সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
what is the difference between distance and displacement with image
To understand the differences, it is important to know their in-depth concepts thoroughly. By understanding the concepts of distance and displacement, understanding these differences will become easier. The difference between distance and displacement is tabulated below: Difference Between Distanceবিস্তারিত পড়ুন
To understand the differences, it is important to know their in-depth concepts thoroughly. By understanding the concepts of distance and displacement, understanding these differences will become easier. The difference between distance and displacement is tabulated below:
Difference Between Distance and Displacement
These are the main differences between distance and displacement, that can help to distinguish these two thoroughly. These differences between distance and displacement, given in tabular form can also help students to retain the points in a better way.
Apart from knowing the comparison between distance and displacement, it is also suggested to know about their related concepts thoroughly and have a proper understanding of the basics. Check the related articles below to learn additional topics related to displacement and distance.
সংক্ষেপে দেখুনliar quotes with images, relationship and karma
No man has a good enough memory to be a successful liar. Abraham Lincoln The trust of the innocent is the liar's most useful tool. Stephen King The only thing worse than a liar is a liar that's also a hypocrite! Tennessee Williams A liar will not be believed, even when he speaks the truth. Aesop Douবিস্তারিত পড়ুন
No man has a good enough memory to be a successful liar.
Abraham Lincoln
The trust of the innocent is the liar’s most useful tool.
Stephen King
The only thing worse than a liar is a liar that’s also a hypocrite!
Tennessee Williams
A liar will not be believed, even when he speaks the truth.
Aesop
Doubt thou the stars are fire, Doubt that the sun doth move. Doubt truth to be a liar, But never doubt I love.
William Shakespeare
To a liar, the most dangerous individual is the person who catches lies but doesn’t say anything about it. Then the liar isn’t sure which lies are compromised.
Jesse Ball
Anyone who said he wasn’t afraid during the civil rights movement was either a liar or without imagination. I was scared all the time. My hands didn’t shake but inside I was shaking.
James L. Farmer, Jr.
Honesty is of God and dishonesty of the devil; the devil was a liar from the beginning.
Joseph B. Wirthlin
The liar’s punishment is not in the least that he is not believed, but that he cannot believe anyone else.
George Bernard Shaw
I love women, but I feel like you can’t trust some of them. Some of them are liars, you know? Like I was in the park and I met this girl, she was cute and she had a dog. And I went up to her, we started talking. She told me her dog’s name. Then I said, ‘Does he bite?’ She said, ‘No.’ And I said, ‘Oh yeah? Then how does he eat?’ Liar.
Demetri Martin
সংক্ষেপে দেখুনসাইকোলজিক্যাল কিছু হ্যাকস বলবেন কি?
মানুষের সাইকোলজি একটি বিচিত্র জিনিষ। তবে কিছু কিছু আমাদের ধরাছোঁয়ার মধ্যে থাকি। আমি এমন কিছু সহজ হ্যাকস গুলো তুলে ধরলাম। আপনার ফোনের পাসওয়ার্ড হিসেবে আপনার জীবনের লক্ষ্যটিকে ব্যবহার করুন, এতে করে মস্তিষ্ককে বারবার আপনার লক্ষ্যটি মনে করিয়ে দেয়া যায়! কাউকে জন্মদিনে কি উপহার দেবেন ভেবে পাচ্ছেন না? 👉আপনবিস্তারিত পড়ুন
মানুষের সাইকোলজি একটি বিচিত্র জিনিষ। তবে কিছু কিছু আমাদের ধরাছোঁয়ার মধ্যে থাকি। আমি এমন কিছু সহজ হ্যাকস গুলো তুলে ধরলাম।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্ন ব্যাংক pdf, বিষয় সমূহ, মানবন্টন, রেজাল্ট এবং ভর্তি নির্দেশিকা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক পিডিএফ । ঢাবি ঘ ইউনিট এর বিগত ১০ বছরের প্রশ্নের সমন্বয়ে আমরা তৈরি করেছি “DU D Unit Question Bank PDF” । আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আপনি প্রতি বছরের প্রশ্ন আলাদা আলাদা এবং সম্পূর্ণ প্রশ্নব্যাংক একসাথে পিডিএফ আাকারে ডাউনলোড করতে পারবেন । তাই আর দেরি না করে ডাউনলোড করেবিস্তারিত পড়ুন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক পিডিএফ । ঢাবি ঘ ইউনিট এর বিগত ১০ বছরের প্রশ্নের সমন্বয়ে আমরা তৈরি করেছি “DU D Unit Question Bank PDF” । আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আপনি প্রতি বছরের প্রশ্ন আলাদা আলাদা এবং সম্পূর্ণ প্রশ্নব্যাংক একসাথে পিডিএফ আাকারে ডাউনলোড করতে পারবেন । তাই আর দেরি না করে ডাউনলোড করে নিন নিন ঢাবি ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক (Dhaka University Gha Unit Question Bank PDF)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক পিডিএফ
ঘ ইউনিট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার সমন্বিত ইউনিট । অর্থ্যাৎ যেকোন বিভাগের শিক্ষার্থীরাই এই এই ইউনিটে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারেন । ঘ ইউনিটে ৫৫ টি বিভাগের অধীনে মোট ১৫৬০ টি আসন রয়েছে । বিভিন্ন বিভাগের জন্য আলাদা আলাদা আসন বরাদ্দ রয়েছে । ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১০০ নম্বরে অনুষ্ঠিত হয় । ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ থেকে এমসিকিউ এর পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষাও যুক্ত করা হয় ।
ঘ ইউনিট এর নতুন মানবন্টন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টনে পরিবর্তন আনা হয়েছে । ঢাবি ঘ ইউনিটে ২০০ নম্বরের পরিবর্তে ১০০ নম্বর করা হয়েছে । যার মধ্যে ৬০ নম্বর এমসিকিউ, ৪০ নম্বর লিখিত এবং ২০ নম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফলের উপর ভিত্তি করে ।
ঢাবি ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক
ঢাকা বিশ্বদ্যিালয় ঘ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহনের পূর্বে অবশ্যই ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীকে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন ও মানবন্টন সম্পর্কে জানতে হবে । কারন প্রশ্নের মান বন্টন ও বিষয়ের উপর প্রস্তুতি নির্ভর করে । তাই ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের মান , ধরন ও বিষয় সম্পর্কে সম্যক ধারণা নিতে হলে আপনাকে অবশ্যই বিগত বছরের প্রশ্নগুলো দেখতে হবে । আর ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখেই আমরা তৈরি করেছি “DU D Unit Question Bank PDF Version” । এতে করে আপনি সহজেই প্রশ্নপত্র গুলো দেখতে পারছেন এবং ডাউনলোড করে নিতে পারছেন । নিচে ঢাবি ঘ ইউনিট এর ১০ বছরের প্রশ্ন পিডিএফ আকারে দেওয়া হল । আপনার চাহিদামত ডাউনলোড করে নিন ।
DU D Unit Question Bank PDF
ধন্যবাদ!
সূত্রঃ admissionwar
জিংক বি ট্যাবলেট ও বাচ্চাদের জিংক সিরাপ এর উপকারিতা কি? zinc 20 mg b tablet এর কাজ কি?
নির্দেশনা ইহা জিংক এবং বি ভিটামিন সমূহের ঘাটতি পূরণে এবং প্রতিরোধমূলক চিকিৎসায় নির্দেশিত। ফার্মাকোলজি জিংক অনেক বায়োলজিক্যাল ফাংশন যেমন-রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ক্ষত সারানো, পরিপাক, প্রজনন, শারীরিক বৃদ্ধি এবং মানসিক বিকাশের জন্য অপরিহার্য। জিংক গর্ভাবস্থায়, শৈশব এবং কৈশোরে স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবংবিস্তারিত পড়ুন
নির্দেশনা
ইহা জিংক এবং বি ভিটামিন সমূহের ঘাটতি পূরণে এবং প্রতিরোধমূলক চিকিৎসায় নির্দেশিত।
ফার্মাকোলজি
জিংক অনেক বায়োলজিক্যাল ফাংশন যেমন-রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ক্ষত সারানো, পরিপাক, প্রজনন, শারীরিক বৃদ্ধি এবং মানসিক বিকাশের জন্য অপরিহার্য। জিংক গর্ভাবস্থায়, শৈশব এবং কৈশোরে স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং গঠনে সহায়তা করে। জিংক এর কিছু এন্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতাও রয়েছে। শিশুদের এডিএইচডি (এটেনশন ডেফিসিট হাইপার-অ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার) চিকিৎসায়ও জিংক ব্যবহৃত হয়। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে জিংক এর অভাবে ক্ষুধামান্দ্য, স্বাদ এবং ঘ্রাণ গ্রহণের ক্ষমতা কমে যাওয়া, বিষণ্ণতার প্রবনতা, নখে সাদা দাগ, ঘন ঘন ইনফেকশন, দূর্বল প্রজনন ক্ষমতা, প্রস্টেট এর সমস্যা, মানসিক সমস্যা, দেরিতে ঘা শুকানো, দূর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, ডায়রিয়া, মানসিক দূর্বলতা, অমসৃন ত্বক ও ওজন হ্রাস হতে পারে।
বি-ভিটামিন খাদ্য থেকে শক্তি তৈরীতে প্রয়োজনীয়। শিশু ও বয়স্কদের সুস্থ মস্তিষ্ক ও স্নায়ুর সঠিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে এবং সুগঠিত লোহিত রক্ত কণিকা তৈরীতে বি ভিটামিনগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে শিশুর সঠিক বৃদ্ধি ও বিকাশে এটি বিশেষভাবে প্রয়োজনীয়। বি ভিটামিনের অভাবে প্রাপ্তবয়স্কদের গভীর অবসন্নতা এবং বিভিন্ন ধরনের স্নায়বিক সমস্যা যেমন- দূর্বলতা, ভারসাম্যহীনতা, দ্বিধাগ্রস্ততা, বিরক্তিভাব, স্মৃতিভ্রম, ভীতি, হাত-পা এ শির শির ভাব এবং সমন্বয়হীনতা দেখা দিতে পারে। এছাড়া বি-ভিটমিনের অভাবে নিদ্রা সমস্যা, বমি বমি ভাব, ক্ষুধামান্দ্য, ঘন ঘন ইনফেকশন এবং চর্মরোগ দেখা দেয়।
মাত্রা ও সেবনবিধি
সিরাপ
প্রাপ্ত বয়স্ক: দৈনিক ১০ মিঃলিঃ (২ চা-চামচ করে), ২-৩ বার বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
বাচ্চা: দৈনিক ১০ মিঃলিঃ (২ চা-চামচ করে), ১-৩ বার বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
শিশু: দৈনিক ৫ মিঃলিঃ (১ চা-চামচ করে), ১-২ বার বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
ট্যাবলেট
প্রাপ্ত বয়স্ক এবং শিশু যাদের ওজন ৩০ কেজি এর উপরে: ১ থেকে ২ টি ট্যাবলেট প্রতিদিন ২ থেকে ৩ বার বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
* চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ঔষধ সেবন করুন’
সূত্রঃ MedEx
সংক্ষেপে দেখুনকোন দেশের মেয়েরা সবচেয়ে বেশি সুন্দরী হয়? বিশ্ব সুন্দরী দের ছবি
আমি কোন তর্কে যাবো না। প্রত্যেক দেশেই সুন্দরী রমণী রয়েছে। তবে যে দেশগুলোতে বেশিরভাগ মেয়েরা সুন্দরী সেইসব দেশগুলোর রমণীদের কিছু ছবি তুলে ধরছি। তবে ১ম, ২য় এমন স্তরে সাজাইনি। আপনি চাইলে নিচে কমেন্ট করে কোন দেশের নারী আপনার বেশি সুন্দরী মনে হয়েছে তা জানাতে পারেন। ভেনিজুয়েলা সুন্দরী লুথেনিয়া সুন্দরী রাশিবিস্তারিত পড়ুন
আমি কোন তর্কে যাবো না। প্রত্যেক দেশেই সুন্দরী রমণী রয়েছে। তবে যে দেশগুলোতে বেশিরভাগ মেয়েরা সুন্দরী সেইসব দেশগুলোর রমণীদের কিছু ছবি তুলে ধরছি। তবে ১ম, ২য় এমন স্তরে সাজাইনি। আপনি চাইলে নিচে কমেন্ট করে কোন দেশের নারী আপনার বেশি সুন্দরী মনে হয়েছে তা জানাতে পারেন।
ভেনিজুয়েলা সুন্দরী
লুথেনিয়া সুন্দরী
রাশিয়ান সুন্দরী
ইতালীয় সুন্দরী
সার্বিয়ান সুন্দরী
এবার আপনি বলুন, কোন দেশের সুন্দরী কে আপনার বেস্ট মনে হয়েছে। কমেন্টে জানান।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশে অটো রিকশার দাম কত, অটো রিকশার পার্টস কি সহজলভ্য?
বাংলাদেশে অটো রিকশা এবং সিএনজি কিছুটা সহজলভ্য। একটা সাধারণ মানের বাইকের দাম যত তার চেয়েও কিছুটা কম। নিচে আজকের দাম দেয়া হলো। মডেল দাম Bajaj RE (CNG) ৳ 424,000/= Bajaj Qute (RE60) ৳ 499,000/= Bajaj RE (Diesel) ৳ 3.70-4 Lacs Bajaj RE Maxima Cargo ৳ 3.70-4 Lacs Bajaj RE Optima Auto ৳ 499,000/= ধন্যবাদ!
বাংলাদেশে অটো রিকশা এবং সিএনজি কিছুটা সহজলভ্য। একটা সাধারণ মানের বাইকের দাম যত তার চেয়েও কিছুটা কম। নিচে আজকের দাম দেয়া হলো।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনArtemiz – Blog & Podcast WordPress Theme free download
সত্যি খুব ভালো থিম। ফ্রি ডাউনলোড করতে পারছি বলে খুশি লাগছে। থিম ফরেস্টে তো এটার দাম ৫৯ ডলার। 🤩
সত্যি খুব ভালো থিম। ফ্রি ডাউনলোড করতে পারছি বলে খুশি লাগছে। থিম ফরেস্টে তো এটার দাম ৫৯ ডলার। 🤩
সংক্ষেপে দেখুন২০২১ সালের নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের নামের তালিকা
2021 এর নোবেল প্রাপকের তালিকা: পদার্থ বিজ্ঞান :2021 সালের পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন মোট তিন জন । প্রাপকরা হলেন – সাইকুরো মানাবে (জাপান), ক্লাউস হাসেলম্যান (জার্মানি) এবং জর্জিও পারিসি (ইতালি)। রসায়ন :নোবেল পুরস্কার 2021 এ রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ডেভিড ডব্লিউ সি ম্যাকমিলান (স্বিস্তারিত পড়ুন
2021 এর নোবেল প্রাপকের তালিকা:
2021 সালের নোবেল বিজয়ীদের নাম সংক্ষেপে দেওয়া হল-
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিটের প্রশ্ন ব্যাংক pdf , বিষয়সমূহ, আসন সংখ্যা ও রেজাল্ট
ধন্যবাদ, আপনার উত্তরটি অনেকের কাজে লাগবে। 👍
ধন্যবাদ, আপনার উত্তরটি অনেকের কাজে লাগবে। 👍
সংক্ষেপে দেখুনঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিটের প্রশ্ন ব্যাংক pdf , বিষয়সমূহ, আসন সংখ্যা ও রেজাল্ট
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক । DU B unit Question Bank PDF Dhaka University DU B unit Question Bank PDF with Solution. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক এর পিডিএফ ভার্সনটি আমাদের ওয়েবসাইটে সংযুক্ত করা হয়েছে । আপনি যদি ঢাবি খ ইউনিট বা মানবিক বিভাগের ভর্তিচছু হোন তাহলে এই প্রশ্ন ব্যাংবিস্তারিত পড়ুন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক । DU B unit Question Bank PDF
Dhaka University DU B unit Question Bank PDF with Solution. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক এর পিডিএফ ভার্সনটি আমাদের ওয়েবসাইটে সংযুক্ত করা হয়েছে । আপনি যদি ঢাবি খ ইউনিট বা মানবিক বিভাগের ভর্তিচছু হোন তাহলে এই প্রশ্ন ব্যাংকটি আপনার কাজে লাগবে । তাই দেরী না করে DU B unit Question Bank PDF টি ডাউনলোড করে নিন ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক
আর কয়েক মাস বাকি তারপর বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা । যাদের স্বপ্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার তাদের চোখ ঘুম নেই । কিভাবে প্রস্তুতি নিব কোন বই পড়ব কমন পড়বে কিনা এসব প্রশ্ন তো সবসময় মাথায় ঘুরছেই। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্ততির ক্ষেত্রে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিগত বছরের প্রম্ন গুলো অ্যানালাইসিস করা ফরজ । কারন তুমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিবে অথচ সেটার প্রশ্ন কেমন হয় সেটা জানলে না বা বিগত বছরের প্রশ্নগুলো বিচার বিশ্লেষন করলে না তবে তো তোমার ভর্তি প্রস্তুতি বিফলে যাবে । কারন মানবিক ইউনিটে বেসিক গণিত যা কিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে না আবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে । এখন তুমি যদি বিগত বছরের প্রশ্ন গুলো না দেখ তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার আগে গণিত নিয়ে সময় নষ্ট করবে । এত কথা বলা শুধু, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিগত বছরের প্রশ্নের গুরুত্বটা বুঝানোর জন্য ।
Dhaka University DU B unit Question Bank PDF With Solution
আজকাল এমন অনেক শিক্ষার্থী আছে যারা কিনা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতির জন্য বাজারের সব বই কিনে ফেলে । আবার এমনও অনেক শিক্ষার্থ আছে যাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার অদম্য ইচ্ছাশক্তি আছে কিন্তু বই কেনার সামর্থ্য নেই । আর বাস্তব চিত্র হল যাদের পড়ার মত বই থাকে না বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রতিযোগিতায় টিকে থাকে। আর তাদের মত অদম্য মেধাবীদের জন্য আমরা তৈরী করছি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্ন ব্যাংক । আজকে থাকছে ঢাবি খ ইউনিট প্রশ্ন ব্যাংক ।
প্রশ্ন ব্যাংকটিতে যা থাকছে
DU B Unit Question Bank PDF
এখানে বিগত বছরের প্রশ্ন ও সমাধান গুলো দেওয়া আছে আপনি আপনার চাহিদা মত ডাউনলেড করে নিতে পারেন ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০০৭-২০০৮
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০০৮-২০০৯
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০০৯-২০১০
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১০-২০১১
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১১-২০১২
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১২-২০১৩
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১৩-২০১৪
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১৪-২০১৫
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১৫-২০১৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১৬-২০১৭
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১৭-২০১৮
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১৯-২০২০
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০২০-২০২১
সূত্রঃ এডমিশনওয়ার
সংক্ষেপে দেখুনঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন এবং রেজাল্ট pdf
ধন্যবাদ, উত্তরটি অনেকের জন্য অনেক হেল্পফুল হবে। 👍
ধন্যবাদ, উত্তরটি অনেকের জন্য অনেক হেল্পফুল হবে। 👍
সংক্ষেপে দেখুনঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন এবং রেজাল্ট pdf
Dhaka University A Unit Question Bank PDF. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক ইউনিট প্রশ্ন ব্যাংক এর পিডিএফ ভার্সনটি আমাদের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে । আপনি যদি বিশ্বাবদ্যালয় ভর্তিচ্ছু হয়ে থাকেন তবে ঢাাবি ক ইউনিট প্রশ্ন ব্যাংকটি পিডিএফ আকারে ডাউনলোড করে নিতে পারেন । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক ইউনিট প্রশ্ন ব্যাংক বিশ্ববিদ্যবিস্তারিত পড়ুন
Dhaka University A Unit Question Bank PDF. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক ইউনিট প্রশ্ন ব্যাংক এর পিডিএফ ভার্সনটি আমাদের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে । আপনি যদি বিশ্বাবদ্যালয় ভর্তিচ্ছু হয়ে থাকেন তবে ঢাাবি ক ইউনিট প্রশ্ন ব্যাংকটি পিডিএফ আকারে ডাউনলোড করে নিতে পারেন ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক ইউনিট প্রশ্ন ব্যাংক
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্ততির ক্ষেত্রে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিগত বছরের প্রশ্নগুলো অ্যানালাইসিস করা ফরজ । কারন তুমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিবে অথচ সেটার প্রশ্ন কেমন হয় সেটা জানলে না বা বিগত বছরের প্রশ্নগুলো বিচার বিশ্লেষন করলে না তবে তো তোমার ভর্তি প্রস্তুতি বিফলে যাবে । কারন মানবিক ইউনিটে বেসিক গণিত যা কিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে না আবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে । এখন তুমি যদি বিগত বছরের প্রশ্ন গুলো না দেখ তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার আগে গণিত নিয়ে সময় নষ্ট করবে । এত কথা বলা শুধু, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিগত বছরের প্রশ্নের গুরুত্বটা বুঝানোর জন্য ।
DU A Unit Question Bank With Solution
আজকাল এমন অনেক শিক্ষার্থী আছে যারা কিনা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতির জন্য বইয়ের কোন অভাব আবার এমনও অনেক শিক্ষার্থ আছে যাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার অদম্য ইচ্ছাশক্তি আছে কিন্তু বই কেনার সামর্থ্য নেই । আর বাস্তব চিত্র হল যাদের পড়ার মত বই থাকে না বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রতিযোগিতায় টিকে থাকে। আর তাদের মত অদম্য মেধাবীদের জন্য আমরা তৈরী করছি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্ন ব্যাংক । আজকে থাকছে ঢাবি ক ইউনিট প্রশ্ন ব্যাংক (Dhaka University A Unit Question Bank PDF )
ডাউনলোড ঢাবি ক ইউনিট প্রশ্ন ব্যাংক পিডিএফ সমাধানসহ
ঢাবি ক ইউনিট প্রশ্নব্যাংক ২০২২
বিগত যেকোন বছরের ঢাবি ক ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ডাউনলোড করে নিন নিচের লিংক থেকে ।
সূত্রঃ এডমিশনওয়ার
ছারপোকা মারার ঔষধের নাম কি? ল্যাভেন্ডার অয়েল কি ছারপোকা তাড়ানোর কাজ করে?
ছারপোকা উষ্ণ রক্তবিশিষ্ট অন্যান্য পোষকের রক্ত খেয়ে বেঁচে থাকে। পোকাটি বিছানা, মশারি, বালিশের এক প্রান্তে বাসা বাঁধলেও ট্রেন কিংবা বাসের আসনেও এদের দেখা মেলে। বিছানার পোকা হলেও এর অন্যতম পছন্দের আবাসস্থল হচ্ছে - ম্যাট্রেস, সোফা এবং অন্যান্য আসবাবপত্র। পুরোপুরি নিশাচর না হলেও ছারপোকা সাধারণত রাতেই অধবিস্তারিত পড়ুন
ছারপোকা উষ্ণ রক্তবিশিষ্ট অন্যান্য পোষকের রক্ত খেয়ে বেঁচে থাকে। পোকাটি বিছানা, মশারি, বালিশের এক প্রান্তে বাসা বাঁধলেও ট্রেন কিংবা বাসের আসনেও এদের দেখা মেলে। বিছানার পোকা হলেও এর অন্যতম পছন্দের আবাসস্থল হচ্ছে – ম্যাট্রেস, সোফা এবং অন্যান্য আসবাবপত্র। পুরোপুরি নিশাচর না হলেও ছারপোকা সাধারণত রাতেই অধিক সক্রিয় থাকে এবং মানুষের অগোচরে রক্ত চুষে নেয়। মশার মতো ছোট্ট কামড় বসিয়ে এরা স্থান ত্যাগ করে। তাই বলে যে দিনের বেলায় কামড়াবে না এমন না।
ন্যাপথলিন
ঘরের ছারপোকা তাড়াতে ন্যাপথলিন খুবই কার্যকারী। পোকাটি তাড়াতে অন্তত মাসে দু’বার ন্যাপথলিন গুঁড়ো করে বিছানাসহ উপদ্রবপ্রবণ স্থানে ছিটিয়ে দিয়ে রাখুন। দেখবেন ঘরে ছারপোকা হবে না।
কেরোসিনের প্রলেপ
ছারপোকা তাড়াতে মাঝে মাঝে আসবাবপত্রে কেরোসিনের প্রলেপ দিন। এতে ছারপোকা সহজেই পালাবে।
ঘর পরিষ্কার করুন
সপ্তাহে একবার হলেও সারা ঘর ভালো করে পরিষ্কার করুন। ছারপোকা মোটামুটি ১১৩ ডিগ্রি তাপমাত্রাতে মারা যায়। ঘরে ছারপোকার আধিক্য বেশি হলে বিছানার চাদর, বালিশের কভার, কাঁথা ও ঘরের ছারপোকা আক্রান্ত জায়গাগুলোর কাপড় বেশি তাপে সিদ্ধ করে ধুয়ে ফেলুন। ছারপোকা এতে মারা যাবে।
ল্যাভেন্ডার অয়েল স্প্রে করুন
ঘরের যে স্থানে ছারপোকার বাস সেখানে ল্যাভেন্ডার অয়েল স্প্রে করুন। দুই থেকে তিন দিন এভাবে স্প্রে করার ফলে ছারপোকা আপনার ঘর ছেড়ে পালাবে।
আসবাবপত্র ও লেপ-তোশক রোদে দিন
আসবাবপত্র ও লেপ-তোশক পরিষ্কার রাখার সঙ্গে সঙ্গে নিয়মিত রোদে দিন। এতে করে ছারপোকার আক্রমণ কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ই ছারপোকা থাকলে সেগুলো মারা যাবে।
অ্যালকোহল স্প্রে
আপনার ঘরের ছারপোকা তাড়াতে অ্যালকোহল ব্যবহার করতে পারেন। ছারপোকাপ্রবণ জায়গায় সামান্য অ্যালকোহল স্প্রে করে দিন দেখেবেন ছারপোকা মরে যাবে।
বিছানা দেয়াল থেকে দূরে রাখুন
ছারপোকার হাত থেকে রেহাই পেতে আপনার বিছানা দেয়াল থেকে দূরে স্থাপন করুন। শোয়ার আগে ও পরে বিছানা ভালো করে ঝেড়ে ফেলুন সঙ্গে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন।
সূত্রঃ দৈনিক যুগান্তর
সংক্ষেপে দেখুনগনোরিয়া রোগের লক্ষণ, ওষুধ, চিকিৎসা ও মুক্তির উপায়
গনোরিয়া একটি রোগের নাম। যা সাধারণত নারী-পুরুষ উভয়ের হতে পারে। এটি কষ্টদায়ক যৌন সংক্রামক রোগ। গনোরিয়া হচ্ছে, একটি যৌনবাহিত রোগ। পুরুষের ক্ষেত্রে এই রোগে প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া ও মূত্রনালি দিয়ে পুজ বের হয়। গনোরিয়া রোগটি ‘নাইসেরিয়া গনোরিয়া’ নামক এক প্রকার ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। আক্রান্ত ব্যক্তিরবিস্তারিত পড়ুন
গনোরিয়া একটি রোগের নাম। যা সাধারণত নারী-পুরুষ উভয়ের হতে পারে। এটি কষ্টদায়ক যৌন সংক্রামক রোগ। গনোরিয়া হচ্ছে, একটি যৌনবাহিত রোগ। পুরুষের ক্ষেত্রে এই রোগে প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া ও মূত্রনালি দিয়ে পুজ বের হয়।
গনোরিয়া রোগটি ‘নাইসেরিয়া গনোরিয়া’ নামক এক প্রকার ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে মেলামেশার ২-১০ দিন পরই এ রোগের লক্ষণ দেখা যায়। গনোরিয়ার জীবাণু ‘নাইসেরিয়া গনোরিয়া’ দীর্ঘদিন শরীরের বাইরে টিকে থাকতে পারে না। এরা বেঁচে থাকে কেবল নিবিড় যৌন মিলনের মাধ্যমে এক দেহ থেকে অন্য দেহে স্থানান্তরিত হয়ে।
পুরুষের যৌনাঙ্গ দিয়ে পুঁজ বের হওয়া, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া এ রোগের উপসর্গ। প্রকৃতপক্ষে এটি একটি ব্যাকটেরিয়া ঘটিত জীবাণুবাহিত রোগ। এটা পুরুষাঙ্গ, সারভিক্স বা জরায়ুর ছিদ্র, রেকটাম মলাশয় বা পায়ু, গলা ও চোখকে আক্রান্ত করতে পারে। এই ইনফেকশনজনিত কারণে বন্ধ্যাত্বও দেখা দিতে পারে।
সাধারণত নারীদের চেয়ে পুরুষরাই এই যৌনরোগে বেশি আক্রান্ত হয়। শুধু নারী ও পুরুষের মেলামেশার কারণেই এ রোগ ছড়ায়।
এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার হার ক্রমশ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) উপাত্তে দেখা যায়, ২০১৬ থেকে ২০১৭ সালে পুরুষদের মধ্যে গনোরিয়ার হার দ্বিগুণ হয়েছে।
ডিসচার্জ
এই রোগের ইনফেকশনের সর্বাধিক কমন লক্ষণ হচ্ছে ডিসচার্জ। ডিসচার্জ পাতলা হতে পারে অথবা ঘন হতে পারে, এটি পুরুষভেদে নির্ভর করে। সিডিসি অনুসারে, কোনো পুরুষ ইনফেক্টেড হওয়ার দুই সপ্তাহের মধ্যে তার ডিসচার্জের অভিজ্ঞতা হবে। ডিসচার্জের বর্ণ কিংবা পরিমাণ যাই হোক না কেন কিংবা ডিসচার্জ প্রতিনিয়ত হোক বা অনিয়মিত হোক, কোনো ডিসচার্জই স্বাভাবিক নয়। যেকোনো ধরনের ডিসচার্জ হলে আপনার চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
নিতম্বে চুলকানি
মায়ো ক্লিনিক অনুসারে, গনোরিয়া মলদ্বারকেও আক্রমণ করতে পারে, যার ফলে মলদ্বারীয় চুলকানি ও ডিসচার্জ বা রক্তপাত হতে পারে। এছাড়া ডায়রিয়া হতে পারে এবং প্রাকৃতিক কর্ম সারার সময় ব্যথা অনুভব হতে পারে।
গলা ব্যথা
ওরাল সেক্স থেকেও গনোরিয়া হতে পারে। গলায় গনোরিয়া ডেভেলপ হওয়া অনেক লোকের উপসর্গ দেখা দেয় না। কারো কারো গলাব্যথা হতে পারে এবং লসিকাগ্রন্থি ফুলে যেতে পারে।
ব্যথা বা ফোলা
গনোরিয়া ইনফেকশন পার্শ্ববর্তী স্থানে, যেমন- অণ্ডথলি ও অণ্ডকোষ, ছড়ানো শুরু করলে এপিডিডাইমিসে প্রদাহ হতে পারে, যার সঙ্গে থাকতে পারে কুঁচকি ব্যথা।
গর্ভাবস্থায়
গনোরিয়ার জীবাণু গর্ভবতী নারীদের জননতন্ত্রের মধ্যে বিচরণ করে ডিম্ববাহী নালিতে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করতে পারে। এ কারণে নারীর বন্ধ্যাত্ব ঘটতে পারে বা জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ হতে পারে। গর্ভাবস্থায় নারীরা গনোরিয়ায় আক্রান্ত হলে শিশু জন্মের সময়ে মায়ের যোনি থেকে তার চোখে সংক্রমণ হতে পারে। শিশুকে চিকিৎসা না করলে তার চোখে প্রদাহ হবে এবং সে অন্ধ হয়ে যেতে পারে।
রোগ নির্ণয় ও পরীক্ষা
এক্ষেত্রে রোগীর বিস্তারিত ইতিহাস শুনতে হবে। তারপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। যদি স্বল্পস্থায়ী আক্রমণ হয়ে থাকে তাহলে পুরুষের ক্ষেত্রে প্রস্রাবের রাস্তা থেকে নিঃসরিত পদার্থ এবং নারীদের মূত্রনালি ও জরায়ু নিঃসরিত পদার্থ পরীক্ষা করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি হলে প্রস্টেটগ্রন্থি ম্যাসাজের পর নিঃসরিত পদার্থ পরীক্ষা করতে হবে। এছাড়াও কালচার ও সেনসিটিভিটি পরীক্ষা করতে হবে।
চিকিৎসা
সাধারণত পেনিসিলিন ব্যবহারে সংক্রমণ সেরে যায়। পেনিসিলিন রেজিস্টেন্ট ব্যক্তিকে সেনসিটিভ ওষুধে চিকিৎসা দেয়া যেতে পারে। জটিলতাহীন গনোরিয়ার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত একক মাত্রায় উপযুক্ত জীবাণুবিরোধী বা অ্যান্ট্রিমাইক্রোবিয়াল ওষুধ বেশ ভালো কাজ দেয়। এছাড়া অবস্থা জটিল হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কাজ করাই উত্তম।
সূত্রঃ দৈনিক যুগান্তর
সংক্ষেপে দেখুনamit 10 mg এর কাজ কি এবং এটি কিসের ঔষধ?
Amit 10 mg কাজ এ্যামিট্রিপটাইলিন একটি ট্রাইসাইক্লিক ঔষধ যার এন্টিকোলিনারজিক এবং বিষণ্নতারােধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ইহা স্নায়ু প্রান্তে নরএড্রিনালিন এবং সেরােটনিন পুনগ্রহণে বাধা দেয়। এ্যামিট্রিপটাইলিন হাইড্রোক্লোরাইড পরিপাকনালীতে দ্রুত শােষিত হয়। প্রায় ২ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে প্লাজমাতে সর্বোচ্চ মাত্রবিস্তারিত পড়ুন
Amit 10 mg কাজ
এ্যামিট্রিপটাইলিন একটি ট্রাইসাইক্লিক ঔষধ যার এন্টিকোলিনারজিক এবং বিষণ্নতারােধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ইহা স্নায়ু প্রান্তে নরএড্রিনালিন এবং সেরােটনিন পুনগ্রহণে বাধা দেয়। এ্যামিট্রিপটাইলিন হাইড্রোক্লোরাইড পরিপাকনালীতে দ্রুত শােষিত হয়। প্রায় ২ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে প্লাজমাতে সর্বোচ্চ মাত্রায় পৌছায়। এ্যামিট্রিপটাইলিন প্রধানত মেটাবােলাইট হিসেবে প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে নিঃসৃত হয়।
মাত্রা ও সেবনবিধি
বিষণ্ণতায়: প্রাথমিক অবস্থায় ৭৫ মিঃগ্রাঃ (বয়োঃবৃদ্ধ ও কৈশোর-এ ৩০-৭৫ মিঃগ্রাঃ) প্রতিদিন বিভাজিত মাত্রায় অথবা একক মাত্রায় ঘুমানোর সময়। প্রয়োজন অনুযায়ী মাত্রা ধীরে ধীরে ১৫০-২০০ মিঃগ্রাঃ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যাবে। ১৬ বছরের নীচে শিশুদের বিষণ্ণতা রোগে এটি নির্দেশিত নয়।
শিশুদের রাত্রিতে বিছানায় মূত্রত্যাগে: ৭-১০ বছরের শিশুদের: ১০-২০ মিঃগ্রাঃ, ১১-১৬ বছরের শিশুদের: ২৫-৫০ মিঃগ্রাঃ ট্যাবলেট রাতে সেবন করতে হবে। চিকিৎসার সর্বোচ্চ সময়সীমা (ধীরে ধীরে মাত্রা কমানো সহ) ৩ মাস, পুনরায় চিকিৎসা করানোর পূর্বে সম্পূর্ণ দৈহিক পরীক্ষা করাতে হবে।
মাইগ্রেন প্রতিরোধে: প্রতিদিন ১০০ মিঃ গ্রাঃ।
দুঃশ্চিন্তা জনিত মাথা ব্যাথায়: ১০-২৫ মিঃ গ্রাঃ করে প্রতিদিন ৩ বার।
* চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ঔষধ সেবন করুন’
সংক্ষেপে দেখুনক্সক্সক্স সং লিরিক্স ভিডিও খায় না মাথায় দেয়?
ভাই, এটা মানুষ খাওয়া বা মাথায় দেয়ার কাজ করে না। এগুলা মানুষ শোনে। এগুলো কিছু বিখ্যাত গান। যেগুলো ইউটিউবে লিরিক্স সহ পাওয়া যায়। আপনি হয়তো বুঝবেন না, কিন্তু অনেকেই এই গানগুলো শোনে। আপনিও শুনে দেখতে পারেন। কিছু গান লিরিক্স সহ নিচে দিয়ে দিলাম। দেখে নিয়েন। 🤪 https://youtu.be/sSOS3Ssf6kc https://youtu.be/বিস্তারিত পড়ুন
ভাই, এটা মানুষ খাওয়া বা মাথায় দেয়ার কাজ করে না। এগুলা মানুষ শোনে। এগুলো কিছু বিখ্যাত গান। যেগুলো ইউটিউবে লিরিক্স সহ পাওয়া যায়। আপনি হয়তো বুঝবেন না, কিন্তু অনেকেই এই গানগুলো শোনে। আপনিও শুনে দেখতে পারেন। কিছু গান লিরিক্স সহ নিচে দিয়ে দিলাম। দেখে নিয়েন। 🤪
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনছাগল পালন পদ্ধতি, মোটাতাজাকরণ, খাদ্য তালিকা এবং ছাগলের বাচ্চার দাম
ছাগলের কাশির চিকিৎসা করতে ছাগলের কাশির ঔষধ তৈরি করার পূর্ণাঙ্গ রেসিপি যেটি সম্পূর্ণ আয়ুর্বেদিক পদ্ধতিতে ঘরোয়া ভাবে ছাগলের কাশির সিরাপ কিভাবে তৈরি করবেন? • যে সকল বন্ধুরা ফার্মিং এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, অবশ্যই আপনারা বলতে পারবেন, অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসায় ছাগলের কাশি সহজে ভালো হয় না। ছাগলের কাশি সারাবিস্তারিত পড়ুন
ছাগলের কাশির চিকিৎসা করতে ছাগলের কাশির ঔষধ তৈরি করার পূর্ণাঙ্গ রেসিপি যেটি সম্পূর্ণ আয়ুর্বেদিক পদ্ধতিতে ঘরোয়া ভাবে ছাগলের কাশির সিরাপ কিভাবে তৈরি করবেন?
• যে সকল বন্ধুরা ফার্মিং এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, অবশ্যই আপনারা বলতে পারবেন, অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসায় ছাগলের কাশি সহজে ভালো হয় না। ছাগলের কাশি সারানোর জন্য বিভিন্ন রকমের সিরাপ ট্যাবলেট আপনারা ব্যবহার করেছেন। কিন্তু ছাগলের কাশি সারাতে পারেননি।
• একবার আমার এই আয়ুর্বেদিক ঘরোয়া পদ্ধতিতে ঔষধটি তৈরি করে ব্যবহার করে দেখতে পারেন কতটা কার্যকরী। যে সকল বন্ধুরা অনেকদিন ধরে গোট ফার্মিং করে আসছেন, অবশ্যই আমি আজকে যে আলোচনাটা করব একদম মনোযোগ সহকারে পড়বেন এবং কতটা সত্য তা কমেন্ট করে জানাবেন।
• আপনার ফার্মের কোন ছাগল যখন অসুস্থ হয় বেশিরভাগ ট্রিটমেন্ট কিন্তু আপনি অ্যালোপ্যাথিক পদ্ধতিতেই করে থাকেন। কিন্তু একটা কথা ভালোভাবে লক্ষ্য রাখবে অ্যালোপ্যাথি ট্রিটমেন্ট করতেছেন, যে এন্টিবায়োটিক বা যে মেডিসিন ব্যবহার করতেছে তার সাইডএফেক্ট কিছুদিন পরে দেখা যায়।
• অ্যালোপ্যাথিক খাওয়ানোর ছাগলটা সুস্থ হয়ে গেল, কিন্তু সুস্থ হয়ে যাওয়ার পরেও কিন্তু তার শরীরটা দুর্বল হয়ে যায়। সেটা হচ্ছে মেডিসিনের সাইডএফেক্ট। এরপরে শরীরে যতটা ঘাটতি হয়ে যায় সেটাকে রিকভার করতে অনেক দিন সময় লেগে যায়।
• অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় কিছু কিছু ছাগল যাদের শরীরের ইমিউনিটি কম, তাদের রিকভার করতে তিন চার মাস থাকতে পারে। তাতে হয় কি, সে দ্রুত হিটে আসে না বা যদি গর্ভবতী অবস্থায় ট্রিটমেন্ট করা হয়, সে সময় যদি বাচ্চা দেয় বাচ্চাটাও কমজোর হয়। শরীরে যথেষ্ট নিউট্রিশনের ঘাটতি ফলে তার দুধও কম হয়। এজন্য বেশিরভাগ সময় চেষ্টা করবেন আয়ুর্বেদিক এবং হোমিওপ্যাথি ট্রিটমেন্ট করতে তাহলে কিন্তু এই ধরণের সমস্যাগুলো হবে না।
• যেগুলো খুব কঠিন সমস্যা যেগুলোর ক্ষেত্রে আয়ুর্বেদিক কাজ হবে না সে ক্ষেত্রে আপনি অ্যালোপ্যাথি ট্রিটমেন্ট করতে পারেন। কিন্তু বাকি যে নরমাল রোগগুলো হয় সেক্ষেত্রে চেষ্টা রাখবেন ঘরোয়া আয়ুর্বেদিক বা হোমিও চিকিৎসা করার আজকে আলোচনা করব ছাগলের যে কাশি হয় সে কাশির জন্য নিজেরাই কিভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ আয়ুর্বেদিক মেডিসিন তৈরি করবেন? এই কাশির ঔষধ তৈরির কাঁচামাল কি?
ছাগলের কাশির ঔষধ তৈরির কাঁচামালঃ
(১) শিউলি পাতা = ১৫০ গ্রাম কাচা অবস্থায়।
(২) বাসক পাতা = ১৫০ গ্রাম নিবেন।
(৩) রাম তুলসী বা বন তুলসী যেটাকে বলা হয় = ১৫০ গ্রাম।
(৪) পিপুল বা পিপলি = ১৫০ গ্রাম ।
(৫) এরপর আপনাকে আরেকটি তুলসী নিতে হবে, যেটা সাধারনত গ্রামেগঞ্জে হিন্দুদের বাড়িতে থাকে, সেটা নিতে হবে = ১৫০ গ্রাম।
(৬) এরপরে আপনাদের নিতে হবে গোলমরিচ যেটা মসলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে সেটাকে শুকিয়ে আধভাঙা করে নেবেন = 25 গ্রাম।
(৭) এরপর আরেকটি মসলাজাতীয় আপনাকে লবঙ্গ বা যেটাকে লং বলা হয়ে থাকে এটাকে নিয়ে নেবেন এটাকেও সেটাকে শুকিয়ে আধ ভাঙ্গা করে নেবেন = 25 গ্রাম।
(৮) সবার শেষে নিতে হবে আপনাকে তালমিস্ত্রী = 50 গ্রাম।
বি:দ্র: অনেকেই হয়ত জানেন না পিপুল পাতা কাকে বলা হয় এটি পান জাতীয় গাছ, গাছের মধ্যে সরু সরু লম্বা লম্বা ফল থাকে দেখলে বুঝতে পারবেন। এটি বাঁশঝার, সুপারি বাগানের বা জঙ্গলের মধ্যে হয়ে থাকে।এর ফলগুলো শুকিয়ে সংরক্ষণ করতে হয়। এছাড়াও একটি দোকানে কিনতে পাবেন সেটা যে দশকর্মার দোকান থাকে সে দশকর্মা দোকানে কিনতে পাবেন। যাদের আশেপাশে এই গাছগুলি দেখবেন এর ফলগুলি ছিঁড়ে রোদে রেখে দেবেন। যখন মেডিসিন তৈরি করবেন সেটাকে সরাসরি ব্যবহার করতে পারবেন। যাদের আশেপাশে নেই আপনারা দোকান থেকে কিনে নেবেন, পিপুল বা পিপলি বললেই দোকানদার বুঝে যাবে।
ছাগলের কাশির সিরাপ তৈরির পক্রিয়াঃ
(১) সবগুলোকে একসঙ্গে আধভাঙা করে নেবেন।
(২) নেওয়ার পর তিন লিটার জলের মধ্যে এই উপাদান গুলি দিয়ে দিতে হবে।
(৩) এর পরে তাকে কম তাপে জাল করতে হবে। যত কম তাপ দিয়ে বেশি সময় ধরে আপনারা জাল করবেন তত ভালো মেডিসিন তৈরি হবে।
(৪) তিন লিটারকে জ্বাল করতে করতে আপনাকে এক লিটারে নিয়ে আসতে হবে।
(৫) এই এক লিটার ঠান্ডা করে ছাকনি দিয়ে সংরক্ষন করে রেখে দিতে হবে।
ছাগলের কাশির চিকিৎসা করতে ঔষধ প্রয়োগবিধিঃ
(১) যাদের শুকনো কাশি বা সর্দি কাশি থাকে সেক্ষেত্রে একটা কুঁড়ি কেজি ওজনের ছাগলকে ৫মিলি করে দিতে হবে।
(২) সারা দিনে তিন বার এই কাশের সিরাপ ঔষধ খাওয়াবেন।
(৩) এই মেডিসিন টা যদি তৈরি করে যদি আপনারা ফার্মে সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন তাহলে ছোট বাচ্চা প্রেগনেন্ট, প্রেগনেন্ট ছাড়া সব ধরনের ছাগলকে আপনারা সরাসরি ব্যবহার করতে পারবেন। এর কোন সাইডএফেক্ট নেই।
(৪) যদি কোনো মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে চান একইভাবে আপনারা মানুষের ক্ষেত্রে কিন্তু এটাকে ব্যবহার করতে পারবেন।
ধন্যবাদ!
সূত্রঃ ইন্টারনেট
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশে ইলন মাস্কের স্টারলিংক ইন্টারনেট পরিষেবা চালুর সম্ভাবনা আছে কত সালে?
২০২৩ সালে বাংলাদেশে ইলন মাস্কের স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা চালুর সম্ভাবনা আছে ইলন মাস্কের বহুল আলোচিত স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা স্টারলিংক ২০২৩ সালে বাংলাদেশে চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্টারলিংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অনুসারে, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ থেকে প্রি-অর্ডার গ্রহণ করছে। ইলন মাস্কেরবিস্তারিত পড়ুন
২০২৩ সালে বাংলাদেশে ইলন মাস্কের স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা চালুর সম্ভাবনা আছে
ইলন মাস্কের বহুল আলোচিত স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা স্টারলিংক ২০২৩ সালে বাংলাদেশে চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্টারলিংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অনুসারে, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ থেকে প্রি-অর্ডার গ্রহণ করছে।
ইলন মাস্কের মহাকাশ সংস্থা ও স্টারলিংকের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স’র অফিসিয়াল টুইটবার্তায় বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, জার্মানি, ফ্রান্স ও স্পেনের কিছু অংশসহ বিশ্বের ৩২টি দেশে স্টারলিংকের ব্রডব্যান্ড পরিষেবা চালু রয়েছে।
স্টারলিংকের পোস্ট করা মানচিত্রে ‘সেবার আওতাধীন’ চিহ্নিত দেশগুলো অবিলম্বে তাদের স্টারলিংক ইনস্টলেশন প্যাকেজ পাবে। ম্যাপে ‘ওয়েটলিস্ট’ এবং ‘শিগগির আসছে’ চিহ্নিত এলাকাও রয়েছে।
‘শিগগির আসছে’ চিহ্নিত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্রাজিল, সৌদি আরব, পাকিস্তান, ভারত এবং বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ থেকে প্রি-অর্ডার পরিষেবা পেতে স্টারলিংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলে ৯৯ ডলার ফি প্রদানের একটি নির্দেশনা আসে। সেখানে একটি বার্তায় বলা হয়েছে যে, স্টারলিংক ২০২৩ সালে এই এলাকায় তার পরিষেবা প্রসারিত করার আশা করছে।
সেখানে আরও বলা হয়, প্রাপ্যতা নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের ওপর নির্ভরশীল এবং প্রতিটি কভারেজ এলাকায় ‘আগে আসলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে অর্ডার গ্রহণ করা হবে।
সূত্রঃ ইন্টারনেট
সংক্ষেপে দেখুনশীতের সকাল অনুচ্ছেদ রচনা ৩য় থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত
প্রশ্নঃ শীতের সকাল নিয়ে বাংলা অনুচ্ছেদ লিখ । উত্তরঃ শীতের সকাল অনুচ্ছেদ ১ ছয় ঋতুর বৈচিত্র্যেপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ ছয় ঋতুর মধ্যে শীতের অবস্থান হেমন্তের পর আর বসন্তের আগে। গাছের ঝরা পাতায় ঘটে শীতের আগমন আর বসন্তের নতুন পাতা জাগিয়ে ঘটে শীতের বিদায়। শীতকাল এ দেশের প্রকৃতির অন্যরকম রূপ, যা সম্পূর্ণভাববিস্তারিত পড়ুন
প্রশ্নঃ শীতের সকাল নিয়ে বাংলা অনুচ্ছেদ লিখ ।
উত্তরঃ
শীতের সকাল অনুচ্ছেদ ১
ছয় ঋতুর বৈচিত্র্যেপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ ছয় ঋতুর মধ্যে শীতের অবস্থান হেমন্তের পর আর বসন্তের আগে। গাছের ঝরা পাতায় ঘটে শীতের আগমন আর বসন্তের নতুন পাতা জাগিয়ে ঘটে শীতের বিদায়। শীতকাল এ দেশের প্রকৃতির অন্যরকম রূপ, যা সম্পূর্ণভাবে ধারণ করে শীতের সকাল। তেমনি শীতের একটি সকাল উপভােগ করার সুযােগ হয়েছিল এবারের শীতে। ছুটির সুবাদে স্নিগ্ধ একটি সকালের স্পর্শ অনুভব করা সম্ভব হয়েছিল। শীতের সকালে কুয়াশার চাদর পরিবেশকে মনােরম করে তুলেছিল। যখন এই কুয়াশার চাদর ভেদ করে চারদিকে রূপালি আলাে ছড়িয়ে পড়ল, তখন বাড়িঘর, গাছপালা ও প্রকৃতি ঝলমল করে ওঠল । কুয়াশার কারণে পাখিরাও নীড় ছেড়ে বের হয় না, কোলাহলে মেতে ওঠে না। চারিদিক থেকে ভেসে আসে সরষে ফুলের মধুর সৌরভ। এভাবে ব্যস্ততাহীন, ধীর লয়ে আগমন ঘটল শীতের একটি সকালের । উত্তর দিক থেকে হিম শীতল বাতাস বইতে থাকল! যেন দীর্ঘশ্বাসের মতাে গাছের পাতার ফাঁকে ফাঁকে শির শির করে এ বাতাস বয়ে যায়। এ বাতাসে পাতাগুলাে কেঁপে কেঁপে উঠল। শীতের সকালে বাড়িতে নানা ধরনের পিঠা খাওয়ার ধুম পড়ে গেল। সকাল বেলার রােদে পিঠা খাওয়ার যে আনন্দ, তা সব আনন্দকেই যেন ছাড়িয়ে যায়। এই আনন্দ চারপাশে উৎসবের সমারােহ তৈরি করলেও শীতের সকাল বেলাটা মানুষ লেপ-কাঁথার নিচেই কাটাতে ভালােবাসে। শীতের সকাল অলস আর উৎসবের আমেজে উপভােগ্য হলেও গরিবদের জন্য যে তা কতটা কষ্টের এবার সে বিষয়টি অবলােকন করলাম। গ্রামের কৃষকেরা সকাল হতেই গরু আর লাঙল নিয়ে বের হয়ে যায় মাঠে। তারা খেতে মুগ, মশুর, ছােলা, সরিষার বীজ বােনে। কয়দিন পর যখন সেগুলাের কচি পাতা মাথা উঁচু করে তখন চারদিকে বিরাজ করে এক অপূর্ব স্নিগ্ধতা, কোমলতা। শীতের সকালে গাছিরা খেজুর গাছ থেকে রসের হাড়ি নামায়। খেজুর রসের লােভনীয় মিষ্টি গন্ধে তখন সকলের মন মেতে ওঠে। ছােট ছেলেমেয়েরা সেই সকালের মিষ্টি রােদে বসে গুড় দিয়ে মুড়ি খায়। তবে বুঝতে পারলাম শহর আর গ্রামের শীতের সকালের চিত্র ভিন্ন। গ্রামের তুলনায় শহরে শীতের প্রকোপ তুলনামূলক কম। তাই শহরের মানুষ একটু দেরি করে ঘুম থেকে ওঠে। উঁচু উঁচু দালানকোঠায় বসবাসকারী শহরের মানুষ এজন্য শীতের সকালের স্নিগ্ধতা উপভােগ করতে পারে না। সূর্যের আলাের তীব্রতা বাড়লে দূর হয় শীতের সকালের আমেজ। শীতের সকাল প্রকৃতিকে এক পবিত্র সৌন্দর্যের সৃষ্টি করে, যা ছড়িয়ে থাকে সারাবেলা।
শীতের সকাল অনুচ্ছেদ ২
আমাদের দেশে ছয়টি ঋতু বিরাজমান। তন্মধ্যে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল শীতকাল। ঋতুচক্রের আবর্তে বাংলাদেশে শীত আসে। হেমন্তের ফসল ভরা মাঠ যখন শূন্য ও রিক্ত হয়ে পড়ে, তখনই বােঝা যায়, ঘন কুয়াশার চাদর মুড়ি দিয়ে শীত আসছে।উত্তরের হিমেল হাওয়ায় ভর করে হাড়ে কাপন লাগিয়ে সে আসে তার নিজস্ব রূপ নিয়ে। প্রকৃতি তখন তার সমস্ত আবরণ খুলে ধারণ করে দীনহীন বেশ। প্রকৃতিতে সৃষ্টি হয় এক ভিন্ন সৌন্দর্য। এ সৌন্দর্য পূর্ণতা পায় শীত সকালে। শীতের সকালে সর্বত্র ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকে। সর্বত্র বিরাজ করে কনকনে ঠাণ্ডা। মাঝে মাঝে ফুয়াশা এতই ঘন থাকে যে, সূর্যরশ্মিও একে ভেদ করতে পারে না। সবকিছু ঝাপসা দেখায়। দূরের জিনিস কদাচিৎ দেখা যায়। সূর্ণ বিলম্বে উঠে বলে মনে হয়। শিশু এবং বৃদ্ধরা সকালে হাড় কাঁপানাে শীতকে ভয় পায়। খুব সকালের ঠাণ্ডা এড়াতে তারা কিছুটা দেরিতে ঘুম থেকে উঠে। সকালে সূর্য যখন উকি দেয় গাছ ও ঘাসের উপর তখন রাতের ঝরা শিশির সােনার মতাে জ্বলল করতে থাকে। শীতের সকালের এক অসাধারণ আকর্ষণ সরষে ফুলের হলুদ মাঠ। সকালের সূর্যালােক যেন তার নিপুণ হাতে প্রতিটি সরষে গাছকে নবরূপে ঢেলে সাজায়। পশু-পাখি সূর্যের আলাে দেখে আনন্দিত হয়। কৃষকরা গরু ও লাঙল নিয়ে মাঠে যায়। তাদের হাতে শােভা পায় তুঙ্কা। ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা সূর্যের মুখ দেখার জন্য বারবার জানালার ফাঁকে উঁকি মারে। কোথাও বা ছেলেমেয়েরা খড় সংগ্রহ করে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করে, আর হাসি-তামাশায় মেতে উঠে। বৃদ্ধ লােকেরা রোদ পােহায়। কিছু লােক খেজুরের রস বিক্রি করতে বের হয়। অনেকেই ঘরে তৈরি পিঠা ও খেজুরের রস খেতে পছন্দ করে। বেলা বেশি হওয়ার সাথে সাথে শীতের সকালের দৃশ্য ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায়। বেলা বেড়ে চলে, কুয়াশা দূরীভূত হয় এবং লােকেরা তাদের নিজ নিজ কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।
শীতের সকাল অনুচ্ছেদ ৩
আমাদের দেশ ছয় ঋতুর দেশ। এ ছয় ঋতুর মধ্যে শীতকাল অন্যতম। বাংলার প্রকৃতিতে শীতের সকাল এক ভিন্নতর রূপ নিয়ে আবির্ভূত হয়।
পৌষ ও মাঘ শীতকাল হলেও অগ্রহায়ণের শুরু থেকেই শীতের সকাল দিগন্তের পার বেয়ে গাছপালার উপরে কুয়াশার চাদর জড়িয়ে উপস্থিত হয়। তারপর ক্রমে ক্রমে দিন এগিয়ে চলে, অগ্রহায়ণ, পৌষ পেরিয়ে মাঘে এসে শীতের সকাল তার পূর্ণরূপ প্রকাশ ঘটায়। প্রচণ্ড প্রতাপশালী সূর্যটা কুয়াশার ভারী আবরণে ঢাকা পড়ে। তার লজ্জারাঙা রূপ নিয়ে পূর্ব দিগন্তে উঁকি দেয়। তখন সােনাঝরা এক চিলতে রােদ শীতার্ত শরীরে কি দুর্লভ মনে হয়। এই সময়ে খেজুরের রস, ভাপা পিঠে সবার কাছেই মজাদার হয়ে ওঠে। পেটের ক্ষুধার চেয়ে মনের ক্ষুধা ও চোখের ক্ষুই বড় হয়ে জাগে। গরম পিঠা থেকে যখন ধোঁয়ার মতাে ভাব বেরুতে থাকে, তখন কার না চোখে ক্ষুধা পায়। শীতের সকল প্রকৃতির এক যুবুথুবু মুহূর্ত হলেও খাদ্যের লােভে মনটা চাঙ্গা হয়ে ওঠে। অগ্রহায়ণের আশীর্বাদে ধনী-দরিদ্র প্রায় সবার ঘরেই খাবার থাকে। অভাবের কষ্টটা এই সময় থাকে না। তাই শীতের সকাল বাংলার প্রকৃতিতে এক মজার সময়ই বটে।
শীতের সকাল অনুচ্ছেদ for class 3/4
শীতের সকাল কুয়াশাচ্ছন্ন এবং ঠাণ্ডা। সর্বত্র ঘন কুয়াশা থাকে। মাঝে মাঝে কুয়াশা এতই ঘন থাকে যে, সূর্যরশ্মি একে ভেদ করতে পারে না। সবকিছু ঝাপসা দেখায়। দূরের জিনিস কদাচিৎ দেখা যায়। সূর্য বিলম্বে উঠে বলে মনে হয়। শিশু এবং বৃদ্ধরা সকালের হাড় কাঁপানাে শীতে কষ্ট ভােগ করে। রাতে শিশির পড়ে। যখন সকালে সূর্য উকি দেয়, গাছ ও ঘাসের উপর সেগুলো সােনার মতাে চিকচিক করতে থাকে। কৃষকেরা গরু ও লাঙ্গল নিয়ে মাঠে যায়। ছেলেমেয়েরা খড় সংগ্রহ করে আগুন জ্বালিয়ে তাদের গরম করে। বৃদ্ধ লােকেরা রােদ পােহায়। লােকজন চিড়া, মুড়ি, খই এবং বিভিন্ন প্রকার পিঠা খেতে পছন্দ করে। বেলা বেশি হওয়ার সাথে সাথে শীতে সকালের দৃশ্য ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায়। বেলা বেড়ে চলে, কুয়াশা দূরীভূত হয় এবং লােকেরা তাদের নিজ নিজকাজে যেতে শুরু করে।
শীতের সকাল অনুচ্ছেদটি কেমন হয়েছে ? নতুন কিছু সংযোজন করা যায় বা বাদ দেওয়া প্রয়োজন? কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।
সংক্ষেপে দেখুন