সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

ashad khandaker

সবজান্তা
প্রশ্ন করুন ashad khandaker
529 বার প্রদর্শিত
2 ফলোয়ার
2,496 প্রশ্ন
হোমপেজ/ ashad khandaker/ফলোয়ারদের উত্তর
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পছন্দ তালিকা
  • ফলোকৃত প্রশ্ন
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  • ফলোকৃতদের প্রশ্ন
  • ফলোকৃতদের উত্তর
  • ফলোয়ারদের ব্লগ
  • ফলোকৃত/ফলোয়ারদের ব্লগ মন্তব্য
  1. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পুরস্কারের প্রলোভন দেখিয়ে যে ভুয়া ইমেইল গুলো আসে এগুলো থেকে বাঁচার উপায় কি?

    sumi
    সেরা উত্তর
    sumi নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    অপরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পাঠানো ইমেইল খোলার সময় সতর্ক থাকতে বলেছে গুগল। অপরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পাঠানো মেইলগুলো খোলার সময় প্রেরকের পরিচয় ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। কখনোই টাকার ফাঁদে পা দেবেন না। না জেনে মেইলে থাকা লিংক অথবা কোন ছবি, ফাইল ইত্যাদি ডাউনলোড করবেন না। সাবস্ক্রাইব করেননি এমনবিস্তারিত পড়ুন

    অপরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পাঠানো ইমেইল খোলার সময় সতর্ক থাকতে বলেছে গুগল। অপরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পাঠানো মেইলগুলো খোলার সময় প্রেরকের পরিচয় ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। কখনোই টাকার ফাঁদে পা দেবেন না। না জেনে মেইলে থাকা লিংক অথবা কোন ছবি, ফাইল ইত্যাদি ডাউনলোড করবেন না। সাবস্ক্রাইব করেননি এমন ইমেইল বার বার আসলে মার্ক করে স্পাম করে দিন। যেন একই ইমেইল এড্রেস থেকে আরও মেইল পাঠাতে না পারে। এরকম কমনসেন্স কাজে লাগিয়ে স্প্যাম, ফিশিং অথবা ভাইরাস ইমেইল থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  2. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ প্রোগ্রামিং

    কম্পিউটার কি-বোর্ড কয়টি key থাকে ?

    সুমনা
    সুমনা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    কম্পিউটারের কী-বোর্ডে ৮৪ থেকে ১০১ টি বা কোন কোন কী-বোর্ডে ১০৪ টি কী আছে। ব্যবহারের সুবিধার জন্য কী-বোর্ডের কম বেশি কী বা বোতামের সমাহার দেখা যায়।

    কম্পিউটারের কী–বোর্ডে ৮৪ থেকে ১০১ টি বা কোন কোন কী-বোর্ডে ১০৪ টি কী আছে। ব্যবহারের সুবিধার জন্য কী-বোর্ডের কম বেশি কী বা বোতামের সমাহার দেখা যায়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  3. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ প্রোগ্রামিং

    online pinboard সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং site কোনটি ?

    সুমনা
    সুমনা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    Pinterest হলো অনলাইন পিনবোর্ড সাইট।

    Pinterest হলো অনলাইন পিনবোর্ড সাইট।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  4. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    ভাইরাস কে আবিস্কার করেন ?

    সুমনা
    সুমনা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    বিজ্ঞানী Edward Jenner (এডওয়ার্ড জেনার) ১৭৯৬ সালে প্রথম ভাইরাসঘটিত বসন্ত রোগের কথা উল্লেখ করেন। Adolf Mayer ১৮৮৬ সালে তামাক গাছের পাতার ছোপ ছোপ দাগবিশিষ্ট রোগকে টোবাকো মোজাইক রোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। পরে ১৮৯২ সালে রাশিয়ান বিজ্ঞানী Dmitri Ivanovsky (দিমিত্রি আইভানোভসকি) প্রমাণ করেন যে, রোগাক্রান্ত তবিস্তারিত পড়ুন

    1. বিজ্ঞানী Edward Jenner (এডওয়ার্ড জেনার) ১৭৯৬ সালে প্রথম ভাইরাসঘটিত বসন্ত রোগের কথা উল্লেখ করেন।
    2. Adolf Mayer ১৮৮৬ সালে তামাক গাছের পাতার ছোপ ছোপ দাগবিশিষ্ট রোগকে টোবাকো মোজাইক রোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।
    3. পরে ১৮৯২ সালে রাশিয়ান বিজ্ঞানী Dmitri Ivanovsky (দিমিত্রি আইভানোভসকি) প্রমাণ করেন যে, রোগাক্রান্ত তামাক পাতার রস ব্যাকটেরিয়ারোধক ফিল্টার দিয়ে ফিল্টার করার পরও সুস্থ তামাক গাছে রোগ সৃষ্টি করতে সক্ষম।
    4. তারও পরে ১৮৯৮ সালে আরেক হল্যান্ড বিজ্ঞানী Martinus Beijerinck (মার্টিনাস বিজারিঙ্ক) তামাকের মোজাইক রোগের ভাইরাসকে টোবাকো মোজাইক ভাইরাস বা TMV হিসেবে উল্লেখ করেন।
    5. Walter Reed (ওয়াল্টার রিড) ১৯০১ সালে সর্বপ্রথম মানবদেহের পীত জ্বর (yellow fever) সৃষ্টিকারী ভাইরাস আবিষ্কার করেন।
    6. ১৯৩৫ সালে আমেরিকান বিজ্ঞানী Wendel Meredith Stanley TMV কে পৃথক করে কেলাসিত করেন, যে কারণে তিনি ১৯৪৬ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ।
    7. Stanley মোজাইক আক্রান্ত ১ টন তামাক পাতা থেকে মাত্র এক চামুচ পরিমাণ ভাইরাস কৃস্টাল সংগ্রহ করেন।
    8. ১৯৩৭ সালে ইংল্যান্ডের দুজন বিজ্ঞানী F. C. Bawden (ব্যাডেন) এবং N. W. Pirie (পিরি) বলেন যে, TMV নিউক্লিক অ্যাসিড এবং প্রোটিন দিয়ে গঠিত।
    9. ১৯৫১ সালে R. S. Shafferman (শেফারম্যান) এবং M. E. Morris (মরিস) নীলাভ-সবুজ শৈবাল (সায়ানোব্যাকটেরিয়া) ধ্বংসকারী ভাইরাস সায়ানোফায আবিষ্কার করেন।
    10. A. M. Lwoff ১৯৫২ সালে ভাইরাসের প্রকৃতি সম্বন্ধে বলেছেন, ভাইরাস ভাইরাসই। এটি জীবীয় বস্তুও
      নয়, আবার জড় রাসায়নিক বস্তুও নয়। জীবীয় ও জড় বস্তুর মধ্যবর্তী পর্যায়ের কোনো একটি কিছু।
    11. ১৯৮৪ সালে Gallow (গ্যালো) মানুষের মরণব্যাধি এইডস রোগের ভাইরাস HIV আবিষ্কার করেন।
    12. ১৯৮৯ সালে Hervey J. Alter (হারভে জে. অল্টার) মানুষের নীরব ঘাতকব্যাধি হেপাটাইটিস-সি ভাইরাস আবিষ্কার করেন।
    13. F. C. Bawden এবং N. W. Pirie ভাইরাসের রাসায়নিক প্রকৃতি বর্ণনা করেন। ২০১৯ সালের শেষ দিকে নভেল করোনা ভাইরাস আবিষ্কার হয়। এ পর্যন্ত প্রায় ৫০০০ ধরনের ভাইরাসের বর্ণনা করা হয়েছে।

    সূত্রঃ 10minuteschool

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  5. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    বিগবেন ঘড়িটি কোন দেশে অবস্থিত এবং এর ওজন কত ?

    সুমনা
    সুমনা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার এলাকার সংসদ ভবনের উত্তরাংশের ক্লক টাওয়ারে অবস্থিত সুবিশাল ঘণ্টাকে বিগ বেন (Big Ben) নামে ডাকা হয়। যা সময়ে সময়ে বেজে উঠে। আনুষ্ঠানিকভাবে টাওয়ারটি ক্লক টাওয়ার কিংবা প্যালেস অব ওয়েস্টমিনস্টার নামে পরিচিত। লন্ডনের নাগরিকদের অধিকাংশই টাওয়ারটিকে বিগ বেন নামে শখ করে ডেকে থাকেবিস্তারিত পড়ুন

    লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার এলাকার সংসদ ভবনের উত্তরাংশের ক্লক টাওয়ারে অবস্থিত সুবিশাল ঘণ্টাকে বিগ বেন (Big Ben) নামে ডাকা হয়। যা সময়ে সময়ে বেজে উঠে। আনুষ্ঠানিকভাবে টাওয়ারটি ক্লক টাওয়ার কিংবা প্যালেস অব ওয়েস্টমিনস্টার নামে পরিচিত। লন্ডনের নাগরিকদের অধিকাংশই টাওয়ারটিকে বিগ বেন নামে শখ করে ডেকে থাকেন। কেননা, ঘণ্টাটি খুবই বৃহৎ আকৃতির। সর্বসাকুল্যে এর ওজন প্রায় ১৩ টন।

    তবে ১৮৫৬ সালে প্রথম ঘণ্টাটি বিনষ্ট করা হয়েছিল মূলতঃ ভুল হিসাব প্রদানের জন্যে। বর্তমানের বিগ বেন ঘণ্টাটি দ্বিতীয় বারের মতো প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  6. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মোবাইল (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    পৃখিবীর প্রথম মোবাইল কবে আবিষ্কার হয়? তার নাম ও মূল্য কত?

    সুমনা
    সুমনা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ডঃ মার্টিন কুপার এবং জন ফ্রান্সিস মিচেলকে মোটোরোলা কোম্পানিতে কর্মরত থাকা অবস্থায় প্রথম মোবাইল ফোন উদ্ভাবন করেন। তাঁরা ১৯৭৩ সালের এপ্রিলে প্রথম সফলভাবে প্রায় ২ কেজি (৪.৪ পাউন্ড) ওজনের হাতে ধরা ফোনের মাধ্যমে কল করতে সক্ষম হন। তবে ফোনের প্রথম বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে আসে ১৯৮৩ সালে। ফোনটির নাম ছিল মোটবিস্তারিত পড়ুন

    ডঃ মার্টিন কুপার এবং জন ফ্রান্সিস মিচেলকে মোটোরোলা কোম্পানিতে কর্মরত থাকা অবস্থায় প্রথম মোবাইল ফোন উদ্ভাবন করেন। তাঁরা ১৯৭৩ সালের এপ্রিলে প্রথম সফলভাবে প্রায় ২ কেজি (৪.৪ পাউন্ড) ওজনের হাতে ধরা ফোনের মাধ্যমে কল করতে সক্ষম হন। তবে ফোনের প্রথম বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে আসে ১৯৮৩ সালে। ফোনটির নাম ছিল মোটোরোলা ডায়না টিএসি ৮০০০এক্স (DynaTAC 8000x)। মোবাইলটির দাম রাখা হয়েছিল ৩৯৯৫ ডলার যা প্রায় ২,৯৫,০০০ টাকা।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  7. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ প্রোগ্রামিং

    Two way data transfer network কোনটি ?

    সুমনা
    সুমনা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    Duplex হলো Two way data transfer network ।

    Duplex হলো Two way data transfer network ।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  8. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ প্রোগ্রামিং

    Europe এ সবচেয়ে জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং এর নাম কি ?

    সুমনা
    সুমনা নতুন
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    আমার ব্যক্তিগত মতামত হলো ইন্সটাগ্রাম। প্রাইভেট কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে হোয়াটস অ্যাপ ও এই তালিকায় থাকতে পারে। আমার মতামত ভুলও হতে পারে।

    আমার ব্যক্তিগত মতামত হলো ইন্সটাগ্রাম। প্রাইভেট কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে হোয়াটস অ্যাপ ও এই তালিকায় থাকতে পারে। আমার মতামত ভুলও হতে পারে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  9. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ভালুকের রং কি?

    murad
    murad পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    সব ভাল্লুকের গায়ের রঙ একরকম নয়। যেমন, আমেরিকান কালো ভাল্লুকের গায়ের রঙ কালো, বাদামি, নীলাভ কালো ইত্যাদি হয়ে থাকে। সূর্য ভাল্লুকের (sun bear)বুকের রঙ ধূসর এবং মুখে বিভিন্ন রকমের দাগ থাকে। অন্যদিকে মেরু ভালুক হয় সাদা রঙের, তবে এদের সাদা রঙের লোম এর নিচে কালো লোম থাকে।

    সব ভাল্লুকের গায়ের রঙ একরকম নয়। যেমন, আমেরিকান কালো ভাল্লুকের গায়ের রঙ কালো, বাদামি, নীলাভ কালো ইত্যাদি হয়ে থাকে। সূর্য ভাল্লুকের (sun bear)বুকের রঙ ধূসর এবং মুখে বিভিন্ন রকমের দাগ থাকে। অন্যদিকে মেরু ভালুক হয় সাদা রঙের, তবে এদের সাদা রঙের লোম এর নিচে কালো লোম থাকে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  10. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    ‘যদি একটি জাহাজে যদি ২৬টি ভেড়া আর ১০টি ছাগল থাকে, তাহলে ওই জাহাজের ক্যাপ্টেনের বয়স কতো?’

    murad
    murad পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    চীনের ক্লাস ফাইভের অঙ্ক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি করা হয়। যে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আপাতত নাজেহাল সোশ্যাল মিডিয়া। অনেকের দাবি, এই প্রশ্নের উত্তর দেয়া কখনোই সম্ভব নয়। কারণ প্রশ্নটি ভুল। কিন্তু যারা এই প্রশ্নটি করেছেন, সেই চীনের শিক্ষা দফতর জানিয়ে দিয়েছে প্রশ্নটি ঠিক এবং এর উত্তরও আছে! বিবিসির খবর অনুযায়ী,বিস্তারিত পড়ুন

    চীনের ক্লাস ফাইভের অঙ্ক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি করা হয়। যে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আপাতত নাজেহাল সোশ্যাল মিডিয়া।

    অনেকের দাবি, এই প্রশ্নের উত্তর দেয়া কখনোই সম্ভব নয়। কারণ প্রশ্নটি ভুল। কিন্তু যারা এই প্রশ্নটি করেছেন, সেই চীনের শিক্ষা দফতর জানিয়ে দিয়েছে প্রশ্নটি ঠিক এবং এর উত্তরও আছে!

    বিবিসির খবর অনুযায়ী, এই প্রশ্নটির সারবত্তা নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে চীনের শিক্ষা দফতরের এক কর্তা বলেন, প্রশ্নটি একদম ঠিক, কোথাও ভুল নেই।

    তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক কয়েকটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, আমাদের প্রাইমারি স্তরের শিশুদের বাস্তববোধের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। অঙ্কের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও বেশি। আর তাই এই ধরনের একটি ‘বাস্তব’ জ্ঞানের প্রশ্ন করা হয়েছে বলা জানান তিনি।

    ক্লাস ফাইভের ওই পরীক্ষার্থীরা তো বটেই, সোশ্যাল মিডিয়ারও নাভিশ্বাস উঠেছে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে। উত্তর খুঁজতে কি আপনিও নাজেহাল? তা হলে দেখুন চীনের শিক্ষা দফতর কী বলছে এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে।

    চীনে একটি ভেড়া এবং একটি ছাগলের গড় ওজন অনুযায়ী ২৬টি ভেড়া এবং ১০টি ছাগলের মোট ওজন কমপক্ষে সাত হাজার সাতশো কেজি। চীনে পাঁচ হাজার কেজি ওজনের বেশি পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে জাহাজের ক্যাপ্টেনের অন্তত পাঁচ বছরের লাইসেন্সের প্রয়োজন। দেশটিতে জাহাজ চালানোর ন্যূনতম বয়স ২৩। সে হিসেবে এই জাহাজের ক্যাপ্টেনের বয়স ২৮ (২৩+৫) বছরের কম নয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  11. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ইয়াবার পূর্বের ইতিহাস সম্পর্কে কি জানেন?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ইয়াবার পেছনের ইতিহাস শুরুটা ১৯১৯ সালে। জাপানিরা ওষুধ হিসেবে ইয়াবা তৈরির পরিকল্পনা করে। মূলত জীবন বাঁচানোর জন্যই তাদের এ আবিস্কার। এর পরবর্তী সময়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন জার্মান প্রেসিডেন্ট এডলফ হিটলার তার মেডিকেল চিফকে আদেশ দিলেন দীর্ঘ সময় ব্যাপি যুদ্ধক্ষেত্রের সেনাদের যাতে ক্লান্তি না আসেবিস্তারিত পড়ুন

    ইয়াবার পেছনের ইতিহাস শুরুটা ১৯১৯ সালে। জাপানিরা ওষুধ হিসেবে ইয়াবা তৈরির পরিকল্পনা করে। মূলত জীবন বাঁচানোর জন্যই তাদের এ আবিস্কার। এর পরবর্তী সময়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন জার্মান প্রেসিডেন্ট এডলফ হিটলার তার মেডিকেল চিফকে আদেশ দিলেন দীর্ঘ সময় ব্যাপি যুদ্ধক্ষেত্রের সেনাদের যাতে ক্লান্তি না আসে এবং উদ্দীপনায় যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারে বা বিমানের পাইলটের নিদ্রাহীনতা, মনকে উৎফুল, চাঙ্গা রাখার জন্য একটা কিছু আবিস্কার করতে। টানা ৫ মাস রসায়নবিদগণ চেষ্টা চালিয়ে মিথাইল অ্যামফিটামিন ও ক্যাফেইনের সংমিশ্রনে তৈরি করলেন ইয়াবা।

    ব্যাস! হিটলারের উদ্দেশ্য সফল। সেনারা মানসিক শক্তিতে বলিয়ান হল। মিয়ানমারে ওয়া এবং কোকাং নামের আদিবাসী সম্প্রদায় ইয়াবা এর সবচেয়ে বড় উৎপাদনকারী। পরবর্তী সময়ে অন্যান্য দেশের যুদ্ধ ক্ষেত্রে দেশ মাতৃকার স্বার্থে অনেক সেনা প্রধান ইয়াবা ব্যবহার করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইয়াবার প্রভাব এত দূত ছড়িয়ে পড়বে ভাবতে পারেনি কেউ।

    বাংলাদেশের টেকনাফ বর্ডার দিয়ে মাদক হিসেবে ইয়াবা প্রথম প্রবেশ করে ১৯৯৭ সালে। কিন্তু এর আগে ইয়াবার নানা উপাদানকে প্রাণরাকারী ওষুধ হিসেবে ব্যবহারের পরামর্শ দিতেন ডাক্তার। ২০০১ এ বাংলাদেশের অভিজাত এলাকাগুলোতে ইয়াবা তরুণ-তরুণীদের মানিব্যাগে স্থান করে নেয়। এখন এ নেশাদ্রব্য ছড়িয়ে পড়েছে রাজধানীর অলিগলির মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েদের মাঝেও। নেশা গ্রহণকারীদের তালিকায় স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া ছেলেমেয়ে, ব্যবসায়ী, গ্লামারজগতের বাসিন্দা থেকে শুরু করে গৃহবধূ পর্যন্ত।

    শুধুই ক্ষতি ইয়াবায় উত্তেজক এম সিটামিন এবং ক্যাফেইন রয়েছে৷ ইয়াবা খেলে সাময়িক আনন্দ ও উত্তেজনা, অনিদ্রা, খিটখিটে ভাব ও আগ্রাসী প্রবণতা বা মারামারি করার ইচ্ছা, ক্ষুধা কমে যাওয়া ও বমি ভাব, ঘাম, কান-মুখ লাল হয়ে যাওয়া এবং শারীরিক সঙ্গের ইচ্ছা বেড়ে যায়। তবে এ সবই অল্প কয়েক দিনের বিষয়। বাড়ে হূৎস্পন্দনের গতি, রক্তচাপ, শ্বাস-প্রশ্বাস এবং শরীরের তাপমাত্রা। মস্তিষ্কের সূক্ষ রক্তনালিগুলোর ক্ষতি হতে থাকে এবং কারও কারও এগুলো ছিঁড়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয়ে যায়। কিছুদিন পর থেকে ইয়াবাসেবীর হাত-পা কাঁপে, হ্যালুসিনেশন হয়, পাগলামি ভাব দেখা দেয়, প্যারানয়া হয়।

    কারও কারও শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়, খিঁচুনি হয়। খিটখিটে ভাব, অহেতুক রাগারাগি, ভাঙচুর, নার্ভাসনেসে ভুগতে থাকে ইয়াবা আসক্ত ব্যক্তিরা। স্ম্বরনশক্তি কমে যায়, সিদ্ধান্তহীনতা শুরু হয় এবং কারও কারও সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। অনেকে পাগল হয়ে যায়। লেখাপড়ায় খারাপ হয়ে একসময় ডিপ্রেশন বা হতাশাজনিত নানা রকম অপরাধ প্রবণতা, এমনকি আত্মহত্যাও করে থাকে।

    হার্টের ভেতরে ইনফেকশন হয়ে বা মস্তিষ্কের রক্তনালি ছিঁড়ে অনেকে মারা যায়। অনেকে মরে রাস্তায় দুর্ঘটনায় পতিত হয়ে। কেউ কেউ টানা সাত থেকে ১০ দিন জেগে থাকে, তারপর ড্রাগ ওভার ডোজেও মরে যায়। তারুণ্যের শতকরা ২৫ ভাগই ইয়াবা আসক্ত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, এই মুহূর্তে দেশে মাদক নিরাময় কেন্দ্রগুলোয় প্রায় ১২,৩০৪ জন মাদকাসক্ত রোগী চিকিত্‍সা নিচ্ছেন৷ তাদের বড় একটি অংশ হলো ইয়াবা ট্যাবলেটে আসক্ত৷ পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে দিন দিন ইয়াবা আসক্তের সংখ্যা বাড়ছে৷ ইয়াবা একধরনের সিনথেটিক এমফেটামাইন ড্রাগস। বাংলাদেশে মাদকাসক্তের শতকরা ২৫ ভাগ এখন ইয়াবা ট্যাবলেটে আসক্ত৷ পরিবহন এবং সেবন সহজ হওয়ায় দ্রুত এর থাবা বিস্তৃত হচ্ছে৷ ঢাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং উচ্চ ও মধ্যবিত্ত তরুণ-তরুণীরা ইয়াবা ব্যবসায়ীদের প্রধান টার্গেট৷ ধারণা করা হয়, বাংলাদেশে এখন মাদকাসক্তের সংখ্যা ৫০ লাখ৷ এই মাদকাসক্তের বড় অংশ গাঁজা, হোরোইন এবং ফেনসিডিল-এ আসক্ত হলেও পরিস্থিতির নতুন মাত্রা আতঙ্কের৷ মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে সারা দেশ থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট আটক করেছে৷ এর বাইরে ব়্যাব, পুলিশ এবং সীমান্ত এলাকায় বিজিবি এর আরো তিনগুণ ইয়াবা আটক করেছে৷ ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা বিভাগ শুক্রবার ভোররাত পর্যন্ত টানা দু’দিনের অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার এবং চোরাচালান ও অবৈধ ব্যবসা সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এক নারীসহ ছয় জনকে রাজধানী থেকে আটক করেছে৷ মিডিয়া মেইলকে সূত্র জানায়, এই ইয়াবা মূলত মিয়ানমার থেকে কক্সবাজার এবং টেকনাফ সীমান্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে৷ এসব পরিবহনের জন্য নারী ছাড়াও নানা কৌশল অবলম্বন করা হয়৷ আরো জানা গেছে, ঢাকায় ইয়াবা মাদকের অন্তত ২০টি চক্র সক্রিয় আছে৷ এইসব চক্রের সঙ্গে নানা পেশা ও শ্রেণির লোক জড়িত৷ এমনকি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রদের জড়িত থাকার তথ্যও রয়েছে তাদের কাছে৷ গোয়েন্দা তথ্যনুসারে, একটি সেলফোনের কভারের মধ্যে কমপক্ষে ৩০০ পিস ইয়াবা পরবিহন করা যায়৷ ট্যাবলেট হওয়ায় সহজে কেউ সন্দেহও করে না৷ ইয়াবা বিভিন্ন রঙ এবং ফ্লেভারে পাওয়া যায়৷ এর বিক্রি এবং সেবন উভয়ই সহজ৷ ফলে মাদকাসক্ত তরুণরা এখন ইয়াবার দিকেই ঝুঁকছে৷ পাইকারি এক পিস ইয়াবার দাম ১২০ টাকা হলেও, খুচরা ২৪০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে৷ তাই এখনই জনসচেতনতা গড়ে তোলা প্রয়োজন৷ পাশাপাশি দরকার এর চোরাচালার বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া৷

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  12. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ পড়াশোনা

    আপনি কি ভাল মত পড়ালেখা করতে চান ???? আপনার জন্য সঠিক নিয়মে পড়ালেখা করার উপায় + পড়া মনে রাখার সহজ উপায়

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    টেকনোলজি ভালোবাসি বেশি বেশি টেকনোলজিকাল পোস্ট চাই. আসসালামুয়ালাইকুম,আশা করি ভাল আছেন। আমি একজন ছাত্র, তাই পরালেখা করাই আমার কাজ। আর পরালেখা করার কিছু নিয়ম পালন করা উচিত। আপনি হয়ত আপনার জীবন কে আর সুন্দর করতে পারেন ভাল মত লেখাপরা করে। আর তাই আমি আপনাদের জন্য আনলাম পরালেখা করার অনেক গুল টিপ্স,আপনিবিস্তারিত পড়ুন

    টেকনোলজি ভালোবাসি বেশি বেশি টেকনোলজিকাল পোস্ট চাই. আসসালামুয়ালাইকুম,আশা করি ভাল আছেন। আমি একজন ছাত্র, তাই পরালেখা করাই আমার কাজ। আর পরালেখা করার কিছু নিয়ম পালন করা উচিত। আপনি হয়ত আপনার জীবন কে আর সুন্দর করতে পারেন ভাল মত লেখাপরা করে। আর তাই আমি আপনাদের জন্য আনলাম পরালেখা করার অনেক গুল টিপ্স,আপনি হয়ত আপনার পরালেখা করার সিস্টেম কে আর সুন্দর করতে চান,তাই এই টিপস গুল আপনার জন্য।

    জি,আপনার জন্যই এই আয়জন………………… void(1); িভাবে সঠিক নিয়মে পড়ালেখা করা যায়? ১. পড়তে বসার আগে একটু চিন্তা করুন- কী পড়বেন, কেন পড়বেন, কতক্ষণ ধরে পড়বেন। প্রত্যেকবার পড়ার আগে কিছু টার্গেট ঠিক করে নিন। যেমন, এত পৃষ্ঠা বা এতগুলো অনুশীলনী। ২. বিষয়ের বৈচিত্র্য রাখুন। নিত্য নতুন পড়ার কৌশল চিন্তা করুন।

    ৩. এনার্জি লেভেলের সঙ্গে আগ্রহের একটা সম্পর্ক আছে। এনার্জি যত বেশি মনোযোগ নিবদ্ধ করার ক্ষমতা তত বেশি হয়। আর অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর দিনের প্রথমভাগেই এনার্জি বেশি থাকে। তাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যে পড়াটা দিনে ১ ঘন্টায় পড়তে পারছে সেই একই পড়া পড়তে রাতে দেড় ঘণ্টা লাগছে। তাই কঠিন, বিরক্তিকর ও একঘেয়ে বিষয়গুলো সকালের দিকেই পড়ুন।

    পছন্দের বিষয়গুলো পড়ুন পরের দিকে। তবে যদি উল্টোটা হয়, অর্থাৎ রাতে পড়তে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তাহলে সেভাবেই সাজান আপনার রুটিন। ৪. একটানা না পড়ে বিরতি দিয়ে পড়বেন। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে, একটানা ২৫ মিনিটের বেশি একজন মানুষ মনোযোগ দিতে পারে না। তাই একটানা মনোযোগের জন্যে মনের ওপর বল প্রয়োগ না করে প্রতি ৫০ মিনিট পড়ার পর ৫ মিনিটের একটা ছোট্ট বিরতি নিতে পারেন।

    কিন্তু এ বিরতির সময় টিভি, মোবাইল বা কম্পিউটার নিয়ে ব্যস্ত হবেন না যা হয়তো ৫ মিনিটের নামে দুঘণ্টা নিয়ে নিতে পারে। ৫. মনোযোগের জন্যে আপনি কোন ভঙ্গিতে বসছেন সেটি গুরুত্বপূর্ণ। সোজা হয়ে আরামে বসুন। অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া বন্ধ করুন। চেয়ারে এমনভাবে বসুন যাতে পা মেঝেতে লেগে থাকে।

    টেবিলের দিকে একটু ঝুঁকে বসুন। আপনার চোখ থেকে টেবিলের দূরত্ব অন্তত দু ফুট হওয়া উচিৎ। ৬. পড়তে পড়তে মন যখন উদ্দেশ্যহীনতায় ভেসে বেড়াচ্ছে জোর করে তখন বইয়ের দিকে তাকিয়ে না থেকে দাঁড়িয়ে পড়ুন। তবে রুম ছেড়ে যাবেন না। কয়েকবার এ অভ্যাস করলেই দেখবেন আর অন্যমনস্ক হচ্ছেন না।

    ৭. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে পড়তে বসুন এবং পড়তে বসার আগে কোনো অসমাপ্ত কাজে হাত দেবেন না বা সেটার কথা মনে এলেও পাত্তা দেবেন না। চিন্তাগুলোকে বরং একটা কাগজে লিখে ফেলুন। ৮. টার্গেট মতো পড়া ঠিকঠাক করতে পারলে নিজেকে পুরস্কৃত করুন, তা যত ছোটই হোক কিভাবে স্মৃতিশক্তির যত্ন নিবেন? তিবাচক চিন্তা করুন নেতিবাচক চিন্তা মন থেকে ঝেড়ে ফেলুন। সন্দেহবাতিক মন মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। মনের সঙ্গে মস্তিষ্কের যোগাযোগটা খুব গভীর।

    তাই মনের পরিচর্যা করুন। নিজেকে নিয়োজিত রাখুন সৃষ্টিশীল কাজে। ্রোধ নিয়ন্ত্রণ করুন ক্রোধ বা রাগ মন ও মস্তিষ্কের শত্রু। আমরা যখন রেগে যাই তখন শরীরে নিঃসৃত হয় বিশেষ এক ধরনের রাসায়নিক যৌগ যা আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। েডিটেশন করুন নিয়ম করে দিনের কিছু সময় মেডিটেশন করুন।

    যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। সম্ভব না হলে অন্তত সকাল-সন্ধ্যা খোলা ময়দানে হাঁটুন। এ অভ্যাসগুলো মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। মস্তিষ্কের তথ্য ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়। স্মরণশক্তি মূলত নির্ভর করে আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতার ওপর।

    মেডিটেশন আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ায়। র্যাপ্ত বিশ্রাম নিন সারাক্ষণ কাজ আমাদের মস্তিষ্ককে ক্লান্ত করে তোলে। ক্লান্তি মস্তিষ্কের কাজ করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। তাই পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। প্রতিদিন গড়ে ছয়-সাত ঘণ্টা ঘুমান।

    দীর্ঘ কাজের ফাঁকে একটু ব্রেক দিন। কাজে মনোনিবেশ করা সহজ হবে। ড়া মনে রাখার উপায়ঃ . আত্মবিশ্বাস: আত্মবিশ্বাস যেকোনো কাজে সফল হওয়ার প্রথম ও প্রধান শর্ত। মনকে বোঝাতে হবে পড়াশোনা অনেক সহজ বিষয় আমি পারব, আমাকে পারতেই হবে। তাহলে অনেক কঠিন পড়াটাও সহজ মনে হবে।

    কোনো বিষয়ে ভয় ঢুকে গেলে সেটা মনে রাখা বেশ কঠিন। আর পড়ালেখা করার উত্তম সময় হচ্ছে ভোর। সকালে মস্তিষ্ক ফ্রেশ থাকে। . কনসেপ্ট ট্রি পড়া মনে রাখার ভালো কৌশল হলো ‘কনসেপ্ট ট্রি’। এ পদ্ধতিতে কোনো একটি বিষয়ে শেখার আগে পুরো অধ্যায়টি সাতটি অংশে ভাগ করে প্রতিটি অংশের জন্য এক লাইনে একটি করে সারমর্ম লিখতে হবে।

    তারপর খাতায় একটি গাছ এঁকে সাতটি সারমর্মকে গাছের একেকটি পাতায় লিখে রাখতে হবে। পাতাগুলোতে প্রতিদিন চোখ বোলালেই অধ্যায়টি সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাওয়া যাবে। এটি একটি পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক ধারণা। বাংলা ও ভূগোলের জন্য এ কৌশলটি বেশি কার্যকর। . কি ওয়ার্ড যেকোনো বিষয়ের কঠিন অংশগুলো ছন্দের আকারে খুব সহজে মনে রাখা যায়।

    যেমন: রংধনুর সাত রং মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ‘বেনীআসহকলা’ শব্দটি মনে রাখা। প্রতিটি রঙের প্রথম অক্ষর রয়েছে শব্দটিতে। এমনিভাবে ত্রিকোণমিতির সূত্র মনে রাখতে ‘সাগরে লবণ আছে, কবরে ভূত আছে, ট্যারা লম্বা ভূত’ ছড়াটি মনে রাখা যেতে পারে। এর অর্থ দাঁড়ায়, সাইন=লম্ব/অতিভুজ (সাগরে লবণ আছে), কস=ভূমি/অতিভুজ (কবরে ভূত আছে), ট্যান=লম্ব/ভূমি (ট্যারা লম্বা ভূত)। . কালরেখা ইতিহাস মনে রাখায় এ কৌশলটি কাজে দেবে।

    বইয়ের সব অধ্যায় সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা নিয়ে গত ৪০০ বছরের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা বানাতে হবে। সেখান থেকে কে, কখন, কেন উল্লেখযোগ্য ছিলেন, সেটা সাল অনুযায়ী খাতায় লিখতে হবে। প্রতিদিন একবার করে খাতায় চোখ বোলালে খুব সহজে পুরো বই সম্পর্কে একটি ধারণা তৈরি হবে। ফলে ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না। কিন্তু আলাদা আলাদাভাবে ইতিহাস মনে রাখাটা কষ্টকরই বটে! . উচ্চঃস্বরে পড়া পড়া মুখস্থ করার সময় উচ্চঃস্বরে পড়তে হবে।

    এই পদ্ধতিতে কথাগুলো কানে প্রতিফলিত হওয়ার কারণে সহজে আয়ত্ত করা যায়। শব্দহীনভাবে পড়ালেখা করলে একসময় পড়ার গতি কমে গিয়ে শেখার আগ্রহ হারিয়ে যায়। আর আগ্রহ না থাকলে পড়া শেখার কিছুক্ষণ পরই তা মস্তিষ্ক থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায়। শেখা হয়ে যাওয়ার পর বারবার সেটার পুনরাবৃত্তি করতে হবে। এটাও পড়া মনে রাখার ক্ষেত্রে অনেক সাহায্য করে।

    . নিজের পড়া নিজের মতো ক্লাসে মনোযোগী হতে হবে। স্যারদের লেকচার ও পাঠ্যবইয়ের সাহায্য নিয়ে নিজে নিজে নোট করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। একটি প্রশ্নের উত্তর কয়েকভাবে লেখার চর্চা করতে হবে। নিজের তৈরি করা পড়া নিজের কাছে অনেক সহজ মনে হবে। পরবর্তী সময়ে নিজের লেখাটি দু-একবার পড়লে অনায়াসেই সেটি আয়ত্ত হয়ে যাবে এবং নিজের মতো করে লেখা যাবে।

    আর এভাবে পড়লে ভুলে যাওয়ার আশঙ্কাও কম থাকে। . নতুন-পুরনোর সংমিশ্রণ নতুন কিছু শেখার সময় একই রকম আরো বিষয় মিলিয়ে নিতে হবে। কারণ একেবারে নতুন কোনো তথ্য ধারণ করতে মস্তিষ্কের বেগ পেতে হয়। কিন্তু পুরনো তথ্যের সঙ্গে নতুন তথ্য সংযোজন করতে পারে খুব সহজে। উদাহরণস্বরূপ, ‘সিডি’ শব্দটি শেখার ক্ষেত্রে পুরনো দিনের কলের গানের কথা মনে রাখলে শব্দটা সহজেই মনে থাকবে।

    শুধু মনে রাখতে হবে, শব্দ দুটোর মধ্যে পার্থক্যটা কী। ফিজিক্সের নতুন কোনো সূত্র শেখার সময় মনে করে দেখতে হবে, এ ধরনের সূত্র আগে পড়া কোনো সূত্রের সঙ্গে মেলে কি না। . কেনর উত্তর খোঁজা এ নিয়মটা প্রধানত বিজ্ঞানের ছাত্রদের জন্য প্রযোজ্য। তাদের মনে সব সময় নতুন বিষয় জানার আগ্রহ প্রবল হতে হবে। অনুসন্ধানী মন নিয়ে কোনো কিছু শিখতে চাইলে সেটা মনে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

    আর কোনো অধ্যায় পড়ার পর সেটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ল্যাবে ব্যবহারিক ক্লাস করতে হবে। তবেই বিজ্ঞানের সূত্র ও সমাধানগুলো সহজে আয়ত্ত করা যাবে। . কল্পনায় ছবি আঁকা বিষয়সদৃশ একটি ছবি আঁকতে হবে মনে। গল্পের প্রতিটি চরিত্রকে আশপাশের মানুষ বা বস্তুর সঙ্গে মিলিয়ে নিতে হবে। তারপর সেই বিষয়টি নিয়ে পড়তে বসলে মানুষ কিংবা বস্তুটি কল্পনায় চলে আসবে।

    এ পদ্ধতিতে কোনো কিছু শিখলে সেটা ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। আর মস্তিষ্ককে যত বেশি ব্যবহার করা যায়, তত ধারালো হয় ও পড়া বেশি মনে থাকে। ০. পড়ার সঙ্গে লেখা কোনো বিষয় পাঠ করার সঙ্গে সঙ্গে সেটি খাতায় লিখতে হবে। একবার পড়ে কয়েকবার লিখলে সেটা সবচেয়ে বেশি কার্যকর হয়। পড়া ও লেখা একসঙ্গে হলে সেটা মুখস্থ হবে তাড়াতাড়ি।

    পরবর্তী সময়ে সেই প্রশ্নটির উত্তর লিখতে গেলে অনায়াসে মনে আসে। এ পদ্ধতির আরেকটি সুবিধা হচ্ছে হাতের লেখা দ্রুত করতে সাহায্য করে। পড়া মনে রাখতে হলে শেখার সঙ্গে সঙ্গে বেশি বেশি লেখার অভ্যাস করতে হবে। ১. অর্থ জেনে পড়া ইংরেজি পড়ার আগে শব্দের অর্থটি অবশ্যই জেনে নিতে হবে। ইংরেজি ভাষা শেখার প্রধান শর্ত হলো শব্দের অর্থ জেনে তা বাক্যে প্রয়োগ করা।

    বুঝে না পড়লে পুরোটাই বিফলে যাবে। সৃজনশীল পদ্ধতিতে ইংরেজি বানিয়ে লেখার চর্চা করা সব থেকে জরুরি। কারণ পাঠ্যবইয়ের যেকোনো জায়গা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে। ইংরেজি শব্দের অর্থভাণ্ডার সমৃদ্ধ হলে কোনো পড়া ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। ২. গল্পের ছলে পড়া যেকোনো বিষয় ক্লাসে পড়ার পর সেটা আড্ডার সময় বন্ধুদের সঙ্গে গল্পের মতো করে উপস্থাপন করতে হবে।

    সেখানে প্রত্যেকে প্রত্যেকের মনের ভাবগুলো প্রকাশ করতে পারবে। সবার কথাগুলো একত্র করলে অধ্যায়টি সম্পর্কে ধারণাটা স্বচ্ছ হয়ে যায়। কোনো অধ্যায় খণ্ড খণ্ড করে না শিখে আগে পুরো ঘটনাটি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা নিতে হবে। পরে শেখার সময় আলাদাভাবে মাথায় নিতে হবে। তাহলে যেকোনো বিষয় একটা গল্পের মতো মনে হবে।

    ৩. মুখস্থ বিদ্যাকে ‘না’ বলা মুখস্থ বিদ্যা চিন্তাশক্তিকে অকেজো করে দেয়, পড়াশোনার আনন্দও মাটি করে দেয়। কোনো কিছু না বুঝে মুখস্থ করলে সেটা বেশিদিন স্মৃতিতে ধরে রাখা যায় না। কিন্তু তার মানে এই নয়, সচেতনভাবে কোনো কিছু মুখস্থ করা যাবে না। টুকরো তথ্য, যেমন: সাল, তারিখ, বইয়ের নাম, ব্যক্তির নাম ইত্যাদি মনে রাখতে হবে। কী মনে রাখছেন, এর সঙ্গে অন্যান্য বিষয়ের কী সম্পর্ক তা খুঁজে বের করতে হবে।

    এ ছাড়া বিজ্ঞানের কোনো সূত্র কিংবা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আয়ত্ত করতে সেটা আগে বুঝে তারপর মুখস্থ করতে হবে। আশা করি ভাল লেগেছে,আমাকে জানাবেন কেমন লাগল। ভাল থাকবেন ঠিক মত পরালেখা করবেন। আমার জন্য দোয়া করবেন। আসসালামুয়ালিকুম।

    সসালামুয়ালাইকুম,আশা করি ভাল আছেন। আমি একজন ছাত্র, তাই পরালেখা করাই আমার কাজ। আর পরালেখা করার কিছু নিয়ম পালন করা উচিত। আপনি হয়ত আপনার জীবন কে আর সুন্দর করতে পারেন ভাল মত লেখাপরা করে। আর তাই আমি আপনাদের জন্য আনলাম পরালেখা করার অনেক গুল টিপ্স,আপনি হয়ত আপনার পরালেখা করার সিস্টেম কে আর সুন্দর করতে চান,তাই এই টিপস গুল আপনার জন্ন।

    জি,আপনার জন্যই এই আয়জন………………… িভাবে সঠিক নিয়মে পড়ালেখা করা যায়? ১. পড়তে বসার আগে একটু চিন্তা করুন- কী পড়বেন, কেন পড়বেন, কতক্ষণ ধরে পড়বেন। প্রত্যেকবার পড়ার আগে কিছু টার্গেট ঠিক করে নিন। যেমন, এত পৃষ্ঠা বা এতগুলো অনুশীলনী। ২. বিষয়ের বৈচিত্র্য রাখুন। নিত্য নতুন পড়ার কৌশল চিন্তা করুন।

    ৩. এনার্জি লেভেলের সঙ্গে আগ্রহের একটা সম্পর্ক আছে। এনার্জি যত বেশি মনোযোগ নিবদ্ধ করার ক্ষমতা তত বেশি হয়। আর অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর দিনের প্রথমভাগেই এনার্জি বেশি থাকে। তাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যে পড়াটা দিনে ১ ঘন্টায় পড়তে পারছে সেই একই পড়া পড়তে রাতে দেড় ঘণ্টা লাগছে। তাই কঠিন, বিরক্তিকর ও একঘেয়ে বিষয়গুলো সকালের দিকেই পড়ুন।

    পছন্দের বিষয়গুলো পড়ুন পরের দিকে। তবে যদি উল্টোটা হয়, অর্থাৎ রাতে পড়তে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তাহলে সেভাবেই সাজান আপনার রুটিন। ৪. একটানা না পড়ে বিরতি দিয়ে পড়বেন। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে, একটানা ২৫ মিনিটের বেশি একজন মানুষ মনোযোগ দিতে পারে না। তাই একটানা মনোযোগের জন্যে মনের ওপর বল প্রয়োগ না করে প্রতি ৫০ মিনিট পড়ার পর ৫ মিনিটের একটা ছোট্ট বিরতি নিতে পারেন।

    কিন্তু এ বিরতির সময় টিভি, মোবাইল বা কম্পিউটার নিয়ে ব্যস্ত হবেন না যা হয়তো ৫ মিনিটের নামে দুঘণ্টা নিয়ে নিতে পারে। ৫. মনোযোগের জন্যে আপনি কোন ভঙ্গিতে বসছেন সেটি গুরুত্বপূর্ণ। সোজা হয়ে আরামে বসুন। অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া বন্ধ করুন। চেয়ারে এমনভাবে বসুন যাতে পা মেঝেতে লেগে থাকে।

    টেবিলের দিকে একটু ঝুঁকে বসুন। আপনার চোখ থেকে টেবিলের দূরত্ব অন্তত দু ফুট হওয়া উচিৎ। ৬. পড়তে পড়তে মন যখন উদ্দেশ্যহীনতায় ভেসে বেড়াচ্ছে জোর করে তখন বইয়ের দিকে তাকিয়ে না থেকে দাঁড়িয়ে পড়ুন। তবে রুম ছেড়ে যাবেন না। কয়েকবার এ অভ্যাস করলেই দেখবেন আর অন্যমনস্ক হচ্ছেন না।

    ৭. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে পড়তে বসুন এবং পড়তে বসার আগে কোনো অসমাপ্ত কাজে হাত দেবেন না বা সেটার কথা মনে এলেও পাত্তা দেবেন না। চিন্তাগুলোকে বরং একটা কাগজে লিখে ফেলুন। ৮. টার্গেট মতো পড়া ঠিকঠাক করতে পারলে নিজেকে পুরস্কৃত করুন, তা যত ছোটই হোক কিভাবে স্মৃতিশক্তির যত্ন নিবেন? তিবাচক চিন্তা করুন নেতিবাচক চিন্তা মন থেকে ঝেড়ে ফেলুন। সন্দেহবাতিক মন মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। মনের সঙ্গে মস্তিষ্কের যোগাযোগটা খুব গভীর।

    তাই মনের পরিচর্যা করুন। নিজেকে নিয়োজিত রাখুন সৃষ্টিশীল কাজে। ্রোধ নিয়ন্ত্রণ করুন ক্রোধ বা রাগ মন ও মস্তিষ্কের শত্রু। আমরা যখন রেগে যাই তখন শরীরে নিঃসৃত হয় বিশেষ এক ধরনের রাসায়নিক যৌগ যা আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। েডিটেশন করুন নিয়ম করে দিনের কিছু সময় মেডিটেশন করুন।

    যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। সম্ভব না হলে অন্তত সকাল-সন্ধ্যা খোলা ময়দানে হাঁটুন। এ অভ্যাসগুলো মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। মস্তিষ্কের তথ্য ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়। স্মরণশক্তি মূলত নির্ভর করে আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতার ওপর।

    মেডিটেশন আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ায়। র্যাপ্ত বিশ্রাম নিন সারাক্ষণ কাজ আমাদের মস্তিষ্ককে ক্লান্ত করে তোলে। ক্লান্তি মস্তিষ্কের কাজ করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। তাই পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। প্রতিদিন গড়ে ছয়-সাত ঘণ্টা ঘুমান।

    দীর্ঘ কাজের ফাঁকে একটু ব্রেক দিন। কাজে মনোনিবেশ করা সহজ হবে। ড়া মনে রাখার উপায়ঃ . আত্মবিশ্বাস: আত্মবিশ্বাস যেকোনো কাজে সফল হওয়ার প্রথম ও প্রধান শর্ত। মনকে বোঝাতে হবে পড়াশোনা অনেক সহজ বিষয় আমি পারব, আমাকে পারতেই হবে। তাহলে অনেক কঠিন পড়াটাও সহজ মনে হবে।

    কোনো বিষয়ে ভয় ঢুকে গেলে সেটা মনে রাখা বেশ কঠিন। আর পড়ালেখা করার উত্তম সময় হচ্ছে ভোর। সকালে মস্তিষ্ক ফ্রেশ থাকে। . কনসেপ্ট ট্রি পড়া মনে রাখার ভালো কৌশল হলো ‘কনসেপ্ট ট্রি’। এ পদ্ধতিতে কোনো একটি বিষয়ে শেখার আগে পুরো অধ্যায়টি সাতটি অংশে ভাগ করে প্রতিটি অংশের জন্য এক লাইনে একটি করে সারমর্ম লিখতে হবে।

    তারপর খাতায় একটি গাছ এঁকে সাতটি সারমর্মকে গাছের একেকটি পাতায় লিখে রাখতে হবে। পাতাগুলোতে প্রতিদিন চোখ বোলালেই অধ্যায়টি সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাওয়া যাবে। এটি একটি পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক ধারণা। বাংলা ও ভূগোলের জন্য এ কৌশলটি বেশি কার্যকর। . কি ওয়ার্ড যেকোনো বিষয়ের কঠিন অংশগুলো ছন্দের আকারে খুব সহজে মনে রাখা যায়।

    যেমন: রংধনুর সাত রং মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ‘বেনীআসহকলা’ শব্দটি মনে রাখা। প্রতিটি রঙের প্রথম অক্ষর রয়েছে শব্দটিতে। এমনিভাবে ত্রিকোণমিতির সূত্র মনে রাখতে ‘সাগরে লবণ আছে, কবরে ভূত আছে, ট্যারা লম্বা ভূত’ ছড়াটি মনে রাখা যেতে পারে। এর অর্থ দাঁড়ায়, সাইন=লম্ব/অতিভুজ (সাগরে লবণ আছে), কস=ভূমি/অতিভুজ (কবরে ভূত আছে), ট্যান=লম্ব/ভূমি (ট্যারা লম্বা ভূত)। . কালরেখা ইতিহাস মনে রাখায় এ কৌশলটি কাজে দেবে।

    বইয়ের সব অধ্যায় সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা নিয়ে গত ৪০০ বছরের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা বানাতে হবে। সেখান থেকে কে, কখন, কেন উল্লেখযোগ্য ছিলেন, সেটা সাল অনুযায়ী খাতায় লিখতে হবে। প্রতিদিন একবার করে খাতায় চোখ বোলালে খুব সহজে পুরো বই সম্পর্কে একটি ধারণা তৈরি হবে। ফলে ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না। কিন্তু আলাদা আলাদাভাবে ইতিহাস মনে রাখাটা কষ্টকরই বটে! . উচ্চঃস্বরে পড়া পড়া মুখস্থ করার সময় উচ্চঃস্বরে পড়তে হবে।

    এই পদ্ধতিতে কথাগুলো কানে প্রতিফলিত হওয়ার কারণে সহজে আয়ত্ত করা যায়। শব্দহীনভাবে পড়ালেখা করলে একসময় পড়ার গতি কমে গিয়ে শেখার আগ্রহ হারিয়ে যায়। আর আগ্রহ না থাকলে পড়া শেখার কিছুক্ষণ পরই তা মস্তিষ্ক থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায়। শেখা হয়ে যাওয়ার পর বারবার সেটার পুনরাবৃত্তি করতে হবে। এটাও পড়া মনে রাখার ক্ষেত্রে অনেক সাহায্য করে।

    . নিজের পড়া নিজের মতো ক্লাসে মনোযোগী হতে হবে। স্যারদের লেকচার ও পাঠ্যবইয়ের সাহায্য নিয়ে নিজে নিজে নোট করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। একটি প্রশ্নের উত্তর কয়েকভাবে লেখার চর্চা করতে হবে। নিজের তৈরি করা পড়া নিজের কাছে অনেক সহজ মনে হবে। পরবর্তী সময়ে নিজের লেখাটি দু-একবার পড়লে অনায়াসেই সেটি আয়ত্ত হয়ে যাবে এবং নিজের মতো করে লেখা যাবে।

    আর এভাবে পড়লে ভুলে যাওয়ার আশঙ্কাও কম থাকে। . নতুন-পুরনোর সংমিশ্রণ নতুন কিছু শেখার সময় একই রকম আরো বিষয় মিলিয়ে নিতে হবে। কারণ একেবারে নতুন কোনো তথ্য ধারণ করতে মস্তিষ্কের বেগ পেতে হয়। কিন্তু পুরনো তথ্যের সঙ্গে নতুন তথ্য সংযোজন করতে পারে খুব সহজে। উদাহরণস্বরূপ, ‘সিডি’ শব্দটি শেখার ক্ষেত্রে পুরনো দিনের কলের গানের কথা মনে রাখলে শব্দটা সহজেই মনে থাকবে।

    শুধু মনে রাখতে হবে, শব্দ দুটোর মধ্যে পার্থক্যটা কী। ফিজিক্সের নতুন কোনো সূত্র শেখার সময় মনে করে দেখতে হবে, এ ধরনের সূত্র আগে পড়া কোনো সূত্রের সঙ্গে মেলে কি না। . কেনর উত্তর খোঁজা এ নিয়মটা প্রধানত বিজ্ঞানের ছাত্রদের জন্য প্রযোজ্য। তাদের মনে সব সময় নতুন বিষয় জানার আগ্রহ প্রবল হতে হবে। অনুসন্ধানী মন নিয়ে কোনো কিছু শিখতে চাইলে সেটা মনে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

    আর কোনো অধ্যায় পড়ার পর সেটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ল্যাবে ব্যবহারিক ক্লাস করতে হবে। তবেই বিজ্ঞানের সূত্র ও সমাধানগুলো সহজে আয়ত্ত করা যাবে। . কল্পনায় ছবি আঁকা বিষয়সদৃশ একটি ছবি আঁকতে হবে মনে। গল্পের প্রতিটি চরিত্রকে আশপাশের মানুষ বা বস্তুর সঙ্গে মিলিয়ে নিতে হবে। তারপর সেই বিষয়টি নিয়ে পড়তে বসলে মানুষ কিংবা বস্তুটি কল্পনায় চলে আসবে।

    এ পদ্ধতিতে কোনো কিছু শিখলে সেটা ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। আর মস্তিষ্ককে যত বেশি ব্যবহার করা যায়, তত ধারালো হয় ও পড়া বেশি মনে থাকে। ০. পড়ার সঙ্গে লেখা কোনো বিষয় পাঠ করার সঙ্গে সঙ্গে সেটি খাতায় লিখতে হবে। একবার পড়ে কয়েকবার লিখলে সেটা সবচেয়ে বেশি কার্যকর হয়। পড়া ও লেখা একসঙ্গে হলে সেটা মুখস্থ হবে তাড়াতাড়ি।

    পরবর্তী সময়ে সেই প্রশ্নটির উত্তর লিখতে গেলে অনায়াসে মনে আসে। এ পদ্ধতির আরেকটি সুবিধা হচ্ছে হাতের লেখা দ্রুত করতে সাহায্য করে। পড়া মনে রাখতে হলে শেখার সঙ্গে সঙ্গে বেশি বেশি লেখার অভ্যাস করতে হবে। ১. অর্থ জেনে পড়া ইংরেজি পড়ার আগে শব্দের অর্থটি অবশ্যই জেনে নিতে হবে। ইংরেজি ভাষা শেখার প্রধান শর্ত হলো শব্দের অর্থ জেনে তা বাক্যে প্রয়োগ করা।

    বুঝে না পড়লে পুরোটাই বিফলে যাবে। সৃজনশীল পদ্ধতিতে ইংরেজি বানিয়ে লেখার চর্চা করা সব থেকে জরুরি। কারণ পাঠ্যবইয়ের যেকোনো জায়গা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে। ইংরেজি শব্দের অর্থভাণ্ডার সমৃদ্ধ হলে কোনো পড়া ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। ২. গল্পের ছলে পড়া যেকোনো বিষয় ক্লাসে পড়ার পর সেটা আড্ডার সময় বন্ধুদের সঙ্গে গল্পের মতো করে উপস্থাপন করতে হবে।

    সেখানে প্রত্যেকে প্রত্যেকের মনের ভাবগুলো প্রকাশ করতে পারবে। সবার কথাগুলো একত্র করলে অধ্যায়টি সম্পর্কে ধারণাটা স্বচ্ছ হয়ে যায়। কোনো অধ্যায় খণ্ড খণ্ড করে না শিখে আগে পুরো ঘটনাটি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা নিতে হবে। পরে শেখার সময় আলাদাভাবে মাথায় নিতে হবে। তাহলে যেকোনো বিষয় একটা গল্পের মতো মনে হবে।

    ৩. মুখস্থ বিদ্যাকে ‘না’ বলা মুখস্থ বিদ্যা চিন্তাশক্তিকে অকেজো করে দেয়, পড়াশোনার আনন্দও মাটি করে দেয়। কোনো কিছু না বুঝে মুখস্থ করলে সেটা বেশিদিন স্মৃতিতে ধরে রাখা যায় না। কিন্তু তার মানে এই নয়, সচেতনভাবে কোনো কিছু মুখস্থ করা যাবে না। টুকরো তথ্য, যেমন: সাল, তারিখ, বইয়ের নাম, ব্যক্তির নাম ইত্যাদি মনে রাখতে হবে। কী মনে রাখছেন, এর সঙ্গে অন্যান্য বিষয়ের কী সম্পর্ক তা খুঁজে বের করতে হবে।

    এ ছাড়া বিজ্ঞানের কোনো সূত্র কিংবা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আয়ত্ত করতে সেটা আগে বুঝে তারপর মুখস্থ করতে হবে। আশা করি ভাল লেগেছে,আমাকে জানাবেন কেমন লাগল। ভাল থাকবেন ঠিক মত পরালেখা করবেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  13. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কাউকে আবাল বলার আগে জানেন কি "আবাল" অর্থ কী

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    প্রথমত "আবাল" কোন মৌলিক শব্দ নয়। এটি একটি সাধিত শব্দ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, সাধিত শব্দ গঠিত হয় ৫ উপায়ে ১। সন্ধির মাধ্যমে ২। অনুসর্গ যোগে ৩। উপসর্গ যোগে ৪। প্রত্যয় যোগে ৫। সমাসের মাধ্যমে কোন উপায়ে "আবাল" শব্দটি গঠিত হয়েছে এইটা নিয়ে ব্যকরণবিদদের মধ্যে ২ টি ভিন্ন মত আছে। ১। "বাল" মূলশব্দের সাথে বাংলা "বিস্তারিত পড়ুন

    প্রথমত “আবাল” কোন মৌলিক শব্দ নয়। এটি একটি সাধিত শব্দ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, সাধিত শব্দ গঠিত হয় ৫ উপায়ে ১। সন্ধির মাধ্যমে ২। অনুসর্গ যোগে ৩। উপসর্গ যোগে ৪। প্রত্যয় যোগে ৫। সমাসের মাধ্যমে কোন উপায়ে “আবাল” শব্দটি গঠিত হয়েছে এইটা নিয়ে ব্যকরণবিদদের মধ্যে ২ টি ভিন্ন মত আছে। ১। “বাল” মূলশব্দের সাথে বাংলা “আ” উপসর্গ যুক্ত হয়েছে নেতিবাচক অর্থে ২। এটি সমাস সাধিত শব্দ। ব্যাসবাক্য হল : আবাল—–নাই বাল যার —-নঞ বহুব্রীহি উৎপত্তি যাই হোক না কেন এটা পরিষ্কার যে শাব্দিক অর্থে আবাল বলতে অপ্রাপ্তবয়স্ক পোলাপান বুঝায়। যদিও প্রায়োগিক অর্থে “আবাল” শব্দটি বোধ-বুদ্ধিহীনতা বা বিচার-বিবেচনার ক্ষমতার অভাব বুঝাতেই বেশি ব্যবহৃত হয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  14. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    জেব্রাদের গায়ে কি কালোর ওপর সাদা দাগ কাটা, নাকি সাদার ওপর কালো?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    আসলে জেব্রার গায়ের রঙ কালো। এর লোমের উপরেই ছোপ ছোপ দাগ ।

    আসলে জেব্রার গায়ের রঙ কালো। এর লোমের উপরেই ছোপ ছোপ দাগ ।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  15. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কখন বুজবেন আপনারে জিহ্বায় ব্যাকটেরিয়া জমেছে?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    আয়নার সামনে গিয়ে জিহ্বা বের করে দেখুন। জিহ্বার রঙ যদি গোলাপি হয় তাহলে বুঝা যাবে জিহ্বায় কোনো জীবাণু নেই। আর যদি সাদা হয়, তাহলে ব্যাকটেরিয়া জমেছে।

    আয়নার সামনে গিয়ে জিহ্বা বের করে দেখুন। জিহ্বার রঙ যদি গোলাপি হয় তাহলে বুঝা যাবে জিহ্বায় কোনো জীবাণু নেই। আর যদি সাদা হয়, তাহলে ব্যাকটেরিয়া জমেছে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  16. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    টাইটানিক জাহাজ ও টাইটানিক সিনেমা মধ্যে পার্থক্য কী?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    টাইটানিক জাহাজ বানাতে খরচ হয়েছিল সাত মিলিয়ন বা ৭০ লাখ ডলার। অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ৫২ কোটি টাকা। আর দুনিয়াজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ‘টাইটানিক’ সিনেমা বানাতে খরচ হয়েছে ২০০ মিলিয়ন ডলার, মানে ১৫০০ কোটি টাকারও বেশি।

    টাইটানিক জাহাজ বানাতে খরচ হয়েছিল সাত মিলিয়ন বা ৭০ লাখ ডলার। অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ৫২ কোটি টাকা। আর দুনিয়াজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ‘টাইটানিক’ সিনেমা বানাতে খরচ হয়েছে ২০০ মিলিয়ন ডলার, মানে ১৫০০ কোটি টাকারও বেশি।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  17. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    আলোর গতি আমাদের জানা আছে তাহলে অন্ধকারের গতি কত?

    Khandaker Ashaduzzaman
    Khandaker Ashaduzzaman সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    আলোর গতির থেকে একটু বেশি. যেখানে আলোও পৌঁছাতে পারে না সেখানে অন্ধকার আগেই পৌঁছে যায়।

    আলোর গতির থেকে একটু বেশি. যেখানে আলোও পৌঁছাতে পারে না সেখানে অন্ধকার আগেই পৌঁছে যায়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  18. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    সূর্যাস্তের পর অন্ধকার হতে কতক্ষণ সময় লাগে?

    Mithun
    Mithun পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ৮ মিনিট

    ৮ মিনিট

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  19. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    Is time travel possible, and if so, how could it hypothetically be achieved?

    Mithun
    Mithun পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    There is no definitive proof that time travel is possible, there are several hypothetical scenarios that have been proposed based on our current understanding of physics. One possibility is through the use of wormholes, which are theoretical passages through space-time that could potentially connectবিস্তারিত পড়ুন

    There is no definitive proof that time travel is possible, there are several hypothetical scenarios that have been proposed based on our current understanding of physics.

    image host

    One possibility is through the use of wormholes, which are theoretical passages through space-time that could potentially connect distant regions of the universe. If a wormhole were to exist and remain stable, it could potentially be used as a shortcut to travel through time as well as space. However, the practicality of using wormholes for time travel is still a subject of much debate and speculation.

    image host

    Another possibility is through the manipulation of the space-time fabric itself. According to Einstein’s theory of relativity, the faster an object moves through space, the slower it experiences time. This is known as time dilation, and it has been observed and confirmed through experiments with high-speed particles. It is theoretically possible that if an object were to move at or near the speed of light, time would slow down so much that it would appear to travel into the future relative to a stationary observer. However, the energy required to accelerate an object to such high speeds is currently beyond our technological capabilities.

    image host

    There are also theories that propose the existence of closed time-like curves, which are hypothetical paths through space-time that allow for travel back in time. However, the existence and practicality of such curves are still subject to much debate and are not widely accepted within the scientific community.

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  20. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    পদার্থ বিজ্ঞানের নিয়ম কি সবজায়গায় একই রকম?

    srity
    srity পণ্ডিত
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    সবজায়গা বলতে আমাদের পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্বে পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম একই। কিন্তু আমাদের মহাবিশ্বের বাইরে অন্যান্য মহাবিশ্বের ক্ষেত্রে হয়তো পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটতে পারে। তবে আমরা যেহেতু অবজার্ভেবল ইউনিভার্সের বাইরে কিছুই জানিনা তাই অনুমান নির্ভর তত্বের উপর ভিত্তি করেই বলতে পারছি।

    সবজায়গা বলতে আমাদের পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্বে পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম একই। কিন্তু আমাদের মহাবিশ্বের বাইরে অন্যান্য মহাবিশ্বের ক্ষেত্রে হয়তো পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটতে পারে। তবে আমরা যেহেতু অবজার্ভেবল ইউনিভার্সের বাইরে কিছুই জানিনা তাই অনুমান নির্ভর তত্বের উপর ভিত্তি করেই বলতে পারছি।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 1
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
1 … 22 23 24 25 26 … 48

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • rakib
    rakib একটি উত্তর দিয়েছেন ২০২৬ সালে বাংলাদেশে বিয়ের গহনার দাম নির্ভর করে সোনার ক্যারেট,… মে 3, 2026, সময়ঃ 10:32 পূর্বাহ্ন
  • Jesmin
    Jesmin একটি উত্তর দিয়েছেন HSC ২০২৬ পরীক্ষা শুরু হতে মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। ২… এপ্রিল 27, 2026, সময়ঃ 2:01 অপরাহ্ন
  • Sinclair
    Sinclair একটি উত্তর দিয়েছেন When shopping for best sex dolls, most buyers tend to… এপ্রিল 17, 2026, সময়ঃ 3:10 পূর্বাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন হ্যাঁ, Bestchange.com থেকে নিশ্চিতভাবে আয় করা সম্ভব। এটি মূলত একটি… এপ্রিল 15, 2026, সময়ঃ 2:13 অপরাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন প্রশ্নোত্তর প্রদানের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করার বিষয়টি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 2:11 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 106 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,060 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 155 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 116 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 78 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

wwwsnm.transfer702.pages.dev - BTC TRANSFER 1.3336 BTC g

wwwsnm.transfer702.pages.dev - BTC TRANSFER 1.3336 BTC g

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwtjq.transfer702.pages.dev - CHECK BALANCE 90328 USDT 9

wwwtjq.transfer702.pages.dev - CHECK BALANCE 90328 USDT 9

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwtiw.transfer702.pages.dev - CHECK BALANCE 98891 USDC i

wwwtiw.transfer702.pages.dev - CHECK BALANCE 98891 USDC i

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwsme.transfer702.pages.dev - WITHDRAW FUNDS 1.2363 BTC 0

wwwsme.transfer702.pages.dev - WITHDRAW FUNDS 1.2363 BTC 0

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
wwwrix.transfer702.pages.dev - CHECK BALANCE 93846 USDT m

wwwrix.transfer702.pages.dev - CHECK BALANCE 93846 USDT m

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন