সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

স্বাস্থ্য

Health related all questions.

শেয়ার করুন
  • Facebook
13 ফলোয়ার
127 উত্তর
273 প্রশ্ন
হোমপেজ/স্বাস্থ্য/Page 2
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সাম্প্রতিক প্রশ্ন
  • সর্বাধিক উত্তর
  • উত্তর
  • অনুত্তরিত
  • সর্বাধিক দেখা
  • সর্বাধিক পছন্দকৃত
  • এলোমেলো

AddaBuzz.net Latest প্রশ্ন

sumi
sumiনতুন
সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

কিডনির ব্যথা কোথায় হয়? কিডনি ব্যথার লক্ষণ কি কি?

  1. Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    কিডনিজনিত ব্যথা সাধারণত মেরুদণ্ড থেকে একটু দূরে ডান বা বাম পাশে হয়। এটি পেছনের পাঁজরের নিচের অংশে অনুভূত হওয়ার কথা। এই ব্যথা নড়াচড়া করে এবং কোমরের দুই পাশেও যেতে পারে। এই ব্যথা থেকে থেকে আসে, শোয়া-বসা বা কোনো কিছুতেই আরাম মেলে না। আমাদের কোমরে কোন ব্যথা হলেই আমরা চিন্তায় পরে যাই , এটা কি কিডনিবিস্তারিত পড়ুন

    কিডনিজনিত ব্যথা সাধারণত মেরুদণ্ড থেকে একটু দূরে ডান বা বাম পাশে হয়। এটি পেছনের পাঁজরের নিচের অংশে অনুভূত হওয়ার কথা। এই ব্যথা নড়াচড়া করে এবং কোমরের দুই পাশেও যেতে পারে। এই ব্যথা থেকে থেকে আসে, শোয়া-বসা বা কোনো কিছুতেই আরাম মেলে না।

    আমাদের কোমরে কোন ব্যথা হলেই আমরা চিন্তায় পরে যাই , এটা কি কিডনি ব্যথা নাকি কোমর ব্যথা  অন্য কোন সমস্যা । সাধারনত আমাদের শরীরের ডান পাশে , বাম পাশে  বুকের পাজর এবং কোমরের হাড়েরর মাঝখানে কিডনি থাকে । তাই এই জায়গায় ব্যথা হলে ধরে নিতে পারেন কিডনি সমস্যা । কিডনি সমস্যা সন্দেহ হলে আপনার নিকটবর্তী চিকিৎসক দেখানো জরুরি । চিকিৎসক যদি আপনাকে কিডনি বিশেষজ্ঞের কাছে রেফার করে , সেইক্ষেত্রে অবশ্যই কিডনি বিশেষজ্ঞের কাছে যাবেন । তবে কিডনি ব্যথার জন্য কোন ব্যথার ওষুধ না খেয়ে আপনি বাসায় কিছু নিয়ম ফলো করতে পারেন । সেই ক্ষেত্রে অবশ্যই উপকার পাবেন ।

    ১। প্রচুর পানি খেতে হবে

    কিডনি ব্যথা কমানোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন উপায় পর্যাপ্ত পানি খাওয়া । একজন সুস্থ মানুষের প্রতিদিন ২-৩ লিটার পানি খাওয়া উচিত । আপনার যদি কিডনি পাথর থাকে সেইক্ষেত্রে আরো বেশি পানি পান করতে হবে , যাতে প্রস্রাবের সাথে পাথর বের হয়ে যায় । কিডনি পাথর ছোট হলে , বিশেষ করে ৪ মিমি এর কম হলে পাথর প্রস্রাবের সাথে এমনিতেই বের হয়ে যায় । এছাড়া প্রস্রাব কম হলে বা প্রস্রাব থলিতে প্রস্রাব জমা হয়ে থাকলে প্রস্রাবে ইনফেকশন হতে পারে , তাই পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে যাতে  প্রচুর প্রস্রাব হয় । ভালভাবে প্রস্রাব হলে ইনফেকশন হওয়ার সুযোগ নেই , ফলে সব জীবানু প্রস্রাবের সাথে বের হয়ে যাচ্ছে ।   এছাড়া চা কফি এবং কোলা এইসব পানীয় কম খেতে হবে ।

    ২। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে

    কিডনি ব্যথা দূর করার জন্য বিশ্রাম অনেক সময় অনেক উপকারি । বিশেষ করে কিডনি পাথর বা কিডনি ইনজুরি হলে অতিরিক্ত হাঁটাচলা , কাজকর্ম এবং বেশি  এক্সারসাইজ করলে ব্লিডিং বাড়তে পারে । তাই ব্যথা হলে রেস্ট নেওয়াই উত্তম । যেইভাবে শুইলে ভাল লাগে কিডনি ব্যথা কম হয় , সেইভাবে শুয়ে থাকতে হবে ।

    ৩। গরম সেঁক দিতে পারেন

    গরম সেঁক ব্যথা কমানোর জন্য অনেক ভাল একটা উপায় । ব্যথার জায়গায় হালকা গরম সেঁক দিতে পারেন । গরম সেঁক দিলে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি পায় , নার্ভের সেনসেশন কমে । ফলে আরাম অনুভব হয় । তবে গরম সেঁক দেওয়ার সময় সাবধানে দিতে হবে , যাতে পুড়ে না যায় ।

     

    ৪।  চিকিৎসকের পরামর্শে এন্টিবায়োটিক নিতে হবে

    চিকিৎসকের পরামর্শে প্রস্রাবে ইনফেকশনের ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক নেওয়া যেতে পারে । তবে অবশ্যই শুধু এন্টিবায়োটিকে কাজ হবে না , আপনি অবশ্যই পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে এবং বাসায় বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে । বাসায় ঘরোয়াভাবে প্রস্রাবে ইনফেশন দূর করার  উপায়,  জন্য ভিডিও দেখতে পারেন  ।

     

    ৫। ভিটামিন সি কম  খেতে হবে

    ভিটামিন সি  শরীরের  জন্য অত্যান্ত প্রয়োজনীয় জিনিস । বিশেষ করে ভিটামিন সি হাড়ের গঠনের জন্য এবং শরীরে  ঘা বা ক্ষত শুকানোর   খুবই উপকারী ।  কিন্তু কিডনি ব্যথার ক্ষেত্রে বেশি পরিমান ভিটামিন সি  খেলে সমস্যা হতে পারে , কারন অতিরিক্ত ভিটামিন সি খেলে সেটা কিডনিতে অক্সালেটে পরিনত হয় , পরে এই  অক্সালেট কিডনি পাথরে পরিনত হয় । তাই কিডনি পাথরের সমস্যা হলে , ভিটামিন সি কম খাওয়াই উত্তম ।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 130 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
অজ্ঞাত ব্যক্তি
অজ্ঞাত ব্যক্তি
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

প্রসাব হলুদ হওয়ার কারণ ও ঘন ঘন প্রসাব হলে করনীয় কি? প্রসাবের ইনফেকশন ও জ্বালাপোড়া কেন হয়?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 111 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
Ornil
Ornilনতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

রাতের খাবার

  1. rakib
    rakib নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    আপনার রাতের খাবারের মেনুতে কিছুটা পরিবর্তন নিয়ে আসা প্রয়োজন আমি মনেকরি।  ১ = ডিম মামলেট,পরটা বুট ডাল এখানে বুট ডাল কে বাদ দিয়ে সবজি নিয়ে আসুন। আর পরোটা বাদ দিয়ে রুটি খান। ডিম ওমলেট (মামলেট) ভালো, তাই এটা রাখা যেতে পারে। তারমানে দাঁড়ায় = ডিম ওমলেট + রুটি + সবজি ২ = ভাত ডিম চিকেন কারি মুলত ভাত এবং রুটবিস্তারিত পড়ুন

    আপনার রাতের খাবারের মেনুতে কিছুটা পরিবর্তন নিয়ে আসা প্রয়োজন আমি মনেকরি।

     ১ = ডিম মামলেট,পরটা বুট ডাল

    এখানে বুট ডাল কে বাদ দিয়ে সবজি নিয়ে আসুন। আর পরোটা বাদ দিয়ে রুটি খান। ডিম ওমলেট (মামলেট) ভালো, তাই এটা রাখা যেতে পারে।

    তারমানে দাঁড়ায় = ডিম ওমলেট + রুটি + সবজি

    ২ = ভাত ডিম চিকেন কারি

    মুলত ভাত এবং রুটির মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নেই। মুল কথা আপনি অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করলে তা আপনার শরীরের জন্য খারাপ। ভাত, রুটি দুটোতেই কার্বোহাইড্রেট আছে কিছুটা কম আর বেশি।

    শরীর ভাল রাখতে সারা দিনে ১৫০ গ্রামের মতো ভাত খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত। মানে তিন বেলা বা দু’বেলা মিলে আপনি ১৫০ গ্রাম ভাত খেতে পারেন এতে শরীর তাজা থাকবে। যদি আপনি ৩ বেলা ভাত খান তাহলে রাতে ৫০ গ্রাম আর যদি দু বেলা ভাত খান তাহলে রাতে ৭৫ গ্রাম খেতে পারেন।

    এর সাথে ডিম, চিকেন কারি যোগ করলেও সমস্যা নেই।

    সব বিবেচনায় ১ নম্বরের খাবার মেনুটাই ঠিক আছে। আপনি চাইলে সেখানে রুটির জায়গায় ভাতও খেতে পারেন পরিমান মতো।

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 84 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
অজ্ঞাত ব্যক্তি
অজ্ঞাত ব্যক্তি
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

আপনি কী জানেন বাংলাদেশে একমাত্র রেনিক্স কেয়ার এ পাচ্ছেন প্রাকৃতিক সকল প্রোডাক্ট?

  1. Renix Care
    Renix Care নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    জি, আমি বেশ কয়েক বার প্রাকৃতিক পণ্য কিনেছি

    জি, আমি বেশ কয়েক বার প্রাকৃতিক পণ্য কিনেছি

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 83 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
murad
muradপণ্ডিত
সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

মাইগ্রেন কি, মাইগ্রেনের ওষুধ, লক্ষণ ও প্রতিকার কি?

  1. allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 5 বছর আগে

    মাইগ্রেন বা ‘আধ কপালি’ মাথা ব্যথা বর্তমানে খুব সাধারণ একটি স্নায়বিক রোগ। বিশ্বের প্রায় ১০% মানুষ এতে ভোগেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার করা এক সমীক্ষা অনুযায়ী মাইগ্রেন ব্যাপকতায় বিশ্বে তৃতীয় সাধারণ রোগ ও অষ্টম দুর্ভোগজনক রোগ। তাই বোঝাই যাচ্ছে এই রোগের কারণ, উপসর্গ এবং তার থেকে রেহাই পাওয়ার কিছু উপায় জেনবিস্তারিত পড়ুন

    মাইগ্রেন বা ‘আধ কপালি’ মাথা ব্যথা বর্তমানে খুব সাধারণ একটি স্নায়বিক রোগ। বিশ্বের প্রায় ১০% মানুষ এতে ভোগেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার করা এক সমীক্ষা অনুযায়ী মাইগ্রেন ব্যাপকতায় বিশ্বে তৃতীয় সাধারণ রোগ ও অষ্টম দুর্ভোগজনক রোগ। তাই বোঝাই যাচ্ছে এই রোগের কারণ, উপসর্গ এবং তার থেকে রেহাই পাওয়ার কিছু উপায় জেনে রাখা সকলেরই প্রয়োজন।

    প্রাচীনকালে এই মাথা ব্যথাকে ‘আধ কপালি’ ব্যথা বলা হত। মাইগ্রেন শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ ‘হেমিক্রেনিয়া’ থেকে। হেমি মানে অর্ধেক আর ক্রেনিয়া মানে মাথার খুলি বা করোটি। এই ব্যথা অর্ধ মাথায় হয় বলে এর নামকরণ করা হয় হেমিক্রেনিয়া আর বাংলা ‘আধকপালি’। মাইগ্রেন মাথার যে কোনো এক পাশ থেকে শুরু হয়ে বিস্তৃত আকার ধারণ করে। মস্তিষ্কের বহিরাবরণে যে ধমনিগুলো আছে সেগুলো মাথাব্যথার প্রারম্ভে স্ফীত হয়ে ফুলে যায়। অর্থাৎ রক্তবাহী শিরাগুলো যখন মস্তিস্কে ঠিকমতো রক্ত সরবরাহ করে না। সাধারণত এই ব্যথা দপদপ (pulsating) করে,  মাথাব্যথার সঙ্গে বমি এবং বমি বমি ভাবে রোগীর দৃষ্টিবিভ্রম হতে পারে।  মাইগ্রেন একধরনের প্রাইমারি হেডেক, যা নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময় সম্ভব। আর জেনে রাখা ভাল সব মাথা ব্যথা মাইগ্রেন নয় –  দৃষ্টিস্বল্পতা, মস্তিষ্কের টিউমার, মাথায় অন্য সমস্যার কারণে মাথাব্যথা হতে পারে।

    কিছু কিছু উপসর্গ জেনে রাখলে অন্যান্য মাথা ব্যথার সঙ্গে মাইগ্রেনের পার্থক্য করা সম্ভব। যেমন, এই ব্যথা ২ ঘণ্টা থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত হতে পারে। বমি বমি ভাব হতে পারে, আলোর দিকে তাকাতে অসুবিধে হয়, শব্দের জন্য ব্যথা বাড়তে পারে। ঘনঘন হাই ওঠা, কাজে মনোনিবেশ করতে অসুবিধে, খিটখিটে মেজাজ ব্যথা হওয়ার আগেও হতে পারে। অনেকে এই ব্যথা হওয়ার কিছু আগে আলোর ঝলকানি (aura) দেখতে পান। যাঁরা আলোর ঝলকানি দেখেন না তাঁদের ক্ষেত্রে অনেকে ৫-৪-৩-২-১ লক্ষণ দিয়ে মাইগ্রেন বোঝা যায়।
    ৫-৪-৩-২-১ লক্ষণটি হল –

    • ৫ বা তার বেশি বার ব্যথা যা অন্তত ৪ ঘন্টা থেকে ৩ দিন স্থায়ী হয়।
    • ব্যথার লক্ষণ অন্তত এগুলির ২টি হতেই হবে – মাথার এক দিকে ব্যথা, দপদপ করা, মাঝারি থেকে তীব্র ব্যথা।
    • এর সঙ্গে অন্তত ১ টি উপসর্গ থাকতে হবে – বমি বমি ভাব, আলো বা শব্দের প্রতি সংবেদনশীলতা।

    মাইগ্রেনের কারণঃ

    ১। বংশগতঃ অন্যান্য অনেক রোগের মত এটিও অনেক ক্ষেত্রে বংশগত রোগ। অন্তত ৩৪-৫১ শতাংশ ক্ষেত্রে জিনগত প্রভাব থাকে এবং মাইগ্রেন হওয়ার সম্ভবনা বাড়িয়ে তোলে।

    ২। দুশ্চিন্তা ও অস্থিরতাঃ ‘টেনশন’ আজকের দিনে একটি অতি সাধারণ একটি বিষয়। যাঁরা সবসময় নানা কারণে চিন্তাগ্রস্ত থাকেন বা দুশ্চিন্তায় ভোগেন তাদের ক্ষেত্রে এর প্রকোপ বেশি। উচ্চ রক্তচাপ, হতাশা, নিদ্রাহীনতা ইত্যাদিও মাইগ্রেনের কারণ।

    ৩। হরমোনের প্রভাবঃ এটি সাধারণত মেয়েদের উপর বেশি প্রভাব ফেলে। গবেষকদের মতে মাথাব্যথার সাথে নির্দিষ্ট কিছু যৌন হরমোনের সংযোগ রয়েছে। যাদের নিয়মিত মাসিক হয় না তাদের এই মাইগ্রেনের হার বেশি। আবার অনেকের ক্ষেত্রে প্রত্যেক মাসিকের পূর্বাবস্থায় এই মাইগ্রেনের ব্যথা উঠতে পারে। অন্যদিকে যেসব মহিলারা দীর্ঘদিন জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবন করেন তাদের মাঝেও এই রোগের লক্ষণ বেশি দেখা যায়।

    ৪। আবহাওয়ার পরিবর্তনঃ বর্তমানে পরিবেশদূষণের প্রভাব সকলের উপর পড়ছে। আর এমনই এক প্রভাবে ফলে হিসাবে সৃষ্টি হয়েছে মাইগ্রেন। সম্প্রতি এক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, গ্রাম অঞ্চলের লোকদের চেয়ে শহর অঞ্চলের লোকদের মাঝে এর প্রভাব বেশি। তাই ধারণা করা হচ্ছে পরিবেশও মাইগ্রেনের একটা কারণ।

    ৫। মস্তিস্কে বিভিন্ন রাসায়নিকের পরিবর্তনঃ স্নায়বিক উদ্দীপনা এক স্নায়ু থেকে অন্য স্নায়ুতে পাঠানোর জন্য বেশ কিছু রাসায়নিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে, এই রাসায়নিকগুলির পরিমান কোন কারণে ( বিভিন্ন ওষুধের প্বার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, অতিরিক্ত এলকোহল, ক্যাফিন এর প্রভাব) পরিবর্তিত হলে ভারসাম্য নষ্ট হয়। এর ফলে মাইগ্রেন হতে পারে।

     

    মাইগ্রেন প্রতিরোধের উপায়ঃ

    • মাইগ্রেন নিয়মিত চিকিৎসায় সেরে ওঠে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা উচিত। তাৎক্ষণিক এবং প্রতিরোধক ওষুধের পাশাপাশি কিছু নিয়মকানুন মেনে চললে সমস্যা অনেকাংশে কমে যায়।
    • প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ও পরিমিত ঘুম দরকার।
    • অতিরিক্ত বা কম আলোতে কাজ না করা।
    • বেশি রোদ বা ঠান্ডা পরিহার করা।
    • উচ্চশব্দ ও কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে বেশিক্ষণ না থাকা।
    • বেশি সময় ধরে মোবাইল। কম্পিউটারের মনিটর ও টিভির সামনে না থাকা।
    • মাইগ্রেন শুরু হয়ে গেলে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা (বিশেষ করে বমি হয়ে থাকলে), বিশ্রাম করা, ঠান্ডা কাপড় মাথায় জড়িয়ে রাখা উচিত।
    • এছাড়া খাদ্যাভ্যাসেও কিছু পরিবর্তন আনা উচিত। কিছু খাবার গ্রহণ করলে মাইগ্রেন এর প্রতিরোধ হয়, যেমন – ম্যাগনেশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার (যেমন ঢেঁকি ছাঁটা চালের ভাত, আলু ও বার্লি), বিভিন্ন ফল (বিশেষ করে খেজুর ও ডুমুর), সবুজ, হলুদ ও কমলা রঙের শাকসবজি, ইত্যাদি।
    • কিছু খাবার এড়িয়ে চললে মাইগ্রেনের ব্যথার সম্ভবনা কম হয়, যেমন – চা, কফি ও কোমলপানীয়, চকলেট, আইসক্রিম, দই, দুধ, মাখন, টমেটো ও টক জাতীয় ফ্ল, গম জাতীয় খাবার (যেমন রুটি, পাস্তা, ব্রেড ) ইত্যাদি।

     

    ভাল লাগলে আমায় YOUTUBE CHANNEL টা ঘুরে আসতে পারেন

    https://youtube.com/allaboutsubha

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 83 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
jahanur
jahanurপণ্ডিত
সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

মুখের ব্রণ দূর করার ৫টি কার্যকরী ওষুধ

মুখের ব্রণ দূর করার ৫টি কার্যকরী ওষুধ
  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 79 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
nova
novaনতুন
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

গর্ভাবস্থায় পেঁপে খেলে কি বাচ্চার ক্ষতি হয়?

গর্ভাবস্থায় পেঁপে খেলে কি বাচ্চার ক্ষতি হয়?
  1. Mithun
    সেরা উত্তর
    Mithun পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে
    গর্ভাবস্থায় পেঁপে খেলে কি বাচ্চার ক্ষতি হয়?

    আমি বুঝতে পারছি যে আপনি শিশুর স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত। ভাল খবর হল যে চিন্তা করার কোন প্রয়োজন নেই। পেঁপে সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের জন্য খাওয়া নিরাপদ, যতক্ষণ না এটি পাকা হয়। অপরদিকে, অপরিপক্ক পেঁপেতে ল্যাটেক্স নামক একটি উপাদান থাকে যা জরায়ু সংকোচনের কারণ হতে পারে। তবে অল্প পরিমাণে কাঁচা পেঁপে খেলেওবিস্তারিত পড়ুন

    আমি বুঝতে পারছি যে আপনি শিশুর স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত। ভাল খবর হল যে চিন্তা করার কোন প্রয়োজন নেই। পেঁপে সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের জন্য খাওয়া নিরাপদ, যতক্ষণ না এটি পাকা হয়। অপরদিকে, অপরিপক্ক পেঁপেতে ল্যাটেক্স নামক একটি উপাদান থাকে যা জরায়ু সংকোচনের কারণ হতে পারে। তবে অল্প পরিমাণে কাঁচা পেঁপে খেলেও শিশুর ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই। আপনি যদি এখনও উদ্বিগ্ন হন তবে ডাক্তারের সাথে কথা বলতে পারেন। ডাক্তার আপনাকে গর্ভাবস্থায় পেঁপের সুরক্ষা সম্পর্কে আরও তথ্য দিতে পারে। নিশ্চিত করুন যে আপনি স্বাস্থ্যকর খাবার খাচ্ছেন, প্রচুর বিশ্রাম নিচ্ছেন এবং চাপ এড়াচ্ছেন।

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 78 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
Khandaker Ashaduzzaman
Khandaker Ashaduzzamanসবজান্তা
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

দেজা ভু কী ?

  1. surma
    surma নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে
    দেজা ভু কী ?

    কিছুদিন আগে যখন আমি ঢাকা অ্যাটাক মুভিটি দেখছিলাম তখন মুভিটির শেষ দৃশ্য যেটিতে জিসান অর্থাৎ খলনায়ককে মারা হয় সেই দৃশ্যে এসে আমার বার বার মনে হচ্ছিল আমি এটি আগেও দেখেছি। আমি নিজেকে যতই বোঝাতে চাচ্ছিলাম যে এটি আগে দেখার কোন প্রশ্নই আসে না, তারপরেও মনে হচ্ছিল আমি এটি দেখেছি। আর এই অনুভূতি একদমই প্রথমবিস্তারিত পড়ুন

    কিছুদিন আগে যখন আমি ঢাকা অ্যাটাক মুভিটি দেখছিলাম তখন মুভিটির শেষ দৃশ্য যেটিতে জিসান অর্থাৎ খলনায়ককে মারা হয় সেই দৃশ্যে এসে আমার বার বার মনে হচ্ছিল আমি এটি আগেও দেখেছি।

    আমি নিজেকে যতই বোঝাতে চাচ্ছিলাম যে এটি আগে দেখার কোন প্রশ্নই আসে না, তারপরেও মনে হচ্ছিল আমি এটি দেখেছি। আর এই অনুভূতি একদমই প্রথম নয় আমার জন্য, এর আগেও অনেকবার আমি এর সম্মুখীন হয়েছি।

    যেমন বালিয়াটি জমিদার বাড়ির পেছনের পুকুরটি দেখার পর ওই পুকুরটি আমার খুব চেনা চেনা লাগছিল। প্রথম যেদিন এই জিনিসটি আমি অনুভব করতে পারি সেদিন অনেকের সাথে কথা বলেও জানতে পারিনি এটি কী বা কেন এটি হয়।

    পরে একদিন কোন একটি গল্পের বই পড়তে পড়তে জানতে পারি এই অনুভূতির নাম হচ্ছে ‘দেজা ভ্যু’, ইংরেজীতে যার অর্থ ‘already seen’, বাংলায় আমরা বলতে পারি ‘ইতিপূর্বে দেখা’। সহজ ভাষায় দেজা ভ্যু হচ্ছে কোন কিছুকে প্রথমবার দেখেই পরিচিত বলে মনে হওয়া যদিও সেটি আমাদের পরিচিত হওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না।

    এই কোন কিছুটা যে শুধু কোন জিনিস তাই নয়, হতে পারে কোন জায়গা, কোন মানুষ অথবা বন্ধুবান্ধবের সাথে আড্ডা দেয়ার কোন মুহূর্ত।

    দেজা ভ্যু কেন হয়?

    যেদিন জানতে পারলাম কোন কিছুকে পরিচিত মনে হওয়ার এই অনুভূতির নাম হচ্ছে দেজা ভ্যু সেদিনই বসে পড়লাম নেট ঘাঁটতে। মূল উদ্দেশ্য ছিল দেজা ভ্যু কেন হয় তা জানা। কিন্তু দেজা ভ্যুর আসল কারণ জানতে গিয়ে আরো ধাঁধায় পড়ে গেলাম।

    কারণ, দেজা ভ্যু হওয়ার আসল কারণ সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা এখনো একমত হতে পারেন নি। একেকজন একেকরকম কারণ দেখিয়েছেন দেজা ভ্যু সংঘটিত হওয়ার। সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি কারণ তুলে ধরছি তোমাদের জন্য:

    ১। স্বপ্নের খেলা

    দেজা ভ্যু হওয়ার কারণ সম্পর্কে প্রথম যে ধারণার কথা আমি বলবো সেটি স্বপ্ন সম্পর্কিত। কেউ কেউ বিশ্বাস করে যে, মানুষের মনে যে জিনিসটি নিয়ে সন্দেহ জাগে যে সে সেটি আগে দেখেছে অর্থাৎ দেজা ভ্যু হয় যে জিনিসটি নিয়ে সেটি সে আগেই স্বপ্নে দেখে।

    কিন্তু মানুষ খুব কম স্বপ্নই মনে রাখতে পারে। আর তাই সকালে উঠে সেই স্বপ্নটি আর তার মনে থাকে না কিন্তু অবচেতন মনে ঠিকই সেই স্বপ্নটি সংরক্ষিত থাকে। পরে যখন সে বাস্তবে সেই ঘটনা বা জিনিসটির সম্মুখীন হয় তখন তার অবচেতন মন সেই স্বপ্নে দেখা স্মৃতিটিকে মনে করিয়ে দেয়। তখনই তার মনে হয় যে ওই জিনিসটি সে আগেই দেখেছে বা ওই ঘটনা আগেও ঘটেছে।

    আমার যখন প্রথম দেজা ভ্যু হয় তখনো আমার এমনই মনে হয়েছিল। আমার এমন একটি জায়গা দেখে মনে হয়েছিল যে আমি এখানে আগেও এসেছি যেখানে তার আগে আমার যাওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না। আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম এই ভেবে যে জায়গাটি আমার এত পরিচিত মনে হচ্ছে কেন। পরে আমার বারবার মনে হচ্ছিল যে আমি হয়তো স্বপ্নে দেখেছি জায়গাটি।

    ২। স্মৃতির অন্তরালে

    এখন যে ব্যাখ্যার কথা বলব সেটি স্মৃতির সাথে সম্পর্কিত। এই ধারণায় বলা হয় যে, যেই জিনিস বা স্থান বা ঘটনা সম্পর্কে দেজা ভ্যু হয় সেই জিনিস বা স্থান বা ঘটনা পূর্বেও মানুষ দেখে। কিন্তু অনেক আগে তা দেখার কারণে তা স্মৃতিতে পুরোপুরিভাবে থাকে না। কিন্তু অবচেতন মনে বা স্মৃতিতে তার একটা ছাপ থাকে।

    এর ফলে যখন সে পুনরায় সেই জিনিস বা স্থান বা ঘটনার মুখোমুখি হয় তখন স্মৃতির গভীর থেকে ওই পুরনো স্মৃতিও তার সামনে চলে আসে। তখন তার মনে হয় যে এটি আগেও ঘটেছে বা সে এটি আগেও দেখেছে।

    এটি একটি ভালো ব্যাখ্যা হতে পারে কিন্তু খুব বেশি শারীরিক নয়। কারণ দেজা ভ্যুর অভিজ্ঞতা যাদের হয়েছে তাদের মধ্য বেশিরভাগই জোর দিয়ে বলে পূর্বে ওই জিনিস বা জায়গা বা ঘটনার মুখোমুখি হওয়ার কোন সম্ভাবনাই নেই।

    ৩। সব দোষ মস্তিষ্কের

    এবারের ব্যাখ্যাটি মস্তিষ্কের উপর নির্ভর করে দেয়া। আমরা সবাই জানি যে, মস্তিষ্কের এক এক অংশ এক এক কাজ করে থাকে। দেখার কাজটি মস্তিষ্কের যেই অংশটি করে থাকে সেটি মস্তিষ্কের পেছনে অবস্থিত। এটি কোন কিছু দেখে এবং সেটিকে ব্যাখ্যা করে আমাদের সামনে উপস্থাপন করে যার ফলে আমরা বুঝতে পারি আমরা কী দেখছি।

    অনেক বিশেষজ্ঞ দেজা ভ্যু কে মানসিক রোগের সাথে মিলিয়ে দিয়েছেন

    কোন কিছু দেখে সেটিকে ব্যাখ্যা করতে মস্তিষ্কের এই অংশটির খুব কম সময় লাগে, সেকেন্ডের ভগ্নাংশ সময়ের মধ্যেই এই কাজটি সম্পন্ন হয়ে যায়। কিন্তু যদি কোন কারণে কোন কিছু দেখা আর ব্যাখ্যা করে আমাদের সামনে উপস্থাপন করার এই ক্ষুদ্র সময়ে আমাদের মন সামান্য সময়ের জন্য বিক্ষিপ্ত হয়ে যায় তাহলে দেজা ভ্যু হয়।

    এর কারণ হচ্ছে একবার চোখ জিনিসটি বা ঘটনাটি দেখে, তারপর মন বিক্ষিপ্ত হয়ে যায় কিছু সময়ের জন্য। পরে যখন চোখ আবার সেই জিনিসটি বা ঘটনাটি দেখে এবং তা ব্যাখ্যা করে আমাদের সামনে উপস্থাপন করে তখন একটু আগে দেখার ঘটনাটাও মনে পড়ে যায়। তখন মনে হয় এটি আমি আগেও দেখেছি। কিন্তু সে আগে যে একটু আগেই তা মাথায় আসে না। ফলে মনে হয় অনেক আগের ঘটনা এটি।

    এই ব্যাখ্যাটি মোটামুটি চলনসই বলা চলে। এগুলো ছাড়াও আরো কিছু ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে দেজা ভ্যু সম্পর্কে। অনেকেই আবার অতিপ্রাকৃত ঘটনার সাথে দেজা ভ্যুর যোগসূত্র আছে বলে মনে করেন।

    দেজা ভ্যু হওয়া কি খারাপ?

    অনেক বিশেষজ্ঞ দেজা ভ্যু কে মানসিক রোগের সাথে মিলিয়ে দিয়েছেন। তাদের বর্ণনা অনুযায়ী দেজা ভ্যু তাদেরই হয় যাদের কিছুটা মানসিক সমস্যা আছে। কিন্তু এর পক্ষে তারা কোন প্রমাণ দেখাতে পারেন নি। পৃথিবীর প্রায় ৬০%-৭০% মানুষ দেজা ভ্যুর মুখোমুখি হয়। তাদের বেশিরভাগেরই কোন রকম মানসিক সমস্যা নেই।

    আর যারা দেজা ভ্যু এর সাথে অতিপ্রাকৃত ঘটনার সম্পর্কে খুঁজে পান তারাও কোন শক্ত প্রমাণ দেখাতে পারেন নি। আর তাই হলপ করে বলা যায় না যে দেজা ভ্যু হওয়াটা খারাপ কিছু।

    দেজা ভ্যুর যে সকল কারণ আমরা দেখতে পাই সেগুলো থেকে দেখা যায় যে এগুলো মস্তিষ্কের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই পড়ে। আর তাই এটিকে খারাপ বা ক্ষতিকর কিছু হিসেবে অভিহিত করা যায় না।

    দেজা ভ্যু হওয়াটা খারাপ কিছু নয়, এটা আমার জন্য বেশ ভালো সংবাদই বলা চলে। আমার তো মাঝে মাঝে মজাই লাগে। প্রায়ই আমার এমন হয়। আগে খুব বেশি ভাবতাম, ঘাঁটাঘাঁটি করতাম দেজা ভ্যু নিয়ে। এখন এটা বেশ উপভোগ করি।

    ক্রেডিটঃ 10minuteschool

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 77 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
Khandaker Ashaduzzaman
Khandaker Ashaduzzamanসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

ভয় পেলে লোম খাড়া হয় কেন?

  1. Jasim
    Jasim নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    শুধু ভয় না, স্নান করার সময়, শীত লাগলে, কান্না করলেও আমাদের শরীরের লোম খাড়া হয়ে যায়। ত্বকের ক্ষুদ্র মাংসপেশির সংকোচন প্রতিটি চুলকে সংযুক্ত করে। প্রতিটি সংকুচিত মাংসপেশি ত্বকের উপরিভাগে একটি অগভীর নিম্নচাপ সৃষ্টি করে; যার ফলে ওই অঞ্চল উদ্দীপ্ত হয়। মাংসপেশির এই সংকোচনের ফলেই ঠাণ্ডা লাগলে লোম খাড়া হয়ে যবিস্তারিত পড়ুন

    শুধু ভয় না, স্নান করার সময়, শীত লাগলে, কান্না করলেও আমাদের শরীরের লোম খাড়া হয়ে যায়।

    image host

    ত্বকের ক্ষুদ্র মাংসপেশির সংকোচন প্রতিটি চুলকে সংযুক্ত করে। প্রতিটি সংকুচিত মাংসপেশি ত্বকের উপরিভাগে একটি অগভীর নিম্নচাপ সৃষ্টি করে; যার ফলে ওই অঞ্চল উদ্দীপ্ত হয়। মাংসপেশির এই সংকোচনের ফলেই ঠাণ্ডা লাগলে লোম খাড়া হয়ে যায়।

    লোম খাড়া যাওয়ার এই ঘটনাটিকে চলতি ভাষায় বলে গুজবাম্প। মেডিক্যাল ভাষায় বলা হয় কিউটিস আনসেরিনা (cutis anserina)।

    প্রতিটি রোমকূপের (hair follicle) গোড়ায় একটি ছোট্ট মাংসপেশি জুড়ে আছে, যার নাম অ্যারেকটর পাইলি (arrector pili)। নিম্নশ্রেণীর প্রাণী যেমন- কুকুর বা বেড়াল, যাদের গায়ে লোম আছে, দেখবেন খুব ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় বা ভয় পেলে রোঁয়া ফোলায়। রোঁয়া ফোলালে ওদেরকে আরো বড় দেখায়, শত্রু ভয় পেয়ে পালিয়ে যায়, এবং ঐ লোমের মধ্যে গরম হাওয়া আটকে ওরা শরীর গরম করে নেয়। ওরা ইচ্ছেমতো এই অ্যারেকটর পেশিটিকে চালাতে পারে, এই পেশিটি কন্ট্রাক্ট করলে লোম খাড়া হয়ে ওঠে।

    মানুষদের অ্যারেকটর নিজেদের ইচ্ছাধীন না, তবে ঠাণ্ডা লাগলে বা ফাইট অর ফ্লাইট রেসপন্স চালু হলে (এড্রেনালীন রেসপন্স) নিজের থেকেই এই পেশী কুঁচকে যায়। এটি চালনা করে আমাদের সিম্প্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেম।

    এটিকে বলা হয় ভেসটিজিয়াল রিফ্লেক্স (vestigial reflex), অর্থাৎ এমন রিফ্লেক্স যা নিম্নশ্রেণীর প্রাণীদের কাজে আসে, কিন্তু আমাদের মতো উচ্চস্তরের প্রাণীদের কাজে আসেনা।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 76 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
srity
srityপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

জাপানীরা দীর্ঘায়ু হয় কেন এবং কিভাবে?

  1. Khandaker Ashaduzzaman
    সেরা উত্তর
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    জাপানি রা যেমন কর্মঠ তেমন তাদের সুশৃঙ্খল জীবন যাপন। তাদের খাদ্য তালিকা বেশ চমৎকার এবং নিয়মতান্ত্রিক। একজন জাপানী সুস্থ শরীর আর মজবুত হাড় নিয়ে বেঁচে থাকে প্রায় ৮৪ বছরের বেশি সময়। এদের শরীরে মেদের চিহ্ন প্রায় নেই বললেই চলে। কিন্তু কেন? পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছে, জাপানীরা স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে শুধু খাবার নিয়বিস্তারিত পড়ুন

    জাপানি রা যেমন কর্মঠ তেমন তাদের সুশৃঙ্খল জীবন যাপন। তাদের খাদ্য তালিকা বেশ চমৎকার এবং নিয়মতান্ত্রিক।

    একজন জাপানী সুস্থ শরীর আর মজবুত হাড় নিয়ে বেঁচে থাকে প্রায় ৮৪ বছরের বেশি সময়। এদের শরীরে মেদের চিহ্ন প্রায় নেই বললেই চলে। কিন্তু কেন? পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছে, জাপানীরা স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে শুধু খাবার নিয়ন্ত্রণ করে বিষয়টা এমন না। বরং তাদের জীবনযাপনের নিয়ম কানুন, অভ্যাস সব মিলিয়েই তাদের সুস্বাস্থ্য।

    মোটা জাপাানী খুঁজে পাওয়া কঠিন;

    জাপানের ওকিনোয়া দ্বীপের নাগরিকদের গড় আয়ু ৮৪ নয়, বরং বেশিরভাগ মানুষ এখানে শতবর্ষ পার করেছেন। এই দ্বীপকে বলা হয়ে থাকে ‘দ্য ল্যান্ড অফ ইমমর্টালস’।

    জাপানীরা তিনটি আদর্শ মেনে চলে। তারা প্রচুর হাঁটাহাঁটি করে, জীবনযাত্রায় সাইকেলের ব্যবহার লক্ষ্যণীয়। অফিস আদালত, স্কুল কলেজে যাবার ক্ষেত্রে এই দুটি মাধ্যমকেই তারা বেছে নেয়। জেনে অবাক হতে হয়, জাপানে ৭২মিলিয়ন মানুষ বাইসাইকেল ব্যবহার করে নিয়মিত এবং বাইসাইকেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে নেদারল্যান্ড আর ডেনমার্কের পরই জাপানের নাম উঠে আসে। এছাড়া, তারা সবসময় পরিমিত পরিমাণ খাবার খায়। ছুটি উদযাপনেও পাহাড় ডিঙানো বা হাইকিং তাদের মাঝে ভীষণ জনপ্রিয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 75 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
rana
ranaপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

গ্যাস্ট্রিক এর ব্যাথা কোথায় কোথায় হয়? গ্যাস্ট্রিক দূর করার উপায় কি?

  1. murad
    সেরা উত্তর
    murad পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    গ্যাসের ব্যথা কোথায় হয় এবং দ্রুত ব্যথা কমানোর উপায়। গ্যাস্ট্রিক বর্তমান সময়ে একটি অতি পরিচিত স্বাস্থ্য সমস্যা। যেকোনো বয়সের পুরুষ ও মহিলারা এমনকি শিশুরা পর্যন্ত এ সমস্যায় ভুগে থাকে। গ্যাস্ট্রিকের ব্যথাকে ডাক্তারি ভাষায় গ্যাসট্রাইটিস বলা হয়। গ্যাস্ট্রিকের ব্যথার একটি উপসর্গ হলো পেটের উপরিভাগেবিস্তারিত পড়ুন

    গ্যাসের ব্যথা কোথায় হয় এবং দ্রুত ব্যথা কমানোর উপায়।

    গ্যাস্ট্রিক বর্তমান সময়ে একটি অতি পরিচিত স্বাস্থ্য সমস্যা। যেকোনো বয়সের পুরুষ ও মহিলারা এমনকি শিশুরা পর্যন্ত এ সমস্যায় ভুগে থাকে। গ্যাস্ট্রিকের ব্যথাকে ডাক্তারি ভাষায় গ্যাসট্রাইটিস বলা হয়। গ্যাস্ট্রিকের ব্যথার একটি উপসর্গ হলো পেটের উপরিভাগে ব্যথা। গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা কি শুধু পেটের উপরিভাগে হয় নাকি অন্য কোথাও হতে পারে বিষয়টি জানতে আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়তে হবে।
    গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা আসলে কোন রোগ নয়, গ্যাস্ট্রিক হলো অন্য রোগের উপসর্গ। সাধারণত পেপটিক আলসার হলে গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা সহ আরো কিছু লক্ষণ ও উপসর্গ প্রকাশ পায়। হাইপার এসিডিটির কারণেও বুকের জ্বালাপোড়া ও ব্যথা হতে পারে।
    সাধারণত গ্যাস্ট্রিক বলতে আমরা পেটে গ্যাস জমা হওয়া, পেট ফাঁপা, বমি ভাব, পেটের উপরিভাগে বা বুকে ব্যথাকে বুঝে থাকি।

    গ্যাস্ট্রিক হয় কেন?

    চিকিৎসকরা গ্যাস্ট্রিকের ব্যথাকে দুই ভাগে ভাগ করেছেন। একটি হলো দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা যাকে ক্রনিক গ্যাসট্রাইটিস বলা হয়। অপরটি তীব্র গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা যাকে অ্যাকিউট গ্যাসট্রাইটিস বলা হয় এবং অ্যাকিউট গ্যাসট্রাইটিস হঠাৎ করে শুরু হয়।
    গ্যাস্ট্রিক কেন হয়? গ্যাস্ট্রিকের মূল কারণ হলো হাইপার অ্যাসিডিটি অর্থাৎ পেটে অ্যাসিডের পরিমাণ অতিরিক্ত ভাবে বেড়ে যাওয়া।

    হাইপার অ্যাসিডিটি হয় কেন?

    মানসিক চাপ, অনিদ্রা, তেল চর্বি ও ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার বেশি খাওয়া ইত্যাদি কারণে হাইপার অ্যাসিডিটি হতে পারে। তাছাড়া ব্যথানাশক ওষুধ বেশি সেবনের ফলে হাইপার অ্যাসিডিটি এমনকি পেপটিক আলসার পর্যন্ত হতে পারে।

    পেপটিক আলসারের কারণ কি?

    হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি নামের এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার কারণে পেপটিক আলসার হয়। এই ব্যাকটেরিয়া পাকস্থলীর মিউকোসাল প্রাচীরকে নষ্ট করে দেয়। ফলে পাকস্থলীতে ক্ষত বা আলসারের তৈরি হয়। তাছাড়া হাইড্রোক্লোরিক এসিড ও পেপসিন নামক এনজাইমের কার্যকারিতার কারণেও মিউকোসাল প্রাচী ক্ষতিগ্রস্ত হয় অর্থাৎ পেপটিক আলসার হয়।
    মিউকোসাল প্রাচীর পেটের অতিরিক্ত অ্যাসিড হতে পাকস্থলীকে রক্ষা করে। মিউকোসাল প্রাচীর নষ্ট হওয়ার ফলে অ্যাসিড সরাসরি পাকস্থলীর উপর পড়ে ফলে পাকস্থলীতে ইনফ্লামেশন বা ব্যথা হয়।

    গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা কোথায় হয়?

    গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা সচরাচর পেটের উপরিভাগে হয়। বুকের মাঝখানে, ডানপাশে এমনকি বামপাশে পর্যন্ত হতে পারে। ব্যথার অনুভূতি সবার ক্ষেত্রে এক হয় না। গ্যাস্ট্রিকের ব্যথাকে অনেকে হার্টের ব্যথা মনে করে ভুল করে। গ্যাস্ট্রিক আলসারের ক্ষেত্রে কোন কিছু খেলে ব্যথা বেড়ে যায়। কিন্তু ডিওডেনাল আলসারের ক্ষেত্রে খালি পেটে ব্যথা বাড়ে। যাইহোক, গ্যাস্ট্রিকের তীব্র ব্যথা হলে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

    গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা কমানোর উপায়

    গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আমরা সাধারণত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবন করে থাকি। দেখা গেছে অনেকে গ্যাস্টিকের ওষুধ নিয়মিত খাচ্ছেন কিন্তু গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে সম্পূর্ণরূপে মুক্তি পাচ্ছেন না। এর কারণ হলো তার লাইফ স্টাইল। গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবনের পাশাপাশি লাইফস্টাইলে কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে।
    যে বিষয়গুলো গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার জন্য দায়ী সেগুলো এড়িয়ে চলতে হবে। যেমনঃ মানসিক দুশ্চিন্তা দূর করতে হবে, সময় মত খাবার খেতে হবে, শাকসবজি বেশি খেতে হবে, পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে, ভাজা-পোড়া, তেল-চর্বি জাতীয় খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, সহজে হজম হয় এমন ধরনের খাবার খেতে হবে, সময় মত ঘুমাতে হবে, এইচ পাইলোরি ইনফেকশন থাকলে এর চিকিৎসা নিতে হবে ইত্যাদি।
    সূত্রঃ ইন্টার্নেট
    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 75 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
Jesmin
Jesminনতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

ভাত ঘুম বা দুপুরের ঘুমের উপকারিতা কি? ভাত ঘুমের কি কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে?

  1. shanto
    সেরা উত্তর
    shanto ভিআইপি
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    বাংলাদেশে অনেকেই দুপুরে খাওয়ার পর কিছুটা ঘুমিয়ে নেন। যাকে বাংলায় বলা হয় ভাত-ঘুম। দুপুরে খাওয়ার পর ঘুমানোকে যদিও অনেক সময় আলসেমি মনে করা হয়। কিন্তু দশ থেকে কুড়ি মিনিটের ভাত-ঘুমের অনেক উপকারিতা রয়েছে। সব বয়সের জন্যই ভাত ঘুম উপকারী। নতুন এক গবেষণা বলছে, এটি হয়তো আপনাকে আরও বেশি দিন বাঁচতে সাবিস্তারিত পড়ুন

    বাংলাদেশে অনেকেই দুপুরে খাওয়ার পর কিছুটা ঘুমিয়ে নেন। যাকে বাংলায় বলা হয় ভাত-ঘুম।

    দুপুরে খাওয়ার পর ঘুমানোকে যদিও অনেক সময় আলসেমি মনে করা হয়। কিন্তু দশ থেকে কুড়ি মিনিটের ভাত-ঘুমের অনেক উপকারিতা রয়েছে।

    সব বয়সের জন্যই ভাত ঘুম উপকারী।

    নতুন এক গবেষণা বলছে, এটি হয়তো আপনাকে আরও বেশি দিন বাঁচতে সাহায্য করবে।

    সূত্রঃ বিবিসি বাংলা

    তবে বেশি ঘুমানো উচিৎ হবেনা।

    আর কী কী উপকারিতা রয়েছে – তা জানতে ভিডিওটি দেখুন।

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 73 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
Nusaiba
Nusaibaনতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

মাথা ব্যাথা কি কোন রোগের লক্ষণ? ঘন ঘন মাথা ব্যাথার জন্য কোন ঔষধ খেতে পারি?

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 72 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
কাসেম খান
কাসেম খাননতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

হাই প্রেসার এর লক্ষণ এবং হাই প্রেসার কমানোর উপায় কি?

  1. নুসরাত জাহান
    সেরা উত্তর
    নুসরাত জাহান নতুন nai
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার বা হাইপারটেনশন একটি অতি পরিচিত রোগ। সময়মত রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা না করা হলে, উচ্চ রক্তচাপ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মত মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণসমূহ সাধারণত হাই প্রেসার এর বিশেষ কোনো লক্ষণ থাকে না। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আছে কি নাবিস্তারিত পড়ুন

    উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার বা হাইপারটেনশন একটি অতি পরিচিত রোগ। সময়মত রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা না করা হলে, উচ্চ রক্তচাপ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মত মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

    উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণসমূহ

    সাধারণত হাই প্রেসার এর বিশেষ কোনো লক্ষণ থাকে না। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আছে কি না তা বোঝার উপায় হলো নিয়মিত রক্তচাপ মাপা। রক্তচাপ মাপার ক্ষেত্রে রক্ত মাপার যন্ত্র দ্বারা দুইটি সংখ্যা রেকর্ড করা হয়—

    • সিস্টোলিক প্রেসার বা চাপ: দুটি রিডিং এর মধ্যে বড় সংখ্যা বা ওপরের মানটি হলো সিস্টোলিক চাপ। হৃৎপিণ্ড থেকে প্রতি স্পন্দনে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালনের সময়ে এই চাপ সৃষ্টি হয়।
    • ডায়াস্টোলিক প্রেসার বা চাপ: রিডিং দুটির মধ্যে ছোট সংখ্যা বা নিচের মানটি হলো ডায়াস্টোলিক চাপ। রক্ত সঞ্চালনের বিরুদ্ধে রক্তনালীর বাধা থেকে এই চাপের সৃষ্টি।

    রক্তচাপকে মিলিমিটার (পারদ) বা mmHg এককে মাপা হয়। ধরে নেওয়া যাক আপনার রক্তচাপ ১২০/৮০ মিলিমিটার (পারদ)। তাহলে সিস্টোলিক চাপ হবে ১২০ এবং ডায়াস্টোলিক চাপ হবে ৮০।

    মানুষের রক্তচাপ একে অপরের থেকে কিছুটা ভিন্ন হয়ে থাকে। একজনের জন্য যেই রক্তচাপ বেশি বা কম, তা অন্যজনের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক হতে পারে। রক্তচাপ যদি ৯০/৬০ থেকে ১২০/৮০—এই সীমার মধ্যে থাকে তাহলে তা স্বাভাবিক রক্তচাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

    সাধারণত উচ্চ রক্তচাপ বলা হয় যদি—

    • রক্তচাপ সবসময় ১৪০/৯০ বা এর বেশি থাকে
    • ৮০ বছর বা তার অধিক বয়সীদের ক্ষেত্রে রক্তচাপ যদি ১৫০/৯০ বা এর বেশি থাকে

    রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার কারণ

    উচ্চ রক্তচাপের নির্দিষ্ট কারণটি সবসময় চিহ্নিত করা যায় না। তবে বিভিন্ন কারণে এই সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিগুলোর মধ্যে রয়েছে—

    • ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হওয়া
    • অতিরিক্ত লবণ খাওয়া
    • খাবারের তালিকায় যথেষ্ট পরিমাণে শাকসবজি ও ফলমূল না থাকা
    • অতিরিক্ত পরিমাণে মদপান করা
    • অতিরিক্ত চা-কফি, কোমল পানীয় ও অন্যান্য ক্যাফেইন-জাতীয় পানীয় খাওয়ার অভ্যাস থাকা
    • পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম না করা
    • ধূমপান করা
    • রাতে একটানা ৬-৮ ঘণ্টার চেয়ে কম ঘুমানো
    • বয়স পঁয়ষট্টি বছরের ঊর্ধ্বে হওয়া
    • পরিবারে বাবা, মা, ভাই-বোনের মত নিকট আত্মীয়দের হাই ব্লাড প্রেশার থাকা

    রক্তচাপ ১২০/৮০ থেকে ১৪০/৯০— এর মাঝে থাকলে ভবিষ্যতে উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সময়মতো যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তা না হলে এই ঝুঁকি রয়ে যায়, এমনকি তা দিন দিন বাড়তে থাকে।

    রক্তচাপ স্বাভাবিকের তুলনায় অত্যধিক বেড়ে গেলে তা রোগীর রক্তনালী, হৃৎপিণ্ড, মস্তিষ্ক, কিডনি ও চোখের মত অঙ্গে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। রক্তচাপ একটানা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে মারাত্মক ও প্রাণঘাতী কিছু রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। যেমন—

    • হৃদরোগ
    • হার্ট অ্যাটাক
    • স্ট্রোক
    • হার্ট ফেইলিউর (Heart Failure)
    • কিডনির সমস্যা
    • পায়ে রক্ত চলাচল কমে যাওয়া (Peripheral Artery Disease)। ফলস্বরূপ গ্যাংগ্রিন বা পচা ঘা হতে পারে।
    • অ্যাওর্টা নামক দেহের বৃহত্তম ধমনীর রোগ (Aortic Aneurysms)
    • মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট ডিমেনশিয়া (Vascular Dementia)

    রক্তচাপ যৎসামান্য কমানোর মাধ্যমেও এসব ঝুঁকি কমিয়ে আনা সম্ভব।

    প্রেসার মাপার নিয়ম

    সাধারণত চল্লিশোর্ধ সুস্থ ব্যক্তিদের প্রতি ৫ বছরে অন্তত এক বার রক্তচাপ মেপে দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে যাদের উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে তাদের ক্ষেত্রে বছরে অন্তত একবার রক্তচাপ মেপে দেখা উচিত। রক্তচাপ পর্যবেক্ষণে রাখার মাধ্যমে সহজেই বিভিন্ন মারাত্মক স্বাস্থ্য জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।

    রক্তচাপ মেপে দেখার প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ। বাসায় কিভাবে রক্তচাপ মাপবেন এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন কি না কীভাবে বুঝবেন আর্টিকেলটি পড়ুন। নিচের ভিডিও থেকে সঠিকভাবে রক্তচাপ মাপার পদ্ধতি জেনে নিতে পারেন।

    উচ্চ রক্তচাপ

    উচ্চ রক্তচাপ থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসা নিয়ে ঝুঁকিমুক্ত স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সম্ভব

    লিখেছেন ডা. বিদিশা কুন্ডু প্রমা

     মেডিকেল রিভিউ করেছেন ডা. ইমা ইসলাম

    উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার বা হাইপারটেনশন একটি অতি পরিচিত রোগ। সময়মত রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা না করা হলে, উচ্চ রক্তচাপ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মত মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

    অনেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি উচ্চ রক্তচাপে ভুগলেও তারা সেই সম্পর্কে অবগত থাকেন না। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত প্রায় অর্ধেক রোগীই জানেন না যে তারা এ রোগে ভুগছেন।

    উচ্চ রক্তচাপ থাকা সত্ত্বেও, একজন ব্যক্তি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিয়ে ঝুঁকিমুক্ত স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে। এ ছাড়াও সুস্থ ব্যক্তির ক্ষেত্রে জীবনধারায় কিছু পরিবর্তন আনার মাধ্যমে সহজেই উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমানো যায়।

    • লক্ষণসমূহ
    • কারণসমূহ
    • স্বাস্থ্য ঝুঁকি
    • প্রেসার মাপার নিয়ম
    • কমানোর উপায়

    উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণসমূহ

    সাধারণত হাই প্রেসার এর বিশেষ কোনো লক্ষণ থাকে না। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আছে কি না তা বোঝার উপায় হলো নিয়মিত রক্তচাপ মাপা। রক্তচাপ মাপার ক্ষেত্রে রক্ত মাপার যন্ত্র দ্বারা দুইটি সংখ্যা রেকর্ড করা হয়—

    • সিস্টোলিক প্রেসার বা চাপ: দুটি রিডিং এর মধ্যে বড় সংখ্যা বা ওপরের মানটি হলো সিস্টোলিক চাপ। হৃৎপিণ্ড থেকে প্রতি স্পন্দনে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালনের সময়ে এই চাপ সৃষ্টি হয়।
    • ডায়াস্টোলিক প্রেসার বা চাপ: রিডিং দুটির মধ্যে ছোট সংখ্যা বা নিচের মানটি হলো ডায়াস্টোলিক চাপ। রক্ত সঞ্চালনের বিরুদ্ধে রক্তনালীর বাধা থেকে এই চাপের সৃষ্টি।

    রক্তচাপকে মিলিমিটার (পারদ) বা mmHg এককে মাপা হয়। ধরে নেওয়া যাক আপনার রক্তচাপ ১২০/৮০ মিলিমিটার (পারদ)। তাহলে সিস্টোলিক চাপ হবে ১২০ এবং ডায়াস্টোলিক চাপ হবে ৮০।

    মানুষের রক্তচাপ একে অপরের থেকে কিছুটা ভিন্ন হয়ে থাকে। একজনের জন্য যেই রক্তচাপ বেশি বা কম, তা অন্যজনের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক হতে পারে। রক্তচাপ যদি ৯০/৬০ থেকে ১২০/৮০—এই সীমার মধ্যে থাকে তাহলে তা স্বাভাবিক রক্তচাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

    সাধারণত উচ্চ রক্তচাপ বলা হয় যদি—

    • রক্তচাপ সবসময় ১৪০/৯০ বা এর বেশি থাকে
    • ৮০ বছর বা তার অধিক বয়সীদের ক্ষেত্রে রক্তচাপ যদি ১৫০/৯০ বা এর বেশি থাকে

    রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার কারণ

    উচ্চ রক্তচাপের নির্দিষ্ট কারণটি সবসময় চিহ্নিত করা যায় না। তবে বিভিন্ন কারণে এই সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিগুলোর মধ্যে রয়েছে—

    • ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হওয়া
    • অতিরিক্ত লবণ খাওয়া
    • খাবারের তালিকায় যথেষ্ট পরিমাণে শাকসবজি ও ফলমূল না থাকা
    • অতিরিক্ত পরিমাণে মদপান করা
    • অতিরিক্ত চা-কফি, কোমল পানীয় ও অন্যান্য ক্যাফেইন-জাতীয় পানীয় খাওয়ার অভ্যাস থাকা
    • পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম না করা
    • ধূমপান করা
    • রাতে একটানা ৬-৮ ঘণ্টার চেয়ে কম ঘুমানো
    • বয়স পঁয়ষট্টি বছরের ঊর্ধ্বে হওয়া
    • পরিবারে বাবা, মা, ভাই-বোনের মত নিকট আত্মীয়দের হাই ব্লাড প্রেশার থাকা

    উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি

    রক্তচাপ ১২০/৮০ থেকে ১৪০/৯০— এর মাঝে থাকলে ভবিষ্যতে উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সময়মতো যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তা না হলে এই ঝুঁকি রয়ে যায়, এমনকি তা দিন দিন বাড়তে থাকে।

    রক্তচাপ স্বাভাবিকের তুলনায় অত্যধিক বেড়ে গেলে তা রোগীর রক্তনালী, হৃৎপিণ্ড, মস্তিষ্ক, কিডনি ও চোখের মত অঙ্গে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। রক্তচাপ একটানা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে মারাত্মক ও প্রাণঘাতী কিছু রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। যেমন—

    • হৃদরোগ
    • হার্ট অ্যাটাক
    • স্ট্রোক
    • হার্ট ফেইলিউর (Heart Failure)
    • কিডনির সমস্যা
    • পায়ে রক্ত চলাচল কমে যাওয়া (Peripheral Artery Disease)। ফলস্বরূপ গ্যাংগ্রিন বা পচা ঘা হতে পারে।
    • অ্যাওর্টা নামক দেহের বৃহত্তম ধমনীর রোগ (Aortic Aneurysms)
    • মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট ডিমেনশিয়া (Vascular Dementia)

    রক্তচাপ যৎসামান্য কমানোর মাধ্যমেও এসব ঝুঁকি কমিয়ে আনা সম্ভব।

    প্রেসার মাপার নিয়ম

    সাধারণত চল্লিশোর্ধ সুস্থ ব্যক্তিদের প্রতি ৫ বছরে অন্তত এক বার রক্তচাপ মেপে দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে যাদের উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে তাদের ক্ষেত্রে বছরে অন্তত একবার রক্তচাপ মেপে দেখা উচিত। রক্তচাপ পর্যবেক্ষণে রাখার মাধ্যমে সহজেই বিভিন্ন মারাত্মক স্বাস্থ্য জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।

    রক্তচাপ মেপে দেখার প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ। বাসায় কিভাবে রক্তচাপ মাপবেন এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন কি না কীভাবে বুঝবেন আর্টিকেলটি পড়ুন। নিচের ভিডিও থেকে সঠিকভাবে রক্তচাপ মাপার পদ্ধতি জেনে নিতে পারেন।

    হাই প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপ কমানোর উপায়

    নিয়মিত উচ্চ রক্তচাপ দেখা দিলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সময়মতো যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তা না হলে এই ঝুঁকি রয়ে যায়, এমনকি তা দিন দিন বাড়তে থাকে।

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডাক্তাররা দুটি পথ অবলম্বনের পরামর্শ দেন। প্রথমে জীবনধারায় স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন আনার উপদেশ দেওয়া হয়। এভাবে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না আসলে সুস্থ জীবনধারা মেনে চলার পাশাপাশি ঔষধ সেবনের পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে রোগ নির্ণয়ের সময়ে যদি প্রেসার অনেক বেশি থাকে তাহলে শুরুতেই জীবনধারা পরিবর্তনের পাশাপাশি ঔষধ সেবনের পরামর্শ দেওয়া হয়।

    জীবনধারায় স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন আনলে তা উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। এছাড়া ইতোমধ্যে উচ্চ রক্তচাপ হয়ে থাকলে সেটিও নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে।

    বিভিন্ন রোগীর রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি কার্যকর হতে পারে। আপনার জন্য কোন পদ্ধতিটি সবচেয়ে উপযুক্ত তা জানতে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

    উচ্চ রক্তচাপ কমাতে জীবনধারার পরিবর্তন

    জীবনধারার কিছু স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ করতে এবং বেড়ে যাওয়া রক্তচাপ কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। এমন কিছু পরিবর্তন হলো—

    • খাবারে লবণের পরিমাণ কমানো
    • স্বাস্থ্যকর খাবারের অভ্যাস তৈরি করা
    • মদপান কমিয়ে ফেলা
    • অতিরিক্ত ওজন কমানো
    • নিয়মিত ব্যায়াম করা
    • অতিরিক্ত ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় পান করা থেকে বিরত থাকা
    • ধূমপান ছেড়ে দেওয়া

    উচ্চ রক্তচাপের ঔষধ

    উচ্চ রক্তচাপ সনাক্ত হলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডাক্তার রোগীকে এক বা একাধিক ঔষধ সেবনের পরামর্শ দিতে পারেন। সঠিক ঔষধ বেছে নিতে রোগীর রক্তচাপ, বয়স, বর্ণ ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকির বিষয়গুলো বিবেচনা করা হয়।

    ঔষধগুলো সাধারণত ট্যাবলেট আকারে পাওয়া যায় এবং দিনে একবার সেবন করতে পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে প্রয়োজনবোধে দিনে দুইবার করে সেবনের পরামর্শও দেওয়া হতে পারে।

    রক্তচাপ অত্যধিক বেড়ে গেলে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে অনেক রোগীকে একাধিক ঔষধ সমন্বয় করে সেবন করতে হতে পারে।

    যে কাজটি কখনই করবেন না

    শারীরিকভাবে সুস্থ বোধ করলে অনেকে ঔষধ খাওয়া ছেড়ে দেন, বা নিজে নিজে ডোজ কমিয়ে ফেলেন। এই কাজটি একেবারেই অনুচিত। এর ফলে প্রেসার বেড়ে গিয়ে স্ট্রোক, কিডনির রোগ, অন্ধত্বসহ বিভিন্ন জটিল ও জীবনঘাতী স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে।তাই নিয়মিত সঠিক ডোজে ঔষধ সেবন করা উচিত। ঔষধ সেবনের পাশাপাশি জীবনধারায় সুষম ও পরিমিত খাবার, ব্যায়ামের অভ্যাস, ধূমপান ত্যাগ—এসব স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন আনলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেকটাই সহজ হয়ে আসবে।

    উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধগুলোর মধ্যে সর্বাধিক পরিচিত কিছু ঔষধ হলো—

    • এসিই ইনহিবিটর। যেমন: এনালাপ্রিল, লিসিনোপ্রিল ও র‍্যামিপ্রিল
    • অ্যানজিওটেনসিন ২ রিসেপ্টর ব্লকার। যেমন: ক্যান্ডেসারটান, ইরবেসারটান, ভ্যালসারটান ও ওলমিসারটান
    • ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার। যেমন: অ্যামলোডিপিন, নিফেডিপিন, ডিল্টিয়াজেম ও ভেরাপামিল
    • ডাইউরেটিক্স। যেমন: ইন্ডাপামাইড ও বেন্ড্রোফ্লুমেথায়াজাইড
    • বেটা ব্লকার। যেমন: এটেনোলল, মেটোপ্রোলল, ল্যাবেটালল, কার্ভেডিলল ও বিসোপ্রোলল
    • আলফা ব্লকার। যেমন: ডক্সাজোসিন
    • অন্যান্য ডাইউরেটিক্স। যেমন: স্পাইরোনোল্যাক্টোন ও অ্যামিলোরাইড

    বি.দ্রঃ যেকোন ঔষধ সেবনের পূর্বে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন। ঔষধের নাম এবং মাত্রা চিকিৎসক বুঝবেন। নিজে নিজেই কোন ঔষধ গ্রহণ মৃত্যু ডেকে আনতে পারে।

    তথ্যসূত্রঃ ইন্টার্নেট

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 72 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
ashad khandaker
ashad khandakerসবজান্তা
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

ধ্বজভঙ্গ রোগে হোমিও চিকিৎসা নিয়ে আজীবন সুস্থ থাকুন। হোমিও ওষুধ কি কি ধ্বজভঙ্গ রোগে ?

  1. ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    আমাদের দেশে পুরুষদের যৌন দুবর্লতার মতো সমস্যাগুলো মনে হয় খুবই বেশী। এসবের মধ্যে ধ্বজভঙ্গ রোগটা অন্যতম। অন্তত রাস্তাঘাটের দেয়ালে দেয়ালে যেসব ডাক্তারী বিজ্ঞাপন দেখা যায়, সেগুলো দেখলে যেকোন ব্যক্তির এমন ধারণা হওয়াই স্বাভাবিক। তবে হোমিওপ্যাথির বিজ্ঞাপনই বেশি দেখা যায়। এতে অনেকের মনে হতে পারে যে, সমবিস্তারিত পড়ুন

    আমাদের দেশে পুরুষদের যৌন দুবর্লতার মতো সমস্যাগুলো মনে হয় খুবই বেশী। এসবের মধ্যে ধ্বজভঙ্গ রোগটা অন্যতম। অন্তত রাস্তাঘাটের দেয়ালে দেয়ালে যেসব ডাক্তারী বিজ্ঞাপন দেখা যায়, সেগুলো দেখলে যেকোন ব্যক্তির এমন ধারণা হওয়াই স্বাভাবিক। তবে হোমিওপ্যাথির বিজ্ঞাপনই বেশি দেখা যায়।

    এতে অনেকের মনে হতে পারে যে, সম্ভবত হোমিওপ্যাথিতে যৌন রোগের সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা আছে। হ্যাঁ, বাস্তবেও কথাটি সত্য।

    অন্য যাবতীয় রোগের মতো যৌন রোগেরও সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা আছে হোমিওপ্যাথিতে। আমার কাছে (ডাক্তার) যৌন দূর্বলতার যত রোগী এসেছে, তাদের প্রত্যেকেই বলেছেন যে, অ্যালোপ্যাথিক বা কবিরাজি চিকিৎসায় তারা কোন সত্যিকারের উপকার পান নাই।

    যতদিন ঔষধ খাই ততদিনই ভাল থাকি কিন্তু ঔষধ বন্ধ করলেই অবস্থা আগের মতো হয়ে যায়। অন্যদিকে, মহিলাদের যৌন দূর্বলতা, যৌনকর্মে অনীহা ইত্যাদি থাকতে পারে এবং হোমিওপ্যাথিতে এগুলোরও চমৎকার চিকিৎসা আছে।

    আবার নারী-পুরুষ উভয়েরই যৌনশক্তি মাত্রাতিরিক্ত থাকতে পারে এবং অনেকে সময়মতো বিবাহ করতে না পারার কারনে অথবা অকালে স্ত্রীর মৃত্যু, তালাক কিংবা বিধবা হওয়ার কারণে তাদের যৌন চাহিদা পূরণ করতে পারেন না এবং এই সমস্যা নিয়ে তারা বিপদে পড়েন।

    এসব ক্ষেত্রে হোমিও ঔষধের মাধ্যমে কিছুদিনের জন্য যৌনশক্তি কমিয়ে রাখা যায় এবং এতে আপনার শরীরের বা যৌনশক্তির কোন ক্ষতির সম্ভাবনা নাই। তবে সম্ভব হলে জীবন সঙ্গী দ্রুত বাছাই করে নেয়া উচিত।

    এখন, ধ্বজভঙ্গ সহ আরো বিভিন্ন প্রকার যৌন রোগের ক্ষেত্রে বেশি কিছু হোমিওপ্যাথি ঔষধ এর নাম নিচে লক্ষণানুযায়ী উল্লেখ করা হলো। অনুগ্রহ করে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এগুলো সেবন করবেন না।

    Origanum Marjorana: ওরিগ্যানাম ঔষধটি পুরুষ এবং নারীদের যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধিতে একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ। তবে এটি নিম্নশক্তিতে খাওয়া উচিত কেননা উচ্চশক্তিতে কোন ফল পাওয়া যায় না।

    Moschus Moschiferus: ডায়াবেটিস রোগীদের ধ্বজভঙ্গ রোগে এটি ভালো কাজ করে। এটি ক্ষুদ্র হয়ে যাওয়া পুরুষাঙ্গকে পূর্বের আকৃতিতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

    Kali Bromatum: বিষন্নতাজনিত কারণে যৌন দূর্বলতায় এটি প্রযোজ্য। এর প্রধান প্রধান লক্ষণগুলো হলো স্মরণশক্তির দূর্বলতা, স্নায়ুবিক দূর্বলতা, হাত দুটি সর্বদাই ব্যস্ত থাকে ও মৃগীসহ ইত্যাদি।

    Staphisagria: পুরুষদের যৌন দূর্বলতা দূর করার ক্ষেত্রে স্টেফিসেগ্রিয়া একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ। বিশেষত অতিরিক্ত যৌনকর্ম করার কারণে বা মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে যাদের ধ্বজভঙ্গ হয়ে গেছে তাদের ক্ষেত্রে বেশী প্রযোজ্য।

    এটি Q, ৩, ৬, ৩০, ২০০ ইত্যাদি যেকোন শক্তিতে খেতে পারেন। তবে যত নিম্নশক্তিতে খাওয়া যায় তত উত্তম। রোজ পাঁচ ফোটা করে সকাল-সন্ধ্যা দু’বার সেবন করতে হবে।

    বিয়ের প্রথম কিছু দিন মেয়েদের প্রস্রাব সম্পর্কিত অথবা যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত কোন সমস্যা হলে নিশ্চিন্তে স্টেফিসেগ্রিয়া নামক ঔষধটি খেতে পারেন। কারণ স্টেফিসেগ্রিয়া একই সাথে যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত রোগে এবং আঘাতজনিত রোগে সমান কাযর্কর।

    Salix Nigra: মাত্রাতিরিক্ত যৌনকর্ম, হস্তমৈথুন, স্বপ্নদোষ প্রভৃতি কারণে সৃষ্ট পুরুষদের যৌনকর্মে দূর্বলতা বা অক্ষমতার একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ হলো স্যালিক্স নাইগ্রা।

    এসব কারণে যাদের ওজন কমে গেছে এই ঔষধ একই সাথে তাদের ওজনও বাড়িয়ে দিয়ে থাকে যথেষ্ট পরিমাণে। পাশাপাশি অবিবাহিত যুবক-যুবতী বা যাদের স্বামী-স্ত্রী বিদেশে আছেন অথবা মারা গেছেন, এই ঔষধ তাদের মাত্রাতিরিক্ত উত্তেজনা কমিয়ে দিয়ে স্বাভাবিক জীবন-যাপনে সাহায্য করে।

    এটি মাদার টিংচার (Q) শক্তিতে ২০ থেকে ৫০ ফোটা করে রোজ দুবার করে খেতে পারেন। সহজ কথায়, এই ঔষধটি যাদের যৌনশক্তি স্বাভাবিকের চেয়ে কম তাদেরটা বাড়িয়ে স্বাভাবিক করবে এবং যাদেরটা স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত বেশী তাদেরটা কমিয়ে স্বাভাবিক করবে।

    Sabal Serrulata: সেবাল সেরুলেটা পুরুষদের যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে এবং পাশাপাশি হজমশক্তি, ঘুম, শারীরিক শক্তি, ওজন (কম থাকলে) ইত্যাদিও বৃদ্ধি করে।

    এটি মেয়েদেরও যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করে থাকে এবং ক্ষুদ্রাকৃতির স্তনবিশিষ্ট মেয়েদের স্তনের আকৃতি বৃদ্ধি করে থাকে।

    বয়ষ্ক পুরুষদের প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের বৃদ্ধিজনিত যেকোন সমস্যা এবং ব্রঙ্কাইটিস নির্মূল করতে পারে। এটি মাদার টিংচার (Q) শক্তিতে ২০ থেকে ৫০ ফোটা করে রোজ দুবার করে খেতে পারেন।

    Lycopodium Clavatum: লাইকোপোডিয়াম ধ্বজভঙ্গের একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। মাত্রাতিরিক্ত ধুমপানের কারণে ধ্বজভঙ্গ হলে এটি খেতে পারেন।

    লাইকোপোডিয়ামের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো এদের পেটে প্রচুর গ্যাস হয়, এদের ব্রেন খুব ভালো কিন্তু স্বাস্থ্য খুব খারাপ, এদের প্রস্রাব অথবা পাকস্থলী সংক্রান্ত কোন না কোন সমস্যা থাকবেই।

    এছাড়াও অকাল বার্ধক্য, সকাল বেলা দূর্বলতাসহ ইত্যাদি লক্ষণ প্রায়শঃই দেখা দেয়। লাইকোপোডিয়াম এই সমস্ত লক্ষণ হতে মুক্ত করে থাকে।

    Calcarea Carbonica: ক্যালকেরিয়া কার্ব যৌনশক্তি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। বিশেষত মোটা ও থলথলে স্বাস্থ্যের অধিকারী লোকদের বেলায় এটি ভালো কাজ করে।  এটি ৩০ শক্তিতে ৫ ফোটা করে রোজ সকালে একবার করে খেতে পারেন।

    Natrum Carbonicum: যেসব নারীদের পুরুষরা আলিঙ্গন করলেই বীর্যপাত হয়ে যায় (সহবাস ছাড়াই) অর্থাৎ অল্পতেই তাদের তৃপ্তি পূর্ণ যায় এবং পরে আর সঙ্গমে আগ্রহ থাকে না, তাদের জন্য উৎকৃষ্ট ঔষধ হলো নেট্রাম কার্ব।

    এই কারণে যদি তাদের সন্তানাদি না হয় অর্থাৎ বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয়, তবে নেট্রাম কার্বে সেই বন্ধ্যাত্বও সেরে যাবে।

    Caladium Seguinum: যারা যৌন মিলনে কোন আনন্দ পান না বা যৌনমিলনের পর বীর্য নির্গত হয়না বা যাদের বীর্য তাড়াতাড়ি নির্গত হয়ে যায় বা যারা মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন করে দূর্বল হয়ে পড়েছেন, তারা ক্যালাভিয়াম সেবন করুন।

    মাদার টিংচার (Q) শক্তিতে প্রতিদিন ১০ ফোটা করে দুইবেলা। ঔষধ খাওয়ার বা সেবন করার সময় কোনভাবেই অনিয়ম করা যাবে না।

    Agnus Castus: সাধারনত গনোরিয়া রোগের পরে যৌন দূর্বলতা দেখা দিলে এটি ভালো কাজ করে। পুরুষাঙ্গ ছোট এবং নরম হয়ে যায়, পায়খানা এবং প্রস্রাবের আগে-পরে আঠালো পদার্থ নির্গত হয়, ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয় এমন ক্ষেত্রে এই ঔষধ প্রযোজ্য।

    Nux Vomica: নাক্স ভমিকা ঔষধটি যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ বিশেষত যারা শীতকাতর, যাদের পেটের সমস্যা বেশী হয়, সারাক্ষণ শুয়ে-বসে থাকে, শারীরিক পরিশ্রম কম করে, মানসিক পরিশ্রম বেশী করে ইত্যাদি।

    ভালো ফল পেতে এটিও নিম্নশক্তিতে ঘনঘন খাওয়া উচিত। দিনে ৫ থেকে ৬ বার খাওয়া যাবে। তবে পরিমাণটা চিকিৎসকের কাছে থেকে জেনে নিতে হবে।

    Phosphoricum Acidum: সাধারনত টাইফয়েড বা এরকম কোন মারাত্মক রোগে ভোগার কারণে, মাত্রাতিরিক্ত যৌনকর্ম, হস্তমৈথুন, স্বপ্নদোষ ইত্যাদি কারণে যৌন ক্ষমতা কমে গেলে অথবা একেবারে নষ্ট হয়ে গেলে এবং সাথে অন্য আরো যেকোন সমস্যা হউক না কেন এসিড ফস আপনাকে সব ফিরিয়ে দিবে।

    Selenium: যৌন শক্তি দূর্বলতা, দ্রুত বীর্য নির্গত হওয়া, স্বপ্নদোষ, মাথার চুল পড়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যায় সেলিনিয়াম একটি প্রথম শ্রেণীর ঔষধ। বিশেষত যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে তাদের ক্ষেত্রে এটি খুব ভালো কাজ করে।

    অতিরিক্ত কিছু ঔষধ সম্পর্কিত তথ্য জেনে রাখুন:

    ১. পুরুষাঙ্গ বড় করার জন্য – Agnus Castus (অতীতে যৌন অনাচার); Lycopodium – যাদের পেটে গ্যাস হয়; অথবা Baryta Carb (জন্মগতভাবে বোকাটে) শক্তি ২০০ সপ্তাহে একমাত্রা করে কয়েক মাস সেবন করতে হবে।

    ২. মহিলাদের মাত্রাতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা দমনের জন্য Platinum, Baryta Mur অথবা Salix Nigra প্রতিদিন একবার করে সেবন করতে হবে।

    পুরুষদের অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা দমনের জন্য Salix Nigra অথবা Agnus castus (শক্তি ২০০) তিন বেলা করে পনের দিন সেবন করতে হবে।

    ৩. অবিবাহিত মেয়েদের অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা দমনের জন্য Platinum (শক্তি ২০০) তিন বেলা করে কিছুদিন সেবন করার পরে পরে শক্তি বাড়িয়ে সেবন করবেন।

    ৪. মহিলাদের যৌন মিলনে বিতৃষ্ণা দূর করতে Agnus Castus (শক্তি Q,৩,৬) পাঁচ ফোটা করে দুইবেলা করে ১৫ দিন সেবন করতে হবে।

    পরিশেষে বলা যায়, হোমিওপ্যাথি ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুবই কম। তাই বলে নিজে ইচ্ছে মতো ঔষধ সেবন করা যাবে না। তাহলে ক্ষতি হবেই।

    আপনি যদি সত্যিই ধ্বজভঙ্গ বা অন্য যেকোন ধরণের যৌন রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন তবে প্রকাশ্যে না হলেও গোপনে ভালো কোনো হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের তত্বাবধানে ঔষধ সেবন করুন।

    যার তার কথা শুনে ঔষধের মাত্রা না বুঝে ঔষধ সেবন করা থেকে বিরত থাকুন। এমনও হতে পারে যে, আপনি ভুল ঔষধ সেবন করার কারণে সারাজীবনের জন্য যৌন শক্তিতে পঙ্গু হয়ে যেতে পারেন। তাই, অবশ্যই সাবধান।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 72 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
নূরজাহান
নূরজাহাননতুন
সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

থাইরয়েড এর লক্ষণ, কারণ, নিয়ন্ত্রণের উপায় ও থাইরয়েড রোগীর খাবার তালিকা

থাইরয়েড এর লক্ষণ, কারণ, নিয়ন্ত্রণের উপায় ও থাইরয়েড রোগীর খাবার তালিকা
  1. হেলাল খান
    সেরা উত্তর
    হেলাল খান নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    আপনার শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হলো থাইরয়েড গ্রন্থি। কিন্তু আপনি জানেন কি, থাইরয়েডের নিয়মিত মাত্রা কত (TSH এর স্বাভাবিক মাত্রা কত)? থাইরয়েডের কাজ কি এবং এটা কেন জরুরী? এই লেখায় আমরা জানাব থাইরয়েডের কাজ, লক্ষণ, কারণ এবং নিয়ন্ত্রণের উপায়। থাইরয়েডের কাজ কি? থাইরয়েড হরমোন তৈরি করে যা দেহেরবিস্তারিত পড়ুন

    আপনার শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হলো থাইরয়েড গ্রন্থি। কিন্তু আপনি জানেন কি, থাইরয়েডের নিয়মিত মাত্রা কত (TSH এর স্বাভাবিক মাত্রা কত)? থাইরয়েডের কাজ কি এবং এটা কেন জরুরী? এই লেখায় আমরা জানাব থাইরয়েডের কাজ, লক্ষণ, কারণ এবং নিয়ন্ত্রণের উপায়।

    থাইরয়েডের কাজ কি?

    থাইরয়েড হরমোন তৈরি করে যা দেহের মেটাবলিজম, হৃদস্পন্দন, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং অন্যান্য জটিল কাজগুলো নিয়ন্ত্রন করে। তাই থাইরয়েডের স্বাস্থ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    থাইরয়েডের লক্ষণ কী?

    -ওজন কমানো বা বেড়ে যাওয়া
    -হৃদস্পন্দনের হারের পরিবর্তন
    -ক্লান্তি বেড়ে যাওয়া
    -ডেপ্রেশন বা উৎসাহহীনতা
    -ত্বক সম্বন্ধীয় সমস্যা

    থাইরয়েড হলে কি সমস্যা হয়? জেনে নিন!

    -হৃদরোগ ঝেড়ে যেতে পারে
    -ইনফারটিলিটি হতে পারে
    -ডায়াবেটিস ঝেড়ে আসতে পারে
    -গর্ভধারণ করাটা কঠিন হতে পারে

    থাইরয়েডের কারণ কি?

    -পরিবারে থাইরয়েড রোগ থাকা
    -অতিরিক্ত ত্বক চিকিৎসা
    -অত্যধিক গরম বা ঠন্ডার প্রভাব
    -অত্যধিক তামাক সেবন
    -অত্যন্ত উচ্চ বা নিম্ন আয়ুর মানুষ

    থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে রাখার ৫টি উপায়

    1. হরমোন টেস্ট করান
    2. স্বাস্থ্যকর খাবার খান
    3. বেশি কালো চা বা কফি না খাওয়া
    4. তামাক, মাদক থেকে দূরে থাকা
    5. নিয়মিত কালরি চেক করা

    থাইরয়েড রোগীর জন্য পুষ্টিকর খাবার তালিকা

    -ডাল, আলু, শাক-সবজি, ফল

    -ডায়েট ও কম তৈলে রান্না করা খাবার

    -হালকা মাছ, দুধ ও ডিম

    -বাদাম, সয়াবীন ও ব্রাউন রাইস

    -জিরা, আম ও শকরকন্দ

    -জ্বালানি ছাড়া তৈরি খাবার

    থাইরয়েড রোগ নিয়ন্ত্রণের উপায়:

    -হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি

    -রেডিওআইওডিন চিকিৎসা

    -সার্জারি দ্বারা থাইরয়েডের অংশ বা সারা থাইরয়েড বাদ দেওয়া

    -অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ঔষধ

    -বেশি ক্যালসিয়াম ও আয়োডিনযুক্ত খাদ্য সেবন

    TSH এর স্বাভাবিক মাত্রা কত

    TSH-এর স্বাভাবিক মাত্রা 0.4 -4.0 mIU/L এর মধ্যে। যদি এর মাত্রা 2.0-এর বেশি হলে তাকে হাইপোথাইরয়েডিজম বলা হয় এবং মাত্রা কম হলে হাইপারথাইরয়েডিজম বলা হয়।

    এইভাবে থাইরয়েডকে নিয়ন্ত্রণ, তার সঠিক কাজ নিশ্চিত করুন এবং সুস্থ থাকুন! আমি আপনাকে থাইরয়েড সম্পর্কে আরো জানাতে পারি। স্বাস্থ্যবান থাকুন!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 71 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
srity
srityপণ্ডিত
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

Asthma vaccine in california, priority and asthma symptoms

  • 0
  • 0 টি উত্তর
  • 69 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
Khandaker Ashaduzzaman
Khandaker Ashaduzzamanসবজান্তা
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

কলা খেয়ে মশা আছে এমন জায়গায় বসলে কি হবে জানেন?

  1. Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 4 বছর আগে

    জানলে অবাক হবেন ;তবে তথ্যটি সত্য! যে সবে মাত্র কলা খায় তার প্রতি মশার আকর্ষণ বেশী থাকে।

    জানলে অবাক হবেন ;তবে তথ্যটি সত্য! যে সবে মাত্র কলা খায় তার প্রতি মশার আকর্ষণ বেশী থাকে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 68 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
murad
muradপণ্ডিত
সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

খেজুর খাওয়ার উপকারিতা কি? খেজুরের কি কোন অপকারিতা আছে?

  1. সুমনা
    সেরা উত্তর
    সুমনা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    খেজুর খেজুর অত্যন্ত সুস্বাদু ও বেশ পরিচিত একটি ফল। যা ফ্রুকটোজ এবং গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ। খেজুরের উপকারিতা খেজুর ধুয়ে মুছে স্বাভাবিকভাবে খাওয়া হলে যথাযথ অনেক উপকারীতাই পাওয়া যাচ্ছে আর আমাদের জন্য এতটুকুই কিন্তু যথেষ্ট। তো এই উপকারীতা আস্তে আস্তে আসুক বা তাড়াতাড়ি আসুক তাতে আমাদের কী আসে যায়? আর খেজুর খেলবিস্তারিত পড়ুন

    খেজুর

    খেজুর অত্যন্ত সুস্বাদু ও বেশ পরিচিত একটি ফল। যা ফ্রুকটোজ এবং গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ।

    খেজুরের উপকারিতা

    খেজুর ধুয়ে মুছে স্বাভাবিকভাবে খাওয়া হলে যথাযথ অনেক উপকারীতাই পাওয়া যাচ্ছে আর আমাদের জন্য এতটুকুই কিন্তু যথেষ্ট। তো এই উপকারীতা আস্তে আস্তে আসুক বা তাড়াতাড়ি আসুক তাতে আমাদের কী আসে যায়?

    আর খেজুর খেলে উপকারীতা এমনিতেও দ্রুতই লাভ হয়। আপনি খুব খুব ক্লান্ত হলে কিছু পানি সহকারে শুধুমাত্র চার-পাঁচটা খেজুর খেয়ে দেখুন, আধা ঘন্টার মতো সময়েই আপনি অনেকটা চাঙ্গা হয়ে উঠবেন, বাস্তব কথা।

    অতএব এই দ্রুততার জন্য আলাদা কোনো নিয়মনীতির প্রয়োজন নেই।

    এছাড়াও ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য খেজুর খাওয়াতে সাধারণত তেমন কোনো সমস্যা হয় না বলে ডাক্তাররা বলে থাকেন, কারণ এটা মিষ্টি হলেও এতে ব্লাড সুগার বৃদ্ধি পায় না। দৈনিক পাঁচটা-ছয়টার মতো খেজুর উনারা নিশ্চিন্তে খেতে পারেন।

    আর যদি খেজুরের স্বাদ এর পুষ্টির পাশাপাশি আরো উন্নত লেভেলে নিয়ে যেতে চান তাহলে এটা দুধে ভিজিয়ে রেখে খাবেন, তবে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে।

    কিন্তু দুধ খুব গরম হলে বা ফুটন্ত অবস্থায় চুলোয় রাখা হলে সেই সময় তাতে খেজুর দিলে পরে ঠান্ডা হওয়ার পর স্বাদটা কেমন যেন মিইয়ে যায়, আবার অনেকটা চায়ের মতো লাগে। তো এত কষ্ট আর অপেক্ষা না করে একেবারে চা বানিয়েই তো খাওয়া যেত…!

    বরং চুলা থেকে দুধ সরিয়ে মোটামুটি হালকা গরম অবস্থায় খেজুর ভেজানো উত্তম। এরপর তা ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। পরে ঠান্ডা হওয়ার পর এত সুন্দর একটা ফ্লেভার আসে যে এর কাছে আইসক্রিমকেও তখন ফেল মনে হয়।

    এছাড়াও ঠান্ডা বা নাতিশীতোষ্ণ দুধেও ভেজানো যায় কিন্তু এতে দুধে খেজুরের মিষ্টি ফ্লেভারটা খুব দেরিতে আসে, ফলে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়।

    তো এটাই ছিল খেজুরের ছোট্ট তবে গুরুতর একটা রেসিপি । আর ব্যক্তিগতভাবে খেজুর আমার খুব প্রিয় একটা খাবার। আমি আসলে বিশ্বাস করি না যে পৃথিবীতে ঠান্ডা সর পড়া দুধে খেজুরের নরম টুকরা ভেজানো খাবারের চেয়ে বেশি সুস্বাদু আর কিছু হতে পারে।

    সারা বছরের তুলনায় রমজানে আমদের মুসলমানদের সাধারণত খেজুর একটু বেশি খাওয়া হয়, আর সামনেই রমজান আসছে যেহেতু তাই এই রমজানেই চাইলে খেজুরটা স্বাভাবিকভাবে না খেয়ে দুধের সাথে আমরা খেয়ে দেখতে পারি। অনেক সুস্বাদু আর পুষ্টিকর…

    খেজুরের অপকারিতা

    তবে হ্যাঁ, ঝাল ও মসলাদার খাবার খাওয়ার পর খেজুর খাওয়া একদমই ঠিক নয়, এতে হিতে বিপরীত হয়ে পেটে সমস্যা হতে পারে, ফলে পুষ্টিও হারাতে হতে পারে। তবে খালি পেটে খাওয়াতে তেমন ক্ষতি নেই।

    গর্ভাবস্থায় খেজুর খাওয়ার উপকারিতা

    গর্ভাবস্থায় খেজুর খাওয়া উপকারি কারণ খেজুরে ল্যাক্সেটিভ রয়েছে যা জরায়ুর সংকোচনে সাহায্য করে এবং এটি প্রসবকে সহজ করে।

    🙂

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 67 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
sumi
sumiনতুন
সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

জাফরান খাওয়ার নিয়ম, বাংলাদেশে জাফরান এর দাম এবং জাফরান তেল ব্যবহারের নিয়ম

জাফরান খাওয়ার নিয়ম, বাংলাদেশে জাফরান এর দাম এবং জাফরান তেল ব্যবহারের নিয়ম
  1. Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    জাফরান কি ভাতের মতো খাওয়া শুরু করবেন? জি না, জাফরান খাওয়ার কিছু নিয়ম রয়েছে। চলুন জাফরান খাওয়ার নিয়মগুলো জেনে নেওয়া যাক জাফরান খাওয়ার সবচেয়ে উত্তম সময় হচ্ছে রাত। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে দুধের সাথে মিশিয়ে পান করুন। অবশ্যই অরিজিনাল জাফরান থেতে হবে। ১ কাপ খাঁটি গরুর দুধ, অবশ্যই গুড়ো দুধ নয়। ১ চিমটি জাফরাবিস্তারিত পড়ুন

    জাফরান কি ভাতের মতো খাওয়া শুরু করবেন? জি না, জাফরান খাওয়ার কিছু নিয়ম রয়েছে। চলুন জাফরান খাওয়ার নিয়মগুলো জেনে নেওয়া যাক জাফরান খাওয়ার সবচেয়ে উত্তম সময় হচ্ছে রাত। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে দুধের সাথে মিশিয়ে পান করুন। অবশ্যই অরিজিনাল জাফরান থেতে হবে। ১ কাপ খাঁটি গরুর দুধ, অবশ্যই গুড়ো দুধ নয়। ১ চিমটি জাফরান, ১ চামচ কিসমিস বাটা বা আস্ত কিসমিস, এবং ১ চা চামচ অরগানিক বা খাঁটি মধু।

    আগে ভালো ভাবে দুধ ফুটিয়ে নিন। ফুটানো দুধের সাথে জাফরান দিয়ে ২-৩ মিনিট ফুটিয়ে চুলা বন্ধ করে দিন। এর মধ্যে বাটা বা আস্ত কিসমিস দিয়ে দিন। এরপর ঢাকনা দিয়ে ৫ মিনিট রেখে দিন। কুসুম গরম দুধের সাথে ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে ধীরে ধীরে পান করুন। অবশ্যই দুধ ঠাণ্ডা হওয়ার আগে পান করুন। স্বাস্থের জন্য ভাল।

    জাফরান কি ভাতের মতো খাওয়া শুরু করবেন? জি না, জাফরান খাওয়ার কিছু নিয়ম রয়েছে। চলুন জাফরান খাওয়ার নিয়মগুলো জেনে নেওয়া যাক জাফরান খাওয়ার সবচেয়ে উত্তম সময় হচ্ছে রাত। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে দুধের সাথে মিশিয়ে পান করুন। অবশ্যই অরিজিনাল জাফরান থেতে হবে। ১ কাপ খাঁটি গরুর দুধ, অবশ্যই গুড়ো দুধ নয়। ১ চিমটি জাফরান, ১ চামচ কিসমিস বাটা বা আস্ত কিসমিস, এবং ১ চা চামচ অরগানিক বা খাঁটি মধু।

    আগে ভালো ভাবে দুধ ফুটিয়ে নিন। ফুটানো দুধের সাথে জাফরান দিয়ে ২-৩ মিনিট ফুটিয়ে চুলা বন্ধ করে দিন। এর মধ্যে বাটা বা আস্ত কিসমিস দিয়ে দিন। এরপর ঢাকনা দিয়ে ৫ মিনিট রেখে দিন। কুসুম গরম দুধের সাথে ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে ধীরে ধীরে পান করুন। অবশ্যই দুধ ঠাণ্ডা হওয়ার আগে পান করুন। স্বাস্থের জন্য ভাল।

    এক কাপ দুধে এক চিমটি জাফরান এবং ২ চামচ চিনি মিশিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। আপনার প্রতিদিনের রুটিনে রাখুন জাফরান দুধ চা, এটি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। জাফরান ঘণ কমলা রঙের জলে মিশে যায় এমন এক ধরনের ক্যারোটিন থাকে, যাকে ক্রোসিন বলা হয়। এই ক্রোসিনের জন্যই খাবারে জাফরান ব্যবহার করলে একটা উজ্জ্বল সোনালি রং হয় খাবারে।

    বাংলাদেশের সব মানুষ জাফরান ব্যবহার করে না বা তারা জাফরানের ব্যবহার সম্পর্কে জানে না। ১ গ্রাম জাফরানের দাম বাংলাদেশে ৩০০ টাকা। ১ গ্রাম জাফরানের জন্য ১৫০টি ফুল দরকার। প্রতি কেজি ফুল থেকে মাত্র ৭২ গ্রাম জাফরান পাওয়া যায়। ১ কেজি জাফরানের জন্য প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার ফুলের প্রয়োজন হয়। আপনারা ৫০০ গ্রাম জাফরান কিনতে পারবেন ১৫০০০০ টাকা দিয়ে। ১০০ গ্রাম জাফরান বিক্রি করা হয় ৩০,০০০ টাকায়। জাফরানের দাম অনেক বেশি। তাই এটি গ্রাম আকারে বিক্রি করা হয়। খুব কম মানুষ কেজিতে জাফরান কিনে থাকে। ১ কেজি জাফরানের দাম ৩০০০০০ টাকা। এটি বাংলাদেশি মূল্য। এছাড়া জাফরানের গুনগত মানের উপর ভিত্তি করে এর দাম নির্ধারন করা হয়। সাধারণ মানের প্রতি কেজি জাফরানের মূল্য ২৫০০০০ টাকা পর্যন্ত। অনেক জাফরান ২২০০০০ টাকায় কিনতে পাওয়া যায়। যদি অরজিনাল জাফরান কিনতে চান, তাহলে এর দাম নিবে ৩ লাখ টাকা।

    * উপকারিতা

    জাফরানের যেমন দাম তেমনি এর উপকারিতা। এই মশলাটির রয়েছে বহুমাত্রিক গুণাবলি ও উপকারিতা। এক নজরে জাফরানের উপকারিতাগুলো জেনে নেওয়া যাক মুল্যবান এই মশলাটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ম্যাঙ্গানিজ, কপার, আয়রন, ভিটামিন সি সহ ১৫০ টি উপাদান যা কিনা মানব শরীরের অনেক উপকারে আসে।জাফরানে রয়েছে ক্রোসিন যা কিনা শুধুমাত্র খাবারের রংই পরিবর্তন করে না। এই ক্রোসিন মানব শরীরের বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের কোষ যেমন- ওভারিয়ান, কাসিনোমা, লিউকেময়া প্রভৃতি ধবংস করতে সহয়তা করে থাকে। আর জাফরানে এক প্রকার ক্যারোটিন থাকে যা কে ক্রোসিন বলা হয়ে থাকে।

     

    * স্মৃতিশক্তি

    স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে জাফরানের রয়েছে দারুন কার্যকরিতা। সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় উঠে এসেছে জাফরান মানুষের স্মৃতি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আর অনেক আগে থেকেই স্মৃতিশক্তি এবং পারকিনসন হাড়িয়ে যাওয়া লোকদের চিকিৎসায় জাপানে জাফরান ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে।স্মৃতিশক্তি বাড়াতে জাফরান এর বিশ্বজোড়া খ্যাতি রয়ছে।

     ভাইটালিটি

    ভাইটালিটি বাড়াতে জাফরান ও দুধ পান করা যেতে পারে। খুবই উপকারি এটি। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস পরিমান দুধ ও এক চিমটে পরিমান জাফরান মিশিয়ে পান করুন আপনার শরীরের ভাইটালিটি বেড়ে যাবে।

     

    * শারীরিক উন্নতি

    যেসকল মেয়েদের দেখতে দেখলে রোগা রোগা লাগে ওই সকল মেয়েদের জন্য জাফরান খুবই কার্যকরি । তারা প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক চামচ দুধ+জাফরান মিশিয়ে খেতে পারেন। এটি আপনার শরীরে হরমোন উদ্দীপ্ত করে তুলবে। এবং নিয়মিত পান করলে বেশ কিছু দিনের মধ্যেই এর কার্যকরীতা আপনি নিজেই টের পাবেন।

    * গর্ভাবস্থায় জাফরান

    গর্ভবতী নারীদের জাফরান খাওয়ার প্রচলন অনেক আগে থেকেই। গর্ভবতী মায়েদের গর্ভকালীন নানা সমস্যা ও রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। চলুন গর্ভাবস্থায় জাফরান খাওয়ার উপকারিতা কি জেনে নেওয়া যাক

     

    * রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে জাফরান বিশেষ উপকারি। গর্ভকালিন সময়ে অনেক গর্ভবতী মায়েদের রক্তচাপ বেড়ে ও কমে যায়। খাদ্য তালিকায় জাফরান ও ভিটামিন জাতীয় ফলমূল, সবুজ শাক -সবজি রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে থাকে।

     

    * অস্বস্তি ও ক্লান্তি দূর

    নিয়মিত জাফরান খেলে অস্বস্তি ও ক্লান্তি দূর হয়। ব্যাথা নিরাময়ে জাফরান বেশ কার্যকরী। বাচ্চা বড় হওয়ার সাথে সাথে টার নড়াচড়ার মাত্রা বেড়ে যায়। এবং মায়ের পেশিগুলোও বাচ্চার জন্য স্থান প্রসরিত করে সামঞ্জস্য করে নেয়। এই প্রক্রিয়া চলাকালীন সময় মায়েরা পেটে ব্যাথা অনুভব করে। গর্ভবতী কালিন সময়ে জাফরান গ্রহন করলে এই ব্যাথার মাত্রা কিছুটা কম অনুভব হয়।

    * শরীরে আয়রনের স্তর বাড়ায়

    গর্ভাবস্থায় রক্তস্বল্পতা দেখা দেওয়া একটি কম সমস্যা। যা কিনা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। এই সময়ে বেশি পরিমান আয়রন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহনের পরামর্শ দেওয়া হয়। নিয়মিত খাবার তালিকায় জাফরান রাখলে এটি আপনার শরীরে আয়রন ও হিমোগ্লোবিনের স্তর বজায় রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও ক্র্যাম্পস থেকে মুক্তি দেয়, হার্টের অসুখ থেকে রক্ষা করে, শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতা নিরাময় করে; মাড়িতে ব্যাথা নিরাময়ে সাহায্য করে, উন্নত ও স্বাস্থ্যকর হাড় গঠন করে।

    .

    জাফরান তেল ব্যবহারের নিয়ম

    নানান ধরণের গুনাগুন সম্পন্ন একটি প্রাকৃতিক উপাদান হল জাফরান। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নানান ধরণের ক্ষেত্রে রয়েছে জাফরানের ভূমিকা। কিন্তু আপনি জানেন কি শুধুমাত্র একটি খাবার আইটেম হিসেবে জাফরান সমাদৃত তা কিন্তু নয় ,বরং জাফরান থেকে তৈরিকৃত এক ধরণের তেল উৎপন্ন হয়ে থাকে যার রয়েছে নানান ধরণের উপকারিতা। জফরানের থেকে তৈরিকৃত এই তেল সকলের কাছে বেশ জনপ্রিয় একটি তেল। কিন্তু আপনি কি জানেন জফরান তেল ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে।চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক জাফরান তেল ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে

    নারীর সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে চুলের ভূমিকা সবার উর্ধে। কালো ,সুন্দর এবং ঝলমলে চুল কে না পছন্দ করে বলেন ?সুস্থ এবং সুন্দর চুল সকলের পছন্দ।কিন্তু আমাদের প্রত্যাহিক জীবনযাত্রার কারণে আমরা আমাদের চুলের স্বাভাবিক সৌন্দর্য হারিয়ে ফেলতে বসেছি। দূষিত পানি,অপুষ্টিকর খাবার ,ধুমপান, মদ্যপান, নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণ কিংবা অনিয়নতান্ত্রিক জীবনযাপনের কারণে আমরা আমাদের চুলের স্বাভাবিক সৌন্দর্য হারিয়ে যেতে বসেছি।

    আজকাল তাই চুল পড়া ,টাক হওয়া ,খুশকির মতো এইসকল সমস্যা আমাদের চুলের একটি নিত্যনৈমিত্তিক সঙ্গী। কিন্তুআমরা চাইলে আমাদের চুলের স্বাভাবিক সৌন্দর্য খুব সজজে ফিরিয়ে আনতে পারি। আপনি যদি আপনার চুলের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে চান এবং আপনি যদি আপনার নিষ্প্রাণ চুলকে প্রাণ দিতে চান তাহলে আপনি ব্যবহার করতে পারেন জাফরান অয়েল। এটি আপনার চুলকে সুস্থ এবং স্বাভাবিক করে চুলের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে বেশ ভূমিকা পালন করবে। চলুন  তাহলে জেনে নেওয়া যাক জাফরান তেল ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে

    ·         খুশকির প্রাদুর্ভাব কমাতে

    খুশকি একটি চর্মরোগ হলেও আমাদের চুলের প্রধান সমস্যা। খুশকির প্রাদুর্ভাব হলে আমাদের আমাদের চুলের স্বাবাবিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। তাই আপনি চুলে খুশকির প্রাদুর্ভাব কমাতে ব্যবহার করতে পারেন জাফরানের তেল।

    প্রথমে একটি স্টিলের বাটিতে জাফরানের তেল ঢেলে তার সাথে খানিকটা গোলমরিচ গুঁড়ো করে মিশিয়ে আপনি অল্প আঁচে চুলার নিচে গরম করুন। হালকা গরম হলে চুলের মধ্যে আপনি ভালোভাবে বিলি কেটে পুরো চুলে মিশিয়ে নিন। নিয়মিত এই তেল ব্যবহারের ফলে, বেশ অল্প সময়ের মধ্যে আপনি আপনার চুল থেকে খুশকির সমস্যা দূর করতে পারবেন।

    ·         চুলের আগা ফাটা রোধে

    চুলের আগা ফাঁটা সমস্যা সমাধানে বেশ ম্যাজিকের মতো কাজ করে থাকে জাফরানের তেল। জাফরান আমাদের চুলের আগা ফাটা সমস্যা সমাধানে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

    ব্যবহারবিধি:

    চুলের আগা ফাটা সমস্যা সমাধানে আপনি ব্যবহার করতে পারেন জাফরান অয়েল। প্রথমে আপনি খানিকটা জাফরান অয়েলের সাথে অলিভ অয়েল মিশিয়ে আপনি আপনি  চাইলে  ব্যবহার করতে পারেন আপনার চুলের যত্নে। নিয়মিত এই উপায়ে জাফরান তেল ব্যবহারের ফলে আপনি খুব সহজে আপনার চুলের আগা ফাটা প্রতিরোধ করতে পারবেন।

    ·         চুল পড়ার হার কমাতে

    • জাফরান হেয়ার অয়েল আমাদের চুলের বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বেশ উপকার করে থাকে। জাফরানের মধ্যে বিদ্যমান রয়েছে এন্টিঅক্সিডেন্ট নামক এমন এক ধরণের উপাদান যা আমাদের হেয়ার হেয়ার ফল রিডিউস করতে বেশ সাহায্য করে।
    • ব্যবহারবিধি:
    • প্রথমে একটু বাদাম পেস্টের সাথে সামান্য জাফরান অয়েল হেয়ার ওয়েলর সাথে মিশিয়ে আপনি ব্যবহার করতে পারেন আপনার চুলে। নিয়মিত এই নিয়মে জাফরান তেল ব্যবহার করলে আপনি খুব সহজে আপনার হেয়ার অয়েল ম্যাসাজ করলে আপনি খুব সহজে হেয়ার ফলের পরিমান কমাতে পারবেন।

     

    জাফরান হেয়ার অয়েল🌿
    🍃জাফরান অয়েল ব্যবহারের সুবিধা🍃
    🌱অল্প কিছু দিনে ব্যবহারেই চুল পড়া সম্পূর্ন বন্ধ করে
    🌱চুল শক্ত ও মজবুত করে।
    🌱নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
    🌱চুল দ্রুত লম্বা হতে সাহায্য করে।
    🌱চুল সিল্কি ও ঝলমলে করে।
    ☘জাফরান হেয়ার অয়েল জাফরানের নির্যাসসহ ১০টি বিরল অসাধারন ভেষজ উপাদান দিয়ে তৈরী হয় যা চুলের জন্য খুবই কার্যকর। ভেষজ উপাদানের মধ্যে আয়রন এবং জিঙ্ক থাকে যা স্ক্যাল্পে অক্সিজেন প্রবাহ করে এবং নতুন টিস্যু তৈরি করে এবং চুল পড়া বন্ধ করে এবং চুল দ্রুত বাড়াতে সহায়তা করে।
    এই ভেষজ উপাদানগুলি দ্রুত এবং সহজেই চুল এবং চুলের উপাদানগুলিতে প্রবেশ করে এবং চুল এবং মাথার ত্বকের প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে।এটি চুলকে ভেতর থেকে শক্ত করে, চুলে পুষ্টি সরবরাহ করে ফলে চুল পড়া বন্ধ হয়ে যায়।
    💐তাই চুল পড়া বন্ধ করতে এবং চুল সতেজ, ঘন, কাল ও উজ্জল করতে জাফরান হেয়ার অয়েল ব্যবহার করুন।
    🌸মেইড ইন কাশ্মীর, পাকিস্তান
    🍀কিভাবে ব্যবহার করবেন
    সপ্তাহে যেকোনো তিনদিন ঘুমোতে যাওয়ার আগে জাফরান হেয়ার অয়েল এর সাথে নারকেল তেল অথবা অলিভ অয়েল সামান্য গরম করে মাথার ত্বকে আলতোভাবে ম্যাসাজ করুন। আপনার চুলের গোঁড়া শক্ত হবে, চুলের গোঁড়ায় রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে এবং চুল ঝরঝরে হবে।
    🎋বি:দ্র: নিয়ম করে চুলে তেল ব্যবহার করুন। কারণ তেল চুলের প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগায়। তেলের অভাবে চুল ভেঙ্গে যায় এবং চুল পড়া শুরু হয়।
    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  • 0
  • 1 টি উত্তর
  • 67 বার প্রদর্শিত
  • 0 জন ফলোয়ার
উত্তর দিন
আরও প্রশ্ন লোড করুন

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • mar7w7
    mar7w7 একটি উত্তর দিয়েছেন great post! জুন 15, 2026, সময়ঃ 2:56 পূর্বাহ্ন
  • M Sarah
    M Sarah একটি উত্তর দিয়েছেন তাফসীরুল কুরআনিল আযীম বা তাফসীরে ইবনে কাসীর ইসলামী বিশ্বের অন্যতম… জুন 10, 2026, সময়ঃ 9:18 পূর্বাহ্ন
  • rakib
    rakib একটি উত্তর দিয়েছেন ২০২৬ সালে বাংলাদেশে বিয়ের গহনার দাম নির্ভর করে সোনার ক্যারেট,… মে 3, 2026, সময়ঃ 10:32 পূর্বাহ্ন
  • Jesmin
    Jesmin একটি উত্তর দিয়েছেন HSC ২০২৬ পরীক্ষা শুরু হতে মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। ২… এপ্রিল 27, 2026, সময়ঃ 2:01 অপরাহ্ন
  • Sinclair
    Sinclair একটি উত্তর দিয়েছেন When shopping for best sex dolls, most buyers tend to… এপ্রিল 17, 2026, সময়ঃ 3:10 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 106 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 118 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,114 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 156 বার প্রদর্শিত
  • WordPress Themes & Plugins

    WordPress Themes & Plugins

    • 2 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 209 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

M Sarah

M Sarah

  • 0 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
pooja ramola

pooja ramola

  • 1 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
wwwqrb.transfer702.pages.dev - WITHDRAW FUNDS 1.2809 BTC d

wwwqrb.transfer702.pages.dev - WITHDRAW FUNDS 1.2809 BTC d

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwgsb.transfer702.pages.dev - BTC TRANSFER 94858 USDT m

wwwgsb.transfer702.pages.dev - BTC TRANSFER 94858 USDT m

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwisr.transfer702.pages.dev - YOUR BALANCE 90353 USDC p

wwwisr.transfer702.pages.dev - YOUR BALANCE 90353 USDC p

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন