সুস্থ দেহে রক্তের গতিবেগ ঘন্টায় ৭ মাইল।
AddaBuzz.net Latest প্রশ্ন
-
সেরা উত্তর
খেজুর খেজুর অত্যন্ত সুস্বাদু ও বেশ পরিচিত একটি ফল। যা ফ্রুকটোজ এবং গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ। খেজুরের উপকারিতা খেজুর ধুয়ে মুছে স্বাভাবিকভাবে খাওয়া হলে যথাযথ অনেক উপকারীতাই পাওয়া যাচ্ছে আর আমাদের জন্য এতটুকুই কিন্তু যথেষ্ট। তো এই উপকারীতা আস্তে আস্তে আসুক বা তাড়াতাড়ি আসুক তাতে আমাদের কী আসে যায়? আর খেজুর খেলবিস্তারিত পড়ুন
খেজুর
খেজুর অত্যন্ত সুস্বাদু ও বেশ পরিচিত একটি ফল। যা ফ্রুকটোজ এবং গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ।
খেজুরের উপকারিতা
খেজুর ধুয়ে মুছে স্বাভাবিকভাবে খাওয়া হলে যথাযথ অনেক উপকারীতাই পাওয়া যাচ্ছে আর আমাদের জন্য এতটুকুই কিন্তু যথেষ্ট। তো এই উপকারীতা আস্তে আস্তে আসুক বা তাড়াতাড়ি আসুক তাতে আমাদের কী আসে যায়?
আর খেজুর খেলে উপকারীতা এমনিতেও দ্রুতই লাভ হয়। আপনি খুব খুব ক্লান্ত হলে কিছু পানি সহকারে শুধুমাত্র চার-পাঁচটা খেজুর খেয়ে দেখুন, আধা ঘন্টার মতো সময়েই আপনি অনেকটা চাঙ্গা হয়ে উঠবেন, বাস্তব কথা।
অতএব এই দ্রুততার জন্য আলাদা কোনো নিয়মনীতির প্রয়োজন নেই।
এছাড়াও ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য খেজুর খাওয়াতে সাধারণত তেমন কোনো সমস্যা হয় না বলে ডাক্তাররা বলে থাকেন, কারণ এটা মিষ্টি হলেও এতে ব্লাড সুগার বৃদ্ধি পায় না। দৈনিক পাঁচটা-ছয়টার মতো খেজুর উনারা নিশ্চিন্তে খেতে পারেন।
আর যদি খেজুরের স্বাদ এর পুষ্টির পাশাপাশি আরো উন্নত লেভেলে নিয়ে যেতে চান তাহলে এটা দুধে ভিজিয়ে রেখে খাবেন, তবে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে।
কিন্তু দুধ খুব গরম হলে বা ফুটন্ত অবস্থায় চুলোয় রাখা হলে সেই সময় তাতে খেজুর দিলে পরে ঠান্ডা হওয়ার পর স্বাদটা কেমন যেন মিইয়ে যায়, আবার অনেকটা চায়ের মতো লাগে। তো এত কষ্ট আর অপেক্ষা না করে একেবারে চা বানিয়েই তো খাওয়া যেত…!
বরং চুলা থেকে দুধ সরিয়ে মোটামুটি হালকা গরম অবস্থায় খেজুর ভেজানো উত্তম। এরপর তা ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। পরে ঠান্ডা হওয়ার পর এত সুন্দর একটা ফ্লেভার আসে যে এর কাছে আইসক্রিমকেও তখন ফেল মনে হয়।
এছাড়াও ঠান্ডা বা নাতিশীতোষ্ণ দুধেও ভেজানো যায় কিন্তু এতে দুধে খেজুরের মিষ্টি ফ্লেভারটা খুব দেরিতে আসে, ফলে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়।
তো এটাই ছিল খেজুরের ছোট্ট তবে গুরুতর একটা রেসিপি । আর ব্যক্তিগতভাবে খেজুর আমার খুব প্রিয় একটা খাবার। আমি আসলে বিশ্বাস করি না যে পৃথিবীতে ঠান্ডা সর পড়া দুধে খেজুরের নরম টুকরা ভেজানো খাবারের চেয়ে বেশি সুস্বাদু আর কিছু হতে পারে।
সারা বছরের তুলনায় রমজানে আমদের মুসলমানদের সাধারণত খেজুর একটু বেশি খাওয়া হয়, আর সামনেই রমজান আসছে যেহেতু তাই এই রমজানেই চাইলে খেজুরটা স্বাভাবিকভাবে না খেয়ে দুধের সাথে আমরা খেয়ে দেখতে পারি। অনেক সুস্বাদু আর পুষ্টিকর…
খেজুরের অপকারিতা
তবে হ্যাঁ, ঝাল ও মসলাদার খাবার খাওয়ার পর খেজুর খাওয়া একদমই ঠিক নয়, এতে হিতে বিপরীত হয়ে পেটে সমস্যা হতে পারে, ফলে পুষ্টিও হারাতে হতে পারে। তবে খালি পেটে খাওয়াতে তেমন ক্ষতি নেই।
গর্ভাবস্থায় খেজুর খাওয়ার উপকারিতা
গর্ভাবস্থায় খেজুর খাওয়া উপকারি কারণ খেজুরে ল্যাক্সেটিভ রয়েছে যা জরায়ুর সংকোচনে সাহায্য করে এবং এটি প্রসবকে সহজ করে।
🙂
সংক্ষেপে দেখুন
-
মানবদেহের দীর্ঘতম শিরা বা রক্তনালীর নাম হলো “ইন্ফেরিওর ভেনা ক্যাভা (inferior vena cava)”।
মানবদেহের দীর্ঘতম শিরা বা রক্তনালীর নাম হলো “ইন্ফেরিওর ভেনা ক্যাভা (inferior vena cava)”।
সংক্ষেপে দেখুন
-
হাসির সময় আমাদের শরীরে এন্ডোরফিন নামক হরমোনের ক্ষরণ হয়। যা স্ট্রেস হরমোন নামে পরিচিত কর্টিজল হরমোনের কার্যক্ষমতাকে কমিয়ে ফেলে। এতে মানসিক চাপ দূর হয় এবং আমাদের হারানো আত্মবিশ্বাসও ফিরে আসে। সুতরাং প্রাণ খুলে হাসুন।
হাসির সময় আমাদের শরীরে এন্ডোরফিন নামক হরমোনের ক্ষরণ হয়। যা স্ট্রেস হরমোন নামে পরিচিত কর্টিজল হরমোনের কার্যক্ষমতাকে কমিয়ে ফেলে। এতে মানসিক চাপ দূর হয় এবং আমাদের হারানো আত্মবিশ্বাসও ফিরে আসে। সুতরাং প্রাণ খুলে হাসুন।
সংক্ষেপে দেখুন
-
শুধু ভয় না, স্নান করার সময়, শীত লাগলে, কান্না করলেও আমাদের শরীরের লোম খাড়া হয়ে যায়। ত্বকের ক্ষুদ্র মাংসপেশির সংকোচন প্রতিটি চুলকে সংযুক্ত করে। প্রতিটি সংকুচিত মাংসপেশি ত্বকের উপরিভাগে একটি অগভীর নিম্নচাপ সৃষ্টি করে; যার ফলে ওই অঞ্চল উদ্দীপ্ত হয়। মাংসপেশির এই সংকোচনের ফলেই ঠাণ্ডা লাগলে লোম খাড়া হয়ে যবিস্তারিত পড়ুন
শুধু ভয় না, স্নান করার সময়, শীত লাগলে, কান্না করলেও আমাদের শরীরের লোম খাড়া হয়ে যায়।
ত্বকের ক্ষুদ্র মাংসপেশির সংকোচন প্রতিটি চুলকে সংযুক্ত করে। প্রতিটি সংকুচিত মাংসপেশি ত্বকের উপরিভাগে একটি অগভীর নিম্নচাপ সৃষ্টি করে; যার ফলে ওই অঞ্চল উদ্দীপ্ত হয়। মাংসপেশির এই সংকোচনের ফলেই ঠাণ্ডা লাগলে লোম খাড়া হয়ে যায়।
লোম খাড়া যাওয়ার এই ঘটনাটিকে চলতি ভাষায় বলে গুজবাম্প। মেডিক্যাল ভাষায় বলা হয় কিউটিস আনসেরিনা (cutis anserina)।
প্রতিটি রোমকূপের (hair follicle) গোড়ায় একটি ছোট্ট মাংসপেশি জুড়ে আছে, যার নাম অ্যারেকটর পাইলি (arrector pili)। নিম্নশ্রেণীর প্রাণী যেমন- কুকুর বা বেড়াল, যাদের গায়ে লোম আছে, দেখবেন খুব ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় বা ভয় পেলে রোঁয়া ফোলায়। রোঁয়া ফোলালে ওদেরকে আরো বড় দেখায়, শত্রু ভয় পেয়ে পালিয়ে যায়, এবং ঐ লোমের মধ্যে গরম হাওয়া আটকে ওরা শরীর গরম করে নেয়। ওরা ইচ্ছেমতো এই অ্যারেকটর পেশিটিকে চালাতে পারে, এই পেশিটি কন্ট্রাক্ট করলে লোম খাড়া হয়ে ওঠে।
মানুষদের অ্যারেকটর নিজেদের ইচ্ছাধীন না, তবে ঠাণ্ডা লাগলে বা ফাইট অর ফ্লাইট রেসপন্স চালু হলে (এড্রেনালীন রেসপন্স) নিজের থেকেই এই পেশী কুঁচকে যায়। এটি চালনা করে আমাদের সিম্প্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেম।
এটিকে বলা হয় ভেসটিজিয়াল রিফ্লেক্স (vestigial reflex), অর্থাৎ এমন রিফ্লেক্স যা নিম্নশ্রেণীর প্রাণীদের কাজে আসে, কিন্তু আমাদের মতো উচ্চস্তরের প্রাণীদের কাজে আসেনা।
সংক্ষেপে দেখুন

একটি কনিকা মানব দেহের ভিতর প্রায় ১১ হাজার কিলোমিটার পথ পরিভ্রমণ করে। একেকটি কনিকা প্রতি মিনিটে একবার সমগ্র দেহ ঘুরে আসে।
একটি কনিকা মানব দেহের ভিতর প্রায় ১১ হাজার কিলোমিটার পথ পরিভ্রমণ করে। একেকটি কনিকা প্রতি মিনিটে একবার সমগ্র দেহ ঘুরে আসে।
সংক্ষেপে দেখুন