সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
পিরিয়ডের বা মাসিকের ব্যথা কমানোর ঔষধ এর লিস্ট এবং কার্যকরী ওষুধ কোনটি?
পিরিয়ডের সময় এলেই সবচেয়ে বেশি ভয় থাকে ব্যাথা নিয়ে। অনেকেই ভোগেন ডিসমেনোরিয়ায়। তলপেটে প্রচণ্ড ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে কোমর, ঊরু ও পা পর্যন্ত। এমনকি স্তনেও ব্যাথা হয় অনেকের। রক্তক্ষরণের চেয়ে এই ব্যাথা কাবু দেয় মহিলাদের। ১২-৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয় সেই ব্যথা। ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে প্রাইমারি ডিসমেনোরিয়ারবিস্তারিত পড়ুন
পিরিয়ডের সময় এলেই সবচেয়ে বেশি ভয় থাকে ব্যাথা নিয়ে। অনেকেই ভোগেন ডিসমেনোরিয়ায়। তলপেটে প্রচণ্ড ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে কোমর, ঊরু ও পা পর্যন্ত। এমনকি স্তনেও ব্যাথা হয় অনেকের। রক্তক্ষরণের চেয়ে এই ব্যাথা কাবু দেয় মহিলাদের। ১২-৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয় সেই ব্যথা। ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে প্রাইমারি ডিসমেনোরিয়ার কষ্টগুলো অনেকাংশে কমানো সম্ভব হয়।
* দৈনিক কমপক্ষে সাত-আট ঘণ্টা ঘুম চাই। * পর্যাপ্ত জল খান। বিভিন্ন ধরনের শরবত, ফলের রস, আদা-লেবু-পুদিনা পাতাযুক্ত চা পান করুন। * মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকুন। * পুষ্টিকর খাবার খান। * অতিরিক্ত চিনি-লবণযুক্ত খাবার, ক্যাফেইন, অ্যালকোহল, তামাক ইত্যাদি দূরে থাকুন। * প্রতিদিন সকালের রোদ লাগান শরীরে।
*এছাড়া পিরিয়ডের ব্যথার সময় তলপেটে কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার তেল মালিশ করুন। ১০- ১৫ মিনিটের মধ্যে এটি আপনার ব্যথা কমিয়ে দেবে অনেকখানি। * পেটে ব্যথার সময় গরম জলের সেঁক দিতে পারেন। হট ওয়াটার ব্যাগও ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনার ব্যথা অনেকটা কমিয়ে দেবে। গরম জলে স্নানও করতে পারেন।
যে যে খাবার আপনার ব্যাথা অনেকটা কম করবে আদা বেশ উপকারী পিরিয়ডের ব্যথা রোধের জন্য। আদা চা পান করলে এই সময় বেশ ভালো উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া কয়েক টুকরো আদা গরম জলে সেদ্ধ করে মধু-চিনি সহযোগে দিনে তিন-চারবার পান করতে পারেন। পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর জন্য পেঁপে খাওয়া বেশ কার্যকর। পিরিয়ডের সময় নিয়মিত কাঁচা পেঁপে খেতে পারেন। কাঁচা পেঁপে পিরিয়ডের ব্যথা কমিয়ে দেয়।
অ্যালোভেরা রসের সাথে মধু মিশিয়ে একটি জুস তৈরি করে ফেলুন। পিরিয়ডের ব্যথার সময় এটি পান করুন। দিনে কয়েকবার এটি পান করুন। ব্যথা অনেকখানি কমিয়ে দেবে এই পানীয়। গরম দুধ খেলেও উপকার পাবেন।
শরীর চর্চায় কমবে ব্যাথা মেঝেতে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে কোমর থেকে শরীরের ওপরের অংশ এমনভাবে ভাঁজ করুন, যাতে হাতসহ শরীরের ওপরের অংশ মেঝের সমান্তরালে থাকে। হাঁটু যাতে ভাঁজ না হয়। এ অবস্থায় পাঁচ সেকেন্ড থাকুন। পায়ের আঙুলের ওপর ভর করে সোজা হয়ে দাঁড়ান। এবার হাত দুটো সামনে টান টান করে প্রসারিত করুন। এ অবস্থায় পাঁচ সেকেন্ড থাকুন। হাফ স্কোয়াটিং পজিশনে বসে হাত দুটো সামনে টান টান করে প্রসারিত করুন। এ অবস্থায় পাঁচ সেকেন্ড থাকুন। মেঝেতে দুই পা ফাঁক করে দাঁড়ান। এবার ডান হাত দিয়ে বাঁ পায়ের গোড়ালি ধরার চেষ্টা করুন। এই সময় বাঁ হাত উঁচু করে বাঁ দিকে তাকানোর চেষ্টা করুন। এ অবস্থায় পাঁচ সেকেন্ড থাকুন। একইভাবে অপর হাত দিয়েও ব্যায়াম করুন।
https://allaboutsubha.blogspot.com/
সংক্ষেপে দেখুনপিরিয়ডের বা মাসিকের ব্যথা কমানোর ঔষধ এর লিস্ট এবং কার্যকরী ওষুধ কোনটি?
পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর ঔষধ viset ঔষধ খেলে ব্যথা কমবে কিন্তু পরবর্তী মাসে আবার ব্যথা হবে ৷ এটা কেবল ব্যথা কমাবে ৷ রোগ বা সমস্যা দুর করবে না ৷ তাই চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে ঔষধ সেবন করাটাই সবচেয়ে ভালো হবে ৷ নিচে কিছু ঘরোয়া উপায় দিলাম যা ঔষধের বিকল্প হিসেবে মেনে চলতে পারেন। এতে ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিবিস্তারিত পড়ুন
পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর ঔষধ
viset ঔষধ খেলে ব্যথা কমবে কিন্তু পরবর্তী মাসে আবার ব্যথা হবে ৷ এটা কেবল ব্যথা কমাবে ৷ রোগ বা সমস্যা দুর করবে না ৷ তাই চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে ঔষধ সেবন করাটাই সবচেয়ে ভালো হবে ৷
নিচে কিছু ঘরোয়া উপায় দিলাম যা ঔষধের বিকল্প হিসেবে মেনে চলতে পারেন। এতে ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে বেঁচে যাবেন।
পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায়
তালিকা থেকে কিছু খাবার বাদ দিন
পিরিয়ড চলাকালীন খাদ্য তালিকা থেকে কিছু খাবার বাদ দিন। বাড়তি লবণ, চা-কফি বা ক্যাফেইন জাতীয় যে কোনো পানীয়, চিনি ও দুগ্ধ জাতীয় খাবার। এতে পিরিয়ডের সময় স্তন ও তলপেট ব্যথা হতে মুক্তি পাবেন।
ব্যায়াম
অনেক মেয়েরই পিরিয়ডের আগে ও পরে স্তনে ব্যথা হয়। তাই সাবধানে ব্যায়াম করতে করতে হবে। এমন কোনো ব্যায়াম করবেন না যাতে বুকে চাপ পড়ে। এমন ব্যায়াম করুন, যেগুলো শরীরের নিচের অংশে কার্যকর। এক্ষেত্রে সাইকেল চালানো, হাঁটা, ভুল ব্যায়াম পরিস্থিতি আরও খারাপ করে দেবে।
স্তনে ব্যথা কমাবে
কিছু বিশেষ ধরনের ব্যায়াম আছে, যেগুলো এই স্তনে ব্যথা কমায়।ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে সেই ব্যায়ামগুলো করতে পারেন। স্তনকে সাপোর্ট দেয়, এমন ব্রা পরিধান করুন। সঠিক মাপের আরামদায়ক ব্রা ব্যথা কমাতে সহায়তা করবে।
ঠাণ্ডা লাগানো যাবে না
পিরিয়ড চলাকালীন শরীরে ঠাণ্ডা লাগানো যাবে না। এ সময় ঠাণ্ডা লাগলে স্তন, হাত-পা ও কোমরের ব্যথা বেড়ে যাবে। এছাড়া পিরিয়ড চলাকালীন স্তনে কোনো প্রকার চাপ দেবেন না, এতে ব্যথা আরও বাড়বে।
গরম পানির সেক
পিরিয়ড চলাকালীন তলপেট, স্তন, কোমর, হাত ও পায়ের ব্যথা অতিরিক্ত বেড়ে গেলে গরম পানির সেঁকা দিতে পারেন। তবে হালকা গরম তেল দিয়ে ব্যথায় অংশে ম্যাসেজ পারেন। যদি ব্যথা খুব বাড়ে তবে প্যারাসিটামল বা ব্যথা জাতীয় ওষুধ খেতে পারে। তবে অতিরিক্ত ওষুধ খাওয়া যাবে না।
ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার
পিরিয়ডের ব্যথায় কমাতে ভিটামিন ই এবং বি বেশ উপকারী। পিরিয়ডের সময় যাদের তীব্র ব্যথা হয় তারা ভিটামিন ই, বি১, বি৬, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার খেলে উপকার পাবেন। যেমন -চিনা বাদাম, পেস্তা বাদাম, বাঁধাকপি, আম, মাছ, ওটমিল, কলা, ডিম, সবুজ শাকসবজি, গম, ডাল ইত্যাদি খাবারগুলো কেতে পারেন। এই খাবারগুলো পেশির সংকোচনজনিত পিরিয়ডের ব্যথা থেকে স্বস্তি পেতে সহায়তা করবে।
ব্যথা সারাতে মেথি
পিরিয়ডের ব্যথাসহ যে কোনো ব্যথা সারাতে ব্যথা মেথির জুড়ি নেই। মেথি একটি ভেষজ ওষুধ। এক চা চামচ পরিমাণ মেথি ভালো করে ধুয়ে নিন। এবার মেথিটুকু চিবিয়ে খেয়ে ফেলুন। দেখবেন ব্যথা থেকে মুক্তি মিলবে।
তথ্যসূত্রঃ
সংক্ষেপে দেখুনদৈনিক যুগান্তর ( https://www.jugantor.com/lifestyle/656/%E0%A6%93%E0%A6%B7%E0%A7%81%E0%A6%A7-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A7%9F )
বীরশ্রেষ্ঠ সাতজনের নাম, ছবি, সেক্টর, পদবী এবং মুক্তিযুদ্ধে তাদের অবদান কি ছিলো?
বীরশ্রেষ্ঠদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় ০১। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর জন্ম : ৭ মার্চ ১৯৪৯। জন্মস্থান : বাবুগঞ্জ, বরিশাল, পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানঃ বাংলাদেশ)। পড়াশোনা : ১৯৬৪ সালে মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ১৯৬৬ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশবিস্তারিত পড়ুন
বীরশ্রেষ্ঠদের সংক্ষিপ্ত পরিচয়
০১। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর
জন্ম : ৭ মার্চ ১৯৪৯। জন্মস্থান : বাবুগঞ্জ, বরিশাল, পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানঃ বাংলাদেশ)। পড়াশোনা : ১৯৬৪ সালে মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ১৯৬৬ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। পিতার নাম : আব্দুল মোতালেব হাওলাদার ছিলেন কৃষক মাতার নাম : মা সাফিয়া বেগম ছিলেন গৃহিণী।
পদমর্যাদা : ক্যাপ্টেন,৭নং সেক্টর-এর মহোদিপুর সাব-সেক্টর। মৃত্যু : ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ বারঘরিয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। পুরস্কার : বীর শ্রেষ্ঠ।
০২। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান
জন্ম : ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩। জন্মস্থান : যশোর জেলার (বর্তমানে ঝিনাইদহ জেলা) মহেশপুর উপজেলার খর্দ্দ খালিশপুর গ্রামে। পড়াশোনা : শৈশবে তিনি খালিশপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পরবর্তীকালে স্থানীয় নাইট স্কুলে সামান্য লেখাপড়া করেন।
পিতার নাম : আক্কাস আলী মন্ডল। মাতার নাম : মোসাম্মাৎ কায়মুন্নেসা। পদমর্যাদা : ৪নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন (সৈনিক নাম্বার ৩৯০৪৩০১)। মৃত্যু : অক্টোবর ২৮, ১৯৭১ ধলই, শ্রীমঙ্গল, সিলেট। পুরস্কার : বীর শ্রেষ্ঠ।
০৩। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল
জন্ম : ১৬ ডিসেম্বর ১৯৪৭ । জন্মস্থান : ভোলা জেলার দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পড়াশোনা : পড়াশোনা বেশিদূর করতে পারেননি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পর উচ্চ বিদ্যালয়ে দু-এক বছর অধ্যয়ন করেন। পিতার নাম : হাবিবুর রহমান সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত হাবিলদার।
পদমর্যাদা : ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট কুমিল্লায়,সেক্টরঃ ২ নং। মৃত্যু : এপ্রিল ১৭, ১৯৭১ আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, বাংলাদেশ । পুরস্কার : বীর শ্রেষ্ঠ।
০৪। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন
জন্ম : ১৯৩৫ সালের জুন মাস। জন্মস্থান : জেলা: নোয়াখালী,উপজেলা: সোনাইমুড়ি, গ্রাম: বাঘপাঁচড়া। পড়াশোনা : বাঘচাপড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করে আমিষাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। এসএসসি পাশ করে ১৯৫৩ সালে জুনিয়র মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে পাকিস্তান নৌবাহিনীতে যোগদান করেন।
পিতার নাম : আজহার পাটোয়ারী। মাতার নাম : জোলেখা খাতুন। পদমর্যাদা : স্কোয়াড্রন ইঞ্জিনিয়ার, ১০নং সেক্টর। মৃত্যু : ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সাল। পুরস্কার : বীর শ্রেষ্ঠ।
০৫। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান
জন্ম : ২৯ অক্টোবর ১৯৪১। জন্মস্থান : পুরান ঢাকার ১০৯, আগা সাদেক রোডের “মোবারক লজ”-এ। পড়াশোনা : ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল থেকে ষষ্ঠ শ্রেণী পাস করার পর সারগোদায় পাকিস্তান বিমান বাহিনী পাবলিক স্কুলে ভর্তি হন। ডিস্টিংকশনসহ মেট্রিক পরীক্ষায় সাফল্যের সাথে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। পিতার নাম : মৌলভী আবদুস সামাদ। মাতার নাম : সৈয়দা মোবারকুন্নেসা খাতুন।
পদমর্যাদা : ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট,নম্বর. ২ স্কোয়াড্রন। মৃত্যু : ২০ আগস্ট ১৯৭১ (বয়স ২৯) থাট্টা, পশ্চিম পাকিস্তান। পুরস্কার : বীর শ্রেষ্ঠ।
০৬। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ
জন্ম : ১ মে, ১৯৪৩। জন্মস্থান : জেলা: ফরিদপুর, উপজেলা: মধুখালী, গ্রাম: সালামতপুর। পড়াশোনা : ১৯৫৫ সালে তাঁর পিতার মৃত্যুর পর তিনি বেশিদূর লেখাপড়া করতে পারেন নি। সংসারের হাল ধরতে অষ্টম শ্রেণিতে লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে ১৯৬৩ সালের ৮ মে আব্দুর রউফ যোগ দেন ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসে। পিতার নাম : মুন্সি মেহেদি হাসান ছিলেন স্থানীয় মসজিদের ইমাম। মাতার নাম : মুকিদুন্নেসা।
পদমর্যাদা : ল্যান্স নায়েক। সেক্টরঃ ১ নং। মৃত্যু : ৮ এপ্রিল, ১৯৭১ বুড়িঘাট, মহালছড়ি। পুরস্কার : বীর শ্রেষ্ঠ।
০৭। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ
জন্ম : ২৬শে ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬। জন্মস্থান : যশোর জেলার অর্ন্তঃগত নড়াইল মহকুমার মহিষখোলা গ্রামে।পড়াশোনা : স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লেখাপড়া শেষ করে উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সপ্তম শ্রেণীর পর আর পড়াশোনা করেননি।
পিতার নাম : মোহাম্মদ আমানত শেখ। মাতার নাম : জেন্নাতুন্নেসা। পদমর্যাদা : ল্যান্স নায়েক , কর্মস্থলঃ ইপিআর । সেক্টরঃ ৮ নং। মৃত্যু : ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ (বয়স ৩৫) গোয়ালহাটি, যশোর। পুরস্কার : বীর শ্রেষ্ঠ।
সাত বীরশ্রেষ্ঠ দের নাম মনে রাখার সহজ উপায়ঃ
★ সাত হাজার মোম আন ★
সাত= বীরশেষ্ঠ সাত জন
হা= হামিদুর রহমান
জা= জাহাঙ্গীর
র= রুহুল আমীন
মো= মোস্তফা কামাল
ম= মতিউর রহমান
আ= আঃ রউফ
ন= নূর মোহাম্মদ শেখ
বীরশ্রেষ্ঠদের পদবী এবং শহীদ হবার তারিখ
বীরশ্রেষ্ঠদের পদবী, সেক্টর এবং শহীদ হবার তারিখ
সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের ছবি
সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের ছবি
ধন্যবাদ!
উত্তরটি ভালো লেগে থাকলে পছন্দ করে রাখতে পারেন।
আপনার অভিমত কমেন্ট করে জানাতে পারেন।
বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন!
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর প্রথম রাজা কে?
বুঝলাম না। এটা কি জরিপ ছিলো? যদি তাই হয়, তাহলে কোন অপশন নাই কেন? 🤔
বুঝলাম না। এটা কি জরিপ ছিলো? যদি তাই হয়, তাহলে কোন অপশন নাই কেন? 🤔
সংক্ষেপে দেখুনএলএক্স সোয়েট এর গান, সাথে সালমা আক্তার, মমতাজ এর বিচ্ছেদ গান
র দিয়ে গান বলতে এই মুহূর্তে আমার একটি গানের কথাই মনে পড়ছে... "রক্ত দিয়ে নাম লিখেছি বাংলাদেশের নাম।"
র দিয়ে গান বলতে এই মুহূর্তে আমার একটি গানের কথাই মনে পড়ছে…
“রক্ত দিয়ে নাম লিখেছি
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশের নাম।”
@ এর জনক কে? @ এর বাংলা কি?
Ray Tomlinson, email inventor and selector of @ symbol, dies aged 74. Ray Tomlinson, the inventor of email and the man who picked the @ symbol for addresses, has died aged 74 https://www.youtube.com/watch?v=s5u5LAzHeMk উত্তর টি ভাল লাগলে আমার YOUTUBE CHANNEL টা ঘুরে আসতে পারেন। Allaboutsubha
Ray Tomlinson, email inventor and selector of @ symbol, dies aged 74. Ray Tomlinson, the inventor of email and the man who picked the @ symbol for addresses, has died aged 74
https://www.youtube.com/watch?v=s5u5LAzHeMk
উত্তর টি ভাল লাগলে আমার YOUTUBE CHANNEL টা ঘুরে আসতে পারেন।
Allaboutsubha
সংক্ষেপে দেখুনফেসবুক এর সার্ভার হঠাৎ ডাউন হওয়ার কারণ কি?
ফেসবুক ডাউন থাকার ঘটনা এর আগেও ঘটেছে তবে সেটা বিশেষ কিছু লোকেশন কিংবা কিছু কিছু দেশের ক্ষেত্রে। তবে এবারই প্রথমবার এই ধরনের ঘটনা ঘটল যেখানে ফেসবুকের হেডকোয়ার্টারেও সব সেবা বন্ধ ছিল। এমনকি ফেসবুকের কর্মীরা যারা অনলাইনে ওয়ার্কপ্লেসে কাজ করেন, তারাও লগইন হতে পারেননি। যাই হোক, এখবিস্তারিত পড়ুন
ফেসবুক ডাউন থাকার ঘটনা এর আগেও ঘটেছে তবে সেটা বিশেষ কিছু লোকেশন কিংবা কিছু কিছু দেশের ক্ষেত্রে। তবে এবারই প্রথমবার এই ধরনের ঘটনা ঘটল যেখানে ফেসবুকের হেডকোয়ার্টারেও সব সেবা বন্ধ ছিল। এমনকি ফেসবুকের কর্মীরা যারা অনলাইনে ওয়ার্কপ্লেসে কাজ করেন, তারাও লগইন হতে পারেননি।
যাই হোক, এখন সবার প্রশ্ন ঘটনাটা আসলে কী ঘটেছিল? এর মূল কারণ ছিল ফেসবুকের DNS (Domain Name System) সিস্টেম এর সমস্যা। সাধারণত একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম কাজ করে কতগুলো আইপি (ইন্টারনেট প্রোটোকল) এর ওপর ভিত্তি করে। অর্থাৎ একটি কম্পিউটার যখন অন্য একটি কম্পিউটারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে, তখন একে অপরকে চিনে থাকে আইপি অ্যাড্রেসের মাধ্যমে।
একইভাবে আমরা যখন ইন্টারনেটে কোনো ওয়েবসাইট কিংবা সার্ভারে প্রবেশ করি, তখন মূলত উক্ত সার্ভারে প্রবেশ করি তার নির্ধারিত আইপি অ্যাড্রেসের মাধ্যমে। প্রত্যেকটা সার্ভারের একটি নির্দিষ্ট ইন্টারনেট আইপি থাকে যেটা হয় ইউনিক (মোবাইল নাম্বারের মতো, অন্য কারও সাথে মিলবে না)। যেমন ফেসবুকের অনেকগুলো আইপির মধ্যে একটি হলো- 63.69.176.13, কিন্তু একজন সাধারণ মানুষের পক্ষে এত আইপি এড্রেস কখনোই মনে রাখা সম্ভব নয়, তাই এর সহজ সমাধানে ব্যবহৃত হয় DNS (Domain Name System)। যার কাজ হচ্ছে আইপি এড্রেসকে নামে কনভার্ট করা।
উদাহরণ হিসেবে আমরা যখন facebook.com লিখি, তখন এই DNS প্রযুক্তি প্রথমে খুঁজে বের করে Facebook.com এর সার্ভারের আইপি এড্রেস কি, তারপর facebook.com আর উক্ত সার্ভার আইপি এড্রেসের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে আমাদেরকে সার্ভার পর্যন্ত পৌঁছে দেয়, ঠিক একইভাবে আমরা যখনই কোনো ওয়েবসাইটে প্রবেশ করি প্রত্যেক ক্ষেত্রেই এই একই পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়, আমাদেরকে কষ্ট করে আইপি মনে রাখতে হয় না, শুধু ওয়েবসাইটের ঠিকানাটা মনে রাখলেই হয়।
এখন প্রশ্ন থাকতে পারে ফেসবুকের ডিএনএস সমস্যা হলে হোয়াটসঅ্যাপ আর ইনস্টাগ্রামেও কেন এর প্রভাব পড়বে? এর উত্তর হলো- ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপে সবার ডেটাই থাকে একটি সার্ভার সিস্টেমে এবং ব্যাকইন্ডে ডাটাবেস কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে সবাই ফেসবুকের ডিএনএস সিস্টেম (facebook.com) ব্যবহার করে, তাই ফেসবুকের ডিএনএস সমস্যা হওয়াতে বাকিদেরও হয়েছে।
যদিও ফেসবুক ইঞ্জিনিয়ারিং টিম থেকে একটি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে যে “নেটওয়ার্ক রাউটিং সিস্টেম কনফিগারেশনে তারা কিছু পরিবর্তন পেয়েছে যে কারনে মুল সার্ভারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়।
সবশেষে বলা যায় নেটওয়ার্ক সিস্টেমে ত্রুটির কারণে ঘটনাটি ঘটতে পারে সেটা হতে পারে DNS ইস্যু অথবা Router ইস্যু। তবে যখন এই সমস্যাটি হয় তখন আমরা ফেসবুকের কিছু কিছু আইপিকে ping করে পেলেও facebook.com কে ping করে পাচ্ছিলাম না।
এদিকে, সামাজিকমাধ্যম ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রামে ব্যবহারে ব্যাহত হওয়ার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছেন মার্ক জাকারবার্গ।
তিনি বলেন, আজকের এই বিভ্রাটের জন্য আমি দুঃখিত। আমি জানি যে যাদের প্রতি আপনি যত্নশীল, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে এসব পরিষেবার ওপর আপনারা কতটা নির্ভরশীল।
সোমবার (৪ অক্টোবর) রাত ৯টার কিছু সময় পর থেকে এসব যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে বার্তা আদান-প্রদান বন্ধ হয়ে যায়। এতে বিপাকে পড়েন বিশ্বজুড়ে লাখো ব্যবহাকারী। রাত সাড়ে চারটার দিকে এই টুইট বার্তায় সার্ভার সচল হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ আবার অনলাইনে ফিরে এসেছে।
মঙ্গলবার সকালে এক টুইটপোস্টে হোয়াটসঅ্যাপ জানিয়েছে, আজ যারা আমারদের পরিষেবা ব্যবহার করতে পারেননি, তাদের সবার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। ধীরে ও সতর্কতার সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ কাজ করতে শুরু করেছে। ধৈর্য ধরার জন্য আপনাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। এ নিয়ে সবাইকে হালনাগাদ তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিভ্রাটের খবরে ফেসবুকের শেয়ারের দর সোমবার এক ধাক্কায় সাড়ে ৫ শতাংশ পড়ে গেছে। প্রায় এক বছরের মধ্যে শেয়ারবাজারে সবচেয়ে বাজে দিনটি পার করছে সামাজিকমাধ্যমটি।
আর ইনডিপেনডেন্ট বলছে, ফেসবুকের ইতিহাসে এতো বড় মাত্রায় বিভ্রাটের ঘটনা একেবারেই বিরল। তবে এসব ক্ষেত্রে ফেসবুক সাধারণত খুব একটা তথ্য প্রকাশ করে না, মুখে কুলুপ এঁটে থাকে।
২০১৯ সালেও বড় পরিসরে যান্ত্রিক জটিলতায় পড়েছিল তারা। তখন রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করতে গিয়ে ওই সমস্যা দেখা হয়েছিল। ফেসবুকের সাবেক কর্মী ফ্রান্সিস হাউগেনের মার্কিন সিনেটে সাক্ষ্য দেওয়ার নির্ধারিত তারিখের ঠিক আগের দিন এই বিভ্রাটে পড়ল এ কোম্পানির সেবাগুলো।
হাউগেনের হাত দিয়ে ফাঁস হওয়া ফেসবুকের অভ্যন্তরীণ নথির কারণে ব্যাপক সমালোচনার পাশাপাশি মার্কিন সিনেটের তদন্তের মুখে পড়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
ফেসবুকের মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী এখন ২৯০ কোটি। অর্থাৎ বিশ্বব্যাপী এই পরিমাণ অ্যাকাউন্ট থেকে মাসে একবার হলেও সামাজিকমাধ্যমটিতে লগইন করা হয়। এই ব্যবহারকারীদের চার কোটি ৮০ লাখের বাস বাংলাদেশে। অপরদিকে বিশ্বব্যাপী ১২০ কোটি মানুষ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করছেন।
https://www.youtube.com/watch?v=nSzh5BB4bvU
ভাল লাগলে আমার YOITUBE CHANNEL ঘুরে আসতে পারেন
সংক্ষেপে দেখুনhttps://www.youtube.com/allaboutsubha
চুইংগাম গিলে ফেললে কি তা হজম হয়? আমি ২ বছর আগে ভুলবশত চুইংগাম গিলে ফেলেছিলাম
ভুল করে চুইংগাম গিলে ফেলে অনেকে উদ্বিগ্ন হন। অনেকের ধারণা, চুইংগাম গিলে ফেললে তা পেটে অনেক দিন থেকে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ল্যাঙ্গোন মেডিকেল সেন্টারের গবেষণার বরাতে স্বাস্থ্য ও জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুইংগাম ভুলবশত পেটে চলে গেলে আতঙ্কিত হবেন না। চুইংগামেরবিস্তারিত পড়ুন
ভুল করে চুইংগাম গিলে ফেলে অনেকে উদ্বিগ্ন হন। অনেকের ধারণা, চুইংগাম গিলে ফেললে তা পেটে অনেক দিন থেকে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ল্যাঙ্গোন মেডিকেল সেন্টারের গবেষণার বরাতে স্বাস্থ্য ও জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুইংগাম ভুলবশত পেটে চলে গেলে আতঙ্কিত হবেন না।
চুইংগামের প্রভাব
চুইংগাম চিবানোর সময় যদি ভুল করে গিলে ফেলেন, তবে আতঙ্কিত হবেন না। কারণ, অন্যান্য খাবারের মতো এটিও হজম হয়। তবে হজমে একটু বেশি সময় লাগে। আমাদের পাচনতন্ত্রে অ্যাসিড ও এনজাইম রয়েছে, যা চুইংগাম হজম করতে সহায়তা করে।
হজম হতে কতক্ষণ লাগে?
সাধারণ খাবার খাওয়ার পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হজম হয়ে যায়। তবে চুইংগাম গিলে ফেললে তা কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সহজে হজম হয় না। হজম হতে দুই থেকে তিন দিন সময় লাগে। কারণ, সবার পাচনতন্ত্র একরকম নয়। তাই কারো পেটে এটি দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে হজম হয়। আবার কারো এটি হজম হতে আরো বেশি দিন লাগতে পারে। চুইংগাম গিলে ফেলার পর তা সর্বোচ্চ এক সপ্তাহ পর্যন্ত পেটে থাকতে পারে। এরপর তা হজম হয়ে যায় এবং শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। তাই এতে দুশ্চিন্তার কারণ নেই। তবে হ্যাঁ, আপনি চাইলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।
ভাল লাগলে আমার YOUTUBE CHANNEL টা ঘুরে আসতে পারেন
https://www.youtube.com/allaboutsubha
সংক্ষেপে দেখুনমাইগ্রেন কি, মাইগ্রেনের ওষুধ, লক্ষণ ও প্রতিকার কি?
মাইগ্রেন বা ‘আধ কপালি’ মাথা ব্যথা বর্তমানে খুব সাধারণ একটি স্নায়বিক রোগ। বিশ্বের প্রায় ১০% মানুষ এতে ভোগেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার করা এক সমীক্ষা অনুযায়ী মাইগ্রেন ব্যাপকতায় বিশ্বে তৃতীয় সাধারণ রোগ ও অষ্টম দুর্ভোগজনক রোগ। তাই বোঝাই যাচ্ছে এই রোগের কারণ, উপসর্গ এবং তার থেকে রেহাই পাওয়ার কিছু উপায় জেনবিস্তারিত পড়ুন
মাইগ্রেন বা ‘আধ কপালি’ মাথা ব্যথা বর্তমানে খুব সাধারণ একটি স্নায়বিক রোগ। বিশ্বের প্রায় ১০% মানুষ এতে ভোগেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার করা এক সমীক্ষা অনুযায়ী মাইগ্রেন ব্যাপকতায় বিশ্বে তৃতীয় সাধারণ রোগ ও অষ্টম দুর্ভোগজনক রোগ। তাই বোঝাই যাচ্ছে এই রোগের কারণ, উপসর্গ এবং তার থেকে রেহাই পাওয়ার কিছু উপায় জেনে রাখা সকলেরই প্রয়োজন।
প্রাচীনকালে এই মাথা ব্যথাকে ‘আধ কপালি’ ব্যথা বলা হত। মাইগ্রেন শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ ‘হেমিক্রেনিয়া’ থেকে। হেমি মানে অর্ধেক আর ক্রেনিয়া মানে মাথার খুলি বা করোটি। এই ব্যথা অর্ধ মাথায় হয় বলে এর নামকরণ করা হয় হেমিক্রেনিয়া আর বাংলা ‘আধকপালি’। মাইগ্রেন মাথার যে কোনো এক পাশ থেকে শুরু হয়ে বিস্তৃত আকার ধারণ করে। মস্তিষ্কের বহিরাবরণে যে ধমনিগুলো আছে সেগুলো মাথাব্যথার প্রারম্ভে স্ফীত হয়ে ফুলে যায়। অর্থাৎ রক্তবাহী শিরাগুলো যখন মস্তিস্কে ঠিকমতো রক্ত সরবরাহ করে না। সাধারণত এই ব্যথা দপদপ (pulsating) করে, মাথাব্যথার সঙ্গে বমি এবং বমি বমি ভাবে রোগীর দৃষ্টিবিভ্রম হতে পারে। মাইগ্রেন একধরনের প্রাইমারি হেডেক, যা নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময় সম্ভব। আর জেনে রাখা ভাল সব মাথা ব্যথা মাইগ্রেন নয় – দৃষ্টিস্বল্পতা, মস্তিষ্কের টিউমার, মাথায় অন্য সমস্যার কারণে মাথাব্যথা হতে পারে।
কিছু কিছু উপসর্গ জেনে রাখলে অন্যান্য মাথা ব্যথার সঙ্গে মাইগ্রেনের পার্থক্য করা সম্ভব। যেমন, এই ব্যথা ২ ঘণ্টা থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত হতে পারে। বমি বমি ভাব হতে পারে, আলোর দিকে তাকাতে অসুবিধে হয়, শব্দের জন্য ব্যথা বাড়তে পারে। ঘনঘন হাই ওঠা, কাজে মনোনিবেশ করতে অসুবিধে, খিটখিটে মেজাজ ব্যথা হওয়ার আগেও হতে পারে। অনেকে এই ব্যথা হওয়ার কিছু আগে আলোর ঝলকানি (aura) দেখতে পান। যাঁরা আলোর ঝলকানি দেখেন না তাঁদের ক্ষেত্রে অনেকে ৫-৪-৩-২-১ লক্ষণ দিয়ে মাইগ্রেন বোঝা যায়।
৫-৪-৩-২-১ লক্ষণটি হল –
মাইগ্রেনের কারণঃ
১। বংশগতঃ অন্যান্য অনেক রোগের মত এটিও অনেক ক্ষেত্রে বংশগত রোগ। অন্তত ৩৪-৫১ শতাংশ ক্ষেত্রে জিনগত প্রভাব থাকে এবং মাইগ্রেন হওয়ার সম্ভবনা বাড়িয়ে তোলে।
২। দুশ্চিন্তা ও অস্থিরতাঃ ‘টেনশন’ আজকের দিনে একটি অতি সাধারণ একটি বিষয়। যাঁরা সবসময় নানা কারণে চিন্তাগ্রস্ত থাকেন বা দুশ্চিন্তায় ভোগেন তাদের ক্ষেত্রে এর প্রকোপ বেশি। উচ্চ রক্তচাপ, হতাশা, নিদ্রাহীনতা ইত্যাদিও মাইগ্রেনের কারণ।
৩। হরমোনের প্রভাবঃ এটি সাধারণত মেয়েদের উপর বেশি প্রভাব ফেলে। গবেষকদের মতে মাথাব্যথার সাথে নির্দিষ্ট কিছু যৌন হরমোনের সংযোগ রয়েছে। যাদের নিয়মিত মাসিক হয় না তাদের এই মাইগ্রেনের হার বেশি। আবার অনেকের ক্ষেত্রে প্রত্যেক মাসিকের পূর্বাবস্থায় এই মাইগ্রেনের ব্যথা উঠতে পারে। অন্যদিকে যেসব মহিলারা দীর্ঘদিন জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবন করেন তাদের মাঝেও এই রোগের লক্ষণ বেশি দেখা যায়।
৪। আবহাওয়ার পরিবর্তনঃ বর্তমানে পরিবেশদূষণের প্রভাব সকলের উপর পড়ছে। আর এমনই এক প্রভাবে ফলে হিসাবে সৃষ্টি হয়েছে মাইগ্রেন। সম্প্রতি এক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, গ্রাম অঞ্চলের লোকদের চেয়ে শহর অঞ্চলের লোকদের মাঝে এর প্রভাব বেশি। তাই ধারণা করা হচ্ছে পরিবেশও মাইগ্রেনের একটা কারণ।
৫। মস্তিস্কে বিভিন্ন রাসায়নিকের পরিবর্তনঃ স্নায়বিক উদ্দীপনা এক স্নায়ু থেকে অন্য স্নায়ুতে পাঠানোর জন্য বেশ কিছু রাসায়নিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে, এই রাসায়নিকগুলির পরিমান কোন কারণে ( বিভিন্ন ওষুধের প্বার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, অতিরিক্ত এলকোহল, ক্যাফিন এর প্রভাব) পরিবর্তিত হলে ভারসাম্য নষ্ট হয়। এর ফলে মাইগ্রেন হতে পারে।
মাইগ্রেন প্রতিরোধের উপায়ঃ
ভাল লাগলে আমায় YOUTUBE CHANNEL টা ঘুরে আসতে পারেন
https://youtube.com/allaboutsubha
সংক্ষেপে দেখুনHow to write facebook status in hindi?
Facebook allows users to type in Hindi. Also all the mobile app users can type posts and comments from the English keyboard itself. You will not have to go to the setting of the phone to switch to a Hindi keyboard to do so. When you tap to write a post or a comment you can see a keyboard icon on theবিস্তারিত পড়ুন
Facebook allows users to type in Hindi. Also all the mobile app users can type posts and comments from the English keyboard itself. You will not have to go to the setting of the phone to switch to a Hindi keyboard to do so. When you tap to write a post or a comment you can see a keyboard icon on the lower right hand side of the screen with a Hindi alphabet on it. Just tap on it and Facebook will transliterate whatever you type into Hindi. As of now, the transliteration supports only Hindi and is not available on the desktop version.
But there is an alternate way to type in Hindi on Facebook’s desktop version. You need to go to Control Panel then click on Language and Region. Then tap on Keyboard and Languages and select Hindi Keyboard. If the Hindi keyboard option is not there, you just need to click the add button.
Please visit my youtube channel
https://youtube.com/allaboutsubha
সংক্ষেপে দেখুনবিচারক মৃত্যুদণ্ডের রায় লেখার পর কীভাবে কলমের নিব ভাঙ্গে এবং কেন ভেঙে ফেলেন? কিভাবে ভাংগেন?
ভরা কোর্ট রুমে অপরাধীকে ফাঁসির সাজা ঘোষণার পর বিচারক তাঁর পেনের নিবটা ভেঙে দিচ্ছেন- এই দৃশ্যটা আপনি নিশ্চই দেখেছেন সিনেমা বা সিরিয়ালে। বাস্তব জীবনে তো অনেকেরই এমন দৃশ্য দেখা হয়ে ওঠে না, তবে বাস্তবেও কিন্তু ঠিক ওই একই কাজ করেন যে কোন বিচারপতি। কিন্তু, প্রশ্ন হচ্ছে ফাঁসির সাজা ঘোষণার পর বিচারকরা পেনেরবিস্তারিত পড়ুন
ভরা কোর্ট রুমে অপরাধীকে ফাঁসির সাজা ঘোষণার পর বিচারক তাঁর পেনের নিবটা ভেঙে দিচ্ছেন- এই দৃশ্যটা আপনি নিশ্চই দেখেছেন সিনেমা বা সিরিয়ালে। বাস্তব জীবনে তো অনেকেরই এমন দৃশ্য দেখা হয়ে ওঠে না, তবে বাস্তবেও কিন্তু ঠিক ওই একই কাজ করেন যে কোন বিচারপতি। কিন্তু, প্রশ্ন হচ্ছে ফাঁসির সাজা ঘোষণার পর বিচারকরা পেনের নিব ভেঙে ফেলেন কেন? এর পিছনে কারণটা কী?
এই নিব ভেঙে ফেলার পিছনে নানা রকম দার্শনিক ব্যাখ্যা হয়। কিন্তু, মূলত তিনটি কারণ রয়েছে এর পিছনে। বা বলা ভাল, তিন রকম ভাবনা থেকেই বিচারকরা এই কাজ করে থাকেন। এবার তাহলে সেই কারণগুলো জেনে নেওয়া যাক-
১) কোনও একটি পেন দিয়ে একবার মৃত্যুদণ্ডের সাজা লিখে ফেলার পর বিচারকরা ওই পেন দিয়ে ভবিষ্যতে আর কোনও বিচারের কাজ করতে চান না কারণ ওই পেনটিকে (মূলত নিবটি যা দিয়ে লেখা হয়) ‘অশুচি’ বলে মনে করা হয়। আসলে কারও জীবন কেড়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে অশুভ ভাবা হয়।
২) আরেকটা ভাবনা হল, একবার ফাঁসির সাজা ঘোষিত হলে সেই রায়কে আর চ্যালেঞ্জ করা যায় না। তার প্রতীক হিসাবে ওই রায় লেখা হয়েছে য পেন (পেনের নিব) দিয়ে তাকে ভেঙে ফেলে ওই রায়কেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। একমাত্র উচ্চতর আদালত (নিম্নতর আদালত যদি রায় দিয়ে থাকে) কেবল সেই রায়কে পুনর্বিচার করতে পারে।
৩) আবার এরকমও মনে করা হয় যে, বিচারক ‘অপরাধ বোধ’ থেকে পেনের নিব ভেঙে ফেলেন। কারণ, প্রান নেওয়ার ক্ষমতা শুধু ঈশ্বরেরই আছে বলে মনে করা হয়। তাই বিচারক পেনের নিব ভাঙার মধ্যে দিয়ে বুঝিয়ে দেন যে তিনি শুধু তাঁর পেশাদারি দায়বদ্ধতাটুকুই সারলেন।
ভাল লাগলে আমায় YOUTUBE CHANNEL টা ঘুরে আসবেন
https://youtube.com/allaboutsubha
সংক্ষেপে দেখুনমোনাস ১০ ওষুধের কাজ কি এবং এর দাম কত?
Apnakeo Apni Amar Youtube Channel Ta Ek baar ghure aaste paren https://www.youtube.com/allaboutsubha
Apnakeo
Apni Amar Youtube Channel Ta Ek baar ghure aaste paren
https://www.youtube.com/allaboutsubha
সংক্ষেপে দেখুনআরবি ভাষা বাংলায় অনুবাদ করার কোন ভালো অ্যাপ আছে কি?
Google Transelete
Google Transelete
সংক্ষেপে দেখুনমোনাস ১০ ওষুধের কাজ কি এবং এর দাম কত?
ধন্যবাদ ভাই 😇
ধন্যবাদ ভাই 😇
সংক্ষেপে দেখুনমোনাস ১০ ওষুধের কাজ কি এবং এর দাম কত?
মোনাস ১০ (Monas 10) এর দাম মোনাস ১০ প্রাইস ইন বাংলাসেশ – প্রতিটি ট্যাবলেটের মূল্য: ৳ ১৬.০০ (৫ এর প্যাক: ৳ ৮০) প্রতিটি ট্যাবলেটের মূল্য: ৳ ১৬.০০ (১৫ টি প্যাক: ৳ ২৪০) প্রতিটি ট্যাবলেটের মূল্য: ৳ ১৬.০০ (৩০ এর প্যাক: ৳ ৪৮০) মোনাস ৪ এর দাম – প্রতিটি ট্যাবলেটের মূল্য: ৳ ৬ (৫ এর প্যাক: ৩০/-) প্রতিটি ট্যাবলবিস্তারিত পড়ুন
মোনাস ১০ (Monas 10) এর দাম
মোনাস ১০ প্রাইস ইন বাংলাসেশ –
প্রতিটি ট্যাবলেটের মূল্য: ৳ ১৬.০০ (৫ এর প্যাক: ৳ ৮০)
প্রতিটি ট্যাবলেটের মূল্য: ৳ ১৬.০০ (১৫ টি প্যাক: ৳ ২৪০)
প্রতিটি ট্যাবলেটের মূল্য: ৳ ১৬.০০ (৩০ এর প্যাক: ৳ ৪৮০)
মোনাস ৪ এর দাম –
প্রতিটি ট্যাবলেটের মূল্য: ৳ ৬ (৫ এর প্যাক: ৩০/-)
প্রতিটি ট্যাবলেটের মূল্য: ৳ ৬ (৩০ এর প্যাক: ১৮০/-)
ব্যবহার/ মোনাস ১০ (Monas 10) কোন রোগের ওষুধ
মোনাস ১০ (Monas 10) এর উপকারিতা
এ্যালার্জিক রাইনাইটিসের উপসর্গ নিরাময়ে, মৌসুমী এ্যালার্জিক রাইনাইটিস এবং পেরিনিয়াল এ্যালার্জিক রাইনাইটিস রোধে উপকারি
যেভাবে কাজ করে
মন্টেলুকাস্ট হল একটি সিলেক্টিভ লিউকোট্রিয়েন (leukotriene) রিসেপ্টর এন্টাগনিস্ট যা সিস্টেস্টিনাইল লিউকোট্রিন রিসেপ্টোকে কাজ করতে বাধা দেয়।
ডোজ
প্রাপ্তবয়স্ক ও ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সী –
হাঁপানি ও অ্যালার্জিক রাইনাইটিস: ১০ মিলিগ্রাম / দিন
অনুশীলন-প্ররোচিত ব্রঙ্কনকন্ট্রিকশন: ১০ মিলিগ্রাম / দিন
৬ থেকে ১৪বছর –
হাঁপানি ও অ্যালার্জিক রাইনাইটিস: ৫ মিলিগ্রাম / দিন
ব্যায়াম-প্ররোচিত ব্রঙ্কনকন্ট্রিকশন: ৫ মিলিগ্রাম / দিন
৬ মাস থেকে ৫ বছর –
হাঁপানি ও অ্যালার্জিক রাইনাইটিস: ৪ মিলিগ্রাম / দিন
খাওয়ার নিয়ম
খাবারের আগে বা পরে বা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুসারে ।
মিথষ্ক্রিয়া
কিছু ওষুধ আছে যা মোনাস ১০ এর সাথে নিলে সে ওষুধ বিভিন্ন বিক্রিয়ার মাধ্যমে এর কার্যকলাপ কমিয়ে দেয় বা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বাড়ায়। এর মানে এই নয় যে আপনাকে অবশ্যই ওষুধগুলির একটি গ্রহণ বন্ধ করতে হবে; তবে, কখনও কখনও এটি করা হয়। কীভাবে ওষুধের মিথস্ক্রিয়া পরিচালনা করা উচিত সে সম্পর্কে আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলুন।
মোনাস ১০ এর সাথে বিক্রিয়া করতে পারে এমন সাধারণ ওষুধগুলোর মধ্যে রয়েছে:
সতর্কতা
মন্টিলুকাসের প্রতি অতিসংবেধনশীল রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার নিষেধ
গর্ভাবস্থায় মোনাস ১০
ন্টেলুকাস্ট বুকের দুধ দিয়ে বাচ্চার শরীরে প্রবেশ করে। সুতরাং যখন মন্টেলুকাস্ট কোনও নার্সিং মাকে দেওয়া হয় তখন সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
ওভারডোজের প্রভাব
পেটে ব্যথা, উদাসীনতা, তৃষ্ণা, মাথা ব্যথা, বমি ইত্যাদি।
সংরক্ষণ
৩০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের নিচে শীতল ও শুকনো জায়গায় সংরক্ষণ করুন, আলো এবং আর্দ্রতা থেকে রক্ষা করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
**স্বাস্থ্যঝুকি এড়াতে সেবনের আগে এবং সেবন বন্ধ করার পূর্বে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন।
সংক্ষেপে দেখুনবিচারক মৃত্যুদণ্ডের রায় লেখার পর কীভাবে কলমের নিব ভাঙ্গে এবং কেন ভেঙে ফেলেন? কিভাবে ভাংগেন?
মৃত্যুদণ্ড দেয়ার পরে বিচারকরা কলমের নিব ভেঙে ফেলেন কেনো? কারণটা হয়তো অনেকেরই জানা নেই। ব্রিটিশ শাসনামল থেকেই এই রেওয়াজ চলে আসছে। কলমের নিব ভাঙার একাধিক কারণ রয়েছে। প্রথমত, এটি একটি প্রতীকী বিষয়। ব্যাখ্যা হলো, যে কলম একজনের জীবন নিয়ে নিয়েছে, তা যেন আর কারো জীবন নিতে না পারে। দ্বিতীয় ব্যাখ্যাবিস্তারিত পড়ুন
মৃত্যুদণ্ড দেয়ার পরে বিচারকরা কলমের নিব ভেঙে ফেলেন কেনো? কারণটা হয়তো অনেকেরই জানা নেই। ব্রিটিশ শাসনামল থেকেই এই রেওয়াজ চলে আসছে। কলমের নিব ভাঙার একাধিক কারণ রয়েছে।
প্রথমত, এটি একটি প্রতীকী বিষয়। ব্যাখ্যা হলো, যে কলম একজনের জীবন নিয়ে নিয়েছে, তা যেন আর কারো জীবন নিতে না পারে।
দ্বিতীয় ব্যাখ্যাটি এর সঙ্গেই সম্পৃক্ত। বলা হয়ে থাকে, বিচারক বা বিচারপতি ওই মৃত্যুদণ্ড এবং তা থেকে প্রসূত অপরাধবোধ থেকে নিজেদের দূরে রাখতে চান। সে কারণেই নিবটি ভেঙে ফেলা হয়। একজন বিচারক বা বিচারপতি তার দেয়া মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে নিতে পারেন না।
তৃতীয় ব্যাখ্যা হিসেবে বলা হয়, বিচারক যাতে কোনোভাবেই মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে নেয়ার কথা ভাবতে না পারেন।
শেষ ব্যাখ্যা, সব মৃত্যুই দুঃখের। কিন্তু কখনো কখনো মৃত্যুদণ্ডের মতো চরম শাস্তির প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তাই কলমের নিব ভেঙে ফেলা হয় এটা বোঝাতে যে, মানুষের মৃত্যু সর্ব অবস্থাতেই একটি দুঃখজনক ব্যাপার।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুননতুন ক্যাটাগরি “SEO” যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!
কেন?
কেন?
সংক্ষেপে দেখুনগ্যাস্টিক কমানোর এবং এর থেকে সহজে মুক্তির উপায় কি?
আমাদের এই এপসটা ব্যবহার করে দেখতে পারেন- ছবিসহ স্বাস্থ্য টিপস - Health Tips Bangla Download Link
আমাদের এই এপসটা ব্যবহার করে দেখতে পারেন-
ছবিসহ স্বাস্থ্য টিপস – Health Tips Bangla
Download Link
সংক্ষেপে দেখুনগভীর ভালোবাসার এসএমএস এর ৫০০ টি কালেকশন
জ্বী পারব নিচেন লিংক এ ক্লিক করুন এমন সব গুলো এপস পেয়ে যাবেন- রোমান্টিক প্রেমের ছন্দ ও নোটবুক-Premer Chondo 2021 ব্যর্থ প্রেমের কষ্টের স্ট্যাটাস - প্রেমের ছোট গল্প রোমান্টিক ভালোবাসার ছোট গল্প ও এস এম এস – Love SMS রোমান্টিক প্রেমের ছন্দ পিকচার ও কষ্টের মেসেজ ২০২১
জ্বী পারব নিচেন লিংক এ ক্লিক করুন এমন সব গুলো এপস পেয়ে যাবেন-
রোমান্টিক প্রেমের ছন্দ ও নোটবুক-Premer Chondo 2021
ব্যর্থ প্রেমের কষ্টের স্ট্যাটাস – প্রেমের ছোট গল্প
রোমান্টিক ভালোবাসার ছোট গল্প ও এস এম এস – Love SMS
রোমান্টিক প্রেমের ছন্দ পিকচার ও কষ্টের মেসেজ ২০২১
সংক্ষেপে দেখুনবাংলা শব্দ “কি” এবং “কী” এর মধ্যে পার্থক্য কী?
আসলে যে প্রশ্নগুলোর উত্তর হ্য অথবা না হবে সেগুলোর প্রশ্ন "কি" দিয়ে করা হয়। যেমন, তুমি কি ভাত খেয়েছো? আর যেগুলো প্রশ্নের উত্তর শুধু হ্যা বা না দিয়ে হয়না অথবা বর্ণনা দিতে হয় সেগুলোর ক্ষেত্রে "কী" ব্যবহৃত হয়। যেমন, তুমি কী দিয়ে ভাত খেয়েছো? আশাকরি বুঝতে পেরেছেন। ধন্যবাদ!
আসলে যে প্রশ্নগুলোর উত্তর হ্য অথবা না হবে সেগুলোর প্রশ্ন “কি” দিয়ে করা হয়।
যেমন, তুমি কি ভাত খেয়েছো?
আর যেগুলো প্রশ্নের উত্তর শুধু হ্যা বা না দিয়ে হয়না অথবা বর্ণনা দিতে হয় সেগুলোর ক্ষেত্রে “কী” ব্যবহৃত হয়।
যেমন, তুমি কী দিয়ে ভাত খেয়েছো?
আশাকরি বুঝতে পেরেছেন।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুন