সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
ফাঁসি দেওয়ার আগে অপরাধীর শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া হয় কেন?
ফাঁসি কার্যকর করার আগে অপরাধীর শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া একটি দীর্ঘদিনের প্রথা, যা মানবিক, সামাজিক এবং আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ। ১. মানবিক সম্মান ও মর্যাদা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া তার প্রতি একটি মানবিক সম্মান প্রদর্শনের উপায়। এটি তাকে তার জীবনের শেষ মুহূর্তে কিছু নিয়বিস্তারিত পড়ুন
ফাঁসি কার্যকর করার আগে অপরাধীর শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া একটি দীর্ঘদিনের প্রথা, যা মানবিক, সামাজিক এবং আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ।
১. মানবিক সম্মান ও মর্যাদা
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া তার প্রতি একটি মানবিক সম্মান প্রদর্শনের উপায়। এটি তাকে তার জীবনের শেষ মুহূর্তে কিছু নিয়ন্ত্রণের সুযোগ দেয়, যা তার আত্মমর্যাদা বজায় রাখতে সহায়তা করে। অনেক সময় অপরাধীরা তাদের পরিবারকে বিদায় জানানো, ক্ষমা প্রার্থনা বা ধর্মীয় আচার পালন করতে চান, যা তাদের মানসিক শান্তি এনে দেয়।
২. আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব
বিভিন্ন দেশের কারাগার নীতিমালায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আগে অপরাধীর শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া বাধ্যতামূলক। উদাহরণস্বরূপ, ভারতের তিহার জেলে নির্ভয়া কেসের চার আসামিকে ফাঁসির আগে তাদের শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া হয়েছিল, যদিও তারা কোনো ইচ্ছা প্রকাশ করেননি ।
৩. আত্মসমালোচনা ও ক্ষমা প্রার্থনার সুযোগ
শেষ ইচ্ছা প্রকাশের মাধ্যমে অপরাধীরা তাদের অপরাধের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করতে পারেন এবং ভুক্তভোগীদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইতে পারেন। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, টেক্সাসে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের শেষ বক্তব্যে ৩৩% অপরাধী ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন, যা তাদের অনুশোচনার প্রকাশ হিসেবে বিবেচিত হয় ।
৪. ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক প্রস্তুতি
অনেক অপরাধী মৃত্যুর আগে ধর্মীয় আচার পালন করতে চান, যেমন প্রার্থনা, ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠ বা ধর্মীয় নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ। এটি তাদের আধ্যাত্মিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
৫. সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রথা
শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া একটি সামাজিক প্রথা, যা সমাজের নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতিফলন। এটি সমাজকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে, যদিও অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত, তবুও তার প্রতি মানবিক আচরণ বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
ফাঁসির আগে অপরাধীর শেষ ইচ্ছা জানতে চাওয়া অপরাধীর আত্মসম্মান রক্ষা, অনুশোচনা প্রকাশ, ধর্মীয় প্রস্তুতি এবং সমাজের নৈতিক মূল্যবোধ বজায় রাখতে সহায়তা করে। এটি শুধুমাত্র একটি প্রথা নয়, বরং মানবিকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
সংক্ষেপে দেখুনজ্ঞান কি বই পুস্তকের ভিতরে সীমাবদ্ধ?
না না, বইগুলোই সব শেষ কথা না। বই-পুস্তক তো শুধু একটা গাইড, একটা বেস। সেখানে যত তথ্য থাকে, আমরা সেগুলো ধরে বেস তৈরি করি। কিন্তু আসল শেখা ঘটে বাইরে: নিজে করে দেখলে বোঝা যায়। শুধু রেসিপি দেখে রান্না শেখা যায় না, চুলার পাশে দাঁড়িয়ে আগুনের লেভেল, গ্যাসের ফ্লেম, সবই জানতে হয়। আলাপ-আলোচনা বাড়িয়ে দেয়বিস্তারিত পড়ুন
না না, বইগুলোই সব শেষ কথা না। বই-পুস্তক তো শুধু একটা গাইড, একটা বেস। সেখানে যত তথ্য থাকে, আমরা সেগুলো ধরে বেস তৈরি করি। কিন্তু আসল শেখা ঘটে বাইরে:
সুতরাং জ্ঞান কোথাও আটকে নেই। বই হলো স্টার্টিং পয়েন্ট, পুরো গল্পটা শেখা যায় তোমার চোখ, কান আর মন খোলা রাখলে।
এবার আমাকে বলো, নতুন কিছু শেখার জন্য তুমি কোন পদ্ধতি অবলম্বন করো?
সংক্ষেপে দেখুনبالتأكيد! إليك سؤالًا باستخدام الكلمة المفتاحية "حاسبة التقاعد في الإمارات
Here’s a concise overview of how “retirement calculator in the UAE” tools work, what inputs and assumptions they use, some of the most popular calculators available to UAE residents and expats, and tips for getting the most out of them. Summary Retirement calculators are interactive tools that estimবিস্তারিত পড়ুন
Here’s a concise overview of how “retirement calculator in the UAE” tools work, what inputs and assumptions they use, some of the most popular calculators available to UAE residents and expats, and tips for getting the most out of them.
Summary
Retirement calculators are interactive tools that estimate how much you need to save (and contribute) to achieve a target monthly income in retirement, based on your age, current savings, expected returns, inflation, and desired lifestyle. In the UAE, both government-linked and private calculators are available: National Bonds’ Nestegg Calculator, Abu Dhabi’s TAMM pension tool, ADIB’s Retirement Planner, as well as expat-focused calculators from HSBC Expat, Sarwa, HAYAH, Titan Wealth, Friends Provident International (FPI), The Family Office, and Zurich.ae. Most calculators let you tweak assumptions (investment growth rate, life expectancy, inflation) and compare “what-if” scenarios. They’re free to use, but all come with disclaimers that results are illustrative—not personalized financial advice.
What Is a Retirement Calculator?
A retirement calculator is an online estimator that helps you:
These tools apply compound-interest formulas to your inputs and a set of default or user-entered assumptions (expected return rates, inflation, lifespan), then visualize results with charts or tables.
Key Inputs & Assumptions
Popular UAE Retirement Calculators
1. National Bonds Nestegg Calculator
2. HSBC Expat Retirement Planning Calculator
3. Sarwa Retirement Calculator
4. HAYAH Pension Calculator
5. TAMM Abu Dhabi Pension Calculator
6. ADIB Retirement Planner
7. Titan Wealth Retirement Planning Calculator
8. Friends Provident International (FPI) Calculator
9. The Family Office Retirement Calculator
10. Zurich UAE Retirement Savings Calculator
How to Use a Retirement Calculator in the UAE
Benefits & Limitations
Benefits
Limitations
Best Practices
By leveraging these free online calculators—and understanding their inputs and assumptions—you can better plan your savings strategy and approach retirement in the UAE with confidence.
সংক্ষেপে দেখুনHow Does Stick War Legacy Mod APK Enhance Gameplay with Unlimited Resources?
Using a Mod APK for Stick War: Legacy that unlocks infinite gems, gold, troops, and upgrades fundamentally reshapes your play experience—here’s how and what to watch out for. What Unlimited Resources Let You Do Instant Army Scaling Normally you juggle gold and mana to build just the right mix of Speবিস্তারিত পড়ুন
Using a Mod APK for Stick War: Legacy that unlocks infinite gems, gold, troops, and upgrades fundamentally reshapes your play experience—here’s how and what to watch out for.
What Unlimited Resources Let You Do
Normally you juggle gold and mana to build just the right mix of Spearmen, Archers, and Giants. With infinite gold, you can spam every unit type at once—think five waves of Golems backed by a swarm of Archers—so you can steamroll the map without ever pausing to farm resources.
You no longer unlock units gradually through campaigns or research. Want to field Dragons in the very first skirmish? Done. Experiment with builds you’d never afford normally—like mass Shieldbearers for a defensive fortress or pure Knight rushes on every level.
Maxing out your Blacksmith and Alchemy paths takes dozens of battles and resource funnels in the stock game. The Mod APK auto-boosts every upgrade—faster attack rate, higher health pools, stronger spells—so you’re always at peace-time max power.
Without the grind, you can breeze through levels over and over, trying different layouts or AI matchups just for fun—no “grinding to unlock the next troop tree” barrier holds you back.
Why It Feels Like a Game-Changer
The Trade-Offs and Risks
The thrill of clawing out a narrow victory by squeaking together resources disappears. You may burn through content in hours, then have nothing left that feels “earnable.”
Modded code can be unstable. You might hit crashes, frozen menus, or broken cutscenes—especially if the modder didn’t mimic every official feature exactly.
Third-party APKs often come bundled with unwanted code. Your device, your chats, even your camera/mic permissions could be compromised.
If you ever connect to official servers or leaderboards, stick around too long with non-standard stats, and you risk getting flagged or banned.
Every new patch from the devs means you’ll have to hunt for a fresh mod—if it even exists—so you’ll fall behind on bug fixes and new levels.
Bottom Line
As a sandbox for pure strategy experiments and speedruns, a Stick War: Legacy Mod APK with unlimited resources feels like a playground—until you realize the swings and slides get boring when there’s no challenge left. If you just want to toy with troop combos or record epic showdowns, it’s a fun detour. But if you crave the thrill of rising through levels and mastering resource-tight tactics, you’ll probably miss the genuine progression of the unmodded game.
সংক্ষেপে দেখুনIs Telegram MOD APK safe to use? What are the risks and benefits of using a modified version?
Using a “MOD APK” of Telegram—or any app—means you’re installing a version that’s been altered by a third party rather than distributed through the official Google Play Store or Apple App Store. Here’s what you need to know: Potential Benefits Unlocked Premium Features Some mods claim to unlock Teleবিস্তারিত পড়ুন
Using a “MOD APK” of Telegram—or any app—means you’re installing a version that’s been altered by a third party rather than distributed through the official Google Play Store or Apple App Store. Here’s what you need to know:
Potential Benefits
Some mods claim to unlock Telegram Premium functions (higher upload limits, exclusive stickers, voice-to-text, etc.) without paying.
You may get themes, UI tweaks, or gesture-controls not available in the standard client.
Although stock Telegram is ad-light, certain unofficial builds promise an even more stripped-down, ad-free experience.
In countries where Telegram is partially blocked, some mods bundle their own proxy servers or “MTProto” tweaks to help you connect.
Major Risks
• Since modders inject code, there’s no guarantee the APK isn’t carrying keyloggers or hidden trojans that can siphon messages, contact lists, photos, or even record your microphone.
• Official Telegram builds are open-source; you can audit their code. Mods are closed-source, so you have no way to verify whether your chats or credentials are being forwarded to attackers.
• Telegram’s Terms of Service prohibit unauthorized clients. If the system flags your account for suspicious activity (e.g., non-standard protocol usage), you risk temporary or permanent bans.
• Official app updates often patch security vulnerabilities. Mod APKs don’t auto-update via the Play Store, so you’ll have to hunt down newer mod releases—and risk downloading malware with each update.
• Distributing or downloading paid-for features for free can violate copyright and software-licensing laws in many jurisdictions.
When Might a Mod APK Make Sense?
If you’re a developer or security researcher experimenting with Telegram’s protocol, you might use a mod in a sandboxed environment—but never with your primary account.
In rare cases where a device can’t access official stores, a vetted APK (directly from Telegram’s website) can be a lifeline—but that’s not the same as a third-party mod.
Best Practices & Recommendations
Download Telegram only from Google Play, Apple App Store, or the official Telegram site (telegram.org).
Add a secondary password on top of SMS-based login to protect your account even if someone steals your APK-stored credentials.
Never grant a mod unnecessary permissions (e.g., camera, contacts, microphone) unless you understand exactly why it needs them.
If you really must try a mod, do so on a throwaway device or virtual machine that doesn’t hold sensitive data.
Final words: The marginal “extra” features of a Telegram MOD APK rarely outweigh the substantial security and privacy risks. For day-to-day use—especially for sensitive chats—always rely on the official, unmodified client.
সংক্ষেপে দেখুনপছন্দ মতো বাছাই করে নিন আপনার বিয়ের সাজ
কিভাবে আর কোথায় বিয়ের সাজ পছন্দ করবো?
কিভাবে আর কোথায় বিয়ের সাজ পছন্দ করবো?
সংক্ষেপে দেখুনপাসওয়ার্ডের (PASSWORD) বাংলা অর্থ কী?
পাসওয়ার্ড এর বাংলা হলো সংকেত শব্দ বা গুপ্ত মন্ত্র।
পাসওয়ার্ড এর বাংলা হলো সংকেত শব্দ বা গুপ্ত মন্ত্র।
সংক্ষেপে দেখুনগুগলের প্যারেন্ট কোম্পানীর নাম কি?
গুগলের প্যারেন্ট কোম্পানি হলো অ্যালফাবেট। প্রতিষ্ঠাতাঃ ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন।
গুগলের প্যারেন্ট কোম্পানি হলো অ্যালফাবেট। প্রতিষ্ঠাতাঃ ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন।
সংক্ষেপে দেখুনVidalista 60 – Work, Uses, Dosage, Side effects, Benefits …
Vidalista 60 mg Vidalista 60 mg medicine is used to treat erectile dysfunction in men. It contains a component called Tadalafil which helps to improve blood flow in the body and cure erectile dysfunction. Vidalista 60 mg tablet is also used to treat PAH by relaxing the blood vessels in the lungs. Thবিস্তারিত পড়ুন
Vidalista 60 mg
Vidalista 60 mg medicine is used to treat erectile dysfunction in men. It contains a component called Tadalafil which helps to improve blood flow in the body and cure erectile dysfunction.
Vidalista 60 mg tablet is also used to treat PAH by relaxing the blood vessels in the lungs. This reduces blood pressure in the lungs and makes it easier for the heart to pump blood.
What Are The Uses Of Vidalista 60mg Medicine?
Usually, the Vidalista is used to treat 2 conditions which are Erectile Dysfunction and Pulmonary arterial hypertension.
Erectile dysfunction (ED): Vidalista 60 mg works by increasing blood flow to the penis, which can help men get and keep an erection.
Pulmonary arterial hypertension (PAH): Vidalista 60 mg works by relaxing the blood vessels in the lungs, which can reduce blood pressure and make it easier for the heart to pump blood.
What Are The Side Effects Of Vidalista 60 Mg Tablets?
The side effects can be different according to the dosage of Vidalista medicine. But here are the common 60 mg Vidalista dose side effects:
Headache
Back pain
Muscle pain
Stuffy nose
Diarrhoea
Flushing (redness of the face and neck)
Indigestion
Dizziness
Here are less common side effects of Vidalista medicine:
Vision changes
Hearing changes
Ringing in the ears
Priapism (a prolonged and painful erection)
Rash
Here are the serious side effects that you should not ignore:
Chest pain
Shortness of breath
Allergic reaction
If you get any of the side effects other than mentioned one then you must talk about it with your medication provider or doctor.
Ignoring Vidalista 60mg medicine side effects can be dangerous and long-lasting. So it is always better for all individuals to consult about each and every side effect of Vidalista with their healthcare provider.
N.B: For Dosages, please visit physician.
সংক্ষেপে দেখুনগুগলের নতুন কর্মচারীদের কি নামে ডাকা হয়?
গুগলের নতুন কর্মীদের "নুগলারস" নামে ডাকা হয় এবং কাজের প্রথম শুক্রবারে তাদেরকে প্রপেলার বিনি নামক এক ধরণের টুপি পরিধান করতে দেয়া হয়।
গুগলের নতুন কর্মীদের “নুগলারস” নামে ডাকা হয় এবং কাজের প্রথম শুক্রবারে তাদেরকে প্রপেলার বিনি নামক এক ধরণের টুপি পরিধান করতে দেয়া হয়।
সংক্ষেপে দেখুনগুগলের প্রথম ডুডল কি ছিলো?
গুগল ডুডল গুগল ডুডল হলো গুগল কর্তৃক ডিজাইনকৃত কোনো বিশেষ দিন, বিশেষ ঘটনা, অর্জন বা বিখ্যাত কোনো ব্যক্তির জন্ম - মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণ করতে গুগলের প্রধান পাতায় তাদের লোগোর পরিবর্তে ব্যবহৃত শিল্পসম্মত লোগো। গুগলের প্রথম ডুডল যোগ হয় ১৯৯৮ সালের ৩০শে আগস্ট বার্নিং ম্যান ফেস্টিভ্যালের দিন। যখন গুগলের প্রবিস্তারিত পড়ুন
গুগল ডুডল
গুগল ডুডল হলো গুগল কর্তৃক ডিজাইনকৃত কোনো বিশেষ দিন, বিশেষ ঘটনা, অর্জন বা বিখ্যাত কোনো ব্যক্তির জন্ম – মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণ করতে গুগলের প্রধান পাতায় তাদের লোগোর পরিবর্তে ব্যবহৃত শিল্পসম্মত লোগো।
গুগলের প্রথম ডুডল যোগ হয় ১৯৯৮ সালের ৩০শে আগস্ট বার্নিং ম্যান ফেস্টিভ্যালের দিন। যখন গুগলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেইজ ও সার্গেই বিন একটি উৎসবে নেভাদা গিয়েছিলেন, তখনি প্রথম এই আইডিয়াটি আসে।
এটি ডিজাইন করেছিলো গুগলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেইজ ও সার্গেই বিন, এটি দেওয়ার কারণ ছিলো মূলত গুগল ব্যবহারকারীদের তাদের অনুপস্থিতি সম্পর্কে বার্তা দেওয়া। গুগলের প্রতিষ্ঠাতারা ভেবেছিলেন এর মাধ্যমে তারা জানিয়ে দেবেন যে কেন তারা অফিসে অনুপস্থিত। এরপর থেকেই ডুডল গুগলের একটি ঐতিহ্যে পরিণত হয়।
পরবর্তীতে গুগল ডুডল ডিজাইন করার জন্য ‘ডুডলার’ নামে কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০১০ সালের জানুয়ারিতে গুগল, স্যার আইজ্যাক নিউটন-এর সম্মানার্থে প্রথমবারের মতো এনিমেটেড ডুডল প্রকাশ করে। প্যাক-ম্যান, উদযাপন উপলক্ষে প্রথমবারের মতো ইন্টারঅ্যাক্টিভ ডুডল প্রকাশ করা হয়। এটির মাধ্যমে ডুডলে হাইপারলিংকও দেওয়া শুরু হয়, যেটিতে ক্লিক করলে উক্ত বিষয়বস্তু সম্পর্কিত গুগলে অনুসন্ধান ফলাফল দেখানো হয়।
এ পর্যন্ত গুগল আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ডুডল মিলে মোট ৪০০০-এরও বেশি সংখ্যক ডুডল তাদের প্রধান পাতায় প্রদর্শন করেছে।
তথ্যসূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক
সংক্ষেপে দেখুনকাক এর সাথে আকার যোগ করলে কাকা হয়, তাহলে কি বিয়োগ করলে গরু হয়?
ইংলিশে Crow, মানে কাক। তাহলে Crow থেকে "r" কে বাদ দিলে হয় Cow, মানে গরু। তাহলে এখানে কাকের থেকে "r" বাদ দিলে গরু হবে।
ইংলিশে Crow, মানে কাক। তাহলে Crow থেকে “r” কে বাদ দিলে হয় Cow, মানে গরু। তাহলে এখানে কাকের থেকে “r” বাদ দিলে গরু হবে।
সংক্ষেপে দেখুনহজরত ওমরের কথার পর পবিত্র আল কোরআনে কতটি আয়াত নাজিল হয়েছিল ?
ওমর রা. নিজেই তার সেই সৌভাগ্য হাসিলের বর্ণনা দিয়েছেন। আমরা এখানে তার সেই বর্ণনা হুবহু তুলে ধরছি। ওমর রা. বলেছেন– তিনটি বিষয়ে আমার অভিমত আমার রবের ওহীর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছিল। আমি বলেছিলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমরা যদি ‘মাকামে ইবরাহীম’কে নামাজের স্থান বানাতে পারতাম। তখন এই আয়াত নাযিল হয়– وَ اتَّخِذবিস্তারিত পড়ুন
ওমর রা. নিজেই তার সেই সৌভাগ্য হাসিলের বর্ণনা দিয়েছেন। আমরা এখানে তার সেই বর্ণনা হুবহু তুলে ধরছি।
ওমর রা. বলেছেন– তিনটি বিষয়ে আমার অভিমত আমার রবের ওহীর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছিল। আমি বলেছিলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমরা যদি ‘মাকামে ইবরাহীম’কে নামাজের স্থান বানাতে পারতাম।
তখন এই আয়াত নাযিল হয়–
وَ اتَّخِذُوْا مِنْ مَّقَامِ اِبْرٰهٖمَ مُصَلًّی.
তোমরা ‘মাকামে ইবরাহীম’কে নামাযের স্থান বানাও। –সূরা বাকারা (০২) : ১২৫
(দ্বিতীয় হল,) পর্দার আয়াত। আমি বলেছিলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আপনি যদি আপনার স্ত্রীদেরকে পর্দার আদেশ করতেন। কারণ, ভালো-মন্দ সবাই তাদের সঙ্গে কথা বলে। তখন পর্দার আয়াত নাযিল হয়।
(তৃতীয়) আরেকবার নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীগণ নবীজীর ওপর অভিমানবশত পরস্পর একতাবদ্ধ হয়েছিল। তখন আমি তাদেরকে বলেছিলাম, রাসূল যদি তোমাদেরকে তালাক দেন, তবে আল্লাহ তাআলা তোমাদের পরিবর্তে রাসূলকে তোমাদের চেয়েও উত্তম স্ত্রী দান করবেন। পরবর্তীতে সে কথাই আয়াত হিসেবে নাযিল হয়। (সহিহ বুখারি, হাদিস ৪০২)
আরেক বর্ণনায় ওমর রা. বদর যুদ্ধবন্দিদের ঘটনাটি উল্লেখ করেছেন। ঘটনাটি ছিল এরকম, বদর যুদ্ধে আল্লাহ তাআলার সাহায্যে মুসলমানরা বিজয় লাভ করে। কাফেররা শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। তাদের ৭০ জন লোক মুসলমানদের হাতে বন্দি হয়। এ বন্দিদের ব্যাপারে কী ফয়সালা হবে– সে বিষয়ে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের কাছে পরামর্শ চাইলেন।
আবু বকর রা. বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে তাদের থেকে মুক্তিপণ নেওয়ার পরামর্শ দিলেন। অপরদিকে ওমর রা. কাফেরদেরকে হত্যা করে ফেলার অভিমত ব্যক্ত করলেন।
রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু বকর রা.-এর পরামর্শ অনুযায়ী ফয়সালা করলেন। পরবর্তীতে ওমর রা.-এর মতামতকে সমর্থন করে কুরআন কারীমে আয়াত নাযিল হল।
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করলেন– ভূপৃষ্ঠে ব্যাপকভাবে শত্রুনিধন না হওয়া পর্যন্ত কোনো নবীর জন্য শত্রুদের বন্দি হিসেবে রেখে দেওয়া সমীচীন নয়। তোমরা চাও পার্থিব সম্পদ আর আল্লাহ চান আখেরাতের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী, অতি প্রজ্ঞাবান। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ, তার জন্য তোমাদের ওপর মহা শাস্তি আপতিত হত। অতএব এখন তোমরা যা গনীমত লাভ করেছ, তা বৈধ এবং কল্যাণকর হিসেবে গ্রহণ করো। আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। –সূরা আনফাল (০৮) : ৬৭-৬৯ (দ্র. সহিহ মুসলিম, হাদিস ১৭৬৩)
আরেকবারের ঘটনা। সেই ঘটনার বিবরণও ওমর ইবনুল খাত্তাব রা. নিজেই শুনিয়েছেন। তিনি বলেন, (মুনাফিক সর্দার) আবদুল্লাহ ইবনে উবাই ইবনে সালূল যখন মারা যায়, তখন রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জানাজার নামাজের জন্য ডাকা হল। রাসূল জানাজার জন্য উঠে দাঁড়ালে আমি দ্রুত গিয়ে রাসূলকে বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আপনি ইবনে উবাইয়ের জানাযা পড়বেন, অথচ সে অমুক অমুক দিন এটা এটা বলেছে? আমি রাসূলকে তার উক্তিগুলো একে একে শোনাতে লাগলাম।
রাসূল মুচকি হেসে বললেন, ওমর, সরে যাও। কিন্তু আমি বারবার আপত্তি করতে থাকলে রাসূল একপর্যায়ে বললেন, আমাকে আল্লাহর পক্ষ থেকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আমি তা গ্রহণ করেছি। আমি যদি জানতাম যে, সত্তরবারের অধিক ইস্তিগফার করলে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেবেন, তবে আমি তাই করতাম।
এরপর রাসূল তার জানাজার নামায আদায় করে ফিরে এলেন। কিছুদিনের মধ্যেই সূরা বারাআর দুটি আয়াত নাযিল হল–
মুনাফিকদের কেউ মারা গেলে তুমি কখনোই তাদের জানাযার নামায আদায় করবে না। তারা তো আল্লাহ ও তার রাসূলের সঙ্গে কুফরী করেছে এবং পাপিষ্ঠ অবস্থায় মারা গেছে। –সূরা তাওবা (০৯) : ৮৪
ওমর রা. বলেন, পরবর্তীতে আমি রাসূলের সামনে আমার সেদিনকার দুঃসাহসিক আচরণের জন্য নিজের প্রতি আশ্চর্যবোধ করছিলাম। আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূলই সবচেয়ে ভালো জানেন। –সহিহ বুখারী, হাদিস ১৩৬৬
এছাড়াও আরও বিভিন্ন প্রসঙ্গে ওমর রা.-এর চিন্তা ও বক্তব্যের সাথে কুরআনের আয়াত মিলে গিয়েছিল। এজন্য রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওমর রা. সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন– তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতের মাঝে ইলহামপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ ছিলেন। আমার এই উম্মতের মধ্যে যদি কেউ থাকে, তবে সে ওমর ইবনুল খাত্তাব। –সহিহ বুখারী, হাদিস ৩৪৬৯
সোর্সঃ দৈনিক যুগান্তর
সংক্ষেপে দেখুনঈদের সময় ফিতরা আদায় করতে না পারলে পরে করা যাবে?
ফিতরা বা সদকাতুল ফিতর আদায়ের উত্তম সময় হলো ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখার পর থেকে ঈদগাহে যাওয়ার আগ পর্যন্ত। ঈদের চাঁদ দেখার আগেও ফিতরা আদায় করা যাবে। গরিবের সুবিধার জন্য এটিই উত্তম। তবে কোনো কারণে ঈদের আগে দিতে না পারলে পরে হলেও দিতে হবে। এক্ষেত্রে যথা সময়ে আদায় না করার কারণে হাদিসে বর্ণিত সওয়াব ও ফজিলতবিস্তারিত পড়ুন
ফিতরা বা সদকাতুল ফিতর আদায়ের উত্তম সময় হলো ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখার পর থেকে ঈদগাহে যাওয়ার আগ পর্যন্ত। ঈদের চাঁদ দেখার আগেও ফিতরা আদায় করা যাবে। গরিবের সুবিধার জন্য এটিই উত্তম। তবে কোনো কারণে ঈদের আগে দিতে না পারলে পরে হলেও দিতে হবে। এক্ষেত্রে যথা সময়ে আদায় না করার কারণে হাদিসে বর্ণিত সওয়াব ও ফজিলত পাওয়া যাবে না।
সংক্ষেপে দেখুনইবলিস শয়তানের জন্ম হয়েছে কীভাবে?
ইসলামের ঐতিহ্য অনুযায়ী, ইবলিসকে শয়তান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তাঁর সৃষ্টির পেছনের মূল বিষয়গুলো নিম্নরূপ: সৃষ্টির উপাদান: কুরআনে উল্লেখ আছে যে, জ্বীনজাত সৃষ্টির উপাদান হলো অগ্নির নিখুঁত শিখা। ইবলিসও এই উপাদান থেকে সৃষ্টি হয়েছেন। ফলে, তিনি দেবদূতের মতো আলোকিত সৃষ্টি নয়, বরং অগ্নি থেকে উৎপন্ন একটি সতবিস্তারিত পড়ুন
ইসলামের ঐতিহ্য অনুযায়ী, ইবলিসকে শয়তান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তাঁর সৃষ্টির পেছনের মূল বিষয়গুলো নিম্নরূপ:
কুরআনে উল্লেখ আছে যে, জ্বীনজাত সৃষ্টির উপাদান হলো অগ্নির নিখুঁত শিখা। ইবলিসও এই উপাদান থেকে সৃষ্টি হয়েছেন। ফলে, তিনি দেবদূতের মতো আলোকিত সৃষ্টি নয়, বরং অগ্নি থেকে উৎপন্ন একটি সত্তা।
যখন আল্লাহ আদম সৃষ্টি করেন এবং সমস্ত ফেরেশতাদের আদমকে সজদা করতে আদেশ দেন, তখন ইবলিস (যিনি জ্বীনের মধ্যে একজন ছিলেন) তাঁর অহংকার ও ঈর্ষার কারণে আদমকে সজদা করতে অস্বীকার করেন। এই অযথার্থ আচরণের ফলে, তিনি আল্লাহর নিকট থেকে নিন্দিত হন এবং শয়তানের মর্যাদা লাভ করেন।
ইসলামিক বিশ্বাসে, ইবলিসের সৃষ্টির ঘটনা ও তাঁর পতনের প্রক্রিয়া মানবজাতির পরীক্ষার অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। তাঁর অস্বীকার ও ঈর্ষা মানবজাতির জন্য এক ধরনের সতর্কবার্তা হিসেবে চিহ্নিত, যাতে ঈমান ও বিনয় বজায় রাখা যায়।
ইবলিসকে অগ্নির নিখুঁত শিখা থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং তাঁর অহংকারের কারণে আদমের সম্মুখে সজদা অস্বীকার করার ফলে তিনি শয়তানের মর্যাদা পান।
সংক্ষেপে দেখুনজীন জাতিকে দেখা যায় না কেন?
জ্বীন জাতিকে দেখা যায় না কারণ তারা একটি ভিন্নতর সৃষ্টি, যা মানুষের চেয়ে ভিন্ন এক পদার্থ থেকে তৈরি। ইসলামিক মতে, আল্লাহ জ্বীনদের অগ্নির নিখুঁত শিখা (smokeless fire) থেকে সৃষ্টি করেছেন, যা মানুষের মাটির সৃষ্টি থেকে আলাদা। জ্বীনদের অদৃশ্য থাকার কারণ: সৃষ্টির উপাদান: কুরআনে বলা হয়েছে: "আর জিনদের সৃষ্টিবিস্তারিত পড়ুন
জ্বীন জাতিকে দেখা যায় না কারণ তারা একটি ভিন্নতর সৃষ্টি, যা মানুষের চেয়ে ভিন্ন এক পদার্থ থেকে তৈরি। ইসলামিক মতে, আল্লাহ জ্বীনদের অগ্নির নিখুঁত শিখা (smokeless fire) থেকে সৃষ্টি করেছেন, যা মানুষের মাটির সৃষ্টি থেকে আলাদা।
জ্বীনদের অদৃশ্য থাকার কারণ:
“আর জিনদের সৃষ্টি করেছি আমি অগ্নির শুষ্ক শিখা হতে।” (সূরা আর-রহমান, আয়াত ১৫)
মানুষের দেহ কঠিন পদার্থ (মাটি) দিয়ে তৈরি, কিন্তু জ্বীনরা সূক্ষ্ম ও হালকা উপাদান থেকে গঠিত, যা সাধারণ চোখে দেখা সম্ভব নয়।
তবে কিছু ক্ষেত্রে দেখা যেতে পারে:
সংক্ষেপে, জ্বীনদের অদৃশ্য থাকার কারণ হলো তাদের সূক্ষ্ম ও ভিন্নতর সৃষ্টি, যা মানুষের চোখে ধরা পড়ে না, তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে তাদের দেখা সম্ভব হতে পারে।
সংক্ষেপে দেখুন১০৪ খানা আসমানী কিতাব কোথায়? আল কোরআন ছাড়া ১০০ সহিফা ও তাওরাত,যাবুর,ইনজিল কিতাব কোথায়?
১০৪টি আসমানী কিতাবের মধ্যে ৪টি প্রধান কিতাব এবং ১০০টি সহিফা রয়েছে। প্রধান ৪টি কিতাব: তাওরাত: হযরত মুসা (আঃ) এর উপর নাজিল হয়। যাবুর: হযরত দাউদ (আঃ) এর উপর নাজিল হয়। ইনজিল: হযরত ঈসা (আঃ) এর উপর নাজিল হয়। কোরআন: হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর উপর নাজিল হয়। ১০০টি সহিফা: হযরত আদম (আঃ) এর উপর ১০টি সহিফা নাজবিস্তারিত পড়ুন
১০৪টি আসমানী কিতাবের মধ্যে ৪টি প্রধান কিতাব এবং ১০০টি সহিফা রয়েছে।
কোরআন ব্যতীত, অন্য কিতাবগুলো এবং সহিফাগুলোর মূল রূপ বর্তমানে বিদ্যমান নেই। মুসলিম বিশ্বাস অনুসারে, পূর্ববর্তী কিতাবগুলোতে সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন এবং বিকৃতি ঘটেছে। কোরআনকে সর্বশেষ এবং অপরিবর্তিত আসমানী কিতাব হিসেবে বিশ্বাস করা হয়।
ভেল্কি অ্যাপ
ভাই, ভেল্কি এপ কি ভেল্কি দেখাইয়া মানুষদের টাকা পয়সা মাইরা পালাইবো নাকি?
ভাই, ভেল্কি এপ কি ভেল্কি দেখাইয়া মানুষদের টাকা পয়সা মাইরা পালাইবো নাকি?
সংক্ষেপে দেখুনপবিত্র মাহে রমজানের ১০১ টি শুভেচ্ছা বাণী ও ছবি ও স্ট্যাটাস
পবিত্র মাহে রমজানের ১০১ টি শুভেচ্ছা বাণী, ছবি ও স্ট্যাটাস রমজান হলো ইসলামের পবিত্র মাস, যেখানে মুসলমানরা রোজা রেখে আধ্যাত্মিক উন্নয়ন ও শুদ্ধতার সন্ধানে থাকে। এই মাসে পরস্পরের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়, ভালোবাসা ও করুণার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়ে থাকে। আজকের আর্টিকেলে আমরা নিয়ে এসেছি পবিত্র মাহে রমজানের ১০১বিস্তারিত পড়ুন
পবিত্র মাহে রমজানের ১০১ টি শুভেচ্ছা বাণী, ছবি ও স্ট্যাটাস
রমজান হলো ইসলামের পবিত্র মাস, যেখানে মুসলমানরা রোজা রেখে আধ্যাত্মিক উন্নয়ন ও শুদ্ধতার সন্ধানে থাকে। এই মাসে পরস্পরের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়, ভালোবাসা ও করুণার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়ে থাকে। আজকের আর্টিকেলে আমরা নিয়ে এসেছি পবিত্র মাহে রমজানের ১০১ টি শুভেচ্ছা বাণী, ছবি ও স্ট্যাটাস, যা আপনার রমজানকে করে তুলবে আরও স্মরণীয় ও অর্থবহ।
১. রমজানের গুরুত্ব ও ঐতিহ্য
রমজান মাসের মধ্য দিয়ে মুসলমানরা শুধু রোজা রাখেন না, বরং এই মাসকে আধ্যাত্মিক উন্নতির এক মহান উৎসব হিসেবেও উদযাপন করেন।
আত্মশুদ্ধি ও মনন: রমজান আমাদেরকে আত্মশুদ্ধির দিকে পরিচালিত করে, যেখানে প্রতিটি মুহূর্তে আল্লাহর নৈকট্যের অনুভূতি জাগে।
সহানুভূতি ও দানশীলতা: এই মাসে মুসলমানরা দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায়, সেবা ও দানশীলতার মাধ্যমে মানবিকতার খোঁজ পান।
সমবায় ও ঐক্য: রোজাদান কেবল ব্যক্তিগত উপাসনা নয়, বরং সমাজের সাথে একটি গভীর সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমও।
২. শুভেচ্ছা বাণী ও স্ট্যাটাসের প্রয়োজনীয়তা
রমজানের শুভেচ্ছা বাণী ও স্ট্যাটাস কেবল উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে দেয় না, বরং মানুষের মধ্যে এক অনন্য সামাজিক বন্ধন সৃষ্টি করে।
সামাজিক যোগাযোগ: রমজানের শুভেচ্ছা দিয়ে আপনি আপনার বন্ধু, পরিবার ও সামাজিক নেটওয়ার্ককে একটি আন্তরিক বার্তা পাঠাতে পারেন।
আধ্যাত্মিক অনুপ্রেরণা: রমজানের শুভেচ্ছা ও স্ট্যাটাস আমাদেরকে দৈনন্দিন জীবনের কষ্ট ভুলিয়ে, নতুন উদ্যমে পূর্ণ করে তোলে।
ইন্টারনেট কালচার: আজকের ডিজিটাল যুগে এই ধরনের শুভেচ্ছা ও স্ট্যাটাস সামাজিক মাধ্যমগুলিতে ব্যাপকভাবে শেয়ার করা হয়, যা আপনার প্রোফাইলকে করে তোলে আরও আকর্ষণীয়।
৩. ১০১ টি রমজানের শুভেচ্ছা বাণী ও স্ট্যাটাসের তালিকা
নিচে দেওয়া হল কয়েকটি উদাহরণ, যেগুলো আপনি নিজের সামাজিক মাধ্যম, ব্লগ বা মেসেজিং অ্যাপগুলিতে ব্যবহার করতে পারেন:
উদাহরণ ১:
“আল্লাহর রহমতে ভরা এই রমজানে, আপনার জীবন হোক আশীর্বাদ ও সুখে পরিপূর্ণ। রমজান মুবারক!”
উদাহরণ ২:
“পবিত্র মাহে রমজান আসছে আমাদের জীবনে আলোকের বার্তা নিয়ে। হে আল্লাহ, আমাদের এই রমজানকে করে তুলুন করুণাময় ও শান্তির।”
উদাহরণ ৩:
“রমজানের প্রতিটি মুহূর্ত হোক আপনার জীবনে শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধির সূচনা। রমজান মোবারক!”
এছাড়া আপনি আরও বিভিন্ন রকমের শুভেচ্ছা বাণী, প্রেরণাদায়ক ছবি ও স্ট্যাটাস তৈরি করতে পারেন। এই তালিকা ১০১ টি বাণীর সমাহার হয়ে আপনার সৃষ্টিশীলতা ও সামাজিক সংযোগকে নতুন মাত্রায় উন্নীত করবে।
৪. কিভাবে তৈরি করবেন আপনার নিজস্ব রমজান স্ট্যাটাস?
আপনি যদি নিজেই রমজানের জন্য অনন্য স্ট্যাটাস বা ছবি তৈরি করতে চান, তাহলে নিচের কিছু টিপস অনুসরণ করুন:
উদ্দীপনাময় শব্দচয়ন: আপনার বাণীতে এমন শব্দ ব্যবহার করুন যা পাঠকের হৃদয়কে ছুঁয়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ, “আশীর্বাদ”, “করুণাময়”, “আত্মশুদ্ধি” ইত্যাদি শব্দ।
ব্যক্তিগত অনুভূতি: আপনার নিজের রোজা, নামাজ ও দানের অভিজ্ঞতা লিখুন, যা অন্যদের অনুপ্রেরণা যোগাবে।
ছবির মান: যদি আপনি ছবি শেয়ার করেন, তবে নিশ্চিত করুন যে ছবির মান ও রেজোলিউশন উচ্চ। এতে আপনার পোস্ট আরও আকর্ষণীয় ও প্রফেশনাল দেখাবে।
ইউনিক হ্যাসট্যাগ: যেমন #রমজান, #রমজানেরশুভেচ্ছা, #পবিত্র_রমজান – এই ধরনের হ্যাসট্যাগ ব্যবহার করুন, যাতে আপনার কনটেন্ট সহজেই সার্চ করা যায়।
৫. কেন রমজানের শুভেচ্ছা বাণী গুরুত্বপূর্ণ?
রমজানের শুভেচ্ছা বাণী সামাজিক ও ধর্মীয় উভয় দিক থেকেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:
ধর্মীয় বার্তা: এই বাণীগুলোতে ইসলামের মূল শিক্ষাগুলি, যেমন সততা, দয়া, করুণার বার্তা থাকে।
মানসিক প্রশান্তি: রমজানের শুভেচ্ছা ও স্ট্যাটাস মানুষের মনকে শান্তি ও আশার বার্তা দেয়, যা তাদের জীবনে এক নতুন শক্তি যোগ করে।
সম্প্রদায়ের একতা: এই শুভেচ্ছা বাণীর মাধ্যমে পরিবার, বন্ধু ও সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি গভীর সংযোগ তৈরি হয়, যা সকলের মাঝে ভালোবাসা ও সহানুভূতি বাড়ায়।
৬. উপসংহার
পবিত্র মাসে রমজান আমাদের জীবনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। এই মাসে আপনি যেমন রোজা রাখতে পারেন, তেমনই রমজানের শুভেচ্ছা বাণী, ছবি ও স্ট্যাটাসের মাধ্যমে আপনার প্রিয়জনদের সাথে ভালোবাসা ও করুণার বার্তা ভাগাভাগি করতে পারেন। “পবিত্র মাহে রমজানের ১০১ টি শুভেচ্ছা বাণী, ছবি ও স্ট্যাটাস” আপনার রমজানকে করে তুলবে আরও স্মরণীয়, হৃদয়স্পর্শী ও অনুপ্রেরণাময়।
আপনি আজই এই শুভেচ্ছা বাণীগুলো ব্যবহার করে আপনার সামাজিক মাধ্যম ও ব্যক্তিগত জগতকে করে তুলুন আরও সুন্দর ও অর্থবহ। রমজান মোবারক!
সংক্ষেপে দেখুনGp Free Net : ফ্রিতে আনলিমিটেড ইন্টার্নেট জিপি সিমে
প্রথমে প্লে স্টোর থেকে এই অ্যাপটি ডাউনলোড করে নিন। My Gp Apps টি Open করুন এবং ২৮৯ টাকার প্যাকটি কিনুন অথবা ১৮৯ টাকার প্যাকটি আপনার অফার থেকে থাকলে ঔটা কিনতে পারেন। এখন আপনার ডাউনলোড করা Vpn Open করুন এবং উপরে বাম পাশে 3 dot ক্লিক করুন আপডেট করে নিন এখন Payload ক্লিক করেন এখন একদম নিচে নামতে থাকুন ঔবিস্তারিত পড়ুন
প্রথমে প্লে স্টোর থেকে এই অ্যাপটি ডাউনলোড করে নিন।
My Gp Apps টি Open করুন এবং ২৮৯ টাকার প্যাকটি কিনুন অথবা ১৮৯ টাকার প্যাকটি আপনার অফার থেকে থাকলে ঔটা কিনতে পারেন।
এখন আপনার ডাউনলোড করা Vpn Open করুন এবং উপরে বাম পাশে 3 dot ক্লিক করুন
আপডেট করে নিন
এখন Payload ক্লিক করেন
এখন একদম নিচে নামতে থাকুন ঔখানে দেখবেন 289 tk & 189 tk 2টি প্যাক আছে সিলেক্ট করুন
Start এ ক্লিক করুন
দেখুন কানেন্ট হয়ে গেছে
এটুকু কাজ করলেই ফ্রিতে জিপি নেট ইউজ করতে পারবেন।
সংক্ষেপে দেখুন