বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর চার্জ ২০২৬ সালে ব্যাংকভেদে ভিন্ন — সর্বোচ্চ ১.২৫% পর্যন্ত। বিকাশের অফিশিয়াল তথ্য অনুযায়ী চার্জের বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো। ব্যাংকের নাম চার্জ (%) ১,০০০ টাকায় চার্জ অগ্রণী ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক ১% ১০ টাকা ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ১% ১০ টাকা AB ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংবিস্তারিত পড়ুন
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর চার্জ ২০২৬ সালে ব্যাংকভেদে ভিন্ন — সর্বোচ্চ ১.২৫% পর্যন্ত।
বিকাশের অফিশিয়াল তথ্য অনুযায়ী চার্জের বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো।
| ব্যাংকের নাম | চার্জ (%) | ১,০০০ টাকায় চার্জ |
|---|---|---|
| অগ্রণী ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক | ১% | ১০ টাকা |
| ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক | ১% | ১০ টাকা |
| AB ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, EBL, IFIC, MTB, পূবালী, সাউথইস্ট সহ অন্যান্য | ১.২৫% | ১২.৫০ টাকা |
দৈনিক ও মাসিক লিমিট:
বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা এবং প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ২,০০,০০০ টাকা পাঠানো যায়।
কীভাবে টাকা পাঠাবেন — ধাপে ধাপে:
১. বিকাশ অ্যাপ খুলুন
২. “ট্রান্সফার মানি” অপশনে ট্যাপ করুন
৩. তালিকা থেকে আপনার ব্যাংকটি বেছে নিন
৪. ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ও পরিমাণ দিন
৫. পিন দিয়ে নিশ্চিত করুন — টাকা সঙ্গে সঙ্গেই পৌঁছে যাবে
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
– বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর চার্জ ক্যাশ আউট চার্জ (১.৮৫%) থেকে কম, তাই এটি তুলনামূলক সাশ্রয়ী পদ্ধতি।
– বেশিরভাগ ব্যাংকের ক্ষেত্রে আপনার বিকাশে নিবন্ধিত নাম ও ব্যাংকের নাম মিলতে হবে।
– ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহের ৭ দিন এই সেবা চালু থাকে।
– টাকা পাঠানোর পর সাধারণত তাৎক্ষণিকভাবেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যোগ হয়।
বর্তমানে বিকাশ থেকে যেসব ব্যাংকে টাকা পাঠানো যায়:
অগ্রণী, সোনালী, ব্র্যাক, সিটি, ঢাকা ব্যাংক, পূবালী, সাউথইস্ট, MTB, EBL, IFIC, AB ব্যাংক, NRBC, মিডল্যান্ড, প্রিমিয়ার, কমিউনিটি ব্যাংক, Bangladesh Development Bank সহ আরও অনেক ব্যাংক।
সংক্ষেপে দেখুনসর্বশেষ আপডেটের জন্য বিকাশ অ্যাপের “ট্রান্সফার মানি” অপশনে সরাসরি চেক করুন, কারণ বিকাশ মাঝেমধ্যে চার্জ পরিবর্তন করতে পারে।
সোনালী ব্যাংক ডিপিএস: বিস্তারিত গাইড ডিপিএস বা ডিপোজিট পেনশন স্কিম বাংলাদেশের সঞ্চয়কারীদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। সোনালী ব্যাংক দেশের অন্যতম প্রধান ব্যাংক হিসেবে বিভিন্ন মেয়াদ এবং সুবিধাজনক শর্তে ডিপিএস অফার করে। ডিপিএস কি? ডিপিএস হলো একটি সঞ্চয় স্কিম যেখানে মাসিক নির্দিষ্ট অর্থ জমা দিয়েবিস্তারিত পড়ুন
সোনালী ব্যাংক ডিপিএস: বিস্তারিত গাইড
ডিপিএস বা ডিপোজিট পেনশন স্কিম বাংলাদেশের সঞ্চয়কারীদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। সোনালী ব্যাংক দেশের অন্যতম প্রধান ব্যাংক হিসেবে বিভিন্ন মেয়াদ এবং সুবিধাজনক শর্তে ডিপিএস অফার করে।
ডিপিএস কি?
ডিপিএস হলো একটি সঞ্চয় স্কিম যেখানে মাসিক নির্দিষ্ট অর্থ জমা দিয়ে নির্ধারিত মেয়াদ শেষে চক্রবৃদ্ধি সুদসহ অর্থ ফেরত পাওয়া যায়। এটি সাধারণত ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তার জন্য ব্যবহৃত হয়।
সোনালী ব্যাংকের ডিপিএস চার্ট ২০২৩ ও ২০২৪
৪ বছরের মেয়াদ:
প্রতি মাসে জমা: ১৭,৩৮০ টাকা
মেয়াদ শেষে মোট: ১০,২৬৮০ টাকা
৫ বছরের মেয়াদ:
প্রতি মাসে জমা: ১৩,২৮০ টাকা
মেয়াদ শেষে মোট: ১০,৭৮০ টাকা
৬ বছরের মেয়াদ:
প্রতি মাসে জমা: ১০,৫৭০ টাকা
মেয়াদ শেষে মোট: ১০,৭৮০ টাকা
৭ বছরের মেয়াদ:
প্রতি মাসে জমা: ৮,৬৪০ টাকা
মেয়াদ শেষে মোট: ১০,০০০০০ টাকার বেশি
বিঃদ্রঃ সুদের হার এবং চূড়ান্ত পরিমাণ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী পরিবর্তনশীল হতে পারে।
কোন ব্যাংকে ডিপিএস লাভ বেশি?
অন্যান্য ব্যাংকের সাথে তুলনা করলে সোনালী ব্যাংক প্রতিযোগিতামূলক সুদের হার প্রদান করে। উদাহরণস্বরূপ:
সিটি ব্যাংক: ৬% থেকে ৯.৫% পর্যন্ত সুদ
ঢাকা ব্যাংক: ৮% থেকে ৯.৫% পর্যন্ত সুদ
অগ্রণী ব্যাংক: ৭% থেকে ৮.৫% পর্যন্ত সুদ
ডিপিএস লাভের পরিমাণ ব্যাংক, মেয়াদকাল, এবং মাসিক কিস্তির ওপর নির্ভর করে। সঠিক ব্যাংক নির্বাচন করতে শর্তাবলী ভালোভাবে যাচাই করুন।
ডিপিএস কেন গুরুত্বপূর্ণ?
1. ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।
2. নিয়মিত সঞ্চয় তৈরি করতে।
3. আকর্ষণীয় সুদের মাধ্যমে অর্থ বাড়াতে।
কিভাবে ডিপিএস খুলবেন?
সোনালী ব্যাংকের যে কোনো শাখায় যোগাযোগ করে ডিপিএস স্কিম শুরু করতে পারেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং সঠিক তথ্য প্রদান করতে হবে।
সোনালী ব্যাংকের ডিপিএস একটি স্থিতিশীল ও লাভজনক সঞ্চয় পদ্ধতি। তবে, ব্যাংকের শর্তাবলী বুঝে এবং আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিন।
সংক্ষেপে দেখুন