সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

স্বাস্থ্য

Health related all questions.

শেয়ার করুন
  • Facebook
13 ফলোয়ার
127 উত্তর
273 প্রশ্ন
হোমপেজ/স্বাস্থ্য/Page 14
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সাম্প্রতিক প্রশ্ন
  • সর্বাধিক উত্তর
  • উত্তর
  • অনুত্তরিত
  • সর্বাধিক দেখা
  • সর্বাধিক পছন্দকৃত
  • এলোমেলো

AddaBuzz.net Latest প্রশ্ন

murad
muradপণ্ডিত
সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

মাইগ্রেন কি, মাইগ্রেনের ওষুধ, লক্ষণ ও প্রতিকার কি?

  1. allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 5 বছর আগে

    মাইগ্রেন বা ‘আধ কপালি’ মাথা ব্যথা বর্তমানে খুব সাধারণ একটি স্নায়বিক রোগ। বিশ্বের প্রায় ১০% মানুষ এতে ভোগেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার করা এক সমীক্ষা অনুযায়ী মাইগ্রেন ব্যাপকতায় বিশ্বে তৃতীয় সাধারণ রোগ ও অষ্টম দুর্ভোগজনক রোগ। তাই বোঝাই যাচ্ছে এই রোগের কারণ, উপসর্গ এবং তার থেকে রেহাই পাওয়ার কিছু উপায় জেনবিস্তারিত পড়ুন

    মাইগ্রেন বা ‘আধ কপালি’ মাথা ব্যথা বর্তমানে খুব সাধারণ একটি স্নায়বিক রোগ। বিশ্বের প্রায় ১০% মানুষ এতে ভোগেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার করা এক সমীক্ষা অনুযায়ী মাইগ্রেন ব্যাপকতায় বিশ্বে তৃতীয় সাধারণ রোগ ও অষ্টম দুর্ভোগজনক রোগ। তাই বোঝাই যাচ্ছে এই রোগের কারণ, উপসর্গ এবং তার থেকে রেহাই পাওয়ার কিছু উপায় জেনে রাখা সকলেরই প্রয়োজন।

    প্রাচীনকালে এই মাথা ব্যথাকে ‘আধ কপালি’ ব্যথা বলা হত। মাইগ্রেন শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ ‘হেমিক্রেনিয়া’ থেকে। হেমি মানে অর্ধেক আর ক্রেনিয়া মানে মাথার খুলি বা করোটি। এই ব্যথা অর্ধ মাথায় হয় বলে এর নামকরণ করা হয় হেমিক্রেনিয়া আর বাংলা ‘আধকপালি’। মাইগ্রেন মাথার যে কোনো এক পাশ থেকে শুরু হয়ে বিস্তৃত আকার ধারণ করে। মস্তিষ্কের বহিরাবরণে যে ধমনিগুলো আছে সেগুলো মাথাব্যথার প্রারম্ভে স্ফীত হয়ে ফুলে যায়। অর্থাৎ রক্তবাহী শিরাগুলো যখন মস্তিস্কে ঠিকমতো রক্ত সরবরাহ করে না। সাধারণত এই ব্যথা দপদপ (pulsating) করে,  মাথাব্যথার সঙ্গে বমি এবং বমি বমি ভাবে রোগীর দৃষ্টিবিভ্রম হতে পারে।  মাইগ্রেন একধরনের প্রাইমারি হেডেক, যা নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময় সম্ভব। আর জেনে রাখা ভাল সব মাথা ব্যথা মাইগ্রেন নয় –  দৃষ্টিস্বল্পতা, মস্তিষ্কের টিউমার, মাথায় অন্য সমস্যার কারণে মাথাব্যথা হতে পারে।

    কিছু কিছু উপসর্গ জেনে রাখলে অন্যান্য মাথা ব্যথার সঙ্গে মাইগ্রেনের পার্থক্য করা সম্ভব। যেমন, এই ব্যথা ২ ঘণ্টা থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত হতে পারে। বমি বমি ভাব হতে পারে, আলোর দিকে তাকাতে অসুবিধে হয়, শব্দের জন্য ব্যথা বাড়তে পারে। ঘনঘন হাই ওঠা, কাজে মনোনিবেশ করতে অসুবিধে, খিটখিটে মেজাজ ব্যথা হওয়ার আগেও হতে পারে। অনেকে এই ব্যথা হওয়ার কিছু আগে আলোর ঝলকানি (aura) দেখতে পান। যাঁরা আলোর ঝলকানি দেখেন না তাঁদের ক্ষেত্রে অনেকে ৫-৪-৩-২-১ লক্ষণ দিয়ে মাইগ্রেন বোঝা যায়।
    ৫-৪-৩-২-১ লক্ষণটি হল –

    • ৫ বা তার বেশি বার ব্যথা যা অন্তত ৪ ঘন্টা থেকে ৩ দিন স্থায়ী হয়।
    • ব্যথার লক্ষণ অন্তত এগুলির ২টি হতেই হবে – মাথার এক দিকে ব্যথা, দপদপ করা, মাঝারি থেকে তীব্র ব্যথা।
    • এর সঙ্গে অন্তত ১ টি উপসর্গ থাকতে হবে – বমি বমি ভাব, আলো বা শব্দের প্রতি সংবেদনশীলতা।

    মাইগ্রেনের কারণঃ

    ১। বংশগতঃ অন্যান্য অনেক রোগের মত এটিও অনেক ক্ষেত্রে বংশগত রোগ। অন্তত ৩৪-৫১ শতাংশ ক্ষেত্রে জিনগত প্রভাব থাকে এবং মাইগ্রেন হওয়ার সম্ভবনা বাড়িয়ে তোলে।

    ২। দুশ্চিন্তা ও অস্থিরতাঃ ‘টেনশন’ আজকের দিনে একটি অতি সাধারণ একটি বিষয়। যাঁরা সবসময় নানা কারণে চিন্তাগ্রস্ত থাকেন বা দুশ্চিন্তায় ভোগেন তাদের ক্ষেত্রে এর প্রকোপ বেশি। উচ্চ রক্তচাপ, হতাশা, নিদ্রাহীনতা ইত্যাদিও মাইগ্রেনের কারণ।

    ৩। হরমোনের প্রভাবঃ এটি সাধারণত মেয়েদের উপর বেশি প্রভাব ফেলে। গবেষকদের মতে মাথাব্যথার সাথে নির্দিষ্ট কিছু যৌন হরমোনের সংযোগ রয়েছে। যাদের নিয়মিত মাসিক হয় না তাদের এই মাইগ্রেনের হার বেশি। আবার অনেকের ক্ষেত্রে প্রত্যেক মাসিকের পূর্বাবস্থায় এই মাইগ্রেনের ব্যথা উঠতে পারে। অন্যদিকে যেসব মহিলারা দীর্ঘদিন জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবন করেন তাদের মাঝেও এই রোগের লক্ষণ বেশি দেখা যায়।

    ৪। আবহাওয়ার পরিবর্তনঃ বর্তমানে পরিবেশদূষণের প্রভাব সকলের উপর পড়ছে। আর এমনই এক প্রভাবে ফলে হিসাবে সৃষ্টি হয়েছে মাইগ্রেন। সম্প্রতি এক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, গ্রাম অঞ্চলের লোকদের চেয়ে শহর অঞ্চলের লোকদের মাঝে এর প্রভাব বেশি। তাই ধারণা করা হচ্ছে পরিবেশও মাইগ্রেনের একটা কারণ।

    ৫। মস্তিস্কে বিভিন্ন রাসায়নিকের পরিবর্তনঃ স্নায়বিক উদ্দীপনা এক স্নায়ু থেকে অন্য স্নায়ুতে পাঠানোর জন্য বেশ কিছু রাসায়নিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে, এই রাসায়নিকগুলির পরিমান কোন কারণে ( বিভিন্ন ওষুধের প্বার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, অতিরিক্ত এলকোহল, ক্যাফিন এর প্রভাব) পরিবর্তিত হলে ভারসাম্য নষ্ট হয়। এর ফলে মাইগ্রেন হতে পারে।

     

    মাইগ্রেন প্রতিরোধের উপায়ঃ

    • মাইগ্রেন নিয়মিত চিকিৎসায় সেরে ওঠে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা উচিত। তাৎক্ষণিক এবং প্রতিরোধক ওষুধের পাশাপাশি কিছু নিয়মকানুন মেনে চললে সমস্যা অনেকাংশে কমে যায়।
    • প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ও পরিমিত ঘুম দরকার।
    • অতিরিক্ত বা কম আলোতে কাজ না করা।
    • বেশি রোদ বা ঠান্ডা পরিহার করা।
    • উচ্চশব্দ ও কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে বেশিক্ষণ না থাকা।
    • বেশি সময় ধরে মোবাইল। কম্পিউটারের মনিটর ও টিভির সামনে না থাকা।
    • মাইগ্রেন শুরু হয়ে গেলে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা (বিশেষ করে বমি হয়ে থাকলে), বিশ্রাম করা, ঠান্ডা কাপড় মাথায় জড়িয়ে রাখা উচিত।
    • এছাড়া খাদ্যাভ্যাসেও কিছু পরিবর্তন আনা উচিত। কিছু খাবার গ্রহণ করলে মাইগ্রেন এর প্রতিরোধ হয়, যেমন – ম্যাগনেশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার (যেমন ঢেঁকি ছাঁটা চালের ভাত, আলু ও বার্লি), বিভিন্ন ফল (বিশেষ করে খেজুর ও ডুমুর), সবুজ, হলুদ ও কমলা রঙের শাকসবজি, ইত্যাদি।
    • কিছু খাবার এড়িয়ে চললে মাইগ্রেনের ব্যথার সম্ভবনা কম হয়, যেমন – চা, কফি ও কোমলপানীয়, চকলেট, আইসক্রিম, দই, দুধ, মাখন, টমেটো ও টক জাতীয় ফ্ল, গম জাতীয় খাবার (যেমন রুটি, পাস্তা, ব্রেড ) ইত্যাদি।

     

    ভাল লাগলে আমায় YOUTUBE CHANNEL টা ঘুরে আসতে পারেন

    https://youtube.com/allaboutsubha

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 83 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
biplob
biplobনতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

জিংক বি ট্যাবলেট ও বাচ্চাদের জিংক সিরাপ এর উপকারিতা কি? zinc 20 mg b tablet এর কাজ কি?

  1. পলক
    পলক পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    নির্দেশনা ইহা জিংক এবং বি ভিটামিন সমূহের ঘাটতি পূরণে এবং প্রতিরোধমূলক চিকিৎসায় নির্দেশিত। ফার্মাকোলজি জিংক অনেক বায়োলজিক্যাল ফাংশন যেমন-রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ক্ষত সারানো, পরিপাক, প্রজনন, শারীরিক বৃদ্ধি এবং মানসিক বিকাশের জন্য অপরিহার্য। জিংক গর্ভাবস্থায়, শৈশব এবং কৈশোরে স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবংবিস্তারিত পড়ুন

    নির্দেশনা

    ইহা জিংক এবং বি ভিটামিন সমূহের ঘাটতি পূরণে এবং প্রতিরোধমূলক চিকিৎসায় নির্দেশিত।

    ফার্মাকোলজি

    জিংক অনেক বায়োলজিক্যাল ফাংশন যেমন-রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ক্ষত সারানো, পরিপাক, প্রজনন, শারীরিক বৃদ্ধি এবং মানসিক বিকাশের জন্য অপরিহার্য। জিংক গর্ভাবস্থায়, শৈশব এবং কৈশোরে স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং গঠনে সহায়তা করে। জিংক এর কিছু এন্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতাও রয়েছে। শিশুদের এডিএইচডি (এটেনশন ডেফিসিট হাইপার-অ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার) চিকিৎসায়ও জিংক ব্যবহৃত হয়। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে জিংক এর অভাবে ক্ষুধামান্দ্য, স্বাদ এবং ঘ্রাণ গ্রহণের ক্ষমতা কমে যাওয়া, বিষণ্ণতার প্রবনতা, নখে সাদা দাগ, ঘন ঘন ইনফেকশন, দূর্বল প্রজনন ক্ষমতা, প্রস্টেট এর সমস্যা, মানসিক সমস্যা, দেরিতে ঘা শুকানো, দূর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, ডায়রিয়া, মানসিক দূর্বলতা, অমসৃন ত্বক ও ওজন হ্রাস হতে পারে।

    বি-ভিটামিন খাদ্য থেকে শক্তি তৈরীতে প্রয়োজনীয়। শিশু ও বয়স্কদের সুস্থ মস্তিষ্ক ও স্নায়ুর সঠিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে এবং সুগঠিত লোহিত রক্ত কণিকা তৈরীতে বি ভিটামিনগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে শিশুর সঠিক বৃদ্ধি ও বিকাশে এটি বিশেষভাবে প্রয়োজনীয়। বি ভিটামিনের অভাবে প্রাপ্তবয়স্কদের গভীর অবসন্নতা এবং বিভিন্ন ধরনের স্নায়বিক সমস্যা যেমন- দূর্বলতা, ভারসাম্যহীনতা, দ্বিধাগ্রস্ততা, বিরক্তিভাব, স্মৃতিভ্রম, ভীতি, হাত-পা এ শির শির ভাব এবং সমন্বয়হীনতা দেখা দিতে পারে। এছাড়া বি-ভিটমিনের অভাবে নিদ্রা সমস্যা, বমি বমি ভাব, ক্ষুধামান্দ্য, ঘন ঘন ইনফেকশন এবং চর্মরোগ দেখা দেয়।
    মাত্রা ও সেবনবিধি

    সিরাপ

    প্রাপ্ত বয়স্ক: দৈনিক ১০ মিঃলিঃ (২ চা-চামচ করে), ২-৩ বার বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
    বাচ্চা: দৈনিক ১০ মিঃলিঃ (২ চা-চামচ করে), ১-৩ বার বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
    শিশু: দৈনিক ৫ মিঃলিঃ (১ চা-চামচ করে), ১-২ বার বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।

    ট্যাবলেট

    প্রাপ্ত বয়স্ক এবং শিশু যাদের ওজন ৩০ কেজি এর উপরে: ১ থেকে ২ টি ট্যাবলেট প্রতিদিন ২ থেকে ৩ বার বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।

    * চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ঔষধ সেবন করুন’

    সূত্রঃ MedEx

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 625 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
Khandaker Ashaduzzaman
Khandaker Ashaduzzamanসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

কোন খাবার সবচেয়ে দ্রুত ও সহজে হজম হয়?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 9 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

ধ্বজভঙ্গ রোগে হোমিও চিকিৎসা নিয়ে আজীবন সুস্থ থাকুন। হোমিও ওষুধ কি কি ধ্বজভঙ্গ রোগে ?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    আমাদের দেশে পুরুষদের যৌন দুবর্লতার মতো সমস্যাগুলো মনে হয় খুবই বেশী। এসবের মধ্যে ধ্বজভঙ্গ রোগটা অন্যতম। অন্তত রাস্তাঘাটের দেয়ালে দেয়ালে যেসব ডাক্তারী বিজ্ঞাপন দেখা যায়, সেগুলো দেখলে যেকোন ব্যক্তির এমন ধারণা হওয়াই স্বাভাবিক। তবে হোমিওপ্যাথির বিজ্ঞাপনই বেশি দেখা যায়। এতে অনেকের মনে হতে পারে যে, সমবিস্তারিত পড়ুন

    আমাদের দেশে পুরুষদের যৌন দুবর্লতার মতো সমস্যাগুলো মনে হয় খুবই বেশী। এসবের মধ্যে ধ্বজভঙ্গ রোগটা অন্যতম। অন্তত রাস্তাঘাটের দেয়ালে দেয়ালে যেসব ডাক্তারী বিজ্ঞাপন দেখা যায়, সেগুলো দেখলে যেকোন ব্যক্তির এমন ধারণা হওয়াই স্বাভাবিক। তবে হোমিওপ্যাথির বিজ্ঞাপনই বেশি দেখা যায়।

    এতে অনেকের মনে হতে পারে যে, সম্ভবত হোমিওপ্যাথিতে যৌন রোগের সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা আছে। হ্যাঁ, বাস্তবেও কথাটি সত্য।

    অন্য যাবতীয় রোগের মতো যৌন রোগেরও সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা আছে হোমিওপ্যাথিতে। আমার কাছে (ডাক্তার) যৌন দূর্বলতার যত রোগী এসেছে, তাদের প্রত্যেকেই বলেছেন যে, অ্যালোপ্যাথিক বা কবিরাজি চিকিৎসায় তারা কোন সত্যিকারের উপকার পান নাই।

    যতদিন ঔষধ খাই ততদিনই ভাল থাকি কিন্তু ঔষধ বন্ধ করলেই অবস্থা আগের মতো হয়ে যায়। অন্যদিকে, মহিলাদের যৌন দূর্বলতা, যৌনকর্মে অনীহা ইত্যাদি থাকতে পারে এবং হোমিওপ্যাথিতে এগুলোরও চমৎকার চিকিৎসা আছে।

    আবার নারী-পুরুষ উভয়েরই যৌনশক্তি মাত্রাতিরিক্ত থাকতে পারে এবং অনেকে সময়মতো বিবাহ করতে না পারার কারনে অথবা অকালে স্ত্রীর মৃত্যু, তালাক কিংবা বিধবা হওয়ার কারণে তাদের যৌন চাহিদা পূরণ করতে পারেন না এবং এই সমস্যা নিয়ে তারা বিপদে পড়েন।

    এসব ক্ষেত্রে হোমিও ঔষধের মাধ্যমে কিছুদিনের জন্য যৌনশক্তি কমিয়ে রাখা যায় এবং এতে আপনার শরীরের বা যৌনশক্তির কোন ক্ষতির সম্ভাবনা নাই। তবে সম্ভব হলে জীবন সঙ্গী দ্রুত বাছাই করে নেয়া উচিত।

    এখন, ধ্বজভঙ্গ সহ আরো বিভিন্ন প্রকার যৌন রোগের ক্ষেত্রে বেশি কিছু হোমিওপ্যাথি ঔষধ এর নাম নিচে লক্ষণানুযায়ী উল্লেখ করা হলো। অনুগ্রহ করে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এগুলো সেবন করবেন না।

    Origanum Marjorana: ওরিগ্যানাম ঔষধটি পুরুষ এবং নারীদের যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধিতে একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ। তবে এটি নিম্নশক্তিতে খাওয়া উচিত কেননা উচ্চশক্তিতে কোন ফল পাওয়া যায় না।

    Moschus Moschiferus: ডায়াবেটিস রোগীদের ধ্বজভঙ্গ রোগে এটি ভালো কাজ করে। এটি ক্ষুদ্র হয়ে যাওয়া পুরুষাঙ্গকে পূর্বের আকৃতিতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

    Kali Bromatum: বিষন্নতাজনিত কারণে যৌন দূর্বলতায় এটি প্রযোজ্য। এর প্রধান প্রধান লক্ষণগুলো হলো স্মরণশক্তির দূর্বলতা, স্নায়ুবিক দূর্বলতা, হাত দুটি সর্বদাই ব্যস্ত থাকে ও মৃগীসহ ইত্যাদি।

    Staphisagria: পুরুষদের যৌন দূর্বলতা দূর করার ক্ষেত্রে স্টেফিসেগ্রিয়া একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ। বিশেষত অতিরিক্ত যৌনকর্ম করার কারণে বা মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে যাদের ধ্বজভঙ্গ হয়ে গেছে তাদের ক্ষেত্রে বেশী প্রযোজ্য।

    এটি Q, ৩, ৬, ৩০, ২০০ ইত্যাদি যেকোন শক্তিতে খেতে পারেন। তবে যত নিম্নশক্তিতে খাওয়া যায় তত উত্তম। রোজ পাঁচ ফোটা করে সকাল-সন্ধ্যা দু’বার সেবন করতে হবে।

    বিয়ের প্রথম কিছু দিন মেয়েদের প্রস্রাব সম্পর্কিত অথবা যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত কোন সমস্যা হলে নিশ্চিন্তে স্টেফিসেগ্রিয়া নামক ঔষধটি খেতে পারেন। কারণ স্টেফিসেগ্রিয়া একই সাথে যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত রোগে এবং আঘাতজনিত রোগে সমান কাযর্কর।

    Salix Nigra: মাত্রাতিরিক্ত যৌনকর্ম, হস্তমৈথুন, স্বপ্নদোষ প্রভৃতি কারণে সৃষ্ট পুরুষদের যৌনকর্মে দূর্বলতা বা অক্ষমতার একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ হলো স্যালিক্স নাইগ্রা।

    এসব কারণে যাদের ওজন কমে গেছে এই ঔষধ একই সাথে তাদের ওজনও বাড়িয়ে দিয়ে থাকে যথেষ্ট পরিমাণে। পাশাপাশি অবিবাহিত যুবক-যুবতী বা যাদের স্বামী-স্ত্রী বিদেশে আছেন অথবা মারা গেছেন, এই ঔষধ তাদের মাত্রাতিরিক্ত উত্তেজনা কমিয়ে দিয়ে স্বাভাবিক জীবন-যাপনে সাহায্য করে।

    এটি মাদার টিংচার (Q) শক্তিতে ২০ থেকে ৫০ ফোটা করে রোজ দুবার করে খেতে পারেন। সহজ কথায়, এই ঔষধটি যাদের যৌনশক্তি স্বাভাবিকের চেয়ে কম তাদেরটা বাড়িয়ে স্বাভাবিক করবে এবং যাদেরটা স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত বেশী তাদেরটা কমিয়ে স্বাভাবিক করবে।

    Sabal Serrulata: সেবাল সেরুলেটা পুরুষদের যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে এবং পাশাপাশি হজমশক্তি, ঘুম, শারীরিক শক্তি, ওজন (কম থাকলে) ইত্যাদিও বৃদ্ধি করে।

    এটি মেয়েদেরও যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করে থাকে এবং ক্ষুদ্রাকৃতির স্তনবিশিষ্ট মেয়েদের স্তনের আকৃতি বৃদ্ধি করে থাকে।

    বয়ষ্ক পুরুষদের প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের বৃদ্ধিজনিত যেকোন সমস্যা এবং ব্রঙ্কাইটিস নির্মূল করতে পারে। এটি মাদার টিংচার (Q) শক্তিতে ২০ থেকে ৫০ ফোটা করে রোজ দুবার করে খেতে পারেন।

    Lycopodium Clavatum: লাইকোপোডিয়াম ধ্বজভঙ্গের একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। মাত্রাতিরিক্ত ধুমপানের কারণে ধ্বজভঙ্গ হলে এটি খেতে পারেন।

    লাইকোপোডিয়ামের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো এদের পেটে প্রচুর গ্যাস হয়, এদের ব্রেন খুব ভালো কিন্তু স্বাস্থ্য খুব খারাপ, এদের প্রস্রাব অথবা পাকস্থলী সংক্রান্ত কোন না কোন সমস্যা থাকবেই।

    এছাড়াও অকাল বার্ধক্য, সকাল বেলা দূর্বলতাসহ ইত্যাদি লক্ষণ প্রায়শঃই দেখা দেয়। লাইকোপোডিয়াম এই সমস্ত লক্ষণ হতে মুক্ত করে থাকে।

    Calcarea Carbonica: ক্যালকেরিয়া কার্ব যৌনশক্তি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। বিশেষত মোটা ও থলথলে স্বাস্থ্যের অধিকারী লোকদের বেলায় এটি ভালো কাজ করে।  এটি ৩০ শক্তিতে ৫ ফোটা করে রোজ সকালে একবার করে খেতে পারেন।

    Natrum Carbonicum: যেসব নারীদের পুরুষরা আলিঙ্গন করলেই বীর্যপাত হয়ে যায় (সহবাস ছাড়াই) অর্থাৎ অল্পতেই তাদের তৃপ্তি পূর্ণ যায় এবং পরে আর সঙ্গমে আগ্রহ থাকে না, তাদের জন্য উৎকৃষ্ট ঔষধ হলো নেট্রাম কার্ব।

    এই কারণে যদি তাদের সন্তানাদি না হয় অর্থাৎ বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয়, তবে নেট্রাম কার্বে সেই বন্ধ্যাত্বও সেরে যাবে।

    Caladium Seguinum: যারা যৌন মিলনে কোন আনন্দ পান না বা যৌনমিলনের পর বীর্য নির্গত হয়না বা যাদের বীর্য তাড়াতাড়ি নির্গত হয়ে যায় বা যারা মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন করে দূর্বল হয়ে পড়েছেন, তারা ক্যালাভিয়াম সেবন করুন।

    মাদার টিংচার (Q) শক্তিতে প্রতিদিন ১০ ফোটা করে দুইবেলা। ঔষধ খাওয়ার বা সেবন করার সময় কোনভাবেই অনিয়ম করা যাবে না।

    Agnus Castus: সাধারনত গনোরিয়া রোগের পরে যৌন দূর্বলতা দেখা দিলে এটি ভালো কাজ করে। পুরুষাঙ্গ ছোট এবং নরম হয়ে যায়, পায়খানা এবং প্রস্রাবের আগে-পরে আঠালো পদার্থ নির্গত হয়, ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয় এমন ক্ষেত্রে এই ঔষধ প্রযোজ্য।

    Nux Vomica: নাক্স ভমিকা ঔষধটি যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ বিশেষত যারা শীতকাতর, যাদের পেটের সমস্যা বেশী হয়, সারাক্ষণ শুয়ে-বসে থাকে, শারীরিক পরিশ্রম কম করে, মানসিক পরিশ্রম বেশী করে ইত্যাদি।

    ভালো ফল পেতে এটিও নিম্নশক্তিতে ঘনঘন খাওয়া উচিত। দিনে ৫ থেকে ৬ বার খাওয়া যাবে। তবে পরিমাণটা চিকিৎসকের কাছে থেকে জেনে নিতে হবে।

    Phosphoricum Acidum: সাধারনত টাইফয়েড বা এরকম কোন মারাত্মক রোগে ভোগার কারণে, মাত্রাতিরিক্ত যৌনকর্ম, হস্তমৈথুন, স্বপ্নদোষ ইত্যাদি কারণে যৌন ক্ষমতা কমে গেলে অথবা একেবারে নষ্ট হয়ে গেলে এবং সাথে অন্য আরো যেকোন সমস্যা হউক না কেন এসিড ফস আপনাকে সব ফিরিয়ে দিবে।

    Selenium: যৌন শক্তি দূর্বলতা, দ্রুত বীর্য নির্গত হওয়া, স্বপ্নদোষ, মাথার চুল পড়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যায় সেলিনিয়াম একটি প্রথম শ্রেণীর ঔষধ। বিশেষত যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে তাদের ক্ষেত্রে এটি খুব ভালো কাজ করে।

    অতিরিক্ত কিছু ঔষধ সম্পর্কিত তথ্য জেনে রাখুন:

    ১. পুরুষাঙ্গ বড় করার জন্য – Agnus Castus (অতীতে যৌন অনাচার); Lycopodium – যাদের পেটে গ্যাস হয়; অথবা Baryta Carb (জন্মগতভাবে বোকাটে) শক্তি ২০০ সপ্তাহে একমাত্রা করে কয়েক মাস সেবন করতে হবে।

    ২. মহিলাদের মাত্রাতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা দমনের জন্য Platinum, Baryta Mur অথবা Salix Nigra প্রতিদিন একবার করে সেবন করতে হবে।

    পুরুষদের অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা দমনের জন্য Salix Nigra অথবা Agnus castus (শক্তি ২০০) তিন বেলা করে পনের দিন সেবন করতে হবে।

    ৩. অবিবাহিত মেয়েদের অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা দমনের জন্য Platinum (শক্তি ২০০) তিন বেলা করে কিছুদিন সেবন করার পরে পরে শক্তি বাড়িয়ে সেবন করবেন।

    ৪. মহিলাদের যৌন মিলনে বিতৃষ্ণা দূর করতে Agnus Castus (শক্তি Q,৩,৬) পাঁচ ফোটা করে দুইবেলা করে ১৫ দিন সেবন করতে হবে।

    পরিশেষে বলা যায়, হোমিওপ্যাথি ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুবই কম। তাই বলে নিজে ইচ্ছে মতো ঔষধ সেবন করা যাবে না। তাহলে ক্ষতি হবেই।

    আপনি যদি সত্যিই ধ্বজভঙ্গ বা অন্য যেকোন ধরণের যৌন রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন তবে প্রকাশ্যে না হলেও গোপনে ভালো কোনো হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের তত্বাবধানে ঔষধ সেবন করুন।

    যার তার কথা শুনে ঔষধের মাত্রা না বুঝে ঔষধ সেবন করা থেকে বিরত থাকুন। এমনও হতে পারে যে, আপনি ভুল ঔষধ সেবন করার কারণে সারাজীবনের জন্য যৌন শক্তিতে পঙ্গু হয়ে যেতে পারেন। তাই, অবশ্যই সাবধান।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 73 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

মানব ইতিহাসে কোন রোগটি সর্বপ্রথম নির্মূল করা সম্ভব হয়েছিলো ?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ১৭৯৬ সালের কথা। ইংল্যান্ডের বার্কলিতে অবস্থানরত একজন চিকিৎসক ডঃ এডওয়ার্ড জেনার একদিন লক্ষ্য করেন যে, বাড়ি বাড়ি গরুর দুধ দিয়ে বেড়ানো মেয়েটির দেহে স্মলপক্স অর্থাৎ গুটিবসন্ত রোগের সংক্রমণ হয়নি। আশেপাশের মানুষজন গুটিবসন্তে আক্রান্ত হচ্ছে, কিন্তু প্রচন্ড সংক্রমণশালী এই গুটিবসন্ত মেয়েটিকে কিছুতেই সংক্রমণবিস্তারিত পড়ুন

    ১৭৯৬ সালের কথা। ইংল্যান্ডের বার্কলিতে অবস্থানরত একজন চিকিৎসক ডঃ এডওয়ার্ড জেনার একদিন লক্ষ্য করেন যে, বাড়ি বাড়ি গরুর দুধ দিয়ে বেড়ানো মেয়েটির দেহে স্মলপক্স অর্থাৎ গুটিবসন্ত রোগের সংক্রমণ হয়নি। আশেপাশের মানুষজন গুটিবসন্তে আক্রান্ত হচ্ছে, কিন্তু প্রচন্ড সংক্রমণশালী এই গুটিবসন্ত মেয়েটিকে কিছুতেই সংক্রমণ করতে পারছে না। তখনকার দিনে শতবছর ধরে টিকে থাকা এ রোগে মানুষের মৃত্যুহার ছিলো অনেক বেশি। গত শতাব্দীতেও প্রতি দশজনে তিনজনের মৃত্যু হতো, এতটাই ভয়ানক এক রোগ এই গুটিবসন্ত।

    ডঃ জেনার সাহেব সিদ্ধান্ত নেন যে, তিনি এই মেয়েটিকে পরীক্ষা করে দেখবেন, কোনো একভাবে নিশ্চয়ই মেয়েটির শরীরে গুটিবসন্ত সৃষ্টিকারী ভ্যারিওলা ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা তৈরি হয়েছে। যদি সেই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাটি পুনরায় তৈরি করা যায়, তবে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন বাঁচানো যাবে। ডঃ এডওয়ার্ড জেনার এই বিষয়টিকে খতিয়ে দেখতে একদিন মেয়েটির বাড়ি যান। তিনি দেখতে পান যে, মেয়েটির বাড়িতে গরুগুলো সবই গোবসন্তে আক্রান্ত। গুটিবসন্তের মতো গরুতেও একধরনের বসন্তরোগ হয়ে থাকে, এরই নাম ছিলো গোবসন্ত। গরুর শরীরেও তরলপূর্ণ ছোট ছোট গুটি দেখা যেতো।

    জেনার সাহেব বুঝতে পারেন যে, হয়তো কোনো একভাবে গরুটির সংস্পর্শে থেকে মেয়েটির শরীরে গোবসন্ত সংক্রমিত হয়েছে, গোবসন্ত মানবদেহে কোনো রোগ তৈরি করতে পারেনি, একইসাথে গুটিবসন্তের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে।

    শিল্পীর কল্পনায় ডঃ এডওয়ার্ড জেনার, গুটিবসন্তের টিকা প্রদান করছেন, Image Source: The New York Academy of Medicine Library
    ডঃ জেনার সিদ্ধান্ত নেন যে, তিনি এই ধারণাটি পরীক্ষা করে দেখবেন। ৮ বছর বয়সী একটি বাচ্চা ছেলের দেহে তিনি একটু ক্ষতসৃষ্টি করে সেখানে গোবসন্তের ক্ষত থেকে সংগৃহীত তরল লাগিয়ে দেন। বাচ্চাটির ক্ষতস্থানটি তাৎক্ষণিক ভাবে ফুলে উঠলেও কিছুদিনের মধ্যেই ঠিক হয়ে যায় সবকিছু।

    গত শতাব্দীতে নির্মিত একটি কাঠের টিউব, এতে সংগ্রহ করা হয় গুটিবসন্তের জীবাণু©JOSE ESPARZA
    ডঃ জেনার কিছুদিন পর বাচ্চাটির দেহে আবারো একইভাবে জীবাণু প্রবেশ করান। তবে এবার গোবসন্তের জীবাণু নয়, তরতাজা গুটিবসন্তের জীবাণু প্রবেশ করান তিনি। বাচ্চাটি অল্প অসুস্থ হয়ে কয়দিনের ভেতর সুস্থ হয়ে উঠে, গুটিবসন্ত শিশুটিকে আর আক্রান্ত করতে পারছে না। ডঃ জেনার বুঝতে পারেন যে, এভাবে গুটিবসন্তের কবল হতে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব। গুটিবসন্তের বিরুদ্ধে এই টিকা পদ্ধতির খবর দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। সব এলাকায় চিকিৎসকরা একইভাবে মানুষকে টিকা প্রদান করতে শুরু করেন।

    ধীরে ধীরে গুটিবসন্তের লক্ষণ প্রকাশ©Kathy Mak
    দিনে দিনে গুটিবসন্তের বিরুদ্ধে গড়ে তোলা হয়েছে আরো উন্নত ধরনের টিকাপদ্ধতি। শুধু তা-ই নয়, মারণক্ষয়ী ছোঁয়াছে রোগ পোলিও, হাম, যক্ষ্মা, হেপাটাইটিস-বি, হুপিং কাঁশি, ধনুষ্টংকারসহ প্রভৃতির বিরুদ্ধেও টিকা আবিষ্কৃত হয়। মানবজাতি সভ্য হবার সময়কাল থেকেই ক্ষতিকারক সব জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিকার এবং প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। বর্তমানে তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে, চিকিৎসাবিজ্ঞান যখন উন্নতির সর্বোচ্চ শিখরে, জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিকার এবং প্রতিরোধের ক্ষেত্রে অনেক সাফল্য অর্জন করেছে।

    সব রোগেরই প্রতিকার অর্থাৎ কোনো রোগ হলে সেটির চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে। এইচআইভি ভাইরাস দ্বারা কেউ যদি আক্রান্ত হয় একসময় তার এইডস দেখা দেয়, তার মৃত্যু নিশ্চিত কিন্তু সেখানেও চিকিৎসাবিজ্ঞানের চিকিৎসা উপস্থিত। ‘অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ড্রাগ’; এর মাধ্যমে একজন এইডস রোগীর জীবনকে কিছু দীর্ঘায়ু করা সম্ভব, রোগী যতদিন বেঁচে থাকবেন, সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনযাপন করে যেতে পারবেন। আর যে সমস্ত রোগের সমাধা করা যায়নি, সেসব নিয়েও বিশ্বজুড়ে চলছে বিস্তর গবেষণা।

    বিশ্বব্যাপী গুটিবসন্তের টিকা অনুমোদন পেলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গুটিবসন্ত নির্মূল কর্মসূচী আরম্ভ করে, Image Source: The Ruin
    চিকিৎসাবিজ্ঞানে একটি কথা রয়েছে যে, প্রতিকারের চেয়ে কোনো রোগকে প্রতিরোধ করতে পারাটাই সবচেয়ে ভালো। চিকিৎসাবিজ্ঞান সবার পূর্বে এই ব্যাপারে কাজ করেন যে, রোগটির বিরুদ্ধে পুরোপুরি প্রতিরোধ গড়ে তোলা যায় কিনা। এসব নিয়েও চলছে গবেষণা। পৃথিবীর প্রতিটি বিন্দুতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে অজস্র জীবাণু। খালি চোখে দেখতে পাই না আমরা, কিন্তু এদের অস্তিত্ব অনুভব করি।

    প্রাণী কিংবা উদ্ভিদে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টির মাধ্যমে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেয় এসমস্ত অণুজীবেরা। কিছু অণুজীব আমাদের মানবজাতির জন্য নানান বিষয়ে উপকারী, আবার কিছু প্রজাতি অত্যন্ত ক্ষতিকর। এসমস্ত ক্ষতিকর অণুজীবেরা মানুষের শরীরে কিংবা আমাদের উপকারী প্রাণী কিংবা উদ্ভিদদেহে রোগ সৃষ্টি করে থাকে। সমস্ত অণুজীবের জন্যই তাদের পোষকদেহ নির্দিষ্ট, কেননা নির্দিষ্ট পরিবেশ ছাড়া তারা বাঁচতে সক্ষম নয়। যেমন ম্যালেরিয়া পরজীবী, তার জীবনচক্রের অর্ধেকটা কাটায় মানবদেহে আর বাকি অর্ধেকটা মশকীদেহে। মশকীদেহ বলতে সবধরনের মশার প্রজাতিতে নয়, কেবলমাত্র অ্যানোফিলিস মশকী। কারণ অন্যসব মশকীদেহের লালাগ্রন্থিতে উপস্থিত এক বিষাক্ত এনজাইমের কারণে এরা ধ্বংস হয়ে যায়।

    রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হলে বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাবলীকে নির্ভর করতে হয় মানবদেহে স্রষ্টা প্রদত্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উপর। মানবদেহের সবচেয়ে বিস্ময়কর একটি ব্যবস্থা হলো এর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। খুবই শক্তিশালী এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। নির্দিষ্ট অণুজীব যা দিয়ে প্রতিনিয়ত আমরা রোগে আক্রান্ত হই, কোনোভাবে যদি অণুজীবগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া যায়, তবেই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাটি সেসব অণুজীবের বিরুদ্ধে কাজ করে সক্ষম হবে। মানব ইতিহাসের প্রথম টিকা গুটিবসন্ত টিকা আবিষ্কারের সময়, ঠিক এই ধারণাটিই কাজে লাগিয়েছিলেন ডঃ এডওয়ার্ড জেনার।

    ভ্যারিওলা ভাইরাস বসন্ত রোগ সৃষ্টি করে, এর ভিন্ন দুইটি টাইপের (এই ভাইরাসের সর্বমোট ৪টি টাইপ রয়েছে) একটি থেকে গরুদেহে, আরেকটি থেকে মানবদেহে বসন্ত হয়। গরুদেহের ভাইরাস মানবদেহে উপস্থিত থাকার কারণে অন্য টাইপটি বিশেষ সুবিধা করে উঠতে পারে না। আর গোবসন্তের জীবাণুও মানবদেহে রোগ তৈরিতে অক্ষম। কেবলমাত্র এই ধারণাকে ব্যবহার করেই তৈরি করা হয়েছে অন্যান্য রোগের টিকাগুলো। ১৮৮৫ সালে লুই পাস্তুর যখন জলাতংকের প্রতিষেধক আবিষ্কারের চেষ্টা করছিলেন, তিনিও ডঃ জেনারের পদ্ধতি অনুসরণ করেন।

    লুই পাস্তুর, Image Source: Famous Biography
    রোগকে প্রতিরোধ করতে টিকা প্রদান করা হয়। নবজাতককে জন্মের পরপরই ১০টি রোগের বিরুদ্ধে ৬টি টিকা বাংলাদেশ সরকার EPI কর্মসূচীর মাধ্যমে ইতোমধ্যেই নিশ্চিত করেছে। একটি শিশুর জন্মের সাথে সাথেই শুরু হয়ে যায় টিকাদান, ১৫ মাস বয়স পূর্ণ হতে হতে সবগুলো টিকা দিয়ে শেষ করা হয়। গুটিবসন্ত রোগটির ইতিহাস বহু পুরনো, প্রাচীন মিশরীয় মমিতেও গুটিবসন্তের নিদর্শন পাওয়া গিয়েছিলো।

    ৩০০০ বছরের পুরনো মমি ফারাও ৫ম রামসিসের মাথায় গুটিবসন্তের নিদর্শন দেখা যায়; Image Source: WHO
    গুটিবসন্তের গ্রাস থেকে বাঁচাতে মানবজাতিকে টিকাদানের ফলে, গুটিবসন্তের ভাইরাসটিই পৃথিবী থেকে নির্মূল হয়ে গেছে একটাসময়। বিংশ শতাব্দীতেই পুরো বিশ্বজুড়ে প্রায় ৩০ কোটি মানুষ মারা যায় এই গুটিবসন্ত রোগে। অবশেষে ১৯৮০ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ঘোষণা দেয় যে, গুটিবসন্ত রোগটি শতভাগ নির্মূল সম্ভব হয়েছে। শেষবার এ রোগে আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছিলো ১৯৭৭ সালে।

    এই সেই শিশু কন্যা রহিমা বানু, বাংলাদেশে সর্বশেষ মানুষ যে কিনা গুটিবসন্তে আক্রান্ত হয়েছিলো©Stanley O. Foster 
    গুটিবসন্তের সর্বশেষ রোগীদের মাঝে বাংলাদেশী একটি শিশুও ছিলো। তখনকার সময়ে কেউ গুটিবসন্তের সন্ধান দিতে পারলে পুরষ্কার দেবার ঘোষণা করা হয়েছিলো। ১৯৭৫ সালের দিকে, তিনবছর বয়সী শিশুকন্যা রহিমা বানুর খোঁজ যখন কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছায়, রহিমাকে নিজের বাড়িতে সবার থেকে আলাদা করে রাখার উদ্যোগ নেয়া যাতে আশেপাশের মানুষের মধ্যে এ রোগ ছড়াতে না পারে। ঐ এলাকায় দ্রুত সবাইকে গুটিবসন্তের টিকা দেয়া শুরু করা হয়। এছাড়াও পুরো গ্রামে গুটিবসন্ত নির্মূল কর্মসূচী থেকে নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা পরীক্ষা করে দেখেন কারো মাঝে গুটিবসন্তের লক্ষণ পাওয়া যায় কিনা। রহিমার সুস্থতা নিশ্চিত হবার পরই কেবল তাকে পরিবারের সবার সাথে মিশতে দেয়া হয়।

    পরবর্তীতে সোমালিয়ায় একজনকে খুঁজে পাওয়া যায়, যাকে প্রাথমিকভাবে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত ভাবা হয়। বেশ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গুটিবসন্ত নির্মূল কর্মসূচীর একজন কর্মী নিশ্চিত করেন যে, মানুষটি গুটিবসন্তে আক্রান্ত। পর্যাপ্ত চিকিৎসা এবং সম্পূর্ণ একাকী অবস্থায় চিকিৎসার মাধ্যমে তাকেও সুস্থ করে তোলা হয়।

    ডঃ এডওয়ার্ড জেনার; Image Source: The School Run
    ডঃ জেনার সাহেব আবিষ্কৃত প্রতিরোধ ব্যবস্থা অনুসরণ করে করে গুটিবসন্ত রোগকে পৃথিবী থেকে বিতাড়িত করতে প্রায় ২০০ বছরের মতো সময় লেগে যায়। এই গুটিবসন্তের টিকা ছিলো প্রথম আবিষ্কৃত টিকা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অবদানে টিকাদানের ফলে এই গুটিবসন্তই বর্তমানে প্রথম ও একমাত্র নির্মূলকৃত রোগ।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 49 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
অজ্ঞাত ব্যক্তি
অজ্ঞাত ব্যক্তি
সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

Cenforce 200 Mg (Sildenafil) | Uses, Dosage, Work, Benefits

Cenforce 200 Mg (Sildenafil) | Uses, Dosage, Work, Benefits
  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 16 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 12 মাস আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

শরীরে কোন ভিটামিনের কারনে হার্ট অ্যাটাক হয়?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 7 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
অজ্ঞাত ব্যক্তি
অজ্ঞাত ব্যক্তি
সময়ঃ 9 মাস আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

Order Vidalista 20 mg – Erection Tablet at USA | Ziverdo Kit

Order Vidalista 20 mg – Erection Tablet at USA | Ziverdo Kit
  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 11 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
হেলাল খান
হেলাল খাননতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

কিডনি রোগের লক্ষণ, আধুনিক চিকিৎসা ও প্রতিকার কি? শিশুদের কিডনি রোগের প্রাথমিক লক্ষণ গুলো কি?

কিডনি রোগের লক্ষণ, আধুনিক চিকিৎসা ও প্রতিকার কি? শিশুদের কিডনি রোগের প্রাথমিক লক্ষণ গুলো কি?
  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 16 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
রিমা
রিমানতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

পাইলস কি? পাইলস এর লক্ষণ ও চিকিৎসা কোথায় করলে ভালো হয়?

  1. allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    পাইলস, যাকে অর্শ্বরোগও বলা হয়। বৃহদান্ত্রের শেষাংশে রেকটামের ভেতরে ও বাইরে থাকা কুশনের মতো একটি রক্তশিরার জালিকা থাকে, যা প্রয়োজন সাপেক্ষে সংকুচিত ও প্রসারিত হয় যা আমরা পাইলস নামে জেনে থাকি। যখন পায়ুপথে এসব শিরার সংক্রমণ বা প্রদাহ হয় এবং চাপ পড়ে তখন পাইলস বা হেমোরয়েডসে প্রদাহ হয়। যাকে সাধারণ ভাষায়বিস্তারিত পড়ুন

    পাইলস, যাকে অর্শ্বরোগও বলা হয়। বৃহদান্ত্রের শেষাংশে রেকটামের ভেতরে ও বাইরে থাকা কুশনের মতো একটি রক্তশিরার জালিকা থাকে, যা প্রয়োজন সাপেক্ষে সংকুচিত ও প্রসারিত হয় যা আমরা পাইলস নামে জেনে থাকি। যখন পায়ুপথে এসব শিরার সংক্রমণ বা প্রদাহ হয় এবং চাপ পড়ে তখন পাইলস বা হেমোরয়েডসে প্রদাহ হয়। যাকে সাধারণ ভাষায় অর্শরোগ বলা হয়।

    এটি মলদ্বারের এক ধরনের জটিল রোগ। পাইলস এর ফলে রক্তনালিগুলো বড় হয়ে গিয়ে ভাসকুলার কুশন তৈরি হয়। শিশু থেকে বৃদ্ধ যেকোন বয়সের মানুষ এ জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারে। পাইলস হলে সাধারণত চুলকানি বা রক্তক্ষরণ হয়। মলদ্বারের নিচের অংশে গোল আকারে ফুলে উঠে, ফলে যে কোন সময় সেই জায়গা থেকে রক্তপাত হতে থাকে। এটি খুবই অস্বস্তিকর এবং যন্ত্রনাদায়ক।

    দীর্ঘকালীন কোষ্ঠকাঠিন্যের রোগীদের পাইলসের সমস্যা দেখা দেওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। এছাড়া যাদের মলত্যাগের অকারণে বেগ প্রদানের বদভ্যাস রয়েছে, তারাও এই রোগ বাধিয়ে ফেলতে পারেন। আসুন তাহলে বিস্তারিত জেনে নেই পাইলস কী, পাইলসের লক্ষণ ও চিকিৎসা সহ কিছু তথ্য।

    সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন – ০১৭৪০-৪৮৬১২৩

    পাইলসের প্রকারভেদ –

    সাধারণত পাইলস দুই প্রকার হয়ে থাকে –

    • অভ্যন্তরীণ পাইলস
    • বাহ্যিক পাইলস

    অভ্যন্তরীণ পাইলস এবং বাহ্যিক পাইলস মলদ্বারে তাদের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে। এগুলি সাধারণ এবং মলদ্বারের ভিতরে মলদ্বারের খোলার উপরে ২ থেকে ৪ সেন্টিমিটার (সেমি) এর মধ্যে ঘটে।

    অভ্যন্তরীণ পাইলস:

    অভ্যন্তরীণ অর্শ্বরোগ চারটি শ্রেণী বা পর্যায়ের হয় যা প্রোল্যাপের উপর ভিত্তি করে।

    • প্রথম পর্যায় – পাইলস ফুলে বাইরের দিকে বের হয়ে আসে না বা প্রলেপস হয় না।
    • দ্বিতীয় পর্যায় – মলমূত্র ত্যাগের পর পাইলস ফুলে বাইরের দিকে বের হয়ে আসে এবং তারপর আপনা-আপনি ঠিক হয়ে যায়।
    • তৃতীয় পর্যায় – পাইলস ফুলে বাইরের দিকে বের হয়ে আসে এবং নিজে নিজে ঠিক করতে হয়।
    • চতুর্থ পযার্য় – পাইলস ফুলে বাইরের দিকে বের হয়ে আসে বা প্রলেপস হয় এবং তা আর নিজে ঠিক হয় না বা করা যায় না।

    বাহ্যিক পাইলস:

    বাহ্যিক পাইলস মলদ্বারের বাইরের প্রান্তে ছোট ছোট গলদ গঠন করে। এগুলো প্রায়শই চুলকানিদায়ক এবং বেদনাদায়ক হয়ে থাকে।

    পাইলস এর অত্যাধুনিক চিকিৎসা সম্পর্কে ফ্রী পরামর্শ পেতে “সিরিয়াল বুক করুন“

    পাইলসের কারণ –

    পাইলসের প্রধান কারণগুলো হচ্ছে দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিণ্যে ভোগা, পুরনো ডায়রিয়া, মলত্যাগে দীর্ঘক্ষণ টয়লেটে বসে থাকা ও দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা। এছাড়া পারিবারিক ইতিহাস, আঁশযুক্ত খাবার কম খাওয়া, ভারি মালপত্র বহন করা, স্থুলতা, কায়িক শ্রম কম করা।

    গর্ভকালীন সময়ে, পায়ুপথে যৌনক্রিয়া, যকৃত রোগ বা লিভার সিরোসিস ইত্যাদি কারণেও এ রোগের আশংকা বেড়ে যায়। সর্বোপরি পোর্টাল ভেনাস সিস্টেমে কোনো ভাল্ব না থাকায় উপরিউক্ত যে কোনো কারণে পায়ু অঞ্চলে শিরাগুলোতে চাপের ফলে পাইলস সৃষ্টি হয়।

    সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন – ০১৭৪০-৪৮৬১২৩

    পাইলসের লক্ষণ –

    পাইলস রোগে যেসব লক্ষণ দেখা যায় তা হচ্ছে- পায়ুপথের অন্ত্র বা ভেতরের পাইলস রোগে সাধারণত তেমন কোনো ব্যথা বেদনা, অস্বস্তি থাকে না। অন্যদিকে পায়ুপথের বহিঃঅর্শরোগে পায়ুপথ চুলকায়, বসলে ব্যথা করে, পায়খানার সঙ্গে টকটকে লাল রক্ত দেখা যায় বা শৌচ করার টিস্যুতে তাজা রক্ত লেগে থাকে, মলত্যাগে ব্যথা লাগা, পায়ুর চারপাশে এক বা একের অধিক থোকা থোকা ফোলা থাকে।

    পাইলসের সাধারণ লক্ষণগুলি এখানে:

    • পায়ূ অঞ্চলে ব্যথা এবং চুলকানি।
    • মল বা মলত্যাগের পর রক্ত।
    • মলদ্বারের চারপাশে একটি শক্ত গলদা।

    অভ্যন্তরীণ অর্শ্বরোগের লক্ষণ:

    • মল অতিক্রম করার সময় অতিরিক্ত চাপ বা জ্বালা হতে পারে।
    • মলত্যাগের সময় ব্যথাহীন রক্তপাত।
    • যদি পাইলস প্রল্যাপস, ব্যথা এবং জ্বালা হয়।

    বহিরাগত অর্শ্বরোগের লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:

    • মলদ্বারের চারপাশে চুলকানি।
    • মলদ্বারের কাছে বেদনাদায়ক মাংসল গলদ।
    • বসার সময় ব্যথা বা অস্বস্তি।
    • মলদ্বারে রক্তক্ষরণ।

    পাইলস এর অত্যাধুনিক চিকিৎসা সম্পর্কে ফ্রী পরামর্শ পেতে “সিরিয়াল বুক করুন“

    পাইলস এর চিকিৎসা –

    পায়ুদ্বার সংক্রান্ত যে কোনো সমস্যা হলে প্রথমেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। এ ধরনের অসুখের ক্ষেত্রে অনেকেই চেপে যান প্রথমে, যা অসুখের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসকেরা রোগ নির্ণয় করে প্রক্টোস্কোপির মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা শুরু করতে পারেন।

    প্রথম পর্যায়ে মলম, ইনজেকশন বা রাবার ব্যান্ড লাইগেশনের সাহায্যেই রোগ নিরাময় করা সম্ভব। অসুখের মাত্রা বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে গেলে অবশ্য শল্যচিকিৎসা ছাড়া উপায় নেই। তবে সব কয়টি ক্ষেত্রেই রোগটি ফিরে আসার শঙ্কা থাকে, যদি না সাবধানে থাকা যায়।

    সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন – ০১৭৪০-৪৮৬১২৩

    এজন্য বদলে ফেলুন লাইফস্টাইল। পাইলস বা পায়ুদ্বার সংক্রান্ত যে কোনো অসুখের জন্য পরোক্ষভাবে দায়ী অনিয়মিত লাইফস্টাইল। এজন্য খাওয়ার অভ্যাস বাড়াতে হবে। এড়িয়ে চলতে হবে ক্যাফিন জাতীয় পানীয়, তেল-ঝাল মশলাযুক্ত রান্না। পাইলসের রোগীদের পক্ষে শুকনো লঙ্কা বিষতুল্য। ভারী জিনিস তোলাও কিন্তু বারণ।

    পাইলস থেকে ক্যান্সার হওয়ার পূর্বেই এর চিকিৎসা করা জরুরি। রিং লাইগেশন এবং লংগো অপারেশনের দ্বারা শতকরাই প্রায় ১০০% রোগী সুস্থ হয়ে উঠছেন। প্রচলিত এই অপারেশনে মলদ্বারের তিনটি অংশ কাটার প্রয়োজন হয়।

    এই অপারেশন শুধু তাদের জন্যই করা হয় যাদের রিং লাইগেশন এর জন্য উপযুক্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং যারা লংগো অপারেশন করানোর জন্য মেশিন কিনতে অক্ষম।

    চলিত অপারেশনের মতই আরেকটি অপারেশন হলো লেজার অপারেশন। পার্থক্য শুধু এটাই যে, লেজার অপারেশনে বিম ব্যবহার করা হয়। এবং প্রচলিত অপারেশনে সার্জিক্যাল নাইফ ব্যবহার করে কাটাকাটির কাজ করা হয়।

    চলিত অপারেশনের মতো লেজার অপারেশনে ক্ষত স্থান হবে তিনটি । লেজার অপারেশন ও সাধারণত অপারেশন  এর মধ্যে তেমন কিছু তফাৎ নেই কারণ দুটি অপারেশনেই সমান ব্যথা অনুভব করতে হয়। ক্ষত স্থান টি শুকাতে ১-২ মাস সময় লাগে।

    আরোও পড়ুন – ঢাকার জেনারেল সার্জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা

    পাইলস চিকিৎসা শাস্ত্রে বহু ধরনের পদ্ধতি রয়েছে। যেমনঃ– ক্রায়োথেরাপি, ইঞ্জেকশন, আল্ট্রয়েড, লেজার থেরাপি, রিং লাইগেশন ইত্যাদি। 

    তবে আপনি যদি উপরিউক্ত চিকিৎসাগুলো না করে ঘরোয়া ভাবে এর সমাধান বের করতে পারেন। সেক্ষেত্রে নীচে উল্লিখিত নির্দেশনাগুলো আপনার জন্য।

    • পাইলস এর ঘরোয়া চিকিৎসা পালনে নিয়মিত সবুজ শাক-সবজি খেতে হবে।
    • দৈনিক পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে।
    • মল শক্ত হয় এসব খাবার থেকে দূরে থাকতে হবে। অতিরিক্ত গরুর মাংশ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
    •  পরিমাণ মতো আঁশযুক্ত খাবার নিয়মিত খেতে হবে। পাইলসের হাত থেকে রক্ষা পেতে চাইলে পাইলসের লক্ষণ ধরা দেওয়ার পূর্বে থেকেই এ সকল খাবার খেতে হবে।
    • দরকার হলে ডাক্তারের কাছে গিয়ে পাইলস এর  ঔষধ  গ্রহণ করতে হবে।
    • পাইলস এর ঘরোয়া চিকিৎসাটি আপনি ঘরে বসেই কিছু নিয়ম পালনের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে পারবেন।

    পাইলস এর অত্যাধুনিক চিকিৎসা সম্পর্কে ফ্রী পরামর্শ পেতে “সিরিয়াল বুক করুন“

    শেষ কথা –

    পায়ুপথের যেকোনো রোগকেই অধিকাংশ মানুষ পাইলস বলে জানে। কিন্তু পায়ুপথের রোগ মানেই পাইলস নয়। পায়ুপথে নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে। বেশির ভাগ রোগী, বিশেষত নারীরা, এসব সমস্যার কথা গোপন করে রাখেন এবং চিকিৎসা গ্রহণ করতে দেরি করে ফেলেন।

    আবার অনেকেই লজ্জা বা সংকোচের কারণে চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে টোটকা ওষুধ, কবিরাজি, হোমিওপ্যাথি গ্রহণ করেন। আর ক্রমশ অবস্থা জটিল হয়ে পড়ে। কিন্তু সময়মতো চিকিৎসা নিলে অধিকাংশ মানুষ সার্জারি বা অস্ত্রোপচার ছাড়াই হয়তো ভালো হতে পারবেন।

    পায়ুপথে সাধারণত ফিসার, ফিস্টুলা, হেমোরয়েড, ফোড়া, প্রোলাপস, রক্ত জমাট, পলিপ বা টিউমার ইত্যাদি রোগ হতে পারে। সব সমস্যার অন্যতম কারণ হলো কোষ্ঠকাঠিন্য। তাই এ বিষয়ে আগে থেকে সচেতন ও সতর্ক থাকতেই হবে। চিকিৎসা না নিলে এ থেকে কখনো কখনো ক্যানসার বা বড় সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই যথাসময়ে এর চিকিৎসা ও সতর্কতা জরুরি।

     

    আরোও বিস্তারিত জানতে এবং সিরিয়ালের জন্য কল করুন – ০১৭৪০৪৮৬১২৩

     

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 56 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
nova
novaনতুন
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

গর্ভাবস্থায় পেঁপে খেলে কি বাচ্চার ক্ষতি হয়?

গর্ভাবস্থায় পেঁপে খেলে কি বাচ্চার ক্ষতি হয়?
  1. Mithun
    সেরা উত্তর
    Mithun পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে
    গর্ভাবস্থায় পেঁপে খেলে কি বাচ্চার ক্ষতি হয়?

    আমি বুঝতে পারছি যে আপনি শিশুর স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত। ভাল খবর হল যে চিন্তা করার কোন প্রয়োজন নেই। পেঁপে সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের জন্য খাওয়া নিরাপদ, যতক্ষণ না এটি পাকা হয়। অপরদিকে, অপরিপক্ক পেঁপেতে ল্যাটেক্স নামক একটি উপাদান থাকে যা জরায়ু সংকোচনের কারণ হতে পারে। তবে অল্প পরিমাণে কাঁচা পেঁপে খেলেওবিস্তারিত পড়ুন

    আমি বুঝতে পারছি যে আপনি শিশুর স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত। ভাল খবর হল যে চিন্তা করার কোন প্রয়োজন নেই। পেঁপে সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের জন্য খাওয়া নিরাপদ, যতক্ষণ না এটি পাকা হয়। অপরদিকে, অপরিপক্ক পেঁপেতে ল্যাটেক্স নামক একটি উপাদান থাকে যা জরায়ু সংকোচনের কারণ হতে পারে। তবে অল্প পরিমাণে কাঁচা পেঁপে খেলেও শিশুর ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই। আপনি যদি এখনও উদ্বিগ্ন হন তবে ডাক্তারের সাথে কথা বলতে পারেন। ডাক্তার আপনাকে গর্ভাবস্থায় পেঁপের সুরক্ষা সম্পর্কে আরও তথ্য দিতে পারে। নিশ্চিত করুন যে আপনি স্বাস্থ্যকর খাবার খাচ্ছেন, প্রচুর বিশ্রাম নিচ্ছেন এবং চাপ এড়াচ্ছেন।

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 78 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

লোবোটমি কোন ধরনের শৈল্যবিদ্যা? কেন এটা নিষিদ্ধ ?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    লোবোটমি নিয়ে হয়েছে অনেক বিতর্ক। আছে বহু আলোচিত লোবোটমির ঘটনা। অনেক মানুষের  প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এই সার্জারি। ছবি: সংগৃহীত মানসিক রোগ সারানোর জন্য সাইকোসার্জারি বিংশ শতকের তিরিশের দশকে মানুষের জন্যই উদ্ভাবিত। প্রধানত দুইভাবে এই শৈল্যচিকিৎসা করা হতো: প্রি-ফ্রন্টাল লোবোটমি: এতে মাথার খুলির দুই পাশে ড্রিলবিস্তারিত পড়ুন

    লোবোটমি নিয়ে হয়েছে অনেক বিতর্ক। আছে বহু আলোচিত লোবোটমির ঘটনা। অনেক মানুষের
     প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এই সার্জারি।
    ছবি: সংগৃহীত
    মানসিক রোগ সারানোর জন্য সাইকোসার্জারি বিংশ শতকের তিরিশের দশকে মানুষের জন্যই উদ্ভাবিত। প্রধানত দুইভাবে এই শৈল্যচিকিৎসা করা হতো:

    প্রি-ফ্রন্টাল লোবোটমি: এতে মাথার খুলির দুই পাশে ড্রিল করে ছিদ্র করার মাধ্যমে আইস পিকের মতো দেখতে লিউকোটোম নামের একটি চোখা ও ধারালো হাতিয়ারের সাহায্যে কিছু সুনির্দিষ্ট ব্রেইন টিস্যু কেটে ফেলা। এসব ব্রেইন টিস্যুর কারণে রোগীর মানসিক আচরণ অস্বাভাবিক হচ্ছে বলে মনে করা হতো।

    ট্রান্সঅরবিটাল লোবোটমি: সার্জন চক্ষুগোলকের মধ্য দিয়ে লিউকোটোম ঢুকিয়ে হালকা অস্থি ভেদ করে একই কাজ সমাপ্ত করেন। অর্থাৎ অস্বাভাবিক মানসিক আচরণের জন্য দায়ী বলে মনে যওয়া কিছু টিস্যু কেটে বাদ দেন।

    বিশেষ বিশেষ ধরনের মানসিক রোগে লিউকোটমির থেরাপিউটিক ভ্যালু আবিষ্কারের জন্য পর্তুগিজ স্নায়ুবিশেষজ্ঞ এন্টোনিও এগাস মনিজ ১৯৪৯ সালে নোবেল পুরস্কারও পান।

    এই সার্জারি করাতে সম্মতিপত্রে একজন নারী রোগীর পক্ষে সম্মতিদাতা লিখেছেন, আমি অনুধাবন করতে পারছি যে এই অপারেশন রোগীর মানসিক অবস্থার ওপর কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে, কিন্তু আমি এই প্রত্যাশায় অপারেশনটি করাতে চাই যে এর পর রোগীর অনেকটাই স্বস্তি ফিরে আসবে এবং তার রক্ষণাবেক্ষণ সহজ হয়ে যাবে।

    খুব কম সময়ের মধ্যে অপারেশনটা শেষ হলো। শুরুতে সন্তুষ্টি। রোগীর সন্তুষ্ট বাবা-মা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে সন্তুষ্ট অভিভাবকেরা কয়েক দিনের মধ্যেই দেখলেন, অপারেশনের পর রোগীর সার্বক্ষণিক ঝিমানো, হতভম্ব অবস্থা চলছে এবং প্রস্রাব ধরে রাখতে না পারার মতো ব্যাপার ঘটছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে রোগীর নতুন ধরনের মারাত্মক উপসর্গ দেখা দিচ্ছে, এমনকি কেউ কেউ মারাও যাচ্ছে। তাই লোবেটমির একজন হাই প্রোফাইল রোগীর প্রসঙ্গ এখানে এসেই যায়।

    রোজমেরি কেনেডি

    রোজমেরির বাবা রাষ্ট্রদূত জোসেফ কেনেডি, মা রোজ কেনেডি, ভাই প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি, অপর ভাইদের মধ্যে একজন সিনেটর রবার্ট কেনেডি ও অন্যজন সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি। জন এফ কেনেডি ও রবার্ট কেনেডি আততায়ীর হাতে নিহত।

    অতিকায় সিরিঞ্জ হাতে ডাক্তার রোমানিলি। আঠারো শতকের ব্যঙ্গচিত্র। শিল্পী: পিয়ের লিওনি ঘিজ্জি

    রোজমেরির জন্ম ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯১৮, ৯ ভাইবোনের ৩ নম্বর। রোজ কেনেডির প্রথম দুই সন্তান স্বাভাবিকভাবে বাড়িতেই জন্মগ্রহণ করেন, কিন্তু তৃতীয় সন্তান জন্মের সময় জটিলতা দেখা দেয়, শহরে তখন ফ্লু মহামারি চলছিল, হাসপাতালে অভিজ্ঞ ডাক্তার ছিল না। একজন নার্স ভুলভ্রান্তির মধ্য দিয়ে ডেলিভারির কাজটা করে। জন্মলগ্নে শিশুটির অক্সিজেন-সংকট দেখা দেয়। স্বাস্থ্যগত দিক দিয়ে রোজমেরি ভালোভাবে বেড়ে উঠলেও তাকে যখন কিন্ডারগার্টেনে দেওয়া হয়, তার আচরণে কিছু অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। স্কুলের বাইরে শিক্ষক রেখে তাকে ফোর্থ গ্রেড গণিত এবং ফিফথ গ্রেড মানের ইংরেজি শেখানো হয়।

    ১৯৩৮ সালে তার বয়স যখন ১৯ বছর, জোসেফ কেনেডিকে ব্রিটেনে আমেরিকায় রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করা হলো। রাষ্ট্রদূত যখন রাজা পঞ্চম জর্জের (রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের বাবা) সাথে সাক্ষাৎ করতে এলেন, তখন দুই মেয়ে রোজমেরি ও ক্যাথেরিনকে সাথে এনেছিলেন। লন্ডনে থাকাকালে রোজমেরিকে হার্ডফোর্ডশায়ারে একটি কনভেন্টে রাখা হয়েছিল। ১৯৩৯-এ দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ শুরু হয়। ১৯৪০-এ জোসেফ কেনেডি যখন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যান, মেয়ের অবস্থার ভীষণ অবনতি ঘটেছে ততদিনে। তিনি সহিংস হয়ে উঠেছেন। তার বৃদ্ধ দাদাকে ভয়ংকরভাবে আক্রমণ করে বসেন। তাকে এরপর কয়েকটি কনভেন্টে রাখা হয়।

    মেয়ের কারণে পরিবারের বদনাম হতে পারে, এ জন্য রোজমেরিকে বরাবর আড়ালেই রাখা হয়েছে। ১৯৪১-এর শরতে জোসেফ কেনেডি সে সময়কার সবচেয়ে খ্যাতনামা লোবোটমি বিশেষজ্ঞ ওয়াল্টার ফ্রিম্যানের সাথে যোগাযোগ করেন। জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে ডাক্তার ফ্রিম্যানের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ডাক্তার জেমস ওয়াটস রোজমেরির প্রি-ফ্রন্টাল লোবোটমি করেন। অপারেশনের সময় সামান্য অ্যানেসসেথিয়া দেওয়া হয়, ডাক্তার ফ্রিম্যান রোজমেরির সাথে কথা বলতে থাকেন। তার মাথার খুলি দুদিক থেকে ছিদ্র করে ভেতরে লিউকোটোম ঢুকিয়ে মস্তিষ্কের অংশবিশেষ কেটে দেওয়া হয়।

    লোবোটমি অপারেশন রোজমেরির সর্বনাশ ডেকে আনল। তার হাঁটাচলার শক্তি একেবারে রহিত হয় যায়। ধীরে ধীরে বাক্শক্তি লোপ পায় এবং তার বুদ্ধিবৃত্তিক মান স্ট্যান্ডার্ড টু-এর শিশুর পর্যায়ে নেমে আসে। কিছুকালের জন্য তাকে একটি প্রাইভেট সাইকিয়াট্রিক হাসপাতালে রেখে পরে উইসকনসিনের গ্রামাঞ্চলে তার জন্য একটি বাড়ি নির্মাণ করে নার্সের তত্ত্বাবধানে স্থায়ীভাবে সেখানে রাখা হয়। জোসেফ কেনেডিকে নিয়ে লেখা গ্রন্থ ‘দ্য পেট্রিয়ার্ক’-এ উল্লেখ করা হচ্ছে রোজমেরিকে উইসকনসিনের সেই বাড়িতে পাঠাবার পর প্রথম দশ বছর পরিবারের কেউ তাকে দেখতে এসেছেন এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

    ২০১৫ সালে কেইট ক্লিকোর্ড লিখেন ‘রোজমেরি: দ্য হিডেন কেনেডি ডটার’। একটি চিঠি আবিষ্কৃত হয় শিশু রোজমেরি বাবাকে লিখেছেন: বাবা, তোমাকে সুখী করার জন্য আমাকে যা করতে হবে, আমি তার সবই করব।

    দুর্ভাগ্য, লোবোটমির পর তার জীবনটা সুখ-দুঃখহীন বেঁচে থাকা একজন মানুষের স্থবির জীবনে পরিণত হয়। ২০০৫ সালে ৮৬ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়।

    আলোচিত লোবোটমির ঘটনা

    বিখ্যাত নাট্যকার টেনেসি উইলিয়ামসের প্রিয় বোন রোজের মানসিক সমস্যা দেখা দিলে তাকে লোবোটমি করানো হয়। তার জীবনেও নেমে আসে এমনই দুর্ভাগ্য। সিজোফ্রেনিয়া ধরা পড়ে তার বোনের ১৯৩৯ সালে। ১৯৪৩ সালে বাবা-মা তাকে লোবোটমির জন্য ডাক্তারের কাছে পাঠায়।

    টেনেসি লিখেছেন: আমার বোন রোজ! তার মাথার খুলি কাটা হলো। তার মগজে ছুরি ঢুকিয়ে দেওয়া হলো। আমি এখানে সিগারেট ফুঁকছি, আমার বাবা শয়তানের মতো হীন, হাজার মাইল দূরে নাক ডেকে ঘুমোচ্ছে।

    পোল্যান্ডের বেহালাবাদক ও সুরকার জোসেফ হ্যাসিডের সিজোফ্রেনিয়া ধরার পর চিকিৎসার জন্য লন্ডন আনা হলো, তার বয়স তখন ২৬ বছর। লোবোটমি করা হলো এবং কয়েক দিনের মধ্যেই তার মৃত্যু ঘটল।

    ১৯৪৮ সালে লোবোটমির পরপরই মারা গেলেন সুইডিশ চিত্রশিল্পী সিগরিড হেরটেন।

    কার্ল পানজরাম একজন আমেরিকান সিরিয়াল কিলার। শৈশবেই তার মানসিক বৈকল্য ধরা পড়লে লোবোটমি করানো হয়। তাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় মিনেসোটার একটি রিফর্মস স্কুলে। কার্ল তার আত্মজীবনীতে লেখেন, সেখানে তিনি বলাৎকারের শিকার হন। এ প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তার মনে এত ঘৃণা জন্মে যে তিনি সঙ্গোপনে আগুন দিয়ে স্কুলটিকে ভস্মীভূত করে ফেলেন। ৭ জুলাই ১৯০৫ তিনি এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটান। তবে কাজটি যে তিনি করেছেন তা কখনো ধরা পড়েনি। সিরিয়াল কিলার হিসেবে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৩০ ফাঁসিতে ঝোলানোর প্রস্তুতি হিসেবে যখন তার মাথা কালো হুডে ঢেকে দেওয়া হয়, তখন তিনি বললেন, আমি যখন একটার পর একটা খুন করে যাচ্ছিলাম, তখন তোরা কোথায় ছিলি?

    ১৮৪৮ সালে ফিনিয়াস গেইজ নামের একজন রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন ফোরম্যান কাজ করার সময় একটা লৌহদণ্ড তার ফ্রন্টাল লোব ভেদ করে চলে যায়। এতে তার মৃত্যু হয়নি। তিনি আরও ১২ বছর জীবিত ছিলেন কিন্তু তার ব্যক্তিত্ব বদলে যায়। তিনি আর আগের মানুষ থাকেননি। এই দুর্ঘটনাকে লোবোটমির একটি আনুষ্ঠানিক যুক্তি হিসেবে দাঁড় করানো হয়। সিজোফ্রেনিয়াগ্রস্ত মানুষের ব্যক্তিত্ব বদলে দিতে পারলে তার সমস্যা অনেকটাই মিটে যায়।

    ১৯৬০ সালে হাওয়ার্ড ডুলিকে যখন লোবোটমি করানো হয়, তার বয়স ১২ বছর। তার বয়স যখন ৬ বছর, মা ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তার ৪ বছর বয়স থেকে সিজোফ্রেনিয়া ধরা পড়ে। বাবা আবার বিয়ে করেন। সৎমায়ের সাথে তার ভালো যাচ্ছিল না। বাবা ও সৎমা ২০০ ডলারের বিনিময়ে ডাক্তার ফ্রিম্যানকে দিয়ে তাকে লোবোটমি করাবার সিদ্ধান্ত নেন। তার বেলায় হলো ট্রান্স অরবিটাল লোবোটমি। দুই চক্ষুগোলকের সকেট দিয়ে ৭ সেন্টিমিটার ধারালো একটি হাতিয়ার মস্তিষ্কে ঢুকিয়ে দেওয়া হলো। অপারেশনের পর তার খারাপ সময় কাটলেও তিনি উঠে দাঁড়াতে চেষ্টা করেন। লোবোটমির কারণে তিনি তার পূর্বস্মৃতির ওপর আস্থা রাখতে পারছিলেন না। এর মধ্যে চার্লস ফ্লেমিংকে সহযোগী করে ‘মাই লোবোটমি’ নামে স্মৃতিকথা লিখলেন, ২০০৭-এ বই প্রকাশিত হলো এবং তা বেস্ট সেলার্স লিস্টে চলে এল। অপারেশন ও পরবর্তী ভয়াবহ জীবনের বর্ণনা রয়েছে এই গ্রন্থে। তবুও ডুলি ভাগ্যবান, এখনো জীবিত আছেন। তিনি লিখেছেন, তার যে সমস্যা তা ওষুধ দিয়েই প্রশমন করা যেত, লোবোটমির মতো নির্মম অপারেশনের প্রয়োজন ছিল না।

    লোবোটমির ভয়াবহতা যেসব সাহিত্যকর্মে উঠে এসেছে তার মধ্যে রয়েছে: 

    রবার্ট পেন ওয়ারেনের উপন্যাস ‘অল দ্য কিংস ম্যান’, টেনেসি উইলিয়ামসের নাটক ‘সাডেনলি লাস্ট সামার’; কেন কেইসির বিখ্যাত উপন্যাস ‘ওয়ান ফ্লু ওভার দ্য কুকুস নেস্ট’, সিলডিয়া প্লাথের উপন্যাস ‘বেল জার’, এলিয়ট বেকারের ‘আ ফাইন ম্যাডনেস’।

    ১৯৮২-এর চলচ্চিত্র ফ্রান্সেস এবং ২০১৮-এর ‘দ্য মাউন্টেইন’-এর বিষয় লোবোটমি। ‘দ্য মাউন্টেইন’-এর ওয়ালেস ফিনেস চরিত্রটি মূলত ডাক্তার ফ্রিম্যানকে নিয়ে নির্মিত। পঞ্চাশের দশকে এন্টোনিও মনিজকে দেওয়া নোবেল পুরস্কার প্রত্যাহার করে নেওয়ার দাবি উঠেছিল। মনিজ ১৯৩৫-এর ১২ সেপ্টেম্বর লিসবনের সান্তা মার্টা হাসপাতালে প্রথম লোবোটমি অপারেশনে সহায়তা করেন। তার হাতে বাতের প্রকোপ থাকায় তিনি নিজে কাজটা করেননি।

    চল্লিশের দশকেই ইউরোপ ও আমেরিকায় এই শৈল্যচিকিৎসা সাড়া ফেলে দিযেছিল। তখন এর সাফল্য ব্যাপকভাবে প্রচারিত হলেও ব্যর্থতাগুলো অনেক ক্ষেত্রেই ঢাকা পড়ে যায়। বিশেষ করে এন্টোনিও মনিজের নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তি লোবোটমির আবেদন আরও বাড়িয়ে দেয়। নোবেল বিজয়ী এই বিজ্ঞানীর দুর্ভাগ্য সিজোফ্রেনিয়াগ্রস্ত তারই এক রোগী ১৯৩৯ সালে তাকে একাধিকবার গুলি করে। এরপর তিনি হুইলচেয়ারে বন্দী হয়ে পড়েন। তবে ১৯৫৫ পর্যন্ত এ অবস্থাতেই তিনি রোগীদের চিকিৎসা অব্যাহত রাখেন। ১৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫ সালে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।

    লোবোটমি অপারেশনে সবচেয়ে অপখ্যাত চিকিৎসক ডাক্তার ওয়াল্টার ফ্রিম্যান (১৮৯৫- ১৯৭২), জন্ম সান ফ্রান্সিসকো, ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের পেনসিলভানিয়া মেডিকেল স্কুল থেকে ডিগ্রি নিয়ে রাতারাতি বিখ্যাত হবার স্বপ্ন দেখছিলেন। তার নানা উইলিয়াম কিন আমেরিকার সেরা সার্জনদের অন্যতম। তার বাবাও ডাক্তার ছিলেন। ফ্রিম্যান নোবেল বিজয়ী মনিজের অধীনেই কাজ শুরু করে লোবোটমিকেই কর্মজীবনের ব্রত করে নেন। সহযোগী হিসেবে নেন নিওরোসার্জন জেমস ওয়াটকে। একটার পর একটা অপারেশন ব্যর্থতা এবং ট্রান্স অরবিটাল অপারেশনে জেমস ওয়াটের অনীহার কারণে ১৯৫০ সালে দুজনের জোড় ভেঙে যায়। ডাক্তার ফ্রিম্যান ৫৭ বছর বয়সে জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর নিয়ে ব্যাপকভাবে প্রাইভেট চিকিৎসা শুরু করেন। নিওরোসার্জারিতে লোবোটমির জন্য তিনি বিতর্কিত হলেও মনিজের সাথে ফ্রিম্যানের ব্যবহারিক সার্জারিতে অবদানের জন্যও তাকে স্মরণ করা হয়।

    ১৯৬৭ সালে একটি লোবোটমি অপারেশনে রোগীর মৃত্যুর পর তার সার্জারি করার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। কিন্তু পেছনে পড়ে থাকে হাজার হাজার ভুক্তভোগীর আর্তনাদ। শেষ পর্যন্ত লোবোটমি নামের সর্বনাশা সাইকোসার্জারি নিষিদ্ধ হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 36 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
noraharris
noraharrisনতুন
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

pain o soma 500 mg relieve joint pain?

  1. Mithun
    Mithun পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    The SHOCKING Truth About Pain-O-Soma 500mg Are you suffering from agonizing joint pain but wary of taking prescription pain meds long-term? As it turns out, there may be a safe, natural alternative that provides relief - and it's been hiding in plain sight! Pain-O-Soma 500mg is a little-known muscleবিস্তারিত পড়ুন

    The SHOCKING Truth About Pain-O-Soma 500mg

    Are you suffering from agonizing joint pain but wary of taking prescription pain meds long-term? As it turns out, there may be a safe, natural alternative that provides relief – and it’s been hiding in plain sight!

    Pain-O-Soma 500mg is a little-known muscle relaxant that has helped thousands ease musculoskeletal discomfort for decades. But Big Pharma would rather line their pockets pushing dangerous opioids. Why? Because Pain-O-Soma’s active ingredient carisoprodol is unpatentable, meaning they can’t monopolize it.

    What the manufacturers don’t want you to know is how effectively and gently Pain-O-Soma can soothe Away your aches and pains. Here are some shocking facts they don’t publicize:

    – Japanese scientists found Pain-O-Soma exhibits antioxidant properties, protecting joints from deterioration that exacerbates discomfort.

    – Peer-reviewed studies show it works Better than Celebrex for arthritis pain based on lower dosage requirements and less side effects.

    – Pain-O-Soma attacks pain on Multiple levels by both relaxing muscles and blocking pain signaling in the spinal cord and brain.

    – Most people experience relief Within 30 minutes to an hour of taking it, without any high or addiction potential.

    – It Provides all-day relief from both Occasional flare-ups and long-term chronic joint conditions like fibromyalgia.

    Rather than loading up on risky opioids or pricey brand names, isn’t it time you explored this natural muscle relaxant? I’m certain you’ll be shocked by how well it works after just one dose. Order yours from reputable sources while it’s still available! Your body will thank you.

    N.B: Consult your doctor before taking any medication.

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 63 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • mar7w7
    mar7w7 একটি উত্তর দিয়েছেন great post! জুন 15, 2026, সময়ঃ 2:56 পূর্বাহ্ন
  • M Sarah
    M Sarah একটি উত্তর দিয়েছেন তাফসীরুল কুরআনিল আযীম বা তাফসীরে ইবনে কাসীর ইসলামী বিশ্বের অন্যতম… জুন 10, 2026, সময়ঃ 9:18 পূর্বাহ্ন
  • rakib
    rakib একটি উত্তর দিয়েছেন ২০২৬ সালে বাংলাদেশে বিয়ের গহনার দাম নির্ভর করে সোনার ক্যারেট,… মে 3, 2026, সময়ঃ 10:32 পূর্বাহ্ন
  • Jesmin
    Jesmin একটি উত্তর দিয়েছেন HSC ২০২৬ পরীক্ষা শুরু হতে মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। ২… এপ্রিল 27, 2026, সময়ঃ 2:01 অপরাহ্ন
  • Sinclair
    Sinclair একটি উত্তর দিয়েছেন When shopping for best sex dolls, most buyers tend to… এপ্রিল 17, 2026, সময়ঃ 3:10 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 106 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,119 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 156 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 118 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 79 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

M Sarah

M Sarah

  • 0 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
pooja ramola

pooja ramola

  • 1 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
wwwqrb.transfer702.pages.dev - WITHDRAW FUNDS 1.2809 BTC d

wwwqrb.transfer702.pages.dev - WITHDRAW FUNDS 1.2809 BTC d

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwgsb.transfer702.pages.dev - BTC TRANSFER 94858 USDT m

wwwgsb.transfer702.pages.dev - BTC TRANSFER 94858 USDT m

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwisr.transfer702.pages.dev - YOUR BALANCE 90353 USDC p

wwwisr.transfer702.pages.dev - YOUR BALANCE 90353 USDC p

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন