হাম (Measles) কেন আবারও ফিরে আসছে? জেনে নিন লক্ষণ এবং প্রতিকার হাম এক সময় পৃথিবীতে প্রায় নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছিল। কিন্তু বর্তমানে বিশ্বজুড়ে এই ভাইরাসের সংক্রমণ আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি কেবল একটি সাধারণ জ্বর বা ফুসকুড়ি নয়, বরং অসচেতনতায় এটি প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। আজকের ব্লগে আমরা আলোচনা করব কেন হামেরবিস্তারিত পড়ুন
হাম (Measles) কেন আবারও ফিরে আসছে? জেনে নিন লক্ষণ এবং প্রতিকার
হাম এক সময় পৃথিবীতে প্রায় নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছিল। কিন্তু বর্তমানে বিশ্বজুড়ে এই ভাইরাসের সংক্রমণ আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি কেবল একটি সাধারণ জ্বর বা ফুসকুড়ি নয়, বরং অসচেতনতায় এটি প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। আজকের ব্লগে আমরা আলোচনা করব কেন হামের প্রকোপ বাড়ছে এবং কীভাবে এটি থেকে নিজেকে ও পরিবারকে সুরক্ষিত রাখা যায়।
হাম কেন আবারও বাড়ছে?
টিকা থাকা সত্ত্বেও হামের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পেছনে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট কারণ রয়েছে।
টিকাদানে অনীহা ও বিভ্রান্তি: সোশ্যাল মিডিয়া বা বিভিন্ন মাধ্যমে টিকা নিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানোর ফলে অনেক অভিভাবক শিশুদের টিকা দিতে ভয় পাচ্ছেন। এই ‘ভ্যাকসিন হেসিটেন্সি’ বা টিকা নিয়ে অনীহা রোগটি ফেরার অন্যতম প্রধান কারণ।
করোনা মহামারীর প্রভাব: কোভিড ১৯ চলাকালীন বিশ্বের অনেক দেশে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে অনেক শিশু তাদের নিয়মিত হামের ডোজ মিস করেছে।
ভ্রমণ ও বিশ্বায়ন: হাম অত্যন্ত সংক্রামক। বিশ্বের এক প্রান্তে সংক্রমণ দেখা দিলে দ্রুত যাতায়াতের মাধ্যমে তা অন্য দেশেও ছড়িয়ে পড়ছে।
হামের লক্ষণসমূহ: সাধারণ থেকে মারাত্মক
হামের ভাইরাস শরীরে প্রবেশের পর সাধারণত ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে লক্ষণ দেখা দেয়। এর লক্ষণগুলো খুব দ্রুত তীব্র হতে পারে।
১. প্রাথমিক লক্ষণ: তীব্র জ্বর, শুকনো কাশি, সর্দি এবং চোখ লাল হয়ে যাওয়া।
২. কোপ্লিক স্পটস: মুখের ভেতরের দিকে ছোট ছোট সাদা দাগ দেখা দিতে পারে।
৩. শরীরে ফুসকুড়ি: জ্বরের কয়েকদিন পর মুখ থেকে শুরু করে পুরো শরীরে লালচে ফুসকুড়ি ছড়িয়ে পড়ে।
হাম কতটা বিপজ্জনক হতে পারে?
অনেকেই হামকে সাধারণ রোগ মনে করেন। কিন্তু সঠিক চিকিৎসা না পেলে এটি শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের ক্ষতি করতে পারে।
নিউমোনিয়া: হামের কারণে ফুসফুসে সংক্রমণ হতে পারে যা শিশুদের মৃত্যুর অন্যতম বড় কারণ।
এনসেফালাইটিস: এটি মস্তিষ্কের একটি মারাত্মক প্রদাহ। এর ফলে স্থায়ী মানসিক প্রতিবন্ধকতা বা মৃত্যুও হতে পারে।
অন্ধত্ব ও বধিরতা: হামের জটিলতায় শ্রবণশক্তি হারানো বা চোখের কর্নিয়ার ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
প্রতিরোধে আমাদের করণীয়
হাম প্রতিরোধের একমাত্র এবং সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো টিকা (MMR Vaccine)।
নির্ধারিত সময়ে টিকা দেওয়া: শিশুদের ৯ মাস এবং ১৫ মাস বয়সে হামের দুটি ডোজ নিশ্চিত করতে হবে।
গণসচেতনতা বৃদ্ধি: টিকাদান সম্পর্কে গুজব এড়িয়ে চলতে হবে। বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত যে এই টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ।
আক্রান্তের আইসোলেশন: কেউ আক্রান্ত হলে তাকে দ্রুত আলাদা রাখা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
হাম নির্মূল করা সম্ভব যদি আমরা বিজ্ঞানের ওপর আস্থা রাখি এবং সঠিক সময়ে টিকাদান নিশ্চিত করি। সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সচেতনতা এই সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। আপনার শিশুকে টিকা দিয়েছেন তো?
সংক্ষেপে দেখুন


আমি এখানে ৯টি প্যাকেটজাত খাবারের তালিকা দিচ্ছি যা আপনার জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১. পটেটো চিপস চিপসে থাকে প্রচুর পরিমাণ ক্যালোরি কারণ তাদেরকে চর্বিতে ভাজা হয়। চিপসে আছে প্রচুর সোডিয়ামও যা রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায় এবং দেহে পানির চাপ বাড়ায়। ১০০ গ্রামের এক প্যাকেট চিপসে আছে ৫৫০-৬০০ ক্যালোরি। আর তাছাড়া একই তেলেবিস্তারিত পড়ুন
আমি এখানে ৯টি প্যাকেটজাত খাবারের তালিকা দিচ্ছি যা আপনার জন্য অস্বাস্থ্যকর।
১. পটেটো চিপস
চিপসে থাকে প্রচুর পরিমাণ ক্যালোরি কারণ তাদেরকে চর্বিতে ভাজা হয়। চিপসে আছে প্রচুর সোডিয়ামও যা রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায় এবং দেহে পানির চাপ বাড়ায়। ১০০ গ্রামের এক প্যাকেট চিপসে আছে ৫৫০-৬০০ ক্যালোরি। আর তাছাড়া একই তেলে বারবার চিপস ভাজার কারণেও তা অস্বাস্থ্যকর হয়।
২. প্যাকেটজাত জুস
দুঃখজনক সত্যটি হলো প্যাকেটজাত জুসে সত্যিকার কোনো ফলের রস থাকে না, কম্পানিগুলো যাই দাবি করুক না কেন। এসব মূলত ক্ষতিকর সুগারে পূর্ণ এবং এর কোনো পুষ্টিগত উপকারিতা নেই। সুতরাং কমলা জুস না খেয়ে বরং একটি কমলা কিনে খান। এছাড়া প্যাকেট জুসে থাকে প্রিজারভেটিভ যা দেহে পুষ্টি শোষণ প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে।
৩. বায়বীয় পানীয়
এগুলো যে ক্ষতিকর তা আমদের সকলেরই জানা। এমনকি ক্যালোরিহীন পানীয়ও ক্ষতিকর। কারণ এদের বেশিরভাগেই থাকে কৃত্রিম মিষ্টি যা দীর্ঘমেয়াদে দেহের ক্ষতি করে।
৪. বিস্কিট
ছোট এক প্যাকেট বিস্কিটও অনেক বড় ক্ষতি করতে পারে। বিস্কিট বানানো হয় মূলত পরিশোধিত ময়দা থেকে। যাতে থাকে প্রচুর পরিমাণে চিনি এবং হাইড্রোজেনেটেড তেল। এগুলো শুধু দেহের ভেতরে শুন্য ক্যালোরি পাম্প করে।
৫. নুডলস
নুডলসও তৈরি হয় পরিশোধিত ময়দা থেকে। যা হজম প্রক্রিয়ায় সমস্যা তৈরি করে। কেননা প্রক্রিয়াজাত নুডলস হজমের জন্য ভাঙ্গতে অনেক বেশি সময় লাগে। এগুলো রক্তে সুগারের মাত্রায় হেরফের ঘটায়। আর দীর্ঘক্ষণ হজমপ্রক্রিয়ায় অবস্থান করে ক্ষতিকর রাসায়নিক এবং প্রিজারভেটিভের নিঃসরণ ঘটিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করে।
৬. চানাচুর
এতে থাকে প্রচুর মশলা, প্রিজারভেটিভ, হাইড্রোজেনেটেড তেল এবং সোডিয়াম। ফলে নিয়মিতভাবে চানাচুর খেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
৭. প্যাকেটজাত স্যুপ
এতে হাউড্রোলাইজড ভেজিটেবল প্রোটিন, এসিডিটি নিয়ন্ত্রক, স্বাদ বর্ধক এবং কৃত্রিম রঙ ব্যবহার করা হয়। কৃত্রিম রঙ শরীরের জন্য বিষাক্ত উপাদান এবং কিডনি ও লিভারের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। কেননা এর ফলে কিডনি ও লিভার হজম প্রক্রিয়াকে ক্ষতিকর রাসায়নিক থেকে মুক্ত করার জন্য অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। আর হাইড্রোলাইজড ভেজিটেবলে ৩০% পর্যন্ত এমএসজি থাকে যা হার্টবিট বাড়ানো এবং বুকের ব্যাথার কারণ হতে পারে।
৮. রেডিমেড খাবার
এতেও থাকে হাইড্রেটেড ভেজিটেবল, যাতে পুষ্টি উপাদান খুবই কম থাকে। এছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষেণের জন্য এতে যে প্রিজারভেটিভ, স্বাদবর্ধক বা নানা রাসায়নিক যুক্ত করা হয় তা কিডনি এবং লিভারের মারাত্মক সব ক্ষতি করতে পারে।
৯. মুয়েসলি
প্যাকেটজাত মুয়েসলির বেশিরভাগ প্যাকেটেই সয় লেসিথিন থাকে। যা সয়াবিন তেলের একটি বাই প্রডাক্ট। গবেষনায় দেখা গেছে, নিয়মিতিভাবে সয় লেসিথিন খেলে ক্ষুধামান্দ্য, মাঝে মাঝে বমিভাব, ঝিমুনি, বমি করা এবং মানসিক বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে।
সূত্র : টাইমস অফ ইন্ডিয়া
সংক্ষেপে দেখুন