আঠালো তরলটির নাম মিউকাস। মিউকাসে গন্ধের অনুভূতি সৃষ্টিকারী অণুগুলো আটকে যায়।
আঠালো তরলটির নাম মিউকাস। মিউকাসে গন্ধের অনুভূতি সৃষ্টিকারী অণুগুলো আটকে যায়।
সংক্ষেপে দেখুন
সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.
দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
Health related all questions.
আঠালো তরলটির নাম মিউকাস। মিউকাসে গন্ধের অনুভূতি সৃষ্টিকারী অণুগুলো আটকে যায়।
আঠালো তরলটির নাম মিউকাস। মিউকাসে গন্ধের অনুভূতি সৃষ্টিকারী অণুগুলো আটকে যায়।
সংক্ষেপে দেখুনএকটি কনিকা মানব দেহের ভিতর প্রায় ১১ হাজার কিলোমিটার পথ পরিভ্রমণ করে। একেকটি কনিকা প্রতি মিনিটে একবার সমগ্র দেহ ঘুরে আসে।
একটি কনিকা মানব দেহের ভিতর প্রায় ১১ হাজার কিলোমিটার পথ পরিভ্রমণ করে। একেকটি কনিকা প্রতি মিনিটে একবার সমগ্র দেহ ঘুরে আসে।
সংক্ষেপে দেখুননিয়মিত পরিষ্কার না করলে, যত্ন না নিলে দাঁত আস্তে আস্তে নষ্ট হয়ে যায়, ক্ষয় হয়ে যায়। - প্রতীকী ছবি দাঁতের ওপরের দিকে ফাঁকা হলে আমরা ডাক্তারের কাছে যাবো। ওনারা এক্ষেত্রে এক্সরে করবেন। যদি ডাক্তারের কাছে মনে হয়, এটা ফিলিং করলে ভালো হবে, তাহলে তাই করবেন। আর যদি ডাক্তাররা দেখেন যে দাঁতের পাশে ফাঁকাবিস্তারিত পড়ুন

দাঁতের ওপরের দিকে ফাঁকা হলে আমরা ডাক্তারের কাছে যাবো। ওনারা এক্ষেত্রে এক্সরে করবেন। যদি ডাক্তারের কাছে মনে হয়, এটা ফিলিং করলে ভালো হবে, তাহলে তাই করবেন। আর যদি ডাক্তাররা দেখেন যে দাঁতের পাশে ফাঁকা হয়েছে সে ক্ষেত্রেও একই চিকিৎসা করতে হবে। সে ক্ষেত্রে এটা ফিলিং করিয়ে রাখতে হবে।
এমন যদি হয় যে, দুই দাঁতের মাঝখানে ফাঁকা এবং সেখানে খাবার আটকায়, তাহলে সে ক্ষেত্রে আমরা ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করবো। ডেন্টাল ফ্লস হচ্ছে প্লাস্টিকের মতো এক ধরনের সাদা সুতার মতো। আমরা টুথপিকের জায়গায় এখন ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করতে বলি। ডেন্টাল ফ্লস আপনারা যে কোনো জায়গায় পাবেন- মার্কেটে বা ফার্মেসিতে।
আপনার যদি দুই দাঁতের মাঝখানের ফাঁকা জায়গায় খাবার আটকে থাকে, তাহলে সে ক্ষেত্রে আপনি ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করলে, সেখানে আর খাবার আটকে থাকবে না এবং সেখানে আর দুর্গন্ধ হবে না। ফলে খাদ্যকণা জমে সেই জায়গায় আর ক্ষয় হবে না।
আর মুখে দুর্গন্ধ হলে আমি পরামর্শ দেব যে, ছয় মাস পরপর স্কেলিং করাবেন। নিয়ম অনুযায়ী দাঁত ব্রাশ করবেন। যেমন- সকালে নাস্তা করার পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে দাঁত ব্রাশ করবেন। মাউথওয়াশ ব্যবহার করবেন।
অনেকে বলেন যে, স্কেলিং করালে দাঁতের কোনো ক্ষতি হবে কিনা কিংবা মাড়ির কোনো ক্ষতি হবে কিনা। একদমই না। সেক্ষেত্রে দাঁত বা মাড়ির কোনো ক্ষতি হবে না।
আমাদের কোনো জিনিসপত্রে যদি ময়লা জমে থাকে, ধুলাবালি জমে থাকে, আমরা যদি সেটা পরিষ্কার না করি, যত্ন না করি, তাহলে সেটা অনেকদিন ধরে ময়লা জমতে জমতে নষ্ট হয়ে যায়, সেটা ক্ষয় হয়ে যায়। তো আমাদের দাঁতও ঠিক এরকমই। নিয়মিত পরিষ্কার না করলে, যত্ন না নিলে দাঁত আস্তে আস্তে নষ্ট হয়ে যায়, ক্ষয় হয়ে যায়।
আমরা প্রতিদিন নিয়মিত দুইবার দাঁত ব্রাশ করবো এবং আমাদের টুথব্রাশ ছয় মাস পরপর বদলাবো। আমরা দাঁত ওপর থেকে নিচে ঘষে ব্রাশ করবো। এতে এক দাঁত থেকে আরেক দাঁতের মাঝে ছোট ফাঁকা জায়গায় যদি ময়লা থাকে, তাহলে সেটা বেরিয়ে যাবে। আমরা দাঁতের ভেতরে আরও ভালো করে ব্রাশ করবো।
প্রতীকী ছবি শিশুদের ক্যান্সার অনেক ধরনের হতে পারে। যেমন ব্লাড ক্যন্সার, হাড়ে ক্যান্সার ( অষ্ট সারকোমা), ব্রেন ক্যান্সার, মাংস পেশির ক্যান্সার (একুইডাপ্টেমা সারকোমা) বাচ্চার কিডনিতে ক্যান্সার, চোখে ক্যান্সার, জনন কোষের ক্যান্সার। এখানে আবার মেয়ে বাচ্চা ও ছেলে বাচ্চাদের আলাদা আলাদা নাম আছে। তাছাড়াবিস্তারিত পড়ুন

শিশুদের ক্যান্সার অনেক ধরনের হতে পারে। যেমন ব্লাড ক্যন্সার, হাড়ে ক্যান্সার ( অষ্ট সারকোমা), ব্রেন ক্যান্সার, মাংস পেশির ক্যান্সার (একুইডাপ্টেমা সারকোমা) বাচ্চার কিডনিতে ক্যান্সার, চোখে ক্যান্সার, জনন কোষের ক্যান্সার। এখানে আবার মেয়ে বাচ্চা ও ছেলে বাচ্চাদের আলাদা আলাদা নাম আছে। তাছাড়া আরো অনেক ধরনের ক্যান্সার যা অল্প পরিমাণে হয়। যেমন লিম্প নুডের ক্যান্সার বা লিম্পুমা-এটা কমন একটা ক্যান্সার।
কী কারণে শিশুদের ক্যান্সার হয়?
ক্যান্সারের সঠিক কারণ আসলে জানা যায় না। বেশিরভাগ ক্যন্সার অজানা। তবে কিছু কিছু পরিমাণে ডিসঅর্ডারের কারণে ক্যান্সার হতে পারে। তাছাড়া কিছু ডাই আছে, কিছু ড্রাকস আছে, রেডিয়েশন আছে এই ধরনের কারণেও ক্যান্সার হতে পারে।
ক্যান্সারের লক্ষ্মণগুলো কী কী?
একেক ক্যান্সারের একেক ধরনের লক্ষণ হতে পারে।
আমাদের বাচ্চাদের স্বাধারণত ব্লাড ক্যান্সারটা কমন। ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ হলো- এ ধরনের ক্যান্সারে আসলে বাচ্চাদের জ্বর হয়। সাধারণ জ্বরটা অন্যান্য রোগের মত ওষুধ খেলে কমে যায় তবে এই ক্যান্সারটা ওষুধে কমে না। তারপরে বাচ্চাদের খাওয়া কমে যাবে, শরীর সাদা হয়ে যাবে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থান থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে। তাছাড়া বিভিন্ন গ্ল্যান্ড বা গ্রন্থি ফুলেও যেতে পারে। এসবই আসলে ব্লাড ক্যান্সারের প্রধান কারণ।
এছাড়া অন্যান্য ক্যান্সারের ক্ষেত্রে যে ক্যান্সার হয় সে ধরনের কারণ নিয়ে আসে। আবার চোখের ক্যান্সারের ক্ষেত্রে শিশুর জন্মের পরপরই এই ক্যান্সার দেখা যায় অথবা জন্মের ২ মাস পর দেখা যেতে পারে। এখানে বাচ্চাদের চোখ অন্ধকারে জ্বলতে থাকে। তখন মায়েরা হয়তো চিন্তা পড়ে যায় যে, কেন বাচ্চাদের চোখ জ্বলতে থাকে! আর একেই বলে ক্যাফ সাইড রিপ্লেক্স।
এই ধরনের ক্যাফ সাইড রিপ্লেক্সর কারণে বাচ্চাদের চোখ অন্ধকারে জ্বলতে থাকলে অবশ্যই চোখের ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।। তাছাড়া এমনও হয় শরীরের কোন না কোন অংশ ফুলে যায়। সেই ফোলাটা কোনো আঘাতজনিত কারণে বা কোন এক্সিডেন্টের কারণে আবার অথবা কোনো ব্যাথার কারণেও হয়নি। এমন হলে এটা একটা ক্যান্সারের লক্ষ্মণ হিসেবে ধরা হবে। এসবই আসলে ক্যান্সারের লক্ষ্মণ।
তাছাড়া স্বাধারণত ক্যান্সারের লক্ষ্মণ হলো- শরীর সাদা হয়ে যাওয়া। যাকে এনিমিয়া বলা হয়। তাছাড়া শরীর শুকিয়ে যাওয়া, ওজন কমে যাওয়াও ক্যান্সারের লক্ষ্মণ এবং এটাকে আমরা এনোরেকশিয়া বলে থাকি। অ্যানোরেক্সিয়া হচ্ছে, একেবারে না খাওয়া বা খাওয়া কমে যাওয়া। এসব যেকোনো কারণে যদি বাচ্চাদের এইরকম সমস্যা হয় সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত।
হাই কমোড (High Commode) কি? হাই কমোড হলো পশ্চিমা ধরনের একটি টয়লেট, যেখানে একজন ব্যবহারকারী বসে প্রাকৃতিক কার্য সম্পাদন করেন। এটি সাধারণত সিটের উচ্চতায় তৈরি হয়, যাতে ব্যবহারকারীকে মাটিতে বসতে হয় না। আধুনিক টয়লেটের মধ্যে হাই কমোড ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে শহরাঞ্চলে এবং উচ্চবিত্তদের মধ্যে।বিস্তারিত পড়ুন
হাই কমোড হলো পশ্চিমা ধরনের একটি টয়লেট, যেখানে একজন ব্যবহারকারী বসে প্রাকৃতিক কার্য সম্পাদন করেন। এটি সাধারণত সিটের উচ্চতায় তৈরি হয়, যাতে ব্যবহারকারীকে মাটিতে বসতে হয় না। আধুনিক টয়লেটের মধ্যে হাই কমোড ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে শহরাঞ্চলে এবং উচ্চবিত্তদের মধ্যে।
তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা প্রায়শই হাই কমোড ব্যবহারে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। কারণ এই ধরনের টয়লেটে বসে মলত্যাগ করার ফলে অন্ত্রের ক্যানসারসহ বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিচু টয়লেটে উবু হয়ে বসার সময় শরীরের বর্জ্য সহজে নির্গত হয়, যা হাই কমোডে পুরোপুরি হয় না। এছাড়াও, হাই কমোড ব্যবহারে টিস্যু পেপার ও পানি ব্যবহারের পরিমাণও বেশি হয়, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
তবে যাদের হাঁটু বা পায়ের সমস্যা আছে বা যারা বয়স্ক, তাদের জন্য হাই কমোড ব্যবহার সুবিধাজনক হতে পারে। তাই হাই কমোড ব্যবহারের সময় কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত, যেমন মলত্যাগের পর সঠিকভাবে ফ্লাশ করা, কমোড পরিষ্কার রাখা এবং সিট রিং কভার খোলা রাখা।
হাই কমোড ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা উভয়ই আছে। ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ও আরামের উপর নির্ভর করে এর ব্যবহার নির্ধারণ করা উচিত।
উচ্চ কমোড ব্যবহার করলে মলত্যাগের সময় শরীরের মলদ্বার প্রাকৃতিকভাবে যে কোণ তৈরি করে, তা বিঘ্নিত হয়। এর ফলে মলত্যাগ করতে অধিক চাপ প্রয়োজন হয়, যা স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। দীর্ঘমেয়াদে এটি পাইলস, অন্ত্রের প্রদাহ, এবং এমনকি কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। তুলনামূলকভাবে, নিচু কমোড, যা বসার সময় স্কোয়াটিং অবস্থার অনুরূপ, স্বাস্থ্যকর এবং এসব সমস্যার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
সংক্ষেপে দেখুনমৃগী স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতাজনিত একটি রোগ। ৪০টিরও বেশি নিউরোলজিক্যাল রোগের মধ্যে সাধারণ একটি লক্ষণ হলো খিঁচুনি। সাধারণত, মস্তিষ্কের কোষগুলো একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সচল রাখে। কোনো কারণে মানবদেহের কার্য পরিচালনাকারী মস্তিষ্কের স্নায়ুতন্ত্রের উদ্দীপক ও নিবৃত্তিকারক অংশদ্বয়েরবিস্তারিত পড়ুন
মৃগী স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতাজনিত একটি রোগ। ৪০টিরও বেশি নিউরোলজিক্যাল রোগের মধ্যে সাধারণ একটি লক্ষণ হলো খিঁচুনি। সাধারণত, মস্তিষ্কের কোষগুলো একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সচল রাখে। কোনো কারণে মানবদেহের কার্য পরিচালনাকারী মস্তিষ্কের স্নায়ুতন্ত্রের উদ্দীপক ও নিবৃত্তিকারক অংশদ্বয়ের কার্যপ্রণালির ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেলে মৃগীরোগের লক্ষণ দেখা দিতে পারে
যখন এ ধরনের হাজার থেকে লক্ষাধিক বৈদ্যুতিক শক্তি একই সময়ে ঘটে এবং যা মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক অবস্থার সৃষ্টি করে, তার ফলাফল হতে পারে খিঁচুনি।
সুস্থ–স্বাভাবিক একজন ব্যক্তি যদি হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে কাঁপুনি বা খিঁচুনির শিকার হন, চোখ-মুখ উল্টে ফেলে কিংবা কোনো শিশুর চোখের পাতা স্থির হয়ে যায়, একদৃষ্টিতে চেয়ে থাকে অথবা মানসিকভাবে সুস্থ কোনো ব্যক্তি যদি অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন, তবে তাঁকে মৃগীরোগী হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। বিশ্বে পাঁচ কোটি মানুষের মৃগী রোগ আছে, যার শতকরা ৮০ ভাগ মানুষই থাকে মধ্যম ও নিম্ন আয়ের দেশে।
মৃগীরোগের ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয় একটি বিষয়। এখানেই এই অবস্থাকে ঘিরে সামাজিক বিষয় বা নিষিদ্ধ, কল্পকাহিনিসহ অনেক ভুল ধারণা রয়েছে। কখনো কখনো এই অবস্থার চিকিৎসা নির্ণয় সঠিক নয়, যা ভুল বা বিলম্বিত চিকিৎসার কারণে সমস্যার কারণ হতে পারে।
অনেক সময় বলা হয়, এটা ভূতপ্রেত বা দুষ্ট আত্মা দ্বারা সৃষ্ট। এটা সত্য নয়। এর সঙ্গে অতীত জীবনের কোনো সম্পর্ক নেই। এটি একটি বৈজ্ঞানিক স্নায়বিক বিষয়, যা সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।
এপিডেমিওলজিক্যাল স্টাডি অব এপিলেপ্সি নির্দেশ করে যে সামগ্রিকভাবে মৃগীরোগের প্রকোপ নারীদের তুলনায় পুরুষদের মধ্যে সামান্য বেশি।
মৃগীরোগ হওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ নেই এবং শতকরা ৭০ ভাগের ক্ষেত্রে কোনো কারণ বের করা সম্ভব হয়নি। তবে নিম্নোক্ত কারণগুলো থেকে মৃগীরোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে:
• জন্মের আগে বা জন্মের সময় বা পরে মস্তিষ্কে আঘাত।
• আঘাত এবং মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের অভাব।
• সংক্রমণ যা মস্তিষ্কের ক্ষতি করে।
• মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে প্রতিবন্ধকতা (স্ট্রোক বা অন্যান্য সমস্যা)।
• মেহজমের সমস্যা বা পুষ্টির অভাব।
• মস্তিষ্কের টিউমার।
• অধিক মাত্রার জ্বর।
• মস্তিষ্কে প্রদাহ।
• এ ছাড়া অন্যান্য রোগ।
৩০ থেকে ৪০ শতাংশ মৃগীরোগ জেনেটিক প্রবণতা দ্বারা সৃষ্ট। উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত মৃগীরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রথম পর্যায়ের আত্মীয়দের মৃগীরোগের ঝুঁকি দুই থেকে চার গুণ বেড়ে যায়।
৪০ ধরনের মৃগীরোগ হতে পারে। মৃগী রোগীর মধ্যে নিম্নলিখিত যেকোনো একটি বা একাধিক লক্ষণ দেখা দিতে পারে:
• হঠাৎ শরীরের কোনো অংশে খিঁচুনি শুরু হওয়া ও পর্যায়ক্রমে তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়া।
• হঠাৎ নমনীয়ভাবে ঢলে পড়া।
• শরীর শক্ত হয়ে গিয়ে হঠাৎ পড়ে যাওয়া।
• হঠাৎ জ্ঞান হারানো।
• ঘন ঘন কাজে অমনোযোগী হয়ে পড়া।
• ছোট বাচ্চাদের শরীর হঠাৎ ঝাঁকি খাওয়া।
• হঠাৎ মাথা বা পিঠ কিংবা পুরো শরীর সামনে ঝুঁকে আসা।
• হাত থেকে হঠাৎ করে কিছু ছিটকে পড়া।
• হঠাৎ অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করা এবং হাত, পা ও মুখের অস্বাভাবিক নড়াচড়া শুরু হওয়া।
• হঠাৎ শরীরের কোনো অংশে ভিন্ন ধরনের অনুভূতি সৃষ্টি হওয়া।
মৃগীরোগের ডায়াগনোসিস
• রোগী এবং প্রত্যক্ষকারীর বিস্তারিত ইতিহাস।
• রক্ত পরীক্ষা।
• ইইজি।
• মস্তিষ্কের এমআরএই এবং সিটি স্ক্যান।
• সিএসএফ পরীক্ষা।
খিঁচুনির সময় যা করা যাবে না
• আতঙ্কিত বা ভীত হওয়া যাবে না।
• খিঁচুনির সময় কোনোরূপ বাধা সৃষ্টি বা রোগীকে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করা যাবে না; এতে রোগী ও সাহায্যকারী উভয়ই আহত হতে পারে।
• রোগীর মুখে চামড়ার জুতো বা চামড়ার তৈরি অন্য কিছু, লোহার শিক ইত্যাদি চেপে ধরা উচিত হবে না। এতে রোগীর উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশি হয়ে থাকে।
• রোগী পুরোপুরি সচেতন না হওয়া পর্যন্ত পানি বা অন্য কোনো পানীয় দেওয়া যাবে না।
• সাধারণত খিঁচুনি দুই মিনিটের বেশি স্থায়ী হয় না এবং এরপর রোগী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।
নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখা দিলে রোগীকে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
• খিঁচুনির স্থায়িত্ব পাঁচ মিনিটের বেশি হলে।
• রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা হলে।
• রোগী একনাগাড়ে অনেকক্ষণ ধরে বিভ্রান্ত হয়ে থাকলে কিংবা অচেতন থাকলে।
• খিঁচুনির সময়ে রোগী কোনোভাবে আহত হলে।
• রোগী প্রথমবারের মতো মৃগীতে আক্রান্ত হলে বিস্তারিত জানার জন্য নিকটস্থ হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগ বা কোনো নিউরোলজিস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
মৃগীরোগের চিকিৎসা প্রধানত কয়েকটি বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল; যেমন:
অ্যান্টি-এপিলেপটিক ওষুধ
অ্যান্টি-এপিলেপটিক ওষুধগুলোর সাধারণত পছন্দসই চিকিৎসাব্যবস্থা। প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, ৭০ শতাংশ ঘটনায় ওষুধ দিয়েই উপসর্গগুলো বা খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ বা নিরাময় করা গিয়েছে। মস্তিষ্ক থেকে নিঃসৃত হওয়া রাসায়নিকগুলোর পরিমাণ পরিবর্তন করে এই ওষুধগুলো খিঁচুনির তীব্রতা ও পুনরাবৃত্তির হার হ্রাস করতে সাহায্য করে। যদিও এই ওষুধগুলো মৃগীরোগের নিরাময় করতে পারে না, কিন্তু নিয়মিত চিকিৎসায় খিঁচুনির ঘটনার পুনরাবৃত্তির হার হ্রাস করে। এই ওষুধগুলো বিভিন্ন ধরনের পাওয়া যায়।
চিকিৎসার শুরুতে ওষুধ অল্প মাত্রায় প্রয়োগ করা হয় এবং খিঁচুনির ঘটনা না থামা পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ধীরে ধীরে ওষুধের মাত্রা বৃদ্ধি করা হয়। কোনো অর্থপূর্ণ প্রতিক্রিয়া বা উন্নতি না দেখা গেলে চিকিৎসক ওষুধ পরিবর্তন করতে পারেন। মৃগীরোগের ধরনের ওপরে ওষুধের ধরন নির্ভর করে এবং শুধু একজন চিকিৎসকই এই ওষুধগুলো প্রেসক্রাইব করতে পারেন। রোগী যদি অন্য কোনো ওষুধ নিতে থাকেন, তাহলে ডাক্তারকে তা জানাতে হবে।
কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে তৎক্ষণাৎ তা ডাক্তারকে জানাতে হবে। সুতরাং যেভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, ওষুধগুলো ঠিক সেইভাবেই সেবন করতে হবে। ওষুধের মাত্রা পরিবর্তন করার আগে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে নিতে হবে। ডাক্তারের অনুমতি ছাড়া ওষুধ বন্ধ করা যাবে না। রোগীর মেজাজের কোনো পরিবর্তন লক্ষ করলে ডাক্তারকে তা জানাতে হবে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অধিকাংশ অ্যান্টি-এপিলেপটিক ওষুধই বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং রোগী কোনো উপসর্গ ছাড়াই বাঁচতে পারবেন।
ওষুধে খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে না এলে অথবা বেশ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে শল্য চিকিৎসা করার পরামর্শ দেওয়া হতে পারে। অস্ত্রোপচারের সময় মস্তিষ্কের প্রভাবিত অংশ বাদ দেওয়া হয়। অস্ত্রোপচার তখনই করা হয়, যখন মস্তিষ্কের খুব ছোট এলাকা প্রভাবিত হয় এবং সেই এলাকা শরীরের কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যেমন: বাক্শক্তি, শ্রবণশক্তি, চলাফেরা, অঙ্গপ্রত্যঙ্গের নড়াচড়া ও সমন্বয় ইত্যাদির কোনো ক্ষতি করে না।
এ ছাড়া কিটো-জেনিক ডায়েট, ইপিলেপসি সার্জারি, ভেগাল নার্ভ স্টিমুলেশন (ভিএনএস), রেসপন্সিভ নার্ভ স্টিমুলেশন (আরএনএস) স্টেরিওট্যাকটিক সার্জারি ইত্যাদির মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। এসব চিকিৎসা সাধারণত উন্নত বিশ্বে হয়ে থাকে।
খিঁচুনির নিয়ন্ত্রণ জরুরি কারণ এটি বিপজ্জনক এবং জটিল সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
• নিয়মিত ওষুধ সেবন করা। ডাক্তারের অনুমতি ছাড়া ওষুধ বন্ধ কর যাবে না।
• খিঁচুনি বা মৃগীরোগ শুরুর কারণ খুঁজে বের করুন। খুব সাধারণ কারণগুলো হলো নিয়মিত ওষুধ না খাওয়া, মানসিক চাপ, খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম, মদ্যপান, অনিদ্রা, উজ্জ্বল আলো, জোরে আওয়াজ ইত্যাদি খিঁচুনি সৃষ্টি করে।
• খিঁচুনি কবে ও কখন শুরু হলো, এর তীব্রতা কত, কতক্ষণ ধরে হয়েছে এবং তার সঙ্গে খিঁচুনি শুরুর আগে আপনি কী করছিলেন, তা বিস্তারিত লিখে রাখুন।
• খিঁচুনি শুরুর কারণগুলোকে মোকাবিলা করার চেষ্টা করার নিয়ম—
১. নিয়মিত ওষুধ সেবন করা।
২. খাওয়াদাওয়া সময়মতো করা।
৩. ঘুমানোর জন্য তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ার চেষ্টা করা।
৪. শ্বাসের হালকা ব্যায়াম করা।
৫. মদ্যপান না করা।
৬. নেশাজাতীয় ওষুধ সেবন না করা।
• খিঁচুনি খুব ঘন ঘন হলে গাড়ি চালানো, সাঁতার কাটা এবং রান্না করা যাবে না। কারণ, এগুলো করার সময় খিঁচুনি হলে তা খুবই ক্ষতিকারক হবে।
• বাড়ির আসবাবপত্রগুলোর কোণ মসৃণ হতে হবে।
• স্নান করার সময় স্নানঘরের দরজা বন্ধ করা যাবে না।
• বাথটাবে স্নান করার বদলে শাওয়ার ব্যবহার করতে হবে। এতে খিঁচুনি শুরু হলে বাথটাবে ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না।
• সাঁতার কাটার সময় এমন সঙ্গী সঙ্গে রাখুন, যিনি আপনার খিঁচুনি শুরু হলে আপনাকে উদ্ধার করতে পারবেন।
• ঘরের বাইরে কোনো খেলাধুলার সময় মাথায় হেলমেট ব্যবহার করতে হবে।
খিঁচুনিতে আক্রান্ত রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা
• আক্রান্ত রোগীকে মেঝেতে শুইয়ে দিতে হবে এবং গায়ের কাপড় খুলে দিতে হবে।
• আশপাশের ধারালো জিনিসপত্র সরিয়ে ফেলতে হবে।
• রোগীকে একপাশে করে শোয়াতে হবে যাতে করে লালা বা থুতু মুখ থেকে বেরিয়ে আসতে পারে।
• মাথার নিচে নরম কাপড় ভাঁজ করে দিতে হবে।
• রোগীর মুখে কোনো কিছু দেওয়া যাবে না।
• খিঁচুনির পরে রোগীকে কিছুক্ষণ বিশ্রাম বা ঘুমাতে দিতে হবে।
মৃগীরোগে আক্রান্ত বেশির ভাগ মানুষ সঠিক চিকিৎসা এবং স্বাস্থ্যসেবা নিলে সুস্থ এবং স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবেন।
লেখক: সিনিয়র কনসালট্যান্ট নিউরোলজিস্ট, এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা
সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো
আপনার শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হলো থাইরয়েড গ্রন্থি। কিন্তু আপনি জানেন কি, থাইরয়েডের নিয়মিত মাত্রা কত (TSH এর স্বাভাবিক মাত্রা কত)? থাইরয়েডের কাজ কি এবং এটা কেন জরুরী? এই লেখায় আমরা জানাব থাইরয়েডের কাজ, লক্ষণ, কারণ এবং নিয়ন্ত্রণের উপায়। থাইরয়েডের কাজ কি? থাইরয়েড হরমোন তৈরি করে যা দেহেরবিস্তারিত পড়ুন
আপনার শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হলো থাইরয়েড গ্রন্থি। কিন্তু আপনি জানেন কি, থাইরয়েডের নিয়মিত মাত্রা কত (TSH এর স্বাভাবিক মাত্রা কত)? থাইরয়েডের কাজ কি এবং এটা কেন জরুরী? এই লেখায় আমরা জানাব থাইরয়েডের কাজ, লক্ষণ, কারণ এবং নিয়ন্ত্রণের উপায়।
থাইরয়েডের কাজ কি?
থাইরয়েড হরমোন তৈরি করে যা দেহের মেটাবলিজম, হৃদস্পন্দন, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং অন্যান্য জটিল কাজগুলো নিয়ন্ত্রন করে। তাই থাইরয়েডের স্বাস্থ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
থাইরয়েডের লক্ষণ কী?
-ওজন কমানো বা বেড়ে যাওয়া
-হৃদস্পন্দনের হারের পরিবর্তন
-ক্লান্তি বেড়ে যাওয়া
-ডেপ্রেশন বা উৎসাহহীনতা
-ত্বক সম্বন্ধীয় সমস্যা
থাইরয়েড হলে কি সমস্যা হয়? জেনে নিন!
-হৃদরোগ ঝেড়ে যেতে পারে
-ইনফারটিলিটি হতে পারে
-ডায়াবেটিস ঝেড়ে আসতে পারে
-গর্ভধারণ করাটা কঠিন হতে পারে
থাইরয়েডের কারণ কি?
-পরিবারে থাইরয়েড রোগ থাকা
-অতিরিক্ত ত্বক চিকিৎসা
-অত্যধিক গরম বা ঠন্ডার প্রভাব
-অত্যধিক তামাক সেবন
-অত্যন্ত উচ্চ বা নিম্ন আয়ুর মানুষ
থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে রাখার ৫টি উপায়
1. হরমোন টেস্ট করান
2. স্বাস্থ্যকর খাবার খান
3. বেশি কালো চা বা কফি না খাওয়া
4. তামাক, মাদক থেকে দূরে থাকা
5. নিয়মিত কালরি চেক করা
থাইরয়েড রোগীর জন্য পুষ্টিকর খাবার তালিকা
-ডাল, আলু, শাক-সবজি, ফল
-ডায়েট ও কম তৈলে রান্না করা খাবার
-হালকা মাছ, দুধ ও ডিম
-বাদাম, সয়াবীন ও ব্রাউন রাইস
-জিরা, আম ও শকরকন্দ
-জ্বালানি ছাড়া তৈরি খাবার
থাইরয়েড রোগ নিয়ন্ত্রণের উপায়:
-হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি
-রেডিওআইওডিন চিকিৎসা
-সার্জারি দ্বারা থাইরয়েডের অংশ বা সারা থাইরয়েড বাদ দেওয়া
-অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ঔষধ
-বেশি ক্যালসিয়াম ও আয়োডিনযুক্ত খাদ্য সেবন
TSH এর স্বাভাবিক মাত্রা কত
TSH-এর স্বাভাবিক মাত্রা 0.4 -4.0 mIU/L এর মধ্যে। যদি এর মাত্রা 2.0-এর বেশি হলে তাকে হাইপোথাইরয়েডিজম বলা হয় এবং মাত্রা কম হলে হাইপারথাইরয়েডিজম বলা হয়।
এইভাবে থাইরয়েডকে নিয়ন্ত্রণ, তার সঠিক কাজ নিশ্চিত করুন এবং সুস্থ থাকুন! আমি আপনাকে থাইরয়েড সম্পর্কে আরো জানাতে পারি। স্বাস্থ্যবান থাকুন!
সংক্ষেপে দেখুন