সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

ashad khandaker

সবজান্তা
প্রশ্ন করুন ashad khandaker
526 বার প্রদর্শিত
2 ফলোয়ার
2,496 প্রশ্ন
হোমপেজ/ ashad khandaker/ফলোয়ারদের উত্তর
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পছন্দ তালিকা
  • ফলোকৃত প্রশ্ন
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  • ফলোকৃতদের প্রশ্ন
  • ফলোকৃতদের উত্তর
  • ফলোয়ারদের ব্লগ
  • ফলোকৃত/ফলোয়ারদের ব্লগ মন্তব্য
  1. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    হেলথ ইঞ্জিনিয়ার কি?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    জাপানের আবর্জনা ক্লিনারদের বলে হেলথ ইঞ্জিনিয়ার

    জাপানের আবর্জনা ক্লিনারদের বলে

    হেলথ ইঞ্জিনিয়ার

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  2. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    জাপান কয়টি দ্বীপ এর সমন্বয়ে গঠিত?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    প্রধান 4 টি আর 6,800 ছোট ছোট  দ্বীপের স্বমন্বয়ে গঠিত জাপান।

    প্রধান 4 টি আর 6,800 ছোট ছোট  দ্বীপের স্বমন্বয়ে গঠিত জাপান।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  3. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    আঠার বতলে আঠা লেগে যায় না কেন?

    নূরজাহান
    নূরজাহান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    সাদা আঠা পলিমার নামক বিভিন্ন রাসায়নিক থেকে তৈরি। এই পলিমারগুলি দীর্ঘ স্ট্র্যান্ড যা স্টিকি বা প্রসারিত হতে পারে। আঠা উত্পাদনকারীদের সেরা আঠা বের করতে স্টিকি এবং স্ট্রেচি পলিমারগুলির কেবলমাত্র সঠিক সংমিশ্রণটি খুঁজে পেতে হবে। সাদা আঠালোতে রয়েছে জল। জল দ্রাবক হিসাবে কাজ করে যা আঠাকে তরল রাখে যতক্ষণ নবিস্তারিত পড়ুন

    সাদা আঠা পলিমার নামক বিভিন্ন রাসায়নিক থেকে তৈরি। এই পলিমারগুলি দীর্ঘ স্ট্র্যান্ড যা স্টিকি বা প্রসারিত হতে পারে। আঠা উত্পাদনকারীদের সেরা আঠা বের করতে স্টিকি এবং স্ট্রেচি পলিমারগুলির কেবলমাত্র সঠিক সংমিশ্রণটি খুঁজে পেতে হবে।

    সাদা আঠালোতে রয়েছে জল। জল দ্রাবক হিসাবে কাজ করে যা আঠাকে তরল রাখে যতক্ষণ না আপনি এটি আটকে রাখতে চান।

    আপনি যখন কোন কাগজের টুকরোতে আঠা রাখবেন তখন দ্রাবক – জল – বায়ুতে প্রকাশিত হয়। জল অবশেষে বাষ্পীভবন হয় (তরল থেকে গ্যাসে পরিবর্তিত হয়)। জল বাষ্পীভূত হওয়ার সাথে সাথে আঠালো শুকিয়ে যায় এবং শক্ত হয়। যা বাকি থাকে তা হ’ল স্টিকি পলিমার যা জিনিসকে এক সাথে রাখে।

    তাহলে সাদা আঠালো বোতলটির অভ্যন্তরে আটকে থাকে না কেন? সাদা আঠা বোতলটির ভিতরে থাকলে, বোতলটির ভিতরে পর্যাপ্ত বাতাস থাকে না়। মূলত, বোতলটি বাতাস থেকে আঠাকে রক্ষা করে এবং আঠাকে সচল রাখে। আপনি যদি কিছুক্ষণের জন্য আঠা বোতলটির শীর্ষে ছেড়ে যান তবে আপনি লক্ষ্য কবেন যে, দুর্ভাগ্যক্রমে, আঠাটি শুকিয়ে গেছে!

    সুপার গ্লু সম্পর্কে কি? আপনি লক্ষ্য কবেন যে সুপার গ্লু সাদা আঠার চেয়ে আরও দ্রুত শুকিয়ে যায়।

    সুপার গ্লু সাদা আঠা থেকে আলাদাভাবে কাজ করে। সাদা আঠার পলিমারের পরিবর্তে, সুপার গ্লু Cyanoacrylate নামক রাসায়নিক দ্বারা তৈরি করা হয়। যখন এই বাতাসে জলীয় বাষ্পের সাথে প্রতিক্রিয়া ঘটে তখন এই রাসায়নিকগুলিকে একত্রে বন্ধন করে।

    বায়ু যতই শুষ্ক মনে হয় না কেন, বায়ুতে সবসময় কিছু জলীয় বাষ্প থাকে। তাই যেকোনো অবস্থাতেই গ্লু শুকিয়ে যায়। আঠাকে শুকিতে না দেয়ার জন্য তার ধারকটিকে শক্তভাবে সিল করে রাখতে হবে।

    সুতরাং আপনি সাদা আঠা বা সুপার গ্লু যার কথাই বলছেন না কেন, জলই মূল।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  4. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিনোদন

    কোন শহর যার মধ্যে রয়েছে দু’টো মহাদেশ ?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ইস্তানবুল এমন একটি শহর যার মধ্যে রয়েছে দু’টো দেশ। একই শহরের একটা অংশ ইউরোপ, অন্য দিকটা এশিয়া।

    ইস্তানবুল এমন একটি শহর যার মধ্যে রয়েছে দু’টো দেশ। একই শহরের একটা অংশ ইউরোপ, অন্য দিকটা এশিয়া।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  5. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কোন সাগর যার কোনও উপকূলই নেই?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    উত্তর অতলান্তিক মহাসাগরের মাঝে রয়েছে ছোট্ট এই সাগর। নাম তার সারগাসো সাগর। যার কোনও উপকূলই নেই। এর উত্তর দিকে রয়েছে উত্তর অতলান্তিক কারেন্ট, পূর্ব দিকে রয়েছে ক্যানারি কারেন্ট, দক্ষিণে উত্তর অতলান্তিক নিরক্ষীয় কারেন্ট এবং পশ্চিমে রয়েছে গাল্ফ স্ট্রিম।

    উত্তর অতলান্তিক মহাসাগরের মাঝে রয়েছে ছোট্ট এই সাগর। নাম তার সারগাসো সাগর। যার কোনও উপকূলই নেই। এর উত্তর দিকে রয়েছে উত্তর অতলান্তিক কারেন্ট, পূর্ব দিকে রয়েছে ক্যানারি কারেন্ট, দক্ষিণে উত্তর অতলান্তিক নিরক্ষীয় কারেন্ট এবং পশ্চিমে রয়েছে গাল্ফ স্ট্রিম।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  6. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিনোদন

    পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট দেশ?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    সবথেকে ছোট দেশ ভ্যাটিক্যান সিটি। মাত্র ০.৪৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রয়েছে এই পুঁচকে দেশ। যদিও পৃথিবীর বৃহত্তম গির্জাটি কিন্তু এই দেশেই অবস্থিত।

    সবথেকে ছোট দেশ ভ্যাটিক্যান সিটি। মাত্র ০.৪৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রয়েছে এই পুঁচকে দেশ। যদিও পৃথিবীর বৃহত্তম গির্জাটি কিন্তু এই দেশেই অবস্থিত।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  7. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিনোদন

    পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট দেশ?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    সবথেকে ছোট দেশ ভ্যাটিক্যান সিটি। মাত্র ০.৪৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রয়েছে এই পুঁচকে দেশ। যদিও পৃথিবীর বৃহত্তম গির্জাটি কিন্তু এই দেশেই অবস্থিত।

    সবথেকে ছোট দেশ ভ্যাটিক্যান সিটি। মাত্র ০.৪৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রয়েছে এই পুঁচকে দেশ। যদিও পৃথিবীর বৃহত্তম গির্জাটি কিন্তু এই দেশেই অবস্থিত।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  8. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট জায়গার নাম কি?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    সবচেয়ে ছোট জায়গার নামে  রয়েছে মাত্র একটি অক্ষর। সুইডেন আর নরওয়ের মাঝখানে  রয়েছে এই জায়গা। যার নাম A°। স্ক্যানডিনেভিয়ান ভাষায় এর অর্থ নদী।

    সবচেয়ে ছোট জায়গার নামে  রয়েছে মাত্র একটি অক্ষর। সুইডেন আর নরওয়ের মাঝখানে  রয়েছে এই জায়গা। যার নাম A°। স্ক্যানডিনেভিয়ান ভাষায় এর অর্থ নদী।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  9. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট জায়গার নাম কি?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    সবচেয়ে ছোট জায়গার নামে  রয়েছে মাত্র একটি অক্ষর। সুইডেন আর নরওয়ের মাঝখানে  রয়েছে এই জায়গা। যার নাম A°। স্ক্যানডিনেভিয়ান ভাষায় এর অর্থ নদী।

    সবচেয়ে ছোট জায়গার নামে  রয়েছে মাত্র একটি অক্ষর। সুইডেন আর নরওয়ের মাঝখানে  রয়েছে এই জায়গা। যার নাম A°। স্ক্যানডিনেভিয়ান ভাষায় এর অর্থ নদী।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  10. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পৃথিবীর বৃহত্তম জায়গার নাম কি ? কোথায় অবস্থিত?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

     Taumatawhakatangihangakoauauotamateaturipukaka pikimaungahoronukupokaiwhe nua kitanatahu— হ্যাঁ, এটাই পৃথিবীর বৃহত্তম জায়গার নাম। নিউজিল্যান্ডের এই জায়গার নাম উচ্চারণ করতে গেলে সাবধান। দাঁত ভেঙে গেলেও যেতে পারে। ৮৫টি অক্ষর রয়েছে এই জায়গার নামে।  

     Taumatawhakatangihangakoauauotamateaturipukaka pikimaungahoronukupokaiwhe nua kitanatahu— হ্যাঁ, এটাই পৃথিবীর বৃহত্তম জায়গার নাম। নিউজিল্যান্ডের এই জায়গার নাম উচ্চারণ করতে গেলে সাবধান। দাঁত ভেঙে গেলেও যেতে পারে। ৮৫টি অক্ষর রয়েছে এই জায়গার নামে।

     

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  11. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ফেব্রুয়ারি মাস কেন ২৮ দিনের হয়

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    আমরা সবাই জানি ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের, প্রতি ৪ বছর পর পর ২৯ দিনেরও হয়। কিন্তু আমাদের অনেকেরই প্রশ্ন, বছরের ৭ টি মাস ৩১ দিনের হওয়ার পরেও ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের কেন? আমরা বর্তমানে ৩৬৫ দিনের যে ক্যালেন্ডার ব্যবহার করি তার নাম গ্রেগরি ক্যালেন্ডার। এর বহু বছর আগে গ্রীক যুগে ব্যবহার করা হতো জুলিয়ানবিস্তারিত পড়ুন

    আমরা সবাই জানি ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের, প্রতি ৪ বছর পর পর ২৯ দিনেরও হয়। কিন্তু আমাদের অনেকেরই প্রশ্ন, বছরের ৭ টি মাস ৩১ দিনের হওয়ার পরেও ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের কেন?

    আমরা বর্তমানে ৩৬৫ দিনের যে ক্যালেন্ডার ব্যবহার করি তার নাম গ্রেগরি ক্যালেন্ডার। এর বহু বছর আগে গ্রীক যুগে ব্যবহার করা হতো জুলিয়ান ক্যালেন্ডার। জুলিয়ান ক্যালেন্ডারে মোট দিন ছিল ৩০৪ দিন, যাকে মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত হিসাব করা হতো। কিন্তু ৩০৪ দিনের ক্যালেন্ডারে ঋতুর হিসাব রাখা ছিল মুশকিল। তাই গ্রীক রাজা পম্পিলিয়াস ঋতুর হিসাব ঠিক রাখার জন্য আরও ৬১ দিন বাড়িয়ে ৩৬৫ দিনের বছর করেন, বছরের শুরুতে যোগ করা হয় জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি নামক ২টি নতুন মাস। জানুয়ারি মাসে ছিল ৩১ দিন, আর ফেব্রুয়ারিতে ৩০ দিন।

    কিন্তু এরপরই শুরু হয় বিড়ম্বনা। রোমের রাজা “জুলিয়াস” ক্যালেন্ডারে নিজেকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য “কুইন্টিলিস” নামক মাসের নাম পরিবর্তন করে রাখেন “জুলিয়াস”; যা পরবর্তীতে হয় “জুলাই”। এমনকি ফেব্রুয়ারি থেকে ১ দিন নিয়ে জুলাই মাসকে ৩১ দিনের করে দেন জুলিয়াস। একইভাবে জুলিয়ানের ভাইয়ের ছেলে “আগাস্টাস” সম্রাট হওয়ার পর নিজের নামকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য “আগস্ট” মাসের নামকরণ করেন এবং ফেব্রুয়ারি থেকে ১ দিন দিয়ে আগস্টকেও ৩১ দিনের করে দেন। এভাবেই জুলাই ও আগস্ট হয়ে যায় ৩১ দিনের আর ফেব্রুয়ারি হয়ে যায় ২৮ দিনের।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  12. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    মৌমাছিরা কীভাবে মধু তৈরি করে?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    মৌচাকে সকল মৌমাছিরা একটি কলোনি হিসেবে বাস করে। কিন্তু কলোনির সব মৌমাছির কাজ কিন্তু মধু তৈরি নয়। মূলত কর্মী মৌমাছিদের কাজ হলো ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করা। কিন্তু ফুল থেকে সংগ্রহ করা মধুতে প্রায় ৪০%-৮০% পানি থাকে, ফলে সেই ফুলের মধুকে সংরক্ষণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। মৌমাছিদের দেহে ফুলের মধু সংগ্রহ করার জন্যইবিস্তারিত পড়ুন

    মৌচাকে সকল মৌমাছিরা একটি কলোনি হিসেবে বাস করে। কিন্তু কলোনির সব মৌমাছির কাজ কিন্তু মধু তৈরি নয়। মূলত কর্মী মৌমাছিদের কাজ হলো ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করা। কিন্তু ফুল থেকে সংগ্রহ করা মধুতে প্রায় ৪০%-৮০% পানি থাকে, ফলে সেই ফুলের মধুকে সংরক্ষণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

    মৌমাছিদের দেহে ফুলের মধু সংগ্রহ করার জন্যই আলাদা একটি অঙ্গ থাকে যাকে বলা হয় “হানি স্টোমাক”। মৌমাছিরা ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করার পর তা সেই হানি স্টোমাকে জমা করে। মৌচাকে ফিরে আসার সময় হানি স্টোমাকের বিভিন্ন এনজাইমের প্রভাবে ফুলের মধুর ধীরে ধীরে ঘন হতে থাকে, অর্থাৎ পানির পরিমাণ কমতে থাকে। মৌচাকে ফিরে আসার পর উদ্গিরন-এর মাধ্যমে মধু এক মৌমাছি থেকে আরেক মৌমাছিতে স্থানান্তরিত হয় এবং প্রতিটি মৌমাছির হানি স্টোমাকের এনজাইমের প্রভাবে মধুর ঘনত্ব বাড়তেই থাকে। শেষপর্যায়ে মৌমাছিরা তাদের ডানা দিয়ে বাতাস করে মধুর ঘনত্ব একদম কমিয়ে আনে যেন তা অনেকদিন সংরক্ষণ করা যায়।

    মধু তৈরি হয়ে গেলে মৌমাছিরা তা অতি যত্ন সহকারে মৌচাকের বিশেষ কুঠুরিতে সংগ্রহ করে। একটি কর্মী মৌমাছি তার পুরো জীবনে এক চা চামচের ১২ ভাগের ১ ভাগ মধু উৎপাদন করতে পারে। ১ পাউন্ড মধু উৎপাদন করতে ১০০০০ মৌমাছিকে প্রায় ৭৫০০০ মাইল উড়তে হয় এবং প্রায় ৮০ লক্ষ ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করতে হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  13. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    একজন মানুষ বাঁহাতি কিংবা ডানহাতি কীভাবে হয়?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    মস্তিষ্কের ডান অংশ আমাদের দেহের বাম অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং মস্তিষ্কের বাম অংশ দেহের বাম অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে। সুতরাং, কারো মস্তিষ্কের ডান অংশ যদি বেশি কার্যকর হয়, তবে সেই ব্যক্তি বাঁহাতি হবে। আমাদের পৃথিবীর প্রতি ১০ জনে ১ জন মানুষ বাঁহাতি। কিন্তু, বাঁহাতি কিংবা ডানহাতি হওয়ার প্রকৃত কারণ বিজ্ঞানীবিস্তারিত পড়ুন

    মস্তিষ্কের ডান অংশ আমাদের দেহের বাম অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং মস্তিষ্কের বাম অংশ দেহের বাম অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে। সুতরাং, কারো মস্তিষ্কের ডান অংশ যদি বেশি কার্যকর হয়, তবে সেই ব্যক্তি বাঁহাতি হবে। আমাদের পৃথিবীর প্রতি ১০ জনে ১ জন মানুষ বাঁহাতি। কিন্তু, বাঁহাতি কিংবা ডানহাতি হওয়ার প্রকৃত কারণ বিজ্ঞানীরা এখনো আবিষ্কার করতে পারেনি। অনেকের ধারণা, বাঁহাতি হওয়ার মূল কারণ আসলে জেনেটিকাল। বাবা-মা দুজনই ডানহাতি হলে সন্তানের বাঁহাতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে মাত্র ৯%। বাবা-মায়ের যেকোন একজন বাঁহাতি হলে সন্তানের বাঁহাতি হওয়ার সম্ভাবনা ১৯% এবং বাবা ও মা দুজনই যদি বাঁহাতি হয় তাহলে সন্তানের বাঁহাতি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে দাঁড়ায় ২৬% এ।

    তবে বাঁহাতি হওয়া কিন্তু মোটেও খারাপ লক্ষণ না, এমনকি গবেষণায় দেখা গেছে ক্রিকেট ও বেসবলের মত খেলায় বাঁহাতিদের সফলতার হার ডানহাতিদের চেয়ে বেশি। মজার ব্যাপার হলো মানুষ ছাড়া অন্য সকল জন্তুতে বাঁহাতি ও ডানহাতি হওয়ার হার

    সমান, অর্থাৎ ৫০%।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  14. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    ইগলু/বরফের ঘর আমাদের কীভাবে উষ্ণ রাখে?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    আমরা ছোটবেলায় কার্টুনে ও সিনেমায় মানুষকে বরফের ঘর বা ইগলুতে থাকতে দেখেছি। কিন্তু বরফ তো এমনিতেই ঠাণ্ডা, তাহলে তা আমাদের উষ্ণ কীভাবে রাখে! তুষারপাতের সময় মেরু অঞ্চলের তাপমাত্রা এতোই কমে যায় যে বেঁচে থাকার জন্য আশ্রয় খুজে পাওয়া জরুরি। কিন্তু আশ্রয় তৈরির জন্য কাঠ বা অন্য কোন সরঞ্জাম না থাকায় মাবিস্তারিত পড়ুন

    আমরা ছোটবেলায় কার্টুনে ও সিনেমায় মানুষকে বরফের ঘর বা ইগলুতে থাকতে দেখেছি। কিন্তু বরফ তো এমনিতেই ঠাণ্ডা, তাহলে তা আমাদের উষ্ণ কীভাবে রাখে!

    তুষারপাতের সময় মেরু অঞ্চলের তাপমাত্রা এতোই কমে যায় যে বেঁচে থাকার জন্য আশ্রয় খুজে পাওয়া জরুরি। কিন্তু আশ্রয় তৈরির জন্য কাঠ বা অন্য কোন সরঞ্জাম না থাকায় মানুষ তুষার দিয়েই এক ধরনের ঘর তৈরি করে যাকে বলা হয় ইগলু। মূলত আশেপাশের পরিবেশের তাপমাত্রা আমাদের দেহের তুলনায় অনেক কম থাকলে আমাদের দেহ থেকে উষ্ণতা পরিবেশে বেরিয়ে যায়। এর ফলে আমাদের দেহের তাপমাত্রা কমে যায় এবং আমরা ঠাণ্ডা অনুভব করি। তুষারের ভেতর বিভিন্ন ফাঁকে ফাঁকে অনেক বায়ুকণা আটকে থাকে।

    বাতাস তাপ কুপরিবাহী, তাই তুষারের তৈরি ইগলু থেকে ভেতরের তাপ সহজে বাইরে বেরোতে পারে না। একটি ইগলু তার ভেতরে বসে থাকা মানুষের দেহ থেকে বিকিরণ হওয়া মোট তাপের প্রায় ৯৫% ধরে রাখতে পারে। ফলে ইগলুর ভেতরের পরিবেশ সহজে ঠাণ্ডা হতে পারে না। এভাবেই বরফের তৈরি একটি ঘর প্রতিকুল পরিবেশে তোমাকে প্রচন্ড ঠাণ্ডার প্রকোপ থেকে রক্ষা করতে পারে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  15. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    ‘Thanks’ এবং ‘Thank you’-এর মধ্যে পার্থক্য কী?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ফর্মাল এবং ইনফরমাল বলে শুধু Thanks এবং Thank You কে সংজ্ঞায়িত করা উচিত নয়। কারণ ফর্মাল এবং ইনফরমাল মানুষের নৈতিকতার উপর নির্ভর করে। কখন আপনি Thanks বলবেন এবং কখন আপনি Thank You বলবেন তা আপনার কন্ডিশনের উপর নির্ভর করবে। আপনি কখন কোন কন্ডিশনে থাকবেন তা একমাত্র আপনি ভালো জানবেন, সেই হিসেবে এই শব্দ দুটিবিস্তারিত পড়ুন

    ফর্মাল এবং ইনফরমাল বলে শুধু Thanks এবং Thank You কে সংজ্ঞায়িত করা উচিত নয়। কারণ ফর্মাল এবং ইনফরমাল মানুষের নৈতিকতার উপর নির্ভর করে। কখন আপনি Thanks বলবেন এবং কখন আপনি Thank You বলবেন তা আপনার কন্ডিশনের উপর নির্ভর করবে। আপনি কখন কোন কন্ডিশনে থাকবেন তা একমাত্র আপনি ভালো জানবেন, সেই হিসেবে এই শব্দ দুটি ব্যবহার করবেন।

    Thanks এর ব্যবহার :

    যখন আপনার কোনো কিছুর প্ৰয়োজন নেই, তারপরেও কোনো ব্যাক্তি আপনাকে আদর করে যত্নের সহিত কোনো জিনিস আপনকে অফার করছে। তখন সেই ব্যাক্তিকে সম্মানের খ্যাতির আপনি তাকে Thanks বলবেন।

    একটি উদাহরণ আপনি আপনার বন্ধুর বাড়িতে গিয়েছেন, আপনার জল পিপাসা লাগে নাই। কিন্তু তার পরেও আপনাকে রেস্পেক্ট দেওয়ার জন্য আপনার বন্ধু আপনাকে এক গ্লাস জল অফার করলো। তখন কৃতজ্ঞতা রাখার জন্য আপনি তাকে Thanks বলবেন।

    তো আপনি Thanks তখনি ব্যবহার করবেন যখন কোনো জিনিসের প্রয়োজন না থাকার সত্ত্বেও আপনি পেয়ে যাচ্ছেন।

    Thank You এর ব্যবহার :

    যখন আপনার কোনো জিনিসের প্রয়োজন হবে এবং কোনো এক ব্যাক্তির কাছ থেকে তা পেয়ে যাবেন তখন আপনি Thank You ব্যবহার করবেন।

    আগের উদাহরনেই ফিরে আসেন, আপনি বাড়ির বাইরে আছেন, আপনার খুব জল পিপাসা পেয়েছে। আপনার এখন জলের প্রয়োজন, পাশেই আপনার বন্ধুর বাড়ি সেখানে গেলেন এবং বন্ধু আপনাকে জল অফার করলো। এই কন্ডিশনে আপনি তাকে Thank You বলবেন।

    দুই অবস্থাতেই বন্ধুটি আপনাকে রেস্পেক্ট দেওয়ার জন্য জল অফার করেছে , কিন্তু Thanks এবং Thank You ব্যবহার করবেন আপনি কোন কন্ডিশনে আছেন তার উপর ভিত করে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  16. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    @ এর জনক কে? @ এর বাংলা কি?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    রে টমলিনসন, ইউএস প্রোগ্রামার যিনি  1970 সালে ইমেল উদ্ভাবন এবং মেসেজিং সিস্টেমের জন্য "@" চিহ্ন বেছে নেওয়ার কৃতিত্ব পান

    রে টমলিনসন, ইউএস প্রোগ্রামার যিনি  1970 সালে ইমেল উদ্ভাবন এবং মেসেজিং সিস্টেমের জন্য “@” চিহ্ন বেছে নেওয়ার কৃতিত্ব পান

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  17. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বিচারক মৃত্যুদণ্ডের রায় লেখার পর কীভাবে কলমের নিব ভাঙ্গে এবং কেন ভেঙে ফেলেন? কিভাবে ভাংগেন?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    মৃত্যুদণ্ড দেয়ার পরে বিচারকরা কলমের নিব ভেঙে ফেলেন কেনো? কারণটা হয়তো অনেকেরই জানা নেই। ব্রিটিশ শাসনামল থেকেই এই রেওয়াজ চলে আসছে। কলমের নিব ভাঙার একাধিক কারণ রয়েছে। প্রথমত, এটি একটি প্রতীকী বি‌ষয়। ব্যাখ্যা হলো, যে কলম একজনের জীবন নিয়ে নিয়েছে, তা যেন আর কারো জীবন নিতে না পারে। দ্বিতীয় ব্যাখ্যাবিস্তারিত পড়ুন

    মৃত্যুদণ্ড দেয়ার পরে বিচারকরা কলমের নিব ভেঙে ফেলেন কেনো? কারণটা হয়তো অনেকেরই জানা নেই। ব্রিটিশ শাসনামল থেকেই এই রেওয়াজ চলে আসছে। কলমের নিব ভাঙার একাধিক কারণ রয়েছে।

    প্রথমত, এটি একটি প্রতীকী বি‌ষয়। ব্যাখ্যা হলো, যে কলম একজনের জীবন নিয়ে নিয়েছে, তা যেন আর কারো জীবন নিতে না পারে।

    দ্বিতীয় ব্যাখ্যাটি এর সঙ্গেই সম্পৃক্ত। বলা হয়ে থাকে, বিচারক বা বিচারপতি ওই মৃত্যুদণ্ড এবং তা থেকে প্রসূত অপরাধবোধ থেকে নিজেদের দূরে রাখতে চান। সে কারণেই নিবটি ভেঙে ফেলা হয়। একজন বিচারক বা বিচারপতি তার দেয়া মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে নিতে পারেন না।

    তৃতীয় ব্যাখ্যা হিসেবে বলা হয়, বিচারক যাতে কোনোভাবেই মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে নেয়ার কথা ভাবতে না পারেন।

    শেষ ব্যাখ্যা, সব মৃত্যুই দুঃখের। কিন্তু কখনো কখনো মৃত্যুদণ্ডের মতো চরম শাস্তির প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তাই কলমের নিব ভেঙে ফেলা হয় এটা বোঝাতে যে, মানুষের মৃত্যু সর্ব অবস্থাতেই একটি দুঃখজনক ব্যাপার।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  18. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ডাইনোসর কি আদৌ পৃথিবীতে কখনো ছিলো?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    “ডাইনোসর” নামটি মনে আসলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিশালদেহী ভয়ঙ্কর কিছু প্রাণী। সিনেমা বা প্রামাণ্য চিত্রের বাইরে দানবাকৃতির এই প্রাগৈতিহাসিক অধিবাসী বাস্তবে কেউ না দেখলেও এর প্রাপ্ত দেহাবশেষ থেকে প্রাণীটি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে আবিষ্কার করেছেন, ডাইনোসররা পৃথিবীতে প্রায় ১৬০বিস্তারিত পড়ুন

    “ডাইনোসর” নামটি মনে আসলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিশালদেহী ভয়ঙ্কর কিছু প্রাণী। সিনেমা বা প্রামাণ্য চিত্রের বাইরে দানবাকৃতির এই প্রাগৈতিহাসিক অধিবাসী বাস্তবে কেউ না দেখলেও এর প্রাপ্ত দেহাবশেষ থেকে প্রাণীটি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে আবিষ্কার করেছেন, ডাইনোসররা পৃথিবীতে প্রায় ১৬০ মিলিয়ন বছর ধরে দাপিয়ে বেড়িয়েছে।

    প্রায় ২৩০ মিলিয়ন বছর পূর্বে প্রথম ডাইনোসর আলোর মুখ দেখে বলে জানা যায়। এখন থেকে প্রায় ৬৫ মিলিয়ন বছর আগেই কোন এক প্রাকৃতিক বিপর্যয় ধ্বংস করে দিয়েছিল ডাইনোসরদের প্রভাব। বর্তমানে ধারণা করা হয়, থেরোপোড প্রজাতির ডাইনোসররাই আধুনিক পাখিদের পূর্বপুরুষ।

    অতিকায় এই প্রাণী কিভাবে বিলুপ্ত হয়েছিল সেটি নিয়ে জল্পনা কল্পনার শেষ নেই। উনবিংশ শতকের শুরুর দিকে প্রথমবারের মত ডাইনোসরের জীবাশ্ম আবিষ্কৃত হয়। বিভিন্ন শিলা ও পর্বতের অভ্যন্তরে আটকে থাকা ডাইনোসরের অস্থি সমাবেশ এদের দৈহিক গঠন জানান দেয়। কেউ কেউ ডাইনোসরদের সরীসৃপ ভাবতেও পছন্দ করেন, যদিও সেগুলোর পক্ষে যুক্তি খুঁজে পাওয়া যায়না।

    গবেষকরা বহুদিন যাবৎ তত্ব দিয়ে আসছেন যে, বড় ধরণের একটি গ্রহাণুর আঘাতে পৃথিবীতে ডাইনোসর অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটেছিল। কিন্তু এধরণের মারাত্নক বিপর্যয় হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে মতভেদ থাকায় সেসব তত্বের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ দেখা দেয়। অবশেষে মার্কিন এবং ইউরোপীয় বিজ্ঞানীদের সমন্বয়ে গঠিত একদল গবেষক সম্প্রতি প্রকাশিত একটি থিসিসে গ্রহাণু বিপর্যয়ের পক্ষে বেশ কিছু ধারণা প্রকাশ করেছেন।

    বছরের পর বছর গবেষণার ফলে ভূতাত্বিক গ্লেন পেনফিল্ড মেক্সিকোর খিক্সিলওব শহরের কাছাকাছি স্থানে একটি বড় ধরণের আগ্নেয়গিরি জ্বালামুখের সন্ধান পান, যা ১১০ মাইলেরও বেশি বিস্তৃত। এটি কথিত মহাজাগতিক বিপর্যয়ের অনুকূলে স্বাক্ষী দেয়। তিনি বর্ণনা করেন, উক্ত আগ্নেয়গিরির বিষ্ফোরণ হিরোশিমা-নাগাসাকির বোমার তুলনায় এক বিলিয়ন গুণ শক্তিশালী।

    একই বিষয়ের ওপর অতীতের বিশ্লেষণসমূহ দাবী করত খিক্সিউলব আগ্নেয়গিরিটি ডাইনোসরদের তিরোধানের প্রায় ৩০০,০০০ বছর আগেই শান্ত হয়ে গিয়েছিল, যা পুরো বিষয়টি আরও অস্পষ্ট করে দেয়। কিন্তু সম্প্রতি এর নিকটস্থ ধ্বংসাবশেষের নমুনা নিয়ে অত্যাধুনিক রেডিওমেট্রিক পদ্ধতিরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে এটাই বলতে চাইছেন যে, ডাইনোসর বিলুপ্তির পেছনে মূলত গ্রাহাণুর প্রচণ্ড আঘাত এবং তা থেকে সৃষ্ট দুর্যোগই দায়ী। সেই সাথে পৃথিবীর জলবায়ুগত প্রতিকূলতাকেও দায়ী করেছেন তারা।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  19. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    রেইকি ( Reiki ) কি? এটি কেন করা হয়?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    রেইকি (REIKI) একটি জাপানী শব্দবন্ধ। ‘রেই’ ও ‘কি’ এই দুটি শব্দের সহ যোগে জাপানি শব্দযুগল রেই-কি তৈরি। ইংরেজী হরফে REI-KI. REI-শব্দের ইংরেজী অর্থ হলো ইউনিভার্সাল বা কসমিক। বাংলায় মহাজাগতিক, আধ্যাত্মিক, সর্বোচ্চশক্তি। আর KI- শব্দের অর্থ ভাইটাল লাইফ ফোর্স এনার্জি বা সঞ্জীবনী প্রাণশক্তি বা জীবনী শক্তি।বিস্তারিত পড়ুন

    রেইকি (REIKI) একটি জাপানী শব্দবন্ধ। ‘রেই’ ও ‘কি’ এই দুটি শব্দের সহ যোগে জাপানি শব্দযুগল রেই-কি তৈরি। ইংরেজী হরফে REI-KI. REI-শব্দের ইংরেজী অর্থ হলো ইউনিভার্সাল বা কসমিক। বাংলায় মহাজাগতিক, আধ্যাত্মিক, সর্বোচ্চশক্তি। আর KI- শব্দের অর্থ ভাইটাল লাইফ ফোর্স এনার্জি বা সঞ্জীবনী প্রাণশক্তি বা জীবনী শক্তি। সব মিলিয়ে মানে দাঁড়ায় কসমিক এনার্জি বা মহাজাগতিক প্রাণশক্তি বা আধ্যাত্মিক শক্তি। এক কথায় সর্বব্যাপী প্রাণশক্তি।
    কোন প্রকার ওষুধ, যন্ত্রপাতি, প্যাথলজিকাল টেষ্ট বা অপারেশান ছাড়াই রেইকি চিকিৎসা আপনাকে সুস্থ করে তোলে। হাজার বছর আগে আমাদের উপমহাদেশে ঋকবেদ ও অথর্ববেদে যাকে প্রাণশক্তি বলা হয়েছে। রেইকি হলো সর্বব্যাপি জীব প্রাণশক্তি যার উপর জীবজড় নির্বিশেষে জন্মা অধিকার বিদ্যমান। এই সর্বব্যাপি শক্তি বা এনার্জি প্রয়োগ করার পদ্ধতি ইহলো রেইকি চিকিৎসা। একে বলা যায় প্রথাবিরুদ্ধ প্রচীনতম চিকিৎসা পদ্ধতির একটি আধুনিকতম সমাধান। যা বহুকাল আগে এ উপমহাদেশে চালু ছিল।
    স্বয়ংসম্পূর্ন চিকিৎসা পদ্ধতি রেইকিকে মুসলিম দেশ সমূহে বলা হয় ‘নুর-এ-ইলাহী’ বা মহা প্রভূ আল্লাহর নূর/ জ্যোতিঃ/ আলো, কোথাও কোথাও বার্ক বা বর্ক। ভারতীয়রা একে মহাজাগতিক প্রাণশক্তি বা প্রাণ বলে থাকে। আমেরিকায় ইউনিভার্সাল লাইফফোর্স এনার্জি বাকসমিক এনার্জি, রাশিয়ায় বায়ো প্লাজমিক এনার্জি, চীনে তাইচি সংক্ষেপে চি। আর জাপানে রেইকি, আধুনিক বিজ্ঞানের শাখা কসমো লজির ভাষায় ঈশ্বরকণা বা হিগস-বোসান বলা হয়।
    উন্নত বিশ্বে রেইকি একটি স্বয়ং সম্পূর্ণ জাপানী বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতির নাম। যাকে এক কথায় বলাহয় স্পর্শচিকিৎসা (Touch healing) । কেবলমাত্র দু-হাতের তালুর স্পর্শেই সকল রোগ সেরে যায়- সাধারণ ঠান্ডা লাগা থেকে ক্যান্সার পর্যন্ত যে কোন রোগ। সেটা দৈহিক বা মানসিক, আত্মিক, সাধারণ বা জটিল যাই হোক না কেন। কোন রকম ওষুধ বা রক্তক্ষরণ ছাড়াই রেইকি চিকিৎসা আপনাকে সুস্থ করে তোলে। শুধুমাত্র হাতের ছোয়ায় সহজ থেকে দূরারোগ্য সকল ব্যাধির আরোগ্য সাধন করে- মানুষের, গাছ-পালার, পশু-পাখীর, জীব-জন্তুর কিম্বা জড়বস্তুর।
    অদৃশ্য অনন্ত যে প্রাণশক্তি সৃষ্টির মূলে কৃয়াশীল রয়েছে, তারই সংহত বিশেষ প্রয়োগ স্পর্শের মাধ্যমে বা দূর থেকে রোগ নিরাময়ের প্রয়োজনে বিচ্ছুরিত করা হয়, তাই হল রেইকি চিকিৎসা। প্রবল মানসিক শক্তি, আত্মিক বশ ও শরীর স্থানের জ্ঞান রেইকি চর্চাকারীদের বিশেষ অবস্থানে উন্নীত করে।
    শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি সব ধরনের মানসিক সমস্যা থেকে আরোগ্যের ক্ষেত্রেও রেইকি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আত্মবিশ্বাসহীনতা, দুশ্চিন্তা, ভয়, জড়তা বা সংকোচ ইত্যাদি সমস্যা থেকে আরোগ্যের ক্ষেত্রেও রেইকি সুন্দর কাজ করে। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রেও রেইকির ফলাফল চমকপ্রদ।
    কীভাবে করা হয় রেইকি চিকিৎসা:
    রেইকিতে দুই ধরনের পদ্ধতিতে চিকিৎসা করা হয়। রেইকি প্রথম ডিগ্রি কোর্স সম্পন্ন করার পর যে কেউ স্পর্শ করে অন্যকে নিরাময় করতে পারেন। রেইকি দ্বিতীয় ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর দূরবর্তী যেকোনো স্থানের রোগীর আরোগ্য লাভের জন্য হিলিং করা যায়। এক্ষেত্রে স্পর্শ করার প্রয়োজন হয় না।
    রেইকি প্রথম ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর একজন রেইকি চ্যানেল পরিচিত যে কারো শরীরের অসুস্থ স্থানে রেইকি দিতে পারেন। এতে করে অসুস্থ ব্যক্তি শারীরিক ও মানসিকভাবে আরাম অনুভব করেন। প্রথম ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর একজন রেইকি চ্যানেল নিজের ও অন্যের রোগ নিরাময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। নিজের পাশাপাশি পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের যেমন বাবা মা, ভাই বোন, স্ত্রী ও সন্তানের যেকোনো সমস্যার ক্ষেত্রে রেইকি ব্যবহার করে সাফল্য পেতে পারেন।
    রেইকি সেকেন্ড ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর দূরবর্তী যে কাউকে রেইকি দেওয়া যায়। নিয়মিত কয়েকদিন রেইকি দেওয়া হলে রোগী দূরবর্তী যেখানেই থাকুন না কেন তার শরীরে রেইকির শক্তিপ্রবাহের সঙ্গে সাড়া প্রদান করে। ধীরে ধীরে শারীরিকভাবে রোগযন্ত্রণা উপশম হয়।
    আমাদের এখানে ব্যাকপেইন, অ্যাজমা, আথ্রাইটিস, গ্যাংগ্রিনসহ বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ও মানসিক সমস্যা নিয়ে লোকজন আসেন। আমরা শিখিয়ে দিই কিভাবে নিজের ভেতর লুকিয়ে থাকা শক্তিপ্রবাহকে সক্রিয় করে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকা যায়। নিজে ভালো থাকার পাশাপাশি অন্যকে ভালো রাখা যায়।
    যে কেউ চাইলে রেইকি শিখতে পারেন ও চর্চা করতে পারেন। এজন্য বিশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন হয় না। দরকার একান্ত বিশ্বাস ও নিয়মিত অনুশীলন। এটি হচ্ছে এক ধরনের আধ্যাত্মিক চিকিৎসা পদ্ধতি।
    কোনো আকস্মিক দুর্ঘটনায় রেইকি হতে পারে ফার্স্ট এইড। সাধারণ অসুখের ক্ষেত্রে ৩ দিনের রেইকি চিকিৎসা যথেষ্ট। কঠিন রোগে চিকিৎসা করতে হয় ৪১ দিন।
    একজন রেইকি মাস্টার নিজের শরীরে কসমিক এনার্জি এবজর্ব করেন তার শরীরের বিভিন্ন এন্ডোক্রিন গ্রন্থির মাধ্যমে। এই এনার্জি হাতের মাধ্যমে বাহিত হয় অন্যের শরীরে বা বস্তুতে। রেইকি এনার্জি আপন গতিতে চলে। হয়ত শরীরের যে সমস্যার জন্য রেইকি করা হচ্ছে, তারচে’ বড় সমস্যা ঐ শরীরে আছে। তখন কসমিক এনার্জি বড় সমস্যার স্থানেই চলে যায়। বড় সমস্যার সমাধান শেষে অন্যান্য ছোট সমস্যার সমাধান করে। এ কারণে রেইকিকে বলা হয় স্বয়ংসম্পূর্ণ চিকিৎসা পদ্ধতি।
    রেইকি হলো স্লো বাট স্টেডি চিকিৎসা পদ্ধতি; এটি কোনো ম্যাজিক নয়, বরং সম্পূর্ণরূপে প্রাকৃতিক বিজ্ঞান। অন্যান্য চিকিৎসার পাশাপাশি রেইকি করলে রোগীর মানসিক ও শারীরিক কষ্ট দূর হয়। তাছাড়া এতে শরীর রেসপন্সও করে বেশি। অর্থাৎ রেইকি পরোক্ষভাবে চিকিৎসা পন্থার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এজন্যই বর্তমানে রেইকি মাস্টাররা হাসপাতালের আইসিইউতেও প্রবেশের অনুমতি পেয়ে থাকে। মানবদেহের এনার্জি চক্র থেকে এন্ডোক্রিন গ্ল্যান্ড পর্যন্ত যোগাযোগে যখন বিঘ্ন ঘটে, তখনই শরীরে সমস্যা দেখা দেয়। আর এই বিঘ্নতার কারণ আমাদের নেগেটিভ এটিচিউড, নেগেটিভ ফিলিংস এবং কনফিউশন এগুলোই বাধা তৈরি করে। এগুলো থেকেই খাওয়া-দাওয়া ও জীবনযাপনে নেগেটিভ এনার্জি চলে আসে, দেখা দেয় রোগ-শোক। সাধারণত রোগের লক্ষণ শরীরে থাকলেও এর মূল উৎস মনে। যেমন আর্থ্রাইটিসের কারণ মনের মধ্যে ভালোবাসা না পাওয়ার যন্ত্রণা, এজমার কারণ মনের মধ্যে বদ্ধতা ইত্যাদি। রেইকি মনের এই নেগেটিভ কারণগুলো দূর করে, ফলে রোগ সেরে যায়।
    রেইকির প্রধান সূত্র হল কুচিন্তা ত্যাগ করে নিরন্তর শুভচিন্তা নিয়ে জীবন যাপন। দীর্ঘদিনের নেগেটিভ চিন্তা আমাদের শরীরে এনার্জি গ্রহণের প্রবেশপথ বন্ধ করে দেয়। নেগেটিভ চিন্তার বদলে পজিটিভ এনার্জির প্রতিনিয়ত ব্যবহারই খুলে দিতে পারে শরীরে কসমিক এনার্জি গ্রহণের সবক’টি দ্বার। রেইকি পজিটিভ এনার্জি হওয়ায় মনের ওপর এর প্রভাব অপরিসীম। এতে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে যায়। সে সবকিছু পজিটিভ দৃষ্টিতে দেখতে থাকে।
    রেইকি চিকিৎসায় শেখানো হয়
    ১। আজকের জন্য আমি এই বিশ্বের কাছ থেকে যা পেয়েছি, তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকব;
    ২। আজকের জন্য আমি কোনো দুঃশ্চিন্তা করব না;
    ৩। আজকের জন্য আমি মোটেই রাগ করব না;
    ৪। আজকের জন্য আমি প্রতিটি কাজ সৎভাবে করব;
    ৫। আজকের জন্য আমি প্রতিটি প্রাণির প্রতি ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা প্রদর্শন করব।
    রেইকি চিকিৎসা নিতে শারীরিক কোনো প্রস্তুতির প্রয়োজন নেই। তবে মানসিক প্রস্তুতির প্রয়োজন আছে, কারণ এতে মাইন্ড কনসেনট্রেশন করতে হয়। রেইকি মাস্টারের মাধ্যমে সোলার এনার্জি গ্রহণের আস্থা বা বিশ্বাস ও এখানে জরুরি বিষয়।
    যেকোনো এডিকশন বা আসক্তি ছাড়াতে, বাচ্চাদের পড়াশোনায় মনোযোগী করতে, সম্পর্ক উন্নয়নে, ওজন কমাতে রেইকি চমৎকার ফল দেয়। রেইকি মন ও শরীরের মধ্যে সমন্বয় সাধন তথা ভারসাম্য রক্ষা করে। শরীর ও মনের ভারসাম্য থাকলে শরীরে অসুখ বাসা বাঁধতে পারে না। খাবারের ওপরও রেইকি করা যায়। এতে খাবারের পুষ্টিগুণ বাড়ে। রেইকির শক্তি খাবারের ক্ষতিকর উপাদান মুছে ফেলে। তাই রেইকি করলে খাবার হজম হয় ভালো।
    রেইকি চিকিৎসা গ্রহণের সময় এমন খাবার খাওয়া উচিত নয়, যা খেলে শরীরে টক্সিন জমে। যেমন চা, কফি, সিগারেট, এলকোহল প্রভৃতি। বরং কাঁচা বা সেদ্ধ সব্জি ও ফল খাওয়া উচিত। কারণ এগুলোর ‘র’ এনজাইম শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। তাছাড়া এ সময় প্রচুর জল পান করা উচিত।
    কি কি রোগের চিকিৎসা হয়:
    ‘রেইকি’ মহাজাগতিক প্রাণ শক্তি’র প্রয়োগের ফলে শরীরের বহুরকম ব্যাধির আরোগ্যলাভ সম্ভব হয়। যে কোনও রোগের উপর নূরে ইলাহি তখা রেইকি চিকিৎসা চালিয়ে রোগীকে আরোগ্যের পথে নিয়ে আসা যায়। রেইকি শক্তির প্রয়োগ দ্বারা যে কোন অবস্থায় যে কোনও সময়ে যে কোন পরিবেশে আশ্চর্য্যজনক ফললাভ করা সম্ভব হয়। যে কোনও ব্যথা এবং আকস্মিক দুর্ঘটনাতে রেইকি শক্তি অকল্পনীয়রূপে কার্য্যকরী হতে দেখা যায়।
    রেইকি মোটামুটি সমস্ত জ্ঞাত রোগাদির চিকিৎসায় সহায়ক বিধি হিসাবে খ্যাত এবং স্বীকৃত। যেমন সাধারণ জ্বর, সকল মাথাব্যাথা থেকে আরম্ভ করে লিভারের সমস্যা, কিডনীর সমস্যা, ব্লাডপ্রেসার, শ্বাস প্রশ্বাসের কষ্ট (হাঁপানী), টাইফয়েড, রিউমেটিক ও আর্থারাইটিস বেদনা, হার্টের রোগ, পেরালাইসিস, স্পন্ডিলাইটিস, কোমরের বেদনা ইত্যাদি। সন্ধি-শোথ, ধমনী কাঠিন্য, হৃদরোগ, রক্তচাপ, গোপন আঘাত, পিঠের ব্যথা, পেটের রোগ, গলার রোগ, পিত্ত পাথরি, অনিদ্রা, এলার্জি, ডায়াবেটিস বা মধুমেহ, ক্লান্তি, ব্রণ, হার্ট, স্নায়ু, লিভার, ফুসফুস, রক্তনালী, ইত্যাদির চিকিৎসায় রেইকি খুব ফলপ্রদ বিধি।
    সকল জটিল ও কঠিন রোগে তথা পলিও, অর্টিজম, মৃগীরোগ, আলজেইমার, পার্কিনসন, এইডস, বাক আরষ্টতা, তোথলামি, হাঁপানি, আগুনে পুড়ে যাওয়া, স্ট্রোক, সকল ধরনের বাত-ব্যথা, মাইগ্রেণ, টিউমার, সকল প্রকার ক্যান্সার, গ্যাংগ্রিন, একশিরা, হার্নিয়া, চোখের বিভিন্ন অসুখ, নাকডাকা, মুখের দুর্গন্ধ, শ্বেতি বা ধবল, একিউট ডিজিজ, ইনফেকশন ইত্যাদি রেইকিতে ভাল হয়। রেইকি শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে। প্রাথমিক অবস্থায় ক্যান্সার নিরাময়ে রেইকি কার্যকর। জটিল ও কঠিন অবস্থায়ও ঈশ্বরের আশীর্বাদে আরোগ্য সম্ভব, তবে রোগীর ক্যান্সার জনিত কষ্ট বা উপসর্গ অচিন্তনীয়ভাবে কমে যায়। মৃত্যুর মুখোমুখি অবস্থায় রোগীর মৃত্যু আরামের সাথে হয়ে থাকে।
    সারা শরীর, মন ও আত্মার সকল রোগ, পুরুষ ও নারীর ইনফার্টিলিটি বা বন্ধাত্ব, ডিম্বাশয়ের টিউমার, জ্বরায়ু ক্যান্সার, মাসিক ঋতুজনিত অসুস্থতা, শ্বেতস্রাব, নপুংসতা, সকল যৌন রোগ, সকল স্ত্রী রোগ, লোয়ারব্যাক পেইন, সিস্ট, ভার্টিগো, বিছনায় প্রস্রাব করা, নারী ও পুরুষদের সকল ব্যক্তিগত সমস্যা এবং গর্ভাবস্থায় রেইকি করা ভাল। গর্ভবতী মহিলারা রেইকি করলে গর্ভস্থ বাচ্চার স্বাস্থ্য ভাল হয়। প্রসব ব্যাথাহীন হয়, বাচ্চা জন্মগত ত্রুটি নিয়ে জন্মায় না।
    মস্তিস্কের নানা প্রকার ব্যাধি, উত্তেজনা, চাপ যাকে আমরা টেনশন, হাইপারটেনশন ইত্যাদি বলে থাকি। মানসিক উত্তেজনা থেকে অনিদ্রার সৃষ্টি হয়, এসব রোগী’র রেইকি শক্তি প্রয়োগ দ্বারা আরোগ্য লাভ হয়। আত্ম বিশ্বাসের অভাব, উদ্বেগ, রাগ, বদমেজাজ, সকল মানসিক উৎপীড়নকে আয়ত্বে আনা সম্ভব হয়। সকল মানসিক সমস্যা তথা বিষন্নতা, দুশ্চিন্তা, সকল ধরণের ভয়-ভীত, টেনশন, শুচিবায়ু, অনিদ্রা, সকল ধরনের নেশা মুক্তি, সকল ব্যথা, বাক আরষ্টতা, খিঁচুনি, হিস্টিরিয়িা, ম্যানিয়া, সন্দেহ প্রবনতা, সকল মানসকি রোগ, ক্ষুধামন্দা, বদরাগ, ইরিটেবিলিটি বা খিটখিটেপনা, ডিপ্রেসান বা অবসাদ, সকল মানসকি চাপ কমাত, স্নায়ু দুর্বলতা, স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য রেইকি কার্যকর।
    রেইকি শুধু রোগ-ব্যাধিই সারায় না, মানসিক শক্তি বৃদ্ধি ও মননিয়ন্ত্রণে অব্যর্থ। ছাত্রছাত্রীদের মেধা বিকাশে ও স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং পড়াশোনায় অমনযোগীতা দূর করে। মস্তিস্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি, ছাত্র-ছাত্রীদের অমনোযোগিতা দূর, ব্যক্তিত্বের বিকাশ ও আত্মউন্নয়নরে পথকে সুগম করে। ভূলে যাওয়া টেলিফোন নম্বর মনে করতে রেইকি করুন। রেইকি কেরিয়ার বিল্ডিং-এ সাহায্য করে। যে কোন রকম আসক্তি বা অ্যাডিকশন ছাড়াতে রেইকি সাহায্য করে।
    রেইকি মাস্টার বা রেইকি থেরাপিষ্টগণ রোগ ভেদে চিকিৎসার সময় নির্ধারণ করেন ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে থাকেন। রেইকি চিকিৎসায় রোগ নির্ণয়ের প্রয়োজন হয়না। তবে স্কেনিং এর মাধ্যামে রোগের অবস্থান ও তীব্রতা নির্ণয় করা যায় সহজেই। রেইকি যেমন মানব দেহের উপর আরোগ্যলাভের পথ সুগম করে এবং জীবনকে মধুময় আনন্দে ভরে তোলে। রেইকি প্রযোগে জীব-জন্তুকে সবল ও নীরোগ রাখা সম্ভব হয়। শষ্য ক্ষেত্রে, ফুলের বাগানে রেইকি প্রয়োগদ্বারা বাগান বাড়ী ফলে ফুলে ভরে উঠতে পারে। মোটকথা গাছপালা, গরু-ছাগল, কুকুর-বিড়াল, হাঁস-মুরগির উপরও রেইকি করে অত্যন্ত সুফল পাওয়া যায়।
    সবার ও সবকিছুর জন্য রেইকি:
    রেইকি সকলের জন্য। নিজে নিজেকে রেইকি করা যায়। সুস্থ অবস্থাতেই রেইকি করুন অসুস্থতা এড়াবার জন্য। আর অসুস্থ ব্যক্তিরা রেইকি করুন সুস্থ থাকার জন্যে। অ্যালোপ্যাথি, হোমিওপ্যাথি, আয়ুরবেদি, ইউনানিসহ সকল ওষুধের সঙ্গে রেইকি ব্যবহার করা যায়। রেইকি অন্য চিকিৎসা পদ্ধতির সঙ্গে চলতে পারে। এতে চলমান পদ্ধতির কোন ক্ষতি হয়না, বরং ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। রেইকি করলে কেউ হঠাৎ বিপদে পড়বেন না। রেইকি মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক উন্নত করতে সাহায্য করে। গাছপালা হাঁস-মুরগির উপরও রেইকি করে ভাল ফল পাওয়া যায়। মৃতের উদ্দেশ্যেও রেইকি প্রেরণ করা যায়। রেইকি বন্ধু বাড়ায়। রেইকি দ্বারা আমাদের ইমিউন সিষ্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তথা জীবনীশক্তি বেড়ে যায়। জীবনী শক্তি বৃদ্ধির মাধ্যমে কঠিন ব্যাধির আশঙ্কা থেকে নিজেকে মুক্ত করা সম্ভব।
    রেইকি চিকিৎসার ফলাফল:
    যখনই রোগীর শরীর রেইকি চিকিৎসায় সাড়া দেবে, রোগীর কষ্ট লাঘব হবে, কিন্তু কারনের সন্ধান রোজই করতে হবে, তাহলেই ফল পাওয়া যাবে ও আরোগ্য সাধনের পথ সহজ হবে। সমস্ত শরীরে এই চিকিৎসার সময় ‘রেইকি চ্যানেল’ অর্থাৎ যার মাধ্যমে রোগীর দেহে এই প্রাণ শক্তি যাচ্ছে তার সিজেন হাত দ্বারা রোগীর দেহের রোগের সন্ধান পুঙ্খানুপুঙ্খ রূপে অনুসন্ধান করে। তার হাত তখন ভীষণ ভাবেই স্পর্শকাতর হয়ে উঠে। রোগীর শরীরের সামান্য পুঞ্জিত রোগের কারণও সে টের পায়- সেটা দৈহিক বা মানসিক, সাধারণ বা জটিল যাই হোক না কেন, কোনরকম ওষুধ বা রক্তক্ষরণ ছাড়াই ‘রেইকি চিকিৎসা’ দেহকে সুস্ত করে তোলে।
    চারদিন থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে রোগীর দেহের অভ্যন্তরে পরিবর্তণ লক্ষিত হয়। প্রতিটি আভ্যন্তরীন গ্রন্থি বা অঙ্গ প্রত্যঙ্গ সঠিক ভাবে কার্য্য নির্বাহ শুরু করে, দেহ প্রাণশক্তিতে সক্রিয় হয়ে উঠে।
    প্রতিটি পরিপাক বা হজমকারী উৎসেচক বা পাচকরস, জারকরস সঠিক মাত্রায় প্রবাহিত হয়ে পাচনতন্ত্রকে স্বাভাবিক করে। পীড়িত স্নায়ুকে স্বাভাবিক করে। শরীরের অভ্যন্তরের সমস্ত অঙ্গ প্রত্যঙ্গ স্বাভাবিক ভাবে নিজ নিজ কার্য্য সম্পন্ন করে, বর্জ্য পদার্থ দেহের বাহিরে নিক্ষেপ করে। বহু বছরের পুঞ্জীভূত টক্সিন শরীর থেকে বের হয়ে আসে। এটা একরকম আঠালো ঘামের মতোই দেহের বাইরে নিক্ষিপ্ত হয়। মল গাঢ় রঙের দুর্ঘন্ধযুক্ত হয়। মূত্র বা প্রস্রাব গাঢ় চায়ের বর্ণ ধারণ করে। আবার কখনো মনে হয় ময়দা গোলা জল। এই অবস্থা চার থেকে ছয় দিন থাকে। আবার অনেক রোগীর ক্ষেত্রে মাত্র এক দিনের চিকিৎসাতেই সাড়া দিতে দেখা যায়।
    সাধারণ মাথাব্যাথা, মাইগ্রেন বা যে কোন ধরণের বাত-ব্যাথা, আর্থাইটিস, এলার্জি, আলসার, হৃদরোগ, পুড়ে যাওয়া, পিঠের ব্যাথা, পেটের রোগ, কিডনির রোগ, পিত্তের রোগ, লিভার সমস্যা, অনিদ্রা, ইত্যাদি সকল সাধারণ ও জটিল রোগের চিকিৎসা সম্ভব। পলিও আক্রান্ত, অংগ বিকৃত রোগীদের জটিল অবস্থায়ও রেইকিতে সুফল পাওয়া যায়। রেইকি রোগের উৎপত্তিস্থলে গিয়ে সম্পূর্ণ আরোগ্য করে।
    রেইকি কখন কাজ করেনা:
    1. ক্লায়েন্টের প্রত্যাশা খুব বেশি হলে অর্থাৎ যদি তিনি এটা আশা করেন যে রেইকি কোনো জাদু বা চমৎকার করে ত্‌ৎক্ষণাত রোগ নিরাময় করবে।
    2. ক্লায়েন্টের সন্দেহজনক মানসিকতা অর্থাৎ যদি তিনি অনুশীলনকারীর উপর নির্ভর না করেন, রেইকিকে বিশ্বাস না করেন এবং তাদের জীবন ও পরিস্থিতি সুষ্ঠু করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করতে না চান।
    3. পর্যাপ্ত ট্রিটমেন্ট না নেওয়া বা অনুশীলন না করা: অন্য সবকিছু মত অনুশীলন কোনো কিছুকে নিখুঁত করে তোলে এবং কার্যকারিতাকে বাড়িয়ে দেয়।
    4. রোগী যদি একটি নির্দিষ্ট ফলাফল চান তাহলে হতাশ হবেন। কারন রেইকিতে রোগীর সর্বাপেক্ষা ভালই হবে,যেটা হয়তো সেই সময় সবারই অজানা।
    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  20. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ খেলাধুলা

    মাঠে খেলোয়াড়রা হাত দিয়ে মুখ আড়াল করে কথা বলে কেন?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    মাঠের মধ্যে খেলোয়াড়রা অবশ্যই খেলার কৌশলের বিষয়েই কথা বলবে। কথা না শুনেও দূর থেকে ঠোঠ ও মুখের ভঙ্গিমা দেখেই তাদের আলোচনা অনুমান করা সম্ভব( যা আমার আপনার পক্ষে সম্ভব না।শুধুমাত্র এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ গণই মুখের ভঙ্গিমা দেখে কি কথা হচ্ছে তা অনুমান করতে পারেন)। তাই মুখে হাত না দিয়ে সরাসরি খেলার কৌশল বিষয়েবিস্তারিত পড়ুন

    মাঠের মধ্যে খেলোয়াড়রা অবশ্যই খেলার কৌশলের বিষয়েই কথা বলবে। কথা না শুনেও দূর থেকে ঠোঠ ও মুখের ভঙ্গিমা দেখেই তাদের আলোচনা অনুমান করা সম্ভব( যা আমার আপনার পক্ষে সম্ভব না।শুধুমাত্র এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ গণই মুখের ভঙ্গিমা দেখে কি কথা হচ্ছে তা অনুমান করতে পারেন)। তাই মুখে হাত না দিয়ে সরাসরি খেলার কৌশল বিষয়ে কথা বললে অপর দলের কোচ ও খেলোয়াড়রা তাদের কৌশল বুঝে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে পারেন । এজন্যই মাঠে খেলোয়াড়রা হাত দিয়ে মুখ আড়াল করে কথা বলে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
1 … 33 34 35 36 37 … 48

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • rakib
    rakib একটি উত্তর দিয়েছেন ২০২৬ সালে বাংলাদেশে বিয়ের গহনার দাম নির্ভর করে সোনার ক্যারেট,… মে 3, 2026, সময়ঃ 10:32 পূর্বাহ্ন
  • Jesmin
    Jesmin একটি উত্তর দিয়েছেন HSC ২০২৬ পরীক্ষা শুরু হতে মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। ২… এপ্রিল 27, 2026, সময়ঃ 2:01 অপরাহ্ন
  • Sinclair
    Sinclair একটি উত্তর দিয়েছেন When shopping for best sex dolls, most buyers tend to… এপ্রিল 17, 2026, সময়ঃ 3:10 পূর্বাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন হ্যাঁ, Bestchange.com থেকে নিশ্চিতভাবে আয় করা সম্ভব। এটি মূলত একটি… এপ্রিল 15, 2026, সময়ঃ 2:13 অপরাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন প্রশ্নোত্তর প্রদানের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করার বিষয়টি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 2:11 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 106 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 116 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,051 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 155 বার প্রদর্শিত
  • WordPress Themes & Plugins

    WordPress Themes & Plugins

    • 2 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 206 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

Iyasha

Iyasha

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
SA Samim

SA Samim

  • 13 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
এডিটর
sumi

sumi

  • 20 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
rakib

rakib

  • 26 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
pharmaqolabusa3

pharmaqolabusa3

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন