সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
PTFE ও PFOA কী? এয়ার ফ্রায়ারে এগুলো কেন বিপজ্জনক?
PTFE এবং PFOA এর পরিচয় ১. PTFE (Polytetrafluoroethylene) এটি মূলত একটি সিন্থেটিক পলিমার যা সাধারণ মানুষের কাছে 'টেফলন' (Teflon) নামে পরিচিত। এর বিশেষ গুণ হলো এটি প্রচণ্ড পিচ্ছিল এবং এতে খাবার আটকে যায় না। এ কারণে নন-স্টিক প্যান বা এয়ার ফ্রায়ারের বাস্কেটে এই প্রলেপ ব্যবহার করা হয়। এর রাসায়নিক সংকেতবিস্তারিত পড়ুন
PTFE এবং PFOA এর পরিচয়
১. PTFE (Polytetrafluoroethylene)
এটি মূলত একটি সিন্থেটিক পলিমার যা সাধারণ মানুষের কাছে ‘টেফলন’ (Teflon) নামে পরিচিত। এর বিশেষ গুণ হলো এটি প্রচণ্ড পিচ্ছিল এবং এতে খাবার আটকে যায় না। এ কারণে নন-স্টিক প্যান বা এয়ার ফ্রায়ারের বাস্কেটে এই প্রলেপ ব্যবহার করা হয়। এর রাসায়নিক সংকেত হলো $(C_2F_4)_n$।
২. PFOA (Perfluorooctanoic acid)
এটি আগে PTFE বা টেফলন তৈরির সময় একটি সহায়ক উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এটি একটি ‘ফরএভার কেমিক্যাল’ যা সহজে প্রকৃতিতে বা শরীরে মিশে যায় না। স্বাস্থ্যের জন্য এটি অত্যন্ত ক্ষতিকর। বর্তমানে বেশিরভাগ উন্নত কোম্পানি PFOA-মুক্ত পণ্য তৈরির দাবি করে।
এয়ার ফ্রায়ারে এগুলো কেন বিপজ্জনক?
এয়ার ফ্রায়ারে নন-স্টিক কোটিং হিসেবে PTFE ব্যবহারের ঝুঁকি মূলত দুটি কারণে তৈরি হয়:
অতিরিক্ত তাপমাত্রা: যখন এয়ার ফ্রায়ারের তাপমাত্রা ২৬০°C (৫০০°F) এর উপরে চলে যায়, তখন PTFE কোটিং ভেঙে বিষাক্ত ধোঁয়া নির্গত করতে শুরু করে। এই ধোঁয়া শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে ‘টেফলন ফ্লু’ (Polymer Fume Fever) হতে পারে।
কোটিং উঠে যাওয়া: বাস্কেট পুরনো হয়ে গেলে বা স্টিলের চামচ দিয়ে ঘষা লাগলে এর প্রলেপ উঠে খাবারে মিশে যেতে পারে। এই কণাগুলো পেটে গেলে দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকে।
সতর্কতামূলক টিপস
১. কখনোই এয়ার ফ্রায়ার খালি অবস্থায় সর্বোচ্চ তাপে চালিয়ে রাখবেন না।
সংক্ষেপে দেখুন২. বাস্কেট পরিষ্কার করতে নরম স্পঞ্জ ব্যবহার করুন।
৩. সম্ভব হলে সিরামিক কোটিং বা স্টেইনলেস স্টিলের বাস্কেট যুক্ত এয়ার ফ্রায়ার কিনুন।
দমন শব্দের বিপরীত শব্দ কী?
দমন শব্দের সঠিক এবং সবচেয়ে প্রচলিত বিপরীত শব্দ হলো প্রশ্রয়। এছাড়া প্রসঙ্গের ওপর ভিত্তি করে উস্কানি বা মুক্তি শব্দগুলোও বিপরীতার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। বিস্তারিত ব্যাখ্যা বাংলা ব্যাকরণে 'দমন' বলতে কোনো কিছুকে আয়ত্তে আনা, নিয়ন্ত্রণে রাখা বা জোরপূর্বক থামিয়ে দেওয়াকে বোঝায়। এর বিপরীতে যখন কাউকে কোনবিস্তারিত পড়ুন
দমন শব্দের সঠিক এবং সবচেয়ে প্রচলিত বিপরীত শব্দ হলো প্রশ্রয়। এছাড়া প্রসঙ্গের ওপর ভিত্তি করে উস্কানি বা মুক্তি শব্দগুলোও বিপরীতার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
বিস্তারিত ব্যাখ্যা
বাংলা ব্যাকরণে ‘দমন‘ বলতে কোনো কিছুকে আয়ত্তে আনা, নিয়ন্ত্রণে রাখা বা জোরপূর্বক থামিয়ে দেওয়াকে বোঝায়। এর বিপরীতে যখন কাউকে কোনো কাজে লাই দেওয়া হয় বা সুযোগ করে দেওয়া হয়, তখন তাকে বলা হয় ‘প্রশ্রয়‘।
উদাহরণ হিসেবে:
এখানে ‘দমন‘ মানে থামানো এবং ‘প্রশ্রয়‘ মানে উৎসাহ বা লাই দেওয়া।
সংক্ষেপে দেখুনসানস্ক্রিন ক্রিম কোনটা ভালো?
সানস্ক্রিন ক্রিম ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি (UV রে) থেকে রক্ষা করে, যা ত্বকের বার্ধক্য, সানবার্ন এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। সানস্ক্রিন ক্রিম কোনটা ভালো প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে এর সম্পর্কে আরও কিছু বিষয় জেনে নেয়া যাক। তাহলে আপনি নিজেই বাজারের ভালো বা খারাপ সানস্ক্রিন ক্রিম বেছে নিতে পারবিস্তারিত পড়ুন
সানস্ক্রিন ক্রিম ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি (UV রে) থেকে রক্ষা করে, যা ত্বকের বার্ধক্য, সানবার্ন এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। সানস্ক্রিন ক্রিম কোনটা ভালো প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে এর সম্পর্কে আরও কিছু বিষয় জেনে নেয়া যাক। তাহলে আপনি নিজেই বাজারের ভালো বা খারাপ সানস্ক্রিন ক্রিম বেছে নিতে পারবেন।
সঠিক সানস্ক্রিন নির্বাচন এবং সঠিকভাবে ব্যবহার করা ত্বকের সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সানস্ক্রিন ক্রিমের উপকারিতা
সানস্ক্রিন ক্রিমের অপকারিতা
সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহারের নিয়ম
ত্বকের ধরন অনুযায়ী সানস্ক্রিন নির্বাচন
এসপিএফ ৫০ সানস্ক্রিন
সানস্ক্রিন ক্রিমের দাম
বাংলাদেশে সানস্ক্রিনের দাম ব্র্যান্ড ও উপাদানের উপর নির্ভর করে। উদাহরণস্বরূপ, W.Skin Laboratory ট্রিপল কেয়ার সান ক্রিম (৬০ মি.লি.) এর দাম প্রায় ১,০৯৩ টাকা।
সঠিক সানস্ক্রিন নির্বাচন ত্বকের ধরন ও প্রয়োজন অনুযায়ী করা উচিত। নিয়মিত ও সঠিকভাবে সানস্ক্রিন ব্যবহার ত্বকের সুস্থতা ও সৌন্দর্য বজায় রাখতে সহায়ক।
সংক্ষেপে দেখুনNeed Sonar Tori Kobita MCQ for HSC in PDF Format
Sonar Tori Kobita mcq উত্তরসহ আমরা সোনার তরী কবিতার সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর শেয়ার করেছিলাম। আজ আমরা একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সোনার তরী কবিতার mcq শেয়ার করতে চলেছি। সোনার তরী কবিতার mcq pdf ১। কী কাটতে কাটতে বর্ষা এল? ক. ধান, খ. আখ, গ. পাট, ঘ. ভুট্টা ২। ‘সোনার তরী’ কবিতায় কোথায় মেঘ গবিস্তারিত পড়ুন
Sonar Tori Kobita mcq উত্তরসহ
আমরা সোনার তরী কবিতার সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর শেয়ার করেছিলাম। আজ আমরা একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সোনার তরী কবিতার mcq শেয়ার করতে চলেছি।
সোনার তরী কবিতার mcq pdf
১। কী কাটতে কাটতে বর্ষা এল?
ক. ধান, খ. আখ, গ. পাট, ঘ. ভুট্টা
২। ‘সোনার তরী’ কবিতায় কোথায় মেঘ গর্জন করার কথা বলা হয়েছে?
ক. পূর্বাকাশে, খ. পশ্চিমাকাশে, গ. আকাশ জুড়ে, ঘ. হিংস্র হয়ে
৩। ‘সোনার তরী’ কবিতায় মূলত কয়টি চরিত্রের সন্ধান মেলে?
ক. ৫টি, খ. ৩টি, গ. ২টি, ঘ. ৪টি
৭। ‘সোনার তরী’ কবিতায় কূলে একা কে বসে আছে?
ক. কৃষক, খ. শ্রমিক, গ. জমিদার, ঘ. ভিক্ষুক
৮। ‘থরে বিথরে’ শব্দটির অর্থ কী?
ক. ব্যবচ্ছেদ করে, খ. সুবিন্যস্ত করে, গ. এলোমেলো করে, ঘ. বিচ্ছিন্ন করে
৯। সোনার ধান নিয়ে তরী কোথায় চলে যায়?
ক. নদীতে, খ. সাগরে, গ. মোহনায়, ঘ. অজানা দেশে
১০। ‘ক্ষুরধারা’ বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
ক. তীব্র ভ্রকুটি, খ. ক্ষুর দ্বারা কোনো কিছু কাটা, গ. ক্ষুরের মতো ধারালো প্রবাহ বা স্রোত, ঘ. নদীর যে বাঁকটি ক্ষুরের মতো
১১। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম কী?
ক. বীরবল, খ. যাযাবর, গ. জগৎশেঠ, ঘ. ভানুসিংহ
১২। ‘তরুছায়ামসী-মাখা’ বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
ক. গাছপালার ছায়ায় কালচে রং মাখা, খ. গাছ হতে প্রস্তুতকৃত কলমের কালি, গ. গাছগুলোতে মেঘের যে ছায়া পড়েছে, ঘ. নদীতীরের অনিদ্য সুন্দর বৃক্ষরাজি
১৩। ‘সোনার তরী’ কবিতায় ‘শূন্য নদীর তীরে’ কে একা পড়ে থাকল?
ক. কৃষক, খ. মাঝি, গ. তরী, ঘ. ছোট খেত
১৪। কোন পঙক্তিতে মাঝির অপরিচয়ের নির্বিকারত্ব ও নিরাসক্তি ফুটে উঠেছে?
ক. ভরা পালে চলে যায়, খ. কোনো দিকে নাহি চায়, গ. দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে, ঘ. গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে
১৫। সোনার তরীতে কেন কৃষকের ঠাঁই হলো না?
ক. তরীটা ছিল অত্যন্ত ছোট, খ. মাঝিটি ছিল খুব নিষ্ঠুর, গ. কৃষকের সোনার ধারে তরীটি ভরে গিয়েছিল, ঘ. সোনার তরীতে স্থান করে নেয়ার ব্যাপারে কৃষক উদাসীন ছিল
১৬। মানবজীবনের এক দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির প্রতি ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে কোন শব্দটি ব্যবহারের মাধ্যমে?
ক. ক্ষুরধারা, খ. খরপরশা, গ. মেঘ, ঘ. কূল
১৭। কৃষক কিংবা কবির নি:সঙ্গ অবস্থা প্রকাশ পাচ্ছে কোনটির মাধ্যমে?
ক. আমি, খ. আমি একেলা, গ. খরপরা, ঘ. থরে বিথরে
১৮। মাঝি মূলেতে তরী ভিড়ালো কেন?
ক. ফসলের জন্য, খ. কবির জন্য, গ. বৃষ্টি নামানোর জন্য, ঘ. স্রোতের জন্য
১৯। কৃষক সোনার ফসল মহাকালের উদ্দেশ্যে পাঠাতে চায় –
ক. কর্মের মধ্যে বেঁচে থাকার জন্য, খ. মহাকালের শূন্যতায় বিলীন হওয়ার জন্য, গ. মাঝিকে ভালো লাগার জন্য, ঘ. ইহকালে শান্তিতে বসবাসের জন্য
২০। নির্বিকার মাঝিকে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য কৃষক চেষ্টা করেছেন –
ক. তার সাথে পরিচয় পাওয়ার জন্য, খ. তাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য, গ. তার সোনার ফসল তুলে নেয়ার জন্য, ঘ. তাকে নদী পার করার জন্য
এবার উত্তরগুলি মিলিয়ে নাও…

সংক্ষেপে দেখুন৭ মার্চের পূর্ণাঙ্গ ভাষণ লিখিত রচনা pdf download
৭ মার্চের পূর্ণাঙ্গ ভাষণের লিখিত রূপ ভায়েরা আমার- এসেছিলেন, আলোচনা করলেন। বলে গেলেন যে, আলোচনার দরজা বন্ধ না, আরো আলোচনা হবে। তারপরে পশ্চিম পাকিস্তানের জামায়েত ইসলামীর নেতা নুরানি সাহেবের সঙ্গে আলাপ হল, মুফতি মাহমুদ সাহেবের সঙ্গে আলাপ হল, তারপরে অন্যান্য নেতৃবৃন্দ তাদের সঙ্গে আলাপ করলাম- আসুন বসি, জবিস্তারিত পড়ুন
৭ মার্চের পূর্ণাঙ্গ ভাষণের লিখিত রূপ
ভায়েরা আমার-
এসেছিলেন, আলোচনা করলেন। বলে গেলেন যে, আলোচনার দরজা বন্ধ না, আরো আলোচনা হবে। তারপরে পশ্চিম পাকিস্তানের জামায়েত ইসলামীর নেতা নুরানি সাহেবের সঙ্গে আলাপ হল, মুফতি মাহমুদ সাহেবের সঙ্গে আলাপ হল, তারপরে অন্যান্য নেতৃবৃন্দ তাদের সঙ্গে আলাপ করলাম- আসুন বসি, জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে ৬ দফা ১১ দফার মাধ্যমে শাসনতন্ত্র করতে, একে পরিবর্তন-পরিবর্ধন করার ক্ষমতা আমার নাই। আপনারা আসুন, বসুন, আমরা আলাপ করে শাসনতন্ত্র তৈয়ার করি। তিনি বললেন, পশ্চিম পাকিস্তানের মেম্বাররা যদি এখানে আসে তাহলে আমাদের, আমাদের উপরে তিনি দোষ দিলেন এখানে আসলে কসাইখানা হবে অ্যাসেম্বলি। তিনি বললেন, আমি ডাবল হোস্টেজ হতে চাই না। তিনি বললেন, যে যাবে তাকে মেরে ফেলে দেওয়া হবে, যদি কেউ অ্যাসেম্বলিতে আসে তাহলে পেশোয়ার থেকে করাচি পর্যন্ত দোকান জোর করে বন্ধ করা হবে। তারপরেও যদি কেউ আসে তাকে ছান-নাছার করা হবে। আমি বললাম, অ্যাসেম্বলি চলবে। তারপরে হঠাৎ ১ তারিখে অ্যাসেম্বলি বন্ধ করে দেওয়া হল।
ইয়াহিয়া খান প্রেসিডেন্ট হিসাবে অ্যাসেম্বলি ডেকেছিলেন। আমি বললাম যে, আমি যাবো। ভুট্টো সাহেব বললেন, তিনি যাবেন না। ৩৫ জন সদস্য পশ্চিম পাকিস্তান থেকে এখানে আসলেন। তারপরে হঠাত্ বন্ধ করে দেওয়া হল, দোষ দেওয়া হল বাংলার মানুষকে, দোষ দেওয়া হল আমাকে যে, “আমার অনমনীয় মনোভাবের জন্য তিনি তা করতে পারলেন না।” তারপরে বন্ধ করে দেওয়ার পরে এ দেশের মানুষ প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠল।
আমি বললাম, শান্তিপূর্ণভাবে আপনারা হরতাল পালন করেন। আমি বললাম, আপনারা কল-কারখানা সবকিছু বন্ধ করে দ্যান। জনগণ সাড়া দিল। আপন ইচ্ছায় জনগণ রাস্তায় বেরিয়ে পড়ল, তারা শান্তিপূর্ণভাবে সংগ্রাম চালিয়ে যাবার জন্য স্থির প্রতিজ্ঞবদ্ধ হল। কী পেলাম আমরা? আমাদের যাদের অস্ত্র নাই আমাদের হাতে। যা- আমার পয়সা দিয়ে অস্ত্র কিনেছি বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য, আজ সেই অস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে আমার দেশের গরিব-দুঃখী নিরস্ত্র মানুষের বিরুদ্ধে- তার বুকের উপরে হচ্ছে গুলি। আমরা পাকিস্তানের সংখ্যাগুরু, আমরা পাকিস্তানের সংখ্যাগুরু- আমরা বাঙালিরা যখনই ক্ষমতায় যাবার চেষ্টা করেছি, যখনই এ দেশের মালিক হবার চেষ্টা করেছি তখনই তারা আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। তারা আমাদের ভাই, আমি বলেছি তাদের কাছে এ কথা যে, আপনারা কেন আপনার ভায়ের বুকে গুলি মারবেন? আপনাদের রাখা হয়েছে যদি বহিঃশত্রু আক্রমণ করে তা থেকে দেশটাকে রক্ষা করার জন্য।
তারপরে তিনি বললেন, যে আমার নামে বলেছেন, আমি নাকি বলে স্বীকার করেছি যে ১০ই তারিখে রাউন্ড-টেবল কনফারেন্স হবে। আমি তাকে এ কথা বলে দিবার চাই, আমি তাকে তা বলি নাই, টেলিফোনে আমার সঙ্গে তাঁর কথা হয়। তাঁকে আমি বলেছিলাম, “জনাব ইয়াহিয়া খান সাহেব, আপনি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, দেখে যান ঢাকায় আসেন কীভাবে আমার গরিবের উপরে, আমার বাংলার মানুষের বুকের উপর গুলি করা হয়েছে। কী করে আমার মায়ের কোল খালি করা হয়েছে, কী করে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, আপনি আসুন, দেখুন, বিচার করুন। তারপরে আপনি ঠিক করুন” আমি এই কথা বলেছিলাম।
তিনি বললেন আমি নাকি তাকে, তিনি নাকি খবর পেয়েছিলেন নাকি আমি তাকে আরটিসিতে বসব। আমি তো অনেক আগেই বলে দিয়েছি কীসের আরটিসি, কার আরটিসি, কার সঙ্গে বসব? যারা আমার মানুষের বুকের রক্ত নিয়েছে, তাদের সঙ্গে বসব? আপনি আসুন, দেখুন জাতীয় পরিষদের জন্য আমার যারা রক্ত দিয়েছে সত্য কথা কিন্তু তা কি আপনারা দেখেছেন? তারপরে তিনি আজকে, আজকে আমার দেশ অ্যাসেম্বলির- আহা বসেন আপনারা, সিট ডাউন। অ্যাসেম্বলির তিনি ২৫ তারিখে অ্যাসেম্বলি, এরপরে আপনারা জানেন আমি গেলাম, আমি গেলাম পল্টন ময়দানে, আমি বললাম সবকিছু বন্ধ। সরকারি অফিস বন্ধ, আহা ভাইরা আপনার স্টপ প্লিজ। আমি বললাম, আমার কথা সকলে মানল, সকলে আমাকে বলল এবং আপনারা আমাকে যে সে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আপনারা, আমি বললাম কোনো সরকারি অফিস চলবে না, কোনো কিছু চলবে না। আমি কিছু কিছু জনগণের কষ্ট হয় সেটা স্লাক করলাম। যে এই এই জিনিস চলবে, ঠিক সেভাবে চলল। হঠাত্ আমার সঙ্গে পরামর্শ না করে বা আমাদের সঙ্গে আলোচনা না করে, পাঁচ ঘণ্টা গোপনে বৈঠক করে যে বক্তৃতা তিনি করেছেন এবং যে বক্তৃতা করে অ্যাসেম্বলি করেছেন- সমস্ত দোষ তিনি আমার উপরে দিয়েছেন, বাংলার মানুষের উপরে দিয়েছেন। আমরা গুলি খাই, দোষ আমাদের। তিনি বাধা দিলেন যে আসতে পারবা না, গোলমাল হল না পশ্চিম পাকিস্তানে, গুলি করে মারা হল আমার বাংলার মানুষকে। আমি পরিষ্কার মিটিংয়ে বলেছি, “এবারের সংগ্রাম আমার মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।”
হিন্দু-মুসলমান, বাঙালি, নন-বাঙালি যারা আছে তারা আমাদের ভাই। তাদের রক্ষার দায়িত্ব আপনাদের উপরে, আমাদের যেন বদনাম না হয়। মনে রাখবেন, দ্বিতীয় কথা হল এই যে, যদি আবার কোনো রকমের কোনো আঘাত আসে, আমি যদি হুকুম দেওয়ার না পারি, আমার সহকর্মীরা হুকুম দেওয়ার না পারে, মনে রাখবেন আরেকটা কথা অনুরোধ করছি রেলওয়ে চলবে সত্য কথা। কিন্তু সামরিক বাহিনীর লোকদের কোনো জায়গা থেকে, এক জাগা আরেক জাগা নেবার চেষ্টা করবেন না। তাহলে দুর্ঘটনা ঘটলে আমি দায়ী হব না। প্রোগ্রামটা বলছি আমি, শোনেন, রেডিও, টেলিভিশন, নিউজ পেপার। মনে রাখবেন রেডিও-টেলিভিশনের কর্মচারীরা যদি রেডিওতে আমাদের কথা না শোনে তাহলে কোনো বাঙালি রেডিও স্টেশনে যাবেন না। যদি টেলিভিশন আমাদের নিউজ না দেয়, কোনো বাঙালি টেলিভিশনে যাবেন না। রেডিও যদি আমাদের নিউজ না দেওয়ার দেয় কোনো বাঙালি রেডিও স্টেশনে যাবেন না। টেলিভিশনে যদি আমাদের নিউজ না দেওয়া হয়, কোনো বাঙালি টেলিভিশন অফিসে যাবেন না। ২ ঘণ্টার মতো ব্যাক খোলা থাকবে, যাতে মানুষ তাদের মাইনা-পত্র নিবার পারে। কিন্তু পূর্ববাংলা থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে এক পয়সাও চালান হতে পারবে না। টেলিফোন, টেলিগ্রাম আমাদের এই পূর্ব বাংলায় চলবে এবং বিদেশের সঙ্গে নিউজ পাঠাতে হলে আপনারা চালাবেন। কিন্তু যদি এই দেশের মানুষকে খতম করার চেষ্টা করা হয়, বাঙালিরা বুঝে-শুনে কাজ করবেন। আমার কিছু বলার থাকবে না, দরকার হয় চাকা বন্ধ করে দেওয়া হবে।
ভায়েরা আমার-
আমার কাছে, এখনই শুনলাম আমার এই বক্তৃতা রিলে করা বন্ধ করে দিয়েছে। আমি আপনারা আমার প্লেয়ার চালায়ে দেন, কারো হুকুম মানতে পারবেন না। তবে আমি অনুরোধ করছি আপনারা আমাদের ভাই, আপনারা দেশকে একেবারে জাহান্নামে ধ্বংস করে দিয়েন না। জীবনে আর কোনো দিন আপনাদের মুখ দেখাদেখি হবে না। যদি আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের ফায়সালা করতে পারি তাহলে অন্ততপক্ষে ভাই, ভাই হিসাবে বাস করার সম্ভাবনা আছে। সেইজন্য আপনাদের অনুরোধ করছি, আমার এই দেশে আপনারা মিলিটারি শাসন চালাবার চেষ্টা আর করবেন না। দ্বিতীয় কথা প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায়, প্রত্যেক ইউনিয়নে, প্রত্যেক সাব-ডিবি-সনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলো। এবং তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব। এই দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ্। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।
ভায়েরা আমার-
যেভাবে আপনাদের, আপনারা ঠাণ্ডা হবেন না, ঠাণ্ডা হয়ে গেলে জালেম আত্মা আরম্ভ করবে আক্রমণ করতে। আপনারা হুঁশিয়ার থাকবেন এবং প্রস্তুত থাকবেন। পজিশন চলবে, কিন্তু মনে রাখবেন, ডিসিপ্লিন সোলজার ছাড়া, ডিসিপ্লিন ছাড়া কোনো জাতি জিততে পারে না। আপনারা আমার উপরে বিশ্বাস নিশ্চয়ই রাখেন, জীবনে আমার রক্তের বিনিময়েও আপনাদের সঙ্গে বেঈমানি করি নাই। প্রধানমন্ত্রিত্ব দিয়ে আমাকে নিতে পারে নাই, ফাঁসি-কাষ্ঠের আসামি দিয়ে আমাকে নিতে পারে নাই। যে রক্ত দিয়ে আপনারা একদিন আমাকে জেলে থেকে বের করে নিয়ে এসেছিলেন, এই রেসকোর্স ময়দানে আমি বলেছিলাম, “আমার রক্ত দিয়ে, আমি রক্তের ঋণ শোধ করব।” মনে আছে? আমি রক্ত দেওয়ার জন্য প্রস্তুত, আমাদের মিটিং এখানেই শেষ। আস্-সালামো ওয়ালাই-কুম।
জয় বাংলা
সূত্র: নাসার আহমেদ চৌধুরী কর্তক ধারণকৃত ভাষণের টেপ ও ভিডিও টেপ
সংগ্রাহক: মমতাজুল ফেরদৌস জোয়ার্দার- বঙ্গবন্ধু গবেষক; তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক
সংক্ষেপে দেখুনঅল ইউরোপিয়ান বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ও জার্মান বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন
কোন প্রাণীকে আপনার সবচেয়ে নির্দয় প্রাণী বলে মনেহয়?
অনেকেই কুমির কে সবচেয়ে নির্দয় বলতে পারেন। তবে আমার মতে সবচেয়ে নির্দয় প্রাণী হলো জলহস্তী! হ্যা ঠিকই শুনছেন। এই প্রাণীটি এতটাই নির্দয় যে এর নাগালে যে-ই আসুক না কেন ছাড় পাবে না। এর সর্বোচ্চ গতি ঘন্টায় ৩০ কিলো, তবে স্বাভাবিক গতি ২০ কিলো। শক্তিশালী চোয়ালের কামড়ের পিএসআই(PSI) ১৮২১, যা আপনাকে একটি বাইটে দুবিস্তারিত পড়ুন
অনেকেই কুমির কে সবচেয়ে নির্দয় বলতে পারেন। তবে আমার মতে সবচেয়ে নির্দয় প্রাণী হলো জলহস্তী! হ্যা ঠিকই শুনছেন।
এই প্রাণীটি এতটাই নির্দয় যে এর নাগালে যে-ই আসুক না কেন ছাড় পাবে না। এর সর্বোচ্চ গতি ঘন্টায় ৩০ কিলো, তবে স্বাভাবিক গতি ২০ কিলো। শক্তিশালী চোয়ালের কামড়ের পিএসআই(PSI) ১৮২১, যা আপনাকে একটি বাইটে দু’টুকরো করে দিতে সক্ষম।
সবচেয়ে বড় ব্যপার এদের সামনে যে-ই পড়ুক না কেন মেরে ফেলবে। খাওয়ার জন্য নয়, জাস্ট মজা করার বা আনন্দ নেয়ার জন্য। শুধু পূর্ণবয়স্ক বড়সড় হাতি রেহাই পেতে পারে। এরা কতটা বদমেজাজি ভিডিওতে দেখে নিন।
সংক্ষেপে দেখুনচাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখতে কেমন লাগে?
চলুন চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখে আসি! আপনার জন্য দুটি বাস্তব ছবি আছে। আপনি চাঁদে দাঁড়িয়ে থাকলে পৃথিবীকে ঠিক এরকম দেখতেন। চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখার সৌভাগ্য হয়তো আপনার, আমার পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু নাসা চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখতে কেমন লাগে তার কিছু বাস্তব ছবি পাবলিশ করেছে। আমি দুইটি ছবি নিচে দিচ্ছি। Image Creবিস্তারিত পড়ুন
চলুন চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখে আসি! আপনার জন্য দুটি বাস্তব ছবি আছে। আপনি চাঁদে দাঁড়িয়ে থাকলে পৃথিবীকে ঠিক এরকম দেখতেন।
চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখার সৌভাগ্য হয়তো আপনার, আমার পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু নাসা চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখতে কেমন লাগে তার কিছু বাস্তব ছবি পাবলিশ করেছে। আমি দুইটি ছবি নিচে দিচ্ছি।
Image Credit: NASA/JSC
Published: June 28, 2018
Historical Date: July 20, 1969
Image Credit: NASA/Ames Research Center/Lunar Orbiter Image Recovery Project
Published: August 24, 2018
Historical Date: August 23, 1966
এ ছাড়াও একটি ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে আমাদের সুন্দর পৃথিবীকে।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশের সবগুলো জেলার পোস্টাল কোড গুলো কি কি?
নিচে বাংলাদেশের সবগুলো জেলার পোস্টাল কোড গুলো দেখে নিন। District Thana Post Code ঢাকা জেলার সকল পোস্ট কোড তালেকা Dhaka Demra 1360 Dhaka Demra 1362 Dhaka Demra 1361 Dhaka Dhaka Cantt. 1206 Dhaka Dhamrai 1350 Dhaka Dhamrai 1351 Dhaka Dhanmondi 1209 Dhaka Gulshan 1213 Dhaka Gulshan 1212 Dhaka Jatrabariবিস্তারিত পড়ুন
নিচে বাংলাদেশের সবগুলো জেলার পোস্টাল কোড গুলো দেখে নিন।
উপরের ছকে কোন পোস্ট কোড মিসিং থাকলে কমেন্টে জানাবেন।
আপনার এরিয়া কোড এখানে পেয়েছেন কিনা কমেন্ট করে জানিয়ে দিন।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনহুমায়ূন আহমেদ কি নাস্তিক ছিলেন?
হুমায়ুন আহমেদকে অনেকেই নাস্তিক বলে থাকেন। আসলেই কি তিনি নাস্তিক ছিলেন? তিনি তাঁর জীবনী ফাউন্টেনপেন,পৃষ্ঠা ৪৬ এ নিচের ঘটনাটি লিখেছেন, অপারেশন হবে ভোর ন’টায়। আগের রাতে আমার কাছে হাসপাতালের একজন কাউন্সিলর এলেন। তিনি বললেন,তুমি কি মুসলিম? হ্যাঁ। কাল ভোরে তোমার অপারেশন। তুমি কি চাও তোমার জন্যে তোমার ধর্বিস্তারিত পড়ুন
হুমায়ুন আহমেদকে অনেকেই নাস্তিক বলে থাকেন। আসলেই কি তিনি নাস্তিক ছিলেন? তিনি তাঁর জীবনী ফাউন্টেনপেন,পৃষ্ঠা ৪৬ এ নিচের ঘটনাটি লিখেছেন,
অপারেশন হবে ভোর ন’টায়। আগের রাতে আমার কাছে হাসপাতালের একজন কাউন্সিলর এলেন। তিনি বললেন,তুমি কি মুসলিম?
হ্যাঁ।
কাল ভোরে তোমার অপারেশন। তুমি কি চাও তোমার জন্যে তোমার ধর্মমতে প্রার্থনা করা হোক?…
আমি প্রার্থনা করাব না।অর্থের বিনিময়ে প্রার্থনায় আমার বিশ্বাস নেই।
তোমার অপারেশনটি জটিল। তুমি যদি চাও আমি ডিসকাউন্টে প্রার্থনার জন্যে সুপারিশ করতে পারি।একজন মুসলমান আলেম প্রার্থনা করবেন।
ডিসকাউন্টের প্রার্থনাতেও আমার বিশ্বাস নেই।
তুমি কি নাস্তিক?
আমি নাস্তিক না বলেই ডিসকাউন্টের প্রার্থনায় বিশ্বাসী না।
-সংগ্রহীত
সংক্ষেপে দেখুনBrave browser license key with vpns
Brave browser license, vpns and crack full package click below download link! Download Brave Browser with Licence key full Enjoy 😇
Brave browser license, vpns and crack full package click below download link!
Download Brave Browser with Licence key full
Enjoy 😇
সংক্ষেপে দেখুনকাচ্চি আর বিরিয়ানির পার্থক্য কি? বিরিয়ানির উৎপত্তি, ইতিহাস, মশলা ও দাম
বিরিয়ানি: উপমহাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য কাচ্চি বিরিয়ানি আমাদের দেশে বিরিয়ানি মানেই যেন কাচ্চি বিরিয়ানি। পুরান ঢাকার মানুষের কাছে এই কাচ্চির সমাদরটা যেন একটু বেশিই। পুরান ঢাকার কিছু দোকানের কাচ্চি যেমন ঐতিহ্যবাহী ঠিক তেমনি বিশ্ববিখ্যাত। কাচ্চি শব্দটা এসেছে উর্দু শব্দ ‘কাচ্চা’ থেকে যার অর্থ কাঁচা। বিরবিস্তারিত পড়ুন
বিরিয়ানি: উপমহাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য
কাচ্চি বিরিয়ানি
আমাদের দেশে বিরিয়ানি মানেই যেন কাচ্চি বিরিয়ানি। পুরান ঢাকার মানুষের কাছে এই কাচ্চির সমাদরটা যেন একটু বেশিই। পুরান ঢাকার কিছু দোকানের কাচ্চি যেমন ঐতিহ্যবাহী ঠিক তেমনি বিশ্ববিখ্যাত। কাচ্চি শব্দটা এসেছে উর্দু শব্দ ‘কাচ্চা’ থেকে যার অর্থ কাঁচা। বিরিয়ানি মূলত ২ ধরনের হয়ে থাকে, কাচ্চি আর পাক্কি। কাচ্চি বিরিয়ানি রান্নার সময়, হাড়িতে চাল ও কাঁচা আলুর ওপর টকদই ও মশলায় মেখে রাখা কাঁচা মাংসের আস্তরন দেয়া হয়। তারপর ভালো করে ঢাকা চাপা দিয়ে দমে রান্না করা হয়। মূলত খাসির মাংস আর বাসমতি চাল দিয়েই কাচ্চিাটা রান্না হয়। (গরু।চিনিগুড়া চালেও হয় অনেকজায়গায়) মশলা মাখা মাংস, সুগন্ধি চাল, ঘি, জাফরান, গোলাপজল সবকিছুর স্বাদ ও সুঘ্রাণ একসাথে হয়ে দমে রান্না হতে হতে তৈরি হয় অতুলনীয় স্বাদের কাচ্চি।
পাক্কি বিরিয়ানি
আর অন্যদিকে পাক্কি বিরিয়ানি রান্নার ক্ষেত্রে, মাংসটাকে আলাদা কষিয়ে রান্না করা হয়। উর্দু শব্দ পাক্কির অর্থ হলো রান্না করা বা পাঁক করা। চালটাকে আগে থেকেই ঘিয়ে ভেজে আধা সেদ্ধ করে নেয়া হয়। এরপর সব একসাথে মিশিয়ে দমে দিয়ে রান্না করা হয়। পাক্কি মূলত বাসমতি চালে করা হয়।
তেহারি
পুরান ঢাকার বিরিয়ানি যেমন বিখ্যাত, তেমনি সমান জনপ্রিয় তেহারি। তেহারি আসলে বিরিয়ানিরই একটা পরিমার্জিত রূপ। তেহারি বিরিয়ানির চেয়ে কম মসলাদার (শুধু দই, আদা-রসুন বাটা, দারচিনি, লবঙ্গ, গোলমরিচ, এলাচ, জয়ফল, জয়ত্রী এবং মশলাগুলোকে গুঁড়ো করার আগে ভেজে নেওয়া হয়না) এবং ঝাল হয়। তবে তেহারির বিশেষত্ব হল এতে প্রচুর পরিমাণ গরুর মাংস এবং কাঁচা মরিচ ব্যবহার করা হয় । এটা মূলত এক ধরনের পাক্কি বিরিয়ানি। তেহারিতে গরুর গোশতের ছোট ছোট একগাদা টুকরা ব্যবহার করা হয় তবে বিরিয়ানির চেয়ে মাংসের পরিমাণটা কিন্তু কিছু কম থাকে। মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর চড়া দামের কারণে খরচ বাঁচাতে এই খাবারের উৎপত্তি হয়েছিল। পুরান ঢাকার তেহারির বিশেষত্ব হলো , পুরো তেহারিটাই সরিষার তেলে রান্না করা হয়। আর এই সরিষার কড়া ঝাঁঝ তেহারিকে করে তোলে অনন্য। আর তেহারী মূলত চিনিগুড়া চাল দিয়ে করা হয়। এক্ষেত্রে দম দেওয়া হয়না।
ঢাকাই বিরিয়ানি
মূলত এই বিরিয়ানীটা আমরা অহরহ ঘরে বানিয়ে খেয়ে থাকি, বাকিগুলো অকেশনাল। এই বিরিয়ানীতে অনেক রকমের মশলাপাতি সহকারে মুরগি/গরু/খাসি যেকোনোটাই ব্যাবহার করা হয় সহজলভ্যতা অনুসারে। বলতে গেলে কাচ্চি বা পাক্কির মতো মশলার ব্যাবহার তবে দম দেওয়া হয়না।
বিরিয়ানির বৈচিত্র্যতা
পুরো পৃথিবী তো দূরের কথা কেবল এই ভারতবর্ষেই যে কত প্রকার বিরিয়ানি আছে, তাই হয়তো গুনে শেষ করা যাবে না। তবে এর মাঝে ঢাকাই, হায়দ্রাবাদি, সিন্ধি, লখনৌই, বোম্বাই, থালেশ্বরী, কোলকাতাই, মালাবারি ইত্যাদি বিরিয়ানি উল্লেখযোগ্য।
আশা করি আপনার উত্তর পেয়েছেন।
সূত্রঃ 10minuteschool.com
সংক্ষেপে দেখুনছেলেদের চুলের ১০১টি ডিজাইন ও কাটিং ছবি
আমি ১০১ টা ডিজাইন না দিতে পারলেও কিছু কিছু ডিজাইন দিচ্ছি যা খুবই জনপ্রিয়। ছেলেদের চুলের ডিজাইন ২০২২ | হেয়ার কাটিং স্টাইল ছবি ২০২২ | ছেলেদের চুলের ডিজাইন | বাংলাদেশি ছেলেদের চুলের ডিজাইন হেয়ার কাটিং ছবি স্টাইল ২০২২ ছেলেদের চুলের ডিজাইন ২০২২ বাংলাদেশি ছেলেদের চুলের ডিজাইন ছেলেদের চুলের ডিজাইন আপাতত এগবিস্তারিত পড়ুন
আমি ১০১ টা ডিজাইন না দিতে পারলেও কিছু কিছু ডিজাইন দিচ্ছি যা খুবই জনপ্রিয়।
ছেলেদের চুলের ডিজাইন ২০২২ | হেয়ার কাটিং স্টাইল ছবি ২০২২ | ছেলেদের চুলের ডিজাইন | বাংলাদেশি ছেলেদের চুলের ডিজাইন
হেয়ার কাটিং ছবি স্টাইল ২০২২
ছেলেদের চুলের ডিজাইন ২০২২
বাংলাদেশি ছেলেদের চুলের ডিজাইন
ছেলেদের চুলের ডিজাইন
আপাতত এগুলোই ছিলো আমার ভান্ডারে। ভবিষ্যতে যদি আরও চুলের কাটিং এর ছবি পাই, তাহলে যুক্ত করবো।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনমাসিক নিয়মিত করার ট্যাবলেট এর নাম
বিঃদ্রঃ যেকোন ঔষধ গ্রহনের ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন। যে উত্তরটি আমি দিচ্ছি সেটা বিভিন্ন ইন্টার্নেট সোর্স থেকে সংগ্রহ করা। তাই চিকিৎসা বিষয়ক জটিলতায় সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণীয়। মাসিক নিয়মিত হওয়ার জন্য ( Renata Limited) কোম্পানির নাম প্রচলিত একটি মেডিসিন নাম হলো Normens 5MG এই টবিস্তারিত পড়ুন
বিঃদ্রঃ যেকোন ঔষধ গ্রহনের ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন। যে উত্তরটি আমি দিচ্ছি সেটা বিভিন্ন ইন্টার্নেট সোর্স থেকে সংগ্রহ করা। তাই চিকিৎসা বিষয়ক জটিলতায় সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণীয়।
মাসিক নিয়মিত হওয়ার জন্য ( Renata Limited) কোম্পানির নাম প্রচলিত একটি মেডিসিন নাম হলো Normens 5MG এই ট্যাবলেটগুলো আমাদের শরীরের ন্যাচারাল হরমোনের ওপর কাজ করে থাকে এবং যাদের মাসিকের সমস্যা আছে তাদের অনিয়মিত মাসিক থেকে মুক্তি করে দেয় ।
কোন কোন ক্ষেত্রে Normens ট্যাবলেট কাজ করে?
চিকিৎসকরা এই ট্যাবলেট প্রতিদিন ১ টি করে এবং ৩ বেলা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকে। আবার কারো কারো ক্ষেত্রে ৫ দিন করে আবার কারো ক্ষেত্রে ১ সপ্তাহ পর্যন্ত এটি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকে। তবে জেনো এটি খাওয়ার আগে অবশ্যই একজন গাইনি বিশেষজ্ঞ বা অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
ট্যাবলেট কখন খাবেন?
আপনি কিন্তু অবশ্যই চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ নিয়ে তবেই কিন্তু এই ঔষুধ কিনবেন। আর যারা প্রতিদিন হরমোন, থাইরয়েডের ওষুধ খেয়ে থাকেন, তাদের ক্ষেত্রে এই পিল কতটা কাজ করবে তাও চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নিবেন। তাই সাধারণত মাসিকের নির্ধারিত দিনের তিনদিন আগে এবং তিনবার এই ট্যাবলেট খেতে হবে। একটি সকালে, একটি দুপুরে এবং অপরটি রাতে খাওয়ার পর খেতে হবে । তবে কিন্তু এক সাথে দুইটা ট্যাবলেট কখনই খাওয়া যাবে না । আবার যদি কোনও ট্যাবলেট সকালে খেতে ভুলে গেলে তা আবার পরে বা বিকেলে খাওয়া যাবে না।
তথ্যসংগ্রহঃ https://www.panchmishali.com/2021/06/Period-howar-tablet-er-.html?m=1
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনদেশি লুকে সানি লিওন কে কেমন লাগে দেখতে চাই
Desi Look সানি লিওনের একটি ভাইরাল ভিডিও সং। ইউটিউবে সার্চ দিলে দেখতে পারবেন। কিন্তু সবার সুবিদার্থে নিচে ভিডিওটি দিয়ে দিলাম। দেখে নেন, ইনজয় করেন https://www.youtube.com/watch?v=LfqQ7v0sprY
Desi Look সানি লিওনের একটি ভাইরাল ভিডিও সং। ইউটিউবে সার্চ দিলে দেখতে পারবেন। কিন্তু সবার সুবিদার্থে নিচে ভিডিওটি দিয়ে দিলাম। দেখে নেন, ইনজয় করেন
সংক্ষেপে দেখুন