শাকসবজি শেষে গ্রহণ করুন।

    ■ ঘুমানোর আগে একটা স্বাস্থ্যকর উচ্চ ক্যালরির স্ন্যাকস খাওয়ার চেষ্টা করুন।

    ■ বড় থালায় খাবার খেতে হবে।

    ■ ধূমপান বর্জন করতে হবে।

    সূত্রঃ প্রথম আলো

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  20. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    ডারউইন তত্ত্ব কি? ডারউইনের বিবর্তনবাদ pdf দিন

    shanto
    সেরা উত্তর
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 5 বছর আগে

    ডারউইন এর বিবর্তন তত্ব ও এ সম্পর্কিত ভুল ধারণাগুলো জীববিজ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব হচ্ছে বিবর্তনবাদ। পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ বুঝতেই শুধু নয়- প্রাণের বৈশিষ্ট্য, গুণাবলী বুঝতেও বিবর্তনবাদ অপরিহার্য। অথচ এই বিবর্তনবাদই হচ্ছে মানব ইতিহাসে সবচেয়ে বেশী ভূল বোঝা তত্ত্ব। এই ভূল বোঝাবোঝির সিংহভাগইবিস্তারিত পড়ুন

    ডারউইন এর বিবর্তন তত্ব ও এ সম্পর্কিত ভুল ধারণাগুলো

    imgbox

    জীববিজ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব হচ্ছে বিবর্তনবাদ। পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ বুঝতেই শুধু নয়- প্রাণের বৈশিষ্ট্য, গুণাবলী বুঝতেও বিবর্তনবাদ অপরিহার্য। অথচ এই বিবর্তনবাদই হচ্ছে মানব ইতিহাসে সবচেয়ে বেশী ভূল বোঝা তত্ত্ব। এই ভূল বোঝাবোঝির সিংহভাগই আসে বিবর্তন সম্পর্কে সম্যক ধারণা না থাকায়। এই লেখায় আমি বিবর্তনের বিপক্ষে ১০টি সবচেয়ে বেশিবার ব্যবহৃত হওয়া ভূল ধারণাগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করবো আর সেগুলো বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করবো।

    ভুল ধারণা ১ – বিবর্তন শুধু একটা তত্ত্ব

    এই মিথ্যাচারটিকে, যদি না সেটা অজ্ঞানতাবশত করা হয়ে থাকে; অনেকেই তর্কে তুলে আনেন। “বিবর্তন ফ্যাক্ট না, এটা একটা থিওরি মাত্র” বলে বোঝাতে চান বিবর্তন বিশ্বাসযোগ্য নয়! বিবর্তন ফ্যাক্ট এবং থিওরি দুটোই, নির্ভর করে আপনি কী নিয়ে কথা বলছেন তার উপর।

    সকল প্রাণী সরলতর প্রাণী থেকে কয়েক মিলিয়ন বছরে বিবর্তিত হয়ে বর্তমান অবস্থানে এসেছে। সেই সরলতর প্রাণীকে বলা হয় LUCA (Last Universal Common Ancestor)- এটা একটা বৈজ্ঞানিক ফ্যাক্ট। এই ফ্যাক্টের সত্যতা পাওয়া যায় ফসিলে, ডিএনএতে আর জৈবভূগোলে। আপনি ফসিল খুঁজতে যত গভীরে যাবেন তত সরলতর প্রাণীর ফসিল পাবেন। সরলতর প্রাণীদের ভীড়ে আপনি জটিল গঠনের ফসিল পাবেন না, কখনোই। একই গভীরতায় পাওয়া ফসিলরা একই রকম গঠনের হবে, জটিলতার দিক থেকে।

    ডিএনএর গঠনও প্রচ্ছন্নভাবে বিবর্তনের প্রমাণ দিয়ে যায়। শিম্পাঞ্জীর সাথে মানুষের কার্যকর জীন ৯৯.৬% মিলে যায়। ইদুরের সাথে ৮০% মিলে যায়। এই শতকরা অনুপাত আবার একক পূর্বপুরুষের জীবনকালের সাথে সম্পর্কিত। এগুলো বিবর্তনকে ফ্যাক্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। এবার দেখা যাক থিওরির অংশটা।

    থিওরি হচ্ছে যা দিয়ে ফ্যাক্টকে বিশ্লেষণ করা হয়। The Theory of Evolution by the means of Natural Selection”, থিওরিটা হচ্ছে প্রাকৃতিক নির্বাচনের অংশটা।

    অন্যভাবে বলতে গেলে, বিবর্তন হচ্ছে ফ্যাক্ট, প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে সেটা ঘটে এটা হচ্ছে থিওরি। আরো কিছু থিওরি যদি আমরা দেখি তবে ব্যাপারটা বুঝতে সুবিধা হবে- The theory of universal gravity, The germ theory, The cell theory, The heliocentric theory, যেগুলো সর্বোচ্চ বৈজ্ঞানিক সম্মানপ্রাপ্ত সত্য সেগুলোকেও থিওরিই বলা হয়।

    চার্লস ডারউইন আর আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেসের আগেও অনেক প্রকৃতিবাদী-জীববিজ্ঞানী-দার্শনিক বিবর্তনের কথা বলে গেছেন। তারা যেটা পারেন নি সেটা হচ্ছে “কেনো” প্রশ্নটির উত্তর দেওয়া। ডারউইন আর ওয়ালেস “কেনো” আর “কিভাবে” ব্যাখা করতে পেরেছেন। আর সেটাই তাদের অসাধারণ আর ক্ষেত্রবিশেষে ঘৃনার পাত্র করে তুলেছে।

    ভুল ধারণা ২ – বানর/এপ থেকে মানুষের বিবর্তন হয়েছে

    “যদি মানুষের বিবর্তন বানর/এপ থেকে হয় তাহলে এখনো কেনো বানর/এপ আছে?” প্রশ্নটি হতাশাজনক ভাবে ভুল।

    মানুষ বানর বা এপ থেকে বিবর্তিত হয় নি। মানুষ এবং বানর/এপের একক একটা পূর্বপুরুষ ছিল। যদি সময় যাত্রা করে আমরা কয়েক মিলিয়ন বছর অতীতে যেতে পারি তবে আমরা আমাদের এপ-সদৃশ পূর্বপুরুষদের দেখতে পাবো। এদের জনসংখ্যা কয়েকটি ধারায় বিভক্ত হয়েছিল আর বিবর্তনের ভিন্ন ভিন্ন পথে যাত্রা শুরু করেছিল। একটা ধারায় আসা সর্বশেষ প্রাণী আমরা, আরেকটা ধারার সর্বশেষ প্রাণী শিম্পাঞ্জী। (সর্বশেষ বলতে সবচেয়ে নতুন প্রাণী বোঝানো হয়েছে- ধারা এখানেই শেষ হয়ে যায় নি। বিস্তারিত পাবেন “ভুল ধারনা ৭” এ)

    তো শিম্পাঞ্জী আর মানুষের একক প্র-প্র-প্র-প্র…পিতামাতারা ৪-৬ মিলিয়ন বছর আগে বিলুপ্ত হয়ে গেছেন। এর পরে আসা মানবসদৃশ প্রাণীদের ১৪টির মতো ফসিল পাওয়া গেছে যেগুলো “ভুল ধারণা ৪”এ জানতে পারবেন।

    ভুল ধারণা ৩ – তাপগতিবিদ্যার ২য় সুত্র বিবর্তনবাদের সাথে সাংঘর্ষিক

    প্রায়ই যে কথাটা শোনা যায় সেটা হচ্ছে- “তাপগতিবিদ্যার ২য় সূত্র বিবর্তনকে সমর্থন করে না”। আসুন দেখি তাপগতিবিদ্যার ২য় সূত্র কি বলে-

