সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
ডায়াবেটিস এর নতুন ওষুধ কোনগুলো, এগুলো খাওয়ার নিয়ম কি?
দেশে ডায়াবেটিস চিকিৎসায় সপ্তাহে একবার ব্যবহার উপযোগী নতুন এক ওষুধ এসেছে বাজারে। এ ওষুধের মলিকিউলের নাম ‘সিমাগ্লুটাইড’। দেড় এমএল ও তিন এমএল পরিমাপের এই ওষুধের খুচরা দাম পড়বে ১৪ হাজার ২৫৯ টাকা। চিকিৎসকের পরামর্শে এটি ব্যবহার করা যাবে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে এক অনুষ্ঠানে এই ওবিস্তারিত পড়ুন
দেশে ডায়াবেটিস চিকিৎসায় সপ্তাহে একবার ব্যবহার উপযোগী নতুন এক ওষুধ এসেছে বাজারে। এ ওষুধের মলিকিউলের নাম ‘সিমাগ্লুটাইড’। দেড় এমএল ও তিন এমএল পরিমাপের এই ওষুধের খুচরা দাম পড়বে ১৪ হাজার ২৫৯ টাকা। চিকিৎসকের পরামর্শে এটি ব্যবহার করা যাবে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে এক অনুষ্ঠানে এই ওষুধ বাজারজাত করার কথা জানানো হয়। টাইপ-২ ডায়াবেটিস চিকিৎসায় ওষুধটি বাংলাদেশের বাজারে এনেছে নভো নরডিস্ক।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির (বাডাস) সভাপতি অধ্যাপক এ কে আজাদ খান বলেন, বাংলাদেশে টাইপ–২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অর্ধেকের বেশি রোগীর ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নেই। তারা গড়ে সাত বছর অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস নিয়ে পরবর্তী চিকিৎসা নেওয়ার পরিবর্তে শুধু ওষুধ খাওয়ার ওপর নির্ভরশীল থাকে। তিনি বলেন, সপ্তাহে একবার সিমাগ্লুটাইড ইনজেকশনের ব্যবহার রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ, শরীরের ওজন কমানো ও হৃদ্যন্ত্র ভালো রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে, যা ডায়াবেটিসের মতো জটিল রোগের চিকিৎসায় এক অনন্য সংযোজন।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এসট্রাপ পিটারসন বলেন, ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশনের হিসাবে, বাংলাদেশের ৫৭ শতাংশ ডায়াবেটিস রোগী তাদের অবস্থার কথা জানে না। ৮৩ লাখ ডায়াবেটিস রোগী আছে বাংলাদেশে। অনিয়ন্ত্রিত ও ডায়াবেটিস নিয়ে সচেতনতার অভাবে রোগীরা স্বাস্থ্যগত সমস্যায় পড়ে এবং নানাভাবে ক্ষতির মুখোমুখি হয়। তিনি বলেন, ডায়াবেটিস রোগের জন্য গবেষণামূলক ও উদ্ভাবনী ওষুধ আনতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখছে নভো নরডিস্ক। বাংলাদেশের ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভালো মানের চিকিৎসা বাজারে আনার বিষয়টি সন্তোষজনক। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এ দেশের মানুষকে এটি আরও এগিয়ে নেবে।
ডায়াবেটিক সমিতির মহাসচিব মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন বলেন, সচেতন না হলে ডায়াবেটিস রোগ ভালো হয় না। পাশাপাশি ওষুধও প্রয়োজন।
অনুষ্ঠান থেকে বলা হয়, ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনায় পরিমিত খাদ্য ও নিয়মিত শারীরিক অনুশীলনের পাশাপাশি সিমাগ্লুটাইড ইনজেকশনটি অন্যান্য ওষুধের সঙ্গে নেওয়া যাবে। টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত প্রায় ১০ হাজার রোগীর ওপর ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পর দেশের বাজারে সিমাগ্লুটাইড আনা হয়েছে। এসব ট্রায়ালে ফলাফলে দেখা গেছে, ডায়াবেটিস চিকিৎসায় অন্যান্য ওষুধের তুলনায় সিমাগ্লুটাইড আরও কার্যকরভাবে রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শরীরে ওজন কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি এটি হৃদ্যন্ত্রের জন্যও উপকারী।
২০১২ সাল থেকে নভো নরডিস্কের প্রযুক্তি ব্যবহার করে ‘হিউম্যান ইনসুলিন’ উৎপাদন করছে ট্রান্সকম গ্রুপের এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস। ট্রান্সকম ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড বাংলাদেশে নভো নরডিস্কের একমাত্র পরিবেশক।
অনুষ্ঠানে নভো নরডিস্কের পরিচালক (মেডিকেল অ্যান্ড কোয়ালিটি) মাহবুবুর রহমান, পরিচালক (বিজনেস ইউনিট জিএলপি-ওয়ান অ্যান্ড ওবেসিটি) কামাল হোসেন, পাবলিক অ্যাফেয়ার্স ম্যানেজার গাজী তাওহীদ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
সূত্রঃ প্রথম আলো
স্লিপ অ্যাপনিয়া কেন হয়? এর লক্ষণ গুলো কি এবং চিকিৎসা কিভাবে করা হয়?
ঘুমের উপর্যুপরি ব্যাঘাত ঘটায় স্লিপ অ্যাপনিয়া। যেকোনো মানুষের সুস্থ জীবনের জন্য পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই। কিন্তু যাঁদের স্লিপ অ্যাপনিয়া আছে, তাঁদের বারবার রাতের ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মাথাব্যথা, ক্লান্তি বা বিষণ্ন লাগে। সব কাজেই বিরক্ত লাগতে পারে। ঘুমানোর সময় খুব বেশি নাক ডাকা এ রোবিস্তারিত পড়ুন
ঘুমের উপর্যুপরি ব্যাঘাত ঘটায় স্লিপ অ্যাপনিয়া। যেকোনো মানুষের সুস্থ জীবনের জন্য পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই। কিন্তু যাঁদের স্লিপ অ্যাপনিয়া আছে, তাঁদের বারবার রাতের ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মাথাব্যথা, ক্লান্তি বা বিষণ্ন লাগে। সব কাজেই বিরক্ত লাগতে পারে। ঘুমানোর সময় খুব বেশি নাক ডাকা এ রোগের অন্যতম লক্ষণ। আক্রান্ত ব্যক্তির রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যায়, আর সারা দিন ঘুম ঘুম ভাব হয়। দিনের
বেলা কাজে মনোযোগ দিতে পারেন না। এমনকি কাজের সময় বা পড়তে পড়তে ঘুমিয়েও পড়তে পারেন।
কিন্তু স্লিপ অ্যাপনিয়া মানেই যে কেবল ঘুমের সমস্যা তা নয়; এর সঙ্গে শ্বাস–প্রশ্বাসের ব্যাঘাত ঘটে, বেড়ে যায় হৃদ্রোগ ও অন্যান্য জটিলতার ঝুঁকি। আসলে এটি শরীরের সব অংশের ওপরই বিরূপ প্রভাব ফেলে।
কেন হয়
অনেক ক্ষেত্রে রোগটির কারণ অজানা থাকতে পারে। তবে শতকরা ৯০ ভাগ ক্ষেত্রেই ঘুমের সময় শ্বাস-প্রশ্বাসে বিঘ্ন ঘটার কারণে এ রকম হয়। ঘুমানোর সময় আমাদের শ্বাসনালি শিথিল হয়ে যায়, তবে যাঁদের এই শিথিলতা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ঘটে, তাঁদের ঘুমের সময় শ্বাস-প্রশ্বাসে বিঘ্ন ঘটতে পারে। মাত্রাতিরিক্ত ওজন এই রোগের অন্যতম একটি কারণ।
কোনো কোনো ক্ষেত্রে নাক-কান-গলার গঠনগত কিছু ত্রুটির কারণেও এ রোগ হতে পারে। আবার মস্তিষ্কের যে অংশ ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে, সেই অংশে কোনো সমস্যা হলেও স্লিপ অ্যাপনিয়া হতে পারে।
কীভাবে বুঝবেন
স্লিপ অ্যাপনিয়া রোগীর সমস্যাগুলোর বিস্তারিত ইতিহাস জানাতে হবে চিকিৎসককে। রোগী তাঁর নিজের সমস্যাগুলো নিজে অনেক ক্ষেত্রে বুঝতে পারেন না। যিনি তাঁর পাশে ঘুমিয়ে থাকেন, অধিকাংশ সময় তিনিই লক্ষণগুলো খেয়াল করে থাকেন। লক্ষণ অনুযায়ী সন্দেহ হলে চিকিৎসক কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়ে থাকেন।
স্লিপ অ্যাপনিয়া নিশ্চিতভাবে নির্ণয় করার জন্য পলিসমনোগ্রাফি বা স্লিপ টেস্ট করানোর প্রয়োজন পড়ে। দেশেই এখন এই পরীক্ষা করার সুযোগ রয়েছে। এমনকি হোম-বেসড পলিসমনোগ্রাফির মাধ্যমে রোগী বাড়িতে থেকেই এই পরীক্ষা করাতে পারেন।
আজীবনের রোগ?
স্লিপ অ্যাপনিয়ার চিকিৎসা নির্ভর করে এর কারণের ওপর। নাক, কান ও গলার কোনো গঠনগত ত্রুটি থেকে থাকলে সেটির পুনর্গঠনমূলক অস্ত্রোপচার (রিকনস্ট্রাকটিভ সার্জারি) করিয়ে নিলে স্লিপ অ্যাপনিয়া সেরে যায়। আবার স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজনের কারণে স্লিপ অ্যাপনিয়া হয়ে থাকলে ওজন নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তবে এগুলো ছাড়া অন্য কারণে স্লিপ অ্যাপনিয়া হয়ে থাকলে এটি পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হয় না, তবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
সি-প্যাপ নামের যন্ত্রের ব্যবহারের মাধ্যমে রোগটি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়। দিনের নির্দিষ্ট কিছু সময় (যেমন রাতে ঘুমের সময় কিংবা দিনের বেলা বেশ খানিকটা সময়) এ যন্ত্রটি লাগিয়ে রাখতে হয়, যা ঘুমের সময় রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এতে রোগের লক্ষণগুলো কমে আসে এবং রোগী স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন। সারা জীবন যন্ত্রটি ব্যবহার করতে হবে বলে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। এটি একটি চিকিৎসাব্যবস্থা মাত্র, যা রোগীর জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
রোগ নিয়ে জীবন কাটানো
অন্যান্য সমস্যার মতোই স্লিপ অ্যাপনিয়াও একটি রোগ। এতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার কিছু নেই, নিজেকে দুর্বল বা অক্ষম ভাবারও কিছু নেই। চিকিৎসা নিলে স্বাভাবিক জীবন যাপন করা যায়। আবার চিকিৎসা না নিলে রোগীর জীবনে নানা রকম জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। চিকিৎসা না নিয়ে রোগটি পুষে রাখলে স্লিপ অ্যাপনিয়া রোগীর উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদ্রোগ, এমনকি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের (স্ট্রোক) ঝুঁকি বাড়ে।
তাই এমন সমস্যাকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। এ ছাড়া কারও যদি আগে থেকেই উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদ্রোগ, ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা (ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ) প্রভৃতি থেকে থাকে, তাহলে স্লিপ অ্যাপনিয়ার সঠিক চিকিৎসা না নেওয়া হলে এই রোগগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখা দুরূহ হয়ে পড়ে।
স্লিপ অ্যাপনিয়া এড়াতে
আরও কিছু কথা
ব্রয়লার মুরগির বাচ্চার আজকের পাইকারি দাম কত?
সারাদেশের পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার পাইকারি দাম রাজশাহী: লাল (বাদামী) ডিম=, সাদা ডিম=, ব্রয়লার মুরগী =/কেজি, সোনালী =/কেজি টাকা। বগুড়া : লাল(বাদামী)ডিম=৭.০০, ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি, সোনালী মুরগী =১৪০/কেজি টাকা। কাজী(বগুড়া):– লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫৬ বাচ্চার দর:-সোনালী হাইব্রিড=৪০, সোনালী রেগুলার=৩৬বিস্তারিত পড়ুন
সারাদেশের পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার পাইকারি দাম
রাজশাহী: লাল (বাদামী) ডিম=, সাদা ডিম=, ব্রয়লার মুরগী =/কেজি, সোনালী =/কেজি টাকা।
বগুড়া : লাল(বাদামী)ডিম=৭.০০, ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি, সোনালী মুরগী =১৪০/কেজি টাকা।
কাজী(বগুড়া):– লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫৬ বাচ্চার দর:-সোনালী হাইব্রিড=৪০, সোনালী রেগুলার=৩৬ টাকা
সিরাজগঞ্জ :- লাল(বাদামী) ডিম= ব্রয়লার মুরগী=কেজি কালবার্ড লাল=/কেজি সোনালী মুরগী=/কেজি টাকা।
পাবনা :-লাল(বাদামী)ডিম=৭.২০, সাদা ডিম=৬.৪০ টাকা।
ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট): লাল ডিম=৮.৩০, সাদা ডিম=৭.৫০ টাকা। ডাম্পিং মার্কেট লাল(বাদামী) ডিম=৭.২৫, সাদা ডিম=৬.৭০ টাকা।
গাজীপুর: লাল (বাদামী)ডিম=৬.৭০, সাদা ডিম=৬.৬০, ব্রয়লার মুরগী=১৩৭/কেজি, কালবার্ড লাল=২১৫/কেজি, কালবার্ড সাদা=/কেজি, সোনালী মুরগী=২৫০/ কেজি টাকা। বাচ্চার দর: লেয়ার লাল=২০-২৫, লেয়ার সাদা=২৫-৩০, ব্রয়লার=২৭-২৮ টাকা। ডায়মন্ডঃ লাল(বাদামী) বড় ডিম লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=
চট্টগ্রাম: লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫০, সাদা ডিম=৭.০০, ব্রয়লার মুরগী=১৪৭/কেজি, কালবার্ড লাল=২৪৫/কেজি, সোনালী মুরগী=২৭০/কেজি টাকা। বাচ্চার দর:-লেয়ার লাল=২০, লেয়ার সাদা=২৭-২৮, ব্রয়লার=২৫ টাকা।
রাজশাহী:- লাল(বাদামী) ডিম= সাদা ডিম=, ব্রয়লার মুরগী =/কেজি, সোনালী =/কেজি টাকা। খুলনা:- লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০, সাদা ডিম=৭.২০ টাকা। বরিশাল:-লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮০, ব্রয়লার মুরগী=১৪০/কেজি, কালবার্ড লাল=২৪০/কেজি, সোনালী মুরগী=২৪০/কেজি টাকা। বাচ্চার দর:– লেয়ার লাল = ব্রয়লার= টাকা।
ময়মনসিংহ: লাল(বাদামী) ডিম=৭.০০, ব্রয়লার মুরগী=১৩২/ কেজি, সোনালী মুরগী=২৪৫/কেজি টাকা।সিলেট=লাল(বাদামী)ডিম=৮.০০, সাদা ডিম=৭.৬০, ব্রয়লার মুরগী=১৪০/ কেজি টাকা। বাচ্চার দর:-লেয়ার লাল =৩১, লেয়ার সাদা =, ব্রয়লার =২৫ টাকা।
রংপুর: লাল(বাদামী) ডিম=৭.২০ টাকা। কাজী(রংপুর):-লাল(বাদামী) ডিম=৭.৩৫ টাকা। বাচ্চার দর:-লেয়ার লাল=ব্রয়লার=সোনালী হাইব্রিড=৪০ সোনালী রেগুলার=৩৬ টাকা। বগুড়া : লাল(বাদামী)ডিম=৭.০০, ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি, সোনালী মুরগী =১৪০/কেজি টাকা।
কাজী(বগুড়া):– লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫৬ বাচ্চার দর:-সোনালী হাইব্রিড=৪০, সোনালী রেগুলার=৩৬ টাকা।টাংগাইল :-– লাল(বাদামী) ডিম=৭.১০, সাদা ডিম=, ব্রয়লার মুরগী=/ কেজি, সোনালী মুরগী=২৪০/কেজি টাকা।
কিশোরগঞ্জ:- লাল(বাদামী) ডিম=৭.১০, ব্রয়লার মুরগী=/কেজি টাকা। নরসিংদী :- লাল(বাদামী) ডিম= টাকা।সিরাজগঞ্জ :– লাল(বাদামী) ডিম= ব্রয়লার মুরগী=/কেজি কালবার্ড লাল=/কেজি সোনালী মুরগী=/কেজি টাকা।
ফরিদপুর :- লাল(বাদামী) ডিম=৭.৩৫ টাকা। কাজী(ফরিদপুর) :- লাল(বাদামী) ডিম=৬.৯০, ব্রয়লার মুরগী=১৩২/কেজি, লেয়ার মুরগী=২২০/কেজি, সোনালী মুরগী=২৩০/কেজি টাকা। বাচ্চার দর:- লেয়ার লাল=২৫, ব্রয়লার=২৩, সোনালী হাইব্রিড=৪০, সোনালী রেগুলার=৩৬ টাকা।
পাবনা :-লাল(বাদামী)ডিম=৭.২০, সাদা ডিম=৬.৪০ টাকা। নোয়াখালী:- লাল(বাদামী)ডিম=৭.০০, ব্রয়লার মুরগী=১৪৬/কেজ, কালবার্ড লাল=২৩৫/কেজি, সোনালী মুরগী=২৬৫/কেজি টাকা। বাচ্চার দর:- লেয়ার লাল = লেয়ার সাদা = ব্রয়লার =২৮ টাকা।
পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:- লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০ সাদা ডিম= ব্রয়লার মুরগী =/কেজি টাকা। যশোর :-লাল(বাদামী) ডিম=৮.০০ টাকা। কুমিল্লা:- লাল (বাদামী) ডিম= ব্রয়লার মুরগী=/ কেজি কালবার্ড লাল=/কেজি সোনালী মুরগী=/কেজি টাকা। কক্সবাজার :-লাল (বাদামী) ডিম=৭.৪০, সাদা ডিম=৬.৯০, ব্রয়লার মুরগী =/কেজি সোনালী মুরগী =/কেজি টাকা।
সংক্ষেপে দেখুনপানি দূষণ কি? পানি দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব এবং পানি দূষণ রোধ করার উপায় কি?
পানি দূষণ পানি দূষণ বা জলদূষণ বলতে পানিতে বা জলে কোন বিষাক্ত দ্রব্য অথবা দূষিত বর্জ্য পদার্থ মিশ্রণের ফলে মানব ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। জল দূষণ একটি প্রধান বৈশ্বিক সমস্যার কারণ যা চলমান মূল্যায়ন এবং পানি সম্পদের নীতিমালার সমস্ত স্তরের (আন্তর্জাতিক জলাধার এবং আন্তর্জাতিক কুবিস্তারিত পড়ুন
পানি দূষণ
পানি দূষণ বা জলদূষণ বলতে পানিতে বা জলে কোন বিষাক্ত দ্রব্য অথবা দূষিত বর্জ্য পদার্থ মিশ্রণের ফলে মানব ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ার প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
জল দূষণ একটি প্রধান বৈশ্বিক সমস্যার কারণ যা চলমান মূল্যায়ন এবং পানি সম্পদের নীতিমালার সমস্ত স্তরের (আন্তর্জাতিক জলাধার এবং আন্তর্জাতিক কুয়োগুলি থেকে নিচে) পর্যায়ক্রমিকতার প্রয়োজন। এটি প্রমাণিত হয়েছে যে পানি দূষণ বিশ্বজুড়ে মৃত্যু এবং রোগের প্রধান কারণ। শুধুমাএ পানি দূষণের কারণেই প্রতিদিনই বিশ্বে প্রায় ১৪০০ এরও বেশি লোকের মৃত্যু হয়।বাংলাদেশে আনুমানিক ৮০ জন মানুষ পানি দূষণ সম্পর্কিত অসুস্থতা প্রতিদিনই মারা যায়।
পানি দূষণের কারণ
পানি ময়লাযুক্ত, অপরিষ্কার ও রঙিন হলেই কেবল দূষিত হয় না। পরিষ্কার পানিও অনেক সময় আমাদের পান করার জন্য নিরাপদ নাও হতে পারে। নিচে পানি দূষণের প্রধান কারণগুলো দেওয়া হলো:
পুকুর বা নদীর পানিতে বাসন-কোসন মাজা, গোসল করা, ময়লা কাপড় কাচা, গরু-মহিষ গোসল করানো, পাট পচানো, পায়খানা-প্রস্রাব করা, প্রাণীর মৃতদেহ ফেলা প্রভৃতি উপায়ে নদী-নালা, খাল-বিল ও পুকুরের পানি দূষিত হয়।
ষকলেরা, আমাশয়, টাইফয়েড ও ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত রোগীর মলমূত্র, বিছানাপত্র, জামাকাপড় পুকুর, খাল-বিল বা নদীর পানিতে ধুলে রোগের জীবাণু মিশে পানি দূষিত করে।
ষকলকারখানার বর্জ্য পদার্থ পানিতে ফেললে পানি দূষিত হয়। কারণ এই বর্জ্য পদার্থে ক্ষতিকর পদার্থ মিশে থাকে।
ষকৃষিকাজে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার করলে তা বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে খাল-বিল ও নদীর পানিতে মিশে পানিকে দূষিত করে।
ষবন্যা ও জলোচ্ছ্বাসের সময় গ্রাম ও শহর অঞ্চল পানিতে ডুবে যায়। এতে মানুষ ও গৃহপালিত পশু-পাখির মলমূত্র পানিতে মিশে পানিকে দূষিত করে। এই দূষিত পানি পুকুর, কুয়া ও নলকূপের পানিতে মিশে পানযোগ্য পানিকে দূষিত করে তোলে।
এ ছাড়া প্রাকৃতিক কারণে পানি আর্সেনিক দূষণ হয়ে থাকে। মাটির নিচে আর্সেনিকের খনিজ থাকে। আর্সেনিক ভূ-গর্ভের পানির স্তরের সংস্পর্শে এলে তা পানিতে মিশে পানিকে দূষিত করে।
পানি দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব
পানি দূষণের ফলে জলজ খাদ্যশৃঙ্খল নষ্ট হচ্ছে। ফলে জলজ প্রাণী খাদ্যাভাবে মারা যাচ্ছে। পানি দূষণের ফলে মানুষ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ যেমন কলেরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
পানি দূষণ রোধের উপায়
পানি দূষণ রোধ করার উপায়গুলো নিম্নরূপ:
পুকুর বা নদীর পানিতে বাসন-কোসন মাজা, গোসল করা, ময়লা কাপড় কাচা, গরু-মহিষ গোসল করানো, পাট পচানো, পায়খানা প্রস্রাব করা, প্রাণীর মৃতদেহ ফেলা ইত্যাদি থেকে বিরত থেকে নদী-নালা, খাল-বিল ও পুকুরের পানি পরিষ্কার রাখা।
কলেরা, আমাশয়, টাইফয়েড ও ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত রোগীর মলমূত্র, বিছানাপত্র, জামাকাপড় পুকুর, খাল-বিল বা নদীর পানিতে না ধোয়া।
কলকারখানার বর্জ্য পদার্থ পানিতে না ফেলা।
কৃষিকাজে কীটনাশকের ব্যবহার সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনা। প্রয়োজনে সমন্বিত বালাই দমন ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কীটনাশক ব্যবহারে কৃষকদের নিরুৎসাহিত করা।
বন্যা ও জলোচ্ছ্বাসের সময় মানুষ ও গৃহপালিত পশু-পাখির মলমূত্র যাতে পানিতে না মিশতে পারে সে ব্যাপারে সজাগ থাকা।
সূত্রঃ ইন্টারনেট
সংক্ষেপে দেখুনকম্পিউটারের জনক এবং আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে?
আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে আমরা এখন যে কম্পিউটার দেখতে পাচ্ছি এটা কিন্তু প্রথম অবস্থায় এরকম ছিল না প্রাথমিক অবস্থায় কম্পিউটারটি ছিল অনেকটা বৃহৎ আকারের বর্তমানে যে কম্পিউটার গুলো ব্যবহার করা হয় এগুলো হচ্ছে আধুনিক সংস্করণ আধুনিক কম্পিউটারের জনক জন ভন নিউম্যান। কম্পিউটারের জনক কে পৃথিবীর উন্নয়নে যেবিস্তারিত পড়ুন
আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে
আমরা এখন যে কম্পিউটার দেখতে পাচ্ছি এটা কিন্তু প্রথম অবস্থায় এরকম ছিল না প্রাথমিক অবস্থায় কম্পিউটারটি ছিল অনেকটা বৃহৎ আকারের বর্তমানে যে কম্পিউটার গুলো ব্যবহার করা হয় এগুলো হচ্ছে আধুনিক সংস্করণ আধুনিক কম্পিউটারের জনক জন ভন নিউম্যান।
কম্পিউটারের জনক কে
পৃথিবীর উন্নয়নে যে যন্ত্রটি অবদান সবচাইতে বেশি সেটি হচ্ছে গাণিতিক স্বাস্থ্য আর গাণিতিক স্বাস্থ্যের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার হচ্ছে কম্পিউটার আর এই কম্পিউটারের জনক হলেন চার্লস ব্যাবেজ।
সুপার কম্পিউটারের জনক কে
সুপার মাইক্রো কম্পিউটার ল্যাপটপ কম্পিউটার আবার দুই ভাগে … আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে? Computer কম্পিউটারের জনক কে আজকের এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে আমরা বিজ্ঞানের পুজারি ..সুপার কম্পিউটারের উদ্ভাবক কে? উত্তর : সেসুর ক্রে।
পার্সোনাল কম্পিউটারের জনক কে
আধুনিক পার্সোনাল কম্পিউটার বা ছোট কম্পিউটারের জনক বলা হয় জন ভন নিউম্যান কে। জন ভন নিউম্যান কম্পিউটারকে মানুষের ব্যবহারের জন্য একেবারে পারছনা মিনি কম্পিউটার এ পরিণত করেছে আমরা এখন যে ল্যাপটপ বা মিনি কম্পিউটার গুলো দেখতে পাই এগুলোকে পার্সোনাল কম্পিউটার বলা হয়ে থাকে।
মিনি কম্পিউটারের জনক কে
এটির উদ্ভাবক ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেড হফ, স্ট্যান মেজর, ফেডরিকো ফ্যাগিন এবং জাপানের মাসাতোশি শিমা। মিনি কম্পিউটার সংজ্ঞাটি ব্যবহার করা হত এমন একটি মেশিনকে বোঝাতে যা কম্পিউটার জগতে মধ্যম সারির, যা মাইক্রোকম্পিউটার এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটারের মাঝে রয়েছে।
🥰🤩 ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনঈদ মোবারক শুভেচ্ছা স্ট্যাটাস ও পোস্টার ডিজাইন সাথে চমৎকার পিকচার ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যানার
ঈদ মোবারক শুভেচ্ছা ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। ঈদের দিনের নানা রকমের আয়োজনের কমতি থাকে না। প্রিয় মানুষগুলোকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে মোবাইল এসএমএস একটি সুন্দর পদ্ধতি। নিচে ঈদের এসএমএস, ছবি, পিকচার, ভিডিও দেওয়া হলো: ঈদ এস এম এস বাংলা (Bangla Eid SMS) ফুলে ফুলে সাজিয়ে রেখেছি এই মন। তুমি আসলে দুজনে মিলবিস্তারিত পড়ুন
ঈদ মোবারক শুভেচ্ছা
ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। ঈদের দিনের নানা রকমের আয়োজনের কমতি থাকে না। প্রিয় মানুষগুলোকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে মোবাইল এসএমএস একটি সুন্দর পদ্ধতি। নিচে ঈদের এসএমএস, ছবি, পিকচার, ভিডিও দেওয়া হলো:
ঈদ এস এম এস বাংলা (Bangla Eid SMS)
ফুলে ফুলে সাজিয়ে রেখেছি এই মন।
তুমি আসলে দুজনে মিলে আনন্দ করবো সারাক্ষণ।
বন্ধু তুমি আসবে বলে দরজায় থাকি দরিয়ে।
ঈদ মোবারক, শুভ হোক তোমার ঈদের দিন।
সোনালি সকাল, রোদেলা দুপুর,
পরন্ত বিকেল, গুধোলী সন্ধা, চাদণি রাত।
সব রঙ্গে রাঙ্গিয়ে থাক
আপনার সারাটি বছর, সারাটি জীবন।
এই কামনায় “ঈদ মোবারাক”
ঈদের শুভেচ্ছা জানাই তোমাকে,
অনেক বেশি খুশি ঘিরে রাখুক তোমাকে,
সব আপনজনের মায়া মাতিয়ে রাখুক তোমাকে,
শুধু যখন সালামি পাবে মনে করিও আমাকে
এই এসএমএস, যার কাছে যাবি,
যাকে পাবি, তাকেই আমার সালাম দিবি,
লাল গোলাপের ভালোবাসা দিয়ে ঈদের দাওয়াত জানাবি,
আর মিষ্টি করে বলবি ঈদ মোবারক
বলছি আমি আমার কথা,
ঈদে থাকবে নাকো মনের ব্যাথা,
আমার জীবনে অনেক চাওয়া,
ঈদ থেকে সব পাওয়া,
ঈদের প্রতি তাই এত্ত ভালোবাসা,
তোর ইচ্ছাগুলো উড়ে বেড়াক পাখনা দুটি মেলে,
দিনগুলি তোর যাকনা কেটে এমনি হেসে খেলে।
অপূর্ণ না থাকে যেন তোর কোন সুখ,
এই কামনায় ঈদ মোবারক।
ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ,
ঈদ মানে ভুলিয়া দিতে সকল বিভেদ দ্বন্দ।
ঈদ মানে ভুলে যাওয়া যত দুঃখ-ভয়,
ঈদের মতোই তোমার জীবনটা হোক দিপ্তময়।
ঈদের শুভেচ্ছা এসএমএস (eid sms 2022)
স্বপ্ন সাজাও রঙের মেলায়,,,, জীবন ভাষাও রঙিন ভেলায়,,,,,,,। ফিরে চলো মাটির টানে, নতুন সুরে নতুন গানে। নতুন আশা জাগাও প্রানে,,,,,,, খুজেঁ নাও বাচার মানে। সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা *****ঈদ মোবারক*****।
নতুন পোশাক নতুন সাজ,,,,,, আনন্দের দিন শুরু আজ। মিষ্টি মন,,,,,,, মিস্টি হাসি,,,,, ঈদের শুভেচ্ছা জানাই রাশি রাশি। ****ঈদ মোবারক****
ঈদের মেসেজ । ঈদ মোবারক মেসেজ । EID মেসেজ
বাংলা ঈদ এসএমএস, বাংলা এস এম এস ঈদ ২০২২, ঈদ মোবারক এসএমএস, ঈদ এসএমএস, বাংলা ঈদ এস এম এস, লেখা এসএমএস, বাংলা ঈদ এসএমএস গ্রালফ্রেন্ড এস জন্য, ঈদ উল ফিতর এসএমএস, ঈদের মেসেজ, রোমান্টিক ঈদের মেসেজ, রোমান্টিক ঈদের মেসেজ, Bangla eid sms, EID sms bangla, EId mubarok sms, Eid bangla sms, eid msg, Eid er mgs, EID S M S, eid bangla mobile smsMobile eid sms.
সংক্ষেপে দেখুনরানের চিপায় চুলকানি দূর করার ঔষধ, ক্রিম, মলম ও ঘরোয়া উপায়
এলার্জি চুলকানি ঔষধের নাম, রানের চিপায় চুলকানি দূর করার ঘরোয়া উপায়,চুলকানি দূর করার ঔষধ চুলকানি দূর করার সহজ উপায় জেনে নিন আজকের পোস্টে আমরা দেখব কিভাবে চুলকানি দূর করার যায়। স্ক্যাবিস এক প্রকার চর্মজনিত রোগ যা Sarcoptes scabei নামক এক প্রকার জীবাণু দ্বারা সংঘটিত হয়।এর প্রধান লক্ষণ হল শরীরে চুবিস্তারিত পড়ুন
এলার্জি চুলকানি ঔষধের নাম, রানের চিপায় চুলকানি দূর করার ঘরোয়া উপায়,চুলকানি দূর করার ঔষধ
চুলকানি দূর করার সহজ উপায় জেনে নিন
আজকের পোস্টে আমরা দেখব কিভাবে চুলকানি দূর করার যায়। স্ক্যাবিস এক প্রকার চর্মজনিত রোগ যা Sarcoptes scabei নামক এক প্রকার জীবাণু দ্বারা সংঘটিত হয়।এর প্রধান লক্ষণ হল শরীরে চুলকানি ও গুটি গুটি র্যাশ ওঠা। স্পর্শের মাধ্যমে সাধারণত এ রোগ হয়। তাছাড়া রোগীর ব্যবহৃত কাপড় গামছা, বিছানার চাদর ও বালিশ ব্যবহার করলে এ রোগ হতে পারে।
বিশেষ করে শিশুরা এতে ব্যাপকভাবে আক্রান্ত হয়ে থাকে ৷প্রথমবার সংক্রমণে একজন ব্যক্তির সাধারণত দুই থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে উপসর্গ দেখা দেয়।দ্বিতীয় সংক্রমণের লক্ষণগুলি ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শুরু হতে পারে।এই উপসর্গগুলি শরীরের বেশিরভাগ অংশে, যেমন-কব্জি, আঙ্গুলের ভিতর বা কোমরের আশেপাশে উপস্থিত হতে পারে। রাতের বেলা চুলকানির তীব্রতা আরও বাড়ে।
চুলকানি এমন একটি অনুভূতি যে জায়গায় হয় সেখানে আঁচড়াতে ইচ্ছে করে। চুলকানি হতে পারে এলার্জি হলে, দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সাথে সম্প্রীত সমস্যায়, কোন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসাবে অথবা দেহের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অন্য কোন অন্তর্নিহিত কারণে। চুলকানি বিভিন্ন ধরণের হতে পারে। খুব সহজের এদের চেনা যেতে পারে এদের চেহারা দেখলে বা এদের হওয়ার কারণ জানলে। খুব সাধারণ কারণগুলি গুলি হল ফুসকুড়ি, আমবাত, ছত্রাক সংক্রমণে এবং কোন পোকার কামড়।
যাদের দেহের ত্বক শুষ্ক, তাদের চুলকানি বেশি হয়। এর কিছু চাক্ষুষ লক্ষণ আছে, যেমন জায়গাটি লাল হয়ে যাওয়া, প্রদাহ, ফুলে যাওয়া এবং ফোসকা পড়া। চুলকানি সাধারণত কোন গুরুতর উপসর্গ নয় কিন্তু যদি দীর্ঘ দিন ধরে হতে থাকে তাহলে কয়েকটি গুরুতর অসুখের উপসর্গ হিসাবে চুলকানিকে দেখা যেতে পারে, যেমন, কিডনি বা লিভারের ত্রুটি। চুলকানির কারণ জানার পর চুলকানির অনেকগুলি প্রভাবশালী চিকিৎসার কার্যক্রম রয়েছে যা শুরু করা যেতে পারে।
এই গুলির মধ্যে রয়েছে স্থানীয় ভাবে লাগানোর জন্য মলম এবং খাবার ওষুধ। ঘরোয়া চিকিৎসার পদ্ধতিও সাময়িক ভাবে স্বস্তি দিতে পারে।
চুলকানির কারণ নির্ণয়ের পরে তার চিকিৎসা ব্যবস্থা নিম্ন লিখিত প্রকারের হতে পারে:
কর্টিকোস্টেরয়েড ক্রিম
ওষুধ-যুক্ত এই ক্রিমগুলির ত্বকের উপরে আরামদায়ক এবং নিরাময় প্রভাব আছে। এই ক্রিমগুলি ত্বক শুষ্ক হতে দেয় না, তাই চুলকানি কমতে সাহায্য করে। সাধারণত এই গুলির মধ্যে 1% হাইড্রোকরটিজোন থাকে। ডাক্তারবাবুর পরামর্শ ও প্রেসক্রিপশান ছাড়া এই স্টেরয়েড-যুক্ত ক্রিম ব্যবহার করে অনুচিত।
ক্যালসিনেউরিন ইনহিবিটারস
এই ওষুধ নির্দিষ্ট এলাকায় চুলকানির চিকিৎসা করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।
এন্টিডিপ্রেসান্টস
এন্টিডিপ্রেসান্টসগুলি শরীরের হরমোনগুলির উপর প্রভাব ফেলে এবং তাই চুলকানির থেকে পরিত্রাণ পেতে সহায়তা করে।
জেলস
একটি সহজ অ্যালো ভেরা জেল একটি ময়শ্চারাইজার হিসাবে যন্ত্রণা দায়ক ত্বক শান্ত করতে এবং শুষ্ক ত্বক নিরাময় করতে সুপারিশ করা যেতে পারে।
এন্টিহিস্টামিনস
এন্টিহিস্টামিনযুক্ত ওষুধগুলি (সাধারণত খাবার ওষুধ) এলার্জি কমাতে খুবই সাহায্য করে। এইগুলি প্রদাহ বন্ধ করে এবং তাই চুলকানিও বন্ধ হয়।
আলো চিকিৎসা
আলো চিকিৎসাতে একটি বিশেষ নির্ধারিত তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ইউ-ভি আলোক রশ্মি ব্যবহার করে চুলকানিকে নিয়ন্ত্রণ করে। এই ব্যবস্থাকে ফোটোথেরাপিও বলা হয়। একাধিক বার এই চিকিৎসা নিতে হয় যাতে দীর্ঘস্থায়ী ফল পাওয়া যায়।
স্বাস্থ্যের অন্তর্নিহিত অবস্থার চিকিৎসা
কিডনি এবং যকৃৎ বা রক্তের চিনির মাত্রা সংক্রান্ত স্বাস্থ্যের অবস্থার চিকিৎসা করলে চুলকানিও নিয়ন্ত্রণের মধ্য এসে যায়। রোগের চিকিৎসা হলে তার উপসর্গগুলিও বিদায় নেয়।
জীবনধারার কিছু পরিবর্তন করে চুলকানি নিয়ন্ত্রণ করে যায়:
চুলকানি কারণ হয় এমন সব পদার্থ এড়িয়ে চলুন।
চুলকানির জায়গায় ওষুধ-যুক্ত মলম লাগান। এগুলি ওষুধের দোকানে সহজেই পাওয়া যায়। এই মলমগুলি শুষ্ক এবং যন্ত্রণাদায়ক ত্বককে আরাম দেয়।
প্রভাবিত জায়গা চুলকাবেন না। এটি যদি ছত্রাকের সংক্রমণ হয়, তাহলে চুলকালে ত্বকের ক্ষতি হবে এবং সংক্রমণ অন্য জায়গাতেও ছড়িয়ে পড়বে। চুলকালে নখের নিচের জীবাণু চুলকানির জায়গায় গিয়ে প্রদাহ আরও বৃদ্ধি করবে।
মানসিক চাপ কমান। চাপ বৃদ্ধি হলে আমাদের দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চালু হয়ে যায় এবং ফলে চুলকানি এবং অন্যান্য এলার্জির সৃষ্টি করে।
জেনে নিন চুলকানির ঘরোয়া কিছু প্রতিকার
বেকিং সোডা
বেকিং সোডা চুলকানি প্রতিরোধে অত্যন্ত উপকারী। গোসলের সময়ে হালকা গরম পানিতে বেকিং সোডা দিয়ে গোসল করলে শরীরের চুলকানি অনেকটাই কমে যায়। এক্ষেত্রে একটি চৌবাচ্চাতে ১ কাপ বেকিং সোডা মেশাতে হবে এবং বড় এক বালতি পানিতে ১/২ কাপ বেকিং সোডা মেশাতে হবে। বেকিং সোডা মেশানো পানিতে কমপক্ষে ৩০ মিনিট শরীর ভিজিয়ে রাখার পর শরীর পানি দিয়ে না ধুয়ে শুকিয়ে ফেলতে হবে।
লেবু
লেবুর রসে আছে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা ত্বকের চুলকানি কমিয়ে দিতে সহায়তা করে। চুলকানির প্রতিকার পাওয়ার জন্য লেবুর রস ব্যবহার করাও খুব সহজ। ত্বকের যে স্থানে চুলকানি অনুভূত হচ্ছে সেখানে লেবুর রস লাগিয়ে শুকিয়ে ফেলুন। চুলকানি কমে যাবে কিছুক্ষণের মধ্যেই।
তুলসী পাতা
তুলসী পাতায় আছে ইউজেনল যা একটি অ্যান্সথেটিক উপাদান। এই উপাদানটি চুলকানি কমিয়ে দিতে সহায়ক। এক মগ ফুটন্ত পানিতে ১৫/২০টি তুলসী পাতা জ্বাল দিয়ে নির্যাস বের করে নিন। এরপর একটি পরিষ্কার টাওয়েলে পানিটি লাগিয়ে হালকা গরম থাকা অবস্থাতেই চুলকানির স্থানে লাগিয়ে নিন। কিছুক্ষণের মধ্যেই বেশ আরাম অনুভূত হবে।
পুদিনা পাতা
পুদিনা পাতারও আছে অ্যান্সথেটিক ও ইনফ্লেমেটরি উপাদান। চুলকানির প্রতিসেধক হিসেবে তাই পুদিনা পাতাও অত্যন্ত উপকারী। এক মগ ফুটন্ত পানিতে এক আউন্স পুদিনা পাতা জ্বাল দিয়ে নির্যাস তৈরি করে নিন। এরপর এই পানিটি চুলকানির স্থানে লাগিয়ে রাখুন। চুলকানি কমে যাবে কিছুক্ষণের মধ্যেই।
অ্যালোভেরা
ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরার ব্যবহারের কথা তো সবাই জানেন। চুলকানি প্রতিকারেও অ্যালোভেরার জুড়ি নেই। ত্বকের যে স্থানে চুলকানি হচ্ছে সেখানে একটি তাজা অ্যালোভেরা পাতা থেকে রস বের করে লাগিয়ে রাখুন। চুলকানি কমে যাবে কিছুক্ষণের মধ্যেই।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনBrave browser license key with vpns
sotti katha bolle sobar gaye lage???
sotti katha bolle sobar gaye lage???
সংক্ষেপে দেখুনসুরা মুলক বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ ছবি, আরবি থেকে বাংলা লেখা
সূরা মূলক (Surah Al-Mulk) কুরআন শরীফের ৬৭ তম সূরা। আয়াত সংখ্যা ৩০। আসুন জেনে নেই সূরা মূলকের বাংলা অনুবাদ - উচ্চারণ - অর্থ এবং ফযিলত সম্পর্কে। উচ্চারণ ও অর্থঃ 1 تَبَٰرَكَ ٱلَّذِى بِيَدِهِ ٱلْمُلْكُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ তাবা-রাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলকু ওয়া হুওয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন কাদীরবিস্তারিত পড়ুন
সূরা মূলক (Surah Al-Mulk) কুরআন শরীফের ৬৭ তম সূরা। আয়াত সংখ্যা ৩০। আসুন জেনে নেই সূরা মূলকের বাংলা অনুবাদ – উচ্চারণ – অর্থ এবং ফযিলত সম্পর্কে।
উচ্চারণ ও অর্থঃ
1 تَبَٰرَكَ ٱلَّذِى بِيَدِهِ ٱلْمُلْكُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ তাবা-রাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলকু ওয়া হুওয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন কাদীর।
পূণ্যময় তিনি, যাঁর হাতে রাজত্ব। তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান। Blessed be He in Whose hands is Dominion; and He over all things hath Power;-
2 ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلْمَوْتَ وَٱلْحَيَوٰةَ لِيَبْلُوَكُمْ أَيُّكُمْ أَحْسَنُ عَمَلًا وَهُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْغَفُورُ আল্লাযী খালাকাল মাওতা ওয়াল হায়া-তা লিইয়াবলুওয়াকুম আইয়ুকুম আহছানু‘আমালাওঁ ওয়া হুওয়াল ‘আঝীঝুল গাফূর।
যিনি সৃষ্টি করেছেন মরণ ও জীবন, যাতে তোমাদেরকে পরীক্ষা করেন-কে তোমাদের মধ্যে কর্মে শ্রেষ্ঠ? তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাময়। He Who created Death and Life, that He may try which of you is best in deed: and He is the Exalted in Might, Oft-Forgiving;-
3 ٱلَّذِى خَلَقَ سَبْعَ سَمَٰوَٰتٍ طِبَاقًا مَّا تَرَىٰ فِى خَلْقِ ٱلرَّحْمَٰنِ مِن تَفَٰوُتٍ فَٱرْجِعِ ٱلْبَصَرَ هَلْ تَرَىٰ مِن فُطُورٍ আল্লাযী খালাকা ছাব‘আ ছামা-ওয়া-তিন তিবা-কান মা- তারা- ফী খালকির রাহমা-নি মিন তাফা-উত ফারজি‘ইল বাসারা হাল তারা- মিন ফুতূর।
তিনি সপ্ত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। তুমি করুণাময় আল্লাহ তা’আলার সৃষ্টিতে কোন তফাত দেখতে পাবে না। আবার দৃষ্টিফেরাও; কোন ফাটল দেখতে পাও কি? He Who created the seven heavens one above another: No want of proportion wilt thou see in the Creation of (Allah) Most Gracious. So turn thy vision again: seest thou any flaw?
4 ثُمَّ ٱرْجِعِ ٱلْبَصَرَ كَرَّتَيْنِ يَنقَلِبْ إِلَيْكَ ٱلْبَصَرُ خَاسِئًا وَهُوَ حَسِيرٌ ছু ম্মার জি‘ইলবাসারা কাররাতাইনি ইয়ানকালিব ইলাইকাল বাসারু খা-ছিআওঁ ওয়া হুওয়া হাছীর।
অতঃপর তুমি বার বার তাকিয়ে দেখ-তোমার দৃষ্টি ব্যর্থ ও পরিশ্রান্ত হয়ে তোমার দিকে ফিরে আসবে। Again turn thy vision a second time: (thy) vision will come back to thee dull and discomfited, in a state worn out.
5 وَلَقَدْ زَيَّنَّا ٱلسَّمَآءَ ٱلدُّنْيَا بِمَصَٰبِيحَ وَجَعَلْنَٰهَا رُجُومًا لِّلشَّيَٰطِينِ وَأَعْتَدْنَا لَهُمْ عَذَابَ ٱلسَّعِيرِ ওয়া লাকাদ ঝাইয়ান্নাছ ছামাআদ্দুনইয়া- বিমাসা-বীহা ওয়াজা‘আলনা- হা- রুজূমাল লিশশায়া-তীনি ওয়া আ‘তাদনা- লাহুম ‘আযা- বাছছা‘ঈর।
আমি সর্বনিম্ন আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সুসজ্জত করেছি; সেগুলোকে শয়তানদের জন্যে ক্ষেপণাস্ত্রবৎ করেছি এবং প্রস্তুত করে রেখেছি তাদের জন্যে জলন্ত অগ্নির শাস্তি। And we have, (from of old), adorned the lowest heaven with Lamps, and We have made such (Lamps) (as) missiles to drive away the Evil Ones, and have prepared for them the Penalty of the Blazing Fire.
6 وَلِلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِرَبِّهِمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ وَبِئْسَ ٱلْمَصِيرُ ওয়া লিল্লাযীনা কাফারূবিরাব্বিহিম ‘আযা- বুজাহান্নামা ওয়াবি’ছাল মাসীর।
যারা তাদের পালনকর্তাকে অস্বীকার করেছে তাদের জন্যে রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি। সেটা কতই না নিকৃষ্ট স্থান। For those who reject their Lord (and Cherisher) is the Penalty of Hell: and evil is (such), Destination.
7 إِذَآ أُلْقُوا۟ فِيهَا سَمِعُوا۟ لَهَا شَهِيقًا وَهِىَ تَفُورُ ইযাউলকূফীহা- ছামি‘উ লাহা- শাহীকাওঁ ওয়াহিয়া তাফূর।
যখন তারা তথায় নিক্ষিপ্ত হবে, তখন তার উৎক্ষিপ্ত গর্জন শুনতে পাবে। When they are cast therein, they will hear the (terrible) drawing in of its breath even as it blazes forth,
8 تَكَادُ تَمَيَّزُ مِنَ ٱلْغَيْظِ كُلَّمَآ أُلْقِىَ فِيهَا فَوْجٌ سَأَلَهُمْ خَزَنَتُهَآ أَلَمْ يَأْتِكُمْ نَذِيرٌ তাকা- দুতামাইয়াঝুমিনাল গাইজি কুল্লামাউলকিয়া ফীহা- ফাওজুন ছাআলাহুম খাঝানাতুহাআলাম ইয়া’তিকুম নাযীর।g
ক্রোধে জাহান্নাম যেন ফেটে পড়বে। যখনই তাতে কোন সম্প্রদায় নিক্ষিপ্ত হবে তখন তাদেরকে তার সিপাহীরা জিজ্ঞাসা করবে। তোমাদের কাছে কি কোন সতর্ককারী আগমন করেনি? Almost bursting with fury: Every time a Group is cast therein, its Keepers will ask, “Did no Warner come to you?”
9 قَالُوا۟ بَلَىٰ قَدْ جَآءَنَا نَذِيرٌ فَكَذَّبْنَا وَقُلْنَا مَا نَزَّلَ ٱللَّهُ مِن شَىْءٍ إِنْ أَنتُمْ إِلَّا فِى ضَلَٰلٍ كَبِيرٍ কা- লূবালা- কাদ জাআনা- নাযীরুন ফাকাযযাবনা- ওয়া কুলনা- মানাঝঝালাল্লা- হু মিন শাইয়িন ইন আনতুম ইল্লা- ফী দালা- লিন কাবীর।
তারা বলবেঃ হ্যাঁ আমাদের কাছে সতর্ককারী আগমন করেছিল, অতঃপর আমরা মিথ্যারোপ করেছিলাম এবং বলেছিলামঃ আল্লাহ তা’আলা কোন কিছু নাজিল করেননি। তোমরা মহাবিভ্রান্তিতে পড়ে রয়েছ। They will say: “Yes indeed; a Warner did come to us, but we rejected him and said, ‘Allah never sent down any (Message): ye are nothing but an egregious delusion!'”
10 وَقَالُوا۟ لَوْ كُنَّا نَسْمَعُ أَوْ نَعْقِلُ مَا كُنَّا فِىٓ أَصْحَٰبِ ٱلسَّعِيرِ ওয়া কা-লূলাও কুন্না- নাছমা‘উ আও না‘কিলুমা- কুন্না-ফীআসহা-বিছছা‘ঈর।
তারা আরও বলবেঃ যদি আমরা শুনতাম অথবা বুদ্ধি খাটাতাম, তবে আমরা জাহান্নামবাসীদের মধ্যে থাকতাম না। They will further say: “Had we but listened or used our intelligence, we should not (now) be among the Companions of the Blazing Fire!”
11 فَٱعْتَرَفُوا۟ بِذَنۢبِهِمْ فَسُحْقًا لِّأَصْحَٰبِ ٱلسَّعِيرِ ফা‘তারাফূবিযামবিহিম ফাছুহক্বললিআসহা-বিছ ছা‘ঈর।
অতঃপর তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করবে। জাহান্নামীরা দূর হোক। They will then confess their sins: but far will be (Forgiveness) from the Companions of the Blazing Fire!
12 إِنَّ ٱلَّذِينَ يَخْشَوْنَ رَبَّهُم بِٱلْغَيْبِ لَهُم مَّغْفِرَةٌ وَأَجْرٌ كَبِيرٌ ইন্নাল্লাযীনা ইয়াখশাওনা রাব্বাহুম বিলগাইবি লাহুম মাগফিরাতুওঁ ওয়া আজরুন কাবীর।
নিশ্চয় যারা তাদের পালনকর্তাকে না দেখে ভয় করে, তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার। As for those who fear their Lord unseen, for them is Forgiveness and a great Reward. As for those who fear their Lord unseen, for them is Forgiveness and a great Reward.
13 وَأَسِرُّوا۟ قَوْلَكُمْ أَوِ ٱجْهَرُوا۟ بِهِۦٓ إِنَّهُۥ عَلِيمٌۢ بِذَاتِ ٱلصُّدُورِ ওয়া আছিররূকাওলাকুম আবিজহারূবিহী ইন্নাহূ‘আলীমুম বিযা- তিসসুদূ র।
তোমরা তোমাদের কথা গোপনে বল অথবা প্রকাশ্যে বল, তিনি তো অন্তরের বিষয়াদি সম্পর্কে সম্যক অবগত। And whether ye hide your word or publish it, He certainly has (full) knowledge, of the secrets of (all) hearts.
14 أَلَا يَعْلَمُ مَنْ خَلَقَ وَهُوَ ٱللَّطِيفُ ٱلْخَبِيرُ আলা- ইয়া‘লামুমান খালাকা ওয়া হুওয়াল্লাতীফুল খাবীর।
যিনি সৃষ্টি করেছেন, তিনি কি করে জানবেন না? তিনি সূক্ষ্নজ্ঞানী, সম্যক জ্ঞাত। Should He not know,- He that created? and He is the One that understands the finest mysteries (and) is well-acquainted (with them).
15 هُوَ ٱلَّذِى جَعَلَ لَكُمُ ٱلْأَرْضَ ذَلُولًا فَٱمْشُوا۟ فِى مَنَاكِبِهَا وَكُلُوا۟ مِن رِّزْقِهِۦ وَإِلَيْهِ ٱلنُّشُورُ হুওয়াল্লাযী জা‘আলা লাকুমুল আরদা যালূলান ফামশূফী মানা-কিবিহা- ওয়া কুলূমির রিঝকিহী ওয়া ইলাইহিন নুশূর।
তিনি তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে সুগম করেছেন, অতএব, তোমরা তার কাঁধে বিচরণ কর এবং তাঁর দেয়া রিযিক আহার কর। তাঁরই কাছে পুনরুজ্জীবন হবে। It is He Who has made the earth manageable for you, so traverse ye through its tracts and enjoy of the Sustenance which He furnishes: but unto Him is the Resurrection.
16 ءَأَمِنتُم مَّن فِى ٱلسَّمَآءِ أَن يَخْسِفَ بِكُمُ ٱلْأَرْضَ فَإِذَا هِىَ تَمُورُ আ আমিনতুম মান ফিছছামাই আইঁ ইয়াখছিফা বিকুমুল আরদা ফাইযা- হিয়া তামূর।
তোমরা কি ভাবনামুক্ত হয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি আছেন তিনি তোমাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দেবেন, অতঃপর তা কাঁপতে থাকবে। Do ye feel secure that He Who is in heaven will not cause you to be swallowed up by the earth when it shakes (as in an earthquake)?
17 أَمْ أَمِنتُم مَّن فِى ٱلسَّمَآءِ أَن يُرْسِلَ عَلَيْكُمْ حَاصِبًا فَسَتَعْلَمُونَ كَيْفَ نَذِيرِ আম আমিনতুম মান ফিছছামাই আইঁ ইউরছিলা ‘আলাইকুম হা-সিবান ফাছাতা‘লামূনা কাইফা নাযীর।
না তোমরা নিশ্চিন্ত হয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি আছেন, তিনি তোমাদের উপর প্রস্তর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, অতঃপর তোমরা জানতে পারবে কেমন ছিল আমার সতর্কবাণী। Or do ye feel secure that He Who is in Heaven will not send against you a violent tornado (with showers of stones), so that ye shall know how (terrible) was My warning?
18 وَلَقَدْ كَذَّبَ ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ فَكَيْفَ كَانَ نَكِيرِ ওয়া লাকাদ কাযযাবাল্লাযীনা মিন কাবলিহিম ফাকাইফা কা- না নাকীর।
তাদের পূর্ববর্তীরা মিথ্যারোপ করেছিল, অতঃপর কত কঠোর হয়েছিল আমার অস্বীকৃতি। But indeed men before them rejected (My warning): then how (terrible) was My rejection (of them)?
19 أَوَلَمْ يَرَوْا۟ إِلَى ٱلطَّيْرِ فَوْقَهُمْ صَٰٓفَّٰتٍ وَيَقْبِضْنَ مَا يُمْسِكُهُنَّ إِلَّا ٱلرَّحْمَٰنُ إِنَّهُۥ بِكُلِّ شَىْءٍۭ بَصِيرٌ আওয়ালাম ইয়ারাও ইলাত্তাইরি ফাওকাহুম সাফফা-তিওঁ ওয়াইয়াকবিদন । মাইউমছিকুহুন্না ইল্লাররাহমা-নু ইন্নাহূবিকুল্লি শাইয়িম বাসীর।
তারা কি লক্ষ্য করে না, তাদের মাথার উপর উড়ন্ত পক্ষীকুলের প্রতি পাখা বিস্তারকারী ও পাখা সংকোচনকারী? রহমান আল্লাহ-ই তাদেরকে স্থির রাখেন। তিনি সর্ব-বিষয় দেখেন। Do they not observe the birds above them, spreading their wings and folding them in? None can uphold them except (Allah) Most Gracious: Truly (Allah) Most Gracious: Truly it is He that watches over all things.
20 أَمَّنْ هَٰذَا ٱلَّذِى هُوَ جُندٌ لَّكُمْ يَنصُرُكُم مِّن دُونِ ٱلرَّحْمَٰنِ إِنِ ٱلْكَٰفِرُونَ إِلَّا فِى غُرُورٍ আম্মান হা-যাল্লাযী হুওয়া জুনদুল্লাকুম ইয়ানসুরুকুম মিন দূ নিররাহমা-নি ইনিল কাফিরূনা ইল্লা- ফী গুরূর।
রহমান আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত তোমাদের কোন সৈন্য আছে কি, যে তোমাদেরকে সাহায্য করবে? কাফেররা বিভ্রান্তিতেই পতিত আছে। Nay, who is there that can help you, (even as) an army, besides (Allah) Most Merciful? In nothing but delusion are the Unbelievers.
21 أَمَّنْ هَٰذَا ٱلَّذِى يَرْزُقُكُمْ إِنْ أَمْسَكَ رِزْقَهُۥ بَل لَّجُّوا۟ فِى عُتُوٍّ وَنُفُورٍ আম্মান হা- যাল্লাযী ইয়ারঝকুকুম ইন আমছাকা রিঝকাহূ বাল্লাজ্জূফী ‘উতুওবিওয়া নুফূর।
তিনি যদি রিযিক বন্ধ করে দেন, তবে কে আছে, যে তোমাদেরকে রিযিক দিবে বরং তারা অবাধ্যতা ও বিমুখতায় ডুবে রয়েছে। Or who is there that can provide you with Sustenance if He were to withhold His provision? Nay, they obstinately persist in insolent impiety and flight (from the Truth).
22 أَفَمَن يَمْشِى مُكِبًّا عَلَىٰ وَجْهِهِۦٓ أَهْدَىٰٓ أَمَّن يَمْشِى سَوِيًّا عَلَىٰ صِرَٰطٍ مُّسْتَقِيمٍ আফামাইঁ ইয়ামশী মুকিব্বান ‘আলা- ওয়াজহিহী আহদা আম্মাইঁ ইয়ামশী ছাবি ইয়ান ‘আলা-সিরা-তিমমুছতাকীম।
যে ব্যক্তি উপুড় হয়ে মুখে ভর দিয়ে চলে, সে-ই কি সৎ পথে চলে, না সে ব্যক্তি যে সোজা হয়ে সরলপথে চলে Is then one who walks headlong, with his face grovelling, better guided,- or one who walks evenly on a Straight Way?
23 قُلْ هُوَ ٱلَّذِىٓ أَنشَأَكُمْ وَجَعَلَ لَكُمُ ٱلسَّمْعَ وَٱلْأَبْصَٰرَ وَٱلْأَفْـِٔدَةَ قَلِيلًا مَّا تَشْكُرُونَ কুল হুওয়াল্লাযীআনশাআকুম ওয়া জা‘আলা লাকুমুছছাম‘আ ওয়াল আবসা-রা ওয়াল আফইদাতা কালীলাম মা-তাশকুরূন।
বলুন, তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং দিয়েছেন কর্ণ, চক্ষু ও অন্তর। তোমরা অল্পই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। Say: “It is He Who has created you (and made you grow), and made for you the faculties of hearing, seeing, feeling and understanding: little thanks it is ye give.
24 قُلْ هُوَ ٱلَّذِى ذَرَأَكُمْ فِى ٱلْأَرْضِ وَإِلَيْهِ تُحْشَرُونَ কুল হুওয়াল্লাযী যারাআকুম ফিল আরদিওয়া ইলাইহি তুহশারূন।
বলুন, তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে বিস্তৃত করেছেন এবং তাঁরই কাছে তোমরা সমবেত হবে। Say: “It is He Who has multiplied you through the earth, and to Him shall ye be gathered together.”
25 وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَٰذَا ٱلْوَعْدُ إِن كُنتُمْ صَٰدِقِينَ ওয়া ইয়াকূলূনা মাতা-হা-যাল ওয়া‘দুইন কুনতুম সা-দিকীন।
কাফেররা বলেঃ এই প্রতিশ্রুতি কবে হবে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও? They ask: When will this promise be (fulfilled)? – If ye are telling the truth.
26 قُلْ إِنَّمَا ٱلْعِلْمُ عِندَ ٱللَّهِ وَإِنَّمَآ أَنَا۠ نَذِيرٌ مُّبِينٌ কুল ইন্নামাল ‘ইলমু‘ইনদাল্লা- হি ওয়া ইন্নামাআনা নাযীরুম মুবীন।
বলুন, এর জ্ঞান আল্লাহ তা’আলার কাছেই আছে। আমি তো কেবল প্রকাশ্য সতর্ককারী। Say: “As to the knowledge of the time, it is with Allah alone: I am (sent) only to warn plainly in public.”
27 فَلَمَّا رَأَوْهُ زُلْفَةً سِيٓـَٔتْ وُجُوهُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَقِيلَ هَٰذَا ٱلَّذِى كُنتُم بِهِۦ تَدَّعُونَ ফালাম্মা-রাআওহু ঝুলফাতান ছীআত ঊজূহুল্লাযীনা কাফারূওয়া কীলা হা-যাল্লাযী কুনতুম বিহী তাদ্দা‘ঊন।
যখন তারা সেই প্রতিশ্রুতিকে আসন্ন দেখবে তখন কাফেরদের মুখমন্ডল মলিন হয়ে পড়বে এবং বলা হবেঃ এটাই তো তোমরা চাইতে। At length, when they see it close at hand, grieved will be the faces of the Unbelievers, and it will be said (to them): “This is (the promise fulfilled), which ye were calling for!”
28 قُلْ أَرَءَيْتُمْ إِنْ أَهْلَكَنِىَ ٱللَّهُ وَمَن مَّعِىَ أَوْ رَحِمَنَا فَمَن يُجِيرُ ٱلْكَٰفِرِينَ مِنْ عَذَابٍ أَلِيمٍ কুল আরাআইতুম ইন আহলাকানিয়াল্লা-হু ওয়া মাম্মা‘ইয়া আও রাহিমানা- ফামাইঁ ইউজীরুল কা-ফিরীনা মিন ‘আযা-বিন আলীম।
বলুন, তোমরা কি ভেবে দেখেছ-যদি আল্লাহ তা’আলা আমাকে ও আমার সংগীদেরকে ধ্বংস করেন অথবা আমাদের প্রতি দয়া করেন, তবে কাফেরদেরকে কে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে রক্ষা করবে? Say: “See ye?- If Allah were to destroy me, and those with me, or if He bestows His Mercy on us,- yet who can deliver the Unbelievers from a grievous Penalty?”
29 قُلْ هُوَ ٱلرَّحْمَٰنُ ءَامَنَّا بِهِۦ وَعَلَيْهِ تَوَكَّلْنَا فَسَتَعْلَمُونَ مَنْ هُوَ فِى ضَلَٰلٍ مُّبِينٍ কুল হুওয়াররাহমা-নুআ-মান্না-বিহী ওয়া‘আলাইহি তাওয়াক্কালনা-, ফাছাতা‘লামূনা মান হুওয়া ফী দালা-লিম মুবীন।
বলুন, তিনি পরম করুণাময়, আমরা তাতে বিশ্বাস রাখি এবং তাঁরই উপর ভরসা করি। সত্ত্বরই তোমরা জানতে পারবে, কে প্রকাশ্য পথ-ভ্রষ্টতায় আছে। Say: “He is (Allah) Most Gracious: We have believed in Him, and on Him have we put our trust: So, soon will ye know which (of us) it is that is in manifest error.”
30 قُلْ أَرَءَيْتُمْ إِنْ أَصْبَحَ مَآؤُكُمْ غَوْرًا فَمَن يَأْتِيكُم بِمَآءٍ مَّعِينٍۭ কুল আরাআইতুম ইন আসবাহা মাউকুম গাওরান ফামাইঁ ইয়া’তীকুম বিমাইম মা‘ঈন।
বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি তোমাদের পানি ভূগর্ভের গভীরে চলে যায়, তবে কে তোমাদেরকে সরবরাহ করবে পানির স্রোতধারা? Say: “See ye?- If your stream be some morning lost (in the underground earth), who then can supply you with clear-flowing water?”
সূরা মূলকের ফজিলত
১. তিরমিযী শরীফের মধ্যে একটি হাদীসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি দৈনিক সূরা মূলক পাঠ করবে, সে করব আযাব ও কিয়ামতের মুছীবত হতে রক্ষা পাবে এবং জান্নাতবাসী হবে।
সংক্ষেপে দেখুন২. অন্য এক হাদিসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি নিয়মিত সূরা মূলক পাঠ করবে তাকে কবরের আজাব থেকে সূরা মূলক রক্ষা করবে কেয়ামত পর্যন্ত।
৩. আবু দাউদ (হাদিস নং ১৪০০) বর্ণিত আছে মুহাম্মদ (সঃ ) বলেছেন: কাল কেয়ামতের মাঠে এক ব্যক্তির উপর জাহান্নাম ওয়াজিব হয়ে গেছিলো। কিন্তু সে সূরা মূলক নিয়মিত পাঠ করতো। তখন সূরা মূলক আল্লাহকে বলবে উমুক ব্যক্তিকে আপনি ক্ষমা করে দিন। আল্লাহ বললেন না। সূরাটি আবারও বলবে আল্লাহ উমুক ব্যক্তিকে আপনি ক্ষমা করে দিন কারণ সে আমাকে পাঠ করতো। আল্লাহ আবারও না বললেন। এইভাবে সূরাটি আল্লাহর কাছে উমুক ব্যক্তির জন্যে ক্ষমা চাইতেই থাকবে যতক্ষণ না পর্যন্ত আল্লাহ ব্যক্তিটিকে ক্ষমা না করেন।
৪. যে লোক সূরা মূলক নিয়মিত পাঠ করবে, তার গুনাহ মাফ হয়ে যাবে এবং পরকালে ইহা তার জন্য সুপারিশ করবে।
৫. আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন, কুরআনে একটি সূরা রয়েছে যা কেবল ত্রিশটি আয়াত। এটি পাঠকারীকে জান্নাতে না নেওয়া পর্যন্ত তার সাথে থাকবে।
৬. মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন “সূরা আল মূলক কবরের আযাব থেকে রক্ষাকারী”
৭. জাবির বলেছিলেন যে তাবারকাল্লাদি বিয়াদিহিল মুলক (আল-মুলক) এবং আলিফ লাম মীম তানজিল (আস-সাজদা) পড়া না হওয়া পর্যন্ত ঘুমাতে না যাওয়ার রীতি ছিল।
৮. আহমদ, তিরমিযী ও সুনান আল-দারিমি থেকে বর্ণিত, জাবির বলেছিলেন যে তাবা-রাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলকু (আল-মুলক) এবং আলিফ লাম মীম তানজিল (আস-সাজদা) পড়া না হওয়া পর্যন্ত ঘুমাতে না।
৯. আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস বর্ণনা করেছেন যে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমার আকাঙ্ক্ষা / ভালবাসা যে সূরাতুল মুলক প্রত্যেক মুসলমানের অন্তরে থাকুক।
১০. তিরমিযী হাদিসে তে বর্ণিত আছে, ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ মুহাম্মাদ (সাঃ) এর একজন সাহাবী না বুঝে একটি কবরের উপরে তাঁর তাঁবু স্থাপন করেছিলেন। এবং সে করব থেকে শুনতে পেলো তাবা-রাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলকু শেষ পর্যন্ত পাঠ করছে। তিনি গিয়ে মুহাম্মাদ (সাঃ) ঘটনাটি বললেন। এবং জানতে চাইলেন কে এটা পাঠ করছিলো? উত্তরে মুহাম্মাদ (সাঃ) বললেন “এটা হলো প্রতিরোধকারী, আল্লাহ তায়ালার আযাব থেকে রক্ষাকারী”
১১. মিশকাত আল মিসবাহ তে বর্ণিত আছে, খালেদ বিন মাদাম সূরা আল মুলক ও আস-সাজদা সম্পর্কে বলেছেন যে “এই দুটি সূরা কবরে তাদের আবৃতিকারীর জন্য লড়াই করবে এবং বলবে, হে আল্লাহ! আমরা যদি আপনার বইয়ের (কুরআনের ) অন্তর্ভুক্ত হই তবে তাঁর অনুগ্রহে আমাদের সুপারিশ গ্রহণ করুন। যদি আমরা না হই তবে আমাদের নির্মূল করুন। এই সূরাগুলি পাখির মতো ডানা ছড়িয়ে দেবে এবং ব্যক্তিকে কবরের আযাব থেকে রক্ষা করবে।”
১২. ইবনে উমর (রাঃ ) বলেছিলেন যে একবার মুহাম্মদ (সাঃ) সূরা মূলকের দ্বিতীয় আয়াত পাঠ করছিলেন (তিনিই মৃত্যু ও জীবন সৃষ্টি করেছেন যাতে তিনি তোমাদের পরীক্ষা করতে পারেন যে তোমাদের মধ্যে কে কর্মে উত্তম) এবং যখন তিনি “কাজের মধ্যে উত্তম” কথাটি পৌঁছেছিলেন, তখন তিনি থামিয়ে ব্যাখ্যা করলেন। “কর্মে আরও ভাল” সেই ব্যক্তি হ’ল যে ব্যক্তি আল্লাহ যা নিষেধ করেছেন সে বিষয় থেকে সর্বাধিক পরিহার করে এবং সর্বদা তাঁর আনুগত্য করতে প্রস্তুত থাকে। “
পৃথিবীতে প্রথম কোন ব্যক্তি বিড়ি খেয়েছিলো?
গুজরাটের গোমতীপুর নিবাসী, জব্বলপুর প্রবাসী মোহনলাল প্যাটেল আর হরগোবিন্দদাস প্যাটেল। একেবারে নিশ্চিত হয়ে বলতে পারব না, তবে স্থানকাল অর্থাৎ জিওগ্রাফিক লোকেশান, আর হিস্টোরিকাল টাইমলাইন মিলিয়ে দিতে পারব আশা করি। সেটুকুতে যদি সন্তুষ্ট থাকতে পারেন তাহলে পড়ুন, নয়ত বাকি স্কিপ করে সিধে মন্তব্যের বাক্সে গিয়েবিস্তারিত পড়ুন
গুজরাটের গোমতীপুর নিবাসী, জব্বলপুর প্রবাসী মোহনলাল প্যাটেল আর হরগোবিন্দদাস প্যাটেল।
একেবারে নিশ্চিত হয়ে বলতে পারব না, তবে স্থানকাল অর্থাৎ জিওগ্রাফিক লোকেশান, আর হিস্টোরিকাল টাইমলাইন মিলিয়ে দিতে পারব আশা করি। সেটুকুতে যদি সন্তুষ্ট থাকতে পারেন তাহলে পড়ুন, নয়ত বাকি স্কিপ করে সিধে মন্তব্যের বাক্সে গিয়ে আমার গুষ্টি-উদ্ধার করতে শুরু করুন। শুভেচ্ছা রইল।
বিড়ি কাকে বলে? পাতায় মোড়া তামাক, যা আগুনে জ্বালিয়ে, উৎপন্ন ধোঁয়া নিঃশ্বাসের সাথে টেনে নেওয়া হয়, তাই কি বিড়ি? তাহলে সিগারও কি বিড়ি পদবাচ্য?
তাই যদি হয়, তামাকক্ষেতে বসে তামাকপাতা পাকিয়ে প্রথম সিগার বানানো হয়েছিল মধ্য বা দক্ষিণ আমেরিকাতে। কে কবে সে কীর্তি স্থাপন করেছিল, সে কথাটা বুড়ো ইতিহাস ভুলে মেরে দিয়েছে। আমার কাহিনী সেক্ষেত্রে একশ’ শতাংশ ভুল।
নাকি তেন্দুপাতায় মোড়া ছাঁট তামাক হলে তবেই তা বিড়ি?
এই সংজ্ঞা ধরেই চলি আপাতত?
তাহলে প্রথম ক্লু বা সূত্র হল, তেন্দুপাতা, এবং বিড়ি ভীষণ ভাবে ভারতীয় উপমহাদেশের নিজস্ব সৃষ্টি, কিন্তু তামাক আমাদের দেশজাত নয়। বস্তুত, তামাক মধ্য-আমেরিকার ভূমিজ প্রডাক্ট – অধুনা যা ইকোয়েদর-পেরু সীমান্তবর্তী অঞ্চল, সেখানকার। সেই আমেরিকা, কলম্বাসের আবিষ্কারের আগে যার সন্ধানও জানা ছিল না! (আসলে হয়ত জানা ছিল। এ নিয়ে নানান বিতর্ক রয়েছে, কিন্তু আমেরিকা আবিষ্কার আর কলম্বাস মোটামুটি সমসাময়িক।) ইউরোপের ইতিহাসেও তামাকের চর্চা খুব প্রাচীন নয়।
তাহলে ইউরোপের হাত ঘুরে, তামাক বস্তুটির সাথে কবে ভারতীয় উপমহাদেশের পরিচয় হল, সে কথা জানতে পারলে অনেকটাই সুরাহা হয়।
ইউরোপীয় ঐতিহাসিকেরা মোটামুটিভাবে মেনে নেন যে জন হকিন্স ও তাঁর নাবিকদের থেকে ইউরোপে ১৫৬২ সাল নাগাদ তামাক সেবন চালু হয়। এই ধাপে ইউরোপে তামাক পোড়ামাটির পাইপে ভরে সেবন করা হত।
মোটামুটি এই সময়েই গোয়ার জেসুইট যাজকরা আকবর বাদশাহ(১৫৪২-১৬০৫)কে তামাকপাতা আর বীজ উপহার দেন। আকবরের চিকিৎসক আব্দুল ফতে গিলানি বাদশাহের জন্য হুঁকা নির্মাণ করে দেন। সেই হুঁকা পাওয়া গেছে কি না জানি না, কিন্তু জেডপ্রস্তর নির্মিত সম্রাট জাহাঙ্গীরের হুঁকা এখনও জাদুঘরে দেখা যায়।
মতান্তরে হুঁকা বস্তুটি আব্দুল ফতে গিলানির নিজস্ব আবিষ্কার নয়, পারস্যদেশে প্রচলিত গালিয়ান যন্ত্রের অনুকরণ মাত্র। যদিও পারস্য দেশে তখনও তামাক পাওয়া যেত না, তামাকই একমাত্র ধূম্রোৎপাদক নয়। সম্ভবত গাঞ্জা-হাশিশ ইত্যাদি সেবনের জন্য হুঁকা বা ঐ জাতীয় বস্তু ব্যবহার হত। অপিচ, আকবর বাদশাহের পূর্বেও ভারতে ছিলিমে ভরে গাঁজা টানার প্রচলনও ছিল।
সে যাই হোক, গাঁজা প্রসঙ্গ থাক। হুঁকাও থাক, আমরা আপাতত বিড়ির খোঁজে চলি।
সিটিয়ারাই(সেন্ট্রাল টোবাকো রিসার্চ ইন্সটিটিউট) এর মতে ভারতে তামাক চাষ শুরু হয় ১৬০৫ সাল নাগাদ, গুজরাটে, পর্তুগীজদের উদ্যোগে। এনারাই হয়ত আকবর বাদশাহের জন্য তামাক পাঠিয়েছিলেন। বাদশা চাষবাস শুরু করছেন না দেখে মনের দুঃখে নিজেরাই শুরু করে দেন। আর হ্যাঁ “উদ্যোগ” বলছি বটে, কিন্তু পরবর্তীকালে পূর্ব ভারতে নীলচাষের “উদ্যোগ” থেকে আমরা আঁচ করতে পারি, উদ্যোগ মানে হয়ত অত্যাচারই হবে।
অনুমান করা যেতে পারে, পর্তুগীজদের হাতে পড়ে তামাকচাষে বাধ্য হওয়া মানুষেরা একসময়ে নিজেরাও তামাক পাকিয়ে জ্বালিয়ে সেবন করতে শুরু করেছিলেন। ছিলিমে হোক বা হুঁকাতেই হোক, একটা বড় সমস্যা ছিল জাত-পাতে বিভক্ত ভারতীয় মানুষের পক্ষে আর যাই হোক, হুঁকা কি কলকে শেয়ার করে টানা অসম্ভব!
নেসেসিটি ইজ দি মাদার অফ ইনভেনশন, কাজেই শুকনো পাতায় তামাক মুড়ে টেনে ফেলা এই সময়েই শুরু। আম-কাঁঠাল-কলাপাতা ইত্যাদি দিয়ে মোড়া হলেও, সবথেকে বেশী প্রচলিত হয় কৈরালা(Bauhinia variegata) গাছের পাতা।
আর গুজরাটিদের ব্যবসাবুদ্ধি চিরকালই প্রখর, অচিরেই নিজেরা বিড়ি টানা ছড়ে দিয়ে এই পাতায়-মোড়া-তামাকের ব্যাবসা শুরু করে দিয়েছিল। তেন্দুপাতার সাথে তামাকের মেলবন্ধন কিন্তু এখনও ঘটে নি। কাজেই আমাদের সংজ্ঞা অনুযায়ী এই বস্তু এখনও বিড়ি নয়। তার আবির্ভাবের জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও দীর্ঘকাল।
১৮৯৯ সালে পশ্চিম ভারতে এক দুর্ভিক্ষ হয়, ফলতঃ প্রচুর গুজরাটি পরিবার ভারতের নানা স্থানে ছড়িয়ে পড়েন। এনাদের হাত ধরেই বিড়ির এই পূর্বপুরুষ এই ভারতের মহামানবের সাগরে মিশে যান।
এমত সময়ে বিয়েনার(বেঙল-নাগপুর রেলওয়ে) এর কন্ট্র্যাক্ট নিয়ে মধ্যভারতের জব্বলপুরে এসে উপনীত হন গুজরাটের মোহনলাল প্যাটেল ও তস্য ভ্রাতা হরগোবিন্দদাস প্যাটেল। উদ্যোক্তা প্যাটেল ব্রাদারস (আসলে কাজিন্স) সরকারী কাজের ফাঁকে ফাঁকে খুচরো ব্যাবসাও করতেন। জব্বলপুরের মনিহারি দোকানে আক্রাদামে বম্বে থেকে আনা গুজরাটী বিড়ি বিক্রয় হতে দেখে প্যাটেলদের মাথায় আসে লোকালি বিড়ি নির্মাণ করে সস্তায় বেচে দেওয়ার আইডিয়া।
কিন্তু হায় বিড়ির পাতা মধ্যপ্রদেশে আকাল। সহজে দমে না গিয়ে উদ্যোগীযুগল বম্বে থেকে পাতা আমদানি করে বিড়ি নির্মাণ ও বিপণন করতে থাকেন, আর ফাঁকে ফোকরে চলতে থাকে সস্তা লোকাল পাতার সন্ধান। অচিরেই আমাদের দুই নায়ক খুঁজে পান তেনদুপাতা। রেলওয়ে স্লিপারের জন্য উজাড় করে নেওয়া শালবনে বিনা প্রচেষ্টায়ই এই গাছ গজায়, আর এর পাতা পাড়বার সময় হয় তামাকপাতা পাড়ার উপযোগী হওয়ার ঠিক পরে পরেই!
ব্যস, প্যাটেল ভ্রাতৃদ্বয়ের হাতে আজকের বিড়ী পূর্ণতাপ্রাপ্ত হয়। অচিরেই আরেক গুজরাটী বিলাতী পণ্য বর্জনের আহ্বান দেন, এবং আপামর ভারতবাসী বিলিতী সিগারেট ত্যাগ করে বিড়ীতে মনোনিবেশ করে। তবে সে অন্য কাহিনী।
উৎসাহী হলে প্রণয় লালের লেখা মনোজ্ঞ নিবন্ধ পড়ে ফেলুন।
সুত্রঃ কোরা
লেখকঃ সৈকত রায় মহাশয়
সংক্ষেপে দেখুনহ্যাকিং করার জন্য হ্যাকার দের কোন অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার এবং অ্যাপ ব্যবহার করতে হয়?
বেশিরভাগ হ্যাকাররা লিনাক্স এর ডিস্টো ব্যবহার করে। হ্যাকিং এর জন্য লিনাক্স ডিস্টো এর মধ্যে ক্যালি অনেক জনপ্রিয়। কারণ এতে ডিফল্ট পেনেট্রেশন টেস্টিং সফটওয়্যার ইনস্টল করা থাকে। বেশিরভাগ হ্যাকাররা লিনাক্স এর ডিস্টো ব্যবহার করে। হ্যাকিং এর জন্য পাইথন পোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজটি বেশি জনপ্রিয়, তাই আপনার যদিবিস্তারিত পড়ুন
বেশিরভাগ হ্যাকাররা লিনাক্স এর ডিস্টো ব্যবহার করে। হ্যাকিং এর জন্য লিনাক্স ডিস্টো এর মধ্যে ক্যালি অনেক জনপ্রিয়। কারণ এতে ডিফল্ট পেনেট্রেশন টেস্টিং সফটওয়্যার ইনস্টল করা থাকে। বেশিরভাগ হ্যাকাররা লিনাক্স এর ডিস্টো ব্যবহার করে।
হ্যাকিং এর জন্য পাইথন পোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজটি বেশি জনপ্রিয়, তাই আপনার যদি হ্যাকিং শেখার ইচ্ছা থাকে তাহলে পাইথন দিয়ে শুরু করেন। আর আপনি যদি খুব সহজে পাইথন শিখতে চান, তাহলে Programming Hero অ্যাপসটি ব্যাবহার করতে পারেন, পাইথন শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই উপকারী অ্যাপস।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনজেএসসি পরীক্ষার নতুন সিলেবাস ২০২২, ২০২১, ২০২০, ২০১৯
জেএসসি পরীক্ষার নতুন সিলেবাস ২০২২ : এ বছর জুনিয়র স্কলারশিপ সার্টিফিকেট বা জেএসসি পরীক্ষা না হলেও অষ্টম শ্রেণীর নিয়মতান্ত্রিক বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে। সেই লক্ষ্যে ২০২১ সালের ৮ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার সিলেবাসও প্রণয়ন করা হয়েছে। গত ১৭ই অক্টোবর, ২০২১ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এক নির্দেশনায় জানাবিস্তারিত পড়ুন
জেএসসি পরীক্ষার নতুন সিলেবাস ২০২২ : এ বছর জুনিয়র স্কলারশিপ সার্টিফিকেট বা জেএসসি পরীক্ষা না হলেও অষ্টম শ্রেণীর নিয়মতান্ত্রিক বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে। সেই লক্ষ্যে ২০২১ সালের ৮ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার সিলেবাসও প্রণয়ন করা হয়েছে। গত ১৭ই অক্টোবর, ২০২১ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এক নির্দেশনায় জানানো হয, আগামী ২৪ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২১ তারিখের মধ্যে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।
৮ম শ্রেণির সিলেবাস ২০২২ pdf
এ বছর বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে পরীক্ষা নেয়া হবে। বাংলা ও ইংরেজি উভয় পত্রের পরীক্ষা গ্রহণ করার নির্দেশ রয়েছে। পরীক্ষার প্রতিটি প্রশ্নপত্রের মান হবে ৫০ নম্বরের এবং সময় হবে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলোর যেসব অধ্যায় থেকে এসাইনমেন্ট দেয়া হয়েছে, সেসব অধ্যায় এবং ১২ জানুয়ারি ২০২১ থেকে শ্রেণিকক্ষে যেসব অধ্যায়ের ওপর পাঠদান করা হয়েছে, সেগুলোই মূলত ২০২১ সালে ৮ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার সিলেবাস।
৮ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার মানবণ্টন
এছাড়াও প্রত্যেক শিক্ষার্থীর বার্ষিক পরীক্ষার নম্বরের সকল বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্টের ওপর ৪০ নম্বর যোগ করা হবে। পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর আরও ১০ নম্বর যোগ করা হবে। অর্থাৎ মোট ১০০ নম্বরের (৫০+৪০+১০) ওপর প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মূল্যায়নপূর্বক বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল তৈরি করে শিক্ষার্থীদের প্রগ্রেসিভ রিপোর্ট প্রদান করা হবে।
৮ম শ্রেণির সাজেশন ২০২১ pdf
যদিও মাত্র ৩ টি সাবজেক্টে অষ্টম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে। কিন্তু এর জন্যও বিস্তর প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। কোর্সটিকায় আমরা সকল বিষয়ের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নপত্র তৈরি করেছি। যেগুলো তোমরা উত্তরসহ ডাউনলোড করতে পারবে। নিচে দেয়া তালিকাগুলো লক্ষ্য করো।
ক বিভাগ (বিষয়ভিত্তিক)
খ বিভাগ (নৈর্ব্যত্তিক)
বাংলা ১ম পত্র সিলেবাস (গল্প)
বাংলা ১ম পত্র সিলেবাস (কবিতা)
বাংলা ১ম পত্র সিলেবাস (আনন্দপাঠ)
বাংলা ২য় পত্র সিলেবাস (ব্যকরণ)
বাংলা ২য় পত্র সিলেবাস (নির্মিতি)
বাংলা ১ম পত্র একটি সৃজনশীল প্রশ্নের নমুনা
সোনালী ব্যাংকের পিয়ন রতন অফিস ছুটি হওয়ার পর ম্যানেজারের রুম গোছাতে গিয়ে একটি সোনার আংটি পায়। আংটি পেয়ে তার খুব লোভ হলো। সে মনে মনে ভাবল তার মেয়েকে এটা উপহার হিসেবে দেবে। কিন্তু ঘটনাটি তার মনের মধ্যে অপরাধবোধের জন্ম দিল। তাই সে পরদিন অফিসে গিয়ে ম্যানেজারের নিকট আংটিটি ফেরত দিয়ে ভারমুক্ত হলো। ম্যানেজারও তার সততায় খুশি হয়ে থাকে পুরস্কৃত করলেন।
ক. বোষ্টম কী?
খ, “ওর মতো কত লোক আসবে’__ উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
গ. উদ্দীপকের রতন ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কার প্রতিনিধিত্ব করে এবং কীভাবে?
ঘ. ‘উদ্দীপক এবং গল্পের মূলভাব কর্তব্যপরায়ণতা এবং নৈতিক চেতনার-ই পরিচায়ক’__ উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
জেএসসি পরীক্ষার নতুন সিলেবাস ২০২১
JSC English Syllabus 2021
বাংলার মতো ইংরেজীও সমন্বিত পদ্ধতিতে পরীক্ষা হবে। অর্থাৎ ইংরেজীও প্রথম পত্র ও দ্বিতীয় পত্র নামে আলাদা বিষয় থাকছে না। যদিও এই পদ্ধতিটি আরো কয়েক বছর আগে থেকেই প্রচলিত। ইংরেজী পরীক্ষাটি মোট ৪ টি বিভাগে (Part) অনুষ্ঠিত হবে।
Part – A (Seen – 20)
Part – B (Unseen – 25)
Part – C (Grammar)
Part – D (Writing)
ইংরেজী প্রশ্নপত্রের ধরন কেমন হবে, সেই সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়ার জন্য কোর্সটিকায় প্রকাশিত JSC English Model Test গুলো দেখো। পাশাপাশি নিচে দেয়া লিংক থেকে JSC অন্যান্য বিষয়ের গুরুতত্বপূর্ণ সব নোট ও সাজেশান্স ডাউনলোড করে নাও।
জেএসসি গণিত সিলেবাস
এবছর গণিতে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি।গণিতের প্রশ্ন পদ্ধতি বিগত বছরের ন্যায় হবে। তবুও কোর্সটিকায় JSC Math Suggestion 2021 এর ওপর বিশদ আলোচনা করা হয়েছে। লিংকে ক্লিক করে মডেল টেস্টগুলো দেখে নিতে পারো।
গণিত পরীক্ষায় মোট ৪ টি অংশ থাকবে:
নৈর্ব্যত্তিক অংশে ৩০ টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন দেয়া থাকবে। এই প্রশ্নগুলো বইয়ের যেকোন অধ্যায় থেকে আসতে পারে।
অন্যান্য বিষয়
বাকি বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে সাধারণ বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, চারু ও কারুকলা এবং কৃষি শিক্ষা। উল্লেখতি এই বিষয়গুলোর প্রতিটির ওপর ১০০ নম্বরের প্রশ্ন করা হবে। যার মধ্যে ৭ টি সৃজনশীল প্রশ্ন (১১ টির মধ্যে ৭ টি) এবং ৩০ টি নৈর্ব্যত্তিক প্রশ্ন করা হবে।
তবে শারীরিক শিক্ষা পরীক্ষাতে ৫০ নম্বরের প্রশ্নপত্র করা হবে। যেখানে ৩০ নম্বরের বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন ও ২০ টি নৈর্ব্যত্তিক প্রশ্ন করা হবে।
ধন্যবাদ!
সুত্রঃ কোর্সটিকা
সংক্ষেপে দেখুননতুন মুভির টরেন্ট ( torrent ) ফাইল ডাউনলোড করবো কিভাবে? Torrent downloader ফ্রি কোথায় পাবো?
Torrent মুভি দেখার জন্য প্রথমে আপনাকে একটি অ্যাপ ডাউনলোড করে নিতে হবে। নাম uTorrent । অ্যাপটি ডাউনলোড করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন। uTorrent app download free এবার নিচের ছবিতে দেয়া ওয়েবসাইটটিতে যেতে হবে। এবার যে মুভি টি দেখতে চান সেটিতে ক্লিক করে পরবর্তি পেজে Torrent Download এ ক্লিক করে Torrent ফাবিস্তারিত পড়ুন
Torrent মুভি দেখার জন্য প্রথমে আপনাকে একটি অ্যাপ ডাউনলোড করে নিতে হবে। নাম uTorrent । অ্যাপটি ডাউনলোড করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।
uTorrent app download free
এবার নিচের ছবিতে দেয়া ওয়েবসাইটটিতে যেতে হবে।
এবার যে মুভি টি দেখতে চান সেটিতে ক্লিক করে পরবর্তি পেজে Torrent Download এ ক্লিক করে Torrent ফাইলটি ডাউনলোড করে নিতে হবে।
এবার uTorrent অ্যাপটি ওপেন করে এই Torrent ফাইলটি সিলেক্ট করে দিলেই ডিকোড হবে। কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। এবং এরপরই আপনি পছন্দের মুভিটি দেখতে পারবেন।
ধন্যবাদ!
torrent movie downloader, crazy hd, 1337×, 1337x torrent magnet, radhe torrent magnet, xxxxx torrent manager, 1337x.to torrent magnet, 13377x, pirate bаy, yts.mx torrent magnet, xxxx torrent manager, the pirate bаy, crazy hd torrent magnet
সংক্ষেপে দেখুনART – Artist Website Template download for FREE
খুবই ভালো। আমি ডাউনলোড করতে চাই।
খুবই ভালো। আমি ডাউনলোড করতে চাই।
সংক্ষেপে দেখুনprofessor job solution বইটির pdf ফ্রি ডাউনলোড লিংক
নিচের লিংকগুলো থেকে Professor’s Job Solution ভার্সনগুলো ডাউনলোড করে নিন। Professor’s Job Solution PDF Book (1st Part) Download Professor’s Job Solution PDF Book (2st Part) Download Professor’s Job Solution PDF Book (3st Part) Download Professor’s Job Solution PDF Book (4st Part) Download Professor’বিস্তারিত পড়ুন
নিচের লিংকগুলো থেকে Professor’s Job Solution ভার্সনগুলো ডাউনলোড করে নিন।
সংগ্রহঃ bdniyog.com
সংক্ষেপে দেখুনএ গুলো গুগুলে search করলে পুলিস আপনাকে জেলে নিয়ে জেতে পারে।
Post ta na pore dislike dilen???
Post ta na pore dislike dilen???
সংক্ষেপে দেখুনসেক্সে বিশ্ব রেকর্ড কার দখলে?
সেক্সে বিশ্ব রেকর্ড কিন্তু গিনেস বুক রেকর্ডে অন্যান্য বিভিন্ন রেকর্ড এর পাশাপাশি সেক্সে বিশ্ব রেকর্ড ও উঠে এসেছে। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড পৃথিবীর বিভিন্ন মেধাবী ব্যক্তিদের বিভিন্ন ধরনের রেকর্ডের স্বীকৃতি প্রদান করে থাকে। তারই অংশ হিসেবে সেক্সে বিশ্ব রেকর্ড কারীদের কেও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। একদিনে সবিস্তারিত পড়ুন
সেক্সে বিশ্ব রেকর্ড
কিন্তু গিনেস বুক রেকর্ডে অন্যান্য বিভিন্ন রেকর্ড এর পাশাপাশি সেক্সে বিশ্ব রেকর্ড ও উঠে এসেছে। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড পৃথিবীর বিভিন্ন মেধাবী ব্যক্তিদের বিভিন্ন ধরনের রেকর্ডের স্বীকৃতি প্রদান করে থাকে। তারই অংশ হিসেবে সেক্সে বিশ্ব রেকর্ড কারীদের কেও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
একদিনে সবচেয়ে বেশিবার অর্গাজম
অর্গাজম বলতে বোঝানো হয় মেয়েদের বীর্য স্খলন কে। পুরুষরা যেমন হস্তমৈথুন বা যৌনসঙ্গম এর মাধ্যমে তাদের বীর্যস্খলন করে থাকে তেমনি মেয়েদের বীর্য স্খলন অর্গাজম নামে পরিচিত। আমাদের দেশের মেয়েরা অর্গাজম এর সাথে খুবই কম পরিচিত।
কিন্তু উন্নত দেশে অর্গাজম একটা মামুলি ব্যাপার মাত্র। স্বাভাবিকভাবে মেয়েদের অর্গাজম হতে অনেক বেশি সময় লাগে। কিন্তু ব্রিটিশ এক নাগরিক একদিনে ৫০০ বার অর্গাজম করে সেক্সে বিশ্ব রেকর্ড করেছেন। তার নাম যারা জারা রিচার্ডসন। তিনি এক ধরনের যৌন রোগে আক্রান্ত যার কারণে তার অর্গাজম খুব দ্রুত হয়। আর এরই সুবিধা নিয়ে তিনি গিনেস বুক অব রেকর্ডে একদিনে সবচেয়ে বেশিবার অর্গাজম করে রেকর্ড করে ফেলেছেন।
সংক্ষেপে দেখুনফজর নামাজের সময় ও শেষ সময় কখন? আজকের নামাজের সময়সূচী
ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব ও এশা নামাজ এবং সেহরি সারা বছরের পরিপূর্ণ সময়সূচি জানতে চিরস্থায়ী সময়সূচী ক্যালেন্ডার টি ডাউনলোড করে নিন। নামাজের চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড এক ক্যালেন্ডারেই সারা বছরের নামাজ ও সেহরির সময়সূচি পাবেন। ধন্যবাদ!
ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব ও এশা নামাজ এবং সেহরি সারা বছরের পরিপূর্ণ সময়সূচি জানতে চিরস্থায়ী সময়সূচী ক্যালেন্ডার টি ডাউনলোড করে নিন।
নামাজের চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড
এক ক্যালেন্ডারেই সারা বছরের নামাজ ও সেহরির সময়সূচি পাবেন।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনBrave browser license key with vpns
Brave Browser ar kono license lage na...
Brave Browser ar kono license lage na…
সংক্ষেপে দেখুনBrave browser license key with vpns
Brave browser license, vpns and crack full package click below download link! Download Brave Browser with Licence key full Enjoy 😇
Brave browser license, vpns and crack full package click below download link!
Download Brave Browser with Licence key full
Enjoy 😇
সংক্ষেপে দেখুন