সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
eSIM কি? কোন ফোনগুলো eSIM সাপোর্ট করে? ই-সিম কিভাবে কাজ করে
Ei video Ta dekle bhalo kore bujte parben Please subscribe to my Channel if you Like this video
Ei video Ta dekle bhalo kore bujte parben
Please subscribe to my Channel if you Like this video
সংক্ষেপে দেখুনইন্ট্রোভার্ট কি? ইন্ট্রোভার্ট মানুষ দের সম্পর্কে জানতে চাই। এর অর্থ কি?
ইন্ট্রোভার্ট মানেই অসামাজিক নয় ইন্ট্রোভার্ট কিংবা অন্তর্মুখী মানুষ হচ্ছে তারা, যারা নিজেদের মতো থাকতে ভালোবাসেন। ভিড় এবং আড্ডার আসরে তাদের খুব একটা পাওয়া যায় না। এরা নিরিবিলি নিজেদের সময় দিতেই ভালোবাসেন। আর তাদের এই আচরণের জন্য অনেকেই তাদের অসামাজিক বলে আখ্যা দিয়ে থাকেন। বিদ্যালয়, চাকরিক্ষেত্রে কিংববিস্তারিত পড়ুন
ইন্ট্রোভার্ট মানেই অসামাজিক নয়
ইন্ট্রোভার্ট কিংবা অন্তর্মুখী মানুষ হচ্ছে তারা, যারা নিজেদের মতো থাকতে ভালোবাসেন। ভিড় এবং আড্ডার আসরে তাদের খুব একটা পাওয়া যায় না। এরা নিরিবিলি নিজেদের সময় দিতেই ভালোবাসেন। আর তাদের এই আচরণের জন্য অনেকেই তাদের অসামাজিক বলে আখ্যা দিয়ে থাকেন। বিদ্যালয়, চাকরিক্ষেত্রে কিংবা যে কোনো সামাজিক জীবনে অসামাজিক তকমাটি নিয়েই তাদের পথ চলতে হয়। কিন্তু ইন্ট্রোভার্ট মানে কি আসলেই অসামাজিক?
বিদ্যালয়ে সবাই যখন হৈ-হুল্লোড় করছে তখন লাস্ট বেঞ্চের এককোণে বসে থাকা একটি ছেলে, মুখরিত আড্ডায় চুপটি করে বসে থাকা কোনো বন্ধু কিংবা অফিসের ডেস্কে একমনে নিজের মতো কাজ করতে থাকা কোনো সহকর্মী। এভাবেই বৃত্তের বাইরে বাস করা এই মানুষকেই বলা হয় ইন্ট্রোভার্ট। এরা নিজেদের মতো নিজদের তৈরি জগৎ নিয়ে থাকতেই ভালোবাসে। খুব কাছের কেউ ছাড়া তার সেই নিরাপত্তা বলয়ে আবদ্ধ জগতে সহজে কারো অনুপ্রবেশের অধিকার নেই।
কিন্তু এক্সট্রোভার্ট দুনিয়ার মানুষের কাছে এটি একটি উটকো ঝামেলা। তারা অনেকেই ইন্ট্রোভার্ট মানুষকে অসামাজিক, অহংকারী কিংবা বেমানান বলে আখ্যা দেন। তাদের এই মিশতে না পারার সীমাবদ্ধতাটিকে তারা সহজভাবে নিতে পারে না। ফলে অন্তর্মুখী মানুষ নিজেকে আরও গুটিয়ে ফেলে নিজের মধ্যে।
অথচ অন্তর্মুখী মানুষদের কমফোর্ট জোন নিশ্চিত করে তাদের সঙ্গে মিশতে পারলে তারাও হয়ে উঠতে পারে খুব ভালো একজন বন্ধু।
কিন্তু কি করে চেনা যায় এসব অন্তর্মুখী মানুষের?
১। এরা সহজে কারো সঙ্গে মিশতে পারে না।
২। এরা কম কথা বলে এবং বাক্যলাপে অপটু হয়।
৩। সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগ্রহ দেখায় না।
৪। আড্ডায় সহজে এদের দেখা যায় না।
৫। এরা ভালো শ্রোতা কিন্তু কথা বলতে গেলে ভ্যাবাচেকা খেয়ে যায়।
৬। পছন্দের কোনো বন্ধুর সঙ্গে পছন্দের কোনো বিষয় নিয়ে এরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলতে পারে।
৭। মানুষ এদেরকে ভুল বুঝলেও নিজেকে প্রমাণ করতে আগ্রহ পায় না।
শঙ্কার কথা হচ্ছে, আমাদের সমাজে কেউ এক্সট্রোভার্ট হলে তাকে সহজলভ্য এবং সস্তা ভাবা হয়। অন্যদিকে ইন্ট্রোভার্টদের ভাবা হয় অহংকারী আর অসামাজিক হিসেবে। অথচ সমাজের চোখে এই দুই ধরনের মানুষই স্বাভাবিক। একজন অন্তর্মুখী মানুষও সবার সাহায্যে সহজেই নিজেকে বিকশিত করতে পারে।
সূত্রঃ সময় নিউজ
সংক্ষেপে দেখুনপাইথন দিয়ে প্রোগ্রামিং শেখা তামিম শাহরিয়ার সুবিন pdf ডাউনলোড
বন্ধুরা তোমাদের জন্য নিয়ে এলাম বই : তামিম শাহরিয়ার সুবিনের ৫২টি প্রোগ্রামিং সমস্যা ও সমাধান pdf free download – tamim shahriar subeen programing pdf Download পাইথন দিয়ে প্রোগ্রামিং শেখা সুবিন সূত্রঃ bookishbd.com
বন্ধুরা তোমাদের জন্য নিয়ে এলাম বই : তামিম শাহরিয়ার সুবিনের ৫২টি প্রোগ্রামিং সমস্যা ও সমাধান pdf free download – tamim shahriar subeen programing pdf
Download পাইথন দিয়ে প্রোগ্রামিং শেখা সুবিন
সূত্রঃ bookishbd.com
সংক্ষেপে দেখুনগজনী বংশের সর্বশেষ এবং শ্রেষ্ঠ সুলতান কে ছিলেন, গজনীর বর্তমান নাম কি?
গজনী বংশের শেষ শাসক বা সুলতান ছিলেন খসরু মালিক। খসরু মালিক এর সংক্ষিপ্ত জীবনী খসরু শাহের মৃত্যুর পর তার পুত্র খসরু মালিক সিংহাসনে আরোহণ করেন। তার সময়ে ঘুরীদের শক্তি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে। ১১৬৩ খ্রিস্টাব্দে ঘুরী রাজ্যের অধিপতি আলাউদ্দীন হুসাইন জাহানসুজের মৃত্যু হলে তার ভ্রাতুষ্পুত্র গিয়াসউদ্দীন মুহমবিস্তারিত পড়ুন
গজনী বংশের শেষ শাসক বা সুলতান ছিলেন খসরু মালিক।
খসরু মালিক এর সংক্ষিপ্ত জীবনী
খসরু শাহের মৃত্যুর পর তার পুত্র খসরু মালিক সিংহাসনে আরোহণ করেন। তার সময়ে ঘুরীদের শক্তি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে। ১১৬৩ খ্রিস্টাব্দে ঘুরী রাজ্যের অধিপতি আলাউদ্দীন হুসাইন জাহানসুজের মৃত্যু হলে তার ভ্রাতুষ্পুত্র গিয়াসউদ্দীন মুহম্মদ বিন সাম শাসনভার গ্রহণ করেন। ১১৭৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি গুজ তুর্কিদের গজনী থেকে তাড়িয়ে দিয়ে তা দখল করেন। গিয়াসউদ্দীন তার ছোটভাই শিহাবউদ্দীনকে গজনীর শাসনভার অর্পণ করেন। দুই ভ্রাতা তাদের রাজনীতি এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যে গভীর হৃদ্যতা বজায় রেখেছিলেন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত গিয়াসউদ্দীন তার ভাইয়ের কাছে থেকে সৌহার্দ্য এবং রাজভক্তি লাভ করেছিলেন। তিনি শিহাবউদ্দীনের প্রতি স্নেহের নির্দেশনস্বরূপ তার কাজে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দান করেছিলেন। সিংহাসনে আরোহণ করার সময় মুহম্মদ বিন সাম ‘শিহাবউদ্দীনের’ পরিবর্তে মুইজদ্দীন উপাধি গ্রহণ করেন এবং মুইজদ্দীন মুহাম্মদ বিন সাম নামে ইতিহাসে পরিচিত হন। কিন্তু ভারতের ইতিহাসে তিনি মুহম্মদ ঘুরী নামে সমধিক প্রসিদ্ধ। মুহম্মদ ঘুরীর সময় থেকে ভারতে মুসলমানদের তৃতীয় পর্যায়ের অভিযান শুরু হয় এবং তিনি গজনী থেকে ভারতে রাজ্য বিস্তারে মনোনিবেশ করেন।
সংক্ষেপে দেখুনরংপুর কারমাইকেল কলেজ ভর্তি তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও নোটিশ বোর্ড
নিচের লিংকে কারমাইকেল কলেজ রংপুর এর সকল তথ্য, ভর্তি বিজ্ঞপ্তি আর নোটিশ বোর্ড দেখতে পারবেন। লিংকঃ কারমাইকেল কলেজ নোটিশ বোর্ড, ভর্তি বিজ্ঞপ্তি
নিচের লিংকে কারমাইকেল কলেজ রংপুর এর সকল তথ্য, ভর্তি বিজ্ঞপ্তি আর নোটিশ বোর্ড দেখতে পারবেন।
লিংকঃ কারমাইকেল কলেজ নোটিশ বোর্ড, ভর্তি বিজ্ঞপ্তি
সংক্ষেপে দেখুনকিছু বিখ্যাত শিল্পীদের নামের আগে উস্তাদ বা ওস্তাদ বলা হয় কেন? যেমন ওস্তাদ নুসরাত ফতেহ আলী খান, ইত্যাদি।
শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে ওস্তাদ বা পণ্ডিত উপাধি দেওয়ার রেওয়াজ চলে আসছে বহুকাল আগে থেকেই। যে সময় থেকে নবাবদের দরবারে, রাজাদের রাজসভায়, শাস্ত্রীয় সংগীতের পৃষ্ঠ পোষকতা শুরু হলো, তখন থেকেই, অসাধারণ প্রতিভা তথা দক্ষতা সম্পন্ন শিল্পীদের স্বীকৃতি এবং সম্মাননা স্বরূপ, নবাব বা রাজা বা অন্যান্য গুণীজন কর্তৃক, ওস্তাদবিস্তারিত পড়ুন
শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে ওস্তাদ বা পণ্ডিত উপাধি দেওয়ার রেওয়াজ চলে আসছে বহুকাল আগে থেকেই।
যে সময় থেকে নবাবদের দরবারে, রাজাদের রাজসভায়, শাস্ত্রীয় সংগীতের পৃষ্ঠ পোষকতা শুরু হলো, তখন থেকেই, অসাধারণ প্রতিভা তথা দক্ষতা সম্পন্ন শিল্পীদের স্বীকৃতি এবং সম্মাননা স্বরূপ, নবাব বা রাজা বা অন্যান্য গুণীজন কর্তৃক, ওস্তাদ বা পন্ডিত উপাধিতে ভূষিত করা হতো।
সময়ের সাথে সাথে, রাজন্যপ্রথা উঠে গেলেও, যোগ্য শিল্পীকে সম্মান প্রদর্শনার্থে, এই ওস্তাদ বা পন্ডিত উপাধি প্রদানের ধারা অব্যাহত থেকে যায় এবং বিভিন্ন সংগীতনুরাগী সংস্থা বা শিল্পীমহল এই প্রথাকে বাঁচিয়ে রাখে। এই উপাধির মাধ্যমে, সংগীতের ক্ষেত্রে, শিল্পীর দক্ষতার পরিচয়ই জড়িয়ে থাকে।
এই উপাধি দেয়ার জন্য স্বীকৃত কোনো প্রতিষ্ঠান নেই, ফলে আবেদন করার কোনো পদ্ধতিও নেই।
কোনো শিল্পী গুণীমহল কর্তৃক ওস্তাদ বা পণ্ডিত উপাধিতে ভূষিত হয়ে, সেই মহলটিকেই কৃতার্থ করেন আবার কোনো শিল্পী, নিজের জানাশোনা কোনো সংস্থা, ক্লাব-টাব ইত্যাদিকে বলে, কয়ে, একটু ম্যানেজ করে, পন্ডিত উপাধি জুটিয়ে নিয়ে, নিজে ধন্য হন।
আর সেরকম সুবিধা না থাকলেও অসুবিধে নেই, আজকাল অনেক শিল্পী, নিজেই, নিজের নামের সামনে পণ্ডিত উপাধি বসিয়ে দেন। এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে, উচ্চারণ আর অনুচ্চারণের মাঝামাঝি স্থানে থেকে, কিছু একটা বলেন, যা দুর্বোধ্য।
ধন্যবাদ।
সংক্ষেপে দেখুন২০২২ সালে বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা কত?
বর্তমানে বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সূত্র বিভিন্ন কথা বলছে। কিছু উদাহরণ নিচে দিলাম। দৈনিক কালের কন্ঠঃ বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯১ লাখ ১ হাজার। DBC News: বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৪৬ লাখ। সূত্রঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোঃ ১৬.১৭ কোটি। এখন আমি নিজেও কনফিউজড যে সত্যিকার জনসংখবিস্তারিত পড়ুন
বর্তমানে বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সূত্র বিভিন্ন কথা বলছে। কিছু উদাহরণ নিচে দিলাম।
দৈনিক কালের কন্ঠঃ বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯১ লাখ ১ হাজার।
DBC News: বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৪৬ লাখ।
সূত্রঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোঃ ১৬.১৭ কোটি।
এখন আমি নিজেও কনফিউজড যে সত্যিকার জনসংখ্যার পরিমাণ কত!
আপনি নিজেই অনুমান করে নিন। ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনমৃগী রোগ বিশেষজ্ঞ এবং এর সেরা চিকিৎসা কোথায় পেতে পারি?
মৃগী স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতাজনিত একটি রোগ। ৪০টিরও বেশি নিউরোলজিক্যাল রোগের মধ্যে সাধারণ একটি লক্ষণ হলো খিঁচুনি। সাধারণত, মস্তিষ্কের কোষগুলো একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সচল রাখে। কোনো কারণে মানবদেহের কার্য পরিচালনাকারী মস্তিষ্কের স্নায়ুতন্ত্রের উদ্দীপক ও নিবৃত্তিকারক অংশদ্বয়েরবিস্তারিত পড়ুন
মৃগী স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতাজনিত একটি রোগ। ৪০টিরও বেশি নিউরোলজিক্যাল রোগের মধ্যে সাধারণ একটি লক্ষণ হলো খিঁচুনি। সাধারণত, মস্তিষ্কের কোষগুলো একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সচল রাখে। কোনো কারণে মানবদেহের কার্য পরিচালনাকারী মস্তিষ্কের স্নায়ুতন্ত্রের উদ্দীপক ও নিবৃত্তিকারক অংশদ্বয়ের কার্যপ্রণালির ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেলে মৃগীরোগের লক্ষণ দেখা দিতে পারে
যখন এ ধরনের হাজার থেকে লক্ষাধিক বৈদ্যুতিক শক্তি একই সময়ে ঘটে এবং যা মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক অবস্থার সৃষ্টি করে, তার ফলাফল হতে পারে খিঁচুনি।
সুস্থ–স্বাভাবিক একজন ব্যক্তি যদি হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে কাঁপুনি বা খিঁচুনির শিকার হন, চোখ-মুখ উল্টে ফেলে কিংবা কোনো শিশুর চোখের পাতা স্থির হয়ে যায়, একদৃষ্টিতে চেয়ে থাকে অথবা মানসিকভাবে সুস্থ কোনো ব্যক্তি যদি অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন, তবে তাঁকে মৃগীরোগী হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। বিশ্বে পাঁচ কোটি মানুষের মৃগী রোগ আছে, যার শতকরা ৮০ ভাগ মানুষই থাকে মধ্যম ও নিম্ন আয়ের দেশে।
মৃগীর প্রধান চ্যালেঞ্জ
মৃগীরোগের ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয় একটি বিষয়। এখানেই এই অবস্থাকে ঘিরে সামাজিক বিষয় বা নিষিদ্ধ, কল্পকাহিনিসহ অনেক ভুল ধারণা রয়েছে। কখনো কখনো এই অবস্থার চিকিৎসা নির্ণয় সঠিক নয়, যা ভুল বা বিলম্বিত চিকিৎসার কারণে সমস্যার কারণ হতে পারে।
অনেক সময় বলা হয়, এটা ভূতপ্রেত বা দুষ্ট আত্মা দ্বারা সৃষ্ট। এটা সত্য নয়। এর সঙ্গে অতীত জীবনের কোনো সম্পর্ক নেই। এটি একটি বৈজ্ঞানিক স্নায়বিক বিষয়, যা সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।
এপিডেমিওলজিক্যাল স্টাডি অব এপিলেপ্সি নির্দেশ করে যে সামগ্রিকভাবে মৃগীরোগের প্রকোপ নারীদের তুলনায় পুরুষদের মধ্যে সামান্য বেশি।
মৃগীরোগ যে কারণে হয়
মৃগীরোগ হওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ নেই এবং শতকরা ৭০ ভাগের ক্ষেত্রে কোনো কারণ বের করা সম্ভব হয়নি। তবে নিম্নোক্ত কারণগুলো থেকে মৃগীরোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে:
• জন্মের আগে বা জন্মের সময় বা পরে মস্তিষ্কে আঘাত।
• আঘাত এবং মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের অভাব।
• সংক্রমণ যা মস্তিষ্কের ক্ষতি করে।
• মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে প্রতিবন্ধকতা (স্ট্রোক বা অন্যান্য সমস্যা)।
• মেহজমের সমস্যা বা পুষ্টির অভাব।
• মস্তিষ্কের টিউমার।
• অধিক মাত্রার জ্বর।
• মস্তিষ্কে প্রদাহ।
• এ ছাড়া অন্যান্য রোগ।
৩০ থেকে ৪০ শতাংশ মৃগীরোগ জেনেটিক প্রবণতা দ্বারা সৃষ্ট। উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত মৃগীরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রথম পর্যায়ের আত্মীয়দের মৃগীরোগের ঝুঁকি দুই থেকে চার গুণ বেড়ে যায়।
মৃগীরোগের লক্ষণ
৪০ ধরনের মৃগীরোগ হতে পারে। মৃগী রোগীর মধ্যে নিম্নলিখিত যেকোনো একটি বা একাধিক লক্ষণ দেখা দিতে পারে:
• হঠাৎ শরীরের কোনো অংশে খিঁচুনি শুরু হওয়া ও পর্যায়ক্রমে তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়া।
• হঠাৎ নমনীয়ভাবে ঢলে পড়া।
• শরীর শক্ত হয়ে গিয়ে হঠাৎ পড়ে যাওয়া।
• হঠাৎ জ্ঞান হারানো।
• ঘন ঘন কাজে অমনোযোগী হয়ে পড়া।
• ছোট বাচ্চাদের শরীর হঠাৎ ঝাঁকি খাওয়া।
• হঠাৎ মাথা বা পিঠ কিংবা পুরো শরীর সামনে ঝুঁকে আসা।
• হাত থেকে হঠাৎ করে কিছু ছিটকে পড়া।
• হঠাৎ অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করা এবং হাত, পা ও মুখের অস্বাভাবিক নড়াচড়া শুরু হওয়া।
• হঠাৎ শরীরের কোনো অংশে ভিন্ন ধরনের অনুভূতি সৃষ্টি হওয়া।
মৃগীরোগের ডায়াগনোসিস
• রোগী এবং প্রত্যক্ষকারীর বিস্তারিত ইতিহাস।
• রক্ত পরীক্ষা।
• ইইজি।
• মস্তিষ্কের এমআরএই এবং সিটি স্ক্যান।
• সিএসএফ পরীক্ষা।
খিঁচুনির সময় যা করা যাবে না
• আতঙ্কিত বা ভীত হওয়া যাবে না।
• খিঁচুনির সময় কোনোরূপ বাধা সৃষ্টি বা রোগীকে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করা যাবে না; এতে রোগী ও সাহায্যকারী উভয়ই আহত হতে পারে।
• রোগীর মুখে চামড়ার জুতো বা চামড়ার তৈরি অন্য কিছু, লোহার শিক ইত্যাদি চেপে ধরা উচিত হবে না। এতে রোগীর উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশি হয়ে থাকে।
• রোগী পুরোপুরি সচেতন না হওয়া পর্যন্ত পানি বা অন্য কোনো পানীয় দেওয়া যাবে না।
• সাধারণত খিঁচুনি দুই মিনিটের বেশি স্থায়ী হয় না এবং এরপর রোগী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।
কখন চিকিৎসার প্রয়োজন
নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখা দিলে রোগীকে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
• খিঁচুনির স্থায়িত্ব পাঁচ মিনিটের বেশি হলে।
• রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা হলে।
• রোগী একনাগাড়ে অনেকক্ষণ ধরে বিভ্রান্ত হয়ে থাকলে কিংবা অচেতন থাকলে।
• খিঁচুনির সময়ে রোগী কোনোভাবে আহত হলে।
• রোগী প্রথমবারের মতো মৃগীতে আক্রান্ত হলে বিস্তারিত জানার জন্য নিকটস্থ হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগ বা কোনো নিউরোলজিস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
মৃগীরোগের চিকিৎসা
মৃগীরোগের চিকিৎসা প্রধানত কয়েকটি বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল; যেমন:
অ্যান্টি-এপিলেপটিক ওষুধ
অ্যান্টি-এপিলেপটিক ওষুধগুলোর সাধারণত পছন্দসই চিকিৎসাব্যবস্থা। প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, ৭০ শতাংশ ঘটনায় ওষুধ দিয়েই উপসর্গগুলো বা খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ বা নিরাময় করা গিয়েছে। মস্তিষ্ক থেকে নিঃসৃত হওয়া রাসায়নিকগুলোর পরিমাণ পরিবর্তন করে এই ওষুধগুলো খিঁচুনির তীব্রতা ও পুনরাবৃত্তির হার হ্রাস করতে সাহায্য করে। যদিও এই ওষুধগুলো মৃগীরোগের নিরাময় করতে পারে না, কিন্তু নিয়মিত চিকিৎসায় খিঁচুনির ঘটনার পুনরাবৃত্তির হার হ্রাস করে। এই ওষুধগুলো বিভিন্ন ধরনের পাওয়া যায়।
চিকিৎসার শুরুতে ওষুধ অল্প মাত্রায় প্রয়োগ করা হয় এবং খিঁচুনির ঘটনা না থামা পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ধীরে ধীরে ওষুধের মাত্রা বৃদ্ধি করা হয়। কোনো অর্থপূর্ণ প্রতিক্রিয়া বা উন্নতি না দেখা গেলে চিকিৎসক ওষুধ পরিবর্তন করতে পারেন। মৃগীরোগের ধরনের ওপরে ওষুধের ধরন নির্ভর করে এবং শুধু একজন চিকিৎসকই এই ওষুধগুলো প্রেসক্রাইব করতে পারেন। রোগী যদি অন্য কোনো ওষুধ নিতে থাকেন, তাহলে ডাক্তারকে তা জানাতে হবে।
কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে তৎক্ষণাৎ তা ডাক্তারকে জানাতে হবে। সুতরাং যেভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, ওষুধগুলো ঠিক সেইভাবেই সেবন করতে হবে। ওষুধের মাত্রা পরিবর্তন করার আগে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে নিতে হবে। ডাক্তারের অনুমতি ছাড়া ওষুধ বন্ধ করা যাবে না। রোগীর মেজাজের কোনো পরিবর্তন লক্ষ করলে ডাক্তারকে তা জানাতে হবে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অধিকাংশ অ্যান্টি-এপিলেপটিক ওষুধই বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং রোগী কোনো উপসর্গ ছাড়াই বাঁচতে পারবেন।
শল্য চিকিৎসা
ওষুধে খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে না এলে অথবা বেশ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে শল্য চিকিৎসা করার পরামর্শ দেওয়া হতে পারে। অস্ত্রোপচারের সময় মস্তিষ্কের প্রভাবিত অংশ বাদ দেওয়া হয়। অস্ত্রোপচার তখনই করা হয়, যখন মস্তিষ্কের খুব ছোট এলাকা প্রভাবিত হয় এবং সেই এলাকা শরীরের কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যেমন: বাক্শক্তি, শ্রবণশক্তি, চলাফেরা, অঙ্গপ্রত্যঙ্গের নড়াচড়া ও সমন্বয় ইত্যাদির কোনো ক্ষতি করে না।
এ ছাড়া কিটো-জেনিক ডায়েট, ইপিলেপসি সার্জারি, ভেগাল নার্ভ স্টিমুলেশন (ভিএনএস), রেসপন্সিভ নার্ভ স্টিমুলেশন (আরএনএস) স্টেরিওট্যাকটিক সার্জারি ইত্যাদির মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। এসব চিকিৎসা সাধারণত উন্নত বিশ্বে হয়ে থাকে।
জীবনধারার ব্যবস্থাপনা
খিঁচুনির নিয়ন্ত্রণ জরুরি কারণ এটি বিপজ্জনক এবং জটিল সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
• নিয়মিত ওষুধ সেবন করা। ডাক্তারের অনুমতি ছাড়া ওষুধ বন্ধ কর যাবে না।
• খিঁচুনি বা মৃগীরোগ শুরুর কারণ খুঁজে বের করুন। খুব সাধারণ কারণগুলো হলো নিয়মিত ওষুধ না খাওয়া, মানসিক চাপ, খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম, মদ্যপান, অনিদ্রা, উজ্জ্বল আলো, জোরে আওয়াজ ইত্যাদি খিঁচুনি সৃষ্টি করে।
• খিঁচুনি কবে ও কখন শুরু হলো, এর তীব্রতা কত, কতক্ষণ ধরে হয়েছে এবং তার সঙ্গে খিঁচুনি শুরুর আগে আপনি কী করছিলেন, তা বিস্তারিত লিখে রাখুন।
• খিঁচুনি শুরুর কারণগুলোকে মোকাবিলা করার চেষ্টা করার নিয়ম—
১. নিয়মিত ওষুধ সেবন করা।
২. খাওয়াদাওয়া সময়মতো করা।
৩. ঘুমানোর জন্য তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ার চেষ্টা করা।
৪. শ্বাসের হালকা ব্যায়াম করা।
৫. মদ্যপান না করা।
৬. নেশাজাতীয় ওষুধ সেবন না করা।
• খিঁচুনি খুব ঘন ঘন হলে গাড়ি চালানো, সাঁতার কাটা এবং রান্না করা যাবে না। কারণ, এগুলো করার সময় খিঁচুনি হলে তা খুবই ক্ষতিকারক হবে।
• বাড়ির আসবাবপত্রগুলোর কোণ মসৃণ হতে হবে।
• স্নান করার সময় স্নানঘরের দরজা বন্ধ করা যাবে না।
• বাথটাবে স্নান করার বদলে শাওয়ার ব্যবহার করতে হবে। এতে খিঁচুনি শুরু হলে বাথটাবে ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না।
• সাঁতার কাটার সময় এমন সঙ্গী সঙ্গে রাখুন, যিনি আপনার খিঁচুনি শুরু হলে আপনাকে উদ্ধার করতে পারবেন।
• ঘরের বাইরে কোনো খেলাধুলার সময় মাথায় হেলমেট ব্যবহার করতে হবে।
খিঁচুনিতে আক্রান্ত রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা
• আক্রান্ত রোগীকে মেঝেতে শুইয়ে দিতে হবে এবং গায়ের কাপড় খুলে দিতে হবে।
• আশপাশের ধারালো জিনিসপত্র সরিয়ে ফেলতে হবে।
• রোগীকে একপাশে করে শোয়াতে হবে যাতে করে লালা বা থুতু মুখ থেকে বেরিয়ে আসতে পারে।
• মাথার নিচে নরম কাপড় ভাঁজ করে দিতে হবে।
• রোগীর মুখে কোনো কিছু দেওয়া যাবে না।
• খিঁচুনির পরে রোগীকে কিছুক্ষণ বিশ্রাম বা ঘুমাতে দিতে হবে।
মৃগীরোগে আক্রান্ত বেশির ভাগ মানুষ সঠিক চিকিৎসা এবং স্বাস্থ্যসেবা নিলে সুস্থ এবং স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবেন।
লেখক: সিনিয়র কনসালট্যান্ট নিউরোলজিস্ট, এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা
সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো
Top 25 best free vpn in Bangladesh
আমার কাছে ফ্রি vpn গুলোর মধ্যে Turbo vpn আর ক্লাউডফ্লেয়ার এর 1.1.1.1 vpnএই দুটোকেই বেস্ট vpn বলে মনে হয়।
আমার কাছে ফ্রি vpn গুলোর মধ্যে Turbo vpn আর ক্লাউডফ্লেয়ার এর 1.1.1.1 vpnএই দুটোকেই বেস্ট vpn বলে মনে হয়।
সংক্ষেপে দেখুনটিটেনাস (Tetanus) বা ধনুষ্টংকার রোগ কি? টিটেনাস কিভাবে হয় এবং ভ্যাকসিন এর নাম কি?
ধনুষ্টংকার রোগের কারণ মরচে পড়া লোহায় মরিচার সাথে আরও থাকতে পারে ময়লা আবর্জনা এবং বিভিন্ন ধরণের জীবাণু। এই জীবাণু গুলোই আমাদের জন্য বেশি ক্ষতিকর। টিটেনাস বা ধনুষ্টংকার রোগের জীবানুর নাম একপ্রকার ব্যাকটেরিয়া Clostridium tetani যা সাধারণত মাটি, আবর্জনা ও নোংরা স্থানে পাওয়া যায়। এই ব্যাকটেরিয়ার স্পোর যখবিস্তারিত পড়ুন
ধনুষ্টংকার রোগের কারণ
মরচে পড়া লোহায় মরিচার সাথে আরও থাকতে পারে ময়লা আবর্জনা এবং বিভিন্ন ধরণের জীবাণু। এই জীবাণু গুলোই আমাদের জন্য বেশি ক্ষতিকর।
টিটেনাস বা ধনুষ্টংকার রোগের জীবানুর নাম
একপ্রকার ব্যাকটেরিয়া Clostridium tetani যা সাধারণত মাটি, আবর্জনা ও নোংরা স্থানে পাওয়া যায়। এই ব্যাকটেরিয়ার স্পোর যখন তীক্ষ্ণ পেরেক বা ওইজাতীয় জীবাণু বাহিত বস্তু দ্বারা চামড়া ভেদ করে শরীরের মাংসপেশিতে প্রবেশ করে তখন সেগুলো বংশবিস্তারের মাধ্যমে এক প্রকার টক্সিন (tetanospasmin) তৈরি হয়। এ টক্সিন মানবদেহের মোটর নিউরনে আক্রমন করে যা মাংসপেশির সন্ঞ্চালন নিয়ন্ত্রণ করে।
ধনুষ্টংকার বা টিটেনাস এর লক্ষণ
সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে পেশী খিঁচুনি ক্রমশ চোয়ালেও পরিলক্ষিত হয়, ফলে এই রোগের একটি সাধারণ নাম হল দাঁতকপাটি । এই রোগের অন্যান্য লক্ষণগুলি হল পেশীর অনমনীয়তা, গিলে খেতে অসুবিধা এবং দেহের অন্যান্য অংশে খিঁচুনি। শরীরের পেছনের মাংসপেশিগুলো সংকুচিত হয় বলে পুরো শরীর ধনুকের মতো বেঁকে যায়। এই কারণে এই রোগকে (ধনুঃ + টঙ্কার) ধনুষ্টংকার বলে।
Fun Fact :
১৯৩৮ সালের জুতার বিজ্ঞাপন, দাম ছিলো আট আনা।
সংক্ষেপে দেখুনপুলিশ ক্লিয়ারেন্স চেক করার নিয়ম, ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নমুনা, সার্টিফিকেট মেয়াদ, পুলিশের মুভমেন্ট পাশ
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলী ১। আবেদনকারীর কমপক্ষে ৩ মাস মেয়াদ সম্পন্ন পাসপোর্ট থাকতে হবে। ২। আবেদনকারীর পাসপোর্টে উল্লেখিত স্থায়ী কিংবা বর্তমান ঠিকানার যে কোন একটি অবশ্যই সংশ্লিষ্ট মেট্রোপলিটন / জেলা পুলিশের আওতাধীন এলাকায় অবস্থিত হতে হবে এবং আবেদনকারীকে/ যার জন্য পুবিস্তারিত পড়ুন
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলী
১। আবেদনকারীর কমপক্ষে ৩ মাস মেয়াদ সম্পন্ন পাসপোর্ট থাকতে হবে।
২। আবেদনকারীর পাসপোর্টে উল্লেখিত স্থায়ী কিংবা বর্তমান ঠিকানার যে কোন একটি অবশ্যই সংশ্লিষ্ট মেট্রোপলিটন / জেলা পুলিশের আওতাধীন এলাকায় অবস্থিত হতে হবে এবং আবেদনকারীকে/ যার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট চাওয়া হয়েছে তাকে অবশ্যই ঐ ঠিকানার বাসিন্দা হতে হবে ।
৩। মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এম আর পি) এর ক্ষেত্রে যদি পাসপোর্টে ঠিকানা উল্লেখ না থাকে তবে ঠিকানার প্রমাণ স্বরূপ জাতীয় পরিচয় পত্র/জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র/স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর সনদপত্রের ফটোকপি ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করে দাখিল করতে হবে ।
৪। বিদেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশী পাসপোর্টধারী কোন ব্যক্তির পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য তিনি যে দেশে অবস্থান করছেন সে দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশন কর্তৃক পাসপোর্টের তথ্য পাতার সত্যায়িত কপি তার পক্ষে করা আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে ।
৫। বিদেশগামী কিংবা প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিক এবং বাংলাদেশে বসবাস করে স্বদেশে/বিদেশে প্রত্যাবর্তনকারী বিদেশী নাগরিকদের জন্য প্রয়োজনীয় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এই অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে ইস্যু করা হয়।
৬। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাকুরী কিংবা অন্য কোন কাজে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট জেলা কিংবা সিটি এসবি শাখায় যোগাযোগ করুন।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স চেক করার নিয়ম
আপনার আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা জানতে PCC S এর পর আপনার আবেদনের রেফারেন্স নম্বর লিখে যেকোন মোবাইল থেকে ক্ষুদে বার্তা পাঠান 26969 নম্বরে। ফিরতি এসএমএস এ আপনার আবেদনের সর্বশেষ স্ট্যাটাস পেয়ে যাবেন।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস
১। অনলাইনে যথাযথভাবে পূরণকৃত আবেদন পত্র ।
২। ১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি
বিদেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশী নাগরিকগনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি
বিদেশী নাগরিকদের ক্ষেত্রে নিজ দেশের জাস্টিস অব পিস (Justice of Peace) কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি।
৩। বাংলাদেশ ব্যাংক/ সোনালী ব্যাংকের যে কোন শাখা থেকে (১-৭৩০১-০০০১-২৬৮১) কোডে করা ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা মূল্যমানের ট্রেজারী চালান অথবা অনলাইনে ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্ধারিত সার্ভিসচার্জ সহ ফি প্রদান।
পুলিশের মুভমেন্ট পাস আবেদন এর নিয়মাবলী
ধাপ : ২নিবন্ধিত ব্যবহারকারী অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সাইটে লগ-ইন করার পর Apply মেনুতে ক্লিক করে আবেদনপত্রটি যথাযথভাবে পূরণ করুন।।
ধাপ : ৩আবেদন ফরমের প্রথম ধাপে ব্যক্তিগত বিস্তারিত তথ্য, দ্বিতীয় ধাপে বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা পূরণ করুন। আপনার বর্তমান ঠিকানা যে জেলা বা মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত সেই ঠিকানায় পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হবে।
ধাপ : ৪আবেদন ফরমের তৃতীয় ধাপে প্রয়োজনীয় ডকুমেণ্টসমূহের স্ক্যান কপি আপলোড করুন।
ধাপ : ৫আবেদন ফরমের চতুর্থ ধাপে আপনার এন্ট্রিকৃত সকল তথ্য দেখানো হবে। আবেদনে কোন ভুল থাকলে তা পূর্ববর্তী ধাপসমূহে ফেরত গিয়ে পরিবর্তন করা যাবে। তবে চতুর্থ ধাপে আবেদনটি সাবমিট করার পর আর কোন পরিবর্তন করার সুযোগ থাকবে না।
ধাপ : ৬চালানের মাধ্যেমে ফি পরিশোধের উপায় এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে প্রদত্ত নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
এখানে ক্লিক করে অনলাইনে আবেদন করুন।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স চেক, পুলিশ মুভমেন্ট পাস, পুলিশের মুভমেন্ট পাস আবেদন, পুলিশের মুভমেন্ট পাস, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স কিভাবে করব, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স চেক করার নিয়ম, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নমুনা, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স কত দিনে পাওয়া যায়, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট মেয়াদ কতদিন, পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ, মুভমেন্ট পাস পুলিশ গভ বড়
সংক্ষেপে দেখুনগরু মোটাতাজাকরণ পদ্ধতি, খাদ্য তালিকা, ঔষধের নাম
সহজেই গরু মোটাতাজা করা যায়। এর জন্য স্থানীয় হাট থেকে গরু কিনেই শুরু করা যায়। এতে অল্প বিনিয়োগে কম সময়ে লাভসহ মূলধন ফেরত পাওয়া যায়। কারণ এ পদ্ধতিতে স্থানীয়ভাবে পাওয়া খাবার সঙ্গে বাড়ির উচ্ছিষ্ট খাবার কাজে লাগানো যায়। গরু মোটাতাজাকরণ দানাদার খাদ্য তালিকা যেভাবে সহজ গরু বাছাই করার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন, গবিস্তারিত পড়ুন
সহজেই গরু মোটাতাজা করা যায়। এর জন্য স্থানীয় হাট থেকে গরু কিনেই শুরু করা যায়। এতে অল্প বিনিয়োগে কম সময়ে লাভসহ মূলধন ফেরত পাওয়া যায়। কারণ এ পদ্ধতিতে স্থানীয়ভাবে পাওয়া খাবার সঙ্গে বাড়ির উচ্ছিষ্ট খাবার কাজে লাগানো যায়।
গরু মোটাতাজাকরণ দানাদার খাদ্য তালিকা
যেভাবে সহজ
গরু বাছাই করার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন, গরুর বয়স ২ থেকে ৩ বছর হলে ভালো হয়। শংকর, ফিজিয়ান, সিন্ধি জাত হলেও ভালো। এগুলোর চামড়া ঢিলেঢালা, হারের জোড়া মোটা, ঠান্ডা প্রকৃতির, রোগমুক্ত। গরু কেনার পর প্রথম কাজ হচ্ছে গরুকে কৃমিমুক্ত করা। মুখের রুচি বাড়ানোর ব্যবস্থা করতে পারেন। তারপরই হচ্ছে সুষম খাবার পরিমাণমতো।
দৈনিক খাবার
একটি ১০০ কেজি ওজনের গরুকে দৈনিক নিম্নোক্ত খাদ্য দেওয়া যেতে পারে-
১. ইউএমএস যে পরিমাণ খেতে পারে অথবা পর্যাপ্ত। তবে সার ও চিটা গুড়ের পরিমাণ ঠিক রেখে। ৫ গ্রাম থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে ২৫ গ্রাম পর্যন্ত।
২. দানাদার ২ কেজি। তবে ভালো মানের রেডি ফিড হতে হবে। কেননা এতে প্রয়োজনীয় সব উপাদান সঠিক পরিমাণে থাকে।
৩. কাচা ঘাস ১০ কেজি মিনিমাম। গরু পালনের আগে ঘাস চাষ করতে হবে। যাদের ঘাস চাষ করার কোনো উপায় নেই তাদের গরু পালনের কোনো দরকার নেই।
গরু মোটাতাজাকরণ পদ্ধতি
বেশি হলে
গরুর ওজন ১০০ কেজির বেশি হলে প্রতি ৫০ কেজি ওজনের জন্য দানাদার ১ কেজি এবং ঘাস ৫ কেজি যোগ করে হিসাব করতে হবে। যেমন- ১৫০ কেজি ওজনের গরুকে দানাদার ৩ কেজি এবং ঘাস ১৫ কেজি দিতে হবে।
পরিচর্যা
গরু মোটাতাজা করার জন্য শুধু খাবার দিলেই হবে না। পাশাপাশি পশুকে ভালোবাসতে হবে। সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে হবে। যেমন- সময়মতো গোসল, খাবার, ওষুধ দিতে হবে। এছাড়া ভালো ব্যবস্থাপনা, যথাসময়ে সঠিক কাজ সফলতা এনে দেবে।
গরু মোটাতাজাকরণ ঔষধের নাম
একশ্রেণির অসাধু খামারি নিষিদ্ধ ওষুধ প্রয়োগ করে গরু মোটাতাজা করেন। তাঁরা স্টেরয়েড গ্রুপের ওষুধ, যেমন ডেকাসন, ওরাডেক্সন, প্রেডনিসোলন ইত্যাদি সেবন করিয়ে অথবা ডেকাসন, ওরাডেক্সন স্টেরয়েড ইনজেকশন দিয়ে গরুকে মোটাতাজা করেন। এ ছাড়া হরমোন প্রয়োগ (যেমন ট্রেনবোলন, প্রোজেস্টিন, টেস্টোস্টেরন) করেও গরুকে মোটাতাজা করা হয়।
কৃত্রিমভাবে মোটা করা গরুর মাংস মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এ কারণে এসব পশু কোরবানি দেওয়া উচিত নয়। তবে বেশির ভাগ সাধারণ গৃহস্থ কোনটি প্রাকৃতিক আর কোনটি কৃত্রিমভাবে মোটাতাজা করা হয়েছে, তা বুঝতে পারেন না। তবে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করলেই এই পার্থক্য ধরা সম্ভব:
১. আঙুলের চাপ: কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরুর গা ‘পানি নামা’ রোগীর শরীরের মতো ফুলে থাকে। এই গরুর গায়ে আঙুল দিয়ে চাপ দিলে ওই স্থানের মাংস দেবে যায় এবং আগের অবস্থায় ফিরে আসতে অনেক সময় লাগে। কিন্তু প্রাকৃতিকভাবে মোটা করা পশুর গায়ে চাপ দিলে মাংস খুব বেশি দেবে যাবে না এবং যতটুকু দেবে যাবে, তা সঙ্গে সঙ্গে আগের অবস্থায় চলে আসবে।
২. ঘন শ্বাসপ্রশ্বাস: কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরু দ্রুত শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ করে। একটু হাঁটলেই হাঁপায়। খুবই ক্লান্ত দেখায়।
৩. রানের মাংস: ইনজেকশন দেওয়া গরুর রানের মাংস স্বাভাবিক গরুর রানের মাংসের চেয়ে অনেক নরম থাকে।
৪. লালা বা ফেনা: যেসব গরুর মুখে কম লালা বা ফেনা থাকে, সেই গরু কেনার চেষ্টা করুন। এগুলো কৃত্রিম উপায়ে মোটা করা পশু নয়।
৫. খুব ক্লান্ত দেখায়: সুস্থ গরু একটু চটপটে থাকে। কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরু শরীরে পানি জমার কারণে নড়াচড়া কম করে।
৬. হাড় বেরিয়ে পড়া: যেসব গরুর চেহারা স্বাভাবিক উষ্কখুষ্ক এবং চামড়ার ওপর দিয়ে হাড় বেরিয়ে থাকে, সেগুলো সুস্থ ও প্রাকৃতিকভাবে মোটা করা গরুর লক্ষণ। বেশি চকচক করা গরু বা ছাগলের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি থাকে।
৭. নাকের ওপরের অংশ ভেজা: সুস্থ গরুর নাকের ওপরের অংশ ভেজা বা বিন্দু বিন্দু ঘাম জমা থাকবে। অন্যদিকে অসুস্থ গরুর নাক থাকবে শুকনা।
৮. তাপমাত্রা: গরুর শরীরে হাত দিয়ে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি মনে হলে বুঝতে হবে গরুটি অসুস্থ।
ওপরের এই বিষয়গুলো লক্ষ রাখলে কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরু এড়ানো সম্ভব হবে।
স্টেরয়েড দিয়ে মোটাতাজা করা গবাদিপশুর মাংস অত্যন্ত বিপজ্জনক। এজাতীয় ওষুধ অতিরিক্ত মাত্রায় দিলে গরুর কিডনি ও যকৃৎ অকার্যকর হয়ে যায়। এতে শরীর থেকে পানি বের হতে পারে না। এতে পানি সরাসরি গরুর মাংসে চলে যায়। এতে গরুকে মোটা, তুলতুলে ও নাদুসনুদুস দেখায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মোটাতাজাকরণের এসব ওষুধের কার্যকারিতা নষ্ট হয় না। গরুর দেহের মাংসে রয়ে যায়। এসব মাংস যখন মানুষ খায়, তখন ওই সব ওষুধের প্রতিক্রিয়া মানুষের শরীরেও দেখা দেয়। স্টেরয়েড ওষুধ মানবদেহের কিডনি, ফুসফুস, লিভার, হৃৎপিণ্ডকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। মানবদেহের রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়।
ফলে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, অনিদ্রা, অস্থিরতাসহ নানা রোগের সৃষ্টি করে। এতে মানুষের শরীরে পানি জমে যাওয়া, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া, মূত্রনালি ও যকৃতের বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। হরমোন দিয়ে মোটাতাজা করা গরুর মাংস খেলে মানবদেহে এসব হরমোন মারাত্মক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। মানবদেহে প্রতিনিয়ত প্রকৃতিগতভাবে হরমোন তৈরি হচ্ছে। ক্ষতিকর হরমোন পরোক্ষভাবে শরীরে ঢুকলে এই হরমোনগুলো মানবশরীরে নানা রোগ সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে অল্পবয়সী বা ছোট শিশুদের মারাত্মক ক্ষতি হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব হরমোন বা স্টেরয়েড শিশুদের মস্তিষ্ক ও যৌনাঙ্গ গঠনে অসুবিধা সৃষ্টি করতে পারে। বয়স্কদের ক্ষেত্রে মাংসের মাধ্যমে গ্রহণ করা স্টেরয়েড নানা অসুখ ডেকে আনতে পারে। এসব ক্ষতিকর ওষুধ মানবশরীরে জমা হয়ে টিউমার, ক্যানসার, কিডনি নষ্ট করার মতো মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে। বিশেষ করে, নারীদের গর্ভধারণের ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
ড. এ কে এম হুমায়ুন কবির: অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (ডেইরি ও পোলট্রিবিজ্ঞান), চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়
সূত্রঃ
সংক্ষেপে দেখুনজাগো নিউজ
দৈনিক প্রথম আলো
মোবাইল দিয়ে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলবো কিভাবে, আর ইউটিউব চ্যানেলের সুন্দর নাম দিন
মোবাইলে ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম বর্তমানে ছোট বড় সকলের সংগ্রহে রয়েছে একটি ব্যক্তিগত এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন। আপনার যদি ইচ্ছা থাকে, নিজেকে একটি স্বনামধন্য ইউটিউবার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার, তাহলে আপনি ঘরে বসেই আপনার ব্যবহৃত ফোনটি দিয়ে খুলতে পারবেন ইউটিউবে একাউন্ট। তা কিভাবে? চলুন জেনে নেই মোবাইলে ইউটিউববিস্তারিত পড়ুন
মোবাইলে ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম
বর্তমানে ছোট বড় সকলের সংগ্রহে রয়েছে একটি ব্যক্তিগত এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন। আপনার যদি ইচ্ছা থাকে, নিজেকে একটি স্বনামধন্য ইউটিউবার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার, তাহলে আপনি ঘরে বসেই আপনার ব্যবহৃত ফোনটি দিয়ে খুলতে পারবেন ইউটিউবে একাউন্ট। তা কিভাবে? চলুন জেনে নেই মোবাইলে ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম সম্পর্কে :
মোবাইলের মাধ্যমে ইউটিউব এ চ্যানেল খুলতে হলে আপনার মোবাইলে ইউটিউব অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করতে হবে –
ডাউনলোড লিংক- https://play.google.com/st
এপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করা হয়ে গেলে আপনি এপ্লিকেশনটি ওপেন করে নিন। ওপেন করে ডান দিকের কর্নারে একাউন্টে একটি জিমেইল আইডি যুক্ত করে দিতে হবে। যেকোনো ইউটিউবে একাউন্ট খোলার জন্য জিমেইল আইডি খোলা খুবই প্রয়োজন।
জিমেইল আইডি এড করার পর আপনাকে ইউটিউব এ একাউন্টে খোলার জন্য সাইন ইন করতে হবে। সাইন ইন অপশনে আপনার নাম, জন্মতারিখ, লিঙ্গ, মোবাইল নাম্বারসহ প্রয়োজনীয় তথ্যাদি দিয়ে পূরণ করতে হবে।
তথ্যাদি পূরণ করার পর দেখবেন ইউটিউবে চ্যানেল নামে একটি অপশন রয়েছে। খুব ভালো করে লক্ষ্য করবেন আপনি ইমেইলে যে নামটা ব্যবহার করেছেন সে নাম আপনার ইউটিউব চ্যানেল খোলা হয়ে গেছে।
আপনি সেই অপশনে গিয়ে আপনার পছন্দমতো নাম সেট করতে পারেন ইউটিউব চ্যানেলের জন্য।
ইউটিউবে চ্যানেলের খুলতে হলে আপনাকে পরবর্তীতে আপনি কি ধরণের ভিডিও আপলোড করবে তা সিলেক্ট করতে হবে। সেই সাথে আপনার লোকেশানসহ প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করার মাধ্যমে আপনি ইউটিউবে একাউন্ট খুলতে পারবেন।
ধন্যবাদ!
সূত্রঃ ইন্টার্নেট
সংক্ষেপে দেখুনকাচ্চি আর বিরিয়ানির পার্থক্য কি? বিরিয়ানির উৎপত্তি, ইতিহাস, মশলা ও দাম
বিরিয়ানি: উপমহাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য কাচ্চি বিরিয়ানি আমাদের দেশে বিরিয়ানি মানেই যেন কাচ্চি বিরিয়ানি। পুরান ঢাকার মানুষের কাছে এই কাচ্চির সমাদরটা যেন একটু বেশিই। পুরান ঢাকার কিছু দোকানের কাচ্চি যেমন ঐতিহ্যবাহী ঠিক তেমনি বিশ্ববিখ্যাত। কাচ্চি শব্দটা এসেছে উর্দু শব্দ ‘কাচ্চা’ থেকে যার অর্থ কাঁচা। বিরবিস্তারিত পড়ুন
বিরিয়ানি: উপমহাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য
কাচ্চি বিরিয়ানি
আমাদের দেশে বিরিয়ানি মানেই যেন কাচ্চি বিরিয়ানি। পুরান ঢাকার মানুষের কাছে এই কাচ্চির সমাদরটা যেন একটু বেশিই। পুরান ঢাকার কিছু দোকানের কাচ্চি যেমন ঐতিহ্যবাহী ঠিক তেমনি বিশ্ববিখ্যাত। কাচ্চি শব্দটা এসেছে উর্দু শব্দ ‘কাচ্চা’ থেকে যার অর্থ কাঁচা। বিরিয়ানি মূলত ২ ধরনের হয়ে থাকে, কাচ্চি আর পাক্কি। কাচ্চি বিরিয়ানি রান্নার সময়, হাড়িতে চাল ও কাঁচা আলুর ওপর টকদই ও মশলায় মেখে রাখা কাঁচা মাংসের আস্তরন দেয়া হয়। তারপর ভালো করে ঢাকা চাপা দিয়ে দমে রান্না করা হয়। মূলত খাসির মাংস আর বাসমতি চাল দিয়েই কাচ্চিাটা রান্না হয়। (গরু।চিনিগুড়া চালেও হয় অনেকজায়গায়) মশলা মাখা মাংস, সুগন্ধি চাল, ঘি, জাফরান, গোলাপজল সবকিছুর স্বাদ ও সুঘ্রাণ একসাথে হয়ে দমে রান্না হতে হতে তৈরি হয় অতুলনীয় স্বাদের কাচ্চি।
পাক্কি বিরিয়ানি
আর অন্যদিকে পাক্কি বিরিয়ানি রান্নার ক্ষেত্রে, মাংসটাকে আলাদা কষিয়ে রান্না করা হয়। উর্দু শব্দ পাক্কির অর্থ হলো রান্না করা বা পাঁক করা। চালটাকে আগে থেকেই ঘিয়ে ভেজে আধা সেদ্ধ করে নেয়া হয়। এরপর সব একসাথে মিশিয়ে দমে দিয়ে রান্না করা হয়। পাক্কি মূলত বাসমতি চালে করা হয়।
তেহারি
পুরান ঢাকার বিরিয়ানি যেমন বিখ্যাত, তেমনি সমান জনপ্রিয় তেহারি। তেহারি আসলে বিরিয়ানিরই একটা পরিমার্জিত রূপ। তেহারি বিরিয়ানির চেয়ে কম মসলাদার (শুধু দই, আদা-রসুন বাটা, দারচিনি, লবঙ্গ, গোলমরিচ, এলাচ, জয়ফল, জয়ত্রী এবং মশলাগুলোকে গুঁড়ো করার আগে ভেজে নেওয়া হয়না) এবং ঝাল হয়। তবে তেহারির বিশেষত্ব হল এতে প্রচুর পরিমাণ গরুর মাংস এবং কাঁচা মরিচ ব্যবহার করা হয় । এটা মূলত এক ধরনের পাক্কি বিরিয়ানি। তেহারিতে গরুর গোশতের ছোট ছোট একগাদা টুকরা ব্যবহার করা হয় তবে বিরিয়ানির চেয়ে মাংসের পরিমাণটা কিন্তু কিছু কম থাকে। মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর চড়া দামের কারণে খরচ বাঁচাতে এই খাবারের উৎপত্তি হয়েছিল। পুরান ঢাকার তেহারির বিশেষত্ব হলো , পুরো তেহারিটাই সরিষার তেলে রান্না করা হয়। আর এই সরিষার কড়া ঝাঁঝ তেহারিকে করে তোলে অনন্য। আর তেহারী মূলত চিনিগুড়া চাল দিয়ে করা হয়। এক্ষেত্রে দম দেওয়া হয়না।
ঢাকাই বিরিয়ানি
মূলত এই বিরিয়ানীটা আমরা অহরহ ঘরে বানিয়ে খেয়ে থাকি, বাকিগুলো অকেশনাল। এই বিরিয়ানীতে অনেক রকমের মশলাপাতি সহকারে মুরগি/গরু/খাসি যেকোনোটাই ব্যাবহার করা হয় সহজলভ্যতা অনুসারে। বলতে গেলে কাচ্চি বা পাক্কির মতো মশলার ব্যাবহার তবে দম দেওয়া হয়না।
বিরিয়ানির বৈচিত্র্যতা
পুরো পৃথিবী তো দূরের কথা কেবল এই ভারতবর্ষেই যে কত প্রকার বিরিয়ানি আছে, তাই হয়তো গুনে শেষ করা যাবে না। তবে এর মাঝে ঢাকাই, হায়দ্রাবাদি, সিন্ধি, লখনৌই, বোম্বাই, থালেশ্বরী, কোলকাতাই, মালাবারি ইত্যাদি বিরিয়ানি উল্লেখযোগ্য।
আশা করি আপনার উত্তর পেয়েছেন।
সূত্রঃ 10minuteschool.com
সংক্ষেপে দেখুনI have a গভীর প্রশ্ন? Part #1
https://mc-webpcache-epapr-in.cdn.ampproject.org/ii/w820/s/mc.webpcache.epapr.in/pro.php?size=large&in=https://mcmscache.epapr.in/post_images/website_356/post_16479337/thumb.jpg বেগ আসছে অথচ বাথরুমে গিয়ে আর হচ্ছে না। তলপেটে ব্যথা, ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব। এমন অস্বস্তিকর কষ্টের মুখোমুখি হলে কেমনবিস্তারিত পড়ুন
https://mc-webpcache-epapr-in.cdn.ampproject.org/ii/w820/s/mc.webpcache.epapr.in/pro.php?size=large&in=https://mcmscache.epapr.in/post_images/website_356/post_16479337/thumb.jpg
বেগ আসছে অথচ বাথরুমে গিয়ে আর হচ্ছে না। তলপেটে ব্যথা, ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব। এমন অস্বস্তিকর কষ্টের মুখোমুখি হলে কেমন হবে চিকিৎসা? পরামর্শে বারাসত নারায়ণা মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালের ইউরোলজিস্ট ডা. চন্দ্রশেখর পাত্র। শুনলেন পৌষালী দে কুণ্ডু।
প্রস্রাবের বেগের সমস্যার প্রধান কারণ হতে পারে ইউরিন ইনফেকশন। তবে ইনফেকশন ছাড়া পুরুষ ও মহিলাদের নানা কারণেই প্রস্রাবের বেগ নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। দীর্ঘদিন বেগের সমস্যা থাকলে মূত্রনালিতে ঘন ঘন সংক্রমণ, ব্লিডিং হওয়া ও কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
পুং সমস্যায়
সমস্যা বুঝতে টেস্ট
নারীর সমস্যার আঁতুড়ঘর সংক্রমণ
জল কি ফ্যাক্টর?
প্রস্রাবের বেগের সমস্যা হলে অনেকে ভাবেন জল কম পানের জন্য বা ঘামের মধ্য দিয়ে জল বেরিয়ে যাওয়ায় এমন হচ্ছে। বেশি করে জল পান করলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। এই ধারণা ভুল। বেশি বা কম জল পানের সঙ্গে বেগের কোনও সম্পর্ক নেই। সারাদিনে দু’-আড়াই লিটার জল পান করাই যায়। তবে যাঁদের প্রস্রাবজনিত সমস্যা আছে তাঁরা সন্ধ্যার পর থেকে চা-জল-কফি একটু কম পান করুন।
তথ্যঃ sangbadpratidin.in
সংক্ষেপে দেখুনছেলেদের চুলের ১০১টি ডিজাইন ও কাটিং ছবি
আমি ১০১ টা ডিজাইন না দিতে পারলেও কিছু কিছু ডিজাইন দিচ্ছি যা খুবই জনপ্রিয়। ছেলেদের চুলের ডিজাইন ২০২২ | হেয়ার কাটিং স্টাইল ছবি ২০২২ | ছেলেদের চুলের ডিজাইন | বাংলাদেশি ছেলেদের চুলের ডিজাইন হেয়ার কাটিং ছবি স্টাইল ২০২২ ছেলেদের চুলের ডিজাইন ২০২২ বাংলাদেশি ছেলেদের চুলের ডিজাইন ছেলেদের চুলের ডিজাইন আপাতত এগবিস্তারিত পড়ুন
আমি ১০১ টা ডিজাইন না দিতে পারলেও কিছু কিছু ডিজাইন দিচ্ছি যা খুবই জনপ্রিয়।
ছেলেদের চুলের ডিজাইন ২০২২ | হেয়ার কাটিং স্টাইল ছবি ২০২২ | ছেলেদের চুলের ডিজাইন | বাংলাদেশি ছেলেদের চুলের ডিজাইন
হেয়ার কাটিং ছবি স্টাইল ২০২২
ছেলেদের চুলের ডিজাইন ২০২২
বাংলাদেশি ছেলেদের চুলের ডিজাইন
ছেলেদের চুলের ডিজাইন
আপাতত এগুলোই ছিলো আমার ভান্ডারে। ভবিষ্যতে যদি আরও চুলের কাটিং এর ছবি পাই, তাহলে যুক্ত করবো।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনrituraj google hacker | how to rituraj hack google | Ek Bihari Google pe bhari | Upload by Allaboutsubha
Video ta dekle bujte parben. j ki bhave akta bihari chele google k hack kore6e.
Video ta dekle bujte parben. j ki bhave akta bihari chele google k hack kore6e.
সংক্ষেপে দেখুনrituraj google hacker | how to rituraj hack google | Ek Bihari Google pe bhari | Upload by Allaboutsubha
এটা কি ভাই? বুঝলাম না!
এটা কি ভাই? বুঝলাম না!
সংক্ষেপে দেখুনমনের ভাব প্রকাশের ক্ষেত্রে বাংলায় এমন কোনো বিশেষ জিনিস আছে যা ইংরেজিতে নেই?
মুহাম্মদ জাফর ইকবাল স্যারের একটি লেখায় পড়েছি, ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ একটি খুব সুন্দর কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন প্রত্যেক মানুষের তিনটি করে মা থাকে। একটি জন্মদাত্রী মা, একটি মাতৃভাষা এবং আরেকটি হচ্ছে মাতৃভূমি। এটি ফেব্রুয়ারী মাস, একুশে ফেব্রুয়ারী শুধু আমাদের নয়, এখন সারা পৃথিবীর মাতৃভাষা-দিবস। আমাবিস্তারিত পড়ুন
মুহাম্মদ জাফর ইকবাল স্যারের একটি লেখায় পড়েছি,
ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ একটি খুব সুন্দর কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন প্রত্যেক মানুষের তিনটি করে মা থাকে। একটি জন্মদাত্রী মা, একটি মাতৃভাষা এবং আরেকটি হচ্ছে মাতৃভূমি। এটি ফেব্রুয়ারী মাস, একুশে ফেব্রুয়ারী শুধু আমাদের নয়, এখন সারা পৃথিবীর মাতৃভাষা-দিবস। আমাদের মাতৃভাষাটি কত মধুর সেটি জানতে চাও? খুব সহজ একটা উদাহরণ দিয়ে তোমাদের মনে করিয়ে দিতে পারি। আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের প্রথম লাইনটি হচ্ছে, ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’। এর শেষ তিনটি শব্দ দিয়েও একটি বাক্য হতে পারে, সেটি হচ্ছে, ‘আমি তোমায় ভালোবাসি’। এই তিনটি শব্দ দিয়ে পারমুটেশান করে সব মিলিয়ে আমরা ছয়ভাবে বাক্যটি লিখতে পারি:
তোমরা কী লক্ষ্য করেছ, এই ছয়টি বাক্যের প্রতিটি কিন্তু শুদ্ধ বাক্য?
এবারে ইংরেজীর সাথে তুলনা করি? I Love you এটাকে কী অন্য কোনোভাবে বলা সম্ভব? I you love? Love I you কিংবা Love you I? কিংবা You I love? You love I? চেষ্টা করে দেখো, মূল বাক্যটি ছাড়া অন্য কোনোটি কিন্তু গ্রহণযোগ্য নয়! এই ছোট উদাহরণটি দিয়েই কিন্তু তোমরা বুঝতে পারবে, আমাদের মাতৃভাষা কতো সাবলীল, কতো ছন্দময়। (সে কারণে আমার মনে হয় বাঙ্গালি তরুণ তরুণীদের মাঝে কবি সবচেয়ে বেশি!) এরকম অনেক উদাহরণ দেয়া সম্ভব। তোমরা নিজেরাই সেগুলো খুঁজে বের করতে পারবে। ইংরেজী ভাষার আগ্রাসনে আমরা যখন ব্যতিব্যস্ত, তখন ভাষার মাসে প্রিয় মাতৃভাষার জন্যে কী আমরা একটুখানি ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারি না?
সংক্ষেপে দেখুনএ গুলো গুগুলে search করলে পুলিস আপনাকে জেলে নিয়ে জেতে পারে।
এখানে কিছু জানালেন না কেন?
এখানে কিছু জানালেন না কেন?
সংক্ষেপে দেখুন