সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

ashad khandaker

সবজান্তা
প্রশ্ন করুন ashad khandaker
529 বার প্রদর্শিত
2 ফলোয়ার
2,496 প্রশ্ন
হোমপেজ/ ashad khandaker/ফলোয়ারদের উত্তর
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পছন্দ তালিকা
  • ফলোকৃত প্রশ্ন
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  • ফলোকৃতদের প্রশ্ন
  • ফলোকৃতদের উত্তর
  • ফলোয়ারদের ব্লগ
  • ফলোকৃত/ফলোয়ারদের ব্লগ মন্তব্য
  1. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    ঠান্ডা পানির চেয়ে গরম পানি দ্রুত বরফে পরিণত হয় কেন?

    Mithun
    Mithun পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    এর জন্য দায়ি Mpemba effect । নামটি দেয়া হয়েছে তানজানিয়ার এক ছাত্রের নাম অনুসারে যিনি ১৯৬৩ সালে পর্যবেক্ষণ করেন যে, গরম আইসক্রিমের মিশ্রণ ঠাণ্ডা আইসক্রিমের তুলনায় দ্রুত জমে যায়। ঘটনাটি প্রথম পর্যবেক্ষণ করেন মহাজ্ঞানী এরিস্টটল খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে। এরপর ফ্রান্সিস বেকন ও রেনে দেকার্তেও এই ব্যপবিস্তারিত পড়ুন

    এর জন্য দায়ি Mpemba effect । নামটি দেয়া হয়েছে তানজানিয়ার এক ছাত্রের নাম অনুসারে যিনি ১৯৬৩ সালে পর্যবেক্ষণ করেন যে, গরম আইসক্রিমের মিশ্রণ ঠাণ্ডা আইসক্রিমের তুলনায় দ্রুত জমে যায়।

    ঘটনাটি প্রথম পর্যবেক্ষণ করেন মহাজ্ঞানী এরিস্টটল খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে। এরপর ফ্রান্সিস বেকন ও রেনে দেকার্তেও এই ব্যপারটির কথা উল্লেখ করেন। Mpemba তার পর্যবেক্ষণের উপর ভিত্তি করে ১৯৬৯ সালে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। Mpemba effect নিয়ে বেশ কিছু থিওরি প্রচলিত ছিল। যেমন- (১)গরম পানি দ্রুত বাষ্পে পরিণত হয়ে আয়তনে কমে গিয়ে জমে যায়;(২) ঠাণ্ডা পানির উপর বরফ কণা জমে গিয়ে একে বাইরের পরিবেশ থেকে কিছুটা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে; (৩) পানিকে গরম করার সময় আশ-পাশের বাতাসের কিছু অংশের কার্বন-ডাইঅক্সাইড দূরে সরে যায়।

    সিঙ্গাপুরের Nanyang Technological University –র একদল পদার্থবিজ্ঞানী জি ঝেং এর নেতৃত্ব এই বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষা শুরু করেন। তারা দেখেন, Mpemba effect এর মূল কারণ হচ্ছে পানির রাসায়নিক বন্ধন। পানির একটি অণুতে একটি অক্সিজেন পরমাণু দুটি হাইড্রোজেন পরমাণুর সাথে সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ থাকে। আবার পানির অণুগুলো নিজেদের মাঝে আবার দুর্বল হাইড্রোজেন বন্ধনে আবদ্ধ থাকে। গবেষক দলটির মতে Mpemba effect এর মূল কারণ হচ্ছে হচ্ছে পানিতে থাকা এই বিভিন্ন ধরণের রাসায়নিক বন্ধনগুলো। তারা বলেন, যখন পানির অণুগুলোকে পরস্পরের খুব কাছে নিয়ে আসা হয় তখন পানির অণুগুলোর মাঝে প্রাকৃতিকভাবে একধরণের বিকর্ষণ তৈরি হয়। এর ফলে পানির অণুগুলোর পরমাণুগুলোর মাঝে থাকা সমযোজী বন্ধনগুলো কিছুটা টানটান হয়ে যায় ও শক্তি সঞ্চয় করে। যখন তরল পানিকে গরম করা হয় তখন পানির হাইড্রোজেন বন্ধনগুলো আরো বেশি ছড়িয়ে যেতে থাকে, পানির ঘনত্ব কমতে থাকে ও পানির অণুগুলো পৃথক হয়ে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। পানির অণুগুলোর হাইড্রোজেন বন্ধন টান টান হয়ে যাওয়ায় পানির পরমাণুতে থাকা সমযোজী বন্ধনগুলো কিছুটা শিথিল ও সংকুচিত হয়ে যেতে শুরু করে। এর ফলে এদের মাঝে সঞ্চিত হওয়া শক্তি নির্গত হতে শুরু করে। আর শক্তি নির্গত হওয়ার এই প্রক্রিয়াটি আর পদার্থের শীতল হওয়ার প্রক্রিয়াটি মূলত একই। এর ফলে তাত্ত্বিকভাবে এতদিন প্রচলিত ধারণা “ ঠাণ্ডা পানির তুলনায় গরম পানি দ্রুত শীতল হয়”- প্রমাণিত হয়। গবেষকরা গাণিতিকভাবে দেখান যে, পানিতে থাকা সমযোজী বন্ধনের শিথিল হয়ে যাওয়ার বিষয়টি ঠাণ্ডা পানির চেয়ে গরম পানির ক্ষেত্রে কম সময়ে ঘটে, যেকারণে ঠাণ্ডা পানির তুলনায় গরম পানি দ্রুত জমে যায়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  2. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    তোতাপাখি এবং পত্রবাহক কবুতরের সংকর করলে কী হবে?

    Mithun
    Mithun পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    এমন এক পাখি হবে যেটি চিঠি পৌঁছে দেয়ার পথ যদি হারিয়ে ফেলে তাহলে লোকজনদের ঠিকানা জিজ্ঞেস করে গন্ত্যস্থলে পৌঁছুতে পারবে।

    এমন এক পাখি হবে যেটি চিঠি পৌঁছে দেয়ার পথ যদি হারিয়ে ফেলে তাহলে লোকজনদের ঠিকানা জিজ্ঞেস করে গন্ত্যস্থলে পৌঁছুতে পারবে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  3. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    প্লুটো গ্রহ নয় কেন?

    সীমা চৌধুরী
    সেরা উত্তর
    সীমা চৌধুরী নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    যারা ৯০এর দশকে স্কুলে পড়েছেন তারা সকলেই জানেন আমাদের সৌরজগতে অন্যান্য গ্রহগুলোর মত প্লুটো একটি গ্রহ। কিন্তু ঠিক কি কারণে ২০০৬ সালে এসে প্লুটোকে গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হল? সেটি জানার আগে চলুন প্লুটো সম্পর্কে একটু জেনে নেয়া যাক। প্লুটো প্লুটো আবিষ্কার হয় ১৯৩০ সালে। ১৯৩১ সালে প্লুটো ভর নির্ণয় করাবিস্তারিত পড়ুন

    যারা ৯০এর দশকে স্কুলে পড়েছেন তারা সকলেই জানেন আমাদের সৌরজগতে অন্যান্য গ্রহগুলোর মত প্লুটো একটি গ্রহ। কিন্তু ঠিক কি কারণে ২০০৬ সালে এসে প্লুটোকে গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হল?

    সেটি জানার আগে চলুন প্লুটো সম্পর্কে একটু জেনে নেয়া যাক।

    প্লুটো

    প্লুটো আবিষ্কার হয় ১৯৩০ সালে। ১৯৩১ সালে প্লুটো ভর নির্ণয় করা হয় পৃথিবীর ভরের কাছাকাছি। পরবর্তীতে আরো সূক্ষ মাপে এর ভর কমে আসে এবং মঙ্গল গ্রহের কাছাকাছি নির্নীত হয়। ১৯৭৬ সালে প্লুটোর বর্ণালী পর্যবেক্ষণ করে ধারনা করা হয় এর ভর পৃথিবীর ভরের ১ শতাংশের বেশী হবে না।

    ১৯৭৮ সালে প্লুটোর চাঁদ শ্যারন আবিষ্কৃত হলে এর ভর যথাযথভাবে নির্ণয় করার পথ খুলে যায়। বিভিন্ন হিসেবে দেখা যায় এর ভর হবে পৃথিবীর ভরের মাত্র ০.২ শতাংশ। এত সামান্য ভর নিয়ে প্লুটোর পক্ষে ইউরেনাস গ্রহের কক্ষপথে প্রভাব বিস্তার করা দুষ্কর।

    image host
    প্লুটোর আকার ও অস্ট্রেলিয়ার আকারের তুলনা

    প্লুটো ২৪৮ বছরে একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। এর কক্ষপথের বৈশিষ্ট অন্যান্য গ্রহের তুলনায় যথেষ্ট পৃথক। প্লুটো ব্যাতীত অন্য আটটি গ্রহ সূর্যকে একই সমতলে থেকে প্রদক্ষিণ করে, অপরদিকে প্লুটো অন্য গ্রহগুলোর ব্যতিক্রম হিসেবে এই সমতলের সাথে ১৭ ডিগ্রি কোণ করে সুর্যকে প্রদক্ষিণ করে। তাছাড়া অন্যান্য গ্রহগুলোর কক্ষপথ প্রায় গোলাকার, আর প্লুটো কক্ষপথ কিছুটা উপবৃত্তাকার। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে প্লুটোর কক্ষপথ নেপচুনের কক্ষ পথের সাথে সাংঘর্ষিক। তবে তারপরও প্লুটো নেপচুনের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় না এর কারণ হচ্ছে প্লুটো এবং নেপচুনের বৃত্তাকার গতি ঐক্যতানে আছে (enharmonic)। নেপচুনের প্রতি দুটি আবর্তনের সাথে সাথে প্লুটোর যথাযথভাবে তিনটি আবর্তন সম্পন্ন করে এবং এভাবেই সারাজীবন চলতে থাকবে যদি এখানে বাহ্যিক কোনো কিছুর প্রভাব না পড়ে।

    image host
    প্লুটোর কক্ষপথ অন্য গ্রহগুলোর কক্ষপথের একই সমতলে নয়, বরং ১৭ ডিগ্রি তীর্যক

    মতপার্থক্যের সূচনা

    ১৯৯২ সাল হতে বিভিন্ন সময়ে প্লুটোর এলাকায়, অর্থাৎ এটি সূর্য থেকে যে দূরত্বে অবস্থান করে সেখানে আরো কিছু বস্তু আবিষ্কৃত হতে থাকে যেগুলো আকার আকৃতিতে প্লুটোর সাথে তুলনীয়। এই বস্তুগুলো সমেত অঞ্চলটিকে এখন কুইপার বেল্ট নামে ডাকা হয়। এধরনের আবিষ্কারের ফলে গ্রহ হিসেবে প্লুটোর মর্যাদা বিতর্কিত হয়ে পড়ে। অনেকেই প্রশ্ন রাখেন প্লুটোর মতো আরো বিভিন্ন বস্তু যেহেতু পাওয়া যাচ্ছে সেহেতু এটি ওই বস্তুরগুলো হতে আলাদা করা ঠিক হবে কিনা। প্লুটোকে যদি গ্রহ মর্যাদা দেওয়া হয় তাহলে সেই বস্তুগুলোকেও তো মর্যাদা দিতে হয়। এই সময়টিতে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষনা ছাড়াই অনেকক্ষেত্রে জাদুঘর কিংবা পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের পরিচালকগণ প্লুটোকে গ্রহের মডেলের বাইরে রেখে বিতর্কের জন্ম দেন।

    ২০০০ সালের মধ্যে কুইপার বেল্টে বেশ কিছু বস্তু আবিষ্কৃত হয়ে যায়। এর মধ্যে রয়েছে সেরেস, প্যালাস, জুনো এবং ভেস্তা যেগুলোকে শুরুতে গ্রহ হিসেবে ভাবার পরও পরবর্তীতে আরো বিভিন্ন গ্রহাণু আবিষ্কৃত হয়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত আর গ্রহের মর্যাদা দেওয়া হয় নি। অনেকেই প্লুটোকেও একই পরিণতি ভোগ করার পক্ষ অবলম্বন করেন। ২০৫ এর জুলাইয়ের ২৯ তারিখে নেপচুনের বাইরে প্লুটোর চেয়েও বড় ভরের বস্তু এরিস আবিষ্কৃত হয়। এটি ১৮৪৬ সালে শনির উপগ্রহ টাইটানের পর আবিষ্কৃত সৌরজগতের সবচেয়ে বড় বস্তু। এর আবিষ্কারগণ এবং গণমাধ্যম এটিকে শুরুতে দশম গ্রহ হিসেবে পরিচিত করিয়ে দেয় যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এটিকে কখনো গ্রহ তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি বা এ নিয়ে কোনো আলোচনাও হয় নি।

    প্লুটো গ্রহ নয় কেন

    এহেন পরিস্থিতিতে কোন বস্তুটিকে গ্রহ এবং কোন বস্তুটিকে গ্রহ বলা হবে না তা নির্ধারণ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এর আগে গ্রহের কোনো সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা ছিলো না। তাই বেশ কিছু গ্রহসদৃশ বস্তুকে নিয়ে বিতর্ক লেগেই ছিলো। এই অবস্থার অবসানের জন্য ২০০৬ সালে ২৪ আগষ্ট জ্যোতির্বিদদের একটি সম্মেলনে IAU resolution অনুযায়ী গ্রহের সংজ্ঞা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। এই শর্তপত্রের আওতায় সৌরজগতের একটি বস্তুকে গ্রহ হতে হলে:

    ১. একে সূর্যের চারপাশে ঘুরতে হবে।

    ২. একে যথেষ্ট পরিমান ভারী হতে হবে যেন নিজের মাধ্যাকর্ষণের টানে এটি গোলাকার ধারন করতে পারে। আরো যথাযথভাবে, এর নিজস্ব মাধ্যাকর্ষন এটিকে এমন আকৃতিতে পরিণত করতে হবে যেন তা ‘হাইড্রোস্ট্যাটিক সাম্যাবস্থা’য় থাকে।

    ৩. এর কক্ষপথটি অন্যান্য গ্রহের কক্ষপথ হতে পৃথক হতে হবে। যদি দুটি বস্তুর কক্ষপথ পৃথক না হয় বা একটির কক্ষপথ অপরটির ভেতর ঢুকে পড়ে তাহলে অপেক্ষাকৃত বেশী ভরের বস্তুটিই গ্রহের মর্যাদা পাবে।

    প্লুটো এই তিনটি শর্তের মধ্যে তৃতীয়টি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়। প্লুটোর কক্ষপথ স্বতন্ত্র নয়, বরং এটি এর কক্ষে আবর্তনকালে নেপচুনের কক্ষের মধ্যে ঢুকে পড়ে। অর্থাৎ কক্ষপথে আবর্তনকালের এক পর্যায় এটি নেপচুনের চেয়ে সুর্যের কাছাকাছি অবস্থান করে। এবং এর অবস্থান হয় নেপচুনের আগে। কিন্তু নেপচুনের ভরের তুলনায় প্লুটোর ভর অনেক অনেক কম হওয়ায় গ্রহ মর্যাদা নেপচুনেরই পাওয়ার কথা। প্লুটোর নয়।

    image host
    প্লুটোর কক্ষপথ স্বতন্ত্র নয় বরং নেপচুনের কক্ষপথের সাথে ছেদ করে। ফলে এটি আবর্তনের একপর্যায়ে নেপচুনের তুলনায় সূর্যের কাছে থাকে।

    AIU আরো নির্ধারণ করে দেয় যে প্লুটোর মতো অন্য যেসব বস্তু কেবল গ্রহের সংজ্ঞার ১ ও ২ নং শর্ত পূরণ করতে পারবে তাদের বামন গ্রহ বলা হবে। ২০০৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর AIU প্লুটো, এরিস এবং এর উপগ্রহ ডিসনোমিয়াকে গৌণ গ্রহের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে এবং আনুষ্ঠানিক ভাবে গৌণ গ্রহের মর্যাদা দেয়। যার ফলে প্লুটোর নাম হয় “(১৩৪৩৪০) প্লুটো”।

    image host
    গত বছর নিউ হরাইজন প্লুটের কাছে গিয়ে ডানপাশের ছবিটি তুলে পাঠায়। তার আগ পর্যন্ত প্লুটোর সবচেয়ে অনুপূঙ্খ ছবি ছিলো বাম পাশের টি।

    গ্রহের এই পুনঃশ্রেনীবিন্যাস অনেক জ্যোতির্বিদ সহজ ভাবে গ্রহণ করতে পারেন নি। কিছুদিন আগে নাসার প্লুটোর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া নিউ হরাইজন মিশনের প্রধান গবেষক অ্যালান স্টার্ন গ্রহের এই শর্ত মেনে নিতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন “বেশ কিছু কৌশলগত কারণে এই শর্তাবলী যন্ত্রনাদায়ক”। স্টার্নের মতে নতুন শর্ত অনুযায়ী পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি এবং নেপচুন যেহেতু তাদের কক্ষপথ গ্রহাণুসমুহের সাথে শেয়ার করে তাই এই গ্রহগুলোকে তালিকা হতে বাদ দিতে হবে। তিনি বলেন আমাদের চাঁদ সহ সব বড় বড় গোলাকার উপগ্রহগুলো একইভাবে গ্রহ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তিনি আরো বলেন সমগ্র বিশ্বের কেবলমাত্র পাঁচ শতাংশ জ্যোতির্বিদ যেহেতু এই শর্তাবলীর পক্ষে ভোট দিয়েছে কাজেই এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ জ্যোতির্বিদ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করে না। লয়েল অবজারভেটরিতে কর্মরত মার্ক. ডব্লিও বুই তাঁর ওয়েব সাইটের মাধ্যমে নতুন এই শর্তাবলীর বিরুদ্ধাচরণ করেন এবং এই সংজ্ঞার বিরুদ্ধে পিটিশন জারি করেন। তবে অন্যান্য অনেকেই AIU’র সিদ্ধান্ত সমর্থন করেন। এরিসের আবিষ্কর্তা মাইক ব্রাউন এই প্রসঙ্গে বলেন, “আমাদের সামনে অনেক সময় পড়ে আছে। কোনো না কোনো ভাবে সঠিক উত্তরটি প্রতিষ্ঠিত হবেই। বিজ্ঞান নিজেকে প্রতিনিয়ত সংশোধন করে চলে। খুব বড় ধরনের আবেগ জড়িত থাকলেও সে তার ধার ধারে না।”

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  4. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি চকোলেট খায় কোন দেশের মানুষ?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    সুইজারল্যান্ডের

    সুইজারল্যান্ডের

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  5. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পৃথিবীর সবচাইতে বড় ফুলের নাম কি?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    পৃথিবীর সবচাইতে বড় ফুলের নাম হল 'রাফলেশিযম আরনোল্ডি' (Rafflesia arnoldii)। এটি ইন্দোনেশিয়ার বাকু প্রদেশে উদ্ভট হয়ে থাকে।

    পৃথিবীর সবচাইতে বড় ফুলের নাম হল ‘রাফলেশিযম আরনোল্ডি’ (Rafflesia arnoldii)। এটি ইন্দোনেশিয়ার বাকু প্রদেশে উদ্ভট হয়ে থাকে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  6. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    সূর্য থেকে হঠাৎ আলো আসা বন্ধ হয়ে গেলে তা আমরা অনুভব করতে পারি কতক্ষণ পর?

    Mithun
    Mithun পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ৮ মিনিট পর।

    ৮ মিনিট পর।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  7. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    বৃষ্টির ফোটা গোলাকার হয় কেন?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    বৃষ্টির ফোটা গোলাকার হয় কারণ এর পার্শ্বপ্রভাবে আবহাওয়া ঘটানো হয়। জলদূষণ, পরিবেশ দুর্বলতা এবং আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে বৃষ্টি গোলাকার হয়।

    বৃষ্টির ফোটা গোলাকার হয় কারণ এর পার্শ্বপ্রভাবে আবহাওয়া ঘটানো হয়। জলদূষণ, পরিবেশ দুর্বলতা এবং আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে বৃষ্টি গোলাকার হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  8. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    মৃত্যুর পর পেশি কঠিন হয়ে যাওয়ার কারন কি ?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    দেহের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া এবং প্রস্তরের কারণে পেশি কঠিন হয়ে যায়।

    দেহের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া এবং প্রস্তরের কারণে পেশি কঠিন হয়ে যায়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  9. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    মৃত্যুর পর পেশি কঠিন হয়ে যাওয়ার কারন কি ?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    দেহের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া এবং প্রস্তরের কারণে পেশি কঠিন হয়ে যায়।

    দেহের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া এবং প্রস্তরের কারণে পেশি কঠিন হয়ে যায়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  10. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কোন স্তন্যপায়ী প্রানীর দেহে লোম থাকে না ?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    তিমি একটি স্তন্যপায়ি প্রাণী । তাই বলা যায় এর গায়ে লোম নাই।

    তিমি একটি স্তন্যপায়ি প্রাণী । তাই বলা যায় এর গায়ে লোম নাই।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  11. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কোন গাছকে সূর্যকন্যা বলা হয়?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    সূর্যকন্যা বলা হয় মরিচ গাছের একটি প্রকার যার বিজ সম্পূর্ণ লাল বা হলুদ রঙের হয়। এটি ভারত, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানে বিভিন্ন রকমের খাবারে ব্যবহার করা হয়। সূর্যকন্যা মরিচ পাতলা, দুই দিকে স্থলস্থান করে এবং উন্নয়ন করতে মাটি উষ্ণতা প্রয়োজন করে।

    সূর্যকন্যা বলা হয় মরিচ গাছের একটি প্রকার যার বিজ সম্পূর্ণ লাল বা হলুদ রঙের হয়। এটি ভারত, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানে বিভিন্ন রকমের খাবারে ব্যবহার করা হয়। সূর্যকন্যা মরিচ পাতলা, দুই দিকে স্থলস্থান করে এবং উন্নয়ন করতে মাটি উষ্ণতা প্রয়োজন করে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  12. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কোন দেশে ট্রেনে চাকরি করছে পুলিশের পরির্বতে রোবট?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    japan

    japan

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  13. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কোন পাখী আকাশে ডিম পাড়ে,সে ডিম মাটিতে পড়ার আগেই বাচ্চা হয়ে উড়ে যায়?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    হোমা পাখি।

    হোমা পাখি।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  14. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ প্রোগ্রামিং

    বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার কোনটি ?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটারের তালিকায় প্রথমে সুপারকম্পিউটারগুলোর পরিমাণ ও সম্প্রসারণের উপর ভিত্তি করে বিবেচনা করা হয়। বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ সুপারকম্পিউটারগুলোর তালিকা এইভাবে হলো: Fugaku, Japan - 7.3 পেটাফ্লপ্স (Petaflops) Summit, USA - 2.41 পেটাফ্লপ্স (Petaflops) Sierra, USA - 1.79 পবিস্তারিত পড়ুন

    বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটারের তালিকায় প্রথমে সুপারকম্পিউটারগুলোর পরিমাণ ও সম্প্রসারণের উপর ভিত্তি করে বিবেচনা করা হয়। বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ সুপারকম্পিউটারগুলোর তালিকা এইভাবে হলো:

    1. Fugaku, Japan – 7.3 পেটাফ্লপ্স (Petaflops)
    2. Summit, USA – 2.41 পেটাফ্লপ্স (Petaflops)
    3. Sierra, USA – 1.79 পেটাফ্লপ্স (Petaflops)
    4. Sunway TaihuLight, China – 93.01 পেটাফ্লপ্স (Petaflops)
    5. Tianhe-2A, China – 61.44 পেটাফ্লপ্স (Petaflops)

    এগুলো হলো বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটারগুলো। Fugaku এখন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার যা 2020 সালে জাপানে উন্নয়ন করা হয়েছে। এটি 7.3 পেটাফ্লপ্স শক্তিশালী এবং প্রক্ষেপক কর্মক্ষমতায় শীর্ষ স্থান অধিকার করেছে।

    এছাড়াও, শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত হয

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  15. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর কাগুজে মুদ্রাটি কোন দেশের?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    কাগজের সুন্দরতার জন্য কোন একটি দেশকে নির্দিষ্ট করা কঠিন এবং সুবিধাজনক নয়। বিভিন্ন দেশের কাগজে বিভিন্ন সুন্দরতা এবং ডিজাইন দেখা যায়। যেহেতু একটি কাগজ সুন্দর হওয়ার জন্য কাগজের মুদ্রণ প্রয়োজন, তাই মুদ্রণ প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন দেশে প্রয়োজনীয় প্রয়োগ ও উন্নয়ন করে সুন্দর কাগজ উৎপাদন করা হয়ে থাবিস্তারিত পড়ুন

    কাগজের সুন্দরতার জন্য কোন একটি দেশকে নির্দিষ্ট করা কঠিন এবং সুবিধাজনক নয়। বিভিন্ন দেশের কাগজে বিভিন্ন সুন্দরতা এবং ডিজাইন দেখা যায়।

    যেহেতু একটি কাগজ সুন্দর হওয়ার জন্য কাগজের মুদ্রণ প্রয়োজন, তাই মুদ্রণ প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন দেশে প্রয়োজনীয় প্রয়োগ ও উন্নয়ন করে সুন্দর কাগজ উৎপাদন করা হয়ে থাকে।

    তবে, বিশ্বের কিছু দেশ যেমন সুইজারল্যান্ড, সুইডেন, নরওয়ে, জাপান, কানাডা এবং বেলজিয়াম কাগজ উৎপাদনে নেওয়া বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে পরিচিত। এসব দেশের কাগজ হাইটেক মুদ্রণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদিত হয় এবং তাদের কাগজে কোন প্রকার রঙের ব্যবহার না করে মাত্র শার্প লাইন এবং সিমপল ডিজাইনের সাথে মুদ্রিত হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  16. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    স্টিভ জবস (Steve Jobs) এর মৃত্যুর আগের কিছু কথা শেয়ার করবেন কি? মৃত্যুর আগে তিনি কি বলেছিলেন?

    allaboutsubha
    allaboutsubha শিক্ষক https://www.youtube.com/allaboutsubha/
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    স্টিভ জবস মৃত্যুর আগের কথা গুলো কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে, তবে একটি সম্পূর্ণ নির্দিষ্ট বক্তব্য হল তিনি যে বিশ্বাস করতেন তার সমস্ত কর্ম তার আশার পুর্তস্ত হতে হবে। তিনি একটি ইমরান খান বইটি পড়ে একটি বিষয় নিয়ে তাঁর বিশ্বাস একটি কথায় সংক্ষিপ্ত করে ফেলেছিলেন - "সব কিছু একটি সুন্দর করতে হবে।" আরো কিছু উদবিস্তারিত পড়ুন

    স্টিভ জবস মৃত্যুর আগের কথা গুলো কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে, তবে একটি সম্পূর্ণ নির্দিষ্ট বক্তব্য হল তিনি যে বিশ্বাস করতেন তার সমস্ত কর্ম তার আশার পুর্তস্ত হতে হবে। তিনি একটি ইমরান খান বইটি পড়ে একটি বিষয় নিয়ে তাঁর বিশ্বাস একটি কথায় সংক্ষিপ্ত করে ফেলেছিলেন – “সব কিছু একটি সুন্দর করতে হবে।”

    আরো কিছু উদ্ধৃতি হলোঃ

    • “আমি অবশ্যই সফল হব। আমি পরবর্তী পর্বে কি হবে তা আমি জানি না, তবে আমি বিশ্বাস করি যে আমি পর্বের সাথে যাবো।”
    • “প্রথমে প্রথম দর্শন তৈরি করে নেওয়ার আশা করা যেতে পারে না এবং আপনি সেটি তৈরি করে নিতে হবে।”
    • “সফলতা একটি বস্তু নয়, এটি একটি পথ। এবং আপনি সফল হতে চাইলে সেই পথ অনুসরণ করতে হবে।”
    • আপনি নির্ভরশীল থাকলে আপনি সবচেয়ে বড় বিপদের সামনেও স্থিরভাবে থাকতে পারবেন।”
      • “আপনি নিরাপদে থাকতে চান তাহলে আপনাকে নতুন জিনিসগুলো স্বীকার করতে হবে। আপনি আশা করে না যে আপনি সফল হবেন নিরাপদে থাকার সমস্ত মাধ্যম ব্যবহার করে।”
      • “সেটি কি অসম্ভব? না, তারপরেও সেটি হবে।”
      • “জীবন একটি বরফের পাহাড় নয়, জীবন আপনার তৈরি করে নিতে হয়।”
      • “কিছুটা পুরাতন সমস্যা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে এটি অর্থহীন কাজ। আপনাকে সমস্যাটি উল্লেখ না করে নতুন সমস্যা সৃষ্টি করতে হবে।”
      • “সমস্ত বিপদ সমস্যার মতোই হতে পারে কিন্তু সমস্যার একটি উপায় আছে।”
      • “একটি স্বপ্ন দেখার আগে সেটি পুরো হবে না বলে মানুষের কাছে প্রতিকূল হওয়া উত্তেজিত করে। তবে যদি আপনি সেটি পুরণ করার জন্য পরিশ্রয় না দিতে না থাকেন, তাহলে আপনি সফল হতে পারবেন না।”

        এছাড়াও, স্টিভ জবস মৃত্যুর আগে একাধিক উদ্ধার হয়েছে যে তিনি বলেছেন যে জীবনটি একটি বেশ কিছুটা কারখানা যেখানে আপনি বানানো কাজের পূর্ববর্তী কাজগুলি দেখতে পাচ্ছেন। তাই সফলতা অর্জনের জন্য আপনাকে সেই পূর্ববর্তী কাজগুলির উপর ভিত্তি করে আগামী কাজ পরিকল্পনা করতে হবে।

        আরও একটি প্রসিদ্ধ স্টিভ জবস উদ্ধার হলো যে তিনি বলেছিলেন, “যদি আপনি আপনার জীবনে সুন্দর কিছু তৈরি করতে চান তাহলে আপনাকে নিখুঁতভাবে লোকদের মত না হওয়া উচিত।” এটি সুন্দর কিছু তৈরি করার প্রস্তাব হলেও, এটি সফলতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। স্টিভ জবস এর উক্তি অনুসারে, যদি আপনি স্বয়ংক্রিয় ও নিখুঁতভাবে কাজ করে নতুন ও

        উন্নয়নশীল কিছু তৈরি করতে চান তবে আপনাকে নিখুঁতভাবে নতুন কিছু বিকল্পে চিন্তা করতে হবে এবং অহংকার থেকে দূরে থাকতে হবে।

        সফলতার প্রস্তাবগুলি ছিল স্টিভ জবস এর জীবনের সাথে একটি উপরোক্ত লক্ষ্য সম্পর্কিত। তিনি প্রতিটি কাজের সাথে আগ্রহী এবং নিখুঁতভাবে চিন্তা করতেন। তিনি জীবনের প্রতিটি মুহুর্তে উপস্থিত হওয়া একজন ছিলেন এবং সফলতার পথে সাধারণত মোটামুটি সঠিক পথটি নির্দেশ দিয়েছিলেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  17. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বাংলাদেশে কোন টাকা তৈরিতে কত খরচ হয় ?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ১ টাকার একটি কয়েন তৈরি করতে ৯৫ পয়সা খরচ হয়। ২ টাকা কয়েনে ১ টাকা ২০ পয়সা খরচ হয়। আর ৫ টাকার একটি কয়েন তৈরিতে খরচ পড়ে ১ টাকা ৯৫ পয়সা। কয়েনের মান বেশি হলে সে তুলনায় খরচ অনেক কম পড়ে। বাজারে প্রচলিত সবচেয়ে বড় নোট ১ হাজার টাকা। এই মূল্যমানের একটি নোট ছাপাতে প্রায় ৭ টাকা খরচ হয়। ৫০বিস্তারিত পড়ুন

    বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ১ টাকার একটি কয়েন তৈরি করতে ৯৫ পয়সা খরচ হয়। ২ টাকা কয়েনে ১ টাকা ২০ পয়সা খরচ হয়। আর ৫ টাকার একটি কয়েন তৈরিতে খরচ পড়ে ১ টাকা ৯৫ পয়সা। কয়েনের মান বেশি হলে সে তুলনায় খরচ অনেক কম পড়ে। বাজারে প্রচলিত সবচেয়ে বড় নোট ১ হাজার টাকা। এই মূল্যমানের একটি নোট ছাপাতে প্রায় ৭ টাকা খরচ হয়। ৫০০ টাকার নোট ছাপাতে খরচ পড়ে ৬ টাকার মতো। ১০০ টাকার নোট ছাপাতে খরচ পড়ে সাড়ে ৪ টাকা।

    এছাড়া ৫০ টাকা ও ২০ টাকার একটি নোট ছাপাতে আড়াই টাকা, ১০ টাকার নোট ছাপাতে ২ টাকা ২০ পয়সা এবং ৫ টাকার নোট ছাপাতে খরচ হয় ২ টাকার মতো। আর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই সবচেয়ে ছোট কাগুজে নোটে পরিণত হওয়া ২ টাকার নোট ছাপানোতে খরচ পড়ে দেড় টাকা।

    কাগুজে নোটগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান টাঁকশাল বা দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড থেকে ছাপানো হয়। এই টাঁকশাল গাজীপুরে অবস্থিত। তবে নোট ছাপানোর যাবতীয় উপকরণ কাগজ, কালি, রঙ, নিরাপত্তা সুতা ইত্যাদি বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা জানান, ব্যবহারকারীদের ইচ্ছা বা অনিচ্ছায় টাকা ছেঁড়ে, পোড়ে কিংবা রঙ পরিবর্তন করে। ফলে এক সময় তা ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। তখন বাংলাদেশ ব্যাংক সেসব টাকা পুড়িয়ে ফেলে। এরপর নতুন করে সে টাকা ছাপতে সরকারকে খরচ করতে হয় মোটা অঙ্কের টাকা।

    বিশ্বের অন্যান্য দেশের মূল্যবান মুদ্রার বান্ডিলে পিন কিংবা সুতা লাগানো হয় না। কিন্তু বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত এই পদ্ধতি অবলম্বন করায় রাষ্ট্রের অনেক টাকা গচ্চা যাচ্ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

    দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘প্রতিবছরই টাকা তৈরিতে খরচ বাড়ছে। এর অধিকাংশ কাঁচামালই আমদানি করতে হয়। কাঁচামালের দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। একই সঙ্গে অন্যান্য খরচও বাড়ছে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘মানুষের অসচেতনতার কারণে অপচয় হচ্ছে দেশের কোটি কোটি টাকা । বহনকারীরা একটু সচেতন হলেও আমাদের অনেক টাকা বেঁচে যায়।’

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  18. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বাংলাদেশে কোন টাকা তৈরিতে কত খরচ হয় ?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ১ টাকার একটি কয়েন তৈরি করতে ৯৫ পয়সা খরচ হয়। ২ টাকা কয়েনে ১ টাকা ২০ পয়সা খরচ হয়। আর ৫ টাকার একটি কয়েন তৈরিতে খরচ পড়ে ১ টাকা ৯৫ পয়সা। কয়েনের মান বেশি হলে সে তুলনায় খরচ অনেক কম পড়ে। বাজারে প্রচলিত সবচেয়ে বড় নোট ১ হাজার টাকা। এই মূল্যমানের একটি নোট ছাপাতে প্রায় ৭ টাকা খরচ হয়। ৫০বিস্তারিত পড়ুন

    বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ১ টাকার একটি কয়েন তৈরি করতে ৯৫ পয়সা খরচ হয়। ২ টাকা কয়েনে ১ টাকা ২০ পয়সা খরচ হয়। আর ৫ টাকার একটি কয়েন তৈরিতে খরচ পড়ে ১ টাকা ৯৫ পয়সা। কয়েনের মান বেশি হলে সে তুলনায় খরচ অনেক কম পড়ে। বাজারে প্রচলিত সবচেয়ে বড় নোট ১ হাজার টাকা। এই মূল্যমানের একটি নোট ছাপাতে প্রায় ৭ টাকা খরচ হয়। ৫০০ টাকার নোট ছাপাতে খরচ পড়ে ৬ টাকার মতো। ১০০ টাকার নোট ছাপাতে খরচ পড়ে সাড়ে ৪ টাকা।

    এছাড়া ৫০ টাকা ও ২০ টাকার একটি নোট ছাপাতে আড়াই টাকা, ১০ টাকার নোট ছাপাতে ২ টাকা ২০ পয়সা এবং ৫ টাকার নোট ছাপাতে খরচ হয় ২ টাকার মতো। আর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই সবচেয়ে ছোট কাগুজে নোটে পরিণত হওয়া ২ টাকার নোট ছাপানোতে খরচ পড়ে দেড় টাকা।

    কাগুজে নোটগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান টাঁকশাল বা দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড থেকে ছাপানো হয়। এই টাঁকশাল গাজীপুরে অবস্থিত। তবে নোট ছাপানোর যাবতীয় উপকরণ কাগজ, কালি, রঙ, নিরাপত্তা সুতা ইত্যাদি বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা জানান, ব্যবহারকারীদের ইচ্ছা বা অনিচ্ছায় টাকা ছেঁড়ে, পোড়ে কিংবা রঙ পরিবর্তন করে। ফলে এক সময় তা ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। তখন বাংলাদেশ ব্যাংক সেসব টাকা পুড়িয়ে ফেলে। এরপর নতুন করে সে টাকা ছাপতে সরকারকে খরচ করতে হয় মোটা অঙ্কের টাকা।

    বিশ্বের অন্যান্য দেশের মূল্যবান মুদ্রার বান্ডিলে পিন কিংবা সুতা লাগানো হয় না। কিন্তু বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত এই পদ্ধতি অবলম্বন করায় রাষ্ট্রের অনেক টাকা গচ্চা যাচ্ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

    দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘প্রতিবছরই টাকা তৈরিতে খরচ বাড়ছে। এর অধিকাংশ কাঁচামালই আমদানি করতে হয়। কাঁচামালের দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। একই সঙ্গে অন্যান্য খরচও বাড়ছে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘মানুষের অসচেতনতার কারণে অপচয় হচ্ছে দেশের কোটি কোটি টাকা । বহনকারীরা একটু সচেতন হলেও আমাদের অনেক টাকা বেঁচে যায়।’

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  19. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    আমরা সবসময় চাঁদের শুধুমাত্র একটি পৃষ্ঠ দেখতে পাই কেন? আমরা জানি চাঁদ নিজ অক্ষে আবর্তন করে তাহলে চাঁদের অপর পৃষ্ঠা কেন দেখা যায়না?

    Mithun
    সেরা উত্তর
    Mithun পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    উত্তর দেয়ার আগ্রহ তৈরি করার জন্য ধন্যবাদ! সংক্ষেপে আর সহজে ব্যপারটি বোঝাতে পারবো বলে আশা রাখি। চাঁদের আবর্তন আমরা সর্বদা চাঁদের একই দিক দেখতে পাই কারণ চাঁদের অক্ষের আবর্তনের সময়কাল পৃথিবীর চারপাশে এর ঘূর্ণনের সময়কালের সমান। তাই আমরা কেবল সেই দিকটি দেখতে পাই যা আমাদের মুখোমুখি হয়। জোয়ার ভাটা আমরাবিস্তারিত পড়ুন

    উত্তর দেয়ার আগ্রহ তৈরি করার জন্য ধন্যবাদ! সংক্ষেপে আর সহজে ব্যপারটি বোঝাতে পারবো বলে আশা রাখি।

    Moon's rotation

    চাঁদের আবর্তন

    আমরা সর্বদা চাঁদের একই দিক দেখতে পাই কারণ চাঁদের অক্ষের আবর্তনের সময়কাল পৃথিবীর চারপাশে এর ঘূর্ণনের সময়কালের সমান। তাই আমরা কেবল সেই দিকটি দেখতে পাই যা আমাদের মুখোমুখি হয়।

    Tidal lock

    জোয়ার ভাটা

    আমরা পৃথিবীতে যে জোয়ার দেখি তার জন্য পৃথিবী এবং চাঁদের মধ্যকার মহাকর্ষীয় মিথস্ক্রিয়াও দায়ী। পৃথিবী এবং চাঁদের এই আকর্ষণকে টাইডাল লকিং (Tidal locking) বলে। চাঁদের মহাকর্ষীয় টানের ফলে পৃথিবীর মহাসাগরগুলি ফুলে উঠে যার দরুন প্রতিদিন দুটি করে জোয়ার ও ভাটা তৈরি হয়।

    যদি চাঁদ তার কক্ষপথে বর্তমানের চেয়ে দ্রুত বা ধীর গতিতে ঘুরতো তাহলে আমরা এর অপর পৃষ্ঠ দেখতে পেতাম।

    ধন্যবাদ!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  20. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    খেজুর খাওয়ার উপকারিতা কি? খেজুরের কি কোন অপকারিতা আছে?

    সুমনা
    সেরা উত্তর
    সুমনা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    খেজুর খেজুর অত্যন্ত সুস্বাদু ও বেশ পরিচিত একটি ফল। যা ফ্রুকটোজ এবং গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ। খেজুরের উপকারিতা খেজুর ধুয়ে মুছে স্বাভাবিকভাবে খাওয়া হলে যথাযথ অনেক উপকারীতাই পাওয়া যাচ্ছে আর আমাদের জন্য এতটুকুই কিন্তু যথেষ্ট। তো এই উপকারীতা আস্তে আস্তে আসুক বা তাড়াতাড়ি আসুক তাতে আমাদের কী আসে যায়? আর খেজুর খেলবিস্তারিত পড়ুন

    খেজুর

    খেজুর অত্যন্ত সুস্বাদু ও বেশ পরিচিত একটি ফল। যা ফ্রুকটোজ এবং গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ।

    খেজুরের উপকারিতা

    খেজুর ধুয়ে মুছে স্বাভাবিকভাবে খাওয়া হলে যথাযথ অনেক উপকারীতাই পাওয়া যাচ্ছে আর আমাদের জন্য এতটুকুই কিন্তু যথেষ্ট। তো এই উপকারীতা আস্তে আস্তে আসুক বা তাড়াতাড়ি আসুক তাতে আমাদের কী আসে যায়?

    আর খেজুর খেলে উপকারীতা এমনিতেও দ্রুতই লাভ হয়। আপনি খুব খুব ক্লান্ত হলে কিছু পানি সহকারে শুধুমাত্র চার-পাঁচটা খেজুর খেয়ে দেখুন, আধা ঘন্টার মতো সময়েই আপনি অনেকটা চাঙ্গা হয়ে উঠবেন, বাস্তব কথা।

    অতএব এই দ্রুততার জন্য আলাদা কোনো নিয়মনীতির প্রয়োজন নেই।

    এছাড়াও ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য খেজুর খাওয়াতে সাধারণত তেমন কোনো সমস্যা হয় না বলে ডাক্তাররা বলে থাকেন, কারণ এটা মিষ্টি হলেও এতে ব্লাড সুগার বৃদ্ধি পায় না। দৈনিক পাঁচটা-ছয়টার মতো খেজুর উনারা নিশ্চিন্তে খেতে পারেন।

    আর যদি খেজুরের স্বাদ এর পুষ্টির পাশাপাশি আরো উন্নত লেভেলে নিয়ে যেতে চান তাহলে এটা দুধে ভিজিয়ে রেখে খাবেন, তবে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে।

    কিন্তু দুধ খুব গরম হলে বা ফুটন্ত অবস্থায় চুলোয় রাখা হলে সেই সময় তাতে খেজুর দিলে পরে ঠান্ডা হওয়ার পর স্বাদটা কেমন যেন মিইয়ে যায়, আবার অনেকটা চায়ের মতো লাগে। তো এত কষ্ট আর অপেক্ষা না করে একেবারে চা বানিয়েই তো খাওয়া যেত…!

    বরং চুলা থেকে দুধ সরিয়ে মোটামুটি হালকা গরম অবস্থায় খেজুর ভেজানো উত্তম। এরপর তা ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। পরে ঠান্ডা হওয়ার পর এত সুন্দর একটা ফ্লেভার আসে যে এর কাছে আইসক্রিমকেও তখন ফেল মনে হয়।

    এছাড়াও ঠান্ডা বা নাতিশীতোষ্ণ দুধেও ভেজানো যায় কিন্তু এতে দুধে খেজুরের মিষ্টি ফ্লেভারটা খুব দেরিতে আসে, ফলে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়।

    তো এটাই ছিল খেজুরের ছোট্ট তবে গুরুতর একটা রেসিপি । আর ব্যক্তিগতভাবে খেজুর আমার খুব প্রিয় একটা খাবার। আমি আসলে বিশ্বাস করি না যে পৃথিবীতে ঠান্ডা সর পড়া দুধে খেজুরের নরম টুকরা ভেজানো খাবারের চেয়ে বেশি সুস্বাদু আর কিছু হতে পারে।

    সারা বছরের তুলনায় রমজানে আমদের মুসলমানদের সাধারণত খেজুর একটু বেশি খাওয়া হয়, আর সামনেই রমজান আসছে যেহেতু তাই এই রমজানেই চাইলে খেজুরটা স্বাভাবিকভাবে না খেয়ে দুধের সাথে আমরা খেয়ে দেখতে পারি। অনেক সুস্বাদু আর পুষ্টিকর…

    খেজুরের অপকারিতা

    তবে হ্যাঁ, ঝাল ও মসলাদার খাবার খাওয়ার পর খেজুর খাওয়া একদমই ঠিক নয়, এতে হিতে বিপরীত হয়ে পেটে সমস্যা হতে পারে, ফলে পুষ্টিও হারাতে হতে পারে। তবে খালি পেটে খাওয়াতে তেমন ক্ষতি নেই।

    গর্ভাবস্থায় খেজুর খাওয়ার উপকারিতা

    গর্ভাবস্থায় খেজুর খাওয়া উপকারি কারণ খেজুরে ল্যাক্সেটিভ রয়েছে যা জরায়ুর সংকোচনে সাহায্য করে এবং এটি প্রসবকে সহজ করে।

    🙂

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
1 … 23 24 25 26 27 … 48

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • rakib
    rakib একটি উত্তর দিয়েছেন ২০২৬ সালে বাংলাদেশে বিয়ের গহনার দাম নির্ভর করে সোনার ক্যারেট,… মে 3, 2026, সময়ঃ 10:32 পূর্বাহ্ন
  • Jesmin
    Jesmin একটি উত্তর দিয়েছেন HSC ২০২৬ পরীক্ষা শুরু হতে মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। ২… এপ্রিল 27, 2026, সময়ঃ 2:01 অপরাহ্ন
  • Sinclair
    Sinclair একটি উত্তর দিয়েছেন When shopping for best sex dolls, most buyers tend to… এপ্রিল 17, 2026, সময়ঃ 3:10 পূর্বাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন হ্যাঁ, Bestchange.com থেকে নিশ্চিতভাবে আয় করা সম্ভব। এটি মূলত একটি… এপ্রিল 15, 2026, সময়ঃ 2:13 অপরাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন প্রশ্নোত্তর প্রদানের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করার বিষয়টি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 2:11 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 106 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 116 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,060 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 155 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 78 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

wwwsnm.transfer702.pages.dev - BTC TRANSFER 1.3336 BTC g

wwwsnm.transfer702.pages.dev - BTC TRANSFER 1.3336 BTC g

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwtjq.transfer702.pages.dev - CHECK BALANCE 90328 USDT 9

wwwtjq.transfer702.pages.dev - CHECK BALANCE 90328 USDT 9

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwtiw.transfer702.pages.dev - CHECK BALANCE 98891 USDC i

wwwtiw.transfer702.pages.dev - CHECK BALANCE 98891 USDC i

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwsme.transfer702.pages.dev - WITHDRAW FUNDS 1.2363 BTC 0

wwwsme.transfer702.pages.dev - WITHDRAW FUNDS 1.2363 BTC 0

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwrix.transfer702.pages.dev - CHECK BALANCE 93846 USDT m

wwwrix.transfer702.pages.dev - CHECK BALANCE 93846 USDT m

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন