আপনার রাতের খাবারের মেনুতে কিছুটা পরিবর্তন নিয়ে আসা প্রয়োজন আমি মনেকরি। ১ = ডিম মামলেট,পরটা বুট ডাল এখানে বুট ডাল কে বাদ দিয়ে সবজি নিয়ে আসুন। আর পরোটা বাদ দিয়ে রুটি খান। ডিম ওমলেট (মামলেট) ভালো, তাই এটা রাখা যেতে পারে। তারমানে দাঁড়ায় = ডিম ওমলেট + রুটি + সবজি ২ = ভাত ডিম চিকেন কারি মুলত ভাত এবং রুটবিস্তারিত পড়ুন
আপনার রাতের খাবারের মেনুতে কিছুটা পরিবর্তন নিয়ে আসা প্রয়োজন আমি মনেকরি।
১ = ডিম মামলেট,পরটা বুট ডাল
এখানে বুট ডাল কে বাদ দিয়ে সবজি নিয়ে আসুন। আর পরোটা বাদ দিয়ে রুটি খান। ডিম ওমলেট (মামলেট) ভালো, তাই এটা রাখা যেতে পারে।
তারমানে দাঁড়ায় = ডিম ওমলেট + রুটি + সবজি
২ = ভাত ডিম চিকেন কারি
মুলত ভাত এবং রুটির মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নেই। মুল কথা আপনি অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করলে তা আপনার শরীরের জন্য খারাপ। ভাত, রুটি দুটোতেই কার্বোহাইড্রেট আছে কিছুটা কম আর বেশি।
শরীর ভাল রাখতে সারা দিনে ১৫০ গ্রামের মতো ভাত খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত। মানে তিন বেলা বা দু’বেলা মিলে আপনি ১৫০ গ্রাম ভাত খেতে পারেন এতে শরীর তাজা থাকবে। যদি আপনি ৩ বেলা ভাত খান তাহলে রাতে ৫০ গ্রাম আর যদি দু বেলা ভাত খান তাহলে রাতে ৭৫ গ্রাম খেতে পারেন।
এর সাথে ডিম, চিকেন কারি যোগ করলেও সমস্যা নেই।
সব বিবেচনায় ১ নম্বরের খাবার মেনুটাই ঠিক আছে। আপনি চাইলে সেখানে রুটির জায়গায় ভাতও খেতে পারেন পরিমান মতো।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুন















কিডনিজনিত ব্যথা সাধারণত মেরুদণ্ড থেকে একটু দূরে ডান বা বাম পাশে হয়। এটি পেছনের পাঁজরের নিচের অংশে অনুভূত হওয়ার কথা। এই ব্যথা নড়াচড়া করে এবং কোমরের দুই পাশেও যেতে পারে। এই ব্যথা থেকে থেকে আসে, শোয়া-বসা বা কোনো কিছুতেই আরাম মেলে না। আমাদের কোমরে কোন ব্যথা হলেই আমরা চিন্তায় পরে যাই , এটা কি কিডনিবিস্তারিত পড়ুন
কিডনিজনিত ব্যথা সাধারণত মেরুদণ্ড থেকে একটু দূরে ডান বা বাম পাশে হয়। এটি পেছনের পাঁজরের নিচের অংশে অনুভূত হওয়ার কথা। এই ব্যথা নড়াচড়া করে এবং কোমরের দুই পাশেও যেতে পারে। এই ব্যথা থেকে থেকে আসে, শোয়া-বসা বা কোনো কিছুতেই আরাম মেলে না।
আমাদের কোমরে কোন ব্যথা হলেই আমরা চিন্তায় পরে যাই , এটা কি কিডনি ব্যথা নাকি কোমর ব্যথা অন্য কোন সমস্যা । সাধারনত আমাদের শরীরের ডান পাশে , বাম পাশে বুকের পাজর এবং কোমরের হাড়েরর মাঝখানে কিডনি থাকে । তাই এই জায়গায় ব্যথা হলে ধরে নিতে পারেন কিডনি সমস্যা । কিডনি সমস্যা সন্দেহ হলে আপনার নিকটবর্তী চিকিৎসক দেখানো জরুরি । চিকিৎসক যদি আপনাকে কিডনি বিশেষজ্ঞের কাছে রেফার করে , সেইক্ষেত্রে অবশ্যই কিডনি বিশেষজ্ঞের কাছে যাবেন । তবে কিডনি ব্যথার জন্য কোন ব্যথার ওষুধ না খেয়ে আপনি বাসায় কিছু নিয়ম ফলো করতে পারেন । সেই ক্ষেত্রে অবশ্যই উপকার পাবেন ।
১। প্রচুর পানি খেতে হবে
কিডনি ব্যথা কমানোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন উপায় পর্যাপ্ত পানি খাওয়া । একজন সুস্থ মানুষের প্রতিদিন ২-৩ লিটার পানি খাওয়া উচিত । আপনার যদি কিডনি পাথর থাকে সেইক্ষেত্রে আরো বেশি পানি পান করতে হবে , যাতে প্রস্রাবের সাথে পাথর বের হয়ে যায় । কিডনি পাথর ছোট হলে , বিশেষ করে ৪ মিমি এর কম হলে পাথর প্রস্রাবের সাথে এমনিতেই বের হয়ে যায় । এছাড়া প্রস্রাব কম হলে বা প্রস্রাব থলিতে প্রস্রাব জমা হয়ে থাকলে প্রস্রাবে ইনফেকশন হতে পারে , তাই পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে যাতে প্রচুর প্রস্রাব হয় । ভালভাবে প্রস্রাব হলে ইনফেকশন হওয়ার সুযোগ নেই , ফলে সব জীবানু প্রস্রাবের সাথে বের হয়ে যাচ্ছে । এছাড়া চা কফি এবং কোলা এইসব পানীয় কম খেতে হবে ।
২। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে
কিডনি ব্যথা দূর করার জন্য বিশ্রাম অনেক সময় অনেক উপকারি । বিশেষ করে কিডনি পাথর বা কিডনি ইনজুরি হলে অতিরিক্ত হাঁটাচলা , কাজকর্ম এবং বেশি এক্সারসাইজ করলে ব্লিডিং বাড়তে পারে । তাই ব্যথা হলে রেস্ট নেওয়াই উত্তম । যেইভাবে শুইলে ভাল লাগে কিডনি ব্যথা কম হয় , সেইভাবে শুয়ে থাকতে হবে ।
৩। গরম সেঁক দিতে পারেন
গরম সেঁক ব্যথা কমানোর জন্য অনেক ভাল একটা উপায় । ব্যথার জায়গায় হালকা গরম সেঁক দিতে পারেন । গরম সেঁক দিলে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি পায় , নার্ভের সেনসেশন কমে । ফলে আরাম অনুভব হয় । তবে গরম সেঁক দেওয়ার সময় সাবধানে দিতে হবে , যাতে পুড়ে না যায় ।
৪। চিকিৎসকের পরামর্শে এন্টিবায়োটিক নিতে হবে
চিকিৎসকের পরামর্শে প্রস্রাবে ইনফেকশনের ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক নেওয়া যেতে পারে । তবে অবশ্যই শুধু এন্টিবায়োটিকে কাজ হবে না , আপনি অবশ্যই পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে এবং বাসায় বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে । বাসায় ঘরোয়াভাবে প্রস্রাবে ইনফেশন দূর করার উপায়, জন্য ভিডিও দেখতে পারেন ।
৫। ভিটামিন সি কম খেতে হবে
ভিটামিন সি শরীরের জন্য অত্যান্ত প্রয়োজনীয় জিনিস । বিশেষ করে ভিটামিন সি হাড়ের গঠনের জন্য এবং শরীরে ঘা বা ক্ষত শুকানোর খুবই উপকারী । কিন্তু কিডনি ব্যথার ক্ষেত্রে বেশি পরিমান ভিটামিন সি খেলে সমস্যা হতে পারে , কারন অতিরিক্ত ভিটামিন সি খেলে সেটা কিডনিতে অক্সালেটে পরিনত হয় , পরে এই অক্সালেট কিডনি পাথরে পরিনত হয় । তাই কিডনি পাথরের সমস্যা হলে , ভিটামিন সি কম খাওয়াই উত্তম ।
সংক্ষেপে দেখুন