সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
Health related all questions.
ডায়াবেটিস হলে ডায়াবেটিস রোগী কী কী খাবার খাবেন?
বিশ্বে প্রতি সাত সেকেন্ডে একজন মানুষ ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হচ্ছে * ডায়াবেটিসের কারণে বিশ্বে প্রতি বছর ১০ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয় * যে কোন ব্যক্তিই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন * শরীর যখন রক্তের সব চিনিকে (গ্লুকোজ) ভাঙতে ব্যর্থ হয়, তখনই ডায়াবেটিস হয়। এই জটিলতার কারণে মানুষের হার্ট অ্যাটাক, সবিস্তারিত পড়ুন
বিশ্বে প্রতি সাত সেকেন্ডে একজন মানুষ ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হচ্ছে
* ডায়াবেটিসের কারণে বিশ্বে প্রতি বছর ১০ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়
* যে কোন ব্যক্তিই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন
* শরীর যখন রক্তের সব চিনিকে (গ্লুকোজ) ভাঙতে ব্যর্থ হয়, তখনই ডায়াবেটিস হয়। এই জটিলতার কারণে মানুষের হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক হতে পারে
* ডায়াবেটিসের কারণে মানুষ অন্ধ হয়ে যেতে পারে, নষ্ট হয়ে যেতে পারে কিডনি এবং অনেক সময় শরীরের নিম্নাঙ্গ কেটেও ফেলতে হতে পারে।
বদলে যাওয়া লাইফ স্টাইলের কারণে আমাদের জীবনে অন্য জটিলতার পাশাপাশি ব্যাপকহারে ডায়াবেটিস বেড়ে যাচ্ছে। একে আয়ত্বে রাখার জন্য প্রথমেই ভাবতে হবে খাবারের কথা। কারণ পথ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
রক্তে শর্করার মাত্রা সঠিক রাখার উদ্দেশ্য হলো-
* দেহের স্বাভাবিক বিপাক ক্রিয়া বজায় রাখা
* দেহের ওজন স্বাভাবিক রাখা
* ডায়াবেটিসের জটিলতাগুলো প্রতিরোধ করা
* কর্মক্ষম থাকা, প্রজনন ক্ষমতা ঠিক রাখা, সামাজিক জীবন বাধাগ্রস্ত না হওয়া ইত্যাদি।
নিয়ন্ত্রিত খাবারের মধ্যে প্রথমেই আসে মিষ্টি খাবার। যেমন- চিনি, গুড়, মধু, গ্লুকোজ না খাওয়া। এ ছাড়া আমিষ বা প্রোটিন এবং চর্বি বা ফ্যাট স্বাভাবিক মাত্রায় গ্রহণ করা। সকালের নাস্তার সময় থেকে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত প্রতি তিন থেকে সারে তিন ঘণ্টা পরপর খাবার খেতে হবে। ওষুধ ও খাবারের মধ্যে একটা সমন্বয় থাকতে হবে।
শর্করাযুক্ত খাবার খাওয়া
ধীরে ধীরে শোষিত হয় এমন শর্করা হলো জটিল বা পলিস্যাকারাইড। ভুসিযুক্ত আটার রুটি, লাল চাল, ভুট্টার খই, খেজুর আশযুক্ত শাকসবজি ও ফল হলো জটিল শর্করা। যদি কারও খাবারে শর্করা বাড়ানোর প্রয়োজন হয় তাহলে এ ধরনের শর্করা দিয়ে বাড়ানো যেতে পারে। এতে ডায়াবেটিস তেমন বাড়বে না। এদিকে দ্রুত শোষিত হয় এমন শর্করা হলো আঁশবিহীন মিষ্টি ফল, দুধ, আতপ চাল, ময়দা। এগুলো সঙ্গে বা ডাইসকারাইড। এ ধরনের শর্করা সব সময় সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। আবার প্রতিটি শর্করাযুক্ত খাবার সমানভাবে রক্ত শর্করা বাড়ায় না। খাবারের ঘনত্ব ও সময়ের ওপর রক্ত শর্করা বাড়তে পারে।
ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের আমিষযুক্ত খাবারে কোনো বাধা নেই। বড়দের ক্ষেত্রে দৈনিক ১-০.৮ গ্রাম আমিষ প্রয়োজন প্রতি কেজি দৈহিক ওজনের জন্য। উচ্চ আমিষ বা হাইপ্রোটিন প্রয়োজন শিশু, কম ওজন, অপুষ্টি, গর্ভবতী ও স্তন্যদায়ী মাতা, পোড়া রোগীদের জন্য। আমিষ রক্ত শর্করাকে খুব ধীরে ধীরে বাড়ায়। পুরো ক্যালরির ১২-২০ শতাংশ আমিষ থেকে আসা উচিত বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।
এটা প্রমাণিত যে, উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার হৃদরোগসহ অন্য অনেক রোগের উৎপত্তি ঘটায়। ডায়াবেটিসের সঙ্গেও এর সম্পর্ক রয়েছে। যদি অন্ত্রে চর্বি বেশি জমা হয়, তাহলে শর্করা শোষণ কম হয়। ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে। চর্বি দুই রকম। সম্পৃক্ত ও অসম্পৃক্ত চর্বি। সম্পৃক্ত চর্বি হলো ঘি, মাখন, মাংসের চর্বি, ক্রিম, দুধের সর ইত্যাদি। অসম্পৃক্ত চর্বি হলো উদ্ভিজ তেল ও মাছের তেল।
জলপাই ও বাদাম তেল মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট। এগুলো খুব সামান্যই রক্তের চর্বি বাড়ায়। সয়াবিন, শস্য ও সূর্যমুখীর তেল হলো পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট। এগুলো প্রাজমা কলস্টেরল কমায়। মাছের চর্বি হলো Docashexenoic acid বা DHA। একে উপকারী চর্বি বলে। আমেরিকার হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে দৈনিক খাবারে ১০ শতাংশ-এর বেশি চর্বি না থাকাই ভালো। যেহেতু ডায়াবেটিস রোগীদের বেশিরভাগ মৃত্যুর কারণ করোনারি হার্ট ডিজিজ। সেহেতু সম্পৃক্ত চর্বির ব্যাপারে সতর্ক হওয়া উচিত।
খাদ্যের আঁশ দেরিতে হজম হয় বলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সহায়ক। এ জন্য দৈনিক ২০-৩০ গ্রাম আঁশ খাবারে থাকা উচিত। আঁশযুক্ত খাবার হলো খোসাসহ ফল, বেসন, ডাল, পেকটিন (যা ফলের খোসায় থাকে), গুয়ার গাম (সিমের নির্যাস), ভুসিযুক্ত আটা, লাল চাল ইত্যাদি।
ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স দেখে খাবার খেলে সুফল পাওয়া যায়। যেসব খাবার দ্রুত পরিপাক ও শোষণ হয়ে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, সেগুলোই উচ্চ জি.আই সম্পন্ন খাবার। যেমন-সাদা রুটি, চিনি, মধু, ফলের রস, আতপচাল, পান্থা ইত্যাদি। এগুলো খেলে ইনসুলিনের প্রয়োজন বেশি হয়। অন্যদিকে নিু জিআই সম্পন্ন খাবারে ইনসুলিনের পরিমাণ কম লাগে। কারণ এগুলো ধীরে ধীরে শোষিত হয়ে রক্ত শর্করা বাড়ায়। যেমন-লাল মোটা চাল, ভুসিযুক্ত আটা, সবজি, ডাল ও আস্ত ফল।
এদিকে প্রোটিন ও ফ্যাট নিু জিআইয়ের মধ্যেই থাকে। ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পর একটি নির্দিষ্ট খাদ্য তালিকা মেপে চলতে হবে এবং রোগটি সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। কখনো অসুস্থতার কারণে স্বাভাবিক খাবার খেতে না পারলে তরল খাবার যেমন স্যুপ, সাগু বার্লি, দুধ ইত্যাদি খেতে হবে। কোনোক্রমেই উপোস থাকা যাবে না। বলা হয়, ঘড় ঋববফরহম ঘড় ঋধংঃরহম এই নীতি মানতে হবে।
প্রতিদিনের খাবার থেকে কতটুকু ক্যালরি আসবে তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ক্যালরি গ্রহণ যত বেশি হবে, ইনসুলিন বা ওষুধের পরিমাণ তত বেশি হবে। এ জন্য দেহের ওজন আদর্শ মাপে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে খাবার হতে হবে সুষম ও চাহিদা অনুযায়ী।
সুত্র : লেখক : চিফ নিউট্রিশন অফিসার ও বিভাগীয় প্রধান (অব.), বারডেম। সভাপতি, ডায়াবেটিস নিউট্রিশনিস্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশ, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শ্যামলী ও অ্যাডভান্স হাসপাতাল, ঢাকা। দৈনিক যুগান্তর
সংক্ষেপে দেখুনকাতিলা গাম – যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে কতটুকু উপকারী?
কাতিলা গাম নামটি হয়তো অনেকেই শুনেছেন। বর্তমানে ইন্টারনেটে সবচেয়ে বেশি সার্চ করা হয় কাতিলা গাম নিয়ে। বলা চলে, কাতিলা গাম শব্দটি ট্রেন্ডিং এ আছে। কাতিলা গাম অনেকটা তাল মিশ্রির মতো মনে হলেও এর গুণের কোনো শেষ নেই। বিশেষ করে, শারিরীক সমস্যা ও যৌন দূর্বলতা কাটিয়ে উঠাতে এটি একটি নামকরা ভেষজ। এটাকে হারবাল ভবিস্তারিত পড়ুন
কাতিলা গাম নামটি হয়তো অনেকেই শুনেছেন। বর্তমানে ইন্টারনেটে সবচেয়ে বেশি সার্চ করা হয় কাতিলা গাম নিয়ে। বলা চলে, কাতিলা গাম শব্দটি ট্রেন্ডিং এ আছে।
কাতিলা গাম অনেকটা তাল মিশ্রির মতো মনে হলেও এর গুণের কোনো শেষ নেই। বিশেষ করে, শারিরীক সমস্যা ও যৌন দূর্বলতা কাটিয়ে উঠাতে এটি একটি নামকরা ভেষজ। এটাকে হারবাল ভেষজও বলা হয়।
এটা পুরুষের যৌন শক্তি বাড়াতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে। এছাড়াও আপনি যদি ইসবগুলের ভুষি, কাতিলা গাম, অশ্বদানা, কালোজিরা এবং তালমাখনা দিয়ে তৈরী মিশ্রণ নিয়মিত খেলে যৌন সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
গরমের দিনে কাতিলা গামের শরবত খেলে নানারকম উপকার পাওয়া যায়। শুক্র তৈরী করতে কাতিলা গামের অসাধারণ সব গুণাবলী রয়েছে।
শরীরে যদি রক্তদুষ্টি জনক উষ্ণতা তৈরী হয় তাহলে তা দূরীকরণে সাহায্য করে। রক্তরোধক এর কাজেও এর জুড়ি নেই।
এটাকে ইংরেজীতে বলা হয় Tragacanth Gum. অনেক সময় এটাকে কাতিরা গামও বলা হয়। পানিতে ভিজিয়ে রাখলে নরম হয়ে ফুলে ওঠে।
কাতিলা গাম সাধারণত উদ্ভিদের শিকড়ের রস শুকিয়ে সংগ্রহ করা হয় যা গন্ধহীন, স্বাদহীন এবং পানিতে দ্রবণীয়।
শুধু যৌন শক্তি বাড়াতেই কাতিলা গাম ব্যবহার হয় না বরং সালাদ ড্রেসিং, খাবার এবং পানীয় প্রস্তুত করতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
১০০ গ্রাম কাতিলা গামে কি ধরণের পুষ্টিগুণ থাকে তা জানেন কি? চলুন জানিয়ে দেই। ১০০ গ্রাম কাতিলায় সাধারনত ক্যালোরি থাকে ৭০, কার্বোহাইড্রেট থাকে ৩৫, ফাইবার থাকে ৩০ এবং হাইড্রেটস থাকে ৫ গ্রামের মতো।
কাতিলা নিয়মিত খেলে উপরে বর্ণিত উপকারিতা ছাড়াও আরও অনেক উপকার করে। আপনি নিয়ম করে দুই বেলা কাতিলা গাম পানিতে ভিজিয়ে তাতে লেবু, মধু, তালমিছরি এবং চিনি মিশিয়ে যদি সেবন করেন তাহলে শরীর শীতল হবে এবং ক্লান্তি দূর হবে।
অনেকেই দীর্ঘ সময় ধরে কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যায় ভোগেন।হজমের সমস্যার কারণে অনেক সময় এমন হয়। এই ভেষজ শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে এবং শারীরবৃত্তীয় কার্য তথা মেটাবলিজমকে উন্নত করে।
সুতরাং নিয়মিত কাতিলা গাম খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই এবং হয়ে থাকলেও তা দ্রুত ভালো হয়ে যাবে।
ত্বকের বলিরেখা দূর করতেও কাতিলা গামের জুড়ি নেই। কাতিলা গামের সাধারণত এন্টি-এজিং এবং এন্টি-ইনফ্লামেটরী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটা পিম্পলের ক্ষত নিরাময় করে এবং দাগ দূর করে।
এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং প্রোটিন আর তাই চুল পড়া কমাতেও সাহায্য করে।
তবে মনে রাখবেন, এটা যেহেতু একটা আঠা জাতীয় পদার্থ তাই অন্য কোন ওষুধের সাথে এটি গ্রহণ করলে পেটে এবং অন্ত্রে ওষুধের সাথে লেগে থাকতে পারে।
মুখে অন্য কোন ওষুধ সেবন করার সময় একই সাথে কাতিলা গাম গ্রহণ করবেন না। তাহলে ওষুধের কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
আর অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। কারণ, পরিমাণ মতো পানি পান না করলে এটা অন্ত্রকে ব্লক করতে পারে। গর্ভাবস্থায় এবং দুগ্ধ শিশু আছে এমন মায়েদের ক্ষেত্রে কাতিলা গাম না খাওয়াই ভালো। কারণ, এটা নিয়ে পর্যাপ্ত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
পরিশেষে বলা যায়, কাতিলা গাম একটি প্রয়োজনীয় এবং উপকারী ভেষজ। তাই শারিরীক প্রয়োজনে এটি নিয়মিত খেতে পারেন। তবে নিজের মন মতো নয়। অবশ্যই একজন আয়ুর্বেদী চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে কিংবা জেনে নিয়ে এটা সেবন করুন।
সংক্ষেপে দেখুনধ্বজভঙ্গ রোগে হোমিও চিকিৎসা নিয়ে আজীবন সুস্থ থাকুন। হোমিও ওষুধ কি কি ধ্বজভঙ্গ রোগে ?
আমাদের দেশে পুরুষদের যৌন দুবর্লতার মতো সমস্যাগুলো মনে হয় খুবই বেশী। এসবের মধ্যে ধ্বজভঙ্গ রোগটা অন্যতম। অন্তত রাস্তাঘাটের দেয়ালে দেয়ালে যেসব ডাক্তারী বিজ্ঞাপন দেখা যায়, সেগুলো দেখলে যেকোন ব্যক্তির এমন ধারণা হওয়াই স্বাভাবিক। তবে হোমিওপ্যাথির বিজ্ঞাপনই বেশি দেখা যায়। এতে অনেকের মনে হতে পারে যে, সমবিস্তারিত পড়ুন
আমাদের দেশে পুরুষদের যৌন দুবর্লতার মতো সমস্যাগুলো মনে হয় খুবই বেশী। এসবের মধ্যে ধ্বজভঙ্গ রোগটা অন্যতম। অন্তত রাস্তাঘাটের দেয়ালে দেয়ালে যেসব ডাক্তারী বিজ্ঞাপন দেখা যায়, সেগুলো দেখলে যেকোন ব্যক্তির এমন ধারণা হওয়াই স্বাভাবিক। তবে হোমিওপ্যাথির বিজ্ঞাপনই বেশি দেখা যায়।
এতে অনেকের মনে হতে পারে যে, সম্ভবত হোমিওপ্যাথিতে যৌন রোগের সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা আছে। হ্যাঁ, বাস্তবেও কথাটি সত্য।
অন্য যাবতীয় রোগের মতো যৌন রোগেরও সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা আছে হোমিওপ্যাথিতে। আমার কাছে (ডাক্তার) যৌন দূর্বলতার যত রোগী এসেছে, তাদের প্রত্যেকেই বলেছেন যে, অ্যালোপ্যাথিক বা কবিরাজি চিকিৎসায় তারা কোন সত্যিকারের উপকার পান নাই।
যতদিন ঔষধ খাই ততদিনই ভাল থাকি কিন্তু ঔষধ বন্ধ করলেই অবস্থা আগের মতো হয়ে যায়। অন্যদিকে, মহিলাদের যৌন দূর্বলতা, যৌনকর্মে অনীহা ইত্যাদি থাকতে পারে এবং হোমিওপ্যাথিতে এগুলোরও চমৎকার চিকিৎসা আছে।
আবার নারী-পুরুষ উভয়েরই যৌনশক্তি মাত্রাতিরিক্ত থাকতে পারে এবং অনেকে সময়মতো বিবাহ করতে না পারার কারনে অথবা অকালে স্ত্রীর মৃত্যু, তালাক কিংবা বিধবা হওয়ার কারণে তাদের যৌন চাহিদা পূরণ করতে পারেন না এবং এই সমস্যা নিয়ে তারা বিপদে পড়েন।
এসব ক্ষেত্রে হোমিও ঔষধের মাধ্যমে কিছুদিনের জন্য যৌনশক্তি কমিয়ে রাখা যায় এবং এতে আপনার শরীরের বা যৌনশক্তির কোন ক্ষতির সম্ভাবনা নাই। তবে সম্ভব হলে জীবন সঙ্গী দ্রুত বাছাই করে নেয়া উচিত।
এখন, ধ্বজভঙ্গ সহ আরো বিভিন্ন প্রকার যৌন রোগের ক্ষেত্রে বেশি কিছু হোমিওপ্যাথি ঔষধ এর নাম নিচে লক্ষণানুযায়ী উল্লেখ করা হলো। অনুগ্রহ করে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এগুলো সেবন করবেন না।
Origanum Marjorana: ওরিগ্যানাম ঔষধটি পুরুষ এবং নারীদের যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধিতে একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ। তবে এটি নিম্নশক্তিতে খাওয়া উচিত কেননা উচ্চশক্তিতে কোন ফল পাওয়া যায় না।
Moschus Moschiferus: ডায়াবেটিস রোগীদের ধ্বজভঙ্গ রোগে এটি ভালো কাজ করে। এটি ক্ষুদ্র হয়ে যাওয়া পুরুষাঙ্গকে পূর্বের আকৃতিতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারে।
Kali Bromatum: বিষন্নতাজনিত কারণে যৌন দূর্বলতায় এটি প্রযোজ্য। এর প্রধান প্রধান লক্ষণগুলো হলো স্মরণশক্তির দূর্বলতা, স্নায়ুবিক দূর্বলতা, হাত দুটি সর্বদাই ব্যস্ত থাকে ও মৃগীসহ ইত্যাদি।
Staphisagria: পুরুষদের যৌন দূর্বলতা দূর করার ক্ষেত্রে স্টেফিসেগ্রিয়া একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ। বিশেষত অতিরিক্ত যৌনকর্ম করার কারণে বা মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে যাদের ধ্বজভঙ্গ হয়ে গেছে তাদের ক্ষেত্রে বেশী প্রযোজ্য।
এটি Q, ৩, ৬, ৩০, ২০০ ইত্যাদি যেকোন শক্তিতে খেতে পারেন। তবে যত নিম্নশক্তিতে খাওয়া যায় তত উত্তম। রোজ পাঁচ ফোটা করে সকাল-সন্ধ্যা দু’বার সেবন করতে হবে।
বিয়ের প্রথম কিছু দিন মেয়েদের প্রস্রাব সম্পর্কিত অথবা যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত কোন সমস্যা হলে নিশ্চিন্তে স্টেফিসেগ্রিয়া নামক ঔষধটি খেতে পারেন। কারণ স্টেফিসেগ্রিয়া একই সাথে যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত রোগে এবং আঘাতজনিত রোগে সমান কাযর্কর।
Salix Nigra: মাত্রাতিরিক্ত যৌনকর্ম, হস্তমৈথুন, স্বপ্নদোষ প্রভৃতি কারণে সৃষ্ট পুরুষদের যৌনকর্মে দূর্বলতা বা অক্ষমতার একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ হলো স্যালিক্স নাইগ্রা।
এসব কারণে যাদের ওজন কমে গেছে এই ঔষধ একই সাথে তাদের ওজনও বাড়িয়ে দিয়ে থাকে যথেষ্ট পরিমাণে। পাশাপাশি অবিবাহিত যুবক-যুবতী বা যাদের স্বামী-স্ত্রী বিদেশে আছেন অথবা মারা গেছেন, এই ঔষধ তাদের মাত্রাতিরিক্ত উত্তেজনা কমিয়ে দিয়ে স্বাভাবিক জীবন-যাপনে সাহায্য করে।
এটি মাদার টিংচার (Q) শক্তিতে ২০ থেকে ৫০ ফোটা করে রোজ দুবার করে খেতে পারেন। সহজ কথায়, এই ঔষধটি যাদের যৌনশক্তি স্বাভাবিকের চেয়ে কম তাদেরটা বাড়িয়ে স্বাভাবিক করবে এবং যাদেরটা স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত বেশী তাদেরটা কমিয়ে স্বাভাবিক করবে।
Sabal Serrulata: সেবাল সেরুলেটা পুরুষদের যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে এবং পাশাপাশি হজমশক্তি, ঘুম, শারীরিক শক্তি, ওজন (কম থাকলে) ইত্যাদিও বৃদ্ধি করে।
এটি মেয়েদেরও যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করে থাকে এবং ক্ষুদ্রাকৃতির স্তনবিশিষ্ট মেয়েদের স্তনের আকৃতি বৃদ্ধি করে থাকে।
বয়ষ্ক পুরুষদের প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের বৃদ্ধিজনিত যেকোন সমস্যা এবং ব্রঙ্কাইটিস নির্মূল করতে পারে। এটি মাদার টিংচার (Q) শক্তিতে ২০ থেকে ৫০ ফোটা করে রোজ দুবার করে খেতে পারেন।
Lycopodium Clavatum: লাইকোপোডিয়াম ধ্বজভঙ্গের একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। মাত্রাতিরিক্ত ধুমপানের কারণে ধ্বজভঙ্গ হলে এটি খেতে পারেন।
লাইকোপোডিয়ামের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো এদের পেটে প্রচুর গ্যাস হয়, এদের ব্রেন খুব ভালো কিন্তু স্বাস্থ্য খুব খারাপ, এদের প্রস্রাব অথবা পাকস্থলী সংক্রান্ত কোন না কোন সমস্যা থাকবেই।
এছাড়াও অকাল বার্ধক্য, সকাল বেলা দূর্বলতাসহ ইত্যাদি লক্ষণ প্রায়শঃই দেখা দেয়। লাইকোপোডিয়াম এই সমস্ত লক্ষণ হতে মুক্ত করে থাকে।
Calcarea Carbonica: ক্যালকেরিয়া কার্ব যৌনশক্তি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। বিশেষত মোটা ও থলথলে স্বাস্থ্যের অধিকারী লোকদের বেলায় এটি ভালো কাজ করে। এটি ৩০ শক্তিতে ৫ ফোটা করে রোজ সকালে একবার করে খেতে পারেন।
Natrum Carbonicum: যেসব নারীদের পুরুষরা আলিঙ্গন করলেই বীর্যপাত হয়ে যায় (সহবাস ছাড়াই) অর্থাৎ অল্পতেই তাদের তৃপ্তি পূর্ণ যায় এবং পরে আর সঙ্গমে আগ্রহ থাকে না, তাদের জন্য উৎকৃষ্ট ঔষধ হলো নেট্রাম কার্ব।
এই কারণে যদি তাদের সন্তানাদি না হয় অর্থাৎ বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয়, তবে নেট্রাম কার্বে সেই বন্ধ্যাত্বও সেরে যাবে।
Caladium Seguinum: যারা যৌন মিলনে কোন আনন্দ পান না বা যৌনমিলনের পর বীর্য নির্গত হয়না বা যাদের বীর্য তাড়াতাড়ি নির্গত হয়ে যায় বা যারা মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন করে দূর্বল হয়ে পড়েছেন, তারা ক্যালাভিয়াম সেবন করুন।
মাদার টিংচার (Q) শক্তিতে প্রতিদিন ১০ ফোটা করে দুইবেলা। ঔষধ খাওয়ার বা সেবন করার সময় কোনভাবেই অনিয়ম করা যাবে না।
Agnus Castus: সাধারনত গনোরিয়া রোগের পরে যৌন দূর্বলতা দেখা দিলে এটি ভালো কাজ করে। পুরুষাঙ্গ ছোট এবং নরম হয়ে যায়, পায়খানা এবং প্রস্রাবের আগে-পরে আঠালো পদার্থ নির্গত হয়, ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয় এমন ক্ষেত্রে এই ঔষধ প্রযোজ্য।
Nux Vomica: নাক্স ভমিকা ঔষধটি যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ বিশেষত যারা শীতকাতর, যাদের পেটের সমস্যা বেশী হয়, সারাক্ষণ শুয়ে-বসে থাকে, শারীরিক পরিশ্রম কম করে, মানসিক পরিশ্রম বেশী করে ইত্যাদি।
ভালো ফল পেতে এটিও নিম্নশক্তিতে ঘনঘন খাওয়া উচিত। দিনে ৫ থেকে ৬ বার খাওয়া যাবে। তবে পরিমাণটা চিকিৎসকের কাছে থেকে জেনে নিতে হবে।
Phosphoricum Acidum: সাধারনত টাইফয়েড বা এরকম কোন মারাত্মক রোগে ভোগার কারণে, মাত্রাতিরিক্ত যৌনকর্ম, হস্তমৈথুন, স্বপ্নদোষ ইত্যাদি কারণে যৌন ক্ষমতা কমে গেলে অথবা একেবারে নষ্ট হয়ে গেলে এবং সাথে অন্য আরো যেকোন সমস্যা হউক না কেন এসিড ফস আপনাকে সব ফিরিয়ে দিবে।
Selenium: যৌন শক্তি দূর্বলতা, দ্রুত বীর্য নির্গত হওয়া, স্বপ্নদোষ, মাথার চুল পড়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যায় সেলিনিয়াম একটি প্রথম শ্রেণীর ঔষধ। বিশেষত যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে তাদের ক্ষেত্রে এটি খুব ভালো কাজ করে।
অতিরিক্ত কিছু ঔষধ সম্পর্কিত তথ্য জেনে রাখুন:
১. পুরুষাঙ্গ বড় করার জন্য – Agnus Castus (অতীতে যৌন অনাচার); Lycopodium – যাদের পেটে গ্যাস হয়; অথবা Baryta Carb (জন্মগতভাবে বোকাটে) শক্তি ২০০ সপ্তাহে একমাত্রা করে কয়েক মাস সেবন করতে হবে।
২. মহিলাদের মাত্রাতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা দমনের জন্য Platinum, Baryta Mur অথবা Salix Nigra প্রতিদিন একবার করে সেবন করতে হবে।
পুরুষদের অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা দমনের জন্য Salix Nigra অথবা Agnus castus (শক্তি ২০০) তিন বেলা করে পনের দিন সেবন করতে হবে।
৩. অবিবাহিত মেয়েদের অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা দমনের জন্য Platinum (শক্তি ২০০) তিন বেলা করে কিছুদিন সেবন করার পরে পরে শক্তি বাড়িয়ে সেবন করবেন।
৪. মহিলাদের যৌন মিলনে বিতৃষ্ণা দূর করতে Agnus Castus (শক্তি Q,৩,৬) পাঁচ ফোটা করে দুইবেলা করে ১৫ দিন সেবন করতে হবে।
পরিশেষে বলা যায়, হোমিওপ্যাথি ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুবই কম। তাই বলে নিজে ইচ্ছে মতো ঔষধ সেবন করা যাবে না। তাহলে ক্ষতি হবেই।
আপনি যদি সত্যিই ধ্বজভঙ্গ বা অন্য যেকোন ধরণের যৌন রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন তবে প্রকাশ্যে না হলেও গোপনে ভালো কোনো হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের তত্বাবধানে ঔষধ সেবন করুন।
যার তার কথা শুনে ঔষধের মাত্রা না বুঝে ঔষধ সেবন করা থেকে বিরত থাকুন। এমনও হতে পারে যে, আপনি ভুল ঔষধ সেবন করার কারণে সারাজীবনের জন্য যৌন শক্তিতে পঙ্গু হয়ে যেতে পারেন। তাই, অবশ্যই সাবধান।
সংক্ষেপে দেখুনফিজিওথেরাপি সঠিক না হলে ঘটতে পারে হিতে বিপরীত’ কিভাবে?
চিকিৎসা সেবায় ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশে এই চিকিৎসা তৃণমূল পর্যন্ত না পৌঁছলেও বড় বড় শহরের অনেক সরকারি-বেসরকারি চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এ সেবা দেওয়া হয়। তবে এর সঠিক চিকিৎসা নিয়ে রোগীদের মধ্যে এখনো অনেক শঙ্কা রয়েছে। থেরাপির সঠিক প্রয়োগ না হলে রোগীর ক্ষেত্রে হতে পারে হিতে বিপরীত। এখন জেনেবিস্তারিত পড়ুন
চিকিৎসা সেবায় ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশে এই চিকিৎসা তৃণমূল পর্যন্ত না পৌঁছলেও বড় বড় শহরের অনেক সরকারি-বেসরকারি চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এ সেবা দেওয়া হয়। তবে এর সঠিক চিকিৎসা নিয়ে রোগীদের মধ্যে এখনো অনেক শঙ্কা রয়েছে। থেরাপির সঠিক প্রয়োগ না হলে রোগীর ক্ষেত্রে হতে পারে হিতে বিপরীত।
এখন জেনে নেয়া যাক ফিজিওথেরাপি কি এবং কেন প্রয়োজন?
ফিজিও (শারীরিক) ও থেরাপি (চিকিৎসা)- এ দুইটি শব্দ থেকে এসেছে ফিজিওথেরাপি শব্দটি। এটি একটি স্বতন্ত্র চিকিৎসাব্যবস্থা, যেখানে শারীরিক ব্যায়ামের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়। শুধু ওষুধ সব রোগের পরিপূর্ণ সুস্থতা দিতে পারে না। বিশেষ করে বিভিন্ন মেকানিক্যাল সমস্যা থেকে যে সব রোগের সৃষ্টি হয়, তার পরিপূর্ণ সুস্থতা লাভের উপায় ফিজিওথেরাপি।
ফিজিওথেরাপি আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের এক অন্যতম এবং অপরিহার্য শাখা। একজন ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক স্বাধীনভাবে রোগীর বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা (প্রধানত বাত-ব্যথা, আঘাত জনিত ব্যথা, প্যারালাইসিস, সড়ক দুর্ঘটনা, শারীরিক প্রতিবন্ধিতা, বিকলাঙ্গতা, পক্ষাঘাত ও বড় কোনো অস্ত্রোপচারের পর রোগীর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসাসহ বিভিন্ন ধরনের বাত, মাথা, ঘাড়, কাঁধ, পিঠ,কোমর ও হাঁটুর ব্যথা এবং স্পোর্টস ইনজুরিতে পরিপূর্ণ চিকিৎসা সেবা প্রদান করে থাকেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং ওয়ার্ল্ড কনফেডারেশন ফর ফিজিক্যাল থেরাপি (ডব্লিউসিপিটি)-এর মতে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক প্রফেশনাল ডিগ্রিধারীরাই ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক বা ফিজিওথেরাপিস্ট এবং স্বাধীনভাবে চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে পারেন।
ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা পদ্ধতি
একজন ফিজিওথেরাপিস্ট রোগীর রোগ বর্ণনা, ফিজিক্যাল টেস্ট, ফিজিওথেরাপিউটিক স্পেশাল টেস্ট, প্রয়োজন সাপেক্ষে বিভিন্ন রেডিওলজিক্যাল টেস্ট এবং প্যাথলজিক্যাল টেস্ট এর মাধ্যমে রোগ নির্ণয় বা ডায়াগ্নোসিস করে থাকেন। অতঃপর রোগীর সমস্যা অনুযায়ী চিকিৎসার পরিকল্পনা অথবা ট্রিটমেন্ট প্লান করেন এবং সেই অনুযায়ী নিচের পদ্ধতিতে ফিজিওথেরাপি সেবা প্রদান করে থাকেন।
-ম্যানুয়াল থেরাপি
-ম্যানিপুলেটিভ থেরাপি
-মোবিলাইজেশন
-মুভমেন্ট উইথ মোবিলাইজেশন
-থেরাপিউটিক এক্সারসাইজ
-ইনফিলট্রেশন বা জয়েণ্ট ইনজেকশন
-পশ্চারাল এডুকেশন
-আরগোনমিক্যাল কনসালটেন্সি
-হাইড্রোথেরাপি
-ইলেকট্রোথেরাপি বা অত্যাধুনিক মেশিনের সাহায্যে চিকিৎসা (যেমন: TENS, IRR, Traction ইত্যাদি)। ফিজিওথেরাপি চিকিৎসাতে মেশিনের ব্যবহার খুবই নগন্য। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ড্রাগ্স বা ঔষধও ব্যবহার করতে হয়।
বাংলাদেশে ফিজিওথেরাপি
ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার গুরুত্ব অনুধাবন করে ১৯৭৩ সালে আরআইএইচডি (বর্তমানে নিটোর) ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার ওপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষদের (এমবিবিএস ও বিডিএস একই অনুষদের অধিভুক্ত) অধীন স্নাতক ডিগ্রি চালু করা হয়। বর্তমানে নিটোর, সিআরপি, পিপলস ইউনিভার্সিটি, গণ বিশ্ববিদ্যালয়, স্টেট কলেজ অব হেলথ সায়েন্সসহ ৭টি ইনস্টিটিউটে ফিজিওথেরাপি গ্র্যাজুয়েশন কোর্স চালু রয়েছে।
কোথায় চিকিৎসা নিবেন?
বাংলাদেশে প্রতিদিন গড়ে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এর মধ্যে শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ সঠিক ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা পায় না এবং অপচিকিৎসার শিকার হন। আমাদের দেশে এই চিকিৎসাসেবাটি বিভিন্ন মহলের অপপ্রচার (ব্যায়াম ও স্যাক) ও অপব্যবহারের (কোয়ালিফাইড ফিজিওথেরাপিস্ট ছাড়া অন্য কোনো চিকিৎসক কর্তৃক ফিজিওথেরাপি পরামর্শ দেওয়া) কারণে সাধারণ মানুষ সঠিক চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা ও পরামর্শ নেয়ার জন্য অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে হাসপাতালে বা ক্লিনিকে ভর্তি থেকে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নিতে হয়। সেক্ষেত্রে রোগী দ্রুত আরোগ্য লাভ করে।
তবে আশার ব্যাপার হলো- মানুষ এখন সচেতন হচ্ছে। তাই তারা ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা ও পরামর্শ নেয়ার জন্য একজন বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকের খোঁজ করে তার তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসা নিতে চান।
এ বিষয়ে স্প্রিং ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারের চিফ কনসালটেন্ট ড. আবু মোহাম্মদ মুসা বলেন, বাংলাদেশে সরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে ফিজিওথেরাপি দেওয়ার বিষয়টা সেই অর্থে নেই। দেশে স্বায়ত্তশাসিত ও প্রাইভেটলি এই চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক প্রফেশনাল ডিগ্রিধারীরাই ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক বা ফিজিওথেরাপিস্ট হতে পারেন। দেশে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানে ফিজিওথেরাপিস্ট ছাড়াই এই থেরাপি দেওয়া হয়। এতে রোগীরা সঠিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
সঠিক ফিজিওথেরাপি প্রসঙ্গে উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ধরুন কারো হাতে ব্যথা হয়েছে। হাতের বিভিন্ন অংশ রয়েছে। সেক্ষেত্রে হাতের ঠিক কোন অংশে ব্যথা হয়েছে সেটি নির্ণয় করা। পরে সেই অংশের জন্য থেরাপি দেওয়া। অন্যথায় হাতের অন্যান্য অংশেও আক্রান্ত হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় রোগীর ঘাড়ে ব্যথা হয়েছে। এর সঠিক থেরাপি না হওয়ায় মেরুদণ্ডও আক্রান্ত হয়েছে। অভিজ্ঞ থেরাপিস্ট না হলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এমনটি ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ঐসব প্রতিষ্ঠানগুলোর যন্ত্রগুলো নিয়েও প্রশ্ন থাকে। এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয় বিবেচনায় রেখে রোগীদের সঠিক সেবা দিতে আমরা স্প্রিং ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার চালু করেছি। এখানে সব আধুনিক যন্ত্রপাতি ও মেশিন আনা হয়েছে। এখানে রোগীরা তাদের শতভাগ সঠিক সেবা নিশ্চিত করতে পারবেন। দেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্ট রয়েছেন। রোগীদের জন্য সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিয়ে চিকিৎসা উপযোগী মনোরম পরিবেশ রয়েছে।
আরো অনেক চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকতে রোগীরা কেন ফিজিওথেরাপি নেবে— এমন প্রশ্নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ বুদ্ধিজীবী ড. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারের এই কনসালট্যান্ট বলেন, বেশির ভাগ চিকিৎসা ব্যবস্থা ওষুধ ব্যবহার করা হয়। অপারেশন করাতে হয়, শরীরের বিভিন্ন অংশ কাটা-ছেড়া করা লাগে। এসবের নানা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে। কিন্তু সঠিক ফিজিওথেরাপির কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। অপারেশন করা লাগে না। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে সামান্য ওষুধ প্রয়োগ লাগতে পারে। তাই ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা ব্যবস্থায় অত্যন্ত নির্ভরতার জায়গা।
খরচ সম্পর্কে জানতে চাইলে ড. আবু মোহাম্মদ মুসা বলেন, চিকিৎসা ব্যয় নিয়ে মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা আছে। ধরেন কোনো রোগে অপারেশন করা লাগলো। সেখানে লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়ে যায়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অপারেশন আরো ব্যয়বহুল হয়ে যায়। কিন্তু ফিজিওথেরাপির ক্ষেত্রে এই খরচটা এত হয় না। হিসাব করলে তুলনামূলক অনেক কম খরচ হয়। থেরাপির ওপর নির্ভর করে ২৫০০-৩০০০ টাকা লাগে। তবে কয়েক সেশনে এই থেরাপি প্রয়োগ করতে হয়। রোগীকে থেরাপির ধরনের ওপর নির্ভর করে কখনো ১৫ দিনের সেশন দেওয়া হয়, কখনো ১০ অথবা সাতদিনের সেশনও দেওয়া হয়। তবে খেয়াল রাখতে হবে সঠিক থেরাপিটা পাচ্ছেন কিনা সেদিকে রোগীকে সচেতন থাকতে হবে। এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ রোগীর মাথা ব্যথা হলে পেটে ব্যথার চিকিৎসা দেওয়া হলে এটি হিতে বিপরীত ঘটবে। এর জন্য স্প্রিং ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার একটি নির্ভরতার জায়গা।
রাতের আঁধারে মুখজুড়ে কিলবিল করে এরা। কারা এরা?
এদের খাবারের সবটা জোগান দেয় মানুষের মুখের মৃত কোষ রাতের আঁধার নেমে আসলেই নিজের গোপন আবাস ছেড়ে বেরিয়ে আসে এরা। ধীর পায়ে কিলবিল করে মুখজুড়ে। খাওয়া-দাওয়া করে, এমনকি সুযোগ বুঝে সেরে নেয় সঙ্গম। ত্বকের মৃত কোষ এদের দারুণ পছন্দ। রাতভর উদরপূর্তি শেষে ভোরের আলো ফুটতেই এরা আবার ফিরে যায় নিজেদের গোপন ঘরে। প্রতবিস্তারিত পড়ুন
এদের খাবারের সবটা জোগান দেয় মানুষের মুখের মৃত কোষ
রাতের আঁধার নেমে আসলেই নিজের গোপন আবাস ছেড়ে বেরিয়ে আসে এরা। ধীর পায়ে কিলবিল করে মুখজুড়ে। খাওয়া-দাওয়া করে, এমনকি সুযোগ বুঝে সেরে নেয় সঙ্গম। ত্বকের মৃত কোষ এদের দারুণ পছন্দ। রাতভর উদরপূর্তি শেষে ভোরের আলো ফুটতেই এরা আবার ফিরে যায় নিজেদের গোপন ঘরে।
প্রতি রাতে মানুষের মুখের ওপর এভাবে রাজত্ব কায়েম করে ডেমোডেক্স ফলিকুলরাম নামের এক ধরনের মাইট। এদের জন্ম মানুষের মুখের লোমকূপে, মুখের মৃত কোষ খেয়েই বাড়বাড়ন্ত; প্রায় দুই সপ্তাহের জীবনকাল কেটে যায় মানুষের মুখমণ্ডলে বিচরণ করেই।
সুদীর্ঘকাল ধরে মানুষের মুখকে পোষক বানিয়ে টিকে আছে এই প্রজাতির মাইট। তৈরি করেছে মানব মুখমণ্ডলের সঙ্গে এক গভীর আন্তসম্পর্ক। শুনতে ভয়ের মনে হলেও এদের আবাস হওয়ার বিনিময়ে বিশেষ কিছু সুবিধাও কিন্তু আদায় করে নিচ্ছে আমাদের মুখের ত্বক। এসব মাইট মৃত কোষভোজী হওয়ার কারণে পরিষ্কার থাকছে মানুষের মুখের লোমকূপ।
ডেমোডেক্স ফলিকুলরাম ছাড়াও আরো বেশ কিছু মাইটের অস্তিত্ব দেখা যায় মানুষের শরীরে। তবে এগুলোর কোনোটির পুরো জীবনচক্র মানুষের দেহনির্ভর নয়। কেবল ডেমোডেক্স ফলিকুলরামের একমাত্র আবাসস্থল মানুষ। এরা আমাদের মুখের লোমকূপে জন্মায়, খাওয়া-দাওয়া করে; এমনকি সঙ্গমের জায়গা হিসেবে বেছে নেয় মুখের নরম ত্বক। এদের খাবারের সবটা জোগান দেয় মানুষের মুখের মৃত কোষ।
মলিকুলার বায়োলজি অ্যান্ড ইভোলিউশনে সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ডেমোডেক্স ফলিকুলরাম মানুষনির্ভরতা জোরদার করতে নিজেদের জিনগত বিবর্তনও ঘটিয়েছে। এতে বলা হয়, ‘আণুবীক্ষণিক মাইটগুলো একটি বাহ্যিক পরজীবী থেকে ক্রমশ মানবত্বকের অভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্যে বিকশিত হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এটি হোস্টের (মানুষ) সঙ্গে পারস্পরিক সুবিধার সম্পর্ক তৈরি করেছে।’
অন্যকথায় মাইটগুলো ধীরে ধীরে আমাদের দেহের অংশ হয়ে যাচ্ছে। গবেষকেরা বিভিন্ন অণুজীবের জিন বিন্যাস করে দেখেছেন ডেমোডেক্স ফলিকুলরামের মতো মানুষনির্ভরতা অন্য প্রজাতির মাইটের মধ্যে নেই। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব রিডিংয়ের অমেরুদণ্ডী প্রাণী বিশেষজ্ঞ আলেজান্দ্রা পেরোত্তি বলেন, ‘এই মাইটে অনুরূপ প্রজাতির চেয়ে জিনগত আলাদা বিন্যাস রয়েছে। এরা লোমকূপের ভেতর আশ্রিত জীবনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে।
বয়স ৫০ পেরোলে কি কি শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়?
বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে নানা রোগ। বয়স ৫০ বছর পেরোলেই দেখা দিতে পারে নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যা। এগুলোর মধ্যে রয়েছে: হৃদরোগ: প্রতি বছর ৭ লাখ ৩৫ হাজার মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হন। বয়স ৫০ বছর পেরোনো একজন ব্যক্তির হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৫০ শতাংশ। হৃদরোগের সাধারণবিস্তারিত পড়ুন
বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে নানা রোগ। বয়স ৫০ বছর পেরোলেই দেখা দিতে পারে নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যা। এগুলোর মধ্যে রয়েছে:
হৃদরোগ: প্রতি বছর ৭ লাখ ৩৫ হাজার মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হন। বয়স ৫০ বছর পেরোনো একজন ব্যক্তির হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৫০ শতাংশ। হৃদরোগের সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট এবং পিঠে, কাঁধে বা ঘাড়ে ব্যথা, ঘাম, মাথা ঘোরা বা বমি ভাব।
স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা, ধূমপান না করা এবং নিয়মিত ব্যায়াম করলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমতে পারে।
স্ট্রোক: স্ট্রোক হলে মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে মস্তিষ্কের কোষগুলো মারা যায়। যদি দুর্বলতা, অসাড়তা বা কথা বলতে সমস্যা অনুভব করেন, তাহলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্যকর খাওয়া, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, ব্যায়াম ও ধূমপান ত্যাগ করে স্ট্রোক প্রতিরোধ করা সম্ভব।
অ্যানিউরিজম: হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা সম্ভব হলে তা অ্যানিউরিজম হওয়ার সম্ভাবনাও কমিয়ে দিতে পারে। রক্তনালীর নির্দিষ্ট কোনো জায়গার অস্বাভাবিকতা বা দুর্বলতার জন্য নালির বাইরের দিকে বুদবুদ বা বেলুনের মতো ফুলে ওঠাকে অ্যানিউরিজম বলে। এর কারণে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ বা স্ট্রোকও হতে পারে। এই রোগের উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যথা, বমি ভাব, মাথা ঘোরা, ত্বকে আড়ষ্টতা এবং দ্রুত হৃৎস্পন্দন।
অ্যাকিউট প্যানক্রিয়াটাইটিস: প্যানক্রিয়াটাইটিস বা অগ্ন্যাশয় প্রদাহ থেকে মারাত্মক পেটে ব্যথা, বমি ভাব, বমি, জ্বর হতে পারে। এমনকি এর কারণে মৃত্যুও হতে পারে। পিত্তথলিতে পাথর, অতিরিক্ত মদ্যপান, উচ্চ ক্যালসিয়ামের মাত্রা বা উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইডস এর কারণ হতে পারে। এই রোগের লক্ষণ থাকলে অতি দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
হাড় ক্ষয়: বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে হাড় ক্ষয় হতে পারে এবং ভেঙে যেতে পারে, বিশেষ করে নারীদের। ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও ওষুধের মাধ্যমে নতুন করে হাড় ক্ষয় কমানো যেতে পারে বা প্রতিরোধ করা যেতে পারে।
রেটিনার সমস্যা: যদি রেটিনা চোখের বাইরের প্রাচীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তাহলে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পাবে না এবং দৃষ্টিশক্তি কমে যেতে পারে। যদি ভাসমান কিছু দেখা যায় বা আলোর ঝলকানি অনুভব করেন, তাহলে দেরি না করে চিকিত্সার পরামর্শ নিন।
কিডনিতে পাথর: কিডনির পাথর হচ্ছে একটি শক্ত ক্যালসিয়ামের গুটি, যা প্রচণ্ড ব্যথা তৈরি করে, সংক্রমণ করতে পারে, প্রস্রাবে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। প্রচুর পানি পান করার মাধ্যমে কিডনির পাথর প্রতিরোধ করা যেতে পারে। সাধারণত নারীদের তুলনায় পুরুষদের এই রোগ বেশি হয়।
নিউমোনিয়া: ব্যাকটেরিয়াজনিত নিউমোনিয়া ৫০ ঊর্ধ্বদের বেশি হয়। একে নিউমোকোকাল নিউমোনিয়া বলা হয়। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়। এতে রোগ আক্রান্ত হওয়ার সুযোগ বেশি পায়। এর জন্য সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের একটি টিকা নেওয়ার পরামর্শ দেয়।
স্পাইনাল স্টেনোসিস: স্পাইনাল স্টেনোসিস ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে, কিন্তু হঠাৎ করেই সেটা বুঝতে পারবেন। আর্থ্রাইটিস মেরুদণ্ডের স্পাইনাল কর্ড ও স্নায়ুপথকে সংকুচিত করে দেয়। এর ফলে পিঠে বা ঘাড়ে ব্যথা, অসাড়তা বা খিঁচুনি হতে পারে। ওষুধ, ম্যানুয়াল থেরাপি বা সার্জারির সাহায্যে এই সমস্যার সমাধান পাওয়া যেতে পারে।
বাত: বাতের সমস্যা থাকলে হঠাৎ ব্যথা অনুভব হয় এবং শরীরের বিভিন্ন জয়েন্ট, বিশেষত বুড়ো আঙুল ফুলে যায়। ইউরিক অ্যাসিড জমে এই সমস্যাটি তৈরি হয়। রেড মিট ও শেলফিশ বেশি খেলে, অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান করলে, উচ্চ রক্তচাপের নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ খেলে এই রোগের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। ফ্রুক্টোজ, সোডা সুইটনার ও চর্বির কারণেও এই রোগ তৈরি হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
পালমোনারি এমবোলিজম: ফুসফুসের রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধলে সেটাকে পালমোনারি এমবোলিজম বলা হয়। ৫০ বছর বয়সের পরে এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যদি বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা মাথা ঘোরার মতো সমস্যা অনুভব করেন, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সেইসঙ্গে এই রোগের উপসর্গের মধ্যে রয়েছে কাশির সঙ্গে রক্ত আসা, পায়ে ব্যথা ও চামড়া নীলাভ হয়ে যাওয়া।
হৃদরোগ থাকলে, সাম্প্রতিক সময়ে অস্ত্রোপচার হয়ে থাকলে বা দীর্ঘ সময় উড়োজাহাজ বা গাড়ির মতো ছোট জায়গায় বদ্ধ থাকলে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
সংক্ষেপে দেখুন‘ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর’ জেনেও অনেকে খুব একটা পাত্তা দেন না কেনো?
‘ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর’ জেনেও অনেকে খুব একটা পাত্তা দেন না৷ ব্রিটেন একটা জরিপ চালিয়ে দেখেছে, সিগারেটের প্যাকেটে ধূমপানবিরোধী সতর্কতা-বার্তা লিখে খুব বেশি কাজ হয় না৷ বেশির ভাগ ধূমপায়ীই কিন্তু এগুলো পড়েই না৷ ব্রিটেনে প্রতিটি সিগারেটের প্যাকেটের সামনে-পেছনে, এমনকি ভেতরেও ধূমপানে নিরুৎসাহিত কবিস্তারিত পড়ুন
‘ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর’ জেনেও অনেকে খুব একটা পাত্তা দেন না৷ ব্রিটেন একটা জরিপ চালিয়ে দেখেছে, সিগারেটের প্যাকেটে ধূমপানবিরোধী সতর্কতা-বার্তা লিখে খুব বেশি কাজ হয় না৷ বেশির ভাগ ধূমপায়ীই কিন্তু এগুলো পড়েই না৷ ব্রিটেনে প্রতিটি সিগারেটের প্যাকেটের সামনে-পেছনে, এমনকি ভেতরেও ধূমপানে নিরুৎসাহিত করার মতো তথ্য, সতর্কতা-বার্তা এবং ধূমপান কত ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে – তা বোঝানোর জন্য ছবি থাকে৷ সামনে লেখা থাকে ‘ধূমপান মৃত্যু ডেকে আনে’ বা ‘ধূমপান আপনার এবং আপনার আশেপাশের সবার ভয়ংকর ক্ষতি করে’ জাতীয় কিছু সতর্কতামূলক বার্তা৷ প্যাকেটের পেছনে লেখা থাকে ধূমপানের ক্ষতি বিষয়ক সুনির্দিষ্ট কিছু তথ্য৷ প্যাকেটের পেছনের কাগজের ভেতরের দিকে থাকে ধূমপানের কারণে পচে যাওয়া দাঁতের মাড়ি, ক্যানসারে আক্রান্ত ফুসফুস এবং ঘাড়ের ছবি৷ সব লেখা এবং ছবিরই উদ্দেশ্য কিন্তু মানুষকে ধূমপান থেকে বিরত রাখা৷ অথচ ব্রিটেনের ‘টোব্যাকো কন্ট্রোল’ জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশেষ করে টিন-এজারদের মধ্যে এ ধরণের প্রয়াস যেভাবে যতটা প্রভাব বিস্তার করবে বলে আশা করা হচ্ছিল, ততটা ঠিক হচ্ছে না৷ তাদের কাছে যেটুকু মনযোগ প্যাকেটের সামনের দিক পায়, পেছনের দিক পায় তার চেয়ে কম আর ভেতরের ছবিগুলো কেউ বলতে গেলে দেখেই না!
২০০৮ এবং ২০১১ – এই দু’বছরে দুবার চালানো হয়েছিল জরিপটি৷ ১১ থেকে ১৬ বছর বয়সি এক হাজারেরও বেশি কিশোর-কিশোরীর মধ্যে চালানো এই জরিপ থেকে বেরিয়ে এসেছে আজব কিছু তথ্য৷ ২০০৮ সালের ওই জরিপের সময় সিগারেটের প্যাকেটের সামনে আর পেছনের লেখাগুলোই শুধু ছিল৷ ২০১১ সালে প্যাকেটের ভেতরেও ছবি দেয়া শুরু হয়৷ দেখা গেছে, জরিপে অংশ নেয়া দুই তৃতীয়াংশ থেকে তিন চতুর্থাংশ কিশোর-কিশোরী কখনো ধূমপান করেনি৷ ১৭ থেকে ২২ ভাগ কিশোর-কিশোরী শুধু অভিজ্ঞতা নেয়ার জন্য দু-একবার ধূমপান করেছে৷ আর শতকরা দশজন নাকি সপ্তাহে অন্তত একবার ধূমপান করে৷
তবে সতর্কতামূলক বার্তা এবং ছবির দিকে তাদের মনযোগের বাহার দেখে জরিপ পরিচালনাকারীরা অবাক৷ ২০০৮ সালে শতকরা ৫৮ জন ‘ধূমপান মৃত্যু ডেকে আনে’ সতর্কতা-বার্তাটি মনে করে বলতে পেরেছিল৷ ‘ধূমপান আপনার এবং আপনার আশেপাশের সবার ভয়ংকর ক্ষতি করে’ মনে ছিল শতকরা ৪১ জনের৷ ২০১১ সালে ওই কিশোর-কিশোরীদের অনেকের মন থেকে সেইটুকুও মুছে যায়৷ ‘ধূমপান মৃত্যু ডেকে আনে’ কথাটি তখন মনে ছিল শতকরা ৪৭ জনের, আর ‘ধূমপান আপনার এবং আপনার আশেপাশের সবার ভয়ংকর ক্ষতি করে’ মনে ছিল শতকরা মাত্র ২৫ জনের৷
স্বাভাবিকভাবেই, সিগারেটের প্যাকেটের পেছনের দিকে নজর তাদের গেছে কম৷ ভেতরের ছবিগুলো দেখেছে মাত্র শতকরা ১০ জন৷ নিয়মিত ধূমপায়ীদের অবস্থা আরো ভয়াবহ৷ তাদের কেউ কেউ তো এই সতর্কতামূলক বার্তা পড়েই না, ভেতরের ছবিগুলো ঢেকে রাখার ব্যবস্থা করে বাড়তি খরচ করে৷ এক ধরণের প্যাকেট কিনতে পাওয়া যায়, সেগুলোর সহায়তা নিয়ে মৃত্যুর কথা মনে করিয়ে দেয়া ছবিগুলো তারা যে দেখেই না!
সংক্ষেপে দেখুনদারুচিনি এবং আদা এর উপকারিতা কি কি?
দারুচিনি এবং আদা এর উপকারিতা দারুচিনি দারুচিনি মানুষের মধ্যে জনপ্রিয় এবং একটি গরম ভেষজ পানীয় যা শরীরের স্বাস্থ্যের সুবিধার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আদা একটি পুষ্টি উপাদান যেমন খাদ্যতালিকাগত ফাইবার, প্রোটিন, চর্বি, ভাসমান তেল, জেল, স্টিচ, শর্করার, ভিটামিন সি এবং এ, ফসফরাস এবং পটাসিয়াম ইত্যাদি। কোলেস্টেরবিস্তারিত পড়ুন
দারুচিনি এবং আদা এর উপকারিতা
দারুচিনি দারুচিনি মানুষের মধ্যে জনপ্রিয় এবং একটি গরম ভেষজ পানীয় যা শরীরের স্বাস্থ্যের সুবিধার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আদা একটি পুষ্টি উপাদান যেমন খাদ্যতালিকাগত ফাইবার, প্রোটিন, চর্বি, ভাসমান তেল, জেল, স্টিচ, শর্করার, ভিটামিন সি এবং এ, ফসফরাস এবং পটাসিয়াম ইত্যাদি। কোলেস্টেরল সম্পূর্ণভাবে ফ্রি হলে সিলিনের মধ্যে রয়েছে স্যাচুরেটেড ফ্যাট, ক্যালোরি, ফাইবার, প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেটের অনুরূপ উপাদান। দারুচিনি দিয়ে আদা মিশিয়ে যখন শরীরের ডাবল সুবিধা লাগে এবং এটি অনেক রোগ থেকে রক্ষা করে।
পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছেন যে দারুচিনি দিয়ে আদা মিশিয়ে কোনও ক্ষতি নেই এবং কিছু স্বাস্থ্যের সমস্যাও নেই যা সাধারণদের মধ্যে সাধারণ। বিপরীতভাবে, দুটি পানীয় একসঙ্গে এক পানীয় একসঙ্গে বিভিন্ন সুবিধা দেয়।
দারুচিনি সঙ্গে জিনজার ব্রেড এর উপকারিতা
অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ সমস্যায় ভুগছেন ?
তরুনদের জন্য অন্যতম এক সমস্যার নাম স্বপ্নদোষ, যদিও বয়সগত এবং স্বাস্থ্যগত বিবেচনায় স্বপ্নদোষ আসলে দোষের কিছু নয়, কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত স্বপ্নদোষকে দোষ হিসাবে অভিহিত করাও ভুল কিছু নয় । স্বপ্নদোষ হলো একজন পুরুষ মানুষের ঘুমের মধ্যে বীর্যপাতের এক প্রকার অভিজ্ঞতা । গবেষনায় দেখা গেছে কিশোর বয়সে শারীরবৃত্বিস্তারিত পড়ুন
তরুনদের জন্য অন্যতম এক সমস্যার নাম স্বপ্নদোষ, যদিও বয়সগত এবং স্বাস্থ্যগত বিবেচনায় স্বপ্নদোষ আসলে দোষের কিছু নয়, কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত স্বপ্নদোষকে দোষ হিসাবে অভিহিত করাও ভুল কিছু নয় ।
স্বপ্নদোষ হলো একজন পুরুষ মানুষের ঘুমের মধ্যে বীর্যপাতের এক প্রকার অভিজ্ঞতা । গবেষনায় দেখা গেছে কিশোর বয়সে শারীরবৃত্তীয় হরমোনজনিত পরিবর্তনের কারনে স্বপ্নদোষের সমস্যাটি বেশি পরিলক্ষিত হয়ে থাকে । প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার প্রাথমিক বছরগুলোতে স্বপ্নদোষ খুব সাধারণ একটা ব্যাপার ।স্বপ্নদোষের হওয়ার সাথে যৌন উত্তেজক কোনো স্বপ্নের সম্পর্ক থাকতে পারে অথবা নাও থাকতে পারে । আবার অনেক সময় পুরুষদের লিঙ্গ উত্থান ছাড়াই স্বপ্নদোষ ঘটে যেতে পারে । যদিও স্বপ্নদোষ হওয়াটা স্বাভাবিক ঘটনা কিন্তু এটি যখন অতিরিক্ত পরিমানে হতে থাকে তখন কিন্তু রোগেরই পূর্বাবাস দেয় । আর সেই সময় স্বপ্নদোষের কারনে পুরুষের নানা প্রকার শারীরিক এবং মানসিক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে । অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের ফলে কিছু শারীরিক, মানসিক এবং হরমোনজনিত সমস্যা সৃষ্টি হয়ে থাকে, যা পুরুষের স্থায়ী পুরুষত্বহীনতা এবং লিঙ্গত্থানহীনতার মত মারাত্মক জটিল রোগের সৃষ্টি করতে পারে । যেমন :-
* শারীরিক দুর্বলতা বৃদ্ধি
* মেহ-প্রমেহ-ধাতু ক্ষয় সমস্যা সৃষ্টি
* লিঙ্গত্থান সমস্যা
* বীর্যের পরিমান হ্রাস
* শুক্রানুর পরিমান কমে যাওয়া
* হাটু, মাজা এবং শরীরের অন্যান্য জোড়ার ব্যাথা
* অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব অনুভুতি
সাধারন সমাধান :
রাতে অতিরিক্ত ভোজন বা গুরুপাক খাবার ভোজন অথবা তীব্র কোষ্ঠকাঠিন্যের বা অতিরিক্ত উষ্ণ জাতীয় খাবার গ্রহনের কারণে অনেকেরই অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হতে পারে, এটা কোনো রোগের পর্যায়ে পড়ে না । রাতে শোবার ২/৩ ঘন্টা আগে হালকা খাবার গ্রহণ এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে সেটা প্রতিরোধ করলেই ঐ সময়কার অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ ঠিক হয়ে যাবে । এর জন্য কোনো প্রকার চিকিৎসার প্রয়োজন নেই।
সংক্ষেপে দেখুনপেঁয়াজ সারাবে যেসব রোগ
পেঁয়াজ নেই, এমন রান্নাঘর খুঁজে পাওয়া কষ্টকর। পেঁয়াজ রান্নার দরকারি একটি উপাদান। পেঁয়াজ খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি শরীরের পুষ্টিও জোগায়। পেঁয়াজ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আসুন জেনে নিই পেঁয়াজের কিছু উপকারিতা– ১. পেঁয়াজের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে সর্দি, কাশির সমস্যা থাকে না। সর্দি-জ্বর হলবিস্তারিত পড়ুন
পেঁয়াজ নেই, এমন রান্নাঘর খুঁজে পাওয়া কষ্টকর। পেঁয়াজ রান্নার দরকারি একটি উপাদান। পেঁয়াজ খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি শরীরের পুষ্টিও জোগায়। পেঁয়াজ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আসুন জেনে নিই পেঁয়াজের কিছু উপকারিতা–
১. পেঁয়াজের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে সর্দি, কাশির সমস্যা থাকে না। সর্দি-জ্বর হলে শরীরের উত্তাপ বাড়ে। অনেক সময় নাক বন্ধ যায়, মাথা ব্যথা করে। এ ক্ষেত্রে পেঁয়াজের রস নাক দিয়ে একটু শুকে নিন। দেখবেন সর্দি বেরিয়ে যাবে এবং জ্বর জ্বর ভাবও মাথা ব্যথা কমে যাবে।
২. ক্যানসারের মতো রোগকে দূরে রাখতে পেঁয়াজ অনেক উপকারি। শরীরে কোথাও সংক্রমণ হয়ে থাকলে কাঁচা পেঁয়াজ খেতে পারেন। এতে ভালো উপকার মিলবে।
৩. পেঁয়াজের রস খেলে অ্যাজমার সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। নিয়মিত পেঁয়াজের রস খেলে চোখের সমস্যা কমতে পারে।
৪. হজমে যাদের সমস্যা রয়েছে তাঁরা প্রতিদিন একটু কাঁচা পেঁয়াজ খেতে পারেন। পেঁয়াজ হজম শক্তি বাড়ায়।
৫. দাঁতের সংক্রমণ রোধ করতেও পেঁয়াজ উপকারি। পেঁয়াজ খেলে দাঁতের ফাঁকে লুকিয়ে থাকা জীবাণু মরে যায়।
৬. পেঁয়াজের মধ্যে প্রচুর সালফার রয়েছে, যা চুল পড়া রোধ করে। বিশেষ করে চুলের ভেঙে যাওয়া রোধ করে এবং প্রাকৃতিকভাবে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
৭. নিয়মিত পেঁয়াজ খেলে রক্ত চলাচল ঠিকঠাক থাকে। যার ফলে হার্টের অসুখের সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।
৮. মাথার চুল পড়ে যাচ্ছে। পেঁয়াজের মধ্যে প্রচুর সালফার রয়েছে, যা চুল পড়া রোধ করে। পেঁয়াজ প্রাকৃতিকভাবে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
সংক্ষেপে দেখুনমানুষের শরীরে কতগুলো মাংসপেশী আছে ?
মানুষের শরীরে প্রায় ৬২০টি মাংসপেশী রয়েছে যা আমাদের শরীর চলাচলের জন্য ব্যবহার করে।
মানুষের শরীরে প্রায় ৬২০টি মাংসপেশী রয়েছে যা আমাদের শরীর চলাচলের জন্য ব্যবহার করে।
সংক্ষেপে দেখুনআমাদের শরীরে যে ব্যাকটেরিয়া রয়েছে তার মধ্যে মাত্র কয়েকটি দুর্গন্ধের জন্য দায়ী" এই ব্যাকটেরিয়ার নাম কি?
শরীরে দুর্গন্ধের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়ার বৈজ্ঞানিক নাম স্টেফালোককাস হমিনিস। এই ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে থাকে বিও এনজাইম। আর এই বিও এনজাইম আমাদের শরীরে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে।
শরীরে দুর্গন্ধের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়ার বৈজ্ঞানিক নাম স্টেফালোককাস হমিনিস। এই ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে থাকে বিও এনজাইম। আর এই বিও এনজাইম আমাদের শরীরে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে।

সংক্ষেপে দেখুনআমাদের শরীরের বগল ও গোপনাঙ্গের আশপাশে কোন গ্রন্থি রয়েছে?
অ্যপোক্রিন গ্রন্থি অ্যপোক্রিন গ্রন্থি বগল ও গোপনাঙ্গের আশপাশে থাকে। যেখানে রয়েছে অবাঞ্ছিত লোম। এই জায়গা গুলো থেকে যে ঘাম উৎপত্তি হয় তাতে রয়েছে এক বিশেষ ধরনের প্রোটিন। এই প্রোটিন দুর্গন্ধহীন হলেও ব্যাকটেরিয়ার কারণে এটি দুর্গন্ধে রূপান্তরিত হয়। এই ব্যাকটেরিয়ার মারাত্মক ক্ষমতা। তারা তাদের কাজে ঐবিস্তারিত পড়ুন
অ্যপোক্রিন গ্রন্থি
অ্যপোক্রিন গ্রন্থি বগল ও গোপনাঙ্গের আশপাশে থাকে। যেখানে রয়েছে অবাঞ্ছিত লোম। এই জায়গা গুলো থেকে যে ঘাম উৎপত্তি হয় তাতে রয়েছে এক বিশেষ ধরনের প্রোটিন। এই প্রোটিন দুর্গন্ধহীন হলেও ব্যাকটেরিয়ার কারণে এটি দুর্গন্ধে রূপান্তরিত হয়। এই ব্যাকটেরিয়ার মারাত্মক ক্ষমতা। তারা তাদের কাজে ঐ প্রোটিনটি ব্যবহার করে।
সংক্ষেপে দেখুনশরীর চর্চা বা পরিশ্রমের ফলে যে ঘাম উৎপন্ন হয় তা আমাদের শরীরের কোন গ্রন্থি তৈরি করে ?
একরিন গ্রন্থি শরীর চর্চা বা পরিশ্রমের ফলে যে ঘাম উৎপন্ন হয় তা একরিন গ্রন্থি তৈরি করে। এই ঘামে দুর্গন্ধ হয়না এবং আমাদের শরীরকে ঠাণ্ডা করে।
একরিন গ্রন্থি
শরীর চর্চা বা পরিশ্রমের ফলে যে ঘাম উৎপন্ন হয় তা একরিন গ্রন্থি তৈরি করে। এই ঘামে দুর্গন্ধ হয়না এবং আমাদের শরীরকে ঠাণ্ডা করে।
সংক্ষেপে দেখুনআমাদের শরীরের ত্বকে কত ধরণের গ্ল্যান্ড বা গ্রন্থি থেকে ঘামের উৎপত্তি হয়?
আমাদের ত্বকে দুই ধরণের গ্ল্যান্ড বা গ্রন্থি থেকে ঘামের উৎপত্তি হয়। ১. একরিন গ্রন্থি ২. অ্যপোক্রিন গ্রন্থি একরিন গ্রন্থি শরীর চর্চা বা পরিশ্রমের ফলে যে ঘাম উৎপন্ন হয় তা একরিন গ্রন্থি তৈরি করে। এই ঘামে দুর্গন্ধ হয়না এবং আমাদের শরীরকে ঠাণ্ডা করে। অ্যপোক্রিন গ্রন্থি অ্যপোক্রিন গ্রন্থি বগল ও গোপনাঙ্গেরবিস্তারিত পড়ুন
আমাদের ত্বকে দুই ধরণের গ্ল্যান্ড বা গ্রন্থি থেকে ঘামের উৎপত্তি হয়।
১. একরিন গ্রন্থি
২. অ্যপোক্রিন গ্রন্থি
একরিন গ্রন্থি
শরীর চর্চা বা পরিশ্রমের ফলে যে ঘাম উৎপন্ন হয় তা একরিন গ্রন্থি তৈরি করে। এই ঘামে দুর্গন্ধ হয়না এবং আমাদের শরীরকে ঠাণ্ডা করে।
অ্যপোক্রিন গ্রন্থি
অ্যপোক্রিন গ্রন্থি বগল ও গোপনাঙ্গের আশপাশে থাকে। যেখানে রয়েছে অবাঞ্ছিত লোম। এই জায়গা গুলো থেকে যে ঘাম উৎপত্তি হয় তাতে রয়েছে এক বিশেষ ধরনের প্রোটিন। এই প্রোটিন দুর্গন্ধহীন হলেও ব্যাকটেরিয়ার কারণে এটি দুর্গন্ধে রূপান্তরিত হয়। এই ব্যাকটেরিয়ার মারাত্মক ক্ষমতা। তারা তাদের কাজে ঐ প্রোটিনটি ব্যবহার করে।
সংক্ষেপে দেখুনSpeech delay কি এবং এটি কেন হয়?
বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি দুই বছর বয়সী শিশু প্রায় 50টি শব্দ বলতে পারে এবং দুই থেকে তিনটি শব্দের বাক্যও ব্যবহার করতে পারে। তিন বছরের মধ্যে, তার শব্দভাণ্ডারে প্রায় 1000 শব্দ যুক্ত হয় এবং সে তিন থেকে চারটি শব্দের বাক্য বলার চেষ্টা শুরু করে। এমতাবস্থায় কোনো শিশু যদি তা করতে না পারে তাহলে তাকে ‘স্পীচবিস্তারিত পড়ুন
বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি দুই বছর বয়সী শিশু প্রায় 50টি শব্দ বলতে পারে এবং দুই থেকে তিনটি শব্দের বাক্যও ব্যবহার করতে পারে। তিন বছরের মধ্যে, তার শব্দভাণ্ডারে প্রায় 1000 শব্দ যুক্ত হয় এবং সে তিন থেকে চারটি শব্দের বাক্য বলার চেষ্টা শুরু করে। এমতাবস্থায় কোনো শিশু যদি তা করতে না পারে তাহলে তাকে ‘স্পীচ ডিলে’র শ্রেণী তে রাখা যেতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, এটি কোনো ভয়ের বিষয় নয়, তবে কখনও কখনও এটি শ্রবণ সমস্যা (hearing difficulty) বা স্নায়বিক (neurological) কারণেও হতে পারে।
যে শিশুরা জন্মের সময় দেরিতে কাঁদে তারা দেরিতে কথাও বলতে শুরু করে। এ ছাড়া গর্ভাবস্থায় মায়ের জন্ডিস হলে, বা স্বাভাবিক প্রসবের সময় শিশুর মস্তিষ্কের বাম পাশে আঘাত পেলেও শিশুর শ্রবণশক্তি কমে যেতে পারে। আমাদের এটা বোঝা দরকার যে শোনা এবং বলার মধ্যে একটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। যে শিশুরা ঠিকমতো শুনতে পায় না তাদের সব কথা শিখতে ও বলতে অসুবিধা হয়। যখন একটি শিশুর বয়স ছয় মাস হয়, তখন সে 17 ধরনের শব্দ চিনতে পারে, যা তাকে যে কোনো ধরনের ভাষা শিখতে ও বুঝতে সাহায্য করে।
সংক্ষেপে দেখুননাকের ভেতরে যে গন্ধ-অনুভতি বহনকারী 'রিসেপ্টর' বা 'গ্রাহক-কোষ' আছে – তা ঢাকা থাকে একরকম আঠালো তরল দিয়ে। তরলটির নাম কি?
আঠালো তরলটির নাম মিউকাস। মিউকাসে গন্ধের অনুভূতি সৃষ্টিকারী অণুগুলো আটকে যায়।
আঠালো তরলটির নাম মিউকাস। মিউকাসে গন্ধের অনুভূতি সৃষ্টিকারী অণুগুলো আটকে যায়।
সংক্ষেপে দেখুনগর্ভাবস্থায় পেঁপে খেলে কি বাচ্চার ক্ষতি হয়?
আমি বুঝতে পারছি যে আপনি শিশুর স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত। ভাল খবর হল যে চিন্তা করার কোন প্রয়োজন নেই। পেঁপে সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের জন্য খাওয়া নিরাপদ, যতক্ষণ না এটি পাকা হয়। অপরদিকে, অপরিপক্ক পেঁপেতে ল্যাটেক্স নামক একটি উপাদান থাকে যা জরায়ু সংকোচনের কারণ হতে পারে। তবে অল্প পরিমাণে কাঁচা পেঁপে খেলেওবিস্তারিত পড়ুন
আমি বুঝতে পারছি যে আপনি শিশুর স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত। ভাল খবর হল যে চিন্তা করার কোন প্রয়োজন নেই। পেঁপে সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের জন্য খাওয়া নিরাপদ, যতক্ষণ না এটি পাকা হয়। অপরদিকে, অপরিপক্ক পেঁপেতে ল্যাটেক্স নামক একটি উপাদান থাকে যা জরায়ু সংকোচনের কারণ হতে পারে। তবে অল্প পরিমাণে কাঁচা পেঁপে খেলেও শিশুর ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই। আপনি যদি এখনও উদ্বিগ্ন হন তবে ডাক্তারের সাথে কথা বলতে পারেন। ডাক্তার আপনাকে গর্ভাবস্থায় পেঁপের সুরক্ষা সম্পর্কে আরও তথ্য দিতে পারে। নিশ্চিত করুন যে আপনি স্বাস্থ্যকর খাবার খাচ্ছেন, প্রচুর বিশ্রাম নিচ্ছেন এবং চাপ এড়াচ্ছেন।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনজেরপথ্যালমিয়া রোগ বলতে কী বুঝায়?
ভিটামিন 'এ'-এর অভাবে চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জেরােফথ্যালমিয়া নামক রােগ হয়। যখন ভিটামিন এ-এর অভাব দীর্ঘস্থায়ী হয়,তখন চোখের কর্নিয়ায় আলসার সৃষ্টি হয় সে অবস্থাকে জেরপথ্যালমিয়া বলে।
ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবে চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জেরােফথ্যালমিয়া নামক রােগ হয়।

সংক্ষেপে দেখুনযখন ভিটামিন এ-এর অভাব দীর্ঘস্থায়ী হয়,তখন চোখের কর্নিয়ায় আলসার সৃষ্টি হয় সে অবস্থাকে জেরপথ্যালমিয়া বলে।
কিডনির ব্যথা কোথায় হয়? কিডনি ব্যথার লক্ষণ কি কি?
কিডনিজনিত ব্যথা সাধারণত মেরুদণ্ড থেকে একটু দূরে ডান বা বাম পাশে হয়। এটি পেছনের পাঁজরের নিচের অংশে অনুভূত হওয়ার কথা। এই ব্যথা নড়াচড়া করে এবং কোমরের দুই পাশেও যেতে পারে। এই ব্যথা থেকে থেকে আসে, শোয়া-বসা বা কোনো কিছুতেই আরাম মেলে না। আমাদের কোমরে কোন ব্যথা হলেই আমরা চিন্তায় পরে যাই , এটা কি কিডনিবিস্তারিত পড়ুন
কিডনিজনিত ব্যথা সাধারণত মেরুদণ্ড থেকে একটু দূরে ডান বা বাম পাশে হয়। এটি পেছনের পাঁজরের নিচের অংশে অনুভূত হওয়ার কথা। এই ব্যথা নড়াচড়া করে এবং কোমরের দুই পাশেও যেতে পারে। এই ব্যথা থেকে থেকে আসে, শোয়া-বসা বা কোনো কিছুতেই আরাম মেলে না।
আমাদের কোমরে কোন ব্যথা হলেই আমরা চিন্তায় পরে যাই , এটা কি কিডনি ব্যথা নাকি কোমর ব্যথা অন্য কোন সমস্যা । সাধারনত আমাদের শরীরের ডান পাশে , বাম পাশে বুকের পাজর এবং কোমরের হাড়েরর মাঝখানে কিডনি থাকে । তাই এই জায়গায় ব্যথা হলে ধরে নিতে পারেন কিডনি সমস্যা । কিডনি সমস্যা সন্দেহ হলে আপনার নিকটবর্তী চিকিৎসক দেখানো জরুরি । চিকিৎসক যদি আপনাকে কিডনি বিশেষজ্ঞের কাছে রেফার করে , সেইক্ষেত্রে অবশ্যই কিডনি বিশেষজ্ঞের কাছে যাবেন । তবে কিডনি ব্যথার জন্য কোন ব্যথার ওষুধ না খেয়ে আপনি বাসায় কিছু নিয়ম ফলো করতে পারেন । সেই ক্ষেত্রে অবশ্যই উপকার পাবেন ।
১। প্রচুর পানি খেতে হবে
কিডনি ব্যথা কমানোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন উপায় পর্যাপ্ত পানি খাওয়া । একজন সুস্থ মানুষের প্রতিদিন ২-৩ লিটার পানি খাওয়া উচিত । আপনার যদি কিডনি পাথর থাকে সেইক্ষেত্রে আরো বেশি পানি পান করতে হবে , যাতে প্রস্রাবের সাথে পাথর বের হয়ে যায় । কিডনি পাথর ছোট হলে , বিশেষ করে ৪ মিমি এর কম হলে পাথর প্রস্রাবের সাথে এমনিতেই বের হয়ে যায় । এছাড়া প্রস্রাব কম হলে বা প্রস্রাব থলিতে প্রস্রাব জমা হয়ে থাকলে প্রস্রাবে ইনফেকশন হতে পারে , তাই পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে যাতে প্রচুর প্রস্রাব হয় । ভালভাবে প্রস্রাব হলে ইনফেকশন হওয়ার সুযোগ নেই , ফলে সব জীবানু প্রস্রাবের সাথে বের হয়ে যাচ্ছে । এছাড়া চা কফি এবং কোলা এইসব পানীয় কম খেতে হবে ।
২। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে
কিডনি ব্যথা দূর করার জন্য বিশ্রাম অনেক সময় অনেক উপকারি । বিশেষ করে কিডনি পাথর বা কিডনি ইনজুরি হলে অতিরিক্ত হাঁটাচলা , কাজকর্ম এবং বেশি এক্সারসাইজ করলে ব্লিডিং বাড়তে পারে । তাই ব্যথা হলে রেস্ট নেওয়াই উত্তম । যেইভাবে শুইলে ভাল লাগে কিডনি ব্যথা কম হয় , সেইভাবে শুয়ে থাকতে হবে ।
৩। গরম সেঁক দিতে পারেন
গরম সেঁক ব্যথা কমানোর জন্য অনেক ভাল একটা উপায় । ব্যথার জায়গায় হালকা গরম সেঁক দিতে পারেন । গরম সেঁক দিলে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি পায় , নার্ভের সেনসেশন কমে । ফলে আরাম অনুভব হয় । তবে গরম সেঁক দেওয়ার সময় সাবধানে দিতে হবে , যাতে পুড়ে না যায় ।
৪। চিকিৎসকের পরামর্শে এন্টিবায়োটিক নিতে হবে
চিকিৎসকের পরামর্শে প্রস্রাবে ইনফেকশনের ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক নেওয়া যেতে পারে । তবে অবশ্যই শুধু এন্টিবায়োটিকে কাজ হবে না , আপনি অবশ্যই পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে এবং বাসায় বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে । বাসায় ঘরোয়াভাবে প্রস্রাবে ইনফেশন দূর করার উপায়, জন্য ভিডিও দেখতে পারেন ।
৫। ভিটামিন সি কম খেতে হবে
ভিটামিন সি শরীরের জন্য অত্যান্ত প্রয়োজনীয় জিনিস । বিশেষ করে ভিটামিন সি হাড়ের গঠনের জন্য এবং শরীরে ঘা বা ক্ষত শুকানোর খুবই উপকারী । কিন্তু কিডনি ব্যথার ক্ষেত্রে বেশি পরিমান ভিটামিন সি খেলে সমস্যা হতে পারে , কারন অতিরিক্ত ভিটামিন সি খেলে সেটা কিডনিতে অক্সালেটে পরিনত হয় , পরে এই অক্সালেট কিডনি পাথরে পরিনত হয় । তাই কিডনি পাথরের সমস্যা হলে , ভিটামিন সি কম খাওয়াই উত্তম ।
সংক্ষেপে দেখুন