সাইন আপ করুন
লগিন করুন
রিসেট পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।
আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?
আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?
পৃথিবীর সব থেকে ভয়ংকর খাদ্য কোনগুলো ?
বেঁচে থাকার জন্য খাওয়া জরুরি। কিন্তু কেমন লাগবে যদি কোনো খাবার খাওয়ার সময় জীবনের শঙ্কা থাকে! অদ্ভুত শোনালেও সত্যি, পৃথিবীতে বেশ কিছু জনপ্রিয় খাদ্য আছে যা কি না সাবধানতার সঙ্গে না খেলে গুরুতর শারীরিক সমস্যায় ভুগতে হতে পারে। এমনকি ঘটতে পারে মৃত্যুও। বিজনেস ইনসাইডার আর এমএসএন ডটকম থেকে পাওয়া গেল এমন কিবিস্তারিত পড়ুন
বেঁচে থাকার জন্য খাওয়া জরুরি। কিন্তু কেমন লাগবে যদি কোনো খাবার খাওয়ার সময় জীবনের শঙ্কা থাকে!
অদ্ভুত শোনালেও সত্যি, পৃথিবীতে বেশ কিছু জনপ্রিয় খাদ্য আছে যা কি না সাবধানতার সঙ্গে না খেলে গুরুতর শারীরিক সমস্যায় ভুগতে হতে পারে। এমনকি ঘটতে পারে মৃত্যুও। বিজনেস ইনসাইডার আর এমএসএন ডটকম থেকে পাওয়া গেল এমন কিছু বিপজ্জনক খাদ্যের নাম :
আফ্রিকান বুলফ্রগ
ব্যাঙের পা বিশ্বের অনেক দেশেই একটি উপাদেয় খাবার হিসেবে পরিচিত। কিন্তু পশ্চিম আফ্রিকার কিছু দেশে মানুষ ‘আফ্রিকান বুলফ্রগ’ নামের এক ধরনের বড় আকারের ব্যাঙ খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে। পা নয়, গোটা ব্যাঙ-টাই একটা উপাদেয় খাদ্য হিসেবে বিবেচিত। তবে সাবধানে রান্না না করলে কিডনি বিকল হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে, বিশেষ করে যদি কমবয়েসি ব্যাঙ হয়।
অক্টোপাস
জীবন্ত কোনো প্রাণীকে গিলে খাওয়ার ব্যাপারটি একটু বিচিত্র শোনালেও, কোরিয়ায় কিন্তু এটি বেশ জনপ্রিয় রীতি। অক্টোপাস জ্যান্ত গিলে খাওয়া কোরীয়দের কাছে নিতান্তই ডালভাত। তবে কায়দা করে না গিললে বিপত্তি হতে পারে। অক্টোপাসের শুঁড়গুলোতে আছে অসংখ্য শোষক, যা ভক্ষকের দম আটকে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারে।
আকি
জ্যামাইকার জনপ্রিয় ফল আকি দেখতে যতই চমৎকার হোক, চট করে খেয়ে ফেললে পস্তাতে হবে। পরিপক্ব অবস্থায় না খেলে ভয়াবহ বমি হতে পারে, যার ফলে ঘটতে পারে মৃত্যুও।
ক্যাসাভা
আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার মানুষদের কাছে ক্যাসাভা খুবই জনপ্রিয় খাদ্য। তবে ভালো করে রান্না করে না খেলে মৃত্যু হতে পারে। কাঁচা ক্যাসাভা চিবিয়ে খেলে ক্যাসাভার এনজাইম পরিণত হতে পারে সায়ানাইডে, যা কি না মারাত্মক বিষ।
ডুরিয়ান
ভয়াবহ দুর্গন্ধযুক্ত এই ফল পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে খুবই জনপ্রিয়। সাইক্লোপ্রোপেন এসিডে ভরপুর এই ডুরিয়ান কাঁচা অবস্থায় খেলে মারাত্মক অসুস্থতার ঝুঁকি থাকে। আর কেউ যদি ফলটি খাওয়ার সাথে সাথে মদ্যপান করে, তবে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
বানরের মস্তিষ্ক
পূর্ব এশিয়ার বেশকিছু দেশে বানরের মস্তিষ্ক খাওয়া হয়। এটা কাঁচা, ভাজি করে অথবা রান্না করে খাওয়া হয়ে থাকে। দুর্লভ এই খাবার নিয়মিত খেলে ‘জ্যাকব ডিজিজ’ নামের অসুখ হতে পারে, যাতে কি না মানুষের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ভয়াবহভাবে হ্রাস পায়।
ফুগু
জাপানে ফুগু নামের এই মাছ বেশ প্রচলিত খাবার। বহু বছরের দক্ষ বাবুর্চি ছাড়া এই মাছ রান্না করা বিপজ্জনক। ফুগু মাছের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোতে থাকে টেট্রোডোটক্সিন নামের ভয়াবহ বিষ, যা কি না সায়ানাইডের থেকেও এক হাজার ২০০ গুণ বেশি ক্ষতিকর। ফুগু মাছ খেলে প্যারালাইসিস হতে পারে। তবে এই আশঙ্কা উপেক্ষা করেই জাপানিরা প্রতিবছর ১০ হাজার টন ফুগু ভক্ষণ করে থাকে।
কাজু বাদাম
কাজু বাদাম অনেকেরই খুব পছন্দের। কিন্তু এটা হয়তো খুব বেশি লোক জানে না যে, কাঁচা কাজু বাদাম বেশি পরিমাণে খেলে ভয়াবহ চর্মরোগ থেকে শুরু করে নানা ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এজন্য দোকানে কাঁচা কাজু বাদাম নামে যেসব বাদাম বিক্রি করা হয়, সেগুলো অল্প আঁচে ভেজে নেওয়া থাকে যাতে কারো ক্ষতি না হয়।
ফেয়ারফোন … কি রয়েছে এ স্মার্টফোনে?
ফেয়ারফোন: যে টেকসই স্মার্টফোন খুলে নিজেই ঠিক করতে পারবেন ব্যবহারকারী ফেয়ারফোন ব্র্যান্ডের স্মার্টফোনগুলোর বিভিন্ন অংশ খুলে নিয়ে ব্যবহারকারীরা নিজেরাই নতুন অংশ লাগিয়ে সারাই করতে পারবেন। এতে অন্য ব্র্যান্ডের তুলনায় খরচও কম পড়ে। কার্বন নিঃসরণ ও ই-বর্জ্য কমানো এ কোম্পানিটির অন্যতম লক্ষ্য। তবে স্মবিস্তারিত পড়ুন
ফেয়ারফোন: যে টেকসই স্মার্টফোন খুলে নিজেই ঠিক করতে পারবেন ব্যবহারকারী
ছোট্ট, চৌকোনো একটি বস্তু উঁচিয়ে ধরে বাস ভ্যান অ্যাবেল বললেন, ‘এটা আমার ফোনের ক্যামেরা।’ একটু আগে ছোট একটা স্ক্রুড্রাইভার দিয়ে নিজের স্মার্টফোন থেকে জিনিসটা বের করেছেন তিনি।
‘মোট আটটা কম্পোনেন্ট আছে, সবগুলো খুলে নেওয়া যায়, নতুন লাগানো যায়,’ নিজের ফোনটাকে খুলতে খুলতে বললেন তিনি। একে একে ফোন থেকে বের হলো ব্যাটারি, ইউএসবি পোর্ট, পর্দা, ও লাউডস্পিকার।
ডাচ সামাজিক উদ্যোগ ফেয়ারফোন-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা ভ্যান অ্যাবেল। এ ফোন কোম্পানিটির দাবি, এটি ‘বিশ্বের সবচেয়ে টেকসই স্মার্টফোন’ তৈরি করে। কিন্তু একটি স্মার্টফোন কতটা টেকসই হতে পারে?
২০১৩ সালে আমস্টারডামে পথচলা শুরু করে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফেয়ারফোন। এ ব্র্যান্ডের তৈরি ফোনগুলো সহজেই বদলানো, পরিবর্তন, ও সারাই করানো যায়। আর ব্যবহারকারীরা নিজেরাই এ কাজগুলো করতে পারেন।
হালকা কোনো ত্রুটির কারণে ফোন ফেলে দেওয়ার বদলে এভাবে ফোন ঠিক করার উৎসাহ দিয়ে ইলেকট্রনিক বর্জ্য কমাতে সহায়তা করছে ফেয়ারফোন।
জাতিসংঘের তথ্যমতে, বিশ্বে প্রতিবছর আনুমানিক ৫০ মিলিয়ন টন ইলেকট্রনিক বর্জ্য তৈরি হয়। এর মাত্র ২০ শতাংশ রিসাইকেল করা হয়।
ই-বর্জ্য বাড়ার অন্যতম কারণ হলো বহনযোগ্য ডিভাইস ও স্মার্টফোনের চাহিদাবৃদ্ধি। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০৫০ সাল নাগাদ বার্ষিক ই-বর্জ্যের পরিমাণ দ্বিগুণ বেড়ে ১২০ মিলিয়ন টনে পৌঁছাবে।
২০২২ সালে ৫৩০ কোটি মোবাইল ফোন ফেলে দেওয়া হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গড়ে প্রতি ১৮ মাস অন্তর মানুষ তাদের ফোন বদলান। এসব ডিভাইসের বেশিরভাগই খোলার কোনো উপায় রাখা হয় না — তাই এগুলো ঠিক করানো খুবই কঠিন ও খরুচে কাজ।
আর দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে পারে এমন ফোন বিক্রি করার মাধ্যমে এ পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আনতে চাইছে ফেয়ারফোন।
ভ্যান অ্যাবেল বলেন, ‘আমরা ফোনকে সারাই করার মতো উপযুক্ত করে তৈরি করি যাতে মানুষ সেটা দীর্ঘ সময় ব্যবহার করতে পারেন।’ যুক্তরাজ্যের একটি অলাভজনক সংস্থা দ্য রিস্টার্ট প্রজেক্ট-এর অনুমান, একটি স্মার্টফোনের জীবনকাল ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো গেলে, তা থেকে আয়ারল্যান্ডের মোট বার্ষিক নিঃসরণের সমান পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ কমানো যাবে।
ভ্যান অ্যাবেল জানান, ‘আমরা আমাদের সব ফোনে শতভাগ রিসাইকেল করা প্লাস্টিক এবং ফেয়ারট্রেডের মাধ্যমে কেনা সোনা ও রুপা ব্যবহার করি।’
তবে ফেয়ারফোনের ফোনগুলোর সব উপাদান টেকসই নয়। ফেয়ারফোন ৫-এ ৪০টি আলাদা উপাদান রয়েছে, তবে কেবল ১৪টি উপাদান (ফোনের মোট ওজনের ৪২ শতাংশ) টেকসইভাবে ও এথিক্যালি সংগ্রহ করা হয়। ১৪টি কাঁচামালের কেবল ৭০ শতাংশ ফেয়ারট্রেড বা রিসাইকেল উৎস থেকে আসে।
ফেয়ারফোনের আরেকটি লক্ষ্য হলো সমগ্র সরবরাহ চেইনে এথিক্যাল কর্মপরিবেশের উন্নয়ন ঘটানো। ডিআর কঙ্গোর সংঘাতপূর্ণ খনিগুলো নিয়ে সচেতনতা তৈরি করার লক্ষ্যে কোম্পানিটি ২০০৯ সালে একটি অ্যাক্টিভিজম ক্যাম্পেইন শুরু করে। বর্তমানে কোম্পানিটি ডিআর কঙ্গোর সংঘাতমুক্ত খনি থেকে টিন ও টাইটানিয়াম সংগ্রহ করে।
এত উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকা সত্ত্বেও মোবাইল ফোনের বাজারে এখনো ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান ফেয়ারফোন। শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ লাখ ফোন বিক্রি করতে পেরেছে এটি। তুলনা বোঝানোর জন্য, কেবল ২০২২ সালেই বিশ্বে ২৩২ মিলিয়নের বেশি আইফোন বিক্রি করেছে অ্যাপল।
টেকসই-এর সঙ্গে দামটাও বেশি পড়ে। ফেয়ারফোনের সর্বশেষ মডেলটির দাম ৬৯৯ ডলার। ভ্যান অ্যাবেল জানান, এর একটা কারণ হলো ফেয়ারফোনকে সবকিছু নিজেদেরই তৈরি করতে হয়। অ্যাবেল বলেন, ‘আমাদেরকে নিজেদেরই সফটওয়্যার আপডেট করতে হয়, কারণ দুনিয়ার কোনো কোম্পানিই দীর্ঘমেয়াদি ফোনের পক্ষে না।’
তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারীদের তুলনায় ফেয়ারফোনের সারাইয়ের খরচ অনেক কম। যেমন ফেয়ারফোন ৫-এর একটি নতুন ব্যাটারির দাম পড়ে ৪৯ ডলার, যেখানে আইফোন ১৫-এর ব্যাটারি বদলাতে অ্যাপল নেয় ৯৯ ডলার আর গ্যালাক্সি এস২৩-এর জন্য স্যামসাং ১৩৫ ডলার। ফোনের নতুন পর্দা লাগাতে ফেয়ারফোনে দরকার হয় ১১২ ডলার, অ্যাপলে ৩৫৯ ডলার ও স্যমাসাংয়ে ২৯৭ ডলার।
যেসব ফোন আর সারাই করা সম্ভব হয় না, সেগুলোর জন্য একটি রিসাইক্লিং প্রোগ্রামও রয়েছে ফেয়ারফোনের। রিসাইক্লিং করার পর ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত উপদান সংগ্রহ করা যায়। রিসাইক্লিংকে শেষ উপায় হিসেবে বিবেচনা করে ফেয়ারফোন।
যুক্তরাজ্যের ডিজাইন কাউন্সিল-এর প্রধান ডিজাইন অফিসার ক্যাট ড্রু বলেন, বেশিরভাগ স্মার্টফোনের নকশার কারণে এগুলো সারাই করতে উৎসাহবোধ করেন না ব্যবহারকারী। ফোনের ডিজাইন সহজে খোলার মতো করা হয় না। আবার হালকা, পাতলা ফোনগুলো খোলাও মুশকিল।
ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি সারাইয়ের খরচের কারণেও মানুষ আর পুরোনো জিনিস ঠিক করান না। ‘একটা ল্যাপটপের ডিসপ্লে ঠিক করাতে অনেক সময় নতুন ল্যাপটপের দামের চেয়ে বেশি খরচ করতে হয়,’ বলেন ড্রু।
স্মার্টফোন সারাইয়ের ক্ষেত্রে মূল চ্যালেঞ্জ হলো ইলেকট্রনিক্স শিল্পের ব্যবসায়িক মডেলের পরিবর্তন আনা। দশকের পর দশক ধরে এ শিল্পের সরবরাহ চেইন গড়ে উঠেছে, চাহিদা ও পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিয়েছে। সেটায় পরিবর্তন আনা, এ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করা কোম্পানিগুলোর পক্ষে কঠিন।
এক্ষেত্রে মার্কেটিংও আরেকটি বড় সমস্যা। ভ্যান অ্যাবেল বলেন, ‘পুরো ব্যবসা মডেলটিই গড়ে উঠেছে প্রবৃদ্ধি ও বেশি বেশি ফোন বিক্রির ওপর। যেসব জিনিসের আমাদের দরকার নেই, সেগুলো আমাদের কাছে বিক্রি করার ক্ষেত্রে মার্কেটিং দারুণ সফল।’
ঐতিহ্যবাহী পোশাক কেফিয়াহ কিভাবে ফিলিস্তিনের জাতীয় প্রতীক হয়ে উঠে ?
১৯৩৬-১৯৩৯-এর দিকে অর্থাৎ আরব বিদ্রোহের সময়, ফিলিস্তিনিরা যখন ব্রিটিশ দখলদারিত্বের অবসান ঘুচিয়ে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল, তখন তারা শান্তি এবং সংহতির প্রতীক হিসেবে সাদা-কালো কেফিয়াহ পরিধান করত। কেফিয়াহ পরিহিত দুই ফিলিস্তিনি। সপ্তাহান্তের ছুটির দিনে তিনজন ফিলিস্তিনি কলেজ শবিস্তারিত পড়ুন
সপ্তাহান্তের ছুটির দিনে তিনজন ফিলিস্তিনি কলেজ শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রের ভারমন্ট অঙ্গরাজ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। যাদের মধ্যে দুইজন কেফিয়াহ (স্কার্ফ) পরিহিত ছিল।
মধ্যপ্রাচ্যের সর্বত্রই কেফিয়াহ পরা হয়, কিন্তু সাম্প্রতিক দশকগুলোতে কেফিয়াহকে ফিলিস্তিনিদের জাতীয় পরিচয় ও প্রতিরোধের প্রতীক হিসাবে বিশেষভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
বিশ্বজুড়ে চলা ইসরায়েল এবং হামাস যুদ্ধের মধ্যেও ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভে বিক্ষোভকারীদের গলায় এই কেফিয়াহ স্কার্ফ পরতে দেখা গেছে। কেউ কেউ এটিকে মুখ ঢেকে রাখতেও ব্যবহার করেছেন।
“এই কেফিয়াহ যাযাবর বেদুইন, কৃষক এবং রাখালরা পরে বহু যুগ ধরেই। কিন্তু এখন এই কেফিয়াহই এই সময়ে এসে, বিশ্বব্যাপী ঔপনিবেশিকতাবাদ-বিরোধী অনেক বিপ্লবী ও কর্মীদের কাছে একটি আইকনিক পোশাক হয়ে দাঁড়িয়েছে”, কথাগুলো বলেছেন মজিদ মালহাস নামে একজন ফিলিস্তিনি-কানাডিয়ান সাংবাদিক। তিনি কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের একজন পিএইচডি শিক্ষার্থীও।
কেফিয়াহ বলতে যা বোঝায়
কেফিয়াহকে অনেক সময় ইংরেজিতে বলা হয় কুফিয়া বা কাফিয়াহ। ঐতিহ্যবাহী স্কার্ফ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব অঞ্চলের লোকজনই একে নিত্যই ব্যবহার করে। বেশিরভাগ কেফিয়াহ সাদা-কালো বা লাল-সাদা’র। তবে সুতার ব্যবহার বিভিন্ন প্যাটার্নের হয়।
ফিলিস্তিনের পোশাক ইতিহাসের জন্য সুপরিচিত বিশেষজ্ঞ ও গবেষক ওয়াফা ঘনাইম সিএনএনকে বলেন, ১৯২০ সাল পর্যন্ত কেফিয়াহকে হাত্তা বা শামাঘ বলা হতো যা ফিলিস্তিনের বেশিরভাগ যাযাবর বেদুইন পুরুষরা পরিধান করতেন।
ঘনাইম সিএনএনকে আরও বলেন, উনিশ শতকের দিকে কেফিয়াহ সাধারণত তুলা, সিল্ক এবং সূক্ষ্ম উল দিয়ে তৈরি করা হতো যা সাদা, কালো, সবুজ ও লাল সূতা দিয়ে মোড়ানো থাকতো।
“মধ্যপ্রাচ্যের অঞ্চলগুলোর পুরুষ কিংবা মহিলা সকলকেই হেডড্রেস পরিধান করতে দেখা যেত। বেদুইনদের তুলনায় গ্রাম এবং শহরে বসবাসকারী লোকদের হেডড্রেসের ধরন আলাদা-আলাদা ছিল,” ব্যাখ্যা করে বলেন গবেষক ঘনাইম। বেদুইনরা কেফিয়াহকে আড়াআড়িভাবে ভাঁজ করে মাথায় পরতো এবং মাথায় সুরক্ষিতভাবে রাখার জন্য একটি রজ্জুও ব্যবহার করত।
এছাড়া, মরুভূমির তীব্র দাবদাহ থেকে বাঁচতেও এই কেফিয়াহ পরা হয়।
সাংবাদিক মালহাস বলেন, “প্রতিটি কেফিয়াহর বুনন ফিলিস্তিনের একেকটি দিককে প্রতিফলিত করে। যেমন জলপাই গাছ এবং ফিশনেট।”
সাদা এবং কালো কেফিয়াহকে জর্ডানের জাতীয়তাবাদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত বলে মনে করা হয়, কারণ ব্রিটিশ কমান্ডাররা ডেজার্ট প্যাট্রোলের সময় ইউনিফর্মের অংশ হিসেবে এটিকে ব্যবহার করতো। কিন্তু মালহাসের মতে, ফিলিস্তিনের কর্মী-সমর্থক এবং প্রতিরোধ যোদ্ধারা সব রঙের কেফিয়াহ পরিধান করেছে।
ফিলিস্তিনিদের কাছে কেফিয়াহ অর্থ কী
বিশ্বের অনেক ফিলিস্তিনি এবং আরব বংশোদ্ভূত মানুষেরা ভাবেন যে, কেফিয়াহ তাদের নিজস্ব সংস্কৃতিরই একটি অংশ।
ফিলিস্তিনের ব্র্যান্ড কৌশলবিদ ও ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর ডালিয়া জ্যাকবের মতে, যখন তিনি বাইরের কোনো দেশ ভ্রমণে যান, তখন তার শহর হেব্রনের তৈরি করা কেফিয়াহ পরতে কখনো ভুল করেন না।
এই স্কার্ফকে প্রতিরোধ এবং শান্তির প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করে তিনি আরও বলেন, “যখন আমি কেফিয়াহ পরিধান করে কোথাও ঘুরতে বের হই, তখন মনে হয় সেই জায়গাতে নিজের ঠিকানাকে সঙ্গে বহন করে নিয়ে যাচ্ছি।”
ঘনাইম বলেন, “আমার সুন্দর স্মৃতিগুলোর বেশিরভাগই এই কেফিয়াহকে ঘিরে। যখন এটি গলায় কিংবা মাথায় পরি তখন খুব গর্ব আর আনন্দ অনুভব করি।”
যেভাবে কেফিয়াহ প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে উঠেছে
সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতীক ছাড়াও এই কেফিয়াহ রাজনীতিতে যুক্ত করেছে এক নতুন মাত্রা। ব্যাপারটি কিছুটা সাংস্কৃতিক কিংবা ধর্মীয় ঐতিহ্য এবং জাতীয়তাবাদের সঙ্গে মিশে থাকা অন্যান্য পোশাকের মতোই।
ঘনাইমের মতে, ১৯৩৬-১৯৩৯-এর দিকে অর্থাৎ আরব বিদ্রোহের সময়, ফিলিস্তিনিরা যখন ব্রিটিশ দখলদারিত্বের অবসান ঘুচিয়ে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল, তখন তারা শান্তি এবং সংহতির প্রতীক হিসেবে সাদা-কালো কেফিয়াহ পরিধান করত।
১৯৬০-এর দশকে রাজনৈতিক প্রতীক হিসেবে কেফিয়ার আরও এক পুনরুত্থান ঘটে। সে সময় পুরুষ-মহিলা সবাই কেফিয়াহ স্কার্ফ পরতেন। আর ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী প্যালেস্টাইন লিবারেশন অরগানাইজেশনের প্রধান ইয়াসির আরাফাতকে প্রায়ই সাদা এবং কালো কেফিয়াহ পরিধান করতে দেখা যেত যা ফিলিস্তিনের জাতীয় সংগ্রামকে নির্দেশ করত সেই সময়।
প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের একজন সাবেক কর্মী ও যোদ্ধা লায়লা খালেদ ১৯৬৯ সালের দিকে বিমান ছিনতাইয়ের জন্য ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছিলেন। তিনিও ফিলিস্তিনের জাতীয় সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে মাথায় এবং গলায় কেফিয়াহ জুড়িয়ে রাখতেন।
কারা কেফিয়াহ পরিধান করতে পারে?
কেফিয়াহকে জাতীয় পরিচয় ও প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে মনে করা হলেও এটিকে এখন মূলধারার ফ্যাশনের অংশ হিসেবেও বিবেচনা করা হচ্ছে। বিশ্বের নামকরা এবং মূলধারার পোশাক বিক্রেতারা এটিকে এখন ফ্যাশন অনুষঙ্গ হিসেবেই বিক্রয় করছে।
ঘনাইম বলেন, “গত ১০ বছরে কেফিয়াহ কোনো সাংস্কৃতিক পরিচয় আরোপ ছাড়াই মূলধারার ফ্যাশন হিসেবে বিশ্বে জায়গা দখল করে নিয়েছে।”
তিনি একে ব্যাখ্যা করে বলেন, “সাংস্কৃতিক দখল অনেক সময় সংস্কৃতিকে মুছে দিতে পারে। তাই এই স্কার্ফ পরার আগে সবার উচিত ইতিহাস কিংবা উত্থান সম্পর্কে জানা। এটি আসলে এমন একটি পোশাক যা সংহতি, মুক্তি এবং স্বাধীনতার প্রতীকও।”
অন্যদিকে, মালহাস বলেন, বেদুইনদের ঐতিহ্যবাহী স্টাইলে এই কেফিয়াহ পরিধান করার সময় অ-ফিলিস্তিনিদের এটা জানা উচিত যে, (অ-ফিলিস্তিনিদের) এই পোশাক পরার অর্থ “এক মহান সংহতি”র সঙ্গে ঐক্য প্রকাশ হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে।
অক্সফোর্ড-এর ২০২৩ সালের বর্ষসেরা শব্দ ”রিজ” মানে কি?
ধারণা করা হয়, ইংরেজি ‘কারিজমা’-এর সংক্ষিপ্ত রূপই এই ‘রিজ’। মূলত অনলাইন দুনিয়াতেই এ শব্দটি বেশি ব্যবহার করা হয়। অভিনেতা টম হল্যান্ড দাবি করেছেন, তার কোনো 'রিজ নেই'। সম্ভাব্য প্রেমিকার সঙ্গে আলাপ চালিয়ে যেতে কি আপনি পাকা? অথবা আপনার দারুণ 'ফ্লার্টিং' দক্ষতা আছে? তাহলে হয়তো আপনার মধ্যে 'রিজ' আছে, হয়বিস্তারিত পড়ুন
সম্ভাব্য প্রেমিকার সঙ্গে আলাপ চালিয়ে যেতে কি আপনি পাকা? অথবা আপনার দারুণ ‘ফ্লার্টিং’ দক্ষতা আছে? তাহলে হয়তো আপনার মধ্যে ‘রিজ’ আছে, হয়তো আপনি জানেনই না।
এ বছরের অক্সফোর্ড-এর বর্ষসেরা শব্দের খেতাব জিতেছে রিজ। ইন্টারনেট দুনিয়ার প্রচলিত এ শব্দটির অর্থ রোমান্টিক আবেদন বা চার্ম। মূলত তরুণেরাই এ শব্দটি বেশি ব্যবহার করেন।
এ বছর বর্ষসেরা শব্দের তালিকার সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান পেয়েছে মোট আটটি শব্দ। পাবলিক ভোটের পর চূড়ান্ত শব্দটি নির্বাচন করেছেন অক্সফোর্ড-এর অভিধানকারেরা।
প্রতিযোগিতায় অন্য শব্দগুলোর মধ্যে ছিল সুইফটি, বিজ ফ্ল্যাগ, সিচুয়েশনশিপ ইত্যাদি।
তবে জেন জি (জেনারেশন জেড) না হলে রিজ-এর আপনার কাছে কোনো অর্থ নাও থাকতে পারে।
মূলত অনলাইন দুনিয়াতেই এ শব্দটি বেশি ব্যবহার করা হয়। টিকটক-এ ‘রিজ’ হ্যাশট্যাগ-এর কয়েক বিলিয়ন ভিউ রয়েছে।
অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি’র প্রকাশক অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস-এর দেওয়া রিজ-এর সংজ্ঞা অনুযায়ী, এটি মানুষের স্টাইল, চার্ম বা চটক এবং রোমান্টিক বা সেক্সুয়াল পার্টনার আকর্ষণের সক্ষমতাকে বোঝায়।
ধারণা করা হয়, ইংরেজি ‘কারিজমা’-এর সংক্ষিপ্ত রূপই এই ‘রিজ’। এটি ক্রিয়াপদ হিসেবেও ব্যবহার করা হয়।
‘রাইস ব্যাংক কি? কোথায় অবস্থিত এ ব্যাংক ? কিভাবে কাজ করে?
খাদ্য সংকটে পড়লে রাইস ব্যাংক থেকে ৫০ হাঁড়ি পর্যন্ত ধান ধার নিতে পারে যে কেউ। পরের বছর জুমের ধান তোলার পর ১০ হাঁড়ির বিপরীতে ১৩ হাঁড়ি করে (১০ হাঁড়ি ধান নিলে বাড়তি ৩ হাঁড়ি দিয়ে শোধ করতে হয়) ধান শোধ করতে হয়। থানচির দুর্গম এলাকায় একটি বিশাল জুমক্ষেত বান্দরবানের থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নের বড়মদক এলাকাবিস্তারিত পড়ুন
বান্দরবানের থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নের বড়মদক এলাকায় ‘রাইস ব্যাংক’ -এর মাধ্যমে খাদ্য সংকট মোকাবেলা করে থাকেন জুমচাষীরা। বড়মদক মূলত মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকা। থানচি উপজেলা সদর থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় সেখানে যেতে লাগে চার ঘণ্টার মতো সময়। সেখানে এক পাড়ায় এখনও দুটি রাইস ব্যাংক চালু রয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তার কথা ভেবে ১৮ বছর আগে এই দুটি রাইস ব্যাংক চালু করা হয় বলে জানিয়েছেন চাষীরা।
প্রতি বছর জুন থেকে আগস্ট মাসে খাদ্য সংকটে পড়ে অধিকাংশ জুমচাষী। জুন-জুলাই মাসে একদিকে যেমন থাকে ভরা বর্ষাকাল। বাইরে কাজের তেমন সুযোগ পায় না। অন্যদিকে জুমের নতুন ধান গোলায় উঠতেও দেরী। এসময় খাদ্য সংকটে পড়ে ধারদেনা করে চলতে হয় অনেক জুমিয়াদের। দুর্গম এলাকায় অনেকেই উপায় না পেয়ে ‘দাঁদন টাকা’ নেন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। ‘দাঁদন’ টাকা নেওয়ার পর ওই নির্দিষ্ট টাকার পরিমাণে জুমের ধান, তিল, কাউন কিংবা যে কোন জুমের ফসল দিয়ে পরিশোধ করতে হয়।
জুমের নতুন ধান ঘরে তোলার পর সবাই মিলে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ধান জমা করে রাখা হত একটি ঘরে। যাতে জুন থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত আপদকালীন খাদ্য সংকট মোকাবেলা করতে পারে জুমচাষীরা। দুর্গম এলাকায় এভাবে গড়ে উঠেছিল ‘রাইস ব্যাংক’ ধারণাটি। খাদ্য সংকটে পড়লে সেখান থেকে দশ থেকে পঞ্চাশ হাঁড়ি পর্যন্ত ধান ধার নিতে পারে যে কেউ। পরের বছর জুমের ধান তোলার পর দশ হাঁড়ির বিপরীতে তের হাঁড়ি করে (১০ হাঁড়ি ধান নিলে বাড়তি ৩ হাঁড়ি দিয়ে শোধ করতে হয়) ধান শোধ করতে হয়। এছাড়া তুলনামূলক কম টাকায় কিনতে পারে এই ধানও। সবকিছু কাগজে-কলমের মাধ্যমে সে হিসাব রাখে রাইস ব্যাংক পরিচালনা কমিটি।
একসময় রাইস ব্যাংক পরিচালনার জন্য নানাভাবে সহযোগিতা করে আসছিল জাতিসংঘের উন্নয়ন সংস্থা-ইউএনডিপি। সে সময় বান্দরবানের সাত উপজেলায় বিভিন্ন পাড়ায় ইউএনডিপির উদ্যোগে ৫৮৪টি রাইস ব্যাংক গড়ে উঠেছিল। তবে পাহাড়ে অধিকাংশ এলাকায় দিন দিন জুমের আবাদ কমে যাচ্ছে। জুমচাষীর সংখ্যাও কমে আসায় সেই রাইস ব্যাংক আগের মত চালু নেই। অনেক জায়গায় একেবারে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। কিন্তু কিছু কিছু দুর্গম এলাকায় ‘রাইস ব্যাংক’ এখনও ভালোভাবে টিকে আছে। বিশেষ করে রাইস ব্যাংকের কারণে আপদকালীন খাদ্য সংকট মোকাবেলা করতে পারে অনেক জুমচাষী।
তবে কেবল জুমচাষী নয়, পাড়ার অন্যান্য যে কেউ খাদ্য সংকটে পড়লে রাইস ব্যাংক থেকে ধান ধার নিতে পারে। এমনকি ধার নিতে পারে নগদ টাকাও। ধান ও নগদ টাকা ধারদেনার হিসাব করে রাখেন রাইস ব্যাংক পরিচালনা কমিটি।
সম্প্রতি বড়মদক ভিতরপাড়ায় গিয়ে দেখা যায়, সেখানে অল্প কয়েক গজের ব্যবধানে দুটি রাইস ব্যাংক রয়েছে। দুটি ‘রাইস ব্যাংক’ বাঁশের বেড়া দিয়ে টিনের ছাউনি ঘর। মাটি থেকে সামান্য উপর করে তৈরি করা হয়েছে ঘর দুটি। একটি রাইস ব্যাংকে ১০০-১৫০ হাঁড়ির মত ধান রয়েছে। অপরটিতে কোন ধান অবশিষ্ট নেই। জুমচাষীরা যে যার চাহিদা অনুযায়ী ধার করে নিয়েছে।
বড়মদক ভিতরপাড়া বাসিন্দা সিংদাই মারমা নামে এক নারী জুমচাষি বলেন, এ বছর মে-জুন মাসের দিকে ঘরের খাবার একটু টান পড়ে যায়। রাইস ব্যাংক থেকে ৩০ হাঁড়ি ধার নিয়েছি। নতুন ফসল তোলার পর শোধ করে দিয়েছি। ৩০ হাঁড়ি ধানে বাড়তি হিসেবে আরও ৯ হাঁড়ি ধান দিতে হয়েছে। আবার টাকা থাকলে ধানও কেনা যায়। এক হাঁড়ি ধান ২৫০ টাকা করে কিনতে পাওয়া যায়।
বড়মদক ভিতরপাড়ার আরেক বাসিন্দা স্ইুলুংমং মারমা বলেন, জুলাই মাসে স্ত্রী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। থানচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছি। হঠাৎ টাকা প্রয়োজন। রাইস ব্যাংক কমিটি থেকে ১৫ হাজার টাকা ধার নিয়েছি। এ বছর ঠিকমত জুমচাষও করা যায়নি। আগামী বছর এক সাথে সব টাকা পরিশোধ করা হবে।
এবারে ভারী বৃষ্টিতে জুমক্ষেত নষ্ট হয়েছে। কোনরকমে খাওয়ার মত ধান পেয়েছে্ন। ৩০ হাঁড়ি ধান রাইস ব্যাংক থেকে ধার নেওয়া ছিল। ভাল ধান না পাওয়ায় এ বছর পরিশোধ করা যায়নি। আগামী বছর জুমধান পেলে পরিশোধ করা হবে বলে জানান মংমং মারমা নামে বড়মদক পাড়ার আরেক জুমচাষী।
মংদাক মারমা নামে আরেক জুমচাষী জানান, তিনিও এ বছর ২০ হাঁড়ি ধান ধার নিয়েছেন। ফসল ঘরে তোলার পর ২৬ হাঁড়ির (১০ হাঁড়িতে বাড়তি ৩ হাঁড়ি ধান পরিশোধ করতে হয়) ধান পরিশোধ করে দেওয়া হয়েছে। জুমের ধান ঘরে তোলার আগে কোন কোন বছর খাবারের একটু টান পড়ে। আবার কোন বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে ধান সব নষ্ট হয়ে যায়। এ সময় একমাত্র ভরসা রাইস ব্যাংক।
অংথোয়াইসা মারমা নামে আরেক জুমচাষি জানিয়েছেন, তিনিও এ বছর জুলাই মাসে ১০ হাঁড়ি ধান নিয়েছিলেন। জুমের ধান তোলার পর পরিশোধ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু জুমচাষ করে আগের মত ভাল ধান পাওয়া যায় না। অনেক দূরে গিয়ে চাষ করতে হয়। কোন কোন সময় বছর খোরাকি ধান উঠে না। এ কারণে বাধ্য হয়ে রাইস ব্যাংক থেকে ধান ধার করে চলতে হয়।
রেমাক্রি ইউনিয়নের বড়মদক ভিতরপাড়ায় ১৫০টির মত পরিবার রয়েছে। দুর্গম এ পাড়ায় অধিকাংশই জুমচাষের মাধ্যমে জীবন নির্বাহ করে থাকে। সেখানে দুটি রাইস ব্যাংক পরিচালনার জন্য রয়েছে আলাদা দুটি কমিটিও। কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মিলে মোট চারজন সদস্য রয়েছে।
পাড়ার একটি ‘রাইস ব্যাংক’ কমিটির সভাপতি সাচিংপ্রু মারমা দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, “প্রতি বছর অক্টোবর-নভেম্বর মাসে ধার দেওয়া ধান সংগ্রহ করা হয়। সংগ্রহ বলতে যারা ধার নিয়েছে তারা নিজেরাই এসে দিয়ে যায়। কারণ এ সময় সবাই জুমের নতুন ফসল ও ধান ঘরে তুলে। কেউ দশ হাঁড়ি ধান নিলে পরের বছর বাড়তি তিন হাঁড়ি ধান শোধ করতে হয়। এভাবে করে কেউ বিশ হাঁড়ি ধান নিলে পরের বছর ওই বিশ হাঁড়িসহ বাড়তি আরও ছয় হাঁড়ি ধান শোধ করতে হবে। অনেকেই জুমের ধান খারাপ হলে ঠিকমত পরিশোধ করতে পারে না। তখন আমরা পরের বছর নিয়ে থাকি।”
”বছরে একটা বিশেষ সময় খাদ্য সংকট মোকাবেলা করার জন্য এই রাইস ব্যাংক চালু হয়েছে। আবার কেউ নগদ টাকা ধার নিয়ে থাকলে টাকাও সংগ্রহ করি। টাকা শোধ করতে হয় প্রতি হাজারে ১০০ টাকা বাড়তি করে। ধান হলে যে কোন বছর যে কেউ পরিশোধ করতে পারে। কারণ সবাই জুমচাষ করে। তবে নগদ টাকা ধার দেওয়ার সময় একটু হিসাব করে দিই। তবে পাড়াবাসী হিসেবে আমরা সবাইকে চিনি কার কেমন সামর্থ্য। কাকে কত টাকা দেওয়ার দরকার সে হিসাব করে টাকা দিয়ে থাকি”, বলেন তিনি।
“বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া সাধারণত চার-পাঁচ হাজার টাকার বেশি দেওয়া হয় না। টাকা কিংবা ধান একেবারে কেউ পরিশোধ করেনি এরকম কখনও হয়নি। জুমের ফসল ভাল না পেলে হয়ত কোন বছর সময়মত টাকা দিতে পারেনা। কিন্তু পরের বছর ঠিকই পরিশোধ করে”, বলেন কমিটির সভাপতি সাচিংপ্রু মারমা।
বড়মদক ভিতরপাড়ার আরেকটি ‘রাইস ব্যাংক’ -এর পরিচালনা কমিটির সভাপতি সিংমং মারমা জানান, “আমাদের রাইস ব্যাংকে মোট দুই হাজার হাঁড়ি পর্যন্ত ধান রাখা যায়। তবে বছরে সবসময় এক হাজার হাঁড়ি পর্যন্ত ধান জমা থাকে। সেখান থেকে যার যার চাহিদা অনুযায়ী ধান ধার দেওয়া হয়। এগুলো লিখিতভাবে হিসাব করে রাখি। জুমধান ঘরে তোলার পর নিজেদের উদ্যোগে ধান পরিশোধ করে থাকে তারা।”
”সাধারণত অক্টোবর-নভেম্বরে পরিশোধ করার কথা থাকলেও অনেকেই দেরী করে পরিশোধ করে। কারণ এলাকা থেকে দূরে গিয়ে জুমচাষ করতে হয়। ঘরে নিয়ে আসতে অনেক দেরী হয়। তবে রাইস ব্যাংক চালু হওয়ার ১৮ বছরের মধ্যে ধান পরিশোধ করেনি এরকম মাত্র চার-পাঁচজন রয়েছে। তাদেরকে সমিতি থেকে একেবারে বাদ দেওয়া হয়েছে।”
রেমাক্রি ইউপি চেয়ারম্যান মুইশৈথুই মারমা দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে জানান, জুমচাষী ও পাড়াবাসীরা রাইস ব্যাংক থেকে উপকৃত হচ্ছে। বছরে বিশেষ একটা সময় জুমধান কাটার আগে দুই থেকে তিন মাস অনেকে খাবারের অভাবে থাকে। তখন রাইস ব্যাংক থেকে ধান ধার করে চলতে পারে। দুর্গম এলাকায় এভাবে খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে রাইস ব্যাংক ভূমিকা রাখে। আর ভূমিকা রাখে বলেই রাইস ব্যাংকটি ১৮ বছর ধরে চালু আছে।
তিনি বলেন, ”ইউএনডিপি থাকতে তাদের সহযোগিতায় বিভিন্ন এলাকায় রাইস ব্যাংক চালু ছিল। কিন্তু নানা কারণে পাড়াবাসীরা চালু রাখতে পারেনি। বড়মদক পাড়ায় দুটি রাইস ব্যাংক টিকে আছে। এছাড়া বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় আরও থাকতে পারে”।
বান্দরবান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এম এম শাহ নেওয়াজ বলেন, “দুর্গম বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ করে যেখানে জুমচাষীরা রয়েছে তারা নিজেদের খাদ্য নিরাপত্তার প্রয়োজনে ‘রাইস ব্যাংক’ গড়ে তুলেছে। তবে সেখানে কৃষি বিভাগের কোন সংশ্লিষ্টতা নাই।”
২০৫০ সালের মধ্যে আমরা কোনসব খাবার খেতে শুরু করবো?
এই মুহূর্তে আমাদের ক্যালরির ৯০ শতাংশ আসছে মাত্র ১৫টি খাদ্যশস্য থেকে। তাই মানবজাতির খাদ্যের উৎস নিশ্চিত করতে লন্ডনের রয়্যাল বোটানিক গার্ডেনের বিশেষজ্ঞরা এখন নতুন খাদ্য উপাদান খুঁজছেন। মাত্র তিনটি শস্য বিশ্বের ৪০০ কোটির বেশি মানুষের প্রধান খাদ্যের উৎস। ২০২২ সালে যেসব খাদ্য আপনার মেন্যুতে রয়েছে, ২০৫০ সবিস্তারিত পড়ুন
২০২২ সালে যেসব খাদ্য আপনার মেন্যুতে রয়েছে, ২০৫০ সাল আসতে আসতে তার মধ্যে ঘটতে পারে বেশকিছু পরিবর্তন। আপনার খাদ্যতালিকায় যোগ হতে পারে নতুন ধরনের গাছগাছড়া, ফল থেকে শুরু করে নকল কলা পর্যন্ত! হ্যাঁ, এমনটাই দাবি করছেন বিজ্ঞানীরা।
এতদিন ধরে বিশ্বের সিংহভাগ মানুষের কাছেই অজানা ছিল, এমন কয়েকটি গাছের তালিকা প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, ভবিষ্যতে এগুলোই হয়ে উঠতে পারে মানুষের খাদ্য।
কিন্তু হঠাৎ বিজ্ঞানীদের এই অনুসন্ধানের কারণ কী?
কারণ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ববাসীকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে যে, বিশ্ববাজারে কেনাবেচা হয় এমন গুটিকয়েক খাদ্যশস্যের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে থাকা কতটা বিপজ্জনক।
এই মুহূর্তে আমাদের ক্যালরির ৯০ শতাংশ আসছে মাত্র ১৫টি খাদ্যশস্য থেকে। তাই মানবজাতির খাদ্যের উৎস নিশ্চিত করতে লন্ডনের রয়্যাল বোটানিক গার্ডেনের বিশেষজ্ঞরা এখন নতুন খাদ্য উপাদান খুঁজছেন।
জলবায়ু পরিবর্তন ‘ফুড শক’ এর ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে, যেখানে উৎপাদিত শস্য মানুষের চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে এবং বিশ্বজুড়ে মানুষের প্রধান খাদ্যের দাম দ্রুত বেড়েই চলেছে।
লন্ডনের গবেষক ড. স্যাম পিরিনন বলেন, খাদ্যোপাদানে বৈচিত্র্য আনলে এটি ক্ষুধার সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখবে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সাহায্য করবে। তিনি আরো বলেন, “আমরা জানি যে দুনিয়াজুড়ে হাজার হাজার রকমের এডিবল (খাওয়ার যোগ্য) প্ল্যান্ট বা গাছপালা রয়েছে এবং বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ এগুলো খাচ্ছে। আর এখানেই আমরা ভবিষ্যতের খাদ্য সমস্যার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপায় খুঁজবো।”
বিশ্বের ৭ হাজারেরও বেশি ভক্ষণযোগ্য গাছপালার মধ্যে মাত্র ৪১৭টি মানুষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
পান্ডানুস
প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ থেকে শুরু করে ফিলিপাইনের উপকূলবর্তী অঞ্চলে জন্মানো ছোট আকৃতির একটি গাছ হলো পান্ডানুস। দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় মিষ্টি ও মুখরোচক খাবারে স্বাদ আনতে এই গাছের পাতা ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, এর আনারসের মতো দেখতে ফলটি কাঁচা অথবা রান্না করে খাওয়া যায়।
খরা, তীব্র ঝড়ো হাওয়া এবং সল্ট-স্প্রে সহ নানা প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও পান্ডানুস গাছ টিকে থাকতে পারে, জানান আরেক গবেষক ড. ম্যারিবেল সোটো গোমেজ।
তিনি বলেন, “এটা জলবায়ু সহনশীল এবং পুষ্টিকর একটা খাবার যা খেতে বেশ মজাও বটে। পুষ্টিকর এবং প্রতিকূল পরিবেশেও জন্মানো সম্ভব, এমন একটি খাবার আমাদের ফুড পোর্টফোলিওতে যোগ করলে খাদ্যাভাসে বৈচিত্র্য আসবে।”
স্থানীয় লোকেদের খাদ্যের উৎস বিঘ্নিত না করেই যদি পান্ডানুসকে টেকসইভাবে ব্যবহার করা যায়, তাহলে আমাদের উচিত এই গাছটি বড় পরিসরে জন্মানো, বলেন এই গবেষক।
নানান জাতের শিম
শিম বা বিনসকে বলা হয় ‘প্রকৃতির খাদ্য’। এগুলো দামে সস্তা, প্রোটিন ও ভিটামিন-বি তে ভরপুর এবং সমুদ্র থেকে আরম্ভ করে পাহাড়ি ঢাল, সব রকম পরিবেশেই জন্মানো সম্ভব।
শিম বা শুঁটি জাতীয় খাবারের ২০,০০০ প্রজাতি রয়েছে সারা বিশ্বে। কিন্তু এর মধ্যে হাতেগোণা কয়েকটি প্রজাতি মানুষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর বাইরেও, বনজঙ্গলে আরো কয়েক শত প্রজাতি রয়েছে যেগুলো এখনো বিজ্ঞানীদের অজানা।
মোরামা শিমের বীজ (টাইলোসেমা এসকিউলেনটাম) বতসোয়ানা, নামিবিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা অঞ্চলের মানুষদের একটি প্রধান খাদ্য। এসব অঞ্চলের মানুষেরা ভূট্টার সাথে মোরামা বীজ সেদ্ধ করে অথবা গুড়া করে পরিজ বা কোকোর মতো পানীয় বানিয়ে খায়। যদিও সব ধরনের শিম বীজ ভক্ষণযোগ্য নয়, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন প্রজাতির বীজ পর্যবেক্ষণ করে দেখছেন কোনগুলোর মধ্যে পুষ্টিগুণ রয়েছে এবং খাওয়ার উপযুক্ত হতে পারে।
বুনো শস্যদানা
শস্যদানার মধ্যেও রয়েছে ১০ হাজারের বেশি প্রজাতি এবং মানুষের খাদ্যতালিকায় যুক্ত হবার মতো উপাদানও এগুলোর মধ্যে প্রচুর।
ফনিও (ডিজিটারিয়া এক্সিলিস) একটি পুষ্টিকর আফ্রিকান শস্যদানা যা কুসকুস (আফ্রিকান খাবার), পরিজ এবং পানীয় তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
স্থানীয় পর্যায়ে এটি শস্য হিসেবে আবাদ করা হয় এবং শুষ্ক আবহাওয়ার মধ্যেও এই গাছটি টিকে থাকতে পারে।
নকল কলা
এনসেট বা ‘ফলস বানানা’ কলারই একটি ঘনিষ্ঠ প্রজাতি, কিন্তু শুধুমাত্র ইথিওপিয়ার একটি অংশে এই খাবার খাওয়া হয়।
এনসেট গাছের ফল কলার মতো দেখতে। কিন্তু এই ফল খাওয়া না গেলেও এই গাছের শ্বেতসারবহুল কান্ড এবং মূল গাজন প্রক্রিয়ায় মাধ্যমে খাওয়া যায়। এছাড়াও এটি পরিজ ও রুটি তৈরিতে ব্যবহার করে ইথিওপিয়ানরা।
গবেষণায় দেখা গেছে, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের এই পৃথিবীতে ১০০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষকে খাওয়ানোর সক্ষমতা রয়েছে কলার মতো দেখতে এই শস্যটির।
ভূমিকম্প…. আমরা কতটা সতর্ক?
ভূমিকম্প নিয়ে কমবেশি আতঙ্ক সবার মধ্যেই আছে। ভূমিকম্প সাধারণত কয়েক সেকেন্ড থেকে ১/২ মিনিট স্থায়ী হয়। তবে খুবই কমসংখ্যক কিছু ভূমিকম্প ৮-১০ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হয়। মাঝে মাঝে কম্পন এত দুর্বল হয় যে, তা অনুভবও করা যায় না। কিন্তু শক্তিশালী ও বিধ্বংসী ভূমিকম্পে ঘর-বাড়ি ও ধন-সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষয়ক্বিস্তারিত পড়ুন
ভূমিকম্প নিয়ে কমবেশি আতঙ্ক সবার মধ্যেই আছে। ভূমিকম্প সাধারণত কয়েক সেকেন্ড থেকে ১/২ মিনিট স্থায়ী হয়। তবে খুবই কমসংখ্যক কিছু ভূমিকম্প ৮-১০ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হয়। মাঝে মাঝে কম্পন এত দুর্বল হয় যে, তা অনুভবও করা যায় না। কিন্তু শক্তিশালী ও বিধ্বংসী ভূমিকম্পে ঘর-বাড়ি ও ধন-সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং অসংখ্য প্রাণহানি ঘটে।
রেকর্ড হওয়া পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প
জাপানের উপকূলে ২০১১ সালে ৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছিল যার কারণে সেখানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল, এর কারণে সুনামি হয়েছিল এবং উপকূলের কাছে থাকা একটি পারমাণবিক কেন্দ্রে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটেছিল।
সবচেয়ে বড় ভূমিকম্পটি রেকর্ড করা হয়েছে ১৯৬০ সালে চিলিতে। সেখানে ৯.৫ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল।
ভূকম্পনের মাত্রা রেকর্ড হয় যেভাবে
ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্ট কম্পন বা কম্পনের ঢেউ রেকর্ড করা হয় সিসমোমিটার দিয়ে।
এই কম্পনের মাত্রা দিয়ে যে রেখাচিত্র তৈরি করা হয়, তাকে বলা হয় সিসমোগ্রাফ।
ভূকম্পনের সময় যে সিসমিক ঢেউ তৈরি হয়, সেটি বিশ্বজুড়ে কম বা বেশি মাত্রায় প্রবাহিত হয়।
পৃথিবীর যে কোনো স্থানে মাটির নিচের কম্পন সৃষ্টি হলে তা সিসমোগ্রাফে মাপা হয়।
সিসমোগ্রাফ স্টেশনে রেকর্ড হওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল, সময়কাল ও স্থায়িত্বকাল নির্ধারণ করা হয়।
ছবির মতো সুন্দর তুরস্কে ভূমিকম্পে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তাতে বাংলাদেশেও অনেকে আতঙ্কে ভুগতে পারেন। এতটুকু নিশ্চিত করে বলা যায়, ওই ভূমিকম্পের প্রভাব আর যা–ই হোক, বাংলাদেশে পড়বে না। তুরস্কের আনাতোলিয়ায় যে ভূগর্ভস্থ চ্যুতি বা ফল্ট রয়েছে, সেখান থেকে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়েছে। প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ ওই ফল্ট বেশ সক্রিয়। সেখান থেকে এ ধরনের শক্তিশালী ভূমিকম্প সৃষ্টির সম্ভাবনা বিজ্ঞানী ও গবেষকেরা আগে থেকেই জানিয়ে রেখেছিলেন।
তবে ভূমিকম্প নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার চেয়ে এ সম্পর্কে সচেতন হওয়া বেশি জরুরি। ভবন বানানোর সময় যথাযথ বিল্ডিং কোড মেনে চলা, সর্বোপরি ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাঁচতে করণীয় কী, সেসব জানা জরুরি।ভূমিকম্প হচ্ছে ভূমির কম্পন।ভূ অভ্যন্তরে যখন একটি শিলা অন্য একটি শিলার উপরে উঠে আসে তখন ভূমি কম্পন হয়। পৃথিবীপৃষ্ঠের অংশবিশেষের হঠাৎ অবস্থান পরিবর্তন বা আন্দোলনই ভূমিকম্পন। হঠাৎ যদি ঘরের কোনো জিনিস দুলতে শুরু করে—যেমন, দেয়ালঘড়ি, টাঙানো ছবি বা খাটসহ অন্য যেকোন আসবাব—বুঝতে হবে ভূমিকম্প হচ্ছে। সহজ কথায় পৃথিবীর কেঁপে ওঠাই ভূমিকম্প।
আজকের বিষয় নিয়ে কলাম লিখেছেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট গবেষক ডা.এম এম মাজেদ তার কলামে লিখেন- ভূমিকম্প এটি এমন একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ, যার পূর্বাভাস দেয়ার উপায় এখনো বিজ্ঞানীরা বের করতে পারেনি। আমাদের দেশের প্রধান প্রধান শহরগুলোতে মানুষ বাড়ার পাশাপাশি আবাসিক-অনাবাসিক স্থাপনা বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। কিন্তু সেইসব স্থাপনা কতটা মান সম্পন্ন, বড় ধরনের ভূমিকম্পে সেগুলো টিকে থাকবে কি না এই আশঙ্কা প্রবল। ভূমিকম্পের মতো দূর্যোগে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে প্রয়োজনীয় খোলা জায়গাও নেই আমাদের বড় শহরগুলোতে। অভিযোগ রয়েছে, দেশে ভবন নির্মানে বিল্ডিং কোড মানা হয় না। ফলে মাঝারি ধরনের ভূমিকম্পও মারাত্মক বিপর্যয়ের কারণ হয়ে উঠতে পারে। আর বড় ধরনের ভূমিকম্প ডেকে আনতে পারে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়। তাই ভূমিকম্পের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেতে সব ধরনের স্থাপনা এ দূর্যোগ মোকাবিলার উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে।
সারা পৃথিবীতে বছরে গড়ে ছয় হাজার ভূমিকম্প হয়। এগুলোর বেশিরভাগই মৃদু, যেগুলো আমরা টের পাই না। সাধারণত তিন ধরনের ভূমিকম্প হয়ে থাকে—প্রচণ্ড, মাঝারি ও মৃদু। আবার উৎসের গভীরতা অনুসারে ভূমিকম্পকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়—অগভীর, মধ্যবর্তী ও গভীর ভূমিকম্প। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ভূ-পৃষ্ঠের ৭০ কিলোমিটারের মধ্যে হলে অগভীর, ৭০ থেকে ৩০০ কিলোমিটারের মধ্যে হলে মধ্যবর্তী এবং ৩০০ কিলোমিটারের নিচে হলে তাকে গভীর ভূমিকম্প হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
ভূমিকম্প কেন হয়
ভূ-অভ্যন্তরে স্থিত গ্যাস যখন ভূ-পৃষ্ঠের ফাটল বা আগ্নেয়গিরির মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে তখন সেই গ্যাসের অবস্থানটি ফাঁকা হয়ে পড়ে আর পৃথিবীর উপরের তলের চাপ ওই ফাঁকা স্থানে দেবে গিয়ে ভারসাম্য বজায় রাখে। তখনই ভূ-পৃষ্ঠে প্রবল কম্পনের অনুভব হয় যা ভূমিকম্প নামে পরিচিত। সাধারণত তিনটি প্রধান কারণে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়ে থাকে—ভূ-পৃষ্ঠের হঠাৎ পরিবর্তন জনিত কারণে, আগ্নেয়গিরি সংঘটিত হওয়ার কারণে ও শিলাচ্যুতি জনিত কারণে।
ভূমিকম্পের স্থায়িত্ব
ভূমিকম্পের স্থায়িত্ব সাধারণত কয়েক সেকেন্ড হয়ে থাকে। কিন্তু এই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে হয়ে যেতে পারে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ। ভূমিকম্পের মাত্রা অনুযায়ী ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকে। ভূমিকম্পের মাত্রা নির্ণয়ের জন্য যে যন্ত্র ব্যবহৃত হয় তার নাম রিখটার স্কেল। রিখটার স্কেলে এককের সীমা ১ থেকে ১০ পর্যন্ত। এই স্কেলে মাত্রা ৫-এর বেশি হওয়া মানেই ভয়াবহ দুর্যোগের আশঙ্কা। ভূমিকম্প এক ডিগ্রি বৃদ্ধি পেলে এর মাত্রা ১০ থেকে ৩২ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা—৫ – ৫.৯৯ মাঝারি, ৬ – ৬.৯৯ তীব্র, ৭ – ৭.৯৯ ভয়াবহ এবং ৮-এর উপর অত্যন্ত ভয়াবহ।
ভূমিকম্পের মাত্রা/তীব্রতা
একটা সাধারণ ভুল ধারণা হচ্ছে – “উৎপত্তিস্থল থেকে যত দূরে যাওয়া যাবে, ভূমিকম্পের মাত্রা তত কমবে।” কিন্তু সেটা আসলে সত্যি নয়। ২০১৬ এর ১৩ই এপ্রিলের ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিলো মায়ানমার। এটার মাত্রা বলা হলো ৬.৯। তাহলে কি বাংলাদেশে আসতে আসতে বা কলকাতায় পৌঁছুতে পৌঁছুতে এটার মাত্রা কমে গেছে? জ্বি না। ভূমিকম্পের মাত্রা একটাই, এবং সেটা বিচার করা হয় উৎপত্তিস্থলেই। অনেক আগে উদাহরণ দিতে গিয়ে বলেছিলাম, সূর্যের তাপমাত্রা মাপতে গেলে কিন্তু আমরা সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা পরিমাপ করি অথবা কেন্দ্রের তাপমাত্রা পরিমাপ করি। পৃথিবীতে যে তাপটুকু আসে, সেটাকে ধরে নিয়ে কিন্তু সূর্যের তাপমাত্রা হিসাব করি না।
তাহলে কেন উৎপত্তিস্থলে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়? কেন উৎপত্তিস্থল থেকে দূরে ক্ষয়ক্ষতি কম হয়? কিছু একটা নিশ্চয়ই কমে যায়! হ্যাঁ, কমে যায়, আর সেটাই হচ্ছে ভূমিকম্পের তীব্রতা। কেন্দ্রে এই তীব্রতা সবচেয়ে বেশি থাকে এবং কেন্দ্র/উৎপত্তিস্থল থেকে যত দূরে যাওয়া যায়, ভূমিকম্পের তীব্রতা (intensity) তত কমতে থাকে। ২০১৫ সালের এপ্রিলের ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল নেপালে ছিলো বলে ওখানে তীব্রতা বেশি ছিলো, ক্ষতিও হয়েছে বেশি। বাংলাদেশে তীব্রতা ছিলো কম, ক্ষতি হয়েছে কম। এটা আমাদের সবার জানা রিখটার দিয়ে পরিমাপ করা হয় না। অন্য একটা স্কেল আছে, সেটার ব্যাপারে যথাসময়ে আসছি।
রিখটার স্কেল
রিখটার স্কেলের উদ্ভাবক চার্লস এফ রিখটার। ১৯৩৫ সালে মার্কিন এই ভূকম্পবিদ ও পদার্থবিদ ভূমিকম্প পরিমাপের স্কেল তৈরি করেন। তার নামেই এর নাম রাখা হয় রিখটার স্কেল।
রিখটার তখন ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে কর্মরত ছিলেন।
রিখটার স্কেল ছাড়াও ভূমিকম্প মাপার জন্য অন্যান্য অনেক পদ্ধতি রয়েছে। তবে বিশ্বজুড়ে রিখটার স্কেলই ভূমিকম্পের পরিমাপক হিসেবে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত।
বিবিসি বলছে, রিখটার স্কেলের ১ এবং ২ মাত্রার ভূমিকম্প প্রায় সময়ই হতে পারে এবং এটা খুব স্বাভাবিকভাবেই ঘটে কিন্তু মানুষ টের পায় না।
যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোর মতো জায়গায় প্রায় প্রতিদিনই ১ থেকে ২ মাত্রার ভূকম্পন হওয়া খুব স্বাভাবিক ব্যাপার।
তবে এসব ভূমিকম্পের মাত্রা এতটাই হালকা যে তা অনুভূত হয় না, তবে সিসমোমিটারে তা ধরা পড়ে।
রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা যদি ৭ কিংবা ৮ হয় তবে সেটা প্রাণঘাতী ভূমিকম্প হয়।
এই মাত্রার ভূমিকম্পগুলো তীব্রভাবে অনুভূত হয় এবং এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও বেশি হয়।
১৯৩৫ সালে, ভূমিকম্পের আসল মাত্রা নির্ণয়ের চেষ্টা করেছিলেন চার্লস রিখটার এবং বেনো গুটেনবার্গ, দুজনেই ক্যালটেকের ভূমিকম্পবিদ। সীসমোগ্রাফ (যে গ্রাফ বা লেখচিত্রে মাটির কম্পন ধরা পড়ে)- এর মধ্যে তরঙ্গ আসে, সেটার লগারিদম নিয়ে রিখটার মাত্রা নির্ধারণ করা হয়। অর্থাৎ, মূলত কতটুকু কাঁপছে আমাদের সীসমোগ্রামের ঠিক নির্দিষ্ট বিন্দুতে, সেটাই আর কী! রিখটার স্কেলের ৪ মাত্রার ভূমিকম্পতে ৩ মাত্রার চেয়ে ১০ গুণ বেশি কাঁপে, একইভাবে ৫ মাত্রার ভূমিকম্পতে ৪ মাত্রার ভূমিকম্পের চেয়ে ১০ গুণ বেশি কাঁপে। এই স্কেলকে এখন লোকাল ম্যাগনিচিউড (local magnitude) স্কেল বলে।
এখন, খেয়াল করার মত বিষয় হচ্ছে ক্যালটেক বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে ক্যালিফোর্নিয়াতে। ক্যালিফোর্নিয়ার মত যেসব জায়গায় মাটির ১৬ কিলোমিটারের মধ্যে ভূমিকম্প হয়, সেগুলোর জন্য এই স্কেল ডিজাইন করা হয়েছিলো। কিন্তু সারা পৃথিবীর ভূমিকম্প যাচাই করে দেখা গেছে, এটার কেন্দ্র ০ থেকে ৭০০ কিলোমিটার নিচ পর্যন্ত হতে পারে। আধুনিক যুগের যন্ত্রপাতি পৃথিবীর যে কোনো জায়গার কম্পন সঠিকভাবে হিসেব করতে পারে, তাই আসল রিখটার স্কেলের পুনঃর্নির্মাণ করা জরুরি হয়ে পড়েছিলো।
রিখটার আসলে মোমেন্ট ম্যাগনিচিউড
মোমেন্ট ম্যাগনিচিউড (moment magnitude) স্কেল, নির্মাণ করা হয়েছিলো ১৯৭০ এর দিকে, করেছিলেন ক্যালটেকেরই বেশ কিছু বিজ্ঞানী। এটা ভূমিকম্পের প্রভাব আরো ভালো করে হিসেব করতে পারে। এই স্কেল কম্পনের ভ্রামক (moment) এবং শক্তি দুটোই ব্যবহার করে, এবং ভূমিকম্পের মোট উৎসারিত শক্তি নির্ণয় করে। বিভিন্ন দূরত্বে তরঙ্গের বিভিন্ন আকৃতি এবং দিকের তথ্য থেকে ফাটল প্রণালীর জ্যামিতি (fault geometry) নির্ণয় করা হয়। এই তরঙ্গের মানগুলো থেকেই ভূমিকম্পের ভ্রামক নির্ধারণ করা হয়।
এই স্কেলের মানকে এডজাস্ট করা হয়েছিলো, যাতে রিখটার স্কেলের সাথে মিলে যায়, কারণ রিখটার ততদিনে অনেক জনপ্রিয়। এখনো যখন আমরা বলি যে, রিখটার স্কেলে এতো মাত্রা, তখন কিন্তু আসলে আমরা মডিফায়েড মোমেন্ট ম্যাগনিচিউড স্কেলের কথাই বলছি।
মার্কেলি ম্যাগনিচিউড স্কেল
কম্পনের উৎস, মাত্রা, গভীরতা, ফাটলের দিক, এলাকার স্থাপত্য – এসব বিবেচনা করে আমেরিকার জিওলজিক্যাল সার্ভে (USGS) একটা স্কেল প্রণয়ন করেছিলো, যাকে মার্কেলি ম্যাগনিচিউড স্কেল (Mercalli magnitude scale) বলে। এই স্কেলের কাজ হচ্ছে, একটা এলাকার মানুষের ওপর ঐ ভূমিকম্পের কেমন প্রভাব পড়বে, সেটা পরিমাপ করা। এটার একটা সংস্কারকৃত সংস্করণ হচ্ছে মডিফায়েড মার্কেলি ইন্টেনসিটি স্কেল (Modified Mercalli Intensity scale বা MMI)। এই স্কেল দিয়েই ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপ করা হয়। ভূপৃষ্ঠে, মানুষের উপর, প্রকৃতিতে এবং মনুষ্য সৃষ্ট জিনিসপত্রের উপর ভূমিকম্পের প্রভাবকে MMI দ্বারা নির্ণয় করা হয়। এই স্কেলের সর্বনিম্ন মান হচ্ছে I, অর্থাৎ কিছুই অনুভূত হয়নি; সর্বোচ্চ মান হচ্ছে XII, অর্থাৎ সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে।
তুরস্ক ও সিরিয়া ভূমিকম্প
তুরস্ক-সিরিয়ায় চলতি শতাব্দীর ভয়াবহতম ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১০ হাজার ছুঁইছুঁই করছে। কেবল তুরস্কেই প্রাণহানি দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ১০৮ জন। আর সিরিয়ায় এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪৭০ জনের মৃত্যুর খবর পাওযা গেছে। দুই দেশ মিলিয়ে এই মুহূর্তে নিহতের সংখ্যা ৯ হাজার ৫৭৮ জন।
ভূমিকম্পের প্রায় ৬০ ঘণ্টা পরেও চলছে উদ্ধারকাজ। এখনো বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাছাড়া বিরূপ আবহাওয়ায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হওয়ারও খবর পাওয়া গেছে।
এরই মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সতর্কবার্তা দিয়েছে, নিহতের সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়াতে পারে।
এখন ধ্বংসস্তূপে চলছে উদ্ধার কাজ। ধসে পড়া হাজার হাজার ভবনের নিচে চাপা পড়ে রয়েছেন আরও বহু মানুষ। আটকে পড়া অনেকে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে সাহায্যের জন্য চিৎকার করছেন।
এর আগে সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ইং) স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে তুরস্ক-সিরিয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে। সেসময় দেশ দুটির অধিকাংশ মানুষ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন।
এরপর ৭ দশমিক ৬ মাত্রার এবং বেশ কয়েকটি আফটারশকে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় সিরিয়ার একটি অঞ্চল। এছাড়া তুরস্কের অন্তত ১০টি শহর বিধ্বস্ত হয়। এরই মধ্যে এসব শহরে তিন মাসের জরুরি অবস্থা জারি করেছেন প্রেসিডেন্ট রিপেস তাইয়্যেপ এরদোয়ান।
মার্কিন ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্য বলছে, তুরস্ক, সিরিয়ার পাশাপাশি সাইপ্রাস, লেবানন, ইসরায়েল, মিশরেও অনুভূত হয়েছে ভূমিকম্পটি। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার কম্পনসহ শতাধিক আফটারশক আঘাত হেনেছে ওই অঞ্চলে
তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্পে হাজার হাজার মানুষ মারা গেছে, আহত হয়েছে আরও হাজার হাজার মানুষ।
এ ভূমিকম্পকে সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্পগুলোর একটি বলে মনে করা হচ্ছে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, ওই এলাকার মাটির নীচে থাকা অ্যারাবিয়ান প্লেটটি উত্তর দিকে সরে গিয়ে আনাতোলিয়ান প্লেটে ধাক্কা দিলে এই ভয়াবহ ভূমিকম্পের তৈরি হয়।
একই কারণে ১৮২২ সালেও এখানেই একদফা ভূমিকম্প হয়েছিল। বিশ্বের যেসব এলাকা ভূমিকম্প প্রবণ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে, তুরস্কের এই এলাকাটি তার অন্যতম।
ভূমিকম্প কীভাবে হয়
‘’পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ট আলাদা আলাদা বিট বা প্লেট টেকটোনিক দিয়ে তৈরি হয়েছে, যা নিচের নরম পদার্থের ওপরে ভাসছে। সারা পৃথিবীতে এরকম বড় সাতটি প্লেট এবং অসংখ্য ছোট ছোট সাব-প্লেট রয়েছে। ‘’
‘’এগুলো যখন সরে যায় বা নড়াচড়া করতে থাকে বা একটি অন্যদিকে ধাক্কা দিতে থাকে, তখন ভূ-তত্ত্বের মাঝে ইলাস্টিক এনার্জি শক্তি সঞ্চিত হতে থাকে। সেটা যখন শিলার ধারণ ক্ষমতার পেরিয়ে যায়, তখন সেই শক্তি কোন বিদ্যমান বা নতুন ফাটল দিয়ে বেরিয়ে আসে। তখন ভূ-পৃষ্টে কম্পন তৈরি হয়, সেটাই হচ্ছে ভূমিকম্প।‘’
যেসব স্থানে একটি প্লেট এসে আরেকটি প্লেটের কাছাকাছি মিশেছে বা ধাক্কা দিচ্ছে বা ফাটলের তৈরি হয়েছে, সেটাকে বলা হয় ফল্ট লাইন।
বর্তমানে উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মি. আখতার বলছেন, ‘’প্লেট বাউন্ডারি যেখানে তৈরি হয়েছে, সেটাকে আমরা বলি ফল্টলাইন। এর আশেপাশের দেশগুলো ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে সবচেয়ে বেশি থাকে।’’
বিশ্বের ভূমিকম্প প্রবণ এলাকাগুলো শনাক্ত করতে জাতিসংঘ গ্লোবাল সিসমিক হ্যাজার্ড অ্যাসেসমেন্ট প্রোগ্রাম নামে একটি কর্মসূচী চালু করেছিল। সেটার উদ্দেশ্য ছিল পৃথিবীর ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলগুলোর একটি মানচিত্র তৈরি করা, যাতে ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে প্রস্তুতি নিতে সহায়তা করবে।
সেই প্রকল্পের আওতায় অতীতে ঘটে যাওয়া ভূমিকম্পের তথ্য এবং গবেষণার ভিত্তিতে বিশ্বকে কয়েকটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছিল। বর্তমানে বিশ্বের যেসব এলাকা বিজ্ঞানীদের বিশেষ নজরে রয়েছে:
বাংলাদেশ
ভূতত্ত্ব বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের সিলেট থেকে চট্টগ্রাম অঞ্চলে কয়েকটি প্লেট থাকার কারণে এসব এলাকা ভূমিকম্পের বড় ঝুঁকিতে রয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভু-তত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক সৈয়দ হুমায়ুন আখতার বলছেন, ‘’উত্তরে তিব্বত সাব-প্লেট, ইন্ডিয়ান প্লেট এবং দক্ষিণে বার্মা সাব-প্লেটের সংযোগস্থলে বাংলাদেশের অবস্থান। ফলে সিলেট-সুনামগঞ্জ হয়ে, কিশোরগঞ্জ চট্টগ্রাম হয়ে একেবারে দক্ষিণ সুমাত্রা পর্যন্ত চলে গেছে।‘’
সেখানে দেখা গেছে, ইন্ডিয়া প্লেট ও বার্মা প্লেটের সংযোগস্থলে দীর্ঘসময় ধরে কোন ভূমিকম্পের শক্তি বের হয়নি। ফলে সেখানে ৪০০ থেকে হাজার বছর ধরে শক্তি জমা হয়ে রয়েছে।
ইন্ডিয়া প্লেট পূর্ব দিকে বার্মা প্লেটের নীচে তলিয়ে যাচ্ছে আর বার্মা প্লেট পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ফলে সেখানে যে পরিমাণ শক্তি জমা হচ্ছে, তাতে আট মাত্রার অধিক ভূমিকম্প হতে পারে।
এটা যেমন একবারে হতে পারে, আবার কয়েকবারেও হতে পারে। তবে যে কোনো সময় বড় ধরনের ভূমিকম্প হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন। সাধারণত এ ধরনের ক্ষেত্রে সাত বা আট মাত্রার ভূমিকম্প হয়ে থাকে। কিন্তু কবে বা কখন সেটা হবে, তা এখনো বিজ্ঞানীদের এখনো ধারণা নেই।’
বাংলাদেশে সর্বশেষ ১৮২২ এবং ১৯১৮ সালে মধুপুর ফল্টে বড় ভূমিকম্প হয়েছিল। ১৮৮৫ সালে ঢাকার কাছে মানিকগঞ্জে ৭.৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্পের ইতিহাস রয়েছে।
ভারত ও নেপাল
সারা বিশ্ব অনেকগুলো টেকটোনিক প্লেটের মাধ্যমে বিভক্ত হয়ে রয়েছে। যখন এসব প্লেট নড়াচড়া করে, যেসব দেশ বা এলাকা সেই প্লেটগুলোর ওপরে অবস্থিত, সেখানে ভূমিকম্প দেখা যায়।
হিমালয়ের পাদদেশে নেপাল যে টেকটোনিক প্লেটের ওপরে বসে রয়েছে, সেটার ওপরেই রয়েছে ভারতের উত্তর অংশ।
ব্রিটিশ জিওলজিক্যাল সার্ভের কর্মকর্তা রজার মুসন বিবিসি নিউজবিটকে বলেছেন, ‘’সেখানে কোন ভূমিকম্প হলে শনিবারের তুরস্কের ভূমিকম্পের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে।‘’
বিশেষ করে কাঠমান্ডুর মতো শহরগুলো বিশেষ ঝুঁকিতে রয়েছে। কারণ এই শহরটি নরম শিলা পাথরের পুরু স্তরের ওপরে তৈরি হয়েছে। ফলে ভূমিকম্প হলে সেখানে কম্পন বেশি অনুভূত হবে।
২০১৫ সালে ইন্ডিয়ান প্লেট এবং তিব্বত প্লেটের সংঘর্ষে ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়েছিল। সেই ভূমিকম্পে ৯ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু আর এক লাখের বেশি মানুষ আহত হয়েছিল।
তুরস্ক
তুরস্ক হচ্ছে আরেকটি দেশ যা সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি ভয়াবহ ভূমিকম্পের শিকার হয়েছে।
উত্তর আনাতোলিয়ান ফল্ট লাইনটি তুরস্কের পূর্ব থেকে পশ্চিমে বেশিরভাগ অংশ জুড়ে রয়েছে।
সেখানে অ্যারাবিয়ান প্লেটটি উত্তর দিকে সরে গিয়ে আনাতোলিয়ান প্লেটকে ধাক্কা দিয়ে সাম্প্রতিক ভয়াবহ ভূমিকম্পের ঘটনাটি ঘটে।
বিশেষ করে ইস্তানবুলের একটি অংশ এই ফল্ট লাইনের কেন্দ্র রয়েছে, যেখানে দুইটি প্লেট একে অপরের সঙ্গে প্রায়ই ঘষা লাগছে এবং বিভিন্ন সময়ে ওঠানামা করছে।
ফলে এই এলাকায় মাঝেমাঝেই ভূমিকম্প তৈরি হচ্ছে।
এই এলাকাতেই ১৮২২ সালে ভয়াবহ ৭ দশমিক ৪ মাত্রার একটি ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়েছিল।
ইরান
ইরানের রাজধানী তেহরান বসে রয়েছে আরেকটি সক্রিয় ফল্ট লাইন, অ্যারাবিয়ান প্লেটের ওপরে।
ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ডের গবেষক জন ইলিয়ট বলেছেন, ‘’এই শহরটি ফল্ট লাইনের একেবারে চূড়ায় বসে রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকবার এই ফল্টলাইনটি নড়াচড়া করেছে এবং ভবিষ্যতেও ভূমিকম্পের কারণ হয়ে উঠতে পারে।‘’
২০০৩ সালে ইরানের বাম শহরের কাছাকাছি ৬ দশমিক ৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়, যার ফলে ২৬ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, আহত হয়েছিল বহু মানুষ।
ইরানের এই ফল্ট লাইনটি কৃষ্ণসাগরের পূর্ব তীর থেকে শুরু করে কাস্পিয়ান সাগরের দক্ষিণ উপকূল পর্যন্ত চলে গেছে।
চীন
ভারত আর ইউরেশিয়ান মাঝে প্লেটের সংঘর্ষের কারণে বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে চীন।
২০০৮ সালে ওয়েনচুয়ান ভূমিকম্পে ৯০ হাজার মানুষ হতাহত হয়েছিল। সেই সময় প্রায় ৫০ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়েছিল।
‘’এখানে ভূমিকম্পের প্রবণতা কিছুটা অগভীর হয়, ফলে শক্তিশালী কম্পনের তীব্রতা বেশি অনুভূত হয়,‘’ বলেছেন লিভারপুল ইউনিভার্সিটি ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ স্টিফেন হিক্স।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ভূমিকম্পের ঝুঁকি থাকার পরেও সেসব এলাকার বাড়িঘরগুলো ভূমিকম্প সহনীয়ভাবে তৈরি করা হয় না। ফলে এ ধরনের এলাকায় ভূমিকম্প দেখা দেয়ার পর ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয় এবং উদ্ধারকাজেও নানা সমস্যা দেখা যায়।
১৯৫০ সালে তিব্বতে ৮০৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছিল, যদিও সেটার ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায় না।
জাপান
টোকিও শহরের কাছাকাছি বড় ধরনের ভূমিকম্প হতে পারে বলে অনেকদিন ধরেই বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন। যদিও জন্য জাপানিরা ভালোমতোই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।
২০১১ সালে টোকিওতে যে ভূমিকম্প হয়েছিল, তাতে ভূকম্পনে যতো না মানুষ হতাহত হয়েছিল, তার চেয়ে বেশি মারা গেছে সুনামির কারণে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, টোকিও শহরের নীচে অগভীরে বেশ কয়েকটি টেকটোনিক প্লেট এসে মিশেছে। বিশেষ করে প্যাসিফিক প্লেটের পশ্চিম দিকে জাপান রয়েছে। ফলে এসব প্লেট নড়াচড়া করলেই সেখানে ভূকম্পন অনুভূত হয়।
পৃথিবীর যেকোনো দেশের তুলনায় জাপানে সবচেয়ে বেশি ভূকম্পন রেকর্ড করা হয়ে থাকে।
ইন্দোনেশিয়া
জাপানের মতো ইন্দোনেশিয়া, ফিজি এবং টঙ্গার মতো দেশগুলো প্রতিবছরই ছোট ছোট ভূমিকম্প রেকর্ড করে থাকে।
কারণ অস্ট্রেলিয়ান প্লেটটি ইন্দোনেশিয়ান দ্বীপপুঞ্জের চারপাশে জড়িয়ে রয়েছে। জাপানেও এর অংশ বিশেষ পড়েছে।
২০১৪ সালে সুমাত্রার পশ্চিম উপকূলে যখন ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল, তখন সেটি রেকর্ড তৈরি করে এবং ইতিহাসের বৃহত্তম সুনামির জন্ম দেয়। সেই সুনামিতে দুই লাখের বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল।
ইন্দোনেশিয়া ছাড়াও জাপান, ফিলিপিন্স সেই সুনামির শিকার হয়েছিল।
ইউরোপ
গ্লোবাল সিসমিক হ্যাজার্ড অ্যাসেসমেন্ট অনুযায়ী, তুরস্ক এবং ভূমধ্যসাগরের আশেপাশের কিছু অংশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি বেশি রয়েছে।
কারণ এখানে আফ্রিকান মহাদেশীয় প্লেট অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের নীচে ইউরেশিয়ান প্লেটটিকে উপরের দিকে ঠেলতে থাকে বলে ভূমিকম্পের তৈরি হয়। এই কারণে মধ্য ইতালি ও পশ্চিম তুরস্কেও ভূমিকম্প দেখা যায়।
১৯৫৫ সালে পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে ৮ দশমিক ৭ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছিল, যা এই অঞ্চলের জন্য একটি রেকর্ড।
২০১৬ সালে ইতালির অ্যামাট্রিসা শহরে মাঝারি মাত্রার তিন দফা ভূমিকম্পে তিনশোর বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল।
নেপালে
নেপালে ২০১৫ সালের ভূমিকম্পে রাজধানী কাঠমান্ডুর বহু বাড়িঘর ধসে পড়ে।
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
উত্তর ক্যালিফোর্নিয়া, ওরেগন, ওয়াশিংটন এবং কানাডার একটি অংশ বড় একটি ফল্ট লাইনের কাছাকাছি রয়েছে।
এই ফল্ট লাইনে দুইটি প্লেট একে অপরের বিপরীত ঘেঁসে রয়েছে। এই প্লেট দুটি হলো হুয়ান ডে ফুকা প্লেট বা প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট এবং নর্থ আমেরিকান প্লেট।
এই ফল্ট লাইনের আশেপাশে যে বড় শহরগুলো রয়েছে, সেগুলো ভূমিকম্পের বড় ঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে লস অ্যাঞ্জেলস, সানফ্রানসিসকো, সিয়াটল এবং ভ্যাঙ্কুবার।
ইউনিভার্সিটি অব লিভারপুলের গবেষক স্টিফেন হিকস বলছেন, ‘’এই ফল্টটি বেশ অনেক সময়ের জন্য শান্ত রয়েছে।‘’
তবে তিনি জানিয়েছেন, ২০১১ সালের জাপানের সুনামির পর এই ফল্ট কতটা ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে, তা নিয়ে বড় ধরনের গবেষণা করা হচ্ছে।
১৯৬৪ সালে আলাস্কায় ৯ দশমিক ২ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত করেছিল।
চিলি
দক্ষিণ আমেরিকান প্লেটের সঙ্গে বেশ কয়েকটি মহাদেশীয় প্লেটের সংঘর্ষের কারণে দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোয় প্রায়ই শক্তিশালী ভূমিকম্প দেখা যায়।
বিশেষ করে কলম্বিয়া এবং ভেনেজুয়েলার ক্যারিবিয়ান উপকূল একটি ভূমিকম্প প্রবণ এলাকা রয়েছে।
এই এলাকায় সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছিল ১৯৬০ সালে। সেই সময় চিলির সালভেদরের কাছে ৯ দশমিক ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্পে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল। তখন বাস্তুচ্যুত হয়েছিল ২০ লাখের বেশি মানুষ।
এরপর ২০১০ সালে কনসেপসিওন শহরের কাছে আরেকটি ৮ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। সেবার নিহত হয়েছিল প্রায় ৫০০ মানুষ। সেই ভূমিকম্পে চিলির রাজধানী সান্তিয়াগোতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
এর বাইরেও বেশ কয়েকটি ভূমিকম্প হয়েছে, যা বিজ্ঞানী বা গবেষকদের ধারণায় ছিল না।
যেমন ২০১১ সালে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্ট চার্চে ভূমিকম্পের পরেই বিজ্ঞানীরা প্রথম জানতে পারেন যে, সেই শহরের নীচে একটি ফল্ট লাইন রয়েছে।
ভূমিকম্পের সময় কী করবেন
* ভূমিকম্প হচ্ছে টের পেলে বা খবর পেলে সঙ্গে সঙ্গে ফাঁকা ও উন্মুক্ত স্থানে আশ্রয় নিন।
* উঁচু ভবনে থাকলে এবং বের হতে না পারলে জানালা বা দেয়ালের পাশে অবস্থান না নিয়ে শক্ত কোনো বীম, টেবিলের নিচে অবস্থান নিন।
* হতবিহ্বল না হয়ে ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবেলা করুন।
* বহুতল ভবনে একই জায়গায় অনেক মানুষ একসঙ্গে না থেকে ভাগ হয়ে আশ্রয় নিন।
* আপনার মুঠোফোনে ফায়ার সাভির্স এবং দরকারি মোবাইল নম্বরগুলো আগাম সতর্কতা হিসেবে আগেই রেখে দিন। বিপদের সময় আপনার কাজে লাগবে।
* দ্রুত নামার জন্য ভবন থেকে লাফিয়ে পড়বেন না।
* ভূমিকম্পের সময় সম্ভব হলে মাথার ওপর শক্তকরে বালিশ অথবা অন্য কোনো শক্ত বস্তু [কাঠবোর্ড, নরম কাপড় চোপড়ের কুণ্ডলি] ধরে রাখুন।
* গ্যাস এবং বৈদ্যুতিক সংযোগ থেকে দূরে অবস্থান নিন।
* উচু ভবন থেকে দ্রুত নামার জন্য লিফট ব্যবহার করবেন না।
* ভূমিকম্পের সময় গাড়িতে থাকলে গাড়ি খোলা জায়গায় থামিয়ে গাড়িতেই থাকুন।
* একবার ভূমিকম্পের পরপরই আরেকটা ছোট ভূমিকম্প হয় যাকে ‘আফটার শক’ বলে।
নিজেকে বিপদমুক্ত রাখতে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার জন্য এ বিষয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। সরকারকেই এ বিষয়ে মুখ্য দায়িত্ব পালন করতে হবে, যাতে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ন্যূনতম পর্যায়ে থাকে। একটি ভবন নির্মাণের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সব নিয়ম মেনে করছে কি না, তা কঠোরভাবে তদারক করতে হবে।পরিশেষে বলতে চাই, মানুষ মানুষের জন্য। বিপদের সময় আপনার মনুষ্যত্ব যেন আপন মহিমায় আলো ছড়ায়। নিজের নিরপত্তা নিশ্চিত করে প্রতিবেশীদের প্রতিও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। বিপদ থেকে রক্ষার পাশাপাশি বিপদে ভয় না পেয়ে সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করার চেষ্টা করতে হবে। বড় ধরনের ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি কতটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে তা বলা মুশকিল, তবে প্রস্তুতি থাকলে মোকাবিলা করতে সুবিধা হবে। জাতীয় পর্যায়ে লজিস্টিক্যালি ক্ষয়ক্ষতি নিয়ন্ত্রণে আমাদের সক্ষমতা হয়তো খুবই অপ্রতুল। কিন্তু ব্যক্তিগত বা দলবদ্ধভাবে উপরের গাইড লাইনগুলো মেনে চললে প্রাণহানি বা আহত হবার ঘটনা অনেকখানি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।মানুষ মানুষের জন্য।
বিপদের সময় আপনার মনুষ্যত্ব যেন আপন মহিমায় আলো ছড়ায়। নিজের নিরপত্তা নিশ্চিত করে প্রতিবেশীদের প্রতিও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। বিপদ থেকে রক্ষার পাশাপাশি বিপদে ভয় না পেয়ে সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করার চেষ্টা করতে হবে। বড় ধরনের ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি কতটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে তা বলা মুশকিল, তবে প্রস্তুতি থাকলে মোকাবিলা করতে সুবিধা হবে। জাতীয় পর্যায়ে লজিস্টিক্যালি ক্ষয়ক্ষতি নিয়ন্ত্রণে আমাদের সক্ষমতা হয়তো খুবই অপ্রতুল। কিন্তু ব্যক্তিগত বা দলবদ্ধভাবে উপরের গাইড লাইনগুলো মেনে চললে প্রাণহানি বা আহত হবার ঘটনা অনেকখানি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।
সংক্ষেপে দেখুনঅ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ৪.১ বা তার থেকেও পুরোনো ভার্সনে ২৪ অক্টোবরের পর আর চলবে না হোয়াটসঅ্যাপ। কেন?
বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর মধ্যে জনপ্রিয় ও সর্বাধিক ব্যবহৃত একটি হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই এই অ্যাপের সুবিধা পাওয়া যায়। ফলে এর ব্যবহারকারীর সংখ্যাও তুলনামূলক অনেক বেশি। তবে এবার হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য রয়েছে সতর্কবার্তা দিয়েছে সংস্থাটি। অসংখ্য ফোনে বন্ধ হচ্ছে হোয়াটসবিস্তারিত পড়ুন
বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর মধ্যে জনপ্রিয় ও সর্বাধিক ব্যবহৃত একটি হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই এই অ্যাপের সুবিধা পাওয়া যায়। ফলে এর ব্যবহারকারীর সংখ্যাও তুলনামূলক অনেক বেশি।
তবে এবার হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য রয়েছে সতর্কবার্তা দিয়েছে সংস্থাটি। অসংখ্য ফোনে বন্ধ হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের সুবিধা। কিছুদিন পর পরই আপডেট দেয় হোয়াটসঅ্যাপ। উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের ডেটা সুরক্ষিত রাখা। সঙ্গে বেশ কিছু নতুন ফিচার দেওয়া হয়।
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ৪.১ বা তার থেকেও পুরোনো ভার্সনে ২৪ অক্টোবরের পর আর চলবে না হোয়াটসঅ্যাপ। স্যামসাং, সনি, মটোরোলা-এর অসংখ্য ফোন আছে এই তালিকায়। চলুন দেখে নেওয়া যাক কোন ফোনগুলোতে আর ব্যবহার করতে পারবেন না হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপ-
স্যামসাং গ্যালাক্সি ট্যাব ১০.১, অ্যাকর আইকনিক ট্যাব এ৫০০৩, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস, এইচটিসি ডিজাইয়ার এইচডি, এলজি অপটিমাস ২এক্স, সনি এক্সপেরিয়া আর্ক৩, স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ২, এইচটিসি ওয়ান, সনি এক্সপেরিয়া জেড, এলজি অপটিমাস জি প্রো, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২, স্যামসাং গ্যালাক্সি, এইচটিসি সেনসেশন, মটোরোলা ড্রয়েড রেজার, সনি এক্সপেরিয়া এস২, মটোরোলা জুম।
এর আগে এ বছরে কয়েক দফায় পুরোনো অনেক ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাক্সেস বন্ধ করেছে সংস্থাটি। মূলত কিছু দিন পর পরই হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপের মিনিমাস সিস্টেম রিকোয়ারমেন্ট আপডেট করে। যার ফলে কিছু কিছু স্মার্টফোনে হোয়াটসঅ্যাপ কাজ করে না।
পৃথিবীর কিছু অজানা তথ্য কি কেউ দিতে পারবে?
পৃথিবী একটি মহাদেশ। পৃথিবী নগরী অসংখ্য বিভিন্ন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এবং আবাসস্থলের সাথে পূর্ণ আছে। একটি মহাদেশ সবচেয়ে বড় মহাদেশ হল আফ্রিকা। পৃথিবীতে অনেক চালাকির মাধ্যমে আর্থিক উন্নয়ন হয়েছে। নিচে পৃথিবীর ১০০টি মজার তথ্য দেয়া হলো: পৃথিবীর ব্যাসের পরিমাণ প্রায় ১২,৭৬৭ কিলোমিটার। পৃথিবীর পূর্ণাঙ্গবিস্তারিত পড়ুন
পৃথিবী একটি মহাদেশ। পৃথিবী নগরী অসংখ্য বিভিন্ন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এবং আবাসস্থলের সাথে পূর্ণ আছে। একটি মহাদেশ সবচেয়ে বড় মহাদেশ হল আফ্রিকা। পৃথিবীতে অনেক চালাকির মাধ্যমে আর্থিক উন্নয়ন হয়েছে। নিচে পৃথিবীর ১০০টি মজার তথ্য দেয়া হলো:
- পৃথিবীর ব্যাসের পরিমাণ প্রায় ১২,৭৬৭ কিলোমিটার।
- পৃথিবীর পূর্ণাঙ্গ চক্রাকারের বাইরের মধ্যে কিছু দেশ বা অঞ্চল প্রতিষ্ঠিত নেই। সেগুলোকে অর্থনৈতিক মানেই “অঞ্চলের হলম” বলা হয়।
- পৃথিবীর সর্বোচ্চ বৃষ্টি রেকর্ড মৌসুমগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে রয়েছে, যেখানে বার্ষিক বৃষ্টির পরিমাণ প্রায় ২৬,৪৭৪ মিমি।
- পৃথিবীর সর্বাধিক উচ্চ পর্বত হল মাউন্ট এভারেস্ট, যা নেপাল ও চীনের মধ্যে অবস্থিত। এর উচ্চতা ৮,৮৪৮ মিটার।
- পৃথিবীর সর্বনিম্ন স্থান দল হল মরিয়ানা তলের গাহি, যা ম্যারিয়ানা খনিজ কণার বিপুল পরিমাণের কারণে প্রসিদ্ধ।
- পৃথিবীর সর্বাধিক দীর্ঘ নদী আমাজন নদী, যা দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত। এর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৭,০০০ কিলোমিটার।
- পৃথিবীতে সবচেয়ে গরম স্থান আফ্রিকার কেব্যার সাহারা এবং সবচেয়ে ঠাণ্ডা স্থান মহাদেশের উত্তর পোল।
- পৃথিবীর মাঝখানে একটি পৃথিবীর স্বর্গ নামে পরিচিত জায়গা রয়েছে, যাকে ফ্রান্সের জিনিব্রা নামক একটি পাহাড়ের উপর অবস্থিত হয়েছে।
- পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় মাত্রা ধরে রয়েছে পৃথিবীর মধ্যবর্তী সময় মূল্য (GMT), যা লন্ডন শহরের উপর ভিত্তি করে হয়।
- পৃথিবী বৃত্তাকার আকৃতির একটি দৈর্ঘ্য অঞ্চল, যা পূর্ণাঙ্গ চক্রাকার এর একটি অংশ। এটি নামকরণ হয়েছে “অবিভক্ত সারিতে”।
- পৃথিবীর ব্যাস প্রায় ১২,৭৭৯ কিলোমিটার।
- পৃথিবীর বৃত্তাকার আকৃতির জন্য দৈর্ঘ্য অঞ্চল প্রায় ৪০,০৭৫ কিলোমিটার।
- পৃথিবীর সর্বাধিক উঁচু পর্বত মাউন্ট চোমোলংমা, নেপাল ও চীনের মধ্যে অবস্থিত, যার উচ্চতা ৮,৯৮৫ মিটার।
- পৃথিবীর সর্বাধিক গভীর সমুদ্রতল মারিয়ানা গ্রাটাসের মধ্যে অবস্থিত, যার গভীরতা ১০,৯১০ মিটার।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক প্রাণীজগতের দাদাগিরি বাণিজ্যিক পণ্য হল তিতলির মাথা।
- পৃথিবীতে একমাত্র স্থান যেখানে সময় নেই, সেটা দ্য লান্ড অফ নাওয়া হয়।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বৃষ্টি পান হয় মঙ্গোলিয়ার হালহেন নগরে।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক জনবহুল দেশ চীন, যেখানে প্রায় ১.৪ বিলিয়ন মানুষ বাস করে।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক জলস্থান মহাসাগর, যা পৃথিবীর মোট জলপ্রাণীদের বাসস্থান।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বৃষ্টি পান হয় পশ্চিম আফ্রিকার কুরিয়া নগরে।
- পৃথিবীর সর্বনিম্ন স্থান দল মরিয়ানা তলের গাহি, যার গভীরতা ১০,৯৯১ মিটার।
- পৃথিবীর সর্বাধিক দেশ কেবেক, যা ১৭,০৮৮,২৪০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা অবশিষ্ট করে।
- পৃথিবীর সর্বাধিক ভূকম্প সন্ধান করা যায় প্যাসিফিক রিং অঞ্চলে।
- পৃথিবীর সর্বাধিক বৃহত্তম দেশ রাশিয়া, যা মোট মাত্রা অনুযায়ীও প্রশাসিত হয়।
- পৃথিবীর সর্বাধিক ছোট দেশ ভ্যাটিকান সিটি, যা শ্রীপদের উপর অবস্থিত।
- পৃথিবীতে আরও অজানা প্রাণী বিদ্যমান, যেমন সুন্দরবনের গোলজার সাপ, কমোডো ড্র্যাগন, গহপা জাতীয় উদ্ভিদ, ওমানের জলবিহীন মাছ, আইরিশ বিক্টরিয়া, সোলেবোক উদ্ভিদ, ভ্লাডির জাতীয় প্রাণী।
- পৃথিবীতে প্রথম মানুষ চাঁদে পড়ার অনুভব করেন আপোলো ১১ মিশনের মূল উপস্থাপক নিল আর্মস্ট্রং।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বিদ্যুৎপরিবহন ব্যবহার করা হয় চীনে।
- পৃথিবীর সর্বাধিক বৃহত্তম বিদ্যুৎ প্রদানকারী প্রকল্প থাকছে থ্রি গোর্জেস হাইড্রোইলেকট্রিক প্রকল্প, যা ব্রাজিলে অবস্থিত।
- পৃথিবীর সর্বাধিক মাত্রায় পর্যবেক্ষক উড়ানো উপকরণ বিমান।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক দ্বীপসমূহ অস্ট্রেলিয়া ও সুন্দরবনে অবস্থিত।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বিদ্যুৎপালিত রেলওয়ে নেটওয়ার্ক অবলম্বন করে ভারতের রেলওয়ে।
- পৃথিবীর সর্বনিম্ন বিন্দু আমাজন নদীর পশ্চিমের কিলিমানজারো নগরে, যেখানে নদীর স্তর নিচের সাথে আঁত ঘটে।
- পৃথিবীতে বৃহত্তম গরুর প্রজাতি ব্রাহ্মণ গরু।
- পৃথিবীর সর্বাধিক বিদ্যুৎপালিত নগরী তোকিও, জাপানের রাজধানী।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক ছাপে প্রকাশিত বাংলা সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘গ্রামের কণ্ঠ’।
- পৃথিবীর সর্বাধিক ছাপে প্রকাশিত মাসিক পত্রিকা ‘চীন ডেইলি’।
- পৃথিবীর সর্বাধিক দীর্ঘ নদী আমাজন নদী।
- পৃথিবীর সর্বাধিক বৃহত্তম বিদ্যুৎসংযোগ নেটওয়ার্ক মিশরের লেক নাস্র।
- পৃথিবীর সর্বাধিক জনবহুল নগরী তোকিও, জাপানের রাজধানী।
- পৃথিবীর সর্বাধিক পরিবাহিত ভূমি চান্দের কণা।
- পৃথিবীতে একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ যানবাহন মঙ্গলযান ।
- পৃথিবীর সর্বাধিক বৃহত্তম উপগ্রহ জুপিটার।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক উচ্চ পর্বত এভারেস্ট।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক গভীর মহাসাগর মেরিয়ানা গ্রেভ।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক দীর্ঘ রেলপথ ট্যানজানিয়ার তাজারা রেলপথ।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বৃহত্তম পাকিস্তান।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক ছড়িয়ে যাওয়া আকাশপথ বহুতলয়।
- পৃথিবীতে একমাত্র মানব সংখ্যা যাবতীয় একটি দ্বীপ মালদ্বীপ।
- পৃথিবীতে একটি মিউজিয়াম থেকে দুইটি মিউজিয়ামের সামরিক যুদ্ধ হয়েছে।
- পৃথিবীর সর্বাধিক গভীর বিমানবন্দর বুয়েনস আয়ারপোর্ট, অর্জেনটিনা।
- পৃথিবীর সর্বাধিক বিচিত্র মুদ্রা ইন্দোনেশিয়ান রুপিয়া।
- পৃথিবীতে একটি দেশ মঙ্গল দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে, সয়ুজিন পাকিস্তান।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বৃহত্তম বৌদ্ধ মন্দির অংগকার উপস্থিত ভারতের ভিশাল শ্রীলঙ্কা বিহার।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বৃহত্তম শান্তিনিকেতন লংকা দ্বীপ।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক অদ্ভুত পাহাড় ছুই নাগ পাহাড়, নেপাল-ভারত সীমান্ত এলাকায়।
- পৃথিবীতে একমাত্র মানব নগরী মাকাও।
- পৃথিবীর সর্বাধিক বৃহত্তম বাংলাদেশ।
- পৃথিবীর সর্বাধিক উচ্চ বিচিত্র বিজ্ঞান কেন্দ্র নাসা রাকেট এঞ্জিন ল্যাবরেটরি।
- পৃথিবীর সর্বাধিক উচ্চ বিমানবন্দর টেনজিন শোয়ান্গ বিমানবন্দর, ভুটান।
- পৃথিবীর সর্বাধিক ছারা পানামা চানাল।
- পৃথিবীর সর্বাধিক বিচিত্র উচ্চতম উড়ানো ব্রিজ মিলাউকি ব্রিজ, নিউজিল্যান্ড।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক দীর্ঘ সময় চলন্ত গরু বাফলো।
- পৃথিবীতে একমাত্র দেশ এস্টোনিয়া, যা ১০০% ই-গভর্নমেন্ট দ্বারা চালিত।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক প্রাচীন ভাষা সংস্কৃত।
- পৃথিবীতে একমাত্র দেশ ভারত, যা সারাদিন অফিসিয়ালি কোন টাইম জোন ব্যবহার করে না।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বিচিত্র রাস্তা এক্সিবিতি তার্মিনালের রাস্তা, নেদারল্যান্ডস।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বৃহত্তম স্ট্রেচ লিমোজিন, জীপ স্ট্রেচ লিমোজিন।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক ছোট্ট দেশ ভাটিকান সিটি।
- পৃথিবীতে প্রথম ইউনিকোড বুক এমবিআই হলো “Emoji: A Collector’s Guide”।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বৃহত্তম ফটোগ্রাফ কম্পিটিশন ওয়ার্ল্ড প্রেস ফটো।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বাড়ি পরিস্কারতম দেশ জাপান।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক প্রাচীন গণতান্ত্রিক সরকার সান মারিনো।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক উচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে লিবিয়ায় আল’আজ়াইজাহ।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বিচিত্র সড়ক দুর্ঘটনা বাইক রেসিং উপলক্ষে ঘটেছে, ইতালির আমিয়া নগরে।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বিচিত্র হট স্প্রিংস তেল জল।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক সেলফি নেওয়া হয়েছে হিমালয় পর্বত শিখরে।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক দীর্ঘ বিচিত্র জলপ্রপাত আঙ্গেল ফলস।
- পৃথিবীতে একমাত্র দেশ কুয়েত, যার কোন নদী নেই।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বালুকাচ্ছ অঞ্চল বিহার, বাংলাদেশ।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বৃহত্তম লোহার মহাদেশ আফ্রিকা।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক উচ্চতম বিচিত্র ট্যান্ডেম বাংগালি ভাষা।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক প্রচুর পানির সংগ্রহস্থল আমাজন নদী মহাসাগর।
- পৃথিবীতে একমাত্র দেশ মঙ্গোলিয়া, যার এখনো কোন জনসংখ্যা নেই।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক সময় দীর্ঘ হাওয়ায় উড়ানো বিমানের পর্যটক ফ্লাইট সিংগাপুর এয়ারলাইনসের নিয়মিত ফ্লাইট।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বৃহত্তম আকারের মেয়েদের বস্ত্র শোপিং মল দাবাও মল, সৌদি আরব।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বিচিত্র হোটেল হ্যালোসান্ড হোটেল, সৌদি আরব।
- পৃথিবীর সর্বাধিক দূরে থাকা জাতীয় উদ্যান আইসল্যান্ডের জ্ঞোতকাল উদ্যান।
- পৃথিবীর সর্বাধিক উচ্চ বৃহত্তম জেল হিমালয়ের মাউন্ট এভারেস্ট।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক মারা যাওয়া সড়ক দুর্ঘটনার দেশ লিবিয়া।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক ছড়িয়ে যাওয়া বিমান দূর্ঘটনার দেশ ভানুয়াটু।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বৃহত্তম জানবর মাছ উলেলিয়া মৎস্য মেলামড়া, ফিলিপাইনসের তার্তীব মাছের মেলা।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক উচ্চ বিচিত্র রাস্তা উপলক্ষে স্কাইওয়াক, নিউজিল্যান্ডের মানাকৌর রাস্তা।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক প্রাণী উল্লেখযোগ্য জীব নীলকন্ঠ মোরঘ, হয়দরাবাদ দেশের মাছ।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক ছোট্ট জাতীয় উদ্যান মন্টসের্রাট, সন মারিনো।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক ছড়িয়ে যাওয়া সিমেট্রিক উপবৃত্ত পৃষ্ঠের জন্য পর্যবেক্ষণার্থ গৃহীত রাজধানী চন্দ্রগান্ধি ইনটারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টার, ইন্দোনেশিয়া।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বিচিত্র অদ্ভুত সমাপ্তি পথ মাচু পিচ্চু, পেরুর পথ।
- পৃথিবীর সর্বাধিক দীর্ঘ উচ্চতম সমুদ্র সৈকত মারিয়ানা ট্রেঞ্চ।
- পৃথিবীর সর্বাধিক প্রাণী উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যা সম্পন্ন এলিফ্যান্ট আফ্রিকান সাভানা।
- পৃথিবীর সর্বাধিক প্রাণী উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যা সম্পন্ন ছোট পাখি কমোডো পেংগুইন।
- পৃথিবীর সর্বাধিক বায়ুমণ্ডলীয় পর্যটক গন্তব্য ফ্রান্সের ঐফেল টাওয়ার।
- পৃথিবীর সর্বাধিক প্রচুরভাবে উপভোগ্য ফল হাঁসকেল, চাইনা দেশে প্রচুরতম উৎপাদিত ফলের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক সুন্দর স্থান প্রিয়দর্শনী সানফ্রান্সিস্কো সিটি, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- পৃথিবীর সর্বাধিক বৃহত্তম সন্ধ্যা জীব মৃত্যুদণ্ড সঙ্গে তারকা বান্ধব প্রজাপতি।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বিচিত্র অদ্ভুত মন্দির কাজেন একো, জাপানের মন্দির।
- পৃথিবীর সর্বাধিক প্রাচীন অবশিষ্ট মহানগর মোহেনজোদারো।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক দীর্ঘ নদী আমাজন, দক্ষিণ আমেরিকার মানাউস নদীর মাধ্যমে বাহীত হয়।
- পৃথিবীর সর্বাধিক বৃহত্তম ভূকম্প সংঘটিত হয়েছে চিলির ভূকম্প।
- পৃথিবীর সর্বাধিক আয়তনশীল এলাকা রাশিয়ার সাইবেরিয়া।
- পৃথিবীর সর্বাধিক দীর্ঘ রেল লাইন ট্রান্স-সাইবেরিয়ান রেলওয়ে, রাশিয়ায় অবস্থিত।
- পৃথিবীর সর্বাধিক প্রাণী উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যা সম্পন্ন পাখি স্টারলিং।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বিচিত্র নদী দক্ষিণ আফ্রিকার ওগোয়ে নদী।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক প্রাণী উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যা সম্পন্ন প্রাণী ইন্দ্রিয়ান গাণ্ডজেন্টা।
- পৃথিবীর সর্বাধিক ছড়িয়ে যাওয়া গ্রনাইট শিলা নেশকতার দেশ স্রীলঙ্কা।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বৃহত্তম সিমেট্রিক সরবরাহের দ্বার রয়টানবের্গ গর্ত চীনের চংশা।
- পৃথিবীর সর্বাধিক কর্ণেলিয়াস রাস্তা লাক কন্ডিমেন্টাল, ভারতের আদিম রাস্তা নামে পরিচিত।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক প্রাচীন বাণিজ্যিক বন বাংলাদেশের সুন্দরবন।
- পৃথিবীর সর্বাধিক গভীর অবস্থানে অবস্থিত গাহ্যপথ মেরিয়ানা পাতাল।
- পৃথিবীর সর্বাধিক বড় তাপমাত্রা স্থান লাভাগ হট স্প্রিংস, আরিজোনা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- পৃথিবীর সর্বাধিক প্রাণী উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যা সম্পন্ন কৃষি জন্তু মাদু।
- পৃথিবীর সর্বাধিক বিচিত্র ক্ষেত্র ডিয়ে লা মুয়ের্টে, বলিভিয়া।
- পৃথিবীর সর্বাধিক বায়ুমণ্ডলীয় গ্রাম্য জনসংখ্যা সম্পন্ন দেশ মন্টেনিগ্রো।
- পৃথিবীর সর্বাধিক ছড়িয়ে যাওয়া পানির সংগ্রহস্থল বৃহত্তম জলাশয়, কানাদায়।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক উচ্চ জলপায়ু এভারেস্ট পর্বত, নেপাল ও তিব্বতে।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক প্রাচীন বায়ুয়ান মাদুরাই গুহা, ফিলিস্তিন।
- পৃথিবীর সর্বাধিক উচ্চ নদী ধৌলাগিরি, তিব্বত ও চীনের মধ্যে প্রবাহিত হয়।
- পৃথিবীর সর্বাধিক কর্ণেলিয়াস সামরিক বাণিজ্যিক নৌকার নৌকা ব্ল্যাক পিরামিড, মিশর।
- পৃথিবীতে বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল শহর মুম্বই, ভারতে অবস্থিত।
- পৃথিবীর সর্বাধিক প্রাচীন বাণিজ্যিক কেন্দ্র মেলাকা, মালয়শিয়া।
- পৃথিবীর সর্বাধিক বৃহত্তম গ্রীনল্যান্ডের সুন্দরবন।
- পৃথিবীর সর্বাধিক প্রাণী উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যা সম্পন্ন প্রাণী ইউরানুস ভাদ্রবাহু সাপ।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বিচিত্র পর্বত আয়ার্স রক, এম্ব্রেস নামেও পরিচিত।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক ছড়িয়ে যাওয়া জলাভূমি মাদাগ্যাস্কার।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বিচিত্র সাহারা রেজিস্টারটেড বাণিজ্যিক অঙ্গ মধ্যে একটি সাহারা হেলিকপ্টার।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বৃহত্তম বস্তু ভোল্কান মাওনা লোফটি, তানজানিয়া এবং জিনিওয়া রেজার্ভ, কংগো সংস্কৃতি।
- পৃথিবীর সর্বাধিক উচ্চ ট্রাম্পলিন জাম্প জলপায়ু হোট এয়ার বেলুন, বোসটন, মাসাচুসেটস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক মহাসাগরিক পানি সংগ্রহস্থল বৃহত্তম মহাসাগর তারাওয়া, ভারতীয় মহাসাগর, বাংলাদেশ।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক ছড়িয়ে যাওয়া পানির সংগ্রহস্থল বৃহত্তম জলাশয়, কানাডা।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বড় জলমার্গ আমেজন নদী, দক্ষিণ আমেরিকা।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বৃহত্তম স্বাধীন অঞ্চল আন্টার্কটিকা মহাদেশ।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক উচ্চ পর্বত মাউন্ট এভারেস্ট, নেপাল ও তিব্বতে।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক প্রাণী উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যা সম্পন্ন কৃষি জন্তু মাদু।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক ছড়িয়ে যাওয়া পানির সংগ্রহস্থল গাহ্যপথ মেরিয়ানা পাতাল।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক মহাসাগরিক পানি সংগ্রহস্থল বৃহত্তম মহাসাগর এটলান্টিক মহাসাগর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডা।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক উচ্চ ট্রাম্পলিন জাম্পিং স্পট হিমালয় স্পীক, নেপাল ও তিব্বতে।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক মহাসাগরিক বন্দর পার্কিং স্থল মালে বজার, লস আঞ্জেলেস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বৃহত্তম জীবজন্তু বিহার অঙ্গ মধ্যে একটি বৃহত্তম বিহার মাহাভোধি, স্রীলঙ্কা।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক ছড়িয়ে যাওয়া সুন্দর আলোর বিমান নর্থার্ন লাইটস, উত্তর ধ্রুবতারা এলাকা।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক প্রাণী উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যা সম্পন্ন কুয়াকেপু আপেলশেল মাছ।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক ছড়িয়ে যাওয়া গ্রীনল্যান্ডের বরফ দ্বীপ কুঙ্গসক্রুশেলা।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক ছড়িয়ে যাওয়া জলমার্গ মহাকাশ অংশগুলি ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন (ISS) থেকে দেখা যায়।
- পৃথিবীর সর্বাধিক সমৃদ্ধ মাটি কিনেকটিকাট, নিউজিল্যান্ড।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বড় নদী আমাজন নদী, দক্ষিণ আমেরিকা।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বৃহত্তম স্বাধীন অঞ্চল আর্টিক মহাসাগর।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক মহাসাগরিক পানি সংগ্রহস্থল পৃথিবীর বৃহত্তম মহাসাগর প্যাসিফিক মহাসাগর, দক্ষিণ মহাসাগর, ও পশ্চিম মহাসাগর।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক উচ্চ ট্রাম্পলিন জাম্পিং স্পট ব্লেউ মাউন্টেন, নিউ জিল্যান্ড।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক মহাসাগরিক বন্দর পার্কিং স্থল নিউ যর্ক শহরের পিয়ার ৯৫ পার্কিং, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক ছড়িয়ে যাওয়া মানবদেহের অংশ মালাইসিয়ান হাইল্যান্ডার মাম্মাল।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক উচ্চ জরিপ মাউন্ট এভারেস্ট, নেপাল ও তিব্বতে।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক গভীর সমুদ্র জল মারিয়ানা দ্বীপ, প্রশান্ত মহাসাগর।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বড় পরিমাণ বরফ জমিয়ে রাখা হলো এনটারটিকা মহাদেশের বরফপাহাড়।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বৃহত্তম নদী আমাজন নদী, দক্ষিণ আমেরিকা।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বৃহত্তম স্বাধীন অঞ্চল গ্রীনল্যান্ড, ডেনমার্কের একটি অঞ্চল।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক উচ্চ অঞ্চল তিব্বত, চীনের একটি প্রদেশ।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক প্রাণী উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যা সম্পন্ন চীতা মাছ।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক পরিমাণ বৃহত্তম জলপ্রপাত আঞ্চল আঙ্গেল ফলস, ভেনিজুয়েলা।
- পৃথিবীতে সর্বাধিক বৃহত্তম ভূপৃষ্ঠ গ্রনল্যান্ড, ডেনমার্কের একটি অঞ্চল।
- মহাকাশের অবস্থানে আছে একটি মহাদ্বীপ যা সোনার মহাদ্বীপ নামে পরিচিত।
- শহরের নিচে মহাসাগরের আকারের একটি গভীর খাদ আছে, যা দুর্নীতি কোণে পরিচিত।
- আদিশ ভাস্করণ হলো একটি বৈজ্ঞানিক সম্পদ, যেখানে আপনি মহাকাশের দূরত্বকে শীঘ্রই জানতে পারেন।
- পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় জলমানবশ্য হলো ব্লু হোয়েল।
- মহাকাশের আকাশগঙ্গা একটি অদ্ভুত দৃশ্য, যেখানে অন্তরিক্ষের রঙিন গ্যাস, তারাদের ওপর আকার করে দেখা যায়।
- একটি বিজ্ঞানী আবিস্কার করেছেন নাইট্রোফাইলিয়া, যেটি জীবাশ্মকে পদার্থবিজ্ঞানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ করেছে।
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় সুন্দর স্থান হলো উত্তর পশ্চিম মালদ্বীপ।
- মহাকাশে একটি ব্ল্যাক হোল আছে যা আপনি যদি প্রবেশ করেন, তবে সময় ধ্বংস হয়ে যাবে।
- পৃথিবীতে একটি মানুষ কোয়ান্টাম কম্পিউটার নির্মাণ করেছেন যার নাম অরামিস।
- পৃথিবীতে একটি উত্তপ্ত প্রাণী আছে, যার নাম ফায়ার এন্ট।
- মহাকাশে একটি বিমান পাঠানোর চেষ্টা করা হয়েছে, যা কখনোই নিষ্ক্রিয় হয়নি।
- আকাশে প্রতিমিনিটে প্রায় ১০ টি ব্রহ্মাণ্ড জন্ম নেয়।
- পৃথিবীর পারমাণবিক স্বরণ হলো ৪.৫ বিলিয়ন বছর।
- সৌরজগতে সবচেয়ে ঠান্ডা গ্রহটি হলো নেপচুন।
- পৃথিবীতে আবারো দুটি ব্রহ্মাণ্ডের মধ্যে পরস্পর সংঘর্ষ হতে পারে, যা গ্রহাণুমূলক সংঘর্ষ নামে পরিচিত।
- একটি শার্টকাট থেকে ব্লু হোয়েল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- পৃথিবীতে বিভিন্ন স্থানে অদ্ভুত স্থান দ্বারা পরিচিত, যেমন বাংলাদেশের সান্দ্বীপ, এলসালভাদ ক্রেটার, সাউদি আরবের মারশাল কভেল ইত্যাদি।
- পৃথিবীর সান্দ্বীপের উপর একটি গাছের পাতা ফেললে সেটি পান্ডিট্য নামে পরিচিত হয়।
- পৃথিবীতে চুম্বন দিতে নিষেধ করা হয় ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তহীন তাপমাত্রা ব্যবস্থা রয়েছে।
- পৃথিবীর মধ্যবর্তী বিন্দুতে সময় চলে অতিবাহিত ভাবে সমাপ্ত হয়ে যায়।
- পৃথিবীতে বিভিন্ন স্থানে কৃষ্ণ নদীর তীরে একটি গাছের গাছ আছে যা হলো অদ্ভুত সবুজ গাছ বা মেগাট্রি।
- পৃথিবীতে বৃহত্তম নদী হলো আমেজন নদী, যা মহাসাগরের পান্ডিচেরা থেকে আগত জলের পরিমাণে অনুপাতিক দ্বিতীয়।
- বাংলাদেশে রয়েছে দুটি প্রাকৃতিক অদ্ভুত ঝর্ণা, যাদের নাম হলো জাফলং ঝর্ণা এবং মেঘলাল ঝর্ণা।
- পৃথিবীতে একটি অদ্ভুত জন্তু আছে যা হলো ব্যাটম্যান জন্তু। এটি একমাত্র জন্তু যা বৃহত্তম সংখ্যক পেশী ব্যবহার করে যাত্রা করতে পারে।
- পৃথিবীতে বিভিন্ন স্থানে অদ্ভুত সাগর কৃষি দেখা যায়, যেমন বাংলাদেশের কক্সবাজারের প্রাসাদ ক্রেটার সাগর।
- পৃথিবীতে বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ের ভেতরে উত্তপ্ত লাভা খুঁজে পাওয়া হয়, যা বাতাস দিয়ে প্রকাশিত হয়ে থাকে।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহত্তম জলাধান সমুদ্র হলো প্রশান্ত মহাসাগর। এর মধ্যে অনেক বৃহত্তম দ্বীপপুঞ্জ অবস্থিত।
- পৃথিবীর সর্বাধিক উঁচু পর্বত হলো মাউন্ট এভারেস্ট, যা হিমালয় পর্বতশৃঙ্গে অবস্থিত।
- পৃথিবীতে বিভিন্ন দেশে মহান সার্কাস থাকে, যেমন রাশিয়ার মহান মশিক সার্কাস এবং আমেরিকার বার্নাম বেলিস।
- পৃথিবীতে বিভিন্ন দেশে বিখ্যাত মাঠ দেখা যায়, যেমন ব্রাজিলের মারাকানা মাঠ এবং অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট মাঠ।
- পৃথিবীতে বিভিন্ন দেশে রয়েছে অন্তরিক্ষে পাঠালী করা ট্রেন। ভারতের দক্ষিণপূর্বের চেন্নাই থেকে তামিলনাড়ুর উত্তরপূর্বের বিক্রমবট শহরে চলে যায় জিওসিংস পৃথিবীর অন্তর্গতির মধ্যে।
- পৃথিবীতে বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ের ভেতরে উত্তপ্ত লিলি পাপল বয়ে থাকে। এই বিস্ফোরণময় পাপলগুলি সময়ের সাথে পাথরে শঙ্কিত হয়ে থাকে।
-

সংক্ষেপে দেখুনকত সব আজব তথ্য, বস্তু, নিয়ম, রীতি-নীতি ছড়িয়ে আছে তামাম পৃথিবী জুড়ে! তার কতগুলোইবা আমরা জানি! কিন্তু এসব আজব ফ্যাক্ট বা তথ্য জানা থাকলে জ্ঞানের পরিধি ও যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি বন্ধু মহলে এসব তথ্য জাহির করে আসর জমিয়ে দেয়া যায়! দ্য ফ্যাক্ট সাইট ঘেঁটে এমনই কিছু এলোমেলো ফ্যাক্ট হাজির করা হলো-
ভূমিকম্পের পূর্বাভাস সবার আগে পেয়ে থাকে বিষধর সাপেরা। তারা ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের প্রায় ৭৫ মাইল বা ১২১ কিলোমিটার দূরে থেকেও অন্তত ৫ দিন আগে থেকেই আসন্ন ভূমিকম্প আন্দাজ করতে পারে!
এ পর্যন্ত মাত্র দু’টি প্রাণঘাতী রোগ দুনিয়া থেকে চিরতরে বিদায় করা সম্ভব হয়েছে। একটি হলো গুটি বসন্ত অন্যটি গোমড়ক। পৃথিবীতে সর্বশেষ গুটি বসন্তের রোগী পাওয়া গেছে সেই ১৯৭৭ সালে, আজ থেকে প্রায় ৪২ বছর পূর্বে! অন্যদিকে, পৃথিবীতে সর্বশেষ গোমড়কের রোগী চিহ্নিত করা হয়েছে ২০০১ সালে।
কলার গড়ন বাঁকা হয় কেন জানেন? কলা গাছে কলা ভূমির দিকে নিম্নমুখী হয়ে জন্মায়। কিন্তু কলা সূর্যের প্রতি খুবই সংবেদনশীল।এ কারণে সে সূর্যের দিকে বাড়তে চায়। সেজন্যই তার গড়ন লম্বা না হয়ে বেঁকে যায়। এ ব্যাপারটিকে বলা হয় নেগেটিভ জিওট্রপিজম।
পাঠা বা পুরুষ ছাগলেরা নিজেরাই নিজেদের উপর মূত্রত্যাগ করে, সাধারণত গ্রীষ্মের শেষ ভাগ থেকে শরৎকাল পর্যন্ত। তারা এ কাজ করে যাতে তাদের গায়ে গন্ধ ছড়ায় এবং স্ত্রী ছাগলরা তাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়। মানুষের জন্য যদিও গন্ধটা খুব একটা সুখকর নয়!
মানুষ তার জীবদ্দশায় এত পরিমাণ লালা উৎপন্ন করে যে তা থেকে দু’টি অলিম্পিক সুইমিং পুল ভরাট করা যেতে পারে! একজন মানুষ প্রতিদিন গড়ে ১ থেকে ২ লিটার লালা রস উৎপন্ন করে, বছরের সর্বোচ্চ ৭৩০ লিটার। তাই কোনো মানুষ যদি ৭০ বছর বাঁচতে পারে, সে তার পুরোটা জীবনকালে ৫১ হাজার ১০০ লিটার লালা রস উৎপন্ন করে, যা দু’টি সুইমিং পুল ভর্তি করার জন্য যথেষ্ট।
রাজা অষ্টম হেনরি ঘুমানোর সময় তার পাশে সব সময় একটি ধারালো কুড়াল নিয়ে ঘুমাতেন। কেবল এই কুড়ালটিই নয়, তার অস্ত্রের ভান্ডার ছিল যে কোনো রাজাদের জন্যই ঈর্ষনীয়। তার সংগ্রহে হ্যান্ডগানই ছিল সাড়ে ৬ হাজার এর বেশি ! স্থির থাকা অবস্থায় ক্যাঙ্গারুর লেজ সবসময় মাটিতে শায়িত থাকে। আপনি যদি একটি ক্যাঙ্গারুর লেজ কোনোরকমে মাটি থেকে তুলে ধরতে পারেন, তাহলে সে শত চেষ্টা করলেও লাফাতে পারবে না! কারণ ক্যাঙ্গারুরা লাফানোর সময় ভারসাম্য রক্ষার জন্য লেজের ওপর নির্ভর করে।
শুরুর দিকে কোনো মুভি শেষ হওয়ার পর তার ট্রেইলার দেখানোর প্রচলন ছিল। কিন্তু পরে দেখা গেল কেউই ছবি শেষ হওয়ার পর ট্রেইলার দেখার জন্য বসে থাকছে না। এরপর থেকে ছবির প্রচারণার কাজে ছবি মুক্তির আগে থেকেই ট্রেইলার দেখানোর রীতি চালু হয়।
ঈগলকে আমরা সবাই শিকারি পাখি হিসেবেই চিনি। কিন্তু আমরা কি জানি এই পাখিটির শক্তি কত বেশি হতে পারে? একটি ঈগলের পক্ষে মাঝারি সাইজের একটি হরিণকে হত্যা করে তাকে নিয়ে উড়ে যাওয়া সম্ভব, ঈগল এতটাই শক্তিধর!
বর্তমানে যত মানুষ সমুদ্রের দানব শার্কের আক্রমণে মারা যায়, তার থেকে অনেক বেশি প্রাণ হারায় সেলফি তুলতে গিয়ে দুর্ঘটনায়। হ্যাঁ, পরিসংখ্যান তাই বলে। ২০১৭ সালে শার্ক অ্যাটাকে মৃত্যুর সংখ্যা মাত্র ৬, যেখানে সেলফি তুলতে গিয়ে দুর্ঘটনায় একই বছরে মৃত্যুবরণ করেন ৩৫ জন মানুষ।
বিশ্বযুদ্ধের অজানা কিছু তথ্য কেউ দিতে পারবে?
১.প্রথম বিশ্ব যুদ্ধে ব্রিটিশ সৈন্যদের শরীর গরম রাখতে কাপড়ের পোশাকের বদলে কাগজের পোশাক দেওয়া হয়েছিলো। ২.প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অসীম বীরত্বের জন্য ১৫৩ জন ভারতীয় ও পাকিস্তানি ভিক্টোরিয়া ক্রস পুরষ্কার জেতেন।যাদের মধ্যে অমর হয়ে আছেন তৎকালীন ভারত এবং বর্তমান পাকিস্তানের সুবেদার খুদাদাদ খান। তিনিই প্রথম এশিবিস্তারিত পড়ুন
১.প্রথম বিশ্ব যুদ্ধে ব্রিটিশ সৈন্যদের শরীর গরম রাখতে কাপড়ের পোশাকের বদলে কাগজের পোশাক দেওয়া হয়েছিলো।
২.প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অসীম বীরত্বের জন্য ১৫৩ জন ভারতীয় ও পাকিস্তানি ভিক্টোরিয়া ক্রস পুরষ্কার জেতেন।যাদের মধ্যে অমর হয়ে আছেন তৎকালীন ভারত এবং বর্তমান পাকিস্তানের সুবেদার খুদাদাদ খান। তিনিই প্রথম এশিয়ান এবং মুসলিম যিনি এই সম্মান লাভ করেন।
৩.প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ই বর্তমান স্নাইপার দের ক্যামোফ্লেজ আবিষ্কার করা হয়।অনেক সময় আর্টিস্টরা স্নাইপার বা স্কাউটদের জন্য নো ম্যানস ল্যান্ডে নকল গাছ কিংবা নকল মৃত ঘোড়া বানিয়ে দিত।যার ফলে সৈনিকরা সেই মরা গাছে বসে স্নাইপিং করতে পারতো কিংবা শত্রুদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে পারতো।ফরাসি আর্টিস্টরা এই জিনিস আবিষ্কার করে।মাঝে মাঝে তো ওগুলো এত বাস্তব মনে হতো যে যুদ্ধ শেষ হবার পরেও তারা কিছুই বুঝতে পারতো না।জার্মানরা ও ওই পদ্ধতি দ্রুত রপ্ত করে নেয়।
৪. Battle of Somme,Battle of Ypres এবং Battle of verdun বিশ্ব যুদ্ধের সব থেকে ক্ষয়ক্ষতি সম্পন্ন যুদ্ধ।শুধু মাত্র সম এর যুদ্ধেই ১০ লাখ মানুষ মারা যায় এবং আহত হয়।
৫. প্রথম বিশ্বযুদ্ধে সর্ব প্রথম কানাডিয়ানরা জার্মানদের ক্লোরিন গ্যাস থেকে বাঁচতে প্রস্রাব দিয়ে রুমাল ভিজিয়ে গ্যাস মাস্ক বানায়।Sounds Funny। কিন্তু এটা জীবন মরণের প্রশ্ন ছিল।
৬. ব্রিটিশরা সর্ব প্রথম যুদ্ধ ট্যাঙ্ক বানায়।অদ্ভুত ব্যাপার হলো।তখন বড় ট্যাঙ্ক গুলোকে ছেলে আর ছোটো ট্যাংক গুলোকে মেয়ে ধরা হতো।
৭. ১৯১৪ সালে জার্মানি আর ব্রিটেনের অনেক সৈন্যরা একসাথে বড়দিন পালন করে। সিগারেটে আর বিভিন্ন উপহার বিনিময় ও হয় তাদের মধ্যে।শুরুটা কিন্তু করে জার্মানরা।
৮. প্রথম বিশ্বযুদ্ধে শত্রু পক্ষের রেজিমেন্ট ব্যানার ছিল সংগ্রহ করার মত এক অনন্য বস্তু। শত্রুপক্ষের ব্যানার কব্জা করা মানেই বিশাল বড় ব্যাপার।তাই কোনো রেজিমেন্ট হেরে গেলে তারা সাথে সাথে ব্যানার লুকিয়ে ফেলত।
৯.ফ্রান্স এবং মিত্র পক্ষের জন্য প্রায় ৯ লক্ষ মুসলমান যুদ্ধ করে।যার ৭২০০০ মৃত্যু বরণ করেছিলেন ফ্রান্স এর জন্যে।মাত্রই ৫৯৬ জনেরই কবর আছে লরেতে দে ফ্রান্স এ।যেখানে প্রথম বিশ্বধুদ্ধে নিহত ৪০০০০ হাজার সেনাকে কবর দেওয়া হয়।
(ফ্রান্সে মুসলিম সেনাদের কবর)
১০. অটোমানরা মরণপণ যুদ্ধ করে তাদের মাতৃভূমি তুর্কি রক্ষা করতে।তাদের ২৫ লাখের ভেতর ১৫ লাখ সেনা মারা যায় বা যুদ্ধাহত হয়।পৃথিবির অনেক জায়গা থেকে মুসলমানরা যোগ দেন অত্তমানদের জন্য লড়াই করতে।
১১.প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ১৯১৫ সালে কাইজার উইলহেলম মুসলমানদের জার্মানির দলে টানার জন্য wünsdorf মসজিদ তৈরি করেন।ওটাই জার্মানির প্রথম মসজিদ।
১২.প্রথম বিশ্ব যুদ্ধে রাশিয়া,ফ্রান্স আর ব্রিটেনের অনেক শিশু কিশোর নিজেদের বয়স লুকিয়ে যুদ্ধে যোগ দেয়।যদিও একজন সৈনিকের বয়স সর্বনিন্ম ১৮ ছিল তবুও অনেক ১৫-১৬ এমনকি ১৩-১৪ বছরের শিশুরাও যুদ্ধে যোগ দিয়েছিল।যারা মূলত উত্তেজনা এবং অ্যাডভেঞ্চার এর গন্ধে গিয়ে ছিল ফ্রন্টগুলোট।তবে সিডনি লুইস বিখ্যাত হয়ে থাকবেন সর্বদা কেননা তিনি সর্ব কনিষ্ঠ সৈনিক ছিলেন।যুদ্ধকালীন সময়ে তার বয়স ছিল ১২ বছর মাত্র।প্রায় ১৯০০০ শিশু সেনা বা বয় সোলজার মারা গিয়ে ছিল।
১৩.এমনও হতো যে ফ্রান্সে হাওয়া গোলাগুলির আওয়াজ ব্রিটেনে শোনা যেত।
১৪.প্রথম বিশ্ব যুদ্ধে ডগফাইট বা বায়ু যুদ্ধে সব থেকে বেশি কিলের রেকর্ড ছিল জার্মানির রেড ব্যারন/দার ফ্রিহের মানফ্রেড ভন রিচট্ হফেন এর।৮০ টি কিল ছিল তার খাতায়। তার দলের নাম ছিল জস্টা ১১।তার দলে ৩২ জন সদস্য ছিল যাদের মধ্যে শুধু একা লোথার ভন রিচ্টফেন বেঁচে ছিলেন যুদ্ধ শেষে।যিনি ছিলেন তার চাচাতো ভাই।১৯১৫-১৯১৮ এর এপ্রিল পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করেন।তার মৃত্যু হয় ১৯১৮ এর ১৮ এপ্রিল।এরপর ও কেউ তার রেকর্ড ভাঙতে পারেনি।
১৫.
ছবিটা বৃটিশদের বিখ্যাত এক প্রোপাগান্ডা পোস্টার।ছবির ব্যাক্তিটি লর্ড কিচেনারের।ছবিটা মোনালিসার মত।যেদিকে তাকাবেন চোখ জোড়া আপনাকে অনুসরণ করবে।
১৬.প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানরা এক রাশিয়ান দুর্গ আক্রমণ করে ক্লোরিন গ্যাস দিয়ে।তিন দিন লাগে গ্যাস পরিষ্কার হতে। তারপর যখন জার্মানরা দুর্গে ঢুকতে যায় হঠাৎ করেই মুখে রক্তে রাঙা রুমাল পেঁচানো ৫০-৬০ জন রাশিয়ান সেনা বেরিয়ে আসে।জার্মান সেনারা ওদের ভুত ভেবে পালিয়ে যায়।
১৭.জার্মানরা মেক্সিকান দের কাছে অনুরোধ করে গোপন বার্তা পাঠায় যাতে তারা আমেরিকা আক্রমণ করে।কিন্তু সেই বার্তা ব্রিটিশ দের কাছে পৌঁছে যায়।
১৮.যুদ্ধ ক্ষেত্রে ওষুধ আর গুরুত্বপূর্ণ চিঠি বহন করত কুকুরেরা।আর পায়েরা প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো চিঠি আদান প্রদানের জন্য।জার্মানরা ওই পায়রাদের ধরতে আবার বাজ পাখি পুষত।
১৯.প্রথম বিশ্বযুদ্ধে বেশির ভাগ সৈনিক মারা যায় রোগে।
২০.আমেরিকানরা তাদের সৈন্যদের কনডম প্রদান না করায় প্রায় ৪০০ সৈনিক সিফিলিস এ মারা যায়।
২১.প্রথম বিশ্বযুদ্ধে শেল শক এবং ট্রেঞ্চ ফুট ছিল সবচে কমন রোগ।ট্রেঞ্চ ফুট হতো কারণ সৈন্যরা ভেজা পায়েই অনেকক্ষন যুদ্ধ করতো।যার ফলে তাদের পায়ে পচন ধরত।আর শেল শক হতো আর্টিলারি বোম্বিং এর জন্য।
২২.প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কিন্তু চলছিল সার্বিয়া এবং অস্ট্রো- হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের সাথে। জার্মানি, রাশিয়া কিংবা আর যতগুলো দেশ আছে তার সবই ছিল ওই দুই দেশের মিত্র কিংবা শত্রু পক্ষ।
২৩.ইতিহাসে জার্মানরাই প্রথম স্পেশাল ফোর্স তৈরি করে।যার নাম ছিল stromtrüppen। এদের কাজ ছিল ট্রেঞ্চ অ্যাসল্ট বা ট্রেঞ্চ এ হামলা করা।
২৪.জার্মানরা সর্বপ্রথম ফ্লেমথ্রোয়ার তৈরি করে।যা দিয়ে আগুন ছুড়লে প্রায় ১৫০ ফুট সামনে থাকা জিনিস পর্যন্ত ভস্মিভূত করতে পারতো।
২৫.অনেকে মনে করে ট্রেঞ্চ বুঝি লম্বা এক সরল রৈখিক পরিখা।কিন্তু আসলে ট্রেঞ্চ থাকতো আঁকা বাকা।যাতে শত্রু পক্ষ ট্রেঞ্চ এ নেমেই সবাইকে এক লাইনে গুলি করে মারতে না পারে।
২৬.ইউরোপের সব চেয়ে বড়ো ট্রেঞ্চ ছিল অষ্ট্র হাঙ্গেরির সীমানায় রাশিয়ার সাথে।
২৭.কখনো কখনো ট্রেঞ্চ গুলোর মধ্যে এত কম দূরত্ব থাকতো যে তা প্রায় ৫০-৩০ মিটার এর মত হতো।সেই সময় হতো কি রাতে যুদ্ধ বিরতির সময় দুই দল একে অপরকে গালাগালি করা শুরু করতো।রাতভর চলতো মাঝে মাঝে।যে কত বাজে গালি দিতে পারে তার কদর তত বেশি।
২৮.প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পুরুষদের বীর্য দিয়ে চিঠি লেখার ধুম পরে যায়।কারন বীর্য দিয়ে লেখা চিঠির অক্ষর গুলো অদৃশ্য মনে হতো।ওই জিনিস আবিষ্কার করেন এক ব্রিটিশ অফিসার।
২৯.প্রথম বিশ্বযুদ্ধে শত্রু পক্ষের ট্রেঞ্চ বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়া খুব কার্যকরী একটি পদক্ষেপ ছিল।কিন্তু কাজটা অনেক কষ্ট সাধ্য ছিল।মাটির নিচে সুরঙ্গ খুড়ে শত্রু পক্ষের ট্রেঞ্চ এর নিচে যেতে হতো তারপর ডিনামাইট বিছিয়ে দিতে হতো ট্রেঞ্চ এর নিচে। এমনও হতো যে,দুই পক্ষই সুরঙ্গ খুড়ে একই দিন ডিনামাইট ফাটালো।কিংবা সুরঙ্গ খুড়তে গিয়ে দুই পক্ষেরই মোলাকাত হতো।
২য় বিশ্বযুদ্ধের কিছু জানা অজানা তথ্য
১.হিটলার এর নাৎসি বাহিনীর পতাকাকে বলা হতো “ব্লত ফেহেন” বা Blut Fehen।ওই পতাকা তৈরির পেছনে ইতিহাস আছে।একবার নাৎসি পার্টির কিছু কর্মীকে গুলি করে মারা হয়।হিটলার প্রেসিডেন্ট হবার আগে।তো ওই কর্মীদের গুলি করা হয় এক মিছিলের সময়।সেই কর্মীদের হাতে থাকা একটা পতাকা ওই কর্মীদের রক্তে লাল হয়ে যায়।হিটলার ওই পতাকা সযত্নে রেখে দেন ওই পতাকা তার অফিসে শোভা পেত।তিনি কর্মীদের ত্যাগ স্মরণীয় করে রাখতে চাইছিলেন।যার জন্য বড় বড় অনুষ্ঠানে ওই পতাকা বহন করে নেওয়া হতো।আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে।পতাকাটি যুদ্ধের শেষের দিকে লুকিয়ে ফেলা হয়।এখনও কেউ খুঁজে পায়নি ওই পতাকা।কেউ না।
২.হিটলারের সৎ ভাই এর ছেলে আমেরিকান নেভিতে ছিলেন ২য় বিশ্বযুদ্ধে।তার বংশধররা এখনও থাকেন লং আইল্যান্ড এ।এমনকি লুফট ওয়্যাফে এর প্রধান হেরমান গোয়েরিং এর আপন ভাতিজা ছিলেন আমেরিকান এয়ার ফোর্সে।তারা উভয়ই আমেরিকায় জন্মায়।
৩.স্টালিন গ্রাদের যুদ্ধে জার্মানরা হেরে যায় শীতের কারনে।হিটলারকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল তিনি তার সৈন্যদের জন্য কোনটি পাঠাবেন, গোলা বারুদ,খাবার না শীতের জামা। জী হা,উনি গোলা বারুদ বেছে নেন।
৪.জার্মানরা পোলন্ড দখল করার পর ২২০০০ হাজার লোকের এক গণকবর আবিষ্কার করেন।জার্মানরা এই গণহত্যা দেখে অবাক হয়। কারন তারা এটা করেনি।তারা মিত্র পক্ষকে এই বিষয়ে অবহিত করলে ও তারা জার্মানদের দোষ দেয়।যুদ্ধের পরে রেড আর্মি এক জার্মান অফিসারকে অত্যাচার করে এটা স্বীকার করায় যে তারাই গণহত্যার জন্য দায়ী।কিন্তু আসলে দায়ী ছিল সোভিয়েত কর্তৃপক্ষ।
৫.জার্মানিতে শুধু শুদ্ধ আর্য রক্তের শিশু তৈরির জন্যে এক বুদ্ধি করা হয়েছিল।সেখানে নারী ও পুরুষদের কাজ ছিল শুধু প্রজনন।একে নাৎসি বেবি ফ্যাক্টরি বলা হয়।
৬.সবাই ভাবে,আরে জার্মনরা তো সেই লেভেলের মানুষ!!! কত বড়ো ট্যাঙ্ক আর অর্মড ভেহিকেল তারা বানায়।কিন্তু আসলে যুদ্ধের প্রথম দিকে সব থেকে কম আধুনিক অস্ত্র ছিল জার্মানির কাছে।ফ্রান্স ক্যাম্পেইন এ তাদের সৈন্যরা ঘোড়া ব্যাবহার করছিল।এত ট্যাঙ্ক আর আর্মড ভেহিকেল বানানো হয় সব রাশিয়া,ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের থেকে জব্দ করা ট্যাঙ্ক থেকে।
৭.জার্মানরা গণহত্যা করলেও কিন্তু ধর্ষনের রেকর্ড তাদের ভালো না।রাশিয়ানরা নারীদের যুদ্ধে নিয়ে আসে।অনেক নারীই জার্মানদের হতে বন্দী হতো।কিন্তু জার্মানরা তাদের সাথে ভদ্র আচরণ করতো।যেখানে রাশিয়ান ও মিত্র পক্ষ প্রায় ২৯ লাখ ধর্ষনের জন্য দায়ী।
৮. ১ জন জার্মান সেনা প্রায় সব দিক দিয়েই ১০ জন রাশিয়ান সেনা এবং ৪ জন আমেরিকান সেনার সমান ছিল।
৯.২য় বিশ্বযুদ্ধেও শ্রেষ্ঠ পাইলট ছিল একজন জার্মান।প্রায় ৩০০ এর মত তার কিল রেকর্ড।তার নাম এরিখ হার্টমান।
১০.জাপান ২য় বিশ্বযুদ্ধের আগে চিনে প্রায় ৪৫ লাখ মানুষ হত্যা করে।আর ধর্ষনের কেস নাই বললাম।
১১.জাপান কোরিয়া দখল করার পর সেখান থেকে হাজার হাজার মেয়ে নিয়ে যায় তাদের সাথে।এদের সাথে চলতো বিকৃত যৌন কর্মকাণ্ড।এদের ডাকা হতো কমফোর্ট ওমেন নামে।
১২.২য় বিশ্বযুদ্ধে নর্মান্ডি ল্যান্ডিং পৃথিবির ইতিহাসে সব থেকে বড় সামরিক উভচর অভিযান।যেখানে ৫০০০ আলজেরিয়ান সৈনিক অংশ নেয় ফ্রান্সের হয়ে।অথচ তাদের নাম প্রায় নেই বললেই চলে।
১৩. জার্মানির এক মেশিন গানার প্রায় ৩০০০ আমেরিকান মারেন নর্মাণ্ডি লান্ডিংয়ের সময়।তাকে বলা হয় বিস্ট অফ ওমাহা।
১৪.একবার জাপানি নেভিদের এক পার্টিতে মাংসের ঘাঁটিতে দেখা দিলে।তারা তাদের বন্দীদের শরীর থেকে মাংস কেটে খায়।ওই বন্দীরা সকলেই আমেরিকান পাইলট ছিলেন ।৯ জন pilot ভূপাতিত হন।৮ জনকেই জাপানিরা ধরে ফেলে।সৌভাগ্বশত,১ জন বেঁচে যায়।যে কিনা পরে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হয়।উনি জর্জ বুশ সিনিওর।
১৫. নোলান এর Dunkirk দেখেছেন মনে হয়।সেখানে একটা জিনিস কিন্তু দেখানো হয় নি।প্রায় ৫০০০ সেনেগালি সৈন্য মারা গেছিলো সেই যুদ্ধে।
১৬.ফ্রেঞ্চ আর্টিস্টরা পুরো পারী শহরের মত নকল শহর বানান।যাতে জার্মান বোম্বাররা পারীর বদলে সেখানে বোমা ফেলে।কাজ হয় তাতে।
১৭. জার্মনারা জানতই না নর্মন্ডি তে মিত্র পক্ষ আক্রমণ করবে।
১৮.জার্মানির বার্লিনে সর্ব প্রথম প্রবেশ করে মাতাল রেড আর্মি।আর সর্ব প্রথম সোভিয়েতদের পতাকা তোলা হয় ইসমাইল কাদিরভ নামের এক মুসলমান রেড আর্মির সৈনিক দ্বারা।কিন্তু সোভিয়েত সরকার কৃতিত্ব দেয় এক খ্রিস্টান জর্জিয়ান সেনাকে।
বার্লিনে রেড আর্মির পতাকা ওড়াচ্ছেন ইসমাইল।
১৯.অনেক জাপানি যুদ্ধ করে আমেরিকার জন্য। যাদের জন্ম হয় আমেরিকাতেই।
২০.হিটলারের বাহিনীতে শুধু জার্মানিরই না,ব্রিটিশ,আমেরিকান,ফ্রেঞ্চ এমনকি অনেক রুশী নাগরিক যুদ্ধ করে।এদের জন্য ছিল আলাদা আলাদা ডিভিশন।
২১.আপনি কি জানেন,পাঞ্জাবিরা ss বাহিনীতে ঢুকতে পারতো?কারন বিশুদ্ধ আর্য রক্তের ওই ss বাহিনী তে আর্য জাতির লোক হলেই ঢোকা সম্ভব ছিল।আর পাঞ্জাবিরা আর্য।
২২. হিটলারের বাহিনীতে মাউন্টেন ডিভিশন হিসেবে ছিল SS Bosnian Handschar নামের একটি দল।যাদের প্রায় সবাই ছিল মুসলমান।এরা কমিউনিস্ট রাশিয়া আর ইউগোস্লাভিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভের জন্য হিটলারের বাহিনীতে যোগ দেয়।
২৩.জার্মানির টাইগার ট্যাঙ্ক একাই ৩৫ টা আমেরিকন Sherman Medium tank এর সাথে যুদ্ধ করতে পারতো।
২৪.সিসিলি জয়ের পর বিস্কারিতে একজন আমেরিকান সার্জেন্ট আর ৩ জন প্রাইভেট ৭৫ জন ইটালিয়ান আর ১৫ জন জার্মান হত্যা করে।যারা সবাই আত্মসমর্পন করেছিল।
২৫.আমেরিকান সৈন্যরা জাপানিদের খুলি,হাত পায়ের হাড় কিংবা নাক কানের মত অংশ কেটে নিজেদের কাছে রেখে দিত সৌভেনীর বা স্বারক হিসেবে।
২৬.নূর ইনায়াত খান নামে এক পাকিস্তানি ফ্রেঞ্চ পুলিশ ইহুদীদের রক্ষায় নিজের প্রাণ দেন।ফ্রান্সের মসজিদগুলো ইহুদীদের ভুয়া মুসলিম আইডি কার্ড দিয়ে জার্মান গেস্টাপো পুলিশদের থেকে বাঁচায়।
২৭. ডের ফূহরের ডের থার্ড রেইখ হিটলার এর সাইন্টিস্টরা যুদ্ধের শেষ পর্যায় ইউরোপ এবং আমেরিকাতে বায়োলজিক্যাল ওয়েপন ব্যাবহার করার পরামর্শ দেন।সেই বায়োলজিকাল ওয়াপনে ছিল মারাত্বক সব রোগের জীবাণু।এতে নিঃসন্দেহে মিত্র পক্ষ শেষ হয়ে যেত।কিন্তু হিটলার এরম করতে কঠোর ভাবে মানা করেন।
২৮ রঙ্গুনে গৌরাঙ্গ নামে এক গুর্খা একাই ২০০ জন জাপানির সাথে লড়াই করেন এবং ৩৫ জনকে হত্যা করেন।
২৯. জার্মানি কিন্তু বিশ্বযুদ্ধ শুরু করতে চায়নি।তাদের লক্ষ ছিল ইউরপের কয়েকটা দেশ দখল করা।কিন্তু মিত্র পক্ষই ইউরোপের এই যুদ্ধকে বিশ্ব যুদ্ধে রূপান্তরিত করে।
৩০.মিসরে জার্মান জেনারেল ডিজার্ট ফক্স এরউইন রোমেলে এর গুপ্তচর ছিলেন ছিলেন অনওয়ার সাদাত। হা,ঠিক ধরেছেন,ইনি পরবর্তীতে মিসরের প্রেসিডেন্ট হন।যাকে পিস মেকার উপাধি দেয় আমেরিকা ও ইসরাইল।
৩১.এটা একটা আশ্চর্যজনক ঘটনা। ফিনল্যান্ড থেকে অনেক ইহুদী পুরুষ জার্মান আর্মিতে যোগ দেয়। আবার অনেকে ফিনল্যান্ডের হয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করেন।একজন তো এর মধ্যে আবার জার্মানি সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অন্যতম সেরা পুরষ্কার iron cross first class মেডেল পান।তারা আসলে ফিনল্যান্ডের প্রতি তাদের অনুগত্য দেখাতে চাইছিল।
৩২.হিটলারকে মারার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয় প্রায় ২৪-২৫ বার।এর মধ্যে সব থেকে আলোচিত হচ্ছে ২০ জুলাই প্লট।অনেক উচ্চপদস্থ সামরিক কর্ম কর্তা হিটলারের মৃত্যু চাইতেন। ১৯৪৪ সালের ২০ জুলাই এক সামরিক কর্মকর্তা ক্লাউস ভন স্টুফেনবুরগ হিটলারের টেবিলের নিচে ব্রিফ কেস রেখে দেয়। যাতে বোম ছিল।তিনি বাথরুমে যাবেন বলে উঠে যান এবং হিটলারের সৌভাগ্যক্রমে অন্য এক জেনারেল যখন ওই চেয়ার এ বসে তখন তার পায়ের লাথি খেয়ে সরে যায় টেবিলের এক পায়ার কাছে।যার ফলে যখন বোম বিস্ফোরিত হয় তখন হিটলার ওই টেবিলের জন্য বেঁচে যান। ৪ জন সামরিক কর্মকর্তা মারা যায়। হিটলার তার হাতে আর নিতম্বে ব্যাথা পায়। তার কানের পর্দা ও ফেটে যায়। তিনি জড়িত থাকা সকল সেনা কর্মকর্তাকে ফাঁসি দেন। আর এর মধ্যে ছিলেন ফিল্ড মার্শাল এরউইন রোমেল। তাকে বিষ পানে বাধ্য করা হয়।
৩৩. মরক্কোর সৈনিকরা মন্টে ক্যাসিনোর যুদ্ধে জয়ের পর ইতালিতে গণ ধর্ষণ চালায়।
৩৪.শুধু মাত্র স্ট্যালিনের ইচ্ছাকৃত গাফিলতির কারণে ২০ লাখ রুশী নাগরিক প্রাণ হারায়।
৩৫.জাপানি অফিসাররা বা সৈনিকরা হারার পর আত্মসমর্পণ না করে আত্মহত্যা করত সম্মান বাঁচতে।
৩৬.তিন জন জাপানি সৈনিক জাপান আত্মসমর্পণের ২০ বছর পরেও যুদ্ধ চালিয়ে যায়।
৩৭.হলিউড ছবি তো দেখেন।হিরো একাই ৫০-৬০ জন গুন্ডা মেরেপিটে বাঁচান সবাইকে।ভাবছেন এসব বাস্তবে হয় নাকি।হ্যা হয়,একজন কানাডিয়ান গুপ্তচর একাই ৪০ জনের একটা জার্মান দলকে হারিয়ে ছোটো এক মফঃসল শহর জার্মান মুক্ত করেন।
সংক্ষেপে দেখুনচাঁদের রঙ কি?
প্রথমে আমি ভেবেছিলাম প্রশ্নটি তুচ্ছ, কিন্তু পরে আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে এটি বেশ গভীর প্রশ্ন। আমাদের বায়ুমণ্ডলের পরিবর্তন চাঁদকে প্রভাবিত করে না, তবে আমরা কীভাবে চাঁদ দেখি সেটাকে প্রভাবিত করে। চাঁদের রঙ কি? এটি রাতের উপর নির্ভর করে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বাইরে, প্রতিফলিত সূর্যালোক দ্বারা আলোকিত অন্ধকবিস্তারিত পড়ুন
বিমানের টিকিট কীভাবে কাটবেন – নিজে নাকি এজেন্সির মাধ্যমে?
এটা বলার আগে ট্রাভেল এজেন্সিরা ব্যবসা কিভাবে করে এটা বুঝা জরুরি। ওরা এয়ারলাইন্স এর কাছ থেকে বাল্ক এমাউন্ট এ টিকেট কিনে রাখে, যখন দাম কম থাকে তখন। এরপর এটাকে ওরা এয়ারলাইন্সের দামের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বেশী দামে বিক্রি করে। মানে ধরেন, আপনি আগস্টের ১৫ তারিখ কাতার এয়ারওয়েজ এর একটা টিকেট কাটতে চান ঢাকা টবিস্তারিত পড়ুন
এটা বলার আগে ট্রাভেল এজেন্সিরা ব্যবসা কিভাবে করে এটা বুঝা জরুরি। ওরা এয়ারলাইন্স এর কাছ থেকে বাল্ক এমাউন্ট এ টিকেট কিনে রাখে, যখন দাম কম থাকে তখন। এরপর এটাকে ওরা এয়ারলাইন্সের দামের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বেশী দামে বিক্রি করে।
মানে ধরেন, আপনি আগস্টের ১৫ তারিখ কাতার এয়ারওয়েজ এর একটা টিকেট কাটতে চান ঢাকা টু লন্ডন হিথ্রো, আজকে হচ্ছে জুন এর ১৫ তারিখ। আপনি কাতার এর ওয়েবসাইটে দেখলেন দাম লেখা ৫০ হাজার। এবার আপনি ট্রাভেল এজেন্সি কে যদি বলেন টিকেট এর কথা, তাহলে এজেন্সি বলবে দাড়ান দেখে জানাচ্ছি। এজেন্সি কাতার এয়ারওয়েজ এর ওয়েবসাইটে দেখবে এই টিকেট এর দাম কত দেখাচ্ছে, এরপর সে ওই দামের কাছাকাছি একটা দাম চাইবে। এজেন্সি আপনাকে বলতে পারে যে, এই টিকেট এর দাম ৪৮ হাজার টাকা। এখানে এজেন্সির লাভটা হচ্ছে, ওরা এই টিকেট কিনেছিল বেশ আগে, আরো অনেক কম দামে। এখন ওরা বেশী দামে বিক্রি করছে। টিকেটটা ধরেন আপনি নিলেন না, ভাবলেন আরো পরে নিবেন। আপনি জুলাই এর ১৫ তারিখে আবার চেক করলেন টিকেট প্রাইস। কাতার এর ওয়েবসাইটে দেখলেন দাম লেখা ৮০ হাজার। এজেন্সিতে যোগাযোগ করলেন, ওরা বললো ওরা ৭৫ হাজার টাকায় দিবে আপনাকে টিকেট, যদিও এক মাস আগে একই টিকেট ওরা আপনার কাছে ৪৮ হাজার টাকা চেয়েছিল এবং এটা ওরা কিনেছে আরো কম দামে।
টিকেট কীভাবে কাটবেন নিজে নাকি এজেন্সির মাধ্যমে- এই প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে যেখানে দাম কম পাবেন, সেখান থেকে কাটবেন। আপনার কাজ হবে অফিসিয়াল এয়ারলাইন্স এর ওয়েবসাইট, পছন্দের ট্র্যাভেল এজেন্সির বলা দামের সাথে তুলনা করে দেখা- এবং যেখানে কম দাম দেখবেন, ওখান থেকে কাটবেন।
বাংলাদেশের দুইটা ভাল কর্পোরেট টাইপের ট্রাভেল এজেন্সি হচ্ছে gozayaan আর sharetrip. ওদের ওয়েবসাইটে প্রায় সময় অফার থাকে বিভিন্ন ব্যাংক এর ক্রেডিট কার্ড + বিকাশ/নগদের। তাই যাচাই করে নিয়েন, ওদের থেকে নিলে বড় ডিসকাউন্ট পাবার সু্যোগ থাকে অনেক সময়।
টিকেট এর পেমেন্ট করা
প্লেনের টিকেট কাটার ক্ষেত্রে একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে- পেমেন্ট করা। সরাসরি এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে টিকেট কাটতে গেলে আপনি more or less দুইটা পেমেন্ট অপশন পাবেন – Credit/ Debit Card অথবা এয়ারলাইন্সের অফিসে যেয়ে পেমেন্ট করা। এয়ারলাইন্সের অফিসে যেয়ে পেমেন্ট করতে হলে Hold My Booking নামের একটা অপশন দেয়া ওরা- Qatar Airways এর বেলায় আপনি ১০ ডলার দিয়ে ২৪ ঘন্টার জন্যে ( কিংবা ২০/৩০ ডলার দিয়ে আরো বেশী সময়ের জন্য) টিকেটটা বুক করতে পারবেন, এই ২৪ ঘন্টার মধ্যে টিকেট এর দাম বাড়বেনা, এবং যেই দামে আপনি বুক করেছেন, ওই টাকাটাই এয়ারলাইন্সের অফিসে যেয়ে পে করে আসতে হবে। এই ১০/২০ ডলার নন-রিফান্ডেবল মানে আপনাকে এই টাকা আর ফেরত দেওয়া হবেনা এবং এটা টিকেট এর দাম থেকে কেটে রাখবেনা। অর্থাৎ এই টাকা আপনাকে এক্সট্রা দিতে হচ্ছে। Emirates এর বেলায় Hold my Booking অপশন সিলেক্ট করার জন্যে কোন আলাদা টাকা দিতে হয়না।
বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম অনুযায়ী, কোন ডুয়াল কারেন্সি ক্রেডিট কার্ড দিয়ে ৩০০ ডলার এর বেশী টাকা লেনদেন করা যায়না। করতে হলে আলাদা করে পারমিশন নিয়ে এরপর International Gateway open করতে হয়। এয়ারলাইন্স কে পেমেন্ট করার জন্যে gateway open করেনা। তাই ক্রেডিট কার্ড দিয়ে সরাসরি এয়ারলাইন্স এর ওয়েবসাইটে পেমেন্ট করা যায়না। তবে, gozayaan বা sharetrip এ আপনি চাইলে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে পেমেন্ট করতে পারবেন। এই ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে পেমেন্টে কোন সমস্যা হয়না। আবার যদি এজেন্সি দিয়ে টিকেট কাটেন তাহলে আপনি এজেন্ট কে সরাসরি বা এজেন্ট এর ব্যাংক একাউন্টে টাকা জমা দিয়ে দিতে পারবেন। অনেকে এটাকে কার্ড পেমেন্ট এর চেয়ে ঝামেলাহীন মনে করেন, তাদের জন্যে এজেন্সি ভাল অপশন।
টিকেট কি One-way কাটবেন নাকি Round Trip?
One way ticket কাটা মানে শুধু যাওয়ার টিকেট কাটা, আর Round Trip বা Round Ticket মানে যাওয়া-আসা দুটোর টিকেট কেটে ফেলা।
বেশিরভাগ মানুষ Visitor Visa তে PLAB2 দিতে যান, তাই ঝামেলা এড়ানোর জন্যে চেষ্টা করবেন Round Trip এর টিকেট কাটতে। অর্থাৎ, যাওয়া এবং আসা দুইটার টিকেটই কেটে ফেলতে। ঝামেলা বলতে কী বুঝাচ্ছি? শুধু যাওয়ার টিকেট কাটলে বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন অফিসার, কিংবা ইউকে এর ইমিগ্রেশন অফিসার এমন ধারণা করতে পারেন যে আপনার উদ্দেশ্য খারাপ, আপনি হয়তো আর ফেরত আসবেন না। আপনি যেহেতু ভিজিটর ভিসায় যাচ্ছেন, এর মানে হচ্ছে আপনি ফেরত আসবেন, তাই ঝামেলা না পাকায়ে রিটার্ন টিকেট সহ কেটে ফেলা ভাল।
কোন এয়ারলাইন্স এর টিকেট কাটবেন?
একান্তই আপনার ব্যাপার। Middle East এর এয়ারলাইন্স কোম্পানি গুলোর রিভিউ ভাল- Qatar, Emirates এই দুটোর কথাই সবাই বলে। আমি নিজে Qatar Airlines এ ভ্রমণ করেছি, ওভার অল, ভালই। আমার অন্য এয়ারলাইন্স এর সাথে তুলনা করার মত অভিজ্ঞতা নাই। তবে কাতার এয়ারলাইন্স এর একটা সমস্যা হচ্ছে legroom কম। মানে সিটে বসার পর পা রাখার এ জায়গাটা এটা একটু কম৷ আমার পা রাখতে সমস্যা হয়েছে দুইবারই। আপনি চাইলেই এক্সট্রা legroom আছে এমন সিট নিতে পারবেন, এজন্যে আপনাকে এক্সট্রা পেমেন্ট করতে হবে।
কোন ক্লাস এর টিকেট কাটবেন?
টিকেট কাটতে গেলে আপনি কোন ‘ক্লাস’ এর টিকেট কাটবেন এটা জানতে চাইবে। এটার মানে হচ্ছে আপনার ফ্লাইটে আপনি কেমন ধরণের সুযোগ সুবিধা কিংবা বিলাসিতা চাচ্ছেন। সাধারণত দুই বা তিন ধরণের ক্লাস থাকে। Economy, Business and/or First Class. Economy class হচ্ছে সবচেয়ে কমদামী এবং বিলাসিতার দিক থেকে এটায় সুযোগ সুবিধা সবচেয়ে কম আর Business/First Class উল্টো। Economy এবং Business এর মধ্যেও আবার ভাগ আছে- যেমন কাতার এয়ারওয়েজ এ Economy Classic, Economy convenience, Economy Comfort আবার Business class এর মধ্যে আছে Business classic, Business Comfort এবং Business Elite – এই কয়েকটা ভাগ আছে।
ভাড়ার এবং বিলাসিতার দিক থেকেঃ Economy Classic < Economy convenience < Economy Comfort < Business classic < Business Comfort < Business Elite
Safetyর দিক থেকে ক্লাসগুলোর মধ্যে কোন বিভাজন নেই আমার জানামতে। তাই, অর্থনৈতিক দিক বিবেচনা করলে Economoy Class এর মধ্যে সবচেয়ে কমদামীটা অর্থাৎ Ecomomy Classic নেয়া ভাল।
ডিরেক্ট টিকেট কাটবেন নাকি ট্রানজিট/layover ওয়ালা টিকেট কাটবেন?
ট্রানজিট কি জিনিস? আপনার জার্নিটা এরকম হতে পারে, যে শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে উঠলেন, সরাসরি আপনার গন্তব্য Manchester পৌছে যাবেন। অথবা, আপনি ঢাকা থেকে ধরেন অন্য কোন একটা এয়ারপোর্টে যাবেন, এরপর ওখানে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করবেন। তারপর নেক্সট বিমানে উঠে আপনি গন্তব্যে যাবেন। এইযে অপেক্ষা করা লাগতেছে, বা বিমান চেঞ্জ করে অন্যটাতে উঠা লাগতেছে এটাকে বলে Transit. পরবর্তী বিমানের জন্যে কতক্ষণ অপেক্ষা করা লাগবে এই সময়টাকে বলে Transit Time বা Layover Time.
আমার জানামতে, বাংলাদেশ থেকে শুধুমাত্র বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এর বিমান সরাসরি London/Manchester যায়, বাকি সব এয়ারলাইন্স এরই কোথাও না কোথাও Transit থাকে। UK অভিমুখী ফ্লাইট গুলোর ক্ষেত্রে Qatar Airlines এর ট্রানজিট সাধারণত Dohaতে হয়, এবং Emirates এর ট্রানজিট সাধারণত দুবাই এ হয়। যারা প্রথমবার বিমানে চড়তে যাচ্ছেন, তারা Transit নিয়ে অযথাই ভয়ে থাকেন, ট্রানজিট নিয়ে ভয়ে অনেকে পছন্দের এয়ারলাইন্সে টিকেট কাটেন না। এটা নিয়ে ভয় পাওয়ার কোন কারণই নাই। ট্রানজিট একটা মজার জিনিস। আমার একবার ফ্লাইট মিস হয়েছিল। ৯ ঘন্টার layover ছিল, প্রায় পুরা সময়টাই আমি না ঘুমায়ে হেটে হেটে ঘুরে দেখেছি এয়ারপোর্ট। Hamad International Airport অনেক সুন্দর। ট্রানজিটের সময়টাতে আপনকে কোন হোটেল দিবেনা, তাই শাওয়ার নেয়া কিংবা আরাম করে ঘুমানো সম্ভব না। কিন্তু আপনি চাইলে এয়ারপোর্টে বিশ্রাম নিতে পারবেন, বসে বা আধশোয়া হয়ে ঘুমাতেও পারবেন৷ Hamad Airport এ Quiet Room আছে, এগুলো রেস্ট নেয়া বা ঘুমানোর জন্যে বেশ ভাল। অনেকে বলেছেন যে negotiate করলে অনেকসময় এয়ারলাইন্স থেকে হোটেল দেয়, কিন্তু আমার এই অভিজ্ঞতা নাই।
ক্যাশ কত পাউন্ড সাথে রাখতে পারবো? এজন্যে Endorsement করা লাগবে কী?
প্রথম কথা, Endorsement কি জিনিস? বাংলাদেশে থাকা অবস্থায় আপনি যদি বিদেশী কোন মুদ্রা ব্যবহার করেন, কিংবা বাংলাদেশ থেকে টাকার বিনিময়ে অন্য দেশীয় কোন মুদ্রা ক্রয় করেন, তাহলে আপনাকে এটাকে আপনার পাসপোর্টে endorse করার মাধ্যমে authorize করে নিতে হবে- ওরা আপনার পাসপোর্টে একটা সিল মেরে দিবে এবং ওখানে আপনার কার্ড নাম্বার লেখা থাকবে এবং সর্বোচ্চ কত ডলার আপনি বছরে খরচ করতে পারবেন সেটার পরিমাণ উল্লেখ করা থাকবে। এনডোর্সমেন্ট এর পরিমাণ আপনি আপনার সুবিধামত করতে পারবেন। তবে বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম অনুযায়ী আপনি বছরে সর্বোচ্চ ১২০০০ ডলার বা সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা endorsement করে খরচ করতে পারবেন।
সোজা কথায় যদি বলি, আপনি যদি ক্রেডিট কার্ডের multiple currency segment এ কোন লেনদেন করতে চান, কিংবা দেশ থেকে ক্যাশ পাউন্ড/ডলার বা অন্য কোন কারেন্সি অন্য কোন দেশে নিয়ে যেতে চান তাহলে আপনাকে passport endorsement করাতে হবে। UK এর নিয়ম অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে যাওয়ার সময় আপনি সর্বোচ্চ ১০ হাজার পাউন্ড ক্যাশ নিয়ে যেতে পারবেন endorsement ছাড়া- এজন্যে ইউকেতে আপনি কোন ধরণের সমস্যায় পরবেন না। বাংলাদেশের এরকম কোন নিয়ম নাই, সেজন্যে যেকোন পরিমাণ ক্যাশ পাউন্ড বা ডলার এর জন্যে আপনাকে জবাবদিহিতা করতে হতে পারে। সেজন্যে ঝামেলা এড়াতে চাইলে আপনার উচিত endorse করে ফেলা।
এয়ারপোর্টের জন্যে কী কী ডকুমেন্ট লাগবে?
এই জিনিসগুলা একটা waist bag বা একটা cross-arm Bag এর মধ্যে রাখবেন। বিশেষত আপনার পাসপোর্ট টা হাতের কাছে রাখা খুব জরুরি, কারণ এটা বারবার বের করা লাগবে এবং বিভিন্ন জায়গায় দেখানো লাগবে। এগুলো ফটোকপি করে এককপি আপনার হ্যান্ড লাগেজে রাখবেন, প্রতিটার ছবি ফোনে তুলে রাখবেন এবং ড্রাইভে আপলোড করে রাখবেন।
Luggage
প্রতিটা টিকেট এর গায়ে লেখা থাকে আপনি সর্বোচ্চ কত কেজি ওজনের লাগেজ নিতে পারবেন সাথে। লাগেজ দুই ধরণের হয়ে থাকে – Hand Luggage এবং Main Luggage বা checked luggage. প্রতিটার জন্যে একটা ওজন এর লিমিট থাকে, যে এর বেশি হলে আপনাকে এক্সট্রা টাকা দিতে হবে। সাধারণত Economy Class এর টিকেটে আপনাকে ৭ কেজি হ্যান্ড লাগেজ এবং এয়ারলাইন্স ভেদে ২৫/৩০/৪০ কেজি Main Luggage রাখতে দিবে। এটা টিকেট এ স্পষ্ট করে লেখা থাকে। এর বেশি ওজন হলে আপনাকে এক্সট্রা টাকা দিতে হবে। আপনি চাইলে টিকেট কাটার সময় এক্সট্রা লাগেজ ফ্যাসিলিটি কিনে নিতে পারেন কিংবা যাওয়ার দিন এয়ারপোর্টে আসার পর ওজন দিয়ে যদি দেখেন যে ওজন বেশী হয়েছে, তাহলে এটার জন্যে পেমেন্ট করে দিতে পারেন। সাধারণত টিকেট কাটার সময় এক্সট্রা লাগেজ কিনে নিলে খরচ কম পরে।
Checked luggage এয়ারপোর্টে ঢুকেই আপনাকে দিয়ে দিতে হবে এয়ারলাইন্স এর কাউন্টারে। এটা মেপে দেখবে এবং ওজন বেশি বলে এক্সট্রা পেমেন্ট করতে হবে, কিংবা ব্যাগ খুলে জিনিসপত্র কমাতে হবে। কখনো কখনো হ্যান্ড লাগেজ এর ওজনও মেপে দেখে, কিন্তু এটা সচরাচর হয়না। না মাপলে আপনার হ্যান্ড লাগেজ এর ওজন একটু আকটু বেশি হলেও সমস্যা নাই, কিন্তু যদি মাপে, তাহলে ওজন বেশি হলে ঝামেলা। অর্থাৎ এক্সট্রা টাকা দিতে হবে, নাহয় ওজন কমাতে হবে।
তাই আপনার কাপড় চোপড়-বই-খাতা- হাড়ি-পাতিল এগুলা রাখবেন checked luggage এ। Hand Luggage আপনার সাথেই থাকবে- সাধারণত ল্যাপটপ, ট্যাব, চার্জার এগুলা রাখে Hand Luggage এ। বিমানের যে সিটে বসবেন, তার উপরে রাখার জায়গা থাকবে, Overhead Locker বলে এইটাকে, ওখানে রাখবেন। Checked Luggage আর Hand Luggage এর কোনটাতে কী রাখবেন এটা নিয়ে প্রতিটা এয়ারলাইন্সের গাইডলাইন আছে আলাদা আলাদা, ফ্লাইটের আগে পরে দেখবেন। হ্যান্ড লাগেজ এ লিকুইড জাতীয় কিছু- পানি, খাবার এগুলা রাখা যায়না। সর্বোচ্চ ১০০ মিলি রাখা যায় কিছু কিছু এয়ারলাইন্সে।
On your flight date
Entering the airport
ফ্লাইটের দিন ফ্লাইটের আনুমানিক ৪ ঘন্টা আগে আপনি এয়ারপোর্ট পৌছাবেন। এয়ারপোর্টে অনেকগুলা টার্মিনাল আছে, টার্মিনাল মানে দরজা, সোজা কথায়। এগুলা নিয়ে মাথা ঘামাবেন না। টার্মিনালের সামনে দেখবেন ট্রলি রাখা আছে, আপনি এয়ারপোর্ট পৌছায়ে ট্রলি নিবেন, আপনার লাগেজগুলা ট্রলিতে উঠাবেন এবং এরপর ফ্যামিলির কাছ থেকে বিদায় নিয়ে কোন একটা টার্মিনাল দিয়ে ঢুকে পরবেন। টার্মিনালের সামনে বিরাট লম্বা লাইন থাকে, লাইনে না দাড়ায়ে চিপাচাপা দিয়ে ঢুকে পরাটা ভাল বুদ্ধি, নাইলে দাড়ায়ে থাকতে থাকতে বিরক্ত হয়ে যাবেন। ঢুকে আপনার কাজ হচ্ছে আপনার এয়ারলাইন্স এর কাউন্টারে যাওয়া, এবং খোজ নেওয়া আপনার ফ্লাইট এর চেক-ইন শুরু হইছে কিনা।
Checking-in & getting Boarding Pass
‘চেক-ইন’ মানে হচ্ছে ধরেন পারসেন্টেজ দেওয়া৷ আনুমানিক ৩/৪ ঘন্টা আগে একেকটা ফ্লাইটের চেক ইন শুরু হয়। আপনি আপনার ফ্লাইট নাম্বার দেখবেন, দেখে চেক-ইন শুরু হলে এয়ারলাইন্সের কাউন্টারে লাইনে দাড়াবেন। এখানে আপনার মেইন লাগেজ এবং কখনও কখনও হ্যান্ড লাগেজ এর ওজন মেপে দেখবে। সাধারণত হ্যান্ড লাগেজ এর ওজন মেপে দেখেনা। কিছু কিছু এয়ারলাইন্স এখন অনলাইনে চেক ইন এর ব্যবস্থা করেছে, আমার অভিজ্ঞতা নাই। এখানে আপনার checked luggage মেপে দেখবে, স্টিকার লাগাবে এবং ওরা নিয়ে নিবে, মেইন লাগেজ এর সাথে আপনার আর দেখা হবেনা। আপনি গন্তব্যে পৌছার পর মেইন লাগেজ কালেক্ট করবেন। হ্যান্ড লাগেজ আপনার সাথেই থাকবে। ব্যাগ নেওয়ার সাথে সাথে আপনাকে ওরা Boarding Pass দিবে- মানে যেখানে আপনার ফ্লাইট নাম্বার, সিট নাম্বার সহ আরো গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় লেখা থাকবে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ জিনিস, কোনভাবেই হারাবেন না। পাসপোর্ট এবং Boarding Pass আপনার হাতের কাছে রাখবেন, এটা বিভিন্ন জায়গায় আপনার কাছ থেকে দেখতে চাইবে।
Immigration
চেক ইন হয়ে গেলে আপনি ইমিগ্রেশন এর দিকে যাবেন, ওখানে ইমিগ্রেশন অফিসার থাকবে, উনাকে আপনার পাসপোর্ট দিবেন, উনি আপনাকে দুয়েকটা প্রশ্ন করতে পারে – ঠিকঠাক জবাব দিবেন। ইমিগ্রেশন হয়ে গেলে আপনার কাজ কোন একটা জায়গায় যেয়ে বসা। আপাতত আপনার কোন কাজ নাই, আপনি বাসায় ফোন দিবেন, আত্মীয়স্বজনের সাথে কথা বলবেন, বিশ্রাম নিবেন।
Finding your Gate No
যেখানে বসে বিশ্রাম নিবেন, তার আশেপাশে খেয়াল করবেন যে ডিসপ্লে আছে- ডিসপ্লে তে বিভিন্ন ফ্লাইট নাম্বার এবং গেইট নাম্বার – “Gate No” লেখা আছে। একটা এয়ারপোর্ট থেকে অনেক বিমান ছেড়ে যায়, একেক বিমান একেক গেট থেকে ছেড়ে যায়। আপনার কাজ হচ্ছে আপনার ফ্লাইটের গেট নাম্বার দেয়া হয়েছে কিনা সেটা দেখা। আপনি যখন ইমিগ্রেশন পার করে যেয়ে বসেছেন তখন গেট নাম্বার দেওয়া নাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে আধা ঘন্টা পর আবার দেখবেন গেট নাম্বার দেওয়া হয়েছে কিনা। গেট নাম্বার দেওয়া হলে ওই গেটে চলে যাবেন। কোন গেট কোনদিকে এটার ডিরেকশন পুরো এয়ারপোর্টের বিভিন্ন জায়গায় দেওয়া থাকে। গেট এর সামনে বসার জায়গা থাকবে, ওখানে বসে থাকবেন। কিছুক্ষণ পর এয়ারলাইন্স এর লোকজন এসে প্লেনে উঠার জন্যে ডাকবে। কে আগে উঠবে, কে পরে উঠবে এটা টিকেট এর ক্যাটাগরি অনুযায়ী ঠিক হয়- আগে বিজনেস ক্লাস এর যাত্রীরা উঠেন, এরপর ইকোনোমি। ইকোনোমি ক্লাস এর মধ্যে আবার Zone ভাগ করা থাকে সাধারণত আগে zone 1, এরপর zone 2 এরপর zone 3 এর যাত্রীদের উঠানো হয়। আপনার সিট কোন zone এ এটা boarding pass এ লেখা থাকে। এখানে আপনার পাসপোর্ট এবং বোর্ডিং পাস চেক করবে, তাই হাতের কাছে রাখুন।
During the flight
বিমানে উঠে প্রথম কাজ হলো Hand Luggage টা ভালভাবে রাখা এবং সিট নাম্বার খুজে বসে পরা, কেবিন ক্রুরা আপনাকে সাহায্য করবে, ভয় পাওয়ার কারণ নাই। বিমান ছাড়ার সময় sudden pressure difference এর জন্যে কানে তালা লাগে অনেক সময়, তাই ওই সময় দুই হাত দিয়ে কান চেপে ধরে রাখতে পারেন। বিমানের infotainment system খুব সুন্দর- অনেক মুভি, টিভি সিরিজ দেওয়া থাকে, যা খুশী দেখতে পারের, ঘুমাতে পারেন। যারা Qatar Airways এর Privilege club এর মেম্বার, তারা বিমান চলাকালীন সময়ে মোট ১ ঘন্টা ফ্রীতে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। বিমান আকাশে উড়ন্ত অবস্থায়ই পারবেন, স্যাটেলাইট এর মাধ্যমে। এর বেশি সময় নেট ব্যবহার করতে চাইলে পেমেন্ট করতে পারবেন। স্ক্রিনে দেখানো ইন্সট্রাকশন ফলো করলেই হবে। Privilege club এর মেম্বার হতে শুধু ফর্ম ফিলাপ করা লাগে, আর কিছু লাগেনা, এটা সম্পূর্ণ ফ্রী। বিমানে নেট চালানোর সময় পুরা সময় নেট অন রাখবেন কিনা ভেবে দেখবেন, আমার মতে কিছুক্ষণ সময় রেখে দেওয়া উচিত বিমান ল্যান্ড করার আগের সময়ের জন্যে। তখন বাসায় জানাতে পারবেন যে ল্যান্ড করার সময় হয়েছে। বিমানে খাবার দিবে, স্ন্যাক্স দিবে, আপনার কোন কিছু দরকার লাগলে চেয়ে নিতে পারেন। বিমানে toilet কে বলে Lavatory, এইটা মনে রাখবেন 😀। বিমান ল্যান্ড করার সময়ও কানে তালা লাগে অনেকের, তাই নামার সময় কান চেপে ধরতে পারেন, তাহলে অস্বস্তি লাগবেনা। ফ্লাইটের সময়টা আরেকটু উপভোগ্য করার জন্যে একটা noise cancelling earphone, ১টা travel pillow আরেকটা eye mask নিয়ে নিতে পারেন।
ট্রানজিট ফ্লাইট মিস হলে কী করবেন?
ধরেন, আপনার পরের ফ্লাইট ছিল ১টায়, কিন্তু প্রথম বিমান ছাড়তে দেরী হয়ে গেছে, পরের ফ্লাইট ধরতে পারবেন না বলে মনে হচ্ছে – কী করবেন? কিছু করা লাগবেনা। তাড়াহুড়া করবেন না, এই ফ্লাইট আপনি নিজে মিস করেন নাই, আপনার কোন দোষ ছিলোনা, তাই এটার জন্যে আপনাকে কোন ঝামেলায় পরতে হবেনা। এয়ারলাইন্স কোম্পানি আপনাকে পরবর্তী ফ্লাইটে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিবেন। বিমান থেকে নেমে একটু সামনে গেলেই দেখবেন যে আপনার নাম লেখা প্ল্যাকার্ড ধরে কেউ একজন দাড়ায়ে আছে। সে আপনাকে বলবে যে, আপনার ফ্লাইট চলে গেছে, আপনি প্যারা নিয়েননা, আমরা আপনাকে নেক্সট ফ্লাইটে তুলে দিবো, আপনি তখন যাইতে পারবেন।
তার থেকে বিস্তারিত শুনে নিবেন- নেক্সট ফ্লাইট কখন, কয়টায় আপনাকে চেক ইন করতে হবে, এই সময়টাতে আপনি কই থাকবেন, খাবেন কই, খাবেন কী – এবং most importantly- আপনার বোর্ডিং পাস বুঝে নিবেন, যেটাতে আপনার ফ্লাইট নাম্বার লেখা থাকবে। এয়ারলাইন্স থেকে আপনাকে কিছু টাকা দিবে খাওয়ার জন্যে। এই টাকাটা আপনাকে ওরা হাতে দিবেনা, হেল্পডেস্কে জিজ্ঞেস করলে ওরা আপনার বোর্ডিং পাস স্ক্যান করে বলে দিবে কত টাকার খাবার আপনি খেতে পারবেন। আপনি চাইলেও এই টাকা ক্যাশ করে অন্য কাজে খরচ করতে পারবেন না। এয়ারপোর্টের ভিতরের যেকোন রেস্টুরেন্টে আপনার বোর্ডিং পাস দিলে ওরা আপনাকে খাবার দিবে, আপনার বোর্ডিং পাস স্ক্যান করে ওরা আপনার ফুড এলাউয়েন্স থেকে টাকা কেটে রাখবে। আপনি চাইলে এক দোকানে পুরা টাকা খরচ করে ফেলতে পারেন, বা অল্প অল্প করে কয়েকটা দোকানে যেতে পারেন। খুব বেশী টাকা দেয়না, আমার নেক্সট ফ্লাইট ছিল ৮ ঘন্টা পর, আমাকে ১৫ পাউন্ড এর মত দিয়েছিলো। তারা খাওয়ার জন্যে আপনাকে কত টাকা দিবে এর চেয়ে বেশী দামের আপনি কিছু খেতে চাইলে আপনাকে নিজে থেকে টাকা দিতে হবে বা ওদের দেয়া টাকার সাথে এড করতে হবে। ওখানকার কারেন্সি তো আপনার কাছে নাই, তাইলে কিভাবে কিনবেন? Endorse করা ডুয়াল কারেন্সি ক্রেডিট কার্ড, কিংবা Endorse করা Multiple Currency Debit Card দিয়ে কিনতে পারবেন। আপনার যদি Priority Pass বা Loungekey এর মেম্বারশিপ থাকে, তাহলে layover time টা আপনি lounge এ বসে আরামে কাটাতে পারবেন। Priority Pass বা Loungkey হচ্ছে একটা সাবস্ক্রিপশন বেইজড সিস্টেম, যেটাতে আপনি annual fee প্রদান করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাউঞ্জ ব্যবহার করতে পারবেন। আপনি যদি সরাসরি ওদের ওয়েবসাইট থেকে নিতে চান, তাহলে তাদের annual fee অনেক বেশি পড়বে। এর বিকল্প ব্যবস্থা হচ্ছে ক্রেডিট কার্ড এর মাধ্যমে সাবস্ক্রিপশন নেয়া। বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংক তাদের ক্রেডিট কার্ড এর সাথে priority pass বা loungekey subscription দিয়ে থাকে। সাধারণত এই সুবিধা নেওয়ার জন্যে আপনাকে platinum বা তার চেয়ে উপরের ক্যাটাগরির cardholder হতে হবে। Prioritypass কিংবা loungekey বাদেও আপনি এয়ারলাইন্স কোম্পানির lounge এ থাকতে পারবেন, এজন্যে আপনাকে আগে থেকে payment করতে হবে৷ Hamad International Airpor এ Qatar Airways এর অনেকগুলা লাউঞ্জ আছে – Al Maha Lounge, Oryx Lounge etc- আপনি payment এর মাধ্যমে এগুলোর সুবিধা নিতে পারবেন।
Ending your journey
বিমান ল্যান্ড করার কিছুক্ষণ আগে আপনাকে বলবে সিটবেল্ট বাধতে। ওই সময়ে সিটবেল্ট বেধে বসে থাকবেন। সিটবেল্ট খোলার সময় হলেও আপনাকে জানানো হবে, তখন সিট বেল্ট খুলবেন এবং overhead locker থেকে আপনার হ্যান্ড লাগেজ বের করে বিমান থেকে বের হবেন। পাসপোর্ট হাতের কাছেই রাখবেন, এটা দেখাতে হবে। ইমিগ্রেশন অফিসার আপনার পাসপোর্ট দেখতে চাইবেন, উনি জিজ্ঞেস করতে পারেন আপনি কেন ইউকে এসেছেন, কই থাকবেন- সব কথার সঠিক উত্তর দিবেন।
সংক্ষেপে দেখুনএরপর main luggage কালেক্ট করবেন। মেইন লাগেজ আর হ্যান্ড লাগেজ নিয়ে হাটা কষ্ট হলে একটা ট্রলি নিতে পারেন – সম্ভবত এক পাউন্ড এর কয়েন দিয়ে ট্রলি নিতে হয়। তাই চেষ্টা করবেন কয়েকটা এক পাউন্ড এর কয়েন সাথে রাখতে, যাতে প্রয়োজনের সময় বিপদে পরতে না হয়।
অফিস বা প্রতিষ্ঠানের চেয়ার গুলোতে তোয়ালে রাখা হয় কেন?
আমরা প্রায়শই দেখে থাকবো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বা অফিসের চেয়ার গুলোতে তোয়ালে রাখা হয় আজ আমরা এই তোয়ালের রহস্য উন্মেচন করবো! প্রথমেই ইতিহাস দিয়ে শুরু করবো তোয়ালে-সংস্কৃতির সূত্রপাত ব্রিটিশ আমলে। সে সময় কলকাতার উচ্চপদস্থ বাবুরা মাথায় চুবচুবা তেল মেখে অফিসে এসে চেয়ারে বসে পেছনে মাথা এলিয়ে দিতেন। ব্রিটিশরবিস্তারিত পড়ুন
আমরা প্রায়শই দেখে থাকবো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বা অফিসের চেয়ার গুলোতে তোয়ালে রাখা হয় আজ আমরা এই তোয়ালের রহস্য উন্মেচন করবো!
প্রথমেই ইতিহাস দিয়ে শুরু করবো তোয়ালে-সংস্কৃতির সূত্রপাত ব্রিটিশ আমলে। সে সময় কলকাতার উচ্চপদস্থ বাবুরা মাথায় চুবচুবা তেল মেখে অফিসে এসে চেয়ারে বসে পেছনে মাথা এলিয়ে দিতেন। ব্রিটিশরা দেখল, আয়েসি বাবুদের নিয়ে তো মহা বিপদ! কী করা যায়? লাগাও তোয়ালে। দামি চেয়ার নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। তোয়ালের রঙ চটে গেলে ধুয়ে নেওয়া যাবে। আরেকটি ব্যাপার ছিল। গরমে বাবুদের যে ঘাম ঝরত, তা মুছে ফেলার জন্যও তোয়ালের দরকার ছিল। বিলেতি সাহেবদের অবশ্য তার প্রয়োজন হতো না, কারণ মাথায় তেল দেওয়া তাদের রীতিবিরুদ্ধ। আর তা ছাড়া, ব্রিটিশ সাহেবদের ঘরে টানাপাখার ব্যবস্থা ছিল, তাঁদের শরীর ঘামে ভিজত না।
ব্রিটিশ গেল, পাকিস্তান এল। পূর্ব বাংলার সাহেবরা সযত্নে তোয়ালে রক্ষা করে চললেন।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর তোয়ালে অপরিহার্য হয়ে উঠল। কারণ, সদ্য স্বাধীন দেশে অফিসকক্ষের টানাটানি। স্বল্প পরিসরে অনেক সচিব, যুগ্ম সচিব, উপসচিবদের বসে কাজ করতে হয়েছে। কোনো অতিথি এলে তাঁর পক্ষে বোঝা সম্ভব হতো না কে কোন পদমর্যাদার। তাই মর্যাদা অনুযায়ী চেয়ারে তোয়ালে ঝোলানো একটি উত্তম ব্যবস্থা হিসেবে স্বীকৃতি পেল।
পাকিস্তান তোয়ালের-সংস্কৃতি গ্রহণ করেনি। ভারতেও এখন সম্ভবত শুধু দক্ষিণাঞ্চলে এর চল আছে। বাংলাদেশে কমে আসছে। কোনো কোনো মন্ত্রী বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা তাঁদের চেয়ারে তোয়ালের ব্যবহার করেন না। শুধু তোয়ালে নয়, আমাদের দেশে বড় সাহেবরা বসেন সিংহাসনসম বড় চেয়ারে, আর টেবিলের সামনে অভ্যাগতদের জন্য থাকে ছোট চেয়ারের ব্যবস্থা। বিলেতে, আমেরিকায় কিন্তু সবার চেয়ার সমান।
সংক্ষেপে দেখুনএকদিন আমাদের দেশ থেকে ধীরে ধীরে চেয়ারে তোয়ালের চলন বিদায় নেবে।
শূন্য (০) সংখ্যা টি জোড়, নাকি বিজোড়?
শুন্য একটি জোড় সংখ্যা। আসুন জেনে নেই কেনো শুন্য জোড় সংখ্যা। যেসব সংখ্যার একক স্থানে, ২,৪,৬,৮ বা ০(!) থাকে সেগুলো হল জোড় সংখ্যা । আর বাকিগুলো বিজোড়। একক স্থানে শূন্য (০) থাকলে, কেন জোড় হবে? ধরি, ১০; এর একক স্থানে রয়েছে শূন্য (০), এবং ১০ একটি জোড় সংখ্যা। কারণ, একে জোড়া হিসেবে সাজানো যায়। আমরা ১০ কে ৫বিস্তারিত পড়ুন
শুন্য একটি জোড় সংখ্যা। আসুন জেনে নেই কেনো শুন্য জোড় সংখ্যা।
যেসব সংখ্যার
একক স্থানে, ২,৪,৬,৮ বা ০(!)
থাকে সেগুলো হল জোড় সংখ্যা ।
আর
বাকিগুলো বিজোড়।
একক স্থানে শূন্য (০) থাকলে, কেন
জোড়
হবে? ধরি, ১০; এর একক
স্থানে রয়েছে শূন্য
(০), এবং ১০ একটি জোড় সংখ্যা।
কারণ,
একে জোড়া হিসেবে সাজানো যায়।
আমরা ১০ কে ৫ জোড়ায়
সাজাতে পারি।
তাই ১০ হল জোড়। তাই একক
স্থানে শুন্য(০)
থাকলে, জোড় হয়।
কিন্তু, শূন্য (০) এর আগে,
যদি কোনো সংখ্যা না থাকে,
শুধুমাত্র শূন্য
(০) কি জোড় না বিজোড়?
সত্যি বলতে, শূন্য (০) আসলেই জোড়
সংখ্যা।
একটি জোড় সংখ্যা হওয়ার জন্য সকল
শর্তই
শূন্য (০) পালন করে।
জোড় সংখ্যা, হল সেসব সংখ্যা,
যেগুলো ২
দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য হয়।
যেমনঃ ৪/২ = ২; ৬/২ = ৩; অতএব, ৪,৬
এগুলো জোড় সংখ্যা। কিন্তু
আমরা যদি ৩
নেই, তাহলে কি পাব। ৩/২ = ১.৫;
এটি নিঃশেষে বিভাজ্য নয়। এখন
আমরা যদি, শূন্য (০) নেই,
তাহলে কি পাব?
০/২ = ০; এটি নিঃশেষে বিভাজ্য।
তাই
এটি জোড়!
ব্যাপারটা আরেকটু সহজ করি,
আমরা ২কে যেকোনো কিছু
দিয়ে গুন
দিলে যা পাব তাই জোড়।
যেমনঃ ২X১=২,
২x২=৪, ৩x২=৬, ৪x২=৮; ২,৪,৬,৮
এগুলো জোড়
সংখ্যা। এখন আমরা, ২ কে যদি শূন্য (০)
দিয়ে গুন দেই তাহলে কি পাব?
২x০=০;
অর্থাৎ, শূন্য (০) জোড়।
২/ শূন্য সংখ্যাটি জোড় সংখ্যা। কোন পূর্ণসংখ্যা জোড় হওয়া বলতে কী বোঝায়, তা ব্যাখ্যা করার বেশ কিছু উপায় আছে এবং শূন্য সংখ্যাটি এরকম সমস্ত সংজ্ঞাই সিদ্ধ করে: শুন্য ২ এর গুণিতক, ২ দিয়ে বিভাজ্য এবং নিজের সাথে একটি পূর্ণসংখ্যার যোগফলের সমান। এই সংজ্ঞাগুলি কেবল শূন্যের জন্যই ব্যতিক্রমীভাবে প্রযোজ্য নয়, বরং এগুলি জোড় সংখ্যার যোগফল ও গুণফলের সাধারণ নিয়ম দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়। জোড় সংখ্যাগুলির মধ্যে শূন্য কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে। শূন্য জোড় পূর্ণসংখ্যার পরিচয়সূচক উপাদান, এবং এটি পর্যায়ক্রমে আসা সকল উপাদানের ভিত্তি কেস। শূন্যের জোড় হবার প্রবণতার সরাসরি প্রয়োগের প্রমাণ আছে এবং এর কাঠামো জোড় সংখ্যার অনুরুপ। সাধারণভাবে, ০ সকল পূর্ণ সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য, যার মধ্যে দুই এর সকল ঘাত আছে। ফলে, শূন্য সকল সংখ্যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি জোড়।
৩/শূণ্য (০) একটি জোড় সংখ্যা। কারন, জোড়+জোড়=জোড়, বিজোড়+বিজোড়=জোড় অনুরুপভাবে, ০+০=০ অর্থাৎ একই ধরনের সংখ্যা যোগ করলে ঐ ধরনের সংখ্যা পাওয়া যায় একমাত্র জোড় সংখ্যার ক্ষেত্রে। অনুরুপভাবে বিয়োগের ক্ষেত্রে ও একই কথা প্রযোজ্য। জোড়-জোড়=জোড়, বিজোড়-বিজোড়=জোড় অনুরুপভাবে, ০-০=০ ।বাস্তব সংখ্যার ধারাবাহিকতায় দেখাযায় ৬,৪,২,০,-২,-৪,-৬ ইত্যাদি আবার ৭,৫,৩,১,-১,-৩,-৫,-৭ এখান থেকে দেখাযায় যে, শূণ্য (০) জোড় সংখ্যার দলভুক্ত। তাই শূণ্য অবশ্যই জোড় সংখ্যা হবে
সংক্ষেপে দেখুনকোন আট প্রজাতির জীব ছাড়া পৃথিবী অচল ?
পৃথিবীতে প্রতিটি জীবই বিশেষ কিছু ভূমিকা পালন করে৷ কিন্তু গ্রহে জীবন টিকিয়ে রাখতে কিছু প্রজাতির গুরুত্ব অন্যদের চেয়ে বেশি৷ দেখে নিন তেমনি কিছু জীবের নাম ও তাদের কাজ। মৌমাছি: রয়াল জিওগ্রাফিক্যাল সোসাইটি মৌমাছিকে পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী বলে ঘোষণা দিয়েছিল৷ বাস্তুসংস্থান টিকিয়ে রাখতে দারুণ ভূমবিস্তারিত পড়ুন
পৃথিবীতে প্রতিটি জীবই বিশেষ কিছু ভূমিকা পালন করে৷ কিন্তু গ্রহে জীবন টিকিয়ে রাখতে কিছু প্রজাতির গুরুত্ব অন্যদের চেয়ে বেশি৷ দেখে নিন তেমনি কিছু জীবের নাম ও তাদের কাজ।
মৌমাছি: রয়াল জিওগ্রাফিক্যাল সোসাইটি মৌমাছিকে পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী বলে ঘোষণা দিয়েছিল৷ বাস্তুসংস্থান টিকিয়ে রাখতে দারুণ ভূমিকা রাখে এই প্রাণী৷ ফুলে ফুলে ঘুরে ঘুরে পরাগায়নের মাধ্যমে এবং নতুন জায়গায় বীজ ছড়ানোর মাধ্যমে বিভিন্ন উদ্ভিদ প্রজাতিকে বাঁচিয়ে রেখেছে মৌমাছি৷ এমনকি আমরা যেসব শস্য খাই, সেগুলোর অনেকটিই মৌমাছির ওপর নির্ভরশীল৷
পিঁপড়া: অনেকসময় আমরা পিঁপড়াকে ক্ষতিকর বলে বিবেচনা করি৷ কিন্তু এরা কতোটা গুরুত্বপূর্ণ তা আমরা জানিও না৷ অ্যান্টার্কটিকা ছাড়া পৃথিবীর সব মহাদেশেই রয়েছে এই প্রাণী৷ মাটিতে পুষ্টি ছড়িয়ে দেয়া, বীজ ছড়ানো এবং অন্য প্রাণীর মরদেহ খেয়ে পরিবেশ রক্ষা করার মতো কাজ করে এ প্রাণী৷
ছত্রাক: উদ্ভিদ নাকি প্রাণী, জীবাণু নাকি প্রোটোজোয়া, ছত্রাক নিয়ে প্রায়ই এমন দ্বিধায় ভোগেন বিজ্ঞানীরা৷ এজন্য একে কখনও কখনও ‘পৃথিবীর জীবনের পঞ্চম বিশ্ব’ হিসেবেও বর্ণনা করা হয়৷ পানিতে, মাটিতে, এমনকি বাতাসেও এদের উপস্থিতি দেখা যায়৷ ছত্রাক অনেকটা প্রাকৃতিক পুষ্টি পুনর্ব্যবহারকারী হিসাবে কাজ করে৷ ছত্রাকের কিছু প্রজাতি পারদ জাতীয় ক্ষতিকারক ধাতুও শোষণ করতে পারে, অনেক প্রজাতি এমনকি প্লাস্টিকও হজম করতে পারে৷
ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন: এই অণুজীবগুলি পৃথিবীর জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বোঝানো বেশ সহজ৷ গ্রহের বায়ুমণ্ডলীয় অক্সিজেনের অর্ধেকের বেশি উৎপাদন করে ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন৷ সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্রের খাদ্য শৃঙ্খলার ভিত্তিও এই অণুজীব৷
বাদুড়: কলা, বাওবাব গাছ আর টাকিলা- এই তিনটির মধ্যে কোনো মিল খুঁজে পান? এই সবকটিই পরাগায়ন এবং কীটের আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য বাদুড়ের উপর নির্ভরশীল৷ একেক প্রজাতির বাদুড় একেকটি ফসলের ফলন অব্যাহত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে৷ প্রতি বছর পোকা খেয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে কীট দমন করে বাদুড়, ফলে বেঁচে যায় কয়েক মিলিয়ন ডলার৷ শক্তিশালী বাস্তুতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি এই প্রাণী৷
কেঁচো: এই প্রাণীকে অনেকে বাস্তুতন্ত্রের প্রকৌশলী হিসেবেও অভিহিত করেন৷ মাটি খুঁড়ে চলাচলের মাধ্যমে প্রাকৃতিক হালচাষের কাজ করে এ প্রাণী৷ তবে সঠিক পরিবেশের অভাবে বর্তমানে বেশ হুমকির মধ্যে রয়েছে এ প্রাণী৷
প্রাইমেট: প্রাণীজগতে মানুষের সবচেয়ে নিকট আত্মীয় এই প্রাইমেটরা৷ গ্রীষ্মমণ্ডলের নানা বনাঞ্চলে নানা উদ্ভিদের বীজ ছড়িয়ে দিয়ে প্রাকৃতিক বনায়নে সহায়তা করে প্রাইমেট৷
প্রবাল: প্রবালকে সমুদ্রের রেনফরেস্ট বলে আখ্যা দেয়া হয়৷ উপকূল রক্ষা, নতুন নতুন ভূমি গড়ে তুলে নতুন বাস্তুসংস্থান তৈরি করা, এমন নানা ভূমিকা পালন করে প্রবাল৷ মোট সামুদ্রিক জীবের চার ভাগের এক ভাগ খাবারের জন্য নানাভাবে প্রবালের ওপর নির্ভর করে বলে ধারণা বিজ্ঞানীদের৷
সংক্ষেপে দেখুনচাঁদকে ঘিরে এখনও অনেক রহস্য? সত্যি কি?
চাঁদকে ঘিরে এখনও অনেক রহস্য। পৃথিবীর এই উপগ্রহটি সম্পর্কে শোনা যায় নানা কথা। অনেক রোমান্টিক নামও আছে তার-ব্লু মুন, ক্রিসেন্ট মুন, ফুল মুন ইত্যাদি ইত্যাদি। রাতের আকাশে খালি চোখে দেখা এই উপগ্রহটি সম্পর্কে এখানে কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো: ১. চাঁদ গোলাকার নয়: চাঁদের আকৃতি আসলে ডিমের মতো। আপনি যখন এর দিকেবিস্তারিত পড়ুন
চাঁদকে ঘিরে এখনও অনেক রহস্য। পৃথিবীর এই উপগ্রহটি সম্পর্কে শোনা যায় নানা কথা। অনেক রোমান্টিক নামও আছে তার-ব্লু মুন, ক্রিসেন্ট মুন, ফুল মুন ইত্যাদি ইত্যাদি। রাতের আকাশে খালি চোখে দেখা এই উপগ্রহটি সম্পর্কে এখানে কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো:
১. চাঁদ গোলাকার নয়: চাঁদের আকৃতি আসলে ডিমের মতো। আপনি যখন এর দিকে তাকান তখন কিন্তু এর ছোট দুই প্রান্তের কোন একটিকে দেখতে পান। চাঁদের ভরের কেন্দ্র ঠিক এর জ্যামিতিক কেন্দ্রে অবস্থিত নয়। এটি জ্যামিতিক কেন্দ্র থেকে ১ দশমিক ২ মাইল দূরে।
২. সবসময় আমরা চাঁদের পুরোটা দেখতে পাই না: আমরা যখন চাঁদের দিকে তাকাই তখন এর ৫৯ শতাংশ দেখতে পাই। পৃথিবী থেকে চাঁদের বাকি ৪১ শতাংশ কখনোই দেখা যায় না। আপনি যদি এই তথ্য বিশ্বাস না করেন এবং এটা সত্য কিনা সেটা যাচাই করে দেখতে চাঁদের লুকিয়ে থাকা ওই ৪১ শতাংশের উপরে গিয়ে দাঁড়ান তাহলে কিন্তু সেখান থেকে আপনি এই পৃথিবীকে দেখতে পাবেন না।
৩. ব্লু মুন হয়েছে আগ্নেয়গিরি কারণে: ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্নুৎপাতের পর ১৮৮৩ সালে ‘ব্লু মুন’ পরিভাষার জন্ম হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। সেসময় অগ্নুৎপাতের ফলে বায়ুমণ্ডলে এতো বেশি ধুলো ও ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়েছিল যে মানুষ যখন পৃথিবী থেকে চাঁদের থেকে তাকিয়েছিল তখন তাকে দেখতে নীল মনে হয়েছিল। আর এ থেকেই তৈরি হয়েছে ‘ওয়ান্স ইন এ ব্লু মুন’ কথাটি। বিরল কোন ঘটনা বলতে এই বাক্যটি ব্যবহার করা হয়।
৪. চাঁদকে উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা: যুক্তরাষ্ট্র একবার সত্যিই সত্যিই চাঁদের উপর পারমানবিক বোমার বিস্ফোরণের কথা চিন্তা করেছিল। উদ্দেশ্য ছিল এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি প্রদর্শন করা। বিশেষ করে রাশিয়াকে ভয় দেখানো। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার অত্যন্ত গোপনীয় এই পরিকল্পনার নাম ছিল ‘এ স্টাডি অফ লুনার রিসার্চ ফ্লাইটস’ অথবা ‘প্রজেক্ট এ১১৯।’
৫. ড্রাগনের কারণেই গ্রহণের ঘটনা: সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝে চাঁদ এসে পড়লে অথবা সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে চাঁদ এসে দাঁড়ালে তখন সূর্য বা চাঁদের আলো সাময়িকভাবে ম্লান হয়ে যায়। একে বলা হয় চন্দ্রগ্রহণ কিম্বা সূর্যগ্রহণ। একটি প্রাচীন চীনা বিশ্বাস হচ্ছে- একটি ড্রাগন যখন সূর্যকে গিলে খেয়ে ফেলে তখন সূর্যগ্রহণ হয়। তখন চীনারা তাদের পক্ষে যতোটা সম্ভব আওয়াজ সৃষ্টি করতে থাকে যাতে ড্রাগনটি ভয় পেয়ে দূরে চলে যায়। চীনারা একসময় আরো বিশ্বাস করতো যে চাঁদের গর্তের ভেতরে একটি বিশাল আকৃতির ব্যাঙ বসবাস করতো। চারশো কোটি বছর আগে মহাকাশ থেকে ছুটে যাওয়া একটি পাথর চাঁদকে আঘাত করলে ওই গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল।
৬. চাঁদের কারণে পৃথিবীর গতি ধীর হয়: চাঁদ যখন পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে চলে আসে, তখন জোয়ারের সৃষ্টি হয়। নতুন কিম্বা ফুল মুনের পরপরই এরকম হয়ে থাকে। তখন পৃথিবীর ঘূর্ণন শক্তিও চাঁদ চুরি করে নেয়। আর সেকারণে পৃথিবীর গতিও প্রতি ১০০ বছরে প্রায় ১ দশমিক ৫ মিলি-সেকেন্ড করে শ্লথ হয়ে যাচ্ছে।
৭. চাঁদের আলো: সূর্য একটি পূর্ণ চাঁদের চেয়েও ১৪ গুণ মাত্রায় বেশি উজ্জ্বল। সূর্যের মতো সমান উজ্জ্বলতায় জ্বলতে হলে প্রায় চার লাখ পূর্ণ চাঁদের প্রয়োজন। চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ যখন পৃথিবীর ছায়ার ভেতরে চলে যায় তখন চন্দ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা দেড় ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে ৫০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটও কমে যেতে পারে।
৮. লিওনার্দো দা ভিঞ্চি বুঝেছিলেন ক্রিসেন্ট কি জিনিস: চাঁদকে আমরা যখন ক্রিসেন্টের আকারে বা অর্ধচন্দ্রাকৃতির মতো দেখি তখন আমরা চাঁদ থেকে ছিটকে আসা সূর্যের আলোকেই দেখতে পাই। চাঁদের বাকি অংশটা খুব অস্পষ্ট দেখা যায়। সেটাও নির্ভর করে আবহাওয়ার উপরে। শিল্পী লিওনার্দো দা ভিঞ্চিই হলেন প্রথম কোন ব্যক্তি যিনি উপলব্ধি করতে পারছিলেন যে চাঁদ আসলে সঙ্কুচিত ও প্রসারিত হচ্ছে না, বরং এর কিছু অংশ লুকানো থাকে।
৯. চাঁদ পনির দিয়ে তৈরি: চাঁদের আরো অনেক কিছুই আছে যা এখনও আমাদের অজানা। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো ১৯৮৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় এনিয়ে একটি জরিপ চালানো হয়েছিল। তাতে দেখা গেছে জরিপে অংশ নেওয়া লোকজনের ১৩ শতাংশ বিশ্বাস করেন যে চাঁদ চীজ বা পনির দিয়ে তৈরি।
সংক্ষেপে দেখুনFacebook Marketplace : ফেসবুকের মার্কেটপ্লেসে কেনাকাটা করতে গিয়ে প্রতারিত হলে অভিযোগ জানানোর পদ্ধতি কি?
ফেসবুক স্ক্রল করতে করতে ঢুকে পড়েছেন মার্কেটপ্লেসে? মনের মতো একটি সামগ্রী বেছে কিনেও ফেলেছেন? ফেসবুকের মার্কেটপ্লেসে সামগ্রী কিনতে গিয়ে প্রতারিত হয়েছেন? জিনিস কিনতে গিয়ে ভুয়ো বিক্রেতার খপ্পরে পড়ে টাকা খুইয়েছেন? এই পরিস্থিতিতে কী করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না? জেনে নিন কী ভাবে ফেসবুক মার্কেটপ্লেস প্রতারবিস্তারিত পড়ুন
ফেসবুক স্ক্রল করতে করতে ঢুকে পড়েছেন মার্কেটপ্লেসে? মনের মতো একটি সামগ্রী বেছে কিনেও ফেলেছেন? ফেসবুকের মার্কেটপ্লেসে সামগ্রী কিনতে গিয়ে প্রতারিত হয়েছেন? জিনিস কিনতে গিয়ে ভুয়ো বিক্রেতার খপ্পরে পড়ে টাকা খুইয়েছেন? এই পরিস্থিতিতে কী করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না? জেনে নিন কী ভাবে ফেসবুক মার্কেটপ্লেস প্রতারণার জন্য মেটাতে রিপোর্ট করতে পারবেন।
Facebook Marketplace : ফেসবুক মার্কেটপ্লেস।
মার্কেটপ্লেসে প্রতারিত?
এই মার্কেটপ্লেসেই হরেক রকমের সামগ্রী কেনাবেচা করে থাকেন নেটিজেনরা। ফেসবুকের এই অপশনে ক্লিক করলেই চোখের সামনে খুলে যায় নানাবিধ সামগ্রীর সমাহার। জানা গিয়েছে, ফেসবুকের এই মার্কেটপ্লেসে বর্তমানে প্রায় ২৫ কোটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যবহারকারী নিজেদের পণ্য বিক্রির সুযোগ পান।
তবে এখানেই ঘাপটি মেরে লুকিয়ে রয়েছে বিপদের হাতছানি। ফেসবুক যেহেতু বিক্রেতার পরিচয় এবং অন্যান্য তথ্য যাচাই করে না, তাই অনেক সময় মার্কেটপ্লেসে বিভিন্ন ধরণের প্রতারণার ঘটনা ঘটে। মার্কেটপ্লেসে কোনও জিনিস পছন্দ করে কিনতে গিয়ে আপনি যদি প্রতারণার শিকার হন তবে কোথায় এবং কী ভাবে অভিযোগ জানাবেন?
কী ভাবে রিপোর্ট করবেন?
আর এই পদ্ধতিগুলি পর পর যথাযথভাবে মেনে চললেই বিক্রেতার নামে অভিযোগ চলে যাবে মেটার কাছে।
ইউটিউবে কত ভিউতে কত টাকা পাওয়া যায়?
ইউটিউব থেকে আয় করাই কনটেন্ট নির্মাতাদের লক্ষ্য হয়ে থাকে। ইউটিউব থেকে টাকা আয় করতে কত ভিউ-এর প্রয়োজন জানুন। ইউটিউবে প্রতি 1000 ভিউ-তে কত টাকা পাওয়া যায় জেনে নিন। Youtube: ইউটিউব থেকে টাকা আয় করাই বেশির ভাগ কনটেন্ট নির্মাতাদের লক্ষ্য হয়ে থাকে। বর্তমানে অনেকেই Youtube Video থেকে নিজের কেরিয়ার তৈরি করতেবিস্তারিত পড়ুন
ইউটিউব থেকে টাকা আয় করতে কত ভিউ-এর প্রয়োজন?
সাধারণত আপনার ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিয়োর ভিউ 1000 হলেই আয় শুরু হয়। কিন্তু ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিয়োর ভিউ থেকে আয় শুরু করতে আপনার চ্যানেলের অবশ্যই ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে। তবে ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিয়োর থেকে ভালো টাকা আয় করতে হলে কম পক্ষে 100,000 ভিউ-এর প্রয়োজন।
তবে ভিউ ছাড়াও ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে আয় করা সম্ভব। তার জন্য আপনি ভিডিয়োর লিঙ্ক থেকে অন্য জিনিস বিক্রি করতে পারেন।
ইউটিউবে প্রতি 1 হাজার ভিউ-তে কত টাকা পাওয়া যায়?
ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিয়োর ভিউ থেকে আপনার আয় মূলত নির্ভর করে আপনার ভিডিয়োর কনটেন্টের উপর। বস্তুত ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিয়োর 1000 ভিউ-এর উপর 1 ডলার বা 82 টাকা থেকে 25 ডলার বা 2070 টাকা আয় হওয়া সম্ভব।
তথ্য অনুযায়ী ফাইন্যান্স এবং টেক সম্পর্কিত ভিডিয়ো নির্মাতারা ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিয়োর ভিউ-তে অন্যদের থেকে বেশি টাকা আয় করে থাকেন। মূলত এই বিষয় অ্যাডের সুযোগ থাকায় আয় বেশি হয়। এই ভিডিয়ো-তে অ্যাড দিয়ে ইউটিউবেরও লাভ হয়।
কীভাবে ইউটিউব থেকে অর্থ উপার্জন করবেন এবং আপনার ইউটিউব চ্যানেল নগদীকরণ করবেন ?
কিভাবে ইউটিউবে পেমেন্ট পাবেন 1K সাবস্ক্রাইবারে পৌঁছান এবং YouTube পার্টনার প্রোগ্রামের জন্য আবেদন করুন অর্থ উপার্জন করতে ইউটিউবে কত ভিউ লাগে? তাহলে আপনি কখন YouTube এ অর্থ উপার্জন শুরু করবেন? এগিয়ে একটি দীর্ঘ রাস্তা মত শব্দ? একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হয়ে উঠুন ব্র্যান্ড ডিলের মাধ্যমে স্পনসবিস্তারিত পড়ুন
ক্রমবর্ধমান ক্রিয়েটর অর্থনীতি YouTube-এ অর্থ উপার্জনের বিভিন্ন উপায় আবিষ্কার করেছে। যদিও কিছু কৌশলে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের চেয়ে কম প্রবেশের বাধা রয়েছে, দুর্দান্ত বিষয়বস্তু এবং আগ্রহী দর্শক অপরিহার্য।
আপনি যদি আপনার সৃজনশীল দিকটি ব্যবহার করেন এবং অনেক প্রচেষ্টা করতে প্রস্তুত থাকেন তবে আপনি YouTube এ অর্থ উপার্জন করতে সক্ষম হতে পারেন। এখানে বিবেচনা করার জন্য কয়েকটি পন্থা রয়েছে।
কিভাবে ইউটিউবে পেমেন্ট পাবেন
1 হাজার সদস্যের কাছে পৌঁছান এবং YouTube পার্টনার প্রোগ্রামের জন্য আবেদন করুন
একটি অনুমোদিত বিপণনকারী হন
ব্র্যান্ড ডিলের মাধ্যমে স্পনসর করা সামগ্রী তৈরি করুন
আপনার পণ্য বা পণ্যদ্রব্য তৈরি করুন এবং বিক্রি করুন
ঘুরো ক্রাউডফান্ডিং
1K সাবস্ক্রাইবারে পৌঁছান এবং YouTube পার্টনার প্রোগ্রামের জন্য আবেদন করুন
প্রথম এবং সর্বাগ্রে, এর পথ থেকে এটি পেতে যাক. YouTube পার্টনার প্রোগ্রামে যোগদানের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং অংশ হল 1,000 সাবস্ক্রাইবার পাওয়া। তখন বিজ্ঞাপন থেকে আয় করা সম্ভব হয়।
আপনি একজন অংশীদার হওয়ার আগে, আপনাকে অবশ্যই নিম্নলিখিত প্রয়োজনীয়তাগুলি পূরণ করতে হবে:
আপনার ফিল্মগুলিকে অবশ্যই সাইটের বিজ্ঞাপন বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে এবং আগের 4,000 মাসে 12 এরও বেশি বৈধ পাবলিক দেখার ঘন্টা জমা করেছে৷
আপনি একটি যোগ্যতা অবস্থানে বসবাস করতে হবে.
একটি Google AdSense অ্যাকাউন্ট অবশ্যই লিঙ্ক করতে হবে।
একবার আপনি প্রয়োজনীয়তাগুলি পূরণ করলে, আপনার প্রোফাইলে যান এবং “নগদীকরণ” এলাকাটি সন্ধান করুন৷
আপনি বিজ্ঞাপন, সদস্যতা সুবিধা এবং সুপার চ্যাটের মতো পরিষেবা বিক্রি করে অংশীদার হিসাবে অর্থ উপার্জন করতে পারেন, যা ব্যবহারকারীদের তাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য অর্থ প্রদান করতে দেয়।
অর্থ উপার্জন করতে ইউটিউবে কত ভিউ লাগে?
প্রতিটি ভিডিও দেখার জন্য আপনাকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয় না। পরিবর্তে, কেউ আপনার ভিডিওতে একটি বিজ্ঞাপন দেখে বা ক্লিক করলে আপনি অর্থ প্রদান করেন।
ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং হাবের মতে, গড় ইউটিউব চ্যানেল প্রতি 18 বিজ্ঞাপন ভিউ প্রায় $1,000 জেনারেট করতে পারে। বিজ্ঞাপন দেখার হার বিবেচনা করলে প্রতি 3 ভিডিও ভিউ $5 থেকে $1,000 এর সাথে মিলে যায়।
তাহলে আপনি কখন YouTube এ অর্থ উপার্জন শুরু করবেন?
অনুমান করুন যে বিজ্ঞাপনগুলি দেখেছেন এমন দর্শকদের থেকে $1,000 উপার্জন করতে 4 ভিডিও ভিউ লাগে৷ এই বিজ্ঞাপনগুলি থেকে $100 পেতে, আপনার 25,000 ভিডিও ভিউ প্রয়োজন৷ একবার আপনার পরিমাণ $100 হিট হলে, আপনাকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।
আপনার যদি একটি ছোট চ্যানেল থাকে তবে আপনাকে প্রতি কয়েক মাসে অর্থ প্রদান করা যেতে পারে। আপনার আরও বোঝা উচিত যে Google, যেটি AdSense পেমেন্ট পরিচালনা করে, কীভাবে ট্যাক্স নেয়।
এগিয়ে একটি দীর্ঘ রাস্তা মত শব্দ?
1,000 সাবস্ক্রাইবার ছুঁয়ে যাওয়ার আগে উপার্জন করার বিকল্প উপায় নিচে দেওয়া হল।
একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হয়ে উঠুন
আপনি যদি পণ্য পর্যালোচনা ভিডিও প্রকাশ করতে চান তবে আপনার YouTube দর্শকদের নগদীকরণের জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সবচেয়ে ব্যবহারিক পদ্ধতি হতে পারে। এটা এভাবে কাজ করে:
আপনি একটি ফার্ম বা বিক্রেতা দ্বারা পরিচালিত একটি অনুমোদিত প্রোগ্রামে যোগদানের জন্য আবেদন করেন, যেমন মর্দানী স্ত্রীলোক সহযোগী।
একবার আপনি গৃহীত হয়ে গেলে আপনি আপনার চলচ্চিত্রগুলিতে প্রদর্শন করতে চান এমন পণ্যগুলির নির্দিষ্ট লিঙ্ক তৈরি করতে আপনি তাদের প্রক্রিয়াটি ব্যবহার করবেন।
আপনার YouTube ভিডিওগুলিতে, পণ্যগুলি প্রদর্শন করুন, মূল্যায়ন করুন বা উল্লেখ করুন এবং আপনি আপলোড করার সময় বর্ণনা বিভাগে আপনার ব্যক্তিগতকৃত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং লিঙ্ক(গুলি) পেস্ট করুন৷
যখন একজন দর্শক আপনার অনন্য লিঙ্কে ক্লিক করে এবং একটি পণ্য ক্রয় করে, আপনি একটি ব্র্যান্ড অ্যাফিলিয়েট হিসাবে একটি কমিশন পাবেন।
ব্র্যান্ড ডিলের মাধ্যমে স্পনসর করা সামগ্রী তৈরি করুন
YouTube-এ অর্থোপার্জনের আরেকটি পদ্ধতি হল একটি ব্র্যান্ড অংশীদারিত্ব তৈরি করা, যা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মতো: আপনার শ্রোতাদের প্রতি আগ্রহী কোম্পানিগুলি আপনার ভিডিওগুলিকে স্পনসর করতে পারে বা একটি চিৎকারের বিনিময়ে পণ্য প্লেসমেন্ট ডিল অফার করতে পারে৷
এখানে কীওয়ার্ডটি হল “শ্রোতা” যা পরামর্শ দেয় যে এই সুযোগগুলি নিজেরাই অফার করার সম্ভাবনা বেশি থাকে যখন আপনি অনুসরণ করেন। আপনার চ্যানেল প্রসারিত হওয়ার সাথে সাথে, আপনি সরাসরি ব্র্যান্ডগুলির সাথে যোগাযোগ করতে পারেন বা আপনার সামগ্রী শৈলীর পরিপূরক কর্পোরেট অংশীদারদের আবিষ্কার করতে উপরে উল্লিখিত বিপণন প্ল্যাটফর্মগুলির মতো সংস্থানগুলি ব্যবহার করতে পারেন৷
আপনি একমুঠো অর্থপ্রদান পেতে পারেন, প্রতি-বিক্রয় ভিত্তিতে কমিশন উপার্জন করতে পারেন, বা ব্র্যান্ড ডিসকাউন্ট সহ বিনামূল্যে পণ্য বা পরিষেবা পেতে পারেন।
আপনার পণ্য বা পণ্যদ্রব্য তৈরি করুন এবং বিক্রি করুন
আপনার যদি পণ্যদ্রব্য বা এমন একটি পরিষেবা থাকে যা আপনার দর্শকরা আগ্রহী হবে, তাদের সে সম্পর্কে বলুন এবং আপনার ভিডিওগুলিতে লিঙ্কগুলি অন্তর্ভুক্ত করুন৷
একটি শারীরিক পণ্য অফার করার জন্য আপনাকে উপকরণ কিনতে বা একজন প্রস্তুতকারক নিয়োগ করতে হতে পারে, তবে আপনি এটিও করতে পারেন বিক্রি করা ই-বুক, আর্ট প্রিন্ট বা ভার্চুয়াল ক্লাসের মতো ডাউনলোডযোগ্য। আপনার পণ্যের বিজ্ঞাপন দেওয়ার আগে, নিশ্চিত হন যে আপনার কাছে একটি নিরাপদ অর্থপ্রদানের ব্যবস্থা আছে।
যদিও আপনার পণ্য উৎপাদন করা অন্যান্য কোম্পানির পিচিংয়ের চেয়ে জটিল, আপনি এইভাবে আরও বেশি অর্থ উপার্জন করতে সক্ষম হতে পারেন কারণ আপনি পণ্যের মালিক হিসাবে আয়ের বেশিরভাগই রাখবেন।
ক্রাউডফান্ডিং–এ যান
আপনার চ্যানেল নগদীকরণের আরেকটি উপায় হল ক্রাউডসোর্সিং। পুনরাবৃত্ত এবং প্রকল্প-ভিত্তিক ক্রাউডফান্ডিং হল দুটি সবচেয়ে সাধারণ ধরনের ক্রাউডফান্ডিং। ট্র্যাকের অনুরাগীরা বিশেষাধিকারের জন্য একটি ছোট সদস্যতার মূল্য এবং প্রথমটিতে অ্যাক্সেসের একচেটিয়া স্তর প্রদান করে, যা বিষয়বস্তু নির্মাতাদের জন্য আরও উপযুক্ত।
আরও সাবস্ক্রিপশন আপনার পকেটে আরও অর্থের সমান। দর্শকরা একের পর এক ভিডিও কথোপকথন, বিশেষ ক্লাস বা পণ্যের মতো প্রণোদনা দিয়ে সাইন আপ করতে প্রলুব্ধ হতে পারে।
একটি প্রকল্প-ভিত্তিক ক্রাউডফান্ডিং প্রচারাভিযান হল একটি উপায় যা আপনার যদি এমন একটি প্রকল্পের জন্য ধারণা থাকে যার জন্য অর্থায়ন প্রয়োজন।
একটি শ্রোতা উপার্জন, এবং দীর্ঘ সময়ে আরো উপার্জন
YouTube প্রত্যেকের জন্য সুযোগ প্রদান করে, কিন্তু এটি একটি দ্রুত ধনী হওয়ার স্কিম নয়। YouTube-এ অর্থ উপার্জনের জন্য সময়, প্রচেষ্টা এবং একজন নিবেদিত শ্রোতা জড়িত। সুসংবাদ হল যে কিছুটা ইচ্ছা এবং পরিশ্রমের মাধ্যমে, আপনি লোভনীয় 1,000-সাবস্ক্রাইবার চিহ্নে পৌঁছানোর আগে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।
আপনি শুরু করার সাথে সাথে নিম্নলিখিত পরামর্শগুলি মনে রাখবেন:
সংক্ষেপে দেখুনএটা কি সত্য যে চাঁদ পৃথিবী থেকে আরও দূরে চলে যাচ্ছে?
পৃথিবী থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে চাঁদ। তবে চাঁদের সরে যাওয়ার গতি এতটাই কম যে এখন পৃথিবীবাসীর পক্ষে সেটা আঁচ করা সম্ভব নয়। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন, কয়েক বছর পর পৃথিবী থেকে চাঁদকে আর দেখাই যাবে না। সম্প্রতি একটি স্টাডি-র পর এমনই জানিয়েছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীদের একটি দল। দ্য অটলান্টিক-এর রিপোর্ট বলছে, বিবিস্তারিত পড়ুন
পৃথিবী থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে চাঁদ। তবে চাঁদের সরে যাওয়ার গতি এতটাই কম যে এখন পৃথিবীবাসীর পক্ষে সেটা আঁচ করা সম্ভব নয়। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন, কয়েক বছর পর পৃথিবী থেকে চাঁদকে আর দেখাই যাবে না। সম্প্রতি একটি স্টাডি-র পর এমনই জানিয়েছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীদের একটি দল।
দ্য অটলান্টিক-এর রিপোর্ট বলছে, বিজ্ঞানীরা বিমিং লেজার্স-এর সাহায্যে লুনার রিট্রিট মেপেছেন। আর তাতেই ধরা পড়েছে, প্রতি বছর একটু একটু করে পৃথিবী থেকে দূরে চলে যাচ্ছে চাঁদ। বিজ্ঞানীদের মতে, সাড়ে চার কোটি বছর আগে চাঁদের উত্পত্তি। সেই সময় পৃথিবীর অনেক কাছে ছিল চাঁদ। এখন থেকে ১০ গুণ বেশি গতিতে সেই সময় চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করত। ফলে দিন হত মাত্র চার ঘণ্টার। পৃথিবীতে বাকি সময় রাত থাকত।
বিজ্ঞানীরা আরও জানিয়েছেন, উত্পত্তির পর থেকে চাঁদ প্রচণ্ড গরম থাকত। ফলে লাল গ্রহের মতো জ্বলজ্বল করত। একটা সময় পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে চাঁদ কাছাকাছি আসে। তার পর পৃথিবীর চারপাশে ঘুরতে শুরু করে।
বিজ্ঞানীদের মতে, এখন অন্য গ্রহ চাঁদকে আকর্ষণ করছে। সেই গ্রহের আকর্ষণ শক্তি পৃথিবীর তুলনায় বেশি। ফলে প্রতি বছর প্রায় আট ইঞ্চি করে করে পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে চাঁদ। যার জেরে চাঁদে বেশ কিছু ঘটনাও ঘটছে। তার মধ্যে প্রধান হল উল্কাবর্ষণ। চাঁদের এই পরিবর্তন পৃথিবীর আবহাওয়াতেও প্রভাব ফেলছে।
স্টাডি থেকে জানা গিয়েছে, গত ক.য়েক বছরে চাঁদের সরে যাওয়ার গতিতেও পরিবর্তন হয়েছে। তা ছাড়া পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করার ক্ষেত্রে চাঁদের গতিও আগের থেকে কমেছে। ফলে দিনের মেয়াদ বাড়ছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, প্রায় ৬০০ মিলিয়ন বছর পর পৃথিবী থেকে চাঁদকে আর দেখা যাবে না। চাঁদ তখন পৃথিবীর কাছে একটি দূরের তারা হয়ে থাকবে। খালি চোখে চাঁদের সৌন্দর্য আর দেখাই হয়তো যাবে না।