সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

আড্ডাবাজ অ্যাপ ইন্সটল করুন
সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

shanto

ভিআইপি
প্রশ্ন করুন shanto
137 বার প্রদর্শিত
1 জন ফলোয়ার
20 প্রশ্ন
হোমপেজ/ shanto/সেরা উত্তর
aalan
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পছন্দ তালিকা
  • ফলোকৃত প্রশ্ন
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  • ফলোকৃতদের প্রশ্ন
  • ফলোকৃতদের উত্তর
  • ফলোয়ারদের ব্লগ
  • ফলোকৃত/ফলোয়ারদের ব্লগ মন্তব্য
  1. সময়ঃ 12 মাস আগেক্যাটাগরিঃ ব্যাংক-বীমা

    সোনালী ব্যাংক ডিপিএস কি অন্যান্য ব্যাংকগুলোর চেয়ে বেশি লাভ দেয়?

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 12 মাস আগে

    সোনালী ব্যাংক ডিপিএস: বিস্তারিত গাইড ডিপিএস বা ডিপোজিট পেনশন স্কিম বাংলাদেশের সঞ্চয়কারীদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। সোনালী ব্যাংক দেশের অন্যতম প্রধান ব্যাংক হিসেবে বিভিন্ন মেয়াদ এবং সুবিধাজনক শর্তে ডিপিএস অফার করে। ডিপিএস কি? ডিপিএস হলো একটি সঞ্চয় স্কিম যেখানে মাসিক নির্দিষ্ট অর্থ জমা দিয়েবিস্তারিত পড়ুন

    সোনালী ব্যাংক ডিপিএস: বিস্তারিত গাইড

    ডিপিএস বা ডিপোজিট পেনশন স্কিম বাংলাদেশের সঞ্চয়কারীদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। সোনালী ব্যাংক দেশের অন্যতম প্রধান ব্যাংক হিসেবে বিভিন্ন মেয়াদ এবং সুবিধাজনক শর্তে ডিপিএস অফার করে।

    ডিপিএস কি?

    ডিপিএস হলো একটি সঞ্চয় স্কিম যেখানে মাসিক নির্দিষ্ট অর্থ জমা দিয়ে নির্ধারিত মেয়াদ শেষে চক্রবৃদ্ধি সুদসহ অর্থ ফেরত পাওয়া যায়। এটি সাধারণত ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তার জন্য ব্যবহৃত হয়।

    সোনালী ব্যাংকের ডিপিএস চার্ট ২০২৩ ও ২০২৪

    ৪ বছরের মেয়াদ:

    প্রতি মাসে জমা: ১৭,৩৮০ টাকা

    মেয়াদ শেষে মোট: ১০,২৬৮০ টাকা

    ৫ বছরের মেয়াদ:

    প্রতি মাসে জমা: ১৩,২৮০ টাকা

    মেয়াদ শেষে মোট: ১০,৭৮০ টাকা

    ৬ বছরের মেয়াদ:

    প্রতি মাসে জমা: ১০,৫৭০ টাকা

    মেয়াদ শেষে মোট: ১০,৭৮০ টাকা

    ৭ বছরের মেয়াদ:

    প্রতি মাসে জমা: ৮,৬৪০ টাকা

    মেয়াদ শেষে মোট: ১০,০০০০০ টাকার বেশি

    বিঃদ্রঃ সুদের হার এবং চূড়ান্ত পরিমাণ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী পরিবর্তনশীল হতে পারে।

    কোন ব্যাংকে ডিপিএস লাভ বেশি?

    অন্যান্য ব্যাংকের সাথে তুলনা করলে সোনালী ব্যাংক প্রতিযোগিতামূলক সুদের হার প্রদান করে। উদাহরণস্বরূপ:

    সিটি ব্যাংক: ৬% থেকে ৯.৫% পর্যন্ত সুদ

    ঢাকা ব্যাংক: ৮% থেকে ৯.৫% পর্যন্ত সুদ

    অগ্রণী ব্যাংক: ৭% থেকে ৮.৫% পর্যন্ত সুদ

    ডিপিএস লাভের পরিমাণ ব্যাংক, মেয়াদকাল, এবং মাসিক কিস্তির ওপর নির্ভর করে। সঠিক ব্যাংক নির্বাচন করতে শর্তাবলী ভালোভাবে যাচাই করুন।

    ডিপিএস কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    1. ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।

    2. নিয়মিত সঞ্চয় তৈরি করতে।

    3. আকর্ষণীয় সুদের মাধ্যমে অর্থ বাড়াতে।

    কিভাবে ডিপিএস খুলবেন?

    সোনালী ব্যাংকের যে কোনো শাখায় যোগাযোগ করে ডিপিএস স্কিম শুরু করতে পারেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং সঠিক তথ্য প্রদান করতে হবে।

    সোনালী ব্যাংকের ডিপিএস একটি স্থিতিশীল ও লাভজনক সঞ্চয় পদ্ধতি। তবে, ব্যাংকের শর্তাবলী বুঝে এবং আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  2. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    Vivo y1s price in bangladesh, Real Price 2024-2025?

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    vivo Y1s Price in Bangladesh: A Budget Smartphone with Essential Features In today's smartphone market, it's increasingly important to find a device that delivers decent performance at a reasonable price. One such phone that stands out in the budget segment is the vivo Y1s, a device designed to cateবিস্তারিত পড়ুন

    vivo Y1s Price in Bangladesh: A Budget Smartphone with Essential Features

    In today’s smartphone market, it’s increasingly important to find a device that delivers decent performance at a reasonable price. One such phone that stands out in the budget segment is the vivo Y1s, a device designed to cater to users who need a smartphone for everyday tasks without burning a hole in their wallet. Priced at BDT 8,790 in Bangladesh, the vivo Y1s is an attractive option for those seeking affordability and functionality.

    Overview of the vivo Y1s

    The vivo Y1s is a compact, user-friendly device with essential features that make it perfect for light users or those new to smartphones. With a 6.22-inch display, a basic yet reliable MediaTek Helio P35 chipset, and a decent 4030 mAh battery, it offers a well-rounded experience for its price.

    Whether you’re a student looking for a low-cost device for online classes, or someone who wants a second phone for light use, the vivo Y1s fits the bill.

    Design and Display

    One of the first things you’ll notice about the vivo Y1s is its sleek design. It’s available in Aurora Green and Olive Black, both of which give it a modern look despite being a budget phone. The plastic body is lightweight but sturdy, making it easy to carry around.

    The 6.22-inch IPS LCD display with a resolution of 720 x 1520 pixels offers a pleasant viewing experience for browsing the web, watching videos, and using apps. The display features a 19:9 aspect ratio, which contributes to its slim and tall profile. While the resolution isn’t Full HD, it is more than sufficient for regular usage, especially given the price range.

    Performance: MediaTek Helio P35

    Under the hood, the vivo Y1s is powered by the MediaTek Helio P35 chipset, an octa-core processor that balances power efficiency with acceptable performance. Paired with 2GB of RAM, the device runs Android 10 out of the box, making it capable of handling essential functions like browsing, messaging, and video calls.

    For daily tasks such as using social media, making calls, and streaming content, the vivo Y1s performs adequately. However, due to its limited 2GB RAM, multitasking or running resource-heavy apps can cause slowdowns. The 32GB internal storage, expandable up to 256GB via a microSD card, gives users ample space to store apps, photos, and videos.

    Camera Quality

    When it comes to photography, the vivo Y1s may not blow you away, but it does a decent job for the price. The device features a 13 MP rear camera with an f/2.2 aperture. It captures images that are clear and vibrant in good lighting conditions but tends to struggle in low light, as expected from an entry-level phone. The LED flash helps in darker settings, but don’t expect professional-grade results.

    On the front, the 5 MP selfie camera is good enough for video calls and selfies under natural light. The camera app includes modes like HDR, which enhances image quality by improving contrast and color balance.

