সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
আমার দুটি বাচ্চা যারা মাইল স্টোন স্কুলের ক্লাস ফোর এবং ক্লাস সেভেনে পড়ে। ছেলেটা ঐ স্থানে বসে ছিল দু মিনিট আগেও। দু মিনিট আগে সে তার মার সাথে কোল্ড ড্রিংকস খেতে উঠে যায় ক্যান্টিনের দিকে। ক্যান্টিনে পৌছাতে না পৌছাতে বিমানটি আছড়ে পড়ে আমার ছেলের ক্লাসরুম বরাবর। আল্লাহর অশেষ রহমতে ছেলেটি বেঁচে ফিরলেও তার অধিকাংশ বন্ধুরা মারা গেছে এবং অগ্নিদগ্ধ। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে চাওয়া আল্লাহ যেন আহত বাচ্চাগুলোকে জীবন ভিক্ষা দিয়ে মা বাবার কাছে ফেরত দেন । আর যারা মারা গেছে তাদের বাবা মা ও পরিবারের অন্যান্যদের শোক সওয়ার তাওফিক দান করেন। হে আল্লাহ আপনি মহান রাব্বুল আলামিন। আপনি আমাদের উপর রহম করেন। আপনি আমাদের সকলকে ক্ষমা করে দিন।
আমিন 🤲
আমিন 🤲
সংক্ষেপে দেখুনফযরের আজানে আছ-ছালাতু খায়রুম মিনান নাউম কিভাবে যুক্ত হয়?
হাদীস অনুযায়ী, একবার হযরত বেলাল (রাঃ) ফজরের নামাজের আজান দিতে এসে দেখলেন যে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তখনো ঘুমিয়ে আছেন। তখন তিনি উচ্চস্বরে বললেন, "আছ-ছালাতু খায়রুম মিনান নাউম"। এই কথাটি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) অনুমোদন করেন। এরপর থেকে ফজরের আজানে এই বাক্যটি যোগ করা সুন্নাত হিসেবে প্রচলিত হয়ে যায়। সুতরাং, এটিবিস্তারিত পড়ুন
হাদীস অনুযায়ী, একবার হযরত বেলাল (রাঃ) ফজরের নামাজের আজান দিতে এসে দেখলেন যে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তখনো ঘুমিয়ে আছেন। তখন তিনি উচ্চস্বরে বললেন, “আছ-ছালাতু খায়রুম মিনান নাউম”। এই কথাটি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) অনুমোদন করেন। এরপর থেকে ফজরের আজানে এই বাক্যটি যোগ করা সুন্নাত হিসেবে প্রচলিত হয়ে যায়।
সুতরাং, এটি আযান প্রবর্তনের শুরু থেকেই ছিল না, বরং পরবর্তীতে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর অনুমোদনক্রমে ফজরের আজানের একটি বিশেষ অংশ হিসেবে যুক্ত হয়েছে। এই বাক্যটি মানুষকে ফজরের সময় ঘুম থেকে উঠে নামাজে আসার জন্য উৎসাহিত করে।
সংক্ষেপে দেখুনচার পা বিশিষ্ট কোন প্রাণী তার নিজের চারটি পা ই দেখতে সক্ষম?
চার-পা বিশিষ্ট প্রাণীদের মধ্যে একমাত্র গাধা (donkey) তার নিজেই চারটি পা একসঙ্গে দেখতে পারে, কারণ তার চোখের অবস্থান এমনভাবে যে সামনের পা আর পিছনের পা—উভয়ই তার দৃষ্টিসীমার মধ্যে পড়ে।
চার-পা বিশিষ্ট প্রাণীদের মধ্যে একমাত্র গাধা (donkey) তার নিজেই চারটি পা একসঙ্গে দেখতে পারে, কারণ তার চোখের অবস্থান এমনভাবে যে সামনের পা আর পিছনের পা—উভয়ই তার দৃষ্টিসীমার মধ্যে পড়ে।
সংক্ষেপে দেখুনযারা জন্মান্ধ তারা কেমন স্বপ্ন দেখে?
যারা জন্ম থেকেই অন্ধ, তারা আমাদের মতো ছবি বা দৃশ্য দেখতে পায় না। তাদের স্বপ্নগুলোও ছবিবিহীন হয়। তারা কেমন স্বপ্ন দেখে, তা নিচে আলোচনা করা হলো: শব্দ, গন্ধ, স্পর্শ আর অনুভূতির স্বপ্ন যেহেতু তারা চোখ দিয়ে কিছু দেখে না, তাদের স্বপ্নগুলো তৈরি হয় অন্য ইন্দ্রিয়গুলো দিয়ে: শব্দ: তারা বিভিন্ন শব্দের স্ববিস্তারিত পড়ুন
যারা জন্ম থেকেই অন্ধ, তারা আমাদের মতো ছবি বা দৃশ্য দেখতে পায় না। তাদের স্বপ্নগুলোও ছবিবিহীন হয়। তারা কেমন স্বপ্ন দেখে, তা নিচে আলোচনা করা হলো:
শব্দ, গন্ধ, স্পর্শ আর অনুভূতির স্বপ্ন
যেহেতু তারা চোখ দিয়ে কিছু দেখে না, তাদের স্বপ্নগুলো তৈরি হয় অন্য ইন্দ্রিয়গুলো দিয়ে:
পরিচিত স্থানের অনুভূতি
তারা যদি কোনো চেনা জায়গায় যায়, যেমন তাদের নিজেদের বাড়ি বা বন্ধুর বাড়ি, তবে সেই জায়গাটিকে তারা চেনে তার গন্ধ, সেখানকার শব্দ আর ঘরের জিনিসপত্র স্পর্শ করে। স্বপ্নেও তারা এই একই অনুভূতিগুলো দিয়ে সেই জায়গাগুলোকে অনুভব করে। তারা হয়তো স্বপ্নে তাদের ঘরের প্রতিটি কোণ ছুঁয়ে দেখছে, বা পরিচিত গন্ধ পাচ্ছে।
মানুষের সাথে কথোপকথন
অন্ধ ব্যক্তিরা অন্যদের সাথে কথা বলে, গল্প করে। তাদের স্বপ্নেও তারা পরিচিত মানুষের কণ্ঠস্বর শুনতে পায়। হয়তো তারা স্বপ্নে তাদের পরিবারের সদস্য বা বন্ধুদের সাথে কথা বলছে।
গতি এবং নড়াচড়া
তারা হাঁটাচলার সময় যে নড়াচড়ার অনুভূতি পায়, তা-ও তাদের স্বপ্নে আসতে পারে। যেমন, সিঁড়ি বেয়ে উপরে ওঠা, রাস্তায় হাঁটা, বা গাড়িতে চড়ার অনুভূতি।
কেন তাদের স্বপ্ন আমাদের থেকে আলাদা?
আমাদের মস্তিষ্ক যখন স্বপ্ন দেখে, তখন সে আমাদের দেখা, শোনা বা অনুভব করা জিনিসগুলো ব্যবহার করে। যারা জন্ম থেকে অন্ধ, তাদের দেখার অভিজ্ঞতা না থাকায় তাদের মস্তিষ্ক ছবি তৈরি করতে পারে না। তাই তাদের স্বপ্নগুলো আমাদের মতো চিত্রবহুল না হয়ে শব্দ, স্পর্শ, গন্ধ আর অনুভূতির ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়।
সহজ কথায়, যারা জন্মান্ধ তারা তাদের জীবনের অভিজ্ঞতা দিয়েই স্বপ্ন দেখে। তাদের জগতটা ছবি দিয়ে নয়, বরং শব্দ, স্পর্শ, গন্ধ আর নানা অনুভূতির সমন্বয়ে তৈরি হয়, আর তাদের স্বপ্নগুলোও ঠিক তেমনই হয়।
সংক্ষেপে দেখুনএমন কোন সার্চ ইঞ্জিন কি আছে যেটা AI ব্যবহার করে না?
আপনি Swisscows সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে দেখতে পারেন। Swisscows একটি গোপনীয়তা-কেন্দ্রিক সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে না এবং AI-এর ব্যবহার সীমিত রাখে। তবে, এটাও মাথায় রাখা উচিত যে, প্রযুক্তি দ্রুত বদলাচ্ছে এবং আজ যে সার্চ ইঞ্জিন AI ব্যবহার করছে না, কাল হয়তো তারাও করবে। আপনার জন্য সবচেয়বিস্তারিত পড়ুন
আপনি Swisscows সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
Swisscows একটি গোপনীয়তা-কেন্দ্রিক সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে না এবং AI-এর ব্যবহার সীমিত রাখে।
তবে, এটাও মাথায় রাখা উচিত যে, প্রযুক্তি দ্রুত বদলাচ্ছে এবং আজ যে সার্চ ইঞ্জিন AI ব্যবহার করছে না, কাল হয়তো তারাও করবে। আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো হবে, বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে আপনার নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী কোনটি সবচেয়ে ভালো কাজ করে তা খুঁজে বের করা।
সংক্ষেপে দেখুনতুলার তন্তু ফুসফুসে প্রবেশ করলে কি রোগ হয়?
তুলা ফুসফুসে গেলে কী রোগ হয়? তুলার আঁশ বা তন্তু যদি আমাদের ফুসফুসে ঢুকে যায়, তাহলে একটা বিশেষ ধরনের অসুখ হতে পারে, যার নাম বাইসিনোসিস (Byssinosis)। সহজ কথায়, এটা হলো একরকম ফুসফুসের রোগ যা সাধারণত যারা তুলা, পাট বা শণের কারখানায় কাজ করেন, তাদের হয়। কারণ, এই আঁশগুলো নিঃশ্বাসের সাথে শরীরের ভেতরে ঢবিস্তারিত পড়ুন
তুলা ফুসফুসে গেলে কী রোগ হয়?
তুলার আঁশ বা তন্তু যদি আমাদের ফুসফুসে ঢুকে যায়, তাহলে একটা বিশেষ ধরনের অসুখ হতে পারে, যার নাম বাইসিনোসিস (Byssinosis)। সহজ কথায়, এটা হলো একরকম ফুসফুসের রোগ যা সাধারণত যারা তুলা, পাট বা শণের কারখানায় কাজ করেন, তাদের হয়। কারণ, এই আঁশগুলো নিঃশ্বাসের সাথে শরীরের ভেতরে ঢুকে যায়।
বাইসিনোসিস হলে কী কী সমস্যা হয়?
যদি অনেক দিন ধরে তুলার ধুলো বা আঁশের মধ্যে কাজ করা হয়, তাহলে ফুসফুস দুর্বল হয়ে যেতে পারে এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের আরও বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে।
এই রোগ থেকে বাঁচার উপায় কী?
এই রোগ থেকে বাঁচতে হলে ধুলো যাতে না ওড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কারখানায় ভালো বায়ুচলাচলের ব্যবস্থা থাকতে হবে এবং যারা কাজ করেন, তাদের অবশ্যই মাস্কের মতো সুরক্ষামূলক জিনিস ব্যবহার করতে হবে।
সংক্ষেপে দেখুনমরুভূমিতে যে তাপ সহনীয়, বাংলাদেশে সেটা কেন নাভিশ্বাস ?
একই তাপ, ভিন্ন অনুভূতি: মরুভূমির গরম বাংলাদেশে অসহনীয় কেন? থার্মোমিটারের কাঁটা বলছে তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অথচ বাইরে বেরোলেই মনে হচ্ছে যেন কেউ গায়ে গরম পানির ভাপ দিচ্ছে। ঘামে শরীর জবজবে, জামাকাপড় ভিজে একাকার। এই একই ৩৭ ডিগ্রি তাপমাত্রা মধ্যপ্রাচ্যের কোনো মরু শহরে হয়তো দিব্যি সহনীয়, কিন্তু ঢাবিস্তারিত পড়ুন
একই তাপ, ভিন্ন অনুভূতি: মরুভূমির গরম বাংলাদেশে অসহনীয় কেন?
থার্মোমিটারের কাঁটা বলছে তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অথচ বাইরে বেরোলেই মনে হচ্ছে যেন কেউ গায়ে গরম পানির ভাপ দিচ্ছে। ঘামে শরীর জবজবে, জামাকাপড় ভিজে একাকার। এই একই ৩৭ ডিগ্রি তাপমাত্রা মধ্যপ্রাচ্যের কোনো মরু শহরে হয়তো দিব্যি সহনীয়, কিন্তু ঢাকা বা চট্টগ্রামের রাস্তায় কেন তা অসহনীয় হয়ে ওঠে? তাপমাত্রা এক হলেও এই অনুভূতির পার্থক্যের পেছনে কারণটা কী?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর পেছনের মূল ‘খলনায়ক’ হলো বাতাসের আর্দ্রতা। তাপমাত্রা নয়, বরং আর্দ্রতাই নির্ধারণ করে দিচ্ছে আমাদের স্বস্তি ও অস্বস্তির মাত্রা।
আসল কারণ: শরীর ঠান্ডা হওয়ার প্রাকৃতিক কৌশল যখন অকার্যকর
আমাদের শরীর একটি স্বয়ংক্রিয় শীতলীকরণ যন্ত্রের মতো কাজ করে। গরম লাগলে ত্বকের নিচে থাকা লাখ লাখ ঘামগ্রন্থি থেকে পানি বা ঘাম বেরিয়ে আসে। এই ঘাম যখন বাতাসের সংস্পর্শে এসে বাষ্পীভূত হয়, তখন তা ত্বক থেকে তাপ শোষণ করে নেয়। ফলে শরীর ঠান্ডা হয়। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে বাষ্পীভবন (Evaporation)।
মরু অঞ্চলের বাতাস অত্যন্ত শুষ্ক। সেখানে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ খুব কম থাকায় শরীর থেকে বের হওয়া ঘাম সঙ্গে সঙ্গে বাষ্প হয়ে উড়ে যায়। এতে শরীর খুব দ্রুত ও কার্যকরভাবে নিজেকে ঠান্ডা করতে পারে। ফলে সেখানে ৪৫ ডিগ্রি তাপমাত্রাতেও মানুষ relativamente স্বস্তিতে থাকতে পারে।
বিপরীতে, বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক ও উপকূলীয় দেশ হওয়ায় এর বাতাসে সব সময়ই প্রচুর জলীয় বাষ্প ভেসে বেড়ায়। অর্থাৎ, এখানকার বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা অনেক বেশি। বাতাস আগে থেকেই জলীয় বাষ্পে প্রায় পরিপূর্ণ থাকায় আমাদের ঘাম সহজে বাষ্প হতে পারে না। ফলে সেই ঘাম শরীরেই লেগে থাকে, যাเหนียว অস্বস্তির জন্ম দেয়। শরীরের প্রাকৃতিক ‘এসি’ ব্যবস্থাটি একরকম বিকল হয়ে পড়ে। একারণেই আমাদের দেশে ৩৫-৩৭ ডিগ্রি তাপমাত্রাই অসহনীয় এবং ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
অনুভূত তাপমাত্রা: যা দেখায় থার্মোমিটার, যা টের পায় শরীর
আর্দ্রতার এই প্রভাব এতটাই বেশি যে আবহাওয়াবিদরা এখন প্রকৃত তাপমাত্রার পাশাপাশি ‘অনুভূত তাপমাত্রা’ বা ‘হিট ইনডেক্স’ (Heat Index) নামে একটি পরিমাপ ব্যবহার করেন। এটিই বলে দেয় আমাদের শরীর আসলে কেমন গরম অনুভব করছে।
আসুন, একটি তুলনামূলক চিত্র দেখা যাক:
টেবিলটি পরিষ্কারভাবে দেখাচ্ছে, বাংলাদেশে প্রকৃত তাপমাত্রা কম হলেও উচ্চ আর্দ্রতার কারণে অনুভূত তাপমাত্রা মরুভূমির চেয়েও অনেক বেশি।
দিনে তীব্র দহন, রাতেও নেই স্বস্তি
মরুভূমিতে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য অনেক বেশি। শুষ্ক বাতাস তাপ ধরে রাখতে পারে না বলে দিনের শেষে উত্তপ্ত পৃথিবী দ্রুত তাপ বিকিরণ করে ঠান্ডা হয়ে যায়। এতে রাতের বেলা শরীর বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের সুযোগ পায়।
কিন্তু বাংলাদেশের আর্দ্র বাতাস একটি অদৃশ্য চাদরের মতো কাজ করে। এটি দিনের তাপকে আটকে রাখে, রাতে সহজে বের হতে দেয় না। ফলে রাতের বেলাতেও ভ্যাপসা গরম থেকে মুক্তি মেলে না। এই লাগাতার তাপপ্রবাহ শরীরকে আরও বেশি ক্লান্ত ও দুর্বল করে ফেলে।
এর সঙ্গে যোগ হয়েছে শহরগুলোর ‘হিট আইল্যান্ড’ প্রভাব। অতিরিক্ত কংক্রিটের কাঠামো, পিচঢালা রাস্তা আর সবুজের অভাব শহরগুলোকে একেকটি তপ্ত দ্বীপে পরিণত করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।
সুতরাং, পরেরবার যখন গরমে অস্থির হবেন, তখন শুধু থার্মোমিটারের পারদকে দোষ না দিয়ে বাতাসে ভেসে বেড়ানো অদৃশ্য জলীয় বাষ্প বা আর্দ্রতার কথাই মনে করবেন, যা নীরবে আমাদের ভোগান্তি বাড়িয়ে চলেছে।
সংক্ষেপে দেখুনদ্রুততম সামুদ্রিক প্রাণী কোনটি?
দ্রুততম সামুদ্রিক প্রাণী হলো ব্ল্যাক মার্লিন (Black Marlin)। এটি ঘণ্টায় প্রায় ১৩২ কিলোমিটার (৮২ মাইল) পর্যন্ত গতিতে সাঁতার কাটতে পারে। ব্ল্যাক মার্লিনের মসৃণ দেহ এবং শক্তিশালী পাখনা এটিকে দ্রুত গতিতে সাঁতার কাটতে সাহায্য করে। এর গতি এটিকে সমুদ্রে শিকার ধরার এবং শিকারী প্রাণীদের থেকে বাঁচতে সাহায্যবিস্তারিত পড়ুন
দ্রুততম সামুদ্রিক প্রাণী হলো ব্ল্যাক মার্লিন (Black Marlin)। এটি ঘণ্টায় প্রায় ১৩২ কিলোমিটার (৮২ মাইল) পর্যন্ত গতিতে সাঁতার কাটতে পারে।
ব্ল্যাক মার্লিনের মসৃণ দেহ এবং শক্তিশালী পাখনা এটিকে দ্রুত গতিতে সাঁতার কাটতে সাহায্য করে। এর গতি এটিকে সমুদ্রে শিকার ধরার এবং শিকারী প্রাণীদের থেকে বাঁচতে সাহায্য করে।
যদিও অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণী যেমন সেলফিশ (ঘণ্টায় প্রায় ১১০ কিমি বা ৬৮ মাইল) এবং সোর্ডফিশ (ঘণ্টায় প্রায় ৯৭ কিমি বা ৬০ মাইল) খুব দ্রুত, ব্ল্যাক মার্লিনই দ্রুততম সামুদ্রিক প্রাণী হিসেবে পরিচিত।
সংক্ষেপে দেখুনশরীরের জৈব রসায়নগার বলে কোন অঙ্গকে?
শরীরের জৈব রসায়নগার বলা হয় যকৃৎ (Liver) কে। এর কারণ হলো, যকৃতে অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া প্রতিনিয়ত সংঘটিত হয় যা দেহের বিপাক প্রক্রিয়ায় (metabolism) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখানে প্রায় ৫০০-এরও বেশি জৈবনিক কাজ সম্পন্ন হয়ে থাকে, যেমন: পিত্তরস উৎপাদন: যা খাদ্য পরিপবিস্তারিত পড়ুন
শরীরের জৈব রসায়নগার বলা হয় যকৃৎ (Liver) কে।
এর কারণ হলো, যকৃতে অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া প্রতিনিয়ত সংঘটিত হয় যা দেহের বিপাক প্রক্রিয়ায় (metabolism) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখানে প্রায় ৫০০-এরও বেশি জৈবনিক কাজ সম্পন্ন হয়ে থাকে, যেমন:
এইসব বহুমুখী ও জটিল জৈব রাসায়নিক কার্যকলাপের কারণেই যকৃৎকে মানবদেহের জৈব রসায়নগার বা রাসায়নিক পরীক্ষাগার বলা হয়।
সংক্ষেপে দেখুনইকেবানা মানে কি?
ইকেবানা (Ikebana) আসলে জাপানিদের ফুল সাজানোর একটা সুন্দর শিল্প। সহজভাবে বললে, এটা শুধু ফুলদানিতে ফুল গুছিয়ে রাখার মতো নয়। ইকেবানার মাধ্যমে জাপানিরা ফুল, গাছের ডাল, পাতা আর অন্যান্য প্রাকৃতিক জিনিসপত্র দিয়ে এমনভাবে সাজায় যেন এর মধ্যে প্রকৃতির সৌন্দর্য, মানুষের অনুভূতি আর মহাবিশ্বের একটা ছন্দ ফুটেবিস্তারিত পড়ুন
ইকেবানা (Ikebana) আসলে জাপানিদের ফুল সাজানোর একটা সুন্দর শিল্প।
সহজভাবে বললে, এটা শুধু ফুলদানিতে ফুল গুছিয়ে রাখার মতো নয়। ইকেবানার মাধ্যমে জাপানিরা ফুল, গাছের ডাল, পাতা আর অন্যান্য প্রাকৃতিক জিনিসপত্র দিয়ে এমনভাবে সাজায় যেন এর মধ্যে প্রকৃতির সৌন্দর্য, মানুষের অনুভূতি আর মহাবিশ্বের একটা ছন্দ ফুটে ওঠে।
তারা মনে করে, এর মাধ্যমে ফুল বা গাছকে নতুন জীবন দেওয়া হয়, আর তাই এর নাম “ফুলকে জীবন্ত রাখা“। এটা অনেকটা ছবি আঁকা বা গান গাওয়ার মতোই একটা শিল্প, যেখানে প্রকৃতির জিনিস দিয়ে নিজেদের ভাবনা প্রকাশ করা হয়।
জাপানে এটাকে “ফুলের পথ“ও বলা হয়, কারণ এটা শুধু সাজানো নয়, এটা একটা আধ্যাত্মিক যাত্রাও বটে।
সংক্ষেপে দেখুনবাঙালীদের কোন জনপ্রিয় খাবারটি নভোচারী সুনিতা উইলিয়ামস মহাকাশে নিয়ে গিয়েছিলেন?
নভোচারী সুনিতা উইলিয়ামস মহাকাশে সামোসা (Samosa) নিয়ে গিয়েছিলেন। যদিও সামোসা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে এবং বাংলাদেশ সহ অন্যান্য দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোতে জনপ্রিয়, এটিকে তিনি তার ভারতীয় ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে নিয়ে গিয়েছিলেন। মহাকাশে সাধারণত ডিহাইড্রেটেড বা প্যাকেটজাত খাবার নেওয়া হয়, যা সহজে সংরক্ষণ করাবিস্তারিত পড়ুন
নভোচারী সুনিতা উইলিয়ামস মহাকাশে সামোসা (Samosa) নিয়ে গিয়েছিলেন। যদিও সামোসা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে এবং বাংলাদেশ সহ অন্যান্য দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোতে জনপ্রিয়, এটিকে তিনি তার ভারতীয় ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে নিয়ে গিয়েছিলেন।
মহাকাশে সাধারণত ডিহাইড্রেটেড বা প্যাকেটজাত খাবার নেওয়া হয়, যা সহজে সংরক্ষণ করা যায় এবং শূন্য অভিকর্ষে খাওয়া যায়। সামোসা এই ধরনের খাবারের জন্য উপযুক্ত একটি জনপ্রিয় স্ন্যাক্স।
সংক্ষেপে দেখুনপুরুষের চেয়ে নারীর মাথা বেশি গরম, কারণ কী?
পুরুষদের তুলনায় নারীদের মাথা নাকি বেশি গরম, এর কারণ কি? আসলে, বিজ্ঞান বলছে নারীদের ব্রেইনের গড় তাপমাত্রা পুরুষদের তুলনায় সামান্য বেশি থাকতে পারে। কিন্তু এইটা 'গরম হওয়া' বলতে আমরা যেটা বুঝি, সেই রাগ বা টেনশন টাইপ গরম হওয়া না। তো, মজার কারণগুলো কী হতে পারে? মাল্টিটাস্কিংয়ের ক্ষমতা: দেখেন, নারীরা একইসবিস্তারিত পড়ুন
পুরুষদের তুলনায় নারীদের মাথা নাকি বেশি গরম, এর কারণ কি?
আসলে, বিজ্ঞান বলছে নারীদের ব্রেইনের গড় তাপমাত্রা পুরুষদের তুলনায় সামান্য বেশি থাকতে পারে। কিন্তু এইটা ‘গরম হওয়া’ বলতে আমরা যেটা বুঝি, সেই রাগ বা টেনশন টাইপ গরম হওয়া না।
তো, মজার কারণগুলো কী হতে পারে?
তো ভাই, ব্যাপারটা আসলে সিরিয়াস কিছু না। নারীদের ব্রেইনের এই সামান্য বেশি তাপমাত্রা একটা স্বাভাবিক ব্যাপার। আর যদি ‘মাথা গরম’ বলতে রাগকে বোঝান, তাহলে বলতে হয়, এত দায়িত্ব আর চাপ সামলাতে গিয়ে একটু গরম তো হতেই পারে, তাই না? বরং এটা তাদের ক্ষমতারই একটা অংশ! 😉
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশে গুগল পে কবে নাগাদ চালু হবে? গুগল পে তে কোন ব্যাংক যুক্ত করা যাবে? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গুগল পে এর প্রয়োজনীয়তা কতটুকু যেখানে আগে থেকেই বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদি চালু আছে? গুগল পে কি বিকাশ, নগদ, রকেট এদের সাথে প্রতিযোগিতায় পেরে উঠবে? যেকোন পেমেন্টে গুগল পে চার্জ না নিলেও যে ব্যাংকের কার্ড আমি গুগল পে তে যুক্ত করবো সেই ব্যাংক তো চার্জ ঠিকই নিবে তাইনা?
একসাথে অনেক প্রশ্ন করে ফেলেছেন আপু! আমি প্রতিটা প্রশ্নের এক এক করে উত্তর দিচ্ছি। বাংলাদেশে গুগল পে কবে নাগাদ চালু হবে? বাংলাদেশে গুগল পে (Google Pay) চালু হওয়া নিয়ে জোর জল্পনা চলছে এবং খবর অনুযায়ী, ২৪শে জুন, ২০২৫ তারিখে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে। কোন ব্যাংক যুক্ত করা যাবে গুগল পে? প্রাথমিকভবিস্তারিত পড়ুন
একসাথে অনেক প্রশ্ন করে ফেলেছেন আপু! আমি প্রতিটা প্রশ্নের এক এক করে উত্তর দিচ্ছি।
বাংলাদেশে গুগল পে কবে নাগাদ চালু হবে?
বাংলাদেশে গুগল পে (Google Pay) চালু হওয়া নিয়ে জোর জল্পনা চলছে এবং খবর অনুযায়ী, ২৪শে জুন, ২০২৫ তারিখে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে।
কোন ব্যাংক যুক্ত করা যাবে গুগল পে?
প্রাথমিকভাবে, সিটি ব্যাংকই প্রথম ব্যাংক হিসেবে গুগল পে-এর সাথে যুক্ত হচ্ছে। সিটি ব্যাংকের ভিসা (Visa) এবং মাস্টারকার্ড (Mastercard) ব্যবহারকারীরা তাদের কার্ড গুগল ওয়ালেটে (Google Wallet) যুক্ত করে গুগল পে ব্যবহার করতে পারবেন। এটি ধীরে ধীরে দেশের অন্যান্য ব্যাংকের সাথেও যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গুগল পে এর প্রয়োজনীয়তা কতটুকু যেখানে আগে থেকেই বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদি চালু আছে?
বিকাশ, নগদ, রকেট – এগুলি মূলত মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) প্ল্যাটফর্ম যা মোবাইল নম্বর-ভিত্তিক লেনদেন এবং এজেন্ট নির্ভর সিস্টেমের মাধ্যমে কাজ করে। এর বিপরীতে গুগল পে একটি ডিজিটাল ওয়ালেট, যা মূলত আপনার ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডকে স্মার্টফোনে নিয়ে আসে এবং NFC (Near Field Communication) প্রযুক্তির মাধ্যমে দোকানে ‘ট্যাপ অ্যান্ড পে’ লেনদেন বা অনলাইনে পেমেন্টের সুবিধা দেয়।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গুগল পে-এর প্রয়োজনীয়তা নিচে দেওয়া হলো:
গুগল পে কি বিকাশ, নগদ, রকেট এদের সাথে প্রতিযোগিতায় পেরে উঠবে?
গুগল পে এবং বিকাশ, নগদ, রকেট – এদের কাজের ধরন কিছুটা ভিন্ন।
প্রতিযোগিতায় পেরে ওঠার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় গুরুত্বপূর্ণ:
প্রথম দিকে গুগল পে বিকাশ, নগদ, রকেটের মতো ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করতে না পারলেও, শহরাঞ্চলে এবং উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত ব্যবহারকারীদের মধ্যে এটি একটি শক্তিশালী প্রতিযোগী হয়ে উঠতে পারে, বিশেষ করে যারা কার্ড ব্যবহার করে কেনাকাটা করেন।
যেকোন পেমেন্টে গুগল পে চার্জ না নিলেও যে ব্যাংকের কার্ড আমি গুগল পে তে যুক্ত করবো সেই ব্যাংক তো চার্জ ঠিকই নিবে তাইনা?
হ্যাঁ, আপনার অনুমান সঠিক। গুগল পে সাধারণত তার মৌলিক লেনদেনের জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে সরাসরি কোনো চার্জ নেয় না। তবে, আপনি গুগল পে-তে যে ব্যাংক কার্ডটি যুক্ত করবেন, সেই ব্যাংক আপনার লেনদেনের উপর তাদের নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী চার্জ নিতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি কোনো ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেন, তাহলে সেই কার্ডের নিয়ম অনুযায়ী অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ, ফরেক্স মার্কআপ (যদি আন্তর্জাতিক লেনদেন হয়) বা অন্য কোনো ফি প্রযোজ্য হতে পারে। অর্থাৎ, গুগল পে একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে, কিন্তু আসল লেনদেন আপনার ব্যাংক এবং বণিকের মধ্যে হবে এবং ব্যাংকের চার্জের নিয়মাবলী এক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
সংক্ষেপে দেখুনWight gain
ওজন বাড়ানোর কার্যকরী টিপস : নতুন ওজন বাড়ানোর যাত্রা শুরু করতে গেলে প্রথমেই বুঝতে হবে, কেন ওজন কম? স্ট্রেস এর কারণে? কম খাওয়ার কারণে? কখনো ভালো করে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া হয় না? নাকি কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা? তাই শুরুতেই নিজের শরীর সম্পর্কে একটু খেয়াল রাখুন। নিচে কিছু সহজ ও বাস্তব পরামর্শ দিচ্ছিঃ ১বিস্তারিত পড়ুন
ওজন বাড়ানোর কার্যকরী টিপস :
নতুন ওজন বাড়ানোর যাত্রা শুরু করতে গেলে প্রথমেই বুঝতে হবে, কেন ওজন কম? স্ট্রেস এর কারণে? কম খাওয়ার কারণে? কখনো ভালো করে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া হয় না? নাকি কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা? তাই শুরুতেই নিজের শরীর সম্পর্কে একটু খেয়াল রাখুন। নিচে কিছু সহজ ও বাস্তব পরামর্শ দিচ্ছিঃ
১. নিজের উচ্চতা ও BMI জানুন
২. পর্যাপ্ত ক্যালরি গ্রহণ
ওজন বাড়াতে হলে দৈনিক ক্যালরি চাহিদা থেকে অতিরিক্ত ক্যালরি নিতে হবে, অর্থাৎ ক্যালরি সাপ্লাস তৈরি করতে হবে।
৩. পুষ্টি-ঘন খাবার খুঁজে নিন
বাংলাদেশি খাবারের মধ্যে অনেকেই ভাত-ডাল খান। তবে শুধু ভাত-ডাল দিয়ে অনেক ক্যালরি ও স্বাস্থ্যকর পুষ্টি আসবে না। কিছু খাবার যোগ করুন যেগুলো পুষ্টি-ঘন ও ক্যালরি সমৃদ্ধ:
খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণ বাড়ানোর চেষ্টায় একটু তেল বা ঘি যোগ করুন; কিন্তু সরাসরি অফিশিয়াল পরামর্শ ব্যতীত খুব বেশি ভাজাভুজি বা জাঙ্ক ফুডে ভর করবেন না।
৪. নিয়মিত ও সুষম খাবারের রুটিন
৫. ব্যায়াম ও ওজন বাড়ানো
ওজন বাড়াতে শুধু খাওয়া নয়, ব্যায়ামকেও গুরুত্ব দিন, বিশেষ করে স্ট্রেন্থ বা ওজন ওঠানোর ব্যায়াম:
৬. পর্যাপ্ত পানি ও হাইড্রেশন
৭. মনোযোগ স্বাস্থ্যগত কারণ
৮. মানসিক ও ইমোশনাল সাপোর্ট
৯. পর্যবেক্ষণ ও ধৈর্য
১০. উদাহরণস্বরূপ দৈনিক রুটিন (মডেল)
নিচে শুধুমাত্র উদাহরণ—আপনার পছন্দ, বাজেট, সময় অনুযায়ী বদলাতে পারেন:
১১. খাদ্য প্রস্তুতিতে কাজে লাগুন
১২. সতর্কতা
১৩. উৎসাহ এবং মনোবল
১৪. স্থানীয় কিছু পরামর্শ
১৫. কখন ডাক্তার দেখাবেন?
আশা করি এই পরামর্শগুলো আপনার জন্য কাজে দেবে। প্রথমে নিজেকে চাপ দেবেন না। ধৈর্য ধরে ধাপে ধাপে রুটিন মেনে চলুন। প্রয়োজনে পরিবার বা বন্ধুদের সাপোর্ট নিন। নিয়মিত ওজন দেখুন, যেখানেই আটকাল বুঝে সেই অনুসারে খাবার বা ব্যায়াম সামান্য বেশি-কম করুন। সুস্থ উপায়ে ধীরে ধীরে আপনার স্বপ্নের ওজন দিতে পারলে মনোযোগ বজায় থাকবে। শুভ কামনা রইল!
সংক্ষেপে দেখুনদ্য শ্যাম্পুয়িং সার্জন নামে কে বিখ্যাত ছিলেন?
"শ্যাম্পুয়িং সার্জন" কে ছিলেন? যিনি "শ্যাম্পুয়িং সার্জন" নামে পরিচিত ছিলেন, তিনি হলেন শেখ দীন মুহাম্মদ। তিনি ছিলেন একজন অসাধারণ বাঙালি উদ্যোগী মানুষ। কেন তিনি এই নামে পরিচিত ছিলেন? তিনি এই নামে পরিচিত হয়েছিলেন কারণ: শ্যাম্পুর প্রচলন: শেখ দীন মুহাম্মদই প্রথম ইউরোপে, বিশেষ করে ইংল্যান্ডে, আমাদের ভাবিস্তারিত পড়ুন
“শ্যাম্পুয়িং সার্জন” কে ছিলেন?
যিনি “শ্যাম্পুয়িং সার্জন” নামে পরিচিত ছিলেন, তিনি হলেন শেখ দীন মুহাম্মদ। তিনি ছিলেন একজন অসাধারণ বাঙালি উদ্যোগী মানুষ।
কেন তিনি এই নামে পরিচিত ছিলেন?
তিনি এই নামে পরিচিত হয়েছিলেন কারণ:
এক কথায়, শেখ দীন মুহাম্মদ ছিলেন একজন দূরদর্শী বাঙালি, যিনি শুধু ব্যবসার জন্যই নয়, ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসার একটা দিককে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরেছিলেন। তাই তিনি “শ্যাম্পুয়িং সার্জন” হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
পাঠাও (Pathao) বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কতটা নিরাপদ?
দূরের যাত্রার জন্য পাঠাও কি নিরাপদ? দূরের যাত্রায় পাঠাও কি কাজে লাগে? সাধারণত, ছোট বা মাঝারিপথের জন্য পাঠাও বেশ ভালো। তবে যখন আপনি অনেক দূরে যাবেন, তখন কিছু জিনিস খেয়াল রাখা দরকার। পাঠাও-এর কিছু সুবিধা আছে যা দূরের যাত্রায়ও কাজে দেবে: অ্যাকসিডেন্টের ক্ষতিপূরণ: ধরেন, যদি অ্যাকসিডেন্ট হয়, তাহলে চিকিৎসবিস্তারিত পড়ুন
দূরের যাত্রার জন্য পাঠাও কি নিরাপদ?
দূরের যাত্রায় পাঠাও কি কাজে লাগে?
সাধারণত, ছোট বা মাঝারিপথের জন্য পাঠাও বেশ ভালো। তবে যখন আপনি অনেক দূরে যাবেন, তখন কিছু জিনিস খেয়াল রাখা দরকার।
পাঠাও-এর কিছু সুবিধা আছে যা দূরের যাত্রায়ও কাজে দেবে:
দূরের যাত্রার জন্য কিছু জরুরি টিপস:
যাইহোক, দূরের যাত্রার জন্য পাঠাও ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে একটু বেশি সতর্ক থাকতে হবে। যদি ‘পাঠাও কার রেন্টাল’ আপনার জন্য সুবিধাজনক হয়, তাহলে সেটাই ভালো হবে। আর সবচেয়ে জরুরি হলো, সবসময় অ্যাপের মাধ্যমে রাইড বুক করবেন এবং নিজের নিরাপত্তার জন্য সব সুবিধা (যেমন লাইভ লোকেশন শেয়ার) ব্যবহার করবেন।
ইয়ারওয়ার্মস কি? এটি কেন হয়? এর থেকে মুক্তির উপায় কি?
মনে গান বাজছে তো? এটা স্বাভাবিক ঘটনা আপনার মনে সারাক্ষণ কোনো গান বাজতে থাকে? হয়তো সুরটি বারবার ফিরে আসে, কিংবা গানের একটি অংশই ঘুরছে মাথার ভেতরে? এই অনুভূতিটি অস্বাভাবিক নয়, বরং দারুণ পরিচিত একটি ঘটনা। চিকিৎসা পরিভাষায় একে বলা হয় ইনভলান্টারি মিউজিক্যাল ইমেজারি (Involuntary Musical Imagery - INMI)। তবিস্তারিত পড়ুন
মনে গান বাজছে তো? এটা স্বাভাবিক ঘটনা
আপনার মনে সারাক্ষণ কোনো গান বাজতে থাকে? হয়তো সুরটি বারবার ফিরে আসে, কিংবা গানের একটি অংশই ঘুরছে মাথার ভেতরে? এই অনুভূতিটি অস্বাভাবিক নয়, বরং দারুণ পরিচিত একটি ঘটনা। চিকিৎসা পরিভাষায় একে বলা হয় ইনভলান্টারি মিউজিক্যাল ইমেজারি (Involuntary Musical Imagery – INMI)। তবে সহজভাবে একে আমরা ইয়ারওয়ার্মস (Earworms) বলি।
কেন এমন হয়?
ঠিক কেন আমাদের মনে এই গানের সুরগুলো আটকে যায়, তার কয়েকটি কারণ আছে:
এটা কি শুধু আমারই হয়?
না, একদমই না। আপনার মনে গান বাজার এই অভিজ্ঞতাটি পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষেরই হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ সপ্তাহে অন্তত একবার এই ধরনের ইয়ারওয়ার্মসের অভিজ্ঞতা পান। কারও কারও ক্ষেত্রে তো প্রতিদিনই এমনটা হতে পারে। তাই আপনার এই অনুভূতিটি বেশ সাধারণ।
বিরক্ত লাগছে? কী করবেন?
ইয়ারওয়ার্মস সাধারণত ক্ষতিকর নয়, তবে মাঝে মাঝে বিরক্তিকর হতে পারে। যদি মুক্তি পেতে চান, কিছু সহজ উপায় আছে:
আপনার কি কোনো নির্দিষ্ট ধরনের গান মনে বেশি বাজে?
রাখাইন করিডোর নিয়ে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতা বাংলাদেশের জন্য কী ধরনের কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে?
রাখাইন করিডোরকে ঘিরে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে প্রতিযোগিতা চলছে, তা বাংলাদেশের জন্য বেশ কিছু জটিল কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। সহজভাবে বললে, বাংলাদেশ যেন দুই পরাশক্তির মাঝে পড়ে এক সূক্ষ্ম ভারসাম্যের খেলায় নেমেছে। আসুন, চ্যালেঞ্জগুলো ধাপে ধাপে বুঝে নিই: ১. রাখাইন করিডোর কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ?বিস্তারিত পড়ুন
রাখাইন করিডোরকে ঘিরে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে প্রতিযোগিতা চলছে, তা বাংলাদেশের জন্য বেশ কিছু জটিল কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। সহজভাবে বললে, বাংলাদেশ যেন দুই পরাশক্তির মাঝে পড়ে এক সূক্ষ্ম ভারসাম্যের খেলায় নেমেছে।
আসুন, চ্যালেঞ্জগুলো ধাপে ধাপে বুঝে নিই:
১. রাখাইন করিডোর কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ?
রাখাইন করিডোর বলতে মূলত মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যকে বোঝানো হচ্ছে, যা বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত। এই এলাকাটি ভূ-রাজনৈতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
২. বাংলাদেশের জন্য কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো কী কী?
এই দুই পরাশক্তির প্রতিযোগিতার কারণে বাংলাদেশের সামনে বেশ কিছু জটিল চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে:
রাখাইন করিডোরকে কেন্দ্র করে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতা বাংলাদেশের জন্য একটি জটিল কূটনৈতিক পরীক্ষা। এই পরিস্থিতি থেকে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করে এগিয়ে যেতে হলে বাংলাদেশকে অত্যন্ত সতর্ক ও বিচক্ষণতার সাথে প্রতিটি পদক্ষেপ নিতে হবে।
সংক্ষেপে দেখুনএমন কী আছে, যা হাত দিয়ে ধরতে পারবেন না কিন্তু সবসময় আপনার সঙ্গে থাকে?
খুব সম্ভবত এর উত্তর হচ্ছে "ছায়া"।
খুব সম্ভবত এর উত্তর হচ্ছে “ছায়া”।
সংক্ষেপে দেখুনফরাসিদের মধ্যে যে থ্রি-কোর্স মিল তথা তিন ধাপের খাবার প্রচলিত সেটি কেমন ধরনের খাবার?
ফরাসিদের একটা দারুণ খাবার খাওয়ার স্টাইল আছে, যেটাকে ওরা বলে 'থ্রি-কোর্স মিল' বা তিন ধাপের খাবার। এটা অনেকটা আমাদের দেশের দাওয়াত বা বড় কোনো অনুষ্ঠানে যেমন ধাপে ধাপে খাবার আসে, তেমন। কিন্তু ওদেরটা আরও সাজানো-গোছানো আর একটু অন্যরকম। চলো, জেনে নিই এই তিন ধাপে কী কী থাকে: ১. স্টার্টার (Entrée) – হালকা শুবিস্তারিত পড়ুন
ফরাসিদের একটা দারুণ খাবার খাওয়ার স্টাইল আছে, যেটাকে ওরা বলে ‘থ্রি-কোর্স মিল’ বা তিন ধাপের খাবার। এটা অনেকটা আমাদের দেশের দাওয়াত বা বড় কোনো অনুষ্ঠানে যেমন ধাপে ধাপে খাবার আসে, তেমন। কিন্তু ওদেরটা আরও সাজানো-গোছানো আর একটু অন্যরকম। চলো, জেনে নিই এই তিন ধাপে কী কী থাকে:
১. স্টার্টার (Entrée) – হালকা শুরু!
এটা হলো খাবারের একদম প্রথম ধাপ। অনেকটা আমাদের যেমন খাওয়ার আগে হালকা কিছু খাই, তেমন। এই ধাপে সাধারণত খুব বেশি ভারী কিছু থাকে না, হালকা কিছু থাকে যাতে তোমার ক্ষুধাটা আরও বাড়ে আর পরের খাবারের জন্য মুখটা তৈরি হয়।
২. মেইন কোর্স (Plat Principal) – আসল খেলা!
এই ধাপটা হলো পুরো খাবারের আসল নায়ক! তোমার প্লেটে আসবে প্রধান খাবার, যেটা হবে একটু ভারী আর জমকালো। এটাই হলো পেট ভরানোর মূল অংশ।
৩. ডেজার্ট (Dessert) – মিষ্টি!
খাবার শেষ করার পর মিষ্টি মুখ না করলে কি চলে? ফরাসিরা মিষ্টির ব্যাপারেও খুব খুঁতখুঁতে আর ওদের ডেজার্টগুলো দেখতেও যেমন সুন্দর, খেতেও তেমন মজা!
ফরাসিদের থ্রি-কোর্স মিল মানে শুধু খাবার খাওয়া নয়, এটা একটা দারুণ অভিজ্ঞতা। প্রতিটা ধাপে নতুন নতুন স্বাদ আসে আর পুরো খাবারটাকেই ওরা একটা আর্ট বা শিল্প হিসেবে দেখে।
সংক্ষেপে দেখুন