সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
লুডু খেলায় সাপ এবং মই খেলার জন্ম কোথায়?
ঘরে বসে খেলতে হয় সাপ-লুডু। ছোটবেলায় লুডু খেলা খেলেনি এমন বাঙালি পাওয়া সত্যিই দুষ্কর। বাড়ির বয়স্ক মহিলাদের সাথে ছোটরাও মজে যেতো এই লুডু খেলায়। তবে লুডু বোর্ডের পরের পাতাটিই থাকতো সবচেয়ে আকর্ষণীয়। সাপ আর মইয়ের এই খেলা ছিল দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ। মই দিয়ে উপরের ধাপে উঠে যাওয়া, আবার অমনি সাপের মুখে পড়ে নিচেবিস্তারিত পড়ুন
ঘরে বসে খেলতে হয় সাপ-লুডু। ছোটবেলায় লুডু খেলা খেলেনি এমন বাঙালি পাওয়া সত্যিই দুষ্কর। বাড়ির বয়স্ক মহিলাদের সাথে ছোটরাও মজে যেতো এই লুডু খেলায়। তবে লুডু বোর্ডের পরের পাতাটিই থাকতো সবচেয়ে আকর্ষণীয়। সাপ আর মইয়ের এই খেলা ছিল দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ। মই দিয়ে উপরের ধাপে উঠে যাওয়া, আবার অমনি সাপের মুখে পড়ে নিচে নেমে আসা- এমনই উত্তেজনা থাকতো এই খেলায়, যা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে খেলাটি কিন্তু আজকের নয়, ইতিহাসের অনেক পথ ঘুরে এই খেলাটি আজকের রূপ পেয়েছে। সাপ-লুডুর সেই অজানা ইতিহাস নিয়েই আজকের আয়োজন।
১৯৭৭ সালে দীপক সিংখাদা নামের এক যুবক শিকাগো শহরের ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামে বসে নেপাল এবং তিব্বতের বিভিন্ন ছবির সংগ্রহ তালিকা প্রস্তুত করছিলেন। এ সময় মিউজিয়ামের এক কোনে পড়ে থাকা এক অদ্ভুত ছবির ওপর তার দৃষ্টি চলে যায়। জাদুঘরের রেজিস্টারে ছবিটি নিয়ে শুধু বলা হয়েছে, ‘রিলিজিয়াস ওয়ার্ক’।
ছবিটি এক ভারতীয় আর্ট ডিলারের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে জানা যায়। ছবিটি দেখে দীপক বেশ অবাকই হয়। কারণ ছবির মধ্যে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহাদেবের উপস্থিতি। আর জাদুঘরে এ ধরনের বিষয় নিয়ে আর কোন ছবিই চোখে পড়েনি। নানা পুথিপত্র পড়ে দীপকের কাছে বিষয়টি কেবল ধর্মীয় বিষয় বলে মনে হলো না, কেবলই তার মনে হতে লাগলো এর সাথে অন্য কোনো বিষয় জড়িয়ে আছে। তিনি বুঝতে পারলেন, ছবিটি উত্তর ভারত থেকে সংগ্রহ করা হলেও এর মূল লুকিয়ে আছে নেপালে। তার এক পরিচিত অধ্যাপক দীপককে জানালেন, এ ধরণের একটি ছবি তিনি নেপালের জাদুঘরে দেখেছেন।
এই ছবির রহস্য উন্মোচনের জন্য দীপক রওনা হলেন নেপালে। নেপালে পৌঁছেই উপস্থিত হলেন নেপালের ন্যাশনাল মিউজিয়ামে। মিউজিয়ামের রেজিস্টার ঘাঁটতে শুরু করলেন যদি এই বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়। রেজিস্টারে শিকাগো মিউজিয়ামে দেখা এমনই এক ছবির কথা বলা আছে। জাদুঘর থেকে সে চিত্রকর্মটি বের করা হলো। নেপালের ন্যাশনাল মিউজিয়ামে পাওয়া এই চিত্রপটের নাম ‘নাগপাশ’।
এই চিত্রকর্ম সম্পর্কে পড়াশোনা করতে গিয়ে দীপক দেখেন এটি কোনো ধর্মীয় বিষয় নয়। এটি একটি খেলার ছক। নেপালিরা শুদ্ধ করে এ খেলাকে ‘নাগপাশ’ বললেও মুখে তারা বলেন ‘বৈকুন্ঠ খেল’। আসলে এটি আমাদের অতি পরিচিত এক খেলা ‘সাপ লুডু’।
নেপালে পাওয়া নাগপাশের ছকেও রয়েছে এই সাপ। তবে নাগপাশে দুই ধরনের সাপ দেখতে পাওয়া যায়। লাল সাপ আর কালো সাপ। লাল শুভ-লাভ এবং সৌভাগ্যের প্রতীক। কালো সাপ অশুভ এবং দুর্ভাগ্যের প্রতীক। নেপালি নাগপাশে লাল-সাপের লেজে গুটি পৌঁছতে পারলে খেলোয়াড়কে তা অনেক উঁচু জায়গায় পৌঁছে দেয়। আর কালো সাপের মাথায় গুটি পড়লে একেবারে লেজের শেষে নেমে যেতে হয়।
আমরা যে সাপ-লুডু খেলি, তাতেও সাপের ব্যবহার আছে। এখানেও গুটি সাপের মাথায় পড়লে সাপের লেজের শেষে নেমে যেতে হয়। তবে এখানে উপরে উঠার জন্য লাল সাপের পরিবর্তে মই ব্যবহার করা হয়। আর তাই লাল সাপগুলো এখানে অনুপস্থিত। তবে এখনকার সাপ-লুডুতে কোথাও মই, কোথাও তীর আবার কোথাও রকেটও ব্যবহার করা হচ্ছে।
শুধু মজা পাওয়ার জন্য আমরা যেমন সাপ-লুডু খেলি, নাগপাশ খেলার উদ্দেশ্য ছিল তা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। নাগপাশ খেলার উদ্দেশ্য ছিল অনেক গভীর এবং তার সাথে কিছুটা ধর্মেরও যোগাযোগ আছে। প্রাচীনকালে এই খেলার মাধ্যমে একজন খেলোয়াড় তার কর্মফল পরিমাপ করতেন। ভালো কাজের ফল পুণ্য, মন্দ কাজের ফল পাপ। সেকালের মানুষরা বিশ্বাস করতো, মানুষের এই পাপ-পুণ্য বা শুভাশুভ ফল ভবিষ্যৎ জীবন এবং পরজন্মের জন্য সঞ্চিত হয়ে থাকে। তারা বিশ্বাস করতো, ভালো কাজ করলে স্বর্গ আর খারাপ কাজ করলে নরক ভোগ করতে হয়।
জীবিত অবস্থায় একজন মানুষ ভাল কাজ করছে না মন্দ কাজ করছে, তা নিয়ে একটা সন্দেহ তখনকার দিনের মানুষদের মধ্যে প্রবলভাবে ছিল। এই কর্মফলে বিশ্বাসী মানুষের ভাবনা থেকেই নাগপাশ খেলার জন্ম নেয়। আর সে সময়ের মানুষদের কাছে নাগপাশ হলো কর্মফল পরিমাপ করার এক মজার উপায়।
নেপালি নাগপাশের যে দুটি চিত্রপট পাওয়া যায়, তা দুটিই শক্তপোক্ত কাপড়ের তৈরি ছক। নীচ থেকে ওপর পর্যন্ত খোপ আছে ৭২টি। তাতে লাল-কালো মিলিয়ে সাপ আছে ১৫টি। খোপগুলি নিচ থেকে ওপর পর্যন্ত আটটি সারির বেশিরভাগ সারিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সৃষ্টি থেকে শুরু করে মানুষের আত্মজ্ঞান লাভের অভিব্যক্তি প্রকাশ করা এমন কিছু মানুষের ছবি। নীচের সারিগুলোতে কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহে জর্জরিত মানুষের ছবি তুলে ধরা হয়েছে। একেবারে ওপরের সারিতে জ্ঞান, চেতনা এবং আত্মোপলব্ধি। আর একেবারে ছকের ওপরে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহাদেবের ছবি।
খেলোয়াড়রা ১-২-৩- ইত্যাদি সংখ্যাবিশিষ্ট একটি ঘুঁটি চালিয়ে খেলা শুরু করতেন। যে দান উঠবে, সে অনুযায়ী তত ঘর যাওয়া যাবে। এই যাওয়ার পথে দান কোথাও লাল সাপের পায়ে পড়বে, আবার কোথাও কালো সাপের ফাঁদে পড়বে। কালো সাপের বাধা পড়লে নিচে নামতে হবে আর লাল সাপ তাকে উন্নত জায়গায় উঠিয়ে দেবে। গুটি কালো সাপের মুখে পড়লে বুঝতে হবে পূর্বের বা এই জন্মের কোন পাপের ফলে কালো সাপ আক্রমণ করেছে এবং এর ফলে তা খোলায়াড়কে নিচের কর্মভূমিতে নামিয়ে দেয়। এর মধ্য দিয়ে স্মরণ করিয়ে দেয়া হয় এখন থেকে ভাল কাজ করলেই মুক্তি লাভ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। বার বার কালো ও লাল সাপের এই ওঠা-নামা জন্মান্তরচক্রের কথা বলে।
নাগাপাশ খেলার এই যে বিস্তৃতি, তা কিন্তু শিকাগো মিউজিয়ামে পাওয়া চিত্রপটে নেই। সেটা অনেক সহজ ও সরল। মূলত এই খেলাটি নেপালে পাওয়া গেলেও তা কিন্তু ভারতবর্ষের মূল ভূখন্ডে অনেক আগে থেকেই চালু ছিল বলে বিভিন্ন পণ্ডিতদের অভিমত।
১৯৭৫ সালে হরিশ জোহারি নামের এক পণ্ডিতের লেখা বইতে দেখা যায়, নেপালের নাগপাশ খেলার প্রচলন দশম শতকে হলেও তার বহু আগে থেকেই ভারতেবর্ষে এই খেলার চল ছিল। ভারতের দিকে এর খেলার নাম ছিল ‘জ্ঞান-চৌপার’ বা ‘মোক্ষ-পতমু’, অনেকে সংক্ষেপে বলেন মোক্ষপট। আর তখন ভারত বা নেপাল বলে আলাদা কোনো দেশ ছিল না। তবে কীভাবে এই খেলা ভারত থেকে নেপালে গেল, সে সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যায় না। জ্ঞান-চৌপারের খেলার উদ্দেশ্যও নাগপাশের মতোই। এখানেও ৭২টি খোপ। তবে এখানে লাল সাপের পরিবর্তে তীর বা বাণ ব্যবহার করা হয়। পরবর্তীকালে যা মই বা সিঁড়ির চেহারা নিয়েছে। সাপ-লুডুর মধ্যে যে কর্মফল, আত্মজ্ঞানের কথা রয়েছে, সেসব প্রতীকি বিষয়গুলো হারিয়ে গিয়ে আজ তা নিছক খেলায় পরিণত হয়েছে।
তবে আধুনিক সাপ লুডুতে সে সাপ ও মইয়ের ব্যবহার দেখা যায়, তা এই জ্ঞান-চৌপার থেকেই এসেছে বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু খেলা শুরুর প্রক্রিয়া এসেছে নেপালি নাগপাশ থেকে। কারণ নেপালি নাগপাশ এবং ভারতীয় জ্ঞান-চৌপার দুটিতেই ৭২টি খোপ আছে। জ্ঞান-চৌপারে খেলা শুরু হতো ৬৮ নম্বর ঘর থেকে। খেলোয়াড় বেশিক্ষণ এখানে থাকতে পারতেন না। দান চালার পর এগোতে-এগোতে তাকে সাপের মুখে পড়তে হয়। আর এভাবে খেলতে-খেলতে তাকে আবার ফিরে আসতে হয় ৬৮ নম্বর ঘরেই। উদ্দেশ্যটা এমন যে, পরম আনন্দে তোমার জন্ম আর ফিরেও যেতে হবে সেই আনন্দে।
আর নেপালি নাগপাশ শুরু হতো ১ নম্বর ঘর থেকেই। জীবনের পথচলার মতোই শৈশব, যৌবন, জরার পথ ধরে খেলোয়াড়কে এগোতে হয় যা নিয়ন্ত্রণ করে লাল ও কালো সাপ। ৭২ ঘর অতিক্রম করতে পারলেই মোক্ষলাভ সম্পন্ন।
পরবর্তীকালে এই নাগপাশ ও জ্ঞান-চৌপারে খোপের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ১০০ হয়, যা আজও অনুসরণ করা হচ্ছে। কিন্তু শুরুতে সব খেলায় ৭২টি ঘর ছিল। তার কারণ হচ্ছে সংসার চক্রের যে বিভিন্ন স্তর রয়েছে, তার সংখ্যা ৭২। আর সে কারণেই ৭২ নম্বর ঘরটি পূর্ণ করতে পারলেই জীবনচক্রের পরিসমাপ্তি ঘটে বলে সে সময়ের মানুষেরা মনে করতেন। পরবর্তীকালে বিভিন্ন ধর্মেও সাপ-লুডু খেলার প্রচলন শুরু হতে থাকে। তবে সেখানে নিজ নিজ ধর্মের নীতিকথাই প্রাধান্য পেতে থাকে।
ইংরেজরা ভারতবর্ষ দখল করার পর এ খেলাটির প্রতি তারাও বেশ আকর্ষিত হয়ে পড়ে। এ খেলার চিন্তা-ভাবনা তাদেরকে বেশ মুগ্ধ করে। ১৯ শতকের শেষ দিকে ব্রিটিশরা এই খেলাটিকে তাদের নিজেদের উপযোগী করে তৈরি করে নেয়। সাপ-লুডোর মূল থিম ঠিক রেখে নিজেদের ধর্মীয় আদর্শ এবং নানা উপদেশমূলক বাণী এতে সংযুক্ত হয়। ইংরেজদের তৈরি সাপ-লুডু খেলাটি সে সময় ইউরোপ, আমেরিকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।
বিংশ শতাব্দীতে এসে সাপ-লুডু খেলাটি কোন নির্দিষ্ট ধর্মের অনুসারিদের মধ্যে আবদ্ধ না থেকে তা সার্বজনীনতার রূপ পায়। ফলে খেলাটি বিভিন্ন বয়সী মানুষদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠে। বর্তমান সময়ে এসে ভিডিও গেমসের কল্যাণে এই ঐতিহাসিক ও জনপ্রিয় খেলাটি অনেকের মোবাইল ও কম্পিউটারে স্থান করে নিয়েছে। তাই কালের বিবর্তনে খেলাটিতে নানা পরিবর্তন আসলেও এর জনপ্রিয়তা আজও অমলিন।
তথ্যসূত্র ও ক্রেডিটঃ রোর মিডিয়া
সংক্ষেপে দেখুনপবিত্র কোরআনে এ কমাত্র কোন সূরাহ যার মধ্যে ‘বিসমিল্লাহ’ দু’বার এসেছে
পবিত্র কোরআনে একমাত্র সূরা নমল-এ (পারা নম্বর ১৯) এ বিসমিল্লাহ দুইবার রয়েছে।
পবিত্র কোরআনে একমাত্র সূরা নমল-এ (পারা নম্বর ১৯) এ বিসমিল্লাহ দুইবার রয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনআল কুরআনে কোন কোন মসজিদের নাম উল্লেখ আছে?
আল কুরআনে মসজিদে হারাম, মসজিদে নববী, মসজিদে কুবা, মসজিদে আকসা, মসজিদে জিরার মসজিদ সমূহের নাম উল্লেখ আছে।
আল কুরআনে মসজিদে হারাম, মসজিদে নববী, মসজিদে কুবা, মসজিদে আকসা, মসজিদে জিরার মসজিদ সমূহের নাম উল্লেখ আছে।
সংক্ষেপে দেখুনযখন ওকে দেখে হাসি, সে ও হাসে আমাকে দেখে। আমি চোখ মারলে, সে-ও মারে। আবার আমি তাকে চুমু খেলে সে-ও আমায় সমান আগ্রহে চুমু খায়। কে সে বলতে পারেন?
আয়নায় আমার প্রতিবিম্ব এমনটাই করবে। যদিও আমি এরকম ভঙ্গি কখনোই করবো না। 😜
আয়নায় আমার প্রতিবিম্ব এমনটাই করবে। যদিও আমি এরকম ভঙ্গি কখনোই করবো না। 😜
সংক্ষেপে দেখুনছেলেদের প্যান্টে এমন কী থাকে, যা মেয়েদের ড্রেসে থাকে না?
উত্তর হবে পকেট। তবে এখন মেয়েদের জিন্সগুলোতে পকেট থাকে। তাই এ ধাঁধা অনেক পুরনো হয়ে গেছে।
উত্তর হবে পকেট। তবে এখন মেয়েদের জিন্সগুলোতে পকেট থাকে। তাই এ ধাঁধা অনেক পুরনো হয়ে গেছে।
সংক্ষেপে দেখুনগাড়ি স্টার্ট না হলে কি কি চেক করবেন❓❓
১। সর্ব প্রথম দেখবেন ক্লাস্টার মিটার বা ডিসপ্লেতে কোনো Warning সাইন আছে কিনা। ২।গাড়িতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফুয়েল আছে কিনা তা চেক করুন। ৩। ইঞ্জিন হুডটি খুলে সবকিছুর উপর একবার নজর দিয়ে দেখবেন সব সংযোগ ঠিক আছে কিনা। ৪।ফিউজ বক্স খুলে সবগুলো ফিউজ ভালোভাবে লাগানো আছে কিনা চেক করুন। ৫।প্রয়োজনে রিলে টি খুলে আববিস্তারিত পড়ুন
১। সর্ব প্রথম দেখবেন ক্লাস্টার মিটার বা ডিসপ্লেতে কোনো Warning সাইন আছে কিনা।
সংক্ষেপে দেখুন২।গাড়িতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফুয়েল আছে কিনা তা চেক করুন।
৩। ইঞ্জিন হুডটি খুলে সবকিছুর উপর একবার নজর দিয়ে দেখবেন সব সংযোগ ঠিক আছে কিনা।
৪।ফিউজ বক্স খুলে সবগুলো ফিউজ ভালোভাবে লাগানো আছে কিনা চেক করুন।
৫।প্রয়োজনে রিলে টি খুলে আবার লাগান।
৬। যদি ব্যাটারির ডাউন হয়ে যায় তবে জাম্প স্টার্ট দিতে হবে। বর্তমানে কিছু পাওয়ার ব্যাংক পাওয়া যায় তা কিনে গাড়িতে রাখতে পারেন।
৭। যেসব গাড়িতে সেল্ফ স্টার্টার আছে সেটির উপর গাড়িতে থাকা হুইল লিভার দিয়ে হালকা বাড়ি দিয়ে দেখতে পারেন। প্রধানত শীতকালে সেল্ফ স্টার্টার বসে যায় বা অনেক দিন গাড়ি স্টার্ট না দিলে হয়।
৮। সর্বদা গাড়ির চেক-আপ করুন যাতে রাস্তায় আপনাকে সমস্যার সম্মুখীন না হতে হয়।
সাইলেন্ট করা মোবাইল হারিয়ে ফেললে কীভাবে তা খুঁজে পাবেন?
১. প্রথমে অন্য কোনও মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে গুগল-এর ওয়েবসাইটে যান। ২. সেখানে সার্চ বারে লিখুন ‘ফাইন্ড মাই ফোন’। ৩. তারপর গুগল অ্যাকাউন্ট বা জিমেইল অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন। ৪. নিজের মোবাইলের লোকেশন দেখতে পাবেন গুগল-এ। ৫. এরপর আপনার সামনে অপশন আসবে, যেটির মাধ্যমে আপনি আপনার ফোনের অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসবিস্তারিত পড়ুন
১. প্রথমে অন্য কোনও মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে গুগল-এর ওয়েবসাইটে যান।
সংক্ষেপে দেখুন২. সেখানে সার্চ বারে লিখুন ‘ফাইন্ড মাই ফোন’।
৩. তারপর গুগল অ্যাকাউন্ট বা জিমেইল অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন।
৪. নিজের মোবাইলের লোকেশন দেখতে পাবেন গুগল-এ।
৫. এরপর আপনার সামনে অপশন আসবে, যেটির মাধ্যমে আপনি আপনার ফোনের অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ম্যানেজারটি ‘অন’ করে দিতে পারবেন।
৬. এবার ‘রিং’ অপশনটিকে সিলেক্ট করুন।
৭. আপনার ফোন সাইলেন্ট মোডে থাকলেও সেটি ফুল ভলিউমে রিং হতে শুরু করবে এবং যতক্ষণ না আপনি ফোনটিকে খুঁজে বের করে তার পাওয়ার বাটনটি চেপে ধরছেন, ততক্ষণ ফোন রিং হতেই থাকবে। এবার সেই আওয়াজ অনুসরণ করে ফোনটিকে খুঁজে বের করা কোনও ব্যাপারই নয়।
আব্রাহাম লিংকন( Abraham Lincoln) আর জন এফ. কেনেডি( John F. Kennedy) মধ্যে অদ্ভুদ মিল কোথায়?
আব্রাহাম লিংকন কনগ্রেসে মনোনীত হয় ১৮৪৬ সালে জন কেনেডি কনগ্রেসে মনোনীত হয় ১৯৪৬ সালে °°° আব্রাহাম লিংকন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয় ১৮৬০ সালে জন কেনেডি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয় ১৯৬০ সালে °°° দু'জনেই বিশেষভাবে গণঅধিকার নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন °°° দু'জনের স্ত্রী হোয়াইট হাউজে থাকাকালীন তাদের একটি সন্তান হারান °বিস্তারিত পড়ুন
আব্রাহাম লিংকন কনগ্রেসে মনোনীত হয় ১৮৪৬ সালে
জন কেনেডি কনগ্রেসে মনোনীত হয় ১৯৪৬ সালে
°°°
আব্রাহাম লিংকন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয় ১৮৬০ সালে
জন কেনেডি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয় ১৯৬০ সালে
°°°
দু’জনেই বিশেষভাবে গণঅধিকার নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন
°°°
দু’জনের স্ত্রী হোয়াইট হাউজে থাকাকালীন তাদের একটি সন্তান হারান
°°°
দু’জনেই শুক্রবারে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন
°°°
দু’জনেরই মাথায় গুলি লেগেছিল।
এখন নিশ্চয় ব্যাপারটা ভূতুড়ে ঠেকছে
লিংকনের সেক্রেটারির নাম ছিল কেনেডি
কেনেডির সেক্রেটারির নাম ছিল লিংকন
°°°
দু’জনেই দক্ষিণাঁচলবাসী কর্তৃক গুপ্তহত্যার স্বীকার
দু’জনের উত্তরাধিকারীই ছিলেন দক্ষিণাঁচলবাসী
°°°
দু’জন প্রেসিডেন্টের উত্তরাধিকারীর নাম-ই ছিল জন্সন্(Johnson)
°°°
লিংকনের উত্তরাধিকারী Andrew Johnson জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৮০৮ সালে
কেনেডির উত্তরাধিকারী Lyndon Johnson জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৯০৮ সালে
°°°
লিংকনের গুপ্তঘাতক John Wilkes Booth জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৮৩৯ সালে
কেনেডির গুপ্তঘাতক Lee Harvey Oswald জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৯৩৯ সালে
°°°
দু’জন গুপ্তঘাতক তাদের নামের তিনটি অংশ দ্বারা-ই পরিচিত ছিল
দু’জনের নামের বর্ণের সংখ্যাই ১৫ টি
না, না, উঠবেন না। বসুন,আরো আছে…
লিংকন যে থিয়েটারে গুলিবিদ্ধ হয়েছিল সেটার নাম “Ford”
কেনেডি যে গাড়িতে চলাকালীন গুলিবিদ্ধ হয়েছিল সেই গাড়ির নাম “Lincoln” যা “Ford” কোম্পানি কর্তৃক তৈরি
°°°
Booth ( লিংকনের গুপ্তঘাতক)-কে গুলি করা হয় এবং ট্রায়ালের আগেই পুলিশ কাস্টাডি মারা যায়
Oswald ( কেনেডির গুপ্তঘাতক)-কেও গুলি করা হয় এবং ট্রায়ালের আগেই পুলিশ কাস্টাডি মারা যায়
°°°
লিংকনের দুই ছেলে ছিল; রবার্ট এবং এডওয়ার্ড। এডওয়ার্ড ছোটবেলায় মারা যায়; রবার্ট বাঁচে
কেনেডির দুই ভাই ছিল; রবার্ট এবং এডওয়ার্ড। রবার্ট ছোটবেলায় মারা যায়; এডওয়ার্ড বাঁচে
°°°
লিংকন গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ আগে Monroe,Maryland-এ ছিলেন
কেনেডি গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ আগে Marilyn Monroe -এর সাথে ছিলেন
লিংকন থিয়েটার গুলিবিদ্ধ হয় এবং গুপ্তঘাতক একটি গুদামঘরে পলায়ন করে
কেনেডিকে গুদামঘর থেকে গুলি করা হয় এবং গুপ্তঘাতক থিয়েটারে পলায়ন করে
তাহলে? কী মনে হচ্ছে আপনার?
এটা শুধু একটা কাকতালীয় ব্যাপার?
সংক্ষেপে দেখুননাকি অন্যকিছু!?
ইংরেজি ভাষায় সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত অক্ষর কোনটি?
E
E
সংক্ষেপে দেখুনইংরেজি ভাষার সবচেয়ে দীর্ঘতম শব্দ কোনটি?
Pneumonoultramicroscopicsilicovolcanoconiosis
Pneumonoultramicroscopicsilicovolcanoconiosis
সংক্ষেপে দেখুনপ্যানগিয়া আর প্যানথ্যালাসা কি?
৩০০ মিলিয়ন বছর আগে বর্তমান কালের মতো সাতটি মহাদেশ উপস্থিত ছিল না । তখন ছিল একটি ,'সুপার কন্টিনেন্ট 'যা ছিল বিশাল আকারের এবং তার নাম ছিল "প্যানগিয়া' আর সেটি একটি একক সমুদ্র দ্বারা বেষ্টিত ছিল যার নাম 'প্যানথ্যালাসা'।
৩০০ মিলিয়ন বছর আগে বর্তমান কালের মতো সাতটি মহাদেশ উপস্থিত ছিল না । তখন ছিল একটি ,’সুপার কন্টিনেন্ট ‘যা ছিল বিশাল আকারের এবং তার নাম ছিল “প্যানগিয়া’ আর সেটি একটি একক সমুদ্র দ্বারা বেষ্টিত ছিল যার নাম ‘প্যানথ্যালাসা’।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর গভীরতম ডাকবাক্সটি কোথায় অবস্থিত?
জাপান দেশের সুসামি খাঁড়িতে অবস্থিত এবং এই ডাকবাক্সটি জলের দশ মিটার অতলে রয়েছে।
জাপান দেশের সুসামি খাঁড়িতে অবস্থিত এবং এই ডাকবাক্সটি জলের দশ মিটার অতলে রয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুন২০১৮ সালের ক্যালেন্ডারটি আরও কয় বছর ব্যবহার করতে পারবেন?
3 বছর আর সেই বছরগুলি হল ২০২৯, ২০৩৫ এবং ২০৪৫।
3 বছর আর সেই বছরগুলি হল ২০২৯, ২০৩৫ এবং ২০৪৫।
সংক্ষেপে দেখুনগ্রীক এবং রোমানরা স্কিনকেয়ার হিসাবে ব্যবহার করত কি জানেন ?
গ্রীক এবং রোমানরা কুমিরের গোবর স্কিনকেয়ার হিসাবে ব্যবহার করত
গ্রীক এবং রোমানরা কুমিরের গোবর স্কিনকেয়ার হিসাবে ব্যবহার করত
সংক্ষেপে দেখুনমানুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে তার দেহের কোন রঙটি হালকা হতে থাকে?
মানুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে তার চোখের রঙ হালকা হতে থাকে
মানুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে তার চোখের রঙ হালকা হতে থাকে
সংক্ষেপে দেখুনপ্রসাধনী সামগ্রীর অন্যতম জনপ্রিয় লিপস্টিক তৈরী হয় কি দিয়ে ?
বেশির ভাগই উৎপাদন হয় মাছের আঁশ দিয়ে
বেশির ভাগই উৎপাদন হয় মাছের আঁশ দিয়ে
সংক্ষেপে দেখুনকলা খেয়ে মশা আছে এমন জায়গায় বসলে কি হবে জানেন?
জানলে অবাক হবেন ;তবে তথ্যটি সত্য! যে সবে মাত্র কলা খায় তার প্রতি মশার আকর্ষণ বেশী থাকে।
জানলে অবাক হবেন ;তবে তথ্যটি সত্য! যে সবে মাত্র কলা খায় তার প্রতি মশার আকর্ষণ বেশী থাকে।
সংক্ষেপে দেখুনড্রাগন ট্রায়াঙ্গেল (Dragon Triangle)
এটি জাপানের দক্ষিণে টোকিও থেকে ১০০ কি.মি দূরে এই রহস্যময় স্থান অবস্থিত। সে সময়ে বেশকিছু বড় বড় জাহাজ এ অঞ্চলের কাছে আসতেই অদৃশ্য হয়ে যায়। ১৯৫০ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত প্রশান্ত মহাসাগরে সব মিলিয়ে ৯টি জাহাজ হারিয়ে যায়। অথচ সব ক’টি জাহাজেই রেডিও ট্রান্সমিটার ছিল। কিন্তু কোনোটা থেকেই কোনো রকম বার্তা আসেনি।বিস্তারিত পড়ুন
এটি জাপানের দক্ষিণে টোকিও থেকে ১০০ কি.মি দূরে এই রহস্যময় স্থান অবস্থিত। সে সময়ে বেশকিছু বড় বড় জাহাজ এ অঞ্চলের কাছে আসতেই অদৃশ্য হয়ে যায়। ১৯৫০ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত প্রশান্ত মহাসাগরে সব মিলিয়ে ৯টি জাহাজ হারিয়ে যায়। অথচ সব ক’টি জাহাজেই রেডিও ট্রান্সমিটার ছিল। কিন্তু কোনোটা থেকেই কোনো রকম বার্তা আসেনি। জাপান সরকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কাইয়ো মারু নামের একটি জাহাজ পাঠায় ওই অঞ্চলে,সেখানে নাকি বিজ্ঞানীরাও ছিলেন। কিন্তু সেটিও আর ফিরে আসেনি, অনেকটা বারমুড়ার নাইটিন ফ্লাইটের মতই। অনেক পরে সেই জাহাজের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু জাহাজে থাকা ৩১ জন নাবিকের কোনো সন্ধান মেলেনি। কী কারণে ওই অঞ্চলে জাহাজ বা বিমান অদৃশ্য হয়, তা অবশ্য সঠিকভাবে জানা যায়নি আজও। তবে তড়িচ্চৌম্বকীয় তরঙ্গের তত্ত্বই এখনো পর্যন্ত জোরালো। যা বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের ক্ষেত্রেও বলা হয়ে থাকে। পাশাপাশি নানা মিথ তৈরির পেছনে আসল ঘটনা ঢাকা পড়ে যায়, যার কারণে প্রকৃত কারণ মানুশষ বিশ্বাস করতে ইচ্ছুক নয়। সেই পঞ্চাশের দশক থেকেই নাকি এখানে অসংখ্য জাহাজ উধাও হয়ে গেছে। খোঁজ করতে গিয়েও নাকি ফিরে আসেননি কেউ। তাই এ অঞ্চলকে এশিয়ার বারমুডা ট্রায়াঙ্গলও বলা হয়ে থাকে। স্বাভাবিকভাবেই ঘটনাগুলোর পর থেকে জায়গাটি ঘিরে আতঙ্কের রেশ ক্রমে বাড়তে থাকে। পাশাপাশি শুরু হয় ড্রাগন ট্রায়াঙ্গেলর ভুতুড়ে কাণ্ডের ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা। কেউ বলেছেন, তড়িচ্চৌম্বকীয় তরঙ্গের কথা। কেউ কেউ আবার সময় ভ্রমণের তত্ত্ব হাজির করে ওই অঞ্চলে টাইম লুপ খুঁজে পেয়েছেন। জাপানের রাজধানী টোকিও থেকে ১০০ কিমি দূরে মিয়াকের কাছেই নাকি আজব সব ঘটনা ঘটে। সেই পঞ্চাশের দশক থেকেই নাকি এখানে অসংখ্য জাহাজ উধাও হয়ে গেছে। খোঁজ করতে গিয়েও আর নাকি ফিরে আসেননি কেউ। তাই এশিয়ার বারমুডা ট্রায়াঙ্গলও বলা হয়ে থাকে জাপানের এই ডেভিল সি-কে। জাপান ও ফিলিপিন্সের সীমান্তে জাপানের ইয়োকাহামা থেকে ফিলিপিন্সের গুয়াম পর্যন্ত, গুয়াম থেকে মারিয়ানা, আবার সেখান থেকে ইয়োকাহামা পর্যন্ত এই -মা নো উমি- বা ডেভিল সি-র ড্রাগন ট্রায়াঙ্গলে নাকি অশুভ আত্মারা রয়েছে, অনেকেই এমনটা বলে থাকেন। ১৯৫২-১৯৫৪ সালে নাকি পরপর বেশ কয়েকটি জাহাজ হারিয়ে যাওয়ার সময় প্রায় ৭০০ জন সেনাও গায়েব হয়ে যান। কারও নাকি আর খোঁজই মেলেনি। এ ছাড়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ও নাকি ৫০০টি বিমান, ১০টি যুদ্ধজাহাজ, ১০টি নৌ-যান ওই এলাকাতেই ধ্বংস হয় বা হারিয়ে যায়। আবহাওয়া একেবারেই প্রতিকূল ছিল না, তাও নাকি ওই এলাকার আশপাশে এলেই জাহাজ নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু রেডিও সিগন্যালে নাকি বার্তা পাওয়া যায়নি। -এর রহস্য নিয়ে চলেছে বিস্তর আলোচনা। নানা ব্যাখ্যা। পক্ষে-বিপক্ষে রয়েছে নানা যুক্তি। ৩১ জন বিজ্ঞানীর খোঁজ না মেলার কথা রটে যাওয়ার পর থেকেই অনেকেই বলতে থাকেন সমুদ্রের তলদেশে নাকি ড্রাগন রয়েছে। সেই থেকে নাম ড্রাগন ট্রায়াঙ্গল। তবে ঠিক কবে থেকে ডেভিল সি-র এই অংশকে ড্রাগনস ট্রায়াঙ্গল বলা শুরু হল, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। ১৯৫২-৫৪ সাল নাগাদ নাকি পরপর বেশ কয়েকটি জাহাজ হারিয়ে যায়। এ সময় প্রায় ৭০০ সৈন্যও গায়েব হয়ে যান। কারও নাকি আর খোঁজই মেলেনি। এ ছাড়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ও নাকি ৫০০টি বিমান, ১০টি যুদ্ধজাহাজ, ১০টি নৌযান ওই এলাকায়ই ধ্বংস হয় বা হারিয়ে যায়। রহস্য সন্ধানে কায়ো মারু নামে একটি জাহাজ পাঠিয়েছিল জাপান। সেখানে নাকি বিজ্ঞানীরাও ছিলেন। কিন্তু রহস্যভেদ করতে গিয়েও তারাও আর ফিরে আসেননি। ড্রাগন ট্রায়াঙ্গল – এর রহস্য নিয়ে চলেছে বিস্তর আলোচনা, নানা ব্যাখ্যা। পক্ষে-বিপক্ষে রয়েছে নানা যুক্তি। ৩১ জন বিজ্ঞানীর খোঁজ না মেলার কথা রটে যাওয়ার পর থেকে অনেকেই বলতে থাকেন, সমুদ্রের তলদেশে নাকি ড্রাগন রয়েছে। সেই থেকে নাম ড্রাগন ট্রায়াঙ্গল।এমনটাও বলা হয়, কুবলাই খাঁ নাকি ১২০০ সালে ওই এলাকা দিয়ে জাহাজ নিয়ে যাচ্ছিলেন, তারপর নাকি জাহাজের ৪০ হাজার আরোহী সমুদ্রেই নিখোঁজ হয়ে যায়। ১৮০০ সালে এক রহস্যময়ী নারীকে নাকি ওই এলাকায় জাহাজ চালিয়ে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। এরপর আরও নানা মিথ রটতে থাকে কয়েক দশক ধরে। ১৯৮৯ সালে চার্লস বার্লিৎজ নামে এক লেখক দ্য ড্রাগনস ট্রায়াঙ্গল বইয়ে লেখেন পঞ্চাশের দশকে জাহাজডুবি ও সেনা নিখোঁজের কথা। ১৯৯৫ সালে ল্যারি কুশে নামে এক লেখক বলেন, কায়ো মারু ১৯৫২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ধ্বংস হয়। পরে ধ্বংসাবশেষ মিলেছিল। ল্যারিই বলেন, এই অঞ্চলে মৎস্যজীবীদের নৌকা নিখোঁজ হয়েছিল, জাহাজ নয়। ল্যারি বলেন, অগ্ন্যুৎপাত ছাড়াও ভূমিকম্পের প্রবণতাও রয়েছে এই সব এলাকায়। সব মিলেই অশুভ আত্মার কথা রটে গিয়েছিল। আর ছোট মাছ ধরার নৌকা গভীর সমুদ্রে হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা খুবই স্বাভাবিক। ইভান টি স্যান্ডারসন বলেন, এটি বিশ্বের ১২টি ভাইল ভর্টেক্সের অন্যতম। ১৯৭২ সালে লন্ডনের সাগা ম্যাগাজিনে প্রকাশিত দ্য টুয়েলভ ডেভিলস গ্রেভ ইয়ার্ডস অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড বলছে, পৃথিবীতে মোট ১২টি জায়গায় তীব্র চৌম্বকীয় আকর্ষণ অনুভূত হয়। আর ডেভিলস সি ড্রাগন ট্রায়াঙ্গলও তাই। সায়েন্টিফিক আমেরিকানের তথ্য অনুযায়ী, ড্রাগন ট্রায়াঙ্গলের এই স্থানটিতে প্রায় ৩৭ হাজার মাইল এলাকা জুড়ে গভীর সামুদ্রিক খাদ রয়েছে এবং এখানে প্রচুর পরিমাণে গরম লাভা ও কার্বন ডাই অক্সাইড রয়েছে। এছাড়াও ৫০-এর দশকে রেডিও সিগন্যাল ব্যবস্থা শক্তিশালী ছিল না। তাই ওই ঘটনাগুলো রটে যায়। [নোটঃ ল্যারিই, ইভানের মতই আরো কিছু বিজ্ঞানী আছেন যারা পৃথিবীকেও প্ল্যাট মনে করেন, উল্লেখ্য যে ঐ খানে হারিয়ে যাওয়া সৈন্যবহর, জাহাজ, বিমান ইত্যাদির কথা উপেক্ষা করে তিনি কিছু তুচ্ছ ঘটনাকে ব্যাখা করেছেন যা মোটেই ডেভিল-সির সাথে সামঞ্জস্য নয়]। তবে বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের মতো ড্রাগন ট্রায়াঙ্গল নিয়ে বিপরীত মতও রয়েছে। যারা ভিন্নমত পোষণ করেন তাদের দাবি এগুলো আসলে কাল্পনিক। যদিও সব ঘটনার ব্যাখ্যা এখনও মেলেনি, তবুও ড্রাগনস ট্রায়াঙ্গল নিয়ে তৈরি নানা মিথের সদুত্তর এ বার পাওয়া যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
সংক্ষেপে দেখুনশয়তানদের পাহাড়
শয়তানদের পাহাড় বা ডেভিলস টাওয়ার হ’ল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম জাতীয় স্মৃতিসৌধ , যা 24 সেপ্টেম্বর 1906 সালে রাষ্ট্রপতি থিওডোর রুজভেল্ট দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল । ক্রুক কাউন্টি, ওয়াইমিং , মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র । শয়তানদের পাহাড় (Devils Tower) ল্যাকোলিথ আগ্নের শিলা দ্বারা গঠিত
শয়তানদের পাহাড় বা ডেভিলস টাওয়ার হ’ল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম জাতীয় স্মৃতিসৌধ , যা 24 সেপ্টেম্বর 1906 সালে রাষ্ট্রপতি থিওডোর রুজভেল্ট দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল । ক্রুক কাউন্টি, ওয়াইমিং , মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র । শয়তানদের পাহাড় (Devils Tower) ল্যাকোলিথ আগ্নের শিলা দ্বারা গঠিত
সংক্ষেপে দেখুনকারোশী
কারোশী একটি জাপানী শব্দ। এর মানে অতিরিক্ত কাজের চাপে মৃত্যু। জাপানে প্রতিবছর গড়ে প্রায় 10,000 মানুষের অতিরিক্ত কাজের চাপের কারনে মৃত্যু ঘটে। ডাক্তারী রিপোর্টে তাদের মৃত্যুর কারন হিসেবে লিখা হয় কারোশী।
কারোশী একটি জাপানী শব্দ। এর মানে অতিরিক্ত কাজের চাপে মৃত্যু। জাপানে প্রতিবছর গড়ে প্রায় 10,000 মানুষের অতিরিক্ত কাজের চাপের কারনে মৃত্যু ঘটে। ডাক্তারী রিপোর্টে তাদের মৃত্যুর কারন হিসেবে লিখা হয় কারোশী।
সংক্ষেপে দেখুন