    Overall, if photography is not a primary concern, the vivo Y1s delivers acceptable image quality for casual shots.

    Battery Life: Power that Lasts

    One of the stronger aspects of the vivo Y1s is its 4030 mAh non-removable battery. Given its relatively low power consumption due to the HD+ display and MediaTek P35 processor, the phone can easily last through a day of moderate usage. Tasks like web browsing, light gaming, and streaming videos don’t drain the battery quickly, making it ideal for users who don’t want to charge their phone multiple times a day.

    Though the phone lacks fast charging, the microUSB 2.0 port ensures that you can still charge the device fairly quickly. In this price range, a battery capacity of 4030 mAh is impressive and offers users peace of mind for extended use.

    Software: Funtouch OS 10.5

    The vivo Y1s runs on Funtouch OS 10.5, which is based on Android 10. This user interface is relatively simple and smooth for basic functions. Funtouch OS has some customization options and features like app cloning, system-wide dark mode, and gesture navigation, which enhance the overall user experience.

    However, for users familiar with stock Android, Funtouch OS might feel a bit cluttered due to its heavy skin. Nevertheless, the software works well for most users and includes essential features like Digital Wellbeing and Parental Controls.

    Connectivity and Extras

    The vivo Y1s supports a variety of connectivity options, including Wi-Fi 802.11 b/g/n, Bluetooth 5.0, and GPS with A-GPS, GLONASS, GALILEO, and BDS. It also features dual SIM support, which is useful for users who juggle between two numbers.

    In terms of physical connections, the vivo Y1s comes with a microUSB 2.0 port and retains the 3.5mm headphone jack, a feature that is disappearing from many modern smartphones. The phone also includes a FM radio, which is a nice addition for users who enjoy listening to live broadcasts.

    The Downsides

    While the vivo Y1s is a great entry-level phone, it does have its limitations. The 2GB RAM can be a bottleneck for users who want to multitask or run multiple apps simultaneously. Additionally, while the MediaTek Helio P35 chipset performs well for basic tasks, it might struggle with more demanding applications and games.

    The camera quality, while decent for the price, does not compare to mid-range or flagship models, especially in low-light conditions. Moreover, the absence of a fingerprint sensor or Face ID may be a dealbreaker for some users who prioritize biometric security.

    Finally, the microUSB port feels outdated in 2024, when most devices have transitioned to USB Type-C for faster charging and data transfer speeds.

    vivo Y1s Price in Bangladesh: Is It Worth It?

    At BDT 8,790, the vivo Y1s is an affordable option for anyone seeking a basic smartphone for everyday use. Its price positions it in the entry-level category, making it a solid choice for first-time smartphone users, students, or anyone looking for a secondary device.

    While it may not have the bells and whistles of more expensive smartphones, the vivo Y1s delivers where it matters most for its target audience: a long-lasting battery, a functional display, and a reliable software experience.

    For people who need a device for browsing, social media, watching videos, and other basic tasks, the vivo Y1s is a sensible option that won’t break the bank. However, for users looking for better performance, gaming, or a more advanced camera, you might need to consider spending a bit more on a mid-range device.

    Conclusion

    The vivo Y1s is a prime example of how far budget smartphones have come in delivering essential features at a very low cost. For a price of BDT 8,790, you get a stylish design, a solid battery, and decent performance for casual usage. While it may have its limitations in RAM and camera quality, it offers tremendous value for those who don’t require high-end features. Whether you’re buying your first smartphone or just need an affordable option, the vivo Y1s is definitely worth considering in the Bangladeshi market.

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  3. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    Which Is Top 10 High Commode Price in Bangladesh?

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    Searching for commodes in Bangladesh? Here’s a quick guide to the prices and popular options: High Commode Price in Bangladesh: These vary widely depending on brand and features. Basic models start at around 10,000 BDT, while high-end options, especially those from well-known brands, can reach up toবিস্তারিত পড়ুন

    Searching for commodes in Bangladesh? Here’s a quick guide to the prices and popular options:

    High Commode Price in Bangladesh:

    These vary widely depending on brand and features. Basic models start at around 10,000 BDT, while high-end options, especially those from well-known brands, can reach up to 50,000 BDT or more.

    RAK High Commode Price in Bangladesh:

    RAK is a premium brand, and their high commodes are priced around 65,000 BDT.

    RFL High Commode Price in Bangladesh:

    RFL offers more budget-friendly options. Their commodes are typically priced lower, appealing to a more cost-conscious market.

    Stella High Commode Price in Bangladesh:

    Stella is another brand known for its stylish designs, with prices that can be mid-range to high-end depending on the model and features.

    Plastic High Commode Price in Bangladesh:

    For those looking for more affordable or lightweight options, plastic high commodes can be found starting from around 8,000 BDT.

    RFL High Commode:

    This brand is known for providing cost-effective solutions with durable plastic and ceramic options suitable for various budgets.

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  4. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    High commode এর ক্ষতিকর দিকগুলো কী??

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    হাই কমোড (High Commode) কি? হাই কমোড হলো পশ্চিমা ধরনের একটি টয়লেট, যেখানে একজন ব্যবহারকারী বসে প্রাকৃতিক কার্য সম্পাদন করেন। এটি সাধারণত সিটের উচ্চতায় তৈরি হয়, যাতে ব্যবহারকারীকে মাটিতে বসতে হয় না। আধুনিক টয়লেটের মধ্যে হাই কমোড ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে শহরাঞ্চলে এবং উচ্চবিত্তদের মধ্যে।বিস্তারিত পড়ুন

    হাই কমোড (High Commode) কি?

    হাই কমোড হলো পশ্চিমা ধরনের একটি টয়লেট, যেখানে একজন ব্যবহারকারী বসে প্রাকৃতিক কার্য সম্পাদন করেন। এটি সাধারণত সিটের উচ্চতায় তৈরি হয়, যাতে ব্যবহারকারীকে মাটিতে বসতে হয় না। আধুনিক টয়লেটের মধ্যে হাই কমোড ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে শহরাঞ্চলে এবং উচ্চবিত্তদের মধ্যে।

    তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা প্রায়শই হাই কমোড ব্যবহারে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। কারণ এই ধরনের টয়লেটে বসে মলত্যাগ করার ফলে অন্ত্রের ক্যানসারসহ বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিচু টয়লেটে উবু হয়ে বসার সময় শরীরের বর্জ্য সহজে নির্গত হয়, যা হাই কমোডে পুরোপুরি হয় না। এছাড়াও, হাই কমোড ব্যবহারে টিস্যু পেপার ও পানি ব্যবহারের পরিমাণও বেশি হয়, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

    তবে যাদের হাঁটু বা পায়ের সমস্যা আছে বা যারা বয়স্ক, তাদের জন্য হাই কমোড ব্যবহার সুবিধাজনক হতে পারে। তাই হাই কমোড ব্যবহারের সময় কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত, যেমন মলত্যাগের পর সঠিকভাবে ফ্লাশ করা, কমোড পরিষ্কার রাখা এবং সিট রিং কভার খোলা রাখা।

    হাই কমোড ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা উভয়ই আছে। ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ও আরামের উপর নির্ভর করে এর ব্যবহার নির্ধারণ করা উচিত।

    High Commode ব্যবহারের অসুবিধা

    উচ্চ কমোড ব্যবহার করলে মলত্যাগের সময় শরীরের মলদ্বার প্রাকৃতিকভাবে যে কোণ তৈরি করে, তা বিঘ্নিত হয়। এর ফলে মলত্যাগ করতে অধিক চাপ প্রয়োজন হয়, যা স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। দীর্ঘমেয়াদে এটি পাইলস, অন্ত্রের প্রদাহ, এবং এমনকি কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। তুলনামূলকভাবে, নিচু কমোড, যা বসার সময় স্কোয়াটিং অবস্থার অনুরূপ, স্বাস্থ্যকর এবং এসব সমস্যার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  5. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মোবাইল (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    আমার ফোনের চার্জ বেশিক্ষণ ধরে রাখার উপায় কি?

