সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
মেডিকেল -এর লোগো তে সাপ কেন থাকে?
গ্রীক চিকিৎসার দেবতা অ্যাসক্লেপিয়াসের হাতে এই সর্প দণ্ড থাকতো, তাই এটাকে স্বাস্থ্য-পরিষেবার সাথে জড়িত পেশাদারদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সেই কালে Dracunculus medinensis নামক বিশেষ এক ধরনের চর্মভেদী কৃমিকে এইভাবে কাঠি দিয়ে ক্ষত হতে তোলা হত, তাই চিকিৎসার সাথেও এটা সামঞ্জস্যপূর্ণ। ভুল করে অনেবিস্তারিত পড়ুন
গ্রীক চিকিৎসার দেবতা অ্যাসক্লেপিয়াসের হাতে এই সর্প দণ্ড থাকতো, তাই এটাকে স্বাস্থ্য-পরিষেবার সাথে জড়িত পেশাদারদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
সেই কালে Dracunculus medinensis নামক বিশেষ এক ধরনের চর্মভেদী কৃমিকে এইভাবে কাঠি দিয়ে ক্ষত হতে তোলা হত, তাই চিকিৎসার সাথেও এটা সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ভুল করে অনেকে Caduceusকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রতীক বলে মনে করেন। Caduceusএ দুই ডানা-বিশিষ্ট একটি দণ্ডকে বেষ্টিত করে থাকে দুইটি সাপ।
এটি দেবতাদের দূত হার্মেস বা মারকিউরির প্রতীক; তিনি আবার ঠগ-জোচ্চর এবং রাস্তায় খেলা দেখানো যাদুকরদেরও দেবতা, তাই এটা তাদের প্রতীক হতে পারে, চিকিৎসকদের নয়।
সংক্ষেপে দেখুনChatGPT কি প্রোগ্রামারদের রিপ্লেস করে দিবে?
ChatGPT নিয়ে জানার পর একই রকম প্রশ্ন আমার মনেও ঘুরছিল। প্রোগ্রামারদের ভবিষ্যৎ নিয়ে লেখার আগে সংক্ষেপে ChatGPT কি সেটা একটু বলে নেই। তাহলে পাঠকের বুঝতে সুবিধা হবে। ১. ChatGPT একটা chat bot এর মতো টুলস যে কিনা অনেকটা মানুষের মতো করে রিপ্লাই দিতে জানে। এই প্রোগ্রামটি একজন এসিস্টেন্ট এর মতো। পরীক্ষা করাবিস্তারিত পড়ুন
ChatGPT নিয়ে জানার পর একই রকম প্রশ্ন আমার মনেও ঘুরছিল। প্রোগ্রামারদের ভবিষ্যৎ নিয়ে লেখার আগে সংক্ষেপে ChatGPT কি সেটা একটু বলে নেই। তাহলে পাঠকের বুঝতে সুবিধা হবে।
১.
ChatGPT একটা chat bot এর মতো টুলস যে কিনা অনেকটা মানুষের মতো করে রিপ্লাই দিতে জানে। এই প্রোগ্রামটি একজন এসিস্টেন্ট এর মতো। পরীক্ষা করার জন্য তাকে বলেছিলাম, আমাকে একটা স্যাম্পল কোড লিখে দাও যেটায় XSS দুর্বলতা আছে। সে একটু দীর্ঘ উত্তর দেয়ায় বিরক্ত হয়ে বললাম, তুমি বেশি কথা বলো। ChatGPT আমাকে সরি বলে পুনরায় সংশোধন করে তার উত্তর লিখে দিল।
২.
তো এই চমৎকার প্রযুক্তি কি প্রোগ্রামারদের বিকল্প হতে পারবে?
এই প্রশ্নটিও আমি সরাসরি ChatGPT কে জিজ্ঞাসা করলাম , দেখি কি বলে 😂। তার উত্তরে জানালো, সে আসলে আমাদের ছোটখাট কিছু টাস্ক করে দেয়ার মতো সক্ষমতা রাখে। যেমন—কিছু তথ্য খুঁজে দেয়া বা ছোট একটা প্রোগ্রাম লিখে দেয়া। কিন্তু একটা বড় প্রোগ্রাম তৈরী করতে যেরকম চিন্তাভাবনা প্রয়োজন সেই সক্ষমতা তার নেই। এবং সেই উদ্দেশ্যও তার নেই।
আমি অবশ্য শুধু ChatGPT এর কথায় ভরসা করিনি। অনলাইনে আরেকটু ঘাটাঘাটি করে কিছু গবেষণার তথ্য পেলাম। জিকো কোল্টার নামক একজন কম্পিউটার গবেষক (Carnegie Mellon University) বলছেন, “একদম গোড়া থেকে একটা বড় প্রোগ্রাম তৈরী করার মতো সক্ষমতা কম্পিউটারের কখনো হবে কিনা সেটার ব্যাপারে আমরা সন্দিহান।”
এধরণের প্রোগ্রাম গুলো (ChatGPT) মূলত আমাদের প্রোডাক্টিভিটি বাড়াবে। আমাদের রিপ্লেস করবে না। কারণ ভাল সফটওয়্যার গুলো আমাদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করতে তৈরী করা। একটা কম্পিউটারের পক্ষে এভাবে সৃজনশীল চিন্তা করে নতুন সমাধান বের করাটা খুবই কষ্টসাধ্য বিষয়। এক্ষেত্রে আরও অনেক গবেষণা দরকার।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে আমরা আগের চেয়ে দ্রুত আর ভাল প্রোগ্রাম তৈরী করতে পারবো কিন্তু এগুলো মানুষ প্রোগ্রামারকে পুরোপুরি রিপ্লেস করতে পারবে না।
সংগ্রহীত…
সংক্ষেপে দেখুনলেখকঃ Ashraful Alim
ওয়েবঃ কোরা
ম্যাগনাস ইফেক্ট কি?
ম্যাগনাস ইফেক্ট ও রবার্তো কার্লোস! ⛹️♂️ একটি সফল গোলের পেছনে থাকে খেলোয়াড়ের নৈপুণ্য, এর জন্য তাকে করতে হয় প্রচুর অনুশীলন। খেলোয়াড় যখন দূর থেকে ফুটবলে কিক করে কারো কাছে পাস করে বা গোলপোস্টের দিকে ছুড়ে মারে তখন সে জেনে কিংবা না জেনে পদার্থবিজ্ঞানের চর্চা করে। কথা হলো কীভাবে কিক করলে বলকে বেশি দূর নিয়বিস্তারিত পড়ুন
ম্যাগনাস ইফেক্ট ও রবার্তো কার্লোস! ⛹️♂️
একটি সফল গোলের পেছনে থাকে খেলোয়াড়ের নৈপুণ্য, এর জন্য তাকে করতে হয় প্রচুর অনুশীলন। খেলোয়াড় যখন দূর থেকে ফুটবলে কিক করে কারো কাছে পাস করে বা গোলপোস্টের দিকে ছুড়ে মারে তখন সে জেনে কিংবা না জেনে পদার্থবিজ্ঞানের চর্চা করে।
কথা হলো কীভাবে কিক করলে বলকে বেশি দূর নিয়ে ফেলা যাবে, কোন কৌশলে কম শক্তি খরচ করে বলকে বেশি দূরে নিয়ে ফেলা যাবে? কেউ বলতে পারে বেশি জোরে লাথি দিতে হবে, জোর হবে যত বেশি বল তত দূরে যাবে। কিন্তু তা নয়। গতি বা উড়ার ক্ষেত্রে পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম কাজ করে, সেখানে শুধু গায়ের জোর কাজে লাগে না, লাগে কৌশল।
কেউ যদি সোজা সামনের দিক বরাবর ফুটবলে কিক দেয় তাহলে সেটা কিছুক্ষণ পরই অভিকর্ষ বলের প্রভাবে নিচে নেমে আসবে, শূন্যে বেশিক্ষণ থাকবে না। শূন্যে বেশিক্ষণ না থাকলে দূরত্বও অতিক্রম হবে কম। ফলে কাঙ্খিত লক্ষ্য মিস হয়ে যেতে পারে অথবা গড়াতে গড়াতে প্রতিপক্ষের কাছে চলে যাবে। কেউ আবার মনে করতে পারে বলটা বেশি সময় শূন্যে থাকলেই বেশি দূরে যাবে। সেটা ভাবলেও ভুল হবে। যদি উপরের দিকে বল ছুড়ে মারা হয় তাহলে সেটি বেশি সময় শূন্যে ভেসে থাকবে ঠিকই, কিন্তু বেশি দূর না গিয়ে কাছাকাছি কোনো জায়গায় পড়ে যাবে।
পদার্থ বিজ্ঞান বলে, সোজা সমান্তরালে থাকে শূন্য ডিগ্রি আর খাড়া উপরের দিকে ৯০ ডিগ্রি। এ শূন্য ও ৯০ ডিগ্রির মাঝামাঝি অবস্থানে থাকে ৪৫ ডিগ্রি। যে খেলোয়াড় যত কৌশলে ৪৫ ডিগ্রির কাছাকাছি কোণে বলে কিক দিতে পারবে সে খেলোয়াড় তত দূরত্ব অতিক্রম করাতে পারবে। এর বেশি হলে অভিকর্ষের টান থাকবে বেশি, আর কম হলে উচ্চতার টান থাকবে বেশি। কিন্তু কথা হলো খেলোয়াড়রা তো আর কাঁটা-কম্পাস, স্কেল বা চাঁদা নিয়ে মাঠে নামেন না। খেলতে নেমে তো মেপে মেপে বলে কিক দেওয়া যাবে না। সেক্ষেত্রে চর্চা আর অভিজ্ঞতাই হলো খেলোয়াড়ের শক্তি। বলা হয়ে থাকে ৩০ ডিগ্রি আর ৬০ ডিগ্রির ভেতরে কিক সীমাবদ্ধ রাখলেই চলে, আর সবসময় তো বেশি দূরে বল ফেলতে হয় না। সাইন্স বী
আমরা অনেক সময় দেখি, বলটা বাতাসে উঠে বাইরে যেতে যেতে হঠাৎ বাঁক খেয়ে গোলপোস্টে ঢুকে গেছে। এ গোলের পেছনে আছে ‘নিউটন তত্ত্ব’, বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটনের এ সূত্র দিয়ে এর ব্যাখ্যা দেওয়া যেতে পারে। নিজেদের অজান্তেই হয়তো মেসি, নেইমার কিংবা রোনালদো গোল করার ক্ষেত্রে এ সূত্রের প্রয়োগ ঘটাচ্ছেন।
বিশ্বকাপে অনেক অসামান্য গোলগুলো পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র দিয়ে ব্যাখ্যা করা সম্ভব। কীভাবে? জানতে হলে আমাদের ‘ম্যাগনাস ইফেক্ট’ বুঝতে হবে। এটা অ্যারোডাইমিক্সের মতো জটিল কোনো তত্ত্ব নয়। এর আবিষ্কারক জার্মান পদার্থ বিজ্ঞানী হেইনরিখ গুস্তাভ ম্যাগনাস।
মূলত ম্যাগনাস ইফেক্ট হয়ে থাকে বাতাসের চাপের তারতম্যের কারনে বলের উপর যে প্রভাব পড়ে তার জন্য। এটা হলো স্পিন আর বাতাসের খেলা। এ ব্যাপারটাই এখন ব্যাখ্যা করা যাক। ফুটবলে শট মারার পর থেকে প্রতি মুহূর্তে সেটা তীব্র বেগে ঘুরতে থাকে। এভাবে স্পিন করে বল এগিয়ে যায়, সেই গমনপথের উল্টোদিক থেকে আসে বাতাস, বাতাসের ধাক্কায় পাল্টে যেতে থাকে বলের গতিপথ। বিশ্বকাপে খেলার জন্য যে মানের ফুটবল ব্যবহার করা হয় সেগুলো গতি বদল করে বেশি। ফলে ক্রমেই তা বদলে দিতে থাকে বলের শেষ গন্তব্য। সাইন্স বী
এর সঙ্গে যোগ হয় ‘অপ্টিক্যাল বা ভিজ্যুয়াল ইলিউশন’, বাংলায় একে বলা যেতে পারে ‘দৃষ্টি ভ্রান্তি’। এ ইলিউশনের কারণে গোলকিপার বলের গতিরেখা বুঝতে পারেন না, বরং আসল গতিপথ থেকে ভিন্ন পথে বলটিকে আসতে দেখেন। ফলে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক। ভালো খেলোয়াড়দের দুর্দান্ত গোলের এটাই রহস্য।
‘পজিটিভ ম্যাগনাস ইফেক্টে’ ডান পায়ের ইনস্টেপে (পায়ের পাতার নিচের দিক) মারা শট যায় ডান দিক থেকে বাঁ দিকে, আর বাঁ পায়ের ইনস্টেপে তা যায় বাঁ দিক থেকে ডান দিকে। একইভাবে আউটস্টেপের (পায়ের পাতার বাইরের দিক) শটের ক্ষেত্রে তা রিভার্স বা উল্টো হয়ে যায়। শটের গতি বাড়তে থাকলে এবং বলের স্পিন বা ঘূর্ণন বদলে যেতে থাকলে গন্তব্যও অবিশ্বাস্যভাবে বদলে যায়। সাইন্স বী
আর এভাবেই ‘ম্যাগনাস ইফেক্টের’ অ্যারোডাইনামিক্স মেনে বদলে যায় ফুটবলের গতিপথ। বল যত মসৃণ হয়, তত স্বাভাবিক গতিপথের উল্টো দিকে যায় বল। এ ঘটনার অনেক উদাহরণ আছে। তবে সবচেয়ে বড় ঘটনাটা দেখা গিয়েছিল ১৯৯৭ সালে ফ্রান্সের বিপক্ষে ব্রাজিলের রবার্তো কার্লোসের সেই বিখ্যাত ফ্রি কিকে। ফরাসি গোলকিপার ফাবিয়ান বার্থেজকে হতভম্ব হয়ে কেবল দাঁড়িয়েই ছিলেন, কারণ কার্লোসের শট নেওয়া বলটি গোলপোস্টের বাইরে যেতে যেতে হঠাৎ পথ বদল করে গোলে ঢুকে গিয়েছিল!
এটা শেখার পর কিন্তু অংক করে মাঠে গোল দেওয়া যায় না। কারণ ওভাবে কিক নেওয়ার জন্য রীতিমতো অনুশীলন এবং প্রচুর অধ্যবসায় করতে হয়। গোলপোস্ট থেকে দূরত্ব বুঝে শটে গতি ও স্পিনের সংখ্যা বাড়িয়ে-কমিয়ে একটা নিয়ন্ত্রণে শট নিতে হয়, এটাই ‘ম্যাগনাস ইফেক্টের’ রহস্য।
সূত্রঃ সায়েন্স বি
সংক্ষেপে দেখুনগ্রামারটিক্যাল জেন্ডার কি?
খুব সহজে Grammatical Gender বোঝার জন্য নিচের ভিডিও দেখে ফেলুন। গ্রামাটিক্যাল জেন্ডার বোঝা খুব সহজ হয়ে যাবে। https://youtube.com/watch?v=appSbV6nQtg&si=EnSIkaIECMiOmarE
খুব সহজে Grammatical Gender বোঝার জন্য নিচের ভিডিও দেখে ফেলুন। গ্রামাটিক্যাল জেন্ডার বোঝা খুব সহজ হয়ে যাবে।
সংক্ষেপে দেখুনআপনি এমন কী জানেন, যা বেশিরভাগ লোকই জানেন না?
ছবির ছেলেটাকে চেনেন? মাঝখানের জনকে? বলতে গেলে ঢাকার সবচেয়ে বড় লোক পরিবারের ছেলে ছিল। তখনকার দিনে যখন ১ম শ্রেণীর অফিসারের বেতন ছিল খুব বেশি হলে ৫০০-৬০০ টাকা, সে এলভিস প্রিসলির গান শোনার জন্য এক ধাক্কায় ১০০০ টাকার রেকর্ড কিনে আনতো। তাদের বাড়িতে হরিণ ছিল, সরোবরে সাঁতার কাটত ধবল রাজহাঁস, মশলার বাগান থেকবিস্তারিত পড়ুন
ছবির ছেলেটাকে চেনেন? মাঝখানের জনকে?
বলতে গেলে ঢাকার সবচেয়ে বড় লোক পরিবারের ছেলে ছিল। তখনকার দিনে যখন ১ম শ্রেণীর অফিসারের বেতন ছিল খুব বেশি হলে ৫০০-৬০০ টাকা, সে এলভিস প্রিসলির গান শোনার জন্য এক ধাক্কায় ১০০০ টাকার রেকর্ড কিনে আনতো। তাদের বাড়িতে হরিণ ছিল, সরোবরে সাঁতার কাটত ধবল রাজহাঁস, মশলার বাগান থেকে ভেসে আসত দারুচিনির গন্ধ(ডাকে পাখি খোলো আঁখি, এই গানটার শুটিং হয়েছিল তাদের বাড়িতে)।
জ্বী হ্যা, আমি মাগফার উদ্দিন চৌধুরী আজাদ এর কথা বলছি।
আজাদ ক্লাস সিক্সে পড়ে, সেন্ট গ্রেগরি। ১৯৬০ এর দশক। আজাদের বাবা আরেকটা বিয়ে করবেন। আজাদের মা বললেন, তুমি বিয়ে করবে না, যদি করো, আমি একমাত্র ছেলে আজাদকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাব। আজাদের বাবা আরেকটা বিয়ে করলে আজাদের মা সাফিয়া তার বালকপুতের হাত ধরে ওই রাজপ্রাসাদ পরিত্যাগ করেন এবং একটা পর্ণকুটীরে আশ্রয় নেন। ছেলেকে লেখাপড়া শেখান। আজাদ ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্ন্তজাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে মাস্টার্স পাস করে।
তার বন্ধুরা যোগ দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধে, ফিরে এসেছে আগরতলা থেকে, ট্রেনিং নিয়ে। তার ঢাকায় গেরিলা অপারেশন করে। বন্ধুরা আজাদকে বলল, চল, আমাদের সাথে, অপারেশন করবি। তুই তো বন্দুক পিস্তল চালাতে জানিস। তোর আব্বার তো বন্দুক আছে, পিস্তল আছে, তুই সেগুলো দিয়ে অনেকবার শিকার করেছিস।
আজাদ বলল, এই জগতে মা ছাড়া আমার কেউ নেই, আর মায়েরও আমি ছাড়া আর কেউ নেই। মা অনুমতি দিলেই কেবল আমি যুদ্ধে যেতে পারি।
মাকে আজাদ বলল, মা, আমি কি যুদ্ধে যেতে পারি?
মা বললেন, নিশ্চয়ই, তোমাকে আমার প্রয়োজনের জন্য মানুষ করিনি, দেশ ও দশের জন্যই তোমাকে মানুষ করা হয়েছে।
আজাদ যুদ্ধে গেল।
দুটো অপারেশনে অংশ নিল। তাদের বাড়িতে অস্ত্র লুকিয়ে রাখা হলো। গেরিলারা আশ্রয় নিল।
১৯৭১ সালের ৩০ আগস্ট। ধরা পড়ে ক্র্যাক প্লাটুনের একদল সাহসী মুক্তিযোদ্ধা। সেসময় আজাদকেও আটক করা হয়। তাকে ধরে নিয়ে রাখা হলো রমনা থানা সংলগ্ন ড্রাম ফ্যাক্টরি সংলগ্ন এম.পি হোস্টেলের মিলিটারি টর্চার সেলে।
গরাদের ওপারে দাড়িয়ে থাকা আজাদকে তার মা চিনতে পারেন না। প্রচণ্ড মারের চোটে চোখমুখ ফুলে গেছে, ঠোঁট কেটে ঝুলছে, ভুরুর কাছটা কেটে গভীর গর্ত হয়ে গেছে।
–“মা, কি করব? এরা তো খুব মারে। স্বীকার করতে বলে সব। সবার নাম বলতে বলে।“
–“বাবা, তুমি কারোর নাম বলোনি তো?
–না মা, বলি নাই। কিন্তু ভয় লাগে, যদি আরও মারে, যদি বলে দেই…
–বাবারে, যখন মারবে, তুমি শক্ত হয়ে থেকো। সহ্য করো। কারো নাম বলো না।
–আচ্ছা মা। ভাত খেতে ইচ্ছে করে। দুইদিন ভাত খাই না। কালকে ভাত দিয়েছিল, আমি ভাগে পাই নাই।
–আচ্ছা, কালকে যখন আসব, তোমার জন্য ভাত নিয়ে আসব।
সাফিয়া বেগমের ভেতরটা দুমড়ে-মুচড়ে যায়। গায়ে হাত তোলা তো দূরে থাক, ছেলের গায়ে একটা ফুলের টোকা লাগতে দেননি কোনোদিন। সেই ছেলেকে ওরা এভাবে মেরেছে… এভাবে…
মুরগির মাংস, ভাত, আলুভর্তা আর বেগুনভাজি টিফিন ক্যারিয়ারে ভরে পরদিন সারারাত রমনা থানায় দাড়িয়ে থাকেন সাফিয়া বেগম, কিন্তু আজাদকে আর দেখতে পাননি। তেজগাঁও থানা, এমপি হোস্টেল, ক্যান্টনমেন্ট-সব জায়গায় খুজলেন, হাতে তখন টিফিন ক্যারিয়ার ধরা, কিন্তু আজাদকে আর খুঁজে পেলেন না।
ছেলে একবেলা ভাত খেতে চেয়েছিলেন। মা পারেননি ছেলের মুখে ভাত তুলে দিতে। সেই কষ্ট-যাতনা থেকে পুরো ১৪টি বছর ভাত মুখে তুলেন নি মা! তিনি অপেক্ষায় ছিলেন ১৪ টা বছর ছেলেকে ভাত খাওয়াবেন বলে। বিশ্বাস ছিলো তাঁর আজাদ ফিরবে। ছেলের অপেক্ষায় শুধু ভাতই নয়, ১৪বছর তিনি কোন বিছানায় শোন নি। শানের মেঝেতে শুয়েছেন শীত গ্রীষ্ম কোন কিছুতেই তিনি পাল্টান নি তার এই পাষাণ শয্যা। আর এর মুল কারণ আজাদ রমনা থানায় আটককালে বিছানা পায়নি।
প্রজন্ম কিংবদন্তি আজাদদের চিনেনা, চিনে হলিউডের অ্যাকশন চলচ্চিত্র।
ভালো থাকুক জীবনের প্রেমগুলো। ভালো থেকো কিংবদন্তী।”
[লেখাটি প্রিয় লেখক ‘আনিসুল হক’ এর “মা” বই থেকে নেওয়া হয়েছে।]
সৌজন্যে—লেখক আনিসুল হকের ফেসবুক পেজ
সংক্ষেপে দেখুনসূর্যমুখী ফুল সবসময় সূর্যের দিকে মুখ ঘুরিয়ে থাকে কেন ?
গাছের বৃদ্ধি ও শারীরিক কার্যকলাপের জন্য বিভিন্ন ধরণের হরমোন সাহায্য করে। এমনি একটি হরমোন হল অক্সিন। অক্সিন হরমোনের নানা ধরণের কাজের মধ্য রয়েছে কান্ড ও পাতার বৃদ্ধি। এই অক্সিন হরমোনই আবার ফটোট্রপিক ক্রিয়ার জন্য দায়ী। আলোর সাথে উদ্ভিদের যে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া তাই-ই হল ফটোট্রপিক ক্রিয়া। অক্সিন হরমোনের যবিস্তারিত পড়ুন
গাছের বৃদ্ধি ও শারীরিক কার্যকলাপের জন্য বিভিন্ন ধরণের হরমোন সাহায্য করে। এমনি একটি হরমোন হল অক্সিন। অক্সিন হরমোনের নানা ধরণের কাজের মধ্য রয়েছে কান্ড ও পাতার বৃদ্ধি। এই অক্সিন হরমোনই আবার ফটোট্রপিক ক্রিয়ার জন্য দায়ী। আলোর সাথে উদ্ভিদের যে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া তাই-ই হল ফটোট্রপিক ক্রিয়া।
অক্সিন হরমোনের যে পাশে সূর্যের আলো পড়েনা অর্থাৎ যে পাশে ছায়া থাকে সে পাশে দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এটি উদ্ভিদের যে অংশে থাকে সেখানে pH এর পরিমান কমিয়ে দেয়। ফলে এর সেলুলোজ কোষগুলো ফেটে যায়। ফলে অতিরিক্ত চাপের সৃষ্টি হয়। এই চাপই সূর্যমুখী ফুলকে সূর্যের দিকে ঘুরতে বাধ্য করে। পরিপূর্ণ সূর্যমুখী ফুল কিন্তু ঘুরে না, পূর্বদিকে মুখ করে রাখে।
সংক্ষেপে দেখুনঅরিগ্যামি মানে কি?
অরিগামি (জাপানি: 折り紙) হলো কাগজের এক ধরনের কাজ, যা জাপানি সংস্কৃতির সাথে জড়িত। তবে আধুনিক ব্যবহারে "অরিগামি" শব্দটি কাগজের কাজসহ এরকম সকল কাজকেই বোঝানো হয়। অরিগামির কাজ হলো কাগজকে বিভিন্ন প্রক্রিয়াতে নানান রূপ দেওয়া। অতীতে অরিগামি কাগজ কেটে বানানো হলেও বর্তমানে আঠা, কাঁচি ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা হবিস্তারিত পড়ুন
অরিগামি (জাপানি: 折り紙) হলো কাগজের এক ধরনের কাজ, যা জাপানি সংস্কৃতির সাথে জড়িত।

সংক্ষেপে দেখুনতবে আধুনিক ব্যবহারে “অরিগামি” শব্দটি কাগজের কাজসহ এরকম সকল কাজকেই বোঝানো হয়। অরিগামির কাজ হলো কাগজকে বিভিন্ন প্রক্রিয়াতে নানান রূপ দেওয়া। অতীতে অরিগামি কাগজ কেটে বানানো হলেও বর্তমানে আঠা, কাঁচি ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা হয়।
সূত্রঃ উইকিপিডিয়া
আরও ভালোভাবে বুঝতে চাইলে নিচের ভিডিওটি দেখতে পারেন।
কলাগাছ কে কেনো গাছ বলা যায়না?
কলা গাছ রাইজোম জাতীয় উদ্ভিদ। এর কান্ড আদা বা হলুদের মত মাটির নিচে থাকে। আমরা যেটা দেখি সেটা মূলত পাতা যা জাড়াজড়ি করে উপরে উঠে কান্ডের ন্যায় ধারণ করে। তাই কলা গাছ গাছ না, পাতা। আর বলাই বাহুল্য কলার পাতাই পৃথিবীর সবথেকে লম্বা পাতা।
কলা গাছ রাইজোম জাতীয় উদ্ভিদ। এর কান্ড আদা বা হলুদের মত মাটির নিচে থাকে। আমরা যেটা দেখি সেটা মূলত পাতা যা জাড়াজড়ি করে উপরে উঠে কান্ডের ন্যায় ধারণ করে। তাই কলা গাছ গাছ না, পাতা। আর বলাই বাহুল্য কলার পাতাই পৃথিবীর সবথেকে লম্বা পাতা।
সংক্ষেপে দেখুনএকটা গাছে একটা ফলই ধরে এবং ফল দিয়ে গাছটি মারা যায়? কোন গাছ
একটা গাছে একটা ফল ধরে এমন গাছ সম্ভবত আনারস। কিন্তু আপনি প্রশ্নটিতে সম্ভবত "একবার ফল ধরে" এরকম বলতে চেয়েছিলেন। যদি সেটাই হয় তাহলে এর উত্তর হবে আনারস। প্রশ্ন করার আগে একবার যাচাই করে নিলে ভালো হতো। ধন্যবাদ!
একটা গাছে একটা ফল ধরে এমন গাছ সম্ভবত আনারস। কিন্তু আপনি প্রশ্নটিতে সম্ভবত “একবার ফল ধরে” এরকম বলতে চেয়েছিলেন। যদি সেটাই হয় তাহলে এর উত্তর হবে আনারস। প্রশ্ন করার আগে একবার যাচাই করে নিলে ভালো হতো।
সংক্ষেপে দেখুনধন্যবাদ!
আমাদের দেশে “বাসর রাতে বিড়াল মারা” বলে একটা প্রবাদ প্রচলিত আছে এটি মানে কি?
বাসর রাতে বিড়াল মারা বলতে স্ত্রীকে বশ করা (আরো সোজা কথায় স্ত্রীর সাথে বাসর রাতে শাররীক মিলন করা) বুঝায়। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ছেলেকে তার সমবয়সী বিবাহিত বন্ধুরা বিড়াল মারার নানান বুদ্ধি ফ্রি তে দান করে থাকে। অপর দিকে মেয়ের বড় বোন/ভাবী/দাদী শ্রেনীর আত্মীয়রা বিড়ালনা মেরে বাঘ/স্বামী মহাশয়কে কিবিস্তারিত পড়ুন
বাসর রাতে বিড়াল মারা বলতে স্ত্রীকে বশ করা (আরো সোজা কথায় স্ত্রীর সাথে বাসর রাতে শাররীক মিলন করা) বুঝায়। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ছেলেকে তার সমবয়সী বিবাহিত বন্ধুরা বিড়াল মারার নানান বুদ্ধি ফ্রি তে দান করে থাকে। অপর দিকে মেয়ের বড় বোন/ভাবী/দাদী শ্রেনীর আত্মীয়রা বিড়ালনা মেরে বাঘ/স্বামী মহাশয়কে কি করে ধরাশায়ী করা যায় তার কুট-কৌশল শিক্ষা দিয়ে থাকেন।
কথার ধরনে অবশ্যই অনুমান করতে পারছেন এটি যেন একপ্রকার যুদ্ধ-যুদ্ধ পরিস্থিতি!
সংক্ষেপে দেখুনবাংলা স্বরবর্ণ থেকে ৯-এর মতো দেখতে ‘লি’-কে কেন বাদ দেওয়া হয়েছে? কেনই বা ছিলো?
১৭৬৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হালেদের বইয়ে স্বরবর্ণের সংখ্যা ছিল ১৬। পরবর্তী প্রায় একশত বছর মদনমোহনের শিশুশিক্ষা প্রথম ভাগ পর্যন্ত স্বরবর্ণের সংখ্যা ১৬টিই ছিল। এগুলো হলো অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, ৠ, ঌ, ৡ, এ, ঐ, ও, ঔ, অ০, অঃ। বিদ্যাসাগর এই সংখ্যা কমিয়ে ১২তে নামালেন। তিনি ভূমিকায় লিখলেন: "বহূকালাবধি বর্ণমবিস্তারিত পড়ুন
১৭৬৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হালেদের বইয়ে স্বরবর্ণের সংখ্যা ছিল ১৬। পরবর্তী প্রায় একশত বছর মদনমোহনের শিশুশিক্ষা প্রথম ভাগ পর্যন্ত স্বরবর্ণের সংখ্যা ১৬টিই ছিল। এগুলো হলো অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, ৠ, ঌ, ৡ, এ, ঐ, ও, ঔ, অ০, অঃ। বিদ্যাসাগর এই সংখ্যা কমিয়ে ১২তে নামালেন। তিনি ভূমিকায় লিখলেন:
“বহূকালাবধি বর্ণমালা ষোল স্বর ও চৌত্রিশ ব্যঞ্জন এই পঞ্চাশ অক্ষরে পরিগণিত ছিল। কিন্তু বাঙ্গালা ভাষায় দীর্ঘ ৠ-কার ও দীর্ঘ ৡ-কারের প্রয়োজন নাই। এই নিমিত্ত ঐ দুই বর্ণ পরিত্যক্ত হইয়াছে। আর সবিশেষ অনুধাবন করিয়া দেখিলে অনুস্বার ও বিসর্গ স্বরবর্ণ মধ্যে পরিগণিত হইতে পারে না। এই নিমিত্ত ঐ দুই বর্ণ ব্যঞ্জনবর্ণ মধ্যে পঠিত হইয়াছে। আর চন্দ্রবিন্দুকে ব্যঞ্জনবর্ণস্থলে এক স্বতন্ত্র বর্ণ বলিয়া গণনা করা গিয়াছে। “ড, ঢ, য এই তিন ব্যঞ্জনবর্ণ পদের মধ্যে অথবা পদের অন্তে থাকিলে, ড়, ঢ়, য় হয়।
বিদ্যাসাগরের এই মৌলিক সংস্কারের ১২৫ বছর পর স্বরবর্ণে মাত্র আর একটি সংস্কার ঘটেছে, তাহলো ঌ বর্ণটি বাদ দেওয়া। এখন স্বরবর্ণ ১১টি। ব্যঞ্জনবর্ণ ছিল ৩৪টি। বিদ্যাসাগর তাতে নতুনভাবে ছয়টি বর্ণ যুক্ত করেন। অনুস্বার ও বিসর্গকে স্বরবর্ণ থেকে ব্যঞ্জনবর্ণে নিয়ে এসে চন্দ্রবিন্দুকেও যোগ করে দিলেন। ড, ঢ, য-এর দ্বিবিধ উচ্চারণের ক্ষেত্রে নিচে ফুটকি বা শুন্য দিয়ে নতুন তিনটি ব্যঞ্জন অক্ষর আবিষ্কার করলেন। তা ছাড়া বিদ্যাসাগর দেখলেন, “বাঙ্গালা ভাষায় একারের ত, ত্ এই দ্বিবিধ কলেবর প্রচলিত আছে।” তাই এটিকেও ব্যঞ্জনবর্ণে যুক্ত করেছেন। আর ক্ষ যেহেতু ক ও ষ মিলে হয় “সুতরাং উহা সংযুক্তবর্ণ, এ জন্য অসংযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ গণনাস্থলে পরিত্যক্ত হইয়াছে।” এভাবে তার হাতে ব্যঞ্জনবর্ণ হলো ৪০টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ঌ-এর মতই শুধু অন্তঃস্থ ‘ব’ বর্ণটি বাদ যায়। এখন ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।
সূত্রঃ উইকিপিডিয়া
সংক্ষেপে দেখুনএকজন বিখ্যাত কবি এবং নাট্যকার ইংরেজি ভাষায় ১,০০০ এরও বেশি শব্দ যোগ করেছেন, কে তিনি?
উইলিয়াম শেক্সপিয়র ইংরেজি ভাষায় ১,০০০ এরও বেশি শব্দ যোগ করেছেন। আমাদের মধ্যে প্রায় সবাই উইলিয়াম শেক্সপিয়র সম্পর্কে জানেন। শেক্সপিয়র হলেন ষোড়শ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত কবি এবং নাট্যকার।
উইলিয়াম শেক্সপিয়র ইংরেজি ভাষায় ১,০০০ এরও বেশি শব্দ যোগ করেছেন। আমাদের মধ্যে প্রায় সবাই উইলিয়াম শেক্সপিয়র সম্পর্কে জানেন। শেক্সপিয়র হলেন ষোড়শ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত কবি এবং নাট্যকার।
সংক্ষেপে দেখুননতুন কলম দিয়ে কিছু লিখতে বললে ৮০% লোক প্রথম কি লিখবে?
নিজের নাম লিখবে।
নিজের নাম লিখবে।
সংক্ষেপে দেখুনআল কুরআনের সর্ব প্রথম হাফিজ কে?
প্রথম কুরআনের হাফেজ ছিলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)।
প্রথম কুরআনের হাফেজ ছিলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)।
সংক্ষেপে দেখুনবাইরে থেকে শক্ত। কিন্তু ভিতর থেকে নরম। আমার নাম ইংরেজির “c” অক্ষর দিয়ে শুরু হয়ে শেষ হয় ইংরেজির “t” অক্ষর দিয়ে। কে আমি বলুন দেখি?
এর উত্তর ডাব অর্থাৎ Coconut হবে।
এর উত্তর ডাব অর্থাৎ Coconut হবে।
সংক্ষেপে দেখুনআমি লম্বা এবং শক্ত। ভিতরে কিন্তু নরম। আর গায়ের রং হলকা সবুজ। কে আমি বলতে পারেন? উত্তর: শসা।
উত্তর তো আপনি দিয়েই দিলেন! 🤣🤣😂
উত্তর তো আপনি দিয়েই দিলেন! 🤣🤣😂
সংক্ষেপে দেখুননিরানব্বই টাকা নিয়ে বাজারে গেলো । চল্লিশ টাকা খরচ হলো। হাতে কত টাকা রইলো?
এখানে যেহেতু "নিরানব্বই টাকা নিয়ে গেল" বলা হয়েছে তাহলে টাকাটা কেউ না কেউ নিয়ে বাজারে গিয়েছে। তাই নিরা কে আলাদা করলে একটি নাম হয় আর সে-ই নব্বই টাকা নিয়ে বাজারে গিয়েছে। সুতরাং নিরা যদি নব্বই টাকা নিয়ে বাজারে গিয়ে চল্লিশ টাকা খরচ করে ফেলে তাহলে হাতে পঞ্চাশ টাকা থাকার কথা। অর্থাৎ "৫০" টাকা রইলো।
এখানে যেহেতু “নিরানব্বই টাকা নিয়ে গেল” বলা হয়েছে তাহলে টাকাটা কেউ না কেউ নিয়ে বাজারে গিয়েছে। তাই নিরা কে আলাদা করলে একটি নাম হয় আর সে-ই নব্বই টাকা নিয়ে বাজারে গিয়েছে। সুতরাং নিরা যদি নব্বই টাকা নিয়ে বাজারে গিয়ে চল্লিশ টাকা খরচ করে ফেলে তাহলে হাতে পঞ্চাশ টাকা থাকার কথা। অর্থাৎ “৫০” টাকা রইলো।
সংক্ষেপে দেখুনএকটি দোয়েলের দাম দুই টাকা হলে তিনটি হরিণের দাম কত?
২ টাকার নোটে ১টি দোয়েল । ১ টাকার নোটে তিনটি হরিন আছে। তাই দোয়েলের মূল্য ২ টাকা হলে তিনটি হরিনের মূল্য ১ টাকা।
২ টাকার নোটে ১টি দোয়েল । ১ টাকার নোটে তিনটি হরিন আছে। তাই দোয়েলের মূল্য ২ টাকা হলে তিনটি হরিনের মূল্য ১ টাকা।
সংক্ষেপে দেখুনকোন প্রাণীর চোখ তার মস্তিষ্কের চেয়ে বড়?
প্রশ্নটি ছিলো কোন প্রাণীর চোখ তার মস্তিষ্কের চেয়ে বড়? উত্তরঃ বেশ কয়েকটি প্রাণী আছে যাদের চোখ তাদের মস্তিষ্ক থেকেও বড়। যেমনঃ জায়ান্ট স্কুইড, উট পাখি ইত্যাদি। তবে এদের থেকে বেশি জনপ্রিয় প্রাণী হলো ফরিং। ফড়িং এর চোখ তার মস্তিষ্ক থেকেও বড়।
প্রশ্নটি ছিলো কোন প্রাণীর চোখ তার মস্তিষ্কের চেয়ে বড়?
সংক্ষেপে দেখুনউত্তরঃ বেশ কয়েকটি প্রাণী আছে যাদের চোখ তাদের মস্তিষ্ক থেকেও বড়। যেমনঃ জায়ান্ট স্কুইড, উট পাখি ইত্যাদি। তবে এদের থেকে বেশি জনপ্রিয় প্রাণী হলো ফরিং। ফড়িং এর চোখ তার মস্তিষ্ক থেকেও বড়।
দেজা ভু কী ?
কিছুদিন আগে যখন আমি ঢাকা অ্যাটাক মুভিটি দেখছিলাম তখন মুভিটির শেষ দৃশ্য যেটিতে জিসান অর্থাৎ খলনায়ককে মারা হয় সেই দৃশ্যে এসে আমার বার বার মনে হচ্ছিল আমি এটি আগেও দেখেছি। আমি নিজেকে যতই বোঝাতে চাচ্ছিলাম যে এটি আগে দেখার কোন প্রশ্নই আসে না, তারপরেও মনে হচ্ছিল আমি এটি দেখেছি। আর এই অনুভূতি একদমই প্রথমবিস্তারিত পড়ুন
কিছুদিন আগে যখন আমি ঢাকা অ্যাটাক মুভিটি দেখছিলাম তখন মুভিটির শেষ দৃশ্য যেটিতে জিসান অর্থাৎ খলনায়ককে মারা হয় সেই দৃশ্যে এসে আমার বার বার মনে হচ্ছিল আমি এটি আগেও দেখেছি।
আমি নিজেকে যতই বোঝাতে চাচ্ছিলাম যে এটি আগে দেখার কোন প্রশ্নই আসে না, তারপরেও মনে হচ্ছিল আমি এটি দেখেছি। আর এই অনুভূতি একদমই প্রথম নয় আমার জন্য, এর আগেও অনেকবার আমি এর সম্মুখীন হয়েছি।
যেমন বালিয়াটি জমিদার বাড়ির পেছনের পুকুরটি দেখার পর ওই পুকুরটি আমার খুব চেনা চেনা লাগছিল। প্রথম যেদিন এই জিনিসটি আমি অনুভব করতে পারি সেদিন অনেকের সাথে কথা বলেও জানতে পারিনি এটি কী বা কেন এটি হয়।
পরে একদিন কোন একটি গল্পের বই পড়তে পড়তে জানতে পারি এই অনুভূতির নাম হচ্ছে ‘দেজা ভ্যু’, ইংরেজীতে যার অর্থ ‘already seen’, বাংলায় আমরা বলতে পারি ‘ইতিপূর্বে দেখা’। সহজ ভাষায় দেজা ভ্যু হচ্ছে কোন কিছুকে প্রথমবার দেখেই পরিচিত বলে মনে হওয়া যদিও সেটি আমাদের পরিচিত হওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না।
এই কোন কিছুটা যে শুধু কোন জিনিস তাই নয়, হতে পারে কোন জায়গা, কোন মানুষ অথবা বন্ধুবান্ধবের সাথে আড্ডা দেয়ার কোন মুহূর্ত।
দেজা ভ্যু কেন হয়?
যেদিন জানতে পারলাম কোন কিছুকে পরিচিত মনে হওয়ার এই অনুভূতির নাম হচ্ছে দেজা ভ্যু সেদিনই বসে পড়লাম নেট ঘাঁটতে। মূল উদ্দেশ্য ছিল দেজা ভ্যু কেন হয় তা জানা। কিন্তু দেজা ভ্যুর আসল কারণ জানতে গিয়ে আরো ধাঁধায় পড়ে গেলাম।
কারণ, দেজা ভ্যু হওয়ার আসল কারণ সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা এখনো একমত হতে পারেন নি। একেকজন একেকরকম কারণ দেখিয়েছেন দেজা ভ্যু সংঘটিত হওয়ার। সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি কারণ তুলে ধরছি তোমাদের জন্য:
১। স্বপ্নের খেলা
দেজা ভ্যু হওয়ার কারণ সম্পর্কে প্রথম যে ধারণার কথা আমি বলবো সেটি স্বপ্ন সম্পর্কিত। কেউ কেউ বিশ্বাস করে যে, মানুষের মনে যে জিনিসটি নিয়ে সন্দেহ জাগে যে সে সেটি আগে দেখেছে অর্থাৎ দেজা ভ্যু হয় যে জিনিসটি নিয়ে সেটি সে আগেই স্বপ্নে দেখে।
কিন্তু মানুষ খুব কম স্বপ্নই মনে রাখতে পারে। আর তাই সকালে উঠে সেই স্বপ্নটি আর তার মনে থাকে না কিন্তু অবচেতন মনে ঠিকই সেই স্বপ্নটি সংরক্ষিত থাকে। পরে যখন সে বাস্তবে সেই ঘটনা বা জিনিসটির সম্মুখীন হয় তখন তার অবচেতন মন সেই স্বপ্নে দেখা স্মৃতিটিকে মনে করিয়ে দেয়। তখনই তার মনে হয় যে ওই জিনিসটি সে আগেই দেখেছে বা ওই ঘটনা আগেও ঘটেছে।
আমার যখন প্রথম দেজা ভ্যু হয় তখনো আমার এমনই মনে হয়েছিল। আমার এমন একটি জায়গা দেখে মনে হয়েছিল যে আমি এখানে আগেও এসেছি যেখানে তার আগে আমার যাওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না। আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম এই ভেবে যে জায়গাটি আমার এত পরিচিত মনে হচ্ছে কেন। পরে আমার বারবার মনে হচ্ছিল যে আমি হয়তো স্বপ্নে দেখেছি জায়গাটি।
২। স্মৃতির অন্তরালে
এখন যে ব্যাখ্যার কথা বলব সেটি স্মৃতির সাথে সম্পর্কিত। এই ধারণায় বলা হয় যে, যেই জিনিস বা স্থান বা ঘটনা সম্পর্কে দেজা ভ্যু হয় সেই জিনিস বা স্থান বা ঘটনা পূর্বেও মানুষ দেখে। কিন্তু অনেক আগে তা দেখার কারণে তা স্মৃতিতে পুরোপুরিভাবে থাকে না। কিন্তু অবচেতন মনে বা স্মৃতিতে তার একটা ছাপ থাকে।
এর ফলে যখন সে পুনরায় সেই জিনিস বা স্থান বা ঘটনার মুখোমুখি হয় তখন স্মৃতির গভীর থেকে ওই পুরনো স্মৃতিও তার সামনে চলে আসে। তখন তার মনে হয় যে এটি আগেও ঘটেছে বা সে এটি আগেও দেখেছে।
এটি একটি ভালো ব্যাখ্যা হতে পারে কিন্তু খুব বেশি শারীরিক নয়। কারণ দেজা ভ্যুর অভিজ্ঞতা যাদের হয়েছে তাদের মধ্য বেশিরভাগই জোর দিয়ে বলে পূর্বে ওই জিনিস বা জায়গা বা ঘটনার মুখোমুখি হওয়ার কোন সম্ভাবনাই নেই।
৩। সব দোষ মস্তিষ্কের
এবারের ব্যাখ্যাটি মস্তিষ্কের উপর নির্ভর করে দেয়া। আমরা সবাই জানি যে, মস্তিষ্কের এক এক অংশ এক এক কাজ করে থাকে। দেখার কাজটি মস্তিষ্কের যেই অংশটি করে থাকে সেটি মস্তিষ্কের পেছনে অবস্থিত। এটি কোন কিছু দেখে এবং সেটিকে ব্যাখ্যা করে আমাদের সামনে উপস্থাপন করে যার ফলে আমরা বুঝতে পারি আমরা কী দেখছি।
অনেক বিশেষজ্ঞ দেজা ভ্যু কে মানসিক রোগের সাথে মিলিয়ে দিয়েছেন
কোন কিছু দেখে সেটিকে ব্যাখ্যা করতে মস্তিষ্কের এই অংশটির খুব কম সময় লাগে, সেকেন্ডের ভগ্নাংশ সময়ের মধ্যেই এই কাজটি সম্পন্ন হয়ে যায়। কিন্তু যদি কোন কারণে কোন কিছু দেখা আর ব্যাখ্যা করে আমাদের সামনে উপস্থাপন করার এই ক্ষুদ্র সময়ে আমাদের মন সামান্য সময়ের জন্য বিক্ষিপ্ত হয়ে যায় তাহলে দেজা ভ্যু হয়।
এর কারণ হচ্ছে একবার চোখ জিনিসটি বা ঘটনাটি দেখে, তারপর মন বিক্ষিপ্ত হয়ে যায় কিছু সময়ের জন্য। পরে যখন চোখ আবার সেই জিনিসটি বা ঘটনাটি দেখে এবং তা ব্যাখ্যা করে আমাদের সামনে উপস্থাপন করে তখন একটু আগে দেখার ঘটনাটাও মনে পড়ে যায়। তখন মনে হয় এটি আমি আগেও দেখেছি। কিন্তু সে আগে যে একটু আগেই তা মাথায় আসে না। ফলে মনে হয় অনেক আগের ঘটনা এটি।
এই ব্যাখ্যাটি মোটামুটি চলনসই বলা চলে। এগুলো ছাড়াও আরো কিছু ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে দেজা ভ্যু সম্পর্কে। অনেকেই আবার অতিপ্রাকৃত ঘটনার সাথে দেজা ভ্যুর যোগসূত্র আছে বলে মনে করেন।
দেজা ভ্যু হওয়া কি খারাপ?
অনেক বিশেষজ্ঞ দেজা ভ্যু কে মানসিক রোগের সাথে মিলিয়ে দিয়েছেন। তাদের বর্ণনা অনুযায়ী দেজা ভ্যু তাদেরই হয় যাদের কিছুটা মানসিক সমস্যা আছে। কিন্তু এর পক্ষে তারা কোন প্রমাণ দেখাতে পারেন নি। পৃথিবীর প্রায় ৬০%-৭০% মানুষ দেজা ভ্যুর মুখোমুখি হয়। তাদের বেশিরভাগেরই কোন রকম মানসিক সমস্যা নেই।
আর যারা দেজা ভ্যু এর সাথে অতিপ্রাকৃত ঘটনার সম্পর্কে খুঁজে পান তারাও কোন শক্ত প্রমাণ দেখাতে পারেন নি। আর তাই হলপ করে বলা যায় না যে দেজা ভ্যু হওয়াটা খারাপ কিছু।
দেজা ভ্যুর যে সকল কারণ আমরা দেখতে পাই সেগুলো থেকে দেখা যায় যে এগুলো মস্তিষ্কের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই পড়ে। আর তাই এটিকে খারাপ বা ক্ষতিকর কিছু হিসেবে অভিহিত করা যায় না।
দেজা ভ্যু হওয়াটা খারাপ কিছু নয়, এটা আমার জন্য বেশ ভালো সংবাদই বলা চলে। আমার তো মাঝে মাঝে মজাই লাগে। প্রায়ই আমার এমন হয়। আগে খুব বেশি ভাবতাম, ঘাঁটাঘাঁটি করতাম দেজা ভ্যু নিয়ে। এখন এটা বেশ উপভোগ করি।
ক্রেডিটঃ 10minuteschool
সংক্ষেপে দেখুন