একটি ব্যাংক যখন গ্রাহকের জমা রাখা টাকা ফেরৎ দেয়ার মতো অবস্থায় থাকে না, তখন সেই ব্যাংকটি দেউলিয়া হিসাবে চিহ্নিত হয়। এরকম হওয়ার কারণ: ১। ব্যাংক যখন কোনো ঋণ মঞ্জুর করে, সেই ঋণের টাকা গ্রাহকের জমা রাখা টাকা হতেই দেয়া হয়। কোনো ঋণ দাতা যখন ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণের টাকা ফেরত না দেন, সেক্ষেত্রে ব্যাংকেবিস্তারিত পড়ুন
একটি ব্যাংক যখন গ্রাহকের জমা রাখা টাকা ফেরৎ দেয়ার মতো অবস্থায় থাকে না, তখন সেই ব্যাংকটি দেউলিয়া হিসাবে চিহ্নিত হয়।
এরকম হওয়ার কারণ:
১। ব্যাংক যখন কোনো ঋণ মঞ্জুর করে, সেই ঋণের টাকা গ্রাহকের জমা রাখা টাকা হতেই দেয়া হয়। কোনো ঋণ দাতা যখন ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণের টাকা ফেরত না দেন, সেক্ষেত্রে ব্যাংকের solvency দুর্বল হতে থাকে। এইভাবে অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ যখন বাড়তে থাকে এবং একটা সময়ে যদি দেখা যায় অনাদায়ী ঋণের টাকা বাদ দিয়ে, ব্যাংকের কাছে যে টাকা রয়েছে এবং অন্যান্য assets যথা shares, security এসবের total value মিলিয়েও ব্যাংকে জমা রাখা গ্রাহকের টাকা ফিরিয়ে দেয়ার মতো আর্থিক সামর্থ্য ব্যাংকের নেই সেক্ষেত্রে, ব্যাংকটি liquidation এ চলে যাবে, insolvent বা দেউলিয়া হিসাবে চিহ্নিত হবে।
সাধারণত: আজকাল এরকম হয় না। কারণ, ব্যাংকগুলো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং এরকম একটা অবস্থায় যাতে ব্যাংক চলে না যায়, সেজন্য pro-active steps নেয়া হয়।
প্রসঙ্গত: যদি ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে যায় সেক্ষেত্রে গ্রাহকের টাকা কী হবে?
ব্যাংকে গচ্ছিত গ্রাহকের টাকা দেশের সরকার কর্তৃক ইন্স্যুরেন্স করা থাকে এবং কোনো ব্যাংক যদি ফেইল করে যায়, তখন সরকারের তরফ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অবধি টাকা গ্রাহককে ফেরত দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
ভারতে DICGC (Deposit Insurance Credit Guarantee Corporation) এর নিয়মানুযায়ী এরকম ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ লক্ষ টাকা অবধি গ্রাহককে ফেরৎ দেয়া হয়।
অর্থাৎ, যিনি ওই দেউলিয়া ব্যাংকে দুই লক্ষ টাকা জমা রেখেছিলেন, তিনি দুই লক্ষ টাকা অবধি ফেরত পাবেন। কিন্তু, যিনি ওই ব্যাংকে কুড়ি লক্ষ টাকা জমা রেখেছিলেন, তিনি ওই maximum limit অর্থাৎ পাঁচ লক্ষ টাকা ফেরত পাবেন।
ধন্যবাদ।
সংক্ষেপে দেখুন
বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় "স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড" বা "টিসিবি স্মার্ট কার্ড" বিতরণ ও নিবন্ধনের কাজকে আরও আধুনিক এবং সহজতর করেছে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের নতুন গাইডলাইন অনুযায়ী এই কার্ডটি এখন সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা এবং সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্যপণ্য পাওয়ার অন্যতম মাধ্যম। নিচে আপবিস্তারিত পড়ুন
বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় “স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড” বা “টিসিবি স্মার্ট কার্ড” বিতরণ ও নিবন্ধনের কাজকে আরও আধুনিক এবং সহজতর করেছে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের নতুন গাইডলাইন অনুযায়ী এই কার্ডটি এখন সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা এবং সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্যপণ্য পাওয়ার অন্যতম মাধ্যম।
নিচে আপনার প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর দেওয়া হলো।
কারা পাবেন এই ফ্যামিলি কার্ড?
২০২৬ সালের সংশোধিত গাইডলাইন অনুযায়ী, মূলত যারা আর্থিকভাবে অসচ্ছল তারাই এই কার্ডের প্রধান দাবিদার। এর মধ্যে বিশেষ অগ্রাধিকার পাবেন:
নারী প্রধান পরিবার: এই কার্ডটি মূলত পরিবারের “মা” অথবা “নারী সদস্যের” নামে ইস্যু করা হয়।
নিম্ন আয়ের মানুষ: যাদের মাসিক আয় দারিদ্র্য সীমার নিচে এবং যারা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন।
ভূমিহীন বা প্রান্তিক চাষি: গ্রামীণ এলাকায় যাদের আবাদি জমির পরিমাণ ৫০ শতাংশ বা ০.৫০ একরের কম।
শহরের বস্তিবাসী ও বেকার: ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বড় বড় শহরের নিম্নবিত্ত এলাকা ও বস্তিতে বসবাসকারী পরিবারগুলো।
ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার শর্তসমূহ
আবেদন করার জন্য আপনাকে নিচের শর্তগুলো পূরণ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য থাকতে হবে:
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID): আবেদনকারীর অবশ্যই বৈধ এনআইডি থাকতে হবে।
নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর: একটি সচল মোবাইল নম্বর থাকতে হবে যা আবেদনকারীর এনআইডি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা এবং সেখানে মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ বা নগদ) অ্যাকাউন্ট সচল থাকা বাঞ্ছনীয়।
স্থায়ী ঠিকানা: আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
পরিবারের তথ্য: একটি পরিবারের বিপরীতে কেবল একটি কার্ডই ইস্যু করা হয়। একই এনআইডি বা মোবাইল নম্বর দিয়ে একাধিক কার্ড নেওয়া সম্ভব নয়।
আবেদন করার নিয়ম
বর্তমানে ২০২৬ সালে ডিজিটাল পদ্ধতিতে আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে। আপনি দুইভাবে আবেদন করতে পারেন:
১. অনলাইন রেজিস্ট্রেশন
* আপনি সরাসরি সরকারের নির্ধারিত পোর্টাল `familycard.gov.bd` অথবা `tcbsheba.com` এ গিয়ে আবেদন করতে পারেন।
* সেখানে আপনার এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে তথ্য ভেরিফাই করার পর মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে।
২. স্থানীয় প্রতিনিধির মাধ্যমে
* আপনার এলাকার মেম্বার, কাউন্সিলর বা ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে (UDC) গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে আবেদন করতে পারেন।
* বর্তমানে অনেক এলাকায় ওয়ার্ড কমিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে তালিকা তৈরি করছে। আপনি আপনার এলাকার সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ রাখতে পারেন।
ফ্যামিলি কার্ডের বর্তমান সুবিধা
২০২৬ সালের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই কার্ডধারীরা কেবল সাশ্রয়ী মূল্যে চাল, তেল বা ডাল নয়, বরং ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরাসরি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে মাসিক ২,৫০০ টাকা পর্যন্ত নগদ অর্থ সহায়তা পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
সংক্ষেপে দেখুন