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    মোবাইলের চার্জ দীর্ঘ সময় ধরে রাখার জন্য গুগল কিছু পরামর্শ দেয়। সেগুলো তুলে ধরছি। সাথে আরও কিছু যুক্ত করবো বোনাস হিসেবে। চলুন শুরু করা যাক। মোবাইলের চার্জ ধরে রাখার টিপস্ : ১. ফোনের ডিসপ্লে যেন তাড়াতাড়ি অফ হয় সেজন্য Screen timeout সর্বোচ্চ ১ মিনিট আর খুব ভালো হয় যদি ৩০ সেকেন্ড দিয়ে রাখেন। ২. ব্রাইটনেবিস্তারিত পড়ুন

    মোবাইলের চার্জ দীর্ঘ সময় ধরে রাখার জন্য গুগল কিছু পরামর্শ দেয়। সেগুলো তুলে ধরছি। সাথে আরও কিছু যুক্ত করবো বোনাস হিসেবে। চলুন শুরু করা যাক।
    image host

    মোবাইলের চার্জ ধরে রাখার টিপস্ :

    ১. ফোনের ডিসপ্লে যেন তাড়াতাড়ি অফ হয় সেজন্য Screen timeout সর্বোচ্চ ১ মিনিট আর খুব ভালো হয় যদি ৩০ সেকেন্ড দিয়ে রাখেন।

    ২. ব্রাইটনেস বা উজ্জ্বলতা ২০% এর মত রাখা ভাল।  দিনের বেলা একটু বেশি রাখতে পারেন। তবে ৪০% এর উপরে রাখা ব্যাটারির ডিসচার্জ টাইম বাড়িয়ে দেয়। আপনি অটো ব্রাইটনেস করে রাখলে সবচেয়ে ভাল হয়।

    ৩. কীবোর্ড এর সাউন্ড এবং ভাইব্রেশন বন্ধ রাখুন।

    ৪. অব্যবহৃত একাউন্টগুলো বন্ধ রাখুন। যেমন, ইমেইল, ফেসবুক ইত্যাদি।

    ৫. ডার্ক থিম বা ডার্ক মোড (Dark Mode) ব্যবহার করুন। এতে অতিরিক্ত পাওয়ার খরচ কম হবে। অ্যামোলেড (AMOLED) ডিসপ্লের ফোনগুলোতে এটি অত্যন্ত কাজে দেয়।

    বোনাস

    আপনি Greenify অ্যাপ ইউজ করতে পারেন। এর মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ যেগুলো গ্রাউন্ডে রানিং থাকে সেগুলো হাইবারনেট করে রাখতে পারবেন। এর ফলে ব্যাকগ্রাউন্ডে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ একটিভিটি কমে যাবে এবং আপনার ব্যাটারি চার্জ আর ইন্টার্নেটের ডাটা বেঁচে যাবে। তবে ব্যাটারি বুস্টার নামে অনেক টুল প্লে স্টোরে পাবেন যেগুলো আপনার ব্যাটারি বুস্টের নামে আরও বিপদ ডেকে আনবে আর ব্যাটারি আরও দ্রুত চার্জ হারাতে থাকবে এবং মোবাইল স্লো হয়ে যাবে। সুতরাং এগুলো ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  6. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বাঘ ও সিংহ কি গাছে উঠতে পারে?

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    হ্যা, তারা গাছে উঠতে পারে। কিন্তু তাদের জন্য গাছে উঠা সহজ কাজ নয় তাদের শরীরের ওজনের কারনে।

    হ্যা, তারা গাছে উঠতে পারে। কিন্তু তাদের জন্য গাছে উঠা সহজ কাজ নয় তাদের শরীরের ওজনের কারনে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  7. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    ভাত ঘুম বা দুপুরের ঘুমের উপকারিতা কি? ভাত ঘুমের কি কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে?

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    বাংলাদেশে অনেকেই দুপুরে খাওয়ার পর কিছুটা ঘুমিয়ে নেন। যাকে বাংলায় বলা হয় ভাত-ঘুম। দুপুরে খাওয়ার পর ঘুমানোকে যদিও অনেক সময় আলসেমি মনে করা হয়। কিন্তু দশ থেকে কুড়ি মিনিটের ভাত-ঘুমের অনেক উপকারিতা রয়েছে। সব বয়সের জন্যই ভাত ঘুম উপকারী। নতুন এক গবেষণা বলছে, এটি হয়তো আপনাকে আরও বেশি দিন বাঁচতে সাবিস্তারিত পড়ুন

    বাংলাদেশে অনেকেই দুপুরে খাওয়ার পর কিছুটা ঘুমিয়ে নেন। যাকে বাংলায় বলা হয় ভাত-ঘুম।

    দুপুরে খাওয়ার পর ঘুমানোকে যদিও অনেক সময় আলসেমি মনে করা হয়। কিন্তু দশ থেকে কুড়ি মিনিটের ভাত-ঘুমের অনেক উপকারিতা রয়েছে।

    সব বয়সের জন্যই ভাত ঘুম উপকারী।

    নতুন এক গবেষণা বলছে, এটি হয়তো আপনাকে আরও বেশি দিন বাঁচতে সাহায্য করবে।

    সূত্রঃ বিবিসি বাংলা

    তবে বেশি ঘুমানো উচিৎ হবেনা।

    আর কী কী উপকারিতা রয়েছে – তা জানতে ভিডিওটি দেখুন।

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  8. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ অ্যাপ (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    গুগল ট্রান্সলেট বাংলা টু ইংলিশ টু বাংলা app ফ্রি ডাউনলোড

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    আমার তো মনেহয় গুগল ট্রান্সলেটর কে চেনেনা এমন লোক পৃথিবীতে শুধু আপনিই আছেন। আপনার প্রশ্নের ধরণ দেখে হাসবো নাকি কাঁদবো বুঝতে পারছি না। ওকে, যেহেতু আপনার ফ্রি তে গুগল ট্রান্সলেটর লাগবে তাহলে নিচের লিংকে ক্লিক করে এখুনি ডাউনলোড করে নিন!  গুগল ট্রান্সলেটর ফ্রি ডাউনলোড ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন!

    আমার তো মনেহয় গুগল ট্রান্সলেটর কে চেনেনা এমন লোক পৃথিবীতে শুধু আপনিই আছেন। আপনার প্রশ্নের ধরণ দেখে হাসবো নাকি কাঁদবো বুঝতে পারছি না। ওকে, যেহেতু আপনার ফ্রি তে গুগল ট্রান্সলেটর লাগবে তাহলে নিচের লিংকে ক্লিক করে এখুনি ডাউনলোড করে নিন!

     গুগল ট্রান্সলেটর ফ্রি ডাউনলোড

    ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  9. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    উচ্চ ক্যালরি যুক্ত খাবার গুলোর নাম সহ ক্যালরি চার্ট pdf

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    প্রতিটি মানুষের আদর্শ ওজন থাকা জরুরি। অতিরিক্ত ওজন যেমন ভালো নয়, স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজন থাকাও ঠিক নয়। ওজন বাড়াতে স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজনের ব্যক্তিদের প্রয়োজন পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং সঠিক জীবনযাপন পদ্ধতি। ওজন বাড়াতে নিম্নোক্ত কৌশলগুলো বেশ সহায়ক। ১. অতিরিক্ত ক্যালরির খাবার গ্রহণ: শরীরে যবিস্তারিত পড়ুন

    প্রতিটি মানুষের আদর্শ ওজন থাকা জরুরি। অতিরিক্ত ওজন যেমন ভালো নয়, স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজন থাকাও ঠিক নয়। ওজন বাড়াতে স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজনের ব্যক্তিদের প্রয়োজন পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং সঠিক জীবনযাপন পদ্ধতি।

    ওজন বাড়াতে নিম্নোক্ত কৌশলগুলো বেশ সহায়ক।

    ১. অতিরিক্ত ক্যালরির খাবার গ্রহণ: শরীরে যে পরিমাণ ক্যালরি প্রতিদিন ক্ষয় হয়, তার চেয়ে ৫০০–৭০০ ক্যালরি খাবার বেশি খেতে হবে। ভাত, মাছ–মাংস, ডাল, বীজ, শাকসবজি, ফলমূল, ডিম, দুগ্ধজাতীয় খাবার নিয়মিত খেতে হবে।

    ২. উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার গ্রহণ: ওজন বাড়াতে চাইলে অবশ্যই খাদ্যতালিকায় উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার রাখতে হবে। এ ধরনের কিছু খাবার হলো কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, আখরোট, পেস্তাবাদাম, চিনাবাদাম, খেজুর, কিসমিস, আলুবোখারা, ননিযুক্ত দুধ, ফুলক্রিম দই, পনির, ক্রিম, মুরগির মাংস, গরুর মাংস, ভেড়ার মাংস, ছাগলের মাংস ও কলিজা, আলু, মিষ্টি আলু, চকলেট, কলা, আ্যভোকাডো, পিনাট, মাখন ইত্যাদি।

    ৩. দিনে পাঁচ–ছয়বার খাবার গ্রহণ: যাঁদের ওজন কম, তাঁদের তিন–চার ঘণ্টা পরপর খাবার খেতে হবে। দীর্ঘসময় পেট খালি রাখা চলবে না। পুষ্টিকর উচ্চ ক্যালরির খাবার যদি বারবার গ্রহণ করা হয় এবং প্রতিদিনের ক্যালরির চাহিদা যদি পূরণ করা যায়, সে ক্ষেত্রে দ্রুতই ওজন বাড়ানো সম্ভব।

    ৪. শর্করাজাতীয় খাবার: অনেকেই শর্করা একেবারে কম গ্রহণ করেন। এটা মোটেও ঠিক নয়। যাঁদের ওজন কম, তাঁদের অবশ্যই মোট ক্যালরির শতকরা ৫০-৬০ ভাগ শর্করা গ্রহণ করতে হবে। দিনে তিনবার প্রধান খাবার হিসেবে শর্করা গ্রহণ করতে হবে। এ ধরনের খাবারের মধ্যে আলু, আটা, চাল, পাস্তা অন্যতম।

    ৫. আমিষযুক্ত খাবার গ্রহণ: ওজন বাড়াতে আমিষযুক্ত খাবার খাওয়া জরুরি। শরীরের প্রতি কেজি ওজনের জন্য ১ দশমিক ৫ থেকে ২ দশমিক ২ গ্রাম আমিষ নিয়মিত গ্রহণ করতে হবে। ডিম, দুধ, মাছ, মাংস, ডাল, বীজজাতীয় খাবার আমিষের ভালো উৎস।

    ৬. ব্যায়াম: পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। ওজন বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যায়াম ক্ষুধা বাড়াতে, খাবার ভালোমতো হজম করতেও সাহায্য করে।

    ৭. জীবনযাপন: ওজন বাড়াতে চাইলে জীবনযাপন পদ্ধতিও স্বাস্থ্যকর হতে হবে। গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকা চলবে না। প্রতিদিন আট ঘণ্টা ভালো ঘুম হতে হবে। দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে হবে।

    কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ

    ■ প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করতে হবে। তবে খাওয়ার আগে পানি পান করা যাবে না।

    ■ প্রোটিনযুক্ত খাবার আগে এবং শাকসবজি শেষে গ্রহণ করুন।

    ■ ঘুমানোর আগে একটা স্বাস্থ্যকর উচ্চ ক্যালরির স্ন্যাকস খাওয়ার চেষ্টা করুন।

    ■ বড় থালায় খাবার খেতে হবে।

    ■ ধূমপান বর্জন করতে হবে।

    সূত্রঃ প্রথম আলো

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  10. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    ডারউইন তত্ত্ব কি? ডারউইনের বিবর্তনবাদ pdf দিন

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    ডারউইন এর বিবর্তন তত্ব ও এ সম্পর্কিত ভুল ধারণাগুলো জীববিজ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব হচ্ছে বিবর্তনবাদ। পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ বুঝতেই শুধু নয়- প্রাণের বৈশিষ্ট্য, গুণাবলী বুঝতেও বিবর্তনবাদ অপরিহার্য। অথচ এই বিবর্তনবাদই হচ্ছে মানব ইতিহাসে সবচেয়ে বেশী ভূল বোঝা তত্ত্ব। এই ভূল বোঝাবোঝির সিংহভাগইবিস্তারিত পড়ুন

    ডারউইন এর বিবর্তন তত্ব ও এ সম্পর্কিত ভুল ধারণাগুলো

    imgbox

    জীববিজ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব হচ্ছে বিবর্তনবাদ। পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ বুঝতেই শুধু নয়- প্রাণের বৈশিষ্ট্য, গুণাবলী বুঝতেও বিবর্তনবাদ অপরিহার্য। অথচ এই বিবর্তনবাদই হচ্ছে মানব ইতিহাসে সবচেয়ে বেশী ভূল বোঝা তত্ত্ব। এই ভূল বোঝাবোঝির সিংহভাগই আসে বিবর্তন সম্পর্কে সম্যক ধারণা না থাকায়। এই লেখায় আমি বিবর্তনের বিপক্ষে ১০টি সবচেয়ে বেশিবার ব্যবহৃত হওয়া ভূল ধারণাগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করবো আর সেগুলো বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করবো।

    ভুল ধারণা ১ – বিবর্তন শুধু একটা তত্ত্ব

    এই মিথ্যাচারটিকে, যদি না সেটা অজ্ঞানতাবশত করা হয়ে থাকে; অনেকেই তর্কে তুলে আনেন। “বিবর্তন ফ্যাক্ট না, এটা একটা থিওরি মাত্র” বলে বোঝাতে চান বিবর্তন বিশ্বাসযোগ্য নয়! বিবর্তন ফ্যাক্ট এবং থিওরি দুটোই, নির্ভর করে আপনি কী নিয়ে কথা বলছেন তার উপর।

    সকল প্রাণী সরলতর প্রাণী থেকে কয়েক মিলিয়ন বছরে বিবর্তিত হয়ে বর্তমান অবস্থানে এসেছে। সেই সরলতর প্রাণীকে বলা হয় LUCA (Last Universal Common Ancestor)- এটা একটা বৈজ্ঞানিক ফ্যাক্ট। এই ফ্যাক্টের সত্যতা পাওয়া যায় ফসিলে, ডিএনএতে আর জৈবভূগোলে। আপনি ফসিল খুঁজতে যত গভীরে যাবেন তত সরলতর প্রাণীর ফসিল পাবেন। সরলতর প্রাণীদের ভীড়ে আপনি জটিল গঠনের ফসিল পাবেন না, কখনোই। একই গভীরতায় পাওয়া ফসিলরা একই রকম গঠনের হবে, জটিলতার দিক থেকে।

    ডিএনএর গঠনও প্রচ্ছন্নভাবে বিবর্তনের প্রমাণ দিয়ে যায়। শিম্পাঞ্জীর সাথে মানুষের কার্যকর জীন ৯৯.৬% মিলে যায়। ইদুরের সাথে ৮০% মিলে যায়। এই শতকরা অনুপাত আবার একক পূর্বপুরুষের জীবনকালের সাথে সম্পর্কিত। এগুলো বিবর্তনকে ফ্যাক্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। এবার দেখা যাক থিওরির অংশটা।

    থিওরি হচ্ছে যা দিয়ে ফ্যাক্টকে বিশ্লেষণ করা হয়। The Theory of Evolution by the means of Natural Selection”, থিওরিটা হচ্ছে প্রাকৃতিক নির্বাচনের অংশটা।

    অন্যভাবে বলতে গেলে, বিবর্তন হচ্ছে ফ্যাক্ট, প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে সেটা ঘটে এটা হচ্ছে থিওরি। আরো কিছু থিওরি যদি আমরা দেখি তবে ব্যাপারটা বুঝতে সুবিধা হবে- The theory of universal gravity, The germ theory, The cell theory, The heliocentric theory, যেগুলো সর্বোচ্চ বৈজ্ঞানিক সম্মানপ্রাপ্ত সত্য সেগুলোকেও থিওরিই বলা হয়।

    চার্লস ডারউইন আর আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেসের আগেও অনেক প্রকৃতিবাদী-জীববিজ্ঞানী-দার্শনিক বিবর্তনের কথা বলে গেছেন। তারা যেটা পারেন নি সেটা হচ্ছে “কেনো” প্রশ্নটির উত্তর দেওয়া। ডারউইন আর ওয়ালেস “কেনো” আর “কিভাবে” ব্যাখা করতে পেরেছেন। আর সেটাই তাদের অসাধারণ আর ক্ষেত্রবিশেষে ঘৃনার পাত্র করে তুলেছে।

    ভুল ধারণা ২ – বানর/এপ থেকে মানুষের বিবর্তন হয়েছে

    “যদি মানুষের বিবর্তন বানর/এপ থেকে হয় তাহলে এখনো কেনো বানর/এপ আছে?” প্রশ্নটি হতাশাজনক ভাবে ভুল।

    মানুষ বানর বা এপ থেকে বিবর্তিত হয় নি। মানুষ এবং বানর/এপের একক একটা পূর্বপুরুষ ছিল। যদি সময় যাত্রা করে আমরা কয়েক মিলিয়ন বছর অতীতে যেতে পারি তবে আমরা আমাদের এপ-সদৃশ পূর্বপুরুষদের দেখতে পাবো। এদের জনসংখ্যা কয়েকটি ধারায় বিভক্ত হয়েছিল আর বিবর্তনের ভিন্ন ভিন্ন পথে যাত্রা শুরু করেছিল। একটা ধারায় আসা সর্বশেষ প্রাণী আমরা, আরেকটা ধারার সর্বশেষ প্রাণী শিম্পাঞ্জী। (সর্বশেষ বলতে সবচেয়ে নতুন প্রাণী বোঝানো হয়েছে- ধারা এখানেই শেষ হয়ে যায় নি। বিস্তারিত পাবেন “ভুল ধারনা ৭” এ)

    তো শিম্পাঞ্জী আর মানুষের একক প্র-প্র-প্র-প্র…পিতামাতারা ৪-৬ মিলিয়ন বছর আগে বিলুপ্ত হয়ে গেছেন। এর পরে আসা মানবসদৃশ প্রাণীদের ১৪টির মতো ফসিল পাওয়া গেছে যেগুলো “ভুল ধারণা ৪”এ জানতে পারবেন।

    ভুল ধারণা ৩ – তাপগতিবিদ্যার ২য় সুত্র বিবর্তনবাদের সাথে সাংঘর্ষিক

    প্রায়ই যে কথাটা শোনা যায় সেটা হচ্ছে- “তাপগতিবিদ্যার ২য় সূত্র বিবর্তনকে সমর্থন করে না”। আসুন দেখি তাপগতিবিদ্যার ২য় সূত্র কি বলে-

    “কোনো সিস্টেম নিন্মশক্তিস্তর থেকে উচ্চ শক্তিস্তরে যেতে পারবে না, যদি না বাইরে থেকে শক্তির প্রবেশ না হয়।” অন্য ভাষায়- “সিস্টেমের disorder বাড়তেই থাকবে যদি না বাইরে থেকে order সরবরাহ করা হয়।”

    ধরুন আপনি মইয়ের চড়ে মাটি থেকে ৫ফুট উচ্চতায় দাড়িয়ে আছেন, আপনার বন্ধু নিচে মাটিতে দাড়িয়ে আছেন। একজন পদার্থবিদের কাছে আপনার বন্ধুর চেয়ে আপনার potential energy বেশী হওয়ায় আপনি বেশী “ordered”। আপনার বন্ধুটির এনট্রপি (শক্তি রূপান্তরের অক্ষমতা বা অসম্ভাব্যতা বা শক্তির অপ্রাপ্যতা) আপনার চাইতে বেশী।

    লক্ষ্য করুন- তাপগতিবিদ্যার ২য় সুত্রে কম শক্তিস্তর থেকে বেশী শক্তিস্তরে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধ নাই, তবে শর্ত একটাই- বাইরে থেকে শক্তির সরবরাহ আসতে হবে। নিচে দাড়ানো আপনার বন্ধুটি মই চড়ে উপরের শক্তিস্তরে উঠার পথে কোনো বাধা নাই, তবে তাকে তার মাংসপেশীর শক্তি ক্ষয় করতে হবে। অন্য কথায়, শক্তি সরবরাহ করতে হবে।

    আরেকভাবে দেখা যাক- বদ্ধ সিস্টেম- যেখানে বাইরে থেকে শক্তি প্রবেশ করানো যায় না, সেখানে এনট্রপির পরিবর্তন অসম্ভব। খোলা সিস্টেমে এনট্রপি বাইরে থেকে শক্তি নিয়ে পরিবর্তিত হতে পারে।

    এবার ২য় সুত্রকে বিবর্তনের সাথে মিলিয়ে দেখা যাক। পৃথিবী খোলা সিস্টেম- নিকটবর্তী শক্তির আধার হচ্ছে সূর্য, যেখান থেকে আমরা প্রতিনিয়ত শক্তি পাচ্ছি। সূর্য ছাড়া প্রাণ অসম্ভব। সূর্যের তাপশক্তি ব্যবহার করে প্রাণীরা খাদ্য তৈরি করছে। সুতরাং তাপগতিবিদ্যার ২য় সুত্রের সাথে বিবর্তনবাদের কোন সংঘর্ষ নাই, বরং বিবর্তনবাদ তাপগতিবিদ্যার ২য় সূত্র মেনেই চলছে।

    imgbox

    ভুল ধারণা ৪ – মিসিং লিংক নাই

    Odontochelys একটি মধ্যবর্তি প্রাণীর ফসিল যেটা কচ্ছপ আর গিরগিটির মাঝামাঝি একটি প্রাণী ছিল। ছবিতে আমরা একটা গিরগিটির মত লম্বা লেজ আর কচ্ছপের মত খোলস দেখতে পাচ্ছি।

    মিসিং লিংকগুলো আর মিসিং নয়, বিজ্ঞানীরা শত শত ফসিল পেয়েছেন যেগুলো একই সাথে দুটো প্রাণীর বৈশিষ্ট্য বহন করে। উদাহরণস্বরূপ- তিমি। স্তন্যপায়ী হয়েও তিমি পানিতে বেঁচে আছে মাছের মতো। তিমির কংকালে পায়ের হাড়গুলো এখনো বিদ্যমান, যা প্রমাণ করে তিমি বা তার কোনো পূর্বপুরুষ স্থলজ প্রাণী ছিল।

    এছাড়াও Archaeopteryx, Confuciusornis, আর Jeholornis পাখি আর সরীসৃপ মধ্যবর্তী প্রাণীর ফসিল। প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে এই ফসিলগুলো প্রমাণ করে বিবর্তনবাদের সত্যতা। সৃষ্টিতত্ত্ববিদেরা এগুলোকে অস্বীকার করেন, তারা বলেন মধ্যবর্তী ফসিল বলে কিছু নাই, তবে তারা মিসিং লিংক দিয়ে বিবর্তনকে মিথ্যা প্রমাণ করতে চান। ফসিলের প্রমাণ দেখালেও তারা অস্বীকার করেন।

    এখন পর্যন্ত পাওয়া গেছে এমন মানবসদৃশ প্রাণীর ফসিলগুলো হচ্ছে-

    Sahelanthropus tchadensis

    Ardipithecus ramidus

    Australopithecus anamensis

    Australopithecus afarensis

    Kenyanthropus platyops

    Australopithecus africanus

    Australopithecus garhi

    Australopithecus sediba

    Australopithecus aethiopicus

    Australopithecus robustus

    Australopithecus boisei

    Homo habilis

    Homo georgicus

    Homo erectus

    Homo ergaster

    Homo antecessor

    Homo heidelbergensis

    Homo neanderthalensis

    Homo floresiensis

    imgbox

    ভুল ধারণা ৫ঃ বিবর্তন বিজ্ঞান নয়, কারণ এটা প্রত্যক্ষ বা পরীক্ষা করা যায় না

    ক্ষুদ্রতর পরিসরে বিবর্তন বহুবার প্রত্যক্ষ করা হয়েছে। ব্যাকটেরিয়ারা এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে, বিজ্ঞানীরা সেটা প্রতিনিয়ত দেখে নতুন এন্টিবায়োটিক বানাচ্ছেন। গ্রান্ট আর গ্রান্টের করা ২০০২ সালের পরীক্ষায় আমরা দেখেছি খরার কারণে কিভাবে গ্যালাপাগোসের ফিঞ্চ পাখিদের ঠোঁটের পরিবর্তন হয়েছে।

    যাই হোক- যখন কেউ এই দাবি করেন তখন তারা বোঝান দীর্ঘ পরিসরে বিবর্তন প্রত্যক্ষ করার কথা। তারা বলেন “মাইক্রোইভোলিউশন হতেই পারে, তবে সরীসৃপ কিভাবে মোরগে পরিণত হয় আমরা সেটা দেখতে চাই।”

    প্রথমত- মাইক্রোইভুলূ্যশন আর ম্যাক্রোইভুলূ্যশনের মাঝে পার্থক্য খুব বেশী নয়। ক্ষুদ্র পরিসরে বিবর্তন হতে পারলে বৃহৎ পরিসরেও হতে পারে। অনেকগুলো মাইক্রোইভোলিউশন (মিউটেশন) মিলেই ম্যাক্রোইভোলিউশন হয়।

    আর বিজ্ঞান মানেই যে প্রত্যক্ষ করতে হবে সেটা কিন্তু না। আপেক্ষিকতাবাদের প্রতিপাদ্য সময়কালের বক্রতা প্রত্যক্ষ করা আমাদের মত ত্রিমাত্রিক প্রাণীদের পক্ষে অসম্ভব, কিন্তু আমরা সময়কালের বক্রতার প্রমাণ ঠিকই বের করে নিয়েছি। বিজ্ঞানীরা তথ্য ধরে আগান, গোয়েন্দাদের মতো সূক্ষ প্রমাণ জড়ো করে বড় বড় রহস্য সমাধান করেন তাঁরা। বিজ্ঞান সবসময় প্রত্যক্ষ প্রমাণের উপর নির্ভর করে না।

    বিবর্তনবাদী বিজ্ঞানীরা তথ্য-প্রমাণ জড়ো করে করে বলতে পারেন- মোরগ সরীসৃপ থেকে বিবর্তিত হয়েছে। ফসিল-ডিএনএ ইত্যাদি তথ্য বিচার বিশ্লেষন করে তাঁরা আমাদের দেখান এটাই সত্য। তাঁরা বলেন- “পাখিরা যদি সরীসৃপ থেকে বিবর্তিত হয়ে থাকে তবে পাখিদের ডিএনএ সরীসৃপদের সাথে বেশী মিলবে।” পরে সেটার প্রমাণ হাজির করার পর তাঁরা উপসংহার টানেন। এটাকেই বলে scientific method!

    ভুল ধারণা ৬- একক প্রাণীর বিবর্তন

    প্রজাতির বিবর্তন হয়, একক প্রাণীর নয়। বিবর্তন হল নির্দিষ্ট সময়ে একটা প্রজাতির জীনগত গঠনে যে পরিবর্তন ঘটে। সুতরাং, যেহেতু কোন একক প্রাণী তার জীনগত কাঠামোতে কোন পরিবর্তন আনতে পারে না, তার একক বিবর্তন সম্ভব নয়। যেমন, যদি কোন খরার সময় শুধুমাত্র বড় বীজসম্পন্ন গাছগুলো ছাড়া সকল বীজসম্পন্ন গাছ ধ্বংস হয়ে যায়, ছোট ঠোঁটের কোন পাখি ঐ খরার আদলে বিবর্তিত হতে পারবে না। অন্য ভাষায়, এটি বড় বীজ খাওয়ার জন্য তার জীনগত কাঠামোর পরিবর্তন করে তার ঠোঁটের আকার-আকৃতি বদলে ফেলতে পারবে না। জীববিজ্ঞানের ভাষায়, এটি অভিযোজিত হতে পারবে না। ফলাফলস্বরূপ, বড় ঠোঁটের পাখিগুলোর তুলনায় ছোট ঠোঁটের পাখিগুলো কম খাবার পাবে এবং কম সন্তানের জন্ম দেবে। এর মানে হলো, পরবর্তী প্রজন্মে বড় ঠোঁটের জন্য জীন বেশি থাকবে। সুতরাং সম্পূর্ণ প্রজাতির খরার সাথে খাপ খাওয়াতে বিবর্তিত এবং অভিযোজিত হবে, কোনো একক প্রাণী নয়।

    ভুল ধারণা ৭: বিবর্তনের কোন লক্ষ্য আছে

    মানুষ প্রায়ই বিবর্তন সম্পর্কে বলে যে, “কিছু সাধন করে ফেলায় চেষ্টারত”; নয়তো তারা প্রাইমেট এবং অন্যান্য স্তন্যপায়ীদের অন্য প্রাণীদের তুলনায় “বেশি বিবর্তিত” বলে আখ্যা দেয়। কিন্তু এ ধরণের বিবৃতিগুলো প্রবল সমস্যাযুক্ত কারণ তারা এটারই পরিষ্কার ইঙ্গিত দেয় যে বিবর্তনের কোন উদ্দেশ্য আছে, যা সত্য নয়। জীববিজ্ঞানীরা প্রায়ই বলেন যে, “বিবর্তন অন্ধ।” বিবর্তন যা করে তা হলো কোন জীব প্রজাতিকে তার বর্তমান পরিবেশ এবং জীবনপ্রণালীর সাথে অভিযোজিত করে তোলে। বিবর্তনের কোন উদ্দেশ্য নেই, এবং এটি কোন ভবিষ্যদ্বাণী করতে সক্ষম নয়। সুতরাং, সহস্র প্রজন্মের জন্য নির্বাচিত বৈশিষ্ট্য পরিবেশের এ কোন পরিবর্তনের কারণে হঠাৎ বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

    কারণ, বিবর্তন শুধু জীবকে তার বর্তমান পরিবেশ এবং জীবনপ্রণালীর সাথে খাপ খাওয়াতে সাহায্য করে, যেকোন এক প্রজাতিকে অন্যদের চেয়ে “বেশি বিবর্তিত” বলে আখ্যা দেওয়ার কোন মানে হয় না। যেমন, একটা বানর একটা মাছির চেয়ে বেশি বিবর্তিত নয় যে মাছি বানরটার পায়খানা থেকে আর্দ্রতা পায়। বানর অবশ্যই বেশি জটিল, কিন্তু এটি আসলে বেশি বিবর্তিত নয় কারণ বানর এবং মাছি দুজনই তাদের নিজ নিজ জীবনপ্রণালীর সাথে খুব ভালভাবেই খাপ খাইয়েছে। যদি আপনি বলতে চান যে বানরটা মাছিটার চেয়ে বেশি বিবর্তিত, তাহলে আপনি বলছেন যে বিবর্তনের উদ্দেশ্য আছে, যা ভুল।

    পরিশেষে, এটা সৃষ্টিতত্ত্ববিদদের প্রচলিত সমালোচনা, “কিছু প্রজাতির উলটো বিবর্তন হয়েছে (যেমনঃ পেঙ্গুইনের ওড়ার ক্ষমতা হারানো, তিমির সাগরে ফিরে যাওয়া)”, এর ব্যাখ্যা দেয়। মনে হতে পারে যে বিবর্তনের নির্দিষ্ট লক্ষ রয়েছে, কিন্তু বাস্তবে এটা শুধু জীবকে তার বর্তমান পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াচ্ছে। সুতরাং, একটা সময়ে, যখন ওড়ার প্রয়োজনীয়তা ছিল, বিবর্তন পাখিকে ওড়ার সামর্থ দিয়েছে। কিন্তু অ্যান্টার্কটিকায় যেসব পাখির বাস, ওড়ার বিদ্যার প্রয়োজনীয়তা তাদের এত বেশি ছিল না, যতটা ছিল সাঁতার এবং উষ্ণ থাকার বিদ্যার, যা বিবর্তন তাদের দিয়েছে ওড়ার ক্ষমতার পরিবর্তে এবং পেঙ্গুইন এসেছে।

    ভুল ধারণা ৮: কিছু সিস্টেম বিবর্তনের জন্য খুব বেশিই জটিল

    এটা বিবর্তনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে পুরনো সমালোচনা। এবং ইদানীং “সরলীকরণের অযোগ্য জটিলতা” নামে একে নিয়ে আবার কথা হচ্ছে।এর মূলকথা হল, কিছু সিস্টেম বিবর্তনের জন্য খুব বেশি জটীল কারণ সকল অংশ একত্রিত হবার আগ পর্যন্ত তারা কার্যকরী নয়। যেমন, একটা চোখের ছোট একটা অংশের অনুপস্থিতির জন্য চোখটা দেখতে পাবে না, একটা Bacterial Flagellum একটা প্রোটিনের অভাবে Flagellum এর মত আচরণে সক্ষম হবে না। সুতরাং, বিতর্কের মূলকথা হল, এই সিস্টেমগুলো বিবর্তিত হতে পারতো না কারণ সেখানে কোন কার্যকরী ধাপ থাকতো না, প্রকৃতি ঐ ধাপগুলো নির্বাচন করতে পারতো না। সমস্যা হল, এই বিতর্ক একটা বিষয়কে অবজ্ঞা করছে, “বিবর্তন অন্ধ”। বিবর্তনের চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে নির্বাচিত হবার জন্য বৈশিষ্ট্যগুলোকে কার্যকরী হতে হবে, এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। বরং, যদি কোন বৈশিষ্ট্য কার্যক্ষম হয়, প্রকৃতি তাদের নির্বাচিত করবে। প্রকৃতপক্ষে, কেউ এখনো পুরোপুরি সরলীকরণের অযোগ্য কোন সিস্টেম খুঁজে বের করতে পারেনি, এবং জটিল সিস্টেমের বিবর্তন ব্যাখ্যায় আমাদের আছে বিবর্তন পদ্ধতি। যেমনঃ পূর্বে উল্লেখিত চোখের উদাহরণে, চোখটা শুধু কিছু আলোক সংবেদনশীল কোষ যোগ করে নিত (অনেকটা চ্যাপ্টাকৃমির মত)। তারা ঠিক চোখের মত কাজ করে না, কিন্তু এরপরও তারা কার্যক্ষম, সুতরাং প্রকৃতি তাদের জন্য নির্বাচন করবে। একইভাবে, যসব প্রোটিনের জন্য Flagellum এর উদ্ভব হয়, তারা কোষের অন্যান্য কাজগুলো করে, এমনকি আমরা এমন এক ধারাবাহিক প্রক্রিয়া খুঁজে পেয়েছি যা প্রতি ধাপকে কোষের জন্য কার্যক্ষম করে Flagellum এ রূপান্তরিত করবে, যদিও চূড়ান্ত ধাপই হবে একটি পরিপূর্ণ Flagellum। সুতরাং এটি সত্য নয় যে কিছু সিস্টেম বিবর্তনের জন্য খুব বেশিই জটিল।

    ভুল ধারণা ৯: বিবর্তন মহাবিশ্বের প্রথম কোষের নির্মাণ বর্ণনা করে

    আমরা প্রায়ই মানুষকে বলতে শুনি যে, “বিবর্তনবাদ সত্য নয় কারণ……ব্লা…ব্লা…ব্লা… বিগ ব্যাং,” অথবা কেন আমরা এখনো প্রথম কোষের নির্মাণ কিভাবে হয়েছিল তা বের করতে পারিনি, এমন আজবাজে কথা। এসব বিতর্কের সাথে বিবর্তনবাদের কোন সম্পর্কই নেই। বিগ ব্যাং তত্ত্ব মহাবিশ্বের আবির্ভাব নিয়ে এবং Abiogenesis জীবনের নির্মাণ নিয়ে আলোচনা করে। বিবর্তন মঞ্চে আসে মূলত জীবনের উৎপত্তির পর। সুতরাং, যদি আপনি কোনভাবে বিগ ব্যাং বা Abiogenesis কে ভুল প্রমাণ করেও ফেলেন, আপনার পক্ষে এরপরও সম্ভব হবে না বিবর্তনকে ভুল প্রমান করা। প্রকৃতপক্ষে, কিছু মানুষ ভাবে প্রথম কোষটি ঈশ্বরের সৃষ্টি, তারা বিবর্তনবাদকেও তার জায়গা ছেড়ে দেয়। অন্য কথায়, তারা Abiogenesis কে না মানলেও বিবর্তনকে মেনে নিয়েছে (যদিও বিগ ব্যাং এবং Abiogenesis কে অস্বীকার করার মত কোন শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক কারণ নেই।)

    ভুল ধারণা ১০: বিবর্তনের ভিত্তি হল বিশ্বাস

    যারা এটা দাবি করেন তাদের কাছে আমি জানতে চাইব যে ঠিক কোন অংশটি আপনি মনে করেন স্রেফ বিশ্বাসভিত্তিক? ৫ম পয়েন্টে যেভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, আমরা মিলিয়ন মিলিয়ন বছরের বিবর্তন নিজের চোখে দেখিনি বলে বিবর্তনকে অবৈজ্ঞানিক বলে আখ্যা দেয়া যায় না। বরং বিবর্তন হচ্ছে বিজ্ঞানের সর্বাধিক স্বীকৃত ধারণাগুলোর একটি, এবং যদি আপনি আসলেই ‘Origin of the Species’ পড়ে থাকেন তো দেখবেন, এটি প্রমাণে পরিপূর্ণ। এছাড়াও, ডারউইন ছিলেন একজন ব্যতিক্রমী বিজ্ঞানী এবং তিনি পরিষ্কার ভবিষ্যদ্বানী করে গেছেন যে তাঁর থিওরি সঠিক হলে পরবর্তীতে রিসার্চাররা কী কী ফলাফল পেতে পারেন। যেমন, তিনি স্পষ্টভাবে ভবিষ্যদ্বানী করেছিলেন আমাদের মধ্যবর্তী ফসিল আবিষ্কারের কথা, এবং আমরা করেছি। কিছু জীব আছে, যাদের অস্তিত্ব আমরা খুঁজে পাওয়ার কয়েক যুগ আগেই বিবর্তন এদের ধারণা দিয়েছিল। এটি নিঃসন্দেহে এক অনন্য কৃতিত্ব। একইভাবে, বিবর্তন জেনেটিকস এবং ফসিল রেকর্ডের মধ্যেকার শক্তিশালী সম্পর্কের ধারণা করেছিল, এবং আবারো, এর ধারণা সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হয়েছে। সুতরাং আপনি যদি দাবি করেন বিবর্তন স্রেফ বিশ্বাসভিত্তিক, আপনার কাছে আমি জানতে চাইব যে ঠিক কোন অংশটি আপনি মনে করেন শুধুমাত্র বিশ্বাসভিত্তিক, কারণ এর কোন দিক নেই যা আমি গবেষণামূলক তথ্য দিয়ে ভুল প্রমাণ করতে পারেন।

    সূত্রঃ ইন্টার্নেট

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  11. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    মেয়েরা কি হস্তমৈথুন করে?

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    হস্তমৈথুন শব্দ পড়েই নাক শিঁটকোন কিম্বা লজ্জায় মুখ লাল হয়ে যায় ৷ এরকম হওয়ার অবশ্য কিছু নেই ৷ ন্যাশানাল সার্ভে অফ সেক্সসুয়াল হেলথ অ্যান্ড বিহেভিয়ারের রিসার্চ অনুযায়ি প্রতিটা মানুষ জীবনে কখনও না কখনও হস্তমৈথুন করেছেন ৷ নিচে কিছু তথ্য দিচ্ছি। আপনার জন্য নতুন হতে পারে এই তথ্যগুলো। ২৫ থেকে ২৯ বছরেবিস্তারিত পড়ুন

    হস্তমৈথুন শব্দ পড়েই নাক শিঁটকোন কিম্বা লজ্জায় মুখ লাল হয়ে যায় ৷ এরকম হওয়ার অবশ্য কিছু নেই ৷ ন্যাশানাল সার্ভে অফ সেক্সসুয়াল হেলথ অ্যান্ড বিহেভিয়ারের রিসার্চ অনুযায়ি প্রতিটা মানুষ জীবনে কখনও না কখনও হস্তমৈথুন করেছেন ৷

    নিচে কিছু তথ্য দিচ্ছি। আপনার জন্য নতুন হতে পারে এই তথ্যগুলো।

    • ২৫ থেকে ২৯ বছরের ৭.৯ শতাংশ মহিলা সপ্তাহে একাধিকবার হস্তমৈথুন করেন ৷
    • হস্তমৈথুনের একাধিক সুপ্রভাব রয়েছে জীবনে ৷ মহিলাদের মেনস্ট্রুয়েশনের সময় ক্র্যাম্প থেকে কোমরের যন্ত্রনা অনেকটা কম করে যদি হস্তমৈথুনে অভ্যস্ত হন মহিলা ৷
    • মহিলাদের সার্ভিকাল সংক্রমন নিয়ন্ত্রেণে রাখতে সাহায্য করে হস্তমৈথুন ৷ যেহেতু হস্তমৈথুনের সময় মহিলা যৌনাঙ্গ খুলে যায় ফলে বিভিন্ন ফ্লুইড চলাচল অনেক স্বচ্ছন্দ হয় ৷ যা শরীরের ওই অংশে জমা হওয়া অশুদ্ধ জিনিস বাইরে বার করে দিতে পারে ৷
    • হস্তমৈথুন দারুণ স্ট্রেসবাস্টার ৷ যেহেতু এই সময়ে মহিলাদের শরীরে খুশি উৎপাদনকারী হরমোন এন্ডোরফিন, ডোপামিন, সেরোটোনিন, অক্সিটোসিন প্রচুর পরিমাণে বার হয় ৷ আর তাই মেজাজ যায় শুধরে ৷
    • হস্তমৈথুন মানুষের আত্মবিশ্বাস বারিয়ে তোলে ৷ যার জন্য যৌনমিলনের সময়েও আত্মবিশ্বাস পান মহিলারা ৷ যার ফলে সেক্স লাইফও মসৃণ হয় ৷
    • মেনোপজ মহিলাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ৷ এই সময়ে মহিলা যৌনাঙ্গে কিছু পরিবর্তন হয় ফলে যৌন মিলন বেশ কষ্টকর হতে পারে ৷ তবে যদি হস্তমৈথুন হয় তাহলে রক্ত সঞ্চালন সঠিক থাকে, সঠিক থাকে যৌনাঙ্গে ফ্লুইডের পরিমাণও৷
    • ঘুম ভালো হয় ৷ হস্মৈথুনে মানসিক তৃপ্তি পাওয়া যায় পাশাপাশি শারীরিকভাবে বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপের জেরে ক্লান্তি আসে ফলে অনিদ্রাকে পার্মানেনটলি বাই বাই করে দেওয়া যায় ৷
    • রক্ত সঞ্চালন দ্রুত হয়, হার্ট রেট ভালো থাকে ৷ পাশাপাশ ইউটেরাস পেলভিক ফ্লোর থেকে ওপরে উঠে যায় ৷ এর ফলে কোমরের পেশি শক্তিশালী হয় ৷ শক্তিশালী হয় কোমর ৷

    তবে অত্যধিক কিছুরই ভালো নয় ৷ তাই নিয়ম করে যদি হস্তমৈথুন করা হয় তাহলে মন শরীর দুটিই ঝরঝরে থাকে এবং সৌন্দর্য ধরে রাখতে সাহায্য করে ৷

    সূত্রঃ bengali.news18.com

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  12. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিনোদন

    Mia Khalifa tiktok followers, মিয়া খলিফার টিকটক ফলোয়ার কত?

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    মিয়া খলিফার ২২.২ মিলিয়ন টিকটক ফলোয়ার এবং ২৭০ মিলিয়নের বেশি টিকটক লাইক আছে! তাহলে চিন্তা করুন সে কতোটা জনপ্রিয়!

    মিয়া খলিফার ২২.২ মিলিয়ন টিকটক ফলোয়ার এবং ২৭০ মিলিয়নের বেশি টিকটক লাইক আছে! তাহলে চিন্তা করুন সে কতোটা জনপ্রিয়!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  13. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ খেলাধুলা

    ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ আজকের খেলা এবং পয়েন্ট টেবিল ২০২০-২০২১

    shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ পয়েন্ট টেবিলঃ

    ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ পয়েন্ট টেবিলঃ

    ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ পয়েন্ট টেবিল

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • sumi
    sumi একটি উত্তর দিয়েছেন তফসিল কি? সাধারণ ভাষায় তফসিল কি বা তফসিল বলতে কোনো… ডিসেম্বর 5, 2025, সময়ঃ 12:03 পূর্বাহ্ন
  • sumi
    sumi একটি উত্তর দিয়েছেন জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো জানা যায়নি।… ডিসেম্বর 4, 2025, সময়ঃ 11:54 অপরাহ্ন
  • rana
    rana একটি উত্তর দিয়েছেন যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে পার্থক্য বোঝার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেগুলোকে প্রজন্ম… ডিসেম্বর 4, 2025, সময়ঃ 12:24 পূর্বাহ্ন
  • হৃদয়
    হৃদয় একটি উত্তর দিয়েছেন আমার মনেহয় এমন কোন দেশ পৃথিবীতে নেই, যেখানে ভূমিকম্প না… নভেম্বর 27, 2025, সময়ঃ 1:38 অপরাহ্ন
  • কাসেম খান
    কাসেম খান একটি উত্তর দিয়েছেন এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য… নভেম্বর 26, 2025, সময়ঃ 3:21 অপরাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 94 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 880 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 139 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 106 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 63 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

rana

rana

  • 26 প্রশ্ন
  • 3 পয়েন্ট
পণ্ডিত
lillieford

lillieford

  • 1 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
sumi

sumi

  • 18 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
stacyreed

stacyreed

  • 1 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
ashad khandaker

ashad khandaker

  • 2,496 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
সবজান্তা
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2025 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net