সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

ashad khandaker

সবজান্তা
প্রশ্ন করুন ashad khandaker
526 বার প্রদর্শিত
2 ফলোয়ার
2,496 প্রশ্ন
হোমপেজ/ ashad khandaker/ফলোয়ারদের উত্তর
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পছন্দ তালিকা
  • ফলোকৃত প্রশ্ন
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  • ফলোকৃতদের প্রশ্ন
  • ফলোকৃতদের উত্তর
  • ফলোয়ারদের ব্লগ
  • ফলোকৃত/ফলোয়ারদের ব্লগ মন্তব্য
  1. সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মোবাইল (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    আপনার ফোন বৈধভাবে নিবন্ধিত কি না জানবেন যেভাবে

    surma
    surma নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    বিস্তারিততে আপনার উত্তর দেখে ভাল লাগলো। কিন্তু আমার কিছু প্রশ্ন ছিলঃ ১. আমার ফোনটি যদি *১৬১৬১# ডায়াল করার পর 'অবৈধ' বা 'নিবন্ধিত নয়' দেখায়, তাহলে আমার করণীয় কী? আমার ফোনটি কি বন্ধ হয়ে যাবে? ২. আমি যদি বিদেশ থেকে একটি ফোন এনে থাকি বা উপহার পেয়ে থাকি, সেটি নিবন্ধন করার প্রক্রিয়া কী? ৩. neir.btrcবিস্তারিত পড়ুন

    বিস্তারিততে আপনার উত্তর দেখে ভাল লাগলো। কিন্তু আমার কিছু প্রশ্ন ছিলঃ

    ১. আমার ফোনটি যদি *১৬১৬১# ডায়াল করার পর ‘অবৈধ’ বা ‘নিবন্ধিত নয়’ দেখায়, তাহলে আমার করণীয় কী? আমার ফোনটি কি বন্ধ হয়ে যাবে?

    ২. আমি যদি বিদেশ থেকে একটি ফোন এনে থাকি বা উপহার পেয়ে থাকি, সেটি নিবন্ধন করার প্রক্রিয়া কী?

    ৩. neir.btrc.gov.bd ওয়েবসাইটের ‘সিটিজেন পোর্টাল’ ব্যবহার করে কীভাবে ফোনের নিবন্ধন অবস্থা যাচাই বা নিবন্ধন করা যায়?

    ৪. আমার ব্যবহৃত পুরোনো বাটন ফোনটিও কি এই প্রক্রিয়ায় যাচাই করতে হবে?

    আশাকরি আপনার কাছ থেকে উত্তর পাবো।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  2. সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    সব ভূমিকম্পের পর সুনামি হয় না কেন?

    biplob
    biplob নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    সব ভূমিকম্পের পর সুনামি হয় না। সুনামি ঘটতে হলে কিছু বিশেষ পরিস্থিতি পূরণ করতে হয়। সুনামি সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে ঘটে যাওয়া ভূমিকম্পের কারণে হয়। যখন সমুদ্রের তলদেশে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প ঘটে, তখন তলদেশ থেকে একটি বিশাল পরিমাণ পানি উঠে আসে এবং সে পানি সমুদ্রের উপকূলের দিকে ঝাঁকিয়ে পড়ে। এই পানিবিস্তারিত পড়ুন

    সব ভূমিকম্পের পর সুনামি হয় না। সুনামি ঘটতে হলে কিছু বিশেষ পরিস্থিতি পূরণ করতে হয়। সুনামি সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে ঘটে যাওয়া ভূমিকম্পের কারণে হয়। যখন সমুদ্রের তলদেশে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প ঘটে, তখন তলদেশ থেকে একটি বিশাল পরিমাণ পানি উঠে আসে এবং সে পানি সমুদ্রের উপকূলের দিকে ঝাঁকিয়ে পড়ে। এই পানি সমুদ্রের উপকূলের দিকে তীব্র বেগে চলতে থাকে এবং সুনামি সৃষ্টি করে।

    সুনামি ঘটার জন্য নিম্নলিখিত কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়:

    ভূমিকম্পের শক্তি

    ভূমিকম্পের মাত্রা 7.0 বা তার বেশি হতে হবে।

    ভূমিকম্পের গভীরতা

    ভূমিকম্পের কেন্দ্র সমুদ্রের তলদেশের নিকটবর্তী হতে হবে, সাধারণত 20 কিলোমিটার বা তার কম গভীরতা।

    ভূমিকম্পের ধরন

    ভূমিকম্পটি সাধারণত থ্রাস্ট বা রিভার্স ফল্টের ধরনের হতে হবে, যা সমুদ্রের তলদেশে পানি উঠে আসতে সাহায্য করে।

    যদি এই শর্তগুলি পূরণ না হয়, তাহলে ভূমিকম্পের পর সুনামি ঘটবে না।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  3. সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    ভিটামিন B12 কি শরীরের জন্য খারাপ?

    biplob
    biplob নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    ভিটামিন B12 শরীরের জন্য উপকারি নাকি অপকারী ভিটামিন B12 শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি রক্তের কোষের গঠন, নার্ভ সিস্টেমের কার্যকারিতা, এবং ডিএনএ সিন্থেসিসের জন্য প্রয়োজনীয়। ভিটামিন B12 এর অভাব হতে পারে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ, যেমন অ্যানিমিয়া, নার্ভ ডিজঅর্ডার, এবং মেমোরি সমস্যা। তাই, ভিটবিস্তারিত পড়ুন

    ভিটামিন B12 শরীরের জন্য উপকারি নাকি অপকারী

    ভিটামিন B12 শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি রক্তের কোষের গঠন, নার্ভ সিস্টেমের কার্যকারিতা, এবং ডিএনএ সিন্থেসিসের জন্য প্রয়োজনীয়। ভিটামিন B12 এর অভাব হতে পারে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ, যেমন অ্যানিমিয়া, নার্ভ ডিজঅর্ডার, এবং মেমোরি সমস্যা। তাই, ভিটামিন B12 শরীরের জন্য খারাপ নয়, বরং এটি শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  4. সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বোয়িং বিমান কেন বারেবারে বিধ্বস্ত হয়?

    নুসরাত জাহান
    নুসরাত জাহান নতুন nai
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    "বারেবারে বিধ্বস্ত হয়"—এই কথাটি পুরোপুরি সঠিক না হলেও, বোয়িংয়ের ৭৩৭ ম্যাক্স (737 MAX) মডেলের বিমানগুলো পরপর দুটি বড় দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল, যা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না, বরং একই ডিজাইনগত ত্রুটির কারণে ঘটেছিল। সম্প্রতি, বোয়িংয়ের বিমানগুলোতে উৎপাদনগত ত্রুটি বা মান নিয়ন্ত্রণের (Quality Control) অভাবজনবিস্তারিত পড়ুন

    “বারেবারে বিধ্বস্ত হয়”—এই কথাটি পুরোপুরি সঠিক না হলেও, বোয়িংয়ের ৭৩৭ ম্যাক্স (737 MAX) মডেলের বিমানগুলো পরপর দুটি বড় দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল, যা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না, বরং একই ডিজাইনগত ত্রুটির কারণে ঘটেছিল।

    সম্প্রতি, বোয়িংয়ের বিমানগুলোতে উৎপাদনগত ত্রুটি বা মান নিয়ন্ত্রণের (Quality Control) অভাবজনিত বিভিন্ন ঘটনা (যেমন: মাঝ আকাশে দরজা খুলে পড়া) এই উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

    মূল কারণগুলোকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:

    ১. মারাত্মক ডিজাইনগত ত্রুটি (৭৩৭ ম্যাক্স ৮ দুর্ঘটনা)

    ২০১৮ সালে লায়ন এয়ার (Lion Air) এবং ২০১৯ সালে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স (Ethiopian Airlines)—দুটি বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ বিমান উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরেই বিধ্বস্ত হয়। তদন্তে দেখা যায়, দুটি দুর্ঘটনার কারণই এক এবং তা হলো বোয়িংয়ের নিজস্ব সফ্টওয়্যারের ত্রুটি।

    • MCAS সফ্টওয়্যার: ৭৩৭ ম্যাক্স মডেলে বোয়িং একটি নতুন স্বয়ংক্রিয় সফ্টওয়্যার (যাকে MCAS বা Maneuvering Characteristics Augmentation System বলা হয়) যুক্ত করেছিল।
    • ত্রুটিপূর্ণ সেন্সর: এই MCAS সিস্টেমটি একটি মাত্র সেন্সরের (Angle of Attack sensor) তথ্যের ওপর নির্ভর করতো। সেন্সরটি ভুল তথ্য দিলেই MCAS স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিমানের মুখটি নিচের দিকে নামিয়ে দিচ্ছিল।
    • পাইলটদের অজ্ঞতা: সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো, বোয়িং এই নতুন সফ্টওয়্যারটির বিষয়ে পাইলটদের বিস্তারিত জানায়নি বা পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেনি। ফলে পাইলটরা বুঝতে পারছিলেন না কেন বিমানটি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে এবং তারা বিমানটিকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে পারেননি।

    এই দুটি দুর্ঘটনায় ৩৪৬ জন মানুষের মৃত্যুর পর বিশ্বের সব ৭৩৭ ম্যাক্স বিমান প্রায় দুই বছরের জন্য গ্রাউন্ডেড (উড্ডয়ন নিষিদ্ধ) ছিল।

    ২. সাম্প্রতিক উৎপাদন ও মান নিয়ন্ত্রণের (QC) সমস্যা

    ৭৩৭ ম্যাক্সের ওই ঘটনার পর বোয়িং তাদের সিস্টেম ঠিক করে উড্ডয়নের অনুমতি পেলেও, তাদের উৎপাদন প্রক্রিয়ার ওপর মানুষের সন্দেহ তৈরি হয়।

    • আলাস্কা এয়ারলাইন্সের ঘটনা (জানুয়ারি ২০২৪): সম্প্রতি আলাস্কা এয়ারলাইন্সের একটি বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৯ বিমানের একটি “ডোর প্লাগ” (Door Plug – যেটি অব্যবহৃত ইমার্জেন্সি দরজার জায়গায় বসানো থাকে) মাঝ আকাশে খুলে পড়ে যায়।
    • কারণ: তদন্তে দেখা গেছে, কারখানায় বিমানটি তৈরি করার সময় ওই ডোর প্লাগটিতে প্রয়োজনীয় বল্টু লাগানো হয়নি। এটি কোনো ডিজাইনগত ত্রুটি ছিল না, বরং এটি ছিল উৎপাদন ও মান নিয়ন্ত্রণের ভয়াবহ গাফিলতি।
    • অন্যান্য ঘটনা: এরপর থেকে বোয়িংয়ের বিভিন্ন বিমানে আরও ছোটখাটো ত্রুটি (যেমন: চাকা খুলে পড়া, ইঞ্জিনে আগুন) ধরা পড়ছে, যা বোয়িংয়ের উৎপাদন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

    মূল কারণ (Underlying Cause)

    বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বোয়িং একসময় প্রকৌশল ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিলেও, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তারা আর্থিক লাভ ও দ্রুত উৎপাদনের দিকে বেশি মনোযোগী হয়েছিল। এর ফলে তাদের সাপ্লাই চেইন এবং কারখানার মান নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়াগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছে, যার ফলাফলই হলো এই দুর্ঘটনা ও ত্রুটিগুলো।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  5. সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ইয়াহুদীরা তাওরাতকে কিভাবে বিকৃত করেছে?

    নুসরাত জাহান
    নুসরাত জাহান নতুন nai
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    🕌 ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে তাওরাত বিকৃতি মহান আল্লাহ নবী মূসা (আঃ)-এর ওপর যে মূল তাওরাত কিতাব নাযিল করেছিলেন, কালের পরিক্রমায় সেই কিতাবে মানুষেরা নিজেদের মনগড়া কথা ঢুকিয়ে দিয়েছে বা আল্লাহর বাণী পরিবর্তন করেছে। এই বিকৃতির প্রধান কয়েকটি উপায় হলো: ১. পরিবর্তন, সংযোজন ও বিয়োজন (কথা বদলে দেওয়া, নতুন কথাবিস্তারিত পড়ুন

    🕌 ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে তাওরাত বিকৃতি

    মহান আল্লাহ নবী মূসা (আঃ)-এর ওপর যে মূল তাওরাত কিতাব নাযিল করেছিলেন, কালের পরিক্রমায় সেই কিতাবে মানুষেরা নিজেদের মনগড়া কথা ঢুকিয়ে দিয়েছে বা আল্লাহর বাণী পরিবর্তন করেছে। এই বিকৃতির প্রধান কয়েকটি উপায় হলো:

    ১. পরিবর্তন, সংযোজন ও বিয়োজন (কথা বদলে দেওয়া, নতুন কথা যোগ করা বা বাদ দেওয়া):

    • শব্দ বা বাক্যের পরিবর্তন: আল্লাহর নাযিল করা শব্দের অর্থ বা উদ্দেশ্যকে পাল্টে দেওয়ার জন্য কিছু লোক তাওরাতের ভেতরের কথাগুলোই পরিবর্তন করে দিয়েছে। ধরুন, কোনো কথা “ক” বলা ছিল, তারা সেটাকে “খ” বানিয়ে দিয়েছে।
    • নিজস্ব কথা বা আইন যোগ করা: তারা নিজেদের বানানো কিছু নিয়ম বা কথাকে আল্লাহর বাণী বলে চালিয়ে দিয়েছে। যেমন, কোনো কাজ তাদের স্বার্থের অনুকূল হলে সেটাকে কিতাবের অংশ বলে প্রচার করেছে, যা আসলে আল্লাহর পক্ষ থেকে আসেনি।
    • কিছু অংশ বাদ দেওয়া: তাদের স্বার্থের বিরুদ্ধে যাওয়া কিছু নির্দেশ বা বাণী, বিশেষ করে শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর আগমন সম্পর্কিত ভবিষ্যদ্বাণীগুলো তারা ইচ্ছে করে কিতাব থেকে বাদ দিয়ে দিয়েছে বলে মনে করা হয়।

    ২. অর্থ বা ব্যাখ্যা বিকৃত করা (কথার ভুল ব্যাখ্যা করা):

    • কখনো কখনো তারা মূল কথাটি ঠিক রেখেও তার ব্যাখ্যা এমনভাবে করেছে যাতে সাধারণ মানুষ ভুল বোঝে এবং তাদের (ধর্মগুরুদের) স্বার্থ রক্ষা হয়।
    • কুরআনে বলা হয়েছে, তারা আল্লাহর বাণী শোনার পরও জেনে-শুনে তা বিকৃত করত এবং নিজেদের মনগড়া কথাকে আল্লাহর কিতাবের অংশ বলত।

    ৩. নতুন কিতাব বা আইন তৈরি:

    • ইহুদিরা তালমুদ নামে এমন কিছু গ্রন্থ তৈরি করেছে, যেখানে তাদের ধর্মগুরুদের (রাব্বিদের) আলোচনা, ব্যাখ্যা ও নিজস্ব আইন-কানুন রয়েছে। ইসলামী বিশ্বাস অনুসারে, এই তালমুদকে তারা মূল আসমানী কিতাব তাওরাতের চেয়েও বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে, যা প্রকৃত তাওরাতের শিক্ষা থেকে তাদের দূরে সরিয়ে দিয়েছে।

    ধরুন, আপনার কাছে আপনার বাবার লেখা একটি চিঠি আছে। যদি সেই চিঠির কিছু কথা আপনি মুছে ফেলেন, নতুন কিছু কথা নিজের হাতে যোগ করেন, বা চিঠির আসল অর্থ গোপন করে অন্যভাবে মানুষকে বোঝান—তাহলে সেই চিঠি আর আপনার বাবার আসল চিঠি থাকবে না, বিকৃত হয়ে যাবে। ইসলাম ধর্মের মতে, ইহুদিদের দ্বারা তাওরাতের ক্ষেত্রেও অনেকটা এমনটাই ঘটেছে।

    এই বিকৃতির ফলেই বর্তমানে তাদের কাছে যে ধর্মগ্রন্থ (তোরাহ/ওল্ড টেস্টামেন্ট) আছে, তা আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিল হওয়া মূল তাওরাত নয় বলে মুসলিমরা বিশ্বাস করে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  6. সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বরফ থাকা স্বত্বেও বাঙলিীরা কোন খাবারটি গরম করে খায়?

    নুসরাত জাহান
    নুসরাত জাহান নতুন nai
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    RICE মানে ভাত। অর্থাৎ ভাতের ইংরেজি Rice, এখানে Ice মানে বরফ আছে। এরপরও মানুষ গরম খায়।

    RICE মানে ভাত। অর্থাৎ ভাতের ইংরেজি Rice, এখানে Ice মানে বরফ আছে। এরপরও মানুষ গরম খায়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  7. সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    তৈরীর কাঁচামাল একই অথচ ময়দা, আটা ও সুজি আলাদা কেন?

    নুসরাত জাহান
    নুসরাত জাহান নতুন nai
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    💡 কেন একই গম থেকে তৈরি আটা, ময়দা আর সুজি আলাদা হয়? আসলে, তিনটি জিনিসই (আটা, ময়দা, সুজি) তৈরি হয় আমাদের পরিচিত গম থেকে। কিন্তু এদের মধ্যে পার্থক্য হওয়ার কারণ হলো, গমকে যখন কলে বা মেশিনে ভাঙা হয়, তখন ঠিক কোন অংশটা নেওয়া হচ্ছে এবং সেটাকে কতটা মিহি করে গুঁড়ো করা হচ্ছে—সেটাই আসল ব্যাপার। ১. আটা (Wholeবিস্তারিত পড়ুন

    💡 কেন একই গম থেকে তৈরি আটা, ময়দা আর সুজি আলাদা হয়?

    আসলে, তিনটি জিনিসই (আটা, ময়দা, সুজি) তৈরি হয় আমাদের পরিচিত গম থেকে। কিন্তু এদের মধ্যে পার্থক্য হওয়ার কারণ হলো, গমকে যখন কলে বা মেশিনে ভাঙা হয়, তখন ঠিক কোন অংশটা নেওয়া হচ্ছে এবং সেটাকে কতটা মিহি করে গুঁড়ো করা হচ্ছে—সেটাই আসল ব্যাপার।

    ১. আটা (Whole Wheat Flour)

    আটা হলো এদের মধ্যে সবচেয়ে ভালো বা স্বাস্থ্যকর।

    • কীভাবে তৈরি? গমকে যখন ভাঙা হয়, তখন তার পুরোটা (বাইরের লালচে খোসা বা ভুসি এবং ভেতরের নরম অংশ—সবকিছু) একসঙ্গে রেখে গুঁড়ো করা হয়।
    • কেমন দেখতে? এর রং হালকা বাদামী এবং হাতে নিলে মোটামুটি দানাদার বা খসখসে লাগে।
    • উপকারিতা: ভুসি থাকার কারণে এতে অনেক ফাইবার (আঁশ) থাকে, যা পেট পরিষ্কার রাখে এবং হজমে সাহায্য করে। এই জন্যই আটার রুটি স্বাস্থ্যকর।

    ২. ময়দা (Refined Flour / Maida)

    ময়দা হলো এদের মধ্যে সবচেয়ে মিহি।

    • কীভাবে তৈরি? গমকে ভাঙার আগে তার বাইরের খোসা (ভুসি) এবং ভেতরের একটা অংশ (ভ্রূণ) সম্পূর্ণ ফেলে দেওয়া হয়। শুধু গমের সাদা ভেতরের অংশটুকু খুব মিহি করে গুঁড়ো করা হয়।
    • কেমন দেখতে? এটি দুধের মতো সাদা এবং এতটাই মিহি যে হাতে নিলে একদম মসৃণ লাগে।
    • সমস্যা: ভুসি ফেলে দেওয়ায় এর বেশিরভাগ ফাইবার এবং দরকারি পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। এই কারণে ময়দা হজম করতে কষ্ট হয় এবং এটা আটার মতো ততটা স্বাস্থ্যকর নয়।

    ৩. সুজি (Semolina / Rava)

    সুজি দেখতে দানা দানা।

    • কীভাবে তৈরি? সুজি তৈরির প্রক্রিয়াটা আটা বা ময়দার থেকে একটু আলাদা। গমকে যখন ভাঙা হয়, তখন এটাকে না বেশি মিহি করে, না বেশি মোটা করে—মাঝারিভাবে দানাদার করে রাখা হয়। অনেকটা চিনির দানার মতো।
    • কেমন দেখতে? এটি দেখতে ছোট ছোট দানা বা ‘রাভা’-র মতো এবং রং সাধারণত ফ্যাকাশে হলুদ হয়।
    • ব্যবহার: সুজি দিয়ে সাধারণত হালুয়া, উপমা, বা সেমাই জাতীয় খাবার তৈরি হয়।

    সহজ কথা হলো:

    • আটা: গমের সব অংশ নেওয়া হয়েছে, তাই পুষ্টিকর।
    • ময়দা: গমের ভালো অংশগুলো ফেলে দিয়ে শুধু ভেতরের সাদা অংশটুকু মিহি করে নেওয়া হয়েছে।
    • সুজি: গমকে দানাদার করে রাখা হয়েছে।

    আপনি যদি এই তিনটি উপকরণের মধ্যে কোনটির খাবার বানালে কেমন স্বাদ হয় বা কোনটি কোন কাজে লাগে, সে সম্পর্কে জানতে চান, তবে জিজ্ঞেস করতে পারেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  8. সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ ইতিহাস

    বাঙালী জাতি কিভাবে গড়ে উঠেছিলো? কি সেই ইতিহাস?

    surma
    surma নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    বাঙালি জাতি গড়ে উঠেছে অস্ট্রিক, দ্রাবিড়, ও আর্য জাতীর সংমিশ্রনে। তবে এর প্রধান অংশটুকু গড়ে উঠে অস্ট্রিক জাতি থেকে। অস্ট্রিক জাতিকে আদি অস্ট্রেলিও বা অস্ট্রালয়েডও বলা হয়। প্রাচীন সাহিত্যে এদের “নিষাদ” নামে উল্লেখ পাওয়া যায়। বাঙালি জাতিকে প্রাক আর্য বা অনার্য জনগোষ্ঠি এবং আর্য জনগোষ্ঠি এই দুই ভাগে ভাগবিস্তারিত পড়ুন

    বাঙালি জাতি গড়ে উঠেছে অস্ট্রিক, দ্রাবিড়, ও আর্য জাতীর সংমিশ্রনে। তবে এর প্রধান অংশটুকু গড়ে উঠে অস্ট্রিক জাতি থেকে। অস্ট্রিক জাতিকে আদি অস্ট্রেলিও বা অস্ট্রালয়েডও বলা হয়। প্রাচীন সাহিত্যে এদের “নিষাদ” নামে উল্লেখ পাওয়া যায়।

    বাঙালি জাতিকে প্রাক আর্য বা অনার্য জনগোষ্ঠি এবং আর্য জনগোষ্ঠি এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়। আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠি প্রাধানত চার ভাগে বিভক্ত যথাঃ ১. নেগ্রিটো ২. অস্ট্রিক ৩. দ্রাবিড় ৪. মঙ্গোলীয় বা ভোটচীনীয়।

    বিভিন্ন জাতি মিলে মিশে হাজার বছরে আমাদের বাঙালি জাতি তৈরি হয়েছে। তাই বাঙালি জাতিকে সংকর জাতি বলা হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  9. সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ব্রা (BRA) একটি সংক্ষিপ্ত রূপ। এর পূর্ণরূপ কি? ব্রা-এর বাংলা অর্থ কী?

    রিমা
    রিমা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    আপনি সম্ভবত মহিলাদের পরিধেয় বস্ত্র 'ব্রা' (Bra) এর কথা বলছেন। এই প্রসঙ্গে, সঠিক তথ্য নিচে দেওয়া হলো: 🌟 ব্রা (Bra) এর পূর্ণরূপ ও অর্থ 'ব্রা' হলো একটি সংক্ষিপ্ত রূপ (Abbreviation) নয়, বরং এটি একটি ফরাসি শব্দ থেকে এসেছে যা পরে ইংরেজিতে সংক্ষিপ্ত হয়েছে। অংশ বর্ণনা শব্দ: ব্রাসিয়ার (Brassiere) পূর্ণরূপ (Fবিস্তারিত পড়ুন

    আপনি সম্ভবত মহিলাদের পরিধেয় বস্ত্র ‘ব্রা’ (Bra) এর কথা বলছেন।

    এই প্রসঙ্গে, সঠিক তথ্য নিচে দেওয়া হলো:

    🌟 ব্রা (Bra) এর পূর্ণরূপ ও অর্থ

    ‘ব্রা’ হলো একটি সংক্ষিপ্ত রূপ (Abbreviation) নয়, বরং এটি একটি ফরাসি শব্দ থেকে এসেছে যা পরে ইংরেজিতে সংক্ষিপ্ত হয়েছে।

    অংশ বর্ণনা
    শব্দ: ব্রাসিয়ার (Brassiere)
    পূর্ণরূপ (Full Form): ‘ব্রা’ নিজেই ‘ব্রাসিয়ার’ (Brassiere) শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ।
    ফরাসি উৎস: ফরাসি শব্দ ‘brassière’ থেকে এটি এসেছে, যার মূল অর্থ ছিল বর্ম বা শিশুর আন্ডারশার্টের মতো এক ধরনের বন্ধনী।
    বাংলা অর্থ: ব্রা-এর কোনো সরাসরি বাংলা প্রতিশব্দ নেই, তবে একে সাধারণত বক্ষবন্ধনী বা স্তনবন্ধনী বলা হয়।

    বক্ষবন্ধনীর মূল কাজ হলো মহিলাদের বক্ষ বা স্তনকে ধরে রাখা, সমর্থন দেওয়া এবং আকার বা আকৃতি প্রদান করা।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  10. সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    0 প্রথম সংখ্যা নাকি ১?

    রিমা
    রিমা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, "১" (এক) সংখ্যাটি "০" (শূন্য) সংখ্যার অনেক আগে এসেছে। আধুনিক গণিতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে '০', যা যোগ-বিয়োগ-গুণ ভাগের জন্য ব্যবহার করা যায়, সেটি প্রথম প্রাচীন ভারতে আবিষ্কৃত হয়। প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী আর্যভট্ট এবং ব্রহ্মগুপ্তের কাজের মাধ্যমে (খ্বিস্তারিত পড়ুন

    ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, “১” (এক) সংখ্যাটি “০” (শূন্য) সংখ্যার অনেক আগে এসেছে।

    আধুনিক গণিতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে ‘০’, যা যোগ-বিয়োগ-গুণ ভাগের জন্য ব্যবহার করা যায়, সেটি প্রথম প্রাচীন ভারতে আবিষ্কৃত হয়। প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী আর্যভট্ট এবং ব্রহ্মগুপ্তের কাজের মাধ্যমে (খ্রিস্টাব্দ ৫ম থেকে ৭ম শতকের মধ্যে) ‘০’-কে একটি পূর্ণ সংখ্যা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়।

    অক্সফোর্ডের বখশালি পান্ডুলিপির কার্বন ডেটিং অনুসারে, খ্রিস্টাব্দ ৩য় বা ৪র্থ শতকের দিকেও শূন্যের (বিন্দুর মতো) ব্যবহার দেখা গেছে।

    সুতরাং, মানুষ প্রথমে “আছে” (১) এই ধারণাটি চিহ্নিত করতে শেখে, এবং এর অনেক পরে “কিছু নেই” (০) এই ধারণাটিকে একটি গাণিতিক সংখ্যা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  11. সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    পারমাণবিক তত্ত্বের আদি পিতা কে?

    রিমা
    রিমা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    বিজ্ঞানের ইতিহাসে যখন 'পারমাণবিক তত্ত্বের জনক' বা 'উদ্ভাবক' বলা হয়, তখন জন ডাল্টন (John Dalton) কেই বোঝানো হয়, কারণ তিনি দার্শনিক ধারণাটিকে পরীক্ষামূলক বিজ্ঞানের রূপ দিয়েছিলেন। কিন্তু ডেমোক্রিটাস (Democritus) কে উপেক্ষা করার উপায় নেই। কারণ তিনি প্রথম দার্শনিক হিসেবে ধারণা দেন যে, সকল পদার্থই এমনবিস্তারিত পড়ুন

    বিজ্ঞানের ইতিহাসে যখন ‘পারমাণবিক তত্ত্বের জনক’ বা ‘উদ্ভাবক’ বলা হয়, তখন জন ডাল্টন (John Dalton) কেই বোঝানো হয়, কারণ তিনি দার্শনিক ধারণাটিকে পরীক্ষামূলক বিজ্ঞানের রূপ দিয়েছিলেন। কিন্তু ডেমোক্রিটাস (Democritus) কে উপেক্ষা করার উপায় নেই। কারণ তিনি প্রথম দার্শনিক হিসেবে ধারণা দেন যে, সকল পদার্থই এমন ক্ষুদ্র, অবিভাজ্য কণা দিয়ে তৈরি, যাকে আর ভাগ করা যায় না। তিনি এই কণাগুলোর নাম দিয়েছিলেন ‘Atomos’ (যার অর্থ অবিভাজ্য, যা থেকে ইংরেজি ‘Atom’ শব্দটি এসেছে)। এটি ছিল তত্ত্বের প্রথম বীজ, তবে কোনো বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা বা প্রমাণের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল না।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  12. সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বাইবেলের আদম এবং আল কোরআনের আদম (আঃ) এর মধ্যে পার্থক্য কোথায়?

    রিমা
    রিমা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    বাইবেলের 'আদম' এবং আল কোরআনের 'আদম (আঃ)' উভয়ই প্রথম মানব এবং সৃষ্টিকর্তার আদেশে পৃথিবীতে প্রেরিত। তবে, তাদের বর্ণনা এবং সেই ঘটনার ধর্মতাত্ত্বিক ব্যাখ্যায় বেশ কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট ধর্মগুলোর (খ্রিস্ট ধর্ম এবং ইসলাম ধর্ম) বিশ্বাসের ভিত্তি গড়ে তুলেছে। নিচে প্রধান পার্থক্যগুলো তুলে ধরবিস্তারিত পড়ুন

    বাইবেলের ‘আদম’ এবং আল কোরআনের ‘আদম (আঃ)’ উভয়ই প্রথম মানব এবং সৃষ্টিকর্তার আদেশে পৃথিবীতে প্রেরিত। তবে, তাদের বর্ণনা এবং সেই ঘটনার ধর্মতাত্ত্বিক ব্যাখ্যায় বেশ কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট ধর্মগুলোর (খ্রিস্ট ধর্ম এবং ইসলাম ধর্ম) বিশ্বাসের ভিত্তি গড়ে তুলেছে।

    নিচে প্রধান পার্থক্যগুলো তুলে ধরা হলো:

    ১. মর্যাদা ও অবস্থান (Status and Role)

    আল কোরআনের আদম (আঃ) বাইবেলের আদম (Adam)
    প্রথম মানব এবং প্রথম নবী (পয়গম্বর)। তিনি আল্লাহর বার্তা বহনকারী। প্রথম মানব। তাঁকে কেবল একজন সৃষ্ট মানুষ হিসেবে দেখা হয়, কোনো নবী বা বার্তা বহনকারী হিসেবে নয়।
    পৃথিবীতে প্রেরিত হওয়ার আগেই আল্লাহ তাঁকে জ্ঞান (বস্তুসমূহের নাম) এবং প্রতিনিধির (খলিফা) মর্যাদা দান করেন। আদমকে জ্ঞানার্জনের জন্য নয়, বরং বাগানের কৃষিকাজ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছিল।

    ২. পতনের কারণ ও প্রকৃতি (The ‘Fall’ and Sin)

    আল কোরআনের আদম (আঃ) বাইবেলের আদম (Adam)
    ভুল (Zallah) বা সামান্য ত্রুটি: নিষিদ্ধ ফল ভক্ষণ ছিল আল্লাহর আদেশ লঙ্ঘন। এটা ছিল শয়তানের (ইবলিশ) প্ররোচনায় ভুলবশত বা ‘ভুলে যাওয়া’। মহাপাপ (Original Sin): ফল ভক্ষণকে একটি ইচ্ছাকৃত পাপ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা মানবতার নৈতিক পতন ঘটায়।
    দায়িত্ব: ভুলটির জন্য আদম (আঃ) এবং হাওয়া (আঃ) উভয়ই সমানভাবে দায়ী এবং উভয়েই অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। দায়িত্ব: মূলত হাওয়াকে (Eve) প্ররোচনার জন্য এবং আদমকে তার কথা শুনে ভুল করার জন্য দায়ী করা হয়।
    তাওবা ও ক্ষমা (Repentance): নিষিদ্ধ ফল খাওয়ার পর আদম (আঃ) ও হাওয়া (আঃ) তাৎক্ষণিক অনুতাপ করেন এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান। আল্লাহ তাঁদের ক্ষমা করে দেন। তাওবা ও ক্ষমা: আদম বাইবেলের বর্ণনায় কোনো অনুতাপ করেন না, বরং দোষ হাওয়ার উপর চাপান। এই পাপের ফলস্বরূপ ক্ষমা নেই।

    ৩. বংশের ফলাফল (Consequences for Descendants)

    আল কোরআনের আদম (আঃ) বাইবেলের আদম (Adam)
    আদি পাপ নেই (No Original Sin): যেহেতু আদম (আঃ) ক্ষমা পেয়েছিলেন, তাই ইসলামের বিশ্বাস অনুসারে কোনো মানুষই আদি পাপ নিয়ে জন্মগ্রহণ করে না। প্রত্যেকেই নিষ্পাপ হয়ে জন্মায়। আদি পাপ (Original Sin): আদমের এই পাপের কারণে মানবতার পতন ঘটে এবং পরবর্তী প্রজন্মরা সকলেই জন্মগতভাবে এই পাপের বোঝা বহন করে। এই পাপ মোচনের জন্যই পরিত্রাতার (যীশু/ঈসা আঃ) প্রয়োজন।

    ৪. পৃথিবীতে আগমন (Arrival on Earth)

    আল কোরআনের আদম (আঃ) বাইবেলের আদম (Adam)
    পৃথিবীতে আগমন আল্লাহর আদি পরিকল্পনার অংশ ছিল (তিনি পৃথিবীতে খলিফা বা প্রতিনিধি হবেন)। ভুল করার কারণে তাঁর জান্নাত থেকে প্রস্থানের সময়টা এগিয়ে আসে, কিন্তু পৃথিবীতে আসাই তাঁর চূড়ান্ত গন্তব্য ছিল। জান্নাত থেকে বহিষ্কার ছিল পাপের সরাসরি শাস্তি। পৃথিবীতে আগমনকে একপ্রকার অভিশাপ বা শাস্তি হিসেবে গণ্য করা হয়।

    এই পার্থক্যগুলোই দুটি ধর্মের মধ্যে মানব প্রকৃতি, পাপের ধারণা, এবং সৃষ্টিকর্তার প্রতি মানুষের সম্পর্কের ক্ষেত্রে মৌলিক ভিন্নতা তৈরি করেছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  13. সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ ইতিহাস

    বাংলাদেশের বাঙ্গালী আর ভারতীয় বাংগালীরা কাদের বংশধর?

    রিমা
    রিমা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    @ashadkhandaker ভাইকে ধন্যবাদ সুন্দর প্রশ্নটি করার জন্য। যদিও এর উত্তর আমরা অনেকেই জানি অথবা পাঠ্যবইয়ে পড়েছি। তবুও আমি আরও সহজ করে বুঝিয়ে দিচ্ছি। সংক্ষেপে বললে, বাংলাদেশের বাঙ্গালী এবং ভারতীয় বাঙ্গালীরা (পশ্চিমবঙ্গের বাঙ্গালী) একই জাতিগত গোষ্ঠীর মানুষ। তাদের বংশধর বা পূর্বপুরুষ একই। ১৯৪৭ সালের দেশভবিস্তারিত পড়ুন

    ashad khandaker ভাইকে ধন্যবাদ সুন্দর প্রশ্নটি করার জন্য। যদিও এর উত্তর আমরা অনেকেই জানি অথবা পাঠ্যবইয়ে পড়েছি। তবুও আমি আরও সহজ করে বুঝিয়ে দিচ্ছি।

    সংক্ষেপে বললে, বাংলাদেশের বাঙ্গালী এবং ভারতীয় বাঙ্গালীরা (পশ্চিমবঙ্গের বাঙ্গালী) একই জাতিগত গোষ্ঠীর মানুষ। তাদের বংশধর বা পূর্বপুরুষ একই। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের কারণে তারা রাজনৈতিকভাবে দুটি ভিন্ন দেশের নাগরিক হয়েছেন, কিন্তু তাদের জাতিগত উৎস একই।

    বাঙ্গালী জাতি কোনো একটি একক গোষ্ঠী থেকে আসেনি। এটি একটি সংকর জাতি (Mixed ethnicity), যা হাজার হাজার বছর ধরে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মিশ্রণে তৈরি হয়েছে।

    বাঙ্গালীদের পূর্বপুরুষদের প্রধানত চারটি ভাগে ভাগ করা যায়, যারা বিভিন্ন সময়ে এই ব-দ্বীপ অঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করেছে:

    ১. অস্ট্রো-এশিয়াটিক (Austro-Asiatic) বা অস্ট্রিক

    এরাই বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন জনগোষ্ঠী। প্রায় পাঁচ-ছয় হাজার বছর আগে তারা এই অঞ্চলে আসে। ধারণা করা হয়, আজকের দিনের সাঁওতাল, মুন্ডা, খাসি প্রভৃতি আদিবাসীরা এই ধারার মানুষ। বাঙ্গালীর মূল ভিত্তি বা কাঠামো এই অস্ট্রিক জনগোষ্ঠীই তৈরি করেছিল।

    ২. দ্রাবিড় (Dravidian)

    অস্ট্রিকদের পরে এই অঞ্চলে দ্রাবিড় জনগোষ্ঠীর আগমন ঘটে। সিন্ধু সভ্যতার (হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো) পতনের পর দ্রাবিড়রা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে, যার মধ্যে বাংলাও ছিল। অস্ট্রিকদের সাথে দ্রাবিড়দের মিশ্রণ ঘটে, যা বাঙ্গালী জাতি গঠনের দ্বিতীয় ধাপ।

    ৩. ইন্দো-আর্য (Indo-Aryan)

    খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ১৫০০ অব্দের দিকে বা তার কিছু পরে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আর্যরা বাংলায় প্রবেশ করতে শুরু করে। আর্যরা তাদের সাথে নিয়ে আসে সংস্কৃত ভাষা, যা থেকেই পরবর্তীতে পালি, প্রাকৃত এবং অপভ্রংশের মাধ্যমে আজকের ‘বাংলা’ ভাষার জন্ম হয়েছে। আর্যরা বাংলার আদি জনগোষ্ঠীর (অস্ট্রিক ও দ্রাবিড়) সাথে মিশে যায়।

    ৪. তিব্বতি-বর্মী (Tibeto-Burman)

    বাংলার উত্তর এবং পূর্ব দিক (হিমালয়ের পাদদেশ, মিয়ানমার) থেকে মঙ্গোলয়েড বা তিব্বতি-বর্মী গোষ্ঠীর মানুষরাও বিভিন্ন সময়ে এসে মূল বাঙ্গালী জনগোষ্ঠীর সাথে মিশেছে। চাকমা, মারমা, গারো ইত্যাদি জনগোষ্ঠী এই ধারার উদাহরণ এবং তাদের প্রভাবও মূল বাঙ্গালী জনগোষ্ঠীর মধ্যে কমবেশি দেখা যায়।

    সহজ কথায়…

    বাঙ্গালী জাতি হলো একটি মিশ্র জাতি। এর ভিত্তি তৈরি করেছে অস্ট্রিক ও দ্রাবিড় জনগোষ্ঠী। পরবর্তীতে এর সাথে মিশেছে উত্তর থেকে আসা ইন্দো-আর্য এবং পূর্ব থেকে আসা তিব্বতি-বর্মী জনগোষ্ঠী।

    তাই, আমাদের ভাষা (বাংলা) এসেছে ইন্দো-আর্য গোষ্ঠী থেকে, কিন্তু আমাদের রক্ত বা জাতিগত পরিচয় এই চারটি প্রধান ধারার এক জটিল ও হাজার বছরের পুরোনো মিশ্রণ।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  14. সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ প্রোগ্রামিং

    ইউটিউব গোল্ডেন প্লে বাটন পেতে কত ভিউ ও সাবস্ক্রাইবার লাগে?

    rakib
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    ইউটিউব গোল্ডেন প্লে বাটন (YouTube Golden Play Button) পাওয়ার জন্য আপনার চ্যানেলে ১০ লক্ষ (বা ১ মিলিয়ন) সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে। এটা মনে রাখা জরুরি যে, ইউটিউবের এই প্লে বাটন পুরস্কারগুলো মূলত সাবস্ক্রাইবার সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়, ভিউ এর সংখ্যার ওপর নয়। অবশ্যই, শুধু সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা পূরণবিস্তারিত পড়ুন

    ইউটিউব গোল্ডেন প্লে বাটন (YouTube Golden Play Button) পাওয়ার জন্য আপনার চ্যানেলে ১০ লক্ষ (বা ১ মিলিয়ন) সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে।

    এটা মনে রাখা জরুরি যে, ইউটিউবের এই প্লে বাটন পুরস্কারগুলো মূলত সাবস্ক্রাইবার সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়, ভিউ এর সংখ্যার ওপর নয়।

    অবশ্যই, শুধু সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা পূরণ করলেই হবে না, প্লে বাটন পাওয়ার জন্য আপনার চ্যানেলকে ইউটিউবের কমিউনিটি গাইডলাইন এবং অন্যান্য নিয়মকানুনও (যেমন – কোনো কপিরাইট স্ট্রাইক না থাকা ইত্যাদি) মেনে চলতে হবে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  15. সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কোন দেশটি হাতিকে পবিত্র পশু বলে মনে করে?

    rakib
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    হাতিকে পবিত্র পশু বলে মনে করে এমন দেশ আসলে একাধিক আছে, তবে এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো ২টি দেশ। ১. ভারত (India) 🐘🇮🇳 ভারতে হিন্দু ধর্মে হাতির মর্যাদা অনেক উপরে। কারণ: হাতির মাথাওয়ালা দেবতা গণেশ (Lord Ganesha) হিন্দুদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং পূজনীয় দেবতাদের একজন। গণেশকে সাধারণত সমসবিস্তারিত পড়ুন

    হাতিকে পবিত্র পশু বলে মনে করে এমন দেশ আসলে একাধিক আছে, তবে এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো ২টি দেশ।

    ১. ভারত (India) 🐘🇮🇳

    ভারতে হিন্দু ধর্মে হাতির মর্যাদা অনেক উপরে।

    • কারণ: হাতির মাথাওয়ালা দেবতা গণেশ (Lord Ganesha) হিন্দুদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং পূজনীয় দেবতাদের একজন। গণেশকে সাধারণত সমস্ত বাধা দূরকারী বা ‘বিঘ্নহর্তা’ হিসেবে পূজা করা হয়।
    • অনেক মন্দিরে (বিশেষ করে দক্ষিণ ভারতে) জীবন্ত হাতি রাখা হয়, যাদেরকে খুব সম্মান করা হয় এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ব্যবহার করা হয়।

    ২. থাইল্যান্ড (Thailand) 🇹🇭

    থাইল্যান্ডেও হাতিকে, বিশেষ করে সাদা হাতিকে (White Elephant), অত্যন্ত পবিত্র এবং রাজকীয় প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।

    • কারণ: বৌদ্ধ ধর্মমতে, গৌতম বুদ্ধের জন্মের আগে তাঁর মা স্বপ্নে একটি সাদা হাতিকে পদ্ম ফুল নিয়ে আসতে দেখেছিলেন। এই কারণে সাদা হাতিকে ক্ষমতা ও ঐশ্বর্যের প্রতীক মনে করা হয়।
    • ঐতিহাসিকভাবে, থাই রাজাদের যত বেশি সাদা হাতি থাকত, তাদের তত বেশি ক্ষমতাশালী ও ধার্মিক মনে করা হতো।

    সুতরাং, মূল উত্তর হলো: ভারত এবং থাইল্যান্ড এই দুটি দেশেই হাতিকে পবিত্র পশু হিসেবে গণ্য করা হয়, যার পেছনে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব রয়েছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  16. সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পোশাক শ্রমিকদের খাদ্য সংকট কেন হচ্ছে?

    rakib
    সেরা উত্তর
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    পোশাক শ্রমিকদের খাদ্য সংকটের দায় কোনো একক পক্ষের নয়, বরং এটি একটি সিস্টেমিক বা পদ্ধতিগত সমস্যার ফল। এর দায়ভার মালিক, সরকার এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতা এই তিন প্রধান পক্ষের ওপরই বর্তায়। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে হলে এই তিন পক্ষকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব নিতে হবে। ১. মালিকপক্ষকে 'জীবনধারণের উপযবিস্তারিত পড়ুন

    পোশাক শ্রমিকদের খাদ্য সংকটের দায় কোনো একক পক্ষের নয়, বরং এটি একটি সিস্টেমিক বা পদ্ধতিগত সমস্যার ফল।

    এর দায়ভার মালিক, সরকার এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতা এই তিন প্রধান পক্ষের ওপরই বর্তায়। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে হলে এই তিন পক্ষকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব নিতে হবে।

    ১. মালিকপক্ষকে ‘জীবনধারণের উপযোগী মজুরি’ প্রদানের মানসিকতা রাখতে হবে।

    ২. সরকারকে বাস্তবসম্মত মজুরি নির্ধারণ, তা বাস্তবায়ন এবং বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

    ৩. আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোকে নৈতিকভাবে ব্যবসা করতে হবে এবং পোশাকের ন্যায্য মূল্য (যা শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধিকে সমর্থন করে) নিশ্চিত করতে হবে।

    আর নিরপেক্ষ অডিট হওয়া দরকার প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  17. সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    ইতালি সর্বনিম্ন বেতন কত?

    nova
    nova নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    যদিও আইনত কোনো হার নেই, তবে বেশিরভাগ CBA অনুযায়ী গড়ে যে সর্বনিম্ন বেতন নির্ধারণ করা হয়, সেটা মোটামুটি: প্রতি ঘণ্টায়: €৭ থেকে €৯ ইউরোর আশেপাশে (ট্যাক্স দেওয়ার আগে)। সরকারের পক্ষ থেকে একটি জাতীয় সর্বনিম্ন বেতন চালু করার জন্য জোরালো আলোচনা চলছে। সেখানে ঘণ্টা প্রতি €৯ ইউরো (গ্রস বা ট্যাক্স পূর্ব) নির্ধাবিস্তারিত পড়ুন

    যদিও আইনত কোনো হার নেই, তবে বেশিরভাগ CBA অনুযায়ী গড়ে যে সর্বনিম্ন বেতন নির্ধারণ করা হয়, সেটা মোটামুটি:

    • প্রতি ঘণ্টায়: €৭ থেকে €৯ ইউরোর আশেপাশে (ট্যাক্স দেওয়ার আগে)।

    সরকারের পক্ষ থেকে একটি জাতীয় সর্বনিম্ন বেতন চালু করার জন্য জোরালো আলোচনা চলছে। সেখানে ঘণ্টা প্রতি €৯ ইউরো (গ্রস বা ট্যাক্স পূর্ব) নির্ধারণের একটা প্রস্তাব আছে, তবে এটা এখনো আইনে পরিণত হয়নি।

    মোটকথা, ইতালিতে আপনার সর্বনিম্ন বেতন নির্ভর করবে আপনি কোন ধরনের কাজ করছেন, সেই কাজের চুক্তি বা CBA-এর ওপর।


    আমি একটি ভিডিও যুক্ত করেছি। ভিডিওতে ইতালিতে ন্যূনতম মজুরি নিয়ে একটা আলোচনা আছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  18. সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    বিদ্যুতের খুঁটিতে গুনগুন শব্দ শোনা যায় কেন?

    srity
    srity পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    বিদ্যুতের খুঁটির কাছে গেলে যে একটা হালকা 'গুনগুন' শব্দ শোনা যায়, এর পেছনে প্রধানত দুটো কারণ আছে: ১. ট্রান্সফরমারের গুনগুন (Humming from Transformer) বিদ্যুতের খুঁটির মাথায় বা একটু নিচে একটা বড় ধূসর রঙের বাক্স দেখতে পান তো? ওটাই হলো ট্রান্সফরমার। আপনার বাসার ভোল্টেজ কমানোর জন্য এটা ব্যবহার করা হয়। কবিস্তারিত পড়ুন

    বিদ্যুতের খুঁটির কাছে গেলে যে একটা হালকা ‘গুনগুন’ শব্দ শোনা যায়, এর পেছনে প্রধানত দুটো কারণ আছে:

    ১. ট্রান্সফরমারের গুনগুন (Humming from Transformer)

    বিদ্যুতের খুঁটির মাথায় বা একটু নিচে একটা বড় ধূসর রঙের বাক্স দেখতে পান তো? ওটাই হলো ট্রান্সফরমার। আপনার বাসার ভোল্টেজ কমানোর জন্য এটা ব্যবহার করা হয়।

    • কারণ: ট্রান্সফরমারের ভেতরে যে কয়েলগুলো (তারের প্যাঁচানো অংশ) আর লোহার পাতগুলো থাকে, সেগুলোর মধ্যে দিয়ে যখন বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করে, তখন এক ধরনের চৌম্বকীয় বল তৈরি হয়।
    • এই চৌম্বকীয় বলের প্রভাবে লোহার পাতগুলো খুব সামান্য পরিমাণে কম্পিত হতে থাকে। এই কম্পন থেকেই আমরা সেই পরিচিত ‘হুম্’ বা ‘গুনগুন’ শব্দটা শুনতে পাই।
    • বিদ্যুতের ফ্রিকোয়েন্সি (বাংলাদেশে সাধারণত ৫০ হার্জ) অনুযায়ী এই কম্পন হয়, তাই শব্দটাও একটা নির্দিষ্ট সুরে (৫০ হার্জের দ্বিগুণ, অর্থাৎ ১০০ হার্জ) শোনা যায়।

    ২. করোনা ডিসচার্জ (Corona Discharge)

    এটা সাধারণত উচ্চ ভোল্টেজের লাইনে বেশি শোনা যায়, বিশেষ করে যখন আবহাওয়া স্যাঁতসেঁতে বা বৃষ্টি ভেজা থাকে।

    • কারণ: উচ্চ ভোল্টেজের তারগুলোর চারপাশে থাকা বাতাস বিদ্যুৎ ক্ষেত্রের প্রভাবে আয়নিত (ionized) হয়ে যায়। অর্থাৎ, বাতাসের কণাগুলো বিদ্যুৎ প্রবাহের জন্য তৈরি হয়।
    • এই প্রক্রিয়ার সময় একটা হালকা হিস্ হিস্ বা গুনগুন শব্দ হয়, আর অনেক সময় অল্প আলো (নীলাভ আভা) দেখা যায়। এটাই হলো করোনা ডিসচার্জ।

    মুল কথা: বেশির ভাগ সময় যে গুনগুন শব্দটা কানে আসে, সেটা হলো ট্রান্সফরমারের ভেতরের যন্ত্রাংশের কম্পনের আওয়াজ। আর খুব জোরে হিসহিস আওয়াজ হলে সেটা করোনা ডিসচার্জ হতে পারে। দুটোই বিদ্যুৎ প্রবাহের সাথে সম্পর্কিত। ভয়ের কিছু নেই, এটা স্বাভাবিক!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  19. সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    পদার্থবিদ্যায়, 'ম্যাজিক সংখ্যা' বলতে কি বোঝায?

    srity
    srity পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে

    পদার্থবিদ্যায়, 'ম্যাজিক সংখ্যা' (Magic Numbers) বলতে বোঝায় পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে থাকা নিউক্লিয়ন বা কণার (প্রোটন এবং নিউট্রন) এমন কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যা, যে সংখ্যাগুলো থাকলে নিউক্লিয়াসটি অসাধারণভাবে স্থিতিশীল বা মজবুত হয়। এটা অনেকটা পরমাণুর ইলেকট্রনগুলোর কক্ষপথ পূরণ হওয়ার মতো। ম্যাজিক সবিস্তারিত পড়ুন

    পদার্থবিদ্যায়, ‘ম্যাজিক সংখ্যা’ (Magic Numbers) বলতে বোঝায় পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে থাকা নিউক্লিয়ন বা কণার (প্রোটন এবং নিউট্রন) এমন কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যা, যে সংখ্যাগুলো থাকলে নিউক্লিয়াসটি অসাধারণভাবে স্থিতিশীল বা মজবুত হয়।

    এটা অনেকটা পরমাণুর ইলেকট্রনগুলোর কক্ষপথ পূরণ হওয়ার মতো।

    ম্যাজিক সংখ্যাগুলো কী কী?

    প্রোটন বা নিউট্রনের জন্য ম্যাজিক সংখ্যাগুলো হলো:

    $$\mathbf{2, 8, 20, 28, 50, 82, 126}$$

    যেমন:

    1. অক্সিজেন-১৬: এর প্রোটন সংখ্যা ৮ এবং নিউট্রন সংখ্যা ৮। দুটোই ম্যাজিক সংখ্যা। তাই এটি একটি দ্বিগুণ ম্যাজিক (doubly magic) নিউক্লিয়াস এবং অত্যন্ত স্থিতিশীল।
    2. ক্যালসিয়াম-৪০: এর প্রোটন সংখ্যা ২০ এবং নিউট্রন সংখ্যা ২০। এটিও দ্বিগুণ ম্যাজিক।
    3. সীসা-২০৮: এটি সবচেয়ে ভারী স্থিতিশীল নিউক্লিয়াস। এর প্রোটন সংখ্যা ৮২ এবং নিউট্রন সংখ্যা ১২৬। দুটোই ম্যাজিক সংখ্যা।

    এই ম্যাজিক সংখ্যাগুলো বিজ্ঞানীদের নিউক্লিয়াসের গঠন, তেজস্ক্রিয়তা এবং পারমাণবিক বিক্রিয়া বুঝতে সাহায্য করে। কোনো নিউক্লিয়াস কতটা স্থিতিশীল হবে বা তা ভেঙে যাবে কি না, তা বুঝতে এই সংখ্যাগুলো খুব জরুরি।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  20. সময়ঃ 6 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    প্লেনের পাইলট আকাশে রাস্তা চেনে কিভাবে?

    jahanur
    jahanur পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 6 মাস আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    এইটা খুব মজার প্রশ্ন! পাইলটরা কিন্তু আমাদের মতো রাস্তায় সাইনবোর্ড বা রিকশাওয়ালাকে জিজ্ঞেস করে রাস্তা চেনে না! ব্যাপারটা অনেকটা বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে। মোটামুটি তিনটা প্রধান জিনিস দিয়ে তারা রাস্তা চেনে: ১. আধুনিক জিপিএস (GPS) আর নেভিগেশন সিস্টেম বিমানের ম্যাপ: পাইলটদের সামনে ড্যাশবোর্বিস্তারিত পড়ুন

    এইটা খুব মজার প্রশ্ন!
    পাইলটরা কিন্তু আমাদের মতো রাস্তায় সাইনবোর্ড বা রিকশাওয়ালাকে জিজ্ঞেস করে রাস্তা চেনে না! ব্যাপারটা অনেকটা বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে।

    মোটামুটি তিনটা প্রধান জিনিস দিয়ে তারা রাস্তা চেনে:

    ১. আধুনিক জিপিএস (GPS) আর নেভিগেশন সিস্টেম

    • বিমানের ম্যাপ: পাইলটদের সামনে ড্যাশবোর্ডে বড় বড় স্ক্রিন থাকে। সেখানে আমাদের মোবাইলের জিপিএস-এর মতোই একটা বিশেষ ম্যাপ দেখা যায়। এই ম্যাপে তাদের চলার পথ, পাশের বিমানবন্দর, পাহাড়-পর্বত—সবকিছু খুব পরিষ্কারভাবে আঁকা থাকে।
    • কম্পিউটারের প্ল্যান: ওড়ার আগেই পাইলটরা তাদের গন্তব্য আর পুরো পথের ডেটা বিমানের কম্পিউটার সিস্টেমে ঢুকিয়ে দেন। কম্পিউটার তখন নিজেই সবচেয়ে ভালো রাস্তাটা ধরে প্লেনকে চলতে সাহায্য করে। এটাকে বলে ফ্লাইট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (FMS)। অনেকটা আপনার গাড়ির নেভিগেশন সিস্টেমের মতো, তবে অনেক উন্নত।

    ২. রাডার এবং গ্রাউন্ড কন্ট্রোল

    • এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল (ATC): এটা হলো মাটিতে থাকা একদল লোক, যারা সারা দেশের আকাশপথের ট্র্যাফিকের ওপর নজর রাখে। পাইলটরা সবসময় রেডিওতে তাদের সাথে যোগাযোগ রাখে। এটিসি থেকেই পাইলটকে বলে দেওয়া হয় কখন কোন দিকে যেতে হবে, কত ওপরে উঠতে হবে, বা গতি কত রাখতে হবে। এটা অনেকটা ট্র্যাফিক পুলিশের মতো কাজ করে।
    • রাডার: এটিসি কর্মীরা রাডারের মাধ্যমে আকাশে প্রতিটি প্লেনের অবস্থান দেখতে পান। তারা দেখে যেন এক প্লেনের সাথে আরেক প্লেনের ধাক্কা না লাগে।

    ৩. প্রাচীন পদ্ধতির সাহায্য

    • রেডিও বীকন (Radio Beacons): আকাশে নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় রেডিও স্টেশন বসানো থাকে। প্লেন সেই স্টেশনগুলোর দিকে সিগন্যাল অনুসরণ করে চলে। এটা অনেকটা পুরোনো দিনের জাহাজের নাবিকদের বাতিঘরের মতো। যদিও এখন জিপিএস বেশি চলে, কিন্তু ব্যাকআপ হিসেবে এটা খুব দরকারি।
    • তারকা ও সূর্য: যদিও আধুনিক যুগে এটা লাগে না, তবুও খুব জরুরি অবস্থায়, যেমন—সব ইলেকট্রনিক সিস্টেম ফেইল করলে, পুরোনো দিনের মতো সূর্য, তারা, বা আকাশের দিক দেখেও অভিজ্ঞ পাইলটরা একটা আন্দাজে পথ ধরে রাখতে পারেন।

    মোটকথা, পাইলট একা একা রাস্তা খোঁজেন না। তারা কম্পিউটার, জিপিএস, এবং মাটির ট্র্যাফিক পুলিশের (ATC) নির্দেশ—এই তিনের ওপর ভরসা করে নিরাপদে প্লেন চালান। আকাশটা আসলে অনেকগুলো অদৃশ্য ‘হাইওয়ে’-তে ভাগ করা থাকে, আর পাইলটরা ওই হাইওয়ে ধরেই চলে।

    আশা করি বুঝতে পেরেছেন!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
1 2 3 4 5 6 … 48

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • Jesmin
    Jesmin একটি উত্তর দিয়েছেন HSC ২০২৬ পরীক্ষা শুরু হতে মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। ২… এপ্রিল 27, 2026, সময়ঃ 2:01 অপরাহ্ন
  • Sinclair
    Sinclair একটি উত্তর দিয়েছেন When shopping for best sex dolls, most buyers tend to… এপ্রিল 17, 2026, সময়ঃ 3:10 পূর্বাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন হ্যাঁ, Bestchange.com থেকে নিশ্চিতভাবে আয় করা সম্ভব। এটি মূলত একটি… এপ্রিল 15, 2026, সময়ঃ 2:13 অপরাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন প্রশ্নোত্তর প্রদানের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করার বিষয়টি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 2:11 পূর্বাহ্ন
  • সুমনা
    সুমনা একটি উত্তর দিয়েছেন এসইও (SEO) এর ক্ষেত্রে ব্যাকলিংক একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 1:59 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 106 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 155 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 116 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,049 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 77 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

Iyasha

Iyasha

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
SA Samim

SA Samim

  • 13 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
এডিটর
sumi

sumi

  • 20 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন