সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
Osmosis – WordPress Theme Download for FREE
Helpful for wp developers! Thanks for sharing 👍
Helpful for wp developers!
সংক্ষেপে দেখুনThanks for sharing 👍
বিশ্বের সুউচ্চ বিল্ডিং বুর্জ খলিফা কি ১০ মাত্রার ভূমিকম্পে ভেঙ্গে পড়তে পারে?
বুর্জ খলিফা বুর্জ খলিফা বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন। দুবাইয়ের ৬৩ তলা বিশিষ্ট এই অবিশ্বাস্য স্ট্রাকচারটির উচ্চতা ৮৩০ মিটার (২,৭২২ ফুট, বা অর্ধ মাইলেরও বেশি)। UAE ভূমিকম্পের সাথে তেমন পরিচিত না হলেও, বুর্জ খলিফাকে ভূমিকম্পের ঝুঁকি এড়ানোর জন্য বিশেষভাবে নির্মাণ করা হয়েছিলো। বুর্জ খলিফার ফাউন্ডেশন এবং নিরাবিস্তারিত পড়ুন
বুর্জ খলিফা
বুর্জ খলিফা বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন। দুবাইয়ের ৬৩ তলা বিশিষ্ট এই অবিশ্বাস্য স্ট্রাকচারটির উচ্চতা ৮৩০ মিটার (২,৭২২ ফুট, বা অর্ধ মাইলেরও বেশি)। UAE ভূমিকম্পের সাথে তেমন পরিচিত না হলেও, বুর্জ খলিফাকে ভূমিকম্পের ঝুঁকি এড়ানোর জন্য বিশেষভাবে নির্মাণ করা হয়েছিলো।
বুর্জ খলিফার ফাউন্ডেশন এবং নিরাপদ মাত্রা
বিল্ডিংয়ের ৩.৭-মিটার পুরু কংক্রিট ফাউন্ডেশন ১৯৪টি স্তম্ভ, কাস্ট-ইন-প্লেস পাইলিং দ্বারা নির্মিত। বুর্জ খলিফার ওয়েবসাইট অনুসারে, এই পাইলিংগুলির ব্যাস ১.৫ মিটার এবং দৈর্ঘ্য ৪৩ মিটার, বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ব্যবহৃত স্ট্রাকচারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়। এরকম কাঠামোটি ৭.০ মাত্রা পর্যন্ত ভূমিকম্প সহ্য করতে পারে।
১০ মাত্রার ভূমিকম্প কতটা শক্তিশালী
ফলস্বরূপ, ১০ মাত্রার ভূমিকম্প অত্যন্ত শক্তিশালী। মনে রাখবেন এটি একটি লগারিদমিক (বেস ১০) স্কেল। একটি ১০.০ মাত্রার ভূমিকম্প ১৯০৬ সালের সান ফ্রান্সিসকো ভূমিকম্পের চেয়ে প্রায় ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালী হবে।
এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পটি ছিল ১৯৬০ সালে চিলির। এটি ৯.৫ মাত্রার ভূকম্পন ছিল। তারমানে ১০ মাত্রার ভূমিকম্প কয়েকগুণ বেশি এবং আরও শক্তিশালী হবে। সুতরাং, ১০ মাত্রার ভূমিকম্প প্রায় অসম্ভব বলা যায়।
১০ মাত্রার ভূমিকম্পের ফল
এরপরও যদি দুবাইতে ১০ মাত্রার ভূমিকম্প হয়, তবে বুর্জ খলিফা অবশ্যই ভেঙ্গে পড়বে। কারণ এটি ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে মানুষকে নিরাপদ রাখার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
ধন্যবাদ প্রশ্নটি করার জন্য!
সংক্ষেপে দেখুনর্যানসমওয়্যার কি ? কিভাবে কাজ করে? এর থেকে বাঁচার উপায় কী?
র্যানসমওয়্যার কি Ransomware হল এক ধরনের ক্ষতিকারক সফ্টওয়্যার (ম্যালওয়্যার) যা কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলিকে এনক্রিপ্ট করে, তাদের অ্যাক্সেস নিয়ে নেয় এবং তারপর ডিক্রিপশন কী এর বিনিময়ে অর্থ প্রদানের দাবি করে। Ransomware ইমেল সংযুক্তি, ক্ষতিকারক লিঙ্ক, বা ড্রাইভ-বাই ডাউনলোড সহ বিভিন্ন পদ্ধতিরবিস্তারিত পড়ুন
র্যানসমওয়্যার কি
Ransomware হল এক ধরনের ক্ষতিকারক সফ্টওয়্যার (ম্যালওয়্যার) যা কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলিকে এনক্রিপ্ট করে, তাদের অ্যাক্সেস নিয়ে নেয় এবং তারপর ডিক্রিপশন কী এর বিনিময়ে অর্থ প্রদানের দাবি করে। Ransomware ইমেল সংযুক্তি, ক্ষতিকারক লিঙ্ক, বা ড্রাইভ-বাই ডাউনলোড সহ বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে পাঠানো হয়। এটি একইভাবে ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি হুমকি স্বরুপ।
যেভাবে র্যানসমওয়্যার থেকে বেঁচে থাকা যায়
আপনার সফ্টওয়্যার আপ টু ডেট রাখুন
নিয়মিতভাবে আপনার অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব ব্রাউজার এবং অন্যান্য সফ্টওয়্যার আপডেট করুন যাতে আপনার কাছে সর্বশেষ নিরাপত্তা থাকে।
অ্যান্টিভাইরাস এবং অ্যান্টি-ম্যালওয়্যার সফ্টওয়্যার ইনস্টল করুন
নিশ্চিত করুন যে আপনার একটি সুখ্যাতিসম্পন্ন অ্যান্টিভাইরাস ইনস্টল করা আছে এবং এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট এবং নিয়মিত স্ক্যান চালানোর জন্য সেট করা আছে।
ইমেইলের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন
সন্দেহজনক ইমেইল এটাচমেন্ট থেকে সতর্ক থাকুন। বিশেষ করে .exe বা .vbs এর মতো ফাইল এক্সটেনশন সহ এবং অজানা প্রেরকদের ইমেলের লিঙ্কগুলিতে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন।
শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন
আপনার সমস্ত অনলাইন অ্যাকাউন্টের জন্য শক্তিশালী, ইউনিক পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। আর সেগুলি মনে রাখতে সাহায্য করার জন্য একটি পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করুন।
আপনার ফাইলগুলির ব্যাকআপ করুন
নিয়মিতভাবে আপনার গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলি একটি বাহ্যিক হার্ড ড্রাইভ বা ক্লাউড স্টোরেজে ব্যাকআপ করুন। যাতে আপনি র্যানসমওয়্যার আক্রমণের ক্ষেত্রে সেগুলি পুনরুদ্ধার করতে পারেন।
Two-factor authentication ব্যবহার করুন
যখনই সম্ভব, আপনার অনলাইন অ্যাকাউন্টগুলিতে নিরাপত্তার একটি অতিরিক্ত স্তর যুক্ত করতে Two-factor authentication সেট করুন।
এই টিপসগুলি অনুসরণ করে, আপনি র্যানসমওয়্যার আক্রমণের ঝুঁকি কমাতে পারেন এবং সম্ভাব্য ক্ষতি থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে পারেন।
সংক্ষেপে দেখুনআমরা মহাবিশ্বের কতদূর পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করতে পারি বা মহাবিশ্বের ব্যাপ্তি সম্পর্কে আমরা কতদূর জানি?
ভালো লাগলো!
ভালো লাগলো!
সংক্ষেপে দেখুনPathan full movie free download
Eta telegram link
Eta telegram link
সংক্ষেপে দেখুনআমরা মহাবিশ্বের কতদূর পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করতে পারি বা মহাবিশ্বের ব্যাপ্তি সম্পর্কে আমরা কতদূর জানি?
মহাবিশ্ব সম্বন্ধে আমাদের ধারণা এখনো একটি শিশু জন্মগ্রহণ করে চারপাশ যেভাবে দেখে সেরকম। আমরা খুব কমই জানি মহাবিশ্বকে। এখন পর্যন্ত আমরা মহাবিশ্বের ৯৩ বিলিয়ন আলোকবর্ষ পর্যন্তই পর্যবেক্ষণ করতে পারছি। তবে অদূর ভবিষ্যতে এই সীমা পারি দিতে পারবো বলে আশারাখি। একটি ভিডিওতে আমাদের পর্যবেক্ষণের সামগ্রিক তুলে ধরাবিস্তারিত পড়ুন
মহাবিশ্ব সম্বন্ধে আমাদের ধারণা এখনো একটি শিশু জন্মগ্রহণ করে চারপাশ যেভাবে দেখে সেরকম। আমরা খুব কমই জানি মহাবিশ্বকে।
এখন পর্যন্ত আমরা মহাবিশ্বের ৯৩ বিলিয়ন আলোকবর্ষ পর্যন্তই পর্যবেক্ষণ করতে পারছি। তবে অদূর ভবিষ্যতে এই সীমা পারি দিতে পারবো বলে আশারাখি।
একটি ভিডিওতে আমাদের পর্যবেক্ষণের সামগ্রিক তুলে ধরা হলো।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনপ্রেমিকা যদি পরিবারের অমতের অজুহাতে সম্পর্ক ভেঙে দেয়, তখন কী করা দরকার?
দারুন লিখেছেন!
দারুন লিখেছেন!
সংক্ষেপে দেখুনবাংলা টু ইংলিশ অথবা ইংলিশ টু বাংলা ট্রান্সলেট করার ক্ষেত্রে গুগল ট্রান্সলেটর কতটা সহায়ক হবে? অন্যান্য english to bengali translation app অথবা ডিকশনারি কি গুগলের থেকেও ভাল হতে পারে?
ধন্যবাদ আপু, কিন্তু আপনি উত্তরটি ব্যক্তিগত উত্তর করে রেখেছেন কেন? অন্য কেউ তো দেখতে পারবে না।
ধন্যবাদ আপু,
সংক্ষেপে দেখুনকিন্তু আপনি উত্তরটি ব্যক্তিগত উত্তর করে রেখেছেন কেন? অন্য কেউ তো দেখতে পারবে না।
প্রেমিকা যদি পরিবারের অমতের অজুহাতে সম্পর্ক ভেঙে দেয়, তখন কী করা দরকার?
পরিবারের কথার বাইরে যেতে পারবে না বলে, সম্পর্ক ভেঙে দিলে, প্রেমিকা আর প্রেমে আগ্রহী নয়, সেটা বুঝা উচিৎ। প্রেমিকা যে প্রত্যাখ্যান করাতে নিপুনা, সেটা বুঝা উচিৎ। পরিবারের প্রতি প্রেমিকার দায়বদ্ধতাকে সমর্থন জানানো উচিৎ। জোর করে প্রেমিকাকে কাছে পাওয়ার চেষ্টা করলেও, প্রেম কে যে পাওয়া যাবে না, সেটা বুঝা উচবিস্তারিত পড়ুন
পরিবারের কথার বাইরে যেতে পারবে না বলে, সম্পর্ক ভেঙে দিলে, প্রেমিকা আর প্রেমে আগ্রহী নয়, সেটা বুঝা উচিৎ।
প্রেমিকা যে প্রত্যাখ্যান করাতে নিপুনা, সেটা বুঝা উচিৎ।
পরিবারের প্রতি প্রেমিকার দায়বদ্ধতাকে সমর্থন জানানো উচিৎ।
জোর করে প্রেমিকাকে কাছে পাওয়ার চেষ্টা করলেও, প্রেম কে যে পাওয়া যাবে না, সেটা বুঝা উচিৎ।
প্রেমে, বিচ্ছেদ ঘটে যেতেই পারে, বুঝা উচিৎ।
জীবনে সব চাওয়া, নাও পাওয়া হয়ে উঠতে পারে, বুঝা উচিৎ।
পরিবারের কথার কাছে যদি প্রেম হেরে যায়, সে প্রেম, প্রেম নয়, অপ্রেম, হৃদয় দিয়ে সেটা অনুভব করা, বুঝা উচিৎ।
–সংগ্রহীত
সংক্ষেপে দেখুনলেখকঃ শুভেন্দু পুরকায়স্থ
xioami ব্র্যান্ডের redmi note 10 pro এবং max এর বর্তমান দাম কত?
Xiaomi Redmi Note 10 Pro price (present) Official ✭ ৳25,999 - 6/64 GB | 64MP Version ৳26,999 - 6/128 GB | 64MP Version ৳29,999 - 6/128 GB | 108MP Version Xiaomi Redmi Note 10 Pro specifications Battery: 5020 mAh Screen: 6.67 inches,1080 x 2400 pixels (~395 ppi density) Processor: Octa-core-Qualcommবিস্তারিত পড়ুন
Xiaomi Redmi Note 10 Pro price (present)
৳26,999 – 6/128 GB | 64MP Version
৳29,999 – 6/128 GB | 108MP Version
Xiaomi Redmi Note 10 Pro specifications
Xiaomi Redmi Note 10 Pro Max price (present)
৳30,999 8/128 GB
Xiaomi Redmi Note 10 Pro Max specifications
Thanks!
ইতিহাসে পাগলা রাজা কাকে বলা হয়?
সুলতান মুহম্মদ আদিল বিন তুঘলক শাহ কে ইতিহাসে পাগলা রাজা কাকে বলা। যাকে মুহম্মদ বিন তুঘলক বলেই চিনি আমরা। চতুর্দশ শতাব্দীর দিল্লীর এই সুলতান ছিলেন বৈপরীত্যে ভরা এক নাটকীয় চরিত্র। একাধারে তিনি ছিলেন মহানুভব এবং নিষ্ঠুর, বিদ্বান এবং বোকা, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন এবং ভীষণরকম ব্যর্থ। সবকিছু মিলিয়েই ইতিহাসে 'পবিস্তারিত পড়ুন
সুলতান মুহম্মদ আদিল বিন তুঘলক শাহ কে ইতিহাসে পাগলা রাজা কাকে বলা।
যাকে মুহম্মদ বিন তুঘলক বলেই চিনি আমরা। চতুর্দশ শতাব্দীর দিল্লীর এই সুলতান ছিলেন বৈপরীত্যে ভরা এক নাটকীয় চরিত্র। একাধারে তিনি ছিলেন মহানুভব এবং নিষ্ঠুর, বিদ্বান এবং বোকা, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন এবং ভীষণরকম ব্যর্থ। সবকিছু মিলিয়েই ইতিহাসে ‘পাগলা রাজা’ নামে প্রসিদ্ধি পেয়েছিলেন তিনি।
সংক্ষেপে দেখুনগান্ধী এবং জিন্নাহ এদের মধ্যে কাকে আপনি সফল বলবেন? কেন সফল বলবেন?
প্রাথমিকভাবে অবশ্যই মহম্মদ আলি জিন্নাহ্ সফল এবং মোহনদাস করমচাঁন্দ গান্ধী অসফল এবং ব্যর্থ! একটি পাঁচ হাজারেরও বেশি পুরাতন দেশ, যেখানে শত শত জাতি, ধর্ম, সংস্কৃতি, ভাষা ও খাদ্যাভ্যাসের মানুষ পাশাপাশি বাস করে আসছে, যেখানে ১২০৬ থেকে ১৭৫৭ সাল পর্যন্ত ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা শাসন করা সত্ত্বেও হিন্দু সংখ্যাগরিষবিস্তারিত পড়ুন
প্রাথমিকভাবে অবশ্যই মহম্মদ আলি জিন্নাহ্ সফল এবং মোহনদাস করমচাঁন্দ গান্ধী অসফল এবং ব্যর্থ! একটি পাঁচ হাজারেরও বেশি পুরাতন দেশ, যেখানে শত শত জাতি, ধর্ম, সংস্কৃতি, ভাষা ও খাদ্যাভ্যাসের মানুষ পাশাপাশি বাস করে আসছে, যেখানে ১২০৬ থেকে ১৭৫৭ সাল পর্যন্ত ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা শাসন করা সত্ত্বেও হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠতা বজায় থেকেছে এবং ১৮৫৭ সালের মহা বিদ্রোহের সময় পর্যন্ত ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে হিন্দু- মুসলমান- শিখ মিলে দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে নিজেদের শাসক বলে ঘোষণা করে, সেই দেশে সৈয়দ আহমদ খানের উপযুক্ত শিষ্য জিন্নাহ্ নামক এক নন প্রাকটিশিং নামে মুসলমান ব্যাক্তি মাত্র ৪০ (১৯০৬—৪৭) বছরের মধ্যেই নিজের জেদ, অবিমিশ্রকারিতা আর রাজনৈতিক কূটবুদ্ধির সাহায্যে একটি নূতন দেশ বানিয়ে ছাড়লেন! সেখানকার ভূমিপুত্র বা ভাষাভাষী না হয়েও রাষ্ট্রপ্রধান হয়ে গেলেন — এটা কি কম সাফল্য! আর এক অশীতিপর বৃদ্ধ , যাকে কেউ মানে না! মৃতদেহের উপর দিয়ে দেশভাগ হবে বলেছিলেন, তাও লক্ষ লক্ষ মৃতদেহ দেখে নেহেরু- প্যাটেল- জিন্নাহ দের হাতে কর্তৃত্ব ছেড়ে দিয়ে কখনো হরিজন পল্লীতে গিয়ে অস্পৃশ্যতা দূর করতে চেষ্টা করছেন, কখনো শত্রুর দেশ পূর্ব পাকিস্তানের নোয়াখালীর গ্রামে গ্রামে গিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বন্ধ করতে আবেদন জানাচ্ছেন, কখনো স্বাধীনতা দিবসে কোলকাতার বেহালায় উপবাস করে কাটাচ্ছেন আবার সর্ব ধর্ম প্রার্থনা সভায় গুলি খেয়ে “হা রাম !” বলতে বলতে মারা যাচ্ছেন — তিনি তো চুড়ান্ত ব্যর্থ একটা মানুষ!
তবে কি , লোকটা জীবিত থাকলে হয়তো ১৯৪৮ এই তৃতীয় তথা শেষবারের মতো মনোনীত হয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেতেন! মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র, নেলসন ম্যান্ডেলা আর বারাক ওবামার মতো তিন তিনজন নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রাপক ঘোষিতভাবে গান্ধীর অনুগামী! মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক হোসেন ওবামা সপথ নেওয়ার মূহুর্তেও ওই মহাত্মার উল্লেখ করছিলেন, সারা বিশ্বের সঙ্গে আমিও দেখেছিলাম। বিশ্বের বহু দেশের বহু মানুষ অস্ত্র আর হিংসা দিয়ে নয়, অহিংসা আর প্রেম দিয়েই মানুষের সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব বলে মনে করছেন। কিন্তু কেউ কি পাকিস্তানের বাইরে মহম্মদ আলি জিন্নাহের জয়ধ্বনি দিতে বা লড়কে লেঙ্গে ….বলে কোনো দেশের স্বাধীনতা আন্দলন করে সফল হতে বা কাউকে নিজেকে জিন্নাহ্ এঁর অনুগামী বলে সগর্বে ঘোষণা করতে (দু একজন বাংলাদেশি বাদ দিয়ে!) দেখেছেন? সুতরাং মহাকালের বিচারে কে সফল আর কে বিফল?
আপনার কাকে সফল মনেহয়?
সংক্ষেপে দেখুনPathan full movie free download
লিংক কাজ করেনা।
লিংক কাজ করেনা।
সংক্ষেপে দেখুনমেয়েদের মতন ছেলেরা কেন কোমড়ে কলসী নিতে পারে না?
মেয়েদের মত ছেলেরা চেষ্টা করলে পারবে।
মেয়েদের মত ছেলেরা চেষ্টা করলে পারবে।
সংক্ষেপে দেখুনতালাক প্রাপ্ত মেয়েদেরকে খারাপ চেখে দেখা হয় কিন্তু তালাক প্রাপ্ত ছেলেদের কে খারাপ চোখে দেখা হয় না কেন?
তালাকপ্রাপ্ত ছেলে বা মেয়ে কাউকেই খারাপ চোখে দেখার কোন কারণ নাই। তবে একের অধিক তালাক থাকলে একটু খোঁজ খবর নেয়া যেতে পারে। সব সময় একজন ছেলে/মেয়ের ভুলেই তালাক হয় এমন নয়। অনেক সময় মেয়েরা সংসার বুঝে উঠার আগেই তালাক নিয়ে নেয়। পুরো বিষয়টাই দ্বিপাক্ষিক। খারাপ চোখে দেখার কিছুই নাই।
তালাকপ্রাপ্ত ছেলে বা মেয়ে কাউকেই খারাপ চোখে দেখার কোন কারণ নাই। তবে একের অধিক তালাক থাকলে একটু খোঁজ খবর নেয়া যেতে পারে।
সব সময় একজন ছেলে/মেয়ের ভুলেই তালাক হয় এমন নয়। অনেক সময় মেয়েরা সংসার বুঝে উঠার আগেই তালাক নিয়ে নেয়। পুরো বিষয়টাই দ্বিপাক্ষিক।
খারাপ চোখে দেখার কিছুই নাই।
সংক্ষেপে দেখুনটাকা শব্দটিকে বাংলাদেশে কতভাবে উচ্চারন করা যায়?
আমার তো মনেহয়, টাকা কে ট্যাহা, টিহা ইত্যাদি বলা হয় বাংলাদেশে।
আমার তো মনেহয়, টাকা কে ট্যাহা, টিহা ইত্যাদি বলা হয় বাংলাদেশে।
সংক্ষেপে দেখুন“উট” সম্পর্কে জানা-অজানা বিস্ময়কর তথ্যগুলো কি?
১) উট প্রকৃতির এক মহাবিস্ময়, এটি ৫৩ ডিগ্রি গরম এবং মাইনাস-১ ডিগ্রি শীতেও টিকে থাকে। ২) মরুভূমির উত্তপ্ত বালুর উপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা পা ফেলে রাখে। ৩) কোনো পানি পান না করে মাসের পর মাস চলে। ৪) মরুভূমির বড় বড় কাঁটাসহ ক্যাকটাস খেয়ে ফেলে। ৫) দেড়শ কেজি ওজন পিঠে নিয়ে শত মাইল হেঁটে পার হয়। উটের মত এত অসাধারণবিস্তারিত পড়ুন
১) উট প্রকৃতির এক মহাবিস্ময়, এটি ৫৩ ডিগ্রি গরম এবং মাইনাস-১ ডিগ্রি শীতেও টিকে থাকে।
২) মরুভূমির উত্তপ্ত বালুর উপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা পা ফেলে রাখে।
৩) কোনো পানি পান না করে মাসের পর মাস চলে।
৪) মরুভূমির বড় বড় কাঁটাসহ ক্যাকটাস খেয়ে ফেলে।
৫) দেড়শ কেজি ওজন পিঠে নিয়ে শত মাইল হেঁটে পার হয়।
উটের মত এত অসাধারণ ডিজাইনের প্রাণী প্রাণীবিজ্ঞানীদের কাছে এক মহাবিস্ময়।
মানুষসহ বেশিরভাগ স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহের তাপমাত্রা সাধারণত ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের (৯৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট) এর আশেপাশে থাকে। যদি দেহের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বেড়ে ৩৮.৫ ডিগ্রির (১০২ ফা) বেশি হয়ে যায়, তখন অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর ক্ষতি হতে থাকে। ৪০ ডিগ্রির (১০৪ ফা) বেশি হয়ে গেলে লিভার, কিডনি, মস্তিষ্ক, খাদ্যতন্ত্র ব্যাপক ক্ষতি হয়। ৪১ ডিগ্রি (১০৫ ফা) তাপমাত্রায় শরীরের কোষ মরে যেতে শুরু করে।
একারণেই যখন স্তন্যপায়ী প্রাণীদের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেড়ে যায়, তখন শরীর ঘেমে বাড়তি তাপ বের করে দিয়ে ঠাণ্ডা হয়ে যায়।
কিন্তু উটের জন্য এভাবে পানি অপচয় করা বিলাসিতা। কারণ মরুভূমিতে সবচেয়ে দুর্লভ সম্পদ হচ্ছে পানি। একারণে উটের শরীরে এক বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। ভোরবেলা এর শরীরের তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি থাকে। তারপর আবহাওয়া যখন প্রচণ্ড গরম হয়ে যায়, তখন অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বেড়ে ৪১ ডিগ্রি (১০৪ ফা) পর্যন্ত ওঠে। এর পর থেকে এটি ঘামা শুরু করে। এর আগে পর্যন্ত এটি পানি ধরে রাখে। এভাবে প্রতিদিন উট স্বাভাবিক তাপমাত্রা থেকে প্রচণ্ড জ্বরের তাপমাত্রা পর্যন্ত সহ্য করে।
এর শরীরের ভেতরে ব্যবস্থা রাখা আছে, যেন তা দিনের পর দিন ভীষণ জ্বর সহ্য করার পরেও অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর বড় ধরনের ক্ষতি না হয়। উটের রক্ত বিশেষভাবে তৈরি প্রচুর পরিমাণে পানি ধরে রাখার জন্য।
উট যখন একবার পানি পান করা শুরু করে, তখন এটি প্রায় ১৩০ লিটার পানি, প্রায় তিনটি গাড়ির ফুয়েল ট্যাঙ্কের সমান পানি, ১০ মিনিটের মধ্যে পান করে ফেলতে পারে।
এই বিপুল পরিমাণের পানি অন্য কোনো প্রাণী পান করলে রক্তে মাত্রাতিরিক্ত পানি গিয়ে অভিস্রবণ চাপের কারণে রক্তের কোষ ফুলে ফেঁপে ফেটে যেত।
কিন্তু উটের রক্তের কোষে এক বিশেষ আবরণ আছে, যা অনেক বেশি চাপ সহ্য করতে পারে। এই বিশেষ রক্তের কারণেই উটের পক্ষে একবারে এত পানি পান করা সম্ভব হয়।
উটের কুজ হচ্ছে চর্বির আধার। চর্বি উটকে শক্তি এবং পুষ্টি যোগায়। আর পানি শরীরের যাবতীয় আভ্যন্তরীণ কাজকর্ম সচল রাখে, শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখে।
একবার যথেষ্ট খাবার এবং পানি নেওয়ার পর একটি উট ছয় মাস পর্যন্ত কোনো খাবার বা পানি পান না করে টিকে থাকতে পারে।
উট হচ্ছে মরুভূমির জাহাজ। এটি ১৭০-২৭০ কেজি পর্যন্ত ভর নিয়েও হাসিমুখে চলাফেরা করে।
এই বিশাল, শক্তিশালী প্রাণীটির মানুষের প্রতি শান্ত, অনুগত হওয়ার কোনোই কারণ ছিল না।
বরং এরকম স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রাণীর হিংস্র হওয়ার কথা, যেন কেউ তাকে ঘাঁটানোর সাহস না করে। বিবর্তনবাদীদের বানানো বহু নিয়ম ভঙ্গ করে এই প্রাণীটি কোনো কারণে নিরীহ, শান্ত, মানুষের প্রতি অনুগত হয়ে গেছে।
আল্লাহ যদি উটকে মানুষের জন্য উপযোগী করে না বানাতেন, তাহলে মরুভূমিতে মানুষের পক্ষে সভ্যতা গড়ে তোলা অসম্ভব হয়ে যেত।
উটের আরেকটি উল্লেখযোগ্য ক্ষমতা হলো কাটা যুক্ত গাছপালা চিবানোর ক্ষমতা, যা অন্য কোনো প্রাণীর নেই। বড় বড় কাঁটাসহ ক্যাকটাস এটি সাবাড় করে দিতে পারে।
অন্য কোনো প্রাণী হলে ক্যাকটাসের কাঁটার আঘাতে মাড়ি, গাল, জিভ ক্ষতবিক্ষত হয়ে যেত। কিন্তু উটের কিছুই হয় না।
উটের মুখের ভেতরে এক বিস্ময়কর ব্যবস্থা রয়েছে। এর মুখের ভেতরের দিকটাতে অজস্র ছোট ছোট শক্ত আঙ্গুলের মত ব্যবস্থা রয়েছে, যা কাটার আঘাত থেকে একে রক্ষা করে। এমন এক জিভ আছে যা কাঁটা ফুটো করতে পারে না।
উটের চোখে দুই স্তর পাপড়ি রয়েছে। যার কারণে মরুভূমিতে ধূলিঝড়ের মধ্যেও তা চোখ খোলা রাখতে পারে। এই বিশেষ পাপড়ির ব্যবস্থা সানগ্লাসের কাজ করে মরুভূমির প্রখর রোদের থেকে চোখকে রক্ষা করে এবং চোখের আদ্রতা ধরে রাখে।
একইসাথে এটি বিশেষভাবে বাঁকা করা যেন তা ধুলোবালি আটকে দিতে পারে।
সংক্ষেপে দেখুনPathan full movie free download
Ekhan theke download korun https://t.me/promaxmovieshub
Ekhan theke download korun
সংক্ষেপে দেখুনhttps://t.me/promaxmovieshub
ছেলে দিয়ে বংশ রক্ষা হয়, মেয়ে দিয়ে হয় না কেন?
কে বলেছে হয়না? বংশ হচ্ছে আপনার নিজের জিনের বর্ধিতকরণ। Extension of one's genes. আপনার নিজের জিন আরেকজনের শরীরে হস্তান্তর করা। আপনার পুত্র যে জিনের অধিকারী হবেন তার ৫০ ভাগ আপনার দেওয়া, বাকি ৫০ ভাগ আপনার স্ত্রীর দেওয়া। আপনার কন্যা যে জিন বহন করছে তার ৫০ ভাগ আপনার দেওয়া, বাকি ৫০ ভাগ আপনার স্ত্রীর দেওয়াবিস্তারিত পড়ুন
কে বলেছে হয়না? বংশ হচ্ছে আপনার নিজের জিনের বর্ধিতকরণ। Extension of one’s genes. আপনার নিজের জিন আরেকজনের শরীরে হস্তান্তর করা।
আপনার পুত্র যে জিনের অধিকারী হবেন তার ৫০ ভাগ আপনার দেওয়া, বাকি ৫০ ভাগ আপনার স্ত্রীর দেওয়া।
আপনার কন্যা যে জিন বহন করছে তার ৫০ ভাগ আপনার দেওয়া, বাকি ৫০ ভাগ আপনার স্ত্রীর দেওয়া।
আপনার পুত্রের পুত্র বা কন্যা এর শরীরের জিনে আপনার অংশদারিত্ব ২৫ ভাগ, আপনার কন্যার পুত্র বা কন্যার শরীরেও আপনার অংশদারিত্ব ২৫ ভাগ।
জিনের হিসেবে পুত্র ও কন্যার কোন ফারাক নাই। বংশ রক্ষায় উভয়ের অবদান ও সম্ভাবনা সমান।
পুত্র দিয়ে যেই পরিমান বংশ রক্ষা হয়, কন্যা দিয়েও একই পরিমান বংশ রক্ষা হয়।
সংক্ষেপে দেখুনছিনতাইকারীর হাতে ধরা পড়লে কিভাবে বাঁচা যায়?
আপনার ১১ নাম্বার পথ অনুসরণ করতে গেলে জীবন যাওয়ার সম্ভাবনা আছে!
আপনার ১১ নাম্বার পথ অনুসরণ করতে গেলে জীবন যাওয়ার সম্ভাবনা আছে!
সংক্ষেপে দেখুন