সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
ফেসবুক এর প্রতি আপনি কি আসক্ত? বোঝার কিছু উপায় জেনে নিন
ফেসবুক এর প্রতি আসক্তি বর্তমানে অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। এই আসক্তি মানুষকে কখনো ভালোর দিকে নিয়ে যেতে পারে না। কেবলমাত্র নিকট মানুষ কিংবা সামাজিকভাবে মানুষটিকে দূরে নিয়ে যায়। আসক্তিকে ঠিক নেশা বললেও ভুল হবে না। কেননা, নেশা আমাদের সবারই খুব পরিচিত একটা শব্দ। আমরা হরহামেশাই শুনি, অমুক ভাইয়ের খেলা দেখারবিস্তারিত পড়ুন
ফেসবুক এর প্রতি আসক্তি বর্তমানে অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। এই আসক্তি মানুষকে কখনো ভালোর দিকে নিয়ে যেতে পারে না।
কেবলমাত্র নিকট মানুষ কিংবা সামাজিকভাবে মানুষটিকে দূরে নিয়ে যায়। আসক্তিকে ঠিক নেশা বললেও ভুল হবে না।
কেননা, নেশা আমাদের সবারই খুব পরিচিত একটা শব্দ। আমরা হরহামেশাই শুনি, অমুক ভাইয়ের খেলা দেখার খুব নেশা। কিংবা তমুক আপুর হিন্দী সিরিয়াল দেখার নেশা। আবার অমুকের মদের নেশা আছে, তমুকের ড্রাগস এর নেশা, এসবও আমরা শুনি।
এই নেশার জগতে সর্বশেষ জনপ্রিয় এবং “ডিজিটাল” সংযোজন হলো “ফেসবুক” এর নেশা। যত দিন যাচ্ছে, এই নেশা ততই ব্যাপক আকারে দেখা দিচ্ছে।
এমনকি চিকিৎসকেরাও একে “Facebook Addiction Disorder” নামে একটি রোগে সংজ্ঞায়িত করেছেন। এ রোগের চিকিৎসা মূলত মানসিকভাবেই করতে হবে।
এই নেশায় অথবা রোগে আপনি ভয়ংকরভাবে আসক্ত কিনা, কিভাবে বুঝবেন? আজ মূলত এই ব্যাপারেই আলোচনা করবো। তো আর কথা নয় – সরাসরি যাচ্ছি মূল আলোচনায়।
১. সকালে ঘুম থেকে উঠেই আপনার সর্বপ্রথম কাজ হলো ফেসবুকে ঢুকে চেক করা। এমনকি খাওয়া-দাওয়া বাদ দিয়েও আগে ফেসবুকে ঢোকা। আবার ঘুমাতে যাওয়ার সময়ও আপনার সর্বশেষ কাজ যদি হয় ফেসবুক চেক করা।
২. ফেসবুক ছাড়া আপনার কাছে বাকি সব অর্থহীন মনে হয়। আপনি কোন কিছুতে আনন্দ পান না, মজা পান না। মনে হয় সব মজা যেন ফেইসবুকেই।
দিনের অল্প কিছু সময়ও যদি আপনি ফেসবুকে না ঢুকতে পারেন, আপনার বিভিন্ন শারীরিক উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন- ঘুম না আসা, অস্থির লাগা, ঘাম হওয়া, অল্পতেই রেগে যাওয়া ইত্যাদি।
৩. ফেসবুকে সারাদিন আপনার বসে থাকতে ভালো লাগে। একারণে আপনার অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে, অফিসের মিটিং এ আপনি অংশ নেন না, পারিবারিক কোন অনুষ্ঠানে আপনি যান না। অথচ এসবে আপনার কোন বিকার নেই। আপনি নির্বিকার।
৪. কয়েকদিনের জন্য হলেও যদি আপনাকে ফেসবুক থেকে দূরে থাকার জন্য জোর করা হয়, হতে পারে আপনার পরিবার থেকে, কিংবা অফিসের পিসিতে ফেসবুক ব্যবহার করা না যায়, আপনার ভিতরে চরিত্রগত কিছু অস্বাভাবিকতা আসে।
আপনি কোন কাজেই আগ্রহ পান না। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। এমনকি ফেসবুক ব্যবহার করার জন্য যদি আপনার নিজের পিসিও না পান, আপনি দরকার হলে আপনার বন্ধুর এমনকি অপরিচিত লোকেরও মোবাইল অথবা পিসিতে ফেসবুকে ঢোকার চেষ্টা করেন। ফেসবুকের আপডেট আপনার চাই ই চাই। চিকিৎসকেরা একে সনাক্ত করেছেন “Facebook Withdrawal Syndrome” নামে।
৫. ফেসবুকে আপনার কোন নোটিফিকেশন নেই। ইনবক্সে কোন মেসেজ নেই। আপনি চ্যাটও করছেন না। তারপরও আপনি ঘন্টার পর ঘণ্টা ফেসবুকের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়েই থাকেন।
৬. বাস্তব জীবনে আপনি মোটেও সুখী নন। কিন্তু ফেসবুকে আপনি সবাইকে দেখাতে চান, আপনি অনেক মজায় আছেন, আনন্দে আছেন। একটা ফ্যান্টাসির জগৎ সৃষ্টি করতে চান আপনি।
৭. ফেসবুকে সারাদিন, সারারাত থাকার কারণে আপনার রাতে ঘুমও ঠিকমত হয় না। শরীর খারাপ হয়ে যাচ্ছে। অথচ আপনি নির্বিকার।
৮. ফেসবুকে ঢুকলেই আপনি নস্টালজিয়ায় ভোগেন অথবা ভুগতে চান। পুরোন প্রেমিক-প্রেমিকা কিংবা বন্ধুদের ছবি দেখতে চান, তাদের প্রোফাইলে ঢুঁ মারতে চান।
আগে আপনার জীবন কেমন ছিল, এখন কেমন আছেন এসব ভেবে উদাস হয়ে যান। আর সবচেয়ে বড় কথা, এই উদাস থাকতে বা নস্টালজিয়ায় ভুগতেই আপনার ভালো লাগে।
৯. ফেসবুকে আপনার হাজার হাজার বন্ধু থাকার পরও যদি আপনি নিঃসঙ্গ বোধ করেন। আপনি ভাবেন, আমার কোন ভালো বন্ধু নেই।
পরিশেষে বলা যায়, ফেসবুকের সদব্যবহার করার মাধ্যমে অনেকেই হাজার হাজার ডলার ইনকাম করছেন। তারা কিন্তু আসক্ত নয়। তারা কাজের সময় কাজ করে ফেসবুক থেকে বেরিয়ে পড়ছেন।
আপনি যে ফেসবুক ব্যবহার করবেন না তা নয়। বর্তমানে পৃথিবীর যেকোন প্রান্তের খবর সর্বপ্রথম ফেসবুকেই পাওয়া যায়।
তাই ফেসবুক আপনি অবশ্যই ব্যবহার করবেন তবে সেটা লিমিটেড। যখন আনলিমিটেড করবেন তখনই সেটা আসক্তি হিসেবে প্রকাশ পাবে।
অনেক ছেলেমেয়েই এভাবে পড়াশোনা বাদ দিয়ে ফেসবুকে আসক্ত হয়ে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। নিজের দিকে তাকান, নিজেকে প্রশ্ন করুন আর উপরে দেয়া তথ্যগুলোর সাথে নিজেকে মিলিয়ে নিন। আপনি ফেসবুকের প্রতি আসক্ত কিনা বুঝতে পারবেন।
সংক্ষেপে দেখুনউইন্ডোজ ১০ পার্মানেন্টলী অ্যাক্টিভ করবেন কিভাবে?
আমরা যারা কম্পিউটার ব্যবহার করি তারা সবাই কমবেশি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম বিশেষ করে বহুল ব্যবহৃত উইউন্ডোজ ১০ সম্পর্কে জানি। উইন্ডোজ ১০ বর্তমান বিশ্বে খুবই জনপ্রিয়। মাইক্রোসফ্ট কর্পোরেশন সর্বপ্রথম ১৫ই জুলাই, ২০১৫ সালে উন্মুক্ত করে। তারপর আর তাদের পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এখন যদিও উইন্ডোজ ১১ তারা উন্মুবিস্তারিত পড়ুন
আমরা যারা কম্পিউটার ব্যবহার করি তারা সবাই কমবেশি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম বিশেষ করে বহুল ব্যবহৃত উইউন্ডোজ ১০ সম্পর্কে জানি। উইন্ডোজ ১০ বর্তমান বিশ্বে খুবই জনপ্রিয়। মাইক্রোসফ্ট কর্পোরেশন সর্বপ্রথম ১৫ই জুলাই, ২০১৫ সালে উন্মুক্ত করে। তারপর আর তাদের পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
এখন যদিও উইন্ডোজ ১১ তারা উন্মুক্ত করেছে কিন্তু উইন্ডোজ ১০ এর জনপ্রিয়তা এতটুকুও কমেনি। যাই হোক, আমি কথা বলতে চেয়েছি কিভাবে উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম পার্মানেন্টলী আপনি অ্যাক্টিভ করবেন।
এখন মূল কথায় আসি। এই অপারেটিং সিস্টেম পার্মানেন্টলী অ্যাক্টিভ করার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে একটি পেনড্রাইভ, মাইক্রোসফ্ট এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা উইন্ডোজ ১০ এর একটি ‘আইএসও’ ফাইল এবং কম্পিউটারে একটি ফাঁকা হার্ড ডিস্ক ও একটি মাইক্রোসফ্ট এর হটমেইল বা আউটলুক।
হটমেইল বা আউটলুক হলো গুগল এর জিমেইল এর মতো। জিমেইল হলো গুগল কোম্পানীর আর হটমেইল বা আউটলুক হলো মাইক্রোসফ্ট কোম্পানীর।
উপরে যেসব জিনিসের কথা বলা হলো সেগুলো যদি আপনার কাছে রেডি থাকে তাহলে এখনই আপনি জেনুইন উইন্ডোজ ১০ ইন্সটল করতে পারবেন।
এখন, এসব কিছু করার জন্য আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপটি চালু থাকতে হবে। চালু না থাকলে বা সেটআপ দেয়া না থাকলে আপনাকে অন্য একটি সচল কম্পিউটারের সহযোগিতা নিতে হবে।
ধরে নিলাম, আপনার কম্পিউটার চালু আছে। এখন, চালু থাকা অবস্থায় আপনি ইন্টারনেট থেকে ছোট আরেকটি সফ্টওয়ার ডাউনলোড করে নিবেন। সেই সফ্টওয়ারের নাম হলো রুফুস। এবার, আপনার পেনড্রাইভটি কম্পিউটারে লাগান অর্থাৎ ইউএসবি পোর্টে লাগান। তারপর পেনড্রাইভটি ফরমেট করুন। আমার জানামতে, আপনি অবশ্যই পেন ড্রাইভ ফরমেট করতে পারেন। না পারলে ইউটিউব থেকে দেখে নিন। ইউটিউবে গিয়ে সার্চ করুন: How to format pendrive.
ফরম্যাট হয়ে গেলে এবার আপনি ঐ রুফুস সফ্টওয়ারটি কম্পিউটারে ইন্সটল করে নিন। এটা ইন্সটল করা খুবই সহজ। কয়েকটি ক্লিক মাত্র লাগে। ইন্সটল হয়ে গেলে এবার আপনি সেটা চালু করুন অর্থাৎ ওপেন করুন। ওপেন করলে নিচের ছবির মতো আসবে।
আপনার পেনড্রাইভটি যেন অন্তত ৮ জিবি হয়। তা না হলে সমস্যা হতে পারে। এবার, Device অপশনে গিয়ে আপনার পেনড্রাইভটি সিলেক্ট করে দিন।
এরপর Boot Selection এ গিয়ে আপনার কম্পিউটারে থাকা ডাউনলোড করা উইন্ডোজ ১০ এর ISO ফাইলটি সিলেক্ট করে দিন। এবার, Partition Scheme `MBR’ রাখুন। UEFI বুট করার জন্য আলাদা Partition Scheme সিলেক্ট করতে হয়। সেটা আপাতত আপনার দরকার নেই।
তারপর যা আছে তাই থাকবে। এবার আপনি নিচে Start বাটনে ক্লিক করুন। ক্লিক করলে আবার পেনড্রাইভ করার জন্য অনুমতি চাইবে, আপনি Yes করবেন।
এরপর উইন্ডোজ ১০ এর আইএসও ফাইলটি আপনার পেনড্রাইভে বার্ন হতে প্রায় ১০ মিনিট বা তার চেয়ে বেশি সময় লাগবে। কম সময়ও লাগতে পারে। এটা নির্ভর করবে আপনার কম্পিউটারের পারফরমেন্স এর উপর।
আপনার পেনড্রাইভ বুটেবল হয়ে গেলে এবার আপনি কম্পিউটার সেটআপ দেয়া শুরু করুন। আর সেটা করার জন্য পেনড্রাইভ ইউএসবি পোর্টে লাগানো থাকা অবস্থায় কম্পিউটার রি-স্টার্ট করুন। তারপর ডিলেট বাটন বা ইএসসি বাটন প্রেস করার মাধ্যমে আপনার মাদারবোর্ডের বুট অপশনে যান।
মাদার বোর্ডের সব সেটিংস কে ডিফল্ট করে দিলে ভালো হয়। যদি না করতে পারেন সমস্যা নাই। এবার আপনি বুট অপশন থেকে আপনার পেন ড্রাইভ সিলেক্ট করে দিন এবং ইন্টার প্রেস করুন।
আপনার উইন্ডোজ সেটআপ এবার শুরু হবে এবং আপনি দেখতে থাকুন। এবার সেটআপ শুরুর কিছুক্ষণ এর মধ্যেই উইন্ডোজ ১০ এর লাইসেন্স কী চাইবে। আপনি সেটাকে স্কিপ করবেন। তারপর আপনার ডিস্ক ড্রাইভগুলো শো করবে।
ডিস্ক ড্রাইভগুলো শো করার পরে যে ড্রাইভে উইন্ডোজ সেটআপ দেবেন সেটা একদম ফরম্যাট বা ডিলেট করে নিলে ভালো হয়। ডিলেট না করলেও সমস্যা নেই। ডিলেট করার পরে আবার পার্টিশন করেন।
উইন্ডোজ সেটআপ এর জন্য অন্তত ৮০ জিবি বা ১০০ জিবি স্পেস রাখাটা ভালো। পার্টিশন দেয়ার পরে সেই ড্রাইভ সিলেক্ট করে ওকে করুন। তাহলে সেটআপ শুরু হবে।
এবার, সেটআপ শেষের দিকে যাওয়ার পরে কম্পিউটার রি-স্টার্ট নেবে এবং আপনার কাছে অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য চাইবে। তখন আপনি আপনার হটমেইল বা আউটলুক দিয়ে সাইন ইন (Sign In) করবেন। এরপর ধাপে ধাপে বাকি স্টেপগুলো সেটআপ করবেন।
এরপর আপনার কম্পিউটার হয়তো ১ বার রি-স্টার্ট নিতে পারে। তারপর কিছুক্ষণ করে কম্পিউটার চালু হয়ে যাবে। এবার আপনি কম্পিউটার এর Settings অপশনে গিয়ে Update & Security এবং তারপর Activation অপশনে ক্লিক করুন।
দেখবেন সেখানে লেখা আছে “Windows is activated with a digital license linked to your Microsoft account”.
আপনি আরও Sure হওয়ার জন্য আলাদাভাবে দেখতে পারেন। সেটা করার জন্য আপনার কম্পিউটারে Command Prompt চালু করুন। সার্চে গিয়ে Command লিখলেই চলে আসবে। এবার সেখানে টাইপ করুন “slmgr/xpr” তারপর Enter প্রেস করুন। দেখবেন, লিখা আসছে “Your machine is permanently activated”. এর মানে আমার উইন্ডোজ ১০ কখনোই এক্সপায়ার হবে না। মাইক্রোসফ্ট থেকে লাইসেন্স কিনে নিলে যা হয় তাই হয়েছে কিন্তু।।
উপরের ছবিটি দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, উইন্ডোজ ১০ সেটআপের সময় আপনার কম্পিউটারে কিন্তু ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে। মোডেম দিয়ে হবে না, অবশ্যই Wifi ব্যবহার করতে হবে। মোবাইল হট স্পট হলেও চলবে।
আর আরেকটি ব্যাপার হলো, আপনি যদি আলাদাভাবে উইন্ডোজ ১০ অ্যাক্টিভ করে নেন (KMSPico এর মাধ্যমে) তাহলে সেটা হয়তো ৬ মাস বা ১ বছরের জন্য হবে। তারপরে কিন্তু আবার অ্যাক্টিভেট করার জন্য স্ক্রীনে বার বার নোটিফিকেশন আসবে।
পরিশেষে বলা যায়, Windows 10 স্থায়ীভাবে অ্যাক্টিভ করে নিলে অনেক সুবিধা হয়। সেটা আপনি তখনই বুঝবেন যখন উইন্ডোজ ১০ স্থায়ীভাবে সেটআপ করতে পারবেন।
এমন অনেককেই দেখেছি, যারা কম্পিউটারের অনেক কাজ পারে কিন্তু অপারেটিং সিস্টেম বুঝে না। স্ক্রীনে অ্যাক্টিভেটের যে নির্দেশনা আসছে সেটাও তারা জানে না। আবার, উইন্ডোজ এর অনেকগুলো ভার্সন রয়েছে (Windows XP, Windows 7, Windows 8.1, Windows 10, Windows 11) সেগুলো সম্পর্কেও তারা জানে না।
যাই হোক, আমি ধরে নিচ্ছি আপনি এসব বুঝেন। আপনিও যদি ওদের কাতারের হোন তাহলে এই লিখা বুঝতে আপনার অনেক কষ্ট হবে।
পরিশেষে বলতে চাই, এই লিখাটি যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন। আর বর্তমানে উইন্ডোজ ১০ বা ১১ এর লাইসেন্স Key ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার মাধ্যমে পাওয়া যায়। সম্ভব হলে তাদের কাছ থেকে কিনেও নিতে পারেন। তবে Spam Person’দের থেকে আবার কিনতে যাইয়েন না। তাহলে শুধু টাকার অপচয় হবে। সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন এই কামনা করে ইতি টানলাম।
সংক্ষেপে দেখুনধ্বজভঙ্গ রোগে হোমিও চিকিৎসা নিয়ে আজীবন সুস্থ থাকুন। হোমিও ওষুধ কি কি ধ্বজভঙ্গ রোগে ?
আমাদের দেশে পুরুষদের যৌন দুবর্লতার মতো সমস্যাগুলো মনে হয় খুবই বেশী। এসবের মধ্যে ধ্বজভঙ্গ রোগটা অন্যতম। অন্তত রাস্তাঘাটের দেয়ালে দেয়ালে যেসব ডাক্তারী বিজ্ঞাপন দেখা যায়, সেগুলো দেখলে যেকোন ব্যক্তির এমন ধারণা হওয়াই স্বাভাবিক। তবে হোমিওপ্যাথির বিজ্ঞাপনই বেশি দেখা যায়। এতে অনেকের মনে হতে পারে যে, সমবিস্তারিত পড়ুন
আমাদের দেশে পুরুষদের যৌন দুবর্লতার মতো সমস্যাগুলো মনে হয় খুবই বেশী। এসবের মধ্যে ধ্বজভঙ্গ রোগটা অন্যতম। অন্তত রাস্তাঘাটের দেয়ালে দেয়ালে যেসব ডাক্তারী বিজ্ঞাপন দেখা যায়, সেগুলো দেখলে যেকোন ব্যক্তির এমন ধারণা হওয়াই স্বাভাবিক। তবে হোমিওপ্যাথির বিজ্ঞাপনই বেশি দেখা যায়।
এতে অনেকের মনে হতে পারে যে, সম্ভবত হোমিওপ্যাথিতে যৌন রোগের সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা আছে। হ্যাঁ, বাস্তবেও কথাটি সত্য।
অন্য যাবতীয় রোগের মতো যৌন রোগেরও সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা আছে হোমিওপ্যাথিতে। আমার কাছে (ডাক্তার) যৌন দূর্বলতার যত রোগী এসেছে, তাদের প্রত্যেকেই বলেছেন যে, অ্যালোপ্যাথিক বা কবিরাজি চিকিৎসায় তারা কোন সত্যিকারের উপকার পান নাই।
যতদিন ঔষধ খাই ততদিনই ভাল থাকি কিন্তু ঔষধ বন্ধ করলেই অবস্থা আগের মতো হয়ে যায়। অন্যদিকে, মহিলাদের যৌন দূর্বলতা, যৌনকর্মে অনীহা ইত্যাদি থাকতে পারে এবং হোমিওপ্যাথিতে এগুলোরও চমৎকার চিকিৎসা আছে।
আবার নারী-পুরুষ উভয়েরই যৌনশক্তি মাত্রাতিরিক্ত থাকতে পারে এবং অনেকে সময়মতো বিবাহ করতে না পারার কারনে অথবা অকালে স্ত্রীর মৃত্যু, তালাক কিংবা বিধবা হওয়ার কারণে তাদের যৌন চাহিদা পূরণ করতে পারেন না এবং এই সমস্যা নিয়ে তারা বিপদে পড়েন।
এসব ক্ষেত্রে হোমিও ঔষধের মাধ্যমে কিছুদিনের জন্য যৌনশক্তি কমিয়ে রাখা যায় এবং এতে আপনার শরীরের বা যৌনশক্তির কোন ক্ষতির সম্ভাবনা নাই। তবে সম্ভব হলে জীবন সঙ্গী দ্রুত বাছাই করে নেয়া উচিত।
এখন, ধ্বজভঙ্গ সহ আরো বিভিন্ন প্রকার যৌন রোগের ক্ষেত্রে বেশি কিছু হোমিওপ্যাথি ঔষধ এর নাম নিচে লক্ষণানুযায়ী উল্লেখ করা হলো। অনুগ্রহ করে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এগুলো সেবন করবেন না।
Origanum Marjorana: ওরিগ্যানাম ঔষধটি পুরুষ এবং নারীদের যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধিতে একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ। তবে এটি নিম্নশক্তিতে খাওয়া উচিত কেননা উচ্চশক্তিতে কোন ফল পাওয়া যায় না।
Moschus Moschiferus: ডায়াবেটিস রোগীদের ধ্বজভঙ্গ রোগে এটি ভালো কাজ করে। এটি ক্ষুদ্র হয়ে যাওয়া পুরুষাঙ্গকে পূর্বের আকৃতিতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারে।
Kali Bromatum: বিষন্নতাজনিত কারণে যৌন দূর্বলতায় এটি প্রযোজ্য। এর প্রধান প্রধান লক্ষণগুলো হলো স্মরণশক্তির দূর্বলতা, স্নায়ুবিক দূর্বলতা, হাত দুটি সর্বদাই ব্যস্ত থাকে ও মৃগীসহ ইত্যাদি।
Staphisagria: পুরুষদের যৌন দূর্বলতা দূর করার ক্ষেত্রে স্টেফিসেগ্রিয়া একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ। বিশেষত অতিরিক্ত যৌনকর্ম করার কারণে বা মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে যাদের ধ্বজভঙ্গ হয়ে গেছে তাদের ক্ষেত্রে বেশী প্রযোজ্য।
এটি Q, ৩, ৬, ৩০, ২০০ ইত্যাদি যেকোন শক্তিতে খেতে পারেন। তবে যত নিম্নশক্তিতে খাওয়া যায় তত উত্তম। রোজ পাঁচ ফোটা করে সকাল-সন্ধ্যা দু’বার সেবন করতে হবে।
বিয়ের প্রথম কিছু দিন মেয়েদের প্রস্রাব সম্পর্কিত অথবা যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত কোন সমস্যা হলে নিশ্চিন্তে স্টেফিসেগ্রিয়া নামক ঔষধটি খেতে পারেন। কারণ স্টেফিসেগ্রিয়া একই সাথে যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত রোগে এবং আঘাতজনিত রোগে সমান কাযর্কর।
Salix Nigra: মাত্রাতিরিক্ত যৌনকর্ম, হস্তমৈথুন, স্বপ্নদোষ প্রভৃতি কারণে সৃষ্ট পুরুষদের যৌনকর্মে দূর্বলতা বা অক্ষমতার একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ হলো স্যালিক্স নাইগ্রা।
এসব কারণে যাদের ওজন কমে গেছে এই ঔষধ একই সাথে তাদের ওজনও বাড়িয়ে দিয়ে থাকে যথেষ্ট পরিমাণে। পাশাপাশি অবিবাহিত যুবক-যুবতী বা যাদের স্বামী-স্ত্রী বিদেশে আছেন অথবা মারা গেছেন, এই ঔষধ তাদের মাত্রাতিরিক্ত উত্তেজনা কমিয়ে দিয়ে স্বাভাবিক জীবন-যাপনে সাহায্য করে।
এটি মাদার টিংচার (Q) শক্তিতে ২০ থেকে ৫০ ফোটা করে রোজ দুবার করে খেতে পারেন। সহজ কথায়, এই ঔষধটি যাদের যৌনশক্তি স্বাভাবিকের চেয়ে কম তাদেরটা বাড়িয়ে স্বাভাবিক করবে এবং যাদেরটা স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত বেশী তাদেরটা কমিয়ে স্বাভাবিক করবে।
Sabal Serrulata: সেবাল সেরুলেটা পুরুষদের যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে এবং পাশাপাশি হজমশক্তি, ঘুম, শারীরিক শক্তি, ওজন (কম থাকলে) ইত্যাদিও বৃদ্ধি করে।
এটি মেয়েদেরও যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করে থাকে এবং ক্ষুদ্রাকৃতির স্তনবিশিষ্ট মেয়েদের স্তনের আকৃতি বৃদ্ধি করে থাকে।
বয়ষ্ক পুরুষদের প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের বৃদ্ধিজনিত যেকোন সমস্যা এবং ব্রঙ্কাইটিস নির্মূল করতে পারে। এটি মাদার টিংচার (Q) শক্তিতে ২০ থেকে ৫০ ফোটা করে রোজ দুবার করে খেতে পারেন।
Lycopodium Clavatum: লাইকোপোডিয়াম ধ্বজভঙ্গের একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। মাত্রাতিরিক্ত ধুমপানের কারণে ধ্বজভঙ্গ হলে এটি খেতে পারেন।
লাইকোপোডিয়ামের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো এদের পেটে প্রচুর গ্যাস হয়, এদের ব্রেন খুব ভালো কিন্তু স্বাস্থ্য খুব খারাপ, এদের প্রস্রাব অথবা পাকস্থলী সংক্রান্ত কোন না কোন সমস্যা থাকবেই।
এছাড়াও অকাল বার্ধক্য, সকাল বেলা দূর্বলতাসহ ইত্যাদি লক্ষণ প্রায়শঃই দেখা দেয়। লাইকোপোডিয়াম এই সমস্ত লক্ষণ হতে মুক্ত করে থাকে।
Calcarea Carbonica: ক্যালকেরিয়া কার্ব যৌনশক্তি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। বিশেষত মোটা ও থলথলে স্বাস্থ্যের অধিকারী লোকদের বেলায় এটি ভালো কাজ করে। এটি ৩০ শক্তিতে ৫ ফোটা করে রোজ সকালে একবার করে খেতে পারেন।
Natrum Carbonicum: যেসব নারীদের পুরুষরা আলিঙ্গন করলেই বীর্যপাত হয়ে যায় (সহবাস ছাড়াই) অর্থাৎ অল্পতেই তাদের তৃপ্তি পূর্ণ যায় এবং পরে আর সঙ্গমে আগ্রহ থাকে না, তাদের জন্য উৎকৃষ্ট ঔষধ হলো নেট্রাম কার্ব।
এই কারণে যদি তাদের সন্তানাদি না হয় অর্থাৎ বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয়, তবে নেট্রাম কার্বে সেই বন্ধ্যাত্বও সেরে যাবে।
Caladium Seguinum: যারা যৌন মিলনে কোন আনন্দ পান না বা যৌনমিলনের পর বীর্য নির্গত হয়না বা যাদের বীর্য তাড়াতাড়ি নির্গত হয়ে যায় বা যারা মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন করে দূর্বল হয়ে পড়েছেন, তারা ক্যালাভিয়াম সেবন করুন।
মাদার টিংচার (Q) শক্তিতে প্রতিদিন ১০ ফোটা করে দুইবেলা। ঔষধ খাওয়ার বা সেবন করার সময় কোনভাবেই অনিয়ম করা যাবে না।
Agnus Castus: সাধারনত গনোরিয়া রোগের পরে যৌন দূর্বলতা দেখা দিলে এটি ভালো কাজ করে। পুরুষাঙ্গ ছোট এবং নরম হয়ে যায়, পায়খানা এবং প্রস্রাবের আগে-পরে আঠালো পদার্থ নির্গত হয়, ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয় এমন ক্ষেত্রে এই ঔষধ প্রযোজ্য।
Nux Vomica: নাক্স ভমিকা ঔষধটি যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ বিশেষত যারা শীতকাতর, যাদের পেটের সমস্যা বেশী হয়, সারাক্ষণ শুয়ে-বসে থাকে, শারীরিক পরিশ্রম কম করে, মানসিক পরিশ্রম বেশী করে ইত্যাদি।
ভালো ফল পেতে এটিও নিম্নশক্তিতে ঘনঘন খাওয়া উচিত। দিনে ৫ থেকে ৬ বার খাওয়া যাবে। তবে পরিমাণটা চিকিৎসকের কাছে থেকে জেনে নিতে হবে।
Phosphoricum Acidum: সাধারনত টাইফয়েড বা এরকম কোন মারাত্মক রোগে ভোগার কারণে, মাত্রাতিরিক্ত যৌনকর্ম, হস্তমৈথুন, স্বপ্নদোষ ইত্যাদি কারণে যৌন ক্ষমতা কমে গেলে অথবা একেবারে নষ্ট হয়ে গেলে এবং সাথে অন্য আরো যেকোন সমস্যা হউক না কেন এসিড ফস আপনাকে সব ফিরিয়ে দিবে।
Selenium: যৌন শক্তি দূর্বলতা, দ্রুত বীর্য নির্গত হওয়া, স্বপ্নদোষ, মাথার চুল পড়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যায় সেলিনিয়াম একটি প্রথম শ্রেণীর ঔষধ। বিশেষত যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে তাদের ক্ষেত্রে এটি খুব ভালো কাজ করে।
অতিরিক্ত কিছু ঔষধ সম্পর্কিত তথ্য জেনে রাখুন:
১. পুরুষাঙ্গ বড় করার জন্য – Agnus Castus (অতীতে যৌন অনাচার); Lycopodium – যাদের পেটে গ্যাস হয়; অথবা Baryta Carb (জন্মগতভাবে বোকাটে) শক্তি ২০০ সপ্তাহে একমাত্রা করে কয়েক মাস সেবন করতে হবে।
২. মহিলাদের মাত্রাতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা দমনের জন্য Platinum, Baryta Mur অথবা Salix Nigra প্রতিদিন একবার করে সেবন করতে হবে।
পুরুষদের অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা দমনের জন্য Salix Nigra অথবা Agnus castus (শক্তি ২০০) তিন বেলা করে পনের দিন সেবন করতে হবে।
৩. অবিবাহিত মেয়েদের অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা দমনের জন্য Platinum (শক্তি ২০০) তিন বেলা করে কিছুদিন সেবন করার পরে পরে শক্তি বাড়িয়ে সেবন করবেন।
৪. মহিলাদের যৌন মিলনে বিতৃষ্ণা দূর করতে Agnus Castus (শক্তি Q,৩,৬) পাঁচ ফোটা করে দুইবেলা করে ১৫ দিন সেবন করতে হবে।
পরিশেষে বলা যায়, হোমিওপ্যাথি ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুবই কম। তাই বলে নিজে ইচ্ছে মতো ঔষধ সেবন করা যাবে না। তাহলে ক্ষতি হবেই।
আপনি যদি সত্যিই ধ্বজভঙ্গ বা অন্য যেকোন ধরণের যৌন রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন তবে প্রকাশ্যে না হলেও গোপনে ভালো কোনো হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের তত্বাবধানে ঔষধ সেবন করুন।
যার তার কথা শুনে ঔষধের মাত্রা না বুঝে ঔষধ সেবন করা থেকে বিরত থাকুন। এমনও হতে পারে যে, আপনি ভুল ঔষধ সেবন করার কারণে সারাজীবনের জন্য যৌন শক্তিতে পঙ্গু হয়ে যেতে পারেন। তাই, অবশ্যই সাবধান।
সংক্ষেপে দেখুনইসলামিক তথ্য – কিছু প্রয়োজনীয় দোয়া
আমরা যারা মুসলমান তাদের আসলে অনেক কিছু মেনে চলতে হয় বিশেষ করে ইসলামিক তথ্য। ইসলামিক বিভিন্ন আদব-কায়দা, নিয়ম-কানুন মানতে হয়। কারণ, এগুলো মহান আল্লাহতায়ালার আদেশ। অন্যদিকে, আমাদের প্রিয় মহানবী (সাঃ) আমাদের জন্য জন্য এক উত্তম জীবন-বিধান রেখে গেছেন। ইসলামিক তথ্য হিসেবে এগুলো সারা বিশ্বে সমাদৃত। আমরা যখনবিস্তারিত পড়ুন
আমরা যারা মুসলমান তাদের আসলে অনেক কিছু মেনে চলতে হয় বিশেষ করে ইসলামিক তথ্য। ইসলামিক বিভিন্ন আদব-কায়দা, নিয়ম-কানুন মানতে হয়। কারণ, এগুলো মহান আল্লাহতায়ালার আদেশ।
অন্যদিকে, আমাদের প্রিয় মহানবী (সাঃ) আমাদের জন্য জন্য এক উত্তম জীবন-বিধান রেখে গেছেন। ইসলামিক তথ্য হিসেবে এগুলো সারা বিশ্বে সমাদৃত।
আমরা যখন যাই করি না কেন, যে কাজই করি না কেন – আমাদের অবশ্যই কোনো না কোনো দোয়া পড়তে হয়। আলাদা আলাদা কাজের জন্য আলাদা আলাদা দোয়া রয়েছে।
আমরা আজ এসব ব্যাপারে জানবো। আশা করি, তথ্যগুলো সবার কাজে আসবে। তো আর কথা নয় – সরাসরি যাচ্ছি মূল আলোচনায়:
ঘুমানোর পূর্বের দোয়া:
اَسْتَغْفِرُالله الَّذِىْ لآَ اِلَهَ اِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّوْمُ وَاَ تُوْبُ اِلَيْه
আসতাগফিরুল লাহাল লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাই’য়ুল কাই’ইয়ু’মু ওয়া আতুবু ইলাহ।
রাসূলে পাক বলেছেন, যে ব্যাক্তি ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই দোয়া তিনবার পড়ে ঘুমাবে সে ঘুম থেকে নিষ্পাপ হয়ে উঠবে। (তিরমিজী শরীফ – খন্ড-২ পৃষ্ঠা-১৭৫)
ঘুম থেকে উঠার পরে দোয়া:
اَلْحَمْدُ للهِ الَّذِىْ اَحْىَ نَفْسِىْ بَعْدَ مَااَمَاتَهَا وَ اِلَيْهِ النُّشُوْرُ
আলহামদুলিল্লাহিল লাজি আহইয়া নাফছি বা’দা মা আমাতাহা ওয়া ইলাইহিন নুশুর।
রাসূল ঘুম থেকে উঠেই এই দোয়া পড়তেন। এই দোয়া পড়লে সারাদিন ভালো কাটবে। (তিরমিজী শরীফ – খন্ড-২ পৃষ্ঠা-১৭৮)
টয়লেটে যাওয়ার আগে দোয়া:
اَللَّهُمَّ اِ نِّىْ اَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْخُبْثِ وَالْخَبَائِثِ
আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল খুবথি ওয়াল খাবায়ি’থ।
এই দোয়া পড়ে রাসূল টয়লেটে ঢুকতেন। টয়লেটে ঢুকার আগে এই দোয়া পড়তে বলেছেন। (বুখারী শরীফ – খন্ড-২, পৃষ্ঠা-৯৩৬)
ঘর থেকে বের হওয়ার সময় দোয়া:
بِسْمِ اللهِ تَوَكَّلْتُ عَلىَ اللهِ وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ اِلاَّ بِاللهِ ط
বিসমিল্লাহি তাওয়াক’কালতু আলাল্লাহি ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কু’ওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
রাসূল বলেছেন যে ব্যাক্তি এই দোয়া পড়ে ঘর থেকে বেরোবে সকল বিপদ থেকে সে নিরাপদে থাকবে ও ইবলিশ শয়তান তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। (তিরমিজী শরীফ – খন্ড-২ পৃষ্ঠা-১৮০)
ঋণ থেকে মুক্তির দোয়া:
اَللَّهُمَّ اكْفِنِىْ بِحَلاَ لِكَ عَنْ حَرَامِكَ وَاَغْنِنِىْ بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ
আল্লাহুম্মা আকফিনি বি হালালিকা আ’ন হারামিকা আগনিনি বি ফাদলিকা আম্মান সিওয়াকা।
হযরত আলী (রাঃ) বলেছেন, যে ব্যাক্তি এই দোয়া পড়বে সে যদি পাহাড়ের সমানও দেনাগ্রস্থ হয়ে থাকে তবুও তার জন্য দেনা পরিশোধ সহজ করে দেয়া হবে। (তিরমিজী শরীফ – খন্ড-২ পৃষ্ঠা-১৯৫)
প্রাকৃতিক দূর্যোগ থেকে হেফাজতে থাকার দোয়া:
بِسْمِ اللهِ الَّذِىْ لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْئٌ فِى اْلاَرْضِ وَ لاَ فِى السَّمَآءِ وَهُوَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْمُ
বিসমিল্লাহিল লাজি লা ইয়াদূর’রু মা’আস মিহি শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামি’ই ওয়াহুয়া সামি’য়ুল আলিম।
রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই দোয়া তিনবার পড়বে সে ভূমি ও আকাশের দূর্যোগ থেকে হেফাজতে থাকবে। (তিরমিজী শরীফ – খন্ড-২ পৃষ্ঠা-১৭৩)
রোগ থেকে মুক্তির দোয়া:
اَللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ مُذْهِبَ الْبَاسِ اِشْفِ اَ نْتَ الشَّافِىْ لاَ شَافِىْ اِلاَّ اَ نْتَ شِفَاءً لاَيُغَادِرُ سُقْمًا
আল্লাহুম্মা রাব্বান নাছি মুযহিবাল বাছি – ইশফি আনতা শাফি – লা শাফি ইল্লা আনতা শিফা’ন লা ইয়োগাদিরু সুকমা।
আনাস (রাঃ) বলেছেন, রাসূল (সাঃ) অসুস্থ ব্যাক্তিদের উপর এই দোয়া পড়ে ফু দিতেন। অসুস্থ ব্যাক্তি দ্রুত আরোগ্য লাভ করতো। (বুখারী শরীফ – খন্ড-২ পৃষ্ঠা-৮৫৫)
ব্যথা উপশমের দোয়া:
اَعُوْذُ بِعِزَّ ةِ اللهِ وَقُدْرَ تِهِ مِنْ شَرِّ مَااَجِدُ
আউযুবি ইজ্জাতিল্লাহি ওয়া কুদরাতিহি মিন শার’রি মা আজিদু
হযরত উসমান (রাঃ) একবার ব্যাথার যন্ত্রনায় কাতড়াচ্ছিলেন। রাসূল বললেন, আপনি ডান হাত দিয়ে ব্যাথার স্থান বুলানোর সময় এই দোয়া সাতবার পড়ুন। ব্যাথা ধীরে ধীরে কমে যাবে। (সুনান আবু দাউদ – খন্ড-২ পৃষ্ঠা-৫৪৩)
পরিশেষে বলা যায়, ইসলামিক তথ্য হিসেবে উপরে যে দোয়াগুলোর কথা বলা হলো তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো আমাদের প্রত্যেকেরই মেনে চলা উচিত। তাহলে আমাদের জীবন সুন্দর হবে এবং হয়তো আল্লাহতায়ালা উত্তম প্রতিদান দেবেন।
সংক্ষেপে দেখুনসত্যিই কি শুকরের রক্ত/মাংস/চর্বি কি ব্যবহার হয়? কোকাকোলা কিভাবে বানায়? কোকাকোলার কালো রং কিভাবে আসে? বাংলাদেশের কোকাকোলার ব্যাপারে কিছু তথ্য
ক) সত্যিই কি শুকরের রক্ত/মাংস/চর্বি কি ব্যবহার হয়? এটা যদিও হাস্যকর তবুও বলি কোকাকোলার ফ্যাক্টরিতে কোন শুকরের রক্ত/মাংস/চর্বি প্রসেসিং করার মত কোন অংশ নেই। সুতরাং শুকরের রক্ত/চর্বি যোগ করার কোন প্রশ্নই আসে না। প্রতিদিন কোকাকোলা ১.৮ বিলিয়নের বেশি কোকের বোতল বিক্রি করে। পৃথিবীতে মানুষ আছে ৭.৫ বিলিয়ন।বিস্তারিত পড়ুন
ক) সত্যিই কি শুকরের রক্ত/মাংস/চর্বি কি ব্যবহার হয়?
এটা যদিও হাস্যকর তবুও বলি কোকাকোলার ফ্যাক্টরিতে কোন শুকরের রক্ত/মাংস/চর্বি প্রসেসিং করার মত কোন অংশ নেই। সুতরাং শুকরের রক্ত/চর্বি যোগ করার কোন প্রশ্নই আসে না।
প্রতিদিন কোকাকোলা ১.৮ বিলিয়নের বেশি কোকের বোতল বিক্রি করে। পৃথিবীতে মানুষ আছে ৭.৫ বিলিয়ন। তারা যদি শূকরের রক্ত/চর্বি যোগ করতোই তাহলে সেটা পূরণ করার জন্য প্রচুর শূকরের প্রয়োজন হতো। এটা গোপন রাখা খুবই কঠিন হবে।
খ) তাহলে কোকাকোলা কিভাবে বানায়?
কোকাকোলা বানানোর প্রসেস অনেকটা অন্যান্য বেভারেজ ফ্যাক্টরির মতই। তবে কোকাকোলা কোয়ালিটি ম্যান্টেইন করার ব্যাপারে কোন ছাড় দেয় না।
কোকাকোলা কোন উপাদান, কোন পদ্ধতি ব্যবহার করে উৎপাদন করে সেটা তাদের ট্রেড সিক্রেট। এটা বাইরে প্রকাশ করা অন-ইথিকাল এবং আইনত দন্ডনীয় অপরাধ।
আর আমরা বাইরে কিছু প্রকাশ করবো না, এমন শর্তেই ফ্যাক্টরি ভিজিট করেছিলাম। তাই তাদের উপাদান এবং উৎপাদন প্রসেস সম্পর্কে বলতে পারলাম না।
কোকাকোলা উৎপাদন নিয়ে ন্যাশনাল জিওগ্রাফির একটা ডকুমেন্টারি আছে, সেটা দেখলেই ধারনা পেয়ে যাবেন।
গ) কোকাকোলার কালো রং কিভাবে আসে?
কোকাকোলার কালো রং আনার জন্য কোনো ধরনের কালার ব্যবহার করা হয়না। চিনিকে (সুগার) হিট দিয়ে প্রসেসিং করার কারনে কালো রং আসে, যা সম্পূর্ন ন্যাচারাল।
ইন্টারন্যাশেনাল বেভারেজ লিমিটেড সম্পূর্ন স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে চলে। এখানে শ্রমিক নেই বললেই চলে। কোক ছাড়াও স্প্রাইট এবং ফান্টা একই ফ্যাক্টরিতে একই যন্ত্রাংশের সমন্বয়ে বানানো হয়।
৪. বাংলাদেশের কোকাকোলার ব্যাপারে কিছু তথ্য:
ক) কোকাকোলার প্লাস্টিকের বোতল সাপ্লাই করে “প্রাণ”।
খ) বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশুদ্ধ পানি কোকাকোলা উৎপাদনের জন্য বানানো হয়, IBL ১২টি ধাপে পানিকে বিশুদ্ধ করে। যা দেশের অন্য কোন ফ্যাক্টরিতে করে না।
গ) কোকাকোলার বোতল উৎপাদনের জন্য ভার্জিন প্লাস্টিক (আগে কখনো ব্যবহার হয়নি এমন প্লাস্টিক) ব্যবহার করা হয়।
বিশ্বে প্লাস্টিক দূষনে এরা এজন্য এগিয়ে আছে। কোকাকোলা ফ্যাট জাতীয় খাবার, আপনার স্বাস্থ্যগত সমস্যা থাকলে কোমলপানীয় এড়িয়ে চলা উচিৎ।
যদি ন্যাচারাল ফ্লেভার নিয়ে খুতখুতে থাকেন, তাহলেও কোক এড়িয়ে চলতে পারেন। তবে কোকাকোলা সবচেয়ে বিশুদ্ধ উপায়ে কোক যাতে আপনাদের হাতে পৌছে দিতে পারে সেই চেষ্টা করে। তাই নিশ্চিন্তে কোকাকোলা খেতে পারেন।
সংক্ষেপে দেখুনকারও ফাঁসি হলে ফাঁসির আগে জল্লাদ আসামীর কানে ফিস ফিস করে কি বলে?
জানা গেছে, ফাঁসির দিন অপরাধীকে খুব ভোরে ঘুম থেকে তোলা হয়। এরপর তাকে পছন্দের খাবার খাওয়ানো হয়। তারপর তাকে গোসল করানো হয়। এরপর ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে যাওয়া হয়। ফাঁসি কার্যকরের সময় আসামির সবচেয়ে কাছে থাকে জল্লাদ। জল্লাদ প্রথমে আসামির কানের কাছে গিয়ে মুসলিম হলে সালাম দেয় আর হিন্দু হলে রাম রাম বলে। এরপর জল্লাবিস্তারিত পড়ুন
জানা গেছে, ফাঁসির দিন অপরাধীকে খুব ভোরে ঘুম থেকে তোলা হয়। এরপর তাকে পছন্দের খাবার খাওয়ানো হয়। তারপর তাকে গোসল করানো হয়।
এরপর ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে যাওয়া হয়। ফাঁসি কার্যকরের সময় আসামির সবচেয়ে কাছে থাকে জল্লাদ। জল্লাদ প্রথমে আসামির কানের কাছে গিয়ে মুসলিম হলে সালাম দেয় আর হিন্দু হলে রাম রাম বলে।
এরপর জল্লাদ আসামির কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন। আসামিকে কর্তব্যের কাছে তিনি বাঁধা বলেও জানিয়ে দেন। এরপর আসামির ফাঁসি কার্যকর করেন।
সংক্ষেপে দেখুনমহিলাদের জন্য সেরা পরামর্শটি কী হতে পারে?
ক্যামস্ক্যাম থেকে সাবধান থাকুন। চেঞ্জিং রুমে ঢোকার আগে কোথাও কোনও লুকানো ক্যামেরা আছে কিনা তা একবার পরীক্ষা করে দেখে নিন। আপনার কয়েকটি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তই আপনার গোপনীয়তা সুরক্ষিত করতে পারে। আপনারা হামেশাই শুনে থাকবেন কী রকম করে কিছু ঘৃণ্য মানসিকতার লোকেরা উঁকি ঝুঁকি মেরে মেয়েদের গোপনীয়তা নষ্ট কবিস্তারিত পড়ুন
ক্যামস্ক্যাম থেকে সাবধান থাকুন। চেঞ্জিং রুমে ঢোকার আগে কোথাও কোনও লুকানো ক্যামেরা আছে কিনা তা একবার পরীক্ষা করে দেখে নিন।
আপনার কয়েকটি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তই আপনার গোপনীয়তা সুরক্ষিত করতে পারে। আপনারা হামেশাই শুনে থাকবেন কী রকম করে কিছু ঘৃণ্য মানসিকতার লোকেরা উঁকি ঝুঁকি মেরে মেয়েদের গোপনীয়তা নষ্ট করে। তাই এই ব্যাপারটি সবসময় গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করুন।
সংক্ষেপে দেখুনইউটিউবে ভুলেও যেসব ভিডিও আপলোড করবেন না
বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব। দিনে কয়েক কোটি গ্রাহক রয়েছে ইউটিউবের। শুধু ইউটিউবে নাটক, সিনেমা কিংবা যে কোনো ভিডিও দেখা নয় চাইলে আপনিও আপলোড করতে পারবেন। অনেকেই নিয়মিত ভিডিও আপলোড করে ইনকাম করছেন এই প্ল্যাটফর্ম থেকে। এজন্য প্রথমেই আপনাকে চ্যানেল খুলতে হবে। এরপর কন্টেন্টবিস্তারিত পড়ুন
বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব। দিনে কয়েক কোটি গ্রাহক রয়েছে ইউটিউবের। শুধু ইউটিউবে নাটক, সিনেমা কিংবা যে কোনো ভিডিও দেখা নয় চাইলে আপনিও আপলোড করতে পারবেন। অনেকেই নিয়মিত ভিডিও আপলোড করে ইনকাম করছেন এই প্ল্যাটফর্ম থেকে।
এজন্য প্রথমেই আপনাকে চ্যানেল খুলতে হবে। এরপর কন্টেন্ট তৈরি করে আপলোড করতে হবে। ইউটিউবের সব নিয়ম মেনেই আপনাকে কাজগুলো করতে হবে। নির্দিষ্ট পরিমাণ ভিউ হওয়ার পরই আয় করতে পারবেন এখান থেকে। তবে ইউটিউব থেকে ব্যানও হতে পারেন যে কোনো সময়।
কিছু ভিডিও আছে যা কখনোই আপনার চ্যানেলে আপলোড করবেন না। এতে আপনার চ্যানেল নিষিদ্ধ হতে পারে ইউটিউবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন ভিডিও কখনই ইউটিউবে আপলোড করবেন না-
>> যেসব ভিডিও সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করে বা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করে তা আপলোড করা যাবে না।
>> অন্যের কন্টেন্ট ভিডিও কখনোই আপলোড করবেন না। কপিরাইট স্ট্রাইক পেতে পারে আপনার চ্যানেল।
>> বর্তমানে সবারই মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে। তারপরও এমন কোনো ভিডিও আপলোড করা যাবে না যা অন্যের সম্মানহানি করে।
>> ভিউ বাড়ানোর জন্য কুরুচিপূর্ণ কথা, ব্যক্তিগত আক্রমণ, অপপ্রচার কিংবা আইনত সাইবার বুলিংয়ের পর্যায়ে পড়ে। এ ধরনের ভিডিও বা থাম্বনেইল ব্যবহার করা যাবে না।
>> ধর্মীয় বিষয়ে কটুক্তি কিংবা বিদ্বেষ ছড়ায় এমন ভিডিও ভুলেও আপলোড করবেন না।
>> মিথ্যা তথ্য, যমন-কারো মৃত্যু সংবাদ, কারো নির্বাচনে জয়লাভ বা কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ, কোনো সাম্প্রদায়িক ঘটনা নিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে কোনো ভিডিও দেওয়া যাবে না।
>> ইউটিউবে কোনো ধরনের এবিউজিং ভিডিও দেখানো যাবে না। যেমন পোষা প্রাণীদের দিয়ে বিভিন্ন ক্রিয়েটর চ্যানেল আছে, সেখানে এদের পালন, ভেট, ভ্যাক্সিন, ট্রিটমেন্ট, ট্রেন আপ করানোর বিষয় থাকে। তবে এর মধ্যে আইন লঙ্ঘন হয় এমন কিছু দেখানো যাবে না। যেমন ধরুন প্রাণি হত্যা বা নির্যাতনের ভিডিও।
সংক্ষেপে দেখুনকসমেটিকস দীর্ঘদিন ভাল রাখবেন কী করে?
নিজেকে সুন্দর করে তুলতে মেক আপের জুড়ি নেই। তবে আপনার সাধের প্রসাধনীগুলিরও প্রয়োজন কিছু পরিচর্যার।নিয়ম মেনে কসমেটিক স্টোর না করলে তা যেমন তাড়াতাড়ি খারাপ হয়ে যায় তেমনই ওই প্রডাক্ট ব্যবহার করাও শরীরের পক্ষে হানিকারক। তাছাড়া সুন্দর ভাবে গুছিয়ে রাখলে তাড়াহুড়োতেও আপনার প্রয়োজনীয় প্রডাক্টটি সহজেই খুঁজে পাববিস্তারিত পড়ুন
নিজেকে সুন্দর করে তুলতে মেক আপের জুড়ি নেই। তবে আপনার সাধের প্রসাধনীগুলিরও প্রয়োজন কিছু পরিচর্যার।নিয়ম মেনে কসমেটিক স্টোর না করলে তা যেমন তাড়াতাড়ি খারাপ হয়ে যায় তেমনই ওই প্রডাক্ট ব্যবহার করাও শরীরের পক্ষে হানিকারক। তাছাড়া সুন্দর ভাবে গুছিয়ে রাখলে তাড়াহুড়োতেও আপনার প্রয়োজনীয় প্রডাক্টটি সহজেই খুঁজে পাবেন। চলুন জেনে নিই।
কী করবেন:
প্রসাধনী ভাল রাখার জন্য শুকনো বা ময়শ্চার ফ্রি রাখা খুবই জরুরি। কারণ ময়শ্চার কসমেটিকসকে খারাপ করে দেয়। পাউডারড ব্লাশ কমপ্যাক্ট বা আইশ্যাডো বাতাসের আদ্রর্তার সংস্পর্শে এলে, বিক্রিয়ার ফলে এগুলি জমে গিয়ে সহজেই নষ্ট হয়ে যায়। এগুলি ব্যবহার করা ত্বকের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। একই ভাবে ঠিক ভাবে না রাখলে লিপস্টিক ক্রিম আই শ্যাডো, আই লাইনার সহজেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই কসমেটিক ভাল রাখার জন্য প্রথমেই প্রয়োজন একটি ভাল মেক আপ বক্স। আজকাল বাজারে নানা ধরনের আধুনিক মেক আপ বক্স পাওয়া যায়। এই স্টোরেজ বক্সগুলিতে আই শ্যাডো থেকে শুরু করে আইব্রো টুইজ়ার রাখার জন্যও সুন্দর জায়গা করা থাকে। তাছাড়া শক্তপোক্ত হওয়ায় বক্সের ভিতরে থাকা কসমেটিকসও ভাল থাকে।
লিপস্টিক ভাল রাখার জন্য রেফ্রিজ়ারেটারে স্টোর করুন। কারণ অতিরিক্ত উষ্ণতা এবং আদ্রর্তায় লিপস্টিকে বিক্রিয়া ঘটায়। বাথরুমে কখনই লিপস্টিক রাখবেন না। জল, উষ্ণতা, আদ্রর্তায় লিপস্টিক সহজেই খারাপ হয়ে যায়। তাছাড়া গরমে লিপস্টিক সহজে নরম হয়ে ভেঙে যেতে পারে। লিপ পেনসিল ও কাজল পেনসিল ব্যবহার করার দশ মিনিট আগে রেফ্রিজ়ারেটারে রেখে দিন। এতে লিপ পেনসিল সহজে ভেঙে যাওয়ার প্রবনতা থাকবে না। লিপ পেনসিল কাটার জন্য ভাল সার্পনার ব্যবহার করুন। লিপস্টিকের গন্ধে পরিবর্তন হলে বা অতিরিক্ত চটচটে হয়ে উঠলে তা বর্জন করুন। লিপস্টিক সহজেই মুখে চলে যেতে পারে। যা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকারক। তাই এই ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।
নেলপলিশ দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে চাইলে রোদ থেকে দূরে রাখুন। নেলপলিশ ব্যবহার করার সময় ফ্যান চালাবেন না। এতে নেলপলিশ তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়। নেলপলিশ ব্যবহারের পর শিশির মুখ শক্ত করে আটকে রাখুন। নেল পলিশের মুখে নেলপলিশ জমে শক্ত হয়ে থাকলে রিমুভার দিয়ে নেলপলিশের শিশির মুখ এবং ঢাকনা মুছে নিন। এতে নেলপলিশ অনেকদিন ব্যবহার করতে পারবেন।
অন্যান্য প্রডাক্টের মতো মেক আপ ব্রাশের যত্ন নেওয়াও অত্যন্ত জরুরি। ব্রাশে যেন আই শ্যাডো বা ব্লাশার লেগে না থাকে। ব্যহারের পর মাইল্ড শোপ দিয়ে আলতো হাতে ব্রাশ ধুয়ে ফেলুন। এয়ার ড্রাই করে মেক বক্সে স্টোর করুন।
জরুরি টিপস:
কসমেটিক সবসময় নামী কোম্পানির কেনা উচিত। কারণ মুখের ত্বক, চোখ, ঠোঁটের ত্বক শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় অনেক বেশি সংবেদশীল। তাই কসমেটিকসের মান ভাল না হলে তা ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।কসমেটিক কেনার সময় অবশ্যই এক্সপেয়ারি ডেট দেখে নিন। লিপস্টিক, কমপ্যাক্ট ইত্যাদি বিউটি প্রডাক্ট সাধারণত এক থেকে দু’বছর ব্যবহার করা যায়। ডেট পেরিয়ে গেলে প্রসাধনী বর্জন করুন। যাঁরা কম সাজগোজ করেন তাঁরা অনেকসময় আইশ্যাডো বা ফাউন্ডেশন ইত্যাদি কিনে ফেলে রাখেন বা অনেকদিন ধরে ব্যবহার করেন। এই অভ্যাস বদলাতে হবে। যেকোনও বিউটি প্রডাক্ট ব্যবহার করার আগে অবশ্যই ডেট চেক করুন। এছাড়া চেষ্টা করুন যে সমস্ত প্রসাধনী রোজ ব্যবহার হয় না সেগুলের ছোট ফাইল কিনতে। যেমন আই শ্যাডোর টুয়েলভ শেডস না নিয়ে টু শেডস বা ফোর শেডসের বক্স কিনতে পারেন। ফুরিয়ে গেলে আবার কিনুন। নতুন কোনও ধরনের ফেস ক্রিম যেমন, বিবি ক্রিম, ফাউন্ডেশন, সানস্ক্রিন ইত্যাদি নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করার আগে কনুইয়ের কাছে লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে দেখুন আপনার ত্বকের জন্য সুট করছে কিনা। কিছু ধরনের ক্রিম থেকে অনেকের ত্বকে অ্যালার্জি বা র্যাশ বেরতে পারে। যদি কোনও সমস্যা না হয় তাহলেই প্রডাক্টটি কিনুন। আপনি যতই ক্লান্ত থাকুন না কেন, রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে অবশ্যই ভাল ভাবে মেক আপ তুলে নিন। কারণ মেক আপ থেকে গেলে ত্বক ঠিক মতো শ্বাস নিতে পারে না, রোমকুপের পথ আবদ্ধ হয়ে থাকে যার ফলে ত্বকের খুবই ক্ষতি হয়।
সংক্ষেপে দেখুনবাড়ছে একাকীত্ব নাকি মানসিক অবসাদ?
মানুষের সামগ্রিক সুস্থতা শুধু তার শরীরের সুস্থতায় নয়। মনের সুস্থতাও জরুরি। কারো জীবনে আনন্দের বহিঃপ্রকাশের সঙ্গে তার মনের সম্পর্ক রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তৌহিদুল হক জানান, বাংলাদেশের মানসিক চিকিৎসকরা বলছেন, যদিও আগের তুলনায় অনেক পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু এখনো দেশবিস্তারিত পড়ুন
বাড়ছে একাকীত্ব নাকি মানসিক অবসাদ
সারাবিশ্বেই হৃদরোগের ঝুঁকি মাত্রাতিরিক্ত হারে বাড়ছে। হৃদরোগের মধ্যে কিশোররাও বাদ নেই। কিশোরদের এই হৃদরোগের ঝুঁকির পেছনে অবশ্যই মানসিক অবসাদের প্রভাব রয়েছে। প্রজন্মের বিশাল একটি অংশ অনলাইনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠেছে। এই নির্ভরশীলতা থেকে তারা বের হতে পারছে না। যেহেতু বের হতে পারছে না তাই তারা একসময় একঘেয়েমিতে ভুগে। এই একঘেয়েমিই মূলত তাদের যন্ত্রণার কারণ।
কোন রঙ নারীদের ঠোঁটে বেশি মানায়?
খুব বেশি চড়া মেকআপ পছন্দ করেন না? বিয়েবাড়ি হোক বা বড়দিন উদযাপন, হালকা মেক আপেই স্বচ্ছন্দবোধ করেন। নিখুঁত মেকআপে সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে ঠোঁটের মেকআপ ঠিকঠাক হওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনার পছন্দের লিপস্টিকটি যদি হয় নজরকাড়া এবং পরার কায়দায় যদি থাকে নতুনত্ব, তবেই আর পাঁচজনের ভিড়েও আপনার উপস্থিতি টের পাবিস্তারিত পড়ুন
কোন রঙ নারীদের ঠোঁটে বেশি মানায়?
হরেক ব্র্যান্ডের লিপস্টিকের নতুন সম্ভারে ভরে ওঠে প্রসাধনের জগত। কোন তিন রঙের লিপস্টিক আপনার সম্ভারে থাকতেই হবে, রইল তার হদিস। খবর আনন্দ বাজারের।
কোন রঙ নারীদের ঠোঁটে বেশি মানায়?
কোন রঙ নারীদের ঠোঁটে বেশি মানায়?
স্মার্ট ফোন নিয়ে ভুল ধারণাগুলো কি কি?
স্মার্টফোন এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অচ্ছেদ্য অঙ্গেই যেন পরিণত হয়েছে। হরদম ব্যবহারের কারণে স্মার্টফোনের নানা টেকনিক, কৌশল, তত্ত্ব-তথ্য অনেক কিছুই আমরা জানি। তবে দেখা গেছে এই জানার তালিকায় স্মার্টফোন সম্পর্কে বেশ কিছু ভুল ধারণাও রয়ে গেছে। বিশেষ করে এই দরকারি গ্যাজেটটির ক্যামেরা, ব্যাটারি, মেমরি ও নাবিস্তারিত পড়ুন
স্মার্টফোন এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অচ্ছেদ্য অঙ্গেই যেন পরিণত হয়েছে। হরদম ব্যবহারের কারণে স্মার্টফোনের নানা টেকনিক, কৌশল, তত্ত্ব-তথ্য অনেক কিছুই আমরা জানি। তবে দেখা গেছে এই জানার তালিকায় স্মার্টফোন সম্পর্কে বেশ কিছু ভুল ধারণাও রয়ে গেছে। বিশেষ করে এই দরকারি গ্যাজেটটির ক্যামেরা, ব্যাটারি, মেমরি ও নানা অ্যাপ বিষয়ে এমন কিছু ধারণা প্রায় মিথের মতো প্রচলিত- বাস্তবের সঙ্গে যার সম্পর্ক নেই। আসুন, ভ্রান্ত এই ধারণাগুলে দূর করে নেওয়া যাক- এখনি
১. ধারণা: প্রসেসর ডাবল করলে ফোনের পারফর্মেন্সও ডাবল হয়ে যায়!
বাস্তবতা: ভুল। ফোনের চিপ সিঙ্গেল কোর থেকে বদলে ডাবল বা কোয়ার্ড কোর- যাই করুন না কেন, এর সঙ্গে সমন্বয় রেখে ফোনের অন্যান্য রিসোর্স পার্টগুলো না বদলানোর জন্য পারফর্মেন্স যেই কে সেই থেকে যায়। মনে রাখবেন, সবগুলো কোরকেই ওই একই সিঙ্গেল ব্যাটারি আর মেমরি দিয়ে কাজ চালাতে হয়।
২. ধারণা: ক্যামেরার মেগাপিক্সেল যত বেশি ছবির গুণগত মানও তত বেশি হয়!
বাস্তবতা: এটাও ভুল ধারণা। সঠিক ঘটনাটি হচ্ছে ইমেজ কোয়ালিটি ক্যামেরার শাটার স্পিড আর অ্যাপারচারের ওপর নির্ভর করে- মেগাপিক্সেলের ওপর নয়। তবে মেগাপিক্সেল বেশি হলে ছবি প্রিন্ট করার ক্ষেত্রে বা দেখার ক্ষেত্রে বেশি বড় করে দেখা যায়- অল্পতেই ফেটে যায় না।
৩. ধারণা: স্মার্টফোনে ভাইরাস ও মেলঅ্যার!
বাস্তবতা: যদি আপনি থার্ড পার্টি বা আনঅথরাইজড সোর্স থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করেন- তবে তাতে সওয়ার হয়ে মেলঅয়্যার আসতে পারে। কিন্তু অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করল তা আসার সম্ভাবনা নাই। অর্থাৎ, আপনি যদি শুধুমাত্র গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করেন- তবে আপনার মোবাইলে অ্যান্টি-ভাইরাস ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই।
৪. ধারণা: লোকাল চার্জারে ব্যাটারি বার্স্ট করতে পারে!
বাস্তবতা: স্মার্টফোনের ব্যাটারি বিস্ফোরণের অনেক কারণ থাকতে পারে। তবে লোকাল চার্জারে ফোন চার্জ হতে সময় হয়তো একটু বেশি নেয় কিন্তু এতে করে আপনার মোবাইলের ব্যাটারি বার্স্ট করতে পারে- এটা সম্পূর্ন মিথ্যে বয়ান। স্মার্টফোনের স্মার্ট দোকানদাররা অনেক সময় গ্রাহককে অহেতুক ভয় ধরিয়ে দেয়- কাস্টমারের সামর্থ্য বা ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও দামি চার্জার গছিয়ে দেওয়ার কৌশল নিয়ে থাকে। চার্জার যে কোনো কোম্পানির হোক- সমস্যা নাই। মোবাইলের সঙ্গে দেওয়া অরিজিন্যাল চার্জারেও অনেক সময় সমস্যা থাকে। সে ক্ষেত্রে ধরে নিতে পারেন এর ব্যাটারিও খারাপ হতে পারে।
৫. ধারণা: অ্যাপ বন্ধ করলে ফোনের পারফর্মেন্স বাড়ে!
বাস্তবতা: আপনার জানা উচিৎ, রিসেন্টলি ব্যবহার করা অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে নয়, ফোনের র্যা ম-এ স্টোর হয় যাতে আপনি পরে সেগুলো আবার ব্যবহার করতে পারেন। আর তাই সম্প্রতি ব্যবহার করা অ্যাপ তড়িঘড়ি বন্ধ করার জন্য পেরেশান হওয়ার দরকার নেই। কারণ, এটা আপনার ফোনের পারফর্মেন্সে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলে না।
৬. ধারণা: ব্লুটুথ বা ওয়াইফাই অন থাকলে ব্যাটারির চার্জ খরচা হয়!
বাস্তবতা: ব্লুটুথ বা ওয়াইফাই যতক্ষণ ব্যবহার না করা হয় ততক্ষণ এ খাতে ব্যাটারির চার্জ ব্যয় ধর্তব্যের মধ্যে পড়ে না। এগুলো শুধু অন করার সঙ্গে ব্যাটারির সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
৭. ধারণা: চুম্বকের কাছে রাখলে মেমরি রিমুভ হয়ে যায়!
বাস্তবতা: ফোনের ডেটা এর মেমরি কার্ডে মজুদ থাকে। জেনে রাখুন, ম্যাগনেটের আশপাশে রাখলে ফোনের স্টোরেজে এর কোনো আসর পড়ে না।
৮. ধারণা: সারারাত চার্জ করলে ব্যাটিারি ড্যামেজ হয়!
বাস্তবতা: যদি সারারাত আপনার ফোনটি চার্জে থাকে তবে এটা দৃশ্যত ব্যাটারির ক্ষমতায় কোনো প্রভাব ফেলে না। সাধারণত, ব্যাটারির ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য একে ৮০% পর্যন্ত চার্জ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই সহজ কথাটা জেনে রাখুন যে আপনার স্মার্টফোন আদপে এতটা অন্তত স্মার্ট যে চার্জ ফুল হওয়ার পর এটা আপনা থেকেই কারেন্ট রিসিভ করা বন্ধ করে দেয়।
৯. ধারণা: পকেটে রাখবেন না স্মার্টফোন!
বাস্তবতা: প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির স্মার্টফোনকে এসএআর (স্পেসিফিক অ্যাবজর্বশন রেটিং) পরীক্ষা পেরোতে হয়। এতে পরখ করা হয় যে ফোনসেটটির তেজস্ক্রিয়তা বিকিরণ নির্দিষ্ট মাত্রা ছাড়াচ্ছে কি না। এই বৈতরণী পার হওয়ার পরই প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির স্মার্টফোন বাজারে ছাড়া হয়। তাই, আপনি যদি ব্রান্ডেড স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকেন- তবে রেডিয়েশন নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত হওয়ার কারণ নেই
কম্পিউটার ভাইরাস কি?
কম্পিউটার ভাইরাস গোটা বিশ্বের সব মানুষের প্রধান মাথা ব্যাথার কারণ। যদি জিজ্ঞেস করা হয় এই ভাইরাসের জন্ম কোথায়? কিভাবে এসেছে এই ভাইরাস? তবে উত্তর দিতে গিয়ে আপনাকে ইন্টারনেট খুলে বসতে হবে। এত ঝামেলায় না গিয়ে আসুন দেখে নেওয়া যাক এর ইতিহাস। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানী জনভন নিউম্যান ১৯৪৯ সালে সর্বপ্রথবিস্তারিত পড়ুন
কম্পিউটার ভাইরাস গোটা বিশ্বের সব মানুষের প্রধান মাথা ব্যাথার কারণ। যদি জিজ্ঞেস করা হয় এই ভাইরাসের জন্ম কোথায়? কিভাবে এসেছে এই ভাইরাস? তবে উত্তর দিতে গিয়ে আপনাকে ইন্টারনেট খুলে বসতে হবে। এত ঝামেলায় না গিয়ে আসুন দেখে নেওয়া যাক এর ইতিহাস।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানী জনভন নিউম্যান ১৯৪৯ সালে সর্বপ্রথম কম্পিউটার ভাইরাসের কথা বলেন। কোনো একটি প্রোগ্রামের হুবহু নকল প্রোগ্রাম হিসেবে তার অনুমানের আত্মপ্রকাশ ঘটে। পরে এটাই কম্পিউটার ভাইরাস হিসেবে পরিচিতি পায়।
শুরুর দিকে বিভিন্ন নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে ভাইরাস তৈরি এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ চালত। গবেষণাগারের বাইরে তৈরি হওয়া প্রথম যে ভাইরাসটি বিভিন্ন কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে সেটার নির্মাতা ছিলেন এলক ক্লোনার এবং যার প্রোগ্রামিং করেন তখনকার সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্কুল শিক্ষার্থী রিচার্ড স্কেন্টা।
এই সময়কার ভাইরাসগুলো ফ্লপি ডিস্কের মাধ্যমে ছড়াত। ফলে এগুলো নিরাপত্তায় খুব বেশি প্রভাব ফেলতে সক্ষম হতো না। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে ভাইরাস ছড়াতে শুরু করলেও সবচেয়ে বড় আক্রমণটি হয় ১৯৯৯ সালে।
আমেরিকান নাগরিক ডেভিড এল স্মিথ এটা তৈরি করেন। ‘মেলিসা’ ভাইরাস নামের এ ভাইরাসটি ই-মেলের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এই প্রক্রিয়ায় ই-মেলের সাথে একটি ওয়ার্ড ফাইলজুড়ে দেওয়া হয়, যা ওপেন করলেই ইউজার ভাইরাস আক্রান্ত হতেন।
এ ছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে তার ই-মেলে থাকা আরো ৫০ জনের কাছে অটোম্যাটিকভাবে মেলিসা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ত। ফলে মেলিসা ভাইরাসের কারণে অসংখ্য ই-মেল অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে বাধ্য হন ইউজাররা।
এরপর আসে ওয়ার্মের আক্রমণ। ওয়ার্ম নিজে থেকেই সব কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়তে পারে যেটা অন্য কোনো ভাইরাসের পক্ষে সম্ভব নয়। ২০০০ সালের মে মাসে লাভ-বাগ নামের একটি ওয়ার্ম সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। এতে আই লাভ ইউ নামে একটি চিঠি সংযুক্ত থাকত, যা ওপেন করলেই ওয়ার্ম আক্রমণের শিকার হতো কম্পিউটার।
২০০৭ সালে শুরু হয় ট্রোজান হর্সের আক্রমণ। এটা এক ধরনের ম্যালওয়্যার। মূলত ক্ষতিকারক সব ধরনের সফটওয়্যারকে ম্যালওয়্যার বলা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ভাইরাস, ওয়ার্ম, ট্রোজান হর্স, স্পাইওয়্যার ইত্যাদি। সর্বশেষ এবং সাম্প্রতিক সময়ে আমরা যে কম্পিউটার ভাইরাসটির নাম শুনছি, তা হলো ‘র্যানস্যামওয়্যার’।
লক করা ফেসবুক প্রোফাইল দেখবো কিভাবে?
ফেসবুকের প্রোফাইল লক ইদানিং অনেকেই ফেসবুক প্রোফাইল লক করে রাখেন। অনেক প্রয়োজন হলেও তার কোনো কিছু দেখার সুযোগ নেই। অনেক সময় লক প্রোফাইল থেকে রিকোয়েস্ট আসলে বিরক্তি লাগে। এ অবস্থায় সহজ পাঁচ পদ্ধতিতে লক প্রোফাইল দেখতে পারেন আপনি- পদ্ধতি-১: ফেসবুক ইউআরএল পরিবর্তন করে ধরুন আপনি Anika Akter নামের একজনে রবিস্তারিত পড়ুন
ফেসবুকের প্রোফাইল লক
ইদানিং অনেকেই ফেসবুক প্রোফাইল লক করে রাখেন। অনেক প্রয়োজন হলেও তার কোনো কিছু দেখার সুযোগ নেই।
অনেক সময় লক প্রোফাইল থেকে রিকোয়েস্ট আসলে বিরক্তি লাগে। এ অবস্থায় সহজ পাঁচ পদ্ধতিতে লক প্রোফাইল দেখতে পারেন আপনি-
পদ্ধতি-১: ফেসবুক ইউআরএল পরিবর্তন করে
ধরুন আপনি Anika Akter নামের একজনে র প্রোফাইল দেখতে চান। কিন্তু তার প্রোফাইল লক করা। এ অবস্থায় আপনি ইউআরএল পরিবর্তন করে তার প্রোফাইলে ঢুকতে পারেন।
এ জন্য প্রথমেই আপনার ব্রাউজারে ফেসবুকের ইউআরএল টাইপ করুন- http://facebook.com। এরপর একটা স্লেশ (/) দিন। তারপর Anika.Akter লিখুন। তাহলে পুরো ইউআরএলটি এ রকম দেখাবে- http://facebook.com/anika.akter
এবার এন্টার চাপুন এবং আনিকার প্রোফাইল দেখুন। এই পদ্ধতি সবচেয়ে সহজ তবে সব প্রোফাইলের ক্ষেত্রে এটা পুরোপুরি কাজ নাও করতে পারে। যদি, না করে তো পরের পদ্ধতিতে যান।
পদ্ধতি-২: ইনবক্সে মেসেজ পাঠিয়ে
যে ছেলে বা মেয়েটির প্রোফাইল ভিউ করতে চাইছেন, তাকে একটি মেসেজ পাঠান। যা ইচ্ছে তা’ই লিখে পাঠাতে পারেন। তবে, এমন কিছু লিখুন, যা পড়ে সে আপনাকে রিপ্লাই দিতে বাধ্য হয়।
যদি মেসেজের উত্তর আসে, তাহলে আপনি অনায়াসেই তার প্রোপাইলে ঢুকতে পারবেন এবং উপভোগ করতে পারবেন লক করা ফেসবুক প্রোফাইল।
পদ্ধতি-৩: বন্ধু হয়ে যান
আপনি যখন কারো বন্ধু হয়ে যাবেন, তখন তার প্রোফাইল আপনার জন্যে অটোমেটিক খুলে যাবে। কারণ, প্রোফাইল লক করা হয় তাদের জন্যে, যারা বন্ধু নয়। অর্থাৎ, বন্ধু হওয়া ছাড়া কেউ লক করা প্রোফাইল ভিউ করতে পারে না।
এক্ষেত্রে আপনি যেটা করতে পারেন, সেটা হচ্ছে তার পরিচিত কিছু বন্ধুকে আগে রিকোয়েস্ট পাঠান। তার সার্কেল থেকে কয়েকজন যখন আপনার বন্ধু হয়ে যাবে, আর যখন আপনি তাকে রিকোয়েস্ট পাঠাবেন, তখন আপনাকে সে না চিনলেও ভাববে যে আপনি তার ফ্রেন্ড সার্কেলেরই একজন। সুতারাং, সে রিকোয়েস্ট অ্যাক্সেপ্ট করে নেবে।
পদ্ধতি-৪: PictureMate ব্যবহার করুন
পিকচারমেট গুগলক্রোমের একটি প্রি এক্সটেনশন। এটি ব্যবহার করে আপনি কারো ফ্রেন্ড হওয়া ছাড়াই লক করা যে কোন ফেসবুক প্রোফাইল খুলতে পারবেন। আপনি যদি গোপনে কারো ফেসবুক আইডি দেখে নিতে চান, তবে এর জন্যে PictureMate একটি অসাধারণ টুল।
কারো প্রাইভেট প্রোফাইল দেখার জন্যে PictureMate ব্যবহারে নিচের স্টেপগুলো অনুসরণ করুন।
১. PictureMate এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। সেখান থেকে গুগলক্রোমের এক্সটেনশটি ইনস্টল করে নিন।
২. ব্রাউজার রিস্টার্ট দিন অর্থাৎ ক্লোজ করে আবার ওপেন করুন।
৩. এবার ফেসবুকে যান।
৪. এবার যার প্রোফাইলে দেখতে চান, তার নাম লিখে সার্চ দিন, ওপেন হবে।
পদ্ধতি-৫: Private Profile Viewer ব্যবহার করুন
কারো প্রাইভেট প্রোফাইলে ঢুকতে চাইলে আরো একটি পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন, যা মূলত Private Profile Viewer নামে পরিচিত। এটি ব্যবহার করার জন্যে আপনাকে সাইনআপ করতে হবে না অর্থাৎ এখানে কোন অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে না।
এমনকি, কোন টুল বা সফট্ওয়্যারও ডাউনলোড করতে হবে না। এটি একটি ফ্রি টুল যা আপনি অনলাইনেই ইউজ করতে পারবেন। Private Profile Viewer যেভাবে ইউজ করবেন-
১. ভিজিট করুন Private Profile Viewer এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. হোম পেজের Start Now লেখাটিতে ক্লিক করুন অথবা মেন্যুবার থাকা Tool এ ক্লিক করুন। এটি আপনাকে স্ক্রল করে নিচে নিয়ে যাবে যেখানে আপনি নিচের ছবির মতো একটি ঘর দেখতে পাবেন।
৩. উপরের ছবির মত ঘরটিতে যার প্রোফাইল দেখতে চান তার আইডি লিংক দিয়ে নিচের Submit form বাটনে ক্লিক করুন। টুলটি আপনাকে কাংখিত লোকের ফেসবুক আইডিতে নিয়ে যাবে।
এভাবে আপনি খুব সহজেই কারো লক করা প্রোফাইলে ঢুকতে পারেন। তবে কারো লক প্রোফাইলে একান্ত প্রয়োজন ছাড়া দেখার চেষ্টা না করাই ভালো। এটি হতে পারে অনৈতিকও।
ডিপফেক কি?
প্রতীকী চিত্র সেলেব্রিটিদের নিয়ে ভুয়া পর্নোগ্রাফিক ভিডিও ক্লিপ তৈরির বিষয়টি নতুন নয়। আর এই বিষয়টি সম্ভব হচ্ছে ‘ডিপফেক’ প্রযুক্তির মাধ্যমে। এতে কম্পিউটারে কারসাজি করা ছবিতে এক ব্যক্তির সাদৃশ্য অন্যের ক্ষেত্রে প্রতিস্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়। যেখানে দেখা যাবে—সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বক্তব্য রাখছেন, বক্তৃতাবিস্তারিত পড়ুন
প্রতীকী চিত্র
সেলেব্রিটিদের নিয়ে ভুয়া পর্নোগ্রাফিক ভিডিও ক্লিপ তৈরির বিষয়টি নতুন নয়। আর এই বিষয়টি সম্ভব হচ্ছে ‘ডিপফেক’ প্রযুক্তির মাধ্যমে। এতে কম্পিউটারে কারসাজি করা ছবিতে এক ব্যক্তির সাদৃশ্য অন্যের ক্ষেত্রে প্রতিস্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়। যেখানে দেখা যাবে—সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বক্তব্য রাখছেন, বক্তৃতা করছেন বা অন্যকোনও কিছু করছেন। এমনকি মৃত ব্যক্তিকেও আপনার সামনে ভার্চুয়ালি হাজির করা সম্ভব হবে।
ডিপফেক হলো কম্পিউটারে তৈরি এক ধরনের ছবি বা ভিডিও যা দেখলে ধরা যাবেন না সেটি নকল। ২০১৭ সালে ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটনের একদল গবেষক ডিপফেকের মাধ্যমে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার একটি ভিডিও বক্তব্য তৈরি করে। সেটা দেখে বোঝার উপায় থাকে না ভিডিওটি সত্যি নয়।
এ সফটওয়্যার মূলত ছবি কাজে লাগিয়ে নতুন ভিডিও তৈরি করতে পারে, যাতে ভিডিওতে থাকা ব্যক্তির মুখভঙ্গি, ঠোঁট বা অন্যান্য অঙ্গের নড়াচড়াও মেলানো যায়। এরপর থেকে এ প্রক্রিয়া আরও সহজ হয়ে গেছে। বিষয়টা এখন একটাই সহজ হয়েছে যে, শুধুমাত্র কয়েকটি ছবি দিয়েই ডিপফেক ভিডিও তৈরি করা যায়।
আশঙ্কার কথা, ছবি বা ভিডিওকে বিকৃত ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে নিখুঁতভাবে তৈরি করে হুবহু আসলের মতো বলে প্রচার করা হচ্ছে। যেকেউ কারও আক্রোশের শিকার হতে পারেন এই প্রযুক্তির অপব্যবহারে। সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ভালো কাজের জন্য এই প্রযুক্তির কথা ভাবা হলেও এটা যেকোনো সময় বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনতে পারে।
মানিব্রেইন এর প্রধান নির্বাহী সে ইয়ং জাং বলেন, আমরা একটি পরিবারের মৃত সদস্যকে পুনরায় তৈরি করতে পারবো, যাকে তারা আর দেখতে পান না। এআইকে ব্যক্তির কণ্ঠ, মুখভঙ্গি ও অভিজ্ঞতা শিখতে দেয়ার মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির সাথেও যোগাযোগ করতে পারবে।
তবে সম্ভাবনাময় এই প্রযুক্তির ৯০ শতাংশই খারাপ কাজে ব্যবহার হচ্ছে বলে জানান সে ইয়ং জাং। এর প্রমাণ দিয়েছে জার্মানির গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডিপট্রেস। প্রতিষ্ঠানটি ডিপফেক চিহ্নিত করতে প্রযুক্তিগত সমাধান দেয়। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৯ সালের প্রথম ৭ মাসে ১৪ হাজার ৬৭৮টি ডিপফেক চিহ্নিত করে। এসবের মধ্যে ৯৬ শতাংশ ছিল অসম্মতিসূচক অশ্লীল কনটেন্ট, যা একচেটিয়া নারী শরীরকে চিহ্নিত করেছে।
এত দিন ডিপফেক ঠিকভাবে শনাক্ত করার প্রযুক্তি সহজলভ্য ছিল না। এ ক্ষেত্রে এগিয়ে এসেছে বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট। ডিপফেক শনাক্ত করতে বিশেষ টুল বা প্রোগ্রাম তৈরি করেছে মাইক্রোসফট।
উইন্ডোজ ১১-তে মুছে ফেলা ফাইল উদ্ধার করবেন কিভাবে?
কম্পিউটার বা ল্যাপটপে কাজ করার সময় ভুলবশত জরুরি ফাইল মুছে যায় অনেকের। ফলে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। উইন্ডোজ ১১ অপারেটিং সিস্টেমে চলা কম্পিউটার ও ল্যাপটপে মুছে ফেলা ফাইল সহজেই ফিরিয়ে আনা যায়। মুছে ফেলা ফাইল ফিরিয়ে আনার সহজ ও সাধারণতম উপায় হলো রিসাইকেল বিন ফোল্ডার থেকবিস্তারিত পড়ুন
কম্পিউটার বা ল্যাপটপে কাজ করার সময় ভুলবশত জরুরি ফাইল মুছে যায় অনেকের। ফলে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। উইন্ডোজ ১১ অপারেটিং সিস্টেমে চলা কম্পিউটার ও ল্যাপটপে মুছে ফেলা ফাইল সহজেই ফিরিয়ে আনা যায়।
মুছে ফেলা ফাইল ফিরিয়ে আনার সহজ ও সাধারণতম উপায় হলো রিসাইকেল বিন ফোল্ডার থেকে ফাইল রিস্টোর করা। তবে অনেকেই নিয়মিত রিসাইকেল বিনে থাকা তথ্য মুছে ফেলেন। ফলে রিসাইকেল বিনেও মুছে ফেলা ফাইল খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে চাইলেই ফাইল রিকভারি সফটওয়্যার ব্যবহার করে মুছে যাওয়া ফাইল ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এ জন্য অবশ্যই কম্পিউটারে আগে থেকেই সফটওয়্যারটি ইনস্টল করা থাকতে হবে।
মুছে ফেলা ফাইল ফিরিয়ে আনার জন্য ফাইল রিকভারি সফটওয়্যার দিয়ে প্রথমেই হার্ডডিস্ক স্ক্যান করতে হবে। খুঁজে না পেলে যে ড্রাইভে ফাইলটি ছিল সেটি নির্বাচন করতে হবে। স্ক্যান শেষে ড্রাইভটি থেকে ডিলিট হওয়া ফাইলের একটি তালিকা দেখাবে রিকভারি সফটওয়্যারটি।
এরপর কাঙ্ক্ষিত ফাইল নির্বাচন করে রিকভার বাটনে ক্লিক করতে হবে। এবার যে ড্রাইভে ফাইলটি সংরক্ষণ করতে হবে তা নির্বাচন করে দিলেই মুছে যাওয়া ফাইলটি পুনরায় ব্যবহার করা যাবে।
মুছে ফেলা ফাইল ফিরিয়ে আনার আগে সেই ফাইলের নামে নতুন কোনো ফাইলের নাম দেওয়া যাবে না। কারণ, একই নামে একাধিক ফাইল থাকলে মুছে ফেলা ফাইল ফিরিয়ে আনতে পারে না সফটওয়্যারটি।
২০২৩ সালের সেরা পাঁচ ওয়েবসাইট কোনগুলো?
একবার ভাবুন তো! একটি অত্যাধুনিক AI বেইজড প্যারাফ্রেজিং টুল যদি আপনার বাক্য, অনুচ্ছেদ বা নিবন্ধ পড়ে তা তাত্ক্ষণিকভাবে সংশোধন করে পুনরায় নির্ভুলভাবে লিখে দেয় তাহলে কেমন হবে ব্যাপারটা? QuillBot শুধু কি তাই! আপনাকে একটি অন্তর্নির্মিত থিসরাস ফাংশনের সাহায্যে প্রতিবার নিখুঁত শব্দ খুঁজে পেতে সাহায্য করবেবিস্তারিত পড়ুন
একবার ভাবুন তো! একটি অত্যাধুনিক AI বেইজড প্যারাফ্রেজিং টুল যদি আপনার বাক্য, অনুচ্ছেদ বা নিবন্ধ পড়ে তা তাত্ক্ষণিকভাবে সংশোধন করে পুনরায় নির্ভুলভাবে লিখে দেয় তাহলে কেমন হবে ব্যাপারটা?
QuillBot
শুধু কি তাই! আপনাকে একটি অন্তর্নির্মিত থিসরাস ফাংশনের সাহায্যে প্রতিবার নিখুঁত শব্দ খুঁজে পেতে সাহায্য করবে যা আপনার লেখনিকে আরো নিখুঁত এবং পেশাদার করে তুলবে। হ্যাঁ! ঠিকই শুনছেন। বর্তমানে QuillBot ৫০ মিলিয়ন এরও বেশি ছাত্রছাত্রী, লেখক, ব্লগার, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে পেশাদারদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষ একটি প্যারাফ্রেজিং টুল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
এই AI বেইজড প্যারাফ্রেজিং বট আপনাকে ব্যাকরণ সংশোধন থেকে শুরু করে বাক্যের সংক্ষিপ্ততা বা সৃজনশীলতা খুঁজে পেতে সাহায্য করবে। এই টুল আপনার লেখার সময় বাঁচাবে, সঠিক প্রতিশব্দ খুঁজে বের করবে, স্বচ্ছতা এবং শব্দের সঠিক অর্থ প্রতিস্থাপন করে দেবে এবং আপনার কর্মপ্রবাহে গতি এনে দেবে।
QuillBot সরাসরি Microsoft® Office, Google Docs, এবং Google Chrome-এ এক্সটেনশন এর মাধ্যমে ব্যবহার করা যাবে। QuillBot ফ্রি এবং প্রিমিয়াম- এই দুই মোডে ব্যাবহার করা যাচ্ছে। ভিজিট করুন আর আপনার ব্রাউজারে বুকমার্ক করে রাখুন।
https://www.wolframalpha.com/
ওলফ্রাম আলফা ১৮ মে, ২০০৯-এ প্রথম প্রকাশিত হয়। এটি ওলফ্রামের আগের একটি পণ্য, ওলফ্রাম ম্যাথমেটিকা যা একটি কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্মের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা। গুগল যেমন বর্তমান বিশ্বে ব্যাপক জনপ্রিয় একটি সার্চ ইঞ্জিন ঠিক তেমনি ওলফ্রাম আলফা একটি উত্তর দেওয়ার ইঞ্জিন। এটি বাহ্যিকভাবে প্রাপ্ত ডেটা থেকে উত্তর গণনা করে বাস্তবিক প্রশ্নের উত্তর দেয়। ওলফ্রাম আলফার দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য হলো, পদ্ধতিগত জ্ঞানকে কম্পিউরাইজড করা এবং সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া।
এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যক্তিগত ও অবাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা যায়। তবে বিজ্ঞাপন-মুক্ত ও উন্নত কিছু ফিচারের জন্য সাবস্ক্রিপশনের বা পেইড ভার্সন এর সুবিধা রয়েছে।
যে বিষয়টি উলফ্রাম আলফাকে সত্যিই আলাদা করে রেখেছে সেটি হলো বিশুদ্ধ গণনা করার পদ্ধতি। যার মধ্যে সংখ্যা বা সূত্রজনিত গণনাগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে এটির সংগ্রহস্থল থেকে ব্যবহারকারীর সামনে প্রদর্শন করে। ওলফ্রাম আলফা বীজগণিতীয় সমীকরণ, ক্যালকুলাস এবং অন্যান্য সমীকরণগুলোও খুব সহজে সমাধান করে দেখাতে পারে। এমনকি গ্রাফিক্যাল উত্তরও দিতে পারে। আপনি চাইলে স্টেপ বাই স্টেপ বা ধাপে ধাপে অংকের সমাধান দেখতে পারবেন। নিচে তারই একটি উদাহরণ দেওয়া হলো।
https://tinywow.com/
টাইনি ওয়াও (TinyWow) পিডিএফ ফাইল, ভিডিও, ছবি এবং আরো অনেক কিছুর জন্য বিনামূল্যে, সহজে ব্যবহারযোগ্য কিছু টুলের একটি বিশাল ভান্ডার। আপনি যদি আগে কখনও টাইনি ওয়াও ব্যবহার না করে থাকেন তাহলে আজই ভিজিট করুন। আপনি এমন সব টুল খুঁজে পাবেন যা আগে কখনও আপনি কোনো সাইটে দেখেননি বা ফ্রিতে ব্যবহার করেননি। যেমন ধরুন একটি PDF ফাইল যা পাসওয়ার্ড প্রটেক্তেড। আপনি কোনো কারণে পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন। এমন সমস্যা সমাধানে টাইনি ওয়াও আপনার জন্য রেখেছে সহজ সমাধান। একটি ছবি থেকে ব্যাকগ্রাউন্ড মুছে ফেলা থেকে শুরু করে ভিডিও ফাইলকে GIF ফাইলে রূপান্তর করা, মেম তৈরি করা ইত্যাকার কাজ এখন খুব সহজে সেরে ফেলুন টাইনি ওয়াওতে। এর বাইরে এর রয়েছে AI রাইটার, যা দিয়ে খুব সহজে আপনার ব্লগ পোস্ট, ইন্সটাগ্রাম, লিঙ্কডইন, কন্টেন্ট প্লানিং, বিজনেস স্লোগান তৈরি করতে পারবেন।
https://thenounproject.com/
The noun project হলো এমন একটি ওয়েবসাইট, যা সারা বিশ্বের গ্রাফিক ডিজাইনারদের দ্বারা তৈরি এবং আপলোডকৃত আইকন এবং স্থিরচিত্রের বিশাল সংগ্রহশালা। আমেরিকার লস এঞ্জেলেস ভিত্তিক এই প্রকল্পটি টাইপোগ্রাফিক আইকন এবং ভিন্নধর্মী ডিজাইন এর জন্য বিখ্যাত। মজার ব্যাপার হচ্ছে The noun project বিশ্বজুড়ে নির্মাতাদের রয়্যালটি প্রদান করে। এর বেসিক সাবস্ক্রিপ্সনের সঙ্গে ডাউনলোড করা সমস্ত আইকন রয়্যালটিমুক্ত এবং কোনো অ্যাট্রিবিউশনের প্রয়োজন নেই। মূল কথা হচ্ছে আপনি ফ্রিতে এই সব আইকন ব্যবহার করতে পারবেন।
জানলে আরো অবাক হবেন যে এর আইকনগুলো ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের অধীনে এবং সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করতে পারবেন। আগে জেনে না থাকলে আজই ঘুরে আসতে পারেন দ্যা নাউন প্রজেক্টে।
https://logo.com/
আজকাল ছোটখাটো ব্যবসার কাজে বা বিজনেস প্রপোজালে হরহামেশা লোগো প্রয়োজন পড়ে আমাদের। আর এই ছোটখাটো কাজের জন্য আমরা অনেক সময় কম খরচে ফাইভার অথবা ওডেস্কে ফ্রিল্যান্সার হায়ার করে লোগো ডিজাইন করার চেষ্টা করে থাকি। কিন্তু আপনি কি জানেন যে LOGO.com আপনাকে দিচ্ছে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে লোগো তৈরির কিছু অসাধারণ টুল। যা দিয়ে এক মিনিটের মধ্যে আপনি কিছু দুর্দান্ত লোগো ডিজাইন করতে পারবেন। আপনার ব্র্যান্ড তৈরি করা এখন আরো অনেক সহজ।
কি, বিশ্বাস হচ্ছেনা? তাহলে যাচাই করতে এখনি ভিজিট করুন লোগো ডট কমে।
ব্যবহারের আগে জানুন প্লাস্টিক বোতলে চিহ্নের মানে কী ?
সহজে ভাঙে না, বহনকরাও সহজ, সবচেয়ে বড় কথা দামেকম-এমন সব সুবিধা থাকায় প্লাস্টিক পেট বোতলের ব্যবহার বেড়েইচলেছে। তরল খাদ্যপণ্য দুধ-মধু-জুস,ওষুধ রাখা থেকে পানি রাখা-এমন নানা কাজে ব্যবহার করা হয় হরেক পদের প্লাস্টিক বোতল। তবে বার বার সব ধরণের প্লাস্টিক বোতলের যথেচ্ছ ব্যবহার (রি-ইউজ)মোটেই স্বাস্থ্যকরনয়, এটাবিস্তারিত পড়ুন
সহজে ভাঙে না, বহনকরাও সহজ, সবচেয়ে বড় কথা দামেকম-এমন সব সুবিধা থাকায় প্লাস্টিক পেট বোতলের ব্যবহার বেড়েইচলেছে। তরল খাদ্যপণ্য দুধ-মধু-জুস,ওষুধ রাখা থেকে পানি রাখা-এমন নানা কাজে ব্যবহার করা হয় হরেক পদের প্লাস্টিক বোতল।
তবে বার বার সব ধরণের প্লাস্টিক বোতলের যথেচ্ছ ব্যবহার (রি-ইউজ)মোটেই স্বাস্থ্যকরনয়, এটা আপনার জন্য ডেকে আনতে পারে বা এরই মধ্যে হয়তো ডেকে এনেছে ভয়াবহ বিপদ। বোতলগুলো অনেক সময়েই পাওয়া যায় ‘ফাও’- বা ‘ফ্রি’।
তবে পানীয়র সঙ্গে, তেলের সঙ্গে, জুসের সঙ্গে পাওয়া এসব বোতল বাস্তবিক অর্থে কিন্তু ফ্রি না- বিক্রেতা আপনার কাছ থেকে যে দাম হিসেবে যে টাকা নেয় তার সঙ্গে ওই বোতলের দামটাও আছে। তার মানে নিজের পয়সা দিয়ে আপনি কিনছেন নিজের ও পরিবারের জন্য ভয়াবহ বিপদ?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন অনেক রোগ-শোক আছে যা নিয়ে টেস্টের পর টেস্ট করে যাচ্ছেন আপনি, বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ওষুধের পর ওষুধ বদলাচ্ছেন কিন্তু রোগ ধরা পড়ছে না। এ ধরনের রোগের পেছনে প্লাস্টিকের বিষাক্ত প্রভাব থাকতে পারে। সেইসব প্লাস্টিক যা আপনি বোতল, কৌটা, মোড়ক হিসেবে ব্যবহার করছেন হরদম।
তারপরও এ নিয়ে বাছ-বিচার করেন না অনেকে। কারণ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান এবং সচেতনতা নেই আমাদের। অথচ,এটি খুবই জরুরি। কিন্তু, কখনও আমরা কেউ খেয়াল করিনা প্লাস্টিকের বোতলের গায়ে থাকা চিহ্নগুলো।
এসব চিহ্ন অনেকের চোখে পড়লেও জানেন না চিহ্নগুলোর রহস্য! তবে প্লাস্টিক বোতল ব্যবহার করার আগে জেনে নিতে হবে কোন বোতল কী কাজে ও কতো দিন ব্যবহার করা যাবে। আর তা জানতে হলে অবশ্যই জেনে নিতে হবে বোতলের গায়ে বা তলায় দেয়া চিহ্নের মানে। কোন চিহ্নের কী মানে তা জানা যায় বোতলের গায়ে চিহ্নিত ত্রিকোণ প্রতীকটি দিয়ে। এই চিহ্নটি আসলে প্লাস্টিক বোতলের চারিত্রিক ইনডেক্স। এই চিহ্ন থাকলে বোঝা যায় বোতলটি বিধিসম্মতভাবে তৈরি (চিহ্ন ছাড়া বোতল আরো ভয়াবহ হতে পারে)।
এছাড়া বোতলটি ব্যবহারের জন্য কতটা নির্ভরযোগ্য বা কী ধরনের জিনিস তাতে রাখা যাবে, তা ত্রিকোণ চিহ্নের মধ্যে থাকা সংখ্যা দ্বারা বোঝা যায়।
ত্রিকোণের মাঝে ১সংখ্যা: এর মানে বোতলটি একবারই মাত্র ব্যবহার করা যাবে। এ ছাড়া বোতলটিতে পলিথিলিনটেরেপথ্যালেট প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়েছে তাও নির্দেশ করে ১ সংখ্যাটি। সাধারণত বোতলজাত পানি বা কোমল পানীয়র (কোক-পেপসি) জন্য এ ধরনের বোতল ব্যবহার হয়।
এই ধরনের বোতল বহুবার ব্যবহার করা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। এছাড়া এই ধরনের বোতল গরমও করা উচিৎ না- যদিও অনেকেই গরম চা, দুধ ইত্যাদি এতে রেখে থাকেন। এ ধরনের বোতলের প্লাস্টিক উপাদান গলে বা ক্ষয়ে এর ভেতরে রাখা বস্তুর সঙ্গে মিশে যায়। এই প্লাস্টিক স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
ত্রিকোণের মধ্যে ২সংখ্যা: এটালেখা থাকলে বুঝতে হবে এ ধরনের প্লাস্টিক বোতলে ঘনপলিথিন ব্যবহার করা হয়েছে। মূলত শ্যাম্পু বা ডিটারজেন্ট রাখার ক্ষেত্রে এই ধরনের বোতল ব্যবহার হয়।
ত্রিকোণের মধ্যে ৩সংখ্যা: এ ধরনের বোতল বেশিবার ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ, এইবোতল তৈরি হয় ‘পোলিভিনাইলক্লোরাইড’ বা ‘পিভিসি’থেকে। এতে ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। দেখা যায় ‘পিনাটবাটার’ রাখতে এই বোতল ব্যবহার করা হয়।
ত্রিকোণের মধ্যে ৪সংখ্যা: এ ধরনের প্লাস্টিক বহুবার ব্যবহারেরউপযোগী। বিশেষ করে, প্লাস্টিকের প্যাকেটে এই চিহ্নপ্রচুর দেখা যায়। সাধারণত খুব দামি বোতলেও এই চিহ্ন থাকে। বারবার ব্যবহারযোগ্য শপিং ব্যাগ এ ধরনের প্লাস্টিকে তৈরি হয়।
ত্রিকোণের মধ্যে ৫সংখ্যা: এ ধরনের প্লাস্টিক একদম নিরাপদ। আইসক্রিমকাপ, স্ট্রবাওষুধের সিরাপের বোতল অথবা খাবার বা ওষুধের কন্টেইনারে এ ধরনের চিহ্ন দেখা যায়।
ত্রিকোণের মধ্যে ৬সংখ্যা এবং ৭সংখ্যা: প্লাস্টিকের রেড কার্ড বলা হয় একে। এই ধরনের প্লাস্টিক মারাত্মক রকমের ক্ষতিকারক। কারণ, এ ধরনেরপ্লাস্টিক তৈরি হয় পলিস্টিরিন এবং পলিকার্বনেটবিসপেনল থেকে। এটি মানবদেহে মারাত্মক হরমোনজনিত সমস্যা তৈরি করে। ক্রমাগত এ ধরনের প্লাস্টিকের ব্যবহার ক্যানসারের প্রবণতা বাড়ায়।
তাই, প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহারে খুবই সাবধান হতে হবে। আমাদের দেশীয় বাস্তবতায় প্রতিদিন লাখ লাখ পরিবার ব্যবহার করছে প্লাস্টিকের বোতল, কন্টেইনার, ব্যাগ। কিন্তু এর কোনটায় কী খারাপ লুকিয়ে আছে সে সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞই থেকে যাচ্ছে বিশাল জনগোষ্ঠী।
এর পরোক্ষ ফলটা হচ্ছে লম্বা লাইন পড়ছে হাসপাতাল-ক্লিনিকে, ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এমনকি গোরস্থানে। গলিতে গলিতে গজিয়ে উঠছে ওষুধের নতুন নতুন দোকান।
উন্নত দেশগুলোতে প্লাস্টিকের ক্ষতির বিষয়গুলো সম্পর্কে জনগণ কমবেশি অবগত। এখন নিউজওয়ানের পক্ষ থেকে আমরা যতটুকু পারা গেল জানালাম- এবার আপনার দায়িত্ব, স্বজন-পরিজন, বন্ধু, সহকর্মী, এলাকাবাসীকে সচেতন করার।
বিশেষজ্ঞ মত
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মুরাদ হোসেন বলেন, যে প্লাস্টিক বোতলে মিনারেলওয়াটার বা অন্যকোনো পানীয় কিংবা ওষুধথাকে, সেই বোতলে লেখা নাই যে সেটার টেম্পার কতদিন থাকবে। তাতে শুধু বিএসটিআইয়ে একটি অনুমোদন দেয়, সিলমারা থাকে। কিন্তু সেটা পানির না বোতলের জন্য অনুমোদনের সিল-তা জানানেই। এই বোতলের টেম্পার সাধারণত থাকে ১ সপ্তাহ বা ১৫ দিনের। টেম্পার নষ্ট হওয়ার পর এটা ব্যাকটেরিয়া ধারণ উপযোগী হয়ে পড়ে।
এরপর যখন সেই বোতলের পানি বা তরল কেউ সেবন করে তখন বিশাল সংখ্যায় ব্যাকটেরিয়া তার শরীরে ঢুকে ক্ষতি সাধন শুরু করে। তখন নানা রোগ-ব্যাধি দেখা দেয়। এর থেকে স্টোমাক ক্যান্সারও দেখা দিতে পারে। শরীরের অন্যান্য দিকেও এফেক্ট করতে পারে।
একই হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সুজিত রঞ্জন বলেন, প্লাস্টিক বোতলে রাখা তরল পদার্থ রাখার জন্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু এগুলি সচরাচর যেসব দোকানে সেল করাহয়, তারা এগুলো দেখে না। ক্রেতারাও এই বিষয়টি দেখেন না। তারা ব্যবহার করছেন দেদারসে।ফলে নানা রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হন সাধারণ মানুষ। কিন্তু তারা এর কারণ বুঝতে পারেন না। শুধু বলেন,এই রোগে আক্রান্ত হইছি। রোগের কেস হিস্ট্রিও মেলেনা। কারণ, তিনি তোজানেন না যে প্লাস্টিক বোতলের ভয়াবহ ক্ষতির শিকার হয়েছেন। রোগী এই সেই কারণ মন থেকে খুঁজে বলেন। এর পর দেওয়া হয় পরীক্ষার পর পরীক্ষা। কিন্তু আসল বিষয় মানে রোগের সঠিক কারণ খুব কমই জানা যায়।
শিশু বিষেজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আবিদ হুসাইন মোল্লা জানান, সব ধরনের দুষণে বা প্রতি কূল অবস্থায় বাচ্চারা সহজেই আক্রমণের শিকার হয়। তাই প্লাস্টিক জাত বোতল বা মোড়কের ক্ষতিকারক প্রভাব ও তাদেরকে পর্যুদস্তুকরে বেশি। অনেক সময়ে দেখা যায় যে বড়দের খাবারের পাশাপাশি বাচ্চাদের জন্য যেসব প্লাস্টিকজাত মোড়কে খাবার রাখাহয় সেই মোড়ক বাবোতলগুলি ও মান সম্পন্ন থাকে না। কিন্তু তা আমাদের দেখতে হবে, নিশ্চিত করতে হবে এ সবের মান। এটা গুরুতর প্রসঙ্গ, এটা নিয়ে ভাবতে হবে।
তিনি বলেন, এসব বোতলের টেম্পারেচার ধারণ ক্ষমতা কতটুকু, কতটুকু তাপে বা সময়ে এগুলোর নিজেদের উপাদান গলে বা আলগা হয়ে বোতলে থাকা ওষুধ, পানি বা জুসের সঙ্গে কিংবা তেলের সঙ্গে মিশে যায় তা হিসাবের আওতায় আনতে হবে। এগুলি নিয়ে রেডিও, টিভিতে প্রচারণা চালাতে হবে।এটা জাতীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
অধ্যাপকডা. আবিদ হুসাইন মোল্লা আরও বলেন, অভিভাবক এবং শিক্ষিত সমাজ এগুলো দেখে-শুনে ব্যবহার করতেপারলে নানান রোগ-ব্যাধি থেকে রক্ষা পেতে পারে। অনেক সময়ে দেখা যায় রাস্তা থেকে কুড়িয়ে আনা টেম্পার বিহীন বোতল দিয়ে ফের বোতল তৈরি করাহয়। কিন্তু সেই প্লাস্টিকটির হয়তো পুণঃপ্রক্রিয়াজাত করার মানই নেই। অথচ ওই ক্ষতিকর প্লাস্টিক দিয়ে নতুন করে বানানো কৌটায়,পাত্রে তেল-পানি ভরে তাতে বিএসটিআইয়ের সিল মারা হয়। কিন্তু তারা সত্যি কি এতে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন পেয়েছে? আর অনুমোদন দিয়ে থাকলে বিএসটিআই কি তাযাচাই করেদিয়েছে? এ সব বোঝার ক্ষমতা সাধরণ মানুষের নেই। তাইএ সব দেখতে হয় সরকারের বিশেষ বিভাগের লোকজনকে। সমাজের সচেতন বা তথা কথিত সুশীল সমাজের। কিন্তু বাস্তবে তা কেউ দেখেনা। দেখার কেউনেই হয়তো। এ কারণে বিভিন্ন সময়ে দেখা যায় শিশুরা আক্রান্ত হয় বিকলাঙ্গের মতো নানা রোগে। যার সূচনা হয় প্রথমে খুসখূসে কাশি, এরপর স্বাসকষ্ট,পরবর্তীতে কঠিন জ্বর হয়। এবং শেষ পর্যায়ে বিকলাঙ্গ বা পক্ষাঘাত গ্রস্ত হয়ে পড়ে শিশু।
ফাস্ট ফুডের দোকানে যেসব কেক খাওয়ারপ্যাকেট বা ওয়ানটাইম কৌটা রাখা হয় সেগুলো মানসম্পন্ন কিনা- সেগুলোও ফুডগ্রেড কিনা- তাও দেখার কেউ নেই। যারা এ সব দেখার দায়িত্বে আছেন- তারা সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে বিভিন্ন রোগশোক থেকে আমরা রক্ষা পেতে পারি।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় ও বিএসটিআই এগুলো দেখে থাকে। কিন্তু তারা কি আদপে এই দায়িত্ব ঠিক ঠিক পালন করছে? এই প্রশ্ন তথ্যাভিজ্ঞ মহলের। এসব বিষয় জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। এ গুলি নিয়ে রেডিও, টিভিতে প্রচারণা চালাতে হবে। এটা জাতীয় স্বাস্থ্যসুরক্ষায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
একাকী ফরজ নামাজে ইকামতের বিধান কি?
মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা জামাতে নামাজের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। বর্ণিত হয়েছে, তোমরা রুকুকারীদের সাথে রুকু করো’ (সূরা : বাকারা, আয়াত: ৪৩)। অর্থাৎ জামাতে নামাজ আদায়কারীদের সাথে নামাজ আদায় করো। পুরুষের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজই জামাতে আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা, যা ওয়াজিবের সাথে তুলনীয় (অরবিস্তারিত পড়ুন
মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা জামাতে নামাজের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। বর্ণিত হয়েছে, তোমরা রুকুকারীদের সাথে রুকু করো’ (সূরা : বাকারা, আয়াত: ৪৩)। অর্থাৎ জামাতে নামাজ আদায়কারীদের সাথে নামাজ আদায় করো।
পুরুষের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজই জামাতে আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা, যা ওয়াজিবের সাথে তুলনীয় (অর্থাৎ এটি ওয়াজিবের কাছাকাছি) (মুসলিম, হাদিস : ১০৯৩)।
শরিয়ত অনুমোদিত কোনো অপারগতা ছাড়া জামাতে শরিক না হওয়া বৈধ নয়। যে ব্যক্তি জামাত ত্যাগে অভ্যস্ত হয়ে যায়, সে গুনাহগার (আবু দাউদ, হাদিস : ৪৬৪)।
কোনো কারণ ছাড়া জামাত পরিত্যাগ করতে নিষেধ করেছেন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। এমন লোকদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তিনি।
আলেমরা সবসময় জামাতে নামাজ আদায়ের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন এবং একাকী নামাজ আদায় না করার প্রতি উৎসাহ দেন। তবে কোনো ব্যক্তি যদি একাকী ফরজ নামাজ আদায় করে তাহলে তার জন্য ইকামত বলা জরুরি নয়, বরং উত্তম। এ ক্ষেত্রে ইকামত না বললেও যথাযথভাবে নামাজ আদায় হয়ে যাবে। (বাদায়েউস সানায়ে : ১/৩৭৭)।
নামাজের জন্য আজান-ইকামতের বিধান
নামাজের জন্য আজান দেওয়া সুন্নতে মুয়াক্কাদা, যা ওয়াজিবের কাছাকাছি। এছাড়াও তা ইসলামের অন্যতম নিদর্শন বহন করে। জামাতে নামাজ আদায় করার জন্য ইকামত দেওয়া সুন্নত। একাকী ফরজ নামাজ আদায় করলে ইকামত দেওয়া মুস্তাহাব। এজন্য ফরজ নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে আজান ও ইকামতের গুরুত্ব অপরিসীম।
হাদিসে জামাতের গুরুত্ব
হাদিসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আমার প্রাণ যাঁর হাতে, তাঁর শপথ করে বলছি, আমার ইচ্ছা হয় আমি কাঠ সংগ্রহ করার নির্দেশ দেই আর নামাজের আজান দেওয়ার জন্য হুকুম দেই। তারপর আমি এক ব্যক্তিকে হুকুম করি, যেন সে লোকদের নামাজের ইমামতি করে। আর আমি ওই সব লোকদের দিকে যাই, যারা নামাজের জামাতে হাজির হয়নি এবং তাদের বাড়িঘরগুলো আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেই।’ (বুখারি, হাদিস : ৬১৮)।
জামাতে নামাজ আদায় একা নামাজ থেকে উত্তম উল্লেখ করে আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেন, ‘জামাতে নামাজের ফজিলত একাকী নামাজের চেয়ে ২৭ গুণ বেশি’ (মুসলিম-১৪৭৭)।
আরেক হাদিসে নবীজী (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি উত্তমরূপে পবিত্রতা লাভ করে মসজিদে এসে নামাজ আদায় করে তার প্রতি কদমে একটি নেকি দেওয়া হয়। একটি করে গুনাহ মাফ করা হয়। একটি করে মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয় (মুসলিম-১০৯৩)
রাসূলুল্লাহ (সা.) এর অনুসরণীয় বিশেষ গুণগুলো কি কি?
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পবিত্র কোরআনুল কারিমের ঘোষণায় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন উত্তম চরিত্রের অধিকারী। মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘নিশ্চয় আপনি উত্তম চরিত্রের অধিকারী।’ তিনি ছিলেন বিশ্ববাসীর জন্য অনুসরনীয় ও অনুকরণীয় আদর্শ। অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা ববিস্তারিত পড়ুন
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
পবিত্র কোরআনুল কারিমের ঘোষণায় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন উত্তম চরিত্রের অধিকারী। মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘নিশ্চয় আপনি উত্তম চরিত্রের অধিকারী।’ তিনি ছিলেন বিশ্ববাসীর জন্য অনুসরনীয় ও অনুকরণীয় আদর্শ।
অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আবশ্যই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনে রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ।’ গুরুত্বসহকারে আমাদের জানতে হবে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসরণীয় গুণগুলো কি কি? ব্যক্তি চরিত্রে উত্তম গুণাবলী অর্জনের জন্যই তা একান্ত আবশ্যক।
মানুষ যখন বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চারিত্রিক গুণাবলী নিজেদের মধ্যে বাস্তবায়ন করবে, তখনই মানুষ ইহ ও পরকালে সফলকাম হবে। দুনিয়াতেই রচিত হবে যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ সমাজ।
মুসলিম উম্মাহর জন্য বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সব গুণগুলোই অনুসরণ ও অনুকরণ করা আবশ্যক। কেননা তিনি উম্মতের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘আমি উত্তম চারিত্রিক গুণাবলীর অধিকারী হয়েই প্রেরিত হয়েছি।’
বিশ্বনবীর (সা.)-এর সব গুণগুলোর মধ্যে দৈনন্দিন জীবনের গুণগুলো অনুসরণ করা একান্ত জরুরি। এখানে তাঁর কিছু চারিত্রিক গুণাবলী তুলে ধরা হলো-
১. কোনো মজলিশে কেউ কথা বলতে বসলে সে ব্যক্তি উঠা না পর্যন্ত বিশ্বনবী (সা.) উঠতেন না।
২. সব সময় আল্লাহ তাআলার ভয়ে ভীত থাকতেন।
৩. বেশিরভাগ সময় তিনি নিরব থাকতেন।
৪. বিনা প্রয়োজনে কথা বলতেন না।
৫. কথা বলার সময় সুস্পষ্টভাবে বলতেন; যাতে শ্রবনকারী সহজেই তাঁর কথা বুঝে নিতে পারে।
৬. আলোচনা করার সময় তা দীর্ঘস্থায়ী করতেন না যাতে শ্রোতারা বিরক্ত হয়ে যায়। আবার এত সংক্ষিপ্তও করতেন না যাতে কথা অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
৭. কথা, কাজ ও লেন-দেনে কঠোরতা অবলম্বন করতেন না।
৮. বিনয় ও নম্রতাকে তিনি অত্যন্ত পছন্দ করতেন।
৯. তাঁর দরবারে আগত কোনো ব্যক্তিকেই অবহেলা করতেন না।
১০. কারো সাথে কথা-বার্তায় অযথা তর্ক সৃষ্টি করতেন না।
১১. ইসলামি শরিয়ত পরিপন্থী কোনো কথা হলে তা থেকে বিরত থাকতেন বা সেখান থেকে উঠে যেতেন।
১২. আল্লাহ তাআলার প্রতিটি নিয়ামতকে তিনি সম্মান করতেন।
১৩. কোনো খাদ্য দ্রব্যের দোষ ধরতেন না। মন চাইলে খেতেন; অন্যথায় খাওয়া থেকে বিরত থাকতেন।
১৪. ক্ষমা করাকে পছন্দ করতেন।
১৫. যেকোনো প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিতেন; যাতে প্রশ্নকারী ব্যক্তি সে সম্পর্কে পরিপূর্ণভাবে অবগত হতে পারে।
১৬. সব সময় তিনি ধৈর্য্য ধারণ করতে ভালোবাসতেন। ধৈর্য্য ছিল তাঁর অন্যতম গুণ।
১৭. বিশ্বনবীর কাছে হাদিয়াসহ যা কিছুই আসতো; তিনি তা আল্লাহর রাস্তায় দান করে দিতেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দুনিয়ার পুরো জিন্দেগিই ছিলো গুণাবলীতে ভরপুর। তাঁর সব গুণাবলী লিখে শেষ করা যাবে না। কোনো মানুষ যদি বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উল্লেখিত গুণগুলো নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করেন- তিনি হবেন পৃথিবীর সেরা মানুষ।
রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চারিত্রিক গুণের অধিকারী হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।