সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
Banking system related question
ফ্যামিলি কার্ড কে কে পাবে?
বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় "স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড" বা "টিসিবি স্মার্ট কার্ড" বিতরণ ও নিবন্ধনের কাজকে আরও আধুনিক এবং সহজতর করেছে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের নতুন গাইডলাইন অনুযায়ী এই কার্ডটি এখন সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা এবং সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্যপণ্য পাওয়ার অন্যতম মাধ্যম। নিচে আপবিস্তারিত পড়ুন
বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় “স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড” বা “টিসিবি স্মার্ট কার্ড” বিতরণ ও নিবন্ধনের কাজকে আরও আধুনিক এবং সহজতর করেছে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের নতুন গাইডলাইন অনুযায়ী এই কার্ডটি এখন সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা এবং সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্যপণ্য পাওয়ার অন্যতম মাধ্যম।
নিচে আপনার প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর দেওয়া হলো।
কারা পাবেন এই ফ্যামিলি কার্ড?
২০২৬ সালের সংশোধিত গাইডলাইন অনুযায়ী, মূলত যারা আর্থিকভাবে অসচ্ছল তারাই এই কার্ডের প্রধান দাবিদার। এর মধ্যে বিশেষ অগ্রাধিকার পাবেন:
নারী প্রধান পরিবার: এই কার্ডটি মূলত পরিবারের “মা” অথবা “নারী সদস্যের” নামে ইস্যু করা হয়।
নিম্ন আয়ের মানুষ: যাদের মাসিক আয় দারিদ্র্য সীমার নিচে এবং যারা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন।
ভূমিহীন বা প্রান্তিক চাষি: গ্রামীণ এলাকায় যাদের আবাদি জমির পরিমাণ ৫০ শতাংশ বা ০.৫০ একরের কম।
শহরের বস্তিবাসী ও বেকার: ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বড় বড় শহরের নিম্নবিত্ত এলাকা ও বস্তিতে বসবাসকারী পরিবারগুলো।
ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার শর্তসমূহ
আবেদন করার জন্য আপনাকে নিচের শর্তগুলো পূরণ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য থাকতে হবে:
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID): আবেদনকারীর অবশ্যই বৈধ এনআইডি থাকতে হবে।
নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর: একটি সচল মোবাইল নম্বর থাকতে হবে যা আবেদনকারীর এনআইডি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা এবং সেখানে মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ বা নগদ) অ্যাকাউন্ট সচল থাকা বাঞ্ছনীয়।
স্থায়ী ঠিকানা: আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
পরিবারের তথ্য: একটি পরিবারের বিপরীতে কেবল একটি কার্ডই ইস্যু করা হয়। একই এনআইডি বা মোবাইল নম্বর দিয়ে একাধিক কার্ড নেওয়া সম্ভব নয়।
আবেদন করার নিয়ম
বর্তমানে ২০২৬ সালে ডিজিটাল পদ্ধতিতে আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে। আপনি দুইভাবে আবেদন করতে পারেন:
১. অনলাইন রেজিস্ট্রেশন
* আপনি সরাসরি সরকারের নির্ধারিত পোর্টাল `familycard.gov.bd` অথবা `tcbsheba.com` এ গিয়ে আবেদন করতে পারেন।
* সেখানে আপনার এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে তথ্য ভেরিফাই করার পর মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে।
২. স্থানীয় প্রতিনিধির মাধ্যমে
* আপনার এলাকার মেম্বার, কাউন্সিলর বা ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে (UDC) গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে আবেদন করতে পারেন।
* বর্তমানে অনেক এলাকায় ওয়ার্ড কমিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে তালিকা তৈরি করছে। আপনি আপনার এলাকার সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ রাখতে পারেন।
ফ্যামিলি কার্ডের বর্তমান সুবিধা
২০২৬ সালের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই কার্ডধারীরা কেবল সাশ্রয়ী মূল্যে চাল, তেল বা ডাল নয়, বরং ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরাসরি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে মাসিক ২,৫০০ টাকা পর্যন্ত নগদ অর্থ সহায়তা পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
সংক্ষেপে দেখুনবিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠালে কি ফেরত আসে?
হ্যাঁ, বিকাশ থেকে ব্যাংকে পাঠানো টাকা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ফেরত আসে তবে সব ক্ষেত্রে একইরকম নয়। কখন ফেরত আসে আর কখন আসে না, সেটি নির্ভর করে সমস্যার ধরনের উপর। পরিস্থিতি অনুযায়ী টাকা ফেরতের নিয়ম পরিস্থিতি টাকা ফেরত আসে? কত সময়ে লেনদেন ব্যর্থ (Failed) হলে ✅ স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবিস্তারিত পড়ুন
হ্যাঁ, বিকাশ থেকে ব্যাংকে পাঠানো টাকা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ফেরত আসে তবে সব ক্ষেত্রে একইরকম নয়। কখন ফেরত আসে আর কখন আসে না, সেটি নির্ভর করে সমস্যার ধরনের উপর।
পরিস্থিতি অনুযায়ী টাকা ফেরতের নিয়ম
পরিস্থিতি ১: লেনদেন ব্যর্থ হলে (সবচেয়ে সাধারণ ঘটনা)
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর পর যদি লেনদেন “Failed” দেখায়, তাহলে কাটা টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার বিকাশ অ্যাকাউন্টে ফিরে আসে। এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত কয়েক মিনিট থেকে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। এই ক্ষেত্রে আলাদাভাবে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার দরকার নেই, শুধু অপেক্ষা করুন।
পরিস্থিতি ২: টাকা পাঠানো হয়েছে কিন্তু ব্যাংকে পৌঁছায়নি
বিকাশ থেকে SMS কনফার্মেশন এলেও যদি ব্যাংকে টাকা না পৌঁছায়, তাহলে টাকা সাধারণত ৩ কার্যদিবসের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিকাশে ফেরত চলে আসে। এরপরেও না আসলে বিকাশ হেল্পলাইন ১৬২৪৭ -এ কল করুন এবং TrxID নম্বর জানান।
পরিস্থিতি ৩: ভুল ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হলে
এটি সবচেয়ে জটিল পরিস্থিতি। ভুল অ্যাকাউন্টে টাকা গেলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরত আসে না। এই ক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব বিকাশ হেল্পলাইন ১৬২৪৭ -এ ফোন করুন এবং একই সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকেও যোগাযোগ করুন। লেনদেনের TrxID, তারিখ, সময় ও পরিমাণ জানান। বিকাশ কর্তৃপক্ষ প্রাপকের সাথে যোগাযোগ করে অর্থ ফেরত আনার চেষ্টা করবে।
সার্ভিস চার্জ কি ফেরত পাওয়া যায়?
লেনদেন ব্যর্থ হলে কাটা সার্ভিস চার্জও সম্পূর্ণ ফেরত আসে। তবে লেনদেন সফল হওয়ার পর কোনো কারণে টাকা ফেরতের প্রয়োজন হলে সার্ভিস চার্জ ফেরত পাওয়া যায় না।
ভবিষ্যতে এই সমস্যা এড়ানোর উপায়
টাকা পাঠানোর আগে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর দুইবার যাচাই করুন। বিকাশ অ্যাপে ব্যাংক লিংক করার সময় অ্যাকাউন্ট নম্বর সংরক্ষিত থাকে, তাই পরবর্তীতে সেখান থেকে সিলেক্ট করলে ভুলের সম্ভাবনা কমে। লেনদেনের পর কনফার্মেশন SMS সংরক্ষণ করুন। সমস্যা হলে TrxID নম্বরটি কাজে আসবে।
জরুরি যোগাযোগ
সমস্যা হলে বিকাশ হেল্পলাইন ১৬২৪৭ (সকাল ৮টা — রাত ১১টা) অথবা নিকটস্থ বিকাশ কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে যোগাযোগ করুন।
বিকাশ সম্পর্কিত আমার আরও কিছু উত্তর যা আপনার কাজে আসতে পারে:
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা কতক্ষণে পৌঁছায়?
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম কী?
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর চার্জ কত ২০২৬?
সংক্ষেপে দেখুনবিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা কতক্ষণে পৌঁছায়?
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর পর সাধারণত তাৎক্ষণিকভাবে অর্থাৎ কয়েক মিনিটের মধ্যেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যায়। তবে কিছু ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। পরিস্থিতি কত সময় লাগে স্বাভাবিক অবস্থায় তাৎক্ষণিক — ১ থেকে ৫ মিনিট নেটওয়ার্ক সমস্যা থাকলে ১৫ থেকে ৩০ মিনিট ব্যাংকের সবিস্তারিত পড়ুন
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর পর সাধারণত তাৎক্ষণিকভাবে অর্থাৎ কয়েক মিনিটের মধ্যেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যায়। তবে কিছু ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
৩টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
১. রাত-দিন সব সময় পাঠানো যায় — বিকাশ টু ব্যাংক সার্ভিস ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহের ৭ দিন চালু থাকে। তাই রাত ১২টায় পাঠালেও সাধারণত কয়েক মিনিটেই পৌঁছে যায়।
২. সরকারি ছুটির দিনেও কাজ করে — বিকাশ থেকে ব্যাংকে ট্রান্সফার ব্যাংকের সাধারণ কার্যঘণ্টার বাইরেও হয়, কারণ এটি স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল সিস্টেমে পরিচালিত হয়।
৩. কনফার্মেশন SMS আসে — টাকা সফলভাবে পাঠানো হলে বিকাশ থেকে আপনার মোবাইলে সঙ্গে সঙ্গে একটি নিশ্চিতকরণ SMS আসবে। এই SMS আসা মানেই টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া সফল হয়েছে।
টাকা দেরি হওয়ার সাধারণ কারণগুলো:
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা দেরিতে পৌঁছানোর পেছনে সাধারণত তিনটি কারণ থাকে। প্রথমত, ব্যাংকের নিজস্ব সার্ভার সাময়িকভাবে ব্যস্ত বা বন্ধ থাকলে প্রক্রিয়াকরণে দেরি হতে পারে। দ্বিতীয়ত, BEFTN (Bangladesh Electronic Funds Transfer Network) সিস্টেমে অতিরিক্ত লোড থাকলে কিছুটা সময় বেশি লাগে। তৃতীয়ত, ইন্টারনেট সংযোগ দুর্বল থাকলে লেনদেনের নিশ্চিতকরণে বিলম্ব হতে পারে।
টাকা না পৌঁছালে কী করবেন:
বিকাশ থেকে SMS আসার পরেও যদি ব্যাংকে টাকা না পৌঁছায়, তাহলে প্রথমে বিকাশ অ্যাপের “Transaction History” থেকে লেনদেনের স্ট্যাটাস চেক করুন। সেখানে “সফল” দেখালে ব্যাংকের হেল্পলাইনে যোগাযোগ করুন। আর “ব্যর্থ” দেখালে টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার বিকাশ অ্যাকাউন্টে ফিরে আসবে — সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে।
সমস্যা সমাধান না হলে বিকাশের হেল্পলাইন ১৬২৪৭ নম্বরে কল করুন এবং লেনদেনের TrxID নম্বরটি জানান। বিকাশ সর্বোচ্চ ৩ কার্যদিবসের মধ্যে সমস্যার সমাধান করে দেয়।
ভুল অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠালে কী হবে:
ভুল ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে বিকাশ হেল্পলাইন ১৬২৪৭-এ ফোন করুন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকেও অবহিত করুন। এক্ষেত্রে টাকা ফেরত পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে এবং ব্যাংকের সহযোগিতার উপর নির্ভর করে।
সংক্ষেপে মনে রাখুন:
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর পর কনফার্মেশন SMS পেলে নিশ্চিন্তে থাকুন — স্বাভাবিক অবস্থায় ৫ মিনিটের মধ্যেই পৌঁছে যায়। ৩ ঘণ্টার বেশি দেরি হলে তখন বিকাশকে জানান।
সংক্ষেপে দেখুনবিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম কী?
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠাতে হলে প্রথমে বিকাশ অ্যাপে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লিংক করতে হবে, তারপর "ট্রান্সফার মানি" অপশন ব্যবহার করে সরাসরি ব্যাংকে টাকা পাঠানো যাবে। পুরো প্রক্রিয়াটি নিচে ধাপে ধাপে দেওয়া হলো। প্রথম ধাপ: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লিংক করুন (প্রথমবারের জন্য) বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠাতে হলে এবিস্তারিত পড়ুন
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠাতে হলে প্রথমে বিকাশ অ্যাপে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লিংক করতে হবে, তারপর “ট্রান্সফার মানি” অপশন ব্যবহার করে সরাসরি ব্যাংকে টাকা পাঠানো যাবে।
পুরো প্রক্রিয়াটি নিচে ধাপে ধাপে দেওয়া হলো।
প্রথম ধাপ: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লিংক করুন (প্রথমবারের জন্য)
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠাতে হলে একবার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লিংক করতে হয়। এটি শুধু প্রথমবার করলেই চলে।
১. বিকাশ অ্যাপ খুলুন ও লগইন করুন
২. হোম স্ক্রিনে “ট্রান্সফার মানি” বা “বিকাশ টু ব্যাংক” আইকনে ট্যাপ করুন
৩. তালিকা থেকে আপনার ব্যাংকটি বেছে নিন
৪. “অ্যাড ব্যাংক অ্যাকাউন্ট” বাটনে ট্যাপ করুন
৫. আপনার পূর্ণ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর দিন ও “এগিয়ে যান” চাপুন
৬. বিকাশ আপনার রেজিস্টার্ড নম্বরে OTP পাঠাবে — সেটি দিয়ে ভেরিফাই করুন
৭. সফল হলে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বিকাশের সাথে লিংক হয়ে যাবে
⚠️ জরুরি শর্ত: ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নাম ও বিকাশ অ্যাকাউন্টের নাম একই হতে হবে এবং উভয়ে একই NID দিয়ে খোলা হতে হবে। ব্যাংকের সাথে যুক্ত মোবাইল নম্বরও বিকাশের নম্বরের সাথে মিলতে হবে।
দ্বিতীয় ধাপ: টাকা পাঠানো (প্রতিবার)
ব্যাংক লিংক হয়ে গেলে পরবর্তীতে মাত্র কয়েক সেকেন্ডেই টাকা পাঠানো যাবে:
১. বিকাশ অ্যাপে “ট্রান্সফার মানি” অপশনে যান
২. লিংক করা ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি সিলেক্ট করুন
৩. পাঠানোর পরিমাণ লিখুন
৪. চার্জসহ মোট কাটার পরিমাণ দেখে নিশ্চিত করুন
৫. বিকাশ পিন দিন — টাকা সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চলে যাবে
লেনদেনের সীমা (২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী):
দৈনিক সর্বোচ্চ= ৫০,০০০ টাকা
মাসিক সর্বোচ্চ= ৩,০০,০০০ টাকা
একক লেনদেনের সর্বনিম্ন= ১ টাকা
কোন কোন ব্যাংকে পাঠানো যায়:
বর্তমানে বিকাশ থেকে যেসব ব্যাংকে সরাসরি টাকা পাঠানো যায়: অগ্রণী, সোনালী, ব্র্যাক, সিটি, ঢাকা ব্যাংক, পূবালী, সাউথইস্ট, MTB, EBL (ইস্টার্ন ব্যাংক), IFIC, AB ব্যাংক, NRBC, মিডল্যান্ড, প্রিমিয়ার, কমিউনিটি ব্যাংক, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।
সাধারণ সমস্যা ও সমাধান:
সমস্যা ১: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লিংক হচ্ছে না
সমাধান: ব্যাংকে গিয়ে আপনার NID ও মোবাইল নম্বর আপডেট করুন, তারপর আবার চেষ্টা করুন।
সমস্যা ২: OTP আসছে না
সমাধান: ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সাথে কোন নম্বর রেজিস্টার্ড আছে তা ব্যাংকে জিজ্ঞেস করুন।
সমস্যা ৩: টাকা পাঠানো হয়ে গেছে কিন্তু ব্যাংকে যাচ্ছে না
সমাধান: বিকাশের ১৬২৪৭ নম্বরে কল করুন — সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমাধান হয়।
বিকাশ টু ব্যাংক সার্ভিসের সুবিধা:
বিকাশ থেকে সরাসরি ব্যাংকে টাকা পাঠালে ক্যাশ আউট চার্জ (১.৮৫%) দিতে হয় না, বরং মাত্র ১% থেকে ১.২৫% চার্জ দিলেই হয়। সেবাটি ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহের ৭ দিন চালু থাকে এবং টাকা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যায়।
সংক্ষেপে দেখুনবিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর চার্জ কত ২০২৬?
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর চার্জ ২০২৬ সালে ব্যাংকভেদে ভিন্ন — সর্বোচ্চ ১.২৫% পর্যন্ত। বিকাশের অফিশিয়াল তথ্য অনুযায়ী চার্জের বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো। ব্যাংকের নাম চার্জ (%) ১,০০০ টাকায় চার্জ অগ্রণী ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক ১% ১০ টাকা ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ১% ১০ টাকা AB ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংবিস্তারিত পড়ুন
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর চার্জ ২০২৬ সালে ব্যাংকভেদে ভিন্ন — সর্বোচ্চ ১.২৫% পর্যন্ত।
বিকাশের অফিশিয়াল তথ্য অনুযায়ী চার্জের বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো।
দৈনিক ও মাসিক লিমিট:
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা এবং প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ২,০০,০০০ টাকা পাঠানো যায়।
কীভাবে টাকা পাঠাবেন — ধাপে ধাপে:
১. বিকাশ অ্যাপ খুলুন
২. “ট্রান্সফার মানি” অপশনে ট্যাপ করুন
৩. তালিকা থেকে আপনার ব্যাংকটি বেছে নিন
৪. ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ও পরিমাণ দিন
৫. পিন দিয়ে নিশ্চিত করুন — টাকা সঙ্গে সঙ্গেই পৌঁছে যাবে
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
– বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর চার্জ ক্যাশ আউট চার্জ (১.৮৫%) থেকে কম, তাই এটি তুলনামূলক সাশ্রয়ী পদ্ধতি।
– বেশিরভাগ ব্যাংকের ক্ষেত্রে আপনার বিকাশে নিবন্ধিত নাম ও ব্যাংকের নাম মিলতে হবে।
– ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহের ৭ দিন এই সেবা চালু থাকে।
– টাকা পাঠানোর পর সাধারণত তাৎক্ষণিকভাবেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যোগ হয়।
বর্তমানে বিকাশ থেকে যেসব ব্যাংকে টাকা পাঠানো যায়:
অগ্রণী, সোনালী, ব্র্যাক, সিটি, ঢাকা ব্যাংক, পূবালী, সাউথইস্ট, MTB, EBL, IFIC, AB ব্যাংক, NRBC, মিডল্যান্ড, প্রিমিয়ার, কমিউনিটি ব্যাংক, Bangladesh Development Bank সহ আরও অনেক ব্যাংক।
সংক্ষেপে দেখুনমটর লায়াবিলিটি ইন্সুরেন্স পলিসি কি?
মোটর লায়াবিলিটি ইন্সুরেন্স পলিসি হলো একটি বীমা পলিসি যা যানবাহন চালকদেরকে তৃতীয় পক্ষের ক্ষতির জন্য দায়ী থাকার ক্ষেত্রে আর্থিক রক্ষা প্রদান করে। এই পলিসি সাধারণত তিনটি প্রধান ধরনের কভারেজ অন্তর্ভুক্ত করে: 1. তৃতীয় পক্ষের ক্ষতি (Third-Party Liability): যদি যানবাহন চালক কোনো তৃতীয় পক্ষের (যেমন, অন্বিস্তারিত পড়ুন
মোটর লায়াবিলিটি ইন্সুরেন্স পলিসি হলো একটি বীমা পলিসি যা যানবাহন চালকদেরকে তৃতীয় পক্ষের ক্ষতির জন্য দায়ী থাকার ক্ষেত্রে আর্থিক রক্ষা প্রদান করে। এই পলিসি সাধারণত তিনটি প্রধান ধরনের কভারেজ অন্তর্ভুক্ত করে:
1. তৃতীয় পক্ষের ক্ষতি (Third-Party Liability): যদি যানবাহন চালক কোনো তৃতীয় পক্ষের (যেমন, অন্য যানবাহন চালক, পথচারী, বা সম্পত্তি) ক্ষতি করে, তাহলে এই পলিসি তৃতীয় পক্ষের চিকিৎসা খরচ, ক্ষতিপূরণ, বা অন্যান্য আর্থিক দাবি মেটাতে সাহায্য করে।
2. তৃতীয় পক্ষের মৃত্যু (Third-Party Death): যদি যানবাহন চালকের কারণে কোনো তৃতীয় পক্ষের মৃত্যু হয়, তাহলে এই পলিসি মৃত্যুভাতা, চিকিৎসা খরচ, বা অন্যান্য আর্থিক দাবি মেটাতে সাহায্য করে।
3. তৃতীয় পক্ষের সম্পত্তি ক্ষতি (Third-Party Property Damage): যদি যানবাহন চালকের কারণে কোনো তৃতীয় পক্ষের সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে এই পলিসি ক্ষতিপূরণ বা অন্যান্য আর্থিক দাবি মেটাতে সাহায্য করে।
মোটর লায়াবিলিটি ইন্সুরেন্স পলিসি সাধারণত বাধ্যতামূলক, অর্থাৎ যানবাহন চালকদেরকে আইন দ্বারা এই পলিসি নিতে হয়। এটি যানবাহন চালকদেরকে আর্থিকভাবে রক্ষা করে এবং তৃতীয় পক্ষের ক্ষতির জন্য দায়ী থাকার ঝুঁকি হ্রাস করে।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশে গুগল পে কবে নাগাদ চালু হবে? গুগল পে তে কোন ব্যাংক যুক্ত করা যাবে? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গুগল পে এর প্রয়োজনীয়তা কতটুকু যেখানে আগে থেকেই বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদি চালু আছে? গুগল পে কি বিকাশ, নগদ, রকেট এদের সাথে প্রতিযোগিতায় পেরে উঠবে? যেকোন পেমেন্টে গুগল পে চার্জ না নিলেও যে ব্যাংকের কার্ড আমি গুগল পে তে যুক্ত করবো সেই ব্যাংক তো চার্জ ঠিকই নিবে তাইনা?
একসাথে অনেক প্রশ্ন করে ফেলেছেন আপু! আমি প্রতিটা প্রশ্নের এক এক করে উত্তর দিচ্ছি। বাংলাদেশে গুগল পে কবে নাগাদ চালু হবে? বাংলাদেশে গুগল পে (Google Pay) চালু হওয়া নিয়ে জোর জল্পনা চলছে এবং খবর অনুযায়ী, ২৪শে জুন, ২০২৫ তারিখে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে। কোন ব্যাংক যুক্ত করা যাবে গুগল পে? প্রাথমিকভবিস্তারিত পড়ুন
একসাথে অনেক প্রশ্ন করে ফেলেছেন আপু! আমি প্রতিটা প্রশ্নের এক এক করে উত্তর দিচ্ছি।
বাংলাদেশে গুগল পে কবে নাগাদ চালু হবে?
বাংলাদেশে গুগল পে (Google Pay) চালু হওয়া নিয়ে জোর জল্পনা চলছে এবং খবর অনুযায়ী, ২৪শে জুন, ২০২৫ তারিখে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে।
কোন ব্যাংক যুক্ত করা যাবে গুগল পে?
প্রাথমিকভাবে, সিটি ব্যাংকই প্রথম ব্যাংক হিসেবে গুগল পে-এর সাথে যুক্ত হচ্ছে। সিটি ব্যাংকের ভিসা (Visa) এবং মাস্টারকার্ড (Mastercard) ব্যবহারকারীরা তাদের কার্ড গুগল ওয়ালেটে (Google Wallet) যুক্ত করে গুগল পে ব্যবহার করতে পারবেন। এটি ধীরে ধীরে দেশের অন্যান্য ব্যাংকের সাথেও যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গুগল পে এর প্রয়োজনীয়তা কতটুকু যেখানে আগে থেকেই বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদি চালু আছে?
বিকাশ, নগদ, রকেট – এগুলি মূলত মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) প্ল্যাটফর্ম যা মোবাইল নম্বর-ভিত্তিক লেনদেন এবং এজেন্ট নির্ভর সিস্টেমের মাধ্যমে কাজ করে। এর বিপরীতে গুগল পে একটি ডিজিটাল ওয়ালেট, যা মূলত আপনার ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডকে স্মার্টফোনে নিয়ে আসে এবং NFC (Near Field Communication) প্রযুক্তির মাধ্যমে দোকানে ‘ট্যাপ অ্যান্ড পে’ লেনদেন বা অনলাইনে পেমেন্টের সুবিধা দেয়।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গুগল পে-এর প্রয়োজনীয়তা নিচে দেওয়া হলো:
গুগল পে কি বিকাশ, নগদ, রকেট এদের সাথে প্রতিযোগিতায় পেরে উঠবে?
গুগল পে এবং বিকাশ, নগদ, রকেট – এদের কাজের ধরন কিছুটা ভিন্ন।
প্রতিযোগিতায় পেরে ওঠার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় গুরুত্বপূর্ণ:
প্রথম দিকে গুগল পে বিকাশ, নগদ, রকেটের মতো ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করতে না পারলেও, শহরাঞ্চলে এবং উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত ব্যবহারকারীদের মধ্যে এটি একটি শক্তিশালী প্রতিযোগী হয়ে উঠতে পারে, বিশেষ করে যারা কার্ড ব্যবহার করে কেনাকাটা করেন।
যেকোন পেমেন্টে গুগল পে চার্জ না নিলেও যে ব্যাংকের কার্ড আমি গুগল পে তে যুক্ত করবো সেই ব্যাংক তো চার্জ ঠিকই নিবে তাইনা?
হ্যাঁ, আপনার অনুমান সঠিক। গুগল পে সাধারণত তার মৌলিক লেনদেনের জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে সরাসরি কোনো চার্জ নেয় না। তবে, আপনি গুগল পে-তে যে ব্যাংক কার্ডটি যুক্ত করবেন, সেই ব্যাংক আপনার লেনদেনের উপর তাদের নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী চার্জ নিতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি কোনো ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেন, তাহলে সেই কার্ডের নিয়ম অনুযায়ী অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ, ফরেক্স মার্কআপ (যদি আন্তর্জাতিক লেনদেন হয়) বা অন্য কোনো ফি প্রযোজ্য হতে পারে। অর্থাৎ, গুগল পে একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে, কিন্তু আসল লেনদেন আপনার ব্যাংক এবং বণিকের মধ্যে হবে এবং ব্যাংকের চার্জের নিয়মাবলী এক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
সংক্ষেপে দেখুনসোনালী ব্যাংক ডিপিএস কি অন্যান্য ব্যাংকগুলোর চেয়ে বেশি লাভ দেয়?
সোনালী ব্যাংক ডিপিএস: বিস্তারিত গাইড ডিপিএস বা ডিপোজিট পেনশন স্কিম বাংলাদেশের সঞ্চয়কারীদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। সোনালী ব্যাংক দেশের অন্যতম প্রধান ব্যাংক হিসেবে বিভিন্ন মেয়াদ এবং সুবিধাজনক শর্তে ডিপিএস অফার করে। ডিপিএস কি? ডিপিএস হলো একটি সঞ্চয় স্কিম যেখানে মাসিক নির্দিষ্ট অর্থ জমা দিয়েবিস্তারিত পড়ুন
সোনালী ব্যাংক ডিপিএস: বিস্তারিত গাইড
ডিপিএস বা ডিপোজিট পেনশন স্কিম বাংলাদেশের সঞ্চয়কারীদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। সোনালী ব্যাংক দেশের অন্যতম প্রধান ব্যাংক হিসেবে বিভিন্ন মেয়াদ এবং সুবিধাজনক শর্তে ডিপিএস অফার করে।
ডিপিএস কি?
ডিপিএস হলো একটি সঞ্চয় স্কিম যেখানে মাসিক নির্দিষ্ট অর্থ জমা দিয়ে নির্ধারিত মেয়াদ শেষে চক্রবৃদ্ধি সুদসহ অর্থ ফেরত পাওয়া যায়। এটি সাধারণত ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তার জন্য ব্যবহৃত হয়।
সোনালী ব্যাংকের ডিপিএস চার্ট ২০২৩ ও ২০২৪
৪ বছরের মেয়াদ:
প্রতি মাসে জমা: ১৭,৩৮০ টাকা
মেয়াদ শেষে মোট: ১০,২৬৮০ টাকা
৫ বছরের মেয়াদ:
প্রতি মাসে জমা: ১৩,২৮০ টাকা
মেয়াদ শেষে মোট: ১০,৭৮০ টাকা
৬ বছরের মেয়াদ:
প্রতি মাসে জমা: ১০,৫৭০ টাকা
মেয়াদ শেষে মোট: ১০,৭৮০ টাকা
৭ বছরের মেয়াদ:
প্রতি মাসে জমা: ৮,৬৪০ টাকা
মেয়াদ শেষে মোট: ১০,০০০০০ টাকার বেশি
বিঃদ্রঃ সুদের হার এবং চূড়ান্ত পরিমাণ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী পরিবর্তনশীল হতে পারে।
কোন ব্যাংকে ডিপিএস লাভ বেশি?
অন্যান্য ব্যাংকের সাথে তুলনা করলে সোনালী ব্যাংক প্রতিযোগিতামূলক সুদের হার প্রদান করে। উদাহরণস্বরূপ:
সিটি ব্যাংক: ৬% থেকে ৯.৫% পর্যন্ত সুদ
ঢাকা ব্যাংক: ৮% থেকে ৯.৫% পর্যন্ত সুদ
অগ্রণী ব্যাংক: ৭% থেকে ৮.৫% পর্যন্ত সুদ
ডিপিএস লাভের পরিমাণ ব্যাংক, মেয়াদকাল, এবং মাসিক কিস্তির ওপর নির্ভর করে। সঠিক ব্যাংক নির্বাচন করতে শর্তাবলী ভালোভাবে যাচাই করুন।
ডিপিএস কেন গুরুত্বপূর্ণ?
1. ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।
2. নিয়মিত সঞ্চয় তৈরি করতে।
3. আকর্ষণীয় সুদের মাধ্যমে অর্থ বাড়াতে।
কিভাবে ডিপিএস খুলবেন?
সোনালী ব্যাংকের যে কোনো শাখায় যোগাযোগ করে ডিপিএস স্কিম শুরু করতে পারেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং সঠিক তথ্য প্রদান করতে হবে।
সোনালী ব্যাংকের ডিপিএস একটি স্থিতিশীল ও লাভজনক সঞ্চয় পদ্ধতি। তবে, ব্যাংকের শর্তাবলী বুঝে এবং আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিন।
সংক্ষেপে দেখুনকয়টি ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন পেল?
সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক দুটি ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন দিয়েছে। ব্যাংক দুটি হলো নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক দুটি ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন দিয়েছে। ব্যাংক দুটি হলো নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি।
সংক্ষেপে দেখুনএটিএম বুথে কি কারণে কার্ড আটকে যায়, আটকালে করণীয় কি?
ফাইল ফটো টাকা তুলতে গিয়ে ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড আটকে গিয়েছে এটিএম বুথে? এটিএম ব্যবহারের সময় এমন নানা ধরনের বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হই আমরা। তখন কী করতে হবে জানা আছে? জানা থাকলে ভালো; আর না জানা থাকলে চলুন জেনে নিই বিস্তারিত- কেন কার্ড আটকে যায় এটিএমে? অনেক সময়ই এটিএম থেকে টাকা তোলার সময় মেশিনেই আটবিস্তারিত পড়ুন
ফাইল ফটো
টাকা তুলতে গিয়ে ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড আটকে গিয়েছে এটিএম বুথে? এটিএম ব্যবহারের সময় এমন নানা ধরনের বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হই আমরা। তখন কী করতে হবে জানা আছে?
জানা থাকলে ভালো; আর না জানা থাকলে চলুন জেনে নিই বিস্তারিত-
কেন কার্ড আটকে যায় এটিএমে?
অনেক সময়ই এটিএম থেকে টাকা তোলার সময় মেশিনেই আটকে যায় ডেবিট কার্ড। কোনো কারণে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে বা বিদ্যুৎ সংযোগ ছিন্ন হলে মেশিনেই আটকে যায় কার্ড। কারণ এটিএম-এর পুরো কাজটি ইন্টারনেটের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়। সেকারণে এটিএমে ইন্টারনেট পরিষেবা সঠিকভাবে কাজ না করলে কার্ড আটকে যেতে পারে।
অনেক সময় কার্ড রিডারে সমস্যা দেখা দিলে এটিএম কার্ড মেশিনের ভেতর আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই কার্ড আটকে যাওয়ার পেছনে অনেক সময় কার্ড রিডার দায়ী বলে মনে করা হয়।
একাধিক বার ভুল ‘পিন’ দিলে কার্ড আটকে যেতে পারে। যদি পরপর তিনবার ভুল পিন দেওয়া হয়, তাহলেও মেশিনে কার্ড আটকে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে কার্ড নিজে থেকেই আটকে দেয় এটিএম মেশিন। সেক্ষেত্রে ‘পিন’ সঠিক ভাবে জেনে তবেই ইনপুট করুন। সেক্ষেত্রেও বিপদ।
কার্ড আটকে গেলে আপনার কী করা উচিত?
মেশিনের ভেতরে কার্ড আটকে গেলে তা টানাটানি করবেন না, স্ক্রিনে ‘ক্যানসেল’ বিকল্পটিতে ক্লিক করুন। অনেক ক্ষেত্রেই ‘ক্যানসেল’ বিকল্পটি বেছে নিলে সেই লেনদেন বাতিল হয়ে যায় এবং তাতে কার্ড বেরিয়ে আসতে পারে। তবে যদি এতেও কাজ না করে তাহলে স্থানীয় ব্রাঞ্চ ও ব্যাংকের কাস্টমার কেয়ারের নম্বরে ফোন করুন। বুথেই সেই নম্বর লেখা থাকে। সেখানকার প্রতিনিধিরা এই সমস্যার সমাধান করে দেবেন।
যদি কোনো কারণে এটিএম থেকে আপনার কার্ড না বের করতে পারেন এবং যদি সেই মেশিনের ভেতরে রেখেই আপনাকে ফিরতে হয় তাহলে অতি দ্রুত তা ব্লক করার ব্যবস্থা করুন। কারণ কার্ডটি যদি অন্য কেউ পেয়ে যায় তাহলে প্রতারণার শিকার হতে পারেন আপনি। এমন কিছু সঠিক নিয়ম জানা থাকলে জটিল সমস্যার সুরাহা পাবেন।
ব্যাংক অফ আমেরিকার আসল নাম কি ছিল ?
১৯৩০ সালের ১লা নভেম্বর, সান ফ্রান্সিসকোতে অবস্থিত ব্যাংক অফ ইতালির নাম পরিবর্তন করে ব্যাংক অফ আমেরিকা রাখা হয়।
১৯৩০ সালের ১লা নভেম্বর, সান ফ্রান্সিসকোতে অবস্থিত ব্যাংক অফ ইতালির নাম পরিবর্তন করে ব্যাংক অফ আমেরিকা রাখা হয়।
সংক্ষেপে দেখুনকখন, কিভাবে একটি ব্যাংক দেউলিয়া হয়?
একটি ব্যাংক যখন গ্রাহকের জমা রাখা টাকা ফেরৎ দেয়ার মতো অবস্থায় থাকে না, তখন সেই ব্যাংকটি দেউলিয়া হিসাবে চিহ্নিত হয়। এরকম হওয়ার কারণ: ১। ব্যাংক যখন কোনো ঋণ মঞ্জুর করে, সেই ঋণের টাকা গ্রাহকের জমা রাখা টাকা হতেই দেয়া হয়। কোনো ঋণ দাতা যখন ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণের টাকা ফেরত না দেন, সেক্ষেত্রে ব্যাংকেবিস্তারিত পড়ুন
একটি ব্যাংক যখন গ্রাহকের জমা রাখা টাকা ফেরৎ দেয়ার মতো অবস্থায় থাকে না, তখন সেই ব্যাংকটি দেউলিয়া হিসাবে চিহ্নিত হয়।
এরকম হওয়ার কারণ:
১। ব্যাংক যখন কোনো ঋণ মঞ্জুর করে, সেই ঋণের টাকা গ্রাহকের জমা রাখা টাকা হতেই দেয়া হয়। কোনো ঋণ দাতা যখন ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণের টাকা ফেরত না দেন, সেক্ষেত্রে ব্যাংকের solvency দুর্বল হতে থাকে। এইভাবে অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ যখন বাড়তে থাকে এবং একটা সময়ে যদি দেখা যায় অনাদায়ী ঋণের টাকা বাদ দিয়ে, ব্যাংকের কাছে যে টাকা রয়েছে এবং অন্যান্য assets যথা shares, security এসবের total value মিলিয়েও ব্যাংকে জমা রাখা গ্রাহকের টাকা ফিরিয়ে দেয়ার মতো আর্থিক সামর্থ্য ব্যাংকের নেই সেক্ষেত্রে, ব্যাংকটি liquidation এ চলে যাবে, insolvent বা দেউলিয়া হিসাবে চিহ্নিত হবে।
সাধারণত: আজকাল এরকম হয় না। কারণ, ব্যাংকগুলো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং এরকম একটা অবস্থায় যাতে ব্যাংক চলে না যায়, সেজন্য pro-active steps নেয়া হয়।
প্রসঙ্গত: যদি ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে যায় সেক্ষেত্রে গ্রাহকের টাকা কী হবে?
ব্যাংকে গচ্ছিত গ্রাহকের টাকা দেশের সরকার কর্তৃক ইন্স্যুরেন্স করা থাকে এবং কোনো ব্যাংক যদি ফেইল করে যায়, তখন সরকারের তরফ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অবধি টাকা গ্রাহককে ফেরত দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
ভারতে DICGC (Deposit Insurance Credit Guarantee Corporation) এর নিয়মানুযায়ী এরকম ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ লক্ষ টাকা অবধি গ্রাহককে ফেরৎ দেয়া হয়।
অর্থাৎ, যিনি ওই দেউলিয়া ব্যাংকে দুই লক্ষ টাকা জমা রেখেছিলেন, তিনি দুই লক্ষ টাকা অবধি ফেরত পাবেন। কিন্তু, যিনি ওই ব্যাংকে কুড়ি লক্ষ টাকা জমা রেখেছিলেন, তিনি ওই maximum limit অর্থাৎ পাঁচ লক্ষ টাকা ফেরত পাবেন।
ধন্যবাদ।
সংক্ষেপে দেখুন