সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
Health related all questions.
জিহ্বার রং বদলে যাওয়া আর জিহ্বায় ফাটল দেখা দেয় কেন? এসব কোন কোন রোগের ইঙ্গিত দেয়? করনীয় কি?
জিহ্বা দেখেই চিকিৎসকরা বলে দিতে পারেন কে কোন সমস্যায় ভুগছেন। এর কারণ হলো শরীরে কোনো রোগ বাসা বাঁধলে তার প্রভাব জিহ্বাতেও পড়ে। এক্ষেত্রে জিহ্বার রং বদলে যায়। একটি স্বাস্থ্যকর জিহ্বার আদর্শ রং হালকা গোলাপি। তবে এর চেয়ে বেশি হালকা, ধূসর, সাদা, লাল, হলুদ কিংবা বেগুনি দেখলে তা হতে পারে বিভিন্ন রোগবিস্তারিত পড়ুন
জিহ্বা দেখেই চিকিৎসকরা বলে দিতে পারেন কে কোন সমস্যায় ভুগছেন। এর কারণ হলো শরীরে কোনো রোগ বাসা বাঁধলে তার প্রভাব জিহ্বাতেও পড়ে। এক্ষেত্রে জিহ্বার রং বদলে যায়।
একটি স্বাস্থ্যকর জিহ্বার আদর্শ রং হালকা গোলাপি। তবে এর চেয়ে বেশি হালকা, ধূসর, সাদা, লাল, হলুদ কিংবা বেগুনি দেখলে তা হতে পারে বিভিন্ন রোগের ইঙ্গিত। এই রঙের পরিবর্তনগুলো যদি কয়েক দিনের বেশি সময় ধরে চলতে থাকে তবে আপনাকে চিন্তা করতে হবে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক, জিহ্বার রং বদলে যাওয়া কীভাবে বিভিন্ন রোগের ইঙ্গিত দেয়-
গোলাপি জিহ্বা
জিহ্বার প্রাকৃতিক রং হলো সামান্য সাদা আবরণসহ গোলাপি। এমন জিহ্বা থাকলে বুঝে নেবেন আপনি সম্পূর্ণ সুস্থ ও শরীর স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।
একটি সুস্থ জিহ্বায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছোট ছোট মাংসল বাম্প থাকবে, যা জিহ্বাকে একটি মোটা টেক্সচার দেবে।
হলুদ জিহ্বা
একটি হলুদ জিহ্বা প্রায়ই পেটের সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। হজম বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকলে আপনার জিহ্বা হলুদ বর্ণের হবে।
ইউএস ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনে প্রকাশিত একটি গবেষণায়ও দাবি করা হয়েছে, হলুদ জিহ্বা টাইপ ২ ডায়াবেটিসের লক্ষণ হতে পারে।
আবার হলুদ জিহ্বা জন্ডিস এমনকি খারাপ মৌখিক স্বাস্থ্যবিধির কারণেও হতে পারে। এর অর্থ হলো আপনার জিহ্বায় ব্যাকটেরিয়া জমেছে।
সাদা বা ধূসর
জিহ্বায় সাধারণত একটি সাদা আবরণ থাকে, তবে কিছু ধূসর অংশের সঙ্গে যদি এটি স্বাভাবিকের চেয়ে সাদা মনে হয় তাহলে বুঝবেন এটি শরীরে ইস্ট সংক্রমণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। আবার ধূমপানের ফলে বা অন্যান্য তামাকজাত দ্রব্য সেবনের কারণেও জিহ্বায় সাদা দাগও লক্ষ্য করা যায়। যাকে বলা হয় লিউকোপ্লাকিয়া।
বেগুনি
শরীরের রক্ত সঞ্চালন খারাপ হলে জিহ্বা বেগুনি হয়ে যায়। ফুসফুস বা হার্ট সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যার কারণে অনুপযুক্ত রক্ত সঞ্চালন হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরেই যদি জিহ্বার রং বেগুনি দেখেন তাহলে বুঝবেন আপনি হৃদরোগে ভুগছেন।
লাল জিহ্বা
একটি উজ্জ্বল লাল জিহ্বা সাধারণত ফোলা ও আঁশযুক্ত হয়। চিকিৎসকরা একে ‘স্ট্রবেরি জিহ্বা’ হিসাবে অভিহিত করেন।
এটি প্রায়ই রক্তের ব্যাধি বা হার্টের সমস্যা নির্দেশ করে। ভিটামিন বি এর ঘাটতি বা স্কারলেট ফিভারের ইঙ্গিতও হতে পারে লাল জিহ্বা।
শরীরের ভেতরের বিভিন্ন সমস্যার লক্ষণ কিন্তু ফুটে ওঠে জিহ্বায়। আর এ কারণেই চিকিৎসকের কাছে গেলে তিনি রোগীর জিহ্বা পরীক্ষা অবশ্যই করেন। জিহ্বায় কোনো ধরনের সমস্যা দেখা দিলেই বুঝতে হবে শরীরে হয়তো কোনো রোগ বাসা বেঁধেছে।
জিহ্বায় ঘা হওয়া থেকে শুরু করে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর তেমনই একটি সমস্যা হলো জিহ্বায় ফাটল দেখা দেওয়া। অনেকে হয়তো এ সমস্যাকে সাধারণভাবে দেখেন, তবে এটি কিন্তু একটি গুরুতর লক্ষণ। শরীরে ভিটামিনের ঘাটতি হলে জিহ্বায় ফাটল দেখা দিতে পারে। একে স্ক্রোটাল টাং বলা হয়।
স্ক্রোটাল টাং বা স্ক্রোটাল জিহ্বা কী?
এ ক্ষেত্রে জিহ্বায় ফাটল দাগ দেখা দিতে পারে কিংবা খাঁজকাটা বা কুঁচকে যেতে পারে। ভিটামিন বি ১২, ভিটামিন বি ৯ (ফোলেট) ও ফেরিটিন (লোহা সঞ্চয় করে এমন একটি প্রোটিন) এর ঘাটতির কারণে এই অবস্থা ঘটতে পারে।
জিহ্বায় এমন ফাটল দেখা দিলে অস্বস্তি হয়, বিশেষ করে মসলাদার খাবার খাওয়ার সময় জ্বালাপোড়া হতে পারে। এমন ক্ষেত্রে সাইট্রাস ও মসলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন।
স্ক্রোটাল জিহ্বা হলে কী করবেন?
এক্ষেত্রে মৌখিক স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিতে হবে। জিহ্বা পরিষ্কার করার রুটিন অনুসরণ করতে হবে। তবে স্ক্রোটাল জিহ্বা দেখা দিলে প্রথমে খাদ্যতালিকায় পরিবর্তন আনতে হবে। কী কী খাবেন জেনে নিন-
ভিটামিন বি ১২এর ঘাটতি মেটাতে গরুর মাংস, কলিজা, মুরগির মাংস, মাছ, ডিম, দুধ, মাখন, পনির ইত্যাদি খেতে হবে। চাইলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সাপ্লিমেন্টও গ্রহণ করতে পারেন।
ভিটামিন বি ৯ কে ফোলেট বলা হয়। ব্রাসেলস স্প্রাউট, ছোলা, কিডনি বিনস, বাঁধাকপি, কেল ও পালং শাক ইত্যাদি শাক-সবজিতে পাওয়া যায় এই ভিটামিন। ফলিক অ্যাসিডের সাপ্লিমেন্টও খেতে পারেন এক্ষেত্রে।
কুঁচকানো বা ফাটা জিহ্বা ছাড়াও, ফোলেটের ঘাটতির কারণে ক্লান্তি, শক্তির অভাব, হাত পায়ে ঝি ঝি ধরা, জিহ্বায় ঘা, মুখের আলসার, পেশী দুর্বলতা ও দৃষ্টি বিঘ্নিত হতে পারে।
এছাড়া মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা যেমন- বিভ্রান্তি, বিষণ্নতা, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া, বোঝাপড়া ও বিচারের মতো সমস্যা হতে পারে।
ভিটামিন বি ৯ এর ঘাটতির কারণে হার্টেও ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। এমনকি হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতা, অস্থায়ী বন্ধ্যাত্ব ও গর্ভাবস্থার সমস্যা হতে পারে এই ভিটামিনের ঘাটতিতে।
সংক্ষেপে দেখুনদাঁত ফাঁকা আর মুখে দুর্গন্ধ হলে করণীয় কি ?
নিয়মিত পরিষ্কার না করলে, যত্ন না নিলে দাঁত আস্তে আস্তে নষ্ট হয়ে যায়, ক্ষয় হয়ে যায়। - প্রতীকী ছবি দাঁতের ওপরের দিকে ফাঁকা হলে আমরা ডাক্তারের কাছে যাবো। ওনারা এক্ষেত্রে এক্সরে করবেন। যদি ডাক্তারের কাছে মনে হয়, এটা ফিলিং করলে ভালো হবে, তাহলে তাই করবেন। আর যদি ডাক্তাররা দেখেন যে দাঁতের পাশে ফাঁকাবিস্তারিত পড়ুন
নিয়মিত পরিষ্কার না করলে, যত্ন না নিলে দাঁত আস্তে আস্তে নষ্ট হয়ে যায়, ক্ষয় হয়ে যায়। – প্রতীকী ছবি
দাঁতের ওপরের দিকে ফাঁকা হলে আমরা ডাক্তারের কাছে যাবো। ওনারা এক্ষেত্রে এক্সরে করবেন। যদি ডাক্তারের কাছে মনে হয়, এটা ফিলিং করলে ভালো হবে, তাহলে তাই করবেন। আর যদি ডাক্তাররা দেখেন যে দাঁতের পাশে ফাঁকা হয়েছে সে ক্ষেত্রেও একই চিকিৎসা করতে হবে। সে ক্ষেত্রে এটা ফিলিং করিয়ে রাখতে হবে।
এমন যদি হয় যে, দুই দাঁতের মাঝখানে ফাঁকা এবং সেখানে খাবার আটকায়, তাহলে সে ক্ষেত্রে আমরা ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করবো। ডেন্টাল ফ্লস হচ্ছে প্লাস্টিকের মতো এক ধরনের সাদা সুতার মতো। আমরা টুথপিকের জায়গায় এখন ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করতে বলি। ডেন্টাল ফ্লস আপনারা যে কোনো জায়গায় পাবেন- মার্কেটে বা ফার্মেসিতে।
আপনার যদি দুই দাঁতের মাঝখানের ফাঁকা জায়গায় খাবার আটকে থাকে, তাহলে সে ক্ষেত্রে আপনি ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করলে, সেখানে আর খাবার আটকে থাকবে না এবং সেখানে আর দুর্গন্ধ হবে না। ফলে খাদ্যকণা জমে সেই জায়গায় আর ক্ষয় হবে না।
আর মুখে দুর্গন্ধ হলে আমি পরামর্শ দেব যে, ছয় মাস পরপর স্কেলিং করাবেন। নিয়ম অনুযায়ী দাঁত ব্রাশ করবেন। যেমন- সকালে নাস্তা করার পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে দাঁত ব্রাশ করবেন। মাউথওয়াশ ব্যবহার করবেন।
অনেকে বলেন যে, স্কেলিং করালে দাঁতের কোনো ক্ষতি হবে কিনা কিংবা মাড়ির কোনো ক্ষতি হবে কিনা। একদমই না। সেক্ষেত্রে দাঁত বা মাড়ির কোনো ক্ষতি হবে না।
আমাদের কোনো জিনিসপত্রে যদি ময়লা জমে থাকে, ধুলাবালি জমে থাকে, আমরা যদি সেটা পরিষ্কার না করি, যত্ন না করি, তাহলে সেটা অনেকদিন ধরে ময়লা জমতে জমতে নষ্ট হয়ে যায়, সেটা ক্ষয় হয়ে যায়। তো আমাদের দাঁতও ঠিক এরকমই। নিয়মিত পরিষ্কার না করলে, যত্ন না নিলে দাঁত আস্তে আস্তে নষ্ট হয়ে যায়, ক্ষয় হয়ে যায়।
আমরা প্রতিদিন নিয়মিত দুইবার দাঁত ব্রাশ করবো এবং আমাদের টুথব্রাশ ছয় মাস পরপর বদলাবো। আমরা দাঁত ওপর থেকে নিচে ঘষে ব্রাশ করবো। এতে এক দাঁত থেকে আরেক দাঁতের মাঝে ছোট ফাঁকা জায়গায় যদি ময়লা থাকে, তাহলে সেটা বেরিয়ে যাবে। আমরা দাঁতের ভেতরে আরও ভালো করে ব্রাশ করবো।
কখন দাঁতের রুট ক্যানেল করতে হয়?
দাঁতে কোন ধরনের সমস্যা দেখা দিলে এবং সেটি কোন পর্যায়ে গেলে রুট ক্যানেল করা প্রয়োজন তা চিকিৎসকই ঠিক করবেন। - প্রতীকী ছবি একেক জনের দাঁতে একেক রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর এ সমস্যার বিভিন্ন পর্যায় থাকে। দাঁতে কোন ধরনের সমস্যা দেখা দিলে এবং সেটি কোন পর্যায়ে গেলে রুট ক্যানেল করা প্রয়োজন তা চিকিৎসকই ঠিকবিস্তারিত পড়ুন
দাঁতে কোন ধরনের সমস্যা দেখা দিলে এবং সেটি কোন পর্যায়ে গেলে রুট ক্যানেল করা প্রয়োজন তা চিকিৎসকই ঠিক করবেন। – প্রতীকী ছবি
একেক জনের দাঁতে একেক রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর এ সমস্যার বিভিন্ন পর্যায় থাকে। দাঁতে কোন ধরনের সমস্যা দেখা দিলে এবং সেটি কোন পর্যায়ে গেলে রুট ক্যানেল করা প্রয়োজন তা চিকিৎসকই ঠিক করবেন।
অনেক সময় দেখা যায়, দাঁতের উপরের অংশে একটা ছোট দাগ পড়ে সেটা আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে। তখনই দন্তক্ষয়ের পরিমাণ বাড়তে থাকে। তখন দাঁতে ব্যথাও শুরু হয়।
আমাদের দাঁতের ভেতরের একটা লাল ধরনের আবরণ থাকে, যেখানে রক্ত প্রবাহিত হয়। বাইরের দৃশ্যমান অংশকে আমরা বলি এনামেল। ভেতরের অংশটাকে আমরা বলি ডেন্টিন।
ছোট কালো অংশটি যখন হয়ে থাকে, সাধারণত আমরা (চিকিৎসকরা) এটা ফেলে দেই। এটা ফেলে দিয়ে ফিলিং করে দিলেই হয়। কিন্তু এটা যখন চিকিৎসা করাতে দেরি হয়, আস্তে আস্তে ভিতরে চলে যায়, ডেন্টিনে চলে যায়।
যখন ওপরের সাদা অংশতে কালো হয়ে গিয়ে আস্তে আস্তে ডেন্টিনকেও আক্রান্ত করে ফেলে, তখনই ব্যথা শুরু হয়; প্রচুর ব্যাথা হয়। রুট ক্যানেল করতে হয় তখন। ডেন্টিনের লাল অংশটা ফেলে দিয়ে ওখানে কিছু ম্যাটেরিয়ালস বসিয়ে চিকিৎসা করতে হয়। এর পরবর্তীতে আমাদের দাঁতের আবরণটা কেটে ক্যাপ বসাতে হয়।
প্রতিটি দাঁতের নির্দিষ্ট শক্তি থাকে, যা কাটলে ক্ষয় হয়ে যায়। তখন শক্ত খাবার খেলে দাঁত ভেঙে যায়। আর যার জন্যই রুট ক্যানেল করার পর ক্যাপ বসানো হয়।
দাঁত উঁচু-নিচু ও আঁকাবাঁকা হওয়া কিভাবে ঠেকানো যায় ?
যদি দাঁত একটার ওপর আরেকটা ওঠে, তাহলে সেক্ষেত্রে সেখানে খাদ্যকণা জমে থাকে এবং দাঁত আস্তে আস্তে ক্ষয় হয়ে যায়। - প্রতীকী ছবি দাঁত উঁচু-নিচু এবং আঁকাবাঁকা যে কারও জন্ম থেকে শুরু হতে পারে। মুখের অনেক রকম অসামঞ্জস্য থাকতে পারে। সেটা শিশু জন্ম থেকে নিয়ে আসতে পারে অথবা সেটা ধীরে ধীরে তৈরি হতে পারে। তো যেটাবিস্তারিত পড়ুন
যদি দাঁত একটার ওপর আরেকটা ওঠে, তাহলে সেক্ষেত্রে সেখানে খাদ্যকণা জমে থাকে এবং দাঁত আস্তে আস্তে ক্ষয় হয়ে যায়। – প্রতীকী ছবি
দাঁত উঁচু-নিচু এবং আঁকাবাঁকা যে কারও জন্ম থেকে শুরু হতে পারে। মুখের অনেক রকম অসামঞ্জস্য থাকতে পারে। সেটা শিশু জন্ম থেকে নিয়ে আসতে পারে অথবা সেটা ধীরে ধীরে তৈরি হতে পারে। তো যেটা মানুষ জন্ম থেকে নিয়ে আসে, সেটার কারেকশন আস্তে আস্তে হবে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিলে। যখন অভিভাবকের মনে হবে, বাচ্চার মুখে অসামঞ্জস্যতা রয়েছে, তখন অবশ্যই বাচ্চাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবেন।
কিছু জিনিস তৈরি হয় ছোটবেলায় আমাদের বদ অভ্যাস বা কিছু ভুলের কারণে। ফলে দেখা যায়ে, যে দাঁত ফাঁকা হওয়ার কথা ছিল না, সেটা ধীরে ধীরে ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। যে দাঁতগুলো উঁচু-নিচু হওয়ার কথা ছিল না, সেগুলো দেখা যায় ধীরে ধীরে এ রকম হয়ে যাচ্ছে।
তো এটা আমরা কীভাবে প্রতিরোধ করতে পারি? এক্ষেত্রে আমরা মায়েরা অথবা বাচ্চার অভিভাবকেরা বাচ্চাকে অবশ্যই আঙুল চুষতে দেবো না। কারণ, বাচ্চারা ছোটকাল থেকে যদি আঙুল চুষতে থাকে, এর ফলে দেখা যায় যে দাঁতগুলো উঁচু হয়ে যায় এবং আস্তে আস্তে ফাঁকা হতে থাকে। তো বাচ্চাদের এই অভ্যাসটাকে আমরা বাড়তে দেবো না। আমরা চেষ্টা করবো বাচ্চা যখনই মুখে আঙুল দেবে, সেটাকে সরিয়ে দিতে।
সব বাচ্চাদের মোটামুটি তিন বছর বয়সের মধ্যে দুধ দাঁত উঠে যায়। সেই বেলায় আমরা কী করবো? এই দাঁতগুলোকে আমরা কীভাবে সুন্দর করলে পরবর্তীতে দাঁতগুলো উঁচু-নিচু বা আঁকাবাঁকা হবে না, দাঁত একটার ওপরে আরেকটা উঠবে না?
যদি দাঁত একটার ওপর আরেকটা ওঠে, তাহলে সেক্ষেত্রে সেখানে খাদ্যকণা জমে থাকে এবং দাঁত আস্তে আস্তে ক্ষয় হয়ে যায়। হয়তো পরবর্তীতে সেই দাঁত ফেলেও দিতে হতে পারে। বাচ্চাদের দাঁত ওঠার যেমন একটা নির্দিষ্ট সময় আছে, ঠিক তেমনি বাচ্চাদের দাঁত পড়ারও একটা নির্দিষ্ট সময় আছে। তো আমরা যেটা করবো, সেটা হলো- নির্দিষ্ট সময়ে আমরা দাঁতটা যেন ফেলতে পারি, সেদিকে খেয়াল রাখবো। আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে নির্দিষ্ট সময়ের আগে যেন দাঁত না পড়ে। যেমন একটা দাঁতে একটু ক্ষয় হয়েছে, সেটা আমরা সঙ্গে সঙ্গে ফেলে দিলাম ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া। এই কাজটা একদমই করা যাবে না।
অনেক ক্ষেত্রে ডাক্তাররা অভিভাবকদের বোঝান, এভাবে দাঁত ফেলে দিলে পরবর্তীতে সমস্যা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে অভিভাবকরা নিজে থেকে সিদ্ধান্ত নিয়ে দাঁতগুলো ফেলবেন না। প্রত্যেকটা দাঁত পড়ার একটা নির্দিষ্ট সময় আছে। আমরা যদি নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়ে এই দুধ দাঁত ফেলে দেই, তখন দেখা যাবে যে দাঁতটা ফেলে দেওয়া হয়েছে, তার পাশের দাঁত হেলে পড়েছে। পরবর্তীতে যেই দাঁতটা উঠবে, সেটা তখন আর জায়গা পায় না। তখন সেই দাঁতটা হয়তো সামনে দিয়ে উঠবে, নয়তো পেছন দিয়ে উঠবে, অথবা একটু কাত হয়ে উঠবে। তার মানে সেই দাঁত তার জায়গা না পাওয়াতে সে ঠিকমতো উঠতে পারে না। আর উঠলেও দেখা যায় দাঁত আঁকাবাঁকা হয়ে ওঠে, নয়তো দেখা যায় সেই দাঁত আর উঠতেই পারল না।
অনেক সময় দেখা যায়, বাচ্চাদের দুধ দাঁত ক্ষয় হয়ে যায়। এক্ষেত্রে আমরা চিকিৎসা করি না। কিন্তু এক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই দাঁতটা ফিলিং করিয়ে ফেলতে হবে। আবার কিছু দাঁত আছে সময় মতো পড়ছে না, দাঁতটা অনেকদিন ধরে রয়ে গেছে। এক্ষেত্রে দুধ দাঁত যদি অনেকদিন ধরে রয়ে যায়, সেক্ষেত্রে স্থায়ী যে দাঁত আছে সেটা আর উঠতে পারে না। তখন সেই দুধদাঁত ডাক্তারের কাছে গিয়ে ফেলে আসতে হয়।
ধরনের সমস্যার কারণে বাচ্চাদের দাঁত উঁচু-নিচু, আঁকাবাঁকা, দাঁত একটার ওপর আরেকটা ওঠা- এরকম হয়ে থাকে। সমস্যা যাই হোক তার একটা স্থায়ী সমাধান আছে। এটা নিয়ে চিন্তার কোনো কারণ নেই। কারণ ডাক্তারের কাছে আসলে একটা নির্দিষ্ট সময়ে ডাক্তাররা চিকিৎসা শুরু করেন। শিশুবেলায় চোয়াল যদি একটু উঁচু হয় বা নিচু হয় বা সামনে আগানো থাকে বা পেছানো থাকে, তখন ছোট বাচ্চাদের কমবয়সে চিকিৎসা শুরু করা হয়। আবার দেখা যায়, যখন স্থায়ী দাঁত উঠে যায় ১৩ বছরের দিকে, তখন সে চিকিৎসা করা হয়। আবার সব চিকিৎসা যে ১৩ বছরে করতে হয় তা নয়। এসব ক্ষেত্রে ছয় মাস পর পর ডাক্তারের কাছে যেতে হয়। ডাক্তারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চিকিৎসা করাতে হয়।
শিশুদের ফাঁকা দাঁত কতটা দুশ্চিন্তার?
বাচ্চাদের দুই দাঁতের মাঝখানে ফাঁকা দেখা যায়। এটা নিয়ে খুব বেশি টেনশন করবেন না। - প্রতীকী ছবি অনেক সময় আমরা বাচ্চাদের ক্ষেত্রে দেখি, দুই দাঁতের মাঝখানে ফাঁকা দেখা যায়। এটা নিয়ে খুব বেশি টেনশন করবেন না। বিশেষ করে ১১ থেকে ১৩ বছরের মাঝখানে যে সময়টা, এই সময়টাতে বেশি চিন্তা করেন মা-বাবারা। আমাদের ১৩ ববিস্তারিত পড়ুন
বাচ্চাদের দুই দাঁতের মাঝখানে ফাঁকা দেখা যায়। এটা নিয়ে খুব বেশি টেনশন করবেন না। – প্রতীকী ছবি
অনেক সময় আমরা বাচ্চাদের ক্ষেত্রে দেখি, দুই দাঁতের মাঝখানে ফাঁকা দেখা যায়। এটা নিয়ে খুব বেশি টেনশন করবেন না। বিশেষ করে ১১ থেকে ১৩ বছরের মাঝখানে যে সময়টা, এই সময়টাতে বেশি চিন্তা করেন মা-বাবারা।
আমাদের ১৩ বছরের সময় একটা দাঁত ওঠে, যে দাঁতটা অন্য দাঁতাগুলোর গোড়ায় প্রেসার দিয়ে উঠে। এর কারণে সামনে দাঁতগুলো ফাঁকা দেখা যায়। ১৩ বছরের সময়ে ফাঁকা জায়গাটা আস্তে আস্তে পূরণ হতে শুরু করে।
এছাড়াও ছোট বাচ্চাদের সবগুলো দাঁতের মাঝখানে যদি কিছু ফাঁকা ফাঁকা জায়গা থাকে, এটা নিয়ে চিন্তা করার কিছু নেই। কারণ স্থায়ী দাঁতগুলো উঠার জন্য এই ফাঁকা স্থানগুলো দরকার রয়েছে।
তবে যে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে- অনেকদিন ধরে যদি বাচ্চার আঙুল চোষা সমস্যাটা থাকে, সে ক্ষেত্রে ওপরের মাড়িটা উঁচু হয়ে যায়। ওপরের দাঁতগুলো উঁচু হয়ে যায়। দাঁত ফাঁকা হতে থাকে। নিচের চোয়ালটা ভেতরের দিকে চলে যায়। বাচ্চাকে এ অভ্যাস থেকে বিরত রাখতে হবে।
আক্কেল দাঁত কি প্রয়োজনীয়, ফেলে দিলে কোনো সমস্যা হয়?
শুধু আক্কেল দাঁত নয়, আমাদের যেকোন দাঁত সম্পর্কে আমাদের একটা ভুল ধারণা রয়েছে। - প্রতীকী ছবি আক্কেল দাঁতগুলো সাধারণত ১৮ বছরের পরে ওঠে। তখন আমাদের মাড়ির টিস্যু একটু পুরু ও শক্ত হয়ে যায়। দাঁতটিকে মাড়ি একটু চিরে উঠতে হয়। ফলে ওঠার সময় চাপ হয় এবং মাড়িকে একটু কেটে কেটে সে বের হয়। এজন্য দাঁত ওঠার সময় খুব ববিস্তারিত পড়ুন
শুধু আক্কেল দাঁত নয়, আমাদের যেকোন দাঁত সম্পর্কে আমাদের একটা ভুল ধারণা রয়েছে। – প্রতীকী ছবি
আক্কেল দাঁতগুলো সাধারণত ১৮ বছরের পরে ওঠে। তখন আমাদের মাড়ির টিস্যু একটু পুরু ও শক্ত হয়ে যায়। দাঁতটিকে মাড়ি একটু চিরে উঠতে হয়। ফলে ওঠার সময় চাপ হয় এবং মাড়িকে একটু কেটে কেটে সে বের হয়। এজন্য দাঁত ওঠার সময় খুব ব্যথা লাগে।
মেডিকেলের ভাষায় আক্কেল দাঁতকে উইজডম টিথ বা থার্ড মোলার বলা হয়ে থাকে। আক্কেল দাঁতের কোনো প্রয়োজনীয়তা আমাদের মুখে নাই। আপনাকে এ দাঁতগুলো ফেলে দিতে হবে। এ দাঁতগুলো যদি আপনি সার্জারি করে ফেলে দেন, তাহলে আর অস্বস্তি থাকবে না।
শুধু আক্কেল দাঁত নয়, আমাদের যেকোন দাঁত সম্পর্কে আমাদের একটা ভুল ধারণা রয়েছে। দাঁত ফেললে চোখ অন্ধ হবে বা সমস্যা হবে। এটি সম্পূর্ণ একটি ভুল ধারণা।
আক্কেল দাঁতের ক্ষেত্রে অনেকেই মায়া দেখায়। যদিও এ দাঁতের কোনো প্রয়োজন নেই আমাদের। যদি আক্কেল দাঁত ঠিকমতো না উঠে, এই দাঁত দিয়ে যদি সমস্যা হয়, এটা ফেলে দেওয়াই হচ্ছে ভালো।
শিশুর দাঁতের যত্ন কীভাবে নেবেন, কখন টুথব্রাশ দেবেন?
অনেকেই মনে করেন, বাচ্চা বড় হলে টুথপেস্ট, টুথব্রাশ ব্যবহার করবে। কিন্তু বিষয়টা একেবারে তেমন নয়। - প্রতীকী ছবি বাচ্চাদের ক্ষেত্রে কত বছর থেকে আমরা দাঁত ব্রাশ করাবো অনেকেই তা জানতে চান। অনেকেই মনে করেন, বাচ্চা বড় হলে টুথপেস্ট, টুথব্রাশ ব্যবহার করবে। কিন্তু বিষয়টা একেবারে তেমন নয়। অনেক বাচ্চার ক্ষেত্বিস্তারিত পড়ুন
অনেকেই মনে করেন, বাচ্চা বড় হলে টুথপেস্ট, টুথব্রাশ ব্যবহার করবে। কিন্তু বিষয়টা একেবারে তেমন নয়। – প্রতীকী ছবি
বাচ্চাদের ক্ষেত্রে কত বছর থেকে আমরা দাঁত ব্রাশ করাবো অনেকেই তা জানতে চান। অনেকেই মনে করেন, বাচ্চা বড় হলে টুথপেস্ট, টুথব্রাশ ব্যবহার করবে। কিন্তু বিষয়টা একেবারে তেমন নয়।
অনেক বাচ্চার ক্ষেত্রে দেখা যায়, তারা মায়ের পেট থেকে দাঁত নিয়ে আসে। অনেক ক্ষেত্রে ছয় মাস থেকে শুরু করে তিন বছর পর্যন্ত পুরোপুরি দাঁতগুলো উঠে। ছয় বছর পর্যন্ত দুধ দাঁতগুলো পুরোপুরি থাকে।
ছয় বছরের পর থেকে স্থায়ী দাঁত আসা শুরু করে। দুধ দাঁতের সবচেয়ে পেছনের ওপরে এবং নিচে চারটি স্থায়ী দাঁত আসে। এটাকে ফাস্ট মোলার বলে।
অনেক সময় আমাদের ভেতরে ভয় কাজ করে বলে বাচ্চাদের টুথপেস্ট দেওয়া যায় না, ব্রাশ দেওয়া যায় না। কারণ যদি তারা টুথপেস্ট খেয়ে ফেলে। এজন্য আমরা আঙুলের মাথায় একটা গজ কাপড়ের মতো পেঁচিয়ে নেবো। পেঁচিয়ে নিয়ে তাদের দাঁত হালকা করে পরিষ্কার করে দেবো। তারা যেহেতু সব সময় দুধ খায়, এজন্য আঙুল দিয়ে ওটা পরিষ্কার করে দিতে হবে।
বাচ্চার বয়স যখন দেড় থেকে দুই বছরে যাবে, তখন থেকে দাঁত ব্রাশ করা যায়। বাচ্চাদের জন্য ছোট ছোট টুথব্রাশ আছে। ওদের জন্য টুথপেস্টও রয়েছে, যেগুলো খেয়ে ফেললেও অনেক সময় সমস্যা হয় না।
এছাড়াও বাচ্চাদের ক্ষেত্রে কিছু কিছু অভ্যাস বন্ধ রাখতে হবে। যেমন- চকোলেট খাওয়ানো। কিন্তু যে বাচ্চা সব সময় চকোলেট খায়, তার ক্ষেত্রে চকোলেট খাওয়ার পরে দাঁত ব্রাশটা করিয়ে নেবেন। অন্তত যেন কুলিটা করে।
বাচ্চারা যেহেতু রাতের বেলা দুধ খেয়ে ঘুমায়, দুধের আবরণটা দাঁতের মধ্যে লেগে থাকে। তার প্রভাবে সবগুলো দাঁত ক্ষয় হতে শুরু করে। যেটা অত্যন্ত ক্ষতিকারক তাদের জন্য।
দাঁতে পোকা বলতে সত্যিই কি কিছু আছে?
আসলে দাঁতে পোকা বলতে কিছুই নেই - প্রতীকী ছবি আমাদের দেশের জনগণ যে সকল দাঁতের সমস্যা নিয়ে ডেন্টিস্টদের কাছে অথবা ডেন্টাল হাসপাতালে আসেন সেগুলো হচ্ছে প্রথমত দাঁতের ডেন্টাল ক্যারিস – মানে রোগী দাঁতের তীব্র ব্যাথা নিয়ে ডাক্তারের কাছে আসেন। তারা অনুভব করতে পারে দাঁতের মধ্যে গর্ত হয়েছে, তারা বুঝতে পারে দাবিস্তারিত পড়ুন
আসলে দাঁতে পোকা বলতে কিছুই নেই – প্রতীকী ছবি
আমাদের দেশের জনগণ যে সকল দাঁতের সমস্যা নিয়ে ডেন্টিস্টদের কাছে অথবা ডেন্টাল হাসপাতালে আসেন সেগুলো হচ্ছে প্রথমত দাঁতের ডেন্টাল ক্যারিস – মানে রোগী দাঁতের তীব্র ব্যাথা নিয়ে ডাক্তারের কাছে আসেন।
তারা অনুভব করতে পারে দাঁতের মধ্যে গর্ত হয়েছে, তারা বুঝতে পারে দাঁতের মধ্যে খাদ্য জমে যায়, আবার রোগীরা বুঝতে পারে দাঁত শিরশির করে অথবা ঠাণ্ডা বা মিষ্টি খেলে দাঁত শিরশির করে – এসব সমস্যা নিয়ে ডেন্টিস্টের কাছে আসতে পারে।
এছাড়া আরো সমস্যা নিয়ে আসতে পারে যেমন তারা অনুভব করতে পারে মুখে দুর্গন্ধ হয়, মুখে পাথরজনিত সমস্যা নিয়ে আসতে পারে এবং তারা এমন সমস্যা নিয়েও আসে যে দাঁত নড়ছে অথবা পড়ে যাবে অথবা তারা আঁকাবাঁকা দাঁতের সমস্যা নিয়েও আসে। বা মুখে খাদ্য জমে যাচ্ছে – এই সমস্যা নিয়েও আসতে পারে। পাশাপাশি শিশুদের মুখ ও দাঁতের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আসতে পারে এবং দেখা যায় যে, রোগী ভাঙা দাঁত অথবা ভাঙা চোয়াল বা দুর্ঘটনাজনিত বিষয় নিয়ে চেম্বারে বা ডেন্টিস্টদের কাছে এসে থাকে।
ডেন্টাল ক্যারিস বলতে কী বুঝায় এবং এটা কাদের বেশি হয়ে থাকে ?
ডেন্টাল ক্যারিস বলতে সাধারণ জনগণ বুঝে দাঁতে পোকা; আসলে দাঁতে পোকা বলতে কিছুই নেই। যেটা আছে সেটাকে আমরা (চিকিৎসকরা) ব্যাক্টেরিয়া বলে থাকি। আমাদের মুখে হাজারো ধরনের ব্যাক্টেরিয়া থাকে, তার মধ্যে ডেন্টাল ক্যারিস যেটা হচ্ছে দন্ত ক্ষয় রোগ – এইটার জন্যে যে ব্যাক্টেরিয়া দায়ী সেটা হলো ল্যাক্টোবেসিলাস এবং চেপলোকোকাস মিউটেন্ট। আমরা যে খাবার খাই সেই খাবারগুলোর দাঁতের সাথে লেগে থাকলে এই ব্যাক্টেরিয়াগুলো ফ্লাইবারের উপস্থিতিতে আমাদের দাঁতের ক্ষয় করতে থাকে। এই ক্ষয়টার কারণ হলো সেখানে ল্যাক্টিক এ্যাসিড। ব্যাক্টেরিয়াগুলো ফ্লাইবারের উপস্থিতিতে তৈরি হয় ল্যাক্টিক এ্যাসিড। সেটাই দাঁতের ক্ষয় করে।
এখন এই ডেন্টাল ক্যারিসটা কাদের হয়? ডেন্টাল ক্যারিসটা হওয়ার কোন বয়স নেই, ছোট বাচ্চা থেকে শুরু করে বয়স্ক পর্যন্ত যা কারোই হতে পারে। তবে সাধারণত দেয়া যায় যে যাদের দন্ত ক্ষয় রোগের সম্ভাবনা আছে বা বংশগতভাবেও হতে পারে এবং যাদের এনামেল যাদের দুর্বল এবং এনামেলের গঠনগত দুর্বলতা থাকে তাদের ডেন্টাল ক্যারিসটা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
দেখা যায়, অনেকে বিভিন্ন ধরনের প্রসেস ব্যবহার করে এবং সেই প্রসেসে যদি কোন প্রকার ফল্ট থেকে থাকে তবে তখন ক্ষয় হতে পারে। অনেক সময় দেখা যায় যে আঁকাবাঁকা দাঁত থাকে, সেই আঁকাবাঁকা দাঁত মানুষ ঠিকভাবে পরিষ্কার করতে পারে না– সেখানে খাদ্য জমে যায় আর খাদ্য জমে গিয়ে ডেন্টাল ক্যারিস হতে পারে।
এছাড়া দাঁত পরিষ্কার করার নিয়ম আছে তিন বেলা খাবারের পরে, যারা এসব নিয়ম মেনে চলে না তাদের ডেন্টাল ক্যারিস হতে পারে।
শিশুদের কী কী ধরনের ক্যান্সার হতে পারে?
প্রতীকী ছবি শিশুদের ক্যান্সার অনেক ধরনের হতে পারে। যেমন ব্লাড ক্যন্সার, হাড়ে ক্যান্সার ( অষ্ট সারকোমা), ব্রেন ক্যান্সার, মাংস পেশির ক্যান্সার (একুইডাপ্টেমা সারকোমা) বাচ্চার কিডনিতে ক্যান্সার, চোখে ক্যান্সার, জনন কোষের ক্যান্সার। এখানে আবার মেয়ে বাচ্চা ও ছেলে বাচ্চাদের আলাদা আলাদা নাম আছে। তাছাড়াবিস্তারিত পড়ুন
প্রতীকী ছবি
শিশুদের ক্যান্সার অনেক ধরনের হতে পারে। যেমন ব্লাড ক্যন্সার, হাড়ে ক্যান্সার ( অষ্ট সারকোমা), ব্রেন ক্যান্সার, মাংস পেশির ক্যান্সার (একুইডাপ্টেমা সারকোমা) বাচ্চার কিডনিতে ক্যান্সার, চোখে ক্যান্সার, জনন কোষের ক্যান্সার। এখানে আবার মেয়ে বাচ্চা ও ছেলে বাচ্চাদের আলাদা আলাদা নাম আছে। তাছাড়া আরো অনেক ধরনের ক্যান্সার যা অল্প পরিমাণে হয়। যেমন লিম্প নুডের ক্যান্সার বা লিম্পুমা-এটা কমন একটা ক্যান্সার।
কী কারণে শিশুদের ক্যান্সার হয়?
ক্যান্সারের সঠিক কারণ আসলে জানা যায় না। বেশিরভাগ ক্যন্সার অজানা। তবে কিছু কিছু পরিমাণে ডিসঅর্ডারের কারণে ক্যান্সার হতে পারে। তাছাড়া কিছু ডাই আছে, কিছু ড্রাকস আছে, রেডিয়েশন আছে এই ধরনের কারণেও ক্যান্সার হতে পারে।
ক্যান্সারের লক্ষ্মণগুলো কী কী?
একেক ক্যান্সারের একেক ধরনের লক্ষণ হতে পারে।
আমাদের বাচ্চাদের স্বাধারণত ব্লাড ক্যান্সারটা কমন। ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ হলো- এ ধরনের ক্যান্সারে আসলে বাচ্চাদের জ্বর হয়। সাধারণ জ্বরটা অন্যান্য রোগের মত ওষুধ খেলে কমে যায় তবে এই ক্যান্সারটা ওষুধে কমে না। তারপরে বাচ্চাদের খাওয়া কমে যাবে, শরীর সাদা হয়ে যাবে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থান থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে। তাছাড়া বিভিন্ন গ্ল্যান্ড বা গ্রন্থি ফুলেও যেতে পারে। এসবই আসলে ব্লাড ক্যান্সারের প্রধান কারণ।
এছাড়া অন্যান্য ক্যান্সারের ক্ষেত্রে যে ক্যান্সার হয় সে ধরনের কারণ নিয়ে আসে। আবার চোখের ক্যান্সারের ক্ষেত্রে শিশুর জন্মের পরপরই এই ক্যান্সার দেখা যায় অথবা জন্মের ২ মাস পর দেখা যেতে পারে। এখানে বাচ্চাদের চোখ অন্ধকারে জ্বলতে থাকে। তখন মায়েরা হয়তো চিন্তা পড়ে যায় যে, কেন বাচ্চাদের চোখ জ্বলতে থাকে! আর একেই বলে ক্যাফ সাইড রিপ্লেক্স।
এই ধরনের ক্যাফ সাইড রিপ্লেক্সর কারণে বাচ্চাদের চোখ অন্ধকারে জ্বলতে থাকলে অবশ্যই চোখের ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।। তাছাড়া এমনও হয় শরীরের কোন না কোন অংশ ফুলে যায়। সেই ফোলাটা কোনো আঘাতজনিত কারণে বা কোন এক্সিডেন্টের কারণে আবার অথবা কোনো ব্যাথার কারণেও হয়নি। এমন হলে এটা একটা ক্যান্সারের লক্ষ্মণ হিসেবে ধরা হবে। এসবই আসলে ক্যান্সারের লক্ষ্মণ।
তাছাড়া স্বাধারণত ক্যান্সারের লক্ষ্মণ হলো- শরীর সাদা হয়ে যাওয়া। যাকে এনিমিয়া বলা হয়। তাছাড়া শরীর শুকিয়ে যাওয়া, ওজন কমে যাওয়াও ক্যান্সারের লক্ষ্মণ এবং এটাকে আমরা এনোরেকশিয়া বলে থাকি। অ্যানোরেক্সিয়া হচ্ছে, একেবারে না খাওয়া বা খাওয়া কমে যাওয়া। এসব যেকোনো কারণে যদি বাচ্চাদের এইরকম সমস্যা হয় সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত।
এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স কী?
চিকিৎসাবিজ্ঞানের অন্যতম আশীর্বাদ অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার। এর ফলে এমন অনেক রোগের চিকিৎসা সম্ভব হচ্ছে, যেগুলোর কারণে একসময় মানুষ মারা পর্যন্ত যেত। কিন্তু এখন অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে মানুষ কয়েকদিনের মধ্যে সহজেই সুস্থ হয়ে যাচ্ছে। সুতরাং অ্যান্টিবায়োটিকের কাছে কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। তবে এর অপব্যবহারের কারণেবিস্তারিত পড়ুন
চিকিৎসাবিজ্ঞানের অন্যতম আশীর্বাদ অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার। এর ফলে এমন অনেক রোগের চিকিৎসা সম্ভব হচ্ছে, যেগুলোর কারণে একসময় মানুষ মারা পর্যন্ত যেত। কিন্তু এখন অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে মানুষ কয়েকদিনের মধ্যে সহজেই সুস্থ হয়ে যাচ্ছে। সুতরাং অ্যান্টিবায়োটিকের কাছে কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। তবে এর অপব্যবহারের কারণে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি ব্যাপকহারে বাড়িয়ে দিচ্ছে।
এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স কী?
এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বলতে আমরা বুঝি ব্যাকটেরিয়ার এক ধরণের শক্তি অর্জন করা বা এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে বেঁচে থাকার পদ্ধতি। অর্থাৎ ব্যাকটেরিয়া যখন এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে বেঁচে থাকার একটি পথ শিখে ফেলে।
আমরা জানি মানুষ যেমন প্রকৃতিতে বেঁচে থাকার জন্য লড়াই করে বা বাঁচার পদ্ধতি শিখে ফেলে ঠিক তেমনি ব্যাকটেরিয়াও এন্টিবায়োটিকের মধ্যে বাঁচার পদ্ধতি এমনিতেই শিখে ফেলে। কিন্তু এ শেখাটা তখন খুব দ্রুত হয়ে যায় যখন এন্টিবায়োটিকের সাথে বারবার দেখা হয়। আর এই এন্টিবায়োটিকের সাথে দেখা হয়ে সে যদি বেঁচে যায় তখন তার একটা স্মৃতি তৈরি হয়। আর ওই স্মৃতিতে সে জানে ব্যাকটেরিয়া কিভাবে ঢুকে, কিভাবে বের হয়, কোন ধরণের বা কোন আকৃতির এবং কিভাবে তাকে মেরে ফেলতে হয়। স্মৃতিতে এই যে বেঁচে থাকার দক্ষতা তৈরি হয় সেটি তার পরবর্তী প্রজন্মকে এবং পাশের প্রজন্মকে জানিয়ে দেয়। এই জানানোর কিছু জেনেটিক পদ্ধতি আছে যেগুলো সে চিঠির মত করে লিখে পরবর্তী প্রজন্ম এবং পাশের প্রজন্মকে শিখিয়ে দেয়। একটি ব্যাকটেরিয়া যখন বেঁচে থাকার পদ্ধতি শিখে যায় তখন এই দক্ষতাটি ছড়িয়ে দেয় লক্ষ-কোটি ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে। যখন লক্ষ-কোটি ব্যাকটেরিয়া একটি নির্দিষ্ট এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে বেঁচে থাকার সক্ষমতা অর্জন করে তখন সে ওষুধটি কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে। তখন আমরা বলি এই ব্যাকটেরিয়াটি এই এন্টিবায়োটিকের মধ্যে বেঁচে থাকার কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলেছে। কিন্তু আমরা তো ব্যাকটেরিয়াটি দেখতে পাই না। এর ফলে আমরা দুইটি ভুল করি। তখন আমরা বলি এক্স ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স।
আসলে এক্স ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স হয়নি। এক্স ড্রাগ রেজিস্ট্যান্সের বিরুদ্ধে একটি গ্রুপ অফ ব্যাকটেরিয়া বাঁচার পদ্ধতি শিখে রেজিস্ট্যান্স হয়ে গেছে। অতএব এক্স ড্রাগটি রেজিস্ট্যান্স হয়ে গেছে এটি বললে এটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। আরেকটি হলো, আমি রেজিস্ট্যান্স বা অমুক ব্যক্তি রেজিস্টেন্ট বা অমুকের শরীরে কাজ করে না এই কথাটি ভুল। কারণ ওই মানুষটিকে গতবার যে ব্যাকটেরিয়াটি আক্রমণ করেছিল সেটি ছিল রোগ প্রতিরোধী। মানে ওইটি এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী। অতএব এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স হচ্ছে এন্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলা অর্থাৎ ব্যাকটেরিয়াটি বিশেষ সক্ষমতা অর্জন করে ফেলা। এটি হচ্ছে এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট।
চোখ বড় বা ট্যারা কি অশুভলক্ষণ ?
চোখ মানব শরীরের মহামূল্যবান অঙ্গ। চোখের নানা রোগের কারণে জীবনে নেমে আসে নানা দুর্ভোগ। বড় চোখ মানেই সুন্দর। অভিভাবকরা শিশুর বড় চোখ দেখে খুশি হন। কিন্তু বড় চোখ কি অশুভ লক্ষণ না রোগ? আমরা শিশুদের বড় চোখ দেখলেই অনেক খুশি হই। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই বড় চোখের পেছনে রোগ থাকতে পারে। চিকিৎসকরা অনবিস্তারিত পড়ুন
চোখ মানব শরীরের মহামূল্যবান অঙ্গ। চোখের নানা রোগের কারণে জীবনে নেমে আসে নানা দুর্ভোগ।
বড় চোখ মানেই সুন্দর। অভিভাবকরা শিশুর বড় চোখ দেখে খুশি হন। কিন্তু বড় চোখ কি অশুভ লক্ষণ না রোগ?
আমরা শিশুদের বড় চোখ দেখলেই অনেক খুশি হই। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই বড় চোখের পেছনে রোগ থাকতে পারে। চিকিৎসকরা অনেক ক্ষেত্রেই চিন্তা করেন শিশুর কোন জন্মগত গ্লুকোমা রোগ আছে কিনা। গ্লুকোমা হচ্ছে চোখের উপর চাপ বেড়ে গিয়ে অপটিক্যাল নার্ভকে নষ্ট করে দেয়। অপটিক্যাল নার্ভ নষ্ট হলে রেটিনা থেকে কোন আলোকরশ্মি আমাদের ব্রেইনে যায় না। এক্ষেত্রে শিশুটি চোখে দেখতে পায় না। এভাবে গ্লুকোমা থেকে মানুষ অন্ধ হয়ে যায়। তাই চোখের কর্নিয়া বড় হলে বুঝে নিতে হবে শিশুটির জন্মগত গ্লুকোমা থাকলেও থাকতে পারে। চোখের কর্নিয়ার আরেকটি রোগ কেরাটোগ্লোবাস। এক্ষেত্রে চোখের কর্নিয়া বড় হয় এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করলে বাচ্চাটি বড় হয়ে চোখে ভালো দেখতে পাবে না। এছাড়া যাদের চোখে মাইয়োপিয়া রয়েছে তাদের চোখগুলো কিছুটা বড় হয়s।
মাথাব্যথার সাথে চোখের সম্পৃক্ততা আছে কি?
চোখের সাথে মাথা ব্যাথার অবশ্যই সম্পর্ক রয়েছে। কারো চোখের পাওয়ার পরিবর্তন হয়ে যায় এবং সে যদি ভুল পাওয়ার দিয়েই পড়ালেখা করে, তখন চোখের উপর চাপ পড়বে। এতে চোখেও ব্যথা করবে এবং মাথাব্যথা হবে। এসব কারণে চোখের জন্য মাথা ব্যথা হতে পারে। এক্ষেত্রে চিকিৎসকরা রোগীর চশমার পাওয়ার চেক করে নতুন পাওয়ারের চশমা দিলে মাথাব্যথা কমে যাবে। কিন্তু চোখ ছাড়াও অন্যান্য কারণে মাথাব্যথা হতে পারে। এক্ষেত্রে নিউরোলজিস্টের কাছে যেতে হবে।
কেউ চোখ কোন অন্ধ মানুষকে দান করতে চায়, এটা কতটুকু যৌক্তিক?
মানুষ মারা গেলে তার চোখের কর্নিয়াটুকু সংগ্রহ করা সম্ভব। মৃত্যুর পরে কর্নিয়া ৬ ঘন্টা পর্যন্ত জীবিত থাকে। তাই কারো মৃত্যুর ৬ ঘণ্টার মধ্যে এ কর্নিয়াটুকু সংগ্রহ করা যেতে পারে। এরপর কর্নিয়াজনিত কারণে যারা অন্ধ তাদের চোখে এই কর্নিয়া সংযোজন করা যেতে পারে। এর ফলে তারা চোখে দেখতে পাবেন। তবে চোখে কর্নিয়া সংযোজন করার সময় এই শর্ত থাকতে হবে যে, তার চোখের রেটিনা, নার্ভ এবং লেন্স ভালো থাকতে হবে।
চোখ যদি একটু ট্যারা হয়, তখন সেটাকে অনেকে লক্ষ্মী ট্যারা বলে। এটাকে অনেকে শুভ লক্ষণ বলেন। কতটুকু সত্য এই ভাবনা?
লক্ষী ট্যারা বা চোখ ট্যারা হওয়া মোটেই শুভ লক্ষণ নয়। আমরা সবসময় দু’টো চোখ দিয়ে একটি জিনিস দেখি। একটি চোখ ট্যারা হলে দু’টি চোখ দিয়ে দু’রকমের জিনিস দেখা হয়। এক্ষেত্রে ট্যারা চোখের প্রতি চাপ বেশি পড়ে। কিন্তু এই ট্যারা চোখটিকে সোজা করা সম্ভব। এক্ষেত্রে চশমা পরা যায় কিংবা অপারেশন করেও চোখটি সোজা করা সম্ভব। কিন্তু বাচ্চার আট বছর বয়সের মধ্যেই চোখটিকে অপারেশন করে সোজা করতে হবে। এর ফলে বাচ্চার দৃষ্টি ভালো থাকে। কিন্তু ২০ বছরের পরে অপারেশন করা হলে বাচ্চা চোখে ভালো দেখতে পায় না।
আরওপি নবজাতকের চোখের একটি সমস্যা। যাতে অন্ধত্বের ঝুঁকি রয়েছে অনেকখানি। এর চিকিৎসা কি?
আমাদের দেশে প্রচুর অপরিপক্ক বাচ্চার জন্ম হচ্ছে। অপরিপক্ক বাচ্চা বলতে যার জন্ম ৩৫ সপ্তাহের আগেই এবং জন্মের সময় যে বাচ্চাটির ওজন দুই কেজির কম। দেশের নিওনেটাল কেয়ার দিন দিন উন্নত হচ্ছে।
আমাদের দেশে নিউনেটোলজি অনেক উন্নতি হয়েছে। এসব অপরিপক্ক বাচ্চাদের রেটিনার রোগ হতে পারে। এক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ রোগ আল্লাহর রহমতে ভালো হয়। বাকি ৩০ শতাংশের ক্ষেত্রে নানা রকম সমস্যা হয়ে থাকে। এসব বাচ্চার জন্মের ৩০ দিনের মধ্যে একজন রেটিনা বিশেষজ্ঞের কাছে গিয়ে চোখ পরীক্ষা করাতে। বাচ্চাটির রেটিনোপ্যাথি অফ প্রিম্যাচুরিটি আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে।
আর বাচ্চাটি ২৮ সপ্তাহের আগেই জন্মগ্রহণ করলে এবং তার ওজন ১৫শ’ গ্রামের কম হলে, বাচ্চাটিকে ২০ দিন বয়সে চিকিৎসকের কাছে নিতে হবে। তখন এই বাচ্চাগুলোর রেটিনা গুলোকে এক্সামাইন করা হয়। তার ভিতরে নানারকম সমস্যা থাকতে পারে, যেমন রক্তনালীর সমস্যা। তখন চোখে কিছুদিনের জন্য একটি ইনজেকশন দেয়া হয়। এরপর কিছুদিন পর্যবেক্ষণে রেখে বাচ্চা গুলোকে লেজার করা হয়। ফলে যেখান থেকে রক্তক্ষরণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, লেজার করে সে জায়গাগুলোকে বার্ন করা হয় বা পুড়িয়ে ফেলা হয়। এর ফলে যতটুকু স্বাভাবিক থকে চোখ তা দিয়েই বাচ্চাটি সারা জীবন ভালো থাকতে পারে।
কি কারণে বারবার গর্ভাবস্থা নষ্ট হয় ?
বারবার গর্ভাবস্থা নষ্ট হওয়ায় অনেক নারীই হতাশায় ভোগেন। চিকিৎসকরা গর্ভবতী হবার ২০ সপ্তাহের মধ্যে তিন বা ততোধিক বার নষ্ট হয়ে যাওয়াকে রিকারেন্ট প্রেগনেন্সি লস বলে থাকেন। রিকারেন্ট প্রেগনেন্সি লস কী? গর্ভবতী হবার ২০ সপ্তাহের আগে তিন বা ততোধিক বার গর্ভাবস্থা নষ্ট হয়ে যাওয়াকে রিকারেন্ট প্রেগনেন্সি লসবিস্তারিত পড়ুন
বারবার গর্ভাবস্থা নষ্ট হওয়ায় অনেক নারীই হতাশায় ভোগেন। চিকিৎসকরা গর্ভবতী হবার ২০ সপ্তাহের মধ্যে তিন বা ততোধিক বার নষ্ট হয়ে যাওয়াকে রিকারেন্ট প্রেগনেন্সি লস বলে থাকেন।
রিকারেন্ট প্রেগনেন্সি লস কী?
গর্ভবতী হবার ২০ সপ্তাহের আগে তিন বা ততোধিক বার গর্ভাবস্থা নষ্ট হয়ে যাওয়াকে রিকারেন্ট প্রেগনেন্সি লস বলে। সাধারণত ১২থেকে ১৪ সপ্তাহের আগেই গর্ভাবস্থা নষ্ট হয়ে যায়। রিকারেন্ট প্রেগনেন্সি লসে ব্যক্তি, পরিবার এবং সামাজিক জীবনে অনেক প্রভাব রয়েছে। এর ফলে নারীরা অনেক হতাশায় ভোগেন। সংসার জীবনে মনোমালিন্য হয়। এছাড়া, রিকারেন্ট প্রেগনেন্সির ফলে যেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়, সেগুলোও ব্যয়বহুল।
রিকারেন্ট প্রেগনেন্সি লসের কারণ কী?
ইউটেরাসের বিভিন্ন ত্রুটির কারণে রিকারেন্ট প্রেগনেন্সি লস হয়ে থাকে। এছাড়াও ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, হরমোন ডিজঅর্ডার ,পলিসিসটিক ওভারিয়ান সিনড্রোম এর কারণে রিকারেন্ট প্রেগনেন্সি লস হয়। ড্রাগ, ধুমপান, সাইকলজিক্যাল ফ্যাক্টরও রিকারেন্ট প্রেগনেন্সি লসের কারণ।
রিকারেন্ট প্রেগনেন্সি লস হলে কিভাবে শনাক্ত করতে হবে?
সাধারণত তিনটি ক্লিনিক্যাল প্রেগনেন্সি লসের পর পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে এ ধরনের সমস্যার কারণগুলো সনাক্ত করতে হয়। যাদের ৩৫ বছর বয়স তাদের দুইটি বাচ্চা হওয়ার পর পরীক্ষা করানো উচিত। গর্ভবতী মায়ের বয়স যদি ৩৫ বছরের বেশি হয় তাহলে তার ওভাম ভাল ছিল না। এছাড়াও অনিয়মিত পিরিয়ডও গর্ভাবস্থা নষ্ট হবার একটি কারণ।
ক্রোমোসোমাল ডিফেক্ট অর্থাৎ ১২ সপ্তাহের আগে যদি গর্ভাবস্থা নষ্ট হয়, তবে সেটা ক্রোমোজোমাল ডিফেক্ট এর কারনে হয়ে থাকে। আর ১২ সপ্তাহের পর গর্ভাবস্থা নষ্ট হবার কারণ হচ্ছে ফসফোলিপিড সিনড্রোম। অতিরিক্ত ওজন থাকলেও রিকারেন্ট প্রেগনেন্সি লস হয়ে থাকে। এছাড়াও ইউটেরাস এনাটোমিকাল ডিফেক্ট, কিডনি এনোমেলি ডিফেক্ট, ওভারিয়ান রিজন, ইমিউনোলজিক্যাল রিজন ইত্যাদি।
লোবোটমি কোন ধরনের শৈল্যবিদ্যা? কেন এটা নিষিদ্ধ ?
লোবোটমি নিয়ে হয়েছে অনেক বিতর্ক। আছে বহু আলোচিত লোবোটমির ঘটনা। অনেক মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এই সার্জারি। ছবি: সংগৃহীত মানসিক রোগ সারানোর জন্য সাইকোসার্জারি বিংশ শতকের তিরিশের দশকে মানুষের জন্যই উদ্ভাবিত। প্রধানত দুইভাবে এই শৈল্যচিকিৎসা করা হতো: প্রি-ফ্রন্টাল লোবোটমি: এতে মাথার খুলির দুই পাশে ড্রিলবিস্তারিত পড়ুন
প্রি-ফ্রন্টাল লোবোটমি: এতে মাথার খুলির দুই পাশে ড্রিল করে ছিদ্র করার মাধ্যমে আইস পিকের মতো দেখতে লিউকোটোম নামের একটি চোখা ও ধারালো হাতিয়ারের সাহায্যে কিছু সুনির্দিষ্ট ব্রেইন টিস্যু কেটে ফেলা। এসব ব্রেইন টিস্যুর কারণে রোগীর মানসিক আচরণ অস্বাভাবিক হচ্ছে বলে মনে করা হতো।
ট্রান্সঅরবিটাল লোবোটমি: সার্জন চক্ষুগোলকের মধ্য দিয়ে লিউকোটোম ঢুকিয়ে হালকা অস্থি ভেদ করে একই কাজ সমাপ্ত করেন। অর্থাৎ অস্বাভাবিক মানসিক আচরণের জন্য দায়ী বলে মনে যওয়া কিছু টিস্যু কেটে বাদ দেন।
এই সার্জারি করাতে সম্মতিপত্রে একজন নারী রোগীর পক্ষে সম্মতিদাতা লিখেছেন, আমি অনুধাবন করতে পারছি যে এই অপারেশন রোগীর মানসিক অবস্থার ওপর কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে, কিন্তু আমি এই প্রত্যাশায় অপারেশনটি করাতে চাই যে এর পর রোগীর অনেকটাই স্বস্তি ফিরে আসবে এবং তার রক্ষণাবেক্ষণ সহজ হয়ে যাবে।
খুব কম সময়ের মধ্যে অপারেশনটা শেষ হলো। শুরুতে সন্তুষ্টি। রোগীর সন্তুষ্ট বাবা-মা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে সন্তুষ্ট অভিভাবকেরা কয়েক দিনের মধ্যেই দেখলেন, অপারেশনের পর রোগীর সার্বক্ষণিক ঝিমানো, হতভম্ব অবস্থা চলছে এবং প্রস্রাব ধরে রাখতে না পারার মতো ব্যাপার ঘটছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে রোগীর নতুন ধরনের মারাত্মক উপসর্গ দেখা দিচ্ছে, এমনকি কেউ কেউ মারাও যাচ্ছে। তাই লোবেটমির একজন হাই প্রোফাইল রোগীর প্রসঙ্গ এখানে এসেই যায়।
রোজমেরি কেনেডি
রোজমেরির বাবা রাষ্ট্রদূত জোসেফ কেনেডি, মা রোজ কেনেডি, ভাই প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি, অপর ভাইদের মধ্যে একজন সিনেটর রবার্ট কেনেডি ও অন্যজন সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি। জন এফ কেনেডি ও রবার্ট কেনেডি আততায়ীর হাতে নিহত।
রোজমেরির জন্ম ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯১৮, ৯ ভাইবোনের ৩ নম্বর। রোজ কেনেডির প্রথম দুই সন্তান স্বাভাবিকভাবে বাড়িতেই জন্মগ্রহণ করেন, কিন্তু তৃতীয় সন্তান জন্মের সময় জটিলতা দেখা দেয়, শহরে তখন ফ্লু মহামারি চলছিল, হাসপাতালে অভিজ্ঞ ডাক্তার ছিল না। একজন নার্স ভুলভ্রান্তির মধ্য দিয়ে ডেলিভারির কাজটা করে। জন্মলগ্নে শিশুটির অক্সিজেন-সংকট দেখা দেয়। স্বাস্থ্যগত দিক দিয়ে রোজমেরি ভালোভাবে বেড়ে উঠলেও তাকে যখন কিন্ডারগার্টেনে দেওয়া হয়, তার আচরণে কিছু অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। স্কুলের বাইরে শিক্ষক রেখে তাকে ফোর্থ গ্রেড গণিত এবং ফিফথ গ্রেড মানের ইংরেজি শেখানো হয়।
১৯৩৮ সালে তার বয়স যখন ১৯ বছর, জোসেফ কেনেডিকে ব্রিটেনে আমেরিকায় রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করা হলো। রাষ্ট্রদূত যখন রাজা পঞ্চম জর্জের (রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের বাবা) সাথে সাক্ষাৎ করতে এলেন, তখন দুই মেয়ে রোজমেরি ও ক্যাথেরিনকে সাথে এনেছিলেন। লন্ডনে থাকাকালে রোজমেরিকে হার্ডফোর্ডশায়ারে একটি কনভেন্টে রাখা হয়েছিল। ১৯৩৯-এ দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ শুরু হয়। ১৯৪০-এ জোসেফ কেনেডি যখন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যান, মেয়ের অবস্থার ভীষণ অবনতি ঘটেছে ততদিনে। তিনি সহিংস হয়ে উঠেছেন। তার বৃদ্ধ দাদাকে ভয়ংকরভাবে আক্রমণ করে বসেন। তাকে এরপর কয়েকটি কনভেন্টে রাখা হয়।
মেয়ের কারণে পরিবারের বদনাম হতে পারে, এ জন্য রোজমেরিকে বরাবর আড়ালেই রাখা হয়েছে। ১৯৪১-এর শরতে জোসেফ কেনেডি সে সময়কার সবচেয়ে খ্যাতনামা লোবোটমি বিশেষজ্ঞ ওয়াল্টার ফ্রিম্যানের সাথে যোগাযোগ করেন। জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে ডাক্তার ফ্রিম্যানের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ডাক্তার জেমস ওয়াটস রোজমেরির প্রি-ফ্রন্টাল লোবোটমি করেন। অপারেশনের সময় সামান্য অ্যানেসসেথিয়া দেওয়া হয়, ডাক্তার ফ্রিম্যান রোজমেরির সাথে কথা বলতে থাকেন। তার মাথার খুলি দুদিক থেকে ছিদ্র করে ভেতরে লিউকোটোম ঢুকিয়ে মস্তিষ্কের অংশবিশেষ কেটে দেওয়া হয়।
লোবোটমি অপারেশন রোজমেরির সর্বনাশ ডেকে আনল। তার হাঁটাচলার শক্তি একেবারে রহিত হয় যায়। ধীরে ধীরে বাক্শক্তি লোপ পায় এবং তার বুদ্ধিবৃত্তিক মান স্ট্যান্ডার্ড টু-এর শিশুর পর্যায়ে নেমে আসে। কিছুকালের জন্য তাকে একটি প্রাইভেট সাইকিয়াট্রিক হাসপাতালে রেখে পরে উইসকনসিনের গ্রামাঞ্চলে তার জন্য একটি বাড়ি নির্মাণ করে নার্সের তত্ত্বাবধানে স্থায়ীভাবে সেখানে রাখা হয়। জোসেফ কেনেডিকে নিয়ে লেখা গ্রন্থ ‘দ্য পেট্রিয়ার্ক’-এ উল্লেখ করা হচ্ছে রোজমেরিকে উইসকনসিনের সেই বাড়িতে পাঠাবার পর প্রথম দশ বছর পরিবারের কেউ তাকে দেখতে এসেছেন এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
২০১৫ সালে কেইট ক্লিকোর্ড লিখেন ‘রোজমেরি: দ্য হিডেন কেনেডি ডটার’। একটি চিঠি আবিষ্কৃত হয় শিশু রোজমেরি বাবাকে লিখেছেন: বাবা, তোমাকে সুখী করার জন্য আমাকে যা করতে হবে, আমি তার সবই করব।
দুর্ভাগ্য, লোবোটমির পর তার জীবনটা সুখ-দুঃখহীন বেঁচে থাকা একজন মানুষের স্থবির জীবনে পরিণত হয়। ২০০৫ সালে ৮৬ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়।
আলোচিত লোবোটমির ঘটনা
বিখ্যাত নাট্যকার টেনেসি উইলিয়ামসের প্রিয় বোন রোজের মানসিক সমস্যা দেখা দিলে তাকে লোবোটমি করানো হয়। তার জীবনেও নেমে আসে এমনই দুর্ভাগ্য। সিজোফ্রেনিয়া ধরা পড়ে তার বোনের ১৯৩৯ সালে। ১৯৪৩ সালে বাবা-মা তাকে লোবোটমির জন্য ডাক্তারের কাছে পাঠায়।
টেনেসি লিখেছেন: আমার বোন রোজ! তার মাথার খুলি কাটা হলো। তার মগজে ছুরি ঢুকিয়ে দেওয়া হলো। আমি এখানে সিগারেট ফুঁকছি, আমার বাবা শয়তানের মতো হীন, হাজার মাইল দূরে নাক ডেকে ঘুমোচ্ছে।
পোল্যান্ডের বেহালাবাদক ও সুরকার জোসেফ হ্যাসিডের সিজোফ্রেনিয়া ধরার পর চিকিৎসার জন্য লন্ডন আনা হলো, তার বয়স তখন ২৬ বছর। লোবোটমি করা হলো এবং কয়েক দিনের মধ্যেই তার মৃত্যু ঘটল।
১৯৪৮ সালে লোবোটমির পরপরই মারা গেলেন সুইডিশ চিত্রশিল্পী সিগরিড হেরটেন।
কার্ল পানজরাম একজন আমেরিকান সিরিয়াল কিলার। শৈশবেই তার মানসিক বৈকল্য ধরা পড়লে লোবোটমি করানো হয়। তাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় মিনেসোটার একটি রিফর্মস স্কুলে। কার্ল তার আত্মজীবনীতে লেখেন, সেখানে তিনি বলাৎকারের শিকার হন। এ প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তার মনে এত ঘৃণা জন্মে যে তিনি সঙ্গোপনে আগুন দিয়ে স্কুলটিকে ভস্মীভূত করে ফেলেন। ৭ জুলাই ১৯০৫ তিনি এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটান। তবে কাজটি যে তিনি করেছেন তা কখনো ধরা পড়েনি। সিরিয়াল কিলার হিসেবে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৩০ ফাঁসিতে ঝোলানোর প্রস্তুতি হিসেবে যখন তার মাথা কালো হুডে ঢেকে দেওয়া হয়, তখন তিনি বললেন, আমি যখন একটার পর একটা খুন করে যাচ্ছিলাম, তখন তোরা কোথায় ছিলি?
১৮৪৮ সালে ফিনিয়াস গেইজ নামের একজন রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন ফোরম্যান কাজ করার সময় একটা লৌহদণ্ড তার ফ্রন্টাল লোব ভেদ করে চলে যায়। এতে তার মৃত্যু হয়নি। তিনি আরও ১২ বছর জীবিত ছিলেন কিন্তু তার ব্যক্তিত্ব বদলে যায়। তিনি আর আগের মানুষ থাকেননি। এই দুর্ঘটনাকে লোবোটমির একটি আনুষ্ঠানিক যুক্তি হিসেবে দাঁড় করানো হয়। সিজোফ্রেনিয়াগ্রস্ত মানুষের ব্যক্তিত্ব বদলে দিতে পারলে তার সমস্যা অনেকটাই মিটে যায়।
১৯৬০ সালে হাওয়ার্ড ডুলিকে যখন লোবোটমি করানো হয়, তার বয়স ১২ বছর। তার বয়স যখন ৬ বছর, মা ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তার ৪ বছর বয়স থেকে সিজোফ্রেনিয়া ধরা পড়ে। বাবা আবার বিয়ে করেন। সৎমায়ের সাথে তার ভালো যাচ্ছিল না। বাবা ও সৎমা ২০০ ডলারের বিনিময়ে ডাক্তার ফ্রিম্যানকে দিয়ে তাকে লোবোটমি করাবার সিদ্ধান্ত নেন। তার বেলায় হলো ট্রান্স অরবিটাল লোবোটমি। দুই চক্ষুগোলকের সকেট দিয়ে ৭ সেন্টিমিটার ধারালো একটি হাতিয়ার মস্তিষ্কে ঢুকিয়ে দেওয়া হলো। অপারেশনের পর তার খারাপ সময় কাটলেও তিনি উঠে দাঁড়াতে চেষ্টা করেন। লোবোটমির কারণে তিনি তার পূর্বস্মৃতির ওপর আস্থা রাখতে পারছিলেন না। এর মধ্যে চার্লস ফ্লেমিংকে সহযোগী করে ‘মাই লোবোটমি’ নামে স্মৃতিকথা লিখলেন, ২০০৭-এ বই প্রকাশিত হলো এবং তা বেস্ট সেলার্স লিস্টে চলে এল। অপারেশন ও পরবর্তী ভয়াবহ জীবনের বর্ণনা রয়েছে এই গ্রন্থে। তবুও ডুলি ভাগ্যবান, এখনো জীবিত আছেন। তিনি লিখেছেন, তার যে সমস্যা তা ওষুধ দিয়েই প্রশমন করা যেত, লোবোটমির মতো নির্মম অপারেশনের প্রয়োজন ছিল না।
লোবোটমির ভয়াবহতা যেসব সাহিত্যকর্মে উঠে এসেছে তার মধ্যে রয়েছে:
রবার্ট পেন ওয়ারেনের উপন্যাস ‘অল দ্য কিংস ম্যান’, টেনেসি উইলিয়ামসের নাটক ‘সাডেনলি লাস্ট সামার’; কেন কেইসির বিখ্যাত উপন্যাস ‘ওয়ান ফ্লু ওভার দ্য কুকুস নেস্ট’, সিলডিয়া প্লাথের উপন্যাস ‘বেল জার’, এলিয়ট বেকারের ‘আ ফাইন ম্যাডনেস’।
১৯৮২-এর চলচ্চিত্র ফ্রান্সেস এবং ২০১৮-এর ‘দ্য মাউন্টেইন’-এর বিষয় লোবোটমি। ‘দ্য মাউন্টেইন’-এর ওয়ালেস ফিনেস চরিত্রটি মূলত ডাক্তার ফ্রিম্যানকে নিয়ে নির্মিত। পঞ্চাশের দশকে এন্টোনিও মনিজকে দেওয়া নোবেল পুরস্কার প্রত্যাহার করে নেওয়ার দাবি উঠেছিল। মনিজ ১৯৩৫-এর ১২ সেপ্টেম্বর লিসবনের সান্তা মার্টা হাসপাতালে প্রথম লোবোটমি অপারেশনে সহায়তা করেন। তার হাতে বাতের প্রকোপ থাকায় তিনি নিজে কাজটা করেননি।
চল্লিশের দশকেই ইউরোপ ও আমেরিকায় এই শৈল্যচিকিৎসা সাড়া ফেলে দিযেছিল। তখন এর সাফল্য ব্যাপকভাবে প্রচারিত হলেও ব্যর্থতাগুলো অনেক ক্ষেত্রেই ঢাকা পড়ে যায়। বিশেষ করে এন্টোনিও মনিজের নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তি লোবোটমির আবেদন আরও বাড়িয়ে দেয়। নোবেল বিজয়ী এই বিজ্ঞানীর দুর্ভাগ্য সিজোফ্রেনিয়াগ্রস্ত তারই এক রোগী ১৯৩৯ সালে তাকে একাধিকবার গুলি করে। এরপর তিনি হুইলচেয়ারে বন্দী হয়ে পড়েন। তবে ১৯৫৫ পর্যন্ত এ অবস্থাতেই তিনি রোগীদের চিকিৎসা অব্যাহত রাখেন। ১৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫ সালে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।
লোবোটমি অপারেশনে সবচেয়ে অপখ্যাত চিকিৎসক ডাক্তার ওয়াল্টার ফ্রিম্যান (১৮৯৫- ১৯৭২), জন্ম সান ফ্রান্সিসকো, ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের পেনসিলভানিয়া মেডিকেল স্কুল থেকে ডিগ্রি নিয়ে রাতারাতি বিখ্যাত হবার স্বপ্ন দেখছিলেন। তার নানা উইলিয়াম কিন আমেরিকার সেরা সার্জনদের অন্যতম। তার বাবাও ডাক্তার ছিলেন। ফ্রিম্যান নোবেল বিজয়ী মনিজের অধীনেই কাজ শুরু করে লোবোটমিকেই কর্মজীবনের ব্রত করে নেন। সহযোগী হিসেবে নেন নিওরোসার্জন জেমস ওয়াটকে। একটার পর একটা অপারেশন ব্যর্থতা এবং ট্রান্স অরবিটাল অপারেশনে জেমস ওয়াটের অনীহার কারণে ১৯৫০ সালে দুজনের জোড় ভেঙে যায়। ডাক্তার ফ্রিম্যান ৫৭ বছর বয়সে জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর নিয়ে ব্যাপকভাবে প্রাইভেট চিকিৎসা শুরু করেন। নিওরোসার্জারিতে লোবোটমির জন্য তিনি বিতর্কিত হলেও মনিজের সাথে ফ্রিম্যানের ব্যবহারিক সার্জারিতে অবদানের জন্যও তাকে স্মরণ করা হয়।
১৯৬৭ সালে একটি লোবোটমি অপারেশনে রোগীর মৃত্যুর পর তার সার্জারি করার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। কিন্তু পেছনে পড়ে থাকে হাজার হাজার ভুক্তভোগীর আর্তনাদ। শেষ পর্যন্ত লোবোটমি নামের সর্বনাশা সাইকোসার্জারি নিষিদ্ধ হয়।
ওজন কমলে শরীরের মেদ কোথায় যায়?
ওজন কমাতে আমরা নিয়মিত শরীরচর্চার পাশাপাশি ডায়েট করে থাকি। নিয়মিত এই গতিতে চললে একসময় ওজন কমে ঠিকই। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এত কিছুর পর ওজন তো ঠিকই কমলো কিন্তু গেল কোথায় চর্বিগুলো? এমন প্রশ্নের উত্তর অনেকেরেই অজানা। আসলে শরীরের ওজন কমলেও সম্পূর্ণরূপে চর্বি ঝরে যায় না। কারণ মেদ হলো শররের খুবই ভালো বন্ধু। মূবিস্তারিত পড়ুন
ওজন কমাতে আমরা নিয়মিত শরীরচর্চার পাশাপাশি ডায়েট করে থাকি। নিয়মিত এই গতিতে চললে একসময় ওজন কমে ঠিকই। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এত কিছুর পর ওজন তো ঠিকই কমলো কিন্তু গেল কোথায় চর্বিগুলো? এমন প্রশ্নের উত্তর অনেকেরেই অজানা।
আসলে শরীরের ওজন কমলেও সম্পূর্ণরূপে চর্বি ঝরে যায় না। কারণ মেদ হলো শররের খুবই ভালো বন্ধু। মূলত চর্বিই শরীরের শক্তি ও পুষ্টি জোগায়। অতিরিক্ত মেদ বর্জ্যের সঙ্গেও বেরিয়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীর অতিরিক্ত মেদ শরীর যত্ন করে জমিয়ে রাখে কয়েকটা জায়গায়। বাইরে থেকে টের পাওয়া যায় না। কিছুটা জমা থাকে অ্যাডিপোজ কোষে। সেখানে তাদের নতুন রূপ হয় ট্রাইগ্লিসারাইড। এই মেদ ক্ষতিকর নয়, শরীরে এনার্জির জোগান দেয়। বাকিটা ভাগাভাগি করে লিভার ও পেশিতে গ্লাইকোজেন হিসেবে জমা থাকে। এই গ্লাইকোজেনও শরীরে শক্তির চাহিদা মেটায়।
চর্বি তো আমাদের শরীরের শক্তি ও পুষ্টি আঁধার। এবার প্রশ্ন আসতে পারে, কোন শক্তির কথা বলা হচ্ছে? প্রথমত, আমরা যখন বিশ্রাম করি তখনো শরীর অনেক কাজ করে থাকে। হৃদপিণ্ডকে চালানো, ফুসফুসকে সচল রাখা, সারা শরীরে রক্ত পৌঁছে দেয়া ইত্যাদি কাজ। সেই সঙ্গে আবার মস্তিষ্ককেও সজাগ রাখাও শরীরের কাজ। ব্রেন ঘুমিয়ে পড়লে গোটা শরীরই অকেজো হয়ে যাবে। তাই স্নায়ুদের চনমনে রাখাও জরুরি। এসব কাজ সামলাতে সাহায্য করে মেদ। বাড়তি ফ্যাট যা শরীর জমিয়ে রাখে তাকেই নাড়াঘাঁটা করে শক্তি তৈরি হয়। এই শক্তিতেই রক্ত সঞ্চালন হয়, ধুকপুক করে হার্ট, চিন্তার হাওয়া খেলে মস্তিষ্কে।
দ্বিতীয়ত, আমরা যখন জেগে থাকি বা কাজকর্ম করি তখন যে বিপুল পরিমাণ শক্তির দরকার হয় সেটা আসে বডি ফ্যাট থেকেই। হাঁটাহাঁটি, দৌড়োদৌড়ির জন্য একটু বেশি চার্জ দিতে হয় শরীরকে। তার জোগান দেয় এই মেদ। তৃতীয়ত, খাবার হজম করাও একটা বড় ব্যাপার। এতবড় খাদ্যনালির দায়িত্ব সামলানো তো কম কথা নয়। খাবার পাকস্থলীতে যাওয়ার পর সেখান থেকে পুষ্টিরস নিংড়ে বের করেই সেই পুষ্টি থেকে শক্তি তৈরি হয়। আর বর্জ্যগুলো শরীর থেকে বেরিয়ে যাবে। এতবড় কর্মকাণ্ডের জন্য শক্তিও দরকার হয় অনেকটাই। সেটাও আসে ওই মেদ থেকেই।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুষ্টিকর খাবার খেলে তার থেকে যে ফ্যাট আসে সেটা শরীর হজম করে নেয়। বাকিটা বের করে দেয়। অনেকেই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ না মেনে খুব কম খেয়ে রোগা হওয়ার চেষ্টা করেন। তাতে হিতে বিপরীত হয়। কারণ এনার্জির জন্য শরীরের দরকার নির্দিষ্ট পরিমাণ ফ্যাট, সেটা না পেলে শরীর মেদ জমাতে শুরু করে। তাই দেখা যায়, শরীরের যতটা ক্যালোরি দরকার তার থেকে কম পেলে বেশি মেদ জমতে থাকে। বিশেষজ্ঞরা মতে, একবারে ভারী খাবার না খেয়ে দিনে ছোট ছোট ছয়টি মিল খেতে। তাহলেই ক্যালোরির পরিমাণে ভারসাম্য থাকে। দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা বা খুব কম খাওয়ার কারণে বেশি ফ্যাট জমা হয় শরীরে।
এবার জেনে নিন ডায়েটের মাধ্যমে কীভাবে ওজন কমে-পুষ্টিকর খাবার থেকে ফ্যাট শুষে নিয়ে এনার্জি তৈরি করে শরীর। ভালো চর্বি হজম হয়ে যায়, বাকিটা টেনে নেয় ত্বক ও কিডনি। এই অতিরিক্ত মেদ গলে গিয়ে ঘাম হয়ে বের হয়ে যায় শরীর থেকে। আবার প্রস্রাবের সঙ্গেও এই মেদ বের করে দেয় কিডনি। লিভারেরও ভূমিকা আছে। বাড়তি মেদ পুড়ে কার্বন-ডাই অক্সাইড হয়ে বেরিয়ে যায় শ্বাসের সঙ্গে।
শরীরচর্চার সঙ্গে ওজন কমানোর সম্পর্ক- শরীরকে যত খাটানো যাবে ততই মেদ উবে যাবে। বিশষজ্ঞরা বলছেন, দিনে আধ ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা কার্ডিও এক্সারসাইজ করলে পেট, কোমর, তলপেট, হিপের মেদ পুড়তে শুরু করে। দিনে ২-৩ বার কার্ডিও করলেই মেদের দফারফা শুরু হয়। এক্সারসাইজই খারাপ ফ্যাটকে ভালো ফ্যাটে বদলে দিতে পারে। পেট-কোমরে শক্ত হয়ে জমে বসা মেদকে গলিয়ে পেশিতে পাঠিয়ে দেয়। সেখানে এই মেদ শক্তি তৈরি করে। শরীরও টানটান হয় আবার হজমশক্তি, রক্ত সঞ্চালনও বাড়ে। অতিরিক্ত কার্বন-ডাই অক্সাইড বেরিয়ে যায়। ফলে শরীর টক্সিন-মুক্ত হতে থাকে।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মেদ ঝরানো ভালো তবে ভারসাম্য রেখে। ঠিকমতো ডায়েট ও নিয়ম মেনে শরীরচর্চা দরকার। একবারে অনেকটা ফ্যাট-বার্ন করলে শরীরের ক্ষতি হয় বেশি। ক্যালোরির অভাব হয়, যার থেকে অপুষ্টি ও নানা রোগ বাসা বাঁধে। নারীদের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে, স্বাভাবিক ঋতুস্রাবে সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেই সঙ্গে মাথাব্যথা, ঝিমুনি, রক্তচাপের ওঠানামা, সবদিক দিয়েই নাজেহাল হতে পারে শরীর।
সংক্ষেপে দেখুনডিজিজ এক্স কি? এর ভয়াবহতা কি?
করোনা বিশ্বজুড়ে ২ কোটির ওপর মানুষের প্রাণ কেড়েছে বলা হচ্ছে। কিন্তু সেটা কিছুই নয়। এবার যে অতিমারি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে তা কেড়ে নিতে পারে ৫ কোটির ওপর মানুষের প্রাণ। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে এর অর্ধেক সংখ্যক মানুষের প্রাণ গিয়েছিল। এই অতিমারি যদি আসে তা ১৯১৯-২০ সালের অতিমারি স্প্যানিশ ফ্লুয়ের মতই প্রাণঘাতীবিস্তারিত পড়ুন
করোনা বিশ্বজুড়ে ২ কোটির ওপর মানুষের প্রাণ কেড়েছে বলা হচ্ছে। কিন্তু সেটা কিছুই নয়। এবার যে অতিমারি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে তা কেড়ে নিতে পারে ৫ কোটির ওপর মানুষের প্রাণ। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে এর অর্ধেক সংখ্যক মানুষের প্রাণ গিয়েছিল। এই অতিমারি যদি আসে তা ১৯১৯-২০ সালের অতিমারি স্প্যানিশ ফ্লুয়ের মতই প্রাণঘাতী হতে চলেছে।এই প্রাণঘাতী জীবাণুর নামকরণ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু। নাম দেওয়া হয়েছে ডিজিজ এক্স। এ এমনই প্রাণঘাতী হবে যে তার কোনও ওষুধ নেই। ব্রিটেনের ভ্যাক্সিন টাস্ক ফোর্সের প্রাক্তন প্রধান কেট ব্রিংহ্যাম পুরো বিষয়টি নিয়ে বিশ্বকে সতর্ক করেছেন। যে কোনও সময় হানা দিতে পারে ডিজিজ এক্স। আর হানা দিলে কিন্তু মৃত্যু মিছিল শুরু হয়ে যাবে। কারণ এতে আক্রান্ত হলে মৃত্যুর হার ইবোলা-র মতই প্রাণঘাতী হবে। ইবোলায় মৃত্যু সম্ভাবনা ৬৭ শতাংশ। আবার এটি ভয়ংকর ছোঁয়াচেও হবে। ফলে তা ছড়াতে সময় লাগবেনা।
এ থেকে বাঁচার তাহলে উপায় কি? কেট জানাচ্ছেন, একবার এটি হানা দিলে তখন কিন্তু এই অতিমারিকে ঠেকানো মুশকিল। তাই আগেভাগেই ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তাই যত দ্রুত সম্ভব এর টিকাকরণ শুরু করে দিতে হবে। আর তা যত দ্রুত যতজন মানুষকে দেওয়া যায় ততই মঙ্গল। ফলে করোনার হাত থেকে কিছুটা রেহাই মিললেও বিশ্ববাসীর হাঁফ ছাড়ার আর উপায় রইল না। এখন আবার মাথার ওপর ঝুলছে ডিজিজ এক্স। যা কখন কোথায় হানা দেবে তা অজানা। কেট ব্রিংহ্যাম এও জানিয়েছেন যে ডিজিজ এক্স এমন এক অতিমারি হয়ে সামনে আসতে চলেছে যে তা কখন বিশ্বজুড়ে হানা দেবে তা অজানা। কিছুদিনের মধ্যেও হতে পারে, আবার কিছু সময় পর।
সংক্ষেপে দেখুনDiabetes রোগীরা ভুলেও খাবেন না কোন কোন সবজি ?
ডায়াবিটিস একটি জটিলতম অসুখ। এই রোগকে নিয়ন্ত্রণে না রাখলে শরীরের একাধিক অঙ্গের ক্ষতি হতে পারে। তাই ডায়াবিটিস রোগীরা সুস্থ থাকার ইচ্ছে থাকলে অতি পরিচিত কিছু সবজি খাওয়ার লোভ সামলান। তাহলেই কিন্তু আপনার স্বাস্থ্যের হাল ফিরবে। চিকিৎসকদের একাংশের কথায়, ভারতে ডায়াবিটিস প্রায় মহামারীর পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে।বিস্তারিত পড়ুন
ডায়াবিটিস একটি জটিলতম অসুখ। এই রোগকে নিয়ন্ত্রণে না রাখলে শরীরের একাধিক অঙ্গের ক্ষতি হতে পারে। তাই ডায়াবিটিস রোগীরা সুস্থ থাকার ইচ্ছে থাকলে অতি পরিচিত কিছু সবজি খাওয়ার লোভ সামলান। তাহলেই কিন্তু আপনার স্বাস্থ্যের হাল ফিরবে।
চিকিৎসকদের একাংশের কথায়, ভারতে ডায়াবিটিস প্রায় মহামারীর পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। তাই আজকাল প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই এই রোগে আক্রান্ত রোগীর খোঁজ মেলে।
যেসব সবজিতে রয়েছে বারণ
মনে রাখবেন, লাইফে ডায়াবিটিস ‘এন্ট্রি’ নিলে কিছু অত্যন্ত প্রিয় সবজিকে ‘এক্সিট’ দিতে হবে। তাহলেই আপনি সুস্থ-সবল জীবনযাপন করতে পারবেন। তাই আর দেরি না করে ঝটপট জেনে নিন সেসব সবজি সম্পর্কে যেগুলি ডায়াবেটিকদের জন্য় বিষের সমান।
আলু থেকে সাবধান…
ডায়াবিটিস রোগীরা যত দ্রুত সম্ভব আলুর থেকে দূরত্ব তৈরি করুন। কারণ আলুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কার্ব যা কিনা দেহে চটজলদি সুগার বাড়াতে পারে। এমনকী এনসিবিআই-এর এক গবেষণা জানাচ্ছে যে, আলুর জিআই ভ্যালু প্রায় ৮২। তাই আলু খেলে যে ওজন বাড়বেই, এটা সহজেই অনুমেয়।
মটরশুঁটি নয়
আপনার অতি প্রিয় মটরশুঁটিও কিন্তু বেশি খাওয়া চলবে না। কারণ এই সবজিতেও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কার্ব যা কিনা শরীরের হাল বেহাল করার কাজে সিদ্ধহস্ত। সুতরাং ডায়াবিটিস রোগীরা মটরশুঁটি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।
মিষ্টি আলুও নৈব নৈব চ…
অনেকেই মনে করেন, ডায়াবিটিসে বোধহয় মিষ্টি আলু খাওয়া উপকারী। তবে বিষয়টা একবারেই তেমন নয়। বরং মিষ্টি আলু খেলেও সুগার বাড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই যত দ্রুত সম্ভব এই আলুর সঙ্গেও দূরত্ব বাড়ান।
কচু খেলেও ফেঁসে যাবেন
কচুর গ্লাইসেমিক লোড অনেকটাই বেশি। তাই এই মাটির নীচের সবজি খেলে যে রক্তে চটজলদি সুগারের মাত্রা বেড়ে যাবে, তা তো বলাই বাহুল্য! সুতরাং সুস্থ-সবল জীবনযাপন করার ইচ্ছে থাকলে কচু খাওয়া ছাড়ুন।
ভেজিটেবল জুস খাবেন না
সবজির জুস খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে কি? উত্তর হ্যাঁ হলে যে বড্ড মুশকিল মশাই! কারণ অতি উপকারী সবজির জুস করে খেলে তার ফাইবার অংশ নষ্ট হয়ে যাবে। ফলে সুগার বাড়বে দ্রুত গতিতে। তাই জুস করে সবজি খাওয়ার ভুলটা আর করবেন না।
ঘরে ঘরে Viral Fever! দ্রুত জ্বর থেকে সেরে উঠতে এড়িয়ে চলতে হবে কোন কোন খাবার ?
ঘরে ঘরে এখন ভাইরাল ফিভারে আক্রান্ত রোগী! এই রোগে আক্রান্তদের জ্বরের সঙ্গে থাকছে সর্দি, কাশি, মাথা ব্যথা থেকে শুরু করে একাধিক সমস্যা। তবে এই পরিস্থিতিতে থেকে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে চাইলে মদ, ফাস্টফুড সহ বেশ কিছু খাবারের লোভ সামলাতে হবে। আসুন সেইসব খাবার সম্পর্কে দ্রুত জেনে নেওয়া যাক। বাড়ছে ভাইরাসের দাবিস্তারিত পড়ুন
ঘরে ঘরে এখন ভাইরাল ফিভারে আক্রান্ত রোগী! এই রোগে আক্রান্তদের জ্বরের সঙ্গে থাকছে সর্দি, কাশি, মাথা ব্যথা থেকে শুরু করে একাধিক সমস্যা। তবে এই পরিস্থিতিতে থেকে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে চাইলে মদ, ফাস্টফুড সহ বেশ কিছু খাবারের লোভ সামলাতে হবে। আসুন সেইসব খাবার সম্পর্কে দ্রুত জেনে নেওয়া যাক।
বাড়ছে ভাইরাসের দাপট
খাতায় কলমে শরৎ এসেছে বঙ্গে। তবে আকাশের দিকে তাকালে সে কথা বোঝার উপায় নেই। বরং সারাদিন বৃষ্টির দাপট দেখে এই সময়টাকে বর্ষা বললেও ভুল হবে না। আর এমন বর্ষামুখর দিনগুলিতেই নিজের খেল দেখাচ্ছে ফ্লু ভাইরাস।
ঘরে ঘরে জ্বর, সর্দি, কাশি
দুর্ভাগ্যের বিষয় হল, এইসব ফ্লু ভাইরাসের কবলে পড়ে ঘরে ঘরে ভাইরাল ফিভারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এমনকী জ্বরের সঙ্গী হচ্ছে সর্দি, কাশি। তাই এই সময়টায় সাবধান থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
কিছু কিছু খাবার এড়িয়ে চলুন
তবে সব সাবধানতা গ্রহণ করার পরও যদি একান্তই ভাইরাল ফিভারের ফাঁদে পড়তে হয়, তাহলে কয়েকটি খাবার এড়িয়ে চলতেই হবে। তাহলেই আপনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে পারবেন। ভাবছেন নিশ্চয়ই, ভাইরাল ফিভারে ভোগার সময় কোন কোন খাবার এড়িয়ে চলা জরুরি?
ফাস্টফুড নৈব নৈব চ
জ্বরের সময় মুখে স্বাদ না থাকার দরুন অনেকেই বাড়ির খাবার ছেড়ে অত্যধিক তেল, ঝাল, মশলা যুক্ত ফাস্টফুড খাচ্ছেন। আর এই কারণেই তাঁদের সমস্যা আরও বাড়ছে বই কমছে না। তাই ভাইরাল ফিভারে পড়লে বিরিয়ানি, মোমো বা পিৎজার মতো ফাস্টফুড খাবেন না। শুধু এই নিয়মটা মেনে চলতে পারলেই আপনার সুস্থ থাকার পথ প্রশস্থ হবে।
চিনি, মিষ্টি খেলেও সর্বনাশ
এই সময়টায় অত্যধিক পরিমাণে সুগারি প্রোডাক্ট যেমন- মিষ্টি, চকোলেট বা কোল্ড ড্রিংকস খাওয়া চলবে না। কারণ এই সময় অত্যধিক মিষ্টি খেলে ডায়ারিয়ার আশঙ্কা বাড়ে। সুতরাং এইসব খাবার থেকে যত দ্রুত সম্ভব তফাত যান।
দুগ্ধজাত খাবারও কম খেতে হবে
প্রসেসড মিট চলবে না
হ্যাম, বেকন, হটডগের মতো প্রসেসড মিট কিন্তু শরীরের একাধিক ক্ষতি করতে পারে। বিশেষত, ভাইরাল ফিভারের সময় এইসব খাবার খেলে সুস্থ হয়ে উঠতে আরও কিছুটা সময় লেগে যেতে পারে। তাই জ্বরের সময় এইসব খাবার এড়িয়ে চলাটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।
অ্যালকোহলেই লুকিয়ে বিপদ
ভাইরাল ফিভারে পড়লে এক বিন্দু মদও খাওয়া চলবে না। কারণ এই সময়ে মদ্যপান করলে শরীরে ডিহাইড্রেশন হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। এমনকী কমতে পারে ইমিউনিটিও। তাই পরিস্থিতিকে কন্ট্রোলে রাখতে চাইলে এই ‘বিষ’ পানীয় এড়িয়ে চলুন।
পিছু নিয়েছে ঘাতক Fatty Liver? তাহলে দ্রুত রোগমুক্তিতে কোনসব সবজি খাবেন?
ফ্যাটি লিভারের মতো জটিল একটি অসুখকে যত দ্রত সম্ভব বাগে আনতে হবে। নইলে প্রাণ হবে ওষ্ঠাগত। তাই তো রোজের পাতে বিট, গাজর সহ কয়েকটি পরিচিত সবজিকে জায়গা করে দিন। হলফ করে বলতে পারি, এতেই উপকার মিলবে খুব সহজে। ঘাতক অসুখ ফ্যাটি লিভার লিভারে ফ্যাট জমার সমস্যাকে অবহেলা করা, আর খাল কেটে কুমির ডেকে আনা- দুটোই সবিস্তারিত পড়ুন
ফ্যাটি লিভারের মতো জটিল একটি অসুখকে যত দ্রত সম্ভব বাগে আনতে হবে। নইলে প্রাণ হবে ওষ্ঠাগত। তাই তো রোজের পাতে বিট, গাজর সহ কয়েকটি পরিচিত সবজিকে জায়গা করে দিন। হলফ করে বলতে পারি, এতেই উপকার মিলবে খুব সহজে।
ঘাতক অসুখ ফ্যাটি লিভার
লিভারে ফ্যাট জমার সমস্যাকে অবহেলা করা, আর খাল কেটে কুমির ডেকে আনা- দুটোই সমান। কারণ এই অসুখের বিরুদ্ধে প্রথমেই ব্যবস্থা না নিলে লিভার সিরোসিস এবং লিভার ফাইব্রোসিসের মতো প্রাণঘাতী অসুখে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে বৈকি! তাই বিপদ ঘটার আগেই ফ্যাটি লিভার ডিজিজ নিয়ে সাবধান হওয়া ছাড়া গতি নেই।
ফ্যাটি লিভারের দুটি ভাগএই অসুখকে দুটি ভাগে বিভক্ত করা যায়। প্রথমত, অ্যালকোহোলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ এবং দ্বিতীয়ত, নন অ্যালকোহোলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ। অ্যালকোহোলিক ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রে সমস্যার মূল কারণ হল অত্যধিক মদ্যপান। অপরদিকে নন অ্যালকোহিক ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রে অলস জীবনযাপন ও খারাপ খাদ্যাভ্যাসই সমস্যার পিছনে কলকাঠি নাড়ে।
কিছু সবজি পাতে রাখা জরুরি
মনে রাখবেন, এই জটিল অসুখের ফাঁদ কেটে বেরিয়ে আসতে চাইলে আপনাকে সবজির হাত ধরতেই হবে।এখন প্রশ্ন হল, কোন কোন সবজি খেলে ফ্যাটি লিভার সারিয়ে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব?
বিটরুট খাওয়া মাস্ট
এই সবজিতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভাণ্ডার যা কিনা লিভারের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সেই সঙ্গে বিট হল ফাইবার, ফোলেট ও পেকটিনের ভাণ্ডার। আর এই সমস্ত উপাদান একত্রে মিলে ফ্যাটি লিভারকে বশে রাখতে সাহায্য করবে।
গাজরের জুড়ি মেলা ভার
অতি পরিচিত এই সবজি হল বিটা ক্যারোটিনের আঁতুরঘর। তাই নিয়মিত গাজর খেলে যে লিভারে ফ্যাটের ভার কমে যাবে, তা তো বলাই বাহুল্য! এমনকী এই অঙ্গের প্রদাহ কমানোর কাজেও একাই একশো এই সবজি। তাই সুস্থ থাকতে নিয়মিত গাজর খেতে ভুলবেন না যেন!
মহৌষধি ব্রকোলি
ব্রকোলিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। আর এই দুই উপাদান কিন্তু ফ্যাটি লিভারকে বশে আনার কাজে সিদ্ধহস্ত। তাই রোজের পাতে ব্রকোলিকে জায়গা দিতেই পারেন। এতেই সুফল মিলবে হাতেনাতে।
ফুলকপি, বাঁধাকপির সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতিয়ে নিন
এইসব সবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা কিনা লিভারের স্বাস্থ্যের হাল হকিকত শুধরে দিতে পারে। এমনকী ফ্যাটি লিভার রোগীদের জন্যও অমৃত সমান এইসব সবজি। তাই সুস্থ থাকতে প্রায়দিন বাঁধাকপি ও ফুলকপির পদ খাওয়া চাই।
শাক পাতার বিকল্প নেই
যে কোনও মরশুমি শাক হল ভিটামিন, খনিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইবারের ভাণ্ডার। তাই নিয়মিত শাক পাতার পদ খেলে লিভার সহ দেহের একাধিক অঙ্গের হাল ফিরতে সময় লাগবে না। তাই সব অনীহাকে পাশে সরিয়ে রেখে সুস্থ থাকতে শাকের পদ পাতে রাখতেই হবে। এতেই চটজলদি মিলবে উপকার।
ঝকঝকে সাদা দাঁত পেতে এবং দাঁতের হলুদ ভাবও উধাও হবে কিভাবে?
যদি কেউ আপনার হাসিরও প্রশংসা করে, আপনার ভালো লাগবে না? তাহলে জেনে নিন সাদা ঝকঝকে দাঁত কী ভাবে পাবেন? সুন্দর সাদা ঝকঝকে দাঁত পাওয়ার ইচ্ছে থাকে প্রত্যেকেরই। কিন্তু নানা কারণে দাঁতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়। দাঁতে হলুদ ছোপও পড়ে । কী ভাবে মিলবে সুরাহা? আমাদের হাতের কাছেই এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান রয়বিস্তারিত পড়ুন
যদি কেউ আপনার হাসিরও প্রশংসা করে, আপনার ভালো লাগবে না? তাহলে জেনে নিন সাদা ঝকঝকে দাঁত কী ভাবে পাবেন? সুন্দর সাদা ঝকঝকে দাঁত পাওয়ার ইচ্ছে থাকে প্রত্যেকেরই। কিন্তু নানা কারণে দাঁতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়। দাঁতে হলুদ ছোপও পড়ে ।
কী ভাবে মিলবে সুরাহা?
আমাদের হাতের কাছেই এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে, যেগুলির ব্যবহারে খুব সহজেই দাঁতের ঝকঝকে সাদা ভাব ফিরিয়ে আনা সম্ভব! কী সেই উপায়?
পাতি লেবুর খোসা ব্যবহার করুন
এক্ষেত্রে পাতি লেবুর কোনও বিকল্প হয় না। পাতি লেবুর খোসা দাঁতে ঘষতে পারেন। এর নিয়মিত ব্যবহারে দাঁতের হলুদ ছোপ মলিন হবে আর সাদা ঝকঝকে ভাবও ফিরে আসবে।
কমলাকে সঙ্গী বানান
কমলা লেবুর খোসাও ব্যবহার করতে পারেন আপনি। ঘুম থেকে উঠে কমলা লেবুর খোসা দাঁতে ঘষে নিন। এতে দাঁতের সাদা ভাব বজায় থাকবে আর আপনার হাসির প্রশংসাও করবেন সবাই।
গ্রিন টি বেশ উপকারী
একটি কটন বল গ্রিন টি-তে ভিজিয়ে দাঁতের উপর লাগিয়ে নিন। নিয়মিত ব্যবহারে পরিবর্তন চোখে পড়বেই।
পেয়ারা পাতাই ম্যাজিক দেখাবে
নিয়মিত পেয়ারা পাতা চিবিয়ে খেতে পারেন আপনি। পেয়ারা পাতার রস দাঁতের জন্যে খুবই উপকারী। মুখের দুর্গন্ধ দূর করে দাঁতের সাদা ঝকঝকে রং ফিরিয়ে দিতে এটি একাই একশো।
বেশকিছু সতর্কতাও আপনাকে মেনে চলতে হবে। যেমন, ধূমপান ত্যাগ করতে হবে। নিয়মিত সঠিক নিয়ম মেনে দিনে দুবার ব্রাশ করতে হবে। দাঁতের সঠিক যত্নও নিতে হবে। এসব নিয়ম মানলেই হবে কেল্লাফতে!
দিনে কতবার চুল আঁচড়ালে বন্ধ হবে মুঠো মুঠো চুল পড়া?
সঠিক উপায়ে চুল আঁচড়ান Hair Brush: চুল ভালো রাখার জন্যে নিয়মিত যত্ন নেন প্রত্যেকে। চুল পরিপাটি করে রাখতে নিয়মিত হেয়ার ব্রাশও করেন। কিন্তু আপনি কি জানেন, দিনে ঠিক কতবার চুল আঁচড়ানো উচিত? বিস্তারিত জেনে নিন। সবাই চুল পরিপাটি রাখতে চান চুল পরিপাটি করে সুন্দর রাখতে চুল আঁচড়ানো প্রয়োজন। তাই প্রত্যেকেইবিস্তারিত পড়ুন
সঠিক উপায়ে চুল আঁচড়ান
Hair Brush: চুল ভালো রাখার জন্যে নিয়মিত যত্ন নেন প্রত্যেকে। চুল পরিপাটি করে রাখতে নিয়মিত হেয়ার ব্রাশও করেন। কিন্তু আপনি কি জানেন, দিনে ঠিক কতবার চুল আঁচড়ানো উচিত? বিস্তারিত জেনে নিন।
সবাই চুল পরিপাটি রাখতে চান
চুল পরিপাটি করে সুন্দর রাখতে চুল আঁচড়ানো প্রয়োজন। তাই প্রত্যেকেই সাধের চুলকে গুছিয়ে রাখতে বারবার চুল আঁচড়ান। একাধিক হেয়ার ব্রাশও ব্যবহার করেন।
আঁচড়ালেই ভালো থাকবে চুল?
অনেকেই ভাবেন যে, চুল ভালো রাখতে বুঝি বারবার হেয়ার ব্রাশ করা জরুরি। চুল আঁচড়ালে জটমুক্ত থাকবে। তাই হেয়ার ফলও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
এই ধারণার সত্যতা তাঁরা বিচার করেন না। দিনের পর দিন এই ভ্রান্ত ধারণাকে আশ্রয় করেই চলতে চান। কিন্তু আপনি কি জানেন এই কথা কতটা সত্যি ?
বারবার চুল আঁচড়ালে চুল ভালো থাকে, এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। এতে চুল জটমুক্ত থাকে ঠিকই। কিন্তু এর সঙ্গে হেয়ার ফল কমার কোনও সংযোগ নেই। বরং বারবার চুল আঁচড়ালে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাই বাড়ে।
মাথা ফাঁকা হয়ে যেতে পারে
চুলে বারবার চিরুনি দিলে ঘষা লাগে। ফলে, চুল ভেঙে যায়। এমনকী গোড়া থেকে আলগা হয়ে উঠতেও আসতে পারে।
ভিজে চুল আঁচড়াবেন না
ভিজে চুলে তো চিরুনি দেওয়াই উচিত নয়। এতে চুলের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে ষোলোআনা। তাই সব দিক বিবেচনা করে নিজের চুলকে ভালো রাখার জন্যে প্রয়োজন মতো চুল আঁচড়ানোই ভালো।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, দিনে কতবার চুল আঁচড়ালে উপকার মিলবে? দিনে একাধিক বার চুল আঁচড়াতে পারেন আপনি। তবে ২-৩ বারের বেশি চুল আঁচড়ানো উচিত নয়। এতে চুলের ক্ষতি হতে পারে।
শীতের আগেই নিন চুলের যত্ন
শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ কম থাকে। এর প্রভাব পড়ে চুলেও। বাতাসে দূষণের মাত্রা বেশি থাকায় চুলের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও বাড়ে। তাই তো শীতকালে চুল পড়ার সমস্যায় ভোগেন অধিকাংশই!
আপনি চাইলে এই সমস্যা এড়িয়েও যেতে পারেন। তবে এর জন্যে বেশি পরিশ্রম করার প্রয়োজনও নেই। শীত পড়ার আগে আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময় থেকেই কয়েকটি নিয়ম মেনে চলতে হবে। তাহলেই মুঠো মুঠো চুল ওঠা প্রতিরোধ করতে পারবেন আপনি।
শ্যাম্পু করতে ভুলবেন না
সপ্তাহে ৩ দিন শ্যাম্পু করুন। শীতে চুল ভালো রাখার জন্যে স্ক্যাল্প পরিষ্কার রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। অপরিষ্কার স্ক্যাল্পে খুশকির সমস্যা বাড়তে পারে, তখন স্বাভাবিকভাবেই চুল পড়াও বাড়বে।
ডিপ কন্ডিশনিং করতে ভুলবেন না। কারণ, এই সময়ে বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা কম থাকে। আর তার ফলে চুলও রুক্ষ হতে শুরু করে। তাই ডিপ কন্ডিশনিং করে চুলের আর্দ্রতা ঠিক রাখা জরুরি।
হট অয়েল থেরাপি জরুরি
প্রোটিন হেয়ার মাস্ক মাস্ট
স্টাইলিং টুল ব্যবহার করবেন না
সবশেষে ডায়েটের দিকেও নজর ফেরান। স্বাস্থ্যকর খাবার খাবেন। সেই সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণে জলপান করাও জরুরি। হাইড্রেটেড থাকলে চুলও ভালো থাকবে।