সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
হেলথ ইঞ্জিনিয়ার কি?
জাপানের আবর্জনা ক্লিনারদের বলে হেলথ ইঞ্জিনিয়ার
জাপানের আবর্জনা ক্লিনারদের বলে
হেলথ ইঞ্জিনিয়ার
সংক্ষেপে দেখুনজাপান কয়টি দ্বীপ এর সমন্বয়ে গঠিত?
প্রধান 4 টি আর 6,800 ছোট ছোট দ্বীপের স্বমন্বয়ে গঠিত জাপান।
প্রধান 4 টি আর 6,800 ছোট ছোট দ্বীপের স্বমন্বয়ে গঠিত জাপান।
সংক্ষেপে দেখুনআঠার বতলে আঠা লেগে যায় না কেন?
সাদা আঠা পলিমার নামক বিভিন্ন রাসায়নিক থেকে তৈরি। এই পলিমারগুলি দীর্ঘ স্ট্র্যান্ড যা স্টিকি বা প্রসারিত হতে পারে। আঠা উত্পাদনকারীদের সেরা আঠা বের করতে স্টিকি এবং স্ট্রেচি পলিমারগুলির কেবলমাত্র সঠিক সংমিশ্রণটি খুঁজে পেতে হবে। সাদা আঠালোতে রয়েছে জল। জল দ্রাবক হিসাবে কাজ করে যা আঠাকে তরল রাখে যতক্ষণ নবিস্তারিত পড়ুন
সাদা আঠালোতে রয়েছে জল। জল দ্রাবক হিসাবে কাজ করে যা আঠাকে তরল রাখে যতক্ষণ না আপনি এটি আটকে রাখতে চান।
আপনি যখন কোন কাগজের টুকরোতে আঠা রাখবেন তখন দ্রাবক – জল – বায়ুতে প্রকাশিত হয়। জল অবশেষে বাষ্পীভবন হয় (তরল থেকে গ্যাসে পরিবর্তিত হয়)। জল বাষ্পীভূত হওয়ার সাথে সাথে আঠালো শুকিয়ে যায় এবং শক্ত হয়। যা বাকি থাকে তা হ’ল স্টিকি পলিমার যা জিনিসকে এক সাথে রাখে।
তাহলে সাদা আঠালো বোতলটির অভ্যন্তরে আটকে থাকে না কেন? সাদা আঠা বোতলটির ভিতরে থাকলে, বোতলটির ভিতরে পর্যাপ্ত বাতাস থাকে না়। মূলত, বোতলটি বাতাস থেকে আঠাকে রক্ষা করে এবং আঠাকে সচল রাখে। আপনি যদি কিছুক্ষণের জন্য আঠা বোতলটির শীর্ষে ছেড়ে যান তবে আপনি লক্ষ্য কবেন যে, দুর্ভাগ্যক্রমে, আঠাটি শুকিয়ে গেছে!
সুপার গ্লু সম্পর্কে কি? আপনি লক্ষ্য কবেন যে সুপার গ্লু সাদা আঠার চেয়ে আরও দ্রুত শুকিয়ে যায়।
সুপার গ্লু সাদা আঠা থেকে আলাদাভাবে কাজ করে। সাদা আঠার পলিমারের পরিবর্তে, সুপার গ্লু Cyanoacrylate নামক রাসায়নিক দ্বারা তৈরি করা হয়। যখন এই বাতাসে জলীয় বাষ্পের সাথে প্রতিক্রিয়া ঘটে তখন এই রাসায়নিকগুলিকে একত্রে বন্ধন করে।
বায়ু যতই শুষ্ক মনে হয় না কেন, বায়ুতে সবসময় কিছু জলীয় বাষ্প থাকে। তাই যেকোনো অবস্থাতেই গ্লু শুকিয়ে যায়। আঠাকে শুকিতে না দেয়ার জন্য তার ধারকটিকে শক্তভাবে সিল করে রাখতে হবে।
সুতরাং আপনি সাদা আঠা বা সুপার গ্লু যার কথাই বলছেন না কেন, জলই মূল।
কোন শহর যার মধ্যে রয়েছে দু’টো মহাদেশ ?
ইস্তানবুল এমন একটি শহর যার মধ্যে রয়েছে দু’টো দেশ। একই শহরের একটা অংশ ইউরোপ, অন্য দিকটা এশিয়া।
ইস্তানবুল এমন একটি শহর যার মধ্যে রয়েছে দু’টো দেশ। একই শহরের একটা অংশ ইউরোপ, অন্য দিকটা এশিয়া।
সংক্ষেপে দেখুনকোন সাগর যার কোনও উপকূলই নেই?
উত্তর অতলান্তিক মহাসাগরের মাঝে রয়েছে ছোট্ট এই সাগর। নাম তার সারগাসো সাগর। যার কোনও উপকূলই নেই। এর উত্তর দিকে রয়েছে উত্তর অতলান্তিক কারেন্ট, পূর্ব দিকে রয়েছে ক্যানারি কারেন্ট, দক্ষিণে উত্তর অতলান্তিক নিরক্ষীয় কারেন্ট এবং পশ্চিমে রয়েছে গাল্ফ স্ট্রিম।
উত্তর অতলান্তিক মহাসাগরের মাঝে রয়েছে ছোট্ট এই সাগর। নাম তার সারগাসো সাগর। যার কোনও উপকূলই নেই। এর উত্তর দিকে রয়েছে উত্তর অতলান্তিক কারেন্ট, পূর্ব দিকে রয়েছে ক্যানারি কারেন্ট, দক্ষিণে উত্তর অতলান্তিক নিরক্ষীয় কারেন্ট এবং পশ্চিমে রয়েছে গাল্ফ স্ট্রিম।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর সবচেয়ে ছোট দেশ?
সবথেকে ছোট দেশ ভ্যাটিক্যান সিটি। মাত্র ০.৪৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রয়েছে এই পুঁচকে দেশ। যদিও পৃথিবীর বৃহত্তম গির্জাটি কিন্তু এই দেশেই অবস্থিত।
সবথেকে ছোট দেশ ভ্যাটিক্যান সিটি। মাত্র ০.৪৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রয়েছে এই পুঁচকে দেশ। যদিও পৃথিবীর বৃহত্তম গির্জাটি কিন্তু এই দেশেই অবস্থিত।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর সবচেয়ে ছোট দেশ?
সবথেকে ছোট দেশ ভ্যাটিক্যান সিটি। মাত্র ০.৪৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রয়েছে এই পুঁচকে দেশ। যদিও পৃথিবীর বৃহত্তম গির্জাটি কিন্তু এই দেশেই অবস্থিত।
সবথেকে ছোট দেশ ভ্যাটিক্যান সিটি। মাত্র ০.৪৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রয়েছে এই পুঁচকে দেশ। যদিও পৃথিবীর বৃহত্তম গির্জাটি কিন্তু এই দেশেই অবস্থিত।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর সবচেয়ে ছোট জায়গার নাম কি?
সবচেয়ে ছোট জায়গার নামে রয়েছে মাত্র একটি অক্ষর। সুইডেন আর নরওয়ের মাঝখানে রয়েছে এই জায়গা। যার নাম A°। স্ক্যানডিনেভিয়ান ভাষায় এর অর্থ নদী।
সবচেয়ে ছোট জায়গার নামে রয়েছে মাত্র একটি অক্ষর। সুইডেন আর নরওয়ের মাঝখানে রয়েছে এই জায়গা। যার নাম A°। স্ক্যানডিনেভিয়ান ভাষায় এর অর্থ নদী।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর সবচেয়ে ছোট জায়গার নাম কি?
সবচেয়ে ছোট জায়গার নামে রয়েছে মাত্র একটি অক্ষর। সুইডেন আর নরওয়ের মাঝখানে রয়েছে এই জায়গা। যার নাম A°। স্ক্যানডিনেভিয়ান ভাষায় এর অর্থ নদী।
সবচেয়ে ছোট জায়গার নামে রয়েছে মাত্র একটি অক্ষর। সুইডেন আর নরওয়ের মাঝখানে রয়েছে এই জায়গা। যার নাম A°। স্ক্যানডিনেভিয়ান ভাষায় এর অর্থ নদী।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর বৃহত্তম জায়গার নাম কি ? কোথায় অবস্থিত?
Taumatawhakatangihangakoauauotamateaturipukaka pikimaungahoronukupokaiwhe nua kitanatahu— হ্যাঁ, এটাই পৃথিবীর বৃহত্তম জায়গার নাম। নিউজিল্যান্ডের এই জায়গার নাম উচ্চারণ করতে গেলে সাবধান। দাঁত ভেঙে গেলেও যেতে পারে। ৮৫টি অক্ষর রয়েছে এই জায়গার নামে।
Taumatawhakatangihangakoauauotamateaturipukaka pikimaungahoronukupokaiwhe nua kitanatahu— হ্যাঁ, এটাই পৃথিবীর বৃহত্তম জায়গার নাম। নিউজিল্যান্ডের এই জায়গার নাম উচ্চারণ করতে গেলে সাবধান। দাঁত ভেঙে গেলেও যেতে পারে। ৮৫টি অক্ষর রয়েছে এই জায়গার নামে।
ফেব্রুয়ারি মাস কেন ২৮ দিনের হয়
আমরা সবাই জানি ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের, প্রতি ৪ বছর পর পর ২৯ দিনেরও হয়। কিন্তু আমাদের অনেকেরই প্রশ্ন, বছরের ৭ টি মাস ৩১ দিনের হওয়ার পরেও ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের কেন? আমরা বর্তমানে ৩৬৫ দিনের যে ক্যালেন্ডার ব্যবহার করি তার নাম গ্রেগরি ক্যালেন্ডার। এর বহু বছর আগে গ্রীক যুগে ব্যবহার করা হতো জুলিয়ানবিস্তারিত পড়ুন
আমরা সবাই জানি ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের, প্রতি ৪ বছর পর পর ২৯ দিনেরও হয়। কিন্তু আমাদের অনেকেরই প্রশ্ন, বছরের ৭ টি মাস ৩১ দিনের হওয়ার পরেও ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের কেন?
আমরা বর্তমানে ৩৬৫ দিনের যে ক্যালেন্ডার ব্যবহার করি তার নাম গ্রেগরি ক্যালেন্ডার। এর বহু বছর আগে গ্রীক যুগে ব্যবহার করা হতো জুলিয়ান ক্যালেন্ডার। জুলিয়ান ক্যালেন্ডারে মোট দিন ছিল ৩০৪ দিন, যাকে মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত হিসাব করা হতো। কিন্তু ৩০৪ দিনের ক্যালেন্ডারে ঋতুর হিসাব রাখা ছিল মুশকিল। তাই গ্রীক রাজা পম্পিলিয়াস ঋতুর হিসাব ঠিক রাখার জন্য আরও ৬১ দিন বাড়িয়ে ৩৬৫ দিনের বছর করেন, বছরের শুরুতে যোগ করা হয় জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি নামক ২টি নতুন মাস। জানুয়ারি মাসে ছিল ৩১ দিন, আর ফেব্রুয়ারিতে ৩০ দিন।
কিন্তু এরপরই শুরু হয় বিড়ম্বনা। রোমের রাজা “জুলিয়াস” ক্যালেন্ডারে নিজেকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য “কুইন্টিলিস” নামক মাসের নাম পরিবর্তন করে রাখেন “জুলিয়াস”; যা পরবর্তীতে হয় “জুলাই”। এমনকি ফেব্রুয়ারি থেকে ১ দিন নিয়ে জুলাই মাসকে ৩১ দিনের করে দেন জুলিয়াস। একইভাবে জুলিয়ানের ভাইয়ের ছেলে “আগাস্টাস” সম্রাট হওয়ার পর নিজের নামকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য “আগস্ট” মাসের নামকরণ করেন এবং ফেব্রুয়ারি থেকে ১ দিন দিয়ে আগস্টকেও ৩১ দিনের করে দেন। এভাবেই জুলাই ও আগস্ট হয়ে যায় ৩১ দিনের আর ফেব্রুয়ারি হয়ে যায় ২৮ দিনের।
সংক্ষেপে দেখুনমৌমাছিরা কীভাবে মধু তৈরি করে?
মৌচাকে সকল মৌমাছিরা একটি কলোনি হিসেবে বাস করে। কিন্তু কলোনির সব মৌমাছির কাজ কিন্তু মধু তৈরি নয়। মূলত কর্মী মৌমাছিদের কাজ হলো ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করা। কিন্তু ফুল থেকে সংগ্রহ করা মধুতে প্রায় ৪০%-৮০% পানি থাকে, ফলে সেই ফুলের মধুকে সংরক্ষণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। মৌমাছিদের দেহে ফুলের মধু সংগ্রহ করার জন্যইবিস্তারিত পড়ুন
মৌচাকে সকল মৌমাছিরা একটি কলোনি হিসেবে বাস করে। কিন্তু কলোনির সব মৌমাছির কাজ কিন্তু মধু তৈরি নয়। মূলত কর্মী মৌমাছিদের কাজ হলো ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করা। কিন্তু ফুল থেকে সংগ্রহ করা মধুতে প্রায় ৪০%-৮০% পানি থাকে, ফলে সেই ফুলের মধুকে সংরক্ষণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
মৌমাছিদের দেহে ফুলের মধু সংগ্রহ করার জন্যই আলাদা একটি অঙ্গ থাকে যাকে বলা হয় “হানি স্টোমাক”। মৌমাছিরা ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করার পর তা সেই হানি স্টোমাকে জমা করে। মৌচাকে ফিরে আসার সময় হানি স্টোমাকের বিভিন্ন এনজাইমের প্রভাবে ফুলের মধুর ধীরে ধীরে ঘন হতে থাকে, অর্থাৎ পানির পরিমাণ কমতে থাকে। মৌচাকে ফিরে আসার পর উদ্গিরন-এর মাধ্যমে মধু এক মৌমাছি থেকে আরেক মৌমাছিতে স্থানান্তরিত হয় এবং প্রতিটি মৌমাছির হানি স্টোমাকের এনজাইমের প্রভাবে মধুর ঘনত্ব বাড়তেই থাকে। শেষপর্যায়ে মৌমাছিরা তাদের ডানা দিয়ে বাতাস করে মধুর ঘনত্ব একদম কমিয়ে আনে যেন তা অনেকদিন সংরক্ষণ করা যায়।
মধু তৈরি হয়ে গেলে মৌমাছিরা তা অতি যত্ন সহকারে মৌচাকের বিশেষ কুঠুরিতে সংগ্রহ করে। একটি কর্মী মৌমাছি তার পুরো জীবনে এক চা চামচের ১২ ভাগের ১ ভাগ মধু উৎপাদন করতে পারে। ১ পাউন্ড মধু উৎপাদন করতে ১০০০০ মৌমাছিকে প্রায় ৭৫০০০ মাইল উড়তে হয় এবং প্রায় ৮০ লক্ষ ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করতে হয়।
সংক্ষেপে দেখুনএকজন মানুষ বাঁহাতি কিংবা ডানহাতি কীভাবে হয়?
মস্তিষ্কের ডান অংশ আমাদের দেহের বাম অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং মস্তিষ্কের বাম অংশ দেহের বাম অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে। সুতরাং, কারো মস্তিষ্কের ডান অংশ যদি বেশি কার্যকর হয়, তবে সেই ব্যক্তি বাঁহাতি হবে। আমাদের পৃথিবীর প্রতি ১০ জনে ১ জন মানুষ বাঁহাতি। কিন্তু, বাঁহাতি কিংবা ডানহাতি হওয়ার প্রকৃত কারণ বিজ্ঞানীবিস্তারিত পড়ুন
মস্তিষ্কের ডান অংশ আমাদের দেহের বাম অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং মস্তিষ্কের বাম অংশ দেহের বাম অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে। সুতরাং, কারো মস্তিষ্কের ডান অংশ যদি বেশি কার্যকর হয়, তবে সেই ব্যক্তি বাঁহাতি হবে। আমাদের পৃথিবীর প্রতি ১০ জনে ১ জন মানুষ বাঁহাতি। কিন্তু, বাঁহাতি কিংবা ডানহাতি হওয়ার প্রকৃত কারণ বিজ্ঞানীরা এখনো আবিষ্কার করতে পারেনি। অনেকের ধারণা, বাঁহাতি হওয়ার মূল কারণ আসলে জেনেটিকাল। বাবা-মা দুজনই ডানহাতি হলে সন্তানের বাঁহাতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে মাত্র ৯%। বাবা-মায়ের যেকোন একজন বাঁহাতি হলে সন্তানের বাঁহাতি হওয়ার সম্ভাবনা ১৯% এবং বাবা ও মা দুজনই যদি বাঁহাতি হয় তাহলে সন্তানের বাঁহাতি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে দাঁড়ায় ২৬% এ।
তবে বাঁহাতি হওয়া কিন্তু মোটেও খারাপ লক্ষণ না, এমনকি গবেষণায় দেখা গেছে ক্রিকেট ও বেসবলের মত খেলায় বাঁহাতিদের সফলতার হার ডানহাতিদের চেয়ে বেশি। মজার ব্যাপার হলো মানুষ ছাড়া অন্য সকল জন্তুতে বাঁহাতি ও ডানহাতি হওয়ার হার
সমান, অর্থাৎ ৫০%।
সংক্ষেপে দেখুনইগলু/বরফের ঘর আমাদের কীভাবে উষ্ণ রাখে?
আমরা ছোটবেলায় কার্টুনে ও সিনেমায় মানুষকে বরফের ঘর বা ইগলুতে থাকতে দেখেছি। কিন্তু বরফ তো এমনিতেই ঠাণ্ডা, তাহলে তা আমাদের উষ্ণ কীভাবে রাখে! তুষারপাতের সময় মেরু অঞ্চলের তাপমাত্রা এতোই কমে যায় যে বেঁচে থাকার জন্য আশ্রয় খুজে পাওয়া জরুরি। কিন্তু আশ্রয় তৈরির জন্য কাঠ বা অন্য কোন সরঞ্জাম না থাকায় মাবিস্তারিত পড়ুন
আমরা ছোটবেলায় কার্টুনে ও সিনেমায় মানুষকে বরফের ঘর বা ইগলুতে থাকতে দেখেছি। কিন্তু বরফ তো এমনিতেই ঠাণ্ডা, তাহলে তা আমাদের উষ্ণ কীভাবে রাখে!
তুষারপাতের সময় মেরু অঞ্চলের তাপমাত্রা এতোই কমে যায় যে বেঁচে থাকার জন্য আশ্রয় খুজে পাওয়া জরুরি। কিন্তু আশ্রয় তৈরির জন্য কাঠ বা অন্য কোন সরঞ্জাম না থাকায় মানুষ তুষার দিয়েই এক ধরনের ঘর তৈরি করে যাকে বলা হয় ইগলু। মূলত আশেপাশের পরিবেশের তাপমাত্রা আমাদের দেহের তুলনায় অনেক কম থাকলে আমাদের দেহ থেকে উষ্ণতা পরিবেশে বেরিয়ে যায়। এর ফলে আমাদের দেহের তাপমাত্রা কমে যায় এবং আমরা ঠাণ্ডা অনুভব করি। তুষারের ভেতর বিভিন্ন ফাঁকে ফাঁকে অনেক বায়ুকণা আটকে থাকে।
বাতাস তাপ কুপরিবাহী, তাই তুষারের তৈরি ইগলু থেকে ভেতরের তাপ সহজে বাইরে বেরোতে পারে না। একটি ইগলু তার ভেতরে বসে থাকা মানুষের দেহ থেকে বিকিরণ হওয়া মোট তাপের প্রায় ৯৫% ধরে রাখতে পারে। ফলে ইগলুর ভেতরের পরিবেশ সহজে ঠাণ্ডা হতে পারে না। এভাবেই বরফের তৈরি একটি ঘর প্রতিকুল পরিবেশে তোমাকে প্রচন্ড ঠাণ্ডার প্রকোপ থেকে রক্ষা করতে পারে।
সংক্ষেপে দেখুন‘Thanks’ এবং ‘Thank you’-এর মধ্যে পার্থক্য কী?
ফর্মাল এবং ইনফরমাল বলে শুধু Thanks এবং Thank You কে সংজ্ঞায়িত করা উচিত নয়। কারণ ফর্মাল এবং ইনফরমাল মানুষের নৈতিকতার উপর নির্ভর করে। কখন আপনি Thanks বলবেন এবং কখন আপনি Thank You বলবেন তা আপনার কন্ডিশনের উপর নির্ভর করবে। আপনি কখন কোন কন্ডিশনে থাকবেন তা একমাত্র আপনি ভালো জানবেন, সেই হিসেবে এই শব্দ দুটিবিস্তারিত পড়ুন
ফর্মাল এবং ইনফরমাল বলে শুধু Thanks এবং Thank You কে সংজ্ঞায়িত করা উচিত নয়। কারণ ফর্মাল এবং ইনফরমাল মানুষের নৈতিকতার উপর নির্ভর করে। কখন আপনি Thanks বলবেন এবং কখন আপনি Thank You বলবেন তা আপনার কন্ডিশনের উপর নির্ভর করবে। আপনি কখন কোন কন্ডিশনে থাকবেন তা একমাত্র আপনি ভালো জানবেন, সেই হিসেবে এই শব্দ দুটি ব্যবহার করবেন।
Thanks এর ব্যবহার :
যখন আপনার কোনো কিছুর প্ৰয়োজন নেই, তারপরেও কোনো ব্যাক্তি আপনাকে আদর করে যত্নের সহিত কোনো জিনিস আপনকে অফার করছে। তখন সেই ব্যাক্তিকে সম্মানের খ্যাতির আপনি তাকে Thanks বলবেন।
একটি উদাহরণ আপনি আপনার বন্ধুর বাড়িতে গিয়েছেন, আপনার জল পিপাসা লাগে নাই। কিন্তু তার পরেও আপনাকে রেস্পেক্ট দেওয়ার জন্য আপনার বন্ধু আপনাকে এক গ্লাস জল অফার করলো। তখন কৃতজ্ঞতা রাখার জন্য আপনি তাকে Thanks বলবেন।
তো আপনি Thanks তখনি ব্যবহার করবেন যখন কোনো জিনিসের প্রয়োজন না থাকার সত্ত্বেও আপনি পেয়ে যাচ্ছেন।
Thank You এর ব্যবহার :
যখন আপনার কোনো জিনিসের প্রয়োজন হবে এবং কোনো এক ব্যাক্তির কাছ থেকে তা পেয়ে যাবেন তখন আপনি Thank You ব্যবহার করবেন।
আগের উদাহরনেই ফিরে আসেন, আপনি বাড়ির বাইরে আছেন, আপনার খুব জল পিপাসা পেয়েছে। আপনার এখন জলের প্রয়োজন, পাশেই আপনার বন্ধুর বাড়ি সেখানে গেলেন এবং বন্ধু আপনাকে জল অফার করলো। এই কন্ডিশনে আপনি তাকে Thank You বলবেন।
দুই অবস্থাতেই বন্ধুটি আপনাকে রেস্পেক্ট দেওয়ার জন্য জল অফার করেছে , কিন্তু Thanks এবং Thank You ব্যবহার করবেন আপনি কোন কন্ডিশনে আছেন তার উপর ভিত করে।
সংক্ষেপে দেখুন@ এর জনক কে? @ এর বাংলা কি?
রে টমলিনসন, ইউএস প্রোগ্রামার যিনি 1970 সালে ইমেল উদ্ভাবন এবং মেসেজিং সিস্টেমের জন্য "@" চিহ্ন বেছে নেওয়ার কৃতিত্ব পান
রে টমলিনসন, ইউএস প্রোগ্রামার যিনি 1970 সালে ইমেল উদ্ভাবন এবং মেসেজিং সিস্টেমের জন্য “@” চিহ্ন বেছে নেওয়ার কৃতিত্ব পান
সংক্ষেপে দেখুনবিচারক মৃত্যুদণ্ডের রায় লেখার পর কীভাবে কলমের নিব ভাঙ্গে এবং কেন ভেঙে ফেলেন? কিভাবে ভাংগেন?
মৃত্যুদণ্ড দেয়ার পরে বিচারকরা কলমের নিব ভেঙে ফেলেন কেনো? কারণটা হয়তো অনেকেরই জানা নেই। ব্রিটিশ শাসনামল থেকেই এই রেওয়াজ চলে আসছে। কলমের নিব ভাঙার একাধিক কারণ রয়েছে। প্রথমত, এটি একটি প্রতীকী বিষয়। ব্যাখ্যা হলো, যে কলম একজনের জীবন নিয়ে নিয়েছে, তা যেন আর কারো জীবন নিতে না পারে। দ্বিতীয় ব্যাখ্যাবিস্তারিত পড়ুন
মৃত্যুদণ্ড দেয়ার পরে বিচারকরা কলমের নিব ভেঙে ফেলেন কেনো? কারণটা হয়তো অনেকেরই জানা নেই। ব্রিটিশ শাসনামল থেকেই এই রেওয়াজ চলে আসছে। কলমের নিব ভাঙার একাধিক কারণ রয়েছে।
প্রথমত, এটি একটি প্রতীকী বিষয়। ব্যাখ্যা হলো, যে কলম একজনের জীবন নিয়ে নিয়েছে, তা যেন আর কারো জীবন নিতে না পারে।
দ্বিতীয় ব্যাখ্যাটি এর সঙ্গেই সম্পৃক্ত। বলা হয়ে থাকে, বিচারক বা বিচারপতি ওই মৃত্যুদণ্ড এবং তা থেকে প্রসূত অপরাধবোধ থেকে নিজেদের দূরে রাখতে চান। সে কারণেই নিবটি ভেঙে ফেলা হয়। একজন বিচারক বা বিচারপতি তার দেয়া মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে নিতে পারেন না।
তৃতীয় ব্যাখ্যা হিসেবে বলা হয়, বিচারক যাতে কোনোভাবেই মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে নেয়ার কথা ভাবতে না পারেন।
শেষ ব্যাখ্যা, সব মৃত্যুই দুঃখের। কিন্তু কখনো কখনো মৃত্যুদণ্ডের মতো চরম শাস্তির প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তাই কলমের নিব ভেঙে ফেলা হয় এটা বোঝাতে যে, মানুষের মৃত্যু সর্ব অবস্থাতেই একটি দুঃখজনক ব্যাপার।
সংক্ষেপে দেখুনডাইনোসর কি আদৌ পৃথিবীতে কখনো ছিলো?
“ডাইনোসর” নামটি মনে আসলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিশালদেহী ভয়ঙ্কর কিছু প্রাণী। সিনেমা বা প্রামাণ্য চিত্রের বাইরে দানবাকৃতির এই প্রাগৈতিহাসিক অধিবাসী বাস্তবে কেউ না দেখলেও এর প্রাপ্ত দেহাবশেষ থেকে প্রাণীটি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে আবিষ্কার করেছেন, ডাইনোসররা পৃথিবীতে প্রায় ১৬০বিস্তারিত পড়ুন
“ডাইনোসর” নামটি মনে আসলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিশালদেহী ভয়ঙ্কর কিছু প্রাণী। সিনেমা বা প্রামাণ্য চিত্রের বাইরে দানবাকৃতির এই প্রাগৈতিহাসিক অধিবাসী বাস্তবে কেউ না দেখলেও এর প্রাপ্ত দেহাবশেষ থেকে প্রাণীটি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে আবিষ্কার করেছেন, ডাইনোসররা পৃথিবীতে প্রায় ১৬০ মিলিয়ন বছর ধরে দাপিয়ে বেড়িয়েছে।
প্রায় ২৩০ মিলিয়ন বছর পূর্বে প্রথম ডাইনোসর আলোর মুখ দেখে বলে জানা যায়। এখন থেকে প্রায় ৬৫ মিলিয়ন বছর আগেই কোন এক প্রাকৃতিক বিপর্যয় ধ্বংস করে দিয়েছিল ডাইনোসরদের প্রভাব। বর্তমানে ধারণা করা হয়, থেরোপোড প্রজাতির ডাইনোসররাই আধুনিক পাখিদের পূর্বপুরুষ।
অতিকায় এই প্রাণী কিভাবে বিলুপ্ত হয়েছিল সেটি নিয়ে জল্পনা কল্পনার শেষ নেই। উনবিংশ শতকের শুরুর দিকে প্রথমবারের মত ডাইনোসরের জীবাশ্ম আবিষ্কৃত হয়। বিভিন্ন শিলা ও পর্বতের অভ্যন্তরে আটকে থাকা ডাইনোসরের অস্থি সমাবেশ এদের দৈহিক গঠন জানান দেয়। কেউ কেউ ডাইনোসরদের সরীসৃপ ভাবতেও পছন্দ করেন, যদিও সেগুলোর পক্ষে যুক্তি খুঁজে পাওয়া যায়না।
গবেষকরা বহুদিন যাবৎ তত্ব দিয়ে আসছেন যে, বড় ধরণের একটি গ্রহাণুর আঘাতে পৃথিবীতে ডাইনোসর অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটেছিল। কিন্তু এধরণের মারাত্নক বিপর্যয় হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে মতভেদ থাকায় সেসব তত্বের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ দেখা দেয়। অবশেষে মার্কিন এবং ইউরোপীয় বিজ্ঞানীদের সমন্বয়ে গঠিত একদল গবেষক সম্প্রতি প্রকাশিত একটি থিসিসে গ্রহাণু বিপর্যয়ের পক্ষে বেশ কিছু ধারণা প্রকাশ করেছেন।
বছরের পর বছর গবেষণার ফলে ভূতাত্বিক গ্লেন পেনফিল্ড মেক্সিকোর খিক্সিলওব শহরের কাছাকাছি স্থানে একটি বড় ধরণের আগ্নেয়গিরি জ্বালামুখের সন্ধান পান, যা ১১০ মাইলেরও বেশি বিস্তৃত। এটি কথিত মহাজাগতিক বিপর্যয়ের অনুকূলে স্বাক্ষী দেয়। তিনি বর্ণনা করেন, উক্ত আগ্নেয়গিরির বিষ্ফোরণ হিরোশিমা-নাগাসাকির বোমার তুলনায় এক বিলিয়ন গুণ শক্তিশালী।
একই বিষয়ের ওপর অতীতের বিশ্লেষণসমূহ দাবী করত খিক্সিউলব আগ্নেয়গিরিটি ডাইনোসরদের তিরোধানের প্রায় ৩০০,০০০ বছর আগেই শান্ত হয়ে গিয়েছিল, যা পুরো বিষয়টি আরও অস্পষ্ট করে দেয়। কিন্তু সম্প্রতি এর নিকটস্থ ধ্বংসাবশেষের নমুনা নিয়ে অত্যাধুনিক রেডিওমেট্রিক পদ্ধতিরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে এটাই বলতে চাইছেন যে, ডাইনোসর বিলুপ্তির পেছনে মূলত গ্রাহাণুর প্রচণ্ড আঘাত এবং তা থেকে সৃষ্ট দুর্যোগই দায়ী। সেই সাথে পৃথিবীর জলবায়ুগত প্রতিকূলতাকেও দায়ী করেছেন তারা।
সংক্ষেপে দেখুনরেইকি ( Reiki ) কি? এটি কেন করা হয়?
রেইকি (REIKI) একটি জাপানী শব্দবন্ধ। ‘রেই’ ও ‘কি’ এই দুটি শব্দের সহ যোগে জাপানি শব্দযুগল রেই-কি তৈরি। ইংরেজী হরফে REI-KI. REI-শব্দের ইংরেজী অর্থ হলো ইউনিভার্সাল বা কসমিক। বাংলায় মহাজাগতিক, আধ্যাত্মিক, সর্বোচ্চশক্তি। আর KI- শব্দের অর্থ ভাইটাল লাইফ ফোর্স এনার্জি বা সঞ্জীবনী প্রাণশক্তি বা জীবনী শক্তি।বিস্তারিত পড়ুন
মাঠে খেলোয়াড়রা হাত দিয়ে মুখ আড়াল করে কথা বলে কেন?
মাঠের মধ্যে খেলোয়াড়রা অবশ্যই খেলার কৌশলের বিষয়েই কথা বলবে। কথা না শুনেও দূর থেকে ঠোঠ ও মুখের ভঙ্গিমা দেখেই তাদের আলোচনা অনুমান করা সম্ভব( যা আমার আপনার পক্ষে সম্ভব না।শুধুমাত্র এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ গণই মুখের ভঙ্গিমা দেখে কি কথা হচ্ছে তা অনুমান করতে পারেন)। তাই মুখে হাত না দিয়ে সরাসরি খেলার কৌশল বিষয়েবিস্তারিত পড়ুন
মাঠের মধ্যে খেলোয়াড়রা অবশ্যই খেলার কৌশলের বিষয়েই কথা বলবে। কথা না শুনেও দূর থেকে ঠোঠ ও মুখের ভঙ্গিমা দেখেই তাদের আলোচনা অনুমান করা সম্ভব( যা আমার আপনার পক্ষে সম্ভব না।শুধুমাত্র এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ গণই মুখের ভঙ্গিমা দেখে কি কথা হচ্ছে তা অনুমান করতে পারেন)। তাই মুখে হাত না দিয়ে সরাসরি খেলার কৌশল বিষয়ে কথা বললে অপর দলের কোচ ও খেলোয়াড়রা তাদের কৌশল বুঝে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে পারেন । এজন্যই মাঠে খেলোয়াড়রা হাত দিয়ে মুখ আড়াল করে কথা বলে।
সংক্ষেপে দেখুন