সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

ashad khandaker

সবজান্তা
প্রশ্ন করুন ashad khandaker
526 বার প্রদর্শিত
2 ফলোয়ার
2,496 প্রশ্ন
হোমপেজ/ ashad khandaker/ফলোয়ারদের উত্তর
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পছন্দ তালিকা
  • ফলোকৃত প্রশ্ন
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  • ফলোকৃতদের প্রশ্ন
  • ফলোকৃতদের উত্তর
  • ফলোয়ারদের ব্লগ
  • ফলোকৃত/ফলোয়ারদের ব্লগ মন্তব্য
  1. সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

    আমার দুটি বাচ্চা যারা মাইল ‍স্টোন স্কুলের ক্লাস ফোর এবং ক্লাস সেভেনে পড়ে। ছেলেটা ঐ স্থানে বসে ছিল দু মিনিট আগেও। দু মিনিট আগে সে তার মার সাথে কোল্ড ড্রিংকস খেতে উঠে যায় ক্যান্টিনের দিকে। ক্যান্টিনে পৌছাতে না পৌছাতে বিমানটি আছড়ে পড়ে আমার ছেলের ক্লাসরুম বরাবর। আল্লাহর অশেষ রহমতে ছেলেটি বেঁচে ফিরলেও তার অধিকাংশ বন্ধুরা মারা গেছে এবং অগ্নিদগ্ধ। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে চাওয়া আল্লাহ যেন আহত বাচ্চাগুলোকে জীবন ভিক্ষা দিয়ে মা বাবার কাছে ফেরত দেন । আর যারা মারা গেছে তাদের বাবা মা ও পরিবারের অন্যান্যদের শোক সওয়ার তাওফিক দান করেন। হে আল্লাহ আপনি মহান রাব্বুল আলামিন। আপনি আমাদের উপর রহম করেন। আপনি আমাদের সকলকে ক্ষমা করে দিন।

    mokbul
    mokbul পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে

    আমিন 🤲

    আমিন 🤲

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  2. সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ফযরের আজানে আছ-ছালাতু খায়রুম মিনান নাউম কিভাবে যুক্ত হয়?

    mokbul
    mokbul পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে

    হাদীস অনুযায়ী, একবার হযরত বেলাল (রাঃ) ফজরের নামাজের আজান দিতে এসে দেখলেন যে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তখনো ঘুমিয়ে আছেন। তখন তিনি উচ্চস্বরে বললেন, "আছ-ছালাতু খায়রুম মিনান নাউম"। এই কথাটি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) অনুমোদন করেন। এরপর থেকে ফজরের আজানে এই বাক্যটি যোগ করা সুন্নাত হিসেবে প্রচলিত হয়ে যায়। সুতরাং, এটিবিস্তারিত পড়ুন

    হাদীস অনুযায়ী, একবার হযরত বেলাল (রাঃ) ফজরের নামাজের আজান দিতে এসে দেখলেন যে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তখনো ঘুমিয়ে আছেন। তখন তিনি উচ্চস্বরে বললেন, “আছ-ছালাতু খায়রুম মিনান নাউম”। এই কথাটি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) অনুমোদন করেন। এরপর থেকে ফজরের আজানে এই বাক্যটি যোগ করা সুন্নাত হিসেবে প্রচলিত হয়ে যায়।

    সুতরাং, এটি আযান প্রবর্তনের শুরু থেকেই ছিল না, বরং পরবর্তীতে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর অনুমোদনক্রমে ফজরের আজানের একটি বিশেষ অংশ হিসেবে যুক্ত হয়েছে। এই বাক্যটি মানুষকে ফজরের সময় ঘুম থেকে উঠে নামাজে আসার জন্য উৎসাহিত করে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  3. সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    চার পা বিশিষ্ট কোন প্রাণী তার নিজের চারটি পা ই দেখতে সক্ষম?

    সুমনা
    সুমনা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    চার-পা বিশিষ্ট প্রাণীদের মধ্যে একমাত্র গাধা (donkey) তার নিজেই চারটি পা একসঙ্গে দেখতে পারে, কারণ তার চোখের অবস্থান এমনভাবে যে সামনের পা আর পিছনের পা—উভয়ই তার দৃষ্টিসীমার মধ্যে পড়ে।

    চার-পা বিশিষ্ট প্রাণীদের মধ্যে একমাত্র গাধা (donkey) তার নিজেই চারটি পা একসঙ্গে দেখতে পারে, কারণ তার চোখের অবস্থান এমনভাবে যে সামনের পা আর পিছনের পা—উভয়ই তার দৃষ্টিসীমার মধ্যে পড়ে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  4. সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    যারা জন্মান্ধ তারা কেমন স্বপ্ন দেখে?

    সুমনা
    সুমনা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে

    যারা জন্ম থেকেই অন্ধ, তারা আমাদের মতো ছবি বা দৃশ্য দেখতে পায় না। তাদের স্বপ্নগুলোও ছবিবিহীন হয়। তারা কেমন স্বপ্ন দেখে, তা নিচে আলোচনা করা হলো: শব্দ, গন্ধ, স্পর্শ আর অনুভূতির স্বপ্ন যেহেতু তারা চোখ দিয়ে কিছু দেখে না, তাদের স্বপ্নগুলো তৈরি হয় অন্য ইন্দ্রিয়গুলো দিয়ে: শব্দ: তারা বিভিন্ন শব্দের স্ববিস্তারিত পড়ুন

    যারা জন্ম থেকেই অন্ধ, তারা আমাদের মতো ছবি বা দৃশ্য দেখতে পায় না। তাদের স্বপ্নগুলোও ছবিবিহীন হয়। তারা কেমন স্বপ্ন দেখে, তা নিচে আলোচনা করা হলো:

    শব্দ, গন্ধ, স্পর্শ আর অনুভূতির স্বপ্ন

    যেহেতু তারা চোখ দিয়ে কিছু দেখে না, তাদের স্বপ্নগুলো তৈরি হয় অন্য ইন্দ্রিয়গুলো দিয়ে:

    • শব্দ: তারা বিভিন্ন শব্দের স্বপ্ন দেখে। যেমন, বৃষ্টির শব্দ, পাখির ডাক, মানুষের কথা বলা, গাড়ির হর্ন – এমন নানা রকম শব্দ তাদের স্বপ্নে আসতে পারে।
    • গন্ধ: তারা ফুলের গন্ধ, খাবারের গন্ধ, মাটির গন্ধ – এমন চেনা গন্ধগুলোর স্বপ্ন দেখে।
    • স্পর্শ: কোনো কিছু ছুঁয়ে দেখার অনুভূতি, যেমন – ভেজা ঘাস, ঠান্ডা পানি, নরম কাপড় বা বন্ধুর হাত ধরার মতো স্পর্শের অভিজ্ঞতা তাদের স্বপ্নে আসে।
    • অনুভূতি: হাঁটার সময় বাতাসের অনুভূতি, গরম বা ঠান্ডার অনুভূতি, অথবা কোনো ঘটনার কারণে তাদের মনে যে আবেগ তৈরি হয় (যেমন আনন্দ, ভয় বা দুঃখ) – এগুলোর স্বপ্নও তারা দেখে।

    পরিচিত স্থানের অনুভূতি

    তারা যদি কোনো চেনা জায়গায় যায়, যেমন তাদের নিজেদের বাড়ি বা বন্ধুর বাড়ি, তবে সেই জায়গাটিকে তারা চেনে তার গন্ধ, সেখানকার শব্দ আর ঘরের জিনিসপত্র স্পর্শ করে। স্বপ্নেও তারা এই একই অনুভূতিগুলো দিয়ে সেই জায়গাগুলোকে অনুভব করে। তারা হয়তো স্বপ্নে তাদের ঘরের প্রতিটি কোণ ছুঁয়ে দেখছে, বা পরিচিত গন্ধ পাচ্ছে।

    মানুষের সাথে কথোপকথন

    অন্ধ ব্যক্তিরা অন্যদের সাথে কথা বলে, গল্প করে। তাদের স্বপ্নেও তারা পরিচিত মানুষের কণ্ঠস্বর শুনতে পায়। হয়তো তারা স্বপ্নে তাদের পরিবারের সদস্য বা বন্ধুদের সাথে কথা বলছে।

    গতি এবং নড়াচড়া

    তারা হাঁটাচলার সময় যে নড়াচড়ার অনুভূতি পায়, তা-ও তাদের স্বপ্নে আসতে পারে। যেমন, সিঁড়ি বেয়ে উপরে ওঠা, রাস্তায় হাঁটা, বা গাড়িতে চড়ার অনুভূতি।


    কেন তাদের স্বপ্ন আমাদের থেকে আলাদা?

    আমাদের মস্তিষ্ক যখন স্বপ্ন দেখে, তখন সে আমাদের দেখা, শোনা বা অনুভব করা জিনিসগুলো ব্যবহার করে। যারা জন্ম থেকে অন্ধ, তাদের দেখার অভিজ্ঞতা না থাকায় তাদের মস্তিষ্ক ছবি তৈরি করতে পারে না। তাই তাদের স্বপ্নগুলো আমাদের মতো চিত্রবহুল না হয়ে শব্দ, স্পর্শ, গন্ধ আর অনুভূতির ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়।

    সহজ কথায়, যারা জন্মান্ধ তারা তাদের জীবনের অভিজ্ঞতা দিয়েই স্বপ্ন দেখে। তাদের জগতটা ছবি দিয়ে নয়, বরং শব্দ, স্পর্শ, গন্ধ আর নানা অনুভূতির সমন্বয়ে তৈরি হয়, আর তাদের স্বপ্নগুলোও ঠিক তেমনই হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  5. সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    এমন কোন সার্চ ইঞ্জিন কি আছে যেটা AI ব্যবহার করে না?

    jahanur
    সেরা উত্তর
    jahanur পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে

    আপনি Swisscows সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে দেখতে পারেন। Swisscows একটি গোপনীয়তা-কেন্দ্রিক সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে না এবং AI-এর ব্যবহার সীমিত রাখে। তবে, এটাও মাথায় রাখা উচিত যে, প্রযুক্তি দ্রুত বদলাচ্ছে এবং আজ যে সার্চ ইঞ্জিন AI ব্যবহার করছে না, কাল হয়তো তারাও করবে। আপনার জন্য সবচেয়বিস্তারিত পড়ুন

    আপনি Swisscows সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

    Swisscows একটি গোপনীয়তা-কেন্দ্রিক সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে না এবং AI-এর ব্যবহার সীমিত রাখে।

    তবে, এটাও মাথায় রাখা উচিত যে, প্রযুক্তি দ্রুত বদলাচ্ছে এবং আজ যে সার্চ ইঞ্জিন AI ব্যবহার করছে না, কাল হয়তো তারাও করবে। আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো হবে, বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে আপনার নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী কোনটি সবচেয়ে ভালো কাজ করে তা খুঁজে বের করা।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  6. সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    তুলার তন্তু ফুসফুসে প্রবেশ করলে কি রোগ হয়?

    rana
    rana পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে

    তুলা ফুসফুসে গেলে কী রোগ হয়? তুলার আঁশ বা তন্তু যদি আমাদের ফুসফুসে ঢুকে যায়, তাহলে একটা বিশেষ ধরনের অসুখ হতে পারে, যার নাম বাইসিনোসিস (Byssinosis)। সহজ কথায়, এটা হলো একরকম ফুসফুসের রোগ যা সাধারণত যারা তুলা, পাট বা শণের কারখানায় কাজ করেন, তাদের হয়। কারণ, এই আঁশগুলো নিঃশ্বাসের সাথে শরীরের ভেতরে ঢবিস্তারিত পড়ুন

    তুলা ফুসফুসে গেলে কী রোগ হয়?

    তুলার আঁশ বা তন্তু যদি আমাদের ফুসফুসে ঢুকে যায়, তাহলে একটা বিশেষ ধরনের অসুখ হতে পারে, যার নাম বাইসিনোসিস (Byssinosis)। সহজ কথায়, এটা হলো একরকম ফুসফুসের রোগ যা সাধারণত যারা তুলা, পাট বা শণের কারখানায় কাজ করেন, তাদের হয়। কারণ, এই আঁশগুলো নিঃশ্বাসের সাথে শরীরের ভেতরে ঢুকে যায়।

    বাইসিনোসিস হলে কী কী সমস্যা হয়?

    • বুকে চাপ লাগা: মনে হবে বুকটা যেন টাইট হয়ে আছে বা কেউ যেন চাপ দিয়ে ধরে আছে। এটা সাধারণত সপ্তাহের শুরুতে, যেমন ধরুন সোমবার কাজ শুরু করার পর বেশি হয়।
    • শ্বাস নিতে কষ্ট: শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে অসুবিধা হয়।
    • কাশি: শুকনো কাশি হতে পারে।
    • হাঁপানির মতো শ্বাসকষ্ট: কিছু মানুষের হাঁপানির মতো শ্বাসকষ্টও হতে পারে।

    যদি অনেক দিন ধরে তুলার ধুলো বা আঁশের মধ্যে কাজ করা হয়, তাহলে ফুসফুস দুর্বল হয়ে যেতে পারে এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের আরও বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    এই রোগ থেকে বাঁচার উপায় কী?

    এই রোগ থেকে বাঁচতে হলে ধুলো যাতে না ওড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কারখানায় ভালো বায়ুচলাচলের ব্যবস্থা থাকতে হবে এবং যারা কাজ করেন, তাদের অবশ্যই মাস্কের মতো সুরক্ষামূলক জিনিস ব্যবহার করতে হবে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  7. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    মরুভূমিতে যে তাপ সহনীয়, বাংলাদেশে সেটা কেন নাভিশ্বাস ?

    Mithun
    Mithun পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    একই তাপ, ভিন্ন অনুভূতি: মরুভূমির গরম বাংলাদেশে অসহনীয় কেন? থার্মোমিটারের কাঁটা বলছে তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অথচ বাইরে বেরোলেই মনে হচ্ছে যেন কেউ গায়ে গরম পানির ভাপ দিচ্ছে। ঘামে শরীর জবজবে, জামাকাপড় ভিজে একাকার। এই একই ৩৭ ডিগ্রি তাপমাত্রা মধ্যপ্রাচ্যের কোনো মরু শহরে হয়তো দিব্যি সহনীয়, কিন্তু ঢাবিস্তারিত পড়ুন

    একই তাপ, ভিন্ন অনুভূতি: মরুভূমির গরম বাংলাদেশে অসহনীয় কেন?

    থার্মোমিটারের কাঁটা বলছে তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অথচ বাইরে বেরোলেই মনে হচ্ছে যেন কেউ গায়ে গরম পানির ভাপ দিচ্ছে। ঘামে শরীর জবজবে, জামাকাপড় ভিজে একাকার। এই একই ৩৭ ডিগ্রি তাপমাত্রা মধ্যপ্রাচ্যের কোনো মরু শহরে হয়তো দিব্যি সহনীয়, কিন্তু ঢাকা বা চট্টগ্রামের রাস্তায় কেন তা অসহনীয় হয়ে ওঠে? তাপমাত্রা এক হলেও এই অনুভূতির পার্থক্যের পেছনে কারণটা কী?

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর পেছনের মূল ‘খলনায়ক’ হলো বাতাসের আর্দ্রতা। তাপমাত্রা নয়, বরং আর্দ্রতাই নির্ধারণ করে দিচ্ছে আমাদের স্বস্তি ও অস্বস্তির মাত্রা।

    আসল কারণ: শরীর ঠান্ডা হওয়ার প্রাকৃতিক কৌশল যখন অকার্যকর

    আমাদের শরীর একটি স্বয়ংক্রিয় শীতলীকরণ যন্ত্রের মতো কাজ করে। গরম লাগলে ত্বকের নিচে থাকা লাখ লাখ ঘামগ্রন্থি থেকে পানি বা ঘাম বেরিয়ে আসে। এই ঘাম যখন বাতাসের সংস্পর্শে এসে বাষ্পীভূত হয়, তখন তা ত্বক থেকে তাপ শোষণ করে নেয়। ফলে শরীর ঠান্ডা হয়। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে বাষ্পীভবন (Evaporation)।

    মরু অঞ্চলের বাতাস অত্যন্ত শুষ্ক। সেখানে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ খুব কম থাকায় শরীর থেকে বের হওয়া ঘাম সঙ্গে সঙ্গে বাষ্প হয়ে উড়ে যায়। এতে শরীর খুব দ্রুত ও কার্যকরভাবে নিজেকে ঠান্ডা করতে পারে। ফলে সেখানে ৪৫ ডিগ্রি তাপমাত্রাতেও মানুষ relativamente স্বস্তিতে থাকতে পারে।

    বিপরীতে, বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক ও উপকূলীয় দেশ হওয়ায় এর বাতাসে সব সময়ই প্রচুর জলীয় বাষ্প ভেসে বেড়ায়। অর্থাৎ, এখানকার বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা অনেক বেশি। বাতাস আগে থেকেই জলীয় বাষ্পে প্রায় পরিপূর্ণ থাকায় আমাদের ঘাম সহজে বাষ্প হতে পারে না। ফলে সেই ঘাম শরীরেই লেগে থাকে, যাเหนียว অস্বস্তির জন্ম দেয়। শরীরের প্রাকৃতিক ‘এসি’ ব্যবস্থাটি একরকম বিকল হয়ে পড়ে। একারণেই আমাদের দেশে ৩৫-৩৭ ডিগ্রি তাপমাত্রাই অসহনীয় এবং ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

    অনুভূত তাপমাত্রা: যা দেখায় থার্মোমিটার, যা টের পায় শরীর

    আর্দ্রতার এই প্রভাব এতটাই বেশি যে আবহাওয়াবিদরা এখন প্রকৃত তাপমাত্রার পাশাপাশি ‘অনুভূত তাপমাত্রা’ বা ‘হিট ইনডেক্স’ (Heat Index) নামে একটি পরিমাপ ব্যবহার করেন। এটিই বলে দেয় আমাদের শরীর আসলে কেমন গরম অনুভব করছে।

    আসুন, একটি তুলনামূলক চিত্র দেখা যাক:

    পরিবেশ প্রকৃত তাপমাত্রা (Tactual​) আপেক্ষিক আর্দ্রতা অনুভূত তাপমাত্রা (Feels like​)
    মরুভূমি ৪৫° সে. ১০% প্রায় ৪১° সে.
    বাংলাদেশ ৩৭° সে. ৮০% প্রায় ৫২° সে.

     

    টেবিলটি পরিষ্কারভাবে দেখাচ্ছে, বাংলাদেশে প্রকৃত তাপমাত্রা কম হলেও উচ্চ আর্দ্রতার কারণে অনুভূত তাপমাত্রা মরুভূমির চেয়েও অনেক বেশি।

    দিনে তীব্র দহন, রাতেও নেই স্বস্তি

    মরুভূমিতে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য অনেক বেশি। শুষ্ক বাতাস তাপ ধরে রাখতে পারে না বলে দিনের শেষে উত্তপ্ত পৃথিবী দ্রুত তাপ বিকিরণ করে ঠান্ডা হয়ে যায়। এতে রাতের বেলা শরীর বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের সুযোগ পায়।

    কিন্তু বাংলাদেশের আর্দ্র বাতাস একটি অদৃশ্য চাদরের মতো কাজ করে। এটি দিনের তাপকে আটকে রাখে, রাতে সহজে বের হতে দেয় না। ফলে রাতের বেলাতেও ভ্যাপসা গরম থেকে মুক্তি মেলে না। এই লাগাতার তাপপ্রবাহ শরীরকে আরও বেশি ক্লান্ত ও দুর্বল করে ফেলে।

    এর সঙ্গে যোগ হয়েছে শহরগুলোর ‘হিট আইল্যান্ড’ প্রভাব। অতিরিক্ত কংক্রিটের কাঠামো, পিচঢালা রাস্তা আর সবুজের অভাব শহরগুলোকে একেকটি তপ্ত দ্বীপে পরিণত করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।

    সুতরাং, পরেরবার যখন গরমে অস্থির হবেন, তখন শুধু থার্মোমিটারের পারদকে দোষ না দিয়ে বাতাসে ভেসে বেড়ানো অদৃশ্য জলীয় বাষ্প বা আর্দ্রতার কথাই মনে করবেন, যা নীরবে আমাদের ভোগান্তি বাড়িয়ে চলেছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  8. সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    দ্রুততম সামুদ্রিক প্রাণী কোনটি?

    sumi
    sumi নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে

    দ্রুততম সামুদ্রিক প্রাণী হলো ব্ল্যাক মার্লিন (Black Marlin)। এটি ঘণ্টায় প্রায় ১৩২ কিলোমিটার (৮২ মাইল) পর্যন্ত গতিতে সাঁতার কাটতে পারে। ব্ল্যাক মার্লিনের মসৃণ দেহ এবং শক্তিশালী পাখনা এটিকে দ্রুত গতিতে সাঁতার কাটতে সাহায্য করে। এর গতি এটিকে সমুদ্রে শিকার ধরার এবং শিকারী প্রাণীদের থেকে বাঁচতে সাহায্যবিস্তারিত পড়ুন

    দ্রুততম সামুদ্রিক প্রাণী হলো ব্ল্যাক মার্লিন (Black Marlin)। এটি ঘণ্টায় প্রায় ১৩২ কিলোমিটার (৮২ মাইল) পর্যন্ত গতিতে সাঁতার কাটতে পারে।

    image host

    ব্ল্যাক মার্লিনের মসৃণ দেহ এবং শক্তিশালী পাখনা এটিকে দ্রুত গতিতে সাঁতার কাটতে সাহায্য করে। এর গতি এটিকে সমুদ্রে শিকার ধরার এবং শিকারী প্রাণীদের থেকে বাঁচতে সাহায্য করে।

    যদিও অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণী যেমন সেলফিশ (ঘণ্টায় প্রায় ১১০ কিমি বা ৬৮ মাইল) এবং সোর্ডফিশ (ঘণ্টায় প্রায় ৯৭ কিমি বা ৬০ মাইল) খুব দ্রুত, ব্ল্যাক মার্লিনই দ্রুততম সামুদ্রিক প্রাণী হিসেবে পরিচিত।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  9. সময়ঃ 10 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    শরীরের জৈব রসায়নগার বলে কোন অঙ্গকে?

    sumi
    sumi নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 10 মাস আগে

    শরীরের জৈব রসায়নগার বলা হয় যকৃৎ (Liver) কে। এর কারণ হলো, যকৃতে অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া প্রতিনিয়ত সংঘটিত হয় যা দেহের বিপাক প্রক্রিয়ায় (metabolism) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখানে প্রায় ৫০০-এরও বেশি জৈবনিক কাজ সম্পন্ন হয়ে থাকে, যেমন: পিত্তরস উৎপাদন: যা খাদ্য পরিপবিস্তারিত পড়ুন

    শরীরের জৈব রসায়নগার বলা হয় যকৃৎ (Liver) কে।

    এর কারণ হলো, যকৃতে অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া প্রতিনিয়ত সংঘটিত হয় যা দেহের বিপাক প্রক্রিয়ায় (metabolism) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখানে প্রায় ৫০০-এরও বেশি জৈবনিক কাজ সম্পন্ন হয়ে থাকে, যেমন:

    • পিত্তরস উৎপাদন: যা খাদ্য পরিপাকে, বিশেষত স্নেহজাতীয় খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে।
    • গ্লুকোজের সঞ্চয় ও নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্ত গ্লুকোজ গ্লাইকোজেন রূপে যকৃতে সঞ্চিত থাকে এবং প্রয়োজনে তা ভেঙে গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয়ে রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
    • প্রোটিন সংশ্লেষণ: রক্তের প্লাজমা প্রোটিন যকৃতে তৈরি হয়।
    • বিষাক্ত পদার্থ নিষ্কাশন: বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন বিষাক্ত পদার্থ যকৃতে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রশমিত হয়।
    • ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ সঞ্চয়: ভিটামিন (যেমন A, D, E, K, B6 ও B12) এবং লৌহ যকৃতে সঞ্চিত থাকে।
    • ইউরিয়া উৎপাদন: অতিরিক্ত অ্যামাইনো অ্যাসিড থেকে ইউরিয়া তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে কিডনি দ্বারা দেহ থেকে বের হয়ে যায়।

    এইসব বহুমুখী ও জটিল জৈব রাসায়নিক কার্যকলাপের কারণেই যকৃৎকে মানবদেহের জৈব রসায়নগার বা রাসায়নিক পরীক্ষাগার বলা হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  10. সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ইকেবানা মানে কি?

    ঝুমুর হাসান
    ঝুমুর হাসান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    ইকেবানা (Ikebana) আসলে জাপানিদের ফুল সাজানোর একটা সুন্দর শিল্প। সহজভাবে বললে, এটা শুধু ফুলদানিতে ফুল গুছিয়ে রাখার মতো নয়। ইকেবানার মাধ্যমে জাপানিরা ফুল, গাছের ডাল, পাতা আর অন্যান্য প্রাকৃতিক জিনিসপত্র দিয়ে এমনভাবে সাজায় যেন এর মধ্যে প্রকৃতির সৌন্দর্য, মানুষের অনুভূতি আর মহাবিশ্বের একটা ছন্দ ফুটেবিস্তারিত পড়ুন

    ইকেবানা (Ikebana) আসলে জাপানিদের ফুল সাজানোর একটা সুন্দর শিল্প।

    সহজভাবে বললে, এটা শুধু ফুলদানিতে ফুল গুছিয়ে রাখার মতো নয়। ইকেবানার মাধ্যমে জাপানিরা ফুল, গাছের ডাল, পাতা আর অন্যান্য প্রাকৃতিক জিনিসপত্র দিয়ে এমনভাবে সাজায় যেন এর মধ্যে প্রকৃতির সৌন্দর্য, মানুষের অনুভূতি আর মহাবিশ্বের একটা ছন্দ ফুটে ওঠে।

    তারা মনে করে, এর মাধ্যমে ফুল বা গাছকে নতুন জীবন দেওয়া হয়, আর তাই এর নাম “ফুলকে জীবন্ত রাখা“। এটা অনেকটা ছবি আঁকা বা গান গাওয়ার মতোই একটা শিল্প, যেখানে প্রকৃতির জিনিস দিয়ে নিজেদের ভাবনা প্রকাশ করা হয়।

    জাপানে এটাকে “ফুলের পথ“ও বলা হয়, কারণ এটা শুধু সাজানো নয়, এটা একটা আধ্যাত্মিক যাত্রাও বটে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  11. সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বাঙালীদের কোন জনপ্রিয় খাবারটি নভোচারী সুনিতা উইলিয়ামস মহাকাশে নিয়ে গিয়েছিলেন?

    ঝুমুর হাসান
    ঝুমুর হাসান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    নভোচারী সুনিতা উইলিয়ামস মহাকাশে সামোসা (Samosa) নিয়ে গিয়েছিলেন। যদিও সামোসা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে এবং বাংলাদেশ সহ অন্যান্য দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোতে জনপ্রিয়, এটিকে তিনি তার ভারতীয় ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে নিয়ে গিয়েছিলেন। মহাকাশে সাধারণত ডিহাইড্রেটেড বা প্যাকেটজাত খাবার নেওয়া হয়, যা সহজে সংরক্ষণ করাবিস্তারিত পড়ুন

    নভোচারী সুনিতা উইলিয়ামস মহাকাশে সামোসা (Samosa) নিয়ে গিয়েছিলেন। যদিও সামোসা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে এবং বাংলাদেশ সহ অন্যান্য দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোতে জনপ্রিয়, এটিকে তিনি তার ভারতীয় ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে নিয়ে গিয়েছিলেন।

    মহাকাশে সাধারণত ডিহাইড্রেটেড বা প্যাকেটজাত খাবার নেওয়া হয়, যা সহজে সংরক্ষণ করা যায় এবং শূন্য অভিকর্ষে খাওয়া যায়। সামোসা এই ধরনের খাবারের জন্য উপযুক্ত একটি জনপ্রিয় স্ন্যাক্স।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  12. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

    পুরুষের চেয়ে নারীর মাথা বেশি গরম, কারণ কী?

    কাসেম খান
    কাসেম খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    পুরুষদের তুলনায় নারীদের মাথা নাকি বেশি গরম, এর কারণ কি? আসলে, বিজ্ঞান বলছে নারীদের ব্রেইনের গড় তাপমাত্রা পুরুষদের তুলনায় সামান্য বেশি থাকতে পারে। কিন্তু এইটা 'গরম হওয়া' বলতে আমরা যেটা বুঝি, সেই রাগ বা টেনশন টাইপ গরম হওয়া না। তো, মজার কারণগুলো কী হতে পারে? মাল্টিটাস্কিংয়ের ক্ষমতা: দেখেন, নারীরা একইসবিস্তারিত পড়ুন

    পুরুষদের তুলনায় নারীদের মাথা নাকি বেশি গরম, এর কারণ কি?

    আসলে, বিজ্ঞান বলছে নারীদের ব্রেইনের গড় তাপমাত্রা পুরুষদের তুলনায় সামান্য বেশি থাকতে পারে। কিন্তু এইটা ‘গরম হওয়া’ বলতে আমরা যেটা বুঝি, সেই রাগ বা টেনশন টাইপ গরম হওয়া না।

    তো, মজার কারণগুলো কী হতে পারে?

    • মাল্টিটাস্কিংয়ের ক্ষমতা: দেখেন, নারীরা একইসাথে দশটা কাজ করতে পারে! ঘর সামলানো, বাচ্চা সামলানো, অফিস করা, রান্নাবান্না, শপিং—সবকিছু একসাথে সামলাতে গিয়ে ব্রেইনটা একটু বেশিই খাটে। এত খাটাখাটনির পর ব্রেইন তো একটু হিট হবেই, তাই না? যেন একটা হাই-পারফরম্যান্স প্রসেসর, যা সারাক্ষণ ওভারটাইম করছে!
    • হরমোনের খেল: নারীদের শরীরে হরমোনগুলো তো রোলার কোস্টারের মতো ওঠানামা করে। ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন—এরা সারাক্ষণ ডিউটিতে থাকে। এই হরমোনগুলোর আনাগোনা ব্রেইনের থার্মোস্টেটকে একটু নড়বড়ে করে দেয়। ব্যস, হয়ে গেল হালকা গরম! পুরুষদের হরমোন তো মোটামুটি একই লাইনে চলে, তাই ব্রেইনে এত আপ-ডাউন হয় না।
    • পৃথিবীর বোঝা: আচ্ছা, সব সমস্যা, সব চিন্তা, সব দায়িত্বের বোঝাটা যেন নারীরাই বেশি নিজেদের কাঁধে নিয়ে নেয়। পরিবার, সমাজ, ভবিষ্যৎ—সবকিছু নিয়ে এত দুশ্চিন্তা করতে করতে ব্রেইন তো এমনিতেই গরম হবে! যেন ব্রেইনের ভেতর ২৪/৭ একটা টেনশন-ফ্যাক্টরি চলছে।
    • আবেগপ্রবণতা: নারীরা সাধারণত একটু বেশি আবেগপ্রবণ হন। অল্পতেই খুশি, অল্পতেই দুঃখী, অল্পতেই রেগে যান, আবার দ্রুতই নরম হয়ে যান। এই যে এত আবেগের ঢেউ ব্রেইনের ভেতর দিয়ে যায়, তাতে তো একটু তাপ উৎপন্ন হবেই! পুরুষরা তো সব ইমোশন ভেতরে চাপা দিয়ে রাখে, তাই তাদের ব্রেইন ততটা ওয়ার্কআউট পায় না।

    তো ভাই, ব্যাপারটা আসলে সিরিয়াস কিছু না। নারীদের ব্রেইনের এই সামান্য বেশি তাপমাত্রা একটা স্বাভাবিক ব্যাপার। আর যদি ‘মাথা গরম’ বলতে রাগকে বোঝান, তাহলে বলতে হয়, এত দায়িত্ব আর চাপ সামলাতে গিয়ে একটু গরম তো হতেই পারে, তাই না? বরং এটা তাদের ক্ষমতারই একটা অংশ! 😉

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  13. সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ ব্যাংক-বীমা

    বাংলাদেশে গুগল পে কবে নাগাদ চালু হবে? গুগল পে তে কোন ব্যাংক যুক্ত করা যাবে? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গুগল পে এর প্রয়োজনীয়তা কতটুকু যেখানে আগে থেকেই বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদি চালু আছে? গুগল পে কি বিকাশ, নগদ, রকেট এদের সাথে প্রতিযোগিতায় পেরে উঠবে? যেকোন পেমেন্টে গুগল পে চার্জ না নিলেও যে ব্যাংকের কার্ড আমি গুগল পে তে যুক্ত করবো সেই ব্যাংক তো চার্জ ঠিকই নিবে তাইনা?

    কাসেম খান
    সেরা উত্তর
    কাসেম খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    একসাথে অনেক প্রশ্ন করে ফেলেছেন আপু! আমি প্রতিটা প্রশ্নের এক এক করে উত্তর দিচ্ছি। বাংলাদেশে গুগল পে কবে নাগাদ চালু হবে? বাংলাদেশে গুগল পে (Google Pay) চালু হওয়া নিয়ে জোর জল্পনা চলছে এবং খবর অনুযায়ী, ২৪শে জুন, ২০২৫ তারিখে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে। কোন ব্যাংক যুক্ত করা যাবে গুগল পে? প্রাথমিকভবিস্তারিত পড়ুন

    একসাথে অনেক প্রশ্ন করে ফেলেছেন আপু! আমি প্রতিটা প্রশ্নের এক এক করে উত্তর দিচ্ছি।

    বাংলাদেশে গুগল পে কবে নাগাদ চালু হবে?

    বাংলাদেশে গুগল পে (Google Pay) চালু হওয়া নিয়ে জোর জল্পনা চলছে এবং খবর অনুযায়ী, ২৪শে জুন, ২০২৫ তারিখে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে।

    কোন ব্যাংক যুক্ত করা যাবে গুগল পে?

    প্রাথমিকভাবে, সিটি ব্যাংকই প্রথম ব্যাংক হিসেবে গুগল পে-এর সাথে যুক্ত হচ্ছে। সিটি ব্যাংকের ভিসা (Visa) এবং মাস্টারকার্ড (Mastercard) ব্যবহারকারীরা তাদের কার্ড গুগল ওয়ালেটে (Google Wallet) যুক্ত করে গুগল পে ব্যবহার করতে পারবেন। এটি ধীরে ধীরে দেশের অন্যান্য ব্যাংকের সাথেও যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গুগল পে এর প্রয়োজনীয়তা কতটুকু যেখানে আগে থেকেই বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদি চালু আছে?

    বিকাশ, নগদ, রকেট – এগুলি মূলত মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) প্ল্যাটফর্ম যা মোবাইল নম্বর-ভিত্তিক লেনদেন এবং এজেন্ট নির্ভর সিস্টেমের মাধ্যমে কাজ করে। এর বিপরীতে গুগল পে একটি ডিজিটাল ওয়ালেট, যা মূলত আপনার ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডকে স্মার্টফোনে নিয়ে আসে এবং NFC (Near Field Communication) প্রযুক্তির মাধ্যমে দোকানে ‘ট্যাপ অ্যান্ড পে’ লেনদেন বা অনলাইনে পেমেন্টের সুবিধা দেয়।

    বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গুগল পে-এর প্রয়োজনীয়তা নিচে দেওয়া হলো:

    • নগদবিহীন লেনদেনের প্রসার: গুগল পে কার্ডবিহীন লেনদেনকে আরও সহজ করবে, যা নগদবিহীন অর্থনীতির দিকে দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।
    • আন্তর্জাতিক মান: গুগল পে একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম, যা আন্তর্জাতিক লেনদেন এবং অনলাইন শপিংয়ের জন্য সুবিধাজনক হতে পারে।
    • নিরাপত্তা: গুগল পে লেনদেনের জন্য টোকেনাইজেশন (tokenization) প্রযুক্তি ব্যবহার করে, যার ফলে আপনার আসল কার্ডের তথ্য বণিকের কাছে যায় না। এটি লেনদেনকে আরও সুরক্ষিত করে।
    • সুবিধা: যারা নিয়মিত ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেন, তাদের জন্য এটি কার্ড পকেটে রাখার ঝামেলা কমিয়ে দেবে।

    গুগল পে কি বিকাশ, নগদ, রকেট এদের সাথে প্রতিযোগিতায় পেরে উঠবে?

    গুগল পে এবং বিকাশ, নগদ, রকেট – এদের কাজের ধরন কিছুটা ভিন্ন।

    • বিকাশ, নগদ, রকেট: এরা মূলত দৈনন্দিন ক্ষুদ্র লেনদেন, বিল পেমেন্ট, মোবাইল রিচার্জ, রেমিটেন্স এবং এজেন্ট-ভিত্তিক ক্যাশ ইন/আউটের উপর বেশি জোর দেয়। এদের ব্যবহারকারী বেস অনেক বড় এবং দেশের প্রায় প্রতিটি প্রান্তে এদের এজেন্ট নেটওয়ার্ক রয়েছে।
    • গুগল পে: এটি মূলত স্মার্টফোনের মাধ্যমে কার্ড-ভিত্তিক লেনদেনের উপর বেশি মনোযোগ দেয়। NFC-এর মাধ্যমে দোকানে পেমেন্ট এবং অনলাইন পেমেন্টই এর প্রধান সুবিধা।

    প্রতিযোগিতায় পেরে ওঠার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় গুরুত্বপূর্ণ:

    • NFC টার্মিনালের প্রসার: গুগল পে সফল হতে হলে বাংলাদেশে NFC সমর্থিত POS (Point of Sale) টার্মিনালের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে হবে। বর্তমানে বিকাশ, নগদ, রকেট কিউআর কোড (QR Code) ভিত্তিক পেমেন্টেও বেশ শক্তিশালী।
    • স্থানীয়করণ: গুগল পে যদি স্থানীয় প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন ফিচার যেমন – বিল পেমেন্ট, মোবাইল রিচার্জ ইত্যাদি যোগ করে এবং স্থানীয় ব্যাংকগুলোর সাথে দ্রুত সমন্বয় সাধন করতে পারে, তবে এটি প্রতিযোগিতায় একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে পারবে।
    • ব্যবহারকারীর অভ্যাস: বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ এখনও MFS প্ল্যাটফর্মগুলোতে অভ্যস্ত। গুগল পে তাদের অভ্যাস পরিবর্তন করে নিজেদের দিকে টানতে কতটা সফল হবে, তা দেখার বিষয়।

    প্রথম দিকে গুগল পে বিকাশ, নগদ, রকেটের মতো ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করতে না পারলেও, শহরাঞ্চলে এবং উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত ব্যবহারকারীদের মধ্যে এটি একটি শক্তিশালী প্রতিযোগী হয়ে উঠতে পারে, বিশেষ করে যারা কার্ড ব্যবহার করে কেনাকাটা করেন।

    যেকোন পেমেন্টে গুগল পে চার্জ না নিলেও যে ব্যাংকের কার্ড আমি গুগল পে তে যুক্ত করবো সেই ব্যাংক তো চার্জ ঠিকই নিবে তাইনা?

    হ্যাঁ, আপনার অনুমান সঠিক। গুগল পে সাধারণত তার মৌলিক লেনদেনের জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে সরাসরি কোনো চার্জ নেয় না। তবে, আপনি গুগল পে-তে যে ব্যাংক কার্ডটি যুক্ত করবেন, সেই ব্যাংক আপনার লেনদেনের উপর তাদের নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী চার্জ নিতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি কোনো ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেন, তাহলে সেই কার্ডের নিয়ম অনুযায়ী অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ, ফরেক্স মার্কআপ (যদি আন্তর্জাতিক লেনদেন হয়) বা অন্য কোনো ফি প্রযোজ্য হতে পারে। অর্থাৎ, গুগল পে একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে, কিন্তু আসল লেনদেন আপনার ব্যাংক এবং বণিকের মধ্যে হবে এবং ব্যাংকের চার্জের নিয়মাবলী এক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  14. সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    Wight gain

    ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    ওজন বাড়ানোর কার্যকরী টিপস : নতুন ওজন বাড়ানোর যাত্রা শুরু করতে গেলে প্রথমেই বুঝতে হবে, কেন ওজন কম? স্ট্রেস এর কারণে? কম খাওয়ার কারণে? কখনো ভালো করে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া হয় না? নাকি কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা? তাই শুরুতেই নিজের শরীর সম্পর্কে একটু খেয়াল রাখুন। নিচে কিছু সহজ ও বাস্তব পরামর্শ দিচ্ছিঃ ১বিস্তারিত পড়ুন

    ওজন বাড়ানোর কার্যকরী টিপস :

    নতুন ওজন বাড়ানোর যাত্রা শুরু করতে গেলে প্রথমেই বুঝতে হবে, কেন ওজন কম? স্ট্রেস এর কারণে? কম খাওয়ার কারণে? কখনো ভালো করে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া হয় না? নাকি কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা? তাই শুরুতেই নিজের শরীর সম্পর্কে একটু খেয়াল রাখুন। নিচে কিছু সহজ ও বাস্তব পরামর্শ দিচ্ছিঃ

    ১. নিজের উচ্চতা ও BMI জানুন

    • আপনার উচ্চতা কত? যদি আপনার উচ্চতা জানা না থাকে, একবার সঠিকভাবে মেপে নিন।
    • BMI (Body Mass Index) বের করতে পারেন: BMI = ওজন (kg) ÷ (উচ্চতা (m))²।
    • উদাহরণ: উচ্চতা ধরুন 1.6 মিটার। ওজন 40 কেজি হলে BMI হবে 40 ÷ (1.6×1.6) ≈ 15.6, যা “Underweight” ক্যাটেগরিতে পড়ে। কিন্তু আপনার প্রকৃত উচ্চতা দিয়ে নিজে হিসেব করুন।
    • BMI খুব একমাত্র মাপকাঠি নয়, কিন্তু প্রাথমিক ধারণা দেয়। যদি BMI একদম কম থাকে (مثلاً < 18.5), তাহলে ওজন বাড়ানো জরুরি হতে পারে।

    ২. পর্যাপ্ত ক্যালরি গ্রহণ

    ওজন বাড়াতে হলে দৈনিক ক্যালরি চাহিদা থেকে অতিরিক্ত ক্যালরি নিতে হবে, অর্থাৎ ক্যালরি সাপ্লাস তৈরি করতে হবে।

    • প্রতিদিন আনুমানিক ৩০০–৫০০ ক্যালরি বেশি খাওয়ার চেষ্টা করুন। তবে হঠাৎ করে হাই ক্যালরি Junk food নয়, বরং সুস্থ ও পুষ্টিকর খাবার থেকে ক্যালরি নিন।
    • ছোট ছোট পরিমাণে, কিন্তু ঘনঘন খেতে পারেন। মানে দিনে ৩ বেলা বড় খাবার + ২–৩ বার হালকা নাস্তা। এতে পেটে খুব ভারী অনুভূতি কম থাকবে।

    ৩. পুষ্টি-ঘন খাবার খুঁজে নিন

    বাংলাদেশি খাবারের মধ্যে অনেকেই ভাত-ডাল খান। তবে শুধু ভাত-ডাল দিয়ে অনেক ক্যালরি ও স্বাস্থ্যকর পুষ্টি আসবে না। কিছু খাবার যোগ করুন যেগুলো পুষ্টি-ঘন ও ক্যালরি সমৃদ্ধ:

    • শর্করা ও কার্বোহাইড্রেট: সাদা ভাতের পাশাপাশি দোলেটি রুটি বা পরোটা (পুরো গমের হলে ভালো), আলু, মিষ্টি আলু।
    • প্রোটিন: ডাল-মুগ, মসুরের ডাল; মাংস-বাদাম-পনির: মাছ (ইলিশ, পাঙ্গাস, ক্যাটফিশ), মুরগির গোশত, ডিম—প্রতিদিন ১–২ ডিম যোগ করলে ভালো। দুধ, দই। পনির (Paneer) বা চীজ একটু সামান্য।
    • হেলদি ফ্যাট: বাদাম (বাদাম মিক্স), কাজু, আখরোট, চিনাবাদাম; বাটার বা গাভির ঘি (অল্প পরিমাণে রুটিতে বা ভর্তায়)।
    • দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য: পূর্ণফ্যাট দুধ বা দুধের কাঁদা দুধ (milkshake বানিয়ে খান – দুধ, কলা, মধু, বাদাম মিশিয়ে)। দই (plain yogurt) এর সাথে কিছু ফল-মিক্স করে খেতে পারেন।
    • ফল: কলা, আম (যদি মৌসুমে হয়), পেঁপে, আভোকাডো (যদি সহজে পাওয়া যায়), আনারস-কমলার রস – ক্যালরি বেশি এবং পুষ্টি ভালো।
    • ক্যালরি বুস্টার স্ন্যাকস: চিনেবাদাম বা মিক্সড বাদাম; খেজুর-পাস্তার দি (date); রাইস কেকের সাথে পিনাট বাটার (যদি পাওয়া যায়)।
    • শর্করা ও প্রোটিন: মুষুর ডালের সঙ্গে চাল মিশিয়ে খেতে পারেন ভালো পরিমাণ প্রোটিন ও কার্ব দিতে।
      খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণ বাড়ানোর চেষ্টায় একটু তেল বা ঘি যোগ করুন; কিন্তু সরাসরি অফিশিয়াল পরামর্শ ব্যতীত খুব বেশি ভাজাভুজি বা জাঙ্ক ফুডে ভর করবেন না।

    ৪. নিয়মিত ও সুষম খাবারের রুটিন

    • নিয়মিত মেয়ের বন্ধুবান্ধবের রুটিন: আপনি কি প্রতিদিন তিন বেলা + নাস্তা পাচ্ছেন? যদি কাজ-ব্যস্ততায় বাদ পড়ে যায়, সেটি ঠিক করুন।
    • নাস্তা: দুপুর-সকাল-সন্ধ্যাকালীন: ভাজি (হালকা), স্যান্ডউইচ (পনির/ডিম/চিকেন), স্মুদি (দুধ-বানানা), বাদামের সঙ্গে ক্ষুদ্র ফল, পটেটো চাপ, চিড়ের লাচ্ছা দুধে।
    • বড়ো খাবার: প্রতিবারেই চেষ্টা করুন প্রোটিন + কার্ব + হেলদি ফ্যাট মিশিয়ে খেতে। যেমন: ভাত-ডাল-মাছ এবং সাথে একটু সবজি-ভাজি + দই + একটু ঘি ভাতের উপরে।
    • ঘুমের আগে: রাতের আগে ১ ঘণ্টা আগে হালকা দুধ পানে বেদ্রূমে যাওয়ার অন্তর্নিহিত ক্যালরি। দুধে হয়তো মধু বা বাদাম যোগ করুন।

    ৫. ব্যায়াম ও ওজন বাড়ানো

    ওজন বাড়াতে শুধু খাওয়া নয়, ব্যায়ামকেও গুরুত্ব দিন, বিশেষ করে স্ট্রেন্থ বা ওজন ওঠানোর ব্যায়াম:

    • ওজন ওঠানো (Weight training): জিমে যদি যেতে ইচ্ছা হয়, হালকা ডাম্বেল বা বারবেল দিয়ে স্কোয়াট, লাংজ, বেঞ্চ প্রেস, রো ইত্যাদি। ননী: ব্যাগে কিছু বই ভরে হালকা ওজন স্বাভাবিক বাড়িতে ও করতে পারেন।
    • বডিওয়েট এক্সারসাইজ: স্কোয়াট, লাংজ, পুশ-আপ (যদি করতে পারেন), প্লাঙ্ক। এগুলো পেশি তৈরি করতে সাহায্য করে।
    • কার্ডিও সীমিত: কার্ডিও ক্লাসিক যেমন দৌড়, জগিং অনেক বেশি করলে ক্যালরি বার্ন বেশি হবে, যা ওজন বাড়াতে বাঁধা হতে পারে। হালকা হাঁটাহাঁটি ভালো, কিন্তু দীর্ঘ দৌড়-জগিং কম।
    • পেশি গঠন: পেশি বাড়লে শরীরের ভলিউম বাড়ে, যা দেখাতেও ওজন বর্ধিত মনে হয়। তাছাড়া পেশিতে বসে থাকা অ্যাডিপোজ টিস্যু থেকে স্বাস্থ্যকর ক্যালরি সঞ্চয় হয়।
    • পূর্ণ পুনরুদ্ধার: ব্যায়াম করলে পেশি ঠিকমতো রিপেয়ার ও গ্রো করতে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দরকার। প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম খুব জরুরি।

    ৬. পর্যাপ্ত পানি ও হাইড্রেশন

    • প্রচুর পানি পান করুন। হাইড্রেশন ভালো হলে হজমও ভালো হয়।
    • তবে খাওয়ার সময় খুব বেশি পানি একেবারে খাবারের আগে-পর খাবেন না, যাতে পেটে ভরীর অনুভূতি খুব দ্রুত না আসে। खाने ৩০ মিনিট আগে-পর হালকা পানি ঠিক আছে।
    • দুধ-ফ্রুট স্কুুইজি/স্মুদি/প্রোটিন শেকের মাধ্যমে হাইড্রেটেড থাকতেও পারেন।

    ৭. মনোযোগ স্বাস্থ্যগত কারণ

    • যদি অনেক সময় ধরে ওজন কম থাকে, হয়তো কোনো থাইরয়েড সমস্যা, খিচুড়ির পেট, ডাইজেস্টিভ সমস্যা, বা অন্য কোনো এনডোক্রাইন সমস্যা থাকতে পারে।
    • হঠাৎ বিশাল ওজন কম হলে বা ভুলভাবে ওজন বাড়ানোর চেষ্টা করলে শারীরিক অসুবিধা হতে পারে। তাই:
      • চিকিৎসকের পরামর্শ: প্রথমে কোনো জেনারাল ফিজিশিয়ানের সাথে দেখুন। যদি প্রয়োজন হয়, ব্লাড টেস্ট, থাইরয়েড টেস্ট ইত্যাদি করানোর পরামর্শ মেনে নিন।
      • ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ: ব্যক্তিগত হিসেব-নিকেশ, শরীরের অবস্থা (height, weight, medical history) দেখে রুটিন প্ল্যান পেতে চান, তাহলে একজন লাইসেন্সড ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ নিতে পারেন।

    ৮. মানসিক ও ইমোশনাল সাপোর্ট

    • অনেক সময় চাপ, অ্যানজাইটি বা ডিপ্রেশন ওজন কমে যায়। নিজেকে ভাল রাখতে হবি, হালকা হাঁটাহাঁটি, বন্ধুদের সাথে আড্ডা, মিউজিক-ড্যান্স—যা ভালো লাগে।
    • পরিবার-বান্ধবের সাপোর্ট নিন। ওজন বাড়ানোর যাত্রা ধীর হতে পারে; সম্পূর্ণ বুঝে সাহায্য করলে উৎসাহ পাবেন।
    • নিজেকে ছোট ছোট লক্ষ্য দিন: প্রথম সপ্তাহে ১ কেজি, পরবর্তী সপ্তাহে আরও একটু—তুলনামূলক হারে।

    ৯. পর্যবেক্ষণ ও ধৈর্য

    • রেকর্ড রাখুন: প্রতিদিন বা প্রতি সপ্তাহে ওজন মেপে নিন। পরিবর্তন কত? যদি খুব কম বাড়ে, তাহলে খাওয়ার পরিমাণ বা পুষ্টিকর খাবার বাড়ান বা ব্যায়ামের ধরন সামান্য পরিবর্তন করুন।
    • খাদ্য ডায়েরি: আপনি কি কি খান, কতটা খান—লিখে রাখলে বোঝা সহজ হয় কোথা থেকে ক্যালরি বাড়াতে হবে।
    • এক্সপেরিমেন্ট: কিছু খাবার ভালোভাবে গিলতে অসুবিধা হলে বদলান। যেমন কেবল ডিম-ভাজা খেতে সমস্যা হলে ডিমের স্মুদি ট্রাই করুন। দুধ ঠিকমতো হজ করতে না পারলে দই বা পনিরের মাধ্যমে প্রোটিন নিন।

    ১০. উদাহরণস্বরূপ দৈনিক রুটিন (মডেল)

    নিচে শুধুমাত্র উদাহরণ—আপনার পছন্দ, বাজেট, সময় অনুযায়ী বদলাতে পারেন:

    • সকাল ৭:০০ – ওঠা, গ্লাস পানি।
    • সকাল ৭:৩০ – দুধ + কলা + সামান্য বাদাম (কাটা) মিশিয়ে স্মুদি।
    • সকাল ৮:৩০ – ব্রেকফাস্ট: ওটস বা পরোটা + ডিম (ওমলেট/ফ্রাই) + দই।
    • পৌনে ১১:০০ – হালকা নাস্তা: কয়েকটা খেজুর + বাদাম।
    • দুপুর ১:০০ – লাঞ্চ: ভাত + ডাল + মাছ/মুরগির টুকরো + সবজি-ভাজি + দই + একটু ঘি ভাতের উপর।
    • বিকেল ৪:০০ – চা-স্ন্যাক্স: চা সাথে সামান্য বিস্কুট বা ছোট স্যান্ডউইচ বা পুরি-ভাজি (মাঝে মাঝে) বা স্ন্যাকস স্মুদি।
    • বিকেল ৫:৩০ – হালকা ওজন ওঠানোর ব্যায়াম (যদি পারেন)। ওয়ার্ম-আপ + স্ট্রেন্থ এক্সারসাইজ। শেষে দেহতাপ একটু হালকা স্ট্রেচিং।
    • সাঁঝ ৭:০০ – প্রোটিন শেক বা দুধ + পিনাট বাটার স্যান্ডউইচ বা দই-ফল।
    • রাত ৮:০০ – ডিনার: ভাত/রুটি + ডাল + মাছ/চিকেন + সবজি + সালাদ + দই।
    • রাত ১০:০০ – ঘুমের আগে দুধ (কোনো প্রোটিন পাউডার ব্যতীত, যদি না পূর্বে ডাক্তারের পরামর্শ)।
    • ঘুম – ৭-৮ ঘণ্টা: ভাল ঘুম পেশি রিকভারি ও হরমোন ব্যালেন্সের জন্য জরুরি।

    ১১. খাদ্য প্রস্তুতিতে কাজে লাগুন

    • রান্নার সময় হেলদি তেল (জয়েন্টলি ঘি বা অলিভ অয়েল যদি পাওয়া যায়) একটু বেশি ব্যবহার করুন। ভাত-ডালের কাছে পেঁয়াজ-রসুন-মশলা ঠিকমতো দিলে ক্ষুধাও ভালো থাকে।
    • স্মুদি বা মিল্কশেক বানানোর সময় দুধে পছন্দমতো ফল, বাদাম, মধু, ইচ্ছে হলে ওটস মিশিয়ে কনসিস্টেন্সি ঘন করুন।
    • ফ্রিজে পনির/দই রাখুন, সহজে নাস্তা তৈরি করা যায়।
    • এগুলো আপনাকে ক্যালরি ও পুষ্টি দেবে।

    ১২. সতর্কতা

    • অতি-খাওয়া: প্রচুর জাঙ্ক ফুড দিয়ে ক্যালরি বাড়ালে শরীরে শুধু ফ্যাটই জমতে পারে, যা স্বাস্থ্যহানিকর।
    • ডায়াবেটিস বা অন্যান্য সমস্যা: যদি পরিবারে ডায়াবেটিস বা অন্য কোনো রোগের ইতিহাস থাকে, খাবার বেছে নিতে ডাক্তারের পরামর্শ জরুরি।
    • স্বাস্থ্যগত সমস্যার লক্ষণ: যদি দুর্বল বোধ, বার বার মোনোক কাটিয়া সমস্যা, হজম সমস্যা থেকে যায়, অবশ্যই প্রফেশনাল দেখান।

    ১৩. উৎসাহ এবং মনোবল

    • আপনার শরীরের পরিবর্তন আস্তে আস্তে হবে। সপ্তাহে ৫০০ গ্রাম–১ কেজি পর্যন্ত ওজন বাড়লে ভালো লক্ষণ।
    • প্রগতির ছবি নিন—মাস তিনেক পর ছবি দেখলে পরিবর্তন বোঝা যায়।
    • বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন, একে অপরকে উৎসাহ দিন।
    • মনের দিকেও সময় দিন: পজিটিভ মাইন্ডসেট হলে খাওয়া-ব্যায়াম ঠিকমতো মেনে চলা সহজ হয়।

    ১৪. স্থানীয় কিছু পরামর্শ

    • বাংলাদেশে রোজ মসজিদ থেকে ইফতার-সেহরি ছাড়া দুপুর-সাঁঝ আদবভাবে খেতে বাধা পড়ে? যদি ব্যস্ত হয়ে খাওয়া মিস হয়, সহজে প্যাক করা স্মুদি বা প্যাকেট বাদাম-খেজুর রাখতে পারেন ব্যাগে, সেদিনে সেদিনে খান।
    • ভাতা-ডাল নিয়মিত কিন্তু স্বাদ বড় করার জন্য মশলা, তেল, সবজি ভালোভাবে দিন যাতে পেট ভালো লাগে।
    • যাদের পরিবারে রান্নার সময়-সামঞ্জস্য আছে, সাপোর্ট নিন—বড় পরিমানে রান্না করে ফ্রিজে রেখে মাঝে মাঝে গ্র্যাব করে খান।

    ১৫. কখন ডাক্তার দেখাবেন?

    • যদি আপনার ওজন অনেক কম, মাঝেমধ্যে মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, চিড়চিড় ভাব থাকে, হজমে সমস্যা, অথবা অন্য কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ থাকে—তাহলে অবিলম্বে প্রাথমিক চিকিৎসক দেখুন।
    • ব্লাড টেস্টে পুষ্টির ঘাটতি (যেমন আয়রন, ভিটামিন) থাকলে সাপ্লিমেন্ট নেওয়ার পরামর্শ নিতে পারেন। সাপ্লিমেন্ট যতটা প্রয়োজন, ততটাই; অযথা না।

    আশা করি এই পরামর্শগুলো আপনার জন্য কাজে দেবে। প্রথমে নিজেকে চাপ দেবেন না। ধৈর্য ধরে ধাপে ধাপে রুটিন মেনে চলুন। প্রয়োজনে পরিবার বা বন্ধুদের সাপোর্ট নিন। নিয়মিত ওজন দেখুন, যেখানেই আটকাল বুঝে সেই অনুসারে খাবার বা ব্যায়াম সামান্য বেশি-কম করুন। সুস্থ উপায়ে ধীরে ধীরে আপনার স্বপ্নের ওজন দিতে পারলে মনোযোগ বজায় থাকবে। শুভ কামনা রইল!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  15. সময়ঃ 12 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    দ্য শ্যাম্পুয়িং সার্জন নামে কে বিখ্যাত ছিলেন?

    কুসুম কেয়া
    কুসুম কেয়া নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    "শ্যাম্পুয়িং সার্জন" কে ছিলেন? যিনি "শ্যাম্পুয়িং সার্জন" নামে পরিচিত ছিলেন, তিনি হলেন শেখ দীন মুহাম্মদ। তিনি ছিলেন একজন অসাধারণ বাঙালি উদ্যোগী মানুষ। কেন তিনি এই নামে পরিচিত ছিলেন? তিনি এই নামে পরিচিত হয়েছিলেন কারণ: শ্যাম্পুর প্রচলন: শেখ দীন মুহাম্মদই প্রথম ইউরোপে, বিশেষ করে ইংল্যান্ডে, আমাদের ভাবিস্তারিত পড়ুন

    “শ্যাম্পুয়িং সার্জন” কে ছিলেন?

    যিনি “শ্যাম্পুয়িং সার্জন” নামে পরিচিত ছিলেন, তিনি হলেন শেখ দীন মুহাম্মদ। তিনি ছিলেন একজন অসাধারণ বাঙালি উদ্যোগী মানুষ।


    কেন তিনি এই নামে পরিচিত ছিলেন?

    তিনি এই নামে পরিচিত হয়েছিলেন কারণ:

    • শ্যাম্পুর প্রচলন: শেখ দীন মুহাম্মদই প্রথম ইউরোপে, বিশেষ করে ইংল্যান্ডে, আমাদের ভারতীয় “শ্যাম্পু” বা “চাম্পি” ম্যাসাজ পদ্ধতিটি নিয়ে যান। মজার ব্যাপার হলো, তখন “শ্যাম্পু” বলতে শুধু চুল ধোয়া বোঝাতো না, বরং সুগন্ধি তেল দিয়ে মাথা ও শরীর মালিশ করা বোঝাতো। এই মালিশ শরীরের জন্য খুব উপকারী ছিল।
    • চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহার: তিনি এই মালিশ আর গরম পানির ভাপের গোসলকে (যেটাকে তিনি ‘ভারতীয় বাথ’ বলতেন) চিকিৎসার কাজে লাগাতেন। যারা বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা, যেমন—হাঁটু ব্যথা, হাত-পায়ে দুর্বলতা বা প্যারালাইসিস-এর মতো রোগে ভুগছিলেন, তাদের জন্য এটি দারুণ কাজ দিত। ইংল্যান্ডের ব্রাইটনে তার একটা স্নানঘর ছিল, যার নাম ছিল “মাহমেদ’স বাথস”। সেখানে বহু মানুষ সুস্থ হতে আসত।
    • রাজার ডাক্তার: তার এই চিকিৎসা পদ্ধতি এতটাই জনপ্রিয় হয়েছিল যে, খোদ ইংল্যান্ডের রাজা চতুর্থ জর্জ এবং তারপর রাজা চতুর্থ উইলিয়াম তাকে তাদের ব্যক্তিগত “শ্যাম্পুয়িং সার্জন” হিসেবে নিযুক্ত করেছিলেন।

    এক কথায়, শেখ দীন মুহাম্মদ ছিলেন একজন দূরদর্শী বাঙালি, যিনি শুধু ব্যবসার জন্যই নয়, ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসার একটা দিককে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরেছিলেন। তাই তিনি “শ্যাম্পুয়িং সার্জন” হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  16. সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পাঠাও (Pathao) বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কতটা নিরাপদ?

    কুসুম কেয়া
    সেরা উত্তর
    কুসুম কেয়া নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    দূরের যাত্রার জন্য পাঠাও কি নিরাপদ? দূরের যাত্রায় পাঠাও কি কাজে লাগে? সাধারণত, ছোট বা মাঝারিপথের জন্য পাঠাও বেশ ভালো। তবে যখন আপনি অনেক দূরে যাবেন, তখন কিছু জিনিস খেয়াল রাখা দরকার। পাঠাও-এর কিছু সুবিধা আছে যা দূরের যাত্রায়ও কাজে দেবে: অ্যাকসিডেন্টের ক্ষতিপূরণ: ধরেন, যদি অ্যাকসিডেন্ট হয়, তাহলে চিকিৎসবিস্তারিত পড়ুন

    দূরের যাত্রার জন্য পাঠাও কি নিরাপদ?

    দূরের যাত্রায় পাঠাও কি কাজে লাগে?

    সাধারণত, ছোট বা মাঝারিপথের জন্য পাঠাও বেশ ভালো। তবে যখন আপনি অনেক দূরে যাবেন, তখন কিছু জিনিস খেয়াল রাখা দরকার।

    পাঠাও-এর কিছু সুবিধা আছে যা দূরের যাত্রায়ও কাজে দেবে:

    • অ্যাকসিডেন্টের ক্ষতিপূরণ: ধরেন, যদি অ্যাকসিডেন্ট হয়, তাহলে চিকিৎসার খরচ বা কিছু আর্থিক সাহায্য পাওয়া যায়। এটা কিন্তু দূরের পথেও কাজ করবে।
    • কোথায় আছেন, জানিয়ে দিন: দূরের যাত্রায় এটা খুব কাজের। আপনার লাইভ লোকেশন আপনি বন্ধু বা পরিবারকে জানাতে পারবেন। এতে তারা জানতে পারবে আপনি কোথায় আছেন আর আপনার যাত্রাটা নিরাপদ হচ্ছে কি না।
    • চালকের রেটিং দেখা: চালকের রেটিং দেখে আপনি বুঝতে পারবেন চালক কেমন। ভালো রেটিং দেখে চালক নিলে নিরাপত্তা কিছুটা বাড়ে।
    • চালকের যাচাই-বাছাই: পাঠাও চালক নেওয়ার আগে তাদের লাইসেন্স আর কাগজপত্র সব যাচাই করে দেখে। এতে চালকের ওপর ভরসা করা যায়।
    • ২৪ ঘণ্টা সাপোর্ট: কোনো সমস্যা হলে বা দরকার পড়লে পাঠাওয়ের কল সেন্টারে ফোন করতে পারবেন।

    দূরের যাত্রার জন্য কিছু জরুরি টিপস:

    • গাড়ি ভাড়া করা: পাঠাওয়ের একটা ‘পাঠাও কার রেন্টাল’ সার্ভিস আছে। এটা দূরের যাত্রার জন্য খুব ভালো। এখানে আপনি একদিন বা তার বেশি দিনের জন্য গাড়ি ভাড়া করতে পারবেন। গাড়ি আর চালক নিজেও বেছে নিতে পারবেন। আর ভাড়াও আগে থেকে ঠিক করা থাকে, তাই কোনো ঝামেলা হয় না। দূরের যাত্রার জন্য এটা অনেক বেশি নিরাপদ হতে পারে।
    • সরাসরি কথা বলে রাইড নেবেন না: অনেকে অ্যাপ ব্যবহার না করে সরাসরি চালকের সাথে কথা বলে ভাড়ার চুক্তি করে। এটা কিন্তু অনেক বেশি বিপজ্জনক। কারণ তখন পাঠাওয়ের কোনো নিরাপত্তা বা ট্র্যাকিং থাকে না। কোনো সমস্যা হলে পাঠাও আপনার দায়িত্ব নেবে না।
    • বাইকের চেয়ে গাড়ি ভালো: যদি অনেক দূরে যেতে চান, বাইকের চেয়ে গাড়ি (পাঠাও কার বা পাঠাও কার রেন্টাল) তুলনামূলক বেশি নিরাপদ। বাইকে খোলা পরিবেশে থাকেন, আর লম্বা পথে ক্লান্তি বা অন্য বিপদ বাইকে বেশি হতে পারে।
    • দিনের বেলায় যাত্রা: রাতের বেলা দূরের যাত্রা একটু বেশি ঝুঁকির হয়। যদি সম্ভব হয়, দিনের বেলায় যাওয়ার চেষ্টা করবেন।
    • চালকের বিশ্রাম: লম্বা পথে চালক ক্লান্ত হয়ে যেতে পারে। চালককে যদি ক্লান্ত মনে হয়, তাহলে তাকে একটু বিশ্রাম নিতে বলুন।

    যাইহোক, দূরের যাত্রার জন্য পাঠাও ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে একটু বেশি সতর্ক থাকতে হবে। যদি ‘পাঠাও কার রেন্টাল’ আপনার জন্য সুবিধাজনক হয়, তাহলে সেটাই ভালো হবে। আর সবচেয়ে জরুরি হলো, সবসময় অ্যাপের মাধ্যমে রাইড বুক করবেন এবং নিজের নিরাপত্তার জন্য সব সুবিধা (যেমন লাইভ লোকেশন শেয়ার) ব্যবহার করবেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  17. সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

    ইয়ারওয়ার্মস কি? এটি কেন হয়? এর থেকে মুক্তির উপায় কি?

    কুসুম কেয়া
    সেরা উত্তর
    কুসুম কেয়া নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    মনে গান বাজছে তো? এটা স্বাভাবিক ঘটনা আপনার মনে সারাক্ষণ কোনো গান বাজতে থাকে? হয়তো সুরটি বারবার ফিরে আসে, কিংবা গানের একটি অংশই ঘুরছে মাথার ভেতরে? এই অনুভূতিটি অস্বাভাবিক নয়, বরং দারুণ পরিচিত একটি ঘটনা। চিকিৎসা পরিভাষায় একে বলা হয় ইনভলান্টারি মিউজিক্যাল ইমেজারি (Involuntary Musical Imagery - INMI)। তবিস্তারিত পড়ুন

    মনে গান বাজছে তো? এটা স্বাভাবিক ঘটনা

    আপনার মনে সারাক্ষণ কোনো গান বাজতে থাকে? হয়তো সুরটি বারবার ফিরে আসে, কিংবা গানের একটি অংশই ঘুরছে মাথার ভেতরে? এই অনুভূতিটি অস্বাভাবিক নয়, বরং দারুণ পরিচিত একটি ঘটনা। চিকিৎসা পরিভাষায় একে বলা হয় ইনভলান্টারি মিউজিক্যাল ইমেজারি (Involuntary Musical Imagery – INMI)। তবে সহজভাবে একে আমরা ইয়ারওয়ার্মস (Earworms) বলি।


    কেন এমন হয়?

    ঠিক কেন আমাদের মনে এই গানের সুরগুলো আটকে যায়, তার কয়েকটি কারণ আছে:

    • গানের যাদু: কিছু গানই এমনভাবে তৈরি হয় যে সেগুলো সহজেই মনে গেঁথে যায়। একই সুরের বারবার আসা, সহজ ছন্দ বা আকর্ষক তাল এই ধরনের গানের বৈশিষ্ট্য।
    • সম্প্রতি শোনা গান: আপনি যদি সম্প্রতি কোনো গান বারবার শোনেন, তবে সেটি আপনার মনে বাজতে শুরু করতে পারে। ব্রেন এই সুরকে আঁকড়ে ধরে রাখে।
    • মস্তিষ্কের খেলার ছলে: আমাদের মস্তিষ্ক প্যাটার্ন খুঁজে বের করতে ভালোবাসে। যখন কোনো সুরের প্যাটার্ন মস্তিষ্কের কাছে ধরা পড়ে, তখন সেটি নিজের মতো করে বাজিয়ে চলে।
    • মনোযোগের অভাব: যখন আমাদের মন কোনো নির্দিষ্ট কাজে পুরোপুরি ব্যস্ত থাকে না, তখন মস্তিষ্ক হয়তো এই গানের টুকরোগুলো বাজিয়ে নিজের মনোযোগ ধরে রাখে।
    • স্মৃতি ও আবেগ: কোনো গান যদি আপনার কোনো বিশেষ স্মৃতি বা অনুভূতির সাথে যুক্ত থাকে, তবে সেই গানটি আপনার মনে বারবার ফিরে আসতে পারে।

    এটা কি শুধু আমারই হয়?

    না, একদমই না। আপনার মনে গান বাজার এই অভিজ্ঞতাটি পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষেরই হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ সপ্তাহে অন্তত একবার এই ধরনের ইয়ারওয়ার্মসের অভিজ্ঞতা পান। কারও কারও ক্ষেত্রে তো প্রতিদিনই এমনটা হতে পারে। তাই আপনার এই অনুভূতিটি বেশ সাধারণ।


    বিরক্ত লাগছে? কী করবেন?

    ইয়ারওয়ার্মস সাধারণত ক্ষতিকর নয়, তবে মাঝে মাঝে বিরক্তিকর হতে পারে। যদি মুক্তি পেতে চান, কিছু সহজ উপায় আছে:

    • পুরো গানটি শুনুন: যে গানটি মনে বাজছে, সেটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শুনলে অনেক সময় ব্রেন সেটি “ছেড়ে” দেয়।
    • অন্য কিছুতে মন দিন: একটি বই পড়ুন, কোনো ধাঁধার সমাধান করুন, বা এমন কোনো কাজ করুন যেখানে আপনার পুরো মনোযোগ প্রয়োজন।
    • চুইংগাম চিবান: কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, চুইংগাম চিবানো ইয়ারওয়ার্মস কমাতে সাহায্য করতে পারে।
    • নতুন গান শুনুন: একটি নতুন বা সম্পূর্ণ ভিন্ন ধাঁচের গান শুনুন। এটি আগের সুরটিকে মন থেকে সরিয়ে দিতে পারে।

    আপনার কি কোনো নির্দিষ্ট ধরনের গান মনে বেশি বাজে?

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  18. সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    রাখাইন করিডোর নিয়ে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতা বাংলাদেশের জন্য কী ধরনের কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে?

    biplob
    সেরা উত্তর
    biplob নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    রাখাইন করিডোরকে ঘিরে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে প্রতিযোগিতা চলছে, তা বাংলাদেশের জন্য বেশ কিছু জটিল কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। সহজভাবে বললে, বাংলাদেশ যেন দুই পরাশক্তির মাঝে পড়ে এক সূক্ষ্ম ভারসাম্যের খেলায় নেমেছে। আসুন, চ্যালেঞ্জগুলো ধাপে ধাপে বুঝে নিই: ১. রাখাইন করিডোর কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ?বিস্তারিত পড়ুন

    রাখাইন করিডোরকে ঘিরে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে প্রতিযোগিতা চলছে, তা বাংলাদেশের জন্য বেশ কিছু জটিল কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। সহজভাবে বললে, বাংলাদেশ যেন দুই পরাশক্তির মাঝে পড়ে এক সূক্ষ্ম ভারসাম্যের খেলায় নেমেছে।

    আসুন, চ্যালেঞ্জগুলো ধাপে ধাপে বুঝে নিই:

    ১. রাখাইন করিডোর কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    রাখাইন করিডোর বলতে মূলত মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যকে বোঝানো হচ্ছে, যা বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত। এই এলাকাটি ভূ-রাজনৈতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    • চীনের আগ্রহ: চীন এই রাখাইন রাজ্য দিয়ে বঙ্গোপসাগরে সরাসরি প্রবেশাধিকার পেতে চায়। এর কারণ হলো, চীনের মূল ভূখণ্ড থেকে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনের জন্য বর্তমানে মালাক্কা প্রণালী ব্যবহার করতে হয়, যা বেশ লম্বা পথ এবং ভূ-রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল। রাখাইন দিয়ে একটি করিডোর তৈরি করতে পারলে চীন অনেক সহজে এবং কম সময়ে বঙ্গোপসাগরে পৌঁছাতে পারবে। এর অংশ হিসেবে চীন মিয়ানমারের কিয়াউকফিউ (Kyaukphyu) গভীর সমুদ্রবন্দর এবং এর সাথে যুক্ত রেল ও সড়কপথ নির্মাণ করছে, যা চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (BRI)-এর একটি বড় অংশ।
    • যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ: যুক্তরাষ্ট্র চীনের এই ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে ভারসাম্যপূর্ণ করতে চায়। তাদের ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল (Indo-Pacific Strategy)-এর মূল লক্ষ্য হলো এই অঞ্চলে একটি ‘মুক্ত ও উন্মুক্ত’ পরিবেশ বজায় রাখা, যেখানে কোনো একক দেশ অতিরিক্ত প্রভাব বিস্তার করতে না পারে। তাই তারা এই অঞ্চলে চীনের প্রভাব কমাতে এবং নিজেদের মিত্রদের সাথে সম্পর্ক জোরদার করতে আগ্রহী।

    ২. বাংলাদেশের জন্য কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো কী কী?

    এই দুই পরাশক্তির প্রতিযোগিতার কারণে বাংলাদেশের সামনে বেশ কিছু জটিল চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে:

    • ভারসাম্য বজায় রাখা: বাংলাদেশ একদিকে চীনের কাছ থেকে অর্থনৈতিক সুবিধা (যেমন, অবকাঠামো প্রকল্পে বিনিয়োগ) নিতে চায়, আবার অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথেও ভালো সম্পর্ক রাখতে চায় (যেমন, বাণিজ্য, নিরাপত্তা সহযোগিতা)। এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাটা খুবই কঠিন, কারণ এক পক্ষকে খুশি করতে গেলে অন্য পক্ষ অসন্তুষ্ট হতে পারে।
    • অর্থনৈতিক নির্ভরতা বনাম ভূ-রাজনৈতিক জোট: চীন বাংলাদেশের অনেক বড় উন্নয়ন সহযোগী এবং বিনিয়োগকারী। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের রপ্তানির অন্যতম প্রধান গন্তব্য এবং কৌশলগত অংশীদার। তাই অর্থনৈতিক সুবিধা নিতে গিয়ে কোনো একটি নির্দিষ্ট ভূ-রাজনৈতিক জোটে জড়িয়ে পড়া বাংলাদেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
    • রোহিঙ্গা সংকট: রাখাইন করিডোরের বিষয়টি সরাসরি রোহিঙ্গা সংকটের সাথে জড়িত। বাংলাদেশ চায় রোহিঙ্গারা নিরাপদে তাদের নিজ দেশে ফিরে যাক। এক্ষেত্রে চীন মিয়ানমারের উপর বেশি প্রভাব রাখে এবং তাদের প্রত্যাবাসনে সহায়তা করতে পারে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র মানবাধিকারের বিষয়টিকে বেশি গুরুত্ব দেয় এবং মিয়ানমারের উপর চাপ সৃষ্টি করে। বাংলাদেশ উভয় দেশের সমর্থন চায়, কিন্তু তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন হওয়ায় একটি সুনির্দিষ্ট কৌশল তৈরি করা কঠিন।
    • আঞ্চলিক অস্থিরতা: চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রতিযোগিতা যদি আরও তীব্র হয়, তাহলে এই অঞ্চলে অস্থিরতা বাড়তে পারে। এর ফলে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
    • বিনিয়োগের দ্বিধা: চীন থেকে আসা বিনিয়োগ অনেক সময় দ্রুত এবং কম শর্তে পাওয়া যায়, কিন্তু এতে ঋণের ফাঁদে পড়ার ঝুঁকি থাকে। অন্যদিকে, পশ্চিমা দেশগুলোর বিনিয়োগে শর্ত বেশি থাকলেও তা তুলনামূলকভাবে স্বচ্ছ হয়। বাংলাদেশকে এই দুইয়ের মধ্যে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
    • অভ্যন্তরীণ চাপ: বাইরের এই চাপগুলো বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নীতি নির্ধারণেও প্রভাব ফেলতে পারে এবং বিভিন্ন মহলে ভিন্ন ভিন্ন মতামত তৈরি করতে পারে।
    • সার্বভৌমত্ব রক্ষা: সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, এই পরাশক্তির প্রতিযোগিতার মাঝেও বাংলাদেশের নিজস্ব জাতীয় স্বার্থ এবং সার্বভৌমত্বকে অক্ষুণ্ন রাখা। কোনো দেশের চাপে পড়ে এমন কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়া, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

    রাখাইন করিডোরকে কেন্দ্র করে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতা বাংলাদেশের জন্য একটি জটিল কূটনৈতিক পরীক্ষা। এই পরিস্থিতি থেকে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করে এগিয়ে যেতে হলে বাংলাদেশকে অত্যন্ত সতর্ক ও বিচক্ষণতার সাথে প্রতিটি পদক্ষেপ নিতে হবে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  19. সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    এমন কী আছে, যা হাত দিয়ে ধরতে পারবেন না কিন্তু সবসময় আপনার সঙ্গে থাকে?

    তানি রহমান
    সেরা উত্তর
    তানি রহমান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    খুব সম্ভবত এর উত্তর হচ্ছে "ছায়া"।

    খুব সম্ভবত এর উত্তর হচ্ছে “ছায়া”।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  20. সময়ঃ 11 মাস আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ফরাসিদের মধ্যে যে থ্রি-কোর্স মিল তথা তিন ধাপের খাবার প্রচলিত সেটি কেমন ধরনের খাবার?

    তানি রহমান
    তানি রহমান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 11 মাস আগে

    ফরাসিদের একটা দারুণ খাবার খাওয়ার স্টাইল আছে, যেটাকে ওরা বলে 'থ্রি-কোর্স মিল' বা তিন ধাপের খাবার। এটা অনেকটা আমাদের দেশের দাওয়াত বা বড় কোনো অনুষ্ঠানে যেমন ধাপে ধাপে খাবার আসে, তেমন। কিন্তু ওদেরটা আরও সাজানো-গোছানো আর একটু অন্যরকম। চলো, জেনে নিই এই তিন ধাপে কী কী থাকে: ১. স্টার্টার (Entrée) – হালকা শুবিস্তারিত পড়ুন

    ফরাসিদের একটা দারুণ খাবার খাওয়ার স্টাইল আছে, যেটাকে ওরা বলে ‘থ্রি-কোর্স মিল’ বা তিন ধাপের খাবার। এটা অনেকটা আমাদের দেশের দাওয়াত বা বড় কোনো অনুষ্ঠানে যেমন ধাপে ধাপে খাবার আসে, তেমন। কিন্তু ওদেরটা আরও সাজানো-গোছানো আর একটু অন্যরকম। চলো, জেনে নিই এই তিন ধাপে কী কী থাকে:

    ১. স্টার্টার (Entrée) – হালকা শুরু!

    এটা হলো খাবারের একদম প্রথম ধাপ। অনেকটা আমাদের যেমন খাওয়ার আগে হালকা কিছু খাই, তেমন। এই ধাপে সাধারণত খুব বেশি ভারী কিছু থাকে না, হালকা কিছু থাকে যাতে তোমার ক্ষুধাটা আরও বাড়ে আর পরের খাবারের জন্য মুখটা তৈরি হয়।

    • কী থাকতে পারে?
      • ছোট এক বাটি গরম স্যুপ (যেমন, ফরাসি পেঁয়াজের স্যুপ, যেটা খেতে দারুণ!)
      • ছোট্ট একটা সালাদ (ফ্রেশ সবজি দিয়ে বানানো)
      • মাছ বা মাংসের তৈরি হালকা কোনো পেস্ট বা ছোট স্যান্ডউইচ।
      • উদ্দেশ্য হলো, তোমার মুখে একটা হালকা স্বাদ আনা আর পরের ধাপের জন্য পেটকে প্রস্তুত করা।

    ২. মেইন কোর্স (Plat Principal) – আসল খেলা!

    এই ধাপটা হলো পুরো খাবারের আসল নায়ক! তোমার প্লেটে আসবে প্রধান খাবার, যেটা হবে একটু ভারী আর জমকালো। এটাই হলো পেট ভরানোর মূল অংশ।

    • কী থাকতে পারে?
      • মাংসের কোনো পদ: যেমন, ওয়াইন দিয়ে রান্না করা গরুর মাংস (বফ বুর্গিনিওঁ) বা মুরগির মাংস (কোক ও ভ্যান)। নামগুলো কঠিন হলেও খেতে কিন্তু অসাধারণ!
      • হাঁসের মাংস (ডাক কনফিট) বা গ্রিল করা স্টেক (গরু বা ভেড়ার মাংসের টুকরা) সাথে ফ্রেঞ্চ ফ্রাইস।
      • অনেক সময় সামুদ্রিক মাছের কোনো বিশেষ পদও থাকতে পারে।
      • এই প্রধান খাবারের সাথে সাধারণত সেদ্ধ আলু, ম্যাশ করা আলু, বা বিভিন্ন ধরনের সবজি থাকে।

    ৩. ডেজার্ট (Dessert) – মিষ্টি!

    খাবার শেষ করার পর মিষ্টি মুখ না করলে কি চলে? ফরাসিরা মিষ্টির ব্যাপারেও খুব খুঁতখুঁতে আর ওদের ডেজার্টগুলো দেখতেও যেমন সুন্দর, খেতেও তেমন মজা!

    • কী থাকতে পারে?
      • চকলেট মুস (Mousse au Chocolat): এটা হলো তুলতুলে নরম চকলেট দিয়ে বানানো এক ধরনের মিষ্টি।
      • ক্রেম ব্রুলে (Crème brûlée): উপরে চিনির একটা শক্ত স্তর থাকে, যেটা চামচ দিয়ে ভাঙলে ক্র্যাকি আওয়াজ হয়, আর নিচে থাকে নরম কাস্টার্ড।
      • তার্ত ত্যাঁত্যান (Tarte Tatin): এটা আপেল দিয়ে বানানো এক ধরনের পাই, যেটা উল্টো করে পরিবেশন করা হয়।
      • এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের পেস্ট্রি, যেমন এক্লেয়ার বা ম্যাকারোঁ।
      • অনেক সময় মিষ্টির বদলে হালকা পনির বা তাজা ফলও ডেজার্ট হিসেবে দেওয়া হয়।

    ফরাসিদের থ্রি-কোর্স মিল মানে শুধু খাবার খাওয়া নয়, এটা একটা দারুণ অভিজ্ঞতা। প্রতিটা ধাপে নতুন নতুন স্বাদ আসে আর পুরো খাবারটাকেই ওরা একটা আর্ট বা শিল্প হিসেবে দেখে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
1 … 4 5 6 7 8 … 48

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • rakib
    rakib একটি উত্তর দিয়েছেন ২০২৬ সালে বাংলাদেশে বিয়ের গহনার দাম নির্ভর করে সোনার ক্যারেট,… মে 3, 2026, সময়ঃ 10:32 পূর্বাহ্ন
  • Jesmin
    Jesmin একটি উত্তর দিয়েছেন HSC ২০২৬ পরীক্ষা শুরু হতে মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। ২… এপ্রিল 27, 2026, সময়ঃ 2:01 অপরাহ্ন
  • Sinclair
    Sinclair একটি উত্তর দিয়েছেন When shopping for best sex dolls, most buyers tend to… এপ্রিল 17, 2026, সময়ঃ 3:10 পূর্বাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন হ্যাঁ, Bestchange.com থেকে নিশ্চিতভাবে আয় করা সম্ভব। এটি মূলত একটি… এপ্রিল 15, 2026, সময়ঃ 2:13 অপরাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন প্রশ্নোত্তর প্রদানের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করার বিষয়টি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 2:11 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 106 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 155 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 116 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,049 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 77 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

Iyasha

Iyasha

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
SA Samim

SA Samim

  • 13 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
এডিটর
sumi

sumi

  • 20 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
rakib

rakib

  • 26 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন