সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
পদ্মা সেতু যেহেতু বাংলাদেশের নিজেদের অর্থায়নে তৈরি তাহলে টোল দিতে হয় কেন?
পদ্মা সেতুর সর্বশেষ স্প্যান এর পর টোল সম্পর্কিত এটা একটা বার্নিং কোশ্চেন। পৃথিবীর বহুদেশেই টোল ব্রিজ বা টোল সড়ক আছে। উইকিতে একটা তালিকা পাবেন। একটা মজার ব্যাপার হচ্ছে চিন্তা-ভাবনায় উন্নত দেশের মানুষেরা বিভিন্য ফোরামে প্রশ্ন করে "টোল ব্রিজ কী?/টোল ট্যাক্স কী? আমি কিভাবে এটা পে করতে পারি?" অন্যদিকে আমবিস্তারিত পড়ুন
পদ্মা সেতুর সর্বশেষ স্প্যান এর পর টোল সম্পর্কিত এটা একটা বার্নিং কোশ্চেন। পৃথিবীর বহুদেশেই টোল ব্রিজ বা টোল সড়ক আছে। উইকিতে একটা তালিকা পাবেন। একটা মজার ব্যাপার হচ্ছে চিন্তা-ভাবনায় উন্নত দেশের মানুষেরা বিভিন্য ফোরামে প্রশ্ন করে “টোল ব্রিজ কী?/টোল ট্যাক্স কী? আমি কিভাবে এটা পে করতে পারি?”
অন্যদিকে আমাদের ভারত উপমহাদেশের দেশগুলোতে এটার উলটো প্রশ্ন করা হয়। কারণ এ অঞ্চলের মানুষেরা বিশ্বাস করে তারা যে পরিমান প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কর দিচ্ছে শুধু সেটা দিয়েই লাগামহীন অর্থ কেলেঙ্কারীর এ অঞ্চলগুলোতে উন্নয়ন কাজ সম্ভব।
প্রকৃতপক্ষে এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। কিভাবে ভুল তা নিয়ে কোন ব্যাখা বিশ্লেষণে যাবোনা, চেষ্টা করবো এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে।
তবে এটা জানার আগে বুঝতে হবে বিভিন্য সরকারী অবকাঠামোগত প্রকল্পগুলো কিভাবে কাজ করে। আমাদের দেশে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীপ সংক্ষেপে পিপিপি নামে একটা অথোরিটি আছে যারা প্রাইভেট ফাইন্যান্সিং নিয়ে পাবলিক ফাইনান্সিং এর সাথে সংযুক্ত করে কোন একটা প্রকল্প শুরু করে। যেমন বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক, ২য় পদ্মা সেতু এগুলো পিপিপি’র অন্তর্ভুক্ত।
একই রকম ভারতে যেটা হয় সেটা BOT (Build, Operate, Transfer) ম্যাকানিজম। এখানে কর্পোরেটগুলোর কাছে সরকার পুরো দায়িত্ব দিয়ে দেয়, এরপর তারা সেটা নির্মান করে সরকারকে হস্তান্তর করে সরকারের কাছ থেকে নির্মান ব্যায় তুলে নেয় এরপর নিজেরাই টোল আদায় করে পুরো অবকাঠামোর অপারেশন এবং মেইনটেনেন্স এর দায়িত্ব নিয়ে নেয়। অনেকটা আমাদের দেশের লোকাল সড়ক বা সেতুর কাজ ঠিকাদারদের দিয়ে দেয়ার মত।
তবে এদুটোর কোনটায় ট্যাক্স পেয়ারদের টাকায় নির্মান হয়না বিধায় এখানে টোল আদায়ের ব্যাপারটাকে সম্পূর্ণ যৌক্তিক চোখে সবাই দেখতে চাইলেও, পদ্মা সেতুর মত কোন অবকাঠামো নির্মানের ক্ষেত্রে ট্যাক্স পেয়ারদের টাকা নিলেও আবার কেন টোল দিতে হবে এই প্রশ্নের জাগরণ কে যৌক্তিক চোখে দেখলেও কেউ প্রশ্নটাকে অযৌক্তিক বলে মানতে চান না।
প্রথম সরকার কেন ট্যাক্স এর টাকা ব্যবহার করে? এ প্রশ্নের উত্তর খোঁজার আগে খুঁজতে হবে অর্থকড়ি ছাড়া যদি সরকার দেশ চালাতে না পারে তাহলে সেই অর্থের জোগান কোথা থেকে আসে? ঋণ নিয়ে? রাষ্ট্রায়ত্ত্ব বিভিন্য বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত মুনাফা দিয়ে? না কি রাজস্ব থেকে? আসলে এই সবগুলো খাত থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়েই সরকার দেশ পরিচালনা করে।
রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে রয়েছে অনেক, মাধ্যম দুইটা। একটা প্রত্যক্ষ কর অন্যটা পরোক্ষ কর। প্রত্যক্ষ কর হচ্ছে যেটা আপনি নির্দিষ্ট সম্পদ এর জন্য সরাসরি প্রদান করছেন এবং যার জন্য আয়কর বিভাগ আপনাকে একটা ছাড়পত্র দিচ্ছে। অন্যদিকে পরোক্ষ কর যেটা আপনি সরাসরি দিচ্ছেন না বরং আপনার হয়ে কোন প্রতিষ্ঠান কর দিচ্ছে এবং সমপরিমান মূল্য আপনার থেকে সেই প্রতিষ্ঠান কর্তন করে নিচ্ছে। যেমন আপনি যখন এক লিটার তৈল কিনছেন বাজার থেকে সেই তৈলের মূল্য বাবদ যা দিচ্ছেন সেটা যদি ২০০ টাকা হয় তাহলে আমরা বোঝানোর সুবিধার্তে ধরে নিতে পারি ১৯০ টাকা মূল্য দাম এবং বাকী ১০ টাকা কর বাবদ কেটে নিচ্ছেন। অর্থ্যাৎ আয়কর বিভাগ সেই তৈল বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি লিটারে ৫% করে শুল্ক নিচ্ছেন (যেটা প্রকৃতপক্ষে ভোক্তা প্রদান করবে) সেই ৫% শুল্ক ওই প্রতিষ্ঠান ভোক্তাদের কাছ থেকে আবার আদায় করে নিচ্ছেন। পুরো ব্যাপারটা হয়তো আরো সহজে ব্যাখা করা যেতে পারে বা আপনি ইতোমধ্যে আমার চেয়েও ভালোভাবে জানেন।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে এগুলোর সাথে টোলের সম্পর্ক কী? সম্পর্ক বেশ নিবিড়। এই টোল ও একধরণের ট্যাক্স যাকে টোল ট্যাক্স বলা হয়। একবার চিন্তা করে দেখেন একটা সেতু বা সড়কের রক্ষনাবেক্ষন বা পরিচালন ব্যায় আছে। সরকার আপনার কাছ থেকে ট্যাক্স নিয়েছে শুধু সেটার নির্মান ব্যায় হিসেবে, রক্ষনাবেক্ষন ব্যায় তো একটা চলমান প্রক্রিয়া। সেটার জন্য সরকার আপনার আমার কাছ থেকে কোন ট্যাক্স কিন্তু নিয়ে রাখেনি। কারণ এই ব্যায়টা ধ্রুবক নয়।
ইতোমধ্যে জেনে থাকবেন সরকার বলেছেন পদ্মা সেতু ৩৫ বছর পর লাভের মুখ দেখতে শুরু করবে। অর্থ্যাৎ সরকার রাজস্ব খাত থেকে অর্থ নিয়ে সেতু নির্মান করতে যে অর্থ ব্যায় করেছে সেটা তুলতে ৩৫ বছর লাগতে পারে। এরপর যা টোল আদায় হবে তা সরকারের লাভের খাতায় প্রবেশ করবে। অনেকটা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের মত। এখনও প্রশ্ন থেকেই যায় রাজস্ব থেকেই তো নির্মান হলো, সেক্ষেত্রে সরকার শুধু রক্ষনাবেক্ষন ব্যায় বাবদ এত টাকা টোল কেন নেবে বা ৩৫ বছর পর কি টোল আদায় বন্ধ হয়ে যাবে? কেন নেবে এটাই তো মূল বিষয়, সেখানে যাবো। তবে তার আগে আরো কিছু জেনে নেয়া যাক। আর ৩৫ বছর পর টোল আদায় বন্ধও হয়ে যাবেনা।
একবার চিন্তা করেন, দেশের মূল মালিক দেশের জনগণ। সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিলো পদ্মার উপর পাটুরিয়া-গোয়ালন্দ রুটে আরেকটা সেতু বানাবে। কিন্তু ১৬ কোটি মানুষের সবাইতো আর খাওয়া-পরা বাদ দিয়ে সেতু নির্মানে লেগে যাবেনা! একারণে সবাই সিদ্ধান্ত নিয়ে একটা সংঘের কাছে সেই দায়িত্ব দিয়ে দিলো। তারা হিসেব নিকেষ করে দেখলো এখানে সেতু বানাতে ৪০ হাজার কোটি টাকা লাগবে। দেশের সবাই মিলে চাঁদা তুলে ৩০ হাজার কোটি টাকা তাদের প্রদান করলেন এবং বাকিটা ম্যানেজ করে নেয়ার জন্য বললেন। ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যায় করে সেই সংঘ সেখানে সেতু নির্মান করে আমাদের প্রত্যেকের হাতে হস্তান্তর করলেন ১৬ কোটি দলিলে প্রত্যেকের স্বাক্ষর নিয়ে তাদের অংশীদারিত্ব বুঝিয়ে দিলেন।
এরপর এরা দেখতে পেলেন সেই সেতুর লাইট জ্বালানো, রঙ করা, ধোয়া-মোছার জন্য তাদের নিজেদের সেখানে যেতে হচ্ছে। একারণে তারা আবার আগের সেই সঙ্ঘকে দায়িত্ব দিলেন এই কাজগুলো করার। সেই সঙ্ঘ আদায়কৃত টোলের মাধ্যমে রক্ষনাবেক্ষন খরচ ওঠানো শুরু করলেন। এক পর্যায়ে দেখা গেলো রক্ষনাবেক্ষন খরচ বাবদ যে টাকা তারা আদায় করছেন তার কিছু অংশ অবশিষ্ট থেকে যাচ্ছে, এবার সেই অবশিষ্ট অংশ ১৬ কোটি মানুষের কাছে সমান ভাগ করে তাদের ব্যাংক এ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দিচ্ছে। এই টাকাই আবার পরবর্তী কোন উন্নয়ন কাজে ১৬ কোটি মানুষ খরচ করছে। এভাবে চললে জগাখিচুড়ি হয়ে যাবে না? এগুলো যেন না হয় সেজন্যই জনগণ তাদের নিজেদের মধ্য থেকেই কোন ব্যক্তি/গোষ্ঠীকে বেছে নেয় সমস্ত কাজগুলো ম্যানেজমেন্ট এ আনার জন্য।
একই পরিস্থিতিকে এবার ম্যানেজমেন্ট এর আওতায় আনা যাক। জনগণ থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেই গোষ্ঠী এবার সব সেতু আর সড়কের দেখভাল করার জন্য আলাদা আরেকটা শাখা খুললেন যার নাম দিলেন সড়ক ও সেতু বিভাগ। নতুন সড়ক/সেতু নির্মান, পুরাতন গুলোর দেখভাল করার দায়িত্ব এদের। এরা এসে দেখলো দেশে অনেক সড়ক আছে যেগুলোতে প্রতিবছর রক্ষনাবেক্ষন বাবদ অনেক টাকার প্রয়োজন হয়। তারা অর্থ বিভাগের কাছে তার জন্য টাকা চাইলো। অর্থ বিভাগ জানিয়ে দিলো জনগন তাদের যে টাকা দিয়েছে সেখান থেকে সব বিভাগের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব না, সেকারণে সড়ক ও সেতু বিভাগকেও চাহিদা মাফিক টাকা প্রদান সম্ভব নয়। সড়ক ও সেতু বিভাগ সেই অল্প টাকা নিয়ে মাঠে নেমে পরলেও ঘাটতি টাকাটার জোগান এর ব্যবস্থা করে নিলো বড় কোন সড়ক বা সেতু থেকে আদায়কৃত টোলের মাধ্যমে।
একই সাথে সেখান থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে আর কিছু টাকা অর্থ বিভাগ থেকে নিয়ে অন্য কোথাও একটা সড়ক নির্মান করলেন যার জন্য সরকার অতিরিক্ত কোন ট্যাক্স বা কর নিলেন না। অর্থ্যাৎ সড়ক/সেতু বিভাগের প্রধানতম আয়ের উৎস হচ্ছে এই টোল ট্যাক্স যার সাথে সামগ্রিক রাজস্ব খাতের কোন সম্পর্ক নেই আবার একে সম্পূরক খাতও বলা যায়না। অর্থ্যাৎ এই টোল ট্যাক্স কখনোই সরকারের রাজস্ব হিসেবে জমা থাকেনা (সহজ অর্থে রাজকোষাগারে) বরং সড়ক এবং সেতু বিভাগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্য কাজেই সেই অর্থের ব্যায় করে থাকে। মোটাদাগে টোলের থেকে আদায় করা অর্থ আবার আপনাকেই ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো খাতে। এবং সেসব কাজের জন্য সরকারের রাজস্ব খাত (বিশেষঃত ট্যাক্স পেয়ারদের) থেকে কোন অর্থ তারা নিচ্ছেন না।
টোল ব্রিজের তালিকাতে সম্ভবত কানাডা শীর্ষে। যার অধিকাংশই কানাডার নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত, তবুও তারা টোল নিচ্ছেন, সেখানকার জনগণ দিচ্ছেন। কারণ তারা জানেন সরকার এভাবেই তাদের কাছ থেকে পয়সা-কড়ি নিয়ে দেশ চালাবে। তাদের দৃঢ় বিশ্বাস মুদ্রা-বৃষ্টি হয়না, অতএব সড়ক বিভাগের চলতে হলে এই এক টোল ট্যাক্সই অন্ধের ষষ্ঠী। সড়ক বিভাগকে চলতে দিন, কেন টোল দেব প্রশ্ন না করে বরং প্রশ্ন করুন “ট্যাক্স এর টাকায় নির্মিত সড়কের রক্ষনাবেক্ষন কেন এত খারাপ? বৃষ্টি হলেই সড়কে খানা খন্দে ভড়ে যায় তার জন্য আপনাদের R&D আছে? টাকা তো আমাদের গাছে ধরেণা যে আমি ছিড়ে ছিড়ে আপনাকে দেব আর আপনি তার অপচয় করবেন?”
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশ থেকে নেটফ্লিক্স কত টাকা আয় করে?
হিসাবটা ২০১৮ সালের। সেসময় নেটফ্লিক্স বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর ২০০ কোটি টাকা আয় করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশে নেটফ্লিক্স ব্যবহারকারী ৩ লক্ষ পেরিয়ে গেছে। সাম্প্রতিক আয়ের তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে বাংলাদেশের অনলাইন স্ট্রিমিং অ্যাপ পিছিয়ে পড়ার কারণ হচ্ছে মানহীন কন্টেন্ট। কিছু ভালো কাজ থাকে। কিন্তু বেশিরভাগইবিস্তারিত পড়ুন
হিসাবটা ২০১৮ সালের। সেসময় নেটফ্লিক্স বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর ২০০ কোটি টাকা আয় করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশে নেটফ্লিক্স ব্যবহারকারী ৩ লক্ষ পেরিয়ে গেছে। সাম্প্রতিক আয়ের তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
তবে বাংলাদেশের অনলাইন স্ট্রিমিং অ্যাপ পিছিয়ে পড়ার কারণ হচ্ছে মানহীন কন্টেন্ট। কিছু ভালো কাজ থাকে। কিন্তু বেশিরভাগই উন্নত কন্টেন্ট নয়। বছরে একটা ভালো কাজ দেখা যায় এবং সেটাকে পুঁজি করে মার্কেটে টিকে থাকার চেষ্টা করা হয়।
অন্যদিকে নেটফ্লিক্স নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিটি সিরিজ বা মুভি একেকটা মাস্টারপিস হিসেবে তৈরি করে।
তাই তারা যে টাকা আয় করে তা যৌক্তিক। নেটফ্লিক্স ইউজারদের সেরা এক্সপেরিয়েন্স দেয় গুনগত মানের গল্প, ছবি ও শব্দের সমন্বয়ে।
সংক্ষেপে দেখুনআমি কিভাবে মোবাইল ফোনের আসক্তি থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারি? এতে আমার কি উপকার হবে?
ঘড়িতে সময় রাত ৯ টা। আমি আইআইটি মাদ্রাজের ইউনিভার্সিটি বাসে করে ল্যাব থেকে আমার হোস্টেলের দিকে যাচ্ছি। আমার কানে হেডফোনে বাজছে, "তুমি যে আছো তাই, আমি পথে হেটে যাই… হেটে হেটে বহু দূর বহু দূর যেতে চাই।" বাসটা হোস্টেলের দিকে যাবেনা, উলটো পথে যাবে। ড্রাইভার ইংরেজি বুঝে না, আর আমি তামিল পারিনা। তাই তাকে ইবিস্তারিত পড়ুন
ঘড়িতে সময় রাত ৯ টা। আমি আইআইটি মাদ্রাজের ইউনিভার্সিটি বাসে করে ল্যাব থেকে আমার হোস্টেলের দিকে যাচ্ছি। আমার কানে হেডফোনে বাজছে, “তুমি যে আছো তাই, আমি পথে হেটে যাই… হেটে হেটে বহু দূর বহু দূর যেতে চাই।” বাসটা হোস্টেলের দিকে যাবেনা, উলটো পথে যাবে। ড্রাইভার ইংরেজি বুঝে না, আর আমি তামিল পারিনা। তাই তাকে ইশারায় বুঝালাম হোস্টেলে যাবো। এরপর ড্রাইভার আমাকে গাজেন্দ্র সার্কেলে নামিয়ে দিলেন। এখান থেকে ৫-১০ মিনিট হাটলেই আমার হোস্টেল। বাস থেকে নেমে হাটা দিলাম। আকাশে চাঁদ উঠেছে। ঘন গাছপালা ভেদ করে চাঁদের আলো মনে একটা মাদকতা সৃষ্টি করে। একটা মৃদু বাতাসে আমার গা জুড়িয়ে যাচ্ছে। সত্যি এক অপরূপ পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। আমার হেডফোনে এখন বাজছে, “এ হাওয়া… আমায় নেবে কত দূরে?” হঠাৎ কেন যেন মনে হলো, আচ্ছা জীবনানন্দ দাশ এরকম পরিবেশ পেলে কি করতেন? তিনি নিশ্চয়ই এই প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতেন, আকাশের চাঁদ দেখতেন, বাতাসে দাঁড়িয়ে গা জুড়িয়ে নিতেন। অতঃপর তার আত্মা মিশে যেতো প্রকৃতির সাথে। আর আত্মা আর প্রকৃতির মিলনের তো সৃষ্টি হয় সাহিত্যের।
আচ্ছা জীবনানন্দ দাশ এ যুগে জন্মালে কি করতেন? তিনিও কি আমার মত কানে হেডফোন গুজে গান শুনতেন? তিনিও কি ফেইসবুকের স্ক্রিন স্ক্রল করে অবসর সময় পার করতেন? এভাবে করলে কি তিনি তার কালজয়ী কবিতাগুলো লিখতে পারতেন? উত্তরগুলো খোজার জন্য আমাকে অনেক ঘাটাঘাটি করতে হলো।
অনেক খোঁজাখুঁজির পর একটা সায়েন্টিফিক পেপার খুঁজে পেলাম, যেটার টাইটেল প্রোডাক্টিভিটির উপর একঘেয়েমির প্রভাব। যেটা পড়ে যা জানতে পারলাম তা অনেক আশ্চর্যজনক। একঘেয়েমি বা বোরডম আসলে আমাদের ক্রিয়েটিভিটি বাড়িয়ে দেয়। ধরুন আপনাকে কোনো জায়গায় ২ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে, আপনি স্বাভাবিকভাবেই ফোনটা পকেট থেকে বের করে টিপা শুরু করবেন। যখন আপনি ফোন টিপেন, আপনার ব্রেইনের বেশিরভাগ অংশ নিষ্ক্রিয় থাকে। কিন্তু মনে করেন আপনি ফোনটি সাথে নিতে ভুলে গেছেন। তখন আপনি এই দুই ঘণ্টা কি করে কাটাবেন? তখন আপনি এদিক সেদিক তাকাবেন, দেয়ালে কয়টি টাইলস আছে তা গুনবেন, পাশে দাঁড়ানো ছেলেটি কালো শার্টের সাথে হলুদ প্যান্ট কেন পরলো তা নিয়ে ভাববেন, রাস্তার ওপাশের ভবনটির কয় তলা আছে তা গুনে দেখবেন, দশ বছর আগে আপনার বন্ধুর সাথে তর্ক করার সময় যে কথাটা বললে তাকে তৎক্ষণাৎ হারানো যেতো তা হঠাৎ মাথায় উঁকি দিবে। অর্থাৎ, আপনি এখন আপনার ব্রেইনের বিভিন্ন অংশকে সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করছেন। এতে আপনার ব্রেইনে নতুন নতুন আইডিয়া আসার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। কিন্তু ফোন টিপলে এই আইডিয়াগুলো ব্রেইন থেকে আসায় ব্যাঘাত ঘটতো। সুতরাং জীবনানন্দ দাশ যদি সারাদিন ফোন আর ল্যাপটপ নিয়ে পড়ে থাকতো, তার আর কবি হওয়া লাগতো না।
অন্যদিকে নিউটন-আইনস্টাইনরাও যদি ফোনে আসক্ত থাকতো, তাহলে তাদের বৈজ্ঞানিক কাজে অনেক ব্যাঘাত ঘটতো, তাদের প্রোডাক্টিভিটি অনেক কমে যেতো। কারণ, বৈজ্ঞানিক কাজে অনেক ভাবতে হয়, অনেক কল্পনা করতে হয়। কিন্তু মোবাইল-ফোনের আসক্তি আমাদের কল্পনা শক্তিকে ধ্বংস করে।
সুতরাং, মোবাইল- ল্যাপটপ কে দূরে সরিয়ে রাখুন। বোর হওয়া ভালো। কারণ, আপনি যখন বোর হবেন, তখন আপনার মাথা থেকে অনেক নতুন আইডিয়া বেরিয়ে আসবে। ধরুন আপনি বাসে বসে আছেন, কিংবা অনেক বড় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন, কিংবা কোনো আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে গিয়ে করার মত কোনো কাজ পাচ্ছেন না। এই মুহূর্তে আপনার ইচ্ছা করবে মোবাইল টা বের করে ফেইসবুকের নিউজফিড টা স্ক্রল করতে। কিন্তু এখানে আপনি নিজেকে থামাবেন। আমি জানি বোর হওয়া অনেক বিরক্তিকর। কিন্তু আপনি যদি নিজেকে ক্রিয়েটিভ হিসেবে গড়ে তুলতে চান তাহলে বোর হতে শিখুন।
লেখাঃ সংগ্রহীত
সংক্ষেপে দেখুনদাঁত শিরশির এবং ব্যাথায় ভালো কোন ঔষধ অথবা ট্যাবলেট এর নাম বলতে পারেন কি?
দাঁত ব্যথার ঔষধ সাধারণ দাঁত ব্যথার ওষুধের গ্রুপ হলো Etoricoxib বি.দ্রঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত যেকোন ঔষধ আপনার ক্ষতির কারণ হতে পারে এছাড়া আপনি লবঙ্গ খেতে পারেন। পেয়ারা পাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে কুলি করতে পারেন। দাঁত ব্যথায় করণীয় ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ টেবিল চামুচ লবণ মিশিয়ে মুখে নিয়ে ১ মিনিট রাখুন।বিস্তারিত পড়ুন
দাঁত ব্যথার ঔষধ
সাধারণ দাঁত ব্যথার ওষুধের গ্রুপ হলো Etoricoxib
বি.দ্রঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত যেকোন ঔষধ আপনার ক্ষতির কারণ হতে পারে
এছাড়া আপনি লবঙ্গ খেতে পারেন। পেয়ারা পাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে কুলি করতে পারেন।
দাঁত ব্যথায় করণীয়
১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ টেবিল চামুচ লবণ মিশিয়ে মুখে নিয়ে ১ মিনিট রাখুন। এভাবে দিনে ৩ বার করে গুলি করুন ব্যথা কমে যায়।
এ ছাড়াও ১ টেবিল চামুচ লবণ অল্প সরিষার তেলের সঙ্গে অথবা লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মাড়িতে ম্যাসাজ করুন কয়েক মিনিট। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে কুলি করে নিন। এভাবে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হবে।
লবণে অ্যান্টিসেপ্টিক ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে। এটি মুখের ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ব্যাহত করে প্রদাহ কমায়।
দাঁতের ব্যথার জন্য যত শিগগিরই ডেন্টিস্টের কাছে যাওয়া যায় ততই মঙ্গল।
সূত্রঃ দৈনিক যুগান্তর
সংক্ষেপে দেখুনকোন জায়গায় গেলে মানসিক শান্তি পাওয়া যায় ?
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক মেখলা সরকার বলেন, ‘নিজেকে কতটুকু শান্তি দেব এটা পুরোটা নিজের ওপর নির্ভর করে। আমরা যদি প্রতিদিনের বা প্রতি মুহূর্তের ইতিবাচক দিকগুলো নিয়ে ভাবি, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। কেননা আমাদের জীবনের অনেক কিছুই আছে, যা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে; তাই যাবিস্তারিত পড়ুন
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক মেখলা সরকার বলেন, ‘নিজেকে কতটুকু শান্তি দেব এটা পুরোটা নিজের ওপর নির্ভর করে। আমরা যদি প্রতিদিনের বা প্রতি মুহূর্তের ইতিবাচক দিকগুলো নিয়ে ভাবি, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। কেননা আমাদের জীবনের অনেক কিছুই আছে, যা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে; তাই যা আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারব না, তা নিয়ে আফসোস করা উচিত নয়। আমাদের উচিত সেসব বিষয় এড়িয়ে চলা, যা নিজেদের জীবনে আমরা গ্রহণ করব না। যেমন কাউকে নিয়ে সমালোচনা করা।’
সহজ কিছু উপায়ে আমরা আমাদের মানসিক শান্তি ধরে রাখতে পারি …
এবং সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস রাখলে মানুষের সকল খারাপ চিন্তা মন থেকে দূর হয়ে যায়। সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করুন।
সংক্ষেপে দেখুনমহাকাশে মারা যাওয়া প্রথম ব্যক্তি কে?
মহাকাশে প্রথম যে মানুষগুলো মারা গেছেন তারা হলেন সোভিয়েত মহাকাশচারী, জর্জি ডোব্রোভলস্কি (বাম), ভ্লাদিস্লাভ ভলকভ (ডানে) এবং ভিক্টর পাটসায়েভ (পিছনে)। 1971 সালে সয়ুজ 11 মিশনের শেষের দিকে পুনঃপ্রবেশকারী কেবিনের চাপ সমতাকরণ ভালভ অকালে খুলে গেলে তারা মারা যান। তারা প্রায় দশ মিনিটের জন্য ভ্যাকুয়ামের মধবিস্তারিত পড়ুন
মহাকাশে প্রথম যে মানুষগুলো মারা গেছেন তারা হলেন সোভিয়েত মহাকাশচারী, জর্জি ডোব্রোভলস্কি (বাম), ভ্লাদিস্লাভ ভলকভ (ডানে) এবং ভিক্টর পাটসায়েভ (পিছনে)। 1971 সালে সয়ুজ 11 মিশনের শেষের দিকে পুনঃপ্রবেশকারী কেবিনের চাপ সমতাকরণ ভালভ অকালে খুলে গেলে তারা মারা যান। তারা প্রায় দশ মিনিটের জন্য ভ্যাকুয়ামের মধ্যে থাকেন এবং একসাথেই মারা যান যদিও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা তাদের মৃতদেহ পৃথিবীতে নিয়ে আসে।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনহাই প্রেসার এর লক্ষণ এবং হাই প্রেসার কমানোর উপায় কি?
উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার বা হাইপারটেনশন একটি অতি পরিচিত রোগ। সময়মত রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা না করা হলে, উচ্চ রক্তচাপ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মত মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণসমূহ সাধারণত হাই প্রেসার এর বিশেষ কোনো লক্ষণ থাকে না। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আছে কি নাবিস্তারিত পড়ুন
উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার বা হাইপারটেনশন একটি অতি পরিচিত রোগ। সময়মত রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা না করা হলে, উচ্চ রক্তচাপ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মত মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণসমূহ
সাধারণত হাই প্রেসার এর বিশেষ কোনো লক্ষণ থাকে না। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আছে কি না তা বোঝার উপায় হলো নিয়মিত রক্তচাপ মাপা। রক্তচাপ মাপার ক্ষেত্রে রক্ত মাপার যন্ত্র দ্বারা দুইটি সংখ্যা রেকর্ড করা হয়—
রক্তচাপকে মিলিমিটার (পারদ) বা mmHg এককে মাপা হয়। ধরে নেওয়া যাক আপনার রক্তচাপ ১২০/৮০ মিলিমিটার (পারদ)। তাহলে সিস্টোলিক চাপ হবে ১২০ এবং ডায়াস্টোলিক চাপ হবে ৮০।
মানুষের রক্তচাপ একে অপরের থেকে কিছুটা ভিন্ন হয়ে থাকে। একজনের জন্য যেই রক্তচাপ বেশি বা কম, তা অন্যজনের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক হতে পারে। রক্তচাপ যদি ৯০/৬০ থেকে ১২০/৮০—এই সীমার মধ্যে থাকে তাহলে তা স্বাভাবিক রক্তচাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
সাধারণত উচ্চ রক্তচাপ বলা হয় যদি—
রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার কারণ
উচ্চ রক্তচাপের নির্দিষ্ট কারণটি সবসময় চিহ্নিত করা যায় না। তবে বিভিন্ন কারণে এই সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিগুলোর মধ্যে রয়েছে—
রক্তচাপ ১২০/৮০ থেকে ১৪০/৯০— এর মাঝে থাকলে ভবিষ্যতে উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সময়মতো যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তা না হলে এই ঝুঁকি রয়ে যায়, এমনকি তা দিন দিন বাড়তে থাকে।
রক্তচাপ স্বাভাবিকের তুলনায় অত্যধিক বেড়ে গেলে তা রোগীর রক্তনালী, হৃৎপিণ্ড, মস্তিষ্ক, কিডনি ও চোখের মত অঙ্গে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। রক্তচাপ একটানা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে মারাত্মক ও প্রাণঘাতী কিছু রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। যেমন—
রক্তচাপ যৎসামান্য কমানোর মাধ্যমেও এসব ঝুঁকি কমিয়ে আনা সম্ভব।
প্রেসার মাপার নিয়ম
সাধারণত চল্লিশোর্ধ সুস্থ ব্যক্তিদের প্রতি ৫ বছরে অন্তত এক বার রক্তচাপ মেপে দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে যাদের উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে তাদের ক্ষেত্রে বছরে অন্তত একবার রক্তচাপ মেপে দেখা উচিত। রক্তচাপ পর্যবেক্ষণে রাখার মাধ্যমে সহজেই বিভিন্ন মারাত্মক স্বাস্থ্য জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।
রক্তচাপ মেপে দেখার প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ। বাসায় কিভাবে রক্তচাপ মাপবেন এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন কি না কীভাবে বুঝবেন আর্টিকেলটি পড়ুন। নিচের ভিডিও থেকে সঠিকভাবে রক্তচাপ মাপার পদ্ধতি জেনে নিতে পারেন।
উচ্চ রক্তচাপ
লিখেছেন ডা. বিদিশা কুন্ডু প্রমা
উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার বা হাইপারটেনশন একটি অতি পরিচিত রোগ। সময়মত রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা না করা হলে, উচ্চ রক্তচাপ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মত মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
অনেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি উচ্চ রক্তচাপে ভুগলেও তারা সেই সম্পর্কে অবগত থাকেন না। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত প্রায় অর্ধেক রোগীই জানেন না যে তারা এ রোগে ভুগছেন।
উচ্চ রক্তচাপ থাকা সত্ত্বেও, একজন ব্যক্তি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিয়ে ঝুঁকিমুক্ত স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে। এ ছাড়াও সুস্থ ব্যক্তির ক্ষেত্রে জীবনধারায় কিছু পরিবর্তন আনার মাধ্যমে সহজেই উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমানো যায়।
উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণসমূহ
সাধারণত হাই প্রেসার এর বিশেষ কোনো লক্ষণ থাকে না। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আছে কি না তা বোঝার উপায় হলো নিয়মিত রক্তচাপ মাপা। রক্তচাপ মাপার ক্ষেত্রে রক্ত মাপার যন্ত্র দ্বারা দুইটি সংখ্যা রেকর্ড করা হয়—
রক্তচাপকে মিলিমিটার (পারদ) বা mmHg এককে মাপা হয়। ধরে নেওয়া যাক আপনার রক্তচাপ ১২০/৮০ মিলিমিটার (পারদ)। তাহলে সিস্টোলিক চাপ হবে ১২০ এবং ডায়াস্টোলিক চাপ হবে ৮০।
মানুষের রক্তচাপ একে অপরের থেকে কিছুটা ভিন্ন হয়ে থাকে। একজনের জন্য যেই রক্তচাপ বেশি বা কম, তা অন্যজনের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক হতে পারে। রক্তচাপ যদি ৯০/৬০ থেকে ১২০/৮০—এই সীমার মধ্যে থাকে তাহলে তা স্বাভাবিক রক্তচাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
সাধারণত উচ্চ রক্তচাপ বলা হয় যদি—
রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার কারণ
উচ্চ রক্তচাপের নির্দিষ্ট কারণটি সবসময় চিহ্নিত করা যায় না। তবে বিভিন্ন কারণে এই সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিগুলোর মধ্যে রয়েছে—
উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি
রক্তচাপ ১২০/৮০ থেকে ১৪০/৯০— এর মাঝে থাকলে ভবিষ্যতে উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সময়মতো যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তা না হলে এই ঝুঁকি রয়ে যায়, এমনকি তা দিন দিন বাড়তে থাকে।
রক্তচাপ স্বাভাবিকের তুলনায় অত্যধিক বেড়ে গেলে তা রোগীর রক্তনালী, হৃৎপিণ্ড, মস্তিষ্ক, কিডনি ও চোখের মত অঙ্গে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। রক্তচাপ একটানা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে মারাত্মক ও প্রাণঘাতী কিছু রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। যেমন—
রক্তচাপ যৎসামান্য কমানোর মাধ্যমেও এসব ঝুঁকি কমিয়ে আনা সম্ভব।
প্রেসার মাপার নিয়ম
সাধারণত চল্লিশোর্ধ সুস্থ ব্যক্তিদের প্রতি ৫ বছরে অন্তত এক বার রক্তচাপ মেপে দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে যাদের উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে তাদের ক্ষেত্রে বছরে অন্তত একবার রক্তচাপ মেপে দেখা উচিত। রক্তচাপ পর্যবেক্ষণে রাখার মাধ্যমে সহজেই বিভিন্ন মারাত্মক স্বাস্থ্য জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।
রক্তচাপ মেপে দেখার প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ। বাসায় কিভাবে রক্তচাপ মাপবেন এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন কি না কীভাবে বুঝবেন আর্টিকেলটি পড়ুন। নিচের ভিডিও থেকে সঠিকভাবে রক্তচাপ মাপার পদ্ধতি জেনে নিতে পারেন।
হাই প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপ কমানোর উপায়
নিয়মিত উচ্চ রক্তচাপ দেখা দিলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সময়মতো যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তা না হলে এই ঝুঁকি রয়ে যায়, এমনকি তা দিন দিন বাড়তে থাকে।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডাক্তাররা দুটি পথ অবলম্বনের পরামর্শ দেন। প্রথমে জীবনধারায় স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন আনার উপদেশ দেওয়া হয়। এভাবে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না আসলে সুস্থ জীবনধারা মেনে চলার পাশাপাশি ঔষধ সেবনের পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে রোগ নির্ণয়ের সময়ে যদি প্রেসার অনেক বেশি থাকে তাহলে শুরুতেই জীবনধারা পরিবর্তনের পাশাপাশি ঔষধ সেবনের পরামর্শ দেওয়া হয়।
জীবনধারায় স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন আনলে তা উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। এছাড়া ইতোমধ্যে উচ্চ রক্তচাপ হয়ে থাকলে সেটিও নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে।
বিভিন্ন রোগীর রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি কার্যকর হতে পারে। আপনার জন্য কোন পদ্ধতিটি সবচেয়ে উপযুক্ত তা জানতে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
উচ্চ রক্তচাপ কমাতে জীবনধারার পরিবর্তন
জীবনধারার কিছু স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ করতে এবং বেড়ে যাওয়া রক্তচাপ কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। এমন কিছু পরিবর্তন হলো—
উচ্চ রক্তচাপের ঔষধ
উচ্চ রক্তচাপ সনাক্ত হলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডাক্তার রোগীকে এক বা একাধিক ঔষধ সেবনের পরামর্শ দিতে পারেন। সঠিক ঔষধ বেছে নিতে রোগীর রক্তচাপ, বয়স, বর্ণ ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকির বিষয়গুলো বিবেচনা করা হয়।
ঔষধগুলো সাধারণত ট্যাবলেট আকারে পাওয়া যায় এবং দিনে একবার সেবন করতে পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে প্রয়োজনবোধে দিনে দুইবার করে সেবনের পরামর্শও দেওয়া হতে পারে।
রক্তচাপ অত্যধিক বেড়ে গেলে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে অনেক রোগীকে একাধিক ঔষধ সমন্বয় করে সেবন করতে হতে পারে।
যে কাজটি কখনই করবেন না
শারীরিকভাবে সুস্থ বোধ করলে অনেকে ঔষধ খাওয়া ছেড়ে দেন, বা নিজে নিজে ডোজ কমিয়ে ফেলেন। এই কাজটি একেবারেই অনুচিত। এর ফলে প্রেসার বেড়ে গিয়ে স্ট্রোক, কিডনির রোগ, অন্ধত্বসহ বিভিন্ন জটিল ও জীবনঘাতী স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে।তাই নিয়মিত সঠিক ডোজে ঔষধ সেবন করা উচিত। ঔষধ সেবনের পাশাপাশি জীবনধারায় সুষম ও পরিমিত খাবার, ব্যায়ামের অভ্যাস, ধূমপান ত্যাগ—এসব স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন আনলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেকটাই সহজ হয়ে আসবে।
উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধগুলোর মধ্যে সর্বাধিক পরিচিত কিছু ঔষধ হলো—
বি.দ্রঃ যেকোন ঔষধ সেবনের পূর্বে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন। ঔষধের নাম এবং মাত্রা চিকিৎসক বুঝবেন। নিজে নিজেই কোন ঔষধ গ্রহণ মৃত্যু ডেকে আনতে পারে।
তথ্যসূত্রঃ ইন্টার্নেট
ডাইনোসর কি আদৌ পৃথিবীতে কখনো ছিলো?
বেশি না, শুধু নিচের ছবিটি ডাইনোসর দের পৃথিবীতে অস্তিত্বের প্রমাণ হতে পারে। যদিও পৃথিবীতে শত শত ফসিল পাওয়া গেছে ডাইনোসরদের। কিন্তু এরকম একটিও নেই। ২০১৭ সালে কানাডার আলবার্টায় এক খনিতে শ্রমিকরা অক্ষত ত্বক এবং বর্মবিশিষ্ট এক ডাইনোসরের মমি খুঁজে পায়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটা নেসোডার প্রজাতির ডাইনোসর এবংবিস্তারিত পড়ুন
বেশি না, শুধু নিচের ছবিটি ডাইনোসর দের পৃথিবীতে অস্তিত্বের প্রমাণ হতে পারে। যদিও পৃথিবীতে শত শত ফসিল পাওয়া গেছে ডাইনোসরদের। কিন্তু এরকম একটিও নেই।
২০১৭ সালে কানাডার আলবার্টায় এক খনিতে শ্রমিকরা অক্ষত ত্বক এবং বর্মবিশিষ্ট এক ডাইনোসরের মমি খুঁজে পায়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটা নেসোডার প্রজাতির ডাইনোসর এবং এরা ১১ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে বসবাস করতো। এটা এখন কানাডার আলবার্টার রয়্যাল টাইরেল মিউজিয়াম অফ প্যালিওন্টজিতে সংরক্ষিত আছে। এর ত্বক এবং বর্মগুলো এতোটাই অক্ষত যে, জীবাশ্মবিদরা একে ফসিল না বলে মমি বলার পক্ষে। জীবাশ্মবিদরা বলছেন যে, এটাই পৃথিবীতে এ পর্যন্ত প্রাপ্ত ডাইনোসরের সবচেয়ে ভালো সংরক্ষিত নমুনা।
আশাকরি আর প্রমাণ করার প্রয়োজন হবে না।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনবাসা এবং বাড়ির মধ্যে পার্থক্য কি?
আমরা প্রায়ই বাসা এবং বাড়ির মধ্যে পার্থক্য নিয়ে কনফিউশনে পড়ে যাই । কোনটাকে বাসা বলবো আর কোনটাকে বাড়ি বলবো তা ঠিক করতে পারিনা । মাঝে মাঝে তো কাউকে যদি প্রশ্ন করি, ভাই বাড়ি কোথায় ? উত্তর আসে - বাসা কুমিল্লা । এমনটা হওয়ার কারণ, আমরা বাসা-বাড়ির মাঝে যে পার্থক্য আছে, তা জানি না। চলুন জেনে নেই বাসার ববিস্তারিত পড়ুন
আমরা প্রায়ই বাসা এবং বাড়ির মধ্যে পার্থক্য নিয়ে কনফিউশনে পড়ে যাই । কোনটাকে বাসা বলবো আর কোনটাকে বাড়ি বলবো তা ঠিক করতে পারিনা । মাঝে মাঝে তো কাউকে যদি প্রশ্ন করি, ভাই বাড়ি কোথায় ? উত্তর আসে – বাসা কুমিল্লা । এমনটা হওয়ার কারণ, আমরা বাসা-বাড়ির মাঝে যে পার্থক্য আছে, তা জানি না।
চলুন জেনে নেই বাসার বাড়ির মধ্যে পার্থক্য।
আসলে বাসা (house) হচ্ছে অস্থায়ী আবাস আর বাড়ি (home) হচ্ছে স্থায়ী আবাস । আপনি যদি শহরে ভাড়া থাকেন তবে এটি আপনার বাসা । কারণ এটি অস্থায়ী । আবার আপনার যদি গ্রামে নিজেদের ঘরবাড়ি থাকে তাহলে ওইটা হচ্ছে আপনাদের বাড়ি ।
তবে বাসা এবং বাড়ি একই জিনিস হতে পারে । মনে করুন, আপনি যেখানে ভাড়া আছেন সেটি আপনার জন্য অস্থায়ী সুতরাং সেটি আপনার জন্য বাসা । আবার ওই বাড়িটির যিনি মালিক তার জন্য সেটি কিন্তু স্থায়ী । তাই আপনার বাসাটিই ওই মালিকের জন্য বাড়ি। কারণ মালিক আপনাকে যেকোন সময় তুলে দিতে পারে এবং নিজেও ওই বাড়িটি ব্যবহার করতে পারে ।
ঠিক একই কারণে আমরা সব সময় পাখিদের ক্ষেত্রে বাসা বলি বাড়ি বলি না। কারণ পাখিদের আবাসস্থল অস্থায়ী। যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্য কোনো কারণে তাদের আবাসস্থল নষ্ট হয়ে যেতে পারে বা তাদেরকে তাদের আবাসস্থল পরিবর্তন করতে হতে পারে। তাদের স্থায়ী কোনো আবাসস্থল নেই। এজন্যই আমরা পাখিদের ক্ষেত্রে সব সময় বাসা বলি ।
আশা করি বাসা এবং বাড়ির মাঝে পার্থক্য বুঝতে পারছেন। এখন থেকে নিজ বাড়িতে থেকে আর কাউকে কখনো বলবেন না, ভাই আমি তো বাসায় আছি!
ভালো লাগলে আপভোট দিবেন।
সংক্ষেপে দেখুনফ্রী ফায়ার হেড শট হ্যাক, ডায়মন্ড হ্যাক, 2022
ফ্রি ফায়ার যেকোন হ্যাক ফ্রিতে নিয়ে নাও। আপনার যে ধরনের হ্যাক ফাইল দরকার তা নিচে থেকে ডাউনলোড করে নিন Freefire Auto Headshot + Hiphop Bundle Download 100% Auto Head Shot Vip Injector Download Free Fire Magic Head Shot Injector DOWNLOAD Freefire 1.81.x Update Auto Headshot Mod menu DOWNLOAD New Bellaবিস্তারিত পড়ুন
ফেলেন তাহলে অবশ্যই আপনাদের হেড শট মারা কেউ ঠেকাতে পারবে না। এটি এক প্রকার হ্যাক আপনারা বলতে পারেন।
আপনারা এটি সেটাপ যেভাবে করবেন আমি সেটাও বলে দিচ্ছি। সেনসিটিভিটি অপশনে ক্লিক করুন সেখান থেকে একটা নতুন মেনু আসবে। উপরে দেখানো যে সেটিংটা রয়েছে সেটা সম্পূর্ন ভাবে আপনি ফিলাপ করুন। এতে করে আপনি হেড শট এর প্রো হয়ে যাবেন।
ফ্রী ফায়ার হেড শট 2022 এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস:
দেখুন প্রতিটি ম্যাচে প্রায় 50 জন প্লেয়ার থাকে। এবং তারা সকলেই চেষ্টা করে ম্যাচটিতে জিতবার জন্য। এবং আপনাকে অবশ্যই আপনার এক্টিভিটিস এর ওপরে সম্পূর্ণ খেয়াল রাখতে হবে। অর্থাৎ আমি বলতে চাচ্ছি আপনারা সম্পূর্ণভাবে আপনাদের সেনসিটিভিটি ওপর এবং কন্ট্রোল এর উপরে খেয়াল রাখবেন।
হেড শট ঠেকানোর জন্য কন্ট্রোল টা অনেক বেশি। এতেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস রয়েছে আপনারা যদি প্রো ইউটিউবার এর খেলা দেখে থাকেন তাহলে অবশ্যই বুঝতে পারবেন। জনপ্রিয় কিছু ইউটিউবে রয়েছে তারা কিন্তু এসব টিপস অবলম্বন করে যেগুলো আজকে আমি আপনাদের দিতে যাচ্ছি।
সবসময় খেয়াল রাখবেন যারা প্রো প্লেয়ার তারা কিভাবে হেড শট মারছে। তারা কিভাবে খেলছে এবং কিভাবে তাদের সেনসিটিভিটি এটা সাজানো হয়েছে। আপনি যদি তাদের মত পারফরম্যান্স দেখাতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে তাদেরকে অনুসরণ করতে হবে। এতে করে আপনারা প্রতিনিয়ত তাদের ভিডিও দেখতে পারেন। এবং অবশ্যই এসব নিয়ে অনেক ঘাটাঘাটি করতে হবে।
আমাদের ব্লগে ইতিমধ্যে অনেক পোস্ট করা হয়েছে ফ্রী ফায়ার নিয়ে। সুতরাং আপনারা চাইলে এসে সব পোস্ট গুলো ফলো করতে পারেন।
হেড শট শিখতে হলে অবশ্যই আপনাকে ফ্রি ফায়ারের যে গান গুলো রয়েছে সেগুলো সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। বিশেষ করে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বন্দুক রয়েছে যেগুলো মাধ্যমে হেড শট খুব ভালো মারা যায়। যেটা আপনার সেনসিটিভিটি এর সাথে অনেকটা মিলে যাবে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু গান হল mp5,mp40,ak47,kn94,m1014।এই বন্দুকগুলো অনেকটা বেশি ভালো আপনারা যারা ফ্রি ফায়ার খেলে থাকেন তারা অবশ্যই জানেন। এই গান গুলোতে আপনারও ব্যবহার করে ভালো ডামেজ দিতে পারেন।
আমি যে গানগুলোর কথা উল্লেখ করলাম সেগুলো থেকে আপনারা 70 বা 90 এরকম ড্যামেজ পেয়ে যাবেন। এছাড়াও আপনাদের হেড শট এর জন্য উপযুক্ত গানগুলো হলো m82b,awm এই দুটো বন্ধু আমার কাছে অনেক বেশি প্রিয়।
ফ্রী ফায়ার হেড শট হ্যাক 2022 এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টিপস টি হল আপনারা সব সময় এইসব সেনসিটিভিটি প্রয়োগ করার পরে ট্রেনিং গ্রাউন্ডে চলে যাবেন। সেখান থেকে হেড শট মারার ট্রাই করবেন। এবং অবশ্যই আপনারা সফল হবেন। যদি আপনারা আমার দেওয়া ওপরে সেনসিটিভিটি খুব সুন্দর করে ফলো করেন।
যারা একেবারেই নতুন তারা এই সেনসিটিভিটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন। কিন্তু আমি বলবো প্রথমে তারা নিজের কন্ট্রোল টা ঠিক করুন। শুরু থেকে সেনসিটিভিটি তুলনায় কন্ট্রোল ঠিক করার সবচেয়ে বেশি দরকারি।
বিশেষ করে আপনি যদি জাম্প বা ড্রাগ হেড শট মারতে চান তাহলে অবশ্যই এটি অনেক বেশি উপকারী হবে। আর সত্যি কথা বলতে ওয়ান টেপ যারা মারে তারা তাদের কন্ট্রোল এর ওপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভরশীল। আপনারা অনেকে দেখে থাকবেন যারা ওয়ান টেপ খুব সুন্দর করে মারতে পারে। অবশ্যই সেটা নির্দিষ্ট বন্দুক দিয়ে। এবং এটা মারার জন্য তারা সেনসিটিভিটি ব্যবহার করে না। তাদের তৈরি করা কন্ট্রোল এখানে সবচেয়ে বেশি বড় জিনিস।
আশা করছি আজকে আপনারা বিষয়টা খুব সুন্দরভাবে বুঝতে পেরেছেন। স্বাভাবিকভাবে আপনারা এইসব সেটিং প্রয়োগ করে দেখবেন খুব ভালো ফলাফল পাবেন ইনশাআল্লাহ। ফ্রী ফায়ার হেড শট হ্যাক 2022 পোস্টটি শেয়ার করবেন ধন্যবাদ।
#collected
ফলের ভেতরে পোকা ঢুকে কিভাবে?
এসব পোকা কিন্তু পূর্ণাঙ্গ কোনো পোকা নয়। বোলতা জাতীয় পোকার জীবনের প্রাথমিক অবস্থা। এসব পোকার জীবনে মূলত চারটি ধাপ থাকে। ডিম, লার্ভা বা শূককীট, পিউপা বা মূককীট এবং সবশেষে পূর্ণাঙ্গ পোকা। পেয়ারা বা নরম ফলের ভেতর যেসব পোকা থাকে, এগুলোর বেশির ভাগই একধরনের বোলতার শূককীট। বোলতাদের পেছন দিকে মৌমাছির মতো হুলবিস্তারিত পড়ুন
এসব পোকা কিন্তু পূর্ণাঙ্গ কোনো পোকা নয়। বোলতা জাতীয় পোকার জীবনের প্রাথমিক অবস্থা। এসব পোকার জীবনে মূলত চারটি ধাপ থাকে। ডিম, লার্ভা বা শূককীট, পিউপা বা মূককীট এবং সবশেষে পূর্ণাঙ্গ পোকা।
পেয়ারা বা নরম ফলের ভেতর যেসব পোকা থাকে, এগুলোর বেশির ভাগই একধরনের বোলতার শূককীট। বোলতাদের পেছন দিকে মৌমাছির মতো হুল থাকে। এ হুল শুধু শত্রুদের বিরুদ্ধেই ব্যবহার করে না এরা। পেয়ারা বা এ-জাতীয় ফল পাকার কিছুদিন বোলতারা এর ভেতর ডিম পাড়ে। ডিম তো ভেতরে ঢুকে পাড়তে পারে না! তাই হুলের সাহায্য নেয়। হুল দিয়ে ফলের গায়ে সূক্ষ্ম গভীর ছিদ্র করে। তারপর ডিম পাড়ে সেই গর্তের মুখে। হুলের সাহায্যে ঠেলে সেই ডিম ঢুকিয়ে দেয় ফলের ভেতরে। ফল যখন পাকা শুরু করে, ততদিনে ডিম ফুটে শূককীট বের হয়। ফলের নরম শাঁস খেয়েই বেড়ে ওঠে কিলবিলে পোকাগুলো। ততদিনে অবশ্য ফলের গায়ের সেই সূক্ষ্ম ছিদ্রগুলোও মিলিয়ে গেছে। অর্থাৎ ফলের ভেতর বোলতার ছানারা একই সঙ্গে খাবারের জোগান পেয়ে যায় আবার শত্রু নাগাল থেকেও নিরাপদ! এ জন্যই পোকার হাত থেকে বাঁচতে চাষিরা প্ল্যাস্টিকের প্যাকেট দিয়ে ফল মুড়িয়ে রাখেন। এই প্যাকেট ভেদ করে ফলের ভেতর ঢুকতে পারে না বোলতার হুল।
আশাকরি এখন আপনার প্রশ্নটির উত্তর পেয়েছেন।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনমোটিভেশনাল উক্তি বা লেকচার গুলো কি জীবনে চলার পথে আসলেই কোন কাজে লাগে?
খুব একটা কাজে লাগেনা। কারণ, মোটিভেশন লেকচার ডিজাইন করা হয় এমনভাবে যাতে বাস্তবের সাংঘর্ষিক পরিস্থিতির কাল্পনিক রূপরেখা থাকে। ফলে, যখন শোনা হলো, তখন কিছুদিন একটু মোটিভেটেড ফিলিং থাকে। রিয়েল লাইফের সংঘর্ষের মুখোমুখি হলে, ওইসব লেকচার মুখ থুবড়ে পড়ে। হয়তো অনেকের কাছে আমার উত্তর খারাপ লাগতে পারে, কিন্তবিস্তারিত পড়ুন
খুব একটা কাজে লাগেনা। কারণ, মোটিভেশন লেকচার ডিজাইন করা হয় এমনভাবে যাতে বাস্তবের সাংঘর্ষিক পরিস্থিতির কাল্পনিক রূপরেখা থাকে।
ফলে, যখন শোনা হলো, তখন কিছুদিন একটু মোটিভেটেড ফিলিং থাকে।
রিয়েল লাইফের সংঘর্ষের মুখোমুখি হলে, ওইসব লেকচার মুখ থুবড়ে পড়ে।
হয়তো অনেকের কাছে আমার উত্তর খারাপ লাগতে পারে, কিন্তু এটাই বাস্তব।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশের সংবিধান কি? বাংলাদেশের সংবিধান pdf ডাউনলোড করবো কিভাবে?
বাংলাদেশের সংবিধান pdf বেশকিছু মূলনীতির উপর ভিত্তি করে রচনা করা হয় প্রতিটি রাস্ট্রের সংবিধান। আমরা বাঙালী এবং বাংলাদেশের নাগরিক। আমাদের দেশ পরিচালনার জন্যও একটি লিখিত সংবিধান রয়েছে। আমাদের সংবিধান মূলত গণপ্রজাতন্ত্রকে কেন্দ্র করে তৈরি করা। আমাদের প্রতিটি নাগরিকের কর্তব্য হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশেবিস্তারিত পড়ুন
বাংলাদেশের সংবিধান pdf
বেশকিছু মূলনীতির উপর ভিত্তি করে রচনা করা হয় প্রতিটি রাস্ট্রের সংবিধান। আমরা বাঙালী এবং বাংলাদেশের নাগরিক। আমাদের দেশ পরিচালনার জন্যও একটি লিখিত সংবিধান রয়েছে। আমাদের সংবিধান মূলত গণপ্রজাতন্ত্রকে কেন্দ্র করে তৈরি করা। আমাদের প্রতিটি নাগরিকের কর্তব্য হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান সম্পর্কে জানা এবং সেগুলো মেনে চলা।
আজ আমরা সহজ ভাষায় বাংলাদেশের সংবিধান সম্পর্কে জানবো। এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান সম্পর্কিত ২ টি pdf বই শেয়ার করবো। আপনি এই বইগুলো থেকে বাংলাদেশের সংবিধান সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাবেন বলে আশাবাদী।
সহজ ভাষায় বাংলাদেশের সংবিধান pdf download
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান pdf ডাউনলোড
সংক্ষেপে দেখুনরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কী?
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ বনফুল। ধন্যবাদ!
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ বনফুল।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনআমারো পরানো যাহা চায় গানটির ফুল লিরিক্স উত্তরে দিন
আমার পরান যাহা চায়তুমি তাই, তুমি তাই গোআমার পরান যাহা চায়তোমা ছাড়া আর এ জগতেমোর কেহ নাই, কিছু নাই গোআমার পরান যাহা চায় তুমি সুখ যদি নাহি পাওযাও সুখের সন্ধানে যাওআমি তোমারে পেয়েছি হৃদয়মাঝেআর কিছু নাহি চাই গো আমার পরান যাহা চায় আমি তোমার বিরহে রহিব বিলীনতোমাতে করিব বাসদীর্ঘ দিবস, দীর্ঘ রজনী, দীর্ঘ বরষবিস্তারিত পড়ুন
তুমি তাই, তুমি তাই গো
আমার পরান যাহা চায়
তোমা ছাড়া আর এ জগতে
মোর কেহ নাই, কিছু নাই গো
আমার পরান যাহা চায়
যাও সুখের সন্ধানে যাও
আমি তোমারে পেয়েছি হৃদয়মাঝে
আর কিছু নাহি চাই গো
তোমাতে করিব বাস
দীর্ঘ দিবস, দীর্ঘ রজনী, দীর্ঘ বরষ-মাস
যদি আর ফিরে নাহি আস
তবে তুমি যাহা চাও, তাই যেন পাও
আমি যত দুখ পাই গো
তুমি তাই, তুমি তাই গো
আমার পরান যাহা চায়
গ্যাস্ট্রিক এর ব্যাথা কোথায় কোথায় হয়? গ্যাস্ট্রিক দূর করার উপায় কি?
গ্যাসের ব্যথা কোথায় হয় এবং দ্রুত ব্যথা কমানোর উপায়। গ্যাস্ট্রিক বর্তমান সময়ে একটি অতি পরিচিত স্বাস্থ্য সমস্যা। যেকোনো বয়সের পুরুষ ও মহিলারা এমনকি শিশুরা পর্যন্ত এ সমস্যায় ভুগে থাকে। গ্যাস্ট্রিকের ব্যথাকে ডাক্তারি ভাষায় গ্যাসট্রাইটিস বলা হয়। গ্যাস্ট্রিকের ব্যথার একটি উপসর্গ হলো পেটের উপরিভাগেবিস্তারিত পড়ুন
গ্যাসের ব্যথা কোথায় হয় এবং দ্রুত ব্যথা কমানোর উপায়।
গ্যাস্ট্রিক হয় কেন?
হাইপার অ্যাসিডিটি হয় কেন?
পেপটিক আলসারের কারণ কি?
গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা কোথায় হয়?
গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা কমানোর উপায়
চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখতে কেমন লাগে?
চলুন চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখে আসি! আপনার জন্য দুটি বাস্তব ছবি আছে। আপনি চাঁদে দাঁড়িয়ে থাকলে পৃথিবীকে ঠিক এরকম দেখতেন। চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখার সৌভাগ্য হয়তো আপনার, আমার পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু নাসা চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখতে কেমন লাগে তার কিছু বাস্তব ছবি পাবলিশ করেছে। আমি দুইটি ছবি নিচে দিচ্ছি। Image Creবিস্তারিত পড়ুন
চলুন চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখে আসি! আপনার জন্য দুটি বাস্তব ছবি আছে। আপনি চাঁদে দাঁড়িয়ে থাকলে পৃথিবীকে ঠিক এরকম দেখতেন।
চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখার সৌভাগ্য হয়তো আপনার, আমার পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু নাসা চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখতে কেমন লাগে তার কিছু বাস্তব ছবি পাবলিশ করেছে। আমি দুইটি ছবি নিচে দিচ্ছি।
Image Credit: NASA/JSC
Published: June 28, 2018
Historical Date: July 20, 1969
Image Credit: NASA/Ames Research Center/Lunar Orbiter Image Recovery Project
Published: August 24, 2018
Historical Date: August 23, 1966
এ ছাড়াও একটি ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে আমাদের সুন্দর পৃথিবীকে।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনআপনি ফুচকা খেতে কতটা ভালোবাসেন? ফুচকা বানানোর রেসিপি কি?
স্ট্রিট ফুডে নানান ভ্যারাইটির মধ্যে ফুচকা অতি লোভনীয় একটি স্ট্রিট ফুড।টক টক,ঝাল ঝাল, মুচ মুচে ফুচকা খেতে কেই না ভালোবাসে। কারোর কাছে এটা ফুচকা, কারও কাছে আবার এটা গোলগাপ্পা, কেউ বা বলেন পানিপুরী। আপামর বাঙালীর কাছে ফুচকা নামটিই অধিক জনপ্রিয়। আসুন আজ তাহলে দেখে নেওয়া যাক বাড়ি বসে চটজলদি ফুচকা বানাবিস্তারিত পড়ুন
স্ট্রিট ফুডে নানান ভ্যারাইটির মধ্যে ফুচকা অতি লোভনীয় একটি স্ট্রিট ফুড।টক টক,ঝাল ঝাল, মুচ মুচে ফুচকা খেতে কেই না ভালোবাসে। কারোর কাছে এটা ফুচকা, কারও কাছে আবার এটা গোলগাপ্পা, কেউ বা বলেন পানিপুরী। আপামর বাঙালীর কাছে ফুচকা নামটিই অধিক জনপ্রিয়।
আসুন আজ তাহলে দেখে নেওয়া যাক বাড়ি বসে চটজলদি ফুচকা বানানোর রেসিপি।
ফুচকা বানানোর পদ্ধতি বেশ সহজ তাই একটু সময় ধৈর্য ও বেসিক কয়েকটি ধাপ মেনে চললেই তৈরি হয়ে যাবে মুচ মুচে, টক টক ঝাল ঝাল ফুচকা।
এখানে আজ ২৫টি ফুচকার মতো আয়োজন করা হল।
উপকরণ:
ফুচকা বানানোর রেসিপির প্রয়োজনীয় উপকরণ দেখে নেওয়া যাক।
ফুচকা বানানোর উপকরণ:
ফুচকার আলুর পুরের /আলু মাখার উপকরণ:
তেঁতুল জল তৈরি র উপকরণ:
এবার দেখে নেওয়া যাক ফুচকা রেসিপি পদ্ধতি —
মন্ড তৈরির পদ্ধতি:
১) একটি পাত্রে ১ কাপ ময়দা ও ১ কাপ সুজি নিতে হবে। তাতে এক চিমটি নুন ও ১/২ চা-চামচ বেকিং সোডা ও ১ চা-চামচ সাদা তেল দিয়ে মিশ্রণটি ভালো করে মাখতে হবে।
২) ওই মিশ্রণটিতে হালকা ইষৎ উষ্ণ জল একটু একটু করে দিয়ে মাখতে হবে বেশ কিছুক্ষন ধরে। মাখার শেষ হলে ৪মিনিট মতো হাতে সামান্য তেল মাখিয়ে নিয়ে হালকা হাতে দোলতে হবে।
৩) তারপর মন্ডটিকে ১ঘন্টার মতো ভিজে কাপড় দিয়ে জড়িয়ে পাত্রটি ঢাকা দিয়ে রাখতে হবে।
ফুচকা বানানোর পদ্ধতি:
৪) একটি বড় লেচি কেটে একটু মোটা ভাবে বেলে নিতে হবে তবে খুব মোটা বা খুব পাতলা হবেনা। খুব মোটা যদি বেলেন তাহলে ফুচকা গুলি ফুলবেনা আর পাতলা হয়ে গেলে সেটি পাপড়ি হয়ে যাবে।তারপর একটি ছোট সাইজের কৌটোর ঢাকনা দিয়ে বড় আকৃতির রুটি থেকে ফুচকা র আকারে কেটে বের করে নিতে হবে।
৫) সেগুলোকে কিছুক্ষন রেখে দিতে হবে তাহলে ফুচকা গুলি ভালো ফুলবে।
৬) ওভেনে কড়াই বসিয়ে (লো-এর থেকে বেশি আর মিডিয়ামের থেকে একটু কম ফ্লেমে) তাতে তেল দিয়ে একটু অপেক্ষা করতে হবে কারণ, ভালো করে তেল গরম করার দরকার হয় না ফুচকা তৈরির সময়। একদম হালকা একটু গরম হলেই একে একে বেলা ফুচকা গুলো তেলে ছেড়ে দিতেতে হবে।
৭) হালকা হাতে নাড়াচাড়া করতে করতে দেখবেন ফুচকা গুলি খুব সুন্দর ভাবে ফুলে উঠবে। তেল ততক্ষণে অনেক গরম হলে গ্যাস বন্ধ করে বাকি ফুচকা গুলি ভেজে নিন একই ভাবে।
৮)একটি ঝুড়ির মধ্যে রেখে দিন বারতি তেল ঝড়ে যাবে। তাহলেই রেডি হয়ে যাবে ফুলকো ফুলকো মুচ মুচে ফুচকা।
পুর বানানোর পদ্ধতি:
৯) এরপর আসা যাক পুর বানানোর পদ্ধতিতে। প্রথমে একটি বেশ বড়ো জায়গায় ৩টি আলুসেদ্ধ নিয়ে খোসা ছাড়িয়ে মেখে নিতে হবে।
১০) মাখা আলুতে একে একে যোগ করতে হবে ১মুঠো ছোলা মটর, ১চা-চামচ লঙ্কাকুচি, ভাজা মশলা ৪চা-চামচ, বিটনুন স্বাদ মতো, চাটমশলা ১চা-চামচ, তেঁতুল জল ২টেবিল চামচ, ধনেপাতা কুচি আন্দাজ মতো দিয়ে ভালো করে মাখতে হবে।
তেঁতুল জল তৈরির পদ্ধতি:
১১) একটি পাত্রে ১লিটার জল নিয়ে তাতে তেঁতুলের পাল্ব ৩ চা-চামচ দিয়ে মেশাতে হবে যতক্ষন না তা জলে সম্পূর্ণ গুলে যায়।
১২) ওই মিশ্রণটিতে একে একে ভাজা মশলা ২চা-চামচ, লঙ্কা গুড়ো ১চা-চামচ, বিট নুন ১চা-চামচ,ধনে পাতা কুঁচি প্রয়োজন মতো দিয়ে ভালো করে মেশাতে হবে।
১৩)এবার ওই জলটিতে চাট মশলা ১ চা-চামচ দিয়ে আরেক একটু মিশিয়ে নিতে হবে এবং সবশেষে সুগন্ধের জন্য ৪টি লেবু পাতা দিতে হবে।
কীভাবে ফুচকাকে আরও মুচমুচে এবং স্বাদে অতুলনীয় করে তুলবেন?
ফুচকাকে আরও মুচমুচে এবং সুস্বাদু করতে কয়েকটি ছোট জিনিস করলেই হবে আসুন দেখেনি :-
১) মন্ড তৈরির পদ্ধতিতে:
মন্ড তৈরি হয়ে যাবার পর সেটিকে ভিজে কাপড় জরিয়ে রাখা আবশ্যক অন্তত ১ঘন্টা তো বটেই।
২) পুর তৈরির পদ্ধতিতে:
পুর তৈরির সময় বাইরে দেখবেন তেঁতুল জল দিয়ে মাখা হয় যা মশলাটিকে আলুর সাথে বোঝা যায় নাহলে মশলা ও আলু ভালো মিশে যায় না।
৩) তেঁতুলজল তৈরির পদ্ধতিতে:
এইজল তৈরির সময় নুন না দিলেও চলে কিন্তু তেঁতুল যদি খুব টক হয় তাহলে তেমন দেখে নুন দিতে হবে।
কোন উপকরণ ফুচকা তৈরিতে দিলে তার স্বাদ দ্বিগুণ করে?
মুখরোচোক খাবারের স্বাদ বারে নির্দিষ্ট কিছু উপকরণের দ্বারা।
১) ধনেপাতা কুচি– ধনেপাতা কুচি তেঁতুলের জলে এবং পুরে দিলে এর নির্যাস খাবারের স্বাদ দ্বিগুণ করে তোলে। এটি অনেক সময় দিতে আমাদের মনেই থাকে না কিন্তু এটি হল সুস্বাদু করে তোলার অন্যতম উপকরণ।
২) ভাজা মশলা– ধনে, জিরে, শুকনো লঙ্কা একসঙ্গে গুড়িয়ে তা চাট মশলার সাথে দিলে তা আরেক স্বাদ বৃদ্ধির অন্যতম উপকরণের ভূমিকা রাখে।
সূত্রঃ ইন্টারনেট
সংক্ষেপে দেখুনআমার বিয়ে কবে হবে? স্বপ্নে বিয়ে দেখলে কি হয়? আমি দেখেছি!
পুরুষ কিংবা নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই বিবাহ জীবনের একটি বিশেষ সন্ধিক্ষণ। কিন্তু কেউই জানতে পারেন না, বিয়ে হবে কবে। কারণ জন্ম - মৃত্যু - বিয়ে তিন বিধাতা নিয়ে। বিয়ে ব্যাপারটা সবটাই ভবিতব্য(Destiny)। কিন্তু জানেন কি আমাদের হাতেই লেখা থাকে বিয়ের বয়স। সেখানে লেখা থাকে ঠিক কোন সময়ে ঘটতে চলেছে আপনার জীববিস্তারিত পড়ুন
পুরুষ কিংবা নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই বিবাহ জীবনের একটি বিশেষ সন্ধিক্ষণ। কিন্তু কেউই জানতে পারেন না, বিয়ে হবে কবে। কারণ জন্ম – মৃত্যু – বিয়ে তিন বিধাতা নিয়ে। বিয়ে ব্যাপারটা সবটাই ভবিতব্য(Destiny)। কিন্তু জানেন কি আমাদের হাতেই লেখা থাকে বিয়ের বয়স। সেখানে লেখা থাকে ঠিক কোন সময়ে ঘটতে চলেছে আপনার জীবনের এই শ্রেষ্ঠতম ঘটনাটি।
কীভাবে বুঝবেন কোন বয়সে বিয়ে হবে? কীভাবেই বা বুঝবেন আপনার বিয়ে সুখের হবে নাকি সমস্যাবহুল ভুল হবে?
তাহলে চিনে নিন আপনার হাতের রেখা ( palm astrology)। যে রেখা সুচিত করবে আপনার বিয়ে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, যে রেখা বিবাহ সূচিত করে তার নাম বিবাহ রেখা।
লেখাটির অবস্থান ঠিক হাতের তালুর উপরিভাগে থাকে না । থাকে হাতের পাশে কনিষ্ঠার নিচে। বিবাহ রেখা একটি নয় একাধিক হতে পারে।
বিবাহ রেখা যদি ছোট মাপের হয় আর তা যদি থাকে কনিষ্ঠার কাছাকাছি, তাহলে বিয়ে দেরিতে হওয়ার সম্ভাবনা। যাদের হাতে এই ধরনের রেখা থাকে তাদের তাদের একটু বেশি বয়সে বিয়ে সম্ভাবনা থাকে। ৪০ বছর পর্যন্ত তাদের অপেক্ষা করতেই হয় । চল্লিশে আশে পাশে গিয়ে এদের বিয়ে হয়।
যাদের ক্ষেত্রে বিবাহ রেখা কনিষ্ঠা থেকে বেশ দূরে হয় তাদের বিয়ে খুব তাড়াতাড়ি হয়ে যায় । মোটামুটি কুড়ি বছরের কাছাকাছি। আর ওই রেখা যদি মাঝামাঝি দূরত্বে থাকে তাহলে বিয়ের সম্ভাবনা ৩০ বছরের কাছাকাছি।
এতো গেল রেখার অবস্থান দেখে বিয়ের বয়স নির্ধারণ। কিন্তু বিবাহিত জীবন সুখের হবে নাকি কণ্টকময় হবে তা কি করে জানবেন? যদি বিবাহ রেখার উপর দিয়ে আরো একটি রেখা সেই সম্পর্কে ভাঙ্গন ধরার সম্ভাবনা থাকে। আর যদি দেখা যায় বিবাহ রেখায় শিকলের মত একটি চিহ্ন, তাহলে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীতে প্রথম কোন ব্যক্তি বিড়ি খেয়েছিলো?
আকিজ বিড়ি সেলস apps আকিজ বিড়ি সেলস apps মুলত ডাউনলোড করার কোন এপস নয়। এটি আকিজ বিড়ির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য সিকিউর প্যানেল। আমি যেহেতু এখানে জব করিনা তাই এর ভেতর কি আছে সে সম্পর্কে আমার ধারণা নাই। তবে খুব সম্ভবত এর ইউজারদের একটি ড্যাশবোর্ড থাকবে এখানে। হয়তো বেতন ভাতা, উপস্থিতি ইত্যাদি তথ্যবিস্তারিত পড়ুন
আকিজ বিড়ি সেলস apps
আকিজ বিড়ি সেলস apps মুলত ডাউনলোড করার কোন এপস নয়। এটি আকিজ বিড়ির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য সিকিউর প্যানেল। আমি যেহেতু এখানে জব করিনা তাই এর ভেতর কি আছে সে সম্পর্কে আমার ধারণা নাই। তবে খুব সম্ভবত এর ইউজারদের একটি ড্যাশবোর্ড থাকবে এখানে। হয়তো বেতন ভাতা, উপস্থিতি ইত্যাদি তথ্য জমা থাকতে পারে।
আকিজ বিড়ি সেলস apps ভিজিট করুন
সংক্ষেপে দেখুন