সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
ফ্যামিলি কার্ড কে কে পাবে?
বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় "স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড" বা "টিসিবি স্মার্ট কার্ড" বিতরণ ও নিবন্ধনের কাজকে আরও আধুনিক এবং সহজতর করেছে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের নতুন গাইডলাইন অনুযায়ী এই কার্ডটি এখন সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা এবং সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্যপণ্য পাওয়ার অন্যতম মাধ্যম। নিচে আপবিস্তারিত পড়ুন
বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় “স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড” বা “টিসিবি স্মার্ট কার্ড” বিতরণ ও নিবন্ধনের কাজকে আরও আধুনিক এবং সহজতর করেছে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের নতুন গাইডলাইন অনুযায়ী এই কার্ডটি এখন সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা এবং সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্যপণ্য পাওয়ার অন্যতম মাধ্যম।
নিচে আপনার প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর দেওয়া হলো।
কারা পাবেন এই ফ্যামিলি কার্ড?
২০২৬ সালের সংশোধিত গাইডলাইন অনুযায়ী, মূলত যারা আর্থিকভাবে অসচ্ছল তারাই এই কার্ডের প্রধান দাবিদার। এর মধ্যে বিশেষ অগ্রাধিকার পাবেন:
নারী প্রধান পরিবার: এই কার্ডটি মূলত পরিবারের “মা” অথবা “নারী সদস্যের” নামে ইস্যু করা হয়।
নিম্ন আয়ের মানুষ: যাদের মাসিক আয় দারিদ্র্য সীমার নিচে এবং যারা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন।
ভূমিহীন বা প্রান্তিক চাষি: গ্রামীণ এলাকায় যাদের আবাদি জমির পরিমাণ ৫০ শতাংশ বা ০.৫০ একরের কম।
শহরের বস্তিবাসী ও বেকার: ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বড় বড় শহরের নিম্নবিত্ত এলাকা ও বস্তিতে বসবাসকারী পরিবারগুলো।
ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার শর্তসমূহ
আবেদন করার জন্য আপনাকে নিচের শর্তগুলো পূরণ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য থাকতে হবে:
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID): আবেদনকারীর অবশ্যই বৈধ এনআইডি থাকতে হবে।
নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর: একটি সচল মোবাইল নম্বর থাকতে হবে যা আবেদনকারীর এনআইডি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা এবং সেখানে মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ বা নগদ) অ্যাকাউন্ট সচল থাকা বাঞ্ছনীয়।
স্থায়ী ঠিকানা: আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
পরিবারের তথ্য: একটি পরিবারের বিপরীতে কেবল একটি কার্ডই ইস্যু করা হয়। একই এনআইডি বা মোবাইল নম্বর দিয়ে একাধিক কার্ড নেওয়া সম্ভব নয়।
আবেদন করার নিয়ম
বর্তমানে ২০২৬ সালে ডিজিটাল পদ্ধতিতে আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে। আপনি দুইভাবে আবেদন করতে পারেন:
১. অনলাইন রেজিস্ট্রেশন
* আপনি সরাসরি সরকারের নির্ধারিত পোর্টাল `familycard.gov.bd` অথবা `tcbsheba.com` এ গিয়ে আবেদন করতে পারেন।
* সেখানে আপনার এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে তথ্য ভেরিফাই করার পর মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে।
২. স্থানীয় প্রতিনিধির মাধ্যমে
* আপনার এলাকার মেম্বার, কাউন্সিলর বা ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে (UDC) গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে আবেদন করতে পারেন।
* বর্তমানে অনেক এলাকায় ওয়ার্ড কমিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে তালিকা তৈরি করছে। আপনি আপনার এলাকার সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ রাখতে পারেন।
ফ্যামিলি কার্ডের বর্তমান সুবিধা
২০২৬ সালের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই কার্ডধারীরা কেবল সাশ্রয়ী মূল্যে চাল, তেল বা ডাল নয়, বরং ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরাসরি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে মাসিক ২,৫০০ টাকা পর্যন্ত নগদ অর্থ সহায়তা পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
সংক্ষেপে দেখুনঈদের দিন কবরস্থানে যাওয়া কি জায়েজ?
ঈদের দিন কবরস্থানে যাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ নয়। তবে ঈদের দিনকে কবর জিয়ারতের জন্য বিশেষভাবে নির্দিষ্ট করে নেওয়া বিদআত। কবর জিয়ারত একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত, তবে কবর জিয়ারতের জন্য জুমআ ও দুই ঈদের দিনকে নির্দিষ্ট করে নেওয়া বিদআত হবে। কেননা এই দুই দিনে খাস করে দোয়া করার পক্ষে রাসূল (সা.) ও সাহাবায়বিস্তারিত পড়ুন
ঈদের দিন কবরস্থানে যাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ নয়। তবে ঈদের দিনকে কবর জিয়ারতের জন্য বিশেষভাবে নির্দিষ্ট করে নেওয়া বিদআত।
কবর জিয়ারত একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত, তবে কবর জিয়ারতের জন্য জুমআ ও দুই ঈদের দিনকে নির্দিষ্ট করে নেওয়া বিদআত হবে। কেননা এই দুই দিনে খাস করে দোয়া করার পক্ষে রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের পক্ষ থেকে কোনো প্রমাণ নেই।
হাদিসের দলিল, কবর জিয়ারত সুন্নত
এই হাদিস থেকে স্পষ্ট – কবর জিয়ারত একটি প্রশংসনীয় আমল। তবে হাদিসে কোনো নির্দিষ্ট দিনের কথা বলা হয়নি।
ঈদের দিন বিশেষভাবে যাওয়া কেন বিদআত
দুই ঈদের দিনে কবর জিয়ারত করা ঈদের উদ্দেশ্যের সাথে সাংঘর্ষিক, যা আনন্দ ও সুখের প্রকাশ। এটি রাসূল (সা.)-এর শিক্ষা এবং পূর্ববর্তী সাহাবী ও তাবেয়িনদের আচরণেরও বিরুদ্ধে।
অর্থাৎ নতুনভাবে ঈদের দিনটিকে কবর জিয়ারতের জন্য বিশেষ দিন হিসেবে নির্ধারণ করার কোনো ভিত্তি নেই।
তাহলে মৃত আত্মীয়ের জন্য কী করবেন ঈদের দিন
ঈদের দিন মৃত আত্মীয়দের কথা মনে পড়া স্বাভাবিক। এই দিনে কবরস্থানে না গিয়েও আপনি তাদের জন্য উপকারী আমল করতে পারেন। ঘরে বসে তাদের জন্য দোয়া ও ইস্তেগফার করুন, তাদের পক্ষ থেকে সদকা দিন এবং নামাজের পর মোনাজাতে তাদের মাগফিরাত কামনা করুন। যেকোনো দিনে, যেকোনো সময়ে কবর জিয়ারত করা যায়। তাই ঈদের পরদিন বা যেকোনো অন্য দিনে গেলে কোনো অসুবিধা নেই।
কবরস্থানে গেলে যে দোয়া পড়বেন
কবরস্থানে ঢুকে বলুন — “আসসালামু আলাইকুম ইয়া আহলাল কুবুর” — এরপর দরুদ শরিফ, সূরা ফাতিহা ও পবিত্র কুরআনের আয়াত তিলাওয়াত করে মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া করতে হয়। দোয়া শুধু একজনের জন্য নয়, সব মুর্দার জন্যই করতে হয়।
জিয়ারতের পূর্ণ দোয়া
উচ্চারণ: আসসালামু আলাইকুম দারা ক্বাওমিম মুমিনিনা ওয়া ইন্না ইনশাআল্লাহু বিকুম লাহিকুন। অর্থ: হে মুমিনদের গৃহবাসীগণ! তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমরাও ইনশাআল্লাহ তোমাদের সাথে মিলিত হব। (সহিহ মুসলিম)
মনে রাখুন
✅ কবর জিয়ারত — যেকোনো দিন করা যায়, সুন্নত
সংক্ষেপে দেখুন❌ ঈদের দিনকে বিশেষভাবে নির্দিষ্ট করা — বিদআত, এড়িয়ে চলুন
✅ ঈদের দিন মৃতদের জন্য — ঘরে বসেই দোয়া ও সদকা করুন
✅ কবরে যেতে চাইলে — ঈদের আগে বা পরের যেকোনো দিন যান
ইন্ট্রোভার্ট বা অন্তর্মুখী স্বভাব কি আমাদের ভেতরের সত্য বা আত্মার কাছাকাছি যেতে সাহায্য করে? নাকি এই বেশি ভাবনার প্রবণতা কখনো কখনো কেবলই মানসিক জটিলতা তৈরি করে?
Introvert বা অন্তর্মুখী স্বভাব কোন রোগ বা দুর্বলতা নয়, এটা শুধু আপনার ব্যক্তিত্বের একটা ধরণ। প্রশ্নটিতে যেহেতু দুটি ভাগ আছে তাই একটি একটি করে উত্তর দিচ্ছি। ইন্ট্রোভার্ট বা অন্তর্মুখী স্বভাব কীভাবে 'আত্মার কাছাকাছি' যেতে সাহায্য করে? আপনি যখন একা থাকেন, তখন নিজের জীবন, নিজের কাজ, নিজের চাওয়া-পাওয়া নিবিস্তারিত পড়ুন
প্রশ্নটিতে যেহেতু দুটি ভাগ আছে তাই একটি একটি করে উত্তর দিচ্ছি।
ইন্ট্রোভার্ট বা অন্তর্মুখী স্বভাব কীভাবে ‘আত্মার কাছাকাছি’ যেতে সাহায্য করে?
আপনি যখন একা থাকেন, তখন নিজের জীবন, নিজের কাজ, নিজের চাওয়া-পাওয়া নিয়ে ভাবার অনেক সময় পান। এই গভীর ভাবনাই আপনাকে বুঝতে সাহায্য করে আপনি আসলে কী চান, আপনার কাছে কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল। একেই ‘ভেতরের সত্য’ বা ‘আত্মার খোঁজ’ বলা যেতে পারে। এটাকে এক ধরণের Self-Reflection বলা যায়।
অন্তর্মুখীরা সাধারণত কথা কম বলেন এবং শোনেন বেশি। এর ফলে তারা অন্যদের এবং চারপাশের পরিস্থিতি খুব ভালোভাবে বুঝতে পারেন।
অনেক লেখক, শিল্পী বা বিজ্ঞানী অন্তর্মুখী হন। কারণ তাদের এই একাকীত্ব এবং গভীর চিন্তা নতুন কিছু তৈরি করতে সাহায্য করে।
ইন্ট্রোভার্ট স্বভাব কীভাবে ‘মানসিক জটিলতা’ তৈরি করে?
যে গভীর চিন্তা ভালো, সেই চিন্তাই যখন বেশি হয়ে যায়, তখন তা ‘ওভারথিংকিং’-এ পরিণত হয়। একটা ছোট ঘটনা নিয়ে আপনি হয়তো ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভাবতে থাকলেন, যা বাস্তবে অতটা বড় ছিলই না।
অতিরিক্ত ভাবনার ফলে সহজেই দুশ্চিন্তা (Anxiety) আসতে পারে। “ও কী ভাবলো?”, “ভবিষ্যতে কী হবে?”, “অতীতে কেন এমন হলো?” এই ধরনের চিন্তাগুলো মানসিক চাপ তৈরি করে এবং অনেক সময় তা বিষণ্ণতার (Depression) দিকে ঠেলে দেয়।
যদিও আপনি একা থাকতে পছন্দ করেন, কিন্তু সামাজিক মেলামেশা একেবারে বন্ধ করে দিলে আপনি নিজেকে খুব একা এবং বিচ্ছিন্ন মনে করতে পারেন। মানুষ সামাজিক জীব, আমাদের সবারই কিছু ভালো সম্পর্ক দরকার হয়।
সমাধান কী?
যখনই বুঝবেন আপনি অতিরিক্ত ভাবছেন (ওভারথিংকিং করছেন), নিজেকে থামান। দরকার হলে ডায়েরি লিখুন বা বিশ্বস্ত কারো সাথে কথাটা বলে ফেলুন।
নিজের জন্য সময় রাখুন (যেমন বই পড়া, গান শোনা)। কিন্তু সপ্তাহে অন্তত কিছু সময় পরিবারের বা খুব কাছের বন্ধুদের সাথেও কাটান।
আপনি যেমন, তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন। নিজেকে জোর করে মিশুক (Extrovert) বানানোর দরকার নেই। আপনার নীরবতাও অনেক শক্তিশালী।
সংক্ষেপে দেখুনভারতীয় ক্লাসিক্যাল রাগ সঙ্গীতের মতো তিনি দিনের ২৪ ঘন্টার উপযোগী ২৪টি ‘নুবা’ সৃষ্টি করেন। এই ২৪টি ‘নুবা’ পরবর্তীতে খ্রিস্টানদের চার্চের মিউজিককে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে বর্তমানে যা ওয়েস্টার্ন ক্লাসিক্যাল মিউজিক নামে পরিচিত। তার তৈরি করা বাদ্যযন্ত্র ‘উদ’ পরবর্তীতে স্প্যানিশ গিটারে বিবর্তিত হয়। তাকে ইসলামিক স্পেনের সঙ্গীতের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কে তিনি?
ইসলামিক স্পেনের সঙ্গীতের প্রতিষ্ঠাতা, যিনি ২৪টি 'নুবা' সৃষ্টি করেন এবং যার তৈরি বাদ্যযন্ত্র 'উদ' পরবর্তীতে স্প্যানিশ গিটারে বিবর্তিত হয়, তিনি হলেন আব্বাস ইবনে ফিরনাস। তিনি ছিলেন একজন বহুমুখী প্রতিভাধর ব্যক্তি। তিনি জ্যোতির্বিদ্যা, চিকিৎসা, কাব্য, সঙ্গীত এবং প্রকৌশলে অবদান রেখেছিলেন। তাঁর তৈরি করা ২বিস্তারিত পড়ুন
ইসলামিক স্পেনের সঙ্গীতের প্রতিষ্ঠাতা, যিনি ২৪টি ‘নুবা’ সৃষ্টি করেন এবং যার তৈরি বাদ্যযন্ত্র ‘উদ’ পরবর্তীতে স্প্যানিশ গিটারে বিবর্তিত হয়, তিনি হলেন আব্বাস ইবনে ফিরনাস।
তিনি ছিলেন একজন বহুমুখী প্রতিভাধর ব্যক্তি। তিনি জ্যোতির্বিদ্যা, চিকিৎসা, কাব্য, সঙ্গীত এবং প্রকৌশলে অবদান রেখেছিলেন। তাঁর তৈরি করা ২৪টি ‘নুবা’ (যা ভারতীয় রাগ সঙ্গীতের মতো দিনের ২৪টি ঘণ্টার উপযোগী) ইসলামিক স্পেনের সঙ্গীতে এক নতুন মাত্রা যোগ করে এবং পশ্চিমা ক্লাসিক্যাল মিউজিককে প্রভাবিত করে। তাঁর উদ্ভাবিত বাদ্যযন্ত্র ‘উদ‘ আধুনিক গিটারের পূর্বপুরুষ হিসেবেও বিবেচিত হয়।
Facebook Page Name List Bangla, ফেসবুক পেইজের সুন্দর নাম বাংলা
আমার কাছে কিছু সুন্দর ফেসবুক পেইজের নামের লিস্ট আছে। দেখুন কাজে লাগে কিনা! 1. আড্ডার আসর 2. বাংলার গল্প 3. চিন্তার ঝুলি 4. মনের খেয়াল 5. হাসি তামাশা 6. জীবনের গল্প 7. শব্দের খেলাঘর 8. নতুন ভাবনা 9. বাংলার মঞ্চ 10. গল্পের ঝাঁপি
আমার কাছে কিছু সুন্দর ফেসবুক পেইজের নামের লিস্ট আছে। দেখুন কাজে লাগে কিনা!
1. আড্ডার আসর
সংক্ষেপে দেখুন2. বাংলার গল্প
3. চিন্তার ঝুলি
4. মনের খেয়াল
5. হাসি তামাশা
6. জীবনের গল্প
7. শব্দের খেলাঘর
8. নতুন ভাবনা
9. বাংলার মঞ্চ
10. গল্পের ঝাঁপি
Milam 7.5 কি, কিভাবে ব্যবহার করবেন এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কি?
আপনি কি Milam 7.5 ট্যাবলেট সম্পর্কে জানেন? এই ট্যাবলেটটি বিশেষ করে ঘুমের সমস্যা সমাধানে ব্যবহৃত হয়। আজকের ব্লগে, আমরা জানব মিলাম ৭.৫ কী, এটি কীভাবে কাজ করে, এর দাম কেমন এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে। Milam 7.5 কি? মিলাম ৭.৫ (Milam 7.5) একটি প্রেসক্রিপশন ওষুধ যা সাধারণত ঘুমের সমস্যা বা ইনসমনিযবিস্তারিত পড়ুন
আপনি কি Milam 7.5 ট্যাবলেট সম্পর্কে জানেন? এই ট্যাবলেটটি বিশেষ করে ঘুমের সমস্যা সমাধানে ব্যবহৃত হয়। আজকের ব্লগে, আমরা জানব মিলাম ৭.৫ কী, এটি কীভাবে কাজ করে, এর দাম কেমন এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে।
Milam 7.5 কি?
মিলাম ৭.৫ (Milam 7.5) একটি প্রেসক্রিপশন ওষুধ যা সাধারণত ঘুমের সমস্যা বা ইনসমনিয়া চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি সেডেটিভ এবং হাইপোনোটিক ওষুধ যা মস্তিষ্কে কিছু রাসায়নিকের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে, যার ফলে দ্রুত ও ভালো ঘুম হয়।
Milam 7.5 কীভাবে কাজ করে?
মিলাম ৭.৫ ট্যাবলেট মস্তিষ্কের স্নায়ু সিস্টেমকে শান্ত করে এবং ঘুম আনতে সহায়তা করে। এটি সাধারণত রাতে শোয়ার আগে গ্রহণ করা হয়, এবং এটি দ্রুত কার্যকর হয় যা দ্রুত ঘুমের সূচনা নিশ্চিত করে।
Milam 7.5 কি কাজে লাগে?
মিলাম ৭.৫ (Milam 7.5) একটি ওষুধ যা মূলত ঘুমের সমস্যা বা ইনসমনিয়া চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি সেডেটিভ ওষুধ যা মস্তিষ্কে নির্দিষ্ট রাসায়নিকের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে, যার ফলে দ্রুত ও সহজে ঘুম আসতে সহায়ক হয়।
অর্থাৎ, মিলাম ৭.৫ মস্তিষ্কের স্নায়ু সিস্টেমকে শান্ত করে এবং ঘুমের গুণমান উন্নত করে। এটি সাধারণত রাতে শোয়ার আগে নেওয়া হয় এবং এটি দ্রুত কার্যকর হয়ে ঘুম আনতে সাহায্য করে।
Milam 7.5 এর দাম বাংলাদেশে (Milam 7.5 price in bangladesh)
মিলাম ৭.৫ ট্যাবলেটের দাম বাংলাদেশে ভিন্ন হতে পারে। সাধারণত, একটি মিলাম ৭.৫ ট্যাবলেটের মূল্য প্রায় ১০০-১৫০ টাকা হতে পারে, তবে সঠিক দাম আপনার স্থানীয় ফার্মেসিতে যাচাই করা উচিত।
Milam 7.5 খেলে কতক্ষণ ঘুম হয়?
মিলাম ৭.৫ খাওয়ার পর সাধারণত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম হয়। এটি ব্যক্তির স্বাস্থ্য ও শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। তবে, ঘুমের গুণগত মান ও দৈর্ঘ্য ব্যক্তির প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন হতে পারে।
মিলাম ৭.৫ এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Milam 7.5 side effects)
যেমন যে কোনো ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে, মিলাম ৭.৫ এরও কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। এর মধ্যে কিছু সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো:
যদি আপনি কোনো গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুভব করেন, তবে অবিলম্বে আপনার চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।
বিঃদ্রঃ Milam 7.5 ট্যাবলেট আপনাকে ভালো ঘুম নিশ্চিত করতে সাহায্য করতে পারে, তবে এটি ব্যবহারের আগে আপনার ডাক্তার বা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
সংক্ষেপে দেখুনওজন কমানোর জন্য কমেট ৫০০ খাওয়া কি ঠিক হবে? comet 500 কি কাজ করে?
কমেট ৫০০ আপনার ক্ষুধা হ্রাস করে এবং আপনার শরীরের ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা বাড়ায়, এইভাবে, আপনার রক্ত দ্বারা শোষিত গ্লুকোজের পরিমাণ হ্রাস করে। ইনসুলিনের বর্ধিত সংবেদনশীলতাও কলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং ওজন কমানোর জন্য সহায়তা করে। কিন্তু যেহেতু comet 500 ডায়াবেটিস এর ঔষধ তাই এটি সেবনের পূর্বে অবিস্তারিত পড়ুন
কমেট ৫০০ আপনার ক্ষুধা হ্রাস করে এবং আপনার শরীরের ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা বাড়ায়, এইভাবে, আপনার রক্ত দ্বারা শোষিত গ্লুকোজের পরিমাণ হ্রাস করে। ইনসুলিনের বর্ধিত সংবেদনশীলতাও কলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং ওজন কমানোর জন্য সহায়তা করে। কিন্তু যেহেতু comet 500 ডায়াবেটিস এর ঔষধ তাই এটি সেবনের পূর্বে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে, তা নাহলে নানান জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। যেকোন ঔষধ সেবনের পূর্বে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।
সংক্ষেপে দেখুন2030 ফিফা বিশ্বকাপ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
২০৩০ সালের বিশ্বকাপ শতবর্ষী বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতা হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে। এই প্রথমবারের মতো, দুটি মহাদেশের তিনটি দেশ প্রতিযোগিতার আয়োজক হবে, যেখানে স্পেন , পর্তুগাল এবং মরক্কো আয়োজক দেশ। অতিরিক্তভাবে, আর্জেন্টিনা , প্যারাগুয়ে এবং উরুগুয়ে এই ইভেন্টের উদ্বোধনী দেশ হিসেবে কাজ করবে।
২০৩০ সালের বিশ্বকাপ শতবর্ষী বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতা হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে। এই প্রথমবারের মতো, দুটি মহাদেশের তিনটি দেশ প্রতিযোগিতার আয়োজক হবে, যেখানে স্পেন , পর্তুগাল এবং মরক্কো আয়োজক দেশ। অতিরিক্তভাবে, আর্জেন্টিনা , প্যারাগুয়ে এবং উরুগুয়ে এই ইভেন্টের উদ্বোধনী দেশ হিসেবে কাজ করবে।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশের জিডিপি কত? (২০২৩)
চলতি ২০২৩ সাল শেষে বাংলাদেশের জিডিপি এর আকার দাঁড়াবে ৪২ হাজার ৫১ কোটি ৬০ লাখ (৪২৫ বিলিয়ন) ডলারে।
চলতি ২০২৩ সাল শেষে বাংলাদেশের জিডিপি এর আকার দাঁড়াবে ৪২ হাজার ৫১ কোটি ৬০ লাখ (৪২৫ বিলিয়ন) ডলারে।
সংক্ষেপে দেখুনবিশ্বের দীর্ঘতম ফ্লাইট এর সময় কত ছিলো?
বিশ্বের দীর্ঘতম ফ্লাইট : রবার্ট টিম এবং জন কুক নামের দুই আরোহী চার আসনবিশিষ্ট 'সেসনা ১৭২' বিমানে করে লাস ভেগাসের আকাশে উড়ে বেড়িয়েছিলেন টানা ৬৪ দিন ২২ ঘণ্টা ১৯ মিনিট! ঘটনাটি ১৯৫৯ সালের। এটিই এখন পর্যন্ত বিশ্বের দীর্ঘতম ফ্লাইটের রেকর্ড! এবার আপনার মনে প্রশ্ন উঠতে পারে বিমানটিতে এত জ্বালানি এল কিভাবে?বিস্তারিত পড়ুন
বিশ্বের দীর্ঘতম ফ্লাইট :
রবার্ট টিম এবং জন কুক নামের দুই আরোহী চার আসনবিশিষ্ট ‘সেসনা ১৭২‘ বিমানে করে লাস ভেগাসের আকাশে উড়ে বেড়িয়েছিলেন টানা ৬৪ দিন ২২ ঘণ্টা ১৯ মিনিট! ঘটনাটি ১৯৫৯ সালের। এটিই এখন পর্যন্ত বিশ্বের দীর্ঘতম ফ্লাইটের রেকর্ড!


সংক্ষেপে দেখুনএবার আপনার মনে প্রশ্ন উঠতে পারে বিমানটিতে এত জ্বালানি এল কিভাবে? নিচের ছবিটি দেখলেই তা বুঝতে পারবেন।
জ্বালানি ফুরিয়ে যাবার আগেই বিমানটি অনেকটা নিচে নেমে আসতো এবং আকাশে থাকা অবস্থায়ই ট্রাক থেকে একটি পাইপ এবং পাম্পের মাধ্যমে বিমানে জ্বালানি সরবরাহ করা হতো।
বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগামী বুলেট ট্রেন কোনটি?
দ্যা সাংহাই ম্যাগলেভ দ্যা সাংহাই ম্যাগলেভ (The Shanghai Maglev) হলো বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম ট্রেন। ঘণ্টায় ৬০০ কিলোমিটার বা ৩৭৩ মাইল বেগে চলতে পারে। চীনের পূর্ব শ্যাংডং প্রদেশের কিংডাও শহরে এর উদ্বোধন করা হয়।
দ্যা সাংহাই ম্যাগলেভ

সংক্ষেপে দেখুনদ্যা সাংহাই ম্যাগলেভ (The Shanghai Maglev) হলো বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম ট্রেন। ঘণ্টায় ৬০০ কিলোমিটার বা ৩৭৩ মাইল বেগে চলতে পারে। চীনের পূর্ব শ্যাংডং প্রদেশের কিংডাও শহরে এর উদ্বোধন করা হয়।
কোন কোর প্রাণীর কামড়ে ভ্যাকসিন নিতে হয়?
কুকুর, বিড়াল, শিয়াল, বেজি, বানর, বাদুড় ইত্যাদি সহ রেবিস বহনকারী যেকোন প্রাণীর কামড়ে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন নিতে হবে। এবং এর সাথে ৪৮ ঘন্টার ভেতরে Tetanus Antitoxin (ATS) ইনজেকশন দেয়া উচিত যদিও এক্ষেত্রে টিটেনাসে মৃত্যুর হার কম।
কুকুর, বিড়াল, শিয়াল, বেজি, বানর, বাদুড় ইত্যাদি সহ রেবিস বহনকারী যেকোন প্রাণীর কামড়ে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন নিতে হবে। এবং এর সাথে ৪৮ ঘন্টার ভেতরে Tetanus Antitoxin (ATS) ইনজেকশন দেয়া উচিত যদিও এক্ষেত্রে টিটেনাসে মৃত্যুর হার কম।
সংক্ষেপে দেখুনপ্লুটো গ্রহ নয় কেন?
যারা ৯০এর দশকে স্কুলে পড়েছেন তারা সকলেই জানেন আমাদের সৌরজগতে অন্যান্য গ্রহগুলোর মত প্লুটো একটি গ্রহ। কিন্তু ঠিক কি কারণে ২০০৬ সালে এসে প্লুটোকে গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হল? সেটি জানার আগে চলুন প্লুটো সম্পর্কে একটু জেনে নেয়া যাক। প্লুটো প্লুটো আবিষ্কার হয় ১৯৩০ সালে। ১৯৩১ সালে প্লুটো ভর নির্ণয় করাবিস্তারিত পড়ুন
যারা ৯০এর দশকে স্কুলে পড়েছেন তারা সকলেই জানেন আমাদের সৌরজগতে অন্যান্য গ্রহগুলোর মত প্লুটো একটি গ্রহ। কিন্তু ঠিক কি কারণে ২০০৬ সালে এসে প্লুটোকে গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হল?
সেটি জানার আগে চলুন প্লুটো সম্পর্কে একটু জেনে নেয়া যাক।
প্লুটো
প্লুটো আবিষ্কার হয় ১৯৩০ সালে। ১৯৩১ সালে প্লুটো ভর নির্ণয় করা হয় পৃথিবীর ভরের কাছাকাছি। পরবর্তীতে আরো সূক্ষ মাপে এর ভর কমে আসে এবং মঙ্গল গ্রহের কাছাকাছি নির্নীত হয়। ১৯৭৬ সালে প্লুটোর বর্ণালী পর্যবেক্ষণ করে ধারনা করা হয় এর ভর পৃথিবীর ভরের ১ শতাংশের বেশী হবে না।
১৯৭৮ সালে প্লুটোর চাঁদ শ্যারন আবিষ্কৃত হলে এর ভর যথাযথভাবে নির্ণয় করার পথ খুলে যায়। বিভিন্ন হিসেবে দেখা যায় এর ভর হবে পৃথিবীর ভরের মাত্র ০.২ শতাংশ। এত সামান্য ভর নিয়ে প্লুটোর পক্ষে ইউরেনাস গ্রহের কক্ষপথে প্রভাব বিস্তার করা দুষ্কর।
প্লুটোর আকার ও অস্ট্রেলিয়ার আকারের তুলনা
প্লুটো ২৪৮ বছরে একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। এর কক্ষপথের বৈশিষ্ট অন্যান্য গ্রহের তুলনায় যথেষ্ট পৃথক। প্লুটো ব্যাতীত অন্য আটটি গ্রহ সূর্যকে একই সমতলে থেকে প্রদক্ষিণ করে, অপরদিকে প্লুটো অন্য গ্রহগুলোর ব্যতিক্রম হিসেবে এই সমতলের সাথে ১৭ ডিগ্রি কোণ করে সুর্যকে প্রদক্ষিণ করে। তাছাড়া অন্যান্য গ্রহগুলোর কক্ষপথ প্রায় গোলাকার, আর প্লুটো কক্ষপথ কিছুটা উপবৃত্তাকার। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে প্লুটোর কক্ষপথ নেপচুনের কক্ষ পথের সাথে সাংঘর্ষিক। তবে তারপরও প্লুটো নেপচুনের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় না এর কারণ হচ্ছে প্লুটো এবং নেপচুনের বৃত্তাকার গতি ঐক্যতানে আছে (enharmonic)। নেপচুনের প্রতি দুটি আবর্তনের সাথে সাথে প্লুটোর যথাযথভাবে তিনটি আবর্তন সম্পন্ন করে এবং এভাবেই সারাজীবন চলতে থাকবে যদি এখানে বাহ্যিক কোনো কিছুর প্রভাব না পড়ে।
প্লুটোর কক্ষপথ অন্য গ্রহগুলোর কক্ষপথের একই সমতলে নয়, বরং ১৭ ডিগ্রি তীর্যক
মতপার্থক্যের সূচনা
১৯৯২ সাল হতে বিভিন্ন সময়ে প্লুটোর এলাকায়, অর্থাৎ এটি সূর্য থেকে যে দূরত্বে অবস্থান করে সেখানে আরো কিছু বস্তু আবিষ্কৃত হতে থাকে যেগুলো আকার আকৃতিতে প্লুটোর সাথে তুলনীয়। এই বস্তুগুলো সমেত অঞ্চলটিকে এখন কুইপার বেল্ট নামে ডাকা হয়। এধরনের আবিষ্কারের ফলে গ্রহ হিসেবে প্লুটোর মর্যাদা বিতর্কিত হয়ে পড়ে। অনেকেই প্রশ্ন রাখেন প্লুটোর মতো আরো বিভিন্ন বস্তু যেহেতু পাওয়া যাচ্ছে সেহেতু এটি ওই বস্তুরগুলো হতে আলাদা করা ঠিক হবে কিনা। প্লুটোকে যদি গ্রহ মর্যাদা দেওয়া হয় তাহলে সেই বস্তুগুলোকেও তো মর্যাদা দিতে হয়। এই সময়টিতে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষনা ছাড়াই অনেকক্ষেত্রে জাদুঘর কিংবা পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের পরিচালকগণ প্লুটোকে গ্রহের মডেলের বাইরে রেখে বিতর্কের জন্ম দেন।
২০০০ সালের মধ্যে কুইপার বেল্টে বেশ কিছু বস্তু আবিষ্কৃত হয়ে যায়। এর মধ্যে রয়েছে সেরেস, প্যালাস, জুনো এবং ভেস্তা যেগুলোকে শুরুতে গ্রহ হিসেবে ভাবার পরও পরবর্তীতে আরো বিভিন্ন গ্রহাণু আবিষ্কৃত হয়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত আর গ্রহের মর্যাদা দেওয়া হয় নি। অনেকেই প্লুটোকেও একই পরিণতি ভোগ করার পক্ষ অবলম্বন করেন। ২০৫ এর জুলাইয়ের ২৯ তারিখে নেপচুনের বাইরে প্লুটোর চেয়েও বড় ভরের বস্তু এরিস আবিষ্কৃত হয়। এটি ১৮৪৬ সালে শনির উপগ্রহ টাইটানের পর আবিষ্কৃত সৌরজগতের সবচেয়ে বড় বস্তু। এর আবিষ্কারগণ এবং গণমাধ্যম এটিকে শুরুতে দশম গ্রহ হিসেবে পরিচিত করিয়ে দেয় যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এটিকে কখনো গ্রহ তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি বা এ নিয়ে কোনো আলোচনাও হয় নি।
প্লুটো গ্রহ নয় কেন
এহেন পরিস্থিতিতে কোন বস্তুটিকে গ্রহ এবং কোন বস্তুটিকে গ্রহ বলা হবে না তা নির্ধারণ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এর আগে গ্রহের কোনো সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা ছিলো না। তাই বেশ কিছু গ্রহসদৃশ বস্তুকে নিয়ে বিতর্ক লেগেই ছিলো। এই অবস্থার অবসানের জন্য ২০০৬ সালে ২৪ আগষ্ট জ্যোতির্বিদদের একটি সম্মেলনে IAU resolution অনুযায়ী গ্রহের সংজ্ঞা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। এই শর্তপত্রের আওতায় সৌরজগতের একটি বস্তুকে গ্রহ হতে হলে:
১. একে সূর্যের চারপাশে ঘুরতে হবে।
২. একে যথেষ্ট পরিমান ভারী হতে হবে যেন নিজের মাধ্যাকর্ষণের টানে এটি গোলাকার ধারন করতে পারে। আরো যথাযথভাবে, এর নিজস্ব মাধ্যাকর্ষন এটিকে এমন আকৃতিতে পরিণত করতে হবে যেন তা ‘হাইড্রোস্ট্যাটিক সাম্যাবস্থা’য় থাকে।
৩. এর কক্ষপথটি অন্যান্য গ্রহের কক্ষপথ হতে পৃথক হতে হবে। যদি দুটি বস্তুর কক্ষপথ পৃথক না হয় বা একটির কক্ষপথ অপরটির ভেতর ঢুকে পড়ে তাহলে অপেক্ষাকৃত বেশী ভরের বস্তুটিই গ্রহের মর্যাদা পাবে।
প্লুটো এই তিনটি শর্তের মধ্যে তৃতীয়টি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়। প্লুটোর কক্ষপথ স্বতন্ত্র নয়, বরং এটি এর কক্ষে আবর্তনকালে নেপচুনের কক্ষের মধ্যে ঢুকে পড়ে। অর্থাৎ কক্ষপথে আবর্তনকালের এক পর্যায় এটি নেপচুনের চেয়ে সুর্যের কাছাকাছি অবস্থান করে। এবং এর অবস্থান হয় নেপচুনের আগে। কিন্তু নেপচুনের ভরের তুলনায় প্লুটোর ভর অনেক অনেক কম হওয়ায় গ্রহ মর্যাদা নেপচুনেরই পাওয়ার কথা। প্লুটোর নয়।
প্লুটোর কক্ষপথ স্বতন্ত্র নয় বরং নেপচুনের কক্ষপথের সাথে ছেদ করে। ফলে এটি আবর্তনের একপর্যায়ে নেপচুনের তুলনায় সূর্যের কাছে থাকে।
AIU আরো নির্ধারণ করে দেয় যে প্লুটোর মতো অন্য যেসব বস্তু কেবল গ্রহের সংজ্ঞার ১ ও ২ নং শর্ত পূরণ করতে পারবে তাদের বামন গ্রহ বলা হবে। ২০০৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর AIU প্লুটো, এরিস এবং এর উপগ্রহ ডিসনোমিয়াকে গৌণ গ্রহের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে এবং আনুষ্ঠানিক ভাবে গৌণ গ্রহের মর্যাদা দেয়। যার ফলে প্লুটোর নাম হয় “(১৩৪৩৪০) প্লুটো”।
গত বছর নিউ হরাইজন প্লুটের কাছে গিয়ে ডানপাশের ছবিটি তুলে পাঠায়। তার আগ পর্যন্ত প্লুটোর সবচেয়ে অনুপূঙ্খ ছবি ছিলো বাম পাশের টি।
গ্রহের এই পুনঃশ্রেনীবিন্যাস অনেক জ্যোতির্বিদ সহজ ভাবে গ্রহণ করতে পারেন নি। কিছুদিন আগে নাসার প্লুটোর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া নিউ হরাইজন মিশনের প্রধান গবেষক অ্যালান স্টার্ন গ্রহের এই শর্ত মেনে নিতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন “বেশ কিছু কৌশলগত কারণে এই শর্তাবলী যন্ত্রনাদায়ক”। স্টার্নের মতে নতুন শর্ত অনুযায়ী পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি এবং নেপচুন যেহেতু তাদের কক্ষপথ গ্রহাণুসমুহের সাথে শেয়ার করে তাই এই গ্রহগুলোকে তালিকা হতে বাদ দিতে হবে। তিনি বলেন আমাদের চাঁদ সহ সব বড় বড় গোলাকার উপগ্রহগুলো একইভাবে গ্রহ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তিনি আরো বলেন সমগ্র বিশ্বের কেবলমাত্র পাঁচ শতাংশ জ্যোতির্বিদ যেহেতু এই শর্তাবলীর পক্ষে ভোট দিয়েছে কাজেই এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ জ্যোতির্বিদ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করে না। লয়েল অবজারভেটরিতে কর্মরত মার্ক. ডব্লিও বুই তাঁর ওয়েব সাইটের মাধ্যমে নতুন এই শর্তাবলীর বিরুদ্ধাচরণ করেন এবং এই সংজ্ঞার বিরুদ্ধে পিটিশন জারি করেন। তবে অন্যান্য অনেকেই AIU’র সিদ্ধান্ত সমর্থন করেন। এরিসের আবিষ্কর্তা মাইক ব্রাউন এই প্রসঙ্গে বলেন, “আমাদের সামনে অনেক সময় পড়ে আছে। কোনো না কোনো ভাবে সঠিক উত্তরটি প্রতিষ্ঠিত হবেই। বিজ্ঞান নিজেকে প্রতিনিয়ত সংশোধন করে চলে। খুব বড় ধরনের আবেগ জড়িত থাকলেও সে তার ধার ধারে না।”
সংক্ষেপে দেখুনহার্নিয়া রোগ কি, হার্নিয়া রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা কি?
হার্নিয়া এবং এর চিকিৎসা সম্পর্কে অনেকের ভ্রান্ত ধারণা আছে। অনেকেই মনে করেন হার্নিয়ার চিকিৎসা শুধুই সার্জারি ধারণাটি পুরোপুরি সঠিক নয়। হার্নিয়া : আমাদের পেটের অভ্যন্তরে রয়েছে বিভিন্ন অঙ্গ (Organ)। এবার সেই অঙ্গের কোনও অংশ পেটের কোনও পেশি বা কোষকলার দেওয়াল ঠেলে বেরিয়ে এলে বলা হয় হার্নিয়া। এক্ষেত্রে বেবিস্তারিত পড়ুন
হার্নিয়া এবং এর চিকিৎসা সম্পর্কে অনেকের ভ্রান্ত ধারণা আছে। অনেকেই মনে করেন
হার্নিয়ার চিকিৎসা শুধুই সার্জারি
ধারণাটি পুরোপুরি সঠিক নয়।
হার্নিয়া : আমাদের পেটের অভ্যন্তরে রয়েছে বিভিন্ন অঙ্গ (Organ)। এবার সেই অঙ্গের কোনও অংশ পেটের কোনও পেশি বা কোষকলার দেওয়াল ঠেলে বেরিয়ে এলে বলা হয় হার্নিয়া। এক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময়ই অ্যাবডোমিনাল (Abdominal) ওয়াল ভেদ করেই এই ঘটনা ঘটে। তাই মূলত এই সমস্যা হল পেটের। ফলত এই সমস্যাকে পেটের বা অন্ত্রের রোগ হিসাবেও দেখেন অনেকে।
এক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের হার্নিয়া হতে পারে-
১. ফিমোরাল হার্নিয়া
২. হায়াটাল হার্নিয়া
৩. আমব্লায়াকাল হার্নিয়া
৪. ইঙ্গুয়াল হার্নিয়া
হার্নিয়ার লক্ষণ
হার্নিয়া খুবই সমস্যার একটা রোগ। এই অসুখ হলে প্রচণ্ড ব্যথা (Pain) হয়। এমনকী মানুষ এই ব্যথার কারণে শয্যাশায়ী পর্যন্ত হয়ে পড়েন। এক্ষেত্রে এই রোগের চিকিৎসায় অত্যন্ত দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজন। নইলে রোগ এত দ্রুত বেড়ে যায় যে পরবর্তী সময়ে ব্যথা সহ্য করা যায় না।
১. পেটের কোনও অংশ ফুলে গিয়েছে
২. পেটের কোনও অংশে ব্যাথা হচ্ছে প্রবল
৩. কাশতে গেলে ব্যাথা বাড়ছে
৪. পেটের ওই অংশটা জ্বলছে
জীবনযাত্রার নানা সমস্যা থেকে শুরু করে ডায়েট, ধূমপান ইত্যাদি কারণ থেকে দেখা দিতে পারে পারে এই সমস্যা।
হার্নিয়া কেন হয়
বিভিন্ন কারণে হার্নিয়া হতে পারে। নিচে কিছু কারণ উল্লেখ করা হলো।
১. ওবেসিটি
২. প্রেগন্যান্সি
৩. পেটের পেশিতে বেশি চাপ পড়া
৪. খুব কাশি
৫. বেশি ওজন তোলা
৬. নিয়মিত কোষ্ঠকাঠিন্য
৭. ধূমপান, খারাপ খাওয়াদাওয়া, অন্যান্য তামাকজাত পদার্থ খাওয়াদাওয়া ইত্যাদি
হার্নিয়ার চিকিৎসা
হার্নিয়ার সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেওয়াই উচিত। কারণ এই সমস্যা নিজের থেকে দূর হবে না। এক্ষেত্রে ল্যাপেরোস্কোপিক সার্জারির মাধমেই করা যেতে পারে সমস্যার সমাধান। আর ল্যাপেরোস্কোপিক সার্জারি এখন খুব আধুনিক হয়ে গিয়েছে। রোগী এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই ছাড়া পেয়ে যান বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই। তাই আর চিন্তা নেই। তবে অনেকের করতে পারে ওপেন সার্জারি। কিন্তু সেখানেও ভয়ের তেমন ব্যাপার নেই।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশের সংবিধান কি? বাংলাদেশের সংবিধান pdf ডাউনলোড করবো কিভাবে?
বাংলাদেশের সংবিধান pdf বেশকিছু মূলনীতির উপর ভিত্তি করে রচনা করা হয় প্রতিটি রাস্ট্রের সংবিধান। আমরা বাঙালী এবং বাংলাদেশের নাগরিক। আমাদের দেশ পরিচালনার জন্যও একটি লিখিত সংবিধান রয়েছে। আমাদের সংবিধান মূলত গণপ্রজাতন্ত্রকে কেন্দ্র করে তৈরি করা। আমাদের প্রতিটি নাগরিকের কর্তব্য হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশেবিস্তারিত পড়ুন
বাংলাদেশের সংবিধান pdf
বেশকিছু মূলনীতির উপর ভিত্তি করে রচনা করা হয় প্রতিটি রাস্ট্রের সংবিধান। আমরা বাঙালী এবং বাংলাদেশের নাগরিক। আমাদের দেশ পরিচালনার জন্যও একটি লিখিত সংবিধান রয়েছে। আমাদের সংবিধান মূলত গণপ্রজাতন্ত্রকে কেন্দ্র করে তৈরি করা। আমাদের প্রতিটি নাগরিকের কর্তব্য হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান সম্পর্কে জানা এবং সেগুলো মেনে চলা।
আজ আমরা সহজ ভাষায় বাংলাদেশের সংবিধান সম্পর্কে জানবো। এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান সম্পর্কিত ২ টি pdf বই শেয়ার করবো। আপনি এই বইগুলো থেকে বাংলাদেশের সংবিধান সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাবেন বলে আশাবাদী।
সহজ ভাষায় বাংলাদেশের সংবিধান pdf download
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান pdf ডাউনলোড
সংক্ষেপে দেখুনজোঁক সম্পর্কে জানতে চাই। শুনেছি জোঁকের কামড় নাকি উপকারি?
একটি জোঁক ২ থেকে ১৫ মিলিলিটার রক্ত শুষতে পারে। সেই সঙ্গে মুখ থেকে এক ধরনের লালা মিশিয়ে দেয় রক্তে। যাতে হিরুডিন, ক্যালিক্রেইন, ক্যালিনের মতো কিছু উৎসেচক থাকে। যা রক্তের দুষ্টি দূর করতে সাহায্য করে। জোঁক শরীরের পচনশীল অংশের দূষিত রক্ত দ্রুত শুষে নিয়ে নতুন রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে৷ এমনকি, রক্তে শর্কবিস্তারিত পড়ুন
একটি জোঁক ২ থেকে ১৫ মিলিলিটার রক্ত শুষতে পারে। সেই সঙ্গে মুখ থেকে এক ধরনের লালা মিশিয়ে দেয় রক্তে। যাতে হিরুডিন, ক্যালিক্রেইন, ক্যালিনের মতো কিছু উৎসেচক থাকে। যা রক্তের দুষ্টি দূর করতে সাহায্য করে।
জোঁক শরীরের পচনশীল অংশের দূষিত রক্ত দ্রুত শুষে নিয়ে নতুন রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে৷ এমনকি, রক্তে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে। জোঁকের শরীর থেকে ডেস্টাবিলেস নামে এক ধরণের প্রোটিন প্রবেশ করে মানুষের দেহে। যা বহু জেদি জীবাণুকে মেরে ফেলে।
জয়েন্ট পেইনেও দারুণ কাজ করে জোঁক থেরাপি। ব্যথার জায়গায় কিছুক্ষণ জোঁক রাখলে রক্ত সরবরাহের উন্নতি হয়!
সূত্রঃ ইন্টারনেট
সংক্ষেপে দেখুনআসল ভিটমেট সফটওয়্যার ডাউনলোড করবো কোথায় থেকে?
আপু, প্রথমে এই লিংকে যান। এটি ভিটমেট এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট। এরপর যে ওয়েবসাইট টা আসবে সেখানে Official Download এ ক্লিক করুন। এবার যদি নিচের মত ডায়লগ আসে তাহলে Download anyway তে ক্লিক করুন। এরপর ডাউনলোড হয়ে গেলে অটো ইন্সটল হয়ে যাবে। থ্যানক্স!
আপু, প্রথমে এই লিংকে যান। এটি ভিটমেট এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
এরপর যে ওয়েবসাইট টা আসবে সেখানে Official Download এ ক্লিক করুন।
এবার যদি নিচের মত ডায়লগ আসে তাহলে Download anyway তে ক্লিক করুন।
এরপর ডাউনলোড হয়ে গেলে অটো ইন্সটল হয়ে যাবে।
থ্যানক্স!
সংক্ষেপে দেখুনব্রয়লার মুরগির বাচ্চার আজকের পাইকারি দাম কত?
সারাদেশের পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার পাইকারি দাম রাজশাহী: লাল (বাদামী) ডিম=, সাদা ডিম=, ব্রয়লার মুরগী =/কেজি, সোনালী =/কেজি টাকা। বগুড়া : লাল(বাদামী)ডিম=৭.০০, ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি, সোনালী মুরগী =১৪০/কেজি টাকা। কাজী(বগুড়া):– লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫৬ বাচ্চার দর:-সোনালী হাইব্রিড=৪০, সোনালী রেগুলার=৩৬বিস্তারিত পড়ুন
সারাদেশের পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার পাইকারি দাম
রাজশাহী: লাল (বাদামী) ডিম=, সাদা ডিম=, ব্রয়লার মুরগী =/কেজি, সোনালী =/কেজি টাকা।
বগুড়া : লাল(বাদামী)ডিম=৭.০০, ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি, সোনালী মুরগী =১৪০/কেজি টাকা।
কাজী(বগুড়া):– লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫৬ বাচ্চার দর:-সোনালী হাইব্রিড=৪০, সোনালী রেগুলার=৩৬ টাকা
সিরাজগঞ্জ :- লাল(বাদামী) ডিম= ব্রয়লার মুরগী=কেজি কালবার্ড লাল=/কেজি সোনালী মুরগী=/কেজি টাকা।
পাবনা :-লাল(বাদামী)ডিম=৭.২০, সাদা ডিম=৬.৪০ টাকা।
ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট): লাল ডিম=৮.৩০, সাদা ডিম=৭.৫০ টাকা। ডাম্পিং মার্কেট লাল(বাদামী) ডিম=৭.২৫, সাদা ডিম=৬.৭০ টাকা।
গাজীপুর: লাল (বাদামী)ডিম=৬.৭০, সাদা ডিম=৬.৬০, ব্রয়লার মুরগী=১৩৭/কেজি, কালবার্ড লাল=২১৫/কেজি, কালবার্ড সাদা=/কেজি, সোনালী মুরগী=২৫০/ কেজি টাকা। বাচ্চার দর: লেয়ার লাল=২০-২৫, লেয়ার সাদা=২৫-৩০, ব্রয়লার=২৭-২৮ টাকা। ডায়মন্ডঃ লাল(বাদামী) বড় ডিম লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=
চট্টগ্রাম: লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫০, সাদা ডিম=৭.০০, ব্রয়লার মুরগী=১৪৭/কেজি, কালবার্ড লাল=২৪৫/কেজি, সোনালী মুরগী=২৭০/কেজি টাকা। বাচ্চার দর:-লেয়ার লাল=২০, লেয়ার সাদা=২৭-২৮, ব্রয়লার=২৫ টাকা।
রাজশাহী:- লাল(বাদামী) ডিম= সাদা ডিম=, ব্রয়লার মুরগী =/কেজি, সোনালী =/কেজি টাকা। খুলনা:- লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০, সাদা ডিম=৭.২০ টাকা। বরিশাল:-লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮০, ব্রয়লার মুরগী=১৪০/কেজি, কালবার্ড লাল=২৪০/কেজি, সোনালী মুরগী=২৪০/কেজি টাকা। বাচ্চার দর:– লেয়ার লাল = ব্রয়লার= টাকা।
ময়মনসিংহ: লাল(বাদামী) ডিম=৭.০০, ব্রয়লার মুরগী=১৩২/ কেজি, সোনালী মুরগী=২৪৫/কেজি টাকা।সিলেট=লাল(বাদামী)ডিম=৮.০০, সাদা ডিম=৭.৬০, ব্রয়লার মুরগী=১৪০/ কেজি টাকা। বাচ্চার দর:-লেয়ার লাল =৩১, লেয়ার সাদা =, ব্রয়লার =২৫ টাকা।
রংপুর: লাল(বাদামী) ডিম=৭.২০ টাকা। কাজী(রংপুর):-লাল(বাদামী) ডিম=৭.৩৫ টাকা। বাচ্চার দর:-লেয়ার লাল=ব্রয়লার=সোনালী হাইব্রিড=৪০ সোনালী রেগুলার=৩৬ টাকা। বগুড়া : লাল(বাদামী)ডিম=৭.০০, ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি, সোনালী মুরগী =১৪০/কেজি টাকা।
কাজী(বগুড়া):– লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫৬ বাচ্চার দর:-সোনালী হাইব্রিড=৪০, সোনালী রেগুলার=৩৬ টাকা।টাংগাইল :-– লাল(বাদামী) ডিম=৭.১০, সাদা ডিম=, ব্রয়লার মুরগী=/ কেজি, সোনালী মুরগী=২৪০/কেজি টাকা।
কিশোরগঞ্জ:- লাল(বাদামী) ডিম=৭.১০, ব্রয়লার মুরগী=/কেজি টাকা। নরসিংদী :- লাল(বাদামী) ডিম= টাকা।সিরাজগঞ্জ :– লাল(বাদামী) ডিম= ব্রয়লার মুরগী=/কেজি কালবার্ড লাল=/কেজি সোনালী মুরগী=/কেজি টাকা।
ফরিদপুর :- লাল(বাদামী) ডিম=৭.৩৫ টাকা। কাজী(ফরিদপুর) :- লাল(বাদামী) ডিম=৬.৯০, ব্রয়লার মুরগী=১৩২/কেজি, লেয়ার মুরগী=২২০/কেজি, সোনালী মুরগী=২৩০/কেজি টাকা। বাচ্চার দর:- লেয়ার লাল=২৫, ব্রয়লার=২৩, সোনালী হাইব্রিড=৪০, সোনালী রেগুলার=৩৬ টাকা।
পাবনা :-লাল(বাদামী)ডিম=৭.২০, সাদা ডিম=৬.৪০ টাকা। নোয়াখালী:- লাল(বাদামী)ডিম=৭.০০, ব্রয়লার মুরগী=১৪৬/কেজ, কালবার্ড লাল=২৩৫/কেজি, সোনালী মুরগী=২৬৫/কেজি টাকা। বাচ্চার দর:- লেয়ার লাল = লেয়ার সাদা = ব্রয়লার =২৮ টাকা।
পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:- লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০ সাদা ডিম= ব্রয়লার মুরগী =/কেজি টাকা। যশোর :-লাল(বাদামী) ডিম=৮.০০ টাকা। কুমিল্লা:- লাল (বাদামী) ডিম= ব্রয়লার মুরগী=/ কেজি কালবার্ড লাল=/কেজি সোনালী মুরগী=/কেজি টাকা। কক্সবাজার :-লাল (বাদামী) ডিম=৭.৪০, সাদা ডিম=৬.৯০, ব্রয়লার মুরগী =/কেজি সোনালী মুরগী =/কেজি টাকা।
সংক্ষেপে দেখুনপানি দূষণ কি? পানি দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব এবং পানি দূষণ রোধ করার উপায় কি?
পানি দূষণ পানি দূষণ বা জলদূষণ বলতে পানিতে বা জলে কোন বিষাক্ত দ্রব্য অথবা দূষিত বর্জ্য পদার্থ মিশ্রণের ফলে মানব ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। জল দূষণ একটি প্রধান বৈশ্বিক সমস্যার কারণ যা চলমান মূল্যায়ন এবং পানি সম্পদের নীতিমালার সমস্ত স্তরের (আন্তর্জাতিক জলাধার এবং আন্তর্জাতিক কুবিস্তারিত পড়ুন
পানি দূষণ
পানি দূষণ বা জলদূষণ বলতে পানিতে বা জলে কোন বিষাক্ত দ্রব্য অথবা দূষিত বর্জ্য পদার্থ মিশ্রণের ফলে মানব ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ার প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
জল দূষণ একটি প্রধান বৈশ্বিক সমস্যার কারণ যা চলমান মূল্যায়ন এবং পানি সম্পদের নীতিমালার সমস্ত স্তরের (আন্তর্জাতিক জলাধার এবং আন্তর্জাতিক কুয়োগুলি থেকে নিচে) পর্যায়ক্রমিকতার প্রয়োজন। এটি প্রমাণিত হয়েছে যে পানি দূষণ বিশ্বজুড়ে মৃত্যু এবং রোগের প্রধান কারণ। শুধুমাএ পানি দূষণের কারণেই প্রতিদিনই বিশ্বে প্রায় ১৪০০ এরও বেশি লোকের মৃত্যু হয়।বাংলাদেশে আনুমানিক ৮০ জন মানুষ পানি দূষণ সম্পর্কিত অসুস্থতা প্রতিদিনই মারা যায়।
পানি দূষণের কারণ
পানি ময়লাযুক্ত, অপরিষ্কার ও রঙিন হলেই কেবল দূষিত হয় না। পরিষ্কার পানিও অনেক সময় আমাদের পান করার জন্য নিরাপদ নাও হতে পারে। নিচে পানি দূষণের প্রধান কারণগুলো দেওয়া হলো:
পুকুর বা নদীর পানিতে বাসন-কোসন মাজা, গোসল করা, ময়লা কাপড় কাচা, গরু-মহিষ গোসল করানো, পাট পচানো, পায়খানা-প্রস্রাব করা, প্রাণীর মৃতদেহ ফেলা প্রভৃতি উপায়ে নদী-নালা, খাল-বিল ও পুকুরের পানি দূষিত হয়।
ষকলেরা, আমাশয়, টাইফয়েড ও ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত রোগীর মলমূত্র, বিছানাপত্র, জামাকাপড় পুকুর, খাল-বিল বা নদীর পানিতে ধুলে রোগের জীবাণু মিশে পানি দূষিত করে।
ষকলকারখানার বর্জ্য পদার্থ পানিতে ফেললে পানি দূষিত হয়। কারণ এই বর্জ্য পদার্থে ক্ষতিকর পদার্থ মিশে থাকে।
ষকৃষিকাজে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার করলে তা বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে খাল-বিল ও নদীর পানিতে মিশে পানিকে দূষিত করে।
ষবন্যা ও জলোচ্ছ্বাসের সময় গ্রাম ও শহর অঞ্চল পানিতে ডুবে যায়। এতে মানুষ ও গৃহপালিত পশু-পাখির মলমূত্র পানিতে মিশে পানিকে দূষিত করে। এই দূষিত পানি পুকুর, কুয়া ও নলকূপের পানিতে মিশে পানযোগ্য পানিকে দূষিত করে তোলে।
এ ছাড়া প্রাকৃতিক কারণে পানি আর্সেনিক দূষণ হয়ে থাকে। মাটির নিচে আর্সেনিকের খনিজ থাকে। আর্সেনিক ভূ-গর্ভের পানির স্তরের সংস্পর্শে এলে তা পানিতে মিশে পানিকে দূষিত করে।
পানি দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব
পানি দূষণের ফলে জলজ খাদ্যশৃঙ্খল নষ্ট হচ্ছে। ফলে জলজ প্রাণী খাদ্যাভাবে মারা যাচ্ছে। পানি দূষণের ফলে মানুষ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ যেমন কলেরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
পানি দূষণ রোধের উপায়
পানি দূষণ রোধ করার উপায়গুলো নিম্নরূপ:
পুকুর বা নদীর পানিতে বাসন-কোসন মাজা, গোসল করা, ময়লা কাপড় কাচা, গরু-মহিষ গোসল করানো, পাট পচানো, পায়খানা প্রস্রাব করা, প্রাণীর মৃতদেহ ফেলা ইত্যাদি থেকে বিরত থেকে নদী-নালা, খাল-বিল ও পুকুরের পানি পরিষ্কার রাখা।
কলেরা, আমাশয়, টাইফয়েড ও ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত রোগীর মলমূত্র, বিছানাপত্র, জামাকাপড় পুকুর, খাল-বিল বা নদীর পানিতে না ধোয়া।
কলকারখানার বর্জ্য পদার্থ পানিতে না ফেলা।
কৃষিকাজে কীটনাশকের ব্যবহার সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনা। প্রয়োজনে সমন্বিত বালাই দমন ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কীটনাশক ব্যবহারে কৃষকদের নিরুৎসাহিত করা।
বন্যা ও জলোচ্ছ্বাসের সময় মানুষ ও গৃহপালিত পশু-পাখির মলমূত্র যাতে পানিতে না মিশতে পারে সে ব্যাপারে সজাগ থাকা।
সূত্রঃ ইন্টারনেট
সংক্ষেপে দেখুনআমার হোয়াটস অ্যাপ এ ছবি, ভিডিও, ডকুমেন্ট অটো ডাউনলোড হয়। কিভাবে বন্ধ করবো?
ফটো, ভিডিও বা অডিও অটোমেটিক ডাউনলোড করার সেটিংস কনফিগার করতে WhatsApp > আরও বিকল্প চিন্হে ক্লিক করুন> সেটিংস > স্টোরেজ এবং ডেটা > মিডিয়া অটোমেটিক-ডাউনলোড বিকল্পে ট্যাপ করুন। WhatsApp কখন মিডিয়া অটোমেটিক ডাউনলোড করবে আপনি সেটি এখানে বেছে নিতে পারবেন। দ্রষ্টব্য: WhatsApp করোনাভাইরাস (COVIবিস্তারিত পড়ুন
ফটো, ভিডিও বা অডিও অটোমেটিক ডাউনলোড করার সেটিংস কনফিগার করতে WhatsApp > আরও বিকল্প চিন্হে
ক্লিক করুন> সেটিংস > স্টোরেজ এবং ডেটা > মিডিয়া অটোমেটিক-ডাউনলোড বিকল্পে ট্যাপ করুন।
WhatsApp কখন মিডিয়া অটোমেটিক ডাউনলোড করবে আপনি সেটি এখানে বেছে নিতে পারবেন।
দ্রষ্টব্য: WhatsApp করোনাভাইরাস (COVID-19) অতিমারীর সময় সম্ভাব্য মোবাইল নেটওয়ার্ক কনজেশনের সমস্যা কম করতে অন্যান্য পরিষেবার সাথে যুক্ত হচ্ছে। মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যান্ডউইথ সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান করতে, আমরা বিশেষ কিছু অঞ্চলে ডকুমেন্ট, ভিডিও এবং অডিও মেসেজ অটোমেটিক ডাউনলোড করার সুবিধা বন্ধ রেখেছি।
মোবাইল ডেটা ব্যবহার করার সময়
মোবাইল ডেটা কানেকশন চালু থাকলে বেছে নেওয়া মিডিয়া অটোমেটিক ডাউনলোড হবে।
ওয়াই-ফাইয়ে কানেক্ট করলে
ওয়াই-ফাইয়ে কানেক্ট করলে বেছে নেওয়া মিডিয়া অটোমেটিক ডাউনলোড হবে।
রোমিংয়ে থাকলে
আপনি রোমিংয়ে থাকাকালীন বেছে নেওয়া মিডিয়া অটোমেটিক ডাউনলোড হবে।
নিচের ভিডিওটি দেখলে আরও ক্লিয়ার হবেন।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুন