সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Adnan bin zaman

পণ্ডিত...................................
প্রশ্ন করুন Adnan bin zaman
219 বার প্রদর্শিত
0 ফলোয়ার
68 প্রশ্ন
হোমপেজ/ Adnan bin zaman/ফলোয়ারদের উত্তর
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পছন্দ তালিকা
  • ফলোকৃত প্রশ্ন
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  • ফলোকৃতদের প্রশ্ন
  • ফলোকৃতদের উত্তর
  • ফলোয়ারদের ব্লগ
  • ফলোকৃত/ফলোয়ারদের ব্লগ মন্তব্য
  1. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পাবলিক ওয়াইফাইয়ে সুরক্ষিত থাকবেন কিভাবে?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    আমরা কিন্তু ইন্টারনেট অনেকদিন আগে থেকে ব্যবহার করে আসছি, তবে এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে আমাদের ইন্টারনেট ব্যবহারের পদ্ধতিতে পরিবর্তন এসেছে। আমরা এখন ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে ইন্টারনেটের সুবিধা নিচ্ছি। এর আগে আমাদের ইথারনেট ক্যাবল ব্যবহার করতে হতো, যার কারণে অনেক অসুবিধাও পোহাতে হতো। কিন্তু এখন ওয়াইফাই থাকাবিস্তারিত পড়ুন

    আমরা কিন্তু ইন্টারনেট অনেকদিন আগে থেকে ব্যবহার করে আসছি, তবে এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে আমাদের ইন্টারনেট ব্যবহারের পদ্ধতিতে পরিবর্তন এসেছে। আমরা এখন ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে ইন্টারনেটের সুবিধা নিচ্ছি। এর আগে আমাদের ইথারনেট ক্যাবল ব্যবহার করতে হতো, যার কারণে অনেক অসুবিধাও পোহাতে হতো। কিন্তু এখন ওয়াইফাই থাকাতে আমাদের ইন্টারনেট ব্যবহার অনেক সাশ্রয়ী হয়ে উঠেছে, একসঙ্গে এখন অনেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারছে।

    তবে প্রত্যেকটি প্রযুক্তির কিছু ভালো এবং খারাপ দিক রয়েছে। অর্থাৎ আমরা ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে এখন যেকোনো স্থানে বসে যে কারো ওয়াইফাইয়ের সঙ্গে যুক্ত হতে পারছি। কিন্তু সেই ওয়াইফাই যদি পাবলিক হয়, তাহলে আমরা পড়তে পারি অনেক বড় সমস্যায়। কী ধরনের সমস্যা? সেই ব্যাপারে বুঝতে আমদের জানতে হবে ওয়াইফাই কীভাবে কাজ করে।

    ১. সংযোগ যাচাই করুন

    কোনো ওয়াইফাই পয়েন্টের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আগে সেটাই সঠিক ওয়াইফাই পয়েন্ট কিনা তা যাচাই করতে হবে। কেননা হ্যাকাররা অনেক ক্ষেত্রেই ভুয়া ওয়াইফাই পয়েন্ট বানিয়ে থাকে। আপনি যদি ভুলে সেখানে যুক্ত হয়ে যান, তাহলে আপনার মোবাইল বা ল্যাপটপে ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে, এবং আপনার সব তথ্য বেহাত হয়ে যেতে পারে।

    কোনো ওয়াইফাই পয়েন্ট আমরা যাচাই করতে পারি সেটা পাসওয়ার্ড দ্বারা সুরক্ষিত কিনা তা দেখে। কারণ, সাধারণত হ্যাকারদের তৈরি করা পয়েন্টে পাসওয়ার্ড থাকে না, যেন সবাই সহজেই যুক্ত হতে পারে। কিন্তু কোনো রেস্তোরা বা ক্যাফের ক্ষেত্রে এটা হয় না। তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পাসওয়ার্ড দ্বারা সুরক্ষিত করে রাখে। তবে কখনো এই বিষয়ে সংশয় দেখায় দেয়। সেক্ষেত্রে ভিপিএন ব্যবহার করে সেখানে প্রবেশ করতে হবে। ঢুকে যদি দেখা যায় যে কিছু একটা ভুল আছে, তাহলে সেখান কানেক্ট না হয়ে আগে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সঠিক পয়েন্ট যাচাই করে নেয়া যেতে পারে।


    এক নামের দুটি ওয়াই-ফাই পয়েন্ট

    ২. এনক্রিপ্টেড/সিকিউরড সংযোগ ব্যবহার করুন

    এনক্রিপ্টেড বা সিকিউরড সংযোগের অর্থ হলো এমন সংযোগ যেটা ব্যবহারের মাধ্যমে আপনার সকল তথ্য গোপন কোডে রূপান্তরিত হয়ে আরেক প্রান্তে পৌঁছাবে। মাঝে যদি কেউ সেই তথ্য হাতিয়েও নেয়, তাহলে সে সেটা ডিকোড করতে পারবে না।

    আমরা সাধারণত যেসব ওয়েবসাইট বেশি ব্যবহার করি, সেসবে আগে থেকেই সুরক্ষিত সংযোগ ব্যবহার করা থাকে।  কোনো ওয়েবসাইট সিকিউরড সংযোগ ব্যবহার করছে কিনা সেটা যাচাই করতে আপনার শুধু সেই ওয়েবসাইটের ইউ.আর.এল-এর দিকে নজর দিতে হবে। সেখানে বাম পাশে যদি ‘সিকিউরড’ বা তালা চিহ্ন দেখায়, তাহলে বুঝতে হবে সেটি সিকিউরড সংযোগ ব্যবহার করছে। সেখানে যদি ‘নট সিকিউরড’ লেখা থাকে, তাহলে বুঝতে হবে যে সেই ওয়েবসাইট কোনো সিকিউরড সংযোগ ব্যবহার করছে না।


    সুরক্ষিত এবং অসুরক্ষিত ইউ.আর.এল-এর মধ্যকার পার্থক্য

    তবে এরকম যদি কোনো ওয়েবসাইটে আপনার প্রবেশ করতে হয় তাহলে আপনার একটা ‘ব্রাউজার এক্সটেনশন’ ব্যবহার করতে পারেন যেটার নাম ‘HTTPS Everywhere’। এই এক্সটেনশনের কাজ হচ্ছে কোনো ওয়েবসাইটের ঝুঁকিপূর্ণ সংযোগকে এনক্রিপ্টেড সংযোগে পরিণত করে।

    ৩. ভিপিএন বা টর ব্রাউজার ব্যবহার করুন

    ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ককে সংক্ষেপে ভিপিএন বলা হয়। এর কাজ হচ্ছে আপনি যখন ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন তখন আপনার আসল আইপি অ্যাড্রেস অন্যদের থেকে লুকিয়ে একটি প্রাইভেট ইন্টারনেট টানেল হয়ে গন্তব্য স্থলে নিয়ে যাওয়া। আর টর ব্রাউজারও ঠিক এভাবেই কাজ করে। শুধু পার্থক্য হলো যে একটা ভিপিএন আপনার আইপি অ্যাড্রেস একবার বদলাবে, কিন্তু টর ব্রাউজার আপনার আইপি অ্যাড্রেস বেশ কয়েকবার রদবদল করবে। 


    ভিপিন যেভাবে কাজ করে

    তাই কোনো পাবলিক ওয়াইফাইয়ে যুক্ত থাকা অবস্থায় ভিপিএন ব্যবহার করা উচিৎ। কারণ, পাবলিক ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে হ্যাকার শুধু পাসওয়ার্ড এবং ব্যাংকের তথ্য নয়, সে চাইলে ফোনে থাকা তথ্যও চুরি করে নিতে পারে। অথবা ভিক্টিমের ডিভাইসে ভাইরাস প্রবেশ করিয়ে দিতে পারে। এটা বিশেষ করে মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কেননা পিসিতে অনেক রকম সুবিধা থাকে নিজের সুরক্ষাবর্ম নিজের মতো করে বানিয়ে নেয়ার। কিন্তু মোবাইলের ক্ষেত্রে এটা অনেকটাই সীমাবদ্ধ, যেমন ‘Https Everywhere’ এক্সটেনশন মোবাইলে পাওয়া যায় না। তাই মোবাইলের জন্য এটা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

    ৪. গোপন তথ্য আদান-প্রদান নয়

    কোনো পাবলিক ওয়াইফাইয়ে বসে নিজের কোনো গোপন বা সংবেদনশীল তথ্য আদান-প্রদান করা জীবনের বড় ভুলের একটি হতে পারে। কেননা সেই তথ্য যেকোনো মানুষের হস্তগত হতে পারে। সেটার জন্য কোনো দক্ষ হ্যাকারের দরকার পড়বে না। যদি কেউ পাবলিক ওয়াইফাইয়ে বসে কোনো কাজ করতে থাকেন, তাহলে এটা আপনার বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে, যেন সংবেদনশীল তথ্য সেই পাবলিক ওয়াইফাইয়ে থাকা অবস্থায় কোথাও ইনডেক্স (কোথাও কোনো তথ্য প্রদান করা) না করা হয়। তাছাড়া, বিশেষ করে খেয়াল রাখতে হবে যেন কোনো সাইটের পাসওয়ার্ড সেই পাবলিক ওয়াইফাইয়ের সাথে কানেক্টেড থাকা অবস্থায় ইনডেক্স না করা হয়। যদিও অনেক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট, যেমন- ফেসবুক বা গুগলে সিকিউরড সংযোগ থাকে। কিন্তু তারপরও কোনো সংবেদনশীল তথ্য পাবলিক ওয়াইফাইয়ে আদান-প্রদান না করাই ভাল, সেটা যত সিকিউরড সংযোগই হোক না।

    ৫. ফাইল শেয়ারিং সীমিত রাখুন


    ফাইল শেয়ারিং সীমিত রাখুন

    পাবলিক ওয়াইফাইয়ে  যুক্ত থাকাকালীন কোনো ফাইল শেয়ারিং এপ্লিকেশন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা উচিৎ। আমরা আগেই জেনেছি, যেহেতু একটি নেটওয়ার্কের মধ্যে থাকি আমরা, তাই হ্যাকার আমাদের তথ্য হাতিয়ে নেয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। তাছাড়া, ফাইল শেয়ারিং অপশন ব্যবহার করে হ্যাকার আপনার ল্যাপটপে ম্যালিশাস ফাইল প্রবেশ করিয়ে দিতে পারে। সেক্ষেত্রে যদি কেউ ল্যাপটপ ব্যবহার করে, তাহলে ‘Network and Sharing Centre’-এ গিয়ে ‘Turn off File and Printer Sharing’ অপশনটি ক্লিক করে ল্যাপটপের ফাইল শেয়ারিং অপশনটি অফ করতে হবে। যদি আপনি ম্যাক ইউজার হয়ে থাকেন, তাহলে ‘Air Drop’-এ গিয়ে ‘Allow Me to be Discovered by: No One’ অপশনটি ক্লিক করে ফাইল শেয়ারিং অপশনটি অফ করুন। তাহলে আর ল্যাপটপে কেউ ফাইল শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে তথ্য চুরি করতে পারবে না।

    ৬. কানেক্ট হওয়ার আগে শর্তাবলী খেয়াল করুন

    আমরা অনেকেই এই বিষয়টি এড়িয়ে যাই, ঠিকভাবে কখনও শর্তাবলী পড়ে দেখি না। তবে পাবলিক ওয়াইফাইয়ে কানেক্ট হওয়ার আগে, বিশেষ করে যখন আমাদের কোনো ক্যাপটিভ পোর্টালে সাইন আপ করতে হচ্ছে। তখন শর্তাবলীর দিকে একটু নজর দেয়ার জন্য অনুরোধ থাকবে। কেননা অনেক ক্ষেত্রেই শর্তাবলীতে অনেক আপত্তিকর বিষয়েও তারা অনুমতি নিয়ে থাকে। তাই সেই শর্তাবলী যদি একটু পড়ে নেয়া যায়, তখন অনেক ক্ষেত্রেই কোনো আপত্তিকর শর্ত থাকলে সেই ব্যাপারে সর্তক হওয়া সম্ভব।


    কানেক্ট হওয়ার আগে শর্তাবলী খেয়াল করুন

    এখানে যে ক’টি সুরক্ষাপদ্ধতি বলা হয়েছে, সবগুলোই একটি আরেকটির পরিপূরক। কেননা, প্রত্যেকটি পদ্ধতির নিজস্ব কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তাই একটি পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা পূরণ করতে আরেকটি পদ্ধতির সাহায্য নেয়া হয়েছে। যদিও এতগুলো সুরক্ষা ধাপ মেনে চলা কঠিন হতে পারে অনেকের জন্য, তবে কেউ যদি কোনো ক্যাফেতে বসে সেই ক্যাফের ওয়াইফাই-ই ব্যবহার করতে চায়, সাথে সুরক্ষা নিয়েও চিন্তিত থাকে, তাহলে তার এসব ধাপ মেনে চলা ছাড়া কোনো উপায় নেই।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  2. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    হাড় ভাঙার চিকিৎসায় প্লাস্টার অব প্যারিস কেনো ব্যবহৃত হয়?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    হাড় ভাঙার ক্ষেত্রে ভাঙা স্থানকে অনড় রাখা অত্যন্ত দরকারি একটি বিষয়। স্থিতিশীলতা দ্রুত নিরাময়ে সাহায্য করে। হাড় ভাঙার চিকিৎসায় এ কৌশলটি হাজার বছরের পুরনো। হিপোক্রেটিস কিংবা আল রাজির ন্যায় চিকিৎসকদের সময়েও এ পদ্ধতির ব্যবহার শোনা যায়। তবে ভাঙা স্থান অনড় রাখার বস্তু-সামগ্রীতে ছিল ভিন্নতা। মোম,বিস্তারিত পড়ুন

    হাড় ভাঙার ক্ষেত্রে ভাঙা স্থানকে অনড় রাখা অত্যন্ত দরকারি একটি বিষয়। স্থিতিশীলতা দ্রুত নিরাময়ে সাহায্য করে। হাড় ভাঙার চিকিৎসায় এ কৌশলটি হাজার বছরের পুরনো। হিপোক্রেটিস কিংবা আল রাজির ন্যায় চিকিৎসকদের সময়েও এ পদ্ধতির ব্যবহার শোনা যায়। তবে ভাঙা স্থান অনড় রাখার বস্তু-সামগ্রীতে ছিল ভিন্নতা। মোম, রেজিন, ডিমের সাদা অংশ, স্টার্চ, বাঁশ কিংবা কাঠের টুকরা হয়ে বর্তমানের প্লাস্টার কাস্ট (cast) ও ফাইবারগ্লাস কাস্ট- অস্থি কিংবা অস্থিসন্ধি নিশ্চল করার ক্ষেত্রে ইতিহাসে এমন সব পদার্থের ব্যবহারই সবচেয়ে বেশি শোনা যায়।

    বর্তমানে ভাঙা স্থান অনড় করার কাজে বহুল ব্যবহৃত একটি পদার্থ হলো প্লাস্টার অব প্যারিস। খনিজ জিপসাম (CaSO4.2H2O) থেকে প্লাস্টার অব প্যারিস তৈরি করা হয়। হাড় ভাঙার চিকিৎসায় ব্যবহারের আগে বাসা-বাড়ি তৈরির কাজেই এটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হতো।

    প্লাস্টার অব প্যারিসের নামকরণ নিয়ে নানা মত দেখা যায়। ১২৫৪ সালে রাজা তৃতীয় হেনরির প্যারিস ভ্রমণের সময় এখানকার দালান-কোঠার নান্দনিক সাদা দেয়াল মুগ্ধ করে তাকে। তখন থেকে ইংল্যান্ডেও একই রকম প্লাস্টার পদ্ধতি চালু হয়, যা প্লাস্টার অব প্যারিস নামেই পরিচিতি পায়।

    শুরুর গল্প

    উনিশ শতকের শুরুতে ইউরোপে হাড় ভাঙার চিকিৎসায় প্লাস্টার অব প্যারিস ব্যবহারের একটি পদ্ধতি বেশ জনপ্রিয় হয়। এ পদ্ধতিকে বলা হতো ‘plâtre coulé’। ভাঙা স্থানকে ঘিরে একটি কাঠের কাঠামোর মধ্যে ঢেলে দেওয়া হতো প্লাস্টার অব প্যারিস। প্লাস্টারের ভারে রোগী বিছানা ছেড়ে উঠতে পারত না। তবুও পা ভাঙার চিকিৎসায় এটি বেশ জনপ্রিয় একটি পদ্ধতি ছিল। বেলজিয়ান চিকিৎসক লুইস সিউটিন রোগীদের অসুবিধার কথা ভেবে স্টার্চ ব্যান্ডেজের প্রচলন করেন। ১৮৩৯ সালে লাফার্গ স্টার্চ দ্রবণের সাথে প্লাস্টার অব প্যারিস পাউডার মিশিয়ে তা লিনেন ব্যান্ডেজের উপর প্রয়োগ করেন। এ পদ্ধতিতে প্লাস্টার জোড়া লাগার সময় কমে ছয় ঘণ্টায় নেমে আসে।

    ১৮৫২ সালের দিকে ডাচ মিলিটারি সার্জন অ্যান্থোনিয়াস মাথিজসেন দ্রুত কয়েক মিনিটের মধ্যে প্লাস্টার জমাট বাধার একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। পানি ও প্লাস্টার অব প্যারিসে ভেজা ব্যান্ডেজ ভাঙা স্থানকে কয়েক মিনিটেই মোটামুটি অনড় করতে সক্ষম হতো। তার এ পদ্ধতি অনেকটাই পূর্বে ব্যবহৃত সিউটিনের পদ্ধতির ন্যায়। তবে সিউটিনের পদ্ধতির চেয়ে এ প্রক্রিয়ায় কম সময় লাগার পাশাপাশি কম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ন্যায় বেশ কিছু সুবিধা পাওয়া যায়। মাথিজসেনের মৃত্যুর পর প্লাস্টার করার এ প্রক্রিয়া বেশ জনপ্রিয়তা পায়।

    প্লাস্টার অব প্যারিস যেভাবে কাজ করে

    খনিজ জিপসামকে (CaSO4.2H2O) ১২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উত্তপ্ত অবস্থায় পানি অপসারণ করে প্লাস্টার অব প্যারিস প্রস্তুত করা হয়। প্লাস্টার অব প্যারিসের রাসায়নিক নাম ক্যালসিয়াম সালফেট হেমিহাইড্রেট (CaSO4.1/2H2O), যা সাধারণত পাউডার আকারে আর্দ্রতামুক্ত পাত্রে সংরক্ষণ করা হয়। এ প্লাস্টার অব প্যারিসের সাথে যখন আবার পানি যোগ করা হয়, তখন তা ৫-১৫ মিনিটের মধ্যে জিপসামে পরিণত হয় ও শক্ত আকার ধারণ করে। আর ভাঙা স্থানে ব্যান্ডেজের উপরে শক্ত এ কাঠামো অস্থি ও অস্থিসন্ধিকে অনড় করে রাখে।

    শুধু ভাঙা অস্থিই না, বরং এটি আঘাতপ্রাপ্ত লিগামেন্ট ও মাংসপেশীকেও নিরাময়ের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে দেয়। কয়েক মিনিটের মধ্যে প্লাস্টার অব প্যারিস জমাট বাধলেও এটি পুরোপুরি শুকাতে ৩৬-৭২ ঘণ্টা অবধি সময় লেগে যেতে পারে। পায়ের প্লাস্টার মোটামুটি ৪৮ ঘণ্টা পর থেকে এর ওজন নিতে পারে। প্লাস্টারের গুণগত মান, পানি ও জিপসামের অনুপাত প্রভৃতি বিষয়ের উপর প্লাস্টারের সফলতা নির্ভর করে। প্লাস্টার করা অবস্থায় এক্সরে করার সুবিধাও পাওয়া যায় । হাড় ভাঙার চিকিৎসায় এ পদ্ধতি বেশ স্বল্পমূল্যের, ও তেমন কোনো অ্যালার্জিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে।

    জটিলতা

    প্লাস্টার কাস্ট ঠিকমতো প্রয়োগ করতে না পারলে নানা জটিলতা দেখা দেয়। এজন্য প্লাস্টার করার ক্ষেত্রে মানবদেহের অ্যানাটমি সম্পর্কে বেশ ভালো ধারণা থাকা দরকার। তবে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরও অনেক সময় নানা জটিলতা তৈরি হয়। প্লাস্টারের অভ্যন্তরে চাপ অনেক বেড়ে গেলে সেখানে রক্ত চলাচল কমে যায়। এ অবস্থাকে বলা হয় ‘কম্পার্টমেন্ট সিন্ড্রোম’। ফলে উক্ত অঙ্গের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়, এমনকি মৃত্যু পর্যন্তও হতে পারে। এছাড়া শিরায় রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটা এবং ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিসও হতে পারে। আঘাতপ্রাপ্ত স্থান ফুলে ভাঙা স্থানকে পুনরায় স্থানচ্যুত করতে পারে। সেক্ষেত্রে আবার নতুন করে প্লাস্টার করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে।

    হাড় ভাঙার চিকিৎসায় আক্রান্ত স্থান নিশ্চল করার ক্ষেত্রে বর্তমানে ফাইবারগ্লাস প্লাস্টার কাস্টের মতো আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। তবে এতে প্লাস্টার অব প্যারিসের আবেদন খুব একটা কমেনি। হাড় ভাঙার চিকিৎসা সম্পর্কে ১৮৯৩ সালে এ জে স্টিলের করা নিম্নোক্ত উক্তি এখনও তাই সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  3. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মোবাইল (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    স্মার্টফোন হারাবার আগেই কোন কোন প্রস্তুতি থাকতে হয়?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    আপনার ফোন কখনো হারায়নি? কিন্তু তাতে কী! বর্তমানে স্মার্টফোন হারিয়ে ফেলা খুব সাধারণ ঘটনা হয়ে গিয়েছে। হারিয়ে না গেলেও হুট করে ফোন নষ্টও হয়ে যেতে পারে। সবমিলিয়ে ফোন ছাড়া আমাদের জীবন যখন প্রায় অচলই বলা চলে, তখন হুট করে ফোন হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হওয়ার ব্যাপারে আগে থেকে সাবধানতা অবম্বন করাই বুদবিস্তারিত পড়ুন

    আপনার ফোন কখনো হারায়নি? কিন্তু তাতে কী! বর্তমানে স্মার্টফোন হারিয়ে ফেলা খুব সাধারণ ঘটনা হয়ে গিয়েছে। হারিয়ে না গেলেও হুট করে ফোন নষ্টও হয়ে যেতে পারে। সবমিলিয়ে ফোন ছাড়া আমাদের জীবন যখন প্রায় অচলই বলা চলে, তখন হুট করে ফোন হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হওয়ার ব্যাপারে আগে থেকে সাবধানতা অবম্বন করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

    ফোন হারিয়ে যাক, চুরি হোক বা নষ্ট হয়ে যাক- চলুন জেনে নিই এমন কোনো পরিস্থিতির জন্য আগে থেকেই কীভাবে প্রস্তুত থাকবেন।

    সাধারণ সতর্কতার ক্ষেত্রে যা যা করবেন


    আপনার যত্ন করে রাখা ফোনটা কিন্তু হারিয়ে যেতেই পারে

    স্মার্টফোন দুটোভাবে নষ্ট হতে পারে। প্রথমত, বাহ্যিকভাবে। আর দ্বিতীয়ত, সফটওয়্যার সংক্রান্ত কোনো সমস্যায়। প্রথমেই তাই ফোনের হার্ডওয়্যারকে সুরক্ষিত রাখতে ভালো একটি কেইস ব্যবহার করুন, যেটা হাত থেকে পড়ে গেলেও ফোনকে সুরক্ষিত রাখবে। এবার চলুন দেখে নেওয়া যাক ফোনের সফটওয়্যার, অর্থ্যাৎ তথ্যগুলোকে সুরক্ষিত রাখতে কী কী ব্যবস্থা নিতে পারেন আপনি।

    স্ক্রিন লক করুন

    হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া ফোন থেকে তথ্য অন্যের হাতে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। তাই ফোনে আপনার চেহারা ও আঙুলের মাধ্যমে লক করে রাখুন। ফেসিয়াল বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিকগনিশন চালু থাকলেও অবশ্য পাশাপাশি ভালো মানের পাসওয়ার্ড দিন। এতে আপনার ফোন অন্তত প্রাথমিকভাবে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকবে।

    লোকেশন ফিচার ব্যবহার করুন

    অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোনে লোকেশন ফিচার চালু রাখুন। অ্যাপের লোকেশন নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বন্ধ রাখলেও ফোনের লোকেশন ফিচার অন করুন। কারণ এটি শুধু ম্যাপ দেখতেই নয়, আরো নানারকম কাজে সাহায্য করবে আপনাকে। আপনার ফোন হারিয়ে গেলেও কোথায় হারিয়েছে সেটা খুঁজে বের করা সহজ হবে।


    অ্যাপের লোকেশন নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বন্ধ রাখলেও ফোনের লোকেশন ফিচার অন করুন

    ফোন আইডেন্টিফিকেশন নম্বরের কপি রাখুন

    ফোন হারিয়ে গেলে সেটা খুঁজে বের করার জন্য যে জিনিসটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় সেটা হলো ফোন আইডেন্টিফিকেশন নম্বর, অর্থাৎ- সিরিয়াল নম্বর ও ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি নম্বর। যদি ফোন হারিয়েই যায় সেক্ষেত্রে পুলিশ রিপোর্ট করার ক্ষেত্রে এটি কাজে লাগবে। তাই নম্বরটির কপি নিজের কাছে আলাদাভাবে রাখুন। সেটিংসে গেলে বা *#06# ডায়াল করে খুব সহজেই এই নম্বর বের করতে পারবেন আপনি।

    ওয়ারেন্টি পড়ে দেখুন এবং ইনস্যুরেন্স নিন

    সব ফোন কোম্পানি ইনস্যুরেন্স সেবা না দিলেও কিছুক্ষেত্রে বাড়তি টাকা খরচের মাধ্যমে এটি পেতে পারেন আপনি। এই ইনস্যুরেন্স শুধু আপনাকে ফোন কাজ না করলে সেটা ঠিক করারই সুযোগ করে দেবে না, একইসাথে হারিয়ে যাওয়া ফোনের ব্যাপারেও কিছু সুবিধা দেবে। কী কী সুবিধা পাবেন আপনি ফোন কেনার মাধ্যমে সেটা বোঝার জন্য ওয়ারেন্টি ভালোভাবে পড়ে নেওয়াটাও জরুরি। তাই ফোন কেনার আগে এই ব্যাপারগুলো মাথায় রাখুন।

    টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু রাখুন

    আপনার ফোন ও ফোনে থাকা অ্যাপগুলোর টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু রাখুন। এতে করে কেউ যদি ফোন চালানোর চেষ্টা করে তাহলে আপনি আপনার ইমেইল, এসএমএস সবকিছুতেই নোটিফিকেশন পাবেন। এমনকি ফোন নষ্ট হয়ে গেলেও ব্যাক আপ ইমেল বা এসএমএস-এর মাধ্যমে ফোনের তথ্য ফিরে পেতে পারবেন আপনি।

    ব্যাকআপ রাখুন

    ফোনে অনেক অনেক তথ্য থাকে আমাদের, যেটা ফোন হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলে হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ফোনের সব তথ্য ক্লাউড স্টোরেজে রেখে দিন। একবার আপনার ফোনের সাথে ক্লাউড স্টোরেজ কানেক্ট হয়ে গেলে এরপর নিজ থেকেই সবগুলো তথ্য ফোনের বাইরেও জমা হয়ে যাবে।


    ফোনের সব তথ্য ক্লাউড স্টোরেজে রেখে দিন

    অ্যাপল, গুগল, স্যামসাং ডিভাইসের মাধ্যমে সাধারণ তথ্য ছাড়াও ফোনের ক্ষুদেবার্তা, ফোন নম্বর, কল হিস্ট্রি ইত্যাদি সবকিছুই আপনি অনুমতি দিলে জমা হয়ে যাবে আপনার কাঙ্ক্ষিত স্থানে। যদি ছবি জমিয়ে রাখার প্রয়োজন হয় আপনার, সেক্ষেত্রে গুগল ফটোজ, আইক্লাউড ফটোজ বা ড্রপবক্সের মতো স্থানগুলোও ব্যবহার করতে পারেন।

    ফোন খুঁজে নিন

    আপনার ফোন যদি চুরি হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে অ্যাপল, গুগল বা স্যামসাং ডিভাইস থেকে ‘ফাইন্ড মাই ডিভাইস’ পেইজে যান এবং ফোন খুঁজে বের করুন। যদি আপনার ফোন চালু থাকে তাহলে সেটা কোথায় আছে জেনে নিতে পারবেন আপনি। ইচ্ছা হলে ফোনের নির্দিষ্ট কিছু অ্যাপ নিষ্ক্রিয়ও করে দিতে পারবেন।

    নষ্ট ফোনের জন্য ব্যবস্থা নিন

    নানারকম দুর্ঘটনায় ফোন নষ্ট হয়ে যেতেই পারে। সেক্ষেত্রে ডিভাইসের নির্দিষ্ট কোম্পানি ফোনে পানি গেলে বা কোনো ক্ষতি হলে কী পদ্ধতি অনুসরণ করতে বলেছে তা সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিন। সাধারণত এসব ব্যাপার ও নির্দেশনা ডিভাইসের সাথে থাকা কাগজেই লেখা থাকে। সেগুলো দেখে নিয়ে সেই মতো কাজ করুন।


    নষ্ট হওয়া ফোনের ক্ষেত্রে কোম্পানির নির্দেশনা মেনে চলুন

    প্রযুক্তির উৎকর্ষের ফলে ফোন ছাড়া আমরা যেন আমাদেরকে কল্পনাই করতে পারি না। প্রতিদিনের পথচলায় অনেক বেশি নির্ভর করি আমরা ফোনের উপরে। তাই দৈনন্দিন জীবনের এই সঙ্গীকে সামলে রাখার, নিজের নিরাপত্তাকে নিশ্চিত করার জন্য উপরের ব্যাপারগুলো তো মেনে চলাই যায়, তাই না?

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  4. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পানি জীবন বাঁচায়,আবার পানি জীবন কেড়েও নেয়! কিভাবে?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    পানি জীবন বাঁচায়,আবার পানি জীবন কেড়েও নেয়! পর্যাপ্ত পানি পান করার মাধ্যমে আমরা যেমন সুস্থ জীবন যাপন করতে পারি, তেমনি প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি পানে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। আবার অপর্যাপ্ত পানি পানের কারণেও নানা সমস্যায় পড়তে হয়। পানি পান করার ব্যাপারে তাই সতর্ক থাকা জরুরি। পানি কখন কতটুকু খাবেন?বিস্তারিত পড়ুন

    পানি জীবন বাঁচায়,আবার পানি জীবন কেড়েও নেয়! পর্যাপ্ত পানি পান করার মাধ্যমে আমরা যেমন সুস্থ জীবন যাপন করতে পারি, তেমনি প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি পানে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। আবার অপর্যাপ্ত পানি পানের কারণেও নানা সমস্যায় পড়তে হয়। পানি পান করার ব্যাপারে তাই সতর্ক থাকা জরুরি।

    পানি কখন কতটুকু খাবেন?

    প্রাপ্তবয়স্ক ও কর্মক্ষম ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা সাধারণত দৈনিক ২-৩ লিটার পানি পান করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে দিনে কতটুকু পানি পান করতে হবে তা মূলত আবহাওয়া, ব্যক্তির শারীরিক শ্রম, ঘামের পরিমাণ প্রভৃতি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। শীতকালের চেয়ে গরমকালে শরীরে পানির চাহিদা বেড়ে যায়। যারা কায়িক পরিশ্রম বেশি করেন, তাদের বেশি পানি পান করতে হয়। আবার যারা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ঘামেন, তাদের জন্য একটু বেশি পানি পান করা দরকার।

    এজন্য বিশ্বব্যাপী দৈনিক পানি পান করার নির্দিষ্ট কোনো মাপকাঠি নেই। একটি গবেষণায় দেখা যায়- যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিরা দৈনিক পানির চাহিদার প্রায় ২০% দৈনন্দিন খাবার থেকেই পেয়ে থাকে। বাকি ৮০% সরাসরি পানি পান কিংবা অন্যান্য পানীয়ের দ্বারা পূরণ করতে হয়।

    ফলমূল ও শাকসবজিতে প্রচুর পানি থাকে। এছাড়া প্রতিদিন চা, দুধ, কফি এগুলো থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পানির সরবরাহ হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড মেডিসিনের নির্দেশনা অনুসারে- খাবার থেকে প্রাপ্ত পানি ও সরাসরি পানকৃত পানি মিলিয়ে দৈনিক পানি গ্রহণের পরিমাণ একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষের ক্ষেত্রে ৩.৭ লিটার হওয়া উচিত, একজন পূর্ণবয়স্ক নারীর ক্ষেত্রে যার পরিমাণ ২.৭ লিটার।

    মনে রাখা দরকার, এই পরিমাণের বেশ কিছু অংশ আমরা খাবার থেকেই পেয়ে থাকি। তাই খাবারের মাধ্যমে গৃহীত পানির পরিমাণ বাদ দিয়ে বাকি অংশ পানি পান করাই আমাদের জন্য যথেষ্ট। গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মহিলাদের জন্য দৈনিক পানির চাহিদা একটু বেশি। আবার শিশুদের ক্ষেত্রে বয়স বাড়ার সাথে সাথে দৈনিক পানির চাহিদাও বাড়ে।

    পানি কম খেলে যেসব সমস্যা হয়

    আমাদের দেহের প্রায় শতকরা ৬০ ভাগই পানি। তাই পর্যাপ্ত পানি পান না করলে দেহের স্বাভাবিক কার্যকলাপে ব্যাঘাত ঘটে। অল্পতেই ক্লান্তিভাব, মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, পেশীতে টান ধরা, খিটখিটে মেজাজের পাশাপাশি ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যাওয়া এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যাগুলো দেখা দেয়। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদে পানির অপর্যাপ্ততা নানা জটিলতার সৃষ্টি করে। কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া, কিডনিতে পাথর, মূত্রনালিতে ইনফেকশন ও উচ্চরক্তচাপ দেখা দেয়। ২০২০ এ একটি গবেষণায় দেখা যায়- পর্যাপ্ত পানি পান না করলে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

    অতিরিক্ত পানি পানের ক্ষতিকর দিক

    পর্যাপ্ত পানি পানের কারণে শরীরের ভেতরের কোষগুলো সবল ও স্বাভাবিক থাকে, শরীরে রক্ত চলাচলও স্বাভাবিক থাকে। আমাদের পানকৃত পানির ছাঁকনি হিসেবে কাজ করে কিডনি! কিন্তু একটি নির্দিষ্ট মাত্রার উপরে এ ছাঁকনির কার্যক্ষমতা থাকে না। ঘণ্টায় প্রায় ১ লিটারের বেশি পানি পান করলে কিডনি এই অতিরিক্ত পানিকে আর মূত্রের মাধ্যমে দেহ থেকে বের করতে পারে না। বয়স্ক ও শিশুদের ক্ষেত্রে কিডনির এই কার্যক্ষমতা আরো কম। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তাই ৩-৪ লিটারের বেশি পানি পান করলে তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়।

    প্রাথমিকভাবে বমি বমি ভাব, ক্লান্তিভাব, মাথাব্যথার মতো সমস্যাগুলোই দেখা দেয়। অতিরিক্ত পানি পানের ফলে রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা অনেক কমে যায়- এই অবস্থাকে বলা হয় ‘হাইপোন্যাট্রেমিয়া’। এর ফলস্বরুপ দেহের কোষগুলো স্ফীত হতে শুরু করে। একপর্যায়ে মস্তিষ্ক কোষের স্ফীত হওয়ার কারণে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা কোমায় চলে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটে। এমনকি একপর্যায়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। অতিরিক্ত পানি পানের ফলে মৃত্যুর ঘটনা যদিও খুব বিরল, তবুও এটি অসম্ভব কিছু নয়!

    অতিরিক্ত পানি পানের কারণে মৃত্যুঝুঁকির এমন ঘটনা সাধারণত ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগীদের ক্ষেত্রে  কিংবা মিলিটারি প্রশিক্ষণের সময়ই বেশি দেখা যায়। মানসিক বিকারগ্রস্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও অনেক সময় এমন হতে দেখা যায়। এছাড়া জোর করে কাওকে অতিরিক্ত পানি পান করিয়ে মৃত্যুঝুঁকির দিকে ঠেলে দেওয়ার নজিরও রয়েছে।

    পর্যাপ্ত পানি পান করার ব্যাপারে এজন্য আমাদের সচেতনতা জরুরি। আবহাওয়া, ব্যক্তির লিঙ্গ, বয়স, শারীরিক শ্রম প্রভৃতি বিষয় মাথায় রেখেই পানি পান করা দরকার। কিডনি, যকৃৎ ও হৃদরোগীদের চিকিৎসকরা পানি মেপে পান করতে বলেন, এসব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত পানি পান করা বিপজ্জনক হতে পারে। শরীরের পানির প্রয়োজনীয়তা জানান দেওয়ার অন্যতম এক মাধ্যম হলো ‘তৃষ্ণা’। যখনই তৃষ্ণা অনুভব হবে তখনই পানি পান করে পানির এ ঘাটতি মেটানো উচিত।

    পানি কখন কতটুকু পান করবেন- এমন দ্বিধাদ্বন্দ্বে প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শও নেওয়া যেতে পারে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  5. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ প্রোগ্রামিং

    ইন্টারনেটে ডিপফেক !! কী এই প্রযুক্তি? বাঁচবেন কীভাবে ?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তি ক্রমশ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে কারণ এটি বিভিন্ন প্রতারণামূলক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যেতে পারে। ভুল তথ্য ছড়ানো, জাল খবর তৈরি করা কিংবা অন্যের ভুয়ো পরিচয় তৈরি করা- সবই সম্ভব। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এক আশ্চর্য প্রযুক্তির সাহায্যে অন্যের শরীরে এমন নিখুঁতভাবে জুড়ে দেওয়া হয় আরেকজনেরবিস্তারিত পড়ুন

    ই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তি ক্রমশ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে কারণ এটি বিভিন্ন প্রতারণামূলক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যেতে পারে। ভুল তথ্য ছড়ানো, জাল খবর তৈরি করা কিংবা অন্যের ভুয়ো পরিচয় তৈরি করা- সবই সম্ভব।
    ইন্টারনেটে ডিপফেকের শিকার রশ্মিকা, কী এই প্রযুক্তি? বাঁচবেন কীভাবে

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এক আশ্চর্য প্রযুক্তির সাহায্যে অন্যের শরীরে এমন নিখুঁতভাবে জুড়ে দেওয়া হয় আরেকজনের মুখ, যে তা বোঝার কোনও উপায়ই নেই। বরং  ভিডিওতে এমনভাবেই হাসছেন, কথা বলছেন  যে সন্দেহেরও জায়গা নেই, ভিডিওতে দেখা যাওয়া মানুষটি আদৌ তিনি নন। এই প্রযুক্তির নাম হল ‘ডিপফেক’।

    ডিপফেকের মাধ্যমে রীতিমতো অসাধ্যসাধন করা যায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তথা এআইকে কাজে লাগিয়ে। নেটিজেনরা ফটোশপ শব্দটির সঙ্গে কমবেশি সকলেই পরিচিত। ফটোশপের সাহায্যে দীর্ঘদিন ধরেই আপত্তিকর ছবিতে অন্যের মুখের ছবি জুড়ে দিয়ে নতুন ছবি তৈরি করে ব্ল্যাকমেল সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ চলে আসছে। তবে ডিপফেক প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে আরও বহুগুণ উন্নত, এবং ঠিক সেই কারণেই তা বেশি আশঙ্কার কারণও বটে।

    কী এই এআই ডিপফেক? এই প্রযুক্তির সাহায্যে ঠিক কতটা বিপদে ফেলতে পারে এইআই? কীভাবেই বা বাঁচবেন এই ফাঁদ থেকে? 

    ডিপফেক হল এমন একটি প্রযুক্তি, যার সাহায্যে মিথ্যে ছবি, ভিডিও, এমনকী অডিও-ও তৈরি করা যায়। সেই ছবি-ভিডিও কিংবা অডিও দেখে আপাতভাবে বোঝার উপায়ই নেই যে সেগুলি আসল নয়। ডিপফেকের মাধ্যমে জাল অডিও তৈরি করে কারও কণ্ঠস্বর হুবহু নকল করা যায়। যাঁর সঙ্গে এমনটা ঘটছে, তাঁর অত্যন্ত কাছের মানুষরাও অনেক সময় সেই মিথ্যা ধরতে পারেন না।

    কীভাবে তৈরি করা হয় জাল কন্টেন্ট?

    ডিপফেক নির্মাতারা সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ‘টার্গেট’-এর ব্যাপারে যথেষ্ট পরিমাণ ডেটা সংগ্রহ করে শুরু করে। এরপরে সেই সংগৃহীত ডেটা বিশ্লেষণ করতে এবং শিখতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। সেই প্রযুক্তির সাহায্যে মুখের বৈশিষ্ট, অভিব্যক্তি, ভয়েস প্যাটার্ন এবং অন্যান্য ‘ইউনিক’ বৈশিষ্ট শনাক্ত করে এবং ম্যাপ করে। তারপরে অন্য ভিডিও বা ছবিতে নতুন পুনর্গঠিত ডেটা ম্যানিপুলেট করে অর্থাৎ জুড়ে দিলেই তৈরি নতুন জাল কন্টেন্ট।

    এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তি ক্রমশ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে কারণ এটি বিভিন্ন প্রতারণামূলক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যেতে পারে। ভুল তথ্য ছড়ানো, জাল খবর তৈরি করা কিংবা অন্যের ভুয়ো পরিচয় তৈরি করা- সবই সম্ভব। যেহেতু সোশ্যাল মিডিয়াই ডিপফেকের জন্য তথ্য সংগ্রহের মূল জায়গা, তাই  কীভাবে সমাজমাধ্যমে নিজের তথ্য সুরক্ষিত রাখা সম্ভব, সেই নিয়েও জানার আগ্রহ বাড়ছে মানুষের।

    কীভাবে বাঁচবেন এআই-এর পাতা ফাঁদ থেকে? 

    সোশ্যাল মিডিয়ায় উপলব্ধ ব্যক্তিগত তথ্য যথাসম্ভব কম করাই ডিপফেকের খপ্পর থেকে বাঁচার সহজতম উপায়। ছবি ভিডিও সহ সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা কন্টেন্ট ‘পাবলিক’ না রাখাই ভাল। এছাড়া ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলও ‘প্রাইভেট’ করে রাখা যেতে পারে। ইনস্টাগ্রামে বিজনেস অ্যাকাউন্ট থাকলে ব্যক্তিগত চ্যাট, ভিডিও আর্কাইভে রাখা যেতে পারে। অনলাইন অ্যাকাউন্টগুলিকে সুরক্ষিত করার জন্য শক্তপোক্ত, কঠিন পাসওয়ার্ড দেওয়া জরুরি।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  6. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ অ্যাপ (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    Instagram Followers : ইন্সটা-তে এই টিপস মানলেই 1000 ফলোয়ার্স! সোশ্যাল মিডিয়া স্টার হওয়ার ফর্মুলা.. কিন্তু কিভাবে সম্ভব?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে ভুয়ো ফলোয়ার্স কেনাকে প্রমোট করেনা ইন্সটাগ্রাম। সৎ এবং ক্রিয়েটিভ উপায়ে পোস্ট করলে তবেই ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্টের ফলোয়ার্স বাড়ানো যায় বলে মনে করে কোম্পানি। এক্ষেত্রে বেশ কিছু বিষয় রয়েছে যা মেনে চলা দরকার। ইন্সটা অ্যাকাউন্ট/পোস্ট ভাইরাল করার জন্য এই 5 টিপস জেনে রাখুন। Instagram Folবিস্তারিত পড়ুন

    বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে ভুয়ো ফলোয়ার্স কেনাকে প্রমোট করেনা ইন্সটাগ্রাম। সৎ এবং ক্রিয়েটিভ উপায়ে পোস্ট করলে তবেই ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্টের ফলোয়ার্স বাড়ানো যায় বলে মনে করে কোম্পানি। এক্ষেত্রে বেশ কিছু বিষয় রয়েছে যা মেনে চলা দরকার। ইন্সটা অ্যাকাউন্ট/পোস্ট ভাইরাল করার জন্য এই 5 টিপস জেনে রাখুন।

    how to increase instagram followers check this 5 easy steps

    Instagram Followers : ইন্সটা-তে এই টিপস মানলেই 1000 ফলোয়ার্স! সোশ্যাল মিডিয়া স্টার হওয়ার ফর্মুলা
    সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের ফলোয়ার্স বাড়ানোর একাধিক উপায় রয়েছে। তবে অনেকেই ভুল ভাবে তা অনুসরণ করেন। কেউ কেউ বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে ভুয়ো ফলোয়ার্স কেনে ইন্সটা প্রোফাইল জনপ্রিয় করার জন্য। কিন্তু, এটা কি সঠিক উপায়? একেবারেই নয়। সম্মতি দেয়না ইন্সটাগ্রামও।

    সঠিক ও ক্রিয়েটিভ উপায়ে মানুষের কাছে পৌঁছলে তবেই পোস্ট কিংবা প্রোফাইল জনপ্রিয়তা পাবে। এর জন্য কী কী টিপস মেনে চলা দরকার? জটিল বা টেকনিক্যাল কোনও বিষয়ে না গিয়েও বাড়াতে পারবেন ফলোয়ার্স। জেনে নিন ধাপে ধাপে।

    ভুয়ো ফলোয়ার্স থেকে সাবধান

    ভুয়ো ফলোয়ার্স থেকে সাবধান

    ইন্টারনেটে অনেক ওয়েবসাইট বা ট্রিক রয়েছে যেখান থেকে ভুয়ো ফলোয়ার্স কেনা যায়। কিন্তু, এই ভাবে বাড়ার থেকে উল্টে ইন্সটাগ্রামের শ্যাডো ব্যানের কোপে পড়বে অ্যাকাউন্ট। যেহেতু সংস্থা এই ধরনের কার্যকলাপে সম্মতি দেয়না, কেউ যদি ভুয়ো ফলোয়ার্স কেনে তাহলে প্রোফাইলের গ্রোথ কমে যাবে। যে ভুয়ো ফলোয়ার্সগুলি কিনতে পাওয়া যায় সেগুলি আসল ইউজার হয় না। অজস্র বট ব্যবহার করা হয় এর জন্য। তাই এই ভাবে কোনওদিনই ইন্সটাগ্রাম প্রোফাইলে ফলোয়ার্স বাড়াতে পারবেন না।

    ইউজার নেম বদলান

    ইউজার নেম বদলান

    প্রোফাইল নেম ও ইউজার নেমে যদি কিওয়ার্ড থাকে তাহলে সেটি অন্যান্য ইউজারদের কাছে পৌঁছনোর সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এই কিওয়ার্ড সহজ এবং নির্দিষ্ট হওয়া উচিত। যা ইউজারের পেজ বা তাঁর কনটেন্টকে প্রতিফলিত করে। পাশাপাশি ইন্সটাগ্রামের সঙ্গে যুক্ত সব সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে একই ইউজার নেম ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।

    বায়ো-তে জোর দিন

    বায়ো-তে জোর দিন

    ইনস্টাগ্রাম বায়ো আকর্ষণীয় হলে তবেই প্রোফাইলের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় মানুষের। আর সেটা যদি ভালো না হয় তাহলেই মুশকিল। কনটেন্ট ক্রিয়েটর হলে দক্ষতা প্রতিফলিত হয় সেই ভাবে বায়ো তৈরি করুন। সাধারণ ইউজাররা নিয়মিত যেমন পোস্ট করেন সেই অনুযায়ী ঠিক করুন বায়ো। বায়ো হিট হলে তবেই গ্রোথ হবে ইন্সটাগ্রাম প্রোফাইল, বাড়বে ফলোয়ার্স।

    অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে দিন

    অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে দিন

    এখন এক ছাতার তলায় সব প্ল্যাটফর্ম। মেটার নতুন ফিচারে একটা ক্লিকেই ইন্সটা থেকে ফেসবুক আবার ফেসবুক থেকে ইন্সটায় চলে আসা যায়। তাই ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, থ্রেডস এবং অন্যান্য চ্যানেলে রেগুলার পোস্ট আপডেট করুন। শেয়ার করুন নিজের অ্যাকাউন্ট। এই ভাবে বাড়াতে পারবেন ফলোয়ার্স সংখ্যা।

    সঠিক সময়ে পোস্ট করুন

    সঠিক সময়ে পোস্ট করুন

    ইনস্টাগ্রাম খুলেই পোস্ট করে দিলেন ছবি বা রিল? না, এই ভাবে হবে না। দিনক্ষণ না বুঝে পোস্ট শেয়ার করলে তা অনেকের চোখ এড়িয়ে যেতে পারে। যদিও এমন কোনও গোল্ডেন হাওয়ার নেই, তবুও সঠিক সময়ে পোস্ট করার চেষ্টা করুন। বিশেষ করে যখন সবাই মোটামুটি অ্যাক্টিভ থাকে।

    ইন্সটাগ্রামে বিজনেস অ্যাকাউন্ট থাকলে এই বিষয়টি আরও ভালো ভাবে জানতে পারবেন। কারণ Insights সেকশনে সঠিক সময়ে পোস্ট করার একটি অপশন থাকে – ‘Most Active Times’। এখানে ক্লিক করে বিশ্লেষণ করে পোস্ট করার সেরা সময়টি বেছে নিতে পারবেন।
    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  7. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ অ্যাপ (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    জ্বালানির দাম বাড়লেও, গাড়ির তেল খরচ বাঁচাবে গুগল ম্যাপ, কী ভাবে ?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    গুগল ম্যাপ শুধু রাস্তা চিনিয়ে সঠিক গন্তব্যে নিয়ে যাবে না, এবার থেকে গাড়ির তেল খরচ বাঁচাতেও সাহায্য করবে। এই সুবিধা প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপে চালু হয়েছিল। এবার ভারতেও ফুয়েল-সেভিং ফিচার লঞ্চ করল গুগল ম্যাপ। এই অ্যাপে কী ভাবে তেল খরচ কমাবেন জেনে নিন। গুগল ম্যাপে নতুন সুবিধা পথ চিনিয়বিস্তারিত পড়ুন

    গুগল ম্যাপ শুধু রাস্তা চিনিয়ে সঠিক গন্তব্যে নিয়ে যাবে না, এবার থেকে গাড়ির তেল খরচ বাঁচাতেও সাহায্য করবে। এই সুবিধা প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপে চালু হয়েছিল। এবার ভারতেও ফুয়েল-সেভিং ফিচার লঞ্চ করল গুগল ম্যাপ। এই অ্যাপে কী ভাবে তেল খরচ কমাবেন জেনে নিন।
    Google Maps

    গুগল ম্যাপে নতুন সুবিধা

    পথ চিনিয়ে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে গুগল ম্যাপের। অচেনা এলাকা দিয়ে গাড়ি-বাইক চালানোর সময় অনেকেই এই নেভিগেশন অ্যাপের উপর ভরসা করেন। এবার এক ধাপ এগিয়ে ইউজারদের তেল খরচ বাঁচাতেও সাহায্য করবে গুগল ম্যাপ।

    2022 সালে সেপ্টেম্বরে ফুয়েল-সেভিং ফিচারটি আনে গুগল। প্রাথমিক পর্যায়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপ চালু করা হয় এই সুবিধা। ক্রমেই ফিচারটি ব্যবহার বাড়তে শুরু করে। এটি কাজে লাগিয়ে গাড়ির জ্বালানি খরচ নিয়ন্ত্রণ করা শুরু হয়। তবে ভারতে গুগল ম্যাপে অন্যান্য সুবিধা পাওয়া গেলেও এটি উপলব্ধ ছিল না।

    এদিন, ভারতে ফিচারটি ইউজারদের গুগল ম্যাপে পাঠাতে শুরু করেছে সংস্থা। কী ভাবে কাজ করে এবং কী ভাবে ব্যবহার করে যানবাহনের তেল খরচ বাঁচাতে পারবেন জেনে নিন।

    গুগল ফুয়েল-সেভিং কী ভাবে কাজ করে?

    গুগল ম্যাপ ইউজারের গাড়ির ইঞ্জিন অনুযায়ী, কোন রাস্তায় কত জ্বালানি দক্ষতার প্রয়োজন তার একটা হিসাব দেখিয়ে দেয়। পাশাপাশি মানচিত্রে লাইভ ট্রাফিক আপডেট এবং রাস্তার পরিস্থিতি কেমন সেই তথ্যও তুলে ধরে। গতি, ট্রাফিক আপডেট, উক্ত রুটে প্রয়োজনীয় জ্বালানি ইত্যাদি বিষয়গুলি বিবেচনা করে কোন রুটে সবথেকে বেশি জ্বালানি বাঁচাতে পারবেন তা দেখিয়ে দেয় অ্যাপে। এমনকী রুট যদি বদলও করেন, তাহলেও বিকল্প রুট যেখানে জ্বালানি কম খরচ তার সন্ধান দেয় গুগল ম্যাপ।

    গাড়ির ইঞ্জিন শনাক্ত করে কোন রুটে ভালো জ্বালানি দক্ষতা বা মাইলেজ পাবেন তা একটি সবুজ পাতার সাহায্যে দেখায় গুগল ম্যাপ। অপশনটি বন্ধ করলেও গাড়ির গতি ট্র্যাক করতে শুরু করে গুগল।

    কী ভাবে ব্যবহার করবেন?

    • স্মার্টফোনে গুগল ম্যাপ ওপেন করুন
    • তারপর প্রোফাইল পিকচার অপশনে ক্লিক করুন
    • এবার সেটিংস অপশনে ট্যাপ করে নেভিগেশন অপশনে ক্লিক করুন
    • নিচে স্ক্রল করে রুট অপশনে ট্যাপ করুন
    • ইকো-ফ্রেন্ডলি রুটিংয়ের সুবিধা পাওয়ার জন্য ‘Prefer fuel efficient routes’ অপশনে ট্যাপ করুন
    • এখানে ইঞ্জিন টাইপ অপশনে ট্যাপ করতে হবে
    • এবার গন্তব্য সার্চ করতে পারেন
    • বটম বার সোয়াইপ করে চেঞ্জ ইঞ্জিন সিলেক্ট করুন
    • এখানে গাড়ির ইঞ্জিন টাইপ দিতে হবে

    উল্লেখ্য, গাড়ির সঠিক ইঞ্জিন টাইপ দিতে হবে এখানে। কী রকম ইঞ্জিন রয়েছে তা ভুল দিলে, জ্বালানি দক্ষ এমন রুটও ভুল দেখাতে পারে গুগল। সাধারণত হাইওয়ে রাস্তায় ডিজেল গাড়ি ভালো মাইলেজ দিতে পারে। শহরের মধ্যে হাইব্রিড এবং ইলেকট্রিক গাড়ি ভালো মাইলেজ দেয়।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  8. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মোবাইল (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    মোবাইল ক্যামেরার কাছে হার মানবে DSLR-ও !! সত্যি ?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ফটোগ্রাফির জন্য হাতের কাছে দামি DSLR কিংবা হাইফাই ক্যামেরা আজ আর না হলেও চলে। কারণ হাতের মুঠোয় রয়েছে দুর্দান্ত সব স্মার্টফোন। যাদের ক্যামেরা মাত দিতে পারে বাঘা বাঘা ডিজিটাল ক্যামেরাকে। মোবাইল ফটোগ্রাফি কিন্তু মোটেই আজ আর হেলাফেলার জিনিস নয়। মানুষের চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দুর্ধর্ষ সব ক্যামেরা নিয়েবিস্তারিত পড়ুন

    ফটোগ্রাফির জন্য হাতের কাছে দামি DSLR কিংবা হাইফাই ক্যামেরা আজ আর না হলেও চলে। কারণ হাতের মুঠোয় রয়েছে দুর্দান্ত সব স্মার্টফোন। যাদের ক্যামেরা মাত দিতে পারে বাঘা বাঘা ডিজিটাল ক্যামেরাকে। মোবাইল ফটোগ্রাফি কিন্তু মোটেই আজ আর হেলাফেলার জিনিস নয়। মানুষের চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দুর্ধর্ষ সব ক্যামেরা নিয়ে হাজির হচ্ছে মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি। কেউ দিচ্ছে 100 মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা তো কেউ 200। এ বলে আমায় দেখ, তো ও বলে আমায়। আর সেই বাজারে Apple-র নাম উঠলে তো কথাই নয়। সম্প্রতি গোটা একটা সিনেমা শুট হয়ে গিয়েছে লেটেস্ট iPhone মডেল দিয়ে। বিশাল ভরদ্বাজ নির্মীত সেই ‘ফুরসত’ ছবিটি নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে নেটমাধ্যমে। ফলে বুঝতেই পারছেন, মোবাইল ক্যামেরা বিষয়টি মোটেই হেলাচ্ছেদ্দা করার মতো বিষয় নয়। মোবাইল ফটোগ্রাফি তো নয়ই। তবে মোবাইলে ভাল ক্যামেরা থাকলেই যে আপনি দুর্দান্ত ছবি তুলে ফেলতে পারবেন, তা কিন্তু নয়। তার জন্য চাই ঠিকঠাক প্রশিক্ষণ। তবে খুব কঠিন কিছুও নয় তা। সামান্য কয়েকটি জিনিস মাথায় রাখলেই আপনিও হয়ে উঠতে পারেন দুর্দান্ত ফটোগ্রাফার। মোবাইলে ভালো ছবি ও সেলফি তোলার সহজ কিছু টিপস রইল আপনারই জন্য। যা জানা থাকলে আপনার হাতের মোবাইলই হয়ে উঠবে DSLR। আসুন জেনে নেওয়া যাক, সেই সব কৌশল, যার অ্যাকসেস আপনি সহজেই পেতে পারেন Settings অপশন থেকেই।

    মোবাইল ক্যামেরায় গ্রিডলাইন জরুরি

    মোবাইল ক্যামেরায় গ্রিডলাইন জরুরি

    মোবাইল ক্যামেরার settings অপশনে গেলে সেখানে গ্রিডলাইন বলে একটি অপশন দেখতে পাবেন। যেটি অন করলে ক্যামেরার স্ক্রিনে বেশ কিছু উলম্ব ও অনুভূমিক রেখা দেখা যায়, যা ন’টি ভাগে ভাগ করা থাকে। যা প্রাথমিক ভাবে অকাজের মনে হলেও, ভালো ছবি তোলার জন্য কিন্তু বেশ জরুরি এই গ্রিডলাইন। এই গ্রিডলাইন আপনার ছবির রেশিওকে সোজা রাখতে সাহায্য করে। ছবি তোলার সময় ওই রেখার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফ্রেম সেট করতে পারলে, আপনাকে আর ঠেকায় কে!

    সেট করুন ক্যামেরার ফোকাস মোড

    সেট করুন ক্যামেরার ফোকাস মোড

    ক্যামেরা অন করে শাটার বাটন প্রেস করে দিলেই কিন্তু ছবি তোলা হয় না। বরং কোন বস্তুটির ছবি আমরা তুলতে চাইছি, তাকে প্রথমে ফোকাসে আনা চাই। আর তার জন্যই ক্যামেরা সেটিংসে থাকে ফোকাসের একটি বিকল্প। যেখানে গিয়ে ফোকাস মোডটি অন করতে হবে আপনাকে। এর পর যে বস্তুটির ছবি তুলতে চান, সেই উদ্দিষ্ট বস্তুটির উপর ফোকাস সেট করা প্রয়োজন। তার জন্য ক্য়ামেরা স্ক্রিনের উপর উদ্দিষ্ট জায়গায় ট্যাপ করতে হবে। তাহলেই দেখবেন একটি গোলাকার ফোকাস অপশন দেখা যাবে স্ক্রিনের। ভাল ছবি তোলার অনেকটা কৃতিত্বই কিন্তু যায় এই ফোকাস মোডের উপরে।

    HDR মোড ব্যবহার করতে শিখুন

    HDR মোড ব্যবহার করতে শিখুন

    High dynamic range বা HDR, মোবাইল ক্যামেরা অ্যাপের এই ফিচারটি লাইট ও ডার্ক এলিমেন্টে ব্যালান্স আনে এই HDR মোড। ঘরে লো লাইটে ছবি তুললে ব্রাইট ব্যাকগ্রাউন্ডে তোলার চেষ্টা করবেন। তবে এই যে আলো-আধারির সমস্যা তা কিন্তু HDR মোডের সাহায্যে অনেকটাই মেটানো সম্ভব। iPhone-র ক্ষেত্রে সমস্ত ছবিই HDR মোডে ওঠে। তবে অন্যান্য Androidফোনের ক্ষেত্রে ম্যানুয়ালি ওই মোড অন করতে হয়। তাই ক্যামেরার Settings-এ গিয়ে HDR মোড অন করার কথা ভুলবেন না যেন।

    ন্যাচারাল লাইটই সবচেয়ে ভাল

    ন্যাচারাল লাইটই সবচেয়ে ভাল

    সবসময় মনে রাখবেন, যে কোনও কৃত্রিম আলোর তুলনায় ন্যাচারাল আলোয় ছবি ওঠে সবচেয়ে ভালো। তাই ফ্ল্যাশ ব্যাবহার করে ছবি তোলার চেয়ে প্রাকৃতিক আলোয় ছবি তোলার চেষ্টা করুন। অন্ধকারে তোলা ছবিতে শ্যাডো ব্যবহার করে দেখতে পারেন। পাশাপাশি একসঙ্গে একাধিক জিনিসের ছবিতে ফোকাস করার চেষ্টা করবেন। তাহলে কিন্তু আখেরে গোটা ছবিটাই ঘেঁটে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে।

    সোজা রাখুন মোবাইল

    সোজা রাখুন মোবাইল

    মোবাইল হোক বা ক্যামেরা, ডিভাইসধরে হাত বেশ নড়লে সব ছবিই উঠবে ব্যাঁকাট্যারা। তাই ছবি তোলা সময় ফোন সোজা ধরার চেষ্টা করুন। যে হাতে ক্যামেরা ধরেছেন, সেই হাতটাকে অন্য হাত দিয়ে সাপোর্ট দেওয়ার চেষ্টা করুন। আরেকটি ছোট্ট টিপস রয়েছে, ছবির ক্যাপচার বাটনটি প্রেসের সময় এক-দু সেকেন্ড নিঃশ্বাস বন্ধ রাখার চেষ্টা করে দেখতে পারেন। তাও যদি ছবি কাঁপে, তাহলে মোবাইল ট্রাইপড ব্যবহার করতে পারেন। সেলফি তোলার ক্ষেত্রেও বেশ সুবিধা পাবেন এর ফলে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  9. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মোবাইল (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    ডেটা হারিয়ে গেলেও কিছু ম্যাজিক ট্রিকস জানলে পুরনো ফোনের সব ডেটাই ফিরবে নয়া ফোনে, কিভাবে?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ডেটা হারানোর ভয় ভ্যানিশ! এই ম্যাজিক ট্রিকস জানলে পুরনো ফোনের সব ডেটাই ফিরবে নয়া ফোনে! নতুন ফোন তো কিনেছেন! তা নতুন ফোন কেনার আনন্দ কার না হয়। তবে নতুন ফোন কেনার ভাবনা এলেই একটা চিন্তা আমাদের কুড়ে কুড়ে খেতে থাকে। পুরনো ফোন ভর্তি যে এত এত তথ্য, সেসব কি তবে পুরোটাই গঙ্গায়। আর সেই দুশ্চিন্তায় নতুন ফোনবিস্তারিত পড়ুন

    ডেটা হারানোর ভয় ভ্যানিশ! এই ম্যাজিক ট্রিকস জানলে পুরনো ফোনের সব ডেটাই ফিরবে নয়া ফোনে! নতুন ফোন তো কিনেছেন! তা নতুন ফোন কেনার আনন্দ কার না হয়। তবে নতুন ফোন কেনার ভাবনা এলেই একটা চিন্তা আমাদের কুড়ে কুড়ে খেতে থাকে। পুরনো ফোন ভর্তি যে এত এত তথ্য, সেসব কি তবে পুরোটাই গঙ্গায়। আর সেই দুশ্চিন্তায় নতুন ফোন কেনার পুরো আনন্দটাই মাটি। এখন তো আবার পুরনো ফোন এক্সচেঞ্জ করে নতুন ফোন কেনার চল। সেক্ষেত্রে ডেটা উদ্ধার হবে কীভাবে! তবে সেই সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়ার উপায়ও কিন্তু আছে হাতের কাছেই। এমন অনেক টুল এবং পদ্ধতি রয়েছে, যার মাধ্যমে ঝেড়ে ফেলতে পারেন এমন সব দুশ্চিন্তাই। নতুন ফোন কিনে সম্পূর্ণ আলাদা অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কিন্তু পুরনো ফোনের সমস্ত তথ্য রিট্রিভ করা সম্ভব। তার জন্য রয়েছে হাজার একটা পদ্ধতি। তবে তার জন্য শিখে রাখতে হবে কয়েকটি সহজ পদ্ধতি।

    • অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যাকআপ রাখুন

     

    একটি ফোন থেকে অন্য ফোনে ডেটা ট্রান্সফার কিন্তু এমন কিছু হাতিঘোড়া কাজ নয়। তবে তার জন্য আপনার পুরনো ফোনের ব্যাকআপ থাকা কিন্তু খুব জরুরি। প্রযুক্তির জোরে আপনার ছবি, ভিডিও, মিউজিক, কন্টাক্ট থেকে শুরু করে অ্যাপসেরও ব্যকআপ রাখা যায় মোবাইলে। আর সেসব অবিকল ট্রান্সফার হয়ে যেতে পারে নয়া মোবাইলটিতে। তার জন্য ফোনের Settings-এ গিয়ে system-এ ঢুকে Backup অপশনটি অন করতে হবে। মনে করে Google Drive-অপশনটিকেই ব্যাকআপ নেওয়ার জন্য সিলেক্ট করবেন। এর পরে স্ক্রিনে আসা ইনস্ট্রাকশন ফল করে করে ব্যাক আপের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করবেন। তবে মনে রাখবেন গোটা ব্যাপারটা কিন্তু একটু সমসসাপেক্ষ। কতটা ডেটার ব্যাকআপ নিতে চাইছেন, তার উপরে নির্ভর করছে অনেকটাই।

    নতুন ফোন সেটআপ করুন

    পুরনো ফোনের ব্যাকআপ নেওয়ার কাজ শেষ হলে নতুন ফোন সেট আপ করা শুরু করতে পারেন। ফোন এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে আগেই ব্যাক আপ নেওয়ার কাজ সেরে রাখবেন। নতুন ফোনটিঅন করে যেমন যেমন নির্দেশ আসবে তা ফলো করে যান। এরপর আপনাকে Google Account-এ লগইন করতে বলা হবে। যে অ্যাকাউন্টে পুরনো ফোনের ব্যাকআপ নিয়েছেন, মনে করে সেই অ্যাকাউন্টটিতেই সাইন ইন করতে ভুলবেন না। সাইন ইন করা হয়ে গেলে ব্যাকআপ সিলেক্ট করে নির্দেশ ফলো করলেই রিস্টোর প্রসেস সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।

    USB কেবল দিয়েও সম্ভব ডেটা ট্রান্সফার

    মিউজিক বা অ্যাপের মতো বড় কোনও ফাইল ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে USB পদ্ধতিও ব্যবহার করতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে একটি ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের দরকার হবে আপনার। প্রথমে USB কেবলের মাধ্যমে পুরনো কম্পিউটার থেকে সমস্ত ডেটা নিয়ে নিন কম্পিউটারে। এর পরে নতুন মোবাইলটি USB কেবল দিয়ে কম্পিউটারে কানেক্ট করে পুরনো মোবাইলের ডেটা নিয়ে নিন নতুন ফোনে। এটিও কিন্তু একটু সময়সাপেক্ষ প্রসেস। তাই একটু ধৈর্য আপনাকে ধরতে হতেই পারে।

    থার্ড পার্টি টুল দিয়ে ডেটা ট্রান্সফার

    ডেটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে থার্ড পার্টির কোনও অ্যাপও ব্যবহার করতে পারেন। সেক্ষেত্রে Google Play Store-এ একগুচ্ছ অ্যাপ পেয়ে যাবেন, যার মাধ্যমে একটি Androidথেকে আরেকটি Android-এ ডেটা ট্রান্সফার করা যায় সহজেই। কনট্য়াক্টস থেকে শুরু করে ফটো, ভিডিও, মিউজিক এমনকী অ্যাপও ট্রান্সফার সম্ভব। অ্যাপ খুললেই এ সংক্রান্ত ইনস্ট্রাকশন দেখতে পাবেন স্ক্রিন জুড়ে। তা ফলো করলেই চোখের নিমেষে আপনার ডেটা ট্রান্সফারের কাজ সম্ভব হবে।

    NFC-র মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সফারও জলভাত

    নতুন এবং পুরনো, দু’টি ফোনই যদি NFC ( Near field Communication) সাপোর্টেড হয়, সেক্ষেত্রে এই প্রযুক্তিটি ব্যবহার করেও ডেটা ট্রান্সফার করতে পারেন সহজেই। তার জন্য দুটি ফোনকেই একসঙ্গে ধরে রাখতে হবে। এর পরেই আপনি স্ক্রিনে প্রয়োজনীয় ইনস্ট্রাকশন দেখতে পারেন। তা ফলো করলেই ঝড়ের গতিতে ডেটা ট্রান্সফার করা সম্ভব হবে। তবে বড় ফাইলের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি একটু কঠিন। সেক্ষেত্রে আগের পদ্ধতিগুলোই অবলম্বন করা ভালো।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  10. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মোবাইল (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    বিকল হতে পারে আপনার সদ্য কেনা স্মার্টফোন ! কিভাবে?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    হাতের মুঠোয় স্মার্টফোন নিয়ে দিন শুরু হয় আমাদের। দিন শেষও হয় ওই একটি যন্ত্রের সঙ্গেই। ফলে আজকের দিনে দাঁড়িয়ে মোবাইল ছাড়া জীবনকে ভাবাটাই যেন এক কঠিন কাজ। ক্রমশ আরও ভালো প্রযুক্তি, প্রসেসর, আরও বেশি স্টোরেজ থেকে দুর্ধর্ষ সব ফিচারের দিকে হেঁটে যাচ্ছে মোবাইল। চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নানা স্পেশিফিকেশনবিস্তারিত পড়ুন

    হাতের মুঠোয় স্মার্টফোন নিয়ে দিন শুরু হয় আমাদের। দিন শেষও হয় ওই একটি যন্ত্রের সঙ্গেই। ফলে আজকের দিনে দাঁড়িয়ে মোবাইল ছাড়া জীবনকে ভাবাটাই যেন এক কঠিন কাজ। ক্রমশ আরও ভালো প্রযুক্তি, প্রসেসর, আরও বেশি স্টোরেজ থেকে দুর্ধর্ষ সব ফিচারের দিকে হেঁটে যাচ্ছে মোবাইল। চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নানা স্পেশিফিকেশনের ফোন লঞ্চ হচ্ছে বাজারে। স্পেশিফিকেশন ও ফিচার্সের মতোই দামেও তার বাহার প্রচুর। তবে যত দামীই ফোন কিনুন না কেন, তার আয়ু খুব বেশি হলে তিন-চার বছর। তার পরেই নানা সমস্যা দেখা দিতে থাকে মোবাইলে। ব্যাস, তারপরেই আবার শুরু নতুন ফোনের খোঁজ। তবে আয়ু ফুরানোর আগেই কিন্তু ফোন খারাপ হয়ে যায় আমাদেরই কিছু ভুলে। প্রতিদিনের জীবনে আমরা এমন কিছু ভুল কাজ করে বসি, যার ফলে মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যায় ফোনের। কীভাবে ফোন ভালো রাখবেন?

    দিনরাত চার্জ নৈব নৈব চ

    অনেকেই চার্জ ফুরিয়ে যাওয়ার ভয়ে রাতদিন মোবাইলটাকে চার্জে বসিয়ে রাখেন। যা আদতে ক্ষতি করে মোবাইলের ব্যাটারির। শুধু ব্যাটারিই নয়, অতিরিক্ত চার্জে নষ্ট হয়ে যায় মাদারবোর্ডও। আর মাদারবোর্ড একবার নষ্ট হলে গোটা ফোনেরই বারোটা। একে তো দাম বেশি, তার উপর মাদারবোর্ড পাল্টানোও সহজ কথা নয়। তাই সারাক্ষণ মোবাইল চার্জে বসিয়ে রাখার ব্যাপারে সতর্ক হোন।

    ময়েশ্চার হইতে সাবধান

    ময়েশ্চার বা ভিজেভাব কিন্তু মোবাইলের শত্রু। ময়েশ্চারের কারণেও মাদারবোর্ডও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতি হয় ক্যামেরা ও ডিসপ্লেরও। আর ব্যাটারি তো বলাই বাহুল্য। তাই ভিজে হাতে ফোন ধরা বা ফোনকে স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় রাখবেন না কোনও মতেই। করোনাকালীন সময়ে অনেকেই মোবাইলে স্যানিটাইজারে স্নান করাতেন সুরক্ষার খাতিরে। ফের থাবা বসাচ্ছে অ্যাডিনো ভাইরাস। জীবাণু মারার জন্য ফোনে স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না মোটেও। তার থেকেও ময়েশ্চার পৌঁছে যায় ফোনের বিভিন্ন অংশে। তার চেয়ে ইউভি যুক্ত মেশিন ব্যবহার করুন ফোন জীবাণুমুক্ত রাখতে। মনে রাখবেন, মাদারবোর্ডই কিন্তু ফোনের প্রাণভোমরা। ওটি একবার বিগড়োলেই ফোনের মৃত্যু অবধারিত।

    গেমেই মরণফাঁদ

    মোবাইলে কমবেশি গেম অনেকেই খেলেন। আজকালকার দিনে গেমিং বেশ ট্রেন্ডিংও বটে। তবে মোবাইসে গেম খেলার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন। ভুল করেও মোবাইল চার্জে বসিয়ে গেম খেলবেন না কখনও। তাতে ফোনর স্পিড কমে যায়। ব্যাটারি এবং ফোনের আয়ুও ফুরোতে থাকে দ্রুত। ফলে এ ব্য়াপারে সাবধান থাকুন, নাহলে নতুন ফোনের ক্ষতি হতে পারে অচিরেই।

    যে কোনও অ্যাডপ্টারে ফোন চার্জ নয়

    হাতের কাছে একটা চার্জার পেলেন তো সঙ্গে সঙ্গে চার্জে গুঁজে দিলেন মোবাইল। এই ভুল না করলেই ভালো। বিভিন্ন ফোনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের চার্জার ব্যবহৃত হয়। যা তার ব্যাটারি এবং মাদারবোর্ডের সঙ্গে কম্প্যাটিবল হয়ে থাকে। তাই সমস্ত ফোনের সঙ্গেআলাদা আলাদা চার্জার দেওয়া হয়। তাই পোর্ট এক হলেও যে কোনও চার্জারে ফোন চার্জ করবেন না। হতেই পারে, সেই চার্জারটি আপনার ফোনের সঙ্গে কম্প্যাটিবেল হল না, আর তা অচিরে আপনার ফোনেরই ক্ষতি করল।

    শূন্য নয়, একশো নয়

    বিশেষজ্ঞেরা বলেন, ফোনের চার্জ কখনওই পুরোপুরি ড্রেন করে ফেলা উচিত নয়। এমনকী ইদানীং কেউ কেউ বলছেন, পুরো চার্জ অর্থাৎ 100 শতাংশ চার্জও ফোনের পক্ষে ক্ষতিকর। ফোনের চার্জ সর্বদা 20 শতাংশ থেকে 80 শতাংশের মধ্যে রাখার পরামর্শ দেন অভিজ্ঞরা। তাতে নাকি ব্যাটারি লাইফ ভালো থাকে। যার ফলে ফোনের আয়ুও বাড়ে কয়েকগুণ।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  11. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মোবাইল (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    কোন মারাত্মক ভুলগুলি করলে অকালেই আয়ু ফুরোয় মোবাইল ব্যাটারির ?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    এখনকার মোবাইল মানেই ইউজ অ্যান্ড্র থ্রো। প্রতিদিন নতুন নতুন আপডেটেশন ও ফিচারের সঙ্গে দুর্ধর্ষ সব ফোন লঞ্চ করছে মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি। সেগুলির যেমন স্পেশিফিকেশন, তেমনই দাম। তবে কয়েকদিন যেতে না যেতেই মুখ থুবড়ে পড়ছে সেইসব নতুন ফোনের ব্যাটারি। আর ব্যাটারি একবার নষ্ট হলে, স্মার্টফোনের আয়ুও কিন্বিস্তারিত পড়ুন

    এখনকার মোবাইল মানেই ইউজ অ্যান্ড্র থ্রো। প্রতিদিন নতুন নতুন আপডেটেশন ও ফিচারের সঙ্গে দুর্ধর্ষ সব ফোন লঞ্চ করছে মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি। সেগুলির যেমন স্পেশিফিকেশন, তেমনই দাম। তবে কয়েকদিন যেতে না যেতেই মুখ থুবড়ে পড়ছে সেইসব নতুন ফোনের ব্যাটারি। আর ব্যাটারি একবার নষ্ট হলে, স্মার্টফোনের আয়ুও কিন্তু শেষ। এখন তো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ইনবিল্ট নন রিমুভেবল ব্যাটারি ব্যবহৃত হয়। ফলে বাইরে থেকে ব্যাটারি পাল্টে যে আয়ু ফেরাবেন তার জায়গা নেই। ফলে একবার ব্যাটারি গেলে, নতুন ফোন কেনা ছাড়া আর কোনও উপায় থাকে না। কিন্তু আপনারই ভুলে হয়তো দেহ রাখছে আপনার সাধের মোবাইল। ফোনের ব্যাটারির আয়ু কিন্তু শেষমেশ আপনারই হাতে। কোন কোন ভুল মোবাইলের ক্ষেত্রে হতে পারে ভয়ানক বিপজ্জনক? আর তাই হয়তো না-জেনে, না-শুনে করে ফেলছেন রোজ রোজ। আসুন, জেনে নেওয়া যাক চট করে।

    চার্জিংয়ের সময় ফোনে কথা

    অনেকেই মোবাইল চার্জে বসিয়ে ফোনে কথা বলতে থাকেন, কিংবা কোনও অ্যাপ ব্যবহার করতে থাকেন। এতে কিন্তু ফোনের ক্ষতিই হচ্ছে আখেরে। তাই ফোন ফুল চার্জ করে পোর্ট থেকে খুলে না নেওয়া পর্যন্ত ফোন ব্যবহার একেবারেই নয়। এর ফলে ফোনের ব্যাটারির উপরে চাপ পড়ে। ব্যাটারির ক্ষতিও হয় তাড়াতাড়ি। তাছাড়া চার্জে বসিয়ে কথা বলা আপনার পক্ষেও বিপজ্জনক হতে পারে। বহু ক্ষেত্রেই ফোনের ব্যাটারি ব্লাস্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায় বিষয়টি। সবচেয়ে ভালো হয়, যদি ফোনটি সুইচ অফ করে চার্জে বসাতে পারেন।

    ​গেমের নেশা সর্বনাশা

    আপনার যদি অত্যাধিক বেশি গেম খেলার অভ্যেস থাকে, বা বাচ্চারা আপনার মোবাইল নিয়ে অতিরিক্ত পরিমাণে গেম খেলে, সেক্ষেত্রেও কিন্তু ব্যাটারি ধ্বসে যেতে পারে। তাই ফোন টেকাতে গেমিংয়ের মারাত্মক নেশা কিন্তু একটু না কমালেই নয়। অনেক সময়ই মোবাইল ব্যবহারের সময় সেটি গরম হয়ে যায়। আর তাতে কিন্তু ফোনের ব্যাটারির উপর বেশ চাপ পড়ে। আর এমনটা হলে, ফোন ব্যবহার কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ রাখুন। রিসেন্ট টাস্কগুলি ম্যানুয়ালি বন্ধ করে দিন।

    আপডেটে অনিহা

    সময়ে সময়ে বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার আপডেট পাঠাতে থাকে মোবাইল সংস্থা। সেসব আপডেটকে অগ্রাহ্য করার ভুল করেন অনেকেই। আর তাতেই ডেকে আনেন ব্যাটারির সর্বনাশ। এই সব আপডেটের মাধ্যমে বহু সিকিওরিটি প্যাচ আপডেট পাঠানো হয়, যা মোবাইলকে ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা করে। সেই আপডেটকে অগ্রাহ্য করা মানে মোবাইলকে ভাইরাসের সঙ্গে ছেড়ে দেওয়া। যা কিন্তু আপনার মোবাইলের ব্যাটারির জন্য ভয়ঙ্কর হতে পারে। তাই আপডেট নিচে ভুলবেন না কখনও।

     

    যে সে চার্জারে চার্জ

    হাতের কাছে যে কোনও একটা চার্জার পেলেন, আর অমনি সাধের ফোনটিকে চার্জে বসিয়ে দিলেন। এমন ভুল অনেকেই করেন নিশ্চয়ই। লো কোয়ালিটির বা আনসাপোর্টেড চার্জারেচার্জ দেওয়ার কারণে কিন্তু বহু সময়েই মোবাইল ব্যাটারির আয়ু কমে আসে। তাই নির্দিষ্ট চার্জারেই মোবাইল চার্জ দিন সবসময়ে। তাতে ব্যাটারি বিস্ফোরণের আশঙ্কাও কমবে। ব্যাটারির শরীরও থাকবে সুস্থ।

    ​বালিশের তলায় চার্জিং

     

    মোবাইলটিকে চার্জে বসিয়ে মাথার বালিশের নিচে রেখে দিলেন। কিংবা কোনও একটা কিছুর তলায় রেখে বেমালুম ভুলে গেলেন। জানেন কি এরফলে কী ক্ষতি হতে পারে। চার্জিংয়ের সময়ে এমনিতেই গরম হয়ে যায় ফোন। আর এ সময়ে ফোনটিকে বালিশের নিচে রাখার অর্থ আরও গরম করে ফেলা ফোনটিতে। এতে কিন্তু ব্যাটারির ভয়ঙ্কর ক্ষতি হতে পারে। পাশাপাশি অতিরিক্ত গরম হয়ে ব্যাটারি ব্লাস্ট, এমনকী আগুন পর্যন্ত ধরে যেতে পারে বিছানায় এবং ঘরে। ফলে সতর্ক থাকুন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  12. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ অ্যাপ (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    কত ফলোয়ার্স থাকলে টাকা দেয় ইনস্টাগ্রাম?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ইনস্টাগ্রামে নির্দিষ্ট ফলোয়ার্স থাকলে মাস প্রতি 15,000-50,000 টাকা আয় সম্ভব। ইনস্টাগ্রামে রিলস দেখে সময় কাটানোর দিন শেষ। পার্সোনাল অ্যাকাউন্টকে বিজনেস অ্যাকাউন্টে সুইচ করে মোটা টাকা আয় করতে পারবেন প্রতি মাসে। এই প্ল্যাটফর্মে ইউটিউব বা ফেসবুকের মতো আয় করার কাঠামো না থাকলেও ব্র্যান্ড পার্টনারশিপ, প্রোবিস্তারিত পড়ুন

    ইনস্টাগ্রামে নির্দিষ্ট ফলোয়ার্স থাকলে মাস প্রতি 15,000-50,000 টাকা আয় সম্ভব।

    ইনস্টাগ্রামে রিলস দেখে সময় কাটানোর দিন শেষ। পার্সোনাল অ্যাকাউন্টকে বিজনেস অ্যাকাউন্টে সুইচ করে মোটা টাকা আয় করতে পারবেন প্রতি মাসে। এই প্ল্যাটফর্মে ইউটিউব বা ফেসবুকের মতো আয় করার কাঠামো না থাকলেও ব্র্যান্ড পার্টনারশিপ, প্রোডাক্ট বিক্রি এবং রিলস বোনাস থেকে ভালো টাকা উপার্জন করার সুযোগ রয়েছে।

    ধীরে ধীরে ইনস্টাগ্রামে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। এমতাবস্থায়, অনেকেই উপার্জনের একটি মাধ্যম হিসাবে ইনস্টাগ্রামকে ব্যবহার করতে চাইছেন।। কেউ যদি সদ্য কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসাবে ইনস্টাগ্রামে এসে থাকেন তারাও ভালো টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

    ইনস্টাগ্রামে আয় করা সম্ভব হলেও কীভাবে এবং কত টাকা আয় করা যায় সে বিষয়ে অনেকেই জানেন না। বহু মানুষের মনে কৌতূহল ইনস্টাগ্রামে কত ফলোয়ার্স থাকলে আয় করা যায়।

    • 1 হাজার থেকে 10 হাজার ফলোয়ার্স – ন্যানো ইনফ্লুয়েন্সার
    • 10 হাজার থেকে 1 লাখ ফলোয়ার্স – মাইক্রো ইনফ্লুয়েন্সার
    • 1 লাখ থেকে 10 লাখ ফলোয়ার্স – ম্যাক্রো ইনফ্লুয়েন্সার
    • 10 লাখের বেশি ফলোয়ার্স – মেগা অথবা সেলিব্রিটি ইনফ্লুয়েন্সারইনস্টাগ্রাম থেকে আয় করার উপায় (How to earn money from Instagram)

      ব্র্যান্ড পার্টনারশিপ : এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, 10 জনের মধ্যে 7 জন মানুষ  সোশ্যাল মিডিয়ায় ভরসা করে প্রোডাক্ট কেনার জন্য। তাই একাধিক সংস্থা ইনফ্লুয়েন্সারদের সঙ্গে পার্টনারশিপ করে সেই পণ্যের বিজ্ঞাপন চালায়। এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি আয় করতে পারেন মাইক্রো, ম্যাক্রো এবং মেগা ইনফ্লুয়েন্সাররা। হেলথ, ফিটনেস, ট্রাভেল, ফ্যাশন, বিজনেস, লাক্সারি ইত্যাদি ক্যাটাগরিতে সবচেয়ে বেশি উপার্জন করা সম্ভব। একটি সমীক্ষায় 42 শতাংশ ইনফ্লুয়েন্সার বলেছেন তারা প্রতি পোস্ট বা রিলসের জন্য 200-400 ডলার চার্জ করে থাকে।

      প্রোডাক্ট বিক্রি : কারো যদি নিজস্ব বিজনেস থাকে তাহলে সে ইনস্টাগ্রামে সেই প্রোডাক্ট বিক্রি করেও টাকা ইনকাম করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে যেই বিষয় খেয়াল রাখতে হবে তা হল অডিয়েন্সদের প্রোফাইলের সঙ্গে যুক্ত রাখা। এর জন্য নিয়মিত পোস্ট এবং রিলস আপলোড করতে হবে অ্যাকাউন্ট থেকে।ইনস্টাগ্রাম বোনাস : একটি নির্দিষ্ট ফলোয়ার্স অতিক্রম করার পর অ্যাকাউন্ট মনিটাইজ করতে পারবেন। সম্প্রতি একাধিক ক্রিয়েটরদের জন্য ইনস্টাগ্রাম রিলস বোনাস হিসাবে 10 হাজার ডলার বরাদ্দ করেছে ইনস্টাগ্রাম। আকর্ষণীয় রিলস আপলোড করে প্রতি মাসে 7.4 লাখ টাকা পর্যন্ত উপার্জন করার সুযোগ দিচ্ছে এই অ্যাপ।

      ইনস্টাগ্রাম কত টাকা আয় করা যায়?

      একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ন্যানো ইনফ্লুয়েন্সার প্রতি পোস্টে 4 থেকে 16 হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। মাইক্রো ইনফ্লুয়েন্সাররা প্রতি পোস্টে 16,000 থেকে 30,000 টাকা। ম্যাক্রো ইনফ্লুয়েন্সার প্রতি পোস্টে 35,000 টাকা থেকে 60,000 টাকা এবং মেগা ইনফ্লুয়েন্সার প্রতি পোস্টে 1 লাখ টাকার অধিক।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  13. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মোবাইল (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    ফোনের মেমরি ভরে গেলে সহজ উপায়ে কিভাবে স্মার্টফোন সাফ করবেন?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    স্মার্টফোনে জায়গা কমে গেলে দেখা দেয় বিভিন্ন ধরনের সমস্যা। তাই স্মার্টফোনের মেমরি কীভাবে ম্যানেজ করবেন, তা জেনে রাখা জরুরি। "নট এনাফ মেমরি!" বহু স্মার্টফোন ব্যবহারকারীই এই নোটিফিকেশনের বিরক্তির শিকার হয়েছেন। জীবনের একাধিক গুরুত্বের বা সুন্দর মুহূর্ত মোবাইলে ধরে রাখার সময় মেমরি খালি না থাকার মেসেজ পেয়বিস্তারিত পড়ুন

    স্মার্টফোনে জায়গা কমে গেলে দেখা দেয় বিভিন্ন ধরনের সমস্যা। তাই স্মার্টফোনের মেমরি কীভাবে ম্যানেজ করবেন, তা জেনে রাখা জরুরি।

    “নট এনাফ মেমরি!” বহু স্মার্টফোন ব্যবহারকারীই এই নোটিফিকেশনের বিরক্তির শিকার হয়েছেন। জীবনের একাধিক গুরুত্বের বা সুন্দর মুহূর্ত মোবাইলে ধরে রাখার সময় মেমরি খালি না থাকার মেসেজ পেয়ে থাকেন প্রায় সবাই। মাথায় তখন ঘুরতে থাকে, কোন ছবি ছেড়ে কোন ছবিকে ডিলিট করবেন! আবার কী মেমরি কার্ড পালটাতে হবে? তবে সহজ কিছু টিপস মেনে চললেই কিন্তু ফোন মেমরি অনেকটাই বাঁচানো সম্ভব হয়। টেক-টকে জেনে নিন কীভাবে ফাঁকা করবেন মোবাইল ফোন।জায়গার অভাব দেখা দিলে সব ফোনেই সমস্যা হয়। স্মার্টফোনের প্রসেসিং স্পিড কমে যাওয়া থেকে বারবার হ্যাং হওয়া- মেমরি ভর্তি হলে ঝামেলার শেষ নেই। আবার গুরুত্বপূর্ণ কোনও কাজের সময়ে নোটিফিকেশন আসতে পারে – “নট এনাফ মেমরি!” পাশাপাশি নতুন কোনও অ্যাপ ইনসটল করতে হলেও বাধা পেতে হবে।

    ক্লাউডে ছবি/ভিডিয়ো জমানো শুরু করুন

    গুগল ড্রাইভ বা ক্লাউডের মতো অ্যাপ ব্যবহার শুরু করুন। সেখানে ফোনের ছবি, ভিডিয়ো ইত্যাদি সেভ করে রাখতে পারেন। এর ফলে আপনার ফোনের উপর চাপ কম হবে এবং একইসঙ্গে আপনার পছন্দের মুহূর্তের ছবি-ভিডিয়োও অক্ষত থাকবে। অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীদের একটা বড় অংশই গুগল ফটো অ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন।

    হোয়াটসঅ্য়াপের সাহায্যে ফোনের স্টোরেজ সামলান

    হোয়াটসঅ্য়াপের নিজস্ব স্টোরেজ ম্যানেজার থাকে। সেখানেও সেভ হয় আপনার হোয়াটসঅ্য়াপ থেকে পাঠানো বা হোয়াটসঅ্যাপ আসা ছবি-ভিডিয়ো। আন্দাজ করতেই পারছেন কী পরিমাণ মেমরি যাচ্ছে! সরাসরি সেটিংসে যান, সেখান থেকে ম্যানেজ স্টোরেজে গিয়ে ইচ্ছেমতোই ডিলিট করুন ফাইল।

    নিয়মিত ক্যাশে ডিলিট করুন

    মোবাইলের অ্যাপ সেটিংসে গিয়ে Cache ফাইল ডিলিট করুন নিয়মকরেই। কারণ, বহু অ্যাপের ক্যাশেতেই অনেকটা মেমরি দখল করা থাকে। এর ফলে কিছুটা হলেও মোবাইলে জায়গা ফ্রি হয়।

    গুগল প্লে স্টোর থেকে অচল অ্যাপ ডিলিট করুন

    অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা প্লে স্টোরে গেলেই দেখতে পাবেন, আপনার ফোনের অচল অ্যাপ কোনগুলি। দেখবেন, বেশ কিছু অ্যাপই দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবহার না হয়েই পড়ে রয়েছে আপনার ফোনে। ব্যবহার তো কিছু হচ্ছেই না, উলটে যাচ্ছে ফোনের মেমরি। তালিকা দেখে এই অ্যাপগুলিকে সহজেই আনইনসটল করতে পারবেন আপনি।

    স্টোরেজে চাপ কমাতে ব্যবহার করতে পারেন অ্যাপ

    মোবাইলের স্টোরেজ বা মেমরিতে চাপ কম দিতে বাজারে রয়েছে একাধিক অ্যাপ। স্টোরেজ ম্যানেজার জাতীয় এই অ্যাপগুলির মাধ্যমে স্মার্টফোনের মেমরি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

     

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  14. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মোবাইল (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    পুরনো ফোন বিক্রি করার আগে কোন কোন বিষয় মাথায় রাখতে হয়?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    পুরনো ফোন বিক্রি করার পরিকল্পনা? তাহলে অবশ্যই কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখুন। যা না মেনে চললে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। পাশাপাশি ব্যক্তিগত ছবি, মেসেজ ফাঁস হতে পারে। নতুন ফোন কেনার জন্য অনেকেই পুরনো ফোন এক্সচেঞ্জ করে থাকেন। তবে তা করার আগে কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। পুরনো স্মার্টফোন বিক্রি করার আগে কবিস্তারিত পড়ুন

    পুরনো ফোন বিক্রি করার পরিকল্পনা? তাহলে অবশ্যই কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখুন। যা না মেনে চললে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। পাশাপাশি ব্যক্তিগত ছবি, মেসেজ ফাঁস হতে পারে। নতুন ফোন কেনার জন্য অনেকেই পুরনো ফোন এক্সচেঞ্জ করে থাকেন। তবে তা করার আগে কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে।

    পুরনো স্মার্টফোন বিক্রি করার আগে কিছু বিষয় মাথায় রাখুন। তাড়াহুড়ো করে ফোন বিক্রি করলে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে ফাঁস হতে পারে ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাঙ্কের পাসওয়ার্ড।

    নতুন ফোন কেনার সময় ই-কমার্স সাইটে পুরনো ফোন এক্সচেঞ্জ করার অপশন দেখে নিলে কিছু কিছু ফোনের ক্ষেত্রে ভালো দাম পাওয়া যায় ।কিন্তু বহু মানুষ সাত-পাঁচ না ভেবেই তা বিক্রি করে দেন। কেউ কেউ আবার অফলাইনে দোকানে গিয়ে বিক্রি করে আসেন পুরনো স্মার্টফোন।

    পুরনো স্মার্টফোনে ইউজারের অনেক ডেটা, ব্যক্তিগত তথ্য এবং আর্থিক তথ্য সেভ থাকে। বিক্রি করার সঙ্গে সেগুলি ফাঁস হয়ে যেতে পারে। যেখানে বিক্রি করছেন তাদের হাতে চলে যেতে পারে ইউজারের ব্যক্তিগত ছবি, মেসেজ এবং অন্যান্য তথ্য। তাই ফোন বিক্রি করার আগে  এ বিষয়গুলো অবশ্যই খেয়াল রাখুন।

    সব ব্যাঙ্কিং ও UPI অ্যাপ ডিলিট করুন

    মোবাইল ব্যাঙ্কিং ও UPI এর জন্য এখন নানা অ্যাপই ভরসা। আর এই অ্যাপের সঙ্গে জুড়ে থাকে ইউজারের অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত একাধিক ডেটা। তাই ফোন বিক্রি করার আগে, ওই অ্যাপের সেটিংস অপশনে গিয়ে সমস্ত ডেটা মুছে ফেলুন। তারপর ফোন থেকে ডিলিট করে দিন অ্যাপগুলি।

    কল রেকর্ড ও মেসেজ মুছে ফেলুন

    বর্তমান স্মার্টফোনগুলিতে কন্টাক্ট এবং মেসেজ ডেটাও ব্যাকআপ হয়। অন্যের হাতে এই সমস্ত ডেটা যাতে না যায় তার জন্য বিভিন্ন অ্যাপের সাহায্যে এই ডেটাগুলি গুগল ড্রাইভে ব্যাকআপ করে নিতে পারেন। তারপর নতুন ফোনে সেই ফাইলগুলি ট্রান্সফার করে নিতে পারেন।

    এক্সটার্নাল ড্রাইভ/ক্লাউড স্টোরেজ

    ক্লাউড স্টোরেজ যেমন গুগল ড্রাইভ, গুগল ফটোস, মাইক্রোসফট ওয়ান ড্রাইভ বা কোনও এক্সটার্নাল ড্রাইভে সমস্ত ডেটা ব্যাকআপ করে নিতে পারেন। যেহেতু এই ধরনের ড্রাইভ অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাই নতুন ফোনে ওই অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগ ইন করলেই সমস্ত ডেটা পেয়ে যাবেন। ডেটা মুছে ফেললেও, অ্যাকাউন্ট থেকে লগ আউট না হলে আপনার অ্যাকাউন্ট অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারে। তাই সমস্ত গুগল এবং সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে লগ আউট হয়ে যান।

    হোয়াটসঅ্যাপ ব্যাকআপ

    ছবি, মেসেজ, ভিডিয়ো আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে বর্তমানে অত্যন্ত জরুরি হোয়াটসঅ্যাপ। নতুন ফোনে এই অ্যাপ ইনস্টল করার পর যাতে সব ডেটা আগের মতো পাওয়া যায়, তার জন্য পুরনো ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ ডেটা গুগল ড্রাইভে ব্যাকআপ করে নিন। এর ফলে নতুন ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ খোলার পর সব চ্যাট আগের মতো পেয়ে যাবেন।

     

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  15. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    দুনিয়ার অদ্ভুত সব খাবারের উৎসব কোথায় কিভাবে পালন হয় ?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দেন ভ্রমণপিপাসুরা। কেউ ভালোবাসেন অ্যামাজনের গহীন জঙ্গলে রোমাঞ্চকর মুহূর্তের স্বাদ নিতে, কারও আবার পাতায়া সৈকতে গা এলিয়ে সমুদ্রস্নানের মুগ্ধতায় জড়াতে ভালো লাগে। তবে পৃথিবীর যেকোনও প্রান্তে ঘুরতে গিয়ে সেখানকার সংস্কৃতির সঙ্গে মিশতে না পারলে অপূর্ণতাবিস্তারিত পড়ুন

    প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দেন ভ্রমণপিপাসুরা। কেউ ভালোবাসেন অ্যামাজনের গহীন জঙ্গলে রোমাঞ্চকর মুহূর্তের স্বাদ নিতে, কারও আবার পাতায়া সৈকতে গা এলিয়ে সমুদ্রস্নানের মুগ্ধতায় জড়াতে ভালো লাগে।

    তবে পৃথিবীর যেকোনও প্রান্তে ঘুরতে গিয়ে সেখানকার সংস্কৃতির সঙ্গে মিশতে না পারলে অপূর্ণতা থেকে যায়। আর ভিন্ন দেশের ভিন্ন গোত্রে সংস্কৃতির পার্থক্যটা সবচেয়ে বেশি ফুটে ওঠে খাবারে। বিশ্বজুড়ে কিছু কিছু খাবারের উৎসব আছে, যেগুলো দেখলে চোখ কপালে উঠতে বাধ্য! বেড়ানোর ফাঁকে এসব আয়োজন উপভোগ্য লাগে সবার কাছে।

    ধরুন– সড়কপথে বেরিয়েছেন, টাইমিংয়ে মিলে গেলে নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাওয়ার পথেই দেখে নিতে পারেন বিচিত্র সব খাবারের উৎসব। কয়েকটিকে মনে হতে পারে বেশ উদ্ভট। কিছু কিছু দেখলে তো বিশ্বাসই হবে না! বানরের জন্য বিশাল ফলের স্তূপ, হাজার হাজার ডিম ভেঙে বানানো অমলেট; এমনকি পোঁকা খাওয়ার মতো অদ্ভুত আয়োজন আছে এর মধ্যে!

    মাংকি বুফে ফেস্টিভ্যালমাংকি বুফে ফেস্টিভ্যালপ্রতি বছরের নভেম্বরে মাংকি বুফে ফেস্টিভ্যাল আয়োজন করে থাইল্যান্ডের খেমের যুগের মন্দির ফ্রা প্রাং স্যাম ইয়ট। মজার বিষয় হলো– মানুষ নয়, উৎসবের মুখ্য চরিত্র হলো বানর! লম্বা লেজ আকৃতির এই প্রাণীদের সামনে কয়েক মন ফল রেখে আতিথ্য দেওয়া হয়। উঁচু আকৃতিতে ধাপে ধাপে স্তূপের মতো সাজানো থাকে বিভিন্ন ফল। খুব কাছে দাঁড়িয়েই অদ্ভুত এই আয়োজনের সাক্ষী হতে পারেন ভ্রমণপ্রেমীরা। গতবার নানান রঙের ফলে উৎসব হয়ে ওঠে আকর্ষণীয়। তখন বানরদের জন্য ছিল তরমুজ, আনারস, ড্রাগন ফ্রুটস। এছাড়া সফট ড্রিংকসেরও ব্যবস্থা রাখা হয়।

    ওয়ার্ল্ড টেস্টিকেল ইটিং চ্যাম্পিয়নশিপ
    উৎসবটি খাওয়া-দাওয়া, মজা ও উত্তেজনায় ভরপুর। বিচিত্র এই আয়োজন উপভোগের সুযোগ মিস করা ঠিক হবে না কারও! এমন খাবারের উৎসব দেখার সুযোগ মেলা ভার। উৎসবটা কীসের জানেন? প্রাণীর অণ্ডকোষ দিয়ে বানানো খাবারের! রাঁধুনিদের খাবার প্রতিযোগিতা দেখার জন্য দর্শকরা জড়ো হয়। রন্ধনশিল্পীরা অণ্ডকোষ দিয়ে বানানো পিৎজা ও গোলাস বানাতে প্রতিযোগিতায় নামেন। তাদের তৈরি করা খাবারের স্বাদের ওপর ভিত্তি করে বিচারক বিজয়ীকে দেন ‘দ্য বলিয়েস্ট ম্যান ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’-এর খেতাব।

    ওনি প্যানকেক রেসওনি প্যানকেক রেসইংল্যান্ডের ওনি এলাকায় হওয়া প্রতিযোগিতাটি বিচিত্র খাবারের উৎসবগুলোর মধ্যে সম্ভবত সবচেয়ে মজার। এই উৎসবে খাবার শুধু বানালে হবে না, সেই খাবার হাতে করে দৌড়ে নির্দিষ্ট গন্তব্য পেরোতে হবে প্রতিযোগীকে!

    স্থানীয়দের মতে, ১৪৪৫ সাল থেকে হয়ে আসছে প্যানকেক রেস। এই উৎসবে অংশ নিতে পারেন কেবল ১৮-ঊর্ধ্ব মেয়েরা। আর অবশ্যই তাদের প্রত্যেককে অন্তত তিন মাস থাকতে হবে ওনি শহরে। সুতরাং চাইলেই প্রতিযোগিতায় নাম লেখানো যাবে না।

    খাবার নিয়ে দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া সব মেয়েদের অবশ্যই স্কার্ট, অ্যাপ্রন ও মাথায় কাপড় পরতে হবে। একইসঙ্গে দৌড়ানোর সময় নিজের বানানো প্যানকেক নিতে ভুললে চলবে না। এই দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের ওনি মার্কেট পালেস থেকে প্যারিশ চার্চ পর্যন্ত ৪১৫ গজ পথ দৌড়াতে হয়।

    জায়ান্ট অমলেট ফেস্টিভ্যালজায়ান্ট অমলেট ফেস্টিভ্যালউৎসবটির একটি ইতিহাস আছে। বলা হয়ে থাকে, নেপোলিয়ন বোনাপার্ট একবার ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চল দিয়ে যাওয়ার পথে বেসিয়েরেসে রাত কাটানোর সিদ্ধান্ত নেন। সেখানকার এক পান্থশালার মালিকের হাতে বানানো ডিম ভাজি (অমলেট) খেয়ে তিনি এতই তৃপ্তি পেয়েছিলেন যে, পরের দিন শহরের সব ডিম নিয়ে আসার আদেশ দেন। তার কথামতো যত ডিম ছিল, সব নিয়ে এসে নেপোলিয়নের সৈন্যবাহিনীর জন্য বিশাল এক অমলেট বানানো হয়েছিল।

    এখন পর্যন্ত বেসিয়েরেস সেই ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। ইস্টার সানডেতে তারা ১৫ হাজার ডিম দিয়ে বানায় বিশাল আকৃতির অমলেট। কয়েকশ’ মানুষ এই উৎসবে রান্নায় দায়িত্বে থাকেন। আর উৎসবে অংশ নেওয়া মানুষেরা বিশাল অমলেটের খানিকটা অংশ পাওয়ার অপেক্ষায় থাকেন।

    ফ্রান্সের আরও কয়েকটি শহরে নিজ উদ্যোগে অনেকেই অমলেট ফেস্টিভ্যাল করে থাকে। যার মধ্যে অন্যতম লুইসিয়ানা ও আবেভিল। প্রতি বছরের অক্টোবরে ৫ হাজার ডিম দিয়ে উৎসবের প্রস্তুতি নেয় তারা।

    বাগফেস্টবাগফেস্টযুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার ন্যাচারাল সায়েন্স মিউজিয়ামে আয়োজিত খাবারের উৎসবটি ভয়ঙ্কর! এখানে মানুষ এমন সব খাবার খায়, শুনলেই গা শিরশির করবে। ভাবছেন কী হতে পারে? ঠিক ধরেছেন, পোঁকা খাওয়ার উৎসব এটি। ছোট ছোট পোঁকা দিয়ে বানানো সুস্বাদু খাবার পরিবেশন করা হয় অদ্ভুত উৎসবটিতে। স্থানীয় শেফরা তৈরি করেন তেলাপোকা ও ছারপোকার মতো ছোট আকৃতির পোঁকা দিয়ে বানানো বিভিন্ন পদ। উৎসবে জড়ো হওয়া দর্শনার্থীরা মুখে রঙ এঁকে উপভোগ করেন অদ্ভুত খাবার। একইসঙ্গে থাকে বিভিন্ন পোঁকার দৌড় উপভোগের সুযোগ।

    নাইট অব দ্য র‌্যাডিশেসনাইট অব দ্য র‌্যাডিশেসমুলা দিয়ে বানানো খাবার নিয়ে অনেকে নাক শিঁটকান! অথচ এই মুলাই মেক্সিকোর ওক্সাকার একটি শৈল্পিক উৎসবের মূল উপকরণ। প্রতি বছরের ডিসেম্বরে স্থানীয় শিল্পীরা মুলা ব্যবহার করে শৈল্পিক চিত্র তুলে ধরেন। সাধারণ এই সবজিকে মানুষের আকৃতি দেন তারা। কেউ বানান গাড়ি, ভালোবাসার কোনও নিদর্শন কিংবা বিখ্যাত কোনও জায়গা। দেখলে বিশ্বাসই হবে না মুলা দিয়ে বানানো হয়েছে এগুলো। অথচ এসব বানাতে মাত্র কয়েক ঘণ্টা সময় পান শিল্পীরা।

    ফেলসমেয়ার ফগ লেগ ফেস্টিভ্যালফেলসমেয়ার ফগ লেগ ফেস্টিভ্যালবিশ্বের সবচেয়ে বড় ফগ লেগ ফেস্টিভ্যাল হিসেবে বিবেচি ব্যাঙ নিয়ে ফ্লোরিডার ফেলসমেয়ার এই অদ্ভুত আয়োজন। চার দিনের উৎসবটিতে অংশ নিয়ে ব্যাঙের পা খাওয়ার জন্য পৃথিবীর সব প্রান্তের মানুষকে স্বাগত জানানো হয়। তাদের আগ্রহ ও অংশগ্রহণে ফেলসমেয়ারকে এখন বলা হয় ‘ফগ লেগ ক্যাপিটাল অব দ্য ওয়ার্ল্ড’। শিশুদের কথা ভেবে ছোট্ট পরিসরে শুরু হয়েছিল অদ্ভুত এই খাবারের উৎসব। এই আয়োজনের সুবাদে ফেলসমেয়ার এখন বিচিত্র খাবারের সন্ধানকারীদের তীর্থস্থান।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  16. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পৃথিবীর বুকেই আছে ‘শয়তানের সাগর’, সেখান থেকে ফিরে আসেনি কোনও জাহাজ ? কোথায় সে শয়তানের সাগর ?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    এই বিরাট পৃথিবীর কতটুকই বা আমরা জানি! বেশিরভাগই অজানা। এই পৃথিবীতে ছড়িয়ে রয়েছে নানা রহস্য। এমন অনেক রহস্য রয়েছে, এমন অনেক ঘটনা ঘটে, যার যুক্তি দিয়ে কোনও ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া যায় না। জানেন কি, পৃথিবীর বুকেই আছে 'শয়তানের সাগর', সেখান থেকে ফিরে আসেনি কোনও জাহাজ বা নৌকা! পৃথিবীর বুকেই রয়েছে ডেভিলস সি ববিস্তারিত পড়ুন

    এই বিরাট পৃথিবীর কতটুকই বা আমরা জানি! বেশিরভাগই অজানা। এই পৃথিবীতে ছড়িয়ে রয়েছে নানা রহস্য। এমন অনেক রহস্য রয়েছে, এমন অনেক ঘটনা ঘটে, যার যুক্তি দিয়ে কোনও ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া যায় না। জানেন কি, পৃথিবীর বুকেই আছে ‘শয়তানের সাগর’, সেখান থেকে ফিরে আসেনি কোনও জাহাজ বা নৌকা!
    পৃথিবীর বুকেই রয়েছে ডেভিলস সি বা শয়তানের সাগর। এই শয়তানের সাগরকে কেন্দ্র করে চিনে পৌরণিক কাহিনি প্রচলিত রয়েছে। তাঁরা মনে করেন ওই সাগরের জলের নীচে বাস করে ড্রাগন। তারাই জাহাজকে গিলে খেয়ে নেয়। খ্রিস্টপূর্ব হাজার বছর থেকেই এই বিশ্বাস চলে আসছে।

    এর থেকে প্রমাণিত প্রাচীনকাল থেকেই ওই শয়তানের সাগরে বা ডেভিলস সী-তে ঘটত এমন অলৌকিক ঘটনা। এমন কথাও প্রচলিত রয়েছে যে, ওই সাগরে জাহাজে করে এক রহস্যময় নারীকে প্রদক্ষিণ করতে দেখা যায়। চেঙ্গিস খানের নাতি কুবলাই খান ১২৭৪ সালে ১২৭৪ ও ১২৮১ সালে জাপানে আক্রমণ করেন। কিন্তু দুবারই তিনি ব্যর্থ হন। শয়তানের সাগর এলাকায় মারাত্মক টাইফুনের কবলে পড়ে তার বাহিনী। কুবলাই খানের বেশ কয়েকটি জাহাজ এবং প্রায় ৪০ হাজার সৈন্য শয়তানের সাগরে হারিয়ে যায়। ১৯৪০ ও ১৯৫০-এক দশকে মৎস্যজীবীদের বহু নৌকা ও একাধিক জাহাজ শয়তানের সাগরে নিখোঁজ হয়ে যায়।
    কোথায় রয়েছে সেই শয়তানের সাগর? এই সাগরের অবস্থান মিয়া কিও আয়োজিমা দ্বীপের মধ্যবর্তী অঞ্চলে। ১৯৫২ সালে একটি জাহাজ নিখোঁজ হওয়ার পর কায়ু মারো ৫ নামে একটি জাহাজ পাঠানো হয়েছিল। সেটিও ৩১ জন নাবিকসহ মিলিয়ে যায়। নাবিকদের কারও খোঁজ মেলেনি। এরপর জাপান সরকার সমুদ্র যাতায়াত ও পণ্য পরিবহণের জন্য অঞ্চলটি বিপজ্জনক বলে ঘোষণা করা হয়। এরপর গবেষকরা সাগরের এই এলাকাটি নিয়ে গবেষণায় আগ্রহী হয়ে ওঠেন। বৈজ্ঞানিকরা মনে করেনঅ়্চলটি ভাইস ভর্টিসেসের অন্তর্গত। এই অঞ্চলে উষ্ণ ও শীতল সামুদ্রিক জলের প্রবাহের কারণে এখানে সমস্যা দেখা দেয়।

    বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এখানে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ডিস্টারবেন্সের জন্য জাহাজগুলো অদৃশ্য হয়ে যায়। এ নিয়ে একাংশের অনুমান, জলের নীচে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে জাহাজগুলো তলিয়ে যায় ওই জায়গায়। অতীতে এই আগ্নেয়গিরিকেই হয়তো গ্রাগন ভাবত চিনারা। এর ফলে ছোটো ছোটো দ্বীপগুলোও হারিয়ে যেত। সৃষ্টি হত নতুন নতুন দ্বীপ। পৃথিবীর ১২টি স্থানে ইলেক্ট্র ম্ঘানেটিক ফিল্ড অত্যন্ত প্রখর। সেই স্থানগুলিতে বলা হয় ভাইস ভর্টিসেস। এই শয়তানের সাগর ভাইস ভর্টিসেসের একটি। এই স্থানটি ডেভিলস ট্রায়াঙ্গেল বা শতানের ত্রিভুজ বা ড্রাগন ট্রায়াঙ্গেল নামেও পরিচিত। এই শয়তানের সাগর কতটা, তার আয়তন সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত করে বলা যায় না।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  17. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    চেজ ভিলেজ’, যেখানে আট থেকে আশি বছরের সবাই দাবা খেলায় মেতে থাকেন । কোথায় সে গ্রাম?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

        এ এক আজব গ্রাম। এ গ্রামে আট থেকে আশি-সবাই দাবা খেলায় মেতে থাকেন। তাই তো গ্রামের নামটিও তেমনই, 'চেজ গ্রাম'। ভারতের বুকে এমন এক আজব গ্রাম রয়েছে। এ গ্রামে সবাই দাবা খেলায় ওস্তাদ। এ গ্রাম ১০০ শতাংশ মানুষই এই খেলায় দক্ষ। ভারতের এই গ্রাম বহুদিনই আলাদা করে পরিচিতি পেয়েছে। কেরালার মারোত্তিচালকবিস্তারিত পড়ুন

     

    ভারতের বুকেই আছে একটি ‘চেজ গ্রাম’

     

    এ এক আজব গ্রাম। এ গ্রামে আট থেকে আশি-সবাই দাবা খেলায় মেতে থাকেন। তাই তো গ্রামের নামটিও তেমনই, ‘চেজ গ্রাম’। ভারতের বুকে এমন এক আজব গ্রাম রয়েছে। এ গ্রামে সবাই দাবা খেলায় ওস্তাদ। এ গ্রাম ১০০ শতাংশ মানুষই এই খেলায় দক্ষ। ভারতের এই গ্রাম বহুদিনই আলাদা করে পরিচিতি পেয়েছে। কেরালার মারোত্তিচালকে সবাই দাবার গ্রাম বলেই জানেন। এই গ্রামের বাসিন্দারা একটা সময়ে জুয়া আর মদে মতো খারাপ নেশায় আসক্ত ছিলেন। গ্রামেরই এক যুবক উন্নিকৃষ্ণণ পাশেই একটি ছোট্ট শহরে থাকতেন। সেখানে তিনি দাবা খেলা শেখেন। জুতো পরা নিষিদ্ধ, খালি পায়ে চলেন গ্রামের সবাই! এই রীতি চলে আসছে ৩০০ বছর তারপর তিনি দাবা খেলার প্রচলন করেন গ্রামে। খুব স্বল্প সময়ে গ্রামে এই খেলা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। মদ ও জুয়া ছেড়ে এই খেলার অনুরাগী হয়ে ওঠেন সবাই। গ্রামের সবাই এই ৬৪ খোপে বন্দি হয়ে যেতে শুরু করেন। দাবার জন্য মারোত্তিচাল গ্রামের খ্যাতি বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। এখানকার স্কুলের সিলেবাসেও দাবা রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেকেই এই গ্রামে দাবা খেলা শিখতে আসেন। অনেকেই মনে করেন, প্রশাসনের অভিযানের পরও যখন মদ ও জয়ার আসক্তি থেকে গ্রামের মানুষের মুক্তি মিলছে না, তখন উন্নিকৃষ্ণান দাবার প্রচল করে গ্রামের মোড় ঘুরিয়ে দেন। উন্নিকৃষ্ণান ছিলেন বিশ্ববিখ্যাত দাবাড়ু ববি ফিশারের একনিষ্ঠ ভক্ত। সেই টান থেকেই শহরে গিয়ে দাবা শিখে তিনি গ্রামে প্রচলন করেন এই খেলার। গ্রামবাসীরাও এই খেলায় মেতে ওঠেন। গ্রামে ফিরে তিনি প্রথমে চায়ের স্টল দিয়েছিলেন। তারপর সেখানে বসাতেন দাবা খেলার আসর। চায়ের কাপে চুমুক দিতে এই খেলা চলত। Strange Village: ভারতেই এমন গ্রাম আছে যেখানে সবাই শক্তিশালী, জানেন সেই গ্রামের ঠিকানা উন্নিকৃষ্ণান এভাবেই গ্রামের প্রায় সাতশো জনকে দাবা খেলায় প্রশিক্ষিত করেন। জুয়া ও মদের নেশা ছেড়ে সবাই দাবা খেলায় মেতে ওঠে। তারাও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দাবা খেলায় অনুরক্ত হয়ে পড়েন। এভাবে রাতারাতি পাল্টে যায় গ্রামের চিরচেনা অভ্যাস। গ্রামের পুরুষ থেকে শুরু করে যুবক-যুবতী, এমনকী বয়স্ক মহিলারাও দাবার প্রতি অনুরক্ত হয়ে পড়েন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  18. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    রুটি সেঁকার সময় সাথে সাথে ফুলে ওঠে কেন?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    জানেন, রুটি সেঁকার সময় সাথে সাথে ফুলে ওঠে কেন?  বাঙালির ভাতের পরে দ্বিতীয় প্রিয় খাবার রুটি। কিন্তু আপনি নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন রুটি যখন সেঁকা হয় তখন সাথে সাথে ফুলে ওঠে। কিন্তু কেন জানেন? এই প্রশ্নটি আপনার মাথাতেও ঘোরাফেরা করেছে কিন্তু এর কারণটি খুব কম মানুষই জানেন। অনেককে প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা করা হয়বিস্তারিত পড়ুন

    জানেন, রুটি সেঁকার সময় সাথে সাথে ফুলে ওঠে কেন?

    জানেন, রুটি সেঁকার সময় সাথে সাথে ফুলে ওঠে কেন?

     বাঙালির ভাতের পরে দ্বিতীয় প্রিয় খাবার রুটি। কিন্তু আপনি নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন রুটি যখন সেঁকা হয় তখন সাথে সাথে ফুলে ওঠে। কিন্তু কেন জানেন? এই প্রশ্নটি আপনার মাথাতেও ঘোরাফেরা করেছে কিন্তু এর কারণটি খুব কম মানুষই জানেন।

    অনেককে প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। অনেক ব্যবহারকারী তাদের জ্ঞান অনুযায়ী উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু এর পিছনের আসল রহস্য কি জানেন? এখানেও রয়েছে এক বৈজ্ঞানিক কারণ।

    এবার জেনে নেওয়া যাক..
    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন যে, রুটি ফুলে ওঠার কারণটা হলো কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস। যখন আটা বা ময়দার সাথে জল মিশিয়ে মাখানো হয় তখন তাতে প্রোটিনের একটি স্তর তৈরি হয়। এই প্রোটিন কিন্তু আটা বা ময়দাতেই থাকে।

    এরপর আটা বা ময়দার নমনীয় স্তরটিকে লাসা বা গ্লুটেন বলা হয়। এই গ্লুটেনের সবচেয়ে বিশেষত্ব হল যে এই নিজের ভেতরে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করতে সক্ষম। কিন্তু জোয়ার বা বাজারার রুটির ক্ষেত্রে এমনটা হয় না কারণ এর মধ্যে গ্লুটেন থাকে না।

    রুটি যখন আগুনে সেঁকা হয় তখন গ্লুটেনের ভিতরে থাকা কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস অর্থাৎ গ্লুটেনের বাইরে বেরিয়ে এসে ছড়িয়ে পড়ার চেষ্টা করে। এতে রুটির উপরে ভাগের স্তরে চাপ সৃষ্টি হয় এবং এটি ফুলে ওঠে। তবে যতটা বেশি পরিমাণে গ্লুটেন থাকবে তত বেশি ফুলে উঠবে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  19. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

    ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্নকে কি কখনও ঠেকানো যায় ?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    মের মধ্যে সুন্দর সুন্দর স্বপ্ন দেখতে কার না ভালো লাগে? সুন্দর স্বপ্ন দেখলে ঘুম ভাঙার পর মনটাও ভালো থাকে। অপরদিকে দুঃস্বপ্ন দেখলে তো আর কথাই নেই। সাধের ঘুম তো ভাঙেই, সেই সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আতঙ্কে থাকতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর রাশ-প্রেসবিটেরিয়ান-সেন্ট লিউক’স মেডিক্যাল সেন্টারের স্লিপ ডিসঅর্ডার সার্ভিসবিস্তারিত পড়ুন

    মের মধ্যে সুন্দর সুন্দর স্বপ্ন দেখতে কার না ভালো লাগে? সুন্দর স্বপ্ন দেখলে ঘুম ভাঙার পর মনটাও ভালো থাকে। অপরদিকে দুঃস্বপ্ন দেখলে তো আর কথাই নেই। সাধের ঘুম তো ভাঙেই, সেই সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আতঙ্কে থাকতে হয়।

    যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর রাশ-প্রেসবিটেরিয়ান-সেন্ট লিউক’স মেডিক্যাল সেন্টারের স্লিপ ডিসঅর্ডার সার্ভিসের পরিচালক রোসালিন্ড কার্টরাইট ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্নকে ঠেকানোর বেশ কিছু উপায় জানিয়েছেন। তার মতে-

    ধরে নিন যে আপনি দুঃস্বপ্ন দেখতে যাচ্ছেন: আপনি ঘুমাতে যাওয়ার আগে ধরে নিন যে আপনি দুঃস্বপ্ন দেখবেন, এতে আপনার দুঃস্বপ্ন দেখা বন্ধ হবে। আপনি হয়তো একবারের চেষ্টায় এতে সফল হবেন না, কিন্তু কয়েকবারের প্রচেষ্টায় দুঃস্বপ্ন বিদায় নেবে।

    দুঃস্বপ্নকে থামান: বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, আপনি স্বপ্নকে থামাতে পারবেন। আপনি সিম্পলি এটি করতে পারেন যদি বুঝতে পারেন যে আপনি যা দেখছেন তা দুঃস্বপ্ন।

    স্বপ্নকে পরিবর্তন করুন: নেতিবাচক স্বপ্নকে ইতিবাচক স্বপ্নে রূপান্তর করুন। এটি করার জন্য আপনাকে জেগে ওঠতে হতে পারে, কিন্তু অবশেষে আপনি ঘুমের মধ্যে নেতিবাচক স্বপ্নকে ইতিবাচক স্বপ্নে রূপান্তর করতে পারবেন।

    স্বপ্ন ডায়েরি রাখুন: আপনার বিছানার পাশে একটি স্বপ্ন ডায়েরি রাখুন এবং প্রতি সকালে এতে আপনার দেখা সব স্বপ্ন লিপিবদ্ধ করুন, শুধুমাত্র দুঃস্বপ্ন নয়, ভালো স্বপ্নও লিখে রাখুন। তারপর নির্দিষ্ট সময় পরপর সেসব স্বপ্ন রিভিউ করুন যা আপনাকে সমস্যায় ফেলে এবং নির্ণয় করার চেষ্টা করুন তারা কেন আপনাকে আপসেট করছে। তারপর উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে আপসেট দূর করার চেষ্টা করুন।

    স্ট্রেস কমান: দুঃস্বপ্নের মূল কারণের একটি নিদারুণ স্ট্রেস। বিষণ্নতা, উৎকণ্ঠা ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্নকে ডেকে আনে। সুতরাং দুঃস্বপ্ন প্রতিরোধ করতে বিছানায় যাওয়ার আগে আপনার মনকে শান্ত করুন। এক্ষেত্রে আপনি শান্ত সংগীত শুনতে পারেন, বাতিগুলো বন্ধ করে দিতে পারেন, ধ্যান বা প্রার্থনা করতে পারেন, হালকা সুগন্ধযুক্ত মোমবাতি জ্বালাতে করতে পারেন বা বই পড়তে পারেন। মূল কথা হলো, ঘুমানোর আগে আপনার মনকে প্রশান্ত করে, এমন কাজ করুন।

    কার্টরাইট তার ‘ক্রাইসিস ড্রিমিং’ বইয়ে লিখেছেন, ‘মাঝে মাঝে দুঃস্বপ্ন দেখাটা স্বাভাবিক। কিন্তু বারবার দেখাটা স্বাভাবিকতার পর্যায়ে পড়ে না।’ বারবার দুঃস্বপ্ন দেখলে কোনো ডাক্তার, সাইকিয়াট্রিস্ট কিংবা থেরাপিস্টের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  20. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পৃথিবীর আজব সব ফ্যাক্ট!! একদমে কয়টা বলা যায়?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

        ই- সিগারেটের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করার ক্ষেত্রে ভারতবর্ষ পৃথিবীর মধ্যে ষষ্ঠ দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ভারতবর্ষের পূর্বে আর যে দেশগুলি এই ব্যাপারে স্বীকৃতি পেয়েছিল তারা হল উত্তর কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড নেপাল, পূর্ব টিমোর। গবেষণায় দেখা গেছে ই -সিগারেট গুলির মধ্যে খুবই বিষাক্বিস্তারিত পড়ুন

     

     

    • ই- সিগারেটের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করার ক্ষেত্রে ভারতবর্ষ পৃথিবীর মধ্যে ষষ্ঠ দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ভারতবর্ষের পূর্বে আর যে দেশগুলি এই ব্যাপারে স্বীকৃতি পেয়েছিল তারা হল উত্তর কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড নেপাল, পূর্ব টিমোর। গবেষণায় দেখা গেছে ই -সিগারেট গুলির মধ্যে খুবই বিষাক্ত এবং ক্ষতিকারক উপাদান উপস্থিত থাকে । কিন্তু এখনো তামাক বিক্রয় ভারতবর্ষে বৈধ হিসেবে মানা হয় ।
    • মানুষ যখন হাঁচে তখন সেই মুহূর্তের জন্য তার শারীরিক কার্যকরীতা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যায় এমনকী তাঁর হৃৎস্পন্দনটি ও।
    • শুক্র হল সৌরজগতের একটিমাত্র গ্রহ যার ঘূর্ণন পিছনের দিকে অর্থাৎ উল্টো পথে হয়ে থাকে ।
    • একটি হাতির ঘ্রাণশক্তি এতটাই প্রবল যে বারো মাইল দূরে জলের ঘ্রাণ সে নিতে পারে ।
    • ১৯০০ সালে অবিবাহিত পুরুষদের জন্য টি শার্ট আবিষ্কার করা হয়েছিল যাতে তাদের বোতাম সেলাই বা পরিবর্তন করার ঝামেলা বহন করতে না হয় ।
    • মালদ্বীপ দেশটিতে একটি সমুদ্র সৈকত আছে যেখানে রাতের বেলায় সমুদ্রের জল নীলাভ হয়ে যায় সমুদ্রের ঢেউয়ের কারণে।
    • শামুকের চোদ্দ হাজারটি দাঁত থাকে যার মধ্যে কিছু কিছু আপনাকে মেরেও ফেলতে পারে।
    • “সালফহিমোগ্লোবিনেমিয়া'(Sulfhemoglobinemia) হল এমন একটি শারীরিক অবস্থা যখন মানুষ সবুজাভ রক্ত উৎপাদন করে।
    • অত্যাধিক শীতল আবহাওয়া আইফেল টাওয়ার কে ও সংকুচিত করে তুলতে পারে।
    • আপনি যদি নিয়মিত আঙুর খান তাহলে তা আপনার মস্তিষ্কের বিভিন্ন তথ্য ধরে রাখার ক্ষমতাকে বাড়াবে এবং আপনার বুদ্ধিমত্তা ও বৃদ্ধি করতে সহায়ক হবে ।
    • পৃথিবীতে হীরার থেকে কুড়ি গুণ বেশি দুর্লভ রত্ন হল পান্না; আর তাই স্বাভাবিকভাবে এর দামও অনেক বেশি হয়ে থাকে।
    • আপেল ম্যাকবুকের ব্যাটারি হল বুলেটপ্রুফ যা কিনা বন্দুকের গুলির হাত থেকে আপনাকে প্রতিরক্ষা করতে পারে।
    • সমগ্র পৃথিবীতে যত মানুষ যুদ্ধের কারণে মারা গেছে তার থেকে বেশি মানুষের মশার কামড়ে মৃত্যু হয়েছে।
    • নিউইয়র্ক শহরটি একটি U- আকারের আকাশচুম্বী তৈরি করছে। এটি এতটাই বিশাল হতে চলেছে যে একটি বিমানও এর ভেতর দিয়ে উড়ে যেতে পারে ।
    • একক এক টুকরো মেঘের ওজন এক মিলিয়ন পাউন্ডের থেকেও বেশি ।
    • আপনারা কি কখনো খেয়াল করেছেন যে ২০১৮ সালের ক্যালেন্ডারটি আপনি আরও তিনটি বছর ব্যবহার করতে পারবেন? আর সেই বছরগুলি হল ২০২৯, ২০৩৫ এবং ২০৪৫।
    • অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের আবিষ্কর্তা হলেন অ্যান্ডি রুবিন। তিনিই এটি আবিষ্কার করেছিলেন ২০০৩ সালে।
    • নিজের গৃহ সংক্রান্ত গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্য ফেসবুকের স্রষ্টা মার্ক জুকারবার্গ ৩০মিলিয়ন ডলার দিয়ে আরও চারখানা বাড়ি কিনেছিলেন যেটি তাঁর নিজের ভবনের ই চারধারে অবস্থিত ছিল ।
    • আপনি যদি একবার বসেই বিয়াল্লিশ কাপ কফি খান তাহলে সেটি আপনার পক্ষে প্রাণঘাতী হতে পারে। এর কারণ হলো কফির মধ্যে থাকা ক্যাফেইন বস্তুটি প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত খেলে মানুষের প্রাণ পর্যন্ত যেতে পারে।
    • ফৌজা সিং হলেন পৃথিবীর মধ্যে সর্ব বর্ষীয়ান দৌড়বিদ যিনি এক শ বছর বয়সে ম্যারাথন দৌড় সম্পন্ন করেছিলেন।
    • পৃথিবীর মধ্যে সর্বাধিক দীর্ঘজীবী পতঙ্গ টি হলো রানী পিপীলিকা বা “কুইন অ্যান্ট”। তারা তিরিশ বছর ঊর্ধ্ব সময়কাল পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।
    • ‘দ্য অ্যামাজন’ প্রত্যেক সেকেন্ডে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন গ্যালন জল আটলান্টিক মহাসাগরের প্রদান করে থাকে। এ ছাড়াও অ্যামাজন রেনফরেস্ট যা হল এক ঘনবর্ষণ বনাঞ্চল পৃথিবীর প্রায় কুড়ি শতাংশের ও বেশী অক্সিজেন উৎপাদন করে থাকে।
    • বিশ্ব বিখ্যাত স্ট্যাচু অব লিবার্টির প্রতিমূর্তি বিভিন্ন দেশে স্থাপন করা আছে ; দেশগুলি হল পাকিস্তান , তাইওয়ান, ব্রাজিল আর এমনকি চায়নাতেও তা দেখতে পাওয়া যায়।

    *ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো তার অন্যতম একটি গোল্ডেন বুট বিক্রি করেছিলেন ১.৬৭ মিলিয়ন ডলারে যা ভারতীয় অঙ্কে ১১.৫০ কোটি টাকা। তিনি সেই পুরো টাকার অঙ্কটি প্যালেস্টাইনে বসবাসকারী শিশুদের জন্য দান করেছিলেন।

    *এক ঘণ্টা শারীরিক কসরত বা জিম করার আগে যদি আমি দুটি কলা খান তাহলে তা আপনার শরীরে এতটাই বল প্রদান করবে যার ফলে আপনি পরবর্তী নব্বই মিনিট আরও নিবিড়ভাবে শরীর চর্চা করার ক্ষমতা রাখবেন।

    *চিতা তার নিজের গতি ৭০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা বৃদ্ধি করতে পারে আর তাও মাত্র তিন সেকেন্ডে; যেটি পৃথিবীর যেকোনো স্পোর্টস কার থেকে দ্রুত বলে ধরা হয়।

    *পৃথিবীর গভীরতম ডাকবাক্সটি জাপান দেশের সুসামি খাঁড়িতে অবস্থিত এবং এই ডাকবাক্সটি জলের দশ মিটার অতলে রয়েছে।

    * ‘বন্দনা নেপাল’ নামক আঠারো বছর বয়সী এক তরুণী এক ১২৬ ঘণ্টা এক নাগাড়ে নৃত্য পরিবেশন করে একটি বিশ্বরেকর্ড স্থাপন করেছিলেন যা ছিল পাঁচ দিনের ও অধিক। তিনি এই সময়কালে সঠিকভাবে আহার ,নিদ্রা কিছুই গ্রহণ করতে পারেননি; শুধু হাসি মুখ টি বজায় রেখে নৃত্য পরিবেশনা করে দিয়েছিলেন ।

    *জাপানের রাজধানী , টোকিও পৃথিবীর মধ্যে সর্বাধিক নিরাপদ শহর হিসেবে চিহ্নিত। এখানে ছয় বছরের একটি শিশু পর্যন্ত গণপরিবহনে উঠে একা একাই ভ্রমণ করতে পারে।

    *১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দের আগে পর্যন্ত ভারতই ছিল পৃথিবীর একমাত্র সরকার স্বীকৃত দেশ যেখানে হীরা উপলব্ধ ছিল।

    *গুগলে কর্মরত চৌদ্দ শতাংশ কর্মী কখনও কলেজে যান নি এবং কলেজে পাঠক্রম নেননি।

    * জাপানের কিছু রেস্তোরাঁতে বানরদের দেখা যায় ওয়েটার হিসেবে কাজ করতে বা খাদ্য বহন করতে। মাসিক বেতন হিসেবে এরা কলা পেয়ে থাকে।

    * ফেরারি কোম্পানির অধীনে কাজ করা কর্মীদের ফেরারি গাড়ি কেনার অধিকার দেওয়া হয় না ।

    *বিশ্ববিখ্যাত ব্র্যান্ড পিউমা এবং অ্যাডিডাসের আবিষ্কর্তা হলেন দুই সহোদর ভাই।

    *রাশিয়ার বিশ্ববিখ্যাত দাবাড়ু গ্যারি কাসপারভ ছিলেন বিশ্বের প্রথম সেই ব্যক্তি যিনি সুপার কম্পিউটারের সাথে দাবা খেলে জয়ী হয়েছিলেন।

    * বাঘেদের রাতের দৃষ্টি মানুষের তুলনায় ছয় গুণ বেশি প্রখর। তাই বাঘেরা শিকার করার জন্য রাত হবার জন্যই অপেক্ষা করে থাকে।

    *’টিটোনি’ পাখি হল এমন এক প্রজাতির পাখি যারা কখনোই গাছে বসে না ।

    *অক্টোপাসেরা ডাইনোসর দের থেকেও অধিক বর্ষীয়ান।

    *পৃথিবীর সর্ববৃহৎ পিৎজা টি ইতালির রোমে তৈরি করা হয়েছিল যার ওজন ছিল ১,২৬১.৬৫ বর্গমিটার আর এটি প্রস্তুত করেছিলেন ডোভিলিও নার্ডি ।

    *পৃথিবীর সর্বাধিক বিক্রীত ফোন টি আইফোন নয় ; নোকিয়া ১১০০ যেটি কিনা ২০০৩ সালে ২৫০ মিলিয়নের ও বেশি বিক্রয় হয়েছিল।

    * কুম্ভলগড় কেল্লাটি হল বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেওয়াল যাকে বলা হয়ে থাকে, “দ্য গ্রেট ওয়াল অফ ইন্ডিয়া”। কেল্লাটির ভেতরে ৩৬০ টি মন্দির অবস্থিত।

    * Covid 19 রোগীদের সাহায্যার্থে স্টিফেন হকিংসের পরিবার তাঁর ভেন্টিলেটরটি কেমব্রিজের একটি জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা হাসপাতালে দান করেছিলেন।

    *২৫০ কোটি টাকা বাজেটের চলচ্চিত্র ‘বাহুবলী’ ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বাধিক ব্যয়বহুল ছবি যা গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নিজের নাম রেখেছে। চলচ্চিত্রটির পোস্টার যেটি ৫০,০০০ স্কয়ার ফুট সেটি পৃথিবীতে দীর্ঘতম পোস্টারের স্বীকৃতি ও পেয়েছে ।

    *৩০০ মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে বর্তমান কালের মতো সাতটি মহাদেশ উপস্থিত ছিল না । তখন ছিল একটি ,’সুপার কন্টিনেন্ট ‘যা ছিল বিশাল আকারের এবং তার নাম ছিল “প্যানগিয়া’ আর সেটি একটি একক সমুদ্র দ্বারা বেষ্টিত ছিল যার নাম ‘প্যানথ্যালাসা’।

    * লাক্সেমবার্গ পৃথিবীর মধ্যে এমন একটি দেশ হতে চলেছে যেখানে জনসাধারণের জন্য গণপরিবহনের পরিষেবাটি বিনামূল্যে প্রাপ্ত হবে।

    *ছাত্রছাত্রীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও স্থিতির কথা চিন্তা করে সিবিএসই বোর্ড ২০২০ র নথি থেকে “fail’ কথাটি তুলে দিয়ে পরিবর্তে ‘Essential repeat’ কথাটি ব্যবহার করতে শুরু করেছে।

    * জিও হল বিশ্বের মধ্যে একমাত্র কম্পানি যা মাইক্রোসফট ,গুগল এবং ফেসবুকের পার্টনার বা অংশীদার হিসেবে কাজ করে।

    * গুগলে কর্মরত কোনো ব্যক্তি যদি মারা যান তখন তাঁর উপার্জনের অর্ধেক তাঁর স্বামী বা স্ত্রী দশ বছরের জন্য লাভ করে থাকেন এবং তাঁর সন্তানেরা প্রতি মাসে ১০০০ ডলার অর্থাৎ প্রায় ৭৫ হাজার টাকা পেয়ে থাকেন যতক্ষণ না তার ঊনিশ বছর বয়স হচ্ছে।

    *নরওয়ে হলো পৃথিবীর অন্যতম দেশ যা বিশ্বের যেকোনো জায়গা থেকে আগত ছাত্র ছাত্রীদের বিনা মূল্যে সেই দেশের বিশ্ববিদ্যালয় তে অধ্যয়ন করার সুযোগ করে দেবে।

    *হিমাচল প্রদেশের একজন দুধ বিক্রেতা, কুলদীপ কুমার তার উপার্জনের একমাত্র অবলম্বন , তার গরুটি বিক্রি করে দিয়েছিল। সেই মূল্য দিয়ে সে ছ হাজার টাকা দামের একটি স্মার্টফোন কিনেছিল তার সন্তানদের অনলাইন ক্লাসের সুবিধার্থে ।

    *ভোরবেলা যে সময়টিতে আপনি ঘুম থেকে উঠতে চান সেটি যদি আপনি আগের দিন ঘুমোতে যাওয়ার আগে দশ বার নিজের মনে পুনরাবৃত্তি করেন তাহলে কোনো অ্যালার্ম ছাড়াই আপনি সেই সময়টিতে জেগে পড়বেন । একটি মানুষের অবচেতন মন এভাবেই কাজ করে থাকে ।

    *ভূ পদার্থবিদ ,রিচার্ড গ্রসের মতে ২০১১ সালের জাপানের ভূমিকম্পের পর থেকে পৃথিবীতে প্রত্যেক দিন ১.৮ মাইক্রো সেকেন্ড হ্রাস প্রাপ্ত হয়েছে।

    *মাহাথির মোহাম্মদ যিনি বিরানব্বই বছর বয়সে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছিলেন, তিনি পৃথিবীর সর্বাধিক বর্ষীয়ান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে একটি বিশ্ব রেকর্ড স্থাপন করেছেন ।

    * বিশ্ব ইতিহাসে সর্বাধিক মূল্যের ক্রিকেট ব্যাট টি, এম এস ধোনির বলে ধার্য করা হয় । একটি নিলামে তাঁর ব্যাটটি ৭২ লক্ষ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। এই ব্যাট টি, এমএস ধোনি ২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে ব্যবহার করেছিলেন ।

    *সমগ্র পৃথিবীর ১/৬ শতাংশ জমির মালিক হলেন দ্বিতীয় কুইন এলিজাবেথ ।

    *পৃথিবীর সর্বাধিক মূল্যবান চিজ (cheese) গাধার দুধ দিয়ে তৈরি হয়ে থাকে।

    *সোনা এবং হীরার পাউডার মিশ্রণে তৈরী পৃথিবীর সর্বাধিক মূল্যবান সাবানটি দাম ২৮০০ডলার যা প্রায় ₹ ২০৭,৭৮৯ । তবে তা বিক্রয়ের জন্য এখনো স্বীকৃতি লাভ করেনি ।

    *উটপাখির পা এতটাই শক্তিশালী হতে পারে যে তার একটি পদাঘাতে সিংহ পর্যন্ত জখম হয় ,এমনকী তার মৃত্যুও হতে পারে।

    * ভারতবর্ষেই হল একমাত্র দেশ যেখানে কুকুরদের পরিবারের সদস্য হিসেবে মানা হয় থাকে।

    *ছায়াপথে যত না তারকা আছে তার থেকে বেশি স্নায়ুর সংযোগ স্থাপন করা আছে আমাদের মস্তিষ্কের ভেতরে।

    *পৃথিবীতে এমন আংটি আছে যা প্রস্তুত করা হয় ডাইনোসরের হাড়, উল্কা এবং সোনা দিয়ে । এটি হলো অতি দুর্লভ একটি উপাদান।

    *পৃথিবীর মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ দেশটি হলো দক্ষিণ সুদান ।

    *কিং চিতা হল পৃথিবীর মধ্যে দুর্লভের মধ্যেও অতি দুর্লভ একটি পশু।

    *১৭০৪ সালে স্যার আইজ্যাক নিউটন ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে পৃথিবী ২০৬০ সালে শেষ হয়ে যাবে।

    * বিরূপ প্রাকৃতিক অবস্থা থেকে বাঁচাতে পেঙ্গুইন দের ঘন রোমগুলি তাদের গরম রাখতে সাহায্য করে ।

    *চীনের রাজধানী বেইজিং শহরের বায়ু এতটাই দূষিত যে সেখানে শ্বাস গ্রহণ করলে শারীরিক যে ক্ষতি হয় তা প্রত্যহ এগারো টি সিগারেট খাওয়ার সমান ক্ষতিকারক ।

    *অ্যালেক্সা দেশটিতে এমন একটি দ্বীপ আছে যার দর্শন করলে আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় যেন তা বায়ুতে ভাসছে।

    * প্রসিদ্ধ বক্সার মেরি কম মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে নিজের দু কেজি ওজন কমাতে সক্ষম হয়েছিলেন একটি বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণ করার স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য।

    *একজন ব্যক্তি প্লাস্টিক সার্জারিতে ২০০০০০ ডলার এর ও বেশী খরচ করেছিলেন যাতে নিজেকে বাঘের মতো দেখতে লাগে ।

    *চায়নায় একটি ব্যক্তি নিজের জন্য একটি ডায়ালিসিস মেশিন তৈরি করেছিলেন; এর ফলে তিনি নিজেকে তেরো বছর বাঁচিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন ।

    *১৯৬০ সাল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী সামুদ্রিক সিংহ বা ‘সি লায়ন’ এবং ডলফিন এর সাহায্য থাকেন জলের নিচের খনিগুলি শনাক্ত করার উদ্দেশ্যে।

    *ডাইনোসররা যখন জীবিত ছিল তখন পৃথিবীতে এক বছরে ৩৭০ টি দিন থাকত।

    * ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্স, ইন্টারনেট ট্র্যাফিক বা অন্তর্জালের যানজটের পনেরো শতাংশ দায়ভার বহন করে ।

    *১৯৩২ সালের শীতের মরশুম টি এতটাই শীতল ছিল যে নায়াগ্রা ফলস ও জমে গিয়ে বরফে পরিণত হয়ে গিয়েছিল।

    * গবেষণায় দেখা গেছে যে খাদ্য গ্রহণ করার পরে চুইংগাম খেলে তা গলা বুক জ্বালা রোধ করতে সক্ষম ।

    *বিশ্ববিখ্যাত চলচ্চিত্র ,”মিশন ইম্পসিবল’ ছবিটির চিত্রায়ণের সময় জনপ্রিয় অভিনেতা টম ক্রুজ , বুর্জ খালিফার একেবারে শীর্ষে অধিষ্ঠান করেছিলেন।

    * ‘টাইটানিক’ ছবিটি বিশ্বের প্রথম ছবি যেখানে একই চরিত্রে অভিনয় করার জন্য দু জন অভিনেত্রী একই সাথে অস্কার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন।

    *একটি গবেষণায় জানা গেছে চকোলেট মিল্ক যেকোনো শক্তিবর্ধক পানীয় অপেক্ষা মানব শরীরের পক্ষে বেশী লাভদায়ক।

    *পৃথিবীর সর্বাধিক পুরোনো পরিধান মিশর দেশে পাওয়া গেছে এবং তা পাঁচ হাজার বছরের অধিক পুরোনো।

    *আপনার ডান কান , কথা বা বক্তৃতা শোনার জন্য বেশি কার্যকরী আর আপনার বাঁ কানটি সংগীত শোনার জন্য অধিক কার্যকরী।

    * A গ্রুপের রক্তধারক অপেক্ষা মশারা প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণে সেই ব্যক্তিদেরই বেশী কামড়ায় যাঁদের রক্তের গ্রুপ হলো O ।

    *পৃথিবীর দীর্ঘতম জাজ্বল্যমান আলোর বাল্ব টি ১৯০১ সালে লাগানো হয়েছিল এবং তখন থেকেই এটা জ্বলে আসছে।

    * দিল্লি এবং মুম্বই মিলিয়ে যে কটা রেস্তোরাঁ ভারতে আছে তার থেকে বেশি রেস্তোরাঁ লন্ডনে অবস্থিত আছে।

    *২০০৭ সালে ইরান চোদ্দ টি কাঠবিড়ালিকে গ্রেপ্তার করেছিল গুপ্তচরবৃত্তি করার জন্য ।

    * মানুষের চোখ যদি একটি ডিজিটাল ক্যামেরা হতো তাহলে সেখানে ৫৭৬ মেগাপিক্সেল থাকত।

    *অন্ততপক্ষে দিনের একটি সময়ে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ করার যন্ত্রটি এমন একটি কোষকে ধ্বংস করে থাকে যার উপস্থিতি মানুষের শরীরে ক্যান্সারের সংক্রমণ ঘটাতে পারতো।

    *অ্যালবার্ট আইনস্টাইন অস্ত্রোপচার করতে না চেয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে মৃত্যুকে বরণ করেছিলেন।

    *আইসক্রিমের বিজ্ঞাপনগুলোতে আমরা যে আইসক্রিম গুলি দেখে থাকি সেগুলো কিন্তু আসল আইসক্রিম নয়; সেগুলি হল আলুর মণ্ড। আইসক্রিমের পরিবর্তে আলু এই কারণেই ব্যবহার করা হয় যাতে বিজ্ঞাপন টি প্রস্তুত করার সময় সে টি না গলে যায়।

    *রাশিয়ায় শীতের মরশুম টি হয় পৃথিবীর মধ্যে বসবাসযোগ্য সব থেকে শীতলতম স্থান । এখানে জানুয়ারি মাসে কিছু কিছু গ্রামে তাপমাত্রা -৪৩ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের নিচেও চলে যায় ।

    *দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়ে যাবার ঊনত্রিশ বছর পরও একজন জাপানি সৈনিক নিজেকে লুকিয়ে রেখেছিলেন কারণ তিনি জানতেন না তত দিনে যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে।

    * যদি মানুষ একে অপরকে হত্যা করতে থাকে যেভাবে তারা পশুদের হত্যা করে এসেছে তাহলে মাত্র সতেরো দিনের মধ্যেই মানবজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাবে ।

    * পেঙ্গুইনদের ডিম সেদ্ধ করার পর তা স্বচ্ছ হয়ে যায় ।

    * উত্তর কোরিয়ার এবং ইউরোপ মহাদেশের সম্মিলিত জনসংখ্যা ভারতের বর্তমান জনসংখ্যা থেকে কম ।

    *অত্যাধিক শুয়ে থাকলে এবং বসে থাকলে মানুষের অকাল মৃত্যুর সম্ভাবনা বেড়ে যায় ।

    *জলের মধ্যে থাকা আঙুলগুলির মধ্যে বেশির ভাগ সময় বলিরেখা পড়ে যায় যার কারণ বলিরেখা যুক্ত আঙুল জলের নিচে যে কোনো পিচ্ছিল পদার্থকে শক্তভাবে ধরে রাখতে সক্ষম।

    *স্বামী বিবেকানন্দের অমূল্য বাণীর ৪৭৩ শব্দগুলি আজও শিকাগো আর্ট ইনস্টিটিউটের নিচের তলার সিঁড়িতে খোদাই করা আচে এবং তা জাজ্বল্যমান অবস্থায় দৃশ্যমান।

    *একটি অক্টোপাসের চোখের তারা আয়তক্ষেত্রকারের হয়ে থাকে।

    • মালয়েশিয়াতে এমন একটি অভিনব রেস্তোরাঁ আছে যেখানে আপনার শরীর কতটা শীর্ণ তা বিচার করে খাবারের ওপর ছাড় দেওয়া হয়ে থাকে।
    • নেপালের চিকিৎসক ডাক্তার সান্দাক রুইত, এক লাখ গরীব মানুষদের চোখের দৃষ্টি ফিরিয়ে দিয়েছেন এবং তাও বিনা মূল্যে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এই মহান ডাক্তারের নাম কেউ ই জানে না ।
    • যদি পৃথিবী কেবলমাত্র পাঁচ সেকেন্ডের জন্যও অক্সিজেন হারিয়ে ফেলে তাহলে প্রত্যেকটি কংক্রিটের দ্বারা নির্মিত ভবন ধুলোয় পরিণত হবে ।
    • বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের চক্ষুদ্বয় খুব যত্ন সহকারে নিউ ইয়র্ক শহরে সংরক্ষিত করা আছে ।
    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
1 … 6 7 8 9 10 … 27

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • ঝুমুর হাসান
    ঝুমুর হাসান একটি উত্তর দিয়েছেন কাকরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janta Party) কাকরোচ জনতা পার্টি (CJP)… জুলাই 22, 2026, সময়ঃ 12:58 অপরাহ্ন
  • Fist Name
    Fist Name একটি উত্তর দিয়েছেন https://jojoji.com এই লিংক থেকে পোস্ট বা প্রশ্ন উত্তর করে সহজেই… জুলাই 13, 2026, সময়ঃ 1:50 পূর্বাহ্ন
  • mar7w7
    mar7w7 একটি উত্তর দিয়েছেন great post! জুন 15, 2026, সময়ঃ 2:56 পূর্বাহ্ন
  • M Sarah
    M Sarah একটি উত্তর দিয়েছেন তাফসীরুল কুরআনিল আযীম বা তাফসীরে ইবনে কাসীর ইসলামী বিশ্বের অন্যতম… জুন 10, 2026, সময়ঃ 9:18 পূর্বাহ্ন
  • rakib
    rakib একটি উত্তর দিয়েছেন ২০২৬ সালে বাংলাদেশে বিয়ের গহনার দাম নির্ভর করে সোনার ক্যারেট,… মে 3, 2026, সময়ঃ 10:32 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 108 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 119 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,144 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 159 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 81 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

SA Samim

SA Samim

  • 13 প্রশ্ন
  • 3 পয়েন্ট
এডিটর
Fist Name

Fist Name

  • 0 প্রশ্ন
  • 2 পয়েন্ট
নতুন
Alice Moto

Alice Moto

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
Better display

Better display

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
Syed Lingkon

Syed Lingkon

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন