সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্ন ব্যাংক pdf, বিষয় সমূহ, মানবন্টন, রেজাল্ট এবং ভর্তি নির্দেশিকা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক পিডিএফ । ঢাবি ঘ ইউনিট এর বিগত ১০ বছরের প্রশ্নের সমন্বয়ে আমরা তৈরি করেছি “DU D Unit Question Bank PDF” । আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আপনি প্রতি বছরের প্রশ্ন আলাদা আলাদা এবং সম্পূর্ণ প্রশ্নব্যাংক একসাথে পিডিএফ আাকারে ডাউনলোড করতে পারবেন । তাই আর দেরি না করে ডাউনলোড করেবিস্তারিত পড়ুন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক পিডিএফ । ঢাবি ঘ ইউনিট এর বিগত ১০ বছরের প্রশ্নের সমন্বয়ে আমরা তৈরি করেছি “DU D Unit Question Bank PDF” । আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আপনি প্রতি বছরের প্রশ্ন আলাদা আলাদা এবং সম্পূর্ণ প্রশ্নব্যাংক একসাথে পিডিএফ আাকারে ডাউনলোড করতে পারবেন । তাই আর দেরি না করে ডাউনলোড করে নিন নিন ঢাবি ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক (Dhaka University Gha Unit Question Bank PDF)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক পিডিএফ
ঘ ইউনিট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার সমন্বিত ইউনিট । অর্থ্যাৎ যেকোন বিভাগের শিক্ষার্থীরাই এই এই ইউনিটে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারেন । ঘ ইউনিটে ৫৫ টি বিভাগের অধীনে মোট ১৫৬০ টি আসন রয়েছে । বিভিন্ন বিভাগের জন্য আলাদা আলাদা আসন বরাদ্দ রয়েছে । ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১০০ নম্বরে অনুষ্ঠিত হয় । ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ থেকে এমসিকিউ এর পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষাও যুক্ত করা হয় ।
ঘ ইউনিট এর নতুন মানবন্টন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টনে পরিবর্তন আনা হয়েছে । ঢাবি ঘ ইউনিটে ২০০ নম্বরের পরিবর্তে ১০০ নম্বর করা হয়েছে । যার মধ্যে ৬০ নম্বর এমসিকিউ, ৪০ নম্বর লিখিত এবং ২০ নম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফলের উপর ভিত্তি করে ।
ঢাবি ঘ ইউনিট প্রশ্নব্যাংক
ঢাকা বিশ্বদ্যিালয় ঘ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহনের পূর্বে অবশ্যই ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীকে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন ও মানবন্টন সম্পর্কে জানতে হবে । কারন প্রশ্নের মান বন্টন ও বিষয়ের উপর প্রস্তুতি নির্ভর করে । তাই ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের মান , ধরন ও বিষয় সম্পর্কে সম্যক ধারণা নিতে হলে আপনাকে অবশ্যই বিগত বছরের প্রশ্নগুলো দেখতে হবে । আর ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখেই আমরা তৈরি করেছি “DU D Unit Question Bank PDF Version” । এতে করে আপনি সহজেই প্রশ্নপত্র গুলো দেখতে পারছেন এবং ডাউনলোড করে নিতে পারছেন । নিচে ঢাবি ঘ ইউনিট এর ১০ বছরের প্রশ্ন পিডিএফ আকারে দেওয়া হল । আপনার চাহিদামত ডাউনলোড করে নিন ।
DU D Unit Question Bank PDF
ধন্যবাদ!
সূত্রঃ admissionwar
জিংক বি ট্যাবলেট ও বাচ্চাদের জিংক সিরাপ এর উপকারিতা কি? zinc 20 mg b tablet এর কাজ কি?
নির্দেশনা ইহা জিংক এবং বি ভিটামিন সমূহের ঘাটতি পূরণে এবং প্রতিরোধমূলক চিকিৎসায় নির্দেশিত। ফার্মাকোলজি জিংক অনেক বায়োলজিক্যাল ফাংশন যেমন-রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ক্ষত সারানো, পরিপাক, প্রজনন, শারীরিক বৃদ্ধি এবং মানসিক বিকাশের জন্য অপরিহার্য। জিংক গর্ভাবস্থায়, শৈশব এবং কৈশোরে স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবংবিস্তারিত পড়ুন
নির্দেশনা
ইহা জিংক এবং বি ভিটামিন সমূহের ঘাটতি পূরণে এবং প্রতিরোধমূলক চিকিৎসায় নির্দেশিত।
ফার্মাকোলজি
জিংক অনেক বায়োলজিক্যাল ফাংশন যেমন-রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ক্ষত সারানো, পরিপাক, প্রজনন, শারীরিক বৃদ্ধি এবং মানসিক বিকাশের জন্য অপরিহার্য। জিংক গর্ভাবস্থায়, শৈশব এবং কৈশোরে স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং গঠনে সহায়তা করে। জিংক এর কিছু এন্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতাও রয়েছে। শিশুদের এডিএইচডি (এটেনশন ডেফিসিট হাইপার-অ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার) চিকিৎসায়ও জিংক ব্যবহৃত হয়। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে জিংক এর অভাবে ক্ষুধামান্দ্য, স্বাদ এবং ঘ্রাণ গ্রহণের ক্ষমতা কমে যাওয়া, বিষণ্ণতার প্রবনতা, নখে সাদা দাগ, ঘন ঘন ইনফেকশন, দূর্বল প্রজনন ক্ষমতা, প্রস্টেট এর সমস্যা, মানসিক সমস্যা, দেরিতে ঘা শুকানো, দূর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, ডায়রিয়া, মানসিক দূর্বলতা, অমসৃন ত্বক ও ওজন হ্রাস হতে পারে।
বি-ভিটামিন খাদ্য থেকে শক্তি তৈরীতে প্রয়োজনীয়। শিশু ও বয়স্কদের সুস্থ মস্তিষ্ক ও স্নায়ুর সঠিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে এবং সুগঠিত লোহিত রক্ত কণিকা তৈরীতে বি ভিটামিনগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে শিশুর সঠিক বৃদ্ধি ও বিকাশে এটি বিশেষভাবে প্রয়োজনীয়। বি ভিটামিনের অভাবে প্রাপ্তবয়স্কদের গভীর অবসন্নতা এবং বিভিন্ন ধরনের স্নায়বিক সমস্যা যেমন- দূর্বলতা, ভারসাম্যহীনতা, দ্বিধাগ্রস্ততা, বিরক্তিভাব, স্মৃতিভ্রম, ভীতি, হাত-পা এ শির শির ভাব এবং সমন্বয়হীনতা দেখা দিতে পারে। এছাড়া বি-ভিটমিনের অভাবে নিদ্রা সমস্যা, বমি বমি ভাব, ক্ষুধামান্দ্য, ঘন ঘন ইনফেকশন এবং চর্মরোগ দেখা দেয়।
মাত্রা ও সেবনবিধি
সিরাপ
প্রাপ্ত বয়স্ক: দৈনিক ১০ মিঃলিঃ (২ চা-চামচ করে), ২-৩ বার বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
বাচ্চা: দৈনিক ১০ মিঃলিঃ (২ চা-চামচ করে), ১-৩ বার বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
শিশু: দৈনিক ৫ মিঃলিঃ (১ চা-চামচ করে), ১-২ বার বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
ট্যাবলেট
প্রাপ্ত বয়স্ক এবং শিশু যাদের ওজন ৩০ কেজি এর উপরে: ১ থেকে ২ টি ট্যাবলেট প্রতিদিন ২ থেকে ৩ বার বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
* চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ঔষধ সেবন করুন’
সূত্রঃ MedEx
সংক্ষেপে দেখুনকোন দেশের মেয়েরা সবচেয়ে বেশি সুন্দরী হয়? বিশ্ব সুন্দরী দের ছবি
আমি কোন তর্কে যাবো না। প্রত্যেক দেশেই সুন্দরী রমণী রয়েছে। তবে যে দেশগুলোতে বেশিরভাগ মেয়েরা সুন্দরী সেইসব দেশগুলোর রমণীদের কিছু ছবি তুলে ধরছি। তবে ১ম, ২য় এমন স্তরে সাজাইনি। আপনি চাইলে নিচে কমেন্ট করে কোন দেশের নারী আপনার বেশি সুন্দরী মনে হয়েছে তা জানাতে পারেন। ভেনিজুয়েলা সুন্দরী লুথেনিয়া সুন্দরী রাশিবিস্তারিত পড়ুন
আমি কোন তর্কে যাবো না। প্রত্যেক দেশেই সুন্দরী রমণী রয়েছে। তবে যে দেশগুলোতে বেশিরভাগ মেয়েরা সুন্দরী সেইসব দেশগুলোর রমণীদের কিছু ছবি তুলে ধরছি। তবে ১ম, ২য় এমন স্তরে সাজাইনি। আপনি চাইলে নিচে কমেন্ট করে কোন দেশের নারী আপনার বেশি সুন্দরী মনে হয়েছে তা জানাতে পারেন।
ভেনিজুয়েলা সুন্দরী
লুথেনিয়া সুন্দরী
রাশিয়ান সুন্দরী
ইতালীয় সুন্দরী
সার্বিয়ান সুন্দরী
এবার আপনি বলুন, কোন দেশের সুন্দরী কে আপনার বেস্ট মনে হয়েছে। কমেন্টে জানান।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিটের প্রশ্ন ব্যাংক pdf , বিষয়সমূহ, আসন সংখ্যা ও রেজাল্ট
ধন্যবাদ, আপনার উত্তরটি অনেকের কাজে লাগবে। 👍
ধন্যবাদ, আপনার উত্তরটি অনেকের কাজে লাগবে। 👍
সংক্ষেপে দেখুনঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন এবং রেজাল্ট pdf
ধন্যবাদ, উত্তরটি অনেকের জন্য অনেক হেল্পফুল হবে। 👍
ধন্যবাদ, উত্তরটি অনেকের জন্য অনেক হেল্পফুল হবে। 👍
সংক্ষেপে দেখুনamit 10 mg এর কাজ কি এবং এটি কিসের ঔষধ?
Amit 10 mg কাজ এ্যামিট্রিপটাইলিন একটি ট্রাইসাইক্লিক ঔষধ যার এন্টিকোলিনারজিক এবং বিষণ্নতারােধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ইহা স্নায়ু প্রান্তে নরএড্রিনালিন এবং সেরােটনিন পুনগ্রহণে বাধা দেয়। এ্যামিট্রিপটাইলিন হাইড্রোক্লোরাইড পরিপাকনালীতে দ্রুত শােষিত হয়। প্রায় ২ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে প্লাজমাতে সর্বোচ্চ মাত্রবিস্তারিত পড়ুন
Amit 10 mg কাজ
এ্যামিট্রিপটাইলিন একটি ট্রাইসাইক্লিক ঔষধ যার এন্টিকোলিনারজিক এবং বিষণ্নতারােধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ইহা স্নায়ু প্রান্তে নরএড্রিনালিন এবং সেরােটনিন পুনগ্রহণে বাধা দেয়। এ্যামিট্রিপটাইলিন হাইড্রোক্লোরাইড পরিপাকনালীতে দ্রুত শােষিত হয়। প্রায় ২ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে প্লাজমাতে সর্বোচ্চ মাত্রায় পৌছায়। এ্যামিট্রিপটাইলিন প্রধানত মেটাবােলাইট হিসেবে প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে নিঃসৃত হয়।
মাত্রা ও সেবনবিধি
বিষণ্ণতায়: প্রাথমিক অবস্থায় ৭৫ মিঃগ্রাঃ (বয়োঃবৃদ্ধ ও কৈশোর-এ ৩০-৭৫ মিঃগ্রাঃ) প্রতিদিন বিভাজিত মাত্রায় অথবা একক মাত্রায় ঘুমানোর সময়। প্রয়োজন অনুযায়ী মাত্রা ধীরে ধীরে ১৫০-২০০ মিঃগ্রাঃ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যাবে। ১৬ বছরের নীচে শিশুদের বিষণ্ণতা রোগে এটি নির্দেশিত নয়।
শিশুদের রাত্রিতে বিছানায় মূত্রত্যাগে: ৭-১০ বছরের শিশুদের: ১০-২০ মিঃগ্রাঃ, ১১-১৬ বছরের শিশুদের: ২৫-৫০ মিঃগ্রাঃ ট্যাবলেট রাতে সেবন করতে হবে। চিকিৎসার সর্বোচ্চ সময়সীমা (ধীরে ধীরে মাত্রা কমানো সহ) ৩ মাস, পুনরায় চিকিৎসা করানোর পূর্বে সম্পূর্ণ দৈহিক পরীক্ষা করাতে হবে।
মাইগ্রেন প্রতিরোধে: প্রতিদিন ১০০ মিঃ গ্রাঃ।
দুঃশ্চিন্তা জনিত মাথা ব্যাথায়: ১০-২৫ মিঃ গ্রাঃ করে প্রতিদিন ৩ বার।
* চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ঔষধ সেবন করুন’
সংক্ষেপে দেখুনক্সক্সক্স সং লিরিক্স ভিডিও খায় না মাথায় দেয়?
ভাই, এটা মানুষ খাওয়া বা মাথায় দেয়ার কাজ করে না। এগুলা মানুষ শোনে। এগুলো কিছু বিখ্যাত গান। যেগুলো ইউটিউবে লিরিক্স সহ পাওয়া যায়। আপনি হয়তো বুঝবেন না, কিন্তু অনেকেই এই গানগুলো শোনে। আপনিও শুনে দেখতে পারেন। কিছু গান লিরিক্স সহ নিচে দিয়ে দিলাম। দেখে নিয়েন। 🤪 https://youtu.be/sSOS3Ssf6kc https://youtu.be/বিস্তারিত পড়ুন
ভাই, এটা মানুষ খাওয়া বা মাথায় দেয়ার কাজ করে না। এগুলা মানুষ শোনে। এগুলো কিছু বিখ্যাত গান। যেগুলো ইউটিউবে লিরিক্স সহ পাওয়া যায়। আপনি হয়তো বুঝবেন না, কিন্তু অনেকেই এই গানগুলো শোনে। আপনিও শুনে দেখতে পারেন। কিছু গান লিরিক্স সহ নিচে দিয়ে দিলাম। দেখে নিয়েন। 🤪
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনছাগল পালন পদ্ধতি, মোটাতাজাকরণ, খাদ্য তালিকা এবং ছাগলের বাচ্চার দাম
ছাগলের কাশির চিকিৎসা করতে ছাগলের কাশির ঔষধ তৈরি করার পূর্ণাঙ্গ রেসিপি যেটি সম্পূর্ণ আয়ুর্বেদিক পদ্ধতিতে ঘরোয়া ভাবে ছাগলের কাশির সিরাপ কিভাবে তৈরি করবেন? • যে সকল বন্ধুরা ফার্মিং এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, অবশ্যই আপনারা বলতে পারবেন, অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসায় ছাগলের কাশি সহজে ভালো হয় না। ছাগলের কাশি সারাবিস্তারিত পড়ুন
ছাগলের কাশির চিকিৎসা করতে ছাগলের কাশির ঔষধ তৈরি করার পূর্ণাঙ্গ রেসিপি যেটি সম্পূর্ণ আয়ুর্বেদিক পদ্ধতিতে ঘরোয়া ভাবে ছাগলের কাশির সিরাপ কিভাবে তৈরি করবেন?
• যে সকল বন্ধুরা ফার্মিং এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, অবশ্যই আপনারা বলতে পারবেন, অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসায় ছাগলের কাশি সহজে ভালো হয় না। ছাগলের কাশি সারানোর জন্য বিভিন্ন রকমের সিরাপ ট্যাবলেট আপনারা ব্যবহার করেছেন। কিন্তু ছাগলের কাশি সারাতে পারেননি।
• একবার আমার এই আয়ুর্বেদিক ঘরোয়া পদ্ধতিতে ঔষধটি তৈরি করে ব্যবহার করে দেখতে পারেন কতটা কার্যকরী। যে সকল বন্ধুরা অনেকদিন ধরে গোট ফার্মিং করে আসছেন, অবশ্যই আমি আজকে যে আলোচনাটা করব একদম মনোযোগ সহকারে পড়বেন এবং কতটা সত্য তা কমেন্ট করে জানাবেন।
• আপনার ফার্মের কোন ছাগল যখন অসুস্থ হয় বেশিরভাগ ট্রিটমেন্ট কিন্তু আপনি অ্যালোপ্যাথিক পদ্ধতিতেই করে থাকেন। কিন্তু একটা কথা ভালোভাবে লক্ষ্য রাখবে অ্যালোপ্যাথি ট্রিটমেন্ট করতেছেন, যে এন্টিবায়োটিক বা যে মেডিসিন ব্যবহার করতেছে তার সাইডএফেক্ট কিছুদিন পরে দেখা যায়।
• অ্যালোপ্যাথিক খাওয়ানোর ছাগলটা সুস্থ হয়ে গেল, কিন্তু সুস্থ হয়ে যাওয়ার পরেও কিন্তু তার শরীরটা দুর্বল হয়ে যায়। সেটা হচ্ছে মেডিসিনের সাইডএফেক্ট। এরপরে শরীরে যতটা ঘাটতি হয়ে যায় সেটাকে রিকভার করতে অনেক দিন সময় লেগে যায়।
• অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় কিছু কিছু ছাগল যাদের শরীরের ইমিউনিটি কম, তাদের রিকভার করতে তিন চার মাস থাকতে পারে। তাতে হয় কি, সে দ্রুত হিটে আসে না বা যদি গর্ভবতী অবস্থায় ট্রিটমেন্ট করা হয়, সে সময় যদি বাচ্চা দেয় বাচ্চাটাও কমজোর হয়। শরীরে যথেষ্ট নিউট্রিশনের ঘাটতি ফলে তার দুধও কম হয়। এজন্য বেশিরভাগ সময় চেষ্টা করবেন আয়ুর্বেদিক এবং হোমিওপ্যাথি ট্রিটমেন্ট করতে তাহলে কিন্তু এই ধরণের সমস্যাগুলো হবে না।
• যেগুলো খুব কঠিন সমস্যা যেগুলোর ক্ষেত্রে আয়ুর্বেদিক কাজ হবে না সে ক্ষেত্রে আপনি অ্যালোপ্যাথি ট্রিটমেন্ট করতে পারেন। কিন্তু বাকি যে নরমাল রোগগুলো হয় সেক্ষেত্রে চেষ্টা রাখবেন ঘরোয়া আয়ুর্বেদিক বা হোমিও চিকিৎসা করার আজকে আলোচনা করব ছাগলের যে কাশি হয় সে কাশির জন্য নিজেরাই কিভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ আয়ুর্বেদিক মেডিসিন তৈরি করবেন? এই কাশির ঔষধ তৈরির কাঁচামাল কি?
ছাগলের কাশির ঔষধ তৈরির কাঁচামালঃ
(১) শিউলি পাতা = ১৫০ গ্রাম কাচা অবস্থায়।
(২) বাসক পাতা = ১৫০ গ্রাম নিবেন।
(৩) রাম তুলসী বা বন তুলসী যেটাকে বলা হয় = ১৫০ গ্রাম।
(৪) পিপুল বা পিপলি = ১৫০ গ্রাম ।
(৫) এরপর আপনাকে আরেকটি তুলসী নিতে হবে, যেটা সাধারনত গ্রামেগঞ্জে হিন্দুদের বাড়িতে থাকে, সেটা নিতে হবে = ১৫০ গ্রাম।
(৬) এরপরে আপনাদের নিতে হবে গোলমরিচ যেটা মসলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে সেটাকে শুকিয়ে আধভাঙা করে নেবেন = 25 গ্রাম।
(৭) এরপর আরেকটি মসলাজাতীয় আপনাকে লবঙ্গ বা যেটাকে লং বলা হয়ে থাকে এটাকে নিয়ে নেবেন এটাকেও সেটাকে শুকিয়ে আধ ভাঙ্গা করে নেবেন = 25 গ্রাম।
(৮) সবার শেষে নিতে হবে আপনাকে তালমিস্ত্রী = 50 গ্রাম।
বি:দ্র: অনেকেই হয়ত জানেন না পিপুল পাতা কাকে বলা হয় এটি পান জাতীয় গাছ, গাছের মধ্যে সরু সরু লম্বা লম্বা ফল থাকে দেখলে বুঝতে পারবেন। এটি বাঁশঝার, সুপারি বাগানের বা জঙ্গলের মধ্যে হয়ে থাকে।এর ফলগুলো শুকিয়ে সংরক্ষণ করতে হয়। এছাড়াও একটি দোকানে কিনতে পাবেন সেটা যে দশকর্মার দোকান থাকে সে দশকর্মা দোকানে কিনতে পাবেন। যাদের আশেপাশে এই গাছগুলি দেখবেন এর ফলগুলি ছিঁড়ে রোদে রেখে দেবেন। যখন মেডিসিন তৈরি করবেন সেটাকে সরাসরি ব্যবহার করতে পারবেন। যাদের আশেপাশে নেই আপনারা দোকান থেকে কিনে নেবেন, পিপুল বা পিপলি বললেই দোকানদার বুঝে যাবে।
ছাগলের কাশির সিরাপ তৈরির পক্রিয়াঃ
(১) সবগুলোকে একসঙ্গে আধভাঙা করে নেবেন।
(২) নেওয়ার পর তিন লিটার জলের মধ্যে এই উপাদান গুলি দিয়ে দিতে হবে।
(৩) এর পরে তাকে কম তাপে জাল করতে হবে। যত কম তাপ দিয়ে বেশি সময় ধরে আপনারা জাল করবেন তত ভালো মেডিসিন তৈরি হবে।
(৪) তিন লিটারকে জ্বাল করতে করতে আপনাকে এক লিটারে নিয়ে আসতে হবে।
(৫) এই এক লিটার ঠান্ডা করে ছাকনি দিয়ে সংরক্ষন করে রেখে দিতে হবে।
ছাগলের কাশির চিকিৎসা করতে ঔষধ প্রয়োগবিধিঃ
(১) যাদের শুকনো কাশি বা সর্দি কাশি থাকে সেক্ষেত্রে একটা কুঁড়ি কেজি ওজনের ছাগলকে ৫মিলি করে দিতে হবে।
(২) সারা দিনে তিন বার এই কাশের সিরাপ ঔষধ খাওয়াবেন।
(৩) এই মেডিসিন টা যদি তৈরি করে যদি আপনারা ফার্মে সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন তাহলে ছোট বাচ্চা প্রেগনেন্ট, প্রেগনেন্ট ছাড়া সব ধরনের ছাগলকে আপনারা সরাসরি ব্যবহার করতে পারবেন। এর কোন সাইডএফেক্ট নেই।
(৪) যদি কোনো মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে চান একইভাবে আপনারা মানুষের ক্ষেত্রে কিন্তু এটাকে ব্যবহার করতে পারবেন।
ধন্যবাদ!
সূত্রঃ ইন্টারনেট
সংক্ষেপে দেখুনসুরা মুলক বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ ছবি, আরবি থেকে বাংলা লেখা
সূরা মূলক (Surah Al-Mulk) কুরআন শরীফের ৬৭ তম সূরা। আয়াত সংখ্যা ৩০। আসুন জেনে নেই সূরা মূলকের বাংলা অনুবাদ - উচ্চারণ - অর্থ এবং ফযিলত সম্পর্কে। উচ্চারণ ও অর্থঃ 1 تَبَٰرَكَ ٱلَّذِى بِيَدِهِ ٱلْمُلْكُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ তাবা-রাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলকু ওয়া হুওয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন কাদীরবিস্তারিত পড়ুন
সূরা মূলক (Surah Al-Mulk) কুরআন শরীফের ৬৭ তম সূরা। আয়াত সংখ্যা ৩০। আসুন জেনে নেই সূরা মূলকের বাংলা অনুবাদ – উচ্চারণ – অর্থ এবং ফযিলত সম্পর্কে।
উচ্চারণ ও অর্থঃ
1 تَبَٰرَكَ ٱلَّذِى بِيَدِهِ ٱلْمُلْكُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ তাবা-রাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলকু ওয়া হুওয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন কাদীর।
পূণ্যময় তিনি, যাঁর হাতে রাজত্ব। তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান। Blessed be He in Whose hands is Dominion; and He over all things hath Power;-
2 ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلْمَوْتَ وَٱلْحَيَوٰةَ لِيَبْلُوَكُمْ أَيُّكُمْ أَحْسَنُ عَمَلًا وَهُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْغَفُورُ আল্লাযী খালাকাল মাওতা ওয়াল হায়া-তা লিইয়াবলুওয়াকুম আইয়ুকুম আহছানু‘আমালাওঁ ওয়া হুওয়াল ‘আঝীঝুল গাফূর।
যিনি সৃষ্টি করেছেন মরণ ও জীবন, যাতে তোমাদেরকে পরীক্ষা করেন-কে তোমাদের মধ্যে কর্মে শ্রেষ্ঠ? তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাময়। He Who created Death and Life, that He may try which of you is best in deed: and He is the Exalted in Might, Oft-Forgiving;-
3 ٱلَّذِى خَلَقَ سَبْعَ سَمَٰوَٰتٍ طِبَاقًا مَّا تَرَىٰ فِى خَلْقِ ٱلرَّحْمَٰنِ مِن تَفَٰوُتٍ فَٱرْجِعِ ٱلْبَصَرَ هَلْ تَرَىٰ مِن فُطُورٍ আল্লাযী খালাকা ছাব‘আ ছামা-ওয়া-তিন তিবা-কান মা- তারা- ফী খালকির রাহমা-নি মিন তাফা-উত ফারজি‘ইল বাসারা হাল তারা- মিন ফুতূর।
তিনি সপ্ত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। তুমি করুণাময় আল্লাহ তা’আলার সৃষ্টিতে কোন তফাত দেখতে পাবে না। আবার দৃষ্টিফেরাও; কোন ফাটল দেখতে পাও কি? He Who created the seven heavens one above another: No want of proportion wilt thou see in the Creation of (Allah) Most Gracious. So turn thy vision again: seest thou any flaw?
4 ثُمَّ ٱرْجِعِ ٱلْبَصَرَ كَرَّتَيْنِ يَنقَلِبْ إِلَيْكَ ٱلْبَصَرُ خَاسِئًا وَهُوَ حَسِيرٌ ছু ম্মার জি‘ইলবাসারা কাররাতাইনি ইয়ানকালিব ইলাইকাল বাসারু খা-ছিআওঁ ওয়া হুওয়া হাছীর।
অতঃপর তুমি বার বার তাকিয়ে দেখ-তোমার দৃষ্টি ব্যর্থ ও পরিশ্রান্ত হয়ে তোমার দিকে ফিরে আসবে। Again turn thy vision a second time: (thy) vision will come back to thee dull and discomfited, in a state worn out.
5 وَلَقَدْ زَيَّنَّا ٱلسَّمَآءَ ٱلدُّنْيَا بِمَصَٰبِيحَ وَجَعَلْنَٰهَا رُجُومًا لِّلشَّيَٰطِينِ وَأَعْتَدْنَا لَهُمْ عَذَابَ ٱلسَّعِيرِ ওয়া লাকাদ ঝাইয়ান্নাছ ছামাআদ্দুনইয়া- বিমাসা-বীহা ওয়াজা‘আলনা- হা- রুজূমাল লিশশায়া-তীনি ওয়া আ‘তাদনা- লাহুম ‘আযা- বাছছা‘ঈর।
আমি সর্বনিম্ন আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সুসজ্জত করেছি; সেগুলোকে শয়তানদের জন্যে ক্ষেপণাস্ত্রবৎ করেছি এবং প্রস্তুত করে রেখেছি তাদের জন্যে জলন্ত অগ্নির শাস্তি। And we have, (from of old), adorned the lowest heaven with Lamps, and We have made such (Lamps) (as) missiles to drive away the Evil Ones, and have prepared for them the Penalty of the Blazing Fire.
6 وَلِلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِرَبِّهِمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ وَبِئْسَ ٱلْمَصِيرُ ওয়া লিল্লাযীনা কাফারূবিরাব্বিহিম ‘আযা- বুজাহান্নামা ওয়াবি’ছাল মাসীর।
যারা তাদের পালনকর্তাকে অস্বীকার করেছে তাদের জন্যে রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি। সেটা কতই না নিকৃষ্ট স্থান। For those who reject their Lord (and Cherisher) is the Penalty of Hell: and evil is (such), Destination.
7 إِذَآ أُلْقُوا۟ فِيهَا سَمِعُوا۟ لَهَا شَهِيقًا وَهِىَ تَفُورُ ইযাউলকূফীহা- ছামি‘উ লাহা- শাহীকাওঁ ওয়াহিয়া তাফূর।
যখন তারা তথায় নিক্ষিপ্ত হবে, তখন তার উৎক্ষিপ্ত গর্জন শুনতে পাবে। When they are cast therein, they will hear the (terrible) drawing in of its breath even as it blazes forth,
8 تَكَادُ تَمَيَّزُ مِنَ ٱلْغَيْظِ كُلَّمَآ أُلْقِىَ فِيهَا فَوْجٌ سَأَلَهُمْ خَزَنَتُهَآ أَلَمْ يَأْتِكُمْ نَذِيرٌ তাকা- দুতামাইয়াঝুমিনাল গাইজি কুল্লামাউলকিয়া ফীহা- ফাওজুন ছাআলাহুম খাঝানাতুহাআলাম ইয়া’তিকুম নাযীর।g
ক্রোধে জাহান্নাম যেন ফেটে পড়বে। যখনই তাতে কোন সম্প্রদায় নিক্ষিপ্ত হবে তখন তাদেরকে তার সিপাহীরা জিজ্ঞাসা করবে। তোমাদের কাছে কি কোন সতর্ককারী আগমন করেনি? Almost bursting with fury: Every time a Group is cast therein, its Keepers will ask, “Did no Warner come to you?”
9 قَالُوا۟ بَلَىٰ قَدْ جَآءَنَا نَذِيرٌ فَكَذَّبْنَا وَقُلْنَا مَا نَزَّلَ ٱللَّهُ مِن شَىْءٍ إِنْ أَنتُمْ إِلَّا فِى ضَلَٰلٍ كَبِيرٍ কা- লূবালা- কাদ জাআনা- নাযীরুন ফাকাযযাবনা- ওয়া কুলনা- মানাঝঝালাল্লা- হু মিন শাইয়িন ইন আনতুম ইল্লা- ফী দালা- লিন কাবীর।
তারা বলবেঃ হ্যাঁ আমাদের কাছে সতর্ককারী আগমন করেছিল, অতঃপর আমরা মিথ্যারোপ করেছিলাম এবং বলেছিলামঃ আল্লাহ তা’আলা কোন কিছু নাজিল করেননি। তোমরা মহাবিভ্রান্তিতে পড়ে রয়েছ। They will say: “Yes indeed; a Warner did come to us, but we rejected him and said, ‘Allah never sent down any (Message): ye are nothing but an egregious delusion!'”
10 وَقَالُوا۟ لَوْ كُنَّا نَسْمَعُ أَوْ نَعْقِلُ مَا كُنَّا فِىٓ أَصْحَٰبِ ٱلسَّعِيرِ ওয়া কা-লূলাও কুন্না- নাছমা‘উ আও না‘কিলুমা- কুন্না-ফীআসহা-বিছছা‘ঈর।
তারা আরও বলবেঃ যদি আমরা শুনতাম অথবা বুদ্ধি খাটাতাম, তবে আমরা জাহান্নামবাসীদের মধ্যে থাকতাম না। They will further say: “Had we but listened or used our intelligence, we should not (now) be among the Companions of the Blazing Fire!”
11 فَٱعْتَرَفُوا۟ بِذَنۢبِهِمْ فَسُحْقًا لِّأَصْحَٰبِ ٱلسَّعِيرِ ফা‘তারাফূবিযামবিহিম ফাছুহক্বললিআসহা-বিছ ছা‘ঈর।
অতঃপর তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করবে। জাহান্নামীরা দূর হোক। They will then confess their sins: but far will be (Forgiveness) from the Companions of the Blazing Fire!
12 إِنَّ ٱلَّذِينَ يَخْشَوْنَ رَبَّهُم بِٱلْغَيْبِ لَهُم مَّغْفِرَةٌ وَأَجْرٌ كَبِيرٌ ইন্নাল্লাযীনা ইয়াখশাওনা রাব্বাহুম বিলগাইবি লাহুম মাগফিরাতুওঁ ওয়া আজরুন কাবীর।
নিশ্চয় যারা তাদের পালনকর্তাকে না দেখে ভয় করে, তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার। As for those who fear their Lord unseen, for them is Forgiveness and a great Reward. As for those who fear their Lord unseen, for them is Forgiveness and a great Reward.
13 وَأَسِرُّوا۟ قَوْلَكُمْ أَوِ ٱجْهَرُوا۟ بِهِۦٓ إِنَّهُۥ عَلِيمٌۢ بِذَاتِ ٱلصُّدُورِ ওয়া আছিররূকাওলাকুম আবিজহারূবিহী ইন্নাহূ‘আলীমুম বিযা- তিসসুদূ র।
তোমরা তোমাদের কথা গোপনে বল অথবা প্রকাশ্যে বল, তিনি তো অন্তরের বিষয়াদি সম্পর্কে সম্যক অবগত। And whether ye hide your word or publish it, He certainly has (full) knowledge, of the secrets of (all) hearts.
14 أَلَا يَعْلَمُ مَنْ خَلَقَ وَهُوَ ٱللَّطِيفُ ٱلْخَبِيرُ আলা- ইয়া‘লামুমান খালাকা ওয়া হুওয়াল্লাতীফুল খাবীর।
যিনি সৃষ্টি করেছেন, তিনি কি করে জানবেন না? তিনি সূক্ষ্নজ্ঞানী, সম্যক জ্ঞাত। Should He not know,- He that created? and He is the One that understands the finest mysteries (and) is well-acquainted (with them).
15 هُوَ ٱلَّذِى جَعَلَ لَكُمُ ٱلْأَرْضَ ذَلُولًا فَٱمْشُوا۟ فِى مَنَاكِبِهَا وَكُلُوا۟ مِن رِّزْقِهِۦ وَإِلَيْهِ ٱلنُّشُورُ হুওয়াল্লাযী জা‘আলা লাকুমুল আরদা যালূলান ফামশূফী মানা-কিবিহা- ওয়া কুলূমির রিঝকিহী ওয়া ইলাইহিন নুশূর।
তিনি তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে সুগম করেছেন, অতএব, তোমরা তার কাঁধে বিচরণ কর এবং তাঁর দেয়া রিযিক আহার কর। তাঁরই কাছে পুনরুজ্জীবন হবে। It is He Who has made the earth manageable for you, so traverse ye through its tracts and enjoy of the Sustenance which He furnishes: but unto Him is the Resurrection.
16 ءَأَمِنتُم مَّن فِى ٱلسَّمَآءِ أَن يَخْسِفَ بِكُمُ ٱلْأَرْضَ فَإِذَا هِىَ تَمُورُ আ আমিনতুম মান ফিছছামাই আইঁ ইয়াখছিফা বিকুমুল আরদা ফাইযা- হিয়া তামূর।
তোমরা কি ভাবনামুক্ত হয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি আছেন তিনি তোমাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দেবেন, অতঃপর তা কাঁপতে থাকবে। Do ye feel secure that He Who is in heaven will not cause you to be swallowed up by the earth when it shakes (as in an earthquake)?
17 أَمْ أَمِنتُم مَّن فِى ٱلسَّمَآءِ أَن يُرْسِلَ عَلَيْكُمْ حَاصِبًا فَسَتَعْلَمُونَ كَيْفَ نَذِيرِ আম আমিনতুম মান ফিছছামাই আইঁ ইউরছিলা ‘আলাইকুম হা-সিবান ফাছাতা‘লামূনা কাইফা নাযীর।
না তোমরা নিশ্চিন্ত হয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি আছেন, তিনি তোমাদের উপর প্রস্তর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, অতঃপর তোমরা জানতে পারবে কেমন ছিল আমার সতর্কবাণী। Or do ye feel secure that He Who is in Heaven will not send against you a violent tornado (with showers of stones), so that ye shall know how (terrible) was My warning?
18 وَلَقَدْ كَذَّبَ ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ فَكَيْفَ كَانَ نَكِيرِ ওয়া লাকাদ কাযযাবাল্লাযীনা মিন কাবলিহিম ফাকাইফা কা- না নাকীর।
তাদের পূর্ববর্তীরা মিথ্যারোপ করেছিল, অতঃপর কত কঠোর হয়েছিল আমার অস্বীকৃতি। But indeed men before them rejected (My warning): then how (terrible) was My rejection (of them)?
19 أَوَلَمْ يَرَوْا۟ إِلَى ٱلطَّيْرِ فَوْقَهُمْ صَٰٓفَّٰتٍ وَيَقْبِضْنَ مَا يُمْسِكُهُنَّ إِلَّا ٱلرَّحْمَٰنُ إِنَّهُۥ بِكُلِّ شَىْءٍۭ بَصِيرٌ আওয়ালাম ইয়ারাও ইলাত্তাইরি ফাওকাহুম সাফফা-তিওঁ ওয়াইয়াকবিদন । মাইউমছিকুহুন্না ইল্লাররাহমা-নু ইন্নাহূবিকুল্লি শাইয়িম বাসীর।
তারা কি লক্ষ্য করে না, তাদের মাথার উপর উড়ন্ত পক্ষীকুলের প্রতি পাখা বিস্তারকারী ও পাখা সংকোচনকারী? রহমান আল্লাহ-ই তাদেরকে স্থির রাখেন। তিনি সর্ব-বিষয় দেখেন। Do they not observe the birds above them, spreading their wings and folding them in? None can uphold them except (Allah) Most Gracious: Truly (Allah) Most Gracious: Truly it is He that watches over all things.
20 أَمَّنْ هَٰذَا ٱلَّذِى هُوَ جُندٌ لَّكُمْ يَنصُرُكُم مِّن دُونِ ٱلرَّحْمَٰنِ إِنِ ٱلْكَٰفِرُونَ إِلَّا فِى غُرُورٍ আম্মান হা-যাল্লাযী হুওয়া জুনদুল্লাকুম ইয়ানসুরুকুম মিন দূ নিররাহমা-নি ইনিল কাফিরূনা ইল্লা- ফী গুরূর।
রহমান আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত তোমাদের কোন সৈন্য আছে কি, যে তোমাদেরকে সাহায্য করবে? কাফেররা বিভ্রান্তিতেই পতিত আছে। Nay, who is there that can help you, (even as) an army, besides (Allah) Most Merciful? In nothing but delusion are the Unbelievers.
21 أَمَّنْ هَٰذَا ٱلَّذِى يَرْزُقُكُمْ إِنْ أَمْسَكَ رِزْقَهُۥ بَل لَّجُّوا۟ فِى عُتُوٍّ وَنُفُورٍ আম্মান হা- যাল্লাযী ইয়ারঝকুকুম ইন আমছাকা রিঝকাহূ বাল্লাজ্জূফী ‘উতুওবিওয়া নুফূর।
তিনি যদি রিযিক বন্ধ করে দেন, তবে কে আছে, যে তোমাদেরকে রিযিক দিবে বরং তারা অবাধ্যতা ও বিমুখতায় ডুবে রয়েছে। Or who is there that can provide you with Sustenance if He were to withhold His provision? Nay, they obstinately persist in insolent impiety and flight (from the Truth).
22 أَفَمَن يَمْشِى مُكِبًّا عَلَىٰ وَجْهِهِۦٓ أَهْدَىٰٓ أَمَّن يَمْشِى سَوِيًّا عَلَىٰ صِرَٰطٍ مُّسْتَقِيمٍ আফামাইঁ ইয়ামশী মুকিব্বান ‘আলা- ওয়াজহিহী আহদা আম্মাইঁ ইয়ামশী ছাবি ইয়ান ‘আলা-সিরা-তিমমুছতাকীম।
যে ব্যক্তি উপুড় হয়ে মুখে ভর দিয়ে চলে, সে-ই কি সৎ পথে চলে, না সে ব্যক্তি যে সোজা হয়ে সরলপথে চলে Is then one who walks headlong, with his face grovelling, better guided,- or one who walks evenly on a Straight Way?
23 قُلْ هُوَ ٱلَّذِىٓ أَنشَأَكُمْ وَجَعَلَ لَكُمُ ٱلسَّمْعَ وَٱلْأَبْصَٰرَ وَٱلْأَفْـِٔدَةَ قَلِيلًا مَّا تَشْكُرُونَ কুল হুওয়াল্লাযীআনশাআকুম ওয়া জা‘আলা লাকুমুছছাম‘আ ওয়াল আবসা-রা ওয়াল আফইদাতা কালীলাম মা-তাশকুরূন।
বলুন, তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং দিয়েছেন কর্ণ, চক্ষু ও অন্তর। তোমরা অল্পই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। Say: “It is He Who has created you (and made you grow), and made for you the faculties of hearing, seeing, feeling and understanding: little thanks it is ye give.
24 قُلْ هُوَ ٱلَّذِى ذَرَأَكُمْ فِى ٱلْأَرْضِ وَإِلَيْهِ تُحْشَرُونَ কুল হুওয়াল্লাযী যারাআকুম ফিল আরদিওয়া ইলাইহি তুহশারূন।
বলুন, তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে বিস্তৃত করেছেন এবং তাঁরই কাছে তোমরা সমবেত হবে। Say: “It is He Who has multiplied you through the earth, and to Him shall ye be gathered together.”
25 وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَٰذَا ٱلْوَعْدُ إِن كُنتُمْ صَٰدِقِينَ ওয়া ইয়াকূলূনা মাতা-হা-যাল ওয়া‘দুইন কুনতুম সা-দিকীন।
কাফেররা বলেঃ এই প্রতিশ্রুতি কবে হবে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও? They ask: When will this promise be (fulfilled)? – If ye are telling the truth.
26 قُلْ إِنَّمَا ٱلْعِلْمُ عِندَ ٱللَّهِ وَإِنَّمَآ أَنَا۠ نَذِيرٌ مُّبِينٌ কুল ইন্নামাল ‘ইলমু‘ইনদাল্লা- হি ওয়া ইন্নামাআনা নাযীরুম মুবীন।
বলুন, এর জ্ঞান আল্লাহ তা’আলার কাছেই আছে। আমি তো কেবল প্রকাশ্য সতর্ককারী। Say: “As to the knowledge of the time, it is with Allah alone: I am (sent) only to warn plainly in public.”
27 فَلَمَّا رَأَوْهُ زُلْفَةً سِيٓـَٔتْ وُجُوهُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَقِيلَ هَٰذَا ٱلَّذِى كُنتُم بِهِۦ تَدَّعُونَ ফালাম্মা-রাআওহু ঝুলফাতান ছীআত ঊজূহুল্লাযীনা কাফারূওয়া কীলা হা-যাল্লাযী কুনতুম বিহী তাদ্দা‘ঊন।
যখন তারা সেই প্রতিশ্রুতিকে আসন্ন দেখবে তখন কাফেরদের মুখমন্ডল মলিন হয়ে পড়বে এবং বলা হবেঃ এটাই তো তোমরা চাইতে। At length, when they see it close at hand, grieved will be the faces of the Unbelievers, and it will be said (to them): “This is (the promise fulfilled), which ye were calling for!”
28 قُلْ أَرَءَيْتُمْ إِنْ أَهْلَكَنِىَ ٱللَّهُ وَمَن مَّعِىَ أَوْ رَحِمَنَا فَمَن يُجِيرُ ٱلْكَٰفِرِينَ مِنْ عَذَابٍ أَلِيمٍ কুল আরাআইতুম ইন আহলাকানিয়াল্লা-হু ওয়া মাম্মা‘ইয়া আও রাহিমানা- ফামাইঁ ইউজীরুল কা-ফিরীনা মিন ‘আযা-বিন আলীম।
বলুন, তোমরা কি ভেবে দেখেছ-যদি আল্লাহ তা’আলা আমাকে ও আমার সংগীদেরকে ধ্বংস করেন অথবা আমাদের প্রতি দয়া করেন, তবে কাফেরদেরকে কে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে রক্ষা করবে? Say: “See ye?- If Allah were to destroy me, and those with me, or if He bestows His Mercy on us,- yet who can deliver the Unbelievers from a grievous Penalty?”
29 قُلْ هُوَ ٱلرَّحْمَٰنُ ءَامَنَّا بِهِۦ وَعَلَيْهِ تَوَكَّلْنَا فَسَتَعْلَمُونَ مَنْ هُوَ فِى ضَلَٰلٍ مُّبِينٍ কুল হুওয়াররাহমা-নুআ-মান্না-বিহী ওয়া‘আলাইহি তাওয়াক্কালনা-, ফাছাতা‘লামূনা মান হুওয়া ফী দালা-লিম মুবীন।
বলুন, তিনি পরম করুণাময়, আমরা তাতে বিশ্বাস রাখি এবং তাঁরই উপর ভরসা করি। সত্ত্বরই তোমরা জানতে পারবে, কে প্রকাশ্য পথ-ভ্রষ্টতায় আছে। Say: “He is (Allah) Most Gracious: We have believed in Him, and on Him have we put our trust: So, soon will ye know which (of us) it is that is in manifest error.”
30 قُلْ أَرَءَيْتُمْ إِنْ أَصْبَحَ مَآؤُكُمْ غَوْرًا فَمَن يَأْتِيكُم بِمَآءٍ مَّعِينٍۭ কুল আরাআইতুম ইন আসবাহা মাউকুম গাওরান ফামাইঁ ইয়া’তীকুম বিমাইম মা‘ঈন।
বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি তোমাদের পানি ভূগর্ভের গভীরে চলে যায়, তবে কে তোমাদেরকে সরবরাহ করবে পানির স্রোতধারা? Say: “See ye?- If your stream be some morning lost (in the underground earth), who then can supply you with clear-flowing water?”
সূরা মূলকের ফজিলত
১. তিরমিযী শরীফের মধ্যে একটি হাদীসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি দৈনিক সূরা মূলক পাঠ করবে, সে করব আযাব ও কিয়ামতের মুছীবত হতে রক্ষা পাবে এবং জান্নাতবাসী হবে।
সংক্ষেপে দেখুন২. অন্য এক হাদিসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি নিয়মিত সূরা মূলক পাঠ করবে তাকে কবরের আজাব থেকে সূরা মূলক রক্ষা করবে কেয়ামত পর্যন্ত।
৩. আবু দাউদ (হাদিস নং ১৪০০) বর্ণিত আছে মুহাম্মদ (সঃ ) বলেছেন: কাল কেয়ামতের মাঠে এক ব্যক্তির উপর জাহান্নাম ওয়াজিব হয়ে গেছিলো। কিন্তু সে সূরা মূলক নিয়মিত পাঠ করতো। তখন সূরা মূলক আল্লাহকে বলবে উমুক ব্যক্তিকে আপনি ক্ষমা করে দিন। আল্লাহ বললেন না। সূরাটি আবারও বলবে আল্লাহ উমুক ব্যক্তিকে আপনি ক্ষমা করে দিন কারণ সে আমাকে পাঠ করতো। আল্লাহ আবারও না বললেন। এইভাবে সূরাটি আল্লাহর কাছে উমুক ব্যক্তির জন্যে ক্ষমা চাইতেই থাকবে যতক্ষণ না পর্যন্ত আল্লাহ ব্যক্তিটিকে ক্ষমা না করেন।
৪. যে লোক সূরা মূলক নিয়মিত পাঠ করবে, তার গুনাহ মাফ হয়ে যাবে এবং পরকালে ইহা তার জন্য সুপারিশ করবে।
৫. আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন, কুরআনে একটি সূরা রয়েছে যা কেবল ত্রিশটি আয়াত। এটি পাঠকারীকে জান্নাতে না নেওয়া পর্যন্ত তার সাথে থাকবে।
৬. মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন “সূরা আল মূলক কবরের আযাব থেকে রক্ষাকারী”
৭. জাবির বলেছিলেন যে তাবারকাল্লাদি বিয়াদিহিল মুলক (আল-মুলক) এবং আলিফ লাম মীম তানজিল (আস-সাজদা) পড়া না হওয়া পর্যন্ত ঘুমাতে না যাওয়ার রীতি ছিল।
৮. আহমদ, তিরমিযী ও সুনান আল-দারিমি থেকে বর্ণিত, জাবির বলেছিলেন যে তাবা-রাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলকু (আল-মুলক) এবং আলিফ লাম মীম তানজিল (আস-সাজদা) পড়া না হওয়া পর্যন্ত ঘুমাতে না।
৯. আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস বর্ণনা করেছেন যে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমার আকাঙ্ক্ষা / ভালবাসা যে সূরাতুল মুলক প্রত্যেক মুসলমানের অন্তরে থাকুক।
১০. তিরমিযী হাদিসে তে বর্ণিত আছে, ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ মুহাম্মাদ (সাঃ) এর একজন সাহাবী না বুঝে একটি কবরের উপরে তাঁর তাঁবু স্থাপন করেছিলেন। এবং সে করব থেকে শুনতে পেলো তাবা-রাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলকু শেষ পর্যন্ত পাঠ করছে। তিনি গিয়ে মুহাম্মাদ (সাঃ) ঘটনাটি বললেন। এবং জানতে চাইলেন কে এটা পাঠ করছিলো? উত্তরে মুহাম্মাদ (সাঃ) বললেন “এটা হলো প্রতিরোধকারী, আল্লাহ তায়ালার আযাব থেকে রক্ষাকারী”
১১. মিশকাত আল মিসবাহ তে বর্ণিত আছে, খালেদ বিন মাদাম সূরা আল মুলক ও আস-সাজদা সম্পর্কে বলেছেন যে “এই দুটি সূরা কবরে তাদের আবৃতিকারীর জন্য লড়াই করবে এবং বলবে, হে আল্লাহ! আমরা যদি আপনার বইয়ের (কুরআনের ) অন্তর্ভুক্ত হই তবে তাঁর অনুগ্রহে আমাদের সুপারিশ গ্রহণ করুন। যদি আমরা না হই তবে আমাদের নির্মূল করুন। এই সূরাগুলি পাখির মতো ডানা ছড়িয়ে দেবে এবং ব্যক্তিকে কবরের আযাব থেকে রক্ষা করবে।”
১২. ইবনে উমর (রাঃ ) বলেছিলেন যে একবার মুহাম্মদ (সাঃ) সূরা মূলকের দ্বিতীয় আয়াত পাঠ করছিলেন (তিনিই মৃত্যু ও জীবন সৃষ্টি করেছেন যাতে তিনি তোমাদের পরীক্ষা করতে পারেন যে তোমাদের মধ্যে কে কর্মে উত্তম) এবং যখন তিনি “কাজের মধ্যে উত্তম” কথাটি পৌঁছেছিলেন, তখন তিনি থামিয়ে ব্যাখ্যা করলেন। “কর্মে আরও ভাল” সেই ব্যক্তি হ’ল যে ব্যক্তি আল্লাহ যা নিষেধ করেছেন সে বিষয় থেকে সর্বাধিক পরিহার করে এবং সর্বদা তাঁর আনুগত্য করতে প্রস্তুত থাকে। “
হ্যাকিং করার জন্য হ্যাকার দের কোন অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার এবং অ্যাপ ব্যবহার করতে হয়?
বেশিরভাগ হ্যাকাররা লিনাক্স এর ডিস্টো ব্যবহার করে। হ্যাকিং এর জন্য লিনাক্স ডিস্টো এর মধ্যে ক্যালি অনেক জনপ্রিয়। কারণ এতে ডিফল্ট পেনেট্রেশন টেস্টিং সফটওয়্যার ইনস্টল করা থাকে। বেশিরভাগ হ্যাকাররা লিনাক্স এর ডিস্টো ব্যবহার করে। হ্যাকিং এর জন্য পাইথন পোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজটি বেশি জনপ্রিয়, তাই আপনার যদিবিস্তারিত পড়ুন
বেশিরভাগ হ্যাকাররা লিনাক্স এর ডিস্টো ব্যবহার করে। হ্যাকিং এর জন্য লিনাক্স ডিস্টো এর মধ্যে ক্যালি অনেক জনপ্রিয়। কারণ এতে ডিফল্ট পেনেট্রেশন টেস্টিং সফটওয়্যার ইনস্টল করা থাকে। বেশিরভাগ হ্যাকাররা লিনাক্স এর ডিস্টো ব্যবহার করে।
হ্যাকিং এর জন্য পাইথন পোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজটি বেশি জনপ্রিয়, তাই আপনার যদি হ্যাকিং শেখার ইচ্ছা থাকে তাহলে পাইথন দিয়ে শুরু করেন। আর আপনি যদি খুব সহজে পাইথন শিখতে চান, তাহলে Programming Hero অ্যাপসটি ব্যাবহার করতে পারেন, পাইথন শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই উপকারী অ্যাপস।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনজেএসসি পরীক্ষার নতুন সিলেবাস ২০২২, ২০২১, ২০২০, ২০১৯
জেএসসি পরীক্ষার নতুন সিলেবাস ২০২২ : এ বছর জুনিয়র স্কলারশিপ সার্টিফিকেট বা জেএসসি পরীক্ষা না হলেও অষ্টম শ্রেণীর নিয়মতান্ত্রিক বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে। সেই লক্ষ্যে ২০২১ সালের ৮ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার সিলেবাসও প্রণয়ন করা হয়েছে। গত ১৭ই অক্টোবর, ২০২১ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এক নির্দেশনায় জানাবিস্তারিত পড়ুন
জেএসসি পরীক্ষার নতুন সিলেবাস ২০২২ : এ বছর জুনিয়র স্কলারশিপ সার্টিফিকেট বা জেএসসি পরীক্ষা না হলেও অষ্টম শ্রেণীর নিয়মতান্ত্রিক বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে। সেই লক্ষ্যে ২০২১ সালের ৮ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার সিলেবাসও প্রণয়ন করা হয়েছে। গত ১৭ই অক্টোবর, ২০২১ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এক নির্দেশনায় জানানো হয, আগামী ২৪ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২১ তারিখের মধ্যে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।
৮ম শ্রেণির সিলেবাস ২০২২ pdf
এ বছর বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে পরীক্ষা নেয়া হবে। বাংলা ও ইংরেজি উভয় পত্রের পরীক্ষা গ্রহণ করার নির্দেশ রয়েছে। পরীক্ষার প্রতিটি প্রশ্নপত্রের মান হবে ৫০ নম্বরের এবং সময় হবে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলোর যেসব অধ্যায় থেকে এসাইনমেন্ট দেয়া হয়েছে, সেসব অধ্যায় এবং ১২ জানুয়ারি ২০২১ থেকে শ্রেণিকক্ষে যেসব অধ্যায়ের ওপর পাঠদান করা হয়েছে, সেগুলোই মূলত ২০২১ সালে ৮ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার সিলেবাস।
৮ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার মানবণ্টন
এছাড়াও প্রত্যেক শিক্ষার্থীর বার্ষিক পরীক্ষার নম্বরের সকল বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্টের ওপর ৪০ নম্বর যোগ করা হবে। পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর আরও ১০ নম্বর যোগ করা হবে। অর্থাৎ মোট ১০০ নম্বরের (৫০+৪০+১০) ওপর প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মূল্যায়নপূর্বক বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল তৈরি করে শিক্ষার্থীদের প্রগ্রেসিভ রিপোর্ট প্রদান করা হবে।
৮ম শ্রেণির সাজেশন ২০২১ pdf
যদিও মাত্র ৩ টি সাবজেক্টে অষ্টম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে। কিন্তু এর জন্যও বিস্তর প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। কোর্সটিকায় আমরা সকল বিষয়ের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নপত্র তৈরি করেছি। যেগুলো তোমরা উত্তরসহ ডাউনলোড করতে পারবে। নিচে দেয়া তালিকাগুলো লক্ষ্য করো।
ক বিভাগ (বিষয়ভিত্তিক)
খ বিভাগ (নৈর্ব্যত্তিক)
বাংলা ১ম পত্র সিলেবাস (গল্প)
বাংলা ১ম পত্র সিলেবাস (কবিতা)
বাংলা ১ম পত্র সিলেবাস (আনন্দপাঠ)
বাংলা ২য় পত্র সিলেবাস (ব্যকরণ)
বাংলা ২য় পত্র সিলেবাস (নির্মিতি)
বাংলা ১ম পত্র একটি সৃজনশীল প্রশ্নের নমুনা
সোনালী ব্যাংকের পিয়ন রতন অফিস ছুটি হওয়ার পর ম্যানেজারের রুম গোছাতে গিয়ে একটি সোনার আংটি পায়। আংটি পেয়ে তার খুব লোভ হলো। সে মনে মনে ভাবল তার মেয়েকে এটা উপহার হিসেবে দেবে। কিন্তু ঘটনাটি তার মনের মধ্যে অপরাধবোধের জন্ম দিল। তাই সে পরদিন অফিসে গিয়ে ম্যানেজারের নিকট আংটিটি ফেরত দিয়ে ভারমুক্ত হলো। ম্যানেজারও তার সততায় খুশি হয়ে থাকে পুরস্কৃত করলেন।
ক. বোষ্টম কী?
খ, “ওর মতো কত লোক আসবে’__ উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
গ. উদ্দীপকের রতন ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কার প্রতিনিধিত্ব করে এবং কীভাবে?
ঘ. ‘উদ্দীপক এবং গল্পের মূলভাব কর্তব্যপরায়ণতা এবং নৈতিক চেতনার-ই পরিচায়ক’__ উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
জেএসসি পরীক্ষার নতুন সিলেবাস ২০২১
JSC English Syllabus 2021
বাংলার মতো ইংরেজীও সমন্বিত পদ্ধতিতে পরীক্ষা হবে। অর্থাৎ ইংরেজীও প্রথম পত্র ও দ্বিতীয় পত্র নামে আলাদা বিষয় থাকছে না। যদিও এই পদ্ধতিটি আরো কয়েক বছর আগে থেকেই প্রচলিত। ইংরেজী পরীক্ষাটি মোট ৪ টি বিভাগে (Part) অনুষ্ঠিত হবে।
Part – A (Seen – 20)
Part – B (Unseen – 25)
Part – C (Grammar)
Part – D (Writing)
ইংরেজী প্রশ্নপত্রের ধরন কেমন হবে, সেই সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়ার জন্য কোর্সটিকায় প্রকাশিত JSC English Model Test গুলো দেখো। পাশাপাশি নিচে দেয়া লিংক থেকে JSC অন্যান্য বিষয়ের গুরুতত্বপূর্ণ সব নোট ও সাজেশান্স ডাউনলোড করে নাও।
জেএসসি গণিত সিলেবাস
এবছর গণিতে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি।গণিতের প্রশ্ন পদ্ধতি বিগত বছরের ন্যায় হবে। তবুও কোর্সটিকায় JSC Math Suggestion 2021 এর ওপর বিশদ আলোচনা করা হয়েছে। লিংকে ক্লিক করে মডেল টেস্টগুলো দেখে নিতে পারো।
গণিত পরীক্ষায় মোট ৪ টি অংশ থাকবে:
নৈর্ব্যত্তিক অংশে ৩০ টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন দেয়া থাকবে। এই প্রশ্নগুলো বইয়ের যেকোন অধ্যায় থেকে আসতে পারে।
অন্যান্য বিষয়
বাকি বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে সাধারণ বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, চারু ও কারুকলা এবং কৃষি শিক্ষা। উল্লেখতি এই বিষয়গুলোর প্রতিটির ওপর ১০০ নম্বরের প্রশ্ন করা হবে। যার মধ্যে ৭ টি সৃজনশীল প্রশ্ন (১১ টির মধ্যে ৭ টি) এবং ৩০ টি নৈর্ব্যত্তিক প্রশ্ন করা হবে।
তবে শারীরিক শিক্ষা পরীক্ষাতে ৫০ নম্বরের প্রশ্নপত্র করা হবে। যেখানে ৩০ নম্বরের বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন ও ২০ টি নৈর্ব্যত্তিক প্রশ্ন করা হবে।
ধন্যবাদ!
সুত্রঃ কোর্সটিকা
সংক্ষেপে দেখুনসেক্সে বিশ্ব রেকর্ড কার দখলে?
সেক্সে বিশ্ব রেকর্ড কিন্তু গিনেস বুক রেকর্ডে অন্যান্য বিভিন্ন রেকর্ড এর পাশাপাশি সেক্সে বিশ্ব রেকর্ড ও উঠে এসেছে। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড পৃথিবীর বিভিন্ন মেধাবী ব্যক্তিদের বিভিন্ন ধরনের রেকর্ডের স্বীকৃতি প্রদান করে থাকে। তারই অংশ হিসেবে সেক্সে বিশ্ব রেকর্ড কারীদের কেও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। একদিনে সবিস্তারিত পড়ুন
সেক্সে বিশ্ব রেকর্ড
কিন্তু গিনেস বুক রেকর্ডে অন্যান্য বিভিন্ন রেকর্ড এর পাশাপাশি সেক্সে বিশ্ব রেকর্ড ও উঠে এসেছে। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড পৃথিবীর বিভিন্ন মেধাবী ব্যক্তিদের বিভিন্ন ধরনের রেকর্ডের স্বীকৃতি প্রদান করে থাকে। তারই অংশ হিসেবে সেক্সে বিশ্ব রেকর্ড কারীদের কেও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
একদিনে সবচেয়ে বেশিবার অর্গাজম
অর্গাজম বলতে বোঝানো হয় মেয়েদের বীর্য স্খলন কে। পুরুষরা যেমন হস্তমৈথুন বা যৌনসঙ্গম এর মাধ্যমে তাদের বীর্যস্খলন করে থাকে তেমনি মেয়েদের বীর্য স্খলন অর্গাজম নামে পরিচিত। আমাদের দেশের মেয়েরা অর্গাজম এর সাথে খুবই কম পরিচিত।
কিন্তু উন্নত দেশে অর্গাজম একটা মামুলি ব্যাপার মাত্র। স্বাভাবিকভাবে মেয়েদের অর্গাজম হতে অনেক বেশি সময় লাগে। কিন্তু ব্রিটিশ এক নাগরিক একদিনে ৫০০ বার অর্গাজম করে সেক্সে বিশ্ব রেকর্ড করেছেন। তার নাম যারা জারা রিচার্ডসন। তিনি এক ধরনের যৌন রোগে আক্রান্ত যার কারণে তার অর্গাজম খুব দ্রুত হয়। আর এরই সুবিধা নিয়ে তিনি গিনেস বুক অব রেকর্ডে একদিনে সবচেয়ে বেশিবার অর্গাজম করে রেকর্ড করে ফেলেছেন।
সংক্ষেপে দেখুনফজর নামাজের সময় ও শেষ সময় কখন? আজকের নামাজের সময়সূচী
ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব ও এশা নামাজ এবং সেহরি সারা বছরের পরিপূর্ণ সময়সূচি জানতে চিরস্থায়ী সময়সূচী ক্যালেন্ডার টি ডাউনলোড করে নিন। নামাজের চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড এক ক্যালেন্ডারেই সারা বছরের নামাজ ও সেহরির সময়সূচি পাবেন। ধন্যবাদ!
ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব ও এশা নামাজ এবং সেহরি সারা বছরের পরিপূর্ণ সময়সূচি জানতে চিরস্থায়ী সময়সূচী ক্যালেন্ডার টি ডাউনলোড করে নিন।
নামাজের চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার ডাউনলোড
এক ক্যালেন্ডারেই সারা বছরের নামাজ ও সেহরির সময়সূচি পাবেন।
ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনBrave browser license key with vpns
Brave browser license, vpns and crack full package click below download link! Download Brave Browser with Licence key full Enjoy 😇
Brave browser license, vpns and crack full package click below download link!
Download Brave Browser with Licence key full
Enjoy 😇
সংক্ষেপে দেখুনইন্ট্রোভার্ট কি? ইন্ট্রোভার্ট মানুষ দের সম্পর্কে জানতে চাই। এর অর্থ কি?
ইন্ট্রোভার্ট মানেই অসামাজিক নয় ইন্ট্রোভার্ট কিংবা অন্তর্মুখী মানুষ হচ্ছে তারা, যারা নিজেদের মতো থাকতে ভালোবাসেন। ভিড় এবং আড্ডার আসরে তাদের খুব একটা পাওয়া যায় না। এরা নিরিবিলি নিজেদের সময় দিতেই ভালোবাসেন। আর তাদের এই আচরণের জন্য অনেকেই তাদের অসামাজিক বলে আখ্যা দিয়ে থাকেন। বিদ্যালয়, চাকরিক্ষেত্রে কিংববিস্তারিত পড়ুন
ইন্ট্রোভার্ট মানেই অসামাজিক নয়
ইন্ট্রোভার্ট কিংবা অন্তর্মুখী মানুষ হচ্ছে তারা, যারা নিজেদের মতো থাকতে ভালোবাসেন। ভিড় এবং আড্ডার আসরে তাদের খুব একটা পাওয়া যায় না। এরা নিরিবিলি নিজেদের সময় দিতেই ভালোবাসেন। আর তাদের এই আচরণের জন্য অনেকেই তাদের অসামাজিক বলে আখ্যা দিয়ে থাকেন। বিদ্যালয়, চাকরিক্ষেত্রে কিংবা যে কোনো সামাজিক জীবনে অসামাজিক তকমাটি নিয়েই তাদের পথ চলতে হয়। কিন্তু ইন্ট্রোভার্ট মানে কি আসলেই অসামাজিক?
বিদ্যালয়ে সবাই যখন হৈ-হুল্লোড় করছে তখন লাস্ট বেঞ্চের এককোণে বসে থাকা একটি ছেলে, মুখরিত আড্ডায় চুপটি করে বসে থাকা কোনো বন্ধু কিংবা অফিসের ডেস্কে একমনে নিজের মতো কাজ করতে থাকা কোনো সহকর্মী। এভাবেই বৃত্তের বাইরে বাস করা এই মানুষকেই বলা হয় ইন্ট্রোভার্ট। এরা নিজেদের মতো নিজদের তৈরি জগৎ নিয়ে থাকতেই ভালোবাসে। খুব কাছের কেউ ছাড়া তার সেই নিরাপত্তা বলয়ে আবদ্ধ জগতে সহজে কারো অনুপ্রবেশের অধিকার নেই।
কিন্তু এক্সট্রোভার্ট দুনিয়ার মানুষের কাছে এটি একটি উটকো ঝামেলা। তারা অনেকেই ইন্ট্রোভার্ট মানুষকে অসামাজিক, অহংকারী কিংবা বেমানান বলে আখ্যা দেন। তাদের এই মিশতে না পারার সীমাবদ্ধতাটিকে তারা সহজভাবে নিতে পারে না। ফলে অন্তর্মুখী মানুষ নিজেকে আরও গুটিয়ে ফেলে নিজের মধ্যে।
অথচ অন্তর্মুখী মানুষদের কমফোর্ট জোন নিশ্চিত করে তাদের সঙ্গে মিশতে পারলে তারাও হয়ে উঠতে পারে খুব ভালো একজন বন্ধু।
কিন্তু কি করে চেনা যায় এসব অন্তর্মুখী মানুষের?
১। এরা সহজে কারো সঙ্গে মিশতে পারে না।
২। এরা কম কথা বলে এবং বাক্যলাপে অপটু হয়।
৩। সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগ্রহ দেখায় না।
৪। আড্ডায় সহজে এদের দেখা যায় না।
৫। এরা ভালো শ্রোতা কিন্তু কথা বলতে গেলে ভ্যাবাচেকা খেয়ে যায়।
৬। পছন্দের কোনো বন্ধুর সঙ্গে পছন্দের কোনো বিষয় নিয়ে এরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলতে পারে।
৭। মানুষ এদেরকে ভুল বুঝলেও নিজেকে প্রমাণ করতে আগ্রহ পায় না।
শঙ্কার কথা হচ্ছে, আমাদের সমাজে কেউ এক্সট্রোভার্ট হলে তাকে সহজলভ্য এবং সস্তা ভাবা হয়। অন্যদিকে ইন্ট্রোভার্টদের ভাবা হয় অহংকারী আর অসামাজিক হিসেবে। অথচ সমাজের চোখে এই দুই ধরনের মানুষই স্বাভাবিক। একজন অন্তর্মুখী মানুষও সবার সাহায্যে সহজেই নিজেকে বিকশিত করতে পারে।
সূত্রঃ সময় নিউজ
সংক্ষেপে দেখুনপাইথন দিয়ে প্রোগ্রামিং শেখা তামিম শাহরিয়ার সুবিন pdf ডাউনলোড
বন্ধুরা তোমাদের জন্য নিয়ে এলাম বই : তামিম শাহরিয়ার সুবিনের ৫২টি প্রোগ্রামিং সমস্যা ও সমাধান pdf free download – tamim shahriar subeen programing pdf Download পাইথন দিয়ে প্রোগ্রামিং শেখা সুবিন সূত্রঃ bookishbd.com
বন্ধুরা তোমাদের জন্য নিয়ে এলাম বই : তামিম শাহরিয়ার সুবিনের ৫২টি প্রোগ্রামিং সমস্যা ও সমাধান pdf free download – tamim shahriar subeen programing pdf
Download পাইথন দিয়ে প্রোগ্রামিং শেখা সুবিন
সূত্রঃ bookishbd.com
সংক্ষেপে দেখুন২০২২ সালে বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা কত?
বর্তমানে বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সূত্র বিভিন্ন কথা বলছে। কিছু উদাহরণ নিচে দিলাম। দৈনিক কালের কন্ঠঃ বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯১ লাখ ১ হাজার। DBC News: বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৪৬ লাখ। সূত্রঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোঃ ১৬.১৭ কোটি। এখন আমি নিজেও কনফিউজড যে সত্যিকার জনসংখবিস্তারিত পড়ুন
বর্তমানে বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সূত্র বিভিন্ন কথা বলছে। কিছু উদাহরণ নিচে দিলাম।
দৈনিক কালের কন্ঠঃ বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯১ লাখ ১ হাজার।
DBC News: বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৪৬ লাখ।
সূত্রঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোঃ ১৬.১৭ কোটি।
এখন আমি নিজেও কনফিউজড যে সত্যিকার জনসংখ্যার পরিমাণ কত!
আপনি নিজেই অনুমান করে নিন। ধন্যবাদ!
সংক্ষেপে দেখুনমৃগী রোগ বিশেষজ্ঞ এবং এর সেরা চিকিৎসা কোথায় পেতে পারি?
মৃগী স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতাজনিত একটি রোগ। ৪০টিরও বেশি নিউরোলজিক্যাল রোগের মধ্যে সাধারণ একটি লক্ষণ হলো খিঁচুনি। সাধারণত, মস্তিষ্কের কোষগুলো একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সচল রাখে। কোনো কারণে মানবদেহের কার্য পরিচালনাকারী মস্তিষ্কের স্নায়ুতন্ত্রের উদ্দীপক ও নিবৃত্তিকারক অংশদ্বয়েরবিস্তারিত পড়ুন
মৃগী স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতাজনিত একটি রোগ। ৪০টিরও বেশি নিউরোলজিক্যাল রোগের মধ্যে সাধারণ একটি লক্ষণ হলো খিঁচুনি। সাধারণত, মস্তিষ্কের কোষগুলো একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সচল রাখে। কোনো কারণে মানবদেহের কার্য পরিচালনাকারী মস্তিষ্কের স্নায়ুতন্ত্রের উদ্দীপক ও নিবৃত্তিকারক অংশদ্বয়ের কার্যপ্রণালির ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেলে মৃগীরোগের লক্ষণ দেখা দিতে পারে
যখন এ ধরনের হাজার থেকে লক্ষাধিক বৈদ্যুতিক শক্তি একই সময়ে ঘটে এবং যা মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক অবস্থার সৃষ্টি করে, তার ফলাফল হতে পারে খিঁচুনি।
সুস্থ–স্বাভাবিক একজন ব্যক্তি যদি হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে কাঁপুনি বা খিঁচুনির শিকার হন, চোখ-মুখ উল্টে ফেলে কিংবা কোনো শিশুর চোখের পাতা স্থির হয়ে যায়, একদৃষ্টিতে চেয়ে থাকে অথবা মানসিকভাবে সুস্থ কোনো ব্যক্তি যদি অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন, তবে তাঁকে মৃগীরোগী হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। বিশ্বে পাঁচ কোটি মানুষের মৃগী রোগ আছে, যার শতকরা ৮০ ভাগ মানুষই থাকে মধ্যম ও নিম্ন আয়ের দেশে।
মৃগীর প্রধান চ্যালেঞ্জ
মৃগীরোগের ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয় একটি বিষয়। এখানেই এই অবস্থাকে ঘিরে সামাজিক বিষয় বা নিষিদ্ধ, কল্পকাহিনিসহ অনেক ভুল ধারণা রয়েছে। কখনো কখনো এই অবস্থার চিকিৎসা নির্ণয় সঠিক নয়, যা ভুল বা বিলম্বিত চিকিৎসার কারণে সমস্যার কারণ হতে পারে।
অনেক সময় বলা হয়, এটা ভূতপ্রেত বা দুষ্ট আত্মা দ্বারা সৃষ্ট। এটা সত্য নয়। এর সঙ্গে অতীত জীবনের কোনো সম্পর্ক নেই। এটি একটি বৈজ্ঞানিক স্নায়বিক বিষয়, যা সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।
এপিডেমিওলজিক্যাল স্টাডি অব এপিলেপ্সি নির্দেশ করে যে সামগ্রিকভাবে মৃগীরোগের প্রকোপ নারীদের তুলনায় পুরুষদের মধ্যে সামান্য বেশি।
মৃগীরোগ যে কারণে হয়
মৃগীরোগ হওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ নেই এবং শতকরা ৭০ ভাগের ক্ষেত্রে কোনো কারণ বের করা সম্ভব হয়নি। তবে নিম্নোক্ত কারণগুলো থেকে মৃগীরোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে:
• জন্মের আগে বা জন্মের সময় বা পরে মস্তিষ্কে আঘাত।
• আঘাত এবং মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের অভাব।
• সংক্রমণ যা মস্তিষ্কের ক্ষতি করে।
• মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে প্রতিবন্ধকতা (স্ট্রোক বা অন্যান্য সমস্যা)।
• মেহজমের সমস্যা বা পুষ্টির অভাব।
• মস্তিষ্কের টিউমার।
• অধিক মাত্রার জ্বর।
• মস্তিষ্কে প্রদাহ।
• এ ছাড়া অন্যান্য রোগ।
৩০ থেকে ৪০ শতাংশ মৃগীরোগ জেনেটিক প্রবণতা দ্বারা সৃষ্ট। উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত মৃগীরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রথম পর্যায়ের আত্মীয়দের মৃগীরোগের ঝুঁকি দুই থেকে চার গুণ বেড়ে যায়।
মৃগীরোগের লক্ষণ
৪০ ধরনের মৃগীরোগ হতে পারে। মৃগী রোগীর মধ্যে নিম্নলিখিত যেকোনো একটি বা একাধিক লক্ষণ দেখা দিতে পারে:
• হঠাৎ শরীরের কোনো অংশে খিঁচুনি শুরু হওয়া ও পর্যায়ক্রমে তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়া।
• হঠাৎ নমনীয়ভাবে ঢলে পড়া।
• শরীর শক্ত হয়ে গিয়ে হঠাৎ পড়ে যাওয়া।
• হঠাৎ জ্ঞান হারানো।
• ঘন ঘন কাজে অমনোযোগী হয়ে পড়া।
• ছোট বাচ্চাদের শরীর হঠাৎ ঝাঁকি খাওয়া।
• হঠাৎ মাথা বা পিঠ কিংবা পুরো শরীর সামনে ঝুঁকে আসা।
• হাত থেকে হঠাৎ করে কিছু ছিটকে পড়া।
• হঠাৎ অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করা এবং হাত, পা ও মুখের অস্বাভাবিক নড়াচড়া শুরু হওয়া।
• হঠাৎ শরীরের কোনো অংশে ভিন্ন ধরনের অনুভূতি সৃষ্টি হওয়া।
মৃগীরোগের ডায়াগনোসিস
• রোগী এবং প্রত্যক্ষকারীর বিস্তারিত ইতিহাস।
• রক্ত পরীক্ষা।
• ইইজি।
• মস্তিষ্কের এমআরএই এবং সিটি স্ক্যান।
• সিএসএফ পরীক্ষা।
খিঁচুনির সময় যা করা যাবে না
• আতঙ্কিত বা ভীত হওয়া যাবে না।
• খিঁচুনির সময় কোনোরূপ বাধা সৃষ্টি বা রোগীকে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করা যাবে না; এতে রোগী ও সাহায্যকারী উভয়ই আহত হতে পারে।
• রোগীর মুখে চামড়ার জুতো বা চামড়ার তৈরি অন্য কিছু, লোহার শিক ইত্যাদি চেপে ধরা উচিত হবে না। এতে রোগীর উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশি হয়ে থাকে।
• রোগী পুরোপুরি সচেতন না হওয়া পর্যন্ত পানি বা অন্য কোনো পানীয় দেওয়া যাবে না।
• সাধারণত খিঁচুনি দুই মিনিটের বেশি স্থায়ী হয় না এবং এরপর রোগী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।
কখন চিকিৎসার প্রয়োজন
নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখা দিলে রোগীকে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
• খিঁচুনির স্থায়িত্ব পাঁচ মিনিটের বেশি হলে।
• রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা হলে।
• রোগী একনাগাড়ে অনেকক্ষণ ধরে বিভ্রান্ত হয়ে থাকলে কিংবা অচেতন থাকলে।
• খিঁচুনির সময়ে রোগী কোনোভাবে আহত হলে।
• রোগী প্রথমবারের মতো মৃগীতে আক্রান্ত হলে বিস্তারিত জানার জন্য নিকটস্থ হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগ বা কোনো নিউরোলজিস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
মৃগীরোগের চিকিৎসা
মৃগীরোগের চিকিৎসা প্রধানত কয়েকটি বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল; যেমন:
অ্যান্টি-এপিলেপটিক ওষুধ
অ্যান্টি-এপিলেপটিক ওষুধগুলোর সাধারণত পছন্দসই চিকিৎসাব্যবস্থা। প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, ৭০ শতাংশ ঘটনায় ওষুধ দিয়েই উপসর্গগুলো বা খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ বা নিরাময় করা গিয়েছে। মস্তিষ্ক থেকে নিঃসৃত হওয়া রাসায়নিকগুলোর পরিমাণ পরিবর্তন করে এই ওষুধগুলো খিঁচুনির তীব্রতা ও পুনরাবৃত্তির হার হ্রাস করতে সাহায্য করে। যদিও এই ওষুধগুলো মৃগীরোগের নিরাময় করতে পারে না, কিন্তু নিয়মিত চিকিৎসায় খিঁচুনির ঘটনার পুনরাবৃত্তির হার হ্রাস করে। এই ওষুধগুলো বিভিন্ন ধরনের পাওয়া যায়।
চিকিৎসার শুরুতে ওষুধ অল্প মাত্রায় প্রয়োগ করা হয় এবং খিঁচুনির ঘটনা না থামা পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ধীরে ধীরে ওষুধের মাত্রা বৃদ্ধি করা হয়। কোনো অর্থপূর্ণ প্রতিক্রিয়া বা উন্নতি না দেখা গেলে চিকিৎসক ওষুধ পরিবর্তন করতে পারেন। মৃগীরোগের ধরনের ওপরে ওষুধের ধরন নির্ভর করে এবং শুধু একজন চিকিৎসকই এই ওষুধগুলো প্রেসক্রাইব করতে পারেন। রোগী যদি অন্য কোনো ওষুধ নিতে থাকেন, তাহলে ডাক্তারকে তা জানাতে হবে।
কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে তৎক্ষণাৎ তা ডাক্তারকে জানাতে হবে। সুতরাং যেভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, ওষুধগুলো ঠিক সেইভাবেই সেবন করতে হবে। ওষুধের মাত্রা পরিবর্তন করার আগে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে নিতে হবে। ডাক্তারের অনুমতি ছাড়া ওষুধ বন্ধ করা যাবে না। রোগীর মেজাজের কোনো পরিবর্তন লক্ষ করলে ডাক্তারকে তা জানাতে হবে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অধিকাংশ অ্যান্টি-এপিলেপটিক ওষুধই বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং রোগী কোনো উপসর্গ ছাড়াই বাঁচতে পারবেন।
শল্য চিকিৎসা
ওষুধে খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে না এলে অথবা বেশ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে শল্য চিকিৎসা করার পরামর্শ দেওয়া হতে পারে। অস্ত্রোপচারের সময় মস্তিষ্কের প্রভাবিত অংশ বাদ দেওয়া হয়। অস্ত্রোপচার তখনই করা হয়, যখন মস্তিষ্কের খুব ছোট এলাকা প্রভাবিত হয় এবং সেই এলাকা শরীরের কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যেমন: বাক্শক্তি, শ্রবণশক্তি, চলাফেরা, অঙ্গপ্রত্যঙ্গের নড়াচড়া ও সমন্বয় ইত্যাদির কোনো ক্ষতি করে না।
এ ছাড়া কিটো-জেনিক ডায়েট, ইপিলেপসি সার্জারি, ভেগাল নার্ভ স্টিমুলেশন (ভিএনএস), রেসপন্সিভ নার্ভ স্টিমুলেশন (আরএনএস) স্টেরিওট্যাকটিক সার্জারি ইত্যাদির মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। এসব চিকিৎসা সাধারণত উন্নত বিশ্বে হয়ে থাকে।
জীবনধারার ব্যবস্থাপনা
খিঁচুনির নিয়ন্ত্রণ জরুরি কারণ এটি বিপজ্জনক এবং জটিল সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
• নিয়মিত ওষুধ সেবন করা। ডাক্তারের অনুমতি ছাড়া ওষুধ বন্ধ কর যাবে না।
• খিঁচুনি বা মৃগীরোগ শুরুর কারণ খুঁজে বের করুন। খুব সাধারণ কারণগুলো হলো নিয়মিত ওষুধ না খাওয়া, মানসিক চাপ, খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম, মদ্যপান, অনিদ্রা, উজ্জ্বল আলো, জোরে আওয়াজ ইত্যাদি খিঁচুনি সৃষ্টি করে।
• খিঁচুনি কবে ও কখন শুরু হলো, এর তীব্রতা কত, কতক্ষণ ধরে হয়েছে এবং তার সঙ্গে খিঁচুনি শুরুর আগে আপনি কী করছিলেন, তা বিস্তারিত লিখে রাখুন।
• খিঁচুনি শুরুর কারণগুলোকে মোকাবিলা করার চেষ্টা করার নিয়ম—
১. নিয়মিত ওষুধ সেবন করা।
২. খাওয়াদাওয়া সময়মতো করা।
৩. ঘুমানোর জন্য তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ার চেষ্টা করা।
৪. শ্বাসের হালকা ব্যায়াম করা।
৫. মদ্যপান না করা।
৬. নেশাজাতীয় ওষুধ সেবন না করা।
• খিঁচুনি খুব ঘন ঘন হলে গাড়ি চালানো, সাঁতার কাটা এবং রান্না করা যাবে না। কারণ, এগুলো করার সময় খিঁচুনি হলে তা খুবই ক্ষতিকারক হবে।
• বাড়ির আসবাবপত্রগুলোর কোণ মসৃণ হতে হবে।
• স্নান করার সময় স্নানঘরের দরজা বন্ধ করা যাবে না।
• বাথটাবে স্নান করার বদলে শাওয়ার ব্যবহার করতে হবে। এতে খিঁচুনি শুরু হলে বাথটাবে ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না।
• সাঁতার কাটার সময় এমন সঙ্গী সঙ্গে রাখুন, যিনি আপনার খিঁচুনি শুরু হলে আপনাকে উদ্ধার করতে পারবেন।
• ঘরের বাইরে কোনো খেলাধুলার সময় মাথায় হেলমেট ব্যবহার করতে হবে।
খিঁচুনিতে আক্রান্ত রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা
• আক্রান্ত রোগীকে মেঝেতে শুইয়ে দিতে হবে এবং গায়ের কাপড় খুলে দিতে হবে।
• আশপাশের ধারালো জিনিসপত্র সরিয়ে ফেলতে হবে।
• রোগীকে একপাশে করে শোয়াতে হবে যাতে করে লালা বা থুতু মুখ থেকে বেরিয়ে আসতে পারে।
• মাথার নিচে নরম কাপড় ভাঁজ করে দিতে হবে।
• রোগীর মুখে কোনো কিছু দেওয়া যাবে না।
• খিঁচুনির পরে রোগীকে কিছুক্ষণ বিশ্রাম বা ঘুমাতে দিতে হবে।
মৃগীরোগে আক্রান্ত বেশির ভাগ মানুষ সঠিক চিকিৎসা এবং স্বাস্থ্যসেবা নিলে সুস্থ এবং স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবেন।
লেখক: সিনিয়র কনসালট্যান্ট নিউরোলজিস্ট, এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা
সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো
কাচ্চি আর বিরিয়ানির পার্থক্য কি? বিরিয়ানির উৎপত্তি, ইতিহাস, মশলা ও দাম
বিরিয়ানি: উপমহাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য কাচ্চি বিরিয়ানি আমাদের দেশে বিরিয়ানি মানেই যেন কাচ্চি বিরিয়ানি। পুরান ঢাকার মানুষের কাছে এই কাচ্চির সমাদরটা যেন একটু বেশিই। পুরান ঢাকার কিছু দোকানের কাচ্চি যেমন ঐতিহ্যবাহী ঠিক তেমনি বিশ্ববিখ্যাত। কাচ্চি শব্দটা এসেছে উর্দু শব্দ ‘কাচ্চা’ থেকে যার অর্থ কাঁচা। বিরবিস্তারিত পড়ুন
বিরিয়ানি: উপমহাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য
কাচ্চি বিরিয়ানি
আমাদের দেশে বিরিয়ানি মানেই যেন কাচ্চি বিরিয়ানি। পুরান ঢাকার মানুষের কাছে এই কাচ্চির সমাদরটা যেন একটু বেশিই। পুরান ঢাকার কিছু দোকানের কাচ্চি যেমন ঐতিহ্যবাহী ঠিক তেমনি বিশ্ববিখ্যাত। কাচ্চি শব্দটা এসেছে উর্দু শব্দ ‘কাচ্চা’ থেকে যার অর্থ কাঁচা। বিরিয়ানি মূলত ২ ধরনের হয়ে থাকে, কাচ্চি আর পাক্কি। কাচ্চি বিরিয়ানি রান্নার সময়, হাড়িতে চাল ও কাঁচা আলুর ওপর টকদই ও মশলায় মেখে রাখা কাঁচা মাংসের আস্তরন দেয়া হয়। তারপর ভালো করে ঢাকা চাপা দিয়ে দমে রান্না করা হয়। মূলত খাসির মাংস আর বাসমতি চাল দিয়েই কাচ্চিাটা রান্না হয়। (গরু।চিনিগুড়া চালেও হয় অনেকজায়গায়) মশলা মাখা মাংস, সুগন্ধি চাল, ঘি, জাফরান, গোলাপজল সবকিছুর স্বাদ ও সুঘ্রাণ একসাথে হয়ে দমে রান্না হতে হতে তৈরি হয় অতুলনীয় স্বাদের কাচ্চি।
পাক্কি বিরিয়ানি
আর অন্যদিকে পাক্কি বিরিয়ানি রান্নার ক্ষেত্রে, মাংসটাকে আলাদা কষিয়ে রান্না করা হয়। উর্দু শব্দ পাক্কির অর্থ হলো রান্না করা বা পাঁক করা। চালটাকে আগে থেকেই ঘিয়ে ভেজে আধা সেদ্ধ করে নেয়া হয়। এরপর সব একসাথে মিশিয়ে দমে দিয়ে রান্না করা হয়। পাক্কি মূলত বাসমতি চালে করা হয়।
তেহারি
পুরান ঢাকার বিরিয়ানি যেমন বিখ্যাত, তেমনি সমান জনপ্রিয় তেহারি। তেহারি আসলে বিরিয়ানিরই একটা পরিমার্জিত রূপ। তেহারি বিরিয়ানির চেয়ে কম মসলাদার (শুধু দই, আদা-রসুন বাটা, দারচিনি, লবঙ্গ, গোলমরিচ, এলাচ, জয়ফল, জয়ত্রী এবং মশলাগুলোকে গুঁড়ো করার আগে ভেজে নেওয়া হয়না) এবং ঝাল হয়। তবে তেহারির বিশেষত্ব হল এতে প্রচুর পরিমাণ গরুর মাংস এবং কাঁচা মরিচ ব্যবহার করা হয় । এটা মূলত এক ধরনের পাক্কি বিরিয়ানি। তেহারিতে গরুর গোশতের ছোট ছোট একগাদা টুকরা ব্যবহার করা হয় তবে বিরিয়ানির চেয়ে মাংসের পরিমাণটা কিন্তু কিছু কম থাকে। মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর চড়া দামের কারণে খরচ বাঁচাতে এই খাবারের উৎপত্তি হয়েছিল। পুরান ঢাকার তেহারির বিশেষত্ব হলো , পুরো তেহারিটাই সরিষার তেলে রান্না করা হয়। আর এই সরিষার কড়া ঝাঁঝ তেহারিকে করে তোলে অনন্য। আর তেহারী মূলত চিনিগুড়া চাল দিয়ে করা হয়। এক্ষেত্রে দম দেওয়া হয়না।
ঢাকাই বিরিয়ানি
মূলত এই বিরিয়ানীটা আমরা অহরহ ঘরে বানিয়ে খেয়ে থাকি, বাকিগুলো অকেশনাল। এই বিরিয়ানীতে অনেক রকমের মশলাপাতি সহকারে মুরগি/গরু/খাসি যেকোনোটাই ব্যাবহার করা হয় সহজলভ্যতা অনুসারে। বলতে গেলে কাচ্চি বা পাক্কির মতো মশলার ব্যাবহার তবে দম দেওয়া হয়না।
বিরিয়ানির বৈচিত্র্যতা
পুরো পৃথিবী তো দূরের কথা কেবল এই ভারতবর্ষেই যে কত প্রকার বিরিয়ানি আছে, তাই হয়তো গুনে শেষ করা যাবে না। তবে এর মাঝে ঢাকাই, হায়দ্রাবাদি, সিন্ধি, লখনৌই, বোম্বাই, থালেশ্বরী, কোলকাতাই, মালাবারি ইত্যাদি বিরিয়ানি উল্লেখযোগ্য।
আশা করি আপনার উত্তর পেয়েছেন।
সূত্রঃ 10minuteschool.com
সংক্ষেপে দেখুনI have a গভীর প্রশ্ন? Part #1
https://mc-webpcache-epapr-in.cdn.ampproject.org/ii/w820/s/mc.webpcache.epapr.in/pro.php?size=large&in=https://mcmscache.epapr.in/post_images/website_356/post_16479337/thumb.jpg বেগ আসছে অথচ বাথরুমে গিয়ে আর হচ্ছে না। তলপেটে ব্যথা, ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব। এমন অস্বস্তিকর কষ্টের মুখোমুখি হলে কেমনবিস্তারিত পড়ুন
https://mc-webpcache-epapr-in.cdn.ampproject.org/ii/w820/s/mc.webpcache.epapr.in/pro.php?size=large&in=https://mcmscache.epapr.in/post_images/website_356/post_16479337/thumb.jpg
বেগ আসছে অথচ বাথরুমে গিয়ে আর হচ্ছে না। তলপেটে ব্যথা, ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব। এমন অস্বস্তিকর কষ্টের মুখোমুখি হলে কেমন হবে চিকিৎসা? পরামর্শে বারাসত নারায়ণা মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালের ইউরোলজিস্ট ডা. চন্দ্রশেখর পাত্র। শুনলেন পৌষালী দে কুণ্ডু।
প্রস্রাবের বেগের সমস্যার প্রধান কারণ হতে পারে ইউরিন ইনফেকশন। তবে ইনফেকশন ছাড়া পুরুষ ও মহিলাদের নানা কারণেই প্রস্রাবের বেগ নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। দীর্ঘদিন বেগের সমস্যা থাকলে মূত্রনালিতে ঘন ঘন সংক্রমণ, ব্লিডিং হওয়া ও কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
পুং সমস্যায়
সমস্যা বুঝতে টেস্ট
নারীর সমস্যার আঁতুড়ঘর সংক্রমণ
জল কি ফ্যাক্টর?
প্রস্রাবের বেগের সমস্যা হলে অনেকে ভাবেন জল কম পানের জন্য বা ঘামের মধ্য দিয়ে জল বেরিয়ে যাওয়ায় এমন হচ্ছে। বেশি করে জল পান করলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। এই ধারণা ভুল। বেশি বা কম জল পানের সঙ্গে বেগের কোনও সম্পর্ক নেই। সারাদিনে দু’-আড়াই লিটার জল পান করাই যায়। তবে যাঁদের প্রস্রাবজনিত সমস্যা আছে তাঁরা সন্ধ্যার পর থেকে চা-জল-কফি একটু কম পান করুন।
তথ্যঃ sangbadpratidin.in
সংক্ষেপে দেখুন