সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

shanto

ভিআইপি
প্রশ্ন করুন shanto
149 বার প্রদর্শিত
1 জন ফলোয়ার
20 প্রশ্ন
হোমপেজ/ shanto/ফলোয়ারদের প্রশ্ন
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পছন্দ তালিকা
  • ফলোকৃত প্রশ্ন
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  • ফলোকৃতদের প্রশ্ন
  • ফলোকৃতদের উত্তর
  • ফলোয়ারদের ব্লগ
  • ফলোকৃত/ফলোয়ারদের ব্লগ মন্তব্য

AddaBuzz.net Latest প্রশ্ন

পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 1 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

দৌলতদিয়া বাস ট্র্যাজেডি: ২০২৬ সালেও আমাদের ফেরি সার্ভিস কেন আধুনিক হতে পারল না?

  1. SA Samim
    সেরা উত্তর
    SA Samim এডিটর forumbd24.com
    উত্তর দিয়েছেন 1 মাস আগে

    দৌলতদিয়া ঘাটে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক বাস ট্র্যাজেডি আমাদের সামনে আবারও একটি পুরনো কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরেছে—বাংলাদেশের ফেরি সার্ভিস এখনো কেন আধুনিক হয়ে উঠতে পারল না? এই দুর্ঘটনা শুধুমাত্র একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি আমাদের পরিবহন ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের দুর্বলতা, অব্যবস্থাপনা এবংবিস্তারিত পড়ুন

    দৌলতদিয়া ঘাটে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক বাস ট্র্যাজেডি আমাদের সামনে আবারও একটি পুরনো কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরেছে—বাংলাদেশের ফেরি সার্ভিস এখনো কেন আধুনিক হয়ে উঠতে পারল না? এই দুর্ঘটনা শুধুমাত্র একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি আমাদের পরিবহন ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের দুর্বলতা, অব্যবস্থাপনা এবং পরিকল্পনার ঘাটতির প্রতিফলন।

    ১. পুরোনো অবকাঠামো ও নিরাপত্তাহীন ঘাট

    বাংলাদেশের বেশিরভাগ ফেরি ঘাট এখনো পুরোনো কাঠামোর উপর নির্ভরশীল। পন্টুন, ঢালু র‍্যাম্প এবং যানবাহন ওঠানামার জায়গাগুলো আধুনিক মানের নয়। অনেক ক্ষেত্রে সুরক্ষা ব্যারিয়ার দুর্বল বা অপ্রতুল, যার ফলে সামান্য অসতর্কতা বড় দুর্ঘটনায় রূপ নেয়। এই ট্র্যাজেডিতেও দেখা গেছে একটি বাস সরাসরি নদীতে পড়ে গেছে, যা স্পষ্টভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়।

    ২. দুর্বল ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা

    ফেরি ঘাটে যানবাহন ওঠানো-নামানোর সময় কঠোর নিয়ন্ত্রণ থাকা জরুরি। কিন্তু বাস্তবে সেখানে দেখা যায় বিশৃঙ্খলা, হুড়োহুড়ি এবং নিয়ম না মানার প্রবণতা। অনেক সময় কোনো প্রশিক্ষিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা থাকে না, ফলে চালকরা নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নেয়। এতে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বহুগুণে বেড়ে যায়।

    ৩. প্রাকৃতিক চ্যালেঞ্জ ও প্রযুক্তির অভাব

    দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে প্রায়ই কুয়াশা, স্রোত এবং পানির উচ্চতার পরিবর্তন দেখা যায়। উন্নত দেশগুলোতে এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য রাডার, জিপিএস এবং স্বয়ংক্রিয় নেভিগেশন সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আমাদের দেশে এখনো এসব প্রযুক্তির ব্যবহার সীমিত, ফলে ঝুঁকি অনেক বেশি থেকে যায়।

    ৪. রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিকল্পনার দুর্বলতা

    ফেরি ঘাটগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং উন্নয়ন প্রয়োজন। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, নদীভাঙন বা অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। এর ফলে কিছু ঘাট বন্ধ হয়ে গেলে অন্য ঘাটে চাপ বেড়ে যায়, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তোলে।

    ৫. নিরাপত্তা সচেতনতার অভাব

    আমাদের দেশে নিরাপত্তা সংস্কৃতি এখনো তেমন শক্তিশালী নয়। অনেক সময় লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার করা হয় না, জরুরি পরিস্থিতিতে কী করতে হবে তা মানুষ জানে না। এই অবহেলা এবং অজ্ঞতা বড় ধরনের দুর্ঘটনায় প্রাণহানির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

    ৬. আধুনিকায়নে ধীরগতি

    ফেরি সার্ভিস আধুনিক করতে বড় ধরনের বিনিয়োগ, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং কার্যকর বাস্তবায়ন প্রয়োজন। কিন্তু নানা প্রশাসনিক জটিলতা, ধীর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং কখনো কখনো দুর্নীতির কারণে এই উন্নয়ন কার্যক্রম এগোতে পারে না। ফলে বছরের পর বছর একই সমস্যাগুলো থেকেই যায়।

    সমাধানের পথ কী?

    এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে হলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। যেমন:

    • আধুনিক নিরাপত্তা ব্যারিয়ার ও স্মার্ট সিগন্যাল সিস্টেম স্থাপন
    • ফেরি ঘাটে প্রশিক্ষিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা
    • রাডার ও জিপিএস প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি
    • নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও দ্রুত সংস্কার ব্যবস্থা
    • সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা সচেতনতা বৃদ্ধি
    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 32 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 4 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

২৫ ডিসেম্বরে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বিএনপির প্রস্তুতি কেমন?

  1. Jasim
    সেরা উত্তর
    Jasim নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 মাস আগে

    ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে একটা উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি বেশ টানটান উত্তেজনাও কাজ করছে। পত্রিকাগুলো যা বলছে তা হলো: নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরকার বিষয়টিকে অনেক গুরুত্ব দিচ্ছে। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে বাড়তি পুলিশ ও র‍্যাব মোতায়েন করা হচ্ছে।বিস্তারিত পড়ুন

    ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে একটা উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি বেশ টানটান উত্তেজনাও কাজ করছে। পত্রিকাগুলো যা বলছে তা হলো:

    নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    সরকার বিষয়টিকে অনেক গুরুত্ব দিচ্ছে। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে বাড়তি পুলিশ ও র‍্যাব মোতায়েন করা হচ্ছে। গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে যাতে জনসমাগমের সুযোগ নিয়ে কোনো তৃতীয় পক্ষ বিশৃঙ্খলা করতে না পারে। এয়ারপোর্টের ভেতরে শুধু যাত্রী ও জরুরি লোক ছাড়া বাকিদের প্রবেশ সীমিত করার পরিকল্পনাও আছে।

    বিএনপির প্রস্তুতি

    বিএনপি বলছে, তারা জোর করে রাস্তা দখল করবে না। তবে নেতাকে দেখতে লাখ লাখ মানুষের ঢল নামবে, এটা মাথায় রেখে তারা কয়েক হাজার নিজস্ব ‘ভলান্টিয়ার’ বা স্বেচ্ছাসেবক ঠিক করেছে। এই স্বেচ্ছাসেবকদের কাজ হবে সাধারণ মানুষের চলাচলে যেন সমস্যা না হয় সেটা দেখা এবং ট্রাফিক পুলিশকে সাহায্য করা। দলীয়ভাবে তারা এটাকে ‘শান্তিপূর্ণ গণ-সংবর্ধনা’ হিসেবে পালন করতে চায়।

    নির্বাচন ও রাজনীতি

    তারেক রহমানের ফেরা মানেই বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণ গতিতে শুরু হওয়া। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে তাঁর দেশে থাকাটা দলের কর্মীদের মনোবল অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি আসার পর দলের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঠিক করার কাজ আরও গতি পাবে।

    কূটনীতি

    তারেক রহমানের ফেরাকে বিদেশি রাষ্ট্রদূত ও বিভিন্ন দেশ বেশ পর্যবেক্ষণে রাখছে। বিশেষ করে প্রতিবেশী ভারত ও পশ্চিমা দেশগুলো দেখছে তাঁর ফেরার পর বাংলাদেশের পরিস্থিতি কতটা স্থিতিশীল থাকে। সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হবে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা চলছে।

    গণমাধ্যমের স্বাধীনতা

    সাম্প্রতিক সময়ে ডেইলি স্টার বা প্রথম আলোর মতো বড় সংবাদপত্রের ওপর হামলা নিয়ে দেশ-বিদেশে উদ্বেগ আছে। তারেক রহমান দেশে ফেরার পর তাঁর দল এবং অন্তর্বর্তী সরকার এই হামলার ব্যাপারে কী শক্ত অবস্থান নেয়, সেটাই দেখার বিষয়। মুক্তভাবে কথা বলা বা সংবাদ প্রকাশের পরিবেশ বজায় থাকবে কি না, তা নিয়ে মানুষ অনেক আশাবাদী হতে চায়।

    সহজ কথায় বলতে গেলে, তারেক রহমানের আসাটা শুধু একটি দলের নেতার ফেরা নয়, বরং আগামী দিনের রাজনীতি কোন দিকে যাবে, তার একটা বড় ইঙ্গিত।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 32 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ বিনোদন

শাকিব খান একটি ছবিতে কত টাকা পারিশ্রমিক নেন?

  1. Jasim
    সেরা উত্তর
    Jasim নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে

    শাকিব খানের পারিশ্রমিক, বাৎসরিক আয় ও আয়ের উৎস ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ তারকা শাকিব খান বর্তমানে প্রতিটি চলচ্চিত্রের জন্য রেকর্ড পরিমাণ পারিশ্রমিক নিচ্ছেন। নির্ভরযোগ্য সূত্র এবং গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তার পারিশ্রমিক এখন ১ কোটি থেকে ২ কোটি টাকার মধ্যে ওঠানামা করছে। বিশেষ করে "প্রিয়তমা" ও "তুফান" এর মতবিস্তারিত পড়ুন

    শাকিব খানের পারিশ্রমিক, বাৎসরিক আয় ও আয়ের উৎস

    image host

    ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ তারকা শাকিব খান বর্তমানে প্রতিটি চলচ্চিত্রের জন্য রেকর্ড পরিমাণ পারিশ্রমিক নিচ্ছেন। নির্ভরযোগ্য সূত্র এবং গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তার পারিশ্রমিক এখন ১ কোটি থেকে ২ কোটি টাকার মধ্যে ওঠানামা করছে। বিশেষ করে “প্রিয়তমা” ও “তুফান” এর মতো ব্লকবাস্টার সাফল্যের পর তার পারিশ্রমিক উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

    শাকিব খানের চলচ্চিত্র প্রতি পারিশ্রমিক:

    শাকিব খানের পারিশ্রমিক ছবির বাজেট, প্রযোজনা সংস্থা এবং তার চরিত্রের গুরুত্বের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। জানা গেছে, “প্রিয়তমা” সিনেমার জন্য তিনি ৩৫ লাখ টাকা পারিশ্রমিক নিলেও, এর ব্যাপক সাফল্যের পর “রাজকুমার”-এর জন্য ৬৫ লাখ, “দরদ”-এর জন্য ৭০ লাখ এবং “তুফান”-এর জন্য ৮০ লাখ টাকা নেন। সর্বশেষ “বরবাদ” সিনেমায় তিনি প্রাথমিকভাবে ৮০ লাখ টাকা চুক্তি করলেও, ঈদের মুক্তির চুক্তিতে পারিশ্রমিক বাড়িয়ে প্রায় ৯৫ লাখ টাকা নেন। বর্তমানে “তাণ্ডব” সিনেমার জন্য তিনি ৯০ থেকে ৯৫ লাখের মধ্যে পারিশ্রমিক নিচ্ছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। কিছু সংবাদমাধ্যমের দাবি, তার পরবর্তী সিনেমার জন্য তিনি ২ কোটি টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক চাইতে পারেন।

    শাকিব খানের বাৎসরিক আয়:

    শাকিব খানের বাৎসরিক আয়ের সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ না পেলেও, ভারতীয় গণমাধ্যম ‘টিভি নাইন বাংলা’র এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, শাকিব খানের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৩৫ কোটি ৭ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। তবে এই তথ্যের কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ নেই এবং শাকিব খান নিজে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। সিনেমা ছাড়াও অন্যান্য খাত থেকে তার আয় ভালো অঙ্কের হয়ে থাকে।

    শাকিব খানের উপার্জনের খাতসমূহ:

    শাকিব খানের উপার্জনের প্রধান খাতগুলো হলো:

    • চলচ্চিত্রে অভিনয়: এটি তার আয়ের প্রধান উৎস। বছরে দুই থেকে তিনটি নির্বাচিত সিনেমায় কাজ করেন তিনি।
    • চলচ্চিত্র প্রযোজনা: তিনি নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা চালান এবং বেশ কিছু সফল চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেছেন, যার মধ্যে “হিরো: দ্য সুপারস্টার”, “পাসওয়ার্ড” এবং “বীর” উল্লেখযোগ্য।
    • বিজ্ঞাপন ও ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর: বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিজ্ঞাপন এবং শুভেচ্ছাদূত হিসেবে কাজ করেও তিনি মোটা অঙ্কের টাকা আয় করেন।
    • মঞ্চ অনুষ্ঠান: দেশ-বিদেশের বিভিন্ন মঞ্চ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেও তিনি উপার্জন করেন।
    • নিজের ব্যবসা: চলচ্চিত্রের বাইরেও তার অন্যান্য ব্যবসা রয়েছে বলে জানা যায়।
    • গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব: একজন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব হিসেবেও তার পরিচিতি ও প্রভাব রয়েছে।
    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 38 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তা কতটা প্রভাব ফেলতে পারে?

  1. Mahmudul
    সেরা উত্তর
    Mahmudul নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    এটি একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনার বিষয়, যা নির্ভর করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অবস্থানের উপর। কোনো নির্দিষ্ট ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা কঠিন, কারণ এটি অনেক রাজনৈতিক এবং আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল। আমি এখানে কিছু পয়েন্ট উত্থাপন করলাম: 1. আওয়ামী লীগের অতীত ও বর্তমান ভূমিকা: দলবিস্তারিত পড়ুন

    এটি একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনার বিষয়, যা নির্ভর করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অবস্থানের উপর। কোনো নির্দিষ্ট ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা কঠিন, কারণ এটি অনেক রাজনৈতিক এবং আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল।

    আমি এখানে কিছু পয়েন্ট উত্থাপন করলাম:

    1. আওয়ামী লীগের অতীত ও বর্তমান ভূমিকা: দলটির বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং তা নিয়ে বিচার বা নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব।

    2. মানবতাবিরোধী অপরাধ: এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের আলোচনা এবং আইনি প্রক্রিয়ার দিকে ইঙ্গিত।

    3. অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা: বিএনপি এবং জামায়াতের উদার নীতি গ্রহণ এবং এ বিষয়ে তাদের অবস্থান।

    তবে এটি একটি চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। জনগণের আকাঙ্ক্ষা, আইন প্রণয়ন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে।

    যদি নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ প্রয়োজন হয়, তবে এটি হতে পারে বাংলাদেশের সামগ্রিক গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

    সোর্সঃ আওয়ামী লীগের পরিণতি শেষ পর্যন্ত কী হবে – প্রথম আলো

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 54 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ Download

cv bangla ডাউনলোড করার MS Word অথবা pdf ফাইল

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 43 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ ডাউনলোড

CV Bangla Format ডাউনলোড করুন

  1. পলক
    পলক পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    সিভি বা Curriculum Vitae হচ্ছে একজনের জীবন বৃত্তান্তের পূর্ণাঙ্গ বা বিশদ বিবরণ। সিভিতে একজনের শিক্ষাগত বিষয়গুলো,গবেষণা,কাজের অভিজ্ঞতা বিস্তারিত ভাবে লেখা থাকে। একজনের সিভি কয়েক পৃষ্ঠার হতে পারে। সিভি বা Curriculum Vitae তে সম্মানিত ব্যাক্তিদের রেফারেন্স উল্লেখ থাকে। উচ্চস্তরের চাকুরি অথবা ফেলোশীপেরবিস্তারিত পড়ুন

    সিভি বা Curriculum Vitae হচ্ছে একজনের জীবন বৃত্তান্তের পূর্ণাঙ্গ বা বিশদ বিবরণ। সিভিতে একজনের শিক্ষাগত বিষয়গুলো,গবেষণা,কাজের অভিজ্ঞতা বিস্তারিত ভাবে লেখা থাকে। একজনের সিভি কয়েক পৃষ্ঠার হতে পারে। সিভি বা Curriculum Vitae তে সম্মানিত ব্যাক্তিদের রেফারেন্স উল্লেখ থাকে। উচ্চস্তরের চাকুরি অথবা ফেলোশীপের জন্য সিভি লিখতে হয়।

    বাংলা সিভি (Bangla CV)

    আপনি কোথায় বা কীসের জন্য আপনার জীবন বৃত্তান্ত লিখবেন সেটার উপর নির্ভর করবে আপনার জীবন বৃত্তান্তটি CV হবে না Resume হবে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নিম্নস্তরের চাকরির আবেদনের ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত জমা দিতে হয় যাতে চাকরিদাতা একজন চাকরি প্রার্থীর সম্পর্কে বেসিক বা সাধারণ ধারণা পেতে পারেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জীবন বৃত্তান্ত বাংলায় লিখতে হয়। বাংলা সিভি (Bangla CV) লিখতে খুবই সাধারণ কিছু তথ্য দিতে হয়।

    বাংলা সিভি ফরম্যাট (CV Bangla Format)

    ইংরেজিতে সিভি (Curriculum Vitae) বা রেজ্যুমে (Resume) তৈরি করার অনেক ফরম্যাট ও মাধ্যম রয়েছে। CV Maker বা Resume Builder ওয়েবসাইট থেকে প্রয়োজনীয় কিছু সহজে যে কেউ তাঁর জীবন বৃতান্ত বানাতে পারেন। কিন্তু আমাদের দেশের সাধারণ চাকরির ক্ষেত্রে প্রচলিত যে এক পৃষ্টার জীবন বৃতান্ত (Single Page Resume) প্রয়োজন হয় তা গতানুগতিক ফরম্যাটেই বানাতে হয়।
    সাধারণত সরকারি চাকরি তে মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তর বা প্রতিষ্ঠানের এর ওয়েবসাইটেই নির্ধারিত সিভি ফরম্যাট দেয়া থেকে। যদি সংশ্লিষ্ট চাকরিদাতা কোন ফরম্যাট উল্লেখ না করেন তাহলে আপনাকে সাধারণ পদের জন্য গতানুগতিক বা প্রচলিত সিভি ফরম্যাট ব্যবহার করতে হবে।

    বাংলা সিভি ফরম্যাট (Bangla CV Format) ডাউনলোড

    Bangla Cv Format Docx

    Bangla Cv Format Pdf

    উপরের বাংলা সিভি ফরম্যাট (Bangla CV Format) টি আপনি চাইলে ডাউনলোড করতে পারবেন। CV Bangla ফরম্যাটটি .DOC ও PDF আকারে দেয়া আছে। .DOC ফাইলটি ডাউনলোড করে Microsoft Word এ প্রয়োজনমত এডিট করতে পারবেন। এটি অভ্র দিয়ে ইউনিকোড ফরম্যাটে লেখা। আর PDF ফাইলটি ডাউনলোড করে সরাসরি প্রিন্ট দেয়া যাবে।

    শেষকথাঃ

    আপনার প্রয়োজন অনুসারে জীবন বৃত্তান্ত এর ফরম্যাট নির্ধারণ করুন। বাংলায় সিভি (CV Bangla) লেখার সময় অবশ্যই সঠিক তথ্য প্রদান করবেন। কারণ, চাকরিদাতা বা প্রতিষ্ঠান আপনার জীবন বৃত্তান্ত (CV) দেখেই আপনার সম্পর্কে প্রথমিক ধারণা পাবেন। সাধারণ বা বেসিক সিভিতে কী কী তথ্য উল্লেখ করবেন তা সম্পর্কে উপরে বর্ণিত ফরম্যাটে ধারণা দেয়া হয়েছে।
    আশাকরি বুঝতে পারছেন |

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 51 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

জিমেইল অ্যাকাউন্ট লগ ইন করতে সমস্যা হচ্ছে। কেন এমন হচ্ছে হেল্প করেন।

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 33 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

ফেসবুক পেজ এবং ফেসবুক আইডি এদের মধ্যে পার্থক্য কি?

  1. Mithun
    সেরা উত্তর
    Mithun পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে
    ফেসবুক পেজ এবং ফেসবুক আইডি এদের মধ্যে পার্থক্য কি?

    ফেসবুক আইডি এবং ফেসবুক পেজের মধ্যে পার্থক্য কী? 1. ভূমিকা: ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং ফেসবুক পেজ 1.1 ফেসবুক কি? বেসিক দিয়ে শুরু করা যাক। ফেসবুক একটি সামাজিক নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম যা ব্যবহারকারীদের বন্ধু, পরিবার এবং অপরিচিতদের সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে। এটি এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি ফটো এবং ভিডিবিস্তারিত পড়ুন

    ফেসবুক আইডি এবং ফেসবুক পেজের মধ্যে পার্থক্য কী?

    1. ভূমিকা: ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং ফেসবুক পেজ

    1.1 ফেসবুক কি?

    বেসিক দিয়ে শুরু করা যাক। ফেসবুক একটি সামাজিক নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম যা ব্যবহারকারীদের বন্ধু, পরিবার এবং অপরিচিতদের সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে। এটি এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি ফটো এবং ভিডিও শেয়ার করতে পারেন এবং আপনার সামাজিক বৃত্তে যা ঘটছে তার সাথে যোগাযোগ রাখতে পারেন৷

    1.2 ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং পেজগুলির ওভারভিউ

    ফেসবুকের বিশাল বলয়ের মধ্যে দুটি প্রধান সত্তা রয়েছে: ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং ফেসবুক পেজ। এই দুটি ভিন্ন উদ্দেশ্য পরিবেশন করে এবং ভিন্ন ভিন্ন চাহিদা পূরণ করে। এই পোস্টে আমরা প্রতিটির বিশদ বিবরণে ডুব দেব এবং তাদের রহস্যগুলি উন্মোচন করব।

    2. ফেসবুক আইডি: ব্যক্তিগত প্রোফাইল এবং বৈশিষ্ট্য

    2.1 একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট তৈরি করা

    ফেসবুকের বিস্ময়কে পুরোপুরি এক্সপ্লোর করতে আপনার একটি ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট প্রয়োজন। একটি ফেসবুক আইডি তৈরি করা অত্যন্ত সহজ। শুধু ফেসবুক ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপে যান, নিজের সম্পর্কে কিছু প্রাথমিক তথ্য দিন, একটি প্রোফাইল ছবি সিলেক্ট করুন। ব্যাস্, আপনি আনুষ্ঠানিকভাবে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করে ফেললেন।

    2.2 ব্যক্তিগত প্রোফাইল সেটআপ এবং কাস্টমাইজেশন

    একবার আপনার অ্যাকাউন্ট চালু হয়ে গেলে, এবার এটিকে নিজের করে নেওয়ার সময়। আপনি একটি কভার ফটো যোগ করতে পারেন যা আপনার শৈল্পিক দিক (অথবা বিড়ালের প্রতি আপনার ভালবাসা) প্রদর্শন করে। আপনার লাইফস্টাইল আপডেট করুন। সাথে যুক্ত করতে পারেন আপনার প্রিয় চলচ্চিত্র, টিভি শো এবং বইগুলির তালিকা।

    2.3 বন্ধুদের সাথে সংযোগ করা এবং ইন্টারঅ্যাক্ট করা

    এবার মজার অংশ – বন্ধুদের সাথে সংযোগ! আপনি আপনার বন্ধুদের নাম, ইমেল ঠিকানা বা ফোন নাম্বার ব্যবহার করে অনুসন্ধান করতে পারেন। বন্ধুকে অনুরোধ পাঠাতে পারেন এবং তাদের পোস্টগুলির মাধ্যমে একটি অন্তহীন স্ক্রোলিং সেশন শুরু করতে পারেন৷ এছাড়াও, আপনি তাদের পোস্টগুলো লাইক, মন্তব্য এবং শেয়ার করতে পারেন।

    2.4 প্রাইভেসি সেটিংস এবং অ্যাকাউন্ট নিরাপত্তা

    যেহেতু আপনি একজন দায়িত্বশীল ফেসবুক ব্যবহারকারী,তাই আপনি আপনার প্রাইভেসি এবং অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তার নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইবেন। ফেসবুক অনেকগুলি সেটিংস অফার করে যা আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে দেয় কে আপনার পোস্টগুলি দেখতে পারে, কে আপনাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারবে ইত্যাদি আরও অনেক কিছু… মনে রাখবেন, শেয়ারিং এবং ওভারশেয়ারিং-এর মধ্যে সেই নিখুঁত ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।

    3. ফেসবুক পেজ: উদ্দেশ্য এবং কাজ

    3.1 ফেসবুক পেজ

    ফেসবুক পেজগুলি ব্যবসা, সংস্থা, সেলিব্রিটি ইত্যদি প্রচার করার কাজে ব্যবহৃত হয়। একটি ফেসবুক পেজ আপনার ব্র্যান্ড প্রদর্শন, আপডেট শেয়ার এবং আপনার ফলোয়ারদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে।

    3.2 একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করা

    একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করা একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করার মতোই, তবে কিছু টুইস্ট আছে। আপনার একটি আকর্ষণীয় পেজর নাম, একটি ক্যাটাগরি যা আপনার পেজর উদ্দেশ্যকে সর্বোত্তমভাবে বর্ণনা করে এবং আপনার পেজটিকে ফেসবুক-এর বিশাল সমুদ্রে আলাদা করে তোলার জন্য কিছু নজরকাড়া ছবির প্রয়োজন হবে৷

    3.3 পেজ ড্যাশবোর্ড নেভিগেট করা

    একবার আপনার পেজটি চালু হয়ে গেলে, আপনি পেজ ড্যাশবোর্ড নামে একটি জাদুকরী জায়গায় অ্যাক্সেস পাবেন৷ এখানে, আপনি আপনার পেজর কার্যক্রম নিরীক্ষণ করতে পারবেন। মেসেজ এবং কমেন্টগুলোতে রিয়্যাকশন দিতে পারেন এবং আপনার ফলোয়ারদের আপডেট দিতে পোস্টের সময়সূচী তৈরি করতে পারেন৷ এটি পেজ সম্পর্কিত সমস্ত জিনিসের জন্য আপনার নিজস্ব কমান্ড সেন্টার থাকার মতো।

    3.4 পেজর ভূমিকা এবং অনুমতি পরিচালনা করা

    আপনি যদি একটি টীমের সাথে একটি পেজ চালান, তাহলে মসৃণ এক্সপেরিয়েন্স নিশ্চিত করতে ভূমিকা এবং অনুমতি অনুমতি নিশ্চিত করতে হবে। সিদ্ধান্ত আপনার! শুধু বুদ্ধির সাথে বেছে নেওয়ার কথা মনে রাখবেন। কারণ পেজে কার কি ভুমিকা এবং দায়িত্ব থাকবে তা আপনাকে নির্ধারণ করতে হবে।

    4. মূল পার্থক্য: অ্যাকাউন্ট এবং পেজগুলির মধ্যে পার্থক্য বিশ্লেষণ করা

    4.1 মালিকানা এবং প্রোফাইলের ধরন

    একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং একটি পেজর মধ্যে প্রথম এবং প্রধান পার্থক্য হল মালিকানা। একটি অ্যাকাউন্ট একজন ব্যক্তির মালিকানাধীন। আর একটি পেজর মালিকানাধীন ব্যক্তি ঐ পেজটির প্রতিনিধিত্ব করে। সুতরাং, আপনি যদি টীম নিয়ে পেজকে কন্ট্রোল করেন তাহলে আপনি মালিক হয়েও টীম মেম্বাররা আপনার কাজ করে যেতে পারবে।

    4.2 উদ্দেশ্য

    ব্যক্তিগত আইডি বন্ধুদের সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়। আর ব্যক্তিগত আপডেটগুলি জনসাধারণের সাথে শেয়ার করার জন্য পেজ ব্যবহৃত হয়৷ পেজগুলি ব্যবসা, ব্র্যান্ড এবং পাবলিক প্রোফাইলের জন্য বিস্তৃত দর্শকদের কাছে পৌঁছাতে, তাদের পণ্য বা পরিষেবার প্রচার করতে এবং তাদের অনুরাগীদের সাথে যোগাযোগের জন্য তৈরি করা হয়।

    4.3 বৈশিষ্ট্য এবং ক্ষমতা

    বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে, অ্যাকাউন্ট এবং পেজগুলির স্বতন্ত্র৷ ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট, ব্যক্তিগত মেসেজিং, গ্রুপ এবং ইভেন্টে যোগদান করার ক্ষমতা রয়েছে। অন্যদিকে, পেজগুলিতে পোস্ট এনালাইসিস, বিজ্ঞাপনের বিকল্প এবং আরও লোকেদের কাছে পৌঁছানোর জন্য পোস্টগুলিকে উত্সাহিত করার ক্ষমতা রয়েছে।

    5. ফেসবুক অ্যাকাউন্টের সুবিধা: ব্যক্তিগত নেটওয়ার্কিং এবং গোপনীয়তা বৈশিষ্ট্য

    5.1 ব্যক্তিগত সংযোগ তৈরি করা

    একটি ফেসবুক আইডি আপনাকে আপনার জীবনের প্রতিটি কোণ থেকে বন্ধু, পরিবার এবং পরিচিতদের সাথে সংযোগ করার সুবিধা দেয়৷ এটি একটি ভার্চুয়াল পুনর্মিলনের মতো যেখানে আপনি সহজেই কাউকে খুঁজে পেতে পারেন এবং আপনার পছন্দের লোকেদের সাথে যোগাযোগ রাখতে পারেন৷ পুরানো বন্ধুত্বকে পুনরুজ্জীবিত করুন, মজার মুহূর্ত শেয়ার করুন এবং তাদের অবকাশকালীন ফটোগুলিতে রিয়্যাকশন দিন।

    5.2 ব্যক্তিগত আপডেট এবং মিডিয়া শেয়ার করা

    একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আপনার নেটওয়ার্কের সাথে আপনার চিন্তাভাবনা, কৃতিত্ব এবং দৈনন্দিন মুহূর্তগুলি শেয়ার করা যায়। সেটা একটি উত্তেজনাপূর্ণ জীবনের ঘটনা হোক অথবা হোক ট্র্যাফিক জ্যাম সম্পর্কে প্রতিদিনের দুর্ভোগের বর্ণনা। আপনার বন্ধুরা আপনার সাথে লাইক, মন্তব্য এবং সহানুভূতি জানাতে পারে৷ এছাড়াও, আপনি এমন ছবি, ভিডিও এবং পোস্টগুলি ভাগ করতে পারেন যা আপনাকে হাসায়, কাঁদায় বা আপনার বিচক্ষণতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে৷

    5.3 গোপনীয়তা নিয়ন্ত্রণ এবং কাস্টমাইজেশন

    ফেসবুক জানে যে গোপনীয়তা গুরুত্বপূর্ণ, তাই তারা আপনার পোস্ট, ফটো এবং ব্যক্তিগত তথ্য কে দেখছে তা পরিচালনা করতে বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণের সুবিধা দেয়৷ আপনি কাস্টম প্রাইভেসি সেটিংস সেটআপ করতে পারেন। আপনার বিব্রতকর নাচের ভিডিওগুলিকে অন্যদের চোখ থেকে লক লক করে রাখতে পারেন৷ এটা আপনার ঘর সাজানোর মত।

    6. ফেসবুক পেজগুলির সুবিধা: ব্যবসার প্রচার এবং দর্শকদের ব্যস্ততা

    6.1 একটি পেশাদার উপস্থিতি প্রতিষ্ঠা করা

    ব্যবসার জন্য, একটি ফেসবুক পেজ থাকা একটি ভার্চুয়াল স্টোরফ্রন্ট থাকার মত। এটি আপনাকে একটি পেশাদার উপস্থিতি স্থাপন করতে এবং সম্ভাব্য গ্রাহকদের কাছে আপনি যা অফার করেন তা প্রদর্শন করার সুবিধা দেয়৷

    6.2 পণ্য, পরিষেবা এবং ব্র্যান্ড প্রদর্শন করা

    একটি ফেসবুক পেজ ব্যবসাগুলিকে তাদের পণ্য, পরিষেবা এবং ব্র্যান্ডকে দৃশ্যত আকর্ষণীয় উপায়ে প্রদর্শন করতে দেয়৷ আপনি ফটো অ্যালবাম তৈরি করতে পারেন, ভিডিও পোস্ট করতে পারেন এবং নতুন অফার বা প্রচার সম্পর্কে আপডেট শেয়ার করতে পারেন৷ এটি একটি ডিজিটাল শোরুম থাকার মতো যেখানে গ্রাহকরা ব্রাউজ করতে পারেন, প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারেন এবং আশা করি, অনুগত ভক্ত হতে পারেন৷

    6.3 অনুসরণকারীদের সাথে জড়িত হওয়া এবং তাদের চাওয়া পাওয়া বিশ্লেষণ করা

    একটি ফেসবুক পেজ থাকার সুবিধাগুলির মধ্যে একটি হল আপনার ফলোয়ারদের সাথে জড়িত থাকার ক্ষমতা। মূল্যবান প্রতিক্রিয়া পেতে আপনি মন্তব্যের উত্তর দিতে পারেন, প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন এবং পোল চালাতে পারেন৷ উপরন্তু, ফেসবুক অন্তর্দৃষ্টি এবং বিশ্লেষণ প্রদান করে যা আপনাকে আপনার পেজর কর্মক্ষমতার দেখিয়ে দেয়। আপনি দেখতে পারেন আপনার ফলোয়ার কারা, তারা কোন পোস্টের সাথে সবচেয়ে বেশি জড়িত এবং আপনার বিজ্ঞাপনের প্রচেষ্টার সাফল্য ট্র্যাক করতে পারেন৷ এটা আপনার নিজের গোপন বিক্রয় এজেন্ট থাকার মত।

    7. একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং পেজ

    7.1 ব্যক্তিগত ব্যবহার বনাম ব্যবসায়িক ব্যবহার

    একটি ফেসবুক আইডি এবং একটি ফেসবুক পেজর মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়, আপনার প্রাথমিক উদ্দেশ্য বিবেচনা করুন। আপনি যদি বন্ধুদের সাথে সংযোগ করতে চান এবং ব্যক্তিগত আপডেটগুলি শেয়ার করতে চান তবে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টই যথেষ্ট৷ কিন্তু আপনার যদি এমন একটি ব্যবসা বা সংস্থা থাকে যা আপনি প্রচার করতে চান এবং গ্রাহকদের সাথে যুক্ত হতে চান, তাহলে একটি ফেসবুক পেজ আপনার সেরা বিকল্প হতে পারে।

    7.2 নির্দিষ্ট লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য

    আপনি কি অর্জন করতে চান তা নিয়ে ভাবুন। একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য আদর্শ, যখন একটি ফেসবুক পেজ আপনাকে আপনার ব্যবসা বাড়াতে, ব্র্যান্ড সচেতনতা বাড়াতে এবং বৃহত্তর দর্শকদের কাছে পৌঁছাতে সাহায্য করতে পারে৷ আপনার লক্ষ্যগুলি জানা আপনাকে সঠিক পছন্দ নির্ধারণ করতে গাইড করবে।

    7.3 সম্পদ এবং সময় প্রতিশ্রুতি

    আপনার ফেসবুক উপস্থিতি পরিচালনার জন্য আপনি একজন মোডারেটর রাখতে পারেন অর্থের বিনিময়ে। একটি ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টের জন্য আপনার স্ট্যাটাস আপডেট করার বাইরে অন্য কোন কাজ নেই। কিন্তু ব্যবসার জন্য একটি ফেসবুক পেজ চালানোর সময় নিয়মিত আইটেম তৈরি, ব্যস্ততা এবং বিজ্ঞাপনও জড়িত থাকতে পারে। ব্যবসা কার্যকরভাবে পরিচালনা করার জন্য সময় এবং জনশক্তি নিশ্চিত করুন।

    8. উপসংহার: ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক ব্যবহারের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া

    একটি ফেসবুক আইডি এবং একটি ফেসবুক পেজ নির্বাচন করা শেষ পর্যন্ত আপনার উদ্দেশ্যগুলির উপর নির্ভর করবে। আপনি যদি ব্যক্তিগত যোগাযোগ রক্ষা করা, পোস্ট করা অথবা আপনার স্টাইলিশ ভিডিওগুলি সৃতির পাতায় ধরে রাখতে চান তবে একটি ফেসবুক আইডি খুলে ফেলুন৷ কিন্তু আপনি যদি আপনার ব্যবসার প্রচার করতে চান, কাস্টোমারদের সাথে যুক্ত হতে চান, তাহলে একটি ফেসবুক পেজ হল উপযুক্ত মাধ্যম৷ আপনি যে পথ বেছে নিন না কেন, সৎ থাকতে ভুলবেন না। ফেসবুক-এর বিশাল জগতে নিজেকে কখনোই খুব বেশি সিরিয়াসলি নেবেন না।

    উপসংহারে, এই জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মটিকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করার জন্য একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং একটি ফেসবুক পেজর মধ্যে পার্থক্য বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ আপনি বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারের সাথে যোগাযোগের জন্য বা আপনার ব্যবসার প্রচারের জন্য, উভয় বিকল্পের পার্থক্য এবং বৈশিষ্ট্যগুলি জেনে রাখা আপনাকে একটি স্মার্ট সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে৷ একটি ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট বা ব্যবসায়িক পেজ আপনার জন্য সঠিক পছন্দ কিনা তা নির্ধারণ করতে আপনার নির্দিষ্ট লক্ষ্য, সংস্থান এবং টার্গেটেড অডিয়েন্স নির্বাচন করুন। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং পেজগুলির শক্তি ব্যবহার করে, আপনি আপনার অনলাইন উপস্থিতিকে কাজে লাগাতে পারেন এবং আপনার পছন্দসই ফলাফল অর্জন করতে পারেন।

    প্রশ্নোত্তর

    1. আমার কি একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং একটি ফেসবুক পেজ উভয়ই থাকতে পারে?

    হ্যাঁ, আপনার একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং একটি ফেসবুক পেজ উভয়ই থাকতে পারে। একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য, যেখানে আপনি বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করতে, আপডেটগুলি শেয়ার করতে পারেন৷ অন্যদিকে, একটি ফেসবুক পেজ প্রাথমিকভাবে ব্যবসা, ব্র্যান্ড, সংস্থা এবং জনসাধারণের জন্য তাদের পণ্য, পরিষেবা বা ধারণা প্রচারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। উভয় থাকা আপনাকে ব্যক্তিগত যোগাযোগের পাশাপাশি একটি পেশাদার অনলাইন উপস্থিতি প্রতিষ্ঠা করার সুবিধা দেয়।

    2. আমি কি একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টকে একটি ফেসবুক পেজে রূপান্তর করতে পারি?

    হ্যাঁ, ফেসবুক অ্যাকাউন্টকে ফেসবুক পেজে রূপান্তর করা সম্ভব। এটি সেই ব্যক্তিদের জন্য দরকারী হতে পারে যারা ব্যবসার উদ্দেশ্যে প্রাথমিকভাবে একটি ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট তৈরি করেছেন বা যাদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে যথেষ্ট ফলোয়ার রয়েছে এবং এটিকে একটি পেজে রূপান্তর করতে চান৷ ফেসবুক “প্রোফাইল টু পেজ মাইগ্রেশন” নামে একটি টুল সরবরাহ করে যা আপনার অ্যাকাউন্টকে রূপান্তর করতে, আপনার বন্ধু এবং ফলোয়ারদেরকে আপনার নতুন পেজে স্থানান্তর করার অনুমতি দেয়।

    3. আমি কি একটি অ্যাকাউন্ট দিয়ে একাধিক ফেসবুক পেজ পরিচালনা করতে পারি?

    হ্যাঁ, আপনি একটি একক অ্যাকাউন্ট দিয়ে একাধিক ফেসবুক পেজ পরিচালনা করতে পারেন। ফেসবুক একাধিক পেজ তৈরি এবং পরিচালনা করার অনুমতি দেয়, যা বিশেষত ব্যবসায় বা ব্যক্তিদের জন্য যাদের একাধিক ব্র্যান্ড বা প্রকল্প রয়েছে তাদের জন্য দরকারী। আপনি আপনার অ্যাকাউন্টের নেভিগেশন মেনুতে “পেজ” বিভাগটি ব্যবহার করে আপনার পেজগুলির মধ্যে অ্যাক্সেস এবং পরিবর্তন করতে পারেন৷ যাইহোক, এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে প্রতিটি পেজ তার নিজস্ব সেটিংস, অডিয়েন্স এবং বিষয়বস্তু সহ স্বতন্ত্র এবং অনন্য।

    আপনার জন্য শুভকামনা!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 207 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

আপনার সবচেয়ে প্রিয় খাবার কোনটি? কেন প্রিয়?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 8 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

অর্থসহ ছেলেদের ১০,০০০ টি ইসলামিক নাম ২০২৩

অর্থসহ ছেলেদের ১০,০০০ টি ইসলামিক নাম ২০২৩
  1. হৃদয়
    সেরা উত্তর
    হৃদয় নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ম দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, স দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ, আ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, র দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ, ত দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, s দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, জ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, ন দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, স দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, স দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নবিস্তারিত পড়ুন

    ম দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, স দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ, আ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, র দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ, ত দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, s দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, জ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, ন দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, স দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, স দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ ২০২১, ফ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, ই দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, ম দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ ২০২১, শ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, র দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নামের তালিকা, হ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, ম দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ, র দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, দুই অক্ষরের ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ, ল দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, ক দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, স দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ ২০২২, র দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ ২০২১, ব দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ pdf, আ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ, অ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, a দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম, আ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ ২০২১

    ছেলেদের ইসলামিক নামের অর্থসহ সম্পূর্ণ তালিকা এই PDF ফাইলে পেয়ে যাবেন। এখানে ক্লিক করে ডাউনলোড করুন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 67 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

গান্ধী এবং জিন্নাহ এদের মধ্যে কাকে আপনি সফল বলবেন? কেন সফল বলবেন?

  1. mokbul
    mokbul পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    প্রাথমিকভাবে অবশ্যই মহম্মদ আলি জিন্নাহ্ সফল এবং মোহনদাস করমচাঁন্দ গান্ধী অসফল এবং ব্যর্থ! একটি পাঁচ হাজারেরও বেশি পুরাতন দেশ, যেখানে শত শত জাতি, ধর্ম, সংস্কৃতি, ভাষা ও খাদ্যাভ্যাসের মানুষ পাশাপাশি বাস করে আসছে, যেখানে ১২০৬ থেকে ১৭৫৭ সাল পর্যন্ত ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা শাসন করা সত্ত্বেও হিন্দু সংখ্যাগরিষবিস্তারিত পড়ুন

    প্রাথমিকভাবে অবশ্যই মহম্মদ আলি জিন্নাহ্ সফল এবং মোহনদাস করমচাঁন্দ গান্ধী অসফল এবং ব্যর্থ! একটি পাঁচ হাজারেরও বেশি পুরাতন দেশ, যেখানে শত শত জাতি, ধর্ম, সংস্কৃতি, ভাষা ও খাদ্যাভ্যাসের মানুষ পাশাপাশি বাস করে আসছে, যেখানে ১২০৬ থেকে ১৭৫৭ সাল পর্যন্ত ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা শাসন করা সত্ত্বেও হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠতা বজায় থেকেছে এবং ১৮৫৭ সালের মহা বিদ্রোহের সময় পর্যন্ত ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে হিন্দু- মুসলমান- শিখ মিলে দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে নিজেদের শাসক বলে ঘোষণা করে, সেই দেশে সৈয়দ আহমদ খানের উপযুক্ত শিষ্য জিন্নাহ্ নামক এক নন প্রাকটিশিং নামে মুসলমান ব্যাক্তি মাত্র ৪০ (১৯০৬—৪৭) বছরের মধ্যেই নিজের জেদ, অবিমিশ্রকারিতা আর রাজনৈতিক কূটবুদ্ধির সাহায্যে একটি নূতন দেশ বানিয়ে ছাড়লেন! সেখানকার ভূমিপুত্র বা ভাষাভাষী না হয়েও রাষ্ট্রপ্রধান হয়ে গেলেন — এটা কি কম সাফল্য! আর এক অশীতিপর বৃদ্ধ , যাকে কেউ মানে না! মৃতদেহের উপর দিয়ে দেশভাগ হবে বলেছিলেন, তাও লক্ষ লক্ষ মৃতদেহ দেখে নেহেরু- প্যাটেল- জিন্নাহ দের হাতে কর্তৃত্ব ছেড়ে দিয়ে কখনো হরিজন পল্লীতে গিয়ে অস্পৃশ্যতা দূর করতে চেষ্টা করছেন, কখনো শত্রুর দেশ পূর্ব পাকিস্তানের নোয়াখালীর গ্রামে গ্রামে গিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বন্ধ করতে আবেদন জানাচ্ছেন, কখনো স্বাধীনতা দিবসে কোলকাতার বেহালায় উপবাস করে কাটাচ্ছেন আবার সর্ব ধর্ম প্রার্থনা সভায় গুলি খেয়ে “হা রাম !” বলতে বলতে মারা যাচ্ছেন — তিনি তো চুড়ান্ত ব্যর্থ একটা মানুষ!

    তবে কি , লোকটা জীবিত থাকলে হয়তো ১৯৪৮ এই তৃতীয় তথা শেষবারের মতো মনোনীত হয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেতেন! মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র, নেলসন ম্যান্ডেলা আর বারাক ওবামার মতো তিন তিনজন নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রাপক ঘোষিতভাবে গান্ধীর অনুগামী! মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক হোসেন ওবামা সপথ নেওয়ার মূহুর্তেও ওই মহাত্মার উল্লেখ করছিলেন, সারা বিশ্বের সঙ্গে আমিও দেখেছিলাম। বিশ্বের বহু দেশের বহু মানুষ অস্ত্র আর হিংসা দিয়ে নয়, অহিংসা আর প্রেম দিয়েই মানুষের সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব বলে মনে করছেন। কিন্তু কেউ কি পাকিস্তানের বাইরে মহম্মদ আলি জিন্নাহের জয়ধ্বনি দিতে বা লড়কে লেঙ্গে ….বলে কোনো দেশের স্বাধীনতা আন্দলন করে সফল হতে বা কাউকে নিজেকে জিন্নাহ্ এঁর অনুগামী বলে সগর্বে ঘোষণা করতে (দু একজন বাংলাদেশি বাদ দিয়ে!) দেখেছেন? সুতরাং মহাকালের বিচারে কে সফল আর কে বিফল?

    আমার মতে গান্ধী!

    আপনার কাকে সফল মনেহয়?

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 51 বার প্রদর্শিত
  • 1 ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ Download

Pathan full movie free download

Pathan full movie free download
  1. allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    Ekhan theke download korun https://t.me/promaxmovieshub

    Ekhan theke download korun
    https://t.me/promaxmovieshub

    সংক্ষেপে দেখুন
      • -1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 4 টি উত্তর
  • 299 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ Download

Adobe Photoshop 7.0 free download full version with key for windows 7 and 10, 64 bit and 32 bit

Adobe Photoshop 7.0 free download full version with key for windows 7 and 10, 64 bit and 32 bit
  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 20 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

নটরডেম কলেজ ভর্তি যোগ্যতা, বিজ্ঞপ্তি, আসন সংখ্যা, ২০২৩

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 24 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

কোন জায়গায় গেলে মানসিক শান্তি পাওয়া যায় ?

  1. Jesmin
    সেরা উত্তর
    Jesmin নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক মেখলা সরকার বলেন, ‘নিজেকে কতটুকু শান্তি দেব এটা পুরোটা নিজের ওপর নির্ভর করে। আমরা যদি প্রতিদিনের বা প্রতি মুহূর্তের ইতিবাচক দিকগুলো নিয়ে ভাবি, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। কেননা আমাদের জীবনের অনেক কিছুই আছে, যা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে; তাই যাবিস্তারিত পড়ুন

    জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক মেখলা সরকার বলেন, ‘নিজেকে কতটুকু শান্তি দেব এটা পুরোটা নিজের ওপর নির্ভর করে। আমরা যদি প্রতিদিনের বা প্রতি মুহূর্তের ইতিবাচক দিকগুলো নিয়ে ভাবি, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। কেননা আমাদের জীবনের অনেক কিছুই আছে, যা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে; তাই যা আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারব না, তা নিয়ে আফসোস করা উচিত নয়। আমাদের উচিত সেসব বিষয় এড়িয়ে চলা, যা নিজেদের জীবনে আমরা গ্রহণ করব না। যেমন কাউকে নিয়ে সমালোচনা করা।’

    সহজ কিছু উপায়ে আমরা আমাদের মানসিক শান্তি ধরে রাখতে পারি …

    1. কঠিন কাজটি আগে করি
    2. গ্রহণ করে নিন অপ্রাপ্তিগুলো
    3. লোকে কী ভাববে তা তাদের ভাবতে দিন
    4. এই মুহূর্তের তিনটি ভালো দিক নিয়ে চিন্তা করুন
    5. নিজের যত্ন নিন

    এবং সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস রাখলে মানুষের সকল খারাপ চিন্তা মন থেকে দূর হয়ে যায়। সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করুন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 57 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

সত্য এসেছে মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে, কথাটার ব্যাখা দিতে পারবেন কি?

  1. Jesmin
    সেরা উত্তর
    Jesmin নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    (৮১) আর বল, ‘সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলীন হয়েছে; নিশ্চয় মিথ্যা বিলীয়মান।’ [1] [1] হাদীসে এসেছে যে, মক্কা বিজয়ের পর যখন নবী (সাঃ) কা’বাগৃহে প্রবেশ করেন, তখন সেখানে তিনশ’ ষাটটি মূর্তি রাখা ছিল। নবী (সাঃ)-এর হাতে ছিল একটি কাষ্ঠখন্ড বা লাঠি। তিনি তার ডগা দিয়ে মূর্তিগুলোকে খোঁচা দিচ্ছিলেন আর جَاءَ الْحَقّবিস্তারিত পড়ুন

    (৮১) আর বল, ‘সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলীন হয়েছে; নিশ্চয় মিথ্যা বিলীয়মান।’ [1]

    [1] হাদীসে এসেছে যে, মক্কা বিজয়ের পর যখন নবী (সাঃ) কা’বাগৃহে প্রবেশ করেন, তখন সেখানে তিনশ’ ষাটটি মূর্তি রাখা ছিল। নবী (সাঃ)-এর হাতে ছিল একটি কাষ্ঠখন্ড বা লাঠি। তিনি তার ডগা দিয়ে মূর্তিগুলোকে খোঁচা দিচ্ছিলেন আর جَاءَ الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ..। এবং  جَاءَ الْحَقُّ وَمَا يُبْدِئُ الْبَاطِلُ وَمَا يُعِيدُ পড়ে যাচ্ছিলেন। (বুখারীঃ কিতাবুল মাযালিম, মুসলিমঃ কিতাবুল জিহাদ)

     

    তাফসীরে আহসানুল বায়ান

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 67 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

Power 30 ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম, কার্যকারিতা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও দাম

  1. পলক
    সেরা উত্তর
    পলক পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    এটি হলো লিঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যা সমাধানের ঔষধ যাকে ইরেক্টাইল ডিসফাংশনাল বলে যা মানুসিক আরকি, যাদের লিঙ্গ উত্থান হয় না, তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, সুতারং এসব ঔষধ আপনার প্রয়োজন হলে আপনার ডাক্তারের সাথে আলোচনা করুন ও সঠিক ডোজ গ্রহণ করুন।। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ গ্রহণ করবেন না। এরকম ওষুধ হৃদরোগ এবং জটবিস্তারিত পড়ুন

    এটি হলো লিঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যা সমাধানের ঔষধ যাকে ইরেক্টাইল ডিসফাংশনাল বলে যা মানুসিক আরকি, যাদের লিঙ্গ উত্থান হয় না, তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, সুতারং এসব ঔষধ আপনার প্রয়োজন হলে আপনার ডাক্তারের সাথে আলোচনা করুন ও সঠিক ডোজ গ্রহণ করুন।।

    ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ গ্রহণ করবেন না। এরকম ওষুধ হৃদরোগ এবং জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করে।

    ধন্যবাদ।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 1,850 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

উচ্চ ক্যালরি যুক্ত খাবার গুলোর নাম সহ ক্যালরি চার্ট pdf

  1. shanto
    সেরা উত্তর
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    প্রতিটি মানুষের আদর্শ ওজন থাকা জরুরি। অতিরিক্ত ওজন যেমন ভালো নয়, স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজন থাকাও ঠিক নয়। ওজন বাড়াতে স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজনের ব্যক্তিদের প্রয়োজন পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং সঠিক জীবনযাপন পদ্ধতি। ওজন বাড়াতে নিম্নোক্ত কৌশলগুলো বেশ সহায়ক। ১. অতিরিক্ত ক্যালরির খাবার গ্রহণ: শরীরে যবিস্তারিত পড়ুন

    প্রতিটি মানুষের আদর্শ ওজন থাকা জরুরি। অতিরিক্ত ওজন যেমন ভালো নয়, স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজন থাকাও ঠিক নয়। ওজন বাড়াতে স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজনের ব্যক্তিদের প্রয়োজন পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং সঠিক জীবনযাপন পদ্ধতি।

    ওজন বাড়াতে নিম্নোক্ত কৌশলগুলো বেশ সহায়ক।

    ১. অতিরিক্ত ক্যালরির খাবার গ্রহণ: শরীরে যে পরিমাণ ক্যালরি প্রতিদিন ক্ষয় হয়, তার চেয়ে ৫০০–৭০০ ক্যালরি খাবার বেশি খেতে হবে। ভাত, মাছ–মাংস, ডাল, বীজ, শাকসবজি, ফলমূল, ডিম, দুগ্ধজাতীয় খাবার নিয়মিত খেতে হবে।

    ২. উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার গ্রহণ: ওজন বাড়াতে চাইলে অবশ্যই খাদ্যতালিকায় উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার রাখতে হবে। এ ধরনের কিছু খাবার হলো কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, আখরোট, পেস্তাবাদাম, চিনাবাদাম, খেজুর, কিসমিস, আলুবোখারা, ননিযুক্ত দুধ, ফুলক্রিম দই, পনির, ক্রিম, মুরগির মাংস, গরুর মাংস, ভেড়ার মাংস, ছাগলের মাংস ও কলিজা, আলু, মিষ্টি আলু, চকলেট, কলা, আ্যভোকাডো, পিনাট, মাখন ইত্যাদি।

    ৩. দিনে পাঁচ–ছয়বার খাবার গ্রহণ: যাঁদের ওজন কম, তাঁদের তিন–চার ঘণ্টা পরপর খাবার খেতে হবে। দীর্ঘসময় পেট খালি রাখা চলবে না। পুষ্টিকর উচ্চ ক্যালরির খাবার যদি বারবার গ্রহণ করা হয় এবং প্রতিদিনের ক্যালরির চাহিদা যদি পূরণ করা যায়, সে ক্ষেত্রে দ্রুতই ওজন বাড়ানো সম্ভব।

    ৪. শর্করাজাতীয় খাবার: অনেকেই শর্করা একেবারে কম গ্রহণ করেন। এটা মোটেও ঠিক নয়। যাঁদের ওজন কম, তাঁদের অবশ্যই মোট ক্যালরির শতকরা ৫০-৬০ ভাগ শর্করা গ্রহণ করতে হবে। দিনে তিনবার প্রধান খাবার হিসেবে শর্করা গ্রহণ করতে হবে। এ ধরনের খাবারের মধ্যে আলু, আটা, চাল, পাস্তা অন্যতম।

    ৫. আমিষযুক্ত খাবার গ্রহণ: ওজন বাড়াতে আমিষযুক্ত খাবার খাওয়া জরুরি। শরীরের প্রতি কেজি ওজনের জন্য ১ দশমিক ৫ থেকে ২ দশমিক ২ গ্রাম আমিষ নিয়মিত গ্রহণ করতে হবে। ডিম, দুধ, মাছ, মাংস, ডাল, বীজজাতীয় খাবার আমিষের ভালো উৎস।

    ৬. ব্যায়াম: পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। ওজন বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যায়াম ক্ষুধা বাড়াতে, খাবার ভালোমতো হজম করতেও সাহায্য করে।

    ৭. জীবনযাপন: ওজন বাড়াতে চাইলে জীবনযাপন পদ্ধতিও স্বাস্থ্যকর হতে হবে। গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকা চলবে না। প্রতিদিন আট ঘণ্টা ভালো ঘুম হতে হবে। দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে হবে।

    কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ

    ■ প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করতে হবে। তবে খাওয়ার আগে পানি পান করা যাবে না।

    ■ প্রোটিনযুক্ত খাবার আগে এবং শাকসবজি শেষে গ্রহণ করুন।

    ■ ঘুমানোর আগে একটা স্বাস্থ্যকর উচ্চ ক্যালরির স্ন্যাকস খাওয়ার চেষ্টা করুন।

    ■ বড় থালায় খাবার খেতে হবে।

    ■ ধূমপান বর্জন করতে হবে।

    সূত্রঃ প্রথম আলো

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 639 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

ডারউইন তত্ত্ব কি? ডারউইনের বিবর্তনবাদ pdf দিন

  1. shanto
    সেরা উত্তর
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    ডারউইন এর বিবর্তন তত্ব ও এ সম্পর্কিত ভুল ধারণাগুলো জীববিজ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব হচ্ছে বিবর্তনবাদ। পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ বুঝতেই শুধু নয়- প্রাণের বৈশিষ্ট্য, গুণাবলী বুঝতেও বিবর্তনবাদ অপরিহার্য। অথচ এই বিবর্তনবাদই হচ্ছে মানব ইতিহাসে সবচেয়ে বেশী ভূল বোঝা তত্ত্ব। এই ভূল বোঝাবোঝির সিংহভাগইবিস্তারিত পড়ুন

    ডারউইন এর বিবর্তন তত্ব ও এ সম্পর্কিত ভুল ধারণাগুলো

    imgbox

    জীববিজ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব হচ্ছে বিবর্তনবাদ। পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ বুঝতেই শুধু নয়- প্রাণের বৈশিষ্ট্য, গুণাবলী বুঝতেও বিবর্তনবাদ অপরিহার্য। অথচ এই বিবর্তনবাদই হচ্ছে মানব ইতিহাসে সবচেয়ে বেশী ভূল বোঝা তত্ত্ব। এই ভূল বোঝাবোঝির সিংহভাগই আসে বিবর্তন সম্পর্কে সম্যক ধারণা না থাকায়। এই লেখায় আমি বিবর্তনের বিপক্ষে ১০টি সবচেয়ে বেশিবার ব্যবহৃত হওয়া ভূল ধারণাগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করবো আর সেগুলো বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করবো।

    ভুল ধারণা ১ – বিবর্তন শুধু একটা তত্ত্ব

    এই মিথ্যাচারটিকে, যদি না সেটা অজ্ঞানতাবশত করা হয়ে থাকে; অনেকেই তর্কে তুলে আনেন। “বিবর্তন ফ্যাক্ট না, এটা একটা থিওরি মাত্র” বলে বোঝাতে চান বিবর্তন বিশ্বাসযোগ্য নয়! বিবর্তন ফ্যাক্ট এবং থিওরি দুটোই, নির্ভর করে আপনি কী নিয়ে কথা বলছেন তার উপর।

    সকল প্রাণী সরলতর প্রাণী থেকে কয়েক মিলিয়ন বছরে বিবর্তিত হয়ে বর্তমান অবস্থানে এসেছে। সেই সরলতর প্রাণীকে বলা হয় LUCA (Last Universal Common Ancestor)- এটা একটা বৈজ্ঞানিক ফ্যাক্ট। এই ফ্যাক্টের সত্যতা পাওয়া যায় ফসিলে, ডিএনএতে আর জৈবভূগোলে। আপনি ফসিল খুঁজতে যত গভীরে যাবেন তত সরলতর প্রাণীর ফসিল পাবেন। সরলতর প্রাণীদের ভীড়ে আপনি জটিল গঠনের ফসিল পাবেন না, কখনোই। একই গভীরতায় পাওয়া ফসিলরা একই রকম গঠনের হবে, জটিলতার দিক থেকে।

    ডিএনএর গঠনও প্রচ্ছন্নভাবে বিবর্তনের প্রমাণ দিয়ে যায়। শিম্পাঞ্জীর সাথে মানুষের কার্যকর জীন ৯৯.৬% মিলে যায়। ইদুরের সাথে ৮০% মিলে যায়। এই শতকরা অনুপাত আবার একক পূর্বপুরুষের জীবনকালের সাথে সম্পর্কিত। এগুলো বিবর্তনকে ফ্যাক্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। এবার দেখা যাক থিওরির অংশটা।

    থিওরি হচ্ছে যা দিয়ে ফ্যাক্টকে বিশ্লেষণ করা হয়। The Theory of Evolution by the means of Natural Selection”, থিওরিটা হচ্ছে প্রাকৃতিক নির্বাচনের অংশটা।

    অন্যভাবে বলতে গেলে, বিবর্তন হচ্ছে ফ্যাক্ট, প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে সেটা ঘটে এটা হচ্ছে থিওরি। আরো কিছু থিওরি যদি আমরা দেখি তবে ব্যাপারটা বুঝতে সুবিধা হবে- The theory of universal gravity, The germ theory, The cell theory, The heliocentric theory, যেগুলো সর্বোচ্চ বৈজ্ঞানিক সম্মানপ্রাপ্ত সত্য সেগুলোকেও থিওরিই বলা হয়।

    চার্লস ডারউইন আর আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেসের আগেও অনেক প্রকৃতিবাদী-জীববিজ্ঞানী-দার্শনিক বিবর্তনের কথা বলে গেছেন। তারা যেটা পারেন নি সেটা হচ্ছে “কেনো” প্রশ্নটির উত্তর দেওয়া। ডারউইন আর ওয়ালেস “কেনো” আর “কিভাবে” ব্যাখা করতে পেরেছেন। আর সেটাই তাদের অসাধারণ আর ক্ষেত্রবিশেষে ঘৃনার পাত্র করে তুলেছে।

    ভুল ধারণা ২ – বানর/এপ থেকে মানুষের বিবর্তন হয়েছে

    “যদি মানুষের বিবর্তন বানর/এপ থেকে হয় তাহলে এখনো কেনো বানর/এপ আছে?” প্রশ্নটি হতাশাজনক ভাবে ভুল।

    মানুষ বানর বা এপ থেকে বিবর্তিত হয় নি। মানুষ এবং বানর/এপের একক একটা পূর্বপুরুষ ছিল। যদি সময় যাত্রা করে আমরা কয়েক মিলিয়ন বছর অতীতে যেতে পারি তবে আমরা আমাদের এপ-সদৃশ পূর্বপুরুষদের দেখতে পাবো। এদের জনসংখ্যা কয়েকটি ধারায় বিভক্ত হয়েছিল আর বিবর্তনের ভিন্ন ভিন্ন পথে যাত্রা শুরু করেছিল। একটা ধারায় আসা সর্বশেষ প্রাণী আমরা, আরেকটা ধারার সর্বশেষ প্রাণী শিম্পাঞ্জী। (সর্বশেষ বলতে সবচেয়ে নতুন প্রাণী বোঝানো হয়েছে- ধারা এখানেই শেষ হয়ে যায় নি। বিস্তারিত পাবেন “ভুল ধারনা ৭” এ)

    তো শিম্পাঞ্জী আর মানুষের একক প্র-প্র-প্র-প্র…পিতামাতারা ৪-৬ মিলিয়ন বছর আগে বিলুপ্ত হয়ে গেছেন। এর পরে আসা মানবসদৃশ প্রাণীদের ১৪টির মতো ফসিল পাওয়া গেছে যেগুলো “ভুল ধারণা ৪”এ জানতে পারবেন।

    ভুল ধারণা ৩ – তাপগতিবিদ্যার ২য় সুত্র বিবর্তনবাদের সাথে সাংঘর্ষিক

    প্রায়ই যে কথাটা শোনা যায় সেটা হচ্ছে- “তাপগতিবিদ্যার ২য় সূত্র বিবর্তনকে সমর্থন করে না”। আসুন দেখি তাপগতিবিদ্যার ২য় সূত্র কি বলে-

    “কোনো সিস্টেম নিন্মশক্তিস্তর থেকে উচ্চ শক্তিস্তরে যেতে পারবে না, যদি না বাইরে থেকে শক্তির প্রবেশ না হয়।” অন্য ভাষায়- “সিস্টেমের disorder বাড়তেই থাকবে যদি না বাইরে থেকে order সরবরাহ করা হয়।”

    ধরুন আপনি মইয়ের চড়ে মাটি থেকে ৫ফুট উচ্চতায় দাড়িয়ে আছেন, আপনার বন্ধু নিচে মাটিতে দাড়িয়ে আছেন। একজন পদার্থবিদের কাছে আপনার বন্ধুর চেয়ে আপনার potential energy বেশী হওয়ায় আপনি বেশী “ordered”। আপনার বন্ধুটির এনট্রপি (শক্তি রূপান্তরের অক্ষমতা বা অসম্ভাব্যতা বা শক্তির অপ্রাপ্যতা) আপনার চাইতে বেশী।

    লক্ষ্য করুন- তাপগতিবিদ্যার ২য় সুত্রে কম শক্তিস্তর থেকে বেশী শক্তিস্তরে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধ নাই, তবে শর্ত একটাই- বাইরে থেকে শক্তির সরবরাহ আসতে হবে। নিচে দাড়ানো আপনার বন্ধুটি মই চড়ে উপরের শক্তিস্তরে উঠার পথে কোনো বাধা নাই, তবে তাকে তার মাংসপেশীর শক্তি ক্ষয় করতে হবে। অন্য কথায়, শক্তি সরবরাহ করতে হবে।

    আরেকভাবে দেখা যাক- বদ্ধ সিস্টেম- যেখানে বাইরে থেকে শক্তি প্রবেশ করানো যায় না, সেখানে এনট্রপির পরিবর্তন অসম্ভব। খোলা সিস্টেমে এনট্রপি বাইরে থেকে শক্তি নিয়ে পরিবর্তিত হতে পারে।

    এবার ২য় সুত্রকে বিবর্তনের সাথে মিলিয়ে দেখা যাক। পৃথিবী খোলা সিস্টেম- নিকটবর্তী শক্তির আধার হচ্ছে সূর্য, যেখান থেকে আমরা প্রতিনিয়ত শক্তি পাচ্ছি। সূর্য ছাড়া প্রাণ অসম্ভব। সূর্যের তাপশক্তি ব্যবহার করে প্রাণীরা খাদ্য তৈরি করছে। সুতরাং তাপগতিবিদ্যার ২য় সুত্রের সাথে বিবর্তনবাদের কোন সংঘর্ষ নাই, বরং বিবর্তনবাদ তাপগতিবিদ্যার ২য় সূত্র মেনেই চলছে।

    imgbox

    ভুল ধারণা ৪ – মিসিং লিংক নাই

    Odontochelys একটি মধ্যবর্তি প্রাণীর ফসিল যেটা কচ্ছপ আর গিরগিটির মাঝামাঝি একটি প্রাণী ছিল। ছবিতে আমরা একটা গিরগিটির মত লম্বা লেজ আর কচ্ছপের মত খোলস দেখতে পাচ্ছি।

    মিসিং লিংকগুলো আর মিসিং নয়, বিজ্ঞানীরা শত শত ফসিল পেয়েছেন যেগুলো একই সাথে দুটো প্রাণীর বৈশিষ্ট্য বহন করে। উদাহরণস্বরূপ- তিমি। স্তন্যপায়ী হয়েও তিমি পানিতে বেঁচে আছে মাছের মতো। তিমির কংকালে পায়ের হাড়গুলো এখনো বিদ্যমান, যা প্রমাণ করে তিমি বা তার কোনো পূর্বপুরুষ স্থলজ প্রাণী ছিল।

    এছাড়াও Archaeopteryx, Confuciusornis, আর Jeholornis পাখি আর সরীসৃপ মধ্যবর্তী প্রাণীর ফসিল। প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে এই ফসিলগুলো প্রমাণ করে বিবর্তনবাদের সত্যতা। সৃষ্টিতত্ত্ববিদেরা এগুলোকে অস্বীকার করেন, তারা বলেন মধ্যবর্তী ফসিল বলে কিছু নাই, তবে তারা মিসিং লিংক দিয়ে বিবর্তনকে মিথ্যা প্রমাণ করতে চান। ফসিলের প্রমাণ দেখালেও তারা অস্বীকার করেন।

    এখন পর্যন্ত পাওয়া গেছে এমন মানবসদৃশ প্রাণীর ফসিলগুলো হচ্ছে-

    Sahelanthropus tchadensis

    Ardipithecus ramidus

    Australopithecus anamensis

    Australopithecus afarensis

    Kenyanthropus platyops

    Australopithecus africanus

    Australopithecus garhi

    Australopithecus sediba

    Australopithecus aethiopicus

    Australopithecus robustus

    Australopithecus boisei

    Homo habilis

    Homo georgicus

    Homo erectus

    Homo ergaster

    Homo antecessor

    Homo heidelbergensis

    Homo neanderthalensis

    Homo floresiensis

    imgbox

    ভুল ধারণা ৫ঃ বিবর্তন বিজ্ঞান নয়, কারণ এটা প্রত্যক্ষ বা পরীক্ষা করা যায় না

    ক্ষুদ্রতর পরিসরে বিবর্তন বহুবার প্রত্যক্ষ করা হয়েছে। ব্যাকটেরিয়ারা এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে, বিজ্ঞানীরা সেটা প্রতিনিয়ত দেখে নতুন এন্টিবায়োটিক বানাচ্ছেন। গ্রান্ট আর গ্রান্টের করা ২০০২ সালের পরীক্ষায় আমরা দেখেছি খরার কারণে কিভাবে গ্যালাপাগোসের ফিঞ্চ পাখিদের ঠোঁটের পরিবর্তন হয়েছে।

    যাই হোক- যখন কেউ এই দাবি করেন তখন তারা বোঝান দীর্ঘ পরিসরে বিবর্তন প্রত্যক্ষ করার কথা। তারা বলেন “মাইক্রোইভোলিউশন হতেই পারে, তবে সরীসৃপ কিভাবে মোরগে পরিণত হয় আমরা সেটা দেখতে চাই।”

    প্রথমত- মাইক্রোইভুলূ্যশন আর ম্যাক্রোইভুলূ্যশনের মাঝে পার্থক্য খুব বেশী নয়। ক্ষুদ্র পরিসরে বিবর্তন হতে পারলে বৃহৎ পরিসরেও হতে পারে। অনেকগুলো মাইক্রোইভোলিউশন (মিউটেশন) মিলেই ম্যাক্রোইভোলিউশন হয়।

    আর বিজ্ঞান মানেই যে প্রত্যক্ষ করতে হবে সেটা কিন্তু না। আপেক্ষিকতাবাদের প্রতিপাদ্য সময়কালের বক্রতা প্রত্যক্ষ করা আমাদের মত ত্রিমাত্রিক প্রাণীদের পক্ষে অসম্ভব, কিন্তু আমরা সময়কালের বক্রতার প্রমাণ ঠিকই বের করে নিয়েছি। বিজ্ঞানীরা তথ্য ধরে আগান, গোয়েন্দাদের মতো সূক্ষ প্রমাণ জড়ো করে বড় বড় রহস্য সমাধান করেন তাঁরা। বিজ্ঞান সবসময় প্রত্যক্ষ প্রমাণের উপর নির্ভর করে না।

    বিবর্তনবাদী বিজ্ঞানীরা তথ্য-প্রমাণ জড়ো করে করে বলতে পারেন- মোরগ সরীসৃপ থেকে বিবর্তিত হয়েছে। ফসিল-ডিএনএ ইত্যাদি তথ্য বিচার বিশ্লেষন করে তাঁরা আমাদের দেখান এটাই সত্য। তাঁরা বলেন- “পাখিরা যদি সরীসৃপ থেকে বিবর্তিত হয়ে থাকে তবে পাখিদের ডিএনএ সরীসৃপদের সাথে বেশী মিলবে।” পরে সেটার প্রমাণ হাজির করার পর তাঁরা উপসংহার টানেন। এটাকেই বলে scientific method!

    ভুল ধারণা ৬- একক প্রাণীর বিবর্তন

    প্রজাতির বিবর্তন হয়, একক প্রাণীর নয়। বিবর্তন হল নির্দিষ্ট সময়ে একটা প্রজাতির জীনগত গঠনে যে পরিবর্তন ঘটে। সুতরাং, যেহেতু কোন একক প্রাণী তার জীনগত কাঠামোতে কোন পরিবর্তন আনতে পারে না, তার একক বিবর্তন সম্ভব নয়। যেমন, যদি কোন খরার সময় শুধুমাত্র বড় বীজসম্পন্ন গাছগুলো ছাড়া সকল বীজসম্পন্ন গাছ ধ্বংস হয়ে যায়, ছোট ঠোঁটের কোন পাখি ঐ খরার আদলে বিবর্তিত হতে পারবে না। অন্য ভাষায়, এটি বড় বীজ খাওয়ার জন্য তার জীনগত কাঠামোর পরিবর্তন করে তার ঠোঁটের আকার-আকৃতি বদলে ফেলতে পারবে না। জীববিজ্ঞানের ভাষায়, এটি অভিযোজিত হতে পারবে না। ফলাফলস্বরূপ, বড় ঠোঁটের পাখিগুলোর তুলনায় ছোট ঠোঁটের পাখিগুলো কম খাবার পাবে এবং কম সন্তানের জন্ম দেবে। এর মানে হলো, পরবর্তী প্রজন্মে বড় ঠোঁটের জন্য জীন বেশি থাকবে। সুতরাং সম্পূর্ণ প্রজাতির খরার সাথে খাপ খাওয়াতে বিবর্তিত এবং অভিযোজিত হবে, কোনো একক প্রাণী নয়।

    ভুল ধারণা ৭: বিবর্তনের কোন লক্ষ্য আছে

    মানুষ প্রায়ই বিবর্তন সম্পর্কে বলে যে, “কিছু সাধন করে ফেলায় চেষ্টারত”; নয়তো তারা প্রাইমেট এবং অন্যান্য স্তন্যপায়ীদের অন্য প্রাণীদের তুলনায় “বেশি বিবর্তিত” বলে আখ্যা দেয়। কিন্তু এ ধরণের বিবৃতিগুলো প্রবল সমস্যাযুক্ত কারণ তারা এটারই পরিষ্কার ইঙ্গিত দেয় যে বিবর্তনের কোন উদ্দেশ্য আছে, যা সত্য নয়। জীববিজ্ঞানীরা প্রায়ই বলেন যে, “বিবর্তন অন্ধ।” বিবর্তন যা করে তা হলো কোন জীব প্রজাতিকে তার বর্তমান পরিবেশ এবং জীবনপ্রণালীর সাথে অভিযোজিত করে তোলে। বিবর্তনের কোন উদ্দেশ্য নেই, এবং এটি কোন ভবিষ্যদ্বাণী করতে সক্ষম নয়। সুতরাং, সহস্র প্রজন্মের জন্য নির্বাচিত বৈশিষ্ট্য পরিবেশের এ কোন পরিবর্তনের কারণে হঠাৎ বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

    কারণ, বিবর্তন শুধু জীবকে তার বর্তমান পরিবেশ এবং জীবনপ্রণালীর সাথে খাপ খাওয়াতে সাহায্য করে, যেকোন এক প্রজাতিকে অন্যদের চেয়ে “বেশি বিবর্তিত” বলে আখ্যা দেওয়ার কোন মানে হয় না। যেমন, একটা বানর একটা মাছির চেয়ে বেশি বিবর্তিত নয় যে মাছি বানরটার পায়খানা থেকে আর্দ্রতা পায়। বানর অবশ্যই বেশি জটিল, কিন্তু এটি আসলে বেশি বিবর্তিত নয় কারণ বানর এবং মাছি দুজনই তাদের নিজ নিজ জীবনপ্রণালীর সাথে খুব ভালভাবেই খাপ খাইয়েছে। যদি আপনি বলতে চান যে বানরটা মাছিটার চেয়ে বেশি বিবর্তিত, তাহলে আপনি বলছেন যে বিবর্তনের উদ্দেশ্য আছে, যা ভুল।

    পরিশেষে, এটা সৃষ্টিতত্ত্ববিদদের প্রচলিত সমালোচনা, “কিছু প্রজাতির উলটো বিবর্তন হয়েছে (যেমনঃ পেঙ্গুইনের ওড়ার ক্ষমতা হারানো, তিমির সাগরে ফিরে যাওয়া)”, এর ব্যাখ্যা দেয়। মনে হতে পারে যে বিবর্তনের নির্দিষ্ট লক্ষ রয়েছে, কিন্তু বাস্তবে এটা শুধু জীবকে তার বর্তমান পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াচ্ছে। সুতরাং, একটা সময়ে, যখন ওড়ার প্রয়োজনীয়তা ছিল, বিবর্তন পাখিকে ওড়ার সামর্থ দিয়েছে। কিন্তু অ্যান্টার্কটিকায় যেসব পাখির বাস, ওড়ার বিদ্যার প্রয়োজনীয়তা তাদের এত বেশি ছিল না, যতটা ছিল সাঁতার এবং উষ্ণ থাকার বিদ্যার, যা বিবর্তন তাদের দিয়েছে ওড়ার ক্ষমতার পরিবর্তে এবং পেঙ্গুইন এসেছে।

    ভুল ধারণা ৮: কিছু সিস্টেম বিবর্তনের জন্য খুব বেশিই জটিল

    এটা বিবর্তনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে পুরনো সমালোচনা। এবং ইদানীং “সরলীকরণের অযোগ্য জটিলতা” নামে একে নিয়ে আবার কথা হচ্ছে।এর মূলকথা হল, কিছু সিস্টেম বিবর্তনের জন্য খুব বেশি জটীল কারণ সকল অংশ একত্রিত হবার আগ পর্যন্ত তারা কার্যকরী নয়। যেমন, একটা চোখের ছোট একটা অংশের অনুপস্থিতির জন্য চোখটা দেখতে পাবে না, একটা Bacterial Flagellum একটা প্রোটিনের অভাবে Flagellum এর মত আচরণে সক্ষম হবে না। সুতরাং, বিতর্কের মূলকথা হল, এই সিস্টেমগুলো বিবর্তিত হতে পারতো না কারণ সেখানে কোন কার্যকরী ধাপ থাকতো না, প্রকৃতি ঐ ধাপগুলো নির্বাচন করতে পারতো না। সমস্যা হল, এই বিতর্ক একটা বিষয়কে অবজ্ঞা করছে, “বিবর্তন অন্ধ”। বিবর্তনের চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে নির্বাচিত হবার জন্য বৈশিষ্ট্যগুলোকে কার্যকরী হতে হবে, এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। বরং, যদি কোন বৈশিষ্ট্য কার্যক্ষম হয়, প্রকৃতি তাদের নির্বাচিত করবে। প্রকৃতপক্ষে, কেউ এখনো পুরোপুরি সরলীকরণের অযোগ্য কোন সিস্টেম খুঁজে বের করতে পারেনি, এবং জটিল সিস্টেমের বিবর্তন ব্যাখ্যায় আমাদের আছে বিবর্তন পদ্ধতি। যেমনঃ পূর্বে উল্লেখিত চোখের উদাহরণে, চোখটা শুধু কিছু আলোক সংবেদনশীল কোষ যোগ করে নিত (অনেকটা চ্যাপ্টাকৃমির মত)। তারা ঠিক চোখের মত কাজ করে না, কিন্তু এরপরও তারা কার্যক্ষম, সুতরাং প্রকৃতি তাদের জন্য নির্বাচন করবে। একইভাবে, যসব প্রোটিনের জন্য Flagellum এর উদ্ভব হয়, তারা কোষের অন্যান্য কাজগুলো করে, এমনকি আমরা এমন এক ধারাবাহিক প্রক্রিয়া খুঁজে পেয়েছি যা প্রতি ধাপকে কোষের জন্য কার্যক্ষম করে Flagellum এ রূপান্তরিত করবে, যদিও চূড়ান্ত ধাপই হবে একটি পরিপূর্ণ Flagellum। সুতরাং এটি সত্য নয় যে কিছু সিস্টেম বিবর্তনের জন্য খুব বেশিই জটিল।

    ভুল ধারণা ৯: বিবর্তন মহাবিশ্বের প্রথম কোষের নির্মাণ বর্ণনা করে

    আমরা প্রায়ই মানুষকে বলতে শুনি যে, “বিবর্তনবাদ সত্য নয় কারণ……ব্লা…ব্লা…ব্লা… বিগ ব্যাং,” অথবা কেন আমরা এখনো প্রথম কোষের নির্মাণ কিভাবে হয়েছিল তা বের করতে পারিনি, এমন আজবাজে কথা। এসব বিতর্কের সাথে বিবর্তনবাদের কোন সম্পর্কই নেই। বিগ ব্যাং তত্ত্ব মহাবিশ্বের আবির্ভাব নিয়ে এবং Abiogenesis জীবনের নির্মাণ নিয়ে আলোচনা করে। বিবর্তন মঞ্চে আসে মূলত জীবনের উৎপত্তির পর। সুতরাং, যদি আপনি কোনভাবে বিগ ব্যাং বা Abiogenesis কে ভুল প্রমাণ করেও ফেলেন, আপনার পক্ষে এরপরও সম্ভব হবে না বিবর্তনকে ভুল প্রমান করা। প্রকৃতপক্ষে, কিছু মানুষ ভাবে প্রথম কোষটি ঈশ্বরের সৃষ্টি, তারা বিবর্তনবাদকেও তার জায়গা ছেড়ে দেয়। অন্য কথায়, তারা Abiogenesis কে না মানলেও বিবর্তনকে মেনে নিয়েছে (যদিও বিগ ব্যাং এবং Abiogenesis কে অস্বীকার করার মত কোন শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক কারণ নেই।)

    ভুল ধারণা ১০: বিবর্তনের ভিত্তি হল বিশ্বাস

    যারা এটা দাবি করেন তাদের কাছে আমি জানতে চাইব যে ঠিক কোন অংশটি আপনি মনে করেন স্রেফ বিশ্বাসভিত্তিক? ৫ম পয়েন্টে যেভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, আমরা মিলিয়ন মিলিয়ন বছরের বিবর্তন নিজের চোখে দেখিনি বলে বিবর্তনকে অবৈজ্ঞানিক বলে আখ্যা দেয়া যায় না। বরং বিবর্তন হচ্ছে বিজ্ঞানের সর্বাধিক স্বীকৃত ধারণাগুলোর একটি, এবং যদি আপনি আসলেই ‘Origin of the Species’ পড়ে থাকেন তো দেখবেন, এটি প্রমাণে পরিপূর্ণ। এছাড়াও, ডারউইন ছিলেন একজন ব্যতিক্রমী বিজ্ঞানী এবং তিনি পরিষ্কার ভবিষ্যদ্বানী করে গেছেন যে তাঁর থিওরি সঠিক হলে পরবর্তীতে রিসার্চাররা কী কী ফলাফল পেতে পারেন। যেমন, তিনি স্পষ্টভাবে ভবিষ্যদ্বানী করেছিলেন আমাদের মধ্যবর্তী ফসিল আবিষ্কারের কথা, এবং আমরা করেছি। কিছু জীব আছে, যাদের অস্তিত্ব আমরা খুঁজে পাওয়ার কয়েক যুগ আগেই বিবর্তন এদের ধারণা দিয়েছিল। এটি নিঃসন্দেহে এক অনন্য কৃতিত্ব। একইভাবে, বিবর্তন জেনেটিকস এবং ফসিল রেকর্ডের মধ্যেকার শক্তিশালী সম্পর্কের ধারণা করেছিল, এবং আবারো, এর ধারণা সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হয়েছে। সুতরাং আপনি যদি দাবি করেন বিবর্তন স্রেফ বিশ্বাসভিত্তিক, আপনার কাছে আমি জানতে চাইব যে ঠিক কোন অংশটি আপনি মনে করেন শুধুমাত্র বিশ্বাসভিত্তিক, কারণ এর কোন দিক নেই যা আমি গবেষণামূলক তথ্য দিয়ে ভুল প্রমাণ করতে পারেন।

    সূত্রঃ ইন্টার্নেট

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 475 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

হ্যাকিং করার জন্য হ্যাকার দের কোন অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার এবং অ্যাপ ব্যবহার করতে হয়?

  1. ভবের হাট 🤘
    সেরা উত্তর
    ভবের হাট 🤘 পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    বেশিরভাগ হ্যাকাররা লিনাক্স এর ডিস্টো ব্যবহার করে। হ্যাকিং এর জন্য লিনাক্স ডিস্টো এর মধ্যে ক্যালি অনেক জনপ্রিয়। কারণ এতে ডিফল্ট পেনেট্রেশন টেস্টিং সফটওয়্যার ইনস্টল করা থাকে। বেশিরভাগ হ্যাকাররা লিনাক্স এর ডিস্টো ব্যবহার করে। হ্যাকিং এর জন্য পাইথন পোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজটি বেশি জনপ্রিয়, তাই আপনার যদিবিস্তারিত পড়ুন

    বেশিরভাগ হ্যাকাররা লিনাক্স এর ডিস্টো ব্যবহার করে। হ্যাকিং এর জন্য লিনাক্স ডিস্টো এর মধ্যে ক্যালি অনেক জনপ্রিয়। কারণ এতে ডিফল্ট পেনেট্রেশন টেস্টিং সফটওয়্যার ইনস্টল করা থাকে। বেশিরভাগ হ্যাকাররা লিনাক্স এর ডিস্টো ব্যবহার করে।

    হ্যাকিং এর জন্য পাইথন পোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজটি বেশি জনপ্রিয়, তাই আপনার যদি হ্যাকিং শেখার ইচ্ছা থাকে তাহলে পাইথন দিয়ে শুরু করেন। আর আপনি যদি খুব সহজে পাইথন শিখতে চান, তাহলে Programming Hero অ্যাপসটি ব্যাবহার করতে পারেন, পাইথন শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই উপকারী অ্যাপস।

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 65 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
আরও প্রশ্ন লোড করুন

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • kamrul khan
    kamrul khan একটি উত্তর দিয়েছেন আল্ট্রা-থিন মোশন সেন্সর ক্লোজেট লাইট – আপনার ঘরের আভিজাত্য ও… এপ্রিল 23, 2026, সময়ঃ 3:05 পূর্বাহ্ন
  • Sinclair
    Sinclair একটি উত্তর দিয়েছেন When shopping for best sex dolls, most buyers tend to… এপ্রিল 17, 2026, সময়ঃ 3:10 পূর্বাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন হ্যাঁ, Bestchange.com থেকে নিশ্চিতভাবে আয় করা সম্ভব। এটি মূলত একটি… এপ্রিল 15, 2026, সময়ঃ 2:13 অপরাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন প্রশ্নোত্তর প্রদানের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করার বিষয়টি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 2:11 পূর্বাহ্ন
  • সুমনা
    সুমনা একটি উত্তর দিয়েছেন এসইও (SEO) এর ক্ষেত্রে ব্যাকলিংক একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 1:59 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 105 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,038 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 154 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 116 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 75 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

SA Samim

SA Samim

  • 13 প্রশ্ন
  • 12 পয়েন্ট
এডিটর
সুমনা

সুমনা

  • 19 প্রশ্ন
  • 4 পয়েন্ট
নতুন
ভবের হাট 🤘

ভবের হাট 🤘

  • 25 প্রশ্ন
  • 3 পয়েন্ট
পণ্ডিত
Sinclair

Sinclair

  • 0 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
sajedul islam

sajedul islam

  • 1 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন