সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

ashad khandaker

সবজান্তা
প্রশ্ন করুন ashad khandaker
531 বার প্রদর্শিত
2 ফলোয়ার
2,496 প্রশ্ন
হোমপেজ/ ashad khandaker/ফলোয়ারদের উত্তর
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পছন্দ তালিকা
  • ফলোকৃত প্রশ্ন
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  • ফলোকৃতদের প্রশ্ন
  • ফলোকৃতদের উত্তর
  • ফলোয়ারদের ব্লগ
  • ফলোকৃত/ফলোয়ারদের ব্লগ মন্তব্য
  1. সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    বিদ্যুতের খুঁটিতে গুনগুন শব্দ শোনা যায় কেন?

    srity
    srity পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে

    বিদ্যুতের খুঁটির কাছে গেলে যে একটা হালকা 'গুনগুন' শব্দ শোনা যায়, এর পেছনে প্রধানত দুটো কারণ আছে: ১. ট্রান্সফরমারের গুনগুন (Humming from Transformer) বিদ্যুতের খুঁটির মাথায় বা একটু নিচে একটা বড় ধূসর রঙের বাক্স দেখতে পান তো? ওটাই হলো ট্রান্সফরমার। আপনার বাসার ভোল্টেজ কমানোর জন্য এটা ব্যবহার করা হয়। কবিস্তারিত পড়ুন

    বিদ্যুতের খুঁটির কাছে গেলে যে একটা হালকা ‘গুনগুন’ শব্দ শোনা যায়, এর পেছনে প্রধানত দুটো কারণ আছে:

    ১. ট্রান্সফরমারের গুনগুন (Humming from Transformer)

    বিদ্যুতের খুঁটির মাথায় বা একটু নিচে একটা বড় ধূসর রঙের বাক্স দেখতে পান তো? ওটাই হলো ট্রান্সফরমার। আপনার বাসার ভোল্টেজ কমানোর জন্য এটা ব্যবহার করা হয়।

    • কারণ: ট্রান্সফরমারের ভেতরে যে কয়েলগুলো (তারের প্যাঁচানো অংশ) আর লোহার পাতগুলো থাকে, সেগুলোর মধ্যে দিয়ে যখন বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করে, তখন এক ধরনের চৌম্বকীয় বল তৈরি হয়।
    • এই চৌম্বকীয় বলের প্রভাবে লোহার পাতগুলো খুব সামান্য পরিমাণে কম্পিত হতে থাকে। এই কম্পন থেকেই আমরা সেই পরিচিত ‘হুম্’ বা ‘গুনগুন’ শব্দটা শুনতে পাই।
    • বিদ্যুতের ফ্রিকোয়েন্সি (বাংলাদেশে সাধারণত ৫০ হার্জ) অনুযায়ী এই কম্পন হয়, তাই শব্দটাও একটা নির্দিষ্ট সুরে (৫০ হার্জের দ্বিগুণ, অর্থাৎ ১০০ হার্জ) শোনা যায়।

    ২. করোনা ডিসচার্জ (Corona Discharge)

    এটা সাধারণত উচ্চ ভোল্টেজের লাইনে বেশি শোনা যায়, বিশেষ করে যখন আবহাওয়া স্যাঁতসেঁতে বা বৃষ্টি ভেজা থাকে।

    • কারণ: উচ্চ ভোল্টেজের তারগুলোর চারপাশে থাকা বাতাস বিদ্যুৎ ক্ষেত্রের প্রভাবে আয়নিত (ionized) হয়ে যায়। অর্থাৎ, বাতাসের কণাগুলো বিদ্যুৎ প্রবাহের জন্য তৈরি হয়।
    • এই প্রক্রিয়ার সময় একটা হালকা হিস্ হিস্ বা গুনগুন শব্দ হয়, আর অনেক সময় অল্প আলো (নীলাভ আভা) দেখা যায়। এটাই হলো করোনা ডিসচার্জ।

    মুল কথা: বেশির ভাগ সময় যে গুনগুন শব্দটা কানে আসে, সেটা হলো ট্রান্সফরমারের ভেতরের যন্ত্রাংশের কম্পনের আওয়াজ। আর খুব জোরে হিসহিস আওয়াজ হলে সেটা করোনা ডিসচার্জ হতে পারে। দুটোই বিদ্যুৎ প্রবাহের সাথে সম্পর্কিত। ভয়ের কিছু নেই, এটা স্বাভাবিক!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  2. সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    পদার্থবিদ্যায়, 'ম্যাজিক সংখ্যা' বলতে কি বোঝায?

    srity
    srity পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে

    পদার্থবিদ্যায়, 'ম্যাজিক সংখ্যা' (Magic Numbers) বলতে বোঝায় পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে থাকা নিউক্লিয়ন বা কণার (প্রোটন এবং নিউট্রন) এমন কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যা, যে সংখ্যাগুলো থাকলে নিউক্লিয়াসটি অসাধারণভাবে স্থিতিশীল বা মজবুত হয়। এটা অনেকটা পরমাণুর ইলেকট্রনগুলোর কক্ষপথ পূরণ হওয়ার মতো। ম্যাজিক সবিস্তারিত পড়ুন

    পদার্থবিদ্যায়, ‘ম্যাজিক সংখ্যা’ (Magic Numbers) বলতে বোঝায় পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে থাকা নিউক্লিয়ন বা কণার (প্রোটন এবং নিউট্রন) এমন কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যা, যে সংখ্যাগুলো থাকলে নিউক্লিয়াসটি অসাধারণভাবে স্থিতিশীল বা মজবুত হয়।

    এটা অনেকটা পরমাণুর ইলেকট্রনগুলোর কক্ষপথ পূরণ হওয়ার মতো।

    ম্যাজিক সংখ্যাগুলো কী কী?

    প্রোটন বা নিউট্রনের জন্য ম্যাজিক সংখ্যাগুলো হলো:

    $$\mathbf{2, 8, 20, 28, 50, 82, 126}$$

    যেমন:

    1. অক্সিজেন-১৬: এর প্রোটন সংখ্যা ৮ এবং নিউট্রন সংখ্যা ৮। দুটোই ম্যাজিক সংখ্যা। তাই এটি একটি দ্বিগুণ ম্যাজিক (doubly magic) নিউক্লিয়াস এবং অত্যন্ত স্থিতিশীল।
    2. ক্যালসিয়াম-৪০: এর প্রোটন সংখ্যা ২০ এবং নিউট্রন সংখ্যা ২০। এটিও দ্বিগুণ ম্যাজিক।
    3. সীসা-২০৮: এটি সবচেয়ে ভারী স্থিতিশীল নিউক্লিয়াস। এর প্রোটন সংখ্যা ৮২ এবং নিউট্রন সংখ্যা ১২৬। দুটোই ম্যাজিক সংখ্যা।

    এই ম্যাজিক সংখ্যাগুলো বিজ্ঞানীদের নিউক্লিয়াসের গঠন, তেজস্ক্রিয়তা এবং পারমাণবিক বিক্রিয়া বুঝতে সাহায্য করে। কোনো নিউক্লিয়াস কতটা স্থিতিশীল হবে বা তা ভেঙে যাবে কি না, তা বুঝতে এই সংখ্যাগুলো খুব জরুরি।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  3. সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    প্লেনের পাইলট আকাশে রাস্তা চেনে কিভাবে?

    jahanur
    jahanur পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    এইটা খুব মজার প্রশ্ন! পাইলটরা কিন্তু আমাদের মতো রাস্তায় সাইনবোর্ড বা রিকশাওয়ালাকে জিজ্ঞেস করে রাস্তা চেনে না! ব্যাপারটা অনেকটা বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে। মোটামুটি তিনটা প্রধান জিনিস দিয়ে তারা রাস্তা চেনে: ১. আধুনিক জিপিএস (GPS) আর নেভিগেশন সিস্টেম বিমানের ম্যাপ: পাইলটদের সামনে ড্যাশবোর্বিস্তারিত পড়ুন

    এইটা খুব মজার প্রশ্ন!
    পাইলটরা কিন্তু আমাদের মতো রাস্তায় সাইনবোর্ড বা রিকশাওয়ালাকে জিজ্ঞেস করে রাস্তা চেনে না! ব্যাপারটা অনেকটা বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে।

    মোটামুটি তিনটা প্রধান জিনিস দিয়ে তারা রাস্তা চেনে:

    ১. আধুনিক জিপিএস (GPS) আর নেভিগেশন সিস্টেম

    • বিমানের ম্যাপ: পাইলটদের সামনে ড্যাশবোর্ডে বড় বড় স্ক্রিন থাকে। সেখানে আমাদের মোবাইলের জিপিএস-এর মতোই একটা বিশেষ ম্যাপ দেখা যায়। এই ম্যাপে তাদের চলার পথ, পাশের বিমানবন্দর, পাহাড়-পর্বত—সবকিছু খুব পরিষ্কারভাবে আঁকা থাকে।
    • কম্পিউটারের প্ল্যান: ওড়ার আগেই পাইলটরা তাদের গন্তব্য আর পুরো পথের ডেটা বিমানের কম্পিউটার সিস্টেমে ঢুকিয়ে দেন। কম্পিউটার তখন নিজেই সবচেয়ে ভালো রাস্তাটা ধরে প্লেনকে চলতে সাহায্য করে। এটাকে বলে ফ্লাইট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (FMS)। অনেকটা আপনার গাড়ির নেভিগেশন সিস্টেমের মতো, তবে অনেক উন্নত।

    ২. রাডার এবং গ্রাউন্ড কন্ট্রোল

    • এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল (ATC): এটা হলো মাটিতে থাকা একদল লোক, যারা সারা দেশের আকাশপথের ট্র্যাফিকের ওপর নজর রাখে। পাইলটরা সবসময় রেডিওতে তাদের সাথে যোগাযোগ রাখে। এটিসি থেকেই পাইলটকে বলে দেওয়া হয় কখন কোন দিকে যেতে হবে, কত ওপরে উঠতে হবে, বা গতি কত রাখতে হবে। এটা অনেকটা ট্র্যাফিক পুলিশের মতো কাজ করে।
    • রাডার: এটিসি কর্মীরা রাডারের মাধ্যমে আকাশে প্রতিটি প্লেনের অবস্থান দেখতে পান। তারা দেখে যেন এক প্লেনের সাথে আরেক প্লেনের ধাক্কা না লাগে।

    ৩. প্রাচীন পদ্ধতির সাহায্য

    • রেডিও বীকন (Radio Beacons): আকাশে নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় রেডিও স্টেশন বসানো থাকে। প্লেন সেই স্টেশনগুলোর দিকে সিগন্যাল অনুসরণ করে চলে। এটা অনেকটা পুরোনো দিনের জাহাজের নাবিকদের বাতিঘরের মতো। যদিও এখন জিপিএস বেশি চলে, কিন্তু ব্যাকআপ হিসেবে এটা খুব দরকারি।
    • তারকা ও সূর্য: যদিও আধুনিক যুগে এটা লাগে না, তবুও খুব জরুরি অবস্থায়, যেমন—সব ইলেকট্রনিক সিস্টেম ফেইল করলে, পুরোনো দিনের মতো সূর্য, তারা, বা আকাশের দিক দেখেও অভিজ্ঞ পাইলটরা একটা আন্দাজে পথ ধরে রাখতে পারেন।

    মোটকথা, পাইলট একা একা রাস্তা খোঁজেন না। তারা কম্পিউটার, জিপিএস, এবং মাটির ট্র্যাফিক পুলিশের (ATC) নির্দেশ—এই তিনের ওপর ভরসা করে নিরাপদে প্লেন চালান। আকাশটা আসলে অনেকগুলো অদৃশ্য ‘হাইওয়ে’-তে ভাগ করা থাকে, আর পাইলটরা ওই হাইওয়ে ধরেই চলে।

    আশা করি বুঝতে পেরেছেন!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  4. সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ বিনোদন

    সম্প্রতি একটি দেশ তাদের জাতীয় সংগীতের দ্বিতীয় লাইন For we are young and free থেকে পরিবর্তন করে ‘For we are one and free করেছে? কোন দেশ?

    jahanur
    jahanur পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে

    আরে ভাই, এইটা তো অস্ট্রেলিয়ার খবর! ওরা সম্প্রতি তাদের জাতীয় সংগীতের একটা লাইনে একটু পরিবর্তন এনেছে। আগে ছিল, "For we are young and free" (কারণ আমরা তরুণ এবং স্বাধীন), সেটা পাল্টে এখন করেছে "For we are one and free" (কারণ আমরা এক এবং স্বাধীন)। অস্ট্রেলিয়াকে আধুনিক রাষ্ট্র হিসেবে হয়তো 'তরুণ' বলা যায়বিস্তারিত পড়ুন

    আরে ভাই, এইটা তো অস্ট্রেলিয়ার খবর!

