টিটোনি হলো সেই পাখি যাকে ছুঁলে মরে যেতে পারে।
টিটোনি হলো সেই পাখি যাকে ছুঁলে মরে যেতে পারে।
সংক্ষেপে দেখুন
সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.
দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
আড্ডার শুরুটা হয় প্রশ্ন দিয়ে
আমাদের উদ্দেশ্য হলো, যিনি জানেন এবং যিনি জানতে চান এই দুজনকে সংযুক্ত করা।
আপনার একটি প্রশ্ন বদলে দিতে পারে একজন ব্যক্তিকে, একটি জাতিকে, একটি দেশকে এবং বিশ্বকে! প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, একে অপরের সাথে জ্ঞান ভাগ করে নিন।
আমরা প্রতিদিন নতুন কিছু শিখতে চাই, জানতে চাই। আপনি যা জানেন তা অন্যের কাজে লাগতে পারে। তাই শুধু জেনেই চুপ থাকবেন না, বিশ্বকে জানিয়ে দিন।
আমাদের ব্লগ পড়ে জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করুন
পাশাপাশি উন্নত ব্লগ লিখে সমাদৃত হোন বিশ্বজুড়ে
অনন্য লেখক হিসেবে গড়ে তুলুন নিজেকে
টিটোনি হলো সেই পাখি যাকে ছুঁলে মরে যেতে পারে।
টিটোনি হলো সেই পাখি যাকে ছুঁলে মরে যেতে পারে।
সংক্ষেপে দেখুনবিশ্বের বৃহত্তম টেলিস্কোপগুলোর মধ্যে এই ৭ টি প্রধান। ১. গ্র্যান টেলিস্কোপিও ক্যানারিয়াস ২. কেক-১ ও কেক-২ টেলিস্কোপ ৩. সল্ট ৪. লার্জ বাইনোকুলার টেলিস্কোপ ৫. সুবারু টেলিস্কোপ ৬. ভেরি লার্জ টেলিস্কোপ ৭. জেমিনি টেলিস্কোপ
সংক্ষেপে দেখুন
হ্যা, তারা গাছে উঠতে পারে। কিন্তু তাদের জন্য গাছে উঠা সহজ কাজ নয় তাদের শরীরের ওজনের কারনে।
মিরপুরে বিআরটিএ’র কার্যালয় পরিদর্শনকালে এক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলছেন ওবায়দুল কাদের। সংবাদে জানা যায় মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন "মাসুদের সঙ্গে দেখা হলেই প্রায় আমি বলি, মাসুদ তুমি ভালো হয়ে যাও কিন্তু সে এখনও পুরোপুরি ভালো হয়নি। মাসুদ হচ্ছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) একজন কর্মকর্তা। তবিস্তারিত পড়ুন
মিরপুরে বিআরটিএ’র কার্যালয় পরিদর্শনকালে এক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলছেন ওবায়দুল কাদের। সংবাদে জানা যায় মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন “মাসুদের সঙ্গে দেখা হলেই প্রায় আমি বলি, মাসুদ তুমি ভালো হয়ে যাও কিন্তু সে এখনও পুরোপুরি ভালো হয়নি। মাসুদ হচ্ছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) একজন কর্মকর্তা। তার পুরো নাম মাসুদুর রহমান। তিনি প্রতিষ্ঠানটির উপ-পরিচালক পদে কর্মরত আছেন। মাসুদ দীর্ঘদিন বিআরটিএতে আছে। ব্যবহার ভালো, মধুর মতো। কিন্তু যা করার একটু ভেতরে ভেতরে করে। মাসুদকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক মজার মজার ভিডিও তৈরি হয়েছে। মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মাসুদকে প্রায় চার বছর আগে ভালো হয়ে যেতে বলেছিলেন। মাসুদ কি সত্যিই ভালো হয়েছেন? মাসুদ ভালো হয়েছেন কিনা তা জানার জন্য তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। ভিডিওটি প্রসঙ্গে মাসুদ আলমের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, এটি চার বছর আগের ঘটনা। আপনাকে তো ভালো হয়ে যেতে বলেছিলেন মন্ত্রী, ভালো হয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি তো এখন মিরপুর অফিসে বসি না, হেড অফিসে বসি। এর আগে বার বার তার সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেও পারা যায়নি। তিনি সবসময়ই পরে কথা বলবো,মিটিংয়ে আছি বলে এড়িয়ে যান। তিনি বার বারই হেসে বলেন,আমি এখন আর ওখানে নেই।
সূত্রঃ edu360bd.com
সংক্ষেপে দেখুনহস্তমৈথুন ভাল না খারাপ কোন জিনিস যখন খুব বেশি করা হয়, সেটা অবশ্যই খারাপ। হস্তমৈথুনও তাই। চিকিৎসকদের মতে সপ্তাহে ১ থেকে ৩ বার হস্তমৈথুন মোটেও দোষের কিছু নয়। বরং এতে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে। হস্তমৈথুন করতেই হবে এমন কোন কথা নেই, তবে সপ্তাহে ২/৩ বার করলে দোষের কিছুই নেই। তবে হ্যাঁ, কেউ যদি দৈনিক হস্তবিস্তারিত পড়ুন
কোন জিনিস যখন খুব বেশি করা হয়, সেটা অবশ্যই খারাপ। হস্তমৈথুনও তাই। চিকিৎসকদের মতে সপ্তাহে ১ থেকে ৩ বার হস্তমৈথুন মোটেও দোষের কিছু নয়। বরং এতে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে। হস্তমৈথুন করতেই হবে এমন কোন কথা নেই, তবে সপ্তাহে ২/৩ বার করলে দোষের কিছুই নেই।
তবে হ্যাঁ, কেউ যদি দৈনিক হস্তমৈথুন করেন, কিংবা দিনে একাধিকবার করতে থাকেন, বিষয়টি নিঃসন্দেহে তার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক।
বেশি বেশি হস্ত মৈথুন করলে বেশ কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন আপনি। জেনে নিন দৈনিক একাধিকবার হস্তমৈথুন করার অপকারিতা।
যেহেতু বীর্য তৈরি হয় অন্ডকোষে, তাই বেশি হস্তমৈথুনের ফলে, অণ্ডকোষে বীর্যরস তৈরিতে ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
বাড়তি বীর্য তৈরির চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে পারে অণ্ডকোষ। ফলে অণ্ডথলিতে ব্যাথা হওয়া অস্বাভাবিক নয়।
অতিরিক্ত হস্তমৈথুনে মস্তিষ্কে বীর্য তৈরির হরমোনের ঘাটতিও দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে মস্তিষ্কের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। ফলে মাথাব্যাথা সহ মস্তিষ্কের নানা সাময়িক ত্রুটি দেখা দিতে পারে।
ঘন ঘন হস্তমৈথুনে বীর্য পাতলা হয়ে যায় খুব স্বাভাবিকভাবেই। যদি ক্রমাগত ব্যাপারটা চালিয়ে যেতে থাকেন, স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি হবে।
তাছাড়া অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে যৌনাঙ্গে ব্যাথা ও আংশিক বিকৃতি ঘটতে পারে।
শরীর চড়া অবস্থায় হস্তমৈথুন করলে, প্রসাবে জালাপোড়া বেড়ে যায় খুব বেশিমাত্রায়। তাই হস্তমৈথুন নিয়ন্ত্রিত ও সতর্কতার সাথে করা উচিত।
খুব বেশি হস্তমৈথুনে স্বাস্থ্যের প্রতি প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে উঠতি বয়সী তরুণদের বাড়ন্ত সময়ে অতিরিক্ত হস্তমৈথুন ভালো নয়।
হস্তমৈথুনে অভ্যস্ত অনেক পুরুষই পরবর্তী যৌন জীবনে সুখী হতে পারেন না। কারণ এই হস্তমৈথুন তাঁদের অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায় আর এটাতেই তাঁরা স্বস্তি বোধ করেন।
মনে রাখবেন, যৌন বিষয়ক কোনো সমস্যা যদি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে তখন অবহেলা না করে একজন যৌনরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া অবশ্যই উচিত।
হস্তমৈথুন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, তবে একে অতিরিক্ত পর্যায়ে নেয়া মোটেও ভালো নয়। হ্যাঁ, এটা আপনার পুরুষত্ব নষ্ট হবে না ঠিকই, তবে নানা রকম শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তথ্যসূত্রঃ bdtimes365
সংক্ষেপে দেখুন'জিরো ওয়াট' মানে হয় কোনও ওয়াটই নয়। তার মানে হল, কোন বিদ্যুৎ পুড়বেনা ('জিরো ওয়াট তো) অথচ হালকা আলো জ্বলবে।ব্যাপারটা কাঁঠালের আমসত্ত্ব বা সোনার পাথরবাটি মনে হচ্ছে না কি? কোন শক্তি খরচ হবে না, অথচ আলোর শক্তি পাওয়া যাবে।'কিছু না' থেকে 'কিছু' পাওয়া যাবে। এটা একদম অবৈজ্ঞানিক যুক্তি! তাহলে যুক্তিটা কি? প্যবিস্তারিত পড়ুন
‘জিরো ওয়াট’ মানে হয় কোনও ওয়াটই নয়। তার মানে হল, কোন বিদ্যুৎ পুড়বেনা (‘জিরো ওয়াট তো) অথচ হালকা আলো জ্বলবে।ব্যাপারটা কাঁঠালের আমসত্ত্ব বা সোনার পাথরবাটি মনে হচ্ছে না কি? কোন শক্তি খরচ হবে না, অথচ আলোর শক্তি পাওয়া যাবে।’কিছু না’ থেকে ‘কিছু’ পাওয়া যাবে। এটা একদম অবৈজ্ঞানিক যুক্তি!
তাহলে যুক্তিটা কি?

প্যাকেটগুলো লক্ষ্য করুন— কি লেখা আছে? দোকানদারেররা ‘নাইট ল্যাম্প’গুলোকে বলে (আমরাও বিশ্বাস করি), ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব। তার মানে হল, কোন বিদ্যুৎ পুড়বেনা (‘জিরো ওয়াট তো) অথচ হালকা আলো জ্বলবে। কিন্তু বড় কোম্পানিগুলো( এখানে ছবিতে বর্ণিত ফিলিপস) এই ‘নাইট ল্যাম্প’গুলোকে ‘জিরো ওয়াট’ বলে দাবি করেনা। বাল্বের কার্টনে পরিষ্কার লিখে দেয় 15 W , মানে, একটি ‘জিরো ওয়াট’ বাল্ব, ঘন্টায় ১৫ ওয়াট বিদ্যুৎ পোড়ায়।
এইবারে একটু গভীরে যাওয়া যাক।এইরকম একটি ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব কত ইউনিট (একক) বিদ্যুৎ খরচ করে? ধরে নেওয়া যাক, বাল্বটি প্রতিদিন ৬ ঘন্টা করে জ্বলে। তাহলে একটু অঙ্ক কষা দরকার, সহজ পাটিগণিত।
সময় : ৬ ঘন্টা;পাওয়ার : ১৫ ওয়াট (প্রতি ঘন্টায় ১৫ ওয়াট বিদ্যুৎ পোড়ায়।);প্রতিদিনের মোট বিদ্যুৎ খরচ (ছয় ঘন্টার হিসেবে) : ১৫ x ৬ = ৯০ ওয়াট-ঘন্টা (Watt-hour, সংক্ষেপে Wh)
বিদ্যুতের ইউনিট এক কিলো ওয়াট-ঘন্টা (kWh)। মানে এক ওয়াট-ঘন্টার হাজার গুণ।
তাহলে, প্রতিদিনের বিদ্যুৎ খরচা = ৯০ / ১০০০ = ০.০৯ কিলো ওয়াট-ঘন্টা (kilowatt-hour, kWh)
= ০.০৯ ইউনিট (এক ইউনিটও না)
মাসিক (৩০ দিন) বিদ্যুৎ খরচা = ৩০ x ০.০৯ =০.২৭ ইউনিট (তা-ও এক ইউনিট হলনা)
তাহলে দেখতে পাচ্ছি, এই বাল্বগুলো খুবই কম বিদ্যুৎ পোড়ায় কিন্তু আক্ষরিক অর্থে ‘০’ নয়, তাহলে বাল্ব কোম্পানিরা এগুলোকে ‘জিরো ওয়াট’ বলে কেন? এটা একটা বাণিজ্যিক চালাকি, যদিও এই চালাকিতে আপনি বিশেষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন না। বিদ্যুৎ পুড়ছে, আপনি ইলেকট্রিক বিল মেটাচ্ছেন, কিন্তু আপনি সেটা জানছেন না, ব্যস- এইটুকুই।
চালাকি কি আদৌ ধরা গেলো? না, এইটা বুঝতে একটু বাবরের আমলের একধরণের মিটারের দিকে তাকাতে হবে, তাহলেই যুক্তি আর বিজ্ঞানের গোঁজামিলটা ধরতে পারবেন। এজন্য দেখবেন, আজকাল ডিজিটাল মিটার বসানো হচ্ছে।
বাবরের আমলের মিটার কেমন ছিল মনে আছে? এখনো অনেক বাড়ীতেই আছে। দেখুন-

এই ধরনের মিটারের একটা টেকনিক্যাল নাম আছে, একে বলে ইলেকট্রোমেকানিকল টাইপ মিটার(Electromechanical Induction type)এইসব মিটারে, চাকাটা ৬০০ বার ঘুরলে তবে ডায়ালে এক ইউনিট (1 kWh) বিদ্যুৎ খরচা হয়েছে দেখাত।
এইবারে, এই প্রযুক্তিতে একটা ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব, প্রতিদিন ৬ ঘন্টা জ্বললে যে বিদ্যুৎ খরচা হয় সেটা এইরকম পুরোনো মিটারে কত দেখাবে ? হিসেব করা যাক :
১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচা = ১ পাক (৬০০ পাকে এক ইউনিট হয়।)
তাহলে, ০.২৭ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচা = ০.২৭ x ৬০০ = ১৬২ পাক
এদিকে মিটারের চাকা ৬০০ পাক না ঘুরলে, মিটারের ডায়াল ১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচা দেখাবে না (কেমন করে দেখাবে? এক ইউনিট দেখাতে গেলে চাকাকে ৬০০ পাক খেতে হবে। এখানে চাকা পাক খেয়েছে ১৬২ টি)। মানেটা কী দাঁড়াল? মানেটা হল এই যে, একটা মিটারে একটিমাত্র ‘জিরো ওয়াটের’ বাল্ব যদি একমাসও জ্বলে, তাহলেও এনার্জি মিটার কোন ইউনিট দেখাবে না তাহলে ‘জিরো ওয়াটের বাল্ব’ই তো হল। যুক্তিতে হল, বিজ্ঞানে হলনা।
এই ফাঁকি রুখতেই এখন নতুন মিটারগুলো এইরকম আসছে-

এই ডিজিটাল মিটারগুলো, ৬৪০০ পালস্ হলে এক ইউনিট দেখায়। কম হলে কম ইউনিট (একমাত্র মিটার বন্ধ থাকলেই শূন্য দেখাবে)। তাহলে, একটা ‘জিরো ওয়াটের বাল্ব, একমাস, দিনে ৬ ঘন্টা করে জ্বললে ০.২৭ ইউনিট বিদ্যুৎ পোড়ায় (আমরা তো হিসেব করে দেখলাম)। পুরোনো মিটারগুলোতে তো এক ইউনিটও দেখাচ্ছে না। ডিজিটাল মিটারে কত দেখাবে ? ০.২৭ x ৬,৪০০ = ১,৭২৮ পালস্। মানে এক ইউনিটের এক চতুর্থাংশের একটু বেশি (শূন্য নয়)।
তাহলে গোটা ব্যাপারটা কি দাঁড়ালো? ডিজিটাল এনার্জি মিটারে পরীক্ষা করলে ‘জিরো ওয়াটের বাল্ব’ আর ‘জিরো ওয়াট’ রইলনা। ‘কিছু ওয়াট’ হোল।
একেই বলে চোরের ওপর বাটপারি!
মূলঃ কোরা
সংক্ষেপে দেখুনটুইন_প্যারাডক্স থিয়োরি অব রিলেটিবিটির সবচেয়ে মজার বিষয়গুলোর একটা। ধরা যাক, দুজন যমজ ভাইবোন এই পরীক্ষায় অংশ নেবেন। তাদের বয়স ৩০ বছর । ভাইটি একটা মহাকাশযানে চেপে মহাশূন্য ভ্রমণে যাবেন। ধরা যাক, তার মহাশূন্যযানের গতি আলোর গতির ০.৯৯৫ গুণ। অর্থাৎ ০.৯৯৫ সি গতিতে মহাশূন্য যানে ঘুরলেন। কোথাও থামেননি তিনি। তবিস্তারিত পড়ুন
টুইন_প্যারাডক্স থিয়োরি অব রিলেটিবিটির সবচেয়ে মজার বিষয়গুলোর একটা। ধরা যাক, দুজন যমজ ভাইবোন এই পরীক্ষায় অংশ নেবেন। তাদের বয়স ৩০ বছর । ভাইটি একটা মহাকাশযানে চেপে মহাশূন্য ভ্রমণে যাবেন। ধরা যাক, তার মহাশূন্যযানের গতি আলোর গতির ০.৯৯৫ গুণ। অর্থাৎ ০.৯৯৫ সি গতিতে মহাশূন্য যানে ঘুরলেন। কোথাও থামেননি তিনি। তার সময়ে ঠিক তিন বছরের মাথায় তিনি পৃথিবীতে ফিরে এলেন। কিন্তু বোনকে দেখে অবাক। কারণ মাত্র তিন বছরে তার বোন ৬০ বছরের বৃদ্ধা হয়ে গেছেন! এখানেই আপেক্ষিকতায় খেল! কাল দীর্ঘায়নের সুত্রটিতে তার এই তিন বছর ফেললেই হিসাব বেরিয়ে আসবে।
সংক্ষেপে দেখুনমহাবিশ্ব সম্বন্ধে আমাদের ধারণা এখনো একটি শিশু জন্মগ্রহণ করে চারপাশ যেভাবে দেখে সেরকম। আমরা খুব কমই জানি মহাবিশ্বকে। এখন পর্যন্ত আমরা মহাবিশ্বের ৯৩ বিলিয়ন আলোকবর্ষ পর্যন্তই পর্যবেক্ষণ করতে পারছি। তবে অদূর ভবিষ্যতে এই সীমা পারি দিতে পারবো বলে আশারাখি। একটি ভিডিওতে আমাদের পর্যবেক্ষণের সামগ্রিক তুলে ধরাবিস্তারিত পড়ুন
মহাবিশ্ব সম্বন্ধে আমাদের ধারণা এখনো একটি শিশু জন্মগ্রহণ করে চারপাশ যেভাবে দেখে সেরকম। আমরা খুব কমই জানি মহাবিশ্বকে।
একটি ভিডিওতে আমাদের পর্যবেক্ষণের সামগ্রিক তুলে ধরা হলো।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ১ টাকার একটি কয়েন তৈরি করতে ৯৫ পয়সা খরচ হয়। ২ টাকা কয়েনে ১ টাকা ২০ পয়সা খরচ হয়। আর ৫ টাকার একটি কয়েন তৈরিতে খরচ পড়ে ১ টাকা ৯৫ পয়সা। কয়েনের মান বেশি হলে সে তুলনায় খরচ অনেক কম পড়ে। বাজারে প্রচলিত সবচেয়ে বড় নোট ১ হাজার টাকা। এই মূল্যমানের একটি নোট ছাপাতে প্রায় ৭ টাকা খরচ হয়। ৫০বিস্তারিত পড়ুন
বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ১ টাকার একটি কয়েন তৈরি করতে ৯৫ পয়সা খরচ হয়। ২ টাকা কয়েনে ১ টাকা ২০ পয়সা খরচ হয়। আর ৫ টাকার একটি কয়েন তৈরিতে খরচ পড়ে ১ টাকা ৯৫ পয়সা। কয়েনের মান বেশি হলে সে তুলনায় খরচ অনেক কম পড়ে। বাজারে প্রচলিত সবচেয়ে বড় নোট ১ হাজার টাকা। এই মূল্যমানের একটি নোট ছাপাতে প্রায় ৭ টাকা খরচ হয়। ৫০০ টাকার নোট ছাপাতে খরচ পড়ে ৬ টাকার মতো। ১০০ টাকার নোট ছাপাতে খরচ পড়ে সাড়ে ৪ টাকা।
এছাড়া ৫০ টাকা ও ২০ টাকার একটি নোট ছাপাতে আড়াই টাকা, ১০ টাকার নোট ছাপাতে ২ টাকা ২০ পয়সা এবং ৫ টাকার নোট ছাপাতে খরচ হয় ২ টাকার মতো। আর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই সবচেয়ে ছোট কাগুজে নোটে পরিণত হওয়া ২ টাকার নোট ছাপানোতে খরচ পড়ে দেড় টাকা।
কাগুজে নোটগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান টাঁকশাল বা দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড থেকে ছাপানো হয়। এই টাঁকশাল গাজীপুরে অবস্থিত। তবে নোট ছাপানোর যাবতীয় উপকরণ কাগজ, কালি, রঙ, নিরাপত্তা সুতা ইত্যাদি বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা জানান, ব্যবহারকারীদের ইচ্ছা বা অনিচ্ছায় টাকা ছেঁড়ে, পোড়ে কিংবা রঙ পরিবর্তন করে। ফলে এক সময় তা ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। তখন বাংলাদেশ ব্যাংক সেসব টাকা পুড়িয়ে ফেলে। এরপর নতুন করে সে টাকা ছাপতে সরকারকে খরচ করতে হয় মোটা অঙ্কের টাকা।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মূল্যবান মুদ্রার বান্ডিলে পিন কিংবা সুতা লাগানো হয় না। কিন্তু বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত এই পদ্ধতি অবলম্বন করায় রাষ্ট্রের অনেক টাকা গচ্চা যাচ্ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘প্রতিবছরই টাকা তৈরিতে খরচ বাড়ছে। এর অধিকাংশ কাঁচামালই আমদানি করতে হয়। কাঁচামালের দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। একই সঙ্গে অন্যান্য খরচও বাড়ছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘মানুষের অসচেতনতার কারণে অপচয় হচ্ছে দেশের কোটি কোটি টাকা । বহনকারীরা একটু সচেতন হলেও আমাদের অনেক টাকা বেঁচে যায়।’
4G এবং 5G হল ওয়্যারলেস সেলুলার প্রযুক্তির বিভিন্ন প্রজন্ম, 5G হল সাম্প্রতিক এবং আরও উন্নত পুনরাবৃত্তি। এখানে 4G এবং 5G এর মধ্যে মূল পার্থক্য রয়েছে: গতি: 4G: 4G নেটওয়ার্ক উচ্চ-গতির ডেটা সংযোগ প্রদান করে, সাধারণ ডাউনলোড গতি 5 থেকে 100 Mbps (প্রতি সেকেন্ডে মেগাবিট)। 5G: 5G উল্লেখযোগ্যভাবে দ্রুত গতিরবিস্তারিত পড়ুন
4G এবং 5G হল ওয়্যারলেস সেলুলার প্রযুক্তির বিভিন্ন প্রজন্ম, 5G হল সাম্প্রতিক এবং আরও উন্নত পুনরাবৃত্তি। এখানে 4G এবং 5G এর মধ্যে মূল পার্থক্য রয়েছে:
গতি:
4G: 4G নেটওয়ার্ক উচ্চ-গতির ডেটা সংযোগ প্রদান করে, সাধারণ ডাউনলোড গতি 5 থেকে 100 Mbps (প্রতি সেকেন্ডে মেগাবিট)।
5G: 5G উল্লেখযোগ্যভাবে দ্রুত গতির অফার করে, যেখানে 10 Gbps পর্যন্ত (গিগাবিট প্রতি সেকেন্ড) ডাউনলোডের গতি পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে৷ নেটওয়ার্ক অবকাঠামো এবং যানজটের মতো বিষয়গুলির উপর নির্ভর করে বাস্তব-বিশ্বের গতি পরিবর্তিত হবে, তবে সর্বোত্তম অবস্থার থেকেও কম, 5G সাধারণত 4G-এর চেয়ে দ্রুততর হয়৷
বিলম্ব:
4G: 4G নেটওয়ার্কে সাধারণত 30-50 মিলিসেকেন্ড (ms) পরিসরে লেটেন্সি (ডিভাইসগুলির মধ্যে ডেটা ভ্রমণের জন্য যে সময় লাগে) থাকে।
5G: 5G নেটওয়ার্কগুলির লক্ষ্য হল লেটেন্সি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো, কিছু অনুমান 1 ms বা তার কম। অগমেন্টেড রিয়েলিটি (এআর), ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) এবং স্বায়ত্তশাসিত যানবাহনের মতো রিয়েল-টাইম প্রতিক্রিয়াশীলতা প্রয়োজন এমন অ্যাপ্লিকেশনগুলির জন্য এই কম বিলম্বিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ক্ষমতা এবং বর্ণালী দক্ষতা:
4G: 4G নেটওয়ার্ক প্রতি কক্ষে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ডিভাইস সমর্থন করতে পারে এবং বর্ণালী দক্ষতার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এতে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় যানজট সৃষ্টি হতে পারে।
5G: 5G প্রতি কক্ষে অনেক বেশি সংখ্যক সংযুক্ত ডিভাইস সমর্থন করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং এটি আরও বর্ণালীভাবে দক্ষ। IoT ডিভাইস এবং সংযুক্ত প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান সংখ্যাকে সামঞ্জস্য করার জন্য এটি অপরিহার্য।
ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড:
4G: 4G প্রাথমিকভাবে নিম্ন-ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে কাজ করে (যেমন, 600 MHz থেকে 2.5 GHz) এবং কিছু মিড-ব্যান্ড ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করতে পারে।
5G: 5G কম, মধ্য এবং উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড সহ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডের বিস্তৃত পরিসরে কাজ করে। উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সি mmWave (মিলিমিটার-তরঙ্গ) ব্যান্ডগুলি অত্যন্ত উচ্চ গতির অফার করে কিন্তু প্রচারের দূরত্ব কম থাকে এবং প্রায়শই স্থানীয় কভারেজের জন্য শহরাঞ্চলে ব্যবহৃত হয়।
ব্যবহারের ক্ষেত্রে:
4G: 4G হাই-স্পিড মোবাইল ব্রডব্যান্ড সংযোগ প্রদানের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল, এটি ওয়েব ব্রাউজিং, ভিডিও স্ট্রিমিং এবং সাধারণ স্মার্টফোন ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত করে তোলে।
5G: 5G শুধুমাত্র মোবাইল ব্রডব্যান্ডই বাড়ায় না বরং IoT অ্যাপ্লিকেশন, সংযুক্ত যানবাহন, রিমোট সার্জারি, স্মার্ট সিটি এবং আরও অনেক কিছু সহ নতুন ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিস্তৃত পরিসরকে সক্ষম করে। এর কম বিলম্বিতা এবং উচ্চ ক্ষমতা এটিকে এমন অ্যাপ্লিকেশনগুলির জন্য উপযুক্ত করে তোলে যা রিয়েল-টাইম ডেটা এবং সমালোচনামূলক যোগাযোগের দাবি রাখে।
স্থাপনার স্থিতি:
4G: 4G নেটওয়ার্কগুলি বিশ্বব্যাপী ব্যাপকভাবে স্থাপন করা হয় এবং বেশিরভাগ মোবাইল যোগাযোগের জন্য বর্তমান মান হিসাবে কাজ করে।
5G: চলমান সম্প্রসারণের সাথে অনেক দেশে 5G নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হয়েছে। স্থাপনা অঞ্চলভেদে পরিবর্তিত হয় এবং আগামী বছরগুলিতে অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংক্ষেপে, 4G এর তুলনায় গতি, ক্ষমতা এবং ক্ষমতার ক্ষেত্রে 5G একটি উল্লেখযোগ্য লাফের প্রতিনিধিত্ব করে।
সংক্ষেপে দেখুন
আমি সাদা-কালো এবং রঙিন উভয় রঙের স্বপ্নই দেখেছি। আগে বিভিন্ন রিসার্চে পড়ে মনে বিশ্বাস জন্মেছিল যে স্বপ্নের রং সাদা-কালো। কিন্তু যখন নিজেই একদিন রঙিন স্বপ্ন দেখলাম সেদিন থেকে এই ভ্রান্ত ধারণা ভেঙ্গে যায়। প্রথম রঙিন স্বপ্ন দেখার পর অনেক যুক্তি দিয়ে বুঝতে চেষ্টা করেছিলাম যে আদৌ স্বপ্নটি রঙিন ছিলো কিনা!বিস্তারিত পড়ুন
আমি সাদা-কালো এবং রঙিন উভয় রঙের স্বপ্নই দেখেছি। আগে বিভিন্ন রিসার্চে পড়ে মনে বিশ্বাস জন্মেছিল যে স্বপ্নের রং সাদা-কালো। কিন্তু যখন নিজেই একদিন রঙিন স্বপ্ন দেখলাম সেদিন থেকে এই ভ্রান্ত ধারণা ভেঙ্গে যায়। প্রথম রঙিন স্বপ্ন দেখার পর অনেক যুক্তি দিয়ে বুঝতে চেষ্টা করেছিলাম যে আদৌ স্বপ্নটি রঙিন ছিলো কিনা! এবং সব যুক্তি আমাকে মানতে বাধ্য করিয়েছিল যে স্বপ্নটি ১০০% রঙিন ছিল। আমি যদিও বিজ্ঞানকে সম্মান করি (এবং আমার বিজ্ঞান ভিত্তিক ব্লগ সাইট রয়েছে যেখানে বিজ্ঞানের গবেষণা নিয়েই আমি লেখালেখি করি) তবুও যদি বিজ্ঞান আমাকে বলে স্বপ্নের রঙ সাদা-কালো অন্ততঃ আমি এটা মেনে নিতে পারবো না। কারণ আমি এর সাক্ষী।
সংক্ষেপে দেখুনহাইব্রিড কার এবং সাধারণ কারের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো হাইব্রিড কারের ক্ষেত্রে একটি বা একাধিক বৈদ্যুতিন ব্যাটারি ব্যবহার করা হয় যাতে গাড়ি চালানো যেতে পারে সম্পূর্ণভাবে বৈদ্যুতিন চালযোগ্য মোডে এবং যেটি শক্তি বা ইংধনের জন্য ইংধনের অবস্থা বা বেনজিনের মত স্থায়ী ইংধনে চলতে পারে। এই পার্থক্যের কারণে হাইব্বিস্তারিত পড়ুন
হাইব্রিড কার এবং সাধারণ কারের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো হাইব্রিড কারের ক্ষেত্রে একটি বা একাধিক বৈদ্যুতিন ব্যাটারি ব্যবহার করা হয় যাতে গাড়ি চালানো যেতে পারে সম্পূর্ণভাবে বৈদ্যুতিন চালযোগ্য মোডে এবং যেটি শক্তি বা ইংধনের জন্য ইংধনের অবস্থা বা বেনজিনের মত স্থায়ী ইংধনে চলতে পারে।
এই পার্থক্যের কারণে হাইব্রিড কারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফায়দা থাকে:
সাধারণ কার, অন্যত্র প্রাথমিকভাবে ইংধন ব্যবহার করে যায় এবং বৈদ্যুতিন ব্যাটারি ব্যবহার না করে, যেহেতু ইংধনের জন্য একাধিক বিকল্প উপলব্ধ থাকে। হাইব্রিড কার পরিবারের সদস্যদের এই দুটি পার্থক্যের সমন্বয় প্রদান করতে পারে এবং পর্যাপ্ত চালনার দূরত্বে সামগ্রিক .
সংক্ষেপে দেখুনস্টিভ জবস এর জীবনের শেষ মুহূর্তের কথা অনেক সাইটেই বলেছেন অনেকে। তবে সেগুলো বেশিরভাগই যারা লিখেছেন তাদের মনগড়া। তবে আমি নির্ভরযোগ্য কিছু বক্তব্য লিখছি। আমার কাছে এই কথাগুলোই বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হয়েছে। স্টিভ জবস এর জীবনের শেষ মুহূর্তের বক্তব্য সর্বোপরি, সম্পদ হল একটি জীবনের অভিজ্ঞতা যা আমি অর্জন করেছবিস্তারিত পড়ুন
স্টিভ জবস এর জীবনের শেষ মুহূর্তের কথা অনেক সাইটেই বলেছেন অনেকে। তবে সেগুলো বেশিরভাগই যারা লিখেছেন তাদের মনগড়া। তবে আমি নির্ভরযোগ্য কিছু বক্তব্য লিখছি। আমার কাছে এই কথাগুলোই বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হয়েছে।
সর্বোপরি, সম্পদ হল একটি জীবনের অভিজ্ঞতা যা আমি অর্জন করেছি। এই মুহুর্তে, যখন আমি অসুস্থ হয়ে বিছানায় শুয়ে অতীত সৃতিগুলো মনে করছি, বুঝতে পারছি যে আমি যে সমস্ত স্বীকৃতি এবং সম্পদ অর্জন করেছি তা নগণ্য এবং আসন্ন মৃত্যুর মুখে এগুলো মূল্যহীন।
সুতরাং, আমার পরামর্শ হলো অন্যদের প্রতি বিনয়ী এবং সহানুভূতিশীল হোন। বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমরা আরও স্মার্ট হয়ে উঠি এবং ধীরে ধীরে বুঝতে পারি যে একটি 30 ডলারের ঘড়ি এবং একটি 300 ডলারের ঘড়ি একই সময় দেখায়। একটি 30 বা 300 ডলারের মানিব্যাগে একই পরিমাণ অর্থের জায়গা হতে পারে। আমরা $150,000 দামের গাড়ি বা $30,000 দামের গাড়ি চালাই না কেন, যাত্রা এবং দূরত্ব একই, আমরা সবসময় একই গন্তব্যে পৌঁছাই।
ভেজাল ঘি শনাক্তকরণ পরীক্ষাঃ ভেজাল ঘি শনাক্তকরণের জন্য ঘরোয়া পদ্ধতি ও ল্যাবরেটরি পদ্ধতি রয়েছে। ঘরোয়া পদ্ধতিতে শুধু ঘি ভেজাল কিনা তা জানা যাবে। তবে কি দ্বারা ভেজাল করা হয়েছে সেটি শনাক্ত করতে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার প্রয়োজন হবে। ঘরোয়া পদ্ধতিঃ হাতে কিছু ঘি নিয়ে রগড়ান। তারপর শুঁকে দেখুন। যদি কিছুক্ষণ পরই গবিস্তারিত পড়ুন
ভেজাল ঘি শনাক্তকরণ পরীক্ষাঃ
ভেজাল ঘি শনাক্তকরণের জন্য ঘরোয়া পদ্ধতি ও ল্যাবরেটরি পদ্ধতি রয়েছে। ঘরোয়া পদ্ধতিতে শুধু ঘি ভেজাল কিনা তা জানা যাবে। তবে কি দ্বারা ভেজাল করা হয়েছে সেটি শনাক্ত করতে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার প্রয়োজন হবে।
ঘরোয়া পদ্ধতিঃ
হাতে কিছু ঘি নিয়ে রগড়ান। তারপর শুঁকে দেখুন। যদি কিছুক্ষণ পরই গন্ধ আসা বন্ধ হয় তবে বুঝবেন এতে ভেজাল মেশানো আছে। তবে এভাবে ঘিতে কি মেশানো আছে তা জানা যাবে না।
হাতের তালুতে এক চামচ ঘি নিন। যদি নিজে নিজে গলতে শুরু করে তবে তা খাঁটি। সাধারণত খাঁটি ঘি শরীরের তাপমাত্রায় গলতে থাকে।
এক চামচ ঘি নিয়ে গরম করতে থাকুন। যদি দ্রুত গলে যায় এবং বাদামী বর্ণ ধারণ করে তবে তা খাঁটি। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই খাঁটি ঘি গলে যায়। যদি ভেজাল মেশানো থাকে তবে তা গলতে দীর্ঘ সময় নেয়।
ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষাঃ
ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার মাধ্যমে ঘিতে মিশ্রিত উপাদানটি সম্পর্কে জানতে পারবেন।
কোলটার ডাই শনাক্তকরণঃ
এক চামচ ঘিয়ের মধ্যে ৫ মিলি. হাইড্রোক্লোরিক এসিড যোগ করুন। যদি ঘি লাল হয় তবে বুঝবেন ঘিতে কোলটার ডাই মেশানো হয়েছে।
সিদ্ধ আলু শনাক্তকরণঃ
এক চামচ ঘিতে ৪-৫ ড্রপ আয়োডিন যোগ করে ফেলুন। যদি ঘিয়ের রং পরিবর্তিত হয়ে নীল হয়, তবে বোঝা যাবে ঘিতে সিদ্ধ আলু মেশানো হয়েছে।
ডালডা শনাক্তকরণঃ
একটি বাটিতে এক চামচ ঘি, হাইড্রোক্লোরিক এসিড এবং সামান্য মেশান। যদি ঘি হালকা লাল বা লালচে বাদামী হয় তবে বোঝা যাবে ঘিতে ডালডা মেশানো হয়েছে।
তিলের তেল শনাক্তকরণঃ
১০০ মিলি. ঘি নিন। তাতে ফারফিউরাল এবং হাইড্রোক্লোরিক এসিড মেশান। এরপর অ্যালকোহল যোগ করুন। ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। যদি লাল রং আসে তবে বুঝবেন তিলের তেল মেশানো হয়েছে।
ভেষজ ও আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে, ঘিয়ের অনেক উপকারীতার কথা বলা হয়। তবে তা অবশ্যই খাঁটি ঘি হতে হবে। এই সকল সহজ পদ্ধতির মাধ্যমে সহজেই খাঁটি ও ভেজাল ঘি শনাক্ত করতে পারবেন।
সংক্ষেপে দেখুনACT এবং SAT হল প্রমিত পরীক্ষা যা সাধারণত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কলেজে ভর্তির জন্য ব্যবহৃত হয়। এই পরীক্ষাগুলি কলেজের জন্য একজন ছাত্রের প্রস্তুতি মূল্যায়ন করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলি তাদের ভর্তি প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে ব্যবহার করে। SAT (স্কলাস্টিক অ্যাসেসমেন্ট টেস্ট): Sবিস্তারিত পড়ুন
ACT এবং SAT হল প্রমিত পরীক্ষা যা সাধারণত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কলেজে ভর্তির জন্য ব্যবহৃত হয়। এই পরীক্ষাগুলি কলেজের জন্য একজন ছাত্রের প্রস্তুতি মূল্যায়ন করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলি তাদের ভর্তি প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে ব্যবহার করে।
SAT (স্কলাস্টিক অ্যাসেসমেন্ট টেস্ট):
SAT হল একটি প্রমিত পরীক্ষা যা কলেজ বোর্ড দ্বারা তৈরি এবং পরিচালিত হয়।
এটি তিনটি প্রধান বিভাগ নিয়ে গঠিত: প্রমাণ-ভিত্তিক পড়া এবং লেখা (EBRW), গণিত, এবং একটি ঐচ্ছিক রচনা (যদিও অনেক কলেজে আর রচনার প্রয়োজন নেই)।
EBRW বিভাগে পড়া এবং লেখার প্রশ্ন রয়েছে, যখন গণিত বিভাগে গাণিতিক দক্ষতা মূল্যায়ন করা হয়।
SAT সাধারণত 400 থেকে 1600 স্কেলে স্কোর করা হয়, EBRW এবং গণিত বিভাগ থেকে পরীক্ষার স্কোর একত্রিত করে, প্রবন্ধের জন্য অতিরিক্ত স্কোর সহ (যদি নেওয়া হয়)।
ACT (আমেরিকান কলেজ টেস্টিং):
ACT হল কলেজে ভর্তির জন্য ব্যবহৃত আরেকটি প্রমিত পরীক্ষা।
এটি চারটি প্রধান বিভাগ নিয়ে গঠিত: ইংরেজি, গণিত, পঠন এবং বিজ্ঞান, একটি ঐচ্ছিক লেখার বিভাগ সহ (যদিও সমস্ত কলেজে এটির প্রয়োজন হয় না)।
ACT চারটি বাধ্যতামূলক বিভাগের প্রতিটির জন্য 1 থেকে 36 স্কেলে স্কোর করা হয় এবং একটি যৌগিক স্কোর গণনা করার জন্য স্কোরগুলি গড় করা যেতে পারে। ঐচ্ছিক লেখা বিভাগে আলাদাভাবে স্কোর করা হয়।
শিক্ষার্থীরা SAT বা ACT উভয়ই পরীক্ষা দিতে পারে এবং অনেক কলেজ উভয় পরীক্ষাই গ্রহণ করে। উভয়ের মধ্যে পছন্দ প্রায়ই ব্যক্তিগত পছন্দ এবং শক্তির উপর নির্ভর করে। বিষয়বস্তু এবং বিন্যাসে পার্থক্যের কারণে কিছু শিক্ষার্থী একটি পরীক্ষায় অন্য পরীক্ষায় ভাল পারফর্ম করতে পারে।
ভর্তির জন্য SAT, ACT বা কোনটিরই প্রয়োজন বা সুপারিশ করছে কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য আপনি যে কলেজগুলিতে আগ্রহী তাদের সাথে পরীক্ষা করা অপরিহার্য। উপরন্তু, অনেক কলেজ পরীক্ষা-ঐচ্ছিক বা পরীক্ষা-নমনীয় হয়ে উঠেছে, যার অর্থ তাদের আর ভর্তির জন্য প্রমিত পরীক্ষার স্কোরের প্রয়োজন নেই বা তাদের আবেদনের একটি ঐচ্ছিক অংশ বানিয়েছে। এই প্রবণতা COVID-19 মহামারী দ্বারা সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ এবং কলেজ ভর্তি প্রক্রিয়ায় ইক্যুইটি সম্পর্কে উদ্বেগের প্রতিক্রিয়া হিসাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুন
সৌরজগতে মোট ৮টি গ্রহ আছে। তারা হলো: ১. মেরকুরি ২. ভেনাস ৩. অর্থ ৪. মঙ্গল ৫. বুধ ৬. গুরু ৭. শুক্র ৮. শনি
সৌরজগতে মোট ৮টি গ্রহ আছে। তারা হলো:
১. মেরকুরি
২. ভেনাস
৩. অর্থ
৪. মঙ্গল
৫. বুধ
৬. গুরু
৭. শুক্র
৮. শনি
শাব্দিক এবং শাস্ত্রীয় গিটারগুলি একই রকম দেখতে পারে, তবে তাদের বেশ কয়েকটি মূল পার্থক্য রয়েছে: 1. স্ট্রিংস: অ্যাকোস্টিক গিটারে সাধারণত স্টিলের স্ট্রিং থাকে, যা একটি উজ্জ্বল এবং খাস্তা শব্দ উৎপন্ন করে। শাস্ত্রীয় গিটারগুলিতে নাইলন স্ট্রিং থাকে, যা একটি নরম এবং মৃদু স্বর তৈরি করে। 2. ঘাবিস্তারিত পড়ুন
শাব্দিক এবং শাস্ত্রীয় গিটারগুলি একই রকম দেখতে পারে, তবে তাদের বেশ কয়েকটি মূল পার্থক্য রয়েছে:
1. স্ট্রিংস: অ্যাকোস্টিক গিটারে সাধারণত স্টিলের স্ট্রিং থাকে, যা একটি উজ্জ্বল এবং খাস্তা শব্দ উৎপন্ন করে। শাস্ত্রীয় গিটারগুলিতে নাইলন স্ট্রিং থাকে, যা একটি নরম এবং মৃদু স্বর তৈরি করে।
2. ঘাড়ের প্রস্থ: শাস্ত্রীয় গিটারের ঘাড় সাধারণত অ্যাকোস্টিক গিটারের ঘাড়ের চেয়ে চওড়া হয়। শাস্ত্রীয় গিটারের এই প্রশস্ত ঘাড় ফিঙ্গারপিকিং এবং ক্লাসিক্যাল বাজানো কৌশলগুলিকে আরও আরামদায়ক করে তোলে।
3. বডি শেপ: অ্যাকোস্টিক গিটারগুলি প্রায়ই বিভিন্ন শারীরিক আকারে আসে, যার মধ্যে রয়েছে ড্রেডনট, কনসার্ট এবং জাম্বো, প্রতিটির নিজস্ব স্বর বৈশিষ্ট্য রয়েছে। শাস্ত্রীয় গিটারগুলির সাধারণত একটি ছোট, ঐতিহ্যবাহী আকৃতি থাকে।
4. বাজানো শৈলী: অ্যাকোস্টিক গিটারগুলি বহুমুখী এবং বিভিন্ন বাজানো শৈলীর জন্য উপযুক্ত, যেমন স্ট্রমিং, ফিঙ্গারপিকিং এবং ফ্ল্যাটপিকিং। শাস্ত্রীয় গিটারগুলি প্রাথমিকভাবে শাস্ত্রীয় সঙ্গীত এবং আঙ্গুলের স্টাইল বাজানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
5. ফ্রেটবোর্ড ইনলেস: অ্যাকোস্টিক গিটারগুলিতে প্রায়শই আরও বিস্তৃত ফ্রেটবোর্ড ইনলে এবং সজ্জা থাকে, যখন ক্লাসিক্যাল গিটারগুলিতে সহজ ডিজাইন থাকে।
6. সাউন্ড: অ্যাকোস্টিক এবং ক্লাসিক্যাল গিটারের মধ্যে পছন্দ আপনার পছন্দের শব্দের উপর নির্ভর করে। অ্যাকোস্টিক গিটারগুলির একটি উজ্জ্বল, আরও প্রজেক্টিং শব্দ থাকে, যখন শাস্ত্রীয় গিটারগুলি একটি উষ্ণ, আরও সূক্ষ্ম সুর দেয়।
পরিশেষে, অ্যাকোস্টিক এবং ক্লাসিক্যাল গিটারের মধ্যে আপনার পছন্দটি আপনি যে সঙ্গীতটি বাজাতে চান এবং যে ধরনের শব্দ আপনাকে সবচেয়ে আকর্ষণীয় মনে করেন তার উপর নির্ভর করে।
সংক্ষেপে দেখুন
আপডেট: ০২ মে, ২০২৬ | বিভাগ: প্রাইভেট সেক্টর জব সার্কুলার বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী যমুনা গ্রুপ (Jamuna Group) সম্প্রতি তাদের অন্যতম সহযোগী প্রতিষ্ঠান যমুনা ইলেকট্রনিক্স এন্ড অটোমোবাইলস লিমিটেড-এর জন্য একটি উচ্চপদস্থ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই বিজ্ঞপ্তিতে “জেনারেল ম্যানেজার – অডিট” ...
ওয়ার্ডপ্রেস জগতে একটা কমন সমস্যা হচ্ছে, একটা ফুল-ফিচার্ড ওয়েবসাইট বানাতে গেলে আপনাকে অগুনতি প্লাগইন ইনস্টল করতে হয়। একটা প্লাগইন ফোরামের জন্য, আরেকটা প্রশ্নোত্তরের জন্য, আরেকটা ইউজার প্রোফাইলের জন্য, আরেকটা নোটিফিকেশনের জন্য। এই প্লাগইনের পাহাড় শুধু সাইটকে স্লোই করে না, বরং ...
কল্পনা করুন, আপনি দীর্ঘক্ষণ জ্যামে আটকে আছেন কিংবা কোনো শপিং মলে বন্ধুর জন্য অপেক্ষা করছেন। ঠিক সেই মুহূর্তে ফোনের নোটিফিকেশন বারে দেখলেন—”Free Public WiFi Available”। মনের অজান্তেই এক অদ্ভুত শান্তি লাগে, তাই না? সাথে সাথেই আমরা কানেক্ট করে ফেলি। সোশ্যাল ...
Mobile Phone থেকে SMS এর মাধ্যমে অনার্স রেজাল্ট ২০২১ অনার্স ১ম বর্ষের রেজাল্ট মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখুন NU স্পেস দিয়ে লিখুন H1 আবার স্পেস দিয়ে আপনার Roll অথবা Registraion: Number লিখুন এবং মেসেজ টি পাঠিয়ে দিন 16222 এই নাম্বারে... Example: NU H1 65784658 অনার্স ২য় বর্ষের রেজাল্ট মোবাইলের মেসেজবিস্তারিত পড়ুন
Mobile Phone থেকে SMS এর মাধ্যমে অনার্স রেজাল্ট ২০২১
অনার্স ১ম বর্ষের রেজাল্ট
মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখুন NU স্পেস দিয়ে লিখুন H1 আবার স্পেস দিয়ে আপনার Roll অথবা Registraion: Number লিখুন এবং মেসেজ টি পাঠিয়ে দিন 16222 এই নাম্বারে…
Example: NU H1 65784658
অনার্স ২য় বর্ষের রেজাল্ট
মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখুন NU স্পেস দিয়ে লিখুন H2 আবার স্পেস দিয়ে আপনার Roll অথবা Registraion: Number লিখুন এবং মেসেজ টি পাঠিয়ে দিন 16222 এই নাম্বারে…
Example: NU H2 65784658
অনার্স ৩য় বর্ষের রেজাল্ট
Mobile Phone এর Message গিয়ে লিখুন NU স্পেস দিয়ে লিখুন H3 আবার স্পেস দিয়ে আপনার Roll অথবা Registraion Number লিখুন এবং মেসেজ টি পাঠিয়ে দিন 16222 এই নাম্বারে…
Example: NU H3 65784658
অনার্স ৪র্থ বর্ষের রেজাল্ট
Mobile Phone এর Message গিয়ে লিখুন NU স্পেস দিয়ে লিখুন H4 আবার স্পেস দিয়ে আপনার Roll অথবা Registraion Number লিখুন এবং মেসেজ টি পাঠিয়ে দিন 16222 এই নাম্বারে…
Example: NU H4 65784658
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট থেকে অনার্সের রেজাল্ট
প্রথমে https://www.nu.ac.bd/results/ লিংকে যান। এরপর অনার্সের জন্য Honours এ ক্লিক করে ১ম / ২য় / ৩য় / ৪র্থ বর্ষ সিলেক্ট করুন। পাশের ফর্মে রোল, রেজিস্ট্রেশন দিন। পরীক্ষার সন এবং ক্যাপচা সঠিকভাবে লিখুন। এবার Search result এ ক্লিক করুন। আশাকরি রেজাল্ট পেয়ে যাবেন।
ধন্যনাদ!
সংক্ষেপে দেখুন