সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
সামুদ্রিক জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে টার্নিং ডায়ামিটার কি?
টার্নিং ডায়ামিটার হলো একটি বৃত্তাকার পথের ব্যাস যা একটি জাহাজ সর্বোচ্চ গতিতে বাঁক নেওয়ার সময় অতিক্রম করে। একে জাহাজের মোড় নেওয়ার সক্ষমতাও বলা যায়। ধরুন, আপনি একটি বড় গাড়ি চালাচ্ছেন এবং একটি সংকীর্ণ মোড় ঘোরার চেষ্টা করছেন। গাড়িটি সোজা না গিয়ে কিছুটা বড় জায়গা নিয়ে মোড় নেবে। এই যে গাড়িটি একটি বৃত্তাকবিস্তারিত পড়ুন
টার্নিং ডায়ামিটার হলো একটি বৃত্তাকার পথের ব্যাস যা একটি জাহাজ সর্বোচ্চ গতিতে বাঁক নেওয়ার সময় অতিক্রম করে। একে জাহাজের মোড় নেওয়ার সক্ষমতাও বলা যায়।
ধরুন, আপনি একটি বড় গাড়ি চালাচ্ছেন এবং একটি সংকীর্ণ মোড় ঘোরার চেষ্টা করছেন। গাড়িটি সোজা না গিয়ে কিছুটা বড় জায়গা নিয়ে মোড় নেবে। এই যে গাড়িটি একটি বৃত্তাকার পথ তৈরি করে, সেই বৃত্তের এক পাশ থেকে অন্য পাশ পর্যন্ত যে দূরত্ব, সেটাই হলো গাড়ির টার্নিং ডায়ামিটার। 🚗
সামুদ্রিক জাহাজের ক্ষেত্রেও একই ধারণা প্রযোজ্য। একটি টার্নিং ডায়ামিটার যত বড় হবে, জাহাজটির মোড় নেওয়ার জন্য তত বেশি জায়গার প্রয়োজন হবে। যেসব বন্দরের চ্যানেল বা জলপথ সরু, সেখানে ছোট টার্নিং ডায়ামিটারযুক্ত জাহাজ চলাচল করা সুবিধাজনক। বড় টার্নিং ডায়ামিটারযুক্ত জাহাজগুলো খোলা সমুদ্রের মতো প্রশস্ত এলাকায় মোড় নিতে পারে।
সংক্ষেপে:
* টার্নিং ডায়ামিটার ছোট হলে জাহাজটি সহজে ও কম জায়গায় মোড় নিতে পারে।
* টার্নিং ডায়ামিটার বড় হলে জাহাজটির মোড় নেওয়ার জন্য বেশি জায়গার প্রয়োজন হয়।
এই পরিমাপটি জাহাজের নিরাপত্তা এবং নেভিগেশuনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জাহাজের নকশা, গতি, এবং জলের স্রোতের উপর এর মান নির্ভর করে। 🧭
সংক্ষেপে দেখুনকোন মাছের স্বাদ চিনি অপেক্ষা ৩০০ গুণ মিষ্টি ?
🤔
🤔
সংক্ষেপে দেখুনকোন বিখ্যাত চিত্রকর” তার সদ্য আঁকা ছবি দেখে একনাগারে হাঁসতে হাসতে মারা যান?
গ্রিক চিত্রশিল্পী জিউক্সিস (Zeuxis) তার আঁকা একটি ছবি দেখে হাসতে হাসতে মারা যান। একদিন এক বৃদ্ধ মহিলা তাকে ভালবাসা, সৌন্দর্য এবং আনন্দের দেবী আফ্রোদিতির ছবি এঁকে দিতে বলেন। ছবি আঁকা শেষে যখন তিনি ছবিটি দেখেন, তখন সেই বৃদ্ধার কথা মনে করে হাসতে হাসতে তার মৃত্যু হয়।
গ্রিক চিত্রশিল্পী জিউক্সিস (Zeuxis) তার আঁকা একটি ছবি দেখে হাসতে হাসতে মারা যান।
একদিন এক বৃদ্ধ মহিলা তাকে ভালবাসা, সৌন্দর্য এবং আনন্দের দেবী আফ্রোদিতির ছবি এঁকে দিতে বলেন। ছবি আঁকা শেষে যখন তিনি ছবিটি দেখেন, তখন সেই বৃদ্ধার কথা মনে করে হাসতে হাসতে তার মৃত্যু হয়।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পা কোন প্রাণীর এবং কতটি ?
পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পা রয়েছে কেন্নোর (millipede) প্রজাতির। নাম Eumillipes persephone। এদের শরীরে ১৩০৬টি পর্যন্ত পা থাকতে পারে। "কেন্নো" শব্দটি ল্যাটিন শব্দ "millipes" থেকে এসেছে, যার অর্থ "হাজার পা"। তবে Eumillipes persephone প্রজাতিটিই এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রাণীদের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক পায়ের অধিবিস্তারিত পড়ুন
পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পা রয়েছে কেন্নোর (millipede) প্রজাতির। নাম Eumillipes persephone। এদের শরীরে ১৩০৬টি পর্যন্ত পা থাকতে পারে। “কেন্নো” শব্দটি ল্যাটিন শব্দ “millipes” থেকে এসেছে, যার অর্থ “হাজার পা”। তবে Eumillipes persephone প্রজাতিটিই এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রাণীদের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক পায়ের অধিকারী।
সংক্ষেপে দেখুনকোন মাছের স্বাদ চিনি অপেক্ষা ৩০০ গুণ মিষ্টি ?
আপনি মনেহয় গাছ লিখতে গিয়ে মাছ লিখে ফেলেছেন! যাইহোক, স্টেভিয়া গাছের পাতা চিনি অপেক্ষা ৩০-৪০ গুণ এবং পাতার স্টেভিয়াসাইড চিনি অপেক্ষা ৩০০ গুণ বেশি মিষ্টি। ক্যালরিমুক্ত হওয়ায় স্টেভিয়া ডায়াবেটিক রোগী খেলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ পরিবর্তন হয় না।
আপনি মনেহয় গাছ লিখতে গিয়ে মাছ লিখে ফেলেছেন! যাইহোক, স্টেভিয়া গাছের পাতা চিনি অপেক্ষা ৩০-৪০ গুণ এবং পাতার স্টেভিয়াসাইড চিনি অপেক্ষা ৩০০ গুণ বেশি মিষ্টি। ক্যালরিমুক্ত হওয়ায় স্টেভিয়া ডায়াবেটিক রোগী খেলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ পরিবর্তন হয় না।
সংক্ষেপে দেখুনবিশ্বে এমন একটি দ্বীপ রয়েছে যেখানে কোন নারী বাস করে না, সেখানে সবাই সন্ন্যাসী। দ্বীপটির নাম কি এবং কোথায় অবস্থিত?
জাপানের ওকিনোশিমা দ্বীপে নারীদের প্রবেশাধিকার নেই। এই দ্বীপটি জাপানের একটি পবিত্র স্থান এবং এটি পুরুষদের জন্য সংরক্ষিত। স্থানীয়দের কাছে এটি একটি পবিত্র স্থান এবং এখানে শুধু পুরুষরা উপাসনার জন্য যাওয়া আসা করতে পারে, কিন্তু নারীদের প্রবেশাধিকার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এই দ্বীপটি শিন্তো ধর্মের সাথে সম্পর্কবিস্তারিত পড়ুন
জাপানের ওকিনোশিমা দ্বীপে নারীদের প্রবেশাধিকার নেই। এই দ্বীপটি জাপানের একটি পবিত্র স্থান এবং এটি পুরুষদের জন্য সংরক্ষিত।
স্থানীয়দের কাছে এটি একটি পবিত্র স্থান এবং এখানে শুধু পুরুষরা উপাসনার জন্য যাওয়া আসা করতে পারে, কিন্তু নারীদের প্রবেশাধিকার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এই দ্বীপটি শিন্তো ধর্মের সাথে সম্পর্কিত এবং এখানে প্রাচীন মন্দির রয়েছে। দ্বীপের এই কঠোর নিয়মটি সম্ভবত ঐতিহ্য এবং ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে চলে আসছে।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর সবচেয়ে দামি কলমের নাম কি?
পৃথিবীর সবচেয়ে দামি কলমের নাম হল অরোরা ডায়ামান্টে ফাউন্টেন পেন (Aurora Diamante)। এর দাম প্রায় ১৮ কোটি টাকার বেশি। এই কলমটি হীরা দিয়ে সজ্জিত এবং এটি অরোরা কোম্পানি তৈরি করে।
পৃথিবীর সবচেয়ে দামি কলমের নাম হল অরোরা ডায়ামান্টে ফাউন্টেন পেন (Aurora Diamante)। এর দাম প্রায় ১৮ কোটি টাকার বেশি। এই কলমটি হীরা দিয়ে সজ্জিত এবং এটি অরোরা কোম্পানি তৈরি করে।
সংক্ষেপে দেখুন1905 সালে বঙ্গভঙ্গের কারণ কী এবং তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব কার?
1905 সালে বঙ্গভঙ্গের কারণ ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন কর্তৃক বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয়, যা বাংলার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বঙ্গভঙ্গের পেছনে প্রধানত প্রশাসনিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং ধর্মীয় কারণসমূহ বিদ্যমান ছিল। প্রশাসনিক কারণ বাংলা প্রদেশের আয়তন ছিল প্রায় ১,৮৯,০০০বিস্তারিত পড়ুন
1905 সালে বঙ্গভঙ্গের কারণ
১৯০৫ সালে ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন কর্তৃক বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয়, যা বাংলার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বঙ্গভঙ্গের পেছনে প্রধানত প্রশাসনিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং ধর্মীয় কারণসমূহ বিদ্যমান ছিল।
প্রশাসনিক কারণ
বাংলা প্রদেশের আয়তন ছিল প্রায় ১,৮৯,০০০ বর্গমাইল এবং জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৮৫ লাখ। এত বৃহৎ প্রদেশের কার্যকর প্রশাসন ব্রিটিশ সরকারের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। পূর্বাঞ্চল ভৌগোলিকভাবে পশ্চিমাঞ্চল থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল এবং যাতায়াত ব্যবস্থার অভাব ছিল। এই প্রশাসনিক অসুবিধা দূরীকরণের লক্ষ্যে বঙ্গভঙ্গের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রাজনৈতিক কারণ
ব্রিটিশ সরকার ‘Divide and Rule’ (ভাগ কর, শাসন কর) নীতি অনুসরণ করে বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করে। এছাড়া, বাঙালি হিন্দু মধ্যবিত্ত শ্রেণী জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছিল, যা ব্রিটিশ শাসকদের জন্য উদ্বেগের কারণ ছিল। বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে এই আন্দোলনকে দুর্বল করার প্রচেষ্টা করা হয়।
অর্থনৈতিক কারণ
পূর্ব বাংলার অর্থনীতি ছিল মূলত কৃষিভিত্তিক এবং শিল্প ও বাণিজ্যিক উন্নয়ন ছিল সীমিত। কলকাতা ছিল ব্রিটিশ ভারতের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র, যা পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য সুবিধাজনক ছিল। বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে পূর্ব বাংলার অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা করা হয়।
সামাজিক কারণ
ব্রিটিশ শাসনামলে মুসলমান সম্প্রদায় সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে ছিল। বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলায় মুসলমানদের জন্য নতুন প্রদেশ গঠিত হয়, যার রাজধানী হয় ঢাকা। এটি মুসলমানদের মধ্যে আশার সঞ্চার করে এবং তারা বঙ্গভঙ্গকে সমর্থন জানায়।
ধর্মীয় কারণ
অবিভক্ত বাংলার পূর্বাংশে মুসলমান এবং পশ্চিমাংশে হিন্দু সম্প্রদায় সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দুটি সম্প্রদায়ের জন্য দুটি প্রদেশ গঠনের চেষ্টা করা হয়, যা ব্রিটিশ সরকারের ‘Divide and Rule’ নীতির অংশ ছিল।
উপরোক্ত কারণসমূহের সমন্বয়ে ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয়, যা পরবর্তীতে বাংলার রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে।
বঙ্গভঙ্গ বাস্তবায়নের দায়িত্ব কার ছিল
১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ বাস্তবায়নের দায়িত্ব ছিল ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন-এর উপর। লর্ড কার্জন এই বিভাজনের প্রস্তাব করেন এবং তা বাস্তবায়ন করেন।
তাঁর প্রশাসনিক যুক্তি ছিল, বাংলা প্রদেশ ছিল অত্যন্ত বড় এবং জনসংখ্যা ছিল বিপুল, যা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে উঠেছিল। তবে এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও ছিল, বিশেষ করে বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে দুর্বল করা এবং হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা।
লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেন, যা বাংলাকে দুই ভাগে বিভক্ত করে:
1. পূর্ব বাংলা ও আসাম (মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল)।
2. পশ্চিম বাংলা (হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল)।
তবে বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে বাঙালিদের তীব্র আন্দোলনের মুখে ১৯১১ সালে এটি বাতিল করা হয়।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশ যে টেকটোনিক প্লেটের উপর অবস্থিত তার নাম কি?
বাংলাদেশ ইন্ডো-অস্ট্রেলিয়ান টেকটোনিক প্লেটের উপর অবস্থিত। এছাড়াও এটি ইউরেশিয়ান প্লেট এবং বার্মা মাইক্রোপ্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত, যার কারণে ভূমিকম্পের প্রবণতা বেশি। দেশের পূর্বাঞ্চল বিশেষ করে প্লেটের সংঘর্ষ অঞ্চলের কাছাকাছি হওয়ার কারণে এই অঞ্চলে টেকটোনিক কার্যকলাপ বেশি পরিলক্ষিত হয়।
বাংলাদেশ ইন্ডো-অস্ট্রেলিয়ান টেকটোনিক প্লেটের উপর অবস্থিত। এছাড়াও এটি ইউরেশিয়ান প্লেট এবং বার্মা মাইক্রোপ্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত, যার কারণে ভূমিকম্পের প্রবণতা বেশি। দেশের পূর্বাঞ্চল বিশেষ করে প্লেটের সংঘর্ষ অঞ্চলের কাছাকাছি হওয়ার কারণে এই অঞ্চলে টেকটোনিক কার্যকলাপ বেশি পরিলক্ষিত হয়।
সংক্ষেপে দেখুনবৃষ্টির সময় সুঘ্রাণ তৈরীর পেছনে কিসের ভূমিকা রয়েছে?
বৃষ্টির সময় সুঘ্রাণ তৈরীর পেছনে ব্যাকটেরিয়া, গাছপালা বা বিদ্যুত চমকানো ইত্যাদির ভূমিকা আছে। আমি সুঘ্রাণ তৈরিতে ব্যাকটেরিয়ার ভূমিকা নিয়ে ইতিমধ্যে একটি প্রশ্নের উত্তর লিখেছি। তাই সেটার পুনরাবৃত্তি করছিনা। চাইলে এখানে ক্লিক করে পড়ে আসতে পারেন। এই উত্তরে সুঘ্রাণ তৈরীর পেছনে গাছপালা এবং বিদ্যুত চমকানোরবিস্তারিত পড়ুন
বৃষ্টির সময় সুঘ্রাণ তৈরীর পেছনে ব্যাকটেরিয়া, গাছপালা বা বিদ্যুত চমকানো ইত্যাদির ভূমিকা আছে।
আমি সুঘ্রাণ তৈরিতে ব্যাকটেরিয়ার ভূমিকা নিয়ে ইতিমধ্যে একটি প্রশ্নের উত্তর লিখেছি। তাই সেটার পুনরাবৃত্তি করছিনা। চাইলে এখানে ক্লিক করে পড়ে আসতে পারেন।
এই উত্তরে সুঘ্রাণ তৈরীর পেছনে গাছপালা এবং বিদ্যুত চমকানোর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করবো।
গাছপালার ভূমিকা
গাছে যেসব রাসায়নিক সুগন্ধ তৈরীর কাজ করে সেগুলো অনেকসময় পাতার মধ্যে তৈরী হয়। শুকনা ভেষজ গুড়া করলে যেমন তার ঘ্রাণ বৃদ্ধি পায়, তেমনি দীর্ঘ শুষ্ক মৌসুমের পর বৃষ্টি হলে গাছের শুকিয়ে যাওয়া অংশগুলো থেকে নতুনভাবে সুবাস তৈরী হয়।
বৃষ্টির সময় গাছপালা নতুন সজীবতা পায় এবং রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃতিতে সুঘ্রাণ ছড়িয়ে দেয়।
বজ্রপাতের ভূমিকা
বর্ষার সময় বাতাসে সুঘ্রাণ তৈরীর পেছনে বজ্রপাতেরও ভূমিকা রয়েছে।
বজ্রপাতের সময় বায়ুমন্ডলে বৈদ্যুতিক আবেশ তৈরী হওয়ায় প্রকৃতিতে ওজোন গ্যাসের একধরণের গন্ধ প্রতীয়মান হয়। বৃষ্টির ফলে বাতাস পরিষ্কার হয় সাথে বিদ্যুৎ চমকানোর ফলে সৃষ্ট ওজন গ্যাসের গন্ধ অন্যান্য গন্ধগুলোর সাথে মিশে স্নায়ুতে ভালো লাগার অনুভূতি তৈরী করে।
সংক্ষেপে দেখুনআপনি যখন মাটির সোঁদা গন্ধ পান তখন আসলে বিশেষ একধরণের ব্যাকটেরিয়ার তৈরী করা অণু গন্ধ পান ।ঐ অণুর নাম কি যা সাধারণত উর্বর মাটিতে উপস্থিত থাকে ?
শুধু ব্যাকটেরিয়া ছাড়াও গাছপালা বা বিদ্যুত চমকানো ইত্যাদি মাটির সোঁদা গন্ধ তৈরির জন্য দায়ী। তবে প্রশ্নে যেহেতু ব্যাকটেরিয়া সম্বন্ধীয় তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে তাই সেটাই উল্লেখ করছি। ইংরেজিতে এই সুঘ্রাণ কে 'পেট্রিকোর' (Petrichor) বলে। মাটিতে থাকা বিশেষ একধরণের ব্যাকটেরিয়ার তৈরী করা অণু জিওসমিন এই গন্ধবিস্তারিত পড়ুন
শুধু ব্যাকটেরিয়া ছাড়াও গাছপালা বা বিদ্যুত চমকানো ইত্যাদি মাটির সোঁদা গন্ধ তৈরির জন্য দায়ী। তবে প্রশ্নে যেহেতু ব্যাকটেরিয়া সম্বন্ধীয় তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে তাই সেটাই উল্লেখ করছি।
ইংরেজিতে এই সুঘ্রাণ কে ‘পেট্রিকোর‘ (Petrichor) বলে। মাটিতে থাকা বিশেষ একধরণের ব্যাকটেরিয়ার তৈরী করা অণু জিওসমিন এই গন্ধ তৈরি করে। জিওসমিন অনু তৈরি হয় স্ট্রেপটোমাইস দিয়ে, যা সাধারণত উর্বর মাটিতে উপস্থিত থাকে।
যখন বৃষ্টির পানির ফোঁটা মাটি স্পর্শ করে, তখন মাটিতে উপস্থিত জিওসমিন বায়ুতে ছড়িয়ে পড়ে এবং বৃষ্টির পর আরো অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়। এখন সুগন্ধি তৈরীর কাঁচামাল হিসেবে জিওসমিনের ব্যবহার বাড়ছে।
সংক্ষেপে দেখুনআমাদের পায়ের তলা সমান না হয়ে উচু নিচু হয় কেন?
যাদের পায়ের তলা সমান হয়ে থাকে ডাক্তারি পরিভাষায় তো ফ্ল্যাট ফুট বলা হয়। তবে কেন ফ্ল্যাট ফুটের সমস্যা হয়, এর চিকিৎসাই বা কী? সাধারণত বেশিরভাগ মানুষের পায়ের পাতার নীচের অংশের মাঝে ঢেউ খেলানো থাকে। তবে অনেকেরই এমনটি নেই। অর্থাৎ তাদের পায়ের পাতার নীচের অংশ একদমই সমান। দাঁড়ালে মাটির সঙ্গে তাদের পায়বিস্তারিত পড়ুন
যাদের পায়ের তলা সমান হয়ে থাকে ডাক্তারি পরিভাষায় তো ফ্ল্যাট ফুট বলা হয়। তবে কেন ফ্ল্যাট ফুটের সমস্যা হয়, এর চিকিৎসাই বা কী? সাধারণত বেশিরভাগ মানুষের পায়ের পাতার নীচের অংশের মাঝে ঢেউ খেলানো থাকে।

তবে অনেকেরই এমনটি নেই। অর্থাৎ তাদের পায়ের পাতার নীচের অংশ একদমই সমান। দাঁড়ালে মাটির সঙ্গে তাদের পায়ের পাতা লেগে থাকে। এমন পায়ের পাতাকে ফ্ল্যাট ফুট বলা হয়।
এটি হওয়ার কারণ কী? শিশু জন্মানোর পর তার পায়ের পাতা সমান থাকে। হাঁটা শেখার পর তার পায়ের তলার অংশ ঢেউ খেলানো হতে থাকে। ৫ বছর পর্যন্ত পায়ের তলায় এই কার্ভ গঠন হয়। তবে যাদের এমনটি হয় না, তাদের ক্ষেত্রে ফ্ল্যাট ফুটের সমস্যার সৃষ্টি হয়।
সংক্ষেপে দেখুনকুকুরের পেটে ঘি সহ্য হয়না কেন?
সব প্রাণীরই বৃহদান্ত্র( লার্জ ইনস্টেনস্টাইন) থাকলেও কুকুরের নাই। আর ঘি, মাখন, চকলেট, দুধ ইত্যাদি বৃহদান্ত্রে হজম হয়। কুকুরের বৃহদান্ত্র না থাকায় ঘি হজম করতে পারে না।
সব প্রাণীরই বৃহদান্ত্র( লার্জ ইনস্টেনস্টাইন) থাকলেও কুকুরের নাই। আর ঘি, মাখন, চকলেট, দুধ ইত্যাদি বৃহদান্ত্রে হজম হয়।

সংক্ষেপে দেখুনকুকুরের বৃহদান্ত্র না থাকায় ঘি হজম করতে পারে না।
একসাথে অনেকগুলো 0 দেখলে চোখের ক্লান্তি আসে কেনো?
চোখ একটি কমপক্ষে ৬৪ হাজার বিভিন্ন ধরনের নার্ভ ফাইবার দ্বারা যুক্ত হয়ে থাকে। একসাথে অনেক গুলো শূন্য দেখলে এই নার্ভ ফাইবারগুলি হালকা উদ্বেগ বা জন্মানুসার কাজ করে যা চোখের পাশাপাশি মডিউলাসে পয়েন্ট বা উদ্বেগপূর্ণ কেন্দ্রে প্রেরণ করে। যদি সেই কেন্দ্রগুলো অনেক উদ্বেগপূর্ণ হয় তবে চোখের ক্লান্তি হয় এবংবিস্তারিত পড়ুন
চোখ একটি কমপক্ষে ৬৪ হাজার বিভিন্ন ধরনের নার্ভ ফাইবার দ্বারা যুক্ত হয়ে থাকে। একসাথে অনেক গুলো শূন্য দেখলে এই নার্ভ ফাইবারগুলি হালকা উদ্বেগ বা জন্মানুসার কাজ করে যা চোখের পাশাপাশি মডিউলাসে পয়েন্ট বা উদ্বেগপূর্ণ কেন্দ্রে প্রেরণ করে। যদি সেই কেন্দ্রগুলো অনেক উদ্বেগপূর্ণ হয় তবে চোখের ক্লান্তি হয় এবং চোখ ব্যাথা হয়।

সংক্ষেপে দেখুনএছাড়াও, অনেক সময় কম্পিউটার স্ক্রিনে দেখা শূন্যপ্রসূ অথবা অন্যান্য ভ্রান্তি সৃষ্টি করার জন্য একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। এদের কারণেও চোখ ব্যাথা হতে পারে।
আমি কোনো কাজে রুমে গেলাম। কিন্তু রুমে গিয়ে ভুলে গেলাম কেন এসেছি। এমন কেনো হয়?
কখনও কখনও, আপনার মস্তিষ্ক একবারে দুটি জটিল জিনিস করতে পারে না। সেই মুহূর্তে আপনার যথেষ্ট মানসিক শক্তি নাও থাকতে পারে। সবকিছু ভুলে যাওয়া প্রত্যেকের জন্য স্বাভাবিক এবং আপনি যখন একসাথে অনেকগুলি কাজ করছেন তখন ঘটতে পারে। তাছাড়া, ভুলে যাওয়া মানসিক চাপ, বিষণ্ণতা, ঘুমের অভাব বা থাইরয়েড সমস্যা থেকে দেখাবিস্তারিত পড়ুন
কখনও কখনও, আপনার মস্তিষ্ক একবারে দুটি জটিল জিনিস করতে পারে না। সেই মুহূর্তে আপনার যথেষ্ট মানসিক শক্তি নাও থাকতে পারে। সবকিছু ভুলে যাওয়া প্রত্যেকের জন্য স্বাভাবিক এবং আপনি যখন একসাথে অনেকগুলি কাজ করছেন তখন ঘটতে পারে।

সংক্ষেপে দেখুনতাছাড়া, ভুলে যাওয়া মানসিক চাপ, বিষণ্ণতা, ঘুমের অভাব বা থাইরয়েড সমস্যা থেকে দেখা দিতে পারে। অন্যান্য কারণগুলির মধ্যে রয়েছে নির্দিষ্ট ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, একটি অস্বাস্থ্যকর খাদ্য বা আপনার শরীরে পর্যাপ্ত তরল না থাকা (ডিহাইড্রেশন)। এই অন্তর্নিহিত কারণগুলির যত্ন নেওয়া আপনার স্মৃতিশক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করতে পারে।
ঘড়িতে 24 hour format এর চেয়ে 12 hour format বেশী ব্যবহার হয় কেন?
প্রাচীন মিশরীয় ও রোমানরা 12 hour format সানডায়াল (Sundial) ব্যাবহার করতো। সে সময় দিনের 24 hour format আলাদা করে দেখাবে এমন ঘড়ি তৈরি করা ও ছিল জটিল ও ব্যায়বহুল। সময়ের সাথে সাথে যারা ঘড়ি তৈরি করেন তারা বুঝতে পারেন ১২ ঘণ্টা ফরমেটের ঘড়ি ব্যবহার,বানানো,খরচ সবই সুবিধাজনক। তাছাড়া একটা সময় ঘড়ি একবিস্তারিত পড়ুন
প্রাচীন মিশরীয় ও রোমানরা 12 hour format সানডায়াল (Sundial) ব্যাবহার করতো। সে সময় দিনের 24 hour format আলাদা করে দেখাবে এমন ঘড়ি তৈরি করা ও ছিল জটিল ও ব্যায়বহুল।


সংক্ষেপে দেখুনসময়ের সাথে সাথে যারা ঘড়ি তৈরি করেন তারা বুঝতে পারেন ১২ ঘণ্টা ফরমেটের ঘড়ি ব্যবহার,বানানো,খরচ সবই সুবিধাজনক। তাছাড়া একটা সময় ঘড়ি একটি শৌখিন জিনিস হিসেবেই পরিচিত ছিল। তখন ১২ঘণ্টা ফরমেটটাই সবচেয়ে সুন্দর বলে মনে করা হতো।
সময়ের সাথে সাথে ডিজিটাল ঘড়িতে ২৪ ঘণ্টা ফরমেটের প্রচলন এলেও ১২ ঘন্টার ব্যবহারের অভ্যাস পরিবর্তন হয়নি।
ফূল সচরাচর কালো রংয়ের হয়না কেনো?
ফুলের কোষে প্লাস্টিড থাকে যা ফুলকে বর্ণযুক্ত করতে সহায়তা করে। আবার প্লাস্টিড তিন ধরনের হয়। ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট আর লিউকোপ্লাস্ট। ক্লোরোপ্লাস্ট সালোকসংশ্লেষণে ভূমিকা রাখে তাই এর রং সাধারণত সবুজ হয়। এধরনের প্লাস্টিড সাধারণত পাতা ও কান্ডে দেখা যায়। অন্যদিকে ক্রোমোপ্লাস্ট পরাগায়ণে সহায়তা করে মূলবিস্তারিত পড়ুন
ফুলের কোষে প্লাস্টিড থাকে যা ফুলকে বর্ণযুক্ত করতে সহায়তা করে। আবার প্লাস্টিড তিন ধরনের হয়। ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট আর লিউকোপ্লাস্ট। ক্লোরোপ্লাস্ট সালোকসংশ্লেষণে ভূমিকা রাখে তাই এর রং সাধারণত সবুজ হয়। এধরনের প্লাস্টিড সাধারণত পাতা ও কান্ডে দেখা যায়। অন্যদিকে ক্রোমোপ্লাস্ট পরাগায়ণে সহায়তা করে মূলত। আর বর্নহীন লিউকোপ্লাস্ট সাধারণত খাদ্য সঞ্চয় করে। এদের উপস্থিতি শিকড়, বীজ প্রভৃতিতে বেশি দেখা যায়। কালো রঙের প্লাস্টিড সচারাচর দেখা যায়না তাই এ রঙের ফুল বা উদ্ভিদও দুর্লভ।

সংক্ষেপে দেখুনআর দেখুন গোলাপ যদি কালো হতো তাহলে দেখতে কি বিচ্ছিরি না লাগতো!
খেলার মাঠে 10 , 7, 9, 11 এ নাম্বারের জার্সিগুলো কেন ভালো খেলোয়ারদের হয়?
এক্ষেত্রে আমি ১০ নাম্বার জার্সির কথা বলি। অন্য সংখ্যাগুলোর ক্ষেত্রেও একই কারণ প্রযোজ্য। জার্সি নাম্বার ১০। এই নাম্বারের জার্সি পরে খেলে নাম-যশ পেয়েছেন এমন ফুটবলারের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। অনেকের মতে, এই জার্সি শ্রেষ্ঠ হওয়ার অনুপ্রেরণা তৈরি করে। এই নাম্বারের জার্সিকে ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে সম্মানজনকবিস্তারিত পড়ুন
এক্ষেত্রে আমি ১০ নাম্বার জার্সির কথা বলি। অন্য সংখ্যাগুলোর ক্ষেত্রেও একই কারণ প্রযোজ্য।

জার্সি নাম্বার ১০। এই নাম্বারের জার্সি পরে খেলে নাম-যশ পেয়েছেন এমন ফুটবলারের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। অনেকের মতে, এই জার্সি শ্রেষ্ঠ হওয়ার অনুপ্রেরণা তৈরি করে। এই নাম্বারের জার্সিকে ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে সম্মানজনক বলেও মনে করেন কেউ কেউ। কারণও আছে। এখনো বিশ্বের সেরা কিংবদন্তি ফুটবলার হিসেবে ধরা হয় আর্জেন্টিনার ম্যারাডোনা বা ব্রাজিলের পেলেকে। দুজনের গায়েই চেপেছিল ১০ নাম্বার জার্সি। পেলেই প্রথম ১০ নাম্বার জার্সিকে প্রচারে এনেছিলেন।
এখন প্রশ্ন হলো- কেন বিশ্বের সেরা ফুটবলাররা এই নাম্বারের জার্সিকেই সবার আগে বেছে নিতে চান? মনে করা হয় এর অন্যতম কারণ পেলে ও ম্যারাডোনা।
অনেক দিন আগে থেকেই ১০ নাম্বার জার্সি পরে মাঠে নামেন সেরারা। আর সেই কারণে নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদেরও এই সংখ্যার জার্সি পরার প্রতি রয়েছে বিশেষ টান। তবে অনেক ক্ষেত্রে তা সম্ভবও হয় না। কারণ স্বাভাবিকভাবেই দলে এই নম্বরের জার্সি কারো কাছে না থাকলে তবেই অন্য কেউ এটাকে বেছে নিতে পারেন।
অনেকেই মনে করেন, আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা ফুটবলার। অনেকে তাকে ইতিহাসের অন্যতম সেরা বলেও মনে করেন। তার জার্সিতেও রয়েছে ওই একই সংখ্যা। কিন্তু মেসি কেন ১০ নাম্বার জার্সিকেই বেছে নিলেন? তারও কি কোনো অনুপ্রেরণা ছিল? আসলে মেসি ১০ নাম্বার জার্সি পরে খেলা শুরুই করেননি। যখন তিনি বার্সেলোনার হয়ে প্রথম দলে খেলতে শুরু করেন, তখন তার জার্সির নাম্বার ছিল ৩০। এর কয়েক বছর পর যখন রোনালদিনহো দল ছাড়েন তখন তাকে ১০ নাম্বার জার্সি দেওয়া হয়। রোনালদিনহোর মতোই দলের অন্যতম স্তম্ভ মেনে নিয়ে তাকে ওই জার্সি দেওয়া হয়েছিল।
পেলে-ম্যারাডোনা-মেসি ছাড়াও যে সেরারা ১০ নাম্বার জার্সি পরেছেন তারা হলেন- জুয়ান রোমান রিকলমে, মিশেল প্লাতিনি, জোহান ক্রুইফ, ফেরেঙ্ক পুসকাস, জিনেদিন জিদান, রোনালদিনহো, রিভালদো, ওয়েন রুনি, আলেসান্দ্রো দেল পিয়েরো, ফ্রান্সেসকো টোট্টি, সার্জিও আগুয়েরো, নেইমার, ফিলিপে কুতিনহো, রবার্তো বাজ্জিয়োসহ অনেকে।
তবে এটাও সত্য ১০ নাম্বার জার্সি পরেই যে সব সময় বৈগ্রহিক খেলোয়াড় হওয়া যায়, এমনটা নয়। তার অন্যতম উদাহরণ রিয়াল মাদ্রিদ ক্লাব। রিয়াল মাদ্রিদের জন্য ১০ নাম্বার জার্সি বরাবর ‘অভিশাপ’ হয়েই ফিরে এসেছে।
বর্তমান শতকের শুরুতে রিয়াল মাদ্রিদের প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ দলে একটি নতুন নীতি প্রয়োগ করেন। তিনি চেয়েছিলেন এমন এক দল তৈরি করতে যার খেলোয়াড়রা বিশ্বজুড়ে আধিপত্য বিস্তার করবে।
প্রতি বছর দলের উন্নতির জন্য একজন সেরা খেলোয়াড় বাছাই করতেন পেরেজ। এই দল এবং এই খেলোয়াড়দের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘গ্যালাক্টিকোস’।
প্রথম দিকে গ্যালাক্টিকোসের হয়ে ১০ নাম্বার জার্সি পরে খেলেন লুই ফিগো। ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তার গায়ে ছিল ওই জার্সি। কিন্তু ফিগোর পরে রিয়ালের ১০ নাম্বার জার্সিতে আর কেউ সেভাবে দাগ কাটতে পারেননি।
‘গ্যালাক্টিকোস’ যুগ শেষ হওয়ার পরে, রিয়াল মাদ্রিদের অনুরাগীরা বিশ্বাস করতে শুরু করেন যে ১০ নাম্বার জার্সি ক্লাবের জন্য অভিশপ্ত। কারণ অনেক ফুটবলার ১০ নাম্বার জার্সি পরে ব্যর্থ হয়েছিলেন। এই খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিলেন লাসানা দিয়ারা, মেসুত ওজিল, ওয়েসেলি স্নাইডার, হামেস রদ্রিগেজ এবং রবিনহো। এদের মধ্যে কেউ কেউ আবার দল ছেড়ে বেরিয়েও গিয়েছিলেন।
পরে আবার এ ধারণাকে ভ্রান্ত করে দেন ক্রোয়েশিয়ার লুকা মডরিচ। বহু বছর ধরে ১৯ নাম্বার জার্সি পরে খেলার পর তিনি ১০ নাম্বার জার্সি গায়ে চাপান। এরপর তিনি রিয়াল মাদ্রিদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার হয়ে ওঠেন। এর এক বছর পরে তিনি বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে ‘বাঁল দ্যর’ জিতেছিলেন।
মনে করা হয়, ১০ নাম্বার জার্সি গায়ে চাপালেই সেই ফুটবলারের কাছে অনেক কিছু আশা করে থাকেন দর্শকরা।
কখনো কখনো অন্য ফুটবলার ১০ নাম্বার জার্সি না চাইলে একজন নবাগতকে ওই জার্সি বাধ্য হয়ে নিতে হয়। পরে তিনিই হয়ত হয়ে উঠতে পারেন অন্যতম সেরা।
পর্তুগালের রোনালদো মাঠে নামেন ৭ নাম্বার জার্সি গায়ে চাপিয়ে। তার মতো যদি আরও কেউ এই জার্সি পরে বিখ্যাত হন, তা হলে ৭ নাম্বার জার্সিও সেরা জার্সি হিসেবে ভবিষ্যতে গণ্য হতে পারে।
শুধু ফুটবল নয়, ক্রিকেটের সেরাদের গায়েও উঠেছে এই সংখ্যার জার্সি। তার অন্যতম উদাহরণ শচীন তেন্ডুলকার। এছাড়াও পাকিস্তানের শহিদ আফ্রিদি এবং দক্ষিণ আফ্রিকার অ্যালান ডোনাল্ডের মতো খেলোয়াড়ও মাঠে নেমেছেন ১০ নাম্বার জার্সি পরে। খবর: আনন্দবাজার পত্রিকার।
তথ্যসূত্রঃ দৈনিক যুগান্তর
সংক্ষেপে দেখুনকোন প্রাণীর চোখ তার মস্তিষ্কের চেয়ে বড়?
প্রশ্নটি ছিলো কোন প্রাণীর চোখ তার মস্তিষ্কের চেয়ে বড়? উত্তরঃ বেশ কয়েকটি প্রাণী আছে যাদের চোখ তাদের মস্তিষ্ক থেকেও বড়। যেমনঃ জায়ান্ট স্কুইড, উট পাখি ইত্যাদি। তবে এদের থেকে বেশি জনপ্রিয় প্রাণী হলো ফরিং। ফড়িং এর চোখ তার মস্তিষ্ক থেকেও বড়।
প্রশ্নটি ছিলো কোন প্রাণীর চোখ তার মস্তিষ্কের চেয়ে বড়?
সংক্ষেপে দেখুনউত্তরঃ বেশ কয়েকটি প্রাণী আছে যাদের চোখ তাদের মস্তিষ্ক থেকেও বড়। যেমনঃ জায়ান্ট স্কুইড, উট পাখি ইত্যাদি। তবে এদের থেকে বেশি জনপ্রিয় প্রাণী হলো ফরিং। ফড়িং এর চোখ তার মস্তিষ্ক থেকেও বড়।
আমি কিভাবে মোবাইল ফোনের আসক্তি থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারি? এতে আমার কি উপকার হবে?
ঘড়িতে সময় রাত ৯ টা। আমি আইআইটি মাদ্রাজের ইউনিভার্সিটি বাসে করে ল্যাব থেকে আমার হোস্টেলের দিকে যাচ্ছি। আমার কানে হেডফোনে বাজছে, "তুমি যে আছো তাই, আমি পথে হেটে যাই… হেটে হেটে বহু দূর বহু দূর যেতে চাই।" বাসটা হোস্টেলের দিকে যাবেনা, উলটো পথে যাবে। ড্রাইভার ইংরেজি বুঝে না, আর আমি তামিল পারিনা। তাই তাকে ইবিস্তারিত পড়ুন
ঘড়িতে সময় রাত ৯ টা। আমি আইআইটি মাদ্রাজের ইউনিভার্সিটি বাসে করে ল্যাব থেকে আমার হোস্টেলের দিকে যাচ্ছি। আমার কানে হেডফোনে বাজছে, “তুমি যে আছো তাই, আমি পথে হেটে যাই… হেটে হেটে বহু দূর বহু দূর যেতে চাই।” বাসটা হোস্টেলের দিকে যাবেনা, উলটো পথে যাবে। ড্রাইভার ইংরেজি বুঝে না, আর আমি তামিল পারিনা। তাই তাকে ইশারায় বুঝালাম হোস্টেলে যাবো। এরপর ড্রাইভার আমাকে গাজেন্দ্র সার্কেলে নামিয়ে দিলেন। এখান থেকে ৫-১০ মিনিট হাটলেই আমার হোস্টেল। বাস থেকে নেমে হাটা দিলাম। আকাশে চাঁদ উঠেছে। ঘন গাছপালা ভেদ করে চাঁদের আলো মনে একটা মাদকতা সৃষ্টি করে। একটা মৃদু বাতাসে আমার গা জুড়িয়ে যাচ্ছে। সত্যি এক অপরূপ পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। আমার হেডফোনে এখন বাজছে, “এ হাওয়া… আমায় নেবে কত দূরে?” হঠাৎ কেন যেন মনে হলো, আচ্ছা জীবনানন্দ দাশ এরকম পরিবেশ পেলে কি করতেন? তিনি নিশ্চয়ই এই প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতেন, আকাশের চাঁদ দেখতেন, বাতাসে দাঁড়িয়ে গা জুড়িয়ে নিতেন। অতঃপর তার আত্মা মিশে যেতো প্রকৃতির সাথে। আর আত্মা আর প্রকৃতির মিলনের তো সৃষ্টি হয় সাহিত্যের।
আচ্ছা জীবনানন্দ দাশ এ যুগে জন্মালে কি করতেন? তিনিও কি আমার মত কানে হেডফোন গুজে গান শুনতেন? তিনিও কি ফেইসবুকের স্ক্রিন স্ক্রল করে অবসর সময় পার করতেন? এভাবে করলে কি তিনি তার কালজয়ী কবিতাগুলো লিখতে পারতেন? উত্তরগুলো খোজার জন্য আমাকে অনেক ঘাটাঘাটি করতে হলো।
অনেক খোঁজাখুঁজির পর একটা সায়েন্টিফিক পেপার খুঁজে পেলাম, যেটার টাইটেল প্রোডাক্টিভিটির উপর একঘেয়েমির প্রভাব। যেটা পড়ে যা জানতে পারলাম তা অনেক আশ্চর্যজনক। একঘেয়েমি বা বোরডম আসলে আমাদের ক্রিয়েটিভিটি বাড়িয়ে দেয়। ধরুন আপনাকে কোনো জায়গায় ২ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে, আপনি স্বাভাবিকভাবেই ফোনটা পকেট থেকে বের করে টিপা শুরু করবেন। যখন আপনি ফোন টিপেন, আপনার ব্রেইনের বেশিরভাগ অংশ নিষ্ক্রিয় থাকে। কিন্তু মনে করেন আপনি ফোনটি সাথে নিতে ভুলে গেছেন। তখন আপনি এই দুই ঘণ্টা কি করে কাটাবেন? তখন আপনি এদিক সেদিক তাকাবেন, দেয়ালে কয়টি টাইলস আছে তা গুনবেন, পাশে দাঁড়ানো ছেলেটি কালো শার্টের সাথে হলুদ প্যান্ট কেন পরলো তা নিয়ে ভাববেন, রাস্তার ওপাশের ভবনটির কয় তলা আছে তা গুনে দেখবেন, দশ বছর আগে আপনার বন্ধুর সাথে তর্ক করার সময় যে কথাটা বললে তাকে তৎক্ষণাৎ হারানো যেতো তা হঠাৎ মাথায় উঁকি দিবে। অর্থাৎ, আপনি এখন আপনার ব্রেইনের বিভিন্ন অংশকে সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করছেন। এতে আপনার ব্রেইনে নতুন নতুন আইডিয়া আসার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। কিন্তু ফোন টিপলে এই আইডিয়াগুলো ব্রেইন থেকে আসায় ব্যাঘাত ঘটতো। সুতরাং জীবনানন্দ দাশ যদি সারাদিন ফোন আর ল্যাপটপ নিয়ে পড়ে থাকতো, তার আর কবি হওয়া লাগতো না।
অন্যদিকে নিউটন-আইনস্টাইনরাও যদি ফোনে আসক্ত থাকতো, তাহলে তাদের বৈজ্ঞানিক কাজে অনেক ব্যাঘাত ঘটতো, তাদের প্রোডাক্টিভিটি অনেক কমে যেতো। কারণ, বৈজ্ঞানিক কাজে অনেক ভাবতে হয়, অনেক কল্পনা করতে হয়। কিন্তু মোবাইল-ফোনের আসক্তি আমাদের কল্পনা শক্তিকে ধ্বংস করে।
সুতরাং, মোবাইল- ল্যাপটপ কে দূরে সরিয়ে রাখুন। বোর হওয়া ভালো। কারণ, আপনি যখন বোর হবেন, তখন আপনার মাথা থেকে অনেক নতুন আইডিয়া বেরিয়ে আসবে। ধরুন আপনি বাসে বসে আছেন, কিংবা অনেক বড় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন, কিংবা কোনো আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে গিয়ে করার মত কোনো কাজ পাচ্ছেন না। এই মুহূর্তে আপনার ইচ্ছা করবে মোবাইল টা বের করে ফেইসবুকের নিউজফিড টা স্ক্রল করতে। কিন্তু এখানে আপনি নিজেকে থামাবেন। আমি জানি বোর হওয়া অনেক বিরক্তিকর। কিন্তু আপনি যদি নিজেকে ক্রিয়েটিভ হিসেবে গড়ে তুলতে চান তাহলে বোর হতে শিখুন।
লেখাঃ সংগ্রহীত
সংক্ষেপে দেখুন