    ওরা সম্প্রতি তাদের জাতীয় সংগীতের একটা লাইনে একটু পরিবর্তন এনেছে। আগে ছিল, “For we are young and free” (কারণ আমরা তরুণ এবং স্বাধীন), সেটা পাল্টে এখন করেছে “For we are one and free” (কারণ আমরা এক এবং স্বাধীন)।

    অস্ট্রেলিয়াকে আধুনিক রাষ্ট্র হিসেবে হয়তো ‘তরুণ’ বলা যায়, কিন্তু ওই দেশে আদিবাসীরা (First Nations peoples) তো হাজার হাজার বছর ধরে আছে। তাদের ইতিহাস তো আর ‘তরুণ’ না, অনেক পুরনো। তাই এই ‘young’ শব্দটা অনেকের কাছে একটু বেমানান লাগছিল।

    তাদের প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন সাহেব বিষয়টা খেয়াল করে এই পরিবর্তনটা আনলেন। এর মাধ্যমে তারা বোঝাতে চাইল যে তারা সবাই মিলেমিশে এক হয়েছে, আর আদিবাসী জনগোষ্ঠীর দীর্ঘ ইতিহাসকেও সম্মান জানাচ্ছে। এইটা আসলে তাদের সব মানুষকে একসাথে করার একটা চেষ্টা, বুঝলেন তো? খুবই দারুণ একটা পদক্ষেপ নিয়েছে তারা!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  5. সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পেট্রোলের বাংলা কী?

    Nusaiba
    Nusaiba নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে

    শিলাতৈল হবে।

    শিলাতৈল হবে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  6. সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ General Question

    What is use of Ivrea Cream for humans ?

    Nusaiba
    Nusaiba নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে

    'Ivrea Cream' (আইভ্রেয়া ক্রিম) মানুষের ত্বকের জন্য তৈরি একটি ওষুধযুক্ত ক্রিম। মূলত এটি দুটি প্রধান কাজে ব্যবহৃত হয়: ১. রোজাশিয়োর (Rosacea) চিকিৎসা: এটি একটি ত্বকের রোগ, যেখানে মুখমণ্ডল, বিশেষ করে গাল ও নাকের ওপর ছোট ছোট লালচে ব্রণ বা ফুসকুড়ি হয় এবং ত্বক লাল হয়ে ফুলে যায়। আইভ্রেয়া ক্রিম ত্বকের এইবিস্তারিত পড়ুন

    ‘Ivrea Cream’ (আইভ্রেয়া ক্রিম) মানুষের ত্বকের জন্য তৈরি একটি ওষুধযুক্ত ক্রিম।

    মূলত এটি দুটি প্রধান কাজে ব্যবহৃত হয়:

    ১. রোজাশিয়োর (Rosacea) চিকিৎসা:

    এটি একটি ত্বকের রোগ, যেখানে মুখমণ্ডল, বিশেষ করে গাল ও নাকের ওপর ছোট ছোট লালচে ব্রণ বা ফুসকুড়ি হয় এবং ত্বক লাল হয়ে ফুলে যায়।

    আইভ্রেয়া ক্রিম ত্বকের এই লালচে ভাব, ফোলা এবং ফুসকুড়ি কমাতে সাহায্য করে। এটিতে প্রদাহ (জ্বালা বা ফোলা) কমানোর ক্ষমতা আছে।

    ২. পরজীবী (Parasitic) সংক্রমণ দূর করতে:

    এই ক্রিমের মূল উপাদান হলো আইভারমেকটিন (Ivermectin), যা একটি পরজীবী-নাশক ওষুধ।

    কিছু ক্ষেত্রে এই ক্রিম ত্বকের পরজীবী সংক্রমণ, যেমন: স্ক্যাবিস (Scabies) (পাঁচড়া) বা এক ধরণের ক্ষুদ্র মাইটের (mites) কারণে হওয়া সংক্রমণ দূর করতেও ব্যবহার করা হতে পারে।

    মনে রাখবেন: এটি সাধারণ বিউটি ক্রিম নয়। এটি একটি প্রেসক্রিপশন-নির্ভর ওষুধ, তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই ক্রিম ব্যবহার করা উচিত নয়। ডাক্তার রোগীর ত্বকের অবস্থা বুঝে এর সঠিক ব্যবহার বলে দেবেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  7. সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    মহাবিশ্বের ৮৫% জুড়ে থাকা রহস্যময় 'অন্ধকার বস্তু' বা ডার্ক ম্যাটারকে যদি বিজ্ঞানীরা সত্যিই খুঁজে পান, তবে কি আমাদের চারপাশের বাস্তবতাই পাল্টে যাবে?

    Nusaiba
    Nusaiba নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে

    অন্ধকার বস্তু (ডার্ক ম্যাটার) কি আমাদের বাস্তবতাকে সত্যিই পাল্টে দেবে? সংক্ষেপে বলতে গেলে, হ্যাঁ, পাল্টে যেতে পারে! তবে সেটা রাতারাতি নয়, বরং ধাপে ধাপে আমাদের বিজ্ঞান ও মহাবিশ্বের ধারণা বদলে দেবে। আসল চমকটা কোথায়? বিজ্ঞানীরা এত দিন ধরে জানতেন যে, মহাবিশ্বের বেশিরভাগ জিনিসই হলো রহস্যময় 'অন্ধকার বস্তুবিস্তারিত পড়ুন

    অন্ধকার বস্তু (ডার্ক ম্যাটার) কি আমাদের বাস্তবতাকে সত্যিই পাল্টে দেবে?

    সংক্ষেপে বলতে গেলে, হ্যাঁ, পাল্টে যেতে পারে! তবে সেটা রাতারাতি নয়, বরং ধাপে ধাপে আমাদের বিজ্ঞান ও মহাবিশ্বের ধারণা বদলে দেবে।

    আসল চমকটা কোথায়?

    বিজ্ঞানীরা এত দিন ধরে জানতেন যে, মহাবিশ্বের বেশিরভাগ জিনিসই হলো রহস্যময় ‘অন্ধকার বস্তু’ (ডার্ক ম্যাটার)। এর পরিমাণ প্রায় ৮৫ শতাংশ! আমরা চোখে যা দেখি বা অনুভব করি (যেমন: গ্রহ, তারা, মানুষ) তা হলো মাত্র ১৫ শতাংশ।

    এখন গবেষকরা যদি প্রথমবারের মতো সেই অদৃশ্য এবং বিশাল ‘অন্ধকার বস্তু’কে সত্যিই চিহ্নিত করতে পারেন, তবে যা ঘটবে:

    আমরা এতদিন মহাবিশ্ব সম্পর্কে যা যা জেনেছি, তা ছিল মাত্র ১৫% তথ্য দিয়ে তৈরি। ৮৫% জিনিসকে চিহ্নিত করতে পারলে পদার্থবিজ্ঞানের অনেক পুরনো সূত্র ও ধারণা ভুল প্রমাণিত হতে পারে।

    আমরা মহাবিশ্বের গঠন, গ্যালাক্সিগুলোর রহস্যময় গতি এবং মহাকাশের ভবিষ্যৎ নিয়ে সম্পূর্ণ নতুন তথ্য পাবো। এটি প্রমাণ করবে যে, আমাদের চারপাশের বাস্তবতা কেবল চোখের সামনে দেখা এইটুকু নয়, বরং এর বাইরেও এক বিশাল অদৃশ্য জগৎ আছে, যা পুরো মহাবিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করছে।

    এই আবিষ্কার নতুন ধরনের প্রযুক্তি ও গবেষণার জন্ম দেবে, যা হয়তো কয়েক দশক পর আমাদের জীবনযাত্রাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে।

    অর্থাৎ, এই আবিষ্কার আমাদের দৈনন্দিন জীবন immediately পাল্টাবে না, কিন্তু মহাবিশ্ব এবং বাস্তবতাকে বোঝার ক্ষেত্রে বিজ্ঞানকে এমন এক জায়গায় নিয়ে যাবে, যা হবে এক নতুন দিগন্ত।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  8. সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ General Question

    ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর কেন জরুরি ভিত্তিতে ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ করতে হলো? এই ঘটনা কি দেশের অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক সুরক্ষায় কোনো নতুন বিপদ সংকেত?

    হেলাল খান
    সেরা উত্তর
    হেলাল খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে

    বিমানবন্দরে কেন আগুন লাগলো আর কেনই বা ফ্লাইট বন্ধ হলো? এটা কি আমাদের দেশের জন্য বড় বিপদ সংকেত? বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে (যেখানে বিদেশ থেকে আসা বা বিদেশে পাঠানোর জিনিসপত্র রাখা হয়) যে বড় আগুন লেগেছিল, তার পরপরই কেন সব প্লেন ওঠানামা বন্ধ করে দেওয়া হলো? এর পেছনে মূল কারণ ছিল মানুষের জীবন বাঁচানো এবংবিস্তারিত পড়ুন

    বিমানবন্দরে কেন আগুন লাগলো আর কেনই বা ফ্লাইট বন্ধ হলো? এটা কি আমাদের দেশের জন্য বড় বিপদ সংকেত?

    বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে (যেখানে বিদেশ থেকে আসা বা বিদেশে পাঠানোর জিনিসপত্র রাখা হয়) যে বড় আগুন লেগেছিল, তার পরপরই কেন সব প্লেন ওঠানামা বন্ধ করে দেওয়া হলো? এর পেছনে মূল কারণ ছিল মানুষের জীবন বাঁচানো এবং বড় বিপদ ঠেকানো।

    এখানে আসল কারণগুলো তুলে ধরা হলো:

    ১. কেন ফ্লাইট বন্ধ হলো? (আসলে এর পেছনের ভয়টা কী?)

    ফ্লাইট বন্ধ করার প্রধান তিনটি কারণ খুবই জরুরি ছিল:

    • ধোঁয়ায় চোখ বন্ধ: কার্গো ভিলেজের আগুন এতো জোরে জ্বলেছিল যে ঘন কালো ধোঁয়ায় রানওয়ে (যেখানে প্লেন নামে বা ওড়ে) ঢেকে গিয়েছিল। প্লেন ওড়াতে বা নামাতে গেলে পাইলটদের সবকিছু পরিষ্কার দেখতে হয়। ধোঁয়ার কারণে একটু ভুল হলেও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। তাই, নিরাপত্তার জন্য প্লেন চলাচল সঙ্গে সঙ্গে থামিয়ে দেওয়া হয়।
    • ভিতরে ছিল বারুদ! (বিস্ফোরণের ভয়): কার্গো ভিলেজে বিদেশ থেকে আসা এমন অনেক জিনিস থাকে, যা সহজে আগুন ধরে বা বিস্ফোরিত হতে পারে (যেমন: কিছু রাসায়নিক পদার্থ বা ব্যাটারি)। যদি আগুন সেখানে পৌঁছাত, তবে বিশাল বিস্ফোরণ ঘটতে পারত। প্লেনগুলো তখন বিপদের মুখে পড়ত। এই ঝুঁকি এড়াতেই দ্রুত সব থামিয়ে দেওয়া হয়।
    • সেনা ও ফায়ার সার্ভিসের রাস্তা পরিষ্কার: আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর বিশেষ দল কাজ করছিল। তাদের নির্বিঘ্নে কাজ করার জন্য আকাশপথ পরিষ্কার রাখা জরুরি ছিল।

    ২. এটা কি শুধু একটা ‘দুর্ঘটনা’?

    এই ঘটনাটি শুধু একটা সাধারণ আগুন নয়, এর পেছনে এমন কিছু বিষয় আছে যা আমাদের দেশের জন্য একটি বিপদ সংকেত।

    • মাত্র ক’দিন আগের সার্টিফিকেট পুড়লো: সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, মাত্র কিছুদিন আগেই আমাদের এই বিমানবন্দরটি কার্গো সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে দারুণ ভালো নম্বর পেয়েছিল! দেশ যখন গর্ব করছিল, ঠিক তার পরপরই এই সুরক্ষিত জায়গায় এত বড় আগুন লাগলো কীভাবে? এটা কি প্রমাণ করে যে, ওপরের দেখানোর নিরাপত্তা আর ভেতরের আসল সুরক্ষার মধ্যে অনেক বড় ফাঁক বা দুর্বলতা ছিল?
    • টাকার বিশাল ক্ষতি: কার্গো ভিলেজ পুড়ে যাওয়ায় কোটি কোটি টাকার আমদানি করা পণ্য নষ্ট হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের অনেক ক্ষতি হলো, যা সরাসরি আমাদের দেশের অর্থনীতিতে আঘাত হানবে। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রেও আমাদের দেশের সুনাম ও সময়মতো সরবরাহের ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।
    • এটা কি কোনো ষড়যন্ত্র? দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় এভাবে আগুন লাগার ঘটনাকে শুধু ‘দুর্ঘটনা’ বলে মেনে নিতে অনেকেই পারছেন না। সরকার নিজেই এই ঘটনার কারণ খুঁজে বের করতে একটি বড় তদন্ত কমিটি করেছে। জনমনে সন্দেহ তৈরি হয়েছে—এই আগুনের পেছনে কি কোনো গাফিলতি নাকি কোনো ষড়যন্ত্র আছে? কারণ, আমাদের দেশে এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বারবার দুর্ঘটনা ঘটাটা স্বাভাবিক নয়।

    শেষ কথা হলো: দ্রুত ফ্লাইট বন্ধের সিদ্ধান্ত হাজার হাজার মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে। কিন্তু, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার পরপরই এই আগুন প্রমাণ করলো, দেশের প্রধান বিমানবন্দরটি হয়তো এখন এমন কোনো বড় দুর্বলতা বা চক্রান্তের শিকার, যা জানা না গেলে ভবিষ্যতে আরও বড় বিপদ আসতে পারে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  9. সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    দ্য বার্ডম্যান অব ইন্ডিয়া নামে কে পরিচিত? কেন তাকে এ নামে ডাকা হয়?

    murad
    murad পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে

    'দ্য বার্ডম্যান অব ইন্ডিয়া' (The Birdman of India) নামে পরিচিত হলেন বিখ্যাত ভারতীয় পক্ষীবিদ ও প্রকৃতিপ্রেমী ড. সালিম মইজুদ্দিন আবদুল আলী। তাকে এই নামে ডাকার মূল কারণ হলো: পক্ষীবিজ্ঞানে (Ornithology) অনবদ্য অবদান: ড. সালিম আলী ভারতে পক্ষীবিদ্যার ক্ষেত্রে একজন অগ্রদূত ছিলেন। তাঁর কাজ এই ক্ষেত্রটিকেবিস্তারিত পড়ুন

    ‘দ্য বার্ডম্যান অব ইন্ডিয়া’ (The Birdman of India) নামে পরিচিত হলেন বিখ্যাত ভারতীয় পক্ষীবিদ ও প্রকৃতিপ্রেমী ড. সালিম মইজুদ্দিন আবদুল আলী।

    The Birdman of India

    তাকে এই নামে ডাকার মূল কারণ হলো:

    পক্ষীবিজ্ঞানে (Ornithology) অনবদ্য অবদান: ড. সালিম আলী ভারতে পক্ষীবিদ্যার ক্ষেত্রে একজন অগ্রদূত ছিলেন। তাঁর কাজ এই ক্ষেত্রটিকে জনপ্রিয় করে তুলেছিল।

    নিয়মতান্ত্রিক পাখি জরিপ: তিনিই প্রথম ভারতীয়দের মধ্যে একজন, যিনি ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে পাখি জরিপ পরিচালনা করেন। তিনি প্রায় সাত দশক ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছেন এবং পাখিদের উপর ব্যাপক পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণা করেছেন।

    গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা: তিনি অসংখ্য পাখি বিষয়ক বই রচনা করেছেন, যা আজও পক্ষীবিজ্ঞানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল। এর মধ্যে তাঁর রচিত দশ খণ্ডের “হ্যান্ডবুক অফ দ্য বার্ডস অফ ইন্ডিয়া অ্যান্ড পাকিস্তান” (Handbook of the Birds of India and Pakistan) এবং “দ্য বুক অফ ইন্ডিয়ান বার্ডস” (The Book of Indian Birds) বিশেষ উল্লেখযোগ্য। এই বইগুলি ভারত ও উপমহাদেশে পাখি চেনায় উৎসাহী এবং গবেষকদের জন্য অপরিহার্য।

    সংরক্ষণ ও সচেতনতা: ড. আলী ভারতে পাখি সংরক্ষণ ও পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর নিরলস প্রচেষ্টার ফলেই দেশের প্রাকৃতিক আবাসস্থল এবং বিভিন্ন বন্যপ্রাণী, বিশেষ করে পাখিদের সংরক্ষণের গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষ জানতে পারে।

    পাখি সম্পর্কে তাঁর অতুলনীয় জ্ঞান, গবেষণা ও সংরক্ষণে তাঁর জীবনব্যাপী অবদানের জন্য তাঁকে সসম্মানে ‘ভারতের পক্ষীমানব’ বা ‘দ্য বার্ডম্যান অব ইন্ডিয়া’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  10. সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    তুর্কি ড্রোন বিপ্লবের অগ্রদূত কে?

    murad
    murad পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে

    তুর্কি ড্রোন বিপ্লবের অগ্রদূত হলেন সেলজুক বায়রাকতার (Selçuk Bayraktar)। তিনি তুর্কি কোম্পানি বায়কার (Baykar)-এর প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা (CTO)। তাঁর ডিজাইন করা সবচেয়ে বিখ্যাত ড্রোন হলো বায়রাকতার টিবি২ (Bayraktar TB2)। তুরস্কের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশটির সামরিক রপ্তানিতবিস্তারিত পড়ুন

    তুর্কি ড্রোন বিপ্লবের অগ্রদূত হলেন সেলজুক বায়রাকতার (Selçuk Bayraktar)।

    Selçuk Bayraktar

    তিনি তুর্কি কোম্পানি বায়কার (Baykar)-এর প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা (CTO)। তাঁর ডিজাইন করা সবচেয়ে বিখ্যাত ড্রোন হলো বায়রাকতার টিবি২ (Bayraktar TB2)। তুরস্কের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশটির সামরিক রপ্তানিতে এই ড্রোনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁকে তুরস্কে ড্রোন শিল্পের অগ্রপথিক বা ‘দাদা’ হিসেবে গণ্য করা হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  11. সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ General Question

    "জুলাই জাতীয় সনদ" নিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনুসের অবস্থান কী?

    murad
    murad পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে

    ড. মুহাম্মদ ইউনুস বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং 'জাতীয় ঐকমত্য কমিশন'-এর চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন। এই কমিশনই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে জুলাই জাতীয় সনদ তৈরি করেছে। জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে তাঁর অবস্থান বেশ স্পষ্ট এবং তিনি এই সনদকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। তাঁর অবিস্তারিত পড়ুন

    ড. মুহাম্মদ ইউনুস বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন’-এর চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন। এই কমিশনই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে জুলাই জাতীয় সনদ তৈরি করেছে।

    জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে তাঁর অবস্থান বেশ স্পষ্ট এবং তিনি এই সনদকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। তাঁর অবস্থানটি নিচে সহজ করে তুলে ধরা হলো:

    ১. নতুন বাংলাদেশের সূচনা

    ড. মুহাম্মদ ইউনুস মনে করেন, জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে “নতুন জন্ম” বা “নতুন বাংলাদেশের সূচনা” হলো। তাঁর মতে, এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত যা জাতিকে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার এবং সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং বিগত ১৬ বছরের (মতান্তরে) খারাপ পরিস্থিতির অবসান ঘটাবে।

    ২. জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ফসল

    তিনি জুলাই জাতীয় সনদকে ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে হওয়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ফল হিসেবে দেখেন। তিনি বলেছেন, তরুণ আন্দোলনকারীরা তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন বলেই এই পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে এবং এটি অভ্যুত্থানের “দ্বিতীয় অংশ”। এই সনদের মাধ্যমে দেশ এক “নৃশংসতা” থেকে “সভ্যতায়” ফিরে এসেছে।

    ৩. ঐক্যের আহ্বান

    ড. ইউনুস আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই সনদের মাধ্যমে যে ঐক্যের সুর তৈরি হয়েছে, তা যেন সবাই ধরে রাখে। তিনি সকল মতভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে সনদের নিয়মগুলো বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    ৪. সংস্কারের পথ

    তিনি মনে করেন, জুলাই জাতীয় সনদের মাধ্যমে জাতীয় জীবনে পরিবর্তন আনা হবে, বিশেষ করে সংবিধান এবং সরকার পরিচালনার পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনা হবে। তাঁর মতে, এই সনদ ভবিষ্যতে একটি সুন্দর সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের জন্য ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

    মোটকথা, ড. ইউনুসের কাছে জুলাই জাতীয় সনদ হলো— পুরোনো খারাপ সময় পেরিয়ে আসা এবং নতুন করে দেশ গড়ার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ লিখিত চুক্তি বা অঙ্গীকার, যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নতুন পথে যাত্রা শুরু করল।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  12. সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    আইনেস্টাইনের প্রিয় বিজ্ঞানী কে ছিলেন এবং কেন তিনি প্রিয় ছিলেন?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    আইনস্টাইন বিভিন্ন বিজ্ঞানীর কাজ থেকে প্রভাবিত হয়েছিলেন, তবে তাঁর কাছে সবচেয়ে প্রিয় ও শ্রদ্ধার বিজ্ঞানী ছিলেন আইজ্যাক নিউটন এবং জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল। আইজ্যাক নিউটন: আইনস্টাইন মনে করতেন নিউটন প্রকৃতির নিয়মগুলোকে এক গাণিতিক কাঠামোর মধ্যে প্রথমবারের মতো ব্যাখ্যা করতে পেরেছিলেন। নিউটনের মাধ্যাকর্ষণবিস্তারিত পড়ুন

    আইনস্টাইন বিভিন্ন বিজ্ঞানীর কাজ থেকে প্রভাবিত হয়েছিলেন, তবে তাঁর কাছে সবচেয়ে প্রিয় ও শ্রদ্ধার বিজ্ঞানী ছিলেন আইজ্যাক নিউটন এবং জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল।

    • আইজ্যাক নিউটন:
      আইনস্টাইন মনে করতেন নিউটন প্রকৃতির নিয়মগুলোকে এক গাণিতিক কাঠামোর মধ্যে প্রথমবারের মতো ব্যাখ্যা করতে পেরেছিলেন। নিউটনের মাধ্যাকর্ষণ তত্ত্ব আইনস্টাইনের পরবর্তী সাধারণ আপেক্ষিকতার (General Relativity) ভিত্তি তৈরি করেছিল।
    • জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল:
      ম্যাক্সওয়েলের তড়িৎচুম্বকত্বের সমীকরণগুলো আইনস্টাইনের কাছে বিশেষভাবে প্রিয় ছিল। এগুলো দেখিয়েছিল আলোও এক ধরনের তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ, আর সেখান থেকেই আইনস্টাইন বিশেষ আপেক্ষিকতার (Special Relativity) দিকে এগিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “ম্যাক্সওয়েলের সমীকরণ ছাড়া আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান কল্পনাই করা যেত না।”

    👉 সংক্ষেপে বলা যায়, ম্যাক্সওয়েলকে আইনস্টাইন বেশি প্রিয় বিজ্ঞানী মনে করতেন, কারণ তাঁর সমীকরণ থেকেই আইনস্টাইনের বিপ্লবী চিন্তার সূচনা হয়েছিল।

    আপনি চাইলে আমি আইনস্টাইনের সরাসরি উক্তি (quote) খুঁজে দিয়ে দিতে পারি যেখানে তিনি ম্যাক্সওয়েল বা অন্য বিজ্ঞানীদের প্রশংসা করেছেন — চাইবেন কি?

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  13. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    সামুদ্রিক জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে টার্নিং ডায়ামিটার কি?

    Sumaiya Rahman
    Sumaiya Rahman নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 12 মাস আগে

    টার্নিং ডায়ামিটার হলো একটি বৃত্তাকার পথের ব্যাস যা একটি জাহাজ সর্বোচ্চ গতিতে বাঁক নেওয়ার সময় অতিক্রম করে। একে জাহাজের মোড় নেওয়ার সক্ষমতাও বলা যায়। ধরুন, আপনি একটি বড় গাড়ি চালাচ্ছেন এবং একটি সংকীর্ণ মোড় ঘোরার চেষ্টা করছেন। গাড়িটি সোজা না গিয়ে কিছুটা বড় জায়গা নিয়ে মোড় নেবে। এই যে গাড়িটি একটি বৃত্তাকবিস্তারিত পড়ুন

    টার্নিং ডায়ামিটার হলো একটি বৃত্তাকার পথের ব্যাস যা একটি জাহাজ সর্বোচ্চ গতিতে বাঁক নেওয়ার সময় অতিক্রম করে। একে জাহাজের মোড় নেওয়ার সক্ষমতাও বলা যায়।

    ধরুন, আপনি একটি বড় গাড়ি চালাচ্ছেন এবং একটি সংকীর্ণ মোড় ঘোরার চেষ্টা করছেন। গাড়িটি সোজা না গিয়ে কিছুটা বড় জায়গা নিয়ে মোড় নেবে। এই যে গাড়িটি একটি বৃত্তাকার পথ তৈরি করে, সেই বৃত্তের এক পাশ থেকে অন্য পাশ পর্যন্ত যে দূরত্ব, সেটাই হলো গাড়ির টার্নিং ডায়ামিটার। 🚗

    সামুদ্রিক জাহাজের ক্ষেত্রেও একই ধারণা প্রযোজ্য। একটি টার্নিং ডায়ামিটার যত বড় হবে, জাহাজটির মোড় নেওয়ার জন্য তত বেশি জায়গার প্রয়োজন হবে। যেসব বন্দরের চ্যানেল বা জলপথ সরু, সেখানে ছোট টার্নিং ডায়ামিটারযুক্ত জাহাজ চলাচল করা সুবিধাজনক। বড় টার্নিং ডায়ামিটারযুক্ত জাহাজগুলো খোলা সমুদ্রের মতো প্রশস্ত এলাকায় মোড় নিতে পারে।

    সংক্ষেপে:
    * টার্নিং ডায়ামিটার ছোট হলে জাহাজটি সহজে ও কম জায়গায় মোড় নিতে পারে।
    * টার্নিং ডায়ামিটার বড় হলে জাহাজটির মোড় নেওয়ার জন্য বেশি জায়গার প্রয়োজন হয়।

    এই পরিমাপটি জাহাজের নিরাপত্তা এবং নেভিগেশuনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জাহাজের নকশা, গতি, এবং জলের স্রোতের উপর এর মান নির্ভর করে। 🧭

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  14. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কোন মাছের স্বাদ চিনি অপেক্ষা ৩০০ গুণ মিষ্টি ?

    Sumaiya Rahman
    Sumaiya Rahman নতুন
    রিপ্লাই করেছেন 12 মাস আগে

    🤔

    🤔

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  15. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিনোদন

    কোন বিখ্যাত চিত্রকর” তার সদ্য আঁকা ছবি দেখে একনাগারে হাঁসতে হাসতে মারা যান?

    Sumaiya Rahman
    Sumaiya Rahman নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    গ্রিক চিত্রশিল্পী জিউক্সিস (Zeuxis) তার আঁকা একটি ছবি দেখে হাসতে হাসতে মারা যান। একদিন এক বৃদ্ধ মহিলা তাকে ভালবাসা, সৌন্দর্য এবং আনন্দের দেবী আফ্রোদিতির ছবি এঁকে দিতে বলেন। ছবি আঁকা শেষে যখন তিনি ছবিটি দেখেন, তখন সেই বৃদ্ধার কথা মনে করে হাসতে হাসতে তার মৃত্যু হয়।

    গ্রিক চিত্রশিল্পী জিউক্সিস (Zeuxis) তার আঁকা একটি ছবি দেখে হাসতে হাসতে মারা যান।

    একদিন এক বৃদ্ধ মহিলা তাকে ভালবাসা, সৌন্দর্য এবং আনন্দের দেবী আফ্রোদিতির ছবি এঁকে দিতে বলেন। ছবি আঁকা শেষে যখন তিনি ছবিটি দেখেন, তখন সেই বৃদ্ধার কথা মনে করে হাসতে হাসতে তার মৃত্যু হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  16. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পা কোন প্রাণীর এবং কতটি ?

    Sumaiya Rahman
    Sumaiya Rahman নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পা রয়েছে কেন্নোর (millipede) প্রজাতির। নাম Eumillipes persephone। এদের শরীরে ১৩০৬টি পর্যন্ত পা থাকতে পারে। "কেন্নো" শব্দটি ল্যাটিন শব্দ "millipes" থেকে এসেছে, যার অর্থ "হাজার পা"। তবে Eumillipes persephone প্রজাতিটিই এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রাণীদের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক পায়ের অধিবিস্তারিত পড়ুন

    পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পা রয়েছে কেন্নোর (millipede) প্রজাতির। নাম Eumillipes persephone। এদের শরীরে ১৩০৬টি পর্যন্ত পা থাকতে পারে। “কেন্নো” শব্দটি ল্যাটিন শব্দ “millipes” থেকে এসেছে, যার অর্থ “হাজার পা”। তবে Eumillipes persephone প্রজাতিটিই এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রাণীদের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক পায়ের অধিকারী।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  17. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কোন মাছের স্বাদ চিনি অপেক্ষা ৩০০ গুণ মিষ্টি ?

    Sumaiya Rahman
    Sumaiya Rahman নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    আপনি মনেহয় গাছ লিখতে গিয়ে মাছ লিখে ফেলেছেন! যাইহোক, স্টেভিয়া গাছের পাতা চিনি অপেক্ষা ৩০-৪০ গুণ এবং পাতার স্টেভিয়াসাইড চিনি অপেক্ষা ৩০০ গুণ বেশি মিষ্টি। ক্যালরিমুক্ত হওয়ায় স্টেভিয়া ডায়াবেটিক রোগী খেলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ পরিবর্তন হয় না।

    আপনি মনেহয় গাছ লিখতে গিয়ে মাছ লিখে ফেলেছেন! যাইহোক, স্টেভিয়া গাছের পাতা চিনি অপেক্ষা ৩০-৪০ গুণ এবং পাতার স্টেভিয়াসাইড চিনি অপেক্ষা ৩০০ গুণ বেশি মিষ্টি। ক্যালরিমুক্ত হওয়ায় স্টেভিয়া ডায়াবেটিক রোগী খেলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ পরিবর্তন হয় না।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  18. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বিশ্বে এমন একটি দ্বীপ রয়েছে যেখানে কোন নারী বাস করে না, সেখানে সবাই সন্ন্যাসী। দ্বীপটির নাম কি এবং কোথায় অবস্থিত?

    Sumaiya Rahman
    Sumaiya Rahman নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    জাপানের ওকিনোশিমা দ্বীপে নারীদের প্রবেশাধিকার নেই। এই দ্বীপটি জাপানের একটি পবিত্র স্থান এবং এটি পুরুষদের জন্য সংরক্ষিত। স্থানীয়দের কাছে এটি একটি পবিত্র স্থান এবং এখানে শুধু পুরুষরা উপাসনার জন্য যাওয়া আসা করতে পারে, কিন্তু নারীদের প্রবেশাধিকার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এই দ্বীপটি শিন্তো ধর্মের সাথে সম্পর্কবিস্তারিত পড়ুন

    জাপানের ওকিনোশিমা দ্বীপে নারীদের প্রবেশাধিকার নেই। এই দ্বীপটি জাপানের একটি পবিত্র স্থান এবং এটি পুরুষদের জন্য সংরক্ষিত।

    স্থানীয়দের কাছে এটি একটি পবিত্র স্থান এবং এখানে শুধু পুরুষরা উপাসনার জন্য যাওয়া আসা করতে পারে, কিন্তু নারীদের প্রবেশাধিকার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এই দ্বীপটি শিন্তো ধর্মের সাথে সম্পর্কিত এবং এখানে প্রাচীন মন্দির রয়েছে। দ্বীপের এই কঠোর নিয়মটি সম্ভবত ঐতিহ্য এবং ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে চলে আসছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  19. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পৃথিবীর সবচেয়ে দামি কলমের নাম কি?

    Sumaiya Rahman
    Sumaiya Rahman নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    পৃথিবীর সবচেয়ে দামি কলমের নাম হল অরোরা ডায়ামান্টে ফাউন্টেন পেন (Aurora Diamante)। এর দাম প্রায় ১৮ কোটি টাকার বেশি। এই কলমটি হীরা দিয়ে সজ্জিত এবং এটি অরোরা কোম্পানি তৈরি করে।

    পৃথিবীর সবচেয়ে দামি কলমের নাম হল অরোরা ডায়ামান্টে ফাউন্টেন পেন (Aurora Diamante)। এর দাম প্রায় ১৮ কোটি টাকার বেশি। এই কলমটি হীরা দিয়ে সজ্জিত এবং এটি অরোরা কোম্পানি তৈরি করে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  20. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিনোদন

    মিঃ ম্যাংগো চকোলেট থাকলেও মিসেস কিংবা মিস ম্যাংগো চকোলেট নেই কেন?

    mokbul
    mokbul পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    'মিস্টার ম্যাঙ্গো' নামটি মূলত একটি ব্র্যান্ডিং কৌশল। এখানে 'মিস্টার' শব্দটি কোনো পুরুষকে বোঝানোর জন্য ব্যবহার করা হয়নি, বরং এটি চকোলেটটিকে একটি মজাদার এবং আকর্ষণীয় চরিত্র দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। এটি অনেকটা 'ড্যানিশ' বা 'স্কচ' নামের মতো, যেখানে কোনো দেশ বা জায়গার নাম ব্যবহার করা হয় পণ্যটবিস্তারিত পড়ুন

    ‘মিস্টার ম্যাঙ্গো’ নামটি মূলত একটি ব্র্যান্ডিং কৌশল। এখানে ‘মিস্টার’ শব্দটি কোনো পুরুষকে বোঝানোর জন্য ব্যবহার করা হয়নি, বরং এটি চকোলেটটিকে একটি মজাদার এবং আকর্ষণীয় চরিত্র দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। এটি অনেকটা ‘ড্যানিশ’ বা ‘স্কচ’ নামের মতো, যেখানে কোনো দেশ বা জায়গার নাম ব্যবহার করা হয় পণ্যটিকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করার জন্য।

    সুতরাং, এই চকোলেটটির নাম ‘মিস্টার ম্যাঙ্গো’ রাখার পেছনে প্রধান কারণগুলো হলো:

    • সহজে মনে রাখা: ‘মিস্টার ম্যাঙ্গো’ নামটি শুনতে মজাদার এবং সহজেই মানুষের মনে থাকে।
    • আকর্ষণীয় ব্র্যান্ডিং: একটি ‘চরিত্র’ তৈরি করে পণ্যটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা।
    • স্বতন্ত্র পরিচয়: বাজারে অন্য চকোলেট থেকে এটিকে আলাদাভাবে চেনানোর জন্য এই নামটি ব্যবহার করা হয়।

    তাই, ‘মিসেস’ বা ‘মিস’ ম্যাঙ্গো চকোলেট নেই, কারণ ‘মিস্টার’ শব্দটি এখানে কোনো লিঙ্গ বোঝানোর জন্য ব্যবহার করা হয়নি, বরং এটি ব্র্যান্ডের একটি অংশ মাত্র।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
1 … 3 4 5 6 7 … 48

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • jahanur
    jahanur একটি উত্তর দিয়েছেন You can definitely use Instagram downloaders on both your phone… জুলাই 26, 2026, সময়ঃ 1:11 অপরাহ্ন
  • ঝুমুর হাসান
    ঝুমুর হাসান একটি উত্তর দিয়েছেন কাকরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janta Party) কাকরোচ জনতা পার্টি (CJP)… জুলাই 22, 2026, সময়ঃ 12:58 অপরাহ্ন
  • Fist Name
    Fist Name একটি উত্তর দিয়েছেন https://jojoji.com এই লিংক থেকে পোস্ট বা প্রশ্ন উত্তর করে সহজেই… জুলাই 13, 2026, সময়ঃ 1:50 পূর্বাহ্ন
  • mar7w7
    mar7w7 একটি উত্তর দিয়েছেন great post! জুন 15, 2026, সময়ঃ 2:56 পূর্বাহ্ন
  • M Sarah
    M Sarah একটি উত্তর দিয়েছেন তাফসীরুল কুরআনিল আযীম বা তাফসীরে ইবনে কাসীর ইসলামী বিশ্বের অন্যতম… জুন 10, 2026, সময়ঃ 9:18 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 113 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,167 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 161 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 122 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 82 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

www.transfer403.pages.dev - YOUR BALANCE 97538 USDT h52

www.transfer403.pages.dev - YOUR BALANCE 97538 USDT h52

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
www.transfer403.pages.dev - BTC TRANSFER 1.2924 BTC d9g

www.transfer403.pages.dev - BTC TRANSFER 1.2924 BTC d9g

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
sofialarsen

sofialarsen

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
S,j juyel Raj

S,j juyel Raj

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
itbloginti

itbloginti

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন