দাঁতের ওপরের দিকে ফাঁকা হলে আমরা ডাক্তারের কাছে যাবো। ওনারা এক্ষেত্রে এক্সরে করবেন। যদি ডাক্তারের কাছে মনে হয়, এটা ফিলিং করলে ভালো হবে, তাহলে তাই করবেন। আর যদি ডাক্তাররা দেখেন যে দাঁতের পাশে ফাঁকা হয়েছে সে ক্ষেত্রেও একই চিকিৎসা করতে হবে। সে ক্ষেত্রে এটা ফিলিং করিয়ে রাখতে হবে।
এমন যদি হয় যে, দুই দাঁতের মাঝখানে ফাঁকা এবং সেখানে খাবার আটকায়, তাহলে সে ক্ষেত্রে আমরা ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করবো। ডেন্টাল ফ্লস হচ্ছে প্লাস্টিকের মতো এক ধরনের সাদা সুতার মতো। আমরা টুথপিকের জায়গায় এখন ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করতে বলি। ডেন্টাল ফ্লস আপনারা যে কোনো জায়গায় পাবেন- মার্কেটে বা ফার্মেসিতে।
আপনার যদি দুই দাঁতের মাঝখানের ফাঁকা জায়গায় খাবার আটকে থাকে, তাহলে সে ক্ষেত্রে আপনি ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করলে, সেখানে আর খাবার আটকে থাকবে না এবং সেখানে আর দুর্গন্ধ হবে না। ফলে খাদ্যকণা জমে সেই জায়গায় আর ক্ষয় হবে না।
আর মুখে দুর্গন্ধ হলে আমি পরামর্শ দেব যে, ছয় মাস পরপর স্কেলিং করাবেন। নিয়ম অনুযায়ী দাঁত ব্রাশ করবেন। যেমন- সকালে নাস্তা করার পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে দাঁত ব্রাশ করবেন। মাউথওয়াশ ব্যবহার করবেন।
অনেকে বলেন যে, স্কেলিং করালে দাঁতের কোনো ক্ষতি হবে কিনা কিংবা মাড়ির কোনো ক্ষতি হবে কিনা। একদমই না। সেক্ষেত্রে দাঁত বা মাড়ির কোনো ক্ষতি হবে না।
আমাদের কোনো জিনিসপত্রে যদি ময়লা জমে থাকে, ধুলাবালি জমে থাকে, আমরা যদি সেটা পরিষ্কার না করি, যত্ন না করি, তাহলে সেটা অনেকদিন ধরে ময়লা জমতে জমতে নষ্ট হয়ে যায়, সেটা ক্ষয় হয়ে যায়। তো আমাদের দাঁতও ঠিক এরকমই। নিয়মিত পরিষ্কার না করলে, যত্ন না নিলে দাঁত আস্তে আস্তে নষ্ট হয়ে যায়, ক্ষয় হয়ে যায়।
আমরা প্রতিদিন নিয়মিত দুইবার দাঁত ব্রাশ করবো এবং আমাদের টুথব্রাশ ছয় মাস পরপর বদলাবো। আমরা দাঁত ওপর থেকে নিচে ঘষে ব্রাশ করবো। এতে এক দাঁত থেকে আরেক দাঁতের মাঝে ছোট ফাঁকা জায়গায় যদি ময়লা থাকে, তাহলে সেটা বেরিয়ে যাবে। আমরা দাঁতের ভেতরে আরও ভালো করে ব্রাশ করবো।









মানবদেহে অতিরিক্ত তামা (Copper) প্রবেশ করলে বা জমা হলে এটি বিষাক্ততা (Copper Toxicity) সৃষ্টি করতে পারে এবং এর ফলে বিভিন্ন গম্ভীর শারীরিক সমস্যা হতে পারে। ⚠️ অতিরিক্ত তামার কারণে যে রোগ বা সমস্যা হতে পারে: 🧠 Wilson’s Disease (উইলসন রোগ) এটি একটি বংশগত রোগ, যেখানে শরীর তামা ঠিকমতো প্রসেস করতে পারে নাবিস্তারিত পড়ুন
মানবদেহে অতিরিক্ত তামা (Copper) প্রবেশ করলে বা জমা হলে এটি বিষাক্ততা (Copper Toxicity) সৃষ্টি করতে পারে এবং এর ফলে বিভিন্ন গম্ভীর শারীরিক সমস্যা হতে পারে।
⚠️ অতিরিক্ত তামার কারণে যে রোগ বা সমস্যা হতে পারে:
🧠 Wilson’s Disease (উইলসন রোগ)
এটি একটি বংশগত রোগ, যেখানে শরীর তামা ঠিকমতো প্রসেস করতে পারে না।
ফলে তামা লিভার, মস্তিষ্ক এবং চোখে জমে গিয়ে ক্ষতি করে।
লক্ষণ:
যকৃতের সমস্যা (হেপাটাইটিস, লিভার সিরোসিস)
মানসিক সমস্যা (বিভ্রান্তি, বিষণ্নতা)
চলাফেরা ও পেশি নিয়ন্ত্রণে সমস্যা
চোখে “Kayser-Fleischer rings” (কর্ণিয়ার চারপাশে বাদামি রিং)
🤢 Copper Poisoning (তামা বিষক্রিয়া)
যদি খাবার, পানি বা কোনো উপায়ে শরীরে হঠাৎ অনেক তামা ঢোকে, তাহলে অতি বিষক্রিয়া (acute poisoning) হতে পারে।
লক্ষণ:
বমি, পেট ব্যথা, ডায়রিয়া
মাথাব্যথা ও দুর্বলতা
লিভার ও কিডনির ক্ষতি
অজ্ঞান হওয়া (চরম অবস্থায়)
⚠️ কীভাবে অতিরিক্ত তামা শরীরে ঢোকে?
তামার তৈরি বা পুরাতন পানির পাইপ থেকে
তামার পাত্রে সংরক্ষিত খাবার বা পানি
অতিরিক্ত তামা-সমৃদ্ধ সাপ্লিমেন্ট খাওয়া
দূষিত খাবার বা পানীয়
✅ প্রতিরোধের উপায়:
পানি ফিল্টার ব্যবহার করুন (বিশেষ করে পুরাতন পাইপ থাকলে)
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সাপ্লিমেন্ট খাবেন না
Wilson’s Disease থাকলে নিয়মিত চিকিৎসা ও ওষুধ সেবন করুন (যেমন: Penicillamine)
🔍 উপসংহার:
সংক্ষেপে দেখুনশরীরে কম পরিমাণে তামা দরকার, কিন্তু অতিরিক্ত তামা বিষক্রিয়া বা Wilson রোগের মতো মারাত্মক অবস্থা তৈরি করতে পারে। তাই সচেতন থাকা জরুরি।