    “কোনো সিস্টেম নিন্মশক্তিস্তর থেকে উচ্চ শক্তিস্তরে যেতে পারবে না, যদি না বাইরে থেকে শক্তির প্রবেশ না হয়।” অন্য ভাষায়- “সিস্টেমের disorder বাড়তেই থাকবে যদি না বাইরে থেকে order সরবরাহ করা হয়।”

    ধরুন আপনি মইয়ের চড়ে মাটি থেকে ৫ফুট উচ্চতায় দাড়িয়ে আছেন, আপনার বন্ধু নিচে মাটিতে দাড়িয়ে আছেন। একজন পদার্থবিদের কাছে আপনার বন্ধুর চেয়ে আপনার potential energy বেশী হওয়ায় আপনি বেশী “ordered”। আপনার বন্ধুটির এনট্রপি (শক্তি রূপান্তরের অক্ষমতা বা অসম্ভাব্যতা বা শক্তির অপ্রাপ্যতা) আপনার চাইতে বেশী।

    লক্ষ্য করুন- তাপগতিবিদ্যার ২য় সুত্রে কম শক্তিস্তর থেকে বেশী শক্তিস্তরে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধ নাই, তবে শর্ত একটাই- বাইরে থেকে শক্তির সরবরাহ আসতে হবে। নিচে দাড়ানো আপনার বন্ধুটি মই চড়ে উপরের শক্তিস্তরে উঠার পথে কোনো বাধা নাই, তবে তাকে তার মাংসপেশীর শক্তি ক্ষয় করতে হবে। অন্য কথায়, শক্তি সরবরাহ করতে হবে।

    আরেকভাবে দেখা যাক- বদ্ধ সিস্টেম- যেখানে বাইরে থেকে শক্তি প্রবেশ করানো যায় না, সেখানে এনট্রপির পরিবর্তন অসম্ভব। খোলা সিস্টেমে এনট্রপি বাইরে থেকে শক্তি নিয়ে পরিবর্তিত হতে পারে।

    এবার ২য় সুত্রকে বিবর্তনের সাথে মিলিয়ে দেখা যাক। পৃথিবী খোলা সিস্টেম- নিকটবর্তী শক্তির আধার হচ্ছে সূর্য, যেখান থেকে আমরা প্রতিনিয়ত শক্তি পাচ্ছি। সূর্য ছাড়া প্রাণ অসম্ভব। সূর্যের তাপশক্তি ব্যবহার করে প্রাণীরা খাদ্য তৈরি করছে। সুতরাং তাপগতিবিদ্যার ২য় সুত্রের সাথে বিবর্তনবাদের কোন সংঘর্ষ নাই, বরং বিবর্তনবাদ তাপগতিবিদ্যার ২য় সূত্র মেনেই চলছে।

    imgbox

    ভুল ধারণা ৪ – মিসিং লিংক নাই

    Odontochelys একটি মধ্যবর্তি প্রাণীর ফসিল যেটা কচ্ছপ আর গিরগিটির মাঝামাঝি একটি প্রাণী ছিল। ছবিতে আমরা একটা গিরগিটির মত লম্বা লেজ আর কচ্ছপের মত খোলস দেখতে পাচ্ছি।

    মিসিং লিংকগুলো আর মিসিং নয়, বিজ্ঞানীরা শত শত ফসিল পেয়েছেন যেগুলো একই সাথে দুটো প্রাণীর বৈশিষ্ট্য বহন করে। উদাহরণস্বরূপ- তিমি। স্তন্যপায়ী হয়েও তিমি পানিতে বেঁচে আছে মাছের মতো। তিমির কংকালে পায়ের হাড়গুলো এখনো বিদ্যমান, যা প্রমাণ করে তিমি বা তার কোনো পূর্বপুরুষ স্থলজ প্রাণী ছিল।

    এছাড়াও Archaeopteryx, Confuciusornis, আর Jeholornis পাখি আর সরীসৃপ মধ্যবর্তী প্রাণীর ফসিল। প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে এই ফসিলগুলো প্রমাণ করে বিবর্তনবাদের সত্যতা। সৃষ্টিতত্ত্ববিদেরা এগুলোকে অস্বীকার করেন, তারা বলেন মধ্যবর্তী ফসিল বলে কিছু নাই, তবে তারা মিসিং লিংক দিয়ে বিবর্তনকে মিথ্যা প্রমাণ করতে চান। ফসিলের প্রমাণ দেখালেও তারা অস্বীকার করেন।

    এখন পর্যন্ত পাওয়া গেছে এমন মানবসদৃশ প্রাণীর ফসিলগুলো হচ্ছে-

    Sahelanthropus tchadensis

    Ardipithecus ramidus

    Australopithecus anamensis

    Australopithecus afarensis

    Kenyanthropus platyops

    Australopithecus africanus

    Australopithecus garhi

    Australopithecus sediba

    Australopithecus aethiopicus

    Australopithecus robustus

    Australopithecus boisei

    Homo habilis

    Homo georgicus

    Homo erectus

    Homo ergaster

    Homo antecessor

    Homo heidelbergensis

    Homo neanderthalensis

    Homo floresiensis

    imgbox

    ভুল ধারণা ৫ঃ বিবর্তন বিজ্ঞান নয়, কারণ এটা প্রত্যক্ষ বা পরীক্ষা করা যায় না

    ক্ষুদ্রতর পরিসরে বিবর্তন বহুবার প্রত্যক্ষ করা হয়েছে। ব্যাকটেরিয়ারা এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে, বিজ্ঞানীরা সেটা প্রতিনিয়ত দেখে নতুন এন্টিবায়োটিক বানাচ্ছেন। গ্রান্ট আর গ্রান্টের করা ২০০২ সালের পরীক্ষায় আমরা দেখেছি খরার কারণে কিভাবে গ্যালাপাগোসের ফিঞ্চ পাখিদের ঠোঁটের পরিবর্তন হয়েছে।

    যাই হোক- যখন কেউ এই দাবি করেন তখন তারা বোঝান দীর্ঘ পরিসরে বিবর্তন প্রত্যক্ষ করার কথা। তারা বলেন “মাইক্রোইভোলিউশন হতেই পারে, তবে সরীসৃপ কিভাবে মোরগে পরিণত হয় আমরা সেটা দেখতে চাই।”

    প্রথমত- মাইক্রোইভুলূ্যশন আর ম্যাক্রোইভুলূ্যশনের মাঝে পার্থক্য খুব বেশী নয়। ক্ষুদ্র পরিসরে বিবর্তন হতে পারলে বৃহৎ পরিসরেও হতে পারে। অনেকগুলো মাইক্রোইভোলিউশন (মিউটেশন) মিলেই ম্যাক্রোইভোলিউশন হয়।

    আর বিজ্ঞান মানেই যে প্রত্যক্ষ করতে হবে সেটা কিন্তু না। আপেক্ষিকতাবাদের প্রতিপাদ্য সময়কালের বক্রতা প্রত্যক্ষ করা আমাদের মত ত্রিমাত্রিক প্রাণীদের পক্ষে অসম্ভব, কিন্তু আমরা সময়কালের বক্রতার প্রমাণ ঠিকই বের করে নিয়েছি। বিজ্ঞানীরা তথ্য ধরে আগান, গোয়েন্দাদের মতো সূক্ষ প্রমাণ জড়ো করে বড় বড় রহস্য সমাধান করেন তাঁরা। বিজ্ঞান সবসময় প্রত্যক্ষ প্রমাণের উপর নির্ভর করে না।

    বিবর্তনবাদী বিজ্ঞানীরা তথ্য-প্রমাণ জড়ো করে করে বলতে পারেন- মোরগ সরীসৃপ থেকে বিবর্তিত হয়েছে। ফসিল-ডিএনএ ইত্যাদি তথ্য বিচার বিশ্লেষন করে তাঁরা আমাদের দেখান এটাই সত্য। তাঁরা বলেন- “পাখিরা যদি সরীসৃপ থেকে বিবর্তিত হয়ে থাকে তবে পাখিদের ডিএনএ সরীসৃপদের সাথে বেশী মিলবে।” পরে সেটার প্রমাণ হাজির করার পর তাঁরা উপসংহার টানেন। এটাকেই বলে scientific method!

    ভুল ধারণা ৬- একক প্রাণীর বিবর্তন

    প্রজাতির বিবর্তন হয়, একক প্রাণীর নয়। বিবর্তন হল নির্দিষ্ট সময়ে একটা প্রজাতির জীনগত গঠনে যে পরিবর্তন ঘটে। সুতরাং, যেহেতু কোন একক প্রাণী তার জীনগত কাঠামোতে কোন পরিবর্তন আনতে পারে না, তার একক বিবর্তন সম্ভব নয়। যেমন, যদি কোন খরার সময় শুধুমাত্র বড় বীজসম্পন্ন গাছগুলো ছাড়া সকল বীজসম্পন্ন গাছ ধ্বংস হয়ে যায়, ছোট ঠোঁটের কোন পাখি ঐ খরার আদলে বিবর্তিত হতে পারবে না। অন্য ভাষায়, এটি বড় বীজ খাওয়ার জন্য তার জীনগত কাঠামোর পরিবর্তন করে তার ঠোঁটের আকার-আকৃতি বদলে ফেলতে পারবে না। জীববিজ্ঞানের ভাষায়, এটি অভিযোজিত হতে পারবে না। ফলাফলস্বরূপ, বড় ঠোঁটের পাখিগুলোর তুলনায় ছোট ঠোঁটের পাখিগুলো কম খাবার পাবে এবং কম সন্তানের জন্ম দেবে। এর মানে হলো, পরবর্তী প্রজন্মে বড় ঠোঁটের জন্য জীন বেশি থাকবে। সুতরাং সম্পূর্ণ প্রজাতির খরার সাথে খাপ খাওয়াতে বিবর্তিত এবং অভিযোজিত হবে, কোনো একক প্রাণী নয়।

    ভুল ধারণা ৭: বিবর্তনের কোন লক্ষ্য আছে

    মানুষ প্রায়ই বিবর্তন সম্পর্কে বলে যে, “কিছু সাধন করে ফেলায় চেষ্টারত”; নয়তো তারা প্রাইমেট এবং অন্যান্য স্তন্যপায়ীদের অন্য প্রাণীদের তুলনায় “বেশি বিবর্তিত” বলে আখ্যা দেয়। কিন্তু এ ধরণের বিবৃতিগুলো প্রবল সমস্যাযুক্ত কারণ তারা এটারই পরিষ্কার ইঙ্গিত দেয় যে বিবর্তনের কোন উদ্দেশ্য আছে, যা সত্য নয়। জীববিজ্ঞানীরা প্রায়ই বলেন যে, “বিবর্তন অন্ধ।” বিবর্তন যা করে তা হলো কোন জীব প্রজাতিকে তার বর্তমান পরিবেশ এবং জীবনপ্রণালীর সাথে অভিযোজিত করে তোলে। বিবর্তনের কোন উদ্দেশ্য নেই, এবং এটি কোন ভবিষ্যদ্বাণী করতে সক্ষম নয়। সুতরাং, সহস্র প্রজন্মের জন্য নির্বাচিত বৈশিষ্ট্য পরিবেশের এ কোন পরিবর্তনের কারণে হঠাৎ বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

    কারণ, বিবর্তন শুধু জীবকে তার বর্তমান পরিবেশ এবং জীবনপ্রণালীর সাথে খাপ খাওয়াতে সাহায্য করে, যেকোন এক প্রজাতিকে অন্যদের চেয়ে “বেশি বিবর্তিত” বলে আখ্যা দেওয়ার কোন মানে হয় না। যেমন, একটা বানর একটা মাছির চেয়ে বেশি বিবর্তিত নয় যে মাছি বানরটার পায়খানা থেকে আর্দ্রতা পায়। বানর অবশ্যই বেশি জটিল, কিন্তু এটি আসলে বেশি বিবর্তিত নয় কারণ বানর এবং মাছি দুজনই তাদের নিজ নিজ জীবনপ্রণালীর সাথে খুব ভালভাবেই খাপ খাইয়েছে। যদি আপনি বলতে চান যে বানরটা মাছিটার চেয়ে বেশি বিবর্তিত, তাহলে আপনি বলছেন যে বিবর্তনের উদ্দেশ্য আছে, যা ভুল।

    পরিশেষে, এটা সৃষ্টিতত্ত্ববিদদের প্রচলিত সমালোচনা, “কিছু প্রজাতির উলটো বিবর্তন হয়েছে (যেমনঃ পেঙ্গুইনের ওড়ার ক্ষমতা হারানো, তিমির সাগরে ফিরে যাওয়া)”, এর ব্যাখ্যা দেয়। মনে হতে পারে যে বিবর্তনের নির্দিষ্ট লক্ষ রয়েছে, কিন্তু বাস্তবে এটা শুধু জীবকে তার বর্তমান পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াচ্ছে। সুতরাং, একটা সময়ে, যখন ওড়ার প্রয়োজনীয়তা ছিল, বিবর্তন পাখিকে ওড়ার সামর্থ দিয়েছে। কিন্তু অ্যান্টার্কটিকায় যেসব পাখির বাস, ওড়ার বিদ্যার প্রয়োজনীয়তা তাদের এত বেশি ছিল না, যতটা ছিল সাঁতার এবং উষ্ণ থাকার বিদ্যার, যা বিবর্তন তাদের দিয়েছে ওড়ার ক্ষমতার পরিবর্তে এবং পেঙ্গুইন এসেছে।

    ভুল ধারণা ৮: কিছু সিস্টেম বিবর্তনের জন্য খুব বেশিই জটিল

    এটা বিবর্তনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে পুরনো সমালোচনা। এবং ইদানীং “সরলীকরণের অযোগ্য জটিলতা” নামে একে নিয়ে আবার কথা হচ্ছে।এর মূলকথা হল, কিছু সিস্টেম বিবর্তনের জন্য খুব বেশি জটীল কারণ সকল অংশ একত্রিত হবার আগ পর্যন্ত তারা কার্যকরী নয়। যেমন, একটা চোখের ছোট একটা অংশের অনুপস্থিতির জন্য চোখটা দেখতে পাবে না, একটা Bacterial Flagellum একটা প্রোটিনের অভাবে Flagellum এর মত আচরণে সক্ষম হবে না। সুতরাং, বিতর্কের মূলকথা হল, এই সিস্টেমগুলো বিবর্তিত হতে পারতো না কারণ সেখানে কোন কার্যকরী ধাপ থাকতো না, প্রকৃতি ঐ ধাপগুলো নির্বাচন করতে পারতো না। সমস্যা হল, এই বিতর্ক একটা বিষয়কে অবজ্ঞা করছে, “বিবর্তন অন্ধ”। বিবর্তনের চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে নির্বাচিত হবার জন্য বৈশিষ্ট্যগুলোকে কার্যকরী হতে হবে, এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। বরং, যদি কোন বৈশিষ্ট্য কার্যক্ষম হয়, প্রকৃতি তাদের নির্বাচিত করবে। প্রকৃতপক্ষে, কেউ এখনো পুরোপুরি সরলীকরণের অযোগ্য কোন সিস্টেম খুঁজে বের করতে পারেনি, এবং জটিল সিস্টেমের বিবর্তন ব্যাখ্যায় আমাদের আছে বিবর্তন পদ্ধতি। যেমনঃ পূর্বে উল্লেখিত চোখের উদাহরণে, চোখটা শুধু কিছু আলোক সংবেদনশীল কোষ যোগ করে নিত (অনেকটা চ্যাপ্টাকৃমির মত)। তারা ঠিক চোখের মত কাজ করে না, কিন্তু এরপরও তারা কার্যক্ষম, সুতরাং প্রকৃতি তাদের জন্য নির্বাচন করবে। একইভাবে, যসব প্রোটিনের জন্য Flagellum এর উদ্ভব হয়, তারা কোষের অন্যান্য কাজগুলো করে, এমনকি আমরা এমন এক ধারাবাহিক প্রক্রিয়া খুঁজে পেয়েছি যা প্রতি ধাপকে কোষের জন্য কার্যক্ষম করে Flagellum এ রূপান্তরিত করবে, যদিও চূড়ান্ত ধাপই হবে একটি পরিপূর্ণ Flagellum। সুতরাং এটি সত্য নয় যে কিছু সিস্টেম বিবর্তনের জন্য খুব বেশিই জটিল।

    ভুল ধারণা ৯: বিবর্তন মহাবিশ্বের প্রথম কোষের নির্মাণ বর্ণনা করে

    আমরা প্রায়ই মানুষকে বলতে শুনি যে, “বিবর্তনবাদ সত্য নয় কারণ……ব্লা…ব্লা…ব্লা… বিগ ব্যাং,” অথবা কেন আমরা এখনো প্রথম কোষের নির্মাণ কিভাবে হয়েছিল তা বের করতে পারিনি, এমন আজবাজে কথা। এসব বিতর্কের সাথে বিবর্তনবাদের কোন সম্পর্কই নেই। বিগ ব্যাং তত্ত্ব মহাবিশ্বের আবির্ভাব নিয়ে এবং Abiogenesis জীবনের নির্মাণ নিয়ে আলোচনা করে। বিবর্তন মঞ্চে আসে মূলত জীবনের উৎপত্তির পর। সুতরাং, যদি আপনি কোনভাবে বিগ ব্যাং বা Abiogenesis কে ভুল প্রমাণ করেও ফেলেন, আপনার পক্ষে এরপরও সম্ভব হবে না বিবর্তনকে ভুল প্রমান করা। প্রকৃতপক্ষে, কিছু মানুষ ভাবে প্রথম কোষটি ঈশ্বরের সৃষ্টি, তারা বিবর্তনবাদকেও তার জায়গা ছেড়ে দেয়। অন্য কথায়, তারা Abiogenesis কে না মানলেও বিবর্তনকে মেনে নিয়েছে (যদিও বিগ ব্যাং এবং Abiogenesis কে অস্বীকার করার মত কোন শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক কারণ নেই।)

    ভুল ধারণা ১০: বিবর্তনের ভিত্তি হল বিশ্বাস

    যারা এটা দাবি করেন তাদের কাছে আমি জানতে চাইব যে ঠিক কোন অংশটি আপনি মনে করেন স্রেফ বিশ্বাসভিত্তিক? ৫ম পয়েন্টে যেভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, আমরা মিলিয়ন মিলিয়ন বছরের বিবর্তন নিজের চোখে দেখিনি বলে বিবর্তনকে অবৈজ্ঞানিক বলে আখ্যা দেয়া যায় না। বরং বিবর্তন হচ্ছে বিজ্ঞানের সর্বাধিক স্বীকৃত ধারণাগুলোর একটি, এবং যদি আপনি আসলেই ‘Origin of the Species’ পড়ে থাকেন তো দেখবেন, এটি প্রমাণে পরিপূর্ণ। এছাড়াও, ডারউইন ছিলেন একজন ব্যতিক্রমী বিজ্ঞানী এবং তিনি পরিষ্কার ভবিষ্যদ্বানী করে গেছেন যে তাঁর থিওরি সঠিক হলে পরবর্তীতে রিসার্চাররা কী কী ফলাফল পেতে পারেন। যেমন, তিনি স্পষ্টভাবে ভবিষ্যদ্বানী করেছিলেন আমাদের মধ্যবর্তী ফসিল আবিষ্কারের কথা, এবং আমরা করেছি। কিছু জীব আছে, যাদের অস্তিত্ব আমরা খুঁজে পাওয়ার কয়েক যুগ আগেই বিবর্তন এদের ধারণা দিয়েছিল। এটি নিঃসন্দেহে এক অনন্য কৃতিত্ব। একইভাবে, বিবর্তন জেনেটিকস এবং ফসিল রেকর্ডের মধ্যেকার শক্তিশালী সম্পর্কের ধারণা করেছিল, এবং আবারো, এর ধারণা সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হয়েছে। সুতরাং আপনি যদি দাবি করেন বিবর্তন স্রেফ বিশ্বাসভিত্তিক, আপনার কাছে আমি জানতে চাইব যে ঠিক কোন অংশটি আপনি মনে করেন শুধুমাত্র বিশ্বাসভিত্তিক, কারণ এর কোন দিক নেই যা আমি গবেষণামূলক তথ্য দিয়ে ভুল প্রমাণ করতে পারেন।

    সূত্রঃ ইন্টার্নেট

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
1 2 3

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • নুসরাত জাহান
    নুসরাত জাহান একটি উত্তর দিয়েছেন বিসিএস পরীক্ষার জন্য অনলাইনে কোচিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কয়েকটি জনপ্রিয় এবং… সেপ্টেম্বর 4, 2026, সময়ঃ 12:36 অপরাহ্ন
  • biplob
    biplob একটি উত্তর দিয়েছেন ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ শুরু হয় সাধারণত মশার কামড়ের ৪ থেকে… সেপ্টেম্বর 3, 2026, সময়ঃ 12:25 অপরাহ্ন
  • biplob
    biplob একটি উত্তর দিয়েছেন ভাই, আপনি কেন অন্যের উত্তর কপি করেছেন? নিজে রিসার্চ করে… সেপ্টেম্বর 1, 2026, সময়ঃ 8:12 অপরাহ্ন
  • Taharim Hasan Tanim
    Taharim Hasan Tanim একটি উত্তর দিয়েছেন কাকরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janta Party) কাকরোচ জনতা পার্টি (CJP)… সেপ্টেম্বর 1, 2026, সময়ঃ 6:27 অপরাহ্ন
  • তানি রহমান
    তানি রহমান একটি উত্তর দিয়েছেন হ্যাঁ, বাংলা কিউআর (Bangla QR) দিয়ে বিকাশ এবং নগদ দুটোতেই… আগস্ট 29, 2026, সময়ঃ 6:34 অপরাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 115 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 123 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,232 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 163 বার প্রদর্শিত
  • WordPress Themes & Plugins

    WordPress Themes & Plugins

    • 2 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 212 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

Taharim Hasan Tanim

Taharim Hasan Tanim

  • 0 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
biplob

biplob

  • 27 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
3 patti best

3 patti best

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
www.transfer403.pages.dev - WITHDRAW FUNDS 1.3591 BTC jz2

www.transfer403.pages.dev - WITHDRAW FUNDS 1.3591 BTC jz2

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
www.transfer403.pages.dev - WITHDRAW FUNDS 1.2978 BTC pko

www.transfer403.pages.dev - WITHDRAW FUNDS 1.2978 BTC pko

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন