সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
সম্প্রতি একটি দেশ তাদের জাতীয় সংগীতের দ্বিতীয় লাইন For we are young and free থেকে পরিবর্তন করে ‘For we are one and free করেছে? কোন দেশ?
আরে ভাই, এইটা তো অস্ট্রেলিয়ার খবর! ওরা সম্প্রতি তাদের জাতীয় সংগীতের একটা লাইনে একটু পরিবর্তন এনেছে। আগে ছিল, "For we are young and free" (কারণ আমরা তরুণ এবং স্বাধীন), সেটা পাল্টে এখন করেছে "For we are one and free" (কারণ আমরা এক এবং স্বাধীন)। অস্ট্রেলিয়াকে আধুনিক রাষ্ট্র হিসেবে হয়তো 'তরুণ' বলা যায়বিস্তারিত পড়ুন
আরে ভাই, এইটা তো অস্ট্রেলিয়ার খবর!
ওরা সম্প্রতি তাদের জাতীয় সংগীতের একটা লাইনে একটু পরিবর্তন এনেছে। আগে ছিল, “For we are young and free” (কারণ আমরা তরুণ এবং স্বাধীন), সেটা পাল্টে এখন করেছে “For we are one and free” (কারণ আমরা এক এবং স্বাধীন)।
অস্ট্রেলিয়াকে আধুনিক রাষ্ট্র হিসেবে হয়তো ‘তরুণ’ বলা যায়, কিন্তু ওই দেশে আদিবাসীরা (First Nations peoples) তো হাজার হাজার বছর ধরে আছে। তাদের ইতিহাস তো আর ‘তরুণ’ না, অনেক পুরনো। তাই এই ‘young’ শব্দটা অনেকের কাছে একটু বেমানান লাগছিল।
তাদের প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন সাহেব বিষয়টা খেয়াল করে এই পরিবর্তনটা আনলেন। এর মাধ্যমে তারা বোঝাতে চাইল যে তারা সবাই মিলেমিশে এক হয়েছে, আর আদিবাসী জনগোষ্ঠীর দীর্ঘ ইতিহাসকেও সম্মান জানাচ্ছে। এইটা আসলে তাদের সব মানুষকে একসাথে করার একটা চেষ্টা, বুঝলেন তো? খুবই দারুণ একটা পদক্ষেপ নিয়েছে তারা!
সংক্ষেপে দেখুনপেট্রোলের বাংলা কী?
শিলাতৈল হবে।
শিলাতৈল হবে।
সংক্ষেপে দেখুনWhat is use of Ivrea Cream for humans ?
'Ivrea Cream' (আইভ্রেয়া ক্রিম) মানুষের ত্বকের জন্য তৈরি একটি ওষুধযুক্ত ক্রিম। মূলত এটি দুটি প্রধান কাজে ব্যবহৃত হয়: ১. রোজাশিয়োর (Rosacea) চিকিৎসা: এটি একটি ত্বকের রোগ, যেখানে মুখমণ্ডল, বিশেষ করে গাল ও নাকের ওপর ছোট ছোট লালচে ব্রণ বা ফুসকুড়ি হয় এবং ত্বক লাল হয়ে ফুলে যায়। আইভ্রেয়া ক্রিম ত্বকের এইবিস্তারিত পড়ুন
‘Ivrea Cream’ (আইভ্রেয়া ক্রিম) মানুষের ত্বকের জন্য তৈরি একটি ওষুধযুক্ত ক্রিম।
মূলত এটি দুটি প্রধান কাজে ব্যবহৃত হয়:
১. রোজাশিয়োর (Rosacea) চিকিৎসা:
এটি একটি ত্বকের রোগ, যেখানে মুখমণ্ডল, বিশেষ করে গাল ও নাকের ওপর ছোট ছোট লালচে ব্রণ বা ফুসকুড়ি হয় এবং ত্বক লাল হয়ে ফুলে যায়।
আইভ্রেয়া ক্রিম ত্বকের এই লালচে ভাব, ফোলা এবং ফুসকুড়ি কমাতে সাহায্য করে। এটিতে প্রদাহ (জ্বালা বা ফোলা) কমানোর ক্ষমতা আছে।
২. পরজীবী (Parasitic) সংক্রমণ দূর করতে:
এই ক্রিমের মূল উপাদান হলো আইভারমেকটিন (Ivermectin), যা একটি পরজীবী-নাশক ওষুধ।
কিছু ক্ষেত্রে এই ক্রিম ত্বকের পরজীবী সংক্রমণ, যেমন: স্ক্যাবিস (Scabies) (পাঁচড়া) বা এক ধরণের ক্ষুদ্র মাইটের (mites) কারণে হওয়া সংক্রমণ দূর করতেও ব্যবহার করা হতে পারে।
মনে রাখবেন: এটি সাধারণ বিউটি ক্রিম নয়। এটি একটি প্রেসক্রিপশন-নির্ভর ওষুধ, তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই ক্রিম ব্যবহার করা উচিত নয়। ডাক্তার রোগীর ত্বকের অবস্থা বুঝে এর সঠিক ব্যবহার বলে দেবেন।
সংক্ষেপে দেখুনমহাবিশ্বের ৮৫% জুড়ে থাকা রহস্যময় 'অন্ধকার বস্তু' বা ডার্ক ম্যাটারকে যদি বিজ্ঞানীরা সত্যিই খুঁজে পান, তবে কি আমাদের চারপাশের বাস্তবতাই পাল্টে যাবে?
অন্ধকার বস্তু (ডার্ক ম্যাটার) কি আমাদের বাস্তবতাকে সত্যিই পাল্টে দেবে? সংক্ষেপে বলতে গেলে, হ্যাঁ, পাল্টে যেতে পারে! তবে সেটা রাতারাতি নয়, বরং ধাপে ধাপে আমাদের বিজ্ঞান ও মহাবিশ্বের ধারণা বদলে দেবে। আসল চমকটা কোথায়? বিজ্ঞানীরা এত দিন ধরে জানতেন যে, মহাবিশ্বের বেশিরভাগ জিনিসই হলো রহস্যময় 'অন্ধকার বস্তুবিস্তারিত পড়ুন
অন্ধকার বস্তু (ডার্ক ম্যাটার) কি আমাদের বাস্তবতাকে সত্যিই পাল্টে দেবে?
সংক্ষেপে বলতে গেলে, হ্যাঁ, পাল্টে যেতে পারে! তবে সেটা রাতারাতি নয়, বরং ধাপে ধাপে আমাদের বিজ্ঞান ও মহাবিশ্বের ধারণা বদলে দেবে।
আসল চমকটা কোথায়?
বিজ্ঞানীরা এত দিন ধরে জানতেন যে, মহাবিশ্বের বেশিরভাগ জিনিসই হলো রহস্যময় ‘অন্ধকার বস্তু’ (ডার্ক ম্যাটার)। এর পরিমাণ প্রায় ৮৫ শতাংশ! আমরা চোখে যা দেখি বা অনুভব করি (যেমন: গ্রহ, তারা, মানুষ) তা হলো মাত্র ১৫ শতাংশ।
এখন গবেষকরা যদি প্রথমবারের মতো সেই অদৃশ্য এবং বিশাল ‘অন্ধকার বস্তু’কে সত্যিই চিহ্নিত করতে পারেন, তবে যা ঘটবে:
আমরা এতদিন মহাবিশ্ব সম্পর্কে যা যা জেনেছি, তা ছিল মাত্র ১৫% তথ্য দিয়ে তৈরি। ৮৫% জিনিসকে চিহ্নিত করতে পারলে পদার্থবিজ্ঞানের অনেক পুরনো সূত্র ও ধারণা ভুল প্রমাণিত হতে পারে।
আমরা মহাবিশ্বের গঠন, গ্যালাক্সিগুলোর রহস্যময় গতি এবং মহাকাশের ভবিষ্যৎ নিয়ে সম্পূর্ণ নতুন তথ্য পাবো। এটি প্রমাণ করবে যে, আমাদের চারপাশের বাস্তবতা কেবল চোখের সামনে দেখা এইটুকু নয়, বরং এর বাইরেও এক বিশাল অদৃশ্য জগৎ আছে, যা পুরো মহাবিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করছে।
এই আবিষ্কার নতুন ধরনের প্রযুক্তি ও গবেষণার জন্ম দেবে, যা হয়তো কয়েক দশক পর আমাদের জীবনযাত্রাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে।
অর্থাৎ, এই আবিষ্কার আমাদের দৈনন্দিন জীবন immediately পাল্টাবে না, কিন্তু মহাবিশ্ব এবং বাস্তবতাকে বোঝার ক্ষেত্রে বিজ্ঞানকে এমন এক জায়গায় নিয়ে যাবে, যা হবে এক নতুন দিগন্ত।
সংক্ষেপে দেখুনঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর কেন জরুরি ভিত্তিতে ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ করতে হলো? এই ঘটনা কি দেশের অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক সুরক্ষায় কোনো নতুন বিপদ সংকেত?
বিমানবন্দরে কেন আগুন লাগলো আর কেনই বা ফ্লাইট বন্ধ হলো? এটা কি আমাদের দেশের জন্য বড় বিপদ সংকেত? বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে (যেখানে বিদেশ থেকে আসা বা বিদেশে পাঠানোর জিনিসপত্র রাখা হয়) যে বড় আগুন লেগেছিল, তার পরপরই কেন সব প্লেন ওঠানামা বন্ধ করে দেওয়া হলো? এর পেছনে মূল কারণ ছিল মানুষের জীবন বাঁচানো এবংবিস্তারিত পড়ুন
বিমানবন্দরে কেন আগুন লাগলো আর কেনই বা ফ্লাইট বন্ধ হলো? এটা কি আমাদের দেশের জন্য বড় বিপদ সংকেত?
বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে (যেখানে বিদেশ থেকে আসা বা বিদেশে পাঠানোর জিনিসপত্র রাখা হয়) যে বড় আগুন লেগেছিল, তার পরপরই কেন সব প্লেন ওঠানামা বন্ধ করে দেওয়া হলো? এর পেছনে মূল কারণ ছিল মানুষের জীবন বাঁচানো এবং বড় বিপদ ঠেকানো।
এখানে আসল কারণগুলো তুলে ধরা হলো:
১. কেন ফ্লাইট বন্ধ হলো? (আসলে এর পেছনের ভয়টা কী?)
ফ্লাইট বন্ধ করার প্রধান তিনটি কারণ খুবই জরুরি ছিল:
২. এটা কি শুধু একটা ‘দুর্ঘটনা’?
এই ঘটনাটি শুধু একটা সাধারণ আগুন নয়, এর পেছনে এমন কিছু বিষয় আছে যা আমাদের দেশের জন্য একটি বিপদ সংকেত।
শেষ কথা হলো: দ্রুত ফ্লাইট বন্ধের সিদ্ধান্ত হাজার হাজার মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে। কিন্তু, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার পরপরই এই আগুন প্রমাণ করলো, দেশের প্রধান বিমানবন্দরটি হয়তো এখন এমন কোনো বড় দুর্বলতা বা চক্রান্তের শিকার, যা জানা না গেলে ভবিষ্যতে আরও বড় বিপদ আসতে পারে।
সংক্ষেপে দেখুনদ্য বার্ডম্যান অব ইন্ডিয়া নামে কে পরিচিত? কেন তাকে এ নামে ডাকা হয়?
'দ্য বার্ডম্যান অব ইন্ডিয়া' (The Birdman of India) নামে পরিচিত হলেন বিখ্যাত ভারতীয় পক্ষীবিদ ও প্রকৃতিপ্রেমী ড. সালিম মইজুদ্দিন আবদুল আলী। তাকে এই নামে ডাকার মূল কারণ হলো: পক্ষীবিজ্ঞানে (Ornithology) অনবদ্য অবদান: ড. সালিম আলী ভারতে পক্ষীবিদ্যার ক্ষেত্রে একজন অগ্রদূত ছিলেন। তাঁর কাজ এই ক্ষেত্রটিকেবিস্তারিত পড়ুন
‘দ্য বার্ডম্যান অব ইন্ডিয়া’ (The Birdman of India) নামে পরিচিত হলেন বিখ্যাত ভারতীয় পক্ষীবিদ ও প্রকৃতিপ্রেমী ড. সালিম মইজুদ্দিন আবদুল আলী।
তাকে এই নামে ডাকার মূল কারণ হলো:
পক্ষীবিজ্ঞানে (Ornithology) অনবদ্য অবদান: ড. সালিম আলী ভারতে পক্ষীবিদ্যার ক্ষেত্রে একজন অগ্রদূত ছিলেন। তাঁর কাজ এই ক্ষেত্রটিকে জনপ্রিয় করে তুলেছিল।
নিয়মতান্ত্রিক পাখি জরিপ: তিনিই প্রথম ভারতীয়দের মধ্যে একজন, যিনি ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে পাখি জরিপ পরিচালনা করেন। তিনি প্রায় সাত দশক ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছেন এবং পাখিদের উপর ব্যাপক পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণা করেছেন।
গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা: তিনি অসংখ্য পাখি বিষয়ক বই রচনা করেছেন, যা আজও পক্ষীবিজ্ঞানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল। এর মধ্যে তাঁর রচিত দশ খণ্ডের “হ্যান্ডবুক অফ দ্য বার্ডস অফ ইন্ডিয়া অ্যান্ড পাকিস্তান” (Handbook of the Birds of India and Pakistan) এবং “দ্য বুক অফ ইন্ডিয়ান বার্ডস” (The Book of Indian Birds) বিশেষ উল্লেখযোগ্য। এই বইগুলি ভারত ও উপমহাদেশে পাখি চেনায় উৎসাহী এবং গবেষকদের জন্য অপরিহার্য।
সংরক্ষণ ও সচেতনতা: ড. আলী ভারতে পাখি সংরক্ষণ ও পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর নিরলস প্রচেষ্টার ফলেই দেশের প্রাকৃতিক আবাসস্থল এবং বিভিন্ন বন্যপ্রাণী, বিশেষ করে পাখিদের সংরক্ষণের গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষ জানতে পারে।
পাখি সম্পর্কে তাঁর অতুলনীয় জ্ঞান, গবেষণা ও সংরক্ষণে তাঁর জীবনব্যাপী অবদানের জন্য তাঁকে সসম্মানে ‘ভারতের পক্ষীমানব’ বা ‘দ্য বার্ডম্যান অব ইন্ডিয়া’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।
সংক্ষেপে দেখুনতুর্কি ড্রোন বিপ্লবের অগ্রদূত কে?
তুর্কি ড্রোন বিপ্লবের অগ্রদূত হলেন সেলজুক বায়রাকতার (Selçuk Bayraktar)। তিনি তুর্কি কোম্পানি বায়কার (Baykar)-এর প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা (CTO)। তাঁর ডিজাইন করা সবচেয়ে বিখ্যাত ড্রোন হলো বায়রাকতার টিবি২ (Bayraktar TB2)। তুরস্কের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশটির সামরিক রপ্তানিতবিস্তারিত পড়ুন
তুর্কি ড্রোন বিপ্লবের অগ্রদূত হলেন সেলজুক বায়রাকতার (Selçuk Bayraktar)।
তিনি তুর্কি কোম্পানি বায়কার (Baykar)-এর প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা (CTO)। তাঁর ডিজাইন করা সবচেয়ে বিখ্যাত ড্রোন হলো বায়রাকতার টিবি২ (Bayraktar TB2)। তুরস্কের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশটির সামরিক রপ্তানিতে এই ড্রোনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁকে তুরস্কে ড্রোন শিল্পের অগ্রপথিক বা ‘দাদা’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
সংক্ষেপে দেখুন"জুলাই জাতীয় সনদ" নিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনুসের অবস্থান কী?
ড. মুহাম্মদ ইউনুস বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং 'জাতীয় ঐকমত্য কমিশন'-এর চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন। এই কমিশনই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে জুলাই জাতীয় সনদ তৈরি করেছে। জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে তাঁর অবস্থান বেশ স্পষ্ট এবং তিনি এই সনদকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। তাঁর অবিস্তারিত পড়ুন
ড. মুহাম্মদ ইউনুস বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন’-এর চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন। এই কমিশনই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে জুলাই জাতীয় সনদ তৈরি করেছে।
জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে তাঁর অবস্থান বেশ স্পষ্ট এবং তিনি এই সনদকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। তাঁর অবস্থানটি নিচে সহজ করে তুলে ধরা হলো:
১. নতুন বাংলাদেশের সূচনা
ড. মুহাম্মদ ইউনুস মনে করেন, জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে “নতুন জন্ম” বা “নতুন বাংলাদেশের সূচনা” হলো। তাঁর মতে, এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত যা জাতিকে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার এবং সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং বিগত ১৬ বছরের (মতান্তরে) খারাপ পরিস্থিতির অবসান ঘটাবে।
২. জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ফসল
তিনি জুলাই জাতীয় সনদকে ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে হওয়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ফল হিসেবে দেখেন। তিনি বলেছেন, তরুণ আন্দোলনকারীরা তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন বলেই এই পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে এবং এটি অভ্যুত্থানের “দ্বিতীয় অংশ”। এই সনদের মাধ্যমে দেশ এক “নৃশংসতা” থেকে “সভ্যতায়” ফিরে এসেছে।
৩. ঐক্যের আহ্বান
ড. ইউনুস আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই সনদের মাধ্যমে যে ঐক্যের সুর তৈরি হয়েছে, তা যেন সবাই ধরে রাখে। তিনি সকল মতভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে সনদের নিয়মগুলো বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানিয়েছেন।
৪. সংস্কারের পথ
তিনি মনে করেন, জুলাই জাতীয় সনদের মাধ্যমে জাতীয় জীবনে পরিবর্তন আনা হবে, বিশেষ করে সংবিধান এবং সরকার পরিচালনার পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনা হবে। তাঁর মতে, এই সনদ ভবিষ্যতে একটি সুন্দর সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের জন্য ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
মোটকথা, ড. ইউনুসের কাছে জুলাই জাতীয় সনদ হলো— পুরোনো খারাপ সময় পেরিয়ে আসা এবং নতুন করে দেশ গড়ার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ লিখিত চুক্তি বা অঙ্গীকার, যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নতুন পথে যাত্রা শুরু করল।
সংক্ষেপে দেখুনআইনেস্টাইনের প্রিয় বিজ্ঞানী কে ছিলেন এবং কেন তিনি প্রিয় ছিলেন?
আইনস্টাইন বিভিন্ন বিজ্ঞানীর কাজ থেকে প্রভাবিত হয়েছিলেন, তবে তাঁর কাছে সবচেয়ে প্রিয় ও শ্রদ্ধার বিজ্ঞানী ছিলেন আইজ্যাক নিউটন এবং জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল। আইজ্যাক নিউটন: আইনস্টাইন মনে করতেন নিউটন প্রকৃতির নিয়মগুলোকে এক গাণিতিক কাঠামোর মধ্যে প্রথমবারের মতো ব্যাখ্যা করতে পেরেছিলেন। নিউটনের মাধ্যাকর্ষণবিস্তারিত পড়ুন
আইনস্টাইন বিভিন্ন বিজ্ঞানীর কাজ থেকে প্রভাবিত হয়েছিলেন, তবে তাঁর কাছে সবচেয়ে প্রিয় ও শ্রদ্ধার বিজ্ঞানী ছিলেন আইজ্যাক নিউটন এবং জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল।
আইনস্টাইন মনে করতেন নিউটন প্রকৃতির নিয়মগুলোকে এক গাণিতিক কাঠামোর মধ্যে প্রথমবারের মতো ব্যাখ্যা করতে পেরেছিলেন। নিউটনের মাধ্যাকর্ষণ তত্ত্ব আইনস্টাইনের পরবর্তী সাধারণ আপেক্ষিকতার (General Relativity) ভিত্তি তৈরি করেছিল।
ম্যাক্সওয়েলের তড়িৎচুম্বকত্বের সমীকরণগুলো আইনস্টাইনের কাছে বিশেষভাবে প্রিয় ছিল। এগুলো দেখিয়েছিল আলোও এক ধরনের তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ, আর সেখান থেকেই আইনস্টাইন বিশেষ আপেক্ষিকতার (Special Relativity) দিকে এগিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “ম্যাক্সওয়েলের সমীকরণ ছাড়া আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান কল্পনাই করা যেত না।”
👉 সংক্ষেপে বলা যায়, ম্যাক্সওয়েলকে আইনস্টাইন বেশি প্রিয় বিজ্ঞানী মনে করতেন, কারণ তাঁর সমীকরণ থেকেই আইনস্টাইনের বিপ্লবী চিন্তার সূচনা হয়েছিল।
আপনি চাইলে আমি আইনস্টাইনের সরাসরি উক্তি (quote) খুঁজে দিয়ে দিতে পারি যেখানে তিনি ম্যাক্সওয়েল বা অন্য বিজ্ঞানীদের প্রশংসা করেছেন — চাইবেন কি?
সংক্ষেপে দেখুনসামুদ্রিক জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে টার্নিং ডায়ামিটার কি?
টার্নিং ডায়ামিটার হলো একটি বৃত্তাকার পথের ব্যাস যা একটি জাহাজ সর্বোচ্চ গতিতে বাঁক নেওয়ার সময় অতিক্রম করে। একে জাহাজের মোড় নেওয়ার সক্ষমতাও বলা যায়। ধরুন, আপনি একটি বড় গাড়ি চালাচ্ছেন এবং একটি সংকীর্ণ মোড় ঘোরার চেষ্টা করছেন। গাড়িটি সোজা না গিয়ে কিছুটা বড় জায়গা নিয়ে মোড় নেবে। এই যে গাড়িটি একটি বৃত্তাকবিস্তারিত পড়ুন
টার্নিং ডায়ামিটার হলো একটি বৃত্তাকার পথের ব্যাস যা একটি জাহাজ সর্বোচ্চ গতিতে বাঁক নেওয়ার সময় অতিক্রম করে। একে জাহাজের মোড় নেওয়ার সক্ষমতাও বলা যায়।
ধরুন, আপনি একটি বড় গাড়ি চালাচ্ছেন এবং একটি সংকীর্ণ মোড় ঘোরার চেষ্টা করছেন। গাড়িটি সোজা না গিয়ে কিছুটা বড় জায়গা নিয়ে মোড় নেবে। এই যে গাড়িটি একটি বৃত্তাকার পথ তৈরি করে, সেই বৃত্তের এক পাশ থেকে অন্য পাশ পর্যন্ত যে দূরত্ব, সেটাই হলো গাড়ির টার্নিং ডায়ামিটার। 🚗
সামুদ্রিক জাহাজের ক্ষেত্রেও একই ধারণা প্রযোজ্য। একটি টার্নিং ডায়ামিটার যত বড় হবে, জাহাজটির মোড় নেওয়ার জন্য তত বেশি জায়গার প্রয়োজন হবে। যেসব বন্দরের চ্যানেল বা জলপথ সরু, সেখানে ছোট টার্নিং ডায়ামিটারযুক্ত জাহাজ চলাচল করা সুবিধাজনক। বড় টার্নিং ডায়ামিটারযুক্ত জাহাজগুলো খোলা সমুদ্রের মতো প্রশস্ত এলাকায় মোড় নিতে পারে।
সংক্ষেপে:
* টার্নিং ডায়ামিটার ছোট হলে জাহাজটি সহজে ও কম জায়গায় মোড় নিতে পারে।
* টার্নিং ডায়ামিটার বড় হলে জাহাজটির মোড় নেওয়ার জন্য বেশি জায়গার প্রয়োজন হয়।
এই পরিমাপটি জাহাজের নিরাপত্তা এবং নেভিগেশuনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জাহাজের নকশা, গতি, এবং জলের স্রোতের উপর এর মান নির্ভর করে। 🧭
সংক্ষেপে দেখুনকোন মাছের স্বাদ চিনি অপেক্ষা ৩০০ গুণ মিষ্টি ?
🤔
🤔
সংক্ষেপে দেখুনকোন বিখ্যাত চিত্রকর” তার সদ্য আঁকা ছবি দেখে একনাগারে হাঁসতে হাসতে মারা যান?
গ্রিক চিত্রশিল্পী জিউক্সিস (Zeuxis) তার আঁকা একটি ছবি দেখে হাসতে হাসতে মারা যান। একদিন এক বৃদ্ধ মহিলা তাকে ভালবাসা, সৌন্দর্য এবং আনন্দের দেবী আফ্রোদিতির ছবি এঁকে দিতে বলেন। ছবি আঁকা শেষে যখন তিনি ছবিটি দেখেন, তখন সেই বৃদ্ধার কথা মনে করে হাসতে হাসতে তার মৃত্যু হয়।
গ্রিক চিত্রশিল্পী জিউক্সিস (Zeuxis) তার আঁকা একটি ছবি দেখে হাসতে হাসতে মারা যান।
একদিন এক বৃদ্ধ মহিলা তাকে ভালবাসা, সৌন্দর্য এবং আনন্দের দেবী আফ্রোদিতির ছবি এঁকে দিতে বলেন। ছবি আঁকা শেষে যখন তিনি ছবিটি দেখেন, তখন সেই বৃদ্ধার কথা মনে করে হাসতে হাসতে তার মৃত্যু হয়।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পা কোন প্রাণীর এবং কতটি ?
পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পা রয়েছে কেন্নোর (millipede) প্রজাতির। নাম Eumillipes persephone। এদের শরীরে ১৩০৬টি পর্যন্ত পা থাকতে পারে। "কেন্নো" শব্দটি ল্যাটিন শব্দ "millipes" থেকে এসেছে, যার অর্থ "হাজার পা"। তবে Eumillipes persephone প্রজাতিটিই এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রাণীদের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক পায়ের অধিবিস্তারিত পড়ুন
পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পা রয়েছে কেন্নোর (millipede) প্রজাতির। নাম Eumillipes persephone। এদের শরীরে ১৩০৬টি পর্যন্ত পা থাকতে পারে। “কেন্নো” শব্দটি ল্যাটিন শব্দ “millipes” থেকে এসেছে, যার অর্থ “হাজার পা”। তবে Eumillipes persephone প্রজাতিটিই এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রাণীদের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক পায়ের অধিকারী।
সংক্ষেপে দেখুনকোন মাছের স্বাদ চিনি অপেক্ষা ৩০০ গুণ মিষ্টি ?
আপনি মনেহয় গাছ লিখতে গিয়ে মাছ লিখে ফেলেছেন! যাইহোক, স্টেভিয়া গাছের পাতা চিনি অপেক্ষা ৩০-৪০ গুণ এবং পাতার স্টেভিয়াসাইড চিনি অপেক্ষা ৩০০ গুণ বেশি মিষ্টি। ক্যালরিমুক্ত হওয়ায় স্টেভিয়া ডায়াবেটিক রোগী খেলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ পরিবর্তন হয় না।
আপনি মনেহয় গাছ লিখতে গিয়ে মাছ লিখে ফেলেছেন! যাইহোক, স্টেভিয়া গাছের পাতা চিনি অপেক্ষা ৩০-৪০ গুণ এবং পাতার স্টেভিয়াসাইড চিনি অপেক্ষা ৩০০ গুণ বেশি মিষ্টি। ক্যালরিমুক্ত হওয়ায় স্টেভিয়া ডায়াবেটিক রোগী খেলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ পরিবর্তন হয় না।
সংক্ষেপে দেখুনবিশ্বে এমন একটি দ্বীপ রয়েছে যেখানে কোন নারী বাস করে না, সেখানে সবাই সন্ন্যাসী। দ্বীপটির নাম কি এবং কোথায় অবস্থিত?
জাপানের ওকিনোশিমা দ্বীপে নারীদের প্রবেশাধিকার নেই। এই দ্বীপটি জাপানের একটি পবিত্র স্থান এবং এটি পুরুষদের জন্য সংরক্ষিত। স্থানীয়দের কাছে এটি একটি পবিত্র স্থান এবং এখানে শুধু পুরুষরা উপাসনার জন্য যাওয়া আসা করতে পারে, কিন্তু নারীদের প্রবেশাধিকার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এই দ্বীপটি শিন্তো ধর্মের সাথে সম্পর্কবিস্তারিত পড়ুন
জাপানের ওকিনোশিমা দ্বীপে নারীদের প্রবেশাধিকার নেই। এই দ্বীপটি জাপানের একটি পবিত্র স্থান এবং এটি পুরুষদের জন্য সংরক্ষিত।
স্থানীয়দের কাছে এটি একটি পবিত্র স্থান এবং এখানে শুধু পুরুষরা উপাসনার জন্য যাওয়া আসা করতে পারে, কিন্তু নারীদের প্রবেশাধিকার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এই দ্বীপটি শিন্তো ধর্মের সাথে সম্পর্কিত এবং এখানে প্রাচীন মন্দির রয়েছে। দ্বীপের এই কঠোর নিয়মটি সম্ভবত ঐতিহ্য এবং ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে চলে আসছে।
সংক্ষেপে দেখুনপৃথিবীর সবচেয়ে দামি কলমের নাম কি?
পৃথিবীর সবচেয়ে দামি কলমের নাম হল অরোরা ডায়ামান্টে ফাউন্টেন পেন (Aurora Diamante)। এর দাম প্রায় ১৮ কোটি টাকার বেশি। এই কলমটি হীরা দিয়ে সজ্জিত এবং এটি অরোরা কোম্পানি তৈরি করে।
পৃথিবীর সবচেয়ে দামি কলমের নাম হল অরোরা ডায়ামান্টে ফাউন্টেন পেন (Aurora Diamante)। এর দাম প্রায় ১৮ কোটি টাকার বেশি। এই কলমটি হীরা দিয়ে সজ্জিত এবং এটি অরোরা কোম্পানি তৈরি করে।
সংক্ষেপে দেখুনমিঃ ম্যাংগো চকোলেট থাকলেও মিসেস কিংবা মিস ম্যাংগো চকোলেট নেই কেন?
'মিস্টার ম্যাঙ্গো' নামটি মূলত একটি ব্র্যান্ডিং কৌশল। এখানে 'মিস্টার' শব্দটি কোনো পুরুষকে বোঝানোর জন্য ব্যবহার করা হয়নি, বরং এটি চকোলেটটিকে একটি মজাদার এবং আকর্ষণীয় চরিত্র দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। এটি অনেকটা 'ড্যানিশ' বা 'স্কচ' নামের মতো, যেখানে কোনো দেশ বা জায়গার নাম ব্যবহার করা হয় পণ্যটবিস্তারিত পড়ুন
‘মিস্টার ম্যাঙ্গো’ নামটি মূলত একটি ব্র্যান্ডিং কৌশল। এখানে ‘মিস্টার’ শব্দটি কোনো পুরুষকে বোঝানোর জন্য ব্যবহার করা হয়নি, বরং এটি চকোলেটটিকে একটি মজাদার এবং আকর্ষণীয় চরিত্র দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। এটি অনেকটা ‘ড্যানিশ’ বা ‘স্কচ’ নামের মতো, যেখানে কোনো দেশ বা জায়গার নাম ব্যবহার করা হয় পণ্যটিকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করার জন্য।
সুতরাং, এই চকোলেটটির নাম ‘মিস্টার ম্যাঙ্গো’ রাখার পেছনে প্রধান কারণগুলো হলো:
তাই, ‘মিসেস’ বা ‘মিস’ ম্যাঙ্গো চকোলেট নেই, কারণ ‘মিস্টার’ শব্দটি এখানে কোনো লিঙ্গ বোঝানোর জন্য ব্যবহার করা হয়নি, বরং এটি ব্র্যান্ডের একটি অংশ মাত্র।
সংক্ষেপে দেখুনদুই মহাসাগরের দেশ কোনটি?
দুটি মহাসাগরের দেশ হিসেবে সাধারণত কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঞ্চল কে বোঝানো হয়। কানাডার উপকূলরেখা পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগর, পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগর এবং উত্তরে উত্তর মহাসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। অন্যদিকে, আলাস্কা প্রশান্ত মহাসাগর এবং উত্তর মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
দুটি মহাসাগরের দেশ হিসেবে সাধারণত কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঞ্চল কে বোঝানো হয়। কানাডার উপকূলরেখা পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগর, পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগর এবং উত্তরে উত্তর মহাসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। অন্যদিকে, আলাস্কা প্রশান্ত মহাসাগর এবং উত্তর মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
সংক্ষেপে দেখুনকোন দেশের অধিবাসীগণ শিস দিয়ে কথাবার্তার কাজ চালায়?
তুরস্কের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু গ্রামে, বিশেষ করে কুসকয় (Kuskoy) গ্রামের অধিবাসীরা শিস দিয়ে কথা বলে। এই ভাষা "কুস ডিলি" নামে পরিচিত, যার অর্থ "পাখির ভাষা"। এই গ্রামের লোকেরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করার জন্য শিস ব্যবহার করে, অনেকটা পাখির ডাকের মত।
তুরস্কের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু গ্রামে, বিশেষ করে কুসকয় (Kuskoy) গ্রামের অধিবাসীরা শিস দিয়ে কথা বলে। এই ভাষা “কুস ডিলি” নামে পরিচিত, যার অর্থ “পাখির ভাষা”। এই গ্রামের লোকেরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করার জন্য শিস ব্যবহার করে, অনেকটা পাখির ডাকের মত।
সংক্ষেপে দেখুনআমার দুটি বাচ্চা যারা মাইল স্টোন স্কুলের ক্লাস ফোর এবং ক্লাস সেভেনে পড়ে। ছেলেটা ঐ স্থানে বসে ছিল দু মিনিট আগেও। দু মিনিট আগে সে তার মার সাথে কোল্ড ড্রিংকস খেতে উঠে যায় ক্যান্টিনের দিকে। ক্যান্টিনে পৌছাতে না পৌছাতে বিমানটি আছড়ে পড়ে আমার ছেলের ক্লাসরুম বরাবর। আল্লাহর অশেষ রহমতে ছেলেটি বেঁচে ফিরলেও তার অধিকাংশ বন্ধুরা মারা গেছে এবং অগ্নিদগ্ধ। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে চাওয়া আল্লাহ যেন আহত বাচ্চাগুলোকে জীবন ভিক্ষা দিয়ে মা বাবার কাছে ফেরত দেন । আর যারা মারা গেছে তাদের বাবা মা ও পরিবারের অন্যান্যদের শোক সওয়ার তাওফিক দান করেন। হে আল্লাহ আপনি মহান রাব্বুল আলামিন। আপনি আমাদের উপর রহম করেন। আপনি আমাদের সকলকে ক্ষমা করে দিন।
আমিন 🤲
আমিন 🤲
সংক্ষেপে দেখুন