সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
বয়স ৫০ পেরোলে কি কি শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়?
বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে নানা রোগ। বয়স ৫০ বছর পেরোলেই দেখা দিতে পারে নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যা। এগুলোর মধ্যে রয়েছে: হৃদরোগ: প্রতি বছর ৭ লাখ ৩৫ হাজার মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হন। বয়স ৫০ বছর পেরোনো একজন ব্যক্তির হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৫০ শতাংশ। হৃদরোগের সাধারণবিস্তারিত পড়ুন
বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে নানা রোগ। বয়স ৫০ বছর পেরোলেই দেখা দিতে পারে নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যা। এগুলোর মধ্যে রয়েছে:
হৃদরোগ: প্রতি বছর ৭ লাখ ৩৫ হাজার মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হন। বয়স ৫০ বছর পেরোনো একজন ব্যক্তির হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৫০ শতাংশ। হৃদরোগের সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট এবং পিঠে, কাঁধে বা ঘাড়ে ব্যথা, ঘাম, মাথা ঘোরা বা বমি ভাব।
স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা, ধূমপান না করা এবং নিয়মিত ব্যায়াম করলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমতে পারে।
স্ট্রোক: স্ট্রোক হলে মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে মস্তিষ্কের কোষগুলো মারা যায়। যদি দুর্বলতা, অসাড়তা বা কথা বলতে সমস্যা অনুভব করেন, তাহলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্যকর খাওয়া, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, ব্যায়াম ও ধূমপান ত্যাগ করে স্ট্রোক প্রতিরোধ করা সম্ভব।
অ্যানিউরিজম: হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা সম্ভব হলে তা অ্যানিউরিজম হওয়ার সম্ভাবনাও কমিয়ে দিতে পারে। রক্তনালীর নির্দিষ্ট কোনো জায়গার অস্বাভাবিকতা বা দুর্বলতার জন্য নালির বাইরের দিকে বুদবুদ বা বেলুনের মতো ফুলে ওঠাকে অ্যানিউরিজম বলে। এর কারণে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ বা স্ট্রোকও হতে পারে। এই রোগের উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যথা, বমি ভাব, মাথা ঘোরা, ত্বকে আড়ষ্টতা এবং দ্রুত হৃৎস্পন্দন।
অ্যাকিউট প্যানক্রিয়াটাইটিস: প্যানক্রিয়াটাইটিস বা অগ্ন্যাশয় প্রদাহ থেকে মারাত্মক পেটে ব্যথা, বমি ভাব, বমি, জ্বর হতে পারে। এমনকি এর কারণে মৃত্যুও হতে পারে। পিত্তথলিতে পাথর, অতিরিক্ত মদ্যপান, উচ্চ ক্যালসিয়ামের মাত্রা বা উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইডস এর কারণ হতে পারে। এই রোগের লক্ষণ থাকলে অতি দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
হাড় ক্ষয়: বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে হাড় ক্ষয় হতে পারে এবং ভেঙে যেতে পারে, বিশেষ করে নারীদের। ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও ওষুধের মাধ্যমে নতুন করে হাড় ক্ষয় কমানো যেতে পারে বা প্রতিরোধ করা যেতে পারে।
রেটিনার সমস্যা: যদি রেটিনা চোখের বাইরের প্রাচীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তাহলে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পাবে না এবং দৃষ্টিশক্তি কমে যেতে পারে। যদি ভাসমান কিছু দেখা যায় বা আলোর ঝলকানি অনুভব করেন, তাহলে দেরি না করে চিকিত্সার পরামর্শ নিন।
কিডনিতে পাথর: কিডনির পাথর হচ্ছে একটি শক্ত ক্যালসিয়ামের গুটি, যা প্রচণ্ড ব্যথা তৈরি করে, সংক্রমণ করতে পারে, প্রস্রাবে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। প্রচুর পানি পান করার মাধ্যমে কিডনির পাথর প্রতিরোধ করা যেতে পারে। সাধারণত নারীদের তুলনায় পুরুষদের এই রোগ বেশি হয়।
নিউমোনিয়া: ব্যাকটেরিয়াজনিত নিউমোনিয়া ৫০ ঊর্ধ্বদের বেশি হয়। একে নিউমোকোকাল নিউমোনিয়া বলা হয়। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়। এতে রোগ আক্রান্ত হওয়ার সুযোগ বেশি পায়। এর জন্য সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের একটি টিকা নেওয়ার পরামর্শ দেয়।
স্পাইনাল স্টেনোসিস: স্পাইনাল স্টেনোসিস ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে, কিন্তু হঠাৎ করেই সেটা বুঝতে পারবেন। আর্থ্রাইটিস মেরুদণ্ডের স্পাইনাল কর্ড ও স্নায়ুপথকে সংকুচিত করে দেয়। এর ফলে পিঠে বা ঘাড়ে ব্যথা, অসাড়তা বা খিঁচুনি হতে পারে। ওষুধ, ম্যানুয়াল থেরাপি বা সার্জারির সাহায্যে এই সমস্যার সমাধান পাওয়া যেতে পারে।
বাত: বাতের সমস্যা থাকলে হঠাৎ ব্যথা অনুভব হয় এবং শরীরের বিভিন্ন জয়েন্ট, বিশেষত বুড়ো আঙুল ফুলে যায়। ইউরিক অ্যাসিড জমে এই সমস্যাটি তৈরি হয়। রেড মিট ও শেলফিশ বেশি খেলে, অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান করলে, উচ্চ রক্তচাপের নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ খেলে এই রোগের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। ফ্রুক্টোজ, সোডা সুইটনার ও চর্বির কারণেও এই রোগ তৈরি হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
পালমোনারি এমবোলিজম: ফুসফুসের রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধলে সেটাকে পালমোনারি এমবোলিজম বলা হয়। ৫০ বছর বয়সের পরে এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যদি বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা মাথা ঘোরার মতো সমস্যা অনুভব করেন, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সেইসঙ্গে এই রোগের উপসর্গের মধ্যে রয়েছে কাশির সঙ্গে রক্ত আসা, পায়ে ব্যথা ও চামড়া নীলাভ হয়ে যাওয়া।
হৃদরোগ থাকলে, সাম্প্রতিক সময়ে অস্ত্রোপচার হয়ে থাকলে বা দীর্ঘ সময় উড়োজাহাজ বা গাড়ির মতো ছোট জায়গায় বদ্ধ থাকলে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
সংক্ষেপে দেখুন‘ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর’ জেনেও অনেকে খুব একটা পাত্তা দেন না কেনো?
‘ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর’ জেনেও অনেকে খুব একটা পাত্তা দেন না৷ ব্রিটেন একটা জরিপ চালিয়ে দেখেছে, সিগারেটের প্যাকেটে ধূমপানবিরোধী সতর্কতা-বার্তা লিখে খুব বেশি কাজ হয় না৷ বেশির ভাগ ধূমপায়ীই কিন্তু এগুলো পড়েই না৷ ব্রিটেনে প্রতিটি সিগারেটের প্যাকেটের সামনে-পেছনে, এমনকি ভেতরেও ধূমপানে নিরুৎসাহিত কবিস্তারিত পড়ুন
‘ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর’ জেনেও অনেকে খুব একটা পাত্তা দেন না৷ ব্রিটেন একটা জরিপ চালিয়ে দেখেছে, সিগারেটের প্যাকেটে ধূমপানবিরোধী সতর্কতা-বার্তা লিখে খুব বেশি কাজ হয় না৷ বেশির ভাগ ধূমপায়ীই কিন্তু এগুলো পড়েই না৷ ব্রিটেনে প্রতিটি সিগারেটের প্যাকেটের সামনে-পেছনে, এমনকি ভেতরেও ধূমপানে নিরুৎসাহিত করার মতো তথ্য, সতর্কতা-বার্তা এবং ধূমপান কত ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে – তা বোঝানোর জন্য ছবি থাকে৷ সামনে লেখা থাকে ‘ধূমপান মৃত্যু ডেকে আনে’ বা ‘ধূমপান আপনার এবং আপনার আশেপাশের সবার ভয়ংকর ক্ষতি করে’ জাতীয় কিছু সতর্কতামূলক বার্তা৷ প্যাকেটের পেছনে লেখা থাকে ধূমপানের ক্ষতি বিষয়ক সুনির্দিষ্ট কিছু তথ্য৷ প্যাকেটের পেছনের কাগজের ভেতরের দিকে থাকে ধূমপানের কারণে পচে যাওয়া দাঁতের মাড়ি, ক্যানসারে আক্রান্ত ফুসফুস এবং ঘাড়ের ছবি৷ সব লেখা এবং ছবিরই উদ্দেশ্য কিন্তু মানুষকে ধূমপান থেকে বিরত রাখা৷ অথচ ব্রিটেনের ‘টোব্যাকো কন্ট্রোল’ জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশেষ করে টিন-এজারদের মধ্যে এ ধরণের প্রয়াস যেভাবে যতটা প্রভাব বিস্তার করবে বলে আশা করা হচ্ছিল, ততটা ঠিক হচ্ছে না৷ তাদের কাছে যেটুকু মনযোগ প্যাকেটের সামনের দিক পায়, পেছনের দিক পায় তার চেয়ে কম আর ভেতরের ছবিগুলো কেউ বলতে গেলে দেখেই না!
২০০৮ এবং ২০১১ – এই দু’বছরে দুবার চালানো হয়েছিল জরিপটি৷ ১১ থেকে ১৬ বছর বয়সি এক হাজারেরও বেশি কিশোর-কিশোরীর মধ্যে চালানো এই জরিপ থেকে বেরিয়ে এসেছে আজব কিছু তথ্য৷ ২০০৮ সালের ওই জরিপের সময় সিগারেটের প্যাকেটের সামনে আর পেছনের লেখাগুলোই শুধু ছিল৷ ২০১১ সালে প্যাকেটের ভেতরেও ছবি দেয়া শুরু হয়৷ দেখা গেছে, জরিপে অংশ নেয়া দুই তৃতীয়াংশ থেকে তিন চতুর্থাংশ কিশোর-কিশোরী কখনো ধূমপান করেনি৷ ১৭ থেকে ২২ ভাগ কিশোর-কিশোরী শুধু অভিজ্ঞতা নেয়ার জন্য দু-একবার ধূমপান করেছে৷ আর শতকরা দশজন নাকি সপ্তাহে অন্তত একবার ধূমপান করে৷
তবে সতর্কতামূলক বার্তা এবং ছবির দিকে তাদের মনযোগের বাহার দেখে জরিপ পরিচালনাকারীরা অবাক৷ ২০০৮ সালে শতকরা ৫৮ জন ‘ধূমপান মৃত্যু ডেকে আনে’ সতর্কতা-বার্তাটি মনে করে বলতে পেরেছিল৷ ‘ধূমপান আপনার এবং আপনার আশেপাশের সবার ভয়ংকর ক্ষতি করে’ মনে ছিল শতকরা ৪১ জনের৷ ২০১১ সালে ওই কিশোর-কিশোরীদের অনেকের মন থেকে সেইটুকুও মুছে যায়৷ ‘ধূমপান মৃত্যু ডেকে আনে’ কথাটি তখন মনে ছিল শতকরা ৪৭ জনের, আর ‘ধূমপান আপনার এবং আপনার আশেপাশের সবার ভয়ংকর ক্ষতি করে’ মনে ছিল শতকরা মাত্র ২৫ জনের৷
স্বাভাবিকভাবেই, সিগারেটের প্যাকেটের পেছনের দিকে নজর তাদের গেছে কম৷ ভেতরের ছবিগুলো দেখেছে মাত্র শতকরা ১০ জন৷ নিয়মিত ধূমপায়ীদের অবস্থা আরো ভয়াবহ৷ তাদের কেউ কেউ তো এই সতর্কতামূলক বার্তা পড়েই না, ভেতরের ছবিগুলো ঢেকে রাখার ব্যবস্থা করে বাড়তি খরচ করে৷ এক ধরণের প্যাকেট কিনতে পাওয়া যায়, সেগুলোর সহায়তা নিয়ে মৃত্যুর কথা মনে করিয়ে দেয়া ছবিগুলো তারা যে দেখেই না!
সংক্ষেপে দেখুনদারুচিনি এবং আদা এর উপকারিতা কি কি?
দারুচিনি এবং আদা এর উপকারিতা দারুচিনি দারুচিনি মানুষের মধ্যে জনপ্রিয় এবং একটি গরম ভেষজ পানীয় যা শরীরের স্বাস্থ্যের সুবিধার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আদা একটি পুষ্টি উপাদান যেমন খাদ্যতালিকাগত ফাইবার, প্রোটিন, চর্বি, ভাসমান তেল, জেল, স্টিচ, শর্করার, ভিটামিন সি এবং এ, ফসফরাস এবং পটাসিয়াম ইত্যাদি। কোলেস্টেরবিস্তারিত পড়ুন
দারুচিনি এবং আদা এর উপকারিতা
দারুচিনি দারুচিনি মানুষের মধ্যে জনপ্রিয় এবং একটি গরম ভেষজ পানীয় যা শরীরের স্বাস্থ্যের সুবিধার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আদা একটি পুষ্টি উপাদান যেমন খাদ্যতালিকাগত ফাইবার, প্রোটিন, চর্বি, ভাসমান তেল, জেল, স্টিচ, শর্করার, ভিটামিন সি এবং এ, ফসফরাস এবং পটাসিয়াম ইত্যাদি। কোলেস্টেরল সম্পূর্ণভাবে ফ্রি হলে সিলিনের মধ্যে রয়েছে স্যাচুরেটেড ফ্যাট, ক্যালোরি, ফাইবার, প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেটের অনুরূপ উপাদান। দারুচিনি দিয়ে আদা মিশিয়ে যখন শরীরের ডাবল সুবিধা লাগে এবং এটি অনেক রোগ থেকে রক্ষা করে।
পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছেন যে দারুচিনি দিয়ে আদা মিশিয়ে কোনও ক্ষতি নেই এবং কিছু স্বাস্থ্যের সমস্যাও নেই যা সাধারণদের মধ্যে সাধারণ। বিপরীতভাবে, দুটি পানীয় একসঙ্গে এক পানীয় একসঙ্গে বিভিন্ন সুবিধা দেয়।
দারুচিনি সঙ্গে জিনজার ব্রেড এর উপকারিতা
অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ সমস্যায় ভুগছেন ?
তরুনদের জন্য অন্যতম এক সমস্যার নাম স্বপ্নদোষ, যদিও বয়সগত এবং স্বাস্থ্যগত বিবেচনায় স্বপ্নদোষ আসলে দোষের কিছু নয়, কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত স্বপ্নদোষকে দোষ হিসাবে অভিহিত করাও ভুল কিছু নয় । স্বপ্নদোষ হলো একজন পুরুষ মানুষের ঘুমের মধ্যে বীর্যপাতের এক প্রকার অভিজ্ঞতা । গবেষনায় দেখা গেছে কিশোর বয়সে শারীরবৃত্বিস্তারিত পড়ুন
তরুনদের জন্য অন্যতম এক সমস্যার নাম স্বপ্নদোষ, যদিও বয়সগত এবং স্বাস্থ্যগত বিবেচনায় স্বপ্নদোষ আসলে দোষের কিছু নয়, কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত স্বপ্নদোষকে দোষ হিসাবে অভিহিত করাও ভুল কিছু নয় ।
স্বপ্নদোষ হলো একজন পুরুষ মানুষের ঘুমের মধ্যে বীর্যপাতের এক প্রকার অভিজ্ঞতা । গবেষনায় দেখা গেছে কিশোর বয়সে শারীরবৃত্তীয় হরমোনজনিত পরিবর্তনের কারনে স্বপ্নদোষের সমস্যাটি বেশি পরিলক্ষিত হয়ে থাকে । প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার প্রাথমিক বছরগুলোতে স্বপ্নদোষ খুব সাধারণ একটা ব্যাপার ।স্বপ্নদোষের হওয়ার সাথে যৌন উত্তেজক কোনো স্বপ্নের সম্পর্ক থাকতে পারে অথবা নাও থাকতে পারে । আবার অনেক সময় পুরুষদের লিঙ্গ উত্থান ছাড়াই স্বপ্নদোষ ঘটে যেতে পারে । যদিও স্বপ্নদোষ হওয়াটা স্বাভাবিক ঘটনা কিন্তু এটি যখন অতিরিক্ত পরিমানে হতে থাকে তখন কিন্তু রোগেরই পূর্বাবাস দেয় । আর সেই সময় স্বপ্নদোষের কারনে পুরুষের নানা প্রকার শারীরিক এবং মানসিক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে । অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের ফলে কিছু শারীরিক, মানসিক এবং হরমোনজনিত সমস্যা সৃষ্টি হয়ে থাকে, যা পুরুষের স্থায়ী পুরুষত্বহীনতা এবং লিঙ্গত্থানহীনতার মত মারাত্মক জটিল রোগের সৃষ্টি করতে পারে । যেমন :-
* শারীরিক দুর্বলতা বৃদ্ধি
* মেহ-প্রমেহ-ধাতু ক্ষয় সমস্যা সৃষ্টি
* লিঙ্গত্থান সমস্যা
* বীর্যের পরিমান হ্রাস
* শুক্রানুর পরিমান কমে যাওয়া
* হাটু, মাজা এবং শরীরের অন্যান্য জোড়ার ব্যাথা
* অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব অনুভুতি
সাধারন সমাধান :
রাতে অতিরিক্ত ভোজন বা গুরুপাক খাবার ভোজন অথবা তীব্র কোষ্ঠকাঠিন্যের বা অতিরিক্ত উষ্ণ জাতীয় খাবার গ্রহনের কারণে অনেকেরই অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হতে পারে, এটা কোনো রোগের পর্যায়ে পড়ে না । রাতে শোবার ২/৩ ঘন্টা আগে হালকা খাবার গ্রহণ এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে সেটা প্রতিরোধ করলেই ঐ সময়কার অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ ঠিক হয়ে যাবে । এর জন্য কোনো প্রকার চিকিৎসার প্রয়োজন নেই।
সংক্ষেপে দেখুনবাংলাদেশে এলো ‘বোট’ । ‘বোট’ কি?
দেশের বাজারে যাত্রা শুরু করলো ভারতের সবচেয়ে বৃহত্তম ডিজিটাল লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘বোট’ । বাংলাদেশে ডিস্ট্রিবিউশন পার্টনার হিসেবে ডিএক্স গ্রুপের সাথে চুক্তি সাক্ষর করে বোট। বোট’র পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে, টিডাব্লিউএস, স্মার্টওয়াচ, নেকব্যান্ড, হেডফোন, স্পিকার, চার্জার-সহ আরও অনেক কিছু। এ বিষয়ে বোট’র সহ-পবিস্তারিত পড়ুন
দেশের বাজারে যাত্রা শুরু করলো ভারতের সবচেয়ে বৃহত্তম ডিজিটাল লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘বোট’ । বাংলাদেশে ডিস্ট্রিবিউশন পার্টনার হিসেবে ডিএক্স গ্রুপের সাথে চুক্তি সাক্ষর করে বোট। বোট’র পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে, টিডাব্লিউএস, স্মার্টওয়াচ, নেকব্যান্ড, হেডফোন, স্পিকার, চার্জার-সহ আরও অনেক কিছু। এ বিষয়ে বোট’র সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং চিফ মার্কেটিং অফিসার আমান গুপ্তা বলেন, ডিএক্স গ্রুপের সাথে বোট’র ডিস্ট্রিবিউশন পার্টনারশিপ বাংলাদেশের প্রযুক্তি প্রেমী ভোক্তাদের ডিজিটাল লাইফস্টাইল পণ্য নির্ভর চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালণ করবে। এছাড়াও বোট’র বিশ্বমানের লাইফস্টাইল পণ্য সাশ্রয়ী মূল্যে ভোক্তা পর্যায়ে সুনিশ্চিত করে দেশের প্রযুক্তি নির্ভর বাজার ত্বরান্বিত করবে। এরই ধারাবাহিকতায় বোট’র পণ্য ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছাতে প্রয়োজনীয় সকল ধরনের সহায়তা আমরা ডিএক্স গ্রুপকে প্রদান করবো। ডিএক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী দেওয়ান কানন বলেন, প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য ডিএক্স গ্রুপের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে। তারই ধারাবাহিকতায় ডিএক্স গ্রুপ সব সময় ভোক্তাদের বিশ্বমানের ডিজিটাল লাইফস্টাইল পণ্যের চাহিদা মেটাতে বদ্ধ পরিকর। সম্প্রতি ‘বোট’ এর সঙ্গে আমাদের পার্টনারশিপ এরই একটি প্রতিচ্ছবি।
উল্লেখ্য, ‘বোট’ এর মূল প্রতিষ্ঠান ইমেজিন মার্কেটিং লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৩ সালে। প্রতিষ্ঠানটির যৌথ প্রতিষ্ঠাতা আমান গুপ্তা এবং সামির মেহতা উভয়েরই রয়েছে লাইফস্টাইল বিভিন্ন পণ্যের উপর বিস্তর অভিজ্ঞতা। পণ্য সরবরাহের দিক দিয়ে বর্তমানে বোট ভারতে একটি নেতৃস্থানীয় অডিও এবং ওয়্যারেবল পণ্যের প্রতিষ্ঠান। তারই ধারাবাহিকতায় ইমাজিন মার্কেটিং কোয়ালকম এবং ডলবির মতো গ্লোবাল ব্র্যান্ডের সাথে অফিশিয়াল পার্টনার হিসেবে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটির বর্তমানে দিল্লি, মুম্বাই এবং বেঙ্গালুরুতে তাদের অফিস রয়েছে। অপরদিকে ডিএক্স গ্রুপ প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১১ সালে। প্রতিষ্ঠানটির ইকোসিস্টেমে রয়েছে মোট ১২টি ব্যবসা। এগুলো মূলত ডিস্ট্রিবিউশন, রিটেইল এবং সার্ভিস ডোমেইন কেন্দ্রিক। প্রতিষ্ঠানটি তার সফলতায় অবিচল প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার ফলে বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় স্মার্টফোন ও ডিজিটাল লাইফস্টাইল পণ্য ডিস্ট্রিবিউটর। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের সব চেয়ে বড় স্মার্টফোন রিটেইল চেইন এবং দেশের এক নম্বর আফটার-সেলস সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সফলতার সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছে।
সংক্ষেপে দেখুনগুগলে যুক্ত হচ্ছে চ্যাটবট এআই। চ্যাটবট এআই কি?
জায়ান্ট সার্স ইঞ্জিন গুগলে যুক্ত হচ্ছে বিতর্কিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাটবট বিষয়ক (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই) ফিচার। ইন্টারনেট দুনিয়া দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই কাজ করতে যাচ্ছে গুগল। এ কথা বলেছে অ্যালফাবেট অ্যান্ড গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুন্দর পিচাই। ওয়াল স্ট্রিট জবিস্তারিত পড়ুন
জায়ান্ট সার্স ইঞ্জিন গুগলে যুক্ত হচ্ছে বিতর্কিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাটবট বিষয়ক (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই) ফিচার। ইন্টারনেট দুনিয়া দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই কাজ করতে যাচ্ছে গুগল। এ কথা বলেছে অ্যালফাবেট অ্যান্ড গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুন্দর পিচাই। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, অনলাইনে সার্চ করার সময় ব্যবহারকারীদেরকে অধিক শক্তি এবং ফ্লেক্সিবিলিটি দেবে এআই। তিনি বলেন, জনগণ কি গুগলকে প্রশ্ন করতে সক্ষম হবেন এবং লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল ভিত্তিক তথ্যের জন্য অনুসন্ধান করতে সক্ষম হবেন? জবাবে তিনিই বলেন, অবশ্যই। লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেলের (এলএলএম) প্রবক্তা গুগল। এলএলএম মডেল বিপুল পরিমাণ ডাটা থেকে স্বাভাবিক ভাষার টেক্সট তৈরি করতে পারে। চ্যাটজিপিটি সার্ভিসের মূলে রয়েছে এই প্রযুক্তি। উল্লেখ্য, চ্যাটজিপিটি প্রযুক্তি গত বছর শরতে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করেছে ওপেনএআই। ওদিকে মাইক্রোসফট সম্প্রতি তার আপডেটেড সংস্করণ বিং সার্স ইঞ্জিন চালু করেছে। বর্তমানে তা পরিচালিত হচ্ছে চ্যাটজিপিটি দিয়ে।
সংক্ষেপে দেখুনহাতে লেখা প্রেসক্রিপশন পড়তে সাহায্য করবে গুগল !!!!!!
গুগল আজ ভারতে একটি ইভেন্টের আয়োজন করেছে এবং বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্য ঘোষণা করেছে যা ভারতীয়দের জন্য উপলব্ধ করা হবে। Google Pay ব্যবহারকারীদের জন্য আরও ভাল নিরাপত্তাসহ অনেক কিছু অন্তর্ভুক্ত করেছে। সেইসঙ্গে গুগল জানিয়েছে ডাক্তারদের কাছ থেকে খারাপভাবে হাতে লেখা প্রেসক্রিপশন পড়তে তারা সাহায্য করবে । সার্বিস্তারিত পড়ুন
গুগল আজ ভারতে একটি ইভেন্টের আয়োজন করেছে এবং বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্য ঘোষণা করেছে যা ভারতীয়দের জন্য উপলব্ধ করা হবে। Google Pay ব্যবহারকারীদের জন্য আরও ভাল নিরাপত্তাসহ অনেক কিছু অন্তর্ভুক্ত করেছে। সেইসঙ্গে গুগল জানিয়েছে ডাক্তারদের কাছ থেকে খারাপভাবে হাতে লেখা প্রেসক্রিপশন পড়তে তারা সাহায্য করবে । সার্চ জায়ান্ট জোর দিয়ে বলেছে যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং মেশিন লার্নিং (ML) লোকেদের হাতে লেখা প্রেসক্রিপশনের ওষুধগুলি সনাক্ত করতে এবং হাইলাইট করতে সহায়তা করবে। গুগল লেন্সের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের কাছে নতুন বৈশিষ্ট্যটি অ্যাক্সেসযোগ্য হবে। লোকেদের কেবল প্রেসক্রিপশনের একটি ছবিতে ক্লিক করতে হবে এবং তারপরে এটি ফটো লাইব্রেরিতে আপলোড করতে হবে। একবার হয়ে গেলে অ্যাপটি প্রেসক্রিপশনের চিত্র সনাক্ত করবে এবং কাগজে উল্লিখিত ওষুধের বিবরণ প্রকাশ করবে। গুগল বলেছে- ”এটি ফার্মাসিস্টের মতো মানুষের মধ্যে লুপ বাড়ানোর মাধ্যমে হাতে লেখা মেডিকেল নথিগুলিকে ডিজিটাইজ করার জন্য একটি সহায়ক প্রযুক্তি হিসাবে কাজ করবে, তবে এই প্রযুক্তির দ্বারা প্রদত্ত আউটপুটের উপর ভিত্তি করে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। ”কোম্পানিটি কখন এই বৈশিষ্ট্যটি সবার কাছে প্রকাশ করার পরিকল্পনা করছে তার বিশদ বিবরণ এখনও প্রকাশ করেনি। গুগল বলছে যে এটি ব্যবহারকারীদের প্রেসক্রিপশন সম্পর্কে আরও ভাল বোঝার প্রস্তাব দেয়ার জন্য ফার্মাসিস্টদের সাথে আলোচনা করছে। আগামী সপ্তাহগুলিতে বিষয়গুলি আরও স্পষ্ট হয়ে যাবে ।
পাসওয়ার্ডের বিকল্প কিছু আছে কি?
পাসওয়ার্ডের বিকল্প এবার ‘পাসকিস’ চালু করলো গুগল পাসওয়ার্ড বা পিনকোড। একান্তই ব্যক্তিগত। ব্যবহারকারী ব্যতীত কেউ জানে না। কিন্তু তাতেও রক্ষা মেলে না। পাসওয়ার্ড ব্রেক করে হামলা চালায় হ্যাকাররা। অনেকেই ভাবেন পাসওয়ার্ডই তো। কেউ যেহেতু জানে না তাই ইচ্ছেমতো সংখ্যা বা নিজের নামের অক্ষর দিয়ে থাকেন। যদিও এ বিবিস্তারিত পড়ুন
পাসওয়ার্ডের বিকল্প এবার ‘পাসকিস’ চালু করলো গুগল
এসব ঝামেলা দূর করতে অনেকদিন যাবত অ্যাকাউন্টে লগ-ইনে পাসওয়ার্ডের বিকল্প আনার চেষ্টা করছিল প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো। অবশেষে বিকল্প হিসেবে ‘পাসকিস’ চালু করলো গুগল। গত বুধবার এই পাসকিস সুবিধা চালু করে প্রতিষ্ঠানটি।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, গেল বছর পাসওয়ার্ডের আরও সহজ ও নিরাপদ বিকল্প হিসেবে ‘পাসকিস’ তৈরির কাজ শুরুর কথা ঘোষণা দেয় গুগল। ওয়ার্ল্ড পাসওয়ার্ড’ দিবস ঘিরে গুগল অ্যাকাউন্টের সব শীর্ষ প্ল্যাটফর্মে ‘পাসকিস’ চালু করেছে গুগল। অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করতে পাসওয়ার্ড, টু-স্টেপ ভেরিফিকেশনের ছাড়াও বিকল্প হিসেবে ‘পাসকিস’ ব্যবহৃত হবে। এতে অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করার জন্য কোনো পাসওয়ার্ডই প্রয়োজন হবে না আর। ব্যবহারকারীদের পাসওয়ার্ড ব্যবহারের পরিবর্তে ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস স্ক্যান বা স্ক্রিনলক পিনের মাধ্যমে ডিভাইস খোলার মতোই পাসকিস দিয়ে অ্যাকাউন্টগুলোতে লগ-ইন করা যাবে। ফিশিংয়ের মতো সাইবার আক্রমণে অ্যাকাউন্টও হ্যাক হবে না এই পাসকিস নিরাপদ হওয়ায়।
ফেসবুক মেসেঞ্জারে সন্তান কী করছে সবই দেখতে পাবেন বাবা-মা
এখন থেকে সন্তান ফেসবুক মেসেঞ্জারে কী করছে, কার সঙ্গে কথা বলছে সবই জানতে পারবেন বাবা-মা। এমন নতুন একটি ‘পেরেন্টাল ফিচার’ চালু করতে যাচ্ছে ফেসবুক-মেটা। ইনস্টাগ্রামে সন্তানের সব তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন বাবা-মা। কারা অনুসরণ করছে তাদের সন্তানকে, সেখানে পরিচিত কে কে আছে সেটাও জানা যাবে। অপরিচিত কারও সঙ্বিস্তারিত পড়ুন
এখন থেকে সন্তান ফেসবুক মেসেঞ্জারে কী করছে, কার সঙ্গে কথা বলছে সবই জানতে পারবেন বাবা-মা। এমন নতুন একটি ‘পেরেন্টাল ফিচার’ চালু করতে যাচ্ছে ফেসবুক-মেটা।
ইনস্টাগ্রামে সন্তানের সব তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন বাবা-মা। কারা অনুসরণ করছে তাদের সন্তানকে, সেখানে পরিচিত কে কে আছে সেটাও জানা যাবে। অপরিচিত কারও সঙ্গে সন্তান কী কথা বলছে সে বিষয়েও পাওয়া যাবে বিস্তারিত তথ্য।
টেকক্রাঞ্চের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেটা জানিয়েছে, ফেসবুক ইনস্টাগ্রামের রিল-এর মতো শর্ট ভিডিওগুলোতে সন্তানেরা কী কী বিষয় দেখবে তা-ও নির্ধারণ করে দিতে পারবেন তাদের বাবা-মা। এর আওতায়, কারও সন্তান যদি গভীর রাতে মেটার অ্যাপগুলোতে প্রবেশ করে তবে তার বাবা-মাকে নোটিফিকেশনের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে। এসব অ্যাপে সন্তান কার কার সঙ্গে যোগাযোগ করছে যেমন জানা যাবে তেমনই সন্তানের ব্যবহৃত অ্যাপের সেটিংসেও প্রবেশ করতে পারবেন বাবা-মা। শুধু তাই নয়, সন্তান তার লিস্টের বা বাইরের কারো আইডি রিপোর্ট করলেও জানা যাবে।
এছাড়া ইন্সটাগ্রামে যেমন প্রতি ২০ মিনিট পর পর ব্যবহারকারীকে জানিয়ে দেয়া হয় বিরতি নেয়ার কথা তেমন ফেসবুক ও অন্যান্য অ্যাপগুলোতেও জানানো হবে।
মেটার এই ফিচারগুলো ইতিমধ্যেই যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় চালু হয়ে গেছে। পর্যায়ক্রমে অন্য দেশেও এই ফিচার চালু হবে বলে জানিয়েছে মেটা কর্তৃপক্ষ।
সংক্ষেপে দেখুনএখন থেকে টুইটারে অ্যাকাউন্ট খুললেই দিতে হবে টাকা ?????
X পূর্বে টুইটার নামে পরিচিত প্ল্যাটফর্মটি নিউজিল্যান্ড এবং ফিলিপাইনে নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন নিয়ম চালু করেছে। এবার অ্যাকাউন্টে কিছু পোস্ট করার আগেই দিতে হবে ১ ডলার। ফরচুনের রিপোর্ট অনুযায়ী টুইট করা, রিপ্লাই করা, রিটুইট করা এবং লাইক করাসহ মূল ফাংশনগুলিতে অ্যাক্সেসের জন্য বছরে এই নির্দিষ্ট টাকাবিস্তারিত পড়ুন
X পূর্বে টুইটার নামে পরিচিত প্ল্যাটফর্মটি নিউজিল্যান্ড এবং ফিলিপাইনে নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন নিয়ম চালু করেছে। এবার অ্যাকাউন্টে কিছু পোস্ট করার আগেই দিতে হবে ১ ডলার। ফরচুনের রিপোর্ট অনুযায়ী টুইট করা, রিপ্লাই করা, রিটুইট করা এবং লাইক করাসহ মূল ফাংশনগুলিতে অ্যাক্সেসের জন্য বছরে এই নির্দিষ্ট টাকা দিতে হবে। এই নতুন প্রোগ্রামের নাম দেওয়া হয়েছে ‘Not a Bot’। X কর্তৃপক্ষ একটি পোস্টে জানিয়েছে -”১৭ অক্টোবর, ২০২৩ থেকে আমরা ‘নট এ বট’ পরীক্ষা শুরু করেছি, দুটি দেশে নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য একটি নতুন সাবস্ক্রিপশন পদ্ধতি। এই নতুন পরীক্ষাটি স্প্যাম, আমাদের প্ল্যাটফর্মের ম্যানিপুলেশন এবং বট কার্যকলাপ হ্রাস করার জন্য আমাদের প্রচেষ্টাকে শক্তিশালী করতে তৈরি করা হয়েছে । X-এ বট এবং স্প্যামারদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে আমাদের সাহায্য করার জন্য এটি মূল্যায়ন করবে, যখন ছোট ফি প্রদানের মাধ্যমে প্ল্যাটফর্ম অ্যাক্সেসযোগ্যতার ভারসাম্য বজায় রাখবে। এই পরীক্ষা বিদ্যমান ব্যবহারকারীদের প্রভাবিত করবে না।”
নিউজিল্যান্ড এবং ফিলিপাইনে তৈরি করা নতুন অ্যাকাউন্টগুলিকে প্রথমে তাদের ফোন নম্বর যাচাই করতে হবে, এবং তারপরে পোস্ট, লাইক, কমেন্ট, পুনঃপোস্ট এবং বুকমার্ক ব্যবহার করতে ১ ডলার বার্ষিক ফি দিতে হবে। নতুন ব্যবহারকারীরা যারা সাবস্ক্রিপশন করাবেন না তারা শুধুমাত্র ‘রিড অনলি’ অ্যাকশন নিতে সক্ষম হবেন, যেমন: পোস্ট পড়া, ভিডিও দেখা এবং অ্যাকাউন্ট ফলো করা। শর্তাবলি অনুযায়ী নতুন চার্জ একটি বেটা প্রোগ্রাম এবং যারা সাইন আপ করবেন এমন ব্যবহারকারীদের অবশ্যই একটি পুনরাবৃত্ত সাবস্ক্রিপশন অর্থপ্রদানে সম্মত হতে হবে। গত মাসে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাথে কথোপকথনে মাস্ক প্রথম সমস্ত ব্যবহারকারীদের চার্জ করার সম্ভাবনার দিকে ইঙ্গিত করেন। তবে বর্তমান পরিকল্পনাটি এখন শুধু নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য সীমাবদ্ধ। ইউজার যখনই X-এ সাইনআপ করবেন তখন তার মোবাইল নম্বর যাচাই করা হবে। তারপর তাকে ১ ডলার বার্ষিক প্ল্যান বেছে নিতে বলা হবে। যারা এই সাবস্ক্রিপশন নেবেন না তাঁদের প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করার অনুমতি দেওয়া হবে না।
সংক্ষেপে দেখুনপেঁয়াজ সারাবে যেসব রোগ
পেঁয়াজ নেই, এমন রান্নাঘর খুঁজে পাওয়া কষ্টকর। পেঁয়াজ রান্নার দরকারি একটি উপাদান। পেঁয়াজ খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি শরীরের পুষ্টিও জোগায়। পেঁয়াজ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আসুন জেনে নিই পেঁয়াজের কিছু উপকারিতা– ১. পেঁয়াজের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে সর্দি, কাশির সমস্যা থাকে না। সর্দি-জ্বর হলবিস্তারিত পড়ুন
পেঁয়াজ নেই, এমন রান্নাঘর খুঁজে পাওয়া কষ্টকর। পেঁয়াজ রান্নার দরকারি একটি উপাদান। পেঁয়াজ খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি শরীরের পুষ্টিও জোগায়। পেঁয়াজ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আসুন জেনে নিই পেঁয়াজের কিছু উপকারিতা–
১. পেঁয়াজের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে সর্দি, কাশির সমস্যা থাকে না। সর্দি-জ্বর হলে শরীরের উত্তাপ বাড়ে। অনেক সময় নাক বন্ধ যায়, মাথা ব্যথা করে। এ ক্ষেত্রে পেঁয়াজের রস নাক দিয়ে একটু শুকে নিন। দেখবেন সর্দি বেরিয়ে যাবে এবং জ্বর জ্বর ভাবও মাথা ব্যথা কমে যাবে।
২. ক্যানসারের মতো রোগকে দূরে রাখতে পেঁয়াজ অনেক উপকারি। শরীরে কোথাও সংক্রমণ হয়ে থাকলে কাঁচা পেঁয়াজ খেতে পারেন। এতে ভালো উপকার মিলবে।
৩. পেঁয়াজের রস খেলে অ্যাজমার সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। নিয়মিত পেঁয়াজের রস খেলে চোখের সমস্যা কমতে পারে।
৪. হজমে যাদের সমস্যা রয়েছে তাঁরা প্রতিদিন একটু কাঁচা পেঁয়াজ খেতে পারেন। পেঁয়াজ হজম শক্তি বাড়ায়।
৫. দাঁতের সংক্রমণ রোধ করতেও পেঁয়াজ উপকারি। পেঁয়াজ খেলে দাঁতের ফাঁকে লুকিয়ে থাকা জীবাণু মরে যায়।
৬. পেঁয়াজের মধ্যে প্রচুর সালফার রয়েছে, যা চুল পড়া রোধ করে। বিশেষ করে চুলের ভেঙে যাওয়া রোধ করে এবং প্রাকৃতিকভাবে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
৭. নিয়মিত পেঁয়াজ খেলে রক্ত চলাচল ঠিকঠাক থাকে। যার ফলে হার্টের অসুখের সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।
৮. মাথার চুল পড়ে যাচ্ছে। পেঁয়াজের মধ্যে প্রচুর সালফার রয়েছে, যা চুল পড়া রোধ করে। পেঁয়াজ প্রাকৃতিকভাবে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
সংক্ষেপে দেখুননতুন লোগো প্রকাশ করেছে টুইটার। লগোটি কেমন হবে? এবং টুইটারে ভিডিও ডাউনলোডের কি কি সুবিধা আসছে ?
টুইটারের নতুন লোগো ‘এক্স’ নতুন লোগো প্রকাশ করেছে টুইটার। এতে নীল রঙের পাখির পরিবর্তে কালো পটভূমিতে সাদা রঙে ইংরেজি অক্ষর 'এক্স' ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। টুইটারের সত্ত্বাধিকারী ইলন মাস্ক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লিন্ডা ইয়াকারিনো আজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির নতুন লোগো উন্মোচন করেছেন। খবর আল-জাজিরারবিস্তারিত পড়ুন
টুইটারের নতুন লোগো ‘এক্স’
নতুন লোগো প্রকাশ করেছে টুইটার। এতে নীল রঙের পাখির পরিবর্তে কালো পটভূমিতে সাদা রঙে ইংরেজি অক্ষর ‘এক্স’ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। টুইটারের সত্ত্বাধিকারী ইলন মাস্ক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লিন্ডা ইয়াকারিনো আজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির নতুন লোগো উন্মোচন করেছেন। খবর আল-জাজিরার
ইয়াকারিনো এক টুইটে বলেন, ‘এক্স চলে এসেছে! আসুন আমরা এগিয়ে যাই।’ তিনি একইসঙ্গে সান ফ্রানসিসকোতে টুইটারের অফিসের ওপর প্রক্ষেপণ করা নতুন লোগোর একটি ছবি দেন।
এর আগে মাস্ক রোববার টুইট করে জানান, তিনি টুইটারের লোগো বদলাতে চান এবং ‘সব পাখিদের’ বিদেয় করতে চান। এরপর তিনি জরিপ করে টুইটারের রঙ নীল থেকে কালোতে রূপান্তরের বিষয়ে তার ফলোয়ারদের অভিমত চান।
মাস্ক অপর এক টুইট বার্তায় ইংরেজি অক্ষর ‘এক্স’ এর ছবি পোস্ট করেন। পরবর্তীতে তিনি টুইটার স্পেসের অডিও চ্যাটে নিশ্চিত করেন, টুইটারের লোগো বদলাচ্ছে।
এক্স ব্লুর (টুইটার) ভেরিফাইড ব্যবহারকারীরা এখন টুইটার থেকে ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন টেসলার সিইও ইলন মাস্ক। তবে এতে কিছু শর্ত প্রযোজ্য থাকবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সম্প্রতি এতে সরাসরি মেসেজ ও বিজ্ঞাপনের মতো সুবিধা যুক্ত করেছে। ইলন মাস্ক এক টুইট বার্তায় বলেন, ভেরিফাইড ব্যবহারকারীরা মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফরমে ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন। তবে এতে কিছু বিধি-নিষেধও আরোপ করা হয়েছে।
মাস্ক জানান, ভেরিফাইড ব্যবহারকারীরা তখনই ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন, যখন ওই ভিডিওর পোস্টদাতা এটির অনুমোদন দেবেন।
যেভাবে ভিডিও ডাউনলোড করবেন : ভিডিও ফুলস্ক্রিন থাকার সময় উপরের ডানদিকে তিনটি ডট (…) এ ট্যাপ করুন। সেখানে ক্লিক করলে ডাউনলোড করার অপশন চলে আসবে।
ঘোষণায় আরও জানানো হয়, ‘ভেরিফাইড গ্রাহকরা অফলাইনে দেখার জন্য নির্দিষ্ট টুইটগুলো থেকে ভিডিও ডাউনলোড করতে পারেন। নতুন কনন্টেট বানাতে এ ভিডিওগুলো রিমেক করতে পারেন।’
তবে ১৮ বছরের কম বয়সী ব্যবহারকারীরা এ সুবিধা পাবে না বলেও জানিয়েছে টুইটার। এ সুবিধা পাওয়ার জন্য যারা টুইটারকে অর্থ প্রদান করেন তারা সরাসরি ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন। আর বাকিদের তৃতীয় কোনো পক্ষের মাধ্যমে ভিডিও ডাউনলোড করতে হবে। টুইটার তাদের গ্রাহক সংখ্যা বাড়ানোর জন্য এ পদ্ধতি চালু করেছে।
গুগল ক্রোমে নুতন কি বড় পরিবর্তন আসছে?
ক্রোমের ডেস্কপ্টপ ভার্সনে বদল আসতে চলেছে। নতুনের মধ্যে আইকনে পরিবর্তন আসবে। তাছাড়া ক্রোমের রঙেও বদল আসছে। আপনার ট্যাব আর টুলবারে ইতিবাচক বদল আসবে। ক্রোম ব্রাউজারেই নতুন লুক দেওয়া হচ্ছে এমন নয়। গুগল তাদের ক্রোম ওয়েব স্টোরও আপডেট করছে। ডিজাইন ফ্লেয়ার দিয়ে আরও সুন্দর করার চেষ্টা চলছে। সম্প্রতি পাবলিক পবিস্তারিত পড়ুন
হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল কিভাবে খুলব?
হোয়াটসঅ্যাপ জানিয়েছে, ইউজার প্রোফাইল পিকচার ও ফোন নম্বর সুরক্ষিত থাকবে। চ্যানেলের অ্যাডমিন বা অন্য ফলোয়াররা দেখতে পাবে না। ব্যবহারকারী কোন চ্যানেলসকে ফলো করছে তা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত থাকবে। সেই সঙ্গে উক্ত চ্যানেলসের ৩০ দিন পর্যন্ত হোয়াটসঅ্যাপে সেভ থাকবে। ইউটিউবের মতো এখন হোয়াটসঅ্যাপেও চ্যানেল খুলতে পাবিস্তারিত পড়ুন
বাংলাদেশে চালু হচ্ছে জিও লোকেশন। কিভাবে শনাক্ত হবে মানুষের অবস্থান?
বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনের আগে হঠাৎ করেই আলোচনায় এসেছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মানুষের জিও লোকেশন বা অবস্থান শনাক্ত করার প্রযুক্তি, যা আগামী মাস থেকেই মোবাইল অপারেটরদের মাধ্যমে কার্যকর হওয়ার কথা। এটি চালু হলে অপারেটরদের সহায়তা নিয়ে কিংবা সহায়তা ছাড়াই একজন বা এক সঙ্গে অনেক মানুষের সুনির্দিষ্ট অবস্থান শনবিস্তারিত পড়ুন
বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনের আগে হঠাৎ করেই আলোচনায় এসেছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মানুষের জিও লোকেশন বা অবস্থান শনাক্ত করার প্রযুক্তি, যা আগামী মাস থেকেই মোবাইল অপারেটরদের মাধ্যমে কার্যকর হওয়ার কথা।
এটি চালু হলে অপারেটরদের সহায়তা নিয়ে কিংবা সহায়তা ছাড়াই একজন বা এক সঙ্গে অনেক মানুষের সুনির্দিষ্ট অবস্থান শনাক্ত করতে পারবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বা নজরদারির সঙ্গে জড়িত সংস্থাগুলো। অর্থাৎ লোকটি ঠিক কোথায় আছেন এটি চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।
আবার এ প্রযুক্তির সাথে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সমন্বয় করে ব্যক্তির জিও লোকেশন ছাড়াও এক সঙ্গে বহু মানুষের গতিবিধি বা মুভমেন্ট সম্পর্কেও জানতে পারবে নজরদারিতে জড়িত সংস্থাগুলো।
এজন্য মোবাইল অপারেটরদের নিজ খরচে নতুন সফটওয়্যার ও প্রয়োজনীয় উপকরণ সংযোজন করতে চাপ দেয়া হলেও বিটিআরসি কিংবা সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের এ বিষয়ে কোন সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছেন ওই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার।
তিনি বলেন, বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর বিষয়। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী দেশ ও জনগণের স্বার্থে যা করা যায় সেটাই তারা করে থাকে। আমাদের এ বিষয়ে কিছু জানা নেই।
তবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা ও সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এবং নাগরিক অধিকার পরিস্থিতির আলোকে নতুন এই প্রযুক্তি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে অনেকের মধ্যে। কারণ অনেকের আশঙ্কা এটি নির্বাচনের আগে বিরোধীদের দমনের ‘ব্যাপক ভিত্তিক নজরদারি বা আড়িপাতায়’ অপব্যবহার হতে পারে।
তথ্যযোগাযোগ প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাষ্ট্রের নিরাপত্তার কথা বলে গণ-নজরদারির একটি সুযোগ তৈরি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশে এবং তাদের আশঙ্কা এটি বিরোধী মত দমনে অপব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে।
২০২২ সালের ১৭ মার্চ ফ্রান্সের সংবাদমাধ্যম ইন্টেলিজেন্স অনলাইন এক প্রতিবেদনে জানায়, বাংলাদেশ ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে আড়ি পাতার প্রযুক্তি কিনেছে। এর আগে ২০১৫ সালে মুঠোফোনে আড়ি পাতা ও নজরদারির জন্য বাংলাদেশের কেনা সরঞ্জাম মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে আটকে দিয়েছিল সুইজারল্যান্ড।
বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ও মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটব সূত্র জানিয়েছে, যে জিও লোকেশন-ব্যবস্থা চালুর জন্য বলা হয়েছে, সেটি বাস্তবায়ন করতে অপারেটরদের নতুন সফটওয়্যার ও সরঞ্জাম প্রয়োজন। তা কিনতে বড় অঙ্কের অর্থ দরকার। অ্যামটব এই অর্থ চেয়েছিল বিটিআরসির সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল (এসওএফ) থেকে। তারা যে প্রকল্প দাখিল করেছিল, সেটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২১০ কোটি টাকার সমান।
বিটিআরসি সূত্রে জানা যায়, গত ৮ আগস্ট ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সভাকক্ষে মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের সভাপতিত্বে সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিলের ব্যবস্থাপনা কমিটির ২০তম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অ্যামটবের প্রস্তাব নাকচ করা হয় এই বলে যে টেলিযোগাযোগ আইন অনুযায়ী আবেদনটি বিবেচনার সুযোগ নেই। অর্থাৎ অপারেটরগুলোকে নিজস্ব অর্থে নতুন ব্যবস্থাটি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দেশে চারটি মোবাইল অপারেটর রয়েছে গ্রামীণফোন, রবি-আজিয়াটা, বাংলালিংক ও টেলিটক।
নতুন প্রযুক্তি আসলে কী
নতুন এই প্রযুক্তির আনুষ্ঠানিক নাম ইন্টিগ্রেটেড ল’ফুল ইন্টারসেপশন সিস্টেম। মূলত আড়িপাতা বা নজরদারির জন্য এটি একটি সমন্বিত প্রচেষ্টা, যাতে ব্যক্তির অবস্থান চিহ্নিত করতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাথে জড়িত থাকবে টেলিকম সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোও।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান চলতি বছরের জানুয়ারিতে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে জানিয়েছিলেন, সরকার একটি ইন্টিগ্রেটেড ল’ফুল ইন্টারসেপশন সিস্টেম বা সমন্বিত আইনসম্মত আড়িপাতা পদ্ধতি চালু করতে যাচ্ছে।
তখন তিনি বলেছিলেন, ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মনিটরিংয়ের মাধ্যমে দেশ ও সরকার বিরোধী কার্যক্রম বন্ধে এনটিএমসিতে (ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার) ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্স টেকনোলজির (ওএসআইএনটি) মতো আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজিত হয়েছে। একই সঙ্গে একটি ইন্টিগ্রেটেড ল’ফুল ইন্টারসেপশন সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
এটিই শেষ পর্যন্ত আগামী মাস থেকে চালু করা হচ্ছে বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে। বিশেষ করে টেলিকম অপারেটরদের এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও নতুন এ ব্যবস্থা চালু করতে সরকারি সংস্থার জন্য এ সংক্রান্ত উপকরণও ফ্রান্সের একটি কোম্পানি থেকে ক্রয় করা হয়েছে। এর বাইরে মোবাইল অপারেটরদের সফটওয়্যার ও বিভিন্ন উপকরণ কিনতে ব্যয় করতে হচ্ছে আরও প্রায় দুশো কোটি টাকা।
কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ প্রযুক্তির মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী জিও লোকেশন (ব্যক্তির সুনির্দিষ্ট অবস্থান)সহ দরকারি সুবিধা নিতে পারবে। তবে সরকারি কিছু নথিপত্র বলছে, এ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিলো ২০১৬ সালে। পরে ২০১৮ সালে সরকারি একটি চিঠিতে বলা হয়েছিলো নতুন এ প্রযুক্তি অপরাধ দমনে ব্যবহার করা হবে।
এর ধারাবাহিকতায় গত বছর জুনে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত কমিটি এ সংক্রান্ত ক্রয় প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছিলো। তখন বলা হয়েছিলো, ফ্রান্সের একটি কোম্পানি থেকে ১৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে এগুলো কেনা হবে।
কীভাবে কাজ করবে নতুন নজরদারি প্রযুক্তি
সরকারি একটি চিঠি থেকে জানা যাচ্ছে নজরদারির এ ব্যবস্থায় মোবাইল অপারেটররা ছাড়াও ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি), ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) প্রতিষ্ঠান এবং ন্যাশনাল ইন্টারনেট এক্সচেঞ্জ (এনআইএক্স) এর মতো সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারি সংস্থার সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে।
আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অবশ্য টেলিকম অপারেটরদের কাছ থেকেই তাদের গ্রাহকদের জিও লোকেশন বা সুনির্দিষ্ট ব্যক্তি অবস্থান সম্পর্কিত তথ্য পাবে। আবার সরকারি সংস্থা চাইলে সরাসরি অপারেটরদের ডাটাবেজে ঢুকেও কোন ব্যক্তির বিষয়ে নজরদারি করতে সক্ষম হবে।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবির অবশ্য বলছেন, নজরদারির এই প্রযুক্তি বাংলাদেশে নতুন হলেও বিশ্বে অনেক পুরনো। তার মতে একজন গ্রাহকের মোবাইল ফোনটি একই সাথে ২/৩ বা আরও বেশি কাছাকাছি টাওয়ার থেকে সিগন্যাল পায় এবং এর মধ্যে যেটি সবচেয়ে শক্তিশালী তার মাধ্যমেই সে অন্যের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়। এখানে ‘একটি ট্রায়াংগুলেশন মেথড’ ব্যবহার করে বিভিন্ন উপকরণের সহায়তায় ওই মোবাইল ফোনটির সুনির্দিষ্ট অবস্থান চিহ্নিত করা হবে।
তিনি বলেন, সফটওয়্যার মোবাইল অপারেটরের সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুমে থাকবে। সেখানে তারা জানবে ঠিক কোথায় আছে মোবাইল ফোনটি। সংশ্লিষ্ট ফোন অপারেটর সেই তথ্য সরকারি সংস্থাকে জানাবে। আবার সরকারি সংস্থা নিজেও কানেক্টেড থাকবে সিস্টেমে এবং এর মাধ্যমে তারা নিজেরাও টেলিকম অপারেটরের কন্ট্রোল পার্টের এক্সেস নিয়ে সুনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের ফোনের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারবে।
মূলত প্রত্যেকটি ফোনের আইএমইআই নাম্বার আছে, যেটি ইউনিক নাম্বার। সেই নাম্বারকেই নজরদারির এই সিস্টেমে কানেক্ট করিয়ে দেয়া যাবে এবং একটি মোবাইলে যে কয়টি সিম থাকবে সব কয়টিকেই এক সাথে ট্র্যাক করা যাবে। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে মোবাইল সেট রেজিস্ট্রার পদ্ধতি চালু আছে। ফলে প্রতিটি ফোনের আইএমআই নাম্বার কর্তৃপক্ষের কাছে আছে।
বিশেষজ্ঞদের সাথে কথা বলে এ প্রযুক্তি কীভাবে কাজ করে সে সম্পর্কে যে ধারণা পাওয়া গেছে তাহলো, ধরুন একজন ব্যক্তি কারওয়ানবাজারে অবস্থান করছে। এখন কোন সংস্থা চাইলে সংশ্লিষ্ট অপারেটর বলতে পারে, তিনি জনতা টাওয়ার ও সোনারগাঁও হোটেলের মধ্যবর্তী কোন জায়গায় আছেন।
কিন্তু নতুন ব্যবস্থা চালুর পর ওই মধ্যবর্তী জায়গার মধ্যে ঠিক কোন জায়গায় তিনি অবস্থান করছেন সেটিও জানা সম্ভব হবে।
আলোচনা বা উদ্বেগের কারণ কী
বিশেষজ্ঞরা বলছেন উদ্বেগের কারণ হলো, অপব্যবহারের আশঙ্কা। বিশেষ করে সামনে নির্বাচন ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এটি বিরোধীদের ওপর দমন পীড়নে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
কারণ কোন সংস্থা যদি মনে করে তারা বিশ হাজার ফোন নম্বরের অবস্থান ও গতিবিধি সম্পর্কে একসাথে জানতে চায়। সেটি এই পদ্ধতিতে সম্ভব হবে। ওই বিশ হাজার নম্বরবাহী ফোন কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে সেটিও শনাক্ত করা সম্ভব হবে নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে।
ফলে কেউ যদি মনে করে সারাদেশ থেকে তার নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ঢাকায় এনে প্রতিবাদ করবে তাহলে নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে সহজেই জানা সম্ভব হবে কারা কীভাবে ঢাকায় আসছে এবং তারা ঠিক কে কোথায় আছে। মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি অব মালয়ার আইন ও উদীয়মান প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষক মুহাম্মদ এরশাদুল করিম বলছেন উদ্বেগের জায়গাটা এখানেই।
তিনি বলেন, ধরুন দশ লাখ লোক ঢাকার বাইরে গেলো কিংবা বাইরে থেকে ঢাকায় আসবে- তাদের প্রত্যেকের স্পেসিফিক অবস্থান চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে আদালতের অনুমতি নিয়ে কারও ওপর নজরদারি করা যায়। কিন্তু এমন গণহারে নজরদারি আপত্তিকর ও মানবাধিকার লঙ্ঘন।
সুমন আহমেদ সাবির বলছেন, প্রযুক্তিটি অপরাধীকে ধরা বা দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ভালোভাবে ব্যবহার সম্ভব। কিন্তু কেউ যদি মুক্ত চিন্তা বা নাগরিক অধিকারকে সংকুচিত করতে চান তাহলে এর মারাত্মক অপব্যবহার হতে পারে।
প্রসঙ্গত বিশ্বের উন্নত অনেক দেশে জরুরি সেবার সাথে জড়িত সংস্থাগুলো এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে। তবে তাদেরকেও ব্যক্তির নাম পরিচয় দেয়া হয় না বলে তারা সেটি নজরদারিতে ব্যবহার করতে পারে না।
সেবাদানকারীরা বলছেন, উন্নত বিশ্বে মুঠোফোন ব্যবহারকারী ব্যক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কোথায় অবস্থান করছেন, তার উপাত্ত ব্যবহার করা হয় জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে। ব্যক্তির নাম ও পরিচয় ব্যবহারকারীরা জানতে পারেন না।
ধরা যাক, কোনো ব্যক্তি জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে ফোন করে বলছেন, তিনি বাসায় একা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁর চিকিৎসাসেবা দরকার। তখন তাঁর জিও লোকেশন ব্যবহার করে চিকিৎসাসেবাদাতারা পৌঁছে যান। বাংলাদেশে ৯৯৯-এ ফোন করার পর ঠিকানার খুঁটিনাটি বলতে হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বাংলাদেশে জরুরি সেবাদান মূল উদ্দেশ্য নয়, বরং নজরদারির জন্য জিও লোকেশন উপাত্ত নেওয়ার নতুন ব্যবস্থা চালু হচ্ছে।
আড়িপাতা নতুন নয়
বাংলাদেশে বহু বছর ধরেই মোবাইল ফোন ও সামাজিক মাধ্যমে নজরদারি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মধ্যকার ফোনালাপসহ গত এক দশকে অনেকগুলো মোবাইলের কথোপকথন ফাঁস হওয়ার উদাহরণও রয়েছে।
দেশটির রাজনৈতিক ও অ্যাকটিভিস্টরা বলছেন, এভাবে আড়িপাতার কারণে তাদের মধ্যে উদ্বেগ এবং বাড়তি চাপ তৈরি করছে। এমনকি গত বছর ইসরায়েলের সংবাদপত্র হারেৎজ-এ এমন তথ্যও এসেছিলো যে বাংলাদেশের কাছে ইসরায়েলি গোয়েন্দা নজরদারি প্রযুক্তি বিক্রি করা হয়েছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে, আধা কিলোমিটার পরিধিতে থাকা সব ডিভাইসে হোয়াটসঅ্যাপের এনক্রিপ্টেড বার্তা, ফেসবুকের চ্যাট, কন্টাক্ট লিস্ট, কল এবং বার্তায় প্রবেশ করা যায়।
এর আগে ২০২১ সালে, কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরায় এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে ইসরায়েল থেকে একই ধরনের নজরদারী প্রযুক্তি কেনার বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়।
ভয়েস অব আমেরিকাকে ২০২১ সালের আগস্টে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে এনটিএমসির প্রধান, মেজর জেনারেল (তৎকালীন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল) জিয়াউল আহসান বলেছিলেন, তার প্রতিষ্ঠান দেশের স্বার্থে সরকারের চাহিদা অনুযায়ী সহায়তা করছে বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে।
এই এনটিএমসি-এর তত্ত্বাবধানেই এখন ইন্টিগ্রেটেড ল’ফুল ইন্টারসেপশন সিস্টেম চালু হচ্ছে বলে এ সংক্রান্ত সরকারি নথিগুলো বলছে।
সংক্ষেপে দেখুনঅনলাইনে তথ্য সুরক্ষিত রাখতে করণীয় কি?
অনলাইনে তথ্য সুরক্ষিত রাখতে করণীয় ♦ নতুন বন্ধু তৈরির ক্ষেত্রে একটু বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে। বন্ধুর রূপ ধরে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে যে কোনো চক্র। অনলাইনে অপরিচিত কারও সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সতর্ক হন। সবকিছু না জেনে কাউকে বন্ধু বানানোর মতো ভুল করবেন না। ♦ ই-মেইল কিংবা মেসেজে পাওয়া অপরিচিবিস্তারিত পড়ুন
অনলাইনে তথ্য সুরক্ষিত রাখতে করণীয়
♦ নতুন বন্ধু তৈরির ক্ষেত্রে একটু বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে। বন্ধুর রূপ ধরে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে যে কোনো চক্র। অনলাইনে অপরিচিত কারও সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সতর্ক হন। সবকিছু না জেনে কাউকে বন্ধু বানানোর মতো ভুল করবেন না।
♦ ই-মেইল কিংবা মেসেজে পাওয়া অপরিচিত কোনো লিংকে ক্লিক করার আগে সতর্ক হন। এটা আপনার জন্য ফাঁদও হতে পারে। কোনো ধরনের প্রলোভনেও পড়বেন না। নয়তো পরবর্তীতে আপনিই বিপদে পড়বেন।
♦ আপনার সব অ্যাকাউন্টে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সিস্টেম চালু করে রাখুন। এতে কেউ আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশের চেষ্টা করলেও আপনি নোটিফিকেশন পেয়ে যাবেন।
♦ ইন্টারনেট ব্যবহার করে কেনাকাটা করার অভ্যাস আছে অনেকেরই। নিরাপদ এবং স্বীকৃত মাধ্যম থেকে কেনাকাটা করতে হবে। অন্যথায় আপনার ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
♦ রিকভারি ই-মেইল বা মোবাইল নম্বর সংযুক্ত করে রাখুন। এক্ষেত্রে বিকল্প ই-মেইল এবং নিজের মোবাইল নম্বরও ব্যবহার করতে পারবেন। এতে আপনার তথ্য নিরাপদ থাকবে।
♦ যে কোনো তথ্য, ফাইল কিংবা নতুন আপডেট ডাউনলোডের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। উৎসের নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করে ডাউনলোড করতে হবে। এতে সুরক্ষিত থাকবে আপনার তথ্য।
♦ আপডেট করা হয়েছে এমন অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করার মাধ্যমে ডিভাইসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
সংক্ষেপে দেখুনমোবাইল ফোনে ময়লা জমলে করণীয় কি?
অনেক প্রিমিয়াম ফোনের ক্যামেরা বাম্প ও পোর্টে প্রচুর ময়লা জমে। অনেক সময় কোম্পানিগুলো আইপি৬৭ বা আইপি৬৮ রেটিং দেয় না। কমদামি ফোনেই এমন হয়। আবার মিডরেঞ্জেও এমন দেখা যেতে পারে। তাই অনেক ফোনেই ঘন ঘন ময়লা জমতে পারে। সেজন্য আপনার কী করার আছে? চলুন জেনে নেই- >> মোবাইল মোছার জন্য একটা শুকনো রুমাল সঙ্গেবিস্তারিত পড়ুন
অনেক প্রিমিয়াম ফোনের ক্যামেরা বাম্প ও পোর্টে প্রচুর ময়লা জমে। অনেক সময় কোম্পানিগুলো আইপি৬৭ বা আইপি৬৮ রেটিং দেয় না। কমদামি ফোনেই এমন হয়। আবার মিডরেঞ্জেও এমন দেখা যেতে পারে। তাই অনেক ফোনেই ঘন ঘন ময়লা জমতে পারে। সেজন্য আপনার কী করার আছে? চলুন জেনে নেই-
>> মোবাইল মোছার জন্য একটা শুকনো রুমাল সঙ্গে রাখুন। ফোনের ধুলো দূর করতে এরচেয়ে কার্যকর আর কিছুই নেই।
>> হেডফোন জ্যাক আর চার্জার পোর্ট ইয়ারবাড দিয়েই পরিষ্কার করতে পারেন। তুলোটা সামান্য ভিজিয়ে নিতে পারেন।
>> ফোনে ফাটা জায়গা থাকলে বা কোনো সমস্যা থাকলে অনেক সময় তা পরিষ্কার করা ঝুঁকিপূর্ণ ডিভাইসের জন্য। তাই সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যান।
সংক্ষেপে দেখুনএ পর্যন্ত পৃথিবীতে কয়টি মৌলিক উপাদান পাওয়া গেছে ?
এ পর্যন্ত মোট ১১৮টি মৌল চিহ্নিত হয়েছে যার মধ্যে ৯৮টি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, বাকী ২০টি কৃত্রিম উপায়ে তৈরী করা হয়। সাধারণত, একটি মৌলের পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা নির্দিষ্ট বা একই মৌলের প্রতিটি পরমাণুতে সমান সংখ্যা প্রোটন থাকে (অর্থাৎ, তাদের প্রত্যেকের পারমাণবিক সংখ্যা একই এবং ভিন্ন ভিন্ন মৌলের পারমাণবিবিস্তারিত পড়ুন
এ পর্যন্ত মোট ১১৮টি মৌল চিহ্নিত হয়েছে যার মধ্যে ৯৮টি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, বাকী ২০টি কৃত্রিম উপায়ে তৈরী করা হয়। সাধারণত, একটি মৌলের পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা নির্দিষ্ট বা একই মৌলের প্রতিটি পরমাণুতে সমান সংখ্যা প্রোটন থাকে (অর্থাৎ, তাদের প্রত্যেকের পারমাণবিক সংখ্যা একই এবং ভিন্ন ভিন্ন মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ভিন্ন)।
সংক্ষেপে দেখুনবাচ্চারা স্কুলে যেতে না চাইলে কি করা উচিত?
অনেক ছেলেমেয়েই সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে কান্নাকাটি, চিৎকার করে স্কুলে যেতে আপত্তি জানায়। বকে, আদর করে, বুঝিয়ে বা জোর করে যদিওবা স্কুলে পাঠানো হয়, তারপর স্কুল থেকে আসতে থাকে নানা ধরনের অভিযোগ। এক্ষেত্রে বকাঝকা করা বা জোর করে স্কুলে পাঠানো কিন্তু সমাধানের পথ নয়। বরং বুঝতে হবে সন্তান কেনো স্কুলে যেতে চাইছবিস্তারিত পড়ুন
অনেক ছেলেমেয়েই সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে কান্নাকাটি, চিৎকার করে স্কুলে যেতে আপত্তি জানায়। বকে, আদর করে, বুঝিয়ে বা জোর করে যদিওবা স্কুলে পাঠানো হয়, তারপর স্কুল থেকে আসতে থাকে নানা ধরনের অভিযোগ। এক্ষেত্রে বকাঝকা করা বা জোর করে স্কুলে পাঠানো কিন্তু সমাধানের পথ নয়। বরং বুঝতে হবে সন্তান কেনো স্কুলে যেতে চাইছে না।
পরিবারের চেনা গণ্ডি ছেড়ে স্কুলের নতুন পরিবেশে যাওয়ার সময় বাচ্চারা ভয় পেতেই পারে। তাই বাচ্চার সামনে স্কুল সম্পর্কে সবসময় একটা ইতিবাচক দিক তুলে ধরুন। সন্তানকে বোঝাতে চেষ্টা করুন স্কুল মানে বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে যাওয়ার জায়গা, যেখানে সে অনেক কিছু শিখতে পারবে।
সন্তানের বয়স আড়াই থেকে তিন হলেই বাড়ির কাছাকাছি কোনো প্লে-স্কুলে ভর্তি করে দিন। ছোটবেলা থেকে স্কুলের অভ্যাস তৈরি হয়ে গেলে বড় স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর মানিয়ে নিতে অনেক সুবিধা হবে।
প্লে-স্কুল থেকে বড় স্কুলে যাওয়া বাচ্চার কাছে কিন্তু একটা বিরাট ব্যাপার। বড় স্কুলের পরিবেশ প্লে-স্কুলের চেয়ে অনেকটাই আলাদা। অনুশাসন বেশি। হঠাৎ করে নতুন স্কুলে গিয়ে বাচ্চারা অনেক সময় মানিয়ে নিতে পারে না। তাই বড় স্কুলে ভর্তি করার আগে সন্তানকে নতুন স্কুল সম্পর্কে মানসিকভাবে প্রস্তুত করে দিন। ওকে বলুন, এখানে তোমার নতুন বন্ধু হবে বা এবার তোমার নতুন স্কুল ড্রেস হবে। অর্থাৎ এমন কথা বলুন যাতে আপনার সন্তান নতুন স্কুল সম্পর্কে উৎসাহ পায়।
অনেক ক্ষেত্রে স্কুলের ছোটখাটো ব্যাপারে বাচ্চারা মুষড়ে পড়ে। যেমন হতে পারে, স্কুলের মিস কোনো কারণে বকলে, বন্ধুরা কেউ জোর করে টিফিন খেয়ে নিলে কিংবা প্রিয় বন্ধু আড়ি করে দিলে ওরা ভেঙে পড়ে। এগুলো শুনতে খুব ছোট মনে হলেও বাচ্চাদের কাছে এটা অনেক বড় ব্যাপার। এছাড়া অনেক সময়ই ক্লাসের মধ্যে কোনো কোনো বাচ্চা অন্য বাচ্চাদের মারধোর করে, জিনিসপত্র কেড়ে নেয়। ছোটদের মধ্যে অন্য কোনো বাচ্চার শারীরিক গঠন বা কথাবার্তার ধরন নিয়ে খ্যাপানো বা নাজেহাল করার প্রবণতা দেখা দেয়- এসব বিষয়ে ছোটদের মান-অপমানবোধ বেশ প্রবল হয়। তাই এ ধরনের বিষয়গুলো উড়িয়ে না দিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে দেখুন। প্রয়োজনে স্কুলের টিচারদের সঙ্গে কথা বলুন।
অনেক সময় স্কুলে সমস্যা হলেও বাচ্চারা বাড়িতে সব কথা খোলাখুলি বলে না। তাই বাচ্চার আচরণ এবং হাবভাব দেখে আপনাকে বুঝে নিতে হবে স্কুলে সন্তানের কোনো অসুবিধা হয়েছে কিনা। যতই ব্যস্ত থাকুন না কেনো, প্রতিদিন সন্তানের সঙ্গে কিছুটা সময় গল্প করবেন। ওর কাছে স্কুলের কথা জানতে চাইবেন। কথায় কথায় নিজের ছোটবেলার স্কুলের গল্প করুন। এতে বাচ্চা আপনার সঙ্গে মন খুলে গল্প করতে পারবে।
বাড়িতে বাচ্চার সঙ্গে স্কুল স্কুল খেলতে পারেন। একবার আপনি শিক্ষক সাজুন একবার সন্তানকে শিক্ষক সাজতে বলুন। শিক্ষক আসলে উঠে দাঁড়ানো বা টয়লেটে যেতে হলে অনুমতি চাওয়া, এই ধরনের ছোটখাটো বিষয় খেলার মাধ্যমে শিখিয়ে দিন। তাছাড়া এতে সন্তানের স্কুলের পরিবেশটা ঠিক কী রকম তার খানিকটা আন্দাজও পাবেন।
সংক্ষেপে দেখুনআজ পর্যন্ত আপনার দেখা সবচেয়ে দুঃখজনক ছবি কোনটি?
দুঃখজনক ছবি
দুঃখজনক ছবি
সংক্ষেপে দেখুন