সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

স্বাস্থ্য

Health related all questions.

শেয়ার করুন
  • Facebook
13 ফলোয়ার
127 উত্তর
273 প্রশ্ন
হোমপেজ/স্বাস্থ্য/Page 10
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সাম্প্রতিক প্রশ্ন
  • সর্বাধিক উত্তর
  • উত্তর
  • অনুত্তরিত
  • সর্বাধিক দেখা
  • সর্বাধিক পছন্দকৃত
  • এলোমেলো

AddaBuzz.net Latest প্রশ্ন

ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

প্যাকেটজাত খাবার কি অস্বাস্থ্যকর ?

  1. shanto
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    আমি এখানে ৯টি প্যাকেটজাত খাবারের তালিকা দিচ্ছি যা আপনার জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১. পটেটো চিপস চিপসে থাকে প্রচুর পরিমাণ ক্যালোরি কারণ তাদেরকে চর্বিতে ভাজা হয়। চিপসে আছে প্রচুর সোডিয়ামও যা রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায় এবং দেহে পানির চাপ বাড়ায়। ১০০ গ্রামের এক প্যাকেট চিপসে আছে ৫৫০-৬০০ ক্যালোরি। আর তাছাড়া একই তেলেবিস্তারিত পড়ুন

    আমি এখানে ৯টি প্যাকেটজাত খাবারের তালিকা দিচ্ছি যা আপনার জন্য অস্বাস্থ্যকর।

    ১. পটেটো চিপস

    চিপসে থাকে প্রচুর পরিমাণ ক্যালোরি কারণ তাদেরকে চর্বিতে ভাজা হয়। চিপসে আছে প্রচুর সোডিয়ামও যা রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায় এবং দেহে পানির চাপ বাড়ায়। ১০০ গ্রামের এক প্যাকেট চিপসে আছে ৫৫০-৬০০ ক্যালোরি। আর তাছাড়া একই তেলে বারবার চিপস ভাজার কারণেও তা অস্বাস্থ্যকর হয়।

    ২. প্যাকেটজাত জুস

    দুঃখজনক সত্যটি হলো প্যাকেটজাত জুসে সত্যিকার কোনো ফলের রস থাকে না, কম্পানিগুলো যাই দাবি করুক না কেন। এসব মূলত ক্ষতিকর সুগারে পূর্ণ এবং এর কোনো পুষ্টিগত উপকারিতা নেই। সুতরাং কমলা জুস না খেয়ে বরং একটি কমলা কিনে খান। এছাড়া প্যাকেট জুসে থাকে প্রিজারভেটিভ যা দেহে পুষ্টি শোষণ প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে।

    ৩. বায়বীয় পানীয়

    এগুলো যে ক্ষতিকর তা আমদের সকলেরই জানা। এমনকি ক্যালোরিহীন পানীয়ও ক্ষতিকর। কারণ এদের বেশিরভাগেই থাকে কৃত্রিম মিষ্টি যা দীর্ঘমেয়াদে দেহের ক্ষতি করে।

    ৪. বিস্কিট

    ছোট এক প্যাকেট বিস্কিটও অনেক বড় ক্ষতি করতে পারে। বিস্কিট বানানো হয় মূলত পরিশোধিত ময়দা থেকে। যাতে থাকে প্রচুর পরিমাণে চিনি এবং হাইড্রোজেনেটেড তেল। এগুলো শুধু দেহের ভেতরে শুন্য ক্যালোরি পাম্প করে।

    ৫. নুডলস

    নুডলসও তৈরি হয় পরিশোধিত ময়দা থেকে। যা হজম প্রক্রিয়ায় সমস্যা তৈরি করে। কেননা প্রক্রিয়াজাত নুডলস হজমের জন্য ভাঙ্গতে অনেক বেশি সময় লাগে। এগুলো রক্তে সুগারের মাত্রায় হেরফের ঘটায়। আর দীর্ঘক্ষণ হজমপ্রক্রিয়ায় অবস্থান করে ক্ষতিকর রাসায়নিক এবং প্রিজারভেটিভের নিঃসরণ ঘটিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করে।

    ৬. চানাচুর

    এতে থাকে প্রচুর মশলা, প্রিজারভেটিভ, হাইড্রোজেনেটেড তেল এবং সোডিয়াম। ফলে নিয়মিতভাবে চানাচুর খেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

    ৭. প্যাকেটজাত স্যুপ

    এতে হাউড্রোলাইজড ভেজিটেবল প্রোটিন, এসিডিটি নিয়ন্ত্রক, স্বাদ বর্ধক এবং কৃত্রিম রঙ ব্যবহার করা হয়। কৃত্রিম রঙ শরীরের জন্য বিষাক্ত উপাদান এবং কিডনি ও লিভারের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। কেননা এর ফলে কিডনি ও লিভার হজম প্রক্রিয়াকে ক্ষতিকর রাসায়নিক থেকে মুক্ত করার জন্য অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। আর হাইড্রোলাইজড ভেজিটেবলে ৩০% পর্যন্ত এমএসজি থাকে যা হার্টবিট বাড়ানো এবং বুকের ব্যাথার কারণ হতে পারে।

    ৮. রেডিমেড খাবার

    এতেও থাকে হাইড্রেটেড ভেজিটেবল, যাতে পুষ্টি উপাদান খুবই কম থাকে। এছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষেণের জন্য এতে যে প্রিজারভেটিভ, স্বাদবর্ধক বা নানা রাসায়নিক যুক্ত করা হয় তা কিডনি এবং লিভারের মারাত্মক সব ক্ষতি করতে পারে।

    ৯. মুয়েসলি

    প্যাকেটজাত মুয়েসলির বেশিরভাগ প্যাকেটেই সয় লেসিথিন থাকে। যা সয়াবিন তেলের একটি বাই প্রডাক্ট। গবেষনায় দেখা গেছে, নিয়মিতিভাবে সয় লেসিথিন খেলে ক্ষুধামান্দ্য, মাঝে মাঝে বমিভাব, ঝিমুনি, বমি করা এবং মানসিক বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে।

    সূত্র : টাইমস অফ ইন্ডিয়া

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 52 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
Sumaiya Rahman
Sumaiya Rahmanনতুন
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

হিট স্ট্রোক এর প্রাথমিক চিকিৎসা কি? কিভাবে মৃতপ্রায় রোগীকে বাঁচানো যায়?

হিট স্ট্রোক এর প্রাথমিক চিকিৎসা কি? কিভাবে মৃতপ্রায় রোগীকে বাঁচানো যায়?
  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 39 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 12 মাস আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

বৃষ্টির দিনে বারবার প্রস্রাবের চাপ হয় কেন?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 14 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ameliazoe
ameliazoeনতুন
সময়ঃ 9 মাস আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

Cenforce 150 mg: Best Pill for Your Sex Life | Genericvilla

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 12 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
SA Samim
SA Samimএডিটর
সময়ঃ 3 মাস আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

হাম রোগ: কেন আবার বাড়ছে এবং এটি কতটা বিপজ্জনক হতে পারে?

  1. mokbul
    mokbul পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 3 মাস আগে

    হাম (Measles) কেন আবারও ফিরে আসছে? জেনে নিন লক্ষণ এবং প্রতিকার হাম এক সময় পৃথিবীতে প্রায় নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছিল। কিন্তু বর্তমানে বিশ্বজুড়ে এই ভাইরাসের সংক্রমণ আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি কেবল একটি সাধারণ জ্বর বা ফুসকুড়ি নয়, বরং অসচেতনতায় এটি প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। আজকের ব্লগে আমরা আলোচনা করব কেন হামেরবিস্তারিত পড়ুন

    হাম (Measles) কেন আবারও ফিরে আসছে? জেনে নিন লক্ষণ এবং প্রতিকার

    হাম এক সময় পৃথিবীতে প্রায় নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছিল। কিন্তু বর্তমানে বিশ্বজুড়ে এই ভাইরাসের সংক্রমণ আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি কেবল একটি সাধারণ জ্বর বা ফুসকুড়ি নয়, বরং অসচেতনতায় এটি প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। আজকের ব্লগে আমরা আলোচনা করব কেন হামের প্রকোপ বাড়ছে এবং কীভাবে এটি থেকে নিজেকে ও পরিবারকে সুরক্ষিত রাখা যায়।

    হাম কেন আবারও বাড়ছে?

    টিকা থাকা সত্ত্বেও হামের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পেছনে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট কারণ রয়েছে।

    টিকাদানে অনীহা ও বিভ্রান্তি: সোশ্যাল মিডিয়া বা বিভিন্ন মাধ্যমে টিকা নিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানোর ফলে অনেক অভিভাবক শিশুদের টিকা দিতে ভয় পাচ্ছেন। এই ‘ভ্যাকসিন হেসিটেন্সি’ বা টিকা নিয়ে অনীহা রোগটি ফেরার অন্যতম প্রধান কারণ।

    করোনা মহামারীর প্রভাব: কোভিড ১৯ চলাকালীন বিশ্বের অনেক দেশে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে অনেক শিশু তাদের নিয়মিত হামের ডোজ মিস করেছে।

    ভ্রমণ ও বিশ্বায়ন: হাম অত্যন্ত সংক্রামক। বিশ্বের এক প্রান্তে সংক্রমণ দেখা দিলে দ্রুত যাতায়াতের মাধ্যমে তা অন্য দেশেও ছড়িয়ে পড়ছে।

    হামের লক্ষণসমূহ: সাধারণ থেকে মারাত্মক

    হামের ভাইরাস শরীরে প্রবেশের পর সাধারণত ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে লক্ষণ দেখা দেয়। এর লক্ষণগুলো খুব দ্রুত তীব্র হতে পারে।

    ১. প্রাথমিক লক্ষণ: তীব্র জ্বর, শুকনো কাশি, সর্দি এবং চোখ লাল হয়ে যাওয়া।

    ২. কোপ্লিক স্পটস: মুখের ভেতরের দিকে ছোট ছোট সাদা দাগ দেখা দিতে পারে।

    ৩. শরীরে ফুসকুড়ি: জ্বরের কয়েকদিন পর মুখ থেকে শুরু করে পুরো শরীরে লালচে ফুসকুড়ি ছড়িয়ে পড়ে।

    হাম কতটা বিপজ্জনক হতে পারে?

    অনেকেই হামকে সাধারণ রোগ মনে করেন। কিন্তু সঠিক চিকিৎসা না পেলে এটি শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের ক্ষতি করতে পারে।

    নিউমোনিয়া: হামের কারণে ফুসফুসে সংক্রমণ হতে পারে যা শিশুদের মৃত্যুর অন্যতম বড় কারণ।

    এনসেফালাইটিস: এটি মস্তিষ্কের একটি মারাত্মক প্রদাহ। এর ফলে স্থায়ী মানসিক প্রতিবন্ধকতা বা মৃত্যুও হতে পারে।

    অন্ধত্ব ও বধিরতা: হামের জটিলতায় শ্রবণশক্তি হারানো বা চোখের কর্নিয়ার ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

    প্রতিরোধে আমাদের করণীয়

    হাম প্রতিরোধের একমাত্র এবং সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো টিকা (MMR Vaccine)।

    নির্ধারিত সময়ে টিকা দেওয়া: শিশুদের ৯ মাস এবং ১৫ মাস বয়সে হামের দুটি ডোজ নিশ্চিত করতে হবে।

    গণসচেতনতা বৃদ্ধি: টিকাদান সম্পর্কে গুজব এড়িয়ে চলতে হবে। বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত যে এই টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ।

    আক্রান্তের আইসোলেশন: কেউ আক্রান্ত হলে তাকে দ্রুত আলাদা রাখা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

    হাম নির্মূল করা সম্ভব যদি আমরা বিজ্ঞানের ওপর আস্থা রাখি এবং সঠিক সময়ে টিকাদান নিশ্চিত করি। সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সচেতনতা এই সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। আপনার শিশুকে টিকা দিয়েছেন তো?

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 41 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
কাসেম খান
কাসেম খাননতুন
সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

পেটের গ্যাস বা গ্যাস্ট্রিক কমানোর উপায় কি? কোন ঔষধ দ্রুত পেটের গ্যাস কমাতে পারে?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 25 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
পলক
পলকপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

উচ্চ ক্যালরি যুক্ত খাবার গুলোর নাম সহ ক্যালরি চার্ট pdf

  1. shanto
    সেরা উত্তর
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    প্রতিটি মানুষের আদর্শ ওজন থাকা জরুরি। অতিরিক্ত ওজন যেমন ভালো নয়, স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজন থাকাও ঠিক নয়। ওজন বাড়াতে স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজনের ব্যক্তিদের প্রয়োজন পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং সঠিক জীবনযাপন পদ্ধতি। ওজন বাড়াতে নিম্নোক্ত কৌশলগুলো বেশ সহায়ক। ১. অতিরিক্ত ক্যালরির খাবার গ্রহণ: শরীরে যবিস্তারিত পড়ুন

    প্রতিটি মানুষের আদর্শ ওজন থাকা জরুরি। অতিরিক্ত ওজন যেমন ভালো নয়, স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজন থাকাও ঠিক নয়। ওজন বাড়াতে স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজনের ব্যক্তিদের প্রয়োজন পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং সঠিক জীবনযাপন পদ্ধতি।

    ওজন বাড়াতে নিম্নোক্ত কৌশলগুলো বেশ সহায়ক।

    ১. অতিরিক্ত ক্যালরির খাবার গ্রহণ: শরীরে যে পরিমাণ ক্যালরি প্রতিদিন ক্ষয় হয়, তার চেয়ে ৫০০–৭০০ ক্যালরি খাবার বেশি খেতে হবে। ভাত, মাছ–মাংস, ডাল, বীজ, শাকসবজি, ফলমূল, ডিম, দুগ্ধজাতীয় খাবার নিয়মিত খেতে হবে।

    ২. উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার গ্রহণ: ওজন বাড়াতে চাইলে অবশ্যই খাদ্যতালিকায় উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার রাখতে হবে। এ ধরনের কিছু খাবার হলো কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, আখরোট, পেস্তাবাদাম, চিনাবাদাম, খেজুর, কিসমিস, আলুবোখারা, ননিযুক্ত দুধ, ফুলক্রিম দই, পনির, ক্রিম, মুরগির মাংস, গরুর মাংস, ভেড়ার মাংস, ছাগলের মাংস ও কলিজা, আলু, মিষ্টি আলু, চকলেট, কলা, আ্যভোকাডো, পিনাট, মাখন ইত্যাদি।

    ৩. দিনে পাঁচ–ছয়বার খাবার গ্রহণ: যাঁদের ওজন কম, তাঁদের তিন–চার ঘণ্টা পরপর খাবার খেতে হবে। দীর্ঘসময় পেট খালি রাখা চলবে না। পুষ্টিকর উচ্চ ক্যালরির খাবার যদি বারবার গ্রহণ করা হয় এবং প্রতিদিনের ক্যালরির চাহিদা যদি পূরণ করা যায়, সে ক্ষেত্রে দ্রুতই ওজন বাড়ানো সম্ভব।

    ৪. শর্করাজাতীয় খাবার: অনেকেই শর্করা একেবারে কম গ্রহণ করেন। এটা মোটেও ঠিক নয়। যাঁদের ওজন কম, তাঁদের অবশ্যই মোট ক্যালরির শতকরা ৫০-৬০ ভাগ শর্করা গ্রহণ করতে হবে। দিনে তিনবার প্রধান খাবার হিসেবে শর্করা গ্রহণ করতে হবে। এ ধরনের খাবারের মধ্যে আলু, আটা, চাল, পাস্তা অন্যতম।

    ৫. আমিষযুক্ত খাবার গ্রহণ: ওজন বাড়াতে আমিষযুক্ত খাবার খাওয়া জরুরি। শরীরের প্রতি কেজি ওজনের জন্য ১ দশমিক ৫ থেকে ২ দশমিক ২ গ্রাম আমিষ নিয়মিত গ্রহণ করতে হবে। ডিম, দুধ, মাছ, মাংস, ডাল, বীজজাতীয় খাবার আমিষের ভালো উৎস।

    ৬. ব্যায়াম: পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। ওজন বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যায়াম ক্ষুধা বাড়াতে, খাবার ভালোমতো হজম করতেও সাহায্য করে।

    ৭. জীবনযাপন: ওজন বাড়াতে চাইলে জীবনযাপন পদ্ধতিও স্বাস্থ্যকর হতে হবে। গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকা চলবে না। প্রতিদিন আট ঘণ্টা ভালো ঘুম হতে হবে। দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে হবে।

    কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ

    ■ প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করতে হবে। তবে খাওয়ার আগে পানি পান করা যাবে না।

    ■ প্রোটিনযুক্ত খাবার আগে এবং শাকসবজি শেষে গ্রহণ করুন।

    ■ ঘুমানোর আগে একটা স্বাস্থ্যকর উচ্চ ক্যালরির স্ন্যাকস খাওয়ার চেষ্টা করুন।

    ■ বড় থালায় খাবার খেতে হবে।

    ■ ধূমপান বর্জন করতে হবে।

    সূত্রঃ প্রথম আলো

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 644 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
Khandaker Ashaduzzaman
Khandaker Ashaduzzamanসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

বিশ্বের প্রায় সকল লোকের চোখের পাতায় একটি বিশেষ ধরনের উপাদান থাকে? উপাদানটি কি?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 28 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

বয়স ৫০ পেরোলে কি কি শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে নানা রোগ। বয়স ৫০ বছর পেরোলেই দেখা দিতে পারে নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যা। এগুলোর মধ্যে রয়েছে: হৃদরোগ: প্রতি বছর ৭ লাখ ৩৫ হাজার মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হন। বয়স ৫০ বছর পেরোনো একজন ব্যক্তির হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৫০ শতাংশ। হৃদরোগের সাধারণবিস্তারিত পড়ুন

    বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে নানা রোগ। বয়স ৫০ বছর পেরোলেই দেখা দিতে পারে নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যা। এগুলোর মধ্যে রয়েছে:

    হৃদরোগ: প্রতি বছর ৭ লাখ ৩৫ হাজার মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হন। বয়স ৫০ বছর পেরোনো একজন ব্যক্তির হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৫০ শতাংশ। হৃদরোগের সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট এবং পিঠে, কাঁধে বা ঘাড়ে ব্যথা, ঘাম, মাথা ঘোরা বা বমি ভাব।

    স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা, ধূমপান না করা এবং নিয়মিত ব্যায়াম করলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমতে পারে।

    স্ট্রোক: স্ট্রোক হলে মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে মস্তিষ্কের কোষগুলো মারা যায়। যদি দুর্বলতা, অসাড়তা বা কথা বলতে সমস্যা অনুভব করেন, তাহলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্যকর খাওয়া, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, ব্যায়াম ও ধূমপান ত্যাগ করে স্ট্রোক প্রতিরোধ করা সম্ভব।

    অ্যানিউরিজম: হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা সম্ভব হলে তা অ্যানিউরিজম হওয়ার সম্ভাবনাও কমিয়ে দিতে পারে। রক্তনালীর নির্দিষ্ট কোনো জায়গার অস্বাভাবিকতা বা দুর্বলতার জন্য নালির বাইরের দিকে বুদবুদ বা বেলুনের মতো ফুলে ওঠাকে অ্যানিউরিজম বলে। এর কারণে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ বা স্ট্রোকও হতে পারে। এই রোগের উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যথা, বমি ভাব, মাথা ঘোরা, ত্বকে আড়ষ্টতা এবং দ্রুত হৃৎস্পন্দন।

    পিত্তপাথর: পিত্তপাথরের কারণে পেটে উপরের অংশে তীব্র ব্যথা হতে পারে। স্থূলতা, ডায়াবেটিস, ক্রোনস ডিজিজ থাকলে এবং ব্যায়াম না করার কারণে পিত্তপাথর হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

    অ্যাকিউট প্যানক্রিয়াটাইটিস: প্যানক্রিয়াটাইটিস বা অগ্ন্যাশয় প্রদাহ থেকে মারাত্মক পেটে ব্যথা, বমি ভাব, বমি, জ্বর হতে পারে। এমনকি এর কারণে মৃত্যুও হতে পারে। পিত্তথলিতে পাথর, অতিরিক্ত মদ্যপান, উচ্চ ক্যালসিয়ামের মাত্রা বা উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইডস এর কারণ হতে পারে। এই রোগের লক্ষণ থাকলে অতি দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

    হাড় ক্ষয়: বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে হাড় ক্ষয় হতে পারে এবং ভেঙে যেতে পারে, বিশেষ করে নারীদের। ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও ওষুধের মাধ্যমে নতুন করে হাড় ক্ষয় কমানো যেতে পারে বা প্রতিরোধ করা যেতে পারে।

    রেটিনার সমস্যা: যদি রেটিনা চোখের বাইরের প্রাচীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তাহলে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পাবে না এবং দৃষ্টিশক্তি কমে যেতে পারে। যদি ভাসমান কিছু দেখা যায় বা আলোর ঝলকানি অনুভব করেন, তাহলে দেরি না করে চিকিত্সার পরামর্শ নিন।

    কিডনিতে পাথর: কিডনির পাথর হচ্ছে একটি শক্ত ক্যালসিয়ামের গুটি, যা প্রচণ্ড ব্যথা তৈরি করে, সংক্রমণ করতে পারে, প্রস্রাবে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। প্রচুর পানি পান করার মাধ্যমে কিডনির পাথর প্রতিরোধ করা যেতে পারে। সাধারণত নারীদের তুলনায় পুরুষদের এই রোগ বেশি হয়।

    নিউমোনিয়া: ব্যাকটেরিয়াজনিত নিউমোনিয়া ৫০ ঊর্ধ্বদের বেশি হয়। একে নিউমোকোকাল নিউমোনিয়া বলা হয়। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়। এতে রোগ আক্রান্ত হওয়ার সুযোগ বেশি পায়। এর জন্য সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের একটি টিকা নেওয়ার পরামর্শ দেয়।

    স্পাইনাল স্টেনোসিস: স্পাইনাল স্টেনোসিস ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে, কিন্তু হঠাৎ করেই সেটা বুঝতে পারবেন। আর্থ্রাইটিস মেরুদণ্ডের স্পাইনাল কর্ড ও স্নায়ুপথকে সংকুচিত করে দেয়। এর ফলে পিঠে বা ঘাড়ে ব্যথা, অসাড়তা বা খিঁচুনি হতে পারে। ওষুধ, ম্যানুয়াল থেরাপি বা সার্জারির সাহায্যে এই সমস্যার সমাধান পাওয়া যেতে পারে।

    বাত: বাতের সমস্যা থাকলে হঠাৎ ব্যথা অনুভব হয় এবং শরীরের বিভিন্ন জয়েন্ট, বিশেষত বুড়ো আঙুল ফুলে যায়। ইউরিক অ্যাসিড জমে এই সমস্যাটি তৈরি হয়। রেড মিট ও শেলফিশ বেশি খেলে, অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান করলে, উচ্চ রক্তচাপের নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ খেলে এই রোগের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। ফ্রুক্টোজ, সোডা সুইটনার ও চর্বির কারণেও এই রোগ তৈরি হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

    পালমোনারি এমবোলিজম: ফুসফুসের রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধলে সেটাকে পালমোনারি এমবোলিজম বলা হয়। ৫০ বছর বয়সের পরে এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যদি বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা মাথা ঘোরার মতো সমস্যা অনুভব করেন, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সেইসঙ্গে এই রোগের উপসর্গের মধ্যে রয়েছে কাশির সঙ্গে রক্ত আসা, পায়ে ব্যথা ও চামড়া নীলাভ হয়ে যাওয়া।

    হৃদরোগ থাকলে, সাম্প্রতিক সময়ে অস্ত্রোপচার হয়ে থাকলে বা দীর্ঘ সময় উড়োজাহাজ বা গাড়ির মতো ছোট জায়গায় বদ্ধ থাকলে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 33 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

অ্যাপেন্ডিসাইটিস: কী, কেন এবং কীভাবে হয় ?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের ‘সার্ফেস মার্কিং’ নামক একটি পরীক্ষা হয়ে থাকে। এই পরীক্ষাতে একজন শিক্ষার্থীকে জীবিত মানুষের শরীরে নির্দিষ্ট কোনো অঙ্গ, ধমনী, শিরা কিংবা স্নায়ু এঁকে দেখাতে বলা হয়। প্রথম বর্ষের একজন শিক্ষার্থী শরীরের প্রধান অঙ্গগুলো শরীরের যেখানে থাকে প্রায় হুবহু সেভাবে এঁকে দেখাতে পারে।বিস্তারিত পড়ুন

    চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের ‘সার্ফেস মার্কিং’ নামক একটি পরীক্ষা হয়ে থাকে। এই পরীক্ষাতে একজন শিক্ষার্থীকে জীবিত মানুষের শরীরে নির্দিষ্ট কোনো অঙ্গ, ধমনী, শিরা কিংবা স্নায়ু এঁকে দেখাতে বলা হয়। প্রথম বর্ষের একজন শিক্ষার্থী শরীরের প্রধান অঙ্গগুলো শরীরের যেখানে থাকে প্রায় হুবহু সেভাবে এঁকে দেখাতে পারে। চলচ্চিত্রে অপারেশন থিয়েটারের কোনো দৃশ্যে দেখে থাকবেন আপনারা, অপারেশনের শুরুতেই মার্কার দিয়ে কিছু জায়গা চিহ্নিত করা হয়, এগুলো হচ্ছে অপারেশনের নিয়ম। কোথায় কীভাবে কাটতে হবে, একজন সার্জন ভালোমতোই জানেন।

    জীবিত মানুষের বুকে অঙ্কিত রয়েছে হৃৎপিণ্ড। এমনিভাবে শরীরের সকল অঙ্গ, ধমনী, শিরা, স্নায়ু সবকিছু চিহ্নিত করা যায়; Source: web.duke.edu

    ম্যাকবার্নি’স পয়েন্ট (McBurney’s Point) নামক একটি জায়গা রয়েছে মানুষের শরীরে, এই বিন্দুতে কাটা হলেই মাংসপেশী সরানোর পর অ্যাপেন্ডিক্স পাওয়া যাবে। দেখা যাবে, ছোট্ট একটি থলির ন্যায় বাড়তি অংশ সিকামের (বৃহদান্ত্রের একটি অংশ) সাথে জুড়ে আছে।

    ১ নম্বর পয়েন্টটি হলো ম্যাকবার্নি’স পয়েন্ট; Source: Wikimedia Commons

    উপরের ছবিতে ১ নম্বর পয়েন্টটি হলো ম্যাকবার্নি’স পয়েন্ট। আপনি কোমর বরাবর হাত দিয়ে দেখুন, দু’পাশে দুটি জায়গাতে শক্ত হাড়ের উপস্থিতি টের পাবেন। Ilium নামক হাড়ের একটি অংশ এটি, একে বলা হয় Anterior Superior Iliac Spine। ৩ নম্বর পয়েন্টটি হলো এই Anterior Superior Iliac Spine। ২ নম্বর পয়েন্টটি দেয়া হয় একদম নাভীতে। ২ আর ৩ নম্বরকে সংযুক্ত করে একটি লম্বা রেখা আঁকা হয়, এই রেখাকে যদি উপরে দুই ভাগ আর নিচে এক ভাগ রেখে বিভক্ত করা হয়, তবেই আমরা পাবো ১ নম্বর পয়েন্ট তথা ম্যাকবার্নি’স পয়েন্ট।

    অ্যাপেন্ডিক্স এর ব্যাসার্ধ ৭-৮ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে সাধারণত, আর দৈর্ঘ্য হয় ২-২০ সেন্টিমিটার। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অ্যাপেন্ডিক্স ৯ সেন্টিমিটার হয়। এছাড়াও অ্যাপেন্ডিক্সের অবস্থান অনুযায়ী এর বিভিন্ন ধরনও রয়েছে। সাধারণত তলপেটের ডান পাশে অবস্থান করে অ্যাপেন্ডিক্স, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে Right Iliac Fossa নামে ডাকা হয়।

    অবস্থানভেদে অ্যাপেন্ডিক্সের বিভিন্ন ধরন; Source: jcol.elsevier.es

    সিকামের সাথে যুক্ত ছোট্ট থলিটিই হলো অ্যাপেন্ডিক্স; Source: news-medical.net

    আমাদের দেহে অ্যাপেন্ডিক্স কোন দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে, সেই ব্যাপারে এখনো নিশ্চিতভাবে বের করা যায়নি। একে ধারণা করা হয় ভেস্টিজিয়াল র‍্যামনেন্ট হিসেবে। র‍্যামনেন্ট হলো শরীরের এমন একটি অংশ যা গর্ভে থাকা অবস্থায় কোনো এক দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলো, কিন্তু জন্মের পর আর কোনো কাজ নেই তার, একটি অবশিষ্টাংশ হিসেবে দেহে রয়ে গেছে। দেহের কিছু লিগামেন্টও র‍্যামনেন্ট হিসেবে তৈরি হয়েছে। দেহের সবচেয়ে চাক্ষুষ র‍্যামনেন্ট হলো আমাদের নাভী (আম্বিলিকাস), এই নাভী আম্বিলিক্যাল কর্ডের র‍্যামনেন্ট। আর ভেস্টিজিয়াল র‍্যামনেন্ট বলা হয় সেসব অংশকে যা বিবর্তনের মাধ্যমে তার দায়িত্ব হারিয়ে ফেলেছে। আমাদের পূর্ব পুরুষদের কোনো একসময় হয়তো খাদ্য পরিপাকে এর প্রয়োজনীয়তা ছিলো, দিন দিন বিবর্তনে এই অ্যাপেন্ডিক্স ছোট হয়ে তার কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে এবং র‍্যামনেন্ট হিসেবে দেহে রয়ে গিয়েছে। মানবদেহে এমন ভেস্টিজিয়াল র‍্যামনেন্টের নাম প্রায় একশোটি বলা যাবে।

    আম্বিলিক্যাল কর্ড, যার সাহায্য গর্ভাবস্থায় সন্তান মায়ের প্লাসেন্টার সাথে যুক্ত থাকে; Source: open.edu

    তবে বিজ্ঞানীরা মনে করেন, দেহের কিছু লিম্ফয়েড কোষ অ্যাপেন্ডিক্সে রয়েছে, যার দরুন অ্যাপেন্ডিক্স ইনফেকশনের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা গড়ে তোলায় সাহায্য করতে পারে। একটি সময় ছিলো, যখন সার্জনরা কোনো সার্জারির উদ্দেশ্যে কারো পেট কাটলে, এমনি অ্যাপেন্ডিক্স কেটে ফেলে দিতেন, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা তৈরি না করতে পারে। তবে পরিসংখ্যানে দেখা যায় যে, অ্যাপেন্ডিক্সবিহীন ব্যক্তিদের ক্যান্সার হবার ঝুঁকি খানিকটা বেড়ে যায়। ২০০৬ সালের পর থেকে তাই এমন ফ্রি অপারেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    অ্যাপেন্ডিক্স কেটে দেহ থেকে সরিয়ে ফেলা খুবই সাধারণ একটি অপারেশন। এই অপারেশনটির নাম হলো অ্যাপেন্ডেকটোমি, আর সমস্যাটিকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে বলা হয়ে থাকে অ্যাপেন্ডিসাইটিস। মানুষ প্রায়ই বলে থাকে, অমুকের অ্যাপেন্ডিক্স হয়েছে, এখানে শব্দের প্রয়োগটি ভুল। শরীরের এই অংশটির নাম অ্যাপেন্ডিক্স, কিন্তু এতে যখন ব্যাকটেরিয়াল আক্রমণ ঘটে, প্রদাহ (জ্বলুনি) শুরু হয়, তখন একে বলা হয় অ্যাপেন্ডিসাইটিস। ঠিক সেই মুহূর্তেই দেহের অ্যাপেন্ডিক্সের ব্যাথা শুরু হয়, ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে, একসময় অসহ্য হয়ে দেখা দেয়। অ্যাপেন্ডেকটোমি ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না তখন।

    ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে প্রদাহ সৃষ্টি হয় অ্যাপেন্ডিক্সে, এতে করে অ্যাপেন্ডিক্স ফুলতে শুরু করে; Source: news-medical.net

    এখানে একটি মজার ব্যাপার রয়েছে, অ্যাপেন্ডিক্সের ব্যাথাটা হয়ে থাকে সাধারণত রেফার্ড পেইন (Referred Pain) হিসেবে। এক স্থানের ব্যথার অনুভূতি তৈরি হয় অন্য স্থানে। কম-বেশি সকলেরই ঠাণ্ডা লেগেছে নিশ্চয়ই, নাক-গলাতে ব্যথার বদলে সামান্য ব্যথা হয় কানে, লক্ষ্য করে দেখবেন। এটাও একধরনের রেফার্ড পেইন। আমাদের স্পাইনাল কর্ডের বিভিন্ন অংশ রয়েছে পুরো মেরুদণ্ড জুড়ে, এই অংশগুলোর নামকরণ করা হয়েছে মেরুদণ্ডের কশেরুকাগুলোর নামে। অ্যাপেন্ডিক্সের স্নায়বিক অনুভূতি মস্তিষ্কে বহন করে থাকে দশম থোরাসিক স্পাইনাল সেগমেন্টটি।

    স্পাইনাল কর্ডের সবগুলো সেগমেন্ট, কশেরুকার নামে নামকরণ করা হয় প্রতিটি সেগমেন্টের; Source: humananatomylibrary.com

    Regions of Anterior Abdominal Wall; Source: web.duke.edu

    দশম থোরাসিক সেগমেন্টটি একইসাথে আবার আম্বিলিক্যাল রিজিওনের অনুভূতি মস্তিষ্কে বহন করে থাকে। পেটকে মানচিত্রের গ্রিডের ন্যায় নয়টি রিজিওনে ভাগ করা হয়ে থাকে অপারেশনের সময় অঙ্গগুলোকে খুঁজে বের করার সুবিধার্থে। নাভী ও নাভীর চার পার্শ্বস্থ বর্গাকার অল্প অংশকে আম্বিলিক্যাল রিজিওন বলা হয়।

    অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা তাহলে সবসময় অনুভূত হবে নাভীর চারপাশের দিকে, তবে আবার নাভীর দিকে ব্যথা করলেই ভয় পেয়ে যাবেন না আপনার অ্যাপেন্ডিসাইটিস হয়েছে ভেবে। দশম থোরাসিক স্পাইনাল সেগমেন্ট আরো অনেক অঙ্গের অনুভূতি বহন করে থাকে।

    খাদ্যের পরিপাক সমস্তই সম্পন্ন হয়ে যায় ক্ষুদ্রান্ত্রে, পরিপাক না হওয়া অংশই ক্ষুদ্রান্ত্র থেকে বৃহদান্ত্রে প্রবেশ করে। বৃহদান্ত্রের প্রথম অংশই হলো সিকাম। সিকাম একটি থলির মতো, এই সিকাম থেকে অপরিপাককৃত খাদ্যাংশ উপরের দিকে কোলনে প্রবেশ করবে। পেরিস্ট্যালসিসের মাধ্যমে এমনটি হয়ে থাকে, পেরিস্ট্যালসিস ছাড়াও অনেক ধরনের মুভমেন্ট ব্যবস্থা রয়েছে আমাদের দেহের পরিপাকতন্ত্রের। এই মুভমেন্টগুলো খাবারকে পুরো পরিপাকতন্ত্র ঘুরে বেড়াতে সহায়তা করে। অভিকর্ষের টানে সিকামের নিচের দিকে সংযুক্ত অ্যাপেন্ডিক্সে খাদ্যাংশ যখন প্রবেশ করতে যায়, অ্যাপেন্ডিক্সের মাংসপেশি তখন সংকুচিত হয়ে একটি ধাক্কার মতো তৈরি করে দেয়, এর দরুন অ্যাপেন্ডিক্সের দিকে ধাবিত খাদ্যাংশ উপরের দিকে কোলনে প্রবেশ করে।

    সিকাম আর অ্যাপেন্ডিক্সের সংযোগস্থলে একটি ছিদ্রসদৃশ অংশ রয়েছে, এতে যদি অল্প পরিমাণে খাদ্যাংশ জমা হয়ে যায়, একসময় জমতে জমতে ছিদ্রটি বন্ধ হয়ে যায়, তখন ভেতরে থাকা কোনোকিছু আর বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে না। এভাবেই শুরু হয় প্রদাহ, প্রদাহ বাড়তে শুরু করে, ব্যাকটেরিয়াও বাড়তে শুরু করে। সরু নালীর মতো অ্যাপেন্ডিক্স তখন ফুলে উঠতে থাকে। যদি অ্যাপেন্ডেকটোমি সময়মতো করা না হয়, একসময় অ্যাপেন্ডিক্স ফেটে বেরিয়ে আসে ভেতরের সমস্ত কিছু। পেটের ফাঁকা স্থানগুলোর সব জায়গায় তখন সমস্ত ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পড়ে।

    আপনার শরীরের ছোটখাট একটি অংশ, যা প্রায় কার্যক্ষমতাবিহীন; সেটিও আপনার এত বড় ক্ষতি করতে সক্ষম। তাই সচেতনতা তৈরি করুন, অ্যাপেন্ডিসাইটিসকে গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করুন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 2 টি উত্তর
  • 63 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

নবজাতকের চিকিৎসায় অ্যাপগার স্কোরের প্রচলন করেন কে?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 5 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 12 মাস আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

দুধ এবং আনারস একসাথে খেলে কি হয়?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 8 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
irenejoshi1717
irenejoshi1717নতুন
সময়ঃ 9 মাস আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

Vidalista 60 mg – Reliable Solution for Long-Lasting Performance

  1. ezraallen45ea
    ezraallen45ea নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 8 মাস আগে

    Vidalista 20 mg contains the active ingredient tadalafil, which is known for its long duration of action. For an as-needed dose of tadalafil (as with Vidalista 60), the medication is generally effective for up to 36 hours after dosing. Similar ED Pills at australirxmeds.com: Vidalista 60

    Vidalista 20 mg contains the active ingredient tadalafil, which is known for its long duration of action. For an as-needed dose of tadalafil (as with Vidalista 60), the medication is generally effective for up to 36 hours after dosing.
    Similar ED Pills at australirxmeds.com: Vidalista 60

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 34 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
mokbul
mokbulপণ্ডিত
সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

ইনফিনিটি বায়ো এনার্জি কি আসলেই রোগ প্রতিরোধ করে?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 51 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
কাসেম খান
কাসেম খাননতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

হাই প্রেসার এর লক্ষণ এবং হাই প্রেসার কমানোর উপায় কি?

  1. নুসরাত জাহান
    সেরা উত্তর
    নুসরাত জাহান নতুন nai
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার বা হাইপারটেনশন একটি অতি পরিচিত রোগ। সময়মত রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা না করা হলে, উচ্চ রক্তচাপ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মত মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণসমূহ সাধারণত হাই প্রেসার এর বিশেষ কোনো লক্ষণ থাকে না। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আছে কি নাবিস্তারিত পড়ুন

    উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার বা হাইপারটেনশন একটি অতি পরিচিত রোগ। সময়মত রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা না করা হলে, উচ্চ রক্তচাপ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মত মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

    উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণসমূহ

    সাধারণত হাই প্রেসার এর বিশেষ কোনো লক্ষণ থাকে না। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আছে কি না তা বোঝার উপায় হলো নিয়মিত রক্তচাপ মাপা। রক্তচাপ মাপার ক্ষেত্রে রক্ত মাপার যন্ত্র দ্বারা দুইটি সংখ্যা রেকর্ড করা হয়—

    • সিস্টোলিক প্রেসার বা চাপ: দুটি রিডিং এর মধ্যে বড় সংখ্যা বা ওপরের মানটি হলো সিস্টোলিক চাপ। হৃৎপিণ্ড থেকে প্রতি স্পন্দনে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালনের সময়ে এই চাপ সৃষ্টি হয়।
    • ডায়াস্টোলিক প্রেসার বা চাপ: রিডিং দুটির মধ্যে ছোট সংখ্যা বা নিচের মানটি হলো ডায়াস্টোলিক চাপ। রক্ত সঞ্চালনের বিরুদ্ধে রক্তনালীর বাধা থেকে এই চাপের সৃষ্টি।

    রক্তচাপকে মিলিমিটার (পারদ) বা mmHg এককে মাপা হয়। ধরে নেওয়া যাক আপনার রক্তচাপ ১২০/৮০ মিলিমিটার (পারদ)। তাহলে সিস্টোলিক চাপ হবে ১২০ এবং ডায়াস্টোলিক চাপ হবে ৮০।

    মানুষের রক্তচাপ একে অপরের থেকে কিছুটা ভিন্ন হয়ে থাকে। একজনের জন্য যেই রক্তচাপ বেশি বা কম, তা অন্যজনের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক হতে পারে। রক্তচাপ যদি ৯০/৬০ থেকে ১২০/৮০—এই সীমার মধ্যে থাকে তাহলে তা স্বাভাবিক রক্তচাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

    সাধারণত উচ্চ রক্তচাপ বলা হয় যদি—

    • রক্তচাপ সবসময় ১৪০/৯০ বা এর বেশি থাকে
    • ৮০ বছর বা তার অধিক বয়সীদের ক্ষেত্রে রক্তচাপ যদি ১৫০/৯০ বা এর বেশি থাকে

    রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার কারণ

    উচ্চ রক্তচাপের নির্দিষ্ট কারণটি সবসময় চিহ্নিত করা যায় না। তবে বিভিন্ন কারণে এই সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিগুলোর মধ্যে রয়েছে—

    • ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হওয়া
    • অতিরিক্ত লবণ খাওয়া
    • খাবারের তালিকায় যথেষ্ট পরিমাণে শাকসবজি ও ফলমূল না থাকা
    • অতিরিক্ত পরিমাণে মদপান করা
    • অতিরিক্ত চা-কফি, কোমল পানীয় ও অন্যান্য ক্যাফেইন-জাতীয় পানীয় খাওয়ার অভ্যাস থাকা
    • পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম না করা
    • ধূমপান করা
    • রাতে একটানা ৬-৮ ঘণ্টার চেয়ে কম ঘুমানো
    • বয়স পঁয়ষট্টি বছরের ঊর্ধ্বে হওয়া
    • পরিবারে বাবা, মা, ভাই-বোনের মত নিকট আত্মীয়দের হাই ব্লাড প্রেশার থাকা

    রক্তচাপ ১২০/৮০ থেকে ১৪০/৯০— এর মাঝে থাকলে ভবিষ্যতে উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সময়মতো যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তা না হলে এই ঝুঁকি রয়ে যায়, এমনকি তা দিন দিন বাড়তে থাকে।

    রক্তচাপ স্বাভাবিকের তুলনায় অত্যধিক বেড়ে গেলে তা রোগীর রক্তনালী, হৃৎপিণ্ড, মস্তিষ্ক, কিডনি ও চোখের মত অঙ্গে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। রক্তচাপ একটানা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে মারাত্মক ও প্রাণঘাতী কিছু রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। যেমন—

    • হৃদরোগ
    • হার্ট অ্যাটাক
    • স্ট্রোক
    • হার্ট ফেইলিউর (Heart Failure)
    • কিডনির সমস্যা
    • পায়ে রক্ত চলাচল কমে যাওয়া (Peripheral Artery Disease)। ফলস্বরূপ গ্যাংগ্রিন বা পচা ঘা হতে পারে।
    • অ্যাওর্টা নামক দেহের বৃহত্তম ধমনীর রোগ (Aortic Aneurysms)
    • মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট ডিমেনশিয়া (Vascular Dementia)

    রক্তচাপ যৎসামান্য কমানোর মাধ্যমেও এসব ঝুঁকি কমিয়ে আনা সম্ভব।

    প্রেসার মাপার নিয়ম

    সাধারণত চল্লিশোর্ধ সুস্থ ব্যক্তিদের প্রতি ৫ বছরে অন্তত এক বার রক্তচাপ মেপে দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে যাদের উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে তাদের ক্ষেত্রে বছরে অন্তত একবার রক্তচাপ মেপে দেখা উচিত। রক্তচাপ পর্যবেক্ষণে রাখার মাধ্যমে সহজেই বিভিন্ন মারাত্মক স্বাস্থ্য জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।

    রক্তচাপ মেপে দেখার প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ। বাসায় কিভাবে রক্তচাপ মাপবেন এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন কি না কীভাবে বুঝবেন আর্টিকেলটি পড়ুন। নিচের ভিডিও থেকে সঠিকভাবে রক্তচাপ মাপার পদ্ধতি জেনে নিতে পারেন।

    উচ্চ রক্তচাপ

    উচ্চ রক্তচাপ থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসা নিয়ে ঝুঁকিমুক্ত স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সম্ভব

    লিখেছেন ডা. বিদিশা কুন্ডু প্রমা

     মেডিকেল রিভিউ করেছেন ডা. ইমা ইসলাম

    উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার বা হাইপারটেনশন একটি অতি পরিচিত রোগ। সময়মত রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা না করা হলে, উচ্চ রক্তচাপ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মত মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

    অনেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি উচ্চ রক্তচাপে ভুগলেও তারা সেই সম্পর্কে অবগত থাকেন না। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত প্রায় অর্ধেক রোগীই জানেন না যে তারা এ রোগে ভুগছেন।

    উচ্চ রক্তচাপ থাকা সত্ত্বেও, একজন ব্যক্তি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিয়ে ঝুঁকিমুক্ত স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে। এ ছাড়াও সুস্থ ব্যক্তির ক্ষেত্রে জীবনধারায় কিছু পরিবর্তন আনার মাধ্যমে সহজেই উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমানো যায়।

    • লক্ষণসমূহ
    • কারণসমূহ
    • স্বাস্থ্য ঝুঁকি
    • প্রেসার মাপার নিয়ম
    • কমানোর উপায়

    উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণসমূহ

    সাধারণত হাই প্রেসার এর বিশেষ কোনো লক্ষণ থাকে না। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আছে কি না তা বোঝার উপায় হলো নিয়মিত রক্তচাপ মাপা। রক্তচাপ মাপার ক্ষেত্রে রক্ত মাপার যন্ত্র দ্বারা দুইটি সংখ্যা রেকর্ড করা হয়—

    • সিস্টোলিক প্রেসার বা চাপ: দুটি রিডিং এর মধ্যে বড় সংখ্যা বা ওপরের মানটি হলো সিস্টোলিক চাপ। হৃৎপিণ্ড থেকে প্রতি স্পন্দনে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালনের সময়ে এই চাপ সৃষ্টি হয়।
    • ডায়াস্টোলিক প্রেসার বা চাপ: রিডিং দুটির মধ্যে ছোট সংখ্যা বা নিচের মানটি হলো ডায়াস্টোলিক চাপ। রক্ত সঞ্চালনের বিরুদ্ধে রক্তনালীর বাধা থেকে এই চাপের সৃষ্টি।

    রক্তচাপকে মিলিমিটার (পারদ) বা mmHg এককে মাপা হয়। ধরে নেওয়া যাক আপনার রক্তচাপ ১২০/৮০ মিলিমিটার (পারদ)। তাহলে সিস্টোলিক চাপ হবে ১২০ এবং ডায়াস্টোলিক চাপ হবে ৮০।

    মানুষের রক্তচাপ একে অপরের থেকে কিছুটা ভিন্ন হয়ে থাকে। একজনের জন্য যেই রক্তচাপ বেশি বা কম, তা অন্যজনের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক হতে পারে। রক্তচাপ যদি ৯০/৬০ থেকে ১২০/৮০—এই সীমার মধ্যে থাকে তাহলে তা স্বাভাবিক রক্তচাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

    সাধারণত উচ্চ রক্তচাপ বলা হয় যদি—

    • রক্তচাপ সবসময় ১৪০/৯০ বা এর বেশি থাকে
    • ৮০ বছর বা তার অধিক বয়সীদের ক্ষেত্রে রক্তচাপ যদি ১৫০/৯০ বা এর বেশি থাকে

    রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার কারণ

    উচ্চ রক্তচাপের নির্দিষ্ট কারণটি সবসময় চিহ্নিত করা যায় না। তবে বিভিন্ন কারণে এই সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিগুলোর মধ্যে রয়েছে—

    • ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হওয়া
    • অতিরিক্ত লবণ খাওয়া
    • খাবারের তালিকায় যথেষ্ট পরিমাণে শাকসবজি ও ফলমূল না থাকা
    • অতিরিক্ত পরিমাণে মদপান করা
    • অতিরিক্ত চা-কফি, কোমল পানীয় ও অন্যান্য ক্যাফেইন-জাতীয় পানীয় খাওয়ার অভ্যাস থাকা
    • পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম না করা
    • ধূমপান করা
    • রাতে একটানা ৬-৮ ঘণ্টার চেয়ে কম ঘুমানো
    • বয়স পঁয়ষট্টি বছরের ঊর্ধ্বে হওয়া
    • পরিবারে বাবা, মা, ভাই-বোনের মত নিকট আত্মীয়দের হাই ব্লাড প্রেশার থাকা

    উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি

    রক্তচাপ ১২০/৮০ থেকে ১৪০/৯০— এর মাঝে থাকলে ভবিষ্যতে উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সময়মতো যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তা না হলে এই ঝুঁকি রয়ে যায়, এমনকি তা দিন দিন বাড়তে থাকে।

    রক্তচাপ স্বাভাবিকের তুলনায় অত্যধিক বেড়ে গেলে তা রোগীর রক্তনালী, হৃৎপিণ্ড, মস্তিষ্ক, কিডনি ও চোখের মত অঙ্গে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। রক্তচাপ একটানা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে মারাত্মক ও প্রাণঘাতী কিছু রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। যেমন—

    • হৃদরোগ
    • হার্ট অ্যাটাক
    • স্ট্রোক
    • হার্ট ফেইলিউর (Heart Failure)
    • কিডনির সমস্যা
    • পায়ে রক্ত চলাচল কমে যাওয়া (Peripheral Artery Disease)। ফলস্বরূপ গ্যাংগ্রিন বা পচা ঘা হতে পারে।
    • অ্যাওর্টা নামক দেহের বৃহত্তম ধমনীর রোগ (Aortic Aneurysms)
    • মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট ডিমেনশিয়া (Vascular Dementia)

    রক্তচাপ যৎসামান্য কমানোর মাধ্যমেও এসব ঝুঁকি কমিয়ে আনা সম্ভব।

    প্রেসার মাপার নিয়ম

    সাধারণত চল্লিশোর্ধ সুস্থ ব্যক্তিদের প্রতি ৫ বছরে অন্তত এক বার রক্তচাপ মেপে দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে যাদের উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে তাদের ক্ষেত্রে বছরে অন্তত একবার রক্তচাপ মেপে দেখা উচিত। রক্তচাপ পর্যবেক্ষণে রাখার মাধ্যমে সহজেই বিভিন্ন মারাত্মক স্বাস্থ্য জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।

    রক্তচাপ মেপে দেখার প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ। বাসায় কিভাবে রক্তচাপ মাপবেন এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন কি না কীভাবে বুঝবেন আর্টিকেলটি পড়ুন। নিচের ভিডিও থেকে সঠিকভাবে রক্তচাপ মাপার পদ্ধতি জেনে নিতে পারেন।

    হাই প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপ কমানোর উপায়

    নিয়মিত উচ্চ রক্তচাপ দেখা দিলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সময়মতো যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তা না হলে এই ঝুঁকি রয়ে যায়, এমনকি তা দিন দিন বাড়তে থাকে।

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডাক্তাররা দুটি পথ অবলম্বনের পরামর্শ দেন। প্রথমে জীবনধারায় স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন আনার উপদেশ দেওয়া হয়। এভাবে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না আসলে সুস্থ জীবনধারা মেনে চলার পাশাপাশি ঔষধ সেবনের পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে রোগ নির্ণয়ের সময়ে যদি প্রেসার অনেক বেশি থাকে তাহলে শুরুতেই জীবনধারা পরিবর্তনের পাশাপাশি ঔষধ সেবনের পরামর্শ দেওয়া হয়।

    জীবনধারায় স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন আনলে তা উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। এছাড়া ইতোমধ্যে উচ্চ রক্তচাপ হয়ে থাকলে সেটিও নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে।

    বিভিন্ন রোগীর রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি কার্যকর হতে পারে। আপনার জন্য কোন পদ্ধতিটি সবচেয়ে উপযুক্ত তা জানতে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

    উচ্চ রক্তচাপ কমাতে জীবনধারার পরিবর্তন

    জীবনধারার কিছু স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ করতে এবং বেড়ে যাওয়া রক্তচাপ কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। এমন কিছু পরিবর্তন হলো—

    • খাবারে লবণের পরিমাণ কমানো
    • স্বাস্থ্যকর খাবারের অভ্যাস তৈরি করা
    • মদপান কমিয়ে ফেলা
    • অতিরিক্ত ওজন কমানো
    • নিয়মিত ব্যায়াম করা
    • অতিরিক্ত ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় পান করা থেকে বিরত থাকা
    • ধূমপান ছেড়ে দেওয়া

    উচ্চ রক্তচাপের ঔষধ

    উচ্চ রক্তচাপ সনাক্ত হলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডাক্তার রোগীকে এক বা একাধিক ঔষধ সেবনের পরামর্শ দিতে পারেন। সঠিক ঔষধ বেছে নিতে রোগীর রক্তচাপ, বয়স, বর্ণ ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকির বিষয়গুলো বিবেচনা করা হয়।

    ঔষধগুলো সাধারণত ট্যাবলেট আকারে পাওয়া যায় এবং দিনে একবার সেবন করতে পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে প্রয়োজনবোধে দিনে দুইবার করে সেবনের পরামর্শও দেওয়া হতে পারে।

    রক্তচাপ অত্যধিক বেড়ে গেলে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে অনেক রোগীকে একাধিক ঔষধ সমন্বয় করে সেবন করতে হতে পারে।

    যে কাজটি কখনই করবেন না

    শারীরিকভাবে সুস্থ বোধ করলে অনেকে ঔষধ খাওয়া ছেড়ে দেন, বা নিজে নিজে ডোজ কমিয়ে ফেলেন। এই কাজটি একেবারেই অনুচিত। এর ফলে প্রেসার বেড়ে গিয়ে স্ট্রোক, কিডনির রোগ, অন্ধত্বসহ বিভিন্ন জটিল ও জীবনঘাতী স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে।তাই নিয়মিত সঠিক ডোজে ঔষধ সেবন করা উচিত। ঔষধ সেবনের পাশাপাশি জীবনধারায় সুষম ও পরিমিত খাবার, ব্যায়ামের অভ্যাস, ধূমপান ত্যাগ—এসব স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন আনলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেকটাই সহজ হয়ে আসবে।

    উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধগুলোর মধ্যে সর্বাধিক পরিচিত কিছু ঔষধ হলো—

    • এসিই ইনহিবিটর। যেমন: এনালাপ্রিল, লিসিনোপ্রিল ও র‍্যামিপ্রিল
    • অ্যানজিওটেনসিন ২ রিসেপ্টর ব্লকার। যেমন: ক্যান্ডেসারটান, ইরবেসারটান, ভ্যালসারটান ও ওলমিসারটান
    • ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার। যেমন: অ্যামলোডিপিন, নিফেডিপিন, ডিল্টিয়াজেম ও ভেরাপামিল
    • ডাইউরেটিক্স। যেমন: ইন্ডাপামাইড ও বেন্ড্রোফ্লুমেথায়াজাইড
    • বেটা ব্লকার। যেমন: এটেনোলল, মেটোপ্রোলল, ল্যাবেটালল, কার্ভেডিলল ও বিসোপ্রোলল
    • আলফা ব্লকার। যেমন: ডক্সাজোসিন
    • অন্যান্য ডাইউরেটিক্স। যেমন: স্পাইরোনোল্যাক্টোন ও অ্যামিলোরাইড

    বি.দ্রঃ যেকোন ঔষধ সেবনের পূর্বে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন। ঔষধের নাম এবং মাত্রা চিকিৎসক বুঝবেন। নিজে নিজেই কোন ঔষধ গ্রহণ মৃত্যু ডেকে আনতে পারে।

    তথ্যসূত্রঃ ইন্টার্নেট

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 72 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
Khandaker Ashaduzzaman
Khandaker Ashaduzzamanসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

পেটে ব্যাথা কখন ঝুঁকিপূর্ণ?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 26 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

Diabetes রোগীরা ভুলেও খাবেন না কোন কোন সবজি ?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

     ডায়াবিটিস একটি জটিলতম অসুখ। এই রোগকে নিয়ন্ত্রণে না রাখলে শরীরের একাধিক অঙ্গের ক্ষতি হতে পারে। তাই ডায়াবিটিস রোগীরা সুস্থ থাকার ইচ্ছে থাকলে অতি পরিচিত কিছু সবজি খাওয়ার লোভ সামলান। তাহলেই কিন্তু আপনার স্বাস্থ্যের হাল ফিরবে। চিকিৎসকদের একাংশের কথায়, ভারতে ডায়াবিটিস প্রায় মহামারীর পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে।বিস্তারিত পড়ুন

     ডায়াবিটিস একটি জটিলতম অসুখ। এই রোগকে নিয়ন্ত্রণে না রাখলে শরীরের একাধিক অঙ্গের ক্ষতি হতে পারে। তাই ডায়াবিটিস রোগীরা সুস্থ থাকার ইচ্ছে থাকলে অতি পরিচিত কিছু সবজি খাওয়ার লোভ সামলান। তাহলেই কিন্তু আপনার স্বাস্থ্যের হাল ফিরবে।

    মহামারীর পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে​

    চিকিৎসকদের একাংশের কথায়, ভারতে ডায়াবিটিস প্রায় মহামারীর পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। তাই আজকাল প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই এই রোগে আক্রান্ত রোগীর খোঁজ মেলে।

    ​সাবধান না হলেই চিত্তির!​

    ডায়াবিটিসের মতো একটি রোগকে বশে না রাখতে পারলে কিডনি, হার্ট, লিভার সহ দেহের একাধিক অঙ্গের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই নীরোগ জীবন কাটাতে চাইলে একটু সমঝে চলাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

    ​কিছু সবজিতে রয়েছে বারণ​

    যেসব সবজিতে রয়েছে বারণ​

    মনে রাখবেন, লাইফে ডায়াবিটিস ‘এন্ট্রি’ নিলে কিছু অত্যন্ত প্রিয় সবজিকে ‘এক্সিট’ দিতে হবে। তাহলেই আপনি সুস্থ-সবল জীবনযাপন করতে পারবেন। তাই আর দেরি না করে ঝটপট জেনে নিন সেসব সবজি সম্পর্কে যেগুলি ডায়াবেটিকদের জন্য় বিষের সমান।

    • আলু থেকে সাবধান…​

      আলু থেকে সাবধান…​

      ডায়াবিটিস রোগীরা যত দ্রুত সম্ভব আলুর থেকে দূরত্ব তৈরি করুন। কারণ আলুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কার্ব যা কিনা দেহে চটজলদি সুগার বাড়াতে পারে। এমনকী এনসিবিআই-এর এক গবেষণা জানাচ্ছে যে, আলুর জিআই ভ্যালু প্রায় ৮২। তাই আলু খেলে যে ওজন বাড়বেই, এটা সহজেই অনুমেয়।

      মটরশুঁটি নয়​

      5/8

      মটরশুঁটি নয়​

      আপনার অতি প্রিয় মটরশুঁটিও কিন্তু বেশি খাওয়া চলবে না। কারণ এই সবজিতেও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কার্ব যা কিনা শরীরের হাল বেহাল করার কাজে সিদ্ধহস্ত। সুতরাং ডায়াবিটিস রোগীরা মটরশুঁটি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।

    • ​মিষ্টি আলুও নৈব নৈব চ…​

      ​মিষ্টি আলুও নৈব নৈব চ…​

      অনেকেই মনে করেন, ডায়াবিটিসে বোধহয় মিষ্টি আলু খাওয়া উপকারী। তবে বিষয়টা একবারেই তেমন নয়। বরং মিষ্টি আলু খেলেও সুগার বাড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই যত দ্রুত সম্ভব এই আলুর সঙ্গেও দূরত্ব বাড়ান।

    • ​কচু খেলেও ফেঁসে যাবেন​

      ​কচু খেলেও ফেঁসে যাবেন​

      কচুর গ্লাইসেমিক লোড অনেকটাই বেশি। তাই এই মাটির নীচের সবজি খেলে যে রক্তে চটজলদি সুগারের মাত্রা বেড়ে যাবে, তা তো বলাই বাহুল্য! সুতরাং সুস্থ-সবল জীবনযাপন করার ইচ্ছে থাকলে কচু খাওয়া ছাড়ুন।

      ভেজিটেবল জুস খাবেন না​

      ভেজিটেবল জুস খাবেন না​

      সবজির জুস খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে কি? উত্তর হ্যাঁ হলে যে বড্ড মুশকিল মশাই! কারণ অতি উপকারী সবজির জুস করে খেলে তার ফাইবার অংশ নষ্ট হয়ে যাবে। ফলে সুগার বাড়বে দ্রুত গতিতে। তাই জুস করে সবজি খাওয়ার ভুলটা আর করবেন না।​

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 34 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

বেশীক্ষণ ঘুমালে চোখ লাল হয় কেন?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 21 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

পানিতে ভেজালে আঙুলের ত্বক কুঁচকে যায় কেন?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 9 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 12 মাস আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

হার্ট এটাক করলে ডাক্তাররা রোগীর বুকে চাপ দেন কেন?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 11 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
আরও প্রশ্ন লোড করুন

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • mar7w7
    mar7w7 একটি উত্তর দিয়েছেন great post! জুন 15, 2026, সময়ঃ 2:56 পূর্বাহ্ন
  • M Sarah
    M Sarah একটি উত্তর দিয়েছেন তাফসীরুল কুরআনিল আযীম বা তাফসীরে ইবনে কাসীর ইসলামী বিশ্বের অন্যতম… জুন 10, 2026, সময়ঃ 9:18 পূর্বাহ্ন
  • rakib
    rakib একটি উত্তর দিয়েছেন ২০২৬ সালে বাংলাদেশে বিয়ের গহনার দাম নির্ভর করে সোনার ক্যারেট,… মে 3, 2026, সময়ঃ 10:32 পূর্বাহ্ন
  • Jesmin
    Jesmin একটি উত্তর দিয়েছেন HSC ২০২৬ পরীক্ষা শুরু হতে মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। ২… এপ্রিল 27, 2026, সময়ঃ 2:01 অপরাহ্ন
  • Sinclair
    Sinclair একটি উত্তর দিয়েছেন When shopping for best sex dolls, most buyers tend to… এপ্রিল 17, 2026, সময়ঃ 3:10 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 106 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 118 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,119 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 156 বার প্রদর্শিত
  • WordPress Themes & Plugins

    WordPress Themes & Plugins

    • 2 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 209 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

M Sarah

M Sarah

  • 0 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
pooja ramola

pooja ramola

  • 1 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
wwwqrb.transfer702.pages.dev - WITHDRAW FUNDS 1.2809 BTC d

wwwqrb.transfer702.pages.dev - WITHDRAW FUNDS 1.2809 BTC d

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwgsb.transfer702.pages.dev - BTC TRANSFER 94858 USDT m

wwwgsb.transfer702.pages.dev - BTC TRANSFER 94858 USDT m

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwisr.transfer702.pages.dev - YOUR BALANCE 90353 USDC p

wwwisr.transfer702.pages.dev - YOUR BALANCE 90353 USDC p

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন