সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

ashad khandaker

সবজান্তা
প্রশ্ন করুন ashad khandaker
526 বার প্রদর্শিত
2 ফলোয়ার
2,496 প্রশ্ন
হোমপেজ/ ashad khandaker/উত্তর
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পছন্দ তালিকা
  • ফলোকৃত প্রশ্ন
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  • ফলোকৃতদের প্রশ্ন
  • ফলোকৃতদের উত্তর
  • ফলোয়ারদের ব্লগ
  • ফলোকৃত/ফলোয়ারদের ব্লগ মন্তব্য
  1. সময়ঃ 12 মাস আগেক্যাটাগরিঃ জীবন দর্শন

    জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা তুমি আজ পর্যন্ত কী পেয়েছো?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 12 মাস আগে

    টাকা না থাকলে পৃথিবীতে মা বাবা ছাড়া সব আপনজনের আসল চেহারা বেড়িয়ে পড়ে। বাবা মা ছাড়া সব পর হয়ে যায়।

    টাকা না থাকলে পৃথিবীতে মা বাবা ছাড়া সব আপনজনের আসল চেহারা বেড়িয়ে পড়ে। বাবা মা ছাড়া সব পর হয়ে যায়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  2. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পছন্দ মতো বাছাই করে নিন আপনার বিয়ের সাজ

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    রিপ্লাই করেছেন 1 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    Choose Groom

    Choose Groom

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  3. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পছন্দ মতো বাছাই করে নিন আপনার বিয়ের সাজ

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    what

    what

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  4. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পছন্দ মতো বাছাই করে নিন আপনার বিয়ের সাজ

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    বি

    বি

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  5. সময়ঃ 1 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    প্রেস রিলিজ লেখার নিয়ম কি?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 1 বছর আগে

    প্রায়ই বন্ধুবান্ধব বা পরিচিতরা ফোন করে জিজ্ঞেস করেন “প্রেস রিলিজের কোনও ফরম্যাট আছে” কিনা। এদের অনেকেই কমিউনিকেশন এক্সপার্ট নন, কারণ কমিউনিকেশন এক্সপার্ট হলে তো প্রেস রিলিজ লিখতে পারার কথা। অনেকেই আছেন, শুধু ফরম্যাট বলে দিলেই তাদের হয় না, আবার একটা বা দুটো স্যাম্পল প্রেস রিলিজও তাদের দিয়ে দিতে হযবিস্তারিত পড়ুন

    প্রায়ই বন্ধুবান্ধব বা পরিচিতরা ফোন করে জিজ্ঞেস করেন “প্রেস রিলিজের কোনও ফরম্যাট আছে” কিনা। এদের অনেকেই কমিউনিকেশন এক্সপার্ট নন, কারণ কমিউনিকেশন এক্সপার্ট হলে তো প্রেস রিলিজ লিখতে পারার কথা। অনেকেই আছেন, শুধু ফরম্যাট বলে দিলেই তাদের হয় না, আবার একটা বা দুটো স্যাম্পল প্রেস রিলিজও তাদের দিয়ে দিতে হয় যাতে তারা সেটা দেখে একটা ধারণা পেতে পারেন কিভাবে প্রেস রিলিজ লিখতে হয়। সুতরাং, এই লেখাটা মুলত তাদের কথা মাথায় রেখে লেখা। তবে আমি মনে করি যারা এমনিতেই প্রচুর প্রেস রিলিজ লেখেন বা প্রেস রিলিজ ভালো লিখতে পারেন, তারাও এখান থেকে কিছু শিখতে পারবেন। আমি নিজে এক সময় সাংবাদিক ছিলাম, প্রচুর প্রেস রিলিজ আমার হাত দিয়ে ছাপা হয়েছে। সাংবাদিকতা ছাড়ার পর নিজেও প্রচুর প্রেস রিলিজ লিখেছি। সুতরাং, কিভাবে প্রেস রিলিজ লিখলে সেটা ছাপা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, সেটা আমার ভালোই শেখা হয়েছে।

    প্রেস রিলিজ লেখার নিয়ম-কানুন নিয়ে আলোচনা করার জন্য আমাকে কিছু উদাহরণের সাহায্য নিতে হবে। এই উদাহরণগুলো আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই নেয়া। তবে আসল প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম উল্লেখ করতে চাই না, তাই একটি কাল্পনিক প্রতিষ্ঠানের নাম এখানে ব্যবহার করবো। ধরা যাক, প্রতিষ্ঠানটির নাম এবিসি ফাউন্ডেশন, অফিস ঢাকার বনানী ১১ নম্বর রোডে।

    প্রথম নিয়ম হলো, প্রেস রিলিজটা প্রতিষ্ঠানের লেটারহেড বা প্যাডে হতে হবে। একেক প্রতিষ্ঠানের লেটারহেড একেকরকম হয়ে থাকে। কারোটা simplistic কারোটা আবার artistic কারোটা আবার minimalistic হয়ে থাকে।

    • প্রেস রিলিজ অবশ্যই আপনার প্রতিষ্ঠানের লেটারহেড বা প্যাডে দিতে হবে।
    • শুরুতে পৃষ্ঠার বাঁ দিকে (লেটারহেডের ঠিক নিচে এবং হেডলাইনের ওপরে) “প্রেস রিলিজ” কথাটা লেখা থাকবে। একই লাইনে পৃষ্ঠার ডান দিকে তারিখ দিতে হবে। এক্ষেত্রে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড-এর “রাইট ট্যাব” অপশনটা ব্যবহার করতে পারেন। তারিখটা হতে হবে সেদিনের যেদিন প্রেস রিলিজটা ছাড়া হবে। তারিখের আগে অনেকেই একটা “ঢাকা” জুড়ে দেন। যদি আপনার লেটারহেডে প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা লেখা থাকে (এই স্যাম্পলে যেমন নিচে আছে) তাহলে জায়গার নাম লেখাটা অপ্রয়োজনীয়। অবশ্য যদি আপনি ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়ার জন্য প্রেস রিলিজ লেখেন, তাহলে শহরের নামটা দিতে পারেন।
    • তার ঠিক পরপরই থাকবে হেডলাইন। তারিখের লাইন এবং হেডলাইনের মাঝে ২ লাইনের গ্যাপ থাকতে হবে, অর্থাৎ, কিবোর্ডে দুবার এন্টার চাপতে হবে। “এবিসি ফাউন্ডেশনের গবেষণাপত্র প্রকাশ” বা “এবিসি ফাউন্ডেশনের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ” – এ ধরণের হেডলাইন বর্জন করতে হবে। পত্রিকায় যেভাবে হেডলাইন লেখা হয়, সেভাবে দিতে হবে, সর্বোচ্চ ১০-১২ শব্দে হতে হবে এবং দুই বা তিন লাইনে ভাগ করে দিতে হবে। হেডলাইনের ফন্ট সাইজ বাকি প্রেস রিলিজের ফন্ট সাইজের চেয়ে ২ বা ৩ পয়েন্ট বেশি হতে হবে। অবশ্যই হেডলাইন বোল্ড করে দিতে হবে। প্রয়োজনে কমা, ড্যাশ, হাইফেন, ইনভার্টেড কমা, অ্যাপস্ট্রফি থাকতে পারে কিন্তু সেমিকোলন বা ফুলস্টপ অথবা দাড়ি ব্যবহার করা যাবে না।
    • হেডলাইনের পরে দুই লাইনের গ্যাপ দিয়ে (অর্থাৎ কিবোর্ডে দুবার এন্টার চেপে) তারপর প্রেস রিলিজের মূল “বডি” শুরু করতে হবে।
    • প্রেস রিলিজের প্রথম লাইনটা অর্থাৎ “টপলাইন” সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই লাইনটা কত ভালোভাবে লেখা হচ্ছে তার ওপর নির্ভর করে এটা নিউজ হিসেবে ছাপা হবে কিনা। খটোমটো এবং অনেক অনেক সংখ্যায় ভরপুর টপলাইন না লেখাই ভালো। একজন সাংবাদিকের মতো করে চিন্তা করতে হবে: “আমি এই তথ্যগুলো পেলে প্রথম লাইনটা কিভাবে লিখতাম” – এরকম করে চিন্তা করতে হবে। এর একটা সহজ উপায় হলো হেডলাইনে যা লেখা হচ্ছে, সেটাই একটু বিস্তারিত আকারে বা elaborate করে লেখা যেতে পারে।
    • টপলাইনটা কখনোই খুব লম্বা করা যাবে না। শব্দ সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেয়া সম্ভব না। Common sense প্রয়োগ করতে হবে। “গত শনিবার অনুষ্ঠিত হলো এবিসি ফাউন্ডেশনের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশনা অনুষ্ঠান” – এ ধরণের বাক্য দিয়ে টপলাইন না লেখাই ভালো। ওই অনুষ্ঠানে যারা কথা বলেছেন বা সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন, তাদের কথা থেকে যে কোনো একটা গুরুত্বপূর্ণ লাইন দিয়ে প্রথম লাইন লেখা যেতে পারে। অথবা, যেমনটা আমাদের উদাহরণে আছে, কোন গবেষণা বা research-এর প্রকাশনা যদি হয়, সেক্ষেত্রে সেই গবেষণার interesting কোন একটা finding দিয়েও টপলাইন বা হেডলাইন করা যেতে পারে। তবে এক্ষেত্রে, আরো একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে: “অমুক বলেছেন…” – এই ধরনের expression টপলাইনে ব্যবহার না করাই ভালো।
    • দ্বিতীয় এবং তৃতীয় প্যারা মিলিয়ে অবশ্যই 5W এবং 1H এর উত্তর থাকতে হবে।5W মানে হলো what, where, when, who, why এবং 1H মানে হলো how – অর্থাৎ বিষয় “কি”, ঘটনার জায়গাটা “কোথায়”, হলো “কবে”, উপস্থিত ছিলো “কে কে”, অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য “কি” এবং অনুষ্ঠানটা হলো “কিভাবে” (আমাদের উদাহরণে যেমন “অনলাইনে”; যদি কোনও অডিটরিয়ামে হয়, তার নামটা লিখতে হবে)। তবে, সবগুলো প্রশ্নের উত্তর একটা বাক্যে দিতে গেলে লাইনটা খুব বড় হয়ে যাবে এবং তথ্যগত বা grammatical ভুল হতে পারে। তাই, ২-৩ লাইনে ভাগ করে এগুলো লেখা ভালো।
    • সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা মন্তব্যগুলো প্রথম তিন প্যারার মধ্যেই দিয়ে দিতে পারলে ভালো।
    • একটি ভালো প্রেস রিলিজে অন্তত ৪-৫টি প্যারা থাকতে হবে। প্যারাগুলো খুব লম্বা করা যাবে না, সর্বোচ্চ ৪-৫ লাইনের হওয়া ভালো। কারো বক্তব্য বা quote দিতে হলে তা আলাদা প্যারা করে দিতে হবে। এক্ষেত্রেও একই নিয়ম: কোনভাবেই যেন quote ৩-৪ লাইনের বেশি না হয়।
    • প্রেস রিলিজের শেষের দিকে অবশ্যই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে অন্তত একটা প্যারা রাখতে হবে। সেখানে খুব অল্প কথায় প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে হবে।
    • একটি ভালো প্রেস রিলিজ কখনোই এক পৃষ্ঠার বেশি হওয়া উচিৎ না। এক পৃষ্ঠার বেশি হলে বুঝতে হবে অতিরিক্ত কথা লেখা হয়েছে যা মিডিয়া কখনোই ছাপাবে না। যদি অতিরিক্ত তথ্য দেয়ার প্রয়োজন হয়, তাহলে আলাদা করে প্রেস রিলিজের সাথে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট শেয়ার করতে পারেন। আমাদের উদাহরণের ক্ষেত্রে যেমন গবেষণা প্রতিবেদনটি। অথবা যদি অনুষ্ঠানে কেউ কোনও প্রেজেন্টেশন দিয়ে থাকেন, তাহলে সেই স্লাইডগুলো দিয়ে দিতে পারেন।
    • প্রেস রিলিজের শেষে অবশ্যই – এবং অতি অবশ্যই – প্রতিষ্ঠানের মিডিয়া ম্যানেজার বা কমিউনিকেশন ম্যানেজার বা কমিউনিকেশন/মিডিয়া ফোকাল পার্সনের নাম, পদবী, ফোন নম্বর দিতে হবে।
    • প্রেস রিলিজ সম্বলিত ইমেইলটা সাংবাদিক বা মিডিয়া হউজগুলোতে পাঠানোর ক্ষেত্রেও কিছু নিয়ম মানতে হবে।“Dear Bhai, please find, thanks” – এ ধরণের কথা দিয়ে মেইল করা যাবে না। মেইলের বডিতে খুব সংক্ষেপে লিখতে হবে কি উপলক্ষ্যে এই মেইলটা পাঠানো হচ্ছে। মেইলের সাবজেক্ট লাইনে অবশ্যই প্রেস রিলিজের বিষয়টা সংক্ষেপে সুন্দর করে এমনভাবে লিখতে হবে যাতে নিউজ এডিটর বা চিফ রিপোর্টার সাবজেক্ট দেখেই সেটার বিষয়ে আগ্রহ বোধ করেন।
    • প্রেস রিলিজ সম্বলিত মেইলের বডিতে গোটা প্রেস রিলিজটা কপি পেস্ট না করাই ভালো।
    • প্রতিটা প্রেস রিলিজ ওয়ার্ডে টাইপ করে অবশ্যই পিডিএফ করে দিতে হবে। এবং অবশ্যই পিডিএফের পাশাপাশি, ওয়ার্ড ফাইলটিও মেইলে অ্যাটাচ করে দিতে হবে।
    • প্রেস রিলিজের দুটো ভার্সন থাকা ভালো – একটা বাংলা, আরেকটা ইংরেজি।বাংলা প্রত্রিকায় ইংরেজি প্রেস রিলিজ পাঠানো যাবে না। ইংরেজি পত্রিকায় বাংলা প্রেস রিলিজ পাঠানো যাবে না।

    এখনো অনেকেই বিজয় কিবোর্ড ব্যবহার করে সুতন্নি ফন্টে বাংলায় প্রেস রিলিজ লেখেন। এই অভ্যাস ত্যাগ করে ইউনিকোডে টাইপ করা শুরু করুন। বাংলাদেশের সব মিডিয়া হাউজ এখন ইউনিকোড ফন্ট ব্যবহার করে। সুতন্নিতে টাইপ করার সমস্যা হলো, মিডিয়া হাউজগুলোতে পাঠানোর পর, সেখানে কাউকে দিয়ে ওটাকে হয় নতুন করে ইউনিকোডে টাইপ করাতে হবে, নয়তো কনভার্ট করাতে হবে। এটা একটা back-dated, বিরক্তিকর এবং অপ্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া। কোন মিডিয়া হাউজে যদি নতুন করে টাইপ করার বা কনভার্ট করার লোক না থাকে তাহলে হয়তো প্রেস রিলিজটা বাদই পড়ে যাবে। তারচেয়ে প্রেস রিলিজটা যদি ইউনিকোডেই লেখা হয় তাহলে সেখানে থেকে সাংবাদিকরা সরাসরি কপি পেস্ট করে নিতে পারবেন।

    • কোনো ইভেন্টের অন্তত দুই দিন আগে একটা প্রেস রিলিজের পূর্ণাঙ্গ draft তৈরি করে ফেলতে হবে। ইভেন্টের সময় অবশ্যই কাউকে দায়িত্ব দিতে হবে যেন সে গুরুত্বপূর্ণ যেসব আলোচনা বা প্রশ্নোত্তর হচ্ছে সেখান থেকে নোট নেয়। ইভেন্ট শেষ হওয়ার পরপরই, নোট দেখে প্রেস রিলিজ আপডেট করে ফেলতে হবে। ধরা যাক ইভেন্ট লাঞ্চের আগে শেষ হলো। সেক্ষেত্রে, যার নোট নেয়ার দায়িত্ব, সে কখনোই লাঞ্চে বসে যাবে না। ইভেন্ট শেষ হওয়ার পর তার প্রথম কাজ হলো নোট-এর উপর ভিত্তি করে প্রেস রিলিজের ড্রাফট আপডেট করা। এবং সম্ভব হলে, লাঞ্চ শেষ হওয়ার আগেই সেটা ফাইনাল করে, যেসব সাংবাদিকরা ইভেন্ট কাভার করতে এসেছেন এবং লাঞ্চ করছেন, তাদের হাতে সেই প্রেস রিলিজের একটা প্রিন্টআউট দিয়ে দেয়া।
    • প্রেস রিলিজ অবশ্যই বিকাল ৪টার মধ্যে মিডিয়া হাউজ এবং সাংবাদিকদের মেইল করে দিতে হবে। দৈনিক পত্রিকায় প্রেস রিলিজের নিউজ সাধারণত ভেতরের পাতাগুলোতে ছাপা হয়। এই ভেতরের পাতাগুলোতে কি কি নিউজ যাবে তা সাধারণত বিকাল ৫টার মধ্যে ঠিক হয়ে যায়। প্রথম পাতা, তৃতীয় পাতা বা পেছনের পাতাগুলোই শুধু রাতের দিকে ফাইনাল হয়। প্রেস রিলিজ পাঠাতে দেরি হলে ছাপা হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

    প্রেস রিলিজ তো লেখা হলো, এবার ছাপাবেন কিভাবে? আগে এক সময় প্রেস রিলিজ ফ্যাক্স করে দেয়া হতো। সেই ফ্যাক্স থাকতো মিডিয়া হাউজের চিফ রিপোর্টার বা নিউজ এডিটরের ডেস্কে। তিনি ফ্যাক্স থেকে বের হওয়া প্রেস রিলিজ দেখে সিদ্ধান্ত নিতেন সেটা ছাপা হবে কি না। ইদানিং অবশ্য কেউ আর ফ্যাক্স করে না। সরাসরি মেইল করে দেয়া হয়। এখন প্রশ্ন হলো মেইলটা করবেন কাকে? মেইলটা অবশ্যই করতে হবে চিফ রিপোর্টারকে। পাশাপাশি, আপনার যদি ওই মিডিয়া হাউজের অন্য কোনও সাংবাদিকের সাথে পরিচয় থাকে, তাহলে তাকেও মেইলের সিসি-তে রাখতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনার পরিচিত সাংবাদিকের মাধ্যমে খোঁজ নিতে পারবেন সেটা ছাপা হবে কিনা। আরেকটা বিষয় হলো, চিফ রিপোর্টার যদি আপনার ইমেইল না খোলেন? সুতরাং, বিভিন্ন মিডিয়া হাউজের চিফ রিপোর্টারদের সাথে যতখানি সম্ভব ব্যক্তিগত পরিচয় তৈরি করে নিতে হবে। তাদের মোবাইলে আপনার ফোন নম্বরটা যেন store করা থাকে, সেটা নিশ্চিত করতে পারলেই অনেকটা কাজ হবে। আপনার ইমেইল অ্যাড্রেসটা যেন তিনি চেনেন তার ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রেস রিলিজটা মেইল করার পর চিফ রিপোর্টারকে অবশ্যই একটা ফোন দিয়ে নিশ্চিত হয়ে নেবেন যে তিনি আপনার মেইলটা পেয়েছেন কিনা।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  6. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বাংলাদেশে পাসপোর্ট করার পুরো প্রক্রিয়া

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    ১. আবেদন ফরম পূরণ - *অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ*: প্রথমে পাসপোর্ট বিভাগের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে  (e-passport.gov.bd) গিয়ে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। - *আবেদন ফরম প্রিন্ট*: ফরম পূরণের পর আবেদন ফরম প্রিন্ট করতে হবে। ২. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র 📄 - *জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি*: ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি এবং মূল জাতীয়বিস্তারিত পড়ুন

    ১. আবেদন ফরম পূরণ
    – *অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ*: প্রথমে পাসপোর্ট বিভাগের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে  (e-passport.gov.bd) গিয়ে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।
    – *আবেদন ফরম প্রিন্ট*: ফরম পূরণের পর আবেদন ফরম প্রিন্ট করতে হবে।
    ২. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র 📄
    – *জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি*: ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি এবং মূল জাতীয় পরিচয় পত্র সাথে নিবেন অবশ্যই।
    – *জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি*: জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি।
    – *পাসপোর্ট সাইজ ছবি*: ১ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।
    – *পূর্বের পাসপোর্টের ফটোকপি* (যদি থাকে)।
    – *অন্যান্য ডকুমেন্ট*: যদি আবেদনকারী সরকারী চাকুরিজীবী হন, তবে এনওসি (NOC) প্রয়োজন হতে পারে।
    ৩. ফি জমা
    – *ফি*: পাসপোর্ট ফি অনলাইনে বা নির্দিষ্ট ব্যাংকের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।
    – *ফি রসিদ*: ফি জমা দেওয়ার পর রসিদটি সংরক্ষণ করতে হবে।
    ৪. আবেদন জমা
    – *আবেদন জমা*: নিকটস্থ পাসপোর্ট অফিসে নির্দিষ্ট সময়ে গিয়ে আবেদন ফরম ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
    ৫. বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান
    – *ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ছবি*: পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আঙ্গুলের ছাপ এবং ছবি তোলা হবে।
    ৬. পাসপোর্ট সংগ্রহ
    -এসএমএস বা ইমেইল*: আবেদন গৃহীত হলে এবং পাসপোর্ট প্রস্তুত হলে এসএমএস বা ইমেইল পাওয়া যাবে।
    – *সংগ্রহ*: নির্দিষ্ট পাসপোর্ট অফিস থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।
    এছাড়া আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য পাসপোর্ট অফিসের ওয়েবসাইট দেখতে পারেন অথবা সরাসরি পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  7. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    মেট্রোরেল কোন স্টেশনে নামলে, কোথায় যেতে পারবো ?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    ১) #উত্তরা_উত্তর (Uttara North): দিয়াবাড়ি, খালপাড়, রূপায়ণ সিটি, উত্তরা পশ্চিম থানা, জমজম টাওয়ার, সেক্টর-৭, ১০, ১২, ১৪,১৫,১৬, কামারপাড়া, সুইচগেইট, রানাভোলা, হাউজবিল্ডিং, রাজলক্ষী, জসীমউদ্দীন, এয়ারপোর্ট,  টঙ্গী, কলেজ গেইট, টঙ্গী হয়ে বোর্ড বাজার, গাজীপুর, জয়দেবপুর। উত্তরা উত্তর মতিঝিল থেকে: ১০বিস্তারিত পড়ুন

    ১) #উত্তরা_উত্তর (Uttara North): দিয়াবাড়ি, খালপাড়, রূপায়ণ সিটি, উত্তরা পশ্চিম থানা, জমজম টাওয়ার, সেক্টর-৭, ১০, ১২, ১৪,১৫,১৬, কামারপাড়া, সুইচগেইট, রানাভোলা, হাউজবিল্ডিং, রাজলক্ষী, জসীমউদ্দীন, এয়ারপোর্ট,  টঙ্গী, কলেজ গেইট, টঙ্গী হয়ে বোর্ড বাজার, গাজীপুর, জয়দেবপুর। উত্তরা উত্তর মতিঝিল থেকে: ১০০ টাকা।

     

    ২) #উত্তরা_সেন্টার (Uttara Center): সেক্টর ১৮, রাজউক উত্তরা মডেল টাউন, বউ বাজার, পঞ্চবটি, বোটক্লাব,  বীরুলিয়া ব্রীজ, বীরুলিয়া ব্রীজ থেকে সাভার, আশুলিয়া। উত্তরা উত্তর থেকে সর্বনিম্ন ভাড়া: ২০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৯০ টাকা।

     

    ৩) #উত্তরা_দক্ষিণ (Uttara South): ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি, শান্তা-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি, বিজিএমইএ ভবন, বৃন্দাবন, এয়ারপোর্ট, উত্তরা আজমপুর। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ২০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৯০ টাকা।

     

    ৪) #পল্লবী (Pallabi): মিরপুর ১২, মিরপুর ডিওএইচএস, মিরপুর সেনানিবাস, ইষ্টার্ন হাউজিং, আফতাব নগর

    হাউজিং, বিইউপি, কালসী মোড়, ইসিবি চত্বর, বারিধারা ডিওএইচএস। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৩০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৮০ টাকা।

     

    ৫) #মিরপুর ১১ (Mirpur 11): পূরবী সিনেমা হল, কালসী মোড়, ইসিবি চত্বর, বারিধারা ডিওএইচএস, এয়ারপোর্ট, মিরপুর ১১, মিল্কভিটা, মিরপুর-১,৬,৭, চিড়িয়াখানা। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৩০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৭০ টাকা।

     

    ৬) #মিরপুর_১০ (Mirpur 10): বর্তমানে বন্ধ আছে। তারপরও বলে রাখি, মিরপুর গোল চক্কর, সেনপাড়া, মিরপুর-১,২, চিড়িয়াখানা , হার্ট ফাউন্ডেশন, পাকা মসজিদ, টেকনিক্যাল, শ্যামলী, কল্যাণপুর, গাবতলী, আমীনবাজার, সাভার, মিরপুর-১৩, ১৪, পুলিশ ব্যাটালিয়ন, ভাষাণটেক, কচুক্ষেত, বনানী, বনানী থেকে উত্তরা বা মহাখালী অভিমূখের যেকোনো জায়গা। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৪০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৬০ টাকা।

     

    ৭) #কাজীপাড়া (Kazipara): কাজীপাড়া, বেগম রোকেয়া সরণী, ইটাখোলা বাজার, পূর্ব মনিপুর, বৌবাজার, সাততারা মসজিদ রোড এবং এর আশেপাশে। উত্তরা দিয়া বাড়ি থেকে ভাড়া: ৪০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৬০ টাকা।

     

    ৮) #শেওড়াপাড়া (Shewrapara): শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, আগারগাঁও, তালতলা, কচুক্ষেত, মাজার রোড, টেকনিক্যাল, গাবতলী, কল্যাণপুর এবং এর আশেপাশে। ভাড়া: ৫০ টাকা। উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিল থেকে: ৫০ টাকা।

     

    ৯) #আগারগাঁও (Agergaon) : আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস, বিসিএস কম্পিউটার সিটি, চক্ষু হাসপাতাল, নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল, শ্যামলী, জাপান গার্ডেন সিটি, টেকনিক্যাল , গাবতলী, শিশু হাসপাতাল, শিশু মেলা, তালতলা এবং এর আশেপাশে। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৬০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৫০ টাকা।

     

    (১০) #বিজয়_সরণী (Bijoy Sarani): বিজয় সরণী, জাতীয় সংসদ, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, শাহীন স্কুল ও কলেজ, তেজগাঁও এয়ার পোর্ট, শাহীন বাগ, নাখালপাড়া এবং এর আশেপাশে। উওরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৬০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৪০ টাকা।

    (১১) #ফার্মগেট (Farmgate) : ফার্মগেট, আসাদগেট, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি -২৭, ২৮, লালমাটিয়া, তেজগাঁও কলেজ, বিজ্ঞান কলেজ, হলিক্রস কলেজ এবং এর আশেপাশে । উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৭০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৩০ টাকা।

     

    (১২) #কাওরান_বাজার ( Kawran Bazar) : কাওরান বাজার, হাতিরঝিল, রামপুরা, মালিবাগ, বসুন্ধরা সিটি, পান্থপথ, স্কয়ার হাসপাতাল, বিআরবি হাসপাতাল, ধানমন্ডি -৩২, কলাবাগান এবং এর আশেপাশে। উওরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৮০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৩০ টাকা।

    (১৩) #শাহবাগ (Shahbagh) : শাহবাগ, পিজি হাসপাতাল, বারডেম হাসপাতাল, রমনা পার্ক, সাইন্স ল্যাব, সিটি কলেজ, ঢাকা কলেজ, ল্যাবএইড হাসপাতাল এবং এর আশেপাশে। উওরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৮০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ২০ টাকা।

    (১৪) #ঢাকা_বিশ্ববিদ্যালয় (Dhaka University) : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, টিএসসি, ঢাকা মেডিকেল, বুয়েট, শহিদ মিনার, শিশু একাডেমী, আজিমপুর, ইডেন কলেজ, ঢাকা কলেজ, নিউ মার্কেট, চক বাজার। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৯০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ২০ টাকা।

    (১৫) #বাংলাদেশ_সচিবালয় ( Bangladesh Secretariat) : সচিবালয়, প্রেস ক্লাব, সেগুনবাগিচা, শান্তিনগর, হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট, পল্টন, বিজয়নগর, মিন্টু রোড, বেইলী রোড, ভিকারুননিসা স্কুল, গুলিস্তান, বায়তুল মোকাররম এবং এর আশেপাশে । উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া : ৯০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ২০ টাকা।

    (১৬) #মতিঝিল ( Motijheel) : মতিঝিল, দিলকুশা, কমলাপুর , বঙ্গভবন , বাংলাদেশ ব্যাংক, নটরডেম কলেজ, আরামবাগ, ফকিরাপুল এবং এর আশেপাশে। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ১০০/- টাকা। বিঃদ্রঃ ২০০ টাকা বিনিময়ে কার্ড করলে, যাতায়াতে সবসময় ১০% ডিসকাউন্ট পাওয়া যায়। উত্তরা উত্তর থেকে প্রথম ট্রেন: সকাল ৭:১০ মিঃ

    এবং সর্ব শেষ ট্রেন: রাত ৯:০০ ঘটিকায়। মতিঝিল থেকে প্রথম ট্রেন: সকাল ৭:৩০ মিঃ

    এবং সর্ব শেষ ট্রেন: রাত ৯:৪০ মিঃ।

    প্রতি শুক্রবার উত্তরা উত্তর থেকে: ৩:৩০ মিঃ শুরু হয়ে সর্ব শেষ ট্রেন ৯:০০ মিঃ। এবং মতিঝিল থেকে বিকাল ৩:৫০ মিঃ শুরু হয়ে সর্ব শেষ ট্রেন ৯:৪০ মিঃ। প্রতি ৮/১০ মিনিট পরপর উত্তরা ও মতিঝিল থেকে মেট্রো রেল ছাড়ে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  8. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    সৌরজগতের কয়টি গ্রহের বলয় আছে?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    রিপ্লাই করেছেন 2 বছর আগে

    সৌরজগতে চারটি গ্রহের বলয় আছে। সেগুলো হলো শনি, বৃহস্পতি, ইউরেনাস ও নেপচুন।

    সৌরজগতে চারটি গ্রহের বলয় আছে। সেগুলো হলো শনি, বৃহস্পতি, ইউরেনাস ও নেপচুন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  9. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কোন গ্রহের উপগ্রহ সবচেয়ে বেশি?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    রিপ্লাই করেছেন 2 বছর আগে

    সঠিক উত্তর হল শনি । এটি সূর্য থেকে ষষ্ঠ গ্রহ এবং আমাদের সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। গ্যাস দৈত্য বৃহস্পতির মতো, শনি হল একটি বিশাল বল যা বেশিরভাগ হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম দিয়ে তৈরি। আরও 62টি উপগ্রহ আবিষ্কারের পর, এটিতে এখন 145টি উপগ্রহ রয়েছে, যা সৌরজগতের সমস্ত গ্রহের মধ্যে সর্বাধিক।

    সঠিক উত্তর হল শনি । এটি সূর্য থেকে ষষ্ঠ গ্রহ এবং আমাদের সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। গ্যাস দৈত্য বৃহস্পতির মতো, শনি হল একটি বিশাল বল যা বেশিরভাগ হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম দিয়ে তৈরি। আরও 62টি উপগ্রহ আবিষ্কারের পর, এটিতে এখন 145টি উপগ্রহ রয়েছে, যা সৌরজগতের সমস্ত গ্রহের মধ্যে সর্বাধিক।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  10. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কোন গ্রহের উপগ্রহ সবচেয়ে বেশি?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    রিপ্লাই করেছেন 2 বছর আগে

    সঠিক উত্তর হল শনি । এটি সূর্য থেকে ষষ্ঠ গ্রহ এবং আমাদের সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। গ্যাস দৈত্য বৃহস্পতির মতো, শনি হল একটি বিশাল বল যা বেশিরভাগ হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম দিয়ে তৈরি। আরও 62টি উপগ্রহ আবিষ্কারের পর, এটিতে এখন 145টি উপগ্রহ রয়েছে, যা সৌরজগতের সমস্ত গ্রহের মধ্যে সর্বাধিক।

    সঠিক উত্তর হল শনি । এটি সূর্য থেকে ষষ্ঠ গ্রহ এবং আমাদের সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। গ্যাস দৈত্য বৃহস্পতির মতো, শনি হল একটি বিশাল বল যা বেশিরভাগ হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম দিয়ে তৈরি। আরও 62টি উপগ্রহ আবিষ্কারের পর, এটিতে এখন 145টি উপগ্রহ রয়েছে, যা সৌরজগতের সমস্ত গ্রহের মধ্যে সর্বাধিক।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  11. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মোবাইল (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    কোন কোন স্মার্টফোনে আর চলবে না হোয়াটসঅ্যাপ ?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    নতুন সংস্করণে অ্যাপটির মালিকানাধীন মেটা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল, স্যামসাং, মোটোরোলা, সনি, এলজির মতো জনপ্রিয় ব্রান্ডের প্রায় ৩৫টি মডেলের স্মার্টফোনে বন্ধ হতে যাচ্ছে এর পরিষেবা। মূলত এই মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের সামগ্রিক পারফরম্যান্স উন্নত করতে এবং নিরাপত্তা বাড়াতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থবিস্তারিত পড়ুন

    নতুন সংস্করণে অ্যাপটির মালিকানাধীন মেটা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল, স্যামসাং, মোটোরোলা, সনি, এলজির মতো জনপ্রিয় ব্রান্ডের প্রায় ৩৫টি মডেলের স্মার্টফোনে বন্ধ হতে যাচ্ছে এর পরিষেবা। মূলত এই মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের সামগ্রিক পারফরম্যান্স উন্নত করতে এবং নিরাপত্তা বাড়াতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপের লেটেস্ট ফিচারগুলো ব্যবহার যে সিস্টেম দরকার তা এই ফোনগুলোতে নেই। যে সব ফোনে চলবে না হোয়াটসঅ্যাপ

    হুয়াওয়ে ব্র্যান্ডের মডেলের মধ্যে রয়েছে-
    অ্যাসেন্ড পি৬ এস
    অ্যাসেন্ড জি৫২৫
    হুয়াওয়ে সি১৯৯
    হুয়াওয়ে জিএক্স১এস
    হুয়াওয়ে ওয়াই৬২৫

    স্যামসাং ব্র্যান্ডের মডেলের মধ্যে রয়েছে-
    গ্যালাক্সি এসিই প্লাস
    গ্যালাক্সি কোর
    গ্যালাক্সি এক্সপ্রেস ২
    গ্যালাক্সি গ্র্যান্ড
    গ্যালাক্সি নোট ৩
    গ্যালাক্সি এস৩ মিনি
    গ্যালাক্সি এস৪ অ্যাকটিভ
    গ্যালাক্সি এস৪ মিনি
    গ্যালাক্সি এস৪ জুম।

    অ্যাপল ব্র্যান্ডের মডেলের মধ্যে রয়েছে-
    আইফোন ৫
    আইফোন ৬
    আইফোন ৬ এস
    আইফোন ৬ এস প্লাস
    আইফোন এসই

    লেনোভো ব্র্যান্ডের মডেলের মধ্যে রয়েছে-
    লেনোভো ৪৬৬০০
    লেনোভো এ৮৫৮টি
    লেনোভো পি৭০
    লেনোভো এস৮৯০

    মটোরোলা ব্র্যান্ডের মডেলের মধ্যে রয়েছে-
    মোটো জি
    মোটো এক্স

    এলজি ব্র্যান্ডের মডেলের মধ্যে রয়েছে-
    অপটিমাস ৪এক্স এইচডি
    অপটিমাস জি
    অপটিমাস জি প্রো
    অপটিমাস এল ৭

    সনি ব্র্যান্ডের মডেলের মধ্যে রয়েছে-
    এক্সপেরিয়া জেড ১
    এক্সপেরিয়া ই৩

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  12. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ ইতিহাস

    মগের মুল্লুকের সীমানা কতটুকু ছিল? ইতিহাস কী বলে ?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    সময়টা ২৭ জানুয়ারি বুধবার, ১৬৬৬ খ্রিস্টাব্দ। চট্টগ্রামের  ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন। এই দিনে মোগল সুবেদার শায়েস্তা খানের পুত্র বুজুর্গ উমিদ খানের নেতৃত্বে মোগল বাহিনীর হাতে আরাকান ম্রাউক-উ রাজ্যের বাহিনী  পরাজিত হয়।১ যার ফলে নাফ নদী পর্যন্ত বাংলার সীমানা আবার পুনরুদ্ধার হয়। ম্রাউক-উ রাজ্যের শাসন আমল যবিস্তারিত পড়ুন

    সময়টা ২৭ জানুয়ারি বুধবার, ১৬৬৬ খ্রিস্টাব্দ। চট্টগ্রামের  ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন। এই দিনে মোগল সুবেদার শায়েস্তা খানের পুত্র বুজুর্গ উমিদ খানের নেতৃত্বে মোগল বাহিনীর হাতে আরাকান ম্রাউক-উ রাজ্যের বাহিনী  পরাজিত হয়।১ যার ফলে নাফ নদী পর্যন্ত বাংলার সীমানা আবার পুনরুদ্ধার হয়। ম্রাউক-উ রাজ্যের শাসন আমল যাকে দুঃশাসন আর চরম অত্যাচারের কারণে এ অঞ্চলকে  মগের মুল্লুক নামে অভিহিত করা হতো। ফেনী নদী থেকে সমগ্র আরাকান পর্যন্ত এ রাজ্যটি বিস্তৃত ছিল।

    বঙ্গের সুলতানদের হটিয়ে মধ্যযুগে প্রায় শত বছর চট্টগ্রামে মগ রাজত্ব কায়েম হয়েছিল। এ বিজয়ের পর থেকে আর কখনো বাংলার প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক আওতার বাইরে যায়নি চট্টগ্রাম। মোগল, ব্রিটিশ, পাকিস্তানি, স্বাধীন বাংলাদেশ যখনই যার শাসন ছিল না কেনো এই ভূখন্ডে, চট্টগ্রাম সবসময়ই ছিল বাংলার সাথে, বাংলার প্রবেশদ্বার হিসেবে।

    চট্টগ্রাম বন্দরের ইতিহাস হাজার বছরের পুরনো। বাণিজ্যের কারণে যুগে যুগে চট্টগ্রাম বন্দরের প্রয়োজনীয়তা ছিল। আরাকানিদের শাসনামলে চট্টগ্রামে বলা যায় এক ধরনের অরাজকতা বিদ্যমান ছিল। স্থানীয় অধিবাসীদের দাস হিসেবে নিয়ে বিক্রি করে দেওয়া, দস্যুতা, লুণ্ঠন এসব নানাবিধ ব্যাপার নিত্যনৈমিত্তিক ছিল। কবি আলাওলও দাস হিসেবে বিক্রি হয়ে পরে নিজগুণে আরাকানের রাজসভায় জায়গা করে নিয়েছিলেন।

    নানা অরাজকতায় আরাকানি বা মগদের সহায়তা করত পর্তুগিজ বা ফিরিঙ্গিরা। এছাড়া ওলন্দাজ যা তৎকালীন ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নামে অভিহিত ছিল, তাদের সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল মগদের। ইতিহাসবিদরা পর্তুগিজ ও মগদের নৃশংসতার বর্ণনা এভাবে দিয়েছেন “আরাকানের মগ এবং ফিরিঙ্গি জলদস্যুরা উভয়ই প্রতিনিয়ত বাংলা (ঢাকা হইতে চট্টগ্রাম অঞ্চল) লুণ্ঠন করত। তারা যেসকল হিন্দু ও মুসলমানদের আটক করতে পারত, তাদের হাতের তালুতে ছিদ্র করে গর্তের মধ্য দিয়ে পাতলা বেতের ফিতা ঢুকিয়ে বাঁধত এবং তাদের জাহাজের ডেকের নীচে একসাথে আটকে রাখত। প্রতিদিন সকালে তারা উপর থেকে বন্দীদের জন্য কিছু কাঁচা চাল ছুড়ে দিত, যেমনটি পাখিকে খাবার ছুড়ে দেয়া হয়। তাদের দাক্ষিণাত্যের বন্দরে ডাচ, ইংরেজ ও ফরাসি বণিকদের কাছে বিক্রি করা হত। কখনও কখনও তারা তাদের বন্দীদেরকে উচ্চ মূল্যে বিক্রির জন্য তমলুক এবং বালেশ্বরে নিয়ে আসত। শুধুমাত্র ফিরিঙ্গিরা তাদের বন্দীদের বিক্রি করত, কিন্তু মগরা বন্দীদের আরাকানে কৃষি ও অন্যান্য পেশায় বা গৃহকর্মী ও উপপত্নী হিসাবে নিয়োগ করত”২। ইতিহাসবিদরা যদিও আরাকানিদের এই শাসনামল বাণিজ্যিক সমৃদ্ধির স্বর্ণযুগ হিসেবে অভিহিত করেছেন। আরাকানিরা ফিরিঙ্গিদের সাহায্যপুষ্ট হয়ে যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল এবং তাদের শক্তিশালী নৌ বাহিনী ছিল, তাদের উৎখাত করা খুব একটা সহজসাধ্য ব্যাপার ছিল না।

    কবি আলাওল আরাকান রাজের শক্তি-প্রতীক নৌবহরের বর্ণনা তার কাব্যগ্রন্থ সিকান্দরনামায় (যা পূর্ণাঙ্গভাবে ১৬৭৩ সালে প্রকাশিত হয়) বর্ণনা করেছেন:

    অসংখ্যাত নৌকাপাঁতি নানা জাতি নানা ভাতি
    সুচিত্র বিচিত্র বাহএ।
    জরশি-পাট-নেত লাঠিত চামর যূত
    সমুদ্র পূর্ণিত নৌকামএ।৩

    ১৬১৭ এবং ১৬২১ খ্রিস্টাব্দে দুইটি মোগল অভিযান ব্যর্থ হয়।

    ১৬৫৭ সালে মোগল সিংহাসন নিয়ে বাদশাহ শাহজাহানের চারপুত্রের মধ্যে সংঘটিত ভ্রাতৃঘাতী যুদ্ধে আওরঙ্গজেবের কাছে তার অপর ভাইয়েরা পরাজিত হন।

    আওরঙ্গজেব আলমগীরের প্রতিদ্বন্দ্বী ভাইদের একজন হলেন শাহজাদা সুজা। শাহজাদা সুজা ১৬৪০ সাল থেকে ১৬৬০ সাল পর্যন্ত প্রায় ২০ বছর বাংলার সুবেদার ছিলেন।

    ভ্রাতৃঘাতী যুদ্ধে পরাজয়ের পর শাহজাদা সুজার লক্ষ্য ছিল নোয়াখালী থেকে জাহাজে করে সমুদ্র পথে মক্কা অথবা ইস্তাম্বুলে চলে যাবেন। কিন্তু বর্ষাকাল এসে যাওয়ায় তা আর হয়ে ওঠেনি। এদিকে বাদশাহ আওরঙ্গজেবের বাহিনী প্রতিনিয়ত খোঁজ করছে শাহজাদা সুজার।

    আওরঙ্গজেবের হাত থেকে রক্ষা পেতে তাই শাহজাদা সুজা পার্শ্ববর্তী আরাকান রাজ্যে বিপুল সংখ্যক ধনরত্ন (প্রায় ২৩ টন ওজনের)৪ নিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে চলে যান। ১৬৬০ সালের আগস্ট মাসে এককালের পরাক্রমশালী বাঙলার সুবেদার শাহজাদা সুজার ঠাঁই হলো আরাকান রাজ্যে।

    কিন্তু ছয় মাসের মাথায় শাহজাদা সুজাকে খুন করে আরাকান রাজা। শাহজাদার পরিবারের মেয়েদের করা হয় লাঞ্ছিত এবং ছেলেদের করা হয় কারারুদ্ধ। মোগল শাহজাদার এই বিয়োগান্ত সংবাদ অচিরেই পৌঁছে যায় দিল্লি বাদশাহ তথা সুজার ভাই আওরঙ্গজেব আলমগীরের কাছে। মোগল সম্রাট তার ভাই শাহ সুজা এর সন্তানাদি এবং ধনরত্ন ফেরত দেওয়ার ব্যাপারে পরপর দুইজন দূতকে আরাকান রাজদরবারে পাঠান। আরাকানিরা প্রথম দূতকে বন্দি করে দাস হিসেবে পাঠিয়ে দেয়। দ্বিতীয় দূতকে আরাকানের রাজদরবার গ্রহণ করে কিন্তু ইতিমধ্যে সমস্ত সন্তানাদিকে হত্যা করা হয়েছে এবং তাদের সম্পদ হাতছাড়া হয়েছে, তাই কোন সদুত্তর মেলেনি।৫

    নিজ ভাই হলেও হয়তোবা ক্ষমতার প্রশ্নে কখনোই সুজার প্রতি সহানুভূতি দেখাতেন না বাদশাহ আওরঙ্গজেব। কিন্তু তাই বলে ভিনদেশী কারো হাতে ভাইয়ের খুন!

    আরাকান রাজের হাতে নিজ ভাইয়ের খুনের প্রতিশোধ নিতে তাই নিজ মামা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহচর শায়েস্তা খাঁকে বাংলার সুবেদার করে পাঠান দিল্লি বাদশাহ আওরঙ্গজেব।

    যুদ্ধ এড়ানো যাবেনা মনে করে আরাকানিরা যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে থাকে। ১৬৬৪ খ্রিষ্টাব্দে আরাকানিরা পর্তুগিজদের সহায়তায় উল্টো ঢাকা আক্রমণ করে বসে এবং ১৬০ টির মতো নৌযান ধ্বংস করে। মোগল সম্রাটের নির্দেশে শায়েস্তা খান যুদ্ধের পরিকল্পনায় নেমে পড়েন।৬ তিনি ৩০০ যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ করে নৌ সেনাপতি ইবনে হোসেইন এর হাতে দায়িত্ব ন্যস্ত করেন। এর সাথে শায়েস্তা খান ওলন্দাজ এবং ফিরিঙ্গিদের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেন এবং ফিরিঙ্গিদের সাথে আরাকানিদের বিবাদের সুবিধা নেন।

    ১৬৬৫ সালের শীতকাল। সুবেদার শায়েস্তা খাঁ এক সুসজ্জিত সেনাবাহিনী গঠন করলেন মগদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য। চট্টগ্রাম পুনরুদ্ধারের এই মিশনে প্রধান সেনানায়ক হিসেবে যোগ দিলেন সুবেদার শায়েস্তা খাঁর সুযোগ্য পুত্র বুজুর্গ উমেদ খাঁ।

    মোগলরা ওলন্দাজ কূটনৈতিক সমর্থন ও সামরিক সাহায্যের আশ্বাস নিয়ে ১৬৬৫ খ্রিস্টাব্দে সন্দ্বীপ দখল করে। বাংলার নৌপথ সম্বন্ধে অভিজ্ঞ পর্তুগিজ ক্যাপ্টেন মুর এর নেতৃত্বে ৪০টি জাহাজ মোগল নৌ বহরের সাথে যুক্ত হলে নৌযুদ্ধ অন্য মাত্রা লাভ করে।৭ ইতিমধ্যে শায়েস্তা খানের পুত্র বুজুর্গ উমিদ খানের নেতৃত্বে ৬৫০০ সংখ্যক মোগল বাহিনী ফেনী নদী পেরিয়ে চট্টগ্রামের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। মোগলদের জয়লাভের পূর্বে চট্টগ্রামকে তখন বলা হত পাহাড় এবং গাছের জঙ্গল। ঐতিহাসিকরা উপমা দিয়ে লিখেছেন বন এত ঘন ছিল যে পিঁপড়ে চলাচলের পথ ছিল না।৮ মোগল বাহিনীর জন্য ঢাকা থেকে বিপুল সংখ্যক কুড়াল সরবরাহ করা হয়েছিল যা দিয়ে তারা বন পরিষ্কার করে চট্টগ্রামের উপকণ্ঠে এসে হাজির হয়। ইতিহাসবিদরা মোগলদের এই তৈরি করা রাস্তা বর্তমান ঢাকা চট্টগ্রাম ট্রাঙ্ক রোডের সূত্রপাত বলে অভিহিত করেন।৯

    দ্বিমুখী আক্রমণে ১৬৬৬ খ্রিস্টাব্দের জানুয়ারির ২৭ তারিখে তিন দিন অবরুদ্ধ থেকে প্রায় বিনা বাধায় এ অঞ্চলের আরাকানিদের কেন্দ্র চাটগছার কিল্লা বা আন্দরকিল্লার পতন হয়।১০ শায়েস্তা খান এর কূটনৈতিক সাফল্যের কারণে শক্তিশালী আরাকানিদের বিরুদ্ধে মোগলদের এই অসম্ভব জয় সম্ভব হয়।

    আলমগীরনামায় লিপিবদ্ধ তথ্য অনুসারে অনুমিত হয় ভূতপূর্ব ম্রাউক-উ রাজা সিরিসূধম্মারাজা এর পুত্র এই মোগল বাহিনীর সাথে ছিলেন এবং মোগলদের অভিপ্রায় ছিল আরাকান দখলের পর তাঁকে রাজা হিসাবে অধিষ্ট করা।১১ কিন্তু অপ্রতুল রসদ ও বর্ষা সমাগমের কারণে তারা নাফ নদীর তীর পর্যন্ত তাদের অগ্রযাত্রা সীমিত করে।১২ মোগলদের চট্টগ্রাম বিজয়ের পর বিলুপ্ত হয় দাসপ্রথা এবং পর্তুগিজদের দাপট কমে যায়।

    বুজুর্গ উমিদ খান আন্দরকিল্লা পতনের পর চট্টগ্রামের নামকরণ ইসলামাবাদ করেন এবং পরবর্তী বছরে কিল্লার উপরে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন যেটি বর্তমানে আন্দরকিল্লা জামে মসজিদ নামে পরিচিত। মসজিদের প্রবেশদ্বারের উপরে দুইটি প্রস্তর খন্ডে ফারসি ভাষায় কিছু লিখা আছে, দ্বিতীয় লেখাটির অনুবাদ করলে দাঁড়ায়  ‘হে জ্ঞানী! তুমি জগৎবাসীকে বলে দাও, আজ এ দুনিয়ায় দ্বিতীয় কাবা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যার প্রতিষ্ঠাকাল ১০৭৮ হিজরি।’

    বাংলার এই অঞ্চল পুনর্দখলের জন্য রাখাইনরা এর পরে অনেক চেষ্টা করেও সফল হতে পারেনি। পরবর্তীতে মোগলরা চট্টগ্রামে বহু স্থাপনা, মসজিদ, মন্দির নির্মাণ করে। রহমতগঞ্জ, হামজারবাগ, ঘাট ফরহাদবেগ, আসকার দীঘি, বাগমনিরাম, মোগলটুলী, পাঠানটুলী, বাগ-ই-হামজাহ মসজিদ, মিসকিন শাহ মসজিদ, কদম মুবারক মসজিদ, বায়েজিদ বোস্তামি মসজিদ, ওয়ালী খান মসজিদ সহ অনেক স্থাপনা চট্টগ্রামের আনাচে-কানাচে মোগলদের উপস্থিতির কথা মনে করিয়ে দেয়। মূলত ফেনী থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এর বিস্তৃতি দেখা যায়। এগুলি চট্টগ্রামকে অনেক ঐতিহ্যবাহী করে তুলেছে। আমরা যেন এই কীর্তিগুলি সংরক্ষণ করি যাতে তা ইতিহাস মনে রাখতে সাহায্য করবে।

    ফেনী নদী থেকে আরাকান পর্যন্ত ছিল ‘মগের মুল্লুক’

     

    ২৭ জানুয়ারি ১৬৬৬ খ্রিষ্টাব্দ। রোজ বুধবার। চট্টগ্রামের ইতিহাসে দিনটি বেশ স্মরণীয় হয়ে আছে আজও। এই দিনে মুঘল সুবেদার শায়েস্তা খানের পুত্র বুজুর্গ উমিদ খানের নেতৃত্বে মুঘল বাহিনীর হাতে আরাকান ম্রাউক-উ রাজ্যের বাহিনী পরাজিত হয়। যার ফলে নাফ নদী পর্যন্ত বাংলার সীমানা আবার পুনরুদ্ধার হয়।

    ম্রাউক-উ রাজ্যের শাসন আমলকে বলা হতো দুঃশাসনের শেষ পন্থা! তাই তো চরম অত্যাচারের কারণে এ অঞ্চলকে ‘মগের মুল্লুক’ নামে অভিহিত করা হতো। ফেনী নদী থেকে সমগ্র আরাকান পর্যন্ত এ রাজ্যটি বিস্তৃত ছিল।

    মগ কারা?

    মগের মুলুক—শব্দটা পড়ে কী ভাবছেন? বিশৃঙ্খল অবস্থা, অরাজক দেশ; তাই তো? কিন্তু বলুন তো এই ‘মগ’ কী জিনিস? আর মুলুকটা মগদেরই বা কেন হলো? বিষয়টি নিয়ে কতশত প্রশ্ন মানুষের মনে। তবে চট্টগ্রাম অঞ্চলের ইতিহাস আর মগের মুলুক ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

    বঙ্গের সুলতানদের হটিয়ে মধ্যযুগে প্রায় শত বছর চট্টগ্রামে মগ রাজত্ব কায়েম হয়েছিল। এ বিজয়ের পর থেকে আর কখনো বাংলার প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক আওতার বাইরে যায়নি চট্টগ্রাম। মুঘল, ব্রিটিশ, পাকিস্তানি, স্বাধীন বাংলাদেশেএসব জায়গায় যখনই যার শাসন ছিল না কেন; এই ভূখণ্ডে চট্টগ্রাম সবসময়ই ছিল বাংলার সঙ্গে, বাংলার প্রবেশদ্বার হিসেবে।

    ভৌগোলিকভাবে আরাকান বা বর্তমানের মিয়ানমার রাজ্যটি হলো মগদের দেশ। আক্ষরিক অর্থে মিয়ানমার হলো মগের মুলুক। তবে মগদের সঙ্গে যুক্ত এই কথাটি ব্যবহার করা হয় যথেচ্ছাচার আর অরাজকতার বিষয়টি বোঝাতে।

    চট্টগ্রাম বন্দরের ইতিহাস হাজার বছরের পুরোনো। বাণিজ্যের কারণে যুগে যুগে চট্টগ্রাম বন্দরের প্রয়োজনীয়তা ছিল। আরাকানিদের শাসনামলে চট্টগ্রামে বলা যায় এক ধরনের অরাজকতা বিদ্যমান ছিল। স্থানীয় অধিবাসীদের দাস হিসেবে নিয়ে বিক্রি করে দেওয়া, দস্যুতা, লুণ্ঠন এসব নানাবিধ ব্যাপার নিত্যনৈমিত্তিক ছিল। কবি আলাওলও দাস হিসেবে বিক্রি হয়ে পরে নিজগুণে আরাকানের রাজসভায় জায়গা করে নিয়েছিলেন।

    ১৬২৫ সালের দিকে আমাদের বঙ্গভূমি ছিল খুব সমৃদ্ধশালী। তখন পর্তুগিজ আর মগ জলদস্যুরা পূর্ব ও নিম্ন বঙ্গের অনেক স্থানে খুব লুটপাট চালায়। এ অঞ্চলের মানুষের মাঝে তাদের ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। তখন এ ভূখণ্ড শাসন করতেন মুঘল সুবেদাররা। তারা এসেছিলেন সেই আফগান ভূমি থেকে আর তাদের শাসনের কেন্দ্র ছিল দিল্লি। ফলে জলস্থান মানে সমুদ্র বা নৌপথে যুদ্ধ করতে পারতেন না তারা।

    এদিকে মগেরা ছিল ভয়ংকর জলদস্যু। তারা নৌপথের যুদ্ধে খুব পটু। তাই মুঘল সুবেদাররা কখনোই মগদের সঙ্গে পেরে ওঠেননি। তখন খান-ই-দুরান ছিলেন ঢাকার সুবেদার। কথিত আছে, মানুষ হিসেবে তিনি একটু দুর্বলচিত্তের অধিকারী ছিলেন। মগ জলদস্যুদের ভয়ে তিনি রাজমহলে পালিয়ে যান। এই সুযোগে মগরা এই অঞ্চলে ইচ্ছেমতো লুটপাট, অত্যাচার নির্যাতন করে।

    মগেরা ছিল ভয়ংকর জলদস্যু। ছবি: সংগৃহীত

    নানা অরাজকতায় আরাকানি বা মগদের সহায়তা করত পর্তুগিজ বা ফিরিঙ্গিরা। এছাড়া ওলন্দাজ যা তৎকালীন ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নামে অভিহিত ছিল, তাদের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল মগদের। ইতিহাসবিদরা যদিও আরাকানিদের এই শাসনামল বাণিজ্যিক সমৃদ্ধির স্বর্ণযুগ হিসেবে অভিহিত করেছেন। আরাকানিরা ফিরিঙ্গিদের সাহায্যপুষ্ট হয়ে যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল এবং তাদের শক্তিশালী নৌবাহিনী ছিল। তাই তাদের উৎখাত করা খুব একটা সহজসাধ্য ব্যাপার ছিল না।

    মগদের বিরুদ্ধে অভিযান

    ১৬১৭ এবং ১৬২১ খ্রিষ্টা দুটি মুঘল অভিযান ব্যর্থ হয়। ১৬৫৭ সালে মুঘল সিংহাসন নিয়ে বাদশাহ শাহজাহানের চার পুত্রের মধ্যে সংঘটিত ভ্রাতৃঘাতী যুদ্ধে আওরঙ্গজেবের কাছে তার অপর ভাইয়েরা পরাজিত হন। আওরঙ্গজেব আলমগীরের প্রতিদ্বন্দ্বী ভাইদের একজন হলেন শাহজাদা সুজা। তিনি ১৬৪০ সাল থেকে ১৬৬০ সাল পর্যন্ত প্রায় ২০ বছর বাংলার সুবেদার ছিলেন।

    ভ্রাতৃঘাতী যুদ্ধে পরাজয়ের পর শাহজাদা সুজার লক্ষ্য ছিল নোয়াখালী থেকে জাহাজে করে সমুদ্র পথে মক্কা অথবা ইস্তাম্বুলে চলে যাবেন। কিন্তু বর্ষাকাল এসে যাওয়ায় তা আর হয়ে ওঠেনি। এদিকে বাদশাহ আওরঙ্গজেবের বাহিনী প্রতিনিয়ত খোঁজ করছে শাহজাদা সুজার। আওরঙ্গজেবের হাত থেকে রক্ষা পেতে শাহজাদা সুজা পার্শ্ববর্তী আরাকান রাজ্যে বিপুলসংখ্যক ধনরত্ন নিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে চলে যান। ১৬৬০ সালের আগস্ট মাসে এককালের পরাক্রমশালী বাঙলার সুবেদার শাহজাদা সুজার ঠাঁই হলো আরাকান রাজ্যে।

    ছয় মাসের মাথায় শাহজাদা সুজাকে খুন করেন আরাকান রাজা। শাহজাদার পরিবারের মেয়েদের করা হয় লাঞ্ছিত এবং ছেলেদের করা হয় কারারুদ্ধ। মুঘল শাহজাদার এই বিয়োগান্ত সংবাদ অচিরেই পৌঁছে যায় দিল্লি বাদশাহ তথা সুজার ভাই আওরঙ্গজেব আলমগীরের কাছে। মুঘল সম্রাট তার ভাই শাহ সুজার সন্তানাদি এবং ধনরত্ন ফেরত দেওয়ার ব্যাপারে পরপর দুজন দূতকে আরাকান রাজদরবারে পাঠান। আরাকানিরা প্রথম দূতকে বন্দি করে দাস হিসেবে পাঠিয়ে দেয়। দ্বিতীয় দূতকে আরাকানের রাজদরবার গ্রহণ করে, কিন্তু এরই মধ্যে সব সন্তানাদিকে হত্যা করা হয়েছে এবং তাদের সম্পদ হাতছাড়া হয়েছে, তাই কোনো সদুত্তর মেলেনি।

    নিজ ভাই হলেও হয়তোবা ক্ষমতার প্রশ্নে কখনোই সুজার প্রতি সহানুভূতি দেখাতেন না বাদশাহ আওরঙ্গজেব। কিন্তু তাই বলে ভিনদেশি কারো হাতে ভাইয়ের খুন! আরাকান রাজের হাতে নিজ ভাইয়ের খুনের প্রতিশোধ নিতে তাই নিজ মামা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহচর শায়েস্তা খাঁকে বাংলার সুবেদার করে পাঠান দিল্লি বাদশাহ আওরঙ্গজেব।

    যুদ্ধ এড়ানো যাবে না মনে করে আরাকানিরা যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে থাকে। ১৬৬৪ খ্রিষ্টাব্দে আরাকানিরা পর্তুগিজদের সহায়তায় উল্টো ঢাকা আক্রমণ করে বসে এবং ১৬০টির মতো নৌযান ধ্বংস করে। মুঘল সম্রাটের নির্দেশে শায়েস্তা খান যুদ্ধের পরিকল্পনায় নেমে পড়েন। তিনি ৩০০ যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ করে নৌ সেনাপতি ইবনে হোসেইনের হাতে দায়িত্ব ন্যস্ত করেন। পাশাপাশি শায়েস্তা খান ওলন্দাজ এবং ফিরিঙ্গিদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেন এবং ফিরিঙ্গিদের সঙ্গে আরাকানিদের বিবাদের সুবিধা নেন।

    ১৬৬৫ সালের শীতকাল। সুবেদার শায়েস্তা খাঁ এক সুসজ্জিত সেনাবাহিনী গঠন করলেন মগদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য। চট্টগ্রাম পুনরুদ্ধারের এই মিশনে প্রধান সেনানায়ক হিসেবে যোগ দিলেন সুবেদার শায়েস্তা খাঁর সুযোগ্য পুত্র বুজুর্গ উমেদ খাঁ। মুঘলরা ওলন্দাজ কূটনৈতিক সমর্থন ও সামরিক সাহায্যের আশ্বাস নিয়ে ১৬৬৫ খ্রিষ্টাব্দে সন্দ্বীপ দখল করে। বাংলার নৌপথ সম্পর্কে অভিজ্ঞ পর্তুগিজ ক্যাপ্টেন মুরের নেতৃত্বে ৪০টি জাহাজ মুঘল নৌবহরের সঙ্গে যুক্ত হলে নৌযুদ্ধ অন্যমাত্রা লাভ করে।

    মুগল সুবেদার শায়েস্তা খানের পুত্র বুজুর্গ উমিদ খানের নেতৃত্বে মুগল বাহিনীর হাতে আরাকান ম্রাউক–উ রাজ্যের বাহিনী পরাজিত হয়। ছবি: সংগৃহীত

    এরই মধ্যে শায়েস্তা খাঁর পুত্র বুজুর্গ উমিদ খাঁর নেতৃত্বে ৬ হাজার ৫০০ সংখ্যক মুঘল বাহিনী ফেনী নদী পেরিয়ে চট্টগ্রামের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। মুঘলদের জয়লাভের পূর্বে চট্টগ্রামকে তখন বলা হতো পাহাড় এবং গাছের জঙ্গল। ঐতিহাসিকরা উপমা দিয়ে লিখেছেন- বন এত ঘন ছিল যে পিঁপড়ে চলাচলের পথ ছিল না। মুঘল বাহিনীর জন্য ঢাকা থেকে বিপুলসংখ্যক কুড়াল সরবরাহ করা হয়েছিল, যা দিয়ে তারা বন পরিষ্কার করে চট্টগ্রামের উপকণ্ঠে এসে হাজির হয়। ইতিহাসবিদরা মুঘলদের এই তৈরি করা রাস্তা বর্তমান ঢাকা-চট্টগ্রাম ট্রাঙ্ক রোডের সূত্রপাত বলে অভিহিত করেন।

    দ্বিমুখী আক্রমণে ১৬৬৬ খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারির ২৭ তারিখে তিন দিন অবরুদ্ধ থেকে প্রায় বিনা বাধায় এ অঞ্চলের আরাকানিদের কেন্দ্র চাটগছার কিল্লা বা আন্দরকিল্লার পতন হয়। শায়েস্তা খাঁর কূটনৈতিক সাফল্যের কারণে শক্তিশালী আরাকানিদের বিরুদ্ধে মুঘলদের এই অসম্ভব জয় সম্ভব হয়।

    আলমগীরনামায় লিপিবদ্ধ তথ্য অনুসারে অনুমিত হয় ভূতপূর্ব ম্রাউক-উ রাজা সিরিসূধম্মারাজার পুত্র এই মোগল বাহিনীর সাথে ছিলেন এবং মুগলদের অভিপ্রায় ছিল আরাকান দখলের পর তাকে রাজা হিসাবে অধৃষ্ট করা। কিন্তু অপ্রতুল রসদ ও বর্ষা সমাগমের কারণে তারা নাফ নদীর তীর পর্যন্ত তাদের অগ্রযাত্রা সীমিত করে। মুগলদের চট্টগ্রাম বিজয়ের পর বিলুপ্ত হয় দাসপ্রথা। এর পাশাপাশি পর্তুগিজদের দাপটও কমে যায়।

    বুজুর্গ উমিদ খান আন্দরকিল্লা পতনের পর চট্টগ্রামের নামকরণ ইসলামাবাদ করেন এবং পরবর্তী বছরে কিল্লার উপরে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন যেটি বর্তমানে আন্দরকিল্লা জামে মসজিদ নামে পরিচিত। মসজিদের প্রবেশদ্বারের উপরে দুইটি প্রস্তর খণ্ডে ফারসি ভাষায় কিছু লিখা আছে, দ্বিতীয় লেখাটির অনুবাদ করলে দাঁড়ায় ‘হে জ্ঞানী! তুমি জগৎবাসীকে বলে দাও, আজ এ দুনিয়ায় দ্বিতীয় কাবা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যার প্রতিষ্ঠাকাল ১০৭৮ হিজরি।’

    অত্যাচার অব্যাহত ছিল মুঘল আমলের শেষেও

    মুঘল আমলের শেষেও মগদের এই অত্যাচার অব্যাহত ছিল। পুরো বাংলা জ্বালিয়ে পুড়িয়ে, তারা আসামেও অনেক অত্যাচার করে। ১৮২৪ সালের দিকে এই অত্যাচার চরম আকার ধারণ করে। তারপর তাদের সঙ্গে শাসক এবং সাধারণ মানুষের অনেকগুলো যুদ্ধ হয়। ১৮২৪, ১৮৫২ এবং ১৮৮৫ সালের যুদ্ধের পরে মগদের শক্তি বেশ কমে আসে। এভাবে আস্তে আস্তে তাদের অত্যাচার থেকে মুক্তি পায় এই ভূখণ্ডের মানুষ।

    যদিও এক সময় ঠিকই মগদের অত্যাচার কমেছে, তবু প্রায় দু’শ বছর সহ্য করতে হয়েছিল এই অত্যাচার। আর সেই তখন থেকেই যথেচ্ছাচার আর অরাজকতার অবস্থাকে বোঝাতে এই প্রবাদ ব্যবহার করা হয়। আজও যখন আমাদের সমাজে কেউ যেমন-তেমনভাবে অন্যের ওপর প্রভাব খাটায়, অত্যাচার করে, দুর্বল মানুষকে কষ্ট দেয় তখন মগদের সময়ের কথার সঙ্গে সেটা তুলনা করা হয় আর বলা হয়, মগের মুলুক।

    বাংলার এই অঞ্চল পুনর্দখলের জন্য রাখাইনরা এরপর অনেকবার চেষ্টা করেও সফল হতে পারেনি। পরবর্তীতে মুগলরা চট্টগ্রামে বহু স্থাপনা, মসজিদ, মন্দির নির্মাণ করে। রহমতগঞ্জ, হামজারবাগ, ঘাট ফরহাদবেগ, আসকার দীঘি, বাগমনিরাম, মুগলটুলী, পাঠানটুলী, বাগ-ই-হামজাহ মসজিদ, মিসকিন শাহ মসজিদ, কদম মুবারক মসজিদ, বায়েজিদ বোস্তামি মসজিদ, ওয়ালী খান মসজিদসহ অনেক স্থাপনা চট্টগ্রামের আনাচে-কানাচে মুগলদের উপস্থিতির কথা মনে করিয়ে দেয়। মূলত ফেনী থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এর বিস্তৃতি দেখা যায়। এগুলো চট্টগ্রামকে অনেক ঐতিহ্যবাহী করে তুলেছে।

    মুগলদের এই বিজয় না হলে হয়তো রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মতো ফেনী নদীর তীরে হয়তো আমাদেরও দীর্ঘশ্বাস ফেলতে হতো।

     

    মোগলদের এই বিজয় না হলে হয়তো এখন রোহিঙ্গাদের মতো ফেনী নদীর তীরে আমাদেরও দীর্ঘশ্বাস ফেলতে হতো।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  13. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় ভয় কি?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দুনিয়া ও আখেরাতের শাস্তি

    আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দুনিয়া ও আখেরাতের শাস্তি

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  14. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    1K= ?, 1M=?, 1B=?, 1T= ? 1Q=? ‘ এগুলোর মানে কি?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    1 K = 1 Kilo= 1000     ( one Thousand) 1M = 1 Million = ( 1000 x 1000) = 10,000,00 ( Ten Laks) 1B= 1 Billion = ( 1000 x 1000 x 1000) = 100,000,000  ( 100 Crore ) 1 T= 1 Trillion = ( 1000 x 1000 x 1000 x 1000 ) = 1,000,000,000,000  ( 10 Laks thousands crore) 1 Q = 1 Quadrillion = (1000 x 1000 x 1000বিস্তারিত পড়ুন

    1 K = 1 Kilo= 1000     ( one Thousand)

    1M = 1 Million = ( 1000 x 1000) = 10,000,00 ( Ten Laks)

    1B= 1 Billion = ( 1000 x 1000 x 1000) = 100,000,000  ( 100 Crore )

    1 T= 1 Trillion = ( 1000 x 1000 x 1000 x 1000 ) = 1,000,000,000,000  ( 10 Laks thousands crore)

    1 Q = 1 Quadrillion = (1000 x 1000 x 1000 x 1000 x 1000) = 10,000,000,000,000,00 ( 10 Crore Crore)

    সূচক আকারে

    1 K= 103

    1M = 106

    1B = 109

    1T= 1012

    1Q = 1015

     

     

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  15. সময়ঃ 5 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    Diploma ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এর কোন বিষয় নিয়ে পড়লে চাকরী পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    সিভিল

    সিভিল

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  16. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বাংলাদেশের কোন এলাকা রূপসী বাংলাদেশ’ ঘোষণা দেয়া হয়েছে?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    বরেন্দ্র জাদুঘর এলাকাকে, সোঁনারগাঁওয়ের জাদুঘর এলাকাকে, নেত্রকোণার বিরিশিরি এলাকাকে, ফেনীর মহুরী প্রজেক্ট এলাকাকে

    বরেন্দ্র জাদুঘর এলাকাকে, সোঁনারগাঁওয়ের জাদুঘর এলাকাকে, নেত্রকোণার বিরিশিরি এলাকাকে, ফেনীর মহুরী প্রজেক্ট এলাকাকে

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  17. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ জীবন দর্শন

    জীবনের কঠিন সত্যিগুলি কী কী?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    দিল্লিকা লাড্ডু জো খায়া ও পস্তায়ে, জো নেহি খায়া ও ভি পস্তায়ে

    দিল্লিকা লাড্ডু জো খায়া ও পস্তায়ে, জো নেহি খায়া ও ভি পস্তায়ে

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  18. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ জীবন দর্শন

    জীবনের কোন ভুলটি দ্বিতীয়বার করতে চান না আপনি? কেন চান না?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    বিবাহ

    বিবাহ

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  19. সময়ঃ 4 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    এ বছরের পল্লী বিদ্যুৎ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কোথায় পাবো? সার্কুলার দেখার নিয়ম

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    https://www.iiri.info/%E0%A6%AA%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%80-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A7%8E-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%8B%E0%A6%97-2024/   Link for 2024 Circular

    https://www.iiri.info/%E0%A6%AA%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%80-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A7%8E-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%8B%E0%A6%97-2024/

     

    Link for 2024 Circular

    সংক্ষেপে দেখুন
      • -1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  20. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    স্নাতক পাশের আগেই শিক্ষার্থীরা কোন কোন চাকরি করতে পারে ?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি করে একজন শিক্ষার্থী মাসে ৮০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকা বা তার বেশিও উপার্জন করতে পারে। যেমন: স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করার মাধ্যমে আপনার নেটওয়ার্ক বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে টাকা উপার্জনের সুযোগ পাবেন। নেটওয়ার্কিং, বিভিন্ন কল সেন্টারে এক্সিকিউটিভ পদে। সাধারণত, এই কাজের মূল দায়িত্বগুলো হলো: অনবিস্তারিত পড়ুন

    পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি করে একজন শিক্ষার্থী মাসে ৮০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকা বা তার বেশিও উপার্জন করতে পারে।

    যেমন: স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করার মাধ্যমে আপনার নেটওয়ার্ক বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে টাকা উপার্জনের সুযোগ পাবেন। নেটওয়ার্কিং, বিভিন্ন কল সেন্টারে এক্সিকিউটিভ পদে। সাধারণত, এই কাজের মূল দায়িত্বগুলো হলো: অনলাইনে গ্রাহকের কথা শুনে সে অনুযায়ী সঠিক সেবা নিশ্চিত করা, ইনকামিং ও আউটগোয়িং কল ব্যবস্থাপনা, গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় সুনির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া এবং তাদের প্রতিক্রিয়া সংগ্রহ করা।

    কখনও কখনও তাদেরকে প্রতিবেদন তৈরি করা এবং ম্যানেজমেন্টের নির্দেশনা অনুযায়ী অন্যান্য কাজও করতে হয়।

    টেলিকম শিল্প, হাসপাতাল, হোটেল, ব্যাংক ও ই-কমার্সভিত্তিক সংস্থাগুলোসহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান তাদের গ্রাহকদের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য কল সেন্টার চালু রাখে।

    বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দোকানে সেলস এক্সিকিউটিভ বা বিক্রয় নির্বাহী পদে, গ্রাফিক্স ডিজাইনার, বর্তমানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো অনলাইনে তাদের উপস্থিতি বজায় রাখতে বাধ্য। মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করার সবচেয়ে কার্যকর উপায়গুলোর মধ্যে একটি হলো ভিজ্যুয়াল আবেদন তৈরি (ওয়েবসাইট ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে), আর এখানেই গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের কাজ।

    অনলাইন বা স্থানীয় প্রতিষ্ঠান থেকে বেসিক সার্টিফিকেট থাকলে যে কেউ এই চাকরির আবেদন করতে পারে।

    মৌসুমি মেলায় চাকরি, স্টুডেন্ট কনসালট্যান্ট বা শিক্ষা পরামর্শক,

    সোশ্যাল মিডিয়া মডারেটর, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম ও ইউটিউবের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এই সংস্থাগুলো বা ব্র্যান্ডগুলোর অনলাইন উপস্থিতি পরিচালনা করতে এই মডারেটররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    রিজারভেশন ও টিকিটিং, আমাদের দেশে অনেক ট্রাভেল এজেন্সি আছে যারা রিজারভেশন ও টিকিটিং এক্সিকিউটিভ হিসেবে ফুলটাইম ও পার্টটাইম চাকরির সুযোগ দিচ্ছে।এই কাজের মধ্যে রয়েছে রিজারভেশন প্রক্রিয়া পরিচালনা ও তদারকি করা এবং এয়ারলাইন্সের টিকিটিং কার্যক্রম, দক্ষ ও নির্ভুল বুকিং, ইস্যু করা এবং গ্রাহক পরিষেবা নিশ্চিত করা।

    ফ্রন্ট ডেস্ক এক্সিকিউটিভ বা রিসেপশনিস্ট।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
1 2 3 4 … 20

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • Jesmin
    Jesmin একটি উত্তর দিয়েছেন HSC ২০২৬ পরীক্ষা শুরু হতে মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। ২… এপ্রিল 27, 2026, সময়ঃ 2:01 অপরাহ্ন
  • Sinclair
    Sinclair একটি উত্তর দিয়েছেন When shopping for best sex dolls, most buyers tend to… এপ্রিল 17, 2026, সময়ঃ 3:10 পূর্বাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন হ্যাঁ, Bestchange.com থেকে নিশ্চিতভাবে আয় করা সম্ভব। এটি মূলত একটি… এপ্রিল 15, 2026, সময়ঃ 2:13 অপরাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন প্রশ্নোত্তর প্রদানের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করার বিষয়টি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 2:11 পূর্বাহ্ন
  • সুমনা
    সুমনা একটি উত্তর দিয়েছেন এসইও (SEO) এর ক্ষেত্রে ব্যাকলিংক একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 1:59 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 106 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 116 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,049 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 155 বার প্রদর্শিত
  • WordPress Themes & Plugins

    WordPress Themes & Plugins

    • 2 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 206 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

Iyasha

Iyasha

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
SA Samim

SA Samim

  • 13 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
এডিটর
sumi

sumi

  • 20 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন